জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আপনি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন মানেই আপনি level up করছেন।

দেখুন, জীবনে কেউ কঠিন সময় চায় না, কিন্তু সবাই কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয়। কেউ প্রিয়জন হারিয়ে, কেউ ব্যর্থতা পেয়ে, কেউবা নিজেরই সিদ্ধান্তের বোঝা টেনে এই সময়ের মধ্যে পড়ে যায়। তখন মনে হয় সবকিছু শেষ। কিন্তু এটা আসলে Psychological Recalibration Period. মানে, আপনার মস্তিষ্ক নতুন বাস্তবতার সাথে মানিয়ে নিতে সময় নিচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, Harvard Health অনুযায়ী। বড় ধরনের মানসিক ধাঁক্কা (যেমন সম্পর্ক ভাঙা, চাকরি হারানো, বা প্রিয়জনের মৃ'ত্যু) কাটিয়ে উঠতে গড়ে প্রায় ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে মস্তিষ্ক Grief to Growth প্রক্রিয়ায় যায় অর্থাৎ, শোক থেকে বিকাশের পথে। প্রথমে মন অবিশ্বাসে ভরে যায়, পরে রাগ, দুঃখ, শূন্যতা আসে। শেষপর্যন্ত আসে গ্রহণযোগ্যতা। এই পর্যায়ে মানুষ নিজের ভেতরকার শক্তি চিনে ফেলে।

কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে সাইকোলজিক্যালি কি হয় জানেন? যখন আপনি ভয়, কষ্ট, বা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন তখন আপনার মস্তিষ্কের Amygdala অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে। এটা আপনাকে সতর্ক রাখে, এই পর্যায়ে আপনি হয়ত দেখবেন সামান্য বিষয়েও মেজাজ খারাপ হয়, ঘুমে সমস্যা হয় এগুলো স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। কিন্তু দীর্ঘসময় এভাবে থাকলে মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।

কিন্তু ভালো দিক হলো এখানেই আসে Adaptation Phase যেটা সাধারণত ২১ দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হয়। এই সময়ের মধ্যে মস্তিষ্ক আস্তে আস্তে নতুন বাস্তবতায় নিজেকে মানিয়ে নেয়। অর্থাৎ, আজ যেটা "অসহ্য" লাগছে, একদিন সেটাই "সহজ" হয়ে যাবে। যদি আপনি থেমে না যান।

এছাড়াও আপনি খেয়াল করলে দেখবেন আমরা যখন নিজের সমস্যার কথা কাউকে বলি, যদি সে এর সমাধান দিতে না পারে তাহলে বলে ধৈর্য ধরো ঠিক হয়ে যাবে। বিষয়টা আসলেই তাই কিছু কিছু সমস্যা আছে যা সময় আপনা-আপনি সমাধান করে দেয়।

এর বাইরেও আপনি যে কাজ গুলো করতে পারেন:
১। Accept করুন, বাস্তবতা মেনে নিন।
সবচেয়ে প্রথম ধাপ হলো মেনে নেওয়া, হ্যাঁ, এখন সময়টা খারাপ। এর মানে এই নয় যে আপনি হেরে গেছেন; বরং আপনি নিজের বাস্তবতাকে চিনতে শিখছেন। Denial যত বাড়ে, কষ্ট তত লম্বা হয়। এমন অবস্থায় কোন কিছু করার না থাকলে নিজেকে জাস্ট টিকিয়ে রাখুন।

২। Routine ধরে রাখুন, ছন্দই মনকে টিকিয়ে রাখে। জীবন ভেঙে পড়লেও রুটিন যেন না ভাঙে। নিয়মিত ঘুম, সময়মতো খাওয়া, কাজ, প্রার্থনা নামাজ, এই পাঁচটা জিনিস মনের ভিতরে এক ধরনের শৃঙ্খলা তৈরি করে। মস্তিষ্ক Chaos সহ্য করতে পারে না; তাই রুটিনের স্থিরতা মানসিক ঝড়ের মাঝেও একটা নিরাপদ কাঠামো দেয়।

৩। Emotional Release দিন, নিজেকে অনুভব করতে দিন। দুঃখ চাপা দিলে সেটা ভিতরে জমে যায়। তাই প্রয়োজনে কাঁদুন, লিখুন, কারো সঙ্গে কথা বলুন, বা একা নীরবে বসুন। নামাজে মন দিন, আল্লাহর সামনে নিজের দুর্বলতাটা স্বীকার করুন এটাই মানসিক আরোগ্যের শুরু। মানুষ তখনই সুস্থ হতে শুরু করে, যখন সে নিজের ভেতরের যন্ত্রণা অনুভব করতে দেয়।

৪। Overthinking কমান, সময়কে নিজের গতিতে চলতে দিন। এটা কখন ঠিক হবে? এই প্রশ্নটাই আসলে কষ্টকে দীর্ঘ করে। প্রতিটি ক্ষত সেরে ওঠে, সেটা নির্দিষ্ট সময়ে। কিন্তু সময়কে জোর করে টেনে আনলে ব্যথা আরও বাড়ে। তাই ভাবুন কম, করুন বেশি। নিজের ওপর যতটা সম্ভব বিশ্বাস রাখুন এমন কিছুই স্থায়ী নয়, এমনকি কষ্টও না। ছোট থেকে বড় হয়েছেন পর্যন্ত এরকম বহু সমস্যা আপনার জীবনে এসেছে কিন্তু সেগুলোর একটাও এখন নেই।

