মাঝে মাঝে আমি যৌনাঙ্গ বা গোপনাঙ্গের লোম নিয়ে প্রশ্ন পাই। বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর পর ছেলে ও মেয়েদের যৌনাঙ্গের চারপাশে লোম গজানো স্বাভাবিক। একজন লোক একবার আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তার স্ত্রী কুমারী? নাকি না? কারণ তার যৌনাঙ্গে লোম ছিল! যৌনাঙ্গে লোম আমাদের শরীরের একটি খুব স্বাভাবিক অংশ।
আপনি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে আপনার যৌনাঙ্গের লোম শেভ করতে পারেন, তবে অন্যথায় ছাঁটাই করতে পারেন। যৌনাঙ্গে লোম থাকার প্রাথমিক সুবিধা হল যৌন মিলনের সময় ঘর্ষণ কম হয়। যৌনাঙ্গের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। যৌনাঙ্গের লোম স্বাভাবিকভাবেই যৌন মিলনের সময় নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট ঘর্ষণকে কমাতে পারে এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপে যেখানে ঘর্ষনের ফলে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।
যৌনাঙ্গের লোম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের শরীরে প্রবেশ করা বন্ধ করতেও সাহায্য করে। বিশেষত, এটি ময়লা এবং প্যাথোজেনগুলিকে আটকাতে সাহায্য করতে পারে যা যোনি বা লিঙ্গ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
আপনি যখন গোসল করবেন তখন সাবান এবং পানি দিয়ে আপনার যৌনাঙ্গের লোম ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। কখনও কখনও চুলে / লোম, তাই শরীরের এই জায়গা পরিষ্কার রাখাটা নিশ্চিত করা দরকার।
Bushra Apa
আপনি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে আপনার যৌনাঙ্গের লোম শেভ করতে পারেন, তবে অন্যথায় ছাঁটাই করতে পারেন। যৌনাঙ্গে লোম থাকার প্রাথমিক সুবিধা হল যৌন মিলনের সময় ঘর্ষণ কম হয়। যৌনাঙ্গের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। যৌনাঙ্গের লোম স্বাভাবিকভাবেই যৌন মিলনের সময় নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট ঘর্ষণকে কমাতে পারে এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপে যেখানে ঘর্ষনের ফলে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।
যৌনাঙ্গের লোম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের শরীরে প্রবেশ করা বন্ধ করতেও সাহায্য করে। বিশেষত, এটি ময়লা এবং প্যাথোজেনগুলিকে আটকাতে সাহায্য করতে পারে যা যোনি বা লিঙ্গ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
আপনি যখন গোসল করবেন তখন সাবান এবং পানি দিয়ে আপনার যৌনাঙ্গের লোম ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। কখনও কখনও চুলে / লোম, তাই শরীরের এই জায়গা পরিষ্কার রাখাটা নিশ্চিত করা দরকার।
Bushra Apa
পুরুষের স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক দিন ধরেই পুরুষদের যৌনস্বাস্থ্যকে অবহেলা করা হয়েছে বা ভুল তথ্যের মধ্যে ঢেকে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তন আনতে বুশরা আপা তাঁর ওয়েবসাইটে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ পুরুষদের স্বাস্থ্য বিভাগ।
এখানে আপনি পাবেন নির্ভরযোগ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর তথ্য — যেমন কৈশোরকাল, যৌন দুর্বলতা, যৌন সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সহজ ও সম্মানজনক ভাষায়।
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি পুরুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোলামেলা ও সম্মানজনকভাবে জানতে চান, ভিজিট করুন:
👉 https://www.bdsexeducation.com/menshealth
প্রতিটি পুরুষেরই অধিকার আছে নিজের শরীরকে জানা এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার — লজ্জা, ভয় বা বিচার ছাড়াই।
অনেক দিন ধরেই পুরুষদের যৌনস্বাস্থ্যকে অবহেলা করা হয়েছে বা ভুল তথ্যের মধ্যে ঢেকে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তন আনতে বুশরা আপা তাঁর ওয়েবসাইটে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ পুরুষদের স্বাস্থ্য বিভাগ।
এখানে আপনি পাবেন নির্ভরযোগ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর তথ্য — যেমন কৈশোরকাল, যৌন দুর্বলতা, যৌন সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সহজ ও সম্মানজনক ভাষায়।
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি পুরুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোলামেলা ও সম্মানজনকভাবে জানতে চান, ভিজিট করুন:
👉 https://www.bdsexeducation.com/menshealth
প্রতিটি পুরুষেরই অধিকার আছে নিজের শরীরকে জানা এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার — লজ্জা, ভয় বা বিচার ছাড়াই।
আমি কুরআন সুন্নাহ পড়ে করে আজও অবধি এমন কোন গুনাহ খুঁজে পাইনি যা খালেসভাবে তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তওবার মাধ্যমে সকল গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। কিন্তু এমন কোন দলিল আমার জানা নেই যে, শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে তওবার মাধ্যমে বান্দার হক্ব ক্ষমা করা হবে। যতক্ষন না সে বান্দা তাকে ক্ষমা করবে আল্লাহও তাকে ক্ষমা করবেন না। বান্দার হক্ব এতটা কঠিন বিষয়, অথচ অনেকে সে সম্পর্কে উদাসীন। একজন পা পিছলে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেল আর এ দৃশ্য দেখে অন্যজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপহাস করতে লাগলো এতেও সে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির হক্ব ক্ষুন্ন করলো, কাজটা দেখতে ছোট মনে হলেও বিষয়গুলো এতটাই সুক্ষ্ম।
😱2🤔1
একসঙ্গে তিন তালাক : শরয়ী দৃষ্টিকোণ
ইসলামী শরীয়তে তালাক আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি অপছন্দনীয় কাজ। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হলো তালাক। (আবু দাউদ,হাদিস ২১৭৮)
উপায়হীন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরীয়ত তালাকের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই কথায় কথায় তালাক দেওয়া এবং একসাথে তিন তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতদসত্ত্বে কেউ স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়।
এজন্য শরীয়ত আগেই সাবধান করে দিয়েছে যে, প্রথমত তালাকের কথা চিন্তাও করবে না। তবে অতীব প্রয়োজনে কখনো তালাক প্রদানের প্রয়োজন হলে শুধু সাদামাটা তালাক দাও, শুধু এক তালাক দাও এমন এক তুহুরে (স্ত্রী মাসিক থেকে পবিত্র থাকা অবস্থায়) যাতে সহবাস করা হয়নি।যেন উভয়ের জন্যই নতুন করে চিন্তা-ভাবনার সুযোগ থাকে এবং পুনরায় ফিরে আসার পথ খোলা থাকে। এরপর আবারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে এভাবেই শুধু এক তালাক দিবে। এখনও ফিরে আসার পথ খোলা থাকবে।
কিন্তু এরপর যদি আবার কখনো শুধু এক তালাকই দেওয়া হয় এবং সব মিলে তিন তালাক হয়ে যায় এ অবস্থায় আর তাকে ফিরিয়ে আনারও সুযোগ থাকবে না, নতুন করে বিয়ে করার বৈধতাও বাকি থাকবে না।
তাই যদি কোনো ব্যক্তি শরী‘আত প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করে এবং একই সাথে তিন তালাক বলে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি অবৈধ ও বিদ‘আত। তবে এর কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়।আমরা দেখতে পাই এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করতে আল্লাহ আমাদের নিষেধ করেছেন। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি সেই নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই শরীয়াহ বিধি তার সমস্ত বিধি-বিধান সহ কার্যকর হয়। যেমন: কোরআনে ‘জিহার’ কে বলা হয়েছে "مُنکَراً مِّنَ القَولِ وَزُورًا" তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে,কিন্তু যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করে, তখন তার জন্য শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য হয়।
কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা অপরাধ ও পাপ, কিন্তু যাকে গুলি করে বা তরবারির আঘাতে মারা হয়,সে নিহতই হয়ে যায়। তার মৃত্যু ইহার অপেক্ষা করে না যে, গুলি বৈধ পদ্ধিতিতে মারা হয়েছে না অবৈধ পদ্ধিতিতে?
এমন আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখান থেকে বুঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তি যদি শরীয়তের সুযোগ- সুবিধা উপেক্ষা করে একই সাথে তিন তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যায়।
সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে থেকে আজ পর্যন্ত উম্মাহ'র ইজমা হলো,এক মাজলিসে তিন তালাক
এক বাক্যে হোক বা পৃথক পৃথক বাক্যে দেওয়া হোক, অথবা বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দেওয়া হোক, সর্বাবস্থায় তিন তালাকই স্ত্রীর উপর পতিত হয়ে যাবে এবং অন্যত্র বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রী হালাল হবে না।
আর এটাই সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে হযরত উমর রাযি, আলী রাযি., উসমান রাযি., ইবনে মাসউদ রাযি., ইবনে উমর রাযি., ইবনে আমর রাযি. , উবাদাহ বিন সামিত রাযি. , আবূ হুরাইরা রাযি. , ইবনে আব্বাস রাযি., ইবনে যুবায়ের রাযি. আসেম বিন উমর ও হযরত আয়িশা রা.-সহ আরো অনেক সাহাবী এবং ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারী রহ.-সহ অধিকাংশ তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের মাযহাব।
সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশনাবলী থেকে এটাই বুঝতেন এবং সে অনুযোয়ী আমল করতেন।
আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ [٢:٢٢٩]
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম। {সূরা বাকারা-২২৯}
এইতো গেল দুই তালাকের বিধান। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিন তালাক প্রদানের বিধান ঘোষণা করে ইরশাদ করেন-
ইসলামী শরীয়তে তালাক আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি অপছন্দনীয় কাজ। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হলো তালাক। (আবু দাউদ,হাদিস ২১৭৮)
উপায়হীন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরীয়ত তালাকের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই কথায় কথায় তালাক দেওয়া এবং একসাথে তিন তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতদসত্ত্বে কেউ স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়।
এজন্য শরীয়ত আগেই সাবধান করে দিয়েছে যে, প্রথমত তালাকের কথা চিন্তাও করবে না। তবে অতীব প্রয়োজনে কখনো তালাক প্রদানের প্রয়োজন হলে শুধু সাদামাটা তালাক দাও, শুধু এক তালাক দাও এমন এক তুহুরে (স্ত্রী মাসিক থেকে পবিত্র থাকা অবস্থায়) যাতে সহবাস করা হয়নি।যেন উভয়ের জন্যই নতুন করে চিন্তা-ভাবনার সুযোগ থাকে এবং পুনরায় ফিরে আসার পথ খোলা থাকে। এরপর আবারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে এভাবেই শুধু এক তালাক দিবে। এখনও ফিরে আসার পথ খোলা থাকবে।
কিন্তু এরপর যদি আবার কখনো শুধু এক তালাকই দেওয়া হয় এবং সব মিলে তিন তালাক হয়ে যায় এ অবস্থায় আর তাকে ফিরিয়ে আনারও সুযোগ থাকবে না, নতুন করে বিয়ে করার বৈধতাও বাকি থাকবে না।
তাই যদি কোনো ব্যক্তি শরী‘আত প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করে এবং একই সাথে তিন তালাক বলে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি অবৈধ ও বিদ‘আত। তবে এর কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়।আমরা দেখতে পাই এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করতে আল্লাহ আমাদের নিষেধ করেছেন। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি সেই নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই শরীয়াহ বিধি তার সমস্ত বিধি-বিধান সহ কার্যকর হয়। যেমন: কোরআনে ‘জিহার’ কে বলা হয়েছে "مُنکَراً مِّنَ القَولِ وَزُورًا" তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে,কিন্তু যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করে, তখন তার জন্য শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য হয়।
কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা অপরাধ ও পাপ, কিন্তু যাকে গুলি করে বা তরবারির আঘাতে মারা হয়,সে নিহতই হয়ে যায়। তার মৃত্যু ইহার অপেক্ষা করে না যে, গুলি বৈধ পদ্ধিতিতে মারা হয়েছে না অবৈধ পদ্ধিতিতে?
