জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
10 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
PRP অর্থাৎ Platelet Rich Plasma-তে রোগীর নিজের রক্ত নিয়ে সেন্ট্রিফিউজ করে স্ক্যাল্পে ইনজেক্ট করা হয়। এটা কার্যকর, কিন্তু একটাই সেশন যথেষ্ট। ডাক্তার শেইলের নিজের গবেষণায় দেখেছেন যে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ সেশনে কোনো বাড়তি ফল আসে না। তবুও ক্লিনিকগুলো বারবার সেশন করায়, কারণ এটা তাদের ব্যবসার জন্য লাভজনক।

আরও ভয়ের কথা হলো, এখন সেলুনেও PRP হচ্ছে! একটা সেলুনের রাজা নামের নাপিত তাকে PRP শেখাতে বলেছিল। কিছুদিন পর শুনলেন সেই রাজা একটা হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টারই খুলে ফেলেছে।

সঠিক ডাক্তার চিনবেন কীভাবে? ডাক্তার শেইল বললেন, সেলিব্রিটি এন্ডোর্সমেন্ট দেখে বিচার করবেন না। একজন ক্রিকেটার তার ক্লিনিকের প্রশংসা করে বলছেন সেখানে প্রতি তিন সপ্তাহে ডেকে PRP করানো হয়, কিন্তু সেই ক্রিকেটার বুঝতেই পারছেন না যে ক্লিনিক তাকে ব্যবহার করছে। একবার একটি ক্লিনিকে তিনি দেখলেন সেখানকার ডাক্তারের PhD ছিল হিন্দি বিষয়ে! তাই খুঁজুন doctor-run সেন্টার, বছরের পর বছরের অভিজ্ঞতা এবং সেই ডাক্তার যিনি আপনাকে সত্য কথা বলতে ভয় পান না।

ট্রান্সপ্লান্টের মূল নীতি হলো মাথার পেছনের DHT-resistant চুল সামনের ফাঁকা জায়গায় লাগানো। এই চুলগুলো নতুন জায়গায় গিয়েও আগের জায়গার বৈশিষ্ট্য ধরে রাখে।

FUT বা Follicular Unit Transplant-এ পেছন থেকে একটা স্ট্রিপ কেটে নেওয়া হয়, তারপর মাইক্রোস্কোপের নিচে টেকনিশিয়ানরা একটা একটা করে গ্রাফট আলাদা করে। এতে বেশি গ্রাফট পাওয়া যায়, ডোনার ৩ বার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় এবং Elon Musk এটাই করিয়েছেন।

FUE বা Follicular Unit Extraction-এ একটা একটা করে চুল তুলে লাগানো হয়। এতে বড় কাটার দাগ নেই, কিন্তু ডোনার এলাকায় গর্ত গর্ত হয়ে যায়। ডাক্তার শেইল বলছেন FUE-এর ক্ষেত্রে সারাজীবনে মাত্র ২০০০-৩০০০ গ্রাফট পাওয়া যায়, FUT-এ ৭৫০০-৮০০০।

DHI বা Direct Hair Implant নামটা আসলে একটা বড় মার্কেটিং চাল। এটা মূলত FUE-এরই একটা ভিন্নরূপ, যেখানে একটা পেন-আকৃতির টুল ব্যবহার করা হয়। ডাক্তার শেইল নিজে ২০ বছর আগে এই টুল ব্যবহার করেছিলেন এবং ছেড়ে দিয়েছিলেন, কারণ এতে নিয়ন্ত্রণ কম, পাশের গ্রাফট বেরিয়ে আসে এবং টেকনিশিয়ান নির্ভর।

তাহলে FUE এত জনপ্রিয় কেন? কারণ ডাক্তারদের শেখা সহজ, কম টিম লাগে, ইচ্ছামতো যেকোনো শহরে সেন্টার খোলা যায়। রোগীদের মনে FUT নিয়ে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে "বড় দাগ হবে" বলে, যদিও সেই দাগ চুল দিয়ে ঢেকে ফেলা যায়।

সেলিব্রিটিদের ট্রান্সপ্লান্ট দেখতে কেন ধরা পড়ে? রণবীর কাপুর, ধোনি অনেকেরই হেয়ারলাইন দেখলে ট্রান্সপ্লান্ট বোঝা যায়। ডাক্তার শেইল বললেন, এর পেছনে আছে দক্ষতার অভাব, সাথে Finasteride না নেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া। ভালো ট্রান্সপ্লান্টের ৯০% অবদান আসলে ওষুধের, বাকি ১০% সার্জনের দক্ষতা। শাহরুখের চুল নিয়ে তিনি বললেন, উনি জিনগত ভাবেই আশীর্বাদপ্রাপ্ত। ধূমপান করলেই চুল ভালো হয় না।

ভবিষ্যতে কী আসছে? AI এবং Hair Cloning কি সমাধান? ডাক্তার শেইল ২০ বছর ধরে Hair Cloning নিয়ে আলোচনা শুনছেন, কিন্তু এখনও মানুষের উপর পর্যাপ্ত ট্রায়াল হয়নি। ক্যান্সার কোষের মতো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধির ঝুঁকি আছে। Exosome নিয়েও অনেক হাইপ আছে কিন্তু US FDA-এর অনুমোদন নেই। AI দিয়ে Robotic Hair Transplant-ও এসেছে, কিন্তু সেটা রোবটের মতো দেখতে লাগে।

তিনি বলছেন, ভবিষ্যতের সেরা চিকিৎসা হলো Pranayam, Yoga এবং lifestyle modification, অর্থাৎ পুরনো শিকড়ে ফিরে যাওয়া।
#স্তনের সাইজ নিয়ে দুশ্চিন্তা? ৯০% মেয়েদের!
হাজার মেয়ের একই প্রশ্ন: “আমারটা ছোট কেন?
নিজের শরীর নিয়ে কনফিউশন? এই পোস্ট আপনার জন্য----

মেয়েদের স্তন ছোট বা বড় হওয়ার আসল কারণ কী?
অনেকেই মনে করেন—খাবার, তেল-ম্যাসাজ বা কিছু “গোপন টিপস” দিয়ে স্তনের আকার বদলানো যায়।
সত্যটা হলো—স্তনের আকার মূলত শরীরের ভেতরের জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, বাহ্যিক কিছু দিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব।

১. হরমোনই মূল নিয়ন্ত্রক----
মেয়েদের স্তন গঠনের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে ইস্ট্রোজেন (Estrogen) এবং প্রোজেস্টেরন (Progesterone)।
"বয়ঃসন্ধিকালে এই হরমোন বাড়লে স্তন বিকাশ শুরু হয়।
"হরমোন কম বা ভারসাম্যহীন হলে স্তন ছোট থাকতে পারে"।

২. জেনেটিক (বংশগত) ফ্যাক্টর----
মায়ের বা পরিবারের অন্য নারীদের স্তনের গঠন যেমন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটাই অনুসরণ করে---
অর্থাৎ “ন্যাচারাল সাইজ” অনেকটাই জন্মগতভাবে নির্ধারিত।

অনেকে ভাবেন—মায়ের মতোই হবে, বোনের মতোই হবে।
কিন্তু জেনেটিক্স (বংশগত বৈশিষ্ট্য) কখনো কপি-পেস্ট হয় না।
১- আপনার শরীর বাবার জিনও বহন করে
২-একই পরিবারের দুই বোনের শরীর সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে
৩- স্তনের আকার নির্ধারণে একাধিক জিন কাজ করে
"তাই মা বা বোনের স্তন বড় হলেই আপনারও বড় হবে—এটা বাধ্যতামূলক না"

৩. শরীরের ওজন ও ফ্যাট পার্সেন্টেজ----
স্তনের বড় একটি অংশই ফ্যাট টিস্যু দিয়ে তৈরি---
কারো শরীরে ফ্যাট বেশি = স্তন তুলনামূলক বড় দেখায়
দ্রুত ওজন কমলে = স্তন ছোট বা ঢিলে হয়ে যেতে পারে
কারো শরীর স্লিম → স্তন ছোট দেখায়
"একই পরিবারের মধ্যেও এই ফ্যাট ডিস্ট্রিবিউশন আলাদা হয়"

৪. বেড়ে ওঠার সময় পুষ্টির ভূমিকা--
বয়ঃসন্ধিকালে—/বয়স বাড়ার সময় যদি—
পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন না পেলে অর্থাৎ ঘাটতি
ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব থাকে-
তাহলে স্তনের স্বাভাবিক গ্রোথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে
এবং স্তনের পূর্ণ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

৫. লাইফস্টাইল ও ব্যায়াম---
নিয়মিত ব্যায়াম করলে চেস্ট মাংসপেশি শক্ত হয় → স্তন দেখতে ফার্ম লাগে।
তবে মনে রাখবেন: ব্যায়াম স্তনের সাইজ বাড়ায় না, শুধু আকৃতি উন্নত করে।

