জ্ঞান - Knowledge
1.99K subscribers
1.27K photos
21 videos
10 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষের দেখা পাবেন, যারা এই কথাগুলো বলতেই থাকে। ধরে নেবেন জীবনের প্রতি তাদের বিতৃষ্ণা এসে গেছে৷ ভালো থাকার আশা তারা ছেড়ে দিয়েছেন। এমন মানুষদের আপনি সাহায্য করুন৷

১. “যা হওয়ার তা-ই হবে”:
শুনে মনে হতে পারে তিনি পরিস্থিতি মেনে নিচ্ছেন, কিন্তু বারবার এটি বলার অর্থ হলো তিনি পরিস্থিতির উন্নতির আশা ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে তার নিজের জীবন পরিবর্তন করার আর কোনো ক্ষমতা নেই।

২. “এখন আমার পরিবর্তনের বয়স নেই”:
এটি আসলে একটি অজুহাত। যখন কেউ নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, তখন তিনি বয়সকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন। আসলে যেকোনো বয়সেই নিজেকে পরিবর্তন করা সম্ভব, কিন্তু হতাশ ব্যক্তি সেটা বিশ্বাস করতে চান না।

৩. “আমার আর কিছু যায় আসে না”:
এটি উদাসীনতার লক্ষণ। যখন একজন মানুষ বারবার আঘাত পান বা ব্যর্থ হন, তখন তিনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য কোনো কিছুতেই গুরুত্ব না দেওয়ার অভিনয় করেন। আসলে তিনি ভেতর থেকে এতটাই ক্লান্ত যে নতুন করে কিছু অনুভব করার শক্তি পান না।

৪. “হয়তো অন্য কোনো জন্মে হবে”:
নিজের স্বপ্ন বা ইচ্ছাকে অসম্ভব মনে করে এই বাক্যটি বলা হয়। এর মাধ্যমে তিনি স্বীকার করে নিচ্ছেন যে এই জীবনে তার কাঙ্ক্ষিত সুখ পাওয়া আর সম্ভব নয়। এটি এক ধরণের দীর্ঘশ্বাস।

৫. “আমি শুধু একটু ক্লান্ত”:
এই ক্লান্তি শারীরিক নয়, বরং মানসিক। যখন কেউ বলেন তিনি ক্লান্ত, তখন আসলে তিনি বোঝাতে চান যে তিনি জীবন নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছেন। ঘুমের মাধ্যমে এই ক্লান্তি দূর হয় না।

৬. “এতে কিছু যায় আসে না”:
এটি এক প্রকার নেতিবাচক দর্শন। ভালো কাজ বা সাফল্য—কোনো কিছুই তাকে আনন্দ দেয় না কারণ তিনি মনে করেন শেষ পর্যন্ত সবকিছুর ফল শূন্য। এই মানসিকতা তাকে কর্মস্পৃহা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

৭. “তোমাদের যা ভালো লাগে তা-ই করো”:
অতিরিক্ত নমনীয়তা সবসময় ভালো নয়। যখন একজন মানুষ নিজের পছন্দ-অপছন্দ জানানো বন্ধ করে দেন এবং অন্যের সিদ্ধান্তে সায় দেন, তখন বুঝতে হবে তিনি নিজের অস্তিত্ব বা মতামতের ওপর গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছেন।

৮. “সেই একই দিন, একই কাজ”:
জীবনকে যখন একটি একঘেয়ে চক্র মনে হয় এবং প্রতিদিনকে বোঝা মনে হয়, তখন মানুষ এই কথাটি বলে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে তার জীবনে কোনো নতুনত্ব বা আনন্দের জায়গা অবশিষ্ট নেই।
_______
যদি আপনি নিজের মধ্যে বা আপনার পরিচিত কারো মধ্যে এই কথাগুলো বারবার শুনতে পান, তবে তা অবহেলা করবেন না। এগুলো কেবল সাধারণ কথা নয়, বরং মনের গভীর থেকে আসা এক ধরণের সাহায্যের আর্তনাদ। সঠিক সচেতনতা এবং প্রয়োজনে থেরাপি বা প্রিয়জনের সাথে কথা বলার মাধ্যমে এই অবস্থা থেকে ফিরে আসা সম্ভব।
1
প্রতিদিনের জীবনকে আরও অর্থবহ করে তোলার জন্য সহজ কিছু কৌশলের কথা এখানে বলা হয়েছে।

১. দিনের শুরুতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন:
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই নেতিবাচক চিন্তা না করে, আপনার জীবনের ভালো তিনটি জিনিসের কথা ভাবুন। এটি ছোট কোনো বিষয়ও হতে পারে, যেমন—ভালো এক কাপ চা বা সুন্দর আবহাওয়া। কৃতজ্ঞতা আপনার সারাদিনের মেজাজ ইতিবাচক রাখতে সাহায্য করে।

২. উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করুন:
সকালে নিজের কাছে নিজেই একটি প্রতিজ্ঞা করুন। যেমন—"আজ আমি সবার সাথে নম্রভাবে কথা বলব" অথবা "আজ আমি মন দিয়ে আমার কাজগুলো শেষ করব।" কোনো বড় লক্ষ্য নয়, বরং ছোট ছোট ভালো কাজের সংকল্প আপনার দিনটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবে।

৩. অন্যের উপকার করুন:
অন্যকে সাহায্য করলে নিজের মনে এক ধরণের তৃপ্তি আসে। এটি হতে পারে কাউকে একটি সুন্দর মেসেজ পাঠানো, কাউকে কোনো কাজে সাহায্য করা বা শুধু কাউকে দেখে হাসা। অন্যের মুখে হাসি ফোটানো জীবনকে অর্থবহ করার অন্যতম সেরা উপায়।

৪. কাজের মাঝে বিরতি নিন ও সচেতন থাকুন:
আমরা অনেক সময় রোবটের মতো কাজ করি। কাজের মাঝে মাঝে কিছুক্ষণ বিরতি নিন। গভীরভাবে শ্বাস নিন এবং বর্তমানে কী ঘটছে তা অনুভব করার চেষ্টা করুন। একে 'মাইন্ডফুলনেস' বলে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে শান্তি দেয়।

৫. নিজের প্রিয় কাজটির জন্য সময় রাখুন:
সারাদিন শুধু দায়িত্ব পালন না করে অন্তত ১০-১৫ মিনিট এমন কিছু করুন যা আপনি সত্যিই ভালোবাসেন। সেটা হতে পারে বই পড়া, গান শোনা, বাগান করা বা রান্না করা। এই ছোট আনন্দটুকু আপনাকে সতেজ রাখবে।

৬. মানুষের সাথে সংযোগ বাড়ান:
প্রিয়জন বা বন্ধুদের সাথে গুণগত সময় কাটান। কেবল কাজের কথা না বলে মনের কথা শেয়ার করুন। সামনাসামনি কথা বলা বা অন্তত ফোন করা আপনাকে একাকিত্ব থেকে মুক্তি দেবে এবং জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

