জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
জ্ঞান - Knowledge
Photo
ইমরান ইবনু হুসাইন থেকে বর্ণিত, নবিজি (সা.) বলেন,

'সর্বোত্তম প্রজন্ম হলো আমার প্রজন্ম (সাহাবা), অতঃপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবিয়ি), অতঃপর যারা তাদের পরে আসবে (তাবে তাবিয়ি)।

অতঃপর এমন এক সম্প্রদায় আসবে, যাদের কাছে সাক্ষ্য চাওয়া হবে না অথচ তারা (আগে বেড়ে) সাক্ষ্য দেবে। যাদের কাছে আমানত রাখা হবে; কিন্তু তারা খিয়ানত করবে। যারা মানত করবে; কিন্তু সেটা পূরণ করবে না। আর যাদের মাঝে স্থূলতা প্রকাশ পাবে।' [সহীহ বুখারী ৬৪২৮, মুসলিম ২৫৩৫]
.
'স্থূলতা'কে বলা হয় আধুনিক কালের ব্যাধি। আগের যুগের মানুষের মাঝে স্থূলতা খুব কমই দেখা যেত; কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এখন স্থূলতা জ্বর-সর্দির মতো উন্মুক্ত ব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে। মানুষ সামান্যতেই মোটা হয়ে যাচ্ছে।
.
অতিরিক্ত ভোগ-বিলাস, উদরপূর্তি, খাবারের প্রতি উন্মাদনা, পরিশ্রম বর্জন, শুয়ে-বসে অলস সময় কাটানো, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনাচারে ব্যাপক পরিবর্তন, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে খেলাধুলার পরিবর্তে ঘরে কম্পিউটার কিংবা মোবাইলে খেলা, মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়া ও বিকেলে সমবয়সীদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিবর্তে বদ্ধ ঘরে পড়ে থাকা, পায়ে হাঁটা বর্জন করে সামান্য দূরত্বের জায়গাও গাড়িতে যাওয়া ইত্যাদিসহ নানা কারণ এই স্থূলতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী থাকতে পারে। এটা দৈহিক ও আধ্যাত্মিক উভয় রোগের লক্ষণ। কিয়ামতের নিদর্শন।
.
সমকালীনের 'কিয়ামতের আলামত ও শেষ যুগের ভয়াবহ ফিতনা' বই থেকে।
.
বর্ষপূর্তি অফারে বইটি পাচ্ছেন ২৫% এর বদলে ৫০% ছাড়ে!
ভূমিকম্পের পর কী কী চেক করবেন
------------------
অপূর্ব চৌধুরী

ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ির কোন ক্ষতি না হলেও ভূমিকম্পের পর দ্রুত নিজেদের বাড়ি, ভবন, বিল্ডিং, এসব দ্রুত চেক করবেন ।

বিশেষ করে যেগুলো চেক করবেন :

∆ বিল্ডিংয়ে কোন ফাটল হলো কিনা, কলাম বা বিম গুলো চেক করবেন । কিছু হলে এই পয়েন্টগুলোতে বেশি ক্ষতি হয় । এক্ষেত্রে ছাদ, বারান্দা, সিঁড়ির জায়গাগুলোতে দেখতে পারেন । কোথাও কোন রড বের হয়ে গেছে কিনা, সেটাও ভবনে আঘাতের লক্ষণ ।

∆ এরপর আপনার ভবনে বা বাড়িতে বিদ্যুতের সবকিছু চেক করবেন । কোথাও তার খুলে পড়া, ঝুলে পড়া, বিশেষ করে মেইন সুইচ বোর্ড খুলে দেখবেন সব ঠিক আছে কিনা । কোথাও কোন পোড়া গন্ধ পান কিনা । ভূমিকম্পের পর কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ বন্ধ রাখবেন পারলে ।

∆ গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখবেন কিছুক্ষণ । চুলা চেক করবেন, কোন লিক হওয়া কিংবা গ্যাসের পাইপ বেঁকে গেছে কিনা চেক করে দেখবেন । এমন কিছু দেখলে গ্যাস সাপ্লাই বন্ধ করে দেবেন ।

∆ পানি সাপ্লাইয়ের লাইনগুলো চেক করবেন । কোথাও পাইপ ফেটে গেলো কিনা, কোথাও থেকে পানি বের হচ্ছে কিনা, দেখবেন ।

∆ ঘরের দরজার ফ্রেম, জানালার ফ্রেম, এসব পরীক্ষা করবেন । এসবে কোন চেঞ্জ হলো কিনা সেটা দেখার জন্যে দরজা খুলে, বন্ধ করে দেখবেন, দরজার ফ্রেম বা শেইপ এ কোন পরিবর্তন হলে দরজা লাগবে না ঠিক মতো । জানলার গ্রিল, ফ্রেম এসব বেঁকে গেছে কিনা, দেখবেন ।

∆ ঘরের ভেতরের কোন জিনিসপত্র হেলে পড়ল কিনা চেক করবেন । বিশেষ করে আলমারি, ফ্রিজ, এমনকি ওয়ালমাউন্ট টিভি ।

সবাই নিরাপদে থাকুন, আশেপাশে কারও ক্ষতিগ্রস্ত হলে সহযোগিতা করুন ।

© Opurbo Chowdhury
2👍1
💓 নিজেকে নিজের কাছে মূল্য দাও, কারণ তুমি যদি নিজেকে সম্মান না করো তবে জীবনও তোমাকে সম্মান দেবে না। এমনকি নিজের চোখে নিজেকে বড় করে তুলতে না পারলে বড় স্বপ্নগুলো কখনোই নিজের দুয়ার খুলবে না।

একবার ভাবো—
তোমার উন্নতির জন্য একজন উপদেষ্টার সঙ্গে তোমার ঠিক করা অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। কিন্তু ঠিক সেই সময়ে কেউ এসে বলল, “চলো, উত্তরায় হাসপাতালে একজনকে দেখতে যাই।”

তুমি ভাবলে, নিজের কাজ বাদ দিয়ে তার কথা শুনে যাওয়া নাকি বেশি ভালো সিদ্ধান্ত। ঠিক এখানেই তোমার নিজের প্রতি সম্মান কমে গেল। আর যখন তুমি নিজেকেই মূল্য দিলে না, প্রকৃতি কেন দেবে?⁉️

