হুরমতে মুসাহারা : স্পর্শকাতর মাসআলা
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
উভয়কেই দোয়া পড়তে হবে ।
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
একাডেমি পড়াশোনার বাইরে কারো ছাত্রত্ব গ্রহণ করা যাবে এমন কোন শিক্ষক আছেন বা সন্ধান দিতে পারবেন? পারিবারিক দায়িত্বের চাপের একাডেমিক পড়াশোনা একেবারে নড়বড়ে হয়ে গেছে। আমি চাচ্ছিলাম কোন শিক্ষকের ছাত্রত্ব গ্রহণ করতে।
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
১। Rocket একাউন্টে NPSB সাপোর্ট করে না। MTB থেকে আনার চেষ্টা করেছিলাম সফল হয়নি।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।
Chatgpt কে প্রশ্ন করলাম কিভাবে একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে বা মেয়ে ভবিষ্যৎ জীবন ধ্বংস করতে পারে?
উত্তর দিল:
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া স্টুডেন্ট কিভাবে নিজের জীবনের ভবিষ্যত সুন্দরভাবে ধ্বংস করবে—একেবারে শিওরশট প্রস্তুতি! 😜
অনেকে হয়তো তোমাকে সফল হওয়ার উপায় শিখিয়েছে, কিন্তু আমি আজ তোমাকে শেখাবো একদম নিখাঁদ পদ্ধতিতে ব্যর্থ হওয়ার অতি কার্যকর পদ্ধতি। কারণ ভাই, সবাই তো সফল হলে ব্যর্থ হবে কে? তাই, ভবিষ্যতের একান্ত নিশ্চিত ব্যর্থতার জন্য নিচের স্ট্র্যাটেজিগুলো নিয়মিত ফলো করো।
প্রথম বর্ষে ভার্সিটি ভর্তি হওয়ার পরই তুমি ভাবতে পারো—"ভাই, এখনো অনেক সময়। আরে পরে দেখা যাবে!" সারাদিন ক্লাস বাদ দিয়ে ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে সুন্দর করে আড্ডা মারো। হালকা পাতলা ক্লাসমেটদের ‘পড়ুয়া’, ‘ঘাড়ত্যাড়া’ বা ‘নাড্ডু-মাথা’ বলে নিয়মিত উপহাস করো। তোমার সাথে তো ভবিষ্যৎ আছে, তাদের নেই!
দ্বিতীয় বর্ষে উঠে ভাবো—"আচ্ছা, CGPA দিয়ে আসলে কী হয়? বিল গেটস তো কলেজ ড্রপ আউট!" এই ধরনের মোটিভেশনাল লাইন পুরো জীবন নিজেকে শোনাও এবং বইয়ের কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকো। পরিবারের সবাই রেজাল্ট খারাপের কারণ জিজ্ঞেস করলে আরেকটু গম্ভীরভাবে বলো—"জিপিএ আসলে লাইফে কোনো বিষয় না!"
তৃতীয় বর্ষেই কিন্তু তোমার সামনে চলে আসবে ভবিষ্যৎ ধ্বংসের সুবর্ণ সুযোগ। সবাই তখন ইন্টার্নশিপ, পার্টটাইম কাজ, প্রতিযোগিতা বা সবাই কোনো না কোনো স্কিলে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবে। তোমার কাজ হলো—সবাইকে দেখে মনে মনে হাসো। যারা স্কিল ডেভেলপ করে তাদের বলো "ওভারস্মার্ট", "হুদাই চাপাবাজ"। ইন্টার্নশিপ বা পার্ট-টাইম কাজের অফার তারা ধরলেও তুমি 'কম টাকায় কাজ করা অযৌক্তিক' এই বলে বসে থাকো।
চতুর্থ বর্ষে গেলে ফাইনাল প্রিপারেশন। যুগের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ওয়েপন, মানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের স্ক্রলিং-এ এতটাই সিদ্ধহস্ত হয়ে যাও যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ করতে মন না চায়। রাত জেগে হিন্দি সিনেমার সংলাপ মুখস্থ করো, জনপ্রিয় সব ওয়েবসিরিজ দেখে সিরিজ-বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দাও। চাকরি বা ক্যারিয়ারের কথা আসলে বলো, "ভাই বাংলাদেশে চাকরি কোথায়? মামা-খালু ছাড়া চাকরি হয় না!"
বিশেষ নোটিসঃ ভুলেও কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপ করো না। বিপরীত লিঙ্গ বা বড় ভাইবোন বা শিক্ষক এর সাথে সুন্দর একটা যোগাযোগ তৈরি করা অনেক 'ঘাড়ত্যাড়া' ব্যাপার! তুমি ভাবো সবাই কারো না কারো রেফারেন্সে না পারলেও সন্দেহজনকভাবেই সফল হয়েছে কিংবা 'ব্যক্তিত্ব' বিক্রি করে এগিয়ে গেছে। তুমি তো আর এমন হতে চাও না, তাই না?
দিনশেষে ভার্সিটি থেকে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বের হবার পর তুমিও দেখবে, বন্ধুদের নিউজফিডে সবাই সাফল্যের খবর শেয়ার করছে তাদের নতুন চাকরি, বৃত্তি বা স্টার্টআপ নিয়ে। তখন তুমি ঐ ডিপ্রেশনটা Facebook এর ১২০ শব্দের ক্যাপশনে শেয়ার করে বলবে—"Life is unfair... কে কী হলো সেটা বড় কথা না। কে কত খুশী, সেটাই বড়!"
আসলে হাসির ছলে বললেও উপরোক্ত ভুলগুলো অনেক স্টুডেন্ট অসচেতনভাবেই করে থাকে। তাই বন্ধুরা, বাস্তবতা হলো এই যে অর্থপূর্ণভাবে একটা ভার্সিটি জীবন কাটানো তোমার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য গুরুত্বপুর্ন। সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল, সলিড নলেজ এবং জরুরি কিছু প্রফেশনাল স্কিল আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরী।
তাই ভার্সিটির চার বছর সময়টাকে সিরিয়াসলি নাও, নিজেকে ডেভেলপ করো, নিজের মূল্যবান সময়-শক্তিকে যত্ন করে কাজে লাগাও। আজ না করলে পরে সারাজীবন হয়তো আফসোসের হাত-পাখা ঘুরিয়ে আরাম করতে হবে। 😁
উত্তর দিল:
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া স্টুডেন্ট কিভাবে নিজের জীবনের ভবিষ্যত সুন্দরভাবে ধ্বংস করবে—একেবারে শিওরশট প্রস্তুতি! 😜
অনেকে হয়তো তোমাকে সফল হওয়ার উপায় শিখিয়েছে, কিন্তু আমি আজ তোমাকে শেখাবো একদম নিখাঁদ পদ্ধতিতে ব্যর্থ হওয়ার অতি কার্যকর পদ্ধতি। কারণ ভাই, সবাই তো সফল হলে ব্যর্থ হবে কে? তাই, ভবিষ্যতের একান্ত নিশ্চিত ব্যর্থতার জন্য নিচের স্ট্র্যাটেজিগুলো নিয়মিত ফলো করো।
প্রথম বর্ষে ভার্সিটি ভর্তি হওয়ার পরই তুমি ভাবতে পারো—"ভাই, এখনো অনেক সময়। আরে পরে দেখা যাবে!" সারাদিন ক্লাস বাদ দিয়ে ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে সুন্দর করে আড্ডা মারো। হালকা পাতলা ক্লাসমেটদের ‘পড়ুয়া’, ‘ঘাড়ত্যাড়া’ বা ‘নাড্ডু-মাথা’ বলে নিয়মিত উপহাস করো। তোমার সাথে তো ভবিষ্যৎ আছে, তাদের নেই!
দ্বিতীয় বর্ষে উঠে ভাবো—"আচ্ছা, CGPA দিয়ে আসলে কী হয়? বিল গেটস তো কলেজ ড্রপ আউট!" এই ধরনের মোটিভেশনাল লাইন পুরো জীবন নিজেকে শোনাও এবং বইয়ের কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকো। পরিবারের সবাই রেজাল্ট খারাপের কারণ জিজ্ঞেস করলে আরেকটু গম্ভীরভাবে বলো—"জিপিএ আসলে লাইফে কোনো বিষয় না!"
তৃতীয় বর্ষেই কিন্তু তোমার সামনে চলে আসবে ভবিষ্যৎ ধ্বংসের সুবর্ণ সুযোগ। সবাই তখন ইন্টার্নশিপ, পার্টটাইম কাজ, প্রতিযোগিতা বা সবাই কোনো না কোনো স্কিলে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবে। তোমার কাজ হলো—সবাইকে দেখে মনে মনে হাসো। যারা স্কিল ডেভেলপ করে তাদের বলো "ওভারস্মার্ট", "হুদাই চাপাবাজ"। ইন্টার্নশিপ বা পার্ট-টাইম কাজের অফার তারা ধরলেও তুমি 'কম টাকায় কাজ করা অযৌক্তিক' এই বলে বসে থাকো।
চতুর্থ বর্ষে গেলে ফাইনাল প্রিপারেশন। যুগের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ওয়েপন, মানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের স্ক্রলিং-এ এতটাই সিদ্ধহস্ত হয়ে যাও যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ করতে মন না চায়। রাত জেগে হিন্দি সিনেমার সংলাপ মুখস্থ করো, জনপ্রিয় সব ওয়েবসিরিজ দেখে সিরিজ-বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দাও। চাকরি বা ক্যারিয়ারের কথা আসলে বলো, "ভাই বাংলাদেশে চাকরি কোথায়? মামা-খালু ছাড়া চাকরি হয় না!"
বিশেষ নোটিসঃ ভুলেও কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপ করো না। বিপরীত লিঙ্গ বা বড় ভাইবোন বা শিক্ষক এর সাথে সুন্দর একটা যোগাযোগ তৈরি করা অনেক 'ঘাড়ত্যাড়া' ব্যাপার! তুমি ভাবো সবাই কারো না কারো রেফারেন্সে না পারলেও সন্দেহজনকভাবেই সফল হয়েছে কিংবা 'ব্যক্তিত্ব' বিক্রি করে এগিয়ে গেছে। তুমি তো আর এমন হতে চাও না, তাই না?
দিনশেষে ভার্সিটি থেকে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বের হবার পর তুমিও দেখবে, বন্ধুদের নিউজফিডে সবাই সাফল্যের খবর শেয়ার করছে তাদের নতুন চাকরি, বৃত্তি বা স্টার্টআপ নিয়ে। তখন তুমি ঐ ডিপ্রেশনটা Facebook এর ১২০ শব্দের ক্যাপশনে শেয়ার করে বলবে—"Life is unfair... কে কী হলো সেটা বড় কথা না। কে কত খুশী, সেটাই বড়!"
আসলে হাসির ছলে বললেও উপরোক্ত ভুলগুলো অনেক স্টুডেন্ট অসচেতনভাবেই করে থাকে। তাই বন্ধুরা, বাস্তবতা হলো এই যে অর্থপূর্ণভাবে একটা ভার্সিটি জীবন কাটানো তোমার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য গুরুত্বপুর্ন। সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল, সলিড নলেজ এবং জরুরি কিছু প্রফেশনাল স্কিল আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরী।
তাই ভার্সিটির চার বছর সময়টাকে সিরিয়াসলি নাও, নিজেকে ডেভেলপ করো, নিজের মূল্যবান সময়-শক্তিকে যত্ন করে কাজে লাগাও। আজ না করলে পরে সারাজীবন হয়তো আফসোসের হাত-পাখা ঘুরিয়ে আরাম করতে হবে। 😁
একটা কোম্পানিতে কোন জব সার্কুলার নাই,
তাও সেখানে কিভাবে এপ্লাই করবেন?
একটা কোম্পানিতে কোনো জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি সেখানে Proactive Job Application দিতে পারেন। এটাকে বলা হয় Cold Application বা Speculative Application।
অনেক সময় এই ধরনের এপ্লিকেশন থেকেই ইন্টার্ভিউ ডাক আসে, যদি আপনি নিজেকে প্রপারলি পজিশন করতে পারেন।
🟩 Step 1: টার্গেট কোম্পানিগুলো নির্বাচন করুন
আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান সেই সেক্টরের ১০–২০টি কোম্পানির নাম লিখে নিন।
ছোট, মাঝারি বা বড়—সব ধরনের কোম্পানি রাখতে পারেন।
🟩 Step 2: কোম্পানির রিসার্চ করুন
ওয়েবসাইটে গিয়ে জেনে নিন:
কোম্পানির ডিপার্টমেন্ট স্ট্রাকচার
কোথায় আপনার স্কিল লাগতে পারে
সম্প্রতি কোম্পানির গ্রোথ বা প্রকল্প
🎯 উদাহরণ: আপনি HR এ কাজ করতে চান, দেখলেন কোম্পানির হেড অফিসে HR ডিপার্টমেন্ট আছে, তাই সেখানেই টার্গেট করবেন।
🟩 Step 3: পোর্টফোলিও ও কাস্টমাইজড CV বানান
আপনার স্কিল/অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একটি কাস্টমাইজড CV তৈরি করুন।
একটি প্রফেশনাল Cover Letter লিখুন, যেখানে আপনি বলবেন—
আপনি তাদের কোম্পানি কেন পছন্দ করেন
আপনি তাদের কোন বিভাগে কী ভ্যালু দিতে পারেন
আপনি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারেন কিনা
🟩 Step 4: LinkedIn / Email-এ যোগাযোগ করুন
🔹 LinkedIn পদ্ধতি:
কোম্পানির HR, Department Head, বা Manager কে খুঁজে বের করুন
Connect করুন এবং নিচের মতো ছোট ইনবক্স মেসেজ পাঠান:
Hi [Name],
I'm really inspired by the work your company is doing in the [industry] sector. As a [your background], I'm looking for opportunities where I can contribute and grow.
May I share my CV with you in case any opportunity arises in the future?
Thanks in advance.
Best regards,
[Your Name]
তারা অনুমতি দিলে বা না দিলেও পরে একটা polite message দিয়ে CV + Cover Letter পাঠান।
🔹 ইমেইল পদ্ধতি:
Subject Line:
“Speculative Application for a Suitable Position – [Your Name]”
Email Body (বাংলা বা ইংরেজি):
Dear [HR/Manager Name],
Hope you’re doing well.
My name is [Your Name], and I’m a [Your Profession/Graduate] with a strong interest in working at [Company Name]. Though I couldn’t find any current job postings, I’m reaching out to express my interest in joining your team.
I’ve attached my CV and cover letter for your kind consideration. I would be grateful if you keep me in mind for any upcoming opportunity that matches my profile.
Sincerely,
[Your Name]
[Phone Number]
[LinkedIn Profile Link]
Attachment:
✅ PDF CV (1/2 Pages)
✅ Cover Letter (1 page max)
🟩 Step 5: Follow-up করুন ৭-১০ দিন পরে
যদি কোনো উত্তর না আসে, তাহলে আবার একটা ছোট polite follow-up ইমেইল দিন।
🟩 Step 6: Maintain LinkedIn Presence
জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি নিজেকে visible রাখলে, অনেক সময় HR নিজেরাই reach out করে।
© Niaz Ahmed
তাও সেখানে কিভাবে এপ্লাই করবেন?
