ভাই একটা পরামর্শ দেই যা আমি আমার কাছের লোকজন কেও বলি-
সবসময় কমপক্ষে দুইটা ভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট খুলবেন । একটি থাকবে একদম পার্সোনাল একাউন্ট যেটিতে NPSB থাকবে Free of cost এবং এখানেই মূলত আপনার Hard earned money রাখবেন । এই একাউন্ট দিয়ে আপনি কোথাও অনলাইনে কোন কেনাকাটা করবেন না এবং এটির Dual currency অথবা endorsed ও করবেন না | আরেকটি একাউন্ট খুলবেন যেটি হবে আপনার online Face . এটি থাকবে আপনার অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে যাবতীয় সব Transaction এর মাধ্যম । এটিতে dual currency ও করতে পারেন ।
এখন পদ্ধতি হলো আপনার 2nd Card(online face) or Account এ কোন টাকা রাখবেন না। যখন দরকার হবে মেইন একাউন্ট থেকে টান দিয়ে যতটুকু টাকা দরকার ততটুকু টাকা আনবেন । Done --- এতে করে অনেকটা আপানর টাকা সুর্রক্ষিত থাকবে ।
সবসময় কমপক্ষে দুইটা ভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট খুলবেন । একটি থাকবে একদম পার্সোনাল একাউন্ট যেটিতে NPSB থাকবে Free of cost এবং এখানেই মূলত আপনার Hard earned money রাখবেন । এই একাউন্ট দিয়ে আপনি কোথাও অনলাইনে কোন কেনাকাটা করবেন না এবং এটির Dual currency অথবা endorsed ও করবেন না | আরেকটি একাউন্ট খুলবেন যেটি হবে আপনার online Face . এটি থাকবে আপনার অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে যাবতীয় সব Transaction এর মাধ্যম । এটিতে dual currency ও করতে পারেন ।
এখন পদ্ধতি হলো আপনার 2nd Card(online face) or Account এ কোন টাকা রাখবেন না। যখন দরকার হবে মেইন একাউন্ট থেকে টান দিয়ে যতটুকু টাকা দরকার ততটুকু টাকা আনবেন । Done --- এতে করে অনেকটা আপানর টাকা সুর্রক্ষিত থাকবে ।
স্টেটমেন্ট বের করা নিয়ে আর নেই কোনো ঝামেলা!
এখন আর ব্যাংকে আসার দরকার নেই,আপনার একাউন্টের সম্পূর্ণ লেনদেনের স্টেটমেন্ট বের করুন একদম ঘরে বসেই!
মাত্র একটি ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই পেতে পারেন আপনার একাউন্টের সকল লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ।
👉 শুধুমাত্র আপনার মোবাইল নম্বর ও একাউন্ট নম্বর দিলেই হবে!
👉 কোনো অ্যাপ লাগবে না!
👉 দিনে ২৪ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিন যেকোনো সময় স্টেটমেন্ট দেখুন বা ডাউনলোড করুন!
ওয়েবসাইট লিংক: https://app.dutchbanglabank.com/cbsstatement/
এটা শুধুমাত্র জুন-৩০ তারিখ পর্যন্ত , তারপর থেকে আর পাওয়া যাবে না , আবার ডিসেম্বরে আসবে জুলাই-১ তারিখ থেকে ডিসেম্বর-৩১ তারিখ পর্যন্ত।
কেউ চাইলেও তাদের ইচ্ছে মতো তারিখ বসিয়ে স্টেটমেন্ট নিতে পারবেন না এখন থেকে।
এখন আর ব্যাংকে আসার দরকার নেই,আপনার একাউন্টের সম্পূর্ণ লেনদেনের স্টেটমেন্ট বের করুন একদম ঘরে বসেই!
মাত্র একটি ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই পেতে পারেন আপনার একাউন্টের সকল লেনদেনের বিস্তারিত বিবরণ।
👉 শুধুমাত্র আপনার মোবাইল নম্বর ও একাউন্ট নম্বর দিলেই হবে!
👉 কোনো অ্যাপ লাগবে না!
👉 দিনে ২৪ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিন যেকোনো সময় স্টেটমেন্ট দেখুন বা ডাউনলোড করুন!
ওয়েবসাইট লিংক: https://app.dutchbanglabank.com/cbsstatement/
এটা শুধুমাত্র জুন-৩০ তারিখ পর্যন্ত , তারপর থেকে আর পাওয়া যাবে না , আবার ডিসেম্বরে আসবে জুলাই-১ তারিখ থেকে ডিসেম্বর-৩১ তারিখ পর্যন্ত।
কেউ চাইলেও তাদের ইচ্ছে মতো তারিখ বসিয়ে স্টেটমেন্ট নিতে পারবেন না এখন থেকে।
১. রেগুলার সেভিংসের একাউন্টের জন্য ৫০০ টাকা, নিম্ন আয়ের মানুষদের সেভিংস একাউন্টের জন্য ৫০ টাকা।
২. হ্যাঁ, করা যায়।
৩. ইস্যু এবং বার্ষিক চার্জ উভয়ই ৫৭৫ টাকা। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে বার্ষিক চার্জ ৪৮০ টাকা এবং ইস্যু ৫৭৫
৪. হ্যাঁ যায় এবং সেটা MICR ই হয়।
৫. রেগুলার সেভিংসের ক্ষেত্রে ব্যালেন্স ১ লক্ষ টাকার বেশি হলে একাউন্ট মেইন্টেন্যান্স চার্জ ২০০ টাকা। আর ১ লক্ষ টাকার কম হলে ১০০ টাকা।
৬. ২৫০ টাকা তবে সেটা স্টুডেন্ট একাউন্টের জন্য।
৭. অবশ্যই Unet এবং Unet Enterprise দুইটাই ব্যবহার করা যায়।
৮. সেটা একাউন্টের টিপি-এর উপর নির্ভর করে। তবে এজেন্ট থেকে ২ বার তুলতে এবং ৪ বার জমা করতে পারবেন এবং ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্টের লিমিট অনুযায়ী যতোবার ইচ্ছা জমা এবং উত্তোলন করতে পারবেন।
৯. অন্য এজেন্ট থেকে টাকা তুলতে এবং জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে লাখে ১১৫ টাকা।
১০. সারা বাংলাদেশের যেকোনো ব্রাঞ্চ থেকে টাকা জমা এবং উত্তোলন সম্পূর্ণ ফ্রী।
২. হ্যাঁ, করা যায়।
৩. ইস্যু এবং বার্ষিক চার্জ উভয়ই ৫৭৫ টাকা। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে বার্ষিক চার্জ ৪৮০ টাকা এবং ইস্যু ৫৭৫
৪. হ্যাঁ যায় এবং সেটা MICR ই হয়।
৫. রেগুলার সেভিংসের ক্ষেত্রে ব্যালেন্স ১ লক্ষ টাকার বেশি হলে একাউন্ট মেইন্টেন্যান্স চার্জ ২০০ টাকা। আর ১ লক্ষ টাকার কম হলে ১০০ টাকা।
৬. ২৫০ টাকা তবে সেটা স্টুডেন্ট একাউন্টের জন্য।
৭. অবশ্যই Unet এবং Unet Enterprise দুইটাই ব্যবহার করা যায়।
৮. সেটা একাউন্টের টিপি-এর উপর নির্ভর করে। তবে এজেন্ট থেকে ২ বার তুলতে এবং ৪ বার জমা করতে পারবেন এবং ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্টের লিমিট অনুযায়ী যতোবার ইচ্ছা জমা এবং উত্তোলন করতে পারবেন।
৯. অন্য এজেন্ট থেকে টাকা তুলতে এবং জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে লাখে ১১৫ টাকা।
১০. সারা বাংলাদেশের যেকোনো ব্রাঞ্চ থেকে টাকা জমা এবং উত্তোলন সম্পূর্ণ ফ্রী।
ইউসিবি এজেন্ট ব্যাংকিং
১. অ্যাকাউন্ট খুলতে সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা টাকা জমা দিতে হয়।
২. অ্যাকাউন্ট জিরো ব্যালেন্স করা যায়।
৩. ডেবিট কার্ডের ইস্যু ফি এবং বার্ষিক রিনিউয়াল চার্জ কত ৫৭৫ টাকা।
৪. চেক বই নেওয়া যায়।
৫. বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ নেই।
৬. এসএমএস অ্যালার্ট চার্জ নেই।
৭. প্রতিদিন/মাসিক সর্বনিম্ন/সর্বোচ্চ কতবার টাকা জমা এবং উত্তোলন করা যায়?
* উত্তর: প্রতিদিন ৪ লাখ টাকা জমা এবং ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা যায়।
৮. ইন্টারনেট ব্যাংকিং অর্থাৎ UNET ব্যবহার করা যায়।
৯. UCB অন্য এজেন্ট ব্যাংকিং থেকে টাকা জমা এবং উত্তোলনে চার্জ কত?
* উত্তর: এটি নির্ভর করে (Depends)।
১০. মেইন ব্রাঞ্চ থেকে টাকা জমা/উত্তোলনে কোনো চার্জ নেই।
১. অ্যাকাউন্ট খুলতে সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা টাকা জমা দিতে হয়।
২. অ্যাকাউন্ট জিরো ব্যালেন্স করা যায়।
৩. ডেবিট কার্ডের ইস্যু ফি এবং বার্ষিক রিনিউয়াল চার্জ কত ৫৭৫ টাকা।
৪. চেক বই নেওয়া যায়।
৫. বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ নেই।
৬. এসএমএস অ্যালার্ট চার্জ নেই।
৭. প্রতিদিন/মাসিক সর্বনিম্ন/সর্বোচ্চ কতবার টাকা জমা এবং উত্তোলন করা যায়?
* উত্তর: প্রতিদিন ৪ লাখ টাকা জমা এবং ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা যায়।
৮. ইন্টারনেট ব্যাংকিং অর্থাৎ UNET ব্যবহার করা যায়।
৯. UCB অন্য এজেন্ট ব্যাংকিং থেকে টাকা জমা এবং উত্তোলনে চার্জ কত?
* উত্তর: এটি নির্ভর করে (Depends)।
১০. মেইন ব্রাঞ্চ থেকে টাকা জমা/উত্তোলনে কোনো চার্জ নেই।
তাঁর কথাগুলো 'ফাইভ স্টার'।
বাদল সৈয়দ
অপরাহ উইন ফ্রেকে আমরা সবাই চিনি। দুনিয়ার সবচে জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকা। উত্তর আমেরিকার প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান বিলিওয়ানার। কিন্তু সব পরিচয় ছাপিয়ে গিয়ে তাঁকে যে কারণে মানুষ যুগ যুগ মনে রাখবে তাহলো, মানবতা। মিসিসিপিরর অতি দরিদ্র ঘরে জন্ম নেয়া এ ভদ্রমহিলা এখন পৃথিবীর সবচে প্রভাবশালীদের একজন। তিনি একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ' What I know For Sure'.
বইটিতে তিনি বলছেন.....
১। ধন্যবাদ দেয়ার চাইতে বড় প্রার্থনা খুব কম আছে।
২। আমি যে আচরণ করব, আগামীকাল সে আচরণই আমার কাছে ফিরে আসবে।
৩। অন্যরা তোমাকে বলবে বসো, আমি বলব বসো না, দৌড়াও। নাচার আনন্দে দৌড়াও।
৪। বন্ধুর সাথে টেলিফোনে গলা খুলে হো হো হাসতে পারছো -এটাই হচ্ছে 'ফাইভ স্টার' আনন্দ।
৫। সকালে ঠিকঠাক ঘুম থকে উঠছো,হেঁটে বাথরুমে যেতে পারছো, নিজের কাজ নিজে করতে পারছো-এটাও 'ফাইভ স্টার' আনন্দ।
৬। তোমার জীবন শুরু হতে পারে লাফ দিয়ে উঠে সাহসী পদক্ষেপ দিয়ে, এভাবেই পেতে পারে পূর্ণতা। পছন্দটা কিন্তু তোমার। শুরুটা এভাবে করবে কিনা?
