দ্রুত বীর্যপাত থেকে বাঁচার জন্য ঘরোয়া টিপস ও এক্সারসাইজ
দ্রুত বীর্যপাত একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে এবং কিছু নিয়মিত এক্সারসাইজের মাধ্যমে আপনি এই সমস্যার মোকাবিলা করতে পারেন। এই পোস্টে আমরা আপনাকে দিচ্ছি কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টিপস এবং এক্সারসাইজের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, যা আপনাকে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।
❤️ ঘরোয়া টিপস:
🔹 আয়ুর্বেদিক হারবাল চা
আয়ুর্বেদে কিছু বিশেষ উপাদান রয়েছে, যেমন তুলসী, লবঙ্গ, মেথি, এগুলো যৌন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এগুলোর মধ্যে মেথি ও তুলসী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে সহায়ক এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
কীভাবে বানাবেন?
এক কাপ গরম পানিতে তুলসী, মেথি, ও লবঙ্গ মিশিয়ে চা তৈরি করুন।
এই চা প্রতিদিন রাতে নিয়মিত পান করুন।
এটি আপনার শরীরের শক্তি বাড়াতে এবং দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।
🔹 পেঁপে ও মধু
পেঁপে এবং মধুর মিশ্রণ আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়ক।
কীভাবে খাবেন?
এক পিস পেঁপে ভালোভাবে চটকে মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, যা যৌন শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
🔹 লবঙ্গ ও দুধ
লবঙ্গ যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকরী।
কীভাবে খাবেন?
এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে ২-৩টি লবঙ্গ দিন।
এটি প্রতিদিন সকালে বা রাতে পান করলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং বীর্যপাত কমে আসবে।
❤️ এক্সারসাইজ:
🔹 কেগেল এক্সারসাইজ
কেগেল এক্সারসাইজ একটি বিশেষ ব্যায়াম যা পেশী শক্তিশালী করে, যার ফলে যৌন কর্মকাণ্ডের সময় পেশী নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
কীভাবে করবেন?
1. প্রথমে প্যান্টের ভিতরে আপনার পেশী ( পেলভিক ফ্লোর মাসল) টেনে ধরুন, যেমন আপনি প্রস্রাব রোধ করার সময় করেন।
সঠিক মাসল চিহ্নিত করুন – প্রস্রাব করার সময় মাঝপথে বন্ধ করার চেষ্টা করুন। যেই মাসল টান অনুভব করবেন, সেটাই পেলভিক ফ্লোর মাসল। (প্রস্রাব বন্ধ করে পরীক্ষা করবেন না!)
2. এই অবস্থায় পেশী 5 সেকেন্ড ধরে টেনে ধরে রাখুন এবং তারপর ছাড়ুন।
3. এই ব্যায়ামটি 10-15 বার করুন এবং দিনে অন্তত 3 বার পুনরাবৃত্তি করুন।
এটি আপনার পেশী শক্তিশালী করবে এবং দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
🔹 পাইরামিড এক্সারসাইজ
এই এক্সারসাইজটি পেশী নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং দ্রুত বীর্যপাত রোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
1. শুয়ে পড়ুন বা দাঁড়িয়ে থাকুন।
2. শ্বাস নিতে নিতে, আপনার পেশী ধীরে ধীরে শক্ত করুন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর শ্বাস ছাড়ার সময় পেশী ধীরে ধীরে শিথিল করুন।
4. এটি প্রতিদিন 10-15 বার করুন এবং আপনি দীর্ঘমেয়াদী ফল দেখতে পারবেন।
🔹 ডিপ ব্রিদিং (গভীর শ্বাস প্রশ্বাস)
গভীর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে আপনার শরীরকে শান্ত রাখা এবং যৌন কার্যকলাপের সময় চাপ মুক্ত রাখা সম্ভব।
কীভাবে করবেন?
