BigyanPriyo
2.27K subscribers
586 photos
145 links
A digital resource library, BigyanPriyo focuses on inclusive and sustainable quality science education in Bangladesh run by an army of engaged youth.
Download Telegram
মরভূমির বিস্তার ঠেকাতে ৪৮ বছর ধরে ৬৬ বিলিয়নেরও বেশি গাছ লাগিয়েছে চীন। স্বাভাবিক গাছের তুলনায় অস্বাভাবিক দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে সে গাছ।

চীনের এই গ্রেট গ্রিন ওয়ালের কাজ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে। লক্ষ্য গোবি এবং তাকলামাকান মরুভূমির বিস্তার ধীর করা। ২০৫০ সালের মধ্যে আরও ৩৪ বিলিয়ন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা সরকারের।

গবেষণায় দেখা গেছে, রোপণ করা গাছগুলো প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং প্রাকৃতিক গাছের তুলনায় এদের পাতার ক্ষেত্রফল ৬৬ শতাংশ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

গবেষকরা এখনো জানেন না এই গাছগুলো প্রাকৃতিক গাছ থেকে ঠিক কীভাবে আলাদা। তবে একটি নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর পর থেকেই রোপিত গাছগুলোর বৃদ্ধি কমতে শুরু হয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সে এগুলোর বৃদ্ধি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং তারপর কমতে থাকে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
3👏1
নারীর কান্নার ঘ্রাণে পুরুষের আগ্রাসী মনোভাব অন্তত ৪৪ শতাংশ কমে আসে। গবেষণাটি প্রকাশ করেছে পিএলওএস বায়োলজি। এতে বলা হয়েছে, পুরুষের মস্তিষ্কের যে অংশটি তাকে আক্রমণাত্মক করে তোলে, নারীর কান্নার ঘ্রাণ সেই অংশকে দুর্বল করে দেয়।

স্তন্যপায়ী প্রাণীর গবেষণায় দেখা গেছে, চোখের জলে যে রাসায়নিক থাকে, তা সামাজিক সংকেত হিসেবে কাজ করে। আর এর প্রভাবটাও খুব প্রখর। পুরুষ ইঁদুরের অশ্রুতে এমন একটি রাসায়নিক থাকে, যা নারী ইঁদুরকে যৌনতার প্রতি আরো আগ্রহী করে তোলে। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা ইঁদুরের গর্ভপাতও হতে পারে। অবশ্য, বাবা ইঁদুরের অশ্রুতে এমনটা ঘটবে না। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
👍41
৭৬ বছরে সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসে হ্যালির ধূমকেতু। গত ৩৮ বছর যাবত ধূমকেতুটি পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল, কিন্তু সম্প্রতি এটি আবারও পৃথিবীর দিকে ফিরছে।

কোনো বিপর্যয় না ঘটলে ২০৬১ সাল নাগাদ পৃথিবীর আকাশে আবার দৃশ্যমান হবে হ্যালির ধূমকেতু।

শেষবার এটি সূর্যের কাছাকাছি অর্থাৎ পেরিহেলিওন পর্যন্ত এসেছিল ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ সালে। ২০০৩ সালের পর থেকে ধূমকেতুটি আর খালি চোখে দেখতে পাননি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এখনও এর ওপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
4
মালি একটি এশীয় প্রজাতির নারী হাতি। ১৯৯০ সালে তার একমাত্র সঙ্গী শিবার মৃত্যুর পর মালি একা হয়ে যায়। এরপর থেকেই বিষণ্ণতার লক্ষণ দেখা যায় এর আচরণে।

১৯৭৭ সালে প্রথম যখন শিবার সাথে মালিকে রাখা হয়, শিবা মালিকে বন্ধু হিসেবে মেনে নেয়নি। বরং সুযোগ পেলেই গায়ে আঘাত করত। কিন্তু পরবর্তীতে একে অপরের সর্বক্ষণের সাথী হয়ে যায় এরা।