৫। Learn From Pain, প্রতিটি দুঃখই একেকটা শিক্ষা, যে মানুষ কষ্ট থেকে শেখে, তার পরের জীবনটা আর আগের মতো থাকে না। দুঃখ একেকটা বইয়ের মতো পড়তে জানলে তবেই বোঝা যায় এর অর্থ। জীবন মাঝে মাঝে ভেঙে দেয়, শুধু নতুনভাবে গড়ার জন্য। তাই নিজেকে নতুন ভাবে গড়ে তুলুন।

ডিয়ার, খারাপ সময়কে একদম ভয় পাবেন না। এটাই আপনার জীবনের শেষ নয়, বরং একটা রূপান্তরের সময়। আপনি শুধু টিকে থাকুন; বাকিটা সময় নিজেই বদলে দেবে। ইনশাআল্লাহ

আপনি একা নন, আমরা একসাথে সারভাইভ করব, কারণ আমি আপনার সমবয়সী।

New Philosopher in Town:
Jahid Hasan Scientist 🧑‍🔬

hashtag no need it.
2
৩-স্টার বা ৫-স্টার হোটেলের মেইন শেফ (Executive Chef বা Head Chef) হতে হলে শুধু রান্নায় দক্ষতা নয় — শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও পেশাদার সার্টিফিকেট—সব মিলিয়ে যোগ্য হতে হয়।

🔹শিক্ষাগত যোগ্যতা

Diploma / Degree in Culinary Arts — এটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

উদাহরণ: Diploma in Culinary Arts, Bachelor in Hotel Management, Professional Chef Course

এসব কোর্সে শেখানো হয়: Food Production, Hygiene, Nutrition, Menu Planning, Cost Control ইত্যাদি।

🔹প্রফেশনাল ট্রেনিং ও সার্টিফিকেট

আন্তর্জাতিক হোটেলে কাজের জন্য এই সার্টিফিকেটগুলো অনেক মূল্যবান—

Food Safety & Hygiene Certificate (Level 2 বা Level 3)

HACCP Training (Hazard Analysis and Critical Control Point)

Culinary Management Course

First Aid & Fire Safety Training

📍এগুলো প্রমাণ করে আপনি খাবার, হাইজিন ও কিচেন ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে প্রফেশনালি দক্ষ।

🔹 অভিজ্ঞতা (Experience)

৩-স্টার হোটেল: সাধারণত ৫–৭ বছর অভিজ্ঞতা লাগে (Commis থেকে Sous Chef হয়ে Head Chef পর্যন্ত)।

৫-স্টার হোটেল: সাধারণত ৮–১২ বছর অভিজ্ঞতা লাগে, আন্তর্জাতিক কিচেনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার।

📍ক্যারিয়ার লেভেল সাধারণত এমন হয় —
Commis → Chef de Partie → Sous Chef → Head Chef → Executive Chef

🔹দক্ষতা (Skills)

Leadership & Team Management

Menu Designing এবং Food Cost Control

Multicuisine Cooking Knowledge (Continental, Asian, Arabic, Fusion etc.)

Creativity এবং Presentation Skills

Kitchen Discipline ও Hygiene Maintenance

🔹ভাষা ও আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড জ্ঞান

বিশেষ করে ৫-স্টার হোটেলে ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক।
🌗 দেহ ঘড়ি ( Circadian Rhythm) : ২৪ ঘন্টার জৈবিক চক্র।
🕰️ সময়ের এক ফোড় অসময়ের দশ ফোড়! সময় গেলে সাধন হবে না!!

আমাদের কখন কোন কাজ করনীয়!!

🕛 ০০.০০ গভীর রাত।
🕑 ০২:০০ am গভীর ঘুম
🕓 ০৪:৩০ am সর্বোনিন্ম দেহ তাপমাত্রা।
🕡 ০৬:৪৫ am দ্রুত রক্তচাপ বৃদ্ধি।
🕗 ০৭:৩০ am মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরন বন্ধ।
🕗 ০৮:৩০ am মলত্যাগের সম্ভবতা।
🕘 ০৯:০০ am টেস্টস্টোরেন হরমোন এর সর্বোচ্চ মাত্রা।
🕙 ১০:০০ am সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থা।
🕑 ১৪:৩০ pm সর্বোচ্চ সমন্বয়।
🕒 ১৫:৩০ pm দ্রুত প্রতিক্রিয়া।
🕠 ১৭:০০ pm সর্বোচ্চ হৃদ পেশী ও মাংসপেশির শক্তিস্তর।
🕡 ১৮:৩০ pm সর্বোচ্চ রক্তচাপ (BP⬆️)
🕖 ১৯:০০ pm সর্বোচ্চ দেহ তাপমাত্রা ( Temp ⬆️)
🕘 ২১:০০ pm মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরন শুরু।
🕚 ২২:৩০ pm মলবেগ প্রশমিত।
⏲️ ০৮:০০ am ~০২:৩০ pm [বুদ্ধিবিত্তিক- Intellectual ] সম্প্রদায়িক সংস্কৃতির প্রতি মনোযোগ।
০৪:৩০ am -০৮:০০ am [ আবেগীয়- Emotional ] ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর প্রতি মনোযোগ।
০১:০০ am-০৪:৩০ am [ শারীরিক- Physical ] নিজের প্রতি মনোযোগ। 🌑🌕☀️🌙🌟🌠🌤️🌥️
4
রূপার দোকানে ১০টি প্রশ্ন না করলেই কট - আপনি কয়টা করেন? :-/
.
.
১) ভাই, রূপার পিউরিটি কত? ৯২৫ না ৯০০ না ৮৫০?
= শুধু “খাঁটি” বললে বিশ্বাস করবেন না। সংখ্যা না বললে দোকান থেকে চম্পট দেন। একজন প্রকৃত ব্যবসায়ী নাম্বার বুঝে। টাকলা ব্যবসায়ীরা "খাটি" "চান্দি" বলেই খেল খতম করে দিবে।

