সন্তানের জন্য না বেঁচে নিজের জন্য বাঁচুন। কেন? কারণ সন্তানের জন্য বাঁচা মানে তাদের জীবনকে নিজের মনে করা। তাদের জীবন আপনার না। তাদের জীবন আপনি বাঁচতে পারেন না। কিন্তু বেশিরভাগ প্যারেন্ট তাই করে। কখনো নিজেকে ভালোবাসতে না শেখা, নিজের জন্য বাঁচতে না জানা মানুষগুলো নিজের জীবনকে সন্তান কেন্দ্রিক করে ফেলে। তাদের স্বপ্ন, সুখ, শান্তি সব পরগাছার মতো আঁকড়ে ধরে রাখে সন্তানের জীবনকে। সেই পরগাছা নিয়েই সন্তান যখন বড় হয়, সে বেশিদূর যেতে পারে না। তার নিজস্ব বলে তেমন কিছুই থাকে না। তার স্বপ্ন, তার চাওয়া পাওয়ার মধ্যে আপনি ঢুকে যান, তাদের ওপর বোঝা হয়ে রয়ে যান। বাবা মা হিসেবে যদি সন্তানের জীবনে পরগাছা হয়ে থাকতে না চাই, নিজের ওপর ইনভেস্ট করতে জানতে হবে। নিজের যত্ন নিতে জানতে হবে। নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। আপনার সন্তানের জন্য আপনার সবচেয়ে বড় উপহার হল আপনি নিজেকে ভালোবাসা।
সন্তানকে বুড়ো বয়সের ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে জন্ম না দিয়ে ওদেরকে নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানাটা জরুরি। আর তার জন্য আগে নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। নি:স্বার্থ হতে গেলে আগে নিজের স্বার্থ রক্ষা (secure) করতে জানতে হবে।
মনে রাখবেন, যে গাছের শেকড় যত মজবুত, তার ডালপালা তত দূর পর্যন্ত ছায়া দিতে পারে, সে ঝড়েও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে জানে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
সন্তানকে বুড়ো বয়সের ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে জন্ম না দিয়ে ওদেরকে নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানাটা জরুরি। আর তার জন্য আগে নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। নি:স্বার্থ হতে গেলে আগে নিজের স্বার্থ রক্ষা (secure) করতে জানতে হবে।
মনে রাখবেন, যে গাছের শেকড় যত মজবুত, তার ডালপালা তত দূর পর্যন্ত ছায়া দিতে পারে, সে ঝড়েও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে জানে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
🌺 এভাবে দোয়া চাওয়া যাবে....?
এক ভাই জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই আমি এই এই দুয়া চাই.... এভাবে দুয়া চাওয়া কি ঠিক হবে? তাঁর সম্পূর্ণ দোয়া ছিল আবেগে মোড়া। কিন্তু শেষের কথাটা শরয়ী দৃষ্টিতে বেশ আপত্তিকর। তিনি যদি শেষ কথাটার পাশে বন্ধনির মধ্যে না লিখতেন যে, তিনি তা আবেগের কারণে বলেন, আমি তখনই জবাব দিয়ে দিতাম, “না, এভাবে চাওয়া উচিত নয়।”
একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। ঘটনাটি মাওলানা قدس سره তাঁর মসনভী শরীফে কোন ইসরায়েলী বর্ণনা হতে উদ্ধৃত করেছেন। সংক্ষেপে ঘটনাটি এরকমঃ
একবার সাইয়িদুনা হযরত মূসা عليه السلام কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন, জনৈক মেষপালক নিরালায় খুব আকুতি মিনতি করে দুয়া চাইছে। সে কি চাইছে, তা জানার জন্য উৎসুক হয়ে যখন তিনি কান পাতলেন তখন তার দোয়া শুনে তিনি বেশ অভিভূত হয়ে গেলেন। সে দোয়া চাইছিলঃ
“হে আল্লাহ! তুমি কোথায়? আমি তোমায় চাকর হতে চাই, তোমার জুতা সারিয়ে দিতে চাই, তোমার চুলগুলো আঁচড়ে পরিপাটি করে দিতে চাই, তোমার কাপড় ধৌত করে দিতে চাই, তোমার উকুন বেছে দিতে চাই, তোমার (খিদে পেলে) জন্য দুধ এনে দিতে চাই। . . . . ”
আল্লাহ তায়ালা নিরাকার, তিনি মানুষ নন। কিন্তু অজ্ঞ মেষপালক তাঁকে মানুষ ভেবে বসে আছে! সাইয়িদুনা মূসা আলাইহিস তাঁকে শরয়ী বিরোধী দূয়া চাইবার জন্য ধমক দিলেন, বললেন, “তুমি নিশ্চিতরূপে কা/ ফির হয়ে গেছ।” তিনি তাকে বুঝিয়ে বললেন যে, তার কথাগুলো ঠিক নয়। সেগুলো ছিল শরীয়তের পরিপন্থী।
যখন মেষপালক সব শুনল, সে বলল, "হে মূসা (আলাইহিস সালাম) তুমি তো আমার চোখ খুলে দিলে, আমার মুখ বন্ধ করে দিলে এবং আমার রূহকে আফসোস ও তওবাহের অগ্নিতে দহন করলে।”
অতঃপর সে দোয়া ছেড়ে উঠে চলে গেল।
সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে অহী এলোঃ
“তুমি আমাকে আমার বান্দাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিলে! তুমি নবী হিসেবে এসেছ (আমার ও বান্দাহর মধ্যে) মিলন ঘটাতে নাকি বিচ্ছেদ করতে?.... ”
আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হয়েছেন দেখে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম দ্রুত সেই মেষপালককে খুঁজে বের করে তাকে তার মতো করে দোয়া চাইতে বললেন। কিন্তু সে আর শরীয়ত বিরোধীভাবে দোয়া চাইল না, শরীয়ত মোতাবেক আবার আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া তে মগ্ন হল।
দোয়াতে আবেগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা হৃদয় দেখেন। সুতরাং আমাদের উচিত কাতর হয়ে দুয়া চাওয়া, নিজের মতো করে দোয়া চাওয়া, তবে সেক্ষেত্রে এমন কথা যেন না বলে ফেলি যা শরীয়ত বিরোধী।
এগল্প থেকে আরো একটি শিক্ষা মেলে যে, উলামাগণের দায়িত্ব হল খোদাবিমুখদের খোদার দিকে ফিরিয়ে আনা, সবাইকে হৃদয়ের কাছে টানা। ফিতনা করে সবাইকে দূরে সরানো বড় ভয়াবহ কাজ, কাল কিয়ামতের দিবসে এর জবাবদিহি করতে হবে।
#মসনভী
এক ভাই জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই আমি এই এই দুয়া চাই.... এভাবে দুয়া চাওয়া কি ঠিক হবে? তাঁর সম্পূর্ণ দোয়া ছিল আবেগে মোড়া। কিন্তু শেষের কথাটা শরয়ী দৃষ্টিতে বেশ আপত্তিকর। তিনি যদি শেষ কথাটার পাশে বন্ধনির মধ্যে না লিখতেন যে, তিনি তা আবেগের কারণে বলেন, আমি তখনই জবাব দিয়ে দিতাম, “না, এভাবে চাওয়া উচিত নয়।”
একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। ঘটনাটি মাওলানা قدس سره তাঁর মসনভী শরীফে কোন ইসরায়েলী বর্ণনা হতে উদ্ধৃত করেছেন। সংক্ষেপে ঘটনাটি এরকমঃ
একবার সাইয়িদুনা হযরত মূসা عليه السلام কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন, জনৈক মেষপালক নিরালায় খুব আকুতি মিনতি করে দুয়া চাইছে। সে কি চাইছে, তা জানার জন্য উৎসুক হয়ে যখন তিনি কান পাতলেন তখন তার দোয়া শুনে তিনি বেশ অভিভূত হয়ে গেলেন। সে দোয়া চাইছিলঃ
“হে আল্লাহ! তুমি কোথায়? আমি তোমায় চাকর হতে চাই, তোমার জুতা সারিয়ে দিতে চাই, তোমার চুলগুলো আঁচড়ে পরিপাটি করে দিতে চাই, তোমার কাপড় ধৌত করে দিতে চাই, তোমার উকুন বেছে দিতে চাই, তোমার (খিদে পেলে) জন্য দুধ এনে দিতে চাই। . . . . ”
আল্লাহ তায়ালা নিরাকার, তিনি মানুষ নন। কিন্তু অজ্ঞ মেষপালক তাঁকে মানুষ ভেবে বসে আছে! সাইয়িদুনা মূসা আলাইহিস তাঁকে শরয়ী বিরোধী দূয়া চাইবার জন্য ধমক দিলেন, বললেন, “তুমি নিশ্চিতরূপে কা/ ফির হয়ে গেছ।” তিনি তাকে বুঝিয়ে বললেন যে, তার কথাগুলো ঠিক নয়। সেগুলো ছিল শরীয়তের পরিপন্থী।
যখন মেষপালক সব শুনল, সে বলল, "হে মূসা (আলাইহিস সালাম) তুমি তো আমার চোখ খুলে দিলে, আমার মুখ বন্ধ করে দিলে এবং আমার রূহকে আফসোস ও তওবাহের অগ্নিতে দহন করলে।”
অতঃপর সে দোয়া ছেড়ে উঠে চলে গেল।
সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে অহী এলোঃ
“তুমি আমাকে আমার বান্দাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিলে! তুমি নবী হিসেবে এসেছ (আমার ও বান্দাহর মধ্যে) মিলন ঘটাতে নাকি বিচ্ছেদ করতে?.... ”
আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হয়েছেন দেখে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম দ্রুত সেই মেষপালককে খুঁজে বের করে তাকে তার মতো করে দোয়া চাইতে বললেন। কিন্তু সে আর শরীয়ত বিরোধীভাবে দোয়া চাইল না, শরীয়ত মোতাবেক আবার আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া তে মগ্ন হল।
দোয়াতে আবেগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা হৃদয় দেখেন। সুতরাং আমাদের উচিত কাতর হয়ে দুয়া চাওয়া, নিজের মতো করে দোয়া চাওয়া, তবে সেক্ষেত্রে এমন কথা যেন না বলে ফেলি যা শরীয়ত বিরোধী।
এগল্প থেকে আরো একটি শিক্ষা মেলে যে, উলামাগণের দায়িত্ব হল খোদাবিমুখদের খোদার দিকে ফিরিয়ে আনা, সবাইকে হৃদয়ের কাছে টানা। ফিতনা করে সবাইকে দূরে সরানো বড় ভয়াবহ কাজ, কাল কিয়ামতের দিবসে এর জবাবদিহি করতে হবে।
#মসনভী
একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতরে শরীর ডুবিয়ে বসে আছে। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই, লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।
লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, “হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।”
ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো।
কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেন?”
লোকেরা জানাল, “কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার ‘কিসাস’ বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।”
হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন।
ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছেন:
১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।”(অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)।
২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: “পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।”
৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: “যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।” (সূরা শুরা: ২৭)
৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।
অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।
📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, “হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।”
ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো।
কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেন?”
লোকেরা জানাল, “কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার ‘কিসাস’ বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।”
হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন।
ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছেন:
১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।”(অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)।
২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: “পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।”
৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: “যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।” (সূরা শুরা: ২৭)
৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।
অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।
📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
👍1
মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য: কীভাবে সামলাবেন এই পরিবর্তন?
