অনেকেই মনে করেন সিজারিয়ানের পর একজন নারী আর কখনো স্বাভাবিকভাবে যোনিপথে সন্তান জন্মদান করতে পারেন না।
কিন্তু এই ধারনাটা আসলে ভুল।
আমেরিকান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর চাইল্ড হেলথ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সিজারিয়ানের পরেও ৭৫% ক্ষেত্রে মায়েরা প্রাকৃতিক উপায়েই সফলভাবে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন।
এখানে, কিভাবে সি সেকশন করা হল, তার ওপর ব্যাপারটা অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সোজা কথায়, সার্জারীর সময় পেট আড়াআড়ি(ট্রান্সভার্স) ভাবে নিচের দিক থেকে কাটলে আইমিন লো, ট্রান্সভার্স কাট হলে পরের ডেলিভারিগুলি স্বাভাবিকই হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুটোর বেশি সিজারিয়ান হলে তখন অবশ্য সাকসেস রেট কম হবার চান্স থাকে ইউটেরাইন রাপচারের ভয়ে, তাও সবার ক্ষেত্রে না।
উল্লেখ্য, আমেরিকাতে ডায়বেটিসের হার আমাদের দেশের চেয়ে অন্তত তিন থেকে চারগুন বেশি এবং ওবিসিটি আমাদের প্রায় বিশগুন বেশি।
ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি আমেরিকাতেও আছে, বাংলাদেশেও আছে। বাংলাদেশে হয়তো তাদের চেয়ে এর পরিমান বেশ খানিকটা বেশি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা কয়েকটি গবেষনায় দেশে নারীদের মধ্যে ডি ডেফিসিয়েন্সি প্রায় ৬৭-৮৭% এর মধ্যে হবার কথা জানা গেছে।
এছাড়া, নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমেরিকানদের ওমেগা-৩ঃওমেগা-৬ রেশিও বাংলাদেশীদের চেয়ে যথেষ্ট খারাপ হবার কথা বা অন্তত ভাল হবার কথা না ডিউ টু দেয়ার ফুড কালচার।
এই অবস্থাতে, কেউ যদি আমাকে বলেন যে বাংলাদেশী মেয়েদের প্রাকৃতিভাবে সন্তান জন্ম দেয়ার মত দৈহিক সক্ষমতাই নেই, এটাকে আমি গ্রহন করতে পারবো না।
সেফালোপেলভিক ডিজপ্রোপর্শন বলে একটা ব্যাপার আছে।আমরা জানি, নারীদের ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও যদি. ৮এর বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সন্তানের মাথা বার্থ ক্যানাল দিয়ে বেরিয়ে আসতে চায় না বা প্রসব কঠিন হয়ে যায়।
বাংলাদেশে এই ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও এবং এক্টিভ মাসল মাস, এই দুটো জায়গাতেই গ্যাপ, দুটোই নিউট্রিশনাল রিজনে হয়। তাহলে দলে দলে সিজারিয়ানের ওটিতে মায়েদের না পাঠিয়ে আমরা মেয়েদেরকে বিয়ের আগেই এই দুটো জায়গাতে ফোকাস দিতে বললে সমস্যার তো কোন কারন দেখি না।
হাসপাতালগুলির জন্য এটা লাভজনক না, কিন্তু সাধারন মানুষের জন্য তো লাভজনক।
পাশাপাশি, যেসব রোগীরা সি সেকশনকে একটা স্টেইটাস সিম্বল মনে করেন, তাদের অবশ্যই ভাবা উচিত, স্টেইটাস সিম্বল বলতে আপনারা ঠিক কি বোঝেন আসলে। অসুস্থ থাকা, লাইফ লং ব্যাকপেইন(ইন সেভেরাল কেইসেস), ইনফেকশন, ওয়েট গেইন আবার কি ধরনের স্টেইটাস সিম্বল??
এগুলি ভাবেন এবং বুঝতে শেখেন।
ঢাকায়-চট্টগ্রামে আজকাল অনেককে রোগীদেরকে এটা পর্যন্ত বলতে দেখা যায় যে, আমি নরমাল ডেলিভারি করাই না।
এগুলো তো আপনাদের প্রফেশন সম্পর্কে মানুষের মনে কুধারনা সৃষ্টিতে ভুমিকা রাখে, আশা করি আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে শিখবেন। একজন নারীকে ক্রিপল করে দেয়া আপনার জন্য তো কোন এচিভমেন্ট হতে পারে না।
সিজারিয়ানের পরেও ভ্যাজাইনাল বার্থ খুবই সম্ভব এবং অন্তত ৭৫% ক্ষেত্রে নিরাপদ, এটা পরিসংখ্যানই বলছে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।
#natural_delivery
#pregnancyjourney
#food, #healty_lifestyle, #lifestyle, #motivation #health_and_wellness, #eating, #family, #marriage, #travel, #restaurant, #society
#Sajal's_diet_falsafa
কিন্তু এই ধারনাটা আসলে ভুল।
আমেরিকান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর চাইল্ড হেলথ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সিজারিয়ানের পরেও ৭৫% ক্ষেত্রে মায়েরা প্রাকৃতিক উপায়েই সফলভাবে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন।
এখানে, কিভাবে সি সেকশন করা হল, তার ওপর ব্যাপারটা অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সোজা কথায়, সার্জারীর সময় পেট আড়াআড়ি(ট্রান্সভার্স) ভাবে নিচের দিক থেকে কাটলে আইমিন লো, ট্রান্সভার্স কাট হলে পরের ডেলিভারিগুলি স্বাভাবিকই হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুটোর বেশি সিজারিয়ান হলে তখন অবশ্য সাকসেস রেট কম হবার চান্স থাকে ইউটেরাইন রাপচারের ভয়ে, তাও সবার ক্ষেত্রে না।
উল্লেখ্য, আমেরিকাতে ডায়বেটিসের হার আমাদের দেশের চেয়ে অন্তত তিন থেকে চারগুন বেশি এবং ওবিসিটি আমাদের প্রায় বিশগুন বেশি।
ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি আমেরিকাতেও আছে, বাংলাদেশেও আছে। বাংলাদেশে হয়তো তাদের চেয়ে এর পরিমান বেশ খানিকটা বেশি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা কয়েকটি গবেষনায় দেশে নারীদের মধ্যে ডি ডেফিসিয়েন্সি প্রায় ৬৭-৮৭% এর মধ্যে হবার কথা জানা গেছে।
এছাড়া, নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমেরিকানদের ওমেগা-৩ঃওমেগা-৬ রেশিও বাংলাদেশীদের চেয়ে যথেষ্ট খারাপ হবার কথা বা অন্তত ভাল হবার কথা না ডিউ টু দেয়ার ফুড কালচার।
এই অবস্থাতে, কেউ যদি আমাকে বলেন যে বাংলাদেশী মেয়েদের প্রাকৃতিভাবে সন্তান জন্ম দেয়ার মত দৈহিক সক্ষমতাই নেই, এটাকে আমি গ্রহন করতে পারবো না।
সেফালোপেলভিক ডিজপ্রোপর্শন বলে একটা ব্যাপার আছে।আমরা জানি, নারীদের ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও যদি. ৮এর বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সন্তানের মাথা বার্থ ক্যানাল দিয়ে বেরিয়ে আসতে চায় না বা প্রসব কঠিন হয়ে যায়।
বাংলাদেশে এই ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও এবং এক্টিভ মাসল মাস, এই দুটো জায়গাতেই গ্যাপ, দুটোই নিউট্রিশনাল রিজনে হয়। তাহলে দলে দলে সিজারিয়ানের ওটিতে মায়েদের না পাঠিয়ে আমরা মেয়েদেরকে বিয়ের আগেই এই দুটো জায়গাতে ফোকাস দিতে বললে সমস্যার তো কোন কারন দেখি না।
হাসপাতালগুলির জন্য এটা লাভজনক না, কিন্তু সাধারন মানুষের জন্য তো লাভজনক।
পাশাপাশি, যেসব রোগীরা সি সেকশনকে একটা স্টেইটাস সিম্বল মনে করেন, তাদের অবশ্যই ভাবা উচিত, স্টেইটাস সিম্বল বলতে আপনারা ঠিক কি বোঝেন আসলে। অসুস্থ থাকা, লাইফ লং ব্যাকপেইন(ইন সেভেরাল কেইসেস), ইনফেকশন, ওয়েট গেইন আবার কি ধরনের স্টেইটাস সিম্বল??
এগুলি ভাবেন এবং বুঝতে শেখেন।
ঢাকায়-চট্টগ্রামে আজকাল অনেককে রোগীদেরকে এটা পর্যন্ত বলতে দেখা যায় যে, আমি নরমাল ডেলিভারি করাই না।
এগুলো তো আপনাদের প্রফেশন সম্পর্কে মানুষের মনে কুধারনা সৃষ্টিতে ভুমিকা রাখে, আশা করি আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে শিখবেন। একজন নারীকে ক্রিপল করে দেয়া আপনার জন্য তো কোন এচিভমেন্ট হতে পারে না।
সিজারিয়ানের পরেও ভ্যাজাইনাল বার্থ খুবই সম্ভব এবং অন্তত ৭৫% ক্ষেত্রে নিরাপদ, এটা পরিসংখ্যানই বলছে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।
#natural_delivery
#pregnancyjourney
#food, #healty_lifestyle, #lifestyle, #motivation #health_and_wellness, #eating, #family, #marriage, #travel, #restaurant, #society
#Sajal's_diet_falsafa
❤1
ইসলামী শরীয়াহ মতে মেন্সট্রুয়াল কাপ যেহুতু লজ্জাস্থানের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাই নারীদের জন্য এধরণের কাপ ব্যবহার করা মাকরুহ। কারণ এ ধরণের কুরসুফ বা কাপের বিধান সম্পর্কে আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ তাঁর ‘মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন’ গ্রন্থে লিখেন—
ويكره وضعه) وضع جميعه (فى الفرج الداخل)لأنه يشبه النكاح بيدها محيط-(
‘সমস্ত কুরসুফ লজ্জাস্থানের ভিতরে প্রবেশ করানো মাকরুহ। কেননা তা হস্তমৈথুনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।’ (মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন ১/৮৪-৮৫ পৃ.)
আল রাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ আছে—
ثُمَّ وَضْعُ الْكُرْسُفِ مُسْتَحَبٌّ لِلْبِكْرِ فِي الْحَيْضِ وَلِلثَّيِّبِ فِي كُلِّ حَالٍ وَمَوْضِعُهُ مَوْضِعُ الْبَكَارَةِ وَيُكْرَهُ فِي الْفَرْجِ الدَّاخِلِ. اهـ.
‘অবিবাহিত নারীদের জন্য মাসিকের সময় কুরসুফ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায়ই এর ব্যবহার মুস্তাহাব। কুরসুফ বা ন্যাপকিন রাখার স্থান হল, মাসিকের রাস্তার প্রবেশ মুখ। কিন্তু লজ্জাস্থানের ভিতরে কুরসুফ (কাপ) প্রবেশ করানো মাকরুহ।’ (আল বাহরুর রায়েক-১/২০৩)
পাকিস্তানের বিখ্যাত জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউনের ফতোয়ায় এসেছে—
واضح رہے کی عورتوں کے لیے خون کے ایام میں شدید عذر کے بغیر خون قابو کرنے کے لیے فرجِ داخل (عورت کی اندر والی شرم گاہ) میں مکمل طور پر کسی قسم کی بھی کوئی چیز ڈالنا مکروہ ہے، مثلًا کوئی کپڑا یا پیڈ وغیرہ؛ لہذا اگر خون معمول کے مطابق آتا ہو، یعنی ہر وقت کثیر مقدار میں نہ آتا ہو کہ پیڈ یا کپڑا باندھنے کے باوجود ٹپکتا ہو، تو خون کو قابو کرنے کے لیے مینسٹرویل کپ کا لگانا مکروہ ہے؛ کیوں کہ یہ مکمل طور پر فرج داخل میں ڈالا جاتا ہے۔
‘নারীদের জন্য মাসিকের দিনগুলিতে তীব্র অপারগতা ছাড়া রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য গোপনাঙ্গের সম্পূর্ণ ভিতরে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মাকরুহ। যেমন কোনো কাপড় বা প্যাড ইত্যাদি প্রবেশ করানো। অতএব, কারো যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে আসে, অর্থাৎ সারাক্ষণ প্রচুর পরিমাণে না আসে এবং প্যাড বা কাপড় বেঁধে রাখা সত্ত্বেও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে, তাহলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ লাগানো মাকরূহ; কারণ এটি সম্পূর্ণ গোপনাঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।’ (জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )
তবে কোনো বিবাহিত নারীর যদি তীব্রভাবে রক্তপাত হতে থাকে যা সাধারণ কাপড় বা প্যাড বেধে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে তার জন্য রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আধুনিক মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।
(আল বাহরুর রায়েক ১/২০৩, ফাতাওয়া শামী ১/২৮৯, আল মুহিতুল বুরহানী ১/৪০০-৪০১, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২০, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )
বিস্তারিত..
https://www.facebook.com/share/p/1BCZRsTBq2/
ويكره وضعه) وضع جميعه (فى الفرج الداخل)لأنه يشبه النكاح بيدها محيط-(
‘সমস্ত কুরসুফ লজ্জাস্থানের ভিতরে প্রবেশ করানো মাকরুহ। কেননা তা হস্তমৈথুনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।’ (মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন ১/৮৪-৮৫ পৃ.)
আল রাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ আছে—
ثُمَّ وَضْعُ الْكُرْسُفِ مُسْتَحَبٌّ لِلْبِكْرِ فِي الْحَيْضِ وَلِلثَّيِّبِ فِي كُلِّ حَالٍ وَمَوْضِعُهُ مَوْضِعُ الْبَكَارَةِ وَيُكْرَهُ فِي الْفَرْجِ الدَّاخِلِ. اهـ.
