আপনার সন্তানের বয়স কি ১৮+?
বাদল সৈয়দ।
আপনার বাচ্চা আঠারো পার করেছে? অভিনন্দন। নিচের লেখাটি আপনার জন্য লিখলাম।
সে একটি নতুন জগতে পা দিচ্ছে। যে জগত আরেকটু বড়দের জগত। ও আরেকটু বড় হয়ে যাচ্ছে। স্পুন ফিডিংয়ের সময় শেষ। ওকে এখন বাইরের দুনিয়ার জন্য তৈরি করতে হবে।
১। দায়িত্ব দিন।
কিছু দায়িত্ব ওকে দিন। যেমন ছোটো ভাইবোনদের দেখাশুনা, পড়ানো, বাসার টুকটাক সমস্যা সমাধান করা। এতে যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে, তা সারাজীবনের অমূল্য শিক্ষা হয়ে ওকে আলো দেখাবে।
২। বাজারে পাঠান।
সপ্তাহে একদিন অন্তত বাজারে পাঠান। আমাদের পুরো জীবন নানারকম বোঝাপড়ার মধ্যে যেতে হয়।নেগোসিয়েশন করতে হয়।বাজারে দরদাম করা হচ্ছে, সেই নেগোসিয়েশন শেখার প্রাইমারি স্কুল।
৩। অল্প রোজগার করুক।
সম্ভব হলে কিছু রোজগার করার দায়িত্ব দিন। যেমন টিউশনি।
টিউশনি না হলে অন্য কাজও করতে পারে। যেমন প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি। সংসারে হয়ত তার রোজগারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু এটা তাকে স্বনির্ভরশীলতা শেখাবে।সবচে বড় কথা, নিজে আয় করলে টাকার মূল্য বুঝবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক শিক্ষা।
৪। ওর উড়ু উড়ু মনকে বোঝান।
শুনতে ভালো না লাগলেও এটা সত্য যে, এসময় ওর মন উড়ু উড়ু হবে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি রোমান্টিকতা তৈরি হবে। এটা এ বয়সের ধর্ম। তাই ওকে খোলাখুলি বুঝিয়ে বলুন, এর কারণে ওর কী কী সমস্যা হতে পারে। লজ্জা পাওয়ার কারণ নেই। পরে হাতির সমান সমস্যা মোকাবেলার চাইতে লজ্জা বাদ দিয়ে ওকে বোঝানো অনেক ভালো।
৫। মতামত দিন।
বিভিন্ন ব্যাপারে ওর মতামত নিন। বিশেষ করে পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। এতে ও সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। যা ওর জীবনে অনেক কাজে লাগবে।
৬। মহৎ মানুষের সান্নিধ্যে নিন।
প্রকৃত বড় মানুষের সান্নিধ্যে নিয়ে যান। মহৎ সান্নিধ্য খুব ভালো টনিক। সাধারণ একজন মানুষ, কিন্তু আপনি মনে করেন তিনি অসাধারণ। তাঁর কাছে নিয়ে যান। দেখবেন এটি বাচ্চার মধ্যে খুব ভালো প্রভাব ফেলবে। মনে রাখবেন, বিখ্যাত মানুষ মানেই বড় মানুষ নন। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর বেশির ভাগ বিখ্যাত ছিলেন না। সাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। এদের কাছেই আপনার বাচ্চা আলোকিত হোক।
৬। সেরা গল্পগুলো বলুন।
আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনাগুলো ওকে বলুন। সেরা মুহূর্তগুলোর গল্প শোনান। রিয়েল লাইফ স্টোরির মতো মোটিভেশান আর কিছু নেই।
৭। বন্ধু/আত্মীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ করুন।
আপনার সবচে বিশ্বস্ত বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে ওকে সাহায্য করুন। কঠিন পৃথিবীতে এধরনের সম্পর্ক খুব দরকার। আপনার অকৃত্রিম বন্ধু/ আত্মীয়দের সাথে পরিচয় থাকলে সে দরকারে তাদের কাছে যেতে পারবে। আমার- আপনার অবর্তমানে সে গার্ডিয়ান ফিগার খুঁজে পাবে।
৮। সমস্যা শেয়ার করুন।
এখন ওর সাথে সমস্যা শেয়ার করার সময়। আমরা সন্তানদের কাছ থেকে সমস্যা গোপন রাখি। আমার মতে, এটা ঠিক নয়। ওদের আমাদের সমস্যার কথাও বলা উচিত। যাতে তারা সেটা অনুধাবণ করে। এটা হলে তারা সহজে পথভ্রষ্ট হবে না। মা-বাবার দুঃখ যারা বোঝে তারা খারাপ হয় না। ( তবে বলার মাত্রায় সীমা বজায় রাখতে হবে। সবকিছু বলবেন না, কিছু কিছু বলবেন।যাতে ও হতাশ না হয়ে পড়ে)
আপনার বাচ্চার চাইতে পাঁচ বছর কম বয়সে বাদশা আকবর মুঘল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ওকে মুঘল সাম্রাজ্যের দায় নিতে হবে না। কিন্তু নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়া শুরু করতে হবে। সেটা শুরু করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
(লেখাটি শেয়ার করা যাবে )
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
বাদল সৈয়দ।
আপনার বাচ্চা আঠারো পার করেছে? অভিনন্দন। নিচের লেখাটি আপনার জন্য লিখলাম।
সে একটি নতুন জগতে পা দিচ্ছে। যে জগত আরেকটু বড়দের জগত। ও আরেকটু বড় হয়ে যাচ্ছে। স্পুন ফিডিংয়ের সময় শেষ। ওকে এখন বাইরের দুনিয়ার জন্য তৈরি করতে হবে।
১। দায়িত্ব দিন।
কিছু দায়িত্ব ওকে দিন। যেমন ছোটো ভাইবোনদের দেখাশুনা, পড়ানো, বাসার টুকটাক সমস্যা সমাধান করা। এতে যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে, তা সারাজীবনের অমূল্য শিক্ষা হয়ে ওকে আলো দেখাবে।
২। বাজারে পাঠান।
সপ্তাহে একদিন অন্তত বাজারে পাঠান। আমাদের পুরো জীবন নানারকম বোঝাপড়ার মধ্যে যেতে হয়।নেগোসিয়েশন করতে হয়।বাজারে দরদাম করা হচ্ছে, সেই নেগোসিয়েশন শেখার প্রাইমারি স্কুল।
৩। অল্প রোজগার করুক।
সম্ভব হলে কিছু রোজগার করার দায়িত্ব দিন। যেমন টিউশনি।
টিউশনি না হলে অন্য কাজও করতে পারে। যেমন প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি। সংসারে হয়ত তার রোজগারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু এটা তাকে স্বনির্ভরশীলতা শেখাবে।সবচে বড় কথা, নিজে আয় করলে টাকার মূল্য বুঝবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক শিক্ষা।
৪। ওর উড়ু উড়ু মনকে বোঝান।
