নিচের লিষ্টের ৫-৭ টা তোমার মধ্যে যদি থাকে, আজীবন টানাটানির মধ্যে চলতে হবে। চেক করে দেখো কয়টা আছে।
১. যারা রেগুলার বাইরে খায়, বাইরে যেতে না পারলে বাসায় ফুড ডেলিভারি নেয়: (মাসে ২-৪ বার হলে তেমন সমস্যা না )
২. ছোটখাটো খরচকে “তেমন পাত্তা না দেয়া” ও এইটা তো মাত্র ৫০ টাকা, এইখানে জাস্ট ২০০ টাকা, এইরকম ছোটখাটো খরচ প্রতিদিন ২-৩ টা হতে থাকলে, টাকা যে কোন দিক দিয়ে লিক হয়ে যাচ্ছে টেরই পাওয়া যায় না।
৩. নিয়মিত দাওয়াত থাকলে: দাওয়াতের গিফট, যাওয়া আসার খরচ, দাওয়াতে যাওয়ার জন্য জামা কাপড়। মাস শেষে ভালো একটা অংশ চলে যায়।
.
৪. ধার একবার নেয়া শুরু করলে দেখা যায় প্রতিমাসেই ধার লাগে। আর যে ধার দেয় সে বেচারা ধারের টাকা উঠতে না পেরে ডাবল বিপদে থাকে।
৫. একবার ক্রেডিট কার্ড বা লোনের চক্করে পড়লে, এইটা থেকে বের হওয়া টাফ।
৬. ধূমপান বা নেশা বা বাজে স্বভাব এমন পাবলিকরা বেশিরভাগই টানাটানির মধ্যে থাকে। আর বাজে নেশার মধ্যে পড়লেতো টাকা পয়সাও শেষ, জীবনও শেষ।
.
৭. অনলাইন বা অফলাইনে যারাই জুয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে, তারাই সব হারাইছে। পেটেভাতেও চলতে পারে না।
৮. একবার দোকানে বাকি খাওয়া বা বাকি সদাই নেয়া শুরু করলে, সেই চক্কর থেকে দোকানদার এবং খরিদ্দার দুইজনেই বের হতে পারে না।
৯. একবার বেতন পাওয়ার আগে কারো কাছ থেকে ধার নেয়া শুরু করলে বা খরচ করা শুরু করলে মাসের পর মাস এই সাইকেল থেকে মুক্তি নাই। তখন মাসের শেষ ২০ দিন যায় টাকার সাথে যুদ্ধ করে।
.
১০. ফ্যামিলি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির জন্য আগে থেকে টাকা জোগাড় করে না রাখলে শেষ পর্যন্ত ঋণ নিতে হয়। সেই ঋণ শোধ করতে ২-৩ বছর টানাটানি চলতে থাকে।
১১. বছরে দুই একটা ঘুরাঘুরি ঠিকাছে। কিন্তু যারা মাসে মাসে এইখানে না হয় ঐখানে যায়। তাদের হাতে ১০ টাকা জমলে ৫০ টাকার একটা ট্যুর দিয়ে ফেলে। এদের জীবন পেটেভাতে আর রাস্তাঘাটেই চলতে থাকবে।
১২.বিয়ে, বাড়ি করা, দেশের বাইরে যাবে এইসব ফিউচারের মেগা ইভেন্টের জন্য যত বাজেট করবে, জীবনেও সেই বাজেটে শেষ হবে না। তাই এইগুলার জন্য বাজেট যত তার দ্বিগুণ সেইভ না করলে, বিপদে পড়বে।
.
১৩. বাজারের লিস্ট স্ট্রিক্ট না থাকা বা উইন্ডো শপিং। কেউ কেউ আছে, কিনতে যায় একটা জিনিস, কিনে আসে তিনটা। বা দোকানদার আরেকটু ভালো, আরেকটু লোভনীয় জিনিস দেখিয়ে বাজেটের বাইরের জিনিস খসায় দেয়। আর তোমার পকেট খালি হয়ে যায়।
১৪. একবার অনলাইনে কেনার অভ্যাস শুরু করে দিলে দেখা যায়, হুদাই জিনিস কিনে। দরকারের চাইতে, অল্প দরকারি বা অদরকারি জিনিস কিনে।
.
১৫. ডিস্কাউন্টে জিনিস কেনা মানে, জিনিস কেনা না। ফেইক একটা ডিসকাউন্ট কেনা। অর্থাৎ তুমি কখনোই ২০-৩০% ডিসকাউন্ট পাও না। বরং ৭০-৮০% টাকা বিনা কারণে খসাও। সো, ব্যাপার হবে-- আমার জিনিস একান্তই কেনা লাগলে কিনবো-- তখন কূপন পাইলে ইউজ করবো না পাইলে ফুল প্রাইসে কিনবো। এতে সাময়িক খরচ একটু বেশি হলেও ওভারঅল খরচ অনেক কম হবে।
১৬. ফ্রী ট্রায়াল, মাসিক সাবস্ক্রিপশন একটা ট্র্যাপ। মানুষের আলসেমি ও ভুলে যাওয়ার কারণে হুদাই হুদাই টাকা গচ্ছা যেতে থাকে।
১৭. বেশিরভাগ সময় ব্র্যান্ডের জিনিস এর চাইতে ভালো জিনিস বা কাছাকাছি কোয়ালিটির জিনিস অনেক কম দামে পাওয়া যায়। আমি সস্তায় খারাপ জিনিস কেনার কথা বলতেছি না। বরং সিমিলার কোয়ালিটির কম ব্র্যান্ড বা নন-ব্রান্ডের জিনিসের কথা বলছি।
১৮. অন্যদের চাইতে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য টাকা খরচ করা মধ্যবিত্তদের জন্য বোকামি। বড়লোক যাদের অসীম টাকা আছে তাদের হিসাব আলাদা।
.
১৯. একটা ফোন ভালোই চলতেছে হুদাই হুদাই আপগ্রেড করা। হয়তো দুইটা ফিচার একটু কম ভালো সেটার জন্য ঝাঁপ দিয়ে, টাকা জোগাড় করে কিনে ফেলা।
২০. রিফান্ড, বোনাস বা ক্যাশব্যাককে “ফ্রি টাকা” মনে করা।
২১. মাসিক খরচ ট্র্যাক না করা বা অপটিমাইজ না করা
.
২২. ইনকামের মিনিমাম ২০% আর সম্ভব হলে ৩০–৫০% সেভ না করা
২৩. বেতন বাড়ালেই আর টাকা পয়সার টানাটানি থাকবে না, মনে করা।
২৪. পেটেভাতে চলতে পারাও কিন্তু পেটেভাতে চলতে না পারার চাইতে ভালো। সেটা নিয়ে শুকরিয়া না করা।
২৫. ইনকাম বাড়ানোর চাইতে খরচ কমানের দিকে বেশি ফোকাস করা
১. যারা রেগুলার বাইরে খায়, বাইরে যেতে না পারলে বাসায় ফুড ডেলিভারি নেয়: (মাসে ২-৪ বার হলে তেমন সমস্যা না )
২. ছোটখাটো খরচকে “তেমন পাত্তা না দেয়া” ও এইটা তো মাত্র ৫০ টাকা, এইখানে জাস্ট ২০০ টাকা, এইরকম ছোটখাটো খরচ প্রতিদিন ২-৩ টা হতে থাকলে, টাকা যে কোন দিক দিয়ে লিক হয়ে যাচ্ছে টেরই পাওয়া যায় না।
৩. নিয়মিত দাওয়াত থাকলে: দাওয়াতের গিফট, যাওয়া আসার খরচ, দাওয়াতে যাওয়ার জন্য জামা কাপড়। মাস শেষে ভালো একটা অংশ চলে যায়।
.
৪. ধার একবার নেয়া শুরু করলে দেখা যায় প্রতিমাসেই ধার লাগে। আর যে ধার দেয় সে বেচারা ধারের টাকা উঠতে না পেরে ডাবল বিপদে থাকে।
৫. একবার ক্রেডিট কার্ড বা লোনের চক্করে পড়লে, এইটা থেকে বের হওয়া টাফ।
৬. ধূমপান বা নেশা বা বাজে স্বভাব এমন পাবলিকরা বেশিরভাগই টানাটানির মধ্যে থাকে। আর বাজে নেশার মধ্যে পড়লেতো টাকা পয়সাও শেষ, জীবনও শেষ।
.
৭. অনলাইন বা অফলাইনে যারাই জুয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে, তারাই সব হারাইছে। পেটেভাতেও চলতে পারে না।
৮. একবার দোকানে বাকি খাওয়া বা বাকি সদাই নেয়া শুরু করলে, সেই চক্কর থেকে দোকানদার এবং খরিদ্দার দুইজনেই বের হতে পারে না।
৯. একবার বেতন পাওয়ার আগে কারো কাছ থেকে ধার নেয়া শুরু করলে বা খরচ করা শুরু করলে মাসের পর মাস এই সাইকেল থেকে মুক্তি নাই। তখন মাসের শেষ ২০ দিন যায় টাকার সাথে যুদ্ধ করে।
.
