জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
কেন কৈশোর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আপনার মুখে ব্রণ উঠেই চলেছে?
কেন ক্রিম, মলম, ফেসওয়াশ ব্যবহার করেও আপনার অ্যাকনি, একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি সারছে না?
যদি মনে করেন এসব আপনার ত্বকের দোষ, তার মানে আপনি নিজের দেহ সম্পর্কে কিছুই জানেন না!

সবাই ত্বকের সমস্যাকে শুধু ত্বকের সমস্যা হিসেবেই ভাবে। কিন্তু আসলে আপনার মুখে ব্রণ ওঠা, ত্বকে চুলকানি, একজিমা দেখা দেওয়া, কিংবা সোরিয়াসিসের মতো অটোইমিউন সমস্যা এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সূত্রপাত হয় পেটের ভেতরে!
বলা যেতে পারে, আপনার ত্বক আসলে আপনার পেটের ডিসপ্লে স্ক্রিন!
ভেতরে কী ঘটছে, তা সবার আগে ত্বকেই প্রকাশ পায়! এই কানেকশনকে বলা হয় 'গাট-স্কিন এক্সিস'।

অন্ত্র (Gut) হলো শরীরের ফিল্টার ফ্যাক্টরি ও প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্র। এর কাজ ভালো জিনিস রক্তে পাঠানো, আর খারাপ জিনিস শরীর থেকে বের করে দেওয়া।
রক্ত হলো শরীরের ভেতরের নদী। এই নদী ফ্যাক্টরি থেকে পুষ্টি নিয়ে যায় এবং বর্জ্য বয়ে নিয়ে আসে।
ত্বক হলো শরীরের সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ (Largest Elimination Organ)।
যখন লিভার ও অন্ত্র ঠিকমতো বর্জ্য সামলাতে পারে না, তখন তা ত্বকের মাধ্যমেই ঠেলে বের হয়, ফলে তৈরি হয় ইনফ্লামেশন, ব্রণ, র‍্যাশ ইত্যাদি।

সমস্যা শুরু হয়, যখন অন্ত্রের দেয়াল (Gut Barrier) বিধ্বস্ত হয়। স্ট্রেস, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড তেল, ঘুমের অভাব, অ্যান্টিবায়োটিক এসব কারণে অন্ত্রের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে intestinal permeability বাড়ে (একে লিকি গাট নামেও বলা হয়)। ফলে হজম না হওয়া খাদ্য, টক্সিন, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, বর্জ্য সরাসরি রক্তে ঢুকে টক্সিন ওভারলোড ঘটায়! তখন লিভার এই বি/ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠে। লিভার যখন টক্সিন পরিষ্কার করে কুলিয়ে উঠতে পারে না, তখন শরীর তার সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ ত্বক দিয়ে ঘাম ও তৈলাক্ত পদার্থর সঙ্গে রক্তের টক্সিন বাইরে পুশ করে দিতে চায়! আর এই পুশ করার সময়ই ত্বকে সৃষ্টি হয় অসহ্য ইনফ্লামেশন! যাকে বাইরে থেকে ব্রণ, লাল চাকা চাকা একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি ইত্যাদি রুপে দেখা যায়!

আপনার ত্বকের প্রতিটি সমস্যার ধরনের সঙ্গে পেটের গন্ডগোলের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে—
- ব্রণ (Acne) এর কারণ হতে পারে গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতা (Dysbiosis), ইনসুলিন স্পাইক, ইনফ্লামেশন। পেটের ভালো-খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা, অর্থাৎ পেটের ভেতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে গেলে মুখে ব্রণ দেখা যায়।
- একজিমা এর কারণ হতে পারে লিকি গাট, ইমিউন সিস্টেমের অতিপ্রতিক্রিয়া। হজম না হওয়া খাবার রক্তে ঢুকে ইমিউন সিস্টেমকে উত্তেজিত করে তোলে। এই উত্তেজনা ত্বকে চুলকানি, শুষ্কতা ও লালচে ভাব তৈরি করে।
- সোরিয়াসিস এর কারণ হতে পারে অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া, অন্ত্রের ইনফ্লামেশন ও মাইক্রোবায়োম বিপর্যয়। অটো-ইমিউন ডিজঅর্ডারে আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে ত্বকের কোষকেই আক্রমণ করে। বেশিরভাগ অটো-ইমিউন সমস্যা শুরু হয় পেটের সেই লিকি গাট থেকেই!

বাইরে কৃত্রিম ক্রিম, লোশন, মলম মাখলে ক্ষতি ছাড়া, লাভ নেই! স্কিন ডিজিজ কোনো অভিশাপ না, এটা আপনার শরীরের হিলিং রেসপন্স।
আপনার ত্বককে সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে হলে দেহের সেই ফিল্টার ফ্যাক্টরি অন্ত্রকে ঠিক করাই একমাত্র উপায়। আপনার ত্বকে সব সমস্যা চিরতরে ঠিক হয়ে যাবে, এজন্য শুধু আপনার ভেতরটা ঠিক করতে হবে!

ত্বক সুস্থ করতে হলে 'গাট হিলিং প্রটোকল' প্রয়োজন। এমন একটা প্রটোকল হলো '4R Healing' (remove, repair, reinoculate, relax)—

- Remove
সব ক্ষতিকর, অপ্রাকৃতিক জিনিস বাদ দিন। চিনি, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড অয়েল (সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, কর্ন, রাইস ব্র্যান), বাইরের ভাজাপোড়া এগুলো পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, ইনফ্লামেশন ও লিকি গাট তৈরি করে। অনেকের ক্ষেত্রে দুগ্ধজাত খাদ্য ও আটা, ময়দা ত্বকের প্রদাহ বাড়ায়। প্রয়োজনে ৩–৪ সপ্তাহ ডায়েটে গ্লুটেন ও ডেইরি বাদ দিয়ে শরীরের অবস্থা দেখুন।
- Repair
অন্ত্রের দেয়াল মেরামত করুন। হাড়ের স্যুপে (বোন ব্রোথ) থাকা কোলাজেন ও গ্লুটামিন অন্ত্রের ক্ষতিগ্রস্ত দেয়াল মেরামতের জন্য সেরা। প্রোটিন, কোলাজেন, ওমেগা-৩, জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ডি পেতে রোদে যান।
- Reinoculate
ভালো ব্যাকটেরিয়া ফিরিয়ে আনুন। প্রোবায়োটিক (টক দই, কেফির, ফারমেন্টেড ফুড) ও প্রিবায়োটিক (রসুন, পেঁয়াজ, ফল, শাকসবজি, হোলগ্রেইন, বাদাম, বীজ) খান। প্রোবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, আর প্রিবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়াদের বেঁচে থাকার খাবার।
- Relax
স্ট্রেস কমান। ব্রিদিং এক্সারসাইজ, মেডিটেশন করুন। ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুম হলো গাটের প্রধান মেরামতের সময়। রাত জাগা বা অপর্যাপ্ত ঘুম সরাসরি অন্ত্রের দেয়ালের ক্ষতি এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
এছাড়াও, এই প্রটোকলে আরো কিছু সহজ অভ্যাস রয়েছে—
- Hydration
পানি হলো শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার। পর্যাপ্ত পানি পান করা লিভার ও কিডনিকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ত্বকের উপর চাপ কমায়।
- Regular Exercise
নিয়মিত ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে, স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) কমায় এবং স্বাভাবিক মলত্যাগে সাহায্য করে। এই সবকটিই অন্ত্র ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
- Patience
অন্ত্র মেরামত এবং ত্বকের উন্নতি হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস, এমনকি বছরও লাগতে পারে। কিন্তু সময় লাগা মানে এই না যে, আপনি সুস্থ হবেন না বা এই প্রটোকল কার্যকর না। মনে রাখা জরুরি যে, এটি একটি জার্নি, ইন্সট্যান্ট সমাধান না!

আপনার অসুস্থতা অনুযায়ী চিকিৎসা ও সমাধান পেতে প্রয়োজনে একজন প্রাকৃতিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ এর শরনাপন্ন হোন।

Captain Green
বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যতটা সহজ, কিন্তু
বিবাহিত জীবন আনন্দিত করা ততটা সহজ নয়, বিবাহ এমন এক বন্ধন যাহা তোমাকে স্বর্গ-নরক দেখাতে সক্ষম হয়৷

কখনো যদি মনে করো একজন অন্যজনের হৃদয়ে আবে হায়াতের পানি পেয়েছো, তবে তাহা একে অপরের হৃদয়ে লেনাদেনা করিবে কিন্তু এ
পানি হইতে একটু পানিও পান করিবেনা৷

তোমরা তোমাদের হৃদয় আদান-প্রদান করিও কিন্তু ভুলেও একে অপরের হাতে হৃদয় সঁপে দিও না,
যদি তা করো তবে নরক অতি নিকটে'ই৷
তোমরা একে অপরের উপরে ঢলে পরবে
তবুও নিজেরা থাকবে স্বতন্ত্র।

সজাগ থেকো, আবেগের বসে স্বর্গের দরজা ভেবে নরকের দরজা খুলতে যেওনা, এটি তোমার জীবন মরনের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়৷

_বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ
এই পোস্টে অনেক ১৮+ শিক্ষামূলক লেখা আছে , তাই সতর্কতার সাথে পড়ুন। এ বিষয়ে এলার্জি থাকলে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়।
.

