“চাকরির জন্য দুশ্চিন্তায় আছেন? সূরা ত্বাহার এই আয়াতটি ১১ বার পড়লে দেখবেন বদলে যায় বাস্তবতা”
চাকরি হচ্ছে জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, আবেদন করেও ডাক না আসা, চাকরিতে স্থির হতে না পারা—এসব আমাদের অনেককেই হতাশ করে ফেলে।
তবে একজন মুমিনের জন্য সব দরজা বন্ধ হলেও আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।
আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে, সঠিক সময়ে সঠিক দোয়া করলে, কখন কীভাবে রিজিকের দরজা খুলে যায়—আপনি ভাবতেও পারবেন না।
আজ শিখুন একটি ছোট অথচ প্রভাবশালী আয়াত—নবী মূসা আলাইহিস সালাম যে আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও প্রশস্ততা চেয়েছিলেন।
📖 কুরআনিক আয়াত:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
উচ্চারণ: রব্বিশরাহলি সাদরি
অর্থ: “হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করুন।”
📘 সূরা ত্বাহা – আয়াত ২৫
কেন পড়বেন এই আয়াত?
✔️ এটি আত্মবিশ্বাস ও মন প্রশান্তির জন্য বিশেষ উপকারী
✔️ চাকরি, ইন্টারভিউ, ভাইভা বা নতুন উদ্যোগে সাহস জোগায়
✔️ নবী মূসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের দরবারে কথা বলার সময় এই দোয়া করেছিলেন
✔️ আপনি যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন এটি আপনাকে স্থির ও শক্ত করে তোলে
🕰️ কীভাবে আমল করবেন?
🔸 প্রতিদিন ফজর ও এশার নামাজের পর
🔸 আয়াতটি ১১ বার পাঠ করুন
🔸 আগে ও পরে দরুদ শরীফ ৩ বার করে পড়ুন
🔸 শেষ করে বলুন:
“হে আল্লাহ! আমার জন্য এমন একটি হালাল রিজিক দিন, যাতে আমি দ্বীন ও দুনিয়া রক্ষা করতে পারি।”
✅ এই আমল ২১ দিন ধরে করুন এবং পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যান—ইনশাআল্লাহ আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দিবেন।
🎁 বিশেষ উপহার: রিজিক ও বরকতের জন্য একটি গাইডবুক!
আপনি যদি চাকরি, রিজিক, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তির জন্য বিশ্বস্ত আমল খুঁজছেন—
📗 “রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
বইটি আপনার জন্য একটি ব্যবহারিক পথপ্রদর্শক।
📌 এতে পাবেন:
✔️ ৩০টির বেশি দোয়া ও ওয়াজিফা
✔️ হাদীস ও কুরআনের প্রমাণ
✔️ প্রতিটি দোয়ার সময়, নিয়ম, পরিমাণ ও বাস্তব উপকারিতা
📦 বইয়ের হাদিয়া:
🔹 PDF ইবুক: ৯০৳ (পেয়ে যাবেন ৫ মিনিটেই)
🔹 প্রিন্ট কপি (পেপারব্যাক): ১৮০৳ (প্রি-অর্ডার)
📥 সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🟢 আপনি যদি এরকম আরও ৩০টি বরকতময় আমল জানতে চান—এই বইটি আপনার জন্য।
একবার শুরু করে দেখুন—হয়তো এই দোয়াগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি বা রিজিকের চাবিকাঠি।
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
চাকরি হচ্ছে জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, আবেদন করেও ডাক না আসা, চাকরিতে স্থির হতে না পারা—এসব আমাদের অনেককেই হতাশ করে ফেলে।
তবে একজন মুমিনের জন্য সব দরজা বন্ধ হলেও আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।
আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে, সঠিক সময়ে সঠিক দোয়া করলে, কখন কীভাবে রিজিকের দরজা খুলে যায়—আপনি ভাবতেও পারবেন না।
আজ শিখুন একটি ছোট অথচ প্রভাবশালী আয়াত—নবী মূসা আলাইহিস সালাম যে আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও প্রশস্ততা চেয়েছিলেন।
📖 কুরআনিক আয়াত:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
উচ্চারণ: রব্বিশরাহলি সাদরি
অর্থ: “হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করুন।”
📘 সূরা ত্বাহা – আয়াত ২৫
কেন পড়বেন এই আয়াত?
✔️ এটি আত্মবিশ্বাস ও মন প্রশান্তির জন্য বিশেষ উপকারী
✔️ চাকরি, ইন্টারভিউ, ভাইভা বা নতুন উদ্যোগে সাহস জোগায়
✔️ নবী মূসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের দরবারে কথা বলার সময় এই দোয়া করেছিলেন
✔️ আপনি যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন এটি আপনাকে স্থির ও শক্ত করে তোলে
🕰️ কীভাবে আমল করবেন?
🔸 প্রতিদিন ফজর ও এশার নামাজের পর
🔸 আয়াতটি ১১ বার পাঠ করুন
🔸 আগে ও পরে দরুদ শরীফ ৩ বার করে পড়ুন
🔸 শেষ করে বলুন:
“হে আল্লাহ! আমার জন্য এমন একটি হালাল রিজিক দিন, যাতে আমি দ্বীন ও দুনিয়া রক্ষা করতে পারি।”
✅ এই আমল ২১ দিন ধরে করুন এবং পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যান—ইনশাআল্লাহ আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দিবেন।
🎁 বিশেষ উপহার: রিজিক ও বরকতের জন্য একটি গাইডবুক!
আপনি যদি চাকরি, রিজিক, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তির জন্য বিশ্বস্ত আমল খুঁজছেন—
📗 “রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
বইটি আপনার জন্য একটি ব্যবহারিক পথপ্রদর্শক।
📌 এতে পাবেন:
✔️ ৩০টির বেশি দোয়া ও ওয়াজিফা
✔️ হাদীস ও কুরআনের প্রমাণ
✔️ প্রতিটি দোয়ার সময়, নিয়ম, পরিমাণ ও বাস্তব উপকারিতা
📦 বইয়ের হাদিয়া:
🔹 PDF ইবুক: ৯০৳ (পেয়ে যাবেন ৫ মিনিটেই)
🔹 প্রিন্ট কপি (পেপারব্যাক): ১৮০৳ (প্রি-অর্ডার)
📥 সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🟢 আপনি যদি এরকম আরও ৩০টি বরকতময় আমল জানতে চান—এই বইটি আপনার জন্য।
একবার শুরু করে দেখুন—হয়তো এই দোয়াগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি বা রিজিকের চাবিকাঠি।
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি—বেশিরভাগ রোগী অর্থসংকটের কারণে ফলোআপে আসতে পারেন না। ফলে অনেক সময় সমস্যার সমাধান অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পরে গুরুতর হয়ে ফের ফিরে আসে।
📌 তাই রোগীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ইনশাআল্লাহ সুলভ মূল্যে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক চিকিৎসা প্যাকেজ চালু করছি।
🩺 প্যাকেজ ১ – ৭০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট
🔹 অবিবাহিত হলে: বাবা-মায়ের জন্য প্রযোজ্য
🩺 প্যাকেজ ২ – ১২০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট+বোনাস ২ বার
🩺 প্যাকেজ ৩ – ১৮০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সীমাহীন ট্রিটমেন্ট ইনশাআল্লাহ
🎯 পেমেন্ট করতে পারবেন:
📱 বিকাশ (Send Money): 01687815604
📝 রেফারেন্সে আপনার নাম লিখতে ভুলবেন না।
👨⚕️ ডা. আসিফ মেহেদী
🔸 পিজিটি (শিশু), পিজিটি (মেডিসিন)
🔸 এম.বি.বি.এস — সি.এম.ইউ, চট্টগ্রাম মেডিকেল ইউনিভার্সিটি
🔸 মেডিকেল অফিসার — এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
🔸 অভিজ্ঞতা: মা ও শিশু, মেডিসিন, সার্জারি রোগে অভিজ্ঞ।পাশাপাশি ব্যথামুক্ত,আধুনিক পদ্ধতিতে সল্প খরচে সুন্নতে খাতনা ও টিউমারের অপারেশন করা হয়।
💬 নিয়মিত চিকিৎসা ফি:
🔹 প্রথম ভিজিট: ৪০০ টাকা মাত্র
🔹 ফলোআপ ভিজিট: ৩০০ টাকা মাত্র
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01687815604
📍 অফলাইন চেম্বারসমূহ:
🏥 কেয়ার হসপিটাল, মিরপুর ২,ঢাকা— শনি থেকে বৃহস্পতিবার, দুপুর থেকে বিকাল
🏥 নাখালপাড়া,তেজগাঁও,ঢাকা — প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা
🔎 ট্রিটমেন্ট রিভিউ দেখতে ঘুরে আসুন আমার পেইজ:
https://www.facebook.com/profile.php?id=61575527557951
অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি—বেশিরভাগ রোগী অর্থসংকটের কারণে ফলোআপে আসতে পারেন না। ফলে অনেক সময় সমস্যার সমাধান অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পরে গুরুতর হয়ে ফের ফিরে আসে।
📌 তাই রোগীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ইনশাআল্লাহ সুলভ মূল্যে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক চিকিৎসা প্যাকেজ চালু করছি।
🩺 প্যাকেজ ১ – ৭০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট
🔹 অবিবাহিত হলে: বাবা-মায়ের জন্য প্রযোজ্য
🩺 প্যাকেজ ২ – ১২০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট+বোনাস ২ বার
🩺 প্যাকেজ ৩ – ১৮০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সীমাহীন ট্রিটমেন্ট ইনশাআল্লাহ
🎯 পেমেন্ট করতে পারবেন:
📱 বিকাশ (Send Money): 01687815604
📝 রেফারেন্সে আপনার নাম লিখতে ভুলবেন না।
👨⚕️ ডা. আসিফ মেহেদী
🔸 পিজিটি (শিশু), পিজিটি (মেডিসিন)
🔸 এম.বি.বি.এস — সি.এম.ইউ, চট্টগ্রাম মেডিকেল ইউনিভার্সিটি
🔸 মেডিকেল অফিসার — এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
🔸 অভিজ্ঞতা: মা ও শিশু, মেডিসিন, সার্জারি রোগে অভিজ্ঞ।পাশাপাশি ব্যথামুক্ত,আধুনিক পদ্ধতিতে সল্প খরচে সুন্নতে খাতনা ও টিউমারের অপারেশন করা হয়।
💬 নিয়মিত চিকিৎসা ফি:
🔹 প্রথম ভিজিট: ৪০০ টাকা মাত্র
🔹 ফলোআপ ভিজিট: ৩০০ টাকা মাত্র
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01687815604
📍 অফলাইন চেম্বারসমূহ:
🏥 কেয়ার হসপিটাল, মিরপুর ২,ঢাকা— শনি থেকে বৃহস্পতিবার, দুপুর থেকে বিকাল
🏥 নাখালপাড়া,তেজগাঁও,ঢাকা — প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা
🔎 ট্রিটমেন্ট রিভিউ দেখতে ঘুরে আসুন আমার পেইজ:
https://www.facebook.com/profile.php?id=61575527557951
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
প্রশ্নঃ যিহার কাকে বলে?এবং যিহারের হুকুম কি??
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما ،
উত্তর, সম্মানিত ফিকাহবিদগণ যিহার এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,
تشبيه الزوج زوجته في الحرمة بمحرمه
“স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনও মাহরাম নারীর সাথে সাদৃশ্য দেওয়াকে যিহার বলা হয়।”
অথবা تشبيه المنكوحة بمن تحرم عليه “বিবাহিত স্ত্রীকে এমন মহিলার সাথে সাদৃশ্য দেওয়া যে তার জন্য হারাম।”
উদাহরণ: কোনও পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, তুমি আমার জন্য হারাম যেমন আমার মা আমার জন্য হারাম বা যেমন আমার বোন আমার জন্য হারাম…বা এ জাতীয় বাক্য তাহলে এটাকে যিহার বলা হয়। এর বিভিন্ন রূপ আছে এবং সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও কিছু ভিন্নতা আছে-যেগুলো ফিকহের কিতাব সমূহে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।
যিহার প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
الَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنكُم مِّن نِّسَائِهِم مَّا هُنَّ أُمَّهَاتِهِمْ ۖ إِنْ أُمَّهَاتُهُمْ إِلَّا اللَّائِي وَلَدْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ
“তোমাদের মধ্যের যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ‘যিহার’ (মায়ের মত হারাম বলে ঘোষণা করে) করে- তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মা তো কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনা কারী, ক্ষমাশীল।” [সূরা মুজাদিলা: ২]
ইসলামে যিহার একটি অন্যায় আচরণ এবং হারাম কাজ। কেউ এমনটি করলে তার জন্য কাফফারা আদায় করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রী মিলন হারাম।
তাফসিরে কুরতুবিতে এসেছে,
وذلك كان طلاق الرجل امرأته في الجاهلية
“জাহিলি যুগে এটাই স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে তালাক ছিলো।” কিন্তু ইসলাম তা স্থায়ী হারামের পরিবর্তে অস্থায়ী হারামে রূপান্তরিত করেছে। অর্থাৎ কোনও স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিহার করলে কাফফারা প্রদান করলে তা হালাল হয়ে যাবে।
যিহারের কাফফারা কী?
যিহারের কাফফারা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِن نِّسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۚ ذَٰلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ - فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۖ فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ۚ ذَٰلِكَ لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ۚ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ،
“যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে ফেলে, অতঃপর তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা হল, একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর। যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকিনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি।” [সূরা মুজাদিলা: ৩ ও ৪]
অর্থাৎ যিহারের কাফফারা রমজান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী সহবাসের কাফফারার অনুরূপ। তা হল:
১. একটি মুমিন দাস মুক্ত করা। কিন্তু বর্তমান যুগে দাস-দাসী প্রথা প্রচলিত না থাকার কারণে তা প্রযোজ্য নয়।
● ২. এটি সম্ভব না হলে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা থাকা। ঈদ উপলক্ষে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলোতে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকবে। অত:পর ঈদে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলো অতিবাহিত হলে যথারীতি রোজা রাখা শুরু করবে।
● ৩. তাও সম্ভব না হলে ৬০ জন মিসকিন (দরিদ্র-অসহায় মানুষ) কে এক বেলা খাবার খাওয়ানো অথবা খাদ্য দ্রব্য দান করা।
والله اعلم بالصواب،
মুফতী ফয়সাল আহমদ আশরাফী
জামিয়া আলী আহমাদ তালিমুল কুরআন, শিকারপুর, পঞ্চগড়।
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما ،
উত্তর, সম্মানিত ফিকাহবিদগণ যিহার এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,
تشبيه الزوج زوجته في الحرمة بمحرمه
“স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনও মাহরাম নারীর সাথে সাদৃশ্য দেওয়াকে যিহার বলা হয়।”
অথবা تشبيه المنكوحة بمن تحرم عليه “বিবাহিত স্ত্রীকে এমন মহিলার সাথে সাদৃশ্য দেওয়া যে তার জন্য হারাম।”
উদাহরণ: কোনও পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, তুমি আমার জন্য হারাম যেমন আমার মা আমার জন্য হারাম বা যেমন আমার বোন আমার জন্য হারাম…বা এ জাতীয় বাক্য তাহলে এটাকে যিহার বলা হয়। এর বিভিন্ন রূপ আছে এবং সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও কিছু ভিন্নতা আছে-যেগুলো ফিকহের কিতাব সমূহে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।
যিহার প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
الَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنكُم مِّن نِّسَائِهِم مَّا هُنَّ أُمَّهَاتِهِمْ ۖ إِنْ أُمَّهَاتُهُمْ إِلَّا اللَّائِي وَلَدْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ
“তোমাদের মধ্যের যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ‘যিহার’ (মায়ের মত হারাম বলে ঘোষণা করে) করে- তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মা তো কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনা কারী, ক্ষমাশীল।” [সূরা মুজাদিলা: ২]
ইসলামে যিহার একটি অন্যায় আচরণ এবং হারাম কাজ। কেউ এমনটি করলে তার জন্য কাফফারা আদায় করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রী মিলন হারাম।
তাফসিরে কুরতুবিতে এসেছে,
وذلك كان طلاق الرجل امرأته في الجاهلية
“জাহিলি যুগে এটাই স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে তালাক ছিলো।” কিন্তু ইসলাম তা স্থায়ী হারামের পরিবর্তে অস্থায়ী হারামে রূপান্তরিত করেছে। অর্থাৎ কোনও স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিহার করলে কাফফারা প্রদান করলে তা হালাল হয়ে যাবে।
যিহারের কাফফারা কী?