২) রূপায় কোথায় স্ট্যাম্প/মার্ক আছে? আমাকে দেখান।
= খাঁটি রূপায় সাধারণত 925 / 900 / 999 লেখা থাকে।
স্ট্যাম্প না দেখালে সন্দেহ ধরেন, কথা ঘুরালে আপনিও ঘুরে যান।

৩) এই রূপা কোথা থেকে আসে? মানে সাপ্লাই।
= ভালো দোকান সরাসরি সোর্স বলে দিতে পারে (যেমনঃ চট্টগ্রাম গোল্ড ঘাট, নওয়াবপুর সিলভার মার্কেট, দুবাই সাপ্লাই ইত্যাদি)
নকল সেলার বলবে - আপনাকে মার্কেট সোর্স দিতে চাইবে না বা বলতে পারবে না।

৪) ওজন কি ডিজিটাল স্কেলে মাপেন নাকি দাড়িপাল্লায়?
= ডিজিটাল স্কেল ছাড়া রূপা মানে ফাঁকিবাজি।

৫) ভাই, যদি আমি ৬ মাস / ১ বছর পরে বিক্রি করতে আসি — কত % কম নিবেন? ক্যাশমেমোতে লিখে দেন।
= এই প্রশ্ন খাঁটি দোকানদারের সাথে ট্রাস্ট লক করে। বাটপারেরা বলবে লেখা দরকার নাই, এলেই নিবে। বহু ভুজুং ভাজুং দেয়।

৬) সিলভার কালার চেঞ্জ হলে কি আপনার সার্ভিস ফ্রি?
= খাঁটি সেলার বলবে " পলিশ, ক্লিনিং ফ্রি" অথবা একটা অর্থের বিনিময়ে করে দিবে।
নকল সেলার, "আস্থাভাজন উত্তর দিবে না"।

৭) চেইন/আংটির ভেতরের জোড়া/সোল্ডার কি রূপা নাকি মিক্স ধাতু?
= অনেকেই খাঁটি রূপা বলে, কিন্তু জোড়া টা তামা ব্যবহার করে।
এই প্রশ্ন শোনার পর দোকানদার চোখ এদিক সেদিক করলে বাকিটা বুঝে নেন।

৮) ভাই, একটু অ্যাসিড টেস্ট দেখাইতে পারেন?
= 15 সেকেন্ডের কাজ। এক্সকিউজ, এখন ব্যস্ত, আমাদের সার্টিফিকেট করা, টাইপ বক্তৃতা দিলে চলে আসুন।

৯) আমি ভিডিও করে রাখতে পারি তো? (ওজন + স্ট্যাম্প + রসিদ)
= আসল দোকানদার বলবে “করেন ভাই, সমস্যা নাই”
নকল সেলার বলবে ভিডিওর নিয়ম নাই, মালিক রাগ করে। মানে আপনাকে রেকর্ড রাখতে দিবে না।

১০) রসিদে লিখে দেন — ক্যারেট, ওজন, মূল্য, ফেরত নীতি।
= অল্প কিছু তথ্য লিখা থাকে। কিছু মুখে মুখে বলবে। একদম কাগজে লিখিত নিবেন।

এই প্রশ্নগুলির ঠিকঠাক জবাব পেলে সেই দোকান থেকে সিলভার বা রূপা ক্রয় করতে পারেন।

এটা শেয়ার করে দিবেন। সেভ করে রাখবেন। স্ক্রিনশট রেখে দিন যেন দরকারের সময় দ্রুত দেখা যায় কন্ডিশনগুলি।
4
চি‌কিৎসা বিষয়ক কিছু ভুল ধারণা

১) জ্বর হ‌লেই অ‌্যা‌ন্টিবা‌য়ো‌টিক খে‌তে হয়

স‌ঠিক তথ‌্য: না। আপনার জ্ব‌রের কারণ য‌দি কোন ব‌্যা‌ক্টে‌রিয়া হয় ত‌বেই মাত্র অ‌্যা‌ন্টিবা‌য়ো‌টিক লা‌গে। আর জ্বর শুধু ব‌্যা‌ক্টে‌রিয়া দি‌য়ে হয় না। বে‌শিরভাগ ক্ষে‌ত্রে ভাইরাস দি‌য়ে হয়। এছাড়া আ‌রো বি‌ভিন্ন রক‌মের জীবাণু দি‌য়ে এমন‌কি কোন জীবাণু ছাড়াও জ্বর হ‌তে পা‌রে।

