জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
নুন খাচ্ছেন, তবে সঠিকটি বেছে নিচ্ছেন কি? থাইরয়েড বা খনিজের ঘাটতিতে কোনটি বাছবেন?

কাঁচা স্যালাড হোক বা রান্না খাবার— এক চিমটে নুন ছাড়া সবই স্বাদহীন। তবে শুধু স্বাদের কথা ভেবেই নুন খাচ্ছেন কি? তা হলে এ বার আর একটু বেশি ভাবা দরকার। যে সাদা নুন সব সময় সব খাবারেই ব্যবহৃত হয়, তাকে বলে টেবিল সল্ট। তবে এর বাইরেও নুনের বৈচিত্র কম নেই। সৈন্ধব লবণ, হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট, রক সল্ট, সি সল্ট, কালো নুন— এত রকমের নুন কোন কাজে লাগে, ভেবে দেখেছেন কি?

মুম্বইয়ের পুষ্টিবিদ লভনীত বাত্রা বাতলে দিলেন, কোন নুন স্বাস্থ্যে কেমন প্রভাব ফেলে। থাইরয়েড হলে বা শরীরে খনিজের ঘাটতি পূরণে কোন নুন খাওয়া চলে। সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করে, পুষ্টিবিদ বলছেন, ‘‘ভুল নুন খাওয়া এখনই বন্ধ করুন।’’

ভুল বাদ দিতে হলে, জানতে হবে, সঠিকটা কী। লভনীত জানাচ্ছেন, কোন নুনের কী গুণ, কখন কোনটি খাওয়া দরকার।

💥 সাদা নুন:খাওয়ার টেবিলে যে সাদা নুন থাকে, সেটি নানা রকম প্রক্রিয়াকরণে তৈরি। খনিজের মাত্রাও কম থাকে এতে। তবে আয়োডিনের ঘাটতি পূরণে এই নুন ভাল। থাইরয়েডের মাত্রার হেরফের হলেও, এই নুন খাওয়া চলে।

💥 হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট: লালচে দেখতে এই নুন খনিজে পূর্ণ। ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের অভাব দূর করতে এটি বিশেষ কার্যকর। ফলে শরীরে খনিজের অভাব ঘটলে তালিকায় জোড়া প্রয়োজন এই নুনটি।

💥 কালো নুন: হালকা টক স্বাদের নুনটি চাট, মুখরোচক খাবারে ব্যবহার করা হয়। এটি হজমের জন্য ভাল। সালফার থাকে এমন নুনে, যা পেটের পক্ষে উপকারী। এই ধরনের নুনের চড়া গন্ধও থাকে। নুনটি ব্যবহার করলেও, স্বল্পমাত্রায় করাই ভাল।

💥 সি সল্ট বা সামুদ্রিক নুন: সমুদ্রের জল বাষ্পীভূত করে এই ধরনের নুন তৈরি হয়। এতে প্রচুর প্রাকৃতিক খনিজ থাকে। তবে সঠিক ভাবে প্রক্রিয়াকরণ না হলে, বা গুণমান খারাপ থাকলে কখনও কখনও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায় এই নুনে। তবে মোটের উপর এটিও উপকারী।

#healthtips
#lifestyle
সুস্থ থাকার ৩০টা নিয়ম, যা সবার(নন ডায়বেটিক) মানা উচিতঃ

১)সকাল ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠা
২)রাত ১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া
৩)সকালে খাওয়ার আগে অন্তত ২-৩ কিলোমিটার হেটে নেয়া
৪)হাটা থেকে বাসায় ফিরে অন্তত ১ চা চামচ এপল সিডার ভিনেগার+লেবুর রস খালি পেটে খাওয়া।
৫)প্রতিবেলা খাবার কিছুক্ষন আগে সামান্য আদা ও যষ্টিমধু পানিতে মিশিয়ে খেয়ে নেয়া।
৬)সকালে ওঠার প্রথম তিন ঘন্টা যথাসম্ভব খালি পেটে থাকা এবং শুধু পানি পান করা
৭)সকালের নাশতায় যথেষ্ট প্রোটিন-২-৪টা ডিম/ ২-৩ পিস মাছ বা গোশত অথবা ১৩০-১৫০ গ্রাম ছোলা এবং ৫০ গ্রাম বাদাম রাখা
৮)বাসা থেকে সমস্ত প্যাকেটজাত-বোতলজাত ফ্যাক্টরি মেইড প্রসেসড ফুড বের করে দেয়া
৯)দিনে ১-২ গ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া, সাথে ২০০ আইইউ ভিটামিন ই।
১০)কার্বোহাইড্রেট হিসেবে নিয়মিত নন রিফাইন্ড হোল গ্রেইন খাওয়া। বাদামী চাল, যবের ছাতু/যব, ছোলাবুট, ডাল, ভাতের মাড়, রোল্ড ওটস, মিষ্টি আলু, গাজর হচ্ছে ভাল কার্বোহাইড্রেট সোর্স।
১১)যাবতীয় রিফাইন্ড অয়েল বাদ দিয়ে প্রাকৃতিক ভোজ্য তেল সরিষা ব্যবহার করা।
১২)মাসে অন্তত ৩ দিনের দুটো ফাস্টিং সাইকেল মেইনটেইন করা। একটা ফাস্টিং সাইকেলে রোযা রাখা হবে পরপর তিনদিন, আরেকটায় প্রতিদিন অন্তত ১৮ ঘন্টা এবং সম্ভব হলে ২৪ ঘন্টা নিজেকে অভুক্ত রাখতে হবে। (শুধু পানি ও মিনারেলস চলতে পারে)
১৩)যাদের পক্ষে সম্ভব তাদের উচিত নিয়মিত ভিটামিন ডি-২০০০ আইইউ ও ভিটামিন কে-২ ৪৫ এমসিজি, ভিটামিন বি-১ ৩-৫ এমজি গ্রহন করা, দিনে একবার ২০ মিলিগ্রাম জিংক ব্যবহার করা।