উত্তরায় গিয়ে দেখলে—
তুমি ৪ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছো, আর যে তোমাকে নিয়ে এসেছে তার কোনো খবর নেই। শেষে ফোন করে জানালো, আজ আর আসতে পারছে না।

এই ঘটনার মূল শিক্ষা হলো –
যখন তুমি নিজের সময়, নিজের কাজ, নিজের প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দাও না, প্রকৃতিও তোমার পাশে দাঁড়ায় না। অর্থাৎ চৈতন্য জাগ্রত না হওয়া পর্যন্ত জীবনের পরীক্ষাগুলো কঠিন হয়েই থাকে। এভাবে মানুষ দুই দিকই হারায়।

✦ কার্টেসি:
নায়েবে রাসূল – ডিভাইন গুরুজি, শায়খুল কোরআন আল্লামা Panna Choudhury স্যার।
DWS - PANNA CHOUDHURY #highlights
#SelfRespect #LifeLesson #PersonalGrowth
#ValueYourself #DivineWisdom #PannaChoudhury
#SpiritualGuidance #Motivation #চৈতন্যদয়
আমাদের দেহের রক্তের গ্রুপিং যেভাবে করা হয় তাকে বলা হয় এবিও সিস্টেম। এই সিস্টেমে রক্তের গ্রুপ চারটি। যথা গ্রুপ-এ, গ্রুপ-বি, গ্রুপ-এবি ও গ্রুপ-ও। এদের প্রত্যেককে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. আরএইচ পজিটিভ যা শতকরা ৮৫-৯৫ ভাগ।
২. আরএইচ নেগেটিভ যা শতকরা ৫-১৫ ভাগ।

প্রত্যেক সন্তানসম্ভবা মায়ের রক্তের গ্রুপিং করিয়ে নেয়া উচিত। যেসব মহিলার আর এইচ নেগেটিভ তাঁরা সন্তানসম্ভবা হলে বিশেষ সাবধানতা নিতে হবে। মা নেগেটিভ এবং বাবা পজেটিভ হলে গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপ আর এইচ পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি প্রথমবার গর্ভে আসা সন্তানের রক্তের গ্রুপ আরএইচ পজিটিভ অথচ মায়ের আর এইচ নেগেটিভহয় সেক্ষেত্রে সন্তানের রক্তের লোহিতকণিকা মায়ের রক্তে প্রবেশ করার ফলে মায়ের রক্তে বাচ্চার কাছ থেকে আসা আরএইচ পজিটিভের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এতে প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হয় না।

পরবর্তী সময়ে মা দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হলে যদি গর্ভস্থ বাচ্চার রক্তের গ্রুপ আরএইচ পজিটিভ হয় তখন সমস্যা দেখা দেয়। সেটা হলো প্রথমবার গর্ভবতী হওয়ার সময় মায়ের দেহে বাচ্চার আরএইচ পজেটিভের বিরুদ্ধে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছিল তা তখন বাচ্চার রক্তে প্রবেশ করে। এতে গর্ভস্থ বাচ্চার লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হতে থাকে। গর্ভাবস্থায় কিছু লক্ষণ প্রকাশ না-পেলেও সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর রক্তস্বল্পতা ও জন্ডিস দেখা দেয়। তখন এর চিকিৎসা হলো নবজাতকের দেহের রক্ত বের করে নতুন রক্ত সঞ্চালন বা এক্সচেঞ্জ ট্রান্সফিউশন করা।

প্রতিরোধ

আগে থেকেই স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা।
আরএইচ নেগেটিভ গর্ভবতী মাকে অ্যান্টিবডি ইমিউনোগ্লোবিউলিন ইনজেকশন দেয়া হয়।

মনে রাখতে হবে প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা না হলেও পরবর্তী সব বাচ্চার ক্ষেত্রে অসুবিধা হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে প্রতিরোধই উত্তম। আরএইচ ফ্যাক্টরের বৈষম্যের ফলে এ অসুখ হয়, তাই এর নাম আরএইচ ইনকমপেটিবিলিটি।
ভূমিকম্পের সময় কী করবেন: যখন মাটি কাঁপে, তখন প্রস্তুত থাকুন!

ঢাকার যে অবস্থা সেখানে বড় সাইজের ভুমিকম্প হলে হয়ত কিছুই করা যাবে না। এত বিল্ডিং সব গায়ে গায়ে লাগা, তেমন কোন সেফটি চেক ছাড়াই অনেকগুলা নির্মান করা। ভুমিকম্পের পর আমাদের নাই কোন ন্যাশানাল ইমার্জেন্সি রেস্পন্স যেটা রেডি টু ডিপ্লয়, নাই ন্যাশানাল এম্বুলেন্স সার্ভিস আর হাসপাতালে নাই ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট যেগুলা ইকুইপড মাস ক্যাজুয়েল্টি হ্যান্ডেল করার। এটা একটা সুযোগ এগুলা সব আপগ্রেড করার - বিশেষজ্ঞ অনেক আছে, জাস্ট দরকার সরকারের সদিচ্ছা।

তাও কিছু জিনিস জানা দরকার সবার পার্সোনাল সেফটির জন্যে। ভূমিকম্প কোনো সতর্কতা ছাড়াই আঘাত হানে, তাই এই অপরিহার্য নির্দেশিকাটি একবার দেখে নিন! বিশেষ করে বাংলাদেশ ভুমিকম্প জোনে, তাই প্রস্তুত থাকা অরুরি।

১. নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন! (যদি ভেতরে থাকেন) - Drop, Cover and Hold On

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ:
* তাৎক্ষণিকভাবে হাত ও হাঁটুর ওপর নুইয়ে পড়ুন (Drop)। এই অবস্থান আপনাকে ঝাঁকুনিতে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে।

* আপনার মাথা ও ঘাড় হাত দিয়ে প্রটেক্ট করেন (COVER)। সম্ভব হলে একটি মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে যান। যদি আশেপাশে কোনো আশ্রয় না থাকে, তবে একটি ভেতরের দেয়ালের (বাইরের দেয়াল বা জানালার কাছে নয়) পাশে নিচু হয়ে বসুন।

* ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আপনার আশ্রয়স্থল (টেবিল/ডেস্ক) ধরে থাকুন (HOLD ON)।

২. ঘরের ভেতরে যা এড়িয়ে চলবেন:

* বাইরে দৌড়ে যাবেন না যতই মনে হয় এটা করতে। বাইরের দরজার কাছে বা দেয়ালের পাশ দিয়ে ছোটার সময় ওপর থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

* জানালার কাঁচ, আয়না, বাইরের দরজা এবং দেয়াল এবং পড়ে যেতে পারে এমন যেকোনো কিছু, যেমন ভারী ফার্নিচার বা আলমারি থেকে দূরে থাকুন।

* লিফট ব্যবহার করবেন না (Do NOT)।

৩. যদি আপনি বাইরে থাকেন:

* বড় বিল্ডিং, রাস্তার ল্যাম্প পোস্টএবং ইউটিলিটি তার থেকে দূরে সরে যান। কোন বাসার বাইরের দরজার ঠিক বাইরে এবং বাইরের দেয়ালের পাশে সবচেয়ে বেশি বিপদ থাকে।

* একবার খোলা জায়গায় এলে, নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন। ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত নিচু হয়ে থাকুন।

৪. গাড়িতে থাকলে:

* নিরাপদে রাস্তার পাশে গাড়ি থামান এবং হ্যান্ডব্রেক অন করবেন। ভবন, ব্রিজ, ওভারপাস বা ইউটিলিটি তারের নিচে থামানো এড়িয়ে চলুন।

* ঝাঁকুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আপনার গাড়ির ভেতরে থাকুন । গাড়ি আপনাকে ধ্বংসাবশেষ থেকে রক্ষা করতে পারে।

ঝাঁকুনি বন্ধ হওয়ার পর

১. নিজের এবং অন্যদের আঘাত কেমন হয়েছে দেখুন আর ভাবেন কোন চিকিৎসা লাগবে কিনা।

২. আফটারশক বা পরবর্তী ঝাঁকুনির জন্য প্রস্তুত থাকুন। আবার হলে তাৎক্ষণিকভাবে নুইয়ে পড়ুন, আশ্রয় নিন এবং ধরে থাকুন।

৩. বিপদগুলো বুঝে নিন: ছোট আগুন লাগলে তা নেভান। গ্যাস, পানি এবং বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা দেখুন। যদি গ্যাসের গন্ধ পান, তবে জানালা খুলুন, দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান এবং মূল গ্যাসের ভালভ বন্ধ করে দিন।

মুসলিম যারা, আমাদের জন্যে অতি গুরুত্বপুর্ন যে এই সময় গুলোতে আল্লাহর স্মরন করি, তাওবা করি ও তাঁর সাহায্য কামনা করি।

লেখাঃ ডা. রাঈয়্যিক রিদওয়ান, ইমার্জেন্সি মেডিসিন স্পেশালিস্ট
আপনার কি পিরিয়ডের আগে স্পটিং হয় কিংবা সারামাস জুড়েই ২/৩ দিন পর পর স্পটিং হতে থাকে? সারাদিন মেজাজ খিটখিটে থাকে সাথে মাথা ব্যাথা লেগেই থাকে? আবার রাতেও ঠিক ভাবে ঘুম হয়না?
অনেক দিন থেকে বেবি ট্রাই করছেন কিন্তু কনসিভ হচ্ছে না বা হলেও ৬ সপ্তাহের মধ্যে ব্লিডিং হয়ে মিসক্যারেজ হয়ে যাচ্ছে?

এই লক্ষ্মণ গুলো আপনার মধ্যে থাকলে ধরে নেয়া যায় আপনার শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি আছে বা প্রোজেস্টেরন হরমোন কম। প্রোজেস্টেরন ফিমেইল রিপ্রোডাক্টিভ হরমোনের হরমোনের মধ্যে অন্যতম। প্রোজেস্টেরন মূলত জরায়ুর স্টাবিলিটি ধরে রাখে। এটা জরায়ুতে একটা হেলদি পরিবেশ বজায় রাখে যাতে ভ্রুনটা জরায়ুতে সঠিকভাবে প্রতিস্থাপিত হতে পারে এবং বেড়ে উঠতে কোন সমস্যা না হয়। মানে একটা পার্টিশনের মত। যখন প্রোজেস্টেরন লেভেল লো হয় তখন এই পার্টিশনটা খুবই নাজুক থাকে ফলে সহজে ভেঙে গিয়ে মিসক্যারেজ হয় কিংবা সারা মাস ধরে স্পটিং হয়।

লো প্রোজেস্টেরন হলে যে শুধুমাত্র উপরের উপস্থিতি দেখা যায় এমন না, এর সাথে সাথে অন্য উপসর্গও উপস্থিত থাকে।

১) অনিয়মিত পিরিয়ড
২)ইনফার্টিলিটি
৩) মাঝে মধ্যে চিৎকার করে কান্না আসা
৪)মাইগ্রেন
৫) সবসময় দূর্বল লাগা
৬) পিরিয়ডে একদমই কম ব্লিডিং হওয়া
৭) প্রেগন্যান্সির ১ম দিকে ব্লিডিং হওয়া
৮) বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে সেক্স ড্রাইভ একদমই কম থাকা।

লো প্রোজেস্টেরন এর অনেক কারন রয়েছে। এদের মধ্যে-

১) পিসিওএস
২)হাই স্ট্রেস
৩)হাইপোথাইরয়ডিজম
৪) ওভ্যুলেশন না ঘটা
৫)হাইপারপ্রোল্যাক্টিনিমিয়া - রক্তে অনেক বেশি প্রোল্যাকটিন হরমোন থাকা।
৬) এস্ট্রজেন ডমিনেন্স
৭)ডায়েটে গুড ফ্যাটের অভাব।

শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি থাকলে ইনফার্টিলিটি ইস্যুর সাথে সাথে প্রেগন্যান্সি যদি পজিটিভ হয় তাহলেও মিসক্যারেজ এর ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। যদি আপনার বার বার মিসক্যারেজ হয় এবং অন্য ফ্যাক্টর গুলো ঠিক থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় আপনার প্রোজেস্টেরনের ঘাটতির জন্য এমনটা হচ্ছে।

কীভাবে শরীরে প্রোজেস্টেরন লেভেল বাড়াবেন বা কোন খাবার গুলো প্রোজেস্টেরন হরমোন বাড়াতে হেল্প করে?