‘অবিবাহিত নারীদের জন্য মাসিকের সময় কুরসুফ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায়ই এর ব্যবহার মুস্তাহাব। কুরসুফ বা ন্যাপকিন রাখার স্থান হল, মাসিকের রাস্তার প্রবেশ মুখ। কিন্তু লজ্জাস্থানের ভিতরে কুরসুফ (কাপ) প্রবেশ করানো মাকরুহ।’ (আল বাহরুর রায়েক-১/২০৩)
পাকিস্তানের বিখ্যাত জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউনের ফতোয়ায় এসেছে—
واضح رہے کی عورتوں کے لیے خون کے ایام میں شدید عذر کے بغیر خون قابو کرنے کے لیے فرجِ داخل (عورت کی اندر والی شرم گاہ) میں مکمل طور پر کسی قسم کی بھی کوئی چیز ڈالنا مکروہ ہے، مثلًا کوئی کپڑا یا پیڈ وغیرہ؛ لہذا اگر خون معمول کے مطابق آتا ہو، یعنی ہر وقت کثیر مقدار میں نہ آتا ہو کہ پیڈ یا کپڑا باندھنے کے باوجود ٹپکتا ہو، تو خون کو قابو کرنے کے لیے مینسٹرویل کپ کا لگانا مکروہ ہے؛ کیوں کہ یہ مکمل طور پر فرج داخل میں ڈالا جاتا ہے۔
‘নারীদের জন্য মাসিকের দিনগুলিতে তীব্র অপারগতা ছাড়া রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য গোপনাঙ্গের সম্পূর্ণ ভিতরে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মাকরুহ। যেমন কোনো কাপড় বা প্যাড ইত্যাদি প্রবেশ করানো। অতএব, কারো যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে আসে, অর্থাৎ সারাক্ষণ প্রচুর পরিমাণে না আসে এবং প্যাড বা কাপড় বেঁধে রাখা সত্ত্বেও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে, তাহলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ লাগানো মাকরূহ; কারণ এটি সম্পূর্ণ গোপনাঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।’ (জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )
তবে কোনো বিবাহিত নারীর যদি তীব্রভাবে রক্তপাত হতে থাকে যা সাধারণ কাপড় বা প্যাড বেধে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে তার জন্য রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আধুনিক মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।
(আল বাহরুর রায়েক ১/২০৩, ফাতাওয়া শামী ১/২৮৯, আল মুহিতুল বুরহানী ১/৪০০-৪০১, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২০, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )
বিস্তারিত..
https://www.facebook.com/share/p/1BCZRsTBq2/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤1
(কয়দিন আগেই এ লেখাটা ড্রাফট করেছিলাম।।আজকে ঠিক একই প্রশ্ন আমার স্টুডেন্ট আমাকে করল!!)
ছাত্র: আমার তাকদীরে যদি সবকিছু আগে থেকেই লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করব কেন?
শিক্ষক: তুমি কি জানো তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে?
ছাত্র: না, জানিনা। কিন্তু আমার তাকদীরে যদি ফেল লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করলেও ফেল করব না করলেও করব। তাহলে পড়ালেখা করার দরকার কি?
শিক্ষক: তোমার তাকদীরে যদি আল্লাহ এভাবে লিখে রাখেন, শাহেদ পড়াশুনা করেছে তাই আমার বিধান অনুযায়ী তাকে পাশ করিয়েছি, কিন্তু সে যদি পড়াশুনা না করত তবে আমার বিধান অনুযায়ীই সে ফেল করত... তুমি তো জানোনা তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে... তাহলে ফেল হওয়ার জন্য তাকদীরকে কিভাবে তুমি দোষারোপ করবে?
ছাত্র: (কিছুটা কনফিউজড হয়ে), কিন্তু অনেকেই তো আছে, ভালভাবে পড়াশুনা করে, কিন্তু এরপরও ফেল করে। তাহলে তারা কেন ফেল করে?
শিক্ষক: তার তাকদীরে হয়ত আল্লাহ লিখেছেন যে, ওমুক পড়াশুনা করবে, কিন্তু তাকে আমি ফেল করাব তাকে পরীক্ষা করার জন্য। সে এতে ধৈর্য ধারণ করবে এবং আমি তাকে আমার ওয়াদা অনুযায়ী পুরস্কৃত করব। সে যদি ধৈর্য ধারণ না করত, তবে আমি আমারই বিধান অনুযায়ী হতাশাগ্রস্ত ও অপমাণিত করতাম।
কেউই জানেনা তার তাকদীরে কি লেখা আছে, তাহলে সে সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য কেন প্রচেষ্টা চালাবেনা?
(ছাত্রকে কনফিউজড অবস্থায় রেখে, চিন্তা করার সুযোগ দিয়ে শিক্ষক চলে গেলেন)
ছাত্র: আমার তাকদীরে যদি সবকিছু আগে থেকেই লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করব কেন?
শিক্ষক: তুমি কি জানো তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে?
ছাত্র: না, জানিনা। কিন্তু আমার তাকদীরে যদি ফেল লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করলেও ফেল করব না করলেও করব। তাহলে পড়ালেখা করার দরকার কি?
শিক্ষক: তোমার তাকদীরে যদি আল্লাহ এভাবে লিখে রাখেন, শাহেদ পড়াশুনা করেছে তাই আমার বিধান অনুযায়ী তাকে পাশ করিয়েছি, কিন্তু সে যদি পড়াশুনা না করত তবে আমার বিধান অনুযায়ীই সে ফেল করত... তুমি তো জানোনা তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে... তাহলে ফেল হওয়ার জন্য তাকদীরকে কিভাবে তুমি দোষারোপ করবে?
ছাত্র: (কিছুটা কনফিউজড হয়ে), কিন্তু অনেকেই তো আছে, ভালভাবে পড়াশুনা করে, কিন্তু এরপরও ফেল করে। তাহলে তারা কেন ফেল করে?
শিক্ষক: তার তাকদীরে হয়ত আল্লাহ লিখেছেন যে, ওমুক পড়াশুনা করবে, কিন্তু তাকে আমি ফেল করাব তাকে পরীক্ষা করার জন্য। সে এতে ধৈর্য ধারণ করবে এবং আমি তাকে আমার ওয়াদা অনুযায়ী পুরস্কৃত করব। সে যদি ধৈর্য ধারণ না করত, তবে আমি আমারই বিধান অনুযায়ী হতাশাগ্রস্ত ও অপমাণিত করতাম।
কেউই জানেনা তার তাকদীরে কি লেখা আছে, তাহলে সে সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য কেন প্রচেষ্টা চালাবেনা?
(ছাত্রকে কনফিউজড অবস্থায় রেখে, চিন্তা করার সুযোগ দিয়ে শিক্ষক চলে গেলেন)
সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ার আর স্বপ্নের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো? Life Reboot করার এখনই সেরা সময়। আগামী ৬ মাস শুধু নিজের জন্য স্বার্থপর হোন। রেজাল্ট দেখে আপনি নিজেই চমকে যাবেন।
জীবনটা আপনার, তাই এটার দায়িত্বও ১০০% আপনার। সময় পাই না বা পরিস্থিতি ভালো না এসব অজুহাত দিয়ে নিজেকে আর কতদিন সান্ত্বনা দেবেন?
চলুন, আগামী ৬ মাসের জন্য একটা Secret Mission এ নামি। পোশাকি নাম দিতে পারেন Project Life Reboot.
এই ৬ মাস আপনি বেঁচে থাকবেন, কাজ করবেন, কিন্তু দুনিয়ার সব নয়েজ থেকে নিজেকে একটু আড়াল করে রাখবেন। কীভাবে? খুব সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু রুলস মেনে চলুন:
- Available হওয়া বন্ধ করুন
বন্ধুদের ডাকে সারা না দিলে তারা ভাব নিচ্ছিস বলবে, আত্মীয়রা অসামাজিক বলবে। বলতে দিন। মনে রাখবেন, আপনার ফিউচার তৈরির সময় তারা কেউ পাশে থাকবে না।
ভ্যালু লেস আড্ডা আর পলিটিক্যাল তর্কের চেয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট অনেক বেশি জরুরি। শিখুন কীভাবে না বলতে হয়। এই একটা শব্দ আপনার প্রচুর সময় বাঁচিয়ে দেবে।
- Focus on One Big Thing
একসাথে ১০টা কাজ করতে যাবেন না। আগামী ৬ মাসে আপনি ঠিক কী অর্জন করতে চান?
- ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করা?
- শরীরের ওজন ১০ কেজি কমানো?
- নাকি নতুন কোনো বিজনেস দাঁড় করানো?
যেকোনো একটা বা দুটো গোল ফিক্স করুন এবং পাখির চোখের মতো সেদিকে ফোকাস রাখুন। প্রতিদিন নিজেকে প্রশ্ন করুন, আজ আমি যা করলাম, তা কি আমাকে আমার স্বপ্নের কাছে নিয়ে গেল?
- Digital Detox
আমরা এখন তথ্যের ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছি। ঘুম থেকে উঠে অন্যের স্টোরি বা রিলস দেখে ব্রেইনের এনার্জি নষ্ট করবেন না।
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন, তবে কনজিউমার হিসেবে না, ক্রিয়েটর হিসেবে। অপ্রয়োজনীয় পেজ আনফলো করুন, নোটিফিকেশন অফ রাখুন। দিনে ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রল করবেন না এটাকে রুল বানিয়ে ফেলুন।
- Upgrade Your Software (Skills)
২০২৬ সালে এসে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে খুব বেশি দূর যাওয়া যাবে না। নিজেকে Asset এ পরিণত করতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নতুন কিছু শিখুন। সেটা হতে পারে AI Tools ব্যবহার শেখা, কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, বা ফিন্যান্সিয়াল নলেজ নেওয়া। মনে রাখবেন, Market এ আপনার ভ্যালু ততটুকু, যতটুকু প্রবলেম আপনি সলভ করতে পারেন।
- Mental & Physical Maintenance
গাড়ি যেমন সার্ভিসিং ছাড়া চলে না, শরীরও তাই। সিক্স প্যাক বানাতে হবে না, কিন্তু সুস্থ থাকতে হবে।
- রোজ ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম।
- দিনে অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি।
- আর মানসিক শান্তির জন্য ১০ মিনিট সাইলেন্স বা মেডিটেশন।
ব্রেইন ফগ দূর করার জন্য এর চেয়ে ভালো ওষুধ নেই।
- Cut Off Toxic Ties
যাদের সাথে মিশলে আপনার কনফিডেন্স কমে যায়, যারা সবসময় নেগেটিভ কথা বলে এই ৬ মাসের জন্য তাদের ব্লক লিস্টে বা মিউট লিস্টে রাখুন। আপনার সার্কেল ছোট হোক, কিন্তু কোয়ালিটিফুল হোক।
আগামী ৬ মাস পর আপনি যখন আয়নার সামনে দাঁড়াবেন, তখন যেন মনে হয় না, আমি সময় নষ্ট করিনি, আমি নিজেকে ইনভেস্ট করেছি।
সবাই নতুন বছরে অনেক কিছু শুরু করে, কিন্তু শেষ করে অল্প কয়েকজন। আপনি সেই ফিনিশারদের দলে থাকতে চান তো?
আজ থেকেই শুরু হোক আপনার Ghost Mode।
পোষ্টটি ভালো লাগলে সেইভ + শেয়ার করে রাখতে পারেন🙂
#LifeReboot #GrowthMindset #Focus #SelfCare #CareerGoals #Motivation #BetterMe
জীবনটা আপনার, তাই এটার দায়িত্বও ১০০% আপনার। সময় পাই না বা পরিস্থিতি ভালো না এসব অজুহাত দিয়ে নিজেকে আর কতদিন সান্ত্বনা দেবেন?
চলুন, আগামী ৬ মাসের জন্য একটা Secret Mission এ নামি। পোশাকি নাম দিতে পারেন Project Life Reboot.
এই ৬ মাস আপনি বেঁচে থাকবেন, কাজ করবেন, কিন্তু দুনিয়ার সব নয়েজ থেকে নিজেকে একটু আড়াল করে রাখবেন। কীভাবে? খুব সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু রুলস মেনে চলুন:
- Available হওয়া বন্ধ করুন
বন্ধুদের ডাকে সারা না দিলে তারা ভাব নিচ্ছিস বলবে, আত্মীয়রা অসামাজিক বলবে। বলতে দিন। মনে রাখবেন, আপনার ফিউচার তৈরির সময় তারা কেউ পাশে থাকবে না।
ভ্যালু লেস আড্ডা আর পলিটিক্যাল তর্কের চেয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট অনেক বেশি জরুরি। শিখুন কীভাবে না বলতে হয়। এই একটা শব্দ আপনার প্রচুর সময় বাঁচিয়ে দেবে।
- Focus on One Big Thing
একসাথে ১০টা কাজ করতে যাবেন না। আগামী ৬ মাসে আপনি ঠিক কী অর্জন করতে চান?
- ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করা?
- শরীরের ওজন ১০ কেজি কমানো?
- নাকি নতুন কোনো বিজনেস দাঁড় করানো?
যেকোনো একটা বা দুটো গোল ফিক্স করুন এবং পাখির চোখের মতো সেদিকে ফোকাস রাখুন। প্রতিদিন নিজেকে প্রশ্ন করুন, আজ আমি যা করলাম, তা কি আমাকে আমার স্বপ্নের কাছে নিয়ে গেল?
- Digital Detox
আমরা এখন তথ্যের ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছি। ঘুম থেকে উঠে অন্যের স্টোরি বা রিলস দেখে ব্রেইনের এনার্জি নষ্ট করবেন না।
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন, তবে কনজিউমার হিসেবে না, ক্রিয়েটর হিসেবে। অপ্রয়োজনীয় পেজ আনফলো করুন, নোটিফিকেশন অফ রাখুন। দিনে ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রল করবেন না এটাকে রুল বানিয়ে ফেলুন।
- Upgrade Your Software (Skills)
২০২৬ সালে এসে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে খুব বেশি দূর যাওয়া যাবে না। নিজেকে Asset এ পরিণত করতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নতুন কিছু শিখুন। সেটা হতে পারে AI Tools ব্যবহার শেখা, কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, বা ফিন্যান্সিয়াল নলেজ নেওয়া। মনে রাখবেন, Market এ আপনার ভ্যালু ততটুকু, যতটুকু প্রবলেম আপনি সলভ করতে পারেন।
- Mental & Physical Maintenance
গাড়ি যেমন সার্ভিসিং ছাড়া চলে না, শরীরও তাই। সিক্স প্যাক বানাতে হবে না, কিন্তু সুস্থ থাকতে হবে।
- রোজ ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম।
- দিনে অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি।
- আর মানসিক শান্তির জন্য ১০ মিনিট সাইলেন্স বা মেডিটেশন।
ব্রেইন ফগ দূর করার জন্য এর চেয়ে ভালো ওষুধ নেই।
- Cut Off Toxic Ties
যাদের সাথে মিশলে আপনার কনফিডেন্স কমে যায়, যারা সবসময় নেগেটিভ কথা বলে এই ৬ মাসের জন্য তাদের ব্লক লিস্টে বা মিউট লিস্টে রাখুন। আপনার সার্কেল ছোট হোক, কিন্তু কোয়ালিটিফুল হোক।
আগামী ৬ মাস পর আপনি যখন আয়নার সামনে দাঁড়াবেন, তখন যেন মনে হয় না, আমি সময় নষ্ট করিনি, আমি নিজেকে ইনভেস্ট করেছি।
সবাই নতুন বছরে অনেক কিছু শুরু করে, কিন্তু শেষ করে অল্প কয়েকজন। আপনি সেই ফিনিশারদের দলে থাকতে চান তো?
আজ থেকেই শুরু হোক আপনার Ghost Mode।
পোষ্টটি ভালো লাগলে সেইভ + শেয়ার করে রাখতে পারেন🙂
#LifeReboot #GrowthMindset #Focus #SelfCare #CareerGoals #Motivation #BetterMe
❤1
ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসা এখন কম খরচে ঢাকাতেই!
