তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা দুনিয়ার জন্য তাই রাখত যা তাদের পরকাল থেকে অতিরিক্ত থাকত, অথচ তোমরা আজ পরকালের জন্য তাই রাখছ যা তোমাদের দুনিয়া থেকে অতিরিক্ত থাকছে।
- আব্দুল্লাহ ইবন আউন (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]
إن من كان قبلكم كانوا يجعلون للدنيا ما فضل عن آخرتهم ، وإنكم اليوم تجعلون لآخرتكم ما فضل عن دنياكم .
©
- আব্দুল্লাহ ইবন আউন (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]
إن من كان قبلكم كانوا يجعلون للدنيا ما فضل عن آخرتهم ، وإنكم اليوم تجعلون لآخرتكم ما فضل عن دنياكم .
©
ফরজ গোসল অবস্থায় সাহরী খেয়ে রোজা রাখা জায়েয আছে ।
উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ
“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]
রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]
তবে ফজরের নামাজের পূর্বেই গোসল করে নামাজ আদায় করে নিতে হবে ।
উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ
“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]
রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]
তবে ফজরের নামাজের পূর্বেই গোসল করে নামাজ আদায় করে নিতে হবে ।
❤3
স্টিভ হার্ভির এই কথাটা আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ডিস্ট্র্যাকশন। আমরা সবাই লক্ষ্য নিয়ে শুরু করি, কিন্তু পথে হারিয়ে যাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা, নেটফ্লিক্সে অহেতুক বিঞ্জ ওয়াচিং, অপ্রয়োজনীয় গসিপ, টক্সিক রিলেশনশিপ। এই বিভ্রান্তিগুলো শুরুতে ছোট মনে হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনার ফোকাস নষ্ট করে, আপনার শক্তি শুষে নেয়, এবং আপনাকে লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে নিয়ে যায়। একদিন দেখবেন, বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু আপনি একই জায়গায় আছেন কারণ আপনার সময় এবং এনার্জি অর্থহীন জিনিসে চলে গেছে।
বাস্তবতা হলো, সাফল্য এবং ব্যর্থতার মধ্যে পার্থক্য প্রতিভায় নয় ফোকাসে। যারা নিজেদের ডিস্ট্র্যাকশন থেকে দূরে রাখতে পারেন, যারা "না" বলতে জানেন, যারা প্রায়োরিটি ক্লিয়ার রাখেন তারাই এগিয়ে যান। তাই নিজের জীবন চেক করুন: কোন জিনিসগুলো আপনাকে আপনার গোল থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে? সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং কাট করুন। নিষ্ঠুর হোন নিজের সাথে আপনার স্বপ্ন আপনার ডিস্ট্র্যাকশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#Intentional #SuccessMindset #StayOnTrack #NoExcuses #Motivation #SelfControl #CommitToYourGoals #BeLaser #WinningHabits #Spikestory
বাস্তবতা হলো, সাফল্য এবং ব্যর্থতার মধ্যে পার্থক্য প্রতিভায় নয় ফোকাসে। যারা নিজেদের ডিস্ট্র্যাকশন থেকে দূরে রাখতে পারেন, যারা "না" বলতে জানেন, যারা প্রায়োরিটি ক্লিয়ার রাখেন তারাই এগিয়ে যান। তাই নিজের জীবন চেক করুন: কোন জিনিসগুলো আপনাকে আপনার গোল থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে? সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং কাট করুন। নিষ্ঠুর হোন নিজের সাথে আপনার স্বপ্ন আপনার ডিস্ট্র্যাকশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
#Intentional #SuccessMindset #StayOnTrack #NoExcuses #Motivation #SelfControl #CommitToYourGoals #BeLaser #WinningHabits #Spikestory
❤1
এখন থেকে হাজারে ৮.৫০ টাকা খরচে বিকাশের টাকা ক্যাশ করতে পারবেন NPSB এর মাধ্যমে।
আমি আগেও একাধিকবার বলেছি, কওমি মাদরাসাই পৃথিবীর একমাত্র প্রতিষ্ঠান যেখানে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বসবাস করতে নিষেধ করা হয়। প্রকারান্তরে সমকামিতা উস্কে দেওয়া হয়। এ নিয়ে আরো কথা বলার দরকার।
দেশের ৯৯% কওমি মাদরাসার কর্তৃপক্ষের (মুহতামিম/নায়েবে মুহতামিম) মানসিকতা হচ্ছে, সহকারী শিক্ষকরা যতই স্ত্রী থেকে দূরে থাকবে, ইলমের জন্য ততই মঙ্গল। শিক্ষকরা মাসে ২ দিনের জায়গায় ৩ দিন ছুটি চাইলেই এমন আচরণ পাওয়া যায় যে, ইলম বুঝি সব গেল। Roman4you
কোনো কোনো মুরুব্বী পর্যায়ের মুহতামিম তার ছাত্র-শিক্ষদের ইসলাহি নসিহত করতে গিয়ে বলেন যে, "বিয়ের পরে বউকে দূরে রেখে যদি মাদরাসায় পড়ে থাকতে পারিস, তাহলে আল্লাহ তোদেরকে ইলম ঢেলে দিবেন।"
তাদের প্রসিদ্ধ একটি নসিহত হচ্ছে,
ضاع العلم بين أفخاذ النساء
ضاع العلم بين ثديي النساء
নতুন বিয়ের পরে কোনো শিক্ষক যদি মাসে ২য় বার ছুটি চায়, তাহলে তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে তাকে বলা হয়, "বিয়ে করে বউ পাগল হয়ে গেলেন, এতবার ছুটি নিলে প্রতিষ্ঠান বাঁচাবে কে?"
করোনা চলাকালীন (মাদরাসা বন্ধ থাকা অবস্থায়) এক মাদরাসায় এক শিক্ষককে বিয়ের ৭ দিনের মাথায় ফোন দিয়ে নিয়ে আসা হলো মাদরাসা-মসজিদে নামাজ পড়ানোর জন্য। অথচ নামাজ পড়ানোর জন্য মুহতামিম/নায়েবে মুহতামিম সাহেবরাই যথেষ্ট ছিলেন। কারণ এদের বাসা মাদরাসার পাশেই। মাদরাসার কোয়ার্টারে। যেহেতু আল্লাহ তায়ালা একমাত্র তাদেরকেই পুরুষাঙ্গ দান করেছেন তাই পুরুষাঙ্গের হক আদায় করা বাধ্যতামূলক। যা হোক সেই উস্তাদকে নিয়ে এসে এক মাসের মাথায়ও ছুটি দিতে গড়িমসি করা হয়েছে।
আরেক হেফজ বিভাগের শিক্ষককে বিয়ের একদিন পরেই চলে আসতে হয়েছে, এক মাসের আগে ছুটি পাওয়ার নিয়ম নেই মাদ্রাসায়। ছুটি দেয়ার ক্ষমতা নাকি মুহতামিমের নেই। তিনি বাসা নিয়ে পুরোদমে পরিবারকে নিয়ে থাকবেন। তার একটা মিনিটও যেন স্ত্রী ছাড়া না যায় তা নিশ্চিত করেন।
কওমি মাদরাসার নতুন বিবাহিত শিক্ষকরা কি যে জুলুমের ভিতর দিয়ে নিজেদের বিবাহ পরবর্তী জীবনটা কাটায়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এইসব মজলুমের দিলের আহ শব্দের কারণেই হয়তো বড়হুজুরদের ছেলেপেলে মানুষ হয় না। কিছু হয় বেয়াদব আর কিছু হয় নাস্তিক। বাবার অর্জন মাটিতে মিশিয়ে ছাড়ে।
আরেক মাদরাসায় এক শিক্ষকের স্ত্রী অসুস্থ ছিল, ডিএন্ডসি করা লেগেছে, এক সপ্তাহের মাথায় ২য় বার ছুটি নেওয়াতে তাকে মিটিংয়ে সবার সামনে বউ পাগল বলে অপমান করা হয়েছে।
অধিকাংশ কওমি মাদরাসায় কোনো শিক্ষক মাদরাসার কাছে বাসা নিয়ে আসতে চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় না। অজুহাত দেখানো হয় যে, মাদরাসার পড়াশোনায় ক্ষতি হবে। ইলমের ক্ষতি হবে৷
অন্যদিকে লম্বা সময় স্ত্রী থেকে দূরে থাকার কারণে শিক্ষকদের মধ্যে যৌন চাহিদা জেগে উঠে, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটে৷ কওমি মাদরাসার এই লজ্জাজনক বিষয়গুলোর মূল কারণ যে, এই স্ত্রী থেকে দূরে রাখার জঘন্য মানসিকতা, এটা এই আকাবির নামধারী বুজুর্গদের কেউ স্বীকারই করতে চান না। এটাকে তারা দীনের খেদমত বলে মনে করেন।
ইলমের দোহাই দিয়ে এভাবে শিক্ষকদেরকে নিজের শারীরিক চাহিদা, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখার শারয়ি বিধান কী, এই বিষয়ে কওমি মাদরাসার মূল প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ, বাংলাদেশের হাটহাজারী ও কওমি মাদরাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাক ও হাইআতুল উলইয়া থেকে ফতোয়া জারি করা দরকার।
সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধের সফরে রাসুলের কাছে নপুংশক হয়ে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। কারণ ছিল একটাই, স্ত্রী থেকে দীর্ঘ সময় দূরে, আবার যুদ্ধের এলাকায় কাফির সুন্দরী মেয়েদেরকে দেখে শারীরিক চাহিদা জেগে উঠা। অথচ তারা রাসুলের সান্নিধ্যে ছিলেন। রাসুলুল্লাহ( সাঃ) সফরে গেলে তার এক স্ত্রীকে নিয়ে যেতেন। রাসুলের সান্নিধ্যে থাকাবস্থায়ই যদি সাহাবাদের ভিতরে শারীরিক চাহিদা জেগে উঠা দোষনীয় না হয়, তাহলে এই ফেতনার জমানায় কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে এই চাহিদা জেগে উঠা কি খুব অস্বাভাবিক?