২) ব্র‌ণে থুতু দি‌লে তা তারাতা‌রি সা‌রে

স‌ঠিক তথ‌্য: এরকম করা যা‌বে না।থুতুতে বি‌ভিন্ জীবাণু থা‌কে যা মু‌খের জন‌্য স্বাভা‌বিক হ‌লে আবার ত্ব‌কের জন‌্য মারাত্মক ইন‌ফেকশ‌নের কারণ হ‌তে পা‌রে

৩) ভ্র‌মরের কাম‌ড়ে পিয়াজ ডো‌লে দি‌তে হয়,পিয়াজ খে‌তে হয়।

স‌ঠিক তথ‌্য: এ‌টি স‌ঠিক নয়। বরং ভ্রম‌রের হুল‌টি তু‌লে ফেলুন। ভ্রমর হুল ফুটা‌লে কিছু চি‌কিৎসা কর‌তে হয় যা যে‌কোন হাসপাতা‌লের জরুরী বিভাগে গে‌লে পা‌বেন।

৪) বাড়ী‌র কুকুর বিড়াল আঁচর বা কামড় দি‌য়ে‌ছে,টি'কা নেয়ার দরকার নাই

স‌ঠিক তথ‌্য: অবশ‌্যই টি'কা নি‌বেন কারণ জলাতঙ্ক হ‌লে মরণ প্রায় ১০০% এর কাছাকা‌ছি

৫) ডেঙ্গু‌রো‌গে ড্রাগনফল,পে‌রে পাতার রস,পে‌পে খে‌লে প্লা‌টি‌লেট বাড়ে।

স‌ঠিক তথ‌্য: না,এরকম কোন ভাল প্রমাণ নাই

৬) ডেঙ্গু রোগে ডা‌বের পা‌নি খে‌তেই হ‌বে

স‌ঠিক তথ‌্য: না। বরং ডা‌বে পটা‌শিয়াম বে‌শি থ‌া‌কে। সেটা শরী‌রে অ‌তি‌রিক্ত হ‌লে আ‌রো খারাপ।ত‌বে ডেঙ্গর সা‌থে ডায়‌রিয়া,ব‌মি থাক‌লে খে‌তে পা‌রেন।

৭) ওজন কমাতে কি‌টো ডা‌য়েট নিরাপদ

স‌ঠিক তথ‌্য। না। ক‌িটো ডা‌য়েটওিজন কমারত খুব কার্যকরী হ‌লে ভ‌বিষ‌্যতে নানা জটিল রোগ হ‌তে পা‌রে।

৮)ম‌াথা ব‌্যথা হ‌লেই টল‌ফেনা‌মিক এ‌সিড ( যেমন টাফ‌নিল ) খে‌তে হয়

উত্তর: না। ত‌বে প‌্যারা‌সিটামল খে‌তে পা‌রেন।

Dr. Md Rafiqul Islam
Medicine Specialist
1
সন্তানকে যেভাবে জিনিয়াস বানিয়ে তুলবেন

১. সন্তানকে নিয়মিত দুধ পান করানোর রুটিন তৈরি করুন। যখন-তখন খাওয়াতে যাবেন না। রুটিন অনুযায়ী খাওয়ান। এতে সে সুস্থ থাকবে।

২. সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। এটা সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৩. অনেক বেশি সাজসজ্জা করাবেন না।

৪. আপনার ছোট্ট সন্তানকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। বাঘ, ভাল্লুক, পুলিশ ইত্যাদির ভয় তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেবেন না। অনেক নারীরা সন্তানকে শান্ত করার জন্য এগুলো করে; কিন্তু পরিণামে সন্তান অত্যন্ত ভীতু ও দুর্বল চিত্তের হয়ে যায়।

৫. তাকে রাতের প্রথম প্রহরেই ঘুমাতে দেবেন না।

৬. ঘুম থেকে দ্রুত ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৭. সন্তান ভালো কোনো কাজ করলে তাকে ধন্যবাদ দিন, বাহবা প্রদান করুন। কিছু পুরস্কার তুলে দিন। এতে সে উৎসাহ পাবে। তার মনোবল বৃদ্ধি হবে।

৮. তার দায়িত্বে পরিশ্রমের কিছু কাজ দিন। এতে তার মধ্যে অলসতা স্থান গেঁড়ে বসতে পারবে না। শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে। উদাহরণত, ছেলেদের হালকা ব্যায়াম করতে বলুন। এক মাইল, আধা মাইল দৌড়ানোর কাজ প্রদান করুন। মেয়েদেরকে চাক্কি অথবা চরকি ঘুরানোর দায়িত্ব দিন।

৯. তাদেরকে নিজেদের কাজ নিজেদের হাতে করার প্রতি অভ্যস্ত করে তুলুন। অন্যথায় তারা অলস হয়ে যাবে। তাদেরকে বলুন, যেন নিজেদের বিছানা নিজেরাই বিছায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে যেন বিছানা ভাঁজ করে রাখে। কাপড়চোপড় নিজ দায়িত্বে আলমারিতে রাখে। কোনো কাপড় ছিঁড়ে গেলে যেন নিজেরাই সেলাই করে। কাপড়চোপড় লন্ড্রি করতে দিলে যেন গণনা করে দেয়। কোন কালারের কাপড় কয়টা দেওয়া হলো, তা যেন লিখে রাখে।