৯০ এর পর থেকে মালির দেহে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার ধরা পড়ে। যার ফলে কিডনি, লিভার এবং জরায়ুতে দেখা দেয় জটিলতা। মৃত্যুর আগে মালিকে ঘনঘন শুঁড় দিয়ে দেয়ালে আঘাত করতে দেখা যেত। প্রচণ্ড ব্যথা ও যন্ত্রণায় হাতি এই আচরণ করে।

চার দশক ধরে ফিলিপাইনের ম্যানিলা চিড়িয়াখানায় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মালি। ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর মারা যায় সে।

প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনের শেষ সময়গুলোতে মালির আচরণে মুক্তির আকুতি স্পষ্ট ছিল। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের অবহেলা এবং মালি স্থানান্তরের ধকল সইতে পারবে না— এমন যুক্তির কারণে তাকে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
👍21
৩৩ পাতার এই গবেষণাপত্রের ২৪ পাতাই লেগেছে শুধু অথরের নাম লিখতে।

বিশ্বব্যাপী ১২টি ইনস্টিটিউটের ৫১৫৪ জন গবেষকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০১৫ সালে হিগস-বোসন কণার নিখুঁত ভর বের করা সম্ভব হয়। গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয় সংশ্লিষ্ট রিসার্চপেপারটি লেটেস্ট ভার্সনটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন বোস এবং এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটার হিগসের নামানুসারে হিগস-বোসন কণার ভর বের করা ছিল দুঃসাধ্য কাজ। কেননা এই কণার স্থায়িত্বই মাত্র ১০-২২ সেকেন্ড!

সম্প্রতি লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে এই কণার নিখুঁত ভর বের করা হয়, যার পেছনে শ্রম দিয়েছেন ৫১৫৪ বিজ্ঞানী। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
👍2
রীতিমতো স্পিকার চালিয়ে ভিক্ষা করছিল রোবটটি!

চীনের সিচুয়ান প্রদেশে চেংদু শহরের একটি ফুটপাতে হাঁটু গেড়ে বসে হাতজোড় করে সাহায্য চাইছে একটি অত্যাধুনিক হিউম্যানওয়েড রোবট।

তার দাবি, নিজের ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার মতো অর্থ নেই। তাই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এটি বারবার মাথা নিচু করে অনুনয়ের ভঙ্গি করছিল। পাশে রাখা ছিল একটি ছোট অনুদানের পাত্র এবং ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য একটি কিউআর কোড।

একই সঙ্গে একটি এলইডি ডিসপ্লে ও লাউডস্পিকারে চীনা ভাষায় প্রচার করা হচ্ছিল, 'রিচার্জ করার মতো কোনো টাকা নেই, দয়া করে বিদ্যুৎ বিল দিতে সাহায্য করুন।'

রোবটটি চীনা রোবোটিকস প্রতিষ্ঠান ইউনিট্রি-এর তৈরি ইউনিট্রি জি১ (Unitree G1) মডেলের হিউম্যানয়েড রোবট। চলতি বছরের শুরুতে একই মডেলের একটি রোবট ইকুয়েডরের চিম্বোরাজো আগ্নেয়গিরীতে সফলভাবে আরোহণ করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
🔥3
ডেজিয়া টেলর মাত্র ১৭ বছর বয়সে উদ্ভাবন করেন এটি!

আমেরিকার আইওয়া সিটির হাইস্কুল শিক্ষার্থী এমন এক বিশেষ সার্জিক্যাল সেলাইয়ের সুতা তৈরি করেছে, যা অপারেশনের পর ক্ষতস্থানে কোনো ইনফেকশন হলে নিজে থেকেই রঙ পরিবর্তন করে তা জানিয়ে দেয়।

সুতাটি তৈরি হয়েছে বিটের রস ব্যবহার করে।

মানুষের ত্বকের পিএইচ থাকে কিছুটা অম্লীয় বা অ্যাসিডিক (pH 5)। কিন্তু ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে সে স্থানের পিএইচ বেড়ে ক্ষারীয় হয়ে যায়। বিটের রশ পিএইচ পরিবর্তনের সাথে রঙ বদলায়। এই সূত্রই ব্যবহার করেছেন ডেজিয়া।