চাহিদা জাগার পরে যদি তাৎক্ষনিক পূর্ণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে এই শিক্ষক মাদরাসার কচি ছেলেদের দিকে নজর দিবে না তো কী করবে?
মেশকাত শরিফের সেই প্রসিদ্ধ হাদিস, যা বড় বড় অন্য কিতাবগুলোতেও আছে, রাসুল একবার বাসা থেকে বের হলে এক মহিলার দিকে নজর পড়ল, তাকে রাসুলের পছন্দ হলো। সাথে সাথে ঘরে ঢুকে রাসুলের এক স্ত্রীর সাথে চাহিদা পুরণ করে বের হয়ে এসে বলেন, "তোমাদের কারো যদি বাইরের কোনো মহিলার প্রতি আকর্ষণ অনুভব হয়, তাহলে সে যেন নিজ স্ত্রীর কাছে যায়। কারণ স্ত্রীর মধ্যে তা-ই রয়েছে, ঐ মহিলার মাঝে যা রয়েছে।"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দিয়ে আল্লাহ এই ঘটনা ঘটিয়ে উম্মতকে বিশেষ শিক্ষা দিয়েছেন৷ হায়! আকাবিররা যদি এই শিক্ষাটা গ্রহণ করতেন....!!
দেশের ৯৯% কওমি মাদরাসার কর্তৃপক্ষের (মুহতামিম/নায়েবে মুহতামিম) মানসিকতা হচ্ছে, সহকারী শিক্ষকরা যতই স্ত্রী থেকে দূরে থাকবে, ইলমের জন্য ততই মঙ্গল। শিক্ষকরা মাসে ২ দিনের জায়গায় ৩ দিন ছুটি চাইলেই এমন আচরণ পাওয়া যায় যে, ইলম বুঝি সব গেল। Roman4you
কোনো কোনো মুরুব্বী পর্যায়ের মুহতামিম তার ছাত্র-শিক্ষদের ইসলাহি নসিহত করতে গিয়ে বলেন যে, "বিয়ের পরে বউকে দূরে রেখে যদি মাদরাসায় পড়ে থাকতে পারিস, তাহলে আল্লাহ তোদেরকে ইলম ঢেলে দিবেন।"
তাদের প্রসিদ্ধ একটি নসিহত হচ্ছে,
ضاع العلم بين أفخاذ النساء
ضاع العلم بين ثديي النساء
নতুন বিয়ের পরে কোনো শিক্ষক যদি মাসে ২য় বার ছুটি চায়, তাহলে তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে তাকে বলা হয়, "বিয়ে করে বউ পাগল হয়ে গেলেন, এতবার ছুটি নিলে প্রতিষ্ঠান বাঁচাবে কে?"
করোনা চলাকালীন (মাদরাসা বন্ধ থাকা অবস্থায়) এক মাদরাসায় এক শিক্ষককে বিয়ের ৭ দিনের মাথায় ফোন দিয়ে নিয়ে আসা হলো মাদরাসা-মসজিদে নামাজ পড়ানোর জন্য। অথচ নামাজ পড়ানোর জন্য মুহতামিম/নায়েবে মুহতামিম সাহেবরাই যথেষ্ট ছিলেন। কারণ এদের বাসা মাদরাসার পাশেই। মাদরাসার কোয়ার্টারে। যেহেতু আল্লাহ তায়ালা একমাত্র তাদেরকেই পুরুষাঙ্গ দান করেছেন তাই পুরুষাঙ্গের হক আদায় করা বাধ্যতামূলক। যা হোক সেই উস্তাদকে নিয়ে এসে এক মাসের মাথায়ও ছুটি দিতে গড়িমসি করা হয়েছে।
আরেক হেফজ বিভাগের শিক্ষককে বিয়ের একদিন পরেই চলে আসতে হয়েছে, এক মাসের আগে ছুটি পাওয়ার নিয়ম নেই মাদ্রাসায়। ছুটি দেয়ার ক্ষমতা নাকি মুহতামিমের নেই। তিনি বাসা নিয়ে পুরোদমে পরিবারকে নিয়ে থাকবেন। তার একটা মিনিটও যেন স্ত্রী ছাড়া না যায় তা নিশ্চিত করেন।
কওমি মাদরাসার নতুন বিবাহিত শিক্ষকরা কি যে জুলুমের ভিতর দিয়ে নিজেদের বিবাহ পরবর্তী জীবনটা কাটায়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এইসব মজলুমের দিলের আহ শব্দের কারণেই হয়তো বড়হুজুরদের ছেলেপেলে মানুষ হয় না। কিছু হয় বেয়াদব আর কিছু হয় নাস্তিক। বাবার অর্জন মাটিতে মিশিয়ে ছাড়ে।
আরেক মাদরাসায় এক শিক্ষকের স্ত্রী অসুস্থ ছিল, ডিএন্ডসি করা লেগেছে, এক সপ্তাহের মাথায় ২য় বার ছুটি নেওয়াতে তাকে মিটিংয়ে সবার সামনে বউ পাগল বলে অপমান করা হয়েছে।
অধিকাংশ কওমি মাদরাসায় কোনো শিক্ষক মাদরাসার কাছে বাসা নিয়ে আসতে চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় না। অজুহাত দেখানো হয় যে, মাদরাসার পড়াশোনায় ক্ষতি হবে। ইলমের ক্ষতি হবে৷
অন্যদিকে লম্বা সময় স্ত্রী থেকে দূরে থাকার কারণে শিক্ষকদের মধ্যে যৌন চাহিদা জেগে উঠে, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটে৷ কওমি মাদরাসার এই লজ্জাজনক বিষয়গুলোর মূল কারণ যে, এই স্ত্রী থেকে দূরে রাখার জঘন্য মানসিকতা, এটা এই আকাবির নামধারী বুজুর্গদের কেউ স্বীকারই করতে চান না। এটাকে তারা দীনের খেদমত বলে মনে করেন।
ইলমের দোহাই দিয়ে এভাবে শিক্ষকদেরকে নিজের শারীরিক চাহিদা, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখার শারয়ি বিধান কী, এই বিষয়ে কওমি মাদরাসার মূল প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ, বাংলাদেশের হাটহাজারী ও কওমি মাদরাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাক ও হাইআতুল উলইয়া থেকে ফতোয়া জারি করা দরকার।
সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধের সফরে রাসুলের কাছে নপুংশক হয়ে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। কারণ ছিল একটাই, স্ত্রী থেকে দীর্ঘ সময় দূরে, আবার যুদ্ধের এলাকায় কাফির সুন্দরী মেয়েদেরকে দেখে শারীরিক চাহিদা জেগে উঠা। অথচ তারা রাসুলের সান্নিধ্যে ছিলেন। রাসুলুল্লাহ( সাঃ) সফরে গেলে তার এক স্ত্রীকে নিয়ে যেতেন। রাসুলের সান্নিধ্যে থাকাবস্থায়ই যদি সাহাবাদের ভিতরে শারীরিক চাহিদা জেগে উঠা দোষনীয় না হয়, তাহলে এই ফেতনার জমানায় কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে এই চাহিদা জেগে উঠা কি খুব অস্বাভাবিক?
চাহিদা জাগার পরে যদি তাৎক্ষনিক পূর্ণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে এই শিক্ষক মাদরাসার কচি ছেলেদের দিকে নজর দিবে না তো কী করবে?
মেশকাত শরিফের সেই প্রসিদ্ধ হাদিস, যা বড় বড় অন্য কিতাবগুলোতেও আছে, রাসুল একবার বাসা থেকে বের হলে এক মহিলার দিকে নজর পড়ল, তাকে রাসুলের পছন্দ হলো। সাথে সাথে ঘরে ঢুকে রাসুলের এক স্ত্রীর সাথে চাহিদা পুরণ করে বের হয়ে এসে বলেন, "তোমাদের কারো যদি বাইরের কোনো মহিলার প্রতি আকর্ষণ অনুভব হয়, তাহলে সে যেন নিজ স্ত্রীর কাছে যায়। কারণ স্ত্রীর মধ্যে তা-ই রয়েছে, ঐ মহিলার মাঝে যা রয়েছে।"
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দিয়ে আল্লাহ এই ঘটনা ঘটিয়ে উম্মতকে বিশেষ শিক্ষা দিয়েছেন৷ হায়! আকাবিররা যদি এই শিক্ষাটা গ্রহণ করতেন....!!
একজন শিক্ষক কোনো দাড়িবিহীন সুশ্রী ছেলের প্রতি বারবার দৃষ্টিপাত হলে কতক্ষণ সে নিজেকে ঠিক রাখতে পারে? যেখানে সাহাবায়ে কেরাম যুদ্ধের ময়দানে রাসুলের সোহবতে থাকাবস্থায়ও শারীরিক চাহিদার শিকার হয়ে গেলেন? যেখানে রাসুলের অন্তরেও (আল্লাহর ইচ্ছায়ই, উম্মতের শিক্ষার জন্য) কারো প্রতি আকর্ষণ অনুভব হতে পারে৷
এই শিক্ষক নিজের জেগে উঠা চাহিদা কোথায় পূর্ণ করবে, যদি তাকে স্ত্রীর কাছে যেতে দেয়া না হয়?
