আসুন আমাদের দেহ থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ শিখি
আমাদের বাইরের শরীর ছাড়াও ভেতরে আরেকটা জগৎ আছে। এ শরীরের অনুভূতি আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। সে যত কাছের মানুষই হোক।
প্রত্যেক মানুষের শরীরের সাথে একটা এনার্জি বলয় থাকে। আপনি যখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ফুরফুরে মেজাজে থাকেন, তখন সে বলয় আলোকিত থাকে। আপনার কাছে এলেই মানুষ টের পাবে সে আনন্দ। আবার যখন কেউ রেগে যায়, দেখতে পাবেন তার কাছে সহজে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
কারণ তখন তার বলয় নেগেটিভ এনার্জিতে পরিপূর্ণ থাকে। তার বেশি কাছে গেলে আহত হবার ভয় থাকে। আপনি খালি চোখে না দেখলেও অন্য কোনভাবে সে অনুভূতি টের পান। যে কারণে রাগান্বিত মানুষের কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
এই রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের উদ্দেশ্য হলো আমাদের ভেতরের আমিটাকে আগে উপলব্ধি করা। তারপর সে শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করে দেয়া।
🟩 শুরু করা যাক:
এজন্য প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে চেয়ারের একটু প্রান্তের দিকে বসতে হবে, যাতে আপনার পিঠ চেয়ারে লেগে না থাকে। পা দুটো একটু ভেতরের দিকে টেনে নিন। পায়ের পাতা দুটো বাইরের দিকে ছড়িয়ে দিন। এতে ব্যাকপেইন কম হয়। আপনি চাইলে শুয়েও এই এক্সারসাইজ করতে পারবেন।
তাহলে ঠিকমত বসুন বা সত্য বিছানায় বালিশ ছাড়া হয়ে শুয়ে পড়ুন । হাত দুটো কোলের ওপর রাখুন। এক হাতের তালু আরেক হাতের ওপর রেখে বসুন।
এবার চোখ দুটো বন্ধ করুন। প্রথমে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। সমস্ত ফুসফুস খালি করে ফেলুন। এবার আস্তে আস্তে পেটের ভেতর দম নিন। যখনই টের পাবেন আপনার বুক ফুলতে শুরু করেছে, থামুন। এরপর বাথরুম করার সময় যেমন পেটের নিচের দিকে চাপ দেন, সেরকম চাপ দিয়ে পেটের বাতাস নিচের দিকে পাঠিয়ে দিন।
তারপর ৩-৪ সেকেণ্ড শ্বাস ধরে রাখুন।
আবার রিপিট করুন। এটাকে বলে এবডোমেনাল ব্রিদিং।
এভাবে শ্বাস নিলে আপনার ফুসফুসের নিচের অংশে বাতাসের প্রবাহ হবে। তাই প্রথম প্রথম একটু মাথা ঘুরতে পারে, হালকা লাগতে পারে, কিন্তু ভয় পাবেন না। এটা ঠিক হয়ে যাবে।
পরপর তিনবার এরকম দম নিন।
আপনার চোখ বন্ধ থাকবে। চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় আপনার দুই ভ্রর মধ্যবর্তী বিন্দুর দিকে মনোযোগ দিন।
যাঁরা ন্যাচারাল মেডিটেটর তাঁরা এরকম দৃষ্টি দেবার সাথে সাথেই মনশূন্য অবস্থায় চলে যেতে পারেন। একই সাথে সারা দেহে কম্পন শুরু হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ প্রবাহের মতো অনুভূত হতে পারে। দুই ভ্রুর মধ্যখানে আলোর ঝিকিমিকি দেখা যেতে পারে।
আপনার ক্ষেত্রে যদি তা না হয়, তাহলে হতাশ হবার কিছু নেই। প্রতিদিন দু'বার করে করলে, এক মাসের মাঝেই আপনি এটা টের পাবেন।
তার আগ পর্যন্ত চোখ দুই ভ্রুর দিকে মন দিন। দেখুন আপনি এর সাথে মিশে গেছেন। এবার মনোযোগ দিন, আপনার হাতের দিকে।
সেখানে এখন কোন বাতাসের স্পর্শ পাচ্ছেন কিনা। গরম বা ঠাণ্ডা কোন অনুভূতি টের পান কিনা।
এখানে কল্পনা বা ভিজুয়ালাইজ করবেন না। যা টের পাচ্ছেন তাই। টের না পেলেও কোন সমস্যা নেই।
এবার আপনার ঠোঁট দুটো অনুভব করুন। তারা পরস্পরের সাথে লেগে আছে, এটা ফিল করুন।
এবার নাক। তারপর দুই পায়ের পাতার তালু। পায়ের আঙুল, গোড়ালী, দুই হাঁটু। এরপর আপনার সম্পূর্ণ ব্যাক। সবারই কমবেশি ব্যাকের দিকে নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে।
আপনি এবার সচেতনভাবে সে নেগেটিভ এনার্জিকে তলপেটের দিকে ঠেলে দিন। আর বলুন, এ নেগেটিভ এনার্জি আমার পায়খানার সাথে দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার কাঁধের দিকে মন দিন। কাঁধে সবসময় মানসিক চাপের নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে। এবার তাদের আপনি পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। মনে মনে বলুন, এই নেগেটিভ এনার্জিও আমার দেহ থেকে সময়মত বেরিয়ে যাবে।
এরপর আপনার মাথার পেছন দিকে মনোযোগ দিন। এখানে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জিকেও পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। আর মনে মনে বলুন এবার এই নেগেটিভ এনার্জিও সময়মত দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার আমরা মনোযোগ দেব নেগেটিভ এনার্জির বলয়ের ওপর।
সেই সাথে একটা জিনিস জেনে রাখা জরুরি। সেটা হলো আমরা শুধু ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নিই না। আমরা আমাদের শরীরের প্রতিটা কোষ দিয়ে শ্বাস নিই। এখন এটাকে নাম দেয়া হয়েছে সেলুলার রেসপিরেশন।
কারণ আপনার দেহের তাপমাত্রা সহ শ্বাসের কাজ চালানোর জন্য চামড়ার রেসপিরেশন দরকার।
এরকম শ্বাস নিতে হলে ইউটিউবে হোল বডি রেসপিরেশনের টেকনিক দেখে নিতে পারেন। এজন্যেই নিয়মিত গোসল করে চামড়া পরিষ্কার রাখা জরুরি।
যাই হোক, এবার রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের পরের ধাপে আসি।
আপনার চোখ বন্ধ আছে , নিজের আপন বলয়টা অনুভব করবেন। এবার দেহ নয় বরং দেহের ভেতর ও বাইরের দেহ সংলগ্ন খালি অংশের দিকে আপনার মনোযোগ দিতে হবে।
তাই প্রথমে আপনার মুখের সামনের বাতাসকে অনুভব করুন। তারপর চোখের সামনের বাতাস ফিল করুন। এবার নাকের ফুটোর বাতাসে মন দিন। দেখুন ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে আর গরম বাতাস বেরুচ্ছে। কল্পনা করবেন না। অনুভব করুন।
আমাদের বাইরের শরীর ছাড়াও ভেতরে আরেকটা জগৎ আছে। এ শরীরের অনুভূতি আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। সে যত কাছের মানুষই হোক।
প্রত্যেক মানুষের শরীরের সাথে একটা এনার্জি বলয় থাকে। আপনি যখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ফুরফুরে মেজাজে থাকেন, তখন সে বলয় আলোকিত থাকে। আপনার কাছে এলেই মানুষ টের পাবে সে আনন্দ। আবার যখন কেউ রেগে যায়, দেখতে পাবেন তার কাছে সহজে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
কারণ তখন তার বলয় নেগেটিভ এনার্জিতে পরিপূর্ণ থাকে। তার বেশি কাছে গেলে আহত হবার ভয় থাকে। আপনি খালি চোখে না দেখলেও অন্য কোনভাবে সে অনুভূতি টের পান। যে কারণে রাগান্বিত মানুষের কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
এই রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের উদ্দেশ্য হলো আমাদের ভেতরের আমিটাকে আগে উপলব্ধি করা। তারপর সে শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করে দেয়া।
🟩 শুরু করা যাক:
এজন্য প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে চেয়ারের একটু প্রান্তের দিকে বসতে হবে, যাতে আপনার পিঠ চেয়ারে লেগে না থাকে। পা দুটো একটু ভেতরের দিকে টেনে নিন। পায়ের পাতা দুটো বাইরের দিকে ছড়িয়ে দিন। এতে ব্যাকপেইন কম হয়। আপনি চাইলে শুয়েও এই এক্সারসাইজ করতে পারবেন।
তাহলে ঠিকমত বসুন বা সত্য বিছানায় বালিশ ছাড়া হয়ে শুয়ে পড়ুন । হাত দুটো কোলের ওপর রাখুন। এক হাতের তালু আরেক হাতের ওপর রেখে বসুন।
এবার চোখ দুটো বন্ধ করুন। প্রথমে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। সমস্ত ফুসফুস খালি করে ফেলুন। এবার আস্তে আস্তে পেটের ভেতর দম নিন। যখনই টের পাবেন আপনার বুক ফুলতে শুরু করেছে, থামুন। এরপর বাথরুম করার সময় যেমন পেটের নিচের দিকে চাপ দেন, সেরকম চাপ দিয়ে পেটের বাতাস নিচের দিকে পাঠিয়ে দিন।
তারপর ৩-৪ সেকেণ্ড শ্বাস ধরে রাখুন।
আবার রিপিট করুন। এটাকে বলে এবডোমেনাল ব্রিদিং।
এভাবে শ্বাস নিলে আপনার ফুসফুসের নিচের অংশে বাতাসের প্রবাহ হবে। তাই প্রথম প্রথম একটু মাথা ঘুরতে পারে, হালকা লাগতে পারে, কিন্তু ভয় পাবেন না। এটা ঠিক হয়ে যাবে।
পরপর তিনবার এরকম দম নিন।
আপনার চোখ বন্ধ থাকবে। চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় আপনার দুই ভ্রর মধ্যবর্তী বিন্দুর দিকে মনোযোগ দিন।
যাঁরা ন্যাচারাল মেডিটেটর তাঁরা এরকম দৃষ্টি দেবার সাথে সাথেই মনশূন্য অবস্থায় চলে যেতে পারেন। একই সাথে সারা দেহে কম্পন শুরু হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ প্রবাহের মতো অনুভূত হতে পারে। দুই ভ্রুর মধ্যখানে আলোর ঝিকিমিকি দেখা যেতে পারে।
আপনার ক্ষেত্রে যদি তা না হয়, তাহলে হতাশ হবার কিছু নেই। প্রতিদিন দু'বার করে করলে, এক মাসের মাঝেই আপনি এটা টের পাবেন।
তার আগ পর্যন্ত চোখ দুই ভ্রুর দিকে মন দিন। দেখুন আপনি এর সাথে মিশে গেছেন। এবার মনোযোগ দিন, আপনার হাতের দিকে।
সেখানে এখন কোন বাতাসের স্পর্শ পাচ্ছেন কিনা। গরম বা ঠাণ্ডা কোন অনুভূতি টের পান কিনা।
এখানে কল্পনা বা ভিজুয়ালাইজ করবেন না। যা টের পাচ্ছেন তাই। টের না পেলেও কোন সমস্যা নেই।
এবার আপনার ঠোঁট দুটো অনুভব করুন। তারা পরস্পরের সাথে লেগে আছে, এটা ফিল করুন।
এবার নাক। তারপর দুই পায়ের পাতার তালু। পায়ের আঙুল, গোড়ালী, দুই হাঁটু। এরপর আপনার সম্পূর্ণ ব্যাক। সবারই কমবেশি ব্যাকের দিকে নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে।
আপনি এবার সচেতনভাবে সে নেগেটিভ এনার্জিকে তলপেটের দিকে ঠেলে দিন। আর বলুন, এ নেগেটিভ এনার্জি আমার পায়খানার সাথে দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার কাঁধের দিকে মন দিন। কাঁধে সবসময় মানসিক চাপের নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে। এবার তাদের আপনি পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। মনে মনে বলুন, এই নেগেটিভ এনার্জিও আমার দেহ থেকে সময়মত বেরিয়ে যাবে।
এরপর আপনার মাথার পেছন দিকে মনোযোগ দিন। এখানে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জিকেও পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। আর মনে মনে বলুন এবার এই নেগেটিভ এনার্জিও সময়মত দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার আমরা মনোযোগ দেব নেগেটিভ এনার্জির বলয়ের ওপর।
সেই সাথে একটা জিনিস জেনে রাখা জরুরি। সেটা হলো আমরা শুধু ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নিই না। আমরা আমাদের শরীরের প্রতিটা কোষ দিয়ে শ্বাস নিই। এখন এটাকে নাম দেয়া হয়েছে সেলুলার রেসপিরেশন।
কারণ আপনার দেহের তাপমাত্রা সহ শ্বাসের কাজ চালানোর জন্য চামড়ার রেসপিরেশন দরকার।
এরকম শ্বাস নিতে হলে ইউটিউবে হোল বডি রেসপিরেশনের টেকনিক দেখে নিতে পারেন। এজন্যেই নিয়মিত গোসল করে চামড়া পরিষ্কার রাখা জরুরি।
যাই হোক, এবার রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের পরের ধাপে আসি।
আপনার চোখ বন্ধ আছে , নিজের আপন বলয়টা অনুভব করবেন। এবার দেহ নয় বরং দেহের ভেতর ও বাইরের দেহ সংলগ্ন খালি অংশের দিকে আপনার মনোযোগ দিতে হবে।
তাই প্রথমে আপনার মুখের সামনের বাতাসকে অনুভব করুন। তারপর চোখের সামনের বাতাস ফিল করুন। এবার নাকের ফুটোর বাতাসে মন দিন। দেখুন ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে আর গরম বাতাস বেরুচ্ছে। কল্পনা করবেন না। অনুভব করুন।
এবার মুখের ভেতর জমে থাকা বাতাস অনুভব করুন। এবার চোয়াল থেকে বুক পর্যন্ত বাইরের বাতাস ফিল করুন। আপনার গলা ও শ্বাসনালীর ভেতরের বাতাস ফিল করুন। আপনার মাথা ও ঘাড়ের পেছনের বাতাস ফিল করুন। সম্পূর্ণ পিঠের পেছনের দিকের বাতাস ফিল করুন। বুক ও পেটের সামনের বাতাস ফিল করুন। দু'পায়ের মধ্যবর্তী বাতাস ফিল করুন। তাদের বাইরের দিকের বাতাস ফিল করুন।
দেখুন আপনার এনার্জি বলয় পরিষ্কার হয়ে গেছে।
এবার মনে করুন যারা আপনার জীবনে কোন না কোন সময় আপনাকে দুঃখ দিয়েছে বিশাল এক জেলে আপনি তাদের বন্দি করে রেখেছেন, আপনি অডিও-ভিডিও প্রমাণসহ তাদের বন্দি করে রেখেছেন। আপনি মনে মনে চেয়েছেন তাদের কঠিন শাস্তি হোক।
তাদের অনেকে শাস্তি পেয়েছে। কেউ কেউ পায়নি। তবু আপনি তাদের জেলে আটকে রেখেছেন। যেভাবেই হোক তারা তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করুক।
কিন্তু এখন আপনাকে একটা ভাল কাজ করতে হবে। আপনি আপনার জেলের দরজা খুলে দিন।
প্রতিদিন এক মাস এ মেডিটেশন করে জীবনে যতজনকে আপনার মনে' আটকে রেখেছিলেন, তাদের সবাইকে ছেড়ে দিন।
দেখুন আপনি তাদের আটকে রেখেছেন মনে হলেও আসলে তাদের পাহারা দিতে গিয়ে, নিজেই হয়ে পড়েছিলেন বন্দি। তাদের ছেড়ে দিয়ে আপনি এখন মুক্ত। আপনার আর কোন জেলখানা পাহারা দিতে হচ্ছে না।
এবার একটা সুন্দর বাগানবাড়ি কল্পনা করুন। দেখুন সেখানে আপনার সব বন্ধু আর যারা আপনাকে ভাল কাজে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের জমা করে রেখেছেন। সময় পেলেই আপনি তাদের সাথে সময় কাটাতে সে বাগানবাড়িতে চলে যান। এবার তাদেরও মুক্ত করে দিন।
দুঃখের স্মৃতি যেমন আপনাকে বন্দি করে রাখে, আনন্দের স্মৃতিও আপনাকে একইভাবে বন্দি করে রাখে।
এই দুটো দলকেই পাখি বানিয়ে উড়িয়ে দিন।
এবার বাকি রয়ে গেলেন শুধু আপনি। স্মৃতিবিহীন। দুঃখ বা আনন্দবিহীন। এটাই পরম শান্তির জায়গা।
আপনার আসল ঘর এটাই। শূন্য ঘর।
আনন্দ এবং দুঃখ চক্রাকারে আসে। আপনি এখন এ চক্র ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন। এখন আপনার জীবনে থাকবে শুধু শান্তি।