এমন আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখান থেকে বুঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তি যদি শরীয়তের সুযোগ- সুবিধা উপেক্ষা করে একই সাথে তিন তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যায়।
সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে থেকে আজ পর্যন্ত উম্মাহ'র ইজমা হলো,এক মাজলিসে তিন তালাক
এক বাক্যে হোক বা পৃথক পৃথক বাক্যে দেওয়া হোক, অথবা বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দেওয়া হোক, সর্বাবস্থায় তিন তালাকই স্ত্রীর উপর পতিত হয়ে যাবে এবং অন্যত্র বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রী হালাল হবে না।
আর এটাই সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে হযরত উমর রাযি, আলী রাযি., উসমান রাযি., ইবনে মাসউদ রাযি., ইবনে উমর রাযি., ইবনে আমর রাযি. , উবাদাহ বিন সামিত রাযি. , আবূ হুরাইরা রাযি. , ইবনে আব্বাস রাযি., ইবনে যুবায়ের রাযি. আসেম বিন উমর ও হযরত আয়িশা রা.-সহ আরো অনেক সাহাবী এবং ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারী রহ.-সহ অধিকাংশ তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের মাযহাব।
সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশনাবলী থেকে এটাই বুঝতেন এবং সে অনুযোয়ী আমল করতেন।
আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ [٢:٢٢٩]
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম। {সূরা বাকারা-২২৯}
এইতো গেল দুই তালাকের বিধান। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিন তালাক প্রদানের বিধান ঘোষণা করে ইরশাদ করেন-
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [٢:٢٣٠]
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। {সূরা বাকারা-২৩০}
পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতের দ্বারা পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে, তিন তালাক প্রদান করলে তিন তালাকই পতিত হবে। এক তালাক নয়।
তিন তালাক বললে এক তালাক পতিত হবার কথা একটি মু্র্খতাসূলভ বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা পরিস্কার আয়াতের খেলাফ। আর রাসূল সা. থেকে এমন কোন হাদীস বর্ণিত হয়নি যে, কোন ব্যক্তি তিন তালাক প্রদান করছে, আর রাসূল সা.তাকে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে তিন তালাক হয়নি বরং এক তালাক হয়েছে। এমন কোন ঘটনা না রাসূল সা.থেকে পাওয়া যায়, না সাহাবীদের থেকে পাওয়া যায়।
এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা সহীহ বুখারী শরীফ (২/৭৯১) এবং সুনানে আবি দাউদ, বাবুল- লিআন (১/৩২৪) এ-উল্লেখ আছে:
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, একব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো। অতঃপর ঐ মহিলা অন্যজনকে বিবাহ করলে সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, সেকি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, ‘না। যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী প্রথমজনের মতো ঐ মহিলার মধু আস্বাদন না করবে’, অর্থাৎ যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৬১)
"عن ابن شهاب عن سهل بن سعد في هذا الخبر قال: فطلقا ثلاث تطليقات عند رسول الله صلي الله عليه وسلم، فأنفذه رسول الله صلي الله عليه وسلم".( ابو داؤد).
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাইদী রা. সূত্র থেকে বর্ণিত,উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা কার্যকর করলেন। (আবু দাউদ,হাদিস নং২২৫০ হাদিসের মান: সহীহ)
হযরত হাসান বিন আলী রা. তার স্ত্রী আয়িশা বিনতে ফযলকে একসাথে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তার স্ত্রীর আবেগময় কথা শুনে কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, যদি আমি নানাকে (অন্য বর্ণনায় তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন) একথা বলতে না শুনতাম, “কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে ঐ স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ না বসা পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না”- তাহলে অবশ্যই তাকে ফেরত নিতাম । (সুনানে বাইহাকী হাদিস নং ১৪৯৭১)
ই’লাউস সুনানে এসেছে,একব্যক্তি তার স্ত্রীকে
একশত তালাক দিলে হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. তাকে বললেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো, তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বায়েনা হয়ে গেছে। তুমি তো আল্লাহকে ভয় করোনি যে, আল্লাহ তোমার জন্য কোনো পথ বের করে দিবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন”।
(ই’লাউস সুনান: ৭/৭০৮, আস সুনানুল কুবরা, বাইহাকী: ৭/৫৪২, হা.নং ১৪৯৪৪)
দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ফয়সালা “মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن أنس رضي الله عنه: كان عمر رضي الله عنه إذا أتي برجل قد طلق إمرأته ثلاثاً في مجلس أوجعه ضرباً و فرق بينهما". (باب من كره أن يطلق الرجل إمرأته ثلاثاً ٤/١١).
হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,ওমর রা.এর নিকট যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে আনা হতো, যে তার স্ত্রীকে এক সমাবেশে তিনবার তালাক দিয়েছে,তিনি তাকে মারধর করতেন এবং তাদের আলাদা করে দিতেন।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১১)
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن معاوية ابن أبي يحي قال: جاء رجل إلى عثمان فقال: إني طلقت امرأتي مائةً؛ قال: ثلاث تحرمها عليك و سبعة و تسعون عدوان". ( باب ماجاء يطلق إمرأته مائة و ألف في قول واحد ٤/١٣).
মুয়াবিয়া ইবনে আবি ইয়াহইয়ার সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ওসমানের কাছে এসে বলল: আমি আমার স্ত্রীকে একশত তালাক দিয়েছি। তিনি বললেনঃ “তিনটি তালাকই স্ত্রীকে হারাম করে দিয়েছে এবং সাতানব্বইটি দ্বারা সীমালঙ্ঘন হয়েছে।” (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১৩)
চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে” উল্লেখ আছে,
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। {সূরা বাকারা-২৩০}
পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতের দ্বারা পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে, তিন তালাক প্রদান করলে তিন তালাকই পতিত হবে। এক তালাক নয়।
তিন তালাক বললে এক তালাক পতিত হবার কথা একটি মু্র্খতাসূলভ বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা পরিস্কার আয়াতের খেলাফ। আর রাসূল সা. থেকে এমন কোন হাদীস বর্ণিত হয়নি যে, কোন ব্যক্তি তিন তালাক প্রদান করছে, আর রাসূল সা.তাকে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে তিন তালাক হয়নি বরং এক তালাক হয়েছে। এমন কোন ঘটনা না রাসূল সা.থেকে পাওয়া যায়, না সাহাবীদের থেকে পাওয়া যায়।
এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা সহীহ বুখারী শরীফ (২/৭৯১) এবং সুনানে আবি দাউদ, বাবুল- লিআন (১/৩২৪) এ-উল্লেখ আছে:
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, একব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো। অতঃপর ঐ মহিলা অন্যজনকে বিবাহ করলে সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, সেকি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, ‘না। যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী প্রথমজনের মতো ঐ মহিলার মধু আস্বাদন না করবে’, অর্থাৎ যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৬১)
"عن ابن شهاب عن سهل بن سعد في هذا الخبر قال: فطلقا ثلاث تطليقات عند رسول الله صلي الله عليه وسلم، فأنفذه رسول الله صلي الله عليه وسلم".( ابو داؤد).
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাইদী রা. সূত্র থেকে বর্ণিত,উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা কার্যকর করলেন। (আবু দাউদ,হাদিস নং২২৫০ হাদিসের মান: সহীহ)
হযরত হাসান বিন আলী রা. তার স্ত্রী আয়িশা বিনতে ফযলকে একসাথে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তার স্ত্রীর আবেগময় কথা শুনে কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, যদি আমি নানাকে (অন্য বর্ণনায় তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন) একথা বলতে না শুনতাম, “কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে ঐ স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ না বসা পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না”- তাহলে অবশ্যই তাকে ফেরত নিতাম । (সুনানে বাইহাকী হাদিস নং ১৪৯৭১)
ই’লাউস সুনানে এসেছে,একব্যক্তি তার স্ত্রীকে
একশত তালাক দিলে হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. তাকে বললেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো, তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বায়েনা হয়ে গেছে। তুমি তো আল্লাহকে ভয় করোনি যে, আল্লাহ তোমার জন্য কোনো পথ বের করে দিবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন”।
(ই’লাউস সুনান: ৭/৭০৮, আস সুনানুল কুবরা, বাইহাকী: ৭/৫৪২, হা.নং ১৪৯৪৪)
দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ফয়সালা “মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن أنس رضي الله عنه: كان عمر رضي الله عنه إذا أتي برجل قد طلق إمرأته ثلاثاً في مجلس أوجعه ضرباً و فرق بينهما". (باب من كره أن يطلق الرجل إمرأته ثلاثاً ٤/١١).
হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,ওমর রা.এর নিকট যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে আনা হতো, যে তার স্ত্রীকে এক সমাবেশে তিনবার তালাক দিয়েছে,তিনি তাকে মারধর করতেন এবং তাদের আলাদা করে দিতেন।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১১)
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن معاوية ابن أبي يحي قال: جاء رجل إلى عثمان فقال: إني طلقت امرأتي مائةً؛ قال: ثلاث تحرمها عليك و سبعة و تسعون عدوان". ( باب ماجاء يطلق إمرأته مائة و ألف في قول واحد ٤/١٣).
মুয়াবিয়া ইবনে আবি ইয়াহইয়ার সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ওসমানের কাছে এসে বলল: আমি আমার স্ত্রীকে একশত তালাক দিয়েছি। তিনি বললেনঃ “তিনটি তালাকই স্ত্রীকে হারাম করে দিয়েছে এবং সাতানব্বইটি দ্বারা সীমালঙ্ঘন হয়েছে।” (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১৩)
চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে” উল্লেখ আছে,
"عن شريك بن أبي نمر قال: جاء رجل إلى علي رضي الله عنه فقال: إني طلقت إمرأتي عدد العرفج؛ قال: تأخذ من العرفج ثلاثاً و تدع سائره". (باب الطلق ثلاثاً ٦/٣٠٦).
