জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
জ্ঞান - Knowledge
Photo
সুদমুক্ত ৭ম সরকারি সুকুকে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে বছরে ভাড়া আয় হবে উৎসে কর কাটার পর ৮,৬৪০ টাকা।

এই সুকুকে বিনিয়োগ করতে চাইলে এই ১ পেজের ফর্ম পূরণ করে যে ব্যাংকে আপনার সেভিংস বা কারেন্ট একাউন্ট আছে সে শাখায় জমা দিন। আর কোনো ডকুমেন্টস লাগবে না, কোনো চার্জ নেই।

আপনি আবেদন পাঠাবেন ব্যাংকের শাখায়, শাখা পাঠাবে তার হেড অফিসের ট্রেজারী ডিভিশনে, ট্রেজারী ডিভিশন পাঠাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে।

ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি, বীমা কোম্পানি ছাড়াও নিবাসী এবং অনিবাসী বাংলাদেশী ব্যক্তিরা বিনিয়োগ করতে পারবে।

১০ হাজার বা তার গুণিতক যে কোনো পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করা যাবে।

৭ম সরকারি সুকুক এ ৯.৬০% এ রেন্টাল পেমেন্ট পাওয়া যাবে। উৎসে কর ১০% বাদ দিয়ে ভাড়া আয়ের অবশিষ্ট টাকা ৬ মাস পর পর আপনার সেই সেভিংস বা কারেন্ট একাউন্ট এ ঢুকবে।

এই সুকুকের মেয়াদ ৭ বছর। এই ৭ বছরে ১৪টা ষান্মাসিক কিস্তিতে ভাড়া আয়ের টাকা পাবেন। ১৪তম কিস্তির সাথে মূল টাকা ফেরত পাবেন।

সরকারি সুকুকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে কর রেয়াত পাওয়া যায়।

🔥 আবেদনের শেষ তারিখ ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ভোটের আগে টাকা দিয়ে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কায় মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে বড় ধরনের লাগাম টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি—এই ছয় দিন বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে মাত্র এক হাজার টাকা। অর্থাৎ বড় অঙ্কের লেনদেন কার্যত বন্ধই থাকছেএকই সময়ে আরো কঠোর হচ্ছে ব্যাংকিং চ্যানেল। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানোর সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে—সব অ্যাপেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধেই এই উদ্যোগ।

লক্ষ্য একটাই—ভোটার প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার ঠেকানো।

একই সময়ে আরো কঠোর হচ্ছে ব্যাংকিং চ্যানেল। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানোর সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে—সব অ্যাপেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।
ইবাদতে অলসতা আসে খুব নীরবে। আপনি চান, মনও চায়—কিন্তু ধারাবাহিকতা থাকে না। এই জায়গাটাতেই উলামায়ে কিরাম এমন কিছু ছোট আমল শিখিয়েছেন, যা ইবাদতের ভেতরের বাধা ভাঙতে সাহায্য করে।

এই আমলে কোনো জটিলতা নেই, কোনো বাড়াবাড়িও নেই। শুধু নিয়মিতভাবে আল্লাহর একটি নামের সাথে নিজেকে যুক্ত করা—যেন ইবাদত আবার বোঝা না হয়ে আত্মিক প্রশান্তির জায়গা হয়ে ওঠে।

আমল:
মাগরিব ও এশার নামাজের মাঝখানে প্রতিদিন
يَا وَارِثُ (ইয়া ওয়ারিসু) — ১০০ বার

অর্থ:
হে সবকিছুর চূড়ান্ত মালিক ও উত্তরাধিকারী আল্লাহ।

এই নামটি পড়লে মানুষ ধীরে ধীরে বুঝতে শেখে—সবকিছুর মালিক সে নিজে নয়। ইবাদতও তার ক্ষমতায় নয়; বরং আল্লাহ চাইলে তাওফিক দেন। আর এই উপলব্ধিটাই অলসতার মূল শেকড় কেটে দিতে সাহায্য করে।

© Ekram Hossain – ইকরাম হোসাইন

রেফারেন্স ও সূত্র:
উলামায়ে কিরামের অভিজ্ঞতাভিত্তিক নসিহত ও তাযকিয়ার কিতাবসমূহে বর্ণিত।

শায়খের পরিচিতি:
শায়খ ডক্টর আলী জুম‘আ (হাফিজাহুল্লাহ) — মিসরের একজন প্রখ্যাত আলেম, খতিব ও দাঈ। তিনি আত্মশুদ্ধি (তাযকিয়া), যিকির-আদব এবং দ্বীনি নসিহত বিষয়ে বহু বছর ধরে দাওয়াত ও শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

#Ekramcreation
1
"একজন সন্ন্যাসী নির্জনে ধ্যান করতে চাইলেন। মনাস্ট্রি থেকে দূরে একটা হ্রদের একদম মাঝখানে চলে গেলেন তিনি একটা নৌকা করে, যেখান থেকে উপকূল আর ভালো করে দেখাও যায় না। অতঃপর, এই নির্জন স্থানে ধ্যানস্থ হলেন সন্ন্যাসী।

কয়েক ঘণ্টা শান্ত নিস্তরঙ্গ শান্তিপূর্ণ ধ্যানের পর, তিনি হঠাৎ একটা প্রবল ঝাঁকুনি অনুভব করলেন। বুঝতে পারলেন অন্য আরেকটা নৌকা ধাক্কা মেরেছে তাঁর নৌকায়। সন্ন্যাসী ভয়ানক ক্রুদ্ধ হলেন মনে মনে। তিনি যখন ধ্যানে বসেছেন, কে তাঁকে এভাবে ধাক্কা মারতে সাহস করে! নৌকাটির আরোহীকে চিৎকার করে ভর্ৎসনা করতে যাবেন, এইসময় চোখ মেলে দেখলেন, নৌকাটিতে কেউ নেই। চালকহীন নৌকাটি ভাসতে ভাসতে হ্রদের মাঝখানে এসে তাঁর নৌকাকে ধাক্কা মেরেছে।

সেই মুহূর্তেই ওই সন্ন্যাসীর আত্মোপলব্ধি হল, "ক্রোধ বাইরে নয়, আমার ভিতরেই ছিল। দরকার ছিল বাইরে থেকে শুধু একটা আঘাতের, একটা উত্তেজনার!"

এর পর থেকে যখনই কেউ তাকে বিরক্ত করত, উত্তেজিত করত, তিনি শুধু একটা কথাই নিজেকে বলতেন, "ক্রোধ রয়েছে আমার ভিতরে; সামনের মানুষটা শুধুই একটা চালকবিহীন নৌকা।"

থিক নাট হান
জেফ্রি এপস্টিনের ঘটনাগুলো দেখে রাসুল (স:) এর একটি হাদিসের কথা বারবার মনে পড়ছে।

আল্লাহু আকবার!

হযরত আদি ইবনে হাতিম (রা.) বর্ণনা করেন-
রাসুল (স:) বলেছেন,

“অচিরেই এমন সময় আসবে, যখন একজন নারী সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত একা সফর করবে, অথচ আল্লাহ ছাড়া আর কারও কোনো ভয় তার থাকবে না।”

উল্লেখ্য, সে সময় এই অঞ্চলটি ছিল জাহেলি আরবের অন্যতম অনিরাপদ একটি এলাকা।

কিন্তু সুবহানাল্লাহ! রাসুল (স:) এর এই ভবিষ্যদ্বাণী আদি ইবনে হাতিম (রা.) নিজ জীবদ্দশাতেই দেখে যান- হযরত উমর (রা.) এর খিলাফতকালে।

.
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এই হাদিসের সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিনের ঘটনার সম্পর্ক কী?

