চার মাজহাবের সম্মিলিত মতামত (কার্যকর হবে)
ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম শাফিঈ (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.) এবং ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.)-এর মতে, কেউ যদি রাগের মাথায় বা যেকোনো অবস্থায় একসাথে তিন তালাক দেয়, তবে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যাবে এবং বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। একে 'তালাকে বিদা’ত' বা বিদআতি তালাক বলা হয়। এটি গুনাহের কাজ হলেও তালাক পড়ে যাবে।
দলিল: হযরত মাহমুদ বিন লাবিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানানো হলো যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করা হচ্ছে?" (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং: ৩৪০১)।
ভিন্নমত (এক তালাক হিসেবে গণ্য হবে)
কিছু সংখ্যক সাহাবী এবং পরবর্তীকালের আলেমদের (যেমন: ইবনে তায়মিয়াহ ও ইবনে কাইয়্যিম রহ.) কিংবা আহালে হাদিসদের মতে, একই মজলিসে বা এক শব্দে তিন তালাক দিলে তা একটি 'রাজঈ' (প্রত্যাবর্তনযোগ্য) তালাক হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে সৌদি আরবসহ অনেক মুসলিম দেশের আদালত এই মতটির ওপর ভিত্তি করে ফতোয়া দেয় যাতে সংসার রক্ষা পায়।
দলিল: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে, আবু বকর (রা.)-এর যুগে এবং উমর (রা.)-এর খেলাফতের প্রাথমিক দুই বছর পর্যন্ত তিন তালাক (একসাথে দিলে) এক তালাক হিসেবেই গণ্য হতো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৪৭২)।
রাগের মাথায় তালাক দিলে কি হয়?
ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, রাগের তিনটি স্তর রয়েছে:
সাধারণ রাগ: যেখানে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে। এই অবস্থায় তালাক দিলে তা নিশ্চিতভাবে কার্যকর হবে।
চরম রাগ (উন্মত্ততা): যদি রাগ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মানুষ কী বলছে তা নিজেও জানে না (পাগলের মতো অবস্থা), তবে অধিকাংশ আলেমের মতে সেই তালাক কার্যকর হয় না।
মধ্যম রাগ: এই পর্যায়ে তালাক কার্যকর হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে, তবে সাধারণ অবস্থায় রাগ তালাক হওয়ার পথে বাধা নয়, কারণ মানুষ সাধারণত রাগের মাথায়ই তালাক দেয়।
আপনার জন্যে পরমর্শ: অবশ্যই একজন ভালো বিজ্ঞ্য আলেমের সাথে কথা বলুন যারা কিনা ফতোয়া বোর্ড পরিচালনা করে কিংবা ফতোয়া দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, তবে সাধারণ হুজুরের কাছ থেকে ফতোয়া নিতে যাবেন না এতে করে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম শাফিঈ (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.) এবং ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.)-এর মতে, কেউ যদি রাগের মাথায় বা যেকোনো অবস্থায় একসাথে তিন তালাক দেয়, তবে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যাবে এবং বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। একে 'তালাকে বিদা’ত' বা বিদআতি তালাক বলা হয়। এটি গুনাহের কাজ হলেও তালাক পড়ে যাবে।
দলিল: হযরত মাহমুদ বিন লাবিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানানো হলো যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করা হচ্ছে?" (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং: ৩৪০১)।
ভিন্নমত (এক তালাক হিসেবে গণ্য হবে)
কিছু সংখ্যক সাহাবী এবং পরবর্তীকালের আলেমদের (যেমন: ইবনে তায়মিয়াহ ও ইবনে কাইয়্যিম রহ.) কিংবা আহালে হাদিসদের মতে, একই মজলিসে বা এক শব্দে তিন তালাক দিলে তা একটি 'রাজঈ' (প্রত্যাবর্তনযোগ্য) তালাক হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে সৌদি আরবসহ অনেক মুসলিম দেশের আদালত এই মতটির ওপর ভিত্তি করে ফতোয়া দেয় যাতে সংসার রক্ষা পায়।
দলিল: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে, আবু বকর (রা.)-এর যুগে এবং উমর (রা.)-এর খেলাফতের প্রাথমিক দুই বছর পর্যন্ত তিন তালাক (একসাথে দিলে) এক তালাক হিসেবেই গণ্য হতো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৪৭২)।
রাগের মাথায় তালাক দিলে কি হয়?
ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, রাগের তিনটি স্তর রয়েছে:
সাধারণ রাগ: যেখানে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে। এই অবস্থায় তালাক দিলে তা নিশ্চিতভাবে কার্যকর হবে।
চরম রাগ (উন্মত্ততা): যদি রাগ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মানুষ কী বলছে তা নিজেও জানে না (পাগলের মতো অবস্থা), তবে অধিকাংশ আলেমের মতে সেই তালাক কার্যকর হয় না।
মধ্যম রাগ: এই পর্যায়ে তালাক কার্যকর হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে, তবে সাধারণ অবস্থায় রাগ তালাক হওয়ার পথে বাধা নয়, কারণ মানুষ সাধারণত রাগের মাথায়ই তালাক দেয়।
আপনার জন্যে পরমর্শ: অবশ্যই একজন ভালো বিজ্ঞ্য আলেমের সাথে কথা বলুন যারা কিনা ফতোয়া বোর্ড পরিচালনা করে কিংবা ফতোয়া দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, তবে সাধারণ হুজুরের কাছ থেকে ফতোয়া নিতে যাবেন না এতে করে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
ব্রায়ানা উইয়েস্টের লেখা 'দ্য মাউন্টেন ইজ ইউ' বইটি বিশ্লেষণ করে কিছু কথা লেখা হলো৷ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
•
১. আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা বাইরের কোনো পরিস্থিতি নয়, বরং আপনার ভেতরের ভয় এবং অবদমিত আবেগ।
২. আপনার জীবনের প্রতিটি সমস্যাই আসলে একটি লুকানো বার্তা। এটি আপনাকে সংকেত দিচ্ছে যে আপনার জীবনের কোনো একটি দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন।
৩. পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন স্থবির থাকার যন্ত্রণা পরিবর্তনের কষ্টের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। মানুষ ততক্ষণ বদলায় না যতক্ষণ না সে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে।
৪. আপনার উচ্চতর সত্তা আপনাকে শান্তি দেয়, আর আপনার অহং (Ego) আপনাকে অস্থির রাখে। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর চিনতে শিখুন।
৫. অস্বস্তি মানেই হলো আপনি বড় হচ্ছেন। নতুন কিছু শেখার বা করার সময় যে অস্বস্তি হয়, তা আসলে আপনার মানসিক বিকাশের লক্ষণ।
৬. ভয় আপনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে, কিন্তু এটি আপনাকে সুখী করতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন, কিন্তু বিকাশের জন্য ঝুঁকি নিতেই হবে।
৭. আপনি যা এড়িয়ে চলেন, তা আসলে আপনার ভেতরেই জমা থাকে, যে আবেগগুলো আপনি প্রকাশ করেন না, সেগুলোই আপনার ভবিষ্যৎ আচরণকে নেতিবাচকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
৮. সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের উপস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যাওয়া। আপনার লক্ষ্য ভয়ের চেয়ে বড় হলে সাহস এমনিতেই চলে আসে।
৯. আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার অতীত চিন্তার ফল। যদি ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে চান, তবে আজ থেকেই চিন্তার ধরন বদলাতে হবে।
১০. অন্যকে ক্ষমা করা মানে এই নয় যে আপনি তাদের কাজকে সমর্থন করছেন। বরং এর অর্থ হলো আপনি সেই ভার নিজের মন থেকে নামিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করছেন।
১১. আপনার জীবনের দায়িত্ব আপনার নিজের হাতে। আপনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও পরিস্থিতির প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
১২. নিজের প্রতি কঠোর না হয়ে দয়ালু হোন। আত্ম-সমালোচনা আপনাকে থামিয়ে দেয়, কিন্তু আত্ম-করুণা (Self-compassion) আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।
১৩. বড় পরিবর্তন আসে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে। একদিনে পাহাড় জয় করা যায় না, প্রতিদিন একটি করে পাথর সরাতে হয়।
১৪. আপনার অন্তর্দৃষ্টি (Intuition) সবসময় সত্য বলে, কিন্তু আপনার আতঙ্ক (Panic) মিথ্যা বলে। দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন।
১৫. অতীতের স্মৃতিচারণ করা বন্ধ করুন, কারণ সেখানে ফিরে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। আপনার সমস্ত শক্তি বর্তমান মুহূর্তে ব্যয় করুন।
১৬. সাফল্য মানে কেবল লক্ষ্যে পৌঁছানো নয়, বরং যাত্রাপথে আপনি কেমন মানুষে পরিণত হচ্ছেন তা-ই আসল। ব্যক্তিত্বের বিকাশই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
১৭. পুরানো সংস্করণকে বিদায় না দিলে নতুনের আগমন ঘটে না। নিজের নতুন রূপকে গ্রহণ করতে হলে পুরানো অভ্যাস এবং চিন্তাধারাকে বিসর্জন দিতে হবে।
১৮. যে কাজ বা মানুষ আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে, তা আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত নয়।
১৯. নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজেকে প্রকাশ করুন। বাইরের জগতের হাততালি পাওয়ার চেয়ে নিজের কাছে সৎ থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২০. পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানোর পর আপনি দেখতে পাবেন পাহাড়টি আসলে আপনার ভেতরেই ছিল। আপনি যখন নিজেকে জয় করেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনার কাছে সহজ হয়ে যায়।
_____
প্রিয় বন্ধু, এই কথাগুলো পড়ার পর আপনার চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কিনা কমেন্টে লিখুন।
@Paint With Ashraf
•
১. আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা বাইরের কোনো পরিস্থিতি নয়, বরং আপনার ভেতরের ভয় এবং অবদমিত আবেগ।
২. আপনার জীবনের প্রতিটি সমস্যাই আসলে একটি লুকানো বার্তা। এটি আপনাকে সংকেত দিচ্ছে যে আপনার জীবনের কোনো একটি দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন।
৩. পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন স্থবির থাকার যন্ত্রণা পরিবর্তনের কষ্টের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। মানুষ ততক্ষণ বদলায় না যতক্ষণ না সে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে।
৪. আপনার উচ্চতর সত্তা আপনাকে শান্তি দেয়, আর আপনার অহং (Ego) আপনাকে অস্থির রাখে। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর চিনতে শিখুন।
৫. অস্বস্তি মানেই হলো আপনি বড় হচ্ছেন। নতুন কিছু শেখার বা করার সময় যে অস্বস্তি হয়, তা আসলে আপনার মানসিক বিকাশের লক্ষণ।
৬. ভয় আপনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে, কিন্তু এটি আপনাকে সুখী করতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন, কিন্তু বিকাশের জন্য ঝুঁকি নিতেই হবে।
৭. আপনি যা এড়িয়ে চলেন, তা আসলে আপনার ভেতরেই জমা থাকে, যে আবেগগুলো আপনি প্রকাশ করেন না, সেগুলোই আপনার ভবিষ্যৎ আচরণকে নেতিবাচকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
৮. সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের উপস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যাওয়া। আপনার লক্ষ্য ভয়ের চেয়ে বড় হলে সাহস এমনিতেই চলে আসে।
৯. আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার অতীত চিন্তার ফল। যদি ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে চান, তবে আজ থেকেই চিন্তার ধরন বদলাতে হবে।
১০. অন্যকে ক্ষমা করা মানে এই নয় যে আপনি তাদের কাজকে সমর্থন করছেন। বরং এর অর্থ হলো আপনি সেই ভার নিজের মন থেকে নামিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করছেন।
১১. আপনার জীবনের দায়িত্ব আপনার নিজের হাতে। আপনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও পরিস্থিতির প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
