• যেভাবে ঘুমের প্রস্তুতি নেবেন
মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জন্য নিজের পরিবেশকে প্রস্তুত করবেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট নিজস্ব সংযোজনসহ তুলে ধরছি :
“নিজের শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেবেন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর আগে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলবেন, আগামী দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন। পরের দিনের একটি সুন্দর ছবি কল্পনায় আঁকবেন।
অজু ও জিকির-আজকারের সঙ্গে ঘুমাবেন। অজু ও জিকির এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমের নেয়ামত, আরাম ও উষ্ণতাকে অনুভব করবেন।
ফজরের নামাজের জন্য অ্যালার্ম সেট করবেন।
প্রতিদিন ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করবেন এবং ঘরের এমন জায়গায় রাখবেন, যেখানে সহজে হাত না পৌঁছায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বা কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করবেন, যাতে শরীরে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন (Melatonin) নিঃসরণ শুরু হয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুম পেতে সাহায্য করে।
এরপর মন দেবেন অন্য কাজে। হালকা ব্যায়াম, রাতে একটু হাঁটা, বই পড়া, ডায়েরি লেখা, পরের দিনের কাজের তালিকা করা, দুই রাকাত নামাজ পড়া, অথবা শান্ত কোনো ভিডিও দেখা। এসবই আপনাকে ধীরে ধীরে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে।
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে থেকে ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। কারণ শরীরের ক্যাফেইন বের হতে বেশ সময় লাগে।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও নির্দিষ্ট সময়ে জাগার জন্য একটি সহজ ও কার্যকর রুটিন তৈরি করবেন। ছুটির দিনেও এই রুটিন খুব বেশি বদলানো উচিত নয়; এক ঘণ্টার বেশি দেরি না করাই ভালো। বিছানায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঘুমানো—ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থাকা নয়।
অগোছালো ও বিশৃঙ্খল ঘরে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে ঘরটি পরিষ্কার, পরিপাটি ও সুগন্ধিযুক্ত রাখবেন। বিশেষ করে যে বিছানায় আপনি ঘুমাতে যাবেন।
নিজেকে এমন কোনো পানীয় থেকে বঞ্চিত করবেন না, যা আপনাকে আরাম ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে। যেমন : মৌরি, ক্যামোমাইল (Chamomile) বা ফুলের চা। এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গভীর ঘুমে আনতে সহায়তা করে।
ঘরের সব আলো নিভিয়ে দেবেন, যাতে মেলাটোনিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হতে পারে। এই হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ে আসে। বেশি আলোতে মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে পারে না।”
এই কাজগুলো করলে আশা করি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ও শান্ত একটি রাত আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
#মর্নিং_মেসেজ
পর্ব-৪
মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জন্য নিজের পরিবেশকে প্রস্তুত করবেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট নিজস্ব সংযোজনসহ তুলে ধরছি :
“নিজের শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেবেন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর আগে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলবেন, আগামী দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন। পরের দিনের একটি সুন্দর ছবি কল্পনায় আঁকবেন।
অজু ও জিকির-আজকারের সঙ্গে ঘুমাবেন। অজু ও জিকির এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমের নেয়ামত, আরাম ও উষ্ণতাকে অনুভব করবেন।
ফজরের নামাজের জন্য অ্যালার্ম সেট করবেন।
প্রতিদিন ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করবেন এবং ঘরের এমন জায়গায় রাখবেন, যেখানে সহজে হাত না পৌঁছায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বা কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করবেন, যাতে শরীরে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন (Melatonin) নিঃসরণ শুরু হয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুম পেতে সাহায্য করে।
এরপর মন দেবেন অন্য কাজে। হালকা ব্যায়াম, রাতে একটু হাঁটা, বই পড়া, ডায়েরি লেখা, পরের দিনের কাজের তালিকা করা, দুই রাকাত নামাজ পড়া, অথবা শান্ত কোনো ভিডিও দেখা। এসবই আপনাকে ধীরে ধীরে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে।
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে থেকে ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। কারণ শরীরের ক্যাফেইন বের হতে বেশ সময় লাগে।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও নির্দিষ্ট সময়ে জাগার জন্য একটি সহজ ও কার্যকর রুটিন তৈরি করবেন। ছুটির দিনেও এই রুটিন খুব বেশি বদলানো উচিত নয়; এক ঘণ্টার বেশি দেরি না করাই ভালো। বিছানায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঘুমানো—ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থাকা নয়।
অগোছালো ও বিশৃঙ্খল ঘরে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে ঘরটি পরিষ্কার, পরিপাটি ও সুগন্ধিযুক্ত রাখবেন। বিশেষ করে যে বিছানায় আপনি ঘুমাতে যাবেন।
নিজেকে এমন কোনো পানীয় থেকে বঞ্চিত করবেন না, যা আপনাকে আরাম ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে। যেমন : মৌরি, ক্যামোমাইল (Chamomile) বা ফুলের চা। এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গভীর ঘুমে আনতে সহায়তা করে।
ঘরের সব আলো নিভিয়ে দেবেন, যাতে মেলাটোনিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হতে পারে। এই হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ে আসে। বেশি আলোতে মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে পারে না।”
এই কাজগুলো করলে আশা করি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ও শান্ত একটি রাত আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
#মর্নিং_মেসেজ
পর্ব-৪
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
আমাকে গোসল করাবে,
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
আমার চাবির গোছাগুলো,
আমার বইপত্র,
আমার ব্যাগ,
আমার জুতোগুলো,
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে, আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
ছোট এবং বড়.... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয় আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,.... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য
২. ধনসম্পদ
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. সন্তান-সন্তদি
৫. বসতবাড়ি
৬. প্রাসাদসমূহ
৭. জীবনসঙ্গী
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি
৪. ভালো কাজের প্রতি
৫. রাতের নামাজের প্রতি
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))
তারা বলবে না,
উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে।
-সংগৃহীত
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
আমাকে গোসল করাবে,
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
আমার চাবির গোছাগুলো,
আমার বইপত্র,
আমার ব্যাগ,
আমার জুতোগুলো,
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে, আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
ছোট এবং বড়.... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয় আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,.... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য
২. ধনসম্পদ
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. সন্তান-সন্তদি
৫. বসতবাড়ি
৬. প্রাসাদসমূহ
৭. জীবনসঙ্গী
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি
৪. ভালো কাজের প্রতি
৫. রাতের নামাজের প্রতি
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))
তারা বলবে না,
উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে।
-সংগৃহীত
❤1
"অতঃপর যেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে সেদিন পরস্পরের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না এবং একে অন্যের খোঁজ-খবর নেবে না।" (সূরা মুমিনুন, ১০১)
“কোন অন্তরংগ বন্ধু নিজের বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না।” [সূরা আল মাআরিজ, ১০]
“সেদিন অপরাধীর মন তার নিজের সন্তান, স্ত্রী, ভাই ও নিজের সহায়তাকারী নিকটতম আত্মীয় এবং সারা দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ দিতে এবং নিজেকে আযাব থেকে মুক্ত করতে চাইবে।” [সূরা আল-মা'আরিজ, ১১–১৪]
“সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাপ ও স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের থেকে পালাতে থাকবে। সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অবস্থার মধ্যে এমনভাবে লিপ্ত থাকবে যে, তার কারোর কথা মনে থাকবে না।” [সূরা আবাসা, ৩৪–৩৭]
“কোন অন্তরংগ বন্ধু নিজের বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না।” [সূরা আল মাআরিজ, ১০]
“সেদিন অপরাধীর মন তার নিজের সন্তান, স্ত্রী, ভাই ও নিজের সহায়তাকারী নিকটতম আত্মীয় এবং সারা দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ দিতে এবং নিজেকে আযাব থেকে মুক্ত করতে চাইবে।” [সূরা আল-মা'আরিজ, ১১–১৪]
“সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাপ ও স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের থেকে পালাতে থাকবে। সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অবস্থার মধ্যে এমনভাবে লিপ্ত থাকবে যে, তার কারোর কথা মনে থাকবে না।” [সূরা আবাসা, ৩৪–৩৭]
❤2
কাসব আর রিজিক এক না।
আপনি যা জমালেন—সবটা আপনার “রিজিক” নয়।
রিজিক হয় তখনই,
যখন সেটা আপনার জীবনে কাজে লাগে—
খাবার, পানীয়, ঘর, প্রয়োজন, যাতায়াত…।
ব্যাংকে পড়ে থাকা টাকা
আপনার হিসাব হবে—
কিন্তু রিজিকে বদলাবে
শুধু ব্যবহার হলে।
আর রিজিকের দরজা খুলে দেয়
দুইটা জিনিস—
তাকওয়া আর সালাত।
তাকওয়া ঠিক করুন,
পাঁচ ওয়াক্ত ঠিক করুন—
তারপর দেখুন
আল্লাহ কীভাবে রিজিক সহজ করে দেন।
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
আপনি যা জমালেন—সবটা আপনার “রিজিক” নয়।
রিজিক হয় তখনই,
যখন সেটা আপনার জীবনে কাজে লাগে—
খাবার, পানীয়, ঘর, প্রয়োজন, যাতায়াত…।
ব্যাংকে পড়ে থাকা টাকা
আপনার হিসাব হবে—
কিন্তু রিজিকে বদলাবে
শুধু ব্যবহার হলে।
আর রিজিকের দরজা খুলে দেয়
দুইটা জিনিস—
তাকওয়া আর সালাত।
তাকওয়া ঠিক করুন,
পাঁচ ওয়াক্ত ঠিক করুন—
তারপর দেখুন
আল্লাহ কীভাবে রিজিক সহজ করে দেন।
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
সবাই পাশে, তবুও কেন একা?-
পরিচয়: তিনা
বয়স:৩১বছর
এক বোন এসেছিলেন, যিনি পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন — সবাই তাকে অনেক ভালোবাসেন।
একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।
কিন্তু হঠাৎ করে শেষ বর্ষে গিয়ে তার জীবনে অদ্ভুত পরিবর্তন শুরু হয়। পড়াশোনায় মন বসে না, সবসময় মাথাব্যথা, অস্থিরতা। তার মনে হতে থাকে — “আমার কেউ নেই”, “আমি একা”, “কেউ আমাকে পছন্দ করে না।” পরিবার ও বন্ধুদের প্রতিও অকারণে সন্দেহ তৈরি হয়। ধীরে ধীরে সে সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে।
অনেক কষ্টে পরিবারের চেষ্টায় অনার্স শেষ করলেও এরপর আর পড়াশোনা এগিয়ে নিতে পারেননি। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত রাগ, ভাঙচুর, অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা — স্বাভাবিক জীবন যেন পুরোপুরি বদলে যায়।
তিনি সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসাও নিয়েছেন, দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করেছেন। কিন্তু ওষুধ খেলে ঘুম আসতো, ঘুম থেকে উঠলেই আবার আগের মতো অস্থিরতা ও সমস্যাগুলো শুরু হয়ে যেত। তেমন কোনো স্থায়ী উন্নতি হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তিনি Quranic treatment bd তে আসেন।
তার সমস্ত সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং সহানুভূতির সাথে তাকে রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়। সেশনে তার একাধিক সেহেরের সমস্যা শনাক্ত হয়।
তাকে সেই অনুযায়ী নিয়মিত রুকইয়াহ, প্রয়োজনীয় আমল ও ফলোআপ পরামর্শ দেওয়া হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে তিনি নিয়মিত নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী — ইনশাআল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে একটি স্বাভাবিক, সুন্দর ও স্থিতিশীল জীবনে ফিরে যাবেন।
আল্লাহ তাকে পূর্ণ শিফা দান করুন এবং তার জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমিন।
রমাদান স্পেশাল অফার!
