জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
গরীবদের জন্য চার্জ দেয়া থেকে মাফ পাওয়ার একটা বুদ্ধি আপাতত আছে, (সব ব্যাংকে নয়, কিছু ব্যাংকে)- একাউন্টে টাকা না রাখা, কিংবা জুন কিংবা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে সব টাকা তুলে ফেলা। ইদানিং কিছু ব্যাংক অবশ্য ডিসেম্বরের শুরু থেকেই চার্জ কাটা শুরু করে।

সব ব্যাংকে এই সুযোগ নাই, কারণ অনেক ব্যাংকে মিনিমাম ব্যালান্স রিকোয়ারমেন্ট আছে। সব টাকা তোলা যায়না। ৫০০/১,০০০/৫,০০০ টাকা রেখে বাকি টাকা তুলতে দেয়।

কিছু পশ ব্যাংকে এই রিকোয়ারমেন্ট লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়। সেগুলো অবশ্য বড়লোকদের ব্যাপারস্যাপার। প্রিভিলেজড ব্যাংক একাউন্ট। উনারা বিশেষ সেবা পান। ডেডিকেটেড সুন্দরী রিলেশনশিপ ম্যানেজার, লাউঞ্জ, হেভি খাতির...। আমরা যারা গরীব মানুষ, বড়লোকের কিচ্ছা শুনে তাদের কাজ নেই।

জ্বালার কথা হচ্ছে, আপনার একাউন্টে ব্যালান্স না থাকলেও চার্জ কেটে নেয় অনেক ব্যাংক, আপনার একাউন্টের ওয়ার্কিং ব্যালান্স নেগেটিভ করে রাখে।

পরবর্তীতে যখনই আপনি টাকা জমা দেবেন, ওই পরিমাণ টাকা স্রেফ হাপিশ হয়ে যাবে।

আরো জ্বালার কথা হলো, এখন যেসব ব্যাংকে টাকা না রেখে চার্জ মাফ পাওয়া যাচ্ছে এখন, অদূর ভবিষ্যতে তারাও এই একাউন্ট নেগেটিভ করে রাখার বুদ্ধি অবলম্বন করার প্ল্যান করছে।

জ্বালার কথা শুনলেন, সুখের কথাটাও শোনেন একটু- ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে যৎকিঞ্চিৎ ইন্টারেস্টও দেয়।

সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট জমা হয় বছরে দুইবার- জুনে আর ডিসেম্বরে।

বিশ্বাস হচ্ছেনা? ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট দেয়, সত্যিই দেয়। হারটা নগণ্য বলে আপনাদের অনেকের চোখ এড়িয়ে গেছে হয়তো। বর্তমানে এই হার ২.৫% থেকে ৪%।

ভালো কথা, এই ইন্টারেস্ট এমাউন্ট থেকে আবার সোর্স ট্যাক্স কেটে নেয় ব্যাংক। আপনার টিন থাকলে ১০% হারে আর টিন না থাকলে ১৫% হারে সোর্স ট্যাক্স কেটে রাখে। এই টিন কিন্তু ঘরের চালের টিন নয়, TIN (Tax Identification Number)।

সম্প্রতি সরকার নিয়ম আরো কঠিন করেছে। শুধু টিন থাকলেই চলবে না, হ্রাসকৃত হারে (১০%) সোর্স ট্যাক্স কাটানোর সুবিধা পেতে হলে আপনাকে ট্যাক্স রিটার্ন প্রদানের প্রমাণ (রিসিপ্ট/সার্টিফিকেট) ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

ট্যাক্স জমা দিয়ে থাকলে দ্রুত ব্যাংকে যোগাযোগ করে রিসিপ্ট কিংবা সার্টিফিকেট এর কপি জমা দিন। একবার ১৫% হারে ট্যাক্স কেটে ফেললে সেটা আর ফেরত দেয়না বেশিরভাগ ব্যাংক।

তবে, বেশিরভাগ একাউন্টহোল্ডারই এই ইন্টারেস্ট পাননা। কেউ কেউ পান, অঙ্কটা মেলাতে পারেন না। কেনো পাননা? কেনো অঙ্ক মেলেনা? আসুন এই দুই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি...

সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট পেতে হলে শর্ত মোটামুটি দুইটাঃ
১. এক সপ্তাহে দুইটার বেশি চেক কাটা যাবেনা।
২. এক চেকে মোট ব্যালান্সের ২৫% এর বেশি টাকা তোলা যাবেনা।

প্রথম শর্তটাকে একটু মডিফাই করে নিয়েছে অনেক ব্যাংক। শুধু চেক কাটা নয়, যেকোনো ভাবে (কার্ড, ইএফটি, এনপিএস, আরটিজিএস, ট্রান্সফার, অনলাইন পেমেন্ট) সপ্তাহে দুইবার টাকা তোলা যাবেনা।

দ্বিতীয় শর্তের ক্ষেত্রেও, একটা উইথড্রয়াল (যেকোনো মাধ্যমে) মোট ব্যালান্সের ২৫% এর বেশী হতে পারবেনা।
এখন, যদি কোনো এক মাসে আপনি এই দুই শর্তের কোনো একটা ভাঙেন, আপনি সেই মাসের জন্য এক টাকাও ইন্টারেস্ট পাবেন না।

শর্তের কথা জানলেন, হিসাবায়ন হয় কেমন করে?