১০. মেয়েদের বলবেন, যেন ঘরের রান্নাবান্না মনোযোগ দিয়ে দেখে এবং ধীরে ধীরে নিজেরাও তা শিখে ফেলে।

১১. হাঁটাচলার ক্ষেত্রে নির্দেশনা প্রদান করুন, যেন অনেক দ্রুত না হাঁটে। চোখ উপরে তুলে যেন না চলে।

১২. সন্তানকে মাঝেমধ্যে সামান্য কিছু টাকা-পয়সা দিন। তা দিয়ে যেন সে নিজের মন মতো কিছু কিনতে পারে। তবে অবশ্যই লক্ষ রাখবেন, যেন আপনার থেকে লুকিয়ে কোনো কিছু ক্রয় না করে।

১৩. ছেলে সন্তানকে সাদা কাপড়ের প্রতি উৎসাহিত করুন। সাদা কাপড়ের আগ্রহ তার মনে ঢুকিয়ে দিন। রঙিন ও উজ্জ্বল পোশাকের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে দিন। তাকে বলুন, 'এসব পোশাক পরিধান করে মেয়েরা। তুমি তো মাশাআল্লাহ পুরুষ! তুমি কেন ওগুলো পরতে যাবে?' সর্বদা তার সামনে এ ধরনের কথা বলুন।

১৪. আর মেয়ে সন্তানকে অনেক বেশি চাকচিক্যময় পোশাক পরিধান থেকে বিরত রাখুন। অধিক চাকচিক্য ও কৃত্রিম সাজসজ্জার অভ্যাস তাদের মধ্যে গড়ে উঠতে দেবেন না।

১৫. আপনার সন্তানকে তার মা-বাবা ও দাদার নাম মুখস্থ করিয়ে দিন। সময়ে সময়ে তা জিজ্ঞেস করুন, যেন স্মরণ থাকে। আল্লাহ না করুন, কোনো সময় হারিয়ে গেলে এর কল্যাণে তাকে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে।

১৬. আপনার সন্তানকে সবার নিকট আসা-যাওয়ার প্রতি অভ্যস্ত করে তুলুন। এমন যেন না হয় যে, একজনের কাছেই সব সময় থাকে। নাহয় ওই ব্যক্তি কখনো কোনো প্রয়োজনে বাইরে গেলে সন্তানের জন্য তার বিচ্ছেদ কঠিন হয়ে উঠবে। তার জন্য ধৈর্যধারণ করা কষ্টের হয়ে যাবে।

#থানভি_সিরিজ এর ‘দাম্পত্য জীবন' বই থেকে নেওয়া।


Ettihad Publication
আমি একটা বিষয়ে পরামর্শ চাই।
আমার ভাশুরের ছেলে বয়স ১২ বছর, আর আমার ননদের মেয়ে ১২ বছর ছয় মাস। তারা ছোটবেলা থেকেই একসাথে বড় হয়েছে। কিন্তু ইদানীং আমি কিছু অস্বাভাবিক বিষয় লক্ষ্য করছি, যদিও আমার আগে থেকেই তাদের নিয়ে একটু স''ন্দে''হ ছিল।

ওরা একসাথে ঘু''\মাতে চায়, একসাথে
শু/য়ে শু/য়ে রোমান্টিক রিলস সার্চ করে দেখে। বিষয়টা আরও পরিষ্কার হলো গতরাতে। গতকাল তারা দুজন আমার বাসায় এসেছিল আমার ল্যাপটপে ভূ\তের সিনেমা দেখে ঘুমাবে বলে। আমার দুই ছেলে — বয়স ৬ আর ৫ — তারাও বায়না ধরেছিল ওদের সাথে পাশের রুমে ঘুমাবে।

তাই আমি বলেছিলাম, আমার ছেলেদের মাঝখানে রেখে তোমরা দুজন দুই পাশে ঘুমাবে, আর সবাই মুভিটা দেখে ল্যাপটপ বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়বে। কিন্তু আমার ভাশুরের ছেলে বারবার চেষ্টা করছিল আমার ছেলেরা যেন অই রুমে না শো/য়।

ও তখন আমার ফোনটা চেয়েছিল গেম খেলার জন্য, তাই আমি রাত দুইটার দিকে ওদের ঘুম পাড়িয়ে ফোনটা দিয়ে আমার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু আজ সকালে যখন ওরা সবাই ঘুমাচ্ছিল আমি ফোনটা নিই, তখন দেখি ফোন খোলার সঙ্গে সঙ্গে ইউটিউব খোলা, আর সেখানে “romantic k!ss video” লিখে সার্চ দেওয়া ছিল। বিষয়টা দেখে আমার খুব খা/রাপ লাগে।

পরে গ্যালারিতে ঢুকে দেখি একটি ১৮/+ ভি''ডি''ও আছে। এরপর ক্রোমের হিস্টরি চেক করে আমি একেবারে অবাক — সেখানে ২০–৩০টা প**র্ণ ভিডিও সার্চ করা।

