জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আপনি নামাজ ফুল প্রেজেন্স নিয়ে পড়তে পারবেন, আল্লাহ কে গভীরভাবে বিশ্বাস করতে পারবেন,
ভয় ছাড়া ভালোবাসতে পারবেন, সাহস নিয়ে বাঁচতে পারবেন,আল্লাহর কদরের উপর ফুল স্যারেন্ডার করতে পারবেন, এবংআল্লাহ কে প্রতিটি মুহূর্তে খুব কাছে অনুভব করবেন।

আর জানেন তো— যে মানুষ আল্লাহকে কাছে পায়, তার ভিতরে ভয় ও কষ্ট বেশিক্ষণ থাকতে পারে না।

হিলিং হলো স্পিরিচুয়াল রিফাইনমেন্ট।

সিম্পল ভাষায় — আপনি যদি সারভাইভাল মোড থেকে বের হয়ে জীবনে ফুল স্পিরিট নিয়ে বাঁচতে চান, তাহলে আপনাকে হিলিং করতেই হবে।

ইউ হিল যাতে আপনি আল্লাহকে ক্লিয়ারলি শুনতে পারেন,ইউ হিল যাতে আপনার বডি রেস্ট করতে পারে, ইউ হিল যাতে আপনি ফিয়ার ছাড়া ভালোবাসতে পারেন, ইউ হিল যাতে আপনার ফিউচার আর আপনার পাস্ট–কে রিপিট না করে।

আমি আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি আপনার ইমোশনাল, ফিজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ওয়েল-বিয়িং–এর জন্য কেন আপনার চাইল্ডহুড উাউনড হিল করা এসেনশিয়াল, জরুরি এবং আনকম্প্রোমাইজড। যদি বুঝে থাকেন —তাহলে আপনার জন্য পরের step হলো - বুঝতে শেখা যে আপনার wounds (জখম) গুলো আসলে কোথা থেকে এসেছে।

কারণ— আপনি আপনার story নতুন করে লিখতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি বুঝবেন আপনার জীবন কোথা থেকে শুরু হয়েছে।

আমার নেক্সট কয়েকটি article আমি আপনার সাথে এক্সপ্লোর করব— আপনার চাইল্ডহুড , আপনি কেমন প্যারেন্টিং পেয়েছেন, আপনার parents–দের ইমোশনাল উাউন্ডস কীভাবে আপনার nervous system ও belief system গঠন করেছে,এবং কীভাবে আপনার আজকের জীবনের প্যাটার্নগুলো আপনার জীবনের early experience গুলো থেকে তৈরি হয়েছে।

এখান থেকেই আপনার ট্রু সেল্‌ফ আন্ডারস্ট্যান্ড শুরু হয়।

এবং এখান থেকেই আপনার হিলিং- পাওয়ারফুল, ইন্টেনশনাল এবং লাইফ-চেঞ্জিং হয়ে যাবে।

সো স্টে টিউনড ফর দ্য নেক্সট ওয়ান
কারণ সামনে যে কথাগুলো রয়েছে—সেগুলো থেকেই আপনি গভীরভাবে বুঝতে ও ডিসকভার করতে পারবেন - the story you have been living.

যাতে আপনি অবশেষে choose করতে পারেন —আপনি আসলে যে গল্পটা আপনার জীবনে তৈরি করতে চান…
একসাথে থাকা, খাওয়া এবং ঘুমানো মানেই কিন্তু দাম্পত্য নয়। একই ছাদের নিচে দীর্ঘদিন বসবাস করেও দুজন মানুষ সহস্র মাইল দূরত্বে থেকে যান।

এমন দম্পতি আছে, যারা বহু বছর এক সাথে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেনি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য।
দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়।

যদি সংসার মানে কেবল এ ধরনের কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবনকেই বোঝায়, তা হলে কিছু সংসার টেকে না কেন? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়, একই টেবিলে খাবার খায়, যৌনতা আছে, তারপরও কেন সংসার ভাঙে?

একজন মানুষের সাথে আছি, পাশে আছি; কিন্তু তারপরও মাঝখানে একটা দূরত্ব থেকে যায়। বলা যায় না, বোঝানো যায় না। জীবনসঙ্গীর বুকে মাথা রেখেও কখনো কখনো নিজেকে খুব একা লাগে।

দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কী চাই? কোনটি সত্যিকারের প্রাপ্য? কোনটা অপ্রাপ্য? সংসার মানে আসলে অভ্যাস-এই ধারণা থেকে আমরা বের হতে পারি না।

অভ্যাস নিশ্চয়ই, কিন্তু সবটাই কি অভ্যাস? আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, কিন্তু কখনো কি একসাথে আকাশ দেখেছি? সমুদ্রপাড়ে বসে পরম নির্ভরশীলতায় পাশের মানুষটির কাঁধে মাথা রেখেছি? কখনো সঙ্গীর মনে উঁকি দিয়ে জানতে চেষ্টা করেছি-সে কেমন আছে? পরস্পরের হাত ধরে কখনো একান্তে বসেছি? দৈহিক প্রয়োজন ছাড়া পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছি?

আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না, একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি, অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞার্থ কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে।

প্রতিটা মানুষই একা (চিবুকের কাছেও); অথচ সবারই সমর্পিত হওয়ার মতো নিরাপদ একটা একান্ত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন। নিবিড় ভালোবাসার স্পর্শ প্রয়োজন। যেখানে কামকে ছাপিয়ে প্রেমই মুখ্য হয়ে ওঠে।

দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে যারা এড়িয়ে যেতে চায় তারা সংসারকে একটা অভ্যাস বলে চালিয়ে দেয়। প্রেমহীন দাম্পত্যে দম্পতিকে অভিনয় করে বাঁচতে হয়। এমন অনেক দম্পতি আছে, যারা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কেবল অভিনয় করেই একটা জীবন পার করে দেয়।

যার সাথে এক ছাদের নিচে সারাটা জীবন পার করতে হবে, যার জন্য এত পরিশ্রম, সে আসলে কেমন আছে? সে কি ভালো আছে? এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংসারে বিবাদ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হয়। রাগ কিংবা অভিমান ভাঙাতে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরতে হয়। মানুষ নিশ্চয়ই এতটা নিষ্ঠুর নয়-যে কিনা ভালোবাসাকে অবহেলা করবে।

সংসার মানে যতটা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা; যতটা জৈবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্র; ততটাই প্রেম, ভালোবাসা, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, শ্রদ্ধাবোধেরও জায়গা। সংসার হয়ে উঠুক শান্তির নীড়, ভালোবাসার পরম আশ্রয়।

#দাম্পত্য #দাম্পত্যজীবন #সংসার #ভালোবাসা #সম্পর্ক
#দাম্পত্যবন্ধন #দাম্পত্যসমস্যা #পারস্পরিকসমঝোতা #স্বামীস্ত্রীরসম্পর্ক #মনোজগত #একান্তসময় #দায়বদ্ধতা
#বিশ্বাস #মনেরখোঁজ #মানসিকস্বাস্থ্য #বাংলালেখা
#অনুভূতি #জীবনবোধ #জীবনদর্শন #দুজনারকথা
#Marriage #MarriedLife #Relationship #CoupleLife
#LoveAndCare #EmotionalBond #Understanding
#RelationshipGoals #Partnership #LoveMatters
আপনারা কি এই চ্যানেলের এডমিনের সাথে গ্রুপ ভয়েস কলে আড্ডা দিতে চান?
১. আপনার লক্ষ্য পরিবর্তন হতে পারে, এবং এটাই স্বাভাবিক!

সবাই সবসময় জানে না যে তারা জীবনে কী করতে চায়। এটা খুবই স্বাভাবিক। আপনি বড় হওয়ার সাথে সাথে আপনার আগ্রহ, লক্ষ্য এবং স্বপ্ন পরিবর্তন হতেই পারে। যদি মনে হয় আপনার বর্তমান পথটি আপনার জন্য নয়, তবে নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পাবেন না। পরিবর্তন জীবনের একটি অংশ।

২. নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব দেবেন না!

মানুষের খারাপ মন্তব্য, বিশেষ করে যারা আপনার জীবনে বা আপনার লক্ষ্যে কোনো অবদান রাখে না, তাদের কথায় কান দেবেন না। যারা আপনাকে সাহায্য করতে চায় না বা যাদের আপনি নিজের আদর্শ মনে করেন না, তাদের কথায় আপনার মন খারাপ করা উচিত নয়।

৩. অন্যের সাথে তুলনা করবেন না, নিজের পথে চলুন!

সোশ্যাল মিডিয়া বা বাস্তব জীবনে আমরা প্রায়ই দেখি মানুষ তাদের জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো প্রদর্শন করে। এর সাথে নিজের দৈনন্দিন জীবনের তুলনা করলে আপনি সবসময়ই অসুখী হবেন। আপনার যাত্রা আপনার নিজের। অন্যের সাথে তুলনা না করে, আপনি গতকালের চেয়ে আজ কতটা ভালো হলেন, সেদিকে মনোযোগ দিন।

৪. নিজের সেরাটা দিন, তারপর বিশ্বাস রাখুন!

আপনি আপনার সেরাটা দিন, আপনার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করুন। কাজটা শেষ হওয়ার পর ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে, প্রকৃতির ওপর বা ভাগ্যের ওপর বিশ্বাস রাখুন। সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও, আপনার প্রচেষ্টাটাই আপনার হাতে।

৫. আপনার মনই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি!

আপনি যেভাবে চিন্তা করেন, সেটাই আপনার জীবনের বাস্তবতা তৈরি করে। আপনার চিন্তাভাবনা যদি ইতিবাচক এবং শক্তিশালী হয়, তাহলে আপনি যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবেন। নিজের মাইন্ডসেটকে সবসময় শক্তিশালী রাখুন।

৬. ভিকটিম মাইন্ডসেট ত্যাগ করুন!

"আমার সাথেই এমন হয় কেন?" বা "আমার জীবনে কিছুই ঠিক হয় না"—এই ধরনের ভাবনা আপনাকে কেবলই পেছনে টেনে ধরবে। আপনি আপনার জীবনের গল্পের নায়ক। পরিস্থিতি বদলানোর ক্ষমতা আপনার হাতেই।

৭. আপনার চারপাশের মানুষরাই আপনার আয়না!

আপনি যাদের সাথে বেশি সময় কাটান, তাদের চিন্তা-ভাবনা, অভ্যাস এবং কথাবার্তা ধীরে ধীরে আপনার মধ্যেও চলে আসে। তাই নিজের বন্ধু নির্বাচন করার সময় খুব সতর্ক থাকুন। এমন মানুষদের সাথে মিশুন যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, আপনার উন্নতি চায় এবং আপনাকে আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে।

৮. নিজেকে নির্দিষ্ট ছাঁচে আটকে রাখবেন না!