১) প্রোজেস্টেরন বাড়াতে ডায়েটে হেলদি ফ্যাট (ঘী, বাটার, ট্যালো) যোগ করুন। কারন প্রোজেস্টেরন হরমোন বানাতে কোলেস্টেরল প্রয়োজন হয় এবং কোলেস্টেরল এর একমাত্র ডায়েটারি সোর্স এনিমেল ফ্যাট।

২) রেড মিট বা দেশি গরুর গোস্ত, চিংড়ি মাছ, বড় নদীর মাছ বা যে কোন তৈলাক্ত মাছ রাখুন খাবার তালিকায়।

৩) আখরোট, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম, আল্মন্ড বা কাঠবাদাম, মিষ্টি কুমড়ার বীজ রাখুন ডায়েটে।

৪) শিম, বাধাকপি,ব্রকোলি, স্প্রাউট, পালং শাক,পুই শাক আলু শাক সরিষা শাক ভালো অপশন।

তবে একটা জিনিস আমি সবসময়ই বলি হরমোন সবসময়ই একটা আরেকটার সাথে ক্লোজলি রিলেটেড। প্রোজেস্টেরন লো থাকা মানে আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন ডমিনেন্স থাকার চান্স অনেক বেশি। তাই যখনই হরমোনাল ইমব্যালেন্স এর কোন উপসর্গ দেখতে পাবেন তখন একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট দেখানোর সাথে সাথে একজন নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শ নিয়ে আগানো উচিৎ।
বুঝছেন? যদি শান্তিমত সংসার করতে চান,"Meticulous design " (মেটিকুলাস ডিজাইন )এ সংসার করতে হবে।

তাহলে সংসারের বয়স কত,সম্পর্কের বয়স কত wont matter anymore.সম্পর্ক অলওয়েজ ফুরফুরা থাকবে।

যত প্ল্যান ছাড়া থাকবেন , যত সিধার ঘরের সিধা হবেন, দেখবেন জামাই তত টাল্টু বাল্টু করতেছে। গরু ছাগলের মতো এক্ষেতে ওক্ষেতে মুখ দিচ্ছে, সম্পর্কে থার্ড পারসন এন্ট্রি নিচ্ছে, তেলাপোকায় আইসা লাত্থি মারতেছে,আর ও কত কি...কত কত নতুন ধরণের সমস্যা প্রতিদিন ফেইস করতে হবে।

এখন কথা হলো meticulous design কি? আর কিভাবে জীবনে কাজে লাগাবেন?

Meticulous design হলো একটা অতি careful এবং সূচতুর একটা প্ল্যানফ্রেম । যেখানে কোনো স্মল ডিটেলস ও ওভারলুক হবে না।প্রতি মুহূর্তে প্ল্যানের reframing হবে এবং accuracy চেক করা হবে

Meticulous design এর অংশ হিসাবে আপনি প্রতি পক্ষকে কখনো দুর্বল ভাববেন না।এবং নিজে যথেষ্ট প্রিপারেশন নিয়ে রাখবেন সম্ভাব্য সব বিষয়ে।

অজয় দেবগন এর "দৃশ্যম" মুভিটা দেখছেন? তাহলে meticulous প্ল্যানিং সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

আপনি করবেন একটা, সবাই দেখবে /বুঝবে আর একটা... আসলে ভিতরে ভিতরে হবে আর একটা।সবাই যেটা দেখবে বা বুঝবে,আসল ঘটনা তার থেকে far far away land এ থাকবে।যেটা দৃশ্যম করবেন মানুষ সেটা ই believe করবে।

দৃশ্যম মানে হলো visibility.

আর এটা ই meticulous প্ল্যান. খুব বেশি intelligent মানুষ ছাড়া কারো meticulous প্ল্যান বোঝা মুশকিল।

Either আপনাকে নিজেকে meticulous প্ল্যানার হইতে হবে, নাহয় আপনি হয়তোবা কারো meticulous প্ল্যানের অংশ হয়ে যাইতে পারেন There is no otherwise.

Listen people, সংসার জীবনে, চাকরি জীবনে, পারিপার্শিক জীবনে সবাই কে আপন ভাবতে যাবেন না। সবাই কিন্তু আপন না। সবাই কে বিশ্বাস করতে যাবেন না। আর প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবতে যাবেন না। নাচতে নেমে ঘোমটা টানবেন না। এমন ভাবে খেলবেন যেন সাপ ও মরে লাঠি ও না ভাঙে। স্মল ডিটেলস ও avoid করবেন না। একবার যে real ফেইস দেখিয়ে ফেললো, thats it, সুগারকোট করবেন না এরপর আর।জীবনে সবসময় প্ল্যান A/B/C রাখবেন.ইমোশন যেন আপনার চলার পথের fuel না নয়। ব্রেন একটিভ করবেন। ইমোশন based কোনো ডিসিশন নিবেন না। ব্রেন দিয়ে চলবেন।

কোনো ডিসিশন নেয়ার আগে ask yourself, এটা কি ব্রেন থেকে আসছে? নাকি ইমোশন থেকে?

Every single thing count in meticulous plan.

নিজের ভালো থাকার জন্য every person should be a meticulous designer of his/her own life.

যদি দেখেন, জীবনে কখনো হেরে গেছেন, cheated হয়েছেন, ধরে নিয়েন আপনি ও কারো মেটিকুলাস প্ল্যান এর অংশ হয়েছেন।

এই পর্যায়ে এসে ও কাউন্টার মেটিকুলাস প্ল্যান করতে পারবেন ।সেটা হতে হবে meticulous প্ল্যান এর থেকে ও stronger version.