৭. দিনশেষে নিজের পর্যালোচনা করুন:
ঘুমানোর আগে সারাদিন কী কী ভালো হলো তা একবার ভাবুন। কোনো ভুল হয়ে থাকলে তা থেকে শিক্ষা নিন এবং নিজের ছোট ছোট সাফল্যগুলোকে উদযাপন করুন। এটি আপনাকে আগামীকালের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করবে।

জীবনকে অর্থবহ করার জন্য অনেক বড় কিছু করার প্রয়োজন নেই। ছোট ছোট অভ্যাস, সচেতনতা এবং অন্যের প্রতি ভালোবাসা আমাদের প্রতিটি দিনকে সুন্দর করে তুলতে পারে।
____
সূত্র: Real Simple
২৫ বছরের এই ছোট জীবন থেকে ছোট ছোট ২৫ টা Lesson

১। কাউকে ইমপ্রেস করার জন্য রাতের ঘুম হারাম করিওনা। It's not worth it. I wish আমি আমার হারানো ঘুম ফিরে পেতাম

২। সুযোগ পেলে বাহিরে চলে যাও। Australia, New Zealand, Italy, German, France, China are good options. আর সুযোগ না পেলে দেশ থেকে USD ইনকাম করো সেটা হোক freelancing, remote job বা YouTubing করে।

৩। যে কাজটা গত ছয় মাস ধরে শুরু করতে চাচ্ছ, সেটা আজকেই শুরু করে দাও। মাসের ১ তারিখ থেকে শুরু করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আমি College of Rahat একদম হঠাৎ মাসের ১৫ তারিখ থেকে শুরু করি। আজকে আলহামদুলিল্লাহ 58K Followers.

৪। "অমুক কোর্স শেষ করে এরপর কাজ করব" হইলো নিজেকে নিজে করা সর্বকালের সেরা Scam. এটাকে বলে productive procrastination. কইরো না। লাভ নাই। কাজ যেটা করতে চাচ্ছ সেটা আগে করে ফেলো, এরপর যখন ভুল হবে তখন ওই ভুল পার্টটা শিখে সংশোধন করো

৫। টাকা কম থাকলে মানুষ তোমাকে কম গুরুত্ব দেয়, এটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটা সত্য।

৬। AI is real. It is taking jobs even in Bangladesh. Learn some irreplaceable skills, mostly human skills যেগুলো করতে মানুষ লাগেই

৭। কোনো বাবা-মা তার সন্তানের জন্য খারাপ চায়না। কিন্তু তার মানে এই না যে তার সন্তানের জন্য কোনটা ভালো, সেটা সব বাবা-মা জানে। তারা সবজান্তা না। জীবনের কিছু সিরিয়াস সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাবা মা ছাড়াও আরো ১০ জনের সাথে আলোচনা করো। তবে সেই ১০ জন এমন ১০ জন হতে হবে যাদের ওই বিষয়ে জ্ঞান আছে।

৮। Situationship এ ঢুকিওনা। If she likes you, she will make sure you know that she likes you. love is not supposed to be confusing. If it's confusing, she don't love you. She loves the attention that you give her.

৯। একসাথে অনেক কিছু করতে যাইও না। অমুক ভাই Web design করে অনেক টাকা কামায়, অমুক করে video editing. প্লিজ, সব ইন্ডাস্ট্রিতে কম বেশি টাকা আছে। কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে থাকলে at least চার মাস তোমার best output দাও, এরপর ভালো না লাগলে next target এ move করো

১০। পকেটে টাকা থাকলে
spend on health,
spend on gym,
spend on dentist,
spend on skincare
it's worth it.

১১। যে জিনিস দরকার নাই, শুধুমাত্র 'জাত' এ উঠার জন্যে ওই জিনিস কিনিও না। সেটা হোক কোনো দামী কাপড়, বা দামী গ্যাজেট (ম্যাকবুকের কথা বলতেসি -.-)

১২। Nobody is going to save you. সমস্যা এটা না যে তুমি জানো না কী করতে হবে। সমস্যা এটা যে তুমি শুরু করতে ভয় পাচ্ছো। একবার এই ভয় কাটাতে পারলে তোমার সফলতা আর কেউ আটকাতে পারবেনা

১৩। সব passion income এ convert করা উচিত না, কিছু passion শুধু passion থাকাই ভালো

১৪। মানুষ তোমার intention না, তোমার result judge করে. Doesn't matter how good your intentions are, end of the day if you can't show any result, you are just a failure.

১৫। কেউ তোমাকে seriously নিতে শুরু করে তখনই, যখন তুমি নিজেকে seriously নিতে শুরু করো। Learn to respect yourself, learn to love yourself.

১৬। "আমি তো এমনই, straightforward" বলে নিজের bad habit justify করিও না

১৭। যে তোমার কাছ থেকে কোনো advice চায় নাই, তাকে গায়ে পরে advice দিও না

১৮। success এর সাথে সাথে একাকীত্বও বাড়ে, এটা mentally prepare থাকা দরকার

১৯। Over explaining কখনোই ভাই না। Respect কমে যায়

২০। "না" বলতে না পারা মানুষ শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন নিজের মতো বাঁচতে পারে না

আর ৫ টা আপনার পক্ষ থেকে চাই। শেয়ার করুন আপনার জীবন থেকে পাওয়া কিছু Advice ❤️

Collected!
3🔥1
আমাদের জীবন আমাদের চিন্তারই প্রতিফলন। আপনি যদি মনে করেন আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তবেই আপনি ক্ষতিগ্রস্ত।

সুখ খুব সামান্য জিনিসের ওপর নির্ভর করে; এটি সম্পূর্ণ আপনার ভেতরে, আপনার চিন্তা করার পদ্ধতির ওপর।

কারো ওপর রাগ করার আগে ভাবুন, আপনি নিজে কতবার ভুল করেছেন। ক্ষমা করা মানে হলো নিজেকে শান্ত রাখা।

কাজে যা বাধা দেয়, সেটিই কাজের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। যা আমাদের পথ আটকে দেয়, তাই নতুন পথ তৈরি করে।

ভালো মানুষ কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে বিতর্ক বন্ধ করুন। নিজেই একজন ভালো মানুষ হয়ে দেখান।

অন্যের মনে কী চলছে তা না জানলে মানুষের খুব একটা ক্ষতি হয় না, কিন্তু নিজের মনের গতিবিধি বুঝতে না পারলে মানুষ অসুখী হয়।

খুব অল্প দিয়েই একটি সুখী জীবন গড়া সম্ভব। শুধু প্রয়োজন একটি সঠিক মানসিকতা।

চারিত্রিক দৃঢ়তা পাথরের মতো করুন, যার ওপর আছড়ে পড়েও ঢেউ ভেঙে যায় কিন্তু পাথরটি অটল থাকে।

আপনি এখনই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে পারেন—এই চিন্তাটিই ঠিক করে দিক আপনি কী বলবেন, কী করবেন এবং কী ভাববেন।

শত্রুর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার সেরা উপায় হলো তার মতো না হওয়া।

আমাদের আয়ু খুবই সংক্ষিপ্ত। তাই প্রতিটি কাজ এমনভাবে করুন যেন এটিই আপনার জীবনের শেষ কাজ।