মানুষ পরিবর্তনশীল। আপনাকে কোনো একটি লেবেল বা ছাঁচে আটকে থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি সময়ের সাথে সাথে বদলাতে পারেন, নতুন কিছু শিখতে পারেন এবং আপনার পরিচয়কেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারেন। নিজেকে ভাঙার বা গড়ার স্বাধীনতা দিন।

৯. দয়া এবং সাহায্যের মাধ্যমে সাফল্য খুঁজুন!

যখন আপনি কোনো কাজ দয়া এবং অন্যের প্রতি সাহায্যের মনোভাব নিয়ে করেন, তখন আপনি শুধু ভালো কাজই করেন না, আপনি আপনার জীবনেও ইতিবাচক শক্তি আকর্ষণ করেন। এই ধরনের কাজ আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী এবং অর্থপূর্ণ সাফল্য এনে দেয়।

১০. যা কিছু আপনাকে ভালো রাখে না, তা ছেড়ে দিন!

আপনার জীবনে যদি এমন কোনো মানুষ, সম্পর্ক, অভ্যাস বা পরিস্থিতি থাকে যা আপনাকে আরও উন্নত হতে বা সুখী হতে সাহায্য করছে না, তবে তা ছেড়ে দিতে ভয় পাবেন না। সব সময় পরিবর্তন জীবনের জন্য জরুরি।

১১. আপনি যেমন, তেমনই ভালোবাসার যোগ্য!

আপনার কোনো অতিরিক্ত শর্ত ছাড়াই আপনি ভালোবাসা এবং সম্মানের যোগ্য। আপনার দাম আপনার কাজের ওপর বা অন্য কারো মতামতের ওপর নির্ভর করে না। আপনি যেমন, ঠিক তেমনই মূল্যবান।

এই শিক্ষাগুলো মনে রাখলে জীবনের পথচলা অনেক সহজ এবং আনন্দময় হয়ে উঠবে। Best wishes!
3
জ্ঞানের শিল্প হল কি উপেক্ষা করতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে চলতে হবে তা জানা।

— জালাল আলদীন আল রুমী
1
একটা সহজ প্রশ্ন, "কেমন আছেন আপনি?!"

উত্তরঃ "ভালো আছি"। আসলেই কি তাই? ভালো থাকা বলতে আমরা কি বুঝি? শুধুই শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা, নীরোগ থাকা? আর আপনার মন, মস্তিষ্ক- সেগুলো কি ভালো আছে আদৌ?!

জানি, লেখা পড়ে হয়তো মনে হবে কিসের প্যাচাল শুরু করছি, মন নিয়ে ভাবার কি আছে?! কথা হচ্ছে, শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মন- মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবাটাও জরুরি।

১৯৪৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘স্বাস্থ্য’–এর যে সংজ্ঞা দিয়েছিল, তা একটু মনে করা যাক- ‘কেবল নিরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য।’ অথচ আমরা জেনে কিংবা না জেনে স্বাস্থ্য বলতে শুধুই এর আংশিক ব্যাখ্যা দিয়ে এসেছি। ফলে আজ পর্যন্ত ‘স্বাস্থ্য’ শব্দটি সীমাবদ্ধ হয়ে আছে ‘শারীরিক’ অংশটুকুর মধ্যে। অক্টোবর ১০,২০২১, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। বলার বাকি রাখে না যে এই দিবস আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব, সচেতনতা, আমাদের করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরে। আর বিশেষ করে এই ঘরবন্দী সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দেওয়াটা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

কখন বুঝবেন যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন?

| আশাহীন থাকাঃ মেজর ডিপ্রেশনের এক অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে আশাহীন থাকা। মানুষ স্বভাবতই আশাবাদী থাকে তার কাজের জন্য, তার আগামী দিনগুলোর জন্য। কিন্তু এই নিরাশ হয়ে বসে থাকা, অনাগ্রহ দেখানো কখনোই সুস্থ মনের মানুষ করে থাকে না।

| ইচ্ছা হারানোঃ মানসিক অবসাদ আমাদের জীবন থেকে আনন্দের মুহুর্তগুলো সরিয়ে নিতে বিন্দুমাত্র সময় নেয় না।

| নিয়ন্ত্রণ হারানোঃ সামান্য বিষয় নিয়ে হুট করে রেগে যাওয়া আর পরক্ষণেই নিজের কাজের জন্য অনুতপ্ত বোধ করাটাও মানসিক ভাবে অসুস্থ হওয়ার লক্ষণ।

| উদ্বিগ্নতাঃ কোনো ঘটনায় কিংবা কাজে নার্ভাস ফীল করা, ক্লান্ত বোধ করা, কোনো কিছুতে অল্পতেই প্যানিক করা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে আসা, হাজারো চিন্তা মাথায় এসে জমাট বাধা- এই সব কিছুই ডিপ্রেশনের অন্যতম লক্ষণ।

এত কিছুর মাঝেও একটা প্রশ্ন যে কি করে আমরা নিজদের মন ভালো রাখতে পারি? কিছু কমন টিপস যা আমাদের মন ভালো রাখতে সহায়তা করেঃ

১. অনুভূতি প্রকাশঃ চাপা কান্না কেউ শুনতে পায় না, তেমনি মনের চাপা কষ্টটাও কেউ বুঝতে পারে না। তাই, নিজের অনুভূতি, খারাপ লাগা, কি কারণে নিজেকে একা লাগছে তা কোনো একজনের সাথে শেয়ার করা উচিত, এতে মন হালকা হয়।

২. সক্রিয় থাকাঃ স্টুডেন্ট, কিংবা কর্মজীবী যেই হোন না কেন, নিজেদের কাজে সক্রিয় থাকাটা খুব জরুরি। কথায় বলে, "অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা", যখনই আপনি একা অলস সময় কাটাবেন তখনই দুশ্চিন্তা মাথায় এসে ভর করবে। তাই কাজে সক্রিয় থাকা খুব জরুরি, তবে তা নিজেকে অবহেলা করে নয়।