১৪)সপ্তাহে অন্তত ২ দিন বডিওয়েট এক্সারসাইজ অথবা ওয়েট লিফটিং করা।
১৫)সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন HIIT এক্সারসাইজ করা ৩-৫ সেট, অথবা ১ ঘন্টার বেশি কার্ডিও করা।
১৬)রাত ৮টার পর ফোন ব্যবহার না করা
১৭)দিনের প্রথম ও শেষ খাবারের মধ্যে ১২ ঘন্টার বেশি গ্যাপ না রাখা
১৮)সমস্ত চিনিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা এবং মাসে ২ বারের বেশি চিনিজাতীয় খাবার গ্রহন না করা
১৯)মাথার কাছে মোবাইল ফোন রেখে ঘুমানো বন্ধ করা
২০)ধুমপান ও অন্যান্য নেশা ছেড়ে দেয়া, চা কফি সীমিত করে আনা
২১)অসৎ পথে অর্থ উপার্জন করা বন্ধ করা
২২)মিথ্যা বলা ছেড়ে দেয়া
২৩)পরনিন্দা ও হিংসা থেকে দূরে থাকা
২৪)কোন বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করা
২৫)শুধুমাতে ক্ষুধা লাগলেই খাওয়া, ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া এবং খাওয়ার পর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা
২৬)বাসায় ওয়েট মেশিন, কিচেন স্কেল, মিজারমেন্ট টেপ ও বডি ফ্যাট ক্যালিপার্স রাখা। পাশাপাশি ডাম্বেল, স্কিপিং রোপ, ফার্ম গ্রিপ, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড, টামি ট্রিমারের মত বেইসিক ব্যায়ামের কমদামী যন্ত্র রাখা।
২৭)টেফলন-এলুমিনিয়ামের তৈরি বাসনপত্র ব্যবহার না করা
২৮)প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার সীমিত করা
২৯)টুথব্রাশ-টুথপেস্টের বদলে এক্টিভেটেড কোকোনাট চারকোল-মিসওয়াক/বাশের ব্রাশ ব্যবহার করা
৩০)রাতে ঘুমানোর আগে নির্জনে অন্ধকারে প্রার্থনা করে আল্লাহকে সমস্ত কষ্টের কথা জানানো এবং নিজের ভুলগুলোর জন্য ক্ষমা চাওয়া, পাশাপাশি যা কিছু ভাল হয়েছে তার জন্য শুকরিয়া আদায় করা।

এই নিয়মগুলোর অন্তত ৫টা করে প্রতিমাসে মানতে শুরু করুন। জীবন বদলে যাবে ইনশা আল্লাহ।

শরীর-মনকে ভাগ্যের হাতে ছেড়ে না দিয়ে লাগামের কব্জা রাখুন নিজের হাতে, দেখবেন শরীর আপনার অনুগত হয়ে যাবে।
3
স্পষ্টতা, আমার সবকিছু পরিবর্তন করে দিয়েছে!

কোথায় যাবো, কি করবো - শুধু এগুলোর স্পষ্টতাই নয়;

বরঞ্চ,

• কি করবো না
• কোথায় যাবো না
• কি চিন্তা করবো না
• কাদের চিন্তা করবো না

... এই সবকিছুর স্পষ্টতা, আমাদের লাইফে দরকার!

আশেপাশের এই নয়েজের মাঝে, ক্ল্যারিটির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আর কিছুই নয় 🧠
1
জানাবাতের গোসল: সুন্নাহ পদ্ধতি ও কিছু জরুরি মাসয়ালা

জানাবাতের পরিচয়:
'জানাবাত' একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অপবিত্রতা।
শরীয়তের পরিভাষায়—হায়েজ-নেফাস, স্ত্রী সহবাস অথবা স্বপ্নদোষ বা অন্য কোনো কারণে বীর্যপাতের ফলে যে নাপাকি সৃষ্টি হয়, তাকে 'জানাবাত' বলা হয়। এই অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে বলা হয় ‘জুনুবি’। জানাবাত অবস্থা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা ফরজ।

চলুন এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করি
১. জীবনে কিছু কাজ আমাদের করতেই হয়, না করে উপায় থাকে না। গোসলও তেমন এক কাজ। এই গোসল কখনো মুস্তাহাব, কখনো সুন্নাত, আবার কখনো ফরজ।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন—
"তোমরা যদি জানাবাত অবস্থায় থাকো, তবে নিজেদের দেহ (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নেবে।" (সূরা মায়েদা: ৬)

