নিয়ে কথা বলে না। এমন কি তার দুই সন্তানও একইভাবে বাবাকে ব্লেইম করতে থাকে। আমি সেই ভদ্রলোকের সীমাহীন মানসিক অর্থনৈতিক দূর্দশা দেখেছি কিন্তু কখনো প্রতিবাদ করতে দেখেনি।
ঘটনা: ৫
খুব নামকরা ডাক্তার ছিলেন তিনি। স্ত্রীও ছিলেন ডাক্তার। ভালো জব অফার নিয়ে সৈাদিতে যেতে চাইলে স্ত্রী রাজি হননি নিজের চাকরী ও সন্তানদের কথা চিন্তা করে। সে তিক্ততা ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। ডিভোর্স দিয়েই ভদ্রলোক আবার বিয়ে করে সৈাদিতে চলে যান দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে। সৈাদিতে থাকা অবস্থায় তার ক্যান্সার ধরা পরে ও উনাকে দেশে ফিরে আসতে হয়। দেশে ফিরে ভদ্রলোক চাচ্ছিলেন উন্নত কোন দেশে যেয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন কিন্তু বাঁধ সাধেন উনার দ্বিতীয় স্ত্রী। মহিলা কোনভাবেই উনার চিকিৎসা করার জন্য বিদেশে যেতে দিতে রাজি হননি। কারন এতে অনেক টাকা চলে যাবে এবং সে মারা গেলে তেমন কোন টাকা পয়সা অবশিষ্ট থাকবে না। এবং এক পর্যায়ে ভদ্রলোক প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান। যে ক'দিন বেঁচে ছিলেন তার সীমাহীন দূর্ভোগ দেখেছি।
ঘটনা: ৬
ছেলেটি বেশ মেধাবী ছিল ও ভালো চাকরী করতো ও সহকর্মীর প্রস্তাবে তার অল্পবয়সী বোনের সাথে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরপরই সব হিসেব নিকেশ পাল্টে যায়। মেয়েটি কোনভাবেই তার শশুড়বাড়ির কাউকেই পছন্দ করতে পারেনি। যার কারনে প্রচন্ড একটা বৈরী পরিবেশ তৈরী হয় পরিবারে। মাঝখান থেকে ছেলেটি না পারছিল মা-বোনদের মন রক্ষা করতে না পারছিল বউয়ের মন রক্ষা করতে। দু পাশের চাপে তার অবস্থা ছিল চ্যারাচ্যাপ্টা।
----------
.
.
মেয়েদের নির্যাতন নিয়ে যত সহজে কথা বলা যায় ছেলেদের বেলায় তত সহজে বলা যায় না। কারন সবাই ধরেই নেয় এবিউজ আর মেয়ে সমার্থক শব্দ। ছেলেরা এবিউজ হতেই পারে না, যদি হয় তাহলে এটা তার ব্যার্থতা।
যার কারনে নির্যাতন নিয়ে খুব কম ছেলেরাই মুখ খুলে বা এ থেকে বেরিয়ে এসে তা জনসমক্ষে জানায়। এদিকে আমাদের দেশে জন্ম থেকেই শেখানো হয় বউ যে পুরুষ চালাতে পারে না সে আবার পুরুষ নাকি সেতো হিজরা। যার কারনে পুরুষ শ্রেনী তাদের পুরুষত্ব বাঁচাতে নির্যাতনের বিষয় নিয়ে সহজে কথা বলে না।
যাহোক, আমি বিশ্বাস করি নির্যাতন মানে নির্যাতন। সেটা যেখানেই ঘটুক, যেভাবেই ঘটুক তা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতেই হবে, সোচ্চার হতেই হবে। এ নির্যাতনকারী স্বামী কিংবা স্ত্রী বা সন্তান অথবা বাবা-মা, যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে নতুবা নির্যাতন করাকেই স্বাভাবিকই ধরে নিবে ও নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিবে।
★ Collected
ঘটনা: ৫
খুব নামকরা ডাক্তার ছিলেন তিনি। স্ত্রীও ছিলেন ডাক্তার। ভালো জব অফার নিয়ে সৈাদিতে যেতে চাইলে স্ত্রী রাজি হননি নিজের চাকরী ও সন্তানদের কথা চিন্তা করে। সে তিক্ততা ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। ডিভোর্স দিয়েই ভদ্রলোক আবার বিয়ে করে সৈাদিতে চলে যান দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে। সৈাদিতে থাকা অবস্থায় তার ক্যান্সার ধরা পরে ও উনাকে দেশে ফিরে আসতে হয়। দেশে ফিরে ভদ্রলোক চাচ্ছিলেন উন্নত কোন দেশে যেয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন কিন্তু বাঁধ সাধেন উনার দ্বিতীয় স্ত্রী। মহিলা কোনভাবেই উনার চিকিৎসা করার জন্য বিদেশে যেতে দিতে রাজি হননি। কারন এতে অনেক টাকা চলে যাবে এবং সে মারা গেলে তেমন কোন টাকা পয়সা অবশিষ্ট থাকবে না। এবং এক পর্যায়ে ভদ্রলোক প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান। যে ক'দিন বেঁচে ছিলেন তার সীমাহীন দূর্ভোগ দেখেছি।
ঘটনা: ৬
ছেলেটি বেশ মেধাবী ছিল ও ভালো চাকরী করতো ও সহকর্মীর প্রস্তাবে তার অল্পবয়সী বোনের সাথে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরপরই সব হিসেব নিকেশ পাল্টে যায়। মেয়েটি কোনভাবেই তার শশুড়বাড়ির কাউকেই পছন্দ করতে পারেনি। যার কারনে প্রচন্ড একটা বৈরী পরিবেশ তৈরী হয় পরিবারে। মাঝখান থেকে ছেলেটি না পারছিল মা-বোনদের মন রক্ষা করতে না পারছিল বউয়ের মন রক্ষা করতে। দু পাশের চাপে তার অবস্থা ছিল চ্যারাচ্যাপ্টা।
----------
.
.
মেয়েদের নির্যাতন নিয়ে যত সহজে কথা বলা যায় ছেলেদের বেলায় তত সহজে বলা যায় না। কারন সবাই ধরেই নেয় এবিউজ আর মেয়ে সমার্থক শব্দ। ছেলেরা এবিউজ হতেই পারে না, যদি হয় তাহলে এটা তার ব্যার্থতা।
যার কারনে নির্যাতন নিয়ে খুব কম ছেলেরাই মুখ খুলে বা এ থেকে বেরিয়ে এসে তা জনসমক্ষে জানায়। এদিকে আমাদের দেশে জন্ম থেকেই শেখানো হয় বউ যে পুরুষ চালাতে পারে না সে আবার পুরুষ নাকি সেতো হিজরা। যার কারনে পুরুষ শ্রেনী তাদের পুরুষত্ব বাঁচাতে নির্যাতনের বিষয় নিয়ে সহজে কথা বলে না।
যাহোক, আমি বিশ্বাস করি নির্যাতন মানে নির্যাতন। সেটা যেখানেই ঘটুক, যেভাবেই ঘটুক তা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতেই হবে, সোচ্চার হতেই হবে। এ নির্যাতনকারী স্বামী কিংবা স্ত্রী বা সন্তান অথবা বাবা-মা, যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে নতুবা নির্যাতন করাকেই স্বাভাবিকই ধরে নিবে ও নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিবে।
★ Collected
👍1
গায়রত কী.?
উত্তরঃ সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না। এটাই গায়রত।
একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর।
এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!!
আল্লাহুম্মাগফিরলী..!
ঘটনা ১
একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?
তিনি উত্তর দিলেন:
" যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।"
[ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]
ঘটনা ২
মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ
করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন?
আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।
তখন লোকটি বললো,
এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না,
তাই এই উটই আমি রাখবো না।
একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!
আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা??
আস্তাগফিরুল্লাহ্
গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়্যুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।
وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾
আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।
(সুরা হাদীদ-২০)
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে!
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
(সূরা ফাজর,আয়াত-২০)
স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!!
বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!!
বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে!
আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড!
আল্লাহুম্মাগফিরলী
আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,,
অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা
হায় আফসোস!
এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।
হায় আফসোস!
এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না
গায়রত কী?
মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম।
বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা
গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।
ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে। আল্লাহুম্মা আমীন।
উত্তরঃ সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না। এটাই গায়রত।
একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর।
এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!!
আল্লাহুম্মাগফিরলী..!
ঘটনা ১
একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?
তিনি উত্তর দিলেন:
" যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।"
[ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]
ঘটনা ২
মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ
করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন?
আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।
তখন লোকটি বললো,
এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না,
তাই এই উটই আমি রাখবো না।
একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!
আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা??
আস্তাগফিরুল্লাহ্
গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়্যুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।
وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾
আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।
(সুরা হাদীদ-২০)
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে!
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
(সূরা ফাজর,আয়াত-২০)
স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!!
বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!!
বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে!
আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড!
আল্লাহুম্মাগফিরলী
আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,,
অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা
হায় আফসোস!
এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।
হায় আফসোস!
এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না
গায়রত কী?
মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম।
বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা
গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।
ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে। আল্লাহুম্মা আমীন।
এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার।
ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।"
বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না।
বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত।
মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান,
"মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল।
কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।"
সেই বিশেষ দোয়াটি হলো,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً
(উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।)
অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।"
আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা।
সূত্র: মু'জিযানা আছারাত
ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।"
বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না।
বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত।
মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান,
"মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল।
কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।"
সেই বিশেষ দোয়াটি হলো,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً
(উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।)
অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।"
আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা।
সূত্র: মু'জিযানা আছারাত
সৌদি আরবে বসবাসকারী এক প্রবাসী বলছেন:
একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস।
একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।”
গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।”
আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?”
তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।”
বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?”
তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।”
তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?”
তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।”
এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?”
বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।”
তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”
এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?”
আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।”
এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল:
“যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।”
আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।”
সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল:
“যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”
এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন।
© Rekaul SK
একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস।
একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।”
গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।”
আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?”
তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।”
বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?”
তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।”
তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?”
তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।”
এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?”
বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।”
তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”
এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?”
আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।”
এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল:
“যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।”
আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।”
সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল:
“যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”
এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন।
© Rekaul SK
ক্ষমা করা যদিও সহজ নয়, তবুও ক্ষমা করার গুরুত্ব অনেক বেশি। এটি আমাদের মানসিক ও শারীরিক উন্নতিতে সাহায্য করে।
•
ক্ষমা করা মানে এই নয় যে কেউ আপনার সাথে যা খারাপ করেছে তা ভুলে যাওয়া বা সেটিকে মেনে নেওয়া। অনেক সময় আমরা মনে করি ক্ষমা করলে অপর পক্ষ পার পেয়ে গেল, কিন্তু আসলে ক্ষমা হলো নিজের মনের শান্তির জন্য। যখন আমরা কারো ওপর রাগ বা ক্ষোভ পুষে রাখি, তখন আমরা নিজেরাই মানসিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই।
•
গবেষণা কী বলে?
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা ক্ষমা করতে পারেন তাদের মধ্যে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
১. মানসিক প্রশান্তি: ক্ষমা করলে দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা এবং রাগ কমে যায়।
২. শারীরিক উন্নতি: দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ক্ষমা করলে হার্ট ভালো থাকে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৩. সম্পর্কের উন্নতি: ক্ষমা করার ফলে পুরনো তিক্ততা দূর হয় এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক সহজ হয়।
•
কিভাবে ক্ষমা করবেন?
ক্ষমা করার একটি কার্যকর পদ্ধতির নাম 'REACH' মডেল।
R (Recall): আঘাতের কথাটি মনে করুন, তবে প্রতিশোধের নেশায় নয়, বরং নিরপেক্ষভাবে কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করুন।
E (Empathize): অন্য ব্যক্তি কেন এমনটি করল তা তার দিক থেকে বোঝার চেষ্টা করুন (এর মানে এই নয় যে তার কাজকে সমর্থন করা)।
A (Altruistic gift): ক্ষমা করাকে একটি নিঃস্বার্থ উপহার হিসেবে দেখুন। মনে করুন, আপনিও অতীতে কারো কাছ থেকে ক্ষমা পেয়েছিলেন।
C (Commit): মনে মনে ঠিক করুন যে আপনি ক্ষমা করেছেন। প্রয়োজনে এটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন।
H (Hold): ক্ষমার সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। পুরোনো রাগ আবার ফিরে এলে নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে আপনি অলরেডি ক্ষমা করে দিয়েছেন।
_______
ক্ষমা করা একটি কঠিন কাজ হতে পারে, কিন্তু এটি আপনার নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি অন্য ব্যক্তির জন্য নয়, বরং নিজের সুস্থতা এবং সুখের জন্য একটি উপহার।
•
ক্ষমা করা মানে এই নয় যে কেউ আপনার সাথে যা খারাপ করেছে তা ভুলে যাওয়া বা সেটিকে মেনে নেওয়া। অনেক সময় আমরা মনে করি ক্ষমা করলে অপর পক্ষ পার পেয়ে গেল, কিন্তু আসলে ক্ষমা হলো নিজের মনের শান্তির জন্য। যখন আমরা কারো ওপর রাগ বা ক্ষোভ পুষে রাখি, তখন আমরা নিজেরাই মানসিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই।
•
গবেষণা কী বলে?
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা ক্ষমা করতে পারেন তাদের মধ্যে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
১. মানসিক প্রশান্তি: ক্ষমা করলে দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা এবং রাগ কমে যায়।
২. শারীরিক উন্নতি: দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ক্ষমা করলে হার্ট ভালো থাকে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৩. সম্পর্কের উন্নতি: ক্ষমা করার ফলে পুরনো তিক্ততা দূর হয় এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক সহজ হয়।
•
কিভাবে ক্ষমা করবেন?