৩. ভালো খাবারঃ শরীর আর মন একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শরীর ভালো না থাকলে মন ভালো থাকে না, আবার মন ভালো না থাকলে শরীর ভালো থাকে না। তাই মন ভালো রাখার জন্য ভালো খাবার খাওয়া জরুরি, এতে শরীরও ভালোই থাকলো।

৪. নেশা পরিত্যাগঃ সবচেয়ে কমন একটা কেস হলো দুশ্চিন্তা কাটাতে নেশা করা, সেটা হতে পারে সিগারেট, বা অ্যালকোহল- যেকোনো কিছু। তবে একটা কথা, এই নেশাদ্রব্য কখনোই ভালো কোনো ফলাফল দেয় না। এই নেশা চরম পর্যায়ে গেলে ছাড়ার উপায় থাকে না, আবার না ছাড়লেও নিজেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া। তাই ডিপ্রেশনে থাকলে নেশাদ্রব্য নেওয়ার কথা মাথা থেকে এখুনি ঝেড়ে ফেলুন।

৫. বিরতিঃ অনেক সময় যান্ত্রিক শহরে আমরা হয়তো নিজেকে অনেক সময় খুঁজে পাই না। কাজের মধ্যে সারাদিন ডুবে থাকা, তারপর বাসায় ফিরে খেয়ে এক ঘুম। এভাবে নিজেকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। কাজে বিরতি নিন, কোথাও ট্যুর দেওয়া যায় কিংবা তিন দিন বিরতি নিয়ে আশেপাশে পার্কে ঘুরাঘুরি করা যায় কিংবা নিজের পছন্দের কাজ (যেমনঃ বাগান করা, বই পড়া) করা যায়।

৬. নিজেকে গ্রহণ করতে শেখাঃ কে কত ভালো, কত দক্ষ সেই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা প্রত্যেকেই যেন একটা প্রতিযোগিতা লাগিয়ে দেই। এটা উচিত নয়। নিজের দক্ষতা বুঝে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আপনার গানের গলা ভালো না, কিন্তু আপনি চমৎকার বিতর্ক করতে পারেন। আপনাকে গান গাইতেই হবে এমন কোনো কথা নেই, আপনার ফিল্ড অনুসারে নিজেকে সেই জায়গায় নিয়ে যান। কারণ স্রোতে গা ভাসিয়ে কোনো লাভ নেই, পরবর্তীতে নিজেকেই পস্তাতে হয়৷

আর হ্যাঁ, একটা কথা মাথায় রাখবেন- "মন ভালো তো জগৎ ভালো"। তাই নিজের মন ভালো রাখার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে আগে।

লেখকঃ Metheela Farzana Melody | Science Bee

#science #bee #mental #health #depression
4
আমাকে সামরিক সেকশনে ট্রাংক, লোহার খাট ইত্যাদির ব্যবসা করা একজন ব্যক্তি হঠাৎ নক করে। আমার লেখাগুলো দেখেই তিনি যোগাযোগ করেন। তখন আমি জ্বীন–কেন্দ্রিক অকাল্ট চক্র, এর সাথে কানেকশন এবং এর ওপর দাঁড়ানো আদর্শ নিয়ে কাজ করার বিষয়ে লিখছিলাম। সেই সময় তিনি জানান যে তাঁর নিজের জীবনে এই ডার্ক চক্র কিভাবে আঘাত করেছে এবং কিভাবে জীবনের ১২ টা বাজাচ্ছে । তিনি আগ্রহী ছিলেন, কারণ আমি বিষয়গুলোর কাঠামো বুঝি এবং এই বিচ্ছিন্ন কিন্তু সক্রিয় ব্লাক সাইডের সিস্টেম সম্পর্কে পরিচিত।।

তিনি আমাকে জজ কোর্ট, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট প সেকশনে কীভাবে এই ব্ল্যাক জ্বীন–শয়তানি সিস্টেম কাজ করে, তার বাস্তব উদাহরণ দেখান। এবং জানান, কত মানুষ ঠিক এই অদৃশ্য কৌশলের কারণে ভুক্তভোগী হয় সেটাও তুলে ধরেন।

আমরা যারা সাধারণ সিভিল লাইনে থাকি, তাদের ধারণা সীমিত। ব্যবসা সিভিলের উপরে, তার উপরে ব্ল্যাক মার্কেট, তারও উপরে প্রশাসন, আর প্রশাসনের উপরে আবার ডলার থাকলে লন্ডন। পাশাপাশি মামলার জগতে আরেকটি লাইনে রয়েছে সোর্সার্স–ভিত্তিক শয়তানি নেটওয়ার্ক একটা সাইডটিও আমার সামনে খোলাসা করেন।

“ব্লক দিয়ে রাখা”, “আটকে রাখা”, “প্যাচ দেওয়া” কিত্তি কাহিনী। এর মানে এই না যে, সুপ্রিম কোনো কিছু। বড় ধরনের বানও মারলেও লাভ হয়, কারণ পার্টির তুলনায় বান ছোট,এটা অনেকটা ম্যাজিকের মতো ফাও! তারপরেও, মানুষ ভালো রকমের ভুক্তভোগী।

যারা প্রশাসন বুঝে তারা ঐলাইনে সফল হয়, যারা মামলাবাজ মামলার লাইন বোঝে তারা সেই লাইনে সফল হয়। আর যারা ব্যবসায়ী তারা টাকার মাধ্যমে সফল বাট যারা এই সাইডের তাদের খেলাটা এই সাইডে চলে।