২. নবীজি (সা.)-এর গোসলের পদ্ধতি
আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) জানাবাতের গোসল করার সময় এভাবে সম্পন্ন করতেন:
• ক. প্রথমে দুই হাত ধৌত করতেন।
• খ. ডান হাত দিয়ে পানি ঢালতেন এবং বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করতেন।
• গ. তারপর পরিপূর্ণ (সালাতের ন্যায়) অজু করতেন, তবে পা ধোয়া বাকি রাখতেন।
• ঘ. পানি দিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে পানি পৌঁছাতেন এবং এরপর মাথায় তিন কোষ পানি ঢালতেন।
• ঙ. পুরো শরীরে পানি ঢালতেন।
• চ. সবশেষে পা ধুতেন।

৩. শরীর ভেজানোর ধারাবাহিকতা
হযরত আয়েশা (রা.) আরও বলেছেন, আমাদের কেউ জুনুবি হলে মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন। তারপর শরীরের ডান পাশে পানি ঢালতেন এবং এরপর বাম পাশে।

৪. গোসলের ফরজ কাজসমূহ
গোসলের এই সুন্নাত তরিকা শুধু ফরজ গোসলে নয়, সাধারণ গোসলেও আমরা প্রয়োগ করতে পারি। তবে জানাবাতের গোসলে ৩টি কাজ অবশ্যই করতে হবে (যা ফরজ):
১. একবার কুলি করতে হবে।
২. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছে দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে।
৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছাতে হবে।

৫. সাধারণ গোসলকে ইবাদতে পরিণত করা
এই তিনটি কাজ ফরজ আর নবীজির অনুসৃত পদ্ধতি অনুসরণ করা সুন্নাত। আমরা ফরজ গোসল প্রতিদিন না করলেও সাধারণ গোসল তো প্রায় প্রতিদিনই করি। একটু খেয়াল করে নবীজির তরিকা অনুসরণ করলে আমাদের দৈনন্দিন গোসলটাও ইবাদতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

৬. সচেতনতা ও আমল
মাথায় পানি ঢালার সময় আমরা তিনবার অবশ্যই ঢালব, প্রয়োজনে বেশিও ঢালতে পারি। শাওয়ারে গোসল করার সময় তিনবারের নিয়ত করে নেব। শাওয়ারের নিচে দাঁড়ানোর সময়ও খেয়াল করে আগে ডান দিক ভেজাব, তারপর বাম দিক। দ্বীন পালন মানেই হলো একটুখানি সচেতনতা। একটু খেয়াল করলেই আমরা কত সহজে অনেক বেশি ইবাদত করতে পারি।
রব্বে কারীম আমাদের আমল করার তাওফীক দান করুন। আমিন।
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের অমর সৃষ্টিগুলো কেবল নাটকের সংলাপ নয়, বরং এগুলো জীবনদর্শনের এক একটি দর্পণ। তার লেখনীতে মানুষের আবেগ, বিবেক এবং বাস্তবতার এমন কিছু দিক ফুটে উঠেছে যা আজও আমাদের জীবনকে নতুন করে ভাবতে শেখায়।
আপনার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে এমন ১৪টি বাছাইকৃত উক্তি নিচে দেওয়া হলো:

১. আত্মবিশ্বাস ও সত্যতা
"সবাইকে ভালোবাসুন, অল্প কয়েকজনকে বিশ্বাস করুন, আর কারো ক্ষতি করবেন না।"

২. সুযোগের সঠিক ব্যবহার
"মানুষের জীবনে জোয়ারের মতো একটা সুযোগ আসে; যদি সেই জোয়ারকে কাজে লাগানো যায়, তবেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।"

৩. মনের শান্তি ও প্রত্যাশা
"আমি সবসময় নিজেকে সুখী ভাবি, কারণ আমি কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না। প্রত্যাশা সবসময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।"

৪. বীরত্ব ও ভীরুতা
"ভীরুরা মরার আগে বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা মৃত্যুর স্বাদ একবারই গ্রহণ করে।"

৫. চারিত্রিক সততা
"সর্বোপরি নিজের প্রতি সৎ থাকো; তবেই তুমি অন্য কারো প্রতি অসৎ হতে পারবে না।"

৬. ভাগ্যের চেয়ে কর্ম বড়
"আমাদের ভাগ্যের ওপর দোষ দিয়ে লাভ নেই, দোষ আসলে আমাদের নিজেদের মধ্যেই।"

৭. সময়ের মূল্য
"আমি সময় নষ্ট করেছি, আর এখন সময় আমাকে নষ্ট করছে।"

৮. নীরবতার গুরুত্ব
"গভীর নদীগুলো শান্তভাবে বয়ে যায়, অগভীরগুলো সবসময় বেশি শব্দ করে।"

৯. ধৈর্য ও প্রতিকূলতা
"ধৈর্য নেই যার, তার মতো দরিদ্র আর কেউ নেই।"

১০. মানুষের রূপ পরিবর্তন
"পুরো পৃথিবীটাই একটা রঙ্গমঞ্চ, আর এখানকার নারী-পুরুষ সবাই অভিনেতা; প্রত্যেকেরই প্রবেশের সময় আছে এবং বিদায়েরও সময় আছে।"

১১. বুদ্ধিমত্তা ও মূর্খতা
"একজন মূর্খ নিজেকে জ্ঞানী মনে করে, কিন্তু একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নিজেকে মূর্খ মনে করার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান।"

