জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
যে বইটি নিয়ে কথা বলবো, বইয়ের নাম- দ্য ফাইভ সেকেন্ড রুলস। লেখক মেল রবিনস।
এই বই থেকে কিছু বিষয় সহজে আলোচনা করছি, জীবন যাপনে কাজে লাগবে৷

১. যদি আপনার কোনো লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছা জাগে, তবে আপনাকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে সেই কাজ শুরু করতে হবে৷ অর্থাৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কাজ করা উচিৎ, সেই কাজের প্রাথমিক পদক্ষেপ শুরু করে দিতে হবে, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই৷ নতুবা আপনার মস্তিষ্ক সেই আইডিয়াটি মেরে ফেলবে।

২. সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। কারণ ‘সঠিক সময়’ বলে আসলে কিছু নেই।

৩. সাহস মানে ভয় না পাওয়া নয়, বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া।

৪. আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে চায়, কিন্তু জীবনের সব উন্নতি ঘটে আরামদায়ক অবস্থার বাইরে।

৫. আপনার কেমন লাগছে (যেমন: অলসতা বা ভয়) তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করবেন না; কী করা উচিত তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করুন।

৬. আপনার বর্তমান জীবন এবং আপনি যে জীবন চান, তার মধ্যে ব্যবধান মাত্র একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্তের।

৭. যখনই আপনি কোনো কাজ করতে গিয়ে দ্বিধা করেন, তখনই আপনার মস্তিষ্ক সেই কাজটি না করার জন্য একশটা যুক্তি দাঁড় করায়।

৮. আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় বড় কোনো সাফল্যে নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার মাধ্যমে।

৯. নিজের বস নিজে হোন। কেউ আসবে না আপনাকে টেনে তুলতে বা কাজ করাতে; আপনাকে নিজেই নিজের ধাক্কা হতে হবে।

১০. ভয় এবং উত্তেজনা—উভয় ক্ষেত্রেই শরীরের প্রতিক্রিয়া একই রকম। তাই যখন ভয় পাবেন, নিজেকে বলুন "আমি উত্তেজিত"।

১১. অতিরিক্ত চিন্তা করা বা 'Overthinking' বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো কাজে নেমে পড়া।

১২. আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, সেই পরিস্থিতিতে আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

১৩. ঘুম থেকে ওঠার পর স্নুজ (Snooze) বাটন চাপা মানেই হলো দিনের শুরুতেই নিজের লক্ষ্যের কাছে হার মেনে নেওয়া।

১৪. অজুহাত বন্ধ করুন। আমরা আমাদের অজুহাতের পেছনে যতটা শক্তি ব্যয় করি, তার অর্ধেক যদি কাজে ব্যয় করতাম তবে জীবন বদলে যেত।

১৫. প্যাশন কোনো চিন্তার বিষয় নয়, এটি হলো এক ধরনের কৌতূহল যা আপনাকে অ্যাকশন নিতে বাধ্য করে।

১৬. আজকের নেওয়া একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত ৫ বছর পরের আপনাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

১৭. ভুল করতে শিখুন। নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা বাদ দিন। ভুল করার সাহস সঞ্চয় করুন এবং তা থেকে শিখুন।

১৮. নিজেকে ক্ষমা করুন। অতীতে কী করতে পারেননি তা নিয়ে আক্ষেপ না করে, বর্তমানের ৫ সেকেন্ডকে কাজে লাগান।

১৯. জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া এবং নিজের স্বপ্নের জন্য চেষ্টা না করা।

২০. কোনো কাজ শেষ করা কঠিন নয়, কঠিন হলো কাজটি শুরু করা। আর ৫ সেকেন্ড রুল সেই শুরুটাকেই সহজ করে দেয়।
______
কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?
তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না।

সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রিল—
এটাই সবচেয়ে নিরাপদ মুহূর্ত।
কিন্তু ওই বালুর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এমন একটা জিনিস,
যা কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পায়ের ওপর আঁকিবুঁকি শুরু করতে পারে।
প্রথমে ছোট লালচে গুটি।
তারপর তীব্র চুলকানি।
রাতে ঘুম ভাঙে।
হাঁটলে বাড়ে।
দাগটা জায়গা বদলায়, বেঁকে বেঁকে এগোয়—
ঠিক যেন ত্বকের নিচে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে।
এটা কোনো অ্যালার্জি না।
এটা ছত্রাকও না।
খালি পায়ে বালুতে হাঁটার সময়
কুকুর বা বিড়ালের মলের সাথে থাকা কৃমির লার্ভা
ত্বকের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
মানুষের শরীরে তারা বড় হতে পারে না,
কিন্তু আটকে গিয়ে ত্বকের নিচে চলাফেরা করে।
রোগটার নাম Cutaneous Larva Migrans।
যা করবেন না
খোঁচাবেন না
নিজে নিজে মলম বা স্টেরয়েড লাগাবেন না
“এমনিতেই সেরে যাবে” ভেবে বসে থাকবেন না
করণীয়
দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
সঠিক ওষুধে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা শেষ
দাগ পড়ে না

যা করলে একদমই হবে না:-

সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাঁটবেন না
বালুতে বসলে তোয়ালে বা ম্যাট ব্যবহার করবেন
শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না
ছুটি সুন্দর হোক।
স্মৃতি থাকুক, দাগ না।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারো এক পা বাঁচলেও, লেখা

~ডা.আব্দুর রহমান
দ্রুত এদেশে থার্মোকল ব্যান হওয়া দরকার!
সবখানেই এখন খাবার-পানীয় সার্ভ করতে থার্মোকলের ওয়ান টাইম গ্লাস, প্লেট এবং বক্স ব্যবহার হয়। এই থার্মোকল বস্তুটি দেখতে যতটা সাদা, এর স্বভাব ও প্রভাব ততটাই কালো!

থার্মোকলের কাঁচামাল হলো বি/ষা/ক্ত স্টাইরিন থেকে তৈরি পলিস্টাইরিন।
স্টাইরিন হলো একটি পটেনশিয়াল কার্সিনোজেনিক কেমিক্যাল।
থার্মোকলের জিনিস থেকে এই স্টাইরিন লিক করে খাবারে মিশে যায়!
গরম খাবার, তৈলাক্ত ও অম্লীয় খাবার থার্মোকলের মধ্যে রাখলে স্টাইরিন নিঃসরণ আরো ব্যাপক হয়।

এদেশে ডাস্টবিন ও হাসপাতালের বর্জ্য কারখানায় রিসাইক্লিং করেও থার্মোকলের জিনিসপত্র তৈরি হয়। ছোট ছোট কারখানাগুলো খরচ কমাতে ভার্জিন পলিস্টাইরিনের বদলে আবর্জনা থেকে তৈরি রিসাইকেলড পলিস্টাইরিন ব্যবহার করে। যেটা স্বাস্থ্যের জন্য আরো বেশি ভয়ানক!