Menopause হলো নারীর জীবনের এমন একটি সময় যখন তার মাসিক ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যখন একজন নারীর ১২ মাস একটানা মাসিক হয় না, তখন তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। মেনোপজ, নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পর্যায়, যা শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। এই সময়ে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে, বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে নানা শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। চলুন সহজভাবে আরও জেনে নেই মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে.
https://blog.healthxbd.com/menopause-and-mental-health/
Menopause হলো নারীর জীবনের এমন একটি সময় যখন তার মাসিক ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যখন একজন নারীর ১২ মাস একটানা মাসিক হয় না, তখন তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। মেনোপজ, নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পর্যায়, যা শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। এই সময়ে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে, বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে নানা শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। চলুন সহজভাবে আরও জেনে নেই মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে.
https://blog.healthxbd.com/menopause-and-mental-health/
Healthx BD
মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য: কীভাবে সামলাবেন এই পরিবর্তন?
মেনোপজ কি শুধু শারীরিক পরিবর্তন? না! এটি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। জেনে নিন কীভাবে এই পরিবর্তন সামলানো যায়
নারী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখছি এখন এতো বেশি ইনফার্টিলিটি বেড়েছে! এটা আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে। কেন বাড়ছে এতো ইনফার্টিলিটি! প্রতিনিয়ত অনেক নারীর কান্না দেখছি, মন খারাপ দেখছি, স্ট্রেস দেখছি, দেখছি স্ট্রাগল এসব দেখে আমার মনে হচ্ছে এই জেনারেশন এর জন্য কিছু বলা হয়তো আসলেও দরকার৷ পোস্ট টা ১৫ বছরের উর্ধ্বে নারীরা পড়লে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করছি -
ধরেন সারাদিন মিলিয়ে - যদি ২০ জন রোগী দেখি এর মধ্যে ১৫ জনের ই PCOS। ১২ জনের PCOS + Infertility।
নিচে কিছু পয়েন্ট দিচ্ছি যা এই জেনারেশনের ঠিক করা খুব ই জরুরী -
১.
আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় শত্রু- রাত জাগা + অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। SSC থেকেই রাত জাগা শুরু। বেশিরভাগ ৬/৭ ক্লাসে পড়া ছেলে মেয়েদের ও দেখি রাত জেগে পড়ছে। মাধ্যমিক থেকে তো ২–৩টা পর্যন্ত পড়া ঘরে ঘরে , তারপর শোয়া এবং সকালে দেরিতে ওঠা। অনেকে ঘুমায় ই সকাল ৫ টায়!
আর যদি University student দের case নেই তাহলে দেখা যায়-
৮০–৯০% ছাত্রছাত্রী নিয়মিত রাত জাগে।
এর সাথে সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়া, স্ক্রল, জাঙ্ক ফুড — সব মিলিয়ে হরমোন পুরোপুরি imbalance হয়ে যায়।
আমার সময়ে বাইরের খাবার ছিল সপ্তাহে একদিনের জিনিস। কলেজ–ইউনিভার্সিটি লাইফে লাঞ্চ প্রায়ই বাড়ির খাবারই হত। আর কোনো কারনে যদি সাথে নিতে না পারতাম তাহলে বাসায় এসেই খেতাম।
আজকের টিনএজারদের বলবো—দয়া করে বাড়ির খাবারে অভ্যস্ত হও। না হলে ভবিষ্যতে নিজের শরীরকেই দায় দিতে হবে।
২️
প্রতিটি মেয়ের জন্য মাসিকের তারিখ লেখা অত্যন্ত জরুরি।
Cycle কয় দিনে হচ্ছে, নিয়মিত হচ্ছে কি না - এটা আগে তুমি জানবে, তারপর ডাক্তার দেখে সিদ্ধান্ত নেবে। পরপর ২–৩ মাস period মিস হলে,Cycle হঠাৎ ছোট/লম্বা হলে,Painful বা খুব irregular হলে
Gynecologist-এর কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক৷
৩
হ্যাঁ, এই পয়েন্টে অনেকের ভিন্ন মতভেদ থাকতে পারে । কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে বলছি - ইচ্ছে থাকলে অন্তত ২৫–২৬ এর মধ্যে বিয়ে
করে ফেলা উচিত, সম্ভব হলে এর আগে এবং ৩০ এর আগেই অন্তত একটি সন্তান নেওয়া জরুরী বলে মনে করি।
ক্যারিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জানি - কিন্তু শরীরের biological clock থেমে থাকে না।
তবে বিয়ে করার ক্ষেত্রে - তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে যাকে তাকে choose করবেন না৷ কারন - খারাপ পার্টনারের সাথে সারা জীবন কাটানোর থেকে নিঃসন্তান থাকা ভালো।
৪️
বিয়ের আগে, বা বাচ্চা নেওয়ার আগে- নিজের শরীরটা প্রস্তুত করতে হবে।Thyroid, PCOS, Period সমস্যা, অ্যান্ড্রোজেন ইস্যু—
যদি থাকে, আগে থেকেই ঠিক করার চেষ্টা করবেন। আমি গতকালকেও ২৭ বছরের এক মেয়ে পেয়েছি যার কিনা ১ বছর টানা পিরিয়ড হয় নি আর মুখ ভর্তি ফ্যাসিয়াল হেয়ার! বুঝতে পারছেন এসকল জিনিস কত ওহরহ আর কমন এখন! বিয়ের আগেই এসকল জিনিস কারেকশন করা বাধ্যতামূলক।
আর সবচেয়ে জরুরি—
Ideal Body Weight-এর চেয়ে ৮–১০ কেজি বেশি হলে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ান/ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হবেন।
আমি চাই প্রতিটা মেয়ে - বেলীর মতো পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় সুভাস ছড়াক 🌻
শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী
ধরেন সারাদিন মিলিয়ে - যদি ২০ জন রোগী দেখি এর মধ্যে ১৫ জনের ই PCOS। ১২ জনের PCOS + Infertility।
নিচে কিছু পয়েন্ট দিচ্ছি যা এই জেনারেশনের ঠিক করা খুব ই জরুরী -
১.
আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় শত্রু- রাত জাগা + অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। SSC থেকেই রাত জাগা শুরু। বেশিরভাগ ৬/৭ ক্লাসে পড়া ছেলে মেয়েদের ও দেখি রাত জেগে পড়ছে। মাধ্যমিক থেকে তো ২–৩টা পর্যন্ত পড়া ঘরে ঘরে , তারপর শোয়া এবং সকালে দেরিতে ওঠা। অনেকে ঘুমায় ই সকাল ৫ টায়!
আর যদি University student দের case নেই তাহলে দেখা যায়-
৮০–৯০% ছাত্রছাত্রী নিয়মিত রাত জাগে।
এর সাথে সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়া, স্ক্রল, জাঙ্ক ফুড — সব মিলিয়ে হরমোন পুরোপুরি imbalance হয়ে যায়।
আমার সময়ে বাইরের খাবার ছিল সপ্তাহে একদিনের জিনিস। কলেজ–ইউনিভার্সিটি লাইফে লাঞ্চ প্রায়ই বাড়ির খাবারই হত। আর কোনো কারনে যদি সাথে নিতে না পারতাম তাহলে বাসায় এসেই খেতাম।
আজকের টিনএজারদের বলবো—দয়া করে বাড়ির খাবারে অভ্যস্ত হও। না হলে ভবিষ্যতে নিজের শরীরকেই দায় দিতে হবে।
২️
প্রতিটি মেয়ের জন্য মাসিকের তারিখ লেখা অত্যন্ত জরুরি।
Cycle কয় দিনে হচ্ছে, নিয়মিত হচ্ছে কি না - এটা আগে তুমি জানবে, তারপর ডাক্তার দেখে সিদ্ধান্ত নেবে। পরপর ২–৩ মাস period মিস হলে,Cycle হঠাৎ ছোট/লম্বা হলে,Painful বা খুব irregular হলে
Gynecologist-এর কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক৷
৩
হ্যাঁ, এই পয়েন্টে অনেকের ভিন্ন মতভেদ থাকতে পারে । কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে বলছি - ইচ্ছে থাকলে অন্তত ২৫–২৬ এর মধ্যে বিয়ে
করে ফেলা উচিত, সম্ভব হলে এর আগে এবং ৩০ এর আগেই অন্তত একটি সন্তান নেওয়া জরুরী বলে মনে করি।
ক্যারিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জানি - কিন্তু শরীরের biological clock থেমে থাকে না।
তবে বিয়ে করার ক্ষেত্রে - তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে যাকে তাকে choose করবেন না৷ কারন - খারাপ পার্টনারের সাথে সারা জীবন কাটানোর থেকে নিঃসন্তান থাকা ভালো।
৪️
বিয়ের আগে, বা বাচ্চা নেওয়ার আগে- নিজের শরীরটা প্রস্তুত করতে হবে।Thyroid, PCOS, Period সমস্যা, অ্যান্ড্রোজেন ইস্যু—
যদি থাকে, আগে থেকেই ঠিক করার চেষ্টা করবেন। আমি গতকালকেও ২৭ বছরের এক মেয়ে পেয়েছি যার কিনা ১ বছর টানা পিরিয়ড হয় নি আর মুখ ভর্তি ফ্যাসিয়াল হেয়ার! বুঝতে পারছেন এসকল জিনিস কত ওহরহ আর কমন এখন! বিয়ের আগেই এসকল জিনিস কারেকশন করা বাধ্যতামূলক।
আর সবচেয়ে জরুরি—
Ideal Body Weight-এর চেয়ে ৮–১০ কেজি বেশি হলে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ান/ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হবেন।
আমি চাই প্রতিটা মেয়ে - বেলীর মতো পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় সুভাস ছড়াক 🌻
শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী
৯-৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক কৈশরেই পরে থাকে। অনেকে মনে করেন ১৮ বছরে মস্তিষ্ক 'ম্যাচিওর' হয়ে যায়, তা আসলে ভুল।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর।
৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত।
৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত।
৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে।
৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
#neuroscience #bigyanpriyo
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর।
৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত।
৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত।
৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে।
৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
#neuroscience #bigyanpriyo
❤2
আল্লাহতাআলা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেন নাই- যার প্রাকৃতিক সমাধান রাখেননি; বরং প্রত্যেকটি রোগের বা শারীরিক সমস্যার একাধিক সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে! মানুষের দায়িত্ব শুধু মহাপ্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে (মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বিধি-বিধান ও নির্দেশনা মোতাবেক) সঠিক প্রাকৃতিক খাবারটি খুঁজে নিয়ে রোগ নিরাময়ের উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম সিন্থেটিক ড্রাগস রোগ উপশমের উপায় হিসেবে মানবদেহের ভেতরে ঢোকানো যাবে না (সৃষ্টিকর্তা সেই অধিকার মানুষকে দেননি)!