শারীক বিন আবি নামির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আলী রা.এর কাছে এসে বললো: আমি আমার স্ত্রীকে আরফাজ গাছের সংখ্যা অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। তিনি বললেন,তুমি আরফাজের তিনটি নিয়ে নাও এবং বাকিগুলো অকার্যকর হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে ৬/৩০৬)
ইমাম কুরতুবি রহি.এর তাফসীরে "আহকামুল কুরআনে"- তিন তালাকের ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য
উদ্ধৃত হয়েছে,
"قال علمائنا: و اتفق ائمة الفتوى علي لزوم إيقاع الطلاق الثلاث في كلمة واحدة". (١/٦٩٢)
“আমাদের আলেমগণ বলেছেন: ফতোয়া প্রদানকারী ইমামগণ ঐক্যমতপোষণ করেছেন এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার আবশ্যকীয়তার ব্যাপারে।”(692/1)
মুসলিম শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ "আল-জামিউস সহীহ'' লিন-নাওয়াভী তে রয়েছে,
"وقد اختلف العلماء فيمن قال لإمرأته: "أنت طالق ثلاثاً" فقال الشافعي و مالك و أبو حنيفة و أحمد و جماهير العلماء من السلف و الخلف: يقع الثلاث". (١/٤٧٨ ط: قديمي)
উলামায়ে কেরাম মতভেদ করেন ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে তার স্ত্রীকে বলে "তুমি তিন তালাকপ্রাপ্ত।" অতঃপর ইমাম শাফিঈ, মালিক, আবু হানিফা, আহমদ এবং পূর্বসূরি ও উত্তরসূরিদের থেকে জমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন,তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (1/478)
হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত প্রসিদ্ধ ফাতাওয়া গ্রন্থ
‘ফাতাওয়ায়ে শামীতে’ রয়েছে
"(قوله: ثلاثة متفرقة) و كذا بكلمة واحدة بالأولى ... و ذهب جمهور الصحابة و التابعين و من بعدهم من أئمة المسلمين الي أنه يقع الثلاث". ( كتاب الطلاق : مطلب طلاق الدور ٣/٣٣٣ ط:سعيد).
‘‘(তাঁর উক্তি: তিনটি পৃথক তালাক) এমনিভাবে এক বাক্যে তিন তালাক,সবই কার্যকর হবে......জমহুর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনগণ এবং তাদের পরে মুসলিম ইমামগণ সকলেরই মত যে,তাতে তিন তালাকই কার্যকর হবে।’’ ফাতাওয়ায়ে শামী 3/333
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘আত-তামহিদ’ লি-ইবনে আব্দিল বার-এ রয়েছে
"فإن طلقها في كل طهر تطليقةً أو طلقها ثلاثاً مجتعات في طهر لم يمس فيه فقد لزمه". (٦/٥٨)
সুতরাং যদি সে তার স্ত্রীকে প্রত্যেক পবিত্রতার মধ্যে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক এক সাথে দেয় এমন এক পবিত্রতার সময়,যাতে সহবাস করা হয়নি,
তাহলে তা আবশ্যক হয়ে যাবে। আত-তামহিদ ৬/৫৮
ইমাম শাফিঈ রহ.এর প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘কিতাবুল উম’ এ রয়েছে,
"و القراٰن يدل-و الله اعلم- على أن من طلق زوجةً له دخل بها أو لم يدخل بها ثلاثاً لم تحل له حتى تنكح زوج غيره". (٢/ ١٩٣٩)
এবং কোরআন ইঙ্গিত করে, (আল্লাহই ভাল জানেন) যে, যদি কেউ তার এমন স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, যার সাথে সে সহবাস করেছে বা করেনি, তাহলে সে তার জন্য বৈধ নয় যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিয়ে করে। (কিতাবুল উম 2/1939)
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব ‘মাসায়েলে আহমাদ’
এ-রয়েছে
" قلت لأبي: رجل طلق ثلاثاً وهو ينوي واحدةً؟ قال: هي ثلاث". (ص:٣٧٣)
‘আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে নিয়ত করে এক তালাকের? তখন তিনি বললেন তিন তালাকই কার্যকর হবে।’ (মাসায়েলে আহমাদ 373)
সৌদী উলামাদের সর্বসম্মত ফাতওয়া
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য গবেষক আলেমগণ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, তিন তালাকে তিন তালাকই পতিত হবে। সৌদী ওলামাদের নির্ধারিত সিদ্ধান্তের কপি নিম্নরূপ-
بعد الاطلاع على البحث المقدم من الأمانة العامة لهيئة كبار العلماء والمعد من قبل اللجنة الدائمة للبحوث والإفتاء في موضوع ( الطلاق الثلاث بلفظ واحد ) .
وبعد دراسة المسألة ، وتداول الرأي ، واستعراض الأقوال التي قيلت فيها ، ومناقشة ما على كل قول من إيراد – توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ সৌদী আরব কর্তৃক নির্বাচিত ‘এক শব্দে তিন তালাক’ বিষয়ে গবেষণা কর্মে দায়িত্বরত শীর্ষ ওলামাদের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণাপত্র ও এ বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন,প্রতিটি উক্তির বাছ বিচার ও তার পক্ষে-বিপক্ষে উপস্থাপিত সকল প্রশ্নের উত্তর উত্থাপিত হওয়ার পর অধিকাংশ ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)
ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘মাশায়েখ ও ইমামগণের মধ্যে কোনো বিষয়ে ইজমা কায়েম হলে তা অকাট্য দলীল হিসেবে বিবেচিত হবে’। (উমদাতুল আসাস: পৃ. ৪২)
চার ইমামের মাযহাবের বিপরীত যা আছে, তা ইজমায়ে উম্মতের পরিপন্থী, যদিও তাতে অন্যদের দ্বিমত থাকে। (আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের : পৃ.১৬৯)
শারীক বিন আবি নামির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আলী রা.এর কাছে এসে বললো: আমি আমার স্ত্রীকে আরফাজ গাছের সংখ্যা অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। তিনি বললেন,তুমি আরফাজের তিনটি নিয়ে নাও এবং বাকিগুলো অকার্যকর হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে ৬/৩০৬)
ইমাম কুরতুবি রহি.এর তাফসীরে "আহকামুল কুরআনে"- তিন তালাকের ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য
উদ্ধৃত হয়েছে,
"قال علمائنا: و اتفق ائمة الفتوى علي لزوم إيقاع الطلاق الثلاث في كلمة واحدة". (١/٦٩٢)
“আমাদের আলেমগণ বলেছেন: ফতোয়া প্রদানকারী ইমামগণ ঐক্যমতপোষণ করেছেন এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার আবশ্যকীয়তার ব্যাপারে।”(692/1)
মুসলিম শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ "আল-জামিউস সহীহ'' লিন-নাওয়াভী তে রয়েছে,
"وقد اختلف العلماء فيمن قال لإمرأته: "أنت طالق ثلاثاً" فقال الشافعي و مالك و أبو حنيفة و أحمد و جماهير العلماء من السلف و الخلف: يقع الثلاث". (١/٤٧٨ ط: قديمي)
উলামায়ে কেরাম মতভেদ করেন ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে তার স্ত্রীকে বলে "তুমি তিন তালাকপ্রাপ্ত।" অতঃপর ইমাম শাফিঈ, মালিক, আবু হানিফা, আহমদ এবং পূর্বসূরি ও উত্তরসূরিদের থেকে জমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন,তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (1/478)
হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত প্রসিদ্ধ ফাতাওয়া গ্রন্থ
‘ফাতাওয়ায়ে শামীতে’ রয়েছে
"(قوله: ثلاثة متفرقة) و كذا بكلمة واحدة بالأولى ... و ذهب جمهور الصحابة و التابعين و من بعدهم من أئمة المسلمين الي أنه يقع الثلاث". ( كتاب الطلاق : مطلب طلاق الدور ٣/٣٣٣ ط:سعيد).
‘‘(তাঁর উক্তি: তিনটি পৃথক তালাক) এমনিভাবে এক বাক্যে তিন তালাক,সবই কার্যকর হবে......জমহুর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনগণ এবং তাদের পরে মুসলিম ইমামগণ সকলেরই মত যে,তাতে তিন তালাকই কার্যকর হবে।’’ ফাতাওয়ায়ে শামী 3/333
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘আত-তামহিদ’ লি-ইবনে আব্দিল বার-এ রয়েছে
"فإن طلقها في كل طهر تطليقةً أو طلقها ثلاثاً مجتعات في طهر لم يمس فيه فقد لزمه". (٦/٥٨)
সুতরাং যদি সে তার স্ত্রীকে প্রত্যেক পবিত্রতার মধ্যে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক এক সাথে দেয় এমন এক পবিত্রতার সময়,যাতে সহবাস করা হয়নি,
তাহলে তা আবশ্যক হয়ে যাবে। আত-তামহিদ ৬/৫৮
ইমাম শাফিঈ রহ.এর প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘কিতাবুল উম’ এ রয়েছে,
"و القراٰن يدل-و الله اعلم- على أن من طلق زوجةً له دخل بها أو لم يدخل بها ثلاثاً لم تحل له حتى تنكح زوج غيره". (٢/ ١٩٣٩)
এবং কোরআন ইঙ্গিত করে, (আল্লাহই ভাল জানেন) যে, যদি কেউ তার এমন স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, যার সাথে সে সহবাস করেছে বা করেনি, তাহলে সে তার জন্য বৈধ নয় যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিয়ে করে। (কিতাবুল উম 2/1939)
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব ‘মাসায়েলে আহমাদ’
এ-রয়েছে
" قلت لأبي: رجل طلق ثلاثاً وهو ينوي واحدةً؟ قال: هي ثلاث". (ص:٣٧٣)
‘আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে নিয়ত করে এক তালাকের? তখন তিনি বললেন তিন তালাকই কার্যকর হবে।’ (মাসায়েলে আহমাদ 373)
সৌদী উলামাদের সর্বসম্মত ফাতওয়া
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য গবেষক আলেমগণ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, তিন তালাকে তিন তালাকই পতিত হবে। সৌদী ওলামাদের নির্ধারিত সিদ্ধান্তের কপি নিম্নরূপ-
بعد الاطلاع على البحث المقدم من الأمانة العامة لهيئة كبار العلماء والمعد من قبل اللجنة الدائمة للبحوث والإفتاء في موضوع ( الطلاق الثلاث بلفظ واحد ) .