১২. সুসময়ের বন্ধু
"সুসময়ে সবাই তোমার বন্ধু হবে, কিন্তু অসময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো কাউকেই খুঁজে পাবে না।"

১৩. নাম নয়, গুণই আসল
"নামে কী আসে যায়? গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, সে একই রকম সুগন্ধ ছড়াবে।"

১৪. অতিরিক্তের কুফল
"ভালো জিনিস বেশি পরিমাণে থাকা সবসময় ভালো নয়।"

এই উক্তিগুলো আমাদের শেখায় কীভাবে মানুষের সাথে আচরণ করতে হয় এবং কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করতে হয়। শেক্সপিয়ারের এই দর্শনগুলোর মধ্যে কোনটি আপনার জীবনের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সবচেয়ে বেশি মিলে যাচ্ছে?
3
আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, NextGen Workforce-এর পক্ষ থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাস কাউন্টারে কাজ করার জন্য ‘টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ’ পদে জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
আধুনিক ঢাকা শহর কে উন্নতি করতে আসছে জানুয়ারী থেকে পুরো ঢাকা শহরের সকল পরিবহন টিকেটের আওতায় আনা হচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রচুর পরিমান লোকের প্রয়োজন। সুতরাং কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়া সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে পারবেন।

পদের নাম: টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ

কর্মস্থল: ঢাকা শহর, নিজের সুবিধামত এলাকায় করা যাবে।
বেতন ১৬০০০
ডিউটি ৯ঘন্টা।

কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়া সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। বলবেন আহমাদ হুজুরের রেফারেন্সে আসছি।

টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ
🔹 কর্মস্থল: Dhaka
💰 বেতন ও সুবিধাসমূহ
মাসিক বেতন: ১৫,০০০+১০০০ টাকা
প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রতি মাসে ৫০০ টাকা।
ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ড প্রদান
প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
দীর্ঘমেয়াদি চাকরির সুযোগ (৬ বছর) প্রকল্পের মেয়াদ পর্যন্ত।
👤 যোগ্যতা ও শর্তাবলী
🔸 বয়স: ১৮ থেকে ৪৫ বছর
🔸 ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম বা এর সমমান আলিয়া/কওমী।

🔸 ক্যাশ হ্যান্ডেলিং ও POS মেশিন ব্যবহারে আগ্রহী হতে হবে
🔸 সৎ, দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে
🔸 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকতে হবে

📄 *প্রয়োজনীয় কাগজপত্র*
📌 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি
📌 সদ্য তোলা ছবি (২ কপি)
📌 শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ
📞 *আবেদন ও যোগাযোগ*

নোট: কোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন বা দালালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও অফিসিয়াল নিয়মে সম্পন্ন হবে

সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে চলে আসুন নিম্নের ঠিকানায় :
*Address:* Chondro Vromon turist bhot, House 27, Road 4 Block j, meradia bazar, banasree, Rampura, dhaka 1219

মোবাইল / WhatsApp: 01805962223 / 01886-180470

নোট: চাকুরীর নিয়োগে কোন প্রকার টাকার আর্থিক লেনদেন নেই। সকল কিছু কনফার্ম হওয়ার পর যখন মেশিন এবং ট্রেনিং দেয়া হবে তখন জামানত হিসাবে ২৫০০০ টাকা দিতে হবে। কেননা একটি মেশিনের দাম প্রায় ৪৫০০০ টাকা আর দৈনিক লেনদেনের টাকার দায়িত্ব থাকবে । কোন কারণ বশত উক্ত ব্যক্তি চাকুরী থেকে অব্যাহতি নিলে পুরো জামানতের টাকা ফেরৎ নিতে পারবেন কম্পানির হিসাব -নিকাশ ও ডিভাইস বুঝিয়ে দিয়ে।

আরো বিস্তারিত আলাপ করতে সরাসরি উপরের হোয়াটস এ্যাপে মেসেজ দিন, আমাকে ইনবক্স না করার বিনীত অনুরোধ।
👍1
ইসলাম ও নৈতিকতার দৃষ্টিতে নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করা এবং একই সাথে বিনয়ী হওয়া— এই দুটির মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য রয়েছে। যারা আপনাকে এড়িয়ে চলে, গীবত করে বা অপমান করে, তাদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে এবং আত্মসম্মান রক্ষায় নিচের মূলনীতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

১. শত্রুর বা কষ্টদানকারীর সাথে আচরণের মূলনীতি:

ইসলামের নির্দেশনা হলো— খারাপ আচরণের জবাব ভালো দিয়ে দেওয়া (ইদফা' বিল্লাতি হিয়া আহসান)। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেকে অপমানিত হতে দেওয়া।

• উপেক্ষা করা (I'raz): কুরআনে মুমিনদের গুণাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারা যখন অসার বা মূর্খদের পাশ দিয়ে যায়, তখন ভদ্রভাবে এড়িয়ে যায়। যারা আপনাকে এড়িয়ে চলে, আপনিও ভদ্রভাবে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। তাদের পেছনে ছোটার প্রয়োজন নেই।

• গীবতের জবাব না দেওয়া: কেউ গীবত করলে তার সাথে ঝগড়ায় না জড়িয়ে চুপ থাকা বা সেখান থেকে সরে আসাই হলো হেকমত। কারণ, কুকুরের ঘেউ ঘেউ এর জবাবে সিংহ কখনো পাল্টা শব্দ করে না।

২. বারবার মাফ করা কি আত্মসম্মান নষ্ট করে?

এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে হবে। 'ক্ষমা করা' এবং 'নিজেকে অপদস্থ হতে দেওয়া' এক জিনিস নয়।

• অন্তর থেকে ক্ষমা: কারো প্রতি ঘৃণা পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি হয়। তাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অন্তর থেকে তাদের মাফ করে দিন। এতে আপনার মানসিক প্রশান্তি বাড়বে।

• আচরণে সতর্কতা: মাফ করার অর্থ এই নয় যে, আপনি বারবার তাদের কাছে গিয়ে আবার আঘাত খাওয়ার সুযোগ করে দেবেন। হযরত সায়্যিদুনা রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "মুমিন এক গর্তে দুইবার দংশিত হয় না।" (বুখারী ও মুসলিম)

অর্থাৎ, কেউ যদি বারবার আপনার সরলতার সুযোগ নিয়ে কষ্ট দেয়, তবে তাকে মাফ করে দিন কিন্তু তার সাথে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা বা বিশ্বাস স্থাপন করবেন না। এটি আত্মসম্মান নষ্ট করা নয়, বরং এটিই মুমিনের দূরদর্শিতা।

৩. বিনয় এবং আত্মসম্মানের ভারসাম্য (Balance) করবেন যেভাবে
বিনয় (Humility) মানে নিজেকে ছোট মনে করা নয়, বরং অন্যকে সম্মান দেওয়া। আর আত্মসম্মান (Self-respect) মানে নিজের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদাকে রক্ষা করা।

• বিনয়: আপনি তাদের সাথে দেখা হলে সালাম দেবেন, হাসিমুখে কথা বলবেন, ঝগড়া করবেন না। অহংকার করে বলবেন না যে "আমি তোমার চেয়ে শ্রেষ্ঠ"।
• আত্মসম্মান: তারা যদি আপনাকে অপমান করে বা এড়িয়ে চলে, তবে আপনি গায়ে পড়ে তাদের সাথে মিশতে যাবেন না। নিজের প্রয়োজনে বা দাওয়াতি কাজ ছাড়া তাদের সঙ্গ পরিহার করবেন।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "কোনো মুমিনের জন্য উচিত নয় নিজেকে অপমানিত করা।" সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, নিজেকে কীভাবে অপমানিত করে? তিনি বললেন, "এমন কোনো বিপদ বা ঝামেলার মুখোমুখি হওয়া, যা সহ্য করার ক্ষমতা তার নেই।" -তিরমিযী

সারকথা:
যারা আপনাকে কষ্ট দেয়, তাদের জন্য আপনার স্ট্র্যাটেজি হবে "ভদ্রোচিত দূরত্ব" (Graceful Distance)।

১. তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না, কিন্তু অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠও হবেন না।
২. তাদের কল্যাণের জন্য দোয়া করুন, কিন্তু নিজের গোপন কথা বা দুর্বলতা তাদের কাছে প্রকাশ করবেন না।
৩. বারবার যে আপনাকে অপমান করে, তার কাছে ধরণা দেওয়া বিনয় নয়, বরং বোকামি। সেখানে সরে আসাই হলো আত্মসম্মান।

মনে রাখবেন, যে আল্লাহর জন্য বিনয়ী হয়, আল্লাহ তার মর্যাদাকে বুলন্দ করে দেন। আপনি চুপ থাকলে এবং ধৈর্য ধরলে আল্লাহই আপনার হয়ে তাদের জবাব দিয়ে দেবেন।

#swadhinattari #dealingwithdifficultpeople
1
২০২৫ সালের শেষপোস্ট হিসেবে নিজের প্রতি, সকলের প্রতি এই নসিহত থাকুক:

জীবনে মানুষ, পশু-পাখি থেকে শুরু করে জীবিত সকল প্রাণীর সাথে যত কম সম্ভব, তত কম অ্যাটাচমেন্ট তৈরি করবেন। দুনিয়ায় মুসাফির হিসেবে এসে, এত অনিশ্চয়তার মধ্যে আরো অনিশ্চিত ফ্যাক্টর যুক্ত করা উচিত না। অতিথির মতো এসে, অতিথি হয়েই চলে যেতে হবে।

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, প্রাণীর প্রতি দয়া, মানুষের প্রতি মানবিক হওয়া, আন্তরিক হওয়া কোনোকিছুই যেন এই প্রসেসে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। কিন্তু অ্যাটাচমেন্ট রাখবেন না, মন শক্ত রাখবেন। অ্যাটাচমেন্ট অনেক খারাপ জিনিস, বিশেষ করে দুর্বল হৃদয়ের মানুষদের জন্য কিছু থেকে ডিটাচ হওয়া আরো পেইনফুল।