পবিত্র রমাদান মাস উপলক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার।
নতুন পেশেন্টদের জন্য:
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ ও যেকোন হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
পুরাতন পেশেন্টদের জন্য:
প্রথমবার লং রুকইয়াহ, তাদমীর ও হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
অফারটি চলবে: ২৬শে রমাদান পর্যন্ত
তাই দেরি না করে আপনার সেশন বুক করতে ও ফ্রি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
সময়: সকাল ৮টা – রাত ৮টা
+88 01763 951 371 (WhatsApp)
+88 01833 406 632 (Call)
+88 09643 101 112 (Hotline)
ঠিকানা: রোড-১৯, বাসা-৫৫ (২য় তলা, বাম পাশে), রূপনগর আবাসিক , মিরপুর-2, ঢাকা-১২১৬।
Quranic Treatment BD
#Ruqyah #রুকইয়াহ #বদনজর #হিংসা #Ramadan
পরিচয়: তিনা
বয়স:৩১বছর
এক বোন এসেছিলেন, যিনি পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন — সবাই তাকে অনেক ভালোবাসেন।
একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।
কিন্তু হঠাৎ করে শেষ বর্ষে গিয়ে তার জীবনে অদ্ভুত পরিবর্তন শুরু হয়। পড়াশোনায় মন বসে না, সবসময় মাথাব্যথা, অস্থিরতা। তার মনে হতে থাকে — “আমার কেউ নেই”, “আমি একা”, “কেউ আমাকে পছন্দ করে না।” পরিবার ও বন্ধুদের প্রতিও অকারণে সন্দেহ তৈরি হয়। ধীরে ধীরে সে সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে।
অনেক কষ্টে পরিবারের চেষ্টায় অনার্স শেষ করলেও এরপর আর পড়াশোনা এগিয়ে নিতে পারেননি। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত রাগ, ভাঙচুর, অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা — স্বাভাবিক জীবন যেন পুরোপুরি বদলে যায়।
তিনি সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসাও নিয়েছেন, দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করেছেন। কিন্তু ওষুধ খেলে ঘুম আসতো, ঘুম থেকে উঠলেই আবার আগের মতো অস্থিরতা ও সমস্যাগুলো শুরু হয়ে যেত। তেমন কোনো স্থায়ী উন্নতি হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তিনি Quranic treatment bd তে আসেন।
তার সমস্ত সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং সহানুভূতির সাথে তাকে রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়। সেশনে তার একাধিক সেহেরের সমস্যা শনাক্ত হয়।
তাকে সেই অনুযায়ী নিয়মিত রুকইয়াহ, প্রয়োজনীয় আমল ও ফলোআপ পরামর্শ দেওয়া হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে তিনি নিয়মিত নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী — ইনশাআল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে একটি স্বাভাবিক, সুন্দর ও স্থিতিশীল জীবনে ফিরে যাবেন।
আল্লাহ তাকে পূর্ণ শিফা দান করুন এবং তার জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমিন।
রমাদান স্পেশাল অফার!
পবিত্র রমাদান মাস উপলক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার।
নতুন পেশেন্টদের জন্য:
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ ও যেকোন হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
পুরাতন পেশেন্টদের জন্য:
প্রথমবার লং রুকইয়াহ, তাদমীর ও হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
অফারটি চলবে: ২৬শে রমাদান পর্যন্ত
তাই দেরি না করে আপনার সেশন বুক করতে ও ফ্রি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
সময়: সকাল ৮টা – রাত ৮টা
+88 01763 951 371 (WhatsApp)
+88 01833 406 632 (Call)
+88 09643 101 112 (Hotline)
ঠিকানা: রোড-১৯, বাসা-৫৫ (২য় তলা, বাম পাশে), রূপনগর আবাসিক , মিরপুর-2, ঢাকা-১২১৬।
Quranic Treatment BD
#Ruqyah #রুকইয়াহ #বদনজর #হিংসা #Ramadan
স্কিনের সমস্যা — যেমন ব্রণ, একজিমা, অতিরিক্ত তৈলাক্ততা, র্যাশ, চুলকানি বা অকারণ লালচে ইনফ্লামেশন — অনেক সময় শুধু বাহ্যিক সমস্যা নয়; বরং এর মূল কারণ শরীরের ভেতরে, বিশেষ করে অন্ত্রের স্বাস্থ্য (গাট), ইমিউন সিস্টেম এবং ইনফ্লামেটরি রেসপন্সের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই জায়গাতেই নিয়মিত কেফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে যখন আপনি একই সাথে চিনি ও ইনফ্লামেটরি প্রসেসড খাবার বর্জন করেন।
প্রথমে বিষয়টি বোঝা জরুরি। আমাদের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন সংখ্যক উপকারী ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে, যাকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। যখন আপনি নিয়মিত বেশি চিনি, ডিপ-ফ্রাই খাবার, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট, সফট ড্রিংক বা ট্রান্স-ফ্যাট গ্রহণ করেন, তখন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অন্ত্রে নিম্নমাত্রার কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন তৈরি হয়। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে “লিকি গাট” অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তখন অপূর্ণ হজম হওয়া খাদ্যকণা ও টক্সিন রক্তে প্রবেশ করে এবং ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ অনেক সময় স্কিনে দেখা যায় — ব্রণ, ফুসকুড়ি, একজিমা বা অ্যালার্জি হিসেবে।
এই অবস্থায় কেফির ভেতর থেকে কাজ শুরু করে। কেফিরে বহু ধরনের জীবন্ত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ও উপকারী ইস্ট থাকে, যা সাধারণ দইয়ের তুলনায় অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়। নিয়মিত কেফির খেলে ধীরে ধীরে অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষতিকর জীবাণুর আধিপত্য কমে যায়। এর ফলে অন্ত্রের ইনফ্লামেশন কমে, হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং ইমিউন সিস্টেম ভারসাম্যে ফিরে আসে। যখন গাট শান্ত হয়, তখন স্কিনেও ইনফ্লামেটরি সিগন্যাল কম পৌঁছায় — ফলে ব্রণ কম ওঠা, লালচে ভাব কমা এবং স্কিনের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়া শুরু করে।
কেফির শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানও তৈরি করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে। এগুলো স্কিনের ব্যারিয়ার শক্তিশালী করতে, কোষ পুনর্গঠন উন্নত করতে এবং সেনসিটিভিটি কমাতে সহায়তা করে। তাই অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত কেফির গ্রহণের পর স্কিন ধীরে ধীরে কম সংবেদনশীল হয় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়; বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনর্গঠনের ফল।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন — শুধু কেফির খেলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না যদি একই সাথে প্রতিদিন অতিরিক্ত চিনি, বেকারি খাবার, ভাজাপোড়া, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া চলতে থাকে। এসব খাবার ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আবার শক্তিশালী করে। যখন আপনি ইনফ্লামেটরি খাবার কমান এবং কেফিরের মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করেন, তখনই প্রকৃত গাট-স্কিন হিলিং শুরু হয়।
খাওয়ার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ — প্রায় আধা কাপ — দিয়ে শুরু করা ভালো। শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে ১ কাপ পর্যন্ত নেওয়া যায়। খাবারের ২০–৩০ মিনিট আগে বা হালকা খালি পেটে খেলে প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোর আগে কেফির গ্রহণ উপকারী হয়, কারণ তখন গাট রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।
স্কিনের উন্নতি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে স্পষ্ট হয় না; বাস্তব পরিবর্তন দেখা যায় প্রায় ৩–৬ সপ্তাহ পরে, কারণ গাট মাইক্রোবায়োম পরিবর্তন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার — যা প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে — গ্রহণ করলে ফল আরও ভালো হয়।
নিচে স্কিন হিলিং ফোকাসড ৩০ দিনের কেফির রুটিন এমনভাবে দেওয়া হলো, যাতে এটি বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মানানসই হয় এবং ধীরে ধীরে গাট-স্কিন অ্যাক্সিস পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। এটি কোনো দ্রুত সমাধান নয়; বরং শরীরের ভেতরের পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্কিনকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার একটি ধীর কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি।
প্রথম ৭ দিন হলো শরীরকে পরিচিত করার সময়। এই পর্যায়ে মূল লক্ষ্য হচ্ছে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া। প্রতিদিন সকালে বা দুপুরের আগে প্রায় আধা কাপ (১০০–১২০ মি.লি.) মিল্ক কেফির গ্রহণ করুন। একেবারে খালি পেটে অসুবিধা হলে হালকা খাবারের ২০ মিনিট আগে খেতে পারেন। এই সময়ে হালকা গ্যাস, পেট নড়াচড়া বা মলের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত মাইক্রোবায়োম পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। এই সপ্তাহে চিনি, সফট ড্রিংক, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেট বিস্কুট এবং ডিপ-ফ্রাই খাবার যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে বিষয়টি বোঝা জরুরি। আমাদের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন সংখ্যক উপকারী ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে, যাকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। যখন আপনি নিয়মিত বেশি চিনি, ডিপ-ফ্রাই খাবার, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট, সফট ড্রিংক বা ট্রান্স-ফ্যাট গ্রহণ করেন, তখন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অন্ত্রে নিম্নমাত্রার কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন তৈরি হয়। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে “লিকি গাট” অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তখন অপূর্ণ হজম হওয়া খাদ্যকণা ও টক্সিন রক্তে প্রবেশ করে এবং ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ অনেক সময় স্কিনে দেখা যায় — ব্রণ, ফুসকুড়ি, একজিমা বা অ্যালার্জি হিসেবে।
এই অবস্থায় কেফির ভেতর থেকে কাজ শুরু করে। কেফিরে বহু ধরনের জীবন্ত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ও উপকারী ইস্ট থাকে, যা সাধারণ দইয়ের তুলনায় অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়। নিয়মিত কেফির খেলে ধীরে ধীরে অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষতিকর জীবাণুর আধিপত্য কমে যায়। এর ফলে অন্ত্রের ইনফ্লামেশন কমে, হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং ইমিউন সিস্টেম ভারসাম্যে ফিরে আসে। যখন গাট শান্ত হয়, তখন স্কিনেও ইনফ্লামেটরি সিগন্যাল কম পৌঁছায় — ফলে ব্রণ কম ওঠা, লালচে ভাব কমা এবং স্কিনের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়া শুরু করে।
কেফির শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানও তৈরি করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে। এগুলো স্কিনের ব্যারিয়ার শক্তিশালী করতে, কোষ পুনর্গঠন উন্নত করতে এবং সেনসিটিভিটি কমাতে সহায়তা করে। তাই অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত কেফির গ্রহণের পর স্কিন ধীরে ধীরে কম সংবেদনশীল হয় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়; বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনর্গঠনের ফল।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন — শুধু কেফির খেলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না যদি একই সাথে প্রতিদিন অতিরিক্ত চিনি, বেকারি খাবার, ভাজাপোড়া, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া চলতে থাকে। এসব খাবার ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আবার শক্তিশালী করে। যখন আপনি ইনফ্লামেটরি খাবার কমান এবং কেফিরের মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করেন, তখনই প্রকৃত গাট-স্কিন হিলিং শুরু হয়।