1. সোজা হয়ে বসুন এবং চোখ বন্ধ করুন।
2. একেবারে গভীর শ্বাস নিন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
4. এটি 5-10 মিনিট করুন এবং শিথিল হয়ে থাকুন।
🔹 স্পট জগিং ও সাইক্লিং
রোজকার স্পট জগিং বা সাইক্লিং করার ফলে শরীরের পেশী সুস্থ থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট স্পট জগিং বা সাইক্লিং করুন।
এটি শারীরিক ক্ষমতা বাড়াবে এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
❤️ অতিরিক্ত টিপস:
🔸 স্ট্রেস কমান: মানসিক চাপ শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিথিল হতে কিছু সময় কাটান এবং গভীর শ্বাস নিন।
🔸 সঠিক খাদ্যাভ্যাস: পুষ্টিকর খাবার, যেমন শাকসবজি, ফলমূল, বাদাম ও মাছে ভরপুর খাবার গ্রহণ করুন।
🔸 হাইড্রেশন: পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যাতে শরীর সব সময় সুস্থ থাকে।
🔴 সতর্কতা:
আমি ডা: মো: ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
কিছু প্রতারক আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারণা করছে। তাই, দয়া করে সতর্ক থাকুন ।
🔹 আমাদের সত্যিকারের মোবাইল নম্বর:
✅ 01972859950
✅ 01712859950
📞 সন্দেহ হলে ভিডিও কল করুন: 01712859950 (WhatsApp-এ)
📢 সবাইকে সতর্ক করুন এবং শেয়ার করুন! 🚀
#যৌনস্বাস্থ্য #বীর্যপাত #আয়ুর্বেদ #এক্সারসাইজ #স্বাস্থ্যকরজীবন #সুস্থথাকুন
দ্রুত বীর্যপাত একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে এবং কিছু নিয়মিত এক্সারসাইজের মাধ্যমে আপনি এই সমস্যার মোকাবিলা করতে পারেন। এই পোস্টে আমরা আপনাকে দিচ্ছি কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টিপস এবং এক্সারসাইজের বিস্তারিত ব্যাখ্যা, যা আপনাকে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।
❤️ ঘরোয়া টিপস:
🔹 আয়ুর্বেদিক হারবাল চা
আয়ুর্বেদে কিছু বিশেষ উপাদান রয়েছে, যেমন তুলসী, লবঙ্গ, মেথি, এগুলো যৌন শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এগুলোর মধ্যে মেথি ও তুলসী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে সহায়ক এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
কীভাবে বানাবেন?
এক কাপ গরম পানিতে তুলসী, মেথি, ও লবঙ্গ মিশিয়ে চা তৈরি করুন।
এই চা প্রতিদিন রাতে নিয়মিত পান করুন।
এটি আপনার শরীরের শক্তি বাড়াতে এবং দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।
🔹 পেঁপে ও মধু
পেঁপে এবং মধুর মিশ্রণ আপনার যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়ক।
কীভাবে খাবেন?
এক পিস পেঁপে ভালোভাবে চটকে মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, যা যৌন শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
🔹 লবঙ্গ ও দুধ
লবঙ্গ যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকরী।
কীভাবে খাবেন?
এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে ২-৩টি লবঙ্গ দিন।
এটি প্রতিদিন সকালে বা রাতে পান করলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি হবে এবং বীর্যপাত কমে আসবে।
❤️ এক্সারসাইজ:
🔹 কেগেল এক্সারসাইজ
কেগেল এক্সারসাইজ একটি বিশেষ ব্যায়াম যা পেশী শক্তিশালী করে, যার ফলে যৌন কর্মকাণ্ডের সময় পেশী নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।
কীভাবে করবেন?
1. প্রথমে প্যান্টের ভিতরে আপনার পেশী ( পেলভিক ফ্লোর মাসল) টেনে ধরুন, যেমন আপনি প্রস্রাব রোধ করার সময় করেন।
সঠিক মাসল চিহ্নিত করুন – প্রস্রাব করার সময় মাঝপথে বন্ধ করার চেষ্টা করুন। যেই মাসল টান অনুভব করবেন, সেটাই পেলভিক ফ্লোর মাসল। (প্রস্রাব বন্ধ করে পরীক্ষা করবেন না!)