পৃথিবীতে যতদিন বেঁচে থাকবেন, জীবনে যত সামনে আগাবেন, ততই হারানোর তালিকা দীর্ঘ হবে। দুনিয়ায় আপনার মনের চেয়ে কমপ্লিকেটেড জিনিস হয়তো আর কিছুই নেই। নিজের জন্য পর্যাপ্ত সময় রাখুন, নিজেকে বুঝে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
1
শীতকালে গোসলের পর স্ত্রীর মাধ্যমে নিজেকে উষ্ণ করা প্রসঙ্গে
·
ইবরাহিম আত-তাইমি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু গোসলের পর তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে নিজের শরীর উষ্ণ করতেন।” [১]
উম্মু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আবু দারদা গোসল করতেন। এরপর তিনি কাঁপতে কাঁপতে এসে আমার মাধ্যমে নিজের শরীর গরম করতেন।” [২]
ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন, “আমি অপবিত্রতার কারণে গোসল করি, তারপর (আমার) স্ত্রী গোসল করার পূর্বে তার মাধ্যমে নিজেকে গরম করি।” [৩]
ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন, “শীতকালে এমনই ছিল কুরাইশদের জীবনযাপন।” [৪]
·
❏ পাদটীকা :
[১]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ (তাহকিক : সাদ আশ-শাসরি), হা. ৮২৯, বর্ণনার মান : মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।
[২]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩০, বর্ণনার মান : মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।
[৩]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩১, বর্ণনার মান : সহিহ (তাহকিক : শাসরি)
[৪]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩২, বর্ণনার মান : হাসান (তাহকিক : শাসরি)।

Md Abdullah Mridha
খালেদা জিয়ার ইনফেকশন ও মৃত্যুবরণ: আমাদের জন্য কিছু জরুরি বার্তা

জননেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং তাঁর ইনফেকশনের খবরটি আমাদের একটি বড় সর্তকবার্তা দিয়ে গেল। ইনফেকশন থেকে সেপসিস হয়ে তাঁর এই চলে যাওয়া আমাকে আমার আব্বার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

আমার আব্বাকে শেষ কয়েক মাস মূত্রনালির ক্যাথেটার ব্যবহার করতে হতো, আর সেখান থেকেই বারবার ইনফেকশন হতো। আমি নিজে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজির মানুষ হওয়ায় আব্বার জন্য কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করবে, তা খুঁজে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাগলের মতো লিটারেচার পড়েছি। কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া এখন সাধারণ এন্টিবায়োটিকের ধার ধারে না।

নেদারল্যান্ডসে আসার পর আমার চোখ খুলে গেল। এখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে তারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর। বছর দেড়েক আগে আমার প্রচণ্ড সাইনাস ইনফেকশন হলো, সাথে তীব্র ব্যথা। আমি ধারণা করেছিলাম এটি ব্যাকটেরিয়ালই হবে। কিন্তু ডাক্তার ব্লাড টেস্ট করে দেখলেন ইনফেকশনের মার্কার অত বেশি নয়। তিনি জানিয়ে দিলেন, এন্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না, অপেক্ষা করতে হবে।

আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু অবাক হলাম যখন দেখলাম মাত্র ২ দিন পর কোনো ওষুধ ছাড়াই আমি সুস্থ হয়ে গেলাম! অথচ দেশে থাকতে আমরা মুড়ি-মুড়কির মতো এন্টিবায়োটিক খেতাম। এখন আমি ড্রাগ ডিসকভারি নিয়ে কাজ করি, কিন্তু বিদেশে আসার পর থেকে খুব প্রয়োজন ছাড়া একটা প্যারাসিটামলও আর খাই না। সাধারণ সর্দি-জ্বরে মা আমাকে জিজ্ঞেস করেন, প্যারাসিটামল খেয়েছি কিনা, কেননা মা জানে আমি আর প্যারাসিটামলও খাই না ;) , জ্বর বেশি হলে তো অন্য কথা।

আমার কিছু বিশেষ অনুরোধ:

১. শরীরের ওপর আস্থা রাখুন: সাধারণ সর্দি-জ্বরে হুটহাট এন্টিবায়োটিক না খেয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, পানি খান এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খান।

২. নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ নয়: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছায় কোনো এন্টিবায়োটিক কেনা বা খাওয়া বন্ধ করুন।

৩. চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান: একান্ত প্রয়োজন নিশ্চিত না হয়ে এন্টিবায়োটিক দেবেন না। রোগী আসলেই এক হালি ওষুধ লিখে দিতে হবে, এই কালচার পাল্টানো এখন সময়ের দাবি। ওষুধ প্রয়োজন না হলে রোগীকে বুঝিয়ে বলুন কেন তাঁর এন্টিবায়োটিক লাগবে না।

৪. কঠোর আইন প্রণয়ন: এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে কর্তৃপক্ষকে নেদারল্যান্ডসের মতো কঠোর আইন করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে এবং আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আজই আমরা সচেতন না হলে, ভবিষ্যতে সাধারণ ইনফেকশনও এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। যেখানে কার্যকারিতা হারিয়ে কোনো এন্টিবায়োটিকই আর প্রাণ বাঁচাতে পারবে না। মুড়ি-মুড়কির মতো এন্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ না হলে আমাদের সামনের দিনগুলো হবে ঘোর অন্ধকারের।
😱1
অনেকেই মনে করেন সিজারিয়ানের পর একজন নারী আর কখনো স্বাভাবিকভাবে যোনিপথে সন্তান জন্মদান করতে পারেন না।

কিন্তু এই ধারনাটা আসলে ভুল।

আমেরিকান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর চাইল্ড হেলথ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সিজারিয়ানের পরেও ৭৫% ক্ষেত্রে মায়েরা প্রাকৃতিক উপায়েই সফলভাবে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন।