খাওয়ার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ — প্রায় আধা কাপ — দিয়ে শুরু করা ভালো। শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে ১ কাপ পর্যন্ত নেওয়া যায়। খাবারের ২০–৩০ মিনিট আগে বা হালকা খালি পেটে খেলে প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোর আগে কেফির গ্রহণ উপকারী হয়, কারণ তখন গাট রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।
স্কিনের উন্নতি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে স্পষ্ট হয় না; বাস্তব পরিবর্তন দেখা যায় প্রায় ৩–৬ সপ্তাহ পরে, কারণ গাট মাইক্রোবায়োম পরিবর্তন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার — যা প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে — গ্রহণ করলে ফল আরও ভালো হয়।
নিচে স্কিন হিলিং ফোকাসড ৩০ দিনের কেফির রুটিন এমনভাবে দেওয়া হলো, যাতে এটি বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মানানসই হয় এবং ধীরে ধীরে গাট-স্কিন অ্যাক্সিস পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। এটি কোনো দ্রুত সমাধান নয়; বরং শরীরের ভেতরের পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্কিনকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার একটি ধীর কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি।
প্রথম ৭ দিন হলো শরীরকে পরিচিত করার সময়। এই পর্যায়ে মূল লক্ষ্য হচ্ছে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া। প্রতিদিন সকালে বা দুপুরের আগে প্রায় আধা কাপ (১০০–১২০ মি.লি.) মিল্ক কেফির গ্রহণ করুন। একেবারে খালি পেটে অসুবিধা হলে হালকা খাবারের ২০ মিনিট আগে খেতে পারেন। এই সময়ে হালকা গ্যাস, পেট নড়াচড়া বা মলের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত মাইক্রোবায়োম পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। এই সপ্তাহে চিনি, সফট ড্রিংক, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেট বিস্কুট এবং ডিপ-ফ্রাই খাবার যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিতীয় সপ্তাহে (৮–১৪ দিন) অন্ত্র ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে শুরু করে। তখন কেফিরের পরিমাণ বাড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কাপ করা যায়। এই সময় কেফিরের সাথে হালকা প্রিবায়োটিক খাবার যুক্ত করলে উপকার দ্রুত হয় — যেমন কলা, ভিজানো চিয়া সিড, তোকমা, সামান্য ছাতু বা ওটস। এগুলো উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। এই পর্যায়ে অনেকেই লক্ষ্য করেন ব্রণের লালচে ভাব কিছুটা কমছে, হজম স্বস্তিদায়ক হচ্ছে এবং স্কিনের অতিরিক্ত তৈলাক্ততা ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে।
তৃতীয় সপ্তাহ (১৫–২১ দিন) হলো রিপেয়ার ফেজ। এখন প্রতিদিন ১ কাপ কেফির গ্রহণ করা যায়, চাইলে দুই ভাগে — সকালে অর্ধেক এবং রাতে অর্ধেক। রাতে ঘুমানোর আগে খেলে গাট লাইনার পুনর্গঠন ও ইমিউন রেগুলেশন আরও ভালোভাবে কাজ করে। এই সময়ে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান উৎপাদন বাড়ে, ফলে নতুন ব্রণ ওঠা কমে এবং পুরনো দাগ দ্রুত শুকাতে শুরু করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান এই সময়ে বিশেষভাবে জরুরি।
চতুর্থ সপ্তাহ (২২–৩০ দিন) হলো স্ট্যাবিলাইজেশন ধাপ। এই সময়ে গাট মাইক্রোবায়োম তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যে আসে। প্রতিদিন নিয়মিত ১ কাপ কেফির চালিয়ে যান। শরীর সহ্য করলে কেফিরের সাথে মৌসুমি ফল, অল্প খেজুর বা সামান্য কাঁচা মধু যোগ করা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পর্যায়ে স্কিন কম সেনসিটিভ, কম লালচে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বল দেখাতে শুরু করে, কারণ ভেতরের দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন অনেকটাই কমে যায়।
এই পুরো ৩০ দিনে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কারণ ঘুমের সময়ই শরীরের রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। অতিরিক্ত দুধ-চা, রিফাইন্ড চিনি এবং বারবার স্ন্যাকিং কমানো ভালো। পাশাপাশি শাকসবজি, ডাল, কলা, লাউ, পেঁপে ইত্যাদি ফাইবারসমৃদ্ধ দেশীয় খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করে।
বাস্তবে স্কিনের উন্নতি সাধারণত ধাপে ধাপে দেখা যায় — প্রথমে হজম ভালো হয়, তারপর শরীরের ইনফ্লামেশন কমে, এবং সবশেষে স্কিন ধীরে ধীরে পরিষ্কার ও স্থিতিশীল হতে শুরু করে। অর্থাৎ স্কিনের পরিবর্তন আসলে ভেতরের সুস্থতার প্রতিফলন।
তৃতীয় সপ্তাহ (১৫–২১ দিন) হলো রিপেয়ার ফেজ। এখন প্রতিদিন ১ কাপ কেফির গ্রহণ করা যায়, চাইলে দুই ভাগে — সকালে অর্ধেক এবং রাতে অর্ধেক। রাতে ঘুমানোর আগে খেলে গাট লাইনার পুনর্গঠন ও ইমিউন রেগুলেশন আরও ভালোভাবে কাজ করে। এই সময়ে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান উৎপাদন বাড়ে, ফলে নতুন ব্রণ ওঠা কমে এবং পুরনো দাগ দ্রুত শুকাতে শুরু করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান এই সময়ে বিশেষভাবে জরুরি।
চতুর্থ সপ্তাহ (২২–৩০ দিন) হলো স্ট্যাবিলাইজেশন ধাপ। এই সময়ে গাট মাইক্রোবায়োম তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যে আসে। প্রতিদিন নিয়মিত ১ কাপ কেফির চালিয়ে যান। শরীর সহ্য করলে কেফিরের সাথে মৌসুমি ফল, অল্প খেজুর বা সামান্য কাঁচা মধু যোগ করা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পর্যায়ে স্কিন কম সেনসিটিভ, কম লালচে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বল দেখাতে শুরু করে, কারণ ভেতরের দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন অনেকটাই কমে যায়।
এই পুরো ৩০ দিনে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কারণ ঘুমের সময়ই শরীরের রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। অতিরিক্ত দুধ-চা, রিফাইন্ড চিনি এবং বারবার স্ন্যাকিং কমানো ভালো। পাশাপাশি শাকসবজি, ডাল, কলা, লাউ, পেঁপে ইত্যাদি ফাইবারসমৃদ্ধ দেশীয় খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করে।
বাস্তবে স্কিনের উন্নতি সাধারণত ধাপে ধাপে দেখা যায় — প্রথমে হজম ভালো হয়, তারপর শরীরের ইনফ্লামেশন কমে, এবং সবশেষে স্কিন ধীরে ধীরে পরিষ্কার ও স্থিতিশীল হতে শুরু করে। অর্থাৎ স্কিনের পরিবর্তন আসলে ভেতরের সুস্থতার প্রতিফলন।
আপনি জাদুগ্রস্থ কি না বুঝার সহজ উপায়---
বুকে হাত রেখে নিচের আয়াতটি ৫-১০ মিনিট তিলাওয়াত করুন জাদুগ্রস্থ কি না তা যেন আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ করে দেন, শরীরে ইফেক্ট হয় এই নিয়ত করে।
(لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ)
সূরা আল হিজর-১৫
এরপর কি কি ইফেক্ট হলো সেগুলো কমেন্টস বক্সে উল্লেখ করুন।
#SunnahCure
বুকে হাত রেখে নিচের আয়াতটি ৫-১০ মিনিট তিলাওয়াত করুন জাদুগ্রস্থ কি না তা যেন আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ করে দেন, শরীরে ইফেক্ট হয় এই নিয়ত করে।
(لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ)
সূরা আল হিজর-১৫
এরপর কি কি ইফেক্ট হলো সেগুলো কমেন্টস বক্সে উল্লেখ করুন।
#SunnahCure
হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) এবং আমির খসরুর হাত ধরে আধ্যাত্মিক সংগীত বা 'কাওয়ালি' যে রূপ পেয়েছে, তা কেবল গান নয়, বরং স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর এক বিশেষ সিঁড়ি। আমির খসরু ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ এবং মরমী সাধক।
"যিনি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি বিলিয়ে দিয়েছেন, তিনি আজও দিল্লির বুকে অমর হয়ে আছেন। চিশতিয়া তরীকার প্রাণপুরুষ হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)-এর স্মরণে...। 🌹
'অন্যের দুঃখ নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই হলো প্রকৃত সুফিবাদ।' — মাহবুবে এলাহি (রহ.)"
তাদের আধ্যাত্মিক সংগীতের জগতের কিছু চমৎকার তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. কাওয়ালির জন্ম ও উদ্দেশ্য
কাওয়ালি শব্দটি এসেছে আরবি 'কাওল' (قول) থেকে, যার অর্থ 'বাক্য' বা 'বাণী'। আমির খসরু লক্ষ্য করেন যে, সাধারণ মানুষ কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা দিয়ে ধর্ম বুঝতে পারছে না। তাই তিনি আধ্যাত্মিক সত্যগুলোকে সহজ ভাষায় গানের সুরে বাঁধান, যেন মানুষ শুনেই স্রষ্টার প্রেমে ব্যাকুল হয়। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, কাওয়ালির মূল উদ্দেশ্য হলো 'শওক' বা ঐশ্বরিক তৃষ্ণা জাগিয়ে তোলা।
২. 'রং' (Raung) – এক আধ্যাত্মিক উন্মাদনা
আমির খসরুর সবচেয়ে বিখ্যাত কাওয়ালি হলো "আজ রঙ হ্যায় রে মা, রঙ হ্যায় রি..."।
পেছনের গল্প: একদিন আমির খসরু তার পীরের কাছে যাওয়ার পথে দেখলেন কিছু মানুষ হলুদ পোশাক পরে বসন্ত উৎসব পালন করছে। তিনি তখন পীরের খুশির জন্য নিজে হলুদ পোশাক পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে নাচে নাচে পীরের সামনে গিয়ে এই গানটি গান। নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) তার এই পবিত্র পাগলামি দেখে অত্যন্ত খুশি হন।
আজও উপমহাদেশে যেকোনো বড় চিশতিয়া আস্তানায় অনুষ্ঠান শেষ করা হয় এই 'রং' গেয়ে।
৩. নতুন বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন (সেতার ও তবলা)
বলা হয়, আধ্যাত্মিক সংগীতকে আরও শ্রুতিমধুর করতে আমির খসরু ভারতীয় এবং পারস্যের বাদ্যযন্ত্রের মেলবন্ধন ঘটান:
সেতার: তিনি বীণাকে সংস্কার করে 'সেতার' (সে-তার বা তিন তার বিশিষ্ট) তৈরি করেন।
তবলা: প্রচলিত 'পাখোয়াজ' বা ঢোলক ভেঙে তিনি দুই অংশের 'তবলা'র উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, যা কাওয়ালির তালে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
৪. হিন্দুস্তানি ও পারস্য সুরের মিলন
আমির খসরু আরবি ও ফারসি সুরের সাথে ভারতীয় রাগ-রাগিণীর সংমিশ্রণ ঘটান। তিনি 'খয়াল' এবং 'তানা'র মতো অনেক নতুন গায়নশৈলী আবিষ্কার করেন যা আজও ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ভিত্তি। তিনি তার পীরের দরবারে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে সংগীত আর ইবাদত মিলেমিশে এক হয়ে যেত।
৫. ছাপ তিলক সব ছিনি (Chhap Tilak)
এটি আমির খসরুর লেখা আরও একটি কালজয়ী কাওয়ালি। যেখানে তিনি বলছেন—
"ছাপ তিলক সব ছিনি রে মোসে নয়না মিলায়ে" (হে প্রিয়তম, তোমার চোখের দিকে তাকিয়েই আমার আমিত্ব, আমার পরিচয় সব হারিয়ে ফেলেছি)। এখানে প্রিয়তম বলতে তিনি তার পীর এবং রূপক অর্থে মহান আল্লাহকে বুঝিয়েছেন।
একটি আকর্ষণীয় তথ্য: হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া রহঃ এর মাজারের চত্বরে আজও প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাওয়ালি পরিবেশিত হয়। ৭০০ বছর ধরে এই ধারা এক দিনও বন্ধ হয়নি।
"সুফিবাদের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, সুলতানুল আউলিয়া হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)। তিনি শিখিয়েছেন যে, সিংহাসনের মোহ নয়, বরং অসহায় মানুষের সেবা আর আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম।
তৎকালীন ক্ষমতাধর সুলতানদের এড়িয়ে চলেও যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন, সেই ‘মাহবুবে এলাহি’-র জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আল্লাহ আমাদের তাঁর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨"
#NizamuddinAuliya #সুফিবাদ #মাহবুবেএলাহি #SufiLife #ইসলামিকইতিহাস #শান্তি #NizamuddinDargah #হুনুজ_দিল্লি_দূর_অস্ত #SpiritualLife
"যিনি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি বিলিয়ে দিয়েছেন, তিনি আজও দিল্লির বুকে অমর হয়ে আছেন। চিশতিয়া তরীকার প্রাণপুরুষ হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)-এর স্মরণে...। 🌹
'অন্যের দুঃখ নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই হলো প্রকৃত সুফিবাদ।' — মাহবুবে এলাহি (রহ.)"