একটা কোম্পানিতে কোনো জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি সেখানে Proactive Job Application দিতে পারেন। এটাকে বলা হয় Cold Application বা Speculative Application।
অনেক সময় এই ধরনের এপ্লিকেশন থেকেই ইন্টার্ভিউ ডাক আসে, যদি আপনি নিজেকে প্রপারলি পজিশন করতে পারেন।
🟩 Step 1: টার্গেট কোম্পানিগুলো নির্বাচন করুন
আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান সেই সেক্টরের ১০–২০টি কোম্পানির নাম লিখে নিন।
ছোট, মাঝারি বা বড়—সব ধরনের কোম্পানি রাখতে পারেন।
🟩 Step 2: কোম্পানির রিসার্চ করুন
ওয়েবসাইটে গিয়ে জেনে নিন:
কোম্পানির ডিপার্টমেন্ট স্ট্রাকচার
কোথায় আপনার স্কিল লাগতে পারে
সম্প্রতি কোম্পানির গ্রোথ বা প্রকল্প
🎯 উদাহরণ: আপনি HR এ কাজ করতে চান, দেখলেন কোম্পানির হেড অফিসে HR ডিপার্টমেন্ট আছে, তাই সেখানেই টার্গেট করবেন।
🟩 Step 3: পোর্টফোলিও ও কাস্টমাইজড CV বানান
আপনার স্কিল/অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একটি কাস্টমাইজড CV তৈরি করুন।
একটি প্রফেশনাল Cover Letter লিখুন, যেখানে আপনি বলবেন—
আপনি তাদের কোম্পানি কেন পছন্দ করেন
আপনি তাদের কোন বিভাগে কী ভ্যালু দিতে পারেন
আপনি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারেন কিনা
🟩 Step 4: LinkedIn / Email-এ যোগাযোগ করুন
🔹 LinkedIn পদ্ধতি:
কোম্পানির HR, Department Head, বা Manager কে খুঁজে বের করুন
Connect করুন এবং নিচের মতো ছোট ইনবক্স মেসেজ পাঠান:
Hi [Name],
I'm really inspired by the work your company is doing in the [industry] sector. As a [your background], I'm looking for opportunities where I can contribute and grow.
May I share my CV with you in case any opportunity arises in the future?
Thanks in advance.
Best regards,
[Your Name]
তারা অনুমতি দিলে বা না দিলেও পরে একটা polite message দিয়ে CV + Cover Letter পাঠান।
🔹 ইমেইল পদ্ধতি:
Subject Line:
“Speculative Application for a Suitable Position – [Your Name]”
Email Body (বাংলা বা ইংরেজি):
Dear [HR/Manager Name],
Hope you’re doing well.
My name is [Your Name], and I’m a [Your Profession/Graduate] with a strong interest in working at [Company Name]. Though I couldn’t find any current job postings, I’m reaching out to express my interest in joining your team.
I’ve attached my CV and cover letter for your kind consideration. I would be grateful if you keep me in mind for any upcoming opportunity that matches my profile.
Sincerely,
[Your Name]
[Phone Number]
[LinkedIn Profile Link]
Attachment:
✅ PDF CV (1/2 Pages)
✅ Cover Letter (1 page max)
🟩 Step 5: Follow-up করুন ৭-১০ দিন পরে
যদি কোনো উত্তর না আসে, তাহলে আবার একটা ছোট polite follow-up ইমেইল দিন।
🟩 Step 6: Maintain LinkedIn Presence
জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি নিজেকে visible রাখলে, অনেক সময় HR নিজেরাই reach out করে।
© Niaz Ahmed
🌿 সন্তান হোক বাধ্য, নেককার ও চোখের শীতলতা!
🔮 সন্তানের অবাধ্যতা, বদস্বভাব ও গাফেলতা দূর করতে চাই কুরআনের আমল?
📖 কুরআনে আছে চারটি শক্তিশালী দোআ, যেগুলো নবীগণ করেছেন নেক ও আদর্শ সন্তান কামনায়।
🌟 আপনি চাইলে এগুলো প্রতিদিন আমল করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন!
🔹 ১. সূরা আস-সাফফাত ১০০:
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
“হে আমার রব! আমাকে নেককার সন্তান দান করো।”
🔹 ২. সূরা আলে-ইমরান ৩৮:
رَبِّ هَبْ لِى مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةًۭ طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
“হে আমার রব! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শোনো।”
🔹 ৩. সূরা আম্বিয়া ৮৯:
رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًۭا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ
“হে আমার রব! আমাকে একাকী রেখো না, আর তুমি উত্তম ওয়ারিস।”
🔹 ৪. সূরা ফুরকান ৭৪:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍۢ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًۭا
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানাও এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা করো।”
📿 কিভাবে আমল করবেন?
🔸 ফরজ নামাজের পর ১–৩ বার পড়ুন
🔸 তাহাজ্জুদের সময় দোআ করুন
🔸 সন্তানের মাথায় হাত রেখে এই দোআ পাঠ করুন
নোট: উপরে উল্লেখিত চারটি আয়াতের অডিও পেতে আমাদের আমাদের টেলিগ্রাম এই চ্যানেলটি ভিজিট করুন
➡️ https://t.me/sokXUtnfRLXKtM3OWE9
🕌 আশ-শিফা রুকিয়াহ সেন্টার, খুলনা
📩 inbox করুন আজই — সন্তান বা পরিবারের রূহানি সমাধানের জন্য।
as-shifa Rukiya centre Raqi Abdullah Al-Mamun
#সন্তানদোআ #নেকসন্তান #QuranicDua #Ruqyah #আশশিফা_রুকিয়াহ
🔮 সন্তানের অবাধ্যতা, বদস্বভাব ও গাফেলতা দূর করতে চাই কুরআনের আমল?
📖 কুরআনে আছে চারটি শক্তিশালী দোআ, যেগুলো নবীগণ করেছেন নেক ও আদর্শ সন্তান কামনায়।
🌟 আপনি চাইলে এগুলো প্রতিদিন আমল করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন!
🔹 ১. সূরা আস-সাফফাত ১০০:
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
“হে আমার রব! আমাকে নেককার সন্তান দান করো।”
🔹 ২. সূরা আলে-ইমরান ৩৮:
رَبِّ هَبْ لِى مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةًۭ طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
“হে আমার রব! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শোনো।”
🔹 ৩. সূরা আম্বিয়া ৮৯:
رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًۭا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ
“হে আমার রব! আমাকে একাকী রেখো না, আর তুমি উত্তম ওয়ারিস।”
🔹 ৪. সূরা ফুরকান ৭৪:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍۢ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًۭا
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানাও এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা করো।”
📿 কিভাবে আমল করবেন?
🔸 ফরজ নামাজের পর ১–৩ বার পড়ুন
🔸 তাহাজ্জুদের সময় দোআ করুন
🔸 সন্তানের মাথায় হাত রেখে এই দোআ পাঠ করুন
নোট: উপরে উল্লেখিত চারটি আয়াতের অডিও পেতে আমাদের আমাদের টেলিগ্রাম এই চ্যানেলটি ভিজিট করুন
➡️ https://t.me/sokXUtnfRLXKtM3OWE9
🕌 আশ-শিফা রুকিয়াহ সেন্টার, খুলনা
📩 inbox করুন আজই — সন্তান বা পরিবারের রূহানি সমাধানের জন্য।
as-shifa Rukiya centre Raqi Abdullah Al-Mamun
#সন্তানদোআ #নেকসন্তান #QuranicDua #Ruqyah #আশশিফা_রুকিয়াহ
ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ
সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের প্রয়োজনীয়তা, পাশাপাশি বেড়েছে ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার সময়ে ব্যাংকে না গিয়েই এখন ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক কাজ সম্পন্ন করা যায়।
ব্যাংকের এপ দিয়ে শুধু যে একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা যায় তা না, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এপ দিয়ে করা যায় আরো অসংখ্য কাজ। এতে যেতে হয় না ব্যাংকে, সাশ্রয় হয় সময়ের।
আসুন দেখি ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়ঃ
১। নতুন একাউন্ট করা।
২। একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা।
৩। ট্রানজেকশন হিস্টোরি দেখা।
৪। BEFTN, NPSB এবং RTGS এর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার ব্যবস্থা।
৫। ট্রানজেকশনের রিসিট কপি ডাউনলোড করে অর্থ রিসিভার ব্যক্তিকে পাঠানো।
৬। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের ব্যালেন্স দেখা।
৭। ক্রেডিট কার্ডের BDT ও USD বিল দেখা এবং বিল পেমেন্ট করা।
৮। প্রিপেইড কার্ডে BDT ও USD ডিপোজিট করা।
৯। ডেবিট কার্ড এক্টিভ করা ও Card PIN সেট করা।
১০। হারিয়ে যাওয়া ব্যাংক কার্ড ব্লক করে দেয়া।
১১। ভুলে যাওয়া Card PIN পুনরায় জেনারেট করা।
১২। চেক বইয়ের জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
১৩। চেক বই এক্টিভ করা।
১৪। হারিয়ে যাওয়া চেক পাতা ডিএক্টিভ করে দেয়া।
১৫। নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি অন্য কাউকে ৫ লাখ টাকার একটা চেক দিলেন। ব্যাংক থেকে চেক রিসিভার ব্যক্তিকে টাকা দেয়ার পূর্বে আপনাকে ব্যাংক কর্মকর্তা ফোন করবে কনফার্ম হবার জন্যে। আপনি যদি ঠিক সেই সময়ে ফোন রিসিভ করতে না পারেন, কিংবা বিদেশে অবস্থান করেন তাহলে তো সমস্যা হয়ে যাবে।
তাই আপনি আপনার ব্যাংকের এপের মেনু থেকে সেই নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দিয়ে রাখলেন। ফলে ব্যাংক থেকে আপনাকে ফোন দেয়া ছাড়াই চেক রিসিভার ব্যক্তিকে ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে দিবে।
১৬। Standing Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতিমাসের নির্দিষ্ট তারিখে পরিবারের কারোর কাছে নিয়মিত টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
তাহলে আপনার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ থেকে Standing Instruction দিয়ে রাখলেন। তাহলে সপ্তাহের সেই সুনির্দিষ্ট দিনে, কিংবা প্রতিমাসের সুনির্দিষ্ট তারিখে সেট করে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিসিভার ব্যক্তির একাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
১৭। ব্যাংকে না গিয়েই FDR ও DPS করা।
১৮। FDR ভাঙ্গানো।
১৯। FDR ও DPS এর ব্যালেন্সসহ ম্যাচিউরিটির তারিখ দেখা এবং স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করা।
২০। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের BDT ব্যালেন্সকে USD’তে কনভার্ট করা এবং USD ব্যালেন্সকে BDT’তে কনভার্ট করা।
২১। কার্ডের অনলাইন ই-কমার্স গেটওয়ে চালু করা এবং বন্ধ করে রাখা।
২২। কার্ডের জন্যে পাসপোর্টে করা এনডোর্স তথ্য দেখা এবং বৈদেশিক খরচের সর্বমোট পরিমাণ দেখা।
২৩। ভার্চুয়াল কার্ড নেয়া।
২৪। Cash By Code এর মাধ্যমে ব্যাংকের নিজস্ব ATM বুথ থেকে ডেবিট কার্ড ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা।
২৫। Pay Order এর জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
২৬। Bank Solvency Certificate ডাউনলোড করা।
২৭। একাউন্টের Tax Certificate ডাউনলোড করা।
২৮। বিভিন্ন MFS একাউন্ট,
যেমনঃ বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, OK Wallet, TAP এবং অন্যান্য MFS একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা।
২৯। VISA Direct এর মাধ্যমে দেশীয় যেকোন ভিসা কার্ডে তাৎখনিক টাকা পাঠানো।
৩০। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও WiFi এর মতো বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল দেয়া।
৩১। একাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করে দেখা।
৩২। আয়কর রিটার্নের PSR সাবমিট করা।
৩৩। মোবাইল ফোনের সিম রিচার্জ করা।
৩৪। বিভিন্ন ভার্সিটির টিউশন ফি দেয়া।
৩৫। Bangla QR Code এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুপারশপে পেমেন্ট করা।
৩৬। চেক পাতা ছাড়াই ব্যাংকের কাউন্টারে প্রদর্শিত QR Code স্ক্যান করার মাধ্যমে দৈনিক ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা।
৩৭। বিভিন্ন OTT (CHORKI) সাবস্ক্রিপশন নেয়া।
৩৮। সঞ্চয়পত্রের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা।
৩৯। বিশেষায়িত আলাদা মেনুর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের BDT বিল দেয়া।
৪০। টপ টায়ারের ক্রেডিট কার্ড থাকা সাপেক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটের জন্যে Airport Pick & Drop এবং Airport Meet & Greet রিক্যুইজিশন দেয়া।
৪১। ব্যাংকের এপে প্রদর্শিত হওয়া নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয় সম্পর্কে অবগত হওয়া।
উপরে বর্ণিত সমস্ত সুবিধা সম্মিলিতভাবে একটা ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপে একসাথে পাওয়া যাবে না।
আমার দৃষ্টিতে দেখা দেশের সেরা ৭টা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
1. Brac Astha
2. Citytouch
3. MTB Neo
4. EBL Skybanking
5. UCB Unet
6. MyPrime
7. MDB Online
আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘণ্যতম খারাপ ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
DBBL NexusPay এপ।
সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের প্রয়োজনীয়তা, পাশাপাশি বেড়েছে ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার সময়ে ব্যাংকে না গিয়েই এখন ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক কাজ সম্পন্ন করা যায়।