শুনতে ভালো না লাগলেও এটা সত্য যে, এসময় ওর মন উড়ু উড়ু হবে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি রোমান্টিকতা তৈরি হবে। এটা এ বয়সের ধর্ম। তাই ওকে খোলাখুলি বুঝিয়ে বলুন, এর কারণে ওর কী কী সমস্যা হতে পারে। লজ্জা পাওয়ার কারণ নেই। পরে হাতির সমান সমস্যা মোকাবেলার চাইতে লজ্জা বাদ দিয়ে ওকে বোঝানো অনেক ভালো।
৫। মতামত দিন।
বিভিন্ন ব্যাপারে ওর মতামত নিন। বিশেষ করে পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। এতে ও সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। যা ওর জীবনে অনেক কাজে লাগবে।
৬। মহৎ মানুষের সান্নিধ্যে নিন।
প্রকৃত বড় মানুষের সান্নিধ্যে নিয়ে যান। মহৎ সান্নিধ্য খুব ভালো টনিক। সাধারণ একজন মানুষ, কিন্তু আপনি মনে করেন তিনি অসাধারণ। তাঁর কাছে নিয়ে যান। দেখবেন এটি বাচ্চার মধ্যে খুব ভালো প্রভাব ফেলবে। মনে রাখবেন, বিখ্যাত মানুষ মানেই বড় মানুষ নন। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর বেশির ভাগ বিখ্যাত ছিলেন না। সাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। এদের কাছেই আপনার বাচ্চা আলোকিত হোক।
৬। সেরা গল্পগুলো বলুন।
আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনাগুলো ওকে বলুন। সেরা মুহূর্তগুলোর গল্প শোনান। রিয়েল লাইফ স্টোরির মতো মোটিভেশান আর কিছু নেই।
৭। বন্ধু/আত্মীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ করুন।
আপনার সবচে বিশ্বস্ত বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে ওকে সাহায্য করুন। কঠিন পৃথিবীতে এধরনের সম্পর্ক খুব দরকার। আপনার অকৃত্রিম বন্ধু/ আত্মীয়দের সাথে পরিচয় থাকলে সে দরকারে তাদের কাছে যেতে পারবে। আমার- আপনার অবর্তমানে সে গার্ডিয়ান ফিগার খুঁজে পাবে।
৮। সমস্যা শেয়ার করুন।
এখন ওর সাথে সমস্যা শেয়ার করার সময়। আমরা সন্তানদের কাছ থেকে সমস্যা গোপন রাখি। আমার মতে, এটা ঠিক নয়। ওদের আমাদের সমস্যার কথাও বলা উচিত। যাতে তারা সেটা অনুধাবণ করে। এটা হলে তারা সহজে পথভ্রষ্ট হবে না। মা-বাবার দুঃখ যারা বোঝে তারা খারাপ হয় না। ( তবে বলার মাত্রায় সীমা বজায় রাখতে হবে। সবকিছু বলবেন না, কিছু কিছু বলবেন।যাতে ও হতাশ না হয়ে পড়ে)
আপনার বাচ্চার চাইতে পাঁচ বছর কম বয়সে বাদশা আকবর মুঘল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ওকে মুঘল সাম্রাজ্যের দায় নিতে হবে না। কিন্তু নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়া শুরু করতে হবে। সেটা শুরু করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
(লেখাটি শেয়ার করা যাবে )
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
❤3
"ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটারী মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার " ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত সম্পূর্ণ সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় সকল প্রকার পরীক্ষাই করা হয় সরকারি মূল্যে জনসাধারণের সাধ্যের ভিতর।
আমি যেহেতু লিভারের অসুখ নিয়ে কাজ করি এজন্য লিভারের বিভিন্ন অসুখে সচারাচর যে সকল পরীক্ষা করা হয় তার একটি মূল্য তালিকা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম।
হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও থায়রয়েড এর পরীক্ষা সমুহ উল্লেখ করলাম, পূর্নাঙ্গ তালিকা পরবর্তীতে পাবেন।
এখানে পরীক্ষার রিপোর্টের মান খুবই ভালো।
অনেকেই প্রশ্ন করেন পিজি হাসপাতালের মত হবে কিনা? হ্যা, পরীক্ষার মান প্রায় একই।
➡️এখানে পরীক্ষা করার সুবিধা হচ্ছে, আপনি যে কোন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই পরীক্ষা করাতে পারবেন, রিপোর্ট নিতে না আসলেও চলবে অনলাইনে রিপোর্ট দেওয়া হয়।
➡️সময়: শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে শনি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
➡️ঠিকানা:
সহজে চেনার জন্য বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে শ্যামলী বা আগারগাঁও নেমে রিকশায় শেরে বাংলা নগর থানা বললেই যেতে পারবেন, থানার ঠিক পাশের বিল্ডিং টা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটারী মেডিসিন ভবন।
এর পরও না চিনতে পারলে NILMRC লিখে গুগলে সার্চ দিলেও চলে আসবে।
আপনারা যারা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে চান তারা নির্দিদ্ধায় এখানে পরীক্ষা করাতে পারেন।
এছাড়া পিজি হাসপাতাল তো আছেই, সেখানেও পরীক্ষা করাতে পারেন।
পোস্ট টি শেয়ার করে আরও মানুষকে জানিয়ে দিন।
ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01746225110
এবং 01913381409
#hepatitis #hepatitisbvirus #HepatitisAwareness #HepatitisPrevention #awarness #savepeople #hepatology
আমি যেহেতু লিভারের অসুখ নিয়ে কাজ করি এজন্য লিভারের বিভিন্ন অসুখে সচারাচর যে সকল পরীক্ষা করা হয় তার একটি মূল্য তালিকা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম।
হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও থায়রয়েড এর পরীক্ষা সমুহ উল্লেখ করলাম, পূর্নাঙ্গ তালিকা পরবর্তীতে পাবেন।
এখানে পরীক্ষার রিপোর্টের মান খুবই ভালো।
অনেকেই প্রশ্ন করেন পিজি হাসপাতালের মত হবে কিনা? হ্যা, পরীক্ষার মান প্রায় একই।