আপনি এখন আর চিন্তার জেলখানা বা বাগান বাড়ি নতুন করে তৈরি করবেন না ,আপনি এখন চিন্তামুক্তভাবে বাঁচতে চান, জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে চান।
এবার আপনি চোখ বুজে ৫ থেকে ১০ মিনিট চিন্তা-শূন্য অবস্থায় কাটিয়ে চোখ খুলুন।
(এতক্ষণ আমরা যা শিখলাম এটা হচ্ছে "জো ডিসপেনজার কোহেরেন্স মেডিটেশন" )
দেখুন আপনার এনার্জি বলয় পরিষ্কার হয়ে গেছে।
এবার মনে করুন যারা আপনার জীবনে কোন না কোন সময় আপনাকে দুঃখ দিয়েছে বিশাল এক জেলে আপনি তাদের বন্দি করে রেখেছেন, আপনি অডিও-ভিডিও প্রমাণসহ তাদের বন্দি করে রেখেছেন। আপনি মনে মনে চেয়েছেন তাদের কঠিন শাস্তি হোক।
তাদের অনেকে শাস্তি পেয়েছে। কেউ কেউ পায়নি। তবু আপনি তাদের জেলে আটকে রেখেছেন। যেভাবেই হোক তারা তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করুক।
কিন্তু এখন আপনাকে একটা ভাল কাজ করতে হবে। আপনি আপনার জেলের দরজা খুলে দিন।
প্রতিদিন এক মাস এ মেডিটেশন করে জীবনে যতজনকে আপনার মনে' আটকে রেখেছিলেন, তাদের সবাইকে ছেড়ে দিন।
দেখুন আপনি তাদের আটকে রেখেছেন মনে হলেও আসলে তাদের পাহারা দিতে গিয়ে, নিজেই হয়ে পড়েছিলেন বন্দি। তাদের ছেড়ে দিয়ে আপনি এখন মুক্ত। আপনার আর কোন জেলখানা পাহারা দিতে হচ্ছে না।
এবার একটা সুন্দর বাগানবাড়ি কল্পনা করুন। দেখুন সেখানে আপনার সব বন্ধু আর যারা আপনাকে ভাল কাজে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের জমা করে রেখেছেন। সময় পেলেই আপনি তাদের সাথে সময় কাটাতে সে বাগানবাড়িতে চলে যান। এবার তাদেরও মুক্ত করে দিন।
দুঃখের স্মৃতি যেমন আপনাকে বন্দি করে রাখে, আনন্দের স্মৃতিও আপনাকে একইভাবে বন্দি করে রাখে।
এই দুটো দলকেই পাখি বানিয়ে উড়িয়ে দিন।
এবার বাকি রয়ে গেলেন শুধু আপনি। স্মৃতিবিহীন। দুঃখ বা আনন্দবিহীন। এটাই পরম শান্তির জায়গা।
আপনার আসল ঘর এটাই। শূন্য ঘর।
আনন্দ এবং দুঃখ চক্রাকারে আসে। আপনি এখন এ চক্র ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন। এখন আপনার জীবনে থাকবে শুধু শান্তি।
আপনি এখন আর চিন্তার জেলখানা বা বাগান বাড়ি নতুন করে তৈরি করবেন না ,আপনি এখন চিন্তামুক্তভাবে বাঁচতে চান, জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে চান।
এবার আপনি চোখ বুজে ৫ থেকে ১০ মিনিট চিন্তা-শূন্য অবস্থায় কাটিয়ে চোখ খুলুন।
(এতক্ষণ আমরা যা শিখলাম এটা হচ্ছে "জো ডিসপেনজার কোহেরেন্স মেডিটেশন" )
আমি মাঝেমধ্যে পুরোপুরি ব্ল্যাংক হয়ে যাই।
হতাশ লাগে। কি করবো, কোন দিকে যাবো,
কিছুই বুঝতে পারি না।
কারণ সত্যিটা হলো, দুনিয়াটা ফেয়ার জায়গা না।
এখানে শুধু যোগ্য হওয়াটা, শুধু চেষ্টা করাটাই অনেক সময় যথেষ্ট না।
আপনি সৎ থাকতে চাইবেন, রুলস মেনে চলতে চাইবেন।
কিন্তু আপনাকে খেলতে হবে এমন সব মানুষের সাথে,
যারা রুলস মানে না, যারা শর্টকাট নেয়,
যারা আনফেয়ারভাবেই এগিয়ে যায়।
সেই সময় হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু এটাও মাথায় রাখা দরকার,
দুনিয়া সবসময় ফেয়ার হবে না, তাই বলে আমাকেও আনফেয়ার হতে হবে, এমন কোনো নিয়ম কিন্তু নেই।
দুনিয়াতে কেউ হয়তো দ্রুত জিতবে,
আর কেউ হয়তো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে।
কিন্তু অনেকসময় নিজের কাছে হেরে না যাওয়া আর টিকে থাকাটাই আসলে সবচেয়ে বড় জয়।
হতাশ লাগে। কি করবো, কোন দিকে যাবো,
কিছুই বুঝতে পারি না।
কারণ সত্যিটা হলো, দুনিয়াটা ফেয়ার জায়গা না।
এখানে শুধু যোগ্য হওয়াটা, শুধু চেষ্টা করাটাই অনেক সময় যথেষ্ট না।
আপনি সৎ থাকতে চাইবেন, রুলস মেনে চলতে চাইবেন।
কিন্তু আপনাকে খেলতে হবে এমন সব মানুষের সাথে,
যারা রুলস মানে না, যারা শর্টকাট নেয়,
যারা আনফেয়ারভাবেই এগিয়ে যায়।
সেই সময় হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু এটাও মাথায় রাখা দরকার,
দুনিয়া সবসময় ফেয়ার হবে না, তাই বলে আমাকেও আনফেয়ার হতে হবে, এমন কোনো নিয়ম কিন্তু নেই।
দুনিয়াতে কেউ হয়তো দ্রুত জিতবে,
আর কেউ হয়তো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে।
কিন্তু অনেকসময় নিজের কাছে হেরে না যাওয়া আর টিকে থাকাটাই আসলে সবচেয়ে বড় জয়।
শারঈ প্রশ্নোত্তর | প্রশ্নঃ রোজায় সহবাস হয়ে গেলে কাফফারা হিসেবে শুধু ফিতরা আদায় করলে হবে?: জবাবঃ-بسم الله الرحمن الرحيم
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ: هَلَكْتُ، قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ؟» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً» قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ» قَالَ: لَا أُطِيقُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»
অনুবাদ- হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাঃ জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে কে ধ্বংস করেছে? সাহাবী বললেন, রমজানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। রাসূল সাঃ তাকে বললেন, তাহলে এর বদলে একটি গোলাম আযাদ কর। সাহাবী বললেন, আমি এতে সক্ষম নই। নবীজী সাঃ বললেন, তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখ। সাহাবী বললেন, আমি এতেও সক্ষম নই। তখন রাসূল সাঃ বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খানা খাওয়াও। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৭১, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৬৯৪৪, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-১১০৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৯৪৯, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩৫২৭}
★★রোযার কাফফারা আদায় করার পদ্ধতিঃ
আপনি যদি শারিরিকভাবে শক্ত সামর্থ হয়ে থাকেন। তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে রোযা ভাঙ্গা যাবে না। যদি মাঝখানে রোযা ভেঙ্গে ফেলেন তাহলে আবার প্রথম থেকে ৬০ দিন গণনা করতে হবে। এভাবে ষাট দিন রোযা রাখলে আপনার রোযা ভঙ্গের কাফফারা আদায় হয়ে যাবে। আর যদি লাগাতার ষাট দিন রোযা রাখতে সক্ষম না হন, তাহলে প্রতি রোযার জন্য সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা গরীবদের দান করে দেয়া আবশ্যক। তথা ষাট রোযার জন্য ষাটটি সদকায়ে ফিতির পরিমাণ অর্থ দান করা আবশ্যক।প্রতি রোযার পরিবর্তে একজন গরীবকে দুবেলা খাবার খাওয়াবে অথবা পৌনে দু’ কেজি গমের মূল্য সদকা করবে। এটাকে বলা হয় ফিদিয়া । যেমন সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা যদি ৬০ টাকা হয়। তাহলে আপনার তিন হাজার ছয়শত টাকা দান করা আবশ্যক। কিন্তু মনে রাখতে হবে রোযা রাখতে সক্ষম হলে ফিদিয়া আদায় করলে তা আদায় হবে না।
বিস্তারিত জানুনঃ https://ifatwa.info/1752/
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী কাফফারার রোযা আদায়ে সক্ষম হলে তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
লাগাতার ৬০ টি রোযা রাখার শারীরিক ভাবে শক্তি না থাকলে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করে দিতে হবে।দুইজনকে আলাদা আলাদা ভাবে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করতে হবে।
★প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ে কাফফারার রোযা আদায়ে শারিরীক ভাবে ফিট,সুতরাং তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
সদকায়ে ফিতর আদায়ের সুযোগ নেই।
পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে।
http://dlvr.it/TRDVtM Web: www.ifatwa.info
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ: هَلَكْتُ، قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ؟» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً» قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ» قَالَ: لَا أُطِيقُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»
অনুবাদ- হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাঃ জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে কে ধ্বংস করেছে? সাহাবী বললেন, রমজানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। রাসূল সাঃ তাকে বললেন, তাহলে এর বদলে একটি গোলাম আযাদ কর। সাহাবী বললেন, আমি এতে সক্ষম নই। নবীজী সাঃ বললেন, তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখ। সাহাবী বললেন, আমি এতেও সক্ষম নই। তখন রাসূল সাঃ বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খানা খাওয়াও। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৭১, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৬৯৪৪, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-১১০৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৯৪৯, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩৫২৭}
★★রোযার কাফফারা আদায় করার পদ্ধতিঃ
আপনি যদি শারিরিকভাবে শক্ত সামর্থ হয়ে থাকেন। তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে রোযা ভাঙ্গা যাবে না। যদি মাঝখানে রোযা ভেঙ্গে ফেলেন তাহলে আবার প্রথম থেকে ৬০ দিন গণনা করতে হবে। এভাবে ষাট দিন রোযা রাখলে আপনার রোযা ভঙ্গের কাফফারা আদায় হয়ে যাবে। আর যদি লাগাতার ষাট দিন রোযা রাখতে সক্ষম না হন, তাহলে প্রতি রোযার জন্য সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা গরীবদের দান করে দেয়া আবশ্যক। তথা ষাট রোযার জন্য ষাটটি সদকায়ে ফিতির পরিমাণ অর্থ দান করা আবশ্যক।প্রতি রোযার পরিবর্তে একজন গরীবকে দুবেলা খাবার খাওয়াবে অথবা পৌনে দু’ কেজি গমের মূল্য সদকা করবে। এটাকে বলা হয় ফিদিয়া । যেমন সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা যদি ৬০ টাকা হয়। তাহলে আপনার তিন হাজার ছয়শত টাকা দান করা আবশ্যক। কিন্তু মনে রাখতে হবে রোযা রাখতে সক্ষম হলে ফিদিয়া আদায় করলে তা আদায় হবে না।
বিস্তারিত জানুনঃ https://ifatwa.info/1752/
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী কাফফারার রোযা আদায়ে সক্ষম হলে তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
লাগাতার ৬০ টি রোযা রাখার শারীরিক ভাবে শক্তি না থাকলে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করে দিতে হবে।দুইজনকে আলাদা আলাদা ভাবে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করতে হবে।
★প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ে কাফফারার রোযা আদায়ে শারিরীক ভাবে ফিট,সুতরাং তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
সদকায়ে ফিতর আদায়ের সুযোগ নেই।
পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে।
http://dlvr.it/TRDVtM Web: www.ifatwa.info
ifatwa.info
১৮ নং কলামের অজুহাতে স্ত্রী কি কাজী অফিসে গিয়ে তালাক দিতে পারবে? - Islamic Fatwa
কাবিন নামার ১৮ নং কলামের অজুহাতে স্ত্রী কি কাজী অফিসে গিয়ে তালাক দিতে পারবে? .................................. ... ................................
সময়ই টাকা, কিন্তু টাকা কিন্তু সময় নয়। এই একটা বাক্য বুঝতে না পারার কারণেই বেশিরভাগ মানুষ সারাজীবন ইঁদুর দৌড়ে আটকা পড়ে থাকে।
অনেকে মনে করে কোনো জিনিস 'দামী' কারণ তাদের মাথায় একটা হিসেব চলে— "টাকা = আমার জীবনের কয়েক ঘণ্টা খাটুনি।" ফলে যখন তারা টাকা খরচ করে, তাদের মনে হয় তারা কেবল নগদ টাকা নয়, বরং তাদের জীবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু সত্যিটা হলো, তুমি টাকা নয়, বরং ভুল জিনিসটা খরচ করছো। তুমি খরচ করছো তোমার এনার্জি, তোমার লক্ষ্য আর তোমার মানসিক প্রশান্তি।
বাস্তবে কোনো কিছুই 'দামী' নয়। তুমি শুধু ভুল মাইন্ডসেট দিয়ে পেমেন্ট করছো। আর এই কারণেই কেনাকাটা করতে গেলে তোমার সময় নষ্ট হয়, দুশ্চিন্তা হয় আর মাথায় দুনিয়ার চাপ তৈরি হয়।
বেশিরভাগ মানুষ গরিব রয়ে যায় কারণ তারা টাকা বাঁচানোর চক্করে নিজের 'জীবন' খরচ করে ফেলে।
একজন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করে: "এটার দাম কত?"
একজন জ্ঞানী মানুষ প্রশ্ন করে: "এই জিনিসটা আমার থেকে কী কী কেড়ে নেবে?"
একটি উদাহরণ— ধরো, তুমি সস্তায় একটা পুরনো ল্যাপটপ কিনলে। টাকা কম লাগলো ঠিকই, কিন্তু ওটা স্লো হওয়ার কারণে প্রতিদিন তোমার ২ ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে আর মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তাহলে ওই সস্তা জিনিসটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে 'দামী' জিনিস, কারণ ওটা তোমার শান্তি আর সময় চুরি করছে।
অন্যদিকে, এমন কোনো দামী গ্যাজেট বা সফটওয়্যার যা তোমার কাজকে সহজ করে তোমাকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বাড়তি সময় উপহার দেয়, সেটিই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা ডিল। কারণ ওটা তোমাকে স্বাধীনতা এনে দিচ্ছে।
তুমি তাই আজ থেকে কোনো জিনিসের দাম টাকায় জিজ্ঞেস করা বন্ধ করো।
দাম জিজ্ঞেস করো 'স্বাধীনতার' এককে।
প্রতিবার কিছু কেনার সময় নিজেকে এই একটা প্রশ্ন করো: "এই জিনিসটা কি আমাকে আরও স্বাধীনতা দেবে, নাকি আমার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে?"