যদি শান্তি চান, তবে কাজ কমিয়ে দিন। বা আরও নিখুঁতভাবে বললে, কেবল প্রয়োজনীয় কাজটুকুই করুন।

অন্যের ভুল তার মধ্যেই থাকতে দিন। সেটাকে নিজের ভেতরে টেনে এনে নিজের শান্তি নষ্ট করবেন না।

বাইরের কোনো সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করবেন না; নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখুন।

একটি ভালো কাজ করার পর প্রতিদান খুঁজবেন না। গাছ যেমন ফল দেওয়ার পর কিছু চায় না, আপনার স্বভাবও তেমনই হওয়া উচিত।
______
এই উক্তিগুলো কেবল পড়ার জন্য নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনে চর্চা করার জন্য। প্রশান্তির জীবন গড়তে দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচকতার চর্চা করুন।
_____
Source: Meditations
3🔥1
আপনি জানলে অবাক হবেন, জার্মানিতে এক্স মুসলিম কমিউনিটি আছে। অর্থাৎ যারা একসময় মুসলিম ছিলো কিন্তু এখন আর নেই। কতটা ভয়ংকর ব্যাপার বুঝতে পারছেন??

এখানেই শেষ না!! আপনি যদি জার্মানিতে আসেন, আপনার ফ্যামেলি হয়। আপনার সন্তান অমুসলিম হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সন্তান মুসলিম হলেও আপনার নাতিপুতিরা ১০০% অমুসলিম হবে। এই ক্ষেত্রে উপায় কি? কি করবেন আপনি? আমি ভেঙে বলছি ব্যাপারটা।

ইউরোপের পরিবেশ এমন! আপনার অন্তরকে ধীরে ধীরে কর্দমাক্ত করবে!! বাংলাদেশীদের মাঝে বিশাল একটা সংখ্যার মানুষ শুক্রবারেও নামাজ পড়ে না। একদিন, দুই দিন অবহেলা!! এর পর এটা স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিনত হয়। এবং এভাবে মাসের পর মাসে, বছরের পর বছরে চলতে থাকে!! স্বাভাবিক ওয়াক্তের নামাজ তো দূরের কথা, শুক্রবারের নামাজ বাদ দেওয়া মানুষের সংখ্যা অনেক। আপনি যদি কখনো জার্মানিতে আসেন তাহলে বুঝতে পারবেন। আমি কাউকে উদ্দেশ্য করে বলছি না। আমি আপনাকে সচেতন করার জন্য বলছি।

আপনি আপনার বাসার পাশেই মদের দোকান পাবেন। রবিবারে সবকিছু বন্ধ থাকলেও মদের দোকান খোলা থাকে। জার্মানিতে এত ভ্যারাইটির মদ পাওয়া যায়, আপনি প্রতিদিন একটা করে ভ্যারিয়েন্ট ট্রাই করলে সবকগুলো ভ্যারিয়েন্ট টেস্ট করতে ২০ বছরের বেশি সময় লাগবে।

এখানে আযান শোনা যায় না, মসজিতে নামাজ হয় কিন্তু আপনার কাজের শিডিউল মসজিতের দূরত্বের কারনে জামাতে নামাজ আদায় হয় না। এখানে তো অনেক বেশি মসজিদ নেই। এখানে ইসলাম প্র‍্যাক্টিস করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। আপনাকে কেউ কিছু বলবে না বাট এখানের পরিবেশ এমন!! প্র‍্যাক্টিস করা বেশ কঠিন!! যাদের ঈমান একটু দূর্বল তারা খুব সহজেই এখানে পথভ্রষ্ট হয়ে যায়।

জামাতে নামাজ নাই, মা বাবা নাই, সমাজ নাই। ইসলাম প্র‍্যাক্টিস করার জন্য আপনার নিজেকেই এগিয়ে আসতে হবে। আপনি যদি দূরে সরে যান!! শুক্রবারের নামাজ ও বাদ দিলেন!! নামাজ একদম ছেড়ে দিলেন!! আপনি কি আদৌ মুসলিম?? আচ্ছা, আপনার পরিবার হলো, বাচ্চা হলো। আপনি ওকে কিভাবে ইসলাম শেখাবেন? আপনার ধর্ম আপনার সন্তান কিভাবে শিখবে? আপনি শেখাতে হলে তো নিজে পালন করতে হবে। আপনি নিজে পালন না করলে আপনার সন্তান নাস্তিক হবে। আপনি মুটামুটি পালন করলে আপনার সন্তান নিম্নমানের মুসলিম হবে এবং আপনার নাতিপুতিরা নাস্তিক হবে।

আপনি এসব এভোইড করতে চাইলে আপনাকে ধর্ম কর্ম নিয়ে সিরিয়াস হতে হবে। জার্মানিতে অনেক মুসলিম কমিউনিটি আছে ওখানে এড হতে পারেন। ওরা ইসলাম ভিত্তিক অনেক কাজ করে। বাচ্চাদের নিয়েও কাজ করে। আপনি যে বাসায় থাকেন ঐ বাসায় যদি আর কোন মুসলিম ভাই থাকে, নিজ উদ্যেগে আপনাকে সবাইকে নিয়ে জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আমার আগের বাসায় মুসলিম কমিউনিটির অনেক ভাই ছিলো, ওরা মসজিতের মত প্রতি ওয়াক্তে জামাতে নামাজ আদায় করতো ওদের রূমে। আমি আরেকটা পরামর্শ দিবো, ইউরোপীয়ানদের বন্ধু বানানো হতে বিরত থাকুন। এদের বন্ধু বানালে আপনি শেষ!! এরা ভালো, অনেস্ট, মনের দিক থেকে ভালো। কিন্তু আপনি এদের সাথে মিশলে ওদের কালচারে ডাইভার্ট হয়ে যাবেন। একটা সময় এদের ভালো মন্দ ও জাজ করতে পারবেন না।

এখানে অনেক রকমের মুসলিম কমিউনিটি আছে, আপনার যেটা ভালো লাগে সেটাতে জয়েন করবেন। এটা অনেক বড় আলোচনা!! আমি একদম সংক্ষেপে লিখার চেষ্টা করলাম।
1👍1
প্রতিটি সুস্থ মানুষেরই জীবনের অনেক বড় এক কৌতুহল ও আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকে নিজের জীবনসঙ্গী নিয়ে।
জীবনে সবাই এমন একজন সঙ্গী চায়, যে তার জীবনকে পূর্ণতা দেবে।
বর্তমান সেল্ফ ডেভেলপমেন্ট জগতে “ল অব অ্যাট্রাকশন” নামে একটি ধারণা জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়, মানুষ তার চিন্তা, মানসিকতা ও অভ্যন্তরীণ অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জিনিসকেই জীবনে আকর্ষণ করে।

ল অব অ্যাট্রাকশন কি মানুষের ক্ষেত্রে কাজ করে?
জীবনে কি নির্দিষ্ট রকম একজন মানুষকে আকর্ষণ করা সম্ভব?
হ্যাঁ, সম্ভব। তবে এটি কোনো গুপ্ত জাদু নয়; বরং একটি মানসিক ও সচেতন প্রক্রিয়া, যা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে।

অনেকের কাছে এগুলো অদ্ভুত বা অবাস্তব মনে হতে পারে। কিন্তু সেরকম কিছু না এটা।
মানুষকে প্রথমেই নিজের নিয়ত ও হৃদয় ঠিক করতে হবে। কারণ একজন মানুষ যেমন চিন্তা করে, যেমন বিশ্বাস ধারণ করে এবং নিজের চরিত্রকে যেমন গড়ে তোলে—তার সিদ্ধান্ত, আচরণ ও সম্পর্কও ধীরে ধীরে তেমন হয়ে ওঠে। তাই আপনি যদি জীবনে একজন ভালো, দয়ালু, দায়িত্বশীল ও পবিত্র মানুষকে সঙ্গী হিসেবে চান, তাহলে প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত—আমি নিজে কি সেই গুণগুলোর দিকে এগোচ্ছি বা ধারণ করছি?