➡️এখানে পরীক্ষা করার সুবিধা হচ্ছে, আপনি যে কোন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই পরীক্ষা করাতে পারবেন, রিপোর্ট নিতে না আসলেও চলবে অনলাইনে রিপোর্ট দেওয়া হয়।
➡️সময়: শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে শনি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
➡️ঠিকানা:
সহজে চেনার জন্য বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে শ্যামলী বা আগারগাঁও নেমে রিকশায় শেরে বাংলা নগর থানা বললেই যেতে পারবেন, থানার ঠিক পাশের বিল্ডিং টা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটারী মেডিসিন ভবন।
এর পরও না চিনতে পারলে NILMRC লিখে গুগলে সার্চ দিলেও চলে আসবে।
আপনারা যারা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে চান তারা নির্দিদ্ধায় এখানে পরীক্ষা করাতে পারেন।
এছাড়া পিজি হাসপাতাল তো আছেই, সেখানেও পরীক্ষা করাতে পারেন।
পোস্ট টি শেয়ার করে আরও মানুষকে জানিয়ে দিন।
ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01746225110
এবং 01913381409
#hepatitis #hepatitisbvirus #HepatitisAwareness #HepatitisPrevention #awarness #savepeople #hepatology
কিভাবে একা একা ইফেক্টিভলি পড়বেন-
১. নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন
-প্রতিদিন পড়ার আগে ঠিক করুন আজ কী শিখবো (যেমন: “আজ ফিজিওলজি – কার্ডিয়াক সাইকেল শেষ করবো”)।
-ছোট ছোট অংশে লক্ষ্য ভাগ করলে সহজ হয়।
২. পড়ার সময় ভাগ করুন (Pomodoro Technique ব্যবহার করতে পারেন)
-২৫–৩০ মিনিট পড়ুন → ৫ মিনিট বিরতি নিন।
-৪টা সেশন শেষ হলে ১৫–২০ মিনিট দীর্ঘ বিরতি নিন।
৩. শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন
-মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
-টেবিল/চেয়ার, আলো আর পড়াশোনার সামগ্রী গোছানো থাকুক।
৪. Active Learning প্র্যাকটিস করুন
-শুধু পড়বেন না → নিজের ভাষায় লিখে বা বলে বোঝানোর চেষ্টা করুন।
-চার্ট, ফ্লোডায়াগ্রাম, মাইন্ডম্যাপ ব্যবহার করুন।
-MCQ/প্রশ্ন সলভ করে নিজের জ্ঞান যাচাই করুন।
৫. Self-testing অভ্যাস করুন
-প্রতিদিন পড়া শেষে নিজের কাছে প্রশ্ন করুন।
-সপ্তাহে একদিন revision test দিন (যেমন নিজেকে ১০–১৫টা প্রশ্ন লিখে উত্তর দিন)।
৬. নোট তৈরি করুন (Concise & Visual)
-বইয়ের লম্বা লেখা কপি করবেন না → ছোট পয়েন্টে লিখুন।
-রঙ/হাইলাইট/ড্রয়িং ব্যবহার করলে মনে থাকে বেশি।
৭. নিয়মিত রিভিশন করুন (Spaced Repetition)
-আজ যা পড়বেন, তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার একবার দেখে নিন।
-৩ দিন পর, ৭ দিন পর, ১৫ দিন পর আবার রিভিশন করুন।
৮. মোটিভেশন ধরে রাখুন
-বড় টার্গেটকে ছোট টার্গেটে ভাগ করুন।
-প্রতিটি ছোট কাজ শেষ হলে নিজেকে রিওয়ার্ড দিন।
-পড়াশোনার অগ্রগতি লিখে রাখুন (to-do list / study tracker)
৯. শরীর–মনের যত্ন নিন
-প্রতিদিন ৭–৮ ঘন্টা ঘুম, পর্যাপ্ত পানি ও হালকা ব্যায়াম জরুরি।
-মানসিক চাপ কমাতে মাঝে মাঝে রিলাক্স করার সময় রাখুন।
১০. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন
-প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়ার অভ্যাস করুন।
-২ দিন বাদ দিলে আবার রুটিনে ফেরা কঠিন হয়ে যায়।
.
( Dr. Partho Protim )
১. নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন
-প্রতিদিন পড়ার আগে ঠিক করুন আজ কী শিখবো (যেমন: “আজ ফিজিওলজি – কার্ডিয়াক সাইকেল শেষ করবো”)।
-ছোট ছোট অংশে লক্ষ্য ভাগ করলে সহজ হয়।
২. পড়ার সময় ভাগ করুন (Pomodoro Technique ব্যবহার করতে পারেন)
-২৫–৩০ মিনিট পড়ুন → ৫ মিনিট বিরতি নিন।
-৪টা সেশন শেষ হলে ১৫–২০ মিনিট দীর্ঘ বিরতি নিন।
৩. শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন
-মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
-টেবিল/চেয়ার, আলো আর পড়াশোনার সামগ্রী গোছানো থাকুক।
৪. Active Learning প্র্যাকটিস করুন
-শুধু পড়বেন না → নিজের ভাষায় লিখে বা বলে বোঝানোর চেষ্টা করুন।
-চার্ট, ফ্লোডায়াগ্রাম, মাইন্ডম্যাপ ব্যবহার করুন।
-MCQ/প্রশ্ন সলভ করে নিজের জ্ঞান যাচাই করুন।
৫. Self-testing অভ্যাস করুন
-প্রতিদিন পড়া শেষে নিজের কাছে প্রশ্ন করুন।
-সপ্তাহে একদিন revision test দিন (যেমন নিজেকে ১০–১৫টা প্রশ্ন লিখে উত্তর দিন)।
৬. নোট তৈরি করুন (Concise & Visual)
-বইয়ের লম্বা লেখা কপি করবেন না → ছোট পয়েন্টে লিখুন।
-রঙ/হাইলাইট/ড্রয়িং ব্যবহার করলে মনে থাকে বেশি।
৭. নিয়মিত রিভিশন করুন (Spaced Repetition)
-আজ যা পড়বেন, তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার একবার দেখে নিন।
-৩ দিন পর, ৭ দিন পর, ১৫ দিন পর আবার রিভিশন করুন।
৮. মোটিভেশন ধরে রাখুন
-বড় টার্গেটকে ছোট টার্গেটে ভাগ করুন।
-প্রতিটি ছোট কাজ শেষ হলে নিজেকে রিওয়ার্ড দিন।
-পড়াশোনার অগ্রগতি লিখে রাখুন (to-do list / study tracker)
৯. শরীর–মনের যত্ন নিন
-প্রতিদিন ৭–৮ ঘন্টা ঘুম, পর্যাপ্ত পানি ও হালকা ব্যায়াম জরুরি।
-মানসিক চাপ কমাতে মাঝে মাঝে রিলাক্স করার সময় রাখুন।
১০. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন
-প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়ার অভ্যাস করুন।
-২ দিন বাদ দিলে আবার রুটিনে ফেরা কঠিন হয়ে যায়।
.