৬. হরমোনাল সমস্যা ও রোগ
কিছু ক্ষেত্রে—
থাইরয়েড সমস্যা
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)
হরমোনে প্রভাব ফেলে, ফলে স্তনের আকারেও পরিবর্তন আসতে পারে

৭. গর্ভধারণ ও দুধ খাওয়ানো
প্রেগন্যান্সিতে হরমোন বাড়ে → স্তন বড় হয়
পরে আবার ছোট বা ঢিলে হতে পারে (যত্ন না নিলে বেশি হয়)

গুরুত্বপূর্ণ সত্য (যা অনেকেই জানেন না)
১- তেল/ক্রিম/ম্যাসাজ দিয়ে স্থায়ীভাবে স্তন বড় করা যায় না।
২- কোনো “ম্যাজিক খাবার” নেই যা হঠাৎ সাইজ বাড়াবে।
"স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই সবচেয়ে কার্যকর উপায়"

কী করলে ভালো থাকবে?
১- সুষম খাবার (প্রোটিন, ভিটামিন, হেলদি ফ্যাট)
২- সঠিক সাপোর্টিভ ব্রা ব্যবহার এবং নিজের শরীরের ন্যাচারাল গঠনকে গ্রহণ করুন।
৩- নিয়মিত হালকা ব্যায়াম
৪- হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে চিকিৎসা নেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ বার্তা-----
স্তনের আকার “সৌন্দর্যের মাপকাঠি” না—
বরং সুস্থ, স্বাভাবিক এবং আত্মবিশ্বাসী থাকা—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের শরীরকে অন্য কারও সাথে তুলনা না করে—নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখা সবচেয়ে বড় সচেতনতা।

মনে রাখবেন---
“আপনার শরীর অন্য কারও কপি না—এটা ইউনিক, আর সেটাই আপনার শক্তি।”
মুগদা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় এবং তার মূল্য তালিকা সংযুক্ত করছি।

১. রুটিন পরীক্ষা (Routine Examination)

* CBC (Automated): ১৫০/-
* Comments on PBF: ১০০/-
* Hb%: ৩০/-
* PC: ৫০/-
* ESR: ৩০/-
* MP: ২০/-
* CE: ২০/-
* Urine R/E (Automated): ২০/-
* BT, CT: ৩০/-
* PT: ১০০/-
* APTT: ১৫০/-
* Bone Marrow Study with CBC & PBF: ৩৫০/-

২. বায়োকেমিস্ট্রি/ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রি (Biochemistry/Clinical Chemistry)

* Blood Sugar (FBS/RBS/2h ABF): ৬০/-
* OGTT: ১৫০/-
* Blood Urea: ৬০/-
* BUN: ৬০/-
* Serum Creatinine: ৫০/-
* Uric Acid: ১০০/-
* Lipid Profile: ৩০০/-
* Cholesterol (Total): ৬০/-
* TG: ১০০/-
* SGPT: ৭০/-
* SGOT: ৭০/-
* Alk. Phosphatage: ৭০/-
* Serum Amylase: ৩০০/-
* Serum Lipase: ৩০০/-
* Serum Calcium: ৮০/-
* Serum Bilirubin (D&I): ৬০/-
* Serum Albumin: ১০০/-
* HbA1c: ৩০০/-

৩. সেরোলজি ও ইমিউনোলজি (Serology & Immunology)

* Blood Group & Rh typing: ১০০/-
* RA Test: ৬০/-
* CRP Test: ১৫০/-
* ASO Titre: ১০০/-
* Widal Test: ৮০/-
* Pregnancy Test (ICT Method): ৮০/-
* VDRL (ICT Method): ৫০/-
* HIV 1,2 (ICT Method): ২০০/-
* HCV (ICT Method): ৪৫০/-
* Dengue NS1 Antigen: Free (ফ্রি)
* Dengue IgG & IgM (ICT Method): ১০০/-
* HBsAg (ICT Method): ১৫০/-
* TSH: ২০০/-
* Free T3: ২৫০/-
* Free T4: ২৫০/-
* Serum IgE: ৩০০/-
* Ferritin: ৩৫০/-
* B-HCG: ৩০০/-

৪. মাইক্রোবায়োলজি (Microbiology)

* Blood For C/S: ২০০/-
* Urine For C/S: ২০০/-
* Wound Swab For C/S: ২০০/-
* Pus For C/S: ২০০/-
* Throat Swab For C/S: ২০০/-
* Sputum For C/S: ২০০/-
* Tracheal Aspiration For C/S: ২০০/-
* Urine Tube For C/S: ২০০/-
* Synovial Fluid For C/S: ২০০/-
* Ascitic Fluid For C/S: ২০০/-
* Peritoneal Fluid For C/S: ২০০/-
* Pleural Fluid For C/S: ২০০/-
* Pericardial Fluid For C/S: ২০০/-
* Vaginal Swab For C/S: ২০০/-
* Prostatic Smear For C/S: ২০০/-
* Urethral Discharge For C/S: ২০০/-
* Aural Swab For C/S: ২০০/-
* Conjunctival Swab For C/S: ২০০/-
* Skin Scrapping For Fungus: ৩০/-
* Mantoux Test (MT)/Tuberculin Test: ১০০/-
* Gram Stain: ৩০/-
* RT-PCR For COVID-19: ১০০/-

৫. হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোপ্যাথলজি (Histo & Cytopathology)

* FNAC: ১৫০/-
* USG Guided FNAC (Breast): ৫০০/-
* USG Guided FNAC (Others): ৪০০/-
* Fluid Cytology for Malignant Cell: ১৫০/-
* Histopathology (Small): ১৫০/-
* Endoscopic Biopsy: ৩০০/-
* Colposcopic Biopsy: ৩০০/-
* Skin Biopsy: ৩০০/-
* Core Biopsy: ৩০০/-
* Histopathology (Large): ৩০০/-
* Pap Smear: ১৫০/-
* Prepared Slide/Block (Each): ৫০/-
* Frozen Section: ৫০০/-
* CT Guided FNAC (One Film): ২০০০/-

৬. রেডিওলজি (Radiology - X-Ray, CT Scan, MRI)

* X-Ray:
* X-ray Chest P/A, KUB, Spine, Femur, Hip, Shoulder (Each View): ২০০/-
* PNS, Hand, Forearm, Wrist, Knee, Ankle, Foot, Nasopharynx (Each View): ১৫০/-
* X-ray Skull/Cervical Spine: ৩০০/-
* X-ray Ba Swallow: ৫০০/-
* X-ray Ba Meal: ৬০০/-
* X-ray Ba Follow Through/Enema: ১০০০০/-
* IVU: ৮০০/-
* OPG: ১৫০/-

* CT Scan:
* CT Scan of Head/Brain (Without Contrast): ২০০০/-
* CT Scan of Chest (Without Contrast): ২৫০০/-
* HRCT of Chest/PNS/Neck (Without Contrast): ২৫০০/-
* CT Scan of Whole Abdomen (Without Contrast): ৪০০০/-
* CT Scan of Upper/Lower Abdomen (Without Contrast): ২০০০/-
* Triphasic CT Scan of HBS/Pancreas (Without Contrast): ২৫০০/-
* CT Scan of Urogram/KUB (Without Contrast): ৪০০০/-

* MRI:
* MRI of Brain/Cervical/Lumbar/Dorsal Spine (Without Contrast): ৩০০০/-
* MRI with Contrast: ৪০০০/-
* MRI of Brain & MRA: ৪০০০/-
* MRI of Brain & MRV: ৪০০০/-
* MRCP with CT Film: ৪০০০/-
* MRCP: ৩০০০/-

৭. কার্ডিওলজি ও এন্ডোস্কপি (Cardiology & Endoscopy)
* ECG: ৮০/-
* Echo (2D): ২০০/-
* Echo Color Doppler: ৬০০/-
* ETT: ১০০০/-
* Bronchoscopy: ১০০০/-
* Endoscopy: ৫০০/-
* Endoscopy Full: ১২০০/-
* Endoscopy Short: ৮০০/-
* EVL: ১০০০/-
* Endoscopic Polypectomy: ১৫০০/-
* Colonoscopic Polypectomy: ২২০০/-
* Savary Gilliard Dilatation: ১২০০/-
* Foreign Body Removal: ১০০০/-
* Papilotomy: ২৫০০/-
* Stone Extraction: ৫০০০/-
* Stenting: ২০০০/-

৮. আল্ট্রাসনোগ্রাম (Ultrasonogram)
1
* USG of Whole Abdomen: ২২০/-
* USG Pregnancy Profile Upper/Lower: ১১০/-
* USG Pelvic Organ/TVS: ১১০/-
* USG of KUB & MCC & PVR: ২২০/-
* USG Both Breast: ২২০/-
* USG Single Breast: ১১০/-
* USG Testis: ২২০/-

৯. অন্যান্য (Others)

* Serum Electrolytes: ২৫০/-
* Troponin I: ৫০০/-
* Dope Test: ৯০০/-
* D-Dimer: ১০০০/-
* Procalcitonin: ১৭৫০/-

ডা. মারুফ রায়হান খান
কার্ডিওলজিস্ট
মুগদা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল
1
আজ থেকে ঠিক ৩ বছর পর তোমার জীবন প্রায় একই রকম থাকবে, যদি না তুমি আজ একটা বড় সিদ্ধান্ত নাও।
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে; কিন্তু প্রশ্ন হলো—তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?

বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না; তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।

নিজের ভবিষ্যৎকে একটু 'দেখার' চেষ্টা করো।
চোখ বন্ধ করো।
একটু গভীরভাবে ভাবো তো—
আজ থেকে ৩ বছর পর তুমি কোথায় আছো? কোন বাড়িতে থাকছো?
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মনের অবস্থা কেমন? কতটা প্রাণবন্ত লাগছে নিজেকে?
তোমার স্বাস্থ্য কেমন? তোমার শরীর কি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট?
তোমার খাবারের টেবিলে চেয়ারে তোমার সাথে কারা বসে আছে? তোমার প্রিয় মানুষগুলো কি তোমার সাথেই আছে?

তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।

মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয়না, ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে। তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে, নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।

আজ রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় বের করো। একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো যার টাইটেল হবে— "৩ বছর পর আমার জীবন":
* খুব নির্দিষ্ট করে লেখো।
* সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। বোল্ড হও।
* নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো।
কারণ, তোমার মনের ভেতরের এই স্বচ্ছতা বা 'ক্ল্যারিটি' তোমার ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো, তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।

Red Pill
1
কিমচি হলো কোরিয়ার বিখ্যাত খাবার, 😊

কিমচি রেসিপি দিচ্ছি:

উপকরণ:

- ২ কেজি বাঁধাকপি
- ১/৪ কাপ লুন
- ২ টেবিল চামচ আদা বাটা
- ২ টেবিল চামচ রসুন বাটা
- ১ টেবিল চামচ চিনি
- ১/২ কাপ মশলা (কোরিয়ান চিলি ফ্লেকস)
- ১/২ কাপ গাজর কুচি
- ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি
- ১/৪ কাপ ধনেপাতা কুচি

প্রণালী:

1. বাঁধাকপি ধুয়ে পাতা আলাদা করে কুচি করে নিন।
2. একটি বড় বাটিতে লুন, আদা বাটা, রসুন বাটা, চিনি, এবং মশলা মিশিয়ে নিন।
3. এই মিশ্রণে বাঁধাকপি, গাজর, পেঁয়াজ, এবং ধনেপাতা মিশিয়ে নিন।
4. একটি এয়ারটাইট কন্টেইনারে মিশ্রণটি রেখে ১-৫ দিন ফার্মেন্টেশন করুন (ঘরের তাপমাত্রায়)।
5. ফার্মেন্টেশন শেষ হলে কিমচি রেফ্রিজারেটরে রাখুন।

কিমচি ভাত, নুডলস, বা অন্যান্য খাবারের সাথে পরিবেশন করুন 😊
1
ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করি!
রিযিক নিয়ে, বিয়ে নিয়ে, বাড়ি গাড়ির টেনশন, ব্যবসায়িক লাভ লসের চিন্তা, সম্পর্কের টানাপোড়েন, সামাজিক স্ট্যাটাস কিংবা অর্থনৈতিক অবস্থার কারনে হায়-হুতাশ - এসব চিন্তা আমাদের অসুস্থ বানিয়ে ফেলছে!

অথচ আমরা ভুলে যাই আমাদের ভবিষ্যৎ ইতিমধ্যেই লিখা হয়ে গিয়েছে।

আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা সকল মাখলুকের তাকদীর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বৎসর পূর্বে লিখেছেন। (সহীহ্ মুসলিম:৬৬৪১)

যা যা আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে, তা আমার কাছে সময়মত অবশ্যই পৌছে যাবে। আর যা আমার জন্য লিখা হয় নি, তা কখনই আমার হবে না। নিশ্চিত থাকুন, যতক্ষন আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থাকবো, আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের ঠিক তাই দেবেন যা আমাদের জন্য সব দিক দিয়েই কল্যাণকর। আর যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর এমন কিছুই তিনি আমাদের দেন না।

আল্লাহ ﷻ বলেছেন, হতে পারে কোন বিষয় তোমরা অপছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে কোন বিষয় তোমরা পছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ যা জানেন তোমরা তা জান না। (সূরা বাকারাহ:২১৬)

তাই, যেই সময়টা আপনি দুশ্চিন্তা করে নষ্ট করছেন, নামাজে দাঁড়িয়ে যান। চাইতে থাকুন তাঁরই কাছে।

আল্লাহ ﷻ বলেছেন, আর নিশ্চয় আল্লাহই হাসান এবং আল্লাহই কাঁদান। (সূরা নাজম:৪৩)

দুশ্চিন্তা করার মত সময় যদি আপনার থাকে, দুআ করার সময় কি আপনার হয় না?

© মাহমুদ হাসান
3
সুস্থ থাকতে খরচ লাগে।
অসুখের পেছনে আরও অনেক বেশি খরচ লাগে।

জিমের মেম্বারশিপ মাসে ৩,০০০ টাকা।
হাসপাতালের এক রাত ৩০,০০০ টাকা।

ভালো খাবার মনে হয় একটু বেশি দামি।
ডায়াবেটিসের ওষুধ সারাজীবনের।

মানুষ ভাবে হেলথে টাকা দেওয়াটা খরচ।
অসুস্থ হওয়ার খরচটা কেউ হিসাব করে না।

আজকে invest না করলে কাল পে করতে হবে।
সুদে-আসলে।

আপনি নিজের স্বাস্থ্যের জন্য কিসে invest করেছেন?
3
আজকাল মেয়েদের মধ্যে অনেক বেশি শোনা যায় যে,
- পিরিয়ড সময় মতো হয় না, মাসের পর মাস লেট হয়।
- অনেক চেষ্টা করেও ওজন কমছেনা, অথবা ওজন বাড়ছেনা।
- হঠাৎ করেই প্রচণ্ড মুড সুইং হয়, রেগে যায় বা কান্না পায়।
- চেহারায় বা শরীরে অবাঞ্ছিত লোম দেখা যাচ্ছে।
- চুল পড়া বেড়ে গেছে।

এগুলোই PCOS (Polycystic Ovary Syndrome) এর লক্ষণ। পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) একটি জটিল হরমোনাল ও মেটাবলিক সমস্যা। এটা এখন শুধু ১জন ২জনের সমস্যা না, পুরা একটা প্রজন্ম এর শিকার!

গবেষণা বলছে, গত ৩০ বছরে PCOS-এর হার প্রায় ২ গুণ বেড়েছে!
গ্লোবালি বর্তমানে প্রজননযোগ্য বয়সের প্রায় ৮-১৩% মেয়েদের মধ্যে PCOS ধরা পড়ে।
দক্ষিণ এশিয়ায় এই হার প্রায় ২০% বা তারও বেশি! বিশেষ করে, ১০–২৪ বছরের কিশোরী ও তরুণীদের মধ্যে এর হার বেশি!

এর জন্য দায়ী কি কি?
- অপ্রাকৃতিক জীবনযাপন, অতিরিক্ত মোবাইল-ল্যাপটপ ব্যবহার।
- কাজ, পড়ালেখা, সম্পর্ক, অভাব ইত্যাদি থেকে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপযুক্ত ও হতাশাগ্রস্ত জীবন কাটানো।
- সারাদিন বসে থাকা, প্রকৃতিতে হাঁটাচলা না করা।
- চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার, জাঙ্ক ফুড, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড ফুড, ট্রান্সফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
- পুষ্টিকর সুষম খাবার: প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত খাবারের অভাব।
- ঘুমের ব্যাঘাত ও রাত জাগা থেকে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হওয়া।
- আধুনিক পরিবেশ দূষণ, প্লাস্টিক, কীটনাশক, কৃত্রিম প্রসাধনী থেকে এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টশন।

এর ফলে কি হচ্ছে?
- অনিয়মিত বা অনুপস্থিত ডিম্বস্ফুটনের কারণে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া (ইনফার্টিলিটি)।
- টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি বেড়ে যাওয়া, লিভারে চর্বি জমা এবং এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- হরমোনের ওঠানামা, শারীরিক অসৌন্দর্য (অনেক কম বা বেশি ওজন, লোম, ব্রণ ইত্যাদি), প্রজনন সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা, ক্রনিক অসুস্থতা সব মিলিয়ে PCOS আক্রান্ত একটি মেয়ের মধ্যে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি, প্যানিক ডিসঅর্ডার, ইটিং ডিসঅর্ডার এবং মারাত্মক আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয়।

PCOS শুধু মেয়েদের রোগ নয়, এটা একটা সোশ্যাল হেলথ ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ইতোমধ্যেই PCOS-এর ব্যাপকতা একটি বড় ধরনের পাবলিক হেলথ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে আমাদের এখনই জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

