হার্ট শুধু ভালোবাসা বোঝে না,
সে বোঝে রক্তচাপ,
কোলেস্টেরল এবং চিনির হিসেবও
বর্তমান সময়ে হার্ট অ্যাটাক এমন একটি রোগে পরিণত হয়েছে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS, 2022) অনুসারে, দেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হার্ট অ্যাটাকজনিত কারণে ঘটে। আবার Resolve to Save Lives (2023)–এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪%-এর কারণ হৃদরোগজনিত সমস্যা।
আগে যেখানে হার্ট অ্যাটাক ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা আর বয়স মানে না। ১৮ বছর থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন—বুকে বা বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভব হওয়া, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি বা অচেতন হয়ে পড়া, বুকের মাঝখানে চেপে ধরা বা জ্বালাপোড়া করা (যা অনেকেই অ্যাসিডিটি মনে করেন), বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ইত্যাদি।
কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রয়েছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ধূমপানকারী, যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে এবং যারা অলস জীবনযাপন করেন। পাশাপাশি যারা নিয়মিত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাত খাবার (চিনি, মিষ্টান্ন, ড্রিঙ্কস) গ্রহণ করেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (৬ ঘণ্টার কম ঘুম) এবং অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে সুসংবাদ হলো—হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২৫–৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত লবণ, মসলা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩০% পর্যন্ত কমায়। ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার যেমন দই হজমে সহায়ক এবং প্রদাহ হ্রাস করে। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার যেমন মাছ, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম (প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা), স্ট্রেস কমানো, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, চিনি কম খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা—এই অভ্যাসগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
নিচে কিছু কার্যকর খাবার পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
🔴 ভাতের পরিবর্তে:
✅ ব্রাউন রাইস / লাল চাল – এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
✅ কুইনোয়া / ওটস – কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত এবং হার্ট-সুরক্ষাকারী বিটা-গ্লুকান ফাইবারে সমৃদ্ধ।
🔴 পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে:
✅ অলিভ অয়েল (Extra Virgin) – মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টকে সুরক্ষা দেয় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ সানফ্লাওয়ার অয়েল – এতে থাকে পলিইনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন E, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
🔴 রেড মিটের পরিবর্তে:
✅ চামড়া ছাড়া চিকেন – কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, উচ্চ প্রোটিন ও হার্ট-সহায়ক।
✅ সামুদ্রিক মাছ (যেমন টুনা, সালমন, ম্যাকেরেল) – ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
🔴 তেলেভাজা খাবারের পরিবর্তে:
✅ স্টিম/গ্রিল/সেদ্ধ খাবার – এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার হয় না, ক্যালোরি কম ও স্বাস্থ্যকর।
✅ ননস্টিক ফ্রাইং প্যান / এয়ার ফ্রায়ার – অল্প বা একেবারে তেল ছাড়া রান্নার সুযোগ।
🔴 অতিরিক্ত লবণের পরিবর্তে:
✅ কম লবণ ব্যবহার – দিনে ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা হার্টের জন্য নিরাপদ।
✅ লবণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন:
লেবুর রস 🍋
ধনে পাতা 🌿
আদা, রসুন, কালো মরিচ 🌶️ – এগুলো খাবারে স্বাদ আনে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🔴 মিষ্টি বা ডেজার্টের পরিবর্তে:
✅ ফ্রেশ ফল (আপেল, বেরি, কলা, পেয়ারা) – প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
✅ ডার্ক চকোলেট (৭০% বা তার বেশি কোকো) – মাঝেমধ্যে খেলে হার্টের জন্য উপকারী ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায়।
🔴 বিস্কুট / ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে:
✅ হোমমেড হেলদি স্ন্যাকস:
সিদ্ধ ছোলা 🫘
সবজি সালাদ 🥗
✅ চিরা, মুড়ি, বাদাম মিক্স (কম লবণ দিয়ে) – সহজলভ্য ও পুষ্টিকর বিকল্প।
🔴 সফট ড্রিংকের পরিবর্তে:
✅ ডাবের পানি – প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ও কম ক্যালোরি।
✅ লেবুর পানি (চিনি ছাড়া) – ভিটামিন C ও হাইড্রেশন বজায় রাখে।
✅ গ্রিন টি / হারবাল টি – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও স্ট্রেস কমায়।
✅ মনে রাখবেন: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে এমন কিছু ছোট পরিবর্তন হার্টকে রাখতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সচল।
✍️ জাকিয়া সুলতানা
সে বোঝে রক্তচাপ,
কোলেস্টেরল এবং চিনির হিসেবও
বর্তমান সময়ে হার্ট অ্যাটাক এমন একটি রোগে পরিণত হয়েছে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS, 2022) অনুসারে, দেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হার্ট অ্যাটাকজনিত কারণে ঘটে। আবার Resolve to Save Lives (2023)–এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪%-এর কারণ হৃদরোগজনিত সমস্যা।
আগে যেখানে হার্ট অ্যাটাক ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা আর বয়স মানে না। ১৮ বছর থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন—বুকে বা বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভব হওয়া, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি বা অচেতন হয়ে পড়া, বুকের মাঝখানে চেপে ধরা বা জ্বালাপোড়া করা (যা অনেকেই অ্যাসিডিটি মনে করেন), বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ইত্যাদি।
কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রয়েছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ধূমপানকারী, যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে এবং যারা অলস জীবনযাপন করেন। পাশাপাশি যারা নিয়মিত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাত খাবার (চিনি, মিষ্টান্ন, ড্রিঙ্কস) গ্রহণ করেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (৬ ঘণ্টার কম ঘুম) এবং অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে সুসংবাদ হলো—হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২৫–৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত লবণ, মসলা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩০% পর্যন্ত কমায়। ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার যেমন দই হজমে সহায়ক এবং প্রদাহ হ্রাস করে। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার যেমন মাছ, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম (প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা), স্ট্রেস কমানো, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, চিনি কম খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা—এই অভ্যাসগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
নিচে কিছু কার্যকর খাবার পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
🔴 ভাতের পরিবর্তে:
✅ ব্রাউন রাইস / লাল চাল – এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
✅ কুইনোয়া / ওটস – কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত এবং হার্ট-সুরক্ষাকারী বিটা-গ্লুকান ফাইবারে সমৃদ্ধ।
🔴 পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে:
✅ অলিভ অয়েল (Extra Virgin) – মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টকে সুরক্ষা দেয় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ সানফ্লাওয়ার অয়েল – এতে থাকে পলিইনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন E, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
🔴 রেড মিটের পরিবর্তে:
✅ চামড়া ছাড়া চিকেন – কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, উচ্চ প্রোটিন ও হার্ট-সহায়ক।
✅ সামুদ্রিক মাছ (যেমন টুনা, সালমন, ম্যাকেরেল) – ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
🔴 তেলেভাজা খাবারের পরিবর্তে:
✅ স্টিম/গ্রিল/সেদ্ধ খাবার – এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার হয় না, ক্যালোরি কম ও স্বাস্থ্যকর।
✅ ননস্টিক ফ্রাইং প্যান / এয়ার ফ্রায়ার – অল্প বা একেবারে তেল ছাড়া রান্নার সুযোগ।
🔴 অতিরিক্ত লবণের পরিবর্তে:
✅ কম লবণ ব্যবহার – দিনে ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা হার্টের জন্য নিরাপদ।
✅ লবণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন:
লেবুর রস 🍋
ধনে পাতা 🌿
আদা, রসুন, কালো মরিচ 🌶️ – এগুলো খাবারে স্বাদ আনে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🔴 মিষ্টি বা ডেজার্টের পরিবর্তে:
✅ ফ্রেশ ফল (আপেল, বেরি, কলা, পেয়ারা) – প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
✅ ডার্ক চকোলেট (৭০% বা তার বেশি কোকো) – মাঝেমধ্যে খেলে হার্টের জন্য উপকারী ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায়।
🔴 বিস্কুট / ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে:
✅ হোমমেড হেলদি স্ন্যাকস:
সিদ্ধ ছোলা 🫘
সবজি সালাদ 🥗
✅ চিরা, মুড়ি, বাদাম মিক্স (কম লবণ দিয়ে) – সহজলভ্য ও পুষ্টিকর বিকল্প।
🔴 সফট ড্রিংকের পরিবর্তে:
✅ ডাবের পানি – প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ও কম ক্যালোরি।
✅ লেবুর পানি (চিনি ছাড়া) – ভিটামিন C ও হাইড্রেশন বজায় রাখে।
✅ গ্রিন টি / হারবাল টি – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও স্ট্রেস কমায়।
✅ মনে রাখবেন: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে এমন কিছু ছোট পরিবর্তন হার্টকে রাখতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সচল।
✍️ জাকিয়া সুলতানা
❤1
কেন কিছু পরিবার বংশপরম্পরায় সম্পদ ধরে রাখতে পারে জানেন? লেখক জেমস ব্রেনান ৭টি বিশেষ অভ্যাসের কথা বলেছেন যা সাধারণত স্কুলে শেখানো হয় না। এই লেখাটা পড়ার পর টাকা নিয়ে আপনার চিন্তাধারা সমৃৃদ্ধ হতে পারে৷
•
১. খাবারের টেবিলে টাকা-পয়সা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা:
ধনী পরিবারগুলোতে টাকা নিয়ে কথা বলাকে ‘অসভ্যতা’ মনে করা হয় না। তারা ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের সামনে বাজেট, বিনিয়োগ এবং ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করেন। এতে সন্তানদের মনে টাকা নিয়ে কোনো জড়তা থাকে না এবং তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
২. দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ:
এসব পরিবার কেবল দামী জিনিস কেনায় টাকা খরচ করে না, বরং এমন অভিজ্ঞতায় খরচ করে যা জ্ঞান বাড়ায়। যেমন—ভ্রমণ, মিউজিয়ামে যাওয়া, কোডিং ক্যাম্প বা কোনো সেমিনারে অংশ নেওয়া। লক্ষ্য হলো—সন্তানদের নতুন নতুন চিন্তা ও মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
৩. ধৈর্য ধরতে শেখানো:
সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ধনী পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের কোনো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করতে শেখায়। তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরি করে যেখানে ধৈর্য ধরলে পুরস্কার পাওয়া যায়। যেমন—সন্তান যদি তার হাতখরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচায়, তবে বাবা-মা সেখানে আরও কিছু টাকা যোগ করে দেন। এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার গুরুত্ব বোঝায়।
৪. পরিকল্পিত ঝুঁকি নেওয়াকে স্বাভাবিক করা:
তারা সন্তানদের ‘সাবধানে থেকো’ না বলে জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার পরিকল্পনা কী?’। তারা শেখায় যে কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই হলো দীর্ঘমেয়াদে সবথেকে বড় ঝুঁকি। তারা সন্তানদের ছোট ছোট ব্যবসায়িক আইডিয়া বা প্রজেক্টে ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়।
৫. কেনার আগে তৈরি করার মানসিকতা:
ধনী পরিবারগুলো কেবল ভোক্তা (Consumer) না হয়ে নির্মাতা (Creator) হওয়ার চেষ্টা করে। কোনো কিছু কেনার আগে তারা ভাবে, "এটা কি আমরা নিজেরা তৈরি করতে পারি?"। এতে নতুন দক্ষতা তৈরি হয় এবং জিনিসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা জন্মে।
৬. ভুলকে ‘টিউশন ফি’ হিসেবে দেখা:
ব্যবসায় ক্ষতি বা কোনো ভুল হলে এই পরিবারগুলো রেগে না গিয়ে প্রশ্ন করে, "আমরা এখান থেকে কী শিখলাম?"। তারা ভুলকে লজ্জার বিষয় না মনে করে এক ধরণের শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদের ভুলগুলো নথিবদ্ধ করে রাখে যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একই ভুল না করে।