وبعد دراسة المسألة ، وتداول الرأي ، واستعراض الأقوال التي قيلت فيها ، ومناقشة ما على كل قول من إيراد – توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ সৌদী আরব কর্তৃক নির্বাচিত ‘এক শব্দে তিন তালাক’ বিষয়ে গবেষণা কর্মে দায়িত্বরত শীর্ষ ওলামাদের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণাপত্র ও এ বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন,প্রতিটি উক্তির বাছ বিচার ও তার পক্ষে-বিপক্ষে উপস্থাপিত সকল প্রশ্নের উত্তর উত্থাপিত হওয়ার পর অধিকাংশ ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)
ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘মাশায়েখ ও ইমামগণের মধ্যে কোনো বিষয়ে ইজমা কায়েম হলে তা অকাট্য দলীল হিসেবে বিবেচিত হবে’। (উমদাতুল আসাস: পৃ. ৪২)
চার ইমামের মাযহাবের বিপরীত যা আছে, তা ইজমায়ে উম্মতের পরিপন্থী, যদিও তাতে অন্যদের দ্বিমত থাকে। (আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের : পৃ.১৬৯)
উপরিউক্ত বর্ণনা দ্বারা প্রমাণ হয়ে গেলো যে, এক মাজলিসে বা একসাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই হবে; এক তালাক নয়।
আল্লাহ তাআলা ভুল মাসআলার উপর আমল করে জিনার গোনাহ করা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন। আমীন।
Khairul Islam 10/1/2022
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
আল্লাহ তাআলা ভুল মাসআলার উপর আমল করে জিনার গোনাহ করা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন। আমীন।
Khairul Islam 10/1/2022
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
মুসলিম নর-নারীদের অনুরোধ করতেছি যারা বিবাহ করেছেন বা করবেন উভয়ই তালাকের মাসালা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন। তা না হলে দেখা যায় অজ্ঞাতবশত অবৈধ সম্পর্ক থেকে যায় এবং অনাগত বাচ্চাও অবৈধ হয়। অতএব আল্লাহকে ভয় করে এ সকল বিষয়ে ন্যূনতম জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।
#হিল্লা_বিয়ে_ও_ইসলাম।
মুহতারাম Muhammad AL MaMun ভাই জানতে চেয়েছেন:
প্রশ্ন: ধরুন কেউ তার বউকে রাগের মাথায় তিন তালাক দিলো। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। পরে ভুল বুঝতে পেরে স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে ছাড়তে রাজি না। এমতাবস্থায় স্বামী যদি তার আপন ভাইকে দিয়ে তার বউকে বিয়ে করিয়ে নেয় এবং ভাইকে শর্ত জুড়ে দিলো বউয়ের সাথে কোনোরকম কোনো সহবাস করতে পারবে না। তথা বউ ভাইয়ের সাথে বিয়ে হলেও নামে মাত্র বিয়ে। বউ প্রথম স্বামীর অধীনেই থাকবে। এবং কিছুদিন পর ভাই ঐ বউকে তালাক দিয়ে দিলো। পুনরায় প্রথম স্বামী তার বউকে গ্রহন করিলো। তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে? অর্থাৎ পুনরায় বিবাহ জোড়া লেগে যাবে?
উত্তর:
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
#প্রথম স্বামীর কাছে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে জায়েজ নেই।
দলীল :
১ - আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন”। [১]
২ - আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন।” [২]
সর্বসম্মতিক্রমে বিশুদ্ধ এই হাদিসটি আরো অনেকগুলো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
#যদি স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় বিয়ে হয়, মিলন হয় এবং বিচ্ছেদ হয়ে যায় কিংবা দ্বিতীয় স্বামীর ইন্তেকাল হয়ে যায় তাহলে ইদ্দত পালনের পরে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ। তবে দ্বিতীয় সংসারে মিলন না হয়ে থাকলে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ হবেনা।
দলীল:
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা’আহ্ আল কুয়াযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে পুরাপুরি (তিন) ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। অতঃপর সেই স্ত্রীলোকটি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে (নিজের ব্যাপারে) বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! সে ছিল রিফা’আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহ্র কসম, তার সাথে যা রয়েছে তা তো কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে, মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামী রতিক্রিয়ায় অক্ষম) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন এবং বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? যতক্ষণ না সে (দ্বিতীয় স্বামী) তোমার স্বাদ গ্রহন করে এবং তুমি তার স্বাদ আস্বাদন করে ততক্ষণ তো এটা সম্ভব না। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামীর সাথে স্বাভাবিক রতিক্রিয়া হওয়ার আগে তালাক হলেও ওই মহিলা আগের স্বামীর সাথে বিবাহ বসতে পারবেনা) [৩]
রেফারেন্স:
[১] সূত্র: আহমদ : (২/৩২৩), ইব্নুল জারুদ ফিল “মুনতাকা” : (৬৮৪), বায়হাকি ফি সুনানিল কুবরা : (৭/৩৩৯), ইব্ন আবি হাতেম ফিল ইলাল : (১/৪১৩) এবং তিরমিজি ফি ইলালিল কাবির : (২৭৩), ইমাম যায়লায়ি তার “নসবুর রায়াহ” (৩/২৪০) গ্রন্থে এ সনদে বিদ্যমান বর্ণনাকারীদের আলোচনা করে বলেন হাদিসটি সহিহ। “ইলালুল কাবির” : (১/১৬০)
[২] সূত্র : জামে তিরমিজি : (পৃ.৪২৫), হাদিস নং : (১০৩৪), প্রকাশক : দারু ইহ্ইয়াউত তুরাসিল আরাবি, বইরুত। এ হাদিসটি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে আরো বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ : (৪২৮৩), (৪২৮৪), (৪৪০৩), নাসায়ি ফি সুনানিল কুবরা : (৩/৩২৫) ইব্ন আবি শায়বাহ : (৭/২৯২), দারামি : (২২৫), বায়হাকি : (৭/৩৩৯)
[৩] সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৪১৯, (ই.ফা. ৩৩৯২, ই.সে. ৩৩৯১)
মুহতারাম Muhammad AL MaMun ভাই জানতে চেয়েছেন:
প্রশ্ন: ধরুন কেউ তার বউকে রাগের মাথায় তিন তালাক দিলো। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। পরে ভুল বুঝতে পেরে স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে ছাড়তে রাজি না। এমতাবস্থায় স্বামী যদি তার আপন ভাইকে দিয়ে তার বউকে বিয়ে করিয়ে নেয় এবং ভাইকে শর্ত জুড়ে দিলো বউয়ের সাথে কোনোরকম কোনো সহবাস করতে পারবে না। তথা বউ ভাইয়ের সাথে বিয়ে হলেও নামে মাত্র বিয়ে। বউ প্রথম স্বামীর অধীনেই থাকবে। এবং কিছুদিন পর ভাই ঐ বউকে তালাক দিয়ে দিলো। পুনরায় প্রথম স্বামী তার বউকে গ্রহন করিলো। তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে? অর্থাৎ পুনরায় বিবাহ জোড়া লেগে যাবে?
উত্তর:
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
#প্রথম স্বামীর কাছে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য প্রচলিত চুক্তিভিত্তিক হিল্লা বিয়ে জায়েজ নেই।
দলীল :
১ - আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী ও যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন”। [১]
২ - আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন।” [২]
সর্বসম্মতিক্রমে বিশুদ্ধ এই হাদিসটি আরো অনেকগুলো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
#যদি স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় বিয়ে হয়, মিলন হয় এবং বিচ্ছেদ হয়ে যায় কিংবা দ্বিতীয় স্বামীর ইন্তেকাল হয়ে যায় তাহলে ইদ্দত পালনের পরে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ। তবে দ্বিতীয় সংসারে মিলন না হয়ে থাকলে আগের স্বামীর সাথে পূনরায় বিবাহ বৈধ হবেনা।
দলীল:
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা’আহ্ আল কুয়াযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে পুরাপুরি (তিন) ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। অতঃপর সেই স্ত্রীলোকটি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে (নিজের ব্যাপারে) বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! সে ছিল রিফা’আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহ্র কসম, তার সাথে যা রয়েছে তা তো কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে, মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামী রতিক্রিয়ায় অক্ষম) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন এবং বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? যতক্ষণ না সে (দ্বিতীয় স্বামী) তোমার স্বাদ গ্রহন করে এবং তুমি তার স্বাদ আস্বাদন করে ততক্ষণ তো এটা সম্ভব না। (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামীর সাথে স্বাভাবিক রতিক্রিয়া হওয়ার আগে তালাক হলেও ওই মহিলা আগের স্বামীর সাথে বিবাহ বসতে পারবেনা) [৩]
রেফারেন্স:
[১] সূত্র: আহমদ : (২/৩২৩), ইব্নুল জারুদ ফিল “মুনতাকা” : (৬৮৪), বায়হাকি ফি সুনানিল কুবরা : (৭/৩৩৯), ইব্ন আবি হাতেম ফিল ইলাল : (১/৪১৩) এবং তিরমিজি ফি ইলালিল কাবির : (২৭৩), ইমাম যায়লায়ি তার “নসবুর রায়াহ” (৩/২৪০) গ্রন্থে এ সনদে বিদ্যমান বর্ণনাকারীদের আলোচনা করে বলেন হাদিসটি সহিহ। “ইলালুল কাবির” : (১/১৬০)
[২] সূত্র : জামে তিরমিজি : (পৃ.৪২৫), হাদিস নং : (১০৩৪), প্রকাশক : দারু ইহ্ইয়াউত তুরাসিল আরাবি, বইরুত। এ হাদিসটি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে আরো বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ : (৪২৮৩), (৪২৮৪), (৪৪০৩), নাসায়ি ফি সুনানিল কুবরা : (৩/৩২৫) ইব্ন আবি শায়বাহ : (৭/২৯২), দারামি : (২২৫), বায়হাকি : (৭/৩৩৯)
[৩] সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৪১৯, (ই.ফা. ৩৩৯২, ই.সে. ৩৩৯১)
"নুন, চিনি রিফাইন্ড তেল সব ছেড়ে দিয়েছি আজ বছর দুয়েক হয়ে গেল...
সকালে উঠে প্রায় তিন কিলোমিটার হাঁটি, আধঘন্টা যোগাসন.... একলিটার ঈষদুষ্ণ জল... এইগুলো প্রায় রুটিন হয়ে গেছে আমার...
চা কফি মদ সব ত্যাগ করেছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেল... শুধু সবুজ সবজি, তাজা ফল খাই... সাথে ভুট্টার রুটি তাজা মাখন দিয়ে...
সারাদিনে প্রায় তিনলিটার জল...
বিকেলে একগ্লাস ছাঁচ, সাথে ড্রাইফ্রুট... সিজনাল ফ্রেশ ফল যখন যা পাই খাই...
সবরকম খারাপ জিনিস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি... অ্যালকোহল একেবারেই বন্ধ...
সব বাজে অভ্যেস বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়... এখন যে করেই হোক এই মিথ্যেকথা বলার অভ্যেসটা ছাড়তে পারলেই হয়ে যাবে...!" Collected,
সকালে উঠে প্রায় তিন কিলোমিটার হাঁটি, আধঘন্টা যোগাসন.... একলিটার ঈষদুষ্ণ জল... এইগুলো প্রায় রুটিন হয়ে গেছে আমার...
চা কফি মদ সব ত্যাগ করেছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেল... শুধু সবুজ সবজি, তাজা ফল খাই... সাথে ভুট্টার রুটি তাজা মাখন দিয়ে...