যদি কোনো সস্তা জিনিস তোমার মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়, তবে ওটা বর্জন করো। আর যদি কোনো দামী জিনিস তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বাড়তি সময় বা সুযোগ দেয়, তবে জানবে ওটাই তোমার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট।
মনে রেখো, তোমার সময় লিমিটেড, কিন্তু টাকা নয়। তাই টাকা বাঁচানোর জন্য সময় খরচ করা বন্ধ করো!
Red Pill 2
অনেকে মনে করে কোনো জিনিস 'দামী' কারণ তাদের মাথায় একটা হিসেব চলে— "টাকা = আমার জীবনের কয়েক ঘণ্টা খাটুনি।" ফলে যখন তারা টাকা খরচ করে, তাদের মনে হয় তারা কেবল নগদ টাকা নয়, বরং তাদের জীবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু সত্যিটা হলো, তুমি টাকা নয়, বরং ভুল জিনিসটা খরচ করছো। তুমি খরচ করছো তোমার এনার্জি, তোমার লক্ষ্য আর তোমার মানসিক প্রশান্তি।
বাস্তবে কোনো কিছুই 'দামী' নয়। তুমি শুধু ভুল মাইন্ডসেট দিয়ে পেমেন্ট করছো। আর এই কারণেই কেনাকাটা করতে গেলে তোমার সময় নষ্ট হয়, দুশ্চিন্তা হয় আর মাথায় দুনিয়ার চাপ তৈরি হয়।
বেশিরভাগ মানুষ গরিব রয়ে যায় কারণ তারা টাকা বাঁচানোর চক্করে নিজের 'জীবন' খরচ করে ফেলে।
একজন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করে: "এটার দাম কত?"
একজন জ্ঞানী মানুষ প্রশ্ন করে: "এই জিনিসটা আমার থেকে কী কী কেড়ে নেবে?"
একটি উদাহরণ— ধরো, তুমি সস্তায় একটা পুরনো ল্যাপটপ কিনলে। টাকা কম লাগলো ঠিকই, কিন্তু ওটা স্লো হওয়ার কারণে প্রতিদিন তোমার ২ ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে আর মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তাহলে ওই সস্তা জিনিসটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে 'দামী' জিনিস, কারণ ওটা তোমার শান্তি আর সময় চুরি করছে।
অন্যদিকে, এমন কোনো দামী গ্যাজেট বা সফটওয়্যার যা তোমার কাজকে সহজ করে তোমাকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বাড়তি সময় উপহার দেয়, সেটিই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা ডিল। কারণ ওটা তোমাকে স্বাধীনতা এনে দিচ্ছে।
তুমি তাই আজ থেকে কোনো জিনিসের দাম টাকায় জিজ্ঞেস করা বন্ধ করো।
দাম জিজ্ঞেস করো 'স্বাধীনতার' এককে।
প্রতিবার কিছু কেনার সময় নিজেকে এই একটা প্রশ্ন করো: "এই জিনিসটা কি আমাকে আরও স্বাধীনতা দেবে, নাকি আমার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে?"
যদি কোনো সস্তা জিনিস তোমার মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়, তবে ওটা বর্জন করো। আর যদি কোনো দামী জিনিস তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বাড়তি সময় বা সুযোগ দেয়, তবে জানবে ওটাই তোমার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট।
মনে রেখো, তোমার সময় লিমিটেড, কিন্তু টাকা নয়। তাই টাকা বাঁচানোর জন্য সময় খরচ করা বন্ধ করো!
Red Pill 2
আজ থেকে ঠিক ৩ বছর পর তোমার জীবন প্রায় একই রকম থাকবে, যদি না তুমি আজ একটা বড় সিদ্ধান্ত নাও।
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে; কিন্তু প্রশ্ন হলো—তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?
বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না; তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।
নিজের ভবিষ্যৎকে একটু 'দেখার' চেষ্টা করো।
চোখ বন্ধ করো।
একটু গভীরভাবে ভাবো তো—
আজ থেকে ৩ বছর পর তুমি কোথায় আছো? কোন বাড়িতে থাকছো?
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মনের অবস্থা কেমন? কতটা প্রাণবন্ত লাগছে নিজেকে?
তোমার স্বাস্থ্য কেমন? তোমার শরীর কি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট?
তোমার খাবারের টেবিলে চেয়ারে তোমার সাথে কারা বসে আছে? তোমার প্রিয় মানুষগুলো কি তোমার সাথেই আছে?
তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।
মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয়না, ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে। তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে, নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।
আজ রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় বের করো। একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো যার টাইটেল হবে— "৩ বছর পর আমার জীবন":
* খুব নির্দিষ্ট করে লেখো।
* সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। বোল্ড হও।
* নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো।
কারণ, তোমার মনের ভেতরের এই স্বচ্ছতা বা 'ক্ল্যারিটি' তোমার ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো, তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।
Red Pill 2
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে; কিন্তু প্রশ্ন হলো—তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?
বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না; তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।
নিজের ভবিষ্যৎকে একটু 'দেখার' চেষ্টা করো।
চোখ বন্ধ করো।
একটু গভীরভাবে ভাবো তো—
আজ থেকে ৩ বছর পর তুমি কোথায় আছো? কোন বাড়িতে থাকছো?
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মনের অবস্থা কেমন? কতটা প্রাণবন্ত লাগছে নিজেকে?
তোমার স্বাস্থ্য কেমন? তোমার শরীর কি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট?
তোমার খাবারের টেবিলে চেয়ারে তোমার সাথে কারা বসে আছে? তোমার প্রিয় মানুষগুলো কি তোমার সাথেই আছে?
তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।
মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয়না, ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে। তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে, নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।
আজ রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় বের করো। একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো যার টাইটেল হবে— "৩ বছর পর আমার জীবন":
* খুব নির্দিষ্ট করে লেখো।
* সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। বোল্ড হও।
* নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো।
কারণ, তোমার মনের ভেতরের এই স্বচ্ছতা বা 'ক্ল্যারিটি' তোমার ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো, তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।
Red Pill 2
বান্দার সীমালঙ্ঘনের কারণে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতেও নানা ধরনের শাস্তি দিয়ে থাকেন। পবিত্র কোরআনে মহা আল্লাহ ঘোষণা করেন, ‘তোমাদের ওপর যে বিপদই উপনীত হয় তা তোমাদের হাতের কামাই, তিনি অনেক অপরাধই ক্ষমা করে দেন’ (সুরা শুরা: ৩০)। ‘গুরুতর শাস্তির আগে আমি তাদেরকে অবশ্য অবশ্যই লঘু শাস্তি আস্বাদন করাব যাতে তারা (অনুশোচনা নিয়ে) ফিরে আসে।’ (সুরা সাজদাহ: ২১)
নিচে ১৪টি জঘন্য পাপের পরিচয় তুলে ধরা হলো, যেগুলোর শাস্তি পরকালের জন্য নির্ধারিত রয়েছেই, দুনিয়াতেও পেতে হবে।
১. মা-বাবার অবাধ্যতা
সন্তানের জন্য দুনিয়াতে জান্নাত এবং জাহান্নাম হচ্ছেন মা-বাবা। মা-বাবা অমুসলিম হলেও সন্তানের ওপর তাদের সঙ্গে সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহর অবাধ্যতার বিষয় না থাকলে তাদের নির্দেশ মান্য করা চলা কর্তব্য। মা-বাবা অসন্তুষ্ট হলে মহান আল্লাহও অসন্তুষ্ট হয়ে যান। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি আর মা-বাবার অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। (তিরমিজি: ১৮৯৯)
২. জুলুম
জুলুম কঠিন গুনাহ। দুনিয়া-আখেরাত কোথাও জালেমকে ছাড় দেওয়া হয় না। আজ হোক বা কাল—তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আল্লাহ পাক বলেন, ‘আমি তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রাখি। আমার কৌশল অতি শক্তিশালী।’(সূরা নুন: ৪৫) আল্লাহ পাক আরও বলেন, ‘জালেমরা যা করছে, সে সম্পর্কে তোমরা আল্লাহকে উদাসীন ভেবো না, তিনি তাদের ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ওই দিন পর্যন্ত, যেদিন চোখগুলো সব আতঙ্কে বড় বড় হয়ে যাবে।’(সুরা ইবরাহীম: ৪৩) অন্য আয়াতে তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, এমনই ছিল তোমার রবের ধরপাকড়, যখন তিনি ধরেছিলেন ওই জালেম বসতিগুলোকে, নিশ্চয়ই তার ধরা অনেক কঠিন যন্ত্রণাময়। (সুরা হুদ: ১০২)
৩. কোনো মুসলমানের ইজ্জত নষ্ট করা
মানুষের সম্মান রক্ষা করা ইসলামে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এর ফজিলত অসীম। জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার বড় উপায়। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন, ‘যে তার ভাইয়ের সম্মান তার অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল আগুন থেকে রক্ষা করবেন।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৯৩১)
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
ইসলামি শরিয়তে সাধ্যানুযায়ী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (সহিহ বুখারি: ৬১৩৮)
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখেরাতের পাশাপাশি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। তা হলো, জুলুম ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শাস্তি।’ (তিরমিজি: ২৫১১)
৫. লোক দেখানো আমল
রিয়া বা লোক দেখানো আমলকে বলা হয় ছোট শিরক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন—‘আমি যে বিষয়টি তোমাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো শিরকে আসগর (ছোট শিরক)। সাহাবিরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! শিরকে আসগর কী? তিনি বলেন, রিয়া বা লোক দেখানো আমল। কেয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে, তখন মহান আল্লাহ তাদেরকে বলবেন, তোমরা যাদের দেখাতে তাদের কাছে যাও, দেখো তাদের কাছে তোমাদের পুরস্কার পাও কি না!’ (আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/৪২৮-৪২৯;
৬. আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করা
আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করলে বা আল্লাহর নেয়ামতের না-শোকরি করলে আল্লাহ তাআলা নগদে শাস্তি দেন। সুরা নাহালে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহ উপমা পেশ করছেন, একটি জনপদ, যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত। সবদিক থেকে তার রিজিক তাতে বিপুলভাবে আসত। অতঃপর সে আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করল। তখন তারা যা করত তার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষুধা ও ভয়ের পোশাক পরালেন।’ (সুরা নাহাল: ১১২)
৭. ব্যভিচার
জেনা বা নারী-পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইসলাম। ব্যভিচারের শাস্তি দুনিয়াতেও হয়ে থাকে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ব্যভিচারের মন্দ পরিণাম ছয়টি। তিনটি দুনিয়ায় আর তিনটি আখেরাতে। দুনিয়ার তিনটি হলো—১. চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হওয়া, ২. দরিদ্র, ৩. অকালমৃত্যু । আর আখিরাতের তিনটি হলো—১. আল্লাহর অসন্তুষ্টি, ২. হিসাব-নিকাশের কঠোরতা ও ৩. জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। (ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ, ই.ফা. পৃ-১০৯)
৮. অহংকার
অহংকারীরা পরকালে কঠিন শাস্তি পাবে। জান্নাত তার জন্য হারাম। অহংকারের শাস্তি দুনিয়াতেও দেওয়া হয়। একবার বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি গর্ব করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি দেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগেও এমন একটি ঘটনা ঘটে।
৯. সুদখোর ও ঘুষখোর
সুদের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নবীজি (স.) অভিশাপ দিয়েছেন। যাদের ওপর নবীজি লানত দিয়েছেন তারা দুনিয়াতেই শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। বর্ণিত হয়েছে, ‘যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, যে সাক্ষী থাকে এবং যে ব্যক্তি সুদের হিসাব-নিকাশ বা সুদের চুক্তিপত্র ইত্যাদি লিখে দেয় সবার প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) লানত করেছেন।’ (তিরমিজি: ১২০৬)
নিচে ১৪টি জঘন্য পাপের পরিচয় তুলে ধরা হলো, যেগুলোর শাস্তি পরকালের জন্য নির্ধারিত রয়েছেই, দুনিয়াতেও পেতে হবে।
১. মা-বাবার অবাধ্যতা
সন্তানের জন্য দুনিয়াতে জান্নাত এবং জাহান্নাম হচ্ছেন মা-বাবা। মা-বাবা অমুসলিম হলেও সন্তানের ওপর তাদের সঙ্গে সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহর অবাধ্যতার বিষয় না থাকলে তাদের নির্দেশ মান্য করা চলা কর্তব্য। মা-বাবা অসন্তুষ্ট হলে মহান আল্লাহও অসন্তুষ্ট হয়ে যান। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি আর মা-বাবার অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। (তিরমিজি: ১৮৯৯)
২. জুলুম
জুলুম কঠিন গুনাহ। দুনিয়া-আখেরাত কোথাও জালেমকে ছাড় দেওয়া হয় না। আজ হোক বা কাল—তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আল্লাহ পাক বলেন, ‘আমি তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রাখি। আমার কৌশল অতি শক্তিশালী।’(সূরা নুন: ৪৫) আল্লাহ পাক আরও বলেন, ‘জালেমরা যা করছে, সে সম্পর্কে তোমরা আল্লাহকে উদাসীন ভেবো না, তিনি তাদের ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ওই দিন পর্যন্ত, যেদিন চোখগুলো সব আতঙ্কে বড় বড় হয়ে যাবে।’(সুরা ইবরাহীম: ৪৩) অন্য আয়াতে তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, এমনই ছিল তোমার রবের ধরপাকড়, যখন তিনি ধরেছিলেন ওই জালেম বসতিগুলোকে, নিশ্চয়ই তার ধরা অনেক কঠিন যন্ত্রণাময়। (সুরা হুদ: ১০২)
৩. কোনো মুসলমানের ইজ্জত নষ্ট করা
মানুষের সম্মান রক্ষা করা ইসলামে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এর ফজিলত অসীম। জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার বড় উপায়। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন, ‘যে তার ভাইয়ের সম্মান তার অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল আগুন থেকে রক্ষা করবেন।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৯৩১)
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
ইসলামি শরিয়তে সাধ্যানুযায়ী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (সহিহ বুখারি: ৬১৩৮)
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখেরাতের পাশাপাশি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। তা হলো, জুলুম ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শাস্তি।’ (তিরমিজি: ২৫১১)
৫. লোক দেখানো আমল