নিয়মিত থার্মোকলের পাত্রে খাবার খেতে থাকলে নারী-পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা ন/ষ্ট হতে পারে।
থার্মোকলের জিনিস জীবের ক্ষতির পাশাপাশি ভয়ানক পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করছে!

ক্যাপ্টেন গ্রিন
2
উম্ম খালিদ তার এক পোস্টে লিখেছেন:

‎'একদিন আমার ছোট বাচ্চাগুলো খেলছিল, আমি দেখলাম ছোট ছোট কিছু জিনিস, সেইসাথে কয়েকটা প্রাণীকে এক লাইনে দাড় করিয়ে রাখা হয়েছে।

‎বাচ্চাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম: এগুলো কি?

‎আমার দশ বছরের গুড়িয়া সিরিয়াস হয়ে জবাব দিল: এগুলো সব মু জা হি দ।

‎- তাই? সবাই এভাবে এক লাইনে দাঁড়িয়ে আছে কেনো?

‎- আম্মু, তোমার সূরাহ সফের আয়াত মনে নেই? আল্লাহ বলেছেন:

‎إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلَّذِينَ يُقَـٰتِلُونَ فِى سَبِيلِهِۦ صَفًّۭا كَأَنَّهُم بُنْيَـٰنٌۭ مَّرْصُوص

‎"নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করে যেন তারা সীসা ঢালা প্রাচীর।"

‎আলহামদুলিল্লাহ!

‎বাবা মায়ের জন্য নসীহাহ:

‎আপনার সন্তানকে তাফসীর সহ কুরান শিক্ষা দেন। তারা এটাকে ধারণ করবে এবং বাস্তবিক জীবনে এর প্রতিফলন ঘটাবে, যা আপনাকে চমকে দিবে, মাশাআল্লাহ।

‎উম্মতের জন্য নসীহাহ:

‎নির্বুদ্ধিতা হচ্ছে, শত্রুর "ভাগ কর এবং জয় কর" - এর ফাঁদে পতিত হওয়া।'

‎আমি আগেও বলেছিলাম, এই জামাই বউকে (ডানিয়েল হাকিকতযু এবং তার সহধর্মিণী উম্ম খালিদ) আমি আল্লাহর জন্য ভালবাসি, এবং তাদেরকে হিংসাও করি। এ ভদ্রমহিলা একজন হার্ভার্ড গ্র‍্যাজুয়েট হয়েও (সম্ভবত) ৬ সন্তানের জননী এবং সন্তান লালন কে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

‎সন্তানদের লালন পালন করতে গিয়ে সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং তাদের মাঝে ইসলামের আদর্শ প্রোথিত করার বিষয় নিয়ে তার পোস্টগুলো খুবই শিক্ষণীয়। Parenting এবং Family upbringing এ তার কাজগুলো ঈর্ষণীয়।

‎আমাদের বাংলাদেশে এরকম নারী দায়ী বিরল, নেই বললেই চলে। দুখজনক হল, আমাদের নারীরা কোনমতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ডিগ্রী শেষ করলেই অহমিকায় এদের মাটিতে পা পড়েনা! পরিবারে সময় দেয়াকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিবে কি, সার্টিফিকেটের ওজনেই তো তাদের Temperature থাকে অন্যরকম।

‎আল্লাহ মুসলিম দাঈদেরকে এমন স্ত্রী মিলিয়ে দেন যারা নিজেরাও হবেন দাঈ এবং উম্ম খালিদের কল্যানময় গুণগুলো তাদের মাঝেও থাকবে।

Sohel Rana
আপনি যদি গৃহিণী হন,
ঘরের ভেতর সবকিছু সামলান—
কিন্তু মাঝেমাঝে মনে হয়—

“এই ঘরে কার কথা কে বোঝে?
কার হক কার কাছে থাকে?
ন্যায়টা যেন হারিয়ে গেছে…”

তাহলে—আজকের জুমাবারের পোস্টটা আপনার জন্য।

অনেক বোনই বলেন—

“আমি তো ঝগড়া চাই না।
আমি শুধু চাই—ঘরে শান্তি থাকুক,
পক্ষপাত না থাকুক,
সবাই ন্যায্যভাবে কথা শুনুক…”

কুরআনে আল্লাহ বলেন—
“তোমার রবের বাণী সত্য ও ন্যায়বিচারে পূর্ণ।”
— সূরা আন’আম: ১১৫

মানে—
মানুষ ভুল বুঝতে পারে, পক্ষপাত করতে পারে—
কিন্তু আল্লাহ কখনো অন্যায় করেন না।
আর আপনি আল্লাহকে ডাকতে পারেন—তারই এক মহান নাম দিয়ে: আল-আদল (ন্যায়পরায়ণ)।

এখন প্রশ্ন হলো—
গৃহিণী হিসেবে আপনি ঘরের ভেতর থেকেই কীভাবে “ইনসাফ + শান্তি”র দোয়া করবেন?

নিচে একদম বাস্তব, করা যায় এমন রুটিন দিলাম—
যেটা আপনার ঘরের জন্য “শুক্রবারের বিশেষ আমল” হয়ে যেতে পারে ইনশাআল্লাহ।

-গৃহিণী হলেও আল্লাহর দরবারে “ঘরে ইনসাফ ফিরিয়ে আনার” আমল

১) জুমাবার মাগরিবের পর ২ মিনিট—“ইয়া আদল” রুটিন

যখন পরিবারের মধ্যে ঝগড়া, অন্যায় বা পক্ষপাতের কারণে অশান্তি থাকে—
তখন আপনি করবেন এই আমলটা:

ধাপ–১: মাগরিবের নামাজের পর শান্ত হয়ে বসুন (অজু থাকলে ভালো)।
ধাপ–২: মনে মনে নিয়ত করুন—
“হে আল্লাহ, আমি কারো বিরুদ্ধে নই—আমি আমার ঘরে শান্তি ও ন্যায় চাই।”
ধাপ–৩: এরপর ২১ বার পড়ুন—

আরবি:
يَا عَدْلُ أَنْزِلِ الْعَدْلَ فِي بَيْتِي وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا

উচ্চারণ:
ইয়া আদল, আনযিলিল আদলা ফি বাইতি ওয়া আল্লিফ বায়না কুলুবিনা

অর্থ:
হে ন্যায়পরায়ণ! আমার ঘরে ন্যায়বিচার নাযিল করুন,
এবং আমাদের হৃদয়গুলোকে এক করে দিন।

ধাপ–৪: শেষে ৩০ সেকেন্ড নিজের ভাষায় বলুন—
“ইয়া আল্লাহ, আমার ঘরটা আপনি ঠিক করে দিন—আমার কথা নরম করে দিন, অন্যদের হৃদয়ও নরম করে দিন।”

এই ছোট্ট রুটিনটা—
আপনার ঘরের ভেতর “শান্তির দরজা” খোলার সবচেয়ে নীরব, কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী কড়া নাড়া।

-কেন এই আমলটা এত কার্যকর হতে পারে?