যিহারের কাফফারা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِن نِّسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۚ ذَٰلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ - فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۖ فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ۚ ذَٰلِكَ لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ۚ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ،
“যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে ফেলে, অতঃপর তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা হল, একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর। যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকিনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি।” [সূরা মুজাদিলা: ৩ ও ৪]
অর্থাৎ যিহারের কাফফারা রমজান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী সহবাসের কাফফারার অনুরূপ। তা হল:
১. একটি মুমিন দাস মুক্ত করা। কিন্তু বর্তমান যুগে দাস-দাসী প্রথা প্রচলিত না থাকার কারণে তা প্রযোজ্য নয়।
● ২. এটি সম্ভব না হলে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা থাকা। ঈদ উপলক্ষে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলোতে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকবে। অত:পর ঈদে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলো অতিবাহিত হলে যথারীতি রোজা রাখা শুরু করবে।
● ৩. তাও সম্ভব না হলে ৬০ জন মিসকিন (দরিদ্র-অসহায় মানুষ) কে এক বেলা খাবার খাওয়ানো অথবা খাদ্য দ্রব্য দান করা।
والله اعلم بالصواب،
মুফতী ফয়সাল আহমদ আশরাফী
জামিয়া আলী আহমাদ তালিমুল কুরআন, শিকারপুর, পঞ্চগড়।
অনেকে হয়তো শিরোনাম শুনেই বুঝে ফেলেছেন যে আসলে কি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। হ্যাঁ, আপনি ঠিক ধরেছেন। আপনি যা মনে করছেন তা নিয়েই কথা বলতে যাচ্ছি।
আমি মনে করি যে, এই ২০২৫ সালে এসে বাংলাদেশের যেসব দম্পতির সামর্থ্য আছে তাদের অন্তত তিনটে করে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এখন তো অবশ্য ২৫-৩০ বছর যাবত দুই বাচ্চার যুগ চলছে। শিক্ষিত, সামর্থ্যবান, রুচিশীল দম্পতি যারা আছেন তারা আসলে দু বাচ্চার বেশি নিতে চান না। একটা ছেলে, একটা মেয়ে হলে তাদের জন্য যথেষ্ট।
তবে এটার কিছু সাইড ইফেক্টের কথা আমি বলবো। আমি আগেই বলে রাখি জিনিসগুলো আমার পার্সোনাল অবজারভেশন যেগুলো আমি আমার চারপাশের পরিবেশে দেখেছি।
প্রথমত, একটা বাচ্চার সর্বপ্রথম বন্ধুই হয় তার কাছাকাছি বয়সের সিবলিং। এখন ধরুন, আপনারা মাত্র দুজন সিবলিং। ছোটবেলায় যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা দুজন সিবলিংয়ের মধ্যে গড়ে ওঠার কথা সেটা অনেক সময় হয়ে ওঠে না, যদি একজন সিবলিং একটু আগ্রেসিভ হয় এবং আরেকজন একটু নরম স্বভাবের হয়। আর আমাদের দেশের বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়ের ব্যাপারে বেশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করতে অভ্যস্ত। বাচ্চাকাচ্চা যদি পিঠাপিঠি হয় তাহলে দুজন বাচ্চা একটু মারামারি করবে, একটু দুষ্টুমি করবে; এগুলো বাস্তবতা। তো যাদের দুটো বাচ্চা তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বড়টাকে অনেক বেশি শাসন করে কোণঠাসা করে রেখে ছোটটাকে অনেক বেশি লাই দেয়া হয়। তখন ছোটটা আস্তে আস্তে আস্কারা পেয়ে বেয়াদব হয়ে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তার বড় সিবলিংয়ের সাথে তার তেমন কোন কানেকশন তৈরি হয় না। আর তৈরি হবে কিভাবে, বলেন; যখন ছোটটা একটু বেয়াদবি করে তখন বড়টাকে দোষারোপ করে বলা হয় যে, তোকে দেখেই তো শিখেছে। ভাইস ভার্সা ব্যাপারটা কম। এটা তখন বেশি হয় যখন দুই ভাই বা দুই বোন হয়। ভাই বোনের ক্ষেত্রে অবশ্য জিনিসটা বিরল। এখানে বড় সন্তানটা মানে বেশি টক ঝক এবং শাসন পেয়ে তার ভেতরকার যে কনফিডেন্স, সেটা নষ্ট হয়ে যায় মোটামুটি। সে সব জায়গাতে অন এভারেজ থেকে যায়। কারণ সে তো আসলে উৎসাহ পায়নি মা-বাবার কাছ থেকে। আর ছোটটা বাউন্ডুলে হয়ে যায়। পরবর্তীতে বড় হয়ে তারা উভয়েই কিন্তু আশেপাশে বন্ধুবান্ধবদের সিবলিংস প্লাস কাজিনদেরকে দেখে বাবা-মাকে দোষারোপ করতে থাকে যে কেন আসলে তাদেরকে এইভাবে লালন পালন করে বড় করা হলো যে তাদের মধ্যে কোন কানেকশনই তৈরি হলো না! তখন দুজন সিবলিং এমন ভাবে থাকে যেন উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু। এই ধরনের সিবলিংরাই পরিণত বয়সে একজন খুবই সাকসেসফুল এবং আরেকজন বিলো এভারেজ সাকসেসফুল হয়। তখন এগুলো নিয়েও মা-বাবা পক্ষপাতদুষ্টতায় ভুগেন। আর এসব সিবলিংদের দুজনই সারাজীবন একে অপরের সাথে মানিয়ে চলতে খুবই হিমশিম খায়। পরবর্তীতে দা কুমড়া সম্পর্কও হয়ে যায়।
কিন্তু আমি যতগুলো তিন বাচ্চাওয়ালা ফ্যামিলি দেখেছি তাদের মধ্যে এই সমস্যাটা কম দেখেছি। হ্যাঁ অভিয়াসলি, একজন সিবলিং আরেকজন সিবলিংয়ের সাথে কম বেশ শীতল সম্পর্ক থাকেই; কিন্তু এ শীতল সম্পর্ককে ওভারকাম করতে তৃতীয় সিবলিং বেশ কাজে লাগে। পরিণত বয়সে গিয়ে অতটা অতল সমুদ্রে পড়তে হয় না।
আর এখন এমন জামানা চলে আসছে যে নতুন নতুন শহরে আসা মহিলারা তাদের বাচ্চাদেরকে কারো সাথে তেমন তেমনভাবে মিশতে দেন না। সাদর সম্ভাষণ কিভাবে দিতে হয় সেগুলোও এখনকার বেশিরভাগ বাচ্চাই জানে না। বিশেষ করে প্রবাসীর স্ত্রীরা এমনটা করে থাকেন। খেলার মাঠ তো এখন খুব একটা নাই। এতে কিন্তু বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। তার উপর দিয়ে যদি ফ্যামিলিতে এমন সমস্যা থাকে তখন কিন্তু এটা গোদের উপর বিষফোড়া হিসেবে কাজ করে। চিন্তা করেন, একটা ছেলের তার সিবলিংয়ের সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, ছোটবেলা থেকেই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এলাকাতে খেলার মাঠ নেই খুব একটা। তাই এলাকার বাচ্চাদের সাথেও খুব একটা বন্ডিং নেই, স্কুলে যা দু-একজন বন্ধুবান্ধব আছে, তার সার্কেল এতটুকুই। এখন তার নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে নাকি অন্য কারো নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে? এমনও দেখা যায় যে কথা বলার মানুষের অভাবে বাচ্চাদের এখন কথাবার্তা শিখতে দেরি হচ্ছে। এসব সমস্যা মনে হয় সকলেই খেয়াল করেছেন।
আর আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটা সন্তান খারাপ পথে চলে যায় তাহলে দুই বাচ্চার ফ্যামিলি যেগুলো, এগুলোর সবাইই খুবই বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু দুই বা ততোধিক বাচ্চার ফ্যামিলিতে জিনিসটা বিরল। যদি বড় হয়ে একজন সন্তান বাবা-মা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলেও কিন্তু বাকি দুজন সেটাকে সামাল দিতে পারে। বাবা-মাকে অতটা অসহায়ত্বের মধ্যে দিয়ে বৃদ্ধকাল কাটাতে হয় না।
তাই, সামর্থ্যবানদের উচিত যে, অন্তত তিনটি বাচ্চা নেওয়া। নিজের ফ্যামিলির পরিপক্কতা, সুখ-সমৃদ্ধির জন্যই এটি প্রয়োজন।
**যারা বলতে চাচ্ছেন যে, এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। তারা নিজেদেরকে দয়া করে একজন প্যারেন্টের জায়গায় ভাবুন। তারপর বলুন এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন।
আমি মনে করি যে, এই ২০২৫ সালে এসে বাংলাদেশের যেসব দম্পতির সামর্থ্য আছে তাদের অন্তত তিনটে করে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এখন তো অবশ্য ২৫-৩০ বছর যাবত দুই বাচ্চার যুগ চলছে। শিক্ষিত, সামর্থ্যবান, রুচিশীল দম্পতি যারা আছেন তারা আসলে দু বাচ্চার বেশি নিতে চান না। একটা ছেলে, একটা মেয়ে হলে তাদের জন্য যথেষ্ট।
তবে এটার কিছু সাইড ইফেক্টের কথা আমি বলবো। আমি আগেই বলে রাখি জিনিসগুলো আমার পার্সোনাল অবজারভেশন যেগুলো আমি আমার চারপাশের পরিবেশে দেখেছি।
প্রথমত, একটা বাচ্চার সর্বপ্রথম বন্ধুই হয় তার কাছাকাছি বয়সের সিবলিং। এখন ধরুন, আপনারা মাত্র দুজন সিবলিং। ছোটবেলায় যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা দুজন সিবলিংয়ের মধ্যে গড়ে ওঠার কথা সেটা অনেক সময় হয়ে ওঠে না, যদি একজন সিবলিং একটু আগ্রেসিভ হয় এবং আরেকজন একটু নরম স্বভাবের হয়। আর আমাদের দেশের বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়ের ব্যাপারে বেশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করতে অভ্যস্ত। বাচ্চাকাচ্চা যদি পিঠাপিঠি হয় তাহলে দুজন বাচ্চা একটু মারামারি করবে, একটু দুষ্টুমি করবে; এগুলো বাস্তবতা। তো যাদের দুটো বাচ্চা তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বড়টাকে অনেক বেশি শাসন করে কোণঠাসা করে রেখে ছোটটাকে অনেক বেশি লাই দেয়া হয়। তখন ছোটটা আস্তে আস্তে আস্কারা পেয়ে বেয়াদব হয়ে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তার বড় সিবলিংয়ের সাথে তার তেমন কোন কানেকশন তৈরি হয় না। আর তৈরি হবে কিভাবে, বলেন; যখন ছোটটা একটু বেয়াদবি করে তখন বড়টাকে দোষারোপ করে বলা হয় যে, তোকে দেখেই তো শিখেছে। ভাইস ভার্সা ব্যাপারটা কম। এটা তখন বেশি হয় যখন দুই ভাই বা দুই বোন হয়। ভাই বোনের ক্ষেত্রে অবশ্য জিনিসটা বিরল। এখানে বড় সন্তানটা মানে বেশি টক ঝক এবং শাসন পেয়ে তার ভেতরকার যে কনফিডেন্স, সেটা নষ্ট হয়ে যায় মোটামুটি। সে সব জায়গাতে অন এভারেজ থেকে যায়। কারণ সে তো আসলে উৎসাহ পায়নি মা-বাবার কাছ থেকে। আর ছোটটা বাউন্ডুলে হয়ে যায়। পরবর্তীতে বড় হয়ে তারা উভয়েই কিন্তু আশেপাশে বন্ধুবান্ধবদের সিবলিংস প্লাস কাজিনদেরকে দেখে বাবা-মাকে দোষারোপ করতে থাকে যে কেন আসলে তাদেরকে এইভাবে লালন পালন করে বড় করা হলো যে তাদের মধ্যে কোন কানেকশনই তৈরি হলো না! তখন দুজন সিবলিং এমন ভাবে থাকে যেন উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু। এই ধরনের সিবলিংরাই পরিণত বয়সে একজন খুবই সাকসেসফুল এবং আরেকজন বিলো এভারেজ সাকসেসফুল হয়। তখন এগুলো নিয়েও মা-বাবা পক্ষপাতদুষ্টতায় ভুগেন। আর এসব সিবলিংদের দুজনই সারাজীবন একে অপরের সাথে মানিয়ে চলতে খুবই হিমশিম খায়। পরবর্তীতে দা কুমড়া সম্পর্কও হয়ে যায়।
কিন্তু আমি যতগুলো তিন বাচ্চাওয়ালা ফ্যামিলি দেখেছি তাদের মধ্যে এই সমস্যাটা কম দেখেছি। হ্যাঁ অভিয়াসলি, একজন সিবলিং আরেকজন সিবলিংয়ের সাথে কম বেশ শীতল সম্পর্ক থাকেই; কিন্তু এ শীতল সম্পর্ককে ওভারকাম করতে তৃতীয় সিবলিং বেশ কাজে লাগে। পরিণত বয়সে গিয়ে অতটা অতল সমুদ্রে পড়তে হয় না।
আর এখন এমন জামানা চলে আসছে যে নতুন নতুন শহরে আসা মহিলারা তাদের বাচ্চাদেরকে কারো সাথে তেমন তেমনভাবে মিশতে দেন না। সাদর সম্ভাষণ কিভাবে দিতে হয় সেগুলোও এখনকার বেশিরভাগ বাচ্চাই জানে না। বিশেষ করে প্রবাসীর স্ত্রীরা এমনটা করে থাকেন। খেলার মাঠ তো এখন খুব একটা নাই। এতে কিন্তু বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। তার উপর দিয়ে যদি ফ্যামিলিতে এমন সমস্যা থাকে তখন কিন্তু এটা গোদের উপর বিষফোড়া হিসেবে কাজ করে। চিন্তা করেন, একটা ছেলের তার সিবলিংয়ের সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, ছোটবেলা থেকেই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এলাকাতে খেলার মাঠ নেই খুব একটা। তাই এলাকার বাচ্চাদের সাথেও খুব একটা বন্ডিং নেই, স্কুলে যা দু-একজন বন্ধুবান্ধব আছে, তার সার্কেল এতটুকুই। এখন তার নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে নাকি অন্য কারো নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে? এমনও দেখা যায় যে কথা বলার মানুষের অভাবে বাচ্চাদের এখন কথাবার্তা শিখতে দেরি হচ্ছে। এসব সমস্যা মনে হয় সকলেই খেয়াল করেছেন।
আর আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটা সন্তান খারাপ পথে চলে যায় তাহলে দুই বাচ্চার ফ্যামিলি যেগুলো, এগুলোর সবাইই খুবই বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু দুই বা ততোধিক বাচ্চার ফ্যামিলিতে জিনিসটা বিরল। যদি বড় হয়ে একজন সন্তান বাবা-মা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলেও কিন্তু বাকি দুজন সেটাকে সামাল দিতে পারে। বাবা-মাকে অতটা অসহায়ত্বের মধ্যে দিয়ে বৃদ্ধকাল কাটাতে হয় না।
তাই, সামর্থ্যবানদের উচিত যে, অন্তত তিনটি বাচ্চা নেওয়া। নিজের ফ্যামিলির পরিপক্কতা, সুখ-সমৃদ্ধির জন্যই এটি প্রয়োজন।
**যারা বলতে চাচ্ছেন যে, এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। তারা নিজেদেরকে দয়া করে একজন প্যারেন্টের জায়গায় ভাবুন। তারপর বলুন এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন।
🌱 বিয়ের আগে একটু অন্যভাবে ভাবুন… 🌱
অবিবাহিত এক সচেতন যুবক যখন গভীরভাবে বিবাহ নিয়ে ভাবে, তখন কিছু বাস্তবতা তার চোখে পড়ে—যা অনেক বিবাহিত মানুষও অনুভব করে না।
আজকাল বিয়ের বাজারে এক ধরনের “রেডিমেড” মানসিকতা কাজ করে—যেখানে প্রথমেই থাকা চাই গাড়ি, বাড়ি, মোটা ব্যাংক ব্যালান্স, চাকরি… তারপরই বিবাহ।
আর আশেপাশের অনেকেই পরামর্শ দেয়:
“এভাবে স্বল্প আয়ে বিয়ে কোরো না, আগে সেটেল হও!”