স্ত্রী থেকে দূরে রাখার এসব মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গি কতটুকু শরিয়তসম্মত, তা নিয়ে আলোচনার সময় এসেছে।
© সংগৃহীত ও সম্পাদিত
[ এখানে মাদরাসা ও হুজুরদের অপমান বা হাসির খোরাক বানানো উদ্দেশ্য না। এসব জাহেলি কাজ বন্ধ করে সুস্থ ও স্বাভাবিক সমাজ রাখা উদ্দেশ্য। ]
এই শিক্ষক নিজের জেগে উঠা চাহিদা কোথায় পূর্ণ করবে, যদি তাকে স্ত্রীর কাছে যেতে দেয়া না হয়?
স্ত্রী থেকে দূরে রাখার এসব মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গি কতটুকু শরিয়তসম্মত, তা নিয়ে আলোচনার সময় এসেছে।
© সংগৃহীত ও সম্পাদিত
[ এখানে মাদরাসা ও হুজুরদের অপমান বা হাসির খোরাক বানানো উদ্দেশ্য না। এসব জাহেলি কাজ বন্ধ করে সুস্থ ও স্বাভাবিক সমাজ রাখা উদ্দেশ্য। ]
যদি তোমার বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হয়
দেরি হওয়ার আগে শেখা জরুরি
১. সময়মতো নামাজ পড়ো এটা তোমার দিনের কেন্দ্রবিন্দু
এবং বরকতের চাবিকাঠি। (সূরা আনকাবুত 29:45 )
২. নিজেকে শৃঙ্খলিত করো- আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া স্বপ্ন শুধু
স্বপ্নই থেকে যায়। (সূরা আল-হাশর 59:18)
৩. গোপনে হারাম থেকে বাঁচো একা থাকলে যা করো,
সেটাই তোমার আসল পরিচয়। (সূরা আল-মুলক 67:12)
৪. সঠিক বন্ধুর সঙ্গ নাও তারা তোমাকে জান্নাতের দিকে
টানতে পারে, বা জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিতে পারে। (আবুদাউদ 4833)
৫. অযথা বিয়েতে দেরি করো না "পারফেক্ট টাইম" এর
পিছনে ছোটা অনেক সময় ফিতনার দিকে নিয়ে যায়।
(বুখারি 5065, মুসলিম 1400)
৬. বেসিক ফিকহ ও আকীদা শিখো- জ্ঞান ছাড়া আল্লাহর
ইবাদত সঠিকভাবে করা যায় না। জ্ঞান ঈমান বাড়ায়।
(সুনান ইবনে মাজাহ 224)
৭. জবান নিয়ন্ত্রণ করো জিহ্বা এমন ক্ষত করে, যা হাতের
আঘাতের থেকেও দ্রুত ধ্বংস করে। (তিরমিযি 2616)
৮. দৃষ্টি হেফাজত করো- এটা তোমার হৃদয়কে অযাচিত
বাসনা ও আফসোস থেকে রক্ষা করে। (সূরা আন-নূর
24:30-31)
৯. নিয়মিত দান করো দান কখনো সম্পদ কমায় না, বরং
বাড়ায়। (মুসলিম 2588)
১০. ঋণ থেকে দূরে থাকো এটা স্বাধীনতা ও বরকত কেড়ে
নেয়। (বুখারি 2397)
১১. শরীরকে শক্ত রাখো- স্বাস্থ্য একটি আমানত; শক্তি
ইবাদত ও কাজে সহায়তা করে। (বুখারি 18)
১২. মূল্যবান কোনো দক্ষতা অর্জন করো যাতে তুমি হালাল
উপার্জন করতে পারো, কারো চাকরির উপর নির্ভর না
করে। (তিরমিযি 1130)
১৩. প্রতিদিন কুরআন পড়ো এক পৃষ্ঠা হলেও আল্লাহর
সাথে সংযোগ তৈরি হয়। (সূরা ফাতির 35:29)
১৪. সফর করো আল্লাহর সৃষ্টি দেখো, জ্ঞান অর্জন করো,
আর স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি ভাঙো। (সূরা আল-আনকাবুত
29:20)
১৫. মৃত্যুকে স্মরণ করো- এটা তোমার অগ্রাধিকার ঠিক
রাখে। (তিরমিযি 2307)
দেরি হওয়ার আগে শেখা জরুরি
১. সময়মতো নামাজ পড়ো এটা তোমার দিনের কেন্দ্রবিন্দু
এবং বরকতের চাবিকাঠি। (সূরা আনকাবুত 29:45 )
২. নিজেকে শৃঙ্খলিত করো- আত্মনিয়ন্ত্রণ ছাড়া স্বপ্ন শুধু
স্বপ্নই থেকে যায়। (সূরা আল-হাশর 59:18)
৩. গোপনে হারাম থেকে বাঁচো একা থাকলে যা করো,
সেটাই তোমার আসল পরিচয়। (সূরা আল-মুলক 67:12)
৪. সঠিক বন্ধুর সঙ্গ নাও তারা তোমাকে জান্নাতের দিকে
টানতে পারে, বা জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিতে পারে। (আবুদাউদ 4833)
৫. অযথা বিয়েতে দেরি করো না "পারফেক্ট টাইম" এর
পিছনে ছোটা অনেক সময় ফিতনার দিকে নিয়ে যায়।
(বুখারি 5065, মুসলিম 1400)
৬. বেসিক ফিকহ ও আকীদা শিখো- জ্ঞান ছাড়া আল্লাহর
ইবাদত সঠিকভাবে করা যায় না। জ্ঞান ঈমান বাড়ায়।
(সুনান ইবনে মাজাহ 224)
৭. জবান নিয়ন্ত্রণ করো জিহ্বা এমন ক্ষত করে, যা হাতের
আঘাতের থেকেও দ্রুত ধ্বংস করে। (তিরমিযি 2616)
৮. দৃষ্টি হেফাজত করো- এটা তোমার হৃদয়কে অযাচিত
বাসনা ও আফসোস থেকে রক্ষা করে। (সূরা আন-নূর
24:30-31)
৯. নিয়মিত দান করো দান কখনো সম্পদ কমায় না, বরং
বাড়ায়। (মুসলিম 2588)
১০. ঋণ থেকে দূরে থাকো এটা স্বাধীনতা ও বরকত কেড়ে
নেয়। (বুখারি 2397)
১১. শরীরকে শক্ত রাখো- স্বাস্থ্য একটি আমানত; শক্তি
ইবাদত ও কাজে সহায়তা করে। (বুখারি 18)
১২. মূল্যবান কোনো দক্ষতা অর্জন করো যাতে তুমি হালাল
উপার্জন করতে পারো, কারো চাকরির উপর নির্ভর না
করে। (তিরমিযি 1130)
১৩. প্রতিদিন কুরআন পড়ো এক পৃষ্ঠা হলেও আল্লাহর
সাথে সংযোগ তৈরি হয়। (সূরা ফাতির 35:29)
১৪. সফর করো আল্লাহর সৃষ্টি দেখো, জ্ঞান অর্জন করো,
আর স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি ভাঙো। (সূরা আল-আনকাবুত
29:20)
১৫. মৃত্যুকে স্মরণ করো- এটা তোমার অগ্রাধিকার ঠিক
রাখে। (তিরমিযি 2307)
❤4
একটি ভুল ধারণা : রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে কি রোযা ভেঙে যায়?