তুমি যদি দয়ালু মানুষ চাও, তাহলে নিজের ভেতরেও সেই দয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তুমি যদি যত্নশীল, সহানুভূতিশীল মানুষ চাও, তাহলে সেই গুণগুলো নিজেকে ধারণ করতে হবে।

তবে কখনোই নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির কল্পনা করা যাবে না। কারণ এতে অন্য কারও মানসিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হয়। অনেক মানুষ প্রায়ই নির্দিষ্ট কাউকে পাওয়ার নেশায় ডুবে যায়। কিন্তু কাউকে নিয়ন্ত্রণ করা বা কারও হৃদয় নিজের ইচ্ছামতো বদলানোর চেষ্টাটা সঠিক নয়! হৃদয়ের মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা। আমরা কারও মন পরিবর্তন করতে পারি না; আমরা কেবল নিজের চরিত্র, আচরণ ও নিয়তকে উন্নত ও শুদ্ধ করতে পারি। যখন একজন মানুষ নিজেকে পরিশুদ্ধ করে, নিজের চরিত্র সুন্দর করে এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, তখন সৃষ্টিকর্তাই স্বয়ং তার জন্য উপযুক্ত মানুষ ও উপযুক্ত পরিস্থিতির দরজা খুলে দেন।

লক্ষ্য হওয়া উচিত কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, বরং তার গুণাবলি। নিয়মিত সেই গুণগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। যেমন—সৌন্দর্য, প্রেম, সুস্বাস্থ্য, প্রাণবন্ততা, ইতিবাচক উপস্থিতি, পরিপাটি ব্যক্তিত্ব, আর্থিক স্বনির্ভরতা, কোনো জটিলতা না থাকা, ব্যক্তিগত উন্নতির প্রতি আগ্রহ ইত্যাদি। তুমি শুধু সেই গুণগুলোর মধ্যেই নিজেকে উৎসর্গ করবে যেন তোমার জীবনে সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কেউ আসে।

ধরা যাক, তুমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাও যিনি রোম্যান্টিক, পবিত্র, শান্ত, সহানুভূতিশীল, মানসিকভাবে ম্যাচিউর এবং ধার্মিক। তাহলে শুধু সেই মানুষকে কল্পনা করাই যথেষ্ট নয়; বরং নিজেকেও সেই মানসিকতা ও চরিত্রের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কারণ সুস্থ সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সামঞ্জস্য থেকে। ভালো মানুষ শুধু ভালো মানুষের সঙ্গেই মানানসই হয়।

প্রথমে একটি কাগজে একটি বৃত্ত আঁকতে হবে। সেই বৃত্তের ভেতরে লিখতে হবে “আমার মানুষ” অথবা “আমার জীবনসঙ্গী/সঙ্গিনী”। সে হচ্ছে তোমার প্রতিকী জীবনসঙ্গী। এরপর বৃত্ত থেকে চারদিকে অনেকগুলো লাইন বের করে প্রতিটি লাইনে লিখতে হবে সেই মানুষের গুণগুলো।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—তুমি কেমন মানুষ চাও, সেটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা। প্রথম গুণ হওয়া উচিত স্বাধীনতা। কারণ যে ব্যক্তি নিজে স্বাধীন নয়, সে অন্য কাউকেও স্বাধীনভাবে বাঁচতে দেয় না। তারপর মানুষটা সুখী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কেউই দুঃখী মানসিকতার মানুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে চায় না।

এরপর আসে মেন্টাল প্র‍্যাক্টিস। কল্পনায় নিজেকে সেই মানুষের সঙ্গে দেখতে হবে। ধীরে ধীরে একটি পূর্ণ মানসিক চিত্র তৈরি হবে। তারপর মানসিকভাবে সেই ব্যক্তির সঙ্গে জীবনযাপন শুরু করতে হবে—কল্পনায় হাঁটা, কথা বলা, একসঙ্গে খাওয়া, আলাপ করা। এই প্র‍্যাক্টিস কাউকে জানানো উচিত নয়; এটি তোমার প্রাইভেট বিষয়।

কল্পনাশক্তি এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যখন তুমি বারবার নিজের জীবনের লক্ষ্য, মূল্যবোধ ও আকাঙ্ক্ষিত গুণাবলি নিয়ে ভাবো, তখন তোমার সিদ্ধান্তগুলো বদলাতে শুরু করে। তুমি ভিন্নভাবে মানুষ নির্বাচন করো, ভিন্ন পরিবেশে চলাফেরা করো এবং সাবকনশাসলি এমন পথে চলো যা তোমাকে তোমার কাঙ্ক্ষিত জীবনের দিকে নিয়ে যায়। একে কেউ মেন্টাল ভাইব্রেশন বলে, কেউ অভ্যাসের পরিবর্তন বলে, আবার নিয়ত পরিশুদ্ধির ফলও বলা যায়।

এই প্র‍্যাক্টিসের মাধ্যমে তুমি কল্পনায় সেই সম্পর্কের অভিজ্ঞতা অনুভব করতে থাকো—হাঁটা, কথা বলা, সময় কাটানো, জীবনের মুহূর্তগুলোও মানসিকভাবে উপলব্ধি করা। ধীরে ধীরে এই মানসিক বাস্তবতা তোমার আচরণ, আত্মবিশ্বাস এবং সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। আর একসময় দেখা যায়, ঠিক সেই ধরনের একজন মানুষ তোমার বাস্তব জীবনেই এসে উপস্থিত হয়।
যদি তোমার জীবনে এমন মানুষ আসে যাদের তুমি চাও না, তাহলে অন্যকে নয়, তোমার নিজেকেই দেখতে হবে। কারণ তুমি কেবল নিজেকেই বদলাতে পারো; অন্য কাউকে নয়। আর যখন মানুষ উপলব্ধি করে নিজেকে বদলানোই তো কত কঠিন, তখন সে অন্যকে বদলানোর চেষ্টা করা বন্ধ করে দেয়।

তাই শুধু উদ্দেশ্যহীন অপেক্ষা করা নয়; বরং নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং ফলাফল সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত। তুমি নিজের চরিত্র উন্নত করবে, নিজের জীবনকে সুশৃঙ্খলিত করবে, ইতিবাচক চিন্তা রাখবে এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে ভাল কিছু চাইবে। এরপর যা তোমার জন্য কল্যাণকর, সেটাই তোমার জীবনে আসবে—সম্ভবত এমনভাবে, যা তুমি কল্পনাও করোনি।