মজার বিষয় হলো, এদের অনেকেই নিজের জীবনে ঠিক এই স্বল্প আয় বা পরিবারিক সাপোর্টে বিয়ে করেছে! অথচ এখন যুক্তির মোড়কে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে—যা এক ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।
⚠️ বাস্তবতা হচ্ছে—শুধু অর্থ ,সেটেল নয়, সমাজ ও পরিবারের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া থেকেই মূল সংকট তৈরি হয়। পরিণামে সম্পর্ক জটিল হয়, ফেতনা বাড়ে, সমাজে অশান্তি ছড়ায়।
🤲 পারিবারিক সাপোর্ট পেলে বা সীমিত আয় থাকলেও, কেউ যদি দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করে—অভাব কিছুটা থাকলেও সেটা সম্পর্ককে মজবুত করে, চরিত্রকেও রক্ষা করে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—বিয়ে নিয়ে আমাদের বই, লেকচার, সেমিনারগুলো বেশিরভাগই শুধু বিয়ের ফজিলত আর সওয়াবের কথা বলে।
বাস্তব চ্যালেঞ্জ, অভিভাবককে বোঝানোর কৌশল, আর ধাপে ধাপে সাহস নিয়ে আগোনোর রোডম্যাপ দেয় না।
ফলে অ যুবকরা ও লেকচার শুনে ফিরে এসে বাস্তবে হার মানে—অভিভাবকের খোঁটা আর সমাজের চাপের কাছে নত হয়ে শয়তানের ফাঁদে পা দেয়।
✅ অথচ দরকার ছিল— 🔹 বাস্তবসম্মত স্ট্র্যাটেজি,
🔹 কৌশল—যা পরিস্থিতি বুঝে কখন পারিবারিক চাপ তৈরি করবে, কখন সময় নেবে, কখন নিজের সামান্য যোগ্যতা দেখিয়ে ধীরে ধীরে সম্মতি আদায় করবে বা উদ্যোগ নেবে।
কিন্তু এমন গাইডলাইন নেই বললেই চলে। তাই সচেতনরাও চুপসে যায়—আর সমাজে সমস্যা চলতেই থাকে।
💡 এখন সময়, বিবাহ নিয়ে শুধু গুণগান নয়—বাস্তবমুখী, কৌশলনির্ভর দিকনির্দেশনা নিয়ে কথা বলার।
যাতে বিয়ে শুধু স্বপ্ন বা চাপ না হয়ে, হয়ে ওঠে বাস্তবতা মেনে সুন্দর ও নিরাপদ সম্পর্ক গড়ার পথ।
অবিবাহিত এক সচেতন যুবক যখন গভীরভাবে বিবাহ নিয়ে ভাবে, তখন কিছু বাস্তবতা তার চোখে পড়ে—যা অনেক বিবাহিত মানুষও অনুভব করে না।
আজকাল বিয়ের বাজারে এক ধরনের “রেডিমেড” মানসিকতা কাজ করে—যেখানে প্রথমেই থাকা চাই গাড়ি, বাড়ি, মোটা ব্যাংক ব্যালান্স, চাকরি… তারপরই বিবাহ।
আর আশেপাশের অনেকেই পরামর্শ দেয়:
“এভাবে স্বল্প আয়ে বিয়ে কোরো না, আগে সেটেল হও!”
মজার বিষয় হলো, এদের অনেকেই নিজের জীবনে ঠিক এই স্বল্প আয় বা পরিবারিক সাপোর্টে বিয়ে করেছে! অথচ এখন যুক্তির মোড়কে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে—যা এক ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।
⚠️ বাস্তবতা হচ্ছে—শুধু অর্থ ,সেটেল নয়, সমাজ ও পরিবারের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া থেকেই মূল সংকট তৈরি হয়। পরিণামে সম্পর্ক জটিল হয়, ফেতনা বাড়ে, সমাজে অশান্তি ছড়ায়।
🤲 পারিবারিক সাপোর্ট পেলে বা সীমিত আয় থাকলেও, কেউ যদি দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করে—অভাব কিছুটা থাকলেও সেটা সম্পর্ককে মজবুত করে, চরিত্রকেও রক্ষা করে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—বিয়ে নিয়ে আমাদের বই, লেকচার, সেমিনারগুলো বেশিরভাগই শুধু বিয়ের ফজিলত আর সওয়াবের কথা বলে।
বাস্তব চ্যালেঞ্জ, অভিভাবককে বোঝানোর কৌশল, আর ধাপে ধাপে সাহস নিয়ে আগোনোর রোডম্যাপ দেয় না।
ফলে অ যুবকরা ও লেকচার শুনে ফিরে এসে বাস্তবে হার মানে—অভিভাবকের খোঁটা আর সমাজের চাপের কাছে নত হয়ে শয়তানের ফাঁদে পা দেয়।
✅ অথচ দরকার ছিল— 🔹 বাস্তবসম্মত স্ট্র্যাটেজি,
🔹 কৌশল—যা পরিস্থিতি বুঝে কখন পারিবারিক চাপ তৈরি করবে, কখন সময় নেবে, কখন নিজের সামান্য যোগ্যতা দেখিয়ে ধীরে ধীরে সম্মতি আদায় করবে বা উদ্যোগ নেবে।
কিন্তু এমন গাইডলাইন নেই বললেই চলে। তাই সচেতনরাও চুপসে যায়—আর সমাজে সমস্যা চলতেই থাকে।
💡 এখন সময়, বিবাহ নিয়ে শুধু গুণগান নয়—বাস্তবমুখী, কৌশলনির্ভর দিকনির্দেশনা নিয়ে কথা বলার।
যাতে বিয়ে শুধু স্বপ্ন বা চাপ না হয়ে, হয়ে ওঠে বাস্তবতা মেনে সুন্দর ও নিরাপদ সম্পর্ক গড়ার পথ।
হুরমতে মুসাহারা : স্পর্শকাতর মাসআলা
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
উভয়কেই দোয়া পড়তে হবে ।
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
একাডেমি পড়াশোনার বাইরে কারো ছাত্রত্ব গ্রহণ করা যাবে এমন কোন শিক্ষক আছেন বা সন্ধান দিতে পারবেন? পারিবারিক দায়িত্বের চাপের একাডেমিক পড়াশোনা একেবারে নড়বড়ে হয়ে গেছে। আমি চাচ্ছিলাম কোন শিক্ষকের ছাত্রত্ব গ্রহণ করতে।
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
১। Rocket একাউন্টে NPSB সাপোর্ট করে না। MTB থেকে আনার চেষ্টা করেছিলাম সফল হয়নি।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।
Chatgpt কে প্রশ্ন করলাম কিভাবে একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে বা মেয়ে ভবিষ্যৎ জীবন ধ্বংস করতে পারে?
উত্তর দিল:
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া স্টুডেন্ট কিভাবে নিজের জীবনের ভবিষ্যত সুন্দরভাবে ধ্বংস করবে—একেবারে শিওরশট প্রস্তুতি! 😜
অনেকে হয়তো তোমাকে সফল হওয়ার উপায় শিখিয়েছে, কিন্তু আমি আজ তোমাকে শেখাবো একদম নিখাঁদ পদ্ধতিতে ব্যর্থ হওয়ার অতি কার্যকর পদ্ধতি। কারণ ভাই, সবাই তো সফল হলে ব্যর্থ হবে কে? তাই, ভবিষ্যতের একান্ত নিশ্চিত ব্যর্থতার জন্য নিচের স্ট্র্যাটেজিগুলো নিয়মিত ফলো করো।
প্রথম বর্ষে ভার্সিটি ভর্তি হওয়ার পরই তুমি ভাবতে পারো—"ভাই, এখনো অনেক সময়। আরে পরে দেখা যাবে!" সারাদিন ক্লাস বাদ দিয়ে ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে সুন্দর করে আড্ডা মারো। হালকা পাতলা ক্লাসমেটদের ‘পড়ুয়া’, ‘ঘাড়ত্যাড়া’ বা ‘নাড্ডু-মাথা’ বলে নিয়মিত উপহাস করো। তোমার সাথে তো ভবিষ্যৎ আছে, তাদের নেই!
দ্বিতীয় বর্ষে উঠে ভাবো—"আচ্ছা, CGPA দিয়ে আসলে কী হয়? বিল গেটস তো কলেজ ড্রপ আউট!" এই ধরনের মোটিভেশনাল লাইন পুরো জীবন নিজেকে শোনাও এবং বইয়ের কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকো। পরিবারের সবাই রেজাল্ট খারাপের কারণ জিজ্ঞেস করলে আরেকটু গম্ভীরভাবে বলো—"জিপিএ আসলে লাইফে কোনো বিষয় না!"
তৃতীয় বর্ষেই কিন্তু তোমার সামনে চলে আসবে ভবিষ্যৎ ধ্বংসের সুবর্ণ সুযোগ। সবাই তখন ইন্টার্নশিপ, পার্টটাইম কাজ, প্রতিযোগিতা বা সবাই কোনো না কোনো স্কিলে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবে। তোমার কাজ হলো—সবাইকে দেখে মনে মনে হাসো। যারা স্কিল ডেভেলপ করে তাদের বলো "ওভারস্মার্ট", "হুদাই চাপাবাজ"। ইন্টার্নশিপ বা পার্ট-টাইম কাজের অফার তারা ধরলেও তুমি 'কম টাকায় কাজ করা অযৌক্তিক' এই বলে বসে থাকো।
চতুর্থ বর্ষে গেলে ফাইনাল প্রিপারেশন। যুগের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ওয়েপন, মানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের স্ক্রলিং-এ এতটাই সিদ্ধহস্ত হয়ে যাও যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ করতে মন না চায়। রাত জেগে হিন্দি সিনেমার সংলাপ মুখস্থ করো, জনপ্রিয় সব ওয়েবসিরিজ দেখে সিরিজ-বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দাও। চাকরি বা ক্যারিয়ারের কথা আসলে বলো, "ভাই বাংলাদেশে চাকরি কোথায়? মামা-খালু ছাড়া চাকরি হয় না!"
বিশেষ নোটিসঃ ভুলেও কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপ করো না। বিপরীত লিঙ্গ বা বড় ভাইবোন বা শিক্ষক এর সাথে সুন্দর একটা যোগাযোগ তৈরি করা অনেক 'ঘাড়ত্যাড়া' ব্যাপার! তুমি ভাবো সবাই কারো না কারো রেফারেন্সে না পারলেও সন্দেহজনকভাবেই সফল হয়েছে কিংবা 'ব্যক্তিত্ব' বিক্রি করে এগিয়ে গেছে। তুমি তো আর এমন হতে চাও না, তাই না?
দিনশেষে ভার্সিটি থেকে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বের হবার পর তুমিও দেখবে, বন্ধুদের নিউজফিডে সবাই সাফল্যের খবর শেয়ার করছে তাদের নতুন চাকরি, বৃত্তি বা স্টার্টআপ নিয়ে। তখন তুমি ঐ ডিপ্রেশনটা Facebook এর ১২০ শব্দের ক্যাপশনে শেয়ার করে বলবে—"Life is unfair... কে কী হলো সেটা বড় কথা না। কে কত খুশী, সেটাই বড়!"
আসলে হাসির ছলে বললেও উপরোক্ত ভুলগুলো অনেক স্টুডেন্ট অসচেতনভাবেই করে থাকে। তাই বন্ধুরা, বাস্তবতা হলো এই যে অর্থপূর্ণভাবে একটা ভার্সিটি জীবন কাটানো তোমার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য গুরুত্বপুর্ন। সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল, সলিড নলেজ এবং জরুরি কিছু প্রফেশনাল স্কিল আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরী।
তাই ভার্সিটির চার বছর সময়টাকে সিরিয়াসলি নাও, নিজেকে ডেভেলপ করো, নিজের মূল্যবান সময়-শক্তিকে যত্ন করে কাজে লাগাও। আজ না করলে পরে সারাজীবন হয়তো আফসোসের হাত-পাখা ঘুরিয়ে আরাম করতে হবে। 😁
উত্তর দিল:
একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া স্টুডেন্ট কিভাবে নিজের জীবনের ভবিষ্যত সুন্দরভাবে ধ্বংস করবে—একেবারে শিওরশট প্রস্তুতি! 😜
অনেকে হয়তো তোমাকে সফল হওয়ার উপায় শিখিয়েছে, কিন্তু আমি আজ তোমাকে শেখাবো একদম নিখাঁদ পদ্ধতিতে ব্যর্থ হওয়ার অতি কার্যকর পদ্ধতি। কারণ ভাই, সবাই তো সফল হলে ব্যর্থ হবে কে? তাই, ভবিষ্যতের একান্ত নিশ্চিত ব্যর্থতার জন্য নিচের স্ট্র্যাটেজিগুলো নিয়মিত ফলো করো।
প্রথম বর্ষে ভার্সিটি ভর্তি হওয়ার পরই তুমি ভাবতে পারো—"ভাই, এখনো অনেক সময়। আরে পরে দেখা যাবে!" সারাদিন ক্লাস বাদ দিয়ে ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে সুন্দর করে আড্ডা মারো। হালকা পাতলা ক্লাসমেটদের ‘পড়ুয়া’, ‘ঘাড়ত্যাড়া’ বা ‘নাড্ডু-মাথা’ বলে নিয়মিত উপহাস করো। তোমার সাথে তো ভবিষ্যৎ আছে, তাদের নেই!
দ্বিতীয় বর্ষে উঠে ভাবো—"আচ্ছা, CGPA দিয়ে আসলে কী হয়? বিল গেটস তো কলেজ ড্রপ আউট!" এই ধরনের মোটিভেশনাল লাইন পুরো জীবন নিজেকে শোনাও এবং বইয়ের কাছ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকো। পরিবারের সবাই রেজাল্ট খারাপের কারণ জিজ্ঞেস করলে আরেকটু গম্ভীরভাবে বলো—"জিপিএ আসলে লাইফে কোনো বিষয় না!"
তৃতীয় বর্ষেই কিন্তু তোমার সামনে চলে আসবে ভবিষ্যৎ ধ্বংসের সুবর্ণ সুযোগ। সবাই তখন ইন্টার্নশিপ, পার্টটাইম কাজ, প্রতিযোগিতা বা সবাই কোনো না কোনো স্কিলে এক্সপার্ট হওয়ার চেষ্টা করবে। তোমার কাজ হলো—সবাইকে দেখে মনে মনে হাসো। যারা স্কিল ডেভেলপ করে তাদের বলো "ওভারস্মার্ট", "হুদাই চাপাবাজ"। ইন্টার্নশিপ বা পার্ট-টাইম কাজের অফার তারা ধরলেও তুমি 'কম টাকায় কাজ করা অযৌক্তিক' এই বলে বসে থাকো।
চতুর্থ বর্ষে গেলে ফাইনাল প্রিপারেশন। যুগের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ওয়েপন, মানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের স্ক্রলিং-এ এতটাই সিদ্ধহস্ত হয়ে যাও যে কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ করতে মন না চায়। রাত জেগে হিন্দি সিনেমার সংলাপ মুখস্থ করো, জনপ্রিয় সব ওয়েবসিরিজ দেখে সিরিজ-বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দাও। চাকরি বা ক্যারিয়ারের কথা আসলে বলো, "ভাই বাংলাদেশে চাকরি কোথায়? মামা-খালু ছাড়া চাকরি হয় না!"
বিশেষ নোটিসঃ ভুলেও কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপ করো না। বিপরীত লিঙ্গ বা বড় ভাইবোন বা শিক্ষক এর সাথে সুন্দর একটা যোগাযোগ তৈরি করা অনেক 'ঘাড়ত্যাড়া' ব্যাপার! তুমি ভাবো সবাই কারো না কারো রেফারেন্সে না পারলেও সন্দেহজনকভাবেই সফল হয়েছে কিংবা 'ব্যক্তিত্ব' বিক্রি করে এগিয়ে গেছে। তুমি তো আর এমন হতে চাও না, তাই না?
দিনশেষে ভার্সিটি থেকে একটা সার্টিফিকেট নিয়ে বের হবার পর তুমিও দেখবে, বন্ধুদের নিউজফিডে সবাই সাফল্যের খবর শেয়ার করছে তাদের নতুন চাকরি, বৃত্তি বা স্টার্টআপ নিয়ে। তখন তুমি ঐ ডিপ্রেশনটা Facebook এর ১২০ শব্দের ক্যাপশনে শেয়ার করে বলবে—"Life is unfair... কে কী হলো সেটা বড় কথা না। কে কত খুশী, সেটাই বড়!"