১০. ফ্যামিলি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির জন্য আগে থেকে টাকা জোগাড় করে না রাখলে শেষ পর্যন্ত ঋণ নিতে হয়। সেই ঋণ শোধ করতে ২-৩ বছর টানাটানি চলতে থাকে।
১১. বছরে দুই একটা ঘুরাঘুরি ঠিকাছে। কিন্তু যারা মাসে মাসে এইখানে না হয় ঐখানে যায়। তাদের হাতে ১০ টাকা জমলে ৫০ টাকার একটা ট্যুর দিয়ে ফেলে। এদের জীবন পেটেভাতে আর রাস্তাঘাটেই চলতে থাকবে।
১২.বিয়ে, বাড়ি করা, দেশের বাইরে যাবে এইসব ফিউচারের মেগা ইভেন্টের জন্য যত বাজেট করবে, জীবনেও সেই বাজেটে শেষ হবে না। তাই এইগুলার জন্য বাজেট যত তার দ্বিগুণ সেইভ না করলে, বিপদে পড়বে।
.
১৩. বাজারের লিস্ট স্ট্রিক্ট না থাকা বা উইন্ডো শপিং। কেউ কেউ আছে, কিনতে যায় একটা জিনিস, কিনে আসে তিনটা। বা দোকানদার আরেকটু ভালো, আরেকটু লোভনীয় জিনিস দেখিয়ে বাজেটের বাইরের জিনিস খসায় দেয়। আর তোমার পকেট খালি হয়ে যায়।
১৪. একবার অনলাইনে কেনার অভ্যাস শুরু করে দিলে দেখা যায়, হুদাই জিনিস কিনে। দরকারের চাইতে, অল্প দরকারি বা অদরকারি জিনিস কিনে।
.
১৫. ডিস্কাউন্টে জিনিস কেনা মানে, জিনিস কেনা না। ফেইক একটা ডিসকাউন্ট কেনা। অর্থাৎ তুমি কখনোই ২০-৩০% ডিসকাউন্ট পাও না। বরং ৭০-৮০% টাকা বিনা কারণে খসাও। সো, ব্যাপার হবে-- আমার জিনিস একান্তই কেনা লাগলে কিনবো-- তখন কূপন পাইলে ইউজ করবো না পাইলে ফুল প্রাইসে কিনবো। এতে সাময়িক খরচ একটু বেশি হলেও ওভারঅল খরচ অনেক কম হবে।
১৬. ফ্রী ট্রায়াল, মাসিক সাবস্ক্রিপশন একটা ট্র্যাপ। মানুষের আলসেমি ও ভুলে যাওয়ার কারণে হুদাই হুদাই টাকা গচ্ছা যেতে থাকে।
১৭. বেশিরভাগ সময় ব্র্যান্ডের জিনিস এর চাইতে ভালো জিনিস বা কাছাকাছি কোয়ালিটির জিনিস অনেক কম দামে পাওয়া যায়। আমি সস্তায় খারাপ জিনিস কেনার কথা বলতেছি না। বরং সিমিলার কোয়ালিটির কম ব্র্যান্ড বা নন-ব্রান্ডের জিনিসের কথা বলছি।
১৮. অন্যদের চাইতে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য টাকা খরচ করা মধ্যবিত্তদের জন্য বোকামি। বড়লোক যাদের অসীম টাকা আছে তাদের হিসাব আলাদা।
.
১৯. একটা ফোন ভালোই চলতেছে হুদাই হুদাই আপগ্রেড করা। হয়তো দুইটা ফিচার একটু কম ভালো সেটার জন্য ঝাঁপ দিয়ে, টাকা জোগাড় করে কিনে ফেলা।
২০. রিফান্ড, বোনাস বা ক্যাশব্যাককে “ফ্রি টাকা” মনে করা।
২১. মাসিক খরচ ট্র্যাক না করা বা অপটিমাইজ না করা
.
২২. ইনকামের মিনিমাম ২০% আর সম্ভব হলে ৩০–৫০% সেভ না করা
২৩. বেতন বাড়ালেই আর টাকা পয়সার টানাটানি থাকবে না, মনে করা।
২৪. পেটেভাতে চলতে পারাও কিন্তু পেটেভাতে চলতে না পারার চাইতে ভালো। সেটা নিয়ে শুকরিয়া না করা।
২৫. ইনকাম বাড়ানোর চাইতে খরচ কমানের দিকে বেশি ফোকাস করা
মোটিভেশন নেওয়ার জন্য আজকাল পোলাপান সারাদিন স্ক্রল করে বেড়ায়, অথচ নিজের জীবনের প্রতি একটাবার খেয়াল করে না।
টেইট বলেন, তোমার দৈনন্দিন জীবনের প্রতি যদি প্রচণ্ড রাগ ও ক্ষিপ্ততা কাজ করে, তাহলে এটাই আল্টিমেট মোটিভেশন। কারণ তুমি জানো, এই ফকিরি-অগোছালো জীবন থেকে তোমাকে কেউই তুলতে আসবে না। ইভেন তোমার বাবা-মাও না। তাঁদের স্নেহও একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্তই। সাথে তুমি এটাও দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করো যে, তুমি একজন বলিষ্ঠ পুরুষ। তুমি যা চাও, তাই পাওয়া সম্ভব। ঠিক এই তিনটি বিষয়ই তোমাকে TOP-G মাইন্ডসেট আয়ত্তের রাস্তা দেখাবে।
টেইট বলেন, তোমার দৈনন্দিন জীবনের প্রতি যদি প্রচণ্ড রাগ ও ক্ষিপ্ততা কাজ করে, তাহলে এটাই আল্টিমেট মোটিভেশন। কারণ তুমি জানো, এই ফকিরি-অগোছালো জীবন থেকে তোমাকে কেউই তুলতে আসবে না। ইভেন তোমার বাবা-মাও না। তাঁদের স্নেহও একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্তই। সাথে তুমি এটাও দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করো যে, তুমি একজন বলিষ্ঠ পুরুষ। তুমি যা চাও, তাই পাওয়া সম্ভব। ঠিক এই তিনটি বিষয়ই তোমাকে TOP-G মাইন্ডসেট আয়ত্তের রাস্তা দেখাবে।
❤1
নিজের জীবনের লক্ষ্য আগে ঠিক করুন: আপনার জীবনের মিশন বা লক্ষ্য কখনোই কোনো সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়; আপনার লক্ষ্য হবে আপনার নিজের উন্নতি।
•
নিজের মূল্য বুঝুন: আপনি যদি নিজেকে গুরুত্ব না দেন, তবে পৃথিবী বা অন্য কেউ আপনাকে গুরুত্ব দেবে না।
•
আবেগ নয়, যুক্তিতে গুরুত্ব দিন: সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আবেগের চেয়ে যুক্তির (Logic) ওপর বেশি নির্ভর করা জরুরি।
•
অপেক্ষার মানসিকতা ত্যাগ করুন: "সঠিক সময় আসবে" বা "সব ঠিক হয়ে যাবে"—এই অলীক আশায় বসে না থেকে নিজেই পদক্ষেপ নিন।
•
ভীষণ দামী সম্পদ হলো সময়: সময়কে অন্যের পেছনে অযথা ব্যয় না করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগান।
•
নিজেকে বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু করুন: আপনার সেরা বিনিয়োগ হওয়া উচিত আপনার স্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং ক্যারিয়ারের ওপর।
•
অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমান: আপনার সুখ বা মানসিক শান্তি অন্য কোনো ব্যক্তির আচরণের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
•
শারীরিক গঠনের দিকে নজর দিন: একটি শক্তিশালী এবং সুস্থ শরীর আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
•
না বলতে শিখুন: সব কিছুতে সম্মতি দেওয়া বা সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করা ব্যক্তিত্বহীনতার লক্ষণ।
•
প্রতিযোগিতা এড়িয়ে চলবেন না: জীবন একটি প্রতিযোগিতা; নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও উন্নত করার লড়াই চালিয়ে যান।
•
আকর্ষণ তৈরি করা যায় না: মনে রাখবেন, জোর করে বা দয়া ভিক্ষা করে কারও মনে নিজের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করা সম্ভব নয়।
•
রহস্য বজায় রাখুন: নিজের সব পরিকল্পনা বা চিন্তা সবার সামনে প্রকাশ করবেন না; কিছুটা রহস্য ব্যক্তিত্বকে শক্তিশালী করে।
•
অতীত আঁকড়ে ধরবেন না: যা চলে গেছে বা যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা নিয়ে অনুশোচনা করা সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু নয়।
•
নিজস্ব আদর্শ তৈরি করুন: অন্যের শেখানো বুলিতে না চলে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে জীবনদর্শন তৈরি করুন।
•
সামাজিক চাপ উপেক্ষা করুন: সমাজ আপনার কাছে কী প্রত্যাশা করে তার চেয়ে বড় বিষয় হলো আপনি নিজের কাছে কী প্রত্যাশা করেন।
•