মানুষের জন্য প্রদত্ত জীবন-বিধান সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন : "আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি, তা ত্থেকে উত্তমগুলো আহার হিসেবে গ্রহণ করো আর এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, করলে তোমাদের উপর আযাব সাব্যস্ত হবে। আমার আযাব যার উপরে সাব্যস্ত হয়, সে তো ধ্বংসই হয়ে যায়! আর যে তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং সৎ পথে অটল থাকে, আমি তাঁর জন্য অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল।" সূরা ত্বহা - ৮১-৮২
মানুষের জন্য প্রদত্ত জীবন-বিধান সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন : "আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি, তা ত্থেকে উত্তমগুলো আহার হিসেবে গ্রহণ করো আর এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, করলে তোমাদের উপর আযাব সাব্যস্ত হবে। আমার আযাব যার উপরে সাব্যস্ত হয়, সে তো ধ্বংসই হয়ে যায়! আর যে তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং সৎ পথে অটল থাকে, আমি তাঁর জন্য অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল।" সূরা ত্বহা - ৮১-৮২
❤2
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এরপর সাপ্লিমেন্ট হালুয়া তৈরি করে খাবেন। দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। বিস্তারিত তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণ নিচে দেওয়া হল।
✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি
🥄 উপকরণ ও পরিমাণ:
অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম
ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম
জাফরান:২ গ্রাম
বীর্য মনি:৫০ গ্রাম
তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম
কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম
তালমাখানা:৩০ গ্রাম
তালমুল: ৩০ গ্রাম
ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম
পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম
তোকমা দানা: ২০ গ্রাম
গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম
আখরোট: ৫০ গ্রাম
তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম
পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম
খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম
লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম
শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম
আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম
গাজর বীজ:১৫ গ্রাম
দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম
যত্রিক: ৩০ গ্রাম
মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো
🔧 প্রস্তুত প্রণালী:
সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়।
⚠️ সতর্কতা:
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে এই শীতে প্রায় ৬ মাস ভালো থাকব।
.
🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে।
নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় । সহকারি কে বলবেন আমি সাপ্লিমেন্ট হালুয়া নিতে চাই। আপনি অর্ডার দেওয়ার পরে তৈরি করে দেয়া যাবে। আমাদের কাছে তৈরি করা থাকে না।
প্রায় দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই।
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না।
☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন।
.
হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন ।
★ ফোনে কথা বলার সময়:
সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত।
★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়:
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ।
(সরাসরি সাক্ষাতের জন্য অবশ্যই একদিন আগে ফোন দিয়ে আসতে হবে)
.
🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন।
01972859950 ও 01712859950
এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।
✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি
🥄 উপকরণ ও পরিমাণ:
অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম
ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম
জাফরান:২ গ্রাম
বীর্য মনি:৫০ গ্রাম
তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম
কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম
তালমাখানা:৩০ গ্রাম
তালমুল: ৩০ গ্রাম
ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম
পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম
তোকমা দানা: ২০ গ্রাম
গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম
আখরোট: ৫০ গ্রাম
তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম
পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম
খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম
লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম
শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম
আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম
গাজর বীজ:১৫ গ্রাম
দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম
যত্রিক: ৩০ গ্রাম
মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো
🔧 প্রস্তুত প্রণালী:
সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়।
⚠️ সতর্কতা:
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে এই শীতে প্রায় ৬ মাস ভালো থাকব।
.
🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে।
নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় । সহকারি কে বলবেন আমি সাপ্লিমেন্ট হালুয়া নিতে চাই। আপনি অর্ডার দেওয়ার পরে তৈরি করে দেয়া যাবে। আমাদের কাছে তৈরি করা থাকে না।
প্রায় দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই।
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না।
☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন।
.
হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন ।
★ ফোনে কথা বলার সময়:
সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত।
★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়:
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ।
(সরাসরি সাক্ষাতের জন্য অবশ্যই একদিন আগে ফোন দিয়ে আসতে হবে)
.
🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন।
01972859950 ও 01712859950
এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।
জ্ঞান - Knowledge
Photo
দুনিয়াটা জারজ সন্তানে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।
একটা সন্তানের আশায় মানুষ হালাল-হারামের পরোয়া করতেসে না। আল্লাহ ﷻ বলেন,
وَ لَا یَاۡتِیۡنَ بِبُہۡتَانٍ یَّفۡتَرِیۡنَہٗ بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِنَّ وَ اَرۡجُلِہِنَّ
“(নারীরা) হাত-পায়ের মাঝখান থেকে মিথ্যা অপবাদ রচনা করো না।”
📚 [সূরা মুমতাহিনা (৬০) : আয়াতঃ ১২]
আয়াতটির অর্থ দুটি। তন্মধ্যে একটি হল- অন্যের ঔরসজাত সন্তানকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দেওয়া। জাহেলী যুগে কোন কোন নারী অন্যের সন্তানকে নিয়ে এসে বলত, এ আমার স্বামীর সন্তান অথবা ব্যভিচার করত এবং তাতে যে অবৈধ সন্তানের জন্ম হত, তাকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দিত।
হাদীসের মাঝে এসেছে -
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: "مَا بَعْدَ الشِّرْكِ ذَنْبٌ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ نُطْفَتَهُ فِي رَحِمٍ لاَ يَحِلُّ لَهُ."
(المصدر: الورع لابن أبي الدنيا، حديث ضعيف)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “শিরকের পরে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা, যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেননি।”
📚 (আল ওরাআ, ইবনু আবিদ্ দুনিয়া, হাদীস নং-৯৪; শামেলা)
সন্তানের বাবা কে তা একমাত্র স্ত্রীই বলতে পারবে! ইতিপূর্বে আমি কয়েকটা পোস্টের মাধ্যমে বলেছি স্বামী ব্যতীত ডোনারের স্পার্ম নিয়েও iui, ivf, icsi এর মতো চিকিৎসা হচ্ছে এবং এটা সিক্রেট রেখে। গতকাল ইবনে সিনা হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন কমেন্টের মাধ্যমে বললেন, ডোনারের সাথে ডিল করবেন সাবধানে, ডোনারের পরিচয় জানার চেষ্টা করবেন না!
কিছুক্ষণ আগেই স্কিনশটের এই মহিলার সাথে কথা হচ্ছিল, কাউন্সিলিং করছিলাম কেন তিনি সন্তানের জন্য জঘন্য হারামের দিকে যাবেন। বাকিটা স্কিনশটে দেখে নিন। ভারতের মতো এই দেশেও মহামারীর মতো iui, ivf এর আড়ালে এগুলো হচ্ছে।
এগুলো যদি আপনার মনে হয় ফেইক, ভুয়া, বানোয়াট, তাহলে স্কিপ করবেন আমার পোস্ট। প্রয়োজনে আনফলো করবেন, আনফ্রেন্ড করবেন, আই ডোন্ট মাইন্ড।
এক হাদীসে এসেছেঃ
عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لَا تَزَالُ أُمَّتِي بِخَيْرٍ مَا لَمْ يَفْشُ فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَإِذَا فَشَا فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَيُوشِكُ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللهُ ﷻ بِعِقَابٍ
নবীজী (ﷺ) এর বিবি হযরত মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবীজী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মত থেকে কল্যাণ বন্ধ হবে না, যতক্ষণ না তাদের মাঝে জারজ সন্তান বেড়ে যায়। যখন তাদের মাঝে জারজ সন্তান বিস্তার লাভ করবে, তখন আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ব্যাপক আযাবের সম্মুখীন করবেন।
📚 (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৬৮৩০, মু’জামুল কাবীর লিততাবারানী, হাদীস নং-৫৫)
এক আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ বলেনঃ
وَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِ ﴿ۚ۴۶﴾
“আর যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দু'টি (জান্নাতে) বাগান।”
📚 [সূরা আর-রাহমান (৫৫) : আয়াতঃ ৪৬]
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ আমাদের হেফাজত করুন। আমীন।
একটা সন্তানের আশায় মানুষ হালাল-হারামের পরোয়া করতেসে না। আল্লাহ ﷻ বলেন,
وَ لَا یَاۡتِیۡنَ بِبُہۡتَانٍ یَّفۡتَرِیۡنَہٗ بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِنَّ وَ اَرۡجُلِہِنَّ
“(নারীরা) হাত-পায়ের মাঝখান থেকে মিথ্যা অপবাদ রচনা করো না।”
📚 [সূরা মুমতাহিনা (৬০) : আয়াতঃ ১২]
আয়াতটির অর্থ দুটি। তন্মধ্যে একটি হল- অন্যের ঔরসজাত সন্তানকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দেওয়া। জাহেলী যুগে কোন কোন নারী অন্যের সন্তানকে নিয়ে এসে বলত, এ আমার স্বামীর সন্তান অথবা ব্যভিচার করত এবং তাতে যে অবৈধ সন্তানের জন্ম হত, তাকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দিত।
হাদীসের মাঝে এসেছে -
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: "مَا بَعْدَ الشِّرْكِ ذَنْبٌ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ نُطْفَتَهُ فِي رَحِمٍ لاَ يَحِلُّ لَهُ."
(المصدر: الورع لابن أبي الدنيا، حديث ضعيف)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “শিরকের পরে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা, যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেননি।”
📚 (আল ওরাআ, ইবনু আবিদ্ দুনিয়া, হাদীস নং-৯৪; শামেলা)
সন্তানের বাবা কে তা একমাত্র স্ত্রীই বলতে পারবে! ইতিপূর্বে আমি কয়েকটা পোস্টের মাধ্যমে বলেছি স্বামী ব্যতীত ডোনারের স্পার্ম নিয়েও iui, ivf, icsi এর মতো চিকিৎসা হচ্ছে এবং এটা সিক্রেট রেখে। গতকাল ইবনে সিনা হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন কমেন্টের মাধ্যমে বললেন, ডোনারের সাথে ডিল করবেন সাবধানে, ডোনারের পরিচয় জানার চেষ্টা করবেন না!