৭। প্রতিদিনই নূতন সুযোগের দিন, সম্ভাবনার দিন। তোমার দিনও তাই।
৮। তোমার 'ছায়া' আসলে কত্ত বড় তা তুমিই কেবল দেখতে পারো-আর কেউ নয়।
৯। জীবনের সবচে খারাপ সময় থেকেও হিরন্ময় শিক্ষা নেয়ার সুযোগ আছে।
১০। দুর্ভাগ্য সবার জীবনে অনিবার্য-প্রশ্ন হচ্ছে তুমি কি তা থেকে বেরিয়ে আসবে না তাতেই আটকে থাকবে?
১১। দুনিয়ার সেরা জিনিষ, বাড়ি-গাড়ি থাকা মানে সফল জীবন নয়, ওগুলোর লোভ ছাড়তে পারাই সেরা জীবন।
১২। ভালোবাসা জীবনের অনিবার্য অনুষঙ্গ। আমাদের জন্মই হয়েছে ভালবাসার জন্য।
১৩। কী পেয়েছো তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কী দিয়েছ, তাই গুরুত্বপূর্ণ। কিপ গিভিং।
১৪। আজ অন্যের কথা শুনে পিছিয়ে যাচ্ছো? কয়েক বছর পর মনে হবে, ইশ! ওদের কথা শুনে যদি না পিছাতাম!
১৫। বন্ধু হে আমার, আমি জানি, হেরে যাওয়ার জন্য তুমি জন্ম নাওনি, তুমি জন্মেছো গোলাপের মতো বেড়ে উঠার জন্য।
(পোস্টটি শেয়ার করা যাবে)
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
বাদল সৈয়দ
অপরাহ উইন ফ্রেকে আমরা সবাই চিনি। দুনিয়ার সবচে জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকা। উত্তর আমেরিকার প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান বিলিওয়ানার। কিন্তু সব পরিচয় ছাপিয়ে গিয়ে তাঁকে যে কারণে মানুষ যুগ যুগ মনে রাখবে তাহলো, মানবতা। মিসিসিপিরর অতি দরিদ্র ঘরে জন্ম নেয়া এ ভদ্রমহিলা এখন পৃথিবীর সবচে প্রভাবশালীদের একজন। তিনি একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ' What I know For Sure'.
বইটিতে তিনি বলছেন.....
১। ধন্যবাদ দেয়ার চাইতে বড় প্রার্থনা খুব কম আছে।
২। আমি যে আচরণ করব, আগামীকাল সে আচরণই আমার কাছে ফিরে আসবে।
৩। অন্যরা তোমাকে বলবে বসো, আমি বলব বসো না, দৌড়াও। নাচার আনন্দে দৌড়াও।
৪। বন্ধুর সাথে টেলিফোনে গলা খুলে হো হো হাসতে পারছো -এটাই হচ্ছে 'ফাইভ স্টার' আনন্দ।
৫। সকালে ঠিকঠাক ঘুম থকে উঠছো,হেঁটে বাথরুমে যেতে পারছো, নিজের কাজ নিজে করতে পারছো-এটাও 'ফাইভ স্টার' আনন্দ।
৬। তোমার জীবন শুরু হতে পারে লাফ দিয়ে উঠে সাহসী পদক্ষেপ দিয়ে, এভাবেই পেতে পারে পূর্ণতা। পছন্দটা কিন্তু তোমার। শুরুটা এভাবে করবে কিনা?
৭। প্রতিদিনই নূতন সুযোগের দিন, সম্ভাবনার দিন। তোমার দিনও তাই।
৮। তোমার 'ছায়া' আসলে কত্ত বড় তা তুমিই কেবল দেখতে পারো-আর কেউ নয়।
৯। জীবনের সবচে খারাপ সময় থেকেও হিরন্ময় শিক্ষা নেয়ার সুযোগ আছে।
১০। দুর্ভাগ্য সবার জীবনে অনিবার্য-প্রশ্ন হচ্ছে তুমি কি তা থেকে বেরিয়ে আসবে না তাতেই আটকে থাকবে?
১১। দুনিয়ার সেরা জিনিষ, বাড়ি-গাড়ি থাকা মানে সফল জীবন নয়, ওগুলোর লোভ ছাড়তে পারাই সেরা জীবন।
১২। ভালোবাসা জীবনের অনিবার্য অনুষঙ্গ। আমাদের জন্মই হয়েছে ভালবাসার জন্য।
১৩। কী পেয়েছো তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কী দিয়েছ, তাই গুরুত্বপূর্ণ। কিপ গিভিং।
১৪। আজ অন্যের কথা শুনে পিছিয়ে যাচ্ছো? কয়েক বছর পর মনে হবে, ইশ! ওদের কথা শুনে যদি না পিছাতাম!
১৫। বন্ধু হে আমার, আমি জানি, হেরে যাওয়ার জন্য তুমি জন্ম নাওনি, তুমি জন্মেছো গোলাপের মতো বেড়ে উঠার জন্য।
(পোস্টটি শেয়ার করা যাবে)
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
"হাসবিয়াল্লাহ। লা ইলাহা ইল্লা হু।
আলাইহি তাওয়াক্কালতু। ওয়া হুয়া রাব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।"
এই দোয়াটি শুনেছেন কখনো?
শুধু আরবির উচ্চারণ না—এতে রয়েছে এমন এক ভরসার শক্তি, যা দুনিয়ার যেকোনো 'আগুন'কে ঠাণ্ডা করে দিতে পারে। আগুন বলতে কেবল আগুন নয়—আপনার অর্থনৈতিক সংকট, সংসারের সমস্যা, ডিপ্রেশন, মানসিক চাপ… সব কিছু।
★আপনি হয়তো এখন এক কঠিন সময়ে আছেন
🔸 টাকা-পয়সার সংকট
🔸 সংসারে শান্তির অভাব
🔸 কাউকে হারানোর কষ্ট
🔸 ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা
🔸 অন্তর ভেঙে পড়া কোনো পরিস্থিতি
এসব কষ্টের মধ্যে আপনি ভাবছেন—"এখন কী করবো?"
উত্তর: আপনার হৃদয়ে এই বিশ্বাস বসিয়ে দিন—
"আমার একমাত্র ভরসা আল্লাহ।
উনিই আমাকে উদ্ধার করবেন।
উনিই আমার জন্য যথেষ্ট।"
★ যখন এই দোয়া হৃদয় থেকে বলা হবে…
তখন আপনি দেখবেন,
আপনার চিন্তা একটু একটু করে কমে যাচ্ছে,
হৃদয় হালকা লাগছে,
একটা অদৃশ্য শক্তি ভিতরে কাজ করছে।
কারণ এই দোয়া শুধু মুখের কথা নয়,
এটা এক মুমিনের 'সাবমিশন'—
যে আল্লাহর কাছে নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দেয়।
★আগুনের মধ্যেও শান্তি!
এই দোয়াটি এসেছে নবী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম-এর জীবনের এক জ্বলন্ত ঘটনার পটভূমিতে।
যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি এই দোয়া করেছিলেন।
আর আল্লাহ কি করলেন?
🔥 "হে আগুন! তুমি ইব্রাহিমের জন্য ঠাণ্ডা ও নিরাপদ হয়ে যাও!"
— কুরআন, সূরা আম্বিয়া: ৬৯
এই দোয়া কেবল ঐতিহাসিক ঘটনা নয়,
এটা আপনার জীবনের জন্য এখনো জীবন্ত বাস্তবতা।
★আজকে থেকেই এই দোয়াকে নিজের করে নিন
দুপুরে, রাতে, ঘুমের আগে, রাগের সময়, হতাশার মুহূর্তে—
নিজের মুখে বলুন…
“হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।”
এবং বিশ্বাস করুন—
যার ভরসা আল্লাহ, তার জন্য দুনিয়া কখনোই সংকুচিত হতে পারে না।
📘 আপনার জন্য একটি উপহার!
আমরা একটি বিশেষ দোয়ার বই তৈরি করেছি, যেখানে রয়েছে:
✅ কঠিন সময়ে সাহস জোগানো ৩০টি কুরআনিক দোয়া
✅ নির্ভরযোগ্য হাদীস ও উলামায়ে কিরামের থেকে সংগ্রহ
✅ প্রতিদিনের মানসিক প্রশান্তির আমল
📖 বই: কুরআনের ৩০ টি বরকতময় দোয়া
💳 PDF কপি – মাত্র ৬০ টাকা
📦 প্রিন্ট কপি – মাত্র ১২০ টাকা
🟢 পেতে ইনবক্স করুন বা WhatsApp করুন: 01984563362
🆓 ফ্রি PDF: জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি কুরআনিক দোয়া
📖 সহজ অনুবাদ + কখন, কোথায়, কতবার পড়বেন—সব কিছু একসাথে, একটিমাত্র ফাইলেই।
📲 পেতে WhatsApp-এ লিখুন: "দোয়ার পিডিএফ চাই"
📞 নম্বর: 01984563362
📤 এই পোস্টটি যদি আপনি শেয়ার করেন, তাহলে স্ক্রিনশট পাঠিয়ে আমাদের WhatsApp-এ ইনবক্স করুন—
আমরা আপনাকে একটি অতিরিক্ত স্পেশাল দোয়ার গিফট PDF উপহার দেব ইনশাআল্লাহ!
🔁 এখনই শেয়ার করুন, হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারো জীবন বদলে দিতে পারে।
جزاك الله خير। ❤️
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
আলাইহি তাওয়াক্কালতু। ওয়া হুয়া রাব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম। হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।"
এই দোয়াটি শুনেছেন কখনো?
শুধু আরবির উচ্চারণ না—এতে রয়েছে এমন এক ভরসার শক্তি, যা দুনিয়ার যেকোনো 'আগুন'কে ঠাণ্ডা করে দিতে পারে। আগুন বলতে কেবল আগুন নয়—আপনার অর্থনৈতিক সংকট, সংসারের সমস্যা, ডিপ্রেশন, মানসিক চাপ… সব কিছু।
★আপনি হয়তো এখন এক কঠিন সময়ে আছেন
🔸 টাকা-পয়সার সংকট
🔸 সংসারে শান্তির অভাব
🔸 কাউকে হারানোর কষ্ট
🔸 ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা
🔸 অন্তর ভেঙে পড়া কোনো পরিস্থিতি
এসব কষ্টের মধ্যে আপনি ভাবছেন—"এখন কী করবো?"
উত্তর: আপনার হৃদয়ে এই বিশ্বাস বসিয়ে দিন—
"আমার একমাত্র ভরসা আল্লাহ।
উনিই আমাকে উদ্ধার করবেন।
উনিই আমার জন্য যথেষ্ট।"
★ যখন এই দোয়া হৃদয় থেকে বলা হবে…
তখন আপনি দেখবেন,
আপনার চিন্তা একটু একটু করে কমে যাচ্ছে,
হৃদয় হালকা লাগছে,
একটা অদৃশ্য শক্তি ভিতরে কাজ করছে।
কারণ এই দোয়া শুধু মুখের কথা নয়,
এটা এক মুমিনের 'সাবমিশন'—
যে আল্লাহর কাছে নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দেয়।
★আগুনের মধ্যেও শান্তি!
এই দোয়াটি এসেছে নবী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম-এর জীবনের এক জ্বলন্ত ঘটনার পটভূমিতে।
যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি এই দোয়া করেছিলেন।
আর আল্লাহ কি করলেন?
🔥 "হে আগুন! তুমি ইব্রাহিমের জন্য ঠাণ্ডা ও নিরাপদ হয়ে যাও!"
— কুরআন, সূরা আম্বিয়া: ৬৯
এই দোয়া কেবল ঐতিহাসিক ঘটনা নয়,
এটা আপনার জীবনের জন্য এখনো জীবন্ত বাস্তবতা।
★আজকে থেকেই এই দোয়াকে নিজের করে নিন
দুপুরে, রাতে, ঘুমের আগে, রাগের সময়, হতাশার মুহূর্তে—
নিজের মুখে বলুন…
“হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।”
এবং বিশ্বাস করুন—
যার ভরসা আল্লাহ, তার জন্য দুনিয়া কখনোই সংকুচিত হতে পারে না।
📘 আপনার জন্য একটি উপহার!