কারণ আপনি ডাকছেন আল্লাহকে—আল-আদল নামে।
যিনি বিচার করেন নিখুঁতভাবে,
যার কাছে কারো হক হারায় না।

আর যে ঘরে ন্যায় আসে—
সেখানে কথা বলার ভাষাও বদলায়,
চোখের দৃষ্টিও বদলায়,
মনও ধীরে ধীরে নরম হতে শুরু করে—ইনশাআল্লাহ।

-ফায়দা (যা আপনি ধীরে ধীরে টের পাবেন)

ঘরের সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়া ও রাগ কমে

“আমাকে কেউ বোঝে না”—এই জমে থাকা কষ্ট হালকা হয়

পক্ষপাত/ভুল বোঝাবুঝি কমে, কথা বলার ভঙ্গি নরম হয়

ঘরে বারাকাহ আসে—হৃদয়গুলো এক হতে শুরু করে

-এই ধরনের নাম-ধরে আমল কোথা থেকে আরও শিখবেন?

আজকে জুমাবারের জন্য “ইয়া আদল”—একটা স্পেশাল রুটিন দিলাম।

এরকম আরও—
রিজিক, ভয়, অসুস্থতা, বদনজর, অশান্তি, দুশ্চিন্তা—
প্রতিটা সমস্যার জন্য আল্লাহর কোন নাম ধরে কীভাবে দোয়া করবেন—সব গুছানো আছে—

📘 “আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা”

“আপনি যদি এরকম আরো জানতে চান—আল্লাহর ৯৯ নামের আমল ও ওয়াজিফা আপনার জন্য একটি প্রয়োজনীয় সাথী।”

✔️ সমস্যা-ভিত্তিক নাম নির্বাচন (ঘর/সন্তান/রিজিক/মানসিক শান্তি)
✔️ আরবি + উচ্চারণ + অর্থসহ রেডি রুটিন
✔️ পরিবারের জন্য বাস্তব আমল—অতিরঞ্জন ছাড়া, গাইডেডভাবে

নিতে চাইলে ইনবক্স করুন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন 01984-563362 / লিখুন: ৯৯ নামের বই চাই”

শেষ কথা

গৃহিণী মানে শুধু রান্না-পরিষ্কার না—
গৃহিণী মানে ঘরের শান্তির পাহারাদার।

আজ জুমাবার—
আপনার ঘরের জন্য আপনি ২ মিনিট সময় বের করুন।
২১ বার “ইয়া আদল” ধরুন।

ইনশাআল্লাহ একদিন আপনি পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখবেন—
ঝগড়া কমেছে, কথা নরম হয়েছে,
আর ঘরের ভেতরটা ধীরে ধীরে “ইনসাফের আলো”তে ভরে উঠছে।
For All Users (Android & iOS): The Detailed Guide

Step 1: Open the Control Room (Settings Menu)

আপনার ফোনের Facebook অ্যাপটি খুলুন।

ডান দিকের একদম উপরের কোণায় থাকা আপনার Profile Picture বা তিনটি লাইন (≡) আইকনটিতে ক্লিক করুন। এতে Menu খুলে যাবে।

Step 2: Find the Hidden Switch

Menu-তে একটু নিচে স্ক্রল করে "Settings & Privacy" অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং ওটাতে ক্লিক করুন।

এরপর আবার "Settings"-এ যান।

Step 3: The Final Destination

Settings পেইজে আপনাকে বেশ কিছুটা নিচে স্ক্রল করতে হবে। খুঁজতে থাকুন... খুঁজতে থাকুন...

"Your activity" বা এই ধরনের কোনো সেকশনের ভেতরে আপনি "Camera roll sharing suggestions" নামে একটি অপশন খুঁজে পাবেন। ওটাতে ক্লিক করুন।

Step 4: Turn It OFF! (The Most Important Step)
এখানে ঢোকার পর আপনি এক বা দুটি Toggle বা On/Off বাটন দেখতে পাবেন। যেমন:

Custom sharing suggestions from your camera roll

Get camera roll suggestions when you’re browsing Facebook

How to Check if it's ON:
যদি Toggle-গুলো নীল (Blue) রঙের থাকে এবং ডান দিকে সরানো থাকে, তার মানে সর্বনাশ! ফিচারটি On আছে এবং Meta আপনার ছবি স্ক্যান ও সংরক্ষণ করছে।

How to Turn it OFF:

শুধু Toggle-গুলোর উপর একবার ট্যাপ করুন।

ট্যাপ করলেই ওগুলো ধূসর (Grey) রঙের হয়ে যাবে এবং বাম দিকে সরে যাবে।

Congratulations! আপনি সফলভাবে Meta-কে আপনার ব্যক্তিগত ছবির গ্যালারি থেকে বের করে দিয়েছেন!

#Privacy #FacebookTips #CyberSecurity #TechHacks #DataProtection #Bangladesh
চার মাজহাবের সম্মিলিত মতামত (কার্যকর হবে)
ইমাম আবু হানিফা (রহ.), ইমাম শাফিঈ (রহ.), ইমাম মালিক (রহ.) এবং ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.)-এর মতে, কেউ যদি রাগের মাথায় বা যেকোনো অবস্থায় একসাথে তিন তালাক দেয়, তবে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যাবে এবং বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। একে 'তালাকে বিদা’ত' বা বিদআতি তালাক বলা হয়। এটি গুনাহের কাজ হলেও তালাক পড়ে যাবে।

দলিল: হযরত মাহমুদ বিন লাবিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জানানো হলো যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। তখন তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন: "আমি তোমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করা হচ্ছে?" (সুনানে নাসায়ি, হাদিস নং: ৩৪০১)।

ভিন্নমত (এক তালাক হিসেবে গণ্য হবে)
কিছু সংখ্যক সাহাবী এবং পরবর্তীকালের আলেমদের (যেমন: ইবনে তায়মিয়াহ ও ইবনে কাইয়্যিম রহ.) কিংবা আহালে হাদিসদের মতে, একই মজলিসে বা এক শব্দে তিন তালাক দিলে তা একটি 'রাজঈ' (প্রত্যাবর্তনযোগ্য) তালাক হিসেবে গণ্য হবে। বর্তমানে সৌদি আরবসহ অনেক মুসলিম দেশের আদালত এই মতটির ওপর ভিত্তি করে ফতোয়া দেয় যাতে সংসার রক্ষা পায়।