কেউ কেউ মনে করেন, রোযা অবস্থায় যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে রোযা ভেঙে যাবে। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। স্বপ্নদোষের কারণে রোযা ভাঙে না।
একটি বর্ণনায় এসেছে, তিনটি বস্তু রোযা ভঙ্গের কারণ নয়; বমি, শিঙ্গা লাগানো ও স্বপ্নদোষ। (মুসনাদে বাযযার, হাদীস ৫২৮৭; নসবুর রায়াহ ২/৪৪৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/১৭০; জামে তিরমিযী, হাদীস ৭১৯; সুনানে কুবরা, বাইহাকী ৪/২৬৪)
সুতরাং রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভেঙে যায়- এ ধারণা ঠিক নয়।
[সূত্র : মাসিক আল কাউসার
বর্ষ : ১২, সংখ্যা : ০৩
জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৭ || মার্চ ২০১৬]
কেউ কেউ মনে করেন, রোযা অবস্থায় যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে রোযা ভেঙে যাবে। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। স্বপ্নদোষের কারণে রোযা ভাঙে না।
একটি বর্ণনায় এসেছে, তিনটি বস্তু রোযা ভঙ্গের কারণ নয়; বমি, শিঙ্গা লাগানো ও স্বপ্নদোষ। (মুসনাদে বাযযার, হাদীস ৫২৮৭; নসবুর রায়াহ ২/৪৪৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/১৭০; জামে তিরমিযী, হাদীস ৭১৯; সুনানে কুবরা, বাইহাকী ৪/২৬৪)
সুতরাং রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভেঙে যায়- এ ধারণা ঠিক নয়।
[সূত্র : মাসিক আল কাউসার
বর্ষ : ১২, সংখ্যা : ০৩
জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৭ || মার্চ ২০১৬]
👍1
দরকার হলে আবার শূন্য থেকে শুরু করুন।
কিন্তু এবার আবেগ দিয়ে না, প্ল্যানিং দিয়ে।
ইচ্ছা দিয়ে না, ডিসিপ্লিন দিয়ে।
দুইদিনের পরিশ্রম দিয়ে না, কনসিসট্যান্সি দিয়ে।
কারণ নতুন শুরু মানে ব্যর্থতা না,
নতুন শুরু মানে, আরো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসা।
@Joy
কিন্তু এবার আবেগ দিয়ে না, প্ল্যানিং দিয়ে।
ইচ্ছা দিয়ে না, ডিসিপ্লিন দিয়ে।
দুইদিনের পরিশ্রম দিয়ে না, কনসিসট্যান্সি দিয়ে।
কারণ নতুন শুরু মানে ব্যর্থতা না,
নতুন শুরু মানে, আরো শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসা।
@Joy
❤7
এক নজরে সিয়াম বা রোজার জরুরি মাসআলা-মাসায়েল
❑ ১. সিয়ামের সংজ্ঞা:
সিয়াম (الصيام) আরবি শব্দ। বহুবচন। একবচন সওম (الصوم)। বাংলায় রোজা যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে আগত। সওম-এর শাব্দিক অর্থ, বিরত থাকা।
শরিয়তের পরিভাষায়, আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিক (ফজর) থেকে সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত রোজা ভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকাই হল সিয়াম বা রোজা।
❑ ২. রোজা রাখার বিধান:
নিম্নে বর্ণিত কতিপয় শর্ত সাপেক্ষ প্রত্যেক মুসলিম নারী ও পুরুষের ওপর রমজানের রোজা রাখা ফরজ।
❖ আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
"হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" [সূরা আল-বাকারা: ১৮৩]
❖ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ
"ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসুল, নামাজ কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, হজ সম্পাদন করা এবং রমজানের রোজা রাখা।" [সহিহ বুখারী: ৮ ও সহিহ মুসলিম: ১৬]
❑ ৩. রোজা ফরজ হওয়ার শর্তাবলি:
রোজা ফরজ হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই━
১. মুসলিম হতে হবে। অমুসলিমের জন্য এ বিধান প্রযোজ্য নয়।
২. প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাচ্চাদের রোজা রাখা আবশ্যক নয়। তবে তাদেরকে অভ্যস্ত করার জন্য রোজা রাখার জন্য উৎসাহিত করা উচিত।
৩. সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন হতে হবে। পাগলের উপর রোজা ফরজ নয়।
৪. রোজা রাখার শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হবে। রোজা রাখতে অক্ষম বা যার জন্য কষ্টসাধ্য তার জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়। যেমন: বয়োবৃদ্ধ, দীর্ঘ মেয়াদী রোগী কিংবা শয্যাশায়ী ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বা গরমে ভারী কাজ করার কারণে রোজা রাখতে কষ্ট হলে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ নয়। এ ক্ষেত্রে হয় কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিবে অথবা রাত্রিকালীন কাজ করবে।
৫. শরিয়তের বাধামুক্ত থাকতে হবে। (যেমন: ঋতুস্রাব, সন্তান প্রসবোত্তর স্রাব নির্গত হওয়া ইত্যাদি)
❑ ৪. রোজার নিয়ত:
ক. মনে মনে রোজা রাখার নিয়ত থাকা আবশ্যক। মুখে উচ্চারণ করে আরবিতে ‘নাওয়াইতু আন আসূমা গানান..” অথবা বাংলায় নিয়ত উচ্চারণ করা বিদআত।
খ. ফজরের পূর্বেই নিয়ত করা আবশ্যক।
গ. পুরো মাসের জন্য মাসের শুরুতে একবার নিয়ত করাই যথেষ্ট। তবে প্রতি রাতে আলাদা আলাদা নিয়ত করা উত্তম।
উল্লেখ্য যে, কোনও কারণে রোজা ভাঙলে পুনরায় শুরু করার সময় আবার নিয়ত করতে হবে।
❑ ৪. রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ:
◈ ক. যেকারণে রোজা ভেঙে যায় এবং কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয় তা হল, রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা:
যদি কোনও ব্যক্তি রমজান মাসে ইচ্ছাকৃত ভাবে স্ত্রী সহবাস করে তবে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং এর বদলে একটি রোজা কাজা করার পাশাপাশি কাফফারা (টানা ৬০টি রোজা রাখা) আদায় করতে হবে। তাও সম্ভব না হলে একটি রোজার বিনিময়ে ৬০ জন গরিব-অসহায় মানুষকে খাবার খাওয়াতে হবে বা খাদ্যদ্রব্য প্রদান করতে হবে। (জনপ্রতি সোয়া কেজি চাল)। টাকা দেওয়া শরিয়ত সম্মত নয়।
◈ খ. যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় কিন্তু শুধু কাজা আবশ্যক হয় (কাফফারা নয়):
নিচের কারণগুলোর কোনও একটি ঘটলে রোজা ভেঙে যাবে এবং রমজানের পর সেই রোজার পরিবর্তে একটি রোজা রেখে দিলেই হবে (কাফফারা আবশ্যক নয়):
➧ (১). ইচ্ছাকৃত ভাবে পানাহার করা: সুবহে সাদিক বা ফরজ উদিত হওয়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে কোনও খাবার, পানীয়, ওষুধ ইত্যাদি গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য যে, এমন কিছু যা সাধারণত খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না তা ইচ্ছাকৃত ভাবে গিলে ফেললেও রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। যেমন: পাথর, মাটি বা অখাদ্য অন্য কিছু।
➧ (২) ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করা: যদি কেউ আঙুল দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে মুখ ভরে ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করে। রোগ বা অন্য কোনও কারণে অনিচ্ছা বশতঃ বমি হলে রোজা ভঙ্গ হবে না।
➧ (৩) নাক বা কানে ওষুধ প্রবেশ করানো: যদি এমন কোনও তরল ওষুধ ব্যবহার করা হয় যা সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছে যায়।
- রোজা অবস্থায় রক্ত দান করলে বা হিজামা (সিঙ্গা) লাগালে রোজা ভঙ্গ হওয়ার বিষয়টি দ্বিমতপূর্ণ। অধিক বিশুদ্ধ মতে, রোজা ভঙ্গ হবে না। কিন্তু যেহেতু অনেক আলেমের মতে রোজা ভেঙ্গে যাবে তাই সতর্কতা এবং মতবিরোধ থেকে বাঁচার স্বার্থে সম্ভব হলে তা দিনে না করে রাতে করাই ভালো।
➧ (৪) ভুলবশত ইফতার বা সেহরি করা: সময় শেষ হওয়ার পর সেহরি খাওয়া অথবা সময় হওয়ার আগে ইফতার করে ফেলা (যদিও ব্যক্তি মনে করেছিল সময় আছে)।
❑ ১. সিয়ামের সংজ্ঞা:
সিয়াম (الصيام) আরবি শব্দ। বহুবচন। একবচন সওম (الصوم)। বাংলায় রোজা যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে আগত। সওম-এর শাব্দিক অর্থ, বিরত থাকা।
শরিয়তের পরিভাষায়, আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিক (ফজর) থেকে সূর্যাস্ত (মাগরিব) পর্যন্ত রোজা ভঙ্গকারী সকল কাজ থেকে বিরত থাকাই হল সিয়াম বা রোজা।
❑ ২. রোজা রাখার বিধান:
নিম্নে বর্ণিত কতিপয় শর্ত সাপেক্ষ প্রত্যেক মুসলিম নারী ও পুরুষের ওপর রমজানের রোজা রাখা ফরজ।
❖ আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
"হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" [সূরা আল-বাকারা: ১৮৩]
❖ রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ
"ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসুল, নামাজ কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, হজ সম্পাদন করা এবং রমজানের রোজা রাখা।" [সহিহ বুখারী: ৮ ও সহিহ মুসলিম: ১৬]
❑ ৩. রোজা ফরজ হওয়ার শর্তাবলি:
রোজা ফরজ হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই━
১. মুসলিম হতে হবে। অমুসলিমের জন্য এ বিধান প্রযোজ্য নয়।
২. প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক বাচ্চাদের রোজা রাখা আবশ্যক নয়। তবে তাদেরকে অভ্যস্ত করার জন্য রোজা রাখার জন্য উৎসাহিত করা উচিত।
৩. সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন হতে হবে। পাগলের উপর রোজা ফরজ নয়।
