আপনার ফোনের ক্যামেরা দিয়েই এখন জুতা Try On করা যাবে!
দোকানে না গিয়েই আপনার বসার ঘরে বসে শত শত ব্র্যান্ডের জুতা পায়ে দিয়ে দেখতে পারবেন যে কোনটায় মানায় আপনার সাথে :)
ছবি দেখে দারুণ লাগলো, অর্ডারও করে দিলেন। কিন্তু বাসায় আসার পর দেখলেন, আপনার পায়ে জুতাটা ঠিক মানাচ্ছে না বা ছবির মতো লাগছে না। ফলাফল? রিটার্ন করার ঝামেলার মধ্যে যাওয়া।
এই সমস্যার এক জাদুকরী সমাধান নিয়ে এসেছে Google!
তারা তাদের সার্চ ইঞ্জিনে এমন এক AI ফিচার যুক্ত করেছে, যা দিয়ে আপনি কোনো জুতা কেনার আগেই নিজের পায়ে virtually try on করে দেখতে পারবেন।
[পোস্টটা সেইভ করে রাখুন। অনলাইন শপিংয়ের ভবিষ্যৎ এটাই!]
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই এই জাদুটা কীভাবে কাজ করবে:
Step 1: Google Search-এ যান
আপনার স্মার্টফোন থেকে Google Search অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলুন।
Step 2: আপনার পছন্দের জুতা খুঁজুন
সার্চ বারে আপনার পছন্দের কোনো ব্র্যান্ডের জুতার মডেল লিখে সার্চ করুন। যেমন: "Nike Air Max" বা "Adidas Ultraboost"।
Step 3: "Try On" বাটনটি খুঁজুন
সার্চ রেজাল্টে, যে জুতাগুলো এই ফিচার সাপোর্ট করে, সেগুলোর ছবির নিচে একটি "Try On" বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
Step 4: আপনার ক্যামেরা পায়ের দিকে ধরুন
এবার আপনার ফোনের ক্যামেরাটি খুলবে। আপনাকে শুধু ক্যামেরাটি আপনার পায়ের দিকে ধরতে হবে।
Step 5: এবার দেখবেন আসল ম্যাজিক!
মুহূর্তের মধ্যেই, Augmented Reality (AR) ব্যবহার করে AI আপনার পায়ে সেই জুতাটি পরিয়ে দেবে! আপনি পা নাড়াচাড়া করতে পারবেন, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন জুতাটি আপনার পায়ে ঠিক কেমন লাগছে। এটা কোনো সাধারণ ছবির মতো নয়, এটা আপনার পায়ের মুভমেন্টের সাথে সাথে রিয়েল-টাইমে পরিবর্তিত হবে!
এখন আর আপনাকে অনুমান করতে হবে না। আপনি কেনার আগেই নিশ্চিত হতে পারবেন, কোন জুতাটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমনই কোম্পানিগুলোর রিটার্নের সংখ্যাও কমে আসবে।
আপাতত এই ফিচারটি US-এ চালু হলেও, খুব শীঘ্রই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।
বিস্তারিত জানতে The Verge-এর এই রিপোর্টটি পড়ুন:
https://www.theverge.com/news/796308/google-ai-shopping-try-on-shoes
শেয়ার :)
#GoogleAI #AR #OnlineShopping #FutureOfRetail #Sneakerhead #TechNews #Bangladesh #TryOn
দোকানে না গিয়েই আপনার বসার ঘরে বসে শত শত ব্র্যান্ডের জুতা পায়ে দিয়ে দেখতে পারবেন যে কোনটায় মানায় আপনার সাথে :)
ছবি দেখে দারুণ লাগলো, অর্ডারও করে দিলেন। কিন্তু বাসায় আসার পর দেখলেন, আপনার পায়ে জুতাটা ঠিক মানাচ্ছে না বা ছবির মতো লাগছে না। ফলাফল? রিটার্ন করার ঝামেলার মধ্যে যাওয়া।
এই সমস্যার এক জাদুকরী সমাধান নিয়ে এসেছে Google!
তারা তাদের সার্চ ইঞ্জিনে এমন এক AI ফিচার যুক্ত করেছে, যা দিয়ে আপনি কোনো জুতা কেনার আগেই নিজের পায়ে virtually try on করে দেখতে পারবেন।
[পোস্টটা সেইভ করে রাখুন। অনলাইন শপিংয়ের ভবিষ্যৎ এটাই!]
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই এই জাদুটা কীভাবে কাজ করবে:
Step 1: Google Search-এ যান
আপনার স্মার্টফোন থেকে Google Search অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলুন।
Step 2: আপনার পছন্দের জুতা খুঁজুন
সার্চ বারে আপনার পছন্দের কোনো ব্র্যান্ডের জুতার মডেল লিখে সার্চ করুন। যেমন: "Nike Air Max" বা "Adidas Ultraboost"।
Step 3: "Try On" বাটনটি খুঁজুন
সার্চ রেজাল্টে, যে জুতাগুলো এই ফিচার সাপোর্ট করে, সেগুলোর ছবির নিচে একটি "Try On" বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
Step 4: আপনার ক্যামেরা পায়ের দিকে ধরুন
এবার আপনার ফোনের ক্যামেরাটি খুলবে। আপনাকে শুধু ক্যামেরাটি আপনার পায়ের দিকে ধরতে হবে।
Step 5: এবার দেখবেন আসল ম্যাজিক!
মুহূর্তের মধ্যেই, Augmented Reality (AR) ব্যবহার করে AI আপনার পায়ে সেই জুতাটি পরিয়ে দেবে! আপনি পা নাড়াচাড়া করতে পারবেন, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন জুতাটি আপনার পায়ে ঠিক কেমন লাগছে। এটা কোনো সাধারণ ছবির মতো নয়, এটা আপনার পায়ের মুভমেন্টের সাথে সাথে রিয়েল-টাইমে পরিবর্তিত হবে!
এখন আর আপনাকে অনুমান করতে হবে না। আপনি কেনার আগেই নিশ্চিত হতে পারবেন, কোন জুতাটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমনই কোম্পানিগুলোর রিটার্নের সংখ্যাও কমে আসবে।
আপাতত এই ফিচারটি US-এ চালু হলেও, খুব শীঘ্রই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।
বিস্তারিত জানতে The Verge-এর এই রিপোর্টটি পড়ুন:
https://www.theverge.com/news/796308/google-ai-shopping-try-on-shoes
শেয়ার :)
#GoogleAI #AR #OnlineShopping #FutureOfRetail #Sneakerhead #TechNews #Bangladesh #TryOn
The Verge
Google’s AI try-on imagines your feet in new shoes
Google’s AI will swap your shoes for you.
🔥2
মা-সি-কের সময় দিনে যদি ৬টির বেশি প্যা-ড লাগে, বা প্রতি ১–২ ঘন্টায় ভিজে যায়, সেটি অস্বাভাবিক । এরকম হলে আজই ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
#drmahmuda #womenshealth
#drmahmuda #womenshealth
👍2
প্রত্যন্ত অঞ্চলে জমি কেনার ব্যাখ্যা
.
.
যাদের কাছে জমি রয়েছে কিংবা ভালো পজিশনে কৃষি জমি কেনার কথা ভাবছেন তারা আমার পরামর্শ শুনলে ভালো মত বেঁচে থাকবেন । আগে চলুন সেই হাদিসটা আবারো জেনে নিই । হাদিসটা নিজের মত লিখছি -
রাসুল সা; বলেছেন, ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য মুমিন ব্যক্তি যেন তার মেষপাল নিয়ে লোকালয়ের বাইরে চলে যায় । তাহলেই সে ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে ।
এই হাদিসটার গভীরতা মারাত্মক । আমি কয়েকটা উদাহরণ দেই -
একটা যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুপক্ষ সর্বদা অর্থনীতি পঙ্গু হয় এমন স্থাপনা টার্গেট করে । বন্দর ধ্বংস করে দেয় । গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নষ্ট করে দেয় । বিদ্যুৎ, জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হলে একটা দেশের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয় । রাষ্ট্র থেমে যায় ।
ধরুন আপনার গ্রামে অনেক শিল্প কারখানা রয়েছে । বড় একটা ঘাট রয়েছে । বড় ব্রিজ রয়েছে । হাসপাতাল রয়েছে । অন্যদিকে আরেকটা গ্রামের তেমন উন্নয়নই হয় নি । ভালো একটা পাকা মসজিদও নাই । বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাঁটু সমান কাঁদা জমে ।
এখন শত্রু হিসাবে আপনি কোন গ্রামে হামলা করবেন ? শিল্প সমৃদ্ধ গ্রামে নাকি হাঁটু সমান কাঁদা জমে সেই গ্রামে মিলিয়ন ডলারের দামী বোমা ফেলে টাকা নষ্ট করবেন ? পেছনের ইতিহাস দেখলে ও কমনসেন্স থাকলে বুঝা যায় দামী দামী মিসাইল-বোমা কেউ এমন জায়গায় ফেলে না যেখানে ধ্বংস করার কিছু নাই । জীবনযাপন বাঁধাগ্রস্থ করার কিছু নাই ।
আপনি যদি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে এমন জায়গায় জমি কেনেন ও আশেপাশে শিল্প সমৃদ্ধ জায়গায় থাকেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন যুদ্ধের সময় আপনি আক্রান্ত হতে পারেন । বড় সম্ভাবনা থাকে । আমরা বিপদের সম্ভাবনাকে বড় করে ধরি । ছোট করে ধরলেই বোকামি হয় ।
আমাদের চারপাশ ভারত দ্বারাবেষ্টিত । আমাদের শত্রু তালিকায় বড় নাম ভারত । এরপর মায়ানমার । যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত আমাদের উপর কেবল বিমান হামলা করবে না । আমাদের শিল্প, অর্থনীতি, বন্দরসমুহ ধ্বংস করে আমাদের পঙ্গু করে দিতে চেষ্টা করবে । তারা জানে যে, আমাদের শাসন করা সম্ভব না । ভিন্ন ধর্মের জাতিকে শাসন করা যায় না বরং তাদের ধ্বংস করে দিতে হয় । নয়ত তারা সংগঠিত হয়ে পাল্টা আক্রমণ করতে সময় নেয় না ।
চ্যাটজিপিটি বলছে ভারতের কাছে অগ্নি ১-২-৩, সুরিয়া, পৃথিবী, ধানুস, সাগরিকা, কে-৪, ব্রাম্মস, নির্ভয়, প্রাহার, পিনাকা মাল্টি রকেট সিস্টেম, অস্ত্র, আকাশ - এই ১৫ ধরণের মিসাইল রয়েছে । হয়ত আরও বেশী হতে পারে । যার ভেতর গোটা বাংলাদেশ রেঞ্জে রয়েছে ১২ টি মিসাইল । এই ১২ টি মিসাইল যেখানে নিক্ষেপ করা হবে সেই ভূমিতে ১ মাস থেকে অনির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কৃষিকাজ করা যাবে না । সেখানে ফসল উৎপাদন হবে না । তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে যাবে । পানি নষ্ট হবে । একটা বোমা কেবল মানুষ হত্যা করে না, ভবন ধ্বংস করে না । মাটি, পানি, বাতাসে ছড়িয়ে সেখানকার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করে । আগে ১ মণ ফসল উৎপাদন হলে পরে সেটা অর্ধেকের কম হবে । সেই ফসলে বিষক্রিয়া হতে পারে । আমি এইসব বিষয়ে অভিজ্ঞ নই তাই বিস্তারিত বলা সম্ভব না । কিন্তু বেসিক হল আপনার জমির ক্ষতি হবে ও ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে ।
ধরুন, আপনার কৃষি জমি রয়েছে ভাল পজিশনে । এখন আশেপাশে যদি উল্লেখিত মিসাইল এসে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তাহলে আপনার জমির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে । কৃষি কাজ হবে না । তাহলে জমি দিয়ে লাভ কি ? সেজন্য হাদিসের সায়েন্টিফিক দিক বিশ্লেষণ করে আমাদের হাদিসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে ।
যদি গোটা দুনিয়ায় বড়সর যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত বাংলাদেশকে ছায়া দিবে না । সবাই সবার শত্রুকে শেষ করতে মাঠে নেমে যাবে । বর্তমান যুগের যুদ্ধে সাহসের কোন দাম নাই । যুদ্ধ হয় আকাশে । হাজার মাইল দূর থেকে টার্গেট লক করে শত্রুকে ঘায়েল করা হয় । তাই আপনাকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ও পালাতে হবে যদি বেঁচে থাকতে চান ।
এরকম বড় যুদ্ধ শুরু হলে খাবারের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে । একটু দেখুন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলেই আটার দাম বেড়ে গেছে, তেলের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে । জ্বালানী শক্তি ব্যাহত হচ্ছে । মাত্র একটা যুদ্ধের ফলে দুনিয়াজুড়ে এই অবস্থা । যখন বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হবে তখন যার যার পেট তাকে বাঁচাতে হবে । সেজন্য লাগবে কৃষিজমি । তাছাড়া সামনের কঠিন সময়গুলিতে প্রতিযোগিতামুলক বাজারে টিকে থাকতে আপনার কাছে যদি একটু জমি থাকে তাহলে কিছু বেসিক উতপাদনের মাধ্যমে খরচ কমানো যায় । চাল উৎপাদন, সবজি, মাছের যোগান, মাংসের যোগান যদি আপনি নিজেই ব্যবস্থা করতে পারেন তাহলে আপনার বাৎসরিক খরচ অনেক কমে যাবে । আপনি সঞ্চয় করতে পারবেন, বাজারে বিক্রি করে আরও আয় করতে পারবেন ।
সেজন্য জমি ক্রয় করতে হবে একটু দূরে । এতে আপনি যেকোনো হামলা থেকে নিরাপদ থাকবেন । আপনি জমি বর্গা দিয়ে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন । পরিচিত শত্রুরা জানতে পারবে না আপনি কোথায় জমি কিনেছেন । যেকোনো বড় সমস্যায় জমির আশেপাশে আশ্রয় নিতে পারবেন ।
.
.