যাঁরা ব্লাড ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার মতো জটিল রোগে ভুগছেন, তাদের জন্য আশার খবর — ঢাকার কিছু হাসপাতাল এখন বিশ্বমানের চিকিৎসা দিচ্ছে তুলনামূলকভাবে অনেক কম খরচে।
এই হাসপাতালে আপনি কখনো ভিজিট করে থাকলে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন।
উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট এবং কেমোথেরাপির সুব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা পাচ্ছেন নির্ভরযোগ্য সেবা।
কম খরচে ক্যানসারের চিকিৎসা পাওয়া যায় ঢাকার যেসব হাসপাতালে:
1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল – সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা, স্বল্প খরচে কেমোথেরাপি ও ব্লাড ট্রান্সফিউশন।
2. বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) – দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি পোস্টগ্র্যাজুয়েট হাসপাতাল, যেখানে ব্লাড ক্যানসারের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হয়।
3. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল (NICRH), মহাখালী – সরকার পরিচালিত বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল, কম খরচে চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত।
4. লাইফ কেয়ার ক্যানসার হসপিটাল, উত্তরা – বেসরকারি হলেও তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।
5. ডেল্টা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল – এখানে ক্যানসার চিকিৎসা ইউনিটে বিভিন্ন ধরনের কেমো ও থেরাপি সেবা দেয়া হয়।
পরামর্শ:
চিকিৎসা শুরুর আগে হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটে সরাসরি যোগাযোগ করে খরচ ও সুবিধা জেনে নেওয়াই উত্তম।
পিজি হাসপাতালের তথ্য BMU #ক্যান্সার
যাঁরা ব্লাড ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার মতো জটিল রোগে ভুগছেন, তাদের জন্য আশার খবর — ঢাকার কিছু হাসপাতাল এখন বিশ্বমানের চিকিৎসা দিচ্ছে তুলনামূলকভাবে অনেক কম খরচে।
এই হাসপাতালে আপনি কখনো ভিজিট করে থাকলে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন।
উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট এবং কেমোথেরাপির সুব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা পাচ্ছেন নির্ভরযোগ্য সেবা।
কম খরচে ক্যানসারের চিকিৎসা পাওয়া যায় ঢাকার যেসব হাসপাতালে:
1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল – সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা, স্বল্প খরচে কেমোথেরাপি ও ব্লাড ট্রান্সফিউশন।
2. বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) – দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি পোস্টগ্র্যাজুয়েট হাসপাতাল, যেখানে ব্লাড ক্যানসারের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হয়।
3. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল (NICRH), মহাখালী – সরকার পরিচালিত বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল, কম খরচে চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত।
4. লাইফ কেয়ার ক্যানসার হসপিটাল, উত্তরা – বেসরকারি হলেও তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।
5. ডেল্টা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল – এখানে ক্যানসার চিকিৎসা ইউনিটে বিভিন্ন ধরনের কেমো ও থেরাপি সেবা দেয়া হয়।
পরামর্শ:
চিকিৎসা শুরুর আগে হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটে সরাসরি যোগাযোগ করে খরচ ও সুবিধা জেনে নেওয়াই উত্তম।
পিজি হাসপাতালের তথ্য BMU #ক্যান্সার
Alex Hormozi তার ৮ ঘণ্টার এই ভিডিওতে তার শূন্য থেকে শত কোটি টাকার মালিক হওয়া-সহ জীবনের সব সফলতার সূত্রগুলো শেয়ার করেছেন! নিচে ১০টা সূত্র একসাথে করেছি আপনাদের জন্যে 👇
Save করে রাখুন!
১. অজুহাত দেওয়া বন্ধ করুন, দায়িত্ব নিন (Take Total Responsibility) !
জন্মগতভাবে আপনি গরিব, দেশের রাজনীতি খারাপ, বা আপনার কপাল খারাপ - এসব বলে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়া বন্ধ করুন।
নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দিলে আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারান। মেনে নিন যে, আপনার বর্তমান অবস্থার জন্য আপনিই দায়ী। এই দায়িত্ববোধই আপনাকে পরিস্থিতি বদলানোর শক্তি দেবে।
২. যা আছে তাই দিয়ে শুরু করুন (Use What You Have) !
"আমার তো টাকা নেই, রিসোর্স নেই"- এটা ভুল ধারণা। আপনার হাতে সময় আছে, শক্তি (Energy) আছে। এগুলো ব্যবহার করুন। পারফেক্ট সময়ের জন্য বসে না থেকে, হাতের কাছের রিসোর্স দিয়েই কাজ শুরু করুন।
৩. ইনপুটে অধৈর্য হোন, আউটপুটে ধৈর্য ধরুন !
আমরা ফলের আশায় খুব দ্রুত অধৈর্য হয়ে যাই। নিয়ম হলো উল্টোটা। কাজের বেলায় (Input) পাগলের মতো পরিশ্রম করুন, কিন্তু ফলাফলের (Output) বেলায় ধৈর্য ধরুন। আজ কাজ করে কালই ফলাফলের আশা করবেন না।
৪. রাগ বা অপমানকে শক্তিতে রূপান্তর করুন !
অতীতের অপমান, রাগ বা ট্রমা- এগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার না করে "জ্বালানি" হিসেবে ব্যবহার করুন। "আমাকে দেখিয়ে দিতে হবে"- এই জেদটা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে।
৫. সাময়িক সুখ বিসর্জন দিন (Delayed Gratification)!
বন্ধুদের সাথে ফাও আড্ডা, দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা মুভি দেখে অনেক অনেক সময় কাটিয়ে দেয় - এসব এখন বন্ধ করুন। এই টাকা ও সময়টা বাঁচিয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা ব্যবসায় ইনভেস্ট করুন। এখন স্যাক্রিফাইস করলে ভবিষ্যতে বড় সুফল পাবেন।
৬. টাকা ও খরচের ব্যাপারে কঠোর হোন !
যদি পকেটে টাকা না থাকে, তবে এখনই "Austerity Mode" বা কৃচ্ছ্রসাধন চালু করুন।
বাইরে খাওয়া বন্ধ।
নতুন জামাকাপড় কেনা বন্ধ (প্রয়োজনে পুরান ব্যবহার করুন)।
খরচ কমিয়ে সেই টাকা দিয়ে বই কিনুন, কোর্স করুন বা ছোটখাটো ব্যবসায় লাগান। মনে রাখবেন, টাকাই আপনাকে নতুন রিস্ক নেওয়ার সুযোগ (Optionality) দেবে।
৭. যেকোনো একটি 'High-Value' স্কিল শিখুন !
সবচেয়ে ভালো হয় যদি 'Sales' শিখতে পারেন। প্রথমে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে শিখুন, পরে নিজেরটা বেচবেন। যত বেশি মানুষের সাথে কথা বলবেন, তত দ্রুত শিখবেন।
৮. ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়, এটা 'Experience Point'!
ভিডিও গেমের মতো ভাবুন। প্রতিটা ব্যর্থতা বা রিজেকশন আপনাকে কিছু 'XP' বা অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। প্রথম ধাপে বারবার হারবেন, কিন্তু লেভেল আপ করার জন্য এই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগবে।
৯. বাজে সঙ্গ ত্যাগ করুন !
শুনতে খারাপ লাগলেও সত্য, আপনার সফল হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বন্ধুদের ত্যাগ করতে হবে। যারা আপনাকে সবসময় নিচে টানে বা নেগেটিভ কথা বলে, তাদের সাথে মেলামেশা কমিয়ে দিন। এমন মানুষের সাথে মিশুন যারা আপনার জেতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
১০. নিজেকে 'খুঁজবেন' না, নিজেকে 'গড়ুন'!
২০-৩০ বা ৪০ বছর কিংবা যে কোন বছর বয়সে "আমি আসলে কে?" বা "আমার প্যাশন কী?" এসব ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। হার্ড ওয়ার্ককে স্বাভাবিক মনে করুন। নিজেকে SKILLED করে গড়ে তুলুন। কাজই আপনার সম্মানের কারেন্সি (Currency of Respect)।
জীবনে জাদুর কোনো কাঠি নেই। সফলতা হলো- দিনের পর দিন বিরক্তিকর কাজগুলো নিয়মিত করে যাওয়া এবং নিজের ভুল থেকে শেখা। আজ আপনি যে ছোট ছোট ত্যাগ স্বীকার করবেন, কয়েক বছর পর সেটাই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেবে।
শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন।
কিন্তু শুরুটা আজই করতে হবে।
শুভকামনা!
#CareerAdvice #SuccessMindset #Entrepreneurship #PersonalGrowth #HardTruths
Save করে রাখুন!
১. অজুহাত দেওয়া বন্ধ করুন, দায়িত্ব নিন (Take Total Responsibility) !
জন্মগতভাবে আপনি গরিব, দেশের রাজনীতি খারাপ, বা আপনার কপাল খারাপ - এসব বলে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়া বন্ধ করুন।
নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দিলে আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারান। মেনে নিন যে, আপনার বর্তমান অবস্থার জন্য আপনিই দায়ী। এই দায়িত্ববোধই আপনাকে পরিস্থিতি বদলানোর শক্তি দেবে।
২. যা আছে তাই দিয়ে শুরু করুন (Use What You Have) !
"আমার তো টাকা নেই, রিসোর্স নেই"- এটা ভুল ধারণা। আপনার হাতে সময় আছে, শক্তি (Energy) আছে। এগুলো ব্যবহার করুন। পারফেক্ট সময়ের জন্য বসে না থেকে, হাতের কাছের রিসোর্স দিয়েই কাজ শুরু করুন।
৩. ইনপুটে অধৈর্য হোন, আউটপুটে ধৈর্য ধরুন !
আমরা ফলের আশায় খুব দ্রুত অধৈর্য হয়ে যাই। নিয়ম হলো উল্টোটা। কাজের বেলায় (Input) পাগলের মতো পরিশ্রম করুন, কিন্তু ফলাফলের (Output) বেলায় ধৈর্য ধরুন। আজ কাজ করে কালই ফলাফলের আশা করবেন না।
৪. রাগ বা অপমানকে শক্তিতে রূপান্তর করুন !
অতীতের অপমান, রাগ বা ট্রমা- এগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার না করে "জ্বালানি" হিসেবে ব্যবহার করুন। "আমাকে দেখিয়ে দিতে হবে"- এই জেদটা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে।
৫. সাময়িক সুখ বিসর্জন দিন (Delayed Gratification)!
বন্ধুদের সাথে ফাও আড্ডা, দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা মুভি দেখে অনেক অনেক সময় কাটিয়ে দেয় - এসব এখন বন্ধ করুন। এই টাকা ও সময়টা বাঁচিয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা ব্যবসায় ইনভেস্ট করুন। এখন স্যাক্রিফাইস করলে ভবিষ্যতে বড় সুফল পাবেন।
৬. টাকা ও খরচের ব্যাপারে কঠোর হোন !
যদি পকেটে টাকা না থাকে, তবে এখনই "Austerity Mode" বা কৃচ্ছ্রসাধন চালু করুন।
বাইরে খাওয়া বন্ধ।
নতুন জামাকাপড় কেনা বন্ধ (প্রয়োজনে পুরান ব্যবহার করুন)।
খরচ কমিয়ে সেই টাকা দিয়ে বই কিনুন, কোর্স করুন বা ছোটখাটো ব্যবসায় লাগান। মনে রাখবেন, টাকাই আপনাকে নতুন রিস্ক নেওয়ার সুযোগ (Optionality) দেবে।
৭. যেকোনো একটি 'High-Value' স্কিল শিখুন !
সবচেয়ে ভালো হয় যদি 'Sales' শিখতে পারেন। প্রথমে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে শিখুন, পরে নিজেরটা বেচবেন। যত বেশি মানুষের সাথে কথা বলবেন, তত দ্রুত শিখবেন।
৮. ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়, এটা 'Experience Point'!
ভিডিও গেমের মতো ভাবুন। প্রতিটা ব্যর্থতা বা রিজেকশন আপনাকে কিছু 'XP' বা অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। প্রথম ধাপে বারবার হারবেন, কিন্তু লেভেল আপ করার জন্য এই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগবে।
৯. বাজে সঙ্গ ত্যাগ করুন !
শুনতে খারাপ লাগলেও সত্য, আপনার সফল হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বন্ধুদের ত্যাগ করতে হবে। যারা আপনাকে সবসময় নিচে টানে বা নেগেটিভ কথা বলে, তাদের সাথে মেলামেশা কমিয়ে দিন। এমন মানুষের সাথে মিশুন যারা আপনার জেতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
১০. নিজেকে 'খুঁজবেন' না, নিজেকে 'গড়ুন'!
২০-৩০ বা ৪০ বছর কিংবা যে কোন বছর বয়সে "আমি আসলে কে?" বা "আমার প্যাশন কী?" এসব ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। হার্ড ওয়ার্ককে স্বাভাবিক মনে করুন। নিজেকে SKILLED করে গড়ে তুলুন। কাজই আপনার সম্মানের কারেন্সি (Currency of Respect)।
জীবনে জাদুর কোনো কাঠি নেই। সফলতা হলো- দিনের পর দিন বিরক্তিকর কাজগুলো নিয়মিত করে যাওয়া এবং নিজের ভুল থেকে শেখা। আজ আপনি যে ছোট ছোট ত্যাগ স্বীকার করবেন, কয়েক বছর পর সেটাই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেবে।
শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন।
কিন্তু শুরুটা আজই করতে হবে।
শুভকামনা!
#CareerAdvice #SuccessMindset #Entrepreneurship #PersonalGrowth #HardTruths
❤1
বিয়ের জন্য যেভাবে ইস্তিখারা করবেন!
বিয়ে যেহেতু একটা আবেগের সাথে সম্পর্কিত তাই এই ব্যাপারে ইস্তিখারা করার বিষয় টা বুঝতে হবে।
1️⃣ কোনো প্রস্তাব আসলে, বিয়ের কথা বার্তা শুরু হওয়ার পর থেকে আপনি প্রচুর দু'য়া করতে পারেন ইন শা আল্লাহ। দু'য়া কবুলের সময় গুলোতে দু'য়া করবেন। ইস্তিখারার যেই বাংলা দু'য়ার অনুবাদ সেটাই নিজের ভাষায় করবেন। তাহাজ্জুদ, ইস্তেগফার, দুরুদ, সদকাহ করবেন। অপর অবিবাহিত বোনদের বিয়ের জন্য দু'য়া করবেন। ইত্যাদি। আল্লাহর সাথে প্রাণ খুলে দু'য়া করবেন কথা বলবেন। ইন শা আল্লাহ। এইগুলা নফল আমল
2️⃣ সাথে প্রথমে নিজের জ্ঞান-বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা বিয়ের প্রক্রিয়া টা আগাবেন পারিবারিক ভাবে। মাশাওয়ারা করে নিবেন গুরুজন দের সাথে। যাচাই-বাছাই করে নিবেন। আশানুরূপ ভাবে দুই পক্ষের সঙ্গে মোটামুটি মিলে গেলে যদি এমন ধারণা হয়, ওমুকের সাথে বিয়ে হলে মন্দ হয় না মোটামুটি অনেকটা ম্যাচ, তবেই ইস্তিখারা করবেন।
( ইস্তিখারা টা হচ্ছে এমন যে, আমার নিজের বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা ওমুক প্রস্তাব টা মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। এখন আমি আল্লাহর থেকে চূড়ান্ত কল্যাণকর সাহায্য টা চেয়ে নিবো। বুঝে নিবো। এটাই।) ইস্তিখারা এমন কোনো অলৌকিক বিষয় না যে, বাস্তবিক ভাবে চিন্তা না করে ওমুক সম্পর্কে ভালো মতো কিছু না জেনে শুরুতেই ইস্তিখারা করে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিলাম। এইভাবে ইস্তিখারার প্রকৃত ফলাফল না বুঝে সেটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে।
3️⃣ আরেকটা টিপস। নিজে ইস্তিখারা করবেন। সাথে সম্ভব হলে পরিবারের সদস্যদের ও করতে বলবেন। যেমন ধরেন আপনার মা ও একই সাথে ইস্তিখারা করলো এই নিয়তে যে 'ওমুক পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করা কিংবা ওমুক ছেলে আমার মেয়ের জন্য ঠিক হবে কি না' এই নিয়তে করতে বলতে পারেন।
🟣 এবার নিয়ম টা বলি!