ব্যাংকের এপ দিয়ে শুধু যে একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা যায় তা না, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এপ দিয়ে করা যায় আরো অসংখ্য কাজ। এতে যেতে হয় না ব্যাংকে, সাশ্রয় হয় সময়ের।
আসুন দেখি ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়ঃ
১। নতুন একাউন্ট করা।
২। একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা।
৩। ট্রানজেকশন হিস্টোরি দেখা।
৪। BEFTN, NPSB এবং RTGS এর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার ব্যবস্থা।
৫। ট্রানজেকশনের রিসিট কপি ডাউনলোড করে অর্থ রিসিভার ব্যক্তিকে পাঠানো।
৬। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের ব্যালেন্স দেখা।
৭। ক্রেডিট কার্ডের BDT ও USD বিল দেখা এবং বিল পেমেন্ট করা।
৮। প্রিপেইড কার্ডে BDT ও USD ডিপোজিট করা।
৯। ডেবিট কার্ড এক্টিভ করা ও Card PIN সেট করা।
১০। হারিয়ে যাওয়া ব্যাংক কার্ড ব্লক করে দেয়া।
১১। ভুলে যাওয়া Card PIN পুনরায় জেনারেট করা।
১২। চেক বইয়ের জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
১৩। চেক বই এক্টিভ করা।
১৪। হারিয়ে যাওয়া চেক পাতা ডিএক্টিভ করে দেয়া।
১৫। নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি অন্য কাউকে ৫ লাখ টাকার একটা চেক দিলেন। ব্যাংক থেকে চেক রিসিভার ব্যক্তিকে টাকা দেয়ার পূর্বে আপনাকে ব্যাংক কর্মকর্তা ফোন করবে কনফার্ম হবার জন্যে। আপনি যদি ঠিক সেই সময়ে ফোন রিসিভ করতে না পারেন, কিংবা বিদেশে অবস্থান করেন তাহলে তো সমস্যা হয়ে যাবে।
তাই আপনি আপনার ব্যাংকের এপের মেনু থেকে সেই নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দিয়ে রাখলেন। ফলে ব্যাংক থেকে আপনাকে ফোন দেয়া ছাড়াই চেক রিসিভার ব্যক্তিকে ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে দিবে।
১৬। Standing Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতিমাসের নির্দিষ্ট তারিখে পরিবারের কারোর কাছে নিয়মিত টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
তাহলে আপনার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ থেকে Standing Instruction দিয়ে রাখলেন। তাহলে সপ্তাহের সেই সুনির্দিষ্ট দিনে, কিংবা প্রতিমাসের সুনির্দিষ্ট তারিখে সেট করে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিসিভার ব্যক্তির একাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
১৭। ব্যাংকে না গিয়েই FDR ও DPS করা।
১৮। FDR ভাঙ্গানো।
১৯। FDR ও DPS এর ব্যালেন্সসহ ম্যাচিউরিটির তারিখ দেখা এবং স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করা।
২০। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের BDT ব্যালেন্সকে USD’তে কনভার্ট করা এবং USD ব্যালেন্সকে BDT’তে কনভার্ট করা।
২১। কার্ডের অনলাইন ই-কমার্স গেটওয়ে চালু করা এবং বন্ধ করে রাখা।
২২। কার্ডের জন্যে পাসপোর্টে করা এনডোর্স তথ্য দেখা এবং বৈদেশিক খরচের সর্বমোট পরিমাণ দেখা।
২৩। ভার্চুয়াল কার্ড নেয়া।
২৪। Cash By Code এর মাধ্যমে ব্যাংকের নিজস্ব ATM বুথ থেকে ডেবিট কার্ড ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা।
২৫। Pay Order এর জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
২৬। Bank Solvency Certificate ডাউনলোড করা।
২৭। একাউন্টের Tax Certificate ডাউনলোড করা।
২৮। বিভিন্ন MFS একাউন্ট,
যেমনঃ বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, OK Wallet, TAP এবং অন্যান্য MFS একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা।
২৯। VISA Direct এর মাধ্যমে দেশীয় যেকোন ভিসা কার্ডে তাৎখনিক টাকা পাঠানো।
৩০। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও WiFi এর মতো বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল দেয়া।
৩১। একাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করে দেখা।
৩২। আয়কর রিটার্নের PSR সাবমিট করা।
৩৩। মোবাইল ফোনের সিম রিচার্জ করা।
৩৪। বিভিন্ন ভার্সিটির টিউশন ফি দেয়া।
৩৫। Bangla QR Code এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুপারশপে পেমেন্ট করা।
৩৬। চেক পাতা ছাড়াই ব্যাংকের কাউন্টারে প্রদর্শিত QR Code স্ক্যান করার মাধ্যমে দৈনিক ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা।
৩৭। বিভিন্ন OTT (CHORKI) সাবস্ক্রিপশন নেয়া।
৩৮। সঞ্চয়পত্রের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা।
৩৯। বিশেষায়িত আলাদা মেনুর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের BDT বিল দেয়া।
৪০। টপ টায়ারের ক্রেডিট কার্ড থাকা সাপেক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটের জন্যে Airport Pick & Drop এবং Airport Meet & Greet রিক্যুইজিশন দেয়া।
৪১। ব্যাংকের এপে প্রদর্শিত হওয়া নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয় সম্পর্কে অবগত হওয়া।
উপরে বর্ণিত সমস্ত সুবিধা সম্মিলিতভাবে একটা ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপে একসাথে পাওয়া যাবে না।
আমার দৃষ্টিতে দেখা দেশের সেরা ৭টা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
1. Brac Astha
2. Citytouch
3. MTB Neo
4. EBL Skybanking
5. UCB Unet
6. MyPrime
7. MDB Online
আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘণ্যতম খারাপ ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
DBBL NexusPay এপ।
এমন কেউ কী আছেন যিনি বারবার টেলিপ্যাথি এক্সপেরিয়েন্স করেছেন? কয়েকটা উদাহরণ দিই।
(১) আপনি বহুবছর পর হঠাৎ কোনো কারণে পুরোনো এলবাম ঘাঁটতে গিয়ে ছবি পেয়ে এক বন্ধুর কথা স্মরণ করলেন।যার সঙ্গে শেষ ৫ বছর কোনোপ্রকার যোগাযোগ নেই।ছবি দেখতে দেখতে স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে আগের সময়ে ফিরে গেলেন এবং খুব করে ইচ্ছে করলো তার সাথেও সেগুলো শেয়ার করেন।কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে যোগাযোগ করে Silly কথাবার্তা বললে সে কী ভাববে সেজন্য আর যোগাযোগ করেন নি।পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তার ফোনকল। সেটাও মাঝরাতে! তাকে কলব্যাক করে জানতে পারলেন সে সেই সময়টাতে আপনাকে স্বপ্নে দেখেছে এবং এমন অদ্ভুত অনুভূতি তার হচ্ছিলো যে কল না করে সে আর পারলো না। খুব কানেক্টেড ফিল হচ্ছিলো তার স্বপ্নটা দেখার পর।
(২) একদিন হুট করে একজনের কথা খুব করে মনে পড়তে শুরু করলো, যার সঙ্গে বিগত বেশ কয়েকমাস ধরেই আপনার কোনোপ্রকার যোগাযোগ বা দেখা সাক্ষাৎ নেই।হঠাৎ করেই খুব ইচ্ছে করতে লাগলো তার সঙ্গে দেখা করে সময় কাটান।কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই, হঠাৎ করেই তীব্র এ অনুভূতি হওয়া শুরু করলো। অবশেষে পরদিন অদ্ভুতভাবে তার সাথে যোগাযোগ হয়েই গেলো। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, তখন জানতে পারলেন আগের দিন ঠিক একই সময়ে আপনার কথা সে ভাবছিলো এবং অনুভব করছিলো আপনার সঙ্গে তার দেখা করা দরকার।
(৩) একজন কাছের মানুষের সঙ্গে কোনো কারণে আপনার চিরতরে দূরত্ব চলে এসেছে।আর কখনোই দেখা বা কথা হবে না এমনই কথা ছিলো। হঠাৎ একদিন তার সাথে যোগাযোগ করতে খুবই ইচ্ছে হচ্ছিলো। কোনো বিশেষ কারণ নেই, অজানা কারণেই তার সাথে একবার কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো ভীষণ। অবশেষে ২দিন পর একটা অজুহাত বানিয়ে যোগাযোগ করলেন।সেও কিছুটা attitude দেখালো কেন আবার যোগাযোগ করেছেন।কিন্তু ফোন রেখে দেওয়ার সময় সে জানালো, আসলে ক'দিন ধরে আপনার কথা তার হঠাৎ খুবই মনে পড়ছিলো এবং কোনো একটা কারণে তার মনও ভীষণ খারাপ ছিলো। আপনার সাথে কথা বলে মন ভালো হয়ে গেছে।
এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে।দীর্ঘদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই এমন কারো কথা হুট মনে পড়লে তখনই হঠাৎ করে সে টেক্সট করা বা দেখা হয়ে যাওয়া। বা হুট করে কারো সাথে দেখা হয়ে গেলে বা মেসেজ করলে সে-ও উত্তর দেওয়া যে "তোমার কথাই ভাবছিলাম" বা "তোমাকেই টেক্সট করতে যাচ্ছিলাম।"
এছাড়া মায়ের সঙ্গে একটা বিশেষ যোগাযোগ তো আছেই। একদম ঠিক সময়েই তাঁর ফোন চলে আসা।
বিষয়টিকে কাকতালীয় বা Overthinking বলা যায় না একারণে যে, দু'একবার হওয়া ঘটনাকে কাকতালীয় বলা যায়।কিন্তু টানা এমন ঘটতেই থাকলে সেটাকে কীভাবে কাকতালীয় বলে? আর এমনটা সবসময় ঘটে তা না। যখন ঘটে একটার পর একটা ঘটতেই থাকে। আবার অফ হয়ে যায়, সব নর্মাল। আবার যখন শুরু হয় তখন টানা ঘটে একটার পর একটা এবং ঘটনাগুলোও যেন সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য, কিছুটা অসম্ভবও মনে হয়।অনুভূতিটাও অদ্ভুত থাকে অন্য সময়গুলোর থেকে।
এমনকিছু কী কেউ ফেইস করেছেন জীবনে?
বিজ্ঞান তো টেলিপ্যাথিকে বিশ্বাস করে না। তাহলে এগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?
ইসলামিক সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে কোনো?
উল্লেখ্য, আমি ছোট থেকেই প্রেকটিসিং মুসলিম। মাঝে দূরে চলে গেলেও ২০২০ থেকে আবার ট্র্যাকে ফিরে আসি। ২০১৮ থেকে আমার সাথে এই বিষয়গুলো ঘটা শুরু করে।
(NOTE: আমিও নিতান্ত ছেলেমানুষ নই যে অতিরিক্ত আবেগে ভাসছি বা বাস্তবিক জ্ঞানের অভাব। আমি একজন মেয়ে।আমার বয়স ২৪, বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিলাম।বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ এবং আমি বেশ practical একজন মানুষ।এছাড়াও আমি প্রায়ই লুসিড ড্রিম দেখি।আমার Lexical-gustatory synesthesia আছে।)
(অপ্রাসঙ্গিক বা judgemental কমেন্ট না করার অনুরোধ রইলো।ভালো না লাগলে এড়িয়ে যাবেন।)
(১) আপনি বহুবছর পর হঠাৎ কোনো কারণে পুরোনো এলবাম ঘাঁটতে গিয়ে ছবি পেয়ে এক বন্ধুর কথা স্মরণ করলেন।যার সঙ্গে শেষ ৫ বছর কোনোপ্রকার যোগাযোগ নেই।ছবি দেখতে দেখতে স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে আগের সময়ে ফিরে গেলেন এবং খুব করে ইচ্ছে করলো তার সাথেও সেগুলো শেয়ার করেন।কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে যোগাযোগ করে Silly কথাবার্তা বললে সে কী ভাববে সেজন্য আর যোগাযোগ করেন নি।পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তার ফোনকল। সেটাও মাঝরাতে! তাকে কলব্যাক করে জানতে পারলেন সে সেই সময়টাতে আপনাকে স্বপ্নে দেখেছে এবং এমন অদ্ভুত অনুভূতি তার হচ্ছিলো যে কল না করে সে আর পারলো না। খুব কানেক্টেড ফিল হচ্ছিলো তার স্বপ্নটা দেখার পর।
(২) একদিন হুট করে একজনের কথা খুব করে মনে পড়তে শুরু করলো, যার সঙ্গে বিগত বেশ কয়েকমাস ধরেই আপনার কোনোপ্রকার যোগাযোগ বা দেখা সাক্ষাৎ নেই।হঠাৎ করেই খুব ইচ্ছে করতে লাগলো তার সঙ্গে দেখা করে সময় কাটান।কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই, হঠাৎ করেই তীব্র এ অনুভূতি হওয়া শুরু করলো। অবশেষে পরদিন অদ্ভুতভাবে তার সাথে যোগাযোগ হয়েই গেলো। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, তখন জানতে পারলেন আগের দিন ঠিক একই সময়ে আপনার কথা সে ভাবছিলো এবং অনুভব করছিলো আপনার সঙ্গে তার দেখা করা দরকার।
(৩) একজন কাছের মানুষের সঙ্গে কোনো কারণে আপনার চিরতরে দূরত্ব চলে এসেছে।আর কখনোই দেখা বা কথা হবে না এমনই কথা ছিলো। হঠাৎ একদিন তার সাথে যোগাযোগ করতে খুবই ইচ্ছে হচ্ছিলো। কোনো বিশেষ কারণ নেই, অজানা কারণেই তার সাথে একবার কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো ভীষণ। অবশেষে ২দিন পর একটা অজুহাত বানিয়ে যোগাযোগ করলেন।সেও কিছুটা attitude দেখালো কেন আবার যোগাযোগ করেছেন।কিন্তু ফোন রেখে দেওয়ার সময় সে জানালো, আসলে ক'দিন ধরে আপনার কথা তার হঠাৎ খুবই মনে পড়ছিলো এবং কোনো একটা কারণে তার মনও ভীষণ খারাপ ছিলো। আপনার সাথে কথা বলে মন ভালো হয়ে গেছে।
এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে।দীর্ঘদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই এমন কারো কথা হুট মনে পড়লে তখনই হঠাৎ করে সে টেক্সট করা বা দেখা হয়ে যাওয়া। বা হুট করে কারো সাথে দেখা হয়ে গেলে বা মেসেজ করলে সে-ও উত্তর দেওয়া যে "তোমার কথাই ভাবছিলাম" বা "তোমাকেই টেক্সট করতে যাচ্ছিলাম।"
এছাড়া মায়ের সঙ্গে একটা বিশেষ যোগাযোগ তো আছেই। একদম ঠিক সময়েই তাঁর ফোন চলে আসা।
বিষয়টিকে কাকতালীয় বা Overthinking বলা যায় না একারণে যে, দু'একবার হওয়া ঘটনাকে কাকতালীয় বলা যায়।কিন্তু টানা এমন ঘটতেই থাকলে সেটাকে কীভাবে কাকতালীয় বলে? আর এমনটা সবসময় ঘটে তা না। যখন ঘটে একটার পর একটা ঘটতেই থাকে। আবার অফ হয়ে যায়, সব নর্মাল। আবার যখন শুরু হয় তখন টানা ঘটে একটার পর একটা এবং ঘটনাগুলোও যেন সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য, কিছুটা অসম্ভবও মনে হয়।অনুভূতিটাও অদ্ভুত থাকে অন্য সময়গুলোর থেকে।
এমনকিছু কী কেউ ফেইস করেছেন জীবনে?
বিজ্ঞান তো টেলিপ্যাথিকে বিশ্বাস করে না। তাহলে এগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?
ইসলামিক সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে কোনো?