আমরা একটি বিশেষ দোয়ার বই তৈরি করেছি, যেখানে রয়েছে:
✅ কঠিন সময়ে সাহস জোগানো ৩০টি কুরআনিক দোয়া
✅ নির্ভরযোগ্য হাদীস ও উলামায়ে কিরামের থেকে সংগ্রহ
✅ প্রতিদিনের মানসিক প্রশান্তির আমল
📖 বই: কুরআনের ৩০ টি বরকতময় দোয়া
💳 PDF কপি – মাত্র ৬০ টাকা
📦 প্রিন্ট কপি – মাত্র ১২০ টাকা
🟢 পেতে ইনবক্স করুন বা WhatsApp করুন: 01984563362
🆓 ফ্রি PDF: জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি কুরআনিক দোয়া
📖 সহজ অনুবাদ + কখন, কোথায়, কতবার পড়বেন—সব কিছু একসাথে, একটিমাত্র ফাইলেই।
📲 পেতে WhatsApp-এ লিখুন: "দোয়ার পিডিএফ চাই"
📞 নম্বর: 01984563362
📤 এই পোস্টটি যদি আপনি শেয়ার করেন, তাহলে স্ক্রিনশট পাঠিয়ে আমাদের WhatsApp-এ ইনবক্স করুন—
আমরা আপনাকে একটি অতিরিক্ত স্পেশাল দোয়ার গিফট PDF উপহার দেব ইনশাআল্লাহ!
🔁 এখনই শেয়ার করুন, হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারো জীবন বদলে দিতে পারে।
جزاك الله خير। ❤️
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
আজকের জীবনে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা অনেকেরই সঙ্গী।
কাজ, সংসার, সম্পর্ক—সব মিলিয়ে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়, তখন কী করবেন জানেন?
রাসূল ﷺ আমাদের শেখিয়েছেন এক বিশেষ দোয়া, যা পড়ে আপনার অন্তর শান্তি পেতে পারে।
★ রাসূল ﷺ এর শেখানো দোয়া
اللّهُمَّ إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والبخل والجبن، وضلع الدين وغلبة الرجال
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজন, ওয়াল আজ্জি ওয়াল কাসল, ওয়াল বুখ্লি ওয়াল জুবন, ওয়াদ্-দৈনী ওয়াগলাবাতির রিজাল
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও বিষণ্ণতা থেকে,
অলসতা ও অসামর্থ্য থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে,
ঋণগ্রস্ততা ও মানুষদের দখলদারিত্ব থেকে।
🌟 কিভাবে পড়বেন?
🔹 প্রতিদিন ফজরের নামাজের পরে বা যেকোনো সময় অন্তত ৩ বার করে পড়ুন।
🔹 যখন মন ভারাক্রান্ত হয় বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন, তখন দ্রুত পড়ুন।
🔹 দোয়া করার সময় ধীরে ধীরে অর্থ বুঝে মনে মনে বলুন।
💡 দোয়ার সাথে যে কাজগুলো করুন:
✅ নিয়মিত নামাজ আদায় নিশ্চিত করুন
✅ সৃষ্টিকর্তার কাছে মন খুলে কথা বলুন
✅ মন ভালো রাখার জন্য কিছু সময় নাজুম ও বিশ্রাম নিন
✅ অতীত ভুল ভুলে সামনের দিকে ধাবিত হন
📘 আরও ৩০+ বরকত ও সান্ত্বনার দোয়া জানতে চান?
“কুরআনের বরকতময় ৩০ টি দোয়া” বইটিতে পাবেন:
✔️ মানসিক চাপ কমানোর দোয়া
✔️ রুজি, সংসার ও জীবনের নানা সমস্যার জন্য দোয়া
✔️ বিশদ নির্দেশনা ও সময়মতো করণীয়
📥 বইয়ের দুই সংস্করণ:
🔹 PDF ই-বুক – ৪৫ টাকা
✔️ সাথে সাথেই মোবাইলে পাবেন
✔️ যেকোনো সময় পড়া যাবে
🔹 প্রিন্ট কপি – ১২০ টাকা
✔️ হাতে নিয়ে পড়ার সুবিধা
✔️ নিয়মিত পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
📞 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন বা WhatsApp করুন: 01984563362
🎯 শেষ কথা:
মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা আসবেই, কিন্তু আল্লাহর কাছে আশ্রয় নেওয়া সান্ত্বনার পথ।
এই দোয়াটি নিয়মিত পড়ুন—দেখবেন, মানসিক চাপ কমে, মন খুশি হয় ইনশাআল্লাহ।
🔁 এরকম আরও দোয়া ও আমল পেতে চান?
→ ইনবক্সে লিখুন ‘দোয়া চাই’ ✅
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
কাজ, সংসার, সম্পর্ক—সব মিলিয়ে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়, তখন কী করবেন জানেন?
রাসূল ﷺ আমাদের শেখিয়েছেন এক বিশেষ দোয়া, যা পড়ে আপনার অন্তর শান্তি পেতে পারে।
★ রাসূল ﷺ এর শেখানো দোয়া
اللّهُمَّ إني أعوذ بك من الهم والحزن، والعجز والكسل، والبخل والجبن، وضلع الدين وغلبة الرجال
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজন, ওয়াল আজ্জি ওয়াল কাসল, ওয়াল বুখ্লি ওয়াল জুবন, ওয়াদ্-দৈনী ওয়াগলাবাতির রিজাল
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও বিষণ্ণতা থেকে,
অলসতা ও অসামর্থ্য থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে,
ঋণগ্রস্ততা ও মানুষদের দখলদারিত্ব থেকে।
🌟 কিভাবে পড়বেন?
🔹 প্রতিদিন ফজরের নামাজের পরে বা যেকোনো সময় অন্তত ৩ বার করে পড়ুন।
🔹 যখন মন ভারাক্রান্ত হয় বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন, তখন দ্রুত পড়ুন।
🔹 দোয়া করার সময় ধীরে ধীরে অর্থ বুঝে মনে মনে বলুন।
💡 দোয়ার সাথে যে কাজগুলো করুন:
✅ নিয়মিত নামাজ আদায় নিশ্চিত করুন
✅ সৃষ্টিকর্তার কাছে মন খুলে কথা বলুন
✅ মন ভালো রাখার জন্য কিছু সময় নাজুম ও বিশ্রাম নিন
✅ অতীত ভুল ভুলে সামনের দিকে ধাবিত হন
📘 আরও ৩০+ বরকত ও সান্ত্বনার দোয়া জানতে চান?
“কুরআনের বরকতময় ৩০ টি দোয়া” বইটিতে পাবেন:
✔️ মানসিক চাপ কমানোর দোয়া
✔️ রুজি, সংসার ও জীবনের নানা সমস্যার জন্য দোয়া
✔️ বিশদ নির্দেশনা ও সময়মতো করণীয়
📥 বইয়ের দুই সংস্করণ:
🔹 PDF ই-বুক – ৪৫ টাকা
✔️ সাথে সাথেই মোবাইলে পাবেন
✔️ যেকোনো সময় পড়া যাবে
🔹 প্রিন্ট কপি – ১২০ টাকা
✔️ হাতে নিয়ে পড়ার সুবিধা
✔️ নিয়মিত পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে
📞 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন বা WhatsApp করুন: 01984563362
🎯 শেষ কথা:
মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা আসবেই, কিন্তু আল্লাহর কাছে আশ্রয় নেওয়া সান্ত্বনার পথ।
এই দোয়াটি নিয়মিত পড়ুন—দেখবেন, মানসিক চাপ কমে, মন খুশি হয় ইনশাআল্লাহ।
🔁 এরকম আরও দোয়া ও আমল পেতে চান?
→ ইনবক্সে লিখুন ‘দোয়া চাই’ ✅
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
আমি সব প্রাণীর মৃত্যুতেই শোক অনুভব করি। কিন্তু কিছু মানুষের মতো দেখতে প্রাণীর মৃত্যুতে শোক নয়, বরং মনে হয় যেন উল্লাস করা উচিত। তারা অত্যাচারী, চাঁদাবাজ, ধর্ষক বা নিরীহের উপর নিপীড়ন চালায়। মতের বিরুদ্ধে কথা বললেই যাদের চোখে মানুষ জঙ্গি বা রাজাকার হয়ে যায়—তাদের মৃত্যুই যেন এক ধরনের পরিশুদ্ধি।
এই ধরনের মানুষের মৃত্যুতে শোক নয়, বরং এমন একটা বার্তা দেওয়া উচিত—যাতে অন্তত একজন অন্যায়ের সাহস না পায়। একজনের মৃত্যুই যদি আরও অনেক নিরীহ মানুষ বা প্রাণীর মুক্তির কারণ হয়, তবে তাতে মানবতাই জয়ী হয়।
এই ধরনের মানুষের মৃত্যুতে শোক নয়, বরং এমন একটা বার্তা দেওয়া উচিত—যাতে অন্তত একজন অন্যায়ের সাহস না পায়। একজনের মৃত্যুই যদি আরও অনেক নিরীহ মানুষ বা প্রাণীর মুক্তির কারণ হয়, তবে তাতে মানবতাই জয়ী হয়।
আসসালামু আলাইকুম।
আমার কিছু প্রশ্ন ছিল আশা করছি বিস্তারিত তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন।
১) SSC পাশের পরে IHT তে ভর্তির প্রক্রিয়া আসলে কিভাবে হয়???
২) ভর্তি পরীক্ষা হয়?
৩) কি কি কোর্স আছে এখান আর সবচেয়ে ভালো কোনটা?
৩) MATS নিয়েও জানতে চাই।
৪) ভর্তি কবে নাগাদ শুরু হতে পারে?
৫) কোন প্রকাশনীর বই পড়তে হবে?
৬) IHT MATS এর মাঝে কোন কোর্সটা করলে ভালো হবে( * Diploma in Medical (MATS)
* Diploma in Laboratory
* Diploma in Radiology & Imaging
* Diploma in Dental
* Diploma in Pharmacy
* Diploma in Physiotherapy)
১: অনলাইনে আবেদন করতে হয় । SSC এর পর ৫ বছরের মধ্যে ভর্তি হতে পারবেন
২: হ্যাঁ ভর্তি পরীক্ষা হয়
৩: কোর্স সম্পর্কে জানতে অনলাইনে খুঁজে দেখুন বা ইনবক্স করতে পারেন
৪: ভর্তির জন্য আবেদন করার নোটিশ দিবে
৫: আপনার SSC সিলেবাস ভালো মত পড়লেই হয়
৬: IHT / MATS দুটোর ই অবস্থা খুব একটা ভালো না । অনলাইনে কয়েকটা ভিডিও দেখে নিয়েন
৭: আপনার কোনটা পছন্দ এবং সুবিধা সেটা আপনাকে নির্বাচন করতে হবে
।
আমি : সফিকুর রহমান
Sylhet IHT
Pharmacy department
আমার কিছু প্রশ্ন ছিল আশা করছি বিস্তারিত তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন।
১) SSC পাশের পরে IHT তে ভর্তির প্রক্রিয়া আসলে কিভাবে হয়???
২) ভর্তি পরীক্ষা হয়?
৩) কি কি কোর্স আছে এখান আর সবচেয়ে ভালো কোনটা?
৩) MATS নিয়েও জানতে চাই।
৪) ভর্তি কবে নাগাদ শুরু হতে পারে?
৫) কোন প্রকাশনীর বই পড়তে হবে?