1️⃣ উত্তম রূপে অজু করে তারপর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবেন ইস্তিখারার নিয়তে।
ফজর এবং আসরের ওয়াক্তে কোনো নফল সালাত আদায় করা যায় না। তাই বাকি তিন ওয়াক্তে ইস্তিখারার সালাত আদায় করবেন। আর এমন সময় বাছাই করে নিবেন সুবিধা মতো যেনো পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে সালাত টা আদায় করতে পারেন। আস্তে-ধীরে। { সবচেয়ে বেশি উত্তম হয় যদি তাহাজ্জুদের সময় সালাত টা পড়েন। কারণ তখন আল্লাহ তা'য়ালা প্রথম আসমানে নেমে আসেন }
2️⃣ সালাত শেষে, দু'য়া করবেন। দু'য়া কিছু আদব মেনে দু'য়া করা উত্তম।
* আল্লাহ তা'য়ালার প্রশংসা করে নিবেন। ( সুরা ফাতিহা এর প্রথম ৩ আয়াত পাঠ করতে পারেন।)
* রাসুল ﷺ–এর উপর দরুদ পাঠ করে নিবেন। ( দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করতে পারেন)
* ইস্তেগফার পরে নিবেন কয়েকবার। ( তারপর নিজ ভাষায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন)
তারপর ইস্তিখারার দু'য়া টা পড়বেন আরবি তে ( দেখে পড়বেন, মুখস্থ না থাকলে)। দু'য়ার মাঝে প্রয়োজনীয় বিষয় টা মনে মনে উল্লেখ করবেন।
আরবি তে ~ হাযাল আম র
বাংলায় ~ এই কাজ টি
এই শব্দ ২টা বলার পর বলতে পারেন (🌸 অর্থ্যাৎ ওমুক ব্যক্তি ___ এর সাথে আমার বিয়ে 🌸) এই বাক্য টা উচ্চারণ করতে পারেন তার নাম উচ্চারণ করে। তারপর আরবি দু'য়া টা শেষ করবেন।পরে এই দু'য়ার বাংলা অর্থ টাও মন দিয়ে পড়ে নিবেন। বাংলা অনুবাদেও এই বাক্য উচ্চারণ করবেন।
তারপর শেষে দুরুদে ইব্রাহিম পুনরায় পড়ে শেষ করতে পারেন।
নিজের মনের ভাষায় ও পরবর্তীতে চাওয়ার কিছু থাকলে বলতে পারেন। অনান্য আমল ও করতে পারেন। ইন শা আল্লাহ। একবার করলেই সিদ্ধান্ত আসে। তবে না বুঝলে পর পর ৩ দিন করবেন। তাহলেই হবে ইন শা আল্লাহ।
🟣 পরবর্তী তে স্বপ্নে দেখা এইসব জরুরি না। যদি পুরো প্রস্তাব টা স্মুথলি আগায় তবে পজেটিভ ধরে নিবেন। এবং অতিরিক্ত চিন্তা না করে আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখে আগাতে পারেন।
আর যদি কোনো বাধা এসে পরে, কোনো মন্দ বিষয় উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং না আগায় নেগেটিভ বুঝে নিবেন। এবং সরে আসবেন। কিন্তু মন্দ বিষয় পরবর্তী তে দেখেও নিজের আবেগের বশে জোর করে পজেটিভ ভেবে সিদ্ধান্ত নিলে এটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে।
কবুল বলার আগ পর্যন্ত কেউ আপনার জন্য নির্ধারিত নয়। তাই কোনো প্রকার আবেগ কে প্রশয় দেওয়া যাবে না। আর এইটা এরেঞ্জ ম্যারিজ যারা করছেন এবং বিয়ের কথা চলছে এবং অনেক দূর এগিয়েছে তাদের জন্য প্রযোজ্য।
কিন্তু দীর্ঘদিনের হারাম রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে ইস্তিখারার রেজাল্ট কিভাবে বুঝবেন সেটা বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। কারণ হারাম রিলেশনশিপে অনেকেই বাস্তবিক চিন্তা না করে পুরোয়াই আবেগ দিয়ে চিন্তা করে থাকে। তাই সেইটা সম্পর্কে আমি বলতে পারছি না।
#NeeraRahma
বিয়ে যেহেতু একটা আবেগের সাথে সম্পর্কিত তাই এই ব্যাপারে ইস্তিখারা করার বিষয় টা বুঝতে হবে।
1️⃣ কোনো প্রস্তাব আসলে, বিয়ের কথা বার্তা শুরু হওয়ার পর থেকে আপনি প্রচুর দু'য়া করতে পারেন ইন শা আল্লাহ। দু'য়া কবুলের সময় গুলোতে দু'য়া করবেন। ইস্তিখারার যেই বাংলা দু'য়ার অনুবাদ সেটাই নিজের ভাষায় করবেন। তাহাজ্জুদ, ইস্তেগফার, দুরুদ, সদকাহ করবেন। অপর অবিবাহিত বোনদের বিয়ের জন্য দু'য়া করবেন। ইত্যাদি। আল্লাহর সাথে প্রাণ খুলে দু'য়া করবেন কথা বলবেন। ইন শা আল্লাহ। এইগুলা নফল আমল
2️⃣ সাথে প্রথমে নিজের জ্ঞান-বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা বিয়ের প্রক্রিয়া টা আগাবেন পারিবারিক ভাবে। মাশাওয়ারা করে নিবেন গুরুজন দের সাথে। যাচাই-বাছাই করে নিবেন। আশানুরূপ ভাবে দুই পক্ষের সঙ্গে মোটামুটি মিলে গেলে যদি এমন ধারণা হয়, ওমুকের সাথে বিয়ে হলে মন্দ হয় না মোটামুটি অনেকটা ম্যাচ, তবেই ইস্তিখারা করবেন।
( ইস্তিখারা টা হচ্ছে এমন যে, আমার নিজের বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা ওমুক প্রস্তাব টা মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। এখন আমি আল্লাহর থেকে চূড়ান্ত কল্যাণকর সাহায্য টা চেয়ে নিবো। বুঝে নিবো। এটাই।) ইস্তিখারা এমন কোনো অলৌকিক বিষয় না যে, বাস্তবিক ভাবে চিন্তা না করে ওমুক সম্পর্কে ভালো মতো কিছু না জেনে শুরুতেই ইস্তিখারা করে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিলাম। এইভাবে ইস্তিখারার প্রকৃত ফলাফল না বুঝে সেটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে।
3️⃣ আরেকটা টিপস। নিজে ইস্তিখারা করবেন। সাথে সম্ভব হলে পরিবারের সদস্যদের ও করতে বলবেন। যেমন ধরেন আপনার মা ও একই সাথে ইস্তিখারা করলো এই নিয়তে যে 'ওমুক পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করা কিংবা ওমুক ছেলে আমার মেয়ের জন্য ঠিক হবে কি না' এই নিয়তে করতে বলতে পারেন।
🟣 এবার নিয়ম টা বলি!
1️⃣ উত্তম রূপে অজু করে তারপর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবেন ইস্তিখারার নিয়তে।
ফজর এবং আসরের ওয়াক্তে কোনো নফল সালাত আদায় করা যায় না। তাই বাকি তিন ওয়াক্তে ইস্তিখারার সালাত আদায় করবেন। আর এমন সময় বাছাই করে নিবেন সুবিধা মতো যেনো পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে সালাত টা আদায় করতে পারেন। আস্তে-ধীরে। { সবচেয়ে বেশি উত্তম হয় যদি তাহাজ্জুদের সময় সালাত টা পড়েন। কারণ তখন আল্লাহ তা'য়ালা প্রথম আসমানে নেমে আসেন }
2️⃣ সালাত শেষে, দু'য়া করবেন। দু'য়া কিছু আদব মেনে দু'য়া করা উত্তম।
* আল্লাহ তা'য়ালার প্রশংসা করে নিবেন। ( সুরা ফাতিহা এর প্রথম ৩ আয়াত পাঠ করতে পারেন।)
* রাসুল ﷺ–এর উপর দরুদ পাঠ করে নিবেন। ( দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করতে পারেন)
* ইস্তেগফার পরে নিবেন কয়েকবার। ( তারপর নিজ ভাষায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন)
তারপর ইস্তিখারার দু'য়া টা পড়বেন আরবি তে ( দেখে পড়বেন, মুখস্থ না থাকলে)। দু'য়ার মাঝে প্রয়োজনীয় বিষয় টা মনে মনে উল্লেখ করবেন।
আরবি তে ~ হাযাল আম র
বাংলায় ~ এই কাজ টি
এই শব্দ ২টা বলার পর বলতে পারেন (🌸 অর্থ্যাৎ ওমুক ব্যক্তি ___ এর সাথে আমার বিয়ে 🌸) এই বাক্য টা উচ্চারণ করতে পারেন তার নাম উচ্চারণ করে। তারপর আরবি দু'য়া টা শেষ করবেন।পরে এই দু'য়ার বাংলা অর্থ টাও মন দিয়ে পড়ে নিবেন। বাংলা অনুবাদেও এই বাক্য উচ্চারণ করবেন।
তারপর শেষে দুরুদে ইব্রাহিম পুনরায় পড়ে শেষ করতে পারেন।
নিজের মনের ভাষায় ও পরবর্তীতে চাওয়ার কিছু থাকলে বলতে পারেন। অনান্য আমল ও করতে পারেন। ইন শা আল্লাহ। একবার করলেই সিদ্ধান্ত আসে। তবে না বুঝলে পর পর ৩ দিন করবেন। তাহলেই হবে ইন শা আল্লাহ।
🟣 পরবর্তী তে স্বপ্নে দেখা এইসব জরুরি না। যদি পুরো প্রস্তাব টা স্মুথলি আগায় তবে পজেটিভ ধরে নিবেন। এবং অতিরিক্ত চিন্তা না করে আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখে আগাতে পারেন।
আর যদি কোনো বাধা এসে পরে, কোনো মন্দ বিষয় উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং না আগায় নেগেটিভ বুঝে নিবেন। এবং সরে আসবেন। কিন্তু মন্দ বিষয় পরবর্তী তে দেখেও নিজের আবেগের বশে জোর করে পজেটিভ ভেবে সিদ্ধান্ত নিলে এটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে।
কবুল বলার আগ পর্যন্ত কেউ আপনার জন্য নির্ধারিত নয়। তাই কোনো প্রকার আবেগ কে প্রশয় দেওয়া যাবে না। আর এইটা এরেঞ্জ ম্যারিজ যারা করছেন এবং বিয়ের কথা চলছে এবং অনেক দূর এগিয়েছে তাদের জন্য প্রযোজ্য।
কিন্তু দীর্ঘদিনের হারাম রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে ইস্তিখারার রেজাল্ট কিভাবে বুঝবেন সেটা বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। কারণ হারাম রিলেশনশিপে অনেকেই বাস্তবিক চিন্তা না করে পুরোয়াই আবেগ দিয়ে চিন্তা করে থাকে। তাই সেইটা সম্পর্কে আমি বলতে পারছি না।
#NeeraRahma
মাখুল রহ. বলেন,
"মায়ের গর্ভে থাকা শিশু কখনও কিছু চায়না, সে দু:শ্চিন্তাও করেনা, কষ্টও পায়না। তবুও আল্লাহ তার নাভির (umbilical cord) মাধ্যমে তাকে রিযক সরবরাহ করেন। তার এই পুষ্টি সরবরাহ হয় মায়ের মাসিকের রক্ত হতে, যেকারণে গর্ভবতী মায়েদের মাসিক বন্ধ থাকে। বাচ্চা জন্মের পর কান্না করে, তার নাভিরজ্জু কেটে ফেলা হয়, তার রিযক মায়ের বুকে স্থানান্তরিত হয়। তারপর তার খাবার হয়, যা তার জন্য পরিবেশন করা হয় এবং সে হাত দ্বারা গ্রহণ করে।
তারপর যখন সে যুবক হয়, তার বুদ্ধি পরিপক্ক হয়, সে প্রশ্ন করতে থাকে, আমার রিযক আসবে কোথা থেকে?
নিজের দিকে তাকাও একবার! যখন তুমি মায়ের গর্ভে ছিলে, মায়ের কোলে ছিলে, তোমাকে রিযক সরবরাহ করা হত। আর এখন তুমি যুবক হয়েছ, বুদ্ধিমান হয়েছ, এখন তুমি প্রশ্ন করছ,
আমি চলব কেমনে? আমার রিযক আসবে কোথা থেকে?"
এ কথা বলার পর মাখুল রহ. তিলাওয়াত করলেন,
اَللّٰهُ یَعۡلَمُ مَا تَحۡمِلُ کُلُّ اُنۡثٰی وَ مَا تَغِیۡضُ الۡاَرۡحَامُ وَ مَا تَزۡدَادُ ؕ وَ کُلُّ شَیۡءٍ عِنۡدَهٗ بِمِقۡدَارٍ
আল্লাহ জানেন যা প্রতিটি নারী গর্ভে ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা কমে ও বাড়ে। আর তাঁর নিকট প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে রয়েছে।
(সূরাহ আর রাদ, ১৩:৮)
(উয়ুন আল আখবার, ইবন কুতাইবা)
#beneficial_knowledge
"মায়ের গর্ভে থাকা শিশু কখনও কিছু চায়না, সে দু:শ্চিন্তাও করেনা, কষ্টও পায়না। তবুও আল্লাহ তার নাভির (umbilical cord) মাধ্যমে তাকে রিযক সরবরাহ করেন। তার এই পুষ্টি সরবরাহ হয় মায়ের মাসিকের রক্ত হতে, যেকারণে গর্ভবতী মায়েদের মাসিক বন্ধ থাকে। বাচ্চা জন্মের পর কান্না করে, তার নাভিরজ্জু কেটে ফেলা হয়, তার রিযক মায়ের বুকে স্থানান্তরিত হয়। তারপর তার খাবার হয়, যা তার জন্য পরিবেশন করা হয় এবং সে হাত দ্বারা গ্রহণ করে।
তারপর যখন সে যুবক হয়, তার বুদ্ধি পরিপক্ক হয়, সে প্রশ্ন করতে থাকে, আমার রিযক আসবে কোথা থেকে?