১২. নিজের প্রতি কঠোর না হয়ে দয়ালু হোন। আত্ম-সমালোচনা আপনাকে থামিয়ে দেয়, কিন্তু আত্ম-করুণা (Self-compassion) আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।
১৩. বড় পরিবর্তন আসে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে। একদিনে পাহাড় জয় করা যায় না, প্রতিদিন একটি করে পাথর সরাতে হয়।
১৪. আপনার অন্তর্দৃষ্টি (Intuition) সবসময় সত্য বলে, কিন্তু আপনার আতঙ্ক (Panic) মিথ্যা বলে। দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন।
১৫. অতীতের স্মৃতিচারণ করা বন্ধ করুন, কারণ সেখানে ফিরে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। আপনার সমস্ত শক্তি বর্তমান মুহূর্তে ব্যয় করুন।
১৬. সাফল্য মানে কেবল লক্ষ্যে পৌঁছানো নয়, বরং যাত্রাপথে আপনি কেমন মানুষে পরিণত হচ্ছেন তা-ই আসল। ব্যক্তিত্বের বিকাশই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
১৭. পুরানো সংস্করণকে বিদায় না দিলে নতুনের আগমন ঘটে না। নিজের নতুন রূপকে গ্রহণ করতে হলে পুরানো অভ্যাস এবং চিন্তাধারাকে বিসর্জন দিতে হবে।
১৮. যে কাজ বা মানুষ আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে, তা আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত নয়।
১৯. নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজেকে প্রকাশ করুন। বাইরের জগতের হাততালি পাওয়ার চেয়ে নিজের কাছে সৎ থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২০. পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানোর পর আপনি দেখতে পাবেন পাহাড়টি আসলে আপনার ভেতরেই ছিল। আপনি যখন নিজেকে জয় করেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনার কাছে সহজ হয়ে যায়।
_____
প্রিয় বন্ধু, এই কথাগুলো পড়ার পর আপনার চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কিনা কমেন্টে লিখুন।
@Paint With Ashraf
এই লেখায় ৮টি ছোট কিন্তু কার্যকর অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে যা আপনাকে মানুষের কাছে স্মরণীয় করে তুলবে।
•
১. ছোটখাটো বিষয় মনে রাখা:
অধিকাংশ মানুষ বড় বড় বিষয় মনে রাখে, কিন্তু আপনি যদি কারো বলা ছোট কোনো তথ্য (যেমন: তাদের কোনো শখ, সামনের কোনো পরীক্ষা বা বিশেষ কোনো দিন) মনে রাখেন এবং পরে তা নিয়ে কথা বলেন, তবে তারা অনুভব করবে যে আপনি সত্যিই তাদের গুরুত্ব দেন।
২. এমন প্রশংসা করা যা সাধারণ নয়:
মানুষের চেহারা বা পোশাকের প্রশংসা সবাই করে। কিন্তু আপনি যদি কারো ব্যক্তিত্ব বা চরিত্রের কোনো বিশেষ দিকের প্রশংসা করেন (যেমন- "আপনার গুছিয়ে কথা বলার ভঙ্গিটা দারুণ"), তবে সেটি তাদের মনে গভীর দাগ কাটবে।
৩. মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা:
আড্ডায় বা গ্রুপে এমন কেউ থাকে যে কথা বলতে পারছে না বা একটু একা হয়ে আছে। আপনি যদি সচেতনভাবে তাকে কথা বলার সুযোগ করে দেন বা তার দিকে ফিরে কথা বলেন, তবে সেই মানুষটি আপনার এই সৌজন্য সারাজীবন মনে রাখবে।
৪. সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করা:
"কিছু লাগলে বইলো" - এটি একটি সাধারণ কথা যা সবাই বলে। এর বদলে সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করার প্রস্তাব দিন, যেমন- "আমি দোকানে যাচ্ছি, তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসব?" বা "আমি তোমার বাবুটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারি যদি তুমি ব্যস্ত থাকো।" এটি আপনার আন্তরিকতা প্রকাশ করে।
৫. মনোযোগ দিয়ে শোনা:
আজকাল সবাই ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় ফোন দূরে রেখে তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন, তবে সেই ব্যক্তি নিজেকে বিশেষ মনে করবে। এই 'উপস্থিতি' বর্তমানে বিরল এবং অমূল্য।
৬. একান্তে প্রশংসা করা:
সবার সামনে প্রশংসা করা ভালো, কিন্তু একান্তে বা ব্যক্তিগতভাবে করা প্রশংসা মানুষের মনে বেশি গেঁথে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি লোকদেখানো নয়, বরং মন থেকেই তাদের প্রশংসা করছেন।
৭. ভুল স্বীকার করা এবং শিখতে চাওয়া:
সবকিছু জানার ভান করার চেয়ে "আমি এটা জানি না, আমাকে বুঝিয়ে বলবে কি?" বলাটা অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি আপনার বিনয় প্রকাশ করে এবং অপর ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়।
৮. পরিস্থিতি বা স্থানকে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় রেখে যাওয়া:
এটি কেবল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নয়, বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনি যখন কারো জীবন বা আড্ডা থেকে বিদায় নেবেন, তখন যেন তারা আপনার উপস্থিতির কারণে আগের চেয়ে বেশি হাসিখুশি বা ইতিবাচক অনুভব করে।
______
অবিস্মরণীয় হওয়ার জন্য আপনাকে মহান কোনো কাজ করতে হবে না। কেবল অন্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো এবং তাদের প্রতি প্রকৃত যত্নশীল হওয়াই আপনাকে বছরের পর বছর তাদের মনে বাঁচিয়ে রাখবে।
@paint with ashraf
•
১. ছোটখাটো বিষয় মনে রাখা:
অধিকাংশ মানুষ বড় বড় বিষয় মনে রাখে, কিন্তু আপনি যদি কারো বলা ছোট কোনো তথ্য (যেমন: তাদের কোনো শখ, সামনের কোনো পরীক্ষা বা বিশেষ কোনো দিন) মনে রাখেন এবং পরে তা নিয়ে কথা বলেন, তবে তারা অনুভব করবে যে আপনি সত্যিই তাদের গুরুত্ব দেন।
২. এমন প্রশংসা করা যা সাধারণ নয়:
মানুষের চেহারা বা পোশাকের প্রশংসা সবাই করে। কিন্তু আপনি যদি কারো ব্যক্তিত্ব বা চরিত্রের কোনো বিশেষ দিকের প্রশংসা করেন (যেমন- "আপনার গুছিয়ে কথা বলার ভঙ্গিটা দারুণ"), তবে সেটি তাদের মনে গভীর দাগ কাটবে।
৩. মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা:
আড্ডায় বা গ্রুপে এমন কেউ থাকে যে কথা বলতে পারছে না বা একটু একা হয়ে আছে। আপনি যদি সচেতনভাবে তাকে কথা বলার সুযোগ করে দেন বা তার দিকে ফিরে কথা বলেন, তবে সেই মানুষটি আপনার এই সৌজন্য সারাজীবন মনে রাখবে।
৪. সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করা:
"কিছু লাগলে বইলো" - এটি একটি সাধারণ কথা যা সবাই বলে। এর বদলে সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করার প্রস্তাব দিন, যেমন- "আমি দোকানে যাচ্ছি, তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসব?" বা "আমি তোমার বাবুটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারি যদি তুমি ব্যস্ত থাকো।" এটি আপনার আন্তরিকতা প্রকাশ করে।
৫. মনোযোগ দিয়ে শোনা:
আজকাল সবাই ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় ফোন দূরে রেখে তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন, তবে সেই ব্যক্তি নিজেকে বিশেষ মনে করবে। এই 'উপস্থিতি' বর্তমানে বিরল এবং অমূল্য।
৬. একান্তে প্রশংসা করা:
সবার সামনে প্রশংসা করা ভালো, কিন্তু একান্তে বা ব্যক্তিগতভাবে করা প্রশংসা মানুষের মনে বেশি গেঁথে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি লোকদেখানো নয়, বরং মন থেকেই তাদের প্রশংসা করছেন।
৭. ভুল স্বীকার করা এবং শিখতে চাওয়া:
সবকিছু জানার ভান করার চেয়ে "আমি এটা জানি না, আমাকে বুঝিয়ে বলবে কি?" বলাটা অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি আপনার বিনয় প্রকাশ করে এবং অপর ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়।
৮. পরিস্থিতি বা স্থানকে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় রেখে যাওয়া:
এটি কেবল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নয়, বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনি যখন কারো জীবন বা আড্ডা থেকে বিদায় নেবেন, তখন যেন তারা আপনার উপস্থিতির কারণে আগের চেয়ে বেশি হাসিখুশি বা ইতিবাচক অনুভব করে।
______
অবিস্মরণীয় হওয়ার জন্য আপনাকে মহান কোনো কাজ করতে হবে না। কেবল অন্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো এবং তাদের প্রতি প্রকৃত যত্নশীল হওয়াই আপনাকে বছরের পর বছর তাদের মনে বাঁচিয়ে রাখবে।
@paint with ashraf
মানুষের সামনে আপনি যখন কথা বলেন, তখন কি সেই কথার মাধ্যমে মানুষকে মুগ্ধ করতে পারেন? কথা বলার মাধ্যমে অথবা কথা শোনার মাধ্যমে মু্গ্ধতা ছড়ানোর তিনটা উপায় আলোচনা করলাম।
•
১. কথা সব শেষ না করে কিছুটা কৌতুহল জিইয়ে রাখুন।
আমরা মনে করি অনেক চমৎকার গল্প বললে মানুষ আকৃষ্ট হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে গল্পের সবটুকু না বলে কিছুটা বাকি রাখলে মানুষ আপনার প্রতি বেশি আগ্রহী হয়। একে বলা হয় 'কগনিটিভ থ্রেড' (Cognitive thread) খোলা রাখা। যেমন কথা শেষে বলতে পারেন, "ঐ প্রজেক্টে কী হয়েছিল সেটা মনে করিয়ে দিও তো, পরে বলবো।" এতে মানুষের মনে একটি 'লুপ' তৈরি হয় এবং সে অবচেতনভাবেই আপনার সাথে পুনরায় কথা বলার সুযোগ খোঁজে।
২. ৯০ সেকেন্ডের জন্য পূর্ণ মনোযোগ দিন:
সবসময় খুব বেশি মনোযোগী থাকার অভিনয় করার প্রয়োজন নেই। বরং কথোপকথনের মাঝে অন্তত ৯০ সেকেন্ডের জন্য এমনভাবে মনোযোগ দিন যেন মনে হয় দুনিয়ায় আপনি আর আপনার সামনের মানুষটি ছাড়া আর কেউ নেই। এই সময় মোবাইল ফোন দেখবেন না বা অন্য দিকে তাকাবেন না। এই অল্প সময়ের নিবিড় মনোযোগ সামনের মানুষটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়, যা আপনাকে তাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. তারা নিজের সম্পর্কে যা বিশ্বাস করে, তার স্বীকৃতি দিন:
মানুষ নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা বা পরিচয় অন্যের কাছে তুলে ধরতে চায়। আপনি যদি সেই পরিচয়টি ধরতে পারেন এবং তার প্রশংসা করেন, তবে সে আপনার প্রতি অনেক বেশি টান অনুভব করবে। যেমন- তাকে শুধু "কাজটি ভালো হয়েছে" না বলে বলুন, "আপনি এমন একজন মানুষ যে যেকোনো কাজ খুব গুরুত্ব দিয়ে করেন।" অর্থাৎ সে নিজেকে যে ধরনের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়, আপনি সেই পরিচয়টি তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। একে বলা হয় 'আইডেন্টিটি ইকোয়িং' (Identity Echoing)।
_______
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হওয়া মানে শুধু কথা বলা নয়, বরং সামনের মানুষটির মনে কৌতুহল তৈরি করা, তাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাকে বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখা।
•
১. কথা সব শেষ না করে কিছুটা কৌতুহল জিইয়ে রাখুন।
আমরা মনে করি অনেক চমৎকার গল্প বললে মানুষ আকৃষ্ট হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে গল্পের সবটুকু না বলে কিছুটা বাকি রাখলে মানুষ আপনার প্রতি বেশি আগ্রহী হয়। একে বলা হয় 'কগনিটিভ থ্রেড' (Cognitive thread) খোলা রাখা। যেমন কথা শেষে বলতে পারেন, "ঐ প্রজেক্টে কী হয়েছিল সেটা মনে করিয়ে দিও তো, পরে বলবো।" এতে মানুষের মনে একটি 'লুপ' তৈরি হয় এবং সে অবচেতনভাবেই আপনার সাথে পুনরায় কথা বলার সুযোগ খোঁজে।
২. ৯০ সেকেন্ডের জন্য পূর্ণ মনোযোগ দিন:
সবসময় খুব বেশি মনোযোগী থাকার অভিনয় করার প্রয়োজন নেই। বরং কথোপকথনের মাঝে অন্তত ৯০ সেকেন্ডের জন্য এমনভাবে মনোযোগ দিন যেন মনে হয় দুনিয়ায় আপনি আর আপনার সামনের মানুষটি ছাড়া আর কেউ নেই। এই সময় মোবাইল ফোন দেখবেন না বা অন্য দিকে তাকাবেন না। এই অল্প সময়ের নিবিড় মনোযোগ সামনের মানুষটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়, যা আপনাকে তাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. তারা নিজের সম্পর্কে যা বিশ্বাস করে, তার স্বীকৃতি দিন:
মানুষ নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা বা পরিচয় অন্যের কাছে তুলে ধরতে চায়। আপনি যদি সেই পরিচয়টি ধরতে পারেন এবং তার প্রশংসা করেন, তবে সে আপনার প্রতি অনেক বেশি টান অনুভব করবে। যেমন- তাকে শুধু "কাজটি ভালো হয়েছে" না বলে বলুন, "আপনি এমন একজন মানুষ যে যেকোনো কাজ খুব গুরুত্ব দিয়ে করেন।" অর্থাৎ সে নিজেকে যে ধরনের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়, আপনি সেই পরিচয়টি তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। একে বলা হয় 'আইডেন্টিটি ইকোয়িং' (Identity Echoing)।
_______
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হওয়া মানে শুধু কথা বলা নয়, বরং সামনের মানুষটির মনে কৌতুহল তৈরি করা, তাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাকে বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখা।
ম্যাট হেইগের লেখা 'দ্য কমফর্ট বুক' কোনো সাধারণ বই নয়; এটি মূলত জীবনের কঠিন সময়ে বেঁচে থাকার রসদ এবং মানসিক প্রশান্তির একটি সংকলন। বইটির মূল কথা হলো—আমরা যখন ভেঙে পড়ি, তখন আমাদের নিজেদের আবার গড়ে তোলার ক্ষমতা আমাদের ভেতরেই থাকে।
বইটি থেকে ২০টি প্রেরণামূলক কথা এখানে দেওয়া হলো।
•
১. তুমি তোমার সবচাইতে খারাপ দিনগুলো অতিক্রম করে আজ এখানে এসেছো। মনে রাখবে, তোমার সাফল্যের হার ১০০%। কারণ তুমি এখনো টিকে আছো।
২. তোমার অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তোমাকে বিশেষ কিছু হতে হবে না। তুমি জন্ম নিয়েছ, এটাই তোমার যথেষ্ট হওয়ার বড় প্রমাণ।
৩. কোনো অনুভূতিই স্থায়ী নয়। মেঘ যেমন আসে আবার চলে যায়, তোমার দুঃখের সময়টাও ঠিক তেমনই কেটে যাবে।
৪. নিজেকে ক্ষমা করো। অতীতে যা করেছ বা যা হতে পারোনি, তার জন্য নিজেকে ঘৃণা করা বন্ধ করো। তুমি তখন সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে যেভাবে তোমার পরিস্থিতি তোমাকে শিখিয়েছিল।
৫. অন্ধকারে থাকার মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়। গাছ যেমন মাটির নিচে অন্ধকারে থেকে শিকড় গজায়, মানুষের কঠিন সময়গুলোও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে।
৬. বিশ্রাম নেওয়া মানে অলসতা নয়। যখন পৃথিবী তোমাকে ক্লান্ত করে দেয়, তখন বিশ্রাম নেওয়া একটি প্রয়োজনীয় কাজ, কোনো অপরাধ নয়।
৭. ধৈর্য হলো নিজের প্রতি ভালোবাসা। ধৈর্য মানে শুধু অপেক্ষা করা নয়, বরং অপেক্ষার সময়ে নিজের প্রতি সদয় থাকা।
৮. সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা ছেড়ে দাও। জীবন সমুদ্রের মতো। তুমি ঢেউ থামাতে পারবে না, কিন্তু সার্ফিং করা বা ভেসে থাকা শিখতে পারো।
৯. সুখ কোনো ট্রফি নয় যে তোমাকে দৌড়ে সেটা জিততে হবে। এটি মূলত বর্তমান মুহূর্তের ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে।
১০. অন্যের জীবনের বাইরের চাকচিক্যের সাথে নিজের ভেতরের লড়াইয়ের তুলনা করা বন্ধ করো।
১১. তোমার মূল্য তোমার কাজের ওপর নির্ভর করে না। তুমি কতটুকু উৎপাদনশীল বা কত টাকা আয় করছ, তা দিয়ে তোমার জীবনের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় না।
১২. আশা মানে এই নয় যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, বরং আশা হলো এই বিশ্বাস যে সবকিছু যেমনই হোক, তুমি তা সামলে নিতে পারবে।
১৩. একবারে শুধু একটি কদম ফেলো। যখন পুরো জীবনটা পাহাড়ের মতো কঠিন মনে হয়, তখন শুধু সামনের এক ইঞ্চির দিকে তাকাও।
১৪. বাইরে তাকাও, প্রকৃতির দিকে তাকাও। আকাশ, পাখি বা গাছের দিকে তাকালে বোঝা যায় যে মহাবিশ্ব অনেক বড় এবং তোমার সমস্যাগুলো তার তুলনায় অনেক ছোট।
১৫. কান্না দুর্বলতা নয়। চোখের জল হলো মনের জমে থাকা ভার নামানোর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
১৬. সাহস মানে সবসময় গর্জন করা নয়। কখনো কখনো সাহস মানে দিনশেষে নিজেকে খুব শান্ত স্বরে বলা— "কাল আমি আবার চেষ্টা করব।"
১৭. তোমার মাথায় খারাপ চিন্তা আসতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুমি একজন খারাপ মানুষ। তুমি হলে সেই ব্যক্তি যে চিন্তাগুলোকে পর্যবেক্ষণ করছে।
১৮. বই এবং গান হলো ওষুধ। যখন মানুষের কথা ভালো লাগে না, তখন শিল্পকলা বা গান আমাদের একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে।
১৯. পৃথিবী তোমাকে যা বলে, তুমি তার চেয়েও বড়। সমাজ তোমাকে যে ছকে বাঁধার চেষ্টা করে, তোমার আসল সত্তা তার চেয়েও অনেক বেশি বিশাল।
২০. বেঁচে থাকাই একটি বড় অর্জন। প্রতিকূলতার মাঝেও নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে বড় বীরত্ব।
•
ম্যাট হেইগের এই লেখাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের মূল সৌন্দর্য নিখুঁত হওয়ার মধ্যে নয়, বরং অসম্পূর্ণতা নিয়েও টিকে থাকার মধ্যে।
____
বইটি থেকে ২০টি প্রেরণামূলক কথা এখানে দেওয়া হলো।
•
১. তুমি তোমার সবচাইতে খারাপ দিনগুলো অতিক্রম করে আজ এখানে এসেছো। মনে রাখবে, তোমার সাফল্যের হার ১০০%। কারণ তুমি এখনো টিকে আছো।
২. তোমার অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তোমাকে বিশেষ কিছু হতে হবে না। তুমি জন্ম নিয়েছ, এটাই তোমার যথেষ্ট হওয়ার বড় প্রমাণ।
৩. কোনো অনুভূতিই স্থায়ী নয়। মেঘ যেমন আসে আবার চলে যায়, তোমার দুঃখের সময়টাও ঠিক তেমনই কেটে যাবে।
৪. নিজেকে ক্ষমা করো। অতীতে যা করেছ বা যা হতে পারোনি, তার জন্য নিজেকে ঘৃণা করা বন্ধ করো। তুমি তখন সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে যেভাবে তোমার পরিস্থিতি তোমাকে শিখিয়েছিল।
৫. অন্ধকারে থাকার মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়। গাছ যেমন মাটির নিচে অন্ধকারে থেকে শিকড় গজায়, মানুষের কঠিন সময়গুলোও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে।
৬. বিশ্রাম নেওয়া মানে অলসতা নয়। যখন পৃথিবী তোমাকে ক্লান্ত করে দেয়, তখন বিশ্রাম নেওয়া একটি প্রয়োজনীয় কাজ, কোনো অপরাধ নয়।
৭. ধৈর্য হলো নিজের প্রতি ভালোবাসা। ধৈর্য মানে শুধু অপেক্ষা করা নয়, বরং অপেক্ষার সময়ে নিজের প্রতি সদয় থাকা।
৮. সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা ছেড়ে দাও। জীবন সমুদ্রের মতো। তুমি ঢেউ থামাতে পারবে না, কিন্তু সার্ফিং করা বা ভেসে থাকা শিখতে পারো।
৯. সুখ কোনো ট্রফি নয় যে তোমাকে দৌড়ে সেটা জিততে হবে। এটি মূলত বর্তমান মুহূর্তের ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে।
১০. অন্যের জীবনের বাইরের চাকচিক্যের সাথে নিজের ভেতরের লড়াইয়ের তুলনা করা বন্ধ করো।
১১. তোমার মূল্য তোমার কাজের ওপর নির্ভর করে না। তুমি কতটুকু উৎপাদনশীল বা কত টাকা আয় করছ, তা দিয়ে তোমার জীবনের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় না।
১২. আশা মানে এই নয় যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, বরং আশা হলো এই বিশ্বাস যে সবকিছু যেমনই হোক, তুমি তা সামলে নিতে পারবে।
১৩. একবারে শুধু একটি কদম ফেলো। যখন পুরো জীবনটা পাহাড়ের মতো কঠিন মনে হয়, তখন শুধু সামনের এক ইঞ্চির দিকে তাকাও।
১৪. বাইরে তাকাও, প্রকৃতির দিকে তাকাও। আকাশ, পাখি বা গাছের দিকে তাকালে বোঝা যায় যে মহাবিশ্ব অনেক বড় এবং তোমার সমস্যাগুলো তার তুলনায় অনেক ছোট।
১৫. কান্না দুর্বলতা নয়। চোখের জল হলো মনের জমে থাকা ভার নামানোর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
১৬. সাহস মানে সবসময় গর্জন করা নয়। কখনো কখনো সাহস মানে দিনশেষে নিজেকে খুব শান্ত স্বরে বলা— "কাল আমি আবার চেষ্টা করব।"
১৭. তোমার মাথায় খারাপ চিন্তা আসতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুমি একজন খারাপ মানুষ। তুমি হলে সেই ব্যক্তি যে চিন্তাগুলোকে পর্যবেক্ষণ করছে।
১৮. বই এবং গান হলো ওষুধ। যখন মানুষের কথা ভালো লাগে না, তখন শিল্পকলা বা গান আমাদের একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে।
১৯. পৃথিবী তোমাকে যা বলে, তুমি তার চেয়েও বড়। সমাজ তোমাকে যে ছকে বাঁধার চেষ্টা করে, তোমার আসল সত্তা তার চেয়েও অনেক বেশি বিশাল।
২০. বেঁচে থাকাই একটি বড় অর্জন। প্রতিকূলতার মাঝেও নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে বড় বীরত্ব।
•
ম্যাট হেইগের এই লেখাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের মূল সৌন্দর্য নিখুঁত হওয়ার মধ্যে নয়, বরং অসম্পূর্ণতা নিয়েও টিকে থাকার মধ্যে।
____
👍2
১. আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো মূলত আপনার মনের তৈরি। আপনি যদি মনে করেন আপনি পারবেন, তবে আপনার অর্ধেক জয় সেখানেই হয়ে যায়।
২. সুপার হিউম্যান হওয়া কোনো জাদুকরী ঘটনা নয়, বরং এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট সঠিক অভ্যাসের সমষ্টি।
৩. ব্যর্থতাকে পরাজয় হিসেবে না দেখে একে আপনার লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রয়োজনীয় 'ফিডব্যাক' বা শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করুন।
৪. বিক্ষিপ্ত মনোযোগ আপনার শক্তি ক্ষয় করে। একটি সময়ে কেবল একটি কাজে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়াই হলো অতিমানবীয় দক্ষতার চাবিকাঠি।
৫. কমফোর্ট জোন বা আরামদায়ক অবস্থায় কোনো বড় পরিবর্তন ঘটে না। অসাধারণ কিছু করতে হলে আপনাকে অস্বস্তিকে আলিঙ্গন করতে শিখতে হবে।
৬. সময় ব্যবস্থাপনা মানে শুধু ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা নয়, বরং আপনার শক্তির সঠিক প্রয়োগ করা।
৭. চিন্তার জগতে আপনি যা বপন করবেন, বাস্তব জীবনে তার ফলই পাবেন। তাই নিজের চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করুন।
৮. শেখার প্রক্রিয়া বন্ধ করা মানেই হলো পিছিয়ে পড়া। একজন সুপার হিউম্যান সারাজীবন ছাত্র হয়ে থাকতে পছন্দ করেন।
৯. আপনার মস্তিষ্ক তখনই শ্রেষ্ঠ ফলাফল দেবে যখন আপনার শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরকে অবহেলা করে মানসিক শিখরে পৌঁছানো অসম্ভব।
১০. ভয় না থাকা মানে সাহস নয়; বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার নামই হলো আসল সাহস।
১১. হিমালয় জয় করতে হলেও আপনাকে প্রথম পদক্ষেপটি নিতেই হবে। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে কাজ শুরু করুন।
১২. আপনি যাদের সাথে সময় কাটান, আপনি ঠিক তাদের মতোই হয়ে উঠবেন। তাই সফল ও ইতিবাচক মানুষদের সান্নিধ্যে থাকুন।
১৩. মোটিভেশন আপনাকে কাজ শুরু করতে সাহায্য করবে, কিন্তু ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে।
১৪. অতীত নিয়ে আফসোস আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা আপনার বর্তমানের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বর্তমান মুহূর্তকে কাজে লাগান।
১৫. পৃথিবী আপনাকে বিশ্বাস করার আগে আপনাকে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে।
১৬. সমালোচকদের কাজ হলো কথা বলা, আর আপনার কাজ হলো এগিয়ে যাওয়া। তাদের কথায় কান দিয়ে নিজের গতি কমাবেন না।
১৭. কঠিন সময় মানুষের চরিত্র গঠন করে। পরিস্থিতির দোহাই না দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।
১৮. আপনার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। কৃতজ্ঞ মন সবসময় আরও ভালো কিছু অর্জনের জন্য প্রস্তুত থাকে।
১৯. আপনার কাজ কেন করছেন—এই 'কেন' বা উদ্দেশ্যটি পরিষ্কার থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সহজ হয়।
২০. গড়পড়তা হওয়া সহজ, কিন্তু শ্রেষ্ঠ হওয়া কঠিন। প্রতিদিন নিজেকে গতকালের চেয়ে অন্তত ১% উন্নত করার চেষ্টা করুন।
_____
সূত্র: সুপার হিউম্যান (রিচার্ড হারগ্রেভস)
২. সুপার হিউম্যান হওয়া কোনো জাদুকরী ঘটনা নয়, বরং এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট সঠিক অভ্যাসের সমষ্টি।
৩. ব্যর্থতাকে পরাজয় হিসেবে না দেখে একে আপনার লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রয়োজনীয় 'ফিডব্যাক' বা শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করুন।
৪. বিক্ষিপ্ত মনোযোগ আপনার শক্তি ক্ষয় করে। একটি সময়ে কেবল একটি কাজে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়াই হলো অতিমানবীয় দক্ষতার চাবিকাঠি।