ব্যাংক তিনভাবে ইন্টারেস্ট ক্যালকুলেট করে:
১. ডেইলি ব্যালান্সের ওপর
২. এভারেজ মান্থলি ব্যালান্সের ওপর
৩. মিনিমাম মান্থলি ব্যালান্সের ওপর

দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট দেবার বেলায় তিন নম্বর পদ্ধতিটাই বেছে নিয়েছে বেশিরভাগ ব্যাংক। কারণ, এই পদ্ধতিতে ব্যাংকের খরচ সর্বনিম্ন।

উদাহরণ দিই একটা- মাসের এক তারিখে আপনার একাউন্টে পাঁচশো টাকা ছিলো, দুই তারিখে আপনি এক কোটি টাকা জমা দিলেন, সারা মাস আর টাকা তুললেন না। ব্যাংক কিন্তু ওই মাসের জন্য আপনাকে পাঁচশো টাকার ওপর ২.৫%-৪% হারে ইন্টারেস্ট দিবে।

অবশ্য, গ্রাহক আকর্ষণ করতে কিছু ব্যাংক ইদানিং সেভিংস একাউন্টেও আকর্ষণীয় মুনাফা এবং সুবিধাদি দিচ্ছে। আইএফআইসি ব্যাংকে আছে 'আমার একাউন্ট'। মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্প্রতি এরকম একটা নতুন প্রডাক্ট চালু করেছে। এসবিএসি ব্যাংকে আছে 'সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাব'।

এসবিএসি সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাবে ডেইলি একাউন্ট ব্যালান্স এর উপর আকর্ষণীয় মুনাফা দেয়। পাশাপাশি, এই একাউন্টে বিনামূল্যে 'লাইফ ইন্স্যুরেন্স' সুবিধা আছে। একাউন্টধারীর নরমাল ডেথ হলে তার পরিবার এই সুবিধার আওতায় ৫০,০০০ টাকা পাবে। আল্লাহ না করুন, একাউন্টধারীর যদি একসিডেন্টাল ডেথ হয়, তার পরিবার পাবে ৫০০,০০০ টাকা।

শেষে একটা কথা বলি- আমি যদি কোনো ব্যাংকের এমডি হই, সেই ব্যাংকে কোনো একাউন্ট মেইনটেন্যান্স চার্জ থাকবে না, থাকবেনা এসএমএস এলার্ট চার্জ।

এখন, আপনারা যদি আমাকে এমডি হবার জন্য জোরাজুরি করেন, আমি কিন্তু বেশি একটা আপত্তি করতে পারবো না। বলে রাখলুম😁

'এসবিএসি সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাব' খুলবেন নাকি একটা?
ডাক্তাররা কেন গরুর মাংস কম খেতে বলেন!

গরুর মাংসের মূল পুষ্টিগুণ

🔬 প্রোটিন – মাংসপেশী গঠন ও মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ
🔬 আয়রন (Heme Iron) – রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি বাড়ায়, এনিমিয়া প্রতিরোধ করে
🔬 ভিটামিন B12 – স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় সহায়ক
🔬 জিঙ্ক – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
🔬 ক্রিয়েটিন ও কারনোসিন – শক্তি উৎপাদন ও পেশীর সক্ষমতা উন্নত করে

⚠️ বেশি গরুর মাংস খাওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি

🔻 স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও এলডিএল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি:
অতিরিক্ত খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🔻 প্রসেসড বা অতিরিক্ত রান্না করা মাংস:
উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা বা পোড়া অংশে (স্টেইক) HCA ও PAH নামক ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরি হয়, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

🔻 ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি:
গরুর মাংসে পিউরিন বেশি, অতিরিক্ত খেলে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে — গাউটের (বাত) ঝুঁকি।

🔻 ওজন বৃদ্ধি:
উচ্চ ক্যালোরি + ফ্যাট → অতিরিক্ত খাবার ওজন বাড়াতে সহায়তা করে।

✔️ স্বাস্থ্যসম্মত পরিমাণ

🟢 সপ্তাহে ১–২ বার (প্রতি বেলায় ~৯০–১০০ গ্রাম) নিরাপদ ধরা হয়
🟢 ফ্যাট কম অংশ বেছে নিন (lean cut)
🟢 পোড়া অংশ বাদ দিন
🟢 সাথে সালাদ বা ফাইবার রাখুন
💗 বাচ্চা জন্মের পরে যোনি ঢিলা হলে কীভাবে টাইট করবেন?
(বৈজ্ঞানিক + নিরাপদ + ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়)

প্রসবের পরে যোনিপথ কিছুটা ঢিলা লাগা পুরোপুরি স্বাভাবিক।
কারণ তখন
পেশি টান কমে যায়
টিস্যু প্রসারিত হয়
পেলভিক ফ্লোর দুর্বল হয়
আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই
৯০% নারীই কয়েক মাসের মধ্যে আবার আগের মতো টাইট হতে পারেন
যদি সঠিক কেয়ার নেওয়া হয়।
চলুন দেখি বৈজ্ঞানিকভাবে কী কী করলে যোনি টাইট হওয়া সম্ভব

🔥 ১️⃣ কেগেল এক্সারসাইজ সবচেয়ে শক্তিশালী উপায়
এটা এমন একটি ব্যায়াম যা যোনির ভেতরের পেশিকে সরাসরি টাইট করে।

কিভাবে করবেন?
১. প্রসাব আটকানোর মতো অনুভূতি তৈরি করুন
২. ৫ সেকেন্ড চেপে রাখুন
৩. তারপর ছেড়ে দিন
৪. দিনে ৩ বার, প্রতিবার ১৫–২০ বার করুন
👉 ২১ দিনে ফল অনুভব করতে পারবেন
👉 ২–৩ মাসে যোনিপথ শক্ত ও টাইট হয়ে যাবে
এটা ডাক্তারদের প্রথম পছন্দ।

💧 ২️⃣ V-Steam / Sitz Bath রক্তসঞ্চালন বাড়ায়
গরম পানিতে ১৫–২০ মিনিট বসে থাকা
যোনি ও পেলভিক এরিয়া-তে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়।
টিস্যু দ্রুত সুস্থ হয়
ভেতরের পেশি পুনরায় শক্তি পায়
ঢিলাভাব কমে যায়
পানিতে যোগ করতে পারেন
🔸 লবণ
🔸 নিমপাতা
🔸 একটু তেল