তিনি আরও দেখালেন কোর্ট–চত্বর ঘিরে আসল ভুক্তভোগিতার চিত্র। তারপর সামাজিক দিক তুলে ধরলেন: একটি ব্ল্যাক কালোচক্র, যারা দ্রুত ধনী হওয়াকে লক্ষ্য করে। তারা টার্গেট বেছে নেয় সাধারণত সম্পদশালী পুরুষ। জাদু–টোনা, মন্ত্র বা বশীকরণের মাধ্যমে তাঁকে নিয়ন্ত্রণে আনে, ঐ মহিলা তাকে বিয়ে করে তারপর তাকে অর্থাৎ, পুরুষকে কালো যাদু করে হত্যা করে ফেলা যেটার কালো যাদুর কারনে মেডিক্যাল ফরেন্সিক কোনো রিপোর্ট থাকে না বরং অসুস্থ বা রোগী হিসেবে মৃত্যু দেখানো হয় এরপর ঐ পুরুষকে হত্যার মাধ্যমে তার বিপুল সম্পত্তির মালিক হয়। তারপর আবার একইভাবে পুরুষের ভাই, আত্মীয় বা অন্য কাউকে টার্গেট করা হয়। এভাবে তিন প্রজন্ম ধরে সিস্টেমিকভাবে সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া হয়। শেষ রক্ত যদি নির্দিষ্ট নক্ষত্র–সংযোগের সাথে মিলে যায়, তখন তাদের মতে “১৬ কোলা পূর্ণ” হয়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় বংশটি বা মহিলাটি বংশীয় ধনী, কিন্তু ভেতরে পুরোটা ডার্ক–অপারেশন। যা তিন প্রজম্ন ধরে চলমান।

এখানে তার সাথে জ্বীনেরা থাকে, পরামর্শদাতা, সাথে চলা, কুফুরী কালাম আর আল্লাহ দ্রোহিতা। জ্বীনদের জন্যও এই চলমানের দরুন একটা অংশ তাদের বরাদ্দ থাকে। একটা চক্র, আদর্শ বিশ্বাস ফলাফল ভুক্তভুগি সমাজে শত প্রতিষ্ঠিত জাহেলিয়াতের একটা। যেটা চলমান।

প্রত্যেক খারাপির একেকটা অবস্থান আছে কোনটা ১০% আবার কোনোটা ৬% আবার কোনোটা ৩% যাতে একটা এতো বেশী পরিমান না হয় যে এটার উপর ফোর্স আসে। এবং এটা নস্ট হয়ে যায়। অন্যান্য জাহেলিয়াতের মতো বরং এটার মাত্রা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত ও চলমান থাকে। অবৈধ নেটওয়ার্কগুলো সাধারণত নিজেদের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে যাতে রাষ্ট্রীয় ফোর্স পুরোপুরি আঘাত না করে। এই কৌশল যা চক্রকে সনাক্ত হতে দেয় না, জনমত তৈরি হতে দেয় না,যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একযোগে আঘাত করতে বাধা দেয়।

এগুলোর অনেক সাইড আছে শাখা আছে যেমন আদম ধর্ম, আবার শয়তানের নিশ্বাস, আবার ইলুমিনাতি গুপ্ত সংঘ, ধনী হওয়ার জন্য শয়তানের উপাশনা আবার আলকেমী পুজা যে কোনো ধাতুওকে স্বর্ন বানানোর ব্লাক ম্যাজিক অকাল্ট বা যাদু বিদ্যা। এরকম অনেক রকম ভার্শন আছে সমাজে। এটাও একটা প্রতিষ্ঠত ও চলমান ভুক্তভুগি ব্যাপার যা পাড়ায় মহল্লায় এগুলোর সাথে জরিত।

আবার দেখলাম, ‘এস লাইন’ নামে একটি কোরিয়ান ডার্মা সিরিজ দেখলাম—বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের মধ্যে এটি ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে চরম নৈতিক অধঃপতনের বার্তা দেওয়া হয়: যতখুশি নারীদের সাথে সম্পর্ক করো , তারপর হত্যা করো। অনেকে বিনোদন হিসেবে নিলেও এই ধরনের কনটেন্ট আচরণগত প্রভাব ফেলতে পারে। রাষ্ট্রগুলো জানে যে কনটেন্ট আচরণ ও আদর্শে প্রভাব ফেলে। তাই চীনের মতো দেশে এই ধরনের কন্টেন্ট নিষিদ্ধ।

যাইহোক, জ্বীন–শয়তানের সাথে কানেক্টেড এই ব্ল্যাক ও ডার্ক আদর্শ, শয়তানি ধর্ম, নেটওয়ার্ক, সংঘ–সংগঠন এবং নীতি–কাঠামো—এসবের সামাজিকীকরণের জায়গাগুলো সম্পূর্ণভাবে মুলৎপাটন করতে হবে।

এগুলো মোটেও ছোটখাটো কোনো বিষয় নয়; বরং একটি স্পিরিট–ডার্ক মাফিয়া গোষ্ঠী, যারা সমাজের ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারের মতো কাজ করে—নীরবে প্রবেশ করে, নিয়ন্ত্রণ করে, এবং শেষ পর্যন্ত ভেঙে ফেলে।
ফিটনেস কোচ এবং জিম ট্রেইনার এর মধ্যে পার্থক্য?

ফিটনেস কোচ এবং জিম ট্রেইনার সম্পূর্ণ এক নয়, যদিও দু’জনই ফিটনেস-সম্পর্কিত কাজ করেন।

এখন তাদের মধ্যে পার্থক্যটা কী?

