বুদ্ধের অদৃশ্য কুঠারাঘাত?
মানুষ কিভাবে কাল্পনিক ঈশ্বর, দেবতা ও নানান বস্তুর প্রতি রজু হয় বা জড়িয়ে পড়ে, তার বাইশটি উপমা বুদ্ধ উক্ত সূত্র-স্কন্ধে বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে সবার বুঝার সান্নিধ্যে তিনটি উপমা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি।
গৌতমবুদ্ধ বলেন-
"যে সাধারণ মানুষরা আর্যদের সঙ্গ পায়নি, ধর্ম ঠিকভাবে শেখেনি এবং সৎ মানুষের শিক্ষা জানে না।
তারা পৃথিবীকে শুধু "পৃথিবী" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই পৃথিবী, আমি পৃথিবীর মধ্যে আছি, আমি পৃথিবী থেকে এসেছি, পৃথিবী আমার এবং পৃথিবী নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ দেবতাকে শুধু "দেবতা" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই দেবতা, আমি দেবতার মধ্যে আছি বা দেবলোকে আছি, আমি দেবতা থেকে এসেছি, দেবতা আমার এবং দেবতা নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ ব্রহ্মকে শুধু "ব্রহ্ম" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্মের মধ্যে আছি, আমি ব্রহ্ম থেকে এসেছি, ব্রহ্ম আমার এবং ব্রহ্ম নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
তারপর বুদ্ধ বলেন-
কারণ তারা পৃথিবী, দেবতা, ব্রহ্ম'র আসল সত্য জানে না। তারা বুঝতে পারে না যে এগুলো অনিত্য, পরিবর্তনশীল এবং 'আমি বা আমার' নয়।
.
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, মধ্যমনিকায়, মূল-পঞ্চাশ, মূলপর্যায় সূত্র, স্কন্ধঃ ০২]
এই দুনিয়ায় মুক্ত হয়ে এসেছিলেম, তারপর আমি পিতা-মাতা দেখেছি, সমাজে বড় হয়েছি, ধীরে-ধীরে সবকিছুর সাথে মিশেছি, মিশতে গিয়ে বিশ্বাসের খুঁটি গেঁড়েছি, সেই ভূমিচ্ছেদ খুঁটিকে পাকাপোক্ত করতে গিয়ে কত ঈশ্বর, দেবতা, দৈবশক্তি, বস্তু, অবস্তু, ভৌত-অভৌত নানান কিছুর ধারস্থ হয়েছি। এখানেই বুদ্ধ আপত্তি তুলে ধরেছেন, বৈচিত্র্যময় বিশ্বাসের খুঁটি ভর দিয়েই এক কাল্পনিক জগৎ তৈরি, বিশ্বাসের ট্যাবলেট খেয়ে দুনিয়াকে রণভূমি বানিয়েছি। আমরা এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে ধ্রুবসত্য ভেবে উপত্যকার প্রান্তে-প্রান্তে উদ্ভান্ত হয়ে ঘুরছি। এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে আঁকড়ে ধরে মূলসত্যকে পাশ কেটে ফিরি, নিজ কর্ম ও কর্মফলকে ধূর্ত দোকানীর মতো নষ্ট খাবারকে নিচে লুকিয়ে ফেলি। বুদ্ধ সেসব সত্ত্বাকে যেন ভেতর থেকে ভেঙে দিলেন, তিনি বিশ্বাসের মূর্তিতে এক অদৃশ্য কুঠারাঘাত করলেন। কারণ তিনি জানেন যে, মিথ্যাকে গুড়িয়ে দিলেই সত্য উদ্ভাসিত হয়।
মানুষ কিভাবে কাল্পনিক ঈশ্বর, দেবতা ও নানান বস্তুর প্রতি রজু হয় বা জড়িয়ে পড়ে, তার বাইশটি উপমা বুদ্ধ উক্ত সূত্র-স্কন্ধে বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে সবার বুঝার সান্নিধ্যে তিনটি উপমা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি।
গৌতমবুদ্ধ বলেন-
"যে সাধারণ মানুষরা আর্যদের সঙ্গ পায়নি, ধর্ম ঠিকভাবে শেখেনি এবং সৎ মানুষের শিক্ষা জানে না।
তারা পৃথিবীকে শুধু "পৃথিবী" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই পৃথিবী, আমি পৃথিবীর মধ্যে আছি, আমি পৃথিবী থেকে এসেছি, পৃথিবী আমার এবং পৃথিবী নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ দেবতাকে শুধু "দেবতা" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই দেবতা, আমি দেবতার মধ্যে আছি বা দেবলোকে আছি, আমি দেবতা থেকে এসেছি, দেবতা আমার এবং দেবতা নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ ব্রহ্মকে শুধু "ব্রহ্ম" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্মের মধ্যে আছি, আমি ব্রহ্ম থেকে এসেছি, ব্রহ্ম আমার এবং ব্রহ্ম নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
তারপর বুদ্ধ বলেন-
কারণ তারা পৃথিবী, দেবতা, ব্রহ্ম'র আসল সত্য জানে না। তারা বুঝতে পারে না যে এগুলো অনিত্য, পরিবর্তনশীল এবং 'আমি বা আমার' নয়।
.
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, মধ্যমনিকায়, মূল-পঞ্চাশ, মূলপর্যায় সূত্র, স্কন্ধঃ ০২]
এই দুনিয়ায় মুক্ত হয়ে এসেছিলেম, তারপর আমি পিতা-মাতা দেখেছি, সমাজে বড় হয়েছি, ধীরে-ধীরে সবকিছুর সাথে মিশেছি, মিশতে গিয়ে বিশ্বাসের খুঁটি গেঁড়েছি, সেই ভূমিচ্ছেদ খুঁটিকে পাকাপোক্ত করতে গিয়ে কত ঈশ্বর, দেবতা, দৈবশক্তি, বস্তু, অবস্তু, ভৌত-অভৌত নানান কিছুর ধারস্থ হয়েছি। এখানেই বুদ্ধ আপত্তি তুলে ধরেছেন, বৈচিত্র্যময় বিশ্বাসের খুঁটি ভর দিয়েই এক কাল্পনিক জগৎ তৈরি, বিশ্বাসের ট্যাবলেট খেয়ে দুনিয়াকে রণভূমি বানিয়েছি। আমরা এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে ধ্রুবসত্য ভেবে উপত্যকার প্রান্তে-প্রান্তে উদ্ভান্ত হয়ে ঘুরছি। এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে আঁকড়ে ধরে মূলসত্যকে পাশ কেটে ফিরি, নিজ কর্ম ও কর্মফলকে ধূর্ত দোকানীর মতো নষ্ট খাবারকে নিচে লুকিয়ে ফেলি। বুদ্ধ সেসব সত্ত্বাকে যেন ভেতর থেকে ভেঙে দিলেন, তিনি বিশ্বাসের মূর্তিতে এক অদৃশ্য কুঠারাঘাত করলেন। কারণ তিনি জানেন যে, মিথ্যাকে গুড়িয়ে দিলেই সত্য উদ্ভাসিত হয়।
❤1
"কালের এসব বালা-মুসিবতে কেঁদো না-খুশি থাকো;
কেন না বন্ধুর তীর বন্ধুর পাশে এসে পড়ে।"
—হযরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)
কেন না বন্ধুর তীর বন্ধুর পাশে এসে পড়ে।"
—হযরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)
Forwarded from Md. Ajmine
"আপনার স্ত্রীকে রাণীর মর্যাদা দিন, বিনিময়ে তিনি আপনাকে রাজার মর্যাদা দিবেন।
সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।
তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম
নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ!.....
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!
কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন
অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন
হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন
রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞
[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।
তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম
নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ!.....
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!
কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন
অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন
হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন
রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞
[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল ও সবজি
মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। কিছু নির্দিষ্ট ফল ও সবজি রয়েছে, যা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো নিয়মিত খেলে স্তন্যপান করানো মায়েরা বেশি পরিমাণে দুধ উৎপাদন করতে পারেন।
🥦 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজি:
✅ পুঁইশাক – আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি, ভর্তা বা মাছের সঙ্গে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ লাল শাক – ফাইটোইস্ট্রোজেন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি বা ভর্তা করে খেতে পারেন।
✅ শজনে ও শজনে পাতা – প্রচুর ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে, যা দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি বা ডালের সাথে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মিষ্টি কুমড়া – বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভর্তা, ভাজি বা স্যুপের মতো খেতে পারেন।
✅ লাউ – শরীর ঠান্ডা রাখে ও বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি, ভর্তা বা সবজি মিশিয়ে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ গাজর – ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: সালাদ, জুস বা রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মেথি পাতা ও মেথি বীজ – ফাইটোইস্ট্রোজেন ও গ্যালাক্টোগগ সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদনে কার্যকর।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: মেথি পাতা সবজি হিসেবে খেতে পারেন, আর মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খান।
🍎 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল:
✅ পেঁপে (কাঁচা ও পাকা) – প্রাকৃতিক এনজাইম ও হরমোন থাকায় স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা পেঁপে তরকারি বা স্যুপ করে, পাকা পেঁপে সরাসরি খেতে পারেন।
✅ কলা – প্রচুর পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১-২টি কলা খাওয়া ভালো।
✅ ডাবের পানি – শরীর হাইড্রেটেড রাখে ও দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করতে পারেন।
✅ আমলকী – প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় দুধের গুণগত মান উন্নত করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা খেতে পারেন বা চা বানিয়ে পান করতে পারেন।
✅ খেজুর – উচ্চমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকায় দুধ উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ২-৩টি খেজুর খেতে পারেন বা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
✅ বেদানা – প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন থাকায় স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ফল হিসেবে খেতে পারেন বা জুস বানিয়ে পান করতে পারেন।
💡 বুকের দুধ বৃদ্ধির সাধারণ পরামর্শ:
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন – প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
✔ প্রতিদিন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান – দুধ, দই, ছানা দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
✔ সুষম খাবার খান – প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।
✔ পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন – মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বুকের দুধ কমিয়ে দিতে পারে।
✔ শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ান – নিয়মিত স্তন্যপান করালে দুধের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য এসব খাবার ও পরামর্শ অনুসরণ করুন। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ থাকুক! ❤️
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। কিছু নির্দিষ্ট ফল ও সবজি রয়েছে, যা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো নিয়মিত খেলে স্তন্যপান করানো মায়েরা বেশি পরিমাণে দুধ উৎপাদন করতে পারেন।
🥦 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজি:
✅ পুঁইশাক – আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি, ভর্তা বা মাছের সঙ্গে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ লাল শাক – ফাইটোইস্ট্রোজেন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি বা ভর্তা করে খেতে পারেন।
✅ শজনে ও শজনে পাতা – প্রচুর ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে, যা দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি বা ডালের সাথে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মিষ্টি কুমড়া – বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভর্তা, ভাজি বা স্যুপের মতো খেতে পারেন।
✅ লাউ – শরীর ঠান্ডা রাখে ও বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি, ভর্তা বা সবজি মিশিয়ে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ গাজর – ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: সালাদ, জুস বা রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মেথি পাতা ও মেথি বীজ – ফাইটোইস্ট্রোজেন ও গ্যালাক্টোগগ সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদনে কার্যকর।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: মেথি পাতা সবজি হিসেবে খেতে পারেন, আর মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খান।
🍎 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল:
✅ পেঁপে (কাঁচা ও পাকা) – প্রাকৃতিক এনজাইম ও হরমোন থাকায় স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা পেঁপে তরকারি বা স্যুপ করে, পাকা পেঁপে সরাসরি খেতে পারেন।
✅ কলা – প্রচুর পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১-২টি কলা খাওয়া ভালো।
✅ ডাবের পানি – শরীর হাইড্রেটেড রাখে ও দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করতে পারেন।
✅ আমলকী – প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় দুধের গুণগত মান উন্নত করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা খেতে পারেন বা চা বানিয়ে পান করতে পারেন।
✅ খেজুর – উচ্চমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকায় দুধ উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ২-৩টি খেজুর খেতে পারেন বা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
✅ বেদানা – প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন থাকায় স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ফল হিসেবে খেতে পারেন বা জুস বানিয়ে পান করতে পারেন।
💡 বুকের দুধ বৃদ্ধির সাধারণ পরামর্শ:
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন – প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
✔ প্রতিদিন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান – দুধ, দই, ছানা দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
✔ সুষম খাবার খান – প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।
✔ পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন – মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বুকের দুধ কমিয়ে দিতে পারে।
✔ শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ান – নিয়মিত স্তন্যপান করালে দুধের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য এসব খাবার ও পরামর্শ অনুসরণ করুন। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ থাকুক! ❤️
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
মাইক টাইসনের এই কথাটা মেন্টাল স্ট্রেংথের সবচেয়ে বড় সত্য তুলে ধরে মন এবং আবেগের মধ্যে কে জিতবে, সেটাই ঠিক করে দেয় আপনি সফল হবেন নাকি হারিয়ে যাবেন। আবেগ স্বাভাবিক রাগ, ভয়, হতাশা, উত্তেজনা সবাই অনুভব করে। কিন্তু সমস্যা তখন হয় যখন আবেগ আপনার সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করে। রাগের মাথায় কথা বলে ফেলেন, ভয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন, হতাশায় হাল ছেড়ে দেন এভাবে আবেগ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করলে, আপনি নিজের জীবনের ড্রাইভার নন, প্যাসেঞ্জার।
বাস্তবতা হলো, সফল মানুষেরা আবেগহীন নন তারা ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট। তারা আবেগ অনুভব করেন, কিন্তু সেটা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা মনকে ট্রেনিং দেন মেডিটেশন, সেল্ফ-রিফ্লেকশন, ডিসিপ্লিন যাতে কঠিন মুহূর্তেও তারা শান্ত থাকতে পারেন, র্যাশনালি ভাবতে পারেন। মনে রাখবেন, আবেগ একটা ঢেউ আসবে, যাবে। কিন্তু আপনার মন হলো নোঙর যা আপনাকে স্থির রাখবে। তাই নিজের মনকে শক্তিশালী করুন, নিয়ন্ত্রণ শিখুন নাহলে জীবন আপনার আবেগের খেলনা হয়ে যাবে।
#StayInControl #TrainYourMind #Discipline #MasterYourMind #InnerStrength #DontReact #StayCalm #Motivation #MindsetMatters #Spikestory
বাস্তবতা হলো, সফল মানুষেরা আবেগহীন নন তারা ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট। তারা আবেগ অনুভব করেন, কিন্তু সেটা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা মনকে ট্রেনিং দেন মেডিটেশন, সেল্ফ-রিফ্লেকশন, ডিসিপ্লিন যাতে কঠিন মুহূর্তেও তারা শান্ত থাকতে পারেন, র্যাশনালি ভাবতে পারেন। মনে রাখবেন, আবেগ একটা ঢেউ আসবে, যাবে। কিন্তু আপনার মন হলো নোঙর যা আপনাকে স্থির রাখবে। তাই নিজের মনকে শক্তিশালী করুন, নিয়ন্ত্রণ শিখুন নাহলে জীবন আপনার আবেগের খেলনা হয়ে যাবে।
#StayInControl #TrainYourMind #Discipline #MasterYourMind #InnerStrength #DontReact #StayCalm #Motivation #MindsetMatters #Spikestory
তোমার সারাদিন কঠোর অনুশাসনে বন্দি থাকার প্রয়োজন নেই।
শুধু ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ১৫ মিনিট নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখো।
বিছানা ছাড়ো। নিজের বিছানাটা গুছিয়ে ফেলো। হাতের মুষ্টির ওপর ভর দিয়ে ১৫টা পুশ-আপ দাও। তারপর বাইরে বেরিয়ে আসো, সূর্যের দিকে তাকাও।
আর খবরদার, ওই অভিশপ্ত ফোনটা ছোঁবে না!