নিজের দিকে তাকাও একবার! যখন তুমি মায়ের গর্ভে ছিলে, মায়ের কোলে ছিলে, তোমাকে রিযক সরবরাহ করা হত। আর এখন তুমি যুবক হয়েছ, বুদ্ধিমান হয়েছ, এখন তুমি প্রশ্ন করছ,
আমি চলব কেমনে? আমার রিযক আসবে কোথা থেকে?"
এ কথা বলার পর মাখুল রহ. তিলাওয়াত করলেন,
اَللّٰهُ یَعۡلَمُ مَا تَحۡمِلُ کُلُّ اُنۡثٰی وَ مَا تَغِیۡضُ الۡاَرۡحَامُ وَ مَا تَزۡدَادُ ؕ وَ کُلُّ شَیۡءٍ عِنۡدَهٗ بِمِقۡدَارٍ
আল্লাহ জানেন যা প্রতিটি নারী গর্ভে ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা কমে ও বাড়ে। আর তাঁর নিকট প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে রয়েছে।
(সূরাহ আর রাদ, ১৩:৮)
(উয়ুন আল আখবার, ইবন কুতাইবা)
#beneficial_knowledge
🔥3❤1
বিয়ের পর একটা বিশেষ চুক্তি করেছিলাম স্ত্রীর সঙ্গে — সে যতগুলো ইসলামিক বই পড়বে, প্রতি বইয়ের জন্য তাকে ৫০০ টাকা হাদিয়া দিবো।
শর্ত একটাই — ঘুমানোর আগে বইয়ের মূল কথা (তালখিস) আমাকে শুনাতে হবে।
শুরুতেই দেখলাম, মাত্র তিন মাসে স্ত্রী প্রায় ১১ হাজার টাকা নিয়ে নিলো। বইগুলো ছিলো সব তাঁর প্রিয়—ইমাম গাজ্জালী, ইবনে কাইয়্যিম, কিংবা সমসাময়িক ইসলামী সাহিত্য।
আমি তো চিন্তায় পড়ে গেলাম!
মাসিক বাজেটের তছনছ দশা!
এভাবে চললে টাকাপয়সা সামলানো কঠিন হয়ে যাবে। চুক্তি বাতিলও করতে পারি না— কারণ "মুমিনের ওয়াদা ওয়াজিব!"
তাই ডিলে কিছু পরিবর্তন আনলাম—একই লেখকের পাঁচটির বেশি বই টানা পড়া যাবে না। তাতেও মানিব্যাগ খুব একটা সুস্থ হলো না।
অবশেষে একদিন বললাম—
তোমার জন্য আজ ধামাকা অফার! একটি বই শেষ করতে পারলে পাবে একসাথে ৫০০০ টাকা! শুধু বইয়ের মূল বক্তব্যটা আমাকে জানাবে।
স্ত্রী সানন্দে রাজি হলো।
আমি হাতে ধরিয়ে দিলাম ইমাম গাজ্জালীর ‘ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন’।
আজ চার মাস ষোলো দিন পার হলো...
স্ত্রী এখনও পড়ছে, আর আমি ভাবছি—জ্ঞানার্জনের এই প্রতিযোগিতা চলুক, এটাই হবে সংসারের সবচেয়ে বরকতময় সম্পদ ইন শা আল্লাহ।
In sa allah one day 🌸🤲
শর্ত একটাই — ঘুমানোর আগে বইয়ের মূল কথা (তালখিস) আমাকে শুনাতে হবে।
শুরুতেই দেখলাম, মাত্র তিন মাসে স্ত্রী প্রায় ১১ হাজার টাকা নিয়ে নিলো। বইগুলো ছিলো সব তাঁর প্রিয়—ইমাম গাজ্জালী, ইবনে কাইয়্যিম, কিংবা সমসাময়িক ইসলামী সাহিত্য।
আমি তো চিন্তায় পড়ে গেলাম!
মাসিক বাজেটের তছনছ দশা!
এভাবে চললে টাকাপয়সা সামলানো কঠিন হয়ে যাবে। চুক্তি বাতিলও করতে পারি না— কারণ "মুমিনের ওয়াদা ওয়াজিব!"
তাই ডিলে কিছু পরিবর্তন আনলাম—একই লেখকের পাঁচটির বেশি বই টানা পড়া যাবে না। তাতেও মানিব্যাগ খুব একটা সুস্থ হলো না।
অবশেষে একদিন বললাম—
তোমার জন্য আজ ধামাকা অফার! একটি বই শেষ করতে পারলে পাবে একসাথে ৫০০০ টাকা! শুধু বইয়ের মূল বক্তব্যটা আমাকে জানাবে।
স্ত্রী সানন্দে রাজি হলো।
আমি হাতে ধরিয়ে দিলাম ইমাম গাজ্জালীর ‘ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন’।
আজ চার মাস ষোলো দিন পার হলো...
স্ত্রী এখনও পড়ছে, আর আমি ভাবছি—জ্ঞানার্জনের এই প্রতিযোগিতা চলুক, এটাই হবে সংসারের সবচেয়ে বরকতময় সম্পদ ইন শা আল্লাহ।
In sa allah one day 🌸🤲
❤4
সাদা স্রাব: প্রত্যেক মেয়ের যা জানা দরকার ।
যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়।
কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
যদি, স্রাবটির–
★ রং পরিবর্তন হয়,
★ ঘনত্ব পরিবর্তিত,
★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় ।
★ ফেনাযুক্ত হয়,
★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়।
এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
.
🔴 সতর্কতা:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়।
কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
যদি, স্রাবটির–
★ রং পরিবর্তন হয়,
★ ঘনত্ব পরিবর্তিত,
★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় ।
★ ফেনাযুক্ত হয়,
★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়।
এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
.
🔴 সতর্কতা:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
অনেক দিন হয়ে গেলো টুথপেস্ট স্পর্শ করিনা। আলহামদুলিল্লাহ। যা বুঝলাম টুথপেস্ট আসলে বাহারি বিজ্ঞাপনের ব্রেইনওয়াশ পণ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। শরীরে টক্সিন ঢুকানো আর স্রেফ কনজিউমার বানানো হলো উদ্দেশ্য। তাহলে বিকল্প কি? কমন প্রশ্ন। বিকল্প কি? আসলে বাহারি বিজ্ঞাপনের চোটে আমরা সরল পথ হারায়ে ফেলছি। এজন্য সহজ বিকল্পও খুজে পেতে সমস্যা হয়। বলে রাখা ভালো টুথপেস্টের বিকল্প দামি টুথপেষ্ট না। ইদানিং জনপ্রিয় ডাক্তার ও ইউটিউবাররা প্রাকৃতিক খাবারের বিকল্প ফুড সাপ্লিমেন্ট টাবলেট আর টুথপেস্টের বিকল্প দামি টুথপেস্টকে সামনে হাজির করে। এগুলো ভুল।
তাহলে বিকল্প?? একের পর বিকল্প ট্রাই করা শুরু করি। ৭৫ গ্রাম টুথপেস্টের দাম ১০০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত যেগুলোতে টক্সিন নেই, প্রাকৃতিক ইত্যাদি বলা হয়। ইউরোপ আমেরিকার তৈরি। সমাধান মনে হয়নি। প্রথমত দাম। দ্বিতীয়ত হয়ত কম কিন্তু ক্ষতিকর কেমিক্যাল অবশ্যই আছে। মেসওয়াক পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক সমাধান। কিন্তু অভ্যস্ত হতে পারিনি। কলকাতার জনপ্রিয় একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বলেন লেবুর খোসা দিয়েই নিয়মিত দাঁতের পূর্ণ যত্ন সম্ভব। এটা মাঝে মাঝে করা যেতে পারে। কিন্তু সবসময় বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। হলুদ, লবণ, বেকিং সোডা, লবঙ্গ, সরিষার তেল, নারিকেল তেল, লেবুর রস ইত্যাদি দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা মিশ্রন দিয়েও দারুন কার্যকরী বিকল্প তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু এতো সময় কোথায়! রেডিমেড কিছু দরকার। চন্দন, পুদিনা, দারুচিনি, নিম ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মিসওয়াক পাউডার বাজারে পাওয়া যায়। দাম খুব কম না। তবে ভালো সমাধান। মিসওয়াক অথবা টুথব্রাশ দিয়ে ব্যবহার করা যায়। ব্র্যাশ দিয়ে ট্রাই করা শুরু করি। ব্যাস! টুথপেস্ট আর স্পর্শ করতে হয়নি। টাকা থাকলে ভালো কনজিউমার হোন, সমস্যা নেই। কিন্তু জেনেশুনে কেনো শরীরে বিষ ঢুকাবেন? আর না জেনে থাকলে নিচের অংশ পড়ে নিন।
------------------------------
সংগৃহীত-
সোডিয়াম লরেল সালফেট, ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান এবং আর্টিফিশিয়াল সুইটনার দিয়ে টুথপেস্ট বানানো হয়। টুথপেস্টের এসব কেমিক্যাল শরীরে প্রবেশ করে নানা নেতিবাচক রদবদল ঘটাতে শুরু করে। পেস্ট ফেনার সাথে মুখ থেকে ফেলে দিই আমরা। কিন্তু দাঁত মাজার সময়েই ক্ষতিকর কেমিক্যালস মুখ বেয়ে শরীরের অন্দর মহলে পৌঁছে যায়। টুথপেস্ট ব্রান্ডগুলো এমনভাবে ভিজ্যুয়াল গ্রাফিক্সের বিজ্ঞাপন প্রচার করে যা দেখে মনে হবে সব টুথপেষ্টই ওরাল হেলথের জন্য অত্যন্ত ভালো, অত্যন্ত দরকারী। বিজ্ঞাপন দেখে অনেকের ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়– বেশি করে পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। অথচ বাস্তবে দাঁত পরিষ্কার করে ব্রাশের ব্রিসল, পেস্ট সহায়ক। কিন্তু সহায়ক উপাদানের সাথে যে টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে সেদিকে খেয়াল করে না কেউ।
নামিদামি প্রায় সব ব্রান্ডের টুথপেস্টে কমবেশি মারাত্মক ক্ষতিকর সোডিয়াম ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট এবং স্যাকারিন থাকে। আমরা টুথপেস্টের বিজ্ঞাপন থেকে দাঁত নিয়ে যতরকম জ্ঞান অর্জন করেছি তা হলো– ফ্লোরাইড ক্যাভিটি থেকে সুরক্ষা দেয়, মাড়ি ভালো রাখে, ট্রাইক্লোসান মুখের সজীবতা বাড়ায়, অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস তাজা নিঃশ্বাস আনে ইত্যাদি। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই ধারনা বাতিল হয়ে গেছে সেই ১৯৮৭ সালের দিকে! অথচ আমরা এখনো ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করছি!
টুথপেস্টের রাসায়নিক উপাদানগুলো হলো– অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্যালসিয়াম হাইড্রোজেন ফসফেটস, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, হাইড্রেটেড সিলিকা, হাইড্রোক্সাপাটাইট, সোডিয়াম ফ্লোরাইড, স্ট্যানাস ফ্লোরাইড, সোডিয়াম মনোফ্লুরোফসফেট, সোডিয়াম লরিল সালফেট (SLS), ট্রাইক্লোসান, জিঙ্ক ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ফসফেট, গ্লিসারল, জাইলিটল, সরবিটল, পলিথিন গ্লাইকোল, প্রোপিলিন গ্লাইকল, স্ট্রনশিয়াম ক্লোরাইড, পটাসিয়াম নাইট্রেট, আরজিনাইন, সোডিয়াম পলিফসফেট, জিঙ্ক সাইট্রেট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, সোডিয়াম স্যাকারিন সহ আরো অনেক রকম সিন্থেটিক কেমিক্যাল।
ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) এবং সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এই তিনটি কেমিক্যালই ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (EU) ব্যান করেছে।
• সোডিয়াম লরেল সালফেট
সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) বা সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এর মতো সারফ্যাক্ট্যান্ট (ফেনা উৎপাদনকারী) যৌগ জিহ্বার ফসফোলিপিডগুলো ভেঙে মিষ্টি স্বাদ গ্রহণকারী রিসেপ্টরকে সাময়িক অকার্যকর করে দেয়। এদেশের অধিকাংশ টুথপেস্টেই বেশি মাত্রায় SLS থাকে।
ফেনা সৃষ্টি করার জন্য সাবান, শ্যাম্পু এবং স্যানিটাইজারেও SLS ব্যবহার হয়। বেশ কিছু টুথপেস্টে ফেনা তৈরির জন্য SLS এর পাশাপাশি ডায়েথেনোলেমিন (DEA) থাকে। এই কেমিক্যালটির কারণে লিভার ও কিডনির সর্বনাশ হতে পারে। এটি শরীরে অনেকগুলো হরমোনের ক্ষরণ হতে বাধা দেয়।
• ট্রাইক্লোসান
তাহলে বিকল্প?? একের পর বিকল্প ট্রাই করা শুরু করি। ৭৫ গ্রাম টুথপেস্টের দাম ১০০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত যেগুলোতে টক্সিন নেই, প্রাকৃতিক ইত্যাদি বলা হয়। ইউরোপ আমেরিকার তৈরি। সমাধান মনে হয়নি। প্রথমত দাম। দ্বিতীয়ত হয়ত কম কিন্তু ক্ষতিকর কেমিক্যাল অবশ্যই আছে। মেসওয়াক পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক সমাধান। কিন্তু অভ্যস্ত হতে পারিনি। কলকাতার জনপ্রিয় একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বলেন লেবুর খোসা দিয়েই নিয়মিত দাঁতের পূর্ণ যত্ন সম্ভব। এটা মাঝে মাঝে করা যেতে পারে। কিন্তু সবসময় বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। হলুদ, লবণ, বেকিং সোডা, লবঙ্গ, সরিষার তেল, নারিকেল তেল, লেবুর রস ইত্যাদি দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি করা মিশ্রন দিয়েও দারুন কার্যকরী বিকল্প তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু এতো সময় কোথায়! রেডিমেড কিছু দরকার। চন্দন, পুদিনা, দারুচিনি, নিম ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি মিসওয়াক পাউডার বাজারে পাওয়া যায়। দাম খুব কম না। তবে ভালো সমাধান। মিসওয়াক অথবা টুথব্রাশ দিয়ে ব্যবহার করা যায়। ব্র্যাশ দিয়ে ট্রাই করা শুরু করি। ব্যাস! টুথপেস্ট আর স্পর্শ করতে হয়নি। টাকা থাকলে ভালো কনজিউমার হোন, সমস্যা নেই। কিন্তু জেনেশুনে কেনো শরীরে বিষ ঢুকাবেন? আর না জেনে থাকলে নিচের অংশ পড়ে নিন।
------------------------------
সংগৃহীত-
সোডিয়াম লরেল সালফেট, ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান এবং আর্টিফিশিয়াল সুইটনার দিয়ে টুথপেস্ট বানানো হয়। টুথপেস্টের এসব কেমিক্যাল শরীরে প্রবেশ করে নানা নেতিবাচক রদবদল ঘটাতে শুরু করে। পেস্ট ফেনার সাথে মুখ থেকে ফেলে দিই আমরা। কিন্তু দাঁত মাজার সময়েই ক্ষতিকর কেমিক্যালস মুখ বেয়ে শরীরের অন্দর মহলে পৌঁছে যায়। টুথপেস্ট ব্রান্ডগুলো এমনভাবে ভিজ্যুয়াল গ্রাফিক্সের বিজ্ঞাপন প্রচার করে যা দেখে মনে হবে সব টুথপেষ্টই ওরাল হেলথের জন্য অত্যন্ত ভালো, অত্যন্ত দরকারী। বিজ্ঞাপন দেখে অনেকের ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়– বেশি করে পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজতে হবে। অথচ বাস্তবে দাঁত পরিষ্কার করে ব্রাশের ব্রিসল, পেস্ট সহায়ক। কিন্তু সহায়ক উপাদানের সাথে যে টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে সেদিকে খেয়াল করে না কেউ।
নামিদামি প্রায় সব ব্রান্ডের টুথপেস্টে কমবেশি মারাত্মক ক্ষতিকর সোডিয়াম ফ্লোরাইড, ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট এবং স্যাকারিন থাকে। আমরা টুথপেস্টের বিজ্ঞাপন থেকে দাঁত নিয়ে যতরকম জ্ঞান অর্জন করেছি তা হলো– ফ্লোরাইড ক্যাভিটি থেকে সুরক্ষা দেয়, মাড়ি ভালো রাখে, ট্রাইক্লোসান মুখের সজীবতা বাড়ায়, অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস তাজা নিঃশ্বাস আনে ইত্যাদি। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই ধারনা বাতিল হয়ে গেছে সেই ১৯৮৭ সালের দিকে! অথচ আমরা এখনো ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করছি!
