জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
সবচেয়ে ক্ষতিকারক পরামর্শ হলো— “যা ভালো লাগে সেটাই করো।”
এটা মানুষকে শেখায় যে, কষ্ট-পরিশ্রম, ডিসিপ্লিন—এসব দরকার নেই।

বাস্তবতা হলো:
“এই কাজ আমার জন্য না”, “আমার আগ্রহ নেই”—এই কথা কেউ কেয়ার করে না।
হার্ড ওয়ার্ক সবার জন্য। জীবন কোনো কাপকেক না। ঘৃণা করো কাজটাকে, তবুও সেরা হও।

বিশ্বের মাত্র ১% মানুষ তাদের চাকরি ভালোবাসে। বাকি সবাই ক্যারিয়ার চালিয়ে যায়—কারণ সেটা করতেই হয়।
পেশা কখনোই মজার কিছু না। তাই তো এজন্যই টাকা দেওয়া হয়।

আমি বড়লোক হওয়ার পথে কাজের প্রায় প্রতিটা ধাপকে ঘৃণা করেছি—তবুও করেছি। তাই আজ এখানে।

প্যাশন খুঁজো না—সফলতার জন্য প্যাশন তৈরি করো।

চাইনিজ বিলিয়নিয়াররা কন্সট্রাকশনের প্রেমে পড়েনি; তারা পরিশ্রম, স্বাধীনতা ও টাকার পেছনে প্যাশনেট ছিল।

তুমিও যদি সত্যিকারের সফলতা চাও—চাওয়ার সব উপায় নিঃশর্তভাবে কাজে লাগাও। তাহলেই যেকোনো কিছু করতে পারবে।

বই : টেইট কথন (নব অধ্যায়)
Fitness বলতে আমরা এক কথায় বুঝি রাস্তায় জোরে জোরে হাঁটতে হবে।
৪০ মিনিট হাটলেই আমাদের সব ব্যায়াম শেষ।

রাতে ভাত না খেয়ে রুটি খেয়ে হবে।

ভাত ছেড়ে দিলে ফিটনেস চলে আসবে।

৪০ এর পরে মেয়েদের জীবন শেষ।

প্রথমেই বলে রাখি যে সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় যদি আপনি বড় বড় নিশ্বাস নেন হাঁপাতে থাকেন তাহলে আপনি unfit

সারাদিন যদি আপনার মাথা ঘুরায় আপনার অশান্তি লাগে আপনি ফিট না।

খালি হাঁটলে তো পুরা শরিরে মাসল পর্যন্ত লস হয়ে যাবে।

আপনাকে দেখতে শুকনা লাগবে কিন্তু আপনাকে একটুও সুন্দর লাগবে না।

মাসল তৈরি করতে হলে মাসেল গুলা ছিড়তে হবে।

ওয়েট লিফটিং এর মাধ্যমে strength ট্রেনিং এর মাধ্যমে।

জিমে গেলাম সব ডাম্বেল টানাটানি করলাম। হবে না।

যে মাসেলে আপনি ঠিক করতে চান সেই মাসল ছিঁড়তে দিতে হবে। রিপেয়ারিং টাইম থাকে 24 ঘন্টা।

শরীরের চাহিদা অনুযায়ী protein intake করতে হবে।

আপনার ওজন ৬৪ কেজি তাহলে ৬৪ গ্রাম প্রোটিন আপনার যাবে।

ডাইট প্লাস এক্সারসাইজ দুইটাই করতে হবে।

সি সেকশনের পরে আর কোনদিন ব্যায়াম করা যায় না। ১৬ মাস পর থেকেই আপনি ব্যায়াম করতে পারবেন।

চারটা সিসেকশনের পরে কোন ব্যায়াম করা যায় না।

আমি করি কিছুই হয় না।

বেশি ব্যায়াম করলে বেডা শরির হয়ে যাবে।

ছেলেদের হরমোন আলাদা মেয়েদের হরমোন আলাদা।

বিদেশে যেসব বেডা মহিলা দেখেন ওরা বাইরের থেকে টেস্টোস্টেরন পুশ করে।

আপনি চাইলেও পুরুষের মতো শরীর ফুলবে না।

সবার শরীরে একরকম ফ্যাট জমে না।

কারো পিঠে,কারো বগলে, কারো পেটে।

তাহলে আপনি গর পরতা একই ব্যায়াম করলে আপনার জন্য কিভাবে তা ফল দায়ক হবে?