৪. রোজা রাখার শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হবে। রোজা রাখতে অক্ষম বা যার জন্য কষ্টসাধ্য তার জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়। যেমন: বয়োবৃদ্ধ, দীর্ঘ মেয়াদী রোগী কিংবা শয্যাশায়ী ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বা গরমে ভারী কাজ করার কারণে রোজা রাখতে কষ্ট হলে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ নয়। এ ক্ষেত্রে হয় কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিবে অথবা রাত্রিকালীন কাজ করবে।
৫. শরিয়তের বাধামুক্ত থাকতে হবে। (যেমন: ঋতুস্রাব, সন্তান প্রসবোত্তর স্রাব নির্গত হওয়া ইত্যাদি)
❑ ৪. রোজার নিয়ত:
ক. মনে মনে রোজা রাখার নিয়ত থাকা আবশ্যক। মুখে উচ্চারণ করে আরবিতে ‘নাওয়াইতু আন আসূমা গানান..” অথবা বাংলায় নিয়ত উচ্চারণ করা বিদআত।
খ. ফজরের পূর্বেই নিয়ত করা আবশ্যক।
গ. পুরো মাসের জন্য মাসের শুরুতে একবার নিয়ত করাই যথেষ্ট। তবে প্রতি রাতে আলাদা আলাদা নিয়ত করা উত্তম।
উল্লেখ্য যে, কোনও কারণে রোজা ভাঙলে পুনরায় শুরু করার সময় আবার নিয়ত করতে হবে।
❑ ৪. রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ:
◈ ক. যেকারণে রোজা ভেঙে যায় এবং কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয় তা হল, রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা:
যদি কোনও ব্যক্তি রমজান মাসে ইচ্ছাকৃত ভাবে স্ত্রী সহবাস করে তবে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং এর বদলে একটি রোজা কাজা করার পাশাপাশি কাফফারা (টানা ৬০টি রোজা রাখা) আদায় করতে হবে। তাও সম্ভব না হলে একটি রোজার বিনিময়ে ৬০ জন গরিব-অসহায় মানুষকে খাবার খাওয়াতে হবে বা খাদ্যদ্রব্য প্রদান করতে হবে। (জনপ্রতি সোয়া কেজি চাল)। টাকা দেওয়া শরিয়ত সম্মত নয়।
◈ খ. যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় কিন্তু শুধু কাজা আবশ্যক হয় (কাফফারা নয়):
নিচের কারণগুলোর কোনও একটি ঘটলে রোজা ভেঙে যাবে এবং রমজানের পর সেই রোজার পরিবর্তে একটি রোজা রেখে দিলেই হবে (কাফফারা আবশ্যক নয়):
➧ (১). ইচ্ছাকৃত ভাবে পানাহার করা: সুবহে সাদিক বা ফরজ উদিত হওয়ার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইচ্ছাকৃত ভাবে কোনও খাবার, পানীয়, ওষুধ ইত্যাদি গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য যে, এমন কিছু যা সাধারণত খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না তা ইচ্ছাকৃত ভাবে গিলে ফেললেও রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। যেমন: পাথর, মাটি বা অখাদ্য অন্য কিছু।
➧ (২) ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করা: যদি কেউ আঙুল দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে মুখ ভরে ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করে। রোগ বা অন্য কোনও কারণে অনিচ্ছা বশতঃ বমি হলে রোজা ভঙ্গ হবে না।
➧ (৩) নাক বা কানে ওষুধ প্রবেশ করানো: যদি এমন কোনও তরল ওষুধ ব্যবহার করা হয় যা সরাসরি পাকস্থলীতে পৌঁছে যায়।
- রোজা অবস্থায় রক্ত দান করলে বা হিজামা (সিঙ্গা) লাগালে রোজা ভঙ্গ হওয়ার বিষয়টি দ্বিমতপূর্ণ। অধিক বিশুদ্ধ মতে, রোজা ভঙ্গ হবে না। কিন্তু যেহেতু অনেক আলেমের মতে রোজা ভেঙ্গে যাবে তাই সতর্কতা এবং মতবিরোধ থেকে বাঁচার স্বার্থে সম্ভব হলে তা দিনে না করে রাতে করাই ভালো।
➧ (৪) ভুলবশত ইফতার বা সেহরি করা: সময় শেষ হওয়ার পর সেহরি খাওয়া অথবা সময় হওয়ার আগে ইফতার করে ফেলা (যদিও ব্যক্তি মনে করেছিল সময় আছে)।
উল্লেখ্য যে, উক্ত রোজা কাজা করার বিষয়ে আলেমদের মাঝে দ্বিমত আছে। তবে অধিক বিশুদ্ধ মতে তা কাজা করে নিবে। এটাই অধিক সতর্কতামূলক অবস্থান।
➧ (৫) রোজা অবস্থায় অসতর্কতা বশত কোনও কিছু খেলে বা পান করলে রজা ভঙ্গ হয় না। তবে স্মরণ আসার সাথে সাথে পানাহার বন্ধ করতে হবে। এমনকি মুখে থাকলেও তা ফেলে দিতে হবে।
➧ (৬) নারীদের পিরিয়ড বা সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাব: রোজা থাকা অবস্থায় দিনের যেকোনো সময় ঋতুস্রাব শুরু হলে বা বাচ্চা প্রসব হলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
❑ ৫. যাদের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে (৫টি শ্রেণি):
✪ ১. অসুস্থ ব্যক্তি: যদি রোজা রাখার কারণে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সুস্থ হলে তা কাজা করবেন।
✪ ২. মুসাফির: সফরের কারণে কষ্ট হলে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ। তবে কষ্ট না হলে রোজা রাখাই উত্তম। ভাঙ্গলে পরবর্তীতে তা কাজা করা আবশ্যক।
আল্লাহ তাআালা বলেন,
وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ
"আর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা সফরে আছে (সে অন্য সময়ে কাজা করবে)।" [সূরা আল বাকারা: ১৮৫
✪ ৩. ঋতুমতী ও প্রসূতি নারী:
মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব বা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্রাব চলাকালীন সময় (সর্বোচ্চ মেয়াদ ৪০ দিন) রোজা রাখা আবশ্যক নয়। রোজা অবস্থায় স্রাব শুরু হলে বা বাচ্চা প্রসব হলে স্বয়ংক্রিয় রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। তবে রমজানের পরে আগামী রমজানের পূর্বে তা কাজা করে নিতে হবে।
✪ ৪. গর্ভবতী ও দুগ্ধ দানকারী মা: যদি নিজের বা বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তার তিনি রোজা ভাঙতে পারবেন এবং পরে কাজা করবেন। তবে যদি কোনও ক্ষতির আশঙ্কা না থাকে তবে রোজা রাখা মুস্তাহাব।
✪ ৫. অতিবৃদ্ধ বা দীর্ঘমেয়াদী রোগী: যারা একেবারেই রোজা রাখতে সক্ষম নন তাদের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়। তবে প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্যদ্রব্য (ফিদিয়া যার পরিমাণ সোয়া কেজি চাল) দিতে হবে।
❑ ৬. রোজার মূল শিক্ষা ও উদ্দেশ্য:
❍ ১. তাকওয়া বা আল্লাহ ভীতি অর্জন:
রোজার প্রধান এবং মূল উদ্দেশ্য হল মানুষের মনে আল্লাহর ভয় বা সচেতনতা সৃষ্টি করা।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
"হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" [সূরা বাকারা: ১৮৩]
❍ ২. নফসের ওপর নিয়ন্ত্রণ (আত্মশুদ্ধি):
সারাদিন নিজের বৈধ চাহিদা (খাবার ও পানীয়) পরিহার করার মাধ্যমে একজন মুমিন তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। এটি মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে শক্তিশালী করে এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
❍ ৩. ধৈর্য ও সহনশীলতার চর্চা:
ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে রোজাদার ধৈর্যের গুণ অর্জন করে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসকে "ধৈর্যের মাস" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
❍ ৪. সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ:
অনাহারে থাকার যন্ত্রণা অনুভবের মাধ্যমে সমাজের অভাবী ও দরিদ্র মানুষের কষ্টের প্রতি সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়। এটি দান-সদকা ও মানুষের সেবায় উৎসাহিত করে।
❍ ৫. আখলাক বা চরিত্রের সংশোধন:
রোজা অবস্থায় মিথ্যা বলা, গিবত করা বা ঝগড়া-বিবাদ থেকে দূরে থাকা বাধ্যতামূলক।
রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ
"যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও সে অনুযায়ী কাজ বর্জন করেনি, তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোনও প্রয়োজন নেই।" [সহিহ বুখারী: ১৯০৩]
❍ ৬. শারীরিক সুস্থতা:
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার ফলে শরীরের পরিপাকতন্ত্র বিশ্রাম পায় এবং শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায়, যা সুস্থতার জন্য সহায়ক। এ ছাড়াও অনেক উপকার আছে।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَأَن تَصُومُوا خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
"আর তোমাদের রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পারো।" [সূরা বাকারা: ১৮৪]
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পদ্ধতির আলোকে সিয়াম পালনের তওফিক দান করুন এবং তা কবুল করুন। আমিন।
লেখক:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব
#abdullahilhadi
➧ (৫) রোজা অবস্থায় অসতর্কতা বশত কোনও কিছু খেলে বা পান করলে রজা ভঙ্গ হয় না। তবে স্মরণ আসার সাথে সাথে পানাহার বন্ধ করতে হবে। এমনকি মুখে থাকলেও তা ফেলে দিতে হবে।
➧ (৬) নারীদের পিরিয়ড বা সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাব: রোজা থাকা অবস্থায় দিনের যেকোনো সময় ঋতুস্রাব শুরু হলে বা বাচ্চা প্রসব হলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
❑ ৫. যাদের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে (৫টি শ্রেণি):
✪ ১. অসুস্থ ব্যক্তি: যদি রোজা রাখার কারণে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সুস্থ হলে তা কাজা করবেন।
✪ ২. মুসাফির: সফরের কারণে কষ্ট হলে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ। তবে কষ্ট না হলে রোজা রাখাই উত্তম। ভাঙ্গলে পরবর্তীতে তা কাজা করা আবশ্যক।
আল্লাহ তাআালা বলেন,
وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ
"আর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা সফরে আছে (সে অন্য সময়ে কাজা করবে)।" [সূরা আল বাকারা: ১৮৫
✪ ৩. ঋতুমতী ও প্রসূতি নারী:
মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব বা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্রাব চলাকালীন সময় (সর্বোচ্চ মেয়াদ ৪০ দিন) রোজা রাখা আবশ্যক নয়। রোজা অবস্থায় স্রাব শুরু হলে বা বাচ্চা প্রসব হলে স্বয়ংক্রিয় রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে। তবে রমজানের পরে আগামী রমজানের পূর্বে তা কাজা করে নিতে হবে।
✪ ৪. গর্ভবতী ও দুগ্ধ দানকারী মা: যদি নিজের বা বাচ্চার ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তার তিনি রোজা ভাঙতে পারবেন এবং পরে কাজা করবেন। তবে যদি কোনও ক্ষতির আশঙ্কা না থাকে তবে রোজা রাখা মুস্তাহাব।
✪ ৫. অতিবৃদ্ধ বা দীর্ঘমেয়াদী রোগী: যারা একেবারেই রোজা রাখতে সক্ষম নন তাদের জন্য রোজা রাখা আবশ্যক নয়। তবে প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খাদ্যদ্রব্য (ফিদিয়া যার পরিমাণ সোয়া কেজি চাল) দিতে হবে।
❑ ৬. রোজার মূল শিক্ষা ও উদ্দেশ্য:
❍ ১. তাকওয়া বা আল্লাহ ভীতি অর্জন:
রোজার প্রধান এবং মূল উদ্দেশ্য হল মানুষের মনে আল্লাহর ভয় বা সচেতনতা সৃষ্টি করা।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
"হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" [সূরা বাকারা: ১৮৩]
❍ ২. নফসের ওপর নিয়ন্ত্রণ (আত্মশুদ্ধি):
সারাদিন নিজের বৈধ চাহিদা (খাবার ও পানীয়) পরিহার করার মাধ্যমে একজন মুমিন তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। এটি মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে শক্তিশালী করে এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
❍ ৩. ধৈর্য ও সহনশীলতার চর্চা:
ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে রোজাদার ধৈর্যের গুণ অর্জন করে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসকে "ধৈর্যের মাস" হিসেবে অভিহিত করেছেন।
❍ ৪. সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ:
অনাহারে থাকার যন্ত্রণা অনুভবের মাধ্যমে সমাজের অভাবী ও দরিদ্র মানুষের কষ্টের প্রতি সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়। এটি দান-সদকা ও মানুষের সেবায় উৎসাহিত করে।
❍ ৫. আখলাক বা চরিত্রের সংশোধন:
রোজা অবস্থায় মিথ্যা বলা, গিবত করা বা ঝগড়া-বিবাদ থেকে দূরে থাকা বাধ্যতামূলক।
রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ
"যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও সে অনুযায়ী কাজ বর্জন করেনি, তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোনও প্রয়োজন নেই।" [সহিহ বুখারী: ১৯০৩]
❍ ৬. শারীরিক সুস্থতা:
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার ফলে শরীরের পরিপাকতন্ত্র বিশ্রাম পায় এবং শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায়, যা সুস্থতার জন্য সহায়ক। এ ছাড়াও অনেক উপকার আছে।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَأَن تَصُومُوا خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
"আর তোমাদের রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পারো।" [সূরা বাকারা: ১৮৪]
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পদ্ধতির আলোকে সিয়াম পালনের তওফিক দান করুন এবং তা কবুল করুন। আমিন।
লেখক:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব
#abdullahilhadi
"মানুষ আজ ঈশ্বরকে ধর্মগ্রন্থে বন্দি করে নিজেরাই তাঁর আসন দখলে নিয়েছে। এখন সেই ঈশ্বরের কারামুক্তির জন্য নতুন করে আন্দোলন করতে হবে। ওরা বলে- ওদের মুক্তি আর আমি বলি- ঈশ্বরমুক্তি"
- বয়ানে রুহুল আমিন
- বয়ানে রুহুল আমিন
বুদ্ধ বলেন- "যা তোমার নয়, তুমি নও, তা ছেড়ে দাও, আর ছেড়ে দেওয়াতেই সুখ" (ত্রিপিটক, সংযুক্তনিকায়)
অন্যের কোনোকিছুকে নিজের করে চাওয়া, নিজের ভাবা, এক অদৃশ্য সীমা পুতে দেওয়া, অধিকারীত্ব বা দখলদারিত্ব দেখানো সবই এক অষ্টমাশ্চর্য মিথ্যা। এই চরম সত্যজ্ঞান প্রতিটা মানুষের ভেতর আছে, প্রতিটা মানুষের মনে বুদ্ধের এরূপ বীজ বোনা আছে, পবিত্র প্রদীপ জ্বলে। কিন্তু সব জেনে-বুঝেও কেউ স্বীকার করতে চায় না, কেউ তার দূর্বলতা প্রকাশে অনিচ্ছুক, সবাই চায় বাহিরে একটা বুজরুকি বোঝ দিয়ে শান্ত রাখে। যদি একটা অক্টোপাস বা রাসেল ভাইপারের মতো বিষধর সাপ একটা ধারালো তলোয়ারে পেঁচিয়ে ধরে, আরও শক্ত করে ধরে, সমস্ত ইচ্ছা, আবেগ, শক্তি-ক্ষমতা প্রয়োগে পেঁচিয়ে ধরে, তাহলে অক্টোপাস বা রাসেল ভাইপার নিজেই নিজের শক্তিতে রক্তক্ষয়ী হবে, একটা সময় মারা যাবে। তদ্রুপ, বুদ্ধের দৃষ্টিতে মানুষও ঐ অক্টোপাস বা সাপের মতোই যা তার নয় নয়, সেখানে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে বশে আনতে চেয়ে নিজের মৃত্যু ডেকে আনে। বুদ্ধ বলেন- এই রূপ, শরীর, শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, দুঃখ-শোক, ব্যথা, রোগ, ধারণা, ধারণ, চেতনা, বোধ, সম্পর্ক, ভালোবাসা, স্নেহ কোনোকিছুই প্রকৃত অর্থে তোমার না। তাই সেসবে নিজেকে জড়িয়ে বস্তাবন্দী করা বোকামী, কারণ এগুলো চলমান অন্তবিহীন পথ, বহমান নদীর মতো, তাকে গন্তব্যের দিকে ছেড়ে দিতে হয়। মানুষ মূলত খানিক সুখের জন্য জড়িয়ে গিয়ে প্রকৃত সুখ বিক্রি করে। ব্যাপার যেন স্বর্ণের মোহর ফেলে দস্তার সস্তা আঁদুলি কুঁড়ে নিলো। কিন্তু বুদ্ধ বলেন- ছাড়ো, ছাড়ো, ছাড়ো, তোমার যা নয় তা ছেড়ে দিলেই সুখ।
অন্যের কোনোকিছুকে নিজের করে চাওয়া, নিজের ভাবা, এক অদৃশ্য সীমা পুতে দেওয়া, অধিকারীত্ব বা দখলদারিত্ব দেখানো সবই এক অষ্টমাশ্চর্য মিথ্যা। এই চরম সত্যজ্ঞান প্রতিটা মানুষের ভেতর আছে, প্রতিটা মানুষের মনে বুদ্ধের এরূপ বীজ বোনা আছে, পবিত্র প্রদীপ জ্বলে। কিন্তু সব জেনে-বুঝেও কেউ স্বীকার করতে চায় না, কেউ তার দূর্বলতা প্রকাশে অনিচ্ছুক, সবাই চায় বাহিরে একটা বুজরুকি বোঝ দিয়ে শান্ত রাখে। যদি একটা অক্টোপাস বা রাসেল ভাইপারের মতো বিষধর সাপ একটা ধারালো তলোয়ারে পেঁচিয়ে ধরে, আরও শক্ত করে ধরে, সমস্ত ইচ্ছা, আবেগ, শক্তি-ক্ষমতা প্রয়োগে পেঁচিয়ে ধরে, তাহলে অক্টোপাস বা রাসেল ভাইপার নিজেই নিজের শক্তিতে রক্তক্ষয়ী হবে, একটা সময় মারা যাবে। তদ্রুপ, বুদ্ধের দৃষ্টিতে মানুষও ঐ অক্টোপাস বা সাপের মতোই যা তার নয় নয়, সেখানে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে বশে আনতে চেয়ে নিজের মৃত্যু ডেকে আনে। বুদ্ধ বলেন- এই রূপ, শরীর, শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, দুঃখ-শোক, ব্যথা, রোগ, ধারণা, ধারণ, চেতনা, বোধ, সম্পর্ক, ভালোবাসা, স্নেহ কোনোকিছুই প্রকৃত অর্থে তোমার না। তাই সেসবে নিজেকে জড়িয়ে বস্তাবন্দী করা বোকামী, কারণ এগুলো চলমান অন্তবিহীন পথ, বহমান নদীর মতো, তাকে গন্তব্যের দিকে ছেড়ে দিতে হয়। মানুষ মূলত খানিক সুখের জন্য জড়িয়ে গিয়ে প্রকৃত সুখ বিক্রি করে। ব্যাপার যেন স্বর্ণের মোহর ফেলে দস্তার সস্তা আঁদুলি কুঁড়ে নিলো। কিন্তু বুদ্ধ বলেন- ছাড়ো, ছাড়ো, ছাড়ো, তোমার যা নয় তা ছেড়ে দিলেই সুখ।
👍1
কুয়াশা যতোই পরিবেশ ঝাঁপসা করে রাখুক, উজ্জ্বল সূর্য ওঠার সাথেসাথে তা ম্লান হয়ে যায়, পরিবেশের স্বচ্ছতা ফুটে ওঠে। তদ্রুপ, মিথ্যা যতই সত্যকে ঢাকা দিতে চাইবে তা ততই উজ্জ্বল করে জ্বলে উঠবে। সত্যকে কেউ ধমাতে পারে না, সত্যের কোনো সমর্থক লাগে না, সত্য একাই নিজেই নিজের সমর্থক।
Ruhul Amin
Ruhul Amin
👍1
দিন ২/৩০ — (রমাদান চ্যালেঞ্জ: ৩০ দিনে ৩০ দোয়া)
আমাদের দুশ্চিন্তার বড় একটা জায়গা হলো রিজিক।
আর এই দুশ্চিন্তা থেকেই অনেক সময় মানুষ হালাল–হারামের সীমা গুলিয়ে ফেলে।
আজকের দোয়া আপনাকে দুটো জিনিস শেখায়—
হালালেই তৃপ্তি চাইতে, আর মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি চাইতে।
আপনি যখন এই দোয়া পড়বেন, শুধু “রিজিক বাড়ুক” বলবেন না—
বলবেন: হালালেই আমাকে যথেষ্ট করে দিন,
এবং আপনার ফজলে আমাকে স্বাধীন করে দিন।
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনী বি হালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বি ফাদলিকা ‘আন্মান সিওয়াক।
রেফারেন্স: জামে‘ আত-তিরমিজি
আমাদের দুশ্চিন্তার বড় একটা জায়গা হলো রিজিক।
আর এই দুশ্চিন্তা থেকেই অনেক সময় মানুষ হালাল–হারামের সীমা গুলিয়ে ফেলে।
আজকের দোয়া আপনাকে দুটো জিনিস শেখায়—
হালালেই তৃপ্তি চাইতে, আর মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি চাইতে।
আপনি যখন এই দোয়া পড়বেন, শুধু “রিজিক বাড়ুক” বলবেন না—
বলবেন: হালালেই আমাকে যথেষ্ট করে দিন,
এবং আপনার ফজলে আমাকে স্বাধীন করে দিন।
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনী বি হালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বি ফাদলিকা ‘আন্মান সিওয়াক।
রেফারেন্স: জামে‘ আত-তিরমিজি
👍1
'বাধ্য সন্তান' তৈরির ভয়ংকর রূপ: আপনার সন্তান কি সবার মন জোগাতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলছে (People Pleaser)?