আমি যা দেখেছি, তা ওকে একটুও বুঝতে দিইনি। আধুনিক যুগের প্রভাবে এতটাই বিগড়ে যাবে ভাবতেও ক''ষ্ট হচ্ছে।

ও আর আমার ননদের মেয়ে, মানে তারা তো মামাতো-ফুপাতো ভাইবোন। আর আমাদের বাসাও একই বিল্ডিংয়ে, শুধু ওরা ৬ তলায় থাকে, ননদ ৫ তলায় আর আমরা ৮ তালায় । তাই তারা প্রায়ই সপ্তাহে ৩–৪ দিন একসাথে ঘু/মা''য়।

আমার কাছে বিষয়টা আগেই খা/রা''প লাগত। কিন্তু ওদের পরিবার এ ব্যাপারে খুব উদাসীন। আমি যদি কাউকে বলি, তারা হয়তো বিশ্বাস করবে না, অথবা ভাববে আমি ওদের বাচ্চাদের নামে ব''দ''নাম করছি।
এখন আমার কী করা উচিত?

>নাম প্রকাশ করবেন না।

~সংগৃহীত
😢2
যৌন সমস্যার প্রায় ৮০-৮৫% ক্ষেত্রেই তার কারণ মানসিক। যে ২০-১৫% ক্ষেত্রে যৌন সমস্যার শারিরীক কারণে হতে পারে তা হয় কোন যৌন হরমোনের ঘাটতি, কিংবা যৌনাঙ্গে প্রদাহ, টিউমার কিংবা কোন ভাসকুলার অথবা কোন স্নায়ুবিক দুর্বলতার জন্য।

এবার আমরা সংক্ষেপে কি কি যৌন সমস্যা রয়েছে তা জানতে চেষ্টা করবো।

যৌন-ক্রিয়ায় ত্রুটি (Sexual Dysfunctions)

১. যৌন স্পৃহা (Sexual Desire): এখানে মিলনের আগ্রহের কথা বলা হয়েছে। মিলন আকাঙ্খা, মিলন স্পৃহা একেক জনের একেক রকমের। এক্ষেত্রে মিলন স্পৃহা সাধারণত কমে যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষ তা বেড়েও যেতে পারে। মিলন স্পৃহা কমে যাওয়ার বা কম থাকার বিষয়টি সাধারণত মেয়েদের হয়। তাই স্বামীরা এই নিয়ে অভিযোগ করে থাকে।

২. মিলনে সুখ না পাওয়া (Lack of Enjoyment): এখানে যৌন স্পৃহা থাকে মিলনও হয় বটে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সুখ বা আনন্দ তেমন পায় না। এমনকি পার্টনার তার যৌনাঙ্গ স্পর্শ করুক, সেটাও সে এড়িয়ে যেতে চায়। কেননা তাতে আনন্দ পায়ই না বরং বিরক্তি লাগে।

৩. যৌন অক্ষমতা (Erectile Failure):
পুরুষের ক্ষেত্রে বলা হয় Impotenee অনেকেই যাকে ধ্বজভঙ্গ রোগ বলে জানেন। এক্ষেত্রে পুঃলিঙ্গ যথেষ্ট শক্ত হয় না, উত্তেজিত হয় না বা হলেও অতি স্বল্প সময়ের জন্য হয় যার ফলে যৌন মিলনে অগ্রসর হওয়ার পূর্বেই তা নেতিয়ে যায়।

মহিলাদের ক্ষত্রে যোনিপথ শুষ্ক থাকে, পিচ্ছিল হয় না, কোন রকমেই মিলনের জন্য যৌনাঙ্গ প্রস্তুত থাকে না।

৪. চরম আনন্দে ব্যাঘাত/ত্রুটি (Orgasmic Failure): পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যস্খলন দেরীতে হয় বা মোটেই হয় না (Ejaculction Failure)।

মহিলাদের ক্ষেত্রে চরম আনন্দের ব্যাপারটি মোটেই ঘটে না। কোন কোন মহিলার ক্ষেত্রে এটা সারা জীবনে একবারও না ঘটতে পারে।

৫. দ্রুত বীর্যস্খলন (Pre-mature Ejaculation): এটা পুরুষদের রোগ। মিলনের পর অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে কিংবা মিলনের পূর্বে বীর্যপাত হয়ে যায়। দু'জনেই অতৃপ্ত থাকে।

৬. যোনী-কপাট (Vaginismus): এটি মহিলাদের রোগ, মিলনের সময় যোনী পথ ছোট হয়ে যায় বা কপাট একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যার ফলে কোনভাবেই যৌনমিলন ঘটতে পারে না। উভয়েরই অনেক চেষ্টা সত্বেও, কষ্ট করা সত্বেও যোনীপথ এভাবে আটকে যায়।

৭. মিলনের সময় ব্যথা: এটাও প্রধানত মহিলাদের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। যোনী পথ ছোট বা বন্ধ হয় না, তবুও মিলনের সময় সঙ্গীনি ব্যথা পেতে পারেন। অনেক সময় পুরুষের ক্ষেত্রেও বীর্যপাতের সময় লিঙ্গে ব্যথা অনুভূত হয়।

বাংলাদেশি সিনড্রোম বা ধাঁত সিন্ড্রোম (Dhat Syndrome)