★ লিঙ্গ বড় করা যায় ?
উত্তর- না
.
★ লিঙ্গ মোটা করা যায়?
উত্তর- না
.
★ লিঙ্গ লম্বা করা যায় ?
উত্তর- না
.
★ ওয়াইফের সাথে/গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বললে লিঙ্গের মাথায় আঠালো পদার্থ / বীর্য চলে আসে, কি ওষুধ খাব ?
উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয়, কোন রোগ না, তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। আঠালো যে পদার্থ আসে তা বীর্য না।
.
★ পায়খানা করার সময় কোথ দিলে প্রস্রাবের সাথে আঠালো বা বীর্যের মত পদার্থ বের হয়। কি করব ?
উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয় , কোন রোগ না , তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
.
★ আমার স্বপ্নদোষ হচ্ছে, খুব টেনশন এ আছি। মাসে কতবার স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক ?
উত্তর- স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক বিষয়। মাসে ৮ থেকে ১০ বার স্বপ্নদোষ হলেও টেনশনের কোন কারণ নেই। টেনশন ফ্রি থাকুন পুষ্টিকর খাবার খান। রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করে ঘুমাবেন। কোন খারাপ চিন্তা করবেন না।
.
★ আমার লিঙ্গ ছোট আমি কি বিয়ে করতে পারব ?
উত্তর- উত্থিত অবস্থায় / উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গ ৩.৫ ইঞ্চির চেয়ে বেশি হলে তা স্বাভাবিক।
.
★ উত্থিত অবস্থা ছাড়া / উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া আমার লিঙ্গ খুব ছোট হয়ে থাকে । কি করব ?
উত্তর- কথিত অবস্থা ছাড়া বা উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া লিঙ্গ ছোট হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। দেখতে হবে ঠিকভাবে উত্থান হয় কিনা। ঠিকভাবে উত্থান হলে টেনশনের কোন কারণ নেই।
.
★ লিঙ্গে একটা মালিশ ব্যবহার করতে চাই , ভালো কোম্পানির একটা মালিশের নাম বলে দেন
উত্তর- পৃথিবীতে যত লিঙ্গের মালিশ আছে , তা লিঙ্গ বড় করা অথবা মোটা করা অথবা দীর্ঘ করার জন্য কোন কাজ করে না । তাই কোন মালিশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
.
★ দেশের বড় বড় নামকরা কয়েকটি কোম্পানি লিঙ্গ বড় করার , বক্রতা দূর করার , ও মজবুত করার জন্য ক্রিম বা তেল বাজারে নিয়ে এসেছে । আপনি বললেন এগুলো কোন কাজ করে না তাহলে তারা কেন নিয়ে আসলো ?
উত্তর- তারা কেন নিয়ে আসছে উত্তর আমার কাছে নাই । তাদের কাছে আছে। তবে আমরা বুঝি এ বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলছে তা। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে কোন মালিশ বা অয়েল/ তেল লিঙ্গ বড় বা মোটা করতে পারেনা। আমার প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দেখেছি ,এই তেল বা মালিশ বা ক্রিম রোগীকে মানসিক তৃপ্তি প্রদান করে ,মানসিক প্রশান্তির জন্য দেয়া যায় কিন্তু এর দ্বারা কোন রেজাল্ট আসে না।
.
★ লিঙ্গ আগা মোটা গোড়া চিকন , এ সমস্যার জন্য কি করব ?
উত্তর - এটা কোন সমস্যা না। স্বাভাবিক। এর জন্য কোন মেডিসিন ব্যবহার করতে হবে না।
.
★আমার লিঙ্গ এক দিকে একটু বাকা , এর জন্য কি ওষুধ ব্যবহার করব ?
উত্তর- লিঙ্গ একটু বাঁকা এটা পার্সোনাল লাইফে কোন সমস্যা করবে না , এটার জন্য কোন মেডিসিন প্রয়োজন নেই।
.
★ গরমে আমার অন্ডকোষ ঝুলে যায়। এটাকি কোন রোগ ?
উত্তর- অন্ডকোষ গরমে ঝুলে যাবে আবার ঠান্ডায় বা শীতে ছোট হয়ে যাবে । এটাই স্বাভাবিক।
.
★ আমার বীর্য পাতলা হয়ে গেছে। আমি কি বাবা হতে পারব ?
উত্তর - বীর্য পাতলা অথবা ঘন হওয়ার সাথে বাবা হওয়ার সম্পর্ক নেই। বিশ্বের মধ্যে শুক্রের পরিমাণ, গুণগত মান ঠিক আছে কিনা তার উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা। সিমেন এনালাইসিস নামের একটা বীর্য পরীক্ষা আছে। যা চাইলে করে দেখতে পারেন আপনার বাসার পাশের কোন ভাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনি বাবা হতে পারবেন কি পারবেন না।
.
★ সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন করি , আমার কি কোনো সমস্যা হবে ?
উত্তর- মেডিকেল সাইন্স বলে পরিমিত (সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন ) করলে শারীরিক কোনো সমস্যা হয় না। কোন কোন ক্ষেত্রে যৌন সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে হস্তমৈথুনকে ব্যবহার করা হয়। তবে যেহেতু হস্তমৌথুন একটি অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া , তাই অতিরিক্ত অবশ্যই খারাপ।
.
ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম। তাই , হস্তমৈথুন করবেন না । ধর্মীয় অনুশাষন ও বিধি-বিধান মেনে চলুন। দ্রুত বিয়ে করে ফেলুন ।
.
★ আমি আগে অনেক হস্তমৈথুন করেছি, এখন আর করিনা । কি করলে আগের হস্তমৈথুনজনিত গ্যাপ পূরণ হবে।
উত্তর- হস্তমৈথুন জনিত গ্যাপ বলতে কিছু নাই । আপনি ,১) টেনশন ফ্রি থাকুন ২) পুষ্টিকর খাবার খান ৩) সকালে ও রাতে চার/পাঁচটা খোরমা খেজুর 2 চা চামচ খাঁটি মধু সহ খাবেন।
.
★ আমার একটু যৌন দুর্বলতা মনে হচ্ছে , আমি কি খেতে পারি ?
আপনি ,১) অশ্বগন্ধা চূর্ণ ২) শিমুল মূল চূর্ণ ৩) শতমূলী চূর্ণ ৪) তেতুল বীজ চূর্ণ একসাথে সবগুলো মেশাবেন। একসাথে বিছানোর পর এখান থেকে 2 চা চামচ পাউডার 2 চা চামচ মধুর সাথে মিশাবেন , মিশিয়ে হালুয়ার মতো তৈরি করে ফেলবেন। সকালে খাবার পর খাবেন ও রাতে খাবার পর খাবেন।
ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়া যাবে না , উচ্চ রক্তচাপ থাকলে 2 চা চামচ এর জায়গায় চূর্ণ 1 চা-চামচ খেতে হবে।
.
★ মাসিক চলাকালীন সময়ে কি স্ত্রী সহবাস করা যাবে ?
উত্তর - ইসলাম ধর্মে ও মেডিকেল সাইন্স এ মাসিক চলাকালীন সময়ে সহবাস করা নিষিদ্ধ।
.
★ গর্ভ অবস্থায় কি আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারব ?
উত্তর- প্রথম তিন মাস ও শেষের তিন মাস সহবাস করা যাবে না। এরমধ্যে এর সময় সহবাস করা যাবে তবে তা খুব সতর্কতার সাথে।
.
★ রাস্তায় পোস্টার / কেবল টিভির ডিশ এর বিজ্ঞাপনে / ইদানিং ফেসবুকে ইউটিউবে দেখা যায় বিভিন্ন হারবাল/আয়ুর্বেদিক/ইউনানী/হোমিও প্রতিষ্ঠান চুক্তিতে , গ্যারান্টি দিতে চিকিৎসা করে।এমনকি তারা বলে 3 দিনে অথবা 7 দিনে 100% গ্যারান্টি তে রোগ ভালো করে দেবে তারা। তাদের কাছে কি যাওয়া যাবে ?
উত্তর- মেডিকেল আইন অনুযায়ী 100% গ্যারান্টি অথবা চুক্তিতে 3 দিন বা 7 দিনে চিকিৎসা করা বা এজাতীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা বেআইনি। যারা এগুলো করে তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা করার জন্য এমন মুখরোচক কথা দিয়ে বিজ্ঞাপন করে। তাদের কাছে যাওয়া যাবে না। এমনকি ইদানিং ফেসবুকে বা ইউটিউবে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট বিভিন্ন দেশের নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এগুলোর কোন সাইডএফেক্ট নাই। এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে । এগুলো উপকার করতে পারবে না উল্টা ক্ষতি করবে। আজীবনের জন্য যৌন অক্ষমতা তৈরি করে ফেলবে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান , ফুড সাপ্লিমেন্ট/ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট ,ওষুধগুলো।
.
★ আমি মোটা হতে চাই,স্বাস্থ্য ভালো করার জন্য একটি ওষুধের নাম বলে দিন ?
উত্তর- পৃথিবীতে মোটা হওয়ার জন্য সত্তিকারের কোনো ওষুধ নেই। বাজারে মোটা হওয়ার জন্য যেসকল ওষুধ আছে বা রুচিবর্ধক যেসকল ওষুধ আছে তা সব কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা। এতে স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়েছে । মোটা হতে চাইলে আগে দেখতে হবে পেটের বা হজমের কোন সমস্যা আছে কিনা , হজমের সমস্যা দূর করার পর প্রচুর পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বেশি করে ভাত, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস/গোস্ত , দুধ , ছোলা বুট সিদ্ধ করা খেতে হবে। সাথে দেশি ফল খেতে হবে। পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখতে হবে প্রতিবার খাবারের সাথে। এরপরেও যদি স্বাস্থ্য ভালো না হয় তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে সরাসরি দেখা করতে হবে। কিন্তু বাজার থেকে নিজে নিজে স্বাস্থ্য মোটা করার কোন ওষুধ খাওয়া যাবেনা।

.
এই তথ্যগুলো অনেকে জানে না । তাই লজ্জা না পেয়ে লেখাটি শেয়ার করুন।
.
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক

Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Hijama/ Cupping Therapist
Advanced Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
.
আমার ২টি চেম্বার:
1️⃣ ধামরাই ইসলামপুর চেম্বার:
এ-৩৮/১ , ইসলামপুর, ধামরাই, ঢাকা
( নবীনগর স্মৃতিসৌধের পাশে, ধামরাই ইসলামপুর সরকারি হাসপাতাল ও গোডাউন মোড়ের মাঝে আমবাগান মসজিদের গলি )
সোম,মঙ্গল,বুধ,বৃহস্পতি,শুক্র সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা

2️⃣ সাভার চেম্বার:
সি - ৯৮ (২য় তলা ), ফ্ল্যাট # ডি,মজিদপুর রোড, সাভার ,ঢাকা
( অন্ধ মার্কেটের দক্ষিণ পাশে, স্বপ্ন সুপারশপ এর সাথে,মজিদপুর রোড, আল বারাকা সুপার মার্কেটের অপজিটে)
শনি ও রবি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা

বিঃ দ্রঃ সাক্ষাতের আগে অবশ্যই ফোন দিয়ে সময় নিয়ে আসতে হবে ।
.
🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!

আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712-859950

এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
.
আমার ওয়েবসাইট:
www.faijulhuq.com

www.faijulhuq.info
.