কিছুক্ষণ আগেই স্কিনশটের এই মহিলার সাথে কথা হচ্ছিল, কাউন্সিলিং করছিলাম কেন তিনি সন্তানের জন্য জঘন্য হারামের দিকে যাবেন। বাকিটা স্কিনশটে দেখে নিন। ভারতের মতো এই দেশেও মহামারীর মতো iui, ivf এর আড়ালে এগুলো হচ্ছে।
এগুলো যদি আপনার মনে হয় ফেইক, ভুয়া, বানোয়াট, তাহলে স্কিপ করবেন আমার পোস্ট। প্রয়োজনে আনফলো করবেন, আনফ্রেন্ড করবেন, আই ডোন্ট মাইন্ড।
এক হাদীসে এসেছেঃ
عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لَا تَزَالُ أُمَّتِي بِخَيْرٍ مَا لَمْ يَفْشُ فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَإِذَا فَشَا فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَيُوشِكُ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللهُ ﷻ بِعِقَابٍ
নবীজী (ﷺ) এর বিবি হযরত মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবীজী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মত থেকে কল্যাণ বন্ধ হবে না, যতক্ষণ না তাদের মাঝে জারজ সন্তান বেড়ে যায়। যখন তাদের মাঝে জারজ সন্তান বিস্তার লাভ করবে, তখন আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ব্যাপক আযাবের সম্মুখীন করবেন।
📚 (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৬৮৩০, মু’জামুল কাবীর লিততাবারানী, হাদীস নং-৫৫)
এক আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ বলেনঃ
وَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِ ﴿ۚ۴۶﴾
“আর যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দু'টি (জান্নাতে) বাগান।”
📚 [সূরা আর-রাহমান (৫৫) : আয়াতঃ ৪৬]
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ আমাদের হেফাজত করুন। আমীন।
আমি এর আগে কখনও টিপিকাল বিকাশ স্ক্যামে পড়িনি। কিন্তু আজ অল্পের জন্য এক স্ক্যাম থেকে বেঁচে গেলাম। আর স্ক্যাম এর চেয়ে বড় কথা, এই ঘটনাটা আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে আমরা যে সো কল্ড এনক্রিপ্টেড অ্যাপস ব্যবহার করি এবং আমাদের পার্সোনাল বা প্রোফেশনাল জীবন সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে শেয়ার করি, সেটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
গত রাতে একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই আজ প্রায় ৭টার মধ্যেই ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় শুয়েই একটু scroll করছিলাম। হঠাৎ আমার বিজনেস WhatsApp এ একটা নাম্বার থেকে মেসেজ এলো, সঙ্গে একটা কল। নম্বরটা সেভ করা না থাকলেও কলার নেম এ আমার এক Coworker এর নাম ও তার ছবি দেখাচ্ছিল। রিসিভ করে সালাম দিয়েই কল কেটে দিল। ভাবলাম সকাল সকাল হয়তো বিরক্ত করতে চায়নি, তাই কেটে দিয়েছে।
তারপর মেসেজে সেই পরিচিত ব্যক্তির মতো করেই লিখল, "Vai, akta help lagto. Ammu k hospital e admit koraichi, kisu tk lagto bks a." আমি জানতাম যে উনার ammu মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকেন। তাই সন্দেহ হয়নি। সরাসরি বললাম বিকাশ নম্বর দিতে এবং কত টাকা পাঠাতে হবে।
সে আরেকটা নম্বর দিল আর বলল ৫০০০ টাকা পাঠাতে। আমি ঠিক পাঠাতে যাব এমন সময় মনে হলো, আমরা তো সব লেনদেন করি ব্যাংকে। বিকাশে নিয়ে হঠাৎ ঝামেলায় গেল কেন এই মানুষটা? তাই WhatsApp এ তাকে কল দিলাম। সে আবার কেটে দিল। বলল, "ভাই, টাকা পাঠান. আমি পরে কথা বলছি." এখানেই শুরু হলো সন্দেহ।
সঙ্গে সঙ্গে Truecaller এ চেক করে দেখি নম্বরটা এবং যেই নম্বরে টাকা পাঠাতে বলেছে সেটাও স্ক্যামারের এর।
এখন মূল কথা হলো, বিকাশ স্ক্যাম তো খুবই প্রচলিত বিষয়। কিন্তু এখানে আমাকে অবাক করেছে কয়েকটা দিক।
১. স্ক্যামার রা এখন আমাদের সোশাল মিডিয়া থেকে ছবি নিয়ে স্ক্যামের কাজে ব্যবহার করছে।
২. তারা আমাদের ফোনের Contact list পর্যন্ত পেয়ে যাচ্ছে, যা সবচেয়ে ভয়ংকর।
৩. তারা যার নামে স্ক্যাম করবে তার ব্যক্তিগত জীবনে কাদের সাথে কেমন সম্পর্ক, কাদের সাথে উঠাবসা সেগুলোউ নজর রাখছে।
হয়তো কিছুদিন পর মানুষ এই স্ক্যাম গুলোকেও শনাক্ত করতে পারবে এবং তখন এই মাদারবোর্ড গুলো আরও নতুন আর আরও ভয়ংকর পদ্ধতি বের করবে।
সবাইকে সাবধানে থাকার অনুরোধ রইল।
গত রাতে একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই আজ প্রায় ৭টার মধ্যেই ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় শুয়েই একটু scroll করছিলাম। হঠাৎ আমার বিজনেস WhatsApp এ একটা নাম্বার থেকে মেসেজ এলো, সঙ্গে একটা কল। নম্বরটা সেভ করা না থাকলেও কলার নেম এ আমার এক Coworker এর নাম ও তার ছবি দেখাচ্ছিল। রিসিভ করে সালাম দিয়েই কল কেটে দিল। ভাবলাম সকাল সকাল হয়তো বিরক্ত করতে চায়নি, তাই কেটে দিয়েছে।
তারপর মেসেজে সেই পরিচিত ব্যক্তির মতো করেই লিখল, "Vai, akta help lagto. Ammu k hospital e admit koraichi, kisu tk lagto bks a." আমি জানতাম যে উনার ammu মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকেন। তাই সন্দেহ হয়নি। সরাসরি বললাম বিকাশ নম্বর দিতে এবং কত টাকা পাঠাতে হবে।
সে আরেকটা নম্বর দিল আর বলল ৫০০০ টাকা পাঠাতে। আমি ঠিক পাঠাতে যাব এমন সময় মনে হলো, আমরা তো সব লেনদেন করি ব্যাংকে। বিকাশে নিয়ে হঠাৎ ঝামেলায় গেল কেন এই মানুষটা? তাই WhatsApp এ তাকে কল দিলাম। সে আবার কেটে দিল। বলল, "ভাই, টাকা পাঠান. আমি পরে কথা বলছি." এখানেই শুরু হলো সন্দেহ।
সঙ্গে সঙ্গে Truecaller এ চেক করে দেখি নম্বরটা এবং যেই নম্বরে টাকা পাঠাতে বলেছে সেটাও স্ক্যামারের এর।
এখন মূল কথা হলো, বিকাশ স্ক্যাম তো খুবই প্রচলিত বিষয়। কিন্তু এখানে আমাকে অবাক করেছে কয়েকটা দিক।
১. স্ক্যামার রা এখন আমাদের সোশাল মিডিয়া থেকে ছবি নিয়ে স্ক্যামের কাজে ব্যবহার করছে।
২. তারা আমাদের ফোনের Contact list পর্যন্ত পেয়ে যাচ্ছে, যা সবচেয়ে ভয়ংকর।
৩. তারা যার নামে স্ক্যাম করবে তার ব্যক্তিগত জীবনে কাদের সাথে কেমন সম্পর্ক, কাদের সাথে উঠাবসা সেগুলোউ নজর রাখছে।
হয়তো কিছুদিন পর মানুষ এই স্ক্যাম গুলোকেও শনাক্ত করতে পারবে এবং তখন এই মাদারবোর্ড গুলো আরও নতুন আর আরও ভয়ংকর পদ্ধতি বের করবে।
সবাইকে সাবধানে থাকার অনুরোধ রইল।
শারীরিক সম্পর্ক বা সেক্সে একদমই আগ্রহ নেই, সেক্সের সময় লিবিডো কম বা ড্রাইনেস এর সমস্যা, সেক্সের পরে বার্নিং সেনসেশন বা জ্বালাপোড়া হওয়া এখন বিবাহিত মেয়েদের খুব কমন সমস্যা।
আমি অনেক পেশেন্ট পাই যারা এই ধরনের কমপ্লেইন করেন আমাকে। যে আপু আমার তো ডিজায়ার একেবারেই কম, কোনরকম আগ্রহ ফিল করি না। লজ্জায় অনেকে পার্টনারকে বলতে পারেন না এমনকি অনেক সময় পার্টনার বা ডাক্তার কি ভাববে সেই ভয়েও অনেকে এটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ভয় এবং লজ্জা দুটোই পেয়ে থাকেন। অনেক খুচিয়ে তাদের থেকে এই সব সমস্যার কথা শুনি৷
আজকে এই ব্যাপার টা নিয়েই কথা বলবো।
Hypoactive sexual desire disorder(HSDD) খুবই কমন একটা সমস্যা যেটা মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় আমরা শারিরীক অনেক চেইঞ্জের কারনে এটা বুঝতে পারি না। HSDD এর কিছু সিম্পটমস আছে৷ তার মধ্যে কমন সিম্পটমস গুলো আমি অলরেডি উপরে বলেছি৷
১)সেক্সের প্রতি একদমই কম ইন্টারেস্ট থাকা বা ইন্টারেস্ট না থাকা।
২) কোন সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি কাজ না করা।
৩) নিজে থেকে কখনো ডিজায়ার ফিল না করা।
৪) সেক্সের সময়ে কোন প্লেজার ফিল না করা।
৫) সেক্স ড্রাইভ ধীরে ধীরে কমতে থাকা।
৬) পার্টনারের প্রতি কোন সেক্সুয়াল এট্রাকশন ফিল না করা।
-কেন হয় HSDD??
HSDD অনেক কারনে হতে পারে। এগুলোর মধ্যে -
১) ইনসুলিন রেসিস্টেন্স বা ডায়াবেটিস।
২) থাইরয়েড ইস্যু
৩) আর্থ্রাইটিস
৪) বডিতে এস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া, প্রোল্যাকটিন বেড়ে যাওয়া।
৫) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস
৬) প্রেগন্যান্সির সময়ের বা ডেলিভারি পরবর্তী হরমোনের পরিবর্তন
৭) কিছু মেডিকেশন( এন্টি ডিপ্রেসেন্ট, হাই ব্লাড প্রেশার এর মেডিসিন)
৮) ফ্যাটিগ বা অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড
৯) এনজাইটি, ডিপ্রেশন, লো সেল্ফ এস্টিম
১০) চাইল্ডহুড ট্রমা
১১) পার্টনারকে ভরসা করতে না পারা বা মেন্টাল্লি এটাচড ফিল না করা।
HSDD অনেক সময়ই ফুল্লি কিউরেবল না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক বেশি উন্নতি করা যায়। বিশেষ করে যাদের বয়স কম। অনেক পেশেন্ট দের ক্ষেত্রেই দেখেছি তারা লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক পজিটিভ চেইঞ্জ পেয়েছেন।
তবে HSDD ট্রীটমেন্ট করার আগে আপনাকে বুঝতে হবে এর পিছনের প্রধান কারনটা আসলে কি। পরবর্তী পোস্টে মেয়েদের সেক্স ড্রাইভ কিভাবে বাড়ানো যায় এটা নিয়ে পোস্ট লিখবো ইনশাআল্লাহ।
Sumya Shila
Nutritionist and Diet Consultant
KGN Medicare Limited, Dhanmondi, Dhaka
আমি অনেক পেশেন্ট পাই যারা এই ধরনের কমপ্লেইন করেন আমাকে। যে আপু আমার তো ডিজায়ার একেবারেই কম, কোনরকম আগ্রহ ফিল করি না। লজ্জায় অনেকে পার্টনারকে বলতে পারেন না এমনকি অনেক সময় পার্টনার বা ডাক্তার কি ভাববে সেই ভয়েও অনেকে এটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ভয় এবং লজ্জা দুটোই পেয়ে থাকেন। অনেক খুচিয়ে তাদের থেকে এই সব সমস্যার কথা শুনি৷
আজকে এই ব্যাপার টা নিয়েই কথা বলবো।
Hypoactive sexual desire disorder(HSDD) খুবই কমন একটা সমস্যা যেটা মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় আমরা শারিরীক অনেক চেইঞ্জের কারনে এটা বুঝতে পারি না। HSDD এর কিছু সিম্পটমস আছে৷ তার মধ্যে কমন সিম্পটমস গুলো আমি অলরেডি উপরে বলেছি৷
১)সেক্সের প্রতি একদমই কম ইন্টারেস্ট থাকা বা ইন্টারেস্ট না থাকা।
২) কোন সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি কাজ না করা।
৩) নিজে থেকে কখনো ডিজায়ার ফিল না করা।
৪) সেক্সের সময়ে কোন প্লেজার ফিল না করা।
৫) সেক্স ড্রাইভ ধীরে ধীরে কমতে থাকা।
৬) পার্টনারের প্রতি কোন সেক্সুয়াল এট্রাকশন ফিল না করা।
-কেন হয় HSDD??