সত্যটা খুব সিম্পল। মানুষ যা পেতে চায়, তার আগে তাকে সেটার যোগ্য হওয়ার চেষ্টা করতে হয়। তুমি যদি শান্তি চাও, আগে নিজের ভেতরে শান্তি তৈরি করো। তুমি যদি ভালোবাসা চাও, আগে ভালো মানুষ হও। কারণ যখন অন্তর বদলায়, তখনই জীবনের বাস্তবতাও বদলাতে শুরু করে। আর সেই পরিবর্তনের পথেই মানুষ খুঁজে পায় সঠিক মানুষ, সঠিক সময় এবং সঠিক নিয়তি। রেজাল্ট আসার মধ্যে যে সময় বা বিলম্বটুকু আছে সেটা হচ্ছে ইলিউশান! যা একসময় কেটে যায়। তাই তুমি হতাশ হয়ে বা অস্থির হয়ে নিজেকে নেগেটিভ কিছু করবে না।

Red Pill
🟩 মেয়েদের মাসিকের সমস্যা
.
🟩 যেমনঃ
★ অতিরিক্ত মাসিক স্রাব ,
★ অনিয়মিত মাসিক স্রাব ,
★ ব্যথাযুক্ত মাসিক স্রাব ইত্যাদি ।
অনেকে কারো কাছে লজ্জায় বলতে পারেনা , ফলে রোগ জটিল হয় ।অবিবাহিত মেয়েদের " ব্যথাযুক্ত মাসিক স্রাব " সমস্যাটা বেশি হয় ।
.
🟩 এসব রোগীদের জন্য খুব উপকারী , চমৎকার একটা বৃক্ষ " অশোক" !
.
এই গাছের ছাল দিয়ে যেমন হোমিও ঔষধ তৈরি হয়েছে , তেমনি আয়ুর্বেদিক ঔষধ ও তৈরি হয়েছে । আয়ুর্বেদিক ঔষধের নাম " সিরাপ- অশোকারিষ্ট " । অশোক গাছ সহজলভ্য হওয়ায় মা বোনেরা ইচ্ছা করলেই নিজেদের বাসায় এই গাছের ছাল দিয়ে ঔষধ তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন ।
.
🟩 কিনে খেতে চাইলে
★ হোমিও ঔষধ অশোক - Q / মাদার টিংচার ১০-১৫ ফোটা করে দিনে ৩ বার ,

★ আয়ুর্বেদিক ঔষধ খেতে চাইলে " সিরাপ- অশোকারিষ্ট " এটা একটা গ্রুপ নাম ।

৪ চা চামুচ করে সমপরিমান পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার খাবার পর খেতে হবে ।( স্কয়ার, সাধনা , শ্রী কুন্ডেশ্বরী, মোজাহের ,শক্তি অথবা এপি সহ আরো অনেক কোম্পানির ওষুধ বাজারে পাওয়া যায় )।

.
🟩 নিজে তৈরি করতে চাইলে , অশোক গাছের ছাল ১০০ গ্রাম পরিস্কার করে ছেচে/থেতলে নিন , সাথে ৪ আউন্স RS বা সুরাসার (হোমিও দোকানে পাবেন) , ২০ আউন্স ডিস্ট্রিল ওয়াটার মিশিয়ে কাচের পাত্রে ১৫ দিন রেখে দিবেন । ১৫ দিন পর ছেকে ১ চা চামুচ ( ৫ ml ) আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে রোজ দুই বার খাবেন ।
.
বিঃদ্রঃ ১৫ দিনের মধ্যে কোনো সুফল না পেলে আর অপেক্ষা না করে একজন ভালো চিকিৎসক দেখাবেন।
.
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মাসিক চলাকালীন সময় এবং গর্ভবতী মহিলারা খাবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সকল ধরনের ওষুধ খাবেন
ছেলেমেয়েদের মেন্টাল গ্রোথ এবং অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতা!!