🟩 আমার কাছে চিকিৎসা নেওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো পড়ুন:

★ আমি কোন গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসা করিনা।

★ আমার কাছে সব রোগী ভালো হয় না , পৃথিবীতে এমন কোন ডাক্তার নাই যার কাছে সকল রোগী ভালো হয় ।
১০ জন রোগীর মধ্যে যদি ৮ রোগী আমার চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয় , তাহলে এই ৮ জন রোগীর কাছে আমি অনেক ভালো ডাক্তার কিন্তু বাকি যে ২ জন রোগী ভালো হয়নি তাদের কাছে আমি চরম খারাপ ডাক্তার। এটা শুধু আমার বেলায় না সকল ডাক্তারদের বেলায় প্রযোজ্য।
আমার চিকিৎসার অভিজ্ঞতা ২৩ বছর , এই ২৩ বছরে যেমন অনেক রোগী আমার চিকিৎসায় ভালো হয়েছেন তেমনি অনেক রোগী ভালো হননি ।

★ আমি যে ওষুধ দেই তা ন্যাচারাল মেডিসিন হওয়ার কারণে দ্রুত রেজাল্ট পাওয়া যায় না , ধৈর্য ধরে ওষুধ খেতে হয় । যারা এখন খাবেন এখন ভাল হবেন এই টাইপের রেজাল্ট চান তারা আমার কাছে না আসলে ভালো । চিকিৎসার ক্ষেত্রে যার ধৈর্য্য আছে আমার কাছে তারা দেখা করতে পারেন ।

★ সকল রোগ ওষুধে ভালো হয় না (যেমন কিছু সাইকোসেক্সুয়াল ডিস্ফাংশন ) এক্ষেত্রে কাউন্সিলিং , মনো চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তখন সময় আরো বেশি লাগে ।
★আমার সাথে সাক্ষাতের আগে অবশ্যই একটা কাগজে ভালো করে আপনার সকল সমস্যা লিখে নিয়ে আসতে হবে , পূর্বের কোন চিকিৎসার কাগজপত্র থাকলে তাও সাথে করে নিয়ে আসতে হবে ।

★ কিছু কিছু রোগের চিকিৎসা আমি করিনা , যেমন- দাত এর চিকিৎসা করিনা , পিত্তথলির পাথরের চিকিৎসা করিনা , মোটা হওয়ার কোন ওষুধ দেইনা , টাক মাথায় চুল গজানোর জন্য কোনো ওষুধ দেই না । এরকম আরো অনেকগুলো সমস্যা আছে । কি কি রোগের চিকিৎসা করা হয় তা দেখার জন্য কমেন্টে দেওয়া আমার ওয়েবসাইটের লিংক ক্লিক করুন।

★ চেম্বারে সরাসরি রোগী দেখি , অনলাইনেও রোগী দেখি (ভিজিট প্রযোজ্য )
আপনি যদি নিজের কাজ করার ক্ষমতা বাড়াতে চান এবং জীবনকে আরও গুছিয়ে নিতে চান, তবে এই বইগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে।

১. Atomic Habits (অ্যাটোমিক হ্যাবিটস) - জেমস ক্লিয়ার:
এই বইটি মূলত ছোট ছোট অভ্যাসের শক্তি নিয়ে। লেখক দেখিয়েছেন কীভাবে প্রতিদিন মাত্র ১% উন্নতি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদে বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে। এটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করে ভালো অভ্যাস গড়ার একটি কার্যকরী নির্দেশিকা।

২. Deep Work (ডিপ ওয়ার্ক) - ক্যাল নিউপোর্ট:
বর্তমান যুগে আমরা সবসময় স্মার্টফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে বিভ্রান্ত (distracted) থাকি। এই বইটি শেখায় কীভাবে গভীর মনোযোগ দিয়ে কঠিন কাজগুলো দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে শেষ করা যায়। মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল শিখতে এটি সেরা বই।

৩. The 5 AM Club (দ্য ফাইভ এএম ক্লাব) - রবিন শর্মা:
সকাল ৫টায় ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা নিয়ে এই বইটি লেখা। লেখক একটি কাল্পনিক গল্পের মাধ্যমে দেখিয়েছেন কীভাবে ভোরে ঘুম থেকে উঠে দিনের প্রথম সময়টা নিজের শরীরের ও মনের যত্নে ব্যয় করলে সারাদিন অনেক বেশি কাজ করা সম্ভব।

৪. Indistractable (ইন্ডিস্ট্র্যাক্টেবল) - নির ইয়ার:
আমরা চাইলেও অনেক সময় কাজে মন দিতে পারি না। এই বইটিতে লেখক আলোচনা করেছেন কেন আমরা বারবার বিভ্রান্ত হই এবং কীভাবে নিজের মনোযোগের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া যায়। প্রযুক্তির এই যুগে এটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি বই।

৫. Essentialism (এসেনশিয়ালিজম) - গ্রেগ ম্যাককিউন:
সব কাজ করার চেষ্টা না করে শুধুমাত্র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে মনোযোগ দেওয়াই হলো এসেনশিয়ালিজম। এই বইটি আপনাকে শেখাবে কীভাবে অপ্রয়োজনীয় কাজগুলোকে 'না' বলতে হয় এবং নিজের শক্তি সঠিক জায়গায় খরচ করতে হয়।

৬. Eat That Frog! (ইট দ্যাট ফ্রগ!) - ব্রায়ান ট্রেসি:
যাঁদের কাজ জমিয়ে রাখার (Procrastination) অভ্যাস আছে, তাঁদের জন্য এই বইটি। বইটির মূল কথা হলো— দিনের সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সবার আগে শেষ করে ফেলুন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং বাকি কাজগুলো সহজ মনে হবে।

৭. The 80/20 Principle (দ্য ৮০/২০ প্রিন্সিপল) - রিচার্ড কখ:
এই নিয়মটি হলো— আমাদের জীবনের ৮০ শতাংশ ফলাফল আসে মাত্র ২০ শতাংশ কাজ থেকে। এই বইটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ২০ শতাংশ কাজ আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আপনি কম পরিশ্রমে বেশি সাফল্য পেতে পারেন।

এই বইগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, বরং বইয়ের কৌশলগুলো জীবনে প্রয়োগ করলে আপনি ২০২৬ সালে নিজেকে আরও দক্ষ এবং সফল হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।
_______
২০ শতকের শেষ দিকে, সরকারি বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও আইন পাস করা হচ্ছিল পরিবেশ ও মানুষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু নিওলিবারেল অর্থনীতির জনক মিলটন ফ্রিডম্যান ব্যাপারটাকে ভিন্নভাবে দেখেছিল। তার মতে, এই বিধিনিষেধগুলো শুধু বিভিন্ন করপোরেশনকে ক্ষতিগ্রস্থই করছে না, বরং তাদের এমন কিছু করতে বাধ্য করছে যা তাদের করার কথা না। তার মত হলো, এই করপোরেশনগুলোর একমাত্র সামাজিক দায়িত্ব তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মুনাফা সঞ্চার করা!

১৯৮৫ সালে পরিবেশসচেতনতা ছড়িয়ে দিতে একটি বিজ্ঞাপনের সিরিজ বের হয়, যার নাম 'পিপল ডু ক্যাম্পেইন'। ১৯৯১ সালে এই বিজ্ঞাপনের সিরিজটি পুরস্কারও লাভ করে!
কিন্তু একটু হাত ঢুকালেই বের হয়ে আসে থলের বেড়াল!
এ ধরনের ক্যাম্পেইন মূলত বড় বড় কিছু কোম্পানির ঘটানো মারাত্মক পরিবেশ দূষণ লুকানোর অস্ত্র!
১৯৮৫ সালে শেভ্রন নামক তেল কোম্পানির শোধনাগার থেকে মিলিয়ন ব্যারেল তেল লিক হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৮ তাদের আরেকটি প্লান্ট থেকে বি/ষা/ক্ত পদার্থ নির্গমনের অভিযোগ আসে। আবার ১৯৯১ সালে Clean water & clean air act এর মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হয়!
ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া পাবলিক ইমেজ রক্ষা করার জন্য ওরা বছরে মিলিয়ন ডলার খরচ করে এসব ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে!

এ ধরনের ক্যাম্পেইন বিভিন্ন করপোরেশনের জন্য অনেক কমন, যদি সেটা মাল্টিন্যাশনাল কোনো করপোরেশন হয়। তারা বিক্রি বাড়ানোর জন্য এবং ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করার জন্য গ্রিনওয়াশিং করে থাকে, পরিবেশ নিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে। অথচ পরিবেশ ধ্বংসের পেছনেই ওদের ভূমিকা ব্যাপক!

যেকোনো প্রকৃত পরিবর্তন, যেকোনো কার্যকর একশনের মানে হলো পুঁজিবাদী এই ধারাকে পরিবর্তন করে ফেলা। প্রকৃত সমাধান যেমন- স্থানীয় স্বনির্ভর উৎপাদন, কৃষি অর্থনীতি, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি এসবের মানে হলো মুনাফার চেয়ে মানুষ ও পরিবেশকে প্রাধান্য দেওয়া। এ সবকিছুই কোম্পানিগুলোর জন্য দুর্যোগ বয়ে আনবে!
তাই বিভিন্ন বড় কোম্পানিদের যখন আপনি মনভুলানো পিআর ক্যাম্পেইন ও মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ নিয়ে ভাবতে দেখবেন তখন যা বুঝার বুঝে নিতে হবে!
যদি এসব কোম্পানি নানা কৌশলে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে যে ওরা ভালো কিছু করছে, তখন ওরা এই সুযোগে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে!

এটাই নিওলিবারেলিজম, যা মূলত নিয়ন্ত্রণবিহীন মুক্তবাজার অর্থনীতির থিওরি প্রদান করে। যেটা বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভিত্তি। এর মূল বক্তব্য হলো, সবকিছুর ওপরে মুনাফা!
যার কারণে ওদের কাছে করপোরেট মুনাফা বৃদ্ধির স্বার্থে গ্রিনওয়াশিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা খারাপ কিছুনা!
পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে একটি কোম্পানির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো শেয়ারহোল্ডার ও পুঁজিবাদী শ্রেণির জন্য মুনাফা অর্জন করা। এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে, নীতিনৈতিকতার বালাই রেখে পরিবেশ ও মানুষের জন্য কিছু ছেড়ে দেওয়া মানেই আরো কম ইনভেস্টর, কম মুনাফা এবং শেষমেষ দেউলিয়াত্ব!

আজ জনগণ গ্রিনওয়াশিং, ক্লিনওয়াশিং এর শিকার!
এই ওয়াশিং এমন এক মগজ ধোলাই প্রক্রিয়া, যেখানে ভোক্তার সামনে যেকোনো পণ্যকে অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব কিংবা প্রাকৃতিক হিসেবে দেখানো হয় কিন্তু আসলে পণ্যটি সে রকম নয়, ক্ষেত্রবিশেষে উল্টোটিও হতে পারে!