HSDD অনেক কারনে হতে পারে। এগুলোর মধ্যে -
১) ইনসুলিন রেসিস্টেন্স বা ডায়াবেটিস।
২) থাইরয়েড ইস্যু
৩) আর্থ্রাইটিস
৪) বডিতে এস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া, প্রোল্যাকটিন বেড়ে যাওয়া।
৫) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস
৬) প্রেগন্যান্সির সময়ের বা ডেলিভারি পরবর্তী হরমোনের পরিবর্তন
৭) কিছু মেডিকেশন( এন্টি ডিপ্রেসেন্ট, হাই ব্লাড প্রেশার এর মেডিসিন)
৮) ফ্যাটিগ বা অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড
৯) এনজাইটি, ডিপ্রেশন, লো সেল্ফ এস্টিম
১০) চাইল্ডহুড ট্রমা
১১) পার্টনারকে ভরসা করতে না পারা বা মেন্টাল্লি এটাচড ফিল না করা।
HSDD অনেক সময়ই ফুল্লি কিউরেবল না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক বেশি উন্নতি করা যায়। বিশেষ করে যাদের বয়স কম। অনেক পেশেন্ট দের ক্ষেত্রেই দেখেছি তারা লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক পজিটিভ চেইঞ্জ পেয়েছেন।
তবে HSDD ট্রীটমেন্ট করার আগে আপনাকে বুঝতে হবে এর পিছনের প্রধান কারনটা আসলে কি। পরবর্তী পোস্টে মেয়েদের সেক্স ড্রাইভ কিভাবে বাড়ানো যায় এটা নিয়ে পোস্ট লিখবো ইনশাআল্লাহ।
Sumya Shila
Nutritionist and Diet Consultant
KGN Medicare Limited, Dhanmondi, Dhaka
আমিও র'ক্তে-মাং'সে গড়া মানুষ। আমারও শখ-আহ্লাদ রয়েছে। তবে, অন্যদের মতো দামী বাইক কিংবা গাড়ি কেনার শখ আমি রাখি না! আমার সামর্থ্য হলে আমি সাদা রঙের একটি ঘোড়া খরিদ করবো, সাথে দুই মাথা বিশিষ্ট ত'লো'য়া'র (এটা আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা)। অতঃপর ডাক পড়লেই কোনরকম চিন্তা-ভাবনা ছাড়া নেমে পড়বো। শুধু আমিই নই! আমার মত হাজারো রয়েছে, যারা খিলাফতে ইসলামিয়ার স্বপ্ন দেখে।
ইনশা আল্লাহ্, সেইদিন বেশি দূরে নয়।
بسم الله الرحمن الرحيم
وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ
মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।
(সূরা আর-রুম, আয়াত: ৪৭)
#khilaafahwillriseagain ☝️
#ibnularabitabib #saiyedtabib
© Ibnul Arabi Tabib
ইনশা আল্লাহ্, সেইদিন বেশি দূরে নয়।
بسم الله الرحمن الرحيم
وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ
মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।
(সূরা আর-রুম, আয়াত: ৪৭)
#khilaafahwillriseagain ☝️
#ibnularabitabib #saiyedtabib
© Ibnul Arabi Tabib
ঢাকা শহরে চিকিৎসা করানো অনেক খরচান্ত ব্যাপার।
ডাক্তারের ভিজিট ১,০০০/১,৫০০/২,০০০ টাকা এখন সাধারণ ব্যাপার।
এরপরে আছে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা। সেগুলোর গলাকাটা চার্জ।
তারপর রিপোর্ট দেখাতে গেলে আবার দাও ভিজিট।
এর সাথে আছে হয়রানি, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
যেই ডাক্তারের ভিজিট যতো বেশি, তার কাছে ততো বেশি ভীড়।
বিখ্যাত ডাক্তারের সিরিয়াল পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
এমনও ডাক্তার আছেন, যার আগামী ছয় মাসের সব স্লট বুক। আজকে সিরিয়াল দিলে ছয় মাস পর দেখানো যাবে।
.
.
.
আমি একটা তাজ্জব হবার মতো খবর দিই আপনাদের:
বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর-পূর্ব গেটে আছে ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার।
এখানে বিশেষজ্ঞ এলোপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ১০ টাকা!
হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ৫ টাকা!!
এখানে বিভিন্ন টেস্ট করা যায় অন্য যেকোনো জায়গার অর্ধেক দামে!
আর, এখানে সিরিয়াল কিংবা ভীড় নেই!! ডাক্তার আর টেকনিশিয়ানরা মশা-মাছি মারেন।
.
.
.
যাবেন নাকি, ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে চিকিৎসা সেবা নিতে?
ডাক্তারের ভিজিট ১,০০০/১,৫০০/২,০০০ টাকা এখন সাধারণ ব্যাপার।
এরপরে আছে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা। সেগুলোর গলাকাটা চার্জ।
তারপর রিপোর্ট দেখাতে গেলে আবার দাও ভিজিট।
এর সাথে আছে হয়রানি, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
যেই ডাক্তারের ভিজিট যতো বেশি, তার কাছে ততো বেশি ভীড়।
বিখ্যাত ডাক্তারের সিরিয়াল পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
এমনও ডাক্তার আছেন, যার আগামী ছয় মাসের সব স্লট বুক। আজকে সিরিয়াল দিলে ছয় মাস পর দেখানো যাবে।
.
.
.
আমি একটা তাজ্জব হবার মতো খবর দিই আপনাদের:
বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর-পূর্ব গেটে আছে ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার।
এখানে বিশেষজ্ঞ এলোপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ১০ টাকা!
হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ৫ টাকা!!
এখানে বিভিন্ন টেস্ট করা যায় অন্য যেকোনো জায়গার অর্ধেক দামে!
আর, এখানে সিরিয়াল কিংবা ভীড় নেই!! ডাক্তার আর টেকনিশিয়ানরা মশা-মাছি মারেন।
.
.
.
যাবেন নাকি, ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে চিকিৎসা সেবা নিতে?
ইবন সিনা, দুটি মেষশাবককে আলাদা খাঁচায় রাখেন। দু’টি মেষশাবকের বয়স ও ওজন ছিল সমান, এবং তাদের একই ধরনের খাবার দেওয়া হতো। সব শর্তই ছিল এক। তবে তিনি তৃতীয় খাঁচায় একটি নেকড়ে রাখেন। শুধু একটি মেষশাবক নেকড়েটিকে দেখতে পেত, অন্যটি নয়।
কয়েক মাস পর যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত, সেটি হয়ে ওঠে বিরক্ত, অস্থির, ধীরে বেড়ে উঠছিল এবং ওজন হারাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়। কিন্তু যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত না, সেটি শান্ত ছিল, ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং সুস্থভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।
নেকড়ে মেষশাবকটিকে কিছুই করেনি, তবুও শুধু ভয় ও মানসিক চাপ তার অকাল মৃত্যু ডেকে আনে। আর যে মেষশাবক ভয়মুক্ত ছিল, সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকে।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইবন সিনা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অযথা দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগে নিজেকে কষ্ট দেবেন না।
সূত্র: Avicenna, Concerning the Soul, in F. Rahman, Avicenna's Psychology: An English Translation of Kitab Al-Najat.
কয়েক মাস পর যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত, সেটি হয়ে ওঠে বিরক্ত, অস্থির, ধীরে বেড়ে উঠছিল এবং ওজন হারাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়। কিন্তু যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত না, সেটি শান্ত ছিল, ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং সুস্থভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।
নেকড়ে মেষশাবকটিকে কিছুই করেনি, তবুও শুধু ভয় ও মানসিক চাপ তার অকাল মৃত্যু ডেকে আনে। আর যে মেষশাবক ভয়মুক্ত ছিল, সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকে।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইবন সিনা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অযথা দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগে নিজেকে কষ্ট দেবেন না।
সূত্র: Avicenna, Concerning the Soul, in F. Rahman, Avicenna's Psychology: An English Translation of Kitab Al-Najat.
আপনি কি জানেন, প্রসব দ্রুত ও সহজ করতে প্রসবব্যথার সময় কি কি করতে হবে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা এসেছে কুরআনে?
আধুনিক বিজ্ঞান যে বিষয় গুলো এখন প্রাক্টিস করতে বলছে সেগুলো চৌদ্দশ বছর আগেই আল্লাহ আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। সূরা মারইয়ামের ২৫ ও ২৬ নম্বর আয়াতে এসেছে–
২৫. আর তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও, তাহলে তা তোমার উপর পাকা, টাটকা খেজুর ঝরিয়ে দেবে।
২৬. সুতরাং তুমি খাও, পান করো এবং চোখ জুড়াও। আর যদি তুমি কোনো মানুষকে দেখতে পাও, তবে বলবে, 'আমি দয়াময়ের জন্য রোজা মানত করেছি। কাজেই আজ আমি কিছুতেই কোনো মানুষের সাথে কথা বলব না।'
👉 দেখুন, আল্লাহ এখানে মা মাইয়াম আঃ কে তার প্রসবব্যথার সময় কি বলছেন “তুমি খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও”। আমরা কুআন থেকেই জেনেছি মারইয়াম আঃ এমন একজন মহীয়সী নারী যাকে ফেরেস্তারা বেহেশত থেকে ফল দিয়ে যেত।
যে আল্লাহ এমনি সময়ে ফেরেশতা দিয়ে কোনো কষ্ট ছাড়াই ফল পাঠাতেন, সেই আল্লাহ কেন প্রসবব্যথার মত এতো কষ্টদায়ক একটা সময়ে নিজে কাণ্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে খেজুর পেড়ে খেতে বলেছেন? আল্লাহ তো চাইলেই তার সামনে খেজুরের দস্তরখান পাঠাতে পারতেন।
এখানেই রয়েছে হিকমাহ। আল্লাহ আসলে মারইয়াম আঃ কে প্রসবব্যাথার এক্টিভ থাকতে বলেছেন। ওই সময় শরীরকে নাড়াতে বলেছেন। মুভমেন্ট করতে বলেছেন।
এখন যখন আমরা প্রাকৃতিক প্রসব নিয়ে কাজ করি, আমরা মায়েদের প্রসবব্যথার সময় এক্টিভ থাকতে বলি। হাটাহাটি করতে বলি, মুভমেন্ট করতে বলি। এর কিন্তু অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন–
▪️গবেষণায় এসেছে প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি করলে তা ২৮% পর্যন্ত দ্রুত প্রসব ঘটাতে সাহায্য করে। যেসব মায়েরা প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি এবং মুভমেন্ট করে তাদের প্রসব সহজ এবং দ্রুত হয়। তাছাড়া সচল থাকা প্রসবব্যথার প্রাথমিক ধাপকে গড়ে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কমাতে পারে।
▪️রবার্টস, মেন্ডেজ-বাউয়ার এবং উডেল (Roberts, Mendez-Bauer, & Wodell, 1983) সহ অনেক গবেষক দেখিয়েছেন যে, প্রসবব্যথার সময় মুভমেন্ট করলে জরায়ু পেশী আরো দক্ষতার সাথে কাজ করে।
▪️সিমকিন ও আঞ্চেটা (Simkin & Ancheta, 2005) বলেছেন যে, ঘন ঘন পজিশন পরিবর্তন করা শ্রোণিচক্রের হাড়গুলোকে (পেলভিস) নাড়িয়ে শিশুকে প্রসব পথে সঠিক জায়গা খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন পজিশনে নড়াচড়া ও পরিবর্তন (যেমন হাঁটা, স্কোয়াটিং, চার হাত-পায়ে থাকা) শ্রোণিচক্রের (Pelvis) আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে, যা শিশুকে প্রসব পথে সঠিক অবস্থানে আসতে এবং জায়গা করে নিতে সাহায্য করে।
▪️এমআরআই (MRI) প্রমাণে দেখা গেছে, স্কোয়াটিং বা হাঁটু গেড়ে থাকলে পেলভিসের আউটলেট আরও চওড়া হয়।
▪️ব্যথা উপশম - হাঁটাহাঁটি ও মুভমেন্ট ব্যথার তীব্রতা কম অনুভব করতে সাহায্য করে। এটি একটি কার্যকর প্রাকৃতিক pain coping strategy। এসময় শরীর এন্ডোরফিন (Endorphins) নামক প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী হরমোন নিঃসরণ করে।
▪️সক্রিয় থাকলে চিকিৎসা সংক্রান্ত হস্তক্ষেপ, যেমন সিজারিয়ান ডেলিভারি বা যন্ত্রের সাহায্যে প্রসবের (Assisted Birth) প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। গবেষণায় সক্রিয় মায়েদের ক্ষেত্রে কম হস্তক্ষেপের হার লক্ষ্য করা গিয়েছে।
▪️মানসিক নিয়ন্ত্রণ ও সন্তুষ্টি - প্রসবের সময় নিজের পছন্দমতো নড়াচড়া ও অবস্থান পরিবর্তনের স্বাধীনতা থাকলে প্রসূতি মায়েরা বেশি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন। এটি সামগ্রিকভাবে প্রসবের অভিজ্ঞতাকে আরও ইতিবাচক করে তোলে। সক্রিয় থাকার মাধ্যমে প্রসূতিরা তাদের প্রসবের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
▪️রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন সরবরাহ - সক্রিয়তা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শিশুর কাছে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে। শুয়ে থাকলে ধমনীর ওপর চাপ পড়তে পারে, যা শিশুর কাছে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
👉 এখন দ্বিতীয় বিষয়টি খেয়াল করুন। কেউ যদি কোনো গাছের কান্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়তে চায় তাকে অবশ্যই আপ-রাইট কোনো পজিশনে গাছ ঝাঁকি দিতে হবে। শুয়ে শুয়ে তো আর গাছ ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়া যায় না।
এখানেই আসে প্রসবব্যথার সময় আপ-রাইট পজিশনে থাকার হিকমাহ…………
চলবে…..
