ফেসবুকে ফেইক পেইজ বা একাউন্ট দিয়ে হ্যারেজমেন্ট, ব্লাকমেইল করার দিন শেষ !!!
কারন চাইলেই, পেইজ,একাউন্ট কে চালাচ্ছে সেটা বের করা সম্ভব। বিশেষ করে বিভিন্ন ট্রল, মিমস বা এক্সপোজ পেইজ থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষজনকে হেনস্তা করা হয়। যারা পেইজগুলো চালায়, তারা মনে করে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব না!!
কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!!
কারন,
- চাইলেই পেইজের এডমিন লিস্ট বের করা সম্ভব।
- ফেইক একাউন্ট কে চালাচ্ছে, বা একাউন্ট এ থাকা ফোন নাম্বার ,ইমেইল (যেটা এভেইলেবল) & লোকেশন (ব্লাকমেইল ইস্যুতে) সবকিছুই বের করা সম্ভব!!
এগুলো কিভাবে বের করা যায়!!
১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে: যদি আপনি ভিক্টিম হোন, এবং ইস্যুটা যদি সিরিয়াস হয় তবে লিগ্যালি স্টেপ নিন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পূর্ণ তথ্য বের করতে পারে।
২. থার্ড পার্টি এজেন্সি: যারা সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সাথে Trusted Partner হিসেবে কানেক্টেড যেমন: Erazee , তাদের মাধ্যমেও এসব তথ্য বের করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রেই "জিডি বা সাধারণ ডায়েরি" এর ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, সোস্যাল মিডিয়ায় হেনস্তা হয়ে হতাশ না হয়ে হেনস্তাকারীদের খুঁজে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।
কারন চাইলেই, পেইজ,একাউন্ট কে চালাচ্ছে সেটা বের করা সম্ভব। বিশেষ করে বিভিন্ন ট্রল, মিমস বা এক্সপোজ পেইজ থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষজনকে হেনস্তা করা হয়। যারা পেইজগুলো চালায়, তারা মনে করে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব না!!
কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!!
কারন,
- চাইলেই পেইজের এডমিন লিস্ট বের করা সম্ভব।
- ফেইক একাউন্ট কে চালাচ্ছে, বা একাউন্ট এ থাকা ফোন নাম্বার ,ইমেইল (যেটা এভেইলেবল) & লোকেশন (ব্লাকমেইল ইস্যুতে) সবকিছুই বের করা সম্ভব!!
এগুলো কিভাবে বের করা যায়!!
১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে: যদি আপনি ভিক্টিম হোন, এবং ইস্যুটা যদি সিরিয়াস হয় তবে লিগ্যালি স্টেপ নিন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পূর্ণ তথ্য বের করতে পারে।
২. থার্ড পার্টি এজেন্সি: যারা সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সাথে Trusted Partner হিসেবে কানেক্টেড যেমন: Erazee , তাদের মাধ্যমেও এসব তথ্য বের করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রেই "জিডি বা সাধারণ ডায়েরি" এর ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, সোস্যাল মিডিয়ায় হেনস্তা হয়ে হতাশ না হয়ে হেনস্তাকারীদের খুঁজে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।
নিজের মানসিক শান্তি এবং সুখের জন্য ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট অভ্যাসের কথা এখানে বলা হয়েছে।
•
১. ছোট ছোট অভ্যাসে নিজেকে স্থির রাখুন: জীবন যখন অস্থির মনে হবে, তখন ছোট কাজ যেমন—বিছানা গোছানো, গাছে পানি দেওয়া বা নিজের থালাবাসন ধোয়ার মতো সহজ কাজের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।
২. জীবনের কোলাহল বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিন: সবাই কী বলছে তাতে কান না দিয়ে, কার কথা আপনার জন্য সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা বেছে নিন। সবার আওয়াজ শোনার প্রয়োজন নেই।
৩. নিজের ভালোর জন্য নতুন সিদ্ধান্ত নিন: আপনার বর্তমান জীবন আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তের ফল। জীবন পছন্দ না হলে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা শুরু করুন।
৪. ব্যস্ত থাকার চেয়ে ফলদায়ক কাজ করুন: সারাদিন দৌড়ঝাঁপ করলেই উন্নতি হয় না। খেয়াল করুন আপনি কি শুধু নড়াচড়া করছেন, নাকি আসলেই সামনের দিকে এগোচ্ছেন?
৫. প্রতিদিন ছোট কিন্তু অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নিন: আপনার যদি দিনে মাত্র ১৫ মিনিট সময় থাকে, তবে সেই সময়টুকুতেই ভালো কিছু করার চেষ্টা করুন। অলস বসে থাকার চেয়ে সামান্য কাজ করাও অনেক ভালো।
৬. নেতিবাচকতা থেকে দূরে নয়, ইতিবাচকতার দিকে এগোন: কোনো খারাপ জিনিস থেকে পালানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ভালো কোনো কিছুর দিকে মনোযোগ দেওয়া।
৭. সহজ নয়, সঠিক কাজটি করুন: কোনো কাজ সহজ বলেই সেটি করবেন না, বরং যেটি সঠিক সেটিই করুন। এটি দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ কমায়।
৮. নিজের তুলনা শুধু নিজের সাথেই করুন: অন্য কে কোথায় আছে তা নিয়ে ভাববেন না। আপনি গতকাল যেখানে ছিলেন, আজ তার চেয়ে একটু উন্নত হওয়ার চেষ্টা করুন।
৯. ভিন্নমতের মানুষের প্রতি সহনশীল হন: যারা আপনার মতো করে চিন্তা করে না, তাদের সাথেও ভদ্র আচরণ করুন। এতে আপনার ব্যক্তিত্ব ও দয়ার পরিচয় পাওয়া যায়।
১০. ক্ষমা ও নম্রতাকে প্রাধান্য দিন: তর্কে জেতার চেয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এবং মনে শান্তি রাখা বেশি জরুরি। জেদ ধরে না রেখে নমনীয় হতে শিখুন।
১১. প্রতিদানের আশা ছাড়া দান করুন: সবাই আপনার মতো করে ভাববে না। তাই কাউকে কিছু দিলে বা সাহায্য করলে বিনিময়ে কিছু পাওয়ার আশা করবেন না। এতে হতাশ হতে হবে না।
১২. নিজে যেমন পরিবর্তন চান, তেমন হয়ে উঠুন: আপনি অন্যদের সাথে যেমন আচরণ করবেন, নিজের সম্পর্কেও আপনার ধারণা তেমন হবে। হাততালি পাওয়ার জন্য নয়, বরং ভালো মানুষ হওয়ার জন্য কাজ করুন।
১৩. বর্তমানে বাঁচুন: স্মার্টফোন বা গ্যাজেটের দুনিয়ায় হারিয়ে না গিয়ে আশেপাশের মানুষের সাথে কথা বলুন, সরাসরি চোখে তাকিয়ে কথা শুনে বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করুন।
১৪. কথার চেয়ে কাজে ভালোবাসা প্রকাশ করুন: প্রিয় মানুষকে শুধু মুখে ‘ভালোবাসি’ না বলে, আপনার কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করুন।
১৫. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: আপনার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। কৃতজ্ঞতা কোনো জাদুকরী বিষয় নয়, এটি একটি সচেতন পছন্দ।
১৬. অভিযোগ করা কমান: ‘আমাকে এই কাজটি করতে হবে’—এভাবে না বলে বলুন ‘আমি এই কাজটি করার সুযোগ পেয়েছি’। আপনার যা আছে, তা অনেকের কাছেই স্বপ্ন।
১৭. নতুন অভিজ্ঞতা ও সুযোগের জন্য তৈরি থাকুন: অনিশ্চয়তার ভয়ে পিছিয়ে থাকবেন না। নতুন কিছু করা বা নতুন জায়গায় যাওয়ার মাধ্যমে জীবনের নতুন সম্ভাবনাগুলো খুঁজে নিন।
১৮. জীবনের ছোটখাটো বিরক্তিগুলো ছেড়ে দিন: প্রতিদিনের ছোটখাটো ঝামেলা নিয়ে মন খারাপ করবেন না। নিজের মনোযোগ কোন দিকে দেবেন, তা আপনার নিয়ন্ত্রণে।
১৯. জীবনের শিক্ষাগুলোকে গ্রহণ করুন: ভুল করা বা সমস্যায় পড়া মানেই আপনি থেমে নেই, বরং কিছু করার চেষ্টা করছেন। প্রতিটি সমস্যা আপনাকে কিছু না কিছু শেখায়।
২০. যা আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে তাতে মনোযোগ দিন: সব কিছু জোর করে হয় না। আপনার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করার পর ফলাফল ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিন। ভুল দিয়ে নিজেকে বিচার করবেন না, বরং সামনের দিকে তাকান।
•
সুখ বা শান্তি বড় কোনো অর্জনে নয়, বরং প্রতিদিনের এই ছোট ছোট ইতিবাচক অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।
____
Source: Marc and Angel Hack Life
•
১. ছোট ছোট অভ্যাসে নিজেকে স্থির রাখুন: জীবন যখন অস্থির মনে হবে, তখন ছোট কাজ যেমন—বিছানা গোছানো, গাছে পানি দেওয়া বা নিজের থালাবাসন ধোয়ার মতো সহজ কাজের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।
২. জীবনের কোলাহল বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিন: সবাই কী বলছে তাতে কান না দিয়ে, কার কথা আপনার জন্য সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা বেছে নিন। সবার আওয়াজ শোনার প্রয়োজন নেই।
৩. নিজের ভালোর জন্য নতুন সিদ্ধান্ত নিন: আপনার বর্তমান জীবন আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তের ফল। জীবন পছন্দ না হলে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা শুরু করুন।
৪. ব্যস্ত থাকার চেয়ে ফলদায়ক কাজ করুন: সারাদিন দৌড়ঝাঁপ করলেই উন্নতি হয় না। খেয়াল করুন আপনি কি শুধু নড়াচড়া করছেন, নাকি আসলেই সামনের দিকে এগোচ্ছেন?