ক্লিনওয়াশিং সাধারণত স্কিন কেয়ার, হাইজিন এবং মেকআপ পণ্যগুলোতে ব্যবহৃত হয়। এই কৌশলের মাধ্যমে একটি পণ্যকে ‘ক্লিন’, ‘নন-টক্সিক’, ‘ন্যাচারাল’ ইত্যাদি বলা হয়; অথচ এই দাবির পেছনে সুনির্দিষ্ট উপাদান বা তথ্য দেওয়া হয় না।

বড় বড় কোম্পানি কেবল শব্দের খেলায় নিজেদের পণ্যকে ‘ক্লিন’ দাবি করে থাকে। অনেক সময় পণ্যের গায়ে বড় করে লেখা থাকে ‘প্যারাবেন ফ্রি’, যা দেখে ক্রেতার মনে স্বস্তি তৈরি হবে।
কিন্তু একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, ঐ একই পণ্যের ইনগ্রেডিয়েন্টসে ‘ফ্র্যাগরেন্স’ বা ‘পারফিউম’ উল্লেখ করা হয়েছে। এই এক শব্দের আড়ালেই লুকিয়ে থাকতে পারে শত শত কেমিক্যাল, যেগুলোর নাম প্রকাশে একটা কোম্পানির কোনো বাধ্যবাধকতা নেই! এর মধ্যে অনেক উপাদান আবার মানুষের হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটার কিংবা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে!

আবার অনেক ব্র্যান্ড দাবি করে, তাদের মাসকারা বা অন্যান্য মেকআপ পণ্য ‘ন্যাচারাল’। কিন্তু আসলে সেগুলোতে রং বা ঝলমলে ভাব আনার জন্য ব্যবহৃত হয় মাইকা বা অন্যান্য খনিজ উপাদান, যা প্রাকৃতিক হলেও পরিবেশবান্ধব নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশু শ্রমের মাধ্যমে এসব আহরণ করা হয়!

এছাড়া কিছু কিছু পণ্যে লেখা থাকে ‘প্রোপ্রাইটারি ব্লেন্ড’ বা ‘বিশেষ মিশ্রণ’, যেটা আসলে পন্যের রাসায়নিক উপাদান সিক্রেট রাখার কৌশল। এভাবে ব্র্যান্ডটি বলে দেয়, তারা সব উপাদান দেখাতে পারবে না; কারণ এটি তাদের নিজস্ব ফর্মুলা!
অথচ এতে গ্রাহকগণ বুঝতেই পারেন না, তাদের ত্বক বা শরীর কিসের কিসের সংস্পর্শে আসছে! আর সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বি/ষা/ক্ত কিনা!
অনেক তথাকথিত 'হারবাল', ‘ন্যাচারাল’ বা ‘ক্লিন’ ব্র্যান্ডের পণ্যে এমন উপাদান থাকে, যেগুলো শরীরের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে। এগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান হরমোনের ভারসাম্য বিনাশ, ত্বকে জ্বালাভাব, চুলকানি বা অ্যালার্জির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে; এমনকি কিছু উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে!
গ্রাহক যখন এসব পণ্যকে নিরাপদ মনে করে নিয়মিত ব্যবহার করে, তখন ক্ষতিটা আরও চরমে পৌঁছায়!

অর্গানিক ফুড, হারবাল মেডিসিন, হার্বাল কসমেটিকস, পিওর ফুড, মিনারেল ওয়াটার, ইকো ফ্রেন্ডলি প্রোডাক্ট এসব শব্দর সঙ্গে মোটামুটি সবাই পরিচিত।
সুন্দর মোড়ক, সবুজ রং কিংবা ‘ন্যাচারাল, ‘নন-টক্সিক’, ‘ক্লিন’ জাতীয় শব্দ দেখে সবাই আশ্বস্ত হয়।
কিন্তু ভেতরের উপাদান বা প্রস্তুতের প্রক্রিয়া নিয়ে সচেতন না হলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

গ্রিনওয়াশিং এভাবেই সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে। লোকে মনে করে, তারা যেসব পণ্য ব্যবহার করছেন, সেগুলো স্বাস্থ্যকর, প্রাকৃতিক বা পরিবেশবান্ধব। অথচ বাস্তবে তারা হয়তো প্রতিদিনই ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করছে নিজেদের অজান্তে।

ভদ্দরনোকদের আবার ব্র‍্যান্ড ছাড়া চলে না! অন্তত যেকোনো পণ্য কেনার আগে পুরো উপাদান তালিকা খুঁটিয়ে দেখা জরুরি। অনেক কোম্পানি ‘ফ্র্যাগরেন্স’, ‘প্রোপ্রাইটারি ব্লেন্ড’ বা ‘বোটানিক্যাল কমপ্লেক্স’ এই ধরনের অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করে স্বচ্ছতাকে পুরোপুরি এড়িয়ে যায়। এগুলোর ভেতরে অসংখ্য কেমিক্যাল লুকিয়ে থাকতে পারে, যেগুলোর প্রভাব আপনার শরীর বা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই যদি কোনো ব্র্যান্ড উপাদান গোপন রাখে কিংবা খোলামেলা তথ্য না দেয়, তাহলে বর্জন করাই উত্তম।

পণ্যের মোড়কে ‘ন্যাচারাল,’ ‘বোটানিক্যাল’, ‘কেমিক্যাল-ফ্রি’, ‘নন-টক্সিক’ এই ধরনের শব্দ অনেক সময় চোখে পড়ে। আসলে এই শব্দগুলোর বেশির ভাগের কোনো নির্দিষ্ট আইনগত সংজ্ঞা নেই। অর্থাৎ, কোনো ব্র্যান্ড চাইলে নিজের ইচ্ছেমতো শব্দগুলো ব্যবহার করতে পারে, কোনো সার্টিফিকেশন ছাড়াই।

Captain Green
মোহাম্মদ বাহ আববা (Mohammed Bah Abba) ছিলেন নাইজেরিয়ার একজন শিক্ষক এবং উদ্ভাবক।
তিনি দেখলেন যে, তার দেশের অনেক দরিদ্র পরিবার, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষ, বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় খাবার সংরক্ষণ করতে পারছেনা। খাবার দ্রুত পচে যাওয়ার কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতো। এই সমস্যার সমাধান বের করতে গিয়ে তিনি আবিষ্কার করেন জিয়ার পট কুলার (Zeer Pot Cooler)। তিনি আফ্রিকার প্রচণ্ড গরমে খাবার সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখার উপায় হিসেবে এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।

জিয়ার পট কুলারের মূল কার্যনীতি হলো বাষ্পীভবনীয় শীতলীকরণ (Evaporative Cooling)। এটি দুইটি মাটির পাত্র দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি দুটি মাটির পাত্রের মধ্যে বালি এবং পানি ব্যবহার করে পানির বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শীতলীকরণ প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে, যা বিদ্যুৎবিহীন প্রাকৃতিক রেফ্রিজারেশন সিস্টেম হিসেবে কাজ করে।

জিয়ার পট তৈরির ধাপগুলো হলোঃ
- একটি ছোট মাটির পাত্র এই পাত্রের চেয়ে বড় মাটির পাত্রের ভেতরে বসানো হয়।
- এই দুই পাত্রের মাঝখানে বালি ভরে পানি ঢালা হয়।
- কুলার সচল হলে পানি তাপ শোষণ করে বাষ্পীভূত হতে শুরু করে, ফলে ভেতরের পাত্র ঠান্ডা হয়ে যায়।
- এর ফলে পাত্রের ভেতরের খাদ্যপণ্য যেমন শাকসবজি, দুধ, মাংস ইত্যাদি দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে।

সাধারণত যেখানে খাবার ১-২ দিনের বেশি টিকে না, সেখানে জিয়ার পট কুলার ব্যবহারের ফলে ফলমূল, শাকসবজি ও দুগ্ধজাত পণ্য প্রায় ১০-২০ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। বিদ্যুৎবিহীন গ্রামাঞ্চলের জন্য এটি একটি সস্তা ও কার্যকর পদ্ধতি। এটি কোনো বিদ্যুৎ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করে না, ফলে এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব।

১৯৯৫ সালে মাটির পাত্রের রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তি- জিয়ার পট কুলার (Zeer Pot Cooler) সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন নাইজেরিয়ার এই উদ্ভাবক মোহাম্মদ বাহ আববা। মোহাম্মদ বাহ আববার এই উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পায়। ২০০১ সালে তিনি Rolex Award for Enterprise পুরস্কার লাভ করেন। এই অর্থ দিয়ে তিনি নাইজেরিয়ার গ্রামাঞ্চলে জিয়ার পট কুলার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেন, যা অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নত করতে সাহায্য করে।

মোহাম্মদ বাহ আববার উদ্ভাবিত এই জিয়ার পট কুলার বিদ্যুৎবিহীন জায়গায় খাবার সংরক্ষণের একটি আশ্চর্যজনক সমাধান। এটি শুধুমাত্র নাইজেরিয়ায় নয়, বরং বিশ্বের অনেক দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।
তবে, বাষ্পীভবনীয় শীতলীকরণ প্রযুক্তি নতুন কিছু নয়, এটি প্রাচীন মিশরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের সভ্যতায় ব্যবহৃত হতো। মোহাম্মদ বাহ আববা এটিকে আধুনিক রূপ দেন এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করেন।
প্রাচীন মিশরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সভ্যতায় এই ধরনের কৌশল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু আধুনিক সময়ে এটিকে জনপ্রিয় করেন মোহাম্মদ বাহ আববা।

জিয়ার পট (Zeer Pot) নামটিও এসেছে আরবি শব্দ Zeer থেকে, যার অর্থ হলো মাটির পাত্র।
মোহাম্মদ বাহ আববা যখন এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন, তখন তিনি প্রাচীন মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের মাটির পাত্রভিত্তিক কুলিং সিস্টেম থেকে অনুপ্রাণিত হন। মধ্যপ্রাচ্যে এবং উত্তর আফ্রিকায় পানি ঠান্ডা রাখতে বহু শতাব্দী ধরে জির" (Zir) বা জিয়ার (Zeer) নামে মাটির পাত্র ব্যবহার করা হতো। এই ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে তিনি তার উদ্ভাবনের নাম Zeer Pot Cooler রাখেন।

Captain Green
এই আর্টিকেলে লেখক ৬০ জন সফল ব্যক্তির সাথে কথা বলে ১১টি অভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন, যা তাদের জীবন বদলে দিয়েছে।

১. দিন শুরু করার জন্য একটি সহজ রুটিন রাখা:
সফল ব্যক্তিরা খুব জটিল কিছু করেন না, বরং প্রতিদিন একই কাজ ধারাবাহিকভাবে করেন। যেমন: ঘুম থেকে উঠে পানি পান করা, হাত-পা টানটান (stretch) করা বা বিছানা গোছানো। এটি আপনার মস্তিষ্ককে দিনের শুরুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাড়তি চাপ থেকে মুক্তি দেয়।