টুথপেস্টের রাসায়নিক উপাদানগুলো হলো– অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্যালসিয়াম হাইড্রোজেন ফসফেটস, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, হাইড্রেটেড সিলিকা, হাইড্রোক্সাপাটাইট, সোডিয়াম ফ্লোরাইড, স্ট্যানাস ফ্লোরাইড, সোডিয়াম মনোফ্লুরোফসফেট, সোডিয়াম লরিল সালফেট (SLS), ট্রাইক্লোসান, জিঙ্ক ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ফসফেট, গ্লিসারল, জাইলিটল, সরবিটল, পলিথিন গ্লাইকোল, প্রোপিলিন গ্লাইকল, স্ট্রনশিয়াম ক্লোরাইড, পটাসিয়াম নাইট্রেট, আরজিনাইন, সোডিয়াম পলিফসফেট, জিঙ্ক সাইট্রেট, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, সোডিয়াম স্যাকারিন সহ আরো অনেক রকম সিন্থেটিক কেমিক্যাল।
ট্রাইক্লোসান, সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) এবং সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এই তিনটি কেমিক্যালই ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (EU) ব্যান করেছে।
• সোডিয়াম লরেল সালফেট
সোডিয়াম লরেল সালফেট (SLS) বা সোডিয়াম লরেথ ইথার সালফেট (SLES) এর মতো সারফ্যাক্ট্যান্ট (ফেনা উৎপাদনকারী) যৌগ জিহ্বার ফসফোলিপিডগুলো ভেঙে মিষ্টি স্বাদ গ্রহণকারী রিসেপ্টরকে সাময়িক অকার্যকর করে দেয়। এদেশের অধিকাংশ টুথপেস্টেই বেশি মাত্রায় SLS থাকে।
ফেনা সৃষ্টি করার জন্য সাবান, শ্যাম্পু এবং স্যানিটাইজারেও SLS ব্যবহার হয়। বেশ কিছু টুথপেস্টে ফেনা তৈরির জন্য SLS এর পাশাপাশি ডায়েথেনোলেমিন (DEA) থাকে। এই কেমিক্যালটির কারণে লিভার ও কিডনির সর্বনাশ হতে পারে। এটি শরীরে অনেকগুলো হরমোনের ক্ষরণ হতে বাধা দেয়।
• ট্রাইক্লোসান
মুখের তথাকথিত জীবাণুদের মারতে টুথপেস্টে দেয়া থাকে ট্রাইক্লোসান নামক পেস্টিসাইড। গবেষণায় পাওয়া গেছে ট্রাইক্লোসানের কারণে বিশ্বজুড়ে থাইরয়েড সমস্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ট্রাইক্লোসানকে ২০১৬ সালে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এফডিএ) এর নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
গবেষকরা ১৮৪৮ জন নারীর উপর পরীক্ষা চালিয়ে সিদ্ধান্তে এসেছেন– টুথপেস্টের রাসায়নিক নারীদের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। ক্লিনিক্যাল অ্যান্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখানো হয়েছে ট্রাইক্লোসানের সঙ্গে অস্টিওপোরোসিসের সরাসরি যোগসূত্র আছে। এই যৌগ হাড়ে মিনারেলের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়।
শ্যাম্পু, ওয়াশিং পাউডার, ডিটারজেন্ট, ডিওডোরেন্ট, সাবান, স্যানিটাইজার, টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশে ট্রাইক্লোসান থাকে।
দ্য কেমিক্যাল রিসার্চ ইন টক্সিকোলজি জার্নালের রিসার্চে দাবি করা হয়েছে ট্রাইক্লোসান শরীরে ক্যান্সার জন্ম দিতে সক্ষম৷
• সোডিয়াম ফ্লোরাইড
সোডিয়াম ফ্লোরাইড জলে দ্রবণীয় বর্ণহীন অজৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত–NaF। এই যৌগটি ফার্মাসিউটিক্যালের ওষুধ, টুথপেস্ট, মেটাল ইন্ডাস্ট্রির ফ্লাক্স, কীটনাশক এবং ইঁদুর মারার বিষ তৈরিতে ব্যবহার হয়। কিছু ইন্সট্যান্ট জুস, কার্বনেটেড বেভারেজ এবং বেবিফুডেও ফ্লোরাইড থাকে। ফ্লোরাইড ক্ষতিকারক হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ এটি শরীরে জমতে থাকে। শরীরে প্রতিদিন প্রবেশ করতে থাকা ফ্লোরাইড হাড় এবং মস্তিষ্কে জমা হয়। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি থেকে বলা হয়েছে– টুথপেস্টের ফ্লোরাইড মানব শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়।
১৯৩৮ সালে আমেরিকান ডেন্টিস্ট এইচ ট্রেন্ডলি ডিন দাবি করে বসে– ফ্লোরাইড মেশানো পানি দাঁতের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।
তখন থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো পানিতে ফ্লোরাইড মিশাতে থাকে। কোম্পানিগুলো টুথপেস্ট, টুথপাউডারে ফ্লোরাইড যোগ করতে থাকে। কিন্তু অল্পদিন পরেই মানুষের দেহে ফ্লোরাইড বিষক্রিয়া শুরু হয়। ফ্লোরাইডের উপর গবেষণায় নেমে পড়েন বিজ্ঞানীরা। এই বিষয়ে আমেরিকাতে সবচেয়ে বড় গবেষণা হয় ১৯৮৬/৮৭ সালে। তখন বেরিয়ে আসে ভয়াবহ তথ্য। গবেষণায় দেখা যায় ফ্লোরাইড দাঁতের ক্ষয়রোধে ভূমিকা তো রাখেই না বরং জন্ম দেয় অসংখ্য সমস্যার। ফ্লোরাইডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক ও হাড়। দেহে ফ্লোরাইডের উপস্থিতিতে অ্যালুমিনিয়ামের জৈবিক প্রভাব বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে দ্বিগুণ অ্যালুমিনিয়াম জমতে থাকে। একসময় দেখা দেয় স্নায়বিক দুর্বলতা, আলঝেইমার্স।
ফ্লেভার দেয়া টুথপেস্ট বাচ্চারা খেয়ে ফেলে। এমনিতে মনে হতে পারে টুথপেস্ট পেটে গেলে কিছু হবেনা। কিন্তু বাস্তবে সামান্য টুথপেষ্টও পেটে গেলে বড় সমস্যা হতে পারে আপনার বা আপনার বাচ্চার। টুথপেস্ট, ফ্লোরিনেটেড পানি, চুইংগাম, মাউথওয়াশ ইত্যাদি থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে গ্রহণ করা ফ্লোরাইড মাথাব্যাথা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, অরুচি, বমিভাব এবং ডায়রিয়ার সমস্যা তৈরি করে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী ও শিশুরা। তাদের মস্তিষ্ক ও হাড়গোড় এর বারোটা বাজিয়ে দেয় ফ্লোরাইড। টুথপেস্টের ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গেলে জয়েন্টে প্রদাহ, আর্থ্রাইটিস এবং স্কেলেটাল ফ্লুরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গিয়ে মস্তিষ্কের যে নির্দিষ্ট অংশটি বুদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে আঘাত করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ঐ অংশের কর্মক্ষমতা কমে যায়।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল শ্যাম্পু, টুথপেষ্ট এবং পার্সোনাল কেয়ার প্রোডাক্টের কেমিক্যালগুলোর কারণে মেয়েদের আর্লি পিউবার্টি বা অকাল বয়ঃসন্ধি (আট বছরের আগে স্তনের বিকাশ এবং পিরিয়ড আরম্ভ হওয়া) শুরু হতে পারে। টুথপেস্টের এসপার্টেম, সরবিটল, স্যাকারিন ইত্যাদি সুইটনার শরীরে ক্রমাগত প্রবেশ করতে থাকলে স্থুলতা ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এসপার্টেম ব্রেন টিউমারের জন্যও দায়ী। সরবিটল ডায়রিয়া, বদহজম, গ্যাস-অম্বল এবং পেটব্যাথার মতো সমস্যা সৃষ্টি করে। টুথপেস্টের পলিইথিলিন গ্লাইকল হলো অত্যন্ত ক্ষতিকর প্লাস্টিক জাতীয় উপাদান।
রসিদ ভাই
এখন থেকে ঘুম থেকে উঠেই শরীরে বিষ ঢুকাবেন কিনা; সিন্ধান্ত যার যার।
#রহস্য #একচোখ #জিন #ইবলিস #নিউওয়াল্ডঅডার #মাইন্ডকন্টো্রোল #ইলুমিনাতি #NWO #দাজ্জাল
গবেষকরা ১৮৪৮ জন নারীর উপর পরীক্ষা চালিয়ে সিদ্ধান্তে এসেছেন– টুথপেস্টের রাসায়নিক নারীদের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। ক্লিনিক্যাল অ্যান্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখানো হয়েছে ট্রাইক্লোসানের সঙ্গে অস্টিওপোরোসিসের সরাসরি যোগসূত্র আছে। এই যৌগ হাড়ে মিনারেলের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়।
শ্যাম্পু, ওয়াশিং পাউডার, ডিটারজেন্ট, ডিওডোরেন্ট, সাবান, স্যানিটাইজার, টুথপেস্ট এবং মাউথওয়াশে ট্রাইক্লোসান থাকে।
দ্য কেমিক্যাল রিসার্চ ইন টক্সিকোলজি জার্নালের রিসার্চে দাবি করা হয়েছে ট্রাইক্লোসান শরীরে ক্যান্সার জন্ম দিতে সক্ষম৷
• সোডিয়াম ফ্লোরাইড
সোডিয়াম ফ্লোরাইড জলে দ্রবণীয় বর্ণহীন অজৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত–NaF। এই যৌগটি ফার্মাসিউটিক্যালের ওষুধ, টুথপেস্ট, মেটাল ইন্ডাস্ট্রির ফ্লাক্স, কীটনাশক এবং ইঁদুর মারার বিষ তৈরিতে ব্যবহার হয়। কিছু ইন্সট্যান্ট জুস, কার্বনেটেড বেভারেজ এবং বেবিফুডেও ফ্লোরাইড থাকে। ফ্লোরাইড ক্ষতিকারক হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ এটি শরীরে জমতে থাকে। শরীরে প্রতিদিন প্রবেশ করতে থাকা ফ্লোরাইড হাড় এবং মস্তিষ্কে জমা হয়। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি থেকে বলা হয়েছে– টুথপেস্টের ফ্লোরাইড মানব শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়।
১৯৩৮ সালে আমেরিকান ডেন্টিস্ট এইচ ট্রেন্ডলি ডিন দাবি করে বসে– ফ্লোরাইড মেশানো পানি দাঁতের ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।
তখন থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো পানিতে ফ্লোরাইড মিশাতে থাকে। কোম্পানিগুলো টুথপেস্ট, টুথপাউডারে ফ্লোরাইড যোগ করতে থাকে। কিন্তু অল্পদিন পরেই মানুষের দেহে ফ্লোরাইড বিষক্রিয়া শুরু হয়। ফ্লোরাইডের উপর গবেষণায় নেমে পড়েন বিজ্ঞানীরা। এই বিষয়ে আমেরিকাতে সবচেয়ে বড় গবেষণা হয় ১৯৮৬/৮৭ সালে। তখন বেরিয়ে আসে ভয়াবহ তথ্য। গবেষণায় দেখা যায় ফ্লোরাইড দাঁতের ক্ষয়রোধে ভূমিকা তো রাখেই না বরং জন্ম দেয় অসংখ্য সমস্যার। ফ্লোরাইডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক ও হাড়। দেহে ফ্লোরাইডের উপস্থিতিতে অ্যালুমিনিয়ামের জৈবিক প্রভাব বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে দ্বিগুণ অ্যালুমিনিয়াম জমতে থাকে। একসময় দেখা দেয় স্নায়বিক দুর্বলতা, আলঝেইমার্স।