ব্যাস, এটুকুই।
তুমি যদি দিনের শুরুর এই প্রথম ১৫ মিনিট জয় করতে পারো, তবে পরবর্তী ১২ ঘণ্টা তুমি কেমন মানুষ হয়ে থাকবে—তা তুমি তখনই ঠিক করে ফেললে।
অধিকাংশ পুরুষ বিছানা থেকে ওঠার আগেই হেরে যায়। তারা দিনটা শুরুই করে দুনিয়ার যত আবর্জনা আর অন্যের হইচই নিজেদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে।
কিন্তু তুমি তাদের মতো নও।
মনে রেখো, এই ১৫ মিনিট শুধু দিনটা ভালোভাবে শুরু করার জন্য নয়। এটা আসলে একটা সিগন্যাল—তোমার মস্তিষ্ককে দেওয়া একটা কড়া বার্তা যে, তুমি তোমার জীবনের চালক, জীবন তোমাকে চালাচ্ছে না।
মনে রেখো, শক্তিশালী জ্ঞান শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে, আর শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে একজন শক্তিশালী মানুষ।
তুমি যদি আমাদের এই যাত্রায় শামিল হতে চাও, তবে তার শুরুটা হবে এই ১৫ মিনিট দিয়েই।
কাল সকাল থেকে কি তুমি এই ১৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জটা নিবে? কাল সকালে ফোন ধরার আগে আমাকে একটি মেসেজ দিও—দেখি তোমার সংকল্প কতটা দৃঢ়!
Red Pill 2
শুধু ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ১৫ মিনিট নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখো।
বিছানা ছাড়ো। নিজের বিছানাটা গুছিয়ে ফেলো। হাতের মুষ্টির ওপর ভর দিয়ে ১৫টা পুশ-আপ দাও। তারপর বাইরে বেরিয়ে আসো, সূর্যের দিকে তাকাও।
আর খবরদার, ওই অভিশপ্ত ফোনটা ছোঁবে না!
ব্যাস, এটুকুই।
তুমি যদি দিনের শুরুর এই প্রথম ১৫ মিনিট জয় করতে পারো, তবে পরবর্তী ১২ ঘণ্টা তুমি কেমন মানুষ হয়ে থাকবে—তা তুমি তখনই ঠিক করে ফেললে।
অধিকাংশ পুরুষ বিছানা থেকে ওঠার আগেই হেরে যায়। তারা দিনটা শুরুই করে দুনিয়ার যত আবর্জনা আর অন্যের হইচই নিজেদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে।
কিন্তু তুমি তাদের মতো নও।
মনে রেখো, এই ১৫ মিনিট শুধু দিনটা ভালোভাবে শুরু করার জন্য নয়। এটা আসলে একটা সিগন্যাল—তোমার মস্তিষ্ককে দেওয়া একটা কড়া বার্তা যে, তুমি তোমার জীবনের চালক, জীবন তোমাকে চালাচ্ছে না।
মনে রেখো, শক্তিশালী জ্ঞান শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে, আর শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে একজন শক্তিশালী মানুষ।
তুমি যদি আমাদের এই যাত্রায় শামিল হতে চাও, তবে তার শুরুটা হবে এই ১৫ মিনিট দিয়েই।
কাল সকাল থেকে কি তুমি এই ১৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জটা নিবে? কাল সকালে ফোন ধরার আগে আমাকে একটি মেসেজ দিও—দেখি তোমার সংকল্প কতটা দৃঢ়!
Red Pill 2
❤1
গ্রেজুয়েট হতে যাচ্ছেন/হয়েছেন, স্থায়ীভাবে দ্রুত দেশ ছাড়তে চাচ্ছেন? লেখাটি আপনার জন্য:
বাংলাদেশের অধিকাংশ গ্রাজুয়েট—প্রায় ৯০%—ইংরেজি শুদ্ধভাবে লিখতে পারে না। ( পরিসংখ্যান বলে)
ফল?
IELTS Writing ব্যান্ড উঠেনা, Reading বোঝে না, GRE Verbal ভয় লাগে। অথচ পয়সা বাঁচাতে বা বৃত্তির জন্য স্কোর ভাল দরকার । অন্যথায় বিদেশে গিয়ে survival job… দেশে low-tier job…
আমি প্রতিদিন ক্লাসে এটা দেখি।
এটা মেধার অভাব না—দক্ষতার ঘাটতি।
কেন হয় এমন? ৭টি মূল কারণ
আমাদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করুন
- Verb pattern ভুল — Ditransitive/Directive/Transitive কি জানে না
- Preposition–Collocation দুর্বল
- Articles/Determiners ভুল
-Word order logical না
- Plural–singular agreement mismatch
- Idiomatic phrasing দুর্বল
- Basic 9 phrases আয়ত্ত না করা
এসব ঠিক না করলে, আপনি global market-ready নন—
IELTS হোক, GRE হোক, Job Writing হোক।
Quick Mental Scan (IELTS essay submit করার আগে)
Just check:
Verb pattern
Preposition/Collocation
Article
Word order
Agreement
Idiomatic phrasing
9 phrases
সব ঠিক = Meaning crystal clear.
ভিডিও গাইড লিংক: (পোস্টে দেওয়া হয়েছে নীচে, তবে বেইসিক ঠিক আগে করতে হয় )
যারা financially weak — কী করবেন?
কোর্স করা সম্ভব না আর্থিক ভাবে যারা হত দরিদ্র তারা Wren and Martin প্রথমে তুটষ্থ করে ফেলেন যেমন আমার পরিবারে ক্লাশ নাইন টেনে শেখানো হয়েছিল -- তাই আমি বাবার কাছে কৃতজ্ঞ ।
একটাই বই: Wren & Martin
আজও grammar-এর সবচেয়ে solid base.
সব কোচিংয়ের shortcut বাদ—এই বইই foundation তৈরি করে।
আমার উদ্দেশ্য
তরুণদের সত্যিকারের স্কিল দেওয়া।
চোর-টাইপ shortcut কোচিং নয়।
শিক্ষাদানই আমার হালাল রুজি—এটা আমি গর্ব করে বলি। আমার লাভ? শদগায়ে জারিয়া । আর পরিশ্রম করে পড়িয়ে যখন আয় করি তা আমার হালাল রুজি । হালাল রুজি না হলে ইবাদত কবুল হয়না তা শুধু হাদিস নয় কুরআন বলে --জানা আছে? তাই ঢাকা কোর্ট উকালিতি ছেড়েছি । হ্যাঁ, অনেকে সেখানে সৎ তাদেরও অভিনন্দন ।
পবিত্র কুরআন নিয়ে গবেষণামূলক আমার এই বইটি পড়তে পারেন ( প্রকাশ ২০১২) :
https://quazisstepinenglishgrammar.wordpress.com/author-of-the-scientific/
আমাদের লক্ষ্য
মাত্র সেই ২০–৩০% গ্রাজুয়েট যারা সত্যিকারের skill upgrade চায়।
Strong tone ব্যবহার করছি—কারণ ধাক্কা না খেলে শেখা হয় না।
Final Message
ইংরেজি ঠিক না হলে—career ঠিক হয় না।
আপনি গ্রাজুয়েট—আপনার জায়গা low-skill line-এ নয়।
নিজেকে global-standard-এ আপগ্রেড করুন—আজ থেকেই।
-----------------------------------------------------------------------
Written by Quazi Sir
IELTS teaching since 2008, GRE since 2018
An author of two peer-reviewed, Amazon-published English grammar books — perhaps the only one of their kind from Bangladesh, as far as we know.
ভিডিও গাইড লিংক: (পোস্টে দেওয়া হয়েছে নীচে, তবে বেইসিক ঠিক আগে করতে হয় )
https://youtu.be/1VOtaxd-tYQ
or
https://youtu.be/9KuWHmM3T5E
বাংলাদেশের অধিকাংশ গ্রাজুয়েট—প্রায় ৯০%—ইংরেজি শুদ্ধভাবে লিখতে পারে না। ( পরিসংখ্যান বলে)
ফল?
IELTS Writing ব্যান্ড উঠেনা, Reading বোঝে না, GRE Verbal ভয় লাগে। অথচ পয়সা বাঁচাতে বা বৃত্তির জন্য স্কোর ভাল দরকার । অন্যথায় বিদেশে গিয়ে survival job… দেশে low-tier job…
আমি প্রতিদিন ক্লাসে এটা দেখি।
এটা মেধার অভাব না—দক্ষতার ঘাটতি।
কেন হয় এমন? ৭টি মূল কারণ
আমাদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করুন
- Verb pattern ভুল — Ditransitive/Directive/Transitive কি জানে না
- Preposition–Collocation দুর্বল
- Articles/Determiners ভুল
-Word order logical না
- Plural–singular agreement mismatch
- Idiomatic phrasing দুর্বল
- Basic 9 phrases আয়ত্ত না করা
এসব ঠিক না করলে, আপনি global market-ready নন—
IELTS হোক, GRE হোক, Job Writing হোক।
Quick Mental Scan (IELTS essay submit করার আগে)
Just check:
Verb pattern
Preposition/Collocation
Article
Word order
Agreement
Idiomatic phrasing
9 phrases
সব ঠিক = Meaning crystal clear.
ভিডিও গাইড লিংক: (পোস্টে দেওয়া হয়েছে নীচে, তবে বেইসিক ঠিক আগে করতে হয় )
যারা financially weak — কী করবেন?
কোর্স করা সম্ভব না আর্থিক ভাবে যারা হত দরিদ্র তারা Wren and Martin প্রথমে তুটষ্থ করে ফেলেন যেমন আমার পরিবারে ক্লাশ নাইন টেনে শেখানো হয়েছিল -- তাই আমি বাবার কাছে কৃতজ্ঞ ।
একটাই বই: Wren & Martin
আজও grammar-এর সবচেয়ে solid base.