২. আগের রাতে পরের দিনের পরিকল্পনা করা:
দিনের শেষে মাত্র ৫ মিনিট সময় নিয়ে পরের দিনের ৩টি প্রধান কাজ লিখে রাখুন। এতে সকালে ঘুম থেকে উঠে কী করবেন তা নিয়ে দ্বিধায় ভুগতে হয় না। প্রয়োজনীয় জিনিস (যেমন- ব্যাগ বা কাপড়) রাতেই গুছিয়ে রাখা ভালো।

৩. ঘুমকে গুরুত্ব দেওয়া:
তারা ঘুমকে একটি জরুরি অ্যাপয়েন্টমেন্টের মতো দেখেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং শোবার আগে স্ক্রিন (ফোন/ল্যাপটপ) থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেন।

৪. প্রতিদিন শরীরচর্চা বা নড়াচড়া করা:
বিশাল জিম সেশন নয়, বরং নিয়মিত ১০ মিনিট হাঁটা বা স্ট্রেচিং করার ওপর তারা জোর দেন। আসল উদ্দেশ্য হলো শরীরকে সচল রাখা, তা যত অল্প সময়ের জন্যই হোক না কেন।

৫. শক্তি বজায় রাখার মতো খাবার খাওয়া:
যাতে কাজের মাঝে ক্লান্তি না আসে, সে জন্য তারা প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেছে নেন এবং সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করেন।

৬. শুরুতেই একটি কঠিন কাজ শেষ করা:
দিনের শুরুতেই সবচেয়ে বড় বা কঠিন কাজটি করে ফেললে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং সারাদিন আর সেই কাজের দুশ্চিন্তা থাকে না।

৭. ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা:
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা এবং ফোনের হোম স্ক্রিন থেকে আসক্তিকর অ্যাপগুলো সরিয়ে রাখা। ফোনে স্ক্রল না করে নিজের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা।

৮. সময়ের স্পষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা:
কখন কাজ করবেন আর কখন বিশ্রাম নেবেন, তার নির্দিষ্ট সময় থাকা উচিত। অন্যদের 'না' বলতে শেখা এবং নিজের বিশ্রামের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

৯. নিয়মিত নতুন কোনো দক্ষতা শেখা:
খুব বড় কিছু নয়, বরং প্রতিদিন অল্প অল্প করে কোনো নতুন বিষয় (যেমন- রান্না, ভাষা শেখা বা বই পড়া) শেখার অভ্যাস গড়ে তোলা।

১০. গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোতে বিনিয়োগ করা:
অসংখ্য মানুষের সাথে নয়, বরং কাছের কয়েকজন বিশ্বস্ত মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা। সপ্তাহে অন্তত একবার প্রিয়জনের খোঁজ নেওয়া মানসিক প্রশান্তি দেয়।

১১. সাপ্তাহিক 'রিসেট' বা পর্যালোচনা করা:
সপ্তাহের শেষে একবার নিজের ঘর বা কাজের টেবিল গোছানো এবং আগামী সপ্তাহের কাজের তালিকা মিলিয়ে নেওয়া। এটি নতুন সপ্তাহে কাজ শুরু করা সহজ করে দেয়।

সফল হওয়ার জন্য কোনো জাদুকরী মন্ত্র নেই। ছোট ছোট অভ্যাস প্রতিদিন ধারাবাহিকভাবে পালন করাই হলো আসল রহস্য।
_______
সূত্র: কটনউড সাইকোলজি
আপনারা কোনদিন কোন ধর্ষকের বউকে বলতে শোনেন নাই যে তার জামাই নির্দোষ,সব মেয়ের দোষ?মেয়ে ফাসিয়েছে?

পার্টনার কে নাক মুখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা একটা অপরাধ। নিজের জন্য সবার জন্য। তাহলে কি পার্টনারকে বিশ্বাস করবো না?? করবো কিন্তু কখন প্রশ্ন করবো সেটাও জানতে হবে।

তবে আমার ধারণা অধিকাংশ বাংগালি মহিলারা সেটা জানে না। তাদের কাছে জামাইরা কোনদিন চরিত্রহীন না। জামাই পরকীয়া করেছে? ওই বেডির দোষ। জামাই রেপ করেছে? মেয়ের চরিত্র খারাপ। জামাই মেরেছে? আমার নিজের দোষ। জামাই ইভটিজার? মেয়ের পোশাক খারাপ

আজকে যখন এই পার্ভাটের বউ সাপোর্ট করলো আমি মোটেই অবাক হইনি। এই রিয়াকশনই স্বাভাবিক। মেয়েরা টয়লেটে গেলো কেন - এই কথা যে বলে নাই তাতেই বরং অবাক হয়েছি। বাসা থেকে টয়লেট করে আসবে এবং বাসায় যেয়ে টয়লেট করবে।

এই মেয়ে একদম জেনেরিক রেসপন্স করেছে।

এমন সাপোর্টিভ না হলে,প্রশ্ন করলে আবার আপনারাই গালি দেন যে মেয়েরা taka cara kecu chene na,hasband ke sapot dei na
মধুকে বিশুদ্ধ পানিতে মিশিয়ে মধু পানি (Honey Water) তৈরি করা হয়, যা প্রিয় নবীজি (সাঃ) পান করতেন। শরবতুল আসাল বা মা'উল আসাল বা মধু পানি (Honey Water) একটি সুন্নাহসম্মত পানীয় এবং প্রাকৃতিক ওষুধ।

মধু সম্পর্কে ইসলামের প্রসিদ্ধ পণ্ডিতগণ বিভিন্ন সংকলনে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেছেন। ইমাম বুখারী, ইমাম তিরমিযী, ইমাম সুয়ূতী, ইমাম ইবনে কাইয়্যিম'সহ বহু ইসলামিক পণ্ডিত মধুকে সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য ও ঔষধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী (রহ.) তাঁর গ্রন্থ তিব্বে নববী-তে বলেছেন, "মধু হলো খাবারের খাবার, পানীয়ের পানীয় এবং ঔষধের ঔষধ। এটি শরীরের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য এবং সর্বোত্তম চিকিৎসা।"

আমরা সকলেই জানি কুরআন ও হাদিসে মধুর বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। মধুর উত্তম উত্তম উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানলেও খুব কমই এটি ব্যবহার করি এবং প্রায়ই প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে ভুলে যাই। মধুর প্রকৃত উপকারিতা কেবল নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমেই পাওয়া যায়। মধু ব্যবহারের একটি রুটিন তৈরি করলে আপনি এটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারবেন। সকালে-রাতে হানি ওয়াটার পানের মাধ্যমে আপনি এমন একটা রুটিন অনুসরণ করতে পারেন।

মধু বলতে অবশ্যই আপনাকে বুঝতে হবে কাঁচা মধু (Raw Honey), কর্পোরেট ব্র্যান্ডেড মধু নয়। কাঁচা মধু সরাসরি মৌচাক থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং প্রসেস বা উচ্চ তাপমাত্রায় গরম করা হয় না। তাই এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম, ভিটামিন, মৌমাছির পরাগ এবং প্রোপোলিস অক্ষত থাকে। কাঁচা মধুতে সাধারণত ২২টি অ্যামিনো অ্যাসিড, ২৭টি খনিজ পদার্থ এবং ৫,০০০ রকম এনজাইম থাকে।

ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেছেন—
"নবীজি (ﷺ) খালি পেটে মধু ও পানি পান করতেন, এবং এটি স্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি গোপন রহস্য যা কেবল বুদ্ধিমান ও অনুগ্রহপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই বুঝতে পারে।" (যাদুল মা'আদ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৩৩-৩৪; মাক্তাবাহ শামিলা ডিজিটাল ভার্সন)
"নবীজি (ﷺ) ঠাণ্ডা পানির সাথে মধু মিশিয়ে পান করতেন।" (যাদুল মা'আদ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২০৫; মাক্তাবাহ শামিলা ডিজিটাল ভার্সন)

নবীজি ﷺ এর প্রিয় পানীয়গুলোর মধ্যে একটি ছিল মধু ও ঠাণ্ডা পানির মিশ্রণ (হানি ওয়াটার)। নবীজি ﷺ সকালে খালি পেটে মধু মিশ্রিত পানি পান করতেন। এই মিষ্টি পানীয়টি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নবীজি ﷺ এর সুন্নাহ অনুসরণের একটি অংশ। নবীজি (সাঃ) এর মধু পানি তৈরি করার পদ্ধতি খুবই সহজ ও প্রাকৃতিক ছিল, কোনো জটিল প্রক্রিয়া বা অতিরিক্ত উপাদান ব্যবহার করা হতো না।

হানি ওয়াটার শুধু পানীয় নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক হাইপোটোনিক সলিউশন। যখন মধু পানির সঙ্গে মিশানো হয় তখন এটি পানির অণুগুলোর মধ্যে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে একটি নিম্ন-ঘনত্বের দ্রবণ তৈরি করে। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে- 'হাইপোটোনিক সলিউশন' (Hypotonic Solution)। যা পান করলে কোষের প্লাজমা ঝিল্লির মাধ্যমে দ্রুত শরীরে শোষিত হয় এবং বিভিন্ন উপকার নিয়ে আসে।
মধু পানি পান করলে যে উপকার পাওয়া যায়, সেটিকে বলে- অ্যালকালাইন ইফেক্ট (Alkaline Effect)। হানি ওয়াটার শরীরের পিএইচ লেভেল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে, শরীরের কোষে দ্রুত হাইড্রেশন ও পুষ্টি সরবরাহ করে।

শরবতুল আসাল বা হানি ওয়াটার যেভাবে তৈরি করবেন—
উপকরণ:
- প্রাকৃতিক কাঁচা মধু
- বিশুদ্ধ পানি (ঠাণ্ডা বা হালকা গরম পানি নেয়া যেতে পারে। নবীজি (সাঃ) সাধারণত ঠাণ্ডা/স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতেন)
- দারুচিনি গুঁড়া বা হলুদ গুঁড়া (অপশনাল)

প্রস্তুত প্রণালী:
- এক গ্লাস পানিতে ১-৩ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন।
- আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া বা হলুদ গুঁড়া যোগ করতে চাইলে করুন।
- ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

পান করার সময়:
- সকালে খালি পেটে বা রাতে ঘুমানোর আগে বা ব্যায়ামের পরে পান করুন। নবীজি (সাঃ) সাধারণত সকালে খালি পেটে মধু পানি পান করতেন।
- এটি অসুস্থতা বা দুর্বলতার সময়েও পান করা যেতে পারে।