🍎 ৩️⃣ জিঙ্ক + কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার
যোনির টিস্যু টাইট হওয়ার জন্য কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ।
খাবার যা প্রতিদিন খাবেন
ডিম
দুধ
অ্যাভোকাডো
বাদাম
কলা
চিয়া সিড
মাছ (ওমেগা-৩)
এসব খাবার টিস্যুকে শক্ত এবং ইলাস্টিক করে।

🧘‍♀️ ৪️⃣ যোগব্যায়াম Pelvic Floor Yoga
নিচের ব্যায়ামগুলো যোনি টাইট করার জন্য দুর্দান্ত
Bridge Pose
Butterfly Pose
Camel Pose
Squat Hold
এগুলো সরাসরি পেলভিক মাসলকে শক্তিশালী করে।

🧴 ৫️⃣ যোনির ভেতর কিছু লাগানো থেকে বিরত থাকুন
অনেকে ভুল করে
টুথপেস্ট
লেবু
বেকিং সোডা
সরিষার তেল
ভ্যাসলিন
অ্যালোভেরা জেল
এগুলো ব্যবহার করেন
যা মারাত্মক ইনফেকশন ঘটাতে পারে।
যোনি টাইট করার মেডিকেলি প্রমাণিত কোনো মলম নেই।

🩺 ৬️⃣ Episiotomy / Stitches ব্যথা থাকলে ডাক্তারের চেকআপ জরুরি
যদি
• ব্যথা থেকে যায়
• ঢিলাভাব কমছে না
• সহবাসে অস্বস্তি হয়
তাহলে এটি Pelvic Floor Dysfunction হতে পারে।
ডাক্তারের থেরাপি নিলে ১০০% ঠিক হয়ে যায়।

❤️‍🔥 ৭️⃣ যৌনমিলনের আগে সঠিক প্রি-প্লে যোনিকে ইলাস্টিক করে
যোনিপথ “টাইট” হতে হলে প্রথমে হতে হয় “রিল্যাক্সড”।
যদি উত্তেজনা ও লুব্রিকেশন ঠিক থাকে
সহবাসের সময় যোনির পেশি ঠিকভাবে কাজ করে
এবং ধীরে ধীরে আগের টাইটনেস ফিরে আসে।

💛 শেষ কথা
প্রসবের পর যোনি ঢিলা হওয়া কোনো ত্রুটি নয়
এটা প্রাকৃতিক ও সাময়িক পরিবর্তন।
ধৈর্য + কেগেল + স্বাস্থ্যকর খাবার + সঠিক কেয়ার
= ৯৯% নারী আবার টাইট হয়ে যান।
নিজেকে দোষারোপ নয়,
নিজেকে সঠিকভাবে কেয়ার দিন।

🔥 এমন আরও হট + স্বাস্থ্যকর + দাম্পত্য পোস্ট পেতে:
👉 Asslamualaikum I'm( DrMm Masum Khan) গাইনোকোলজিস্ট আপনার নাম ও বয়স ও কি সমস্যা আপনি পুরুষ বা মহিলা বিস্তারিত বিবরণ লিখে দিন আর বিস্তারিত তথ্য জন্য অপেক্ষা করুন জানার জন্য আরও তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করুন বা ফোন দিন ফোন ব্যতীত মেসেজ করা হয়না +8801977263085 whatsapp only call ভোর 5টু 11:30 মিনিট পর্যন্ত ধন্যবাদ
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) বলেন: “রসূলুল্লাহ ﷺ নামাজ পড়ছিলেন, আর ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। আমি এলাম। তখন তিনি চলতে চলতে দরজা খুলে দিলেন এবং পরে আবার তাঁর পূর্ব অবস্থানে ফিরে গিয়ে নামাজ চালিয়ে গেলেন।”
— সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৯২২

মুহাদ্দিস আলবানী (রহঃ) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। অন্যান্য হাদিসবিদরাও হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন, কারণ রাবিগণ বিশ্বস্ত এবং সনদও সংযুক্ত।

এই হাদিস থেকে ফুকাহারা ফিকহীভাবে মাসআলা নির্ণয় করেছেন:-
নিয়মিত আমল না করলে কোনো প্রয়োজনবশত নামাজে অল্প কিছু কাজ করা জায়েজ। যেমন: দরজা খুলে দেওয়া, শিশু বা বাচ্চাকে কোলে নেওয়া, হালকা কিছু ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি করা।

এগুলো নামাজ নষ্ট করে না, যদি কাজটি অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় না হয়।
সন্তানের জন্য না বেঁচে নিজের জন্য বাঁচুন। কেন? কারণ সন্তানের জন্য বাঁচা মানে তাদের জীবনকে নিজের মনে করা। তাদের জীবন আপনার না। তাদের জীবন আপনি বাঁচতে পারেন না। কিন্তু বেশিরভাগ প্যারেন্ট তাই করে। কখনো নিজেকে ভালোবাসতে না শেখা, নিজের জন্য বাঁচতে না জানা মানুষগুলো নিজের জীবনকে সন্তান কেন্দ্রিক করে ফেলে। তাদের স্বপ্ন, সুখ, শান্তি সব পরগাছার মতো আঁকড়ে ধরে রাখে সন্তানের জীবনকে। সেই পরগাছা নিয়েই সন্তান যখন বড় হয়, সে বেশিদূর যেতে পারে না। তার নিজস্ব বলে তেমন কিছুই থাকে না। তার স্বপ্ন, তার চাওয়া পাওয়ার মধ্যে আপনি ঢুকে যান, তাদের ওপর বোঝা হয়ে রয়ে যান। বাবা মা হিসেবে যদি সন্তানের জীবনে পরগাছা হয়ে থাকতে না চাই, নিজের ওপর ইনভেস্ট করতে জানতে হবে। নিজের যত্ন নিতে জানতে হবে। নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। আপনার সন্তানের জন্য আপনার সবচেয়ে বড় উপহার হল আপনি নিজেকে ভালোবাসা।

সন্তানকে বুড়ো বয়সের ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে জন্ম না দিয়ে ওদেরকে নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানাটা জরুরি। আর তার জন্য আগে নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। নি:স্বার্থ হতে গেলে আগে নিজের স্বার্থ রক্ষা (secure) করতে জানতে হবে।

মনে রাখবেন, যে গাছের শেকড় যত মজবুত, তার ডালপালা তত দূর পর্যন্ত ছায়া দিতে পারে, সে ঝড়েও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে জানে।

Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
🌺 এভাবে দোয়া চাওয়া যাবে....?