( Dr. Partho Protim )
👍2
একবার লিখেছিলাম আমার বাসার হেল্পিং হ্যান্ড ফারিযকে নিয়ে বাসার নিচে হাঁটতে যেতে চাইলে আমি দেই নি। সে খুব অবাক হয়েছিল, আমি ছেলে সন্তান নিয়ে এতো প্রোটেক্টিভ দেখে।
আরেকদিন এক প্রতিবেশী ভাবী বললেন ফারিযকে উনার বাসায় রেখে আসতে, তার ছেলের সাথে খেলবে। আমি বলেছি আমি ওকে একা কোথাও ছাড়ি না। ভদ্রমহিলা সেটা রেস্পেক্ট করেছিলেন এবং উনিই বাচ্চা নিয়ে আমার বাসায় এসেছিলেন খেলতে।
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। একবার ও গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ায় আমার বাবা ওকে গাড়িতে ড্রাইভারের কাছে রেখে যেতে চাইলে বলেছিলাম, কখনো কোন অবস্থাতে যেন এধরণের কাজ উনি না করেন, এবং কাউকে এলাও না করেন। আমার বাবা এবং পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- প্যাকেটের গায়ে "শিশুর জন্য ভালো" বা "শিশুর খাবার" বললেও প্যাকেটের পেছনের ইনগ্রিডিয়েন্টস দেখে কেনা
- দোকানদার "ডেইট আছে" বললেও কিছু কেনার আগে মেয়াদ/এক্সপায়ারি ডেইট দেখে নেয়া
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- ডাক্তার ওষুধ দিলেই চোখ বন্ধ করে খাইয়ে না দিয়ে, ওষুধ সম্পর্কে চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করা, ওষুধ শিশুর বয়সোপযোগী কি না, সাইড ইফেক্ট ইত্যাদি জেনে নেয়া, ডাক্তারকে প্রশ্ন করা
- যে কাজের লোক/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আপাতত এগুলোই মনে এলো। আরও কিছু মনে পড়লে কমেন্টে জানান। আমি ছোটবেলায় এবিউ!জ, মলে!স্টেশনের শিকার হয়েছি, সেসব ক্ষত আমি এখনো বয়ে বেড়াই, এখনো দু:স্বপ্ন দেখি। শুধু বাবা মা চাকরি করার কারণেই না, ওদের অসাবধানতা, মানুষকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করার কারণে। এবং আমি একা না, আমার জেনারেশনের অনেকে এসবের শিকার হয়েছে। কেউ হয়তো আমার মতো বলার সাহস রাখে, কেউ হয়তো শুধু কাছের বন্ধুদের বলে, কেউ আজীবন মনে চেপে রাখে। কিন্তু সংখ্যাটা ছোট না। আত্মীয়, হুজুর, টিউটর, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়েরা না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety
আরেকদিন এক প্রতিবেশী ভাবী বললেন ফারিযকে উনার বাসায় রেখে আসতে, তার ছেলের সাথে খেলবে। আমি বলেছি আমি ওকে একা কোথাও ছাড়ি না। ভদ্রমহিলা সেটা রেস্পেক্ট করেছিলেন এবং উনিই বাচ্চা নিয়ে আমার বাসায় এসেছিলেন খেলতে।
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। একবার ও গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ায় আমার বাবা ওকে গাড়িতে ড্রাইভারের কাছে রেখে যেতে চাইলে বলেছিলাম, কখনো কোন অবস্থাতে যেন এধরণের কাজ উনি না করেন, এবং কাউকে এলাও না করেন। আমার বাবা এবং পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- প্যাকেটের গায়ে "শিশুর জন্য ভালো" বা "শিশুর খাবার" বললেও প্যাকেটের পেছনের ইনগ্রিডিয়েন্টস দেখে কেনা
- দোকানদার "ডেইট আছে" বললেও কিছু কেনার আগে মেয়াদ/এক্সপায়ারি ডেইট দেখে নেয়া
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- ডাক্তার ওষুধ দিলেই চোখ বন্ধ করে খাইয়ে না দিয়ে, ওষুধ সম্পর্কে চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করা, ওষুধ শিশুর বয়সোপযোগী কি না, সাইড ইফেক্ট ইত্যাদি জেনে নেয়া, ডাক্তারকে প্রশ্ন করা
- যে কাজের লোক/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আপাতত এগুলোই মনে এলো। আরও কিছু মনে পড়লে কমেন্টে জানান। আমি ছোটবেলায় এবিউ!জ, মলে!স্টেশনের শিকার হয়েছি, সেসব ক্ষত আমি এখনো বয়ে বেড়াই, এখনো দু:স্বপ্ন দেখি। শুধু বাবা মা চাকরি করার কারণেই না, ওদের অসাবধানতা, মানুষকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করার কারণে। এবং আমি একা না, আমার জেনারেশনের অনেকে এসবের শিকার হয়েছে। কেউ হয়তো আমার মতো বলার সাহস রাখে, কেউ হয়তো শুধু কাছের বন্ধুদের বলে, কেউ আজীবন মনে চেপে রাখে। কিন্তু সংখ্যাটা ছোট না। আত্মীয়, হুজুর, টিউটর, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়েরা না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety
ইফফাত রাতে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় চোখে মোবাইলের টর্চের আলো অনুভব করায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। কেউ একজন মোবাইলের ফ্ল্যাশ দিয়ে গোপনে উনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। উনি চিৎকার করে উঠেন। লোকটিকে ধরে ফেলেন।
ইফফাত একজন সরকারি শিক্ষিকা। ঢাকায় স্বামী সন্তানসহ থাকেন। একদিনের জন্য বেড়াতে গিয়েছিলেন পাবনায়। বান্ধুবীর বাসায়। সারাদিন বান্ধুবীর সাথে পাবনা ঘুরে বেড়ান। হাসিখুশি মাখা ছবি তুলেন।
কিন্তু তিনি কল্পনাও করতে পারেননি রাতে উনার জন্য কী অপেক্ষা করছেন।
পাবনায় সেই বান্ধুবীর বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। উনার রুমে ঢুকে পড়েন বান্ধুবীর ভাই মামুন। মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করতে থাকে। চোখে ফ্লাশের আলো অনুভব করায় উনার ঘুম ভেঙ্গে যায়।
ঘুম ভেঙ্গে উনি দেখতে পান মামুনকে। ইফফাত চিৎকার করতে থাকেন। উনার চিৎকার শুনে বান্ধুবী পাশের রুম থেকে চলে আসে।
বান্ধুবী সব শোনার পর ভাইকে বাঁচাতে বলে, 'যা হয়েছে হয়েছে। এখানেই দ্য ইন্ড কর। ঝামেলা বাড়াইও না।'
ইফফাত বারবার বলতে থাকে, 'আমি দেখতে চাই কী ভিডিও করেছে।'
কারণ সে জানে একটি মেয়ের জীবন ধ্বংস করার জন্য পর্ণগ্রাফি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। মানুষ কখনও দেখতে যাবে না। সেটি জোরপূর্বক নাকি গোপণে ধারণকৃত।
ইফফাত প্রমাণ রাখার জন্য এবং ঐ ভিডিও ডিলিট করার জন্য বারবার দেখতে চায় ভিডিওগুলো।
কিন্তু ওরা কিছুতেই দেখতে দিবে না। কারণ ফোন চেক করতে দিলে তো ভাই অপরাধী প্রমাণিত হয়ে যাবে।
এমন অবস্থায় আইনের আশ্রয় নেওয়ার হুমকি দিয়ে ইফফাত ঢাকায় চলে আসে। ইফফাতকে বারবার তারা ফোন করে হুমকি দিতে থাকে। তুমি যদি আইনের আশ্রয় নাও। তাহলে আমরা তোমার নামে চুরির মামলা দিবো।
ইফফাত ঢাকায় জিডি করে। অন্যদিকে পাবনায় তাঁর বান্ধুবী মামলা করে। যেখানে উল্লেখ করা হয়, 'ইফফাত আমাদের বাসায় এসে কফির মধ্যে ঘুমের মেডিসিন খাইয়ে। সবাইকে অজ্ঞান করে আমার ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে ঢাকায় পালিয়ে গিয়েছে।'
আমাদের দেশের মহামান্য আদালতও মামলা আমলে নিয়ে পাবনায় ইফফাতকে তলব করে।
ইফফাতের উকিল আদালতকে জানায়, একজন সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা। দুই বাচ্চার মা। সে ঢাকা থেকে বান্ধুবীর বাসায় গিয়ে সবাইকে অজ্ঞান করে ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করবে। জেনে শুনে এই ঝুঁকি কেউ নিবে? এটা তো কমনসেন্স নাকি? একজন অবিবাহিত মেয়ের কাছে ২০ ভরি স্বর্ণ কী আদৌ থাকা সম্ভব?