যোগ্যতা অর্জন করুন: আপনি যা পেতে চান, তার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলুন; সাফল্য এমনিতেই আসবে।
•
সংকটের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জীবন সবসময় মসৃণ হবে না; কঠিন সময়ের জন্য মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন।
•
একাকীত্বকে ভয় পাবেন না: একাকী থাকা মানেই নিঃসঙ্গতা নয়; এটি আত্মদর্শনের একটি বড় সুযোগ।
•
অভিযোগ করা বন্ধ করুন: পরিস্থিতির ওপর অভিযোগ না করে সেটি পরিবর্তনের উপায় খুঁজুন।
•
নিজের জীবনের চালক হোন: আপনার জীবনের স্টিয়ারিং যেন সবসময় আপনার হাতেই থাকে; অন্য কাউকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে দেবেন না।
____
সূত্র: দ্য র্যাশনাল মেইল
লেখক: রলো টমাসি
•
নিজের মূল্য বুঝুন: আপনি যদি নিজেকে গুরুত্ব না দেন, তবে পৃথিবী বা অন্য কেউ আপনাকে গুরুত্ব দেবে না।
•
আবেগ নয়, যুক্তিতে গুরুত্ব দিন: সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আবেগের চেয়ে যুক্তির (Logic) ওপর বেশি নির্ভর করা জরুরি।
•
অপেক্ষার মানসিকতা ত্যাগ করুন: "সঠিক সময় আসবে" বা "সব ঠিক হয়ে যাবে"—এই অলীক আশায় বসে না থেকে নিজেই পদক্ষেপ নিন।
•
ভীষণ দামী সম্পদ হলো সময়: সময়কে অন্যের পেছনে অযথা ব্যয় না করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগান।
•
নিজেকে বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু করুন: আপনার সেরা বিনিয়োগ হওয়া উচিত আপনার স্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং ক্যারিয়ারের ওপর।
•
অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমান: আপনার সুখ বা মানসিক শান্তি অন্য কোনো ব্যক্তির আচরণের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
•
শারীরিক গঠনের দিকে নজর দিন: একটি শক্তিশালী এবং সুস্থ শরীর আপনার আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
•
না বলতে শিখুন: সব কিছুতে সম্মতি দেওয়া বা সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করা ব্যক্তিত্বহীনতার লক্ষণ।
•
প্রতিযোগিতা এড়িয়ে চলবেন না: জীবন একটি প্রতিযোগিতা; নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও উন্নত করার লড়াই চালিয়ে যান।
•
আকর্ষণ তৈরি করা যায় না: মনে রাখবেন, জোর করে বা দয়া ভিক্ষা করে কারও মনে নিজের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করা সম্ভব নয়।
•
রহস্য বজায় রাখুন: নিজের সব পরিকল্পনা বা চিন্তা সবার সামনে প্রকাশ করবেন না; কিছুটা রহস্য ব্যক্তিত্বকে শক্তিশালী করে।
•
অতীত আঁকড়ে ধরবেন না: যা চলে গেছে বা যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা নিয়ে অনুশোচনা করা সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু নয়।
•
নিজস্ব আদর্শ তৈরি করুন: অন্যের শেখানো বুলিতে না চলে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে জীবনদর্শন তৈরি করুন।
•
সামাজিক চাপ উপেক্ষা করুন: সমাজ আপনার কাছে কী প্রত্যাশা করে তার চেয়ে বড় বিষয় হলো আপনি নিজের কাছে কী প্রত্যাশা করেন।
•
যোগ্যতা অর্জন করুন: আপনি যা পেতে চান, তার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তুলুন; সাফল্য এমনিতেই আসবে।
•
সংকটের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জীবন সবসময় মসৃণ হবে না; কঠিন সময়ের জন্য মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন।
•
একাকীত্বকে ভয় পাবেন না: একাকী থাকা মানেই নিঃসঙ্গতা নয়; এটি আত্মদর্শনের একটি বড় সুযোগ।
•
অভিযোগ করা বন্ধ করুন: পরিস্থিতির ওপর অভিযোগ না করে সেটি পরিবর্তনের উপায় খুঁজুন।
•
নিজের জীবনের চালক হোন: আপনার জীবনের স্টিয়ারিং যেন সবসময় আপনার হাতেই থাকে; অন্য কাউকে তা নিয়ন্ত্রণ করতে দেবেন না।
____
সূত্র: দ্য র্যাশনাল মেইল
লেখক: রলো টমাসি
❤1
সিজারিয়ান অপারেশনের তিন দিন পর মা ধীরে হাঁটছেন, শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন সবই স্বাভাবিক । হঠাৎ গলার পাশে অদ্ভুত ফুলে যাওয়া, কণ্ঠে ফাঁপা আওয়াজ, শ্বাস নিতে কষ্ট ।
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো । ডাক্তার চুপচাপ এক্স-রে দেখে বললেন
“আপনার স্ত্রীর শরীরে Surgical Emphysema হয়েছে । এটা অপারেশনের জটিলতা । ভাগ্য ভালো, আপনি দেরি করেননি…”
(ছবি দেওয়া হয়নি রোগীর প্রাইভেসির জন্য)
Surgical Emphysema কী❓
এটি এমন এক বিপজ্জনক অবস্থা যেখানে শরীরের চামড়ার নিচে বাতাস জমে যায় । যখন শরীরের ভেতরের শ্বাসনালী বা ফুসফুসে ছোট্ট একটা ক্ষত হয়, তখন সেই ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢুকে পড়ে—
চামড়ার নিচে “ফোঁস ফোঁস” শব্দ হয়, ফুলে যায় গলা, মুখ, বুক । সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ।
☑️ এমনটা কেন হয়❓
অপারেশনের সময় অপ্রশিক্ষিত জনবল
অপর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও অক্সিজেন সাপোর্ট
“সময় বাঁচাতে” অকারণে সিজারের সিদ্ধান্ত
পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার সঠিকভাবে না নেওয়া
প্রতিদিন অসংখ্য মাকে অকারণে সিজার করানো হয়—
কারণ,
সময় বাঁচে,
হাসপাতালের ব্যবসা বাড়ে,
কিন্তু কেউ ভাবে না একটা মায়ের জীবন হয়তো ঝুঁকির মধ্যে যাচ্ছে ।
কি করলে সিজারের ভয়াবহতা কমানো যায়❓
1️ সবসময় অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড গাইনোকোলজিস্টের অধীনে সিজার করান
2️ “আগে থেকেই তারিখ নির্ধারণ” করে সিজার করাবেন না
3️সম্ভব হলে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করুন
4️অপারেশনের পর গলায় বা বুকে ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা অস্বাভাবিক ফোঁসফোঁস শব্দ হলে দেরি না করে অবিলম্বে হাসপাতালে যান
5️যত্রতত্র ক্লিনিকে নয়—Emergency Support যুক্ত হাসপাতালে ডেলিভারি করুন ।
একটা সিজার মানে শুধু বাচ্চা জন্ম নয়— এটা একটা অস্ত্রোপচার,
একটা জীবনের ঝুঁকি,
একটা মায়ের নতুন শুরুর যুদ্ধ ।
আমাদের দায়িত্ব সেই যুদ্ধে তাকে নিরাপদ রাখা ।
Surgical Emphysema-এর চিকিৎসা:
High Flow Oxygen
CT Scan করে extent দেখা
প্রয়োজন হলে Drain দেওয়া
ICU তে Observation
Antibiotics
মূল কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসা
একটা সিজার করার আগে ভাবুন—
একটা ছোট্ট সিদ্ধান্ত
একটা মাকে হয়তো চিরতরে বাচ্চার মুখ দেখা থেকে বঞ্চিত করে দিতে পারে...।
© Dr. Abdur Rahman
MBBS (Shaheed Suhrawardy Medical College)
PGT (Surgery), CCD (BIRDEM), DOC (Skin-Vd)
FCPS (Orthopedics) – FP,
Mymensingh Medical College Hospital