৬) IHT MATS এর মাঝে কোন কোর্সটা করলে ভালো হবে( * Diploma in Medical (MATS)
* Diploma in Laboratory
* Diploma in Radiology & Imaging
* Diploma in Dental
* Diploma in Pharmacy
* Diploma in Physiotherapy)
১: অনলাইনে আবেদন করতে হয় । SSC এর পর ৫ বছরের মধ্যে ভর্তি হতে পারবেন
২: হ্যাঁ ভর্তি পরীক্ষা হয়
৩: কোর্স সম্পর্কে জানতে অনলাইনে খুঁজে দেখুন বা ইনবক্স করতে পারেন
৪: ভর্তির জন্য আবেদন করার নোটিশ দিবে
৫: আপনার SSC সিলেবাস ভালো মত পড়লেই হয়
৬: IHT / MATS দুটোর ই অবস্থা খুব একটা ভালো না । অনলাইনে কয়েকটা ভিডিও দেখে নিয়েন
৭: আপনার কোনটা পছন্দ এবং সুবিধা সেটা আপনাকে নির্বাচন করতে হবে
।
আমি : সফিকুর রহমান
Sylhet IHT
Pharmacy department
🎓 BA (Bachelor of Arts)
✅ সহজে পাশ করা যায়
✅ মুখস্থনির্ভর বিষয় বেশি
✅ অংক/গাণিতিক কিছু নেই
❌ চাকরি বা উচ্চশিক্ষায় সুযোগ তুলনামূলক কম
🧠 BSS (Bachelor of Social Science)
❌ তুলনামূলক কঠিন
⚠️ কিছু বিষয়ে বিশ্লেষণ ও অংক আছে
✅ চাকরি (যেমন BCS, NGO, ব্যাংক) বা উচ্চশিক্ষায় ভালো সুযোগ
✅ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবহার বেশি
🔍 আপনার জন্য কোনটা ভালো?
➡️ শুধু পাশ করতে চাইলে – BA বেছে নিন
➡️ ভবিষ্যতে ভালো। ক্যারিয়ার চাইলে – BSS বেছে নিন।
✅ সহজে পাশ করা যায়
✅ মুখস্থনির্ভর বিষয় বেশি
✅ অংক/গাণিতিক কিছু নেই
❌ চাকরি বা উচ্চশিক্ষায় সুযোগ তুলনামূলক কম
🧠 BSS (Bachelor of Social Science)
❌ তুলনামূলক কঠিন
⚠️ কিছু বিষয়ে বিশ্লেষণ ও অংক আছে
✅ চাকরি (যেমন BCS, NGO, ব্যাংক) বা উচ্চশিক্ষায় ভালো সুযোগ
✅ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবহার বেশি
🔍 আপনার জন্য কোনটা ভালো?
➡️ শুধু পাশ করতে চাইলে – BA বেছে নিন
➡️ ভবিষ্যতে ভালো। ক্যারিয়ার চাইলে – BSS বেছে নিন।
অনেকেই ভাবেন—বরকত মানে শুধু টাকা-পয়সা বাড়া।
কিন্তু বরকত মানে সময়েও শান্তি, ঘরেও সুখ, কাজেও ফায়দা—অর্থাৎ কম দিয়ে অনেক কিছু পাওয়া।
কিন্তু আমরা অনেক সময় ছোট অথচ কার্যকর দোয়াগুলো জানিই না, যেগুলো বরকতের আসল চাবিকাঠি।
১. সকালে এই দোয়াটি শুরু করলেই দিনটা বরকতময় হয়
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ‘ইলমন নাফি’আ, ওয়া রিজকান তইয়্যিবা, ওয়া আমালান মুতাকাব্বালা
📖 (ইবনে মাজাহ)
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে চাই উপকারী জ্ঞান, হালাল রিজিক এবং কবুলকৃত আমল।
📌 ফজরের পর ১ বার পড়া যথেষ্ট।
💼 ২. ব্যবসা ও আয়-রোজগারে বরকতের দোয়া
اللَّهُمَّ بَارِكْ لِي فِي رِزْقِي
আল্লাহুম্মা বারিক লি ফি রিযকি
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার রিজিকে বরকত দান করুন।
📌 দোকান বা অফিস খোলার সময় ৭ বার করে পড়লে খুব উপকারী।
🏠 ৩. ঘরের জন্য দোয়া (ঝগড়া, দুশ্চিন্তা ও অশান্তি কমাতে)
اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا بَيْتًا مُبَارَكًا
আল্লাহুম্মাজ‘আল হাযা বাইতান মুবারাকা
অর্থ: হে আল্লাহ! এই ঘরটিকে বরকতময় করে দিন।
📌 প্রতিদিন সকালে ঘরের প্রতিটি কক্ষে ফুঁ দিন এই দোয়া পড়ে।
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক, ব্যবসায়িক পার্টনার ও টিমের সাথে বরকতের দোয়া
اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَ
আল্লাহুম্মা আল্লিফ বাইনাকুলুবিনা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহকে এক করে দিন।
📌 দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য বা সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয় থাকলে পড়ুন।
৫. রাতের শেষে সিজদায় বরকতের বিশেষ দোয়া
وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ
ওয়া বারিক লি ফিমা আ’তায়তা
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি যা দিয়েছেন, তাতে বরকত দান
করুন।
📌 তাহাজ্জুদের সিজদায় বা শেষ রাতে ৩ বার করে বলুন।
🧭 করণীয় রুটিন (খুব সহজভাবে):
✔️ ফজরের পর → দোয়া ১
✔️ অফিস/দোকান খোলার সময় → দোয়া ২
✔️ সকালে ঘর পরিষ্কারের সময় → দোয়া ৩
✔️ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে → দোয়া ৪
✔️ রাতে ঘুমের আগে বা তাহাজ্জুদের পর → দোয়া ৫
📘 আপনি যদি আরও ৩০টি বরকতের দোয়া ও ওয়াজিফা জানতে চান…
“রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
এই বইটিতে আপনি পাবেন:
✔️ রুজি, ব্যবসা, দেনা, সংসার ও শান্তির জন্য আয়াত, দোয়া ও আমল
✔️ কোন দোয়া কখন পড়বেন, কয়বার পড়বেন—সব কিছু বিস্তারিত
✔️ নির্ভরযোগ্য উলামাদের উৎস থেকে সংগৃহীত
📥 বইয়ের দুই সংস্করণ:
🔹 PDF ই-বুক – ৬০ টাকা
সুবিধা:
✔️ সাথে সাথে মোবাইলে পাবেন
✔️ যেকোনো সময় পড়তে পারবেন
✔️ খরচ কম, উপকার বেশি
🔹 প্রিন্ট কপি – ১৮০ টাকা + ডেলিভারি ৫০ টাকা
সুবিধা:
✔️ হাতে নিয়ে পড়ার শান্তি
✔️ নিয়ম করে পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে
✔️ গিফটযোগ্য ও মানসম্মত প্রিন্ট
📞 অর্ডার করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🎯 শেষ কথা:
বরকত আল্লাহর হাতে—কিন্তু আল্লাহ বরকত দেন তাদের, যারা চায়, খোঁজে ও চেষ্টা করে।
এই ৫টি দোয়া প্রতিদিন পড়া শুরু করুন ইনশাআল্লাহ—
দেখবেন, ঘরেও, কাজে ও অন্তরেও নেমে আসছে প্রশান্তির আলো।
🔁 এরকম আরও বরকতের দোয়া ও আমল পেতে চান?
→ ইনবক্সে লিখুন ‘দোয়া চাই’ ✅
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
কিন্তু বরকত মানে সময়েও শান্তি, ঘরেও সুখ, কাজেও ফায়দা—অর্থাৎ কম দিয়ে অনেক কিছু পাওয়া।
কিন্তু আমরা অনেক সময় ছোট অথচ কার্যকর দোয়াগুলো জানিই না, যেগুলো বরকতের আসল চাবিকাঠি।
১. সকালে এই দোয়াটি শুরু করলেই দিনটা বরকতময় হয়
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ‘ইলমন নাফি’আ, ওয়া রিজকান তইয়্যিবা, ওয়া আমালান মুতাকাব্বালা
📖 (ইবনে মাজাহ)
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে চাই উপকারী জ্ঞান, হালাল রিজিক এবং কবুলকৃত আমল।
📌 ফজরের পর ১ বার পড়া যথেষ্ট।
💼 ২. ব্যবসা ও আয়-রোজগারে বরকতের দোয়া
اللَّهُمَّ بَارِكْ لِي فِي رِزْقِي
আল্লাহুম্মা বারিক লি ফি রিযকি
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার রিজিকে বরকত দান করুন।
📌 দোকান বা অফিস খোলার সময় ৭ বার করে পড়লে খুব উপকারী।
🏠 ৩. ঘরের জন্য দোয়া (ঝগড়া, দুশ্চিন্তা ও অশান্তি কমাতে)
اللَّهُمَّ اجْعَلْ هَذَا بَيْتًا مُبَارَكًا
আল্লাহুম্মাজ‘আল হাযা বাইতান মুবারাকা
অর্থ: হে আল্লাহ! এই ঘরটিকে বরকতময় করে দিন।
📌 প্রতিদিন সকালে ঘরের প্রতিটি কক্ষে ফুঁ দিন এই দোয়া পড়ে।
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক, ব্যবসায়িক পার্টনার ও টিমের সাথে বরকতের দোয়া
اللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَ
আল্লাহুম্মা আল্লিফ বাইনাকুলুবিনা
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহকে এক করে দিন।
📌 দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য বা সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ভয় থাকলে পড়ুন।
৫. রাতের শেষে সিজদায় বরকতের বিশেষ দোয়া
وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ
ওয়া বারিক লি ফিমা আ’তায়তা
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি যা দিয়েছেন, তাতে বরকত দান
করুন।
📌 তাহাজ্জুদের সিজদায় বা শেষ রাতে ৩ বার করে বলুন।
🧭 করণীয় রুটিন (খুব সহজভাবে):
✔️ ফজরের পর → দোয়া ১
✔️ অফিস/দোকান খোলার সময় → দোয়া ২
✔️ সকালে ঘর পরিষ্কারের সময় → দোয়া ৩
✔️ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে → দোয়া ৪
✔️ রাতে ঘুমের আগে বা তাহাজ্জুদের পর → দোয়া ৫
📘 আপনি যদি আরও ৩০টি বরকতের দোয়া ও ওয়াজিফা জানতে চান…
“রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
এই বইটিতে আপনি পাবেন:
✔️ রুজি, ব্যবসা, দেনা, সংসার ও শান্তির জন্য আয়াত, দোয়া ও আমল
✔️ কোন দোয়া কখন পড়বেন, কয়বার পড়বেন—সব কিছু বিস্তারিত
✔️ নির্ভরযোগ্য উলামাদের উৎস থেকে সংগৃহীত
📥 বইয়ের দুই সংস্করণ:
🔹 PDF ই-বুক – ৬০ টাকা
সুবিধা:
✔️ সাথে সাথে মোবাইলে পাবেন
✔️ যেকোনো সময় পড়তে পারবেন
✔️ খরচ কম, উপকার বেশি
🔹 প্রিন্ট কপি – ১৮০ টাকা + ডেলিভারি ৫০ টাকা
সুবিধা:
✔️ হাতে নিয়ে পড়ার শান্তি
✔️ নিয়ম করে পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে
✔️ গিফটযোগ্য ও মানসম্মত প্রিন্ট
📞 অর্ডার করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🎯 শেষ কথা:
বরকত আল্লাহর হাতে—কিন্তু আল্লাহ বরকত দেন তাদের, যারা চায়, খোঁজে ও চেষ্টা করে।
এই ৫টি দোয়া প্রতিদিন পড়া শুরু করুন ইনশাআল্লাহ—
দেখবেন, ঘরেও, কাজে ও অন্তরেও নেমে আসছে প্রশান্তির আলো।
🔁 এরকম আরও বরকতের দোয়া ও আমল পেতে চান?