বান্ধুবী আদালতে চুরির পক্ষে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে ইফফাতের উকিল সে নির্দোষ এর স্বপক্ষে প্রমাণ আদালতে উপস্থিত করেন - আদালত বর্তমানে ইফফাতকে জামিন দিয়েছেন।
কোন কিছু প্রমাণের আগেই তাঁর লাইফটা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ওর চরিত্র নিয়ে মিথ্যা নিউজ ছড়িয়ে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে। শিক্ষার্থীদের সামনেও মুখ দেখাতে পারছেন না উনি।
উনি বলেছেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তদন্ত হোক। সেই অনুযায়ী বিচার হোক।
ইফফাত দুই সন্তানের মা। একজন শিক্ষিকা। একজন স্ত্রী।
নিজ সম্মান, সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে হয়ে গেলেন চোর। তাও তাঁর বান্ধুবীই তার পিঠে চাকু মেরেছে।
সব ক্ষত শারীরিক নয়, কিছু ক্ষত আসে বিশ্বাসঘাতকতার আঘাতে।
বন্ধুত্ব কেবল হাসি-আনন্দ ভাগাভাগি নয়, বরং আস্থার জায়গা।
কখনও কী নিজেকে প্রশ্ন করেছি? কাকে বন্ধু বানাচ্ছি?
একজন বন্ধুর আচার আচরণ কথা বার্তার মধ্যে কোন না কোনভাবে তাঁর চরিত্রের পোস্টমর্টেম করা যায়। সেই অনুযায়ী সতর্ক হওয়া যায়। এই সুরৎহাল রিপোর্ট অনেকে বুঝতে পারে। অনেকে পারে না। অনেকে টের পেয়েও একসাথে খায়, ঘুমায় ঘুরে। একদিন ধরা খায়।
ছেলেদের বন্ধু বিশ্বাসঘাতকতা করলে সর্বোচ্চ মারধোর করে আহত নিহত করে। কিন্তু মেয়েদের বান্ধুবী বিশ্বাসঘাতকতা করলে সেটার শুরুটা হয় চরিত্রের অস্ত্রপাচার দিয়ে।
নারীকে ভাঙতে হলে চরিত্র নিয়ে আঘাত করাই সবচেয়ে সহজ অস্ত্র। তাই সাবধান।
✍ অন্তর মাশঊদ
ইফফাত একজন সরকারি শিক্ষিকা। ঢাকায় স্বামী সন্তানসহ থাকেন। একদিনের জন্য বেড়াতে গিয়েছিলেন পাবনায়। বান্ধুবীর বাসায়। সারাদিন বান্ধুবীর সাথে পাবনা ঘুরে বেড়ান। হাসিখুশি মাখা ছবি তুলেন।
কিন্তু তিনি কল্পনাও করতে পারেননি রাতে উনার জন্য কী অপেক্ষা করছেন।
পাবনায় সেই বান্ধুবীর বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। উনার রুমে ঢুকে পড়েন বান্ধুবীর ভাই মামুন। মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করতে থাকে। চোখে ফ্লাশের আলো অনুভব করায় উনার ঘুম ভেঙ্গে যায়।
ঘুম ভেঙ্গে উনি দেখতে পান মামুনকে। ইফফাত চিৎকার করতে থাকেন। উনার চিৎকার শুনে বান্ধুবী পাশের রুম থেকে চলে আসে।
বান্ধুবী সব শোনার পর ভাইকে বাঁচাতে বলে, 'যা হয়েছে হয়েছে। এখানেই দ্য ইন্ড কর। ঝামেলা বাড়াইও না।'
ইফফাত বারবার বলতে থাকে, 'আমি দেখতে চাই কী ভিডিও করেছে।'
কারণ সে জানে একটি মেয়ের জীবন ধ্বংস করার জন্য পর্ণগ্রাফি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। মানুষ কখনও দেখতে যাবে না। সেটি জোরপূর্বক নাকি গোপণে ধারণকৃত।
ইফফাত প্রমাণ রাখার জন্য এবং ঐ ভিডিও ডিলিট করার জন্য বারবার দেখতে চায় ভিডিওগুলো।
কিন্তু ওরা কিছুতেই দেখতে দিবে না। কারণ ফোন চেক করতে দিলে তো ভাই অপরাধী প্রমাণিত হয়ে যাবে।
এমন অবস্থায় আইনের আশ্রয় নেওয়ার হুমকি দিয়ে ইফফাত ঢাকায় চলে আসে। ইফফাতকে বারবার তারা ফোন করে হুমকি দিতে থাকে। তুমি যদি আইনের আশ্রয় নাও। তাহলে আমরা তোমার নামে চুরির মামলা দিবো।
ইফফাত ঢাকায় জিডি করে। অন্যদিকে পাবনায় তাঁর বান্ধুবী মামলা করে। যেখানে উল্লেখ করা হয়, 'ইফফাত আমাদের বাসায় এসে কফির মধ্যে ঘুমের মেডিসিন খাইয়ে। সবাইকে অজ্ঞান করে আমার ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে ঢাকায় পালিয়ে গিয়েছে।'
আমাদের দেশের মহামান্য আদালতও মামলা আমলে নিয়ে পাবনায় ইফফাতকে তলব করে।
ইফফাতের উকিল আদালতকে জানায়, একজন সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা। দুই বাচ্চার মা। সে ঢাকা থেকে বান্ধুবীর বাসায় গিয়ে সবাইকে অজ্ঞান করে ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করবে। জেনে শুনে এই ঝুঁকি কেউ নিবে? এটা তো কমনসেন্স নাকি? একজন অবিবাহিত মেয়ের কাছে ২০ ভরি স্বর্ণ কী আদৌ থাকা সম্ভব?
বান্ধুবী আদালতে চুরির পক্ষে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে ইফফাতের উকিল সে নির্দোষ এর স্বপক্ষে প্রমাণ আদালতে উপস্থিত করেন - আদালত বর্তমানে ইফফাতকে জামিন দিয়েছেন।
কোন কিছু প্রমাণের আগেই তাঁর লাইফটা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ওর চরিত্র নিয়ে মিথ্যা নিউজ ছড়িয়ে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে। শিক্ষার্থীদের সামনেও মুখ দেখাতে পারছেন না উনি।
উনি বলেছেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তদন্ত হোক। সেই অনুযায়ী বিচার হোক।
ইফফাত দুই সন্তানের মা। একজন শিক্ষিকা। একজন স্ত্রী।
নিজ সম্মান, সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে হয়ে গেলেন চোর। তাও তাঁর বান্ধুবীই তার পিঠে চাকু মেরেছে।
সব ক্ষত শারীরিক নয়, কিছু ক্ষত আসে বিশ্বাসঘাতকতার আঘাতে।
বন্ধুত্ব কেবল হাসি-আনন্দ ভাগাভাগি নয়, বরং আস্থার জায়গা।
কখনও কী নিজেকে প্রশ্ন করেছি? কাকে বন্ধু বানাচ্ছি?