দলিল: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে, আবু বকর (রা.)-এর যুগে এবং উমর (রা.)-এর খেলাফতের প্রাথমিক দুই বছর পর্যন্ত তিন তালাক (একসাথে দিলে) এক তালাক হিসেবেই গণ্য হতো।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৪৭২)।

রাগের মাথায় তালাক দিলে কি হয়?
ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, রাগের তিনটি স্তর রয়েছে:
সাধারণ রাগ: যেখানে মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে। এই অবস্থায় তালাক দিলে তা নিশ্চিতভাবে কার্যকর হবে।
চরম রাগ (উন্মত্ততা): যদি রাগ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে মানুষ কী বলছে তা নিজেও জানে না (পাগলের মতো অবস্থা), তবে অধিকাংশ আলেমের মতে সেই তালাক কার্যকর হয় না।
মধ্যম রাগ: এই পর্যায়ে তালাক কার্যকর হওয়া নিয়ে মতভেদ আছে, তবে সাধারণ অবস্থায় রাগ তালাক হওয়ার পথে বাধা নয়, কারণ মানুষ সাধারণত রাগের মাথায়ই তালাক দেয়।

আপনার জন্যে পরমর্শ: অবশ্যই একজন ভালো বিজ্ঞ্য আলেমের সাথে কথা বলুন যারা কিনা ফতোয়া বোর্ড পরিচালনা করে কিংবা ফতোয়া দেওয়ার সক্ষমতা রাখে, তবে সাধারণ হুজুরের কাছ থেকে ফতোয়া নিতে যাবেন না এতে করে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
ব্রায়ানা উইয়েস্টের লেখা 'দ্য মাউন্টেন ইজ ইউ' বইটি বিশ্লেষণ করে কিছু কথা লেখা হলো৷ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

১. আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা বাইরের কোনো পরিস্থিতি নয়, বরং আপনার ভেতরের ভয় এবং অবদমিত আবেগ।

২. আপনার জীবনের প্রতিটি সমস্যাই আসলে একটি লুকানো বার্তা। এটি আপনাকে সংকেত দিচ্ছে যে আপনার জীবনের কোনো একটি দিক পরিবর্তনের প্রয়োজন।

৩. পরিবর্তন তখনই ঘটে যখন স্থবির থাকার যন্ত্রণা পরিবর্তনের কষ্টের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। মানুষ ততক্ষণ বদলায় না যতক্ষণ না সে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ে।

৪. আপনার উচ্চতর সত্তা আপনাকে শান্তি দেয়, আর আপনার অহং (Ego) আপনাকে অস্থির রাখে। নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বর চিনতে শিখুন।

৫. অস্বস্তি মানেই হলো আপনি বড় হচ্ছেন। নতুন কিছু শেখার বা করার সময় যে অস্বস্তি হয়, তা আসলে আপনার মানসিক বিকাশের লক্ষণ।

৬. ভয় আপনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করে, কিন্তু এটি আপনাকে সুখী করতে পারে না। বেঁচে থাকার জন্য সতর্কতা প্রয়োজন, কিন্তু বিকাশের জন্য ঝুঁকি নিতেই হবে।

৭. আপনি যা এড়িয়ে চলেন, তা আসলে আপনার ভেতরেই জমা থাকে, যে আবেগগুলো আপনি প্রকাশ করেন না, সেগুলোই আপনার ভবিষ্যৎ আচরণকে নেতিবাচকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

৮. সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়ের উপস্থিতিতেও কাজ চালিয়ে যাওয়া। আপনার লক্ষ্য ভয়ের চেয়ে বড় হলে সাহস এমনিতেই চলে আসে।

৯. আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার অতীত চিন্তার ফল। যদি ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে চান, তবে আজ থেকেই চিন্তার ধরন বদলাতে হবে।

১০. অন্যকে ক্ষমা করা মানে এই নয় যে আপনি তাদের কাজকে সমর্থন করছেন। বরং এর অর্থ হলো আপনি সেই ভার নিজের মন থেকে নামিয়ে দিয়ে নিজেকে মুক্ত করছেন।

১১. আপনার জীবনের দায়িত্ব আপনার নিজের হাতে। আপনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও পরিস্থিতির প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

১২. নিজের প্রতি কঠোর না হয়ে দয়ালু হোন। আত্ম-সমালোচনা আপনাকে থামিয়ে দেয়, কিন্তু আত্ম-করুণা (Self-compassion) আপনাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।

১৩. বড় পরিবর্তন আসে ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে। একদিনে পাহাড় জয় করা যায় না, প্রতিদিন একটি করে পাথর সরাতে হয়।

১৪. আপনার অন্তর্দৃষ্টি (Intuition) সবসময় সত্য বলে, কিন্তু আপনার আতঙ্ক (Panic) মিথ্যা বলে। দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে শিখুন।

১৫. অতীতের স্মৃতিচারণ করা বন্ধ করুন, কারণ সেখানে ফিরে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। আপনার সমস্ত শক্তি বর্তমান মুহূর্তে ব্যয় করুন।

১৬. সাফল্য মানে কেবল লক্ষ্যে পৌঁছানো নয়, বরং যাত্রাপথে আপনি কেমন মানুষে পরিণত হচ্ছেন তা-ই আসল। ব্যক্তিত্বের বিকাশই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।

১৭. পুরানো সংস্করণকে বিদায় না দিলে নতুনের আগমন ঘটে না। নিজের নতুন রূপকে গ্রহণ করতে হলে পুরানো অভ্যাস এবং চিন্তাধারাকে বিসর্জন দিতে হবে।

১৮. যে কাজ বা মানুষ আপনার মানসিক শান্তি নষ্ট করে, তা আপনার জীবনের অংশ হওয়া উচিত নয়।

১৯. নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজেকে প্রকাশ করুন। বাইরের জগতের হাততালি পাওয়ার চেয়ে নিজের কাছে সৎ থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২০. পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানোর পর আপনি দেখতে পাবেন পাহাড়টি আসলে আপনার ভেতরেই ছিল। আপনি যখন নিজেকে জয় করেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনার কাছে সহজ হয়ে যায়।
_____
প্রিয় বন্ধু, এই কথাগুলো পড়ার পর আপনার চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে কিনা কমেন্টে লিখুন।

@Paint With Ashraf
এই লেখায় ৮টি ছোট কিন্তু কার্যকর অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে যা আপনাকে মানুষের কাছে স্মরণীয় করে তুলবে।