১। জিম ট্রেইনার (Gym Trainer / Instructor)
একজন জীম ট্টেইনার সাধারণত জিমে কাজ করেন।ব্যায়ামের সঠিক ফর্ম, মেশিনে কাজ করা, সেট–রেপ, দৈনন্দিন ওয়ার্কআউট রুটিন দেখভাল করেন।ইনজুরি প্রিভেনশন, ওয়ার্ম-আপ, স্ট্রেচিং, জিম অনুশাসন—এসব শেখান।অনেক সময় একসাথে অনেক সদস্যকে গাইড করেন ।

২।ফিটনেস কোচ (Fitness Coach / Personal Coach)
ফিটনেস কোচ বেশি ব্যক্তিগতকৃত পরামর্শ দেন।ক্লায়েন্টের লক্ষ্য অনুযায়ী সম্পূর্ণ লাইফস্টাইল প্ল্যান তৈরি করেন যেমন (ডায়েট, স্লিপ, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, হ্যাবিট বিল্ডিং)।অনলাইন বা অফলাইনে কাজ করতে পারেন ।শুধু জিম নয় হোম ওয়ার্কআউট, আউটডোর অ্যাক্টিভিটি, বডি রিকম্পোজিশন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেন।
অনেক সময় আবার মানসিক মোটিভেশন ও অভ্যাস তৈরি করায় জোর দেন।

Written by
Fitness Coach
MD Tujammal Hossain Robin
Owner & Founder Of
Aesthetic Nation Fitness
1
👌3🔥1
একদিন জালালউদ্দিন রুমি একটি বনের পথ ধরে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি একটি বিশাল, কৃষ্ণবর্ণ তিতির পাখি ধরে ফেললেন। রুমি মনে মনে ভাবছিলেন, আজকের আহার হিসেবে পাখিটিকে ঝলসানো হবে, নাকি সুস্বাদু তরকারি রান্না করা হবে!

ঠিক সেই মুহূর্তে পাখিটি মানবীয় কণ্ঠে বলে উঠল - ‘হে রুমি! আপনি এই জীবনে এত গোশত আহার করেছেন, তবুও আপনার আমিষের আকুতি কেন শেষ হয় না? আপনি যদি আমাকে মুক্ত করে দেন, তবে আমি আপনাকে তিনটি অমূল্য উপদেশ দেব, যা আপনার জীবনকে শান্তি ও সন্তোষে ভরে দেবে।’

রুমি কিছুটা বিচলিত হলেন, কিন্তু প্রজ্ঞার লোভে রাজি হলেন। তিনি বললেন, ‘বেশ, তবে আমার হাতের মুঠোর মধ্যেই প্রথম উপদেশটি দাও। যদি পছন্দ না হয়, তবে এই মুহূর্তেই তোমাকে হত্যা করব।’

পাখিটি সম্মতি জানিয়ে বলল:

প্রথম উপদেশ: "আপনি সবসময় আপনার বন্ধুদের উদ্ভট বা অর্থহীন আলোচনায় খুব বিচলিত হয়ে পড়েন। এর চেয়ে তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দিন। তাতে আপনার জীবন আরও শ্রেয়তর হবে, এবং আপনি শান্তিতে থাকবেন।"

রুমি কিছুক্ষণ চিন্তা করে দেখলেন, পাখিটির কথায় গভীর প্রজ্ঞা আছে। তিনি দ্বিতীয় উপদেশের জন্য অনুরোধ করলেন।

পাখি এবার বলল, ‘আমাকে মুক্ত করে দিলে আমি ওই কাছের গাছের ডালে বসে দ্বিতীয় উপদেশটি দেব।’

রুমি তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পাখিটিকে মুক্ত করে দিলেন। পাখিটি উড়ে গিয়ে কাছেই একটি গাছের ডালে বসল।

দ্বিতীয় উপদেশ দেওয়ার আগে পাখিটি বলল, ‘রুমি! তুমি এক বিরাট বোকামি করেছ! আমার পেটের ভেতরে তিন কেজি ওজনের মহামূল্যবান হীরা ছিল। তুমি এটা পেলে তোমার সাত পুরুষ বসে খেতে পারতো!’

এই কথা শুনে রুমি সাংঘাতিকভাবে ঘাবড়ে গেলেন। তিনি ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে পাখিটিকে আবার ধরার জন্য তার দিকে ছুটতে শুরু করলেন।

তখন পাখিটি জোরে জোরে হেসে উঠল এবং চিৎকার করে বলল:

‘রুমি, তুমি তো দেখছি আমার প্রথম উপদেশটি একেবারেই শোননি! আমার নিজের ওজন যেখানে মাত্র দুই কেজির বেশি নয়, সেখানে আমার পেটে তিন কেজি হীরা থাকবে কী করে? তুমি এখনো উদ্ভট আর বোধহীন কথায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছো!

দ্বিতীয় উপদেশ: "অতীতকে কখনো পাল্টানো যায় না, আর আমি এখন তোমার অতীত। তুমি যা হারিয়েছো, তার জন্য আফসোস না করে বর্তমান মুহূর্তটিকে উপভোগ করো এবং ভবিষ্যতের জন্য বাঁচো।"

পুরোপুরি স্তম্ভিত হয়ে রুমি তখন লজ্জিত কণ্ঠে তৃতীয় উপদেশের জন্য অনুরোধ করলেন।

তিতির পাখিটি শেষ উপদেশটি দিল:

তৃতীয় উপদেশ: "সবাইকে উপদেশ দিতে যেও না। শুধু তাদের উপদেশ দাও, যারা তা শুনবে এবং মনে রাখবে। মনে রেখো, কিছু কাপড় এত জীর্ণ হয়ে যায় যে, তা আর কখনো সেলাই করা যায় না - অর্থাৎ কিছু মানুষ উপদেশ পাওয়ার যোগ্যই নয়।"
🔥21
"যে বিষয় আমি জেনেছি তা যদি আমল করি, তবেই আমি মানুষের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী। আর যদি প্রাপ্ত জ্ঞান অনুযায়ী আমল না করি, তবে দুনিয়ার বুকে আমার চেয়ে অজ্ঞ আর কেউ নেই।"

—হযরত সুফিয়ান সাওরী (রহ.)