আমরা বিশ্বাস করি, আমরা আজ সবচেয়ে নিরাপদ, সভ্য, ও আধুনিক সময়ে বাস করছি।
আমাদের হাতের মুঠোয় পুরো দুনিয়া। মুহূর্তেই পৃথিবীর যে কোনো জায়গার খবর জানতে পারি, দ্রুততম সময়ে যাতায়াত করতে পারি এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করছি।

এবং শিক্ষা, মানবাধিকার, নারী অধিকার, শিশু অধিকার, লিঙ্গ অধিকারন- এমন অসংখ্য অধিকারের চর্চা চলছে।

কিন্তু এই অধিকারচর্চা এবং সভ্যতার চরম শিখরে পৌঁছানোর পরও আমরা কী দেখছি?

যারা আমাদের মানবাধিকার শেখায়, সভ্যতার সবক দেয়, তারাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হয়ে উঠেছে।

নারী ও শিশু অধিকারের বুলি আওড়িয়ে তারা শুধু নারী ও শিশুদের সঙ্গে বি*কৃত যৌনাচারেই লিপ্ত নয়- বরং নিজেদের বি*কৃত যৌন চাহিদা পূরণের জন্য মানুষের শরীরের বিভিন্ন অংশ পর্যন্ত কে*টে খাওয়ার মতো নৃশং*সতার অভিযোগও সামনে আসছে।

আরবের জাহেলিয়াতের চেয়েও বহুগুণ বড় জাহেলিয়াতের সাক্ষী হচ্ছি আমরা।

.
অথচ দেখুন-
আরবের সেই জাহেলিয়াতকে ইসলাম মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এমনভাবে নির্মূল করেছিল যে, আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এক দুর্গম জনপদেও একজন নারী নির্ভয়ে, নিরাপদে চলাফেরা করতে পেরেছিল।

.
অন্যদিকে আজ আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সিসিটিভি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকেও দেখছি- নারী, শিশু কিংবা পুরুষ কেউই নিরাপদ নয়। আপনার মেয়ে, আপনার বোন, আপনার সন্তান যেকোনো সময় তাদের ভোগের বস্তু এমনকি তাদের খাবারের মেনু হয়ে যেতে পারে।

কল্পনা করা যায়?

এবং সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো-
যারা আমাদের কাছে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার ফেরি করে, তারাই হয়ে উঠছে মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় অনিরাপত্তার কারণ।

.
তাই যদি দুনিয়াবাসী আবারও প্রকৃত নিরাপত্তা চায়, তাহলে আবারও খি*লা*ফত প্রতিষ্ঠার দিকেই ফিরে যেতে হবে।

ইসলামের হাতেই দুনিয়াবাসীর প্রকৃত নিরাপত্তা।

✒️ Foysal Ibn Ali
পুরুষের যৌন সমস্যা
( ১৮+ যৌন শিক্ষা বিষয়ক লেখা )
.
🟩 সমস্যা ১ঃ
☑️যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব (Impaired Sexual Interest)
.
☑️লক্ষনঃ
এখানে পুরুষদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা আসে এবং যৌন সুখ লাভ করেন কিন্তু তাদের যৌন কাজের প্রতি আগ্রহ তীব্রভাবে কমে যায়। নিজের মধ্যে যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণে সঙ্গীর সব ধরনের যৌন আবেদন বা আচরণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং পুরুষ নিজ উদ্যোগী হয়ে কখনো সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় না। কিছু কিছু পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় আগ্রহ না পেলেও হস্তমৈথুন করে যৌন সুখানুভূতি লাভ করে।
.
অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন যে তাদের স্বামী তাদের সঙ্গে যৌন মিলন না করলেও তাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। একজন নারী এ ধরনের আচরণ কখনো মেনে নিতে পারে না এবং এতে করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় যেটা অন্যান্য ছোট খাট বিষয় দিয়ে প্রকাশিত হয়।
.

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ, ঝগড়াঝাঁটি, বিষন্নতা, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহবাতিকতা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ২ঃ
☑️ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction)
(লিঙ্গ ঠিকভাবে শক্ত না হওয়া)
.
☑️লক্ষনঃ
DSM- 5 (Diagnostic and Statistical Manual for mental disorders) এর মতে, সঙ্গীর সঙ্গে যৌনসহবাস করার জন্য বা যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর জন্য লিঙ্গ প্রয়োজনীয় পরিমান শক্ত হয় না। যৌন আদর করার পরও তাদের লিঙ্গ শক্ত হয় না, অথবা হলেও যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর সময় লিঙ্গটা নেতিয়ে বা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এতে করে লিঙ্গ যোনিতে ঢুকে না। অথবা ঢুকাতে পারলেও বীর্য বের (Ejaculate) হওয়ার আগেই লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। ফলাফল, সঙ্গীকে চূড়ান্ত যৌন সুখ দিতে পারে না। ৭ থেকে ১৮ শতাংশ পুরুষদের মধ্যে জীবনে কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটাকেই মূলত পুরুষত্বহীনতা বলা হয়।
.

শৈশব নির্যাতন অথবা যৌন আঘাত, দীর্ঘ মেয়াদি চাপ, সঙ্গীকে যৌনসুখ না দিতে পারার অপরাধবোধ, বিষন্নতা, দাম্পত্য কলহ ইত্যাদি কারণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৩ঃ
☑️দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
মাস্টার অ্যান্ড জনশন, সেক্স থেরাপিস্ট (১৯৭১) এর মতে, পুরুষদের মধ্যে এটা খুবই কমন সমস্যা। এখানে যৌন আদরের কারণে পুরুষদের লিঙ্গ উত্থিত হয় কিন্তু যৌন সহবাসের নিমিত্তে নারীর যোনিপথে লিঙ্গ প্রবেশ করানোর পরপরই বীর্য বের হয়ে যায়। সময়ের হিসেবে বললে ১ মিনিটের ও কম সময়ের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায়। যদিও যৌনসঙ্গমের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নাই তবুও যদি দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীর মনে হতে পারে যৌনসুখের সময়টা খুবই ক্ষনস্থায়ী ছিল বা পরিপূর্ণ/চূড়ান্ত সুখ লাভ করতে পারেনি।
.
এরকম দ্রুত বীর্যপাত নারী এবং পুরুষ দুজনের জন্যই চরম লজ্জাকর ও হতাশাজনক হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পুরুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এ সমস্যা হতে পারে। তবে DSM-5 অনুযায়ী কারো মধ্যে এ সমস্যাটা ৬ মাস ধরে থাকলে ডাক্তার অথবা চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.