৫. প্রতিদিন ছোট কিন্তু অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নিন: আপনার যদি দিনে মাত্র ১৫ মিনিট সময় থাকে, তবে সেই সময়টুকুতেই ভালো কিছু করার চেষ্টা করুন। অলস বসে থাকার চেয়ে সামান্য কাজ করাও অনেক ভালো।
৬. নেতিবাচকতা থেকে দূরে নয়, ইতিবাচকতার দিকে এগোন: কোনো খারাপ জিনিস থেকে পালানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ভালো কোনো কিছুর দিকে মনোযোগ দেওয়া।
৭. সহজ নয়, সঠিক কাজটি করুন: কোনো কাজ সহজ বলেই সেটি করবেন না, বরং যেটি সঠিক সেটিই করুন। এটি দীর্ঘমেয়াদে মানসিক চাপ কমায়।
৮. নিজের তুলনা শুধু নিজের সাথেই করুন: অন্য কে কোথায় আছে তা নিয়ে ভাববেন না। আপনি গতকাল যেখানে ছিলেন, আজ তার চেয়ে একটু উন্নত হওয়ার চেষ্টা করুন।
৯. ভিন্নমতের মানুষের প্রতি সহনশীল হন: যারা আপনার মতো করে চিন্তা করে না, তাদের সাথেও ভদ্র আচরণ করুন। এতে আপনার ব্যক্তিত্ব ও দয়ার পরিচয় পাওয়া যায়।
১০. ক্ষমা ও নম্রতাকে প্রাধান্য দিন: তর্কে জেতার চেয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এবং মনে শান্তি রাখা বেশি জরুরি। জেদ ধরে না রেখে নমনীয় হতে শিখুন।
১১. প্রতিদানের আশা ছাড়া দান করুন: সবাই আপনার মতো করে ভাববে না। তাই কাউকে কিছু দিলে বা সাহায্য করলে বিনিময়ে কিছু পাওয়ার আশা করবেন না। এতে হতাশ হতে হবে না।
১২. নিজে যেমন পরিবর্তন চান, তেমন হয়ে উঠুন: আপনি অন্যদের সাথে যেমন আচরণ করবেন, নিজের সম্পর্কেও আপনার ধারণা তেমন হবে। হাততালি পাওয়ার জন্য নয়, বরং ভালো মানুষ হওয়ার জন্য কাজ করুন।
১৩. বর্তমানে বাঁচুন: স্মার্টফোন বা গ্যাজেটের দুনিয়ায় হারিয়ে না গিয়ে আশেপাশের মানুষের সাথে কথা বলুন, সরাসরি চোখে তাকিয়ে কথা শুনে বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করুন।
১৪. কথার চেয়ে কাজে ভালোবাসা প্রকাশ করুন: প্রিয় মানুষকে শুধু মুখে ‘ভালোবাসি’ না বলে, আপনার কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করুন।
১৫. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: আপনার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। কৃতজ্ঞতা কোনো জাদুকরী বিষয় নয়, এটি একটি সচেতন পছন্দ।
১৬. অভিযোগ করা কমান: ‘আমাকে এই কাজটি করতে হবে’—এভাবে না বলে বলুন ‘আমি এই কাজটি করার সুযোগ পেয়েছি’। আপনার যা আছে, তা অনেকের কাছেই স্বপ্ন।
১৭. নতুন অভিজ্ঞতা ও সুযোগের জন্য তৈরি থাকুন: অনিশ্চয়তার ভয়ে পিছিয়ে থাকবেন না। নতুন কিছু করা বা নতুন জায়গায় যাওয়ার মাধ্যমে জীবনের নতুন সম্ভাবনাগুলো খুঁজে নিন।
১৮. জীবনের ছোটখাটো বিরক্তিগুলো ছেড়ে দিন: প্রতিদিনের ছোটখাটো ঝামেলা নিয়ে মন খারাপ করবেন না। নিজের মনোযোগ কোন দিকে দেবেন, তা আপনার নিয়ন্ত্রণে।
১৯. জীবনের শিক্ষাগুলোকে গ্রহণ করুন: ভুল করা বা সমস্যায় পড়া মানেই আপনি থেমে নেই, বরং কিছু করার চেষ্টা করছেন। প্রতিটি সমস্যা আপনাকে কিছু না কিছু শেখায়।
২০. যা আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে তাতে মনোযোগ দিন: সব কিছু জোর করে হয় না। আপনার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করার পর ফলাফল ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিন। ভুল দিয়ে নিজেকে বিচার করবেন না, বরং সামনের দিকে তাকান।
•
সুখ বা শান্তি বড় কোনো অর্জনে নয়, বরং প্রতিদিনের এই ছোট ছোট ইতিবাচক অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।
____
Source: Marc and Angel Hack Life
❤1
তুমি ক্লান্ত? মনে রেখো, সবাই ক্লান্ত। জীবনটা কি কঠিন মনে হচ্ছে? সবার জন্যই তা-ই। আসল সত্য হলো, মানুষ তোমার কষ্টের অজুহাত শুনতে চায় না, তারা শুধু তোমার সাফল্য দেখতে চায়।
কথাটা শুনতে রূঢ় মনে হলেও এটাই তোমাকে স্বাধীন করবে। যখন তুমি অন্যের দয়া বা সহানুভূতির আশা ছেড়ে দেবে, তখনই তোমার আত্মসম্মান বাড়তে শুরু করবে।
ইচ্ছে না করলেও কাজ করো: যখন মন সায় দেবে না, তখনই নিজেকে ঠেলে এগিয়ে নিয়ে যাও।
হাততালির আশা করো না: কেউ প্রশংসা না করলেও নিজের উন্নতির জন্য লড়ে যাও।
নিজের জন্য করো: অন্যকে দেখানোর জন্য নয়, বরং নিজের কাছে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে নিজেকে বদলাও।
তোমার কান্নায় পৃথিবী থেমে থাকবে না। এখন সিদ্ধান্ত তোমার - পরিস্থিতির চাপে তুমি পিষ্ট হবে, নাকি একেই জেদ বানিয়ে এগিয়ে যাবে? কেউ তোমাকে সুন্দর জীবন উপহার দেবে না, এটা তোমাকেই অর্জন করে নিতে হবে। তাই সব অভিযোগ বন্ধ করো এবং নিজের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ো।
কথাটা শুনতে রূঢ় মনে হলেও এটাই তোমাকে স্বাধীন করবে। যখন তুমি অন্যের দয়া বা সহানুভূতির আশা ছেড়ে দেবে, তখনই তোমার আত্মসম্মান বাড়তে শুরু করবে।
ইচ্ছে না করলেও কাজ করো: যখন মন সায় দেবে না, তখনই নিজেকে ঠেলে এগিয়ে নিয়ে যাও।
হাততালির আশা করো না: কেউ প্রশংসা না করলেও নিজের উন্নতির জন্য লড়ে যাও।
নিজের জন্য করো: অন্যকে দেখানোর জন্য নয়, বরং নিজের কাছে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে নিজেকে বদলাও।
তোমার কান্নায় পৃথিবী থেমে থাকবে না। এখন সিদ্ধান্ত তোমার - পরিস্থিতির চাপে তুমি পিষ্ট হবে, নাকি একেই জেদ বানিয়ে এগিয়ে যাবে? কেউ তোমাকে সুন্দর জীবন উপহার দেবে না, এটা তোমাকেই অর্জন করে নিতে হবে। তাই সব অভিযোগ বন্ধ করো এবং নিজের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ো।
🔥2
পলিয়েস্টার মূলত একটি প্লাস্টিক ফাইবার। বর্তমান সময়ে এই ধরনের পোশাকের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়লেও, গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি পরা এবং ধোয়া—উভয়ই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
আমরা কেন এবং কোথায় পলিয়েস্টার ব্যবহার করি?