সব কোচিংয়ের shortcut বাদ—এই বইই foundation তৈরি করে।
আমার উদ্দেশ্য
তরুণদের সত্যিকারের স্কিল দেওয়া।
চোর-টাইপ shortcut কোচিং নয়।
শিক্ষাদানই আমার হালাল রুজি—এটা আমি গর্ব করে বলি। আমার লাভ? শদগায়ে জারিয়া । আর পরিশ্রম করে পড়িয়ে যখন আয় করি তা আমার হালাল রুজি । হালাল রুজি না হলে ইবাদত কবুল হয়না তা শুধু হাদিস নয় কুরআন বলে --জানা আছে? তাই ঢাকা কোর্ট উকালিতি ছেড়েছি । হ্যাঁ, অনেকে সেখানে সৎ তাদেরও অভিনন্দন ।
পবিত্র কুরআন নিয়ে গবেষণামূলক আমার এই বইটি পড়তে পারেন ( প্রকাশ ২০১২) :
https://quazisstepinenglishgrammar.wordpress.com/author-of-the-scientific/
আমাদের লক্ষ্য
মাত্র সেই ২০–৩০% গ্রাজুয়েট যারা সত্যিকারের skill upgrade চায়।
Strong tone ব্যবহার করছি—কারণ ধাক্কা না খেলে শেখা হয় না।
Final Message
ইংরেজি ঠিক না হলে—career ঠিক হয় না।
আপনি গ্রাজুয়েট—আপনার জায়গা low-skill line-এ নয়।
নিজেকে global-standard-এ আপগ্রেড করুন—আজ থেকেই।
-----------------------------------------------------------------------
Written by Quazi Sir
IELTS teaching since 2008, GRE since 2018
An author of two peer-reviewed, Amazon-published English grammar books — perhaps the only one of their kind from Bangladesh, as far as we know.
ভিডিও গাইড লিংক: (পোস্টে দেওয়া হয়েছে নীচে, তবে বেইসিক ঠিক আগে করতে হয় )
https://youtu.be/1VOtaxd-tYQ
or
https://youtu.be/9KuWHmM3T5E
quazisstepinenglishgrammar
Author of “The scientific–“
By the grace of the Allah, my first printed book(hard copy is published on the 12th, Oct. 2013. (English translation is going on right now, please have a glimpse right here too -incomplete-) “The…
❤2
🌿 পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে রোগমুক্তির প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া
আপনার শারীরিক সমস্যা যেটাই হোক না কেন, নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করে ঘরে বসেই নিজ দায়িত্বে চিকিৎসা শুরু করা যায়।
🟢 প্রথম তিনদিন: বিশেষ জলচিকিৎসা পর্ব
🕰 সময়সূচি
সূর্যোদয় 🌅 থেকে সূর্যাস্ত 🌇 পর্যন্ত
প্রতি এক ঘণ্টা পরপর পান করবেন বিশেষ পানীয়
🥤 বিশেষ পানীয় প্রস্তুত প্রণালী
হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে—
🍋 লেবুর রস
🧴 ভিনেগার
🍯 যৎসামান্য প্রাকৃতিক মধু
মিশিয়ে পান করবেন।
🍃 অতিরিক্ত (দিনে ১–২ বার)
বিভিন্ন সবুজ পাতার রস:
তুলসী পাতা
পুদিনা পাতা
লেটুসপাতা
ধনেপাতা
(ব্লেন্ড করে পান করুন)
🚫 এর বাইরে অন্য কোনো খাবার স্পর্শও করবেন না।
🪑 পান করার নিয়ম
মাটির সমতলে বসে
দুই হাতে গ্লাস ধরে
কুলি করতে করতে
কমপক্ষে তিন বা ততোধিক শ্বাসে পান করবেন
💧 জল সংগ্রহের বিশেষ নির্দেশনা
প্রথম তিনদিনের জন্য—
সম্ভব হলে জমজম কূপ-এর পানি
না পারলে পাহাড়ি ঝর্ণার পানি
অথবা সরাসরি বৃষ্টি থেকে ধারণকৃত পানি
সংরক্ষণ করবেন:
কাঁসা বা মাটির কলসে
কলস মাটির হলে এক টুকরো তামা ভিজিয়ে রাখবেন
🟢 চতুর্থ দিন থেকে খাদ্যাভ্যাস
🌅 সকাল
ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস পানি
কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি 🚶
🥗 নাস্তা (একটি বিকল্প বেছে নিন)
🌈 সাত রঙের প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবারের নাস্তা
অথবা আপনার ওজন × প্রতি কেজিতে ১০ গ্রাম দেশীয় মৌসুমি ফল
⚠️ টক ও মিষ্টি ফল একসঙ্গে নয়
টক ফল খাওয়ার পর ৩০ মিনিট বিরতি দিয়ে মিষ্টি ফল
🥜 বাদাম/বীজ (একটি বিকল্প)
পঞ্চ-বাদাম (কাজু, আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, দেশি চীনা) – আগের রাতে ভিজিয়ে
অথবা
কুমড়ো বীজ
সূর্যমুখী বীজ
অঙ্কুরিত ডাল বীজ
☕ পানীয়
গ্রিন টি
অথবা
লেবু-হলুদ-গোলমরিচের চা
🕚 বেলা ১১টার দিকে
একটি বিকল্প:
তোকমা দানা / চিয়া বীজ / তিষি / তুলসী বীজ / ইসুবগুলের ভুষি (ভিজিয়ে)
অথবা
এক গ্লাস পাকা চালকুমড়া/কচি লাউয়ের রস + ১টি আমলকি
🕛 দুপুর
বাতাবি লেবু
অথবা
কাঁচা বাঁধাকপি / পেঁপে / আমড়া কুঁচি
মাখাবেন:
আদা
রসুন
পেঁয়াজ
কাঁচা হলুদ
বিট লবণ
মরিচ
কাসুন্দি
দিনভর:
লেবুর পানি (১–২ বার মধুসহ)
🌆 বিকেল
গরম মসলা ফুটিয়ে আদা/কালোজিরার চা
🌇 সূর্যাস্তের আগে
অল্প পরিমাণে:
খেজুর
কলা
কুল (বরই)
ডালিম (আনার)
ত্বীন
জলপাই
আঙুর
(যে কোনো ১ বা ২টি ফল)
🚶 প্রতিদিনের অভ্যাস
প্রতিবার খাবারের পর ৪০ কদম হাঁটা
নিমপাতা সিদ্ধ পানিতে পা চুবিয়ে ৪০ মিনিট বসা
খালি পায়ে কাদামাটিতে হাঁটা বা স্থির দাঁড়ানো
🌿 সন্ধ্যার পানীয় (চতুর্থ দিন থেকে)
একটি বেছে নিন:
সাজনা পাতা + কালোজিরা + হলুদ চা
গ্রিন টি
রোজেলা টি
বিটের স্যুপ (আদা-রসুন-গোলমরিচ সহ)
⚠️ খাদ্যসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা
ফল ও শাকসবজি অবশ্যই রাসায়নিকমুক্ত
বাজারের জিনিসের উপর ভরসা নয়
চতুর্থ থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত রান্না করা খাবার সম্পূর্ণ বর্জন
বর্ণিত নিয়মের বাইরে কিছু স্পর্শও নয়
💊 বিশেষ নির্দেশনা
🧪 যাদের ড্রাগস সেবনের বদাভ্যাস আছে:
spirulina ক্যাপসুল
প্রতিদিন ২+২+২ নিয়মে
💆 থেরাপি (সপ্তাহে ১–২ বার)
Whole body oil massage
আকুপ্রেশার থেরাপি
হিজমা
জটিল রোগীদের:
প্রতিদিন ডে-এনিমা
🌙 ঘুম ও নামাজ
রাত জাগা যাবে না
এশার নামাজের পর ঘুম
তাহাজ্জুদে জাগা
ফজরের পর হাঁটা/দৌড়/সাইকেল 🚴
সূর্যের নরম আলো গ্রহণ ☀️
নিমগাছের নিচে প্রাণায়াম/ইয়োগা
🕌 ইবাদত ও আধ্যাত্মিক চর্চা
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে
সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকার চেষ্টা
বিশ্রামে সূরা ফাতিহা ও সূরা নাস পাঠ
গোসল স্বাভাবিক বা বরফমিশ্রিত পানি
আগে কাদা মেখে রোদে বসা
📚 সময় কাটাবেন:
মাতৃভাষায় ধর্মগ্রন্থ পাঠ
মনীষীদের জীবনী
হাস্যরসাত্মক বই
📵 সামাজিক মাধ্যম ও টিভি থেকে দূরে থাকবেন
🤲 দোয়া ও দান
প্রতিদিন ৩ জন অভুক্তকে খাওয়ানো
প্রতি ওয়াক্তে ২ রাকাত অতিরিক্ত নফল নামাজ
দীর্ঘ সেজদায় রোগমুক্তির দোয়া
আত্মীয়-স্বজনদের দোয়া চাইবেন
❗ দোয়া ছাড়া কিছুই আল্লাহর সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে না।
🌟 বিশ্বাস ও ইয়াক্বীন
আল্লাহ অন্তরের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রতিদান দেন
পূর্ণ আস্থা থাকলে দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না
যার ইয়াক্বীন যত দৃঢ়, সুস্থতার সম্ভাবনা তত বেশি
✅ এক সপ্তাহ পর
চিকিৎসা শেষে টেস্ট করাতে পারেন
জটিলতা কমতে শুরু করবে
শারীরিক অবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে নিজেই বিস্মিত হবেন ✨
আপনার শারীরিক সমস্যা যেটাই হোক না কেন, নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করে ঘরে বসেই নিজ দায়িত্বে চিকিৎসা শুরু করা যায়।
🟢 প্রথম তিনদিন: বিশেষ জলচিকিৎসা পর্ব
🕰 সময়সূচি
সূর্যোদয় 🌅 থেকে সূর্যাস্ত 🌇 পর্যন্ত
প্রতি এক ঘণ্টা পরপর পান করবেন বিশেষ পানীয়
🥤 বিশেষ পানীয় প্রস্তুত প্রণালী
হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে—
🍋 লেবুর রস
🧴 ভিনেগার
🍯 যৎসামান্য প্রাকৃতিক মধু
মিশিয়ে পান করবেন।
🍃 অতিরিক্ত (দিনে ১–২ বার)
বিভিন্ন সবুজ পাতার রস:
তুলসী পাতা
পুদিনা পাতা
লেটুসপাতা
ধনেপাতা
(ব্লেন্ড করে পান করুন)
🚫 এর বাইরে অন্য কোনো খাবার স্পর্শও করবেন না।
🪑 পান করার নিয়ম
মাটির সমতলে বসে
দুই হাতে গ্লাস ধরে
কুলি করতে করতে
কমপক্ষে তিন বা ততোধিক শ্বাসে পান করবেন
💧 জল সংগ্রহের বিশেষ নির্দেশনা
প্রথম তিনদিনের জন্য—
সম্ভব হলে জমজম কূপ-এর পানি
না পারলে পাহাড়ি ঝর্ণার পানি
অথবা সরাসরি বৃষ্টি থেকে ধারণকৃত পানি
সংরক্ষণ করবেন:
কাঁসা বা মাটির কলসে
কলস মাটির হলে এক টুকরো তামা ভিজিয়ে রাখবেন
🟢 চতুর্থ দিন থেকে খাদ্যাভ্যাস
🌅 সকাল
ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস পানি
কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি 🚶
🥗 নাস্তা (একটি বিকল্প বেছে নিন)
🌈 সাত রঙের প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবারের নাস্তা
অথবা আপনার ওজন × প্রতি কেজিতে ১০ গ্রাম দেশীয় মৌসুমি ফল
⚠️ টক ও মিষ্টি ফল একসঙ্গে নয়
টক ফল খাওয়ার পর ৩০ মিনিট বিরতি দিয়ে মিষ্টি ফল
🥜 বাদাম/বীজ (একটি বিকল্প)
পঞ্চ-বাদাম (কাজু, আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, দেশি চীনা) – আগের রাতে ভিজিয়ে
অথবা
কুমড়ো বীজ
সূর্যমুখী বীজ
অঙ্কুরিত ডাল বীজ
☕ পানীয়
গ্রিন টি
অথবা
লেবু-হলুদ-গোলমরিচের চা
🕚 বেলা ১১টার দিকে
একটি বিকল্প:
তোকমা দানা / চিয়া বীজ / তিষি / তুলসী বীজ / ইসুবগুলের ভুষি (ভিজিয়ে)
অথবা
এক গ্লাস পাকা চালকুমড়া/কচি লাউয়ের রস + ১টি আমলকি
🕛 দুপুর
বাতাবি লেবু
অথবা
কাঁচা বাঁধাকপি / পেঁপে / আমড়া কুঁচি
মাখাবেন:
আদা
রসুন
পেঁয়াজ
কাঁচা হলুদ
বিট লবণ
মরিচ
কাসুন্দি
দিনভর:
লেবুর পানি (১–২ বার মধুসহ)
🌆 বিকেল
গরম মসলা ফুটিয়ে আদা/কালোজিরার চা
🌇 সূর্যাস্তের আগে
অল্প পরিমাণে:
খেজুর
কলা
কুল (বরই)
ডালিম (আনার)
ত্বীন
জলপাই
আঙুর
(যে কোনো ১ বা ২টি ফল)
🚶 প্রতিদিনের অভ্যাস
প্রতিবার খাবারের পর ৪০ কদম হাঁটা
নিমপাতা সিদ্ধ পানিতে পা চুবিয়ে ৪০ মিনিট বসা
খালি পায়ে কাদামাটিতে হাঁটা বা স্থির দাঁড়ানো
🌿 সন্ধ্যার পানীয় (চতুর্থ দিন থেকে)
একটি বেছে নিন:
সাজনা পাতা + কালোজিরা + হলুদ চা
গ্রিন টি
রোজেলা টি
বিটের স্যুপ (আদা-রসুন-গোলমরিচ সহ)
⚠️ খাদ্যসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা
ফল ও শাকসবজি অবশ্যই রাসায়নিকমুক্ত
বাজারের জিনিসের উপর ভরসা নয়
চতুর্থ থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত রান্না করা খাবার সম্পূর্ণ বর্জন
বর্ণিত নিয়মের বাইরে কিছু স্পর্শও নয়
💊 বিশেষ নির্দেশনা
🧪 যাদের ড্রাগস সেবনের বদাভ্যাস আছে:
spirulina ক্যাপসুল
প্রতিদিন ২+২+২ নিয়মে
💆 থেরাপি (সপ্তাহে ১–২ বার)
Whole body oil massage
আকুপ্রেশার থেরাপি
হিজমা
জটিল রোগীদের:
প্রতিদিন ডে-এনিমা
🌙 ঘুম ও নামাজ
রাত জাগা যাবে না
এশার নামাজের পর ঘুম
তাহাজ্জুদে জাগা
ফজরের পর হাঁটা/দৌড়/সাইকেল 🚴
সূর্যের নরম আলো গ্রহণ ☀️
নিমগাছের নিচে প্রাণায়াম/ইয়োগা
🕌 ইবাদত ও আধ্যাত্মিক চর্চা
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে
সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকার চেষ্টা
বিশ্রামে সূরা ফাতিহা ও সূরা নাস পাঠ
গোসল স্বাভাবিক বা বরফমিশ্রিত পানি
আগে কাদা মেখে রোদে বসা
📚 সময় কাটাবেন:
মাতৃভাষায় ধর্মগ্রন্থ পাঠ
মনীষীদের জীবনী
হাস্যরসাত্মক বই
📵 সামাজিক মাধ্যম ও টিভি থেকে দূরে থাকবেন
🤲 দোয়া ও দান
প্রতিদিন ৩ জন অভুক্তকে খাওয়ানো
প্রতি ওয়াক্তে ২ রাকাত অতিরিক্ত নফল নামাজ
দীর্ঘ সেজদায় রোগমুক্তির দোয়া
আত্মীয়-স্বজনদের দোয়া চাইবেন
❗ দোয়া ছাড়া কিছুই আল্লাহর সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে না।
🌟 বিশ্বাস ও ইয়াক্বীন
আল্লাহ অন্তরের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রতিদান দেন
পূর্ণ আস্থা থাকলে দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না
যার ইয়াক্বীন যত দৃঢ়, সুস্থতার সম্ভাবনা তত বেশি
✅ এক সপ্তাহ পর
চিকিৎসা শেষে টেস্ট করাতে পারেন
জটিলতা কমতে শুরু করবে
শারীরিক অবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে নিজেই বিস্মিত হবেন ✨
❤1
প্রেগন্যান্সিতে আপনি যা খান সেটা বাবুর ডিএনএ কে ইফেক্ট করে।
প্রেগন্যান্সিতে জেস্টেশনাল ডায়বেটিস এখন কমন। যেসব মায়েরা অতিরিক্ত ওজন এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ে গর্ভধারন করেন, সম্ভাবনা খুব বেশি যে আপনার সন্তানের পরবর্তী জীবনে ডায়বেটিস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুন পর্যন্ত বেড়ে যাবে। মায়ের পেটে থাকতেই বাবু তার পরবর্তী জীবনে সম্ভাব্য মেটাবলিক ডিজিজের ঝুঁকিতে পড়ে যায়! আনফেয়ার রাইট?