১. ছোটখাটো বিষয় মনে রাখা:
অধিকাংশ মানুষ বড় বড় বিষয় মনে রাখে, কিন্তু আপনি যদি কারো বলা ছোট কোনো তথ্য (যেমন: তাদের কোনো শখ, সামনের কোনো পরীক্ষা বা বিশেষ কোনো দিন) মনে রাখেন এবং পরে তা নিয়ে কথা বলেন, তবে তারা অনুভব করবে যে আপনি সত্যিই তাদের গুরুত্ব দেন।

২. এমন প্রশংসা করা যা সাধারণ নয়:
মানুষের চেহারা বা পোশাকের প্রশংসা সবাই করে। কিন্তু আপনি যদি কারো ব্যক্তিত্ব বা চরিত্রের কোনো বিশেষ দিকের প্রশংসা করেন (যেমন- "আপনার গুছিয়ে কথা বলার ভঙ্গিটা দারুণ"), তবে সেটি তাদের মনে গভীর দাগ কাটবে।

৩. মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা:
আড্ডায় বা গ্রুপে এমন কেউ থাকে যে কথা বলতে পারছে না বা একটু একা হয়ে আছে। আপনি যদি সচেতনভাবে তাকে কথা বলার সুযোগ করে দেন বা তার দিকে ফিরে কথা বলেন, তবে সেই মানুষটি আপনার এই সৌজন্য সারাজীবন মনে রাখবে।

৪. সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করা:
"কিছু লাগলে বইলো" - এটি একটি সাধারণ কথা যা সবাই বলে। এর বদলে সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করার প্রস্তাব দিন, যেমন- "আমি দোকানে যাচ্ছি, তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসব?" বা "আমি তোমার বাবুটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারি যদি তুমি ব্যস্ত থাকো।" এটি আপনার আন্তরিকতা প্রকাশ করে।

৫. মনোযোগ দিয়ে শোনা:
আজকাল সবাই ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় ফোন দূরে রেখে তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনোযোগ দিয়ে কথা শোনেন, তবে সেই ব্যক্তি নিজেকে বিশেষ মনে করবে। এই 'উপস্থিতি' বর্তমানে বিরল এবং অমূল্য।

৬. একান্তে প্রশংসা করা:
সবার সামনে প্রশংসা করা ভালো, কিন্তু একান্তে বা ব্যক্তিগতভাবে করা প্রশংসা মানুষের মনে বেশি গেঁথে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি লোকদেখানো নয়, বরং মন থেকেই তাদের প্রশংসা করছেন।

৭. ভুল স্বীকার করা এবং শিখতে চাওয়া:
সবকিছু জানার ভান করার চেয়ে "আমি এটা জানি না, আমাকে বুঝিয়ে বলবে কি?" বলাটা অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এটি আপনার বিনয় প্রকাশ করে এবং অপর ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়।

৮. পরিস্থিতি বা স্থানকে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় রেখে যাওয়া:
এটি কেবল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে নয়, বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আপনি যখন কারো জীবন বা আড্ডা থেকে বিদায় নেবেন, তখন যেন তারা আপনার উপস্থিতির কারণে আগের চেয়ে বেশি হাসিখুশি বা ইতিবাচক অনুভব করে।
______
অবিস্মরণীয় হওয়ার জন্য আপনাকে মহান কোনো কাজ করতে হবে না। কেবল অন্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো এবং তাদের প্রতি প্রকৃত যত্নশীল হওয়াই আপনাকে বছরের পর বছর তাদের মনে বাঁচিয়ে রাখবে।

@paint with ashraf
মানুষের সামনে আপনি যখন কথা বলেন, তখন কি সেই কথার মাধ্যমে মানুষকে মুগ্ধ করতে পারেন? কথা বলার মাধ্যমে অথবা কথা শোনার মাধ্যমে মু্গ্ধতা ছড়ানোর তিনটা উপায় আলোচনা করলাম।

১. কথা সব শেষ না করে কিছুটা কৌতুহল জিইয়ে রাখুন।
আমরা মনে করি অনেক চমৎকার গল্প বললে মানুষ আকৃষ্ট হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে গল্পের সবটুকু না বলে কিছুটা বাকি রাখলে মানুষ আপনার প্রতি বেশি আগ্রহী হয়। একে বলা হয় 'কগনিটিভ থ্রেড' (Cognitive thread) খোলা রাখা। যেমন কথা শেষে বলতে পারেন, "ঐ প্রজেক্টে কী হয়েছিল সেটা মনে করিয়ে দিও তো, পরে বলবো।" এতে মানুষের মনে একটি 'লুপ' তৈরি হয় এবং সে অবচেতনভাবেই আপনার সাথে পুনরায় কথা বলার সুযোগ খোঁজে।

২. ৯০ সেকেন্ডের জন্য পূর্ণ মনোযোগ দিন:
সবসময় খুব বেশি মনোযোগী থাকার অভিনয় করার প্রয়োজন নেই। বরং কথোপকথনের মাঝে অন্তত ৯০ সেকেন্ডের জন্য এমনভাবে মনোযোগ দিন যেন মনে হয় দুনিয়ায় আপনি আর আপনার সামনের মানুষটি ছাড়া আর কেউ নেই। এই সময় মোবাইল ফোন দেখবেন না বা অন্য দিকে তাকাবেন না। এই অল্প সময়ের নিবিড় মনোযোগ সামনের মানুষটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করায়, যা আপনাকে তাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে।

৩. তারা নিজের সম্পর্কে যা বিশ্বাস করে, তার স্বীকৃতি দিন:
মানুষ নিজের সম্পর্কে একটি ধারণা বা পরিচয় অন্যের কাছে তুলে ধরতে চায়। আপনি যদি সেই পরিচয়টি ধরতে পারেন এবং তার প্রশংসা করেন, তবে সে আপনার প্রতি অনেক বেশি টান অনুভব করবে। যেমন- তাকে শুধু "কাজটি ভালো হয়েছে" না বলে বলুন, "আপনি এমন একজন মানুষ যে যেকোনো কাজ খুব গুরুত্ব দিয়ে করেন।" অর্থাৎ সে নিজেকে যে ধরনের মানুষ হিসেবে দেখতে চায়, আপনি সেই পরিচয়টি তাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। একে বলা হয় 'আইডেন্টিটি ইকোয়িং' (Identity Echoing)।
_______
আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হওয়া মানে শুধু কথা বলা নয়, বরং সামনের মানুষটির মনে কৌতুহল তৈরি করা, তাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাকে বুঝতে পারার ক্ষমতা রাখা।
ম্যাট হেইগের লেখা 'দ্য কমফর্ট বুক' কোনো সাধারণ বই নয়; এটি মূলত জীবনের কঠিন সময়ে বেঁচে থাকার রসদ এবং মানসিক প্রশান্তির একটি সংকলন। বইটির মূল কথা হলো—আমরা যখন ভেঙে পড়ি, তখন আমাদের নিজেদের আবার গড়ে তোলার ক্ষমতা আমাদের ভেতরেই থাকে।
বইটি থেকে ২০টি প্রেরণামূলক কথা এখানে দেওয়া হলো।