এটি এই উপমহাদেশের লোকদের জন্য একটি বিশেষ ধরনের যৌন রোগ। বহুদিনের হস্ত-মৈথুন বা স্বপ্নদোষের ফলে কিংবা উপযুক্ত পার্টনার না পাওয়ার ফলশ্রুতিতে যৌন-কামনা প্রশমিত না করে অবদমিতা করার ফলে, ব্যক্তির অবচেতন মনে বিশেষ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

নিজের যৌন ক্ষমতা, শক্তি এবং এর সম্বন্ধে সঠিক ও বিজ্ঞান ভিত্তিক ধারণার অভাবের ফলে এবং যৌন শক্তিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কারণে সমাজে ও সংস্কৃতিতে যৌনমিলন, যৌন ক্ষমতা প্রভৃতি সম্বন্ধে কিছু 'মিথ' বা ভুল দৃষ্টিভঙ্গি থাকার কারণে, কিছু কিছু লোকের মধ্যে এই সমস্যাটির উদ্ভব হয়ে থাকে।

পথে-ঘাটে ব্রীজের পাশে , বর্তমানে ফেসবুকে , ইউটিউবে অনবরত ক্যানভাসাররা যে ভাষায় ও ভঙ্গিতে যৌন ক্রিয়া, যৌন শক্তি সম্বন্ধে মনগড়া ভুল ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছে তার অনেকগুলো আমাদের সমাজের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিও ভুল বিশ্বাসের ফল।

যার ফলে এক সময় রোগী মনে করে তার লিঙ্গের আগামোটা, গোড়া চিকন হয়ে গেছে, লিঙ্গ চুপসে ছোট হয়ে গেছে। প্রসাবের রাস্তায় কিট কিট করে ব্যথা করে। প্রসাবের সঙ্গে ধাতু বের হয়ে যাচ্ছে, প্রতিদিন এভাবে ধাতু ক্ষয় হওয়ার ফলে তার শরীর-স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যাচ্ছে, যৌন ক্ষমতা কমে গেছে, স্মরণ শক্তি নেই, শরীর দুর্বল ইত্যাদি ইত্যাদি।

মহিলারাও অত্যাধিক সাদা স্রাব বা ধাতু যাচ্ছে। যোনীপথে ব্যথা, মিলন স্পৃহা কমে গেছে, প্রসাব ঘন ঘন হচ্ছে ও জ্বালাপোড়া করছে, ঘুম হচ্ছে না ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে হাজির হতে পারে। প্রচুর সংখ্যক লোক এই ধরনের সমস্যায় পড়ে বিভিন্ন আলতু ফালতু ঔষুধ, ক্যানভাসারদের ঔষধ, অনেক ভণ্ড চিকিৎসকের ঔষধ খেয়ে খেয়ে, নিতান্ত নিরুপায় ও হতাশ হয়ে অনেক পরে হয়ত আমাদের স্মরণাপন্ন হন।

চিকিৎসা

এতসব যৌন সমস্যার মধ্যে আমরা শুধু যৌনক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেসব ত্রুটি সেগুলোর কার্যকারণ ও প্রতিকার নিয়ে সংক্ষেপে দু'চারটি কথা বলবো।

চিকিৎসার শুরুতেই সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় করতে চেষ্টা করতে হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে শুধু রোগীকে নয় তার পার্টনারকেও ইন্টারভিউ করতে হবে। প্রথমে আলাদা আলাদা করে তাদের কাছ থেকে কথা শুনতে হবে। পরে এক সঙ্গে।

প্রথমে সমস্যার ধরণটি কি, কি প্রকৃতির তা জানতে হবে। পরে কিভাবে, কখন থেকে সমস্যা শুরু তা জানতে হবে এবং এ পর্যন্ত তা কিভাবে অগ্রসর হয়েছে তাও নোট করতে হবে। সাধারণভাবে যৌনতাড়না (Sexual drive) যতটুকু থাকার দরকার তা রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে হবে।
এর জন্য তারা নির্দিষ্ট সময়ে কত বার যৌন-মিলনে রত হন, হস্তমৈথুন করেন কিনা, যৌন চিন্তা, যৌন উত্তেজনা কি রকমের এ সব খুঁটিনাটি জেনে নিতে হবে। এর পর যৌন ক্রিয়ার বিভিন্ন কৌশল সম্বনেন্ধ তারা কতটুকু জানে এবং যৌন-ক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন উদ্বেগ বা দুঃশ্চিন্তা রয়েছে কিনা তাও জানতে হবে। যৌনতার ব্যাপারে পরিবারের দৃষ্টিভঙ্গি কি ধরনের, তারা কি ধরনের যৌন-শিক্ষা ইতিপূর্বে লাভ করেছেন, এবং এ ব্যাপারে তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা কি রকম প্রভৃতি জেনে নিয়ে যৌনতা সম্বন্ধে তাদের অজ্ঞতা বা কুসংস্কার কতটুকু রয়েছে তা বুঝতে চেষ্টা করতে হবে।

পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তাদের দু'জনের মধ্যে সাধারণ-সম্পর্ক ও সামাজিক সম্পর্ক কি রকম তা জানা। কোন পার্টনার অতিরিক্ত লাজুক বা নিস্পৃহ ধরনের কিনা। তাদের মধ্যে কোন মনোমালিন্য রয়েছে কিনা তা সতর্কতার সহিত জেনে নিতে হবে।