প্রেগন্যান্সিতে জিডিএম ঠেকাতে তাই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ট্র্যাকে এনে এরপর কনসিভের প্ল্যানিং করা ভালো। হুট হাট কন্সিভ করে ফেলা এবং প্রথম ট্রাইমিস্টারেই মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা এখন অহরহ। একটু সাবধান হলে ক্ষতি তো নেই। আপনার অসাবধানতা বশত একটা প্রান ঝড়ে গেলো গিলটি ফিলিংসে সব কিছু বন্ধ করে দিতে ইচ্ছা হবেনা?
তাই প্রেগন্যান্সিকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড হিসাবে নিবেন না। বহু দম্পত্তি একটা সন্তানের আশায় হাহাকার করছে। দেশ বিদেশের আইভিএফ-ফার্টিলিটি সেন্টার গুলোতে গেলে এই অনুভূতি বুঝা যায় আরো মারাত্মক ভাবে।
প্রেগন্যান্সিতে যাওয়ার অন্তত ৬ মাস আগে থেকে নিজের শরীরকে প্রিপেয়ার করে নিন। ওজন বেশি থাকলে কমিয়ে নিন। বেশি বেশি কার্ব খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেই হ্যাবিট চেঞ্জ করুন। একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট ও গাইনোকোলজিস্ট এর আন্ডারে থেকে নিজেকে পরিবর্তন করুন।
শুরু থেকেই ফলিক এসিড, কোলিন, ডিএইচ এ, কোয়ালিটি প্রোটিন ইনটেক শুরু করুন। এগুলা আপনার বেবির ব্রেইন এবং বডি শেইপিং এ মেজর রোল প্লে করবে। প্রেগন্যান্সিতে আপনার বেবিকে মায়ের ভিতরে সুস্থ একটা পরিবেশ দিলে অবশ্যই আল্লাহ চাইলে আপনার বেবি হবে এক্টিভ ও বুদ্ধিতে স্মার্ট।
[ ছবিতে আমার মামাতো বোন। গোলাপি ম্যাডাম গতকাল দুনিয়াতে এসেছেন। সবাই মাশ আল্লাহ বলে দেন ]
প্রেগন্যান্সিতে জেস্টেশনাল ডায়বেটিস এখন কমন। যেসব মায়েরা অতিরিক্ত ওজন এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ে গর্ভধারন করেন, সম্ভাবনা খুব বেশি যে আপনার সন্তানের পরবর্তী জীবনে ডায়বেটিস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুন পর্যন্ত বেড়ে যাবে। মায়ের পেটে থাকতেই বাবু তার পরবর্তী জীবনে সম্ভাব্য মেটাবলিক ডিজিজের ঝুঁকিতে পড়ে যায়! আনফেয়ার রাইট?
প্রেগন্যান্সিতে জিডিএম ঠেকাতে তাই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ট্র্যাকে এনে এরপর কনসিভের প্ল্যানিং করা ভালো। হুট হাট কন্সিভ করে ফেলা এবং প্রথম ট্রাইমিস্টারেই মিসক্যারেজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা এখন অহরহ। একটু সাবধান হলে ক্ষতি তো নেই। আপনার অসাবধানতা বশত একটা প্রান ঝড়ে গেলো গিলটি ফিলিংসে সব কিছু বন্ধ করে দিতে ইচ্ছা হবেনা?
তাই প্রেগন্যান্সিকে টেকেন ফর গ্র্যান্টেড হিসাবে নিবেন না। বহু দম্পত্তি একটা সন্তানের আশায় হাহাকার করছে। দেশ বিদেশের আইভিএফ-ফার্টিলিটি সেন্টার গুলোতে গেলে এই অনুভূতি বুঝা যায় আরো মারাত্মক ভাবে।
প্রেগন্যান্সিতে যাওয়ার অন্তত ৬ মাস আগে থেকে নিজের শরীরকে প্রিপেয়ার করে নিন। ওজন বেশি থাকলে কমিয়ে নিন। বেশি বেশি কার্ব খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেই হ্যাবিট চেঞ্জ করুন। একজন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট ও গাইনোকোলজিস্ট এর আন্ডারে থেকে নিজেকে পরিবর্তন করুন।
শুরু থেকেই ফলিক এসিড, কোলিন, ডিএইচ এ, কোয়ালিটি প্রোটিন ইনটেক শুরু করুন। এগুলা আপনার বেবির ব্রেইন এবং বডি শেইপিং এ মেজর রোল প্লে করবে। প্রেগন্যান্সিতে আপনার বেবিকে মায়ের ভিতরে সুস্থ একটা পরিবেশ দিলে অবশ্যই আল্লাহ চাইলে আপনার বেবি হবে এক্টিভ ও বুদ্ধিতে স্মার্ট।
[ ছবিতে আমার মামাতো বোন। গোলাপি ম্যাডাম গতকাল দুনিয়াতে এসেছেন। সবাই মাশ আল্লাহ বলে দেন ]
❤1
আসুন আমাদের দেহ থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ শিখি
আমাদের বাইরের শরীর ছাড়াও ভেতরে আরেকটা জগৎ আছে। এ শরীরের অনুভূতি আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। সে যত কাছের মানুষই হোক।
প্রত্যেক মানুষের শরীরের সাথে একটা এনার্জি বলয় থাকে। আপনি যখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ফুরফুরে মেজাজে থাকেন, তখন সে বলয় আলোকিত থাকে। আপনার কাছে এলেই মানুষ টের পাবে সে আনন্দ। আবার যখন কেউ রেগে যায়, দেখতে পাবেন তার কাছে সহজে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
কারণ তখন তার বলয় নেগেটিভ এনার্জিতে পরিপূর্ণ থাকে। তার বেশি কাছে গেলে আহত হবার ভয় থাকে। আপনি খালি চোখে না দেখলেও অন্য কোনভাবে সে অনুভূতি টের পান। যে কারণে রাগান্বিত মানুষের কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
এই রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের উদ্দেশ্য হলো আমাদের ভেতরের আমিটাকে আগে উপলব্ধি করা। তারপর সে শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করে দেয়া।
🟩 শুরু করা যাক:
এজন্য প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে চেয়ারের একটু প্রান্তের দিকে বসতে হবে, যাতে আপনার পিঠ চেয়ারে লেগে না থাকে। পা দুটো একটু ভেতরের দিকে টেনে নিন। পায়ের পাতা দুটো বাইরের দিকে ছড়িয়ে দিন। এতে ব্যাকপেইন কম হয়। আপনি চাইলে শুয়েও এই এক্সারসাইজ করতে পারবেন।
তাহলে ঠিকমত বসুন বা সত্য বিছানায় বালিশ ছাড়া হয়ে শুয়ে পড়ুন । হাত দুটো কোলের ওপর রাখুন। এক হাতের তালু আরেক হাতের ওপর রেখে বসুন।
এবার চোখ দুটো বন্ধ করুন। প্রথমে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। সমস্ত ফুসফুস খালি করে ফেলুন। এবার আস্তে আস্তে পেটের ভেতর দম নিন। যখনই টের পাবেন আপনার বুক ফুলতে শুরু করেছে, থামুন। এরপর বাথরুম করার সময় যেমন পেটের নিচের দিকে চাপ দেন, সেরকম চাপ দিয়ে পেটের বাতাস নিচের দিকে পাঠিয়ে দিন।
তারপর ৩-৪ সেকেণ্ড শ্বাস ধরে রাখুন।
আবার রিপিট করুন। এটাকে বলে এবডোমেনাল ব্রিদিং।
এভাবে শ্বাস নিলে আপনার ফুসফুসের নিচের অংশে বাতাসের প্রবাহ হবে। তাই প্রথম প্রথম একটু মাথা ঘুরতে পারে, হালকা লাগতে পারে, কিন্তু ভয় পাবেন না। এটা ঠিক হয়ে যাবে।
পরপর তিনবার এরকম দম নিন।
আপনার চোখ বন্ধ থাকবে। চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় আপনার দুই ভ্রর মধ্যবর্তী বিন্দুর দিকে মনোযোগ দিন।
যাঁরা ন্যাচারাল মেডিটেটর তাঁরা এরকম দৃষ্টি দেবার সাথে সাথেই মনশূন্য অবস্থায় চলে যেতে পারেন। একই সাথে সারা দেহে কম্পন শুরু হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ প্রবাহের মতো অনুভূত হতে পারে। দুই ভ্রুর মধ্যখানে আলোর ঝিকিমিকি দেখা যেতে পারে।
আপনার ক্ষেত্রে যদি তা না হয়, তাহলে হতাশ হবার কিছু নেই। প্রতিদিন দু'বার করে করলে, এক মাসের মাঝেই আপনি এটা টের পাবেন।
তার আগ পর্যন্ত চোখ দুই ভ্রুর দিকে মন দিন। দেখুন আপনি এর সাথে মিশে গেছেন। এবার মনোযোগ দিন, আপনার হাতের দিকে।
সেখানে এখন কোন বাতাসের স্পর্শ পাচ্ছেন কিনা। গরম বা ঠাণ্ডা কোন অনুভূতি টের পান কিনা।
এখানে কল্পনা বা ভিজুয়ালাইজ করবেন না। যা টের পাচ্ছেন তাই। টের না পেলেও কোন সমস্যা নেই।
এবার আপনার ঠোঁট দুটো অনুভব করুন। তারা পরস্পরের সাথে লেগে আছে, এটা ফিল করুন।
এবার নাক। তারপর দুই পায়ের পাতার তালু। পায়ের আঙুল, গোড়ালী, দুই হাঁটু। এরপর আপনার সম্পূর্ণ ব্যাক। সবারই কমবেশি ব্যাকের দিকে নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে।
আপনি এবার সচেতনভাবে সে নেগেটিভ এনার্জিকে তলপেটের দিকে ঠেলে দিন। আর বলুন, এ নেগেটিভ এনার্জি আমার পায়খানার সাথে দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার কাঁধের দিকে মন দিন। কাঁধে সবসময় মানসিক চাপের নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে। এবার তাদের আপনি পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। মনে মনে বলুন, এই নেগেটিভ এনার্জিও আমার দেহ থেকে সময়মত বেরিয়ে যাবে।
এরপর আপনার মাথার পেছন দিকে মনোযোগ দিন। এখানে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জিকেও পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। আর মনে মনে বলুন এবার এই নেগেটিভ এনার্জিও সময়মত দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার আমরা মনোযোগ দেব নেগেটিভ এনার্জির বলয়ের ওপর।
সেই সাথে একটা জিনিস জেনে রাখা জরুরি। সেটা হলো আমরা শুধু ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নিই না। আমরা আমাদের শরীরের প্রতিটা কোষ দিয়ে শ্বাস নিই। এখন এটাকে নাম দেয়া হয়েছে সেলুলার রেসপিরেশন।
কারণ আপনার দেহের তাপমাত্রা সহ শ্বাসের কাজ চালানোর জন্য চামড়ার রেসপিরেশন দরকার।
এরকম শ্বাস নিতে হলে ইউটিউবে হোল বডি রেসপিরেশনের টেকনিক দেখে নিতে পারেন। এজন্যেই নিয়মিত গোসল করে চামড়া পরিষ্কার রাখা জরুরি।
যাই হোক, এবার রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের পরের ধাপে আসি।
আপনার চোখ বন্ধ আছে , নিজের আপন বলয়টা অনুভব করবেন। এবার দেহ নয় বরং দেহের ভেতর ও বাইরের দেহ সংলগ্ন খালি অংশের দিকে আপনার মনোযোগ দিতে হবে।
তাই প্রথমে আপনার মুখের সামনের বাতাসকে অনুভব করুন। তারপর চোখের সামনের বাতাস ফিল করুন। এবার নাকের ফুটোর বাতাসে মন দিন। দেখুন ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে আর গরম বাতাস বেরুচ্ছে। কল্পনা করবেন না। অনুভব করুন।
আমাদের বাইরের শরীর ছাড়াও ভেতরে আরেকটা জগৎ আছে। এ শরীরের অনুভূতি আপনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। সে যত কাছের মানুষই হোক।
প্রত্যেক মানুষের শরীরের সাথে একটা এনার্জি বলয় থাকে। আপনি যখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ফুরফুরে মেজাজে থাকেন, তখন সে বলয় আলোকিত থাকে। আপনার কাছে এলেই মানুষ টের পাবে সে আনন্দ। আবার যখন কেউ রেগে যায়, দেখতে পাবেন তার কাছে সহজে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