গুরুত্বপুর্ণ টিপস:
- প্রতিদিন ১-৩ কাপ মধু পানি পান করুন, প্রতি কাপ পানির জন্য ১ চা চামচ মধু ব্যবহার করবেন।
- মধু পানি তৈরির সময় অতিরিক্ত মধু ব্যবহার করা উচিত নয়।
- মধু পানি পান করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অন্য কিছু খাওয়া উচিত, যাতে মধুর পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণভাবে দেহে শোষিত হয়।
- মধু পানি তৈরিতে কৃত্রিম বা প্রসেসড মধু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

মা'উল আসাল বা মধু পানি পানের উপকারিতা:
- অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। মধু ফ্যাট মেটাবলিজম ত্বরান্বিত করে।
- এনার্জি বুস্ট করে। মধুর প্রাকৃতিক শর্করা ও এনজাইম শরীরকে দ্রুত এনার্জি দেয়।
- মধুর এনজাইম, প্রোবায়োটিকস ও ফ্রুক্টোজ হজমশক্তি উন্নত করে। কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক দূর করে এবং গুড ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে।
- মধু পানি গলা ব্যথা ও কাশি উপশমে সাহায্য করে।
- মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রোবায়োটিক উপাদান ইমিউনো-মডুলেশন প্রক্রিয়ায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- সকালে খালি পেটে হানি ওয়াটার পান করলে এটি লিভারের এনজাইমকে উদ্দীপ্ত করে। লিভারের কাজকে সাপোর্ট করে।
- পানিশূন্যতায় (Dehydration) ভুগলে হানি ওয়াটার তাৎক্ষণিক হাইড্রেশন নিশ্চিত করবে।
- মধুর প্রাকৃতিক শর্করা ও এনজাইম পানির সাথে মিশে শরীরে Electrolyte Balance বজায় রাখে। কোষের ভিতরের তরলের সাথে সমন্বয় করে Osmotic Balance তৈরি করে।
- সকালে খালি পেটে হানি ওয়াটার পান করলে এটি দ্রুত মস্তিষ্কে গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং মনোযোগ শক্তি বাড়ায়।

Captain Green
আমরা ছোটবেলা থেকে একটা ভুল ধারণা নিয়ে বড় হই টাকা জমানো শিখুন। কিন্তু সত্যিটা হলো, টাকা জমানো না, বরং টাকা চালানো শিখতে হয়। যা আমাদের সবার জানা উচিত।

টাকা আসলে পানির মতো। একে আটকে রাখলে পচে যায়, আর ফ্লো তে রাখলে জীবন বাঁচায়। এখানে টাকার ৭টি গোপন স্বভাব নিয়ে আলোচনা করছি যা আপনার চিন্তাধারা বদলে দিতে পারে:

- টাকা বসে থাকলে মারা যায়
আপনার কি মনে হয় ব্যাংকে এফডিআর করে বা সেভিংস অ্যাকাউন্টে টাকা ফেলে রেখে আপনি সেফ গেম খেলছেন? ভুল। Inflation বা মুদ্রাস্ফীতি প্রতিনিয়ত আপনার টাকার ভ্যালু কমিয়ে দিচ্ছে। স্থির পানি যেমন পচে যায়, স্থির টাকাও তেমনি তার ক্রয়ক্ষমতা হারায়। টাকা সবসময় মুভিং রাখতে হয়।

- ভলিউম নয়, ভেলোসিটি আসল
অনেকে ভাবেন অনেক টাকা থাকলেই ধনী হওয়া যায়। আসলে তা না। আপনার কাছে ১ কোটি টাকা আছে যা ১০ বছরে একবারও মুভ করেনি এটার চেয়ে ১০ লাখ টাকা যা আপনি বছরে ৫ বার রোলিং করছেন, সেটার পাওয়ার অনেক বেশি। এটাকে বলে Velocity of Money. টাকা কত দ্রুত হাতবদল হচ্ছে বা ব্যবসায় খাটছে, সেটাই আপনার আসল সম্পদ তৈরি করে।

- টাকা স্ট্রাকচার ফলো করে, আশা নয়
আশা করি সামনে ভালো কিছু হবে এই ভরসায় টাকা বাড়ে না। টাকা বাড়ে একটা সলিড সিস্টেম বা স্ট্রাকচারের মাধ্যমে। ধনীরা ইমোশন দিয়ে ইনভেস্ট করে না, তারা সিস্টেম দিয়ে করে। আপনার টাকা কোথায় যাবে, কিভাবে ফেরত আসবে এর একটা পাকা পাইপলাইন থাকতে হবে।

- অলসবান্ধব পরিবেশে টাকা থাকে না
যেখানে গ্রোথ নেই, নতুনত্ব নেই টাকা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আপনি যদি স্কিল ডেভেলপ না করেন, আপনার বিজনেস আপডেট না করেন, তাহলে টাকা আপনার কাছে আসবে না। টাকা সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে Activity আছে।

- প্রোটেকশন ছাড়া টাকা বাষ্প হয়ে যায়
পানি যেমন খোলা পাত্রে রাখলে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, টাকাও সঠিক ম্যানেজমেন্ট ছাড়া হাওয়া হয়ে যায়। বাজে খরচ, অপ্রয়োজনীয় লাক্সারি, আর ভুল ইনভেস্টমেন্ট এগুলো হলো সেই ছিদ্র যা দিয়ে আপনার কষ্টার্জিত টাকা উবে যাচ্ছে।

- স্টোরেজ নয়, ফ্লো বাড়ান
টাকা জমিয়ে পাহাড় বানানোর চেয়ে, টাকার একটা নদী তৈরি করা বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। জমি কিনে ফেলে রাখলেন আর ভাবলেন দাম বাড়বে এটা পুরনো স্কুল। এখনকার স্মার্ট ইনভেস্টররা ক্যাশ ফ্লো-তে বিশ্বাস করে। টাকা যেন প্রতি মাসে আপনার পকেটে কিছু না কিছু নিয়ে আসে, সেটা নিশ্চিত করুন।

- টাকাকে রেস্পেক্ট করুন
টাকা তাকেই সম্মান দেয়, যে টাকাকে সম্মান করে। এর মানে কিপটেমি করা নয়, এর মানে হলো টাকার সঠিক ব্যবহার করা। যারা টাকা পেলেই দেদারসে উড়ায়, টাকা তাদের কাছে বেশিক্ষণ থাকে না।

দিনশেষে মনে রাখবেন, টাকা কোনো লক্ষ্য নয়, এটা একটা টুল মাত্র। পানির মতো একে সঠিক ডিরেকশনে ফ্লো করতে দিলে এটা আপনার বাগান সুজলা সুফলা করে তুলবে, আর আটকে রাখলে বন্যা বা খরা দুটোই হতে পারে।

#FinancialFreedom #MoneyMindset #WealthCreation #SmartInvesting
💰 আর্থিক চাপ ও Decision Fatigue: মস্তিষ্কের নীরব সংকট 🧠📉টাকা-পয়সার টান কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল করে 🧠💸

কথায় আছে, "খালি পেটে নাকি ধর্ম-কর্মও হয় না"—কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, "খালি পকেটে সঠিক সিদ্ধান্তও হয় না!" 😅

আপনার কি কখনো মনে হয়েছে, যখন টাকা-পয়সার খুব টানাটানি যাচ্ছে, তখনই আপনি সবচেয়ে ভুল বা অদ্ভুত সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন? হয়তো অদরকারি কিছু কিনে ফেলছেন, বা রাগের মাথায় ভুল কোনো বিনিয়োগ করছেন, অথবা ঋণের জালে আরও জড়িয়ে পড়ছেন।
এটা আপনার ব্যক্তিগত দোষ নয়, এটা আপনার মগজের একটা 'টেকনিক্যাল গ্লিচ'! চলুন দেখি, মানিব্যাগ পাতলা হলে আমাদের মাথার ভেতরকার 'সুপার কম্পিউটার' কীভাবে হ্যাং হয়ে যায়। 🕵️‍♂️💻

১) প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স যখন 'আউট অফ সার্ভিস' 🏗️🚫
আমাদের মস্তিষ্কের সামনের অংশ, যার নাম Prefrontal Cortex, হলো আমাদের বডি'র 'সিইও' (CEO)। এর কাজ হলো লজিক বোঝা, পরিকল্পনা করা আর আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা।
যখন আপনি সারাক্ষণ "ভাড়া দেব কীভাবে?" বা "কিস্তি শোধ হবে তো?"—এই চিন্তায় থাকেন, তখন এই সিইও সাহেব ওভারটাইম করতে করতে টায়ার্ড হয়ে যান। ফলে, আপনার বিচারবুদ্ধি কাজ করা কমিয়ে দেয়। সহজ কথায়, আপনার ব্রেইন তখন High Definition থেকে কমিয়ে ৩জিপি কোয়ালিটিতে চলতে শুরু করে! 📉

২) ডিসিশন ফ্যাটিগ: "যা ইচ্ছা হোক, নিয়ে নিই!" 😴🔌
সারাদিন টাকার হিসাব মেলাতে মেলাতে আমাদের ব্রেইন Decision Fatigue বা 'সিদ্ধান্তজনিত ক্লান্তিতে' ভোগে। আপনার ব্রেইনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটা নির্দিষ্ট কোটা বা ব্যাটারি আছে। 🔋
টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা সেই ব্যাটারি খুব দ্রুত ড্রেন করে দেয়। ফলে দিনের শেষে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসে, তখন ব্রেইন বলে— "ভাই, আমি আর পারছি না, একটা শর্টকাট ধর!" আর এই শর্টকাট থেকেই জন্ম নেয় ভুল ইমোশনাল ডিসিশন বা চড়া সুদে ধার নেওয়ার মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত।

৩) ডোপামিন ডিপ্লিশন: সাময়িক শান্তির খোঁজে মরীচিকা 🍭🎢
টাকার চাপে যখন মন মরা থাকে, তখন ব্রেইন চায় একটুখানি আনন্দ বা Dopamine।
তখন মনে হয়— "টাকা তো এমনিই নাই, চল এক কাপ দামি কফি খেয়ে নিই!" বা "অনলাইনে এই অফারটা নিয়ে নিই, মনটা ভালো হবে।"
এটা আসলে ব্রেইনের একটা ফাঁদ। ডোপামিন কমে যাওয়ায় সে আপনাকে দিয়ে এমন কিছু করায় যা সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে পকেটের আরও বারোটা বাজায়। একেই বলে 'Impulsive Spending'।

💡 হুক লাইন:
“টাকা না থাকলে শুধু আপনার অপশন কমে না, আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বুদ্ধিটাও ক্লান্ত হয়ে পড়ে!” 🧠