একজন বন্ধুর আচার আচরণ কথা বার্তার মধ্যে কোন না কোনভাবে তাঁর চরিত্রের পোস্টমর্টেম করা যায়। সেই অনুযায়ী সতর্ক হওয়া যায়। এই সুরৎহাল রিপোর্ট অনেকে বুঝতে পারে। অনেকে পারে না। অনেকে টের পেয়েও একসাথে খায়, ঘুমায় ঘুরে। একদিন ধরা খায়।
ছেলেদের বন্ধু বিশ্বাসঘাতকতা করলে সর্বোচ্চ মারধোর করে আহত নিহত করে। কিন্তু মেয়েদের বান্ধুবী বিশ্বাসঘাতকতা করলে সেটার শুরুটা হয় চরিত্রের অস্ত্রপাচার দিয়ে।
নারীকে ভাঙতে হলে চরিত্র নিয়ে আঘাত করাই সবচেয়ে সহজ অস্ত্র। তাই সাবধান।
✍ অন্তর মাশঊদ
❤1
ফোর সাইকেল
যৌন সমস্যা সমাধানের পরিক্ষিত রুলস
দীর্ঘদিন যাবৎ নারী পুরুষের যৌন সমস্যা নিয়ে কাজ করছি, পেশেন্টের পজিটিভ নেগেটিভ রিভিউ এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তৈরি করেছি "ফোর সাইকেল" যা পার্ফেক্ট সমাধানের জন্য বেশ কার্যকরী, এই রুলস ফলো করে অসংখ্য নারী পুরুষ সমাধান পেয়েছেন, কাঙ্খিত যৌনজীবন উপভোগ করছেন, চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
ফোর সাইকেল কি? এটি হচ্ছে
একটি ব্যবস্থাপত্র যার চারটি পার্ট রয়েছে।
🥗খাবার
🏋️♂️ব্যায়াম
🚴♂️প্রাকটিস (বিবাহিতদের জন্য)
🧰মেডিসিন (প্রয়োজনে)
প্রথম দুটি অপশন সবার জন্য এবং সারা জীবনের জন্য তৃতীয় অপশনটি শুধুমাত্র বিবাহিতদের জন্য
এবং চতুর্থ অপশন মেডিসিন যা কেবল অনেক
বেশি সমস্যায় থাকা ব্যক্তির জন্য।
🥗খাবার
https://www.facebook.com/share/p/18yLdhQxj6/
🏋️♂️ব্যায়াম
https://www.facebook.com/share/p/wKQ6wvfdzxMuaDMm/?mibextid=oFDknk
🚴♂️প্রাকটিস (বিবাহিতদের জন্য)
https://www.facebook.com/share/p/18GmpS2FFD/
🧰মেডিসিন (প্রয়োজনে)
https://www.facebook.com/share/p/1BHfvoy5BW/
Homeopathic
Dr. Mamun khandoker
Alternative Doctor & Motivational Speaker.
Experienced in SeX, Infertility & mental health.
WhatsApp / imo: 01917378459
যৌন সমস্যা সমাধানের পরিক্ষিত রুলস
দীর্ঘদিন যাবৎ নারী পুরুষের যৌন সমস্যা নিয়ে কাজ করছি, পেশেন্টের পজিটিভ নেগেটিভ রিভিউ এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তৈরি করেছি "ফোর সাইকেল" যা পার্ফেক্ট সমাধানের জন্য বেশ কার্যকরী, এই রুলস ফলো করে অসংখ্য নারী পুরুষ সমাধান পেয়েছেন, কাঙ্খিত যৌনজীবন উপভোগ করছেন, চেষ্টা করলে আপনিও পারবেন, ইনশাআল্লাহ।
ফোর সাইকেল কি? এটি হচ্ছে
একটি ব্যবস্থাপত্র যার চারটি পার্ট রয়েছে।
🥗খাবার
🏋️♂️ব্যায়াম
🚴♂️প্রাকটিস (বিবাহিতদের জন্য)
🧰মেডিসিন (প্রয়োজনে)
প্রথম দুটি অপশন সবার জন্য এবং সারা জীবনের জন্য তৃতীয় অপশনটি শুধুমাত্র বিবাহিতদের জন্য
এবং চতুর্থ অপশন মেডিসিন যা কেবল অনেক
বেশি সমস্যায় থাকা ব্যক্তির জন্য।
🥗খাবার
https://www.facebook.com/share/p/18yLdhQxj6/
🏋️♂️ব্যায়াম
https://www.facebook.com/share/p/wKQ6wvfdzxMuaDMm/?mibextid=oFDknk
🚴♂️প্রাকটিস (বিবাহিতদের জন্য)
https://www.facebook.com/share/p/18GmpS2FFD/
🧰মেডিসিন (প্রয়োজনে)
https://www.facebook.com/share/p/1BHfvoy5BW/
Homeopathic
Dr. Mamun khandoker
Alternative Doctor & Motivational Speaker.
Experienced in SeX, Infertility & mental health.
WhatsApp / imo: 01917378459
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤1👍1
গ্রাম আদালত:
গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত, এই আদালতগুলি স্থানীয়ভাবে এবং দ্রুততার সাথে কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে কাজ করে। তারা ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবির মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
মামলা দায়েরের পদ্ধতি: আবেদনকারীদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে, তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে, সাথে ফৌজদারি মামলার জন্য ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
ফৌজদারি বিরোধের ৩০ দিনের মধ্যে এবং দেওয়ানি বিরোধের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে, স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
গ্রাম আদালতে সুযোগ: গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত, কম খরচে এবং সহজ বিরোধ নিষ্পত্তি প্রদান করে। আবেদনকারী এবং বিবাদী উভয়েরই প্রতিনিধি মনোনীত করার সমান অধিকার রয়েছে।
এই আদালতগুলিতে কোনও আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না।
এই ব্যবস্থাটি উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারেরও চেষ্টা করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ - বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা - সহজেই ন্যায়বিচারের এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে।
বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ: গ্রাম আদালত চুরি, জালিয়াতি, আক্রমণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ভীতি প্রদর্শন, মহিলাদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং কিছু সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধের মতো ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারে।
দেওয়ানি মামলার মধ্যে পাওনা আদায়, স্থাবর সম্পত্তির দখল, অন্যায় কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ, পশুপালন সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ, কৃষি মজুরি সংক্রান্ত বিরোধ এবং স্ত্রীদের ভরণপোষণের দাবি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
৬১টি জেলার গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যায়বিচার প্রদান করছে, যার ফলে দরিদ্র এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়গুলি ন্যূনতম খরচ এবং বিলম্বের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হচ্ছে।
আদালত গঠন: প্রতিটি গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য থাকে, যাদের মধ্যে দুজন বাদী কর্তৃক মনোনীত এবং দুজন বিবাদী কর্তৃক মনোনীত।
যদি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্যানেল চেয়ারম্যান অথবা অন্য কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন। মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক।
জরিমানা এবং অবমাননা: গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
যেকোনো সাক্ষী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালত কর্তৃক জারি করা সমন উপেক্ষা করে, তাহলে তাকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
একইভাবে, আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা যেতে পারে।
আমার দেয়া তথ্যে ত্রুটি থাকতে পারে, সংশোধন করে দিলে কৃতজ্ঞ হবো।
বিস্তারিত জানার জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
সূত্র: https://www.tbsnews.net/bangladesh/court/village-courts-justice-just-tk10-28-days-poor-and-marginalised-1241861
গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত, এই আদালতগুলি স্থানীয়ভাবে এবং দ্রুততার সাথে কিছু ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে কাজ করে। তারা ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবির মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।
মামলা দায়েরের পদ্ধতি: আবেদনকারীদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে, তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে, সাথে ফৌজদারি মামলার জন্য ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
ফৌজদারি বিরোধের ৩০ দিনের মধ্যে এবং দেওয়ানি বিরোধের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে, স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যেতে পারে।
গ্রাম আদালতে সুযোগ: গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত, কম খরচে এবং সহজ বিরোধ নিষ্পত্তি প্রদান করে। আবেদনকারী এবং বিবাদী উভয়েরই প্রতিনিধি মনোনীত করার সমান অধিকার রয়েছে।
এই আদালতগুলিতে কোনও আইনজীবীর প্রয়োজন হয় না।
এই ব্যবস্থাটি উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারেরও চেষ্টা করে। দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষ - বিশেষ করে নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা - সহজেই ন্যায়বিচারের এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে।
বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ: গ্রাম আদালত চুরি, জালিয়াতি, আক্রমণ, বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ভীতি প্রদর্শন, মহিলাদের প্রতি অশালীন আচরণ এবং কিছু সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধের মতো ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করতে পারে।
দেওয়ানি মামলার মধ্যে পাওনা আদায়, স্থাবর সম্পত্তির দখল, অন্যায় কাজের জন্য ক্ষতিপূরণ, পশুপালন সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ, কৃষি মজুরি সংক্রান্ত বিরোধ এবং স্ত্রীদের ভরণপোষণের দাবি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
৬১টি জেলার গ্রাম আদালতগুলি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যায়বিচার প্রদান করছে, যার ফলে দরিদ্র এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়গুলি ন্যূনতম খরচ এবং বিলম্বের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে সক্ষম হচ্ছে।
আদালত গঠন: প্রতিটি গ্রাম আদালতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্য থাকে, যাদের মধ্যে দুজন বাদী কর্তৃক মনোনীত এবং দুজন বিবাদী কর্তৃক মনোনীত।
যদি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্যানেল চেয়ারম্যান অথবা অন্য কোন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন। মহিলাদের সাথে সম্পর্কিত ক্ষেত্রে, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক।
জরিমানা এবং অবমাননা: গ্রাম আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
যেকোনো সাক্ষী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালত কর্তৃক জারি করা সমন উপেক্ষা করে, তাহলে তাকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
একইভাবে, আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা যেতে পারে।
আমার দেয়া তথ্যে ত্রুটি থাকতে পারে, সংশোধন করে দিলে কৃতজ্ঞ হবো।
বিস্তারিত জানার জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
সূত্র: https://www.tbsnews.net/bangladesh/court/village-courts-justice-just-tk10-28-days-poor-and-marginalised-1241861
The Business Standard
Village courts: Justice for the poor at Tk10 within 28 days
Legal experts highlighted that village courts are particularly benefiting vulnerable groups, such as women, persons with disabilities, and ethnic minorities, by providing easier access to justice
❤1
বাসায় Robi Wifi বা GPFi নিতে চাচ্ছেন? — এই পোস্ট না পড়লে পস্তাবেন 😑
আমি দীর্ঘ ৬ মাস যাবত রবি ওয়াইফাই ব্যবহার করছি এবং জিপিফাই টেস্ট করেছি। এধরনের মোবাইল ব্রডব্যান্ড আপনার জন্য কতটা উপযোগী বোঝার চেষ্টা করি।
⚠️ প্রথমত, আপনার কাজ যদি আপলোডিং হয়ে থাকে, এরকম সার্ভিস থেকে দূরে থাকুন। ফাইবারের সাথে আপলোড স্পিডে আপনি রাত দিনের তফাৎ পাবেন।
⚠️ ভুল করেও বেসিক রাউটার কিনবেন না। রবি জিপি দুজনেরই কম দামের বেসিক রাউটার রয়েছে। এগুলা সিঙ্গেল LTE ব্যান্ড সাপোর্ট করে এবং সিঙ্গেল WiFi ব্যান্ড সাপোর্ট করে। — এগুলোর স্পিড কখনোই কনস্ট্যান্ট পাবেন না। LTE ব্যান্ড লক করলে হয়তো 2100mhz বা 1800mhz ব্যান্ড এ বেটার পারফরমেন্স পেতে পারেন। কিন্তু মোস্ট লোকেশনে স্পিড আপ ডাউন করতে দেখতে পাবেন। ধরুন সকালে স্পিড পাচ্ছেন 20Mbps, কিন্তু সন্ধ্যায় দেখবেন স্পিড কমে 2mbps হয়ে গেছে।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই রাউটার গুলো ব্রডব্যান্ড সাপোর্ট করলেও বেশিরভাগ মডেলে ব্রডব্যান্ড লক করা। মানে সিমের পারফরমেন্স ভালো না হলে ব্রডব্যান্ড রাউটার হিসেবে যে ব্যবহার করবেন, সেটা করতে পারবেন না। রবি ZTE রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করা গেলেও ZLT রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।
⚠️ এই রাউটার গুলো ক্যারিয়ার লক করা — জিপি রাউটারে জিপি এবং রবি রাউটারে রবি/এয়ারটেল সিম ব্যতীত আলাদা কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবেন না। যেহেতু আপনি সম্পূর্ণ টাকা দিয়েই রাউটার কিনছেন সেক্ষেত্রে Unlocked রাউটার সেল করা উচিত ছিলো। এক সিমে ভালো নেট না পাইলে এটলিস্ট অন্য সিমে ট্রাই করতে পারতেন।
জিপির পূর্বের রাউটার গুলো আনলক করা ছিলো, কিন্তু বর্তমানে ফার্মওয়ার আপডেট দিয়ে ওরা সব রাউটার লক করে দিচ্ছে। 🥲
⚠️ আপনার বাসা যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে হয়, তাহলে বেশির ভাগ সময় আপনি স্পিড বা সিগন্যাল খারাপ পাবেন। টিনের বাড়ি হলেও স্পিড খারাপ আসবে। ফোনে NetMonster অ্যাপ থেকে আগে সিগন্যাল চেক করে নিন। কোনভাবে যদি -95dbm এর নিচে সিগন্যাল যায়। এগুলা রাউটার কেনা থেকে বিরত থাকুন। (-70dBm to -95dBm সিগন্যাল থাকলে ভালো হয়)।
⚠️ রবি এবং জিপি উভয়ের বেশিরভাগ রাউটার গুলো খুবই নিম্ন মানের। অলরেডি ডিসকাউন্ট দিয়ে তারা দাম কমিয়েছে। এগুলা চায়না থেকে রিব্র্যান্ড করা রাউটার। রিব্রান্ডিং এ কোনো সমস্যা নাই, সমস্যা হচ্ছে খুবই সস্তা জিনিস। স্পিড ফ্ল্যাকচুয়েট করে প্রচুর, ওয়াইফাই রেঞ্জ অনেক কম। একটু দেওয়াল পড়লেই নেটওয়ার্ক বিশাল ড্রপ করে। গরম হলে পারফরমেন্স ড্রপ করে।
⚠️ টাওয়ারের দুরত্ব, বাইরের আবহাওয়া, এমন কি লোকেশন ভেদে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ চলে গেলেও নেট স্পিডের উপরে প্রভাব পরে।
তাহলে পরামর্শ কি?