৫. কমফোর্ট জোন বা আরামদায়ক অবস্থায় কোনো বড় পরিবর্তন ঘটে না। অসাধারণ কিছু করতে হলে আপনাকে অস্বস্তিকে আলিঙ্গন করতে শিখতে হবে।
৬. সময় ব্যবস্থাপনা মানে শুধু ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা নয়, বরং আপনার শক্তির সঠিক প্রয়োগ করা।
৭. চিন্তার জগতে আপনি যা বপন করবেন, বাস্তব জীবনে তার ফলই পাবেন। তাই নিজের চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করুন।
৮. শেখার প্রক্রিয়া বন্ধ করা মানেই হলো পিছিয়ে পড়া। একজন সুপার হিউম্যান সারাজীবন ছাত্র হয়ে থাকতে পছন্দ করেন।
৯. আপনার মস্তিষ্ক তখনই শ্রেষ্ঠ ফলাফল দেবে যখন আপনার শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরকে অবহেলা করে মানসিক শিখরে পৌঁছানো অসম্ভব।
১০. ভয় না থাকা মানে সাহস নয়; বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার নামই হলো আসল সাহস।
১১. হিমালয় জয় করতে হলেও আপনাকে প্রথম পদক্ষেপটি নিতেই হবে। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে কাজ শুরু করুন।
১২. আপনি যাদের সাথে সময় কাটান, আপনি ঠিক তাদের মতোই হয়ে উঠবেন। তাই সফল ও ইতিবাচক মানুষদের সান্নিধ্যে থাকুন।
১৩. মোটিভেশন আপনাকে কাজ শুরু করতে সাহায্য করবে, কিন্তু ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে।
১৪. অতীত নিয়ে আফসোস আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা আপনার বর্তমানের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বর্তমান মুহূর্তকে কাজে লাগান।
১৫. পৃথিবী আপনাকে বিশ্বাস করার আগে আপনাকে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে।
১৬. সমালোচকদের কাজ হলো কথা বলা, আর আপনার কাজ হলো এগিয়ে যাওয়া। তাদের কথায় কান দিয়ে নিজের গতি কমাবেন না।
১৭. কঠিন সময় মানুষের চরিত্র গঠন করে। পরিস্থিতির দোহাই না দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।
১৮. আপনার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। কৃতজ্ঞ মন সবসময় আরও ভালো কিছু অর্জনের জন্য প্রস্তুত থাকে।
১৯. আপনার কাজ কেন করছেন—এই 'কেন' বা উদ্দেশ্যটি পরিষ্কার থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সহজ হয়।
২০. গড়পড়তা হওয়া সহজ, কিন্তু শ্রেষ্ঠ হওয়া কঠিন। প্রতিদিন নিজেকে গতকালের চেয়ে অন্তত ১% উন্নত করার চেষ্টা করুন।
_____
সূত্র: সুপার হিউম্যান (রিচার্ড হারগ্রেভস)
এই লেখায় ৭টি অভ্যাসের কথা বলা হলো যা আমাদের জীবনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠিন বা ভারী করে তোলে। এর পরিবর্তে আমাদের কী করা উচিত, সে বিষয়েও পরামর্শ দেয়া হলো।
•
১. মনের বিরুদ্ধে সবসময় 'হ্যাঁ' বলা:
আমরা অনেক সময় মানুষকে খুশি করতে বা অপরাধবোধ থেকে 'হ্যাঁ' বলি, যদিও আমরা মনে মনে 'না' বলতে চাই। এটি আমাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।
করণীয়: নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে শিখুন। বিনয়ের সাথে 'না' বলা শিখুন। মনে রাখবেন, অন্যকে 'হ্যাঁ' বলতে গিয়ে যেন নিজেকে 'না' বলে না ফেলেন।
২. নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা:
সবকিছু একদম নিখুঁত বা 'পারফেক্ট' হতে হবে—এই চিন্তা আমাদের কাজ শুরু করতে বাধা দেয় এবং ব্যর্থতার ভয় বাড়িয়ে দেয়।
করণীয়: 'পারফেক্ট' হওয়ার চেয়ে 'কাজ শেষ করা' বা 'অগ্রগতি' (Progress) হওয়াকে গুরুত্ব দিন। কাজ শুরু করুন, ভুল থেকে শিখুন এবং সেটাকে আরও উন্নত করুন।
৩. অতীত বা ভবিষ্যতে বাস করা:
পুরানো কোনো ভুল নিয়ে পড়ে থাকা অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বর্তমানের আনন্দ নষ্ট করে দেয়।
করণীয়: বর্তমানে বাঁচার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিট বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. অন্যের বাইরের জীবনের সাথে নিজের ভেতরের তুলনা করা:
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা অন্যের জীবনের শুধু রঙিন অংশগুলো দেখি এবং নিজের জীবনের কঠিন সময়ের সাথে সেটার তুলনা করি। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
করণীয়: তুলনা করা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব সংগ্রাম থাকে যা তারা বাইরে দেখায় না। নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন।
৫. নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করা:
আবহাওয়া, অন্যের মতামত বা অর্থনীতি—এমন অনেক বিষয় আছে যা আমাদের হাতে নেই। এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা করা শক্তির অপচয় মাত্র।
করণীয়: একটি তালিকা করুন যে আপনি কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন (যেমন- আপনার কাজ, আপনার প্রতিক্রিয়া) আর কী পারেন না। শুধু আপনার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকা বিষয়গুলোতে শক্তি ব্যয় করুন।
৬. মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সম্পর্ক টেনে নেওয়া:
কিছু বন্ধুত্ব বা সম্পর্ক সময়ের সাথে সাথে বিষাক্ত হয়ে যায় বা আমাদের মানসিক শক্তি শুষে নেয়। শুধু অভ্যাসের কারণে সেগুলো ধরে রাখা জীবনকে ভারী করে তোলে।
করণীয়: নিজেকে এমন সম্পর্ক থেকে দূরে সরানোর অনুমতি দিন যা আপনাকে আর আনন্দ দেয় না। নতুন এবং ইতিবাচক মানুষের জন্য জীবনে জায়গা তৈরি করুন।
৭. "সঠিক মুহূর্তের" জন্য অপেক্ষা করা:
আমরা প্রায়ই ভাবি—"আমি তখন খুশি হবো যখন আমার প্রমোশন হবে" বা "তখন কাজটা শুরু করবো যখন সব ঠিক থাকবে।" কিন্তু সঠিক মুহূর্ত কখনোই আসে না।
করণীয়: এখনই শুরু করুন। অগোছালো ভাবেই শুরু করুন। "আমি তখন খুশি হবো..." না বলে "আমি এখনই খুশি থাকতে শিখবো" এই মানসিকতা গড়ে তুলুন।
_______
জীবন ততটা কঠিন নয় যতটা আমরা আমাদের এই অভ্যাসগুলো দিয়ে বানিয়ে ফেলি। এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো আনলে জীবন অনেক হালকা এবং সহজ মনে হবে।
•
১. মনের বিরুদ্ধে সবসময় 'হ্যাঁ' বলা:
আমরা অনেক সময় মানুষকে খুশি করতে বা অপরাধবোধ থেকে 'হ্যাঁ' বলি, যদিও আমরা মনে মনে 'না' বলতে চাই। এটি আমাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।
করণীয়: নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে শিখুন। বিনয়ের সাথে 'না' বলা শিখুন। মনে রাখবেন, অন্যকে 'হ্যাঁ' বলতে গিয়ে যেন নিজেকে 'না' বলে না ফেলেন।
২. নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা:
সবকিছু একদম নিখুঁত বা 'পারফেক্ট' হতে হবে—এই চিন্তা আমাদের কাজ শুরু করতে বাধা দেয় এবং ব্যর্থতার ভয় বাড়িয়ে দেয়।
করণীয়: 'পারফেক্ট' হওয়ার চেয়ে 'কাজ শেষ করা' বা 'অগ্রগতি' (Progress) হওয়াকে গুরুত্ব দিন। কাজ শুরু করুন, ভুল থেকে শিখুন এবং সেটাকে আরও উন্নত করুন।
৩. অতীত বা ভবিষ্যতে বাস করা:
পুরানো কোনো ভুল নিয়ে পড়ে থাকা অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বর্তমানের আনন্দ নষ্ট করে দেয়।
করণীয়: বর্তমানে বাঁচার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিট বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. অন্যের বাইরের জীবনের সাথে নিজের ভেতরের তুলনা করা:
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা অন্যের জীবনের শুধু রঙিন অংশগুলো দেখি এবং নিজের জীবনের কঠিন সময়ের সাথে সেটার তুলনা করি। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
করণীয়: তুলনা করা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব সংগ্রাম থাকে যা তারা বাইরে দেখায় না। নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন।
৫. নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করা:
আবহাওয়া, অন্যের মতামত বা অর্থনীতি—এমন অনেক বিষয় আছে যা আমাদের হাতে নেই। এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা করা শক্তির অপচয় মাত্র।
করণীয়: একটি তালিকা করুন যে আপনি কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন (যেমন- আপনার কাজ, আপনার প্রতিক্রিয়া) আর কী পারেন না। শুধু আপনার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকা বিষয়গুলোতে শক্তি ব্যয় করুন।
৬. মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সম্পর্ক টেনে নেওয়া:
কিছু বন্ধুত্ব বা সম্পর্ক সময়ের সাথে সাথে বিষাক্ত হয়ে যায় বা আমাদের মানসিক শক্তি শুষে নেয়। শুধু অভ্যাসের কারণে সেগুলো ধরে রাখা জীবনকে ভারী করে তোলে।
করণীয়: নিজেকে এমন সম্পর্ক থেকে দূরে সরানোর অনুমতি দিন যা আপনাকে আর আনন্দ দেয় না। নতুন এবং ইতিবাচক মানুষের জন্য জীবনে জায়গা তৈরি করুন।
৭. "সঠিক মুহূর্তের" জন্য অপেক্ষা করা:
আমরা প্রায়ই ভাবি—"আমি তখন খুশি হবো যখন আমার প্রমোশন হবে" বা "তখন কাজটা শুরু করবো যখন সব ঠিক থাকবে।" কিন্তু সঠিক মুহূর্ত কখনোই আসে না।
করণীয়: এখনই শুরু করুন। অগোছালো ভাবেই শুরু করুন। "আমি তখন খুশি হবো..." না বলে "আমি এখনই খুশি থাকতে শিখবো" এই মানসিকতা গড়ে তুলুন।
_______
জীবন ততটা কঠিন নয় যতটা আমরা আমাদের এই অভ্যাসগুলো দিয়ে বানিয়ে ফেলি। এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো আনলে জীবন অনেক হালকা এবং সহজ মনে হবে।
বিয়ে সবার জন্য না।
বিবাহ বন্ধন সম্পর্কে অবগত না হয়ে আগেই বিয়ে করবেন না।
কারণ বিয়ে শুধু একটা ইভেন্ট না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চুক্তি।
দেখেন, বিয়ে করাটা সহজ, কিন্তু সংসার করাটা কঠিন। সাইকোলজিতে এটাকে Role Transition Stress বলা হয়, একটা মানুষ হঠাৎ প্রেমিক/প্রেমিকা থেকে স্বামী/স্ত্রীর ভূমিকায় ঢুকে পড়ে। এই পরিবর্তনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি না থাকলে সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়।
বিবাহ > বন্ধন > কমিটমেন্ট।
বিয়ে এটা শুধু দুজনের মিলন নয়, দুটো পরিবারের যোগাযোগ, দুটো মনের সমন্বয় এবং জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব গ্রহণ।
ইসলামও এখানেই বিয়েকে মিসাকান গালীযা বলেছে একটা ভারী চুক্তি। হালকা সম্পর্কের জন্য এত ভারী শব্দ ব্যবহার করা হয়নি।
বিয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ছেলেরা চায়:
একটা শান্ত ঘর। যেখানে সে কাজের চাপ থেকে ফিরে এসে নিরাপদ বোধ করবে। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলে Emotional Safe Zone। যে ঘরে অযথা ঝগড়া নেই, থাকবে সম্মান, বোঝাপড়া এবং মানসিক সাপোর্ট। সে চায় তার স্ত্রী তার বাবা-মা, পরিবারকে সম্মান করুক কারণ একজন পুরুষের পরিচয়ের বড় অংশই তার পরিবার।
আবার অন্যদিকে মেয়েরা চায়:
একজন এমন মানুষ, যার কাছে সে দুর্বল হতে পারবে। রাগ হলেও যে অসম্মান করবে না। যে তার ভয়, insecurity, Anxiety বুঝবে। আর হ্যাঁ, আর্থিক স্থিতিশীলতা কারণ নিরাপত্তাহীনতা মেয়েদের Anxiety বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ইসলামও এখানে পরিষ্কার নফকা দেওয়া স্বামীর দায়িত্ব।
কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
এখনকার অনেক বিয়েতে বোঝাপড়ার জায়গা নেই, আছে শুধু Ego Clash। কথায় সামান্য বনিবনা না হলেই ডিভোর্স! স্বামী বউয়ের সামনে নিজের পরিবারকে কোন কিছু দিতে সংকোচ বোধ করে, আবার শ্বশুরবাড়ি অনেক সময় বউকে পুরোপুরি গ্রহণ করে না। এই জায়গা থেকেই শুরু হয় Chronic Marital Stress যা ধীরে ধীরে ভালোবাসাকে ক্ষয় করে। এখান থেকেই শুরু হয় যত সমস্যা, ছোটখাটো মতভেদ থেকে বড় ঝ'গড়া, মানসিক চাপ, এমনকি বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত হওয়া।
এর সাথে যোগ হয় সমাজের চাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনা, আর আমিও কম না টাইপ অহংকার। এসব কারণে বিয়ের আগের রোমান্টিকতা হারিয়ে যায় কারণ মানুষ আবেগ নিয়ে আসে, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার ট্রেনিং নিয়ে আসে না।
তাহলে সমাধান কী?