কারণ তখন তার বলয় নেগেটিভ এনার্জিতে পরিপূর্ণ থাকে। তার বেশি কাছে গেলে আহত হবার ভয় থাকে। আপনি খালি চোখে না দেখলেও অন্য কোনভাবে সে অনুভূতি টের পান। যে কারণে রাগান্বিত মানুষের কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
এই রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের উদ্দেশ্য হলো আমাদের ভেতরের আমিটাকে আগে উপলব্ধি করা। তারপর সে শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করে দেয়া।
🟩 শুরু করা যাক:
এজন্য প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে চেয়ারের একটু প্রান্তের দিকে বসতে হবে, যাতে আপনার পিঠ চেয়ারে লেগে না থাকে। পা দুটো একটু ভেতরের দিকে টেনে নিন। পায়ের পাতা দুটো বাইরের দিকে ছড়িয়ে দিন। এতে ব্যাকপেইন কম হয়। আপনি চাইলে শুয়েও এই এক্সারসাইজ করতে পারবেন।
তাহলে ঠিকমত বসুন বা সত্য বিছানায় বালিশ ছাড়া হয়ে শুয়ে পড়ুন । হাত দুটো কোলের ওপর রাখুন। এক হাতের তালু আরেক হাতের ওপর রেখে বসুন।
এবার চোখ দুটো বন্ধ করুন। প্রথমে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। সমস্ত ফুসফুস খালি করে ফেলুন। এবার আস্তে আস্তে পেটের ভেতর দম নিন। যখনই টের পাবেন আপনার বুক ফুলতে শুরু করেছে, থামুন। এরপর বাথরুম করার সময় যেমন পেটের নিচের দিকে চাপ দেন, সেরকম চাপ দিয়ে পেটের বাতাস নিচের দিকে পাঠিয়ে দিন।
তারপর ৩-৪ সেকেণ্ড শ্বাস ধরে রাখুন।
আবার রিপিট করুন। এটাকে বলে এবডোমেনাল ব্রিদিং।
এভাবে শ্বাস নিলে আপনার ফুসফুসের নিচের অংশে বাতাসের প্রবাহ হবে। তাই প্রথম প্রথম একটু মাথা ঘুরতে পারে, হালকা লাগতে পারে, কিন্তু ভয় পাবেন না। এটা ঠিক হয়ে যাবে।
পরপর তিনবার এরকম দম নিন।
আপনার চোখ বন্ধ থাকবে। চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় আপনার দুই ভ্রর মধ্যবর্তী বিন্দুর দিকে মনোযোগ দিন।
যাঁরা ন্যাচারাল মেডিটেটর তাঁরা এরকম দৃষ্টি দেবার সাথে সাথেই মনশূন্য অবস্থায় চলে যেতে পারেন। একই সাথে সারা দেহে কম্পন শুরু হয়ে যেতে পারে। বিদ্যুৎ প্রবাহের মতো অনুভূত হতে পারে। দুই ভ্রুর মধ্যখানে আলোর ঝিকিমিকি দেখা যেতে পারে।
আপনার ক্ষেত্রে যদি তা না হয়, তাহলে হতাশ হবার কিছু নেই। প্রতিদিন দু'বার করে করলে, এক মাসের মাঝেই আপনি এটা টের পাবেন।
তার আগ পর্যন্ত চোখ দুই ভ্রুর দিকে মন দিন। দেখুন আপনি এর সাথে মিশে গেছেন। এবার মনোযোগ দিন, আপনার হাতের দিকে।
সেখানে এখন কোন বাতাসের স্পর্শ পাচ্ছেন কিনা। গরম বা ঠাণ্ডা কোন অনুভূতি টের পান কিনা।
এখানে কল্পনা বা ভিজুয়ালাইজ করবেন না। যা টের পাচ্ছেন তাই। টের না পেলেও কোন সমস্যা নেই।
এবার আপনার ঠোঁট দুটো অনুভব করুন। তারা পরস্পরের সাথে লেগে আছে, এটা ফিল করুন।
এবার নাক। তারপর দুই পায়ের পাতার তালু। পায়ের আঙুল, গোড়ালী, দুই হাঁটু। এরপর আপনার সম্পূর্ণ ব্যাক। সবারই কমবেশি ব্যাকের দিকে নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে।
আপনি এবার সচেতনভাবে সে নেগেটিভ এনার্জিকে তলপেটের দিকে ঠেলে দিন। আর বলুন, এ নেগেটিভ এনার্জি আমার পায়খানার সাথে দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার কাঁধের দিকে মন দিন। কাঁধে সবসময় মানসিক চাপের নেগেটিভ এনার্জি জমা থাকে। এবার তাদের আপনি পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। মনে মনে বলুন, এই নেগেটিভ এনার্জিও আমার দেহ থেকে সময়মত বেরিয়ে যাবে।
এরপর আপনার মাথার পেছন দিকে মনোযোগ দিন। এখানে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জিকেও পাকস্থলীর দিকে ঠেলে দিন। আর মনে মনে বলুন এবার এই নেগেটিভ এনার্জিও সময়মত দেহ থেকে বেরিয়ে যাবে।
এবার আমরা মনোযোগ দেব নেগেটিভ এনার্জির বলয়ের ওপর।
সেই সাথে একটা জিনিস জেনে রাখা জরুরি। সেটা হলো আমরা শুধু ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নিই না। আমরা আমাদের শরীরের প্রতিটা কোষ দিয়ে শ্বাস নিই। এখন এটাকে নাম দেয়া হয়েছে সেলুলার রেসপিরেশন।
কারণ আপনার দেহের তাপমাত্রা সহ শ্বাসের কাজ চালানোর জন্য চামড়ার রেসপিরেশন দরকার।
এরকম শ্বাস নিতে হলে ইউটিউবে হোল বডি রেসপিরেশনের টেকনিক দেখে নিতে পারেন। এজন্যেই নিয়মিত গোসল করে চামড়া পরিষ্কার রাখা জরুরি।
যাই হোক, এবার রিলাক্সেশন এক্সারসাইজের পরের ধাপে আসি।
আপনার চোখ বন্ধ আছে , নিজের আপন বলয়টা অনুভব করবেন। এবার দেহ নয় বরং দেহের ভেতর ও বাইরের দেহ সংলগ্ন খালি অংশের দিকে আপনার মনোযোগ দিতে হবে।
তাই প্রথমে আপনার মুখের সামনের বাতাসকে অনুভব করুন। তারপর চোখের সামনের বাতাস ফিল করুন। এবার নাকের ফুটোর বাতাসে মন দিন। দেখুন ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে আর গরম বাতাস বেরুচ্ছে। কল্পনা করবেন না। অনুভব করুন।
এবার মুখের ভেতর জমে থাকা বাতাস অনুভব করুন। এবার চোয়াল থেকে বুক পর্যন্ত বাইরের বাতাস ফিল করুন। আপনার গলা ও শ্বাসনালীর ভেতরের বাতাস ফিল করুন। আপনার মাথা ও ঘাড়ের পেছনের বাতাস ফিল করুন। সম্পূর্ণ পিঠের পেছনের দিকের বাতাস ফিল করুন। বুক ও পেটের সামনের বাতাস ফিল করুন। দু'পায়ের মধ্যবর্তী বাতাস ফিল করুন। তাদের বাইরের দিকের বাতাস ফিল করুন।
দেখুন আপনার এনার্জি বলয় পরিষ্কার হয়ে গেছে।
এবার মনে করুন যারা আপনার জীবনে কোন না কোন সময় আপনাকে দুঃখ দিয়েছে বিশাল এক জেলে আপনি তাদের বন্দি করে রেখেছেন, আপনি অডিও-ভিডিও প্রমাণসহ তাদের বন্দি করে রেখেছেন। আপনি মনে মনে চেয়েছেন তাদের কঠিন শাস্তি হোক।
তাদের অনেকে শাস্তি পেয়েছে। কেউ কেউ পায়নি। তবু আপনি তাদের জেলে আটকে রেখেছেন। যেভাবেই হোক তারা তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করুক।
কিন্তু এখন আপনাকে একটা ভাল কাজ করতে হবে। আপনি আপনার জেলের দরজা খুলে দিন।
প্রতিদিন এক মাস এ মেডিটেশন করে জীবনে যতজনকে আপনার মনে' আটকে রেখেছিলেন, তাদের সবাইকে ছেড়ে দিন।
দেখুন আপনি তাদের আটকে রেখেছেন মনে হলেও আসলে তাদের পাহারা দিতে গিয়ে, নিজেই হয়ে পড়েছিলেন বন্দি। তাদের ছেড়ে দিয়ে আপনি এখন মুক্ত। আপনার আর কোন জেলখানা পাহারা দিতে হচ্ছে না।
এবার একটা সুন্দর বাগানবাড়ি কল্পনা করুন। দেখুন সেখানে আপনার সব বন্ধু আর যারা আপনাকে ভাল কাজে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের জমা করে রেখেছেন। সময় পেলেই আপনি তাদের সাথে সময় কাটাতে সে বাগানবাড়িতে চলে যান। এবার তাদেরও মুক্ত করে দিন।
দুঃখের স্মৃতি যেমন আপনাকে বন্দি করে রাখে, আনন্দের স্মৃতিও আপনাকে একইভাবে বন্দি করে রাখে।
এই দুটো দলকেই পাখি বানিয়ে উড়িয়ে দিন।
এবার বাকি রয়ে গেলেন শুধু আপনি। স্মৃতিবিহীন। দুঃখ বা আনন্দবিহীন। এটাই পরম শান্তির জায়গা।
আপনার আসল ঘর এটাই। শূন্য ঘর।
আনন্দ এবং দুঃখ চক্রাকারে আসে। আপনি এখন এ চক্র ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন। এখন আপনার জীবনে থাকবে শুধু শান্তি।
আপনি এখন আর চিন্তার জেলখানা বা বাগান বাড়ি নতুন করে তৈরি করবেন না ,আপনি এখন চিন্তামুক্তভাবে বাঁচতে চান, জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে চান।
এবার আপনি চোখ বুজে ৫ থেকে ১০ মিনিট চিন্তা-শূন্য অবস্থায় কাটিয়ে চোখ খুলুন।
(এতক্ষণ আমরা যা শিখলাম এটা হচ্ছে "জো ডিসপেনজার কোহেরেন্স মেডিটেশন" )
দেখুন আপনার এনার্জি বলয় পরিষ্কার হয়ে গেছে।
এবার মনে করুন যারা আপনার জীবনে কোন না কোন সময় আপনাকে দুঃখ দিয়েছে বিশাল এক জেলে আপনি তাদের বন্দি করে রেখেছেন, আপনি অডিও-ভিডিও প্রমাণসহ তাদের বন্দি করে রেখেছেন। আপনি মনে মনে চেয়েছেন তাদের কঠিন শাস্তি হোক।
তাদের অনেকে শাস্তি পেয়েছে। কেউ কেউ পায়নি। তবু আপনি তাদের জেলে আটকে রেখেছেন। যেভাবেই হোক তারা তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করুক।
কিন্তু এখন আপনাকে একটা ভাল কাজ করতে হবে। আপনি আপনার জেলের দরজা খুলে দিন।
প্রতিদিন এক মাস এ মেডিটেশন করে জীবনে যতজনকে আপনার মনে' আটকে রেখেছিলেন, তাদের সবাইকে ছেড়ে দিন।
দেখুন আপনি তাদের আটকে রেখেছেন মনে হলেও আসলে তাদের পাহারা দিতে গিয়ে, নিজেই হয়ে পড়েছিলেন বন্দি। তাদের ছেড়ে দিয়ে আপনি এখন মুক্ত। আপনার আর কোন জেলখানা পাহারা দিতে হচ্ছে না।
এবার একটা সুন্দর বাগানবাড়ি কল্পনা করুন। দেখুন সেখানে আপনার সব বন্ধু আর যারা আপনাকে ভাল কাজে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের জমা করে রেখেছেন। সময় পেলেই আপনি তাদের সাথে সময় কাটাতে সে বাগানবাড়িতে চলে যান। এবার তাদেরও মুক্ত করে দিন।
দুঃখের স্মৃতি যেমন আপনাকে বন্দি করে রাখে, আনন্দের স্মৃতিও আপনাকে একইভাবে বন্দি করে রাখে।
এই দুটো দলকেই পাখি বানিয়ে উড়িয়ে দিন।
এবার বাকি রয়ে গেলেন শুধু আপনি। স্মৃতিবিহীন। দুঃখ বা আনন্দবিহীন। এটাই পরম শান্তির জায়গা।
আপনার আসল ঘর এটাই। শূন্য ঘর।
আনন্দ এবং দুঃখ চক্রাকারে আসে। আপনি এখন এ চক্র ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন। এখন আপনার জীবনে থাকবে শুধু শান্তি।
আপনি এখন আর চিন্তার জেলখানা বা বাগান বাড়ি নতুন করে তৈরি করবেন না ,আপনি এখন চিন্তামুক্তভাবে বাঁচতে চান, জীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে চান।
এবার আপনি চোখ বুজে ৫ থেকে ১০ মিনিট চিন্তা-শূন্য অবস্থায় কাটিয়ে চোখ খুলুন।
(এতক্ষণ আমরা যা শিখলাম এটা হচ্ছে "জো ডিসপেনজার কোহেরেন্স মেডিটেশন" )
আমি মাঝেমধ্যে পুরোপুরি ব্ল্যাংক হয়ে যাই।
হতাশ লাগে। কি করবো, কোন দিকে যাবো,
কিছুই বুঝতে পারি না।