2. এই অবস্থায় পেশী 5 সেকেন্ড ধরে টেনে ধরে রাখুন এবং তারপর ছাড়ুন।
3. এই ব্যায়ামটি 10-15 বার করুন এবং দিনে অন্তত 3 বার পুনরাবৃত্তি করুন।
এটি আপনার পেশী শক্তিশালী করবে এবং দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
🔹 পাইরামিড এক্সারসাইজ
এই এক্সারসাইজটি পেশী নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং দ্রুত বীর্যপাত রোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
1. শুয়ে পড়ুন বা দাঁড়িয়ে থাকুন।
2. শ্বাস নিতে নিতে, আপনার পেশী ধীরে ধীরে শক্ত করুন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর শ্বাস ছাড়ার সময় পেশী ধীরে ধীরে শিথিল করুন।
4. এটি প্রতিদিন 10-15 বার করুন এবং আপনি দীর্ঘমেয়াদী ফল দেখতে পারবেন।
🔹 ডিপ ব্রিদিং (গভীর শ্বাস প্রশ্বাস)
গভীর শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে আপনার শরীরকে শান্ত রাখা এবং যৌন কার্যকলাপের সময় চাপ মুক্ত রাখা সম্ভব।
কীভাবে করবেন?
1. সোজা হয়ে বসুন এবং চোখ বন্ধ করুন।
2. একেবারে গভীর শ্বাস নিন এবং 5 সেকেন্ড ধরে রাখুন।
3. তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
4. এটি 5-10 মিনিট করুন এবং শিথিল হয়ে থাকুন।
🔹 স্পট জগিং ও সাইক্লিং
রোজকার স্পট জগিং বা সাইক্লিং করার ফলে শরীরের পেশী সুস্থ থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা দ্রুত বীর্যপাত প্রতিরোধে সহায়ক।
কীভাবে করবেন?
প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট স্পট জগিং বা সাইক্লিং করুন।
এটি শারীরিক ক্ষমতা বাড়াবে এবং যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
❤️ অতিরিক্ত টিপস:
🔸 স্ট্রেস কমান: মানসিক চাপ শরীরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিথিল হতে কিছু সময় কাটান এবং গভীর শ্বাস নিন।
🔸 সঠিক খাদ্যাভ্যাস: পুষ্টিকর খাবার, যেমন শাকসবজি, ফলমূল, বাদাম ও মাছে ভরপুর খাবার গ্রহণ করুন।
🔸 হাইড্রেশন: পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যাতে শরীর সব সময় সুস্থ থাকে।
🔴 সতর্কতা:
আমি ডা: মো: ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
কিছু প্রতারক আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে মানুষকে প্রতারণা করছে। তাই, দয়া করে সতর্ক থাকুন ।
🔹 আমাদের সত্যিকারের মোবাইল নম্বর:
✅ 01972859950
✅ 01712859950
📞 সন্দেহ হলে ভিডিও কল করুন: 01712859950 (WhatsApp-এ)
📢 সবাইকে সতর্ক করুন এবং শেয়ার করুন! 🚀
#যৌনস্বাস্থ্য #বীর্যপাত #আয়ুর্বেদ #এক্সারসাইজ #স্বাস্থ্যকরজীবন #সুস্থথাকুন
আসসালামু আলাইকুম!
ইমারজেন্সি একটা সাহায্য প্রয়োজন। আমার এক রিলেটিভ ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি বাচ্চা হয়েছে এখন ইমার্জেন্সি AB- অথবা O- ব্লাড প্রয়োজন। বাচ্চাটার জন্ডিস হয়েছে এবং জন্ডিসের কারণে পুরো শরীর হলুদ হয়ে গেছে, এখন ডক্টর বলেছে ইমার্জেন্সি ব্লাড চেঞ্জ করতে হবে। যারা ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে রয়েছেন দয়া করে সারা দিন প্লীজ। আপনার ছোট একটি উপকারে বেঁচে যাবে একটি প্রাণ। আপনাদের সবার সহযোগিতা কামণা করছি 🙏🙏🙏🙏
যোগাযোগ - 01723624358
ইমারজেন্সি একটা সাহায্য প্রয়োজন। আমার এক রিলেটিভ ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি বাচ্চা হয়েছে এখন ইমার্জেন্সি AB- অথবা O- ব্লাড প্রয়োজন। বাচ্চাটার জন্ডিস হয়েছে এবং জন্ডিসের কারণে পুরো শরীর হলুদ হয়ে গেছে, এখন ডক্টর বলেছে ইমার্জেন্সি ব্লাড চেঞ্জ করতে হবে। যারা ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে রয়েছেন দয়া করে সারা দিন প্লীজ। আপনার ছোট একটি উপকারে বেঁচে যাবে একটি প্রাণ। আপনাদের সবার সহযোগিতা কামণা করছি 🙏🙏🙏🙏
যোগাযোগ - 01723624358
যে দোয়াটির উসিলায় আবুল হাসান আলী মিয়া নদভী এত বড়....