নাহলে কিন্তু বাঁচতে পারবেন না। আপনার existence ই নাই হয়ে যাবে।

সংসার জীবনে, কর্পোরেট লাইফ এ, দেশ চালাতে meticulous প্ল্যানের জুড়ি নাই। যার meticulous প্ল্যান সম্পর্কে ধারণা যত কম বাচ্চাদের প্রসা* এ আছাড় খাবার সম্ভাবনা তার তত বেশি।

"Be a meticulous designer"
Make a meticulous plan for your life.

.........................................................

আপনার জীবনের মেটিকুলাস প্ল্যান / কাউন্টার meticulous প্ল্যান করতে, বুকিং করতে পারেন (Consider Booking me) as your mentor / as your counselor.

And tap into your power.

#counsellingwithjoyaismail #YourRelationshipCoach #selfcounselling #joyaismail #বাংলাকাউন্সেলিং #selfhelp #YourWellBeingMatters #yourrcounselling #yourlifecoach
সবচেয়ে ক্ষতিকারক পরামর্শ হলো— “যা ভালো লাগে সেটাই করো।”
এটা মানুষকে শেখায় যে, কষ্ট-পরিশ্রম, ডিসিপ্লিন—এসব দরকার নেই।

বাস্তবতা হলো:
“এই কাজ আমার জন্য না”, “আমার আগ্রহ নেই”—এই কথা কেউ কেয়ার করে না।
হার্ড ওয়ার্ক সবার জন্য। জীবন কোনো কাপকেক না। ঘৃণা করো কাজটাকে, তবুও সেরা হও।

বিশ্বের মাত্র ১% মানুষ তাদের চাকরি ভালোবাসে। বাকি সবাই ক্যারিয়ার চালিয়ে যায়—কারণ সেটা করতেই হয়।
পেশা কখনোই মজার কিছু না। তাই তো এজন্যই টাকা দেওয়া হয়।

আমি বড়লোক হওয়ার পথে কাজের প্রায় প্রতিটা ধাপকে ঘৃণা করেছি—তবুও করেছি। তাই আজ এখানে।

প্যাশন খুঁজো না—সফলতার জন্য প্যাশন তৈরি করো।

চাইনিজ বিলিয়নিয়াররা কন্সট্রাকশনের প্রেমে পড়েনি; তারা পরিশ্রম, স্বাধীনতা ও টাকার পেছনে প্যাশনেট ছিল।

তুমিও যদি সত্যিকারের সফলতা চাও—চাওয়ার সব উপায় নিঃশর্তভাবে কাজে লাগাও। তাহলেই যেকোনো কিছু করতে পারবে।

বই : টেইট কথন (নব অধ্যায়)
Fitness বলতে আমরা এক কথায় বুঝি রাস্তায় জোরে জোরে হাঁটতে হবে।
৪০ মিনিট হাটলেই আমাদের সব ব্যায়াম শেষ।

রাতে ভাত না খেয়ে রুটি খেয়ে হবে।

ভাত ছেড়ে দিলে ফিটনেস চলে আসবে।

৪০ এর পরে মেয়েদের জীবন শেষ।

প্রথমেই বলে রাখি যে সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় যদি আপনি বড় বড় নিশ্বাস নেন হাঁপাতে থাকেন তাহলে আপনি unfit

সারাদিন যদি আপনার মাথা ঘুরায় আপনার অশান্তি লাগে আপনি ফিট না।

খালি হাঁটলে তো পুরা শরিরে মাসল পর্যন্ত লস হয়ে যাবে।

আপনাকে দেখতে শুকনা লাগবে কিন্তু আপনাকে একটুও সুন্দর লাগবে না।

মাসল তৈরি করতে হলে মাসেল গুলা ছিড়তে হবে।

ওয়েট লিফটিং এর মাধ্যমে strength ট্রেনিং এর মাধ্যমে।

জিমে গেলাম সব ডাম্বেল টানাটানি করলাম। হবে না।

যে মাসেলে আপনি ঠিক করতে চান সেই মাসল ছিঁড়তে দিতে হবে। রিপেয়ারিং টাইম থাকে 24 ঘন্টা।

শরীরের চাহিদা অনুযায়ী protein intake করতে হবে।

আপনার ওজন ৬৪ কেজি তাহলে ৬৪ গ্রাম প্রোটিন আপনার যাবে।

ডাইট প্লাস এক্সারসাইজ দুইটাই করতে হবে।

সি সেকশনের পরে আর কোনদিন ব্যায়াম করা যায় না। ১৬ মাস পর থেকেই আপনি ব্যায়াম করতে পারবেন।

চারটা সিসেকশনের পরে কোন ব্যায়াম করা যায় না।

আমি করি কিছুই হয় না।

বেশি ব্যায়াম করলে বেডা শরির হয়ে যাবে।

ছেলেদের হরমোন আলাদা মেয়েদের হরমোন আলাদা।

বিদেশে যেসব বেডা মহিলা দেখেন ওরা বাইরের থেকে টেস্টোস্টেরন পুশ করে।

আপনি চাইলেও পুরুষের মতো শরীর ফুলবে না।

সবার শরীরে একরকম ফ্যাট জমে না।

কারো পিঠে,কারো বগলে, কারো পেটে।

তাহলে আপনি গর পরতা একই ব্যায়াম করলে আপনার জন্য কিভাবে তা ফল দায়ক হবে?

প্রোপার ট্রেইনার এর হেল্প নিতে হবে অবশ্যই।

nutritionist এর কাজ হচ্ছে আপনাকে সুন্দর রাখা।

প্রোপার fat আপনাকে নিশ্চিত করা

PCOS, hair loss, overweight, mental fog এই সবকিছু উতরায় আপনি কিভাবে নিজেকে সুন্দর রাখবেন?

ডায়েট করার ফলে যাতে আপনার সৌন্দর্য ফিকে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা।

হ্যাঁ diet করতে আসলে আপনাকে পাশাপাশি একটু সাপ্লিমেন্স এর কথা মাথায় নিয়েই আসতে হবে।

আপনি শুকাইলেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার চুল সব পড়ে আপনার মাথা ফাঁকা হয়ে গেল তাহলে কিসের ডায়েট হল?