আসলে হাসির ছলে বললেও উপরোক্ত ভুলগুলো অনেক স্টুডেন্ট অসচেতনভাবেই করে থাকে। তাই বন্ধুরা, বাস্তবতা হলো এই যে অর্থপূর্ণভাবে একটা ভার্সিটি জীবন কাটানো তোমার ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য গুরুত্বপুর্ন। সার্টিফিকেটের পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল, সলিড নলেজ এবং জরুরি কিছু প্রফেশনাল স্কিল আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরী।
তাই ভার্সিটির চার বছর সময়টাকে সিরিয়াসলি নাও, নিজেকে ডেভেলপ করো, নিজের মূল্যবান সময়-শক্তিকে যত্ন করে কাজে লাগাও। আজ না করলে পরে সারাজীবন হয়তো আফসোসের হাত-পাখা ঘুরিয়ে আরাম করতে হবে। 😁
একটা কোম্পানিতে কোন জব সার্কুলার নাই,
তাও সেখানে কিভাবে এপ্লাই করবেন?
একটা কোম্পানিতে কোনো জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি সেখানে Proactive Job Application দিতে পারেন। এটাকে বলা হয় Cold Application বা Speculative Application।
অনেক সময় এই ধরনের এপ্লিকেশন থেকেই ইন্টার্ভিউ ডাক আসে, যদি আপনি নিজেকে প্রপারলি পজিশন করতে পারেন।
🟩 Step 1: টার্গেট কোম্পানিগুলো নির্বাচন করুন
আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান সেই সেক্টরের ১০–২০টি কোম্পানির নাম লিখে নিন।
ছোট, মাঝারি বা বড়—সব ধরনের কোম্পানি রাখতে পারেন।
🟩 Step 2: কোম্পানির রিসার্চ করুন
ওয়েবসাইটে গিয়ে জেনে নিন:
কোম্পানির ডিপার্টমেন্ট স্ট্রাকচার
কোথায় আপনার স্কিল লাগতে পারে
সম্প্রতি কোম্পানির গ্রোথ বা প্রকল্প
🎯 উদাহরণ: আপনি HR এ কাজ করতে চান, দেখলেন কোম্পানির হেড অফিসে HR ডিপার্টমেন্ট আছে, তাই সেখানেই টার্গেট করবেন।
🟩 Step 3: পোর্টফোলিও ও কাস্টমাইজড CV বানান
আপনার স্কিল/অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একটি কাস্টমাইজড CV তৈরি করুন।
একটি প্রফেশনাল Cover Letter লিখুন, যেখানে আপনি বলবেন—
আপনি তাদের কোম্পানি কেন পছন্দ করেন
আপনি তাদের কোন বিভাগে কী ভ্যালু দিতে পারেন
আপনি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারেন কিনা
🟩 Step 4: LinkedIn / Email-এ যোগাযোগ করুন
🔹 LinkedIn পদ্ধতি:
কোম্পানির HR, Department Head, বা Manager কে খুঁজে বের করুন
Connect করুন এবং নিচের মতো ছোট ইনবক্স মেসেজ পাঠান:
Hi [Name],
I'm really inspired by the work your company is doing in the [industry] sector. As a [your background], I'm looking for opportunities where I can contribute and grow.
May I share my CV with you in case any opportunity arises in the future?
Thanks in advance.
Best regards,
[Your Name]
তারা অনুমতি দিলে বা না দিলেও পরে একটা polite message দিয়ে CV + Cover Letter পাঠান।
🔹 ইমেইল পদ্ধতি:
Subject Line:
“Speculative Application for a Suitable Position – [Your Name]”
Email Body (বাংলা বা ইংরেজি):
Dear [HR/Manager Name],
Hope you’re doing well.
My name is [Your Name], and I’m a [Your Profession/Graduate] with a strong interest in working at [Company Name]. Though I couldn’t find any current job postings, I’m reaching out to express my interest in joining your team.
I’ve attached my CV and cover letter for your kind consideration. I would be grateful if you keep me in mind for any upcoming opportunity that matches my profile.
Sincerely,
[Your Name]
[Phone Number]
[LinkedIn Profile Link]
Attachment:
✅ PDF CV (1/2 Pages)
✅ Cover Letter (1 page max)
🟩 Step 5: Follow-up করুন ৭-১০ দিন পরে
যদি কোনো উত্তর না আসে, তাহলে আবার একটা ছোট polite follow-up ইমেইল দিন।
🟩 Step 6: Maintain LinkedIn Presence
জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি নিজেকে visible রাখলে, অনেক সময় HR নিজেরাই reach out করে।
© Niaz Ahmed
তাও সেখানে কিভাবে এপ্লাই করবেন?
একটা কোম্পানিতে কোনো জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি সেখানে Proactive Job Application দিতে পারেন। এটাকে বলা হয় Cold Application বা Speculative Application।
অনেক সময় এই ধরনের এপ্লিকেশন থেকেই ইন্টার্ভিউ ডাক আসে, যদি আপনি নিজেকে প্রপারলি পজিশন করতে পারেন।
🟩 Step 1: টার্গেট কোম্পানিগুলো নির্বাচন করুন
আপনি যেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান সেই সেক্টরের ১০–২০টি কোম্পানির নাম লিখে নিন।
ছোট, মাঝারি বা বড়—সব ধরনের কোম্পানি রাখতে পারেন।
🟩 Step 2: কোম্পানির রিসার্চ করুন
ওয়েবসাইটে গিয়ে জেনে নিন:
কোম্পানির ডিপার্টমেন্ট স্ট্রাকচার
কোথায় আপনার স্কিল লাগতে পারে
সম্প্রতি কোম্পানির গ্রোথ বা প্রকল্প
🎯 উদাহরণ: আপনি HR এ কাজ করতে চান, দেখলেন কোম্পানির হেড অফিসে HR ডিপার্টমেন্ট আছে, তাই সেখানেই টার্গেট করবেন।
🟩 Step 3: পোর্টফোলিও ও কাস্টমাইজড CV বানান
আপনার স্কিল/অভিজ্ঞতা অনুযায়ী একটি কাস্টমাইজড CV তৈরি করুন।
একটি প্রফেশনাল Cover Letter লিখুন, যেখানে আপনি বলবেন—
আপনি তাদের কোম্পানি কেন পছন্দ করেন
আপনি তাদের কোন বিভাগে কী ভ্যালু দিতে পারেন
আপনি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারেন কিনা
🟩 Step 4: LinkedIn / Email-এ যোগাযোগ করুন
🔹 LinkedIn পদ্ধতি:
কোম্পানির HR, Department Head, বা Manager কে খুঁজে বের করুন
Connect করুন এবং নিচের মতো ছোট ইনবক্স মেসেজ পাঠান:
Hi [Name],
I'm really inspired by the work your company is doing in the [industry] sector. As a [your background], I'm looking for opportunities where I can contribute and grow.
May I share my CV with you in case any opportunity arises in the future?
Thanks in advance.
Best regards,
[Your Name]
তারা অনুমতি দিলে বা না দিলেও পরে একটা polite message দিয়ে CV + Cover Letter পাঠান।
🔹 ইমেইল পদ্ধতি:
Subject Line:
“Speculative Application for a Suitable Position – [Your Name]”
Email Body (বাংলা বা ইংরেজি):
Dear [HR/Manager Name],
Hope you’re doing well.
My name is [Your Name], and I’m a [Your Profession/Graduate] with a strong interest in working at [Company Name]. Though I couldn’t find any current job postings, I’m reaching out to express my interest in joining your team.
I’ve attached my CV and cover letter for your kind consideration. I would be grateful if you keep me in mind for any upcoming opportunity that matches my profile.
Sincerely,
[Your Name]
[Phone Number]
[LinkedIn Profile Link]
Attachment:
✅ PDF CV (1/2 Pages)
✅ Cover Letter (1 page max)
🟩 Step 5: Follow-up করুন ৭-১০ দিন পরে
যদি কোনো উত্তর না আসে, তাহলে আবার একটা ছোট polite follow-up ইমেইল দিন।
🟩 Step 6: Maintain LinkedIn Presence
জব সার্কুলার না থাকলেও আপনি নিজেকে visible রাখলে, অনেক সময় HR নিজেরাই reach out করে।
© Niaz Ahmed
🌿 সন্তান হোক বাধ্য, নেককার ও চোখের শীতলতা!
🔮 সন্তানের অবাধ্যতা, বদস্বভাব ও গাফেলতা দূর করতে চাই কুরআনের আমল?
📖 কুরআনে আছে চারটি শক্তিশালী দোআ, যেগুলো নবীগণ করেছেন নেক ও আদর্শ সন্তান কামনায়।
🌟 আপনি চাইলে এগুলো প্রতিদিন আমল করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন!
🔹 ১. সূরা আস-সাফফাত ১০০:
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
“হে আমার রব! আমাকে নেককার সন্তান দান করো।”
🔹 ২. সূরা আলে-ইমরান ৩৮:
رَبِّ هَبْ لِى مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةًۭ طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
“হে আমার রব! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শোনো।”
🔹 ৩. সূরা আম্বিয়া ৮৯:
رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًۭا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ
“হে আমার রব! আমাকে একাকী রেখো না, আর তুমি উত্তম ওয়ারিস।”
🔹 ৪. সূরা ফুরকান ৭৪:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍۢ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًۭا
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানাও এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা করো।”
📿 কিভাবে আমল করবেন?
🔸 ফরজ নামাজের পর ১–৩ বার পড়ুন
🔸 তাহাজ্জুদের সময় দোআ করুন
🔸 সন্তানের মাথায় হাত রেখে এই দোআ পাঠ করুন
নোট: উপরে উল্লেখিত চারটি আয়াতের অডিও পেতে আমাদের আমাদের টেলিগ্রাম এই চ্যানেলটি ভিজিট করুন
➡️ https://t.me/sokXUtnfRLXKtM3OWE9
🕌 আশ-শিফা রুকিয়াহ সেন্টার, খুলনা
📩 inbox করুন আজই — সন্তান বা পরিবারের রূহানি সমাধানের জন্য।
as-shifa Rukiya centre Raqi Abdullah Al-Mamun
#সন্তানদোআ #নেকসন্তান #QuranicDua #Ruqyah #আশশিফা_রুকিয়াহ
🔮 সন্তানের অবাধ্যতা, বদস্বভাব ও গাফেলতা দূর করতে চাই কুরআনের আমল?
📖 কুরআনে আছে চারটি শক্তিশালী দোআ, যেগুলো নবীগণ করেছেন নেক ও আদর্শ সন্তান কামনায়।
🌟 আপনি চাইলে এগুলো প্রতিদিন আমল করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল পাবেন!
🔹 ১. সূরা আস-সাফফাত ১০০:
رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ
“হে আমার রব! আমাকে নেককার সন্তান দান করো।”
🔹 ২. সূরা আলে-ইমরান ৩৮:
رَبِّ هَبْ لِى مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةًۭ طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَمِيعُ ٱلدُّعَآءِ
“হে আমার রব! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করো। নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শোনো।”
🔹 ৩. সূরা আম্বিয়া ৮৯:
رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًۭا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ
“হে আমার রব! আমাকে একাকী রেখো না, আর তুমি উত্তম ওয়ারিস।”
🔹 ৪. সূরা ফুরকান ৭৪:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍۢ وَٱجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًۭا
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানাও এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা করো।”
📿 কিভাবে আমল করবেন?
🔸 ফরজ নামাজের পর ১–৩ বার পড়ুন
🔸 তাহাজ্জুদের সময় দোআ করুন
🔸 সন্তানের মাথায় হাত রেখে এই দোআ পাঠ করুন
নোট: উপরে উল্লেখিত চারটি আয়াতের অডিও পেতে আমাদের আমাদের টেলিগ্রাম এই চ্যানেলটি ভিজিট করুন
➡️ https://t.me/sokXUtnfRLXKtM3OWE9
🕌 আশ-শিফা রুকিয়াহ সেন্টার, খুলনা
📩 inbox করুন আজই — সন্তান বা পরিবারের রূহানি সমাধানের জন্য।
as-shifa Rukiya centre Raqi Abdullah Al-Mamun
#সন্তানদোআ #নেকসন্তান #QuranicDua #Ruqyah #আশশিফা_রুকিয়াহ
ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ
সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের প্রয়োজনীয়তা, পাশাপাশি বেড়েছে ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার সময়ে ব্যাংকে না গিয়েই এখন ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক কাজ সম্পন্ন করা যায়।
ব্যাংকের এপ দিয়ে শুধু যে একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা যায় তা না, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এপ দিয়ে করা যায় আরো অসংখ্য কাজ। এতে যেতে হয় না ব্যাংকে, সাশ্রয় হয় সময়ের।
আসুন দেখি ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়ঃ
১। নতুন একাউন্ট করা।
২। একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা।
৩। ট্রানজেকশন হিস্টোরি দেখা।
৪। BEFTN, NPSB এবং RTGS এর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার ব্যবস্থা।
৫। ট্রানজেকশনের রিসিট কপি ডাউনলোড করে অর্থ রিসিভার ব্যক্তিকে পাঠানো।
৬। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের ব্যালেন্স দেখা।
৭। ক্রেডিট কার্ডের BDT ও USD বিল দেখা এবং বিল পেমেন্ট করা।
৮। প্রিপেইড কার্ডে BDT ও USD ডিপোজিট করা।
৯। ডেবিট কার্ড এক্টিভ করা ও Card PIN সেট করা।
১০। হারিয়ে যাওয়া ব্যাংক কার্ড ব্লক করে দেয়া।
১১। ভুলে যাওয়া Card PIN পুনরায় জেনারেট করা।
১২। চেক বইয়ের জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
১৩। চেক বই এক্টিভ করা।
১৪। হারিয়ে যাওয়া চেক পাতা ডিএক্টিভ করে দেয়া।
১৫। নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি অন্য কাউকে ৫ লাখ টাকার একটা চেক দিলেন। ব্যাংক থেকে চেক রিসিভার ব্যক্তিকে টাকা দেয়ার পূর্বে আপনাকে ব্যাংক কর্মকর্তা ফোন করবে কনফার্ম হবার জন্যে। আপনি যদি ঠিক সেই সময়ে ফোন রিসিভ করতে না পারেন, কিংবা বিদেশে অবস্থান করেন তাহলে তো সমস্যা হয়ে যাবে।
তাই আপনি আপনার ব্যাংকের এপের মেনু থেকে সেই নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দিয়ে রাখলেন। ফলে ব্যাংক থেকে আপনাকে ফোন দেয়া ছাড়াই চেক রিসিভার ব্যক্তিকে ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে দিবে।
১৬। Standing Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতিমাসের নির্দিষ্ট তারিখে পরিবারের কারোর কাছে নিয়মিত টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
তাহলে আপনার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ থেকে Standing Instruction দিয়ে রাখলেন। তাহলে সপ্তাহের সেই সুনির্দিষ্ট দিনে, কিংবা প্রতিমাসের সুনির্দিষ্ট তারিখে সেট করে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিসিভার ব্যক্তির একাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
১৭। ব্যাংকে না গিয়েই FDR ও DPS করা।
১৮। FDR ভাঙ্গানো।
১৯। FDR ও DPS এর ব্যালেন্সসহ ম্যাচিউরিটির তারিখ দেখা এবং স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করা।
২০। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের BDT ব্যালেন্সকে USD’তে কনভার্ট করা এবং USD ব্যালেন্সকে BDT’তে কনভার্ট করা।
২১। কার্ডের অনলাইন ই-কমার্স গেটওয়ে চালু করা এবং বন্ধ করে রাখা।
২২। কার্ডের জন্যে পাসপোর্টে করা এনডোর্স তথ্য দেখা এবং বৈদেশিক খরচের সর্বমোট পরিমাণ দেখা।
২৩। ভার্চুয়াল কার্ড নেয়া।
২৪। Cash By Code এর মাধ্যমে ব্যাংকের নিজস্ব ATM বুথ থেকে ডেবিট কার্ড ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা।
২৫। Pay Order এর জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
২৬। Bank Solvency Certificate ডাউনলোড করা।
২৭। একাউন্টের Tax Certificate ডাউনলোড করা।
২৮। বিভিন্ন MFS একাউন্ট,
যেমনঃ বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, OK Wallet, TAP এবং অন্যান্য MFS একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা।
২৯। VISA Direct এর মাধ্যমে দেশীয় যেকোন ভিসা কার্ডে তাৎখনিক টাকা পাঠানো।