বর্তমান সময়ে অভিভাবকদের একটা অন্যতম ক্ষতিকারক চিন্তা হচ্ছে সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক, পরিণত হওয়ার পরেও তাকে বাচ্চা মনে করা।চারপাশে তাকিয়ে ছেলেমেয়েদের মেন্টাল গ্রোথ দেখেন, যা তার বয়স অনুযায়ী ৪/৫/৭ বছর এগিয়ে। কোনো কোনো বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি। সততা ও সতর্কতার সাথে আপনার সন্তান এবং আপনার নিজ গণ্ডির মধ্যে যে শিশু কিশোররা আছে তাদেরকে ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন–> যে বাচ্চার বয়স ৩ তার মেন্টাল গ্রোথ ৭+> যে বাচ্চার বয়স ৭ তার মেন্টাল গ্রোথ ১১+ > যে বাচ্চাদের বয়স ১১/১২ তাদের অধিকাংশেরই মেন্টাল গ্রোথ ১৭+> যে বাচ্চাদের বয়স ১৬/১৭ তাদের মেন্টাল গ্রোথ ২৪+ এই যে তিন বছরের বাচ্চারা গত কয়েকবছর আগেও খেলনা দিয়ে খেলত। কিন্তু এখন অধিকাংশ ঘরে বাচ্চা বড়দের ব্যবহার্য জিনিসপত্রে অত্যন্ত আগ্রহী। সেদিন একটা বাচ্চা দেখলাম, যার বয়স তিনও হয়নি এখনো, অথচ বটি পেতে চার-পাঁচটা আলু কিউব করে কেটে ফেলল কারণ সে-ও বড়দের মতো রান্না করবে। আমরা ছোটবেলায় খেলতাম এই রান্না রান্না খেলা, কিন্তু সেটা ছয়-সাতে গিয়ে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের মেন্টাল গ্রোথ দুশ্চিন্তার বিষয়ই বটে। এক বছর আগের ঘটনা, ক্লাস থ্রিয়ের একটা ছেলে একটা মেয়ে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় ধরা পড়েছে। পরে স্কুল থেকে তাকে বের করে দিয়েছে। ক্লাস ফোর-ফাইভের মেয়েদের ক্রাশ হয় পঁচিশোর্ধ্ব ছেলেরা। ক্লাস ফোর-ফাইভের ছেলেগুলো এখন আর শুধু বন্ধু নয়, এরা প্রায় প্রত্যেকেই ক্লাসের অন্যসব মেয়েদের বয়ফ্রেন্ড। ঐ নাক টিপলে দুধ পড়া মেয়েগুলো এই ছেলেগুলোকে বলে ‘জামাই’! ‘এই তুই আমার জামাইর হাত ধরছিস কেন?’ এ ধরনের আড্ডা আলাপ, সংলাপে নিজেদের বন্ধুমহলে মেলামেশা করে আপনার সন্তান। অথচ খুব বেশি আগে নয়, এই নব্বইয়ের দশক বা দুই হাজারের শুরুর দিকে যাদের জন্ম, তাদের অনেকেই কলেজে পড়ার সময় পর্যন্ত জানত না বাচ্চা কীভাবে হয়, শরীরের কোন অংশের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করে। তিন/চার বছরের বাচ্চাদের গর্ভবতী কাউকে দেখিয়ে বুঝ দেওয়া যেত যে, পেটে একটা অসুখ করেছে, আল্লাহ হসপিটালে বাবু পাঠিয়েছে সেখান থেকে বাবু আনতে হবে। আর এখন তিন/চার বছরের বাচ্চা কারো পেট বড় দেখলে কৌতুহলী চোখে বলে বসে, পেটে বাবু আছে! সচেতন, সতর্ক হওয়ার জন্য স্কুল শুরুর সময় আর ছুটির সময় নিয়ম করে টানা একসপ্তাহ ছেলেমেয়েদের আসা-যাওয়া, হাঁটাচলা, বলা সবকিছু খেয়াল করেন। বাচ্চাগুলোর বডি ল্যাংগুয়েজ খেয়াল করেন তাহলে Biological Growth & Mental Growth-এর মধ্যে পার্থক্যগুলো ধরতে পারবেন।অধিকাংশ অভিভাবকই প্রকাশ্যে স্বীকার করেন না, মেনে নেন না যে তাদের সন্তানদের মেন্টাল এজ বায়োলজিক্যাল এজ থেকে কয়েক বছর এগিয়ে। বিশেষ করে যাদের জন্ম ২০০৭/৮ সালের দিকে যাদের জন্ম এদের থেকেই এই বায়োলজিকাল এজ আর মেন্টাল এজের বিস্তর ফারাক দেখা যায়। অথচ বর্তমানে ক্লাস টু-থ্রির বাচ্চারা প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে, গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড, রিলেশনশিপে থাকা, শরীর স্পর্শ করা, হাগ, কিস, সেনসেশন, শারীরিক সম্পর্ক, পর্নোগ্রাফি, প্রটেকটিভ জেলাসি, সবকিছু বোঝে। বেশ কয়েকটা টিনএজ কেইস ডিল করেছি যাদের হস্তমৈথুনের অভ্যাস আছে। > ফেসবুক, নিউজপেপার সবখানেই বহুল আলোচিত সিনথিয়া, যার বয়স ১৮। যে কিনা নিজের দাদা-নানার বয়সী একজনের সাথে মন দেওয়া-নেওয়া করে বিয়ে করেছে। ভালো করে মেয়েটার চাহনি, মুখের অভিব্যক্তি, বডি ল্যাংগুয়েজ, তার কথা, সমস্ত কিছু খেয়াল করে বলেন তো, কোনোভাবে কি এই মেয়ের মেন্টাল এজ আঠারো হয়?মিডিয়ার সামনে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস নিয়ে মেয়েটা কথা বলছে। কোনোরকম ভয়, শঙ্কা, কথার জড়তা যার নেই।যদি সিনথিয়ার মেন্টাল এজ ২৫+ হয় তবে এটা এতটাও অবাক হওয়ার মত ঘটনা নয়। সেলিব্রিটি থেকে সাধারণ জনগণের জীবন বিভিন্ন দেশেই এমন ঘটনা আগে পরে বহু ঘটেছে। আপনাদের অনেকেরই পুত্র-কন্যা সিনথিয়ার বয়সী। আপনার অদেখা তাদের একটা এডাল্ট জগত আছে। অথচ আপনি আপনার অন্ধ আবেগের জন্য ভেবে বসে আছেন আপনার সন্তান শুধু গায়ে-পায়ে বড় হয়েছে কিন্তু বুদ্ধিতে বড় হয়নি। আপনি ভাবেন সন্তান দিনদুনিয়ার কিছু বোঝে না। আপনারা এমনটা ভাবেন কারণ সন্তানরা আপনাদের ভাবনাজগত নিয়ে খেলে। সন্তানের অলক্ষ্যে সন্তানকে অবজার্ভ করেন, বাস্তবতা আপনাকে চমকিয়ে দিবে। কিন্তু সাহস করে অধিকাংশই তা করবেন না। উল্টো পরে যখন একটা অঘটন ঘটে তখনও আপনি আপনারা মনে করেন আপনার সন্তানের একার সাহসে এত কিছু হবে না। অমুক তমুক ফুসলিয়ে করিয়েছে। এভাবেই এখনকার অধিকাংশ বাবা-মায়েরা সন্তান জন্মদান ও লালন-পালন করছেন। সন্তান লালন-পালন কঠিন থেকে কঠিন হয়ে গেছে। প্যারেন্টিং কোর্স, প্যারেন্টিং বুক পড়ে, পজিটিভ প্যারেন্টিং প্রাকটিস করেও সন্তানদের সাথে বাবা-মায়েরা পেরে উঠছে না। কীভাবে পারা যাবে? দশ বছরের মেয়েটা চায় ১৬ বছরের মেয়ের মতো করে জীবন কাটাতে, আর বাবা-মা রোজ তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছে, ‘তুমি বড় হওনি, এখনো অনেক ছোট।’
1
*এ অবস্থার জন্য দায়ী সন্তানদের মিডিয়া স্মার্টফোন সেক্যুলার শিক্ষার পিছনে ছুটাছুটি ছুটোনো, অভিভাবকদের দ্বীনহীনতা, দায়িত্বের ব্যাপারে অসচেতনতা।তারা নিজেরাই লুচ্চা পতিতা পাশ্চাত্য সভ্যতা, ভোগবাদি, লেবাসধারীর পক্ষে দালালি করে সন্তানদের ও তাই বানাতে চাই।
ভাইরাল ডায়েট নয় ! ওজন কমানোর মৌলিক নিয়ম

ওজন নিয়ন্ত্রণ শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, বরং সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবনের মূল চাবিকাঠি। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে প্রতিদিনই নতুন নতুন ডায়েট প্ল্যান আর ট্রেন্ড ভাইরাল হয়। কেউ বলে কিটো, কেউ বলে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং, আবার কেউবা বলে জুস ক্লিন্স! কিন্তু এগুলোর পেছনে না ছুটে যদি কিছু মৌলিক বিষয় নিয়মিতভাবে মেনে চলা যায়, তবে দীর্ঘ মেয়াদে ওজন কমানো এবং তা ধরে রাখা দুটোই সহজ হবে।

সুষম খাবার
প্রথম শর্ত হলো সুষম খাদ্যাভ্যাস। প্রোটিন, শাকসবজি, ফলমূল আর হোল গ্রেইন নিয়মিত রাখুন খাদ্যতালিকায়। প্রোটিন ক্ষুধা কমায় এবং দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে।

নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়, যোগব্যায়াম বা সাইক্লিং করুন। এটি শুধু ক্যালরি পোড়ায় না, মেটাবলিজমও বাড়ায়।

পানি পান
প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। খাবারের আগে পানি খেলে ক্ষুধা কমে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম
৭-৮ ঘণ্টার নিয়মিত ঘুম শরীরের মেটাবলিজম সঠিক রাখে। ঘুমের ঘাটতি ক্ষুধা বাড়ায়, ওজনও বাড়াতে পারে।

চিনি ও জাঙ্ক ফুড

কোলা, মিষ্টি, কেক-পেস্ট্রি এসব এড়িয়ে চলুন। এর বদলে লেবু পানি, ডাবের পানি বা তাজা ফলের রস বেছে নিন।