এক ভাই জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই আমি এই এই দুয়া চাই.... এভাবে দুয়া চাওয়া কি ঠিক হবে? তাঁর সম্পূর্ণ দোয়া ছিল আবেগে মোড়া। কিন্তু শেষের কথাটা শরয়ী দৃষ্টিতে বেশ আপত্তিকর। তিনি যদি শেষ কথাটার পাশে বন্ধনির মধ্যে না লিখতেন যে, তিনি তা আবেগের কারণে বলেন, আমি তখনই জবাব দিয়ে দিতাম, “না, এভাবে চাওয়া উচিত নয়।”

একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। ঘটনাটি মাওলানা قدس سره তাঁর মসনভী শরীফে কোন ইসরায়েলী বর্ণনা হতে উদ্ধৃত করেছেন। সংক্ষেপে ঘটনাটি এরকমঃ

একবার সাইয়িদুনা হযরত মূসা عليه السلام কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন, জনৈক মেষপালক নিরালায় খুব আকুতি মিনতি করে দুয়া চাইছে। সে কি চাইছে, তা জানার জন্য উৎসুক হয়ে যখন তিনি কান পাতলেন তখন তার দোয়া শুনে তিনি বেশ অভিভূত হয়ে গেলেন। সে দোয়া চাইছিলঃ

“হে আল্লাহ! তুমি কোথায়? আমি তোমায় চাকর হতে চাই, তোমার জুতা সারিয়ে দিতে চাই, তোমার চুলগুলো আঁচড়ে পরিপাটি করে দিতে চাই, তোমার কাপড় ধৌত করে দিতে চাই, তোমার উকুন বেছে দিতে চাই, তোমার (খিদে পেলে) জন্য দুধ এনে দিতে চাই। . . . . ”

আল্লাহ তায়ালা নিরাকার, তিনি মানুষ নন। কিন্তু অজ্ঞ মেষপালক তাঁকে মানুষ ভেবে বসে আছে! সাইয়িদুনা মূসা আলাইহিস তাঁকে শরয়ী বিরোধী দূয়া চাইবার জন্য ধমক দিলেন, বললেন, “তুমি নিশ্চিতরূপে কা/ ফির হয়ে গেছ।” তিনি তাকে বুঝিয়ে বললেন যে, তার কথাগুলো ঠিক নয়। সেগুলো ছিল শরীয়তের পরিপন্থী।

যখন মেষপালক সব শুনল, সে বলল, "হে মূসা (আলাইহিস সালাম) তুমি তো আমার চোখ খুলে দিলে, আমার মুখ বন্ধ করে দিলে এবং আমার রূহকে আফসোস ও তওবাহের অগ্নিতে দহন করলে।”

অতঃপর সে দোয়া ছেড়ে উঠে চলে গেল।

সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে অহী এলোঃ

“তুমি আমাকে আমার বান্দাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিলে! তুমি নবী হিসেবে এসেছ (আমার ও বান্দাহর মধ্যে) মিলন ঘটাতে নাকি বিচ্ছেদ করতে?.... ”

আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হয়েছেন দেখে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম দ্রুত সেই মেষপালককে খুঁজে বের করে তাকে তার মতো করে দোয়া চাইতে বললেন। কিন্তু সে আর শরীয়ত বিরোধীভাবে দোয়া চাইল না, শরীয়ত মোতাবেক আবার আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া তে মগ্ন হল।

দোয়াতে আবেগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা হৃদয় দেখেন। সুতরাং আমাদের উচিত কাতর হয়ে দুয়া চাওয়া, নিজের মতো করে দোয়া চাওয়া, তবে সেক্ষেত্রে এমন কথা যেন না বলে ফেলি যা শরীয়ত বিরোধী।

এগল্প থেকে আরো একটি শিক্ষা মেলে যে, উলামাগণের দায়িত্ব হল খোদাবিমুখদের খোদার দিকে ফিরিয়ে আনা, সবাইকে হৃদয়ের কাছে টানা। ফিতনা করে সবাইকে দূরে সরানো বড় ভয়াবহ কাজ, কাল কিয়ামতের দিবসে এর জবাবদিহি করতে হবে।

#মসনভ
একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতরে শরীর ডুবিয়ে বসে আছে। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই, লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।

লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, “হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।”

ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো।

কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেন?”

লোকেরা জানাল, “কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার ‘কিসাস’ বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।”

হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন।

ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছেন:

১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।”(অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)।

২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: “পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।”

৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: “যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।” (সূরা শুরা: ২৭)

৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।

অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।

📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.
👍1
মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য: কীভাবে সামলাবেন এই পরিবর্তন?