যাদের কাছে জমি রয়েছে কিংবা ভালো পজিশনে কৃষি জমি কেনার কথা ভাবছেন তারা আমার পরামর্শ শুনলে ভালো মত বেঁচে থাকবেন । আগে চলুন সেই হাদিসটা আবারো জেনে নিই । হাদিসটা নিজের মত লিখছি -
রাসুল সা; বলেছেন, ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য মুমিন ব্যক্তি যেন তার মেষপাল নিয়ে লোকালয়ের বাইরে চলে যায় । তাহলেই সে ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে ।
এই হাদিসটার গভীরতা মারাত্মক । আমি কয়েকটা উদাহরণ দেই -
একটা যুদ্ধ শুরু হলে শত্রুপক্ষ সর্বদা অর্থনীতি পঙ্গু হয় এমন স্থাপনা টার্গেট করে । বন্দর ধ্বংস করে দেয় । গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নষ্ট করে দেয় । বিদ্যুৎ, জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হলে একটা দেশের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয় । রাষ্ট্র থেমে যায় ।
ধরুন আপনার গ্রামে অনেক শিল্প কারখানা রয়েছে । বড় একটা ঘাট রয়েছে । বড় ব্রিজ রয়েছে । হাসপাতাল রয়েছে । অন্যদিকে আরেকটা গ্রামের তেমন উন্নয়নই হয় নি । ভালো একটা পাকা মসজিদও নাই । বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাঁটু সমান কাঁদা জমে ।
এখন শত্রু হিসাবে আপনি কোন গ্রামে হামলা করবেন ? শিল্প সমৃদ্ধ গ্রামে নাকি হাঁটু সমান কাঁদা জমে সেই গ্রামে মিলিয়ন ডলারের দামী বোমা ফেলে টাকা নষ্ট করবেন ? পেছনের ইতিহাস দেখলে ও কমনসেন্স থাকলে বুঝা যায় দামী দামী মিসাইল-বোমা কেউ এমন জায়গায় ফেলে না যেখানে ধ্বংস করার কিছু নাই । জীবনযাপন বাঁধাগ্রস্থ করার কিছু নাই ।
আপনি যদি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে এমন জায়গায় জমি কেনেন ও আশেপাশে শিল্প সমৃদ্ধ জায়গায় থাকেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন যুদ্ধের সময় আপনি আক্রান্ত হতে পারেন । বড় সম্ভাবনা থাকে । আমরা বিপদের সম্ভাবনাকে বড় করে ধরি । ছোট করে ধরলেই বোকামি হয় ।
আমাদের চারপাশ ভারত দ্বারাবেষ্টিত । আমাদের শত্রু তালিকায় বড় নাম ভারত । এরপর মায়ানমার । যদি যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত আমাদের উপর কেবল বিমান হামলা করবে না । আমাদের শিল্প, অর্থনীতি, বন্দরসমুহ ধ্বংস করে আমাদের পঙ্গু করে দিতে চেষ্টা করবে । তারা জানে যে, আমাদের শাসন করা সম্ভব না । ভিন্ন ধর্মের জাতিকে শাসন করা যায় না বরং তাদের ধ্বংস করে দিতে হয় । নয়ত তারা সংগঠিত হয়ে পাল্টা আক্রমণ করতে সময় নেয় না ।
চ্যাটজিপিটি বলছে ভারতের কাছে অগ্নি ১-২-৩, সুরিয়া, পৃথিবী, ধানুস, সাগরিকা, কে-৪, ব্রাম্মস, নির্ভয়, প্রাহার, পিনাকা মাল্টি রকেট সিস্টেম, অস্ত্র, আকাশ - এই ১৫ ধরণের মিসাইল রয়েছে । হয়ত আরও বেশী হতে পারে । যার ভেতর গোটা বাংলাদেশ রেঞ্জে রয়েছে ১২ টি মিসাইল । এই ১২ টি মিসাইল যেখানে নিক্ষেপ করা হবে সেই ভূমিতে ১ মাস থেকে অনির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কৃষিকাজ করা যাবে না । সেখানে ফসল উৎপাদন হবে না । তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে যাবে । পানি নষ্ট হবে । একটা বোমা কেবল মানুষ হত্যা করে না, ভবন ধ্বংস করে না । মাটি, পানি, বাতাসে ছড়িয়ে সেখানকার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করে । আগে ১ মণ ফসল উৎপাদন হলে পরে সেটা অর্ধেকের কম হবে । সেই ফসলে বিষক্রিয়া হতে পারে । আমি এইসব বিষয়ে অভিজ্ঞ নই তাই বিস্তারিত বলা সম্ভব না । কিন্তু বেসিক হল আপনার জমির ক্ষতি হবে ও ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে ।
ধরুন, আপনার কৃষি জমি রয়েছে ভাল পজিশনে । এখন আশেপাশে যদি উল্লেখিত মিসাইল এসে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তাহলে আপনার জমির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে । কৃষি কাজ হবে না । তাহলে জমি দিয়ে লাভ কি ? সেজন্য হাদিসের সায়েন্টিফিক দিক বিশ্লেষণ করে আমাদের হাদিসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে ।
যদি গোটা দুনিয়ায় বড়সর যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে ভারত বাংলাদেশকে ছায়া দিবে না । সবাই সবার শত্রুকে শেষ করতে মাঠে নেমে যাবে । বর্তমান যুগের যুদ্ধে সাহসের কোন দাম নাই । যুদ্ধ হয় আকাশে । হাজার মাইল দূর থেকে টার্গেট লক করে শত্রুকে ঘায়েল করা হয় । তাই আপনাকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে ও পালাতে হবে যদি বেঁচে থাকতে চান ।
এরকম বড় যুদ্ধ শুরু হলে খাবারের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে । একটু দেখুন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলেই আটার দাম বেড়ে গেছে, তেলের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে । জ্বালানী শক্তি ব্যাহত হচ্ছে । মাত্র একটা যুদ্ধের ফলে দুনিয়াজুড়ে এই অবস্থা । যখন বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ শুরু হবে তখন যার যার পেট তাকে বাঁচাতে হবে । সেজন্য লাগবে কৃষিজমি । তাছাড়া সামনের কঠিন সময়গুলিতে প্রতিযোগিতামুলক বাজারে টিকে থাকতে আপনার কাছে যদি একটু জমি থাকে তাহলে কিছু বেসিক উতপাদনের মাধ্যমে খরচ কমানো যায় । চাল উৎপাদন, সবজি, মাছের যোগান, মাংসের যোগান যদি আপনি নিজেই ব্যবস্থা করতে পারেন তাহলে আপনার বাৎসরিক খরচ অনেক কমে যাবে । আপনি সঞ্চয় করতে পারবেন, বাজারে বিক্রি করে আরও আয় করতে পারবেন ।
সেজন্য জমি ক্রয় করতে হবে একটু দূরে । এতে আপনি যেকোনো হামলা থেকে নিরাপদ থাকবেন । আপনি জমি বর্গা দিয়ে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন । পরিচিত শত্রুরা জানতে পারবে না আপনি কোথায় জমি কিনেছেন । যেকোনো বড় সমস্যায় জমির আশেপাশে আশ্রয় নিতে পারবেন ।
❤2
আমি সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই আমার বড় মা *নানুর মা* এর কাছ থেকে সস্তায় কৃষিজমি কিনে নিয়েছি ৫ বিঘা । এটা একদম পদ্মার কাছাকাছি । সেসব জায়গা গত ২০-৩০ বছর চাষাবাদ হয় । পানি শুকিয়ে নদী সরে গেছে কিলো খানেক দূরে । একদম প্রত্যন্ত এলাকা । আশেপাশের সেরা বাড়িগুলির চারপাশে ইট ও উপরে টিন দেয়া । আমি সব বিচার করে তারপর কিনেছি । কারণ আমার অল্প টাকা । সেটা যেন সঠিক বিনিয়োগ হয় সেভাবে চেষ্টা করি ।
আপনি যখন শত্রুর গ্রিপে থাকবেন, তখন তার ভেতর থেকেই বাঁচার জন্য কৌশল নিতে হবে যেন শত্রু আপনাকে ধ্বংস করতে না পারে । আপনার জমি যদি দূরে গ্রামে হয় সেই গ্রামে দেখবেন স্থলপথে হামলা করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিবে । মানুষ হত্যা করবে কিন্তু মিলিয়ন ডলারের একটা বোমা ফেলে টাকা কেউ নষ্ট করবে না । তাই আপনি বেঁচে থাকবেন কৌশলগত দিক থেকে । আপনি এমন দিন না পান, আপনার সন্তান পাবে নিশ্চিত থাকতে পারেন । কারণ গ্লোবাল কন্ডিশন ভাল না । আমেরিকা তার রাজত্ব সহজেই ছেড়ে দিবে না । আমেরিকার এই অবস্থাতেও তারা যেকোনো দেশকে ধ্বংস করে ফেলার ক্ষমতা রাখে । একদম মুছে ফেলতে পারে যদি অলআউট যুদ্ধ বেঁধে যায় । কিন্তু এই দিন বেশী টিন স্থায়ী হবে না । তাই তারা বড় যুদ্ধের পায়তারা করছে । সেটা নিকট সময়ের যেকোনো সময় শুরু হবে ।
সোনা দিন দিন দাম বেড়ে এটা কেবল বিগ ট্রেডের বাহন হয়ে উঠবে এবং রুপা হবে কমন ট্রেড কারেন্সি । আগের দিনে যা হয়েছে তেমন দিন ফিরে আসছে ধীরে ধীরে । তাই আপনার কাছে রুপা থাকা লাগবে যদি টিকে থাকতে চান, সোনা থাকতে হবে যদি বড় মুসিবত থেকে পরিবার থেকে বাঁচাতে চান ও স্থায়ী ভূমি থাকতে হবে যেখানে আপনি সরে গিয়ে বাঁচতে পারেন ।
আপনি যখন শত্রুর গ্রিপে থাকবেন, তখন তার ভেতর থেকেই বাঁচার জন্য কৌশল নিতে হবে যেন শত্রু আপনাকে ধ্বংস করতে না পারে । আপনার জমি যদি দূরে গ্রামে হয় সেই গ্রামে দেখবেন স্থলপথে হামলা করে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিবে । মানুষ হত্যা করবে কিন্তু মিলিয়ন ডলারের একটা বোমা ফেলে টাকা কেউ নষ্ট করবে না । তাই আপনি বেঁচে থাকবেন কৌশলগত দিক থেকে । আপনি এমন দিন না পান, আপনার সন্তান পাবে নিশ্চিত থাকতে পারেন । কারণ গ্লোবাল কন্ডিশন ভাল না । আমেরিকা তার রাজত্ব সহজেই ছেড়ে দিবে না । আমেরিকার এই অবস্থাতেও তারা যেকোনো দেশকে ধ্বংস করে ফেলার ক্ষমতা রাখে । একদম মুছে ফেলতে পারে যদি অলআউট যুদ্ধ বেঁধে যায় । কিন্তু এই দিন বেশী টিন স্থায়ী হবে না । তাই তারা বড় যুদ্ধের পায়তারা করছে । সেটা নিকট সময়ের যেকোনো সময় শুরু হবে ।
সোনা দিন দিন দাম বেড়ে এটা কেবল বিগ ট্রেডের বাহন হয়ে উঠবে এবং রুপা হবে কমন ট্রেড কারেন্সি । আগের দিনে যা হয়েছে তেমন দিন ফিরে আসছে ধীরে ধীরে । তাই আপনার কাছে রুপা থাকা লাগবে যদি টিকে থাকতে চান, সোনা থাকতে হবে যদি বড় মুসিবত থেকে পরিবার থেকে বাঁচাতে চান ও স্থায়ী ভূমি থাকতে হবে যেখানে আপনি সরে গিয়ে বাঁচতে পারেন ।
নিজের স্নায়ু ও মানসিক শান্তি ঠিক রাখো।
তোমাকে প্রতিটি মেসেজের উত্তর দিতে হবে না।
প্রতিটি কল রিসিভ করতে হবে না।
সব আলোচনায় অংশগ্রহণ করারও প্রয়োজন নেই।
সবাইকে কাছে রাখতে হবে না।
যেকোনো পরিস্থিতিতেই প্রতিক্রিয়া জানানোরও দরকার নেই।
তুমি চাইলে 'না' বলতে পারো এবং সেটা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বলতে পারো।
কারণ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবাইকে খুশি করা নয়, নিজেকে ভালো রাখা।
পৃথিবীতে এমন কিছুই নেই যা তোমার মানসিক শান্তির চেয়ে বেশি মূল্যবান।
আজকাল আমরা প্রতিদিন অন্যকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে নিজের ভেতরের শান্তিটাই হারিয়ে ফেলছি।
সত্যি বলতে যখন মন শান্ত থাকে, জীবন তখনই সুন্দর হয়।
তাই প্রতিজ্ঞা করা যাক —
সবকিছুর আগে আমি আমার মানসিক শান্তির খেয়াল রাখব।
সবাইকে নয়, আগে নিজের ভেতরের মানুষটাকেই ভালো রাখব।
---------------
Azizul Haque
তোমাকে প্রতিটি মেসেজের উত্তর দিতে হবে না।
প্রতিটি কল রিসিভ করতে হবে না।
সব আলোচনায় অংশগ্রহণ করারও প্রয়োজন নেই।
সবাইকে কাছে রাখতে হবে না।
যেকোনো পরিস্থিতিতেই প্রতিক্রিয়া জানানোরও দরকার নেই।
তুমি চাইলে 'না' বলতে পারো এবং সেটা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বলতে পারো।
কারণ জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবাইকে খুশি করা নয়, নিজেকে ভালো রাখা।
পৃথিবীতে এমন কিছুই নেই যা তোমার মানসিক শান্তির চেয়ে বেশি মূল্যবান।
আজকাল আমরা প্রতিদিন অন্যকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে নিজের ভেতরের শান্তিটাই হারিয়ে ফেলছি।
সত্যি বলতে যখন মন শান্ত থাকে, জীবন তখনই সুন্দর হয়।
তাই প্রতিজ্ঞা করা যাক —
সবকিছুর আগে আমি আমার মানসিক শান্তির খেয়াল রাখব।
সবাইকে নয়, আগে নিজের ভেতরের মানুষটাকেই ভালো রাখব।
---------------
Azizul Haque
❤6
আর কয়েকদিন পর, ইন্টারনেটে আপনার-আমার গোপন বলতে কিছুই থাকবেনা!! 🙁
জ্বি এটাই সত্যি!!
এমনটাই বলছে Telegram এর প্রতিষ্ঠাতা Pavel Durov!!