(১ম পর্ব)
✍️ রেজওয়ানা রাজ্জাক
সার্টিফাইড চাইল্ডবার্থ এডুকেটর এন্ড দৌলা
#cbe_rejuana_razzak #doula_rejuana_razzak #Pregnancy #motherhood #labor #birth #delivery #Quran #quranquotes #mariam
আধুনিক বিজ্ঞান যে বিষয় গুলো এখন প্রাক্টিস করতে বলছে সেগুলো চৌদ্দশ বছর আগেই আল্লাহ আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। সূরা মারইয়ামের ২৫ ও ২৬ নম্বর আয়াতে এসেছে–
২৫. আর তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও, তাহলে তা তোমার উপর পাকা, টাটকা খেজুর ঝরিয়ে দেবে।
২৬. সুতরাং তুমি খাও, পান করো এবং চোখ জুড়াও। আর যদি তুমি কোনো মানুষকে দেখতে পাও, তবে বলবে, 'আমি দয়াময়ের জন্য রোজা মানত করেছি। কাজেই আজ আমি কিছুতেই কোনো মানুষের সাথে কথা বলব না।'
👉 দেখুন, আল্লাহ এখানে মা মাইয়াম আঃ কে তার প্রসবব্যথার সময় কি বলছেন “তুমি খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও”। আমরা কুআন থেকেই জেনেছি মারইয়াম আঃ এমন একজন মহীয়সী নারী যাকে ফেরেস্তারা বেহেশত থেকে ফল দিয়ে যেত।
যে আল্লাহ এমনি সময়ে ফেরেশতা দিয়ে কোনো কষ্ট ছাড়াই ফল পাঠাতেন, সেই আল্লাহ কেন প্রসবব্যথার মত এতো কষ্টদায়ক একটা সময়ে নিজে কাণ্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে খেজুর পেড়ে খেতে বলেছেন? আল্লাহ তো চাইলেই তার সামনে খেজুরের দস্তরখান পাঠাতে পারতেন।
এখানেই রয়েছে হিকমাহ। আল্লাহ আসলে মারইয়াম আঃ কে প্রসবব্যাথার এক্টিভ থাকতে বলেছেন। ওই সময় শরীরকে নাড়াতে বলেছেন। মুভমেন্ট করতে বলেছেন।
এখন যখন আমরা প্রাকৃতিক প্রসব নিয়ে কাজ করি, আমরা মায়েদের প্রসবব্যথার সময় এক্টিভ থাকতে বলি। হাটাহাটি করতে বলি, মুভমেন্ট করতে বলি। এর কিন্তু অনেক উপকারিতা রয়েছে। যেমন–
▪️গবেষণায় এসেছে প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি করলে তা ২৮% পর্যন্ত দ্রুত প্রসব ঘটাতে সাহায্য করে। যেসব মায়েরা প্রসবব্যথার সময় হাটাহাটি এবং মুভমেন্ট করে তাদের প্রসব সহজ এবং দ্রুত হয়। তাছাড়া সচল থাকা প্রসবব্যথার প্রাথমিক ধাপকে গড়ে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কমাতে পারে।
▪️রবার্টস, মেন্ডেজ-বাউয়ার এবং উডেল (Roberts, Mendez-Bauer, & Wodell, 1983) সহ অনেক গবেষক দেখিয়েছেন যে, প্রসবব্যথার সময় মুভমেন্ট করলে জরায়ু পেশী আরো দক্ষতার সাথে কাজ করে।
▪️সিমকিন ও আঞ্চেটা (Simkin & Ancheta, 2005) বলেছেন যে, ঘন ঘন পজিশন পরিবর্তন করা শ্রোণিচক্রের হাড়গুলোকে (পেলভিস) নাড়িয়ে শিশুকে প্রসব পথে সঠিক জায়গা খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন পজিশনে নড়াচড়া ও পরিবর্তন (যেমন হাঁটা, স্কোয়াটিং, চার হাত-পায়ে থাকা) শ্রোণিচক্রের (Pelvis) আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে, যা শিশুকে প্রসব পথে সঠিক অবস্থানে আসতে এবং জায়গা করে নিতে সাহায্য করে।
▪️এমআরআই (MRI) প্রমাণে দেখা গেছে, স্কোয়াটিং বা হাঁটু গেড়ে থাকলে পেলভিসের আউটলেট আরও চওড়া হয়।
▪️ব্যথা উপশম - হাঁটাহাঁটি ও মুভমেন্ট ব্যথার তীব্রতা কম অনুভব করতে সাহায্য করে। এটি একটি কার্যকর প্রাকৃতিক pain coping strategy। এসময় শরীর এন্ডোরফিন (Endorphins) নামক প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী হরমোন নিঃসরণ করে।
▪️সক্রিয় থাকলে চিকিৎসা সংক্রান্ত হস্তক্ষেপ, যেমন সিজারিয়ান ডেলিভারি বা যন্ত্রের সাহায্যে প্রসবের (Assisted Birth) প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। গবেষণায় সক্রিয় মায়েদের ক্ষেত্রে কম হস্তক্ষেপের হার লক্ষ্য করা গিয়েছে।
▪️মানসিক নিয়ন্ত্রণ ও সন্তুষ্টি - প্রসবের সময় নিজের পছন্দমতো নড়াচড়া ও অবস্থান পরিবর্তনের স্বাধীনতা থাকলে প্রসূতি মায়েরা বেশি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস অনুভব করেন। এটি সামগ্রিকভাবে প্রসবের অভিজ্ঞতাকে আরও ইতিবাচক করে তোলে। সক্রিয় থাকার মাধ্যমে প্রসূতিরা তাদের প্রসবের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
▪️রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেন সরবরাহ - সক্রিয়তা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শিশুর কাছে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে। শুয়ে থাকলে ধমনীর ওপর চাপ পড়তে পারে, যা শিশুর কাছে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
👉 এখন দ্বিতীয় বিষয়টি খেয়াল করুন। কেউ যদি কোনো গাছের কান্ড ধরে ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়তে চায় তাকে অবশ্যই আপ-রাইট কোনো পজিশনে গাছ ঝাঁকি দিতে হবে। শুয়ে শুয়ে তো আর গাছ ঝাঁকি দিয়ে ফল পাড়া যায় না।
এখানেই আসে প্রসবব্যথার সময় আপ-রাইট পজিশনে থাকার হিকমাহ…………
চলবে…..