যদি এ সমস্যার সঠিক কারণ এখনো অজানা তবুও মানসিক চাপ, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা, সঙ্গীকে সুখি করতে না পারার জন্য দোষী, নিজের শরীরের ইমেজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব, যৌন সহবাসের সময় সম্পর্কে ভুল ধারণা ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
.
🟩 সমস্যা ৪ঃ
☑️বিলম্বিত বীর্যপাত (Retarded Ejaculation)
.
☑️লক্ষনঃ
এটা পুরুষের এমন একটি সমস্যা যেখানে দীর্ঘক্ষণ যৌনসঙ্গম করার ফলেও বীর্যপাত করতে পারে না বা বীর্যপাত হয় না। এমনকি ২৫/৩০ মিনিট পরেও বীর্যপাত হয় না। এতে করে পুরুষ কখনও ক্লাইমেক্স বা চরমপুলক লাভ করে না। ওদিকে সঙ্গীর অর্গাজম হয়ে যায় (শারীরিক স্বাভাবিক অবস্থা)। কিন্তু পুরুষের বীর্যপাত না হওয়ায় বা খুবই দেরিতে হওয়ার কারণে নারী সঙ্গীর অবস্থা তখন ভয়াবহ হয়ে যায়। এ অবস্থা যদি কোনো পুরুষের মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে থাকে তাহলে মনোবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা জরুরি।
.
এটাকে বিলম্বিত অর্গাজম বলা হয়। এ সমস্যার কারণে অনেক নারী বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু এটার চিকিৎসা করলে সুফল পাওয়া যায়।
.
🟩 সমস্যা ৫ঃ
☑️যৌন বিতৃষ্ণা বা বিরাগ (Sexual Aversion)
.
☑️লক্ষণ:
এখানে পুরুষের মধ্যে যৌন কাজের প্রতি মারাত্মক অনীহা চলে আসে। যৌন কাজের বা যৌন সঙ্গমের প্রতি অনীহা ঘৃণা, অপমান, লজ্জা এবং আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িত থাকে। এ বিতৃষ্ণা বা অনীহা যে কোনো স্পেসিফিক কাজ যেমন ওরাল সেক্স অথবা যৌনিতে লিঙ্গ ঢুকানো নিয়ে হতে পারে, এটা হতে পারে বীর্যের গন্ধ, চুমু দেয়ার সময় লালার গন্ধের প্রতি। এটা হতে পারে সঙ্গীর যৌন অঙ্গ যেমন স্তন বা যোনির প্রতি। এটা হতে পারে যৌন সঙ্গম করার সময় সঙ্গীর বিভিন্ন শব্দের প্রতি।
.
যৌন বিরাগ পুরো যৌন কাজের প্রতিও হতে পারে। আবার হতে পারে নির্দিষ্ট একটা কাজের প্রতি। যেমন কোনো পুরুষ হয়তোবা শুধু যৌন সঙ্গম করতে পছন্দ করে, কিন্তু যৌন আদর যেমন- চুমু দেয়া, স্তন ঘর্ষণ করা, যোনিতে চুমু দেয়া ইত্যাদি পছন্দ করে না। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন তাদের সঙ্গী কোনোরকম শারীরিক অন্য আদর ছাড়া লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে দেন।
.
কোনো পুরুষের মধ্যে এ সমস্যা থাকলে সেটা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কটা খারাপ করে দিতে পারে। তাদের ভালো যৌন সম্পর্ক হয়ে উঠে না। সম্পর্কটা তখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এ অবস্থা যদি কারও মধ্যে ৬ মাস চলতে থাকে এবং এজন্য যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পেলে তাহলে এটা যৌন বিপর্যয় ডিসঅর্ডার।
.
.
🟩 চিকিৎসা:

আমাদের দেশে যেহেতু যৌন সমস্যা বা যৌনরোগ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় না, তাই অনেকেই অপচিকিৎসার ফাঁদে পড়ে। লোভনীয় ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ১০০% গ্যারান্টি , এক ফাইল যথেষ্ট , ২৪ ঘণ্টায় সমাধানের নিশ্চয়তা ইত্যাদির লোভে অনেকেই প্রতারিত হন।
.
তাই কারো মধ্যে উপরোক্ত যৌন সমস্যাগুলো দেখা দিলে সরাসরি ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
.
যদি সমস্যা দীর্ঘদিনের হয় তাহলে চিকিৎসকের কাছে কাছে প্রথমে স্বামী গেলেও চিকিৎসার ধাপে ধাপে স্ত্রীকেও স্বামীর সাথে যেতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় ।
.
🔴 বলা হয়ে থাকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যতই সমস্যা থাকুক, মতের অমিল থাকুক, চাওয়া পাওয়া না মিলুক, কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে চমৎকার একটা রোমান্টিক যৌন-সম্পর্ক বাকি সব সমস্যাকে গৌণ করে দিতে পারে। যৌন সম্পর্ক শুধুই শারীরিক নয়, মানসিকও।
.
এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমার লেখা নিম্নের বই দুইটি পড়তে পারেন:
১) বয়সন্ধিকালের যৌনশিক্ষা
২) বড়দের যৌনশিক্ষা
.
নিচের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বই দুটি সংগ্রহ করতে পারবেন ।
.
.
.
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী ডাক্তার । আয়ুর্বেদ তীর্থ
মেন্টাল হেলথ কাউন্সিলর ।
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)

.
☑️চেম্বারঃ
আমার ২টি চেম্বার:
1️⃣ ধামরাই ইসলামপুর চেম্বার:
এ-৩৮/১ , ইসলামপুর, ধামরাই, ঢাকা
( নবীনগর স্মৃতিসৌধের পাশে, ধামরাই ইসলামপুর সরকারি হাসপাতাল ও গোডাউন মোড়ের মাঝে আমবাগান মসজিদের গলি )
সোম,মঙ্গল,বুধ,বৃহস্পতি,শুক্র সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা

2️⃣ সাভার চেম্বার:
সি - ৯৮ (২য় তলা ), ফ্ল্যাট # ডি,মজিদপুর রোড, সাভার ,ঢাকা
( অন্ধ মার্কেটের দক্ষিণ পাশে, স্বপ্ন সুপারশপ এর সাথে,মজিদপুর রোড, আল বারাকা সুপার মার্কেটের অপজিটে)
শনি ও রবি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা

ফোন দিয়ে আসুন 01712-859950, 01972-859950

বিস্তারিত ঠিকানা জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:
www.faijulhuq.info/contact-us/
.

🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!

আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950

এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।

আমার ওয়েবসাইট:
www.faijulhuq.com

www.faijulhuq.info
মুফতি বিচারক নন
|২৮ |জানুয়ারি |২০২৬|

ইসলামি শরিয়তে প্রতিটি দায়িত্ব ও পদমর্যাদার একটি নির্দিষ্ট সীমা, পরিধি ও কর্তব্য নির্ধারিত আছে। এই সীমারেখাগুলো মেনে চলাই ন্যায়, ভারসাম্য ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়; আর এগুলো লঙ্ঘন করলেই জন্ম নেয় ফিতনা, বিশৃঙ্খলা ও পারস্পরিক শত্রুতা। এই মৌলিক পার্থক্যগুলোর মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথচ উপেক্ষিত বিষয় হলো, মুফতি ও বিচারকের মধ্যকার পার্থক্য।

মুফতি কখনোই বিচারক নন, আর শরিয়তও তাঁকে বিচারকের ক্ষমতা অর্পণ করেনি। যখন এই পার্থক্যটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়, তখন ফতোয়া রায় হয়ে দাঁড়ায়, মতামত রূপ নেয় চূড়ান্ত আদেশে, আর কল্যাণকামিতা পরিণত হয় অভিযোগ ও বিচারে।