BMDC:A-118904
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো । ডাক্তার চুপচাপ এক্স-রে দেখে বললেন
“আপনার স্ত্রীর শরীরে Surgical Emphysema হয়েছে । এটা অপারেশনের জটিলতা । ভাগ্য ভালো, আপনি দেরি করেননি…”
(ছবি দেওয়া হয়নি রোগীর প্রাইভেসির জন্য)
Surgical Emphysema কী❓
এটি এমন এক বিপজ্জনক অবস্থা যেখানে শরীরের চামড়ার নিচে বাতাস জমে যায় । যখন শরীরের ভেতরের শ্বাসনালী বা ফুসফুসে ছোট্ট একটা ক্ষত হয়, তখন সেই ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢুকে পড়ে—
চামড়ার নিচে “ফোঁস ফোঁস” শব্দ হয়, ফুলে যায় গলা, মুখ, বুক । সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ।
☑️ এমনটা কেন হয়❓
অপারেশনের সময় অপ্রশিক্ষিত জনবল
অপর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও অক্সিজেন সাপোর্ট
“সময় বাঁচাতে” অকারণে সিজারের সিদ্ধান্ত
পোস্ট-অপারেটিভ কেয়ার সঠিকভাবে না নেওয়া
প্রতিদিন অসংখ্য মাকে অকারণে সিজার করানো হয়—
কারণ,
সময় বাঁচে,
হাসপাতালের ব্যবসা বাড়ে,
কিন্তু কেউ ভাবে না একটা মায়ের জীবন হয়তো ঝুঁকির মধ্যে যাচ্ছে ।
কি করলে সিজারের ভয়াবহতা কমানো যায়❓
1️ সবসময় অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড গাইনোকোলজিস্টের অধীনে সিজার করান
2️ “আগে থেকেই তারিখ নির্ধারণ” করে সিজার করাবেন না
3️সম্ভব হলে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করুন
4️অপারেশনের পর গলায় বা বুকে ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বা অস্বাভাবিক ফোঁসফোঁস শব্দ হলে দেরি না করে অবিলম্বে হাসপাতালে যান
5️যত্রতত্র ক্লিনিকে নয়—Emergency Support যুক্ত হাসপাতালে ডেলিভারি করুন ।
একটা সিজার মানে শুধু বাচ্চা জন্ম নয়— এটা একটা অস্ত্রোপচার,
একটা জীবনের ঝুঁকি,
একটা মায়ের নতুন শুরুর যুদ্ধ ।
আমাদের দায়িত্ব সেই যুদ্ধে তাকে নিরাপদ রাখা ।
Surgical Emphysema-এর চিকিৎসা:
High Flow Oxygen
CT Scan করে extent দেখা
প্রয়োজন হলে Drain দেওয়া
ICU তে Observation
Antibiotics
মূল কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসা
একটা সিজার করার আগে ভাবুন—
একটা ছোট্ট সিদ্ধান্ত
একটা মাকে হয়তো চিরতরে বাচ্চার মুখ দেখা থেকে বঞ্চিত করে দিতে পারে...।
© Dr. Abdur Rahman
MBBS (Shaheed Suhrawardy Medical College)
PGT (Surgery), CCD (BIRDEM), DOC (Skin-Vd)
FCPS (Orthopedics) – FP,
Mymensingh Medical College Hospital
BMDC:A-118904
চিট করা ছাড়াও যে একটা সম্পর্ক কখনো ভেঙে যেতে পারে এই discussion-এ মানুষ যেতেই নারাজ! বেশির ভাগ মানুষ এখনো মনে করে, সম্পর্ক ভাঙার একমাত্র valid reason হলো চিট করা! কিন্তু বাস্তবে আসলে এতটা simple না! অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায় কোনো third person ছাড়াই, কোনো বড় অপরাধ ছাড়াই শুধু কিছু ignored behavior-এর কারণে! Mood turn-off হিসেবে anger issues, past নিয়ে বারবার খোঁচা দেওয়া, same mistake বারবার repeat করা, নিজের fault accept না করা, minimum effort ও না দেওয়া-এসব বিষয় থাকে। সবচেয়ে painful ব্যাপার হলো এসব নিয়ে খুব একটা কথা হয় না। কারণ cheating বাদে বাকি সব faults গুলোকে খুব small করে দেখা হয়। বলা হয়, "এগুলো তো normal", "সব সম্পর্কেই এমন হয়"। অনেক ক্ষেত্রেই এগুলোকে mistake হিসেবেই count করা হয় না, apology তো দূরের কথা। অথচ দিনের পর দিন এগুলোই trust, peace আর respect ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়..!🤍
❤1🔥1
❝প্রিয় নবীজি ﷺ'র কর্মই ধর্ম।❞
—আল্লামা আকবর আলী রেজভী শাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি
পবিত্র আল-কুরআনে স্পষ্ট আছে,
নিশ্চয় তোমাদের জন্য রসূলুল্লহার অনুসরণ উত্তম, তাঁরই জন্য, যে আল্লাহ্ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহ্কে খুব স্মরণ করে।
সুরা: আল আহযাব, আয়াত নং: ২১
সুতরাং হে মাহবুব! আপনার রবের শপথ, তারা মুসলিম হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত পরষ্পরের ঝগড়ার ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানবে না অতঃপর যা কিছু আপনি নির্দেশ করবেন, তাদের অন্তরসমূহে সে সম্পর্কে কোন দ্বিধা পাবে না এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেবে।
সুরা: আন নিসা, আয়াত নং: ৬৫
যে ব্যক্তি রসূলের নির্দেশ মান্য করেছে, নিঃসন্দেহে সে আল্লাহ্র নির্দেশ মান্য করেছে এবং যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তবে আমি আপনাকে তাদেরকে রক্ষা করার জন্য প্রেরণ করিনি।
সুরা: আন নিসা, আয়াত নং: ৮০
যা কিছু তোমাদেরকে রসুল দান করেন তা গ্রহন করো। আর যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। এবং আল্লাহ্কে ভয় করো! নিশ্চয় আল্লাহ্র শাস্তি কঠিন।
সুরা: আল-হাশর, আয়াত নং: ৭
এবং তিনি কোন কথা নিজ প্রবৃত্তি থেকে বলেন না। তা তো ওহীই, যার তার প্রতি (নাযিল) করা হয়।
সুরা: আন নাজম আয়াত নং: ৩-৪
#Clarifying_Light_বাংলা_fc
—আল্লামা আকবর আলী রেজভী শাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি
পবিত্র আল-কুরআনে স্পষ্ট আছে,
নিশ্চয় তোমাদের জন্য রসূলুল্লহার অনুসরণ উত্তম, তাঁরই জন্য, যে আল্লাহ্ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহ্কে খুব স্মরণ করে।
সুরা: আল আহযাব, আয়াত নং: ২১
সুতরাং হে মাহবুব! আপনার রবের শপথ, তারা মুসলিম হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত পরষ্পরের ঝগড়ার ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানবে না অতঃপর যা কিছু আপনি নির্দেশ করবেন, তাদের অন্তরসমূহে সে সম্পর্কে কোন দ্বিধা পাবে না এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেবে।
সুরা: আন নিসা, আয়াত নং: ৬৫
যে ব্যক্তি রসূলের নির্দেশ মান্য করেছে, নিঃসন্দেহে সে আল্লাহ্র নির্দেশ মান্য করেছে এবং যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তবে আমি আপনাকে তাদেরকে রক্ষা করার জন্য প্রেরণ করিনি।
সুরা: আন নিসা, আয়াত নং: ৮০
যা কিছু তোমাদেরকে রসুল দান করেন তা গ্রহন করো। আর যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। এবং আল্লাহ্কে ভয় করো! নিশ্চয় আল্লাহ্র শাস্তি কঠিন।
সুরা: আল-হাশর, আয়াত নং: ৭
এবং তিনি কোন কথা নিজ প্রবৃত্তি থেকে বলেন না। তা তো ওহীই, যার তার প্রতি (নাযিল) করা হয়।
সুরা: আন নাজম আয়াত নং: ৩-৪
#Clarifying_Light_বাংলা_fc
❤1
কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো ?