Menopause হলো নারীর জীবনের এমন একটি সময় যখন তার মাসিক ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যখন একজন নারীর ১২ মাস একটানা মাসিক হয় না, তখন তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। মেনোপজ, নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পর্যায়, যা শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। এই সময়ে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে, বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে নানা শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। চলুন সহজভাবে আরও জেনে নেই মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে.
https://blog.healthxbd.com/menopause-and-mental-health/
নারী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখছি এখন এতো বেশি ইনফার্টিলিটি বেড়েছে! এটা আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে। কেন বাড়ছে এতো ইনফার্টিলিটি! প্রতিনিয়ত অনেক নারীর কান্না দেখছি, মন খারাপ দেখছি, স্ট্রেস দেখছি, দেখছি স্ট্রাগল এসব দেখে আমার মনে হচ্ছে এই জেনারেশন এর জন্য কিছু বলা হয়তো আসলেও দরকার৷ পোস্ট টা ১৫ বছরের উর্ধ্বে নারীরা পড়লে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করছি -
ধরেন সারাদিন মিলিয়ে - যদি ২০ জন রোগী দেখি এর মধ্যে ১৫ জনের ই PCOS। ১২ জনের PCOS + Infertility।

নিচে কিছু পয়েন্ট দিচ্ছি যা এই জেনারেশনের ঠিক করা খুব ই জরুরী -

১.
আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় শত্রু- রাত জাগা + অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। SSC থেকেই রাত জাগা শুরু। বেশিরভাগ ৬/৭ ক্লাসে পড়া ছেলে মেয়েদের ও দেখি রাত জেগে পড়ছে। মাধ্যমিক থেকে তো ২–৩টা পর্যন্ত পড়া ঘরে ঘরে , তারপর শোয়া এবং সকালে দেরিতে ওঠা। অনেকে ঘুমায় ই সকাল ৫ টায়!

আর যদি University student দের case নেই তাহলে দেখা যায়-
৮০–৯০% ছাত্রছাত্রী নিয়মিত রাত জাগে।

এর সাথে সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়া, স্ক্রল, জাঙ্ক ফুড — সব মিলিয়ে হরমোন পুরোপুরি imbalance হয়ে যায়।

আমার সময়ে বাইরের খাবার ছিল সপ্তাহে একদিনের জিনিস। কলেজ–ইউনিভার্সিটি লাইফে লাঞ্চ প্রায়ই বাড়ির খাবারই হত। আর কোনো কারনে যদি সাথে নিতে না পারতাম তাহলে বাসায় এসেই খেতাম।

আজকের টিনএজারদের বলবো—দয়া করে বাড়ির খাবারে অভ্যস্ত হও। না হলে ভবিষ্যতে নিজের শরীরকেই দায় দিতে হবে।

২️
প্রতিটি মেয়ের জন্য মাসিকের তারিখ লেখা অত্যন্ত জরুরি।
Cycle কয় দিনে হচ্ছে, নিয়মিত হচ্ছে কি না - এটা আগে তুমি জানবে, তারপর ডাক্তার দেখে সিদ্ধান্ত নেবে। পরপর ২–৩ মাস period মিস হলে,Cycle হঠাৎ ছোট/লম্বা হলে,Painful বা খুব irregular হলে
Gynecologist-এর কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক৷


হ্যাঁ, এই পয়েন্টে অনেকের ভিন্ন মতভেদ থাকতে পারে । কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে বলছি - ইচ্ছে থাকলে অন্তত ২৫–২৬ এর মধ্যে বিয়ে
করে ফেলা উচিত, সম্ভব হলে এর আগে এবং ৩০ এর আগেই অন্তত একটি সন্তান নেওয়া জরুরী বলে মনে করি।

ক্যারিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জানি - কিন্তু শরীরের biological clock থেমে থাকে না।

তবে বিয়ে করার ক্ষেত্রে - তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে যাকে তাকে choose করবেন না৷ কারন - খারাপ পার্টনারের সাথে সারা জীবন কাটানোর থেকে নিঃসন্তান থাকা ভালো।

৪️

বিয়ের আগে, বা বাচ্চা নেওয়ার আগে- নিজের শরীরটা প্রস্তুত করতে হবে।Thyroid, PCOS, Period সমস্যা, অ্যান্ড্রোজেন ইস্যু—
যদি থাকে, আগে থেকেই ঠিক করার চেষ্টা করবেন। আমি গতকালকেও ২৭ বছরের এক মেয়ে পেয়েছি যার কিনা ১ বছর টানা পিরিয়ড হয় নি আর মুখ ভর্তি ফ্যাসিয়াল হেয়ার! বুঝতে পারছেন এসকল জিনিস কত ওহরহ আর কমন এখন! বিয়ের আগেই এসকল জিনিস কারেকশন করা বাধ্যতামূলক।
আর সবচেয়ে জরুরি—
Ideal Body Weight-এর চেয়ে ৮–১০ কেজি বেশি হলে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ান/ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হবেন।

আমি চাই প্রতিটা মেয়ে - বেলীর মতো পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় সুভাস ছড়াক 🌻

শাইমা জাহান
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান
সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী
৯-৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক কৈশরেই পরে থাকে। অনেকে মনে করেন ১৮ বছরে মস্তিষ্ক 'ম্যাচিওর' হয়ে যায়, তা আসলে ভুল।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর।

৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত।

৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত।

৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে।

৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।

#neuroscience #bigyanpriyo
2
আল্লাহতাআলা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেন নাই- যার প্রাকৃতিক সমাধান রাখেননি; বরং প্রত্যেকটি রোগের বা শারীরিক সমস্যার একাধিক সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে! মানুষের দায়িত্ব শুধু মহাপ্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে (মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বিধি-বিধান ও নির্দেশনা মোতাবেক) সঠিক প্রাকৃতিক খাবারটি খুঁজে নিয়ে রোগ নিরাময়ের উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম সিন্থেটিক ড্রাগস রোগ উপশমের উপায় হিসেবে মানবদেহের ভেতরে ঢোকানো যাবে না (সৃষ্টিকর্তা সেই অধিকার মানুষকে দেননি)!