মুফতির দায়িত্ব মূলত শরিয়তের বিধান ব্যাখ্যা করা, তা প্রয়োগ করা নয়। তিনি শরিয়তের নীতিমালার আলোকে কোনো বিষয় স্পষ্ট করেন, পথনির্দেশ দেন, এবং তাদের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা. এর বিধানের অনুসারী হতে চান। পক্ষান্তরে বিচারকের দায়িত্ব হলো বিরোধ নিষ্পত্তি ও বিবাদ মীমাংসা করা। তিনি পক্ষগুলোর বক্তব্য শোনেন, সাক্ষ্য গ্রহণ করেন, প্রমাণ ও আলামত পর্যালোচনা করেন, এবং শেষে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এ কারণেই শরিয়ত এই দুই পদকে পৃথক রেখেছে এবং একটির ক্ষমতা অন্যটির হাতে দেয়নি।

এই নীতির আলোকে বিষয়টি একেবারেই সুস্পষ্ট, যেমন একজন মুফতি হত্যা, চুরি, ব্যভিচার বা অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধের মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন না, তেমনি তিনি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ঈমান-কুফর, হেদায়াত-পথভ্রষ্টতা, গ্রহণযোগ্যতা বা প্রত্যাখ্যানের চূড়ান্ত ফয়সালা দেওয়ার অধিকারও রাখেন না। কুফর, ইসলাম, ঈমান ও নিফাক এমন বিষয়, যার সম্পর্ক মানুষের অন্তরের সঙ্গে, আর অন্তরের অবস্থা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। শরিয়ত যদিও বাহ্যিক আচরণের ভিত্তিতে কিছু বিধান নির্ধারণ করেছে, তবে সেগুলো কার্যকর করার ক্ষমতা সবার হাতে দেয়নি; বরং একটি নিয়মতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থার সঙ্গে তা সম্পৃক্ত করেছে।

তবুও আমাদের সমাজে এক ভয়াবহ প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, ফতোয়াকেই আদালত মনে করা হচ্ছে, আর মুফতিকেই বিচারক ভাবা হচ্ছে। ফলে কিছু মানুষ এই ধারণা পোষণ করতে শুরু করেছে যে, তারা অমুক ব্যক্তিকে কাফির, অমুক দলকে পথভ্রষ্ট এবং অমুক মতবাদকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বহিষ্কৃত ঘোষণা করার অধিকার রাখে। এই মানসিকতা শুধু শরিয়তের মূলনীতির পরিপন্থীই নয়; এর পরিণতি হিসেবে গোটা উম্মাহকে পারস্পরিক সংঘর্ষ ও স্থায়ী নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়।

উপমহাদেশসহ অন্যান্য মুসলিম সমাজের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ সমস্যা নতুন নয়। উনিশ শতকের শেষভাগ ও বিশ শতকের শুরুতে তাকফির, তাফসিক ও তাদলিলের বাজার বিশেষভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রকাশ্যে মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল শহীদের তাকফির করা হয়; স্যার সৈয়দ আহমদ খানকে ইসলাম থেকে বহিষ্কারের দাবিতে অনড় থাকা হয়; মাওলানা কাসিম নানুতবি ও মাওলানা রশিদ আহমদ গঙ্গোহীর বিরুদ্ধে একের পর এক কুফরের ফতোয়া দেওয়া হয়। আল্লামা শিবলী নুমানি ও মাওলানা ফারাহিকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। এরও আগে, ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর মতো মহান ইমামের বিরুদ্ধেও এই অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে তিনি হাদিস অস্বীকারকারী ছিলেন, এমনকি কিছু চরমপন্থী তাঁর সম্পর্কে এমন ভাষা ব্যবহার করেছে, যা কলমে লিপিবদ্ধ করারও যোগ্য নয়।

এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে, যখন মুফতি নিজের সীমা অতিক্রম করেন, তখন এর আঘাত শুধু ব্যক্তির ওপর এসে পড়ে না; বরং সম্পূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদরাসা, সংগঠন ও আন্দোলন এর শিকার হয়। প্রতিটি গোষ্ঠী অন্যকে আঘাত করাকেই দ্বীনের সবচেয়ে বড় খেদমত মনে করতে শুরু করে। এভাবেই তাকফির ও তাদলিলের এক অন্তহীন শৃঙ্খল গড়ে ওঠে।

এই প্রবণতার স্বাভাবিক ও অনিবার্য পরিণতি হলো শেষ পর্যন্ত সব মুসলমানই সন্দেহভাজন, বরং প্রত্যাখ্যাত বলে বিবেচিত হয়। ‘কুফর’ শব্দটি যদি অস্বস্তিকর মনে হয়, তবে তাকে নরম করে বলা হয়, উম্মাহর প্রতিটি সদস্যের মধ্যেই কুফরের কোনো না কোনো চিহ্ন বিদ্যমান। এর ওপর আরও যোগ হয় সেই নীতি, যে ব্যক্তি কাফিরকে কাফির মনে করে না, সেও কাফির। এই নীতির পর আর কোনো ব্যতিক্রমের অবকাশ থাকে না। পরিধি এমন বিস্তৃত হয়ে যায় যে, আলেম হোক বা সাধারণ মানুষ, সাধক হোক বা দাঈ, সবাই তার ভেতরে ঢুকে পড়ে।

কিছু মানুষ এই পরিস্থিতিকে হালকা করে দেখাতে চান এভাবে যে, হয়তো তাকফিরকারীদের পক্ষ থেকে তাড়াহুড়া হয়েছে, কিংবা কোনো ভুল হয়ে গেছে। কিন্তু এই ব্যাখ্যাও সমস্যার সমাধান করে না। প্রথমত, যেসব বিষয়ে ‘চূড়ান্ত’ বলা হয়, সেখানে এমন ধরনের ভুলের সম্ভাবনা স্বীকারই করা হয় না। যদি সামান্যতম সন্দেহও থাকত, তবে তারা কাউকে কাফির ঘোষণা করতেন না। দ্বিতীয়ত, ধরেও নেওয়া যাক যে ভুল হয়েছে, তবু পরিণতি ভিন্ন হয় না। কারণ সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী, কেউ যখন কাউকে কাফির বলে, তখন দুজনের একজন অবশ্যই কাফির হয়, যাকে বলা হলো, অথবা যে বলল। এই নীতির আলোকে, যদি যাকে কাফির বলা হয়েছে সে
কাফির না হয়, তবে বলনেওয়ালাই কাফির সাব্যস্ত হয়। আর যেহেতু সবাই একে অপরকে কাফির বলে, তাই শেষ পর্যন্ত ফল দাঁড়ায়, সবাই কুফরের পরিসরে প্রবেশ করে।

এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে, যদি কুফর সবচেয়ে বড় গুনাহ হয়, তবে মানুষ নিজের নিজের কুফর থেকে তওবা করে না কেন? এই প্রশ্ন আমাদেরও দীর্ঘদিন ভাবিয়ে রেখেছিল। অবশেষে মানুষের মনস্তত্ত্বের একটি গভীর পর্যবেক্ষণ থেকে এর জবাব স্পষ্ট হলো। মানুষ নিজের ময়লা পরিষ্কার করা সহজ মনে করে, কিন্তু অন্যের ময়লা ছোঁয়াকে অত্যন্ত ঘৃণ্য মনে করে। সে নিজের অপবিত্রতাকে হালকা ও ক্ষমাযোগ্য বলে ধরে নেয়, আর অন্যের অপবিত্রতাকে ভয়ংকর, দুর্গন্ধময় ও অসহনীয় বলে বিবেচনা করে। ঠিক তেমনি, মানুষ নিজের কুফর বা নিফাকের জন্য কোনো না কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে নেয়, কিন্তু অন্যের কুফর তার কাছে চরম ঘৃণ্য ও অগ্রহণযোগ্য মনে হয়।