প্রোপার ট্রেইনার এর হেল্প নিতে হবে অবশ্যই।

nutritionist এর কাজ হচ্ছে আপনাকে সুন্দর রাখা।

প্রোপার fat আপনাকে নিশ্চিত করা

PCOS, hair loss, overweight, mental fog এই সবকিছু উতরায় আপনি কিভাবে নিজেকে সুন্দর রাখবেন?

ডায়েট করার ফলে যাতে আপনার সৌন্দর্য ফিকে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা।

হ্যাঁ diet করতে আসলে আপনাকে পাশাপাশি একটু সাপ্লিমেন্স এর কথা মাথায় নিয়েই আসতে হবে।

আপনি শুকাইলেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার চুল সব পড়ে আপনার মাথা ফাঁকা হয়ে গেল তাহলে কিসের ডায়েট হল?

আপনি শুকাইয়লেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার ব্রেস্ট সেপটা আপনার ভালো লাগতেছে না। এজন্য কমপক্ষে আপনাকে ৬-৭ মাস কিন্তু এক্সারসাইজ করতে হবে।

আপনি শুকিয়ে গেলেন আপনার থাই, backside সবকিছু শুকিয়ে গেল ।

তাহলে glutes এর ব্যায়ামগুলা করতে হবে।

কারো কারো ক্ষেত্রে অনেক বেশি ওজন বাড়াতে হয়, ডিম অনেকগুলা যাবে, কেশো বাটার যাবে, খেজুর দুধ যাবে, মুরগির বুকের পিস যাবে।

এক বিশাল সাগর ফিটনেস এ। আপনি যতটুক দেবেন ততই মজা।

সঠিক খাদ্য পরিকল্পনার জন্য আমরা তো সাথে আছি।
আমাদের কাছে আপনি পাচ্ছেন
পিনাট বাটার
প্রোটিন পাউডার
ক্যাশু বাটার।

এগুলো সবগুলোই আমার হাতে তৈরি এবং কোন চিনি এড করা হয় না। মধু এড করা হয় না।

আপনার বাচ্চা পড়ালেখায় মনোযোগী না হলে তাকে প্রতিদিন পিনার বাটার খাওয়াবেন, cashew বাটার না।

আমি কিন্তু আজকের ফিটনেস freak না 😜😜
১৫ বছর ধরেই আমি yoga এর সাথে আছি।
বিভিন্ন জটিলতার কারণে মাঝখানের মাঝখানে ছেড়ে দিতে হয়।
একদম কিছু না পারলে বাসার কাজ হলে ও করি।
তাই সবসময় একটিভ থাকুন,



একটা কেক কাটা হয়েছে আমি একটুও খাইনি। এটাই হচ্ছে কন্ট্রোল। 😊😊
শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসা নেওয়া যেমন সুন্নাহ, তেমনি মানসিক সংকটে জ্ঞান, আত্মজিজ্ঞাসা, কাউন্সেলিং এগুলোও বাস্তবসম্মত পথ। আর রুহের ভার, সেই গভীর একাকিত্ব যেটা মানুষের চোখে ধরা যায় না সেই অবস্থায় দোয়া করা ঠিক যেন ভিতরের ঘরটাকে পরিষ্কার করা।

যখন ভীষণ খারাপ লাগবে, বুকের ভেতর চাপা কষ্ট জমে উঠবে, আর কথা বলার মতো কাউকে পাশে পাবেন না তখন এই আমলটি করুন। এই দোয়াটাই পড়ুন।