আমরা তো বলেছি আমাদের যাত্রা অনন্ত কালের।
আমরা তো বলেছি আমাদের যাত্রা অনন্ত কালের।
ফরয গোসল করার নিয়ম; মনে মনে জানাবত (স্ত্রী-সঙ্গম, স্বপ্নদোষ,ঋতুগ্রাব ও প্রসব ইত্যাদি নিমিত্ত যে নাপাকি) দূর করার নিয়ত করবেন। (অর্থাৎ, মনে মনে এই চিন্তা করবেন যে, নাপাকি দূর করার জন্য গোসল করছি।)। তারপর প্রথমে লজ্জাস্থানে লেগে থাকা নাপাকি ধুয়ে ফেলবেন। তারপর সাবান বা এজাতীয় কিছু দিয়ে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নিবেন। তারপর নামাজের অজুর ন্যায় পূর্ণাঙ্গ অজু করবেন। এরপর পানি দিয়ে মাথা ভিজিয়ে নিবেন। তারপর প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাম অংশে পানি ঢালবেন। তারপর সারা দেহে পানি ঢালবেন।
হাদীসে এসেছে,
عَنْ مَيْمُونَةَ قَالَتْ وَضَعْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غُسْلاً يَغْتَسِلُ بِهِ مِنَ الْجَنَابَةِ فَأَكْفَأَ الإِنَاءَ عَلَى يَدِهِ الْيُمْنَى فَغَسَلَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ثُمَّ صَبَّ عَلَى فَرْجِهِ فَغَسَلَ فَرْجَهُ بِشِمَالِهِ ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ الأَرْضَ فَغَسَلَهَا ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ صَبَّ عَلَى رَأْسِهِ وَجَسَدِهِ ثُمَّ تَنَحَّى نَاحِيَةً فَغَسَلَ رِجْلَيْهِ
মায়মুনা রাযি. হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর জন্য গোসলের পানি রাখলাম। তা দিয়ে তিনি অপবিত্রতার গোসল করেন। নাবী ﷺ বদনা নিজের ডান হাতের উপর কাৎ করে তা দুই বা তিনবার ধৌত করেন। অতঃপর তিনি তাঁর লজ্জাস্হানের উপর পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে ধৌত করেন। পরে তিনি মাটির উপর হাত ঘষে (দুর্গন্ধমুক্ত হওয়ার জন্য) তা পানি দিয়ে ধৌত করেন। অতঃপর তিনি কুলি করেন এবং নাক পরিষ্কার করেন। অতঃপর মুখমন্ডল ও দুই হাত ধৌত করেন। অতঃপর তিনি স্বীয় মাথা ও সর্বাংগে পানি ঢালেন। পরে তিনি উক্ত স্থান হতে অল্প দূরে সরে গিয়ে উভয় পা ধৌত করেন। (আবু দাউদ ২৪৫)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী
হাদীসে এসেছে,
عَنْ مَيْمُونَةَ قَالَتْ وَضَعْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غُسْلاً يَغْتَسِلُ بِهِ مِنَ الْجَنَابَةِ فَأَكْفَأَ الإِنَاءَ عَلَى يَدِهِ الْيُمْنَى فَغَسَلَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ثُمَّ صَبَّ عَلَى فَرْجِهِ فَغَسَلَ فَرْجَهُ بِشِمَالِهِ ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ الأَرْضَ فَغَسَلَهَا ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ صَبَّ عَلَى رَأْسِهِ وَجَسَدِهِ ثُمَّ تَنَحَّى نَاحِيَةً فَغَسَلَ رِجْلَيْهِ
মায়মুনা রাযি. হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ-এর জন্য গোসলের পানি রাখলাম। তা দিয়ে তিনি অপবিত্রতার গোসল করেন। নাবী ﷺ বদনা নিজের ডান হাতের উপর কাৎ করে তা দুই বা তিনবার ধৌত করেন। অতঃপর তিনি তাঁর লজ্জাস্হানের উপর পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে ধৌত করেন। পরে তিনি মাটির উপর হাত ঘষে (দুর্গন্ধমুক্ত হওয়ার জন্য) তা পানি দিয়ে ধৌত করেন। অতঃপর তিনি কুলি করেন এবং নাক পরিষ্কার করেন। অতঃপর মুখমন্ডল ও দুই হাত ধৌত করেন। অতঃপর তিনি স্বীয় মাথা ও সর্বাংগে পানি ঢালেন। পরে তিনি উক্ত স্থান হতে অল্প দূরে সরে গিয়ে উভয় পা ধৌত করেন। (আবু দাউদ ২৪৫)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দিয়েছেন
শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী
আপনার ৮০% সমস্যার সমাধান হবে এই ১০টি উপায়ে -
১. যারা আপনাকে ভুল বুঝতে চায়, তাদের কাছে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা ছেড়ে দিন। আপনার সময় এবং শক্তি দুটোই মূল্যবান।
২. নিজের শান্তিকে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সম্পদ মনে করুন এবং একে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করুন।
৩. যেখানে আপনার সম্মান নেই, সেখান থেকে নীরবে সরে আসুন। আপনি যা মেনে নেবেন, মানুষ আপনাকে ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করবে।
৪. হুটহাট প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন। মনে রাখবেন, অনেক অশান্তি কেবল আপনার মনোযোগ না পেলেই ধামাচাপা পড়ে যায়।
৫. কাজের জন্য কেবল 'ইচ্ছাশক্তি' বা অনুপ্রেরণার অপেক্ষায় থাকবেন না; বরং নিয়ম বা শৃঙ্খলার মধ্যে অভ্যস্ত হোন। অনুভূূতি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু শৃঙ্খলা সাফল্য আনে।
৬. অন্যকে বদলানোর চেষ্টা না করে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। অস্থির না হয়ে স্থিরভাবে পরিস্থিতি সামলানোই হলো প্রকৃত শক্তি।
৭. সবাই আপনাকে বুঝবে—এমন আশা করা ছেড়ে দিন। সবার কাছে জবাবদিহি করার প্রয়োজন নেই।
৮. নিজের অনিচ্ছায় কাউকে 'হ্যাঁ' বলা মানে নিজেকে 'না' বলা। তাই অপরাধবোধ না রেখে প্রয়োজনমতো না বলতে শিখুন।
৯. যারা নিজের সাথেই সৎ নয়, তাদের কাছে সততা আশা করা বোকামি। মানুষের স্বভাব মেনে নিলে কষ্ট কম হবে।
১০. শান্তির চেয়ে দামি কিছু নেই; তাই যে কাজে বা যে সম্পর্কে আপনার মনের শান্তি নষ্ট হয়, সেটি আপনার জন্য অনেক বেশি ব্যয়বহুল। তা বর্জন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
১. যারা আপনাকে ভুল বুঝতে চায়, তাদের কাছে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা ছেড়ে দিন। আপনার সময় এবং শক্তি দুটোই মূল্যবান।
২. নিজের শান্তিকে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সম্পদ মনে করুন এবং একে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করুন।
৩. যেখানে আপনার সম্মান নেই, সেখান থেকে নীরবে সরে আসুন। আপনি যা মেনে নেবেন, মানুষ আপনাকে ঠিক সেভাবেই ব্যবহার করবে।
৪. হুটহাট প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন। মনে রাখবেন, অনেক অশান্তি কেবল আপনার মনোযোগ না পেলেই ধামাচাপা পড়ে যায়।
৫. কাজের জন্য কেবল 'ইচ্ছাশক্তি' বা অনুপ্রেরণার অপেক্ষায় থাকবেন না; বরং নিয়ম বা শৃঙ্খলার মধ্যে অভ্যস্ত হোন। অনুভূূতি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু শৃঙ্খলা সাফল্য আনে।
৬. অন্যকে বদলানোর চেষ্টা না করে নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। অস্থির না হয়ে স্থিরভাবে পরিস্থিতি সামলানোই হলো প্রকৃত শক্তি।
৭. সবাই আপনাকে বুঝবে—এমন আশা করা ছেড়ে দিন। সবার কাছে জবাবদিহি করার প্রয়োজন নেই।
৮. নিজের অনিচ্ছায় কাউকে 'হ্যাঁ' বলা মানে নিজেকে 'না' বলা। তাই অপরাধবোধ না রেখে প্রয়োজনমতো না বলতে শিখুন।
৯. যারা নিজের সাথেই সৎ নয়, তাদের কাছে সততা আশা করা বোকামি। মানুষের স্বভাব মেনে নিলে কষ্ট কম হবে।
১০. শান্তির চেয়ে দামি কিছু নেই; তাই যে কাজে বা যে সম্পর্কে আপনার মনের শান্তি নষ্ট হয়, সেটি আপনার জন্য অনেক বেশি ব্যয়বহুল। তা বর্জন করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
❤1
আপনার মন যদি সব সময় আগামীর চিন্তায় বা অতীতের অনুশোচনায় ব্যস্ত থাকে, তবে আপনি বর্তমানের সৌন্দর্য কখনোই অনুভব করতে পারবেন না।
•
যখন আপনি উত্তর খুঁজছেন, তখন কথা বলা বন্ধ করুন এবং শোনা শুরু করুন—নীরবতাই অনেক সময় শ্রেষ্ঠ সমাধান দেয়।
•
তথ্য আর প্রজ্ঞার (Wisdom) মধ্যে পার্থক্য আছে। অতিরিক্ত তথ্য আপনার মস্তিষ্ককে ভারাক্রান্ত করে, আর প্রজ্ঞা আপনাকে ভারমুক্ত করে।
•
কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন: "এটা কি এখন সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?"
•
ঈর্ষা এবং হিংসা হলো মনের ওপর এমন এক বোঝা যা আপনার আত্মার শান্তি কেড়ে নেয়।
•
আপনার যতটুকু আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে শিখুন; "আরো চাই" এই আকাঙ্ক্ষা স্থিরতাকে ধ্বংস করে।
•
নৈতিক জীবনযাপন করাই হলো মনের শান্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পথ।
•
আপনার মূল্যবোধ কী তা নির্ধারণ করুন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুন, অন্যথায় আপনি সর্বদা অস্থিরতায় ভুগবেন।
•
আপনার শরীরকে বিশ্রাম দিন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি কর্মক্ষম থাকার পূর্বশর্ত।
•
প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটান; গাছের সবুজ আর আকাশের নীল আপনার স্নায়ুকে শান্ত করতে সাহায্য করবে।
•
সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখা কোনো বীরত্ব নয়; বরং কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই আসল সাফল্য।
•
কোনো কাজ করার সময় কেবল সেই কাজটিতেই মনোনিবেশ করুন; মাল্টিটাস্কিং আপনার একাগ্রতা নষ্ট করে।
•
প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় নির্জনে কাটান, যেখানে আপনার কোনো ডিভাইস বা অন্য কারো হস্তক্ষেপ থাকবে না।
•
দুনিয়াটা অনেক বড় এবং আপনি এর খুব ক্ষুদ্র একটি অংশ—এই সত্যটি মেনে নিলে অনেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
•
বাইরের জগতকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার ভেতরের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আপনার হাতেই আছে।
•
জীবনের গতি কমান; দ্রুত দৌড়ালেই যে লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে এমন কোনো মানে নেই।
•
চূড়ান্ত সফলতা মানে অর্থ বা ক্ষমতা নয়, বরং নিজের মনের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং শান্ত থাকা।
_______
সূত্র: Stillness Is the Key
•
যখন আপনি উত্তর খুঁজছেন, তখন কথা বলা বন্ধ করুন এবং শোনা শুরু করুন—নীরবতাই অনেক সময় শ্রেষ্ঠ সমাধান দেয়।
•
তথ্য আর প্রজ্ঞার (Wisdom) মধ্যে পার্থক্য আছে। অতিরিক্ত তথ্য আপনার মস্তিষ্ককে ভারাক্রান্ত করে, আর প্রজ্ঞা আপনাকে ভারমুক্ত করে।
•
কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন: "এটা কি এখন সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?"