→ ইনবক্সে লিখুন ‘দোয়া চাই’ ✅
#Ekramcreation
#islamictips
#dawah
#islamic
#islamicreminders
🧠 ১. *Psychologist (সাইকোলজিস্ট)*
- *কাজ:* মানুষের আচরণ, চিন্তা ও আবেগ নিয়ে কাজ করেন।
- *চিকিৎসা:* কাউন্সেলিং ও থেরাপির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করেন।
- *যখন দেখা উচিত:* হতাশা, স্ট্রেস, উদ্বেগ, সম্পর্ক সমস্যা ইত্যাদিতে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* না।
---
🧠 ২. *Clinical Psychologist (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট)*
- *কাজ:* জটিল মানসিক অসুস্থতা যেমন স্কিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিসঅর্ডার ইত্যাদির থেরাপিউটিক চিকিৎসা দেন।
- *চিকিৎসা:* সাইকোলজিক্যাল টেস্টিং + থেরাপি
- *যখন দেখা উচিত:* গুরুতর মানসিক রোগে, ওষুধ ছাড়া থেরাপিতে আগ্রহী হলে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* না।
---
💊 ৩. *Psychiatrist (সাইকিয়াট্রিস্ট)*
- *কাজ:* মেডিক্যাল ডাক্তার যিনি মানসিক রোগের জন্য ওষুধ দেন।
- *চিকিৎসা:* মানসিক রোগের ঔষধ, থেরাপি প্রয়োজনে দেন।
- *যখন দেখা উচিত:* গুরুতর মানসিক সমস্যা, ঘুমের সমস্যা, হ্যালুসিনেশন, সুইসাইডাল চিন্তা ইত্যাদিতে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* হ্যাঁ, শুধুমাত্র তিনিই পারেন।
---
🗣️ ৪. *Psychotherapist (সাইকোথেরাপিস্ট)*
- *কাজ:* কথা বলার মাধ্যমে থেরাপি দেন (যেমন CBT, DBT)।
- *চিকিৎসা:* চিন্তা-আচরণ পরিবর্তনে সাহায্য করে
- *যখন দেখা উচিত:* দীর্ঘস্থায়ী আবেগীয় সমস্যা, অবসাদ, trauma ইত্যাদিতে।
- *কাজ:* মানুষের আচরণ, চিন্তা ও আবেগ নিয়ে কাজ করেন।
- *চিকিৎসা:* কাউন্সেলিং ও থেরাপির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করেন।
- *যখন দেখা উচিত:* হতাশা, স্ট্রেস, উদ্বেগ, সম্পর্ক সমস্যা ইত্যাদিতে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* না।
---
🧠 ২. *Clinical Psychologist (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট)*
- *কাজ:* জটিল মানসিক অসুস্থতা যেমন স্কিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিসঅর্ডার ইত্যাদির থেরাপিউটিক চিকিৎসা দেন।
- *চিকিৎসা:* সাইকোলজিক্যাল টেস্টিং + থেরাপি
- *যখন দেখা উচিত:* গুরুতর মানসিক রোগে, ওষুধ ছাড়া থেরাপিতে আগ্রহী হলে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* না।
---
💊 ৩. *Psychiatrist (সাইকিয়াট্রিস্ট)*
- *কাজ:* মেডিক্যাল ডাক্তার যিনি মানসিক রোগের জন্য ওষুধ দেন।
- *চিকিৎসা:* মানসিক রোগের ঔষধ, থেরাপি প্রয়োজনে দেন।
- *যখন দেখা উচিত:* গুরুতর মানসিক সমস্যা, ঘুমের সমস্যা, হ্যালুসিনেশন, সুইসাইডাল চিন্তা ইত্যাদিতে।
- *ঔষধ দিতে পারেন?* হ্যাঁ, শুধুমাত্র তিনিই পারেন।
---
🗣️ ৪. *Psychotherapist (সাইকোথেরাপিস্ট)*
- *কাজ:* কথা বলার মাধ্যমে থেরাপি দেন (যেমন CBT, DBT)।
- *চিকিৎসা:* চিন্তা-আচরণ পরিবর্তনে সাহায্য করে
- *যখন দেখা উচিত:* দীর্ঘস্থায়ী আবেগীয় সমস্যা, অবসাদ, trauma ইত্যাদিতে।
“চাকরির জন্য দুশ্চিন্তায় আছেন? সূরা ত্বাহার এই আয়াতটি ১১ বার পড়লে দেখবেন বদলে যায় বাস্তবতা”
চাকরি হচ্ছে জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, আবেদন করেও ডাক না আসা, চাকরিতে স্থির হতে না পারা—এসব আমাদের অনেককেই হতাশ করে ফেলে।
তবে একজন মুমিনের জন্য সব দরজা বন্ধ হলেও আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।
আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে, সঠিক সময়ে সঠিক দোয়া করলে, কখন কীভাবে রিজিকের দরজা খুলে যায়—আপনি ভাবতেও পারবেন না।
আজ শিখুন একটি ছোট অথচ প্রভাবশালী আয়াত—নবী মূসা আলাইহিস সালাম যে আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও প্রশস্ততা চেয়েছিলেন।
📖 কুরআনিক আয়াত:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
উচ্চারণ: রব্বিশরাহলি সাদরি
অর্থ: “হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করুন।”
📘 সূরা ত্বাহা – আয়াত ২৫
কেন পড়বেন এই আয়াত?
✔️ এটি আত্মবিশ্বাস ও মন প্রশান্তির জন্য বিশেষ উপকারী
✔️ চাকরি, ইন্টারভিউ, ভাইভা বা নতুন উদ্যোগে সাহস জোগায়
✔️ নবী মূসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের দরবারে কথা বলার সময় এই দোয়া করেছিলেন
✔️ আপনি যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন এটি আপনাকে স্থির ও শক্ত করে তোলে
🕰️ কীভাবে আমল করবেন?
🔸 প্রতিদিন ফজর ও এশার নামাজের পর
🔸 আয়াতটি ১১ বার পাঠ করুন
🔸 আগে ও পরে দরুদ শরীফ ৩ বার করে পড়ুন
🔸 শেষ করে বলুন:
“হে আল্লাহ! আমার জন্য এমন একটি হালাল রিজিক দিন, যাতে আমি দ্বীন ও দুনিয়া রক্ষা করতে পারি।”
✅ এই আমল ২১ দিন ধরে করুন এবং পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যান—ইনশাআল্লাহ আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দিবেন।
🎁 বিশেষ উপহার: রিজিক ও বরকতের জন্য একটি গাইডবুক!
আপনি যদি চাকরি, রিজিক, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তির জন্য বিশ্বস্ত আমল খুঁজছেন—
📗 “রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
বইটি আপনার জন্য একটি ব্যবহারিক পথপ্রদর্শক।
📌 এতে পাবেন:
✔️ ৩০টির বেশি দোয়া ও ওয়াজিফা
✔️ হাদীস ও কুরআনের প্রমাণ
✔️ প্রতিটি দোয়ার সময়, নিয়ম, পরিমাণ ও বাস্তব উপকারিতা
📦 বইয়ের হাদিয়া:
🔹 PDF ইবুক: ৯০৳ (পেয়ে যাবেন ৫ মিনিটেই)
🔹 প্রিন্ট কপি (পেপারব্যাক): ১৮০৳ (প্রি-অর্ডার)
📥 সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🟢 আপনি যদি এরকম আরও ৩০টি বরকতময় আমল জানতে চান—এই বইটি আপনার জন্য।
একবার শুরু করে দেখুন—হয়তো এই দোয়াগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি বা রিজিকের চাবিকাঠি।
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
চাকরি হচ্ছে জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।
শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, আবেদন করেও ডাক না আসা, চাকরিতে স্থির হতে না পারা—এসব আমাদের অনেককেই হতাশ করে ফেলে।
তবে একজন মুমিনের জন্য সব দরজা বন্ধ হলেও আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।
আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে, সঠিক সময়ে সঠিক দোয়া করলে, কখন কীভাবে রিজিকের দরজা খুলে যায়—আপনি ভাবতেও পারবেন না।
আজ শিখুন একটি ছোট অথচ প্রভাবশালী আয়াত—নবী মূসা আলাইহিস সালাম যে আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহস, আত্মবিশ্বাস ও প্রশস্ততা চেয়েছিলেন।
📖 কুরআনিক আয়াত:
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي
উচ্চারণ: রব্বিশরাহলি সাদরি
অর্থ: “হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রশস্ত করুন।”
📘 সূরা ত্বাহা – আয়াত ২৫
কেন পড়বেন এই আয়াত?
✔️ এটি আত্মবিশ্বাস ও মন প্রশান্তির জন্য বিশেষ উপকারী
✔️ চাকরি, ইন্টারভিউ, ভাইভা বা নতুন উদ্যোগে সাহস জোগায়
✔️ নবী মূসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের দরবারে কথা বলার সময় এই দোয়া করেছিলেন
✔️ আপনি যখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন এটি আপনাকে স্থির ও শক্ত করে তোলে
🕰️ কীভাবে আমল করবেন?
🔸 প্রতিদিন ফজর ও এশার নামাজের পর
🔸 আয়াতটি ১১ বার পাঠ করুন
🔸 আগে ও পরে দরুদ শরীফ ৩ বার করে পড়ুন
🔸 শেষ করে বলুন:
“হে আল্লাহ! আমার জন্য এমন একটি হালাল রিজিক দিন, যাতে আমি দ্বীন ও দুনিয়া রক্ষা করতে পারি।”
✅ এই আমল ২১ দিন ধরে করুন এবং পাশাপাশি চেষ্টা চালিয়ে যান—ইনশাআল্লাহ আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দিবেন।
🎁 বিশেষ উপহার: রিজিক ও বরকতের জন্য একটি গাইডবুক!