শরীর অসুস্থ হলে আমরা যেমন ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিই, মানসিক চাপ বা ট্রমার সময় মানসিক শক্তি ফিরে পেতে সাইকোলজির সাহায্য নিই, রুহের ক্ষেত্রেও তেমনই একটা দরজা আছে। আর সেই দরজাটা খুলে দেয় আমল ও দোয়া। রুহ ক্লান্ত হলে তা পরিষ্কার হয় ইবাদত ও দোয়ার মাধ্যমে। তাই দিনে যতবার নিজেকে একা, অসহায় বা ভেতরটা ভারী মনে হবে ঠিক ততবার এই দোয়াটা পড়ুন।

وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজান।
ওয়া আউযু বিকা মিনা’ল আজজি ওয়াল কাসাল।
ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখল।
ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।

বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষের অ'ত্যাচার থেকে।

#fridayvibes 🕋
2
Forwarded from Nirjhor Archive
আজকে ভূমিকম্পের পর অনেকেই নিজের ঘরের ভেতরে থাকা ব্যক্তিগত সিসিটিভি ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে ধুমাইয়া। খালি চোখে এটি স্বাভাবিক মনে হলেও নিরাপত্তা, প্রাইভেসি এবং সার্ভিল্যান্স বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে একটি বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। মানুষের ব্যক্তিগত সিসি ক্যামেরার ভিডিও যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পায়, তখন তা শুধু একটি ঘটনার প্রমাণ নয় বরং ব্যক্তিগত জীবনের লেআউট, নিরাপত্তার দুর্বলতা এবং পরিবারের রুটিন সবকিছুই উন্মুক্ত হয়ে যায়।

এ ধরনের ফুটেজ শেয়ারের ফলে নজরদারিকে স্বাভাবিক করে তোলার প্রবণতা বাড়ে। একে বলা হয় সার্ভিল্যান্স নরমালাইজেশন। মানুষ ধীরে ধীরে তার ব্যক্তিগত ক্যামেরার ভিডিওকে কনটেন্ট হিসাবে দেখতে শুরু করে। আগে যে দৃশ্যগুলো ঘরের ভেতর সীমাবদ্ধ ছিল, এখন সেগুলো প্রকাশ্য হয়ে সমাজে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সীমারেখা দুর্বল করে দেয়। ভিডিওতে থাকা ঘরের দরজা, জানালা, সুইচ বক্স, লকার বা মূল্যবান জিনিসের অবস্থান অপরাধীদের কাছে একটি ভ্যালনারেবিলিটি ম্যাপিং বা দুর্বলতার নকশা তৈরি করে।

এই ফুটেজগুলোতে শুধুই দৃশ্য নয় বরং থাকে মেটাডেটা বা অতিরিক্ত তথ্য। যেমন ভিডিওর সময়, ক্যামেরার ব্র্যান্ড বা মডেল, কোন এঙ্গেল থেকে ধারণ করা হয়েছে এসব তথ্য সম্ভাব্য অপরাধী বা ডেটা কালেক্টরদের কাজে লাগানো যায়। ক্যামেরার মডেল দেখে বোঝা যায় সেটি কতটা সহজে হ্যাক করা সম্ভব, আর সময় দেখে বোঝা যায় পরিবারের সদস্যরা কখন ঘরে থাকে না। এই অনিচ্ছাকৃত মেটাডেটা লিকেজ ভবিষ্যতে টার্গেটেড ক্রাইম বা ডেটা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ায়।

ব্যক্তিগত ফুটেজ শেয়ার করলে পরিবারের প্রাইভেসি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা, শিশুদের অবস্থান, ঘুমের রুটিন, কোন রুমে কে থাকে সবই স্পষ্ট হয়ে যায়। এগুলো ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স বা অপরাধীচক্রের তথ্য সংগ্রহের জন্য সহজ উপাদান। এমনকি ঘরের ডিজাইন, পালানোর পথ বা গোপন কক্ষের ধারণাও ফুটেজ দেখে অনুমান করা যায়। এতে বাড়তি নজরদারি ছাড়াই মানুষ নিজেই নিজের ঘরকে ওপেন সোর্স ডেটায় পরিণত করে ফেলে।