উল্লেখ্য, আমি ছোট থেকেই প্রেকটিসিং মুসলিম। মাঝে দূরে চলে গেলেও ২০২০ থেকে আবার ট্র্যাকে ফিরে আসি। ২০১৮ থেকে আমার সাথে এই বিষয়গুলো ঘটা শুরু করে।
(NOTE: আমিও নিতান্ত ছেলেমানুষ নই যে অতিরিক্ত আবেগে ভাসছি বা বাস্তবিক জ্ঞানের অভাব। আমি একজন মেয়ে।আমার বয়স ২৪, বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিলাম।বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ এবং আমি বেশ practical একজন মানুষ।এছাড়াও আমি প্রায়ই লুসিড ড্রিম দেখি।আমার Lexical-gustatory synesthesia আছে।)
(অপ্রাসঙ্গিক বা judgemental কমেন্ট না করার অনুরোধ রইলো।ভালো না লাগলে এড়িয়ে যাবেন।)
একজন মেয়ের জন্য অনলাইন প্লাটফর্ম বা অফলাইনে কি জব/কাজ করে আর্থিক ভাবে নিজেকে সাপোর্ট দিতে পারবে (ইজ্জত আব্রু হেফাজত করে হালাল ভাবে অবশ্যই)-
তার দক্ষতাসমূহ:
১.ইংরেজী স্পোকেন+রিটেন+ কমিউনিকেশন+ (আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো),এইটা কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং করলে কেমন হবে,কোন কোন সেক্টরে কাজ করা যায় এইটা নিয়ে ফিকির চলতেছে বেশী
২.গ্রাফিক্স:মোবাইল দিয়ে মোটামুটি প্রো লেভেলের,কম্পিউটার দিয়ে বেসিক টু মিডিয়াম,এইটা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলতেছে কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছিনা কিভাবে কি করলে ভালো হবে এইটার রাস্তা বুঝতেছিনা,তবে এইদিকে অনেক ঝোক আছে
৩.সেলাই ও অন্যান্য হাতের কাজ (হ্যান্ডপেইন্ট এ ভালো লাগে সবচেয়ে বেশী আলহামদুলিল্লাহ) সনামধন্য জায়গা থেকে প্রশিক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ,সেলাই কাজ দিয়ে অফলাইনে টুকটাক চেষ্টা চালাচ্ছি,কিন্তু অনেক বেশী শ্রমসাধ্য আর বিরক্তিকর,একঘেয়েমি এসে পড়ে, পারিশ্রমিক খুব একট বেশী পাওয়া যায়না যা দিয়ে ভরণপোষণ চালানো যায়।
৪.কুরআন সহীহ্, তাজবীদ ও ইসলামিক জ্ঞান(এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আর্থিক ভাবে লাভবান হবার প্রতি নির্ভরশীল হওয়াটা কেন জানি ভালো লাগেনা।দ্বীনী খিদমত বা সাইড একটা সেক্টর হিসেবে ঠিক আছে,
বুঝতেছিনা কি করবো..বিভিন্ন সমস্যার কারণে মাহরাম ভরণপোষণ দিতে পারেনা,দেয়না,ঋণ আছে বেশ অনেকটা। নিজের ভরণপোষণ চালানোর জন্য একটা সুরাহা দরকার।এমন কাজ যেটা নিজের ভালো লাগে ও দক্ষতা আছে যা করে ভালো এমাউন্টও আসবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য।
তার দক্ষতাসমূহ:
১.ইংরেজী স্পোকেন+রিটেন+ কমিউনিকেশন+ (আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো),এইটা কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং করলে কেমন হবে,কোন কোন সেক্টরে কাজ করা যায় এইটা নিয়ে ফিকির চলতেছে বেশী
২.গ্রাফিক্স:মোবাইল দিয়ে মোটামুটি প্রো লেভেলের,কম্পিউটার দিয়ে বেসিক টু মিডিয়াম,এইটা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলতেছে কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছিনা কিভাবে কি করলে ভালো হবে এইটার রাস্তা বুঝতেছিনা,তবে এইদিকে অনেক ঝোক আছে
৩.সেলাই ও অন্যান্য হাতের কাজ (হ্যান্ডপেইন্ট এ ভালো লাগে সবচেয়ে বেশী আলহামদুলিল্লাহ) সনামধন্য জায়গা থেকে প্রশিক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ,সেলাই কাজ দিয়ে অফলাইনে টুকটাক চেষ্টা চালাচ্ছি,কিন্তু অনেক বেশী শ্রমসাধ্য আর বিরক্তিকর,একঘেয়েমি এসে পড়ে, পারিশ্রমিক খুব একট বেশী পাওয়া যায়না যা দিয়ে ভরণপোষণ চালানো যায়।
৪.কুরআন সহীহ্, তাজবীদ ও ইসলামিক জ্ঞান(এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আর্থিক ভাবে লাভবান হবার প্রতি নির্ভরশীল হওয়াটা কেন জানি ভালো লাগেনা।দ্বীনী খিদমত বা সাইড একটা সেক্টর হিসেবে ঠিক আছে,
বুঝতেছিনা কি করবো..বিভিন্ন সমস্যার কারণে মাহরাম ভরণপোষণ দিতে পারেনা,দেয়না,ঋণ আছে বেশ অনেকটা। নিজের ভরণপোষণ চালানোর জন্য একটা সুরাহা দরকার।এমন কাজ যেটা নিজের ভালো লাগে ও দক্ষতা আছে যা করে ভালো এমাউন্টও আসবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য।
আমাকে ভাঙ্গার মত সাধ্য এই জগতে কারো নাই, যে আমাকে ভাঙ্গতে পারে, আমি তার কাছে স্বেচ্ছায় টুকরো হয়ে যাই❤️🩹
📜 ঘটনা: একদিন হঠাৎ করে চুপ হয়ে গেলেন ইমাম গাজ্জালি (১১০৭ খ্রিস্টাব্দে যখন তাঁর বয়স ৪০)
নিশাপুর—বর্তমান ইরানের উত্তর-পূর্বে, খোরাসান অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। জ্ঞান, সাহিত্য ও সুফিবাদের কেন্দ্রবিন্দু।
সেখানকার বিখ্যাত নিযামিয়া মাদ্রাসা—ইসলামি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্র।
এই মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালি।
তাঁর দরস শুনতে আসতেন শত শত ছাত্র, আলেম, এমনকি রাজদরবারের পণ্ডিতরা।
তিনি তখন ছিলেন ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী আইনজ্ঞ ও দার্শনিক।
তাঁর জ্ঞান ছিল বিপুল—ফিকহ, কালাম, যুক্তিবিদ্যা, দর্শন, তর্ককৌশল—সবকিছুই।
মানুষ তাঁকে ডাকত “হুজ্জাতুল ইসলাম” নামে—“ইসলামের প্রমাণ”।
🔇 কিন্তু একদিন তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
সকালবেলা, যথারীতি ক্লাস নিতে উঠলেন।
মাথা উঁচু, কিতাব খোলা, ছাত্রদের চোখ তাঁর দিকে।
তিনি মুখ খুললেন—কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না।
তিনি আবার চেষ্টা করলেন—না, এবারও না।
কণ্ঠ রুদ্ধ, হৃদয় ভার।
এক অদ্ভুত কান্না ভর করে তাঁকে।
তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেন।
সবার চোখে বিস্ময়।
🕯️ তারপর তাঁর ভেতর থেকে এলো এক আওয়াজ
“তুমি সত্য বলছো কি?
না কি তোমার সমস্ত শিক্ষা, বয়ান, যুক্তি—সবই লোক দেখানো?
তুমি কি জানো তুমি কীসের দিকে ডাকছো, না কি শুধু বাহ্যিক কথার পিণ্ড তুলে ধরছো?”
এই আওয়াজ ছিল না কোনো জ্বিনের, না কোনো ফেরেশতার—
এটা ছিল আত্মার ডাক, হৃদয়ের গহীন থেকে উঠে আসা আলোকিত প্রতিবাদ।
এই আওয়াজ ছিল ঠিক হাফিয সিরাজির সেই উপলব্ধির মতো:
“তুমি যদি প্রিয়তমার ঘরে প্রবেশ করতে চাও, তবে আত্মাকে পোড়াতে হবে।
প্রেমিকের দেহ নয়—প্রথমে হৃদয় পোড়ে।”
এ যেন নবুয়তের মতো এক নীরব আহ্বান,
যেখানে শব্দ নেই—আছে বোবা আলো।
🏞️ তিনি সব ছেড়ে দেন
সেই রাতেই গাজ্জালি সিদ্ধান্ত নেন—এই বাহ্যিক গৌরব, এই ফতোয়ার আসন, এই রাজকীয় প্রশংসা—সবই নিষ্ফল যদি হৃদয় জেগে না থাকে।
তিনি স্ত্রী, সন্তান, সহচরদের বিদায় জানিয়ে গোপনে সিরিয়ার দিকে রওনা দেন।
বছরের পর বছর কাটান দামেস্ক, জেরুজালেম ও হিজাযের নির্জন কোণে।
নামাজ, কান্না, যিকর, আত্মসমালোচনা, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ—এই ছিল তাঁর সাধনা।
তিনি পড়তেন, ভাবতেন, ধ্যান করতেন—কিভাবে অন্তরকে শুদ্ধ করা যায়, কিভাবে আমলকে প্রাণ দেওয়া যায়।
🕊️ এরপর তিনি ফিরে আসেন
অনেক বছর পরে, যখন তাঁর আত্মা আলোতে স্নাত, অহংকার বিলীন, হৃদয় একেবারে শুদ্ধ—তখন তিনি ফিরে আসেন নিশাপুরে। কিন্তু এবার আর কোনো দাম্ভিকতা নেই।
তিনি আর ফতোয়া লেখেন না লোক দেখানোর জন্য।
তিনি লেখেন ইহইয়া উলুমুদ্দিন—“ধর্মের মৃত হৃদয়কে জাগিয়ে তোলার বই।”
🌿“ইমাম গাজ্জালি একদিন হঠাৎ চুপ হয়ে গিয়েছিলেন—
কারণ তাঁর অন্তর চিৎকার করে উঠেছিল,
‘তুমি সত্য নয়, তুমি শুধু বাহ্য!’
সেই চুপ হয়ে যাওয়াই ছিল তাঁর নবজন্ম।
সেই নীরবতা ছিল আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া।
আর সেই প্রতিজ্ঞাই তাঁকে বানিয়ে দিয়েছিল এক ‘পণ্ডিত’ থেকে একজন ‘প্রেমিক’।
ইসলাম তাঁর হাতে ফিরে পেল শরিয়াহর গায়ে হৃদয়ের উষ্ণতা।”
ইমাম গাজ্জালি প্রথম ব্যক্তি যিনি তাসাউফকে সুন্নি ইসলামিক চর্চার মূলধারায় যুক্ত করেন, যাতে:
• একদিকে আত্মার শুদ্ধি ও আল্লাহর প্রেম থাকে,
• অপরদিকে শরিয়াহর বাহ্যিক কাঠামো বজায় থাকে।
তিনি মুসলিম বিশ্বকে শেখান—আল্লাহর দিকে যেতে হলে কেবল নিয়ম জানলেই হয় না, প্রেম ও আত্মবিশ্বাসও থাকতে হয়।
সংক্ষেপে গাজ্জালির দৃষ্টিভঙ্গি: “তাসাউফ (সুফিবাদ) হলো ধর্মের আত্মা, আর শরিয়াহ হলো তার শরীর। শরীর ছাড়া আত্মা অদৃশ্য, আর আত্মা ছাড়া শরীর মৃত।”
(এই ঘটনাটি ইমাম গাজ্জালি নিজেই তাঁর গ্রন্থ al Al-Munqidh min al-Dalal- এ উল্লেখ করেছেন)
নিশাপুর—বর্তমান ইরানের উত্তর-পূর্বে, খোরাসান অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। জ্ঞান, সাহিত্য ও সুফিবাদের কেন্দ্রবিন্দু।
সেখানকার বিখ্যাত নিযামিয়া মাদ্রাসা—ইসলামি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্র।
এই মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালি।
তাঁর দরস শুনতে আসতেন শত শত ছাত্র, আলেম, এমনকি রাজদরবারের পণ্ডিতরা।
তিনি তখন ছিলেন ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী আইনজ্ঞ ও দার্শনিক।
তাঁর জ্ঞান ছিল বিপুল—ফিকহ, কালাম, যুক্তিবিদ্যা, দর্শন, তর্ককৌশল—সবকিছুই।
মানুষ তাঁকে ডাকত “হুজ্জাতুল ইসলাম” নামে—“ইসলামের প্রমাণ”।
🔇 কিন্তু একদিন তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
সকালবেলা, যথারীতি ক্লাস নিতে উঠলেন।
মাথা উঁচু, কিতাব খোলা, ছাত্রদের চোখ তাঁর দিকে।
তিনি মুখ খুললেন—কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না।
তিনি আবার চেষ্টা করলেন—না, এবারও না।
কণ্ঠ রুদ্ধ, হৃদয় ভার।
এক অদ্ভুত কান্না ভর করে তাঁকে।
তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেন।
সবার চোখে বিস্ময়।
🕯️ তারপর তাঁর ভেতর থেকে এলো এক আওয়াজ
“তুমি সত্য বলছো কি?
না কি তোমার সমস্ত শিক্ষা, বয়ান, যুক্তি—সবই লোক দেখানো?
তুমি কি জানো তুমি কীসের দিকে ডাকছো, না কি শুধু বাহ্যিক কথার পিণ্ড তুলে ধরছো?”
এই আওয়াজ ছিল না কোনো জ্বিনের, না কোনো ফেরেশতার—
এটা ছিল আত্মার ডাক, হৃদয়ের গহীন থেকে উঠে আসা আলোকিত প্রতিবাদ।
এই আওয়াজ ছিল ঠিক হাফিয সিরাজির সেই উপলব্ধির মতো:
“তুমি যদি প্রিয়তমার ঘরে প্রবেশ করতে চাও, তবে আত্মাকে পোড়াতে হবে।
প্রেমিকের দেহ নয়—প্রথমে হৃদয় পোড়ে।”
এ যেন নবুয়তের মতো এক নীরব আহ্বান,
যেখানে শব্দ নেই—আছে বোবা আলো।
🏞️ তিনি সব ছেড়ে দেন
সেই রাতেই গাজ্জালি সিদ্ধান্ত নেন—এই বাহ্যিক গৌরব, এই ফতোয়ার আসন, এই রাজকীয় প্রশংসা—সবই নিষ্ফল যদি হৃদয় জেগে না থাকে।
তিনি স্ত্রী, সন্তান, সহচরদের বিদায় জানিয়ে গোপনে সিরিয়ার দিকে রওনা দেন।
বছরের পর বছর কাটান দামেস্ক, জেরুজালেম ও হিজাযের নির্জন কোণে।
নামাজ, কান্না, যিকর, আত্মসমালোচনা, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ—এই ছিল তাঁর সাধনা।
তিনি পড়তেন, ভাবতেন, ধ্যান করতেন—কিভাবে অন্তরকে শুদ্ধ করা যায়, কিভাবে আমলকে প্রাণ দেওয়া যায়।
🕊️ এরপর তিনি ফিরে আসেন
অনেক বছর পরে, যখন তাঁর আত্মা আলোতে স্নাত, অহংকার বিলীন, হৃদয় একেবারে শুদ্ধ—তখন তিনি ফিরে আসেন নিশাপুরে। কিন্তু এবার আর কোনো দাম্ভিকতা নেই।
তিনি আর ফতোয়া লেখেন না লোক দেখানোর জন্য।
তিনি লেখেন ইহইয়া উলুমুদ্দিন—“ধর্মের মৃত হৃদয়কে জাগিয়ে তোলার বই।”
🌿“ইমাম গাজ্জালি একদিন হঠাৎ চুপ হয়ে গিয়েছিলেন—
কারণ তাঁর অন্তর চিৎকার করে উঠেছিল,
‘তুমি সত্য নয়, তুমি শুধু বাহ্য!’
সেই চুপ হয়ে যাওয়াই ছিল তাঁর নবজন্ম।
সেই নীরবতা ছিল আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া।
আর সেই প্রতিজ্ঞাই তাঁকে বানিয়ে দিয়েছিল এক ‘পণ্ডিত’ থেকে একজন ‘প্রেমিক’।
ইসলাম তাঁর হাতে ফিরে পেল শরিয়াহর গায়ে হৃদয়ের উষ্ণতা।”
ইমাম গাজ্জালি প্রথম ব্যক্তি যিনি তাসাউফকে সুন্নি ইসলামিক চর্চার মূলধারায় যুক্ত করেন, যাতে:
• একদিকে আত্মার শুদ্ধি ও আল্লাহর প্রেম থাকে,
• অপরদিকে শরিয়াহর বাহ্যিক কাঠামো বজায় থাকে।
তিনি মুসলিম বিশ্বকে শেখান—আল্লাহর দিকে যেতে হলে কেবল নিয়ম জানলেই হয় না, প্রেম ও আত্মবিশ্বাসও থাকতে হয়।
সংক্ষেপে গাজ্জালির দৃষ্টিভঙ্গি: “তাসাউফ (সুফিবাদ) হলো ধর্মের আত্মা, আর শরিয়াহ হলো তার শরীর। শরীর ছাড়া আত্মা অদৃশ্য, আর আত্মা ছাড়া শরীর মৃত।”
(এই ঘটনাটি ইমাম গাজ্জালি নিজেই তাঁর গ্রন্থ al Al-Munqidh min al-Dalal- এ উল্লেখ করেছেন)
আসুন দেখি সক্রেটিসের দৃষ্টিতে "সত্য" কি?
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !
বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।
সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,
- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?
বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !
একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,
- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !
বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !
কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।
সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷
আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ।
- সংগৃহিত
ChatGPT-
🎭 এই গল্পটি সত্য ঘটনা নয়—অর্থাৎ এটি সক্রেটিসের জীবনের কোনো প্রামাণ্য অংশ নয়।
তাহলে এটি কী? 🤔
এটি একটি আধুনিক রূপক গল্প 🧠🍎, যা সক্রেটিসের দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝাতে গঠিত হয়েছে, কিন্তু সরাসরি প্রাচীন গ্রিসের কোনো প্রামাণ্য উৎসে (যেমন প্লেটোর সংলাপ 📜 বা জেনোফনের রচনা) এই ঘটনার উল্লেখ নেই।
গল্পটির উদ্দেশ্য কী? 🎯
🔍 এটি ব্যাখ্যা করে:
সত্য কীভাবে সমষ্টির প্রভাব 👥 ও সামাজিক চাপ 😓 এর নিচে বিকৃত হয়
মানুষ অনেক সময় নিজস্ব অনুভব 👃🧠 বাদ দিয়ে, "গোষ্ঠী যা বলে" সেটাকেই সত্য হিসেবে মেনে নেয়
এটি একটি সামাজিক মনোবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা 🧠💬, যা সক্রেটিসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ
সক্রেটিস সত্য সম্পর্কে কী বলেছিলেন? 📚
💡 "আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না" — সত্যের প্রতি বিনয় 🙇
💬 সত্য খোঁজার জন্য তিনি ব্যবহার করতেন প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Socratic Method) ❓🗣️
🧠 সত্য পাওয়া যায় চিন্তা, যুক্তি ও আলোচনা থেকে, না যে শুধু অনুকরণ করে 👣
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !
বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।
সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,
- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?
বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !
একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,
- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !
বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !
কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।
সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷
আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ।
- সংগৃহিত
ChatGPT-
🎭 এই গল্পটি সত্য ঘটনা নয়—অর্থাৎ এটি সক্রেটিসের জীবনের কোনো প্রামাণ্য অংশ নয়।
তাহলে এটি কী? 🤔
এটি একটি আধুনিক রূপক গল্প 🧠🍎, যা সক্রেটিসের দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝাতে গঠিত হয়েছে, কিন্তু সরাসরি প্রাচীন গ্রিসের কোনো প্রামাণ্য উৎসে (যেমন প্লেটোর সংলাপ 📜 বা জেনোফনের রচনা) এই ঘটনার উল্লেখ নেই।
গল্পটির উদ্দেশ্য কী? 🎯
🔍 এটি ব্যাখ্যা করে:
সত্য কীভাবে সমষ্টির প্রভাব 👥 ও সামাজিক চাপ 😓 এর নিচে বিকৃত হয়
মানুষ অনেক সময় নিজস্ব অনুভব 👃🧠 বাদ দিয়ে, "গোষ্ঠী যা বলে" সেটাকেই সত্য হিসেবে মেনে নেয়
এটি একটি সামাজিক মনোবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা 🧠💬, যা সক্রেটিসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ
সক্রেটিস সত্য সম্পর্কে কী বলেছিলেন? 📚
💡 "আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না" — সত্যের প্রতি বিনয় 🙇
💬 সত্য খোঁজার জন্য তিনি ব্যবহার করতেন প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Socratic Method) ❓🗣️
🧠 সত্য পাওয়া যায় চিন্তা, যুক্তি ও আলোচনা থেকে, না যে শুধু অনুকরণ করে 👣
অল্প বয়সে বিয়ে করা কেন জরুরি তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে মানুষের মন অল্প বয়সে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে।
আপনি দেখবেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে যায় তাদের মধ্যে যারা ব্যাচেলর করতে যায় তারা বিদেশীদের মতন হতে পারে। সেই তুলনায় যারা যায় পোস্ট গ্রাজুয়েশনে তারা কোনদিন পুরোপুরি এক রকম হতে পারে না। একটা সাংস্কৃতিক দূরত্ব থেকে যায়।
কথাটা বিয়ের বেলায়ও সত্যি। আপনি আপনার ছোট বেলার বন্ধুদের সাথে যেভাবে মিশতে পেরেছেন যতটা ফ্রি হতে পেরেছেন সেই তুলনায় বয়সকালে যাদের সাথে বন্ধু হয়েছেন তাদের সাথে কোনদিন সেই গভীর পর্যায়ে মিশতে বা মন মেলাতে পারবেন না। সেজন্য আপনি যদি দেরিতে বিয়ে করেন স্ত্রীর সাথে মানসিক সংযোগ ও মনের মিল কোনদিন তার সমান হবে না যে কম বয়সে এসেছে। এক ছাদের নিচে কিন্তু দুইটা আলাদা মানুষ হয়ে বাঁচবেন। আর পরিবারের সাথে তো আরো মিলতে পারবে না।
মেয়েরা তখন কেবল মুখ রক্ষা করতে কোন রকমে শ্বশুর বাড়িতে একটু থাকে। আর সুযোগ পেলেই বাবার বাড়ি দৌড়ে পালায় হাফ ছেড়ে বাঁচতে।
দ্বিতীয়ত, বিয়ে যেমন সামাজিক ঠিক তেমনি শারীরিকও। আর্মিতে ১৮ -২০ বছর বয়সে ভর্তি নেয়া হয়। কারণ এই সময়ে আপনার তারুণ্য শীর্ষে থাকে।
শরীর থাকে সবচেয়ে তরতাজা। এই তরতাজা যৌবন খারাপ ভাবে ব্যয় করে যখন শরীর চিমিয়ে যাবে, মন আনরোমান্টিক হয়ে আসবে তখন কি বিয়ের বয়স? ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সে প্রেমের কবিতা যতটা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যেই আবেগ ও অফুরন্ত উৎসাহ কাজ করতো এখন কি তা আছে? সেরা সময়ে বিয়ে না করে আপনি অনেককে এক্সপ্লোর করে যখন বিয়ে করবেন সেই স্মৃতি গুলো আপনার কাছে ফিরে আসতে থাকবে।
সব মিলিয়ে যখন যেইটার বয়স তখন সেই কাজ না করে ভুল বয়সে করলে যেমন জীবন তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরে যাবে জীবন। যখন অবসরে যাবেন যখন ছেলে মেয়ে কর্মক্ষম হবে না।
সবশেষে, অল্প বয়সে অল্পতেই মন তুষ্ট থাকে। আপনি সামান্য দুইটা কাঁচের চুড়ি কিনে দিবেন দেখবেন বউ কত খুশি। আর তার বয়স বেড়ে গেলে এগুলোতে কোন পরিতৃপ্তি আসবে না। সঠিক সময় পার হলে চাকরিতে নিবে না, আর্মিতে নিবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবে না। কিন্তু বিয়ের বেলাতে আমরা এক অদ্ভুত প্রথা অনুসরণ করছি। আরো অদ্ভুত কাজ করছি টাকা আয় রোজকারের বেলায়। এজন্যই সমাজে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সমকামিতা, নীল ভিডিও ভাইরাসের মতন ছড়িয়ে পড়ছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। যেই মুহুর্তে কোন ছেলে ২০ বছরে বিয়ে করবে কিংবা ব্যবসা করবে সাথে সাথে সবাই হই হই শুরু করে দেয় যেন লেখাপড়া না করে জীবন ধ্বংস করে ফেলল।
ঠিক এই ব্যাক্তিরাই পরবর্তীতে আফসোস করে বেকারত্ব, সামাজিক অবক্ষয় থেকে শুরু করে নানা কিছুতে। অনেকটা ঠিক এমন যে নিজেরা মাঠ ভরাট করে মার্কেট বানিয়ে ছেলেমেয়েদের দোষ দিবে যে তারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। আর গেলে কেবল শপিং সেন্টারে যায়।
আজকে আমরা যেই অবক্ষয় দেখছি তা আমাদের নিজেদের হাতের কামাই কিন্তু আমরা এখনো সচেতন হলাম না।
আপনি দেখবেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে যায় তাদের মধ্যে যারা ব্যাচেলর করতে যায় তারা বিদেশীদের মতন হতে পারে। সেই তুলনায় যারা যায় পোস্ট গ্রাজুয়েশনে তারা কোনদিন পুরোপুরি এক রকম হতে পারে না। একটা সাংস্কৃতিক দূরত্ব থেকে যায়।
কথাটা বিয়ের বেলায়ও সত্যি। আপনি আপনার ছোট বেলার বন্ধুদের সাথে যেভাবে মিশতে পেরেছেন যতটা ফ্রি হতে পেরেছেন সেই তুলনায় বয়সকালে যাদের সাথে বন্ধু হয়েছেন তাদের সাথে কোনদিন সেই গভীর পর্যায়ে মিশতে বা মন মেলাতে পারবেন না। সেজন্য আপনি যদি দেরিতে বিয়ে করেন স্ত্রীর সাথে মানসিক সংযোগ ও মনের মিল কোনদিন তার সমান হবে না যে কম বয়সে এসেছে। এক ছাদের নিচে কিন্তু দুইটা আলাদা মানুষ হয়ে বাঁচবেন। আর পরিবারের সাথে তো আরো মিলতে পারবে না।
মেয়েরা তখন কেবল মুখ রক্ষা করতে কোন রকমে শ্বশুর বাড়িতে একটু থাকে। আর সুযোগ পেলেই বাবার বাড়ি দৌড়ে পালায় হাফ ছেড়ে বাঁচতে।
দ্বিতীয়ত, বিয়ে যেমন সামাজিক ঠিক তেমনি শারীরিকও। আর্মিতে ১৮ -২০ বছর বয়সে ভর্তি নেয়া হয়। কারণ এই সময়ে আপনার তারুণ্য শীর্ষে থাকে।
শরীর থাকে সবচেয়ে তরতাজা। এই তরতাজা যৌবন খারাপ ভাবে ব্যয় করে যখন শরীর চিমিয়ে যাবে, মন আনরোমান্টিক হয়ে আসবে তখন কি বিয়ের বয়স? ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সে প্রেমের কবিতা যতটা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যেই আবেগ ও অফুরন্ত উৎসাহ কাজ করতো এখন কি তা আছে? সেরা সময়ে বিয়ে না করে আপনি অনেককে এক্সপ্লোর করে যখন বিয়ে করবেন সেই স্মৃতি গুলো আপনার কাছে ফিরে আসতে থাকবে।
সব মিলিয়ে যখন যেইটার বয়স তখন সেই কাজ না করে ভুল বয়সে করলে যেমন জীবন তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরে যাবে জীবন। যখন অবসরে যাবেন যখন ছেলে মেয়ে কর্মক্ষম হবে না।
সবশেষে, অল্প বয়সে অল্পতেই মন তুষ্ট থাকে। আপনি সামান্য দুইটা কাঁচের চুড়ি কিনে দিবেন দেখবেন বউ কত খুশি। আর তার বয়স বেড়ে গেলে এগুলোতে কোন পরিতৃপ্তি আসবে না। সঠিক সময় পার হলে চাকরিতে নিবে না, আর্মিতে নিবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবে না। কিন্তু বিয়ের বেলাতে আমরা এক অদ্ভুত প্রথা অনুসরণ করছি। আরো অদ্ভুত কাজ করছি টাকা আয় রোজকারের বেলায়। এজন্যই সমাজে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সমকামিতা, নীল ভিডিও ভাইরাসের মতন ছড়িয়ে পড়ছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। যেই মুহুর্তে কোন ছেলে ২০ বছরে বিয়ে করবে কিংবা ব্যবসা করবে সাথে সাথে সবাই হই হই শুরু করে দেয় যেন লেখাপড়া না করে জীবন ধ্বংস করে ফেলল।
ঠিক এই ব্যাক্তিরাই পরবর্তীতে আফসোস করে বেকারত্ব, সামাজিক অবক্ষয় থেকে শুরু করে নানা কিছুতে। অনেকটা ঠিক এমন যে নিজেরা মাঠ ভরাট করে মার্কেট বানিয়ে ছেলেমেয়েদের দোষ দিবে যে তারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। আর গেলে কেবল শপিং সেন্টারে যায়।
আজকে আমরা যেই অবক্ষয় দেখছি তা আমাদের নিজেদের হাতের কামাই কিন্তু আমরা এখনো সচেতন হলাম না।
এই পোস্ট তাদের জন্য, যারা পাসপোর্টে সিল পড়ার পরও দ্বিধায় ভোগে। যারা ভাবে, “আমি পারবো তো?”
যারা চোখে স্বপ্ন নিয়ে আসে, কিন্তু বাস্তবতা দেখে অনেকসময় হতাশ হয়ে পড়ে।
১. প্রথম কয়েকমাস – আপনি ভাঙবেন। নতুন ভাষা, নতুন পরিবেশ, একা থাকা—সব কিছুই কাঁধে ভর দেয়। রুমে ঢুকে ফোন হাতে নেবেন, আম্মুর নাম্বার দেখে চুপ করে বসে থাকবেন। কিন্তু এটাই শুরু, ভাঙাটাই গড়ার প্রথম ধাপ।
২. কেউ বলবে না, “তুমি পারবা”— তবুও আপনাকেই পারতে হবে। বিদেশে সবাই ব্যস্ত। কেউ এসে বলবে না “চলো, আমরা একসাথে চলি।”
আপনাকে নিজের ছায়া হয়ে নিজের পাশে দাঁড়াতে হবে।
৩. আপনি কাজ শিখবেন, কিন্তু তার চেয়েও বেশি শিখবেন বিনয়। হয়তো আপনি ছিলেন ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কিন্তু এখানে প্রথম কাজ হয়তো বাথরুম পরিষ্কার। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই অভিজ্ঞতা আপনাকে অভিজাত করে তুলবে—মনের দিক থেকে।
৪. টাকার হিসাব আপনি ক্যালকুলেটর ছাড়াই মুখস্থ শিখে ফেলবেন। কারণ ১টা ভুল হিসাব মানে একদিন না খেয়ে থাকা। বাংলাদেশে হয়তো মাসে ৫০০ টাকা উড়ালেও মনে হতো না, এখানে ৫ ডলার হিসাব করেও দম বন্ধ লাগে।
৫. আপনি বুঝবেন— “ঘুম” আর “আলসেমি” আসলে বিলাসিতা। প্রথম কয়েকমাস এমন হবে— ঘুমিয়েছেন ৩ ঘণ্টা,
দুইটা কাজ করছেন, তারপরও মনে হবে, "আরেকটু চালাতে হবে নিজেকে।"
৬. আপনি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ হবেন ছোট ছোট জিনিসের জন্য। এক কাপ হালকা গরম চা, একটা কল আসা দেশে থাকা কারো কাছ থেকে, রুমে কারো একটা হাসিমাখা কথা—
সবকিছু হিরার মতো দামী লাগবে।
৭. আপনি বদলাবেন, কিন্তু আপনার ভেতরের আগুনটা আরও জ্বলবে। কেউ হয়তো বলবে, "তুই অনেক চেঞ্জড!"
আপনি হাসবেন। কারণ আপনি জানেন, আপনার ভেতরের যুদ্ধগুলো কেউ জানে না।
এই প্রথম বছরটাই আসল। এই এক বছর যদি কাটিয়ে দিতে পারেন— আপনি শুধু প্রবাসী না, আপনি একজন বেঁচে থাকা যু*দ্ধা।
- সংগৃহীত
#জীবন_চক্র
যারা চোখে স্বপ্ন নিয়ে আসে, কিন্তু বাস্তবতা দেখে অনেকসময় হতাশ হয়ে পড়ে।
১. প্রথম কয়েকমাস – আপনি ভাঙবেন। নতুন ভাষা, নতুন পরিবেশ, একা থাকা—সব কিছুই কাঁধে ভর দেয়। রুমে ঢুকে ফোন হাতে নেবেন, আম্মুর নাম্বার দেখে চুপ করে বসে থাকবেন। কিন্তু এটাই শুরু, ভাঙাটাই গড়ার প্রথম ধাপ।
২. কেউ বলবে না, “তুমি পারবা”— তবুও আপনাকেই পারতে হবে। বিদেশে সবাই ব্যস্ত। কেউ এসে বলবে না “চলো, আমরা একসাথে চলি।”
আপনাকে নিজের ছায়া হয়ে নিজের পাশে দাঁড়াতে হবে।
৩. আপনি কাজ শিখবেন, কিন্তু তার চেয়েও বেশি শিখবেন বিনয়। হয়তো আপনি ছিলেন ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কিন্তু এখানে প্রথম কাজ হয়তো বাথরুম পরিষ্কার। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই অভিজ্ঞতা আপনাকে অভিজাত করে তুলবে—মনের দিক থেকে।
৪. টাকার হিসাব আপনি ক্যালকুলেটর ছাড়াই মুখস্থ শিখে ফেলবেন। কারণ ১টা ভুল হিসাব মানে একদিন না খেয়ে থাকা। বাংলাদেশে হয়তো মাসে ৫০০ টাকা উড়ালেও মনে হতো না, এখানে ৫ ডলার হিসাব করেও দম বন্ধ লাগে।
৫. আপনি বুঝবেন— “ঘুম” আর “আলসেমি” আসলে বিলাসিতা। প্রথম কয়েকমাস এমন হবে— ঘুমিয়েছেন ৩ ঘণ্টা,
দুইটা কাজ করছেন, তারপরও মনে হবে, "আরেকটু চালাতে হবে নিজেকে।"
৬. আপনি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ হবেন ছোট ছোট জিনিসের জন্য। এক কাপ হালকা গরম চা, একটা কল আসা দেশে থাকা কারো কাছ থেকে, রুমে কারো একটা হাসিমাখা কথা—
সবকিছু হিরার মতো দামী লাগবে।
৭. আপনি বদলাবেন, কিন্তু আপনার ভেতরের আগুনটা আরও জ্বলবে। কেউ হয়তো বলবে, "তুই অনেক চেঞ্জড!"