আমার ওস্তাদ এবং প্রথম শায়েখ হযরতুল আল্লাম সৈয়দ আবুল হাসান আলী মিয়া নদভী রহঃ কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, হযরত, আপনি এত সুউচ্চ মাকাম কিভাবে অর্জন করলে ? এর পেছনে কারো দোয়া বা কোন বিশেষ আমল কার্যকর ছিল কি ?
তখন তিনি বলেছিলেন , আমার আম্মা আমাকে ছোট্টবেলায় শিক্ষা দিয়েছিলেন যে আলী ,যখনই তুমি পড়তে বসবে পড়া শুরু করার আগেএই দোয়াটি অবশ্যই পড়ে নেবে। দোয়া টি হলো
দোয়া: اَللَّهُمَّ آتِنِى أَفْضَلَ مَا تُؤْتِيْ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ।
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা আতিনি আফদলা মা তু'তি 'ইবাদাকাস সোয়ালিহীন"।
অর্থাৎ, হে আল্লাহ আপনি আপনার নেক বান্দাদেরকে যে বিশেষ অনুগ্রহ দান করে থাকেন আমাকে তার সেরাটা দান করুন।
উল্লেখ্য, উক্ত দোয়াটি হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সমর্থিত জনৈক সাহাবি কৃত দোয়া। যা ইমাম ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে এবং ইমাম নাসায়ী আসসুনানুল কোবরা গ্রন্থে উল্লেখিত।
ক্রেডিট — হযরত Nurul Alam Nadwi Mazaheri দামাত বারাকাতুহুম
আমার ওস্তাদ এবং প্রথম শায়েখ হযরতুল আল্লাম সৈয়দ আবুল হাসান আলী মিয়া নদভী রহঃ কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, হযরত, আপনি এত সুউচ্চ মাকাম কিভাবে অর্জন করলে ? এর পেছনে কারো দোয়া বা কোন বিশেষ আমল কার্যকর ছিল কি ?
তখন তিনি বলেছিলেন , আমার আম্মা আমাকে ছোট্টবেলায় শিক্ষা দিয়েছিলেন যে আলী ,যখনই তুমি পড়তে বসবে পড়া শুরু করার আগেএই দোয়াটি অবশ্যই পড়ে নেবে। দোয়া টি হলো
দোয়া: اَللَّهُمَّ آتِنِى أَفْضَلَ مَا تُؤْتِيْ عِبَادَكَ الصَّالِحِيْنَ।
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা আতিনি আফদলা মা তু'তি 'ইবাদাকাস সোয়ালিহীন"।
অর্থাৎ, হে আল্লাহ আপনি আপনার নেক বান্দাদেরকে যে বিশেষ অনুগ্রহ দান করে থাকেন আমাকে তার সেরাটা দান করুন।
উল্লেখ্য, উক্ত দোয়াটি হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সমর্থিত জনৈক সাহাবি কৃত দোয়া। যা ইমাম ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে এবং ইমাম নাসায়ী আসসুনানুল কোবরা গ্রন্থে উল্লেখিত।
ক্রেডিট — হযরত Nurul Alam Nadwi Mazaheri দামাত বারাকাতুহুম
❤4
যাদের দিনের লম্বা সময় ধরে বসে থাকতে হয়, এই পোস্ট তাদের জন্য।
লম্বা সময় ধরে বসে থাকা আপাতদৃষ্টিতে খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হলেও বাস্তবিক অর্থে ব্যাপারটা মোটেই স্বাভাবিক না। বরঞ্চ, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা সরাসরি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যাওয়ার সাথে যুক্ত।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সটা কি??