এ ধরনের দৃশ্য বড় বিপর্যয়কালীন আচরণের প্রতিফলনও বটে। ভূমিকম্পের মতো আতঙ্কজনক পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের নিরাপত্তা প্রমাণ করতে, অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় অংশগ্রহণমূলক আচরণের অংশ হতে ফুটেজ পোস্ট করে। এটাকে বলা হয় পার্টিসিপেটরি সার্ভিল্যান্স। যেখানে মানুষ নিজেই নিজেকে নজরদারির আওতায় নিয়ে আসে। বিপর্যয়ের সময় এই প্রবণতা আরো বেড়ে যায় এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে সার্ভিল্যান্স সোসাইটি বা নজরদারি নির্ভর সমাজকে শক্তিশালী করে।

অন্য আরেকটি ঝুঁকি হলো এসব ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে স্ক্র্যাপিং বা ডেটা সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যালগোরিদম উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের প্রশিক্ষণে এই ফুটেজগুলো অত্যন্ত মূল্যবান। মানুষ না বুঝেই নিজের ও পরিবারের মুখ, আচরণগত প্যাটার্ন এবং ঘরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো কর্পোরেট সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের ডেটাবেজে ঢুকিয়ে দেয়।
💥 মানসিক চাপ: বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনা

🔘 মানসিক চাপ (Stress) মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া যা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত হয়। এটি শরীরের "ফাইট-অর-ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের সমস্যার মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

🔘 মানসিক চাপ কী?
মানসিক চাপ এমন একটি প্রতিক্রিয়া যা আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল (HPA) গ্রন্থিকে সক্রিয় করে। চাপের সময় শরীর থেকে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শক্তি ও সজাগতা বাড়ায়। স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, তবে যখন মানসিক চাপ দীর্ঘমেয়াদী হয়ে যায়, তখন তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বিভিন্ন ধরণের হতে পারে এবং প্রতিটি ধরণের চাপের প্রকৃতি ও প্রভাব আলাদা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়, এবং এই চাপের প্রকারভেদ জানা থাকলে তা মোকাবিলা করা সহজ হয়।

🔘 মানসিক চাপের প্রকারভেদ:

মানসিক চাপ  তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
১. ইউস্ট্রেস (Eustress): ইতিবাচক চাপ, যা মানুষকে মোটিভেট করে এবং উন্নতির দিকে ধাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন কাজ শুরু করার উত্তেজনা বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।

২. ডিস্ট্রেস (Distress): নেতিবাচক চাপ, যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি হতাশা, উদ্বেগ এবং শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

৩. ক্রনিক স্ট্রেস (Chronic Stress): দীর্ঘমেয়াদী চাপ যা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটি কর্মজীবনের চাপে, পারিবারিক সমস্যা বা আর্থিক অসুবিধার কারণে হতে পারে।

🔘 এছাড়া মানসিক চাপ মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়:

১. আকস্মিক বা তীব্র চাপ (Acute Stress):
আকস্মিক চাপ হলো স্বল্পমেয়াদী মানসিক চাপ, যা হঠাৎ কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, পরীক্ষা নেওয়ার আগে বা নতুন কোনো কাজে যোগ দেওয়ার আগে এই ধরনের চাপ দেখা দেয়। এটি সাধারণত দ্রুত শেষ হয় এবং আমাদের ফাইট-অর-ফ্লাইট প্রতিক্রিয়াকে সক্রিয় করে। যদিও স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, অতিরিক্ত তীব্র চাপ শারীরিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে যেমন মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যা বা ঘুমের ব্যাঘাত।

২. ক্রনিক চাপ (Chronic Stress):
ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী চাপ হলো এমন মানসিক চাপ যা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের জটিলতা, বা দীর্ঘস্থায়ী কাজের চাপ ক্রনিক স্ট্রেসের উদাহরণ। এই চাপ দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বা মানসিক সমস্যা যেমন বিষণ্নতা (Depression) এবং উদ্বেগ (Anxiety)।