৩০। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও WiFi এর মতো বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল দেয়া।
৩১। একাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করে দেখা।
৩২। আয়কর রিটার্নের PSR সাবমিট করা।
৩৩। মোবাইল ফোনের সিম রিচার্জ করা।
৩৪। বিভিন্ন ভার্সিটির টিউশন ফি দেয়া।
৩৫। Bangla QR Code এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুপারশপে পেমেন্ট করা।
৩৬। চেক পাতা ছাড়াই ব্যাংকের কাউন্টারে প্রদর্শিত QR Code স্ক্যান করার মাধ্যমে দৈনিক ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা।
৩৭। বিভিন্ন OTT (CHORKI) সাবস্ক্রিপশন নেয়া।
৩৮। সঞ্চয়পত্রের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা।
৩৯। বিশেষায়িত আলাদা মেনুর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের BDT বিল দেয়া।
৪০। টপ টায়ারের ক্রেডিট কার্ড থাকা সাপেক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটের জন্যে Airport Pick & Drop এবং Airport Meet & Greet রিক্যুইজিশন দেয়া।
৪১। ব্যাংকের এপে প্রদর্শিত হওয়া নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয় সম্পর্কে অবগত হওয়া।
উপরে বর্ণিত সমস্ত সুবিধা সম্মিলিতভাবে একটা ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপে একসাথে পাওয়া যাবে না।
আমার দৃষ্টিতে দেখা দেশের সেরা ৭টা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
1. Brac Astha
2. Citytouch
3. MTB Neo
4. EBL Skybanking
5. UCB Unet
6. MyPrime
7. MDB Online
আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘণ্যতম খারাপ ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
DBBL NexusPay এপ।
সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে মানুষের প্রয়োজনীয়তা, পাশাপাশি বেড়েছে ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার সময়ে ব্যাংকে না গিয়েই এখন ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক কাজ সম্পন্ন করা যায়।
ব্যাংকের এপ দিয়ে শুধু যে একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা যায় তা না, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এপ দিয়ে করা যায় আরো অসংখ্য কাজ। এতে যেতে হয় না ব্যাংকে, সাশ্রয় হয় সময়ের।
আসুন দেখি ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ দিয়ে কি কি কাজ করা যায়ঃ
১। নতুন একাউন্ট করা।
২। একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা।
৩। ট্রানজেকশন হিস্টোরি দেখা।
৪। BEFTN, NPSB এবং RTGS এর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার ব্যবস্থা।
৫। ট্রানজেকশনের রিসিট কপি ডাউনলোড করে অর্থ রিসিভার ব্যক্তিকে পাঠানো।
৬। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের ব্যালেন্স দেখা।
৭। ক্রেডিট কার্ডের BDT ও USD বিল দেখা এবং বিল পেমেন্ট করা।
৮। প্রিপেইড কার্ডে BDT ও USD ডিপোজিট করা।
৯। ডেবিট কার্ড এক্টিভ করা ও Card PIN সেট করা।
১০। হারিয়ে যাওয়া ব্যাংক কার্ড ব্লক করে দেয়া।
১১। ভুলে যাওয়া Card PIN পুনরায় জেনারেট করা।
১২। চেক বইয়ের জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
১৩। চেক বই এক্টিভ করা।
১৪। হারিয়ে যাওয়া চেক পাতা ডিএক্টিভ করে দেয়া।
১৫। নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি অন্য কাউকে ৫ লাখ টাকার একটা চেক দিলেন। ব্যাংক থেকে চেক রিসিভার ব্যক্তিকে টাকা দেয়ার পূর্বে আপনাকে ব্যাংক কর্মকর্তা ফোন করবে কনফার্ম হবার জন্যে। আপনি যদি ঠিক সেই সময়ে ফোন রিসিভ করতে না পারেন, কিংবা বিদেশে অবস্থান করেন তাহলে তো সমস্যা হয়ে যাবে।
তাই আপনি আপনার ব্যাংকের এপের মেনু থেকে সেই নির্দিষ্ট চেক পাতার জন্যে Positive Pay Instruction দিয়ে রাখলেন। ফলে ব্যাংক থেকে আপনাকে ফোন দেয়া ছাড়াই চেক রিসিভার ব্যক্তিকে ব্যাংক থেকে টাকা দিয়ে দিবে।
১৬। Standing Instruction দেয়া।
ধরুন আপনি প্রতি সপ্তাহে কিংবা প্রতিমাসের নির্দিষ্ট তারিখে পরিবারের কারোর কাছে নিয়মিত টাকা পাঠিয়ে থাকেন।
তাহলে আপনার ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ থেকে Standing Instruction দিয়ে রাখলেন। তাহলে সপ্তাহের সেই সুনির্দিষ্ট দিনে, কিংবা প্রতিমাসের সুনির্দিষ্ট তারিখে সেট করে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিসিভার ব্যক্তির একাউন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
১৭। ব্যাংকে না গিয়েই FDR ও DPS করা।
১৮। FDR ভাঙ্গানো।
১৯। FDR ও DPS এর ব্যালেন্সসহ ম্যাচিউরিটির তারিখ দেখা এবং স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করা।
২০। ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ডের BDT ব্যালেন্সকে USD’তে কনভার্ট করা এবং USD ব্যালেন্সকে BDT’তে কনভার্ট করা।
২১। কার্ডের অনলাইন ই-কমার্স গেটওয়ে চালু করা এবং বন্ধ করে রাখা।
২২। কার্ডের জন্যে পাসপোর্টে করা এনডোর্স তথ্য দেখা এবং বৈদেশিক খরচের সর্বমোট পরিমাণ দেখা।
২৩। ভার্চুয়াল কার্ড নেয়া।
২৪। Cash By Code এর মাধ্যমে ব্যাংকের নিজস্ব ATM বুথ থেকে ডেবিট কার্ড ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা।
২৫। Pay Order এর জন্যে রিক্যুইজিশন দেয়া।
২৬। Bank Solvency Certificate ডাউনলোড করা।
২৭। একাউন্টের Tax Certificate ডাউনলোড করা।
২৮। বিভিন্ন MFS একাউন্ট,
যেমনঃ বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, OK Wallet, TAP এবং অন্যান্য MFS একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা।
২৯। VISA Direct এর মাধ্যমে দেশীয় যেকোন ভিসা কার্ডে তাৎখনিক টাকা পাঠানো।
৩০। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও WiFi এর মতো বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল দেয়া।
৩১। একাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনের স্ট্যাটমেন্ট ডাউনলোড করে দেখা।
৩২। আয়কর রিটার্নের PSR সাবমিট করা।
৩৩। মোবাইল ফোনের সিম রিচার্জ করা।
৩৪। বিভিন্ন ভার্সিটির টিউশন ফি দেয়া।
৩৫। Bangla QR Code এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুপারশপে পেমেন্ট করা।
৩৬। চেক পাতা ছাড়াই ব্যাংকের কাউন্টারে প্রদর্শিত QR Code স্ক্যান করার মাধ্যমে দৈনিক ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা।
৩৭। বিভিন্ন OTT (CHORKI) সাবস্ক্রিপশন নেয়া।
৩৮। সঞ্চয়পত্রের ট্যাক্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা।
৩৯। বিশেষায়িত আলাদা মেনুর মাধ্যমে অন্য ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের BDT বিল দেয়া।
৪০। টপ টায়ারের ক্রেডিট কার্ড থাকা সাপেক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটের জন্যে Airport Pick & Drop এবং Airport Meet & Greet রিক্যুইজিশন দেয়া।
৪১। ব্যাংকের এপে প্রদর্শিত হওয়া নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সমসাময়িক ব্যাংকিং বিষয় সম্পর্কে অবগত হওয়া।
উপরে বর্ণিত সমস্ত সুবিধা সম্মিলিতভাবে একটা ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপে একসাথে পাওয়া যাবে না।
আমার দৃষ্টিতে দেখা দেশের সেরা ৭টা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
1. Brac Astha
2. Citytouch
3. MTB Neo
4. EBL Skybanking
5. UCB Unet
6. MyPrime
7. MDB Online
আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘণ্যতম খারাপ ইন্টারনেট ব্যাংকিং এপ হচ্ছেঃ
DBBL NexusPay এপ।
এমন কেউ কী আছেন যিনি বারবার টেলিপ্যাথি এক্সপেরিয়েন্স করেছেন? কয়েকটা উদাহরণ দিই।
(১) আপনি বহুবছর পর হঠাৎ কোনো কারণে পুরোনো এলবাম ঘাঁটতে গিয়ে ছবি পেয়ে এক বন্ধুর কথা স্মরণ করলেন।যার সঙ্গে শেষ ৫ বছর কোনোপ্রকার যোগাযোগ নেই।ছবি দেখতে দেখতে স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে আগের সময়ে ফিরে গেলেন এবং খুব করে ইচ্ছে করলো তার সাথেও সেগুলো শেয়ার করেন।কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে যোগাযোগ করে Silly কথাবার্তা বললে সে কী ভাববে সেজন্য আর যোগাযোগ করেন নি।পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তার ফোনকল। সেটাও মাঝরাতে! তাকে কলব্যাক করে জানতে পারলেন সে সেই সময়টাতে আপনাকে স্বপ্নে দেখেছে এবং এমন অদ্ভুত অনুভূতি তার হচ্ছিলো যে কল না করে সে আর পারলো না। খুব কানেক্টেড ফিল হচ্ছিলো তার স্বপ্নটা দেখার পর।
(২) একদিন হুট করে একজনের কথা খুব করে মনে পড়তে শুরু করলো, যার সঙ্গে বিগত বেশ কয়েকমাস ধরেই আপনার কোনোপ্রকার যোগাযোগ বা দেখা সাক্ষাৎ নেই।হঠাৎ করেই খুব ইচ্ছে করতে লাগলো তার সঙ্গে দেখা করে সময় কাটান।কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই, হঠাৎ করেই তীব্র এ অনুভূতি হওয়া শুরু করলো। অবশেষে পরদিন অদ্ভুতভাবে তার সাথে যোগাযোগ হয়েই গেলো। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, তখন জানতে পারলেন আগের দিন ঠিক একই সময়ে আপনার কথা সে ভাবছিলো এবং অনুভব করছিলো আপনার সঙ্গে তার দেখা করা দরকার।
(৩) একজন কাছের মানুষের সঙ্গে কোনো কারণে আপনার চিরতরে দূরত্ব চলে এসেছে।আর কখনোই দেখা বা কথা হবে না এমনই কথা ছিলো। হঠাৎ একদিন তার সাথে যোগাযোগ করতে খুবই ইচ্ছে হচ্ছিলো। কোনো বিশেষ কারণ নেই, অজানা কারণেই তার সাথে একবার কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো ভীষণ। অবশেষে ২দিন পর একটা অজুহাত বানিয়ে যোগাযোগ করলেন।সেও কিছুটা attitude দেখালো কেন আবার যোগাযোগ করেছেন।কিন্তু ফোন রেখে দেওয়ার সময় সে জানালো, আসলে ক'দিন ধরে আপনার কথা তার হঠাৎ খুবই মনে পড়ছিলো এবং কোনো একটা কারণে তার মনও ভীষণ খারাপ ছিলো। আপনার সাথে কথা বলে মন ভালো হয়ে গেছে।
এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে।দীর্ঘদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই এমন কারো কথা হুট মনে পড়লে তখনই হঠাৎ করে সে টেক্সট করা বা দেখা হয়ে যাওয়া। বা হুট করে কারো সাথে দেখা হয়ে গেলে বা মেসেজ করলে সে-ও উত্তর দেওয়া যে "তোমার কথাই ভাবছিলাম" বা "তোমাকেই টেক্সট করতে যাচ্ছিলাম।"
এছাড়া মায়ের সঙ্গে একটা বিশেষ যোগাযোগ তো আছেই। একদম ঠিক সময়েই তাঁর ফোন চলে আসা।
বিষয়টিকে কাকতালীয় বা Overthinking বলা যায় না একারণে যে, দু'একবার হওয়া ঘটনাকে কাকতালীয় বলা যায়।কিন্তু টানা এমন ঘটতেই থাকলে সেটাকে কীভাবে কাকতালীয় বলে? আর এমনটা সবসময় ঘটে তা না। যখন ঘটে একটার পর একটা ঘটতেই থাকে। আবার অফ হয়ে যায়, সব নর্মাল। আবার যখন শুরু হয় তখন টানা ঘটে একটার পর একটা এবং ঘটনাগুলোও যেন সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য, কিছুটা অসম্ভবও মনে হয়।অনুভূতিটাও অদ্ভুত থাকে অন্য সময়গুলোর থেকে।
এমনকিছু কী কেউ ফেইস করেছেন জীবনে?
বিজ্ঞান তো টেলিপ্যাথিকে বিশ্বাস করে না। তাহলে এগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?
ইসলামিক সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে কোনো?
উল্লেখ্য, আমি ছোট থেকেই প্রেকটিসিং মুসলিম। মাঝে দূরে চলে গেলেও ২০২০ থেকে আবার ট্র্যাকে ফিরে আসি। ২০১৮ থেকে আমার সাথে এই বিষয়গুলো ঘটা শুরু করে।
(NOTE: আমিও নিতান্ত ছেলেমানুষ নই যে অতিরিক্ত আবেগে ভাসছি বা বাস্তবিক জ্ঞানের অভাব। আমি একজন মেয়ে।আমার বয়স ২৪, বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিলাম।বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ এবং আমি বেশ practical একজন মানুষ।এছাড়াও আমি প্রায়ই লুসিড ড্রিম দেখি।আমার Lexical-gustatory synesthesia আছে।)
(অপ্রাসঙ্গিক বা judgemental কমেন্ট না করার অনুরোধ রইলো।ভালো না লাগলে এড়িয়ে যাবেন।)
(১) আপনি বহুবছর পর হঠাৎ কোনো কারণে পুরোনো এলবাম ঘাঁটতে গিয়ে ছবি পেয়ে এক বন্ধুর কথা স্মরণ করলেন।যার সঙ্গে শেষ ৫ বছর কোনোপ্রকার যোগাযোগ নেই।ছবি দেখতে দেখতে স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে আগের সময়ে ফিরে গেলেন এবং খুব করে ইচ্ছে করলো তার সাথেও সেগুলো শেয়ার করেন।কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে যোগাযোগ করে Silly কথাবার্তা বললে সে কী ভাববে সেজন্য আর যোগাযোগ করেন নি।পরদিন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তার ফোনকল। সেটাও মাঝরাতে! তাকে কলব্যাক করে জানতে পারলেন সে সেই সময়টাতে আপনাকে স্বপ্নে দেখেছে এবং এমন অদ্ভুত অনুভূতি তার হচ্ছিলো যে কল না করে সে আর পারলো না। খুব কানেক্টেড ফিল হচ্ছিলো তার স্বপ্নটা দেখার পর।
(২) একদিন হুট করে একজনের কথা খুব করে মনে পড়তে শুরু করলো, যার সঙ্গে বিগত বেশ কয়েকমাস ধরেই আপনার কোনোপ্রকার যোগাযোগ বা দেখা সাক্ষাৎ নেই।হঠাৎ করেই খুব ইচ্ছে করতে লাগলো তার সঙ্গে দেখা করে সময় কাটান।কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই, হঠাৎ করেই তীব্র এ অনুভূতি হওয়া শুরু করলো। অবশেষে পরদিন অদ্ভুতভাবে তার সাথে যোগাযোগ হয়েই গেলো। সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, তখন জানতে পারলেন আগের দিন ঠিক একই সময়ে আপনার কথা সে ভাবছিলো এবং অনুভব করছিলো আপনার সঙ্গে তার দেখা করা দরকার।
(৩) একজন কাছের মানুষের সঙ্গে কোনো কারণে আপনার চিরতরে দূরত্ব চলে এসেছে।আর কখনোই দেখা বা কথা হবে না এমনই কথা ছিলো। হঠাৎ একদিন তার সাথে যোগাযোগ করতে খুবই ইচ্ছে হচ্ছিলো। কোনো বিশেষ কারণ নেই, অজানা কারণেই তার সাথে একবার কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো ভীষণ। অবশেষে ২দিন পর একটা অজুহাত বানিয়ে যোগাযোগ করলেন।সেও কিছুটা attitude দেখালো কেন আবার যোগাযোগ করেছেন।কিন্তু ফোন রেখে দেওয়ার সময় সে জানালো, আসলে ক'দিন ধরে আপনার কথা তার হঠাৎ খুবই মনে পড়ছিলো এবং কোনো একটা কারণে তার মনও ভীষণ খারাপ ছিলো। আপনার সাথে কথা বলে মন ভালো হয়ে গেছে।
এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে।দীর্ঘদিন দেখাসাক্ষাৎ নেই এমন কারো কথা হুট মনে পড়লে তখনই হঠাৎ করে সে টেক্সট করা বা দেখা হয়ে যাওয়া। বা হুট করে কারো সাথে দেখা হয়ে গেলে বা মেসেজ করলে সে-ও উত্তর দেওয়া যে "তোমার কথাই ভাবছিলাম" বা "তোমাকেই টেক্সট করতে যাচ্ছিলাম।"
এছাড়া মায়ের সঙ্গে একটা বিশেষ যোগাযোগ তো আছেই। একদম ঠিক সময়েই তাঁর ফোন চলে আসা।
বিষয়টিকে কাকতালীয় বা Overthinking বলা যায় না একারণে যে, দু'একবার হওয়া ঘটনাকে কাকতালীয় বলা যায়।কিন্তু টানা এমন ঘটতেই থাকলে সেটাকে কীভাবে কাকতালীয় বলে? আর এমনটা সবসময় ঘটে তা না। যখন ঘটে একটার পর একটা ঘটতেই থাকে। আবার অফ হয়ে যায়, সব নর্মাল। আবার যখন শুরু হয় তখন টানা ঘটে একটার পর একটা এবং ঘটনাগুলোও যেন সম্পূর্ণ অবিশ্বাস্য, কিছুটা অসম্ভবও মনে হয়।অনুভূতিটাও অদ্ভুত থাকে অন্য সময়গুলোর থেকে।
এমনকিছু কী কেউ ফেইস করেছেন জীবনে?