•
ঈর্ষা এবং হিংসা হলো মনের ওপর এমন এক বোঝা যা আপনার আত্মার শান্তি কেড়ে নেয়।
•
আপনার যতটুকু আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে শিখুন; "আরো চাই" এই আকাঙ্ক্ষা স্থিরতাকে ধ্বংস করে।
•
নৈতিক জীবনযাপন করাই হলো মনের শান্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পথ।
•
আপনার মূল্যবোধ কী তা নির্ধারণ করুন এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুন, অন্যথায় আপনি সর্বদা অস্থিরতায় ভুগবেন।
•
আপনার শরীরকে বিশ্রাম দিন। পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি কর্মক্ষম থাকার পূর্বশর্ত।
•
প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটান; গাছের সবুজ আর আকাশের নীল আপনার স্নায়ুকে শান্ত করতে সাহায্য করবে।
•
সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখা কোনো বীরত্ব নয়; বরং কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই আসল সাফল্য।
•
কোনো কাজ করার সময় কেবল সেই কাজটিতেই মনোনিবেশ করুন; মাল্টিটাস্কিং আপনার একাগ্রতা নষ্ট করে।
•
প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় নির্জনে কাটান, যেখানে আপনার কোনো ডিভাইস বা অন্য কারো হস্তক্ষেপ থাকবে না।
•
দুনিয়াটা অনেক বড় এবং আপনি এর খুব ক্ষুদ্র একটি অংশ—এই সত্যটি মেনে নিলে অনেক দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
•
বাইরের জগতকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, কিন্তু আপনার ভেতরের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আপনার হাতেই আছে।
•
জীবনের গতি কমান; দ্রুত দৌড়ালেই যে লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে এমন কোনো মানে নেই।
•
চূড়ান্ত সফলতা মানে অর্থ বা ক্ষমতা নয়, বরং নিজের মনের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং শান্ত থাকা।
_______
সূত্র: Stillness Is the Key
Forwarded from ZAHRAH
ফেইসবুক রীলস নিয়ে কি আপনি চরম বিরক্ত?
রামাদান দরোজায় কড়া নাড়ছে। আর কয়েকটা দিন মাত্র। তারপরেই আমাদের মাঝে হাজির হবে মহিমান্বিত এই মাস।
আমরা হয়তো তোড়জোড় চালাচ্ছি, কী কী বাড়তি আমল করব সেই পরিকল্পনা গোছাচ্ছি, কীভাবে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করব তা নিয়ে ছক কষছি।
কিন্তু, একবারও কি ভাবছি, ফেইসবুকের শর্টস, ইউটিউবের রিলস ইত্যাদি, যেগুলোতে প্রায় অযাচিতভাবেই আমাদের সামনে অশালীন ভিডিও চলে আসে, যেসব ভিডিও বা কন্টেন্ট দৃষ্টির হিফাযতে ব্যাঘাত ঘটায়—সেসব থেকে আমরা কীভাবে মুক্ত থাকতে পারি?
আচ্ছা, শুধুই কি রামাদান মাস?
সারা বছরজুড়েই কি আমাদেরকে এইসব রীলস, শর্টস এর ফিতনা থেকে মুক্ত থাকা উচিত নয়? কেবল রামাদান নয়, মুমিনের সারাজীবনেই এই প্র্যাকটিস জারি থাকা উচিত।
কিন্তু ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, আমরা এই ফিতনার মধ্যে যেন হাঁবুডুবু খাচ্ছি। আমাদের বাচ্চারা, আমাদের ভাই-বোন, বাবা-মায়েরাও এই ফিতনা থেকে মুক্ত নয়।
তবে, এই ফিতনা থেকে বাঁচবার উপায় কী? স্মার্টফোন ব্যবহার বাদ দেওয়া?
আমাদের অধিকাংশের জন্যই এটা অসম্ভব এবং অযৌক্তিক একটা সমাধান। কারণ, এখন স্মার্টফোন কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে আমাদের যোগাযোগ, ব্যবসা, পড়াশুনা, কাজ সহ নানানকিছু। চাইলেই আমরা তালাবদ্ধ করে রাখতে পারছি না এই জিনিস।
তাহলে উপায় কী?
হ্যাঁ, সেই উপায় বলতেই আজকের এই ভূমিকার অবতারণা।
ফেইসবুকের রীলস, ইউটিউবের শর্টস ইত্যাদি থেকে আপনাকে সম্পূর্ণ দূরে রাখতে, এসবের ফিতনা থেকে বাঁচাতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ তৈরি করেছি একটা চমৎকার সফটওয়্যার। আমাদের সেই সফটওয়্যারের নাম—Kahf Guard.
Kahf Guard সম্পর্কে অনেকেই ইতোমধ্যেই জানেন। শুরুতে কাহফ গার্ড কেবল ব্রাউজ করতে গেলে সাজেশানে আসা অশ্লীল, অনৈতিক সাইটগুলোকেই ব্লক করে দিতো। গত বছর কাহফ গার্ড ব্লক করেছে প্রায় ১৮ বিলিয়ন হারাম (ক্ষতিকর সাইট, ফিশিং লিঙ্ক, ম্যালওয়্যার ইত্যাদি)! সুবহানাল্লাহ!
তবে, কাহফ গার্ডে এখন রয়েছে অনেক অনেক ফিচারস। এরমধ্যে অন্যতম হলো—ফেইসবুক রীলস, ইন্সটাগ্রাম রীলস আর ইউটিউব শর্টস ব্লক করা।
কাহফ গার্ড সফটওয়্যারটি তৈরি করতে কাজ করেছে দেশবিদেশের একঝাঁক মেধাবি টেক ইঞ্জিনিয়ার। এটা সহ, কাহফের অন্যান্য আরও অনেক সফটওয়্যার রয়েছে, যেগুলো তৈরি এবং মেনটেইন্যান্সের জন্য প্রতি মাসে পে অফ করতে হয় লাখ লাখ টাকা।
যে কারণে, ইচ্ছা করলেও এসব সফটওয়্যারের সমস্ত ফিচারস ফ্রিতে উন্মুক্ত রাখা যায় না। কিন্তু রাখতে হচ্ছে প্রিমিয়াম হিশেবে, সাবস্ক্রিপশান কিনে ব্যবহার করার মতো।
তবে, একদম চিন্তা নেই।
আপনাদের জন্য আমরা সেটাও উন্মুক্ত করে দিচ্ছি একদম ফ্রি তে।
আপনি চাইলে, কাহফ গার্ডের সকল প্রিমিয়াম ফিচারস উপভোগ করতে পারবেন একদম বিনামূল্যে। কোনোরকম সাবস্ক্রিপশান কেনা বা এড দেখা ছাড়াই।
ভাবছেন, কীভাবে তাই তো?
খুব সহজ।
প্রথম প্লে-স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে Kahf Guard নামিয়ে নিন। তারপর ল্যাঙ্গুয়েজ সেট করে, কয়েকটা ইন্সট্রাকশন ইনফো পার করার পর, আপনার সামনে সাবস্ক্রিপশানের একটা স্লাইড শো করবে। সেখানে নিচের দিকে লেখা থাকবে— Help Me, I Can't Afford.
এই Help Me অপশনে ক্লিক করে, যে মেইল দিয়ে আপনি কাহফ গার্ড ব্যবহার করতে চান, সেটা দিয়ে লগ ইন করলেই আপনি পেয়ে যাবেন পুরো এক বছরের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশান একদম ফ্রি তে।
এটাকে আমরা নাম দিয়েছি— Barakah Pass.
একজন মানুষকেও যদি আমরা দৃষ্টি হিফাযতে সাহায্য করতে পারি, আল্লাহ নিশ্চয় আমাদের কাজে বারাকাহ দিবেন, তাই না?