৩. ট্রমাটিক বা ট্রমাজনিত চাপ (Traumatic Stress):
কোনো বড় দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আঘাতজনিত ঘটনা যেমন দুর্ঘটনা বা হিংসার শিকার হওয়ার কারণে এই ধরনের চাপ সৃষ্ট হয়। এটি খুবই মারাত্মক এবং প্রায়ই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD)-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরনের চাপ মানসিক ও শারীরিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

🔘 মানসিক চাপের প্রভাব:

১. শারীরবৃত্তীয় প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের কারণে হৃদযন্ত্র, হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. মনোবৈজ্ঞানিক প্রভাব:  মানসিক চাপ উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি বৃদ্ধি করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে (Cohen et al., 2007)।

৩. আচরণগত প্রভাব: মানসিক চাপের ফলে ব্যক্তি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্যগত জটিলতা বাড়ায়।

🔘 মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা কৌশল:

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে, যা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম।

১. ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ চাপ কমাতে সহায়ক, কারণ এটি শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে, যা প্রাকৃতিকভাবেই মেজাজ ভালো করে।

২. মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যান(meditation): মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন স্ট্রেস হরমোন কমাতে কার্যকর (Grossman et al., 2004) এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

৩. সামাজিক সংযোগ: পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক মানসিক সমর্থনের মাধ্যমে চাপ কমাতে সহায়ক হয় (Ozbay et al., 2007)।

৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা: স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
2
যখন আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাপ অনুভব করি এবং তা সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারি না, তখন এর ফলাফল হতে পারে:

১. বার্নআউট: দীর্ঘমেয়াদী চাপের ফলে আমরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, যা আমাদের কাজের মান এবং ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে।

২. দুর্বল ইমিউন সিস্টেম: দীর্ঘমেয়াদী চাপ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে সহজেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি।

৩. হৃদরোগের ঝুঁকি: চাপের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। (McEwen, 2007)


মানসিক চাপ জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি যদি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়, তবে মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

🔘 সূত্র
1. American Psychological Association. (2023). Stress effects on the body .Retrieved from [APA Website](https://www.apa.org)
2. Cohen, S., Janicki-Deverts, D., & Miller, G. E. (2007). Psychological stress and disease. JAMA, 298(14), 1685-1687.
3. Grossman, P., Niemann, L., Schmidt, S., & Walach, H. (2004). Mindfulness-based stress reduction and health benefits. Journal of Psychosomatic Research, 57(1), 35-43.
4. Ozbay, F., Johnson, D. C., Dimoulas, E., Morgan III, C. A., Charney, D., & Southwick, S. (2007). Social support and resilience to stress. Psychiatry (Edgmont), 4(5), 35.
5. McEwen, B. S. (2007). Physiology and neurobiology of stress and adaptation: Central role of the brain. Physiological reviews, 87(3), 873-904.

📍কন্টেন্ট :
রাফিসা তাসনিম
৩য় বর্ষ, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
ও প্রাক্তন সহকারী কর্মকর্তা
আয়োজন বিভাগ,
বন্ধু।
1
"Without 1 everything else is 0."
6
ভূমিকম্পের পর দুটো সমস্যা এখন মানুষের মধ্যে দেখা দিচ্ছে।

১. ওভারথিংকিং।
২. ফোবিয়া।

এ দুটো চিন্তাই সমস্যাজনক। স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত করবে।

ভূমিকম্প আবার কবে হবে সে জ্ঞান শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার হাতেই আছে। ভূমিকম্পের ব্যপারে অত্যাধিক ভয়, অত্যাধিক আতঙ্ক তৈরি করছে কিছু মিডিয়া ও বিশ্লেষকগণ। যা ভালো একেবারেই অনুচিত।

অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ তোমরা সহজ কর, কঠিন করো না। সুসংবাদ দাও, বিতৃষ্ণা তৈরি করো না।” [ সহীহ মুসলিম ৪৬২৬ ]
.
ভূমিকম্প এর পূর্বপ্রস্তুতিতে প্রয়োজন সতর্কতা। সতর্কতাই যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে বাচার মৌলিক উপায়। বিপদ আসার চিন্তাতেই আপনি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, ভূমিকম্প কবে হবে সে খবর নেই, এদিকে আপনি ভূমিকম্প হবে এই চিন্তাতেই ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছেন।
.
ভূমিকম্প আসার আগে প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশের বিল্ডিং এর যেই স্ট্রাকচার প্রয়োজন ছিল, তা অধিকাংশ যায়গাতেই হয়নি এবং ভবিষ্যতে হবে কিনা সেটাও বলা যাচ্ছে না । এই শহরে বিল্ডিং গড়ে উঠেছে পরিকল্পনা ছাড়াই। তবে পরিস্থিতি যাই হোক! আপনি যত খারাপ সিচুয়েশনেই থাকেন না কেন! ইসলাম আপনাকে সর্বদা পজিটিভ থিংকিং এর শিক্ষা দেয়। আপনাকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করে আপনাকে সবর, তাওয়াক্কুল, ইস্তেগফার, দুয়া এসবের সাথে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার শিক্ষা দেয়।
.
আপনি কি জানেন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন যার মাধ্যমে আপনি নিরাপত্তা লাভ করবেন? তা হলো সকাল-সন্ধ্যার যিকরসমূহ।
হিসনুল মুসলিম, আল আযকার, সকাল-সন্ধ্যার যিকর ইত্যাদি নামে বিভিন্ন বই বাজারে পাওয়া যায় যেখানে সকাল-সন্ধ্যার আযকার এর ব্যপারে বিশদ বর্ণনা রয়েছে।
.
সর্বপরি ভূমিকম্প আল্লাহ কেন দিয়েছেন আমাদের সে কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়েছেন আমাদের গুনাহের কারণে। আমরা ব্যক্তিগত, জাতিগত, রাষ্ট্রীয় নানা গুনাহের লিপ্ত। গুনাহ থেকে বিরত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাটাই হলো ভূমিকম্প এর সবচেয়ে বড় পূর্ব প্রস্তুতি। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন দূর্বল করে। আমাদের ধ্বংসের পিছনে গুনাহই হলো মূল কারণ। তাই সকলপ্রকার গুনাহ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হবে।

#Prophetic_Healing
3😍1
২০২৬ আসতে আর মাত্র ১ মাস বাকি, এখনো নিজেকে আপগ্রেড করেননি?

এই ৬টা টুল দিয়ে সহজে নিজের স্কিল বাড়িয়ে ফেলুন 👇
1️⃣ বিদেশি ভাষা শিখুন: LingQ.com
2️⃣ ১০ আঙুলে টাইপ করতে শিখুন: Typing.com
3️⃣ এক্সেল মাস্টার করুন: ExcelJet.net
4️⃣ কোডিং শিখুন: Mimo.org
5️⃣ STEM (Science, Tech, Engineering, Math) জানুন: KhanAcademy.org
6️⃣ গ্রামার ঠিক করুন: Grammarly.com
🧠 কেউ আপনাকে ঠকাচ্ছে কিনা, যেভাবে বুঝবেন

মানুষের সম্পর্ক যত গভীর হয়, ঠকানোর সম্ভাবনাও ততটাই বেড়ে যায়। অনেক সময় কাছের মানুষই এমনভাবে প্রতারণা করে যে বুঝতে দেরি হয়ে যায়। কিন্তু কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ আছে, যেগুলো লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় কেউ আপনাকে ধীরে ধীরে ব্যবহার করছে বা ঠকাচ্ছে। নিচে এমন কিছু বাস্তব টিপস দেওয়া হলো—

#MotivationalQuotesBangla

🟢 ১. তারা শুধু প্রয়োজনেই যোগাযোগ করে

যে মানুষ কেবল নিজের প্রয়োজনে আপনার কথা মনে করে, সে কখনও আপনাকে সত্যিকার অর্থে গুরুত্ব দেয় না। আপনার প্রয়োজনের সময় তারা অজুহাত খুঁজে ব্যস্ত হয়ে যায়।