আপনি যদি চাকরি, রিজিক, মানসিক প্রশান্তি এবং আত্মিক শক্তির জন্য বিশ্বস্ত আমল খুঁজছেন—
📗 “রিজিকে বরকতের আমল ও ওয়াজিফা”
বইটি আপনার জন্য একটি ব্যবহারিক পথপ্রদর্শক।
📌 এতে পাবেন:
✔️ ৩০টির বেশি দোয়া ও ওয়াজিফা
✔️ হাদীস ও কুরআনের প্রমাণ
✔️ প্রতিটি দোয়ার সময়, নিয়ম, পরিমাণ ও বাস্তব উপকারিতা
📦 বইয়ের হাদিয়া:
🔹 PDF ইবুক: ৯০৳ (পেয়ে যাবেন ৫ মিনিটেই)
🔹 প্রিন্ট কপি (পেপারব্যাক): ১৮০৳ (প্রি-অর্ডার)
📥 সংগ্রহ করতে WhatsApp করুন: 01984-563362
🟢 আপনি যদি এরকম আরও ৩০টি বরকতময় আমল জানতে চান—এই বইটি আপনার জন্য।
একবার শুরু করে দেখুন—হয়তো এই দোয়াগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি বা রিজিকের চাবিকাঠি।
#Ekramcreation #dawah #islamic #IslamicReminders #islamictips
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি—বেশিরভাগ রোগী অর্থসংকটের কারণে ফলোআপে আসতে পারেন না। ফলে অনেক সময় সমস্যার সমাধান অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পরে গুরুতর হয়ে ফের ফিরে আসে।
📌 তাই রোগীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ইনশাআল্লাহ সুলভ মূল্যে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক চিকিৎসা প্যাকেজ চালু করছি।
🩺 প্যাকেজ ১ – ৭০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট
🔹 অবিবাহিত হলে: বাবা-মায়ের জন্য প্রযোজ্য
🩺 প্যাকেজ ২ – ১২০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট+বোনাস ২ বার
🩺 প্যাকেজ ৩ – ১৮০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সীমাহীন ট্রিটমেন্ট ইনশাআল্লাহ
🎯 পেমেন্ট করতে পারবেন:
📱 বিকাশ (Send Money): 01687815604
📝 রেফারেন্সে আপনার নাম লিখতে ভুলবেন না।
👨⚕️ ডা. আসিফ মেহেদী
🔸 পিজিটি (শিশু), পিজিটি (মেডিসিন)
🔸 এম.বি.বি.এস — সি.এম.ইউ, চট্টগ্রাম মেডিকেল ইউনিভার্সিটি
🔸 মেডিকেল অফিসার — এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
🔸 অভিজ্ঞতা: মা ও শিশু, মেডিসিন, সার্জারি রোগে অভিজ্ঞ।পাশাপাশি ব্যথামুক্ত,আধুনিক পদ্ধতিতে সল্প খরচে সুন্নতে খাতনা ও টিউমারের অপারেশন করা হয়।
💬 নিয়মিত চিকিৎসা ফি:
🔹 প্রথম ভিজিট: ৪০০ টাকা মাত্র
🔹 ফলোআপ ভিজিট: ৩০০ টাকা মাত্র
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01687815604
📍 অফলাইন চেম্বারসমূহ:
🏥 কেয়ার হসপিটাল, মিরপুর ২,ঢাকা— শনি থেকে বৃহস্পতিবার, দুপুর থেকে বিকাল
🏥 নাখালপাড়া,তেজগাঁও,ঢাকা — প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা
🔎 ট্রিটমেন্ট রিভিউ দেখতে ঘুরে আসুন আমার পেইজ:
https://www.facebook.com/profile.php?id=61575527557951
অনেকদিন ধরে লক্ষ্য করছি—বেশিরভাগ রোগী অর্থসংকটের কারণে ফলোআপে আসতে পারেন না। ফলে অনেক সময় সমস্যার সমাধান অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং পরে গুরুতর হয়ে ফের ফিরে আসে।
📌 তাই রোগীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ইনশাআল্লাহ সুলভ মূল্যে অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক চিকিৎসা প্যাকেজ চালু করছি।
🩺 প্যাকেজ ১ – ৭০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট
🔹 অবিবাহিত হলে: বাবা-মায়ের জন্য প্রযোজ্য
🩺 প্যাকেজ ২ – ১২০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সর্বোচ্চ ৫ বার ট্রিটমেন্ট+বোনাস ২ বার
🩺 প্যাকেজ ৩ – ১৮০০ টাকা (১ মাস)
🔹 রোগী নিজে + বাবা + মা + স্ত্রী + সন্তান
🔹 সীমাহীন ট্রিটমেন্ট ইনশাআল্লাহ
🎯 পেমেন্ট করতে পারবেন:
📱 বিকাশ (Send Money): 01687815604
📝 রেফারেন্সে আপনার নাম লিখতে ভুলবেন না।
👨⚕️ ডা. আসিফ মেহেদী
🔸 পিজিটি (শিশু), পিজিটি (মেডিসিন)
🔸 এম.বি.বি.এস — সি.এম.ইউ, চট্টগ্রাম মেডিকেল ইউনিভার্সিটি
🔸 মেডিকেল অফিসার — এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
🔸 অভিজ্ঞতা: মা ও শিশু, মেডিসিন, সার্জারি রোগে অভিজ্ঞ।পাশাপাশি ব্যথামুক্ত,আধুনিক পদ্ধতিতে সল্প খরচে সুন্নতে খাতনা ও টিউমারের অপারেশন করা হয়।
💬 নিয়মিত চিকিৎসা ফি:
🔹 প্রথম ভিজিট: ৪০০ টাকা মাত্র
🔹 ফলোআপ ভিজিট: ৩০০ টাকা মাত্র
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01687815604
📍 অফলাইন চেম্বারসমূহ:
🏥 কেয়ার হসপিটাল, মিরপুর ২,ঢাকা— শনি থেকে বৃহস্পতিবার, দুপুর থেকে বিকাল
🏥 নাখালপাড়া,তেজগাঁও,ঢাকা — প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা
🔎 ট্রিটমেন্ট রিভিউ দেখতে ঘুরে আসুন আমার পেইজ:
https://www.facebook.com/profile.php?id=61575527557951
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
প্রশ্নঃ যিহার কাকে বলে?এবং যিহারের হুকুম কি??
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما ،
উত্তর, সম্মানিত ফিকাহবিদগণ যিহার এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,
تشبيه الزوج زوجته في الحرمة بمحرمه
“স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনও মাহরাম নারীর সাথে সাদৃশ্য দেওয়াকে যিহার বলা হয়।”
অথবা تشبيه المنكوحة بمن تحرم عليه “বিবাহিত স্ত্রীকে এমন মহিলার সাথে সাদৃশ্য দেওয়া যে তার জন্য হারাম।”
উদাহরণ: কোনও পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, তুমি আমার জন্য হারাম যেমন আমার মা আমার জন্য হারাম বা যেমন আমার বোন আমার জন্য হারাম…বা এ জাতীয় বাক্য তাহলে এটাকে যিহার বলা হয়। এর বিভিন্ন রূপ আছে এবং সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও কিছু ভিন্নতা আছে-যেগুলো ফিকহের কিতাব সমূহে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।
যিহার প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
الَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنكُم مِّن نِّسَائِهِم مَّا هُنَّ أُمَّهَاتِهِمْ ۖ إِنْ أُمَّهَاتُهُمْ إِلَّا اللَّائِي وَلَدْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ
“তোমাদের মধ্যের যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ‘যিহার’ (মায়ের মত হারাম বলে ঘোষণা করে) করে- তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মা তো কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনা কারী, ক্ষমাশীল।” [সূরা মুজাদিলা: ২]
ইসলামে যিহার একটি অন্যায় আচরণ এবং হারাম কাজ। কেউ এমনটি করলে তার জন্য কাফফারা আদায় করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রী মিলন হারাম।
তাফসিরে কুরতুবিতে এসেছে,
وذلك كان طلاق الرجل امرأته في الجاهلية
“জাহিলি যুগে এটাই স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে তালাক ছিলো।” কিন্তু ইসলাম তা স্থায়ী হারামের পরিবর্তে অস্থায়ী হারামে রূপান্তরিত করেছে। অর্থাৎ কোনও স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিহার করলে কাফফারা প্রদান করলে তা হালাল হয়ে যাবে।
যিহারের কাফফারা কী?
যিহারের কাফফারা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِن نِّسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۚ ذَٰلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ - فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۖ فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ۚ ذَٰلِكَ لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ۚ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ،
“যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে ফেলে, অতঃপর তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা হল, একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর। যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকিনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি।” [সূরা মুজাদিলা: ৩ ও ৪]
অর্থাৎ যিহারের কাফফারা রমজান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী সহবাসের কাফফারার অনুরূপ। তা হল:
১. একটি মুমিন দাস মুক্ত করা। কিন্তু বর্তমান যুগে দাস-দাসী প্রথা প্রচলিত না থাকার কারণে তা প্রযোজ্য নয়।
● ২. এটি সম্ভব না হলে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা থাকা। ঈদ উপলক্ষে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলোতে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকবে। অত:পর ঈদে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলো অতিবাহিত হলে যথারীতি রোজা রাখা শুরু করবে।
● ৩. তাও সম্ভব না হলে ৬০ জন মিসকিন (দরিদ্র-অসহায় মানুষ) কে এক বেলা খাবার খাওয়ানো অথবা খাদ্য দ্রব্য দান করা।
والله اعلم بالصواب،
মুফতী ফয়সাল আহমদ আশরাফী
জামিয়া আলী আহমাদ তালিমুল কুরআন, শিকারপুর, পঞ্চগড়।
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما ،
উত্তর, সম্মানিত ফিকাহবিদগণ যিহার এর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন,
تشبيه الزوج زوجته في الحرمة بمحرمه
“স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনও মাহরাম নারীর সাথে সাদৃশ্য দেওয়াকে যিহার বলা হয়।”
অথবা تشبيه المنكوحة بمن تحرم عليه “বিবাহিত স্ত্রীকে এমন মহিলার সাথে সাদৃশ্য দেওয়া যে তার জন্য হারাম।”
উদাহরণ: কোনও পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলে যে, তুমি আমার জন্য হারাম যেমন আমার মা আমার জন্য হারাম বা যেমন আমার বোন আমার জন্য হারাম…বা এ জাতীয় বাক্য তাহলে এটাকে যিহার বলা হয়। এর বিভিন্ন রূপ আছে এবং সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও কিছু ভিন্নতা আছে-যেগুলো ফিকহের কিতাব সমূহে সবিস্তারে আলোচিত হয়েছে।
যিহার প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
الَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنكُم مِّن نِّسَائِهِم مَّا هُنَّ أُمَّهَاتِهِمْ ۖ إِنْ أُمَّهَاتُهُمْ إِلَّا اللَّائِي وَلَدْنَهُمْ ۚ وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ
“তোমাদের মধ্যের যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ‘যিহার’ (মায়ের মত হারাম বলে ঘোষণা করে) করে- তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মা তো কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় আল্লাহ মার্জনা কারী, ক্ষমাশীল।” [সূরা মুজাদিলা: ২]
ইসলামে যিহার একটি অন্যায় আচরণ এবং হারাম কাজ। কেউ এমনটি করলে তার জন্য কাফফারা আদায় করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের পূর্বে স্বামী-স্ত্রী মিলন হারাম।
তাফসিরে কুরতুবিতে এসেছে,
وذلك كان طلاق الرجل امرأته في الجاهلية
“জাহিলি যুগে এটাই স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে তালাক ছিলো।” কিন্তু ইসলাম তা স্থায়ী হারামের পরিবর্তে অস্থায়ী হারামে রূপান্তরিত করেছে। অর্থাৎ কোনও স্বামী তার স্ত্রীর সাথে যিহার করলে কাফফারা প্রদান করলে তা হালাল হয়ে যাবে।
যিহারের কাফফারা কী?