তার ৪১ তম জন্মদিনে মুক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে আশংকা প্রকাশ করে এক স্টাটাস দেয় যেখানে সে বলে " ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তভাবে ইন্টারনেট চালানোর সুযোগ হারাবে। কারন, সবকিছু এখন নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে যাচ্ছে।
UK তে “Digital ID” চালু করছে, যা অনলাইনে নাগরিকদের পরিচয় ট্র্যাক করবে।
Australia তে “Online age check” সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করবে।
EU তে “Mass scanning of private messages” আইন চালু হচ্ছে, যা চ্যাটও পড়ে দেখতে পারবে।
Germany তে ইন্টারনেট অফিসিয়ালদের সমালোচনা করলে মামলা হয়।
France: টেকনোলজি নেতাদের (যারা স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে) ক্রিমিনাল তদন্তে টেনে নিচ্ছে। "
এতে খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে, আমি-আপনি বা আমাদের সবার তথ্য-ই এখন আর ব্যক্তিগত থাকার সম্ভাবনা নেই, ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়া মানেই নিজের গোপনীয় বলতে কিছুই থাকবেনা, অদূর ভবিষ্যতে!!
আর এর অপব্যবহার হলে কি হতে পারেন ভাবেন তো??
জ্বি এটাই সত্যি!!
এমনটাই বলছে Telegram এর প্রতিষ্ঠাতা Pavel Durov!!
তার ৪১ তম জন্মদিনে মুক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে আশংকা প্রকাশ করে এক স্টাটাস দেয় যেখানে সে বলে " ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তভাবে ইন্টারনেট চালানোর সুযোগ হারাবে। কারন, সবকিছু এখন নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে যাচ্ছে।
UK তে “Digital ID” চালু করছে, যা অনলাইনে নাগরিকদের পরিচয় ট্র্যাক করবে।
Australia তে “Online age check” সিস্টেম, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করবে।
EU তে “Mass scanning of private messages” আইন চালু হচ্ছে, যা চ্যাটও পড়ে দেখতে পারবে।
Germany তে ইন্টারনেট অফিসিয়ালদের সমালোচনা করলে মামলা হয়।
France: টেকনোলজি নেতাদের (যারা স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলে) ক্রিমিনাল তদন্তে টেনে নিচ্ছে। "
এতে খুব সহজেই বুঝা যাচ্ছে, আমি-আপনি বা আমাদের সবার তথ্য-ই এখন আর ব্যক্তিগত থাকার সম্ভাবনা নেই, ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়া মানেই নিজের গোপনীয় বলতে কিছুই থাকবেনা, অদূর ভবিষ্যতে!!
আর এর অপব্যবহার হলে কি হতে পারেন ভাবেন তো??
👍2😢2
অতিরিক্ত পছন্দ, ডিজিটাল আসক্তি এবং একাকীত্ব নীরবে আমাদের ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। Gelong Thubten জানাচ্ছেন, কেন আধুনিক জীবন আমাদের অসুখী করে তুলছে এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী।
থুবটেন মনে করেন, আমরা এক নীরব মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের মধ্যে বাস করছি। আমাদের আধুনিক জীবনযাত্রা, বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতি, আমাদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা এবং বিচ্ছিন্নতা বাড়িয়ে তুলছে। প্রযুক্তির কারণে আমরা সবার সাথে যুক্ত থেকেও আগের চেয়ে অনেক বেশি একাকী।
জীবনের উদ্দেশ্য কি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো? থুবটেন বলেন, না। জীবনের আসল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান মুহূর্তে বেঁচে থাকা এবং নিজের ভেতরের সত্তার সাথে যুক্ত হওয়া। উদ্দেশ্য কোনো ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নয়, এটি বর্তমান মুহূর্তে আপনার সচেতন উপস্থিতির মধ্যেই রয়েছে। আমরা প্রায়শই ভাবি, "এটা অর্জন করলেই আমি সুখী হব," কিন্তু সেই অর্জন আমাদের সাময়িক আনন্দ দিলেও, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি দেয় না।
আমরা বস্তুগত সমৃদ্ধি এবং বাহ্যিক সাফল্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে নিজেদের ভেতরের সত্তার সাথে সংযোগ হারিয়ে ফেলেছি। আমরা ক্রমাগত নিজেদেরকে অন্যের সাথে তুলনা করি এবং আরও বেশি পাওয়ার এক অন্তহীন দৌড়ে আটকে গেছি।
থুবটেন একসময় একজন অভিনেতা ছিলেন এবং নিউ ইয়র্কে থাকতেন। কিন্তু খ্যাতি এবং সাফল্যের মাঝেও তিনি তীব্র উদ্বেগ এবং প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হতেন। তার হার্টের একটি জন্মগত সমস্যা ছিল, যা চাপের মধ্যে আরও বেড়ে যেত। এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি খুঁজতেই তিনি বৌদ্ধধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং অবশেষে একজন সন্ন্যাসী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আমাদের মনের ভেতরের সেই সমালোচক কণ্ঠ, যা আমাদের বলে, তুমি যথেষ্ট নও, তা আসে আমাদের শৈশবের অভিজ্ঞতা এবং সমাজের চাপ থেকে। থুবটেন বলেন, "আমার মনে হতো আমার মধ্যে কিছু একটা ভুল আছে, আমি broken." এই self-hate থেকেই তিনি মুক্তি খুঁজছিলেন।
থুবটেন বলেন, যৌনতা থেকে বিরত থাকা বা ব্রহ্মচর্য তাকে তার শক্তিকে অন্যদিকে চালিত করতে সাহায্য করেছে। তিনি মনে করেন, যৌন আকাঙ্ক্ষা একটি শক্তিশালী শক্তি, যা আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত করে। ব্রহ্মচর্যের মাধ্যমে তিনি সেই শক্তিকে নিজের আধ্যাত্মিক বিকাশের কাজে লাগাতে পেরেছেন।
বৌদ্ধধর্ম কোনো ঈশ্বর-কেন্দ্রিক ধর্ম নয়, এটি মনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি পদ্ধতি। এর মূল লক্ষ্য হলো নিজের মনকে বোঝা, আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি অর্জন করা।
মেডিটেশন মানে মনকে খালি করা বা চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া নয়। এটি হলো চিন্তাগুলোকে বিচার না করে, শুধু পর্যবেক্ষণ করা। মেডিটেশন হলো চিন্তার সাথে আপনার সম্পর্ক পরিবর্তন করা। যখন আপনি আপনার চিন্তাকে দূর থেকে দেখতে শিখবেন, তখন আপনি আর সেই চিন্তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন না।
বৌদ্ধধর্ম বলে, আমাদের যন্ত্রণা আমাদের নিজেদের মনেরই সৃষ্টি। এর মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তার জন্য আপনি দায়ী। বরং এর অর্থ হলো, সেই ঘটনার প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া পরিবর্তন করার ক্ষমতা আপনার হাতেই আছে। আপনি আপনার অতীতকে বদলাতে পারবেন না, কিন্তু আপনি আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকে বদলাতে পারেন।
আমরা যত বেশি আমাদের যন্ত্রণা বা কষ্টকে উপেক্ষা করার চেষ্টা করি, তা তত বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো, সেটির মুখোমুখি হওয়া এবং সেটিকে গ্রহণ করা।
থুবটেন একটি অনুশীলনের কথা বলেন: loving-kindness meditation. প্রথমে নিজের জন্য শুভকামনা করুন (May I be well, may I be happy). তারপর আপনার প্রিয়জন, বন্ধু, এমনকি শত্রুদের জন্যও একই শুভকামনা করুন। এই অনুশীলনটি ধীরে ধীরে আপনার মধ্যে আত্ম-প্রেম এবং করুণা জাগিয়ে তুলবে।
থুবটেন বলেন, ক্ষমা করা মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তা ঠিক ছিল। ক্ষমা করা মানে হলো, সেই ঘটনার সাথে যুক্ত রাগ এবং ঘৃণা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। ক্ষমা আপনি অন্যের জন্য করেন না, নিজের মানসিক শান্তির জন্য করেন।
মিডিয়া এবং সমাজ আমাদের মধ্যে ক্রমাগত ভয় ঢুকিয়ে দেয় - অসুস্থতার ভয়, ব্যর্থতার ভয়, ভবিষ্যতের ভয়। এই ভয় আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়।
মেডিটেশন আমাদের আবেগ এবং সেই আবেগের উপর কাজ করার মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি করতে শেখায়। এই ব্যবধানটিই আমাদের চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয় এবং আমাদের ক্ষতিকর আচরণ থেকে বিরত রাখে।
মনের উপর কাজ করা কি কখনও শেষ হয়? এটি একটি আজীবনের অনুশীলন। থুবটেন বলেন, "এমন কোনো দিন আসবে না যখন আপনার মন পুরোপুরি নিখুঁত হয়ে যাবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।"
#thediaryofaceo #TheTripod
থুবটেন মনে করেন, আমরা এক নীরব মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের মধ্যে বাস করছি। আমাদের আধুনিক জীবনযাত্রা, বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতি, আমাদের মধ্যে উদ্বেগ, হতাশা এবং বিচ্ছিন্নতা বাড়িয়ে তুলছে। প্রযুক্তির কারণে আমরা সবার সাথে যুক্ত থেকেও আগের চেয়ে অনেক বেশি একাকী।
জীবনের উদ্দেশ্য কি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো? থুবটেন বলেন, না। জীবনের আসল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান মুহূর্তে বেঁচে থাকা এবং নিজের ভেতরের সত্তার সাথে যুক্ত হওয়া। উদ্দেশ্য কোনো ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নয়, এটি বর্তমান মুহূর্তে আপনার সচেতন উপস্থিতির মধ্যেই রয়েছে। আমরা প্রায়শই ভাবি, "এটা অর্জন করলেই আমি সুখী হব," কিন্তু সেই অর্জন আমাদের সাময়িক আনন্দ দিলেও, দীর্ঘমেয়াদী শান্তি দেয় না।
আমরা বস্তুগত সমৃদ্ধি এবং বাহ্যিক সাফল্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে নিজেদের ভেতরের সত্তার সাথে সংযোগ হারিয়ে ফেলেছি। আমরা ক্রমাগত নিজেদেরকে অন্যের সাথে তুলনা করি এবং আরও বেশি পাওয়ার এক অন্তহীন দৌড়ে আটকে গেছি।
থুবটেন একসময় একজন অভিনেতা ছিলেন এবং নিউ ইয়র্কে থাকতেন। কিন্তু খ্যাতি এবং সাফল্যের মাঝেও তিনি তীব্র উদ্বেগ এবং প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হতেন। তার হার্টের একটি জন্মগত সমস্যা ছিল, যা চাপের মধ্যে আরও বেড়ে যেত। এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি খুঁজতেই তিনি বৌদ্ধধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং অবশেষে একজন সন্ন্যাসী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আমাদের মনের ভেতরের সেই সমালোচক কণ্ঠ, যা আমাদের বলে, তুমি যথেষ্ট নও, তা আসে আমাদের শৈশবের অভিজ্ঞতা এবং সমাজের চাপ থেকে। থুবটেন বলেন, "আমার মনে হতো আমার মধ্যে কিছু একটা ভুল আছে, আমি broken." এই self-hate থেকেই তিনি মুক্তি খুঁজছিলেন।
থুবটেন বলেন, যৌনতা থেকে বিরত থাকা বা ব্রহ্মচর্য তাকে তার শক্তিকে অন্যদিকে চালিত করতে সাহায্য করেছে। তিনি মনে করেন, যৌন আকাঙ্ক্ষা একটি শক্তিশালী শক্তি, যা আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত করে। ব্রহ্মচর্যের মাধ্যমে তিনি সেই শক্তিকে নিজের আধ্যাত্মিক বিকাশের কাজে লাগাতে পেরেছেন।
বৌদ্ধধর্ম কোনো ঈশ্বর-কেন্দ্রিক ধর্ম নয়, এটি মনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি পদ্ধতি। এর মূল লক্ষ্য হলো নিজের মনকে বোঝা, আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি অর্জন করা।
মেডিটেশন মানে মনকে খালি করা বা চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া নয়। এটি হলো চিন্তাগুলোকে বিচার না করে, শুধু পর্যবেক্ষণ করা। মেডিটেশন হলো চিন্তার সাথে আপনার সম্পর্ক পরিবর্তন করা। যখন আপনি আপনার চিন্তাকে দূর থেকে দেখতে শিখবেন, তখন আপনি আর সেই চিন্তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন না।
বৌদ্ধধর্ম বলে, আমাদের যন্ত্রণা আমাদের নিজেদের মনেরই সৃষ্টি। এর মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তার জন্য আপনি দায়ী। বরং এর অর্থ হলো, সেই ঘটনার প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া পরিবর্তন করার ক্ষমতা আপনার হাতেই আছে। আপনি আপনার অতীতকে বদলাতে পারবেন না, কিন্তু আপনি আপনার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎকে বদলাতে পারেন।
আমরা যত বেশি আমাদের যন্ত্রণা বা কষ্টকে উপেক্ষা করার চেষ্টা করি, তা তত বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো, সেটির মুখোমুখি হওয়া এবং সেটিকে গ্রহণ করা।
থুবটেন একটি অনুশীলনের কথা বলেন: loving-kindness meditation. প্রথমে নিজের জন্য শুভকামনা করুন (May I be well, may I be happy). তারপর আপনার প্রিয়জন, বন্ধু, এমনকি শত্রুদের জন্যও একই শুভকামনা করুন। এই অনুশীলনটি ধীরে ধীরে আপনার মধ্যে আত্ম-প্রেম এবং করুণা জাগিয়ে তুলবে।
থুবটেন বলেন, ক্ষমা করা মানে এই নয় যে, যা ঘটেছে তা ঠিক ছিল। ক্ষমা করা মানে হলো, সেই ঘটনার সাথে যুক্ত রাগ এবং ঘৃণা থেকে নিজেকে মুক্ত করা। ক্ষমা আপনি অন্যের জন্য করেন না, নিজের মানসিক শান্তির জন্য করেন।
মিডিয়া এবং সমাজ আমাদের মধ্যে ক্রমাগত ভয় ঢুকিয়ে দেয় - অসুস্থতার ভয়, ব্যর্থতার ভয়, ভবিষ্যতের ভয়। এই ভয় আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়।
মেডিটেশন আমাদের আবেগ এবং সেই আবেগের উপর কাজ করার মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি করতে শেখায়। এই ব্যবধানটিই আমাদের চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেয় এবং আমাদের ক্ষতিকর আচরণ থেকে বিরত রাখে।
মনের উপর কাজ করা কি কখনও শেষ হয়? এটি একটি আজীবনের অনুশীলন। থুবটেন বলেন, "এমন কোনো দিন আসবে না যখন আপনার মন পুরোপুরি নিখুঁত হয়ে যাবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।"
#thediaryofaceo #TheTripod
❤2👍1
ভিডিওটা ২.৫ বছর আগে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ইমার্জেন্সি ডাক্তার হিসেবে যখন কর্মরত ছিলাম তখনকার।
রোগীর ৮ দিন ধরে হেচকির সমস্যা ছিল।সমস্যা সমাধান না হওয়ায় সদর হাসপাতালে চলে আসে।
আসার পর রোগীকে একটা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে আসতে বললাম।
তারপর ১০মিনিট পলিথিন ব্যাগ দিয়ে দিয়ে চেষ্টা করলাম।আলহামদুলিল্লাহ একদম কমে গেছে।
হেচকির জন্য এটা একটা সহজ ঘরোয়া সমাধান। হাসপাতালে আসার আগে নিজে কিছুটা চেষ্টা করে নিবেন। আশা করি কাজে দিবে।
#DrSifat
রোগীর ৮ দিন ধরে হেচকির সমস্যা ছিল।সমস্যা সমাধান না হওয়ায় সদর হাসপাতালে চলে আসে।
আসার পর রোগীকে একটা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে আসতে বললাম।
তারপর ১০মিনিট পলিথিন ব্যাগ দিয়ে দিয়ে চেষ্টা করলাম।আলহামদুলিল্লাহ একদম কমে গেছে।
হেচকির জন্য এটা একটা সহজ ঘরোয়া সমাধান। হাসপাতালে আসার আগে নিজে কিছুটা চেষ্টা করে নিবেন। আশা করি কাজে দিবে।
#DrSifat
১. বাঙালি ওয়াইন খেয়ে মাতাল হতে চায়! অথচ এই স্বর্গীয় পানীয়টি তৈরী হয়েছে এক গ্লাস/কয়েক ঢোক খাবারের সাথে ( খাবারের একটু আগে এক ঢোক দিয়ে শুরু করতে হবে ) পানের জন্যে! ক্ষুধা এবং রুচিকে উস্কে দেয়ার জন্যে এই পানীয়! ফরাসিরা প্রতিদিন দুইবেলা নিয়ম হিসেবেই ওয়াইন পান করেন। তবে মনে রাখবেন—রেড ওয়াইন গোজ উইথ মিট। হোয়াইট ওয়াইন গোজ উইথ ফিস! আর জানেন তো—শ্যাম্পেন হচ্ছে হোয়াইট ওয়াইনের একটি উন্নত রূপ।
২. বাঙালি ভদকা খায় (পান নয়) গরমে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে শীত থেকে বাঁচতে! রাশিয়ায় এই পানীয় শ্রমিকদের দেয়া হয় প্রচন্ড শীত থেকে জীবন বাঁচাতে। জেনে রাখুন—শ্রেষ্ঠ ভদকার নাম- Stolichnaya! গরমে ভদকা কিন্তু নারকীয়। সাবধান!