তাদের আধ্যাত্মিক সংগীতের জগতের কিছু চমৎকার তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. কাওয়ালির জন্ম ও উদ্দেশ্য
কাওয়ালি শব্দটি এসেছে আরবি 'কাওল' (قول) থেকে, যার অর্থ 'বাক্য' বা 'বাণী'। আমির খসরু লক্ষ্য করেন যে, সাধারণ মানুষ কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা দিয়ে ধর্ম বুঝতে পারছে না। তাই তিনি আধ্যাত্মিক সত্যগুলোকে সহজ ভাষায় গানের সুরে বাঁধান, যেন মানুষ শুনেই স্রষ্টার প্রেমে ব্যাকুল হয়। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, কাওয়ালির মূল উদ্দেশ্য হলো 'শওক' বা ঐশ্বরিক তৃষ্ণা জাগিয়ে তোলা।
২. 'রং' (Raung) – এক আধ্যাত্মিক উন্মাদনা
আমির খসরুর সবচেয়ে বিখ্যাত কাওয়ালি হলো "আজ রঙ হ্যায় রে মা, রঙ হ্যায় রি..."।
পেছনের গল্প: একদিন আমির খসরু তার পীরের কাছে যাওয়ার পথে দেখলেন কিছু মানুষ হলুদ পোশাক পরে বসন্ত উৎসব পালন করছে। তিনি তখন পীরের খুশির জন্য নিজে হলুদ পোশাক পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে নাচে নাচে পীরের সামনে গিয়ে এই গানটি গান। নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) তার এই পবিত্র পাগলামি দেখে অত্যন্ত খুশি হন।
আজও উপমহাদেশে যেকোনো বড় চিশতিয়া আস্তানায় অনুষ্ঠান শেষ করা হয় এই 'রং' গেয়ে।
৩. নতুন বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন (সেতার ও তবলা)
বলা হয়, আধ্যাত্মিক সংগীতকে আরও শ্রুতিমধুর করতে আমির খসরু ভারতীয় এবং পারস্যের বাদ্যযন্ত্রের মেলবন্ধন ঘটান:
সেতার: তিনি বীণাকে সংস্কার করে 'সেতার' (সে-তার বা তিন তার বিশিষ্ট) তৈরি করেন।
তবলা: প্রচলিত 'পাখোয়াজ' বা ঢোলক ভেঙে তিনি দুই অংশের 'তবলা'র উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, যা কাওয়ালির তালে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
৪. হিন্দুস্তানি ও পারস্য সুরের মিলন
আমির খসরু আরবি ও ফারসি সুরের সাথে ভারতীয় রাগ-রাগিণীর সংমিশ্রণ ঘটান। তিনি 'খয়াল' এবং 'তানা'র মতো অনেক নতুন গায়নশৈলী আবিষ্কার করেন যা আজও ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ভিত্তি। তিনি তার পীরের দরবারে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে সংগীত আর ইবাদত মিলেমিশে এক হয়ে যেত।
৫. ছাপ তিলক সব ছিনি (Chhap Tilak)
এটি আমির খসরুর লেখা আরও একটি কালজয়ী কাওয়ালি। যেখানে তিনি বলছেন—
"ছাপ তিলক সব ছিনি রে মোসে নয়না মিলায়ে" (হে প্রিয়তম, তোমার চোখের দিকে তাকিয়েই আমার আমিত্ব, আমার পরিচয় সব হারিয়ে ফেলেছি)। এখানে প্রিয়তম বলতে তিনি তার পীর এবং রূপক অর্থে মহান আল্লাহকে বুঝিয়েছেন।
একটি আকর্ষণীয় তথ্য: হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া রহঃ এর মাজারের চত্বরে আজও প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাওয়ালি পরিবেশিত হয়। ৭০০ বছর ধরে এই ধারা এক দিনও বন্ধ হয়নি।
"সুফিবাদের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, সুলতানুল আউলিয়া হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)। তিনি শিখিয়েছেন যে, সিংহাসনের মোহ নয়, বরং অসহায় মানুষের সেবা আর আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম।
তৎকালীন ক্ষমতাধর সুলতানদের এড়িয়ে চলেও যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন, সেই ‘মাহবুবে এলাহি’-র জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আল্লাহ আমাদের তাঁর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨"
#NizamuddinAuliya #সুফিবাদ #মাহবুবেএলাহি #SufiLife #ইসলামিকইতিহাস #শান্তি #NizamuddinDargah #হুনুজ_দিল্লি_দূর_অস্ত #SpiritualLife
ডিজিটাল ডিভাইসের দিকে হাত বাড়ানোর আগে নিজের ভেতরের অস্থিরতা বা একঘেয়েমিকে চিহ্নিত করুন এবং সেটা ১০ মিনিট সহ্য করার চেষ্টা করুন।
•
আপনার দিনটি যদি আপনি নিজে পরিকল্পনা না করেন, তবে অন্য কেউ বা অন্য কোনো অ্যাপ আপনার সময় দখল করে নেবে।
•
ফলাফল নয়, ইনপুট দেখুন। আপনি কতটুকু কাজ শেষ করলেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি ওই কাজের জন্য কতটুকু নিরবচ্ছিন্ন সময় বরাদ্দ রেখেছিলেন।
•
আপনার টু-ডু লিস্টের চেয়ে 'টাইম-বক্সিং' বা ক্যালেন্ডারে সময় নির্দিষ্ট করা বেশি কার্যকর।
•
স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন ছাঁটাই করুন। যেসব অ্যাপ আপনার কাজে বাধা দেয়, সেগুলোর অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করে দিন।
•
ডেস্কটপ পরিষ্কার রাখুন। অগোছালো কম্পিউটার স্ক্রিন বা ডেস্কটপ আপনার মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং মনোযোগ নষ্ট করে।
•
একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি দিন, যাতে আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারে।
•
নিজেকে লেবেল করবেন না। "আমার মনোযোগ খুব কম" বা "আমি ভুলোমনা"—এই ধরনের নেতিবাচক কথা নিজেকে বলা বন্ধ করুন; এটি আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
•
আপনার সময় কি আপনার জীবনের মূল লক্ষ্য বা ভ্যালুগুলোর (যেমন: স্বাস্থ্য, পরিবার, ক্যারিয়ার) সাথে মিলছে? না মিললে রুটিন পরিবর্তন করুন।
•
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন, ব্যবহৃত হবেন না। প্রযুক্তি আপনার সেবক হওয়া উচিত, মালিক নয়।
•
খাবার টেবিলে ফোন নয়। পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর সময় ফোনটি অন্য ঘরে বা পকেটে রেখে দিন।
•
ইমেইলের জন্য সময় নির্দিষ্ট করুন। সারাদিন বারবার ইমেইল চেক না করে দিনে মাত্র দুই বা তিনবার ইমেইল দেখার জন্য সময় রাখুন।
•
মিটিংয়ের উদ্দেশ্য জানুন। এজেন্ডা ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যোগ দেবেন না, কারণ এটি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
•
ঘুমের সাথে আপস নয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ ধরে রাখা অসম্ভব। শোবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
•
নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। কোনোদিন রুটিন ভুল হলে নিজেকে দোষারোপ না করে পরের দিন আবার নতুন উদ্যমে শুরু করুন।
•
আপনি যখন গভীর কোনো কাজ করবেন, তখন ডোর-সাইন বা কোনো সংকেত ব্যবহার করুন যাতে অন্য কেউ আপনাকে বিরক্ত না করে।
•
বিশ্বাস করুন যে আপনার মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা অসীম; এটি কেবল অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
_____
Source: Indistractable
•
আপনার দিনটি যদি আপনি নিজে পরিকল্পনা না করেন, তবে অন্য কেউ বা অন্য কোনো অ্যাপ আপনার সময় দখল করে নেবে।
•
ফলাফল নয়, ইনপুট দেখুন। আপনি কতটুকু কাজ শেষ করলেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি ওই কাজের জন্য কতটুকু নিরবচ্ছিন্ন সময় বরাদ্দ রেখেছিলেন।
•
আপনার টু-ডু লিস্টের চেয়ে 'টাইম-বক্সিং' বা ক্যালেন্ডারে সময় নির্দিষ্ট করা বেশি কার্যকর।
•
স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন ছাঁটাই করুন। যেসব অ্যাপ আপনার কাজে বাধা দেয়, সেগুলোর অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করে দিন।
•
ডেস্কটপ পরিষ্কার রাখুন। অগোছালো কম্পিউটার স্ক্রিন বা ডেস্কটপ আপনার মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং মনোযোগ নষ্ট করে।
•
একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি দিন, যাতে আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারে।
•
নিজেকে লেবেল করবেন না। "আমার মনোযোগ খুব কম" বা "আমি ভুলোমনা"—এই ধরনের নেতিবাচক কথা নিজেকে বলা বন্ধ করুন; এটি আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
•
আপনার সময় কি আপনার জীবনের মূল লক্ষ্য বা ভ্যালুগুলোর (যেমন: স্বাস্থ্য, পরিবার, ক্যারিয়ার) সাথে মিলছে? না মিললে রুটিন পরিবর্তন করুন।
•
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন, ব্যবহৃত হবেন না। প্রযুক্তি আপনার সেবক হওয়া উচিত, মালিক নয়।
•
খাবার টেবিলে ফোন নয়। পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর সময় ফোনটি অন্য ঘরে বা পকেটে রেখে দিন।
•
ইমেইলের জন্য সময় নির্দিষ্ট করুন। সারাদিন বারবার ইমেইল চেক না করে দিনে মাত্র দুই বা তিনবার ইমেইল দেখার জন্য সময় রাখুন।
•
মিটিংয়ের উদ্দেশ্য জানুন। এজেন্ডা ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যোগ দেবেন না, কারণ এটি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
•
ঘুমের সাথে আপস নয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ ধরে রাখা অসম্ভব। শোবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
•
নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। কোনোদিন রুটিন ভুল হলে নিজেকে দোষারোপ না করে পরের দিন আবার নতুন উদ্যমে শুরু করুন।
•
আপনি যখন গভীর কোনো কাজ করবেন, তখন ডোর-সাইন বা কোনো সংকেত ব্যবহার করুন যাতে অন্য কেউ আপনাকে বিরক্ত না করে।
•
বিশ্বাস করুন যে আপনার মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা অসীম; এটি কেবল অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
_____
Source: Indistractable
❤1
কে বলে দোয়া কবুল হয় না?
মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।
অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।
পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।
ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,
"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"
(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)
দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।
উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
© Salman Farsi
মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।
অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।
পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।
ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,
"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"
(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)
দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।
উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
© Salman Farsi
গত কয়েকদিনে দেশে একাধিক শিশু নিrযাতন, ধrষণ, খু!নের ঘটনা, নিউজফিডে এসেছে, আমি চোখ বুলিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। সাহস হয়নি বিস্তারিত জানার। এখনো অতটা শক্ত হইনি এগুলো হজম করার মতো। আমি জানি এসব ঘটনা নিয়ে আওয়াজ তোলা উচিত, পারছি না। বহুবার কিছু লিখতে গিয়ে পারিনি। এখনো পারছি না। শুধু কেন পারছি না সেটুকু লিখছি। সীতাকুণ্ড, যশোর, নরসিংদী, ইরানের স্কুলের শিশুগুলো... আমি কিছু লিখতে গেলেই মনে হচ্ছে ঘটনাগুলোকে সত্য মেনে নিতে হবে, আমি মেনে নেয়ার মানসিক অবস্থায় নেই সত্যি বলতে।
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে শুধু কিছু কথা: (লেখাটা আগের)
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। আমাদের পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে শিশু যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে প্রায় ৮৫% ঘটনার ক্ষেত্রে অপরাধী ভিক্টিমের কাছের লোক, বিশ্বাসযোগ্য বা পরিচিত কেউ, যেমন আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধু বা পরিবারের সদস্য। তাই বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- যে হেল্পিং হ্যান্ড/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আত্মীয়, টিউটর, শিক্ষক, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়ে শিশু না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে প্রপারলি শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
বাচ্চারা যখন কারো কাছে যেতে চায় না, আমরা প্রায়ই ভদ্রতার খাতিরে বাচ্চাকে জোরাজোরি করি। এটা একেবারে অনুচিত। এতে শিশুর কনফিডেন্স কমে যায়, শিশু নিজেকে আনসেইফ ফিল করে, anxiety, people pleasing mentally গ্রো করে। আরও ভয়াবহ ব্যাপার হল, শিশু যখন দেখে তার চাওয়া না চাওয়ার গুরুত্ব বাবা মার কাছেই নেই, বাইরের মানুষের কাছেও সে আর না বলতে পারে না, এবং এ ধরনের না বলতে না পারা শিশুরাই child molester দের সবচেয়ে সহজ টার্গেট।
আমার ছেলেকে আমি বা ফ্যামিলি মেম্বাররা কিস বা হাগ দিতে চাইলে ওর পারমিশন নিয়ে দেই। জানি অনেকের কাছেই ব্যাপারটা হাস্যকর, ridiculous মনে হবে। নিজের বাচ্চাকে আদর করতে হবে পারমিশন নিয়ে? হ্যাঁ করতে হবে। আমার ছেলের এখন মত প্রকাশের ক্ষমতা হয়েছে। ওর কোনটা অপছন্দ, কোনটা ওর জন্য বিরক্তিকর সেটা ও স্পষ্টভাবে বলতে এবং বোঝাতে পারে। এটা শিশুর অনেক ইম্পর্ট্যান্ট একটা মাইলস্টোন। আমি মনে করি, বাচ্চার ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার দেয়া প্রয়োজন, তেমনি ওর মতামতকে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।
ছোট বাচ্চাদের জোর করে কোলে নেয়া, কাছে টানা, আদর করা এসব ব্যবহার অন্যায়। যারা করে, অন্যায় করে, বুঝে করুক বা না বুঝে করুক। আর যেসব প্যারেন্ট এগুলো এলাও করেন, তারা বাচ্চাকে চরম ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। "বড়রা কাছে ডাকলে যেতে হয়", "বড়দের না করতে হয় না"- পরিবার থেকে এমন শিক্ষা পাওয়া বাচ্চারা মল*স্টারদের জন্য সবচেয়ে সহজ টার্গেট।
নিজেকে একটা সিম্পল প্রশ্ন করুন তো, আমরা এমন কাজ কেন করবো যা বাচ্চার পছন্দ না? ওরা ছোট বলে কি ওদের ইচ্ছা অনিচ্ছার মূল্য নেই? ওরা ছোট বলে ভালো না লাগলেও আমাদের সব কথা কেন মানতে হবে?
শিশুদের বডি বাউন্ডারি শেখানো, নিজেকে, নিজের প্রাইভেসি, নিজের শরীরকে রেস্পেক্ট করা শেখানো, না বলতে শেখানো- এগুলো বেয়াদবি শেখানো না, এগুলো ইম্পর্ট্যান্ট লাইফ লেসন, যা শুধু তাকে নিরাপদই রাখবে না, তাকে একজন আত্মবিশ্বাসী, ব্যক্তিত্ববান, নিজের ভালো বোঝা, ভালো চাওয়া, দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে বড় হতে সাহায্য করবে। শিশুকে তার শরীর নিয়ে শেখান, ফিজিক্যাল এবং
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে শুধু কিছু কথা: (লেখাটা আগের)
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। আমাদের পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে শিশু যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে প্রায় ৮৫% ঘটনার ক্ষেত্রে অপরাধী ভিক্টিমের কাছের লোক, বিশ্বাসযোগ্য বা পরিচিত কেউ, যেমন আত্মীয়, প্রতিবেশী, বন্ধু বা পরিবারের সদস্য। তাই বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- যে হেল্পিং হ্যান্ড/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আত্মীয়, টিউটর, শিক্ষক, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়ে শিশু না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে প্রপারলি শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
বাচ্চারা যখন কারো কাছে যেতে চায় না, আমরা প্রায়ই ভদ্রতার খাতিরে বাচ্চাকে জোরাজোরি করি। এটা একেবারে অনুচিত। এতে শিশুর কনফিডেন্স কমে যায়, শিশু নিজেকে আনসেইফ ফিল করে, anxiety, people pleasing mentally গ্রো করে। আরও ভয়াবহ ব্যাপার হল, শিশু যখন দেখে তার চাওয়া না চাওয়ার গুরুত্ব বাবা মার কাছেই নেই, বাইরের মানুষের কাছেও সে আর না বলতে পারে না, এবং এ ধরনের না বলতে না পারা শিশুরাই child molester দের সবচেয়ে সহজ টার্গেট।
আমার ছেলেকে আমি বা ফ্যামিলি মেম্বাররা কিস বা হাগ দিতে চাইলে ওর পারমিশন নিয়ে দেই। জানি অনেকের কাছেই ব্যাপারটা হাস্যকর, ridiculous মনে হবে। নিজের বাচ্চাকে আদর করতে হবে পারমিশন নিয়ে? হ্যাঁ করতে হবে। আমার ছেলের এখন মত প্রকাশের ক্ষমতা হয়েছে। ওর কোনটা অপছন্দ, কোনটা ওর জন্য বিরক্তিকর সেটা ও স্পষ্টভাবে বলতে এবং বোঝাতে পারে। এটা শিশুর অনেক ইম্পর্ট্যান্ট একটা মাইলস্টোন। আমি মনে করি, বাচ্চার ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার দেয়া প্রয়োজন, তেমনি ওর মতামতকে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।
ছোট বাচ্চাদের জোর করে কোলে নেয়া, কাছে টানা, আদর করা এসব ব্যবহার অন্যায়। যারা করে, অন্যায় করে, বুঝে করুক বা না বুঝে করুক। আর যেসব প্যারেন্ট এগুলো এলাও করেন, তারা বাচ্চাকে চরম ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। "বড়রা কাছে ডাকলে যেতে হয়", "বড়দের না করতে হয় না"- পরিবার থেকে এমন শিক্ষা পাওয়া বাচ্চারা মল*স্টারদের জন্য সবচেয়ে সহজ টার্গেট।
নিজেকে একটা সিম্পল প্রশ্ন করুন তো, আমরা এমন কাজ কেন করবো যা বাচ্চার পছন্দ না? ওরা ছোট বলে কি ওদের ইচ্ছা অনিচ্ছার মূল্য নেই? ওরা ছোট বলে ভালো না লাগলেও আমাদের সব কথা কেন মানতে হবে?
শিশুদের বডি বাউন্ডারি শেখানো, নিজেকে, নিজের প্রাইভেসি, নিজের শরীরকে রেস্পেক্ট করা শেখানো, না বলতে শেখানো- এগুলো বেয়াদবি শেখানো না, এগুলো ইম্পর্ট্যান্ট লাইফ লেসন, যা শুধু তাকে নিরাপদই রাখবে না, তাকে একজন আত্মবিশ্বাসী, ব্যক্তিত্ববান, নিজের ভালো বোঝা, ভালো চাওয়া, দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে বড় হতে সাহায্য করবে। শিশুকে তার শরীর নিয়ে শেখান, ফিজিক্যাল এবং
ইমোশনাল বাউন্ডারি শেখান, এবং প্যারেন্টস, ফ্যামিলি মেম্বার নিজেরা আগে তার বাউন্ডারিকে রেস্পেক্ট করুন।
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety
‼️❝ব্যস্ত কারও কাছ থেকে পরামর্শ নিও না, সে যতই বিচক্ষণ হোক❞ - ❝ক্ষুধার্ত কারও কাছ থেকে বুদ্ধি নিও না, সে যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন❞ - ❝ভীত কারও কাছ থেকে উপদেশ নিও না, সে তোমার যতই ভালো চাক❞ - ❝দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কারও কাছ থেকে জ্ঞান নিও না, সে যতই মহাজ্ঞানী হোক❞
কারণ—ব্যস্ততা, ক্ষুধা, ভয় আর দুশ্চিন্তা মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মন মানসিকতা এমন থাকাবস্থায় সঠিক মতামত দেওয়া সম্ভব হয় না এবং কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
____ ছেলের প্রতি কুস ইবনে সাইদা আল-ইয়াদির উপদেশ
📕আল-মাসূন ফিল আদাব
কারণ—ব্যস্ততা, ক্ষুধা, ভয় আর দুশ্চিন্তা মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মন মানসিকতা এমন থাকাবস্থায় সঠিক মতামত দেওয়া সম্ভব হয় না এবং কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
____ ছেলের প্রতি কুস ইবনে সাইদা আল-ইয়াদির উপদেশ
📕আল-মাসূন ফিল আদাব
‼️❝ব্যস্ত কারও কাছ থেকে পরামর্শ নিও না, সে যতই বিচক্ষণ হোক❞ - ❝ক্ষুধার্ত কারও কাছ থেকে বুদ্ধি নিও না, সে যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন❞ - ❝ভীত কারও কাছ থেকে উপদেশ নিও না, সে তোমার যতই ভালো চাক❞ - ❝দুশ্চিন্তাগ্রস্ত কারও কাছ থেকে জ্ঞান নিও না, সে যতই মহাজ্ঞানী হোক❞
কারণ—ব্যস্ততা, ক্ষুধা, ভয় আর দুশ্চিন্তা মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মন মানসিকতা এমন থাকাবস্থায় সঠিক মতামত দেওয়া সম্ভব হয় না এবং কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
____ ছেলের প্রতি কুস ইবনে সাইদা আল-ইয়াদির উপদেশ
📕আল-মাসূন ফিল আদাব
কারণ—ব্যস্ততা, ক্ষুধা, ভয় আর দুশ্চিন্তা মানুষের স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। মন মানসিকতা এমন থাকাবস্থায় সঠিক মতামত দেওয়া সম্ভব হয় না এবং কোনো দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
____ ছেলের প্রতি কুস ইবনে সাইদা আল-ইয়াদির উপদেশ
📕আল-মাসূন ফিল আদাব
❤1
নারীর স্বভাবের ১০ টি নিষিদ্ধ সত্য, যা শেখানো হয়নি...