এই প্রজেক্টের জন্য ডেজিয়া আমেরিকার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা Regeneron Science Talent Search-এর সেরা ৪০ জন ফাইনালিস্টের একজন নির্বাচিত হয়। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
🥰4
রানওয়ে ছাড়াই হেলিকপ্টারের মতো যাত্রীবাহী বিমানও সোজাসুজি উঠে যাবে আকাশে— এমন একটি হাইড্রোজেইন চালিত ইলেকট্রিক উদ্ভাবনী বিমান ডিজাইন করেছে সুইজারল্যান্ডের সিরিয়াস অ্যাভিয়েশন।

এক্সটেরিয়র-ইন্টেরিয়র লুক এবং অ্যারোডাইনামিকস ডিজাইন করেছে বিএমডব্লিউ এবং সউবার গ্রুপ।

দ্য সিরিয়াস জেট নামের এই বিমানটির দুটো টাইপ থাকবে। সিরিয়াস বিজনেস জেট, যার ফ্লাইট-রেঞ্জ ১,১৫০ মাইল এবং সিরিয়াস মিলেনিয়াম জেট, যার ফ্লাইট-রেঞ্জ ৬৫০ মাইল।

২০২৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার কথা থাকলেও সিরিয়াস অ্যাভিয়েশন সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর হওয়ায় বিমানটি বাজারে আসতে আরও কয়েক বছর লেগে যাবে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
🔥1
সমুদ্রের নিচে সদ্য আবিষ্কৃত এক নতুন প্রজাতির সামুদ্রিক শামুকের নাম রাখা হয়েছে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার নামে।

ক্যারিবীয় সাগরে লাল রঙের ছোট এই মোলাস্ক বা কম্বোজ গোত্রীয় প্রাণীটি আবিষ্কার করেছেন জীববিজ্ঞানী হেসুস ওর্তেয়া। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষকের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি প্রাণীটির বৈজ্ঞানিক নাম রেখেছেন ‘আলদিসা ভোজিনিয়া’।

বিজ্ঞানের সঙ্গে ফুটবলের এই ভালোবাসাকে মেলানোর কাজ ওর্তেয়া এবারই প্রথম করলেন না। এর আগেও তিনি কোস্টারিকায় আবিষ্কৃত একটি প্রাণীর নামকরণ করেছিলেন দেশটির সাবেক গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের নামে, যিনি রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির মতো ক্লাবে খেলেছেন।

এ ছাড়া স্প্যানিশ ক্লাব স্পোর্টিং গিহনের জার্সির রঙের সঙ্গে মিল থাকা একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর নাম তিনি রেখেছিলেন ক্লাবটির সাবেক স্ট্রাইকার কিনির নামে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
🔥2
আবার জন্মহার বাড়ছে বাংলাদেশে!

২০১৯ সালে বাংলাদেশের জন্মহার ছিল ২.৩, যা ২০২৫ এ বেড়ে হয়েছে ২.৪। ইতোপূর্বে গড়ে ১০ জন নারী জন্ম দিতেন ২৩টি সন্তান। বর্তমানে সে সংখ্যাটা ২৪।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং ইউনিসেফ যৌথভাবে এই জরিপটি করে থাকে। সার্ভেটির নাম মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে।

এদিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বাকী দেশগুলোর চিত্র উলটো। পাকিস্তানে এখনো এ হার সবচেয়ে বেশি হলেও তা কমতির দিকে। একই চিত্র ভারতেও।
সংখ্যাটি শতাংশের হিসাবে সংখ্যাটি ছোট মনে হলেও বাস্তবে অতিরিক্ত জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা অনেক বড়। এতে কর্মক্ষম মানুষের তুলনায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়বে, যা অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।

তাছাড়া এতে মা ও শিশু চিকিৎসা খরচ বাড়বে। দারিদ্রতা সৃষ্টি হবে। বাড়বে মাতৃমৃত্যু, অসুস্থতা এবং শিশু অপুষ্টির ঝুঁকিও। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
3😢3😁2
পিতা-মাতা যদি গণিত ভয় পান, সন্তানেরও গণিত দক্ষতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অদ্ভুতভাবে মায়েরগণিতভীতি বেশি প্রভাবিত করে মেয়ে সন্তানকে এবং পিতার গণিতভীতি প্রভাবিত করে ছেলে সন্তানকে। এর সঠিক কারণ এখনও সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