রিয়া বা লোক দেখানো আমলকে বলা হয় ছোট শিরক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন—‘আমি যে বিষয়টি তোমাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো শিরকে আসগর (ছোট শিরক)। সাহাবিরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! শিরকে আসগর কী? তিনি বলেন, রিয়া বা লোক দেখানো আমল। কেয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে, তখন মহান আল্লাহ তাদেরকে বলবেন, তোমরা যাদের দেখাতে তাদের কাছে যাও, দেখো তাদের কাছে তোমাদের পুরস্কার পাও কি না!’ (আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/৪২৮-৪২৯;
৬. আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করা
আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করলে বা আল্লাহর নেয়ামতের না-শোকরি করলে আল্লাহ তাআলা নগদে শাস্তি দেন। সুরা নাহালে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহ উপমা পেশ করছেন, একটি জনপদ, যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত। সবদিক থেকে তার রিজিক তাতে বিপুলভাবে আসত। অতঃপর সে আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করল। তখন তারা যা করত তার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষুধা ও ভয়ের পোশাক পরালেন।’ (সুরা নাহাল: ১১২)
৭. ব্যভিচার
জেনা বা নারী-পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইসলাম। ব্যভিচারের শাস্তি দুনিয়াতেও হয়ে থাকে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ব্যভিচারের মন্দ পরিণাম ছয়টি। তিনটি দুনিয়ায় আর তিনটি আখেরাতে। দুনিয়ার তিনটি হলো—১. চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হওয়া, ২. দরিদ্র, ৩. অকালমৃত্যু । আর আখিরাতের তিনটি হলো—১. আল্লাহর অসন্তুষ্টি, ২. হিসাব-নিকাশের কঠোরতা ও ৩. জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। (ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ, ই.ফা. পৃ-১০৯)
৮. অহংকার
অহংকারীরা পরকালে কঠিন শাস্তি পাবে। জান্নাত তার জন্য হারাম। অহংকারের শাস্তি দুনিয়াতেও দেওয়া হয়। একবার বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি গর্ব করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি দেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগেও এমন একটি ঘটনা ঘটে।
৯. সুদখোর ও ঘুষখোর
সুদের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নবীজি (স.) অভিশাপ দিয়েছেন। যাদের ওপর নবীজি লানত দিয়েছেন তারা দুনিয়াতেই শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। বর্ণিত হয়েছে, ‘যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, যে সাক্ষী থাকে এবং যে ব্যক্তি সুদের হিসাব-নিকাশ বা সুদের চুক্তিপত্র ইত্যাদি লিখে দেয় সবার প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) লানত করেছেন।’ (তিরমিজি: ১২০৬)
সুদের মাধ্যমে যত অর্থই উপার্জন করুক, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাতে কোনো বরকত নেই। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করে দেন এবং সদকাকে বর্ধিত করে দেন।’ (সুরা বাকারা: ২৭৬)
১০. মদপান ও জুয়াখেলা
মদপান ও জুয়া খেলা উভয় শয়তানের কাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, তাহলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে। (সুরা আল মায়েদা: ৯০)
১১. চুরি ডাকাতি ছিনতাই
চুরি করা জঘন্য অপরাধ। এর শাস্তি হলো, কবজি পর্যন্ত হাত কেটে দেওয়া। যেমন আল্লাহর বাণী—‘পুরুষ চোর ও নারী চোরের অপরাধের শাস্তিস্বরূপ উভয়ের হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দাও।’ (সুরা : মায়েদা: ৩৮) ডাকাতি, ছিনতাই, লুটপাট ইত্যাদি চুরি অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ। কারণ চুরি হয় গোপনে। আর ডাকাতি, ছিনতাই ও লুটপাট হয় প্রকাশ্যে। এদের শাস্তি হলো হত্যা, শূলে চড়ানো, হাত-পা কেটে ফেলা ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা। মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটপাট করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (আবু দাউদ, মেশকাত, পৃ-৩১৩)
১২. মিথ্যা কসম ও ধোঁকা
মিথ্যা কসম খাওয়া এবং মানুষকে ধোঁকা দিলে তাকে নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন করা হয়। এর একটি হলো- আয়-উপার্জনের বরকত চলে যায়। আর বরকত চলে যাওয়া মানে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বেচাকেনা করার সময় তোমরা অধিক কসম করা থেকে সাবধান থেকো। কারণ, মিথ্যা কসমের দ্বারা বিক্রি বেশি হয়, কিন্তু বরকত ধ্বংস হয়ে যায়।’ (মুসলিম: ১,৬০৭)
১৩. জাকাত না দেওয়া
জাকাত ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ বা মৌলিক বিধান। জাকাতের বিধান প্রণয়ন করে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভারসাম্য ঠিক রেখেছে ইসলাম। সঠিকভাবে জাকাতের বিধান আদায় না করলে রিজিকের বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং এতে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন কোনো জাতি জাকাত আদায় করা বন্ধ করে দেয়; আসমান থেকে তখন বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পৃথিবীর বুকে যদি কোনো চতুষ্পদ জন্তু না থাকত, তাহলে আর কখনো বৃষ্টি হতো না।’ (ইবনে মাজাহ: ৪,০১৯)
১৪. হিংসা
হিংসা এমন এক ব্যাধি, যা শুধু মনের নয়, দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয়ে থাকে যে, হিংসুক মানুষের কোনো বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু । হিংসা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘..বলে দাও, তোমাদের আক্রোশেই তোমরা মরো..।’ (সুরা আলে ইমরান: ১১৯)
মুফতী লোকমান হুসাইন
১০. মদপান ও জুয়াখেলা
মদপান ও জুয়া খেলা উভয় শয়তানের কাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, তাহলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে। (সুরা আল মায়েদা: ৯০)
১১. চুরি ডাকাতি ছিনতাই
চুরি করা জঘন্য অপরাধ। এর শাস্তি হলো, কবজি পর্যন্ত হাত কেটে দেওয়া। যেমন আল্লাহর বাণী—‘পুরুষ চোর ও নারী চোরের অপরাধের শাস্তিস্বরূপ উভয়ের হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দাও।’ (সুরা : মায়েদা: ৩৮) ডাকাতি, ছিনতাই, লুটপাট ইত্যাদি চুরি অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ। কারণ চুরি হয় গোপনে। আর ডাকাতি, ছিনতাই ও লুটপাট হয় প্রকাশ্যে। এদের শাস্তি হলো হত্যা, শূলে চড়ানো, হাত-পা কেটে ফেলা ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা। মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটপাট করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (আবু দাউদ, মেশকাত, পৃ-৩১৩)
১২. মিথ্যা কসম ও ধোঁকা
মিথ্যা কসম খাওয়া এবং মানুষকে ধোঁকা দিলে তাকে নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন করা হয়। এর একটি হলো- আয়-উপার্জনের বরকত চলে যায়। আর বরকত চলে যাওয়া মানে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বেচাকেনা করার সময় তোমরা অধিক কসম করা থেকে সাবধান থেকো। কারণ, মিথ্যা কসমের দ্বারা বিক্রি বেশি হয়, কিন্তু বরকত ধ্বংস হয়ে যায়।’ (মুসলিম: ১,৬০৭)
১৩. জাকাত না দেওয়া
জাকাত ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ বা মৌলিক বিধান। জাকাতের বিধান প্রণয়ন করে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভারসাম্য ঠিক রেখেছে ইসলাম। সঠিকভাবে জাকাতের বিধান আদায় না করলে রিজিকের বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং এতে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন কোনো জাতি জাকাত আদায় করা বন্ধ করে দেয়; আসমান থেকে তখন বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পৃথিবীর বুকে যদি কোনো চতুষ্পদ জন্তু না থাকত, তাহলে আর কখনো বৃষ্টি হতো না।’ (ইবনে মাজাহ: ৪,০১৯)
১৪. হিংসা
হিংসা এমন এক ব্যাধি, যা শুধু মনের নয়, দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয়ে থাকে যে, হিংসুক মানুষের কোনো বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু । হিংসা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘..বলে দাও, তোমাদের আক্রোশেই তোমরা মরো..।’ (সুরা আলে ইমরান: ১১৯)
মুফতী লোকমান হুসাইন
যে কাজগুলো আপনাকে পুরুষ হিসেবে খুব দ্রুত আকর্ষণীয় করে তুলবে -
বর্তমান সময়ে একজন পুরুষ হিসেবে আপনার নিজের সার্বিক দিকে নজর দিতে হবে। বিশেষত বাহ্যিক সৌন্দর্য ও পরিপাটি হয়ে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি নিজে হয়ে থাকবেন উন মানুষের মত, এবং আশা করে থাকবেন মানুষজন আপনাকে আপনার বাহ্যিক দিক না, ভিতরের বিষয় দিয়ে বিচার করবে, এরকমটা ভেবে থাকলে আপনি আত্মপ্রবঞ্চণা কিংবা নিজের সাথে নিজে প্রতারণা করছেন। সত্য কথা বলতে, সব মানুষের এত সময় নেই যে আপনার সাথে এসে কথা বলে আলোচনা করে আপনার সম্পর্কে জেনে তারপর আপনাকে বিচার করবে।
যখন নতুন কারো সাথে পরিচয় পর্বে প্রথম যে ৫ মিনিটের আলাপ হয়, ঐ ৫ মিনিটেই মানুষটা আপনার সম্পর্কে ফার্স্ট ইম্প্রেশন কিংবা একটা ধারণা তৈরি করে। এবং পরবর্তীতে ঐ অনুযায়ী আপনাকে ট্রিট করে। এজন্য মানুষের মনে সর্বদা ভালো এবং আকর্ষণীয় ইমপ্রেশন তৈরি করা এবং সেটার উপর ভিত্তি করে একটা মজবুত সোশ্যাল সার্কেল তৈরি করা প্রতিটি সফল পুরুষের বৈশিষ্ট্য। আর সেটার জন্য ভিতরকার বিষয়ের পাশাপাশি নিজের বাহ্যিক দিকেও অনেক অনেক গুরুত্ব দিতে হবে। তো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার কাজটা কিভাবে শুরু করতে পারেন?
১. নিজেকে নিজে দেখা ও পর্যালোচনা করা -
আপনি সর্বশেষ নিজেকে কখন আয়নায় দেখেছিলেন? অথবা সর্বশেষ কখন নিজের কোনো ছবি তুলে সেটা দেখেছেন? অধিকাংশ পুরুষই সর্বোচ্চ সকাল বেলা হয়ত ব্রাশ করার সময় পুরো দিনে নিজেকে একবার আয়নায় দেখে, এরপর আর দেখে না। আপনি নিজেকে নিজে না দেখলে ঠিক বুঝে উঠতে পারবেন না আপনার কোথায় কোথায় ইমপ্রুভমেন্ট দরকার। চুলের কোন স্টাইলটা আপনার মানায়, কিংবা কিভাবে হাসলে আপনাকে অ্যাট দ্যা সেইম টাইম পুরুষালী এবং আকর্ষণীয় লাগে, অথবা আপনার মুখে দাঁড়ি থাকলে দাঁড়ির চোয়ালের রেখা কিভাবে টানলে ভালো লাগে, এগুলো সব আপনি নিজেকে নিজে ভালো করে খেয়াল করে না দেখলে কখনোই বুঝবেন না।
এজন্য নিজেকে বেশি বেশি দেখার সহজ ও ভালো উপায় হলো বেশি বেশি ছবি তোলা। ছবি তুললে আরও বুঝতে পারবেন আপনার ঠিক কিভাবে দাঁড়ালে ভালো লাগে। অথবা কোন জামা কিভাবে পরলে আরও আকর্ষণীয় লাগে। সব মিলিয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার প্রথম ধাপ হলো নিজেকে নিজে যথেষ্ট পরিমাণে দেখা এবং তারপর কোথায় কোথায় ইমপ্রুভমেন্ট করা দরকার সেগুলো খুঁজে বের করা।
২. মাসে অন্তত ২ বার সেলুনে যাওয়া -
গ্রুমিংয়ের যে কয়টা মৌলিক বিষয় আছে এবং আকর্ষণীয় হতে চাইলে এরপর যে কাজটি করতে হবে সেটা হলো সুন্দর করে চুল এবং যাদের দাঁড়ি আছে সেটা কাটানো। প্রতি ২ সপ্তাহে একবার অবশ্যই সেলুনে যাওয়া উচিত। ২ সপ্তাহে না হলেও অন্তত প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার। তবে মাসে ২ বার যেতে পারলে সবথেকে বেস্ট। শুনতে একটু অন্যরকম শোনালেও যারা ফ্যাশন সচেতন ও রুচিশীল পুরুষ, তারা এরকম প্রতি ২ সপ্তাহে অন্তত একবার সেলুনে যায়। আর বাংলাদেশে তো সেলুনের দাম পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম, সুতরাং নিজের পিছনে এটা খুবই সামান্যতম একটা ইনভেস্টমেন্ট অথচ এটার আউটকাম অনেক বেশি।
যাদের ছোট চুলে ভালো মানায় তারা চুল সবসময় মোটামুটি ছোটো করে রাখবেন। যাদের একটু বড় চুলে ভালো মানায় তারা চুল বড় রাখলেও সেটাকে ছেটে সুন্দর করে রাখবেন। কেউ দয়া করে বনমানুষের মত চুল রেখে দিবেন না। তাতে করে আপনাকে বিন্দুমাত্রও সুন্দর লাগে না এবং আপনার ব্যক্তিত্ব মানুষের সামনে খুবই বাজে ভাবে উপস্থাপিত হয়। এরপর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা আসে, সেটা হলো যাদের মুখে দাঁড়ি আছে এবং যারা দাঁড়ি রাখেন। যারা দাঁড়ি বড় রাখেন ধর্মীয় কারণে, তারা দাঁড়ি বড় রাখেন সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে মুখের দুই চোয়ালের উপর সুন্দর করে রেখা টানবেন, এবং গলার নিচ থেকেও একটা রেখা টানবেন এবং নিয়মিত এই জ্য লাইনের উপর থেকে দাড়ি পরিস্কার করবেন। নিজে এটা ট্রিমার দিয়ে করতে পারলে করবেন, না হলে সেলুনে গিয়ে করিয়ে নিয়ে আসবেন।
বড় দাঁড়ি রাখলেও সেটাকে অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা যায়। উদাহরণ হিসেবে আপনি দাগেস্তানের কিংবা বলকানের বিভিন্ন প্রাকটিসিং মুসলিম ব্যক্তিদের দিকে দেখতে পারেন। দাঁড়ির লাইন টানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে আপনার মুখ একটা নির্দিষ্ট ও ভালো শেপ পায় এবং যাদের মুখে চর্বি কম তাদের মুখ আরও বেশি পুরুষালী লাগে। আর যারা দাঁড়ি খুব বেশি বড় রাখেন না, ট্রিম করে রাখেন, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা। জ্য লাইন সবসময় ঠিক রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে চোয়ালের রেখার উপরের অংশটুকু পরিস্কার করবেন। এবং গলার নিচের যে রেখা, ওটার নিচ থেকেও নিয়মিত অতিরিক্ত দাঁড়ি পরিস্কার করবেন। এটা সুন্দর দাঁড়ি রাখার খুবই ব্যাসিক। জ্য লাইন ঠিক রাখার পাশাপাশি দাঁড়ির সুন্দর গ্রোথের জন্য চাইলে বেয়ার্ড অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন প্রয়োজন অনুসারে।
সুন্দর চুলের কাট ও দাঁড়ি পুরো মুখাবয়বকেই অনেকগুণে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. সিলক কিংবা মখমলের বালিশের কভার ব্যবহার করা -
বর্তমান সময়ে একজন পুরুষ হিসেবে আপনার নিজের সার্বিক দিকে নজর দিতে হবে। বিশেষত বাহ্যিক সৌন্দর্য ও পরিপাটি হয়ে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি নিজে হয়ে থাকবেন উন মানুষের মত, এবং আশা করে থাকবেন মানুষজন আপনাকে আপনার বাহ্যিক দিক না, ভিতরের বিষয় দিয়ে বিচার করবে, এরকমটা ভেবে থাকলে আপনি আত্মপ্রবঞ্চণা কিংবা নিজের সাথে নিজে প্রতারণা করছেন। সত্য কথা বলতে, সব মানুষের এত সময় নেই যে আপনার সাথে এসে কথা বলে আলোচনা করে আপনার সম্পর্কে জেনে তারপর আপনাকে বিচার করবে।
যখন নতুন কারো সাথে পরিচয় পর্বে প্রথম যে ৫ মিনিটের আলাপ হয়, ঐ ৫ মিনিটেই মানুষটা আপনার সম্পর্কে ফার্স্ট ইম্প্রেশন কিংবা একটা ধারণা তৈরি করে। এবং পরবর্তীতে ঐ অনুযায়ী আপনাকে ট্রিট করে। এজন্য মানুষের মনে সর্বদা ভালো এবং আকর্ষণীয় ইমপ্রেশন তৈরি করা এবং সেটার উপর ভিত্তি করে একটা মজবুত সোশ্যাল সার্কেল তৈরি করা প্রতিটি সফল পুরুষের বৈশিষ্ট্য। আর সেটার জন্য ভিতরকার বিষয়ের পাশাপাশি নিজের বাহ্যিক দিকেও অনেক অনেক গুরুত্ব দিতে হবে। তো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠার কাজটা কিভাবে শুরু করতে পারেন?