সারাদিনে প্রায় তিনলিটার জল...
বিকেলে একগ্লাস ছাঁচ, সাথে ড্রাইফ্রুট... সিজনাল ফ্রেশ ফল যখন যা পাই খাই...
সবরকম খারাপ জিনিস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি... অ্যালকোহল একেবারেই বন্ধ...
সব বাজে অভ্যেস বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়... এখন যে করেই হোক এই মিথ্যেকথা বলার অভ্যেসটা ছাড়তে পারলেই হয়ে যাবে...!" Collected,
🤣2
শিশুর মতো আগলে রাখতে হয় নারীকেও। এটা ব্রেইন ম্যাপিং এর দরুন। শিশুর মতোই সে অনেক কিছু বুঝতে চায় না। নন-ইস্যুকে ইস্যু আর অদরকারিকে দরকারি ভাবা, ভুলে যাবার জিনিস মনে রাখা, জিদ, যুক্তির উপর আবেগের প্রাধান্য, হিসেবের চেয়ে জবানের প্রাধান্য, পর্যবেক্ষণ ডিটেইল কিন্তু শর্টটার্ম। এগুলো সব মাতৃগর্ভে নারীভ্রূণের হরমোন-বিধৌত ব্রেইনম্যাপ। আমরা কি শিশুকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবি। ৪০ বছরের পুরুষ কি ১০ বছরের শিশুকে ভাবে প্রতিযোগী? নারীও তেমনি। ভালেবাসা আর মমতা ছাড়া আর কিছু পুরুষের দেয়ার নেই।
তাহলে নারী যখন ঝগড়া করে, তখন জবাব দেব না? না। জবান নারীর শক্তির জায়গা। পানিতে নেমে কুমীরের সাথে লড়া, আর নারীর সাথে ঝগড়া বকাবাজি করা একই জিনিস। পুরুষ উইথড্র করবে। নারীর জায়গায় নিজেকে নেবেন না। ঝগড়া জিনিসটাই আমার জিনিস না। এবং আমি ইন্টারেস্টেড না। আমি গেলাম। চুপ থাকা আপনার কর্তৃত্বের লক্ষণ। এক্সপ্রেশনলেস ফেইস। নারী সহজে কনফিউজ হয়। কনফিউজ করে দেন। তার ঝগড়ার বিপরীতে আপনার মুভ কী হবে, এটা নিয়ে তাকে কনফিউজ করে দেন। চুপ হয়ে যান। নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যান।
-ডা. শামসুল আরেফিন।
তাহলে নারী যখন ঝগড়া করে, তখন জবাব দেব না? না। জবান নারীর শক্তির জায়গা। পানিতে নেমে কুমীরের সাথে লড়া, আর নারীর সাথে ঝগড়া বকাবাজি করা একই জিনিস। পুরুষ উইথড্র করবে। নারীর জায়গায় নিজেকে নেবেন না। ঝগড়া জিনিসটাই আমার জিনিস না। এবং আমি ইন্টারেস্টেড না। আমি গেলাম। চুপ থাকা আপনার কর্তৃত্বের লক্ষণ। এক্সপ্রেশনলেস ফেইস। নারী সহজে কনফিউজ হয়। কনফিউজ করে দেন। তার ঝগড়ার বিপরীতে আপনার মুভ কী হবে, এটা নিয়ে তাকে কনফিউজ করে দেন। চুপ হয়ে যান। নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যান।
-ডা. শামসুল আরেফিন।
পুরুষের এক অদ্ভুত সমস্যা - Blue Balls
ব্লু বলস বা নীল বলগুলো! সে আবার কী! আসলে এখানে balls বলতে অণ্ডকোষ বোঝাচ্ছে, বা শুক্রাশয়, বা ইংরেজিতে বললে testicles, আর blue মানে নীল। অর্থাৎ Blue Balls অর্থ নীল শুক্রাশয়, কিন্তু তার মানে কী? Blue Balls টার্মটা মূলত একটা ঘটনার ইনফর্মাল নাম যার মেডিকেল নাম হচ্ছে Epididymal Hypertension. ডাক্তাররা ব্যাপারটাকে এই নামে ডাকলেও সারা বিশ্বের সকল বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে সহমত নন, তাছাড়া এ নিয়ে রিসার্চের সংখ্যাও নগণ্য। কিন্তু তাতে কী? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেরা ব্যাপারটা ঠিকই বুঝতে পারে, তাই ছেলেদের কাছে ব্যাপারটা অবশ্যই সত্যি। এখন ব্যাপারটা কী তা বিস্তারিত জানা যাক।
প্রাপ্তবয়স্ক আমরা সকলেই জানি যে পুরুষাঙ্গের কাজ কী কী। এর কাজগুলোর মধ্যে প্রধান একটি কাজ হচ্ছে শারীরিক মিলন। তো এই কাজের জন্য ছেলেরা যখন উত্তেজিত হয় তখন বেশ খানিকটা রক্ত পুরুষাঙ্গের এলাকায় চলে আসে, এবং তখন রক্ত বেরিয়ে হওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকে, ফলে রক্ত ফিরে যেতে না পেরে পুরুষাঙ্গকে প্রসারিত করে। শুধু পুরুষাঙ্গই নয়, এর আশেপাশে সকল জায়গাতেই রক্ত পূর্বের থেকে বেশি পরিমাণে থাকে, অর্থাৎ অণ্ডকোষেও রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই অবস্থায় ব্যক্তি শারীরিক মিলনে অংশ নিতে পারে, বা অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করতে পারে, যেভাবেই হোক ব্যক্তি অরগ্যাজম (বীর্যস্থলন/রাগমোচন) লাভ করলে Epididymal Hypertension ঘটনাটা ঘটে না। কিন্তু যদি ব্যক্তি অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে, এবং এই erect অবস্থায় অনেক্ষণ থাকতে হয় তখনই বাঁধে বিপত্তি। অণ্ডকোষ এবং কুঁচকির আশেপাশের এলাকায় ব্যথা ব্যথা করতে থাকে, ভারী ভারী লাগে, কেমন যেনো ধরে আসে বলে মনে হয়, মোট কথা বললে অস্বস্তি লাগে। এই ব্যথাটা যতক্ষণ ইরেক্ট থাকে ততক্ষণও থাকতে পারে আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেলেও কিছুক্ষণ এমন থাকতে পারে। কতক্ষণ থাকবে সেটা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন। সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে ঘন্টা খানেক মতো থাকতে পারে। সক্কলের যে এটা হবে এমনও নয়, তবে হতে পারে। এই যে অরগ্যাজম লাভ না করার ফলে যে ব্যথা বা অস্বস্তি, এই ঘটনার নামই Epididymal Hypertension বা ইনফর্মাল ভাবে বললে Blue Balls. এই অবস্থায় অণ্ডকোষের রং যে খুব নীল হয়ে যায় এমনও নয়, তবে কিছুটা নীল আভা দেখা যেতে পারে। এর জন্য নাম দেওয়া হয়েছে Blue Balls.
তো ব্যাপারটা কি চিন্তা করার মতো কিছু? মোটেই না। এটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার এবং চিন্তা করার মতো কিচ্ছু না। কিছুক্ষণ সময় দিলেই ব্যথা আর থাকেনা, শুধু একটু অস্বস্তি মেনে নেওয়া লাগে এই আরকি। তবে চাইলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব অরগ্যাজম লাভ করে। আর তা করার সুযোগ যদি না থাকে তবে অন্যকাজে মনোনিবেশ করলেও লাভ হতে পারে। এমন কিছু কাজ হচ্ছে স্নান করা, ভারী কিছু উত্তোলন করা, ব্যায়াম করা, কারো সাথে কথা বলা ইত্যাদি। মোটকথা ওই জায়গা থেকে রক্তের প্রেশারটা কমে গেলেই ব্যথা বা অস্বস্তিটাও আর থাকবে না।
কিন্তু যদি দেখা যায় অণ্ডকোষে প্রচুর ব্যথা হচ্ছে, বা সেখানকার রং নীল হয়ে গেছে তবে অতিসত্বর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত কারণ এর পিছনে অন্য কোনো মেডিকেল কারণ থাকতে পারে যেমন কিডনি পাথর, টেস্টিকুলার টরশন ইত্যাদি।
তবে ব্লু বলস নিজে কোনো সিরিয়াস বিষয় নয়। অধিকাংশ ছেলেরাই ব্যাপারটা অনুভব করে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মেয়েরা কি এর থেকে ছাড় পাচ্ছে? উত্তর হচ্ছে, নাহ! ছেলেদের থেকে কম তবে মেয়েরাও যদি অনেক উত্তেজিত হওয়ার পর অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে তবে তাদের ক্ষেত্রেও এই ঘটনা ঘটতে পারে এবং তখন ব্যাপারটার নাম দেওয়া হয় Blue Vulva বা Pink Pelvis!
শেষে একটা কথা বলে লেখাটা শেষ করি। অনেকসময় মেয়েদের পিরিয়ড পেইনের সাথে ছেলেদের এই ব্লু বলসের পেইনের তুলনা করা হয়। ব্যাপারটা বড়ই হাস্যকর। সবক্ষেত্রে নয় তবে মেয়েদের পিরিয়ড ক্রাম্প/পেইন এই ব্যথার থেকে অনেকাংশে বেশি হতে পারে। ব্লু বলস ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যথা বা অস্বস্তিটা সহ্য করার মতোই হয় সবসময়, এবং তা দ্রুত ঠিকও হয়ে যায়, পিরিয়ড ক্রাম্পের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়। (সবার ক্ষেত্রে নয় অবশ্যই) তবে ব্লু বলসের ব্যথা যদি পিরিয়ড ক্রাম্পের মতো এতটা অসহ্য হয়ে ওঠে তাহলে সেটা ব্লু বলস নয়, অন্য কিছু, আর তার জন্য দ্রুত ডাক্তারের কাছে দৌড়ানো উচিত!