ক্ষমা করার একটি কার্যকর পদ্ধতির নাম 'REACH' মডেল।
R (Recall): আঘাতের কথাটি মনে করুন, তবে প্রতিশোধের নেশায় নয়, বরং নিরপেক্ষভাবে কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করুন।
E (Empathize): অন্য ব্যক্তি কেন এমনটি করল তা তার দিক থেকে বোঝার চেষ্টা করুন (এর মানে এই নয় যে তার কাজকে সমর্থন করা)।
A (Altruistic gift): ক্ষমা করাকে একটি নিঃস্বার্থ উপহার হিসেবে দেখুন। মনে করুন, আপনিও অতীতে কারো কাছ থেকে ক্ষমা পেয়েছিলেন।
C (Commit): মনে মনে ঠিক করুন যে আপনি ক্ষমা করেছেন। প্রয়োজনে এটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন।
H (Hold): ক্ষমার সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। পুরোনো রাগ আবার ফিরে এলে নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে আপনি অলরেডি ক্ষমা করে দিয়েছেন।
_______
ক্ষমা করা একটি কঠিন কাজ হতে পারে, কিন্তু এটি আপনার নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি অন্য ব্যক্তির জন্য নয়, বরং নিজের সুস্থতা এবং সুখের জন্য একটি উপহার।
৭টি আমল বা ক্ষেত্র আছে যেগুলি করলে দুয়া কবুল হয়:
১) ঘুম থেকে জাগার পর কেউ যদি বলে,
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، رَبِّ اغْفِرْ لِي
- একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রব্বিগফিরলী)
এরপর যদি অন্য যেকোনো দুয়া করে তবে তার দুয়া কবুল হবে।
[বুখারী: ফাতহুল বারী, ৩/৩৯, নং ১১৫৪। হাদীসের ভাষ্য ইবন মাজাহ এর অনুরূপ। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্: ২/৩৩৫।]
২) ইউনুস (আ:) এর দুয়া পড়তে পড়তে কেউ যদি মনে মনে কিছু চায় বা দুয়া করে তার দুয়া কবুল হবে।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
- আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনি পবিত্র-মহান, নিশ্চয় আমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত।
(লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায-য্ব-লিমীন)
[তিরমিযী ৫/৫২৯, নং ৩৫০৫; হাকেম এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন, যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন, ১/৫০৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৬৮।]
৩) ইসমে আযম পড়ে কেউ যদি দুয়া করে তার দুয়া কবুল হয়।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
- হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।*
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র)
[হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।]
৪) কেউ কোন বিপদে পরে যদি এই দুয়া পড়ে তবে তার দুয়া কবুল হবে।
إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
আমরা তো আল্লাহ্রই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ! আমাকে আমার বিপদে সওয়াব দিন এবং আমার জন্য তার চেয়েও উত্তম কিছু স্থলাভিষিক্ত করে দিন।
ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘উন। আল্লা-হুম্মা আজুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলীফ লী খইরম মিনহা (মুসলিম ২/৬৩২, নং ৯১৮।)
৫) যে ব্যক্তি বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করে, যিকিরের পর দুয়া করলে তার দুয়া কবুল হয়।
৬) কুরআন তিলাওয়াতের পর দুয়া করলে কবুল হয়।
৭) যমযম এর পানি পান করে মনে মনে কোন নিয়ত বা দুয়া করলে কবুল হয়।
© শায়খ আহমাদউল্লাহ (হাফি.)
১) ঘুম থেকে জাগার পর কেউ যদি বলে,
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، رَبِّ اغْفِرْ لِي
- একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন
(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রব্বিগফিরলী)
এরপর যদি অন্য যেকোনো দুয়া করে তবে তার দুয়া কবুল হবে।
[বুখারী: ফাতহুল বারী, ৩/৩৯, নং ১১৫৪। হাদীসের ভাষ্য ইবন মাজাহ এর অনুরূপ। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্: ২/৩৩৫।]
২) ইউনুস (আ:) এর দুয়া পড়তে পড়তে কেউ যদি মনে মনে কিছু চায় বা দুয়া করে তার দুয়া কবুল হবে।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
- আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনি পবিত্র-মহান, নিশ্চয় আমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত।
(লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায-য্ব-লিমীন)
[তিরমিযী ৫/৫২৯, নং ৩৫০৫; হাকেম এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন, যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন, ১/৫০৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৬৮।]
৩) ইসমে আযম পড়ে কেউ যদি দুয়া করে তার দুয়া কবুল হয়।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
- হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।*
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র)
[হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।]
৪) কেউ কোন বিপদে পরে যদি এই দুয়া পড়ে তবে তার দুয়া কবুল হবে।
إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
আমরা তো আল্লাহ্রই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ! আমাকে আমার বিপদে সওয়াব দিন এবং আমার জন্য তার চেয়েও উত্তম কিছু স্থলাভিষিক্ত করে দিন।
ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘উন। আল্লা-হুম্মা আজুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলীফ লী খইরম মিনহা (মুসলিম ২/৬৩২, নং ৯১৮।)
৫) যে ব্যক্তি বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করে, যিকিরের পর দুয়া করলে তার দুয়া কবুল হয়।
৬) কুরআন তিলাওয়াতের পর দুয়া করলে কবুল হয়।
৭) যমযম এর পানি পান করে মনে মনে কোন নিয়ত বা দুয়া করলে কবুল হয়।
© শায়খ আহমাদউল্লাহ (হাফি.)
প্রকৃত তাওবা: হৃদয়ের প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা
মানুষ ভুল করে, পথ হারায়, আবার ফিরে আসে। এই ফিরে আসার নামই তাওবা—প্রভুর দিকে বিনম্র প্রত্যাবর্তন। এ সম্পর্কে হযরত আমিরুল মোমেনিন আলী (আঃ) এক অনন্য ও হৃদয়স্পর্শী বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বলেন—
التّوبَةُ نَدَمٌ بِالْقَلْبِ وَ اسْتِغْفارٌ بِاللِّسانِ وَ تَرْكٌ بِالْجَوارِحِ، وَ اِضمارٌ أنْ لایَعُودَ.
তাওবা হলো—
হৃদয়ের গভীরে আন্তরিক অনুতাপ,
জিহ্বার মাধ্যমে বিনীত ক্ষমা প্রার্থনা,
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা গুনাহ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ,
এবং দৃঢ় অঙ্গীকার— আর কখনো সেই গুনাহে ফিরে না যাওয়া।
সূত্র: ফিহরিস্তে গুরার, পৃষ্ঠা ৩৯
তাওবার চারটি আলোকস্তম্ভ:
এই সংক্ষিপ্ত বাণীর মধ্যে তাওবার পূর্ণাঙ্গ দর্শন নিহিত রয়েছে। তাওবা কেবল মুখের উচ্চারণ নয়; এটি হৃদয়, জিহ্বা, কর্ম ও সংকল্প—সমগ্র সত্তার পরিবর্তনের নাম।
১। হৃদয়ের অনুশোচনা (নদামাহ)
যখন মানুষ নিজের ভুল উপলব্ধি করে অন্তর থেকে লজ্জিত হয়, তখন হৃদয় নরম হয়ে যায়। এই অন্তরের কান্নাই তাওবার প্রথম ধাপ। অনুতাপহীন তাওবা কেবল শব্দমাত্র।
২। জিহ্বার ইস্তিগফার
“আস্তাগফিরুল্লাহ” উচ্চারণ কেবল একটি বাক্য নয়; এটি আত্মার আর্তনাদ, প্রভুর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনার বিনম্র আবেদন। জিহ্বা তখন হৃদয়ের ভাষা প্রকাশ করে।
৩। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন
যে গুনাহ থেকে তাওবা করা হলো, তা বাস্তব জীবনে ছেড়ে দিতে হবে। যদি আমল না বদলায়, তবে তাওবা অপূর্ণ থেকে যায়। সত্য তাওবা মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
৪। পুনরায় না ফেরার দৃঢ় সংকল্প
তাওবা মানে অতীতকে বিদায় জানিয়ে নতুন জীবনের সূচনা। দৃঢ় সংকল্প ছাড়া তাওবা স্থায়ী হয় না। এ অঙ্গীকারই মানুষকে পুনরায় পতন থেকে রক্ষা করে।
উপসংহারঃ
তাওবা হলো আত্মার জাগরণ, অন্তরের পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে ফিরে আসার এক পবিত্র অঙ্গীকার। যখন হৃদয় কাঁদে, জিহ্বা ক্ষমা চায়, কর্ম বদলে যায় এবং ভবিষ্যৎ সংশোধনের দৃঢ় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়—তখনই তাওবা প্রকৃত অর্থে পূর্ণতা পায়।
আল্লাহ আমাদের তাওবাকে সত্য, গ্রহণযোগ্য এবং স্থায়ী করে দিন।
মানুষ ভুল করে, পথ হারায়, আবার ফিরে আসে। এই ফিরে আসার নামই তাওবা—প্রভুর দিকে বিনম্র প্রত্যাবর্তন। এ সম্পর্কে হযরত আমিরুল মোমেনিন আলী (আঃ) এক অনন্য ও হৃদয়স্পর্শী বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বলেন—
التّوبَةُ نَدَمٌ بِالْقَلْبِ وَ اسْتِغْفارٌ بِاللِّسانِ وَ تَرْكٌ بِالْجَوارِحِ، وَ اِضمارٌ أنْ لایَعُودَ.