এইতো !!
1
"এই কুরআন আমি নাযিল করিয়াছি যাহা কল্যাণময়। সুতরাং উহার অনুসরণ কর এবং সাবধান হও, তাহা হইলে তোমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হইবে;"(সূরাঃ আল-আনআম ৬, আয়াত ১৫৫)
.
উপরের আয়াতে কুরআন কি করতে বলা হয়েছে?
.
কুরআন: মাদ্রাসায় মুখস্ত করার জন্য আসেনাই। মূর্দার পাশে, কবরে লাশের জন্য ব্যবহার হতে কুরআন আসেনাই। সুর করে তিলায়াত করার জন্য আসেনাই। সুরা পাঠ করে মানুষের শরীরে ফু দেয়ার জন্য আসেনাই। লাল কাপড়ে বেধে আলমারির উপর শোভাবর্ধনের জন্য আসেনাই। তর্ক বিতর্ক, বাহাস করার জন্য আসেনাই। কন্টাক নিয়ে কোন নিদিষ্ট অঞ্চলের মানুষকে খুশি
করে সম্মিলিত দোয়া করার জন্য আসে নাই। সুর করে পড়িয়ে নামাজের নামে বেতন নেওয়ার জন্য আসে নাই।
.
কুরআন এসেছে মানবজাতীর মুক্তির জন্য। মানবজাতীর পথপ্রদর্শক হিসেবে এসেছে৷ আল্লাহর বিধানে নিবিরভাবে/নিরবিচ্ছিন্নভাবে অনুসরনের জন্য এসেছে৷ কুরআন এসেছে আল্লাহর সান্ন্যিধ্যে থেকে জীবন পরিচালনার নিয়ামক হিসেবে৷
.
সুতরাং, কুরআনের সত্য ধারন করুন, আল্লাহ কুরআনে কি বলতে চেয়েছেন সেটা বুঝুন এবং সেই অনুযায়ী চলুন। না হয়, মৃত্যুর পর আফসোস করে বলতে হবে...
.
(সুরাঃ কাহফ ১৮, আয়াত ৪২)"তাহার ফল - সম্পদ বিপর্যয়ে বেষ্টিত হইয়া গেল এবং সে উহাতে যাহা ব্যয় করিয়াছিল তাহার জন্য আক্ষেপ করিতে লাগিল যখন উহা মাচানসহ ভূমিসাৎ হইয়া গেল। সে বলিতে লাগিল, ‘হায়, আমি যদি কাহাকেও আমার প্রতিপালকের শরীক না করিতাম!"
.
(সূরাঃ যুখরুফ ৪৩, আয়াত ৩৬)"যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহ্‌র স্মরণে বিমুখ হয় আমি তাহার জন্য নিয়োজিত করি এক শয়তান, অতঃপর সে - ই হয় তাহার সহচর।"
.
(সূরঃ আন-নাবা ৭৮, আয়াত ৪০)"আমি তো তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করিলাম ; সেই দিন মানুষ তাহার কৃতকর্ম প্রত্যক্ষ করিবে এবং অবিশ্বাসী বলিবে, ‘হায়, আমি যদি মাটি হইতাম !"
.
(সূরাঃ আল-মুলক ৬৭, আয়াত ১০)"এবং উহারা আরও বলিবে, ‘যদি আমরা শুনিতাম অথবা বিবেক - বুদ্ধি প্রয়োগ করিতাম, তাহা হইলে আমরা জাহান্নামবাসী হইতাম না।"
.
(সূরাঃ আল-ফজর ৮৯, আয়াত ২৪)"সে বলিবে, ‘হায়! আমার এ জীবনের জন্য আমি যদি কিছু অগ্রিম পাঠাইতাম !"
.
(সূরাঃ আল-ফুরকান ২৫, আয়াত ২৭,২৮)"জালিম ব্যক্তি সেই দিন নিজ হস্তদ্বয় দংশন করিতে করিতে বলিবে, ‘হায়, আমি যদি রাসূলের সঙ্গে সৎপথ অবলম্বন করিতাম! হায়, দুর্ভোগ আমার, আমি যদি অমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করিতাম!"
.
(সূরাঃ আল-হাক্বক্কাহ ৬৯, আয়াত ২৫-২৭)"কিন্তু যাহার আমলনামা তাহার বাম হস্তে দেওয়া হইবে, সে বলিবে, ‘হায়! আমাকে যদি দেওয়াই না হইত আমার ‘আমলনামা, ‘এবং আমি যদি না জানিতাম আমার হিসাব ! ‘হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত।"
.
(সূরাঃ আল-আহযাব ৩৩, আয়াত ৬৬)"যেদিন উহাদের মুখমণ্ডল অগ্নিতে উলটপালট করা হইবে সেদিন উহারা বলিবে, ‘হায়, আমরা যদি আল্লাহকে মানিতাম ও রাসূলকে মানিতাম!"
.
(সূরাঃ আন-নিসা ৪, আয়াত ৭৩)"আর তোমাদের প্রতি আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ হইলে, যেন তোমাদের ও তাহার মধ্যে কোন সম্পর্ক নাই এমনভাবে বলিবেই, ‘হায়! যদি তাহাদের সঙ্গে থাকিতাম তবে আমিও বিরাট সাফল্য লাভ করিতাম।"
.
(সূরাঃ আল-আনআম ৬, আয়াত ২৭)"তুমি যদি দেখিতে পাইতে যখন তাহাদেরকে দোজখের পার্শ্বে দাঁড় করান হইবে এবং তাহারা বলিবে, ‘হায়! যদি আমাদের প্রত্যাবর্তন ঘটিত তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের আয়াতসমূহ অস্বীকার করিতাম না এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হইতাম!"
.
হুজুররা এই বিষয়ে সেই বিষয়ে অই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে বল্লেও আল্লাহ বলছেন শুধুমাত্র কুরআনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে।
.
(সূরাঃ যুখরুফ ৪৩, আয়াত ৪৪)"কুরআন তো তোমার ও তোমার সম্প্রদায়ের জন্য সম্মানের বস্তু ; তোমাদেরকে অবশ্যই এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হইবে।"
.
কুরআন পাঠ করুন নিজ মাতৃভাষা বাংলায় অর্থসহ বুঝে বুঝে, সে অনুযায়ী কাজ করুন, নিশ্চয় কুরআনই নিরবিচ্ছিন্ন অনুসরন অনৈতিক - অন্যায়কাজ হইতে ফিরাইয়া রাখে।
.
#সংগৃহীত
স্বামী তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেওয়ায় ঐ স্ত্রীকে নিয়ে এখন পুনরায় সংসার করার সুযোগ নেই ।