৭. আভিজাত্যের চেয়ে স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া:
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তারা আয়ের সবটুকু খরচ করে না। লোক দেখানোর জন্য দামী গাড়ি বা বিশাল বাড়ি কেনার চেয়ে তারা আর্থিক স্বাধীনতাকে (Freedom) বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেকে প্রশ্ন করে, "এই জিনিসটি কিনলে আমার স্বাধীনতা বাড়বে না কমবে?"। তারা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে হাতে বিকল্প সুযোগ (Options) রাখাকে বেশি পছন্দ করে।
•
বংশগত সম্পদ কেবল ব্যাংক ব্যালেন্সের বিষয় নয়, এটি মূলত একটি বিশেষ মানসিকতা এবং অভ্যাসের সমষ্টি। এই অভ্যাসগুলো যে কেউ আজ থেকেই চর্চা শুরু করতে পারেন।
_____
সূত্র: সিলিকন ক্যানালস
•
১. খাবারের টেবিলে টাকা-পয়সা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা:
ধনী পরিবারগুলোতে টাকা নিয়ে কথা বলাকে ‘অসভ্যতা’ মনে করা হয় না। তারা ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের সামনে বাজেট, বিনিয়োগ এবং ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করেন। এতে সন্তানদের মনে টাকা নিয়ে কোনো জড়তা থাকে না এবং তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
২. দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ:
এসব পরিবার কেবল দামী জিনিস কেনায় টাকা খরচ করে না, বরং এমন অভিজ্ঞতায় খরচ করে যা জ্ঞান বাড়ায়। যেমন—ভ্রমণ, মিউজিয়ামে যাওয়া, কোডিং ক্যাম্প বা কোনো সেমিনারে অংশ নেওয়া। লক্ষ্য হলো—সন্তানদের নতুন নতুন চিন্তা ও মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
৩. ধৈর্য ধরতে শেখানো:
সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ধনী পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের কোনো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করতে শেখায়। তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরি করে যেখানে ধৈর্য ধরলে পুরস্কার পাওয়া যায়। যেমন—সন্তান যদি তার হাতখরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচায়, তবে বাবা-মা সেখানে আরও কিছু টাকা যোগ করে দেন। এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার গুরুত্ব বোঝায়।
৪. পরিকল্পিত ঝুঁকি নেওয়াকে স্বাভাবিক করা:
তারা সন্তানদের ‘সাবধানে থেকো’ না বলে জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার পরিকল্পনা কী?’। তারা শেখায় যে কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই হলো দীর্ঘমেয়াদে সবথেকে বড় ঝুঁকি। তারা সন্তানদের ছোট ছোট ব্যবসায়িক আইডিয়া বা প্রজেক্টে ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়।
৫. কেনার আগে তৈরি করার মানসিকতা:
ধনী পরিবারগুলো কেবল ভোক্তা (Consumer) না হয়ে নির্মাতা (Creator) হওয়ার চেষ্টা করে। কোনো কিছু কেনার আগে তারা ভাবে, "এটা কি আমরা নিজেরা তৈরি করতে পারি?"। এতে নতুন দক্ষতা তৈরি হয় এবং জিনিসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা জন্মে।
৬. ভুলকে ‘টিউশন ফি’ হিসেবে দেখা:
ব্যবসায় ক্ষতি বা কোনো ভুল হলে এই পরিবারগুলো রেগে না গিয়ে প্রশ্ন করে, "আমরা এখান থেকে কী শিখলাম?"। তারা ভুলকে লজ্জার বিষয় না মনে করে এক ধরণের শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদের ভুলগুলো নথিবদ্ধ করে রাখে যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একই ভুল না করে।
৭. আভিজাত্যের চেয়ে স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া:
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তারা আয়ের সবটুকু খরচ করে না। লোক দেখানোর জন্য দামী গাড়ি বা বিশাল বাড়ি কেনার চেয়ে তারা আর্থিক স্বাধীনতাকে (Freedom) বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেকে প্রশ্ন করে, "এই জিনিসটি কিনলে আমার স্বাধীনতা বাড়বে না কমবে?"। তারা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে হাতে বিকল্প সুযোগ (Options) রাখাকে বেশি পছন্দ করে।
•
বংশগত সম্পদ কেবল ব্যাংক ব্যালেন্সের বিষয় নয়, এটি মূলত একটি বিশেষ মানসিকতা এবং অভ্যাসের সমষ্টি। এই অভ্যাসগুলো যে কেউ আজ থেকেই চর্চা শুরু করতে পারেন।
_____
সূত্র: সিলিকন ক্যানালস
❤2
এখানে সৃজনশীলতা বা ক্রিয়েটিভিটি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু শখের কথা বলা হয়েছে। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের একঘেয়েমি দূর করে এবং নতুনভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করে।
•
১. পেইন্টিং বা আঁকাআঁকি: আপনার শিল্পী হওয়ার প্রয়োজন নেই; শুধু রং আর তুলি নিয়ে মনে যা আসে তা আঁকলে মস্তিষ্কের জড়তা কাটে।
২. জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা: নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখা আপনার কল্পনাশক্তিকে শাণিত করে এবং মনের চাপ কমায়।
৩. রান্না বা বেকিং: নতুন রেসিপি ট্রাই করা এক ধরনের সৃজনশীল পরীক্ষা। খাবারের স্বাদ ও সাজসজ্জা নিয়ে কাজ করলে নতুন আইডিয়া জন্ম নেয়।
৪. বাগান করা (Gardening): প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে এবং একটি গাছকে বেড়ে উঠতে দেখলে মনে প্রশান্তি আসে, যা ক্রিয়েটিভ চিন্তার জন্য খুব জরুরি।
৫. মাটির কাজ বা পটারি: নিজ হাতে মাটি দিয়ে কোনো কিছু তৈরি করা আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিতে শেখায়।
৬. ছবি তোলা (Photography): সাধারণ জিনিসের মধ্যে অসাধারণ কিছু খুঁজে বের করার অভ্যাস আপনার দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।
৭. বুনন বা সেলাই (Knitting/Embroidery): সুঁই-সুতার কাজ বা উলের বুনন মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং হাতের সুনিপুণ কাজে সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়।
৮. বাদ্যযন্ত্র শেখা: নতুন কোনো সুর শেখা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো মস্তিষ্কের দুই অংশকেই সচল রাখে।
৯. পাজল বা ধাঁধা মেলানো: এটি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ায়, যা সৃজনশীল কাজের একটি প্রধান অংশ।
১০. নতুন ভাষা শেখা: ভিন্ন সংস্কৃতির ভাষা ও শব্দ জানলে মানুষের চিন্তার জগৎ আরও বড় হয়।
____
শখ মানে এই নয় যে আপনাকে এতে সেরা হতে হবে। মূল উদ্দেশ্য হলো আনন্দ পাওয়া এবং নিজের একঘেয়ে রুটিন থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করা। যখন আপনার মন ফুরফুরে থাকে এবং আপনি চাপমুক্ত থাকেন, তখনই সৃজনশীলতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়।
আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো যেকোনো একটি কাজ আজই শুরু করতে পারেন!
______
সূত্র: গুড হাউসকিপিং
•
১. পেইন্টিং বা আঁকাআঁকি: আপনার শিল্পী হওয়ার প্রয়োজন নেই; শুধু রং আর তুলি নিয়ে মনে যা আসে তা আঁকলে মস্তিষ্কের জড়তা কাটে।
২. জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা: নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখা আপনার কল্পনাশক্তিকে শাণিত করে এবং মনের চাপ কমায়।
৩. রান্না বা বেকিং: নতুন রেসিপি ট্রাই করা এক ধরনের সৃজনশীল পরীক্ষা। খাবারের স্বাদ ও সাজসজ্জা নিয়ে কাজ করলে নতুন আইডিয়া জন্ম নেয়।
৪. বাগান করা (Gardening): প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে এবং একটি গাছকে বেড়ে উঠতে দেখলে মনে প্রশান্তি আসে, যা ক্রিয়েটিভ চিন্তার জন্য খুব জরুরি।
৫. মাটির কাজ বা পটারি: নিজ হাতে মাটি দিয়ে কোনো কিছু তৈরি করা আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিতে শেখায়।
৬. ছবি তোলা (Photography): সাধারণ জিনিসের মধ্যে অসাধারণ কিছু খুঁজে বের করার অভ্যাস আপনার দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।
৭. বুনন বা সেলাই (Knitting/Embroidery): সুঁই-সুতার কাজ বা উলের বুনন মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং হাতের সুনিপুণ কাজে সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়।
৮. বাদ্যযন্ত্র শেখা: নতুন কোনো সুর শেখা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো মস্তিষ্কের দুই অংশকেই সচল রাখে।
৯. পাজল বা ধাঁধা মেলানো: এটি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ায়, যা সৃজনশীল কাজের একটি প্রধান অংশ।
১০. নতুন ভাষা শেখা: ভিন্ন সংস্কৃতির ভাষা ও শব্দ জানলে মানুষের চিন্তার জগৎ আরও বড় হয়।
____
শখ মানে এই নয় যে আপনাকে এতে সেরা হতে হবে। মূল উদ্দেশ্য হলো আনন্দ পাওয়া এবং নিজের একঘেয়ে রুটিন থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করা। যখন আপনার মন ফুরফুরে থাকে এবং আপনি চাপমুক্ত থাকেন, তখনই সৃজনশীলতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়।
আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো যেকোনো একটি কাজ আজই শুরু করতে পারেন!
______
সূত্র: গুড হাউসকিপিং
স্বাস্থ্যের কথা ভেবে লাল চালে শিফট করার পর যদি শুনেন, লাল চালে প্রচুর হেভিমেটাল পাওয়া গিয়েছে, মেজাজ তো খারাপ হবেই, তাইনা?
আমাদের মাটি, পানি, বায়ু যে হারে দূষিত, তাতে ধানে হেভিমেটাল থাকা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। সাথে যোগ হয় অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক সার ব্যবহার।
এই হেভিমেটাল লাল, সাদা, কালো সব চালেই থাকতে পারে। কিন্তু লাল চাল বেশি হাইলাইট হচ্ছে কারণ, লাল চালের ভূষি থাকে। আর হেভিমেটাল ভূষিতে আস্তানা গাড়ে। একেক এলাকা ভেদে এই হেভিমেটাল কম বা বেশি হতে পারে।
কাজেই, চাল কেনার আগে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে, আপনি কোন এলাকার চাল খেতে চান, সেখানে কীভাবে সেচ দেওয়া হয়, মাটি ও পানি কতটা দূষিত।
শহরাঞ্চলের আশপাশ বা হাওরের মতো দীর্ঘদিন পানিবদ্ধ এলাকা থেকে আসা চাল বেছে নিলে, হেভিমেটাল এক্সপোজারের ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। কারণ, শিল্পকারখানা, ব্যাটারি,রঙ, ট্যানারি বর্জ্য, যানবাহনের ধোঁয়া ও ধুলা, ডাম্পিং সাইট, নর্দমা, দূষিত খাল সব মিলিয়ে শহরের আশেপাশের এলাকাগুলোকে বিষিয়ে দেয়। যা চাষ হবে, তাতে প্রচুর পরিমানে বিষ থাকবেই।
আবার হাওরের মাটিতে প্রচুর আর্সেনিক, এই মাটিতেই যদি ধান চাষ হয়, সমস্যা থাকবেই। হাওর বা শহরতলিতে গভীর নলকূপ বেশি ব্যবহৃত হয়। আর,এই পানিতে আর্সেনিক ও অন্যান্য মেটাল থাকার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে নদীর চর বা পাহাড়ি এলাকার চাল তুলনামূলক কম ক্ষতিকর। কারণ, নদীর চরে বারবার পলি আসে, যায়। গভীর নলকূপের ব্যবহারও কম, জলাবদ্ধতা নেই, আর্সেনিক কম থাকে।
তবুও সমস্যা তো রয়েই যাচ্ছে, তাইনা?
এই সমস্যাও কিন্তু কমানো সম্ভব। কীভাবে?
ভালো করে ধুয়ে, কয়েকঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ভেজানো পানি ফেলে দেবেন। চাল সেদ্ধ হওয়ার পর বসা ভাত না খেয়ে মাড় ফেলে দেবেন। এবং অবশ্যই ভাতের সাথে লেবুর রস বা ভিটামিন সি খাওয়ার অভ্যাস করবেন। ভিটামিন সি, আয়রন, সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে হেভিমেটালের ভয়াবহ প্রভাব কিছুটা কমানো যায়।
বাস্তবতা হলো, সব হেভিমেটাল ধোয়া, ভিজিয়ে রাখা, মাড় ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে কমে না। আমরা যে এত দূষণের মাঝে বেঁচে আছি, এটা আল্লাহরই দয়া। এদেশের আলু, সবজি, মশলা, তেল, মাছ, মাংস, পানি, চা পাতা সবকিছুতেই হেভিমেটাল আছে। আমাদের কর্তব্য হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও আশ্রয় চাওয়া। আর তুলনামূলক নিরাপদ খাদ্য বেছে নেওয়া।
লেখা- Masalih -ছবিটি কালেক্টেড
আমাদের মাটি, পানি, বায়ু যে হারে দূষিত, তাতে ধানে হেভিমেটাল থাকা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। সাথে যোগ হয় অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক সার ব্যবহার।
এই হেভিমেটাল লাল, সাদা, কালো সব চালেই থাকতে পারে। কিন্তু লাল চাল বেশি হাইলাইট হচ্ছে কারণ, লাল চালের ভূষি থাকে। আর হেভিমেটাল ভূষিতে আস্তানা গাড়ে। একেক এলাকা ভেদে এই হেভিমেটাল কম বা বেশি হতে পারে।
কাজেই, চাল কেনার আগে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে, আপনি কোন এলাকার চাল খেতে চান, সেখানে কীভাবে সেচ দেওয়া হয়, মাটি ও পানি কতটা দূষিত।
শহরাঞ্চলের আশপাশ বা হাওরের মতো দীর্ঘদিন পানিবদ্ধ এলাকা থেকে আসা চাল বেছে নিলে, হেভিমেটাল এক্সপোজারের ঝুঁকি স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। কারণ, শিল্পকারখানা, ব্যাটারি,রঙ, ট্যানারি বর্জ্য, যানবাহনের ধোঁয়া ও ধুলা, ডাম্পিং সাইট, নর্দমা, দূষিত খাল সব মিলিয়ে শহরের আশেপাশের এলাকাগুলোকে বিষিয়ে দেয়। যা চাষ হবে, তাতে প্রচুর পরিমানে বিষ থাকবেই।
আবার হাওরের মাটিতে প্রচুর আর্সেনিক, এই মাটিতেই যদি ধান চাষ হয়, সমস্যা থাকবেই। হাওর বা শহরতলিতে গভীর নলকূপ বেশি ব্যবহৃত হয়। আর,এই পানিতে আর্সেনিক ও অন্যান্য মেটাল থাকার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে নদীর চর বা পাহাড়ি এলাকার চাল তুলনামূলক কম ক্ষতিকর। কারণ, নদীর চরে বারবার পলি আসে, যায়। গভীর নলকূপের ব্যবহারও কম, জলাবদ্ধতা নেই, আর্সেনিক কম থাকে।
তবুও সমস্যা তো রয়েই যাচ্ছে, তাইনা?
এই সমস্যাও কিন্তু কমানো সম্ভব। কীভাবে?