কারণ সত্যিটা হলো, দুনিয়াটা ফেয়ার জায়গা না।
এখানে শুধু যোগ্য হওয়াটা, শুধু চেষ্টা করাটাই অনেক সময় যথেষ্ট না।
আপনি সৎ থাকতে চাইবেন, রুলস মেনে চলতে চাইবেন।
কিন্তু আপনাকে খেলতে হবে এমন সব মানুষের সাথে,
যারা রুলস মানে না, যারা শর্টকাট নেয়,
যারা আনফেয়ারভাবেই এগিয়ে যায়।
সেই সময় হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু এটাও মাথায় রাখা দরকার,
দুনিয়া সবসময় ফেয়ার হবে না, তাই বলে আমাকেও আনফেয়ার হতে হবে, এমন কোনো নিয়ম কিন্তু নেই।
দুনিয়াতে কেউ হয়তো দ্রুত জিতবে,
আর কেউ হয়তো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে।
কিন্তু অনেকসময় নিজের কাছে হেরে না যাওয়া আর টিকে থাকাটাই আসলে সবচেয়ে বড় জয়।
হতাশ লাগে। কি করবো, কোন দিকে যাবো,
কিছুই বুঝতে পারি না।
কারণ সত্যিটা হলো, দুনিয়াটা ফেয়ার জায়গা না।
এখানে শুধু যোগ্য হওয়াটা, শুধু চেষ্টা করাটাই অনেক সময় যথেষ্ট না।
আপনি সৎ থাকতে চাইবেন, রুলস মেনে চলতে চাইবেন।
কিন্তু আপনাকে খেলতে হবে এমন সব মানুষের সাথে,
যারা রুলস মানে না, যারা শর্টকাট নেয়,
যারা আনফেয়ারভাবেই এগিয়ে যায়।
সেই সময় হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু এটাও মাথায় রাখা দরকার,
দুনিয়া সবসময় ফেয়ার হবে না, তাই বলে আমাকেও আনফেয়ার হতে হবে, এমন কোনো নিয়ম কিন্তু নেই।
দুনিয়াতে কেউ হয়তো দ্রুত জিতবে,
আর কেউ হয়তো ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে।
কিন্তু অনেকসময় নিজের কাছে হেরে না যাওয়া আর টিকে থাকাটাই আসলে সবচেয়ে বড় জয়।
শারঈ প্রশ্নোত্তর | প্রশ্নঃ রোজায় সহবাস হয়ে গেলে কাফফারা হিসেবে শুধু ফিতরা আদায় করলে হবে?: জবাবঃ-بسم الله الرحمن الرحيم
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ: هَلَكْتُ، قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ؟» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً» قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ» قَالَ: لَا أُطِيقُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»
অনুবাদ- হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাঃ জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে কে ধ্বংস করেছে? সাহাবী বললেন, রমজানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। রাসূল সাঃ তাকে বললেন, তাহলে এর বদলে একটি গোলাম আযাদ কর। সাহাবী বললেন, আমি এতে সক্ষম নই। নবীজী সাঃ বললেন, তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখ। সাহাবী বললেন, আমি এতেও সক্ষম নই। তখন রাসূল সাঃ বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খানা খাওয়াও। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৭১, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৬৯৪৪, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-১১০৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৯৪৯, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩৫২৭}
★★রোযার কাফফারা আদায় করার পদ্ধতিঃ
আপনি যদি শারিরিকভাবে শক্ত সামর্থ হয়ে থাকেন। তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে রোযা ভাঙ্গা যাবে না। যদি মাঝখানে রোযা ভেঙ্গে ফেলেন তাহলে আবার প্রথম থেকে ৬০ দিন গণনা করতে হবে। এভাবে ষাট দিন রোযা রাখলে আপনার রোযা ভঙ্গের কাফফারা আদায় হয়ে যাবে। আর যদি লাগাতার ষাট দিন রোযা রাখতে সক্ষম না হন, তাহলে প্রতি রোযার জন্য সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা গরীবদের দান করে দেয়া আবশ্যক। তথা ষাট রোযার জন্য ষাটটি সদকায়ে ফিতির পরিমাণ অর্থ দান করা আবশ্যক।প্রতি রোযার পরিবর্তে একজন গরীবকে দুবেলা খাবার খাওয়াবে অথবা পৌনে দু’ কেজি গমের মূল্য সদকা করবে। এটাকে বলা হয় ফিদিয়া । যেমন সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা যদি ৬০ টাকা হয়। তাহলে আপনার তিন হাজার ছয়শত টাকা দান করা আবশ্যক। কিন্তু মনে রাখতে হবে রোযা রাখতে সক্ষম হলে ফিদিয়া আদায় করলে তা আদায় হবে না।
বিস্তারিত জানুনঃ https://ifatwa.info/1752/
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী কাফফারার রোযা আদায়ে সক্ষম হলে তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
লাগাতার ৬০ টি রোযা রাখার শারীরিক ভাবে শক্তি না থাকলে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করে দিতে হবে।দুইজনকে আলাদা আলাদা ভাবে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করতে হবে।
★প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ে কাফফারার রোযা আদায়ে শারিরীক ভাবে ফিট,সুতরাং তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
সদকায়ে ফিতর আদায়ের সুযোগ নেই।
পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে।
http://dlvr.it/TRDVtM Web: www.ifatwa.info
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ: هَلَكْتُ، قَالَ: «وَمَا أَهْلَكَكَ؟» قَالَ: وَقَعْتُ عَلَى امْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَعْتِقْ رَقَبَةً» قَالَ: لَا أَجِدُ، قَالَ: «صُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ» قَالَ: لَا أُطِيقُ، قَالَ: «أَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا»
অনুবাদ- হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। রাসূল সাঃ জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাকে কে ধ্বংস করেছে? সাহাবী বললেন, রমজানে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। রাসূল সাঃ তাকে বললেন, তাহলে এর বদলে একটি গোলাম আযাদ কর। সাহাবী বললেন, আমি এতে সক্ষম নই। নবীজী সাঃ বললেন, তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখ। সাহাবী বললেন, আমি এতেও সক্ষম নই। তখন রাসূল সাঃ বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকিনকে খানা খাওয়াও। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৭১, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৬৯৪৪, মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-১১০৭, সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৯৪৯, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৩৫২৭}
★★রোযার কাফফারা আদায় করার পদ্ধতিঃ
আপনি যদি শারিরিকভাবে শক্ত সামর্থ হয়ে থাকেন। তাহলে লাগাতার দুই মাস রোযা রাখতে হবে। মাঝখানে রোযা ভাঙ্গা যাবে না। যদি মাঝখানে রোযা ভেঙ্গে ফেলেন তাহলে আবার প্রথম থেকে ৬০ দিন গণনা করতে হবে। এভাবে ষাট দিন রোযা রাখলে আপনার রোযা ভঙ্গের কাফফারা আদায় হয়ে যাবে। আর যদি লাগাতার ষাট দিন রোযা রাখতে সক্ষম না হন, তাহলে প্রতি রোযার জন্য সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা গরীবদের দান করে দেয়া আবশ্যক। তথা ষাট রোযার জন্য ষাটটি সদকায়ে ফিতির পরিমাণ অর্থ দান করা আবশ্যক।প্রতি রোযার পরিবর্তে একজন গরীবকে দুবেলা খাবার খাওয়াবে অথবা পৌনে দু’ কেজি গমের মূল্য সদকা করবে। এটাকে বলা হয় ফিদিয়া । যেমন সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা যদি ৬০ টাকা হয়। তাহলে আপনার তিন হাজার ছয়শত টাকা দান করা আবশ্যক। কিন্তু মনে রাখতে হবে রোযা রাখতে সক্ষম হলে ফিদিয়া আদায় করলে তা আদায় হবে না।
বিস্তারিত জানুনঃ https://ifatwa.info/1752/
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী কাফফারার রোযা আদায়ে সক্ষম হলে তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
লাগাতার ৬০ টি রোযা রাখার শারীরিক ভাবে শক্তি না থাকলে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করে দিতে হবে।দুইজনকে আলাদা আলাদা ভাবে ৬০ টি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনকে দান করতে হবে।
★প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ে কাফফারার রোযা আদায়ে শারিরীক ভাবে ফিট,সুতরাং তাদেরকে কাফফারা হিসেবে লাগাতার ৬০ দিন রোযাই রাখতে হবে।
সদকায়ে ফিতর আদায়ের সুযোগ নেই।
পাশাপাশি মহান আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে।
http://dlvr.it/TRDVtM Web: www.ifatwa.info
ifatwa.info
১৮ নং কলামের অজুহাতে স্ত্রী কি কাজী অফিসে গিয়ে তালাক দিতে পারবে? - Islamic Fatwa
কাবিন নামার ১৮ নং কলামের অজুহাতে স্ত্রী কি কাজী অফিসে গিয়ে তালাক দিতে পারবে? .................................. ... ................................
সময়ই টাকা, কিন্তু টাকা কিন্তু সময় নয়। এই একটা বাক্য বুঝতে না পারার কারণেই বেশিরভাগ মানুষ সারাজীবন ইঁদুর দৌড়ে আটকা পড়ে থাকে।
অনেকে মনে করে কোনো জিনিস 'দামী' কারণ তাদের মাথায় একটা হিসেব চলে— "টাকা = আমার জীবনের কয়েক ঘণ্টা খাটুনি।" ফলে যখন তারা টাকা খরচ করে, তাদের মনে হয় তারা কেবল নগদ টাকা নয়, বরং তাদের জীবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু সত্যিটা হলো, তুমি টাকা নয়, বরং ভুল জিনিসটা খরচ করছো। তুমি খরচ করছো তোমার এনার্জি, তোমার লক্ষ্য আর তোমার মানসিক প্রশান্তি।
বাস্তবে কোনো কিছুই 'দামী' নয়। তুমি শুধু ভুল মাইন্ডসেট দিয়ে পেমেন্ট করছো। আর এই কারণেই কেনাকাটা করতে গেলে তোমার সময় নষ্ট হয়, দুশ্চিন্তা হয় আর মাথায় দুনিয়ার চাপ তৈরি হয়।
বেশিরভাগ মানুষ গরিব রয়ে যায় কারণ তারা টাকা বাঁচানোর চক্করে নিজের 'জীবন' খরচ করে ফেলে।
একজন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করে: "এটার দাম কত?"