মহিলা মনোবিজ্ঞান—
সত্য কখনো মিষ্টি হয় না। সত্য সবসময় একটু ক'র্ক'শ লাগে। আর যখন প্রশ্ন ওঠে নারী স্বভাবের তখন এই ক'র্ক'শ'তা আরো গভীর হয়ে যায়।
ফ্রেডরিক নিচ বলেছিলেন মহিলাদের বিষয়ে সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং মহিলাদের সবকিছুরই একটাই সমাধান আছে। এটিকে বলা হয় প্রেগনেন্সি। কিন্তু আসলে তার কথার নিচে লুকানো ছিল একটি গভীর সতর্কবাণী। একটি সতর্কবাণী যা আজও ঠিক ততটাই সত্য।
আজ আমি তোমাকে বলব— নারী স্বভাবের ১০টি কালো সত্য।
এমন সত্য যা তুমি বইয়ে কখনো পড়নি। এমন সত্য যা সমাজ কখনো মেনে নেবে না। কিন্তু যদি তুমি এগুলো জানো তাহলে তোমার চোখ থেকে সেই পর্দা ছুটে যাবে যা অধিকাংশ পুরুষকে অ'ন্ধ করে রাখে। চলো তাহলে শুরু করি।
◾প্রথম সত্য—
নারীর প্রথম অ'স্ত্র আকর্ষণ। নারীর কাছে অ'স্ত্র থাকে না। তার কাছে শক্তি নেই। কিন্তু তার আছে সবচেয়ে বি'ষা'ক্ত শক্তি তার আকর্ষণ।
ফ্রিডেরিক নিট সে বলেছেন, নারীর শক্তি লুকিয়ে থাকে তার আকর্ষণ ও সূক্ষ আচরণের মধ্যে। একজন নারীর হাসি, চোখের নরম দৃষ্টি বা তার কোমল স্পর্শ এই ছোট ছোট ইঙ্গিতি মুহূর্তে একজন পুরুষের কঠোর মানসিকতা নরম করে দিতে পারে। তুমি যতই ভাবো তুমি যুক্তিবাদী, স্থির এবং বুদ্ধিমান। নারীর আকর্ষণ সবসময় সেই যুক্তি ও লজিকের উপর নিঃশব্দে জয় পায়। কারণ এটাই তার প্রথম প্রাকৃতিক
এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অ'স্ত্র তার মোহ।
◾দ্বিতীয় সত্য—
নারী নিরাপত্তা চায় ভালোবাসা নয়। বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন নারীরা ভালোবাসা চায় কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নারীরা নিরাপত্তা চায়।
ফ্রেডেরিক নিচ লিখেছিলেন, মানুষ যু'দ্ধে'র জন্য তৈরি। নারী পুনঃনির্মাণের জন্য। এখানে নিজেকে নিরাপদ রাখাই নারীর প্রকৃত স্বভাব। সে দেখে কে তাকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং শক্তি দিতে পারে। ভালোবাসা তার কাছে কেবল একটি পথ। আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিরাপত্তা।
এইজন্য নারী প্রায়শই সেই পুরুষটিকেই বেছে নেয় যিনি সবচেয়ে নিরাপদ ও শক্তিশালী মনে হয়। তাকে না যে পুরুষ তাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।
◾তৃতীয় সত্য—
নারীর জন্য পুরুষ একটি মাধ্যম। এই কথা শুনে তোমাকে ক'ষ্ট লাগতে পারে। কিন্তু এটি করা বাস্তবতা। একজন নারীর কাছে পুরুষ কখনোই উদ্দেশ্য হয় না। সে পুরুষকে প্রায়ই একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। কখনো নিরাপত্তার জন্য, কখনো সামাজিক মর্যাদার জন্য, কখনো নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য।
ফ্রেডরিক নিচে বলেছেন, নারীর সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং নারীর সবকিছুরই এক সমাধান আছে। তা হলো পুরুষ। অর্থাৎ নারীর খেলা পুরুষকে ঘিরেই ঘরে। কিন্তু এখানে কৌশল হলো পুরুষ ভেবে বসে যে সে কেন্দ্র। বাস্তবে সে শুধু একটি মাধ্যম।
ভাবো অনেক নারী এমন পুরুষের সঙ্গে বিয়ে করে যাকে তারা সত্যি ভালোবাসে না, কেন করে। কারণ সেই পুরুষের থেকে তাদের কিছু পাওয়ার কারণ থাকে। কখনো সামাজিক সম্মান, কখনো আর্থিক নিরাপত্তা, কখনো পরিবার গঠনের সুযোগ, আর যখন সেটা পূরণ হয়।
প্রায়শই নারীর প্রবণতা বদলে যায়। তখন পুরুষ হতবাগ হয়ে যায়। আমি সব করেছি তারপরও সে সুখী নয়। কেন আসলে সে কখনোই তোমাকে উদ্দেশ্য ধরে চলেনি। সে তোমাকে শুধু একটি মাধ্যম ধরেই চলেছে।
এই কারণে পুরুষ বারবার হৃদয় ভা'ঙ্গা'র অভিযোগ করে। কারণ তারা নারীকে উদ্দেশ্য ধরে নিয়েছিল। অথচ নারী তাকে কেবল মাধ্যম মনে করেছে। যদি তুমি এটা বুঝে যাও কখনো ভু'ল প্রত্যাশা করবে না।
◾চতুর্থ সত্য—
নারীর নিষ্ঠা সবসময় শর্ত সাপেক্ষ। পুরুষরা প্রায়ই মনে করে যদি তারা কোন নারীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা দেখায়। তাহলে সেই নারী সারাজীবন তাদের পাশে থাকবে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। কারণ নারীর নিষ্ঠা কখনোই একতরফা বা নিঃশর্ত নয়। তা নির্ভর করে মূল্যবোধ, নিরাপত্তা, সম্মান, আবেগীয় সংযোগ এবং ভবিষ্যতের স্থিতির উপর।
সে ততক্ষণ বিশ্বস্ত থাকে। যতক্ষণ সে তোমার থেকে কিছু পাচ্ছে। সেটা হতে পারে টাকা, সেটা হতে পারে নিরাপত্তা বা সামাজিক সম্মান এবং মর্যাদা। ঠিক যেই মুহূর্তে তার মনে হয় যে এসব এখন তার থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তখন তার বিশ্বস্ততাও হালকা হতে থাকে।
তুমি দেখেছো কতজন নারী সম্পর্কের ভিতরে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত। যতক্ষণ পুরুষ শক্তিশালী উপার্জনশীল, এবং তাদের সহায়তা করে, কিন্তু যখনই পুরুষ পড়ে যায় প্রায়শই সেই নারীরা প্রথমেই চলে যায় এটা তি'ক্ত সত্য।
নারীর বিশ্বস্ততা স্থায়ী নয়, বরং শর্ত সাপেক্ষ। এবং এই শর্তগুলোর নাম ফায়দা নিরাপত্তা এবং স্থিরতা। তাই যদি তুমি মনে করো যে নারী কেবল তোমার ভালোবাসার জন্য চিরকাল থাকবে। তাহলে সেটা একটা বিপদজনক ভু'ল। নারী বিশ্বস্ত কিন্তু শুধুমাত্র যতক্ষণ তার চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে।
◾পঞ্চম সত্য—
নারী শক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। নারী নিজে থেকে শক্তি হতে পারে না। সে যুদ্ধ লড়তে পারে না। সাম্রাজ্য গড়তে পারে না। কিন্তু তার সবচেয়ে গভীর প্রবণতা হলো শক্তির সঙ্গে জুড়ে যাওয়া। ইতিহাসে প্রতিটি রাজপ্রাসাদে রানী এবং স্ত্রীরা সেই রাজা, বা শাসকের চারপাশেই ছিল। যার হাতে ত'র'বা'রি ও মুকুট ছিল।
মহিলা মনোবিজ্ঞান—
সত্য কখনো মিষ্টি হয় না। সত্য সবসময় একটু ক'র্ক'শ লাগে। আর যখন প্রশ্ন ওঠে নারী স্বভাবের তখন এই ক'র্ক'শ'তা আরো গভীর হয়ে যায়।
ফ্রেডরিক নিচ বলেছিলেন মহিলাদের বিষয়ে সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং মহিলাদের সবকিছুরই একটাই সমাধান আছে। এটিকে বলা হয় প্রেগনেন্সি। কিন্তু আসলে তার কথার নিচে লুকানো ছিল একটি গভীর সতর্কবাণী। একটি সতর্কবাণী যা আজও ঠিক ততটাই সত্য।
আজ আমি তোমাকে বলব— নারী স্বভাবের ১০টি কালো সত্য।
এমন সত্য যা তুমি বইয়ে কখনো পড়নি। এমন সত্য যা সমাজ কখনো মেনে নেবে না। কিন্তু যদি তুমি এগুলো জানো তাহলে তোমার চোখ থেকে সেই পর্দা ছুটে যাবে যা অধিকাংশ পুরুষকে অ'ন্ধ করে রাখে। চলো তাহলে শুরু করি।
◾প্রথম সত্য—
নারীর প্রথম অ'স্ত্র আকর্ষণ। নারীর কাছে অ'স্ত্র থাকে না। তার কাছে শক্তি নেই। কিন্তু তার আছে সবচেয়ে বি'ষা'ক্ত শক্তি তার আকর্ষণ।
ফ্রিডেরিক নিট সে বলেছেন, নারীর শক্তি লুকিয়ে থাকে তার আকর্ষণ ও সূক্ষ আচরণের মধ্যে। একজন নারীর হাসি, চোখের নরম দৃষ্টি বা তার কোমল স্পর্শ এই ছোট ছোট ইঙ্গিতি মুহূর্তে একজন পুরুষের কঠোর মানসিকতা নরম করে দিতে পারে। তুমি যতই ভাবো তুমি যুক্তিবাদী, স্থির এবং বুদ্ধিমান। নারীর আকর্ষণ সবসময় সেই যুক্তি ও লজিকের উপর নিঃশব্দে জয় পায়। কারণ এটাই তার প্রথম প্রাকৃতিক
এবং সবচেয়ে শক্তিশালী অ'স্ত্র তার মোহ।
◾দ্বিতীয় সত্য—
নারী নিরাপত্তা চায় ভালোবাসা নয়। বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন নারীরা ভালোবাসা চায় কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নারীরা নিরাপত্তা চায়।
ফ্রেডেরিক নিচ লিখেছিলেন, মানুষ যু'দ্ধে'র জন্য তৈরি। নারী পুনঃনির্মাণের জন্য। এখানে নিজেকে নিরাপদ রাখাই নারীর প্রকৃত স্বভাব। সে দেখে কে তাকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং শক্তি দিতে পারে। ভালোবাসা তার কাছে কেবল একটি পথ। আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিরাপত্তা।
এইজন্য নারী প্রায়শই সেই পুরুষটিকেই বেছে নেয় যিনি সবচেয়ে নিরাপদ ও শক্তিশালী মনে হয়। তাকে না যে পুরুষ তাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।
◾তৃতীয় সত্য—
নারীর জন্য পুরুষ একটি মাধ্যম। এই কথা শুনে তোমাকে ক'ষ্ট লাগতে পারে। কিন্তু এটি করা বাস্তবতা। একজন নারীর কাছে পুরুষ কখনোই উদ্দেশ্য হয় না। সে পুরুষকে প্রায়ই একটি মাধ্যম হিসেবে দেখে। কখনো নিরাপত্তার জন্য, কখনো সামাজিক মর্যাদার জন্য, কখনো নিজের ইচ্ছা পূরণের জন্য।
ফ্রেডরিক নিচে বলেছেন, নারীর সবকিছুই একটি ধাঁধা এবং নারীর সবকিছুরই এক সমাধান আছে। তা হলো পুরুষ। অর্থাৎ নারীর খেলা পুরুষকে ঘিরেই ঘরে। কিন্তু এখানে কৌশল হলো পুরুষ ভেবে বসে যে সে কেন্দ্র। বাস্তবে সে শুধু একটি মাধ্যম।
ভাবো অনেক নারী এমন পুরুষের সঙ্গে বিয়ে করে যাকে তারা সত্যি ভালোবাসে না, কেন করে। কারণ সেই পুরুষের থেকে তাদের কিছু পাওয়ার কারণ থাকে। কখনো সামাজিক সম্মান, কখনো আর্থিক নিরাপত্তা, কখনো পরিবার গঠনের সুযোগ, আর যখন সেটা পূরণ হয়।
প্রায়শই নারীর প্রবণতা বদলে যায়। তখন পুরুষ হতবাগ হয়ে যায়। আমি সব করেছি তারপরও সে সুখী নয়। কেন আসলে সে কখনোই তোমাকে উদ্দেশ্য ধরে চলেনি। সে তোমাকে শুধু একটি মাধ্যম ধরেই চলেছে।
এই কারণে পুরুষ বারবার হৃদয় ভা'ঙ্গা'র অভিযোগ করে। কারণ তারা নারীকে উদ্দেশ্য ধরে নিয়েছিল। অথচ নারী তাকে কেবল মাধ্যম মনে করেছে। যদি তুমি এটা বুঝে যাও কখনো ভু'ল প্রত্যাশা করবে না।
◾চতুর্থ সত্য—
নারীর নিষ্ঠা সবসময় শর্ত সাপেক্ষ। পুরুষরা প্রায়ই মনে করে যদি তারা কোন নারীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা দেখায়। তাহলে সেই নারী সারাজীবন তাদের পাশে থাকবে। কিন্তু এটাই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। কারণ নারীর নিষ্ঠা কখনোই একতরফা বা নিঃশর্ত নয়। তা নির্ভর করে মূল্যবোধ, নিরাপত্তা, সম্মান, আবেগীয় সংযোগ এবং ভবিষ্যতের স্থিতির উপর।
সে ততক্ষণ বিশ্বস্ত থাকে। যতক্ষণ সে তোমার থেকে কিছু পাচ্ছে। সেটা হতে পারে টাকা, সেটা হতে পারে নিরাপত্তা বা সামাজিক সম্মান এবং মর্যাদা। ঠিক যেই মুহূর্তে তার মনে হয় যে এসব এখন তার থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তখন তার বিশ্বস্ততাও হালকা হতে থাকে।