ভালো করে ধুয়ে, কয়েকঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ভেজানো পানি ফেলে দেবেন। চাল সেদ্ধ হওয়ার পর বসা ভাত না খেয়ে মাড় ফেলে দেবেন। এবং অবশ্যই ভাতের সাথে লেবুর রস বা ভিটামিন সি খাওয়ার অভ্যাস করবেন। ভিটামিন সি, আয়রন, সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে হেভিমেটালের ভয়াবহ প্রভাব কিছুটা কমানো যায়।
বাস্তবতা হলো, সব হেভিমেটাল ধোয়া, ভিজিয়ে রাখা, মাড় ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে কমে না। আমরা যে এত দূষণের মাঝে বেঁচে আছি, এটা আল্লাহরই দয়া। এদেশের আলু, সবজি, মশলা, তেল, মাছ, মাংস, পানি, চা পাতা সবকিছুতেই হেভিমেটাল আছে। আমাদের কর্তব্য হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও আশ্রয় চাওয়া। আর তুলনামূলক নিরাপদ খাদ্য বেছে নেওয়া।
লেখা- Masalih -ছবিটি কালেক্টেড
‼️যে ব্যাক্তির স্বভাব-চরিত্র স্বাভাবিকভাবেই পূর্ব বর্ণিতরূপে (এইহইয়াউ উলুমিদ্দীনের ১ম খন্ডের শেষের দিকে উক্ত চরিত্র গুলো বর্ণনা করা হয়েছে) নিজ চেষ্টা-যত্মের দ্বারা উত্তম রাখে, যে ইলমের অন্বেষণে ও আধ্যাত্মিক শিক্ষাঙ্গনে নিজেকে ব্যস্ত রাখে, তার বিবাহের প্রয়োজনীয়তা খুব বেশি নয়, কেননা বিবাহ দ্বারা যে গুণ ও উপকার অর্জিত হবে, তা' তার পূর্ব থেকেই অর্জিত হয়েছে। তার মধ্যে রিয়াজাত রয়েছে। পরিবার-পরিজনের রুজি অর্জনের কাজ অপেক্ষা বিদ্যা ও জ্ঞানার্জনই তার পক্ষে উত্তম। কেননা এর চেয়ে বিদ্যার্জন অনেক বেশি উপকারী।
রুজি অর্জন পরিবারের মুষ্টিমেয় লোকের জন্য, কিন্তু জ্ঞানার্জন সমস্ত লোকের জন্য উপকারী
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ـــــ ১ম খন্ড।
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ـــــ ১ম খন্ড।
ইসলাম কখনোই জুলুমকে সমর্থন করে না।
নবী ﷺ বলেছেন, কোনো নারীর অনুমতি ছাড়া তার বিয়ে বৈধ নয়।
তবে নাবালিকা অবস্থায় জোর করে বিয়ে করা হলে, বুদ্ধি হওয়ার পর মানে বালেগ হলে সে মেয়ের অধিকার আছে সেই বিয়ে অস্বীকার করার। এটাকে বলে খিয়ারুল বুলূগ। কিন্তু বালেগ হওয়ার পরে সহবাস করলে আর বিয়ে ভাংতে পারবেনা।
তারপরেও যদি স্বামী স্ত্রীর সাথে এমন কোন কাজ করে তাহলে স্ত্রী চাইলে খোলা করতে পারে, অথবা আদালতের আশ্রয় নিতে পারে কিন্তু অনেক দেশে শরিয়তভিত্তিক আইন কার্যকরভাবে চালু না থাকায়
মেয়েদের কষ্ট বেড়ে যায় তাই এটা ইসলামের ত্রুটি নয়, বরং বাস্তবায়নের দুর্বলতা।
অতএব ইসলামের প্রতি এভাবে আক্রোশ হওয়া আপনার উচিত হয়নি।
বাবা–মার প্রতি ছোট নসিহত
আল্লাহ আপনাদের বাবা–মা বানিয়েছেন আমানতদার হিসেবে, মালিক হিসেবে নয়।
সন্তান আল্লাহর দান—নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার বস্তু না।
মেয়ের বিয়ে তার জীবন, তার ভবিষ্যৎ। জোর করে দেওয়া বিয়ে দায়িত্ব নয়, জুলুম হয়ে যায়।
নবী ﷺ বলেছেন, নারীর অনুমতি ছাড়া তার বিয়ে বৈধ নয়। সন্তানের কান্না উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে
সে দুনিয়ায় ভাঙে, আর এর জবাব আখিরাতে দিতে হয়।
মুফতী লোকমান হুসাইন
নবী ﷺ বলেছেন, কোনো নারীর অনুমতি ছাড়া তার বিয়ে বৈধ নয়।
তবে নাবালিকা অবস্থায় জোর করে বিয়ে করা হলে, বুদ্ধি হওয়ার পর মানে বালেগ হলে সে মেয়ের অধিকার আছে সেই বিয়ে অস্বীকার করার। এটাকে বলে খিয়ারুল বুলূগ। কিন্তু বালেগ হওয়ার পরে সহবাস করলে আর বিয়ে ভাংতে পারবেনা।
তারপরেও যদি স্বামী স্ত্রীর সাথে এমন কোন কাজ করে তাহলে স্ত্রী চাইলে খোলা করতে পারে, অথবা আদালতের আশ্রয় নিতে পারে কিন্তু অনেক দেশে শরিয়তভিত্তিক আইন কার্যকরভাবে চালু না থাকায়
মেয়েদের কষ্ট বেড়ে যায় তাই এটা ইসলামের ত্রুটি নয়, বরং বাস্তবায়নের দুর্বলতা।
অতএব ইসলামের প্রতি এভাবে আক্রোশ হওয়া আপনার উচিত হয়নি।
বাবা–মার প্রতি ছোট নসিহত
আল্লাহ আপনাদের বাবা–মা বানিয়েছেন আমানতদার হিসেবে, মালিক হিসেবে নয়।
সন্তান আল্লাহর দান—নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার বস্তু না।
মেয়ের বিয়ে তার জীবন, তার ভবিষ্যৎ। জোর করে দেওয়া বিয়ে দায়িত্ব নয়, জুলুম হয়ে যায়।
নবী ﷺ বলেছেন, নারীর অনুমতি ছাড়া তার বিয়ে বৈধ নয়। সন্তানের কান্না উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে
সে দুনিয়ায় ভাঙে, আর এর জবাব আখিরাতে দিতে হয়।
মুফতী লোকমান হুসাইন
নতুন বছরে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকার সেরা ১৫টি সেরা উপায়
নতুন বছর আসতে আর দেরি নেই। নতুন বছরের ক্যালেন্ডারটা যখন আমরা দেয়ালে টাঙাই, তখন আমাদের মনে অনেক স্বপ্ন থাকে—এবার খাবার দাবার ঠিক করব, কিংবা এবার ভোরে ঘুম থেকে উঠব। কিন্তু সমস্যা হল, জানুয়ারির সেই চরম উদ্দীপনা ফেব্রুয়ারি আসতে না আসতেই হারিয়ে যায়। এর প্রধান কারণ হল আমরা শুরুতেই খুব কঠিন বা অবাস্তব কিছু লক্ষ্য ঠিক করে ফেলি যা পরে আর ধরে রাখা সম্ভব হয় না।
আসলে সুস্থতা কোনো ম্যাজিক নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসের যোগফল। ২০২৬ সালকে আপনার জীবনের সবচেয়ে ফিট এবং হাসিখুশি বছর বানাতে চলুন জেনে নিই এমন ১৫টি সহজ উপায়, যা আপনাকে ভেতর থেকে বদলে দেবে।
১. রান্নাঘর থেকেই শুরু হোক সুস্থতা
সুস্থতার মূল ভিত্তি আপনার রান্নাঘর। এই বছরে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হোক প্রসেসড ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারকে “না” বলা। অতিরিক্ত চিনি, লবণ আর প্রিজারভেটিভ আপনার মেটাবলিজম কমিয়ে দেয়। এর বদলে পাতে রাখুন রঙিন শাকসবজি, ফলমূল, লাল চাল বা আটার মত হোল গ্রেইন এবং চর্বিহীন প্রোটিন। খাবার কেবল পেট ভরার জন্য নয়, এটি আপনার শরীরের আসল জ্বালানি।
২. পানি পানে আলসেমি নয়
আমাদের শরীরের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই পানি, অথচ আমরা পানি খেতেই ভুলে যাই! লক্ষ্য ঠিক করুন দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পানের। এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেবে, ত্বক উজ্জ্বল করবে এবং হজম ভাল করবে। সোডা বা মিষ্টি পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা লেবুর শরবত বেছে নিন। দিন শুরু করতে পারেন এক গ্লাস কুসুম গরম পানি দিয়ে।
৩. ব্যায়ামে আনুন বৈচিত্র্য (ভারোত্তোলন সবার জন্য!)
ব্যায়াম মানেই কেবল জিমে গিয়ে ভারি ওজন তোলা নয়। আপনার শরীরের ধরন, প্রয়োজন এবং ভাল লাগা অনুযায়ী যেকোনো শারীরিক পরিশ্রম বেছে নিন। ভারোত্তোলনের ব্যাপারে আমাদের ভুল ধারণা হল, এটি ‘বডি বিল্ডিং’ এবং জিম করলে আমাদের শারীরিক গঠন বদলে যাবে। আসলে কথাটা একদমই ভুল। শরীরের মাংসপেশির ব্যায়াম হয় এবং তা স্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকে, হাড় মজবুত থাকে যখন আমরা ভারোত্তোলন করি। এটি সবার জন্যই। বিশেষত নারীদের জন্য ভারোত্তোলন অপরিহার্য। ভাবতে হয়ত অবাক লাগতে পারে, তবে আমাদের মা, খালা, নানি, দাদিদের জন্য ভারোত্তোলন অত্যন্ত জরুরি। আবার মোবিলিটি ও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য ইয়োগা খুব কাজে দেয়।
তবে যে কেউই শুরুটা করতে পারেন সহজ কিছু দিয়ে। এটি হতে পারে প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো কিংবা ঘরেই ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা। ব্যায়ামের মধ্যে বৈচিত্র্য আনলে একঘেয়েমি আসে না। ২০২৬ সালে আমাদের লক্ষ্য হওয়া দরকার দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করা। প্রতি এক ঘণ্টা কাজ করার পর অন্তত ৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। নিয়মিত ব্যায়াম কেবল ওজন নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং এটি শরীরে 'এন্ডোরফিন' বা সুখের হরমোন নিঃসরণ করে মনকেও প্রফুল্ল রাখে।
৪. মানসিক স্বাস্থ্য ও মননশীলতা
শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ আমাদের শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নতুন বছরে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশন করার অভ্যাস করুন। এটি আপনার মনোযোগ বৃদ্ধি করবে এবং দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া ডিজিটাল ডিটক্স বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। বই পড়া, বাগান করা কিংবা পছন্দের কোনো শখের কাজে সময় দিলে মানসিক ক্লান্তি দূর হয়।
৫. পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করা
ঘুমকে বলা হয় শরীরের 'মেরামতকাল'। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম অপরিহার্য। ঘুমের অভাব উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রধান কারণ। একটি সুস্থ বছর কাটাতে ঘুমের একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। শোয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ রাখুন। একটি অন্ধকার এবং শান্ত পরিবেশ গভীর ঘুমের জন্য সহায়ক।
৬. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Health Check-up)
কথায় আছে, "প্রতিরোধ প্রতিকারের চেয়ে শ্রেয়"। নতুন বছরের শুরুতেই একবার সম্পূর্ণ শরীর পরীক্ষা বা চেক-আপ করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। রক্তচাপ, সুগার লেভেল, কোলেস্টেরল এবং ভিটামিনের মাত্রা জেনে নিলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে কোনো ঘাটতি আছে কিনা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তা গ্রহণ করুন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে বড় কোনো রোগ হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
৭. ওজন নয়, সুস্থতায় ফোকাস করা
নতুন বছর আসতে আর দেরি নেই। নতুন বছরের ক্যালেন্ডারটা যখন আমরা দেয়ালে টাঙাই, তখন আমাদের মনে অনেক স্বপ্ন থাকে—এবার খাবার দাবার ঠিক করব, কিংবা এবার ভোরে ঘুম থেকে উঠব। কিন্তু সমস্যা হল, জানুয়ারির সেই চরম উদ্দীপনা ফেব্রুয়ারি আসতে না আসতেই হারিয়ে যায়। এর প্রধান কারণ হল আমরা শুরুতেই খুব কঠিন বা অবাস্তব কিছু লক্ষ্য ঠিক করে ফেলি যা পরে আর ধরে রাখা সম্ভব হয় না।
আসলে সুস্থতা কোনো ম্যাজিক নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসের যোগফল। ২০২৬ সালকে আপনার জীবনের সবচেয়ে ফিট এবং হাসিখুশি বছর বানাতে চলুন জেনে নিই এমন ১৫টি সহজ উপায়, যা আপনাকে ভেতর থেকে বদলে দেবে।
১. রান্নাঘর থেকেই শুরু হোক সুস্থতা
সুস্থতার মূল ভিত্তি আপনার রান্নাঘর। এই বছরে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হোক প্রসেসড ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারকে “না” বলা। অতিরিক্ত চিনি, লবণ আর প্রিজারভেটিভ আপনার মেটাবলিজম কমিয়ে দেয়। এর বদলে পাতে রাখুন রঙিন শাকসবজি, ফলমূল, লাল চাল বা আটার মত হোল গ্রেইন এবং চর্বিহীন প্রোটিন। খাবার কেবল পেট ভরার জন্য নয়, এটি আপনার শরীরের আসল জ্বালানি।
২. পানি পানে আলসেমি নয়
আমাদের শরীরের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশই পানি, অথচ আমরা পানি খেতেই ভুলে যাই! লক্ষ্য ঠিক করুন দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পানের। এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেবে, ত্বক উজ্জ্বল করবে এবং হজম ভাল করবে। সোডা বা মিষ্টি পানীয়র বদলে ডাবের পানি বা লেবুর শরবত বেছে নিন। দিন শুরু করতে পারেন এক গ্লাস কুসুম গরম পানি দিয়ে।
৩. ব্যায়ামে আনুন বৈচিত্র্য (ভারোত্তোলন সবার জন্য!)