(তথ্যসূত্র কমেন্টে)
ব্লু বলস বা নীল বলগুলো! সে আবার কী! আসলে এখানে balls বলতে অণ্ডকোষ বোঝাচ্ছে, বা শুক্রাশয়, বা ইংরেজিতে বললে testicles, আর blue মানে নীল। অর্থাৎ Blue Balls অর্থ নীল শুক্রাশয়, কিন্তু তার মানে কী? Blue Balls টার্মটা মূলত একটা ঘটনার ইনফর্মাল নাম যার মেডিকেল নাম হচ্ছে Epididymal Hypertension. ডাক্তাররা ব্যাপারটাকে এই নামে ডাকলেও সারা বিশ্বের সকল বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে সহমত নন, তাছাড়া এ নিয়ে রিসার্চের সংখ্যাও নগণ্য। কিন্তু তাতে কী? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেরা ব্যাপারটা ঠিকই বুঝতে পারে, তাই ছেলেদের কাছে ব্যাপারটা অবশ্যই সত্যি। এখন ব্যাপারটা কী তা বিস্তারিত জানা যাক।
প্রাপ্তবয়স্ক আমরা সকলেই জানি যে পুরুষাঙ্গের কাজ কী কী। এর কাজগুলোর মধ্যে প্রধান একটি কাজ হচ্ছে শারীরিক মিলন। তো এই কাজের জন্য ছেলেরা যখন উত্তেজিত হয় তখন বেশ খানিকটা রক্ত পুরুষাঙ্গের এলাকায় চলে আসে, এবং তখন রক্ত বেরিয়ে হওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকে, ফলে রক্ত ফিরে যেতে না পেরে পুরুষাঙ্গকে প্রসারিত করে। শুধু পুরুষাঙ্গই নয়, এর আশেপাশে সকল জায়গাতেই রক্ত পূর্বের থেকে বেশি পরিমাণে থাকে, অর্থাৎ অণ্ডকোষেও রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই অবস্থায় ব্যক্তি শারীরিক মিলনে অংশ নিতে পারে, বা অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করতে পারে, যেভাবেই হোক ব্যক্তি অরগ্যাজম (বীর্যস্থলন/রাগমোচন) লাভ করলে Epididymal Hypertension ঘটনাটা ঘটে না। কিন্তু যদি ব্যক্তি অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে, এবং এই erect অবস্থায় অনেক্ষণ থাকতে হয় তখনই বাঁধে বিপত্তি। অণ্ডকোষ এবং কুঁচকির আশেপাশের এলাকায় ব্যথা ব্যথা করতে থাকে, ভারী ভারী লাগে, কেমন যেনো ধরে আসে বলে মনে হয়, মোট কথা বললে অস্বস্তি লাগে। এই ব্যথাটা যতক্ষণ ইরেক্ট থাকে ততক্ষণও থাকতে পারে আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেলেও কিছুক্ষণ এমন থাকতে পারে। কতক্ষণ থাকবে সেটা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন। সাধারণত কয়েক মিনিট থেকে ঘন্টা খানেক মতো থাকতে পারে। সক্কলের যে এটা হবে এমনও নয়, তবে হতে পারে। এই যে অরগ্যাজম লাভ না করার ফলে যে ব্যথা বা অস্বস্তি, এই ঘটনার নামই Epididymal Hypertension বা ইনফর্মাল ভাবে বললে Blue Balls. এই অবস্থায় অণ্ডকোষের রং যে খুব নীল হয়ে যায় এমনও নয়, তবে কিছুটা নীল আভা দেখা যেতে পারে। এর জন্য নাম দেওয়া হয়েছে Blue Balls.
তো ব্যাপারটা কি চিন্তা করার মতো কিছু? মোটেই না। এটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার এবং চিন্তা করার মতো কিচ্ছু না। কিছুক্ষণ সময় দিলেই ব্যথা আর থাকেনা, শুধু একটু অস্বস্তি মেনে নেওয়া লাগে এই আরকি। তবে চাইলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব অরগ্যাজম লাভ করে। আর তা করার সুযোগ যদি না থাকে তবে অন্যকাজে মনোনিবেশ করলেও লাভ হতে পারে। এমন কিছু কাজ হচ্ছে স্নান করা, ভারী কিছু উত্তোলন করা, ব্যায়াম করা, কারো সাথে কথা বলা ইত্যাদি। মোটকথা ওই জায়গা থেকে রক্তের প্রেশারটা কমে গেলেই ব্যথা বা অস্বস্তিটাও আর থাকবে না।
কিন্তু যদি দেখা যায় অণ্ডকোষে প্রচুর ব্যথা হচ্ছে, বা সেখানকার রং নীল হয়ে গেছে তবে অতিসত্বর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত কারণ এর পিছনে অন্য কোনো মেডিকেল কারণ থাকতে পারে যেমন কিডনি পাথর, টেস্টিকুলার টরশন ইত্যাদি।
তবে ব্লু বলস নিজে কোনো সিরিয়াস বিষয় নয়। অধিকাংশ ছেলেরাই ব্যাপারটা অনুভব করে থাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে মেয়েরা কি এর থেকে ছাড় পাচ্ছে? উত্তর হচ্ছে, নাহ! ছেলেদের থেকে কম তবে মেয়েরাও যদি অনেক উত্তেজিত হওয়ার পর অরগ্যাজম লাভ করতে না পারে তবে তাদের ক্ষেত্রেও এই ঘটনা ঘটতে পারে এবং তখন ব্যাপারটার নাম দেওয়া হয় Blue Vulva বা Pink Pelvis!
শেষে একটা কথা বলে লেখাটা শেষ করি। অনেকসময় মেয়েদের পিরিয়ড পেইনের সাথে ছেলেদের এই ব্লু বলসের পেইনের তুলনা করা হয়। ব্যাপারটা বড়ই হাস্যকর। সবক্ষেত্রে নয় তবে মেয়েদের পিরিয়ড ক্রাম্প/পেইন এই ব্যথার থেকে অনেকাংশে বেশি হতে পারে। ব্লু বলস ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যথা বা অস্বস্তিটা সহ্য করার মতোই হয় সবসময়, এবং তা দ্রুত ঠিকও হয়ে যায়, পিরিয়ড ক্রাম্পের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়। (সবার ক্ষেত্রে নয় অবশ্যই) তবে ব্লু বলসের ব্যথা যদি পিরিয়ড ক্রাম্পের মতো এতটা অসহ্য হয়ে ওঠে তাহলে সেটা ব্লু বলস নয়, অন্য কিছু, আর তার জন্য দ্রুত ডাক্তারের কাছে দৌড়ানো উচিত!
(তথ্যসূত্র কমেন্টে)
যেকোনো রোগকে পুরোপুরি শরীর থেকে বের করতে চাইলে -সবার আগে আপনাকে নিজের ইমোশনাল wounds (ভেতরের মানসিক আঘাতগুলো)গুলো চিনতে হবে। আপনার ইনার উউন্ড বুঝতে পারা হলো আপনার হিলিং-এর ফান্ডামেন্টাল স্টেপ।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে - “আমার শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে আমার ভেতরের এই জখমগুলো কি রিলেশনশিপ আছে?”
কারণ হলো - আপনার আনহিলড উউন্ডস শুধু আপনার ভেতরে বেঁচে থাকে না, এই গভীর জখমগুলো আপনার জীবনে বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়।
যেমনঃOverthinking — অতিরিক্ত ভাবনা,Anxiety — উদ্বেগ / দুশ্চিন্তা, Chronic pain — দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, Irritability — বিরক্তিভাব / সহজে রেগে যাওয়া ,Fear of abandonment — পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় ,Emotional breakdowns — মানসিক ভেঙে পড়া / আবেগগত ভেঙে পড়া, ছোট ছোট ব্যাপারে trigger হয়ে যাওয়া, toxic relationships attract করা এবং Allah-কে trust করতে অসুবিধা অনুভব করা।
প্রতিটি unhealed জখম একটি প্যাটার্নে পরিণত হয়।
আপনি যদি আপনার childhood unmet needs এবং emotional wounds গুলো heal না করেন, আপনার শরীরের nervous system constant fight–flight অথবা freeze mode–এ থাকে।
ফলে দিন দিন আপনার রোগ বাড়তে থাকে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে ও সেটি সম্ভব হয় না, কারণ ভিতরে ভিতরে আপনার mind সেই ছোটবেলার কষ্টগুলো বারবার replay করে এবং আপনি সেগুলো বারবার live করতে থাকেন।
আর যখন আপনি আপনার অতীতকে বারবার relive করতে থাকেন — especially যখন আপনার MIND জীবনে এগিয়ে যেতে চায় — তখন সেটি lead করে:
heart palpitations, joint pain, digestive issues, hormonal imbalance, exhaustion, insomnia—
আপনার শরীর তখন আপনার unhealed wounds-এর voice হয়ে দাঁড়ায়।
আর কী হয় জানেন? আপনার ইমোশনাল জখম আপনার spiritual connection-কে ব্লক করে দেয়।
ইসলামে আমাদের qalb (heart) হলো - imaan → ইমান, clarity → ক্ল্যারিটি, tawakkul → তাওয়াক্কুল, guidance → গাইডেন্স এবং শান্তির মেইন সেন্টার ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“There is a piece of flesh… if it is sound, the whole body is sound.”
তাই আপনার unhealed wounds আপনার হৃদয়ে সৃষ্টি করে গাফলাহ , সন্দেহ, ভবিষ্যতের ভয়,স্কার্সিটি মেন্টালিটি - যেখানে সব সময় সবকিছুই অভাব মনে হয়… রাগ,রিজেন্টমেন্ট এবং হেভিনেস তৈরি হয়…আল্লাহ্র উপর ফুল স্যারেন্ডার করা কঠিন হয়ে যায়…
আপনার পুরনো জখমগুলো heal করার মানে হলো- আল্লাহ্র সাথে আপনার সম্পর্ককে heal করা।
আপনার ইনার হিলিং না হলে, আপনার Wounds চলে যায় পরের প্রজন্মেও.
আপনি যদি আপনার ইনার হিলিং না করেন, আপনার wound আপনার বাচ্চাদের মধ্যে পাস ডাউন হয়—stress hormones, আনহেলদি অ্যাটাচমেন্ট প্যাটার্নস এবং ইমোশনাল রেসপন্সেস-এর মাধ্যমে।
আপনি যদি নিজেকে আগে হিল না করেন, আপনার বাচ্চারা সেটি inherit করবে—
আপনার anxiety, আপনার ভয়, আপনার রিঅ্যাকশনস, এবং আপনার ইমোশনাল ইনস্টেবিলিটি -এর মাধ্যমে।
তাই যখন কোনো প্যারেন্ট আমার কাছে আসে বাচ্চার সমস্যা নিয়ে, আমি প্রথমে তাদের সাথে কাজ করার অফার করি - কারণ প্যারেন্ট এর হিলিং হলে বাচ্চার জন্য সেটা generational mercy হয়ে দাঁড়ায়. এবং আপনার transformation–ই হয়ে যায় আপনার সন্তানের foundation.