যিহারের কাফফারা প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِن نِّسَائِهِمْ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا قَالُوا فَتَحْرِيرُ رَقَبَةٍ مِّن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۚ ذَٰلِكُمْ تُوعَظُونَ بِهِ ۚ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ - فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ مِن قَبْلِ أَن يَتَمَاسَّا ۖ فَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا ۚ ذَٰلِكَ لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ۚ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ ،
“যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে ফেলে, অতঃপর তাদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা হল, একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর। যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকিনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি।” [সূরা মুজাদিলা: ৩ ও ৪]
অর্থাৎ যিহারের কাফফারা রমজান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী সহবাসের কাফফারার অনুরূপ। তা হল:
১. একটি মুমিন দাস মুক্ত করা। কিন্তু বর্তমান যুগে দাস-দাসী প্রথা প্রচলিত না থাকার কারণে তা প্রযোজ্য নয়।
● ২. এটি সম্ভব না হলে ধারাবাহিকভাবে দু মাস রোজা থাকা। ঈদ উপলক্ষে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলোতে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকবে। অত:পর ঈদে রোজা রাখা নিষিদ্ধ দিনগুলো অতিবাহিত হলে যথারীতি রোজা রাখা শুরু করবে।
● ৩. তাও সম্ভব না হলে ৬০ জন মিসকিন (দরিদ্র-অসহায় মানুষ) কে এক বেলা খাবার খাওয়ানো অথবা খাদ্য দ্রব্য দান করা।
والله اعلم بالصواب،
মুফতী ফয়সাল আহমদ আশরাফী
জামিয়া আলী আহমাদ তালিমুল কুরআন, শিকারপুর, পঞ্চগড়।
অনেকে হয়তো শিরোনাম শুনেই বুঝে ফেলেছেন যে আসলে কি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। হ্যাঁ, আপনি ঠিক ধরেছেন। আপনি যা মনে করছেন তা নিয়েই কথা বলতে যাচ্ছি।
আমি মনে করি যে, এই ২০২৫ সালে এসে বাংলাদেশের যেসব দম্পতির সামর্থ্য আছে তাদের অন্তত তিনটে করে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এখন তো অবশ্য ২৫-৩০ বছর যাবত দুই বাচ্চার যুগ চলছে। শিক্ষিত, সামর্থ্যবান, রুচিশীল দম্পতি যারা আছেন তারা আসলে দু বাচ্চার বেশি নিতে চান না। একটা ছেলে, একটা মেয়ে হলে তাদের জন্য যথেষ্ট।
তবে এটার কিছু সাইড ইফেক্টের কথা আমি বলবো। আমি আগেই বলে রাখি জিনিসগুলো আমার পার্সোনাল অবজারভেশন যেগুলো আমি আমার চারপাশের পরিবেশে দেখেছি।
প্রথমত, একটা বাচ্চার সর্বপ্রথম বন্ধুই হয় তার কাছাকাছি বয়সের সিবলিং। এখন ধরুন, আপনারা মাত্র দুজন সিবলিং। ছোটবেলায় যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা দুজন সিবলিংয়ের মধ্যে গড়ে ওঠার কথা সেটা অনেক সময় হয়ে ওঠে না, যদি একজন সিবলিং একটু আগ্রেসিভ হয় এবং আরেকজন একটু নরম স্বভাবের হয়। আর আমাদের দেশের বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়ের ব্যাপারে বেশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করতে অভ্যস্ত। বাচ্চাকাচ্চা যদি পিঠাপিঠি হয় তাহলে দুজন বাচ্চা একটু মারামারি করবে, একটু দুষ্টুমি করবে; এগুলো বাস্তবতা। তো যাদের দুটো বাচ্চা তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বড়টাকে অনেক বেশি শাসন করে কোণঠাসা করে রেখে ছোটটাকে অনেক বেশি লাই দেয়া হয়। তখন ছোটটা আস্তে আস্তে আস্কারা পেয়ে বেয়াদব হয়ে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তার বড় সিবলিংয়ের সাথে তার তেমন কোন কানেকশন তৈরি হয় না। আর তৈরি হবে কিভাবে, বলেন; যখন ছোটটা একটু বেয়াদবি করে তখন বড়টাকে দোষারোপ করে বলা হয় যে, তোকে দেখেই তো শিখেছে। ভাইস ভার্সা ব্যাপারটা কম। এটা তখন বেশি হয় যখন দুই ভাই বা দুই বোন হয়। ভাই বোনের ক্ষেত্রে অবশ্য জিনিসটা বিরল। এখানে বড় সন্তানটা মানে বেশি টক ঝক এবং শাসন পেয়ে তার ভেতরকার যে কনফিডেন্স, সেটা নষ্ট হয়ে যায় মোটামুটি। সে সব জায়গাতে অন এভারেজ থেকে যায়। কারণ সে তো আসলে উৎসাহ পায়নি মা-বাবার কাছ থেকে। আর ছোটটা বাউন্ডুলে হয়ে যায়। পরবর্তীতে বড় হয়ে তারা উভয়েই কিন্তু আশেপাশে বন্ধুবান্ধবদের সিবলিংস প্লাস কাজিনদেরকে দেখে বাবা-মাকে দোষারোপ করতে থাকে যে কেন আসলে তাদেরকে এইভাবে লালন পালন করে বড় করা হলো যে তাদের মধ্যে কোন কানেকশনই তৈরি হলো না! তখন দুজন সিবলিং এমন ভাবে থাকে যেন উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু। এই ধরনের সিবলিংরাই পরিণত বয়সে একজন খুবই সাকসেসফুল এবং আরেকজন বিলো এভারেজ সাকসেসফুল হয়। তখন এগুলো নিয়েও মা-বাবা পক্ষপাতদুষ্টতায় ভুগেন। আর এসব সিবলিংদের দুজনই সারাজীবন একে অপরের সাথে মানিয়ে চলতে খুবই হিমশিম খায়। পরবর্তীতে দা কুমড়া সম্পর্কও হয়ে যায়।
কিন্তু আমি যতগুলো তিন বাচ্চাওয়ালা ফ্যামিলি দেখেছি তাদের মধ্যে এই সমস্যাটা কম দেখেছি। হ্যাঁ অভিয়াসলি, একজন সিবলিং আরেকজন সিবলিংয়ের সাথে কম বেশ শীতল সম্পর্ক থাকেই; কিন্তু এ শীতল সম্পর্ককে ওভারকাম করতে তৃতীয় সিবলিং বেশ কাজে লাগে। পরিণত বয়সে গিয়ে অতটা অতল সমুদ্রে পড়তে হয় না।
আর এখন এমন জামানা চলে আসছে যে নতুন নতুন শহরে আসা মহিলারা তাদের বাচ্চাদেরকে কারো সাথে তেমন তেমনভাবে মিশতে দেন না। সাদর সম্ভাষণ কিভাবে দিতে হয় সেগুলোও এখনকার বেশিরভাগ বাচ্চাই জানে না। বিশেষ করে প্রবাসীর স্ত্রীরা এমনটা করে থাকেন। খেলার মাঠ তো এখন খুব একটা নাই। এতে কিন্তু বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। তার উপর দিয়ে যদি ফ্যামিলিতে এমন সমস্যা থাকে তখন কিন্তু এটা গোদের উপর বিষফোড়া হিসেবে কাজ করে। চিন্তা করেন, একটা ছেলের তার সিবলিংয়ের সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, ছোটবেলা থেকেই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এলাকাতে খেলার মাঠ নেই খুব একটা। তাই এলাকার বাচ্চাদের সাথেও খুব একটা বন্ডিং নেই, স্কুলে যা দু-একজন বন্ধুবান্ধব আছে, তার সার্কেল এতটুকুই। এখন তার নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে নাকি অন্য কারো নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে? এমনও দেখা যায় যে কথা বলার মানুষের অভাবে বাচ্চাদের এখন কথাবার্তা শিখতে দেরি হচ্ছে। এসব সমস্যা মনে হয় সকলেই খেয়াল করেছেন।
আর আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটা সন্তান খারাপ পথে চলে যায় তাহলে দুই বাচ্চার ফ্যামিলি যেগুলো, এগুলোর সবাইই খুবই বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু দুই বা ততোধিক বাচ্চার ফ্যামিলিতে জিনিসটা বিরল। যদি বড় হয়ে একজন সন্তান বাবা-মা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলেও কিন্তু বাকি দুজন সেটাকে সামাল দিতে পারে। বাবা-মাকে অতটা অসহায়ত্বের মধ্যে দিয়ে বৃদ্ধকাল কাটাতে হয় না।
তাই, সামর্থ্যবানদের উচিত যে, অন্তত তিনটি বাচ্চা নেওয়া। নিজের ফ্যামিলির পরিপক্কতা, সুখ-সমৃদ্ধির জন্যই এটি প্রয়োজন।
**যারা বলতে চাচ্ছেন যে, এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। তারা নিজেদেরকে দয়া করে একজন প্যারেন্টের জায়গায় ভাবুন। তারপর বলুন এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন।
আমি মনে করি যে, এই ২০২৫ সালে এসে বাংলাদেশের যেসব দম্পতির সামর্থ্য আছে তাদের অন্তত তিনটে করে বাচ্চা নেওয়া উচিত। এখন তো অবশ্য ২৫-৩০ বছর যাবত দুই বাচ্চার যুগ চলছে। শিক্ষিত, সামর্থ্যবান, রুচিশীল দম্পতি যারা আছেন তারা আসলে দু বাচ্চার বেশি নিতে চান না। একটা ছেলে, একটা মেয়ে হলে তাদের জন্য যথেষ্ট।
তবে এটার কিছু সাইড ইফেক্টের কথা আমি বলবো। আমি আগেই বলে রাখি জিনিসগুলো আমার পার্সোনাল অবজারভেশন যেগুলো আমি আমার চারপাশের পরিবেশে দেখেছি।
প্রথমত, একটা বাচ্চার সর্বপ্রথম বন্ধুই হয় তার কাছাকাছি বয়সের সিবলিং। এখন ধরুন, আপনারা মাত্র দুজন সিবলিং। ছোটবেলায় যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা দুজন সিবলিংয়ের মধ্যে গড়ে ওঠার কথা সেটা অনেক সময় হয়ে ওঠে না, যদি একজন সিবলিং একটু আগ্রেসিভ হয় এবং আরেকজন একটু নরম স্বভাবের হয়। আর আমাদের দেশের বাবা-মায়েরা ছেলে মেয়ের ব্যাপারে বেশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করতে অভ্যস্ত। বাচ্চাকাচ্চা যদি পিঠাপিঠি হয় তাহলে দুজন বাচ্চা একটু মারামারি করবে, একটু দুষ্টুমি করবে; এগুলো বাস্তবতা। তো যাদের দুটো বাচ্চা তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বড়টাকে অনেক বেশি শাসন করে কোণঠাসা করে রেখে ছোটটাকে অনেক বেশি লাই দেয়া হয়। তখন ছোটটা আস্তে আস্তে আস্কারা পেয়ে বেয়াদব হয়ে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তার বড় সিবলিংয়ের সাথে তার তেমন কোন কানেকশন তৈরি হয় না। আর তৈরি হবে কিভাবে, বলেন; যখন ছোটটা একটু বেয়াদবি করে তখন বড়টাকে দোষারোপ করে বলা হয় যে, তোকে দেখেই তো শিখেছে। ভাইস ভার্সা ব্যাপারটা কম। এটা তখন বেশি হয় যখন দুই ভাই বা দুই বোন হয়। ভাই বোনের ক্ষেত্রে অবশ্য জিনিসটা বিরল। এখানে বড় সন্তানটা মানে বেশি টক ঝক এবং শাসন পেয়ে তার ভেতরকার যে কনফিডেন্স, সেটা নষ্ট হয়ে যায় মোটামুটি। সে সব জায়গাতে অন এভারেজ থেকে যায়। কারণ সে তো আসলে উৎসাহ পায়নি মা-বাবার কাছ থেকে। আর ছোটটা বাউন্ডুলে হয়ে যায়। পরবর্তীতে বড় হয়ে তারা উভয়েই কিন্তু আশেপাশে বন্ধুবান্ধবদের সিবলিংস প্লাস কাজিনদেরকে দেখে বাবা-মাকে দোষারোপ করতে থাকে যে কেন আসলে তাদেরকে এইভাবে লালন পালন করে বড় করা হলো যে তাদের মধ্যে কোন কানেকশনই তৈরি হলো না! তখন দুজন সিবলিং এমন ভাবে থাকে যেন উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু। এই ধরনের সিবলিংরাই পরিণত বয়সে একজন খুবই সাকসেসফুল এবং আরেকজন বিলো এভারেজ সাকসেসফুল হয়। তখন এগুলো নিয়েও মা-বাবা পক্ষপাতদুষ্টতায় ভুগেন। আর এসব সিবলিংদের দুজনই সারাজীবন একে অপরের সাথে মানিয়ে চলতে খুবই হিমশিম খায়। পরবর্তীতে দা কুমড়া সম্পর্কও হয়ে যায়।
কিন্তু আমি যতগুলো তিন বাচ্চাওয়ালা ফ্যামিলি দেখেছি তাদের মধ্যে এই সমস্যাটা কম দেখেছি। হ্যাঁ অভিয়াসলি, একজন সিবলিং আরেকজন সিবলিংয়ের সাথে কম বেশ শীতল সম্পর্ক থাকেই; কিন্তু এ শীতল সম্পর্ককে ওভারকাম করতে তৃতীয় সিবলিং বেশ কাজে লাগে। পরিণত বয়সে গিয়ে অতটা অতল সমুদ্রে পড়তে হয় না।
আর এখন এমন জামানা চলে আসছে যে নতুন নতুন শহরে আসা মহিলারা তাদের বাচ্চাদেরকে কারো সাথে তেমন তেমনভাবে মিশতে দেন না। সাদর সম্ভাষণ কিভাবে দিতে হয় সেগুলোও এখনকার বেশিরভাগ বাচ্চাই জানে না। বিশেষ করে প্রবাসীর স্ত্রীরা এমনটা করে থাকেন। খেলার মাঠ তো এখন খুব একটা নাই। এতে কিন্তু বাচ্চাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। তার উপর দিয়ে যদি ফ্যামিলিতে এমন সমস্যা থাকে তখন কিন্তু এটা গোদের উপর বিষফোড়া হিসেবে কাজ করে। চিন্তা করেন, একটা ছেলের তার সিবলিংয়ের সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, ছোটবেলা থেকেই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। এলাকাতে খেলার মাঠ নেই খুব একটা। তাই এলাকার বাচ্চাদের সাথেও খুব একটা বন্ডিং নেই, স্কুলে যা দু-একজন বন্ধুবান্ধব আছে, তার সার্কেল এতটুকুই। এখন তার নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে নাকি অন্য কারো নেটওয়ার্কিং স্কিল খারাপ হবে? এমনও দেখা যায় যে কথা বলার মানুষের অভাবে বাচ্চাদের এখন কথাবার্তা শিখতে দেরি হচ্ছে। এসব সমস্যা মনে হয় সকলেই খেয়াল করেছেন।
আর আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটা সন্তান খারাপ পথে চলে যায় তাহলে দুই বাচ্চার ফ্যামিলি যেগুলো, এগুলোর সবাইই খুবই বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু দুই বা ততোধিক বাচ্চার ফ্যামিলিতে জিনিসটা বিরল। যদি বড় হয়ে একজন সন্তান বাবা-মা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলেও কিন্তু বাকি দুজন সেটাকে সামাল দিতে পারে। বাবা-মাকে অতটা অসহায়ত্বের মধ্যে দিয়ে বৃদ্ধকাল কাটাতে হয় না।
তাই, সামর্থ্যবানদের উচিত যে, অন্তত তিনটি বাচ্চা নেওয়া। নিজের ফ্যামিলির পরিপক্কতা, সুখ-সমৃদ্ধির জন্যই এটি প্রয়োজন।
**যারা বলতে চাচ্ছেন যে, এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। তারা নিজেদেরকে দয়া করে একজন প্যারেন্টের জায়গায় ভাবুন। তারপর বলুন এই পোস্ট এই গ্রুপের সাথে কিভাবে সম্পর্কিত। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন।
🌱 বিয়ের আগে একটু অন্যভাবে ভাবুন… 🌱
অবিবাহিত এক সচেতন যুবক যখন গভীরভাবে বিবাহ নিয়ে ভাবে, তখন কিছু বাস্তবতা তার চোখে পড়ে—যা অনেক বিবাহিত মানুষও অনুভব করে না।
আজকাল বিয়ের বাজারে এক ধরনের “রেডিমেড” মানসিকতা কাজ করে—যেখানে প্রথমেই থাকা চাই গাড়ি, বাড়ি, মোটা ব্যাংক ব্যালান্স, চাকরি… তারপরই বিবাহ।
আর আশেপাশের অনেকেই পরামর্শ দেয়:
“এভাবে স্বল্প আয়ে বিয়ে কোরো না, আগে সেটেল হও!”