তাওবা হলো—
হৃদয়ের গভীরে আন্তরিক অনুতাপ,
জিহ্বার মাধ্যমে বিনীত ক্ষমা প্রার্থনা,
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা গুনাহ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ,
এবং দৃঢ় অঙ্গীকার— আর কখনো সেই গুনাহে ফিরে না যাওয়া।
সূত্র: ফিহরিস্তে গুরার, পৃষ্ঠা ৩৯
তাওবার চারটি আলোকস্তম্ভ:
এই সংক্ষিপ্ত বাণীর মধ্যে তাওবার পূর্ণাঙ্গ দর্শন নিহিত রয়েছে। তাওবা কেবল মুখের উচ্চারণ নয়; এটি হৃদয়, জিহ্বা, কর্ম ও সংকল্প—সমগ্র সত্তার পরিবর্তনের নাম।
১। হৃদয়ের অনুশোচনা (নদামাহ)
যখন মানুষ নিজের ভুল উপলব্ধি করে অন্তর থেকে লজ্জিত হয়, তখন হৃদয় নরম হয়ে যায়। এই অন্তরের কান্নাই তাওবার প্রথম ধাপ। অনুতাপহীন তাওবা কেবল শব্দমাত্র।
২। জিহ্বার ইস্তিগফার
“আস্তাগফিরুল্লাহ” উচ্চারণ কেবল একটি বাক্য নয়; এটি আত্মার আর্তনাদ, প্রভুর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনার বিনম্র আবেদন। জিহ্বা তখন হৃদয়ের ভাষা প্রকাশ করে।
৩। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন
যে গুনাহ থেকে তাওবা করা হলো, তা বাস্তব জীবনে ছেড়ে দিতে হবে। যদি আমল না বদলায়, তবে তাওবা অপূর্ণ থেকে যায়। সত্য তাওবা মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।
৪। পুনরায় না ফেরার দৃঢ় সংকল্প
তাওবা মানে অতীতকে বিদায় জানিয়ে নতুন জীবনের সূচনা। দৃঢ় সংকল্প ছাড়া তাওবা স্থায়ী হয় না। এ অঙ্গীকারই মানুষকে পুনরায় পতন থেকে রক্ষা করে।
উপসংহারঃ
তাওবা হলো আত্মার জাগরণ, অন্তরের পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে ফিরে আসার এক পবিত্র অঙ্গীকার। যখন হৃদয় কাঁদে, জিহ্বা ক্ষমা চায়, কর্ম বদলে যায় এবং ভবিষ্যৎ সংশোধনের দৃঢ় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়—তখনই তাওবা প্রকৃত অর্থে পূর্ণতা পায়।
আল্লাহ আমাদের তাওবাকে সত্য, গ্রহণযোগ্য এবং স্থায়ী করে দিন।
এক ব্যক্তি হযরত উমর (রা.)-এর কাছে এসে বললেন, "আল্লাহ আপনাকে যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সেখান থেকে আমাকে কোনো একটি পদের দায়িত্ব (চাকরি) দিন।"
হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি কুরআন পড়তে পারো?" সে উত্তর দিল, "না।" হযরত উমর (রা.) বললেন, "যে কুরআন পড়তে জানে না, আমরা তাকে কোনো দায়িত্ব দিই না।" (হযরত উমর (রা.) চেয়েছিলেন মানুষ আগে দ্বীন শিখুক, কারণ দ্বীনের জ্ঞান থাকলে সে আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। )
লোকটি সেখান থেকে ফিরে গেল এবং এই আশায় কঠোর পরিশ্রম করে কুরআন শিখতে শুরু করল যে, কুরআন শেখা শেষ হলে সে আবার উমর (রা.)-এর কাছে যাবে এবং একটি চাকরি পাবে।
কিন্তু যখন সে কুরআন শিখে ফেলল, তখন সে উমর (রা.)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিল। একদিন হঠাৎ তার সাথে হযরত উমর (রা.)-এর দেখা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, "তুমি কি আমাদের ছেড়ে দিলে (আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিলে)?"
সে উত্তর দিল, "হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো লোক নই; কিন্তু আমি কুরআন শিখেছি আর এই কুরআনই আমাকে উমর এবং উমরের দরজার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দিয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ আমাকে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন)।"
হযরত উমর (রা.) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কুরআনের কোন আয়াতটি তোমাকে এতটা স্বাবলম্বী ও নিশ্চিন্ত করল?"
লোকটি উত্তর দিল, আল্লাহর এই বাণী:
"যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য (সংকট থেকে বের হওয়ার) পথ করে দেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩)
কুরআন কেবল তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত মানুষের জীবন দর্শন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মানুষ যখন প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁকে ভয় করে চলে, তখন আল্লাহ দুনিয়াবি সব অভাব দূর করে দেন।
হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি কুরআন পড়তে পারো?" সে উত্তর দিল, "না।" হযরত উমর (রা.) বললেন, "যে কুরআন পড়তে জানে না, আমরা তাকে কোনো দায়িত্ব দিই না।" (হযরত উমর (রা.) চেয়েছিলেন মানুষ আগে দ্বীন শিখুক, কারণ দ্বীনের জ্ঞান থাকলে সে আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। )
লোকটি সেখান থেকে ফিরে গেল এবং এই আশায় কঠোর পরিশ্রম করে কুরআন শিখতে শুরু করল যে, কুরআন শেখা শেষ হলে সে আবার উমর (রা.)-এর কাছে যাবে এবং একটি চাকরি পাবে।
কিন্তু যখন সে কুরআন শিখে ফেলল, তখন সে উমর (রা.)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিল। একদিন হঠাৎ তার সাথে হযরত উমর (রা.)-এর দেখা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, "তুমি কি আমাদের ছেড়ে দিলে (আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিলে)?"
সে উত্তর দিল, "হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো লোক নই; কিন্তু আমি কুরআন শিখেছি আর এই কুরআনই আমাকে উমর এবং উমরের দরজার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দিয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ আমাকে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন)।"
হযরত উমর (রা.) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কুরআনের কোন আয়াতটি তোমাকে এতটা স্বাবলম্বী ও নিশ্চিন্ত করল?"
লোকটি উত্তর দিল, আল্লাহর এই বাণী:
"যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য (সংকট থেকে বের হওয়ার) পথ করে দেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩)
কুরআন কেবল তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত মানুষের জীবন দর্শন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মানুষ যখন প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁকে ভয় করে চলে, তখন আল্লাহ দুনিয়াবি সব অভাব দূর করে দেন।
তুমি কি খেয়াল করেছ, যখন তুমি কোনো কিছুর জন্য একদম পাগল হয়ে যাও— সারাক্ষণ ভাবছো "এটা আমার চাই-ই চাই", "কীভাবে পাব?"— ঠিক তখনই যেন জিনিসটা তোমার থেকে আরও দূরে সরে যায়?
আর ঠিক যখনই তুমি হাল ছেড়ে দাও, নিজেকে শান্ত করো, তখনই হুট করে সুযোগগুলো তোমার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করে। এটা কেবল মনের ভুল নয়, এর পেছনে গভীর বিজ্ঞান এবং জীবনদর্শন আছে।
চলো আজ তোমাদের সাথে এই 'অভাবের মানসিকতা' বনাম 'প্রাচুর্যের শক্তি' নিয়ে কিছু কথা বলি।
১. কেন অতিরিক্ত চাওয়া আসলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?