এখানে, কিভাবে সি সেকশন করা হল, তার ওপর ব্যাপারটা অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সোজা কথায়, সার্জারীর সময় পেট আড়াআড়ি(ট্রান্সভার্স) ভাবে নিচের দিক থেকে কাটলে আইমিন লো, ট্রান্সভার্স কাট হলে পরের ডেলিভারিগুলি স্বাভাবিকই হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুটোর বেশি সিজারিয়ান হলে তখন অবশ্য সাকসেস রেট কম হবার চান্স থাকে ইউটেরাইন রাপচারের ভয়ে, তাও সবার ক্ষেত্রে না।

উল্লেখ্য, আমেরিকাতে ডায়বেটিসের হার আমাদের দেশের চেয়ে অন্তত তিন থেকে চারগুন বেশি এবং ওবিসিটি আমাদের প্রায় বিশগুন বেশি।

ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি আমেরিকাতেও আছে, বাংলাদেশেও আছে। বাংলাদেশে হয়তো তাদের চেয়ে এর পরিমান বেশ খানিকটা বেশি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা কয়েকটি গবেষনায় দেশে নারীদের মধ্যে ডি ডেফিসিয়েন্সি প্রায় ৬৭-৮৭% এর মধ্যে হবার কথা জানা গেছে।

এছাড়া, নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমেরিকানদের ওমেগা-৩ঃওমেগা-৬ রেশিও বাংলাদেশীদের চেয়ে যথেষ্ট খারাপ হবার কথা বা অন্তত ভাল হবার কথা না ডিউ টু দেয়ার ফুড কালচার।

এই অবস্থাতে, কেউ যদি আমাকে বলেন যে বাংলাদেশী মেয়েদের প্রাকৃতিভাবে সন্তান জন্ম দেয়ার মত দৈহিক সক্ষমতাই নেই, এটাকে আমি গ্রহন করতে পারবো না।

সেফালোপেলভিক ডিজপ্রোপর্শন বলে একটা ব্যাপার আছে।আমরা জানি, নারীদের ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও যদি. ৮এর বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সন্তানের মাথা বার্থ ক্যানাল দিয়ে বেরিয়ে আসতে চায় না বা প্রসব কঠিন হয়ে যায়।

বাংলাদেশে এই ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও এবং এক্টিভ মাসল মাস, এই দুটো জায়গাতেই গ্যাপ, দুটোই নিউট্রিশনাল রিজনে হয়। তাহলে দলে দলে সিজারিয়ানের ওটিতে মায়েদের না পাঠিয়ে আমরা মেয়েদেরকে বিয়ের আগেই এই দুটো জায়গাতে ফোকাস দিতে বললে সমস্যার তো কোন কারন দেখি না।

হাসপাতালগুলির জন্য এটা লাভজনক না, কিন্তু সাধারন মানুষের জন্য তো লাভজনক।

পাশাপাশি, যেসব রোগীরা সি সেকশনকে একটা স্টেইটাস সিম্বল মনে করেন, তাদের অবশ্যই ভাবা উচিত, স্টেইটাস সিম্বল বলতে আপনারা ঠিক কি বোঝেন আসলে। অসুস্থ থাকা, লাইফ লং ব্যাকপেইন(ইন সেভেরাল কেইসেস), ইনফেকশন, ওয়েট গেইন আবার কি ধরনের স্টেইটাস সিম্বল??

এগুলি ভাবেন এবং বুঝতে শেখেন।

ঢাকায়-চট্টগ্রামে আজকাল অনেককে রোগীদেরকে এটা পর্যন্ত বলতে দেখা যায় যে, আমি নরমাল ডেলিভারি করাই না।

এগুলো তো আপনাদের প্রফেশন সম্পর্কে মানুষের মনে কুধারনা সৃষ্টিতে ভুমিকা রাখে, আশা করি আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে শিখবেন। একজন নারীকে ক্রিপল করে দেয়া আপনার জন্য তো কোন এচিভমেন্ট হতে পারে না।

সিজারিয়ানের পরেও ভ্যাজাইনাল বার্থ খুবই সম্ভব এবং অন্তত ৭৫% ক্ষেত্রে নিরাপদ, এটা পরিসংখ্যানই বলছে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা।

#natural_delivery
#pregnancyjourney
#food, #healty_lifestyle, #lifestyle, #motivation #health_and_wellness, #eating, #family, #marriage, #travel, #restaurant, #society
#Sajal's_diet_falsafa
1
ইসলামী শরীয়াহ মতে মেন্সট্রুয়াল কাপ যেহুতু লজ্জাস্থানের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাই নারীদের জন্য এধরণের কাপ ব্যবহার করা মাকরুহ। কারণ এ ধরণের কুরসুফ বা কাপের বিধান সম্পর্কে আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ তাঁর ‘মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন’ গ্রন্থে লিখেন—

ويكره وضعه) وضع جميعه (فى الفرج الداخل)لأنه يشبه النكاح بيدها محيط-(

‘সমস্ত কুরসুফ লজ্জাস্থানের ভিতরে প্রবেশ করানো মাকরুহ। কেননা তা হস্তমৈথুনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।’ (মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন ১/৮৪-৮৫ পৃ.)