Admin : SHAHAB UDDIN
🔥1
ঢাকায় এসেছেন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে। ফিরতে হবে দুই-একদিনের মধ্যে; কিন্তু ‌থাকার জায়গা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন? আপনি যদি আইওএমের ত্বলিব হন তবে আছে, 'মুসাফির খানা'–তে থাকার সুযোগ!

এখানে বিনামূল্যে (সর্বোচ্চ ৩ দিন) অবস্থান করার ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েকদিনের কাজের উসিলায় (যেমন: চিকিৎসা, চাকরির ভাইভা ইত্যাদি) ঢাকায় আসা উম্মাহর মুসাফির ভাইদের একটু স্বস্তি দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।

🟩 মুসাফির খানা সংক্রান্ত জ্ঞাতব্য বিষয়াবলি-

🗺 লোকেশন:
আমাদের মুসাফির খানাটির ব্যবস্থা করা হয়েছে ঢাকার শেওড়াপাড়াতে, যেখান থেকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে উত্তরা থেকে মতিঝিল যেকোনো জায়গায় মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে যাওয়া সম্ভব।

🟩 মুসাফির খানাটির ব্যবস্থা মূলত একটি মক্তব এর একটি রুমে। একটি রুম থাকবে যেখানে একাধিক জনের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। (উল্লেখ্য, এটি কোনো হোটেল রুম নয়)।

অফিস আওয়ারের মধ্যে আসতে হবে, যেহেতু রুমের চাবি অফিস থেকে নিতে হবে। (সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টার মধ্যে)

☎️ সরাসরি কল করে যোগাযোগ করার জন্য: +8801554-680206
প্রস্থানের সময় পূর্বেই অবগত করতে হবে।

📕 আইওএম এর আলিম কোর্সের রেগুলার/ফারেগ ত্বলিব হতে হবে অথবা সিংগেল কোর্স সম্পন্নকারী হতে হবে। এছাড়াও কোনো ত্বলিবা বোনের স্বামী অথবা বাবাও এই সেবা নিতে পারবেন।

🪪 অবস্থান কালীন সময়ে ব্যক্তির মূল এনআইডি কার্ড অথবা যে কোনো একটি মূল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে রাখতে হবে। চাবি ফেরত দেওয়ার পর মূল ডকুমেন্ট ফেরত দেওয়া হবে।

🏠 অবস্থানকালীন সময়ে নিজের খানার ব্যবস্থা নিজ দায়িত্বে আঞ্জাম দিতে হবে।
সুন্নাতি দাড়ি থাকতে হবে।
অধূমপায়ী হতে হবে।
৩ দিনের অধিক দিন কারো থাকার প্রয়োজন হলে, অতিরিক্ত দিনগুলোর জন্য দিন প্রতি ৫০০ টাকা করে প্রদান করতে হবে।

📑 উল্লিখিত বিষয়াবলির সাথে সম্মত হলে মুসাফির খানার সুবিধা গ্রহণ করার জন্য নিম্নোক্ত ফর্মটি পূরণ করতে পারেন। (ফর্ম লিংক কমেন্টে)

➡️ শেয়ার এবং মেনশন এর দ্বারা তথ্যটি জানিয়ে দিতে পারেন নিজের সহপাঠীদেরকে।
বছর ঘুরে আবার এলো ডিসেম্বর মাস।

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ব্যাংকের গ্রাহকদের আহাজারি শোনা যায় বাতাসে কান পাতলেই-

অমুক ব্যাংক আমার সব টাকা কেটে নিছে!👹
অমুক ব্যাংক ডাকাত!😡
অমুক ব্যাংকের গলাকাটা চার্জ!👺
শালার ব্যাংকে আর টাকাই রাখবো না!😈

ব্যাংক কি আসলেই অনেক বেশি চার্জ কাটে?🤔

ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে চার্জ কাটে শিডিউল অব চার্জ মেনে। সব ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সেই ব্যাংকের শিডিউল অব চার্জ দেয়া আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও সব ব্যাংকের শিডিউল অব চার্জ আপডেট করা থাকে। আপনি সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। Schedule of Charge of 'X' Bank লিখে সার্চ দেন...।

বেশিরভাগ গ্রাহক যেহেতু ব্যাংকে সেভিংস একাউন্ট মেইনটেইন করেন, সেভিংস একাউন্টের চার্জের কথাই বলি:

ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে বছরে দুইবার 'একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স' চার্জ কাটে। একবার জুনে, একবার ডিসেম্বরে।

একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ কতো হবে- সেটা নির্ভর করে আপনার একাউন্টের গড় ব্যালান্স এর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক, আপনার একাউন্টে গড় ব্যালান্স যদি ৫,০০০ টাকার কম হয় আপনাকে কোনো একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ দিতে হবে না। আবার গড় ব্যালান্স ২৫,০০০ টাকার কম হলে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে ১০০ টাকার বেশি একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ আদায় করতে পারবে না।