- লাইফস্টাইল পরিবর্তনই PCOS ম্যানেজমেন্টের প্রথম ও প্রধান স্তম্ভ। বাঁচতে হলে প্রাকৃতিক জীবনধারায় ফিরতে হবে।
- পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস শুরু করা। হোল ফুড, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফল, পর্যাপ্ত প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খাওয়া; যেমনটি আমাদের পূর্বপুরুষগণ খেয়েছেন।
- চিনি, রিফাইন্ড ফুড, জাঙ্ক ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা।
- নিয়মিত ব্যায়াম করা। হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার ইত্যাদি সহ স্ট্রেংথ ট্রেনিংও গুরুত্বপূর্ণ।
- মেডিটেশন, মাইন্ডফুলনেস, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের চর্চা করা।
- রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানো (৭-৮ ঘণ্টা) এবং নিয়মিত ঘুমের সময় মেনে চলা।
- ডিজিটাল টেকনোলজিস ব্যবহার থেকে দূরে থাকা।
- পরিবার ও সমাজের সহানুভূতি, সহযোগিতা এবং পজিটিভ মনোভাব PCOS-এ আক্রান্ত নারীদের ভালো করতে সাহায্য করবে।
অসুস্থতা, ওজন বা চেহারা নিয়ে মন্তব্য না করে বরং প্রাকৃতিক জীবনযাপন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

Mission: Captain Green
📺 Youtube- @missioncaptaingreen
💻 Facebook Page- @missioncaptaingreen
📱 Facebook ID- @thecaptaingreen
🟢 Whatsapp- wa.me/8801768788932
📱 Instagram- @missioncaptaingreen
📱 Upscrolled- @missioncaptaingreen
2
নারীর অভিভাবক ও শাসক হলো পুরুষ।
অভিভাবকত্ব ও শাসনে ব্যর্থ পুরুষ কে বলে দাইয়্যুস।
অর্থাৎ গাড়ির ড্রাইভার ছাড়া যেমন গাড়ি বিপদজনক।
তেমনি অভিভাবক ছাড়া নারী বিপদজনক।

তাকে ঘরে রাখার জন্যই পুরুষ কে, শারিরীক ও মনস্তাত্ত্বিক ভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে৷

নারী দুর্বল ও আবেগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তার আবেগ ও অনুভূতির পাহারাদার পুরুষ নামক অভিভাবক।
তার চোখের আড়ালে যদি এই আবেগের নিয়ন্ত্রণ পর পুরুষ নিতে পারে৷
তখন জন্মদাতা মা-বাবাও নারী কে আটকিয়ে রাখতে পারে না৷
সে পরপুরুষের হাত ধরে উধাও হবেই৷

মেয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে অনুমতি নিয়েছে কিনা গার্ডিয়ানের৷ বের হওয়ার পর কোথায় গিয়েছে, এই গতিবিধি রাখা। ফোন ব্যবহারের অনুমতি কিভাবে পেলো? কিভাবে সে দিনের পর দিন ফোন ব্যবহার করছে। গার্ডিয়ান কোনো এক্সেস চাওয়া প্রয়োজন মনে করে না। যাস্ট এই ব্যাপার গুলোই বিপর্যয়ের কারণ৷

নারী কে ৭৮ কিলো অধিক গার্ডিয়ান ছাড়া ভ্রমণ করতে দেওয়া যাবে না। সেই জায়গায় শতমাইল দূরে ভার্সিটিতে গিয়ে অবস্থান করে পড়াশোনো।
কি এক তামাশায় পরিণত হলো আজ।

নারীর সীমানা গৃহ। তার সৃষ্টি সিফাত হলো সে শাসক ছাড়া পরিচালিত হওয়ার গুণসম্পন্ন নয়৷ সে কোনো অঘটন ঘটালে তাহাজ্জুদি বাবাও দাইয়্যুস।
খুব সেন্সেটিভ ব্যাপার এগুলো।

অথচ দ্বীন নিয়ে এত এত লেকচার বই। জিহা-দের এত এত ফ্যান্টাসি গল্প টাইম লাইনে।
নিজ কন্যা,বোন,স্ত্রীর অভিভাবকত্ব কে কোনো ফ্যাক্ট মনে করে না৷

আপনার স্ত্রী। আপনার কন্যা শিশু আগামীর অগ্নিকুণ্ড।
খুব ভয়ানক পরিস্থিতি আসতে যাচ্ছে। অধিকাংশ ব্যর্থ হবে তাদের শিকলবন্দী করতে৷

— আল ইন্তিফাদা
# আপনার দাম্পত্য জীবন কি একই বৃত্তে আটকে আছে?

বিয়ে কোনো 'ফিফটি-ফিফটি' চুক্তি নয়; বরং এটি দুটি ভিন্ন চিন্তা জগতের মধ্যে সংঘর্ষ ও সমন্বয়।

অধিকাংশ দম্পতি টাকা-পয়সা, সন্তান বা ঘরের কাজ নিয়ে ঝগড়া করেন। কিন্তু এগুলো আসল সমস্যা নয়। আসল অপরাধী কে জানেন? আপনারা দুজন দুটি ভিন্ন ভাষায় কথা বলছেন!

ডঃ এমারসন এগেরিচ-এর সেই বিখ্যাত 'Love & Respect' ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী দাম্পত্যের এই জটিল ধাঁধাটি বুঝার চেষ্টা করা যাক:

মৌলিক চাহিদা: একজন স্ত্রীর বেঁচে থাকার জন্য যেমন 'ভালোবাসা' (Love) প্রয়োজন, একজন স্বামীর ঠিক তেমনি প্রয়োজন 'শ্রদ্ধা' (Respect)।

▶️পাগলাটে চক্র (The Crazy Cycle): যখন স্ত্রী ভালোবাসা পায় না, তখন সে অসম্মানজনক আচরণ করে; আবার স্বামী যখন শ্রদ্ধা পায় না, তখন সে ভালোবাসা দিতে কার্পণ্য করে। এভাবেই ঝগড়ার এক অন্তহীন চক্র চলতে থাকে।

▶️গোলাপি ও নীল লেন্স: স্ত্রী পৃথিবীকে দেখেন ভালোবাসার চশমা দিয়ে, আর স্বামী দেখেন শ্রদ্ধার চশমা দিয়ে। দৃষ্টিভঙ্গির এই ভিন্নতাই সব ভুল বোঝাবুঝির মূল।

▶️প্রেরণার চক্র (The Energizing Cycle): স্বামীর ভালোবাসা স্ত্রীকে শ্রদ্ধা করতে উৎসাহিত করে, আর স্ত্রীর শ্রদ্ধা স্বামীকে আরও বেশি ভালোবাসতে অনুপ্রাণিত করে।

▶️দায়িত্বশীল চক্র: আপনার সঙ্গী কেমন আচরণ করছে সেটা বড় কথা নয়; আপনার আচরণের দায়িত্ব আপনার নিজের।

---
## চক্রটি ভাঙবেন কীভাবে?

সঙ্গী কখন আপনাকে 'সম্মান' বা 'ভালোবাসা' পাওয়ার যোগ্য হবে—সেই অপেক্ষায় বসে থাকবেন না। এই বিষাক্ত চক্রটি তখনই থামবে, যখন কোনো একজন সঙ্গী পরিণত মানুষের মতো প্রথম পদক্ষেপটি নেবেন।

আপনার সঙ্গীর মনের ভাষা বুঝতে প্রস্তুত তো? এনার্জাইজিং সাইকেলের মূলনীতিগুলো আজই অ্যাপ্লাই করে দেখুন।

বিভিন্ন বই থেকে আপনাদের জন্য বের করে আনা ন্যারেটিভ পাওয়ার জন্য সাথে থাকুন

[#দাম্পত্যজীবন](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#ভালোবাসা](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#শ্রদ্ধা](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#সম্পর্ক](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#সংসার](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) [#বিয়ে](https://www.facebook.com/hashtag/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R) # [#LoveAndRespect](https://www.facebook.com/hashtag/loveandrespect?cft[0]=AZam4O0okEQGfpx50dz5KOULmMBkC1_F3OB3q-0ttJZFw3M5eTYTbliKK182w-qskg0Wq8PMQmXbA4f9E0xxclxAzqSQDBPkbX09gMB1zm26UpvDDdWOKFbscgwsbZDAfuVVX6hIjc-ktuk7WF_UQ8jxncviP7ZcUrdoaJPLaZOloydPwk8Z0_TE0Od3ivZuhu0&tn=*NK-R)
জীবনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চমৎকার একটি গাইড দিব আজকে। এতে আছে ৭ টি অনন্য অভ্যাস, যেগুলো বিলিয়নেয়ারদের আসল শক্তির উৎস। এগুলো স্রেফ কিছু রুলস নয়, বরং সফলতার একটি শক্তিশালী মাইন্ডসেট।

১. মেন্টাল এনার্জি বাঁচানো
তারা জানে যে, প্রতিদিন আমাদের সীমিত পরিমাণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে। তাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কী পরবে বা কী খাবে, এই সাধারণ বিষয়ে তারা মগজ খরচ করেনা। এটি তাদের বড় ব্যবসার জটিল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