৩. বাঙালি জিন খায় (পান নয়) শীতে! আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে গরম থেকে বাঁচতে! শীতে জিন পান করলে তো শীতে মরবি! অথচ গরমে একচামচ জিন মিশিয়ে একগ্লাস জল খেলে শরীরে প্রশান্তি। বিজ্ঞান জেনে নে হে মদ অনভিজ্ঞ বাঙাল। গরমে গলফ খেলোয়াড়দের রক্ষাকবচ এই জিন।
৪. বাঙালি ‘ব্লাডি মেরি’ খায় (পান নয়) মূল ড্রিংক হিসেবে। আরে ভাই, এই ককটেল সৃষ্টি হয়েছে একটি অন্তর্বর্তী নিরপেক্ষ পানীয় হিসেবে। এটি তোমার আগের পানীয় খাওয়ার আমেজকে নিরপেক্ষ করে নতুন পানীয় খাওয়ার পরিবেশ তৈরী করে। এই কারণেই টমেটো জুস! এটি মূলত একটি প্রতি-পানীয় (মানে এন্টি ড্রিংক)!
৫. বাঙালি হুইস্কি খায় ‘র’ বা জল মিশিয়ে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে পৃথিবীর বিশুদ্ধতম স্কটিশ জল দিয়ে যা পান করতে হয় ‘অন দ্য রকস’ মানে বরফের উপর ঢেলে। স্কচ ঢেলে উপরে বরফ দেয়া নয় কিন্তু! বরফ গ্লাসে স্তুপ করে তারপর স্কচ। তারপর সেই স্বর্গীয় বস্তু বরফ বেয়ে নিচে নেমে যতটুকু পানীয় হবে ততটুকু ঢোক।
এবার মদ সম্পর্কে আমার মতামত:
আজকে এইটুকু থাক! তবে শেষে বলে রাখি—মাতালের জন্যে মদ হারাম! আর হারাম তাদের জন্যে যারা মদ পান করতে পারেনা—মদ যাদের খেয়ে ফেলে।।
২. বাঙালি ভদকা খায় (পান নয়) গরমে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে শীত থেকে বাঁচতে! রাশিয়ায় এই পানীয় শ্রমিকদের দেয়া হয় প্রচন্ড শীত থেকে জীবন বাঁচাতে। জেনে রাখুন—শ্রেষ্ঠ ভদকার নাম- Stolichnaya! গরমে ভদকা কিন্তু নারকীয়। সাবধান!
৩. বাঙালি জিন খায় (পান নয়) শীতে! আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে গরম থেকে বাঁচতে! শীতে জিন পান করলে তো শীতে মরবি! অথচ গরমে একচামচ জিন মিশিয়ে একগ্লাস জল খেলে শরীরে প্রশান্তি। বিজ্ঞান জেনে নে হে মদ অনভিজ্ঞ বাঙাল। গরমে গলফ খেলোয়াড়দের রক্ষাকবচ এই জিন।
৪. বাঙালি ‘ব্লাডি মেরি’ খায় (পান নয়) মূল ড্রিংক হিসেবে। আরে ভাই, এই ককটেল সৃষ্টি হয়েছে একটি অন্তর্বর্তী নিরপেক্ষ পানীয় হিসেবে। এটি তোমার আগের পানীয় খাওয়ার আমেজকে নিরপেক্ষ করে নতুন পানীয় খাওয়ার পরিবেশ তৈরী করে। এই কারণেই টমেটো জুস! এটি মূলত একটি প্রতি-পানীয় (মানে এন্টি ড্রিংক)!
৫. বাঙালি হুইস্কি খায় ‘র’ বা জল মিশিয়ে। আরে ভাই, এই পানীয় সৃষ্টি হয়েছে পৃথিবীর বিশুদ্ধতম স্কটিশ জল দিয়ে যা পান করতে হয় ‘অন দ্য রকস’ মানে বরফের উপর ঢেলে। স্কচ ঢেলে উপরে বরফ দেয়া নয় কিন্তু! বরফ গ্লাসে স্তুপ করে তারপর স্কচ। তারপর সেই স্বর্গীয় বস্তু বরফ বেয়ে নিচে নেমে যতটুকু পানীয় হবে ততটুকু ঢোক।
এবার মদ সম্পর্কে আমার মতামত:
আজকে এইটুকু থাক! তবে শেষে বলে রাখি—মাতালের জন্যে মদ হারাম! আর হারাম তাদের জন্যে যারা মদ পান করতে পারেনা—মদ যাদের খেয়ে ফেলে।।
👎1
আজকাল ভাই-বোনদের মাঝে শ্রদ্ধা, সম্মান এবং সীমাবদ্ধ ভালোবাসা না থাকায় এবং বাবা-মার অসচেতনতার কারণে এসব বেশি দেখা যাচ্ছে..
সাবালক হওয়ার পর-ই ভাই-বোনদের মাঝে একটা স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় চলা উচিত,সেই সাথে বাবা-মায়েরও সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত..যুগ পরিবর্তন হচ্ছে সেই সাথে শয়তানের কুমন্ত্রণা তো আছেই..ভাই-বোনের মাঝে অতিরিক্ত মেলামেশা ভালোবাসা প্রদর্শন করা অনেকের ক্ষেত্রে যেমন শারীরিক আকর্ষণের সৃষ্টি করে আবার অন্য দিকে বিয়ের পরও এই ভালোবাসার কারণে ভাই-বোনের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করতে যথেষ্ট..ভাই-বোন ফেরেস্তা হলেও তাদের কখনো একা কোথাও থাকার পারমিশন দিবেন না, অনুরোধ রইলো..আমার কথাগুলো অন্যরকম মনে হলেও এটাই বাস্তবতা..
তাই সব বাবা-মা-ই ছেলে-মেয়ে সাবালক হওয়ার পর থেকেই সাবধান হন..
সাবালক হওয়ার পর-ই ভাই-বোনদের মাঝে একটা স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় চলা উচিত,সেই সাথে বাবা-মায়েরও সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত..যুগ পরিবর্তন হচ্ছে সেই সাথে শয়তানের কুমন্ত্রণা তো আছেই..ভাই-বোনের মাঝে অতিরিক্ত মেলামেশা ভালোবাসা প্রদর্শন করা অনেকের ক্ষেত্রে যেমন শারীরিক আকর্ষণের সৃষ্টি করে আবার অন্য দিকে বিয়ের পরও এই ভালোবাসার কারণে ভাই-বোনের সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করতে যথেষ্ট..ভাই-বোন ফেরেস্তা হলেও তাদের কখনো একা কোথাও থাকার পারমিশন দিবেন না, অনুরোধ রইলো..আমার কথাগুলো অন্যরকম মনে হলেও এটাই বাস্তবতা..
তাই সব বাবা-মা-ই ছেলে-মেয়ে সাবালক হওয়ার পর থেকেই সাবধান হন..
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ এবং পরকালে বিশ্বাসী কোনো নারীর জন্য তার পিতা, ছেলে, স্বামী বা ভাই অথবা অন্য কোনো মাহরাম ছাড়া তিনদিন (৪৮ মাইল বা ৭৮ কিলোমিটার) বা তার চেয়ে বেশি দূরত্বের কোথাও সফর করা বৈধ নয়। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩৪০
❤1
বাংলা করে নিলাম -
পবিত্র কুরআনে ঘুম সম্পর্কে আলোচনা:
পবিত্র কুরআনের ভাষা অত্যন্ত নির্ভুল, সুনির্দিষ্ট অথচ বৈচিত্রময়। ঘুম (Sleep)-এর মতো একটি সাধারণ মানবীয় অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, সব যায়গায় একই শব্দ ব্যবহার না করে বিভিন্ন অভিব্যক্তির একটি বর্ণালী ব্যবহার করা হয়েছে। এই ভাষাগত বৈচিত্র্য কুরআনের অলৌকিকতার একটি অংশ ।
কুরআনে ঘুমের বিভিন্ন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত কয়েকটি শব্দ এবং তাদের তাৎপর্য নিচে উদাহরণসহ তুলে ধরা হলো:
১. সিনাহ (سِنَةٌ) - তন্দ্রা বা প্রাক-ঘুমের আচ্ছন্নতা
• সিনাহ হলো তন্দ্রা বা প্রাক-ঘুমের আচ্ছন্নতা । এটি হলো সেই প্রাথমিক ভারি ভাব এবং আচ্ছন্নতা যা ঘুমানোর আগে মাথা ও চোখে আসে—অর্থাৎ, এটি প্রকৃত গভীর ঘুমের ঠিক পূর্ব মুহূর্তের অবস্থা । সিনাহ হলো ঘুমের শুরু, আর নাউম হলো তার পূর্ণতা ।
• যেমন, لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ অর্থ: "তাঁকে তন্দ্রাও (drowsiness) স্পর্শ করে না এবং নিদ্রাও (sleep) না।" [সূরা আল-বাকারা ২:২৫৫]
২. হুযু (هُجُوعٌ/يَهْجَعُونَ) - বিরতিমূলক রাতের ঘুম (Intervals of Sleep)
• হুযু বলতে এমন এক ধরনের ঘুমের ধরণকে বোঝানো হয়েছে যা অতীতে প্রচলিত ছিল । এই ধরনে রাতের একটি দীর্ঘ ঘুমের (৪ থেকে ৬ ঘণ্টা) পাশাপাশি দিনের বেলায় একটি সংক্ষিপ্ত, অগভীর ঘুমও অন্তর্ভুক্ত থাকে ।
• যেমন, كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ الَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ অর্থ: "তারা রাতের সামান্য অংশই (হুযু') ঘুমাতো।" [সূরা আয-যারিয়াত ৫১:১৭]
৩. ক্বাইলুলাহ (قَيْلُولَةٌ/قَابِلُونَ) - মধ্যাহ্নের বিশ্রাম
• ক্বাইলুলাহ হলো মধ্যাহ্নের বিশ্রাম বা ঘুম । শব্দটি আরবে মধ্যাহ্নের তীব্র গরমে বিরতি নেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক অভ্যাসকে নির্দেশ করে । এর মূল ধাতু 'ক-ও-ল' এর অর্থ "বিরাম" বা "বিশ্রাম", তাই এটি কঠোরভাবে শুধুমাত্র ঘুম নয়; কেবল বিরতি বা বিশ্রাম নেওয়াও বোঝাতে পারে ।
• যেমন, أَوْ هُمْ قَابِلُونَ অর্থ: "অথবা যখন তারা দুপুরে বিশ্রাম নিচ্ছিল (ঘুমিয়ে ছিল)" [সূরা আল-আ'রাফ ৭:৪]
৪. নু'আস (نُعَاسٌ) - হালকা তন্দ্রা (Light Dozing)
• নু'আস হলো ঘুমের শুরু এবং এটি ঘুমের সবচেয়ে হালকা রূপ । এটি সেই তন্দ্রাচ্ছন্নতা যা ঘুমিয়ে পড়ার আগে মাথা ও চোখে আসে । এটি জাগরণ এবং ঘুমের মধ্যবর্তী অবস্থা—গভীর বিশ্রাম নয়, বরং হালকা তন্দ্রা ।
• যেমন, إِذْ يُغَشِيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ অর্থ: "(স্মরণ করো) যখন তিনি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদেরকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করেছিলেন (নিরাপত্তা হিসেবে)" [সূরা আল-আনফাল ৮:১১]
৫. সুবাত (سُبَاتًا) - বিশ্রাম/নবশক্তিদায়ী ঘুম
• সুবাত শব্দটি বিশ্রাম বা নবশক্তিদায়ী ঘুমকে বোঝায় । ইবন কাসীর (রহ.) বলেছেন: ঘুম হলো শরীরের জন্য বিশ্রাম এবং চলাচলের স্থগিতাদেশ, যার মাধ্যমে শক্তি নবায়ন হয় । আল-কুরতুবী (রহ.) বলেন: একে সুবাত বলা হয় কারণ এটি মানুষকে চলাচল ও কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে, যা দিনের ক্লান্তিকর পরিশ্রম থেকে শরীরের জন্য মুক্তি ।
• যেমন, وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا অর্থ: "আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম (বা নবশক্তির মাধ্যম)।" [সূরা আন-নাবা ৭৮:৯]
৬. রাক্বদ (رُقُودٌ) - গভীর দীর্ঘ ঘুম
• রাক্বদ শব্দটি দীর্ঘ, বর্ধিত এবং গভীর ঘুমের অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় । এটি এমন এক গভীর, দীর্ঘস্থায়ী বিশ্রামকে তুলে ধরে, যা সাধারণ ঘুমের চেয়ে ভিন্ন ।
• যেমন, وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ অর্থ: "আর তুমি মনে করতে যে তারা জাগ্রত, অথচ তারা ছিল ঘুমন্ত।" [সূরা আল-কাহাফ ১৮:১৮] (এখানে আসহাবে কাহাফ বা গুহাবাসীদের দীর্ঘ ঘুম বোঝানো হয়েছে)।