বিয়ের আগে একে অপরকে চিনুন।
শুধু পছন্দ না ভয়, রাগ, মূল্যবোধ নিয়েও কথা বলুন। কমিউনিকেশনই চাবিকাঠি। রাগ হলে চুপ করে থাকা নয় ইসলামও বলে, সমস্যা হলে শূরা অর্থাৎ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। দুজন মিলে কমিটমেন্ট নিন সমস্যা এলে পালাব না, দুজনে মিলেই সমাধান করব।
আর সবচেয়ে জরুরি!
বিয়ের আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন।
মানসিকভাবে পরিণত হোন,
আর্থিকভাবে দায়িত্ব নিতে শিখুন,
আর সম্পর্কের বাস্তবতা বুঝুন।
সঠিক মানুষ, ভুল মানুষ এগুলো ভুয়া কথা।
আপনার সঙ্গী যেন দায়িত্বজ্ঞানহীন না হয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে এটা দেখবেন, আর যদি কখনো বিয়ে করে ফেলেন তাহলে চিরদিন তার সাথেই থাকবেন নো ডিভোর্স!
স্ত্রী হিসেবে আপনার স্বামীকে কখনোই হেলা করবেন না, সে তার পরিবারের জন্য যতটুকু করতে পারে করুক আপনি আরো সাপোর্ট দিবেন।
স্বামী হিসেবে আপনার স্ত্রীকে আপনি ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখুন, রেগে গায়ে হাত না উঠিয়ে আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরুন। জাতের মেয়ে গুলা ভালোবাসা আর সম্মান চায় যেগুলো অজাতের ওগুলা দেখবে আপনার সম্পদ। আর সম্পদ লোভী মেয়েরা কখনোই একজন ভালো স্ত্রী হতে পারে না।
আর যারা অলরেডি সংসার করছেন:
দাম্পত্য জীবন ভালো রাখতে দুজনের জন্য দুটো বই সাজেস্ট করছি অবশ্যই পড়বেন:
(যেভাবে স্ত্রীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏♀️
(যেভাবে স্বামীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏♂️
Younger Philosopher: 🫦
Jahid Hasan Scientist
#marriedlife
#tipsandtricks
#jahidhasanscientist
বিবাহ বন্ধন সম্পর্কে অবগত না হয়ে আগেই বিয়ে করবেন না।
কারণ বিয়ে শুধু একটা ইভেন্ট না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চুক্তি।
দেখেন, বিয়ে করাটা সহজ, কিন্তু সংসার করাটা কঠিন। সাইকোলজিতে এটাকে Role Transition Stress বলা হয়, একটা মানুষ হঠাৎ প্রেমিক/প্রেমিকা থেকে স্বামী/স্ত্রীর ভূমিকায় ঢুকে পড়ে। এই পরিবর্তনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি না থাকলে সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়।
বিবাহ > বন্ধন > কমিটমেন্ট।
বিয়ে এটা শুধু দুজনের মিলন নয়, দুটো পরিবারের যোগাযোগ, দুটো মনের সমন্বয় এবং জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব গ্রহণ।
ইসলামও এখানেই বিয়েকে মিসাকান গালীযা বলেছে একটা ভারী চুক্তি। হালকা সম্পর্কের জন্য এত ভারী শব্দ ব্যবহার করা হয়নি।
বিয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ছেলেরা চায়:
একটা শান্ত ঘর। যেখানে সে কাজের চাপ থেকে ফিরে এসে নিরাপদ বোধ করবে। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলে Emotional Safe Zone। যে ঘরে অযথা ঝগড়া নেই, থাকবে সম্মান, বোঝাপড়া এবং মানসিক সাপোর্ট। সে চায় তার স্ত্রী তার বাবা-মা, পরিবারকে সম্মান করুক কারণ একজন পুরুষের পরিচয়ের বড় অংশই তার পরিবার।
আবার অন্যদিকে মেয়েরা চায়:
একজন এমন মানুষ, যার কাছে সে দুর্বল হতে পারবে। রাগ হলেও যে অসম্মান করবে না। যে তার ভয়, insecurity, Anxiety বুঝবে। আর হ্যাঁ, আর্থিক স্থিতিশীলতা কারণ নিরাপত্তাহীনতা মেয়েদের Anxiety বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ইসলামও এখানে পরিষ্কার নফকা দেওয়া স্বামীর দায়িত্ব।
কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
এখনকার অনেক বিয়েতে বোঝাপড়ার জায়গা নেই, আছে শুধু Ego Clash। কথায় সামান্য বনিবনা না হলেই ডিভোর্স! স্বামী বউয়ের সামনে নিজের পরিবারকে কোন কিছু দিতে সংকোচ বোধ করে, আবার শ্বশুরবাড়ি অনেক সময় বউকে পুরোপুরি গ্রহণ করে না। এই জায়গা থেকেই শুরু হয় Chronic Marital Stress যা ধীরে ধীরে ভালোবাসাকে ক্ষয় করে। এখান থেকেই শুরু হয় যত সমস্যা, ছোটখাটো মতভেদ থেকে বড় ঝ'গড়া, মানসিক চাপ, এমনকি বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত হওয়া।
এর সাথে যোগ হয় সমাজের চাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনা, আর আমিও কম না টাইপ অহংকার। এসব কারণে বিয়ের আগের রোমান্টিকতা হারিয়ে যায় কারণ মানুষ আবেগ নিয়ে আসে, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার ট্রেনিং নিয়ে আসে না।
তাহলে সমাধান কী?
বিয়ের আগে একে অপরকে চিনুন।
শুধু পছন্দ না ভয়, রাগ, মূল্যবোধ নিয়েও কথা বলুন। কমিউনিকেশনই চাবিকাঠি। রাগ হলে চুপ করে থাকা নয় ইসলামও বলে, সমস্যা হলে শূরা অর্থাৎ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। দুজন মিলে কমিটমেন্ট নিন সমস্যা এলে পালাব না, দুজনে মিলেই সমাধান করব।
আর সবচেয়ে জরুরি!
বিয়ের আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন।
মানসিকভাবে পরিণত হোন,
আর্থিকভাবে দায়িত্ব নিতে শিখুন,
আর সম্পর্কের বাস্তবতা বুঝুন।
সঠিক মানুষ, ভুল মানুষ এগুলো ভুয়া কথা।
আপনার সঙ্গী যেন দায়িত্বজ্ঞানহীন না হয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে এটা দেখবেন, আর যদি কখনো বিয়ে করে ফেলেন তাহলে চিরদিন তার সাথেই থাকবেন নো ডিভোর্স!
স্ত্রী হিসেবে আপনার স্বামীকে কখনোই হেলা করবেন না, সে তার পরিবারের জন্য যতটুকু করতে পারে করুক আপনি আরো সাপোর্ট দিবেন।
স্বামী হিসেবে আপনার স্ত্রীকে আপনি ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখুন, রেগে গায়ে হাত না উঠিয়ে আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরুন। জাতের মেয়ে গুলা ভালোবাসা আর সম্মান চায় যেগুলো অজাতের ওগুলা দেখবে আপনার সম্পদ। আর সম্পদ লোভী মেয়েরা কখনোই একজন ভালো স্ত্রী হতে পারে না।
আর যারা অলরেডি সংসার করছেন:
দাম্পত্য জীবন ভালো রাখতে দুজনের জন্য দুটো বই সাজেস্ট করছি অবশ্যই পড়বেন:
(যেভাবে স্ত্রীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏♀️
(যেভাবে স্বামীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏♂️
Younger Philosopher: 🫦
Jahid Hasan Scientist
#marriedlife
#tipsandtricks
#jahidhasanscientist
হিল্লা বিয়ে (হালালা) হলো ইসলামী শরিয়তের একটি বিশেষ বিধান, যা তখনই প্রযোজ্য হয় যখন—
সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা:
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক (তালাকে বাইন কুবরা) দেয়,
তাহলে সেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আর সরাসরি পুনরায় বিয়ে হারাম হয়ে যায়।
এই অবস্থায় স্ত্রী যদি:
অন্য একজন পুরুষকে স্বাভাবিকভাবে বিয়ে করে,
সেই বিয়েতে বাস্তব দাম্পত্য জীবন (সহবাস) হয়,
এরপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিকভাবে তালাক দেয় বা মারা যায়,
এবং স্ত্রী ইদ্দত শেষ করে,
তখনই প্রথম স্বামীর সাথে নতুন করে বিয়ে করা বৈধ হয়।
এই পুরো প্রক্রিয়াকেই সাধারণভাবে হিল্লা বিয়ে বলা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
পরিকল্পিত বা চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে (শুধু প্রথম স্বামীর কাছে ফেরানোর উদ্দেশ্যে সাজানো বিয়ে)
👉 ইসলামে কঠোরভাবে হারাম।
হাদিসে এসেছে,
“হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয়—উভয়ের ওপর আল্লাহর লানত।” (তিরমিজি)
সংক্ষেপে:
✔ স্বাভাবিকভাবে ঘটে গেলে বৈধ
❌ আগে থেকেই ঠিক করা বা নাটকীয় হিল্লা বিয়ে হারাম.
সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা:
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক (তালাকে বাইন কুবরা) দেয়,
তাহলে সেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আর সরাসরি পুনরায় বিয়ে হারাম হয়ে যায়।
এই অবস্থায় স্ত্রী যদি:
অন্য একজন পুরুষকে স্বাভাবিকভাবে বিয়ে করে,
সেই বিয়েতে বাস্তব দাম্পত্য জীবন (সহবাস) হয়,
এরপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিকভাবে তালাক দেয় বা মারা যায়,
এবং স্ত্রী ইদ্দত শেষ করে,
তখনই প্রথম স্বামীর সাথে নতুন করে বিয়ে করা বৈধ হয়।
এই পুরো প্রক্রিয়াকেই সাধারণভাবে হিল্লা বিয়ে বলা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
পরিকল্পিত বা চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে (শুধু প্রথম স্বামীর কাছে ফেরানোর উদ্দেশ্যে সাজানো বিয়ে)
👉 ইসলামে কঠোরভাবে হারাম।
হাদিসে এসেছে,
“হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয়—উভয়ের ওপর আল্লাহর লানত।” (তিরমিজি)
সংক্ষেপে:
✔ স্বাভাবিকভাবে ঘটে গেলে বৈধ
❌ আগে থেকেই ঠিক করা বা নাটকীয় হিল্লা বিয়ে হারাম.
৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জ পেটে যাদু আছে কি না যাস্ট চেক করে জানান।
পেটে হাত রেখে টানা ৫ মিনিট পড়েন -
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মা’কূল
✅ অনুভূতি কি কমেন্ট বক্সে জানান।
🎤 Raqi Amir Hamza
Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life
☎️01706-685576 ☎️01798-645570
পেটে হাত রেখে টানা ৫ মিনিট পড়েন -
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মা’কূল
✅ অনুভূতি কি কমেন্ট বক্সে জানান।
🎤 Raqi Amir Hamza
Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life
☎️01706-685576 ☎️01798-645570
🚨 হঠাৎ চাকরি চলে গেলে প্রথম ৭২ ঘণ্টায় আপনি কী করবেন?