গবেষকদের মতে, এর পেছনে জিনগত কারণের চেয়ে বেশি ভূমিকা সামাজিক অনুকরণ। যখন একজন মা কথায় প্রকাশ করেন তিনি গণিতে দুর্বল, মেয়ের অবচেতন মন ধরে নেয় মেয়েরা হয়ত স্বাভাবিকভাবেই গণিতে দুর্বল হয়। একই ঘটনা ঘটে পিতা ও ছেলের ক্ষেত্রেও।

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টে ২৭৪ জন ব্যক্তির ওপর পরীক্ষা করে তথ্যটি দেন লিভারপুল জন মুরস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফিওনা সাইমনস। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
3🤯3
বঙ্গোপসাগরে একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে আঘাত হানা এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫। এর প্রভাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভারতের ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস (ইনকয়েস) জানিয়েছে, রোববার ভোরে বঙ্গোপসাগরে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। এর প্রভাবে বিশাখাপত্তনম শহরের বিভিন্ন এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
👍2😱1😨1
অভিনন্দন বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক MATE ROV Competition 2026 World চ্যাম্পিয়নশিপে ১৮টি দেশের ৮৬ বিশ্ববিদ্যালয়কে হারিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির টিম MIST Mavirov।

কানাডার সেন্ট জনসে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় এমআইটি ও অক্সফোর্ডের শিক্ষার্থীদের টিমকে টেক্কা দিয়ে নিজেদের অসাধারণ প্রকৌশল দক্ষতা টিমওয়ার্কের জোরে চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি ছিনিয়ে এনেছে বাংলাদেশের সন্তানেরা। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
10
দীর্ঘমেয়াদে চাঁদে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরী গড়ে তুলতে চান ইলন মাস্ক। সেখানে মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে, আবার পর্যটক হিসেবেও যেতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মাস্ক বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে চাঁদে 'দশ হাজার বা তারও বেশি' মানুষ পাঠাবেন তারা।

দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে একজন নভোচারীকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে স্পেসএক্সের। এরপর ধাপে ধাপে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষও চাইলে চাঁদ ও মঙ্গলে ভ্রমণ করতে পারেন। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
👏1😁1
সুইডেনের লিঙ্কোপিং ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা সম্পূর্ণ কাঠের তৈরি বিশ্বের প্রথম সচল ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করেছেন। যা আমাদের প্রথাগত সিলিকন-ভিত্তিক ইলেকট্রনিক্সের ধারণাকে বদলে দিতে যাচ্ছে।

খুব হালকা ‘বালসা কাঠ’ থেকে লিগনিন অপসারণ করে, তার ফাঁপা চ্যানেলগুলোতে বিশেষ বিদ্যুৎ-পরিবাহী পলিমার যুক্ত করে এই ট্রানজিস্টরটি তৈরি করা হয়েছে।

তবে এই কাঠের ট্রানজিস্টর বর্তমান স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য তৈরি হয়নি। এটি আকারে বড় এবং গতিতে কিছুটা ধীর।

এর গুরুত্ব হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা। বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-ওয়েস্টের যে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে, এই পচনশীল ও পরিবেশবান্ধব ট্রানজিস্টর তা দূর করতে একটি বড় মাইলফলক। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
👌1
গর্ভে সাত মাস বয়সেই মায়ের মুখের ভাষা শিখতে শুরু করে শিশু। মায়ের কণ্ঠও এই সময় চিনতে শেখে এরা।

এমনকি শিশুর ভাষা আত্মস্থ করার ক্ষমতাও নির্ভর করে এই সময়ের ওপর। ২০২৩ সালে ফরাসি ভাষায় কথাব বলা ৩৩জন মা ও নবজাতক শিশুর ওপর পরীক্ষা করে এই তথ্য দেন ইতালির ইউনিভার্সিটি অব প্যাডুয়ার গবেষকেরা।

গবেষণাটি Science Advances জার্নালে প্রকাশিত হয়। গবেষণা অনুযায়ী, মা ও বাবা একাধিক ভাষা জানলে সন্তান সে সব ভাষাতেই সহজে দক্ষতা অর্জন করে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
3
ফ্রিল্যান্সিং বাজারে ১৫ শতাংশই বাংলাদেশী!