১. তুমি তোমার সবচাইতে খারাপ দিনগুলো অতিক্রম করে আজ এখানে এসেছো। মনে রাখবে, তোমার সাফল্যের হার ১০০%। কারণ তুমি এখনো টিকে আছো।

২. তোমার অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তোমাকে বিশেষ কিছু হতে হবে না। তুমি জন্ম নিয়েছ, এটাই তোমার যথেষ্ট হওয়ার বড় প্রমাণ।

৩. কোনো অনুভূতিই স্থায়ী নয়। মেঘ যেমন আসে আবার চলে যায়, তোমার দুঃখের সময়টাও ঠিক তেমনই কেটে যাবে।

৪. নিজেকে ক্ষমা করো। অতীতে যা করেছ বা যা হতে পারোনি, তার জন্য নিজেকে ঘৃণা করা বন্ধ করো। তুমি তখন সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে যেভাবে তোমার পরিস্থিতি তোমাকে শিখিয়েছিল।

৫. অন্ধকারে থাকার মানেই হারিয়ে যাওয়া নয়। গাছ যেমন মাটির নিচে অন্ধকারে থেকে শিকড় গজায়, মানুষের কঠিন সময়গুলোও তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে।

৬. বিশ্রাম নেওয়া মানে অলসতা নয়। যখন পৃথিবী তোমাকে ক্লান্ত করে দেয়, তখন বিশ্রাম নেওয়া একটি প্রয়োজনীয় কাজ, কোনো অপরাধ নয়।

৭. ধৈর্য হলো নিজের প্রতি ভালোবাসা। ধৈর্য মানে শুধু অপেক্ষা করা নয়, বরং অপেক্ষার সময়ে নিজের প্রতি সদয় থাকা।

৮. সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা ছেড়ে দাও। জীবন সমুদ্রের মতো। তুমি ঢেউ থামাতে পারবে না, কিন্তু সার্ফিং করা বা ভেসে থাকা শিখতে পারো।

৯. সুখ কোনো ট্রফি নয় যে তোমাকে দৌড়ে সেটা জিততে হবে। এটি মূলত বর্তমান মুহূর্তের ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে।

১০. অন্যের জীবনের বাইরের চাকচিক্যের সাথে নিজের ভেতরের লড়াইয়ের তুলনা করা বন্ধ করো।

১১. তোমার মূল্য তোমার কাজের ওপর নির্ভর করে না। তুমি কতটুকু উৎপাদনশীল বা কত টাকা আয় করছ, তা দিয়ে তোমার জীবনের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় না।

১২. আশা মানে এই নয় যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে, বরং আশা হলো এই বিশ্বাস যে সবকিছু যেমনই হোক, তুমি তা সামলে নিতে পারবে।

১৩. একবারে শুধু একটি কদম ফেলো। যখন পুরো জীবনটা পাহাড়ের মতো কঠিন মনে হয়, তখন শুধু সামনের এক ইঞ্চির দিকে তাকাও।

১৪. বাইরে তাকাও, প্রকৃতির দিকে তাকাও। আকাশ, পাখি বা গাছের দিকে তাকালে বোঝা যায় যে মহাবিশ্ব অনেক বড় এবং তোমার সমস্যাগুলো তার তুলনায় অনেক ছোট।

১৫. কান্না দুর্বলতা নয়। চোখের জল হলো মনের জমে থাকা ভার নামানোর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

১৬. সাহস মানে সবসময় গর্জন করা নয়। কখনো কখনো সাহস মানে দিনশেষে নিজেকে খুব শান্ত স্বরে বলা— "কাল আমি আবার চেষ্টা করব।"

১৭. তোমার মাথায় খারাপ চিন্তা আসতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তুমি একজন খারাপ মানুষ। তুমি হলে সেই ব্যক্তি যে চিন্তাগুলোকে পর্যবেক্ষণ করছে।

১৮. বই এবং গান হলো ওষুধ। যখন মানুষের কথা ভালো লাগে না, তখন শিল্পকলা বা গান আমাদের একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে।

১৯. পৃথিবী তোমাকে যা বলে, তুমি তার চেয়েও বড়। সমাজ তোমাকে যে ছকে বাঁধার চেষ্টা করে, তোমার আসল সত্তা তার চেয়েও অনেক বেশি বিশাল।

২০. বেঁচে থাকাই একটি বড় অর্জন। প্রতিকূলতার মাঝেও নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকাটাই সবচেয়ে বড় বীরত্ব।

ম্যাট হেইগের এই লেখাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের মূল সৌন্দর্য নিখুঁত হওয়ার মধ্যে নয়, বরং অসম্পূর্ণতা নিয়েও টিকে থাকার মধ্যে।
____
👍2
১. আপনার সীমাবদ্ধতাগুলো মূলত আপনার মনের তৈরি। আপনি যদি মনে করেন আপনি পারবেন, তবে আপনার অর্ধেক জয় সেখানেই হয়ে যায়।

২. সুপার হিউম্যান হওয়া কোনো জাদুকরী ঘটনা নয়, বরং এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট সঠিক অভ্যাসের সমষ্টি।

৩. ব্যর্থতাকে পরাজয় হিসেবে না দেখে একে আপনার লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রয়োজনীয় 'ফিডব্যাক' বা শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করুন।

৪. বিক্ষিপ্ত মনোযোগ আপনার শক্তি ক্ষয় করে। একটি সময়ে কেবল একটি কাজে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়াই হলো অতিমানবীয় দক্ষতার চাবিকাঠি।

৫. কমফোর্ট জোন বা আরামদায়ক অবস্থায় কোনো বড় পরিবর্তন ঘটে না। অসাধারণ কিছু করতে হলে আপনাকে অস্বস্তিকে আলিঙ্গন করতে শিখতে হবে।

৬. সময় ব্যবস্থাপনা মানে শুধু ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা নয়, বরং আপনার শক্তির সঠিক প্রয়োগ করা।

৭. চিন্তার জগতে আপনি যা বপন করবেন, বাস্তব জীবনে তার ফলই পাবেন। তাই নিজের চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করুন।

৮. শেখার প্রক্রিয়া বন্ধ করা মানেই হলো পিছিয়ে পড়া। একজন সুপার হিউম্যান সারাজীবন ছাত্র হয়ে থাকতে পছন্দ করেন।

৯. আপনার মস্তিষ্ক তখনই শ্রেষ্ঠ ফলাফল দেবে যখন আপনার শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরকে অবহেলা করে মানসিক শিখরে পৌঁছানো অসম্ভব।

১০. ভয় না থাকা মানে সাহস নয়; বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার নামই হলো আসল সাহস।