তো, আর দেরি কেন! আজই কাহফ গার্ড নামিয়ে, Barakah Pass ব্যবহার করে নিয়ে ফেলুন কাহফ গার্ডের পুরো এক বছরের সাবস্ক্রিপশান আর আজ থেকেই ব্লক করে দিন যাবতীয় রীলস, শর্টস ইত্যাদি।
ও হ্যাঁ, আপনার সন্তান, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধবি, বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশি—সবার ডিভাইসে নামিয়ে দিন কাহফ গার্ড আর নিয়ে দিন Barakah Pass সাবস্ক্রিপশান।
জানেন তো, আপনার উসিলায় তারা যদি একটা হারাম থেকে বাঁচে, সেটার সমান সওয়াব আপনার আমলনামাতেও যোগ হয়ে যাবে, ইন শা আল্লাহ।
ওয়ামা তাউফিকি ইল্লাবিল্লাহ 💛
( এই Barakah Pass টা কেবল যারা টাকা দিয়ে সাবস্ক্রিপশান কিনতে সমর্থ নয় এমন মানুষদের জন্য। আপনি যদি একজন সামর্থবান হোন, তাহলে অনুরোধ করব সাবস্ক্রিপশান পারচেজ করে, আমাদের কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা দিবেন 💛)
#Zahrah
রামাদান দরোজায় কড়া নাড়ছে। আর কয়েকটা দিন মাত্র। তারপরেই আমাদের মাঝে হাজির হবে মহিমান্বিত এই মাস।
আমরা হয়তো তোড়জোড় চালাচ্ছি, কী কী বাড়তি আমল করব সেই পরিকল্পনা গোছাচ্ছি, কীভাবে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করব তা নিয়ে ছক কষছি।
কিন্তু, একবারও কি ভাবছি, ফেইসবুকের শর্টস, ইউটিউবের রিলস ইত্যাদি, যেগুলোতে প্রায় অযাচিতভাবেই আমাদের সামনে অশালীন ভিডিও চলে আসে, যেসব ভিডিও বা কন্টেন্ট দৃষ্টির হিফাযতে ব্যাঘাত ঘটায়—সেসব থেকে আমরা কীভাবে মুক্ত থাকতে পারি?
আচ্ছা, শুধুই কি রামাদান মাস?
সারা বছরজুড়েই কি আমাদেরকে এইসব রীলস, শর্টস এর ফিতনা থেকে মুক্ত থাকা উচিত নয়? কেবল রামাদান নয়, মুমিনের সারাজীবনেই এই প্র্যাকটিস জারি থাকা উচিত।
কিন্তু ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, আমরা এই ফিতনার মধ্যে যেন হাঁবুডুবু খাচ্ছি। আমাদের বাচ্চারা, আমাদের ভাই-বোন, বাবা-মায়েরাও এই ফিতনা থেকে মুক্ত নয়।
তবে, এই ফিতনা থেকে বাঁচবার উপায় কী? স্মার্টফোন ব্যবহার বাদ দেওয়া?
আমাদের অধিকাংশের জন্যই এটা অসম্ভব এবং অযৌক্তিক একটা সমাধান। কারণ, এখন স্মার্টফোন কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে আমাদের যোগাযোগ, ব্যবসা, পড়াশুনা, কাজ সহ নানানকিছু। চাইলেই আমরা তালাবদ্ধ করে রাখতে পারছি না এই জিনিস।
তাহলে উপায় কী?
হ্যাঁ, সেই উপায় বলতেই আজকের এই ভূমিকার অবতারণা।
ফেইসবুকের রীলস, ইউটিউবের শর্টস ইত্যাদি থেকে আপনাকে সম্পূর্ণ দূরে রাখতে, এসবের ফিতনা থেকে বাঁচাতে আমরা আলহামদুলিল্লাহ তৈরি করেছি একটা চমৎকার সফটওয়্যার। আমাদের সেই সফটওয়্যারের নাম—Kahf Guard.
Kahf Guard সম্পর্কে অনেকেই ইতোমধ্যেই জানেন। শুরুতে কাহফ গার্ড কেবল ব্রাউজ করতে গেলে সাজেশানে আসা অশ্লীল, অনৈতিক সাইটগুলোকেই ব্লক করে দিতো। গত বছর কাহফ গার্ড ব্লক করেছে প্রায় ১৮ বিলিয়ন হারাম (ক্ষতিকর সাইট, ফিশিং লিঙ্ক, ম্যালওয়্যার ইত্যাদি)! সুবহানাল্লাহ!
তবে, কাহফ গার্ডে এখন রয়েছে অনেক অনেক ফিচারস। এরমধ্যে অন্যতম হলো—ফেইসবুক রীলস, ইন্সটাগ্রাম রীলস আর ইউটিউব শর্টস ব্লক করা।
কাহফ গার্ড সফটওয়্যারটি তৈরি করতে কাজ করেছে দেশবিদেশের একঝাঁক মেধাবি টেক ইঞ্জিনিয়ার। এটা সহ, কাহফের অন্যান্য আরও অনেক সফটওয়্যার রয়েছে, যেগুলো তৈরি এবং মেনটেইন্যান্সের জন্য প্রতি মাসে পে অফ করতে হয় লাখ লাখ টাকা।
যে কারণে, ইচ্ছা করলেও এসব সফটওয়্যারের সমস্ত ফিচারস ফ্রিতে উন্মুক্ত রাখা যায় না। কিন্তু রাখতে হচ্ছে প্রিমিয়াম হিশেবে, সাবস্ক্রিপশান কিনে ব্যবহার করার মতো।
তবে, একদম চিন্তা নেই।
আপনাদের জন্য আমরা সেটাও উন্মুক্ত করে দিচ্ছি একদম ফ্রি তে।
আপনি চাইলে, কাহফ গার্ডের সকল প্রিমিয়াম ফিচারস উপভোগ করতে পারবেন একদম বিনামূল্যে। কোনোরকম সাবস্ক্রিপশান কেনা বা এড দেখা ছাড়াই।
ভাবছেন, কীভাবে তাই তো?
খুব সহজ।
প্রথম প্লে-স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে Kahf Guard নামিয়ে নিন। তারপর ল্যাঙ্গুয়েজ সেট করে, কয়েকটা ইন্সট্রাকশন ইনফো পার করার পর, আপনার সামনে সাবস্ক্রিপশানের একটা স্লাইড শো করবে। সেখানে নিচের দিকে লেখা থাকবে— Help Me, I Can't Afford.
এই Help Me অপশনে ক্লিক করে, যে মেইল দিয়ে আপনি কাহফ গার্ড ব্যবহার করতে চান, সেটা দিয়ে লগ ইন করলেই আপনি পেয়ে যাবেন পুরো এক বছরের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশান একদম ফ্রি তে।
এটাকে আমরা নাম দিয়েছি— Barakah Pass.
একজন মানুষকেও যদি আমরা দৃষ্টি হিফাযতে সাহায্য করতে পারি, আল্লাহ নিশ্চয় আমাদের কাজে বারাকাহ দিবেন, তাই না?
তো, আর দেরি কেন! আজই কাহফ গার্ড নামিয়ে, Barakah Pass ব্যবহার করে নিয়ে ফেলুন কাহফ গার্ডের পুরো এক বছরের সাবস্ক্রিপশান আর আজ থেকেই ব্লক করে দিন যাবতীয় রীলস, শর্টস ইত্যাদি।
ও হ্যাঁ, আপনার সন্তান, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধবি, বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশি—সবার ডিভাইসে নামিয়ে দিন কাহফ গার্ড আর নিয়ে দিন Barakah Pass সাবস্ক্রিপশান।
জানেন তো, আপনার উসিলায় তারা যদি একটা হারাম থেকে বাঁচে, সেটার সমান সওয়াব আপনার আমলনামাতেও যোগ হয়ে যাবে, ইন শা আল্লাহ।
ওয়ামা তাউফিকি ইল্লাবিল্লাহ 💛
( এই Barakah Pass টা কেবল যারা টাকা দিয়ে সাবস্ক্রিপশান কিনতে সমর্থ নয় এমন মানুষদের জন্য। আপনি যদি একজন সামর্থবান হোন, তাহলে অনুরোধ করব সাবস্ক্রিপশান পারচেজ করে, আমাদের কাজগুলোকে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা দিবেন 💛)
#Zahrah
আমার বিয়ের জন্য আমি দুইটি শর্ত নিজের উপর আরোপ করেছিঃ
১. আমার পর্দা মেইনটেইন করতে হবে।
২. বিয়েটি সামাজিকভাবে না হয়ে শারী‘য়াহ্ অনুযায়ী হবে।
কথা থাকবেঃ
* কোনো ছবি দেওয়া নেওয়া হবেনা।
* মেয়ে দেখতে ছেলে, মা ও বোন ছাড়া আর কেউ যাবে না।
* ছেলের বাবাও বিয়ের আগে দেখতে পারবেন না।
* কোনো রেস্টুরেন্টে মেয়ে দেখার আয়োজন হবে না।
* গায়ে হলুদ হবে না।
* বাড়ি লাইটিং হবে না।
* গান,নাচ হবেনা।
* আক্বদ অনুষ্ঠান হবে না।
* বিয়ে হবে শুক্রবার আছরের পরে।
* বিয়ে হবে মসজিদে।
* কোনো গেট ধরা/শালা শালীর মজা করা হবেনা।
* কেউ ছবি তুলতে পারবেন না।
* বিশাল অংকের মোহর হবে না।ছেলের সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।
* কাবিনের টাকা ছেলের ইনকামের হালাল টাকা হবে।
* কাবিনের টাকা বিয়ের দিন মেয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
* বরযাত্রীর নামে একজনেরও ভুঁড়িভোজ হবে না।
* আক্বদের পর বউ নিয়ে যাওয়া হবে।
* ছেলের বাড়ি নিয়ে ছেলে চাইলে সাজব বিয়ের সাজে। তবে সেটা ছেলের মা বাবা বোন আর ছেলে দেখবেন।
* বউকে মূ-র্তি-র মত স্টেজে বসানো যাবে না।
* বউভাত চাইলে ছেলে করতে পারবেন।
* যৌতুকের অভি-শাপ হিসাবে একটি সুতা ও একটি লাকড়িও যাবে না ইনশাল্লাহ। কারণ আমি চাইনা আমার হাসবেন্ড আমাকে পণ্য মনে করুক। উল্টা তারা আমাকে ভালোবেসে ঘরে তুলবেন। এখানে দেওয়া নেওয়ার হিসাব চলবে না ইনশাল্লাহ। দিনশেষে আমরা একই পরিবার।
* সেই রাতেই ওয়ালীমাহ্ হবে।
* বিয়ে উপলক্ষে আমার বাবার একটি টাকাও খরচ হবেনা।ছেলেদের মত থাকলে হালকা আয়োজন করা হবে শুধু কাছের আত্মীয়রা থাকবে।
* আমার শ্বশুর আমাকে কি দিচ্ছে এবং কয় ভরি স্বর্ণ দেয়া হবে তা জানতে চাওয়া হবেনা।তাদের ছেলের বউ কীভাবে সাজাবেন সেটি তাদের বিষয়।
এখানে উল্লেখ্য যে, বিয়ের আলোচনায় কোনো পক্ষের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি থাকবেনা। সব আমার বাবা এবং ছেলের বাবা কথা বলে ঠিক করবেন।
~ সোনিয়া রহমান!