২. কথার ওজন বাড়ানো
তারা যা বলে, একবারেই পরিষ্কারভাবে বলে। বারবার বুঝিয়ে বলার মানে হলো নিজের ওপর আত্মবিশ্বাসের অভাব। একবার বলার পর দ্বিতীয়বার ব্যাখ্যা না করার মানে হলো তুমি নিজের কথার ওপর শতভাগ নিশ্চিত। যারা বারবার বুঝিয়ে বলে, তারা আসলে অবচেতনভাবে অন্যের অনুমোদনের অপেক্ষা করে। স্থিরতা এবং সংক্ষিপ্ত কথাই হলো নেতৃত্বের ভাষা।

৩. নিজের জন্য ১ ঘণ্টা
সকালটা হলো পুরো দিনের ফাউন্ডেশন। বিলিয়নেয়াররা বাইরের জগতের হট্টগোল শোনার আগে নিজের ভেতরের আওয়াজ শোনে। এটি তাদের সারা দিনের ফোকাস ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সকালের প্রথম এক ঘণ্টা তাদের নিজের জন্য। কোনো ফোন কল বা বিশৃঙ্খলা নয়। এই প্রথম এক ঘণ্টাই ঠিক করে দেয় পরবর্তী ১২ ঘণ্টা কেমন কাটবে।

৪. প্রশ্ন করার দক্ষতা
যে প্রশ্ন করে, সে তথ্য পায়। আর যে উত্তর দেয়, সে তথ্য দেয়। তথ্যই হলো বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই কম কথা বলে বেশি শোনার অভ্যাসটি তোমাকে যেকোনো আলোচনায় শক্তিশালী অবস্থানে রাখে।
যেকোনো জায়গায় যে ব্যক্তি প্রশ্ন করে, নিয়ন্ত্রণ আসলে তার হাতেই থাকে। বেশি কথা বলা মানে হলো নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করা, আর শোনা মানে হলো পরিস্থিতি নিজের আয়ত্তে রাখা।

৫. তাড়াহুড়ো বর্জন করা
যেকোনো সফল মানুষের হাঁটাচলা এবং কথা বলার ধরন লক্ষ্য করলে দেখবে তারা বেশ ধীরস্থির। তাড়াহুড়ো হলো ভয়ের লক্ষণ। আর ধীরগতি হলো সামর্থ্য এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তারা কোনো কাজ হুটহাট বা তাড়াহুড়ো করে করে না। অস্থিরতা মানেই হলো দুশ্চিন্তা। শান্ত থাকাটাই হলো আসল শক্তি।

৬. পোশাকের গাম্ভীর্য
দামি ব্র্যান্ডের লোগো দেখিয়ে নিজেকে বড় প্রমাণ করার চেষ্টা তারা করে না। তারা এমন পোশাক পরে যা তাদের ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরে। তাদের উপস্থিতিই বলে দেয় যে তারা কারা, পোশাকের আওয়াজ করার প্রয়োজন পড়ে না। তাদের পোশাক ঝলমলে বা লোকদেখানো হয় না, কিন্তু মার্জিত হয়। এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করো যেন পরিবেশ নিজে থেকেই তোমাকে সম্মান দেয়।

৭. আজীবন ছাত্র থাকা
অহংকার মানুষকে শেখা থেকে দূরে রাখে। বিলিয়নেয়াররা জানে যে, জগত প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। তাই তারা সবসময় নতুন তথ্যের সন্ধানে থাকে। এটিই তাদের সময়ের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রাখে। তারা কখনোই ভাবে না যে তারা সব জানে। বই, মেন্টর কিংবা নিজের ভুল—সবকিছু থেকেই তারা শেখে। সফল মানুষেরা সবসময় কৌতূহলী থাকে।

সফলতা কোনো জাদুর কাঠি নয়, এটি হলো দিনের পর দিন পালন করা কিছু ডিসিপ্লিনের ফল। তুমি যখন নিজের স্ট্যান্ডার্ড এভাবে উঁচুতে রাখবে, তখন জগত তোমাকে সেভাবেই সম্মান দিতে শুরু করবে।

আমি তোমাকে একটি মেথড শিখিয়ে দিব যা দিয়ে তুমি তোমার প্রতিদিনের অপ্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলো কমিয়ে নিজের মেন্টাল এনার্জি সেভ করতে পারবে। এই পদ্ধতিটি তোমাকে প্রতিদিনের ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ থেকে মুক্তি দিয়ে তোমার ব্রেনকে বড় কাজের জন্য প্রস্তুত রাখবে। একে আমরা বলতে পারি 'ডেইলি ডিসিশন মিনিমাইজার'।
এখানে ৪টি সহজ স্টেপ আছে যা তুমি আজ থেকেই শুরু করতে পারো:

১. 'রুল অফ থ্রি'
প্রতিদিন সকালে বা আগের রাতে মাত্র ৩টি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা করো। আমাদের ব্রেইন যখন ১০-১২টি কাজের লিস্ট দেখে, তখন সে খেই হারিয়ে ফেলে এবং অলসতা শুরু করে। মাত্র ৩টি কাজ মানে হলো তোমার ফোকাস থাকবে একদম পাওয়ারফুল। এই ৩টি কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো ছোট সিদ্ধান্তে মাথা ঘামাবে না।

২. পোশাক ও খাবারের 'স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন'
সকালে উঠে "আজ কী পরবো?" বা "দুপুরে কী খাবো?" এই চিন্তাগুলো আমাদের মগজের অনেক এনার্জি নষ্ট করে।
তাই পোশাকের ক্ষেত্রে নিজের জন্য ২-৩ সেট আরামদায়ক এবং মার্জিত পোশাক নির্দিষ্ট করে রাখো যা সব জায়গায় পরা যায়।
প্রতিদিনের খাবারের একটি সাধারণ রুটিন করে ফেলো। খাবার হবে হেলদি কিন্তু সিম্পল— হাই কোয়ালিটি প্রোটিন, ফ্যাট, সালাদ এবং অল্প কার্বহাইড্রেট। এতে প্রতিদিন নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝামেলা থাকবে না।

৩. 'টু-মিনিট' রুল
যদি কোনো কাজ করতে ২ মিনিটের কম সময় লাগে (যেমন: ইমেইল চেক করা, টেবিল গোছানো বা কাউকে ছোট একটা মেসেজ দেওয়া), তবে সেটা নিয়ে চিন্তা না করে সাথে সাথে করে ফেলো। এগুলো জমিয়ে রাখলে সেগুলো মাথায় জট পাকায় এবং অবচেতন মনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ তৈরি করে।
2
৪. টাইম ব্লকিং
দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়কে নির্দিষ্ট কাজের জন্য 'লক' করে দাও। যেমন: সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ফোন একদম দূরে রেখে শুধু তোমার সিলেক্ট করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। যখন তোমার সময় আগে থেকেই ব্লক করা থাকবে, তখন তোমাকে বারবার ভাবতে হবে না যে "এখন আমি কী করবো?"

যখন তুমি এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো আগে থেকেই ঠিক করে রাখবে, তখন তোমার প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স (মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অংশ) ক্লান্ত হবে না। ফলে তোমার বড় প্রজেক্ট বা ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য অনেক বেশি এনার্জি থাকবে।
এই অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা মানে নিজের স্ট্যান্ডার্ডকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়া।

Red Pill
1
# যে ৭টি অভ্যাস আজই ছেড়ে দিলে আপনি জীবনে অন্যদের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে যাবেন!

আমরা বেশিরভাগ মানুষই ভাবি সফল হতে হলে আরও বেশি কিছু করতে হবে। আরও বেশি কাজ, আরও বেশি হাসল, আরও বেশি কানেকশন।

কিন্তু সত্যিটা অদ্ভুত। জীবনে বড় পরিবর্তন অনেক সময় “কী শুরু করলাম” থেকে আসে না, বরং “কী বন্ধ করলাম” সেখান থেকেই আসে। একজন মানুষের জীবন তখনই বদলাতে শুরু করে, যখন সে বুঝতে শেখে সবকিছু ধরে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কিছু জিনিস ছেড়ে দেওয়াও গ্রোথ এর অংশ।

আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা সময়ের অভাব নয়। সমস্যা হলো আমরা *ভুল জায়গায়* সময়, শক্তি আর মনোযোগ খরচ করি। আপনি যদি খেয়াল করেন, অনেক মানুষ সারাদিন ব্যস্ত থেকেও জীবনে কোথাও পৌঁছাতে পারে না। আবার কিছু মানুষ তুলনামূলক কম কাজ করেও অসাধারণ ফলাফল তৈরি করে। পার্থক্যটা স্কিল এ নয়, বরং মাইন্ডসেট এ।