মানুষের জন্য প্রদত্ত জীবন-বিধান সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন : "আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি, তা ত্থেকে উত্তমগুলো আহার হিসেবে গ্রহণ করো আর এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, করলে তোমাদের উপর আযাব সাব্যস্ত হবে। আমার আযাব যার উপরে সাব্যস্ত হয়, সে তো ধ্বংসই হয়ে যায়! আর যে তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং সৎ পথে অটল থাকে, আমি তাঁর জন্য অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল।" সূরা ত্বহা - ৮১-৮২
2
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এরপর সাপ্লিমেন্ট হালুয়া তৈরি করে খাবেন। দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। বিস্তারিত তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণ নিচে দেওয়া হল।

সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি

🥄 উপকরণ ও পরিমাণ:
অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম
ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম
জাফরান:২ গ্রাম
বীর্য মনি:৫০ গ্রাম
তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম
কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম
তালমাখানা:৩০ গ্রাম
তালমুল: ৩০ গ্রাম
ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম
পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম
তোকমা দানা: ২০ গ্রাম
গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম
আখরোট: ৫০ গ্রাম
তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম
পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম
খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম
লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম
শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম
আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম
গাজর বীজ:১৫ গ্রাম
দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম
যত্রিক: ৩০ গ্রাম
মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো

🔧 প্রস্তুত প্রণালী:
সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়।

⚠️ সতর্কতা:
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে এই শীতে প্রায় ৬ মাস ভালো থাকব।
.
🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে।
নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় । সহকারি কে বলবেন আমি সাপ্লিমেন্ট হালুয়া নিতে চাই। আপনি অর্ডার দেওয়ার পরে তৈরি করে দেয়া যাবে। আমাদের কাছে তৈরি করা থাকে না।

প্রায় দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই।

নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না।

☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন।
.
হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন ।

★ ফোনে কথা বলার সময়:
সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত।
★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়:
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ।
(সরাসরি সাক্ষাতের জন্য অবশ্যই একদিন আগে ফোন দিয়ে আসতে হবে)
.
🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন।

01972859950 ও 01712859950
এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।
জ্ঞান - Knowledge
Photo
দুনিয়াটা জারজ সন্তানে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।
একটা সন্তানের আশায় মানুষ হালাল-হারামের পরোয়া করতেসে না। আল্লাহ ﷻ বলেন,

وَ لَا یَاۡتِیۡنَ بِبُہۡتَانٍ یَّفۡتَرِیۡنَہٗ بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِنَّ وَ اَرۡجُلِہِنَّ

“(নারীরা) হাত-পায়ের মাঝখান থেকে মিথ্যা অপবাদ রচনা করো না।”

📚 [সূরা মুমতাহিনা (৬০) : আয়াতঃ ১২]

আয়াতটির অর্থ দুটি। তন্মধ্যে একটি হল- অন্যের ঔরসজাত সন্তানকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দেওয়া। জাহেলী যুগে কোন কোন নারী অন্যের সন্তানকে নিয়ে এসে বলত, এ আমার স্বামীর সন্তান অথবা ব্যভিচার করত এবং তাতে যে অবৈধ সন্তানের জন্ম হত, তাকে নিজ স্বামীর সন্তান বলে পরিচয় দিত।

হাদীসের মাঝে এসেছে -

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: "مَا بَعْدَ الشِّرْكِ ذَنْبٌ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ نُطْفَتَهُ فِي رَحِمٍ لاَ يَحِلُّ لَهُ."

(المصدر: الورع لابن أبي الدنيا، حديث ضعيف)

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “শিরকের পরে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা, যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেননি।”

📚 (আল ওরাআ, ইবনু আবিদ্ দুনিয়া, হাদীস নং-৯৪; শামেলা)

সন্তানের বাবা কে তা একমাত্র স্ত্রীই বলতে পারবে! ইতিপূর্বে আমি কয়েকটা পোস্টের মাধ্যমে বলেছি স্বামী ব্যতীত ডোনারের স্পার্ম নিয়েও iui, ivf, icsi এর মতো চিকিৎসা হচ্ছে এবং এটা সিক্রেট রেখে। গতকাল ইবনে সিনা হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন কমেন্টের মাধ্যমে বললেন, ডোনারের সাথে ডিল করবেন সাবধানে, ডোনারের পরিচয় জানার চেষ্টা করবেন না!

কিছুক্ষণ আগেই স্কিনশটের এই মহিলার সাথে কথা হচ্ছিল, কাউন্সিলিং করছিলাম কেন তিনি সন্তানের জন্য জঘন্য হারামের দিকে যাবেন। বাকিটা স্কিনশটে দেখে নিন। ভারতের মতো এই দেশেও মহামারীর মতো iui, ivf এর আড়ালে এগুলো হচ্ছে।

এগুলো যদি আপনার মনে হয় ফেইক, ভুয়া, বানোয়াট, তাহলে স্কিপ করবেন আমার পোস্ট। প্রয়োজনে আনফলো করবেন, আনফ্রেন্ড করবেন, আই ডোন্ট মাইন্ড।

এক হাদী‌সে এ‌সে‌ছেঃ

عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لَا تَزَالُ أُمَّتِي بِخَيْرٍ مَا لَمْ يَفْشُ فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَإِذَا فَشَا فِيهِمْ وَلَدُ الزِّنَا فَيُوشِكُ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللهُ ﷻ بِعِقَابٍ

নবীজী (ﷺ) এর বিবি হযরত মাইমুনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবীজী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মত থেকে কল্যাণ বন্ধ হবে না, যতক্ষণ না তাদের মাঝে জারজ সন্তান বেড়ে যায়। যখন তাদের মাঝে জারজ সন্তান বিস্তার লাভ করবে, তখন আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ব্যাপক আযাবের সম্মুখীন করবেন।

📚 (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৬৮৩০, মু’জামুল কাবীর লিততাবারানী, হাদীস নং-৫৫)