বিজ্ঞান তো টেলিপ্যাথিকে বিশ্বাস করে না। তাহলে এগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?
ইসলামিক সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে কোনো?
উল্লেখ্য, আমি ছোট থেকেই প্রেকটিসিং মুসলিম। মাঝে দূরে চলে গেলেও ২০২০ থেকে আবার ট্র্যাকে ফিরে আসি। ২০১৮ থেকে আমার সাথে এই বিষয়গুলো ঘটা শুরু করে।
(NOTE: আমিও নিতান্ত ছেলেমানুষ নই যে অতিরিক্ত আবেগে ভাসছি বা বাস্তবিক জ্ঞানের অভাব। আমি একজন মেয়ে।আমার বয়স ২৪, বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিলাম।বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ এবং আমি বেশ practical একজন মানুষ।এছাড়াও আমি প্রায়ই লুসিড ড্রিম দেখি।আমার Lexical-gustatory synesthesia আছে।)
(অপ্রাসঙ্গিক বা judgemental কমেন্ট না করার অনুরোধ রইলো।ভালো না লাগলে এড়িয়ে যাবেন।)
একজন মেয়ের জন্য অনলাইন প্লাটফর্ম বা অফলাইনে কি জব/কাজ করে আর্থিক ভাবে নিজেকে সাপোর্ট দিতে পারবে (ইজ্জত আব্রু হেফাজত করে হালাল ভাবে অবশ্যই)-
তার দক্ষতাসমূহ:
১.ইংরেজী স্পোকেন+রিটেন+ কমিউনিকেশন+ (আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো),এইটা কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং করলে কেমন হবে,কোন কোন সেক্টরে কাজ করা যায় এইটা নিয়ে ফিকির চলতেছে বেশী
২.গ্রাফিক্স:মোবাইল দিয়ে মোটামুটি প্রো লেভেলের,কম্পিউটার দিয়ে বেসিক টু মিডিয়াম,এইটা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলতেছে কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছিনা কিভাবে কি করলে ভালো হবে এইটার রাস্তা বুঝতেছিনা,তবে এইদিকে অনেক ঝোক আছে
৩.সেলাই ও অন্যান্য হাতের কাজ (হ্যান্ডপেইন্ট এ ভালো লাগে সবচেয়ে বেশী আলহামদুলিল্লাহ) সনামধন্য জায়গা থেকে প্রশিক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ,সেলাই কাজ দিয়ে অফলাইনে টুকটাক চেষ্টা চালাচ্ছি,কিন্তু অনেক বেশী শ্রমসাধ্য আর বিরক্তিকর,একঘেয়েমি এসে পড়ে, পারিশ্রমিক খুব একট বেশী পাওয়া যায়না যা দিয়ে ভরণপোষণ চালানো যায়।
৪.কুরআন সহীহ্, তাজবীদ ও ইসলামিক জ্ঞান(এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আর্থিক ভাবে লাভবান হবার প্রতি নির্ভরশীল হওয়াটা কেন জানি ভালো লাগেনা।দ্বীনী খিদমত বা সাইড একটা সেক্টর হিসেবে ঠিক আছে,
বুঝতেছিনা কি করবো..বিভিন্ন সমস্যার কারণে মাহরাম ভরণপোষণ দিতে পারেনা,দেয়না,ঋণ আছে বেশ অনেকটা। নিজের ভরণপোষণ চালানোর জন্য একটা সুরাহা দরকার।এমন কাজ যেটা নিজের ভালো লাগে ও দক্ষতা আছে যা করে ভালো এমাউন্টও আসবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য।
তার দক্ষতাসমূহ:
১.ইংরেজী স্পোকেন+রিটেন+ কমিউনিকেশন+ (আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো),এইটা কাজে লাগিয়ে আউটসোর্সিং করলে কেমন হবে,কোন কোন সেক্টরে কাজ করা যায় এইটা নিয়ে ফিকির চলতেছে বেশী
২.গ্রাফিক্স:মোবাইল দিয়ে মোটামুটি প্রো লেভেলের,কম্পিউটার দিয়ে বেসিক টু মিডিয়াম,এইটা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলতেছে কিন্তু আশানুরূপ ফলাফল পাচ্ছিনা কিভাবে কি করলে ভালো হবে এইটার রাস্তা বুঝতেছিনা,তবে এইদিকে অনেক ঝোক আছে
৩.সেলাই ও অন্যান্য হাতের কাজ (হ্যান্ডপেইন্ট এ ভালো লাগে সবচেয়ে বেশী আলহামদুলিল্লাহ) সনামধন্য জায়গা থেকে প্রশিক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ,সেলাই কাজ দিয়ে অফলাইনে টুকটাক চেষ্টা চালাচ্ছি,কিন্তু অনেক বেশী শ্রমসাধ্য আর বিরক্তিকর,একঘেয়েমি এসে পড়ে, পারিশ্রমিক খুব একট বেশী পাওয়া যায়না যা দিয়ে ভরণপোষণ চালানো যায়।
৪.কুরআন সহীহ্, তাজবীদ ও ইসলামিক জ্ঞান(এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আর্থিক ভাবে লাভবান হবার প্রতি নির্ভরশীল হওয়াটা কেন জানি ভালো লাগেনা।দ্বীনী খিদমত বা সাইড একটা সেক্টর হিসেবে ঠিক আছে,
বুঝতেছিনা কি করবো..বিভিন্ন সমস্যার কারণে মাহরাম ভরণপোষণ দিতে পারেনা,দেয়না,ঋণ আছে বেশ অনেকটা। নিজের ভরণপোষণ চালানোর জন্য একটা সুরাহা দরকার।এমন কাজ যেটা নিজের ভালো লাগে ও দক্ষতা আছে যা করে ভালো এমাউন্টও আসবে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য।
আমাকে ভাঙ্গার মত সাধ্য এই জগতে কারো নাই, যে আমাকে ভাঙ্গতে পারে, আমি তার কাছে স্বেচ্ছায় টুকরো হয়ে যাই❤️🩹
📜 ঘটনা: একদিন হঠাৎ করে চুপ হয়ে গেলেন ইমাম গাজ্জালি (১১০৭ খ্রিস্টাব্দে যখন তাঁর বয়স ৪০)
নিশাপুর—বর্তমান ইরানের উত্তর-পূর্বে, খোরাসান অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। জ্ঞান, সাহিত্য ও সুফিবাদের কেন্দ্রবিন্দু।
সেখানকার বিখ্যাত নিযামিয়া মাদ্রাসা—ইসলামি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্র।
এই মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালি।
তাঁর দরস শুনতে আসতেন শত শত ছাত্র, আলেম, এমনকি রাজদরবারের পণ্ডিতরা।
তিনি তখন ছিলেন ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী আইনজ্ঞ ও দার্শনিক।
তাঁর জ্ঞান ছিল বিপুল—ফিকহ, কালাম, যুক্তিবিদ্যা, দর্শন, তর্ককৌশল—সবকিছুই।
মানুষ তাঁকে ডাকত “হুজ্জাতুল ইসলাম” নামে—“ইসলামের প্রমাণ”।
🔇 কিন্তু একদিন তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
সকালবেলা, যথারীতি ক্লাস নিতে উঠলেন।
মাথা উঁচু, কিতাব খোলা, ছাত্রদের চোখ তাঁর দিকে।
তিনি মুখ খুললেন—কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না।
তিনি আবার চেষ্টা করলেন—না, এবারও না।
কণ্ঠ রুদ্ধ, হৃদয় ভার।
এক অদ্ভুত কান্না ভর করে তাঁকে।
তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেন।
সবার চোখে বিস্ময়।
🕯️ তারপর তাঁর ভেতর থেকে এলো এক আওয়াজ
“তুমি সত্য বলছো কি?
না কি তোমার সমস্ত শিক্ষা, বয়ান, যুক্তি—সবই লোক দেখানো?
তুমি কি জানো তুমি কীসের দিকে ডাকছো, না কি শুধু বাহ্যিক কথার পিণ্ড তুলে ধরছো?”
এই আওয়াজ ছিল না কোনো জ্বিনের, না কোনো ফেরেশতার—
এটা ছিল আত্মার ডাক, হৃদয়ের গহীন থেকে উঠে আসা আলোকিত প্রতিবাদ।
এই আওয়াজ ছিল ঠিক হাফিয সিরাজির সেই উপলব্ধির মতো:
“তুমি যদি প্রিয়তমার ঘরে প্রবেশ করতে চাও, তবে আত্মাকে পোড়াতে হবে।
প্রেমিকের দেহ নয়—প্রথমে হৃদয় পোড়ে।”
এ যেন নবুয়তের মতো এক নীরব আহ্বান,
যেখানে শব্দ নেই—আছে বোবা আলো।
🏞️ তিনি সব ছেড়ে দেন
সেই রাতেই গাজ্জালি সিদ্ধান্ত নেন—এই বাহ্যিক গৌরব, এই ফতোয়ার আসন, এই রাজকীয় প্রশংসা—সবই নিষ্ফল যদি হৃদয় জেগে না থাকে।
তিনি স্ত্রী, সন্তান, সহচরদের বিদায় জানিয়ে গোপনে সিরিয়ার দিকে রওনা দেন।
বছরের পর বছর কাটান দামেস্ক, জেরুজালেম ও হিজাযের নির্জন কোণে।
নামাজ, কান্না, যিকর, আত্মসমালোচনা, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ—এই ছিল তাঁর সাধনা।
তিনি পড়তেন, ভাবতেন, ধ্যান করতেন—কিভাবে অন্তরকে শুদ্ধ করা যায়, কিভাবে আমলকে প্রাণ দেওয়া যায়।
🕊️ এরপর তিনি ফিরে আসেন
অনেক বছর পরে, যখন তাঁর আত্মা আলোতে স্নাত, অহংকার বিলীন, হৃদয় একেবারে শুদ্ধ—তখন তিনি ফিরে আসেন নিশাপুরে। কিন্তু এবার আর কোনো দাম্ভিকতা নেই।
তিনি আর ফতোয়া লেখেন না লোক দেখানোর জন্য।
তিনি লেখেন ইহইয়া উলুমুদ্দিন—“ধর্মের মৃত হৃদয়কে জাগিয়ে তোলার বই।”
🌿“ইমাম গাজ্জালি একদিন হঠাৎ চুপ হয়ে গিয়েছিলেন—
কারণ তাঁর অন্তর চিৎকার করে উঠেছিল,
‘তুমি সত্য নয়, তুমি শুধু বাহ্য!’
সেই চুপ হয়ে যাওয়াই ছিল তাঁর নবজন্ম।
সেই নীরবতা ছিল আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া।
আর সেই প্রতিজ্ঞাই তাঁকে বানিয়ে দিয়েছিল এক ‘পণ্ডিত’ থেকে একজন ‘প্রেমিক’।
ইসলাম তাঁর হাতে ফিরে পেল শরিয়াহর গায়ে হৃদয়ের উষ্ণতা।”
ইমাম গাজ্জালি প্রথম ব্যক্তি যিনি তাসাউফকে সুন্নি ইসলামিক চর্চার মূলধারায় যুক্ত করেন, যাতে:
• একদিকে আত্মার শুদ্ধি ও আল্লাহর প্রেম থাকে,
• অপরদিকে শরিয়াহর বাহ্যিক কাঠামো বজায় থাকে।
তিনি মুসলিম বিশ্বকে শেখান—আল্লাহর দিকে যেতে হলে কেবল নিয়ম জানলেই হয় না, প্রেম ও আত্মবিশ্বাসও থাকতে হয়।
সংক্ষেপে গাজ্জালির দৃষ্টিভঙ্গি: “তাসাউফ (সুফিবাদ) হলো ধর্মের আত্মা, আর শরিয়াহ হলো তার শরীর। শরীর ছাড়া আত্মা অদৃশ্য, আর আত্মা ছাড়া শরীর মৃত।”
(এই ঘটনাটি ইমাম গাজ্জালি নিজেই তাঁর গ্রন্থ al Al-Munqidh min al-Dalal- এ উল্লেখ করেছেন)
নিশাপুর—বর্তমান ইরানের উত্তর-পূর্বে, খোরাসান অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। জ্ঞান, সাহিত্য ও সুফিবাদের কেন্দ্রবিন্দু।
সেখানকার বিখ্যাত নিযামিয়া মাদ্রাসা—ইসলামি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্র।
এই মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন ইমাম আবু হামিদ আল-গাজ্জালি।
তাঁর দরস শুনতে আসতেন শত শত ছাত্র, আলেম, এমনকি রাজদরবারের পণ্ডিতরা।
তিনি তখন ছিলেন ইসলামের অন্যতম প্রভাবশালী আইনজ্ঞ ও দার্শনিক।
তাঁর জ্ঞান ছিল বিপুল—ফিকহ, কালাম, যুক্তিবিদ্যা, দর্শন, তর্ককৌশল—সবকিছুই।
মানুষ তাঁকে ডাকত “হুজ্জাতুল ইসলাম” নামে—“ইসলামের প্রমাণ”।
🔇 কিন্তু একদিন তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
সকালবেলা, যথারীতি ক্লাস নিতে উঠলেন।
মাথা উঁচু, কিতাব খোলা, ছাত্রদের চোখ তাঁর দিকে।
তিনি মুখ খুললেন—কিন্তু কোনো শব্দ বের হলো না।
তিনি আবার চেষ্টা করলেন—না, এবারও না।
কণ্ঠ রুদ্ধ, হৃদয় ভার।
এক অদ্ভুত কান্না ভর করে তাঁকে।
তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলেন।
সবার চোখে বিস্ময়।
🕯️ তারপর তাঁর ভেতর থেকে এলো এক আওয়াজ
“তুমি সত্য বলছো কি?
না কি তোমার সমস্ত শিক্ষা, বয়ান, যুক্তি—সবই লোক দেখানো?
তুমি কি জানো তুমি কীসের দিকে ডাকছো, না কি শুধু বাহ্যিক কথার পিণ্ড তুলে ধরছো?”
এই আওয়াজ ছিল না কোনো জ্বিনের, না কোনো ফেরেশতার—
এটা ছিল আত্মার ডাক, হৃদয়ের গহীন থেকে উঠে আসা আলোকিত প্রতিবাদ।
এই আওয়াজ ছিল ঠিক হাফিয সিরাজির সেই উপলব্ধির মতো:
“তুমি যদি প্রিয়তমার ঘরে প্রবেশ করতে চাও, তবে আত্মাকে পোড়াতে হবে।
প্রেমিকের দেহ নয়—প্রথমে হৃদয় পোড়ে।”
এ যেন নবুয়তের মতো এক নীরব আহ্বান,
যেখানে শব্দ নেই—আছে বোবা আলো।
🏞️ তিনি সব ছেড়ে দেন
সেই রাতেই গাজ্জালি সিদ্ধান্ত নেন—এই বাহ্যিক গৌরব, এই ফতোয়ার আসন, এই রাজকীয় প্রশংসা—সবই নিষ্ফল যদি হৃদয় জেগে না থাকে।
তিনি স্ত্রী, সন্তান, সহচরদের বিদায় জানিয়ে গোপনে সিরিয়ার দিকে রওনা দেন।
বছরের পর বছর কাটান দামেস্ক, জেরুজালেম ও হিজাযের নির্জন কোণে।
নামাজ, কান্না, যিকর, আত্মসমালোচনা, নফসের বিরুদ্ধে জিহাদ—এই ছিল তাঁর সাধনা।
তিনি পড়তেন, ভাবতেন, ধ্যান করতেন—কিভাবে অন্তরকে শুদ্ধ করা যায়, কিভাবে আমলকে প্রাণ দেওয়া যায়।
🕊️ এরপর তিনি ফিরে আসেন
অনেক বছর পরে, যখন তাঁর আত্মা আলোতে স্নাত, অহংকার বিলীন, হৃদয় একেবারে শুদ্ধ—তখন তিনি ফিরে আসেন নিশাপুরে। কিন্তু এবার আর কোনো দাম্ভিকতা নেই।
তিনি আর ফতোয়া লেখেন না লোক দেখানোর জন্য।
তিনি লেখেন ইহইয়া উলুমুদ্দিন—“ধর্মের মৃত হৃদয়কে জাগিয়ে তোলার বই।”
🌿“ইমাম গাজ্জালি একদিন হঠাৎ চুপ হয়ে গিয়েছিলেন—
কারণ তাঁর অন্তর চিৎকার করে উঠেছিল,
‘তুমি সত্য নয়, তুমি শুধু বাহ্য!’