তুমি দেখেছো কতজন নারী সম্পর্কের ভিতরে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত। যতক্ষণ পুরুষ শক্তিশালী উপার্জনশীল, এবং তাদের সহায়তা করে, কিন্তু যখনই পুরুষ পড়ে যায় প্রায়শই সেই নারীরা প্রথমেই চলে যায় এটা তি'ক্ত সত্য।
নারীর বিশ্বস্ততা স্থায়ী নয়, বরং শর্ত সাপেক্ষ। এবং এই শর্তগুলোর নাম ফায়দা নিরাপত্তা এবং স্থিরতা। তাই যদি তুমি মনে করো যে নারী কেবল তোমার ভালোবাসার জন্য চিরকাল থাকবে। তাহলে সেটা একটা বিপদজনক ভু'ল। নারী বিশ্বস্ত কিন্তু শুধুমাত্র যতক্ষণ তার চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে।
◾পঞ্চম সত্য—
নারী শক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। নারী নিজে থেকে শক্তি হতে পারে না। সে যুদ্ধ লড়তে পারে না। সাম্রাজ্য গড়তে পারে না। কিন্তু তার সবচেয়ে গভীর প্রবণতা হলো শক্তির সঙ্গে জুড়ে যাওয়া। ইতিহাসে প্রতিটি রাজপ্রাসাদে রানী এবং স্ত্রীরা সেই রাজা, বা শাসকের চারপাশেই ছিল। যার হাতে ত'র'বা'রি ও মুকুট ছিল।
❤1
সাধারণ বা দুর্বল পুরুষ তাদের জন্য অদৃশ্য হয়ে যেত। এটা শুধু ইতিহাস নয় আজও সত্য। আধুনিক জগতে শক্তি মানে টাকা, প্রভাব, এবং আত্মবিশ্বাস। নারী তার দিকে আকৃষ্ট হয় যার কর্তৃত্ব আছে। যার কাছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে।
দুর্বল পুরুষ নারীর চোখে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। সে বলবে যে তাকে ভালো হৃদয় ও ভালোবাসা দরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার মন সেই পুরুষের প্রতি টিকে থাকে যে বিশ্বে নিজের আধিপত্য গড়ে তুলতে পারে।
তাই মনে রেখো, যদি তুমি জীবনে শক্তিশালী না হও। যদি তোমার কাছে নিয়ন্ত্রণ না থাকে। তাহলে নারী তোমাকে কখনোই সত্যিকারের অর্থে ভালোবাসবে না। সে কেবল শক্তির পাশে দাঁড়ায় এটাই তার স্বভাব।
◾ষষ্ঠ সত্য—
নারী নির্দোষতার মুখোষ পরিধান করে নারী কখনোই সরাসরি তার আসল উদ্দেশ্য বলে না। সে সবসময় নির্দোষতার একটি মুখোশ পড়ে। যাতে পুরুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
নিট বলেছেন নারী শেখে ভালোবাসার ভেতরেই বি'দ্বে'ষ করতে। ধীরে ধীরে সে ভুলতে থাকে কিভাবে নিখাতভাবে ভালোবাসতে হয়। অর্থাৎ যতক্ষণ নারী নির্দোষতা ও আকর্ষণের মুখোশ ধরে রাখে সে সহজে পুরুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এবং যখন সেই মুখোশ পড়ে যায়। তখন তার আসল চেহারা প্রকাশ পায়।
◾সপ্তম সত্য—
নারী কখনো তৃপ্ত হয় না। এটা সম্ভবত সবচেয়ে করা কথা। নারী পুরোপুরি কখনোই সন্তুষ্ট হয় না। সে সবসময় চায় বেশি আরো চায়।
নিট সে বলেছিলেন, প্রেম ও প্রতিশোধে নারী পুরুষের তুলনায় বেশি পরাক্রমশালী। অর্থাৎ নারীর স্বভাব সবসময় বিক্ষিপ্ত। সবসময় লালায়িত এবং সবসময় অতিরিক্ত। সে কখনোই থামে না। না সম্পর্কে, না ইচ্ছায়, না প্রত্যাশায়।
◾অষ্টম সত্য—
নারীরা আবেগ নিয়ে খেলায় নিপুণ। পুরুষ প্রায়শই যুক্তি নিয়ে কাজ করে। কিন্তু নারী সবসময় আবেগের খেলা খেলতে জানে। সে জানে সরাসরি যুক্তি দিয়ে পুরুষকে পরাজিত করা যায় না। তাই সে আবেগকে অ'স্ত্র বানায়। অপরাধবোধ, কাঁদা, নীরবতা, অভিযোগ এসব তার সবচেয়ে শক্তিশালী অ'স্ত্র।
নিট সে বলেছিলেন, যখন একজন নারীর মনোবৃত্তি বিশ্লেষণ হয়, প্রায়শই তার আবেগে কিছু ত্রুতি ধরা পড়ে। অর্থাৎ তার আসল শক্তি আবেগকে মোড়ানোর ক্ষমতাতেই লুকিয়ে আছে। এবং এই কারণেই পুরুষ প্রায়ই জালে পড়ে যায়।
◾নবম সত্য—
নারী প্রতিযোগিতায় নি'র্ম'ম। তুমি ভাবো নারী দয়ালু। কিন্তু সত্য হলো একজন নারী অন্য নারীদের সঙ্গেই সবচেয়ে কঠোর হয়। তার কাছে প্রেমের চেয়ে বড় যু'দ্ধ হলো অন্য নারীদের পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া।
এজন্যই সে সুন্দর দেখাতে, নজর কাটতে, প্রতিযোগিতায় জিততে সকল সম্ভব কৌশল ব্যবহার করে। সে কখনো প্রকাশ্যে ল'ড়া'ই করবে না। বরং আড়াল থেকে আ'ঘা'ত করবে। এটাই তার কৌশল। আর এটাই তার প্রকৃত খেলা। সত্যের শীর্ষে দাঁড়ানো এই বাস্তবতা হলো নারী কখনো তোমাকে পুরোপুরি নিজের করে নিতে দেবে না।
নিট সে বলেছিলেন, তুমি কি কোন নারীর কাছে যাচ্ছ? তোমার সঙ্গে চাবুক নিতে ভু'লে যেও না। কথাটি শুনতে কঠোর লাগলেও এর অর্থ নারীকে অ'ত্যা'চা'র করা নয়। এর আসল সতর্ক বার্তা হলো যদি তুমি তাকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে দাও। সে একসময় তোমাকে নিজের দাসে পরিণত করবে। নারী সবসময় চাইবে পুরুষ তার চারপাশে ঘুরে বেড়াক। কিন্তু যদি পুরুষ নিজেকে তার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলে তবে সে তাকে কখনোই সম্পূর্ণভাবে নিজের করে নেবে না।
এটাই শেষ সত্য। দশম সত্য—
নারী তোমাকে সবসময় কিছুটা অসম্পূর্ণ অবস্থায় চাইবে। যাতে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখন তুমি ভাবছো তাহলে কি নারীরা খারাপ? না। এটি তাদের স্বভাবের সত্য।
সমস্যা হলো পুরুষ এই সত্যগুলো দেখতে চায় না। সে মিষ্টি মি'থ্যা'র ভেতরেই বাঁচতে চায়। কিন্তু যদি তুমি সত্যকে দেখতে পারো তুমি মুক্ত হয়ে যাবে। কারণ শক্তি শুরু হয় সেই স্থান থেকে। যেখানে ভ্রম ভে'ঙে যায়। আর আজ তোমার সেই ভ্রম ভে'ঙে গেছে।
মনে রেখো, নারীকে বোঝা তোমার উদ্দেশ্য নয়। তোমার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজেকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলা যেন কোন খেলা, কোন প্রতারণা, কোন বিভ্রম তোমাকে নিচে নামাতে না পারে।
নিট সে বলেছিলেন, বিকাম হু ইউ আর। আর এটাই তোমার সবচেয়ে বড় কাজ। নিজেকে চিনো, নিজেকে শক্ত করো এবং নিজেকে এত উঁচুতে তুলো যে কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।
দুর্বল পুরুষ নারীর চোখে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। সে বলবে যে তাকে ভালো হৃদয় ও ভালোবাসা দরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার মন সেই পুরুষের প্রতি টিকে থাকে যে বিশ্বে নিজের আধিপত্য গড়ে তুলতে পারে।
তাই মনে রেখো, যদি তুমি জীবনে শক্তিশালী না হও। যদি তোমার কাছে নিয়ন্ত্রণ না থাকে। তাহলে নারী তোমাকে কখনোই সত্যিকারের অর্থে ভালোবাসবে না। সে কেবল শক্তির পাশে দাঁড়ায় এটাই তার স্বভাব।
◾ষষ্ঠ সত্য—
নারী নির্দোষতার মুখোষ পরিধান করে নারী কখনোই সরাসরি তার আসল উদ্দেশ্য বলে না। সে সবসময় নির্দোষতার একটি মুখোশ পড়ে। যাতে পুরুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
নিট বলেছেন নারী শেখে ভালোবাসার ভেতরেই বি'দ্বে'ষ করতে। ধীরে ধীরে সে ভুলতে থাকে কিভাবে নিখাতভাবে ভালোবাসতে হয়। অর্থাৎ যতক্ষণ নারী নির্দোষতা ও আকর্ষণের মুখোশ ধরে রাখে সে সহজে পুরুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এবং যখন সেই মুখোশ পড়ে যায়। তখন তার আসল চেহারা প্রকাশ পায়।
◾সপ্তম সত্য—
নারী কখনো তৃপ্ত হয় না। এটা সম্ভবত সবচেয়ে করা কথা। নারী পুরোপুরি কখনোই সন্তুষ্ট হয় না। সে সবসময় চায় বেশি আরো চায়।
নিট সে বলেছিলেন, প্রেম ও প্রতিশোধে নারী পুরুষের তুলনায় বেশি পরাক্রমশালী। অর্থাৎ নারীর স্বভাব সবসময় বিক্ষিপ্ত। সবসময় লালায়িত এবং সবসময় অতিরিক্ত। সে কখনোই থামে না। না সম্পর্কে, না ইচ্ছায়, না প্রত্যাশায়।
◾অষ্টম সত্য—
নারীরা আবেগ নিয়ে খেলায় নিপুণ। পুরুষ প্রায়শই যুক্তি নিয়ে কাজ করে। কিন্তু নারী সবসময় আবেগের খেলা খেলতে জানে। সে জানে সরাসরি যুক্তি দিয়ে পুরুষকে পরাজিত করা যায় না। তাই সে আবেগকে অ'স্ত্র বানায়। অপরাধবোধ, কাঁদা, নীরবতা, অভিযোগ এসব তার সবচেয়ে শক্তিশালী অ'স্ত্র।
নিট সে বলেছিলেন, যখন একজন নারীর মনোবৃত্তি বিশ্লেষণ হয়, প্রায়শই তার আবেগে কিছু ত্রুতি ধরা পড়ে। অর্থাৎ তার আসল শক্তি আবেগকে মোড়ানোর ক্ষমতাতেই লুকিয়ে আছে। এবং এই কারণেই পুরুষ প্রায়ই জালে পড়ে যায়।
◾নবম সত্য—
নারী প্রতিযোগিতায় নি'র্ম'ম। তুমি ভাবো নারী দয়ালু। কিন্তু সত্য হলো একজন নারী অন্য নারীদের সঙ্গেই সবচেয়ে কঠোর হয়। তার কাছে প্রেমের চেয়ে বড় যু'দ্ধ হলো অন্য নারীদের পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া।
এজন্যই সে সুন্দর দেখাতে, নজর কাটতে, প্রতিযোগিতায় জিততে সকল সম্ভব কৌশল ব্যবহার করে। সে কখনো প্রকাশ্যে ল'ড়া'ই করবে না। বরং আড়াল থেকে আ'ঘা'ত করবে। এটাই তার কৌশল। আর এটাই তার প্রকৃত খেলা। সত্যের শীর্ষে দাঁড়ানো এই বাস্তবতা হলো নারী কখনো তোমাকে পুরোপুরি নিজের করে নিতে দেবে না।
নিট সে বলেছিলেন, তুমি কি কোন নারীর কাছে যাচ্ছ? তোমার সঙ্গে চাবুক নিতে ভু'লে যেও না। কথাটি শুনতে কঠোর লাগলেও এর অর্থ নারীকে অ'ত্যা'চা'র করা নয়। এর আসল সতর্ক বার্তা হলো যদি তুমি তাকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে দাও। সে একসময় তোমাকে নিজের দাসে পরিণত করবে। নারী সবসময় চাইবে পুরুষ তার চারপাশে ঘুরে বেড়াক। কিন্তু যদি পুরুষ নিজেকে তার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলে তবে সে তাকে কখনোই সম্পূর্ণভাবে নিজের করে নেবে না।
এটাই শেষ সত্য। দশম সত্য—
নারী তোমাকে সবসময় কিছুটা অসম্পূর্ণ অবস্থায় চাইবে। যাতে তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখন তুমি ভাবছো তাহলে কি নারীরা খারাপ? না। এটি তাদের স্বভাবের সত্য।
সমস্যা হলো পুরুষ এই সত্যগুলো দেখতে চায় না। সে মিষ্টি মি'থ্যা'র ভেতরেই বাঁচতে চায়। কিন্তু যদি তুমি সত্যকে দেখতে পারো তুমি মুক্ত হয়ে যাবে। কারণ শক্তি শুরু হয় সেই স্থান থেকে। যেখানে ভ্রম ভে'ঙে যায়। আর আজ তোমার সেই ভ্রম ভে'ঙে গেছে।
মনে রেখো, নারীকে বোঝা তোমার উদ্দেশ্য নয়। তোমার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নিজেকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলা যেন কোন খেলা, কোন প্রতারণা, কোন বিভ্রম তোমাকে নিচে নামাতে না পারে।
নিট সে বলেছিলেন, বিকাম হু ইউ আর। আর এটাই তোমার সবচেয়ে বড় কাজ। নিজেকে চিনো, নিজেকে শক্ত করো এবং নিজেকে এত উঁচুতে তুলো যে কেউ তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।
❤3
যদি কখনো সুযোগ পেতেন প্রিয় নবী (ﷺ) এর সাথে হজ্ব করার—আপনি কি তা হাতছাড়া করতেন?