সহজে ভাঁজ পড়ে না এবং টেকসই হওয়ায় অনেকেই ফরমাল পোশাক হিসেবে পলিয়েস্টার বেছে নেন। এছাড়া নিম্নোক্ত পোশাকগুলোতে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি:
• স্পোর্টস জার্সি, ট্রাউজার এবং জিম শর্টস।
• শীতকালীন পোশাক, ফ্লিস এবং ইনার থার্মাল ওয়্যার।
• ব্লেজারের ভেতরের ফিলিং বা আস্তরণ।
মাইক্রোপ্লাস্টিকের নিঃশব্দ প্রবেশ
পলিয়েস্টার থেকে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা নির্গত হয়, যা মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে পরিচিত। আমরা যখন ঘামি, তখন এই কণাগুলো চামড়ার রোমকূপ দিয়ে সরাসরি আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। শুধু তাই নয়, এই কাপড় ধোয়ার সময় মাইক্রোপ্লাস্টিকগুলো পানির সাথে মিশে যায় এবং পর্যায়ক্রমে আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে পড়ে।
'ফরেভার কেমিক্যাল' এবং ক্যানসারের ঝুঁকি
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, যেসব পলিয়েস্টার পোশাক ওয়াটারপ্রুফ (জলরোধী), ডাস্টপ্রুফ (ধুলোরোধী) বা স্টেইনপ্রুফ (দাগমুক্ত) হিসেবে বাজারজাত করা হয়, সেগুলোতে PFAS (Forever Chemicals) নামক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এই কেমিক্যালগুলো শরীরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত ক্যানসার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ঝুঁকি কমানোর উপায়
গবেষণা অনুযায়ী, পোশাকটি যদি ওয়াটারপ্রুফ বা স্টেইনপ্রুফ না হয়, তবে ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা কম থাকে। তবে প্লাস্টিক ফাইবার হওয়ার কারণে ঝুঁকি পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
তথ্যসূত্র: American Chemical Society (ACS)
#BigyanPoka #বিজ্ঞানপোকা #poliester
আমরা কেন এবং কোথায় পলিয়েস্টার ব্যবহার করি?
সহজে ভাঁজ পড়ে না এবং টেকসই হওয়ায় অনেকেই ফরমাল পোশাক হিসেবে পলিয়েস্টার বেছে নেন। এছাড়া নিম্নোক্ত পোশাকগুলোতে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি:
• স্পোর্টস জার্সি, ট্রাউজার এবং জিম শর্টস।
• শীতকালীন পোশাক, ফ্লিস এবং ইনার থার্মাল ওয়্যার।
• ব্লেজারের ভেতরের ফিলিং বা আস্তরণ।
মাইক্রোপ্লাস্টিকের নিঃশব্দ প্রবেশ
পলিয়েস্টার থেকে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা নির্গত হয়, যা মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে পরিচিত। আমরা যখন ঘামি, তখন এই কণাগুলো চামড়ার রোমকূপ দিয়ে সরাসরি আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। শুধু তাই নয়, এই কাপড় ধোয়ার সময় মাইক্রোপ্লাস্টিকগুলো পানির সাথে মিশে যায় এবং পর্যায়ক্রমে আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে পড়ে।
'ফরেভার কেমিক্যাল' এবং ক্যানসারের ঝুঁকি
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, যেসব পলিয়েস্টার পোশাক ওয়াটারপ্রুফ (জলরোধী), ডাস্টপ্রুফ (ধুলোরোধী) বা স্টেইনপ্রুফ (দাগমুক্ত) হিসেবে বাজারজাত করা হয়, সেগুলোতে PFAS (Forever Chemicals) নামক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এই কেমিক্যালগুলো শরীরে প্রবেশ করলে বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত ক্যানসার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ঝুঁকি কমানোর উপায়
গবেষণা অনুযায়ী, পোশাকটি যদি ওয়াটারপ্রুফ বা স্টেইনপ্রুফ না হয়, তবে ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা কম থাকে। তবে প্লাস্টিক ফাইবার হওয়ার কারণে ঝুঁকি পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
তথ্যসূত্র: American Chemical Society (ACS)
#BigyanPoka #বিজ্ঞানপোকা #poliester
❤1
ছয়টা জিনিস যদি মেনে চলতে পারেন, মেন্টাল পিস আর ম্যাচুরিটি দুটোই বাড়বে। "6 Laws of Maturity"
১. সবকিছু সবাইরে বলবেন না।
আপনার গল্প সবার শুনতে ইচ্ছা করে না। এমনকি অনেকেই চায় আপনি ব্যর্থ হোন। তাই নিজেকে ফিল্টার করতে শিখেন।
২. বন্ধু ঠিকভাবে বাছাই করুন।
ভাল মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজের মানসিকতা আপনা থেকেই উন্নতি হয়। বন্ধুরা আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে, তাই বুদ্ধি খাটান।
৩. কিছু আশা করবেন না, কিন্তু সবকিছুতে কৃতজ্ঞ থাকুন।
ছোট জিনিসগুলার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখেন। এতে আপনি একধরনের শান্তি পাবেন, যা অন্য কিছুতে সম্ভব না।
৪. সেরা চেষ্টা করুন, আর প্রসেসে বিশ্বাস রাখুন।
পরিশ্রম করলে ভাগ্য ভালো হবেই। যে কাজ করছেন, সেটা মন দিয়ে করেন। ফল আসবেই।
৫. নিজেকে কন্ট্রোল করুন, অন্যকে নয়।
আপনি অন্যকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না, কিন্তু নিজের ইমোশন আর আচরণ কন্ট্রোল করাটা সত্যিকারের শক্তি।
৬. রিয়্যাক্ট কম করেন।
আপনার রিয়্যাকশন যদি কেউ কন্ট্রোল করতে না পারে, তখন কেউ আপনাকে ম্যানিপুলেটও করতে পারবে না।
১. সবকিছু সবাইরে বলবেন না।
আপনার গল্প সবার শুনতে ইচ্ছা করে না। এমনকি অনেকেই চায় আপনি ব্যর্থ হোন। তাই নিজেকে ফিল্টার করতে শিখেন।
২. বন্ধু ঠিকভাবে বাছাই করুন।
ভাল মানুষের সঙ্গে থাকলে নিজের মানসিকতা আপনা থেকেই উন্নতি হয়। বন্ধুরা আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে, তাই বুদ্ধি খাটান।
৩. কিছু আশা করবেন না, কিন্তু সবকিছুতে কৃতজ্ঞ থাকুন।
ছোট জিনিসগুলার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখেন। এতে আপনি একধরনের শান্তি পাবেন, যা অন্য কিছুতে সম্ভব না।
৪. সেরা চেষ্টা করুন, আর প্রসেসে বিশ্বাস রাখুন।
পরিশ্রম করলে ভাগ্য ভালো হবেই। যে কাজ করছেন, সেটা মন দিয়ে করেন। ফল আসবেই।
৫. নিজেকে কন্ট্রোল করুন, অন্যকে নয়।
আপনি অন্যকে কন্ট্রোল করতে পারবেন না, কিন্তু নিজের ইমোশন আর আচরণ কন্ট্রোল করাটা সত্যিকারের শক্তি।
৬. রিয়্যাক্ট কম করেন।
আপনার রিয়্যাকশন যদি কেউ কন্ট্রোল করতে না পারে, তখন কেউ আপনাকে ম্যানিপুলেটও করতে পারবে না।
যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইস্তিখারা করুন!