৭. মানাম (مَنَامٌ) - ঘুমের অবস্থা/স্থান
• মানাম শব্দটি 'ন-ও-ম' (ঘুমানো) মূল থেকে এসেছে । এটি 'নাউম'-এর চেয়ে ব্যাপক: এটি ঘুমানোর কাজ, ঘুমের অবস্থা, অথবা এমনকি ঘুমানোর স্থানকেও বোঝাতে পারে । বিস্তৃত অর্থে এটি স্বপ্নে দেখা স্বপ্নকেও বোঝাতে পারে ।
• যেমন, وَمِنْ ءَايَتِهِ مَنَامُكُم بِالَّيْلِ অর্থ: "আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হলো রাতে তোমাদের নিদ্রা (ঘুমের অবস্থা)।" [সূরা আর-রূম ৩০:২৩]
৮. ওয়াফাত (وَفَاةٌ/يَتَوَفَّاكُم) - ছোট মৃত্যু
• ওয়াফাত শব্দটি কুরআনে মৃত্যু এবং ঘুম—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে । কারণ উভয় ক্ষেত্রেই রূহ (আত্মা) শরীর থেকে "গ্রহণ" করা হয় । ঘুমকে এক প্রকার "মৃত্যু" হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে রূহ সাময়িকভাবে নেওয়া হয় । আল্লাহ্র ইচ্ছায় রূহ ফিরিয়ে দেওয়া হয় (জাগ্রত হওয়া), অন্যথায় ব্যক্তি মারা যায় ।
• যেমন, وَهُوَ الَّذِي يَتَوَفَّاكُم بِالَّيْلِ অর্থ: "আর তিনিই তোমাদেরকে রাতে তোমাদের আত্মা (সাময়িক) গ্রহণ করেন (বা মৃত্যুদান করেন)।" [সূরা আল-আনআম ৬:৬০]
পবিত্র কুরআনে ঘুম সম্পর্কে আলোচনা:
পবিত্র কুরআনের ভাষা অত্যন্ত নির্ভুল, সুনির্দিষ্ট অথচ বৈচিত্রময়। ঘুম (Sleep)-এর মতো একটি সাধারণ মানবীয় অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, সব যায়গায় একই শব্দ ব্যবহার না করে বিভিন্ন অভিব্যক্তির একটি বর্ণালী ব্যবহার করা হয়েছে। এই ভাষাগত বৈচিত্র্য কুরআনের অলৌকিকতার একটি অংশ ।
কুরআনে ঘুমের বিভিন্ন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত কয়েকটি শব্দ এবং তাদের তাৎপর্য নিচে উদাহরণসহ তুলে ধরা হলো:
১. সিনাহ (سِنَةٌ) - তন্দ্রা বা প্রাক-ঘুমের আচ্ছন্নতা
• সিনাহ হলো তন্দ্রা বা প্রাক-ঘুমের আচ্ছন্নতা । এটি হলো সেই প্রাথমিক ভারি ভাব এবং আচ্ছন্নতা যা ঘুমানোর আগে মাথা ও চোখে আসে—অর্থাৎ, এটি প্রকৃত গভীর ঘুমের ঠিক পূর্ব মুহূর্তের অবস্থা । সিনাহ হলো ঘুমের শুরু, আর নাউম হলো তার পূর্ণতা ।
• যেমন, لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ অর্থ: "তাঁকে তন্দ্রাও (drowsiness) স্পর্শ করে না এবং নিদ্রাও (sleep) না।" [সূরা আল-বাকারা ২:২৫৫]
২. হুযু (هُجُوعٌ/يَهْجَعُونَ) - বিরতিমূলক রাতের ঘুম (Intervals of Sleep)
• হুযু বলতে এমন এক ধরনের ঘুমের ধরণকে বোঝানো হয়েছে যা অতীতে প্রচলিত ছিল । এই ধরনে রাতের একটি দীর্ঘ ঘুমের (৪ থেকে ৬ ঘণ্টা) পাশাপাশি দিনের বেলায় একটি সংক্ষিপ্ত, অগভীর ঘুমও অন্তর্ভুক্ত থাকে ।
• যেমন, كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ الَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ অর্থ: "তারা রাতের সামান্য অংশই (হুযু') ঘুমাতো।" [সূরা আয-যারিয়াত ৫১:১৭]
৩. ক্বাইলুলাহ (قَيْلُولَةٌ/قَابِلُونَ) - মধ্যাহ্নের বিশ্রাম
• ক্বাইলুলাহ হলো মধ্যাহ্নের বিশ্রাম বা ঘুম । শব্দটি আরবে মধ্যাহ্নের তীব্র গরমে বিরতি নেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক অভ্যাসকে নির্দেশ করে । এর মূল ধাতু 'ক-ও-ল' এর অর্থ "বিরাম" বা "বিশ্রাম", তাই এটি কঠোরভাবে শুধুমাত্র ঘুম নয়; কেবল বিরতি বা বিশ্রাম নেওয়াও বোঝাতে পারে ।
• যেমন, أَوْ هُمْ قَابِلُونَ অর্থ: "অথবা যখন তারা দুপুরে বিশ্রাম নিচ্ছিল (ঘুমিয়ে ছিল)" [সূরা আল-আ'রাফ ৭:৪]
৪. নু'আস (نُعَاسٌ) - হালকা তন্দ্রা (Light Dozing)
• নু'আস হলো ঘুমের শুরু এবং এটি ঘুমের সবচেয়ে হালকা রূপ । এটি সেই তন্দ্রাচ্ছন্নতা যা ঘুমিয়ে পড়ার আগে মাথা ও চোখে আসে । এটি জাগরণ এবং ঘুমের মধ্যবর্তী অবস্থা—গভীর বিশ্রাম নয়, বরং হালকা তন্দ্রা ।
• যেমন, إِذْ يُغَشِيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ অর্থ: "(স্মরণ করো) যখন তিনি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদেরকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করেছিলেন (নিরাপত্তা হিসেবে)" [সূরা আল-আনফাল ৮:১১]
৫. সুবাত (سُبَاتًا) - বিশ্রাম/নবশক্তিদায়ী ঘুম
• সুবাত শব্দটি বিশ্রাম বা নবশক্তিদায়ী ঘুমকে বোঝায় । ইবন কাসীর (রহ.) বলেছেন: ঘুম হলো শরীরের জন্য বিশ্রাম এবং চলাচলের স্থগিতাদেশ, যার মাধ্যমে শক্তি নবায়ন হয় । আল-কুরতুবী (রহ.) বলেন: একে সুবাত বলা হয় কারণ এটি মানুষকে চলাচল ও কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে, যা দিনের ক্লান্তিকর পরিশ্রম থেকে শরীরের জন্য মুক্তি ।
• যেমন, وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا অর্থ: "আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম (বা নবশক্তির মাধ্যম)।" [সূরা আন-নাবা ৭৮:৯]
৬. রাক্বদ (رُقُودٌ) - গভীর দীর্ঘ ঘুম
• রাক্বদ শব্দটি দীর্ঘ, বর্ধিত এবং গভীর ঘুমের অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় । এটি এমন এক গভীর, দীর্ঘস্থায়ী বিশ্রামকে তুলে ধরে, যা সাধারণ ঘুমের চেয়ে ভিন্ন ।
• যেমন, وَتَحْسَبُهُمْ أَيْقَاظًا وَهُمْ رُقُودٌ অর্থ: "আর তুমি মনে করতে যে তারা জাগ্রত, অথচ তারা ছিল ঘুমন্ত।" [সূরা আল-কাহাফ ১৮:১৮] (এখানে আসহাবে কাহাফ বা গুহাবাসীদের দীর্ঘ ঘুম বোঝানো হয়েছে)।
৭. মানাম (مَنَامٌ) - ঘুমের অবস্থা/স্থান
• মানাম শব্দটি 'ন-ও-ম' (ঘুমানো) মূল থেকে এসেছে । এটি 'নাউম'-এর চেয়ে ব্যাপক: এটি ঘুমানোর কাজ, ঘুমের অবস্থা, অথবা এমনকি ঘুমানোর স্থানকেও বোঝাতে পারে । বিস্তৃত অর্থে এটি স্বপ্নে দেখা স্বপ্নকেও বোঝাতে পারে ।
• যেমন, وَمِنْ ءَايَتِهِ مَنَامُكُم بِالَّيْلِ অর্থ: "আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হলো রাতে তোমাদের নিদ্রা (ঘুমের অবস্থা)।" [সূরা আর-রূম ৩০:২৩]
৮. ওয়াফাত (وَفَاةٌ/يَتَوَفَّاكُم) - ছোট মৃত্যু
• ওয়াফাত শব্দটি কুরআনে মৃত্যু এবং ঘুম—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে । কারণ উভয় ক্ষেত্রেই রূহ (আত্মা) শরীর থেকে "গ্রহণ" করা হয় । ঘুমকে এক প্রকার "মৃত্যু" হিসেবে গণ্য করা হয়, যেখানে রূহ সাময়িকভাবে নেওয়া হয় । আল্লাহ্র ইচ্ছায় রূহ ফিরিয়ে দেওয়া হয় (জাগ্রত হওয়া), অন্যথায় ব্যক্তি মারা যায় ।
• যেমন, وَهُوَ الَّذِي يَتَوَفَّاكُم بِالَّيْلِ অর্থ: "আর তিনিই তোমাদেরকে রাতে তোমাদের আত্মা (সাময়িক) গ্রহণ করেন (বা মৃত্যুদান করেন)।" [সূরা আল-আনআম ৬:৬০]
❤1
৯. নাউম (نَوْمٌ) - সাধারণ ঘুম
• নাউম হলো সাধারণ ঘুমের জন্য মৌলিক এবং সর্বজনীন শব্দ । এটি সেই অবস্থা যা মানুষকে আচ্ছন্ন করে যখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্দ্রিয় স্থির হয়ে যায় । এটি চলাচলের স্থগিতাদেশ, যার মাধ্যমে শক্তি নবায়ন হয় ।
• যেমন, وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الَّيْلَ لِبَاسًا وَالنَّوْمَ سُبَاتًا অর্থ: "আর তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে আবরণস্বরূপ ও নিদ্রাকে বিশ্রামস্বরূপ করেছেন।" [সূরা আল-ফুরকান ২৫:৪৭]
• নাউম হলো সাধারণ ঘুমের জন্য মৌলিক এবং সর্বজনীন শব্দ । এটি সেই অবস্থা যা মানুষকে আচ্ছন্ন করে যখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্দ্রিয় স্থির হয়ে যায় । এটি চলাচলের স্থগিতাদেশ, যার মাধ্যমে শক্তি নবায়ন হয় ।
• যেমন, وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الَّيْلَ لِبَاسًا وَالنَّوْمَ سُبَاتًا অর্থ: "আর তিনিই তোমাদের জন্য রাত্রিকে আবরণস্বরূপ ও নিদ্রাকে বিশ্রামস্বরূপ করেছেন।" [সূরা আল-ফুরকান ২৫:৪৭]
১৮শ শতকের কথা।
মরক্কোর সুফি স্কলার ইমাম, আব্দুল আজিজ আল দাব্বাগ মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে মদ খাচ্ছেন!
মানুষ হতভম্ব! উনার মত এমন আল্লাহ ওয়ালা মানুষ মদ খাচ্ছেন! কীভাবে সম্ভব? মানুষ ছি ছি করে উঠলো।
পরবর্তীতে উনার স্টুডেন্ট উনার জীবনী লিখতে গিয়ে লিখেছেন- ওটা আসলে মদ ছিলো না! একধরনের গাছ গাছড়া চিপে রং বের করে আনা পানি ছিলো যেটা দেখতে হুবুহু মদ'র রং এর মত।
আল দাব্বাগ এই কাজ কেনো করেছিলেন? কেনো উনি চাচ্ছিলেন মানুষ যেন মনে করে উনি মদ খাচ্ছেন? যেনো উনাকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়? উনার ক্রেডিবিলিটি কমে যায়?!
আপনি ইসলামিক স্কলার্সদের জীবনী পড়লে দেখবেন অনেক বড় বড় স্কলাররা নিজেদের উপর এইরকম 'ছি ছি করবে মানুষ' এধরনের ব্লেইম টেনে নিতেন।
বলা ভালো ব্লেইম ম্যানুফ্যাকচার করতেন।
এমন ব্লেইম, এমন অভিযোগ যাতে মানুষ ছি ছি করে। যাতে মানুষ তাদের ধার্মিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে। তাদেরকে কম অনুসরণ করে।
যেহেতু স্কলাররা এগুলো করতেন, তাই একপর্যায়ে ফতোয়া পর্যন্ত দিতে হয়েছিলো যে কেউ যদি এইভাবে পাবলিকলি নিজেকে খারাপ দেখাতে চায়, তাহলে কতটুকু খারাপ দেখানোর কাজ করতে পারবে!
ইন্টারেস্টিং না?