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
“রমাদান মাসে উমরাহ করা আমার সাথে হজ্ব করার সমান।” (বুখারি ও মুসলিম)
তাহলে যার সামর্থ্য আছে, তার কি উচিত হবে রমাদানের এই সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করা?
-- -- -- --
তবে যাদের সুযোগ বা সামর্থ্যের অভাব—তাদের জন্যও দরজা বন্ধ নয়। তারা চাইলেই যেকোনো দিন, মাত্র দুই রাক‘আত সালাতের মাধ্যমে একটি পূর্ণ হজ্ব ও উমরাহর সওয়াব অর্জন করতে পারে।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন—
“যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের সালাত আদায় করল, অতঃপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে বসে থাকল; তারপর দুই রাক‘আত সালাত আদায় করল—সে একটি পরিপূর্ণ হজ্ব ও উমরাহর সওয়াব পাবে।” (তিরমিযি)
-- -- -- --
এখন প্রশ্ন আসতে পারে—
যদি এই আমলটি রমাদান মাসেই করা হয়, তাহলে কি একদিকে একটি সাধারণ হজ্ব, আরেকদিকে রসূল (ﷺ) এর সাথে একটি হজ্ব—দুটো সওয়াব কি একসাথে পাওয়া যাবে?
—আসলে ফজিলতের হাদিসগুলো গাণিতিক হিসাবের জন্য নয়; বরং আমলের মর্যাদা বোঝানোর জন্য। নির্দিষ্ট করে “দুটো হজ্ব” বা “এতগুলো হজ্ব” বলে ধরে নেওয়া সঠিক নয়। এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের ঘোষণা, আমাদের হিসাবের বিষয় নয়।
কিন্তু আমাদের আশা কুরআনের সেই আয়াতের—
“আল্লাহ যাকে চান, তার জন্য বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন।” (সূরা বাক্বারা : ২৬১)
এবং হাদিসে কুদসীর সেই বাণী—
““বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি।” (বুখারি ও মুসলিম)
-- -- -- --
অতএব আমরা আশাবাদী, রমাদানে এই আমল করলে তার সওয়াব সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আল্লাহ তা বহুগুণ বৃদ্ধি করবেন এবং আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি দান করবেন ইনশাআল্লাহ।
ওয়ামা তাওফীক্বি ইল্লা বিল্লাহ।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
“রমাদান মাসে উমরাহ করা আমার সাথে হজ্ব করার সমান।” (বুখারি ও মুসলিম)
তাহলে যার সামর্থ্য আছে, তার কি উচিত হবে রমাদানের এই সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করা?
-- -- -- --
তবে যাদের সুযোগ বা সামর্থ্যের অভাব—তাদের জন্যও দরজা বন্ধ নয়। তারা চাইলেই যেকোনো দিন, মাত্র দুই রাক‘আত সালাতের মাধ্যমে একটি পূর্ণ হজ্ব ও উমরাহর সওয়াব অর্জন করতে পারে।
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন—
“যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের সালাত আদায় করল, অতঃপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে বসে থাকল; তারপর দুই রাক‘আত সালাত আদায় করল—সে একটি পরিপূর্ণ হজ্ব ও উমরাহর সওয়াব পাবে।” (তিরমিযি)
-- -- -- --
এখন প্রশ্ন আসতে পারে—
যদি এই আমলটি রমাদান মাসেই করা হয়, তাহলে কি একদিকে একটি সাধারণ হজ্ব, আরেকদিকে রসূল (ﷺ) এর সাথে একটি হজ্ব—দুটো সওয়াব কি একসাথে পাওয়া যাবে?
—আসলে ফজিলতের হাদিসগুলো গাণিতিক হিসাবের জন্য নয়; বরং আমলের মর্যাদা বোঝানোর জন্য। নির্দিষ্ট করে “দুটো হজ্ব” বা “এতগুলো হজ্ব” বলে ধরে নেওয়া সঠিক নয়। এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের ঘোষণা, আমাদের হিসাবের বিষয় নয়।
কিন্তু আমাদের আশা কুরআনের সেই আয়াতের—
“আল্লাহ যাকে চান, তার জন্য বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন।” (সূরা বাক্বারা : ২৬১)
এবং হাদিসে কুদসীর সেই বাণী—
““বান্দা আমার সম্পর্কে যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি।” (বুখারি ও মুসলিম)
-- -- -- --
অতএব আমরা আশাবাদী, রমাদানে এই আমল করলে তার সওয়াব সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আল্লাহ তা বহুগুণ বৃদ্ধি করবেন এবং আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি দান করবেন ইনশাআল্লাহ।
ওয়ামা তাওফীক্বি ইল্লা বিল্লাহ।
বিগত বছরগুলোর যাকাতযোগ্য সম্পদের সঠিক পরিমান যদি জানা না থাকে তাহলে অনুমান করে সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। সতর্কতাস্বরূপ সম্পদের পরিমানে কিছু বেশি ধরবেন যেন কোনো সম্পদ যাকাতবিহীন না থাকে।
বিগত যে বছরে সর্বপ্রথম যাকাত ওয়াজিব হয়েছিল প্রথমে সেই বছরের যাকাত শতকরা আড়াই পার্সেন্ট হারে আদায় করবেন। তারপর প্রথম বছরের যাকাতে যে পরিমাণ টাকা এসেছে তা দ্বিতীয় বছরের যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ করবেন। বিয়োগ করার পর অবশিষ্ট সম্পদ যদি নেসাব পরিমাণ থাকে তাহলে আড়াই পার্সেন্ট হারে তার যাকাত আদায় করবেন। তারপর প্রথম ও দ্বিতীয় বছরের যাকাতে যে পরিমাণ টাকা এসেছে তা তৃতীয় বছরের যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ করবেন। বিয়োগ করার পর অবশিষ্ট সম্পদ যদি নেসাব পরিমাণ থাকে তাহলে আড়াই পার্সেন্ট হারে তারও যাকাত আদায় করবেন। উপর্যুক্ত নিয়মে পরবর্তী বছরগুলোর যাকাতের হিসাব বের করবেন।
যাকাতের হিসাব বের করার পর বিগত বছরগুলোর যাকাত একসাথে আদায় করা জরুরি নয়। চাইলে ধাপে ধাপে আদায় করতে পারবেন।
যাকাতবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার পর যাকাত আদায়ের পূর্বে ঋণগ্রস্ত হলে সেই ঋণ যাকাতের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।
এখন আপনি চাইলে আগে যাকাতও আদায় করতে পারেন অথবা ঋণও পরিশোধ করতে পারেন।
তথ্যসূত্র:
মাবসুত: ৩/৩৩
বাদায়েউস সানায়ে: ২/৭
রদ্দুল মুহতার: ২/২৬০
ফতোয়া দারুল উলুম দেওবন্ধ: ৬/২১৮
আহসানুল ফতোয়া: ৪/২৭৫ উত্তর প্রদানে: হযরত Muhammad Ubaidur Rahman হাফিজাহুল্লাহ,
বিগত যে বছরে সর্বপ্রথম যাকাত ওয়াজিব হয়েছিল প্রথমে সেই বছরের যাকাত শতকরা আড়াই পার্সেন্ট হারে আদায় করবেন। তারপর প্রথম বছরের যাকাতে যে পরিমাণ টাকা এসেছে তা দ্বিতীয় বছরের যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ করবেন। বিয়োগ করার পর অবশিষ্ট সম্পদ যদি নেসাব পরিমাণ থাকে তাহলে আড়াই পার্সেন্ট হারে তার যাকাত আদায় করবেন। তারপর প্রথম ও দ্বিতীয় বছরের যাকাতে যে পরিমাণ টাকা এসেছে তা তৃতীয় বছরের যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বিয়োগ করবেন। বিয়োগ করার পর অবশিষ্ট সম্পদ যদি নেসাব পরিমাণ থাকে তাহলে আড়াই পার্সেন্ট হারে তারও যাকাত আদায় করবেন। উপর্যুক্ত নিয়মে পরবর্তী বছরগুলোর যাকাতের হিসাব বের করবেন।
যাকাতের হিসাব বের করার পর বিগত বছরগুলোর যাকাত একসাথে আদায় করা জরুরি নয়। চাইলে ধাপে ধাপে আদায় করতে পারবেন।
যাকাতবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার পর যাকাত আদায়ের পূর্বে ঋণগ্রস্ত হলে সেই ঋণ যাকাতের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।
এখন আপনি চাইলে আগে যাকাতও আদায় করতে পারেন অথবা ঋণও পরিশোধ করতে পারেন।
তথ্যসূত্র:
মাবসুত: ৩/৩৩
বাদায়েউস সানায়ে: ২/৭
রদ্দুল মুহতার: ২/২৬০
ফতোয়া দারুল উলুম দেওবন্ধ: ৬/২১৮
আহসানুল ফতোয়া: ৪/২৭৫ উত্তর প্রদানে: হযরত Muhammad Ubaidur Rahman হাফিজাহুল্লাহ,