ইস্তিখারা কী?
ইস্তিখারা অর্থ হলো—
আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া।
*যখন আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দ্বিধায় পড়ি (বিয়ে, চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা, কোথাও যাওয়া ইত্যাদি), তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেই ইস্তিখারা করা হয়।
ইস্তিখারা কেন পড়তে হয়?
কারণ—
- আমরা ভবিষ্যৎ জানি না
- কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা খারাপ—তা শুধু আল্লাহ জানেন
তাই ইস্তিখারার মাধ্যমে আমরা বলি:
“হে আল্লাহ, আপনি জানেন, আমি জানি না—আমার জন্য যেটা ভালো সেটাই করে দিন।”
*ইস্তিখারা কখন পড়বেন?*
- যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
- ফরজ বা হারাম বিষয়ে ইস্তিখারা নেই
ইস্তিখারা কীভাবে পড়তে হয়?
১. ভালোভাবে অজু করবেন
২. দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন
(ফরজ নামাজের সাথে মিলাবেন না)
৩. নামাজ শেষে ইস্তিখারার দোয়া পড়বেন
৪. দোয়ার সময় নিজের প্রয়োজনের কথা মনে মনে বলবেন
▫️ ইস্তিখারার দু'আ:
কোন কাজে ভালো মন্দ বুঝতে না পারলে, মনে ঠিক-বেঠিক, উচিত-অনুচিত বা লাভ-নোকসানের দ্বন্দ্ব আল্লাহর নিকট মঙ্গল প্রার্থনা করতে দুই রাকআত নফল নামায পড়ে নিম্নের দুআ পঠনীয়।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ ، وَأَسْتَعِينُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلا أَقْدِرُ ، وَتَعْلَمُ وَلا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلامُ الْغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ () خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي ، وَاصْرِفْنِي عَنْهُ ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্তাক্দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্দিরু অলা আক্দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা ( ) খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট তোমার ইলমের সাথে মঙ্গল প্রার্থনা করছি। তোমার কুদরতের সাথে শক্তি প্রার্থনা করছি এবং তোমার বিরাট অনুগ্রহ থেকে ভিক্ষা যাচনা করছি। কেননা, তুমি শক্তি রাখ, আমি শক্তি রাখি না। তুমি জান, আমি জানি না এবং তুমি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি তুমি এই ( ) কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে ভালো জান, তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত ও সহজ করে দাও। অতঃপর তাতে আমার জন্য বৰ্কত দান কর। আর যদি তুমি এই কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে মন্দ জান, তাহলে তা আমার নিকট থেকে ফিরিয়ে নাও এবং আমাকে ওর নিকট থেকে সরিয়ে দাও। আর যেখানেই হোক মঙ্গল আমার জন্য বাস্তবায়িত কর, অতঃপর তাতে আমার মনকে পরিতুষ্ট করে দাও।
প্রথমে (هَذَا الأَمْرَ) ‘হা-যাল আমরা এর স্থলে বা পরে কাজের নাম নিতে হবে অথবা মনে মনে সেই জ্ঞাতব্য বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করতে হবে।
সে ব্যক্তি কর্মে কোনদিন লাঞ্ছিত হয় না, যে আল্লাহর নিকট তাতে মঙ্গল প্রার্থনা করে, অভিজ্ঞদের নিকট পরামর্শ গ্রহণ করে এবং ভালো-মন্দ বিচার করার পর কর্ম করে। (বুখারী ৭/ ১৬২, আবু দাউদ ২/৮৯, তিরমিযী ২/৩৫৫, আহমাদ ৩/৩৪৪)।
ইস্তিখারার পর কী হবে?
• স্বপ্ন দেখা জরুরি নয়।
• মন যেদিকে স্বস্তি পায়
• কাজটি সহজ হয়ে যায় বা দূরে সরে যায়
—এভাবেই আল্লাহ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেন
বিশ্বাস রাখুন
ইস্তিখারার পর আল্লাহ যা ঘটাবেন—
সেটাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।
আল্লাহ আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিন।আমিন।
-নুরুল কুরআন একাডেমি।
ইস্তিখারা কী?
ইস্তিখারা অর্থ হলো—
আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া।
*যখন আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দ্বিধায় পড়ি (বিয়ে, চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা, কোথাও যাওয়া ইত্যাদি), তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেই ইস্তিখারা করা হয়।
ইস্তিখারা কেন পড়তে হয়?
কারণ—
- আমরা ভবিষ্যৎ জানি না
- কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা খারাপ—তা শুধু আল্লাহ জানেন
তাই ইস্তিখারার মাধ্যমে আমরা বলি:
“হে আল্লাহ, আপনি জানেন, আমি জানি না—আমার জন্য যেটা ভালো সেটাই করে দিন।”
*ইস্তিখারা কখন পড়বেন?*
- যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
- ফরজ বা হারাম বিষয়ে ইস্তিখারা নেই
ইস্তিখারা কীভাবে পড়তে হয়?
১. ভালোভাবে অজু করবেন
২. দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন
(ফরজ নামাজের সাথে মিলাবেন না)
৩. নামাজ শেষে ইস্তিখারার দোয়া পড়বেন
৪. দোয়ার সময় নিজের প্রয়োজনের কথা মনে মনে বলবেন
▫️ ইস্তিখারার দু'আ:
কোন কাজে ভালো মন্দ বুঝতে না পারলে, মনে ঠিক-বেঠিক, উচিত-অনুচিত বা লাভ-নোকসানের দ্বন্দ্ব আল্লাহর নিকট মঙ্গল প্রার্থনা করতে দুই রাকআত নফল নামায পড়ে নিম্নের দুআ পঠনীয়।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ ، وَأَسْتَعِينُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلا أَقْدِرُ ، وَتَعْلَمُ وَلا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلامُ الْغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ () خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي ، وَاصْرِفْنِي عَنْهُ ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্তাক্দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্দিরু অলা আক্দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা ( ) খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট তোমার ইলমের সাথে মঙ্গল প্রার্থনা করছি। তোমার কুদরতের সাথে শক্তি প্রার্থনা করছি এবং তোমার বিরাট অনুগ্রহ থেকে ভিক্ষা যাচনা করছি। কেননা, তুমি শক্তি রাখ, আমি শক্তি রাখি না। তুমি জান, আমি জানি না এবং তুমি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি তুমি এই ( ) কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে ভালো জান, তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত ও সহজ করে দাও। অতঃপর তাতে আমার জন্য বৰ্কত দান কর। আর যদি তুমি এই কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে মন্দ জান, তাহলে তা আমার নিকট থেকে ফিরিয়ে নাও এবং আমাকে ওর নিকট থেকে সরিয়ে দাও। আর যেখানেই হোক মঙ্গল আমার জন্য বাস্তবায়িত কর, অতঃপর তাতে আমার মনকে পরিতুষ্ট করে দাও।
প্রথমে (هَذَا الأَمْرَ) ‘হা-যাল আমরা এর স্থলে বা পরে কাজের নাম নিতে হবে অথবা মনে মনে সেই জ্ঞাতব্য বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করতে হবে।
সে ব্যক্তি কর্মে কোনদিন লাঞ্ছিত হয় না, যে আল্লাহর নিকট তাতে মঙ্গল প্রার্থনা করে, অভিজ্ঞদের নিকট পরামর্শ গ্রহণ করে এবং ভালো-মন্দ বিচার করার পর কর্ম করে। (বুখারী ৭/ ১৬২, আবু দাউদ ২/৮৯, তিরমিযী ২/৩৫৫, আহমাদ ৩/৩৪৪)।
ইস্তিখারার পর কী হবে?