......
পারিবারিক কোনো আড্ডায় হয়তো একজন বয়স্ক আত্মীয় আপনার সন্তানকে জোর করে কোলে নিতে চাইলেন বা চুমু খেতে চাইলেন। বাচ্চাটি অস্বস্তিতে গুটিয়ে গেল এবং 'না' বললো। কিন্তু মা হিসেবে আপনি হয়তো সাথে সাথে ধমক দিয়ে উঠলেন, "ছিঃ বাবা, আঙ্কেল কষ্ট পাবে তো! ভালো বাচ্চারা বড়দের সব কথা শোনে। যাও আঙ্কেলের কাছে যাও।" আমাদের সমাজে 'বাধ্য সন্তান' বা 'গুড বয়/গুড গার্ল'-কে সবচেয়ে বেশি বাহবা দেওয়া হয়। যে বাচ্চা কখনো মুখে মুখে তর্ক করে না, নিজের খেলনা হাসিমুখে অন্যকে দিয়ে দেয়, এবং বড়দের সব কথা অন্ধের মতো মেনে নেয়—তাকে আমরা আদর্শ সন্তান মনে করি। কিন্তু শিশু মনোবিজ্ঞান আমাদের এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
এই যে আমরা বাচ্চাদের নিজের ইচ্ছা বা অস্বস্তিকে গলা টিপে মেরে অন্যের মন রক্ষা করতে শেখাচ্ছি, এর মাধ্যমে আমরা আসলে একজন 'পিপল প্লিজার' (People Pleaser) তৈরি করছি।
আজকের কিডোরা স্পেশাল আর্টিকেলে আমরা জানবো, অতিরিক্ত বাধ্য করার এই প্রবণতা কীভাবে আপনার সন্তানের আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
পিপল প্লিজার (People Pleaser) আসলে কী?
ভদ্র হওয়া বা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া চমৎকার একটি গুণ। কিন্তু 'পিপল প্লিজার' হওয়াটা কোনো ভালো গুণ নয়, বরং এটি এক ধরনের মানসিক ট্রমা রেসপন্স (Trauma Response), যাকে সাইকোলজির ভাষায় বলা হয় ফনিং (Fawning)।
পিপল প্লিজার শিশুরা মনে করে, তাদের নিজস্ব কোনো মূল্য নেই। অন্যকে খুশি করতে পারলেই কেবল তারা ভালোবাসা বা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। বাবা-মা বা চারপাশের মানুষকে রাগিয়ে দেওয়ার ভয়ে তারা নিজেদের কষ্ট, রাগ বা অপছন্দকে লুকিয়ে রাখে। তারা 'না' বলতে ভুলে যায়।
অন্ধ আনুগত্য বা 'গুড বয় সিনড্রোম'-এর ভয়ংকর পরিণতি
আপনার কাছে যে বাচ্চাটি আজ খুব 'শান্ত ও বাধ্য', কাল বাইরের পৃথিবীতে সে এক ভয়ংকর বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। এর মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো হলো:
১. অ্যাবিউজ বা নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি:
সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যটি হলো, অ্যাবিউজার বা শিকারিরা এমন বাচ্চাদেরই টার্গেট করে যারা 'না' বলতে পারে না। যে বাচ্চাকে শেখানো হয়েছে 'বড়দের সব কথা শুনতে হয়', কেউ তার সাথে খারাপ বা অস্বস্তিকর স্পর্শ (Bad Touch) করলেও সে প্রতিবাদ করতে পারে না। সে ভাবে, প্রতিবাদ করলে হয়তো বড়রা রেগে যাবে বা সে 'খারাপ বাচ্চা' হয়ে যাবে।
২. বুলিং ও টক্সিক সম্পর্ক (Toxic Relationships):
স্কুলে বা খেলার মাঠে এই বাচ্চারা খুব সহজেই বুলিংয়ের শিকার হয়। বন্ধুরা তাদের খেলনা কেড়ে নিলেও তারা কিছু বলে না, কারণ তারা সংঘাত (Conflict) এড়িয়ে চলতে চায়। বড় হয়েও ব্যক্তিগত জীবনে বা কর্মক্ষেত্রে তারা টক্সিক সম্পর্কের ফাঁদে পড়ে। বস বা পার্টনারের সব অন্যায় তারা মুখ বুজে সহ্য করে শুধু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য।
৩. নিজস্ব পরিচয় হারিয়ে ফেলা (Loss of Identity):
এই শিশুরা জানে না তারা নিজেরা কী চায়। তাদের নিজেদের কোনো বাউন্ডারি বা সীমানা থাকে না। সারাজীবন অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে করতে একসময় তারা চরম বিষণ্ণতা (Depression) এবং মানসিক ক্লান্তিতে (Burnout) ভোগে।
আপনার সন্তান কি পিপল প্লিজার হয়ে যাচ্ছে? (লক্ষণসমূহ)
নিচের লক্ষণগুলো আপনার সন্তানের মধ্যে আছে কি না, খেয়াল করুন:
* সে কি নিজের কোনো ভুল না থাকলেও কথায় কথায় 'সরি' (Sorry) বলে?
* অন্য বাচ্চারা তার সাথে অন্যায় করলেও কি সে প্রতিবাদ না করে চুপ থাকে?
* সে কি খুব সহজে নিজের মতামত বদলে ফেলে শুধু অন্যদের সাথে তাল মেলানোর জন্য?
* বাবা-মা রেগে গেলে বা একটু মন খারাপ করলে কি সে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়ে?
* সে কি নিজের কষ্ট বা শারীরিক ব্যথা লুকিয়ে রেখে বলে, "আমি ঠিক আছি"?
কীভাবে এই চক্র ভাঙবেন? (বাবা-মায়ের করণীয়)
আপনার সন্তানকে রোবটের মতো 'বাধ্য' নয়, বরং একজন আত্মবিশ্বাসী ও সম্মানবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। এর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে:
১. 'না' বলার অধিকার দিন (Normalize Saying 'No'):
আপনার সন্তানের 'না' শব্দটিকে সম্মান করতে শিখুন। সে যদি কোনো আত্মীয়কে জড়িয়ে ধরতে না চায়, তাকে জোর করবেন না। তার শরীরের ওপর তার অধিকার (Body Autonomy) প্রতিষ্ঠা করতে দিন। সে যদি তার প্রিয় খেলনাটি আজ অন্য কোনো বাচ্চার সাথে শেয়ার করতে না চায়, তাকে 'স্বার্থপর' বলবেন না।
২. শর্তহীন ভালোবাসা (Unconditional Love):
বাচ্চাকে বোঝান যে আপনি তাকে ভালোবাসেন শুধু সে আপনার কথা শোনে বলে নয়। তাকে বলুন, "তুমি যখন রেগে যাও বা যখন আমার কথা শোনো না, তখনও আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার ভালোবাসা তোমার রেজাল্ট বা আচরণের ওপর নির্ভর করে না।"
......
পারিবারিক কোনো আড্ডায় হয়তো একজন বয়স্ক আত্মীয় আপনার সন্তানকে জোর করে কোলে নিতে চাইলেন বা চুমু খেতে চাইলেন। বাচ্চাটি অস্বস্তিতে গুটিয়ে গেল এবং 'না' বললো। কিন্তু মা হিসেবে আপনি হয়তো সাথে সাথে ধমক দিয়ে উঠলেন, "ছিঃ বাবা, আঙ্কেল কষ্ট পাবে তো! ভালো বাচ্চারা বড়দের সব কথা শোনে। যাও আঙ্কেলের কাছে যাও।" আমাদের সমাজে 'বাধ্য সন্তান' বা 'গুড বয়/গুড গার্ল'-কে সবচেয়ে বেশি বাহবা দেওয়া হয়। যে বাচ্চা কখনো মুখে মুখে তর্ক করে না, নিজের খেলনা হাসিমুখে অন্যকে দিয়ে দেয়, এবং বড়দের সব কথা অন্ধের মতো মেনে নেয়—তাকে আমরা আদর্শ সন্তান মনে করি। কিন্তু শিশু মনোবিজ্ঞান আমাদের এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
এই যে আমরা বাচ্চাদের নিজের ইচ্ছা বা অস্বস্তিকে গলা টিপে মেরে অন্যের মন রক্ষা করতে শেখাচ্ছি, এর মাধ্যমে আমরা আসলে একজন 'পিপল প্লিজার' (People Pleaser) তৈরি করছি।
আজকের কিডোরা স্পেশাল আর্টিকেলে আমরা জানবো, অতিরিক্ত বাধ্য করার এই প্রবণতা কীভাবে আপনার সন্তানের আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
পিপল প্লিজার (People Pleaser) আসলে কী?