যখন তুমি কোনো কিছুর প্রতি অবসেসড হয়ে যাও, তখন তোমার শরীরে Cortisol (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেড়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, তখন তোমার টানেল ভিশন তৈরি হয়। অর্থাৎ, তোমার মস্তিষ্কের সক্ষমতা সংকীর্ণ হয়ে যায় এবং তুমি বড় কোনো সুযোগ বা সমাধান দেখতে পাও না।
তুমি যখন মনে করো "আমার এটা না হলে চলবে না", তখন তুমি আসলে বলছো যে, তোমার কাছে ওই জিনিসটা নেই। এই 'নেই' বা 'অভাব' থেকেই জন্ম নেয় নেতিবাচক এনার্জি। মনে রাখবে, অভাব সবসময় অভাবকেই আকর্ষণ করে।
২. পাত্র তৈরি করো, কিন্তু তৃষ্ণা নয়।
তোমার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা হলো একটা পাত্রের মতো। তুমি একটা বড় লক্ষ্য স্থির করেছ মানে তুমি একটা বড় পাত্র তৈরি করেছ। কিন্তু সেই পাত্রে প্রাপ্তি তখনই আসবে যখন তুমি 'পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা' ত্যাগ করবে।
পাওয়ার ইচ্ছা রাখো, কিন্তু কখন হবে, কীভাবে হবে— সেই দুশ্চিন্তা বন্ধ করো। এটা সৃষ্টিকর্তার কাছে সমর্পণ করো। এই সমর্পণটাই তোমার এবং তোমার সাফল্যের মাঝখানের দূরত্বটা কমিয়ে দেয়।
৩. বাসা থেকে বের হও একজন 'রাজার' মতো
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাদের অবচেতন মন কিছুটা শূন্যতা অনুভব করে। মনে হয় যেন কিছু একটা নেই। ঠিক এই সময়েই তোমাকে কাজ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ৫-১০ মিনিট সময় নাও, ধ্যান করো। নিজেকে বোঝাও যে— "আমার যা প্রয়োজন, সব আমার ভেতরেই আছে।" তুমি যদি নিজেকে একজন ভিখারির মতো ভাবো, যে কেবল সুযোগ খুঁজছে, তবে মানুষ তোমাকে ব্যবহার করবে, ঠকাবে এবং তুমি কেবল বিভ্রান্তিই পাবে।
কিন্তু তুমি যদি নিজেকে একজন রাজার মতো ভাবো, তবে তোমার চারপাশে একটা অদৃশ্য আত্মবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হবে।
একজন রাজার যেমন সেনাবাহিনী থাকে, তোমার এই পজিটিভ ভাইব বা পজিটিভিটি তেমনই তোমার সুরক্ষাকবচ হয়ে কাজ করবে। তখন ভুল মানুষ তোমার কাছে ঘেঁষার সাহস পাবে না, আর সঠিক সুযোগগুলো চুম্বকের মতো তোমার দিকে ছুটে আসবে।
৪. ল অফ রেজোন্যান্স।
সহজ কথা— তুমি যা, তুমি তা-ই আকর্ষণ করবে। যদি তুমি অভাবী বা অভাব বোধ নিয়ে ইনভেস্টর, কাস্টমার বা বন্ধুদের সামনে যাও, তবে তারা তোমার সেই অভাবী চেহারাটাই দেখবে। কিন্তু তুমি যদি নিজেকে পূর্ণ মনে করে কাজ শুরু করো, তবে সাফল্য তোমার পিছু নেবে।
জীবনটা অভাবের তাড়নায় কাটানোর জন্য নয়, প্রাচুর্য উপভোগ করার জন্য। নিজেকে আজ থেকেই ওই উচ্চতায় নিয়ে যাও যেখানে অভাব নয়, বরং আত্মবিশ্বাস কথা বলে।
তুমি যখন নিজেকে জয় করে ফেলবে, পুরো পৃথিবী তোমার সামনে নতজানু হবে।
Red Pill 2
আর ঠিক যখনই তুমি হাল ছেড়ে দাও, নিজেকে শান্ত করো, তখনই হুট করে সুযোগগুলো তোমার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করে। এটা কেবল মনের ভুল নয়, এর পেছনে গভীর বিজ্ঞান এবং জীবনদর্শন আছে।
চলো আজ তোমাদের সাথে এই 'অভাবের মানসিকতা' বনাম 'প্রাচুর্যের শক্তি' নিয়ে কিছু কথা বলি।
১. কেন অতিরিক্ত চাওয়া আসলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?
যখন তুমি কোনো কিছুর প্রতি অবসেসড হয়ে যাও, তখন তোমার শরীরে Cortisol (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেড়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, তখন তোমার টানেল ভিশন তৈরি হয়। অর্থাৎ, তোমার মস্তিষ্কের সক্ষমতা সংকীর্ণ হয়ে যায় এবং তুমি বড় কোনো সুযোগ বা সমাধান দেখতে পাও না।
তুমি যখন মনে করো "আমার এটা না হলে চলবে না", তখন তুমি আসলে বলছো যে, তোমার কাছে ওই জিনিসটা নেই। এই 'নেই' বা 'অভাব' থেকেই জন্ম নেয় নেতিবাচক এনার্জি। মনে রাখবে, অভাব সবসময় অভাবকেই আকর্ষণ করে।
২. পাত্র তৈরি করো, কিন্তু তৃষ্ণা নয়।
তোমার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা হলো একটা পাত্রের মতো। তুমি একটা বড় লক্ষ্য স্থির করেছ মানে তুমি একটা বড় পাত্র তৈরি করেছ। কিন্তু সেই পাত্রে প্রাপ্তি তখনই আসবে যখন তুমি 'পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা' ত্যাগ করবে।
পাওয়ার ইচ্ছা রাখো, কিন্তু কখন হবে, কীভাবে হবে— সেই দুশ্চিন্তা বন্ধ করো। এটা সৃষ্টিকর্তার কাছে সমর্পণ করো। এই সমর্পণটাই তোমার এবং তোমার সাফল্যের মাঝখানের দূরত্বটা কমিয়ে দেয়।
৩. বাসা থেকে বের হও একজন 'রাজার' মতো
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাদের অবচেতন মন কিছুটা শূন্যতা অনুভব করে। মনে হয় যেন কিছু একটা নেই। ঠিক এই সময়েই তোমাকে কাজ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ৫-১০ মিনিট সময় নাও, ধ্যান করো। নিজেকে বোঝাও যে— "আমার যা প্রয়োজন, সব আমার ভেতরেই আছে।" তুমি যদি নিজেকে একজন ভিখারির মতো ভাবো, যে কেবল সুযোগ খুঁজছে, তবে মানুষ তোমাকে ব্যবহার করবে, ঠকাবে এবং তুমি কেবল বিভ্রান্তিই পাবে।
কিন্তু তুমি যদি নিজেকে একজন রাজার মতো ভাবো, তবে তোমার চারপাশে একটা অদৃশ্য আত্মবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হবে।
একজন রাজার যেমন সেনাবাহিনী থাকে, তোমার এই পজিটিভ ভাইব বা পজিটিভিটি তেমনই তোমার সুরক্ষাকবচ হয়ে কাজ করবে। তখন ভুল মানুষ তোমার কাছে ঘেঁষার সাহস পাবে না, আর সঠিক সুযোগগুলো চুম্বকের মতো তোমার দিকে ছুটে আসবে।
৪. ল অফ রেজোন্যান্স।
সহজ কথা— তুমি যা, তুমি তা-ই আকর্ষণ করবে। যদি তুমি অভাবী বা অভাব বোধ নিয়ে ইনভেস্টর, কাস্টমার বা বন্ধুদের সামনে যাও, তবে তারা তোমার সেই অভাবী চেহারাটাই দেখবে। কিন্তু তুমি যদি নিজেকে পূর্ণ মনে করে কাজ শুরু করো, তবে সাফল্য তোমার পিছু নেবে।