• স্বপ্ন দেখা জরুরি নয়।
• মন যেদিকে স্বস্তি পায়
• কাজটি সহজ হয়ে যায় বা দূরে সরে যায়
—এভাবেই আল্লাহ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেন
বিশ্বাস রাখুন
ইস্তিখারার পর আল্লাহ যা ঘটাবেন—
সেটাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।
আল্লাহ আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিন।আমিন।
-নুরুল কুরআন একাডেমি।
আয়তুল কুরসি থেকে
#৩টা লাইফ লেসন
💢১. মেন্টাল লোড কমিয়ে ফেলুন (টেনশন ট্রান্সফার)
আল্লাহ হলেন ‘আল-কাইয়ুম’—তিনি সব ম্যানেজ করছেন।
যখনই কাজের চাপে মাথা খারাপ অবস্থা হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দিন—পৃথিবীটা আপনি চালাচ্ছেন না। যিনি চালাচ্ছেন, তিনি সদা জেগে আছেন।
নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করে ফলাফলের চিন্তাটা ‘ডিলিট’ করে দিন। মনটা হালকা লাগবে।
💢২. মালিকানা বোধ ছাড়ুন (ডিটাচমেন্ট)
‘আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁর’
আপনার পকেটের ফোনটা, গায়ের জামাটা—আসলে আপনার না। আপনাকে কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে। লিজ নেওয়া জিনিসের মতো।
এটা ভাবলে দেখবেন, কোনো কিছু হারালে বা নষ্ট হলে আর বুক ফেটে কান্না আসছে না।
💢৩. নিজের সমস্যাকে ছোট করে দেখুন (পারসপেক্টিভ)
যিনি বিশাল আসমান-জমিন সামলাতে গিয়ে ক্লান্ত হন না, আপনার ছোটখাটো সমস্যা তাঁর কাছে কিছুই না।
যখনই মনে হবে আপনি শেষ, তখন আকাশের দিকে তাকান। ভাবুন, এই বিশাল গ্যালাক্সি যিনি সামলাচ্ছেন, আপনার ভাড়ার টাকা বা অফিসের ঝামেলার সমাধান করা তাঁর জন্য এক সেকেন্ডের ব্যাপার। শুধু ভরসাটা রাখুন।
ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা। ওয়া হুয়াল-আলিউল-আজিম
(মাসুদ শরীফ ভাইয়ের ওয়াল থেকে)
#আয়তুল #কুরসি #রিমাইন্ডার
#৩টা লাইফ লেসন
💢১. মেন্টাল লোড কমিয়ে ফেলুন (টেনশন ট্রান্সফার)
আল্লাহ হলেন ‘আল-কাইয়ুম’—তিনি সব ম্যানেজ করছেন।
যখনই কাজের চাপে মাথা খারাপ অবস্থা হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দিন—পৃথিবীটা আপনি চালাচ্ছেন না। যিনি চালাচ্ছেন, তিনি সদা জেগে আছেন।
নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করে ফলাফলের চিন্তাটা ‘ডিলিট’ করে দিন। মনটা হালকা লাগবে।
💢২. মালিকানা বোধ ছাড়ুন (ডিটাচমেন্ট)
‘আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁর’
আপনার পকেটের ফোনটা, গায়ের জামাটা—আসলে আপনার না। আপনাকে কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে। লিজ নেওয়া জিনিসের মতো।
এটা ভাবলে দেখবেন, কোনো কিছু হারালে বা নষ্ট হলে আর বুক ফেটে কান্না আসছে না।
💢৩. নিজের সমস্যাকে ছোট করে দেখুন (পারসপেক্টিভ)
যিনি বিশাল আসমান-জমিন সামলাতে গিয়ে ক্লান্ত হন না, আপনার ছোটখাটো সমস্যা তাঁর কাছে কিছুই না।
যখনই মনে হবে আপনি শেষ, তখন আকাশের দিকে তাকান। ভাবুন, এই বিশাল গ্যালাক্সি যিনি সামলাচ্ছেন, আপনার ভাড়ার টাকা বা অফিসের ঝামেলার সমাধান করা তাঁর জন্য এক সেকেন্ডের ব্যাপার। শুধু ভরসাটা রাখুন।
ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা। ওয়া হুয়াল-আলিউল-আজিম
(মাসুদ শরীফ ভাইয়ের ওয়াল থেকে)
#আয়তুল #কুরসি #রিমাইন্ডার
বিয়ের ছয়টি স্টেজ
বাদল সৈয়দ
১) ফ্যান্টাসি স্টেজ-
এখন জীবন রঙিন। সবকিছুই মধুর—ম্যাজিকাল। এখন নতুন জীবন উপভোগের শ্রেষ্ঠ সময়।
সময়টা মিষ্টি রাগ-অনুরাগের। বাড়ি ফিরতে একটু দেরি হলেই মেয়েটি অভিমানে গাল ফুলবে। জন্মদিন ভুলে গেলে বালিশে উপুড় হয়ে কেঁদে বুক ভাসাবে।
অফিসের কাজে দূরে গেলে ছেলেটি অস্থির হয়ে উঠবে। বারবার ভিডিও কল করে মধুর বিরক্তি উৎপত্তি করবে।
বাস্তবতা এখনো দরজার কড়া নাড়েনি।
এখন আরেকজন নাক ডাকলেও কিউট লাগবে!
২) রিয়েলিটি চেক স্টেজ-
আস্তে আস্তে নিঃশর্ত ভালো লাগার মুখোশ খুলে যাবে। দোষগুলো চোখে পড়বে। কিছু কিছু অভ্যাসে পছন্দ হবে না। টুকটাক রাগারাগি হবে, ধীরে ধীরে তা বাড়বে। একজন মাঝে রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাবে—দেখা যাবে রাতে আরেকজন অনুতপ্ত চেহারা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির ড্রয়িংরুমে বসে আছে। তারপর মান-অভিমান ভুলে দুজনে নিজের ঘরে ফিরে আসবে।
সময়টা একটু কঠিন। বাস্তবতার রোলার কোস্টারে চেপে মাঝে মাঝে মনে হবে—‘আমি ভুল করিনি তো?’
এখন নাক ডাকলে বিরক্ত লাগা শুরু হবে।
৩) ফ্রাস্ট্রেশন স্টেজ-
ঝগড়া, ভুল বোঝাবুঝি বাড়বে। দুজন সহজে একমত হবে না। তর্ক হবে। সে তর্কের সূত্র ধরে তুলকালাম কাণ্ড ঘটবে। রাগ-অভিমান থেকে জন্ম নিতে পারে বিতৃষ্ণা।
মাঝে মাঝে কথাবার্তা বন্ধ থাকবে। কখনো কখনো অন্যজনের কিছুই ভালো লাগবে না।
হতাশা কাজ করবে—‘ও এরকম কেন?’—এটা ভেবে খুব মন খারাপ হবে।
চিন্তা-ভাবনা হবে সেই নদীর মতো—‘ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।’
নাক ডাকা নিয়ে রাগারাগি হবে। মুখের বালিশ ছুঁড়ে মারবে। মাঝে মাঝে অন্য ঘরে ঘুমাবে।
সময়টা খারাপ। এ স্টেজে সবচেয়ে বেশি ডিভোর্স হয়।
৪) গ্রোথ স্টেজ-
ফ্যান্টাসি থেকে ফ্রাস্ট্রেশন—এসব স্টেজ পেরিয়ে বিয়ে চতুর্থ স্টেজে পড়েছে।
এখন বুঝবে, নদীর ওপারে সর্বসুখ নেই। সেখানকার অবস্থাও এপারের মতোই।
এখন একজন আরেকজনকে আরও ভালোভাবে বুঝবে। মানুষটিকে বদলানোর চেয়ে সহাবস্থানে বিশ্বাস করবে। ত্রুটিগুলো মেনে নেবে।
এ পর্বে ভালোবাসা জমা শুরু হবে।
নাক ডাকলে বিরক্ত লাগবে—কিন্তু মানিয়ে নেবে।
এখান থেকেই ম্যাচিউরিটির শুরু।
৫) ট্রু লাভ স্টেজ-
এখন শুরু হবে আসল ভালোবাসা।
দুজনের অনেক যুদ্ধ হয়েছে। কত গ্লাস-প্লেট ভেঙেছে! রণক্লান্ত দুজন এখন থিতু হবে।
এখন সন্ধির সময়।
অনেক ঝড়ঝাপটার পরও দুজনে লেপ্টে আছে। এভাবেই জয় হয়েছে প্রেমের। তাই এখন দাম্পত্য অনেক শান্তির—ভালোবাসার—সহমর্মিতার।
এখন ফ্যান্টাসি নয়, বিতৃষ্ণা নয়—পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সময়। ছেলেমেয়ে বড় করার সময়।
এখন দাওয়াত খেতে গেলে হোস্ট যতটা না বলবেন, তার চেয়ে অন্যজন বেশি বলবে—‘এটা খাও, ওটা খাও। খুব স্বাদ হয়েছে।’
এ পর্বে ভালোবাসা জমতে জমতে গাঢ় ক্ষীর হবে।
এখন নাক ডাকলে ভয় হবে—‘ওর হার্টে কোনো সমস্যা নেই তো! নইলে এভাবে নাক ডাকছে কেন?’