কেনো এটা করতেন উনারা?
অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা মূল কারণ হলো - মানুষের প্রশংসায় যে অহংবোধ তৈরী হয় নিজের ভিতর, যে গর্ব তৈরী হয়, তাকে ধ্বংস করতে।
ডিসক্লেইমার দিয়ে বলি- অনেক অনেক হুজুর আছেন যারা এমন না, কিন্তু বাংলাদেশের/ সাউথ এশিয়ার প্রচুর - ইনফ্যাক্ট অধিকাংশ পুরুষ আর মহিলা হুজুরদেরকে দেখবেন- পুরা উল্টা।
মানুষ যেন তাদেরকে আরো ধার্মিক মনে করে, তাই একটু খ্যাতি পাওয়ার সাথে সাথে তাদের পোশাক আশাক চেইঞ্জ হয়ে যায় সবার আগে। যা আমাদের দেশের পোশাক না, কিন্তু মানুষ 'ইসলামিক' পোশাক মনে করে, সে ধরনেরর পুরুষদের সৌদি স্টাইলের জুব্বা অথবা মাথার পাগড়ি এসব পড়া শুরু করে দেয়।
অথচ মাথার পাগড়ি বাংলাদেশেরর ন্যাটিভ ছেলেদের পোশাক না।
কিন্তু ঐ যে 'ইসলামিক' সাজতে হয় উনাদেরকে।
আপনি বাংলাদেশের যেসব হুজুরদের ওয়াজ/লেকচার শুনেন, তাদের খ্যাতি পাওয়ার আগের পোশাক দেখবেন - প্রায় সময় সাধারণ পাঞ্জাবি পায়জামা আর কুফি টুপি পড়া।
কিন্তু যেইই মাত্র মানুষ উনাদের কথা শোনা শুরু করে, উনাদেরকে এখানে ওখানে ওয়াজ করার জন্য, লেকচার দেয়ার জন্য ডাকা শুরু করে, উনাদের ড্রেসাপ চেইঞ্জ হওয়া শুরু হয়। দামী দামী জুব্বা পড়েন উনারা। মাথায় সৌদি স্টাইলে ছেলেদের কেফিয়া স্কার্ফ পড়া শুরু করেন।
এমনকি যেটাকে 'ইকাল' বলে - কালো মোটা বোনা দড়ি দিয়ে বানানো রিং এর মত যেন কেফিয়াকে মাথায় গোল করে চাপ দিয়ে ধরে রাখে, ওটা পর্যন্ত পড়া শুরু করেন।
আর সৌদির দিকে না ঝুঁকে ঐ হুজুর যদি আফগান তা@-লেবান লাইনের দিকে ঝুঁকেন, তাহলে পাগড়ি পড়েন। বেশীরভাগ সময় ইনারা কালো পাগড়ি পড়েন।
এই যে পোশাকের পরিবর্তন- নিজেকে আরো ধার্মিক করে উপস্থাপন- এটাকে বলে পার্ফোর্মেটিভ পায়েটি (Performative piety)।
মানে কী?
মানে হলো মানুষ যেন তাদেরকে আরো ধার্মিক বলে মনে করে, যেন তাদেরকে আরো বেশী করে অনুসরণ করে, তাই এমন পোশাক আশাক পড়া, কথায় কথায় আরবি শব্দ বলা - নামাযকে 'সালাত' বলার মত, ওয়াল্লাহি বলার মত, রাসূল সঃ বা আরবী ভাষায় আরব কথা বলার স্টাইলে যেভাবে 'হে আমার জাতি' বলে সম্বোধন করা হয়, তেমন স্টাইলে কথা বলা, অভিযোগ বা দোষারোপের মত শব্দ না বলে 'তোহমদ' এর মত শব্দ বলা, 'অমুক' না বলে 'ফুলান' বলা...
এগুলো সবই পার্ফর্মেন্স। নিজেকে ধার্মিক দেখানোর এবং ধার্মিক ফিগার হয়ে উঠার পার্ফর্মেন্স।
কেনো এরা এগুলো করে?
কারণ ধর্ম পৃথিবীর সবচে' বড় পাওয়ার। সবচে' বড়। আপনি যখন ধর্মীয় ফিগার হয়ে উঠবেন, ধর্মের ব্যাপারে মানুষ আপনার কথা শুনবে- আপনার হাতে তখন পৃথিবীর সবচে' বড় পাওয়ার থাকবে- মানুষের সাবকনশান্স কন্ট্রোল করার পাওয়ার।
এই পাওয়ার এমন এক নেশা- যে নেশা থেকে বাঁচতে আগের কালের স্কলাররা বিভিন্ন টেকনিক খাটাতেন। এমনকি অনেক সময় লোকান্তরে চলে যেতেন, হারিয়ে যেতেন। কয়েকজন স্টুডেন্টস ছাড়া আর কেউ জানতোই না উনারা বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন।
এর আরেকটা মেইন কারণ ছিলো- মানুষ যেন তাদেরকে অন্ধের মত অনুসরণ না করে।
আর এখন?
মানুষ ফলো না করলে, অনুসরণ না করলে, বা এমনকি দ্বিমত করলেই - টিপু সুলতানের সিরিজ দেখেছিলেন ছোটবেলায়? যুদ্ধের আগে সেনাপতি তলোয়ার উঁচু করে শরীরের সব শক্তি দিয়ে চিৎকার দিতো - আক্রমননননননননননননননন!
এখন এইসব হুজুরদের নিয়ে কিছু বললেই শুরু হয়ে যায় - আক্রমননননননননননননননন!
লাস্টে একটা মজার ঘটনা বলি।
ইসলামিক স্কলারশিপে সুফিদের, স্কলারদের, ইমামদের, ধর্মীয় ফিগারদের জীবনী লেখা আছে। এগুলো দিয়ে ক্রসচেক করা হতো ইনফরমেশান কারটা গ্রহণ করা যাবে, কার কথা গ্রহণ করা যাবে না। তো এসব জীবনিতে অনেক ঘটনা উল্লেখ থাকে।
এমন একটা ঘটনা আছে নবম শতকের নিশাপুরের।
নিশাপুর তখন ছিলো ইসলামিক স্কলারশিপের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। রাস্তার মোড় ঘুরলেই স্কলার পাবেন, এমন অবস্থা। এখনো এই শহরটা আছে ইরানে।
মরক্কোর সুফি স্কলার ইমাম, আব্দুল আজিজ আল দাব্বাগ মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে মদ খাচ্ছেন!
মানুষ হতভম্ব! উনার মত এমন আল্লাহ ওয়ালা মানুষ মদ খাচ্ছেন! কীভাবে সম্ভব? মানুষ ছি ছি করে উঠলো।
পরবর্তীতে উনার স্টুডেন্ট উনার জীবনী লিখতে গিয়ে লিখেছেন- ওটা আসলে মদ ছিলো না! একধরনের গাছ গাছড়া চিপে রং বের করে আনা পানি ছিলো যেটা দেখতে হুবুহু মদ'র রং এর মত।
আল দাব্বাগ এই কাজ কেনো করেছিলেন? কেনো উনি চাচ্ছিলেন মানুষ যেন মনে করে উনি মদ খাচ্ছেন? যেনো উনাকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়? উনার ক্রেডিবিলিটি কমে যায়?!
আপনি ইসলামিক স্কলার্সদের জীবনী পড়লে দেখবেন অনেক বড় বড় স্কলাররা নিজেদের উপর এইরকম 'ছি ছি করবে মানুষ' এধরনের ব্লেইম টেনে নিতেন।
বলা ভালো ব্লেইম ম্যানুফ্যাকচার করতেন।
এমন ব্লেইম, এমন অভিযোগ যাতে মানুষ ছি ছি করে। যাতে মানুষ তাদের ধার্মিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে। তাদেরকে কম অনুসরণ করে।
যেহেতু স্কলাররা এগুলো করতেন, তাই একপর্যায়ে ফতোয়া পর্যন্ত দিতে হয়েছিলো যে কেউ যদি এইভাবে পাবলিকলি নিজেকে খারাপ দেখাতে চায়, তাহলে কতটুকু খারাপ দেখানোর কাজ করতে পারবে!
ইন্টারেস্টিং না?
কেনো এটা করতেন উনারা?
অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা মূল কারণ হলো - মানুষের প্রশংসায় যে অহংবোধ তৈরী হয় নিজের ভিতর, যে গর্ব তৈরী হয়, তাকে ধ্বংস করতে।
ডিসক্লেইমার দিয়ে বলি- অনেক অনেক হুজুর আছেন যারা এমন না, কিন্তু বাংলাদেশের/ সাউথ এশিয়ার প্রচুর - ইনফ্যাক্ট অধিকাংশ পুরুষ আর মহিলা হুজুরদেরকে দেখবেন- পুরা উল্টা।
মানুষ যেন তাদেরকে আরো ধার্মিক মনে করে, তাই একটু খ্যাতি পাওয়ার সাথে সাথে তাদের পোশাক আশাক চেইঞ্জ হয়ে যায় সবার আগে। যা আমাদের দেশের পোশাক না, কিন্তু মানুষ 'ইসলামিক' পোশাক মনে করে, সে ধরনেরর পুরুষদের সৌদি স্টাইলের জুব্বা অথবা মাথার পাগড়ি এসব পড়া শুরু করে দেয়।
অথচ মাথার পাগড়ি বাংলাদেশেরর ন্যাটিভ ছেলেদের পোশাক না।
কিন্তু ঐ যে 'ইসলামিক' সাজতে হয় উনাদেরকে।
আপনি বাংলাদেশের যেসব হুজুরদের ওয়াজ/লেকচার শুনেন, তাদের খ্যাতি পাওয়ার আগের পোশাক দেখবেন - প্রায় সময় সাধারণ পাঞ্জাবি পায়জামা আর কুফি টুপি পড়া।
কিন্তু যেইই মাত্র মানুষ উনাদের কথা শোনা শুরু করে, উনাদেরকে এখানে ওখানে ওয়াজ করার জন্য, লেকচার দেয়ার জন্য ডাকা শুরু করে, উনাদের ড্রেসাপ চেইঞ্জ হওয়া শুরু হয়। দামী দামী জুব্বা পড়েন উনারা। মাথায় সৌদি স্টাইলে ছেলেদের কেফিয়া স্কার্ফ পড়া শুরু করেন।
এমনকি যেটাকে 'ইকাল' বলে - কালো মোটা বোনা দড়ি দিয়ে বানানো রিং এর মত যেন কেফিয়াকে মাথায় গোল করে চাপ দিয়ে ধরে রাখে, ওটা পর্যন্ত পড়া শুরু করেন।
আর সৌদির দিকে না ঝুঁকে ঐ হুজুর যদি আফগান তা@-লেবান লাইনের দিকে ঝুঁকেন, তাহলে পাগড়ি পড়েন। বেশীরভাগ সময় ইনারা কালো পাগড়ি পড়েন।
এই যে পোশাকের পরিবর্তন- নিজেকে আরো ধার্মিক করে উপস্থাপন- এটাকে বলে পার্ফোর্মেটিভ পায়েটি (Performative piety)।
মানে কী?
মানে হলো মানুষ যেন তাদেরকে আরো ধার্মিক বলে মনে করে, যেন তাদেরকে আরো বেশী করে অনুসরণ করে, তাই এমন পোশাক আশাক পড়া, কথায় কথায় আরবি শব্দ বলা - নামাযকে 'সালাত' বলার মত, ওয়াল্লাহি বলার মত, রাসূল সঃ বা আরবী ভাষায় আরব কথা বলার স্টাইলে যেভাবে 'হে আমার জাতি' বলে সম্বোধন করা হয়, তেমন স্টাইলে কথা বলা, অভিযোগ বা দোষারোপের মত শব্দ না বলে 'তোহমদ' এর মত শব্দ বলা, 'অমুক' না বলে 'ফুলান' বলা...
এগুলো সবই পার্ফর্মেন্স। নিজেকে ধার্মিক দেখানোর এবং ধার্মিক ফিগার হয়ে উঠার পার্ফর্মেন্স।
কেনো এরা এগুলো করে?
কারণ ধর্ম পৃথিবীর সবচে' বড় পাওয়ার। সবচে' বড়। আপনি যখন ধর্মীয় ফিগার হয়ে উঠবেন, ধর্মের ব্যাপারে মানুষ আপনার কথা শুনবে- আপনার হাতে তখন পৃথিবীর সবচে' বড় পাওয়ার থাকবে- মানুষের সাবকনশান্স কন্ট্রোল করার পাওয়ার।
এই পাওয়ার এমন এক নেশা- যে নেশা থেকে বাঁচতে আগের কালের স্কলাররা বিভিন্ন টেকনিক খাটাতেন। এমনকি অনেক সময় লোকান্তরে চলে যেতেন, হারিয়ে যেতেন। কয়েকজন স্টুডেন্টস ছাড়া আর কেউ জানতোই না উনারা বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন।
এর আরেকটা মেইন কারণ ছিলো- মানুষ যেন তাদেরকে অন্ধের মত অনুসরণ না করে।
আর এখন?
মানুষ ফলো না করলে, অনুসরণ না করলে, বা এমনকি দ্বিমত করলেই - টিপু সুলতানের সিরিজ দেখেছিলেন ছোটবেলায়? যুদ্ধের আগে সেনাপতি তলোয়ার উঁচু করে শরীরের সব শক্তি দিয়ে চিৎকার দিতো - আক্রমননননননননননননননন!
এখন এইসব হুজুরদের নিয়ে কিছু বললেই শুরু হয়ে যায় - আক্রমননননননননননননননন!
লাস্টে একটা মজার ঘটনা বলি।
ইসলামিক স্কলারশিপে সুফিদের, স্কলারদের, ইমামদের, ধর্মীয় ফিগারদের জীবনী লেখা আছে। এগুলো দিয়ে ক্রসচেক করা হতো ইনফরমেশান কারটা গ্রহণ করা যাবে, কার কথা গ্রহণ করা যাবে না। তো এসব জীবনিতে অনেক ঘটনা উল্লেখ থাকে।
এমন একটা ঘটনা আছে নবম শতকের নিশাপুরের।
নিশাপুর তখন ছিলো ইসলামিক স্কলারশিপের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। রাস্তার মোড় ঘুরলেই স্কলার পাবেন, এমন অবস্থা। এখনো এই শহরটা আছে ইরানে।
❤2
তো একজন সুফি যখন দেখলেন উনার খ্যাতি খুব বেড়ে যাচ্ছে, মানুষ ধর্ম নিয়ে যা সমস্যা যা প্রশ্ন উনার কাছে আসতে শুরু করলো, উনি যেখানেই যান সেখানেই একজন দুইজন করে জটলা পাকিয়ে যায়, মানুষ জমা হতে শুরু করে,
উনি দেখলেন- এ তো মহামুশকিল!