## ১। Energy Vampire মানুষদের সাথে সময় কাটানো বন্ধ করো

প্রথম যে জিনিসটা একজন সফল মানুষ ছেড়ে দেয়, সেটা হলো এনার্জি ভ্যাম্পায়ার মানুষদের সাথে সময় কাটানো। এমন কিছু মানুষ আছে যারা আপনার জীবনে আসে শুধু কিছু নেওয়ার জন্য। তারা আপনার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটি কাজও করবে না, বরং সুযোগ পেলে আপনার কাছ থেকে নিতে নিতে আপনাকে নিঃশেষ করে ফেলে।

মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময় আমরা শুধু পুরনো পরিচয়ের কারণে মানুষকে ধরে রাখি। স্কুলে একসাথে পড়তাম, অনেক দিনের বন্ধু কিংবা আত্মীয় এই পরিচয়গুলোকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সব পুরনো সম্পর্ক হেলদি নয়।

একটা গাছকে যদি প্রতিদিন একটু একটু করে বিষ দেওয়া হয়, সে একদিন শুকিয়ে যাবে। মানুষও তাই। প্রতিদিন যদি আপনি নেতিবাচকতা, অভিযোগ, হিংসা আর নিরুৎসাহের মধ্যে থাকেন, তাহলে আপনার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে মারা যাবে। এজন্য পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ তার পারিপার্শ্বিকতার গড় হয়ে যায়।

## ২। ভুল মানুষের কাছ থেকে Advice নেওয়া বন্ধ করুন

দ্বিতীয় বড় শিক্ষা হলো ভুল মানুষের উপদেশ নেওয়া বন্ধ করা। আজকের পৃথিবীতে উপদেশ বিনামূল্যে পাওয়া যায়, কিন্তু এই ফ্রি উপদেশ আপনার জন্য খুব এক্সপেন্সিভ হতে পারে। সবাই মতামত দিতে ভালোবাসে, কিন্তু সবার মতামতে রেজাল্ট আসে না। একজন আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষ যদি আপনাকে ব্যবসা শেখায়, সেটা ঠিক এমন যেন সাঁতার না জানা কেউ ডুবন্ত মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

আমরা অনেক সময় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এমন মানুষের কাছে যাই যারা নিজেরাই সেই স্তরে কখনো পৌঁছাতে পারেনি। তারপর অবাক হই কেন জীবন পাল্টাচ্ছে না।

আপনি যদি অ্যাথলেট হতে চান, তবে অ্যাথলেটের কাছ থেকে শিখুন। ব্যবসা করতে চাইলে ব্যবসায়ীর কাছে যান। কারণ বাস্তব অভিজ্ঞতার মূল্য কোনো তত্ত্ব দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।

## ৩। নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন

তৃতীয় যে বিষয়টি জীবন বদলে দেয়, সেটা হলো দোষারোপের খেলা বন্ধ করা। বেশিরভাগ মানুষ নিজের ব্যর্থতার জন্য অর্থনীতি, পরিবার, দেশ, ভাগ্য কিংবা অন্য কাউকে দায়ী করে। কিন্তু অন্যকে দোষ দেওয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এটি আপনাকে যোগ্যতাহীন বানিয়ে দেয়।

ধরুন আপনি রান্না করলেন আর খাবার খারাপ হলো। তখন উপকরণের দোষ দিলে খাবার ভালো হবে না। রাঁধুনি হিসেবে নিজেকেই দায় নিতে হবে। জীবনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। আপনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

আর এটাই শক্তিশালী মানুষের বৈশিষ্ট্য। যেদিন একজন মানুষ বুঝতে পারে যে নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজেরই, সেদিন থেকেই তার উন্নতি শুরু হয়।

## ৪। সব Opportunity তে “Yes” বলা বন্ধ করুন

চতুর্থ শিক্ষাটি আরও দারুন। সব সুযোগে হ্যাঁ বলা বন্ধ করা। শুরুতে আমরা ভাবি যত বেশি কাজ, নেটওয়ার্কিং আর অপারচুনিটি ধরব, তত দ্রুত সফল হব। কিন্তু বাস্তবে হয় উল্টোটা। যখন আপনি সবকিছুকে হ্যাঁ বলেন, তখন আসলে কোনো কিছুকেই অগ্রাধিকার দেন না।

একটা ব্যাগে যদি ক্রমাগত জিনিস দিয়ে ভরা হয়, একসময় সেটি বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মানুষের মস্তিষ্কও তাই। ফোকাস হচ্ছে এক অতিমানবীয় শক্তি, একটি সুপার পাওয়ার। স্টিভ জবস বলেছিলেন, প্রডাক্টিভ হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়গুলোর একটি হলো না বলতে শেখা।

## ৫. ফোনের দাস হয়ে থাকবেন না

পঞ্চম বিষয়টি বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় ফাঁদ, ফোন আসক্তি। মানুষ এখন আর একা থাকতে পারে না। দুই মিনিট অবসর পেলেই ফোন বের করে স্ক্রল করা শুরু করে। কিন্তু এই অভ্যাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এটি ধীরে ধীরে আপনার *এম্বিশনকে মেরে ফেলে।*
যখন আপনার জীবনে কোনো স্বপ্ন থাকে না, চ্যালেঞ্জ থাকে না, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আপনার স্কেপ রুট হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যাদের জীবনে দারুন একটি লক্ষ্য আছে, তাঁরা এই ছোট্ট স্ক্রিনের ফাঁদে পা দেয় না। কারণ তারা জানে মনোযোগ এই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা।

## ৬. শুধু বই পড়া না, বই এপ্লাই করা শুরু করুন

ষষ্ঠ শিক্ষাটি বই পড়া নিয়ে। অনেকেই বই পড়েন শুধু “আমি এই বইটা পড়েছি” এই তৃপ্তি পাওয়ার জন্য। কিন্তু জ্ঞানের প্রকৃত মূল্য তথ্যে নয়, এর প্রয়োগে। বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ইতিমধ্যে জানে তাদের কী করা উচিত। সমস্যা জ্ঞানের অভাব নয়, বরং বাস্তবায়নের অভাব।

একটা ব্যবসার বই পড়ে যদি ব্যবসা শুরুই না করেন, তাহলে সেই বই বিনোদন ছাড়া আর কিছুই নয়। সত্যিকারের শেখা তখনই হয় যখন আপনি শেখা জিনিস বাস্তবে প্রয়োগ করেন। এটি আরও শক্তিশালী হয় যখন আপনি তা অন্য কাউকে শেখান। কারণ শেখানো আপনার ইন্সাইটকে আরও গভীর করে তোলে।

## ৭. অন্য কারো সাথে নিজেকে Compare করা বন্ধ করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের এমন একটি বিভ্রমের মধ্যে ফেলেছে যেখানে মনে হয় সবাই আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। কেউ বেশি সফল, কেউ বেশি বুদ্ধিমান, কেউবা বেশি সুন্দর।

কিন্তু তুলনা হলো আত্মবিশ্বাসের এক নীরব ঘাতক। কারণ আপনি কখনো অন্য মানুষের পুরো গল্পটি জানেন না। আপনি শুধু তাদের জীবনের উজ্জ্বল অংশটুকুই দেখেন। আপনার জীবনের তৃতীয় অধ্যায়কে অন্য কারো জীবনের সাতাশতম অধ্যায়ের সাথে তুলনা করা বোকামি।

প্রত্যেক মানুষের জীবনের টাইম লাইন আলাদা। আপনার পরিবেশ, কষ্ট, সুযোগ এবং সংগ্রাম সবকিছুই অনন্য, কারো সাথেই মিলবে না। আর এই অনন্যতাই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। পৃথিবী অনুকরণ নয়, বরং ইউনিকনেসকে পুরস্কৃত করে। তাই অন্য কারো মতো হওয়ার চেষ্টা না করে নিজের বেস্ট ভার্সন হওয়ার চেষ্টা করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত।

আজ থেকেই নিজের জীবনেঃ
* যেসব মানুষ আপনার স্বপ্নকে ছোট করে দেখে, তাদের থেকে ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি করুন।
* সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনুন, কারণ এগুলো আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মনোযোগ চুরি করে।
* প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ডীপ ফোকাস করার অভ্যাস তৈরি করুন।
* বই পড়লে সঙ্গে সঙ্গে একটি ছোট পদক্ষেপ নিন, যেন অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে রেজাল্ট দিতে শুরু করে।
*

*মনে রাখবেন, জীবন বদলানোর জন্য সব সময় নতুন কিছু শুরু করতে হয় না। অনেক সময় শুধু ভুল জিনিসগুলো ছেড়ে দিলেই মানুষ নিজের আসল পটেনশিয়াল খুঁজে পায়। *

*Based on a video by Dan Martell*

*Adapted & Analyzed in Bangla by Nur Rahman *
বাংলাদেশে একটি অদ্ভুত এবং উদ্বেগজনক প্রবণতা বহু বছর ধরে দেখা যাচ্ছে— শিশুর প্রকৃত বয়স ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে Birth Certificate তৈরি করা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই কাজটি করে স্বয়ং পিতামাতাই। অনেক অভিভাবক মনে করেন বয়স এক বা দুই বছর কমিয়ে রাখাটা অনেক “চালাকি” বা ভবিষ্যতের জন্য “স্মার্ট সিদ্ধান্ত”। কিন্তু বাস্তবে এই ভুল সিদ্ধান্তের ক্ষতি বহন করতে হয় শিশুকেই।