৬) লিগ্যাসি স্টেজ-
এখন আর নিজের জীবন বলতে কিছু নেই। ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে। কারও কারও নাতি-নাতনিও হয়ে গেছে। তাদের নিয়েই সময় কেটে যায়।
ছেলেটা দূরে থাকে, ঠিকমতো খাচ্ছে তো?
মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে কেমন আছে?
নাতিটার জ্বর কমছে না।
নাতিনটা খেতে চায় না।
এসব চিন্তাই এখন প্রধান চিন্তা—নিজেদের চিন্তা গৌণ হয়ে যাবে।
এখন তৈরি হবে লিগ্যাসি, যেটা স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে।
তবে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে—তা হচ্ছে, আগে অন্যজন বলত—‘এটা খাও, ওটা খাও।’ এখন বলবে—‘এটা খেও না, ওটা খেও না, ডায়াবেটিস বেড়ে যাবে।’
এখন নাক ডাকার অত্যাচার অনিবার্য নিয়তি বলে মেনে নেবে।
পাদটীকা: তিন নম্বর স্টেজ পার হলে আপনি নিরাপদ। আমার পাঁচ নাম্বার চলছে—আপনার?
(একটি বিদেশি ভিডিও থেকে আইডিয়া নিয়ে নিজের মতো করে লিখা)
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
বাদল সৈয়দ
১) ফ্যান্টাসি স্টেজ-
এখন জীবন রঙিন। সবকিছুই মধুর—ম্যাজিকাল। এখন নতুন জীবন উপভোগের শ্রেষ্ঠ সময়।
সময়টা মিষ্টি রাগ-অনুরাগের। বাড়ি ফিরতে একটু দেরি হলেই মেয়েটি অভিমানে গাল ফুলবে। জন্মদিন ভুলে গেলে বালিশে উপুড় হয়ে কেঁদে বুক ভাসাবে।
অফিসের কাজে দূরে গেলে ছেলেটি অস্থির হয়ে উঠবে। বারবার ভিডিও কল করে মধুর বিরক্তি উৎপত্তি করবে।
বাস্তবতা এখনো দরজার কড়া নাড়েনি।
এখন আরেকজন নাক ডাকলেও কিউট লাগবে!
২) রিয়েলিটি চেক স্টেজ-
আস্তে আস্তে নিঃশর্ত ভালো লাগার মুখোশ খুলে যাবে। দোষগুলো চোখে পড়বে। কিছু কিছু অভ্যাসে পছন্দ হবে না। টুকটাক রাগারাগি হবে, ধীরে ধীরে তা বাড়বে। একজন মাঝে রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যাবে—দেখা যাবে রাতে আরেকজন অনুতপ্ত চেহারা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির ড্রয়িংরুমে বসে আছে। তারপর মান-অভিমান ভুলে দুজনে নিজের ঘরে ফিরে আসবে।
সময়টা একটু কঠিন। বাস্তবতার রোলার কোস্টারে চেপে মাঝে মাঝে মনে হবে—‘আমি ভুল করিনি তো?’
এখন নাক ডাকলে বিরক্ত লাগা শুরু হবে।
৩) ফ্রাস্ট্রেশন স্টেজ-
ঝগড়া, ভুল বোঝাবুঝি বাড়বে। দুজন সহজে একমত হবে না। তর্ক হবে। সে তর্কের সূত্র ধরে তুলকালাম কাণ্ড ঘটবে। রাগ-অভিমান থেকে জন্ম নিতে পারে বিতৃষ্ণা।
মাঝে মাঝে কথাবার্তা বন্ধ থাকবে। কখনো কখনো অন্যজনের কিছুই ভালো লাগবে না।
হতাশা কাজ করবে—‘ও এরকম কেন?’—এটা ভেবে খুব মন খারাপ হবে।
চিন্তা-ভাবনা হবে সেই নদীর মতো—‘ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।’
নাক ডাকা নিয়ে রাগারাগি হবে। মুখের বালিশ ছুঁড়ে মারবে। মাঝে মাঝে অন্য ঘরে ঘুমাবে।
সময়টা খারাপ। এ স্টেজে সবচেয়ে বেশি ডিভোর্স হয়।
৪) গ্রোথ স্টেজ-
ফ্যান্টাসি থেকে ফ্রাস্ট্রেশন—এসব স্টেজ পেরিয়ে বিয়ে চতুর্থ স্টেজে পড়েছে।
এখন বুঝবে, নদীর ওপারে সর্বসুখ নেই। সেখানকার অবস্থাও এপারের মতোই।
এখন একজন আরেকজনকে আরও ভালোভাবে বুঝবে। মানুষটিকে বদলানোর চেয়ে সহাবস্থানে বিশ্বাস করবে। ত্রুটিগুলো মেনে নেবে।
এ পর্বে ভালোবাসা জমা শুরু হবে।
নাক ডাকলে বিরক্ত লাগবে—কিন্তু মানিয়ে নেবে।
এখান থেকেই ম্যাচিউরিটির শুরু।
৫) ট্রু লাভ স্টেজ-
এখন শুরু হবে আসল ভালোবাসা।
দুজনের অনেক যুদ্ধ হয়েছে। কত গ্লাস-প্লেট ভেঙেছে! রণক্লান্ত দুজন এখন থিতু হবে।
এখন সন্ধির সময়।
অনেক ঝড়ঝাপটার পরও দুজনে লেপ্টে আছে। এভাবেই জয় হয়েছে প্রেমের। তাই এখন দাম্পত্য অনেক শান্তির—ভালোবাসার—সহমর্মিতার।
এখন ফ্যান্টাসি নয়, বিতৃষ্ণা নয়—পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সময়। ছেলেমেয়ে বড় করার সময়।
এখন দাওয়াত খেতে গেলে হোস্ট যতটা না বলবেন, তার চেয়ে অন্যজন বেশি বলবে—‘এটা খাও, ওটা খাও। খুব স্বাদ হয়েছে।’
এ পর্বে ভালোবাসা জমতে জমতে গাঢ় ক্ষীর হবে।
এখন নাক ডাকলে ভয় হবে—‘ওর হার্টে কোনো সমস্যা নেই তো! নইলে এভাবে নাক ডাকছে কেন?’
৬) লিগ্যাসি স্টেজ-
এখন আর নিজের জীবন বলতে কিছু নেই। ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে। কারও কারও নাতি-নাতনিও হয়ে গেছে। তাদের নিয়েই সময় কেটে যায়।
ছেলেটা দূরে থাকে, ঠিকমতো খাচ্ছে তো?
মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে কেমন আছে?
নাতিটার জ্বর কমছে না।
নাতিনটা খেতে চায় না।
এসব চিন্তাই এখন প্রধান চিন্তা—নিজেদের চিন্তা গৌণ হয়ে যাবে।
এখন তৈরি হবে লিগ্যাসি, যেটা স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকবে।
তবে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে—তা হচ্ছে, আগে অন্যজন বলত—‘এটা খাও, ওটা খাও।’ এখন বলবে—‘এটা খেও না, ওটা খেও না, ডায়াবেটিস বেড়ে যাবে।’
এখন নাক ডাকার অত্যাচার অনিবার্য নিয়তি বলে মেনে নেবে।
পাদটীকা: তিন নম্বর স্টেজ পার হলে আপনি নিরাপদ। আমার পাঁচ নাম্বার চলছে—আপনার?