জীবনটা অভাবের তাড়নায় কাটানোর জন্য নয়, প্রাচুর্য উপভোগ করার জন্য। নিজেকে আজ থেকেই ওই উচ্চতায় নিয়ে যাও যেখানে অভাব নয়, বরং আত্মবিশ্বাস কথা বলে।
তুমি যখন নিজেকে জয় করে ফেলবে, পুরো পৃথিবী তোমার সামনে নতজানু হবে।
Red Pill 2
গৌতমবুদ্ধ বলেন-
বন্ধুরূপী শত্রুকে কথা বলার চারটি লক্ষণ দেখে বোঝা যায়—কেউ বন্ধুর ভান করলেও আসলে সে প্রকৃত শত্রু।
১। সে পুরোনো দিনের কথা তুলে বন্ধুত্ব দেখায়, কিন্তু তা শুধু মুখের কথা।
২️। সে ভবিষ্যতে অনেক সাহায্য করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই করে না।
৩️। সে শুধু মিষ্টি ও ফাঁকা কথা বলে তোমার মন জিততে চায়।
৪️। কিন্তু সত্যিই যখন তার সাহায্য দরকার হয়, তখন সে অজুহাত দেয়—"আমি পারব না" বা "আমার সামর্থ্য নেই"
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, দীর্ঘনিকায়, পাথিক বর্গ, সিংগালোবাদ সূত্র, স্কন্ধঃ ২৫৬]
বন্ধুরূপী শত্রুকে কথা বলার চারটি লক্ষণ দেখে বোঝা যায়—কেউ বন্ধুর ভান করলেও আসলে সে প্রকৃত শত্রু।
১। সে পুরোনো দিনের কথা তুলে বন্ধুত্ব দেখায়, কিন্তু তা শুধু মুখের কথা।
২️। সে ভবিষ্যতে অনেক সাহায্য করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বাস্তবে কিছুই করে না।
৩️। সে শুধু মিষ্টি ও ফাঁকা কথা বলে তোমার মন জিততে চায়।
৪️। কিন্তু সত্যিই যখন তার সাহায্য দরকার হয়, তখন সে অজুহাত দেয়—"আমি পারব না" বা "আমার সামর্থ্য নেই"
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, দীর্ঘনিকায়, পাথিক বর্গ, সিংগালোবাদ সূত্র, স্কন্ধঃ ২৫৬]
বুদ্ধের অদৃশ্য কুঠারাঘাত?
মানুষ কিভাবে কাল্পনিক ঈশ্বর, দেবতা ও নানান বস্তুর প্রতি রজু হয় বা জড়িয়ে পড়ে, তার বাইশটি উপমা বুদ্ধ উক্ত সূত্র-স্কন্ধে বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে সবার বুঝার সান্নিধ্যে তিনটি উপমা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি।
গৌতমবুদ্ধ বলেন-
"যে সাধারণ মানুষরা আর্যদের সঙ্গ পায়নি, ধর্ম ঠিকভাবে শেখেনি এবং সৎ মানুষের শিক্ষা জানে না।
তারা পৃথিবীকে শুধু "পৃথিবী" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই পৃথিবী, আমি পৃথিবীর মধ্যে আছি, আমি পৃথিবী থেকে এসেছি, পৃথিবী আমার এবং পৃথিবী নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ দেবতাকে শুধু "দেবতা" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই দেবতা, আমি দেবতার মধ্যে আছি বা দেবলোকে আছি, আমি দেবতা থেকে এসেছি, দেবতা আমার এবং দেবতা নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ ব্রহ্মকে শুধু "ব্রহ্ম" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্মের মধ্যে আছি, আমি ব্রহ্ম থেকে এসেছি, ব্রহ্ম আমার এবং ব্রহ্ম নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
তারপর বুদ্ধ বলেন-
কারণ তারা পৃথিবী, দেবতা, ব্রহ্ম'র আসল সত্য জানে না। তারা বুঝতে পারে না যে এগুলো অনিত্য, পরিবর্তনশীল এবং 'আমি বা আমার' নয়।
.
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, মধ্যমনিকায়, মূল-পঞ্চাশ, মূলপর্যায় সূত্র, স্কন্ধঃ ০২]
এই দুনিয়ায় মুক্ত হয়ে এসেছিলেম, তারপর আমি পিতা-মাতা দেখেছি, সমাজে বড় হয়েছি, ধীরে-ধীরে সবকিছুর সাথে মিশেছি, মিশতে গিয়ে বিশ্বাসের খুঁটি গেঁড়েছি, সেই ভূমিচ্ছেদ খুঁটিকে পাকাপোক্ত করতে গিয়ে কত ঈশ্বর, দেবতা, দৈবশক্তি, বস্তু, অবস্তু, ভৌত-অভৌত নানান কিছুর ধারস্থ হয়েছি। এখানেই বুদ্ধ আপত্তি তুলে ধরেছেন, বৈচিত্র্যময় বিশ্বাসের খুঁটি ভর দিয়েই এক কাল্পনিক জগৎ তৈরি, বিশ্বাসের ট্যাবলেট খেয়ে দুনিয়াকে রণভূমি বানিয়েছি। আমরা এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে ধ্রুবসত্য ভেবে উপত্যকার প্রান্তে-প্রান্তে উদ্ভান্ত হয়ে ঘুরছি। এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে আঁকড়ে ধরে মূলসত্যকে পাশ কেটে ফিরি, নিজ কর্ম ও কর্মফলকে ধূর্ত দোকানীর মতো নষ্ট খাবারকে নিচে লুকিয়ে ফেলি। বুদ্ধ সেসব সত্ত্বাকে যেন ভেতর থেকে ভেঙে দিলেন, তিনি বিশ্বাসের মূর্তিতে এক অদৃশ্য কুঠারাঘাত করলেন। কারণ তিনি জানেন যে, মিথ্যাকে গুড়িয়ে দিলেই সত্য উদ্ভাসিত হয়।
মানুষ কিভাবে কাল্পনিক ঈশ্বর, দেবতা ও নানান বস্তুর প্রতি রজু হয় বা জড়িয়ে পড়ে, তার বাইশটি উপমা বুদ্ধ উক্ত সূত্র-স্কন্ধে বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে সবার বুঝার সান্নিধ্যে তিনটি উপমা সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি।
গৌতমবুদ্ধ বলেন-
"যে সাধারণ মানুষরা আর্যদের সঙ্গ পায়নি, ধর্ম ঠিকভাবে শেখেনি এবং সৎ মানুষের শিক্ষা জানে না।
তারা পৃথিবীকে শুধু "পৃথিবী" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই পৃথিবী, আমি পৃথিবীর মধ্যে আছি, আমি পৃথিবী থেকে এসেছি, পৃথিবী আমার এবং পৃথিবী নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ দেবতাকে শুধু "দেবতা" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই দেবতা, আমি দেবতার মধ্যে আছি বা দেবলোকে আছি, আমি দেবতা থেকে এসেছি, দেবতা আমার এবং দেবতা নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
সাধারণ মানুষ ব্রহ্মকে শুধু "ব্রহ্ম" হিসেবেই চেনে। তারপর ভাবে—এটাই ব্রহ্ম, আমি ব্রহ্মের মধ্যে আছি, আমি ব্রহ্ম থেকে এসেছি, ব্রহ্ম আমার এবং ব্রহ্ম নিয়ে আনন্দ করে ও আসক্ত হয়। কেন এমন করে?