এটা এমন একটা অবস্থা যখন আপনার শরীরে ইনসুলিন তার স্বাভাবিক একশন হারিয়ে ফেলে, ফলে রক্তে থাকা গ্লুকোজ লিভার ও মাসলে প্রবেশ করতে পারে না। এই পরিস্থিতি লম্বা সময় ধরে চলমান থাকলে তা ডায়বেটিস, হাইপারটেনশান থেকে শুরু করে অসংখ্য মেটাবলিক ডিজর্ডারের জন্ম দেয়।
বুঝতেই পারছেন, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা কোন স্বাস্থ্যকর ব্যাপার না তাহলে। ঐতিহাসিকভাবে পৃথিবীতে এমন কোন যুগ ছিল না যখন লম্বা সময় ধরে বসে থাকা মানুষেরা হেলদি ছিল।
এই বসে থাকা সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে খাবার পর আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বাড়িয়ে দিয়ে। এটা নিয়ে একটা মজার স্টাডি আছে।
দুটো ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপকে স্টাডির জন্য বেছে নেয়া হল। এক গ্রুপকে খাওয়ার আগের দুই ঘন্টা বসে থাকতে বলা হল, আরেক গ্রুপকে আগের দুই ঘন্টা বসে থাকা অবস্থায়ই মাঝে মাঝে বসা থেকে উঠে ২-৩ মিনিট হাটতে বলা হল।
গবেষনা শেষে দেখা গেল যারা দুই ঘন্টা পুরোপুরি বসে ছিলেন, তাদের খাবার দুই ঘন্টা পরের ব্লাড গ্লুকোজ অন্যদের তুলনায় ৪৫% বেশি বেড়েছে।
বুঝতেই পারছেন, যথেষ্ট নড়াচড়া না করে আমাদেরকে কত সহজে ডায়বেটিসের কাছে নিয়ে যায়!
এখন, যাদের রোজই লম্বা সময় বসে থাকা লাগে তাদের করনীয় কি??
গবেষনায় দেখা গেছে, খাবার দু ঘন্টা আগে থেকে ২০ মিনিট পরপর যদি কেউ ২ মিনিট করে হাটে, তাহলে এই যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ইফেক্ট পুরোপুরি স্বাভাবিকে ফিরে আসে।
কত সহজ না??
আরো আছে। খাবার পর যদি আপনি ১০ মিনিট্রর মত খুবই হালকা চালে হাটেন, এটা আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বেড়ে যাবার প্রবনতা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে আনে। একটা না, সাত সাতটা গবেষনায় এটা দেখা গেছে। এই হাটাটা আপনাকে হাটতে হবে খাওয়া শেষ করার ৩০ মিনিট থেকে ৯০ মিনিট পরে।
যাদের ডায়বেটিস, ফ্যাটি লিভার বা ওবিসিটি আছে, তারা কিন্তু চাইলেই এই টেকনিকগুলো ফলো করতে পারেন।
লম্বা সময় ধরে বসে থাকা আপাতদৃষ্টিতে খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার হলেও বাস্তবিক অর্থে ব্যাপারটা মোটেই স্বাভাবিক না। বরঞ্চ, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা সরাসরি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যাওয়ার সাথে যুক্ত।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সটা কি??
এটা এমন একটা অবস্থা যখন আপনার শরীরে ইনসুলিন তার স্বাভাবিক একশন হারিয়ে ফেলে, ফলে রক্তে থাকা গ্লুকোজ লিভার ও মাসলে প্রবেশ করতে পারে না। এই পরিস্থিতি লম্বা সময় ধরে চলমান থাকলে তা ডায়বেটিস, হাইপারটেনশান থেকে শুরু করে অসংখ্য মেটাবলিক ডিজর্ডারের জন্ম দেয়।
বুঝতেই পারছেন, লম্বা সময় ধরে বসে থাকা কোন স্বাস্থ্যকর ব্যাপার না তাহলে। ঐতিহাসিকভাবে পৃথিবীতে এমন কোন যুগ ছিল না যখন লম্বা সময় ধরে বসে থাকা মানুষেরা হেলদি ছিল।
এই বসে থাকা সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে খাবার পর আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বাড়িয়ে দিয়ে। এটা নিয়ে একটা মজার স্টাডি আছে।
দুটো ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপকে স্টাডির জন্য বেছে নেয়া হল। এক গ্রুপকে খাওয়ার আগের দুই ঘন্টা বসে থাকতে বলা হল, আরেক গ্রুপকে আগের দুই ঘন্টা বসে থাকা অবস্থায়ই মাঝে মাঝে বসা থেকে উঠে ২-৩ মিনিট হাটতে বলা হল।
গবেষনা শেষে দেখা গেল যারা দুই ঘন্টা পুরোপুরি বসে ছিলেন, তাদের খাবার দুই ঘন্টা পরের ব্লাড গ্লুকোজ অন্যদের তুলনায় ৪৫% বেশি বেড়েছে।
বুঝতেই পারছেন, যথেষ্ট নড়াচড়া না করে আমাদেরকে কত সহজে ডায়বেটিসের কাছে নিয়ে যায়!