(একটি বিদেশি ভিডিও থেকে আইডিয়া নিয়ে নিজের মতো করে লিখা)
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
জীবনে যখন রিজিকের চাপ, ঋণের বোঝা আর অস্থিরতা একসাথে ঘিরে ধরে—
তখন শুধু দোয়া নয়, সঠিক সময়ে সঠিক আমল দরকার।
শায়খ হাবীব কাজিম আস-সাক্কাফ হাফিযাহুল্লাহ এই আমলটি গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়েছেন—
📌 জুমার নামাজ অথবা যোহরের নামাজের পরপরই
১) চারটি সূরা ৭ বার করে পড়বেন
সূরা আল-ফাতিহা
সূরা আল-ইখলাস
সূরা আল-ফালাক
সূরা আন-নাস
২) এরপর নিচের দোয়াটি ৭০ বার পড়বেন
আরবি দোয়া:
اللَّهُمَّ يَا غَنِيُّ يَا حَمِيدُ، يَا مُبْدِئُ يَا مُعِيدُ،
يَا رَحِيمُ يَا وَدُودُ، أَغْنِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ،
وَبِطَاعَتِكَ عَنْ مَعْصِيَتِكَ، وَبِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইয়া গনিইয়্যু ইয়া হামীদ,
ইয়া মুবদিইউ ইয়া মুঈদ,
ইয়া রাহীমু ইয়া ওয়াদূদ,
আগনিনি বি হালালিকা আন হারামিকা,
ওয়া বিথো‘আতিকা আন মা‘সিয়াতিকা,
ওয়া বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
অর্থ:
হে আল্লাহ, হে অভাবমুক্ত ও প্রশংসার যোগ্য,
হে সৃষ্টির সূচনাকারী ও পুনরায় ফিরিয়ে আননেওয়ালা,
হে পরম দয়ালু, হে গভীরভাবে ভালোবাসেন যিনি—
আপনার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে মুক্ত রাখুন,
আপনার আনুগত্যের মাধ্যমে আমাকে গুনাহ থেকে দূরে রাখুন,
এবং আপনার অনুগ্রহে আমাকে আপনি ছাড়া অন্য সবার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করুন।
অনেকেই এই আমলে আল্লাহর পক্ষ থেকে অপ্রত্যাশিত সাহায্য পেয়েছেন—
কেউ ঋণমুক্ত হয়েছেন,
কেউ রিজিকের দরজা খুলতে দেখেছেন,
কেউ আবার মানসিক প্রশান্তি ফিরে পেয়েছেন।
© Ekram Hossain – ইকরাম হোসা
📌 রেফারেন্স:
ইমাম নববী (রহ.) — আল-আযকার
আল-কালিমুত-তাইয়্যিব
সালাফদের রিজিক ও অর্থসংকটের আমল
তখন শুধু দোয়া নয়, সঠিক সময়ে সঠিক আমল দরকার।
শায়খ হাবীব কাজিম আস-সাক্কাফ হাফিযাহুল্লাহ এই আমলটি গুরুত্ব দিয়ে শিখিয়েছেন—
📌 জুমার নামাজ অথবা যোহরের নামাজের পরপরই
১) চারটি সূরা ৭ বার করে পড়বেন
সূরা আল-ফাতিহা
সূরা আল-ইখলাস
সূরা আল-ফালাক
সূরা আন-নাস
২) এরপর নিচের দোয়াটি ৭০ বার পড়বেন
আরবি দোয়া:
اللَّهُمَّ يَا غَنِيُّ يَا حَمِيدُ، يَا مُبْدِئُ يَا مُعِيدُ،
يَا رَحِيمُ يَا وَدُودُ، أَغْنِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ،
وَبِطَاعَتِكَ عَنْ مَعْصِيَتِكَ، وَبِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইয়া গনিইয়্যু ইয়া হামীদ,
ইয়া মুবদিইউ ইয়া মুঈদ,
ইয়া রাহীমু ইয়া ওয়াদূদ,
আগনিনি বি হালালিকা আন হারামিকা,
ওয়া বিথো‘আতিকা আন মা‘সিয়াতিকা,
ওয়া বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
অর্থ:
হে আল্লাহ, হে অভাবমুক্ত ও প্রশংসার যোগ্য,
হে সৃষ্টির সূচনাকারী ও পুনরায় ফিরিয়ে আননেওয়ালা,
হে পরম দয়ালু, হে গভীরভাবে ভালোবাসেন যিনি—
আপনার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে মুক্ত রাখুন,
আপনার আনুগত্যের মাধ্যমে আমাকে গুনাহ থেকে দূরে রাখুন,
এবং আপনার অনুগ্রহে আমাকে আপনি ছাড়া অন্য সবার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করুন।
অনেকেই এই আমলে আল্লাহর পক্ষ থেকে অপ্রত্যাশিত সাহায্য পেয়েছেন—
কেউ ঋণমুক্ত হয়েছেন,
কেউ রিজিকের দরজা খুলতে দেখেছেন,
কেউ আবার মানসিক প্রশান্তি ফিরে পেয়েছেন।
© Ekram Hossain – ইকরাম হোসা
📌 রেফারেন্স:
ইমাম নববী (রহ.) — আল-আযকার
আল-কালিমুত-তাইয়্যিব
সালাফদের রিজিক ও অর্থসংকটের আমল
Forwarded from Rumi-Lovers 🌸
▪️শরীর শরমিন্দা...🌼
জামাই - বউ বা নারী পুরুষের সম্পর্ক মানেই দেহের ভালবাসার গোলাম হওয়া না। বহুবিধ ভালবাসা চর্চার একটি সম্পর্ক । তাতে শরীরের ভালবাসা অন্যতম মাত্র ।শরীর বেশি গুরুত্ব পেলে সংকট গুরুতর ।কেমনে সে সংকটে জ্বলে মানুষ সেইটার পাঠ আছে ।
আর নারী পুরুষের শরীরের নৈকট্য পেলেই শরীরের কামতৃষ্ণা জাগে না । জাগলেও হৃদয়ের ভালবাসা অনির্বচনীয় রোশনির সামনে শরীরের তৃষ্ণার ক্ষুদ্রতা প্রকাশ পায় । জাগছে— জাগছে— জাগছে কিন্তু না , শরীর শরমিন্দা হয়ে গেছে । কেন হয় অমন কখনো তার গল্প আছে ।
শামস বাসররাতে দেহ মেলালেন না কেন ? পরেও নতুন বউয়ের রুমে আসেন , বসেন গল্প করতে করতে বউয়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন , সুন্দরী বউ শামসের কপালে চুমু দেন । ব্যাস অতটুকুই । নাহ অক্ষমতা না , অন্য কিছু ....। এই সুন্দরী বউ মরার আগে মরতে চান । সেটা কেমনে ? আছে এর গল্প এতে । আর আসল চ্যালেঞ্জ ভালো ও মন্দকে ভালবাসা । কাম ক্রোধ হিংসাও দরকারি । ব্যবহার জানতে হবে । জানলে মজা , নইলে বিপদ ।
অনুবাদঃ সারওয়ার চৌধুরী
জামাই - বউ বা নারী পুরুষের সম্পর্ক মানেই দেহের ভালবাসার গোলাম হওয়া না। বহুবিধ ভালবাসা চর্চার একটি সম্পর্ক । তাতে শরীরের ভালবাসা অন্যতম মাত্র ।শরীর বেশি গুরুত্ব পেলে সংকট গুরুতর ।কেমনে সে সংকটে জ্বলে মানুষ সেইটার পাঠ আছে ।
আর নারী পুরুষের শরীরের নৈকট্য পেলেই শরীরের কামতৃষ্ণা জাগে না । জাগলেও হৃদয়ের ভালবাসা অনির্বচনীয় রোশনির সামনে শরীরের তৃষ্ণার ক্ষুদ্রতা প্রকাশ পায় । জাগছে— জাগছে— জাগছে কিন্তু না , শরীর শরমিন্দা হয়ে গেছে । কেন হয় অমন কখনো তার গল্প আছে ।
শামস বাসররাতে দেহ মেলালেন না কেন ? পরেও নতুন বউয়ের রুমে আসেন , বসেন গল্প করতে করতে বউয়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন , সুন্দরী বউ শামসের কপালে চুমু দেন । ব্যাস অতটুকুই । নাহ অক্ষমতা না , অন্য কিছু ....। এই সুন্দরী বউ মরার আগে মরতে চান । সেটা কেমনে ? আছে এর গল্প এতে । আর আসল চ্যালেঞ্জ ভালো ও মন্দকে ভালবাসা । কাম ক্রোধ হিংসাও দরকারি । ব্যবহার জানতে হবে । জানলে মজা , নইলে বিপদ ।
অনুবাদঃ সারওয়ার চৌধুরী
আমরা অনেক সময় সুখ খুঁজতে গিয়ে আসলে এক ধরণের উত্তেজনার পেছনে ছুটি, কিন্তু আমাদের মনের আসল তৃষ্ণা থাকে শান্তির জন্য।