১. নিজেকে নিজে দেখা ও পর্যালোচনা করা -
আপনি সর্বশেষ নিজেকে কখন আয়নায় দেখেছিলেন? অথবা সর্বশেষ কখন নিজের কোনো ছবি তুলে সেটা দেখেছেন? অধিকাংশ পুরুষই সর্বোচ্চ সকাল বেলা হয়ত ব্রাশ করার সময় পুরো দিনে নিজেকে একবার আয়নায় দেখে, এরপর আর দেখে না। আপনি নিজেকে নিজে না দেখলে ঠিক বুঝে উঠতে পারবেন না আপনার কোথায় কোথায় ইমপ্রুভমেন্ট দরকার। চুলের কোন স্টাইলটা আপনার মানায়, কিংবা কিভাবে হাসলে আপনাকে অ্যাট দ্যা সেইম টাইম পুরুষালী এবং আকর্ষণীয় লাগে, অথবা আপনার মুখে দাঁড়ি থাকলে দাঁড়ির চোয়ালের রেখা কিভাবে টানলে ভালো লাগে, এগুলো সব আপনি নিজেকে নিজে ভালো করে খেয়াল করে না দেখলে কখনোই বুঝবেন না।
এজন্য নিজেকে বেশি বেশি দেখার সহজ ও ভালো উপায় হলো বেশি বেশি ছবি তোলা। ছবি তুললে আরও বুঝতে পারবেন আপনার ঠিক কিভাবে দাঁড়ালে ভালো লাগে। অথবা কোন জামা কিভাবে পরলে আরও আকর্ষণীয় লাগে। সব মিলিয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার প্রথম ধাপ হলো নিজেকে নিজে যথেষ্ট পরিমাণে দেখা এবং তারপর কোথায় কোথায় ইমপ্রুভমেন্ট করা দরকার সেগুলো খুঁজে বের করা।
২. মাসে অন্তত ২ বার সেলুনে যাওয়া -
গ্রুমিংয়ের যে কয়টা মৌলিক বিষয় আছে এবং আকর্ষণীয় হতে চাইলে এরপর যে কাজটি করতে হবে সেটা হলো সুন্দর করে চুল এবং যাদের দাঁড়ি আছে সেটা কাটানো। প্রতি ২ সপ্তাহে একবার অবশ্যই সেলুনে যাওয়া উচিত। ২ সপ্তাহে না হলেও অন্তত প্রতি ৩ সপ্তাহে একবার। তবে মাসে ২ বার যেতে পারলে সবথেকে বেস্ট। শুনতে একটু অন্যরকম শোনালেও যারা ফ্যাশন সচেতন ও রুচিশীল পুরুষ, তারা এরকম প্রতি ২ সপ্তাহে অন্তত একবার সেলুনে যায়। আর বাংলাদেশে তো সেলুনের দাম পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম, সুতরাং নিজের পিছনে এটা খুবই সামান্যতম একটা ইনভেস্টমেন্ট অথচ এটার আউটকাম অনেক বেশি।
যাদের ছোট চুলে ভালো মানায় তারা চুল সবসময় মোটামুটি ছোটো করে রাখবেন। যাদের একটু বড় চুলে ভালো মানায় তারা চুল বড় রাখলেও সেটাকে ছেটে সুন্দর করে রাখবেন। কেউ দয়া করে বনমানুষের মত চুল রেখে দিবেন না। তাতে করে আপনাকে বিন্দুমাত্রও সুন্দর লাগে না এবং আপনার ব্যক্তিত্ব মানুষের সামনে খুবই বাজে ভাবে উপস্থাপিত হয়। এরপর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা আসে, সেটা হলো যাদের মুখে দাঁড়ি আছে এবং যারা দাঁড়ি রাখেন। যারা দাঁড়ি বড় রাখেন ধর্মীয় কারণে, তারা দাঁড়ি বড় রাখেন সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে মুখের দুই চোয়ালের উপর সুন্দর করে রেখা টানবেন, এবং গলার নিচ থেকেও একটা রেখা টানবেন এবং নিয়মিত এই জ্য লাইনের উপর থেকে দাড়ি পরিস্কার করবেন। নিজে এটা ট্রিমার দিয়ে করতে পারলে করবেন, না হলে সেলুনে গিয়ে করিয়ে নিয়ে আসবেন।
বড় দাঁড়ি রাখলেও সেটাকে অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা যায়। উদাহরণ হিসেবে আপনি দাগেস্তানের কিংবা বলকানের বিভিন্ন প্রাকটিসিং মুসলিম ব্যক্তিদের দিকে দেখতে পারেন। দাঁড়ির লাইন টানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে আপনার মুখ একটা নির্দিষ্ট ও ভালো শেপ পায় এবং যাদের মুখে চর্বি কম তাদের মুখ আরও বেশি পুরুষালী লাগে। আর যারা দাঁড়ি খুব বেশি বড় রাখেন না, ট্রিম করে রাখেন, তাদের ক্ষেত্রেও একই কথা। জ্য লাইন সবসময় ঠিক রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে চোয়ালের রেখার উপরের অংশটুকু পরিস্কার করবেন। এবং গলার নিচের যে রেখা, ওটার নিচ থেকেও নিয়মিত অতিরিক্ত দাঁড়ি পরিস্কার করবেন। এটা সুন্দর দাঁড়ি রাখার খুবই ব্যাসিক। জ্য লাইন ঠিক রাখার পাশাপাশি দাঁড়ির সুন্দর গ্রোথের জন্য চাইলে বেয়ার্ড অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন প্রয়োজন অনুসারে।
সুন্দর চুলের কাট ও দাঁড়ি পুরো মুখাবয়বকেই অনেকগুণে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. সিলক কিংবা মখমলের বালিশের কভার ব্যবহার করা -
এটা একটা লংটার্ম গ্রুমিংয়ের অংশ যেটা আপনার পরবর্তী ১০-১৫ বছর কিংবা সবসময় বজায় রাখা উচিত। নর্মাল বালিশের কভার ব্যবহার করার অনেক ক্ষতিকর দিক আছে। আপনার মুখে ব্রণের সমস্যা থাকলে তো আরও বেশি। তাছাড়া নর্মাল বালিশের কভার আপনার মুখের চামড়াকে শুষ্ক করে দেয়, মুখের চামড়ায় ভাঁজ পড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী, এমনকি মাথার চুল পড়ার জন্যও অনেকাংশে দায়ী। এর বিপরীতে আপনি সিলক কিংবা মখমলের বালিশের কভার ব্যবহার করুন। অনলাইন থেকে অর্ডার দিতে পারবেন। অর্ডার দেয়ার সময় একাধিক অর্ডার করুন যেন পরবর্তী কয়েক বছর একাধারে পরিবর্তন করে করে ব্যবহার করতে পারেন। তাতে করে আপনার মুখের চামড়া ঘষা খেয়ে খেয়ে শুষ্ক হয়ে যাবে না, মাথার চুলও পড়বে না, এবং ব্রণের সমস্যাও অনেকাংশে কমে যাবে। সর্বোপরি, আপনার মুখের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে।
৪. কি ধরণের খাবার খাচ্ছেন সেটার উপর লক্ষ্য রাখা এবং মুখে চর্বি জমতে না দেয়া -
আকর্ষণের অন্যতম মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মানুষের মুখ। আপনার মুখে যদি চর্বি জমে থাকে অনেক তাহলে সেটা খুবই বাজে লাগে। আপনার নিজের কাছে না লাগলেও মানুষের কাছে লাগে। আপনি যদি আপনার মুখের চর্বির পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারেন, রাতারাতি আপনাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগবে। এটার জন্য আপনার করণীয় হলো খাবার খাওয়ার সময় বেঁছে বেঁছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং তৈলাক্ত খাবার যতটা পরিহার করা যায়। আর এর পাশাপাশি অন্তত ৩ মাসের জন্য হলেও জিম করা অথবা নিয়মিত দৌঁড়ানো কিংবা কার্ডিও করা। যেটাই করেন, মুখের চর্বির পারিমাণ আপনাকে যেভাবেই হোক কমাতে হবে এবং নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। মুখের চর্বির পরিমাণ যখন খুবই কম থাকবে এবং আপনার মুখে দাঁড়ি থাকলে দাঁড়ির জ্য লাইন যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে আগের থেকে অনেক আকর্ষণীয় লাগবে।
সুন্দর ও আকর্ষণীয় জিনিস সবজায়গায়, সর্বাবস্থায় সমাদৃত। আপনি একজন পুরুষ হিসেবে যদি নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখেন, নিজের ঠিকঠাক মত যত্ন নেন, আপনি আপনার জীবনের অন্যান্য দিকেও সমান ভাবে ভালো করবেন এবং সবকিছু সাজিয়ে গুছিয়ে করার যোগ্যতা অর্জন করবেন। আর নিজেকে যখন দেখতে ভালো লাগবে, আপনার কনফিডেন্স হবে আকাশচুম্বি। যেটা লাইফের প্রতিটি পদক্ষেপেই আপনাকে ঝড়ের গতিতে সামনে ঠেলে দিবে। এজন্য গ্রুমিংকে নিজের প্রত্যাহিক অভ্যাসে পরিণত করুন। এবং ভিড়ের মধ্যে সবার থেকে আলাদা হয়ে উঠুন। আপনার মত তখন আপনার জীবনও সুন্দর হবে।.
৪. কি ধরণের খাবার খাচ্ছেন সেটার উপর লক্ষ্য রাখা এবং মুখে চর্বি জমতে না দেয়া -
আকর্ষণের অন্যতম মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মানুষের মুখ। আপনার মুখে যদি চর্বি জমে থাকে অনেক তাহলে সেটা খুবই বাজে লাগে। আপনার নিজের কাছে না লাগলেও মানুষের কাছে লাগে। আপনি যদি আপনার মুখের চর্বির পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারেন, রাতারাতি আপনাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগবে। এটার জন্য আপনার করণীয় হলো খাবার খাওয়ার সময় বেঁছে বেঁছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং তৈলাক্ত খাবার যতটা পরিহার করা যায়। আর এর পাশাপাশি অন্তত ৩ মাসের জন্য হলেও জিম করা অথবা নিয়মিত দৌঁড়ানো কিংবা কার্ডিও করা। যেটাই করেন, মুখের চর্বির পারিমাণ আপনাকে যেভাবেই হোক কমাতে হবে এবং নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। মুখের চর্বির পরিমাণ যখন খুবই কম থাকবে এবং আপনার মুখে দাঁড়ি থাকলে দাঁড়ির জ্য লাইন যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে আগের থেকে অনেক আকর্ষণীয় লাগবে।
সুন্দর ও আকর্ষণীয় জিনিস সবজায়গায়, সর্বাবস্থায় সমাদৃত। আপনি একজন পুরুষ হিসেবে যদি নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখেন, নিজের ঠিকঠাক মত যত্ন নেন, আপনি আপনার জীবনের অন্যান্য দিকেও সমান ভাবে ভালো করবেন এবং সবকিছু সাজিয়ে গুছিয়ে করার যোগ্যতা অর্জন করবেন। আর নিজেকে যখন দেখতে ভালো লাগবে, আপনার কনফিডেন্স হবে আকাশচুম্বি। যেটা লাইফের প্রতিটি পদক্ষেপেই আপনাকে ঝড়ের গতিতে সামনে ঠেলে দিবে। এজন্য গ্রুমিংকে নিজের প্রত্যাহিক অভ্যাসে পরিণত করুন। এবং ভিড়ের মধ্যে সবার থেকে আলাদা হয়ে উঠুন। আপনার মত তখন আপনার জীবনও সুন্দর হবে।.