🟢 ২. তাদের কথায় ও কাজে মিল থাকে না

কেউ যদি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু কাজে তার প্রতিফলন না দেখা যায়, তবে বুঝবেন কথাগুলো ছিল আপনাকে প্রভাবিত করার হাতিয়ার।

🟢 ৩. আপনি না থাকলে তারা আপনার সমালোচনা করে

যারা আপনার অনুপস্থিতিতে আপনাকে ছোট করে, তাদের মুখে ভালোবাসা বা শ্রদ্ধার কথা থাকলেও অন্তরে ঈর্ষা লুকিয়ে থাকে।

#MotivationalQuotesBangla

🟢 ৪. তারা আপনার দুর্বল দিকগুলো কাজে লাগায়

একজন প্রতারক সবসময় জানে আপনি কোন জায়গায় দুর্বল। তারা সেই জায়গাতেই আঘাত করে বা সহানুভূতির ভান করে সুবিধা নেয়।

🟢 ৫. আপনার সফলতায় তারা আনন্দ পায় না

যারা সত্যিই আপনাকে ভালোবাসে, তারা আপনার সাফল্যে গর্বিত হয়। কিন্তু যারা ঠকায়, তারা বাইরে থেকে অভিনয় করে খুশি দেখায়, ভিতরে ভিতরে হিংসা করে।

🟢 ৬. তারা সবসময় আপনাকে অপরাধবোধে রাখে

“তুমি এটা করোনি”, “তুমি ওটা বলেছিলে”—এই ধরনের কথা বলে তারা আপনাকে সবসময় অপরাধবোধে ভোগায়, যেন আপনি তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

#MotivationalQuotesBangla

🟢 ৭. তারা কখনও আপনাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না

যে মানুষ আপনাকে ঠকাচ্ছে, সে নিজেও ভয় পায় আপনি একদিন তাকে ধরতে পারবেন। তাই সে সবসময় আপনাকে সন্দেহ করে, আপনার প্রতিটি কাজ পর্যবেক্ষণ করে।

🟢 ৮. তারা আপনাকে একা করে ফেলার চেষ্টা করে

তারা চায় আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে থাকুন, যাতে আপনি কেবল তাদের কথাতেই বিশ্বাস করেন।

🟢 ৯. তারা সবসময় নাটক তৈরি করে

কেউ যখন অকারণে ঝগড়া, মন খারাপ বা ড্রামা তৈরি করে, বুঝবেন তারা আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে চায়।

#MotivationalQuotesBangla

🟢 ১০. তারা আপনার সীমারেখা মানে না

যে মানুষ আপনার ব্যক্তিগত সীমা (boundary) বারবার ভেঙে ফেলে, সে একদিন আপনাকে মানসিকভাবে শূন্য করে দেবে।

---

💭 শেষ কথা:
যদি কারও সঙ্গে এই লক্ষণগুলো মিলে যায়, তবে দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়। নিজের মানসিক শান্তিই আসল অগ্রাধিকার।

প্রশ্ন: আপনি কি কখনও এমন কারও দ্বারা ঠকেছেন, যাকে আপনি একসময় নিজের মানুষ ভেবেছিলেন?

---

#LifeLessons #Truth #Relationships #EmotionalIntelligence #SelfAwareness #HumanPsychology #ToxicPeople #Manipulation #SelfRespect #Boundaries #Motivation #Mindset #LifeReality #StayStrong #PersonalGrowth #SelfCare #Positivity #LessonsLearned #BeAware #MotivationalQuotesBangla
প্রশ্নঃ ভূমিকম্পে বিল্ডিং ধসে মৃ/ত্যু হলে, সে কি শহীদ হিসাবে গণ্য হবে?