ভদ্র হওয়া বা অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া চমৎকার একটি গুণ। কিন্তু 'পিপল প্লিজার' হওয়াটা কোনো ভালো গুণ নয়, বরং এটি এক ধরনের মানসিক ট্রমা রেসপন্স (Trauma Response), যাকে সাইকোলজির ভাষায় বলা হয় ফনিং (Fawning)।
পিপল প্লিজার শিশুরা মনে করে, তাদের নিজস্ব কোনো মূল্য নেই। অন্যকে খুশি করতে পারলেই কেবল তারা ভালোবাসা বা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। বাবা-মা বা চারপাশের মানুষকে রাগিয়ে দেওয়ার ভয়ে তারা নিজেদের কষ্ট, রাগ বা অপছন্দকে লুকিয়ে রাখে। তারা 'না' বলতে ভুলে যায়।
অন্ধ আনুগত্য বা 'গুড বয় সিনড্রোম'-এর ভয়ংকর পরিণতি
আপনার কাছে যে বাচ্চাটি আজ খুব 'শান্ত ও বাধ্য', কাল বাইরের পৃথিবীতে সে এক ভয়ংকর বিপদের সম্মুখীন হতে পারে। এর মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো হলো:
১. অ্যাবিউজ বা নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি:
সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যটি হলো, অ্যাবিউজার বা শিকারিরা এমন বাচ্চাদেরই টার্গেট করে যারা 'না' বলতে পারে না। যে বাচ্চাকে শেখানো হয়েছে 'বড়দের সব কথা শুনতে হয়', কেউ তার সাথে খারাপ বা অস্বস্তিকর স্পর্শ (Bad Touch) করলেও সে প্রতিবাদ করতে পারে না। সে ভাবে, প্রতিবাদ করলে হয়তো বড়রা রেগে যাবে বা সে 'খারাপ বাচ্চা' হয়ে যাবে।
২. বুলিং ও টক্সিক সম্পর্ক (Toxic Relationships):
স্কুলে বা খেলার মাঠে এই বাচ্চারা খুব সহজেই বুলিংয়ের শিকার হয়। বন্ধুরা তাদের খেলনা কেড়ে নিলেও তারা কিছু বলে না, কারণ তারা সংঘাত (Conflict) এড়িয়ে চলতে চায়। বড় হয়েও ব্যক্তিগত জীবনে বা কর্মক্ষেত্রে তারা টক্সিক সম্পর্কের ফাঁদে পড়ে। বস বা পার্টনারের সব অন্যায় তারা মুখ বুজে সহ্য করে শুধু সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য।
৩. নিজস্ব পরিচয় হারিয়ে ফেলা (Loss of Identity):
এই শিশুরা জানে না তারা নিজেরা কী চায়। তাদের নিজেদের কোনো বাউন্ডারি বা সীমানা থাকে না। সারাজীবন অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে করতে একসময় তারা চরম বিষণ্ণতা (Depression) এবং মানসিক ক্লান্তিতে (Burnout) ভোগে।
আপনার সন্তান কি পিপল প্লিজার হয়ে যাচ্ছে? (লক্ষণসমূহ)
নিচের লক্ষণগুলো আপনার সন্তানের মধ্যে আছে কি না, খেয়াল করুন:
* সে কি নিজের কোনো ভুল না থাকলেও কথায় কথায় 'সরি' (Sorry) বলে?
* অন্য বাচ্চারা তার সাথে অন্যায় করলেও কি সে প্রতিবাদ না করে চুপ থাকে?
* সে কি খুব সহজে নিজের মতামত বদলে ফেলে শুধু অন্যদের সাথে তাল মেলানোর জন্য?
* বাবা-মা রেগে গেলে বা একটু মন খারাপ করলে কি সে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়ে?
* সে কি নিজের কষ্ট বা শারীরিক ব্যথা লুকিয়ে রেখে বলে, "আমি ঠিক আছি"?
কীভাবে এই চক্র ভাঙবেন? (বাবা-মায়ের করণীয়)
আপনার সন্তানকে রোবটের মতো 'বাধ্য' নয়, বরং একজন আত্মবিশ্বাসী ও সম্মানবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। এর জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে:
১. 'না' বলার অধিকার দিন (Normalize Saying 'No'):
আপনার সন্তানের 'না' শব্দটিকে সম্মান করতে শিখুন। সে যদি কোনো আত্মীয়কে জড়িয়ে ধরতে না চায়, তাকে জোর করবেন না। তার শরীরের ওপর তার অধিকার (Body Autonomy) প্রতিষ্ঠা করতে দিন। সে যদি তার প্রিয় খেলনাটি আজ অন্য কোনো বাচ্চার সাথে শেয়ার করতে না চায়, তাকে 'স্বার্থপর' বলবেন না।
২. শর্তহীন ভালোবাসা (Unconditional Love):
বাচ্চাকে বোঝান যে আপনি তাকে ভালোবাসেন শুধু সে আপনার কথা শোনে বলে নয়। তাকে বলুন, "তুমি যখন রেগে যাও বা যখন আমার কথা শোনো না, তখনও আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার ভালোবাসা তোমার রেজাল্ট বা আচরণের ওপর নির্ভর করে না।"
৩. অন্ধ আনুগত্য নয়, প্রশ্ন করতে শেখান:
"আমি বড়, তাই আমি যা বলছি সেটাই করতে হবে"—এই ডিক্টেটরশিপ থেকে বেরিয়ে আসুন। বাচ্চাকে শেখান কেন একটি নিয়ম মানতে হবে। তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিন। যে বাচ্চা ঘরের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশে বাবা-মায়ের সাথে যুক্তি বা তর্ক করতে শেখে, সে-ই বাইরের পৃথিবীতে নিজের অধিকার নিয়ে দাঁড়াতে পারে।
৪. মতামতের মূল্য দিন:
ছোট ছোট বিষয়ে তার মতামত নিন। "আজ আমরা কোন রঙের জামাটা পরব?" বা "দুপুরে তুমি কী খেতে চাও?"—এই ছোট সিদ্ধান্তগুলো তাকে বোঝাবে যে তার নিজস্ব পছন্দের একটি মূল্য আছে।
পরিশেষে
আমরা এমন একটি সমাজ চাই না যেখানে শিশুরা ভয়ে চুপ থাকতে শেখে। আমরা চাই এমন সন্তান, যে বড়দের সম্মান করবে ঠিকই, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়। যে নিজের সীমানা বা বাউন্ডারি তৈরি করতে জানবে এবং অন্যায়ের সামনে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রেখে দৃঢ়কণ্ঠে বলতে পারবে—"না, আমি এটা চাই না।" আপনার সন্তানের সেই সাহসের ভিত গড়ার কাজটা শুরু হোক আপনার ঘর থেকেই।
📣 প্যারেন্টিং বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ ও হাজারো মায়ের অভিজ্ঞতা পেতে জয়েন করুন আমাদের Kidora - Parenting Club ফেইসবুক গ্রুপে!
"আমি বড়, তাই আমি যা বলছি সেটাই করতে হবে"—এই ডিক্টেটরশিপ থেকে বেরিয়ে আসুন। বাচ্চাকে শেখান কেন একটি নিয়ম মানতে হবে। তাকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিন। যে বাচ্চা ঘরের ভেতরে নিরাপদ পরিবেশে বাবা-মায়ের সাথে যুক্তি বা তর্ক করতে শেখে, সে-ই বাইরের পৃথিবীতে নিজের অধিকার নিয়ে দাঁড়াতে পারে।
৪. মতামতের মূল্য দিন:
ছোট ছোট বিষয়ে তার মতামত নিন। "আজ আমরা কোন রঙের জামাটা পরব?" বা "দুপুরে তুমি কী খেতে চাও?"—এই ছোট সিদ্ধান্তগুলো তাকে বোঝাবে যে তার নিজস্ব পছন্দের একটি মূল্য আছে।
পরিশেষে
আমরা এমন একটি সমাজ চাই না যেখানে শিশুরা ভয়ে চুপ থাকতে শেখে। আমরা চাই এমন সন্তান, যে বড়দের সম্মান করবে ঠিকই, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে নয়। যে নিজের সীমানা বা বাউন্ডারি তৈরি করতে জানবে এবং অন্যায়ের সামনে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রেখে দৃঢ়কণ্ঠে বলতে পারবে—"না, আমি এটা চাই না।" আপনার সন্তানের সেই সাহসের ভিত গড়ার কাজটা শুরু হোক আপনার ঘর থেকেই।
📣 প্যারেন্টিং বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ ও হাজারো মায়ের অভিজ্ঞতা পেতে জয়েন করুন আমাদের Kidora - Parenting Club ফেইসবুক গ্রুপে!
❤1