মজার বিষয় হলো, এদের অনেকেই নিজের জীবনে ঠিক এই স্বল্প আয় বা পরিবারিক সাপোর্টে বিয়ে করেছে! অথচ এখন যুক্তির মোড়কে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে—যা এক ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।
⚠️ বাস্তবতা হচ্ছে—শুধু অর্থ ,সেটেল নয়, সমাজ ও পরিবারের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া থেকেই মূল সংকট তৈরি হয়। পরিণামে সম্পর্ক জটিল হয়, ফেতনা বাড়ে, সমাজে অশান্তি ছড়ায়।
🤲 পারিবারিক সাপোর্ট পেলে বা সীমিত আয় থাকলেও, কেউ যদি দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করে—অভাব কিছুটা থাকলেও সেটা সম্পর্ককে মজবুত করে, চরিত্রকেও রক্ষা করে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—বিয়ে নিয়ে আমাদের বই, লেকচার, সেমিনারগুলো বেশিরভাগই শুধু বিয়ের ফজিলত আর সওয়াবের কথা বলে।
বাস্তব চ্যালেঞ্জ, অভিভাবককে বোঝানোর কৌশল, আর ধাপে ধাপে সাহস নিয়ে আগোনোর রোডম্যাপ দেয় না।
ফলে অ যুবকরা ও লেকচার শুনে ফিরে এসে বাস্তবে হার মানে—অভিভাবকের খোঁটা আর সমাজের চাপের কাছে নত হয়ে শয়তানের ফাঁদে পা দেয়।
✅ অথচ দরকার ছিল— 🔹 বাস্তবসম্মত স্ট্র্যাটেজি,
🔹 কৌশল—যা পরিস্থিতি বুঝে কখন পারিবারিক চাপ তৈরি করবে, কখন সময় নেবে, কখন নিজের সামান্য যোগ্যতা দেখিয়ে ধীরে ধীরে সম্মতি আদায় করবে বা উদ্যোগ নেবে।
কিন্তু এমন গাইডলাইন নেই বললেই চলে। তাই সচেতনরাও চুপসে যায়—আর সমাজে সমস্যা চলতেই থাকে।
💡 এখন সময়, বিবাহ নিয়ে শুধু গুণগান নয়—বাস্তবমুখী, কৌশলনির্ভর দিকনির্দেশনা নিয়ে কথা বলার।
যাতে বিয়ে শুধু স্বপ্ন বা চাপ না হয়ে, হয়ে ওঠে বাস্তবতা মেনে সুন্দর ও নিরাপদ সম্পর্ক গড়ার পথ।
অবিবাহিত এক সচেতন যুবক যখন গভীরভাবে বিবাহ নিয়ে ভাবে, তখন কিছু বাস্তবতা তার চোখে পড়ে—যা অনেক বিবাহিত মানুষও অনুভব করে না।
আজকাল বিয়ের বাজারে এক ধরনের “রেডিমেড” মানসিকতা কাজ করে—যেখানে প্রথমেই থাকা চাই গাড়ি, বাড়ি, মোটা ব্যাংক ব্যালান্স, চাকরি… তারপরই বিবাহ।
আর আশেপাশের অনেকেই পরামর্শ দেয়:
“এভাবে স্বল্প আয়ে বিয়ে কোরো না, আগে সেটেল হও!”
মজার বিষয় হলো, এদের অনেকেই নিজের জীবনে ঠিক এই স্বল্প আয় বা পরিবারিক সাপোর্টে বিয়ে করেছে! অথচ এখন যুক্তির মোড়কে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে—যা এক ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।
⚠️ বাস্তবতা হচ্ছে—শুধু অর্থ ,সেটেল নয়, সমাজ ও পরিবারের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া থেকেই মূল সংকট তৈরি হয়। পরিণামে সম্পর্ক জটিল হয়, ফেতনা বাড়ে, সমাজে অশান্তি ছড়ায়।
🤲 পারিবারিক সাপোর্ট পেলে বা সীমিত আয় থাকলেও, কেউ যদি দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করে—অভাব কিছুটা থাকলেও সেটা সম্পর্ককে মজবুত করে, চরিত্রকেও রক্ষা করে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে—বিয়ে নিয়ে আমাদের বই, লেকচার, সেমিনারগুলো বেশিরভাগই শুধু বিয়ের ফজিলত আর সওয়াবের কথা বলে।
বাস্তব চ্যালেঞ্জ, অভিভাবককে বোঝানোর কৌশল, আর ধাপে ধাপে সাহস নিয়ে আগোনোর রোডম্যাপ দেয় না।
ফলে অ যুবকরা ও লেকচার শুনে ফিরে এসে বাস্তবে হার মানে—অভিভাবকের খোঁটা আর সমাজের চাপের কাছে নত হয়ে শয়তানের ফাঁদে পা দেয়।
✅ অথচ দরকার ছিল— 🔹 বাস্তবসম্মত স্ট্র্যাটেজি,
🔹 কৌশল—যা পরিস্থিতি বুঝে কখন পারিবারিক চাপ তৈরি করবে, কখন সময় নেবে, কখন নিজের সামান্য যোগ্যতা দেখিয়ে ধীরে ধীরে সম্মতি আদায় করবে বা উদ্যোগ নেবে।
কিন্তু এমন গাইডলাইন নেই বললেই চলে। তাই সচেতনরাও চুপসে যায়—আর সমাজে সমস্যা চলতেই থাকে।
💡 এখন সময়, বিবাহ নিয়ে শুধু গুণগান নয়—বাস্তবমুখী, কৌশলনির্ভর দিকনির্দেশনা নিয়ে কথা বলার।
যাতে বিয়ে শুধু স্বপ্ন বা চাপ না হয়ে, হয়ে ওঠে বাস্তবতা মেনে সুন্দর ও নিরাপদ সম্পর্ক গড়ার পথ।
হুরমতে মুসাহারা : স্পর্শকাতর মাসআলা
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
বিবাহের পরে জামাই শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। কোথাও কোথাও শশুর শাশুড়ির পা ছুয়ে সালাম করার প্রথা দেখা যায়। কখনো কখনো তো শশুর নয় বরং শাশুড়ি জামাইকে আদরে জড়িয়ে ধরে!
মনে রাখতে হবে : এই বিষয়টি লক্ষণীয়। শাশুড়ির সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন চাই। নতুবা আপনার বৈবাহিক সম্পর্ক ধ্বংস হওয়ার জন্য তা যথেষ্ঠ!
শাশুড়ি অনেক ক্ষেত্রে ৩৮/৪০ বছরের বয়সী হয়ে থাকেন। যুবতীর মতই। এসমস্ত ক্ষেত্রে নতুন জামাই অনেক সময় শাশুড়ির সঙ্গে ঘৃণ্য কাজে [শারীরিক সম্পর্ক] জড়িয়ে পড়ে নাউজুবিল্লাহ।
এর দ্বারা আপনার স্ত্রীর সঙ্গে নিজের বৈবাহিক সম্পর্ক আজীবনের জন্য হারাম হয়ে যাবে। শাশুড়িকে পূর্ণ কামভাব সহকারে স্পর্শ করার দ্বারাও আপনার স্ত্রী আজীবনের জন্য আপনার জন্য হারাম হয়ে যাবে। ঐ শাশুড়ি এবং স্ত্রী উভয়ে আপনার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে।
অনেক বাড়িতে নিজের যুবতী মেয়ে থাকে। শয়তানের ধোকায় পড়ে কখনো কখনো কোন নরপিশাচ পিতা নিজ মেয়ের সঙ্গে অপকর্মে জড়িত হয় নাউজুবিল্লাহ। অথবা উত্তেজনা বশত স্পর্শ করে! এর দ্বারা নিজের স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
বিবাহের পূর্বে মেয়ের মায়ের সঙ্গে অপকর্মে লিপ্ত হলে ঐ প্রস্তাবিত মেয়ে তার জন্য চিরতরে হারাম হয়ে যাবে!
অতএব সাবধান! এসমস্ত বিষয়গুলি সমাজে অহরহ ঘটতে দেখা যায়।
© Hm Sulayman
বি.দ্র. : হুরমতে মুসাহারা নিয়ে আরো লম্বা কথা আছে। মাজহাবভেদে অনেকগুলো নিয়ে ইখতিলাফ থাকতে পারে। মোটামুটি একটা ধারণা দেওয়া হইছে এখানে। বিস্তারিত ফাতাওয়াসহ সবকিছু নিজ মাজহাবের কোন বিজ্ঞ আলেমের থেকে জেনে নিবেন।
উভয়কেই দোয়া পড়তে হবে ।
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
সহবাসের নিয়ত করার পর প্রথমেই বিসমিল্লাহ পড়া। অতঃপর এই দু'আ পড়া اللہم جنبنا الشیطان وجنب الشیطان ما رزقتنا
এবং সহবাসের পর বলবে,اللہم لا تجعل الشیطان فیما رزقتنا نصیبًا অত:পর শারিরিক সম্পর্ক থেকে পূরিপূর্ণ ফারিগ হয়ে বলবে الحمد للہ الذي خلق من الماء بشرًا و جعلہ نسبًا وصہرًا
একাডেমি পড়াশোনার বাইরে কারো ছাত্রত্ব গ্রহণ করা যাবে এমন কোন শিক্ষক আছেন বা সন্ধান দিতে পারবেন? পারিবারিক দায়িত্বের চাপের একাডেমিক পড়াশোনা একেবারে নড়বড়ে হয়ে গেছে। আমি চাচ্ছিলাম কোন শিক্ষকের ছাত্রত্ব গ্রহণ করতে।
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
আহমেদ ছফা যেমনটা করেছিলেন। ধন্যবাদ 😀
১। Rocket একাউন্টে NPSB সাপোর্ট করে না। MTB থেকে আনার চেষ্টা করেছিলাম সফল হয়নি।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।
২। EFT (BEFTN) মাধ্যমে রকেট একাউন্টে টাকা আনার পদ্ধতি হলো:
Name: অ্যাকাউন্টের নাম
A/C No: চেক ডিজিটসহ ১২ সংখ্যার নম্বর
District: DHAKA-SOUTH
Branch: MFS-DUTCH-BANGLA BANK LTD
Routing No: 090275553
অশেষ ধন্যবাদ।