১️। চেষ্টা ও পরিশ্রমের ফল নিশ্চিত
وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنسَانِ إِلَّا مَا سَعَىٰ
“মানুষ তার চেষ্টা অনুযায়ীই ফল পায়।”
— (সূরা আন-নাজম, ৫৩:৩৯)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
স্কিল ডেভেলপমেন্ট, জব সুইচ, প্রমোশন—সবকিছুই নির্ভর করে আপনার সচেতন চেষ্টা, কৌশল ও প্রস্তুতির উপর।
২️। আল্লাহ পরিবর্তন দেন, কিন্তু আগে নিজেকে বদলাতে হয়
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُوا۟ مَا بِأَنفُسِهِمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে।”
— (সূরা আর-রা‘দ, ১৩:১১)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
নতুন জব, ভালো স্যালারি, গ্রোথ—এসব আগে আসবে না, যতক্ষণ না আপনি নিজে শেখা, মানসিকতা ও অভ্যাস বদলান।
৩️। কঠিন সময় মানেই শেষ নয়
فَإِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে, নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।”
— (সূরা আশ-শরহ, ৯৪:৫–৬)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
রিজেকশন, জব লস, স্টাক হয়ে থাকা—এগুলো সাময়িক। ঠিক পরেই আল্লাহ সুযোগ তৈরি করেন।
৪️। আল্লাহর উপর ভরসা করলে রিজিকের দরজা খুলে যায়
وَمَن يَتَّقِ ٱللَّهَ يَجْعَل لَّهُۥ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ
“যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যা সে কল্পনাও করেনি।”
— (সূরা আত-তালাক, ৬৫:২–৩)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
হালাল পথে চেষ্টা + তাকওয়া = অপ্রত্যাশিত সুযোগ, ভালো অফার, নতুন দিক।
৫️। দোয়া করতে কখনো সংকোচ নেই
وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدْعُونِىٓ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
— (সূরা গাফির, ৪০:৬০)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
নতুন জব, ক্যারিয়ার ক্ল্যারিটি, সঠিক সিদ্ধান্ত—সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে সরাসরি দোয়া করুন।
وَأَن لَّيْسَ لِلْإِنسَانِ إِلَّا مَا سَعَىٰ
“মানুষ তার চেষ্টা অনুযায়ীই ফল পায়।”
— (সূরা আন-নাজম, ৫৩:৩৯)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
স্কিল ডেভেলপমেন্ট, জব সুইচ, প্রমোশন—সবকিছুই নির্ভর করে আপনার সচেতন চেষ্টা, কৌশল ও প্রস্তুতির উপর।
২️। আল্লাহ পরিবর্তন দেন, কিন্তু আগে নিজেকে বদলাতে হয়
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُوا۟ مَا بِأَنفُسِهِمْ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে।”
— (সূরা আর-রা‘দ, ১৩:১১)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
নতুন জব, ভালো স্যালারি, গ্রোথ—এসব আগে আসবে না, যতক্ষণ না আপনি নিজে শেখা, মানসিকতা ও অভ্যাস বদলান।
৩️। কঠিন সময় মানেই শেষ নয়
فَإِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে, নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।”
— (সূরা আশ-শরহ, ৯৪:৫–৬)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
রিজেকশন, জব লস, স্টাক হয়ে থাকা—এগুলো সাময়িক। ঠিক পরেই আল্লাহ সুযোগ তৈরি করেন।
৪️। আল্লাহর উপর ভরসা করলে রিজিকের দরজা খুলে যায়
وَمَن يَتَّقِ ٱللَّهَ يَجْعَل لَّهُۥ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ
“যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন, যা সে কল্পনাও করেনি।”
— (সূরা আত-তালাক, ৬৫:২–৩)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
হালাল পথে চেষ্টা + তাকওয়া = অপ্রত্যাশিত সুযোগ, ভালো অফার, নতুন দিক।
৫️। দোয়া করতে কখনো সংকোচ নেই
وَقَالَ رَبُّكُمُ ٱدْعُونِىٓ أَسْتَجِبْ لَكُمْ
“তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।”
— (সূরা গাফির, ৪০:৬০)
🔹 ক্যারিয়ার শিক্ষা:
নতুন জব, ক্যারিয়ার ক্ল্যারিটি, সঠিক সিদ্ধান্ত—সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে সরাসরি দোয়া করুন।
• যেভাবে ঘুমের প্রস্তুতি নেবেন
মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জন্য নিজের পরিবেশকে প্রস্তুত করবেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট নিজস্ব সংযোজনসহ তুলে ধরছি :
“নিজের শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেবেন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর আগে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলবেন, আগামী দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন। পরের দিনের একটি সুন্দর ছবি কল্পনায় আঁকবেন।
অজু ও জিকির-আজকারের সঙ্গে ঘুমাবেন। অজু ও জিকির এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমের নেয়ামত, আরাম ও উষ্ণতাকে অনুভব করবেন।
ফজরের নামাজের জন্য অ্যালার্ম সেট করবেন।
প্রতিদিন ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করবেন এবং ঘরের এমন জায়গায় রাখবেন, যেখানে সহজে হাত না পৌঁছায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বা কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করবেন, যাতে শরীরে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন (Melatonin) নিঃসরণ শুরু হয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুম পেতে সাহায্য করে।
এরপর মন দেবেন অন্য কাজে। হালকা ব্যায়াম, রাতে একটু হাঁটা, বই পড়া, ডায়েরি লেখা, পরের দিনের কাজের তালিকা করা, দুই রাকাত নামাজ পড়া, অথবা শান্ত কোনো ভিডিও দেখা। এসবই আপনাকে ধীরে ধীরে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে।
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে থেকে ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। কারণ শরীরের ক্যাফেইন বের হতে বেশ সময় লাগে।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও নির্দিষ্ট সময়ে জাগার জন্য একটি সহজ ও কার্যকর রুটিন তৈরি করবেন। ছুটির দিনেও এই রুটিন খুব বেশি বদলানো উচিত নয়; এক ঘণ্টার বেশি দেরি না করাই ভালো। বিছানায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঘুমানো—ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থাকা নয়।
অগোছালো ও বিশৃঙ্খল ঘরে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে ঘরটি পরিষ্কার, পরিপাটি ও সুগন্ধিযুক্ত রাখবেন। বিশেষ করে যে বিছানায় আপনি ঘুমাতে যাবেন।
নিজেকে এমন কোনো পানীয় থেকে বঞ্চিত করবেন না, যা আপনাকে আরাম ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে। যেমন : মৌরি, ক্যামোমাইল (Chamomile) বা ফুলের চা। এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গভীর ঘুমে আনতে সহায়তা করে।
ঘরের সব আলো নিভিয়ে দেবেন, যাতে মেলাটোনিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হতে পারে। এই হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ে আসে। বেশি আলোতে মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে পারে না।”
এই কাজগুলো করলে আশা করি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ও শান্ত একটি রাত আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
#মর্নিং_মেসেজ
পর্ব-৪
মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জন্য নিজের পরিবেশকে প্রস্তুত করবেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট নিজস্ব সংযোজনসহ তুলে ধরছি :
“নিজের শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেবেন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর আগে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলবেন, আগামী দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন। পরের দিনের একটি সুন্দর ছবি কল্পনায় আঁকবেন।
অজু ও জিকির-আজকারের সঙ্গে ঘুমাবেন। অজু ও জিকির এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমের নেয়ামত, আরাম ও উষ্ণতাকে অনুভব করবেন।
ফজরের নামাজের জন্য অ্যালার্ম সেট করবেন।
প্রতিদিন ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করবেন এবং ঘরের এমন জায়গায় রাখবেন, যেখানে সহজে হাত না পৌঁছায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বা কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করবেন, যাতে শরীরে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন (Melatonin) নিঃসরণ শুরু হয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুম পেতে সাহায্য করে।
এরপর মন দেবেন অন্য কাজে। হালকা ব্যায়াম, রাতে একটু হাঁটা, বই পড়া, ডায়েরি লেখা, পরের দিনের কাজের তালিকা করা, দুই রাকাত নামাজ পড়া, অথবা শান্ত কোনো ভিডিও দেখা। এসবই আপনাকে ধীরে ধীরে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে।
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে থেকে ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। কারণ শরীরের ক্যাফেইন বের হতে বেশ সময় লাগে।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও নির্দিষ্ট সময়ে জাগার জন্য একটি সহজ ও কার্যকর রুটিন তৈরি করবেন। ছুটির দিনেও এই রুটিন খুব বেশি বদলানো উচিত নয়; এক ঘণ্টার বেশি দেরি না করাই ভালো। বিছানায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঘুমানো—ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থাকা নয়।
অগোছালো ও বিশৃঙ্খল ঘরে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে ঘরটি পরিষ্কার, পরিপাটি ও সুগন্ধিযুক্ত রাখবেন। বিশেষ করে যে বিছানায় আপনি ঘুমাতে যাবেন।
নিজেকে এমন কোনো পানীয় থেকে বঞ্চিত করবেন না, যা আপনাকে আরাম ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে। যেমন : মৌরি, ক্যামোমাইল (Chamomile) বা ফুলের চা। এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গভীর ঘুমে আনতে সহায়তা করে।
ঘরের সব আলো নিভিয়ে দেবেন, যাতে মেলাটোনিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হতে পারে। এই হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ে আসে। বেশি আলোতে মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে পারে না।”
এই কাজগুলো করলে আশা করি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ও শান্ত একটি রাত আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
#মর্নিং_মেসেজ
পর্ব-৪
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
আমাকে গোসল করাবে,
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
আমার চাবির গোছাগুলো,
আমার বইপত্র,
আমার ব্যাগ,
আমার জুতোগুলো,
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে, আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
ছোট এবং বড়.... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয় আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,.... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য
২. ধনসম্পদ
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. সন্তান-সন্তদি
৫. বসতবাড়ি
৬. প্রাসাদসমূহ
৭. জীবনসঙ্গী
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি
৪. ভালো কাজের প্রতি
৫. রাতের নামাজের প্রতি
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))
তারা বলবে না,
উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে।
-সংগৃহীত
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
আমাকে গোসল করাবে,
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
আমার চাবির গোছাগুলো,
আমার বইপত্র,
আমার ব্যাগ,
আমার জুতোগুলো,
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে, আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
ছোট এবং বড়.... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয় আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,.... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য
২. ধনসম্পদ
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. সন্তান-সন্তদি
৫. বসতবাড়ি
৬. প্রাসাদসমূহ
৭. জীবনসঙ্গী
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি
৪. ভালো কাজের প্রতি
৫. রাতের নামাজের প্রতি
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))
তারা বলবে না,
উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে।
-সংগৃহীত
❤1
"অতঃপর যেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে সেদিন পরস্পরের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না এবং একে অন্যের খোঁজ-খবর নেবে না।" (সূরা মুমিনুন, ১০১)
“কোন অন্তরংগ বন্ধু নিজের বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না।” [সূরা আল মাআরিজ, ১০]
“সেদিন অপরাধীর মন তার নিজের সন্তান, স্ত্রী, ভাই ও নিজের সহায়তাকারী নিকটতম আত্মীয় এবং সারা দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ দিতে এবং নিজেকে আযাব থেকে মুক্ত করতে চাইবে।” [সূরা আল-মা'আরিজ, ১১–১৪]
“সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাপ ও স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের থেকে পালাতে থাকবে। সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অবস্থার মধ্যে এমনভাবে লিপ্ত থাকবে যে, তার কারোর কথা মনে থাকবে না।” [সূরা আবাসা, ৩৪–৩৭]
“কোন অন্তরংগ বন্ধু নিজের বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না।” [সূরা আল মাআরিজ, ১০]
“সেদিন অপরাধীর মন তার নিজের সন্তান, স্ত্রী, ভাই ও নিজের সহায়তাকারী নিকটতম আত্মীয় এবং সারা দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ দিতে এবং নিজেকে আযাব থেকে মুক্ত করতে চাইবে।” [সূরা আল-মা'আরিজ, ১১–১৪]
“সেদিন মানুষ নিজের ভাই, মা, বাপ ও স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের থেকে পালাতে থাকবে। সেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের অবস্থার মধ্যে এমনভাবে লিপ্ত থাকবে যে, তার কারোর কথা মনে থাকবে না।” [সূরা আবাসা, ৩৪–৩৭]
❤2
কাসব আর রিজিক এক না।
আপনি যা জমালেন—সবটা আপনার “রিজিক” নয়।
রিজিক হয় তখনই,
যখন সেটা আপনার জীবনে কাজে লাগে—
খাবার, পানীয়, ঘর, প্রয়োজন, যাতায়াত…।
ব্যাংকে পড়ে থাকা টাকা
আপনার হিসাব হবে—
কিন্তু রিজিকে বদলাবে
শুধু ব্যবহার হলে।
আর রিজিকের দরজা খুলে দেয়
দুইটা জিনিস—
তাকওয়া আর সালাত।
তাকওয়া ঠিক করুন,
পাঁচ ওয়াক্ত ঠিক করুন—
তারপর দেখুন
আল্লাহ কীভাবে রিজিক সহজ করে দেন।
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
আপনি যা জমালেন—সবটা আপনার “রিজিক” নয়।
রিজিক হয় তখনই,
যখন সেটা আপনার জীবনে কাজে লাগে—
খাবার, পানীয়, ঘর, প্রয়োজন, যাতায়াত…।
ব্যাংকে পড়ে থাকা টাকা
আপনার হিসাব হবে—
কিন্তু রিজিকে বদলাবে
শুধু ব্যবহার হলে।
আর রিজিকের দরজা খুলে দেয়
দুইটা জিনিস—
তাকওয়া আর সালাত।
তাকওয়া ঠিক করুন,
পাঁচ ওয়াক্ত ঠিক করুন—
তারপর দেখুন
আল্লাহ কীভাবে রিজিক সহজ করে দেন।
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
সবাই পাশে, তবুও কেন একা?-
পরিচয়: তিনা
বয়স:৩১বছর
এক বোন এসেছিলেন, যিনি পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন — সবাই তাকে অনেক ভালোবাসেন।
একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।
কিন্তু হঠাৎ করে শেষ বর্ষে গিয়ে তার জীবনে অদ্ভুত পরিবর্তন শুরু হয়। পড়াশোনায় মন বসে না, সবসময় মাথাব্যথা, অস্থিরতা। তার মনে হতে থাকে — “আমার কেউ নেই”, “আমি একা”, “কেউ আমাকে পছন্দ করে না।” পরিবার ও বন্ধুদের প্রতিও অকারণে সন্দেহ তৈরি হয়। ধীরে ধীরে সে সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে।
অনেক কষ্টে পরিবারের চেষ্টায় অনার্স শেষ করলেও এরপর আর পড়াশোনা এগিয়ে নিতে পারেননি। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত রাগ, ভাঙচুর, অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা — স্বাভাবিক জীবন যেন পুরোপুরি বদলে যায়।
তিনি সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসাও নিয়েছেন, দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করেছেন। কিন্তু ওষুধ খেলে ঘুম আসতো, ঘুম থেকে উঠলেই আবার আগের মতো অস্থিরতা ও সমস্যাগুলো শুরু হয়ে যেত। তেমন কোনো স্থায়ী উন্নতি হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তিনি Quranic treatment bd তে আসেন।
তার সমস্ত সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং সহানুভূতির সাথে তাকে রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়। সেশনে তার একাধিক সেহেরের সমস্যা শনাক্ত হয়।
তাকে সেই অনুযায়ী নিয়মিত রুকইয়াহ, প্রয়োজনীয় আমল ও ফলোআপ পরামর্শ দেওয়া হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে তিনি নিয়মিত নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী — ইনশাআল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে একটি স্বাভাবিক, সুন্দর ও স্থিতিশীল জীবনে ফিরে যাবেন।
আল্লাহ তাকে পূর্ণ শিফা দান করুন এবং তার জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমিন।
রমাদান স্পেশাল অফার!
পবিত্র রমাদান মাস উপলক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার।
নতুন পেশেন্টদের জন্য:
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ ও যেকোন হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
পুরাতন পেশেন্টদের জন্য:
প্রথমবার লং রুকইয়াহ, তাদমীর ও হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
অফারটি চলবে: ২৬শে রমাদান পর্যন্ত
তাই দেরি না করে আপনার সেশন বুক করতে ও ফ্রি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
সময়: সকাল ৮টা – রাত ৮টা
+88 01763 951 371 (WhatsApp)
+88 01833 406 632 (Call)
+88 09643 101 112 (Hotline)
ঠিকানা: রোড-১৯, বাসা-৫৫ (২য় তলা, বাম পাশে), রূপনগর আবাসিক , মিরপুর-2, ঢাকা-১২১৬।
Quranic Treatment BD
#Ruqyah #রুকইয়াহ #বদনজর #হিংসা #Ramadan
পরিচয়: তিনা
বয়স:৩১বছর
এক বোন এসেছিলেন, যিনি পরিবারের সবার অত্যন্ত আদরের। বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন — সবাই তাকে অনেক ভালোবাসেন।
একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে ভালো সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।
কিন্তু হঠাৎ করে শেষ বর্ষে গিয়ে তার জীবনে অদ্ভুত পরিবর্তন শুরু হয়। পড়াশোনায় মন বসে না, সবসময় মাথাব্যথা, অস্থিরতা। তার মনে হতে থাকে — “আমার কেউ নেই”, “আমি একা”, “কেউ আমাকে পছন্দ করে না।” পরিবার ও বন্ধুদের প্রতিও অকারণে সন্দেহ তৈরি হয়। ধীরে ধীরে সে সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে।
অনেক কষ্টে পরিবারের চেষ্টায় অনার্স শেষ করলেও এরপর আর পড়াশোনা এগিয়ে নিতে পারেননি। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। অতিরিক্ত রাগ, ভাঙচুর, অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা — স্বাভাবিক জীবন যেন পুরোপুরি বদলে যায়।
তিনি সাইকিয়াট্রিস্টের চিকিৎসাও নিয়েছেন, দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করেছেন। কিন্তু ওষুধ খেলে ঘুম আসতো, ঘুম থেকে উঠলেই আবার আগের মতো অস্থিরতা ও সমস্যাগুলো শুরু হয়ে যেত। তেমন কোনো স্থায়ী উন্নতি হচ্ছিল না।
পরবর্তীতে তিনি Quranic treatment bd তে আসেন।
তার সমস্ত সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং সহানুভূতির সাথে তাকে রুকইয়াহ সেশন দেওয়া হয়। সেশনে তার একাধিক সেহেরের সমস্যা শনাক্ত হয়।
তাকে সেই অনুযায়ী নিয়মিত রুকইয়াহ, প্রয়োজনীয় আমল ও ফলোআপ পরামর্শ দেওয়া হয়।
আলহামদুলিল্লাহ, বর্তমানে তিনি নিয়মিত নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী — ইনশাআল্লাহ তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে একটি স্বাভাবিক, সুন্দর ও স্থিতিশীল জীবনে ফিরে যাবেন।
আল্লাহ তাকে পূর্ণ শিফা দান করুন এবং তার জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিন। আমিন।
রমাদান স্পেশাল অফার!