আপনি শুকাইয়লেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার ব্রেস্ট সেপটা আপনার ভালো লাগতেছে না। এজন্য কমপক্ষে আপনাকে ৬-৭ মাস কিন্তু এক্সারসাইজ করতে হবে।

আপনি শুকিয়ে গেলেন আপনার থাই, backside সবকিছু শুকিয়ে গেল ।

তাহলে glutes এর ব্যায়ামগুলা করতে হবে।

কারো কারো ক্ষেত্রে অনেক বেশি ওজন বাড়াতে হয়, ডিম অনেকগুলা যাবে, কেশো বাটার যাবে, খেজুর দুধ যাবে, মুরগির বুকের পিস যাবে।

এক বিশাল সাগর ফিটনেস এ। আপনি যতটুক দেবেন ততই মজা।

সঠিক খাদ্য পরিকল্পনার জন্য আমরা তো সাথে আছি।
আমাদের কাছে আপনি পাচ্ছেন
পিনাট বাটার
প্রোটিন পাউডার
ক্যাশু বাটার।

এগুলো সবগুলোই আমার হাতে তৈরি এবং কোন চিনি এড করা হয় না। মধু এড করা হয় না।

আপনার বাচ্চা পড়ালেখায় মনোযোগী না হলে তাকে প্রতিদিন পিনার বাটার খাওয়াবেন, cashew বাটার না।

আমি কিন্তু আজকের ফিটনেস freak না 😜😜
১৫ বছর ধরেই আমি yoga এর সাথে আছি।
বিভিন্ন জটিলতার কারণে মাঝখানের মাঝখানে ছেড়ে দিতে হয়।
একদম কিছু না পারলে বাসার কাজ হলে ও করি।
তাই সবসময় একটিভ থাকুন,



একটা কেক কাটা হয়েছে আমি একটুও খাইনি। এটাই হচ্ছে কন্ট্রোল। 😊😊
শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসা নেওয়া যেমন সুন্নাহ, তেমনি মানসিক সংকটে জ্ঞান, আত্মজিজ্ঞাসা, কাউন্সেলিং এগুলোও বাস্তবসম্মত পথ। আর রুহের ভার, সেই গভীর একাকিত্ব যেটা মানুষের চোখে ধরা যায় না সেই অবস্থায় দোয়া করা ঠিক যেন ভিতরের ঘরটাকে পরিষ্কার করা।

যখন ভীষণ খারাপ লাগবে, বুকের ভেতর চাপা কষ্ট জমে উঠবে, আর কথা বলার মতো কাউকে পাশে পাবেন না তখন এই আমলটি করুন। এই দোয়াটাই পড়ুন।

শরীর অসুস্থ হলে আমরা যেমন ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ নিই, মানসিক চাপ বা ট্রমার সময় মানসিক শক্তি ফিরে পেতে সাইকোলজির সাহায্য নিই, রুহের ক্ষেত্রেও তেমনই একটা দরজা আছে। আর সেই দরজাটা খুলে দেয় আমল ও দোয়া। রুহ ক্লান্ত হলে তা পরিষ্কার হয় ইবাদত ও দোয়ার মাধ্যমে। তাই দিনে যতবার নিজেকে একা, অসহায় বা ভেতরটা ভারী মনে হবে ঠিক ততবার এই দোয়াটা পড়ুন।

وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজান।
ওয়া আউযু বিকা মিনা’ল আজজি ওয়াল কাসাল।
ওয়া আউযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখল।
ওয়া আউযু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।

বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষের অ'ত্যাচার থেকে।

#fridayvibes 🕋
2
Forwarded from Nirjhor Archive
আজকে ভূমিকম্পের পর অনেকেই নিজের ঘরের ভেতরে থাকা ব্যক্তিগত সিসিটিভি ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে ধুমাইয়া। খালি চোখে এটি স্বাভাবিক মনে হলেও নিরাপত্তা, প্রাইভেসি এবং সার্ভিল্যান্স বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে একটি বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। মানুষের ব্যক্তিগত সিসি ক্যামেরার ভিডিও যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পায়, তখন তা শুধু একটি ঘটনার প্রমাণ নয় বরং ব্যক্তিগত জীবনের লেআউট, নিরাপত্তার দুর্বলতা এবং পরিবারের রুটিন সবকিছুই উন্মুক্ত হয়ে যায়।

এ ধরনের ফুটেজ শেয়ারের ফলে নজরদারিকে স্বাভাবিক করে তোলার প্রবণতা বাড়ে। একে বলা হয় সার্ভিল্যান্স নরমালাইজেশন। মানুষ ধীরে ধীরে তার ব্যক্তিগত ক্যামেরার ভিডিওকে কনটেন্ট হিসাবে দেখতে শুরু করে। আগে যে দৃশ্যগুলো ঘরের ভেতর সীমাবদ্ধ ছিল, এখন সেগুলো প্রকাশ্য হয়ে সমাজে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার সীমারেখা দুর্বল করে দেয়। ভিডিওতে থাকা ঘরের দরজা, জানালা, সুইচ বক্স, লকার বা মূল্যবান জিনিসের অবস্থান অপরাধীদের কাছে একটি ভ্যালনারেবিলিটি ম্যাপিং বা দুর্বলতার নকশা তৈরি করে।

এই ফুটেজগুলোতে শুধুই দৃশ্য নয় বরং থাকে মেটাডেটা বা অতিরিক্ত তথ্য। যেমন ভিডিওর সময়, ক্যামেরার ব্র্যান্ড বা মডেল, কোন এঙ্গেল থেকে ধারণ করা হয়েছে এসব তথ্য সম্ভাব্য অপরাধী বা ডেটা কালেক্টরদের কাজে লাগানো যায়। ক্যামেরার মডেল দেখে বোঝা যায় সেটি কতটা সহজে হ্যাক করা সম্ভব, আর সময় দেখে বোঝা যায় পরিবারের সদস্যরা কখন ঘরে থাকে না। এই অনিচ্ছাকৃত মেটাডেটা লিকেজ ভবিষ্যতে টার্গেটেড ক্রাইম বা ডেটা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ায়।