এআই নিজে থেকে কিছু শেখে না। এআই মডেলের প্রতিটি নির্ভুল উত্তরের পেছনে কাজ করেন একেকজন রক্ত মাংসের মানুষ। যারা এআইয়ের ভুল তথ্য, অগোছালো বা ক্ষতিকর উত্তরগুলোকে সংশোধন করেন, তাঁদের ডেটা অ্যানোটেটর বলা হয়।

বাংলাদেশের অসংখ্য ফ্রিল্যান্সার ডেটা অ্যানোটেটর হিসেবে কাজ করছেন। তাঁরা মূলত এআই মডেলগুলো পরীক্ষা করেন (যাকে রেড-টিমিং বলা হয়), ডেটা লেবেলিং করেন, ছবি ও অডিও ট্যাগিং করেন এবং চ্যাটবটের উত্তরগুলোর মান নির্ধারণ করেন।

আপওয়ার্ক, ফাইভারসহ বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের প্রায় ১৫ শতাংশই বাংলাদেশী। খুব কম পারিশ্রমিকে কাজ করেন বলে মার্কেটপ্লেসে তাঁরা সমাদৃত।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৭২৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা) রেমিট্যান্স যোগ করেছেন বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা।
২০২৩ সালের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেলসি হ্যাচার নামের এক নারী তাঁর এই বিরল ও আশ্চর্যজনক মাতৃত্বের কারণে বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছিলেন।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাসপাতালে আলট্রাসাউন্ড করাতে এসে তিনি দেখেন তাঁর দুটো জরায়ুতে দুটো সন্তান বেড়ে উঠছে। ১৭ বছর বয়সে প্রথম জানতে পারেন তাঁর দুটো জরায়ু রয়েছে।

একই দেহে দুটো জরায়ু থাকাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘ইউটেরাস ডিডেলফিস’। বিশ্বে ০.৩% নারীর ক্ষেত্রে এটি দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে একজন কেলসি হ্যাচার। মাতৃত্ব সত্যিই অনন্যসুন্দর। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
দেশের ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

প্রচলিত বাজারমূল্যের অর্ধেকেরও কম ট্যারিফে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইউজিসি এই উদ্যোগ নিয়েছে।

ইতোমধ্যে ৪৭টি পাবলিক এবং একটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সমীক্ষায় ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতে অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ সক্ষমতা প্রায় ৬০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা সম্ভব হবে।

ইউজিসির চেয়ারম্যান জানান, ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বসানো হবে। রক্ষণাবেক্ষণ করবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ওপর। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু ব্যবহৃত বিদ্যুতের মূল্য পরিশোধ করবে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
🔥2
দেশেই তৈরি হলো মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর।

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি স্বল্পমূল্যের শ্বাসপ্রশ্বাস যন্ত্র বা ভেন্টিলেটর 'ভেন্টাস' সফল হয়েছে ক্লিনিকাল ট্রায়ালে।

জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের আইসিইউতে এই ট্রায়াল পরিচালনা করা হয়।

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের আইসিইউ কনসালট্যান্ট ডা. আসিফ উর রহমান, কার্ডিওলজির পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি ডা. সিফায়েত ইনাম স্বাক্ষর এবং প্রকৌশলী বায়েজিদ শুভ দেশীয় প্রযুক্তিতে ভেন্টিলেটরটি উদ্ভাবন করেন।

রোগীর বৈধ অভিভাবকের পূর্ণ সম্মতি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে রোগীর ওপর যন্ত্রটির ক্লিনিক্যাল কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।

প্রাথমিক পরীক্ষায় স্বল্পমূল্যের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি 'ভেন্টাস' প্রত্যাশিতভাবে রোগীকে শ্বাসপ্রশ্বাসে কার্যকর সহায়তা দিতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।
3