এখন, যাদের রোজই লম্বা সময় বসে থাকা লাগে তাদের করনীয় কি??
গবেষনায় দেখা গেছে, খাবার দু ঘন্টা আগে থেকে ২০ মিনিট পরপর যদি কেউ ২ মিনিট করে হাটে, তাহলে এই যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ইফেক্ট পুরোপুরি স্বাভাবিকে ফিরে আসে।
কত সহজ না??
আরো আছে। খাবার পর যদি আপনি ১০ মিনিট্রর মত খুবই হালকা চালে হাটেন, এটা আপনার ব্লাড গ্লুকোজ বেড়ে যাবার প্রবনতা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে আনে। একটা না, সাত সাতটা গবেষনায় এটা দেখা গেছে। এই হাটাটা আপনাকে হাটতে হবে খাওয়া শেষ করার ৩০ মিনিট থেকে ৯০ মিনিট পরে।
যাদের ডায়বেটিস, ফ্যাটি লিভার বা ওবিসিটি আছে, তারা কিন্তু চাইলেই এই টেকনিকগুলো ফলো করতে পারেন।
❤1
যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না;
সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে;
তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।
🔥3
পেটের মেদ যতটা ভাবেন তার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক
এটি শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়। ভিসেরাল ফ্যাট বা গভীর স্তরের চর্বি হলো সেই মেদ যা আপনার অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর চারপাশে জমে। এই চর্বি ত্বকের নিচের সাধারণ মেদের মতো নিরীহ নয়—এটি শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর।
ভিসেরাল ফ্যাট শরীরে নানা ধরনের হরমোন ও প্রদাহজনিত রাসায়নিক নিঃসরণ করে, যা স্বাভাবিক শারীরিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, দেখুন:
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এবং ধমনীতে চর্বি জমার সম্ভাবনা বাড়ে।
টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: এটি ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয়।
শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে: যা নানা দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণ হতে পারে এবং দ্রুত বার্ধক্য ডেকে আনে।
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে: ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনে প্রভাব ফেলে, ফলে সহজেই ওজন বেড়ে যেতে পারে।
ভালো খবর হলো, ভিসেরাল ফ্যাট কমানো তুলনামূলক দ্রুত সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম (হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা HIIT) ভালো ঘুম, স্ট্রেস কমানো (কারণ কর্টিসল হরমোন ভিসেরাল ফ্যাট বাড়ায়) এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস খাওয়া এবং চিনি, সাদা ময়দা ও প্রসেসড খাবার কমানো -এসবই এ ধরনের মেদ কমাতে কার্যকর।
এটি শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়। ভিসেরাল ফ্যাট বা গভীর স্তরের চর্বি হলো সেই মেদ যা আপনার অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর চারপাশে জমে। এই চর্বি ত্বকের নিচের সাধারণ মেদের মতো নিরীহ নয়—এটি শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর।
ভিসেরাল ফ্যাট শরীরে নানা ধরনের হরমোন ও প্রদাহজনিত রাসায়নিক নিঃসরণ করে, যা স্বাভাবিক শারীরিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, দেখুন:
হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এবং ধমনীতে চর্বি জমার সম্ভাবনা বাড়ে।
টাইপ–২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: এটি ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয়।
শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে: যা নানা দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণ হতে পারে এবং দ্রুত বার্ধক্য ডেকে আনে।
হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে: ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনে প্রভাব ফেলে, ফলে সহজেই ওজন বেড়ে যেতে পারে।
ভালো খবর হলো, ভিসেরাল ফ্যাট কমানো তুলনামূলক দ্রুত সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম (হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা HIIT) ভালো ঘুম, স্ট্রেস কমানো (কারণ কর্টিসল হরমোন ভিসেরাল ফ্যাট বাড়ায়) এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস খাওয়া এবং চিনি, সাদা ময়দা ও প্রসেসড খাবার কমানো -এসবই এ ধরনের মেদ কমাতে কার্যকর।
❤1