আপনি হাসবেন। কারণ আপনি জানেন, আপনার ভেতরের যুদ্ধগুলো কেউ জানে না।
এই প্রথম বছরটাই আসল। এই এক বছর যদি কাটিয়ে দিতে পারেন— আপনি শুধু প্রবাসী না, আপনি একজন বেঁচে থাকা যু*দ্ধা।
- সংগৃহীত
#জীবন_চক্র
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় রস নিঃসরণের
১. সৃষ্টি ও দাম্পত্য সম্পর্কে কুরআনের ভাষা:
﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً﴾
(সূরা রূম ৩০:২১)
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্যতম হলো—তিনিই তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। এবং তিনি তোমাদের মধ্যে রেখেছেন প্রেম ও করুণা।”
এই আয়াতে “সুকূন” (শান্তি), “মাওয়াদ্দাহ” (ভালোবাসা), ও “রহমাহ” (দয়া) — এই তিনটি শব্দ শুধু মানসিক শান্তি নয়, দেহ ও আত্মার মিলনের ইলাহি প্রকৃতি বোঝায়। নারীর রস নিঃসরণ, যদি গভীর ভালোবাসা, ইশক ও আত্মিক নিবেদন থেকে হয়, তাহলে সেটিও এই “রহমত”-এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
---
২. দেহের পবিত্রতা ও রহমত:
﴿وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ﴾
(সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৭০)
“আমি তো আদম সন্তানকে মর্যাদা দিয়েছি।”
নারীর দেহ ও তার নিঃসরণ—এগুলোও সেই সম্মানিত সৃষ্টিরই অঙ্গ। কুরআনের আলোকে কোনো প্রাকৃতিক বা সৃষ্টিশীল শারীরিক প্রক্রিয়াকে হীনভাবে দেখার অবকাশ নেই।
৩. পানির মাধ্যমে জীবন সৃষ্টি:
﴿وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ﴾
(সূরা আম্বিয়া ২১:৩০)
“আমি তো পানির দ্বারা সব কিছুকে জীবিত করেছি।”
নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহ থেকে নিঃসৃত তরল—যার মাধ্যমে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়—তা এই আয়াতের গভীর তাফসীরে পড়ে। নারীর রস নিঃসরণ সেই জীবনের প্রস্তুতির সূক্ষ্ম ইঙ্গিত।
৪. দেহগত সম্পর্কেও আছে পবিত্রতা:
﴿هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ﴾
(সূরা বাকারা ২:১৮৭)
“নারীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ।”
এই ‘লিবাস’ অর্থ শুধু শরীর ঢাকার নয়, বরং অন্তরঙ্গতা, নিরাপত্তা, প্রেম ও পরিপূরক সম্পর্ক বোঝায়। নারীর দেহ, তার নিঃসরণ, সবই এই অন্তরঙ্গতা ও মহব্বতের স্বাভাবিক অংশ, যা পবিত্রতা বহন করে।
উপসংহার (আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে কুরআনের আলোকে):
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় নিঃসৃত রস:
কুরআনের ভাষায় সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, এটি "রহমত", "সুকূন", "মাওয়াদ্দাহ", এবং "জীবনের পানি"–র ইশারায় আধ্যাত্মিকভাবে বোঝা যায়।
শরীর, প্রেম ও অন্তরঙ্গতা – সবই আল্লাহর নিদর্শন, যা তাযকিয়াহ ও ইখলাসের মাধ্যমে রূহানিয়্যতের দরজায় পরিণত হয়।
চিশতিয়া তরিকার দৃষ্টিতে নারীর যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়,
চিশতিয়া তরিকার আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি:
১. ইশক ও রূহানিয়্যত:
চিশতিয়া তরিকা ইশক (দিব্য প্রেম) ও সেবা (খিদমত)-এর তরিকা। এখানে মানবদেহ — নারী ও পুরুষ উভয়েরই দেহ — আল্লাহর হেকমতের বহিঃপ্রকাশ। নারীর দেহ থেকে যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়, চিশতিয়া সূফিরা তা ইলাহি প্রেমের একটি তরল প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেন।
যখন নারী তার প্রেমিক বা স্বামীর প্রতি গভীর প্রেম ও আকর্ষণ অনুভব করেন, তখন দেহে সেই প্রেমের সাড়া হিসেবে যে রস বের হয়, তা আসলে আল্লাহর প্রেমে আত্মসমর্পণেরই এক প্রতীকী ভাষা।
২. তাজাল্লিয়াতের নিদর্শন:
চিশতিয়া সূফিরা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তায়ালার জ্যোতি বা তাজাল্লি সৃষ্টির প্রতিটি কণায় প্রকাশিত হয়। নারীর এই রস নিঃসরণ সেই তাজাল্লির একটি রহস্যময় প্রতিফলন — যেখানে নারী তার শরীর ও আত্মা দিয়ে সৃষ্টিকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হন। এই প্রস্তুতি ঈশ্বরের রহমতেরই একটি কেমিয়াগ্রাহী মুহূর্ত।
৩. আদব ও হায়ার মাধ্যমে দেহের মর্যাদা:
চিশতিয়া তরিকায় দেহকে হীনভাবে দেখা হয় না। বরং, দেহকে আত্মার বাহন এবং ইবাদতের মাধ্যম হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। নারীর দেহে এই রসের সৃষ্টি তার আত্মিক প্রেম ও স্বতঃস্ফূর্ত দানের প্রকাশ। এই রস শুধুমাত্র যৌন সম্পর্কের উপযোগিতা নয়, বরং একটি ইলাহি হালতের (spiritual state) বহিঃপ্রকাশও হতে পারে, যদি তা প্রেম, সম্মান ও নিবেদনের সঙ্গে ঘটে।
৪. নিসবতের রহস্য:
চিশতিয়া সাধকরা ‘নিসবত’ নামক একটি অভ্যন্তরীণ আত্মিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেন। নারীর যৌন উত্তেজনামূলক রস সেই গভীর আত্মিক নিসবতের একটা বাহ্যিক লক্ষণও হতে পারে, যদি সেই সম্পর্ক দুজন আল্লাহভীরু প্রেমিক ও মোমিনের মধ্যে গঠিত হয়।
উপসংহার:
চিশতিয়া তরিকার আলোকে,
নারীর যৌন রস = দেহ ও রূহের সম্মিলিত ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া,
যা আল্লাহর রহমত, প্রেম ও সৃষ্টির গূঢ়তাকে বহন করে।
এটি লজ্জার কিছু নয় — বরং উপযুক্ত আদব, হায়া ও স্রষ্টার স্মরণ থাকলে, এমন মুহূর্তও এক ধরণের রূহানিয়্যত লাভের দরজা হয়ে উঠতে পারে।
১. সৃষ্টি ও দাম্পত্য সম্পর্কে কুরআনের ভাষা:
﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً﴾
(সূরা রূম ৩০:২১)
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্যতম হলো—তিনিই তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। এবং তিনি তোমাদের মধ্যে রেখেছেন প্রেম ও করুণা।”
এই আয়াতে “সুকূন” (শান্তি), “মাওয়াদ্দাহ” (ভালোবাসা), ও “রহমাহ” (দয়া) — এই তিনটি শব্দ শুধু মানসিক শান্তি নয়, দেহ ও আত্মার মিলনের ইলাহি প্রকৃতি বোঝায়। নারীর রস নিঃসরণ, যদি গভীর ভালোবাসা, ইশক ও আত্মিক নিবেদন থেকে হয়, তাহলে সেটিও এই “রহমত”-এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
---
২. দেহের পবিত্রতা ও রহমত:
﴿وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ﴾
(সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৭০)
“আমি তো আদম সন্তানকে মর্যাদা দিয়েছি।”
নারীর দেহ ও তার নিঃসরণ—এগুলোও সেই সম্মানিত সৃষ্টিরই অঙ্গ। কুরআনের আলোকে কোনো প্রাকৃতিক বা সৃষ্টিশীল শারীরিক প্রক্রিয়াকে হীনভাবে দেখার অবকাশ নেই।
৩. পানির মাধ্যমে জীবন সৃষ্টি:
﴿وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ﴾
(সূরা আম্বিয়া ২১:৩০)
“আমি তো পানির দ্বারা সব কিছুকে জীবিত করেছি।”
নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহ থেকে নিঃসৃত তরল—যার মাধ্যমে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়—তা এই আয়াতের গভীর তাফসীরে পড়ে। নারীর রস নিঃসরণ সেই জীবনের প্রস্তুতির সূক্ষ্ম ইঙ্গিত।
৪. দেহগত সম্পর্কেও আছে পবিত্রতা:
﴿هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ﴾
(সূরা বাকারা ২:১৮৭)
“নারীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ।”
এই ‘লিবাস’ অর্থ শুধু শরীর ঢাকার নয়, বরং অন্তরঙ্গতা, নিরাপত্তা, প্রেম ও পরিপূরক সম্পর্ক বোঝায়। নারীর দেহ, তার নিঃসরণ, সবই এই অন্তরঙ্গতা ও মহব্বতের স্বাভাবিক অংশ, যা পবিত্রতা বহন করে।
উপসংহার (আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে কুরআনের আলোকে):
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় নিঃসৃত রস:
কুরআনের ভাষায় সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, এটি "রহমত", "সুকূন", "মাওয়াদ্দাহ", এবং "জীবনের পানি"–র ইশারায় আধ্যাত্মিকভাবে বোঝা যায়।
শরীর, প্রেম ও অন্তরঙ্গতা – সবই আল্লাহর নিদর্শন, যা তাযকিয়াহ ও ইখলাসের মাধ্যমে রূহানিয়্যতের দরজায় পরিণত হয়।
চিশতিয়া তরিকার দৃষ্টিতে নারীর যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়,
চিশতিয়া তরিকার আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি:
১. ইশক ও রূহানিয়্যত:
চিশতিয়া তরিকা ইশক (দিব্য প্রেম) ও সেবা (খিদমত)-এর তরিকা। এখানে মানবদেহ — নারী ও পুরুষ উভয়েরই দেহ — আল্লাহর হেকমতের বহিঃপ্রকাশ। নারীর দেহ থেকে যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়, চিশতিয়া সূফিরা তা ইলাহি প্রেমের একটি তরল প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেন।
যখন নারী তার প্রেমিক বা স্বামীর প্রতি গভীর প্রেম ও আকর্ষণ অনুভব করেন, তখন দেহে সেই প্রেমের সাড়া হিসেবে যে রস বের হয়, তা আসলে আল্লাহর প্রেমে আত্মসমর্পণেরই এক প্রতীকী ভাষা।
২. তাজাল্লিয়াতের নিদর্শন:
চিশতিয়া সূফিরা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তায়ালার জ্যোতি বা তাজাল্লি সৃষ্টির প্রতিটি কণায় প্রকাশিত হয়। নারীর এই রস নিঃসরণ সেই তাজাল্লির একটি রহস্যময় প্রতিফলন — যেখানে নারী তার শরীর ও আত্মা দিয়ে সৃষ্টিকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হন। এই প্রস্তুতি ঈশ্বরের রহমতেরই একটি কেমিয়াগ্রাহী মুহূর্ত।
৩. আদব ও হায়ার মাধ্যমে দেহের মর্যাদা:
চিশতিয়া তরিকায় দেহকে হীনভাবে দেখা হয় না। বরং, দেহকে আত্মার বাহন এবং ইবাদতের মাধ্যম হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। নারীর দেহে এই রসের সৃষ্টি তার আত্মিক প্রেম ও স্বতঃস্ফূর্ত দানের প্রকাশ। এই রস শুধুমাত্র যৌন সম্পর্কের উপযোগিতা নয়, বরং একটি ইলাহি হালতের (spiritual state) বহিঃপ্রকাশও হতে পারে, যদি তা প্রেম, সম্মান ও নিবেদনের সঙ্গে ঘটে।
৪. নিসবতের রহস্য:
চিশতিয়া সাধকরা ‘নিসবত’ নামক একটি অভ্যন্তরীণ আত্মিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেন। নারীর যৌন উত্তেজনামূলক রস সেই গভীর আত্মিক নিসবতের একটা বাহ্যিক লক্ষণও হতে পারে, যদি সেই সম্পর্ক দুজন আল্লাহভীরু প্রেমিক ও মোমিনের মধ্যে গঠিত হয়।
উপসংহার:
চিশতিয়া তরিকার আলোকে,
নারীর যৌন রস = দেহ ও রূহের সম্মিলিত ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া,
যা আল্লাহর রহমত, প্রেম ও সৃষ্টির গূঢ়তাকে বহন করে।
এটি লজ্জার কিছু নয় — বরং উপযুক্ত আদব, হায়া ও স্রষ্টার স্মরণ থাকলে, এমন মুহূর্তও এক ধরণের রূহানিয়্যত লাভের দরজা হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে ডিপ্লোমা ডিগ্রি: শিক্ষার নামে প্রতারণা না কি সম্ভাবনার অপচয়?
📌ভূমিকা
ডিপ্লোমা ডিগ্রি হলো সাধারণত কম সময়ের মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের কোর্স। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এই ডিগ্রি তরুণদের দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে ডিপ্লোমা ডিগ্রি এক ধরনের শিক্ষাবাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে হাজারো শিক্ষার্থী সময়, অর্থ এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছু হারাচ্ছে।
বাংলাদেশে প্রচলিত ডিপ্লোমা ডিগ্রিসমূহ:
১. পলিটেকনিক (Diploma in Engineering):
✅চার বছরের কোর্স।
✅ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা।
✅অনেক প্রতিষ্ঠান মানহীন, ল্যাব/মেশিন নেই, শিক্ষক অনভিজ্ঞ।
২. আইএইচটি (IHT - Institute of Health Technology):
✅ল্যাব টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল, ফার্মেসি ইত্যাদিতে ডিপ্লোমা।
✅অনেক ছাত্র-ছাত্রী কোর্স শেষ করে বেকার, চাকরির ব্যবস্থা নেই।
৩. ম্যাটস্ (MATS - Medical Assistant Training School):
✅সাড়ে চার বছরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স।
✅গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসা সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ কমে আসছে।
✅সরকারি নিয়োগ সীমিত, বেসরকারি চাহিদা প্রায় শূন্য।
৪. কৃষি ডিপ্লোমা (Diploma in Agriculture):
✅চার বছর মেয়াদী কৃষি শিক্ষাক্রম।
✅সরকারি চাকরিতে সীমিত সুযোগ, মাঠ পর্যায়ে কর্মসংস্থান খুবই কম।
✅প্রযুক্তি ও বাজার ভিত্তিক কৃষি শিক্ষার অভাব রয়েছে।
মূল সমস্যাসমূহ:
১. মানহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যসূচি:
➡️প্রায় ৮০% বেসরকারি ডিপ্লোমা কলেজ-ইনস্টিটিউটে পর্যাপ্ত ল্যাব, শিক্ষক ও পরিবেশ নেই।
➡️সিলেবাস পুরাতন, বাস্তব চাহিদার সাথে মিল নেই।
২. চাকরির সংকট:
➡️সরকারি নিয়োগ বছরে গুটিকয়েক।
➡️বেসরকারি খাতে কাজের সুযোগ খুব সীমিত, বেতনও নগণ্য।
➡️অধিকাংশ ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থী বছরের পর বছর বেকার থাকছে।
৩. উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য:
➡️অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয় না।
➡️যে কয়টি নেয়, সেখানেও আসন সংখ্যা কম, প্রতিযোগিতা চরম।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি তদারকি নেই:
➡️কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে নতুন নতুন ইনস্টিটিউট।
➡️শিক্ষার্থীরা পরে বুঝছে—তাদের সার্টিফিকেটের বাস্তবে কোনো মূল্য নেই।
ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের অভিজ্ঞতা:
⏩ “আমি চার বছর ইলেকট্রিক্যাল পলিটেকনিকে পড়েছি। চাকরি পাইনি, কোথাও ইন্টার্ন করতেও দেয় না। এখন দোকানে বসে মোবাইল সারাই করি।”
— এক ডিপ্লোমাধারীর ভাষ্য
⏩“ম্যাটস থেকে পাস করার পর ২ বছর হয়ে গেছে, কোথাও চাকরি পাইনি। বেসরকারি ক্লিনিকে চাই ২ বছরের অভিজ্ঞতা, কিন্তু কোথা থেকে আসবে?”