উত্তরঃ জী, ভূমিকম্পে বিল্ডিং ধসে মৃ/ত্যু হলে, সে শহীদ হিসাবে গণ্য হবে।

হাদিসে এসেছে,
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الشُّهَدَاءُ سَبْعَةٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ: الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ، وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ، وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ، وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ، وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ»
জাবের বিন আতিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: "আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া শহীদ হলো সাত প্রকার: (১) প্লেগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (২) পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৩) ফুসফুসের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৪) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৫) আগুনে পুড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৬) যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে মারা যায় সে শহীদ, এবং (৭) যে নারী প্রসবকালে মারা যায় সে শহীদ।"
(সুনান আবী দাউদ, হাদিস নং-৩১১১; সুনান আন-নাসাঈ, হাদিস নং-২০৫৭)

সুতরাং উক্ত সুরতে মৃ/ত্যু হলে তা শহীদ হিসাবে গণ্য হবে।

মাওলানা মুনীর বিন কারীম
মাঝে মাঝে আমি যৌনাঙ্গ বা গোপনাঙ্গের লোম নিয়ে প্রশ্ন পাই। বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর পর ছেলে ও মেয়েদের যৌনাঙ্গের চারপাশে লোম গজানো স্বাভাবিক। একজন লোক একবার আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তার স্ত্রী কুমারী? নাকি না? কারণ তার যৌনাঙ্গে লোম ছিল! যৌনাঙ্গে লোম আমাদের শরীরের একটি খুব স্বাভাবিক অংশ।

আপনি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে আপনার যৌনাঙ্গের লোম শেভ করতে পারেন, তবে অন্যথায় ছাঁটাই করতে পারেন। যৌনাঙ্গে লোম থাকার প্রাথমিক সুবিধা হল যৌন মিলনের সময় ঘর্ষণ কম হয়। যৌনাঙ্গের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। যৌনাঙ্গের লোম স্বাভাবিকভাবেই যৌন মিলনের সময় নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট ঘর্ষণকে কমাতে পারে এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপে যেখানে ঘর্ষনের ফলে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।

যৌনাঙ্গের লোম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের শরীরে প্রবেশ করা বন্ধ করতেও সাহায্য করে। বিশেষত, এটি ময়লা এবং প্যাথোজেনগুলিকে আটকাতে সাহায্য করতে পারে যা যোনি বা লিঙ্গ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

আপনি যখন গোসল করবেন তখন সাবান এবং পানি দিয়ে আপনার যৌনাঙ্গের লোম ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। কখনও কখনও চুলে / লোম, তাই শরীরের এই জায়গা পরিষ্কার রাখাটা নিশ্চিত করা দরকার।

Bushra Apa
পুরুষের স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক দিন ধরেই পুরুষদের যৌনস্বাস্থ্যকে অবহেলা করা হয়েছে বা ভুল তথ্যের মধ্যে ঢেকে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তন আনতে বুশরা আপা তাঁর ওয়েবসাইটে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ পুরুষদের স্বাস্থ্য বিভাগ।

এখানে আপনি পাবেন নির্ভরযোগ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর তথ্য — যেমন কৈশোরকাল, যৌন দুর্বলতা, যৌন সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সহজ ও সম্মানজনক ভাষায়।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি পুরুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোলামেলা ও সম্মানজনকভাবে জানতে চান, ভিজিট করুন:
👉 https://www.bdsexeducation.com/menshealth

প্রতিটি পুরুষেরই অধিকার আছে নিজের শরীরকে জানা এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার — লজ্জা, ভয় বা বিচার ছাড়াই।
আমি কুরআন সুন্নাহ পড়ে করে আজও অবধি এমন কোন গুনাহ খুঁজে পাইনি যা খালেসভাবে তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তওবার মাধ্যমে সকল গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। কিন্তু এমন কোন দলিল আমার জানা নেই যে, শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে তওবার মাধ্যমে বান্দার হক্ব ক্ষমা করা হবে। যতক্ষন না সে বান্দা তাকে ক্ষমা করবে আল্লাহও তাকে ক্ষমা করবেন না। বান্দার হক্ব এতটা কঠিন বিষয়, অথচ অনেকে সে সম্পর্কে উদাসীন। একজন পা পিছলে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেল আর এ দৃশ্য দেখে অন্যজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপহাস করতে লাগলো এতেও সে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির হক্ব ক্ষুন্ন করলো, কাজটা দেখতে ছোট মনে হলেও বিষয়গুলো এতটাই সুক্ষ্ম।
😱2🤔1