একটি শিশুর বয়স শুধু একটি সংখ্যা নয়। বয়সের সাথে জড়িত থাকে তার শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, সামাজিক দক্ষতা, শিক্ষাগত সক্ষমতা এবং চিকিৎসাগত প্রয়োজন। যখন জন্মসনদে বয়স ভুলভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়, তখন শিশুর পুরো Developmental Identity-ই ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়।

ধরুন, একটি শিশুর প্রকৃত বয়স ৭ বছর। কিন্তু তার Birth Certificate-এ বয়স লেখা হয়েছে ৫ বছর। এখন ডাক্তার যদি কাগজে থাকা বয়স অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা করেন, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞানে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ওষুধের ডোজ, আচরণগত মূল্যায়ন, Developmental Milestone এবং থেরাপির পরিকল্পনা বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। প্রকৃত বয়সের চেয়ে কম বয়স ধরে চিকিৎসা করা হলে অনেক সময় চিকিৎসা সঠিকভাবে কার্যকর হয় না।
মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর। একটি ৭ বছরের শিশুর চিন্তাভাবনা, সামাজিক আচরণ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং খেলাধুলার ধরন স্বাভাবিকভাবেই ৫ বছরের শিশুর তুলনায় আলাদা হয়। কিন্তু বয়স কমিয়ে দেওয়ার কারণে তাকে ছোট শিশুদের সাথে তুলনা করা হয় বা ছোটদের সাথে মানিয়ে চলতে বাধ্য করা হয়। যে বয়সে তার সমবয়সী শিশুদের সাথে খেলাধুলা, শেখা ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথা, সে তখন ছোটদের পরিবেশে আটকে যায়। এতে শিশুর সামাজিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

শিক্ষাক্ষেত্রেও এই ভুল তথ্য শিশুর জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। শিক্ষকরা বয়স অনুযায়ী শিশুর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেন। ফলে বয়স কম থাকলে শিশুর প্রকৃত সক্ষমতা সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয় না। আবার অনেক সময় শিশুর কাছ থেকে বয়সের তুলনায় কম প্রত্যাশা করা হয়, যা তার আত্মবিশ্বাস ও বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে।

বিশেষ করে Autism, ADHD, Speech Delay, Learning Disability বা অন্যান্য Developmental Condition-এর ক্ষেত্রে সঠিক বয়স জানা অত্যন্ত জরুরি। কারণ Assessment Tool এবং Therapy Goal সবই বয়সভিত্তিকভাবে তৈরি করা হয়। বয়স ভুল হলে পুরো মূল্যায়নই বিভ্রান্তিকর হয়ে যেতে পারে।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো— অনেক পিতামাতা এটিকে “স্মার্টনেস” মনে করেন, অথচ তারা বুঝতে পারেন না যে এই সাময়িক সুবিধার চিন্তা শিশুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। একটি শিশুর প্রকৃত বয়সই তার প্রকৃত পরিচয়। সেখানে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়া মানে শিশুর ভবিষ্যৎ বিকাশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া।
শিশুর সুস্থ বিকাশ, সঠিক চিকিৎসা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তার প্রকৃত বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Ashadujjaman Mondol
(Clinical Psychologist)
1
১. পর্যাপ্ত ঘুমান: ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক শক্তির ভিত্তি।

২. প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন: এটি কেবল শরীরের জন্য নয়, আপনার মেজাজ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও জরুরি।

৩. প্রকৃতির সান্নিধ্যে যান: বাইরে সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে।

৪. চিনি এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন: আপনি যা খান, আপনার শরীর ও মন সেভাবেই কাজ করে।

৫. বই পড়ুন: ভিডিও দেখার চেয়ে বই পড়া গভীর চিন্তায় সাহায্য করে।

৬. ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকুন: বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করবেন না।

৭. গভীর মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন: দিনে অন্তত ১-২ ঘণ্টা সব ধরনের বিমুখতা (ফোন, ইন্টারনেট) থেকে দূরে থেকে কাজ করুন।

৮. ফলাফলের চেয়ে প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দিন: আপনি কী পাচ্ছেন তার চেয়ে আপনি কীভাবে কাজ করছেন সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

৯. বিশ্রাম নিন: একটানা কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি দিন।

১০. অহংকার ত্যাগ করুন: শেখার মানসিকতা বজায় রাখুন। নিজেকে সবজান্তা ভাববেন না।

১১. ছোট ছোট পা ফেলুন: বড় লক্ষ্য অর্জনে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এগোতে থাকুন।

১২. সফলতার পেছনে না ছুটে উৎকর্ষের (Excellence) পেছনে ছুটুন: কাজ ভালো হলে সফলতা এমনিতেই আসবে।

১৩. ধৈর্য ধরুন: বড় কোনো কিছু অর্জন করতে সময় লাগে।

১৪. নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন: আপনার আবেগ যেন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ না করে।

১৫. অনিশ্চয়তাকে গ্রহণ করুন: জীবন সবসময় আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে না।

১৬. সহমর্মিতা দেখান: অন্যের প্রতি দয়ালু হওয়া আপনার নিজের মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়।

১৭. নিজেকে প্রশ্ন করুন: আমি কি সঠিক পথে আছি? আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী?

১৮. অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা শিখুন: চাহিদার শেষ নেই, তাই যা আছে তা নিয়ে খুশি থাকার চেষ্টা করুন।

১৯. ভালো বন্ধু নির্বাচন করুন: আপনার চারপাশের মানুষ আপনার চিন্তা ও আচরণকে প্রভাবিত করে।

২০. শুনতে শিখুন: কথা বলার চেয়ে অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২১. সাহায্য করুন: প্রতিদান না চেয়ে অন্যকে সাহায্য করার আনন্দ অন্যরকম।

২২. পরিবারকে সময় দিন: দিনশেষে পরিবারই আপনার বড় অবলম্বন।

২৩. ভুল থেকে শিখুন: ভুল করা দোষের কিছু নয়, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকামি।

২৪. অজুহাত দেবেন না: নিজের কাজের দায়ভার নিজেই নিতে শিখুন।

২৫. সরল জীবন যাপন করুন: জীবনকে জটিল করবেন না। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বর্জন করুন।

২৬. বর্তমান মুহূর্তে বাঁচুন: অতীত নিয়ে আফসোস বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

২৭. কৌতূহলী হোন: সবসময় নতুন কিছু জানার আগ্রহ রাখুন।

২৮. স্বাস্থ্যই সম্পদ: শরীর ঠিক না থাকলে কোনো সাফল্যই উপভোগ করা যায় না।

২৯. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না: আপনার একমাত্র প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত আপনার নিজের সাথে।

৩০. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: প্রতিদিন অন্তত তিনটি জিনিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন।

৩১. সাহসী হোন: ভয় পেলেও সঠিক কাজটি করার সাহস রাখুন।

৩২. শখ বজায় রাখুন: কাজের বাইরে এমন কিছু করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়।

৩৩. স্পষ্টভাবে কথা বলুন: মনের কথা সরাসরি এবং নম্রভাবে বলুন।

৩৪. নিজের আদর্শে অটল থাকুন: পরিস্থিতি যাই হোক, নিজের সততা হারাবেন না।

৩৫. মনে রাখুন—জীবন সংক্ষিপ্ত: তাই প্রতিটি দিনকে অর্থবহ করার চেষ্টা করুন।

এই নিয়মগুলো আপনার জীবনকে একবারে বদলে দেবে না, কিন্তু এগুলো নিয়মিত মেনে চললে আপনি একজন উন্নত এবং সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবেন।
_____
3
৩০ হাজারে LASIK এর Details
১. কই থেকে করাইসি?
- শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

২. কারা করাতে পারবে?
- বয়স ১৮ এর বেশি
-শেষ ১২ মাসে চোখের পাওয়ার যাদের ০.৫ এর বেশি পরিবর্তন হয়নি
- মাইনাস পাওয়ার -০.৫০ হতে -১৪.০০ D
-প্লাস পাওয়ার +১.০০ হতে +৫.০০

৩.আমার কত ছিল?
- ডান চোখে -7.00D X -3.50Cyl
বাম চোখে -4.75D X -4.00Cyl
আর স্টেবল ২০২০ সাল থেকে

৪. হসপিটাল স্টে কেমন?
- No hospital stay, যেদিন অপারেশন তার সকালে LASIK করে ২-৩ ঘন্টা observation এর পরই বাসায়

৫. আমার পাওয়ার এত এত আমার হবে কিনা?
- Depends on your pre LASIK test. আমি তো আপনার সার্জারি করবো না,যে করবে সে বলবে বেটার। আপনার কর্নিয়াল থিকনেস সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর সাথে ড্রাই আই, এলার্জি এগুলাও মেইনটেইন করা লাগবে। ১২ জনের কথায় কান না দিয়ে ডিরেক্ট ডাক্তারের কাছে দেখান।