(১ম পর্ব)
✍️ রেজওয়ানা রাজ্জাক
সার্টিফাইড চাইল্ডবার্থ এডুকেটর এন্ড দৌলা
#cbe_rejuana_razzak #doula_rejuana_razzak #Pregnancy #motherhood #labor #birth #delivery #Quran #quranquotes #mariam
❤1
জ্ঞান - Knowledge
Photo
স্বেচ্ছায় জারজ সন্তান জন্মানোর নোংরা প্রতিযোগিতা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা
দুনিয়াতে জারজ সন্তান কীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা তার একটা নমুনা মাত্র। বর্তমান জেনারেশনে বন্ধ্যাত্ব বেড়েই চলেছে, এর পিছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে দেরিতে বিয়ে করা, এরপর রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল, অতিরিক্ত রাত জাগা, ডিভাইস ব্যবহার করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস। পাশাপাশি বিবাহবহির্ভূতভাবে গর্ভপাত, বিয়ের পরে জন্মনিরোধক পিল বা ইনজেকশন ব্যবহার সহ আরো অনেক বিষয় রয়েছে।
নিঃসন্তান দম্পতিরা একটা সন্তানের আশায় হালাল-হারামের কোন পরোয়া করেন না। এই বিষয়ে আমি ইতিপূর্বেও একটা পোস্ট করেছিলাম। তাদেরকে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাউন্সিলিং করতে গেলে উল্টো আপনাকে অপমান-অপদস্থ হতে হবে।
যেহেতু হাসপাতালের মাধ্যমে অন্য পুরুষের বীর্য এবং অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ তৈরি করা হয়, তাই অনেকে বিষয়টা খুবই সহজভাবে নিচ্ছেন অথচ এটি জঘন্য পর্যায়ের হারাম। আরেকটা বিষয় হলো অনেকটা গোপনীয়তার সহিত এটা করা হয় ফলে দিন দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলেছে।
ভারতের বিভিন্ন ফার্টিলিটি সেন্টার, আইভিএফ সেন্টারে স্বামী বাদে পরপুরুষের স্পার্ম ডোনার বৈধ, একই সাথে নিজ স্ত্রী বাদে অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ প্রতিস্থাপনও আইনগতভাবে বৈধ। বাংলাদেশে যদিও আইনগতভাবে এগুলো নিষিদ্ধ তথাপি স্কিনশটের গ্রুপের মাধ্যমে বেশ কয়েকটা ফার্টিলিটি সেন্টারের নাম জানতে পারলাম যেখানে স্বামীর শুক্রাণু বাদে অন্যের শুক্রাণু দিয়ে iui করা হয়, যেহেতু iui করা হয় ডোনার দ্বারা সেহেতু IVF ও ডোনার দ্বারা করা হচ্ছে। এই বিষয়টা অবশ্যই সিক্রেটলি হ্যান্ডেল করা হচ্ছে।
প্রমাণস্বরূপ দুইটি ঘটনা উল্লেখ করছি। যাতে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বাংলাদেশেও iui, ivf এর মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জারজ সন্তান পয়দা করার কাজগুলো দেদারসে চলছে।
ধানমন্ডি পপুলারের আইভিএফ স্পেশালিষ্ট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এবং ইনফার্টিলিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক একজন ডাক্তার ম্যাডাম, একবার তার পেজের একটা পোস্টে ডোনারের মাধ্যমে iui এর কথা লিখেছিলেন। আমি আমার অজ্ঞাতনামা বিকল্প আইডি দিয়ে তার সেই পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম, ডোনারের মাধ্যমে কি তাহলে iui করা হয়? প্রশ্নটা তাকে বিব্রত করেছিল। তিনি হয়তো বুঝতেও পারেননি বিষয়টা এভাবেও কেউ চিন্তা করবে! যাই হোক সেই কমেন্ট থেকে তিনি আমাকে ইনবক্স করে জানান, ডোনারের মাধ্যমে iui করা হয় না। তখনকার পর্যন্ত কথা এই পর্যন্ত ছিল।
গত কয়েকদিন আগে আমি সেই ম্যাডামের একটা ভিডিওতে আবারও প্রশ্ন করে জানতে চাই, ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করেন কি? হাজবেন্ড-ওয়াইফের সম্মতি থাকলে? তিনি আমার এই প্রশ্নের একটা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের একটা রিপ্লাই ভিডিও দেন। সেই ভিভিওতে তিনি যা বলেছেন আমি হুবহু সেটা তুলে ধরছি -
❝আমি বাংলাদেশের একজন আইভিএফ স্পেশালিষ্ট। আমি বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী চিকিৎসা করি, বাংলাদেশের আইন মেনে চিকিৎসা করি এবং আমাকে সেটা করতে হয়। তারপরও হচ্ছে যে, আমার ব্যক্তিগত দিক থেকে কিছু ব্যাপার থাকে সব মিলিয়ে আমি ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করি না। যদিও আমি প্রসেসটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত আছি। কারণ আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার আইন মেনে, আমার ল' মেনে, আমার জ্ঞানটাকে কাজে লাগানোর জন্য। অন্য কে, কী করছে তা আমার দিক থেকে কোন সমস্যা বা কোনধরনের অবলিগেশন নেই। আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো চিকিৎসা পদ্ধতি নিতেই পারেন তবে আমি আমার বাংলাদেশের আইনানুযায়ী যতটুকু দেওয়া সম্ভব ততটুকু দিতে চেষ্টা করি।
এখন আসুন জানি, ডোনারের মাধ্যমে যে, iui, ivf করা হয় সেটা আসলে কি জিনিস? ডোনার কিন্তু দুই পক্ষেরই লাগতে পারে। মানে মনে করেন একজন মহিলার ডিম্বাণু সংখ্যা খুবই কম বা ডিম্বাণু নেই তাহলে উনি যখন কনসিভ করতে চাইবেন সেটা আমরা ivf করি বা iui করি, আমি কিন্তু যখন ivf করতে চাইবো যে মহিলার ডিম্বাণু নেই তার ক্ষেত্রে আমি শুধু Ivf ই করতে পারবো। আর ivf করে যে অল্প বয়সী মেয়ের ডিম কোয়ালিটি ভালো আছে, সেই কোয়ালিটির ডিম্বাণু আমি সংগ্রহ করবো এবং তার হাজবেন্ডের শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত করে ফার্টিলাইজেশন করে বাচ্চাটা তৈরি করবো। এরপরে দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। একটা হলো, যেই মহিলার ডিম্বাণু নিলাম সেই মহিলার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি অথবা যিনি ওয়াইফ আছেন তার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি সেটা হচ্ছে আবার আরেকটি বিষয়। এখন আমরা যদি হচ্ছে ডোনার ওসাইড মানে হচ্ছে যে মহিলার থেকে আমরা ডিমটা ধার করে থাকি তাহলে আপনাকে অবশ্যই ivf এর মাধ্যমে বাচ্চা কনসিভ করে সেখানে যেতে হবে এবং পরবর্তীতে ভ্রুণটা ওয়াইফের জরায়ুতে দিবেন নাকি অন্য কারো জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করবেন সেটাও ডিপেন্ড করছে ওয়াইফের জরায়ুর উপর ভিত্তি করে।
দুনিয়াতে জারজ সন্তান কীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা তার একটা নমুনা মাত্র। বর্তমান জেনারেশনে বন্ধ্যাত্ব বেড়েই চলেছে, এর পিছনে সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে দেরিতে বিয়ে করা, এরপর রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত লাইফস্টাইল, অতিরিক্ত রাত জাগা, ডিভাইস ব্যবহার করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস। পাশাপাশি বিবাহবহির্ভূতভাবে গর্ভপাত, বিয়ের পরে জন্মনিরোধক পিল বা ইনজেকশন ব্যবহার সহ আরো অনেক বিষয় রয়েছে।
নিঃসন্তান দম্পতিরা একটা সন্তানের আশায় হালাল-হারামের কোন পরোয়া করেন না। এই বিষয়ে আমি ইতিপূর্বেও একটা পোস্ট করেছিলাম। তাদেরকে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাউন্সিলিং করতে গেলে উল্টো আপনাকে অপমান-অপদস্থ হতে হবে।
যেহেতু হাসপাতালের মাধ্যমে অন্য পুরুষের বীর্য এবং অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ তৈরি করা হয়, তাই অনেকে বিষয়টা খুবই সহজভাবে নিচ্ছেন অথচ এটি জঘন্য পর্যায়ের হারাম। আরেকটা বিষয় হলো অনেকটা গোপনীয়তার সহিত এটা করা হয় ফলে দিন দিন এর পরিমাণ বেড়েই চলেছে।
ভারতের বিভিন্ন ফার্টিলিটি সেন্টার, আইভিএফ সেন্টারে স্বামী বাদে পরপুরুষের স্পার্ম ডোনার বৈধ, একই সাথে নিজ স্ত্রী বাদে অন্য মহিলার এগ নিয়ে ভ্রুণ প্রতিস্থাপনও আইনগতভাবে বৈধ। বাংলাদেশে যদিও আইনগতভাবে এগুলো নিষিদ্ধ তথাপি স্কিনশটের গ্রুপের মাধ্যমে বেশ কয়েকটা ফার্টিলিটি সেন্টারের নাম জানতে পারলাম যেখানে স্বামীর শুক্রাণু বাদে অন্যের শুক্রাণু দিয়ে iui করা হয়, যেহেতু iui করা হয় ডোনার দ্বারা সেহেতু IVF ও ডোনার দ্বারা করা হচ্ছে। এই বিষয়টা অবশ্যই সিক্রেটলি হ্যান্ডেল করা হচ্ছে।
প্রমাণস্বরূপ দুইটি ঘটনা উল্লেখ করছি। যাতে স্পষ্ট ধারণা পাবেন বাংলাদেশেও iui, ivf এর মতো চিকিৎসার মাধ্যমে জারজ সন্তান পয়দা করার কাজগুলো দেদারসে চলছে।
ধানমন্ডি পপুলারের আইভিএফ স্পেশালিষ্ট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এবং ইনফার্টিলিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক একজন ডাক্তার ম্যাডাম, একবার তার পেজের একটা পোস্টে ডোনারের মাধ্যমে iui এর কথা লিখেছিলেন। আমি আমার অজ্ঞাতনামা বিকল্প আইডি দিয়ে তার সেই পোস্টে কমেন্ট করেছিলাম, ডোনারের মাধ্যমে কি তাহলে iui করা হয়? প্রশ্নটা তাকে বিব্রত করেছিল। তিনি হয়তো বুঝতেও পারেননি বিষয়টা এভাবেও কেউ চিন্তা করবে! যাই হোক সেই কমেন্ট থেকে তিনি আমাকে ইনবক্স করে জানান, ডোনারের মাধ্যমে iui করা হয় না। তখনকার পর্যন্ত কথা এই পর্যন্ত ছিল।
গত কয়েকদিন আগে আমি সেই ম্যাডামের একটা ভিডিওতে আবারও প্রশ্ন করে জানতে চাই, ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করেন কি? হাজবেন্ড-ওয়াইফের সম্মতি থাকলে? তিনি আমার এই প্রশ্নের একটা ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের একটা রিপ্লাই ভিডিও দেন। সেই ভিভিওতে তিনি যা বলেছেন আমি হুবহু সেটা তুলে ধরছি -
❝আমি বাংলাদেশের একজন আইভিএফ স্পেশালিষ্ট। আমি বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী চিকিৎসা করি, বাংলাদেশের আইন মেনে চিকিৎসা করি এবং আমাকে সেটা করতে হয়। তারপরও হচ্ছে যে, আমার ব্যক্তিগত দিক থেকে কিছু ব্যাপার থাকে সব মিলিয়ে আমি ডোনারের মাধ্যমে iui, ivf করি না। যদিও আমি প্রসেসটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত আছি। কারণ আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার আইন মেনে, আমার ল' মেনে, আমার জ্ঞানটাকে কাজে লাগানোর জন্য। অন্য কে, কী করছে তা আমার দিক থেকে কোন সমস্যা বা কোনধরনের অবলিগেশন নেই। আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো চিকিৎসা পদ্ধতি নিতেই পারেন তবে আমি আমার বাংলাদেশের আইনানুযায়ী যতটুকু দেওয়া সম্ভব ততটুকু দিতে চেষ্টা করি।