আপনি কি সুখ খুঁজছেন নাকি শান্তি? ৯টি লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে।
•
১. পরবর্তী বড় আনন্দের অপেক্ষায় থাকা: আপনি কি সবসময় ভাবেন "পরবর্তী ছুটিতে কী করব?" বা "পরের বড় ইভেন্টটা কবে?" যদি বর্তমানের সাধারণ মুহূর্তগুলো আপনার কাছে পানসে মনে হয় এবং আপনি কেবল বড় কোনো উত্তেজনার অপেক্ষায় থাকেন, তবে বুঝবেন আপনার মন আসলে শান্তি খুঁজছে।
২. সাফল্য বা জয় খুব অল্প সময় স্থায়ী হওয়া: কোনো বড় লক্ষ্য অর্জনের পর আপনার খুশি কি মাত্র কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা থাকে? এরপরই কি আবার নতুন কিছু পাওয়ার দুশ্চিন্তা শুরু হয়? এটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনি শুধু সাময়িক 'সুখ' খুঁজছেন।
৩. ভালো মুহূর্তেও অস্থির থাকা: যখন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে, তখনও কি আপনার মনে হয়—"এরপরে খারাপ কী ঘটবে?" ভালো সময়েও মনের কোণে ভয় থাকা মানে হলো আপনার মনের গভীরে শান্তির অভাব।
৪. বিশ্রামকে মনে করা একটি 'পুরস্কার': আপনি কি মনে করেন যে অনেক কাজ করার পরেই কেবল বিশ্রাম নেওয়ার অধিকার আপনার আছে? শান্তি মানে হলো বিশ্রামকে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নেওয়া, একে 'অর্জন' করার বিষয় হিসেবে দেখা নয়।
৫. নীরবতাকে কোলাহল দিয়ে পূর্ণ করা: একটু একা বা নিরিবিলি থাকলেই কি আপনি ফোন হাতে নেন বা গান চালিয়ে দেন? নীরবতায় অস্বস্তি বোধ করা মানে আপনি নিজের ভেতরের অস্থিরতা থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন।
৬. কাউকে হতাশ না করতে সবসময় 'হ্যাঁ' বলা: সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজের সীমা অতিক্রম করা শান্তির বড় বাধা। এটি আপনাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়।
৭. মুড বদলাতে ফোনের আশ্রয় নেওয়া: মন খারাপ হলেই কি আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা শুরু করেন? এটি সাময়িকভাবে ডোপামিন দেয় (সুখ), কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী শান্তি দেয় না।
৮. বড় আয়োজনের চেয়ে সহজ দিনগুলো বেশি মনে পড়া: আপনি কি খেয়াল করেছেন আপনার সেরা স্মৃতিগুলো কোনো বড় উৎসবের নয়, বরং বৃষ্টির দিনে বারান্দায় বসে চা খাওয়া বা কোনো প্রিয় মানুষের সাথে হাঁটার মতো সাধারণ দিনের? তার মানে আপনার আত্মা শান্তিতেই বেশি তৃপ্ত হয়।
৯. সবসময় কিছু একটা করার তাড়না অনুভব করা: আপনি যদি বসে থাকতে না পারেন এবং সবসময় নিজেকে ব্যস্ত রাখার এক ধরণের চাপ অনুভব করেন, তবে আপনার 'শান্তি' প্রয়োজন।
•
সুখ আসে সাময়িক উত্তেজনা বা প্রাপ্তি থেকে, যা অনেকটা আগুনের স্ফুলিঙ্গের মতো। কিন্তু শান্তি হলো গভীর শ্বাস, হালকা কাঁধ এবং একটি শান্ত মনের মতো যা সবসময় ভবিষ্যতের কথা ভেবে অস্থির হয় না। জীবনকে কেবল 'happy' করার চেষ্টা না করে 'peaceful' বা শান্তিময় করার দিকে নজর দিন।
____
Source: Cottonwood Psychology
আপনি কি সুখ খুঁজছেন নাকি শান্তি? ৯টি লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে।
•
১. পরবর্তী বড় আনন্দের অপেক্ষায় থাকা: আপনি কি সবসময় ভাবেন "পরবর্তী ছুটিতে কী করব?" বা "পরের বড় ইভেন্টটা কবে?" যদি বর্তমানের সাধারণ মুহূর্তগুলো আপনার কাছে পানসে মনে হয় এবং আপনি কেবল বড় কোনো উত্তেজনার অপেক্ষায় থাকেন, তবে বুঝবেন আপনার মন আসলে শান্তি খুঁজছে।
২. সাফল্য বা জয় খুব অল্প সময় স্থায়ী হওয়া: কোনো বড় লক্ষ্য অর্জনের পর আপনার খুশি কি মাত্র কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা থাকে? এরপরই কি আবার নতুন কিছু পাওয়ার দুশ্চিন্তা শুরু হয়? এটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনি শুধু সাময়িক 'সুখ' খুঁজছেন।
৩. ভালো মুহূর্তেও অস্থির থাকা: যখন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে, তখনও কি আপনার মনে হয়—"এরপরে খারাপ কী ঘটবে?" ভালো সময়েও মনের কোণে ভয় থাকা মানে হলো আপনার মনের গভীরে শান্তির অভাব।
৪. বিশ্রামকে মনে করা একটি 'পুরস্কার': আপনি কি মনে করেন যে অনেক কাজ করার পরেই কেবল বিশ্রাম নেওয়ার অধিকার আপনার আছে? শান্তি মানে হলো বিশ্রামকে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নেওয়া, একে 'অর্জন' করার বিষয় হিসেবে দেখা নয়।
৫. নীরবতাকে কোলাহল দিয়ে পূর্ণ করা: একটু একা বা নিরিবিলি থাকলেই কি আপনি ফোন হাতে নেন বা গান চালিয়ে দেন? নীরবতায় অস্বস্তি বোধ করা মানে আপনি নিজের ভেতরের অস্থিরতা থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন।
৬. কাউকে হতাশ না করতে সবসময় 'হ্যাঁ' বলা: সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজের সীমা অতিক্রম করা শান্তির বড় বাধা। এটি আপনাকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়।
৭. মুড বদলাতে ফোনের আশ্রয় নেওয়া: মন খারাপ হলেই কি আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা শুরু করেন? এটি সাময়িকভাবে ডোপামিন দেয় (সুখ), কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী শান্তি দেয় না।
৮. বড় আয়োজনের চেয়ে সহজ দিনগুলো বেশি মনে পড়া: আপনি কি খেয়াল করেছেন আপনার সেরা স্মৃতিগুলো কোনো বড় উৎসবের নয়, বরং বৃষ্টির দিনে বারান্দায় বসে চা খাওয়া বা কোনো প্রিয় মানুষের সাথে হাঁটার মতো সাধারণ দিনের? তার মানে আপনার আত্মা শান্তিতেই বেশি তৃপ্ত হয়।
৯. সবসময় কিছু একটা করার তাড়না অনুভব করা: আপনি যদি বসে থাকতে না পারেন এবং সবসময় নিজেকে ব্যস্ত রাখার এক ধরণের চাপ অনুভব করেন, তবে আপনার 'শান্তি' প্রয়োজন।
•
সুখ আসে সাময়িক উত্তেজনা বা প্রাপ্তি থেকে, যা অনেকটা আগুনের স্ফুলিঙ্গের মতো। কিন্তু শান্তি হলো গভীর শ্বাস, হালকা কাঁধ এবং একটি শান্ত মনের মতো যা সবসময় ভবিষ্যতের কথা ভেবে অস্থির হয় না। জীবনকে কেবল 'happy' করার চেষ্টা না করে 'peaceful' বা শান্তিময় করার দিকে নজর দিন।
____
Source: Cottonwood Psychology