৬.সার্জন কে?
- Associate Prof. AQM Omar Sharif Sir

৭. ফুল কারেকশন?
- আমার ডান চোখের thickness কম তাই -১.০০ আন্ডার কারেকশন হইসে কিন্তু ভিশন এখন ৬/৬

৮.কোন পদ্ধতির LASIK?
- Micro Keratome and Femtosecond both are available. সার্জন ঠিক করবে আপনার জন‍্য লাগবে কোনটা। আমার Micro Keratome এ হইসে।

৯. আপনি তো ডাক্তার এজন‍্য করাইতে পারসেন, আমরা কি পারবো নাকি রেফারেন্স ছাড়া?
- আমার সাথের আরেকজন যে করাইসে, সে কোনো রেফারেন্স ছাড়াই সিরিয়াল পাইসে।কারন তখনো মানুষ কম জানতো, আর টেস্ট রিপোর্ট আগে জমা দিলে সিরিয়ালও আগে।

১০. খরচ কত?
-LASIK এর জন‍্য ১০ টাকার বহির্বিভাগ এর টিকেট আর ড্রাগস আর ইন্সট্রুমেন্ট এর জন‍্য ৩০ হাজার, To be precise ২৮ হাজার, কিন্তু এটা আপনার ল‍্যাসিকের টাইপ, তখন সাপ্লাইয়ে থাকা বিভিন্ন জিনিস এর উপর ডিপেন্ড করবে। আর আমি ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে ডিসকাউন্ট পেয়েছিলাম কিছু… সো ৩৫-৪০ এর বেশি যাবে না সেটা।

১১. ব‍্যাস ৩০ হাজারই?
- এটা LASIK cost.. Pre LASIK কিছু টেস্ট আছে সেটা করতে যত লাগে আপনার।আমি বাইরে থেকে করাইসি ১৩ হাজার লাগসে।

শেয়ার করে জানিয়ে দিন আপনার LASIK করতে চাওয়া মানুষদের আর কোনো প্রশ্ন থাকলে বলবেন পরবর্তীতে পোস্টে সবার জন‍্য সেটা বলবো।
1
মনোবিজ্ঞানের ফলিত শাখা মোট ১০০ টা। অর্থাৎ ১০০ টা সেক্টরে মনোবিজ্ঞানীদের কাজ চর্চা হচ্ছে.. নিম্নে রেফারেন্স সহকারে দেওয়া হলো শাখা গুলোর তালিকাঃ

1) ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞান (Clinical Psychology)
2) কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান (Counselling Psychology)
3) স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞান (Health Psychology)
4) নিউরোসাইকোলজি (Neuropsychology)
5) পুনর্বাসন মনোবিজ্ঞান (Rehabilitation Psychology)
6) পেডিয়াট্রিক মনোবিজ্ঞান (Pediatric Psychology)
7) অনকোলজি মনোবিজ্ঞান (Psycho-Oncology)
8) কার্ডিয়াক মনোবিজ্ঞান (Cardiac Psychology)
9) ব্যথা ব্যবস্থাপনা মনোবিজ্ঞান (Pain Psychology)
10) মাদকাসক্তি মনোবিজ্ঞান (Addiction Psychology)
11) পুষ্টি মনোবিজ্ঞান (Nutritional Psychology)
12) ঘুম মনোবিজ্ঞান (Sleep Psychology)
13) যৌন মনোবিজ্ঞান / সেক্সোলজি (Sexual Psychology / Sexology)
14) সাইকোসোমাটিক্স (Psychosomatics)
15) প্যালিয়েটিভ কেয়ার মনোবিজ্ঞান (Palliative Care Psychology)
16) সাইকোনিউরোইমিউনোলজি (Psychoneuroimmunology)
17) সাইকোডার্মাটোলজি (Psychodermatology)
18) পেরিনেটাল মনোবিজ্ঞান (Perinatal Psychology)
19) ডায়াবেটিস মনোবিজ্ঞান (Diabetes Psychology)
20) স্থূলতা ও খাদ্যাভ্যাস মনোবিজ্ঞান (Obesity & Eating Psychology)

21) শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Educational Psychology)
22) স্কুল মনোবিজ্ঞান (School Psychology)
23) শিশু মনোবিজ্ঞান (Child Psychology)
24) কিশোর মনোবিজ্ঞান (Adolescent Psychology)
25) উন্নয়নমূলক মনোবিজ্ঞান (Developmental Psychology)
26) বিশেষ শিক্ষা মনোবিজ্ঞান (Special Education Psychology)
27) প্রতিভাবান শিশু মনোবিজ্ঞান (Gifted Psychology)
28) শিক্ষণ প্রযুক্তি মনোবিজ্ঞান (Educational Technology Psychology)
29) মোটিভেশনাল মনোবিজ্ঞান ইন এডুকেশন (Motivational Psychology in Education)

30) শিল্প ও সংগঠন মনোবিজ্ঞান (Industrial & Organizational Psychology)
31) নেতৃত্ব মনোবিজ্ঞান (Leadership Psychology)
32) কোচিং মনোবিজ্ঞান (Coaching Psychology)
33) ভোক্তা মনোবিজ্ঞান (Consumer Psychology)
34) বিপণন মনোবিজ্ঞান (Marketing Psychology)
35) অকুপেশনাল মনোবিজ্ঞান (Occupational Psychology)
36) কর্মক্ষেত্র মনোবিজ্ঞান (Workplace Psychology)
37) উদ্যোক্তা মনোবিজ্ঞান (Entrepreneurial Psychology)
38) আলোচনা ও দ্বন্দ্ব মনোবিজ্ঞান (Negotiation & Conflict Psychology)

39) সামাজিক মনোবিজ্ঞান (Social Psychology)
40) কমিউনিটি মনোবিজ্ঞান (Community Psychology)
41) রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞান (Political Psychology)
42) ধর্মীয় মনোবিজ্ঞান (Psychology of Religion)
43) ক্রস-কালচারাল মনোবিজ্ঞান (Cross-Cultural Psychology)
44) পারিবারিক মনোবিজ্ঞান (Family Psychology)
45) দম্পতি মনোবিজ্ঞান (Couples Psychology)
46) নারী মনোবিজ্ঞান (Psychology of Women)
47) পুরুষ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Men)
48) বার্ধক্য মনোবিজ্ঞান (Geropsychology)
49) জেন্ডার মনোবিজ্ঞান (Gender Psychology)
50) সংখ্যালঘু মনোবিজ্ঞান (Minority Psychology)
51) অভিবাসন মনোবিজ্ঞান (Migration Psychology)

52) ফরেনসিক মনোবিজ্ঞান (Forensic Psychology)
53) আইনি মনোবিজ্ঞান (Legal Psychology)
54) পুলিশ মনোবিজ্ঞান (Police Psychology)
55) অপরাধ মনোবিজ্ঞান (Criminal Psychology)
56) ভিকটিমোলজি মনোবিজ্ঞান (Victim Psychology)
57) সন্ত্রাসবাদ মনোবিজ্ঞান (Psychology of Terrorism)
58) কারা মনোবিজ্ঞান (Correctional Psychology)

59) ইঞ্জিনিয়ারিং মনোবিজ্ঞান (Engineering Psychology)
60) মানব উপাদান মনোবিজ্ঞান (Human Factors Psychology)
61) এরগোনোমিক্স মনোবিজ্ঞান (Ergonomics Psychology)
62) সাইবার মনোবিজ্ঞান (Cyberpsychology)
63) মিডিয়া মনোবিজ্ঞান (Media Psychology)
64) AI ও মনোবিজ্ঞান (AI & Psychology)
65) গেমিং মনোবিজ্ঞান (Gaming Psychology)
66) রোবোটিক্স মনোবিজ্ঞান (Robotics Psychology)
67) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মনোবিজ্ঞান (Virtual Reality Psychology)

68) পরিবেশ মনোবিজ্ঞান (Environmental Psychology)
69) ইকো-সাইকোলজি (Eco-Psychology)
70) সংরক্ষণ মনোবিজ্ঞান (Conservation Psychology)
71) জলবায়ু পরিবর্তন মনোবিজ্ঞান (Climate Psychology)

72) সামরিক মনোবিজ্ঞান (Military Psychology)
73) দুর্যোগ মনোবিজ্ঞান (Disaster Psychology)
74) সংকট হস্তক্ষেপ মনোবিজ্ঞান (Crisis Psychology)
75) ট্রমা মনোবিজ্ঞান (Trauma Psychology)
76) এভিয়েশন মনোবিজ্ঞান (Aviation Psychology)
77) মহাকাশ মনোবিজ্ঞান (Space Psychology)

78) ট্রান্সপোর্টেশন মনোবিজ্ঞান (Transportation Psychology)
79) ট্রাফিক মনোবিজ্ঞান (Traffic Psychology)