— ম্যাটস পাস এক তরুণীর অভিযোগ
সম্ভাবনার অপচয়:
বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও দক্ষতা, আগ্রহ ও পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে। কিন্তু ভুল পথে ঠেলে দিলে সেই শক্তি ক্ষয়ে যায়। ডিপ্লোমা ডিগ্রির আড়ালে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস হচ্ছে কেবল:
👉অভিভাবকদের অজ্ঞতার কারণে,
👉ব্যবসায়িক মনোভাবসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কারণে,
👉এবং সরকারি তদারকির অভাবে।
উপায় কী?
১. সচেতনতা বাড়ানো: অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো দরকার—ডিপ্লোমা মানেই চাকরি নয়।
২. মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেওয়া: যাচাই ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠান খোলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দরকার।
৩. শিল্প/চাকরি সংযোগ নিশ্চিত করা: প্রতি ডিপ্লোমা কোর্সের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
৪. বিকল্প পথ তৈরি করা: যেমন — আইটি, ফ্রিল্যান্সিং, স্মার্ট কৃষি, স্মল বিজনেস মডেল শেখানো।
উপসংহার:
বাংলাদেশে যেভাবে ডিপ্লোমা ডিগ্রির বিস্তার ঘটেছে, তা উন্নয়নের নয়, বরং একটি লুকানো বেকারত্বের ফাঁদ।
অভিভাবকদের এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন — শুধু সার্টিফিকেট নয়, দরকার বাস্তবমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা।
আপনার সন্তানের জীবন নিয়ে গেম খেলবেন না। জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন।©
📌ভূমিকা
ডিপ্লোমা ডিগ্রি হলো সাধারণত কম সময়ের মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের কোর্স। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এই ডিগ্রি তরুণদের দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে ডিপ্লোমা ডিগ্রি এক ধরনের শিক্ষাবাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে হাজারো শিক্ষার্থী সময়, অর্থ এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছু হারাচ্ছে।
বাংলাদেশে প্রচলিত ডিপ্লোমা ডিগ্রিসমূহ:
১. পলিটেকনিক (Diploma in Engineering):
✅চার বছরের কোর্স।
✅ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা।
✅অনেক প্রতিষ্ঠান মানহীন, ল্যাব/মেশিন নেই, শিক্ষক অনভিজ্ঞ।
২. আইএইচটি (IHT - Institute of Health Technology):
✅ল্যাব টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল, ফার্মেসি ইত্যাদিতে ডিপ্লোমা।
✅অনেক ছাত্র-ছাত্রী কোর্স শেষ করে বেকার, চাকরির ব্যবস্থা নেই।
৩. ম্যাটস্ (MATS - Medical Assistant Training School):
✅সাড়ে চার বছরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স।
✅গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসা সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ কমে আসছে।
✅সরকারি নিয়োগ সীমিত, বেসরকারি চাহিদা প্রায় শূন্য।
৪. কৃষি ডিপ্লোমা (Diploma in Agriculture):
✅চার বছর মেয়াদী কৃষি শিক্ষাক্রম।
✅সরকারি চাকরিতে সীমিত সুযোগ, মাঠ পর্যায়ে কর্মসংস্থান খুবই কম।
✅প্রযুক্তি ও বাজার ভিত্তিক কৃষি শিক্ষার অভাব রয়েছে।
মূল সমস্যাসমূহ:
১. মানহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যসূচি:
➡️প্রায় ৮০% বেসরকারি ডিপ্লোমা কলেজ-ইনস্টিটিউটে পর্যাপ্ত ল্যাব, শিক্ষক ও পরিবেশ নেই।
➡️সিলেবাস পুরাতন, বাস্তব চাহিদার সাথে মিল নেই।
২. চাকরির সংকট:
➡️সরকারি নিয়োগ বছরে গুটিকয়েক।
➡️বেসরকারি খাতে কাজের সুযোগ খুব সীমিত, বেতনও নগণ্য।
➡️অধিকাংশ ডিপ্লোমা পাস শিক্ষার্থী বছরের পর বছর বেকার থাকছে।
৩. উচ্চশিক্ষায় বৈষম্য:
➡️অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয় না।
➡️যে কয়টি নেয়, সেখানেও আসন সংখ্যা কম, প্রতিযোগিতা চরম।
৪. প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি তদারকি নেই:
➡️কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে নতুন নতুন ইনস্টিটিউট।
➡️শিক্ষার্থীরা পরে বুঝছে—তাদের সার্টিফিকেটের বাস্তবে কোনো মূল্য নেই।
ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের অভিজ্ঞতা:
⏩ “আমি চার বছর ইলেকট্রিক্যাল পলিটেকনিকে পড়েছি। চাকরি পাইনি, কোথাও ইন্টার্ন করতেও দেয় না। এখন দোকানে বসে মোবাইল সারাই করি।”
— এক ডিপ্লোমাধারীর ভাষ্য
⏩“ম্যাটস থেকে পাস করার পর ২ বছর হয়ে গেছে, কোথাও চাকরি পাইনি। বেসরকারি ক্লিনিকে চাই ২ বছরের অভিজ্ঞতা, কিন্তু কোথা থেকে আসবে?”
— ম্যাটস পাস এক তরুণীর অভিযোগ
সম্ভাবনার অপচয়:
বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও দক্ষতা, আগ্রহ ও পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে। কিন্তু ভুল পথে ঠেলে দিলে সেই শক্তি ক্ষয়ে যায়। ডিপ্লোমা ডিগ্রির আড়ালে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ধ্বংস হচ্ছে কেবল:
👉অভিভাবকদের অজ্ঞতার কারণে,
👉ব্যবসায়িক মনোভাবসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কারণে,
👉এবং সরকারি তদারকির অভাবে।
উপায় কী?
১. সচেতনতা বাড়ানো: অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জানানো দরকার—ডিপ্লোমা মানেই চাকরি নয়।
২. মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেওয়া: যাচাই ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠান খোলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দরকার।
৩. শিল্প/চাকরি সংযোগ নিশ্চিত করা: প্রতি ডিপ্লোমা কোর্সের সাথে সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
৪. বিকল্প পথ তৈরি করা: যেমন — আইটি, ফ্রিল্যান্সিং, স্মার্ট কৃষি, স্মল বিজনেস মডেল শেখানো।
উপসংহার:
বাংলাদেশে যেভাবে ডিপ্লোমা ডিগ্রির বিস্তার ঘটেছে, তা উন্নয়নের নয়, বরং একটি লুকানো বেকারত্বের ফাঁদ।
অভিভাবকদের এখনই সচেতন হওয়া প্রয়োজন — শুধু সার্টিফিকেট নয়, দরকার বাস্তবমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা।
আপনার সন্তানের জীবন নিয়ে গেম খেলবেন না। জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নিন।©
শাকসবজি যত বেশি খাওয়া যাবে, তত বেশি সুস্থ থাকা যাবে এটা মিথ্যা কথা! প্রকৃতিতে শাকসবজি তৈরি হয়েছে মূলত গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষের মতো তৃণভোজী প্রাণীদের জন্য! মানুষের জন্য না!
প্রকৃতির স্বাভাবিক খাদ্যচক্র হলো: শাকসবজি → প্রাণী → মানুষ!
যেকোনো খাবার খাওয়ারই ভুল ও সঠিক নিয়ম থাকে। শাকসবজির ক্ষেত্রে সরাসরি শাকসবজি খাওয়াটা হলো ভুল!
শাকসবজি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি হলো গরু-ছাগল-ভেড়াকে শাকসবজি খাওয়ান তারপর ঐ শাকসবজি খাওয়া প্রাণীর মাংস ও চর্বি খান!
গরু-ছাগলের একাধিক পাকস্থলী আছে, যেখানে লক্ষ কোটি জীবাণু কাজ করে সারাক্ষণ। এই জীবাণুদের দ্বারা ফারমেন্টেশনের মাধ্যমেই শাকসবজির ভেতরের পুষ্টি এমন এক রূপ নেয়, যেটা মানুষের শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে!
মানুষ কিন্তু এই রকম কোনো ফারমেন্টেশন সিস্টেম পায়নি। মানুষের একটাই পাকস্থলী, যার হজমক্ষমতা সীমিত। তাই উদ্ভিজ্জ খাবারের অনেক পুষ্টি মানুষের শরীরে ঠিকমতো কনভার্ট বা শোষিতই হয় না। এজন্যই মানুষ সরাসরি শাকসবজি বেশি খেলে অনেক সময় হজমের চাপ বাড়ে, পেট ফাঁপে, পুষ্টি শোষণ কমে!
গরু-ছাগলদের শরীর এমনভাবে ডিজাইন করা যে, তারা ঘাস, পাতা, শাকসবজির শক্ত ফাইবার ভেঙে ফেলে, ফারমেন্ট করে, অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট নিষ্ক্রিয় করে, আর সেই উদ্ভিজ্জ উপাদানকে মানুষের জন্য সেরামানের প্রোটিন, চর্বি, কোলাজেন ও সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তর করে!
কোলাজেনসমৃদ্ধ খাবার খেলে আপনার ত্বক, চুল, হাড় সুন্দর-সুস্থ থাকবে।
কোলাজেন ত্বক, হাড়, পেশি, চুল, নখ, চোখ, রক্তনালী, জয়েন্ট এ সবকিছুর জন্য কাঠামো তৈরি করে! যদি কোলাজেন না থাকে, তাহলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাবে!
কোলাজেন তৈরির জন্য শরীরের দরকার হয় নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড (বিশেষ করে glycine, proline, hydroxyproline)। এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো সবচেয়ে বেশি ও সরাসরি পাওয়া যায় গরু-ছাগলের হাড়ের ঝোল (bone broth), চামড়া, টেন্ডন, কার্টিলেজ, জেলাটিন, মাংস ও চর্বিতে!
গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়েই কোলাজেন তৈরি করে।
কিন্তু মানুষ তাদের মতো করে পারে না!
কারণ ঘাসভোজী প্রাণীর আছে একাধিক পাকস্থলী, কোটি কোটি বিশেষ ব্যাকটেরিয়া ও সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম সিস্টেম। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো ঘাস-পাতার প্রোটিন ও নাইট্রোজেন থেকে নিজেরাই glycine ও proline-এর মতো কোলাজেন-নির্মাণকারী অ্যামিনো অ্যাসিড বানায়। পরে সেই ব্যাকটেরিয়াল প্রোটিনই প্রাণীর শরীর শোষণ করে কোলাজেন বানায়।
মানুষের একটাই পাকস্থলী, গাট ব্যাকটেরিয়া সীমিত, ফারমেন্টেশন সময় খুব অল্প, সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম নেই! ফলে মানুষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়ে কোলাজেনের মূল কাঁচামাল (glycine, proline, hydroxyproline) পর্যাপ্ত পায় না!
এজন্যই শাকসবজি আগে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ খাবে, তাদের শরীর সেই শাকসবজিকে মানুষের উপযোগী পুষ্টিতে রূপান্তর করবে, তারপর মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খাবে। এই চক্রেই শাকসবজির পুষ্টি সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সবচেয়ে বায়োঅ্যাভেইলেবল হয়ে মানুষের শরীরে পৌঁছায়!
প্রকৃতিতে শাকসবজি মূলত সূর্যের আলো, মাটি আর পানির শক্তিকে ধরে রাখে, কিন্তু সেই শক্তি মানুষের শরীর সরাসরি পুরোটা ব্যবহার করতে পারে না। আমরা শাকসবজি খাই ঠিকই, কিন্তু তার ভেতরের অনেক পুষ্টি বেকার বেরিয়ে যায়।
এখানেই গরু, ছাগল, ভেড়া বা মহিষের ভূমিকা আসে। তারা শাকসবজি, ঘাস, পাতা খায় আর সেগুলোকে রূপান্তর করে মাংস, চর্বি, দুধের মতো ঘন ও শক্তিশালী পুষ্টিতে। যখন মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খায়, তখন সে আসলে শাকসবজিরই সারাংশ খায়, কিন্তু অনেক বেশি বায়োএভেইলেবল আকারে। এতে শরীর কম পরিশ্রমে বেশি পুষ্টি পায়, রক্তে দ্রুত ব্যবহারযোগ্য শক্তি আসে, হরমোনাল সিস্টেম স্থিতিশীল থাকে।
এ কারণে ঐতিহ্যবাহী সমাজগুলোতে শাকসবজি কখনোই খাবারের মূল উৎস ছিল না। শাকপাতা ছিল সহায়ক, আর প্রাণিজ খাবার ছিল প্রধান!
ক্যাপ্টেন গ্রিন
প্রকৃতির স্বাভাবিক খাদ্যচক্র হলো: শাকসবজি → প্রাণী → মানুষ!
যেকোনো খাবার খাওয়ারই ভুল ও সঠিক নিয়ম থাকে। শাকসবজির ক্ষেত্রে সরাসরি শাকসবজি খাওয়াটা হলো ভুল!
শাকসবজি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি হলো গরু-ছাগল-ভেড়াকে শাকসবজি খাওয়ান তারপর ঐ শাকসবজি খাওয়া প্রাণীর মাংস ও চর্বি খান!
গরু-ছাগলের একাধিক পাকস্থলী আছে, যেখানে লক্ষ কোটি জীবাণু কাজ করে সারাক্ষণ। এই জীবাণুদের দ্বারা ফারমেন্টেশনের মাধ্যমেই শাকসবজির ভেতরের পুষ্টি এমন এক রূপ নেয়, যেটা মানুষের শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে!
মানুষ কিন্তু এই রকম কোনো ফারমেন্টেশন সিস্টেম পায়নি। মানুষের একটাই পাকস্থলী, যার হজমক্ষমতা সীমিত। তাই উদ্ভিজ্জ খাবারের অনেক পুষ্টি মানুষের শরীরে ঠিকমতো কনভার্ট বা শোষিতই হয় না। এজন্যই মানুষ সরাসরি শাকসবজি বেশি খেলে অনেক সময় হজমের চাপ বাড়ে, পেট ফাঁপে, পুষ্টি শোষণ কমে!
গরু-ছাগলদের শরীর এমনভাবে ডিজাইন করা যে, তারা ঘাস, পাতা, শাকসবজির শক্ত ফাইবার ভেঙে ফেলে, ফারমেন্ট করে, অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট নিষ্ক্রিয় করে, আর সেই উদ্ভিজ্জ উপাদানকে মানুষের জন্য সেরামানের প্রোটিন, চর্বি, কোলাজেন ও সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তর করে!