মানুষ উনাকে পীর/ অনেক বড় 'আলেম এর মত মর্যাদা দিতে শুরু করেছে! কিন্তু উনিতো এসব চান না! উনি তো খ্যাতিকে ভয় পান। মানুষের কাছে ভালো হওয়াকে ভয় পান।
এবার উনি কী করলেন?
একদিন এইরকম উনি যাচ্ছেন, মানুষ উনাকে ছাড়ছে না, উনি এবার প্রকাশ্যে সেখানে দাঁড়িয়ে মানুষের সামনেই কাপড় তুলে এমনভাবে রাস্তায় প্রস্রাব করা শুরু করলেন যা কিছুতেই একজন 'আলেমের সাথে বা বুজুর্গ ব্যক্তিদের সাথে যায় না!
আমি সেই ঘটনাটা মনে করে দুঃখে হাসছিলাম।
একসময় আমাদেরকে যারা আলোর পথ দেখাবেন, হুজুররা, উনারা মানুষের সামনে প্রস্রাব করে দিতেন যেন মানুষ তাদেরকে এত বেশী ধার্মিক মনে না করে,
আর এখন এত এত পার্ফোর্মেটিভ এক্টস করেও, এত ওয়াল্লাহি ওয়াল্লাহি করে মুখে ফেনা তুলে ফেলেও, জুব্বা পাগড়ি পড়েও, অবস্থা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষ উল্টা তাদেরকে প্রস্রাব করে দেয়ার মত অবস্থা!
ইসলামের যে মূল দাবী মানুষের কাছে- মুত্তাক্বী হওয়া - আত্মসংযমী আর আল্লাহভীরু হওয়া- যে যত মুত্তাক্বী হবে সে তত গোপনে ভাল মানুষ হবে, প্রকাশ্যে এবার যাইই হোক, সে তত আল্লাহ'র সাথে তার সম্পর্ক ঠিক করবে, এটা অনেকটা এমন -
সূর্যোদয়ের মত, সূর্য উদয় হলে যতই ইটের দেয়াল তুলে রাখেন, ইটের ক্র্যাক দিয়ে আলো ঢুকবেই,
একজন মুসলিম যখন মুত্তাক্বী হবেন- তার ভাল দিকগুলো ঐ ক্র্যাকের মত গোপন থেকে প্রকাশ্যে চলে আসবেই,
কিন্তু -
এখনকার হুজুররা (উস্তায উস্তাযা উভয়েই!) এই পুরো তাকওয়ার পার্টটাকে বাদ দিয়ে- উল্টা 'রিয়া' - যেটা কিনা কুর'আন আর হাদীসে এক্সট্রীম লেভেলে গিয়ে মানা করা হয়েছে- লোক দেখানো কাজ করা - ইসলামকে বানিয়ে ফেলেছেন রিয়া।
উনাদের এই ইসলামে সবকিছু লোক দেখানো। পোশাক আশাক থেকে শুরু করে মুখের শব্দ পর্যন্ত!
এই ইসলাম মানে খালি বিয়া করো, খালি বিয়া করো, খালি বিয়া করো! ধর্মকে একটা রিলিজিয়াস প্রষ্টিটিউশান আর মীট মার্কেট বানাও, যেখানে ধর্ম মানেই ধার্মিকতার আল্টিমেট প্রকাশ হলো- নতুন নতুন মেয়েদেরকে বিয়ে করে করে বিছানায় নিয়ে যাওয়া।
উল্টো রাজার উল্টো দেশ! ধর্মও উল্টে গেছে বরাবর! ওয়াহ ওয়াহ!
উনি দেখলেন- এ তো মহামুশকিল!
মানুষ উনাকে পীর/ অনেক বড় 'আলেম এর মত মর্যাদা দিতে শুরু করেছে! কিন্তু উনিতো এসব চান না! উনি তো খ্যাতিকে ভয় পান। মানুষের কাছে ভালো হওয়াকে ভয় পান।
এবার উনি কী করলেন?
একদিন এইরকম উনি যাচ্ছেন, মানুষ উনাকে ছাড়ছে না, উনি এবার প্রকাশ্যে সেখানে দাঁড়িয়ে মানুষের সামনেই কাপড় তুলে এমনভাবে রাস্তায় প্রস্রাব করা শুরু করলেন যা কিছুতেই একজন 'আলেমের সাথে বা বুজুর্গ ব্যক্তিদের সাথে যায় না!
আমি সেই ঘটনাটা মনে করে দুঃখে হাসছিলাম।
একসময় আমাদেরকে যারা আলোর পথ দেখাবেন, হুজুররা, উনারা মানুষের সামনে প্রস্রাব করে দিতেন যেন মানুষ তাদেরকে এত বেশী ধার্মিক মনে না করে,
আর এখন এত এত পার্ফোর্মেটিভ এক্টস করেও, এত ওয়াল্লাহি ওয়াল্লাহি করে মুখে ফেনা তুলে ফেলেও, জুব্বা পাগড়ি পড়েও, অবস্থা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষ উল্টা তাদেরকে প্রস্রাব করে দেয়ার মত অবস্থা!
ইসলামের যে মূল দাবী মানুষের কাছে- মুত্তাক্বী হওয়া - আত্মসংযমী আর আল্লাহভীরু হওয়া- যে যত মুত্তাক্বী হবে সে তত গোপনে ভাল মানুষ হবে, প্রকাশ্যে এবার যাইই হোক, সে তত আল্লাহ'র সাথে তার সম্পর্ক ঠিক করবে, এটা অনেকটা এমন -
সূর্যোদয়ের মত, সূর্য উদয় হলে যতই ইটের দেয়াল তুলে রাখেন, ইটের ক্র্যাক দিয়ে আলো ঢুকবেই,
একজন মুসলিম যখন মুত্তাক্বী হবেন- তার ভাল দিকগুলো ঐ ক্র্যাকের মত গোপন থেকে প্রকাশ্যে চলে আসবেই,
কিন্তু -
এখনকার হুজুররা (উস্তায উস্তাযা উভয়েই!) এই পুরো তাকওয়ার পার্টটাকে বাদ দিয়ে- উল্টা 'রিয়া' - যেটা কিনা কুর'আন আর হাদীসে এক্সট্রীম লেভেলে গিয়ে মানা করা হয়েছে- লোক দেখানো কাজ করা - ইসলামকে বানিয়ে ফেলেছেন রিয়া।
উনাদের এই ইসলামে সবকিছু লোক দেখানো। পোশাক আশাক থেকে শুরু করে মুখের শব্দ পর্যন্ত!
এই ইসলাম মানে খালি বিয়া করো, খালি বিয়া করো, খালি বিয়া করো! ধর্মকে একটা রিলিজিয়াস প্রষ্টিটিউশান আর মীট মার্কেট বানাও, যেখানে ধর্ম মানেই ধার্মিকতার আল্টিমেট প্রকাশ হলো- নতুন নতুন মেয়েদেরকে বিয়ে করে করে বিছানায় নিয়ে যাওয়া।
উল্টো রাজার উল্টো দেশ! ধর্মও উল্টে গেছে বরাবর! ওয়াহ ওয়াহ!
❤1
যাদের শরীর চলে না, মন চলে না তাদের জন্য শেয়ার করলাম।
❤️ডোপামিন মানবদেহের এমন একটি উপাদান যা একই সাথে নিউরোট্রান্সমিটার ও হরমোন হিসেবে কাজ করে। এই হরমোন এর ক্রিয়া মানুষের আনন্দের অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত। যখন আমাদের কোনো কিছু ভালো লাগে তখন মস্তিষ্ক ডোপামিন ক্ষরণ করে যা আনন্দের অনুভূতিকে বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে ঐ কাজটি আমরা পুনরায় করার আগ্রহ বোধ করি।
❤️ডোপামিন বা Dopamine কি?
ডোপামিন বা Dopamine হলো মানুষের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে উৎপন্ন এমন এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার বা রাসায়নিক বার্তাবাহক যা অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটার এর মতো স্নায়ু কোষের মধ্যকার যোগাযোগ রক্ষা করে এবং নার্ভ এর মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশে তথ্য আদান প্রদানের কাজ করে থাকে।
এটি এমন এক ধরণের নিউরোট্রান্সমিটার যা বিভিন্ন আনন্দ অনুভূতির সময় মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হয় এবং আনন্দের মাত্রাকে বাড়িয়ে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যেন আমরা পুণরায় কাজটি করার আগ্রহ বোধ করি।
ডোপামিন এর অপর নাম "Feel Good Chemical". কারণ এর প্রভাবে আমাদের আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়। এটি আমাদের মনে যে উদ্দীপনা তৈরি করে তাকে Reward Motivation Effect বলে।
❤️উৎপত্তিস্থল
ডোপামিন মস্তিষ্কের substantia nigra, ventral tegmental area, এবং hypothalamus অংশে উৎপন্ন হয়ে থাকে।
মস্তিষ্কের কেন্দ্রে দুটি ধাপে এই নিউরোহরমোন উৎপন্ন হয়। প্রথমত, অ্যামিনো অ্যাসিড টাইরোসিন এল-ডোপা নামে অন্য একটি অ্যামিনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। এরপর এল-ডোপা আরেকটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, যেখানে এনজাইম এটিকে ডোপামিনে পরিণত করে।
ডোপামিনের কাজ (Functions of Dopamine)
ডোপামিন আমাদের শরীরে স্নায়বিক এবং শারীরবৃত্তীয় নানা রকম কাজের সাথে জড়িত থাকে। এর ভিতরে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচে আলোচনা করা হলো:
❤️১. উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি:
Dopamine মানবদেহে উৎসাহ তৈরি করে। এটি আমাদের মস্তিষ্কের “Reward System" এর একটি। যখন আমরা কোনো একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হই যা আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি প্রদান করে কিংবা যা আমাদের জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হয় তখন মস্তিষ্কে এই হরমোন তৈরি হয়। যার ফলে আমরা ঐ কাজটি করার উৎসাহ বোধ করি।
❤️২. চলাফেরা, নড়াচড়া:
এই নিউরোট্রান্সমিটার আমাদের শরীরের চলাফেরা নড়াচড়াতে সাহায্য করে। যাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে Dopamine তৈরি হয় না, তাদের চলাফেরায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফলে অনেকে পার্কেনসন ডিজিসের মতো অসুখেও আক্রান্ত হতে পারে।
❤️৩. মেজাজ মর্জি নিয়ন্ত্রণে:
এই হরমোন আমাদের মনকে সতেজ রাখে, শরীরকে চাঙ্গা রাখে। এর ফলে আমরা কাজের আগ্রহ বোধ করি, আমাদের কর্মউদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়।
এছাড়াও নিম্নোক্ত শরীরের অনেক ফাংশনের সাথে এই নিউরোহরমোন জড়িত। যেমনঃ
রক্ত প্রবাহ
হজম প্রক্রিয়া
নির্বাহী কার্যক্রম
হার্ট এবং কিডনি ফাংশন
মনোযোগ এবং ফোকাস
মুড এবং আবেগ
ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ
অগ্ন্যাশয় ফাংশন
ঘুম
স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া
অগ্ন্যাশয় ফাংশন
ঘুম
স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া
তবে মনে রাখতে হবে যে এই হরমোন একাই কাজ করছে না। এটি অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটার যেমন সেরোটোনিন ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের সাথে কাজ করে।
😎ডোপামিনের খারাপ প্রভাব
Dopamine হরমোনের অনেক ভালো দিক রয়েছে সত্য, কিন্তু এটি একই সাথে আমাদের জন্য খারাপ প্রভাবও বয়ে আনতে পারে। এই হরমোন ভালো ও খারাপের মাঝে পার্থক্য করতে পারে না। তাই ভালো কিংবা খারাপ কাজের মাঝে এটি কোনো তফাত দেখে না। এমনও হতে পারে নেতিবাচক কোনো একটি কাজের প্রতি এটি আমাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যেমন নানা রকমের নেশা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি আসক্তির পেছনেও ডোপামিনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে।
একই সাথে এটির পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে আমাদের দৃষ্টিভ্রম ও মতিভ্রমও হতে পারে। এটির ভারসাম্যহীনতা অসংলগ্ন আচরণ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি ইত্যাদি সমস্যারও জন্ম দিতে পারে।
ডোপামিনের ভারসাম্য রক্ষায় যা খাওয়া উচিত
Dopamine যেহেতু একটি হরমোন সেহেতু এর ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এর কম পরিমাণে উৎপাদন যেমন আমাদের জন্য খারাপ একই সাথে এর অতিরিক্ত পরিমাণও ভালো না। নিচে এমন কিছু খাবারের কথা বলা হলো যা এই হরমোনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে:
১. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার:
Dopamine মূলত এক ধরনের প্রোটিন। এই কারণে প্রোটিন জাতীয় খাবার এই হরমোন উৎপন্ন করতে সাহায্য করতে পারে। যেমন: মাছ, মাংস, ডাল ইত্যাদি।
২. ফল ও শাক সবজি:
ফল ও শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস রয়েছে। এগুলো Dopamine তৈরিতে সাহায্য করে। যেমন: কলা, আনারস, সাইট্রাস জাতীয় ফল, সবুজ শাক, ব্রকলি ইত্যাদি।
৩. ডার্ক চকলেট:
ডার্ক চকলেট এই নিউরোট্রান্সমিটার এর মাত্রাকে সঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৪. প্রো-বায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার:
যে-সকল খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভালো ব্যাকটেরিয়া রয়েছে সেই সকল খাবার আমাদের শরীরে এর মাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। যেমন: দই, ইয়োগার্ট ইত্যাদি।
❤️ডোপামিন মানবদেহের এমন একটি উপাদান যা একই সাথে নিউরোট্রান্সমিটার ও হরমোন হিসেবে কাজ করে। এই হরমোন এর ক্রিয়া মানুষের আনন্দের অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত। যখন আমাদের কোনো কিছু ভালো লাগে তখন মস্তিষ্ক ডোপামিন ক্ষরণ করে যা আনন্দের অনুভূতিকে বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে ঐ কাজটি আমরা পুনরায় করার আগ্রহ বোধ করি।
❤️ডোপামিন বা Dopamine কি?