ব্যায়াম মানেই কেবল জিমে গিয়ে ভারি ওজন তোলা নয়। আপনার শরীরের ধরন, প্রয়োজন এবং ভাল লাগা অনুযায়ী যেকোনো শারীরিক পরিশ্রম বেছে নিন। ভারোত্তোলনের ব্যাপারে আমাদের ভুল ধারণা হল, এটি ‘বডি বিল্ডিং’ এবং জিম করলে আমাদের শারীরিক গঠন বদলে যাবে। আসলে কথাটা একদমই ভুল। শরীরের মাংসপেশির ব্যায়াম হয় এবং তা স্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকে, হাড় মজবুত থাকে যখন আমরা ভারোত্তোলন করি। এটি সবার জন্যই। বিশেষত নারীদের জন্য ভারোত্তোলন অপরিহার্য। ভাবতে হয়ত অবাক লাগতে পারে, তবে আমাদের মা, খালা, নানি, দাদিদের জন্য ভারোত্তোলন অত্যন্ত জরুরি। আবার মোবিলিটি ও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য ইয়োগা খুব কাজে দেয়।
তবে যে কেউই শুরুটা করতে পারেন সহজ কিছু দিয়ে। এটি হতে পারে প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো কিংবা ঘরেই ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করা। ব্যায়ামের মধ্যে বৈচিত্র্য আনলে একঘেয়েমি আসে না। ২০২৬ সালে আমাদের লক্ষ্য হওয়া দরকার দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস ত্যাগ করা। প্রতি এক ঘণ্টা কাজ করার পর অন্তত ৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। নিয়মিত ব্যায়াম কেবল ওজন নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং এটি শরীরে 'এন্ডোরফিন' বা সুখের হরমোন নিঃসরণ করে মনকেও প্রফুল্ল রাখে।
৪. মানসিক স্বাস্থ্য ও মননশীলতা
শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ আমাদের শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নতুন বছরে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশন করার অভ্যাস করুন। এটি আপনার মনোযোগ বৃদ্ধি করবে এবং দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া ডিজিটাল ডিটক্স বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। বই পড়া, বাগান করা কিংবা পছন্দের কোনো শখের কাজে সময় দিলে মানসিক ক্লান্তি দূর হয়।
৫. পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করা
ঘুমকে বলা হয় শরীরের 'মেরামতকাল'। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম অপরিহার্য। ঘুমের অভাব উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রধান কারণ। একটি সুস্থ বছর কাটাতে ঘুমের একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। শোয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ রাখুন। একটি অন্ধকার এবং শান্ত পরিবেশ গভীর ঘুমের জন্য সহায়ক।
৬. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Health Check-up)
কথায় আছে, "প্রতিরোধ প্রতিকারের চেয়ে শ্রেয়"। নতুন বছরের শুরুতেই একবার সম্পূর্ণ শরীর পরীক্ষা বা চেক-আপ করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। রক্তচাপ, সুগার লেভেল, কোলেস্টেরল এবং ভিটামিনের মাত্রা জেনে নিলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে কোনো ঘাটতি আছে কিনা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তা গ্রহণ করুন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে বড় কোনো রোগ হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
৭. ওজন নয়, সুস্থতায় ফোকাস করা
আমরা প্রায়ই কেবল ওজন কমানোর পেছনে ছুটি, যা অনেক সময় মানসিক চাপের কারণ হয়। নতুন বছরে আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত শরীরের সক্ষমতা বাড়ানো। আপনি কতটা অ্যানার্জি অনুভব করছেন, হজম ঠিক আছে কিনা এবং রাতে ভাল ঘুমাচ্ছেন কিনা—এগুলিই হল সুস্থতার প্রকৃত মাপকাঠি। ক্রাশ ডায়েট করে দ্রুত ওজন না কমিয়ে ধীরস্থিরভাবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে মনোযোগ দিন। শরীর সুস্থ থাকলে ওজন এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
৮. চিনি ও লবণের ব্যবহার কমিয়ে আনা
চিনিকে বলা হয় 'সাদা বিষ'। অতিরিক্ত চিনি রক্তে ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং অকাল বার্ধক্যের কারণ হয়। একইভাবে অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। চা বা কফিতে চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিন। বাইরের প্যাকেটজাত স্ন্যাকসে প্রচুর পরিমাণে লুকানো লবণ থাকে, তাই সেগুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খাবারের স্বাদ বাড়াতে লবণের পরিবর্তে বিভিন্ন ভেষজ বা মশলা (যেমন আদা, রসুন, দারুচিনি) ব্যবহার করতে পারেন।
৯. সামাজিক সম্পর্ক ও ইতিবাচক সঙ্গ
সুস্থ থাকার জন্য সামাজিক যোগাযোগ অত্যন্ত জরুরি। একাকীত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। নতুন বছরে পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে গুণগত সময় কাটানোর পরিকল্পনা করুন। যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে এবং যাদের সঙ্গে থাকলে আপনি ইতিবাচক বোধ করেন, তাদের সাথে বেশি সময় কাটান। হাসিখুশি থাকা এবং প্রিয়জনদের সাথে মনের কথা শেয়ার করা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং দীর্ঘায়ু লাভে সহায়তা করে।
১০. স্থায়িত্ব ও ধৈর্যের পরীক্ষা
যেকোনো ভাল অভ্যাস গড়তে সময় লাগে। অনেক সময় কয়েকদিন নিয়ম মানার পর আমরা হাল ছেড়ে দিই। নতুন বছরে নিজেকে একটু সময় দিন। কোনোদিন যদি রুটিন মেনে চলতে না পারেন, তবে ভেঙে পড়বেন না। পরের দিন থেকেই আবার শুরু করুন। সুস্থতা কোনো গন্তব্য নয়, এটি একটি নিরন্তর যাত্রা। আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট জয় উদযাপন করুন। নিজের প্রতি দয়ালু হোন এবং ধৈর্য ধরে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখুন।
১১. পরিবেশ সচেতন ও প্রাকৃতিক সান্নিধ্য
প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় রোদে থাকার চেষ্টা করুন, যা ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস। আপনার ঘরের কোণে কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন যা বাতাস নির্মল রাখবে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়। ২০২৬ সালে আমাদের অঙ্গীকার হোক পরিবেশকে পরিষ্কার রাখা এবং যতটা সম্ভব প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনা। এটি যেমন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, তেমনি পৃথিবীর জন্যও মঙ্গলকর।
১২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য বা গাট হেলথ (Gut Health) উন্নত করা
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ নির্ভর করে অন্ত্রের ওপর। অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা 'মাইক্রোবায়োম' কেবল হজম নয়, আমাদের মেজাজ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও নিয়ন্ত্রণ করে। নতুন বছরে আপনার খাদ্যতালিকায় প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন—টক দই, কিমচি বা ঘরোয়া পান্তাভাত (সঠিকভাবে তৈরি করার বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনলাইন থেকে জেনে নিন) অন্তর্ভুক্ত করুন। এছাড়া পর্যাপ্ত ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খান যা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে কাজ করে। পেট পরিষ্কার থাকলে শরীর ও মন দুই-ই ফুরফুরে থাকে।
১৩. সঠিক দেহভঙ্গি বা পোশ্চার (Posture) সচেতনতা
২০২৬ সালের এই ডিজিটাল যুগে আমরা দিনের অধিকাংশ সময় ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকে কাটাই। ভুল দেহভঙ্গির কারণে ঘাড়, পিঠ ও কোমরের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। সুস্থ নতুন বছরের সংকল্পে নিজের বসার ও দাঁড়ানোর ভঙ্গির দিকে নজর দিন। কাজ করার সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখুন এবং স্ক্রিন যেন আপনার চোখের সমান্তরালে থাকে তা নিশ্চিত করুন। মাঝেমধ্যে 'বুক টানটান' করে স্ট্রেচিং করার অভ্যাস করুন। সঠিক পশ্চার কেবল শারীরিক ব্যথা কমায় না, এটি আপনার আত্মবিশ্বাস এবং ফুসফুসের অক্সিজেন গ্রহণ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।
১৪. রন্ধনশৈলীতে স্বাস্থ্যকর তেলের ব্যবহার
আমরা প্রতিদিন যে তেল দিয়ে রান্না করি, তা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। নতুন বছরে সয়াবিন বা রিফাইন করা তেলের বদলে ঘানি ভাঙা সরিষার তেল, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল বা কোল্ড-প্রেসড নারিকেল তেল ব্যবহারের চেষ্টা করুন। তেলের ধোঁয়া বিন্দু বা 'স্মোক পয়েন্ট' বুঝে রান্না করা জরুরি। এছাড়া ডুবো তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে ভাপে সেদ্ধ (Steaming) বা অল্প তেলে নাড়াচাড়া (Stir-fry) করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সঠিক চর্বি বা 'হেলদি ফ্যাট' আপনার মস্তিষ্ক ও কোষের গঠনে সহায়তা করবে।
১৫. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও ডায়েরি লেখা (Gratitude Journaling)
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার এক জাদুকরী উপায় হল কৃতজ্ঞতা বোধ। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দিনভর ঘটে যাওয়া ভাল তিনটি ঘটনার কথা একটি ডায়েরিতে লিখুন। এটি আপনার মস্তিষ্ককে ইতিবাচক চিন্তায় অভ্যস্ত করে তুলবে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি এবং তারা
৮. চিনি ও লবণের ব্যবহার কমিয়ে আনা
চিনিকে বলা হয় 'সাদা বিষ'। অতিরিক্ত চিনি রক্তে ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং অকাল বার্ধক্যের কারণ হয়। একইভাবে অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। চা বা কফিতে চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিন। বাইরের প্যাকেটজাত স্ন্যাকসে প্রচুর পরিমাণে লুকানো লবণ থাকে, তাই সেগুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খাবারের স্বাদ বাড়াতে লবণের পরিবর্তে বিভিন্ন ভেষজ বা মশলা (যেমন আদা, রসুন, দারুচিনি) ব্যবহার করতে পারেন।
৯. সামাজিক সম্পর্ক ও ইতিবাচক সঙ্গ
সুস্থ থাকার জন্য সামাজিক যোগাযোগ অত্যন্ত জরুরি। একাকীত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। নতুন বছরে পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে গুণগত সময় কাটানোর পরিকল্পনা করুন। যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে এবং যাদের সঙ্গে থাকলে আপনি ইতিবাচক বোধ করেন, তাদের সাথে বেশি সময় কাটান। হাসিখুশি থাকা এবং প্রিয়জনদের সাথে মনের কথা শেয়ার করা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং দীর্ঘায়ু লাভে সহায়তা করে।
১০. স্থায়িত্ব ও ধৈর্যের পরীক্ষা
যেকোনো ভাল অভ্যাস গড়তে সময় লাগে। অনেক সময় কয়েকদিন নিয়ম মানার পর আমরা হাল ছেড়ে দিই। নতুন বছরে নিজেকে একটু সময় দিন। কোনোদিন যদি রুটিন মেনে চলতে না পারেন, তবে ভেঙে পড়বেন না। পরের দিন থেকেই আবার শুরু করুন। সুস্থতা কোনো গন্তব্য নয়, এটি একটি নিরন্তর যাত্রা। আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট জয় উদযাপন করুন। নিজের প্রতি দয়ালু হোন এবং ধৈর্য ধরে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখুন।
১১. পরিবেশ সচেতন ও প্রাকৃতিক সান্নিধ্য
প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় রোদে থাকার চেষ্টা করুন, যা ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস। আপনার ঘরের কোণে কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন যা বাতাস নির্মল রাখবে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়। ২০২৬ সালে আমাদের অঙ্গীকার হোক পরিবেশকে পরিষ্কার রাখা এবং যতটা সম্ভব প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনা। এটি যেমন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, তেমনি পৃথিবীর জন্যও মঙ্গলকর।
১২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য বা গাট হেলথ (Gut Health) উন্নত করা
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ নির্ভর করে অন্ত্রের ওপর। অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা 'মাইক্রোবায়োম' কেবল হজম নয়, আমাদের মেজাজ এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও নিয়ন্ত্রণ করে। নতুন বছরে আপনার খাদ্যতালিকায় প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন—টক দই, কিমচি বা ঘরোয়া পান্তাভাত (সঠিকভাবে তৈরি করার বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনলাইন থেকে জেনে নিন) অন্তর্ভুক্ত করুন। এছাড়া পর্যাপ্ত ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খান যা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাবার হিসেবে কাজ করে। পেট পরিষ্কার থাকলে শরীর ও মন দুই-ই ফুরফুরে থাকে।
১৩. সঠিক দেহভঙ্গি বা পোশ্চার (Posture) সচেতনতা
২০২৬ সালের এই ডিজিটাল যুগে আমরা দিনের অধিকাংশ সময় ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকে কাটাই। ভুল দেহভঙ্গির কারণে ঘাড়, পিঠ ও কোমরের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। সুস্থ নতুন বছরের সংকল্পে নিজের বসার ও দাঁড়ানোর ভঙ্গির দিকে নজর দিন। কাজ করার সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখুন এবং স্ক্রিন যেন আপনার চোখের সমান্তরালে থাকে তা নিশ্চিত করুন। মাঝেমধ্যে 'বুক টানটান' করে স্ট্রেচিং করার অভ্যাস করুন। সঠিক পশ্চার কেবল শারীরিক ব্যথা কমায় না, এটি আপনার আত্মবিশ্বাস এবং ফুসফুসের অক্সিজেন গ্রহণ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।
১৪. রন্ধনশৈলীতে স্বাস্থ্যকর তেলের ব্যবহার
আমরা প্রতিদিন যে তেল দিয়ে রান্না করি, তা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। নতুন বছরে সয়াবিন বা রিফাইন করা তেলের বদলে ঘানি ভাঙা সরিষার তেল, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল বা কোল্ড-প্রেসড নারিকেল তেল ব্যবহারের চেষ্টা করুন। তেলের ধোঁয়া বিন্দু বা 'স্মোক পয়েন্ট' বুঝে রান্না করা জরুরি। এছাড়া ডুবো তেলে ভাজা খাবারের পরিবর্তে ভাপে সেদ্ধ (Steaming) বা অল্প তেলে নাড়াচাড়া (Stir-fry) করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সঠিক চর্বি বা 'হেলদি ফ্যাট' আপনার মস্তিষ্ক ও কোষের গঠনে সহায়তা করবে।
১৫. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও ডায়েরি লেখা (Gratitude Journaling)
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার এক জাদুকরী উপায় হল কৃতজ্ঞতা বোধ। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দিনভর ঘটে যাওয়া ভাল তিনটি ঘটনার কথা একটি ডায়েরিতে লিখুন। এটি আপনার মস্তিষ্ককে ইতিবাচক চিন্তায় অভ্যস্ত করে তুলবে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি এবং তারা
মানসিক চাপে কম ভোগেন। নতুন বছরে অভিযোগ কমিয়ে প্রাপ্তিগুলিকে গুরুত্ব দেওয়ার এই অভ্যাসটি আপনার জীবন দর্শনে এক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
.