কয়েকদিন আগে বেক্সিমকো থেকে এক ভাই প্রফেশনাল সিভি বানাতে এসেছিলেন। কথা বলতে বলতে বুঝলাম চাকরি চলে যাওয়ার পর মানুষ আসলে কীভাবে দিশেহারা হয়ে যায়।
তখন তাকে আমি এই ১০টা বাস্তব পরামর্শ দিয়েছিলাম। আজ সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
📌 পোস্টটা সেভ করে রাখুন—কারণ এটা যেকোনো সময় দরকার হতে পারে।
✅ ০১। নেটওয়ার্কই আপনার প্রথম লাইফলাইন 🤝
চাকরি গেলে আগে নেটওয়ার্কে জানান।
👉 কে কোথায় কাজ করছে
👉 কোথায় ফ্রি-ল্যান্স বা কনসাল্টেন্সি সুযোগ আছে
যাদের সেভিং কম, তাদের টুকটাক ফ্রি-ল্যান্স কাজ করতেই হবে।
⚠️ তবে মনে রাখবেন আপনার মেইন ফোকাস থাকবে ফুলটাইম জব খোঁজায়।
✅ ০২। ৬ মাসের সেভিং = মানসিক শান্তি 💰
আদর্শভাবে ৬ মাসের খরচ রিজার্ভ থাকা উচিত।
না থাকলে?
👉 হাতে যা আছে, লক করে ফেলুন
👉 এক টাকাও অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না
ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস থেকেই শুরু হয় আসল স্ট্রেস 😔
✅ ০৩। বাজে খরচ = আজ থেকেই বন্ধ ✂️
❌ অপ্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন
❌ ডিশ লাইন
❌ লাক্সারি খরচ
✔️ খাবার
✔️ বাসা ভাড়া
✔️ বাচ্চাদের স্কুল
✔️ মেডিসিন
✔️ ইন্টারনেট
এর বাইরে কিছুই না।
📋 চাইলে নিজের একটা ডেইলি রুটিন/চেকলিস্ট বানান।
✅ ০৪। কোন কোম্পানি? কে পরিচিত? কে HR? 🔍
আগেই লিস্ট বানান—
👉 কোথায় এপ্লাই করবেন
👉 সেখানে কারা পরিচিত
👉 HR Head কে
LinkedIn, Facebook সব জায়গায় কানেক্ট হন।
পুরোনো কলিগ, বস কারও সাথে যোগাযোগে লজ্জা নেই।
✅ ০৫। এই ৫টা ডকুমেন্ট = আপনার অস্ত্র 🧾
চাকরি হারালে ডে-ওয়ান থেকেই রেডি থাকতে হবে👇
✔️ প্রফেশনাল CV
✔️ কভার লেটার
✔️ বিডিজবস প্রোফাইল
✔️ LinkedIn প্রোফাইল
✔️ ভিডিও CV
☎️ হেল্প লাগলে: 01975409545
✅ ০৬। চাকরি নেই ≠ অফিস নেই ⏰
আগে অফিস আওয়ার ছিল ৯–৬
এখনও তাই!
🏠 বাসায় একটা স্পেস বানান
📨 জব সার্কুলার খুঁজুন
📖 পড়াশোনা করুন
🎧 অটোসাজেশন শুনুন
🧠 ব্রেইনকে ভালো খাবার দিন
🙏 ধর্মীয় কাজে নিয়মিত হন
✅ ০৭। ইন্টারভিউ = আগে ঘরে জিততে হবে 🎯
কি প্রশ্ন আসতে পারে?
কিভাবে উত্তর দিবেন?
সবকিছুর সলিড প্রিপারেশন নিন।
📺 ইউটিউবে “Corporate Ask” – ১২০০+ কন্টেন্ট আছে।
✅ ০৮। সব জবে এপ্লাই করবেন না ❌
👉 জব সার্কুলারের সাথে
👉 আপনার প্রোফাইলের কমপক্ষে ৮০% ম্যাচ থাকতে হবে
নয়তো টাইম নষ্ট + কনফিডেন্স ডাউন 📉
✅ ০৯। জব ট্র্যাকিং না করলে সমস্যা হবেই 📊
👉 কোথায় এপ্লাই করলেন
👉 কবে করলেন
👉 ফলোআপ দরকার কি না
সব লিখে রাখুন।
⚠️ আর হ্যাঁ—শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
✅ ১০। টেনশন নয়, কন্ট্রোল নিন
টেনশন কনফিডেন্স খেয়ে ফেলে।
কনফিডেন্স কমলে ভুল বাড়ে।
এই চক্র ভাঙুন👇
✔️ অটোসাজেশন
✔️ মেডিটেশন
✔️ পজিটিভ রুটিন
চাকরি গেছে—আপনি যাননি।
📌 এই পোস্টটা শেয়ার করে দিন।
আজ না হোক, কাল—কেউ না কেউ উপকৃত হবেই।
কয়েকদিন আগে বেক্সিমকো থেকে এক ভাই প্রফেশনাল সিভি বানাতে এসেছিলেন। কথা বলতে বলতে বুঝলাম চাকরি চলে যাওয়ার পর মানুষ আসলে কীভাবে দিশেহারা হয়ে যায়।
তখন তাকে আমি এই ১০টা বাস্তব পরামর্শ দিয়েছিলাম। আজ সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
📌 পোস্টটা সেভ করে রাখুন—কারণ এটা যেকোনো সময় দরকার হতে পারে।
✅ ০১। নেটওয়ার্কই আপনার প্রথম লাইফলাইন 🤝
চাকরি গেলে আগে নেটওয়ার্কে জানান।
👉 কে কোথায় কাজ করছে
👉 কোথায় ফ্রি-ল্যান্স বা কনসাল্টেন্সি সুযোগ আছে
যাদের সেভিং কম, তাদের টুকটাক ফ্রি-ল্যান্স কাজ করতেই হবে।
⚠️ তবে মনে রাখবেন আপনার মেইন ফোকাস থাকবে ফুলটাইম জব খোঁজায়।
✅ ০২। ৬ মাসের সেভিং = মানসিক শান্তি 💰
আদর্শভাবে ৬ মাসের খরচ রিজার্ভ থাকা উচিত।
না থাকলে?
👉 হাতে যা আছে, লক করে ফেলুন
👉 এক টাকাও অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না
ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস থেকেই শুরু হয় আসল স্ট্রেস 😔
✅ ০৩। বাজে খরচ = আজ থেকেই বন্ধ ✂️
❌ অপ্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন
❌ ডিশ লাইন
❌ লাক্সারি খরচ
✔️ খাবার
✔️ বাসা ভাড়া
✔️ বাচ্চাদের স্কুল
✔️ মেডিসিন
✔️ ইন্টারনেট
এর বাইরে কিছুই না।
📋 চাইলে নিজের একটা ডেইলি রুটিন/চেকলিস্ট বানান।
✅ ০৪। কোন কোম্পানি? কে পরিচিত? কে HR? 🔍
আগেই লিস্ট বানান—
👉 কোথায় এপ্লাই করবেন
👉 সেখানে কারা পরিচিত
👉 HR Head কে
LinkedIn, Facebook সব জায়গায় কানেক্ট হন।
পুরোনো কলিগ, বস কারও সাথে যোগাযোগে লজ্জা নেই।
✅ ০৫। এই ৫টা ডকুমেন্ট = আপনার অস্ত্র 🧾
চাকরি হারালে ডে-ওয়ান থেকেই রেডি থাকতে হবে👇
✔️ প্রফেশনাল CV
✔️ কভার লেটার
✔️ বিডিজবস প্রোফাইল
✔️ LinkedIn প্রোফাইল
✔️ ভিডিও CV
☎️ হেল্প লাগলে: 01975409545
✅ ০৬। চাকরি নেই ≠ অফিস নেই ⏰
আগে অফিস আওয়ার ছিল ৯–৬
এখনও তাই!
🏠 বাসায় একটা স্পেস বানান
📨 জব সার্কুলার খুঁজুন
📖 পড়াশোনা করুন
🎧 অটোসাজেশন শুনুন
🧠 ব্রেইনকে ভালো খাবার দিন
🙏 ধর্মীয় কাজে নিয়মিত হন
✅ ০৭। ইন্টারভিউ = আগে ঘরে জিততে হবে 🎯
কি প্রশ্ন আসতে পারে?
কিভাবে উত্তর দিবেন?
সবকিছুর সলিড প্রিপারেশন নিন।
📺 ইউটিউবে “Corporate Ask” – ১২০০+ কন্টেন্ট আছে।
✅ ০৮। সব জবে এপ্লাই করবেন না ❌
👉 জব সার্কুলারের সাথে
👉 আপনার প্রোফাইলের কমপক্ষে ৮০% ম্যাচ থাকতে হবে
নয়তো টাইম নষ্ট + কনফিডেন্স ডাউন 📉
✅ ০৯। জব ট্র্যাকিং না করলে সমস্যা হবেই 📊
👉 কোথায় এপ্লাই করলেন
👉 কবে করলেন
👉 ফলোআপ দরকার কি না
সব লিখে রাখুন।
⚠️ আর হ্যাঁ—শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
✅ ১০। টেনশন নয়, কন্ট্রোল নিন
টেনশন কনফিডেন্স খেয়ে ফেলে।
কনফিডেন্স কমলে ভুল বাড়ে।
এই চক্র ভাঙুন👇
✔️ অটোসাজেশন
✔️ মেডিটেশন
✔️ পজিটিভ রুটিন
চাকরি গেছে—আপনি যাননি।
📌 এই পোস্টটা শেয়ার করে দিন।
আজ না হোক, কাল—কেউ না কেউ উপকৃত হবেই।
❤1
ইন্টারনেটে কিছুই আসলে প্রাইভেট না! মাত্র ২ মিনিটে হ্যাকাররা আপনার পুরো ডিজিটাল জন্মকুন্ডলি বের করতে পারে, জানেন কীভাবে?
হ্যাকিং মানেই শুধু কালো স্ক্রিনে কোডিং না, হ্যাকিং মানে হলো স্মার্টলি ইনফরমেশন গ্যাদার করা। এটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলে OSINT (Open Source Intelligence)। একজন হ্যাকার বা ইনভেস্টিগেটর আপনার নাম বা একটা ইউজারনেম দিয়েই আপনার নাড়িনক্ষত্র বের করে ফেলতে পারে যদি তার হাতে সঠিক টুলস থাকে।
আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি হ্যাকার এবং সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টদের ব্যবহার করা ৫টি পাওয়ারফুল টুলের সাথে। এইগুলো জানা থাকলে আপনি বুঝবেন আপনার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট আসলে কতটা এক্সপোজড!
- Sherlock
খুবই ডেঞ্জারাস এবং কাজের একটা টুল। ধরুন আপনি সব জায়গায় একই ইউজারনেম ব্যবহার করেন। Sherlock সেই একটা ইউজারনেম দিয়ে ৩০০+ সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম স্ক্যান করে বের করে ফেলবে আপনি আর কোথায় কোথায় আছেন। কাউকে অনলাইনে খুঁজে বের করার জন্য এর চেয়ে সহজ উপায় আর নেই।
Link: https://github.com/sherlock-project/sherlock
- Maltego
ডিটেকটিভ মুভিতে দেখেছেন না দেয়ালে সুতা দিয়ে একটার সাথে আরেকটা ঘটনার কানেকশন বের করে? Maltego ভার্চুয়ালি ঠিক এই কাজটাই করে। এটি ইমেইল, ডোমেইন, সোশ্যাল প্রোফাইল সবকিছুর মধ্যে একটা ভিজ্যুয়াল রিলেশনশিপ ম্যাপ তৈরি করে দেয়। কারা কার সাথে কানেক্টেড, এটা দিয়ে সহজেই বোঝা যায়।
Link: https://www.maltego.com
- Hunter.io
কর্পোরেট হ্যাকিং বা কোল্ড ইমেইলিংয়ের জন্য এটি সেরা। আপনি শুধু কোনো কোম্পানির ডোমেইন (যেমন company.com) লিখে সার্চ দিবেন, আর এটি ওই ডোমেইনের আন্ডারে থাকা সব ভেরিফাইড ইমেইল এড্রেস এবং তাদের ফরম্যাট (যেমন firstname.lastname@ ) বের করে দিবে।
Link: https://hunter.io
- SpiderFoot
একে বলা যায় অটোমেটেড OSINT মেশিন। আপনি শুধু একটা নাম, ইমেইল, আইপি এড্রেস বা ডোমেইন ইনপুট দিবেন বাকি কাজ তার। এটি ১০০+ পাবলিক সোর্স স্ক্যান করে লিক হওয়া পাসওয়ার্ড, জিও-লোকেশন, সোশ্যাল প্রোফাইল সহ সব ডাটা আপনার সামনে হাজির করবে।
Link: https://github.com/smicallef/spiderfoot
- TheHarvester
ইথিক্যাল হ্যাকারদের রিকন (Recon) ফেজে এটি খুব জনপ্রিয়। গুগল, বিং, লিঙ্কডইন বা শডান (Shodan) এর মতো পাবলিক সোর্স থেকে ইমেইল, নাম, সাবডোমেইন এবং আইপি এড্রেস কালেক্ট করতে এর জুড়ি নেই।
Link: https://github.com/laramies/theHarvester
সতর্কতা: এই টুলগুলো শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো এডুকেশন এবং সাইবার অ্যাওয়ারনেস। আপনি যখন জানবেন আপনাকে কীভাবে ট্র্যাক করা সম্ভব, তখনই আপনি নিজের প্রাইভেসি নিয়ে সচেতন হতে পারবেন। অনৈতিক কাজে টেকনোলজি ব্যবহার করবেন না।
পোস্টটি টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন, ফিউচার রেফারেন্সের জন্য কাজে লাগবে!🙂
#CyberSecurity #OSINT #EthicalHacking #PrivacyAwareness #TechKnowledge
হ্যাকিং মানেই শুধু কালো স্ক্রিনে কোডিং না, হ্যাকিং মানে হলো স্মার্টলি ইনফরমেশন গ্যাদার করা। এটাকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলে OSINT (Open Source Intelligence)। একজন হ্যাকার বা ইনভেস্টিগেটর আপনার নাম বা একটা ইউজারনেম দিয়েই আপনার নাড়িনক্ষত্র বের করে ফেলতে পারে যদি তার হাতে সঠিক টুলস থাকে।
আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি হ্যাকার এবং সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্টদের ব্যবহার করা ৫টি পাওয়ারফুল টুলের সাথে। এইগুলো জানা থাকলে আপনি বুঝবেন আপনার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট আসলে কতটা এক্সপোজড!