একাউন্টের গড় ব্যালান্স ২৫,০০০ টাকার বেশি হলে ব্যাংক তার শিডিউল অব চার্জ মোতাবেক একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ আদায় করবে। এই চার্জের সাথে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।

গড় ব্যালান্স যতো বাড়বে, একাউন্ট মেইনটেন্যান্স চার্জ এর মিটার কিন্তু ততোই চড়তে থাকবে।

একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ এর পাশাপাশি এখন বেশিরভাগ ব্যাংক বছরে দুইবার 'এসএমএস এলার্ট ফি' আদায় করে। এই ফি কোনো ব্যাংকে ১০০ টাকা, কোনো ব্যাংকে ২০০ টাকা। এটার সাথেও ১৫% ভ্যাট আছে, ১০০ মানে ১১৫ আর ২০০ মানে ২৩০।

আপনি যদি একাউন্টের বিপরীতে ডেবিট কার্ড নেন, তাহলে আপনাকে ডেবিট কার্ড এর মেইনটেইন্যান্স ফিও দিতে হবে। বেশিরভাগ ব্যাংক বছরে দুইবার এই চার্জ নেয়। ২০০ টাকা থেকে শুরু হয় ডেবিট কার্ড এর অর্ধবার্ষিক চার্জ। এর সাথে ১৫% ভ্যাট।

বেশিরভাগ ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং কিংবা এপ ব্যাংকিং অবশ্য চার্জমুক্ত।

আরেকটা চার্জ কাটে ব্যাংক- আবগারি শুল্ক। এটা অবশ্য সারা বছরে একবারই কাটে, ডিসেম্বরে। ডিসেম্বরের আগে যদি আপনি একাউন্ট বন্ধ করে দেন, একাউন্ট বন্ধ করার সময় আবগারি শুল্ক কাটা হবে।

আবগারি শুল্কের টাকা কিন্তু ব্যাংক পায়না, এটা সরকারের চার্জ। গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করে ব্যাংক এই টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়।

আবগারি শুল্ক নির্ধারিত হয় আপনার একাউন্টে বছরের যেকোনো পয়েন্ট অব টাইমে হাইয়েস্ট ব্যালান্স এর ওপর। এক সেকেন্ডের জন্যও যদি আপনার একাউন্টে স্ল্যাবের মধ্যে এমাউন্ট জমা হয়, তাহলে আপনাকে নির্ধারিত হারে আবগারি শুল্ক দিতে হবে।

আবগারি শুল্কের স্ল্যাব এরকম-

সর্বোচ্চ ব্যালান্স তিন লাখ টাকা পর্যন্ত - শুন্য, কোনো আবগারি শুল্ক নেই। (এই অঙ্ক আগের বাজেট পর্যন্ত ১ লাখ ছিলো। এ বছর সরকার দয়াপরবশ হয়ে এ বছরের বাজেটে এই এমাউন্ট বাড়িয়ে তিন লাখ করেছে। ইন্টেরিম সরকার এর জন্য একটা ধন্যবাদ পেতে পারেন।)

সর্বোচ্চ ব্যালান্স তিন লাখ এক টাকা থেকে পাঁচ লাখ পর্যন্ত - ১৫০ টাকা।

সর্বোচ্চ ব্যালান্স পাঁচ লাখ এক টাকা থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত- ৫০০ টাকা।

সর্বোচ্চ ব্যালান্স দশ লাখ এক টাকা থেকে পঞ্চাশ লাখ পর্যন্ত- ৩,০০০ টাকা!

সর্বোচ্চ ব্যালান্স পঞ্চাশ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি পর্যন্ত- ৫,০০০ টাকা!!

সর্বোচ্চ ব্যালান্স এক কোটি এক টাকা থেকে দুই কোটি পর্যন্ত- ১০,০০০ টাকা।

সর্বোচ্চ ব্যালান্স দুই কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি পর্যন্ত- ২০,০০০ টাকা।

সর্বোচ্চ ব্যালান্স পাঁচ কোটির উপরে- ৫০,০০০ টাকা।

আবগারি শুল্কের আরেক নাম 'পাপ কর'। ধনী হওয়া একটা বড়সড় পাপ। এই পাপের খেসারত দেবেন অধিক হারে আবগারি শুল্ক দিয়ে।

আপনার একাউন্টে কেউ একজন ১০ লাখ টাকা পাঠিয়েছে, সেই টাকা উইথড্র করে আপনি তার মনোনীত মানুষকে দিয়ে দিয়েছেন ঘন্টাখানেকের মধ্যেই। ব্যস! আপনি পড়ে গেলেন ৩,০০০ টাকা আবগারি শুল্কের জরিমানার মধ্যে 🙄

আপনি একটা পারসোনাল লোন নিয়েছেন দশ লাখ টাকার। আপনার লোন একাউন্ট ডেবিট করে সেই টাকা আপনার সেভিংস একাউন্টে ক্রেডিট হয়েছে। এইবার আপনার জরিমানা ৬,০০০ টাকা, দুই একাউন্টে ৩,০০০ টাকা করে!🫣

আগে আবগারি শুল্ক শুধু ডিপোজিট একাউন্টে চার্জ হতো। শেখ হাসিনার উন্নয়নের সরকারের উন্নয়ন খরচ মেটাতে লোন একাউন্টেও আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়। সাল তারিখ খুব ভালো মনে নেই আমার, যতোদূর সম্ভব ২০১৮ সালের বাজেটে এই চার্জ আরোপ করা হয়।

চার্জ কি দিতেই হবে? মাফ পাওয়ার কোনো উপায় আছে?