অথচ কুফরের অবস্থায় মৃত্যু হওয়াই সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি, যার ফল হতে পারে চিরস্থায়ী ধ্বংস। এ থেকে মুক্তির পথ এই নয় যে আমরা অন্যের ঈমান খুঁটিয়ে দেখতে বসব; বরং পথ হলো, নিজের ঈমান নিয়ে ভীত থাকা, অন্যদের অবস্থার ভালো ব্যাখ্যা করা, এবং নিজের গুনাহের ব্যাপারে কোনো রকম শৈথিল্য না দেখানো।

সালাফে সালেহিনের পথচলা ছিল ঠিক এমনই। তারা সাধারণ মুসলমানদের ব্যাপারে সদ্ভাব পোষণ করতেন, আর নিজেদের সম্পর্কে নিফাক ও কুফরের আশঙ্কা করতেন। ইমাম বুখারি রহ. ‘কিতাবুল ঈমান’-এ ইমাম হাসান বসরি রহ.-এর উক্তি উদ্ধৃত করেছেন, নিফাক থেকে কেবল মুমিনই ভয় পায়, আর নিফাক থেকে কেবল মুনাফিকই নির্ভয় থাকে। ইবনু আবি মুলাইকাহ রহ. বলেন, আমি ত্রিশজন সাহাবায়ে কেরামকে পেয়েছি, সবাই নিজের ব্যাপারে নিফাকের ভয় করতেন। এমনকি হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব রা. এর মতো মহান সাহাবিও আশঙ্কা করতেন, কোথাও তিনি মুনাফিক না হয়ে যান। হজরত হাসান বসরি রহ. কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি এত কান্নাকাটি করেন কেন? তিনি বলেছিলেন, আমার আশঙ্কা হয়—আগামীকাল যেন আমাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করা না হয়।
সালাফদের বাণী ও অবস্থা একত্র করলে এ বিষয়ে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচিত হতে পারে। সারকথা হলো, তারা নিজেদের নফসকে অভিযুক্ত করতেন, আর অন্যদের ঈমানের ব্যাপারে সদ্ভাব রাখতেন। এটাই সুন্নি পথ, আর আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই পথটিকেই জীবিত করা।

অতএব, মুফতির জন্য অপরিহার্য হলো, তিনি যেন নিজের দায়িত্বের সীমার মধ্যে থাকেন। তিনি বিচারক হবেন না, মুহতাসিব হবেন না, এবং মানুষের ঈমানের হিসাব গ্রহণ করবেন না। তাঁর কাজ হলো, যারা শরিয়ত অনুযায়ী জীবন যাপন করতে চান, তাদের জন্য ফতোয়া দেওয়া; ফতোয়াকে অস্ত্র বানিয়ে মানুষকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেওয়া নয়। যদি মুফতি এই দরজা খুলে দেন, তবে এক মুফতি আরেক মুফতিকে কাফির ঘোষণা করবে, আর পরিণতি হবে, কোনো ব্যক্তি, কোনো গোষ্ঠী এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই নিরাপদ থাকবে না।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নিজেদের দোষত্রুটি চিনে নেওয়ার তাওফিক দিন, অন্যদের ব্যাপারে সদ্ভাব দান করুন, আমাদের তওবা ও আল্লাহমুখী প্রত্যাবর্তনের সামর্থ্য দিন, এবং আমাদের সব মুসলমানের জন্য কল্যাণকামী বানান। আমিন।

--------------------

মূল : ড. মুহাম্মাদ আকরাম নদভী, অক্সফোর্ড।
ভ্রমণে ২০টি সতর্কতা: জরুরি।
বাদল সৈয়দ

বিভিন্ন কারণে আমরা ভ্রমণ করি। তাই লেখাটি বড়ো হলেও পড়ার অনুরোধ রইল। সামান্য অসতর্কতার কারণে বড় বিপদ হতে পারে।

১)
একা দূরে বেড়াতে না যাওয়াই ভালো। কয়েকটি পরিবার মিলে যান।

২)
কোনো কারণে পরিবার ছাড়া ভ্রমণ করতে হলে সঙ্গে কোনো বন্ধু বা পরিচিতকে নিন।

৩)
যেখানে বেড়াতে যাচ্ছেন, সেখানে স্থানীয় কেউ পরিচিত থাকলে তাকে জানিয়ে রাখুন।

৪)
স্বল্পপরিচিত হোটেল বা রেস্ট হাউসে উঠবেন না। প্রয়োজনে একটু বেশি খরচ করে সুনাম আছে—এমন জায়গায় থাকুন।

৫)
রাতে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।

৬)
ভাড়া করা গাড়িতে উঠলে গাড়িটির ছবি ও ড্রাইভারের ছবি তুলে বিশ্বস্ত কাউকে পাঠিয়ে দিন। পাশাপাশি লোকেশন শেয়ার করুন।

৭)
নিজের গাড়িতে না গেলে দূরপাল্লার মানসম্মত বাস বা ট্রেন বেছে নিন।

৮)
খুব ভোরে গন্তব্যে পৌঁছালে সঙ্গে সঙ্গে বের না হয়ে রেলস্টেশন, বাস কাউন্টার বা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করুন। রাস্তায় লোকজন চলাচল শুরু হলে বের হন।

৯)
অপরিচিত কারও দেওয়া কিছু খাবেন না। যেচে পড়ে আলাপ করতে এলে এড়িয়ে চলুন। কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।

১০)
অপরিচিত কারো ব্যাগ বহন করবেন না। ব্যাগে অবৈধ কিছু থাকলে বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারেন।

১১)
হোটেলে থাকলে দরজা-জানালা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন এবং ঠিকমতো লক করুন। রাতে রুম সার্ভিস বা হাউসকিপিংয়ের নামে নক করলে নিশ্চিত না হয়ে দরজা খুলবেন না।

১২)
জরুরি সাহায্যের ফোন নম্বর—যেমন ৯৯৯—মনে রাখুন।

১৩)
কোথাও পরিস্থিতি অস্বাভাবিক মনে হলে সেখান থেকে সরে যান। সভা-সমাবেশ চললে সেখানে না থাকাই ভালো।

১৪)
বেশি রাত করে ঘোরাঘুরি করবেন না।

১৫)
টাকা-পয়সা এক জায়গায় না রেখে কয়েক জায়গায় ভাগ করে রাখুন।

১৬)
ভ্রমণস্থানে অপরিচিত কেউ কোথায় অবস্থান করছেন—এ প্রশ্ন করলে তা জানাবেন না।

১৭)
নারীরা পোশাক ও আচরণে স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিবেশের কথা মাথায় রাখুন। অপ্রয়োজনীয় অলংকার বর্জন করুন।

১৮)
নারী একা হলে হোটেলের নির্জন রুমে থাকবেন না। সম্ভব হলে রিসেপশনের কাছাকাছি রুমে থাকুন।

১৯)
অনলাইনে বুকিং দেওয়ার আগে যাচাই-বাছাই করুন। সম্ভব হলে আগে কেউ ওই সার্ভিস নিয়েছেন—এমন কারও অভিজ্ঞতা জেনে নিন।

২০)
বাইরের বিপদের পাশাপাশি ভেতরের বিপদ নিয়েও সতর্ক থাকুন। যেখানে-সেখানে যা-তা খাবেন না। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সঙ্গে রাখুন।

#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
2
💰⚠️ হঠাৎ টাকা এলে কেন অনেকের জীবন নষ্ট হয়ে যায়? (Sudden Wealth Syndrome)🤔 😱⚠️

ভাবুন তো, যেকোনো উপায়েই হোক অল্প সময়ে হঠাৎ আপনি কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন! অথবা পৈত্রিক কোনো জমি বিক্রি করে হাতে এল কাড়ি কাড়ি নগদ। খুশিতে আত্মহারা হয়ে আপনি হয়তো ভাবছেন— "ব্যাস! জীবনের সব দুঃখ শেষ!"

কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটা জানেন কি? মনোবিজ্ঞান বলছে, এই 'আচমকা বড়লোক' হওয়াটা অনেকের জন্য আনন্দের চেয়ে বড় বিপর্যয় নিয়ে আসে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয়— সাডেন ওয়েলথ সিনড্রোম (Sudden Wealth Syndrome)।
আজ চলুন এই "টাকার জ্বরের" ময়নাতদন্ত করি! 🧐💸

💥 সাডেন ওয়েলথ সিনড্রোম কী? এটা কি কোনো রোগ? 🤔
না, এটি কোনো শারীরিক রোগ নয়, বরং এটি একটি মানসিক ও আবেগীয় অস্থিরতা। যখন একজন মানুষ তার ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ হুট করে পেয়ে যায়, তখন তার মস্তিষ্ক সেই নতুন বাস্তবতার সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না।

সহজ উপমা: ধরুন, আপনি সারা জীবন সাইকেল চালিয়েছেন। হঠাৎ আপনাকে একটা সুপারফাস্ট 'স্পোর্টস কার' বা 'জেট বিমান' চালাতে দেওয়া হলো। কোনো ট্রেনিং ছাড়া কি আপনি সেটা কন্ট্রোল করতে পারবেন? নির্ঘাত ক্র্যাশ করবেন! 🏎️💥

হঠাৎ আসমানি টাকাও ঠিক তেমন—সঠিক 'ড্রাইভিং স্কিল' (Money Management) না থাকলে জীবনটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

📉🤗 কেন হঠাৎ টাকা এলে জীবন 'নষ্ট' হয়ে যায়? নেপথ্যের কারণগুলো: 🕵️‍♂️
১. প্যারালাইসিস বাই অ্যানালাইসিস (সিদ্ধান্তহীনতা): এত টাকা দিয়ে কী করব? কোথায় রাখব? কাকে দেব? এই চিন্তায় মানুষ প্যানিক অ্যাটাক বা চরম দুশ্চিন্তায় ভোগে।
২. অদৃশ্য 'বন্ধুর' ভিড়: টাকা আসার খবর ছড়ালে দেখবেন— হারানো খালাতো ভাই, ১০ বছর আগে দেখা হওয়া বন্ধু আর পাড়ার মোড়ের 'হিতাকাঙ্ক্ষীরা' লাইন ধরছে। কে আপন আর কে টাকার কাঙাল, এটা বুঝতে না পেরে মানুষ ভুল মানুষের হাতে সম্পদ তুলে দেয়। 🐍👥

৩. গিল্ট বা অপরাধবোধ: "আমি কেন পেলাম? আমার অন্য আত্মীয়রা তো গরিব!"—এই অহেতুক অপরাধবোধ থেকে অনেকে উল্টোপাল্টা দান-খয়রাত করে বা বাজে খরচ করে দ্রুত সব টাকা উড়িয়ে দিয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যায়।
৪. পরিচয় সংকট (Identity Crisis): এতদিন আপনি ছিলেন সাধারণ একজন মানুষ। এখন আপনি 'বড়লোক'। আপনার পুরোনো বন্ধুরা আপনাকে আর আগের মতো গ্রহণ করছে না, আবার উচ্চবিত্তদের সাথেও আপনি মিলতে পারছেন না। এই একাকীত্ব থেকে অনেকে নেশা বা ডিপ্রেশনের পথে পা বাড়ায়। 🍷😔

🚨 রেড ফ্ল্যাগ: টাকা আসার পর কী কী ভুল হয়?
বিলাসবহুল কেনাকাটা: ধুমধাম করে দামি গাড়ি বা অপ্রয়োজনীয় বিশাল বাড়ি কেনা (যার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আপনার নেই)।
বিনিয়োগের ভুল সিদ্ধান্ত: চটজলদি দ্বিগুণ করার লোভে আজেবাজে স্কিমে টাকা ঢালা।
সম্পর্ক নষ্ট করা: টাকার দাপটে কাছের মানুষদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।

🛡️ এই সিনড্রোম থেকে বাঁচার 'মাস্টার প্ল্যান' 💡💎
যদি কপালগুণে আপনার হাতে বড় কোনো অংক আসে, তবে নিজেকে সামলাবেন কীভাবে?
একটি 'কুলিং অফ' পিরিয়ড নিন: টাকা পাওয়ার পর প্রথম ৩-৬ মাস বড় কোনো কেনাকাটা বা বিনিয়োগ করবেন না। আপনার মস্তিষ্ককে এই বড় অংকের সাথে 'অ্যাডজাস্ট' হতে সময় দিন। ❄️
পেশাদার পরামর্শ নিন: কোনো ভালো ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার বা ট্যাক্স কনসালট্যান্টের সাথে কথা বলুন। আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অংকের হিসাব করুন।
গোপনীয়তা রক্ষা করুন: চিৎকার করে সবাইকে জানানোর দরকার নেই। সম্পদ যত নীরব থাকে, শান্তিতে থাকা তত সহজ হয়। 🤫
মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন: যদি খুব বেশি অস্থির লাগে, তবে একজন থেরাপিস্টের সাথে কথা বলুন। মনে রাখবেন, টাকা আপনার দাস, আপনি টাকার দাস নন!

🌿 শেষ কথা
টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে; কিন্তু টাকা দিয়ে 'বিপদ' কেনা খুব সহজ! হঠাৎ আসা সম্পদকে ধরে রাখার জন্য পকেটের চেয়ে মাথার শক্তি বেশি প্রয়োজন। 🧠💰

তাই লটারি লাগুক বা উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ পান—আগে নিজের 'সফটওয়্যার' আপডেট করুন, তারপর হার্ডওয়্যার (বিলাসিতা) কিনুন!

📚 তথ্য গবেষণা ও অনুপ্রেরণায় ©️ #Muhammad_Nasim_Hossain
#Body_Mind_Money_Economy_Future #SmartThinking #LifeDesign2026
ঢাকা: ০২-ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, যারা নিয়মিত এই বাক্যগুলো ব্যবহার করেন, তাদের ব্যক্তিত্ব অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী।

১. "আমি ভয় পাচ্ছি, তাও আমি এটি করব"

শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের মানুষরা ভয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন না। তারা জানেন যে সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের পরেও এগিয়ে যাওয়া। তারা নিজেদের ভয়কে গ্রহণ করেন এবং তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেন না।

২. "না" (সরাসরি না বলা)

সফল এবং মানসিকভাবে দৃঢ় মানুষরা অপ্রয়োজনীয় অনুরোধে 'না' বলতে দ্বিধা করেন না। তারা জানেন যে সব কিছুতে 'হ্যাঁ' বললে নিজের কাজের গুরুত্ব কমে যায়। তারা কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে পারেন।

৩. "আমার এটি প্রয়োজন..." (মাফ না চেয়েই বলা)