- Sherlock
খুবই ডেঞ্জারাস এবং কাজের একটা টুল। ধরুন আপনি সব জায়গায় একই ইউজারনেম ব্যবহার করেন। Sherlock সেই একটা ইউজারনেম দিয়ে ৩০০+ সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম স্ক্যান করে বের করে ফেলবে আপনি আর কোথায় কোথায় আছেন। কাউকে অনলাইনে খুঁজে বের করার জন্য এর চেয়ে সহজ উপায় আর নেই।
Link: https://github.com/sherlock-project/sherlock
- Maltego
ডিটেকটিভ মুভিতে দেখেছেন না দেয়ালে সুতা দিয়ে একটার সাথে আরেকটা ঘটনার কানেকশন বের করে? Maltego ভার্চুয়ালি ঠিক এই কাজটাই করে। এটি ইমেইল, ডোমেইন, সোশ্যাল প্রোফাইল সবকিছুর মধ্যে একটা ভিজ্যুয়াল রিলেশনশিপ ম্যাপ তৈরি করে দেয়। কারা কার সাথে কানেক্টেড, এটা দিয়ে সহজেই বোঝা যায়।
Link: https://www.maltego.com
- Hunter.io
কর্পোরেট হ্যাকিং বা কোল্ড ইমেইলিংয়ের জন্য এটি সেরা। আপনি শুধু কোনো কোম্পানির ডোমেইন (যেমন company.com) লিখে সার্চ দিবেন, আর এটি ওই ডোমেইনের আন্ডারে থাকা সব ভেরিফাইড ইমেইল এড্রেস এবং তাদের ফরম্যাট (যেমন firstname.lastname@ ) বের করে দিবে।
Link: https://hunter.io
- SpiderFoot
একে বলা যায় অটোমেটেড OSINT মেশিন। আপনি শুধু একটা নাম, ইমেইল, আইপি এড্রেস বা ডোমেইন ইনপুট দিবেন বাকি কাজ তার। এটি ১০০+ পাবলিক সোর্স স্ক্যান করে লিক হওয়া পাসওয়ার্ড, জিও-লোকেশন, সোশ্যাল প্রোফাইল সহ সব ডাটা আপনার সামনে হাজির করবে।
Link: https://github.com/smicallef/spiderfoot
- TheHarvester
ইথিক্যাল হ্যাকারদের রিকন (Recon) ফেজে এটি খুব জনপ্রিয়। গুগল, বিং, লিঙ্কডইন বা শডান (Shodan) এর মতো পাবলিক সোর্স থেকে ইমেইল, নাম, সাবডোমেইন এবং আইপি এড্রেস কালেক্ট করতে এর জুড়ি নেই।
Link: https://github.com/laramies/theHarvester
সতর্কতা: এই টুলগুলো শেয়ার করার উদ্দেশ্য হলো এডুকেশন এবং সাইবার অ্যাওয়ারনেস। আপনি যখন জানবেন আপনাকে কীভাবে ট্র্যাক করা সম্ভব, তখনই আপনি নিজের প্রাইভেসি নিয়ে সচেতন হতে পারবেন। অনৈতিক কাজে টেকনোলজি ব্যবহার করবেন না।
পোস্টটি টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন, ফিউচার রেফারেন্সের জন্য কাজে লাগবে!🙂
#CyberSecurity #OSINT #EthicalHacking #PrivacyAwareness #TechKnowledge
GitHub
GitHub - sherlock-project/sherlock: Hunt down social media accounts by username across social networks
Hunt down social media accounts by username across social networks - sherlock-project/sherlock
হার্ট শুধু ভালোবাসা বোঝে না,
সে বোঝে রক্তচাপ,
কোলেস্টেরল এবং চিনির হিসেবও
বর্তমান সময়ে হার্ট অ্যাটাক এমন একটি রোগে পরিণত হয়েছে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS, 2022) অনুসারে, দেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হার্ট অ্যাটাকজনিত কারণে ঘটে। আবার Resolve to Save Lives (2023)–এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪%-এর কারণ হৃদরোগজনিত সমস্যা।
আগে যেখানে হার্ট অ্যাটাক ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা আর বয়স মানে না। ১৮ বছর থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন—বুকে বা বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভব হওয়া, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি বা অচেতন হয়ে পড়া, বুকের মাঝখানে চেপে ধরা বা জ্বালাপোড়া করা (যা অনেকেই অ্যাসিডিটি মনে করেন), বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ইত্যাদি।
কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রয়েছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ধূমপানকারী, যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে এবং যারা অলস জীবনযাপন করেন। পাশাপাশি যারা নিয়মিত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাত খাবার (চিনি, মিষ্টান্ন, ড্রিঙ্কস) গ্রহণ করেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (৬ ঘণ্টার কম ঘুম) এবং অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে সুসংবাদ হলো—হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২৫–৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত লবণ, মসলা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩০% পর্যন্ত কমায়। ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার যেমন দই হজমে সহায়ক এবং প্রদাহ হ্রাস করে। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার যেমন মাছ, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম (প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা), স্ট্রেস কমানো, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, চিনি কম খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা—এই অভ্যাসগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
নিচে কিছু কার্যকর খাবার পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
🔴 ভাতের পরিবর্তে:
✅ ব্রাউন রাইস / লাল চাল – এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
✅ কুইনোয়া / ওটস – কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত এবং হার্ট-সুরক্ষাকারী বিটা-গ্লুকান ফাইবারে সমৃদ্ধ।
🔴 পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে:
✅ অলিভ অয়েল (Extra Virgin) – মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টকে সুরক্ষা দেয় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ সানফ্লাওয়ার অয়েল – এতে থাকে পলিইনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন E, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
🔴 রেড মিটের পরিবর্তে:
✅ চামড়া ছাড়া চিকেন – কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, উচ্চ প্রোটিন ও হার্ট-সহায়ক।
✅ সামুদ্রিক মাছ (যেমন টুনা, সালমন, ম্যাকেরেল) – ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
🔴 তেলেভাজা খাবারের পরিবর্তে:
✅ স্টিম/গ্রিল/সেদ্ধ খাবার – এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার হয় না, ক্যালোরি কম ও স্বাস্থ্যকর।
✅ ননস্টিক ফ্রাইং প্যান / এয়ার ফ্রায়ার – অল্প বা একেবারে তেল ছাড়া রান্নার সুযোগ।
🔴 অতিরিক্ত লবণের পরিবর্তে:
✅ কম লবণ ব্যবহার – দিনে ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা হার্টের জন্য নিরাপদ।
✅ লবণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন:
লেবুর রস 🍋
ধনে পাতা 🌿
আদা, রসুন, কালো মরিচ 🌶️ – এগুলো খাবারে স্বাদ আনে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🔴 মিষ্টি বা ডেজার্টের পরিবর্তে:
✅ ফ্রেশ ফল (আপেল, বেরি, কলা, পেয়ারা) – প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
✅ ডার্ক চকোলেট (৭০% বা তার বেশি কোকো) – মাঝেমধ্যে খেলে হার্টের জন্য উপকারী ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায়।
🔴 বিস্কুট / ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে:
✅ হোমমেড হেলদি স্ন্যাকস:
সিদ্ধ ছোলা 🫘
সবজি সালাদ 🥗
✅ চিরা, মুড়ি, বাদাম মিক্স (কম লবণ দিয়ে) – সহজলভ্য ও পুষ্টিকর বিকল্প।
🔴 সফট ড্রিংকের পরিবর্তে:
✅ ডাবের পানি – প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ও কম ক্যালোরি।
✅ লেবুর পানি (চিনি ছাড়া) – ভিটামিন C ও হাইড্রেশন বজায় রাখে।
✅ গ্রিন টি / হারবাল টি – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও স্ট্রেস কমায়।
✅ মনে রাখবেন: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে এমন কিছু ছোট পরিবর্তন হার্টকে রাখতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সচল।
✍️ জাকিয়া সুলতানা
সে বোঝে রক্তচাপ,
কোলেস্টেরল এবং চিনির হিসেবও
বর্তমান সময়ে হার্ট অ্যাটাক এমন একটি রোগে পরিণত হয়েছে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS, 2022) অনুসারে, দেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হার্ট অ্যাটাকজনিত কারণে ঘটে। আবার Resolve to Save Lives (2023)–এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪%-এর কারণ হৃদরোগজনিত সমস্যা।
আগে যেখানে হার্ট অ্যাটাক ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা আর বয়স মানে না। ১৮ বছর থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন—বুকে বা বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভব হওয়া, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি বা অচেতন হয়ে পড়া, বুকের মাঝখানে চেপে ধরা বা জ্বালাপোড়া করা (যা অনেকেই অ্যাসিডিটি মনে করেন), বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ইত্যাদি।
কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রয়েছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ধূমপানকারী, যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে এবং যারা অলস জীবনযাপন করেন। পাশাপাশি যারা নিয়মিত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাত খাবার (চিনি, মিষ্টান্ন, ড্রিঙ্কস) গ্রহণ করেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (৬ ঘণ্টার কম ঘুম) এবং অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে সুসংবাদ হলো—হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২৫–৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত লবণ, মসলা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩০% পর্যন্ত কমায়। ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার যেমন দই হজমে সহায়ক এবং প্রদাহ হ্রাস করে। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার যেমন মাছ, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম (প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা), স্ট্রেস কমানো, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, চিনি কম খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা—এই অভ্যাসগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
নিচে কিছু কার্যকর খাবার পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
🔴 ভাতের পরিবর্তে:
✅ ব্রাউন রাইস / লাল চাল – এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
✅ কুইনোয়া / ওটস – কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত এবং হার্ট-সুরক্ষাকারী বিটা-গ্লুকান ফাইবারে সমৃদ্ধ।
🔴 পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে:
✅ অলিভ অয়েল (Extra Virgin) – মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টকে সুরক্ষা দেয় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ সানফ্লাওয়ার অয়েল – এতে থাকে পলিইনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন E, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
🔴 রেড মিটের পরিবর্তে:
✅ চামড়া ছাড়া চিকেন – কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, উচ্চ প্রোটিন ও হার্ট-সহায়ক।
✅ সামুদ্রিক মাছ (যেমন টুনা, সালমন, ম্যাকেরেল) – ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
🔴 তেলেভাজা খাবারের পরিবর্তে:
✅ স্টিম/গ্রিল/সেদ্ধ খাবার – এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার হয় না, ক্যালোরি কম ও স্বাস্থ্যকর।
✅ ননস্টিক ফ্রাইং প্যান / এয়ার ফ্রায়ার – অল্প বা একেবারে তেল ছাড়া রান্নার সুযোগ।
🔴 অতিরিক্ত লবণের পরিবর্তে:
✅ কম লবণ ব্যবহার – দিনে ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা হার্টের জন্য নিরাপদ।
✅ লবণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন:
লেবুর রস 🍋
ধনে পাতা 🌿
আদা, রসুন, কালো মরিচ 🌶️ – এগুলো খাবারে স্বাদ আনে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🔴 মিষ্টি বা ডেজার্টের পরিবর্তে:
✅ ফ্রেশ ফল (আপেল, বেরি, কলা, পেয়ারা) – প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
✅ ডার্ক চকোলেট (৭০% বা তার বেশি কোকো) – মাঝেমধ্যে খেলে হার্টের জন্য উপকারী ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায়।
🔴 বিস্কুট / ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে:
✅ হোমমেড হেলদি স্ন্যাকস:
সিদ্ধ ছোলা 🫘
সবজি সালাদ 🥗
✅ চিরা, মুড়ি, বাদাম মিক্স (কম লবণ দিয়ে) – সহজলভ্য ও পুষ্টিকর বিকল্প।