সুস্থ থাকার সংকল্প কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। উপরের ১৫টি উপায় যদি আপনি প্রাত্যহিক জীবনের অংশ করে নিতে পারেন, তবে ২০২৬ সাল হবে আপনার জীবনের অন্যতম সেরা একটি বছর। আজ থেকেই ছোট একটি পদক্ষেপ নিন। হয়ত সেটি এক গ্লাস বাড়তি পানি পান করা বা ১০ মিনিট হাঁটা। এই ছোট পদক্ষেপটিই আপনাকে পৌঁছে দেবে এক বিশাল সাফল্যের শিখরে।
.
সুস্থ থাকার সংকল্প কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। উপরের ১৫টি উপায় যদি আপনি প্রাত্যহিক জীবনের অংশ করে নিতে পারেন, তবে ২০২৬ সাল হবে আপনার জীবনের অন্যতম সেরা একটি বছর। আজ থেকেই ছোট একটি পদক্ষেপ নিন। হয়ত সেটি এক গ্লাস বাড়তি পানি পান করা বা ১০ মিনিট হাঁটা। এই ছোট পদক্ষেপটিই আপনাকে পৌঁছে দেবে এক বিশাল সাফল্যের শিখরে।
কিভাবে বুঝবেন আপনি 'ওভারপ্যারেন্টিং' বা বাচ্চাকে অতিরিক্ত শাসন/যত্ন করছেন কিনা৷
•
১. বাচ্চার সব সমস্যার সমাধান আপনি করে দেন: বাচ্চা কোনো ছোট সমস্যায় পড়লে বা কারো সাথে ঝগড়া করলে আপনি নিজেই তা মিটিয়ে দেন। এতে বাচ্চা নিজে থেকে সমস্যা সমাধান করতে শেখে না।
২. ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া: আপনি যদি বাচ্চার ছোটখাটো ভুল বা কম নম্বর পাওয়াকে বড় বিপর্যয় মনে করেন, তবে বাচ্চা ঝুঁকি নিতে ভয় পাবে এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।
৩. সবসময় তদারকি করা: বাচ্চা কখন কী করছে, কার সাথে মিশছে—সবসময় গোয়েন্দার মতো নজর রাখা। এতে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব তৈরি হয়।
৪. অতিরিক্ত ব্যস্ত রুটিন: বাচ্চার সারাদিনের প্রতিটি মুহূর্ত পড়াশোনা বা এক্সট্রা কারিকুলাম দিয়ে ভরে রাখা। তাদের নিজেদের মতো চিন্তা করার বা অলস সময় কাটানোর সুযোগ না দেওয়া।
৫. ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া: বাচ্চার পরিশ্রম বা শেখার চেয়ে পরীক্ষায় কত নম্বর পেল বা ট্রফি জিতল কি না—সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
____
বাচ্চাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করার উপায়:
ভুল করতে দিন: বাচ্চাকে ছোটখাটো ভুল করতে দিন এবং সেই ভুল থেকে সে কী শিখল তা নিয়ে আলোচনা করুন। এটি তাকে ভবিষ্যতে বড় বাধা সামলাতে সাহায্য করবে।
ফলাফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন: সে জিতেছে কি না তার চেয়ে বড় কথা সে কতটা চেষ্টা করেছে। তার পরিশ্রমের প্রশংসা করুন।
নিজে সমাধান না করে পথ দেখান: কোনো সমস্যায় পড়লে তাকে সরাসরি উত্তর না দিয়ে প্রশ্ন করুন— "তোমার কী মনে হয় এটা কীভাবে ঠিক করা যায়?" এতে তার চিন্তাশক্তি বাড়বে।
ঘরের কাজে যুক্ত করুন: ছোটবেলা থেকেই ঘরের ছোট ছোট দায়িত্ব (যেমন: নিজের খেলনা গোছানো বা খাবার টেবিল গোছানো) দিলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।
তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন: বাচ্চার আবেগ বা ভয়কে উড়িয়ে দেবেন না। তাদের কথা মন দিয়ে শুনলে তারা নিজেদের মূল্যবান মনে করে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
•
বাচ্চাকে জীবনের কঠিন পথ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে, বরং তাকে কঠিন পথ চলার মতো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলাই হলো আসল অভিভাবকত্ব।
_____
সূত্র: সিএনবিসি
কৃতজ্ঞতা: ড. জেনিফার ওয়ালেস
•
১. বাচ্চার সব সমস্যার সমাধান আপনি করে দেন: বাচ্চা কোনো ছোট সমস্যায় পড়লে বা কারো সাথে ঝগড়া করলে আপনি নিজেই তা মিটিয়ে দেন। এতে বাচ্চা নিজে থেকে সমস্যা সমাধান করতে শেখে না।
২. ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া: আপনি যদি বাচ্চার ছোটখাটো ভুল বা কম নম্বর পাওয়াকে বড় বিপর্যয় মনে করেন, তবে বাচ্চা ঝুঁকি নিতে ভয় পাবে এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।
৩. সবসময় তদারকি করা: বাচ্চা কখন কী করছে, কার সাথে মিশছে—সবসময় গোয়েন্দার মতো নজর রাখা। এতে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব তৈরি হয়।
৪. অতিরিক্ত ব্যস্ত রুটিন: বাচ্চার সারাদিনের প্রতিটি মুহূর্ত পড়াশোনা বা এক্সট্রা কারিকুলাম দিয়ে ভরে রাখা। তাদের নিজেদের মতো চিন্তা করার বা অলস সময় কাটানোর সুযোগ না দেওয়া।
৫. ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া: বাচ্চার পরিশ্রম বা শেখার চেয়ে পরীক্ষায় কত নম্বর পেল বা ট্রফি জিতল কি না—সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
____
বাচ্চাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করার উপায়:
ভুল করতে দিন: বাচ্চাকে ছোটখাটো ভুল করতে দিন এবং সেই ভুল থেকে সে কী শিখল তা নিয়ে আলোচনা করুন। এটি তাকে ভবিষ্যতে বড় বাধা সামলাতে সাহায্য করবে।
ফলাফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন: সে জিতেছে কি না তার চেয়ে বড় কথা সে কতটা চেষ্টা করেছে। তার পরিশ্রমের প্রশংসা করুন।
নিজে সমাধান না করে পথ দেখান: কোনো সমস্যায় পড়লে তাকে সরাসরি উত্তর না দিয়ে প্রশ্ন করুন— "তোমার কী মনে হয় এটা কীভাবে ঠিক করা যায়?" এতে তার চিন্তাশক্তি বাড়বে।
ঘরের কাজে যুক্ত করুন: ছোটবেলা থেকেই ঘরের ছোট ছোট দায়িত্ব (যেমন: নিজের খেলনা গোছানো বা খাবার টেবিল গোছানো) দিলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।
তাদের কথা মন দিয়ে শুনুন: বাচ্চার আবেগ বা ভয়কে উড়িয়ে দেবেন না। তাদের কথা মন দিয়ে শুনলে তারা নিজেদের মূল্যবান মনে করে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
•
বাচ্চাকে জীবনের কঠিন পথ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা না করে, বরং তাকে কঠিন পথ চলার মতো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলাই হলো আসল অভিভাবকত্ব।
_____
সূত্র: সিএনবিসি
কৃতজ্ঞতা: ড. জেনিফার ওয়ালেস
❤1
Forwarded from S M Ahammad Hossain Sunny
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
যারা তিন থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মধ্যে ইউরোপের সেনজেন কান্ট্রিতে যেতে চান তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা ।
২৩ শে জানুয়ারি রাত ৯ টায় আসলে কি হবে :
আজকের লাইভ ক্লাসে আমি বলেছি ইউরোপের চারটা কান্ট্রি যেখানে খুব কম খরচে আপনারা স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে পারবেন । কোন IELTS লাগবে না ।
আপনারা ইতিমধ্যে জানেন আমরা সরাসরি কোন ক্লায়েন্টের কাজ করি না, কিংবা খুব কম করি।
আমরা আমাদের স্টুডেন্টদের অ্যাপ্লিকেশন করা শেখায় , কিন্তু যেহেতু অ্যাপ্লিকেশন ডেটলাইন খুব কাছাকাছি । ( ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখ, এবং মার্চের ১২ তারিখ ) সুতরাং এত অল্প সময়ের মধ্যে আপনাদের শিখিয়ে আপনার অ্যাপ্লিকেশন করতে পারবেন না ।
সুতরাং আমরা নিজ দায়িত্বে কিছু মানুষের অ্যাপ্লিকেশন করে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করেছি ।
যেহেতু আমাদের হাজার হাজার মানুষ নক করেন সুতরাং আমরা সত্যিকারের এপ্লিকেন্ট খুঁজে বের করার জন্য ২৩ জানুয়ারি রাত 9 টায় একটা রেজিস্ট্রেশন লিংক দিব, রেজিস্ট্রেশন করতে বিকাশে ৫০০ টাকা লাগবে । ( উল্লেখ্য যারা আমাদের বুট ক্যাম্প ক্যাম মেম্বার তাদের কোন রেজিস্ট্রেশন ফ্রি দিতে হবে না )
২৩ জানুয়ারি রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে আগ্রহী এপ্লিকেন্টদের নিয়ে ২৭ জানুয়ারি রাত ৯ টায় জুম এপস এর মাধ্যমে একটা প্রাইভেট ডিসকাশন ক্লাস করানো হবে ।
এই ক্লাসে ইউরোপের এই চারটা দেশের সুবিধা অসুবিধা, টোটাল কত টাকা খরচ হবে, কার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা ভালো হবে, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করা হবে ।
এতে করে আপনারা নিজেরা সিলেক্ট করতে পারবেন আপনার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা যুক্তিযুক্ত হবে ।
এরপরে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যারা আগ্রহী তাদেরকে সরাসরি আমাদের অফিসে অ্যাপয়েনমেন্ট দেওয়া হবে এবং ডকুমেন্ট রিসিভ করা হবে ।
২৩ তারিখে শুধুমাত্র তারাই রেজিস্ট্রেশন করবেন যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ এর মধ্যে ।
যারা ব্যাচেলরে যেতে চান তাদের ইন্টারমিডিয়েট পাশ হতে হবে , যারা মাস্টার্সে যেতে চান তাদের ব্যাচেলর কমপ্লিট থাকতে হবে, আর যারা পিএইচডিতে অ্যাপ্লাই করতে চান তাদের মাস্টার্স কমপ্লিট থাকতে হবে ।
চারটা দেশের মধ্যে দুইটা দেশে স্টাডি গ্যাপ এলাও করে । এই পোস্টটা কমেন্টে দেওয়া আমাদের যে ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে সেখানে সবাই পোস্ট করুন ।
২৩ শে জানুয়ারি রাত ৯ টায় আসলে কি হবে :
আজকের লাইভ ক্লাসে আমি বলেছি ইউরোপের চারটা কান্ট্রি যেখানে খুব কম খরচে আপনারা স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে পারবেন । কোন IELTS লাগবে না ।
আপনারা ইতিমধ্যে জানেন আমরা সরাসরি কোন ক্লায়েন্টের কাজ করি না, কিংবা খুব কম করি।
আমরা আমাদের স্টুডেন্টদের অ্যাপ্লিকেশন করা শেখায় , কিন্তু যেহেতু অ্যাপ্লিকেশন ডেটলাইন খুব কাছাকাছি । ( ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখ, এবং মার্চের ১২ তারিখ ) সুতরাং এত অল্প সময়ের মধ্যে আপনাদের শিখিয়ে আপনার অ্যাপ্লিকেশন করতে পারবেন না ।
সুতরাং আমরা নিজ দায়িত্বে কিছু মানুষের অ্যাপ্লিকেশন করে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করেছি ।
যেহেতু আমাদের হাজার হাজার মানুষ নক করেন সুতরাং আমরা সত্যিকারের এপ্লিকেন্ট খুঁজে বের করার জন্য ২৩ জানুয়ারি রাত 9 টায় একটা রেজিস্ট্রেশন লিংক দিব, রেজিস্ট্রেশন করতে বিকাশে ৫০০ টাকা লাগবে । ( উল্লেখ্য যারা আমাদের বুট ক্যাম্প ক্যাম মেম্বার তাদের কোন রেজিস্ট্রেশন ফ্রি দিতে হবে না )
২৩ জানুয়ারি রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে আগ্রহী এপ্লিকেন্টদের নিয়ে ২৭ জানুয়ারি রাত ৯ টায় জুম এপস এর মাধ্যমে একটা প্রাইভেট ডিসকাশন ক্লাস করানো হবে ।
এই ক্লাসে ইউরোপের এই চারটা দেশের সুবিধা অসুবিধা, টোটাল কত টাকা খরচ হবে, কার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা ভালো হবে, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করা হবে ।
এতে করে আপনারা নিজেরা সিলেক্ট করতে পারবেন আপনার জন্য কোন দেশে এপ্লাই করা যুক্তিযুক্ত হবে ।
এরপরে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যারা আগ্রহী তাদেরকে সরাসরি আমাদের অফিসে অ্যাপয়েনমেন্ট দেওয়া হবে এবং ডকুমেন্ট রিসিভ করা হবে ।
২৩ তারিখে শুধুমাত্র তারাই রেজিস্ট্রেশন করবেন যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ এর মধ্যে ।
যারা ব্যাচেলরে যেতে চান তাদের ইন্টারমিডিয়েট পাশ হতে হবে , যারা মাস্টার্সে যেতে চান তাদের ব্যাচেলর কমপ্লিট থাকতে হবে, আর যারা পিএইচডিতে অ্যাপ্লাই করতে চান তাদের মাস্টার্স কমপ্লিট থাকতে হবে ।
চারটা দেশের মধ্যে দুইটা দেশে স্টাডি গ্যাপ এলাও করে । এই পোস্টটা কমেন্টে দেওয়া আমাদের যে ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে সেখানে সবাই পোস্ট করুন ।
সস্তা হবেন না—যে আপনাকে 'অপশন' হিসেবে রাখে, তাকে আপনি 'ডিলিট' লিস্টে রাখুন; মনে রাখবেন, আপনি কারও অবসর সময়ের খেলনা বা 'ব্যাকআপ প্ল্যান' হওয়ার জন্য জন্মাননি।
You are a Priority, Not an Option
দোকানে কোনো জিনিসের দাম কম হলে মানুষ যেমন সেটা নিয়ে দরাদরি করে, বা অযত্ন করে ফেলে রাখে—সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাই।
আপনি যখনই কারও জন্য সবসময় সহজলভ্য বা 'অ্যাভেইলেবল' হয়ে যাবেন, তখনই আপনার গুরুত্ব কমে যাবে।
কেউ আপনাকে তখনই ফোন দেয় যখন তার অন্য কোনো কাজ থাকে না, বা অন্য কেউ তাকে পাত্তা দেয় না। আর আপনি ভাবেন—"সে আমাকে মনে করেছে!"