ফ্লেভার দেয়া টুথপেস্ট বাচ্চারা খেয়ে ফেলে। এমনিতে মনে হতে পারে টুথপেস্ট পেটে গেলে কিছু হবেনা। কিন্তু বাস্তবে সামান্য টুথপেষ্টও পেটে গেলে বড় সমস্যা হতে পারে আপনার বা আপনার বাচ্চার। টুথপেস্ট, ফ্লোরিনেটেড পানি, চুইংগাম, মাউথওয়াশ ইত্যাদি থেকে প্রতিদিন একটু একটু করে গ্রহণ করা ফ্লোরাইড মাথাব্যাথা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, অরুচি, বমিভাব এবং ডায়রিয়ার সমস্যা তৈরি করে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী ও শিশুরা। তাদের মস্তিষ্ক ও হাড়গোড় এর বারোটা বাজিয়ে দেয় ফ্লোরাইড। টুথপেস্টের ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গেলে জয়েন্টে প্রদাহ, আর্থ্রাইটিস এবং স্কেলেটাল ফ্লুরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। ফ্লোরাইড রক্তে মিশে গিয়ে মস্তিষ্কের যে নির্দিষ্ট অংশটি বুদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে আঘাত করতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ঐ অংশের কর্মক্ষমতা কমে যায়।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল শ্যাম্পু, টুথপেষ্ট এবং পার্সোনাল কেয়ার প্রোডাক্টের কেমিক্যালগুলোর কারণে মেয়েদের আর্লি পিউবার্টি বা অকাল বয়ঃসন্ধি (আট বছরের আগে স্তনের বিকাশ এবং পিরিয়ড আরম্ভ হওয়া) শুরু হতে পারে। টুথপেস্টের এসপার্টেম, সরবিটল, স্যাকারিন ইত্যাদি সুইটনার শরীরে ক্রমাগত প্রবেশ করতে থাকলে স্থুলতা ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এসপার্টেম ব্রেন টিউমারের জন্যও দায়ী। সরবিটল ডায়রিয়া, বদহজম, গ্যাস-অম্বল এবং পেটব্যাথার মতো সমস্যা সৃষ্টি করে। টুথপেস্টের পলিইথিলিন গ্লাইকল হলো অত্যন্ত ক্ষতিকর প্লাস্টিক জাতীয় উপাদান।
রসিদ ভাই
এখন থেকে ঘুম থেকে উঠেই শরীরে বিষ ঢুকাবেন কিনা; সিন্ধান্ত যার যার।
#রহস্য #একচোখ #জিন #ইবলিস #নিউওয়াল্ডঅডার #মাইন্ডকন্টো্রোল #ইলুমিনাতি #NWO #দাজ্জাল
যদি কোনো পুরুষ ‘দ্রুত বীর্যপাত’ রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে এ অবস্থায় নারীর করণীয় সম্পর্কে শরীয়তের নির্দেশনা স্পষ্ট।
এ ক্ষেত্রে স্বামীর ওপর দায়িত্ব হলো—তিনি কোনো অভিজ্ঞ ও যোগ্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, যাতে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করা সম্ভব হয়। চিকিৎসার পরও যদি দুর্বলতা আংশিকভাবে থেকে যায়, কিন্তু স্বামী কোনো না কোনো পর্যায়ে সহবাসে সক্ষম হন, তাহলে কেবল এই কারণেই স্ত্রীর জন্য নিকাহ বাতিল (ফাসখ) করার অধিকার সাব্যস্ত হয় না।
একই সঙ্গে স্ত্রীর জন্য নিজের যৌন চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে শরীয়তবিরোধী বা অবৈধ কোনো পথ অবলম্বন করা সম্পূর্ণ হারাম; বরং ধৈর্য, পবিত্রতা ও শরীয়তের সীমারেখা রক্ষা করা তার জন্য আবশ্যক।
একজন স্বামীর অধীনে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় স্বামীর খোঁজ করা, সম্পর্কের চিন্তা করা কিংবা যোগাযোগ করা—সবই হারাম এবং ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যাওয়ার মারাত্মক কবীরা গুনাহ। শরীয়তে একজন নারী একসঙ্গে দুই স্বামীর অধীনে থাকতে পারে না—এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কষ্ট ও অতিষ্ঠতা যতই গভীর হোক, হারাম কখনো হালাল হয়ে যায় না।
[ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৪, বিন্নুরি ফাতাওয়া নম্বর 144208201116]
আর যদি স্বামী বাস্তবেই সম্পূর্ণভাবে সহবাসে অক্ষম হয় এবং চিকিৎসা সত্ত্বেও দাম্পত্য অধিকার একবারও আদায় করতে না পারেন, তবে শরীয়ত স্ত্রীকে অসহায় করে রাখে না। প্রথম ও উত্তম পথ হলো—স্বামীর কাছ থেকে তালাক গ্রহণ করা।
যদি স্বামী তালাক দিতে রাজি না হন, তবে স্ত্রী নিজের মোহরের বিনিময়ে বা টাকা-পয়সার বিনিময়ে খোলা তালাক গ্রহণ করতে পারে। আর যদি স্বামী খোলা তালাক দিতেও অস্বীকৃতি জানায়, তবে নির্দিষ্ট শর্তে স্ত্রীর জন্য আদালতের মাধ্যমে নিকাহ বাতিল করানোর অধিকার রয়েছে।
তবে এই অধিকার তখনই কার্যকর হয়, যখন স্ত্রী নিকাহের আগে স্বামীর এ অক্ষমতার কথা জানত না এবং নিকাহের পর জানার পরও স্বেচ্ছায় এই অবস্থাকে মেনে নিয়ে সংসার চালিয়ে যাওয়ার সম্মতি প্রকাশ করেনি। অর্থাৎ, প্রতারণার মাধ্যমে নয়; বরং বাস্তব অক্ষমতার কারণেই সে বিচ্ছেদ চাইছে—এটাই মূল বিবেচ্য।
শরীয়ত এ ক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে ইনসাফ নিশ্চিত করেছে। স্ত্রী মুসলিম বিচারকের কাছে অভিযোগ পেশ করবে যে তার স্বামী সহবাসে সম্পূর্ণ অক্ষম এবং আজ পর্যন্ত একবারও দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে পারেনি। বিচারক যাচাই-বাছাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে স্বামীকে এক বছরের সময় দেবেন—যাতে সে চিকিৎসার শেষ চেষ্টা করে স্ত্রীর অধিকার আদায় করতে পারে। এই সময়সীমা শরীয়তের দয়া ও বাস্তবতার পরিচায়ক।
এক বছর পার হওয়ার পরও যদি স্বামী অক্ষমই থাকে, তখন আবার স্ত্রীর মতামত নেওয়া হবে—সে কি এই স্বামীর সঙ্গে থাকতে চায়, না বিচ্ছেদ চায়? যদি সে বিচ্ছেদ চায়, তবে বিচারক তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাবেন। এরপর স্ত্রী ইদ্দত পালন করবে, এবং ইদ্দত শেষে সে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে।
সবশেষে বলা যায়, শরীয়ত ধৈর্যকে উৎসাহিত করলেও জুলুমকে স্থায়ী করে না। দাম্পত্য অক্ষমতার মতো বাস্তব ও গুরুতর সমস্যায় ইসলাম নারীর সম্মান, অধিকার ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিয়ে বৈধ ও সুবিচারপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত রেখেছে।
المحيط البرهاني ميں هے:
"وإذا وجدت المرأة زوجها عنینًا فلها الخیار، إن شاء ت أقامت معه کذٰلک، وإن شاء ت خاصمته عند القاضي وطلبت الفرقة."
(کتاب النکاح، الفصل الثالث والعشرون، العنین، جلد:4، صفحه: 238، طبع: المجلس العلمي)
[আল মুহিতুল বুরহানী ৯/৩৪৩, ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৬-৪৯৮, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন করাচী, ফাতাওয়া নম্বর 144503101852]
এ ক্ষেত্রে স্বামীর ওপর দায়িত্ব হলো—তিনি কোনো অভিজ্ঞ ও যোগ্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, যাতে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করা সম্ভব হয়। চিকিৎসার পরও যদি দুর্বলতা আংশিকভাবে থেকে যায়, কিন্তু স্বামী কোনো না কোনো পর্যায়ে সহবাসে সক্ষম হন, তাহলে কেবল এই কারণেই স্ত্রীর জন্য নিকাহ বাতিল (ফাসখ) করার অধিকার সাব্যস্ত হয় না।
একই সঙ্গে স্ত্রীর জন্য নিজের যৌন চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে শরীয়তবিরোধী বা অবৈধ কোনো পথ অবলম্বন করা সম্পূর্ণ হারাম; বরং ধৈর্য, পবিত্রতা ও শরীয়তের সীমারেখা রক্ষা করা তার জন্য আবশ্যক।
একজন স্বামীর অধীনে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় স্বামীর খোঁজ করা, সম্পর্কের চিন্তা করা কিংবা যোগাযোগ করা—সবই হারাম এবং ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যাওয়ার মারাত্মক কবীরা গুনাহ। শরীয়তে একজন নারী একসঙ্গে দুই স্বামীর অধীনে থাকতে পারে না—এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কষ্ট ও অতিষ্ঠতা যতই গভীর হোক, হারাম কখনো হালাল হয়ে যায় না।
[ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৪, বিন্নুরি ফাতাওয়া নম্বর 144208201116]
আর যদি স্বামী বাস্তবেই সম্পূর্ণভাবে সহবাসে অক্ষম হয় এবং চিকিৎসা সত্ত্বেও দাম্পত্য অধিকার একবারও আদায় করতে না পারেন, তবে শরীয়ত স্ত্রীকে অসহায় করে রাখে না। প্রথম ও উত্তম পথ হলো—স্বামীর কাছ থেকে তালাক গ্রহণ করা।
যদি স্বামী তালাক দিতে রাজি না হন, তবে স্ত্রী নিজের মোহরের বিনিময়ে বা টাকা-পয়সার বিনিময়ে খোলা তালাক গ্রহণ করতে পারে। আর যদি স্বামী খোলা তালাক দিতেও অস্বীকৃতি জানায়, তবে নির্দিষ্ট শর্তে স্ত্রীর জন্য আদালতের মাধ্যমে নিকাহ বাতিল করানোর অধিকার রয়েছে।
তবে এই অধিকার তখনই কার্যকর হয়, যখন স্ত্রী নিকাহের আগে স্বামীর এ অক্ষমতার কথা জানত না এবং নিকাহের পর জানার পরও স্বেচ্ছায় এই অবস্থাকে মেনে নিয়ে সংসার চালিয়ে যাওয়ার সম্মতি প্রকাশ করেনি। অর্থাৎ, প্রতারণার মাধ্যমে নয়; বরং বাস্তব অক্ষমতার কারণেই সে বিচ্ছেদ চাইছে—এটাই মূল বিবেচ্য।
শরীয়ত এ ক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে ইনসাফ নিশ্চিত করেছে। স্ত্রী মুসলিম বিচারকের কাছে অভিযোগ পেশ করবে যে তার স্বামী সহবাসে সম্পূর্ণ অক্ষম এবং আজ পর্যন্ত একবারও দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে পারেনি। বিচারক যাচাই-বাছাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে স্বামীকে এক বছরের সময় দেবেন—যাতে সে চিকিৎসার শেষ চেষ্টা করে স্ত্রীর অধিকার আদায় করতে পারে। এই সময়সীমা শরীয়তের দয়া ও বাস্তবতার পরিচায়ক।
এক বছর পার হওয়ার পরও যদি স্বামী অক্ষমই থাকে, তখন আবার স্ত্রীর মতামত নেওয়া হবে—সে কি এই স্বামীর সঙ্গে থাকতে চায়, না বিচ্ছেদ চায়? যদি সে বিচ্ছেদ চায়, তবে বিচারক তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাবেন। এরপর স্ত্রী ইদ্দত পালন করবে, এবং ইদ্দত শেষে সে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকবে।
সবশেষে বলা যায়, শরীয়ত ধৈর্যকে উৎসাহিত করলেও জুলুমকে স্থায়ী করে না। দাম্পত্য অক্ষমতার মতো বাস্তব ও গুরুতর সমস্যায় ইসলাম নারীর সম্মান, অধিকার ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিয়ে বৈধ ও সুবিচারপূর্ণ সমাধানের পথ উন্মুক্ত রেখেছে।
المحيط البرهاني ميں هے:
"وإذا وجدت المرأة زوجها عنینًا فلها الخیار، إن شاء ت أقامت معه کذٰلک، وإن شاء ت خاصمته عند القاضي وطلبت الفرقة."