অনেকেই সাহায্য চাওয়ার আগে "দুঃখিত আপনাকে বিরক্ত করার জন্য" বা "আমি বলতে চাইছিলাম না, কিন্তু..." এমন কথা বলেন। কিন্তু শক্তিশালী মানুষরা কোনো অপ্রয়োজনীয় ক্ষমা না চেয়েই সরাসরি তাদের প্রয়োজনের কথা বলেন। এর মানে এই নয় যে তারা রূঢ়, বরং তারা স্পষ্ট যোগাযোগে বিশ্বাসী।

৪. "ধন্যবাদ" (প্রশংসা গ্রহণ করার সময়)

কেউ প্রশংসা করলে অনেকে লজ্জা পেয়ে বলেন, "আরে তেমন কিছু না" বা "ভাগ্যের জোরে হয়ে গেছে"। শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের মানুষরা বিনয়ের সাথে শুধু "ধন্যবাদ" বলেন। তারা নিজেদের পরিশ্রম এবং অর্জিত সাফল্যকে সম্মান করতে জানেন।

৫. "আমার ভুল হয়েছিল"

নিজের ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং চরম আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। যারা মানসিকভাবে শক্তিশালী, তারা ভুল করলে অন্যের ওপর দোষ না চাপিয়ে বা অজুহাত না দেখিয়ে সরাসরি তা স্বীকার করেন এবং তা থেকে শিক্ষা নেন।

৬. "আমি জানি না, তবে আমি খুঁজে বের করব"

সবজান্তা হওয়ার ভান করা দুর্বল ব্যক্তিত্বের লক্ষণ। শক্তিশালী মানুষরা তাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা জানেন। কোনো কিছু না জানলে তারা তা অকপটে স্বীকার করেন এবং সেটি জানার চেষ্টা করেন। এটি তাদের সততা ও শেখার মানসিকতাকে প্রকাশ করে।

৭. "আমাকে এটি নিয়ে ভাবতে দিন"

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা হুজুগে সিদ্ধান্ত না নিয়ে তারা সময় নেন। "আমাকে একটু ভাবতে দিন"—এই বাক্যটি ব্যবহার করার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেন যে তাদের সময় এবং সিদ্ধান্ত অত্যন্ত মূল্যবান। তারা আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং চিন্তাভাবনা করে কাজ করতে পছন্দ করেন।

এই বাক্যগুলো খুব সাধারণ মনে হলেও এগুলো একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস এবং নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এই শব্দগুলো নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে আপনিও আপনার ব্যক্তিত্বকে আরও দৃঢ় করতে পারেন।
_______
গ্লোবাল ইংলিশ এডিটিং
আপনি কি কখনো ভেবেছেন, কেন শোরুমে গেলে সেলসম্যানের কথায় আপনি অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে ফেলেন? বা কেন ঝগড়ার সময় আমরা লজিক ভুলে যাই?

সিনেমা বা গল্পের ভিলেনরা যেভাবে মানুষকে ম্যানিপুলেট করে, রিয়েল লাইফেও কিন্তু এই ট্রিকগুলো প্রতিনিয়ত আমাদের ওপর অ্যাপ্লাই করা হচ্ছে। ডার্ক সাইকোলজির ভাষায় একে বলা হয় Mind Control।

আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এমন ৫টি সাইকোলজিক্যাল ট্রিক, যা জানলে আপনি শুধু নিজেকে বাঁচাতেই পারবেন না, বরং সিচুয়েশন নিজের কন্ট্রোলে রাখতে পারবেন।

১. The Illusion of Choice
কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করাতে চাইলে তাকে সরাসরি হ্যাঁ বা না এর অপশন দেবেন না। বরং তাকে এমন দুটো অপশন দিন, যার দুটোতেই আপনার লাভ!
যেমন: বন্ধুকে যদি বলেন, চল বাইরে যাই—সে মানা করতে পারে। কিন্তু যদি বলেন, মামা, মোমো খাবি নাকি ফুচকা?—সে তখন খাবারের অপশন বাছতে গিয়ে আপনার জালে পা দেবে। ডিসিশন সে নিচ্ছে ভাবছে, কিন্তু কন্ট্রোলটা আসলে আপনার হাতে।

২. The Reverse Trap
মানুষের ইগো খুব ডেঞ্জারাস জিনিস। কাউকে দিয়ে কিছু করাতে চাইলে তাকে বলুন যে, তোর দ্বারা এটা হবে না বা কাজটা খুব কঠিন।
ব্যাস! সে তার ইগো সেটিসফাই করার জন্য উঠেপড়ে লাগবে প্রমাণ করতে যে সে এটা পারে। সোজা কথায়, যা করাতে চান, তার উল্টোটা বলুন কনফিডেন্সের সাথে।

৩. The Yes Ladder
কারো কাছ থেকে বড় কোনো ফেভার বা টাকা দরকার? সরাসরি বড় অ্যামাউন্ট চাইলে মানা করে দেবে।
আগে ছোট ছোট কিছু চান যা সে না করতে পারবে না। যেমন প্রথমে কলম চান, তারপর নোটস চান। ছোট ছোট হ্যাঁ বলতে বলতে তার ব্রেইন আপনাকে একসেপ্ট করে নেবে। এরপর বড় রিকোয়েস্ট করলে না করার চান্স কমে যাবে। অথবা, উল্টোটাও করতে পারেন আগে ১০০০ টাকা চান (সে মানা করবে), এরপর ১০০ টাকা চান (সে গিল্টি ফিল করে দিয়ে দেবে)।

৪. The Power of Silence
মায়ের বকুনি আর বাবার এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার মধ্যে পার্থক্যটা বোঝেন? বাবার ওই চুপ করে থাকাটাই কিন্তু বেশি ভয়ের।
তর্ক বা নেগোসিয়েশনের সময় হুট করে চুপ হয়ে যান এবং চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন। এই Awkward Silence সামনের মানুষকে নার্ভাস করে দেয় এবং সে প্রেসারে পড়ে নিজের গোপন সত্য বলে দেয় বা আপনার কথায় রাজি হয়ে যায়। Silence is powerful.

৫. Emotional Hijack
লজিক দিয়ে মানুষকে হারানো কঠিন, কিন্তু ইমোশন দিয়ে সহজ। যখন কেউ খুব রেগে যায় বা ইমোশনাল হয়ে পড়ে, তখন তার লজিক্যাল ব্রেইন কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
পলিটিশিয়ান বা ফেক গুরুরা ঠিক এটাই করে আপনার রাগ বা ভয়কে উস্কে দেয়। তাই কেউ আপনাকে রাগানোর চেষ্টা করলে বুঝবেন সে আপনাকে কন্ট্রোল করতে চাইছে। ওই মোমেন্টে শান্ত থাকাটাই আপনার জেতার একমাত্র উপায়।

এই ট্রিকগুলো বাঘের মতো। আপনি চাইলে এগুলো দিয়ে নিজেকে প্রটেক্ট করতে পারেন, আবার অন্যকে শিকারও করতে পারেন। চয়েস আপনার। তবে মনে রাখবেন With great power comes great responsibility.