#সংগৃহীত
১. আমার পর্দা মেইনটেইন করতে হবে।
২. বিয়েটি সামাজিকভাবে না হয়ে শারী‘য়াহ্ অনুযায়ী হবে।
কথা থাকবেঃ
* কোনো ছবি দেওয়া নেওয়া হবেনা।
* মেয়ে দেখতে ছেলে, মা ও বোন ছাড়া আর কেউ যাবে না।
* ছেলের বাবাও বিয়ের আগে দেখতে পারবেন না।
* কোনো রেস্টুরেন্টে মেয়ে দেখার আয়োজন হবে না।
* গায়ে হলুদ হবে না।
* বাড়ি লাইটিং হবে না।
* গান,নাচ হবেনা।
* আক্বদ অনুষ্ঠান হবে না।
* বিয়ে হবে শুক্রবার আছরের পরে।
* বিয়ে হবে মসজিদে।
* কোনো গেট ধরা/শালা শালীর মজা করা হবেনা।
* কেউ ছবি তুলতে পারবেন না।
* বিশাল অংকের মোহর হবে না।ছেলের সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।
* কাবিনের টাকা ছেলের ইনকামের হালাল টাকা হবে।
* কাবিনের টাকা বিয়ের দিন মেয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
* বরযাত্রীর নামে একজনেরও ভুঁড়িভোজ হবে না।
* আক্বদের পর বউ নিয়ে যাওয়া হবে।
* ছেলের বাড়ি নিয়ে ছেলে চাইলে সাজব বিয়ের সাজে। তবে সেটা ছেলের মা বাবা বোন আর ছেলে দেখবেন।
* বউকে মূ-র্তি-র মত স্টেজে বসানো যাবে না।
* বউভাত চাইলে ছেলে করতে পারবেন।
* যৌতুকের অভি-শাপ হিসাবে একটি সুতা ও একটি লাকড়িও যাবে না ইনশাল্লাহ। কারণ আমি চাইনা আমার হাসবেন্ড আমাকে পণ্য মনে করুক। উল্টা তারা আমাকে ভালোবেসে ঘরে তুলবেন। এখানে দেওয়া নেওয়ার হিসাব চলবে না ইনশাল্লাহ। দিনশেষে আমরা একই পরিবার।
* সেই রাতেই ওয়ালীমাহ্ হবে।
* বিয়ে উপলক্ষে আমার বাবার একটি টাকাও খরচ হবেনা।ছেলেদের মত থাকলে হালকা আয়োজন করা হবে শুধু কাছের আত্মীয়রা থাকবে।
* আমার শ্বশুর আমাকে কি দিচ্ছে এবং কয় ভরি স্বর্ণ দেয়া হবে তা জানতে চাওয়া হবেনা।তাদের ছেলের বউ কীভাবে সাজাবেন সেটি তাদের বিষয়।
এখানে উল্লেখ্য যে, বিয়ের আলোচনায় কোনো পক্ষের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি থাকবেনা। সব আমার বাবা এবং ছেলের বাবা কথা বলে ঠিক করবেন।
~ সোনিয়া রহমান!
#সংগৃহীত
হে যুবক! স্ত্রী নির্বাচনের সময় ইমাম ইবনুল কাইয়্যুমের এ কথাটা স্মরণে রাখবে, তিনি বলেছেন,
"যে নারী তোমাকে আল্লাহ হতে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়, তা আশীর্বাদ নয়, বরং শাস্তিস্বরূপ, যদিও তিনি নয়ন প্রীতিকর (অর্থাৎ সে সুন্দরী, ফ্লার্টিং এ এক্সপার্ট)"
একজন যুবকের এভাবে ভাবা উচিত,
কেন আমি আমার শ্রম, আমার সময়, আমার যৌবন, আমার প্রতিটি ত্যাগ এমন একজন নারীর জন্য বিনিয়োগ করব, যে আমাকে অগ্রগামীদের (সাবিকুন) অন্তর্ভুক্ত হতে বাধা দিতে থাকবে। এরূপ নারী বাতাসের বিপরীতে Parachute এর মত। এমনিতেই বাতাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আপনাকে আগাতে হচ্ছে তার মধ্যে এই প্যারাশুট আপনাকে আরও ধীর করে দিবে।
এমন নারীর জন্য নিজের শ্রম, সময় বিনিয়োগ করবেননা। যদি এমনও হয়, কোন নারী আপনার জন্য পাগলপারা, আপনার জন্য সে পর্দা করবে, আপনার জন্য সে সব কিছু করতে প্রস্তুত, তবে সাবধান!
ইসলাম, সে আপনার জন্য কেন পালন করবে? তার তো আল্লাহর জন্য পালন করা উচিত। আপনার মধ্যে কাংক্ষিত ব্যক্তিত্ব না পেলে সে আপনাকে ছেড়ে দিবে। অন্যদিকে, যে নারী ধর্মীয় অনুশাসনে নিজেকে অভ্যস্ত করেছে, সে আপনার মাঝে তার কংক্ষিত প্রতিচ্ছবি না পেলেও আপনাকে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।
তাই, অমন নারী, যে আপনাকে আল্লাহর নিকট হতে দূরে সরিয়ে দিবে, গ্রহণ করার চেয়ে একাকী থাকা উত্তম।
"যে নারী তোমাকে আল্লাহ হতে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়, তা আশীর্বাদ নয়, বরং শাস্তিস্বরূপ, যদিও তিনি নয়ন প্রীতিকর (অর্থাৎ সে সুন্দরী, ফ্লার্টিং এ এক্সপার্ট)"
একজন যুবকের এভাবে ভাবা উচিত,
কেন আমি আমার শ্রম, আমার সময়, আমার যৌবন, আমার প্রতিটি ত্যাগ এমন একজন নারীর জন্য বিনিয়োগ করব, যে আমাকে অগ্রগামীদের (সাবিকুন) অন্তর্ভুক্ত হতে বাধা দিতে থাকবে। এরূপ নারী বাতাসের বিপরীতে Parachute এর মত। এমনিতেই বাতাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আপনাকে আগাতে হচ্ছে তার মধ্যে এই প্যারাশুট আপনাকে আরও ধীর করে দিবে।
এমন নারীর জন্য নিজের শ্রম, সময় বিনিয়োগ করবেননা। যদি এমনও হয়, কোন নারী আপনার জন্য পাগলপারা, আপনার জন্য সে পর্দা করবে, আপনার জন্য সে সব কিছু করতে প্রস্তুত, তবে সাবধান!
ইসলাম, সে আপনার জন্য কেন পালন করবে? তার তো আল্লাহর জন্য পালন করা উচিত। আপনার মধ্যে কাংক্ষিত ব্যক্তিত্ব না পেলে সে আপনাকে ছেড়ে দিবে। অন্যদিকে, যে নারী ধর্মীয় অনুশাসনে নিজেকে অভ্যস্ত করেছে, সে আপনার মাঝে তার কংক্ষিত প্রতিচ্ছবি না পেলেও আপনাকে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।
তাই, অমন নারী, যে আপনাকে আল্লাহর নিকট হতে দূরে সরিয়ে দিবে, গ্রহণ করার চেয়ে একাকী থাকা উত্তম।
❤5