১১. হিমালয় জয় করতে হলেও আপনাকে প্রথম পদক্ষেপটি নিতেই হবে। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে কাজ শুরু করুন।

১২. আপনি যাদের সাথে সময় কাটান, আপনি ঠিক তাদের মতোই হয়ে উঠবেন। তাই সফল ও ইতিবাচক মানুষদের সান্নিধ্যে থাকুন।

১৩. মোটিভেশন আপনাকে কাজ শুরু করতে সাহায্য করবে, কিন্তু ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে।

১৪. অতীত নিয়ে আফসোস আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা আপনার বর্তমানের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বর্তমান মুহূর্তকে কাজে লাগান।

১৫. পৃথিবী আপনাকে বিশ্বাস করার আগে আপনাকে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে।

১৬. সমালোচকদের কাজ হলো কথা বলা, আর আপনার কাজ হলো এগিয়ে যাওয়া। তাদের কথায় কান দিয়ে নিজের গতি কমাবেন না।

১৭. কঠিন সময় মানুষের চরিত্র গঠন করে। পরিস্থিতির দোহাই না দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।

১৮. আপনার যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন। কৃতজ্ঞ মন সবসময় আরও ভালো কিছু অর্জনের জন্য প্রস্তুত থাকে।

১৯. আপনার কাজ কেন করছেন—এই 'কেন' বা উদ্দেশ্যটি পরিষ্কার থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সহজ হয়।

২০. গড়পড়তা হওয়া সহজ, কিন্তু শ্রেষ্ঠ হওয়া কঠিন। প্রতিদিন নিজেকে গতকালের চেয়ে অন্তত ১% উন্নত করার চেষ্টা করুন।
_____
সূত্র: সুপার হিউম্যান (রিচার্ড হারগ্রেভস)
এই লেখায় ৭টি অভ্যাসের কথা বলা হলো যা আমাদের জীবনকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠিন বা ভারী করে তোলে। এর পরিবর্তে আমাদের কী করা উচিত, সে বিষয়েও পরামর্শ দেয়া হলো।

১. মনের বিরুদ্ধে সবসময় 'হ্যাঁ' বলা:
আমরা অনেক সময় মানুষকে খুশি করতে বা অপরাধবোধ থেকে 'হ্যাঁ' বলি, যদিও আমরা মনে মনে 'না' বলতে চাই। এটি আমাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।

করণীয়: নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে শিখুন। বিনয়ের সাথে 'না' বলা শিখুন। মনে রাখবেন, অন্যকে 'হ্যাঁ' বলতে গিয়ে যেন নিজেকে 'না' বলে না ফেলেন।

২. নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা:
সবকিছু একদম নিখুঁত বা 'পারফেক্ট' হতে হবে—এই চিন্তা আমাদের কাজ শুরু করতে বাধা দেয় এবং ব্যর্থতার ভয় বাড়িয়ে দেয়।

করণীয়: 'পারফেক্ট' হওয়ার চেয়ে 'কাজ শেষ করা' বা 'অগ্রগতি' (Progress) হওয়াকে গুরুত্ব দিন। কাজ শুরু করুন, ভুল থেকে শিখুন এবং সেটাকে আরও উন্নত করুন।

৩. অতীত বা ভবিষ্যতে বাস করা:
পুরানো কোনো ভুল নিয়ে পড়ে থাকা অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা বর্তমানের আনন্দ নষ্ট করে দেয়।

করণীয়: বর্তমানে বাঁচার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিট বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৪. অন্যের বাইরের জীবনের সাথে নিজের ভেতরের তুলনা করা:
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা অন্যের জীবনের শুধু রঙিন অংশগুলো দেখি এবং নিজের জীবনের কঠিন সময়ের সাথে সেটার তুলনা করি। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

করণীয়: তুলনা করা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব সংগ্রাম থাকে যা তারা বাইরে দেখায় না। নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন।

৫. নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করা:
আবহাওয়া, অন্যের মতামত বা অর্থনীতি—এমন অনেক বিষয় আছে যা আমাদের হাতে নেই। এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা করা শক্তির অপচয় মাত্র।

করণীয়: একটি তালিকা করুন যে আপনি কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন (যেমন- আপনার কাজ, আপনার প্রতিক্রিয়া) আর কী পারেন না। শুধু আপনার নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকা বিষয়গুলোতে শক্তি ব্যয় করুন।

৬. মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সম্পর্ক টেনে নেওয়া:
কিছু বন্ধুত্ব বা সম্পর্ক সময়ের সাথে সাথে বিষাক্ত হয়ে যায় বা আমাদের মানসিক শক্তি শুষে নেয়। শুধু অভ্যাসের কারণে সেগুলো ধরে রাখা জীবনকে ভারী করে তোলে।

করণীয়: নিজেকে এমন সম্পর্ক থেকে দূরে সরানোর অনুমতি দিন যা আপনাকে আর আনন্দ দেয় না। নতুন এবং ইতিবাচক মানুষের জন্য জীবনে জায়গা তৈরি করুন।

৭. "সঠিক মুহূর্তের" জন্য অপেক্ষা করা:
আমরা প্রায়ই ভাবি—"আমি তখন খুশি হবো যখন আমার প্রমোশন হবে" বা "তখন কাজটা শুরু করবো যখন সব ঠিক থাকবে।" কিন্তু সঠিক মুহূর্ত কখনোই আসে না।

করণীয়: এখনই শুরু করুন। অগোছালো ভাবেই শুরু করুন। "আমি তখন খুশি হবো..." না বলে "আমি এখনই খুশি থাকতে শিখবো" এই মানসিকতা গড়ে তুলুন।
_______
জীবন ততটা কঠিন নয় যতটা আমরা আমাদের এই অভ্যাসগুলো দিয়ে বানিয়ে ফেলি। এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো আনলে জীবন অনেক হালকা এবং সহজ মনে হবে।
বিয়ে সবার জন্য না।
বিবাহ বন্ধন সম্পর্কে অবগত না হয়ে আগেই বিয়ে করবেন না।
কারণ বিয়ে শুধু একটা ইভেন্ট না, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চুক্তি।

দেখেন, বিয়ে করাটা সহজ, কিন্তু সংসার করাটা কঠিন। সাইকোলজিতে এটাকে Role Transition Stress বলা হয়, একটা মানুষ হঠাৎ প্রেমিক/প্রেমিকা থেকে স্বামী/স্ত্রীর ভূমিকায় ঢুকে পড়ে। এই পরিবর্তনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি না থাকলে সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে হয়ে যায়।

বিবাহ > বন্ধন > কমিটমেন্ট।
বিয়ে এটা শুধু দুজনের মিলন নয়, দুটো পরিবারের যোগাযোগ, দুটো মনের সমন্বয় এবং জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব গ্রহণ।