🛠️ এই 'ব্রেইন ফগ' থেকে বাঁচার উপায় কী?
যদি আর্থিক চাপে থাকেন, তবে নিজেকে এই ৩টি টোটকা দিয়ে রক্ষা করুন:
📍বিশ্রাম নিন, তারপর ভাবুন (The 24-Hour Rule): টাকার চাপে থাকা অবস্থায় কোনো বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত (যেমন লোন নেওয়া বা বড় কেনাকাটা) অন্তত ২৪ ঘণ্টা সময় না নিয়ে করবেন না। ব্রেইনকে শান্ত হওয়ার সময় দিন।
📍রুটিন মাফিক চলা: যখন বড় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, তখন ছোট ছোট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া বন্ধ করুন। যেমন— প্রতিদিন কী খাবেন বা কী পরবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন, যাতে ব্রেইনের এনার্জি খরচ কম হয়। 📋
📍অ্যাডমিট ইট (Acceptance): মেনে নিন যে আপনার এখন 'মানসিক ব্যান্ডউইথ' কম। নিজেকে গালি দেবেন না। নিজের ওপর চাপ কমালে আপনার Prefrontal Cortex আবার ধীরে ধীরে সচল হবে। 🧘‍♂️

শেষ কথা🌿
পকেট শূন্য হতে পারে, কিন্তু আপনার বুদ্ধি যেন 'দেউলিয়া' না হয়। মনে রাখবেন, আর্থিক টানাপোড়েন একটা দশা মাত্র, এটা আপনার পরিচয় নয়। নিজেকে একটু সময় দিন, মস্তিষ্ককে একটু অক্সিজেন দিন—সঠিক সিদ্ধান্তটা আপনিই নিতে পারবেন। 💪

আপনার সাথেও কি এমন হয়েছে?
টাকার চিন্তায় কি অদ্ভুত কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন কখনো? নাকি আপনি চাপের মুখে আরও ধারালো হয়ে ওঠেন?

আপনার গল্প বা মতামত কমেন্টে জানান, আমরা সবাই মিলে শিখি! 👇💙

#FinancialIntelligence #BrainScience #DecisionFatigue

📚 তথ্য গবেষণা ও সংকলনে—©️
#Muhammad_Nasim_Hossain
#Body_Mind_Money_Future #SmartThinking #LifeDesign2026
ঢাকা: ২৭-জানুয়ারি, ২০২৬
ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲْ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻲَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢُ
উচ্চারণ: রব্বিগফিরলি ওয়া তুব আলাইয়া, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রাহীম
অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে মাফ করেন আমার তাওবা কবুল করেন। নিশ্চয়ই আপনি তাওবা কবুলকারী এবং পরম দয়ালু।
হযরত ইবনু উমার রা. বলেন, আমরা গুণে দেখতাম যে, নবী কারিম সা. একই মজলিসে দোয়াটি ১০০ বার পর্যন্ত পাঠ করছেন।
-তিরমিজি ৩৪৩৪, আবু দাউদ ১৫১৬

পরকালের যত চিন্তা
দৈনিক শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা কিংবা Total Daily Energy Expenditure এর ভিত্তিতে মানুষের লাইফস্টাইলকে ৪ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

- সেডেন্টারি
একদম বসে বসে থাকা জীবনযাপন। কোনো শারীরিক কাজ প্রায় নেই। শুধু বেসিক কাজ (ঘর থেকে বাথরুম, খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি)। ৩০ মিনিটের কম হাঁটা/শরীরচর্চা।
যেমন: অফিসে বসে কাজ করা, গাড়িতে চলাফেরা করা ব্যক্তি, গৃহিণী যিনি অধিকাংশ সময় বসে কাটান।

- লাইটলি অ্যাকটিভ
হালকা শারীরিক পরিশ্রম হয়। হালকা হাঁটাচলা, হালকা কাজ করা।
যেমন: প্রতিদিন হাঁটা ৩০–৬০ মিনিট, গৃহস্থালি কাজ, দোকানে যাওয়া, সিঁড়ি ওঠা-নামা, সপ্তাহে ১-৩ দিন ব্যায়াম।

- অ্যাকটিভ
নিয়মিত শরীরচর্চা হয়। কিংবা দৈনন্দিন কাজেই প্রচুর হাঁটা বা পরিশ্রম করা হয়। ৬০-১২০ মিনিট মাঝারি ফিজিকাল অ্যাকটিভিটি। নিয়মিত হাঁটা। সপ্তাহে ৩–৫ দিন মাঝারি বা ভারী ব্যায়াম।
যেমন: শারীরিক শ্রমজীবী, মাঠে কাজ করা কৃষক, সাইকেল চালানো।

- ভেরি অ্যাকটিভ
প্রচুর পরিশ্রম হয় প্রতিদিন। দৈনিক ১২০ মিনিটের বেশি ফিজিকাল অ্যাকটিভিটি।
যেমন: অ্যাথলেট, প্রতিদিন জিম করা ব্যক্তি, খেলোয়াড়, নির্মাণশ্রমিক।

অ্যাকটিভ লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে পড়তে হলে আপনাকে দিনে ১ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় শরীরচর্চা, হাঁটা, সাইকেল চালানো, রান্নাবান্না, ধোয়া-মোছার মতো গৃহস্থালি কাজ ইত্যাদি করতে হবে।
একটানা না হলেও দিনে মোট ৭,০০০–১০,০০০ স্টেপ হলেই একজনকে অ্যাকটিভ ধরা যায়।
মোটামুটিভাবে, কেউ যদি দিনে ১ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় শরীর সচল রাখে (যেকোনোভাবে)। তাহলে সে অ্যাকটিভ লাইফস্টাইলে আছে।

কাঁচা খাবার যেমন ফল, সবজি এগুলো খুব স্বাস্থ্যকর খাবার। কিন্তু, যাদের হজম দুর্বল, তাদের জন্য বেশি কাঁচা খাবার হজম করা কঠিন হতে পারে। সেডেন্টারি জীবন যাপনকারীদের মেটাবলিজম ধীর হয়। এতে তাদের কাঁচা খাবার থেকে গ্যাস, অম্বল, বা পেট ফাঁপার সমস্যা হতে পারে।

আয়ুর্বেদ মতে, যাদের হজমশক্তি দুর্বল বা যারা খুব কম শারীরিক পরিশ্রম করেন, তাদের গুরু এবং শীতল প্রকৃতির কাঁচা খাবার (যেমন শসা, কাঁচা শাকসবজি) এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এগুলো বাত ও কফ দোষ বাড়াতে পারে। এই ধরনের ব্যক্তি যদি কাঁচা খাবার খান, তাহলে তা সিদ্ধ করে বা হালকা ভাপ দিয়ে খাওয়া উত্তম।

যারা বসে বসে দিন কাটান, তাদের জন্য হালকা সিদ্ধ সবজি বা স্যুপ জাতীয় খাবার বেশি উপযোগী।
আর, যাদের হজমশক্তি ভালো এবং যারা তুলনামূলকভাবে সুস্থ, তারা কাঁচা খাবার খেতেই পারেন— সঠিক পরিমাণে এবং ভারসাম্য বজায় রেখে।

সবল হজমশক্তি (Strong digestive fire) থাকলে কাঁচা খাবার হজম করতে অসুবিধা হয় না।
সবল হজমশক্তির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে— ক্ষুধা সময়মতো লাগে, খাওয়ার পর অম্বল-গ্যাস হয়না, ভালো হজম হয়, মল নিয়মিত ও গন্ধহীন, জিহ্বায় সাদা আবরণ নেই ইত্যাদি।

অন্যদিকে, দুর্বল হজমশক্তি এর লক্ষণ হচ্ছে— খাওয়ার পর গ্যাস বা পেট ফাঁপা হয়, অম্বল, ভারভাব সৃষ্টি হয়, জিহ্বায় আবরণ আছে, ক্ষুধা অনিয়মিত ইত্যাদি।
দুর্বল হজমশক্তি বিশিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে কাঁচা খাবার কমিয়ে সেদ্ধ বা হালকা রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত।

আধুনিক নিউট্রিশন সাইন্সের দৃষ্টিকোণ থেকে আপনার জন্য কাঁচা খাবার উপযুক্ত যদি:
- আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন।
- আপনার হজম ঠিক আছে।
- গ্যাস, অম্বল বা IBS-এর সমস্যা নেই।
- আপনি জটিল খাবারের সঙ্গে কাঁচা খাবার না মেশান।

আর, অনুপযুক্ত যদি:
- আপনি সেডেন্টারি লাইফ যাপন করেন।
- অতিরিক্ত গ্যাস বা bloating হয়।
- ঠাণ্ডা-জনিত সমস্যা (সাইনাস, কাশি) লেগেই থাকে।
- আপনি পেট সংবেদনশীল ব্যক্তি হোন, মানে আপনার হজমতন্ত্র সহজেই আপসেট হয়।

আপনি কাঁচা খাবার খাওয়ার উপযুক্ত কিনা তা যাচাই করার উপায়:
- ২ থেকে ৩ দিন হালকা পরিমাণে কাঁচা সবজি বা সালাদ খেয়ে দেখুন।
- এতে পেট ফাঁপা, অম্বল, ঘুমের সমস্যা, বা পায়খানায় সমস্যা হলে বুঝবেন আপনার হজমক্ষমতা এখনও প্রস্তুত না।
- আর, শরীর যদি হালকা লাগে, ক্ষুধা ঠিকমতো লাগে তাহলে বুঝবেন আপনি উপযুক্ত।

Captain Green
হযরত মনসুর হাল্লাজ (রহ.) ছিলেন সুফি ইতিহাসের এক কালজয়ী এবং বিতর্কিত কিন্তু অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তাঁর জীবন ও দর্শন 'এশকে এলাহি' বা ঐশ্বরিক প্রেমের এক চরম দৃষ্টান্ত।

ফাঁসির মঞ্চ যার কাছে বাসর ঘর, আর তলোয়ারের আঘাত যার কাছে প্রেমাস্পদের আলিঙ্গন—তিনিই মনসুর হাল্লাজ। তিনি রক্ত দিয়ে লিখে গেছেন, স্রষ্টাকে ভালোবাসলে নিজের অস্তিত্ব বলতে আর কিছু থাকে না। কেবল তিনিই থাকেন।"

নিচে তাঁর জীবনী ও দর্শনের মূল দিকগুলো আলোচনা করা হলো:

১. সংক্ষিপ্ত জীবনী
মনসুর হাল্লাজ ৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের (বর্তমান ইরান) তুর নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম আবু আল-মুগিথ আল-হুসাইন বিন মনসুর আল-হাল্লাজ। তিনি প্রখ্যাত সুফি জুনায়েদ বাগদাদী (রহ.) এবং সাহল আল-তুস্তারি (রহ.)-এর সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল ভারত, মধ্য এশিয়া এবং আরব অঞ্চল ভ্রমণ করে আধ্যাত্মিক জ্ঞান প্রচার করেন।

২. দর্শনের মূল কথা: 'আনাল হক' (I am the Truth)
মনসুর হাল্লাজের দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল 'আনাল হক'। সাধারণ অর্থে এর অর্থ "আমিই সত্য" বা "আমিই আল্লাহ"। তবে সুফি দর্শনে এর গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য রয়েছে:
তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন যে, তাঁর নিজের সত্তা বা 'অহং' (Ego) সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে এবং তাঁর ভেতর দিয়ে এখন খোদাতাআলার নূর বা সত্য প্রকাশিত হচ্ছে।

এটি ছিল 'ফানা ফিল্লাহ'-এর এক চূড়ান্ত অবস্থা যেখানে প্রেমিক ও প্রেমাস্পদ এক হয়ে যায়।

৩. তাঁর কাব্যিক দর্শন ও এশকে এলাহি
হাল্লাজের কবিতা ও উক্তিতে প্রেমের এক তীব্র দহন প্রকাশ পায়। তাঁর দর্শনের প্রধান কিছু দিক:

প্রেমের মাধ্যমে মিলন: তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষ ও স্রষ্টা আলাদা নয়; বরং প্রেম মানুষকে সেই মূলে ফিরিয়ে নিয়ে যায় যেখান থেকে সে এসেছে।

সলীবে প্রেম (The Cross of Love): তিনি মনে করতেন, স্রষ্টাকে পাওয়ার পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, বরং এটি কষ্টের এবং ত্যাগের। তিনি হাসিমুখে মৃত্যু (ফাঁসি) বরণ করেছিলেন কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, মৃত্যুর মাধ্যমেই তাঁর আত্মার সাথে পরমাত্মার মিলন ঘটবে।

নূরে মুহাম্মাদী: হাল্লাজ রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সৃষ্টির আদি উৎস এবং খোদাপ্রেমের পূর্ণতা হিসেবে দেখতেন।
৪. শাহাদাত ও শেষ পরিণতি
তৎকালীন কট্টরপন্থী উলামা এবং খলিফার আদালত তাঁর 'আনাল হক' ধ্বনিকে কুফরি বা ধর্মদ্রোহিতা হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে ৯২২ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদে তাঁকে অত্যন্ত অমানবিক নির্যাতনে শহীদ করা হয়।

ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় তিনি কান্নার পরিবর্তে আনন্দিত ছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত আছে, যখন তাঁর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছিল, তখনো তিনি জিকির করছিলেন এবং তাঁর রক্ত দিয়ে মাটির বুকে 'আল্লাহ' নাম ফুটে উঠছিল।

৫. পরবর্তী সুফিদের ওপর প্রভাব
পরবর্তীতে বড় বড় সুফি সাধক ও কবি যেমন—ফরিদ উদ্দিন আত্তার, জালালুদ্দিন রুমি এবং ইকবাল মনসুর হাল্লাজকে একজন সত্যিকারে প্রেমিক বা 'শহীদে ইশক' হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। আল্লামা ইকবাল তাঁর 'জাভেদনামা' কাব্যে হাল্লাজকে একজন মহান বিপ্লবী সুফি হিসেবে চিত্রিত করেছেন।

যুক্তি যেখানে শেষ, প্রেমের সেখানে শুরু। মনসুর হাল্লাজ শিখিয়ে গেছেন, নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে না দিলে সেই পরম সত্যের (আল-হক) স্বাদ পাওয়া অসম্ভব। নিজের 'আমি'কে পুড়িয়ে ছাই করতে পারলেই কেবল তাঁর দেখা মেলে।"

উপসংহার: মনসুর হাল্লাজের জীবন আমাদের শেখায় যে, স্রষ্টার প্রতি প্রেম যখন চরমে পৌঁছায়, তখন পার্থিব ভয়, লোকলজ্জা বা নিজের জীবনের মায়া আর অবশিষ্ট থাকে না। তিনি ছিলেন এমন এক পতঙ্গ যিনি খোদায়ী নূরের আগুনের শিখায় নিজেকে পুড়িয়ে অমর হয়ে আছেন। SSF 🧘🙏🧘

#মনসুর_হাল্লাজ #আনাল_হক #এশকে_এলাহি #সুফি_দর্শন #সুফিবাদ #ফানা_ফিল্লাহ #আধ্যাত্মিকতা #প্রেমের_দর্শন #MansurHallaj #AnaAlHaq #Sufism #SufiWisdom #DivineLove #SpiritualAwakening #Mysticism
এই আর্টিকেলে মানুষের কল্পনাশক্তি কেন জরুরি এবং এটি কীভাবে আমাদের জীবনকে উন্নত করে, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

১. বর্তমানের সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্তি:
কল্পনা আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বাইরে গিয়ে চিন্তা করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে আমরা বাস্তবতার সীমাবদ্ধতাকে ছাপিয়ে নতুন কিছু ভাবতে পারি এবং বিদ্যমান বাধাগুলো পার হওয়ার উপায় খুঁজি।

২. সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা:
কোনো কাজ করার আগে আমরা মনে মনে তার ফলাফল কল্পনা করতে পারি। যেমন—একটি নতুন চাকরির ইন্টারভিউ বা ছুটিতে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা। আমরা মনে মনে সেই পরিস্থিতি সাজিয়ে বুঝতে পারি যে সেখানে আমাদের অনুভূতি কেমন হবে। এটি আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

৩. আবেগীয় প্রেরণা:
লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য শুধু পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়, আবেগও প্রয়োজন। যখন আমরা ভবিষ্যতে নিজেদের সফল হিসেবে স্পষ্টভাবে কল্পনা করি, তখন সেটি আমাদের কাজে অনেক বেশি উৎসাহিত করে। শব্দের চেয়ে ছবির মতো মনের কল্পনা আমাদের মনে বেশি প্রভাব ফেলে।

৪. অন্যের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা:
কল্পনাশক্তি আমাদের অন্য মানুষের জায়গায় নিজেকে বসিয়ে চিন্তা করতে সাহায্য করে। তারা কী ভাবছে বা কেমন অনুভব করছে, তা বুঝতে পারলে আমাদের সহমর্মিতা বা এমপ্যাথি বাড়ে এবং সামাজিক সম্পর্কগুলো আরও উন্নত হয়।

৫. বিমূর্ত চিন্তাভাবনা:
কল্পনা আমাদের কোনো বিষয়কে দূর থেকে দেখার বা সামগ্রিকভাবে বোঝার ক্ষমতা দেয়। যখন আমরা বর্তমানের ছোটখাটো সমস্যা থেকে নিজেকে মানসিকভাবে দূরে সরিয়ে কল্পনা করি, তখন বড় পরিসরে সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।

৬. বাধা অতিক্রম করার মানসিক প্রস্তুতি:
আর্টিকেলটিতে বলা হয়েছে, শুধু উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখলেই হয় না। একইসাথে সেই ভবিষ্যতে পৌঁছাতে গেলে কী কী বাধা আসতে পারে, তা কল্পনা করলে মানুষ বেশি সফল হয়। এতে আমরা প্রতিকূলতা মোকাবিলার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারি।

কল্পনা কেবল দিবাস্বপ্ন নয়; এটি একটি মানসিক হাতিয়ার যা আমাদের সৃজনশীল হতে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি আমাদের মনের আয়নায় ভবিষ্যতের একটি খসড়া তৈরি করে দেয়, যা দেখে আমরা বাস্তবে সঠিক পথে চলতে পারি।
____
সূত্র: সাইকোলজি টুডে
এ*কজিবি*শোনিজম যখন হেলদি
ডা. অপূর্ব চৌধুরী

এ*কজিবি*শোনিজম । শব্দটা শুনলেই অনেকে শুরুতে ভাবে এক ধরনের ই*রো*টিক দৃশ্য, প্রদর্শন, এ*ক্সপ্লি*সিট বা ন্যু*ড প্রকাশ । শব্দটা প্রয়োগের কারণে এমনটা হয়েছে । সবসময় এক*জিবি"শোনিজম মানে ন*গ্ন*তা নয় । অনেক নন এ*ক্সপ্লি*সিট প্রকাশেও এ"কজি*বিশো"নিজম থাকে । এমন প্রকাশে সে*নসু*য়েল ফিলিংস থাকে, কিন্তু তার প্রদর্শন থাকে না । যেমন ধরুন : আপনি শরীর ঢাকলেন, সবকিছুই ঢাকলেন, কিন্তু শরীরের সাথে পোশাক এঁটে বাঁক গুলো প্রকাশ পাচ্ছে । এই বাঁকগুলো আপনাকে সে*নসু*য়েল ফিলিংস দেবে, আবার যে দেখায়, সেও তার শরীরের এই লাইনগুলো অন্য কেউ দেখছে, সেই তাকানো টা এনজয় করে । দুজনেই ফিলিংস পায় । মানব মন এইভাবেই কাজ করে । মেয়েদের চোখ এবং চোখের তাকানো ভঙ্গিতে যদি একটা ই*রো*টিক আহ্বান থাকে, এটাও এক ধরনের এ*কজিবি*শোনি*জম । যদিও পুরুষের তাকানো টা পা*শবিক এবং জোর*জবর"দস্তিমূলক । ডেলিকেট তাকানোতে কোমল আহ্বান থাকে, অত্যাচার নয় । মেয়েদের চুল ঠিক করার মধ্যেও একধরনের এ*কজিবি"শো"নিজম থাকে । অনামিকার আংটি ঘুরাচ্ছে হাতের মধ্যে একটু খুলে, একটু আবার পরিয়ে ! কখনো তাকিয়ে দেখেছেন, দৃশ্যটি কতটা মারাত্মক ! এগুলোকে বলে সফট সে*নসু*য়েলিটি । এ*কজিবি*শোনি"জম বা সফট সে*নসুয়ে*লিটি আনহেলদি কিছুই নয়, বরং অনেক সম্পর্কে এটা হেলদি, কিন্তু ততক্ষণে পর্যন্তই, যতক্ষণ পরিস্থিতির সম্মতি, নিয়ন্ত্রণ, কোন পক্ষকেই অস্বস্তিতে না ফেলা পর্যন্ত । দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মধ্যে পরস্পরের কনসেন্ট এন্ড রেসপেক্টিভ এটিচিইড থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক মূলক সে*নসুয়ে*লিটির বিনিময় হেলদি ।