তারপর বুদ্ধ বলেন-
কারণ তারা পৃথিবী, দেবতা, ব্রহ্ম'র আসল সত্য জানে না। তারা বুঝতে পারে না যে এগুলো অনিত্য, পরিবর্তনশীল এবং 'আমি বা আমার' নয়।
.
[ত্রিপিটক, সূত্রপিটক, মধ্যমনিকায়, মূল-পঞ্চাশ, মূলপর্যায় সূত্র, স্কন্ধঃ ০২]
এই দুনিয়ায় মুক্ত হয়ে এসেছিলেম, তারপর আমি পিতা-মাতা দেখেছি, সমাজে বড় হয়েছি, ধীরে-ধীরে সবকিছুর সাথে মিশেছি, মিশতে গিয়ে বিশ্বাসের খুঁটি গেঁড়েছি, সেই ভূমিচ্ছেদ খুঁটিকে পাকাপোক্ত করতে গিয়ে কত ঈশ্বর, দেবতা, দৈবশক্তি, বস্তু, অবস্তু, ভৌত-অভৌত নানান কিছুর ধারস্থ হয়েছি। এখানেই বুদ্ধ আপত্তি তুলে ধরেছেন, বৈচিত্র্যময় বিশ্বাসের খুঁটি ভর দিয়েই এক কাল্পনিক জগৎ তৈরি, বিশ্বাসের ট্যাবলেট খেয়ে দুনিয়াকে রণভূমি বানিয়েছি। আমরা এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে ধ্রুবসত্য ভেবে উপত্যকার প্রান্তে-প্রান্তে উদ্ভান্ত হয়ে ঘুরছি। এসব কাল্পনিক সত্ত্বাকে আঁকড়ে ধরে মূলসত্যকে পাশ কেটে ফিরি, নিজ কর্ম ও কর্মফলকে ধূর্ত দোকানীর মতো নষ্ট খাবারকে নিচে লুকিয়ে ফেলি। বুদ্ধ সেসব সত্ত্বাকে যেন ভেতর থেকে ভেঙে দিলেন, তিনি বিশ্বাসের মূর্তিতে এক অদৃশ্য কুঠারাঘাত করলেন। কারণ তিনি জানেন যে, মিথ্যাকে গুড়িয়ে দিলেই সত্য উদ্ভাসিত হয়।
❤1
"কালের এসব বালা-মুসিবতে কেঁদো না-খুশি থাকো;
কেন না বন্ধুর তীর বন্ধুর পাশে এসে পড়ে।"
—হযরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)
কেন না বন্ধুর তীর বন্ধুর পাশে এসে পড়ে।"
—হযরত খাজা গরিবে নেওয়াজ (রহ.)
Forwarded from Md. Ajmine
"আপনার স্ত্রীকে রাণীর মর্যাদা দিন, বিনিময়ে তিনি আপনাকে রাজার মর্যাদা দিবেন।
সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।
তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম
নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ!.....
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!
কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন
অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন
হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন
রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞
[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।
তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম
নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ!.....
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!
কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন
অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন
হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন
রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞
[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল ও সবজি
মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। কিছু নির্দিষ্ট ফল ও সবজি রয়েছে, যা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো নিয়মিত খেলে স্তন্যপান করানো মায়েরা বেশি পরিমাণে দুধ উৎপাদন করতে পারেন।
🥦 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজি:
✅ পুঁইশাক – আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি, ভর্তা বা মাছের সঙ্গে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ লাল শাক – ফাইটোইস্ট্রোজেন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি বা ভর্তা করে খেতে পারেন।
✅ শজনে ও শজনে পাতা – প্রচুর ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে, যা দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি বা ডালের সাথে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মিষ্টি কুমড়া – বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভর্তা, ভাজি বা স্যুপের মতো খেতে পারেন।
✅ লাউ – শরীর ঠান্ডা রাখে ও বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি, ভর্তা বা সবজি মিশিয়ে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ গাজর – ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: সালাদ, জুস বা রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মেথি পাতা ও মেথি বীজ – ফাইটোইস্ট্রোজেন ও গ্যালাক্টোগগ সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদনে কার্যকর।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: মেথি পাতা সবজি হিসেবে খেতে পারেন, আর মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খান।
🍎 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল:
✅ পেঁপে (কাঁচা ও পাকা) – প্রাকৃতিক এনজাইম ও হরমোন থাকায় স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা পেঁপে তরকারি বা স্যুপ করে, পাকা পেঁপে সরাসরি খেতে পারেন।
✅ কলা – প্রচুর পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১-২টি কলা খাওয়া ভালো।
✅ ডাবের পানি – শরীর হাইড্রেটেড রাখে ও দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করতে পারেন।
✅ আমলকী – প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় দুধের গুণগত মান উন্নত করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা খেতে পারেন বা চা বানিয়ে পান করতে পারেন।
✅ খেজুর – উচ্চমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকায় দুধ উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ২-৩টি খেজুর খেতে পারেন বা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
✅ বেদানা – প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন থাকায় স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ফল হিসেবে খেতে পারেন বা জুস বানিয়ে পান করতে পারেন।
💡 বুকের দুধ বৃদ্ধির সাধারণ পরামর্শ:
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন – প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
✔ প্রতিদিন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান – দুধ, দই, ছানা দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
✔ সুষম খাবার খান – প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।
✔ পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন – মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বুকের দুধ কমিয়ে দিতে পারে।
✔ শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ান – নিয়মিত স্তন্যপান করালে দুধের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য এসব খাবার ও পরামর্শ অনুসরণ করুন। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ থাকুক! ❤️
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। কিছু নির্দিষ্ট ফল ও সবজি রয়েছে, যা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। এগুলো নিয়মিত খেলে স্তন্যপান করানো মায়েরা বেশি পরিমাণে দুধ উৎপাদন করতে পারেন।
🥦 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজি:
✅ পুঁইশাক – আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি, ভর্তা বা মাছের সঙ্গে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ লাল শাক – ফাইটোইস্ট্রোজেন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভাজি বা ভর্তা করে খেতে পারেন।
✅ শজনে ও শজনে পাতা – প্রচুর ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে, যা দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি বা ডালের সাথে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মিষ্টি কুমড়া – বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ভর্তা, ভাজি বা স্যুপের মতো খেতে পারেন।