(کتاب النکاح، الفصل الثالث والعشرون، العنین، جلد:4، صفحه: 238، طبع: المجلس العلمي)
[আল মুহিতুল বুরহানী ৯/৩৪৩, ফাতাওয়া শামী ৩/৪৯৬-৪৯৮, জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন করাচী, ফাতাওয়া নম্বর 144503101852]
❤1
কওমী শিক্ষার্থীদের মাঝে SSC,দাখিল পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপক ভুল ধারনা রয়েছে।
প্রিয় রুহল আমিন সাদি ভাইও আজ লিখেছেন, দাখিল পরীক্ষা দিতে হলে ক্লাস সিক্স থেকেই রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ পরীক্ষা দিতে মিনিমাম ৫ বছর লাগবে।
অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারনা।
আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, স্কুল বা আলিয়ার বারান্দাতেও কখনো যায়নি, এমন কেউ যদি ২০২৭ ফেব্রুয়ারিতে SSC, দাখিল পরীক্ষা দিতে চায়, আমরা তার ব্যবস্থা করে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
তবে খুব দ্রুতই যোগাযোগ করতে হবে।
২০২৭ এর বোর্ড কার্যক্রম খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে।
01810180303
পরিচালক, SSC/ দাখিল বর্ষ
আহমাদস এডুকেশন
প্রিয় রুহল আমিন সাদি ভাইও আজ লিখেছেন, দাখিল পরীক্ষা দিতে হলে ক্লাস সিক্স থেকেই রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ পরীক্ষা দিতে মিনিমাম ৫ বছর লাগবে।
অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারনা।
আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, স্কুল বা আলিয়ার বারান্দাতেও কখনো যায়নি, এমন কেউ যদি ২০২৭ ফেব্রুয়ারিতে SSC, দাখিল পরীক্ষা দিতে চায়, আমরা তার ব্যবস্থা করে দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
তবে খুব দ্রুতই যোগাযোগ করতে হবে।
২০২৭ এর বোর্ড কার্যক্রম খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে।
01810180303
পরিচালক, SSC/ দাখিল বর্ষ
আহমাদস এডুকেশন
মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী এখানে ১০টি লক্ষণের কথা বলা হয়েছে যা থেকে বোঝা যায় যে একজন পুরুষ আপনাকে গভীরভাবে মূল্য দিচ্ছে।
•
১. তিনি ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন।
বড় বড় কথা বলা সহজ, কিন্তু যিনি আপনাকে মূল্য দেন তিনি ছোট ছোট কথা বা প্রতিশ্রুতি মনে রাখেন। যেমন: "আমি তোমাকে পরে কল দেব" বা "আমি আসার সময় দুধ নিয়ে আসব"—এমন ছোট বিষয়গুলো তিনি ভুলে যান না। এর মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি আপনার প্রতি দায়িত্বশীল।
২. আপনার গুরুত্বপূর্ণ দিন বা ঘটনার খবর নেন।
আপনার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারভিউ, পরীক্ষা বা প্রেজেন্টেশন থাকলে তিনি কেবল শুভকামনা জানিয়েই থেমে যান না, বরং সেটি কেমন হলো তা জানার জন্য পরে আপনাকে মেসেজ বা কল করেন। এর মানে আপনার জীবনের ছোট-বড় সব অর্জন তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. আপনার খারাপ সময়ে তিনি আপনার পাশে থাকেন৷
যখন আপনার দিনটি খুব খারাপ কাটে, তিনি তখন আপনাকে এড়িয়ে যান না বা আপনার সমস্যা সমাধান করতে না পারলেও আপনার কথা শোনেন। তিনি আপনাকে মানসিক সমর্থন দেন এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেন।
৪. তিনি কেবল কথা শোনেন না, অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন।
তিনি কেবল উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার কথা শোনেন না, বরং আপনি কী বোঝাতে চাইছেন তা গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেন। অনেক সময় আপনার না বলা কথাগুলোও তিনি আপনার অঙ্গভঙ্গি দেখে বুঝে নিতে পারেন।
৫. তিনি ছোট ছোট তথ্য মনে রাখেন।
আপনার প্রিয় কফি কোনটা, আপনি কোন জিনিসটা অপছন্দ করেন বা আপনার ছোটবেলার কোনো গল্প—এসব ছোটখাটো বিষয় তিনি মনে রাখেন। এটি প্রমাণ করে যে তিনি আপনাকে নিয়ে ভাবেন।
৬. তিনি আপনার গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষা করেন৷
আপনার ব্যক্তিগত কোনো দুর্বলতা বা গোপনীয় কথা তিনি অন্যদের সাথে হাসি-ঠাট্টায় ব্যবহার করেন না। এমনকি আপনি যখন সামনে থাকেন না, তখনও তিনি অন্যদের কাছে আপনার সম্পর্কে সম্মান দিয়ে কথা বলেন।
৭. তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আপনাকে অন্তর্ভুক্ত করেন৷
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, টাকা-পয়সার বিষয় বা ছুটির দিনে কোথায় যাবেন—এই ধরণের সিদ্ধান্তগুলোতে তিনি আপনার মতামত নেন। এটি একটি শান্ত অথচ শক্তিশালী লক্ষণ যে তিনি আপনাকে তার জীবনের অংশ মনে করেন।
৮. ঝগড়া বা তর্কের পর তিনি দ্রুত মিটমাট করার চেষ্টা করেন।
তর্ক বা মান-অভিমানে তিনি দিনভর কথা বন্ধ করে থাকেন না। বরং তিনি নিজেই এগিয়ে এসে কথা বলেন বা ক্ষমা চান। তিনি জেতার চেয়ে সম্পর্কের শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন।
৯. জনসমক্ষে তিনি আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সামনে তিনি আপনাকে অবহেলা করেন না। বরং আপনার সাথে কথা বলেন, আপনার দিকে খেয়াল রাখেন এবং তার আচরণে প্রকাশ পায় যে তিনি আপনাকে নিয়ে গর্বিত।
১০. আপনার সীমানাকে (Boundaries) সম্মান করেন।
আপনি যদি কোনো বিষয়ে 'না' বলেন বা আপনার ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন হয়, তবে তিনি জোর করেন না। তিনি আপনার ইচ্ছা ও প্রয়োজনের প্রতি সম্মান দেখান এবং আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন না।
•
এই লক্ষণগুলো অনেক সময় খুব শান্ত বা নীরব হয়, কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে এগুলোই হচ্ছে প্রকৃত ভালোবাসা ও সম্মানের বড় প্রমাণ। একজন পুরুষ যখন আপনাকে গভীরভাবে মূল্য দেন, তখন তার কথা নয় বরং তার এই আচরণগুলোই তার গুরুত্ব প্রকাশ করে।
_____
•
১. তিনি ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন।
বড় বড় কথা বলা সহজ, কিন্তু যিনি আপনাকে মূল্য দেন তিনি ছোট ছোট কথা বা প্রতিশ্রুতি মনে রাখেন। যেমন: "আমি তোমাকে পরে কল দেব" বা "আমি আসার সময় দুধ নিয়ে আসব"—এমন ছোট বিষয়গুলো তিনি ভুলে যান না। এর মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি আপনার প্রতি দায়িত্বশীল।
২. আপনার গুরুত্বপূর্ণ দিন বা ঘটনার খবর নেন।
আপনার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারভিউ, পরীক্ষা বা প্রেজেন্টেশন থাকলে তিনি কেবল শুভকামনা জানিয়েই থেমে যান না, বরং সেটি কেমন হলো তা জানার জন্য পরে আপনাকে মেসেজ বা কল করেন। এর মানে আপনার জীবনের ছোট-বড় সব অর্জন তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. আপনার খারাপ সময়ে তিনি আপনার পাশে থাকেন৷
যখন আপনার দিনটি খুব খারাপ কাটে, তিনি তখন আপনাকে এড়িয়ে যান না বা আপনার সমস্যা সমাধান করতে না পারলেও আপনার কথা শোনেন। তিনি আপনাকে মানসিক সমর্থন দেন এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেন।
৪. তিনি কেবল কথা শোনেন না, অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন।
তিনি কেবল উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার কথা শোনেন না, বরং আপনি কী বোঝাতে চাইছেন তা গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করেন। অনেক সময় আপনার না বলা কথাগুলোও তিনি আপনার অঙ্গভঙ্গি দেখে বুঝে নিতে পারেন।
৫. তিনি ছোট ছোট তথ্য মনে রাখেন।
আপনার প্রিয় কফি কোনটা, আপনি কোন জিনিসটা অপছন্দ করেন বা আপনার ছোটবেলার কোনো গল্প—এসব ছোটখাটো বিষয় তিনি মনে রাখেন। এটি প্রমাণ করে যে তিনি আপনাকে নিয়ে ভাবেন।
৬. তিনি আপনার গোপনীয়তা ও সম্মান রক্ষা করেন৷
আপনার ব্যক্তিগত কোনো দুর্বলতা বা গোপনীয় কথা তিনি অন্যদের সাথে হাসি-ঠাট্টায় ব্যবহার করেন না। এমনকি আপনি যখন সামনে থাকেন না, তখনও তিনি অন্যদের কাছে আপনার সম্পর্কে সম্মান দিয়ে কথা বলেন।
৭. তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আপনাকে অন্তর্ভুক্ত করেন৷
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, টাকা-পয়সার বিষয় বা ছুটির দিনে কোথায় যাবেন—এই ধরণের সিদ্ধান্তগুলোতে তিনি আপনার মতামত নেন। এটি একটি শান্ত অথচ শক্তিশালী লক্ষণ যে তিনি আপনাকে তার জীবনের অংশ মনে করেন।
৮. ঝগড়া বা তর্কের পর তিনি দ্রুত মিটমাট করার চেষ্টা করেন।
তর্ক বা মান-অভিমানে তিনি দিনভর কথা বন্ধ করে থাকেন না। বরং তিনি নিজেই এগিয়ে এসে কথা বলেন বা ক্ষমা চান। তিনি জেতার চেয়ে সম্পর্কের শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দেন।
৯. জনসমক্ষে তিনি আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সামনে তিনি আপনাকে অবহেলা করেন না। বরং আপনার সাথে কথা বলেন, আপনার দিকে খেয়াল রাখেন এবং তার আচরণে প্রকাশ পায় যে তিনি আপনাকে নিয়ে গর্বিত।
১০. আপনার সীমানাকে (Boundaries) সম্মান করেন।
আপনি যদি কোনো বিষয়ে 'না' বলেন বা আপনার ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন হয়, তবে তিনি জোর করেন না। তিনি আপনার ইচ্ছা ও প্রয়োজনের প্রতি সম্মান দেখান এবং আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন না।
•
এই লক্ষণগুলো অনেক সময় খুব শান্ত বা নীরব হয়, কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে এগুলোই হচ্ছে প্রকৃত ভালোবাসা ও সম্মানের বড় প্রমাণ। একজন পুরুষ যখন আপনাকে গভীরভাবে মূল্য দেন, তখন তার কথা নয় বরং তার এই আচরণগুলোই তার গুরুত্ব প্রকাশ করে।
_____
❤1
যে বইটি নিয়ে কথা বলবো, বইয়ের নাম- দ্য ফাইভ সেকেন্ড রুলস। লেখক মেল রবিনস।
এই বই থেকে কিছু বিষয় সহজে আলোচনা করছি, জীবন যাপনে কাজে লাগবে৷
•
১. যদি আপনার কোনো লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছা জাগে, তবে আপনাকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে সেই কাজ শুরু করতে হবে৷ অর্থাৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কাজ করা উচিৎ, সেই কাজের প্রাথমিক পদক্ষেপ শুরু করে দিতে হবে, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই৷ নতুবা আপনার মস্তিষ্ক সেই আইডিয়াটি মেরে ফেলবে।
২. সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। কারণ ‘সঠিক সময়’ বলে আসলে কিছু নেই।
৩. সাহস মানে ভয় না পাওয়া নয়, বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া।
৪. আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে চায়, কিন্তু জীবনের সব উন্নতি ঘটে আরামদায়ক অবস্থার বাইরে।
৫. আপনার কেমন লাগছে (যেমন: অলসতা বা ভয়) তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করবেন না; কী করা উচিত তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করুন।
৬. আপনার বর্তমান জীবন এবং আপনি যে জীবন চান, তার মধ্যে ব্যবধান মাত্র একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্তের।
৭. যখনই আপনি কোনো কাজ করতে গিয়ে দ্বিধা করেন, তখনই আপনার মস্তিষ্ক সেই কাজটি না করার জন্য একশটা যুক্তি দাঁড় করায়।
৮. আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় বড় কোনো সাফল্যে নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার মাধ্যমে।
৯. নিজের বস নিজে হোন। কেউ আসবে না আপনাকে টেনে তুলতে বা কাজ করাতে; আপনাকে নিজেই নিজের ধাক্কা হতে হবে।
১০. ভয় এবং উত্তেজনা—উভয় ক্ষেত্রেই শরীরের প্রতিক্রিয়া একই রকম। তাই যখন ভয় পাবেন, নিজেকে বলুন "আমি উত্তেজিত"।
১১. অতিরিক্ত চিন্তা করা বা 'Overthinking' বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো কাজে নেমে পড়া।
১২. আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, সেই পরিস্থিতিতে আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
১৩. ঘুম থেকে ওঠার পর স্নুজ (Snooze) বাটন চাপা মানেই হলো দিনের শুরুতেই নিজের লক্ষ্যের কাছে হার মেনে নেওয়া।
১৪. অজুহাত বন্ধ করুন। আমরা আমাদের অজুহাতের পেছনে যতটা শক্তি ব্যয় করি, তার অর্ধেক যদি কাজে ব্যয় করতাম তবে জীবন বদলে যেত।
১৫. প্যাশন কোনো চিন্তার বিষয় নয়, এটি হলো এক ধরনের কৌতূহল যা আপনাকে অ্যাকশন নিতে বাধ্য করে।
১৬. আজকের নেওয়া একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত ৫ বছর পরের আপনাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।
১৭. ভুল করতে শিখুন। নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা বাদ দিন। ভুল করার সাহস সঞ্চয় করুন এবং তা থেকে শিখুন।
১৮. নিজেকে ক্ষমা করুন। অতীতে কী করতে পারেননি তা নিয়ে আক্ষেপ না করে, বর্তমানের ৫ সেকেন্ডকে কাজে লাগান।
১৯. জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া এবং নিজের স্বপ্নের জন্য চেষ্টা না করা।
২০. কোনো কাজ শেষ করা কঠিন নয়, কঠিন হলো কাজটি শুরু করা। আর ৫ সেকেন্ড রুল সেই শুরুটাকেই সহজ করে দেয়।
______
এই বই থেকে কিছু বিষয় সহজে আলোচনা করছি, জীবন যাপনে কাজে লাগবে৷
•
১. যদি আপনার কোনো লক্ষ্য অর্জনের ইচ্ছা জাগে, তবে আপনাকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে সেই কাজ শুরু করতে হবে৷ অর্থাৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে কাজ করা উচিৎ, সেই কাজের প্রাথমিক পদক্ষেপ শুরু করে দিতে হবে, পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই৷ নতুবা আপনার মস্তিষ্ক সেই আইডিয়াটি মেরে ফেলবে।
২. সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। কারণ ‘সঠিক সময়’ বলে আসলে কিছু নেই।
৩. সাহস মানে ভয় না পাওয়া নয়, বরং ভয় থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া।
৪. আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে চায়, কিন্তু জীবনের সব উন্নতি ঘটে আরামদায়ক অবস্থার বাইরে।
৫. আপনার কেমন লাগছে (যেমন: অলসতা বা ভয়) তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করবেন না; কী করা উচিত তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করুন।
৬. আপনার বর্তমান জীবন এবং আপনি যে জীবন চান, তার মধ্যে ব্যবধান মাত্র একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্তের।
৭. যখনই আপনি কোনো কাজ করতে গিয়ে দ্বিধা করেন, তখনই আপনার মস্তিষ্ক সেই কাজটি না করার জন্য একশটা যুক্তি দাঁড় করায়।
৮. আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় বড় কোনো সাফল্যে নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজগুলো সময়মতো সম্পন্ন করার মাধ্যমে।
৯. নিজের বস নিজে হোন। কেউ আসবে না আপনাকে টেনে তুলতে বা কাজ করাতে; আপনাকে নিজেই নিজের ধাক্কা হতে হবে।
১০. ভয় এবং উত্তেজনা—উভয় ক্ষেত্রেই শরীরের প্রতিক্রিয়া একই রকম। তাই যখন ভয় পাবেন, নিজেকে বলুন "আমি উত্তেজিত"।
১১. অতিরিক্ত চিন্তা করা বা 'Overthinking' বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো কাজে নেমে পড়া।
১২. আপনি আপনার চারপাশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও, সেই পরিস্থিতিতে আপনার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
১৩. ঘুম থেকে ওঠার পর স্নুজ (Snooze) বাটন চাপা মানেই হলো দিনের শুরুতেই নিজের লক্ষ্যের কাছে হার মেনে নেওয়া।
১৪. অজুহাত বন্ধ করুন। আমরা আমাদের অজুহাতের পেছনে যতটা শক্তি ব্যয় করি, তার অর্ধেক যদি কাজে ব্যয় করতাম তবে জীবন বদলে যেত।
১৫. প্যাশন কোনো চিন্তার বিষয় নয়, এটি হলো এক ধরনের কৌতূহল যা আপনাকে অ্যাকশন নিতে বাধ্য করে।
১৬. আজকের নেওয়া একটি ৫ সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত ৫ বছর পরের আপনাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।
১৭. ভুল করতে শিখুন। নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা বাদ দিন। ভুল করার সাহস সঞ্চয় করুন এবং তা থেকে শিখুন।
১৮. নিজেকে ক্ষমা করুন। অতীতে কী করতে পারেননি তা নিয়ে আক্ষেপ না করে, বর্তমানের ৫ সেকেন্ডকে কাজে লাগান।
১৯. জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো কোনো ঝুঁকি না নেওয়া এবং নিজের স্বপ্নের জন্য চেষ্টা না করা।
২০. কোনো কাজ শেষ করা কঠিন নয়, কঠিন হলো কাজটি শুরু করা। আর ৫ সেকেন্ড রুল সেই শুরুটাকেই সহজ করে দেয়।
______