হাদীসে বর্ণিত রয়েছে
عن مجاهد قال كنت عند ابن عباس فجاء رجل فقال إنه طلق امرأته ثلاثا. قال فسكت حتى ظننت أنه رادها إليه ثم قال ينطلق أحدكم فيركب الحموقة ثم يقول يا ابن عباس يا ابن عباس وإن الله قال (وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا) وإنك لم تتق الله فلم أجد لك مخرجا عصيت ربك وبانت منك امرأتك
অর্থ: হযরত মুজাহিদ রহঃ. বলেন,আমি ইবনে আব্বাস রাঃ-এর পাশে ছিলাম। সে সময় এক ব্যক্তি এসে বলেন-‘সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ চুপ করে রইলেন। আমি মনে মনে ভাবছিলাম-হয়ত তিনি তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার কথা বলবেন (রুজু করার হুকুম দিবেন)। কিছুক্ষণ পর ইবনে আব্বাস রা. বলেন,তোমাদের অনেকে নির্বোধের মত কাজ কর;[তিন তালাক দিয়ে দাও!] তারপর ‘ইবনে আব্বাস! ইবনে আব্বাস! বলে চিৎকার করতে থাক। শুনে রাখ আল্লাহ তা‘য়ালা বাণী-“যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘য়ালাকে ভয় করে আল্লাহ তা‘য়ালা তার জন্য পথকে খুলে দেন। তুমিতো স্বীয় রবের নাফরমানী করেছো [তিন তালাক দিয়ে]। এ কারণে তোমার স্ত্রী তোমার থেকে পৃথক হয়ে গেছে।{সুনানে আবু দাউদ-১/২৯৯, হাদীস নং-২১৯৯, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১৪৭২০, সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১৪৩}
গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসকে একদিন তার এক শিষ্য জিজ্ঞেস করলোঃ "আচ্ছা গুরুদেব, আপনি কি আমায় বলতে পারেন, কিভাবে আমি আমার জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে পারবো?"

সক্রেটিস মুচকি হেসে বললেনঃ "আচ্ছা আমি তোমাকে সেটা বলতে পারবো, তবে সেটার জন্য তোমাকে আগামীকাল বিকেলে নদীর ধারে আসতে হবে।"

তো যেই কথা সেই কাজ, পরদিন বিকেলে শিষ্য নদীর ধারে গিয়ে গুরুর অপেক্ষা করতে লাগলো। একটুপর সক্রেটিস ও এলো। এসে সক্রেটিস বললো "এবার তোমাকে আমার সাথে জলে নামতে হবে"।

কেন বা কী? এসব কিছু জানতে না চেয়েই শিষ্য তার গুরুর সাথে জলে নেমে গেল। কারণ তার গুরু নিশ্চয়ই তাকে কোন ভালো শিক্ষা দিবেন, এ বিশ্বাস তার ছিল।

তো জলে নামতেই সক্রেটিস তার ছাত্রের মাথা পানিতে চেপে ধরলো শক্ত করে, শিষ্য কিছু বুঝে উঠতে না পেরে হাত পা দাপিয়ে, পানিতে হাস-ফাস শুরু করলো। সে যতই মাথা তুলতে চেষ্টা করে সক্রেটিস তাকে আরও জোরে চেপে ধরে।

এভাবে মিনিট দেড়েক চেপে ধরে রাখার পর, সক্রেটিস তার শিষ্যকে ছেড়ে দিলো এবং কিছুক্ষণ পর বললো, "তুমি নিশ্চয় তোমার প্রশ্নের উত্তরটি পেয়েছ?"
শিষ্য বললো, "কিভাবে গুরুদেব?"

সক্রেটিস এবার বললো, "দেখ যখন তোমাকে আমি তোমাকে আমি জলের নিচে চেপে ধরেছিলাম, তখন তোমার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল? কিসের জন্য তুমি আপ্রাণ চেষ্টা করছিলে?"
শিষ্য বললো "আমার লক্ষ্য ছিল শুধু কিভাবে আমি আমার জীবন বাঁচাবো? কিভাবে মুক্তি পাব এই পানি থেকে?

-"জগতের আর কোন চিন্তা কি তখন তোমার মাথায় ছিলো?"
-"না গুরুদেব।"

ঠিক এভাবেই যখন তুমি তোমার জীবনের নির্ধারিত লক্ষ্যকে, শুধুমাত্র একটি লক্ষ্যে পরিণত করতে পারবে, জগতের অন্যসব চিন্তা মাথা থেকে দূরে রেখে তখনি তুমি তোমার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে। হতে পারবে সফল একজন মানুষ। তাই লক্ষ্য ঠিক করে পরিশ্রম করে যাওয়াই তো দরকার, সফলতাও একদিন আসবে।

#আধ্যাত্মিক #জগতের #বাণী
#life #motivation #philosophy #spiritualawakening #দার্শনিক #সক্রেটিস #দর্শন #everyone #viralpage #viralpost
2
তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা দুনিয়ার জন্য তাই রাখত যা তাদের পরকাল থেকে অতিরিক্ত থাকত, অথচ তোমরা আজ পরকালের জন্য তাই রাখছ যা তোমাদের দুনিয়া থেকে অতিরিক্ত থাকছে।

- আব্দুল্লাহ ইবন আউন (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]

إن من كان قبلكم كانوا يجعلون للدنيا ما فضل عن آخرتهم ، وإنكم اليوم تجعلون لآخرتكم ما فضل عن دنياكم .

©
ফরজ গোসল অবস্থায় সাহরী খেয়ে রোজা রাখা জায়েয আছে ।

উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ

“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]

রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]

তবে ফজরের নামাজের পূর্বেই গোসল করে নামাজ আদায় করে নিতে হবে ।
3
স্টিভ হার্ভির এই কথাটা আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ডিস্ট্র্যাকশন। আমরা সবাই লক্ষ্য নিয়ে শুরু করি, কিন্তু পথে হারিয়ে যাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা, নেটফ্লিক্সে অহেতুক বিঞ্জ ওয়াচিং, অপ্রয়োজনীয় গসিপ, টক্সিক রিলেশনশিপ। এই বিভ্রান্তিগুলো শুরুতে ছোট মনে হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনার ফোকাস নষ্ট করে, আপনার শক্তি শুষে নেয়, এবং আপনাকে লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে নিয়ে যায়। একদিন দেখবেন, বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু আপনি একই জায়গায় আছেন কারণ আপনার সময় এবং এনার্জি অর্থহীন জিনিসে চলে গেছে।

বাস্তবতা হলো, সাফল্য এবং ব্যর্থতার মধ্যে পার্থক্য প্রতিভায় নয় ফোকাসে। যারা নিজেদের ডিস্ট্র্যাকশন থেকে দূরে রাখতে পারেন, যারা "না" বলতে জানেন, যারা প্রায়োরিটি ক্লিয়ার রাখেন তারাই এগিয়ে যান। তাই নিজের জীবন চেক করুন: কোন জিনিসগুলো আপনাকে আপনার গোল থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে? সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং কাট করুন। নিষ্ঠুর হোন নিজের সাথে আপনার স্বপ্ন আপনার ডিস্ট্র্যাকশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

#Intentional #SuccessMindset #StayOnTrack #NoExcuses #Motivation #SelfControl #CommitToYourGoals #BeLaser #WinningHabits #Spikestory
1
এখন থেকে হাজারে ৮.৫০ টাকা খরচে বিকাশের টাকা ক্যাশ করতে পারবেন NPSB এর মাধ্যমে।