কোলাজেনসমৃদ্ধ খাবার খেলে আপনার ত্বক, চুল, হাড় সুন্দর-সুস্থ থাকবে।
কোলাজেন ত্বক, হাড়, পেশি, চুল, নখ, চোখ, রক্তনালী, জয়েন্ট এ সবকিছুর জন্য কাঠামো তৈরি করে! যদি কোলাজেন না থাকে, তাহলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাবে!
কোলাজেন তৈরির জন্য শরীরের দরকার হয় নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড (বিশেষ করে glycine, proline, hydroxyproline)। এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো সবচেয়ে বেশি ও সরাসরি পাওয়া যায় গরু-ছাগলের হাড়ের ঝোল (bone broth), চামড়া, টেন্ডন, কার্টিলেজ, জেলাটিন, মাংস ও চর্বিতে!
গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়েই কোলাজেন তৈরি করে।
কিন্তু মানুষ তাদের মতো করে পারে না!
কারণ ঘাসভোজী প্রাণীর আছে একাধিক পাকস্থলী, কোটি কোটি বিশেষ ব্যাকটেরিয়া ও সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম সিস্টেম। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো ঘাস-পাতার প্রোটিন ও নাইট্রোজেন থেকে নিজেরাই glycine ও proline-এর মতো কোলাজেন-নির্মাণকারী অ্যামিনো অ্যাসিড বানায়। পরে সেই ব্যাকটেরিয়াল প্রোটিনই প্রাণীর শরীর শোষণ করে কোলাজেন বানায়।
মানুষের একটাই পাকস্থলী, গাট ব্যাকটেরিয়া সীমিত, ফারমেন্টেশন সময় খুব অল্প, সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম নেই! ফলে মানুষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়ে কোলাজেনের মূল কাঁচামাল (glycine, proline, hydroxyproline) পর্যাপ্ত পায় না!
এজন্যই শাকসবজি আগে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ খাবে, তাদের শরীর সেই শাকসবজিকে মানুষের উপযোগী পুষ্টিতে রূপান্তর করবে, তারপর মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খাবে। এই চক্রেই শাকসবজির পুষ্টি সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সবচেয়ে বায়োঅ্যাভেইলেবল হয়ে মানুষের শরীরে পৌঁছায়!
প্রকৃতিতে শাকসবজি মূলত সূর্যের আলো, মাটি আর পানির শক্তিকে ধরে রাখে, কিন্তু সেই শক্তি মানুষের শরীর সরাসরি পুরোটা ব্যবহার করতে পারে না। আমরা শাকসবজি খাই ঠিকই, কিন্তু তার ভেতরের অনেক পুষ্টি বেকার বেরিয়ে যায়।
এখানেই গরু, ছাগল, ভেড়া বা মহিষের ভূমিকা আসে। তারা শাকসবজি, ঘাস, পাতা খায় আর সেগুলোকে রূপান্তর করে মাংস, চর্বি, দুধের মতো ঘন ও শক্তিশালী পুষ্টিতে। যখন মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খায়, তখন সে আসলে শাকসবজিরই সারাংশ খায়, কিন্তু অনেক বেশি বায়োএভেইলেবল আকারে। এতে শরীর কম পরিশ্রমে বেশি পুষ্টি পায়, রক্তে দ্রুত ব্যবহারযোগ্য শক্তি আসে, হরমোনাল সিস্টেম স্থিতিশীল থাকে।
এ কারণে ঐতিহ্যবাহী সমাজগুলোতে শাকসবজি কখনোই খাবারের মূল উৎস ছিল না। শাকপাতা ছিল সহায়ক, আর প্রাণিজ খাবার ছিল প্রধান!
ক্যাপ্টেন গ্রিন
দুইটা সিম্পল অভ্যাস আপনার জীবনের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান করতে পারে।
১. ঠিকমতো, সময়মতো ও যথাযথ ঘুম।
২. ঠিকমতো, সময়মতো ও যথাযথ খাওয়া।
খেয়াল করে দেখেন, আপনার জীবনের বহু রোগ ও সমস্যার মূল এই দুটো বিষয়।
যাদেরকে দেখলে আপনার ঈর্ষা হয় খেয়াল করে দেখবেন, তাদের এই দুটো জিনিস ঠিকঠাক।
১. ঠিকমতো, সময়মতো ও যথাযথ ঘুম।
২. ঠিকমতো, সময়মতো ও যথাযথ খাওয়া।
খেয়াল করে দেখেন, আপনার জীবনের বহু রোগ ও সমস্যার মূল এই দুটো বিষয়।
যাদেরকে দেখলে আপনার ঈর্ষা হয় খেয়াল করে দেখবেন, তাদের এই দুটো জিনিস ঠিকঠাক।
😱1
💥 মানসিক চাপ: বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনা
🔘 মানসিক চাপ (Stress) মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া যা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত হয়। এটি শরীরের "ফাইট-অর-ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের সমস্যার মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
🔘 মানসিক চাপ কী?
মানসিক চাপ এমন একটি প্রতিক্রিয়া যা আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল (HPA) গ্রন্থিকে সক্রিয় করে। চাপের সময় শরীর থেকে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শক্তি ও সজাগতা বাড়ায়। স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, তবে যখন মানসিক চাপ দীর্ঘমেয়াদী হয়ে যায়, তখন তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বিভিন্ন ধরণের হতে পারে এবং প্রতিটি ধরণের চাপের প্রকৃতি ও প্রভাব আলাদা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়, এবং এই চাপের প্রকারভেদ জানা থাকলে তা মোকাবিলা করা সহজ হয়।
🔘 মানসিক চাপের প্রকারভেদ:
মানসিক চাপ তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
১. ইউস্ট্রেস (Eustress): ইতিবাচক চাপ, যা মানুষকে মোটিভেট করে এবং উন্নতির দিকে ধাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন কাজ শুরু করার উত্তেজনা বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।
২. ডিস্ট্রেস (Distress): নেতিবাচক চাপ, যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি হতাশা, উদ্বেগ এবং শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
৩. ক্রনিক স্ট্রেস (Chronic Stress): দীর্ঘমেয়াদী চাপ যা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটি কর্মজীবনের চাপে, পারিবারিক সমস্যা বা আর্থিক অসুবিধার কারণে হতে পারে।
🔘 এছাড়া মানসিক চাপ মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়:
১. আকস্মিক বা তীব্র চাপ (Acute Stress):
আকস্মিক চাপ হলো স্বল্পমেয়াদী মানসিক চাপ, যা হঠাৎ কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, পরীক্ষা নেওয়ার আগে বা নতুন কোনো কাজে যোগ দেওয়ার আগে এই ধরনের চাপ দেখা দেয়। এটি সাধারণত দ্রুত শেষ হয় এবং আমাদের ফাইট-অর-ফ্লাইট প্রতিক্রিয়াকে সক্রিয় করে। যদিও স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, অতিরিক্ত তীব্র চাপ শারীরিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে যেমন মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যা বা ঘুমের ব্যাঘাত।
২. ক্রনিক চাপ (Chronic Stress):
ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী চাপ হলো এমন মানসিক চাপ যা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের জটিলতা, বা দীর্ঘস্থায়ী কাজের চাপ ক্রনিক স্ট্রেসের উদাহরণ। এই চাপ দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বা মানসিক সমস্যা যেমন বিষণ্নতা (Depression) এবং উদ্বেগ (Anxiety)।
৩. ট্রমাটিক বা ট্রমাজনিত চাপ (Traumatic Stress):
কোনো বড় দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আঘাতজনিত ঘটনা যেমন দুর্ঘটনা বা হিংসার শিকার হওয়ার কারণে এই ধরনের চাপ সৃষ্ট হয়। এটি খুবই মারাত্মক এবং প্রায়ই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD)-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরনের চাপ মানসিক ও শারীরিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
🔘 মানসিক চাপের প্রভাব:
১. শারীরবৃত্তীয় প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের কারণে হৃদযন্ত্র, হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
২. মনোবৈজ্ঞানিক প্রভাব: মানসিক চাপ উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি বৃদ্ধি করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে (Cohen et al., 2007)।
৩. আচরণগত প্রভাব: মানসিক চাপের ফলে ব্যক্তি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্যগত জটিলতা বাড়ায়।
🔘 মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা কৌশল:
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে, যা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম।
১. ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ চাপ কমাতে সহায়ক, কারণ এটি শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে, যা প্রাকৃতিকভাবেই মেজাজ ভালো করে।
২. মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যান(meditation): মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন স্ট্রেস হরমোন কমাতে কার্যকর (Grossman et al., 2004) এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
৩. সামাজিক সংযোগ: পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক মানসিক সমর্থনের মাধ্যমে চাপ কমাতে সহায়ক হয় (Ozbay et al., 2007)।
৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা: স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
🔘 মানসিক চাপ (Stress) মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া যা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত হয়। এটি শরীরের "ফাইট-অর-ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের সমস্যার মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
🔘 মানসিক চাপ কী?
মানসিক চাপ এমন একটি প্রতিক্রিয়া যা আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল (HPA) গ্রন্থিকে সক্রিয় করে। চাপের সময় শরীর থেকে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শক্তি ও সজাগতা বাড়ায়। স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, তবে যখন মানসিক চাপ দীর্ঘমেয়াদী হয়ে যায়, তখন তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বিভিন্ন ধরণের হতে পারে এবং প্রতিটি ধরণের চাপের প্রকৃতি ও প্রভাব আলাদা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়, এবং এই চাপের প্রকারভেদ জানা থাকলে তা মোকাবিলা করা সহজ হয়।
🔘 মানসিক চাপের প্রকারভেদ:
মানসিক চাপ তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
১. ইউস্ট্রেস (Eustress): ইতিবাচক চাপ, যা মানুষকে মোটিভেট করে এবং উন্নতির দিকে ধাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন কাজ শুরু করার উত্তেজনা বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।
২. ডিস্ট্রেস (Distress): নেতিবাচক চাপ, যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি হতাশা, উদ্বেগ এবং শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
৩. ক্রনিক স্ট্রেস (Chronic Stress): দীর্ঘমেয়াদী চাপ যা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটি কর্মজীবনের চাপে, পারিবারিক সমস্যা বা আর্থিক অসুবিধার কারণে হতে পারে।
🔘 এছাড়া মানসিক চাপ মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়:
১. আকস্মিক বা তীব্র চাপ (Acute Stress):
আকস্মিক চাপ হলো স্বল্পমেয়াদী মানসিক চাপ, যা হঠাৎ কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, পরীক্ষা নেওয়ার আগে বা নতুন কোনো কাজে যোগ দেওয়ার আগে এই ধরনের চাপ দেখা দেয়। এটি সাধারণত দ্রুত শেষ হয় এবং আমাদের ফাইট-অর-ফ্লাইট প্রতিক্রিয়াকে সক্রিয় করে। যদিও স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, অতিরিক্ত তীব্র চাপ শারীরিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে যেমন মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যা বা ঘুমের ব্যাঘাত।
২. ক্রনিক চাপ (Chronic Stress):
ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী চাপ হলো এমন মানসিক চাপ যা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের জটিলতা, বা দীর্ঘস্থায়ী কাজের চাপ ক্রনিক স্ট্রেসের উদাহরণ। এই চাপ দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বা মানসিক সমস্যা যেমন বিষণ্নতা (Depression) এবং উদ্বেগ (Anxiety)।
৩. ট্রমাটিক বা ট্রমাজনিত চাপ (Traumatic Stress):
কোনো বড় দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আঘাতজনিত ঘটনা যেমন দুর্ঘটনা বা হিংসার শিকার হওয়ার কারণে এই ধরনের চাপ সৃষ্ট হয়। এটি খুবই মারাত্মক এবং প্রায়ই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD)-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরনের চাপ মানসিক ও শারীরিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
🔘 মানসিক চাপের প্রভাব:
১. শারীরবৃত্তীয় প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের কারণে হৃদযন্ত্র, হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
২. মনোবৈজ্ঞানিক প্রভাব: মানসিক চাপ উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি বৃদ্ধি করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে (Cohen et al., 2007)।
৩. আচরণগত প্রভাব: মানসিক চাপের ফলে ব্যক্তি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্যগত জটিলতা বাড়ায়।
🔘 মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা কৌশল:
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে, যা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম।
১. ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ চাপ কমাতে সহায়ক, কারণ এটি শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে, যা প্রাকৃতিকভাবেই মেজাজ ভালো করে।
২. মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যান(meditation): মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন স্ট্রেস হরমোন কমাতে কার্যকর (Grossman et al., 2004) এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
৩. সামাজিক সংযোগ: পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক মানসিক সমর্থনের মাধ্যমে চাপ কমাতে সহায়ক হয় (Ozbay et al., 2007)।
৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা: স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
যখন আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাপ অনুভব করি এবং তা সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারি না, তখন এর ফলাফল হতে পারে:
১. বার্নআউট: দীর্ঘমেয়াদী চাপের ফলে আমরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, যা আমাদের কাজের মান এবং ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে।
২. দুর্বল ইমিউন সিস্টেম: দীর্ঘমেয়াদী চাপ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে সহজেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি।
৩. হৃদরোগের ঝুঁকি: চাপের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। (McEwen, 2007)
মানসিক চাপ জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি যদি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়, তবে মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
🔘 সূত্র
1. American Psychological Association. (2023). Stress effects on the body .Retrieved from [APA Website](https://www.apa.org)
2. Cohen, S., Janicki-Deverts, D., & Miller, G. E. (2007). Psychological stress and disease. JAMA, 298(14), 1685-1687.
3. Grossman, P., Niemann, L., Schmidt, S., & Walach, H. (2004). Mindfulness-based stress reduction and health benefits. Journal of Psychosomatic Research, 57(1), 35-43.
4. Ozbay, F., Johnson, D. C., Dimoulas, E., Morgan III, C. A., Charney, D., & Southwick, S. (2007). Social support and resilience to stress. Psychiatry (Edgmont), 4(5), 35.
5. McEwen, B. S. (2007). Physiology and neurobiology of stress and adaptation: Central role of the brain. Physiological reviews, 87(3), 873-904.
📍কন্টেন্ট :
রাফিসা তাসনিম
৩য় বর্ষ, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
ও প্রাক্তন সহকারী কর্মকর্তা
আয়োজন বিভাগ,
বন্ধু।
১. বার্নআউট: দীর্ঘমেয়াদী চাপের ফলে আমরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, যা আমাদের কাজের মান এবং ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে।
২. দুর্বল ইমিউন সিস্টেম: দীর্ঘমেয়াদী চাপ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে সহজেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি।
৩. হৃদরোগের ঝুঁকি: চাপের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। (McEwen, 2007)
মানসিক চাপ জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি যদি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়, তবে মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
🔘 সূত্র
1. American Psychological Association. (2023). Stress effects on the body .Retrieved from [APA Website](https://www.apa.org)
2. Cohen, S., Janicki-Deverts, D., & Miller, G. E. (2007). Psychological stress and disease. JAMA, 298(14), 1685-1687.
3. Grossman, P., Niemann, L., Schmidt, S., & Walach, H. (2004). Mindfulness-based stress reduction and health benefits. Journal of Psychosomatic Research, 57(1), 35-43.
4. Ozbay, F., Johnson, D. C., Dimoulas, E., Morgan III, C. A., Charney, D., & Southwick, S. (2007). Social support and resilience to stress. Psychiatry (Edgmont), 4(5), 35.
5. McEwen, B. S. (2007). Physiology and neurobiology of stress and adaptation: Central role of the brain. Physiological reviews, 87(3), 873-904.
📍কন্টেন্ট :
রাফিসা তাসনিম
৩য় বর্ষ, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
ও প্রাক্তন সহকারী কর্মকর্তা
আয়োজন বিভাগ,
বন্ধু।