ভুল ভাবছেন। সে আপনাকে মনে করেনি, সে তার একঘেয়েমি কাটাতে আপনাকে ব্যবহার করছে।
যে আপনাকে তার 'প্রয়োরিটি' লিস্টে রাখে না, তাকে আপনার জীবনের 'ভিআইপি' আসনে বসিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না।
#MotivationalQuotesBangla
🛡 কেন নিজেকে 'ব্যাকআপ প্ল্যান' হতে দেবেন না?
🔥 ১. অবসর বনাম গুরুত্ব (Free Time vs Make Time)
কেউ "ফ্রি থাকলে" আপনার সাথে কথা বলে, আর কেউ "আপনার সাথে কথা বলার জন্য" টাইম বের করে।
এই দুইয়ের পার্থক্য যে বোঝে না, সে সারাজীবন কষ্ট পায়।
কারও 'টাইমপাস' হওয়ার চেয়ে একা থাকা অনেক সম্মানের। আপনি কোনো খেলনা নন যে ইচ্ছে হলেই খেলবে, আবার ইচ্ছে হলেই ছুঁড়ে ফেলে দেবে।
#MotivationalQuotesBangla
🔥 ২. নিজের মূল্য বুঝুন (Know Your Worth)
আপনি যদি নিজেকে সস্তা ভাবেন, পৃথিবী আপনাকে সস্তাই ভাববে।
হীরা কখনো রাস্তায় পড়ে থাকে না, তাকে যত্ন করে রাখতে হয়।
আপনার ভালোবাসা, আপনার সময়—এগুলো দামী জিনিস। ভুল মানুষের পায়ে এগুলো ঢেলে দেবেন না।
যে আপনাকে হারানোর ভয় পায় না, তাকে হারিয়ে ফেলাই আপনার জন্য মঙ্গলের।
#MotivationalQuotesBangla
🔥 ৩. ডিলিট বাটন চাপুন
ফোনের মেমোরি ফুল হলে যেমন আমরা অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করি, জীবন থেকেও এমন মানুষগুলোকে ডিলিট করুন।
এতে হয়তো সাময়িক কষ্ট হবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী শান্তি পাবেন।
লাইফটা খুব ছোট, সেটাকে এমন কারও জন্য নষ্ট করবেন না যার কাছে আপনার কোনো মূল্য নেই।
#MotivationalQuotesBangla
🌟 শেষ কথা
আজই সিদ্ধান্ত নিন—হয় আপনি তার জীবনে 'একমাত্র' হবেন, নয়তো 'একেবারেই' থাকবেন না।
মাঝখানের কোনো জায়গায় ঝুলে থাকবেন না।
ঝুলে থাকাটা দুর্বলতা, আর সরে আসাটা আত্মসম্মান।
নিজেকে বলুন—
👉 "আমি রাজহাঁস, আমি শামুক খাওয়ার জন্য জন্মাইনি।"
কারা আজ থেকে নিজের আত্মসম্মান সবার আগে রাখবেন? কমেন্টে লিখুন— "I AM VALUABLE" 💎
#KnowYourWorth #NotAnOption #SelfLove #RelationshipAdvice #BanglaMotivation #MoveOn #Priority #MotivationalQuotesBangla #Kolkata #Dhaka
🔒 Disclaimer: This post is created for Motivational/inspirational/ information purposes only. Do not copy our post otherwise legal action will be taken.
You are a Priority, Not an Option
দোকানে কোনো জিনিসের দাম কম হলে মানুষ যেমন সেটা নিয়ে দরাদরি করে, বা অযত্ন করে ফেলে রাখে—সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাই।
আপনি যখনই কারও জন্য সবসময় সহজলভ্য বা 'অ্যাভেইলেবল' হয়ে যাবেন, তখনই আপনার গুরুত্ব কমে যাবে।
কেউ আপনাকে তখনই ফোন দেয় যখন তার অন্য কোনো কাজ থাকে না, বা অন্য কেউ তাকে পাত্তা দেয় না। আর আপনি ভাবেন—"সে আমাকে মনে করেছে!"
ভুল ভাবছেন। সে আপনাকে মনে করেনি, সে তার একঘেয়েমি কাটাতে আপনাকে ব্যবহার করছে।
যে আপনাকে তার 'প্রয়োরিটি' লিস্টে রাখে না, তাকে আপনার জীবনের 'ভিআইপি' আসনে বসিয়ে রাখার কোনো মানে হয় না।
#MotivationalQuotesBangla
🛡 কেন নিজেকে 'ব্যাকআপ প্ল্যান' হতে দেবেন না?
🔥 ১. অবসর বনাম গুরুত্ব (Free Time vs Make Time)
কেউ "ফ্রি থাকলে" আপনার সাথে কথা বলে, আর কেউ "আপনার সাথে কথা বলার জন্য" টাইম বের করে।
এই দুইয়ের পার্থক্য যে বোঝে না, সে সারাজীবন কষ্ট পায়।
কারও 'টাইমপাস' হওয়ার চেয়ে একা থাকা অনেক সম্মানের। আপনি কোনো খেলনা নন যে ইচ্ছে হলেই খেলবে, আবার ইচ্ছে হলেই ছুঁড়ে ফেলে দেবে।
#MotivationalQuotesBangla
🔥 ২. নিজের মূল্য বুঝুন (Know Your Worth)
আপনি যদি নিজেকে সস্তা ভাবেন, পৃথিবী আপনাকে সস্তাই ভাববে।
হীরা কখনো রাস্তায় পড়ে থাকে না, তাকে যত্ন করে রাখতে হয়।
আপনার ভালোবাসা, আপনার সময়—এগুলো দামী জিনিস। ভুল মানুষের পায়ে এগুলো ঢেলে দেবেন না।
যে আপনাকে হারানোর ভয় পায় না, তাকে হারিয়ে ফেলাই আপনার জন্য মঙ্গলের।
#MotivationalQuotesBangla
🔥 ৩. ডিলিট বাটন চাপুন
ফোনের মেমোরি ফুল হলে যেমন আমরা অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করি, জীবন থেকেও এমন মানুষগুলোকে ডিলিট করুন।
এতে হয়তো সাময়িক কষ্ট হবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী শান্তি পাবেন।
লাইফটা খুব ছোট, সেটাকে এমন কারও জন্য নষ্ট করবেন না যার কাছে আপনার কোনো মূল্য নেই।
#MotivationalQuotesBangla
🌟 শেষ কথা
আজই সিদ্ধান্ত নিন—হয় আপনি তার জীবনে 'একমাত্র' হবেন, নয়তো 'একেবারেই' থাকবেন না।
মাঝখানের কোনো জায়গায় ঝুলে থাকবেন না।
ঝুলে থাকাটা দুর্বলতা, আর সরে আসাটা আত্মসম্মান।
নিজেকে বলুন—
👉 "আমি রাজহাঁস, আমি শামুক খাওয়ার জন্য জন্মাইনি।"
কারা আজ থেকে নিজের আত্মসম্মান সবার আগে রাখবেন? কমেন্টে লিখুন— "I AM VALUABLE" 💎
#KnowYourWorth #NotAnOption #SelfLove #RelationshipAdvice #BanglaMotivation #MoveOn #Priority #MotivationalQuotesBangla #Kolkata #Dhaka
🔒 Disclaimer: This post is created for Motivational/inspirational/ information purposes only. Do not copy our post otherwise legal action will be taken.
যদি গর্ভস্থ ভ্রুনের বয়স চার মাস হয়ে যায় তাহলে সেটা কে নষ্ট করা বা গর্ভপাত করানো কোনো অবস্থাতেই জায়েয নেই। আর যদি ভ্রুনের বয়স চার মাস থেকে কম হয় এবং দ্বীনদার, অভিজ্ঞ কোনো ডাক্তার এ কথা বলে যে,বাচ্ছা জন্ম নিলে নিশ্চিত বা প্রবল ধারণা অনুযায়ী মায়ের প্রাণ নাশের বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে অথবা যদি মার স্বাস্থ্য গর্ভাবস্থা সহ্য করতে না পারে বা প্রথম সন্তানকে পরিচর্যা সহ শিক্ষা দিতে অসুবিধার আশঙ্কা থাকে এবং সঠিক পরিচর্যা করতে পারবে না বলে আশংকা হয় তাহলে গর্ভপাত করার সুযোগ রয়েছে, চাইলে গর্ভপাত করাতে পারবে।
আর যদি রিজিকের আশংকায় এরূপ করে তাহলে গর্ভের ভ্রুন নষ্ট করা জায়েয হবে না। যদিও গর্ভের বয়স চার মাসের চেয়ে কম হয়। আর যদি উল্লেখযোগ্য কোনো অতিব প্রয়োজন না দেখা দেয় তাহলে চার মাসের কম বয়সের ভ্রুন কেও নষ্ট করা বা গর্ভপাত করানো জায়েয হবে না।
আল্লাহু আ’লামু বিসসাওয়াব
বিস্তারিত..
https://www.facebook.com/groups/hanafifiqhbd/permalink/1161259688035680/?app=fbl
আর যদি রিজিকের আশংকায় এরূপ করে তাহলে গর্ভের ভ্রুন নষ্ট করা জায়েয হবে না। যদিও গর্ভের বয়স চার মাসের চেয়ে কম হয়। আর যদি উল্লেখযোগ্য কোনো অতিব প্রয়োজন না দেখা দেয় তাহলে চার মাসের কম বয়সের ভ্রুন কেও নষ্ট করা বা গর্ভপাত করানো জায়েয হবে না।
আল্লাহু আ’লামু বিসসাওয়াব
বিস্তারিত..
https://www.facebook.com/groups/hanafifiqhbd/permalink/1161259688035680/?app=fbl
Facebook
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh) | ধর্ষিত মেয়ে প্রেগন্যান্ট হলে এবরশনের...
ধর্ষিত মেয়ে প্রেগন্যান্ট হলে এবরশনের বিষয়ে
ইসলাম কি বলে?
ড.Muhammad Masih Ullah হাফি.
প্রথম কথা হলো, গর্ভপাত বা এবরশন একটা মানবতাবিরোধী কাজ, বিনা ওজরে গর্ভপাত ঘটানো অপরাধ। ভ্রুনের মাঝে যখন রুহ...
ইসলাম কি বলে?
ড.Muhammad Masih Ullah হাফি.