আল রাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ আছে—

ثُمَّ وَضْعُ الْكُرْسُفِ مُسْتَحَبٌّ لِلْبِكْرِ فِي الْحَيْضِ وَلِلثَّيِّبِ فِي كُلِّ حَالٍ وَمَوْضِعُهُ مَوْضِعُ الْبَكَارَةِ وَيُكْرَهُ فِي الْفَرْجِ الدَّاخِلِ. اهـ.

‘অবিবাহিত নারীদের জন্য মাসিকের সময় কুরসুফ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায়ই এর ব্যবহার মুস্তাহাব। কুরসুফ বা ন্যাপকিন রাখার স্থান হল, মাসিকের রাস্তার প্রবেশ মুখ। কিন্তু লজ্জাস্থানের ভিতরে কুরসুফ (কাপ) প্রবেশ করানো মাকরুহ।’ (আল বাহরুর রায়েক-১/২০৩)

পাকিস্তানের বিখ্যাত জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউনের ফতোয়ায় এসেছে—

واضح رہے کی عورتوں کے لیے خون کے ایام میں شدید عذر کے بغیر خون قابو کرنے کے لیے فرجِ داخل (عورت کی اندر والی شرم گاہ) میں مکمل طور پر کسی قسم کی بھی کوئی چیز ڈالنا مکروہ ہے، مثلًا کوئی کپڑا یا پیڈ وغیرہ؛ لہذا اگر خون معمول کے مطابق آتا ہو، یعنی ہر وقت کثیر مقدار میں نہ آتا ہو کہ پیڈ یا کپڑا باندھنے کے باوجود ٹپکتا ہو، تو خون کو قابو کرنے کے لیے مینسٹرویل کپ کا لگانا مکروہ ہے؛ کیوں کہ یہ مکمل طور پر فرج داخل میں ڈالا جاتا ہے۔

‘নারীদের জন্য মাসিকের দিনগুলিতে তীব্র অপারগতা ছাড়া রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য গোপনাঙ্গের সম্পূর্ণ ভিতরে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মাকরুহ। যেমন কোনো কাপড় বা প্যাড ইত্যাদি প্রবেশ করানো। অতএব, কারো যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে আসে, অর্থাৎ সারাক্ষণ প্রচুর পরিমাণে না আসে এবং প্যাড বা কাপড় বেঁধে রাখা সত্ত্বেও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে, তাহলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ লাগানো মাকরূহ; কারণ এটি সম্পূর্ণ গোপনাঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।’ (জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )

তবে কোনো বিবাহিত নারীর যদি তীব্রভাবে রক্তপাত হতে থাকে যা সাধারণ কাপড় বা প্যাড বেধে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে তার জন্য রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আধুনিক মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

(আল বাহরুর রায়েক ১/২০৩, ফাতাওয়া শামী ১/২৮৯, আল মুহিতুল বুরহানী ১/৪০০-৪০১, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২০, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 )

বিস্তারিত..

https://www.facebook.com/share/p/1BCZRsTBq2/
1
(কয়দিন আগেই এ লেখাটা ড্রাফট করেছিলাম।।আজকে ঠিক একই প্রশ্ন আমার স্টুডেন্ট আমাকে করল!!)

‎ছাত্র: আমার তাকদীরে যদি সবকিছু আগে থেকেই লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করব কেন?

‎শিক্ষক: তুমি কি জানো তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে?

‎ছাত্র: না, জানিনা। কিন্তু আমার তাকদীরে যদি ফেল লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করলেও ফেল করব না করলেও করব। তাহলে পড়ালেখা করার দরকার কি?

‎শিক্ষক: তোমার তাকদীরে যদি আল্লাহ এভাবে লিখে রাখেন, শাহেদ পড়াশুনা করেছে তাই আমার বিধান অনুযায়ী তাকে পাশ করিয়েছি, কিন্তু সে যদি পড়াশুনা না করত তবে আমার বিধান অনুযায়ীই সে ফেল করত... তুমি তো জানোনা তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে... তাহলে ফেল হওয়ার জন্য তাকদীরকে কিভাবে তুমি দোষারোপ করবে?

‎ছাত্র: (কিছুটা কনফিউজড হয়ে), কিন্তু অনেকেই তো আছে, ভালভাবে পড়াশুনা করে, কিন্তু এরপরও ফেল করে। তাহলে তারা কেন ফেল করে?

‎শিক্ষক: তার তাকদীরে হয়ত আল্লাহ লিখেছেন যে, ওমুক পড়াশুনা করবে, কিন্তু তাকে আমি ফেল করাব তাকে পরীক্ষা করার জন্য। সে এতে ধৈর্য ধারণ করবে এবং আমি তাকে আমার ওয়াদা অনুযায়ী পুরস্কৃত করব। সে যদি ধৈর্য ধারণ না করত, তবে আমি আমারই বিধান অনুযায়ী হতাশাগ্রস্ত ও অপমাণিত করতাম।

‎কেউই জানেনা তার তাকদীরে কি লেখা আছে, তাহলে সে সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য কেন প্রচেষ্টা চালাবেনা?

‎(ছাত্রকে কনফিউজড অবস্থায় রেখে, চিন্তা করার সুযোগ দিয়ে শিক্ষক চলে গেলেন)