পবিত্র রমাদান মাস উপলক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে চলছে বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার।
নতুন পেশেন্টদের জন্য:
ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ ও যেকোন হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
পুরাতন পেশেন্টদের জন্য:
প্রথমবার লং রুকইয়াহ, তাদমীর ও হিজামা প্যাকেজে ৫০০ টাকা ছাড়।
অফারটি চলবে: ২৬শে রমাদান পর্যন্ত
তাই দেরি না করে আপনার সেশন বুক করতে ও ফ্রি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
সময়: সকাল ৮টা – রাত ৮টা
+88 01763 951 371 (WhatsApp)
+88 01833 406 632 (Call)
+88 09643 101 112 (Hotline)
ঠিকানা: রোড-১৯, বাসা-৫৫ (২য় তলা, বাম পাশে), রূপনগর আবাসিক , মিরপুর-2, ঢাকা-১২১৬।
Quranic Treatment BD
#Ruqyah #রুকইয়াহ #বদনজর #হিংসা #Ramadan
স্কিনের সমস্যা — যেমন ব্রণ, একজিমা, অতিরিক্ত তৈলাক্ততা, র্যাশ, চুলকানি বা অকারণ লালচে ইনফ্লামেশন — অনেক সময় শুধু বাহ্যিক সমস্যা নয়; বরং এর মূল কারণ শরীরের ভেতরে, বিশেষ করে অন্ত্রের স্বাস্থ্য (গাট), ইমিউন সিস্টেম এবং ইনফ্লামেটরি রেসপন্সের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই জায়গাতেই নিয়মিত কেফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষ করে যখন আপনি একই সাথে চিনি ও ইনফ্লামেটরি প্রসেসড খাবার বর্জন করেন।
প্রথমে বিষয়টি বোঝা জরুরি। আমাদের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন সংখ্যক উপকারী ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে, যাকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। যখন আপনি নিয়মিত বেশি চিনি, ডিপ-ফ্রাই খাবার, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট, সফট ড্রিংক বা ট্রান্স-ফ্যাট গ্রহণ করেন, তখন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অন্ত্রে নিম্নমাত্রার কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন তৈরি হয়। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে “লিকি গাট” অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তখন অপূর্ণ হজম হওয়া খাদ্যকণা ও টক্সিন রক্তে প্রবেশ করে এবং ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ অনেক সময় স্কিনে দেখা যায় — ব্রণ, ফুসকুড়ি, একজিমা বা অ্যালার্জি হিসেবে।
এই অবস্থায় কেফির ভেতর থেকে কাজ শুরু করে। কেফিরে বহু ধরনের জীবন্ত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ও উপকারী ইস্ট থাকে, যা সাধারণ দইয়ের তুলনায় অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়। নিয়মিত কেফির খেলে ধীরে ধীরে অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষতিকর জীবাণুর আধিপত্য কমে যায়। এর ফলে অন্ত্রের ইনফ্লামেশন কমে, হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং ইমিউন সিস্টেম ভারসাম্যে ফিরে আসে। যখন গাট শান্ত হয়, তখন স্কিনেও ইনফ্লামেটরি সিগন্যাল কম পৌঁছায় — ফলে ব্রণ কম ওঠা, লালচে ভাব কমা এবং স্কিনের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়া শুরু করে।
কেফির শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানও তৈরি করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে। এগুলো স্কিনের ব্যারিয়ার শক্তিশালী করতে, কোষ পুনর্গঠন উন্নত করতে এবং সেনসিটিভিটি কমাতে সহায়তা করে। তাই অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত কেফির গ্রহণের পর স্কিন ধীরে ধীরে কম সংবেদনশীল হয় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়; বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনর্গঠনের ফল।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন — শুধু কেফির খেলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না যদি একই সাথে প্রতিদিন অতিরিক্ত চিনি, বেকারি খাবার, ভাজাপোড়া, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া চলতে থাকে। এসব খাবার ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আবার শক্তিশালী করে। যখন আপনি ইনফ্লামেটরি খাবার কমান এবং কেফিরের মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করেন, তখনই প্রকৃত গাট-স্কিন হিলিং শুরু হয়।
খাওয়ার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ — প্রায় আধা কাপ — দিয়ে শুরু করা ভালো। শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে ১ কাপ পর্যন্ত নেওয়া যায়। খাবারের ২০–৩০ মিনিট আগে বা হালকা খালি পেটে খেলে প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোর আগে কেফির গ্রহণ উপকারী হয়, কারণ তখন গাট রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।
স্কিনের উন্নতি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে স্পষ্ট হয় না; বাস্তব পরিবর্তন দেখা যায় প্রায় ৩–৬ সপ্তাহ পরে, কারণ গাট মাইক্রোবায়োম পরিবর্তন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার — যা প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে — গ্রহণ করলে ফল আরও ভালো হয়।
নিচে স্কিন হিলিং ফোকাসড ৩০ দিনের কেফির রুটিন এমনভাবে দেওয়া হলো, যাতে এটি বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মানানসই হয় এবং ধীরে ধীরে গাট-স্কিন অ্যাক্সিস পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। এটি কোনো দ্রুত সমাধান নয়; বরং শরীরের ভেতরের পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্কিনকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার একটি ধীর কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি।
প্রথম ৭ দিন হলো শরীরকে পরিচিত করার সময়। এই পর্যায়ে মূল লক্ষ্য হচ্ছে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া। প্রতিদিন সকালে বা দুপুরের আগে প্রায় আধা কাপ (১০০–১২০ মি.লি.) মিল্ক কেফির গ্রহণ করুন। একেবারে খালি পেটে অসুবিধা হলে হালকা খাবারের ২০ মিনিট আগে খেতে পারেন। এই সময়ে হালকা গ্যাস, পেট নড়াচড়া বা মলের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত মাইক্রোবায়োম পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। এই সপ্তাহে চিনি, সফট ড্রিংক, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেট বিস্কুট এবং ডিপ-ফ্রাই খাবার যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে বিষয়টি বোঝা জরুরি। আমাদের অন্ত্রে ট্রিলিয়ন সংখ্যক উপকারী ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে, যাকে গাট মাইক্রোবায়োম বলা হয়। যখন আপনি নিয়মিত বেশি চিনি, ডিপ-ফ্রাই খাবার, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট, সফট ড্রিংক বা ট্রান্স-ফ্যাট গ্রহণ করেন, তখন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে অন্ত্রে নিম্নমাত্রার কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন তৈরি হয়। দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে অন্ত্রের প্রাচীর দুর্বল হয়ে “লিকি গাট” অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। তখন অপূর্ণ হজম হওয়া খাদ্যকণা ও টক্সিন রক্তে প্রবেশ করে এবং ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ অনেক সময় স্কিনে দেখা যায় — ব্রণ, ফুসকুড়ি, একজিমা বা অ্যালার্জি হিসেবে।
এই অবস্থায় কেফির ভেতর থেকে কাজ শুরু করে। কেফিরে বহু ধরনের জীবন্ত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ও উপকারী ইস্ট থাকে, যা সাধারণ দইয়ের তুলনায় অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়। নিয়মিত কেফির খেলে ধীরে ধীরে অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং ক্ষতিকর জীবাণুর আধিপত্য কমে যায়। এর ফলে অন্ত্রের ইনফ্লামেশন কমে, হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং ইমিউন সিস্টেম ভারসাম্যে ফিরে আসে। যখন গাট শান্ত হয়, তখন স্কিনেও ইনফ্লামেটরি সিগন্যাল কম পৌঁছায় — ফলে ব্রণ কম ওঠা, লালচে ভাব কমা এবং স্কিনের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়া শুরু করে।
কেফির শরীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানও তৈরি করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি হিসেবে কাজ করে। এগুলো স্কিনের ব্যারিয়ার শক্তিশালী করতে, কোষ পুনর্গঠন উন্নত করতে এবং সেনসিটিভিটি কমাতে সহায়তা করে। তাই অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত কেফির গ্রহণের পর স্কিন ধীরে ধীরে কম সংবেদনশীল হয় এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়; বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য পুনর্গঠনের ফল।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন — শুধু কেফির খেলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না যদি একই সাথে প্রতিদিন অতিরিক্ত চিনি, বেকারি খাবার, ভাজাপোড়া, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া চলতে থাকে। এসব খাবার ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে আবার শক্তিশালী করে। যখন আপনি ইনফ্লামেটরি খাবার কমান এবং কেফিরের মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করেন, তখনই প্রকৃত গাট-স্কিন হিলিং শুরু হয়।
খাওয়ার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ — প্রায় আধা কাপ — দিয়ে শুরু করা ভালো। শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে ১ কাপ পর্যন্ত নেওয়া যায়। খাবারের ২০–৩০ মিনিট আগে বা হালকা খালি পেটে খেলে প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রে ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোর আগে কেফির গ্রহণ উপকারী হয়, কারণ তখন গাট রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে।
স্কিনের উন্নতি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে স্পষ্ট হয় না; বাস্তব পরিবর্তন দেখা যায় প্রায় ৩–৬ সপ্তাহ পরে, কারণ গাট মাইক্রোবায়োম পরিবর্তন একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এই সময় পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার — যা প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে — গ্রহণ করলে ফল আরও ভালো হয়।
নিচে স্কিন হিলিং ফোকাসড ৩০ দিনের কেফির রুটিন এমনভাবে দেওয়া হলো, যাতে এটি বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মানানসই হয় এবং ধীরে ধীরে গাট-স্কিন অ্যাক্সিস পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। এটি কোনো দ্রুত সমাধান নয়; বরং শরীরের ভেতরের পরিবেশ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্কিনকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার একটি ধীর কিন্তু কার্যকর পদ্ধতি।
প্রথম ৭ দিন হলো শরীরকে পরিচিত করার সময়। এই পর্যায়ে মূল লক্ষ্য হচ্ছে অন্ত্রকে ধীরে ধীরে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সাথে মানিয়ে নেওয়া। প্রতিদিন সকালে বা দুপুরের আগে প্রায় আধা কাপ (১০০–১২০ মি.লি.) মিল্ক কেফির গ্রহণ করুন। একেবারে খালি পেটে অসুবিধা হলে হালকা খাবারের ২০ মিনিট আগে খেতে পারেন। এই সময়ে হালকা গ্যাস, পেট নড়াচড়া বা মলের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত মাইক্রোবায়োম পরিবর্তনের স্বাভাবিক লক্ষণ। এই সপ্তাহে চিনি, সফট ড্রিংক, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্যাকেট বিস্কুট এবং ডিপ-ফ্রাই খাবার যতটা সম্ভব কমিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিতীয় সপ্তাহে (৮–১৪ দিন) অন্ত্র ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে শুরু করে। তখন কেফিরের পরিমাণ বাড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কাপ করা যায়। এই সময় কেফিরের সাথে হালকা প্রিবায়োটিক খাবার যুক্ত করলে উপকার দ্রুত হয় — যেমন কলা, ভিজানো চিয়া সিড, তোকমা, সামান্য ছাতু বা ওটস। এগুলো উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। এই পর্যায়ে অনেকেই লক্ষ্য করেন ব্রণের লালচে ভাব কিছুটা কমছে, হজম স্বস্তিদায়ক হচ্ছে এবং স্কিনের অতিরিক্ত তৈলাক্ততা ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে।
তৃতীয় সপ্তাহ (১৫–২১ দিন) হলো রিপেয়ার ফেজ। এখন প্রতিদিন ১ কাপ কেফির গ্রহণ করা যায়, চাইলে দুই ভাগে — সকালে অর্ধেক এবং রাতে অর্ধেক। রাতে ঘুমানোর আগে খেলে গাট লাইনার পুনর্গঠন ও ইমিউন রেগুলেশন আরও ভালোভাবে কাজ করে। এই সময়ে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান উৎপাদন বাড়ে, ফলে নতুন ব্রণ ওঠা কমে এবং পুরনো দাগ দ্রুত শুকাতে শুরু করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান এই সময়ে বিশেষভাবে জরুরি।
চতুর্থ সপ্তাহ (২২–৩০ দিন) হলো স্ট্যাবিলাইজেশন ধাপ। এই সময়ে গাট মাইক্রোবায়োম তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যে আসে। প্রতিদিন নিয়মিত ১ কাপ কেফির চালিয়ে যান। শরীর সহ্য করলে কেফিরের সাথে মৌসুমি ফল, অল্প খেজুর বা সামান্য কাঁচা মধু যোগ করা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পর্যায়ে স্কিন কম সেনসিটিভ, কম লালচে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বল দেখাতে শুরু করে, কারণ ভেতরের দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন অনেকটাই কমে যায়।
এই পুরো ৩০ দিনে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কারণ ঘুমের সময়ই শরীরের রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। অতিরিক্ত দুধ-চা, রিফাইন্ড চিনি এবং বারবার স্ন্যাকিং কমানো ভালো। পাশাপাশি শাকসবজি, ডাল, কলা, লাউ, পেঁপে ইত্যাদি ফাইবারসমৃদ্ধ দেশীয় খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করে।
বাস্তবে স্কিনের উন্নতি সাধারণত ধাপে ধাপে দেখা যায় — প্রথমে হজম ভালো হয়, তারপর শরীরের ইনফ্লামেশন কমে, এবং সবশেষে স্কিন ধীরে ধীরে পরিষ্কার ও স্থিতিশীল হতে শুরু করে। অর্থাৎ স্কিনের পরিবর্তন আসলে ভেতরের সুস্থতার প্রতিফলন।
তৃতীয় সপ্তাহ (১৫–২১ দিন) হলো রিপেয়ার ফেজ। এখন প্রতিদিন ১ কাপ কেফির গ্রহণ করা যায়, চাইলে দুই ভাগে — সকালে অর্ধেক এবং রাতে অর্ধেক। রাতে ঘুমানোর আগে খেলে গাট লাইনার পুনর্গঠন ও ইমিউন রেগুলেশন আরও ভালোভাবে কাজ করে। এই সময়ে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান উৎপাদন বাড়ে, ফলে নতুন ব্রণ ওঠা কমে এবং পুরনো দাগ দ্রুত শুকাতে শুরু করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান এই সময়ে বিশেষভাবে জরুরি।
চতুর্থ সপ্তাহ (২২–৩০ দিন) হলো স্ট্যাবিলাইজেশন ধাপ। এই সময়ে গাট মাইক্রোবায়োম তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যে আসে। প্রতিদিন নিয়মিত ১ কাপ কেফির চালিয়ে যান। শরীর সহ্য করলে কেফিরের সাথে মৌসুমি ফল, অল্প খেজুর বা সামান্য কাঁচা মধু যোগ করা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পর্যায়ে স্কিন কম সেনসিটিভ, কম লালচে এবং স্বাভাবিক উজ্জ্বল দেখাতে শুরু করে, কারণ ভেতরের দীর্ঘস্থায়ী ইনফ্লামেশন অনেকটাই কমে যায়।
এই পুরো ৩০ দিনে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কারণ ঘুমের সময়ই শরীরের রিপেয়ার প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে। অতিরিক্ত দুধ-চা, রিফাইন্ড চিনি এবং বারবার স্ন্যাকিং কমানো ভালো। পাশাপাশি শাকসবজি, ডাল, কলা, লাউ, পেঁপে ইত্যাদি ফাইবারসমৃদ্ধ দেশীয় খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করে।
বাস্তবে স্কিনের উন্নতি সাধারণত ধাপে ধাপে দেখা যায় — প্রথমে হজম ভালো হয়, তারপর শরীরের ইনফ্লামেশন কমে, এবং সবশেষে স্কিন ধীরে ধীরে পরিষ্কার ও স্থিতিশীল হতে শুরু করে। অর্থাৎ স্কিনের পরিবর্তন আসলে ভেতরের সুস্থতার প্রতিফলন।
আপনি জাদুগ্রস্থ কি না বুঝার সহজ উপায়---
বুকে হাত রেখে নিচের আয়াতটি ৫-১০ মিনিট তিলাওয়াত করুন জাদুগ্রস্থ কি না তা যেন আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ করে দেন, শরীরে ইফেক্ট হয় এই নিয়ত করে।
(لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ)
সূরা আল হিজর-১৫
এরপর কি কি ইফেক্ট হলো সেগুলো কমেন্টস বক্সে উল্লেখ করুন।
#SunnahCure
বুকে হাত রেখে নিচের আয়াতটি ৫-১০ মিনিট তিলাওয়াত করুন জাদুগ্রস্থ কি না তা যেন আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ করে দেন, শরীরে ইফেক্ট হয় এই নিয়ত করে।
(لَقَالُوا إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَسْحُورُونَ)
সূরা আল হিজর-১৫
এরপর কি কি ইফেক্ট হলো সেগুলো কমেন্টস বক্সে উল্লেখ করুন।
#SunnahCure
হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) এবং আমির খসরুর হাত ধরে আধ্যাত্মিক সংগীত বা 'কাওয়ালি' যে রূপ পেয়েছে, তা কেবল গান নয়, বরং স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর এক বিশেষ সিঁড়ি। আমির খসরু ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ এবং মরমী সাধক।
"যিনি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি বিলিয়ে দিয়েছেন, তিনি আজও দিল্লির বুকে অমর হয়ে আছেন। চিশতিয়া তরীকার প্রাণপুরুষ হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)-এর স্মরণে...। 🌹
'অন্যের দুঃখ নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই হলো প্রকৃত সুফিবাদ।' — মাহবুবে এলাহি (রহ.)"