প্রথম কথা হলো, গর্ভপাত বা এবরশন একটা মানবতাবিরোধী কাজ, বিনা ওজরে গর্ভপাত ঘটানো অপরাধ। ভ্রুনের মাঝে যখন রুহ...
Forwarded from হালাল রোমান্টিসিজম
❝ যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারীকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠায় - যার দ্বীনদারিতা ও চরিত্রের ব্যাপারে সন্তুষ্ট হওয়া যায় এবং সেই নারীও তাকে পছন্দ করে;
তাহলে ঐ নারীর অভিভাবকের জন্য ফরজ হয়ে পড়ে যে, তিনি তার বিবাহ সম্পাদন করবেন।
নারীকে সে বিয়ে থেকে আটকানো তার অভিভাবকের জন্য জায়েয নেই।
যদি অভিভাবক বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে গুনাহগার হবে বরং উলামারা বলেছেনঃ
‘যদি কোনো অভিভাবক বারবার সন্তোষজনক প্রস্তাব আসলেও মেয়েকে বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে ফাসিক বলে গণ্য হবে;
তার অভিভাবকত্ব বাতিল হয়ে যাবে এবং
মেয়ের অভিভাবকত্ব অন্যের কাছে স্থানান্তরিত হবে।’ ❞
– শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল উসাইমিন رحمه الله
[ ফাতাওয়া নূর আলাদ-দারব, খণ্ড - ১০, পৃষ্ঠা - ২৬ ]
https://t.me/HaalalRomanticism
তাহলে ঐ নারীর অভিভাবকের জন্য ফরজ হয়ে পড়ে যে, তিনি তার বিবাহ সম্পাদন করবেন।
নারীকে সে বিয়ে থেকে আটকানো তার অভিভাবকের জন্য জায়েয নেই।
যদি অভিভাবক বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে গুনাহগার হবে বরং উলামারা বলেছেনঃ
‘যদি কোনো অভিভাবক বারবার সন্তোষজনক প্রস্তাব আসলেও মেয়েকে বিয়ে করতে বাধা দেয়, তবে সে ফাসিক বলে গণ্য হবে;
তার অভিভাবকত্ব বাতিল হয়ে যাবে এবং
মেয়ের অভিভাবকত্ব অন্যের কাছে স্থানান্তরিত হবে।’ ❞
– শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল উসাইমিন رحمه الله
[ ফাতাওয়া নূর আলাদ-দারব, খণ্ড - ১০, পৃষ্ঠা - ২৬ ]
https://t.me/HaalalRomanticism
নিজের সম্পর্কে কখনো নেতিবাচক কথা বলবেন না। এমনকি ঠাট্টা করেও নয়। কারণ আপনার মন, আপনার শরীর এবং আপনার অবচেতন সত্তা রসিকতা ও বাস্তবতার পার্থক্য বোঝে না; তারা কেবল শব্দের কম্পন অনুভব করে। আপনি যে শব্দগুলো উচ্চারণ করেন, সেগুলো শক্তিতে পরিণত হয়ে আপনার ভেতরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে আপনার চিন্তা, অনুভূতি ও জীবনকে গঠন করে।
শব্দ নিছক শব্দ নয়। শব্দ হলো জীবন্ত শক্তি। প্রতিটি বাক্য একেকটি তরঙ্গ, একেকটি অদৃশ্য মন্ত্র। আমরা যাকে “spelling” বলি, তার মধ্যেই “spell” লুকিয়ে আছে অর্থাৎ বানান করা মানেই যেন এক ধরনের জাদু সৃষ্টি করা।
আপনি যখন বারবার বলেন, “আমি পারি না,” “আমি যথেষ্ট ভালো নই,” “আমার দ্বারা কিছু হবে না,” তখন আপনি অজান্তেই নিজের বিরুদ্ধে এক নীরব অভিশাপ তৈরি করছেন। এই কথাগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষয় করে, মনোবলকে দুর্বল করে এবং সম্ভাবনার দরজা বন্ধ করে দেয়।
কিন্তু আপনি যদি আপনার ভাষা বদলান, যদি বলেন “আমি শিখছি,” “আমি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি,” “আমি যোগ্য,” “আমার জীবন সুন্দর হয়ে উঠছে,” তখন সেই শব্দগুলোই আপনার ভেতরে নতুন আলো জ্বালায়। আপনার মন শক্তিশালী হয়, হৃদয় প্রশান্ত হয় এবং জীবনের পথে নতুন সুযোগ খুলে যায়।
তাই নিজের সঙ্গে কথা বলার ভঙ্গি বদলান। নিজের প্রতি সদয় হোন, কোমল হোন এবং নিজেকে উৎসাহ দিন। আপনি যেভাবে নিজের সম্পর্কে কথা বলবেন, জীবনও সেভাবেই আপনার দিকে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
কারণ শেষ পর্যন্ত, আপনি যেভাবে নিজেকে ভাষায় গড়ে তোলেন, সেটাই আপনার জীবনের গল্প লিখে দেয়।
~ Astrologer Chinmoy Barua
শব্দ নিছক শব্দ নয়। শব্দ হলো জীবন্ত শক্তি। প্রতিটি বাক্য একেকটি তরঙ্গ, একেকটি অদৃশ্য মন্ত্র। আমরা যাকে “spelling” বলি, তার মধ্যেই “spell” লুকিয়ে আছে অর্থাৎ বানান করা মানেই যেন এক ধরনের জাদু সৃষ্টি করা।
আপনি যখন বারবার বলেন, “আমি পারি না,” “আমি যথেষ্ট ভালো নই,” “আমার দ্বারা কিছু হবে না,” তখন আপনি অজান্তেই নিজের বিরুদ্ধে এক নীরব অভিশাপ তৈরি করছেন। এই কথাগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষয় করে, মনোবলকে দুর্বল করে এবং সম্ভাবনার দরজা বন্ধ করে দেয়।
কিন্তু আপনি যদি আপনার ভাষা বদলান, যদি বলেন “আমি শিখছি,” “আমি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি,” “আমি যোগ্য,” “আমার জীবন সুন্দর হয়ে উঠছে,” তখন সেই শব্দগুলোই আপনার ভেতরে নতুন আলো জ্বালায়। আপনার মন শক্তিশালী হয়, হৃদয় প্রশান্ত হয় এবং জীবনের পথে নতুন সুযোগ খুলে যায়।
তাই নিজের সঙ্গে কথা বলার ভঙ্গি বদলান। নিজের প্রতি সদয় হোন, কোমল হোন এবং নিজেকে উৎসাহ দিন। আপনি যেভাবে নিজের সম্পর্কে কথা বলবেন, জীবনও সেভাবেই আপনার দিকে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
কারণ শেষ পর্যন্ত, আপনি যেভাবে নিজেকে ভাষায় গড়ে তোলেন, সেটাই আপনার জীবনের গল্প লিখে দেয়।
~ Astrologer Chinmoy Barua
❤4
নিজের খেয়াল রাখুন ❤️
.
✅একটি লো ফ্যাট ডায়েট বেছে নিন
✅তেল চর্বি এড়িয়ে চলুন , সর্বনিম্ন যতটুকু চর্বি নিবেন তা প্রাণিজ চর্বি বাদ দিয়ে উদ্ভিজ্জ চর্বি গ্রহণ করুন।
✅বেশি বেশি সিজনাল ফল এবং সবজি খান
✅মাংস / গোস্ত বাদ দিয়ে তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ বেশি উপকারী।
✅চিনি ছাড়া সবুজ চা পান করুন প্রতিদিন
✅মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বর্জন করুন।
✅স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ঠিক রাখুন।
✅প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। সহজ ব্যায়াম প্রতিদিন ৩০ মিনিট জগিং করা।
✅ আনন্দে থাকুন , টেনশন মুক্ত থাকার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ উপকারী।
⚠ সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
www.faijulhuq.com
www.faijulhuq.info
.
.
.
✅একটি লো ফ্যাট ডায়েট বেছে নিন
✅তেল চর্বি এড়িয়ে চলুন , সর্বনিম্ন যতটুকু চর্বি নিবেন তা প্রাণিজ চর্বি বাদ দিয়ে উদ্ভিজ্জ চর্বি গ্রহণ করুন।
✅বেশি বেশি সিজনাল ফল এবং সবজি খান
✅মাংস / গোস্ত বাদ দিয়ে তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ বেশি উপকারী।
✅চিনি ছাড়া সবুজ চা পান করুন প্রতিদিন
✅মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বর্জন করুন।
✅স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ঠিক রাখুন।
✅প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। সহজ ব্যায়াম প্রতিদিন ৩০ মিনিট জগিং করা।
✅ আনন্দে থাকুন , টেনশন মুক্ত থাকার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ উপকারী।
⚠ সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
www.faijulhuq.com
www.faijulhuq.info
.
.
ঘুম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এতটাই জরুরি যে, মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত যথেষ্ট ঘুম না পায়, ততক্ষণ তার শরীর পূর্ণ সুস্থ হতে পারেনা।
ঘুমে শরীর বিশ্রাম নেয়, নতুন শক্তি সঞ্চয় করে এবং ক্ষয় হয়ে যাওয়া অংশগুলিকে মেরামত করে।
সুস্থ শরীর, সতেজ মন ও জীবনীশক্তি হলো সঠিক ঘুমের ফল।
ওয়ালেস ডি. ওয়াটলস মহাশয় তাঁর The Science of Being Well বইয়ের অধ্যায় ১২ তে ঘুমের গুরুত্ব ও নিয়ম বর্ণনা করেছেন।
ওয়াটলসের মতে ঘুমের নিয়ম হলো:
- শরীর যতটুকু চাইবে ততটুকু ঘুমান।
- ঘুমানোর আগে মনে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক চিন্তা রাখুন।
- রাতে ঘুম ভেঙে গেলে চিন্তা করবেন না, আবার ঘুম আসবে।
- পরিবেশ যেন পরিষ্কার, আরামদায়ক ও বাতাসপূর্ণ হয়।
ওয়াটলস বলেন, ঘুম শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে প্রাকৃতিক ও শক্তিশালী উপায়।
দিনভর শরীর কাজ করে, শক্তি খরচ করে, কোষগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ঘুমের সময় শরীর সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে মেরামত করে, নতুন শক্তি সঞ্চার করে। যতটা ঘুম শরীর চাইবে সেটাই যথেষ্ট, বেশি বা কম ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
- ঘুমের মানসিক প্রস্তুতি
ওয়াটলস বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন ঘুমের আগে মনের অবস্থার ওপর।
কেউ যদি ভয়ে, দুশ্চিন্তায় বা নেতিবাচক চিন্তায় ভরপুর হয়ে শোয়, তবে ঘুম গভীর হয় না এবং শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম পায় না।
ঘুমানোর আগে মনের মধ্যে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি আনতে হবে।
ওয়াটলস বলেন, ঘুমানোর আগে মানসিক অবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ভয়, দুশ্চিন্তা বা রাগ নিয়ে শুতে যান, আপনার ঘুম ভাল হবে না।
ওয়াটলস বলেন, “Go to sleep with a peaceful and confident mind, and you will sleep soundly.”
- ঘুমের সময় ও পরিমাণ
ওয়াটলসের কথা হলো, ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। কারও জন্য ৬ ঘণ্টা যথেষ্ট, কারও জন্য ৮ বা ৯ ঘণ্টা লাগতে পারে। এটা শরীরের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।
একজন শ্রমিকের হয়তো ৮–৯ ঘণ্টা ঘুম লাগবে, আবার অন্য কেউ ৬ ঘণ্টাতেই পুরোপুরি সতেজ হয়ে উঠবে।
যতক্ষণ না শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম নিচ্ছে, ততক্ষণ তাকে ঘুমাতে দেওয়া উচিত।
আপনি যদি সকালে উঠে সতেজ, হালকা, আর শক্তিতে ভরপুর মনে করেন তবে বুঝবেন আপনি যথেষ্ট ঘুমিয়েছেন।
আর যদি ক্লান্ত, অবসাদগ্রস্ত বা শক্তিহীন মনে হয় তবে বুঝবেন আরও ঘুম দরকার ছিল।
অর্থাৎ, ঘুমের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করবে আমাদের শরীর, কোনো ঘড়ি নয়।
- রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে
অনেক সময় মানুষ রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে ভয় পায়, ভাবে হয়তো অসুখ হচ্ছে।
ওয়াটলস বলেন, এতে ভয় বা বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই। শরীর ঠিক জানে কতটুকু ঘুম দরকার।
তাই মাঝরাতে জেগে গেলে শান্ত থাকুন, ঘুম আবার আসবে। আতঙ্কিত হয়ে ভাববেন না যে আপনার ঘুম নষ্ট হয়ে গেল।
- ঘুমের পরিবেশ
ওয়াটলস ভালো ঘুমের জন্য পরিবেশকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন।
যেখানে ঘুমাবেন, সেখানে যেন বিশুদ্ধ বাতাস থাকে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কক্ষে খোলা জানালা বা প্রকৃতির পরিষ্কার বাতাসের প্রবাহ থাকা দরকার।
বিছানা যেন আরামদায়ক হয়।
শরীরকে এমন অবস্থায় রাখতে হবে যাতে কোনো চাপ বা টান না লাগে, শরীর যাতে মুক্তভাবে বিশ্রাম নিতে পারে।
ঘুমানোর আগে খাবার হালকা রাখা ভালো, যাতে শরীর ভারী না লাগে। ভারী খাবার শরীরকে ব্যস্ত রাখে এবং ঘুম গভীর হয় না।
- ঘুম থেকে ওঠা
ঘুমকে কখনো জোর করে কমানো বা বাড়ানো উচিত নয়। শরীরের যতটুকু ঘুম আসে, ততটুকুই যথেষ্ট।
যদি আপনি সঠিকভাবে ঘুমান, তাহলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনার ভেতরে থাকবে শক্তি, সতেজতা, আনন্দ এবং নতুন দিনের উদ্দীপনা।
ওয়াটলসের মতে, ঘুম শুধু শরীর বিশ্রাম দেওয়ার জন্য নয়, বরং শরীরকে নতুন করে শক্তি দেওয়ার জন্য। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর মানুষের ভেতরে সতেজতা, শক্তি, আনন্দ থাকা উচিত।
তিনি বলেন, “If you go to sleep rightly, you will wake full of life and power, ready for the day.”