✅ লাউ – শরীর ঠান্ডা রাখে ও বুকের দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: তরকারি, ভর্তা বা সবজি মিশিয়ে রান্না করে খেতে পারেন।
✅ গাজর – ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: সালাদ, জুস বা রান্না করে খেতে পারেন।
✅ মেথি পাতা ও মেথি বীজ – ফাইটোইস্ট্রোজেন ও গ্যালাক্টোগগ সমৃদ্ধ, দুধ উৎপাদনে কার্যকর।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: মেথি পাতা সবজি হিসেবে খেতে পারেন, আর মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খান।
🍎 বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক ফল:
✅ পেঁপে (কাঁচা ও পাকা) – প্রাকৃতিক এনজাইম ও হরমোন থাকায় স্তন্য উৎপাদনে সহায়ক।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা পেঁপে তরকারি বা স্যুপ করে, পাকা পেঁপে সরাসরি খেতে পারেন।
✅ কলা – প্রচুর পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১-২টি কলা খাওয়া ভালো।
✅ ডাবের পানি – শরীর হাইড্রেটেড রাখে ও দুধের পরিমাণ বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১ গ্লাস ডাবের পানি পান করতে পারেন।
✅ আমলকী – প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় দুধের গুণগত মান উন্নত করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: কাঁচা খেতে পারেন বা চা বানিয়ে পান করতে পারেন।
✅ খেজুর – উচ্চমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকায় দুধ উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ২-৩টি খেজুর খেতে পারেন বা দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
✅ বেদানা – প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন থাকায় স্তন্য উৎপাদন বাড়ায়।
🟢 খাওয়ার নিয়ম: ফল হিসেবে খেতে পারেন বা জুস বানিয়ে পান করতে পারেন।
💡 বুকের দুধ বৃদ্ধির সাধারণ পরামর্শ:
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন – প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
✔ প্রতিদিন দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান – দুধ, দই, ছানা দুধ উৎপাদন বাড়ায়।
✔ সুষম খাবার খান – প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।
✔ পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন – মানসিক চাপ ও ক্লান্তি বুকের দুধ কমিয়ে দিতে পারে।
✔ শিশুকে নিয়মিত দুধ খাওয়ান – নিয়মিত স্তন্যপান করালে দুধের পরিমাণ বাড়তে থাকে।
প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য এসব খাবার ও পরামর্শ অনুসরণ করুন। মা ও শিশু দুজনই সুস্থ থাকুক! ❤️
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
মাইক টাইসনের এই কথাটা মেন্টাল স্ট্রেংথের সবচেয়ে বড় সত্য তুলে ধরে মন এবং আবেগের মধ্যে কে জিতবে, সেটাই ঠিক করে দেয় আপনি সফল হবেন নাকি হারিয়ে যাবেন। আবেগ স্বাভাবিক রাগ, ভয়, হতাশা, উত্তেজনা সবাই অনুভব করে। কিন্তু সমস্যা তখন হয় যখন আবেগ আপনার সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করে। রাগের মাথায় কথা বলে ফেলেন, ভয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন, হতাশায় হাল ছেড়ে দেন এভাবে আবেগ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করলে, আপনি নিজের জীবনের ড্রাইভার নন, প্যাসেঞ্জার।
বাস্তবতা হলো, সফল মানুষেরা আবেগহীন নন তারা ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট। তারা আবেগ অনুভব করেন, কিন্তু সেটা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা মনকে ট্রেনিং দেন মেডিটেশন, সেল্ফ-রিফ্লেকশন, ডিসিপ্লিন যাতে কঠিন মুহূর্তেও তারা শান্ত থাকতে পারেন, র্যাশনালি ভাবতে পারেন। মনে রাখবেন, আবেগ একটা ঢেউ আসবে, যাবে। কিন্তু আপনার মন হলো নোঙর যা আপনাকে স্থির রাখবে। তাই নিজের মনকে শক্তিশালী করুন, নিয়ন্ত্রণ শিখুন নাহলে জীবন আপনার আবেগের খেলনা হয়ে যাবে।
#StayInControl #TrainYourMind #Discipline #MasterYourMind #InnerStrength #DontReact #StayCalm #Motivation #MindsetMatters #Spikestory
বাস্তবতা হলো, সফল মানুষেরা আবেগহীন নন তারা ইমোশনালি ইন্টেলিজেন্ট। তারা আবেগ অনুভব করেন, কিন্তু সেটা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা মনকে ট্রেনিং দেন মেডিটেশন, সেল্ফ-রিফ্লেকশন, ডিসিপ্লিন যাতে কঠিন মুহূর্তেও তারা শান্ত থাকতে পারেন, র্যাশনালি ভাবতে পারেন। মনে রাখবেন, আবেগ একটা ঢেউ আসবে, যাবে। কিন্তু আপনার মন হলো নোঙর যা আপনাকে স্থির রাখবে। তাই নিজের মনকে শক্তিশালী করুন, নিয়ন্ত্রণ শিখুন নাহলে জীবন আপনার আবেগের খেলনা হয়ে যাবে।
#StayInControl #TrainYourMind #Discipline #MasterYourMind #InnerStrength #DontReact #StayCalm #Motivation #MindsetMatters #Spikestory
তোমার সারাদিন কঠোর অনুশাসনে বন্দি থাকার প্রয়োজন নেই।
শুধু ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ১৫ মিনিট নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখো।
বিছানা ছাড়ো। নিজের বিছানাটা গুছিয়ে ফেলো। হাতের মুষ্টির ওপর ভর দিয়ে ১৫টা পুশ-আপ দাও। তারপর বাইরে বেরিয়ে আসো, সূর্যের দিকে তাকাও।
আর খবরদার, ওই অভিশপ্ত ফোনটা ছোঁবে না!
ব্যাস, এটুকুই।
তুমি যদি দিনের শুরুর এই প্রথম ১৫ মিনিট জয় করতে পারো, তবে পরবর্তী ১২ ঘণ্টা তুমি কেমন মানুষ হয়ে থাকবে—তা তুমি তখনই ঠিক করে ফেললে।
অধিকাংশ পুরুষ বিছানা থেকে ওঠার আগেই হেরে যায়। তারা দিনটা শুরুই করে দুনিয়ার যত আবর্জনা আর অন্যের হইচই নিজেদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে।
কিন্তু তুমি তাদের মতো নও।
মনে রেখো, এই ১৫ মিনিট শুধু দিনটা ভালোভাবে শুরু করার জন্য নয়। এটা আসলে একটা সিগন্যাল—তোমার মস্তিষ্ককে দেওয়া একটা কড়া বার্তা যে, তুমি তোমার জীবনের চালক, জীবন তোমাকে চালাচ্ছে না।
মনে রেখো, শক্তিশালী জ্ঞান শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে, আর শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে একজন শক্তিশালী মানুষ।
তুমি যদি আমাদের এই যাত্রায় শামিল হতে চাও, তবে তার শুরুটা হবে এই ১৫ মিনিট দিয়েই।
কাল সকাল থেকে কি তুমি এই ১৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জটা নিবে? কাল সকালে ফোন ধরার আগে আমাকে একটি মেসেজ দিও—দেখি তোমার সংকল্প কতটা দৃঢ়!
Red Pill 2
শুধু ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম ১৫ মিনিট নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখো।
বিছানা ছাড়ো। নিজের বিছানাটা গুছিয়ে ফেলো। হাতের মুষ্টির ওপর ভর দিয়ে ১৫টা পুশ-আপ দাও। তারপর বাইরে বেরিয়ে আসো, সূর্যের দিকে তাকাও।
আর খবরদার, ওই অভিশপ্ত ফোনটা ছোঁবে না!
ব্যাস, এটুকুই।
তুমি যদি দিনের শুরুর এই প্রথম ১৫ মিনিট জয় করতে পারো, তবে পরবর্তী ১২ ঘণ্টা তুমি কেমন মানুষ হয়ে থাকবে—তা তুমি তখনই ঠিক করে ফেললে।
অধিকাংশ পুরুষ বিছানা থেকে ওঠার আগেই হেরে যায়। তারা দিনটা শুরুই করে দুনিয়ার যত আবর্জনা আর অন্যের হইচই নিজেদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে।
কিন্তু তুমি তাদের মতো নও।
মনে রেখো, এই ১৫ মিনিট শুধু দিনটা ভালোভাবে শুরু করার জন্য নয়। এটা আসলে একটা সিগন্যাল—তোমার মস্তিষ্ককে দেওয়া একটা কড়া বার্তা যে, তুমি তোমার জীবনের চালক, জীবন তোমাকে চালাচ্ছে না।
মনে রেখো, শক্তিশালী জ্ঞান শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে, আর শক্তিশালী অভ্যাস গড়ে তোলে একজন শক্তিশালী মানুষ।
তুমি যদি আমাদের এই যাত্রায় শামিল হতে চাও, তবে তার শুরুটা হবে এই ১৫ মিনিট দিয়েই।
কাল সকাল থেকে কি তুমি এই ১৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জটা নিবে? কাল সকালে ফোন ধরার আগে আমাকে একটি মেসেজ দিও—দেখি তোমার সংকল্প কতটা দৃঢ়!
Red Pill 2
❤1