একজন জ্ঞানী মানুষ প্রশ্ন করে: "এই জিনিসটা আমার থেকে কী কী কেড়ে নেবে?"
একটি উদাহরণ— ধরো, তুমি সস্তায় একটা পুরনো ল্যাপটপ কিনলে। টাকা কম লাগলো ঠিকই, কিন্তু ওটা স্লো হওয়ার কারণে প্রতিদিন তোমার ২ ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে আর মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তাহলে ওই সস্তা জিনিসটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে 'দামী' জিনিস, কারণ ওটা তোমার শান্তি আর সময় চুরি করছে।
অন্যদিকে, এমন কোনো দামী গ্যাজেট বা সফটওয়্যার যা তোমার কাজকে সহজ করে তোমাকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বাড়তি সময় উপহার দেয়, সেটিই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা ডিল। কারণ ওটা তোমাকে স্বাধীনতা এনে দিচ্ছে।
তুমি তাই আজ থেকে কোনো জিনিসের দাম টাকায় জিজ্ঞেস করা বন্ধ করো।
দাম জিজ্ঞেস করো 'স্বাধীনতার' এককে।
প্রতিবার কিছু কেনার সময় নিজেকে এই একটা প্রশ্ন করো: "এই জিনিসটা কি আমাকে আরও স্বাধীনতা দেবে, নাকি আমার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে?"
যদি কোনো সস্তা জিনিস তোমার মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়, তবে ওটা বর্জন করো। আর যদি কোনো দামী জিনিস তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বাড়তি সময় বা সুযোগ দেয়, তবে জানবে ওটাই তোমার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট।
মনে রেখো, তোমার সময় লিমিটেড, কিন্তু টাকা নয়। তাই টাকা বাঁচানোর জন্য সময় খরচ করা বন্ধ করো!
Red Pill 2
অনেকে মনে করে কোনো জিনিস 'দামী' কারণ তাদের মাথায় একটা হিসেব চলে— "টাকা = আমার জীবনের কয়েক ঘণ্টা খাটুনি।" ফলে যখন তারা টাকা খরচ করে, তাদের মনে হয় তারা কেবল নগদ টাকা নয়, বরং তাদের জীবনের মূল্যবান সময় হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু সত্যিটা হলো, তুমি টাকা নয়, বরং ভুল জিনিসটা খরচ করছো। তুমি খরচ করছো তোমার এনার্জি, তোমার লক্ষ্য আর তোমার মানসিক প্রশান্তি।
বাস্তবে কোনো কিছুই 'দামী' নয়। তুমি শুধু ভুল মাইন্ডসেট দিয়ে পেমেন্ট করছো। আর এই কারণেই কেনাকাটা করতে গেলে তোমার সময় নষ্ট হয়, দুশ্চিন্তা হয় আর মাথায় দুনিয়ার চাপ তৈরি হয়।
বেশিরভাগ মানুষ গরিব রয়ে যায় কারণ তারা টাকা বাঁচানোর চক্করে নিজের 'জীবন' খরচ করে ফেলে।
একজন সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করে: "এটার দাম কত?"
একজন জ্ঞানী মানুষ প্রশ্ন করে: "এই জিনিসটা আমার থেকে কী কী কেড়ে নেবে?"
একটি উদাহরণ— ধরো, তুমি সস্তায় একটা পুরনো ল্যাপটপ কিনলে। টাকা কম লাগলো ঠিকই, কিন্তু ওটা স্লো হওয়ার কারণে প্রতিদিন তোমার ২ ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে আর মেজাজ খারাপ হচ্ছে। তাহলে ওই সস্তা জিনিসটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে 'দামী' জিনিস, কারণ ওটা তোমার শান্তি আর সময় চুরি করছে।
অন্যদিকে, এমন কোনো দামী গ্যাজেট বা সফটওয়্যার যা তোমার কাজকে সহজ করে তোমাকে প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বাড়তি সময় উপহার দেয়, সেটিই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা ডিল। কারণ ওটা তোমাকে স্বাধীনতা এনে দিচ্ছে।
তুমি তাই আজ থেকে কোনো জিনিসের দাম টাকায় জিজ্ঞেস করা বন্ধ করো।
দাম জিজ্ঞেস করো 'স্বাধীনতার' এককে।
প্রতিবার কিছু কেনার সময় নিজেকে এই একটা প্রশ্ন করো: "এই জিনিসটা কি আমাকে আরও স্বাধীনতা দেবে, নাকি আমার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে?"
যদি কোনো সস্তা জিনিস তোমার মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়, তবে ওটা বর্জন করো। আর যদি কোনো দামী জিনিস তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বাড়তি সময় বা সুযোগ দেয়, তবে জানবে ওটাই তোমার জীবনের সেরা ইনভেস্টমেন্ট।
মনে রেখো, তোমার সময় লিমিটেড, কিন্তু টাকা নয়। তাই টাকা বাঁচানোর জন্য সময় খরচ করা বন্ধ করো!
Red Pill 2
আজ থেকে ঠিক ৩ বছর পর তোমার জীবন প্রায় একই রকম থাকবে, যদি না তুমি আজ একটা বড় সিদ্ধান্ত নাও।
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে; কিন্তু প্রশ্ন হলো—তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?
বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না; তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।
নিজের ভবিষ্যৎকে একটু 'দেখার' চেষ্টা করো।
চোখ বন্ধ করো।
একটু গভীরভাবে ভাবো তো—
আজ থেকে ৩ বছর পর তুমি কোথায় আছো? কোন বাড়িতে থাকছো?
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মনের অবস্থা কেমন? কতটা প্রাণবন্ত লাগছে নিজেকে?
তোমার স্বাস্থ্য কেমন? তোমার শরীর কি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট?
তোমার খাবারের টেবিলে চেয়ারে তোমার সাথে কারা বসে আছে? তোমার প্রিয় মানুষগুলো কি তোমার সাথেই আছে?
তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।
মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয়না, ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে। তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে, নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।
আজ রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় বের করো। একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো যার টাইটেল হবে— "৩ বছর পর আমার জীবন":
* খুব নির্দিষ্ট করে লেখো।
* সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। বোল্ড হও।
* নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো।
কারণ, তোমার মনের ভেতরের এই স্বচ্ছতা বা 'ক্ল্যারিটি' তোমার ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো, তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।
Red Pill 2
৩ বছর পর তুমি জীবনের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে তো অবশ্যই পৌঁছাবে; কিন্তু প্রশ্ন হলো—তুমি কি তোমার নিজের পরিকল্পনায় সেখানে পৌঁছেছো, নাকি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে স্রেফ স্রোতে ভেসে সেখানে গেছো?
বেশিরভাগ মানুষ লক্ষ্য ছোট হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না; তারা ব্যর্থ হয় কারণ তাদের সামনে ভবিষ্যতের কোনো পরিষ্কার ছবি নেই। যার ফলে তারা কোন দিকে যাবে, তা বুঝে উঠতে পারে না।
নিজের ভবিষ্যৎকে একটু 'দেখার' চেষ্টা করো।
চোখ বন্ধ করো।
একটু গভীরভাবে ভাবো তো—
আজ থেকে ৩ বছর পর তুমি কোথায় আছো? কোন বাড়িতে থাকছো?
সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার মনের অবস্থা কেমন? কতটা প্রাণবন্ত লাগছে নিজেকে?
তোমার স্বাস্থ্য কেমন? তোমার শরীর কি আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট?
তোমার খাবারের টেবিলে চেয়ারে তোমার সাথে কারা বসে আছে? তোমার প্রিয় মানুষগুলো কি তোমার সাথেই আছে?
তুমি যদি তোমার গন্তব্য কল্পনায় দেখতেই না পাও, তবে তুমি সেই দিকে জীবনকে নিবে কীভাবে?
আমার জীবনের প্রতিটি বড় আর মিনিংফুল পরিবর্তন ঠিক এইভাবে শুরু হয়েছিল। আমি সেটা বাস্তবে পাওয়ার অনেক আগেই নিজের মনের ভেতরে তা পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলাম।
মনে রেখো, তোমার ভবিষ্যৎ ৩ বছর পর তৈরি হয়না, ওটা আজকেই তৈরি হয়। তোমার ভবিষ্যৎ আজ থেকে ৩ বছর পর হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। ওটা তৈরি হচ্ছে আজ, এই মুহূর্তে তোমার নেওয়া ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলোর মাধ্যমে। তোমার প্রতিটি চয়েস বা ডিসিশন হয় তোমার সেই কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের ছবির সাথে মিলছে, নয়তো সেটাকে দূরে ঠেলছে।
আজ রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট সময় বের করো। একটা ডায়েরিতে একটি প্যারাগ্রাফ লেখো যার টাইটেল হবে— "৩ বছর পর আমার জীবন":
* খুব নির্দিষ্ট করে লেখো।
* সাহসের সাথে বড় স্বপ্ন নিয়ে লেখো। বোল্ড হও।
* নিজের মনের কাছে একদম সৎ থেকে লেখো।
কারণ, তোমার মনের ভেতরের এই স্বচ্ছতা বা 'ক্ল্যারিটি' তোমার ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দেয়।
তুমি যদি নিশ্চিত হও যে, তুমি কোথায় যাচ্ছো, তাহলে পুরো দুনিয়া তোমাকে পথ করে দেবে।
Red Pill 2
বান্দার সীমালঙ্ঘনের কারণে আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতেও নানা ধরনের শাস্তি দিয়ে থাকেন। পবিত্র কোরআনে মহা আল্লাহ ঘোষণা করেন, ‘তোমাদের ওপর যে বিপদই উপনীত হয় তা তোমাদের হাতের কামাই, তিনি অনেক অপরাধই ক্ষমা করে দেন’ (সুরা শুরা: ৩০)। ‘গুরুতর শাস্তির আগে আমি তাদেরকে অবশ্য অবশ্যই লঘু শাস্তি আস্বাদন করাব যাতে তারা (অনুশোচনা নিয়ে) ফিরে আসে।’ (সুরা সাজদাহ: ২১)
নিচে ১৪টি জঘন্য পাপের পরিচয় তুলে ধরা হলো, যেগুলোর শাস্তি পরকালের জন্য নির্ধারিত রয়েছেই, দুনিয়াতেও পেতে হবে।
১. মা-বাবার অবাধ্যতা
সন্তানের জন্য দুনিয়াতে জান্নাত এবং জাহান্নাম হচ্ছেন মা-বাবা। মা-বাবা অমুসলিম হলেও সন্তানের ওপর তাদের সঙ্গে সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহর অবাধ্যতার বিষয় না থাকলে তাদের নির্দেশ মান্য করা চলা কর্তব্য। মা-বাবা অসন্তুষ্ট হলে মহান আল্লাহও অসন্তুষ্ট হয়ে যান। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি আর মা-বাবার অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। (তিরমিজি: ১৮৯৯)
২. জুলুম
জুলুম কঠিন গুনাহ। দুনিয়া-আখেরাত কোথাও জালেমকে ছাড় দেওয়া হয় না। আজ হোক বা কাল—তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আল্লাহ পাক বলেন, ‘আমি তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রাখি। আমার কৌশল অতি শক্তিশালী।’(সূরা নুন: ৪৫) আল্লাহ পাক আরও বলেন, ‘জালেমরা যা করছে, সে সম্পর্কে তোমরা আল্লাহকে উদাসীন ভেবো না, তিনি তাদের ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ওই দিন পর্যন্ত, যেদিন চোখগুলো সব আতঙ্কে বড় বড় হয়ে যাবে।’(সুরা ইবরাহীম: ৪৩) অন্য আয়াতে তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, এমনই ছিল তোমার রবের ধরপাকড়, যখন তিনি ধরেছিলেন ওই জালেম বসতিগুলোকে, নিশ্চয়ই তার ধরা অনেক কঠিন যন্ত্রণাময়। (সুরা হুদ: ১০২)
৩. কোনো মুসলমানের ইজ্জত নষ্ট করা
মানুষের সম্মান রক্ষা করা ইসলামে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এর ফজিলত অসীম। জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার বড় উপায়। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন, ‘যে তার ভাইয়ের সম্মান তার অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল আগুন থেকে রক্ষা করবেন।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৯৩১)
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
ইসলামি শরিয়তে সাধ্যানুযায়ী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (সহিহ বুখারি: ৬১৩৮)
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখেরাতের পাশাপাশি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। তা হলো, জুলুম ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শাস্তি।’ (তিরমিজি: ২৫১১)
৫. লোক দেখানো আমল
রিয়া বা লোক দেখানো আমলকে বলা হয় ছোট শিরক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন—‘আমি যে বিষয়টি তোমাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো শিরকে আসগর (ছোট শিরক)। সাহাবিরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! শিরকে আসগর কী? তিনি বলেন, রিয়া বা লোক দেখানো আমল। কেয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে, তখন মহান আল্লাহ তাদেরকে বলবেন, তোমরা যাদের দেখাতে তাদের কাছে যাও, দেখো তাদের কাছে তোমাদের পুরস্কার পাও কি না!’ (আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/৪২৮-৪২৯;
৬. আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করা
আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করলে বা আল্লাহর নেয়ামতের না-শোকরি করলে আল্লাহ তাআলা নগদে শাস্তি দেন। সুরা নাহালে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহ উপমা পেশ করছেন, একটি জনপদ, যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত। সবদিক থেকে তার রিজিক তাতে বিপুলভাবে আসত। অতঃপর সে আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করল। তখন তারা যা করত তার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষুধা ও ভয়ের পোশাক পরালেন।’ (সুরা নাহাল: ১১২)