সেই চুপ হয়ে যাওয়াই ছিল তাঁর নবজন্ম।
সেই নীরবতা ছিল আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া।
আর সেই প্রতিজ্ঞাই তাঁকে বানিয়ে দিয়েছিল এক ‘পণ্ডিত’ থেকে একজন ‘প্রেমিক’।
ইসলাম তাঁর হাতে ফিরে পেল শরিয়াহর গায়ে হৃদয়ের উষ্ণতা।”
ইমাম গাজ্জালি প্রথম ব্যক্তি যিনি তাসাউফকে সুন্নি ইসলামিক চর্চার মূলধারায় যুক্ত করেন, যাতে:
• একদিকে আত্মার শুদ্ধি ও আল্লাহর প্রেম থাকে,
• অপরদিকে শরিয়াহর বাহ্যিক কাঠামো বজায় থাকে।
তিনি মুসলিম বিশ্বকে শেখান—আল্লাহর দিকে যেতে হলে কেবল নিয়ম জানলেই হয় না, প্রেম ও আত্মবিশ্বাসও থাকতে হয়।
সংক্ষেপে গাজ্জালির দৃষ্টিভঙ্গি: “তাসাউফ (সুফিবাদ) হলো ধর্মের আত্মা, আর শরিয়াহ হলো তার শরীর। শরীর ছাড়া আত্মা অদৃশ্য, আর আত্মা ছাড়া শরীর মৃত।”
(এই ঘটনাটি ইমাম গাজ্জালি নিজেই তাঁর গ্রন্থ al Al-Munqidh min al-Dalal- এ উল্লেখ করেছেন)
আসুন দেখি সক্রেটিসের দৃষ্টিতে "সত্য" কি?
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !
বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।
সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,
- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?
বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !
একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,
- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !
বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !
কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।
সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷
আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ।
- সংগৃহিত
ChatGPT-
🎭 এই গল্পটি সত্য ঘটনা নয়—অর্থাৎ এটি সক্রেটিসের জীবনের কোনো প্রামাণ্য অংশ নয়।
তাহলে এটি কী? 🤔
এটি একটি আধুনিক রূপক গল্প 🧠🍎, যা সক্রেটিসের দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝাতে গঠিত হয়েছে, কিন্তু সরাসরি প্রাচীন গ্রিসের কোনো প্রামাণ্য উৎসে (যেমন প্লেটোর সংলাপ 📜 বা জেনোফনের রচনা) এই ঘটনার উল্লেখ নেই।
গল্পটির উদ্দেশ্য কী? 🎯
🔍 এটি ব্যাখ্যা করে:
সত্য কীভাবে সমষ্টির প্রভাব 👥 ও সামাজিক চাপ 😓 এর নিচে বিকৃত হয়
মানুষ অনেক সময় নিজস্ব অনুভব 👃🧠 বাদ দিয়ে, "গোষ্ঠী যা বলে" সেটাকেই সত্য হিসেবে মেনে নেয়
এটি একটি সামাজিক মনোবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা 🧠💬, যা সক্রেটিসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ
সক্রেটিস সত্য সম্পর্কে কী বলেছিলেন? 📚
💡 "আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না" — সত্যের প্রতি বিনয় 🙇
💬 সত্য খোঁজার জন্য তিনি ব্যবহার করতেন প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Socratic Method) ❓🗣️
🧠 সত্য পাওয়া যায় চিন্তা, যুক্তি ও আলোচনা থেকে, না যে শুধু অনুকরণ করে 👣
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !
বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।
সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,
- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?
বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !
একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,
- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !
বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !
কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।
সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷
আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ।
- সংগৃহিত
ChatGPT-
🎭 এই গল্পটি সত্য ঘটনা নয়—অর্থাৎ এটি সক্রেটিসের জীবনের কোনো প্রামাণ্য অংশ নয়।
তাহলে এটি কী? 🤔
এটি একটি আধুনিক রূপক গল্প 🧠🍎, যা সক্রেটিসের দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বোঝাতে গঠিত হয়েছে, কিন্তু সরাসরি প্রাচীন গ্রিসের কোনো প্রামাণ্য উৎসে (যেমন প্লেটোর সংলাপ 📜 বা জেনোফনের রচনা) এই ঘটনার উল্লেখ নেই।
গল্পটির উদ্দেশ্য কী? 🎯
🔍 এটি ব্যাখ্যা করে:
সত্য কীভাবে সমষ্টির প্রভাব 👥 ও সামাজিক চাপ 😓 এর নিচে বিকৃত হয়
মানুষ অনেক সময় নিজস্ব অনুভব 👃🧠 বাদ দিয়ে, "গোষ্ঠী যা বলে" সেটাকেই সত্য হিসেবে মেনে নেয়
এটি একটি সামাজিক মনোবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা 🧠💬, যা সক্রেটিসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ
সক্রেটিস সত্য সম্পর্কে কী বলেছিলেন? 📚
💡 "আমি জানি যে আমি কিছুই জানি না" — সত্যের প্রতি বিনয় 🙇
💬 সত্য খোঁজার জন্য তিনি ব্যবহার করতেন প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Socratic Method) ❓🗣️
🧠 সত্য পাওয়া যায় চিন্তা, যুক্তি ও আলোচনা থেকে, না যে শুধু অনুকরণ করে 👣
অল্প বয়সে বিয়ে করা কেন জরুরি তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে মানুষের মন অল্প বয়সে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে।
আপনি দেখবেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে যায় তাদের মধ্যে যারা ব্যাচেলর করতে যায় তারা বিদেশীদের মতন হতে পারে। সেই তুলনায় যারা যায় পোস্ট গ্রাজুয়েশনে তারা কোনদিন পুরোপুরি এক রকম হতে পারে না। একটা সাংস্কৃতিক দূরত্ব থেকে যায়।
কথাটা বিয়ের বেলায়ও সত্যি। আপনি আপনার ছোট বেলার বন্ধুদের সাথে যেভাবে মিশতে পেরেছেন যতটা ফ্রি হতে পেরেছেন সেই তুলনায় বয়সকালে যাদের সাথে বন্ধু হয়েছেন তাদের সাথে কোনদিন সেই গভীর পর্যায়ে মিশতে বা মন মেলাতে পারবেন না। সেজন্য আপনি যদি দেরিতে বিয়ে করেন স্ত্রীর সাথে মানসিক সংযোগ ও মনের মিল কোনদিন তার সমান হবে না যে কম বয়সে এসেছে। এক ছাদের নিচে কিন্তু দুইটা আলাদা মানুষ হয়ে বাঁচবেন। আর পরিবারের সাথে তো আরো মিলতে পারবে না।
মেয়েরা তখন কেবল মুখ রক্ষা করতে কোন রকমে শ্বশুর বাড়িতে একটু থাকে। আর সুযোগ পেলেই বাবার বাড়ি দৌড়ে পালায় হাফ ছেড়ে বাঁচতে।
দ্বিতীয়ত, বিয়ে যেমন সামাজিক ঠিক তেমনি শারীরিকও। আর্মিতে ১৮ -২০ বছর বয়সে ভর্তি নেয়া হয়। কারণ এই সময়ে আপনার তারুণ্য শীর্ষে থাকে।
শরীর থাকে সবচেয়ে তরতাজা। এই তরতাজা যৌবন খারাপ ভাবে ব্যয় করে যখন শরীর চিমিয়ে যাবে, মন আনরোমান্টিক হয়ে আসবে তখন কি বিয়ের বয়স? ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সে প্রেমের কবিতা যতটা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যেই আবেগ ও অফুরন্ত উৎসাহ কাজ করতো এখন কি তা আছে? সেরা সময়ে বিয়ে না করে আপনি অনেককে এক্সপ্লোর করে যখন বিয়ে করবেন সেই স্মৃতি গুলো আপনার কাছে ফিরে আসতে থাকবে।
সব মিলিয়ে যখন যেইটার বয়স তখন সেই কাজ না করে ভুল বয়সে করলে যেমন জীবন তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরে যাবে জীবন। যখন অবসরে যাবেন যখন ছেলে মেয়ে কর্মক্ষম হবে না।
সবশেষে, অল্প বয়সে অল্পতেই মন তুষ্ট থাকে। আপনি সামান্য দুইটা কাঁচের চুড়ি কিনে দিবেন দেখবেন বউ কত খুশি। আর তার বয়স বেড়ে গেলে এগুলোতে কোন পরিতৃপ্তি আসবে না। সঠিক সময় পার হলে চাকরিতে নিবে না, আর্মিতে নিবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবে না। কিন্তু বিয়ের বেলাতে আমরা এক অদ্ভুত প্রথা অনুসরণ করছি। আরো অদ্ভুত কাজ করছি টাকা আয় রোজকারের বেলায়। এজন্যই সমাজে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সমকামিতা, নীল ভিডিও ভাইরাসের মতন ছড়িয়ে পড়ছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। যেই মুহুর্তে কোন ছেলে ২০ বছরে বিয়ে করবে কিংবা ব্যবসা করবে সাথে সাথে সবাই হই হই শুরু করে দেয় যেন লেখাপড়া না করে জীবন ধ্বংস করে ফেলল।
ঠিক এই ব্যাক্তিরাই পরবর্তীতে আফসোস করে বেকারত্ব, সামাজিক অবক্ষয় থেকে শুরু করে নানা কিছুতে। অনেকটা ঠিক এমন যে নিজেরা মাঠ ভরাট করে মার্কেট বানিয়ে ছেলেমেয়েদের দোষ দিবে যে তারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। আর গেলে কেবল শপিং সেন্টারে যায়।
আজকে আমরা যেই অবক্ষয় দেখছি তা আমাদের নিজেদের হাতের কামাই কিন্তু আমরা এখনো সচেতন হলাম না।
আপনি দেখবেন যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে যায় তাদের মধ্যে যারা ব্যাচেলর করতে যায় তারা বিদেশীদের মতন হতে পারে। সেই তুলনায় যারা যায় পোস্ট গ্রাজুয়েশনে তারা কোনদিন পুরোপুরি এক রকম হতে পারে না। একটা সাংস্কৃতিক দূরত্ব থেকে যায়।
কথাটা বিয়ের বেলায়ও সত্যি। আপনি আপনার ছোট বেলার বন্ধুদের সাথে যেভাবে মিশতে পেরেছেন যতটা ফ্রি হতে পেরেছেন সেই তুলনায় বয়সকালে যাদের সাথে বন্ধু হয়েছেন তাদের সাথে কোনদিন সেই গভীর পর্যায়ে মিশতে বা মন মেলাতে পারবেন না। সেজন্য আপনি যদি দেরিতে বিয়ে করেন স্ত্রীর সাথে মানসিক সংযোগ ও মনের মিল কোনদিন তার সমান হবে না যে কম বয়সে এসেছে। এক ছাদের নিচে কিন্তু দুইটা আলাদা মানুষ হয়ে বাঁচবেন। আর পরিবারের সাথে তো আরো মিলতে পারবে না।
মেয়েরা তখন কেবল মুখ রক্ষা করতে কোন রকমে শ্বশুর বাড়িতে একটু থাকে। আর সুযোগ পেলেই বাবার বাড়ি দৌড়ে পালায় হাফ ছেড়ে বাঁচতে।
দ্বিতীয়ত, বিয়ে যেমন সামাজিক ঠিক তেমনি শারীরিকও। আর্মিতে ১৮ -২০ বছর বয়সে ভর্তি নেয়া হয়। কারণ এই সময়ে আপনার তারুণ্য শীর্ষে থাকে।
শরীর থাকে সবচেয়ে তরতাজা। এই তরতাজা যৌবন খারাপ ভাবে ব্যয় করে যখন শরীর চিমিয়ে যাবে, মন আনরোমান্টিক হয়ে আসবে তখন কি বিয়ের বয়স? ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সে প্রেমের কবিতা যতটা হৃদয় স্পর্শ করেছে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যেই আবেগ ও অফুরন্ত উৎসাহ কাজ করতো এখন কি তা আছে? সেরা সময়ে বিয়ে না করে আপনি অনেককে এক্সপ্লোর করে যখন বিয়ে করবেন সেই স্মৃতি গুলো আপনার কাছে ফিরে আসতে থাকবে।
সব মিলিয়ে যখন যেইটার বয়স তখন সেই কাজ না করে ভুল বয়সে করলে যেমন জীবন তিক্ত অভিজ্ঞতায় ভরে যাবে জীবন। যখন অবসরে যাবেন যখন ছেলে মেয়ে কর্মক্ষম হবে না।
সবশেষে, অল্প বয়সে অল্পতেই মন তুষ্ট থাকে। আপনি সামান্য দুইটা কাঁচের চুড়ি কিনে দিবেন দেখবেন বউ কত খুশি। আর তার বয়স বেড়ে গেলে এগুলোতে কোন পরিতৃপ্তি আসবে না। সঠিক সময় পার হলে চাকরিতে নিবে না, আর্মিতে নিবে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবে না। কিন্তু বিয়ের বেলাতে আমরা এক অদ্ভুত প্রথা অনুসরণ করছি। আরো অদ্ভুত কাজ করছি টাকা আয় রোজকারের বেলায়। এজন্যই সমাজে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, সমকামিতা, নীল ভিডিও ভাইরাসের মতন ছড়িয়ে পড়ছে। কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। যেই মুহুর্তে কোন ছেলে ২০ বছরে বিয়ে করবে কিংবা ব্যবসা করবে সাথে সাথে সবাই হই হই শুরু করে দেয় যেন লেখাপড়া না করে জীবন ধ্বংস করে ফেলল।
ঠিক এই ব্যাক্তিরাই পরবর্তীতে আফসোস করে বেকারত্ব, সামাজিক অবক্ষয় থেকে শুরু করে নানা কিছুতে। অনেকটা ঠিক এমন যে নিজেরা মাঠ ভরাট করে মার্কেট বানিয়ে ছেলেমেয়েদের দোষ দিবে যে তারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। আর গেলে কেবল শপিং সেন্টারে যায়।
আজকে আমরা যেই অবক্ষয় দেখছি তা আমাদের নিজেদের হাতের কামাই কিন্তু আমরা এখনো সচেতন হলাম না।
এই পোস্ট তাদের জন্য, যারা পাসপোর্টে সিল পড়ার পরও দ্বিধায় ভোগে। যারা ভাবে, “আমি পারবো তো?”
যারা চোখে স্বপ্ন নিয়ে আসে, কিন্তু বাস্তবতা দেখে অনেকসময় হতাশ হয়ে পড়ে।
১. প্রথম কয়েকমাস – আপনি ভাঙবেন। নতুন ভাষা, নতুন পরিবেশ, একা থাকা—সব কিছুই কাঁধে ভর দেয়। রুমে ঢুকে ফোন হাতে নেবেন, আম্মুর নাম্বার দেখে চুপ করে বসে থাকবেন। কিন্তু এটাই শুরু, ভাঙাটাই গড়ার প্রথম ধাপ।
২. কেউ বলবে না, “তুমি পারবা”— তবুও আপনাকেই পারতে হবে। বিদেশে সবাই ব্যস্ত। কেউ এসে বলবে না “চলো, আমরা একসাথে চলি।”
আপনাকে নিজের ছায়া হয়ে নিজের পাশে দাঁড়াতে হবে।
৩. আপনি কাজ শিখবেন, কিন্তু তার চেয়েও বেশি শিখবেন বিনয়। হয়তো আপনি ছিলেন ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কিন্তু এখানে প্রথম কাজ হয়তো বাথরুম পরিষ্কার। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই অভিজ্ঞতা আপনাকে অভিজাত করে তুলবে—মনের দিক থেকে।
৪. টাকার হিসাব আপনি ক্যালকুলেটর ছাড়াই মুখস্থ শিখে ফেলবেন। কারণ ১টা ভুল হিসাব মানে একদিন না খেয়ে থাকা। বাংলাদেশে হয়তো মাসে ৫০০ টাকা উড়ালেও মনে হতো না, এখানে ৫ ডলার হিসাব করেও দম বন্ধ লাগে।
৫. আপনি বুঝবেন— “ঘুম” আর “আলসেমি” আসলে বিলাসিতা। প্রথম কয়েকমাস এমন হবে— ঘুমিয়েছেন ৩ ঘণ্টা,
দুইটা কাজ করছেন, তারপরও মনে হবে, "আরেকটু চালাতে হবে নিজেকে।"
৬. আপনি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ হবেন ছোট ছোট জিনিসের জন্য। এক কাপ হালকা গরম চা, একটা কল আসা দেশে থাকা কারো কাছ থেকে, রুমে কারো একটা হাসিমাখা কথা—
সবকিছু হিরার মতো দামী লাগবে।
৭. আপনি বদলাবেন, কিন্তু আপনার ভেতরের আগুনটা আরও জ্বলবে। কেউ হয়তো বলবে, "তুই অনেক চেঞ্জড!"