ইসলামও এখানেই বিয়েকে মিসাকান গালীযা বলেছে একটা ভারী চুক্তি। হালকা সম্পর্কের জন্য এত ভারী শব্দ ব্যবহার করা হয়নি।

বিয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত ছেলেরা চায়:
একটা শান্ত ঘর। যেখানে সে কাজের চাপ থেকে ফিরে এসে নিরাপদ বোধ করবে। মনোবিজ্ঞানে এটাকে বলে Emotional Safe Zone। যে ঘরে অযথা ঝগড়া নেই, থাকবে সম্মান, বোঝাপড়া এবং মানসিক সাপোর্ট। সে চায় তার স্ত্রী তার বাবা-মা, পরিবারকে সম্মান করুক কারণ একজন পুরুষের পরিচয়ের বড় অংশই তার পরিবার।

আবার অন্যদিকে মেয়েরা চায়:
একজন এমন মানুষ, যার কাছে সে দুর্বল হতে পারবে। রাগ হলেও যে অসম্মান করবে না। যে তার ভয়, insecurity, Anxiety বুঝবে। আর হ্যাঁ, আর্থিক স্থিতিশীলতা কারণ নিরাপত্তাহীনতা মেয়েদের Anxiety বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ইসলামও এখানে পরিষ্কার নফকা দেওয়া স্বামীর দায়িত্ব।

কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
এখনকার অনেক বিয়েতে বোঝাপড়ার জায়গা নেই, আছে শুধু Ego Clash। কথায় সামান্য বনিবনা না হলেই ডিভোর্স! স্বামী বউয়ের সামনে নিজের পরিবারকে কোন কিছু দিতে সংকোচ বোধ করে, আবার শ্বশুরবাড়ি অনেক সময় বউকে পুরোপুরি গ্রহণ করে না। এই জায়গা থেকেই শুরু হয় Chronic Marital Stress যা ধীরে ধীরে ভালোবাসাকে ক্ষয় করে। এখান থেকেই শুরু হয় যত সমস্যা, ছোটখাটো মতভেদ থেকে বড় ঝ'গড়া, মানসিক চাপ, এমনকি বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত হওয়া।

এর সাথে যোগ হয় সমাজের চাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনা, আর আমিও কম না টাইপ অহংকার। এসব কারণে বিয়ের আগের রোমান্টিকতা হারিয়ে যায় কারণ মানুষ আবেগ নিয়ে আসে, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার ট্রেনিং নিয়ে আসে না।

তাহলে সমাধান কী?
বিয়ের আগে একে অপরকে চিনুন।
শুধু পছন্দ না ভয়, রাগ, মূল্যবোধ নিয়েও কথা বলুন। কমিউনিকেশনই চাবিকাঠি। রাগ হলে চুপ করে থাকা নয় ইসলামও বলে, সমস্যা হলে শূরা অর্থাৎ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। দুজন মিলে কমিটমেন্ট নিন সমস্যা এলে পালাব না, দুজনে মিলেই সমাধান করব।

আর সবচেয়ে জরুরি!
বিয়ের আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন।
মানসিকভাবে পরিণত হোন,
আর্থিকভাবে দায়িত্ব নিতে শিখুন,
আর সম্পর্কের বাস্তবতা বুঝুন।

সঠিক মানুষ, ভুল মানুষ এগুলো ভুয়া কথা।
আপনার সঙ্গী যেন দায়িত্বজ্ঞানহীন না হয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে এটা দেখবেন, আর যদি কখনো বিয়ে করে ফেলেন তাহলে চিরদিন তার সাথেই থাকবেন নো ডিভোর্স!

স্ত্রী হিসেবে আপনার স্বামীকে কখনোই হেলা করবেন না, সে তার পরিবারের জন্য যতটুকু করতে পারে করুক আপনি আরো সাপোর্ট দিবেন।

স্বামী হিসেবে আপনার স্ত্রীকে আপনি ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখুন, রেগে গায়ে হাত না উঠিয়ে আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরুন। জাতের মেয়ে গুলা ভালোবাসা আর সম্মান চায় যেগুলো অজাতের ওগুলা দেখবে আপনার সম্পদ। আর সম্পদ লোভী মেয়েরা কখনোই একজন ভালো স্ত্রী হতে পারে না।

আর যারা অলরেডি সংসার করছেন:
দাম্পত্য জীবন ভালো রাখতে দুজনের জন্য দুটো বই সাজেস্ট করছি অবশ্যই পড়বেন:
(যেভাবে স্ত্রীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏‍♀️
(যেভাবে স্বামীর হৃদয় জয় করবেন) 🧏‍♂️

Younger Philosopher: 🫦
Jahid Hasan Scientist

#marriedlife
#tipsandtricks
#jahidhasanscientist
হিল্লা বিয়ে (হালালা) হলো ইসলামী শরিয়তের একটি বিশেষ বিধান, যা তখনই প্রযোজ্য হয় যখন—

সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা:

স্বামী যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক (তালাকে বাইন কুবরা) দেয়,

তাহলে সেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আর সরাসরি পুনরায় বিয়ে হারাম হয়ে যায়।

এই অবস্থায় স্ত্রী যদি:

অন্য একজন পুরুষকে স্বাভাবিকভাবে বিয়ে করে,

সেই বিয়েতে বাস্তব দাম্পত্য জীবন (সহবাস) হয়,

এরপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিকভাবে তালাক দেয় বা মারা যায়,

এবং স্ত্রী ইদ্দত শেষ করে,

তখনই প্রথম স্বামীর সাথে নতুন করে বিয়ে করা বৈধ হয়।
এই পুরো প্রক্রিয়াকেই সাধারণভাবে হিল্লা বিয়ে বলা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

পরিকল্পিত বা চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে (শুধু প্রথম স্বামীর কাছে ফেরানোর উদ্দেশ্যে সাজানো বিয়ে)
👉 ইসলামে কঠোরভাবে হারাম।

হাদিসে এসেছে,
“হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয়—উভয়ের ওপর আল্লাহর লানত।” (তিরমিজি)

সংক্ষেপে:

স্বাভাবিকভাবে ঘটে গেলে বৈধ
আগে থেকেই ঠিক করা বা নাটকীয় হিল্লা বিয়ে হারাম.
৫ মিনিটের চ্যালেঞ্জ পেটে যাদু আছে কি না যাস্ট চেক করে জানান।

পেটে হাত রেখে টানা ৫ মিনিট পড়েন -

بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ

উচ্চারণ

বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মা’কূল

অনুভূতি কি কমেন্ট বক্সে জানান।

🎤 Raqi Amir Hamza
Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life
☎️01706-685576 ☎️01798-645570