৭. ব্যভিচার
জেনা বা নারী-পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইসলাম। ব্যভিচারের শাস্তি দুনিয়াতেও হয়ে থাকে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ব্যভিচারের মন্দ পরিণাম ছয়টি। তিনটি দুনিয়ায় আর তিনটি আখেরাতে। দুনিয়ার তিনটি হলো—১. চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হওয়া, ২. দরিদ্র, ৩. অকালমৃত্যু । আর আখিরাতের তিনটি হলো—১. আল্লাহর অসন্তুষ্টি, ২. হিসাব-নিকাশের কঠোরতা ও ৩. জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। (ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ, ই.ফা. পৃ-১০৯)
৮. অহংকার
অহংকারীরা পরকালে কঠিন শাস্তি পাবে। জান্নাত তার জন্য হারাম। অহংকারের শাস্তি দুনিয়াতেও দেওয়া হয়। একবার বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি গর্ব করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি দেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগেও এমন একটি ঘটনা ঘটে।
৯. সুদখোর ও ঘুষখোর
সুদের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নবীজি (স.) অভিশাপ দিয়েছেন। যাদের ওপর নবীজি লানত দিয়েছেন তারা দুনিয়াতেই শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। বর্ণিত হয়েছে, ‘যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, যে সাক্ষী থাকে এবং যে ব্যক্তি সুদের হিসাব-নিকাশ বা সুদের চুক্তিপত্র ইত্যাদি লিখে দেয় সবার প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) লানত করেছেন।’ (তিরমিজি: ১২০৬)
নিচে ১৪টি জঘন্য পাপের পরিচয় তুলে ধরা হলো, যেগুলোর শাস্তি পরকালের জন্য নির্ধারিত রয়েছেই, দুনিয়াতেও পেতে হবে।
১. মা-বাবার অবাধ্যতা
সন্তানের জন্য দুনিয়াতে জান্নাত এবং জাহান্নাম হচ্ছেন মা-বাবা। মা-বাবা অমুসলিম হলেও সন্তানের ওপর তাদের সঙ্গে সদাচরণ করার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহর অবাধ্যতার বিষয় না থাকলে তাদের নির্দেশ মান্য করা চলা কর্তব্য। মা-বাবা অসন্তুষ্ট হলে মহান আল্লাহও অসন্তুষ্ট হয়ে যান। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি আর মা-বাবার অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। (তিরমিজি: ১৮৯৯)
২. জুলুম
জুলুম কঠিন গুনাহ। দুনিয়া-আখেরাত কোথাও জালেমকে ছাড় দেওয়া হয় না। আজ হোক বা কাল—তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আল্লাহ পাক বলেন, ‘আমি তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রাখি। আমার কৌশল অতি শক্তিশালী।’(সূরা নুন: ৪৫) আল্লাহ পাক আরও বলেন, ‘জালেমরা যা করছে, সে সম্পর্কে তোমরা আল্লাহকে উদাসীন ভেবো না, তিনি তাদের ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ওই দিন পর্যন্ত, যেদিন চোখগুলো সব আতঙ্কে বড় বড় হয়ে যাবে।’(সুরা ইবরাহীম: ৪৩) অন্য আয়াতে তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, এমনই ছিল তোমার রবের ধরপাকড়, যখন তিনি ধরেছিলেন ওই জালেম বসতিগুলোকে, নিশ্চয়ই তার ধরা অনেক কঠিন যন্ত্রণাময়। (সুরা হুদ: ১০২)
৩. কোনো মুসলমানের ইজ্জত নষ্ট করা
মানুষের সম্মান রক্ষা করা ইসলামে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এর ফজিলত অসীম। জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার বড় উপায়। আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন, ‘যে তার ভাইয়ের সম্মান তার অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল আগুন থেকে রক্ষা করবেন।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৯৩১)
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
ইসলামি শরিয়তে সাধ্যানুযায়ী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (সহিহ বুখারি: ৬১৩৮)
রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখেরাতের পাশাপাশি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। তা হলো, জুলুম ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শাস্তি।’ (তিরমিজি: ২৫১১)
৫. লোক দেখানো আমল
রিয়া বা লোক দেখানো আমলকে বলা হয় ছোট শিরক। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন—‘আমি যে বিষয়টি তোমাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো শিরকে আসগর (ছোট শিরক)। সাহাবিরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! শিরকে আসগর কী? তিনি বলেন, রিয়া বা লোক দেখানো আমল। কেয়ামতের দিন যখন মানুষকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে, তখন মহান আল্লাহ তাদেরকে বলবেন, তোমরা যাদের দেখাতে তাদের কাছে যাও, দেখো তাদের কাছে তোমাদের পুরস্কার পাও কি না!’ (আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/৪২৮-৪২৯;
৬. আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করা
আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করলে বা আল্লাহর নেয়ামতের না-শোকরি করলে আল্লাহ তাআলা নগদে শাস্তি দেন। সুরা নাহালে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহ উপমা পেশ করছেন, একটি জনপদ, যা ছিল নিরাপদ ও শান্ত। সবদিক থেকে তার রিজিক তাতে বিপুলভাবে আসত। অতঃপর সে আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করল। তখন তারা যা করত তার কারণে আল্লাহ তাকে ক্ষুধা ও ভয়ের পোশাক পরালেন।’ (সুরা নাহাল: ১১২)
৭. ব্যভিচার
জেনা বা নারী-পুরুষের অবৈধ সম্পর্ক থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইসলাম। ব্যভিচারের শাস্তি দুনিয়াতেও হয়ে থাকে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ব্যভিচারের মন্দ পরিণাম ছয়টি। তিনটি দুনিয়ায় আর তিনটি আখেরাতে। দুনিয়ার তিনটি হলো—১. চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হওয়া, ২. দরিদ্র, ৩. অকালমৃত্যু । আর আখিরাতের তিনটি হলো—১. আল্লাহর অসন্তুষ্টি, ২. হিসাব-নিকাশের কঠোরতা ও ৩. জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। (ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ, ই.ফা. পৃ-১০৯)
৮. অহংকার
অহংকারীরা পরকালে কঠিন শাস্তি পাবে। জান্নাত তার জন্য হারাম। অহংকারের শাস্তি দুনিয়াতেও দেওয়া হয়। একবার বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি গর্ব করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি দেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগেও এমন একটি ঘটনা ঘটে।
৯. সুদখোর ও ঘুষখোর
সুদের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নবীজি (স.) অভিশাপ দিয়েছেন। যাদের ওপর নবীজি লানত দিয়েছেন তারা দুনিয়াতেই শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত। বর্ণিত হয়েছে, ‘যে সুদ খায়, যে সুদ খাওয়ায়, যে সাক্ষী থাকে এবং যে ব্যক্তি সুদের হিসাব-নিকাশ বা সুদের চুক্তিপত্র ইত্যাদি লিখে দেয় সবার প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) লানত করেছেন।’ (তিরমিজি: ১২০৬)
সুদের মাধ্যমে যত অর্থই উপার্জন করুক, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাতে কোনো বরকত নেই। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করে দেন এবং সদকাকে বর্ধিত করে দেন।’ (সুরা বাকারা: ২৭৬)
১০. মদপান ও জুয়াখেলা
মদপান ও জুয়া খেলা উভয় শয়তানের কাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, তাহলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে। (সুরা আল মায়েদা: ৯০)
১১. চুরি ডাকাতি ছিনতাই
চুরি করা জঘন্য অপরাধ। এর শাস্তি হলো, কবজি পর্যন্ত হাত কেটে দেওয়া। যেমন আল্লাহর বাণী—‘পুরুষ চোর ও নারী চোরের অপরাধের শাস্তিস্বরূপ উভয়ের হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দাও।’ (সুরা : মায়েদা: ৩৮) ডাকাতি, ছিনতাই, লুটপাট ইত্যাদি চুরি অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ। কারণ চুরি হয় গোপনে। আর ডাকাতি, ছিনতাই ও লুটপাট হয় প্রকাশ্যে। এদের শাস্তি হলো হত্যা, শূলে চড়ানো, হাত-পা কেটে ফেলা ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা। মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটপাট করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (আবু দাউদ, মেশকাত, পৃ-৩১৩)
১২. মিথ্যা কসম ও ধোঁকা
মিথ্যা কসম খাওয়া এবং মানুষকে ধোঁকা দিলে তাকে নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন করা হয়। এর একটি হলো- আয়-উপার্জনের বরকত চলে যায়। আর বরকত চলে যাওয়া মানে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বেচাকেনা করার সময় তোমরা অধিক কসম করা থেকে সাবধান থেকো। কারণ, মিথ্যা কসমের দ্বারা বিক্রি বেশি হয়, কিন্তু বরকত ধ্বংস হয়ে যায়।’ (মুসলিম: ১,৬০৭)
১৩. জাকাত না দেওয়া
জাকাত ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ বা মৌলিক বিধান। জাকাতের বিধান প্রণয়ন করে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভারসাম্য ঠিক রেখেছে ইসলাম। সঠিকভাবে জাকাতের বিধান আদায় না করলে রিজিকের বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং এতে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন কোনো জাতি জাকাত আদায় করা বন্ধ করে দেয়; আসমান থেকে তখন বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পৃথিবীর বুকে যদি কোনো চতুষ্পদ জন্তু না থাকত, তাহলে আর কখনো বৃষ্টি হতো না।’ (ইবনে মাজাহ: ৪,০১৯)
১৪. হিংসা
হিংসা এমন এক ব্যাধি, যা শুধু মনের নয়, দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয়ে থাকে যে, হিংসুক মানুষের কোনো বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু । হিংসা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘..বলে দাও, তোমাদের আক্রোশেই তোমরা মরো..।’ (সুরা আলে ইমরান: ১১৯)
মুফতী লোকমান হুসাইন
১০. মদপান ও জুয়াখেলা
মদপান ও জুয়া খেলা উভয় শয়তানের কাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, তাহলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে। (সুরা আল মায়েদা: ৯০)
১১. চুরি ডাকাতি ছিনতাই
চুরি করা জঘন্য অপরাধ। এর শাস্তি হলো, কবজি পর্যন্ত হাত কেটে দেওয়া। যেমন আল্লাহর বাণী—‘পুরুষ চোর ও নারী চোরের অপরাধের শাস্তিস্বরূপ উভয়ের হাত কবজি পর্যন্ত কেটে দাও।’ (সুরা : মায়েদা: ৩৮) ডাকাতি, ছিনতাই, লুটপাট ইত্যাদি চুরি অপেক্ষা গুরুতর অপরাধ। কারণ চুরি হয় গোপনে। আর ডাকাতি, ছিনতাই ও লুটপাট হয় প্রকাশ্যে। এদের শাস্তি হলো হত্যা, শূলে চড়ানো, হাত-পা কেটে ফেলা ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা। মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটপাট করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (আবু দাউদ, মেশকাত, পৃ-৩১৩)
১২. মিথ্যা কসম ও ধোঁকা
মিথ্যা কসম খাওয়া এবং মানুষকে ধোঁকা দিলে তাকে নানাবিধ ক্ষতির সম্মুখীন করা হয়। এর একটি হলো- আয়-উপার্জনের বরকত চলে যায়। আর বরকত চলে যাওয়া মানে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘বেচাকেনা করার সময় তোমরা অধিক কসম করা থেকে সাবধান থেকো। কারণ, মিথ্যা কসমের দ্বারা বিক্রি বেশি হয়, কিন্তু বরকত ধ্বংস হয়ে যায়।’ (মুসলিম: ১,৬০৭)
১৩. জাকাত না দেওয়া
জাকাত ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ বা মৌলিক বিধান। জাকাতের বিধান প্রণয়ন করে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ভারসাম্য ঠিক রেখেছে ইসলাম। সঠিকভাবে জাকাতের বিধান আদায় না করলে রিজিকের বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং এতে রিজিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন কোনো জাতি জাকাত আদায় করা বন্ধ করে দেয়; আসমান থেকে তখন বৃষ্টিবর্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পৃথিবীর বুকে যদি কোনো চতুষ্পদ জন্তু না থাকত, তাহলে আর কখনো বৃষ্টি হতো না।’ (ইবনে মাজাহ: ৪,০১৯)
১৪. হিংসা
হিংসা এমন এক ব্যাধি, যা শুধু মনের নয়, দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয়ে থাকে যে, হিংসুক মানুষের কোনো বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু । হিংসা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে থাকেন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘..বলে দাও, তোমাদের আক্রোশেই তোমরা মরো..।’ (সুরা আলে ইমরান: ১১৯)
মুফতী লোকমান হুসাইন