ডোপামিন বা Dopamine হলো মানুষের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে উৎপন্ন এমন এক ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার বা রাসায়নিক বার্তাবাহক যা অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটার এর মতো স্নায়ু কোষের মধ্যকার যোগাযোগ রক্ষা করে এবং নার্ভ এর মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অংশে তথ্য আদান প্রদানের কাজ করে থাকে।
এটি এমন এক ধরণের নিউরোট্রান্সমিটার যা বিভিন্ন আনন্দ অনুভূতির সময় মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হয় এবং আনন্দের মাত্রাকে বাড়িয়ে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায় যেন আমরা পুণরায় কাজটি করার আগ্রহ বোধ করি।
ডোপামিন এর অপর নাম "Feel Good Chemical". কারণ এর প্রভাবে আমাদের আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়। এটি আমাদের মনে যে উদ্দীপনা তৈরি করে তাকে Reward Motivation Effect বলে।
❤️উৎপত্তিস্থল
ডোপামিন মস্তিষ্কের substantia nigra, ventral tegmental area, এবং hypothalamus অংশে উৎপন্ন হয়ে থাকে।
মস্তিষ্কের কেন্দ্রে দুটি ধাপে এই নিউরোহরমোন উৎপন্ন হয়। প্রথমত, অ্যামিনো অ্যাসিড টাইরোসিন এল-ডোপা নামে অন্য একটি অ্যামিনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। এরপর এল-ডোপা আরেকটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, যেখানে এনজাইম এটিকে ডোপামিনে পরিণত করে।
ডোপামিনের কাজ (Functions of Dopamine)
ডোপামিন আমাদের শরীরে স্নায়বিক এবং শারীরবৃত্তীয় নানা রকম কাজের সাথে জড়িত থাকে। এর ভিতরে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচে আলোচনা করা হলো:
❤️১. উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি:
Dopamine মানবদেহে উৎসাহ তৈরি করে। এটি আমাদের মস্তিষ্কের “Reward System" এর একটি। যখন আমরা কোনো একটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হই যা আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি প্রদান করে কিংবা যা আমাদের জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হয় তখন মস্তিষ্কে এই হরমোন তৈরি হয়। যার ফলে আমরা ঐ কাজটি করার উৎসাহ বোধ করি।
❤️২. চলাফেরা, নড়াচড়া:
এই নিউরোট্রান্সমিটার আমাদের শরীরের চলাফেরা নড়াচড়াতে সাহায্য করে। যাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে Dopamine তৈরি হয় না, তাদের চলাফেরায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার ফলে অনেকে পার্কেনসন ডিজিসের মতো অসুখেও আক্রান্ত হতে পারে।
❤️৩. মেজাজ মর্জি নিয়ন্ত্রণে:
এই হরমোন আমাদের মনকে সতেজ রাখে, শরীরকে চাঙ্গা রাখে। এর ফলে আমরা কাজের আগ্রহ বোধ করি, আমাদের কর্মউদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়।
এছাড়াও নিম্নোক্ত শরীরের অনেক ফাংশনের সাথে এই নিউরোহরমোন জড়িত। যেমনঃ
রক্ত প্রবাহ
হজম প্রক্রিয়া
নির্বাহী কার্যক্রম
হার্ট এবং কিডনি ফাংশন
মনোযোগ এবং ফোকাস
মুড এবং আবেগ
ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ
অগ্ন্যাশয় ফাংশন
ঘুম
স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া
অগ্ন্যাশয় ফাংশন
ঘুম
স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া
তবে মনে রাখতে হবে যে এই হরমোন একাই কাজ করছে না। এটি অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটার যেমন সেরোটোনিন ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের সাথে কাজ করে।
😎ডোপামিনের খারাপ প্রভাব
Dopamine হরমোনের অনেক ভালো দিক রয়েছে সত্য, কিন্তু এটি একই সাথে আমাদের জন্য খারাপ প্রভাবও বয়ে আনতে পারে। এই হরমোন ভালো ও খারাপের মাঝে পার্থক্য করতে পারে না। তাই ভালো কিংবা খারাপ কাজের মাঝে এটি কোনো তফাত দেখে না। এমনও হতে পারে নেতিবাচক কোনো একটি কাজের প্রতি এটি আমাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যেমন নানা রকমের নেশা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি আসক্তির পেছনেও ডোপামিনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে।
একই সাথে এটির পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে আমাদের দৃষ্টিভ্রম ও মতিভ্রমও হতে পারে। এটির ভারসাম্যহীনতা অসংলগ্ন আচরণ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি ইত্যাদি সমস্যারও জন্ম দিতে পারে।
ডোপামিনের ভারসাম্য রক্ষায় যা খাওয়া উচিত
Dopamine যেহেতু একটি হরমোন সেহেতু এর ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এর কম পরিমাণে উৎপাদন যেমন আমাদের জন্য খারাপ একই সাথে এর অতিরিক্ত পরিমাণও ভালো না। নিচে এমন কিছু খাবারের কথা বলা হলো যা এই হরমোনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে:
১. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার:
Dopamine মূলত এক ধরনের প্রোটিন। এই কারণে প্রোটিন জাতীয় খাবার এই হরমোন উৎপন্ন করতে সাহায্য করতে পারে। যেমন: মাছ, মাংস, ডাল ইত্যাদি।
২. ফল ও শাক সবজি:
ফল ও শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস রয়েছে। এগুলো Dopamine তৈরিতে সাহায্য করে। যেমন: কলা, আনারস, সাইট্রাস জাতীয় ফল, সবুজ শাক, ব্রকলি ইত্যাদি।
৩. ডার্ক চকলেট:
ডার্ক চকলেট এই নিউরোট্রান্সমিটার এর মাত্রাকে সঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৪. প্রো-বায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার:
যে-সকল খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভালো ব্যাকটেরিয়া রয়েছে সেই সকল খাবার আমাদের শরীরে এর মাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। যেমন: দই, ইয়োগার্ট ইত্যাদি।
❤1
আমরা অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের শরীরের Dopamine এর মাত্রাকে কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করি। কিন্তু এটি করা উচিত না। কোনো একটি জিনিস থেকে দূরে থাকতে চাইলে এই হরমোনের মাত্রা কমানো নয় বরং মনের দিক থেকে দৃঢ় থাকার প্রতি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।
ডোপামিন বাড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম করা, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানো প্রয়োজন। এছাড়া, কোনো কাজ সফলভাবে শেষ করা, গান শোনা বা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানোর মতো কাজগুলোও ডোপামিন বাড়াতে সাহায্য করে।
যা যা করলে ডোপামিন বাড়বে:
ব্যায়াম: যেকোনো ধরনের শারীরিক ব্যায়াম, যেমন - হাঁটা, দৌড়ানো বা জিমে ব্যায়াম করলে ডোপামিন নিঃসৃত হয়।
পুষ্টিকর খাবার: প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: পাতাযুক্ত সবজি, বাদাম, বীজ) ডোপামিন উৎপাদনে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুম: নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত ঘুম ডোপামিনসহ অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
লক্ষ্য পূরণ: কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করা, যেমন - একটি প্রকল্প শেষ করা বা একটি নতুন জিনিস শেখা, ডোপামিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
মানসিক ও সামাজিক কার্যকলাপ: প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো, আলিঙ্গন করা বা কাউকে ভালোবাসা জানালে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোন বাড়ে।
গান শোনা: পছন্দের গান শুনলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয়, যা মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
এ ক্ষেত্রে কুরআন শরীফ তেলোয়াত বা শুনলে বা জকির করলে অনেক ভাল ফল পাওয়া যায়।
সূর্যের আলো: পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সকালে ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তিদের রক্ত্র ডোপামিন কমে যায়।
কপি
Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
একুরেট ডায়াগনোস্টিক ল্যাব
Accurate Health 01712471255
ডোপামিন বাড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম করা, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানো প্রয়োজন। এছাড়া, কোনো কাজ সফলভাবে শেষ করা, গান শোনা বা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানোর মতো কাজগুলোও ডোপামিন বাড়াতে সাহায্য করে।
যা যা করলে ডোপামিন বাড়বে:
ব্যায়াম: যেকোনো ধরনের শারীরিক ব্যায়াম, যেমন - হাঁটা, দৌড়ানো বা জিমে ব্যায়াম করলে ডোপামিন নিঃসৃত হয়।
পুষ্টিকর খাবার: প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: পাতাযুক্ত সবজি, বাদাম, বীজ) ডোপামিন উৎপাদনে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুম: নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত ঘুম ডোপামিনসহ অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
লক্ষ্য পূরণ: কোনো কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করা, যেমন - একটি প্রকল্প শেষ করা বা একটি নতুন জিনিস শেখা, ডোপামিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
মানসিক ও সামাজিক কার্যকলাপ: প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো, আলিঙ্গন করা বা কাউকে ভালোবাসা জানালে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোন বাড়ে।
গান শোনা: পছন্দের গান শুনলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয়, যা মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
এ ক্ষেত্রে কুরআন শরীফ তেলোয়াত বা শুনলে বা জকির করলে অনেক ভাল ফল পাওয়া যায়।
সূর্যের আলো: পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সকালে ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তিদের রক্ত্র ডোপামিন কমে যায়।
কপি
Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
একুরেট ডায়াগনোস্টিক ল্যাব
Accurate Health 01712471255
তুমি হয়তো সীমা অতিক্রম করেছো...
তবুও আল্লাহর রহমত এখনও তোমাকে ডাকছে। 💧
নিচের ৩টি দোয়া প্রমাণ করে, তুমি চাইলে নতুনভাবে শুরু করতে পারো।
কারণ — আল্লাহর রহমত তোমার ভুলের থেকেও অনেক বড়। 🤍
🌿 ১️⃣ সব গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা
আরবি:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাগফির লি যাম্বি কুল্লাহু
অর্থ:
“হে আল্লাহ! আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিন — ছোট-বড়, প্রথম-শেষ, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব।”
📖 সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদীস: ৭৭১
🌿 ২️⃣ আদম (আঃ)-এর তওবার দোয়া
আরবি:
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণ:
রাব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা, লানাকুনান্না মিনাল খাসিরীন।
অর্থ:
“হে আমাদের প্রভু! আমরা নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।”
📖 সূত্র: সূরা আল-আ‘রাফ ৭:২৩
🌿 ৩️⃣ সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার (সমস্ত দোয়ার শ্রেষ্ঠতম দোয়া)
আরবি:
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাকতানি, ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মা স্তাত্তু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবূউ বিধাম্বি, ফাগফিরলি, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয-যুনুবা ইল্লা আনতা।
অর্থ:
“হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রতিপালক, আপনার ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। যতটুকু পারি, আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি। আমি আশ্রয় চাই আমার কৃতকর্মের অমঙ্গলের হাত থেকে। আমি স্বীকার করি আপনার নেয়ামতসমূহ এবং স্বীকার করি আমার গুনাহসমূহ। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন, কারণ আপনার ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।”
📖 সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদীস: ৬৩০৬
🌅 এই দোয়াটি সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ো।
এটি তওবার সর্বোত্তম রূপ।
তুমি যত গভীর গুনাহেই থাকো না কেন —
আল্লাহর রহমত তোমার গুনাহ থেকেও গভীর। 💖
তোমার অতীত তোমাকে সংজ্ঞায়িত করে না,
তোমার তওবা-ই বলে দেয় তুমি কে।
ফিরে আসো তাঁর দিকে, আল্লাহ এখনো তোমার অপেক্ষায় আছেন। 🤲
#আল্লাহররহমত #তওবা #ক্ষমা #ইস্তেগফার #আল্লাহআমাররব #ইসলামিকবার্তা #MessageOfNoor
#AllahsMercy #Forgiveness #Tawbah #Istighfar #IslamicReminder #HopeInAllah #messageofnoor
তবুও আল্লাহর রহমত এখনও তোমাকে ডাকছে। 💧
নিচের ৩টি দোয়া প্রমাণ করে, তুমি চাইলে নতুনভাবে শুরু করতে পারো।
কারণ — আল্লাহর রহমত তোমার ভুলের থেকেও অনেক বড়। 🤍
🌿 ১️⃣ সব গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা
আরবি:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাগফির লি যাম্বি কুল্লাহু
অর্থ:
“হে আল্লাহ! আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিন — ছোট-বড়, প্রথম-শেষ, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব।”
📖 সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদীস: ৭৭১
🌿 ২️⃣ আদম (আঃ)-এর তওবার দোয়া
আরবি:
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
উচ্চারণ:
রাব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা, লানাকুনান্না মিনাল খাসিরীন।
অর্থ:
“হে আমাদের প্রভু! আমরা নিজেদের প্রতি অন্যায় করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।”
📖 সূত্র: সূরা আল-আ‘রাফ ৭:২৩
🌿 ৩️⃣ সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার (সমস্ত দোয়ার শ্রেষ্ঠতম দোয়া)
আরবি:
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, খালাকতানি, ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মা স্তাত্তু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবূউ বিধাম্বি, ফাগফিরলি, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয-যুনুবা ইল্লা আনতা।
অর্থ:
“হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রতিপালক, আপনার ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। যতটুকু পারি, আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি। আমি আশ্রয় চাই আমার কৃতকর্মের অমঙ্গলের হাত থেকে। আমি স্বীকার করি আপনার নেয়ামতসমূহ এবং স্বীকার করি আমার গুনাহসমূহ। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন, কারণ আপনার ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।”
📖 সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদীস: ৬৩০৬
🌅 এই দোয়াটি সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ো।
এটি তওবার সর্বোত্তম রূপ।
তুমি যত গভীর গুনাহেই থাকো না কেন —
আল্লাহর রহমত তোমার গুনাহ থেকেও গভীর। 💖
তোমার অতীত তোমাকে সংজ্ঞায়িত করে না,
তোমার তওবা-ই বলে দেয় তুমি কে।
ফিরে আসো তাঁর দিকে, আল্লাহ এখনো তোমার অপেক্ষায় আছেন। 🤲
#আল্লাহররহমত #তওবা #ক্ষমা #ইস্তেগফার #আল্লাহআমাররব #ইসলামিকবার্তা #MessageOfNoor
#AllahsMercy #Forgiveness #Tawbah #Istighfar #IslamicReminder #HopeInAllah #messageofnoor
❤3