🔴 সফট ড্রিংকের পরিবর্তে:
✅ ডাবের পানি – প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ও কম ক্যালোরি।
✅ লেবুর পানি (চিনি ছাড়া) – ভিটামিন C ও হাইড্রেশন বজায় রাখে।
✅ গ্রিন টি / হারবাল টি – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও স্ট্রেস কমায়।
✅ মনে রাখবেন: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে এমন কিছু ছোট পরিবর্তন হার্টকে রাখতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সচল।
✍️ জাকিয়া সুলতানা
❤1
কেন কিছু পরিবার বংশপরম্পরায় সম্পদ ধরে রাখতে পারে জানেন? লেখক জেমস ব্রেনান ৭টি বিশেষ অভ্যাসের কথা বলেছেন যা সাধারণত স্কুলে শেখানো হয় না। এই লেখাটা পড়ার পর টাকা নিয়ে আপনার চিন্তাধারা সমৃৃদ্ধ হতে পারে৷
•
১. খাবারের টেবিলে টাকা-পয়সা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা:
ধনী পরিবারগুলোতে টাকা নিয়ে কথা বলাকে ‘অসভ্যতা’ মনে করা হয় না। তারা ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের সামনে বাজেট, বিনিয়োগ এবং ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করেন। এতে সন্তানদের মনে টাকা নিয়ে কোনো জড়তা থাকে না এবং তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
২. দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ:
এসব পরিবার কেবল দামী জিনিস কেনায় টাকা খরচ করে না, বরং এমন অভিজ্ঞতায় খরচ করে যা জ্ঞান বাড়ায়। যেমন—ভ্রমণ, মিউজিয়ামে যাওয়া, কোডিং ক্যাম্প বা কোনো সেমিনারে অংশ নেওয়া। লক্ষ্য হলো—সন্তানদের নতুন নতুন চিন্তা ও মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
৩. ধৈর্য ধরতে শেখানো:
সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ধনী পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের কোনো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করতে শেখায়। তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরি করে যেখানে ধৈর্য ধরলে পুরস্কার পাওয়া যায়। যেমন—সন্তান যদি তার হাতখরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচায়, তবে বাবা-মা সেখানে আরও কিছু টাকা যোগ করে দেন। এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার গুরুত্ব বোঝায়।
৪. পরিকল্পিত ঝুঁকি নেওয়াকে স্বাভাবিক করা:
তারা সন্তানদের ‘সাবধানে থেকো’ না বলে জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার পরিকল্পনা কী?’। তারা শেখায় যে কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই হলো দীর্ঘমেয়াদে সবথেকে বড় ঝুঁকি। তারা সন্তানদের ছোট ছোট ব্যবসায়িক আইডিয়া বা প্রজেক্টে ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়।
৫. কেনার আগে তৈরি করার মানসিকতা:
ধনী পরিবারগুলো কেবল ভোক্তা (Consumer) না হয়ে নির্মাতা (Creator) হওয়ার চেষ্টা করে। কোনো কিছু কেনার আগে তারা ভাবে, "এটা কি আমরা নিজেরা তৈরি করতে পারি?"। এতে নতুন দক্ষতা তৈরি হয় এবং জিনিসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা জন্মে।
৬. ভুলকে ‘টিউশন ফি’ হিসেবে দেখা:
ব্যবসায় ক্ষতি বা কোনো ভুল হলে এই পরিবারগুলো রেগে না গিয়ে প্রশ্ন করে, "আমরা এখান থেকে কী শিখলাম?"। তারা ভুলকে লজ্জার বিষয় না মনে করে এক ধরণের শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদের ভুলগুলো নথিবদ্ধ করে রাখে যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একই ভুল না করে।
৭. আভিজাত্যের চেয়ে স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া:
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তারা আয়ের সবটুকু খরচ করে না। লোক দেখানোর জন্য দামী গাড়ি বা বিশাল বাড়ি কেনার চেয়ে তারা আর্থিক স্বাধীনতাকে (Freedom) বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেকে প্রশ্ন করে, "এই জিনিসটি কিনলে আমার স্বাধীনতা বাড়বে না কমবে?"। তারা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে হাতে বিকল্প সুযোগ (Options) রাখাকে বেশি পছন্দ করে।
•
বংশগত সম্পদ কেবল ব্যাংক ব্যালেন্সের বিষয় নয়, এটি মূলত একটি বিশেষ মানসিকতা এবং অভ্যাসের সমষ্টি। এই অভ্যাসগুলো যে কেউ আজ থেকেই চর্চা শুরু করতে পারেন।
_____
সূত্র: সিলিকন ক্যানালস
•
১. খাবারের টেবিলে টাকা-পয়সা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা:
ধনী পরিবারগুলোতে টাকা নিয়ে কথা বলাকে ‘অসভ্যতা’ মনে করা হয় না। তারা ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের সামনে বাজেট, বিনিয়োগ এবং ব্যবসার লাভ-ক্ষতি নিয়ে আলোচনা করেন। এতে সন্তানদের মনে টাকা নিয়ে কোনো জড়তা থাকে না এবং তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
২. দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াতে অভিজ্ঞতায় বিনিয়োগ:
এসব পরিবার কেবল দামী জিনিস কেনায় টাকা খরচ করে না, বরং এমন অভিজ্ঞতায় খরচ করে যা জ্ঞান বাড়ায়। যেমন—ভ্রমণ, মিউজিয়ামে যাওয়া, কোডিং ক্যাম্প বা কোনো সেমিনারে অংশ নেওয়া। লক্ষ্য হলো—সন্তানদের নতুন নতুন চিন্তা ও মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
৩. ধৈর্য ধরতে শেখানো:
সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ধনী পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের কোনো জিনিসের জন্য অপেক্ষা করতে শেখায়। তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরি করে যেখানে ধৈর্য ধরলে পুরস্কার পাওয়া যায়। যেমন—সন্তান যদি তার হাতখরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচায়, তবে বাবা-মা সেখানে আরও কিছু টাকা যোগ করে দেন। এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার গুরুত্ব বোঝায়।
৪. পরিকল্পিত ঝুঁকি নেওয়াকে স্বাভাবিক করা:
তারা সন্তানদের ‘সাবধানে থেকো’ না বলে জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার পরিকল্পনা কী?’। তারা শেখায় যে কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই হলো দীর্ঘমেয়াদে সবথেকে বড় ঝুঁকি। তারা সন্তানদের ছোট ছোট ব্যবসায়িক আইডিয়া বা প্রজেক্টে ঝুঁকি নিতে উৎসাহিত করে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়।
৫. কেনার আগে তৈরি করার মানসিকতা:
ধনী পরিবারগুলো কেবল ভোক্তা (Consumer) না হয়ে নির্মাতা (Creator) হওয়ার চেষ্টা করে। কোনো কিছু কেনার আগে তারা ভাবে, "এটা কি আমরা নিজেরা তৈরি করতে পারি?"। এতে নতুন দক্ষতা তৈরি হয় এবং জিনিসের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা জন্মে।
৬. ভুলকে ‘টিউশন ফি’ হিসেবে দেখা:
ব্যবসায় ক্ষতি বা কোনো ভুল হলে এই পরিবারগুলো রেগে না গিয়ে প্রশ্ন করে, "আমরা এখান থেকে কী শিখলাম?"। তারা ভুলকে লজ্জার বিষয় না মনে করে এক ধরণের শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদের ভুলগুলো নথিবদ্ধ করে রাখে যাতে পরবর্তী প্রজন্ম একই ভুল না করে।
৭. আভিজাত্যের চেয়ে স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেওয়া:
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, তারা আয়ের সবটুকু খরচ করে না। লোক দেখানোর জন্য দামী গাড়ি বা বিশাল বাড়ি কেনার চেয়ে তারা আর্থিক স্বাধীনতাকে (Freedom) বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেকে প্রশ্ন করে, "এই জিনিসটি কিনলে আমার স্বাধীনতা বাড়বে না কমবে?"। তারা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে হাতে বিকল্প সুযোগ (Options) রাখাকে বেশি পছন্দ করে।
•
বংশগত সম্পদ কেবল ব্যাংক ব্যালেন্সের বিষয় নয়, এটি মূলত একটি বিশেষ মানসিকতা এবং অভ্যাসের সমষ্টি। এই অভ্যাসগুলো যে কেউ আজ থেকেই চর্চা শুরু করতে পারেন।
_____
সূত্র: সিলিকন ক্যানালস
❤2
এখানে সৃজনশীলতা বা ক্রিয়েটিভিটি বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু শখের কথা বলা হয়েছে। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের একঘেয়েমি দূর করে এবং নতুনভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করে।
•
১. পেইন্টিং বা আঁকাআঁকি: আপনার শিল্পী হওয়ার প্রয়োজন নেই; শুধু রং আর তুলি নিয়ে মনে যা আসে তা আঁকলে মস্তিষ্কের জড়তা কাটে।
২. জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা: নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখা আপনার কল্পনাশক্তিকে শাণিত করে এবং মনের চাপ কমায়।
৩. রান্না বা বেকিং: নতুন রেসিপি ট্রাই করা এক ধরনের সৃজনশীল পরীক্ষা। খাবারের স্বাদ ও সাজসজ্জা নিয়ে কাজ করলে নতুন আইডিয়া জন্ম নেয়।
৪. বাগান করা (Gardening): প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে এবং একটি গাছকে বেড়ে উঠতে দেখলে মনে প্রশান্তি আসে, যা ক্রিয়েটিভ চিন্তার জন্য খুব জরুরি।
৫. মাটির কাজ বা পটারি: নিজ হাতে মাটি দিয়ে কোনো কিছু তৈরি করা আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিতে শেখায়।
৬. ছবি তোলা (Photography): সাধারণ জিনিসের মধ্যে অসাধারণ কিছু খুঁজে বের করার অভ্যাস আপনার দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।
৭. বুনন বা সেলাই (Knitting/Embroidery): সুঁই-সুতার কাজ বা উলের বুনন মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং হাতের সুনিপুণ কাজে সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়।
৮. বাদ্যযন্ত্র শেখা: নতুন কোনো সুর শেখা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো মস্তিষ্কের দুই অংশকেই সচল রাখে।
৯. পাজল বা ধাঁধা মেলানো: এটি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ায়, যা সৃজনশীল কাজের একটি প্রধান অংশ।
১০. নতুন ভাষা শেখা: ভিন্ন সংস্কৃতির ভাষা ও শব্দ জানলে মানুষের চিন্তার জগৎ আরও বড় হয়।
____
শখ মানে এই নয় যে আপনাকে এতে সেরা হতে হবে। মূল উদ্দেশ্য হলো আনন্দ পাওয়া এবং নিজের একঘেয়ে রুটিন থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করা। যখন আপনার মন ফুরফুরে থাকে এবং আপনি চাপমুক্ত থাকেন, তখনই সৃজনশীলতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়।
আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো যেকোনো একটি কাজ আজই শুরু করতে পারেন!
______
সূত্র: গুড হাউসকিপিং
•
১. পেইন্টিং বা আঁকাআঁকি: আপনার শিল্পী হওয়ার প্রয়োজন নেই; শুধু রং আর তুলি নিয়ে মনে যা আসে তা আঁকলে মস্তিষ্কের জড়তা কাটে।
২. জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা: নিজের চিন্তাগুলো লিখে রাখা আপনার কল্পনাশক্তিকে শাণিত করে এবং মনের চাপ কমায়।
৩. রান্না বা বেকিং: নতুন রেসিপি ট্রাই করা এক ধরনের সৃজনশীল পরীক্ষা। খাবারের স্বাদ ও সাজসজ্জা নিয়ে কাজ করলে নতুন আইডিয়া জন্ম নেয়।
৪. বাগান করা (Gardening): প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে এবং একটি গাছকে বেড়ে উঠতে দেখলে মনে প্রশান্তি আসে, যা ক্রিয়েটিভ চিন্তার জন্য খুব জরুরি।
৫. মাটির কাজ বা পটারি: নিজ হাতে মাটি দিয়ে কোনো কিছু তৈরি করা আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিতে শেখায়।
৬. ছবি তোলা (Photography): সাধারণ জিনিসের মধ্যে অসাধারণ কিছু খুঁজে বের করার অভ্যাস আপনার দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।
৭. বুনন বা সেলাই (Knitting/Embroidery): সুঁই-সুতার কাজ বা উলের বুনন মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং হাতের সুনিপুণ কাজে সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়।
৮. বাদ্যযন্ত্র শেখা: নতুন কোনো সুর শেখা বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো মস্তিষ্কের দুই অংশকেই সচল রাখে।
৯. পাজল বা ধাঁধা মেলানো: এটি সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়ায়, যা সৃজনশীল কাজের একটি প্রধান অংশ।
১০. নতুন ভাষা শেখা: ভিন্ন সংস্কৃতির ভাষা ও শব্দ জানলে মানুষের চিন্তার জগৎ আরও বড় হয়।
____
শখ মানে এই নয় যে আপনাকে এতে সেরা হতে হবে। মূল উদ্দেশ্য হলো আনন্দ পাওয়া এবং নিজের একঘেয়ে রুটিন থেকে বেরিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করা। যখন আপনার মন ফুরফুরে থাকে এবং আপনি চাপমুক্ত থাকেন, তখনই সৃজনশীলতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়।
আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো যেকোনো একটি কাজ আজই শুরু করতে পারেন!
______
সূত্র: গুড হাউসকিপিং