অ্যান্ড রিমেম্বার - ইট ইজ নেভার টু লেট।
এখানেই শেষ নয়।
আপনি কখনোই নতুন কোরে জীবন তৈরি করতে পারবেন না আপনার পুরোনো চাইল্ডহুড উউন্ডস গুলো নিয়ে।
আপনি পারবেন না পুরোপুরি সুস্থ থাকতে…আপনার রিলেশনশিপস কখনোই হেলদি হবে না…
inner peace পাবেন না… confident হতে পারবেন না…ফিনানশিয়ালি ফ্রি হতে পারবেন না - আল্লাহ্ আপনাকে যত টাকা দিক না কেন।
আপনি যতই লম্বা নামাজ পড়ুন, আপনার স্পিরিচুয়াল গ্রোথ হবে না… কারণ আনহিলড উউন্ডস আপনাকে সারাজীবন সারভাইভাল, প্রোটেকশন, ফিয়ার, লিমিটেশন, সেল্ফ-স্যাক্রিফাইস, সেল্ফ-ডাউট-এর ভিতরে ঘুরাবে।
কিন্তু হিলিং – হিলিং আপনাকে জীবনে clarity এনে দেবে, স্ট্রেংথ ফিরিয়ে দেবে,
কনফিডেন্স দেবে, self-worth বুঝতে শিখাবে,জীবনে একটি true vision দেখাবে, এবং আপনি ফাইনালি আল্লাহ র সাথে aligned হয়ে চলতে পারবেন।
আপনার জীবনের নেক্সট লেভেলে যেতে হলে আপনার দরকার একটা নিউ আইডেন্টিটি — যে আইডেন্টিটি আপনার পাস্ট দিয়ে শেপ করা না।
হিলিং হলো সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
যেহেতু আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের হার্ট পিউরিফাই করতে বলেছেন,ইনার হিলিং আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
আল্লাহ বলেছেন—“আসল সফল তারাই, যারা নিজেদের রূহকে পরিশুদ্ধ করতে পারে।”
আপনি যখন পিউরিফায়েড হবেন, দুনিয়ার এত কিছুই আপনাকে আর এতটা কষ্ট দেবে না। আপনি শারীরিকভাবে হেলদি থাকবেন।আপনি tests এবং চ্যালেঞ্জ থেকে উঠে আবার সেন্টার–এ ফিরে আসতে পারবেন। ইনশা আল্লাহ.
যখন আপনি হিল করবেন…
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে - “আমার শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে আমার ভেতরের এই জখমগুলো কি রিলেশনশিপ আছে?”
কারণ হলো - আপনার আনহিলড উউন্ডস শুধু আপনার ভেতরে বেঁচে থাকে না, এই গভীর জখমগুলো আপনার জীবনে বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়।
যেমনঃOverthinking — অতিরিক্ত ভাবনা,Anxiety — উদ্বেগ / দুশ্চিন্তা, Chronic pain — দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, Irritability — বিরক্তিভাব / সহজে রেগে যাওয়া ,Fear of abandonment — পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় ,Emotional breakdowns — মানসিক ভেঙে পড়া / আবেগগত ভেঙে পড়া, ছোট ছোট ব্যাপারে trigger হয়ে যাওয়া, toxic relationships attract করা এবং Allah-কে trust করতে অসুবিধা অনুভব করা।
প্রতিটি unhealed জখম একটি প্যাটার্নে পরিণত হয়।
আপনি যদি আপনার childhood unmet needs এবং emotional wounds গুলো heal না করেন, আপনার শরীরের nervous system constant fight–flight অথবা freeze mode–এ থাকে।
ফলে দিন দিন আপনার রোগ বাড়তে থাকে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে ও সেটি সম্ভব হয় না, কারণ ভিতরে ভিতরে আপনার mind সেই ছোটবেলার কষ্টগুলো বারবার replay করে এবং আপনি সেগুলো বারবার live করতে থাকেন।
আর যখন আপনি আপনার অতীতকে বারবার relive করতে থাকেন — especially যখন আপনার MIND জীবনে এগিয়ে যেতে চায় — তখন সেটি lead করে:
heart palpitations, joint pain, digestive issues, hormonal imbalance, exhaustion, insomnia—
আপনার শরীর তখন আপনার unhealed wounds-এর voice হয়ে দাঁড়ায়।
আর কী হয় জানেন? আপনার ইমোশনাল জখম আপনার spiritual connection-কে ব্লক করে দেয়।
ইসলামে আমাদের qalb (heart) হলো - imaan → ইমান, clarity → ক্ল্যারিটি, tawakkul → তাওয়াক্কুল, guidance → গাইডেন্স এবং শান্তির মেইন সেন্টার ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“There is a piece of flesh… if it is sound, the whole body is sound.”
তাই আপনার unhealed wounds আপনার হৃদয়ে সৃষ্টি করে গাফলাহ , সন্দেহ, ভবিষ্যতের ভয়,স্কার্সিটি মেন্টালিটি - যেখানে সব সময় সবকিছুই অভাব মনে হয়… রাগ,রিজেন্টমেন্ট এবং হেভিনেস তৈরি হয়…আল্লাহ্র উপর ফুল স্যারেন্ডার করা কঠিন হয়ে যায়…
আপনার পুরনো জখমগুলো heal করার মানে হলো- আল্লাহ্র সাথে আপনার সম্পর্ককে heal করা।
আপনার ইনার হিলিং না হলে, আপনার Wounds চলে যায় পরের প্রজন্মেও.
আপনি যদি আপনার ইনার হিলিং না করেন, আপনার wound আপনার বাচ্চাদের মধ্যে পাস ডাউন হয়—stress hormones, আনহেলদি অ্যাটাচমেন্ট প্যাটার্নস এবং ইমোশনাল রেসপন্সেস-এর মাধ্যমে।
আপনি যদি নিজেকে আগে হিল না করেন, আপনার বাচ্চারা সেটি inherit করবে—
আপনার anxiety, আপনার ভয়, আপনার রিঅ্যাকশনস, এবং আপনার ইমোশনাল ইনস্টেবিলিটি -এর মাধ্যমে।
তাই যখন কোনো প্যারেন্ট আমার কাছে আসে বাচ্চার সমস্যা নিয়ে, আমি প্রথমে তাদের সাথে কাজ করার অফার করি - কারণ প্যারেন্ট এর হিলিং হলে বাচ্চার জন্য সেটা generational mercy হয়ে দাঁড়ায়. এবং আপনার transformation–ই হয়ে যায় আপনার সন্তানের foundation.
অ্যান্ড রিমেম্বার - ইট ইজ নেভার টু লেট।
এখানেই শেষ নয়।
আপনি কখনোই নতুন কোরে জীবন তৈরি করতে পারবেন না আপনার পুরোনো চাইল্ডহুড উউন্ডস গুলো নিয়ে।
আপনি পারবেন না পুরোপুরি সুস্থ থাকতে…আপনার রিলেশনশিপস কখনোই হেলদি হবে না…
inner peace পাবেন না… confident হতে পারবেন না…ফিনানশিয়ালি ফ্রি হতে পারবেন না - আল্লাহ্ আপনাকে যত টাকা দিক না কেন।
আপনি যতই লম্বা নামাজ পড়ুন, আপনার স্পিরিচুয়াল গ্রোথ হবে না… কারণ আনহিলড উউন্ডস আপনাকে সারাজীবন সারভাইভাল, প্রোটেকশন, ফিয়ার, লিমিটেশন, সেল্ফ-স্যাক্রিফাইস, সেল্ফ-ডাউট-এর ভিতরে ঘুরাবে।
কিন্তু হিলিং – হিলিং আপনাকে জীবনে clarity এনে দেবে, স্ট্রেংথ ফিরিয়ে দেবে,
কনফিডেন্স দেবে, self-worth বুঝতে শিখাবে,জীবনে একটি true vision দেখাবে, এবং আপনি ফাইনালি আল্লাহ র সাথে aligned হয়ে চলতে পারবেন।
আপনার জীবনের নেক্সট লেভেলে যেতে হলে আপনার দরকার একটা নিউ আইডেন্টিটি — যে আইডেন্টিটি আপনার পাস্ট দিয়ে শেপ করা না।
হিলিং হলো সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
যেহেতু আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের হার্ট পিউরিফাই করতে বলেছেন,ইনার হিলিং আপনার জন্য সবচেয়ে বড় ইবাদাহ.
আল্লাহ বলেছেন—“আসল সফল তারাই, যারা নিজেদের রূহকে পরিশুদ্ধ করতে পারে।”
আপনি যখন পিউরিফায়েড হবেন, দুনিয়ার এত কিছুই আপনাকে আর এতটা কষ্ট দেবে না। আপনি শারীরিকভাবে হেলদি থাকবেন।আপনি tests এবং চ্যালেঞ্জ থেকে উঠে আবার সেন্টার–এ ফিরে আসতে পারবেন। ইনশা আল্লাহ.
যখন আপনি হিল করবেন…
আপনি নামাজ ফুল প্রেজেন্স নিয়ে পড়তে পারবেন, আল্লাহ কে গভীরভাবে বিশ্বাস করতে পারবেন,
ভয় ছাড়া ভালোবাসতে পারবেন, সাহস নিয়ে বাঁচতে পারবেন,আল্লাহর কদরের উপর ফুল স্যারেন্ডার করতে পারবেন, এবংআল্লাহ কে প্রতিটি মুহূর্তে খুব কাছে অনুভব করবেন।
আর জানেন তো— যে মানুষ আল্লাহকে কাছে পায়, তার ভিতরে ভয় ও কষ্ট বেশিক্ষণ থাকতে পারে না।
হিলিং হলো স্পিরিচুয়াল রিফাইনমেন্ট।
সিম্পল ভাষায় — আপনি যদি সারভাইভাল মোড থেকে বের হয়ে জীবনে ফুল স্পিরিট নিয়ে বাঁচতে চান, তাহলে আপনাকে হিলিং করতেই হবে।
ইউ হিল যাতে আপনি আল্লাহকে ক্লিয়ারলি শুনতে পারেন,ইউ হিল যাতে আপনার বডি রেস্ট করতে পারে, ইউ হিল যাতে আপনি ফিয়ার ছাড়া ভালোবাসতে পারেন, ইউ হিল যাতে আপনার ফিউচার আর আপনার পাস্ট–কে রিপিট না করে।
আমি আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি আপনার ইমোশনাল, ফিজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ওয়েল-বিয়িং–এর জন্য কেন আপনার চাইল্ডহুড উাউনড হিল করা এসেনশিয়াল, জরুরি এবং আনকম্প্রোমাইজড। যদি বুঝে থাকেন —তাহলে আপনার জন্য পরের step হলো - বুঝতে শেখা যে আপনার wounds (জখম) গুলো আসলে কোথা থেকে এসেছে।
কারণ— আপনি আপনার story নতুন করে লিখতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি বুঝবেন আপনার জীবন কোথা থেকে শুরু হয়েছে।
আমার নেক্সট কয়েকটি article আমি আপনার সাথে এক্সপ্লোর করব— আপনার চাইল্ডহুড , আপনি কেমন প্যারেন্টিং পেয়েছেন, আপনার parents–দের ইমোশনাল উাউন্ডস কীভাবে আপনার nervous system ও belief system গঠন করেছে,এবং কীভাবে আপনার আজকের জীবনের প্যাটার্নগুলো আপনার জীবনের early experience গুলো থেকে তৈরি হয়েছে।
এখান থেকেই আপনার ট্রু সেল্ফ আন্ডারস্ট্যান্ড শুরু হয়।
এবং এখান থেকেই আপনার হিলিং- পাওয়ারফুল, ইন্টেনশনাল এবং লাইফ-চেঞ্জিং হয়ে যাবে।
সো স্টে টিউনড ফর দ্য নেক্সট ওয়ান
কারণ সামনে যে কথাগুলো রয়েছে—সেগুলো থেকেই আপনি গভীরভাবে বুঝতে ও ডিসকভার করতে পারবেন - the story you have been living.