এক আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ বলেনঃ

وَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِ ﴿ۚ۴۶﴾

“আর যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্য রয়েছে দু'টি (জান্নাতে) বাগান।”

📚 [সূরা আর-রাহমান (৫৫) : আয়াতঃ ৪৬]

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ﷻ আমাদের হেফাজত করুন। আমীন।
আমি এর আগে কখনও টিপিকাল বিকাশ স্ক্যামে পড়িনি। কিন্তু আজ অল্পের জন্য এক স্ক্যাম থেকে বেঁচে গেলাম। আর স্ক্যাম এর চেয়ে বড় কথা, এই ঘটনাটা আমাকে ভাবতে বাধ্য করেছে আমরা যে সো কল্ড এনক্রিপ্টেড অ্যাপস ব্যবহার করি এবং আমাদের পার্সোনাল বা প্রোফেশনাল জীবন সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে শেয়ার করি, সেটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

গত রাতে একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তাই আজ প্রায় ৭টার মধ্যেই ঘুম ভেঙে যায়। বিছানায় শুয়েই একটু scroll করছিলাম। হঠাৎ আমার বিজনেস WhatsApp এ একটা নাম্বার থেকে মেসেজ এলো, সঙ্গে একটা কল। নম্বরটা সেভ করা না থাকলেও কলার নেম এ আমার এক Coworker এর নাম ও তার ছবি দেখাচ্ছিল। রিসিভ করে সালাম দিয়েই কল কেটে দিল। ভাবলাম সকাল সকাল হয়তো বিরক্ত করতে চায়নি, তাই কেটে দিয়েছে।

তারপর মেসেজে সেই পরিচিত ব্যক্তির মতো করেই লিখল, "Vai, akta help lagto. Ammu k hospital e admit koraichi, kisu tk lagto bks a." আমি জানতাম যে উনার ammu মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকেন। তাই সন্দেহ হয়নি। সরাসরি বললাম বিকাশ নম্বর দিতে এবং কত টাকা পাঠাতে হবে।

সে আরেকটা নম্বর দিল আর বলল ৫০০০ টাকা পাঠাতে। আমি ঠিক পাঠাতে যাব এমন সময় মনে হলো, আমরা তো সব লেনদেন করি ব্যাংকে। বিকাশে নিয়ে হঠাৎ ঝামেলায় গেল কেন এই মানুষটা? তাই WhatsApp এ তাকে কল দিলাম। সে আবার কেটে দিল। বলল, "ভাই, টাকা পাঠান. আমি পরে কথা বলছি." এখানেই শুরু হলো সন্দেহ।

সঙ্গে সঙ্গে Truecaller এ চেক করে দেখি নম্বরটা এবং যেই নম্বরে টাকা পাঠাতে বলেছে সেটাও স্ক্যামারের এর।

এখন মূল কথা হলো, বিকাশ স্ক্যাম তো খুবই প্রচলিত বিষয়। কিন্তু এখানে আমাকে অবাক করেছে কয়েকটা দিক।

১. স্ক্যামার রা এখন আমাদের সোশাল মিডিয়া থেকে ছবি নিয়ে স্ক্যামের কাজে ব্যবহার করছে।

২. তারা আমাদের ফোনের Contact list পর্যন্ত পেয়ে যাচ্ছে, যা সবচেয়ে ভয়ংকর।

৩. তারা যার নামে স্ক্যাম করবে তার ব্যক্তিগত জীবনে কাদের সাথে কেমন সম্পর্ক, কাদের সাথে উঠাবসা সেগুলোউ নজর রাখছে।

হয়তো কিছুদিন পর মানুষ এই স্ক্যাম গুলোকেও শনাক্ত করতে পারবে এবং তখন এই মাদারবোর্ড গুলো আরও নতুন আর আরও ভয়ংকর পদ্ধতি বের করবে।

সবাইকে সাবধানে থাকার অনুরোধ রইল।
শারীরিক সম্পর্ক বা সেক্সে একদমই আগ্রহ নেই, সেক্সের সময় লিবিডো কম বা ড্রাইনেস এর সমস্যা, সেক্সের পরে বার্নিং সেনসেশন বা জ্বালাপোড়া হওয়া এখন বিবাহিত মেয়েদের খুব কমন সমস্যা।

আমি অনেক পেশেন্ট পাই যারা এই ধরনের কমপ্লেইন করেন আমাকে। যে আপু আমার তো ডিজায়ার একেবারেই কম, কোনরকম আগ্রহ ফিল করি না। লজ্জায় অনেকে পার্টনারকে বলতে পারেন না এমনকি অনেক সময় পার্টনার বা ডাক্তার কি ভাববে সেই ভয়েও অনেকে এটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে ভয় এবং লজ্জা দুটোই পেয়ে থাকেন। অনেক খুচিয়ে তাদের থেকে এই সব সমস্যার কথা শুনি৷

আজকে এই ব্যাপার টা নিয়েই কথা বলবো।

Hypoactive sexual desire disorder(HSDD) খুবই কমন একটা সমস্যা যেটা মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে কমিয়ে দেয়। অনেক সময় আমরা শারিরীক অনেক চেইঞ্জের কারনে এটা বুঝতে পারি না। HSDD এর কিছু সিম্পটমস আছে৷ তার মধ্যে কমন সিম্পটমস গুলো আমি অলরেডি উপরে বলেছি৷

১)সেক্সের প্রতি একদমই কম ইন্টারেস্ট থাকা বা ইন্টারেস্ট না থাকা।

২) কোন সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি কাজ না করা।

৩) নিজে থেকে কখনো ডিজায়ার ফিল না করা।

৪) সেক্সের সময়ে কোন প্লেজার ফিল না করা।

৫) সেক্স ড্রাইভ ধীরে ধীরে কমতে থাকা।

৬) পার্টনারের প্রতি কোন সেক্সুয়াল এট্রাকশন ফিল না করা।

-কেন হয় HSDD??