আপনি হাসবেন। কারণ আপনি জানেন, আপনার ভেতরের যুদ্ধগুলো কেউ জানে না।
এই প্রথম বছরটাই আসল। এই এক বছর যদি কাটিয়ে দিতে পারেন— আপনি শুধু প্রবাসী না, আপনি একজন বেঁচে থাকা যু*দ্ধা।
- সংগৃহীত
#জীবন_চক্র
যারা চোখে স্বপ্ন নিয়ে আসে, কিন্তু বাস্তবতা দেখে অনেকসময় হতাশ হয়ে পড়ে।
১. প্রথম কয়েকমাস – আপনি ভাঙবেন। নতুন ভাষা, নতুন পরিবেশ, একা থাকা—সব কিছুই কাঁধে ভর দেয়। রুমে ঢুকে ফোন হাতে নেবেন, আম্মুর নাম্বার দেখে চুপ করে বসে থাকবেন। কিন্তু এটাই শুরু, ভাঙাটাই গড়ার প্রথম ধাপ।
২. কেউ বলবে না, “তুমি পারবা”— তবুও আপনাকেই পারতে হবে। বিদেশে সবাই ব্যস্ত। কেউ এসে বলবে না “চলো, আমরা একসাথে চলি।”
আপনাকে নিজের ছায়া হয়ে নিজের পাশে দাঁড়াতে হবে।
৩. আপনি কাজ শিখবেন, কিন্তু তার চেয়েও বেশি শিখবেন বিনয়। হয়তো আপনি ছিলেন ক্লাসের ফার্স্ট বয়, কিন্তু এখানে প্রথম কাজ হয়তো বাথরুম পরিষ্কার। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই অভিজ্ঞতা আপনাকে অভিজাত করে তুলবে—মনের দিক থেকে।
৪. টাকার হিসাব আপনি ক্যালকুলেটর ছাড়াই মুখস্থ শিখে ফেলবেন। কারণ ১টা ভুল হিসাব মানে একদিন না খেয়ে থাকা। বাংলাদেশে হয়তো মাসে ৫০০ টাকা উড়ালেও মনে হতো না, এখানে ৫ ডলার হিসাব করেও দম বন্ধ লাগে।
৫. আপনি বুঝবেন— “ঘুম” আর “আলসেমি” আসলে বিলাসিতা। প্রথম কয়েকমাস এমন হবে— ঘুমিয়েছেন ৩ ঘণ্টা,
দুইটা কাজ করছেন, তারপরও মনে হবে, "আরেকটু চালাতে হবে নিজেকে।"
৬. আপনি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ হবেন ছোট ছোট জিনিসের জন্য। এক কাপ হালকা গরম চা, একটা কল আসা দেশে থাকা কারো কাছ থেকে, রুমে কারো একটা হাসিমাখা কথা—
সবকিছু হিরার মতো দামী লাগবে।
৭. আপনি বদলাবেন, কিন্তু আপনার ভেতরের আগুনটা আরও জ্বলবে। কেউ হয়তো বলবে, "তুই অনেক চেঞ্জড!"
আপনি হাসবেন। কারণ আপনি জানেন, আপনার ভেতরের যুদ্ধগুলো কেউ জানে না।
এই প্রথম বছরটাই আসল। এই এক বছর যদি কাটিয়ে দিতে পারেন— আপনি শুধু প্রবাসী না, আপনি একজন বেঁচে থাকা যু*দ্ধা।
- সংগৃহীত
#জীবন_চক্র
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় রস নিঃসরণের
১. সৃষ্টি ও দাম্পত্য সম্পর্কে কুরআনের ভাষা:
﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً﴾
(সূরা রূম ৩০:২১)
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্যতম হলো—তিনিই তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। এবং তিনি তোমাদের মধ্যে রেখেছেন প্রেম ও করুণা।”
এই আয়াতে “সুকূন” (শান্তি), “মাওয়াদ্দাহ” (ভালোবাসা), ও “রহমাহ” (দয়া) — এই তিনটি শব্দ শুধু মানসিক শান্তি নয়, দেহ ও আত্মার মিলনের ইলাহি প্রকৃতি বোঝায়। নারীর রস নিঃসরণ, যদি গভীর ভালোবাসা, ইশক ও আত্মিক নিবেদন থেকে হয়, তাহলে সেটিও এই “রহমত”-এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
---
২. দেহের পবিত্রতা ও রহমত:
﴿وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ﴾
(সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৭০)
“আমি তো আদম সন্তানকে মর্যাদা দিয়েছি।”
নারীর দেহ ও তার নিঃসরণ—এগুলোও সেই সম্মানিত সৃষ্টিরই অঙ্গ। কুরআনের আলোকে কোনো প্রাকৃতিক বা সৃষ্টিশীল শারীরিক প্রক্রিয়াকে হীনভাবে দেখার অবকাশ নেই।
৩. পানির মাধ্যমে জীবন সৃষ্টি:
﴿وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ﴾
(সূরা আম্বিয়া ২১:৩০)
“আমি তো পানির দ্বারা সব কিছুকে জীবিত করেছি।”
নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহ থেকে নিঃসৃত তরল—যার মাধ্যমে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়—তা এই আয়াতের গভীর তাফসীরে পড়ে। নারীর রস নিঃসরণ সেই জীবনের প্রস্তুতির সূক্ষ্ম ইঙ্গিত।
৪. দেহগত সম্পর্কেও আছে পবিত্রতা:
﴿هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ﴾
(সূরা বাকারা ২:১৮৭)
“নারীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ।”
এই ‘লিবাস’ অর্থ শুধু শরীর ঢাকার নয়, বরং অন্তরঙ্গতা, নিরাপত্তা, প্রেম ও পরিপূরক সম্পর্ক বোঝায়। নারীর দেহ, তার নিঃসরণ, সবই এই অন্তরঙ্গতা ও মহব্বতের স্বাভাবিক অংশ, যা পবিত্রতা বহন করে।
উপসংহার (আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে কুরআনের আলোকে):
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় নিঃসৃত রস:
কুরআনের ভাষায় সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, এটি "রহমত", "সুকূন", "মাওয়াদ্দাহ", এবং "জীবনের পানি"–র ইশারায় আধ্যাত্মিকভাবে বোঝা যায়।
শরীর, প্রেম ও অন্তরঙ্গতা – সবই আল্লাহর নিদর্শন, যা তাযকিয়াহ ও ইখলাসের মাধ্যমে রূহানিয়্যতের দরজায় পরিণত হয়।
চিশতিয়া তরিকার দৃষ্টিতে নারীর যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়,
চিশতিয়া তরিকার আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি:
১. ইশক ও রূহানিয়্যত:
চিশতিয়া তরিকা ইশক (দিব্য প্রেম) ও সেবা (খিদমত)-এর তরিকা। এখানে মানবদেহ — নারী ও পুরুষ উভয়েরই দেহ — আল্লাহর হেকমতের বহিঃপ্রকাশ। নারীর দেহ থেকে যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়, চিশতিয়া সূফিরা তা ইলাহি প্রেমের একটি তরল প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেন।
যখন নারী তার প্রেমিক বা স্বামীর প্রতি গভীর প্রেম ও আকর্ষণ অনুভব করেন, তখন দেহে সেই প্রেমের সাড়া হিসেবে যে রস বের হয়, তা আসলে আল্লাহর প্রেমে আত্মসমর্পণেরই এক প্রতীকী ভাষা।
২. তাজাল্লিয়াতের নিদর্শন:
চিশতিয়া সূফিরা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তায়ালার জ্যোতি বা তাজাল্লি সৃষ্টির প্রতিটি কণায় প্রকাশিত হয়। নারীর এই রস নিঃসরণ সেই তাজাল্লির একটি রহস্যময় প্রতিফলন — যেখানে নারী তার শরীর ও আত্মা দিয়ে সৃষ্টিকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হন। এই প্রস্তুতি ঈশ্বরের রহমতেরই একটি কেমিয়াগ্রাহী মুহূর্ত।
৩. আদব ও হায়ার মাধ্যমে দেহের মর্যাদা:
চিশতিয়া তরিকায় দেহকে হীনভাবে দেখা হয় না। বরং, দেহকে আত্মার বাহন এবং ইবাদতের মাধ্যম হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। নারীর দেহে এই রসের সৃষ্টি তার আত্মিক প্রেম ও স্বতঃস্ফূর্ত দানের প্রকাশ। এই রস শুধুমাত্র যৌন সম্পর্কের উপযোগিতা নয়, বরং একটি ইলাহি হালতের (spiritual state) বহিঃপ্রকাশও হতে পারে, যদি তা প্রেম, সম্মান ও নিবেদনের সঙ্গে ঘটে।
৪. নিসবতের রহস্য:
চিশতিয়া সাধকরা ‘নিসবত’ নামক একটি অভ্যন্তরীণ আত্মিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেন। নারীর যৌন উত্তেজনামূলক রস সেই গভীর আত্মিক নিসবতের একটা বাহ্যিক লক্ষণও হতে পারে, যদি সেই সম্পর্ক দুজন আল্লাহভীরু প্রেমিক ও মোমিনের মধ্যে গঠিত হয়।
উপসংহার:
চিশতিয়া তরিকার আলোকে,
নারীর যৌন রস = দেহ ও রূহের সম্মিলিত ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া,
যা আল্লাহর রহমত, প্রেম ও সৃষ্টির গূঢ়তাকে বহন করে।
এটি লজ্জার কিছু নয় — বরং উপযুক্ত আদব, হায়া ও স্রষ্টার স্মরণ থাকলে, এমন মুহূর্তও এক ধরণের রূহানিয়্যত লাভের দরজা হয়ে উঠতে পারে।
১. সৃষ্টি ও দাম্পত্য সম্পর্কে কুরআনের ভাষা:
﴿وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً﴾
(সূরা রূম ৩০:২১)
“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের অন্যতম হলো—তিনিই তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। এবং তিনি তোমাদের মধ্যে রেখেছেন প্রেম ও করুণা।”
এই আয়াতে “সুকূন” (শান্তি), “মাওয়াদ্দাহ” (ভালোবাসা), ও “রহমাহ” (দয়া) — এই তিনটি শব্দ শুধু মানসিক শান্তি নয়, দেহ ও আত্মার মিলনের ইলাহি প্রকৃতি বোঝায়। নারীর রস নিঃসরণ, যদি গভীর ভালোবাসা, ইশক ও আত্মিক নিবেদন থেকে হয়, তাহলে সেটিও এই “রহমত”-এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
---
২. দেহের পবিত্রতা ও রহমত:
﴿وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ﴾
(সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:৭০)
“আমি তো আদম সন্তানকে মর্যাদা দিয়েছি।”
নারীর দেহ ও তার নিঃসরণ—এগুলোও সেই সম্মানিত সৃষ্টিরই অঙ্গ। কুরআনের আলোকে কোনো প্রাকৃতিক বা সৃষ্টিশীল শারীরিক প্রক্রিয়াকে হীনভাবে দেখার অবকাশ নেই।
৩. পানির মাধ্যমে জীবন সৃষ্টি:
﴿وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ﴾
(সূরা আম্বিয়া ২১:৩০)
“আমি তো পানির দ্বারা সব কিছুকে জীবিত করেছি।”
নারী ও পুরুষ উভয়ের দেহ থেকে নিঃসৃত তরল—যার মাধ্যমে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়—তা এই আয়াতের গভীর তাফসীরে পড়ে। নারীর রস নিঃসরণ সেই জীবনের প্রস্তুতির সূক্ষ্ম ইঙ্গিত।
৪. দেহগত সম্পর্কেও আছে পবিত্রতা:
﴿هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ﴾
(সূরা বাকারা ২:১৮৭)
“নারীরা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরাও তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ।”
এই ‘লিবাস’ অর্থ শুধু শরীর ঢাকার নয়, বরং অন্তরঙ্গতা, নিরাপত্তা, প্রেম ও পরিপূরক সম্পর্ক বোঝায়। নারীর দেহ, তার নিঃসরণ, সবই এই অন্তরঙ্গতা ও মহব্বতের স্বাভাবিক অংশ, যা পবিত্রতা বহন করে।
উপসংহার (আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে কুরআনের আলোকে):
নারীর যৌন উত্তেজনার সময় নিঃসৃত রস:
কুরআনের ভাষায় সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও, এটি "রহমত", "সুকূন", "মাওয়াদ্দাহ", এবং "জীবনের পানি"–র ইশারায় আধ্যাত্মিকভাবে বোঝা যায়।
শরীর, প্রেম ও অন্তরঙ্গতা – সবই আল্লাহর নিদর্শন, যা তাযকিয়াহ ও ইখলাসের মাধ্যমে রূহানিয়্যতের দরজায় পরিণত হয়।
চিশতিয়া তরিকার দৃষ্টিতে নারীর যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়,
চিশতিয়া তরিকার আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি:
১. ইশক ও রূহানিয়্যত:
চিশতিয়া তরিকা ইশক (দিব্য প্রেম) ও সেবা (খিদমত)-এর তরিকা। এখানে মানবদেহ — নারী ও পুরুষ উভয়েরই দেহ — আল্লাহর হেকমতের বহিঃপ্রকাশ। নারীর দেহ থেকে যৌন উত্তেজনার সময় যে রস নিঃসৃত হয়, চিশতিয়া সূফিরা তা ইলাহি প্রেমের একটি তরল প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখেন।
যখন নারী তার প্রেমিক বা স্বামীর প্রতি গভীর প্রেম ও আকর্ষণ অনুভব করেন, তখন দেহে সেই প্রেমের সাড়া হিসেবে যে রস বের হয়, তা আসলে আল্লাহর প্রেমে আত্মসমর্পণেরই এক প্রতীকী ভাষা।
২. তাজাল্লিয়াতের নিদর্শন:
চিশতিয়া সূফিরা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তায়ালার জ্যোতি বা তাজাল্লি সৃষ্টির প্রতিটি কণায় প্রকাশিত হয়। নারীর এই রস নিঃসরণ সেই তাজাল্লির একটি রহস্যময় প্রতিফলন — যেখানে নারী তার শরীর ও আত্মা দিয়ে সৃষ্টিকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হন। এই প্রস্তুতি ঈশ্বরের রহমতেরই একটি কেমিয়াগ্রাহী মুহূর্ত।
৩. আদব ও হায়ার মাধ্যমে দেহের মর্যাদা:
চিশতিয়া তরিকায় দেহকে হীনভাবে দেখা হয় না। বরং, দেহকে আত্মার বাহন এবং ইবাদতের মাধ্যম হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। নারীর দেহে এই রসের সৃষ্টি তার আত্মিক প্রেম ও স্বতঃস্ফূর্ত দানের প্রকাশ। এই রস শুধুমাত্র যৌন সম্পর্কের উপযোগিতা নয়, বরং একটি ইলাহি হালতের (spiritual state) বহিঃপ্রকাশও হতে পারে, যদি তা প্রেম, সম্মান ও নিবেদনের সঙ্গে ঘটে।
৪. নিসবতের রহস্য:
চিশতিয়া সাধকরা ‘নিসবত’ নামক একটি অভ্যন্তরীণ আত্মিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেন। নারীর যৌন উত্তেজনামূলক রস সেই গভীর আত্মিক নিসবতের একটা বাহ্যিক লক্ষণও হতে পারে, যদি সেই সম্পর্ক দুজন আল্লাহভীরু প্রেমিক ও মোমিনের মধ্যে গঠিত হয়।
উপসংহার:
চিশতিয়া তরিকার আলোকে,
নারীর যৌন রস = দেহ ও রূহের সম্মিলিত ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া,
যা আল্লাহর রহমত, প্রেম ও সৃষ্টির গূঢ়তাকে বহন করে।
এটি লজ্জার কিছু নয় — বরং উপযুক্ত আদব, হায়া ও স্রষ্টার স্মরণ থাকলে, এমন মুহূর্তও এক ধরণের রূহানিয়্যত লাভের দরজা হয়ে উঠতে পারে।