মনে রাখতে হবে দম্পতির মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক না থাকলে, তাদের মধ্যে সাধারণ সম্পর্ক প্রীতিপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ না হলে পূর্ণ যৌন আনন্দ বা সফল যৌন-ক্রিয়া সম্ভব নাও হতে পারে। অনেকের ধারণা যৌন-মিলনে তৃপ্ত না হলে দাম্পত্য কলহ ও মনোমালিন্য দেখা দেয়।

মূলতঃ ব্যাপারটি উল্টো,সাধারণভাবে ভালো সম্পর্ক না থাকলে, দু'জনের মধ্যে আবেগগত মিল না থাকলেই বরং যৌন অসফলতা বা অনাগ্রহ বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। যৌন মিলনে ঘাটতি নিয়েও সুখী দাম্পত্য জীবন করা যায়, কিন্তু অসুখী দাম্পত্য জীবন নিয়ে পূর্ণ, সফল যৌন মিলন সম্ভব নাও হতে পারে। আরো মনে রাখতে হবে, অনেক সময় যৌন-সমস্যা নিয়ে দম্পতি হাজির হলেও মূলতঃ তাদের আসল সমস্যা বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বন্দ্ব।

এর পরে, সুনির্দিষ্ট কোন মানসিক রোগ রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করতে হবে (যেমন বিষণ্ণতা রোগ)। এবং এটা উভয় পার্টনারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সবশেষে কোন শারিরীক রোগ রয়েছে কিনা, তারজন্য কি ধরনের ঔষধ খাচ্ছেন। কোন মানসিক রোগের ঔষধ খাচ্ছেন কিনা, মদ বা অন্য কোন ড্রাগে আসক্তি রয়েছে কিনা ইত্যাদি খুঁজে দেখতে হবে।

প্রয়োজনীয় শারিরীক পরীক্ষা ও ল্যাবরেটরী পরীক্ষা করে নিতে হবে (যেমন ডায়াবেটিস, রক্তে টেসটেসটেরেন , প্রোল্যাকটিন, থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন, গোনাডোট্রপনি হরমোনের মাত্রা দেখা ইত্যাদি)।

যদি দেখা যায় বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতির জন্য যৌন সমস্যাটির উদ্ভব, তাহলে দম্পতিকে 'মেরাইটাল থেরাপী' দিতে হবে। মূলত সেটাই হবে চিকিৎসা, সঙ্গে কিছু উপদেশ, সাজেশান ও শিক্ষা দান করা যেতে পারে।

যদি সুনির্দিষ্ট যৌন চিকিৎসার দরকার পড়ে, তাহলে মনে রাখতে হবে যে এটা উভয় পার্টনারকেই দিতে হবে। সাধারণত মাস্টারস এন্ড জনসন থেরাপী (Masters and Johnson) দেওয়া হয়ে থাকে। এই থেরাপীর মূল বৈশিষ্ট হলো:
(১) পার্টনার দুজনকে একত্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
(২) দম্পতিকে কিভাবে কথায় কাজের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে উন্নত ও কার্যকরীভাবে যোগাযোগ (communicate) করতে পারে সে ব্যাপারে সাহায্য করা। মূলত: এই Communication বা স্বচ্ছ ও সরাসরি যোগাযোগের অভাবই প্রধান কারণ। তাকে উন্নত ও কার্যকরী করতে হবে।
(৩) যৌনতা ও যৌন অঙ্গসমূহের সম্বন্ধে বিস্তারিত বিজ্ঞানভিত্তিক বিবরণ তাদেরকে দিতে হবে।

তাদেরকে ক্রমশ ধাপে ধাপে কতকগুলো যৌন-অনুশীলন দিতে হবে। (Sensate focus)। এ সব ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ এখানে নেই। অভিজ্ঞ, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাই তাই চিকিৎসা দিবেন।

এছাড়া দ্রুত বীর্যস্খলনের জন্য "Squezeteechnique" বা "Start-Stop" পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপীর প্রয়োজন হতে পারে। এর সাথে প্রয়োজন অনুসারে মেডিসিন দিতে হবে। এক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে এবং ধৈর্য ধরে চিকিৎসা না নিলে আরোগ্য ব্যাহত হয়।

ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে সাইকোথেরাপিউটিক কাউন্সিলিং এবং কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ফর ডিপ্রেশনের উপরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ।

আমেরিকার ওয়েস্টার্ন স্টেট ইউনিভার্সিটি , ক্যালিফোর্নিয়া তে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন অ্যাপ্লাইড সাইকোলজিতে অধ্যায়নরত ।

বড়দের যৌনশিক্ষা, বয়সন্ধিকালের যৌন শিক্ষা সহ আটটি বইয়ের লেখক ।

সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!

আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972-859950,
01712-859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।

যারা আমার সাথে ফোনে সরাসরি কথা বলতে চান, তারা
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত 01712859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলতে পারবেন।

#বিষন্নতা #ডিপ্রেশন #মনোরোগ #ডাক্তার #চিকিৎসা #মানসিক_সমস্যা #ফাইজুল #Depression #faijul #faijulhuq #কাউন্সিলিং #CBT #সিবিটি #সেক্স #যৌন