এখন আসুন জানি, ডোনারের মাধ্যমে যে, iui, ivf করা হয় সেটা আসলে কি জিনিস? ডোনার কিন্তু দুই পক্ষেরই লাগতে পারে। মানে মনে করেন একজন মহিলার ডিম্বাণু সংখ্যা খুবই কম বা ডিম্বাণু নেই তাহলে উনি যখন কনসিভ করতে চাইবেন সেটা আমরা ivf করি বা iui করি, আমি কিন্তু যখন ivf করতে চাইবো যে মহিলার ডিম্বাণু নেই তার ক্ষেত্রে আমি শুধু Ivf ই করতে পারবো। আর ivf করে যে অল্প বয়সী মেয়ের ডিম কোয়ালিটি ভালো আছে, সেই কোয়ালিটির ডিম্বাণু আমি সংগ্রহ করবো এবং তার হাজবেন্ডের শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত করে ফার্টিলাইজেশন করে বাচ্চাটা তৈরি করবো। এরপরে দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। একটা হলো, যেই মহিলার ডিম্বাণু নিলাম সেই মহিলার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি অথবা যিনি ওয়াইফ আছেন তার জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করতে পারি সেটা হচ্ছে আবার আরেকটি বিষয়। এখন আমরা যদি হচ্ছে ডোনার ওসাইড মানে হচ্ছে যে মহিলার থেকে আমরা ডিমটা ধার করে থাকি তাহলে আপনাকে অবশ্যই ivf এর মাধ্যমে বাচ্চা কনসিভ করে সেখানে যেতে হবে এবং পরবর্তীতে ভ্রুণটা ওয়াইফের জরায়ুতে দিবেন নাকি অন্য কারো জরায়ুতে প্রতিস্থাপিত করবেন সেটাও ডিপেন্ড করছে ওয়াইফের জরায়ুর উপর ভিত্তি করে।
জ্ঞান - Knowledge
Photo
এখন আসেন যদি পুরুষের শুক্রাণু না থাকে, Azoospermia থাকে এবং এটা যদি রিপিটেড অর্থাৎ কয়েকবার টেস্টের পর কনফার্ম হয় যে, অবশ্যই আপনার Azoospermia এবং একটি শুক্রাণুও নেই এবং সেটা হচ্ছে Non obstructive Azoospermia মানে হচ্ছে আপনার কোন শুক্রাণু তৈরি হচ্ছে না। কারণ আপনারা জানেন যে Obstructive Azoospermia এর ক্ষেত্রে আমরা ivf করে আপনার নিজের বেবিটাই দিতে পারি এবং দিচ্ছি। এখন যদি আপনার Non Obstructive Azoospermia হয় কোন শুক্রাণু তৈরিই হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে আপনি কি করবেন? সেক্ষেত্রে আপনি ডোনারের কাছ থেকে শুক্রাণুটা ধার করবেন অন্য কারো কাছ থেকে, সেটাই ডোনার। সেই শুক্রাণুটা দিয়ে আমরা কিন্তু ivf না করেও করতে পারি, মানে iui করতে পারি। অর্থাৎ একজনের কাছ থেকে শুক্রাণু নিয়ে আমরা আরেকজনের ওয়াইফের জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করবো iui পদ্ধতির মাধ্যমে। আর যদি ivf করি তাহলে আমরা আরেকজনের শুক্রাণুটা নিয়ে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু মিলন করবো ল্যাবের মধ্যে এবং তার ফলশ্রুতিতে যে বাচ্চাটা তৈরি হবে সেই বাচ্চাটা আমরা প্রতিস্থাপিত করবো ওয়াইফের গর্ভে। তো এই ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে যে, যেকোনো একটি শুক্রাণু বা ডিম্বাণু আমরা অন্য একজন তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকে নিচ্ছি এবং এটাই হচ্ছে ডোনার। তো সেই ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের ল'তে সুস্পষ্টভাবে কোথাও সেভাবে নেই এবং আমাদের ইসলামিক কান্ট্রি সেই হিসেবে আমি যতটুকু জানি এই জিনিসটা সঠিকভাবে বোধহয় করা যায় না। আমার জানার ভুল থাকতে পারে আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন হয়তো তবে নীতিগত দিক থেকে আমার মনে হয় এর থেকে একটা দত্তক নেওয়াটাও ভালো। যদিও এটা আমার মতামত, আপনার ভিন্নমত থাকতেই পারে।
এই জিনিসটা আমার বলার কারণ হচ্ছে, আমি যখন একটা ভিডিও দিই ভিডিওর নিচে অনেকে কমেন্ট করেন ivf ডোনার, শুক্রাণু ডোনারই বেশি পাওয়া যায় আমাদের দেশে, ডিম্বাণু দিচ্ছে এরকম মেয়ে আসলে খুবই কম পাওয়া যায় যতটুকু আমার স্বল্পজ্ঞানে জানা রয়েছে। এই ধরনের কেসগুলি আসলে আমি ডিল করি না। আমি আপনাদের যদি কোন সম্ভাবনা থাকে বিন্দুমাত্র সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাই iui, ivf এর মাধ্যমে, আমরা আপনার নিজের বাচ্চা দেওয়ার চেষ্টা করি।❞
এই হচ্ছে ডাক্তার ম্যাডামের বক্তব্য। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তার বক্তব্যের মাঝে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ডোনারের মাধ্যমে চিকিৎসা না করলেও বাকিরা যারা করছেন বা করেন তাদের বিষয়ে তার কোন আপত্তি নেই। আবার আমাদের দেশে যে প্রচুর পরিমাণে স্পার্ম ডোনার পাওয়া যাচ্ছে, পাশাপাশি সীমিত সংখ্যক এগ ডোনার (ডিম্বাণু) পাওয়া গেছে সেটাও তিনি জানেন। তাহলে ভেবে দেখুন এগুলো যদি বাংলাদেশে না-ই হতো তাহলে নিশ্চয়ই এত কনফিডেন্সের সহিত ঢামেকের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কথাগুলো বলতেন না। যাহোক সর্বশেষ ম্যাডাম যে কথাটি বলেছেন এভাবে বাচ্চা না নিয়ে একটা বাচ্চা দত্তক নেওয়াটা ভালো। তিনি একজন হিন্দু হয়েও যেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন সেটা আমাদের মুসলমান অনেক দম্পতি উপলব্ধি করতে পারেননি।
গত দুদিন আগে এই সম্পর্কে আমি যে পোস্ট করেছিলাম সেই পোস্টের নিচে একটা মেয়ে কমেন্ট করেছিল, স্বামী দেখতে অসুন্দর বলে স্বামীকে না জানিয়ে পরপুরুষের বীর্য নিয়ে বাচ্চা নিয়েছেন তার পরিচিত এক মহিলা এবং সেই বাচ্চাকে স্বামীর সন্তানের পরিচয়ে বড় করছেন (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক)। এখানে সেই মহিলার স্বামী সন্তান জন্মদানে অক্ষম ছিলেন না বরং দেখতে অসুন্দর ছিলেন।
দুই দিনের দুনিয়ার জন্য মানুষ কীভাবে তাদের চিরস্থায়ী আখিরাতকে বরবাদ করছে চোখের সামনে এগুলো দেখে শিহরিত আমি। এখন যে যেনার কতপ্রকার আধুনিক সংস্করণ বের হয়েছে তা এসব না দেখলে কখনো বুঝতেই পারতাম না। মানুষ এখন আর যেনাকে যেনা মনে করে না বরং যেনাকে নিজেদের অর্জন মনে করে গর্ব করে।
মনে রাখবেন, স্বাভাবিকভাবেই যদি স্বামী-স্ত্রীর গর্ভধারণ সম্ভব না হয় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বামীর স্পার্ম এবং স্ত্রীর এগ নিয়ে আইভিএফ করার অনুমোদন শরীয়তে জায়েজ। এর বাইরে পরপুরুষ কিংবা পরনারীর থেকে স্পার্ম কিংবা এগ নিয়ে সন্তান নেওয়া নাজায়েজ, হারাম।
এবার আরেকটা বিষয়ে আসি, অনেকে আবার আমার এই পোস্ট দেখে কমেন্টে বলবেন এগুলো গুজব, ভুয়া! তাদেরকে বলি এই বিষয়টার সত্যতা আমি ঢাকার একটা প্রাইভেট ফার্টিলিটি সেন্টারের কম্পাউন্ডারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। সেই সেন্টারে এলিট শ্রেণীর জন্য টাকার বিনিময়ে সারোগেসি করার সিস্টেমও রয়েছে। আপনারাও গোপনে যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন।
আমি একটা কথা ভেবে অবাক হই, নিজের বৈধ গর্ভের সন্তান পর্যন্ত নিজের বাবা-মায়ের সেবা করে না, দেখাশোনা করে না, বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, সেখানে নিঃসন্তান এই দম্পতিগুলো আরেকজনের অবৈধ সন্তান গর্ভে ধারণ করতে চায় কী বুঝে?
যাই হোক, আল্লাহ আমাদের সবাইকে এসব নিকৃষ্ট হারাম থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুক। আল্লাহর ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করুক। মুসলিম উম্মাহকে এসব জঘন্য, নিকৃষ্ট হারাম থেকে হেফাজত করুক। আমীন।
এই জিনিসটা আমার বলার কারণ হচ্ছে, আমি যখন একটা ভিডিও দিই ভিডিওর নিচে অনেকে কমেন্ট করেন ivf ডোনার, শুক্রাণু ডোনারই বেশি পাওয়া যায় আমাদের দেশে, ডিম্বাণু দিচ্ছে এরকম মেয়ে আসলে খুবই কম পাওয়া যায় যতটুকু আমার স্বল্পজ্ঞানে জানা রয়েছে। এই ধরনের কেসগুলি আসলে আমি ডিল করি না। আমি আপনাদের যদি কোন সম্ভাবনা থাকে বিন্দুমাত্র সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাই iui, ivf এর মাধ্যমে, আমরা আপনার নিজের বাচ্চা দেওয়ার চেষ্টা করি।❞
এই হচ্ছে ডাক্তার ম্যাডামের বক্তব্য। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তার বক্তব্যের মাঝে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ডোনারের মাধ্যমে চিকিৎসা না করলেও বাকিরা যারা করছেন বা করেন তাদের বিষয়ে তার কোন আপত্তি নেই। আবার আমাদের দেশে যে প্রচুর পরিমাণে স্পার্ম ডোনার পাওয়া যাচ্ছে, পাশাপাশি সীমিত সংখ্যক এগ ডোনার (ডিম্বাণু) পাওয়া গেছে সেটাও তিনি জানেন। তাহলে ভেবে দেখুন এগুলো যদি বাংলাদেশে না-ই হতো তাহলে নিশ্চয়ই এত কনফিডেন্সের সহিত ঢামেকের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কথাগুলো বলতেন না। যাহোক সর্বশেষ ম্যাডাম যে কথাটি বলেছেন এভাবে বাচ্চা না নিয়ে একটা বাচ্চা দত্তক নেওয়াটা ভালো। তিনি একজন হিন্দু হয়েও যেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন সেটা আমাদের মুসলমান অনেক দম্পতি উপলব্ধি করতে পারেননি।
গত দুদিন আগে এই সম্পর্কে আমি যে পোস্ট করেছিলাম সেই পোস্টের নিচে একটা মেয়ে কমেন্ট করেছিল, স্বামী দেখতে অসুন্দর বলে স্বামীকে না জানিয়ে পরপুরুষের বীর্য নিয়ে বাচ্চা নিয়েছেন তার পরিচিত এক মহিলা এবং সেই বাচ্চাকে স্বামীর সন্তানের পরিচয়ে বড় করছেন (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক)। এখানে সেই মহিলার স্বামী সন্তান জন্মদানে অক্ষম ছিলেন না বরং দেখতে অসুন্দর ছিলেন।
দুই দিনের দুনিয়ার জন্য মানুষ কীভাবে তাদের চিরস্থায়ী আখিরাতকে বরবাদ করছে চোখের সামনে এগুলো দেখে শিহরিত আমি। এখন যে যেনার কতপ্রকার আধুনিক সংস্করণ বের হয়েছে তা এসব না দেখলে কখনো বুঝতেই পারতাম না। মানুষ এখন আর যেনাকে যেনা মনে করে না বরং যেনাকে নিজেদের অর্জন মনে করে গর্ব করে।
মনে রাখবেন, স্বাভাবিকভাবেই যদি স্বামী-স্ত্রীর গর্ভধারণ সম্ভব না হয় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে স্বামীর স্পার্ম এবং স্ত্রীর এগ নিয়ে আইভিএফ করার অনুমোদন শরীয়তে জায়েজ। এর বাইরে পরপুরুষ কিংবা পরনারীর থেকে স্পার্ম কিংবা এগ নিয়ে সন্তান নেওয়া নাজায়েজ, হারাম।
এবার আরেকটা বিষয়ে আসি, অনেকে আবার আমার এই পোস্ট দেখে কমেন্টে বলবেন এগুলো গুজব, ভুয়া! তাদেরকে বলি এই বিষয়টার সত্যতা আমি ঢাকার একটা প্রাইভেট ফার্টিলিটি সেন্টারের কম্পাউন্ডারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। সেই সেন্টারে এলিট শ্রেণীর জন্য টাকার বিনিময়ে সারোগেসি করার সিস্টেমও রয়েছে। আপনারাও গোপনে যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন।
আমি একটা কথা ভেবে অবাক হই, নিজের বৈধ গর্ভের সন্তান পর্যন্ত নিজের বাবা-মায়ের সেবা করে না, দেখাশোনা করে না, বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে, সেখানে নিঃসন্তান এই দম্পতিগুলো আরেকজনের অবৈধ সন্তান গর্ভে ধারণ করতে চায় কী বুঝে?
যাই হোক, আল্লাহ আমাদের সবাইকে এসব নিকৃষ্ট হারাম থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুক। আল্লাহর ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করুক। মুসলিম উম্মাহকে এসব জঘন্য, নিকৃষ্ট হারাম থেকে হেফাজত করুক। আমীন।