HSDD অনেক কারনে হতে পারে। এগুলোর মধ্যে -

১) ইনসুলিন রেসিস্টেন্স বা ডায়াবেটিস।

২) থাইরয়েড ইস্যু

৩) আর্থ্রাইটিস

৪) বডিতে এস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া, প্রোল্যাকটিন বেড়ে যাওয়া।

৫) পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএস

৬) প্রেগন্যান্সির সময়ের বা ডেলিভারি পরবর্তী হরমোনের পরিবর্তন

৭) কিছু মেডিকেশন( এন্টি ডিপ্রেসেন্ট, হাই ব্লাড প্রেশার এর মেডিসিন)

৮) ফ্যাটিগ বা অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড

৯) এনজাইটি, ডিপ্রেশন, লো সেল্ফ এস্টিম

১০) চাইল্ডহুড ট্রমা

১১) পার্টনারকে ভরসা করতে না পারা বা মেন্টাল্লি এটাচড ফিল না করা।

HSDD অনেক সময়ই ফুল্লি কিউরেবল না হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক বেশি উন্নতি করা যায়। বিশেষ করে যাদের বয়স কম। অনেক পেশেন্ট দের ক্ষেত্রেই দেখেছি তারা লাইফস্টাইল মোডিফিকেশন করে অনেক পজিটিভ চেইঞ্জ পেয়েছেন।

তবে HSDD ট্রীটমেন্ট করার আগে আপনাকে বুঝতে হবে এর পিছনের প্রধান কারনটা আসলে কি। পরবর্তী পোস্টে মেয়েদের সেক্স ড্রাইভ কিভাবে বাড়ানো যায় এটা নিয়ে পোস্ট লিখবো ইনশাআল্লাহ।

Sumya Shila
Nutritionist and Diet Consultant
KGN Medicare Limited, Dhanmondi, Dhaka
আমিও র'ক্তে-মাং'সে গড়া মানুষ। আমারও শখ-আহ্লাদ রয়েছে। তবে, অন্যদের মতো দামী বাইক কিংবা গাড়ি কেনার শখ আমি রাখি না! আমার সামর্থ্য হলে আমি সাদা রঙের একটি ঘোড়া খরিদ করবো, সাথে দুই মাথা বিশিষ্ট ত'লো'য়া'র (এটা আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা)। অতঃপর ডাক পড়লেই কোনরকম চিন্তা-ভাবনা ছাড়া নেমে পড়বো। শুধু আমিই নই! আমার মত হাজারো রয়েছে, যারা খিলাফতে ইসলামিয়ার স্বপ্ন দেখে।
ইনশা আল্লাহ্, সেইদিন বেশি দূরে নয়।

بسم الله الرحمن الرحيم

وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ
মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।
(সূরা আর-রুম, আয়াত: ৪৭)

#khilaafahwillriseagain ☝️
#ibnularabitabib #saiyedtabib

© Ibnul Arabi Tabib
ঢাকা শহরে চিকিৎসা করানো অনেক খরচান্ত ব্যাপার।

ডাক্তারের ভিজিট ১,০০০/১,৫০০/২,০০০ টাকা এখন সাধারণ ব্যাপার।

এরপরে আছে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা। সেগুলোর গলাকাটা চার্জ।

তারপর রিপোর্ট দেখাতে গেলে আবার দাও ভিজিট।

এর সাথে আছে হয়রানি, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

যেই ডাক্তারের ভিজিট যতো বেশি, তার কাছে ততো বেশি ভীড়।

বিখ্যাত ডাক্তারের সিরিয়াল পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

এমনও ডাক্তার আছেন, যার আগামী ছয় মাসের সব স্লট বুক। আজকে সিরিয়াল দিলে ছয় মাস পর দেখানো যাবে।
.
.
.
আমি একটা তাজ্জব হবার মতো খবর দিই আপনাদের:

বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর-পূর্ব গেটে আছে ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার।

এখানে বিশেষজ্ঞ এলোপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ১০ টাকা!

হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের ভিজিট ৫ টাকা!!

এখানে বিভিন্ন টেস্ট করা যায় অন্য যেকোনো জায়গার অর্ধেক দামে!

আর, এখানে সিরিয়াল কিংবা ভীড় নেই!! ডাক্তার আর টেকনিশিয়ানরা মশা-মাছি মারেন।
.
.
.
যাবেন নাকি, ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে চিকিৎসা সেবা নিতে?
ইবন সিনা, দুটি মেষশাবককে আলাদা খাঁচায় রাখেন। দু’টি মেষশাবকের বয়স ও ওজন ছিল সমান, এবং তাদের একই ধরনের খাবার দেওয়া হতো। সব শর্তই ছিল এক। তবে তিনি তৃতীয় খাঁচায় একটি নেকড়ে রাখেন। শুধু একটি মেষশাবক নেকড়েটিকে দেখতে পেত, অন্যটি নয়।
কয়েক মাস পর যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত, সেটি হয়ে ওঠে বিরক্ত, অস্থির, ধীরে বেড়ে উঠছিল এবং ওজন হারাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়। কিন্তু যে মেষশাবকটি নেকড়েকে দেখত না, সেটি শান্ত ছিল, ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং সুস্থভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়।

নেকড়ে মেষশাবকটিকে কিছুই করেনি, তবুও শুধু ভয় ও মানসিক চাপ তার অকাল মৃত্যু ডেকে আনে। আর যে মেষশাবক ভয়মুক্ত ছিল, সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে ইবন সিনা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অযথা দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগে নিজেকে কষ্ট দেবেন না।

সূত্র: Avicenna, Concerning the Soul, in F. Rahman, Avicenna's Psychology: An English Translation of Kitab Al-Najat.