তাদের আধ্যাত্মিক সংগীতের জগতের কিছু চমৎকার তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. কাওয়ালির জন্ম ও উদ্দেশ্য
কাওয়ালি শব্দটি এসেছে আরবি 'কাওল' (قول) থেকে, যার অর্থ 'বাক্য' বা 'বাণী'। আমির খসরু লক্ষ্য করেন যে, সাধারণ মানুষ কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা দিয়ে ধর্ম বুঝতে পারছে না। তাই তিনি আধ্যাত্মিক সত্যগুলোকে সহজ ভাষায় গানের সুরে বাঁধান, যেন মানুষ শুনেই স্রষ্টার প্রেমে ব্যাকুল হয়। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, কাওয়ালির মূল উদ্দেশ্য হলো 'শওক' বা ঐশ্বরিক তৃষ্ণা জাগিয়ে তোলা।
২. 'রং' (Raung) – এক আধ্যাত্মিক উন্মাদনা
আমির খসরুর সবচেয়ে বিখ্যাত কাওয়ালি হলো "আজ রঙ হ্যায় রে মা, রঙ হ্যায় রি..."।
পেছনের গল্প: একদিন আমির খসরু তার পীরের কাছে যাওয়ার পথে দেখলেন কিছু মানুষ হলুদ পোশাক পরে বসন্ত উৎসব পালন করছে। তিনি তখন পীরের খুশির জন্য নিজে হলুদ পোশাক পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে নাচে নাচে পীরের সামনে গিয়ে এই গানটি গান। নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) তার এই পবিত্র পাগলামি দেখে অত্যন্ত খুশি হন।
আজও উপমহাদেশে যেকোনো বড় চিশতিয়া আস্তানায় অনুষ্ঠান শেষ করা হয় এই 'রং' গেয়ে।
৩. নতুন বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন (সেতার ও তবলা)
বলা হয়, আধ্যাত্মিক সংগীতকে আরও শ্রুতিমধুর করতে আমির খসরু ভারতীয় এবং পারস্যের বাদ্যযন্ত্রের মেলবন্ধন ঘটান:
সেতার: তিনি বীণাকে সংস্কার করে 'সেতার' (সে-তার বা তিন তার বিশিষ্ট) তৈরি করেন।
তবলা: প্রচলিত 'পাখোয়াজ' বা ঢোলক ভেঙে তিনি দুই অংশের 'তবলা'র উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, যা কাওয়ালির তালে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
৪. হিন্দুস্তানি ও পারস্য সুরের মিলন
আমির খসরু আরবি ও ফারসি সুরের সাথে ভারতীয় রাগ-রাগিণীর সংমিশ্রণ ঘটান। তিনি 'খয়াল' এবং 'তানা'র মতো অনেক নতুন গায়নশৈলী আবিষ্কার করেন যা আজও ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ভিত্তি। তিনি তার পীরের দরবারে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে সংগীত আর ইবাদত মিলেমিশে এক হয়ে যেত।
৫. ছাপ তিলক সব ছিনি (Chhap Tilak)
এটি আমির খসরুর লেখা আরও একটি কালজয়ী কাওয়ালি। যেখানে তিনি বলছেন—
"ছাপ তিলক সব ছিনি রে মোসে নয়না মিলায়ে" (হে প্রিয়তম, তোমার চোখের দিকে তাকিয়েই আমার আমিত্ব, আমার পরিচয় সব হারিয়ে ফেলেছি)। এখানে প্রিয়তম বলতে তিনি তার পীর এবং রূপক অর্থে মহান আল্লাহকে বুঝিয়েছেন।
একটি আকর্ষণীয় তথ্য: হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া রহঃ এর মাজারের চত্বরে আজও প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাওয়ালি পরিবেশিত হয়। ৭০০ বছর ধরে এই ধারা এক দিনও বন্ধ হয়নি।
"সুফিবাদের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, সুলতানুল আউলিয়া হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)। তিনি শিখিয়েছেন যে, সিংহাসনের মোহ নয়, বরং অসহায় মানুষের সেবা আর আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম।
তৎকালীন ক্ষমতাধর সুলতানদের এড়িয়ে চলেও যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন, সেই ‘মাহবুবে এলাহি’-র জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আল্লাহ আমাদের তাঁর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨"
#NizamuddinAuliya #সুফিবাদ #মাহবুবেএলাহি #SufiLife #ইসলামিকইতিহাস #শান্তি #NizamuddinDargah #হুনুজ_দিল্লি_দূর_অস্ত #SpiritualLife
"যিনি মানুষের হৃদয়ে প্রশান্তি বিলিয়ে দিয়েছেন, তিনি আজও দিল্লির বুকে অমর হয়ে আছেন। চিশতিয়া তরীকার প্রাণপুরুষ হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)-এর স্মরণে...। 🌹
'অন্যের দুঃখ নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই হলো প্রকৃত সুফিবাদ।' — মাহবুবে এলাহি (রহ.)"
তাদের আধ্যাত্মিক সংগীতের জগতের কিছু চমৎকার তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. কাওয়ালির জন্ম ও উদ্দেশ্য
কাওয়ালি শব্দটি এসেছে আরবি 'কাওল' (قول) থেকে, যার অর্থ 'বাক্য' বা 'বাণী'। আমির খসরু লক্ষ্য করেন যে, সাধারণ মানুষ কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা দিয়ে ধর্ম বুঝতে পারছে না। তাই তিনি আধ্যাত্মিক সত্যগুলোকে সহজ ভাষায় গানের সুরে বাঁধান, যেন মানুষ শুনেই স্রষ্টার প্রেমে ব্যাকুল হয়। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, কাওয়ালির মূল উদ্দেশ্য হলো 'শওক' বা ঐশ্বরিক তৃষ্ণা জাগিয়ে তোলা।
২. 'রং' (Raung) – এক আধ্যাত্মিক উন্মাদনা
আমির খসরুর সবচেয়ে বিখ্যাত কাওয়ালি হলো "আজ রঙ হ্যায় রে মা, রঙ হ্যায় রি..."।
পেছনের গল্প: একদিন আমির খসরু তার পীরের কাছে যাওয়ার পথে দেখলেন কিছু মানুষ হলুদ পোশাক পরে বসন্ত উৎসব পালন করছে। তিনি তখন পীরের খুশির জন্য নিজে হলুদ পোশাক পরে এবং হাতে ফুল নিয়ে নাচে নাচে পীরের সামনে গিয়ে এই গানটি গান। নিজামউদ্দিন আউলিয়া (রহ.) তার এই পবিত্র পাগলামি দেখে অত্যন্ত খুশি হন।
আজও উপমহাদেশে যেকোনো বড় চিশতিয়া আস্তানায় অনুষ্ঠান শেষ করা হয় এই 'রং' গেয়ে।
৩. নতুন বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন (সেতার ও তবলা)
বলা হয়, আধ্যাত্মিক সংগীতকে আরও শ্রুতিমধুর করতে আমির খসরু ভারতীয় এবং পারস্যের বাদ্যযন্ত্রের মেলবন্ধন ঘটান:
সেতার: তিনি বীণাকে সংস্কার করে 'সেতার' (সে-তার বা তিন তার বিশিষ্ট) তৈরি করেন।
তবলা: প্রচলিত 'পাখোয়াজ' বা ঢোলক ভেঙে তিনি দুই অংশের 'তবলা'র উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, যা কাওয়ালির তালে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।
৪. হিন্দুস্তানি ও পারস্য সুরের মিলন
আমির খসরু আরবি ও ফারসি সুরের সাথে ভারতীয় রাগ-রাগিণীর সংমিশ্রণ ঘটান। তিনি 'খয়াল' এবং 'তানা'র মতো অনেক নতুন গায়নশৈলী আবিষ্কার করেন যা আজও ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ভিত্তি। তিনি তার পীরের দরবারে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে সংগীত আর ইবাদত মিলেমিশে এক হয়ে যেত।
৫. ছাপ তিলক সব ছিনি (Chhap Tilak)
এটি আমির খসরুর লেখা আরও একটি কালজয়ী কাওয়ালি। যেখানে তিনি বলছেন—
"ছাপ তিলক সব ছিনি রে মোসে নয়না মিলায়ে" (হে প্রিয়তম, তোমার চোখের দিকে তাকিয়েই আমার আমিত্ব, আমার পরিচয় সব হারিয়ে ফেলেছি)। এখানে প্রিয়তম বলতে তিনি তার পীর এবং রূপক অর্থে মহান আল্লাহকে বুঝিয়েছেন।
একটি আকর্ষণীয় তথ্য: হযরত নিজামউদ্দিন আউলিয়া রহঃ এর মাজারের চত্বরে আজও প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাওয়ালি পরিবেশিত হয়। ৭০০ বছর ধরে এই ধারা এক দিনও বন্ধ হয়নি।
"সুফিবাদের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, সুলতানুল আউলিয়া হযরত নিজাম উদ্দিন আউলিয়া (রহ.)। তিনি শিখিয়েছেন যে, সিংহাসনের মোহ নয়, বরং অসহায় মানুষের সেবা আর আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম।
তৎকালীন ক্ষমতাধর সুলতানদের এড়িয়ে চলেও যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন, সেই ‘মাহবুবে এলাহি’-র জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আল্লাহ আমাদের তাঁর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨"
#NizamuddinAuliya #সুফিবাদ #মাহবুবেএলাহি #SufiLife #ইসলামিকইতিহাস #শান্তি #NizamuddinDargah #হুনুজ_দিল্লি_দূর_অস্ত #SpiritualLife
ডিজিটাল ডিভাইসের দিকে হাত বাড়ানোর আগে নিজের ভেতরের অস্থিরতা বা একঘেয়েমিকে চিহ্নিত করুন এবং সেটা ১০ মিনিট সহ্য করার চেষ্টা করুন।
•
আপনার দিনটি যদি আপনি নিজে পরিকল্পনা না করেন, তবে অন্য কেউ বা অন্য কোনো অ্যাপ আপনার সময় দখল করে নেবে।
•
ফলাফল নয়, ইনপুট দেখুন। আপনি কতটুকু কাজ শেষ করলেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি ওই কাজের জন্য কতটুকু নিরবচ্ছিন্ন সময় বরাদ্দ রেখেছিলেন।
•
আপনার টু-ডু লিস্টের চেয়ে 'টাইম-বক্সিং' বা ক্যালেন্ডারে সময় নির্দিষ্ট করা বেশি কার্যকর।
•
স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন ছাঁটাই করুন। যেসব অ্যাপ আপনার কাজে বাধা দেয়, সেগুলোর অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করে দিন।
•
ডেস্কটপ পরিষ্কার রাখুন। অগোছালো কম্পিউটার স্ক্রিন বা ডেস্কটপ আপনার মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং মনোযোগ নষ্ট করে।
•
একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি দিন, যাতে আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারে।
•
নিজেকে লেবেল করবেন না। "আমার মনোযোগ খুব কম" বা "আমি ভুলোমনা"—এই ধরনের নেতিবাচক কথা নিজেকে বলা বন্ধ করুন; এটি আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
•
আপনার সময় কি আপনার জীবনের মূল লক্ষ্য বা ভ্যালুগুলোর (যেমন: স্বাস্থ্য, পরিবার, ক্যারিয়ার) সাথে মিলছে? না মিললে রুটিন পরিবর্তন করুন।
•
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন, ব্যবহৃত হবেন না। প্রযুক্তি আপনার সেবক হওয়া উচিত, মালিক নয়।
•
খাবার টেবিলে ফোন নয়। পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর সময় ফোনটি অন্য ঘরে বা পকেটে রেখে দিন।
•
ইমেইলের জন্য সময় নির্দিষ্ট করুন। সারাদিন বারবার ইমেইল চেক না করে দিনে মাত্র দুই বা তিনবার ইমেইল দেখার জন্য সময় রাখুন।
•
মিটিংয়ের উদ্দেশ্য জানুন। এজেন্ডা ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যোগ দেবেন না, কারণ এটি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
•
ঘুমের সাথে আপস নয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ ধরে রাখা অসম্ভব। শোবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
•
নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। কোনোদিন রুটিন ভুল হলে নিজেকে দোষারোপ না করে পরের দিন আবার নতুন উদ্যমে শুরু করুন।
•
আপনি যখন গভীর কোনো কাজ করবেন, তখন ডোর-সাইন বা কোনো সংকেত ব্যবহার করুন যাতে অন্য কেউ আপনাকে বিরক্ত না করে।
•
বিশ্বাস করুন যে আপনার মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা অসীম; এটি কেবল অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
_____
Source: Indistractable
•
আপনার দিনটি যদি আপনি নিজে পরিকল্পনা না করেন, তবে অন্য কেউ বা অন্য কোনো অ্যাপ আপনার সময় দখল করে নেবে।
•
ফলাফল নয়, ইনপুট দেখুন। আপনি কতটুকু কাজ শেষ করলেন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি ওই কাজের জন্য কতটুকু নিরবচ্ছিন্ন সময় বরাদ্দ রেখেছিলেন।
•
আপনার টু-ডু লিস্টের চেয়ে 'টাইম-বক্সিং' বা ক্যালেন্ডারে সময় নির্দিষ্ট করা বেশি কার্যকর।
•
স্মার্টফোনের নোটিফিকেশন ছাঁটাই করুন। যেসব অ্যাপ আপনার কাজে বাধা দেয়, সেগুলোর অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চিরতরে বন্ধ করে দিন।
•
ডেস্কটপ পরিষ্কার রাখুন। অগোছালো কম্পিউটার স্ক্রিন বা ডেস্কটপ আপনার মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং মনোযোগ নষ্ট করে।
•
একটানা কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি দিন, যাতে আপনার মস্তিষ্ক পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করতে পারে।
•
নিজেকে লেবেল করবেন না। "আমার মনোযোগ খুব কম" বা "আমি ভুলোমনা"—এই ধরনের নেতিবাচক কথা নিজেকে বলা বন্ধ করুন; এটি আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
•
আপনার সময় কি আপনার জীবনের মূল লক্ষ্য বা ভ্যালুগুলোর (যেমন: স্বাস্থ্য, পরিবার, ক্যারিয়ার) সাথে মিলছে? না মিললে রুটিন পরিবর্তন করুন।
•
প্রযুক্তিকে ব্যবহার করুন, ব্যবহৃত হবেন না। প্রযুক্তি আপনার সেবক হওয়া উচিত, মালিক নয়।
•
খাবার টেবিলে ফোন নয়। পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর সময় ফোনটি অন্য ঘরে বা পকেটে রেখে দিন।
•
ইমেইলের জন্য সময় নির্দিষ্ট করুন। সারাদিন বারবার ইমেইল চেক না করে দিনে মাত্র দুই বা তিনবার ইমেইল দেখার জন্য সময় রাখুন।
•
মিটিংয়ের উদ্দেশ্য জানুন। এজেন্ডা ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যোগ দেবেন না, কারণ এটি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
•
ঘুমের সাথে আপস নয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ ধরে রাখা অসম্ভব। শোবার অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
•
নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। কোনোদিন রুটিন ভুল হলে নিজেকে দোষারোপ না করে পরের দিন আবার নতুন উদ্যমে শুরু করুন।
•
আপনি যখন গভীর কোনো কাজ করবেন, তখন ডোর-সাইন বা কোনো সংকেত ব্যবহার করুন যাতে অন্য কেউ আপনাকে বিরক্ত না করে।
•
বিশ্বাস করুন যে আপনার মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা অসীম; এটি কেবল অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
_____
Source: Indistractable
❤1