Share🙂

#DarkPsychology #LifeHacks #CommunicationSkills #MindGame #Manipulation
নিচের লিষ্টের ৫-৭ টা তোমার মধ্যে যদি থাকে, আজীবন টানাটানির মধ্যে চলতে হবে। চেক করে দেখো কয়টা আছে।

১. যারা রেগুলার বাইরে খায়, বাইরে যেতে না পারলে বাসায় ফুড ডেলিভারি নেয়: (মাসে ২-৪ বার হলে তেমন সমস্যা না )

২. ছোটখাটো খরচকে “তেমন পাত্তা না দেয়া” ও এইটা তো মাত্র ৫০ টাকা, এইখানে জাস্ট ২০০ টাকা, এইরকম ছোটখাটো খরচ প্রতিদিন ২-৩ টা হতে থাকলে, টাকা যে কোন দিক দিয়ে লিক হয়ে যাচ্ছে টেরই পাওয়া যায় না।

৩. নিয়মিত দাওয়াত থাকলে: দাওয়াতের গিফট, যাওয়া আসার খরচ, দাওয়াতে যাওয়ার জন্য জামা কাপড়। মাস শেষে ভালো একটা অংশ চলে যায়।
.
৪. ধার একবার নেয়া শুরু করলে দেখা যায় প্রতিমাসেই ধার লাগে। আর যে ধার দেয় সে বেচারা ধারের টাকা উঠতে না পেরে ডাবল বিপদে থাকে।

৫. একবার ক্রেডিট কার্ড বা লোনের চক্করে পড়লে, এইটা থেকে বের হওয়া টাফ।

৬. ধূমপান বা নেশা বা বাজে স্বভাব এমন পাবলিকরা বেশিরভাগই টানাটানির মধ্যে থাকে। আর বাজে নেশার মধ্যে পড়লেতো টাকা পয়সাও শেষ, জীবনও শেষ।
.
৭. অনলাইন বা অফলাইনে যারাই জুয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে, তারাই সব হারাইছে। পেটেভাতেও চলতে পারে না।

৮. একবার দোকানে বাকি খাওয়া বা বাকি সদাই নেয়া শুরু করলে, সেই চক্কর থেকে দোকানদার এবং খরিদ্দার দুইজনেই বের হতে পারে না।

৯. একবার বেতন পাওয়ার আগে কারো কাছ থেকে ধার নেয়া শুরু করলে বা খরচ করা শুরু করলে মাসের পর মাস এই সাইকেল থেকে মুক্তি নাই। তখন মাসের শেষ ২০ দিন যায় টাকার সাথে যুদ্ধ করে।
.
১০. ফ্যামিলি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির জন্য আগে থেকে টাকা জোগাড় করে না রাখলে শেষ পর্যন্ত ঋণ নিতে হয়। সেই ঋণ শোধ করতে ২-৩ বছর টানাটানি চলতে থাকে।

১১. বছরে দুই একটা ঘুরাঘুরি ঠিকাছে। কিন্তু যারা মাসে মাসে এইখানে না হয় ঐখানে যায়। তাদের হাতে ১০ টাকা জমলে ৫০ টাকার একটা ট্যুর দিয়ে ফেলে। এদের জীবন পেটেভাতে আর রাস্তাঘাটেই চলতে থাকবে।

১২.বিয়ে, বাড়ি করা, দেশের বাইরে যাবে এইসব ফিউচারের মেগা ইভেন্টের জন্য যত বাজেট করবে, জীবনেও সেই বাজেটে শেষ হবে না। তাই এইগুলার জন্য বাজেট যত তার দ্বিগুণ সেইভ না করলে, বিপদে পড়বে।
.
১৩. বাজারের লিস্ট স্ট্রিক্ট না থাকা বা উইন্ডো শপিং। কেউ কেউ আছে, কিনতে যায় একটা জিনিস, কিনে আসে তিনটা। বা দোকানদার আরেকটু ভালো, আরেকটু লোভনীয় জিনিস দেখিয়ে বাজেটের বাইরের জিনিস খসায় দেয়। আর তোমার পকেট খালি হয়ে যায়।

১৪. একবার অনলাইনে কেনার অভ্যাস শুরু করে দিলে দেখা যায়, হুদাই জিনিস কিনে। দরকারের চাইতে, অল্প দরকারি বা অদরকারি জিনিস কিনে।
.
১৫. ডিস্কাউন্টে জিনিস কেনা মানে, জিনিস কেনা না। ফেইক একটা ডিসকাউন্ট কেনা। অর্থাৎ তুমি কখনোই ২০-৩০% ডিসকাউন্ট পাও না। বরং ৭০-৮০% টাকা বিনা কারণে খসাও। সো, ব্যাপার হবে-- আমার জিনিস একান্তই কেনা লাগলে কিনবো-- তখন কূপন পাইলে ইউজ করবো না পাইলে ফুল প্রাইসে কিনবো। এতে সাময়িক খরচ একটু বেশি হলেও ওভারঅল খরচ অনেক কম হবে।

১৬. ফ্রী ট্রায়াল, মাসিক সাবস্ক্রিপশন একটা ট্র্যাপ। মানুষের আলসেমি ও ভুলে যাওয়ার কারণে হুদাই হুদাই টাকা গচ্ছা যেতে থাকে।

১৭. বেশিরভাগ সময় ব্র্যান্ডের জিনিস এর চাইতে ভালো জিনিস বা কাছাকাছি কোয়ালিটির জিনিস অনেক কম দামে পাওয়া যায়। আমি সস্তায় খারাপ জিনিস কেনার কথা বলতেছি না। বরং সিমিলার কোয়ালিটির কম ব্র্যান্ড বা নন-ব্রান্ডের জিনিসের কথা বলছি।

১৮. অন্যদের চাইতে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য টাকা খরচ করা মধ্যবিত্তদের জন্য বোকামি। বড়লোক যাদের অসীম টাকা আছে তাদের হিসাব আলাদা।
.

১৯. একটা ফোন ভালোই চলতেছে হুদাই হুদাই আপগ্রেড করা। হয়তো দুইটা ফিচার একটু কম ভালো সেটার জন্য ঝাঁপ দিয়ে, টাকা জোগাড় করে কিনে ফেলা।

২০. রিফান্ড, বোনাস বা ক্যাশব্যাককে “ফ্রি টাকা” মনে করা।

২১. মাসিক খরচ ট্র্যাক না করা বা অপটিমাইজ না করা
.
২২. ইনকামের মিনিমাম ২০% আর সম্ভব হলে ৩০–৫০% সেভ না করা

২৩. বেতন বাড়ালেই আর টাকা পয়সার টানাটানি থাকবে না, মনে করা।
২৪. পেটেভাতে চলতে পারাও কিন্তু পেটেভাতে চলতে না পারার চাইতে ভালো। সেটা নিয়ে শুকরিয়া না করা।
২৫. ইনকাম বাড়ানোর চাইতে খরচ কমানের দিকে বেশি ফোকাস করা
মোটিভেশন নেওয়ার জন্য আজকাল পোলাপান সারাদিন স্ক্রল করে বেড়ায়, অথচ নিজের জীবনের প্রতি একটাবার খেয়াল করে না।
টেইট বলেন, তোমার দৈনন্দিন জীবনের প্রতি যদি প্রচণ্ড রাগ ও ক্ষিপ্ততা কাজ করে, তাহলে এটাই আল্টিমেট মোটিভেশন। কারণ তুমি জানো, এই ফকিরি-অগোছালো জীবন থেকে তোমাকে কেউই তুলতে আসবে না। ইভেন তোমার বাবা-মাও না। তাঁদের স্নেহও একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্তই। সাথে তুমি এটাও দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করো যে, তুমি একজন বলিষ্ঠ পুরুষ। তুমি যা চাও, তাই পাওয়া সম্ভব। ঠিক এই তিনটি বিষয়ই তোমাকে TOP-G মাইন্ডসেট আয়ত্তের রাস্তা দেখাবে।
1