যাতে আপনি অবশেষে choose করতে পারেন —আপনি আসলে যে গল্পটা আপনার জীবনে তৈরি করতে চান…
ভয় ছাড়া ভালোবাসতে পারবেন, সাহস নিয়ে বাঁচতে পারবেন,আল্লাহর কদরের উপর ফুল স্যারেন্ডার করতে পারবেন, এবংআল্লাহ কে প্রতিটি মুহূর্তে খুব কাছে অনুভব করবেন।
আর জানেন তো— যে মানুষ আল্লাহকে কাছে পায়, তার ভিতরে ভয় ও কষ্ট বেশিক্ষণ থাকতে পারে না।
হিলিং হলো স্পিরিচুয়াল রিফাইনমেন্ট।
সিম্পল ভাষায় — আপনি যদি সারভাইভাল মোড থেকে বের হয়ে জীবনে ফুল স্পিরিট নিয়ে বাঁচতে চান, তাহলে আপনাকে হিলিং করতেই হবে।
ইউ হিল যাতে আপনি আল্লাহকে ক্লিয়ারলি শুনতে পারেন,ইউ হিল যাতে আপনার বডি রেস্ট করতে পারে, ইউ হিল যাতে আপনি ফিয়ার ছাড়া ভালোবাসতে পারেন, ইউ হিল যাতে আপনার ফিউচার আর আপনার পাস্ট–কে রিপিট না করে।
আমি আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি আপনার ইমোশনাল, ফিজিক্যাল এবং স্পিরিচুয়াল ওয়েল-বিয়িং–এর জন্য কেন আপনার চাইল্ডহুড উাউনড হিল করা এসেনশিয়াল, জরুরি এবং আনকম্প্রোমাইজড। যদি বুঝে থাকেন —তাহলে আপনার জন্য পরের step হলো - বুঝতে শেখা যে আপনার wounds (জখম) গুলো আসলে কোথা থেকে এসেছে।
কারণ— আপনি আপনার story নতুন করে লিখতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি বুঝবেন আপনার জীবন কোথা থেকে শুরু হয়েছে।
আমার নেক্সট কয়েকটি article আমি আপনার সাথে এক্সপ্লোর করব— আপনার চাইল্ডহুড , আপনি কেমন প্যারেন্টিং পেয়েছেন, আপনার parents–দের ইমোশনাল উাউন্ডস কীভাবে আপনার nervous system ও belief system গঠন করেছে,এবং কীভাবে আপনার আজকের জীবনের প্যাটার্নগুলো আপনার জীবনের early experience গুলো থেকে তৈরি হয়েছে।
এখান থেকেই আপনার ট্রু সেল্ফ আন্ডারস্ট্যান্ড শুরু হয়।
এবং এখান থেকেই আপনার হিলিং- পাওয়ারফুল, ইন্টেনশনাল এবং লাইফ-চেঞ্জিং হয়ে যাবে।
সো স্টে টিউনড ফর দ্য নেক্সট ওয়ান
কারণ সামনে যে কথাগুলো রয়েছে—সেগুলো থেকেই আপনি গভীরভাবে বুঝতে ও ডিসকভার করতে পারবেন - the story you have been living.
যাতে আপনি অবশেষে choose করতে পারেন —আপনি আসলে যে গল্পটা আপনার জীবনে তৈরি করতে চান…
একসাথে থাকা, খাওয়া এবং ঘুমানো মানেই কিন্তু দাম্পত্য নয়। একই ছাদের নিচে দীর্ঘদিন বসবাস করেও দুজন মানুষ সহস্র মাইল দূরত্বে থেকে যান।
এমন দম্পতি আছে, যারা বহু বছর এক সাথে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেনি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য।
দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়।
যদি সংসার মানে কেবল এ ধরনের কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবনকেই বোঝায়, তা হলে কিছু সংসার টেকে না কেন? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়, একই টেবিলে খাবার খায়, যৌনতা আছে, তারপরও কেন সংসার ভাঙে?
একজন মানুষের সাথে আছি, পাশে আছি; কিন্তু তারপরও মাঝখানে একটা দূরত্ব থেকে যায়। বলা যায় না, বোঝানো যায় না। জীবনসঙ্গীর বুকে মাথা রেখেও কখনো কখনো নিজেকে খুব একা লাগে।
দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কী চাই? কোনটি সত্যিকারের প্রাপ্য? কোনটা অপ্রাপ্য? সংসার মানে আসলে অভ্যাস-এই ধারণা থেকে আমরা বের হতে পারি না।
অভ্যাস নিশ্চয়ই, কিন্তু সবটাই কি অভ্যাস? আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, কিন্তু কখনো কি একসাথে আকাশ দেখেছি? সমুদ্রপাড়ে বসে পরম নির্ভরশীলতায় পাশের মানুষটির কাঁধে মাথা রেখেছি? কখনো সঙ্গীর মনে উঁকি দিয়ে জানতে চেষ্টা করেছি-সে কেমন আছে? পরস্পরের হাত ধরে কখনো একান্তে বসেছি? দৈহিক প্রয়োজন ছাড়া পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছি?
আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না, একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি, অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞার্থ কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে।
প্রতিটা মানুষই একা (চিবুকের কাছেও); অথচ সবারই সমর্পিত হওয়ার মতো নিরাপদ একটা একান্ত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন। নিবিড় ভালোবাসার স্পর্শ প্রয়োজন। যেখানে কামকে ছাপিয়ে প্রেমই মুখ্য হয়ে ওঠে।
দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে যারা এড়িয়ে যেতে চায় তারা সংসারকে একটা অভ্যাস বলে চালিয়ে দেয়। প্রেমহীন দাম্পত্যে দম্পতিকে অভিনয় করে বাঁচতে হয়। এমন অনেক দম্পতি আছে, যারা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কেবল অভিনয় করেই একটা জীবন পার করে দেয়।
যার সাথে এক ছাদের নিচে সারাটা জীবন পার করতে হবে, যার জন্য এত পরিশ্রম, সে আসলে কেমন আছে? সে কি ভালো আছে? এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংসারে বিবাদ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হয়। রাগ কিংবা অভিমান ভাঙাতে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরতে হয়। মানুষ নিশ্চয়ই এতটা নিষ্ঠুর নয়-যে কিনা ভালোবাসাকে অবহেলা করবে।
সংসার মানে যতটা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা; যতটা জৈবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্র; ততটাই প্রেম, ভালোবাসা, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, শ্রদ্ধাবোধেরও জায়গা। সংসার হয়ে উঠুক শান্তির নীড়, ভালোবাসার পরম আশ্রয়।
#দাম্পত্য #দাম্পত্যজীবন #সংসার #ভালোবাসা #সম্পর্ক
#দাম্পত্যবন্ধন #দাম্পত্যসমস্যা #পারস্পরিকসমঝোতা #স্বামীস্ত্রীরসম্পর্ক #মনোজগত #একান্তসময় #দায়বদ্ধতা
#বিশ্বাস #মনেরখোঁজ #মানসিকস্বাস্থ্য #বাংলালেখা
#অনুভূতি #জীবনবোধ #জীবনদর্শন #দুজনারকথা
#Marriage #MarriedLife #Relationship #CoupleLife
#LoveAndCare #EmotionalBond #Understanding
#RelationshipGoals #Partnership #LoveMatters
এমন দম্পতি আছে, যারা বহু বছর এক সাথে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেনি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য।
দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়।
যদি সংসার মানে কেবল এ ধরনের কিছু বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবনকেই বোঝায়, তা হলে কিছু সংসার টেকে না কেন? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়, একই টেবিলে খাবার খায়, যৌনতা আছে, তারপরও কেন সংসার ভাঙে?
একজন মানুষের সাথে আছি, পাশে আছি; কিন্তু তারপরও মাঝখানে একটা দূরত্ব থেকে যায়। বলা যায় না, বোঝানো যায় না। জীবনসঙ্গীর বুকে মাথা রেখেও কখনো কখনো নিজেকে খুব একা লাগে।
দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কী চাই? কোনটি সত্যিকারের প্রাপ্য? কোনটা অপ্রাপ্য? সংসার মানে আসলে অভ্যাস-এই ধারণা থেকে আমরা বের হতে পারি না।
অভ্যাস নিশ্চয়ই, কিন্তু সবটাই কি অভ্যাস? আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, কিন্তু কখনো কি একসাথে আকাশ দেখেছি? সমুদ্রপাড়ে বসে পরম নির্ভরশীলতায় পাশের মানুষটির কাঁধে মাথা রেখেছি? কখনো সঙ্গীর মনে উঁকি দিয়ে জানতে চেষ্টা করেছি-সে কেমন আছে? পরস্পরের হাত ধরে কখনো একান্তে বসেছি? দৈহিক প্রয়োজন ছাড়া পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেছি?
আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না, একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি, অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞার্থ কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে।
প্রতিটা মানুষই একা (চিবুকের কাছেও); অথচ সবারই সমর্পিত হওয়ার মতো নিরাপদ একটা একান্ত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন। নিবিড় ভালোবাসার স্পর্শ প্রয়োজন। যেখানে কামকে ছাপিয়ে প্রেমই মুখ্য হয়ে ওঠে।
দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে যারা এড়িয়ে যেতে চায় তারা সংসারকে একটা অভ্যাস বলে চালিয়ে দেয়। প্রেমহীন দাম্পত্যে দম্পতিকে অভিনয় করে বাঁচতে হয়। এমন অনেক দম্পতি আছে, যারা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কেবল অভিনয় করেই একটা জীবন পার করে দেয়।
যার সাথে এক ছাদের নিচে সারাটা জীবন পার করতে হবে, যার জন্য এত পরিশ্রম, সে আসলে কেমন আছে? সে কি ভালো আছে? এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংসারে বিবাদ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হয়। রাগ কিংবা অভিমান ভাঙাতে ভালোবেসে জড়িয়ে ধরতে হয়। মানুষ নিশ্চয়ই এতটা নিষ্ঠুর নয়-যে কিনা ভালোবাসাকে অবহেলা করবে।
সংসার মানে যতটা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা; যতটা জৈবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্র; ততটাই প্রেম, ভালোবাসা, পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, শ্রদ্ধাবোধেরও জায়গা। সংসার হয়ে উঠুক শান্তির নীড়, ভালোবাসার পরম আশ্রয়।
#দাম্পত্য #দাম্পত্যজীবন #সংসার #ভালোবাসা #সম্পর্ক
#দাম্পত্যবন্ধন #দাম্পত্যসমস্যা #পারস্পরিকসমঝোতা #স্বামীস্ত্রীরসম্পর্ক #মনোজগত #একান্তসময় #দায়বদ্ধতা
#বিশ্বাস #মনেরখোঁজ #মানসিকস্বাস্থ্য #বাংলালেখা
#অনুভূতি #জীবনবোধ #জীবনদর্শন #দুজনারকথা
#Marriage #MarriedLife #Relationship #CoupleLife
#LoveAndCare #EmotionalBond #Understanding
#RelationshipGoals #Partnership #LoveMatters