Captain Green
ঘুমে শরীর বিশ্রাম নেয়, নতুন শক্তি সঞ্চয় করে এবং ক্ষয় হয়ে যাওয়া অংশগুলিকে মেরামত করে।
সুস্থ শরীর, সতেজ মন ও জীবনীশক্তি হলো সঠিক ঘুমের ফল।
ওয়ালেস ডি. ওয়াটলস মহাশয় তাঁর The Science of Being Well বইয়ের অধ্যায় ১২ তে ঘুমের গুরুত্ব ও নিয়ম বর্ণনা করেছেন।
ওয়াটলসের মতে ঘুমের নিয়ম হলো:
- শরীর যতটুকু চাইবে ততটুকু ঘুমান।
- ঘুমানোর আগে মনে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক চিন্তা রাখুন।
- রাতে ঘুম ভেঙে গেলে চিন্তা করবেন না, আবার ঘুম আসবে।
- পরিবেশ যেন পরিষ্কার, আরামদায়ক ও বাতাসপূর্ণ হয়।
ওয়াটলস বলেন, ঘুম শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে প্রাকৃতিক ও শক্তিশালী উপায়।
দিনভর শরীর কাজ করে, শক্তি খরচ করে, কোষগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ঘুমের সময় শরীর সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে মেরামত করে, নতুন শক্তি সঞ্চার করে। যতটা ঘুম শরীর চাইবে সেটাই যথেষ্ট, বেশি বা কম ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই।
- ঘুমের মানসিক প্রস্তুতি
ওয়াটলস বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন ঘুমের আগে মনের অবস্থার ওপর।
কেউ যদি ভয়ে, দুশ্চিন্তায় বা নেতিবাচক চিন্তায় ভরপুর হয়ে শোয়, তবে ঘুম গভীর হয় না এবং শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম পায় না।
ঘুমানোর আগে মনের মধ্যে শান্তি, আত্মবিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি আনতে হবে।
ওয়াটলস বলেন, ঘুমানোর আগে মানসিক অবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি ভয়, দুশ্চিন্তা বা রাগ নিয়ে শুতে যান, আপনার ঘুম ভাল হবে না।
ওয়াটলস বলেন, “Go to sleep with a peaceful and confident mind, and you will sleep soundly.”
- ঘুমের সময় ও পরিমাণ
ওয়াটলসের কথা হলো, ঘুমের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। কারও জন্য ৬ ঘণ্টা যথেষ্ট, কারও জন্য ৮ বা ৯ ঘণ্টা লাগতে পারে। এটা শরীরের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।
একজন শ্রমিকের হয়তো ৮–৯ ঘণ্টা ঘুম লাগবে, আবার অন্য কেউ ৬ ঘণ্টাতেই পুরোপুরি সতেজ হয়ে উঠবে।
যতক্ষণ না শরীর পুরোপুরি বিশ্রাম নিচ্ছে, ততক্ষণ তাকে ঘুমাতে দেওয়া উচিত।
আপনি যদি সকালে উঠে সতেজ, হালকা, আর শক্তিতে ভরপুর মনে করেন তবে বুঝবেন আপনি যথেষ্ট ঘুমিয়েছেন।
আর যদি ক্লান্ত, অবসাদগ্রস্ত বা শক্তিহীন মনে হয় তবে বুঝবেন আরও ঘুম দরকার ছিল।
অর্থাৎ, ঘুমের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করবে আমাদের শরীর, কোনো ঘড়ি নয়।
- রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে
অনেক সময় মানুষ রাতের মধ্যে ঘুম ভেঙে গেলে ভয় পায়, ভাবে হয়তো অসুখ হচ্ছে।
ওয়াটলস বলেন, এতে ভয় বা বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই। শরীর ঠিক জানে কতটুকু ঘুম দরকার।
তাই মাঝরাতে জেগে গেলে শান্ত থাকুন, ঘুম আবার আসবে। আতঙ্কিত হয়ে ভাববেন না যে আপনার ঘুম নষ্ট হয়ে গেল।
- ঘুমের পরিবেশ
ওয়াটলস ভালো ঘুমের জন্য পরিবেশকে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন।
যেখানে ঘুমাবেন, সেখানে যেন বিশুদ্ধ বাতাস থাকে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কক্ষে খোলা জানালা বা প্রকৃতির পরিষ্কার বাতাসের প্রবাহ থাকা দরকার।
বিছানা যেন আরামদায়ক হয়।
শরীরকে এমন অবস্থায় রাখতে হবে যাতে কোনো চাপ বা টান না লাগে, শরীর যাতে মুক্তভাবে বিশ্রাম নিতে পারে।
ঘুমানোর আগে খাবার হালকা রাখা ভালো, যাতে শরীর ভারী না লাগে। ভারী খাবার শরীরকে ব্যস্ত রাখে এবং ঘুম গভীর হয় না।
- ঘুম থেকে ওঠা
ঘুমকে কখনো জোর করে কমানো বা বাড়ানো উচিত নয়। শরীরের যতটুকু ঘুম আসে, ততটুকুই যথেষ্ট।
যদি আপনি সঠিকভাবে ঘুমান, তাহলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আপনার ভেতরে থাকবে শক্তি, সতেজতা, আনন্দ এবং নতুন দিনের উদ্দীপনা।
ওয়াটলসের মতে, ঘুম শুধু শরীর বিশ্রাম দেওয়ার জন্য নয়, বরং শরীরকে নতুন করে শক্তি দেওয়ার জন্য। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর মানুষের ভেতরে সতেজতা, শক্তি, আনন্দ থাকা উচিত।
তিনি বলেন, “If you go to sleep rightly, you will wake full of life and power, ready for the day.”
Captain Green
একটি খাতা অথবা সাদা কাগজ নিন। কলম দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ ফোনে বা ডিভাইসে লিখবেন না। খাতা কলমে লিখতে হবে৷
প্রথমে ওপরে লিখুন- গত সপ্তাহের ভালো কাজসমূহ। তারিখ লিখুন৷ কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত।
এবার পয়েন্ট দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে উপকার করেছেন৷ কাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। কার মন খারাপে আনন্দের উপলক্ষ হয়েছেন৷ কোন ক্ষুধার্ত প্রাণিকে খাবার দিয়েছেন। কারো কাছে কলম নেই বলে আপনার কলমটি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন৷ আপনার পাশের যাত্রীর কাছে খুচরো নেই বলে আপনি নিজের কাছে থাকা ভাংতি টাকা দিয়ে উপকার করেছেন৷ বাদাম খেয়ে খোসা রাস্তায় না ছড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলেছেন কিনা, প্রতিটি ছোটোখাটো ভালো কাজ লিখবেন৷
তারপর লিখবেন- গত সপ্তাহের খারাপ কাজের তালিকা।
লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে গালি দিয়েছেন। বন্ধুদের আড্ডায় তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কার নাম বিকৃত উচ্চারণে বলেছেন যা শুনলে সেই ব্যক্তি কষ্ট পাবে। অথবা নামের সাথে বিশেষণ যোগ করে উপহাসের পাত্র বানিয়েছেন। বিড়াল কুকুরকে লাথি মেরেছেন। ভিক্ষুক বা সাহায্যপ্রার্থীর সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন৷ অধীনস্ত কর্মচারী বা কাজের লোককে ধমক দিয়েছেন৷ ছোটখাটো সমস্ত খারাপ কাজের কথা লিখুন৷
ব্যস, আপনার এক সপ্তাহের আমলনামা আপনার সামনে৷ এবার পর্যালোচনা করুন৷ কোন কাজ বাড়ানো উচিৎ, কোন কাজ ত্যাগ করা উচিৎ৷ এভাবে নিজের কাজের বিশ্লেষণ করবেন৷ তাহলে আর অন্যের জীবন যাপন, অন্যের কাজকর্ম নিয়ে গবেষণা করার সময় পাবেন না৷
______
Paint with Ashraf
প্রথমে ওপরে লিখুন- গত সপ্তাহের ভালো কাজসমূহ। তারিখ লিখুন৷ কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত।
এবার পয়েন্ট দিয়ে লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে উপকার করেছেন৷ কাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। কার মন খারাপে আনন্দের উপলক্ষ হয়েছেন৷ কোন ক্ষুধার্ত প্রাণিকে খাবার দিয়েছেন। কারো কাছে কলম নেই বলে আপনার কলমটি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন৷ আপনার পাশের যাত্রীর কাছে খুচরো নেই বলে আপনি নিজের কাছে থাকা ভাংতি টাকা দিয়ে উপকার করেছেন৷ বাদাম খেয়ে খোসা রাস্তায় না ছড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলেছেন কিনা, প্রতিটি ছোটোখাটো ভালো কাজ লিখবেন৷
তারপর লিখবেন- গত সপ্তাহের খারাপ কাজের তালিকা।
লিখতে শুরু করুন৷ কাকে কাকে গালি দিয়েছেন। বন্ধুদের আড্ডায় তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন। কার নাম বিকৃত উচ্চারণে বলেছেন যা শুনলে সেই ব্যক্তি কষ্ট পাবে। অথবা নামের সাথে বিশেষণ যোগ করে উপহাসের পাত্র বানিয়েছেন। বিড়াল কুকুরকে লাথি মেরেছেন। ভিক্ষুক বা সাহায্যপ্রার্থীর সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন৷ অধীনস্ত কর্মচারী বা কাজের লোককে ধমক দিয়েছেন৷ ছোটখাটো সমস্ত খারাপ কাজের কথা লিখুন৷
ব্যস, আপনার এক সপ্তাহের আমলনামা আপনার সামনে৷ এবার পর্যালোচনা করুন৷ কোন কাজ বাড়ানো উচিৎ, কোন কাজ ত্যাগ করা উচিৎ৷ এভাবে নিজের কাজের বিশ্লেষণ করবেন৷ তাহলে আর অন্যের জীবন যাপন, অন্যের কাজকর্ম নিয়ে গবেষণা করার সময় পাবেন না৷
______
Paint with Ashraf
ফেসবুকে ফেইক পেইজ বা একাউন্ট দিয়ে হ্যারেজমেন্ট, ব্লাকমেইল করার দিন শেষ !!!
কারন চাইলেই, পেইজ,একাউন্ট কে চালাচ্ছে সেটা বের করা সম্ভব। বিশেষ করে বিভিন্ন ট্রল, মিমস বা এক্সপোজ পেইজ থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষজনকে হেনস্তা করা হয়। যারা পেইজগুলো চালায়, তারা মনে করে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব না!!
কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!!
কারন,
- চাইলেই পেইজের এডমিন লিস্ট বের করা সম্ভব।
- ফেইক একাউন্ট কে চালাচ্ছে, বা একাউন্ট এ থাকা ফোন নাম্বার ,ইমেইল (যেটা এভেইলেবল) & লোকেশন (ব্লাকমেইল ইস্যুতে) সবকিছুই বের করা সম্ভব!!
এগুলো কিভাবে বের করা যায়!!
১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে: যদি আপনি ভিক্টিম হোন, এবং ইস্যুটা যদি সিরিয়াস হয় তবে লিগ্যালি স্টেপ নিন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পূর্ণ তথ্য বের করতে পারে।
২. থার্ড পার্টি এজেন্সি: যারা সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সাথে Trusted Partner হিসেবে কানেক্টেড যেমন: Erazee , তাদের মাধ্যমেও এসব তথ্য বের করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রেই "জিডি বা সাধারণ ডায়েরি" এর ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, সোস্যাল মিডিয়ায় হেনস্তা হয়ে হতাশ না হয়ে হেনস্তাকারীদের খুঁজে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।
কারন চাইলেই, পেইজ,একাউন্ট কে চালাচ্ছে সেটা বের করা সম্ভব। বিশেষ করে বিভিন্ন ট্রল, মিমস বা এক্সপোজ পেইজ থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষজনকে হেনস্তা করা হয়। যারা পেইজগুলো চালায়, তারা মনে করে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব না!!
কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল!!
কারন,
- চাইলেই পেইজের এডমিন লিস্ট বের করা সম্ভব।
- ফেইক একাউন্ট কে চালাচ্ছে, বা একাউন্ট এ থাকা ফোন নাম্বার ,ইমেইল (যেটা এভেইলেবল) & লোকেশন (ব্লাকমেইল ইস্যুতে) সবকিছুই বের করা সম্ভব!!
এগুলো কিভাবে বের করা যায়!!
১. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে: যদি আপনি ভিক্টিম হোন, এবং ইস্যুটা যদি সিরিয়াস হয় তবে লিগ্যালি স্টেপ নিন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সম্পূর্ণ তথ্য বের করতে পারে।
২. থার্ড পার্টি এজেন্সি: যারা সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সাথে Trusted Partner হিসেবে কানেক্টেড যেমন: Erazee , তাদের মাধ্যমেও এসব তথ্য বের করা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রেই "জিডি বা সাধারণ ডায়েরি" এর ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, সোস্যাল মিডিয়ায় হেনস্তা হয়ে হতাশ না হয়ে হেনস্তাকারীদের খুঁজে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।