ব্যক্তিগত ফুটেজ শেয়ার করলে পরিবারের প্রাইভেসি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা, শিশুদের অবস্থান, ঘুমের রুটিন, কোন রুমে কে থাকে সবই স্পষ্ট হয়ে যায়। এগুলো ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স বা অপরাধীচক্রের তথ্য সংগ্রহের জন্য সহজ উপাদান। এমনকি ঘরের ডিজাইন, পালানোর পথ বা গোপন কক্ষের ধারণাও ফুটেজ দেখে অনুমান করা যায়। এতে বাড়তি নজরদারি ছাড়াই মানুষ নিজেই নিজের ঘরকে ওপেন সোর্স ডেটায় পরিণত করে ফেলে।

এ ধরনের দৃশ্য বড় বিপর্যয়কালীন আচরণের প্রতিফলনও বটে। ভূমিকম্পের মতো আতঙ্কজনক পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের নিরাপত্তা প্রমাণ করতে, অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় অংশগ্রহণমূলক আচরণের অংশ হতে ফুটেজ পোস্ট করে। এটাকে বলা হয় পার্টিসিপেটরি সার্ভিল্যান্স। যেখানে মানুষ নিজেই নিজেকে নজরদারির আওতায় নিয়ে আসে। বিপর্যয়ের সময় এই প্রবণতা আরো বেড়ে যায় এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে সার্ভিল্যান্স সোসাইটি বা নজরদারি নির্ভর সমাজকে শক্তিশালী করে।

অন্য আরেকটি ঝুঁকি হলো এসব ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে স্ক্র্যাপিং বা ডেটা সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যালগোরিদম উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। ফেস রিকগনিশন সিস্টেমের প্রশিক্ষণে এই ফুটেজগুলো অত্যন্ত মূল্যবান। মানুষ না বুঝেই নিজের ও পরিবারের মুখ, আচরণগত প্যাটার্ন এবং ঘরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো কর্পোরেট সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের ডেটাবেজে ঢুকিয়ে দেয়।
💥 মানসিক চাপ: বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনা

🔘 মানসিক চাপ (Stress) মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়া যা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিস্থিতির কারণে উদ্ভূত হয়। এটি শরীরের "ফাইট-অর-ফ্লাইট" প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের সমস্যার মুখোমুখি হতে সাহায্য করে। তবে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

🔘 মানসিক চাপ কী?
মানসিক চাপ এমন একটি প্রতিক্রিয়া যা আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল (HPA) গ্রন্থিকে সক্রিয় করে। চাপের সময় শরীর থেকে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শক্তি ও সজাগতা বাড়ায়। স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, তবে যখন মানসিক চাপ দীর্ঘমেয়াদী হয়ে যায়, তখন তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বিভিন্ন ধরণের হতে পারে এবং প্রতিটি ধরণের চাপের প্রকৃতি ও প্রভাব আলাদা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা পরিস্থিতির কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়, এবং এই চাপের প্রকারভেদ জানা থাকলে তা মোকাবিলা করা সহজ হয়।

🔘 মানসিক চাপের প্রকারভেদ:

মানসিক চাপ  তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
১. ইউস্ট্রেস (Eustress): ইতিবাচক চাপ, যা মানুষকে মোটিভেট করে এবং উন্নতির দিকে ধাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, নতুন কাজ শুরু করার উত্তেজনা বা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি।

২. ডিস্ট্রেস (Distress): নেতিবাচক চাপ, যা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি হতাশা, উদ্বেগ এবং শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

৩. ক্রনিক স্ট্রেস (Chronic Stress): দীর্ঘমেয়াদী চাপ যা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটি কর্মজীবনের চাপে, পারিবারিক সমস্যা বা আর্থিক অসুবিধার কারণে হতে পারে।

🔘 এছাড়া মানসিক চাপ মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা যায়:

১. আকস্মিক বা তীব্র চাপ (Acute Stress):
আকস্মিক চাপ হলো স্বল্পমেয়াদী মানসিক চাপ, যা হঠাৎ কোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার কারণে সৃষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, পরীক্ষা নেওয়ার আগে বা নতুন কোনো কাজে যোগ দেওয়ার আগে এই ধরনের চাপ দেখা দেয়। এটি সাধারণত দ্রুত শেষ হয় এবং আমাদের ফাইট-অর-ফ্লাইট প্রতিক্রিয়াকে সক্রিয় করে। যদিও স্বল্পমেয়াদে এটি উপকারী হতে পারে, অতিরিক্ত তীব্র চাপ শারীরিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে যেমন মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যা বা ঘুমের ব্যাঘাত।

২. ক্রনিক চাপ (Chronic Stress):
ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদী চাপ হলো এমন মানসিক চাপ যা দীর্ঘ সময় ধরে চলে। আর্থিক সমস্যা, সম্পর্কের জটিলতা, বা দীর্ঘস্থায়ী কাজের চাপ ক্রনিক স্ট্রেসের উদাহরণ। এই চাপ দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে, যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, বা মানসিক সমস্যা যেমন বিষণ্নতা (Depression) এবং উদ্বেগ (Anxiety)।

৩. ট্রমাটিক বা ট্রমাজনিত চাপ (Traumatic Stress):
কোনো বড় দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আঘাতজনিত ঘটনা যেমন দুর্ঘটনা বা হিংসার শিকার হওয়ার কারণে এই ধরনের চাপ সৃষ্ট হয়। এটি খুবই মারাত্মক এবং প্রায়ই পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (PTSD)-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরনের চাপ মানসিক ও শারীরিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

🔘 মানসিক চাপের প্রভাব:

১. শারীরবৃত্তীয় প্রভাব: দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের কারণে হৃদযন্ত্র, হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. মনোবৈজ্ঞানিক প্রভাব:  মানসিক চাপ উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং মানসিক ক্লান্তি বৃদ্ধি করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ স্মৃতিশক্তি ও একাগ্রতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে (Cohen et al., 2007)।

৩. আচরণগত প্রভাব: মানসিক চাপের ফলে ব্যক্তি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যেমন অতিরিক্ত খাওয়া, ধূমপান বা অ্যালকোহল গ্রহণ করতে পারে, যা স্বাস্থ্যগত জটিলতা বাড়ায়।

🔘 মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা কৌশল:

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে, যা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম।

১. ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ চাপ কমাতে সহায়ক, কারণ এটি শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসরণ করে, যা প্রাকৃতিকভাবেই মেজাজ ভালো করে।

২. মাইন্ডফুলনেস ও ধ্যান(meditation): মাইন্ডফুলনেস অনুশীলন স্ট্রেস হরমোন কমাতে কার্যকর (Grossman et al., 2004) এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

৩. সামাজিক সংযোগ: পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক মানসিক সমর্থনের মাধ্যমে চাপ কমাতে সহায়ক হয় (Ozbay et al., 2007)।

৪. স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা: স্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাত্রা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
2
যখন আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাপ অনুভব করি এবং তা সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারি না, তখন এর ফলাফল হতে পারে:

১. বার্নআউট: দীর্ঘমেয়াদী চাপের ফলে আমরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, যা আমাদের কাজের মান এবং ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে।

২. দুর্বল ইমিউন সিস্টেম: দীর্ঘমেয়াদী চাপ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে সহজেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি।

৩. হৃদরোগের ঝুঁকি: চাপের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য গুরুতর শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। (McEwen, 2007)


মানসিক চাপ জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি যদি নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়, তবে মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

🔘 সূত্র
1. American Psychological Association. (2023). Stress effects on the body .Retrieved from [APA Website](https://www.apa.org)
2. Cohen, S., Janicki-Deverts, D., & Miller, G. E. (2007). Psychological stress and disease. JAMA, 298(14), 1685-1687.
3. Grossman, P., Niemann, L., Schmidt, S., & Walach, H. (2004). Mindfulness-based stress reduction and health benefits. Journal of Psychosomatic Research, 57(1), 35-43.
4. Ozbay, F., Johnson, D. C., Dimoulas, E., Morgan III, C. A., Charney, D., & Southwick, S. (2007). Social support and resilience to stress. Psychiatry (Edgmont), 4(5), 35.
5. McEwen, B. S. (2007). Physiology and neurobiology of stress and adaptation: Central role of the brain. Physiological reviews, 87(3), 873-904.

📍কন্টেন্ট :
রাফিসা তাসনিম
৩য় বর্ষ, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,
ও প্রাক্তন সহকারী কর্মকর্তা
আয়োজন বিভাগ,
বন্ধু।
1
"Without 1 everything else is 0."
6
ভূমিকম্পের পর দুটো সমস্যা এখন মানুষের মধ্যে দেখা দিচ্ছে।

১. ওভারথিংকিং।
২. ফোবিয়া।

এ দুটো চিন্তাই সমস্যাজনক। স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত করবে।

ভূমিকম্প আবার কবে হবে সে জ্ঞান শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার হাতেই আছে। ভূমিকম্পের ব্যপারে অত্যাধিক ভয়, অত্যাধিক আতঙ্ক তৈরি করছে কিছু মিডিয়া ও বিশ্লেষকগণ। যা ভালো একেবারেই অনুচিত।

অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ তোমরা সহজ কর, কঠিন করো না। সুসংবাদ দাও, বিতৃষ্ণা তৈরি করো না।” [ সহীহ মুসলিম ৪৬২৬ ]
.
ভূমিকম্প এর পূর্বপ্রস্তুতিতে প্রয়োজন সতর্কতা। সতর্কতাই যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে বাচার মৌলিক উপায়। বিপদ আসার চিন্তাতেই আপনি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, ভূমিকম্প কবে হবে সে খবর নেই, এদিকে আপনি ভূমিকম্প হবে এই চিন্তাতেই ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছেন।
.
ভূমিকম্প আসার আগে প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশের বিল্ডিং এর যেই স্ট্রাকচার প্রয়োজন ছিল, তা অধিকাংশ যায়গাতেই হয়নি এবং ভবিষ্যতে হবে কিনা সেটাও বলা যাচ্ছে না । এই শহরে বিল্ডিং গড়ে উঠেছে পরিকল্পনা ছাড়াই। তবে পরিস্থিতি যাই হোক! আপনি যত খারাপ সিচুয়েশনেই থাকেন না কেন! ইসলাম আপনাকে সর্বদা পজিটিভ থিংকিং এর শিক্ষা দেয়। আপনাকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করে আপনাকে সবর, তাওয়াক্কুল, ইস্তেগফার, দুয়া এসবের সাথে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার শিক্ষা দেয়।
.
আপনি কি জানেন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন যার মাধ্যমে আপনি নিরাপত্তা লাভ করবেন? তা হলো সকাল-সন্ধ্যার যিকরসমূহ।
হিসনুল মুসলিম, আল আযকার, সকাল-সন্ধ্যার যিকর ইত্যাদি নামে বিভিন্ন বই বাজারে পাওয়া যায় যেখানে সকাল-সন্ধ্যার আযকার এর ব্যপারে বিশদ বর্ণনা রয়েছে।
.
সর্বপরি ভূমিকম্প আল্লাহ কেন দিয়েছেন আমাদের সে কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়েছেন আমাদের গুনাহের কারণে। আমরা ব্যক্তিগত, জাতিগত, রাষ্ট্রীয় নানা গুনাহের লিপ্ত। গুনাহ থেকে বিরত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাটাই হলো ভূমিকম্প এর সবচেয়ে বড় পূর্ব প্রস্তুতি। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন দূর্বল করে। আমাদের ধ্বংসের পিছনে গুনাহই হলো মূল কারণ। তাই সকলপ্রকার গুনাহ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হবে।

#Prophetic_Healing
3😍1
২০২৬ আসতে আর মাত্র ১ মাস বাকি, এখনো নিজেকে আপগ্রেড করেননি?

এই ৬টা টুল দিয়ে সহজে নিজের স্কিল বাড়িয়ে ফেলুন 👇
1️⃣ বিদেশি ভাষা শিখুন: LingQ.com
2️⃣ ১০ আঙুলে টাইপ করতে শিখুন: Typing.com
3️⃣ এক্সেল মাস্টার করুন: ExcelJet.net
4️⃣ কোডিং শিখুন: Mimo.org
5️⃣ STEM (Science, Tech, Engineering, Math) জানুন: KhanAcademy.org
6️⃣ গ্রামার ঠিক করুন: Grammarly.com