🟢 যদি আসেপাশে ফাইবারের ব্যবস্থা থাকে, ১০০/১০০ এগুলা রবি জিপি রাউটার ইগনোর করুন। জ্বালার থেকে যন্ত্রণায় বেশি পাবেন 😉। ৫০০ টাকার ব্রডব্যান্ড নিলেও প্যারা কম পাইবেন গ্যারান্টি। আপনি মোটামুটি কোনো শহরে বসবাস করলে ব্রডব্যান্ড ই আপনার জন্য বেস্ট সলিউশন।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপিফাই ব্যবহার করতে চাইলে তাদের প্লাস বা প্রো ডিভাইস গুলো নিতে হবে, যেগুলোতে LTE+ সাপোর্ট থাকবে এবং WiFi Dual Band সাপোর্ট থাকবে। সমস্যা হচ্ছে এতে আপনার কানেকশন প্রাইস অনেক বেশি হাই হয়ে যাবে। এই দামে কিন্তু অনেক ভালো কোয়ালিটি ব্রডব্যান্ড রাউটার কিনতে পারবেন।
⚠️ আপনি এমন জায়গায় বাস করেন, যেখানে একেবারেই কোনো উপায় নাই, কোনোভাবেই ব্রডব্যান্ড আসে নাই, বা সিঙ্গেল ISP আছে যাদের সার্ভিস অত্যন্ত খারাপ। সেক্ষেত্রে আপনার জীবন হয়তো এমনিতেই ধ্বংস হয়ে আছে। তাহলে এগুলা রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই বিবেচনা করে দেখতে পারেন।
উপসংহার হচ্ছে, কোনো ভাবে যদি ফাইবার নেওয়ার অপশন থাকে। সেটাপ ফী যদি ২০০০/৩০০০ টাকাও লাগে, স্টিল ফাইবারের সাথে যাওয়া আইডিয়াল হবে। একেবারেই যদি হাতে অপশন না থাকে, তাহলে এগুলা ওয়ারলেস ব্রডব্যান্ড বিবেচনা করতে পারেন।
#robiwifi #gpfi #broadbandinternet #wirelessbroadband
আমি দীর্ঘ ৬ মাস যাবত রবি ওয়াইফাই ব্যবহার করছি এবং জিপিফাই টেস্ট করেছি। এধরনের মোবাইল ব্রডব্যান্ড আপনার জন্য কতটা উপযোগী বোঝার চেষ্টা করি।
⚠️ প্রথমত, আপনার কাজ যদি আপলোডিং হয়ে থাকে, এরকম সার্ভিস থেকে দূরে থাকুন। ফাইবারের সাথে আপলোড স্পিডে আপনি রাত দিনের তফাৎ পাবেন।
⚠️ ভুল করেও বেসিক রাউটার কিনবেন না। রবি জিপি দুজনেরই কম দামের বেসিক রাউটার রয়েছে। এগুলা সিঙ্গেল LTE ব্যান্ড সাপোর্ট করে এবং সিঙ্গেল WiFi ব্যান্ড সাপোর্ট করে। — এগুলোর স্পিড কখনোই কনস্ট্যান্ট পাবেন না। LTE ব্যান্ড লক করলে হয়তো 2100mhz বা 1800mhz ব্যান্ড এ বেটার পারফরমেন্স পেতে পারেন। কিন্তু মোস্ট লোকেশনে স্পিড আপ ডাউন করতে দেখতে পাবেন। ধরুন সকালে স্পিড পাচ্ছেন 20Mbps, কিন্তু সন্ধ্যায় দেখবেন স্পিড কমে 2mbps হয়ে গেছে।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই রাউটার গুলো ব্রডব্যান্ড সাপোর্ট করলেও বেশিরভাগ মডেলে ব্রডব্যান্ড লক করা। মানে সিমের পারফরমেন্স ভালো না হলে ব্রডব্যান্ড রাউটার হিসেবে যে ব্যবহার করবেন, সেটা করতে পারবেন না। রবি ZTE রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করা গেলেও ZLT রাউটারে ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করতে পারবেন না।
⚠️ এই রাউটার গুলো ক্যারিয়ার লক করা — জিপি রাউটারে জিপি এবং রবি রাউটারে রবি/এয়ারটেল সিম ব্যতীত আলাদা কোনো সিম ব্যবহার করতে পারবেন না। যেহেতু আপনি সম্পূর্ণ টাকা দিয়েই রাউটার কিনছেন সেক্ষেত্রে Unlocked রাউটার সেল করা উচিত ছিলো। এক সিমে ভালো নেট না পাইলে এটলিস্ট অন্য সিমে ট্রাই করতে পারতেন।
জিপির পূর্বের রাউটার গুলো আনলক করা ছিলো, কিন্তু বর্তমানে ফার্মওয়ার আপডেট দিয়ে ওরা সব রাউটার লক করে দিচ্ছে। 🥲
⚠️ আপনার বাসা যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে হয়, তাহলে বেশির ভাগ সময় আপনি স্পিড বা সিগন্যাল খারাপ পাবেন। টিনের বাড়ি হলেও স্পিড খারাপ আসবে। ফোনে NetMonster অ্যাপ থেকে আগে সিগন্যাল চেক করে নিন। কোনভাবে যদি -95dbm এর নিচে সিগন্যাল যায়। এগুলা রাউটার কেনা থেকে বিরত থাকুন। (-70dBm to -95dBm সিগন্যাল থাকলে ভালো হয়)।
⚠️ রবি এবং জিপি উভয়ের বেশিরভাগ রাউটার গুলো খুবই নিম্ন মানের। অলরেডি ডিসকাউন্ট দিয়ে তারা দাম কমিয়েছে। এগুলা চায়না থেকে রিব্র্যান্ড করা রাউটার। রিব্রান্ডিং এ কোনো সমস্যা নাই, সমস্যা হচ্ছে খুবই সস্তা জিনিস। স্পিড ফ্ল্যাকচুয়েট করে প্রচুর, ওয়াইফাই রেঞ্জ অনেক কম। একটু দেওয়াল পড়লেই নেটওয়ার্ক বিশাল ড্রপ করে। গরম হলে পারফরমেন্স ড্রপ করে।
⚠️ টাওয়ারের দুরত্ব, বাইরের আবহাওয়া, এমন কি লোকেশন ভেদে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ চলে গেলেও নেট স্পিডের উপরে প্রভাব পরে।
তাহলে পরামর্শ কি?
🟢 যদি আসেপাশে ফাইবারের ব্যবস্থা থাকে, ১০০/১০০ এগুলা রবি জিপি রাউটার ইগনোর করুন। জ্বালার থেকে যন্ত্রণায় বেশি পাবেন 😉। ৫০০ টাকার ব্রডব্যান্ড নিলেও প্যারা কম পাইবেন গ্যারান্টি। আপনি মোটামুটি কোনো শহরে বসবাস করলে ব্রডব্যান্ড ই আপনার জন্য বেস্ট সলিউশন।
⚠️ রবি ওয়াইফাই বা জিপিফাই ব্যবহার করতে চাইলে তাদের প্লাস বা প্রো ডিভাইস গুলো নিতে হবে, যেগুলোতে LTE+ সাপোর্ট থাকবে এবং WiFi Dual Band সাপোর্ট থাকবে। সমস্যা হচ্ছে এতে আপনার কানেকশন প্রাইস অনেক বেশি হাই হয়ে যাবে। এই দামে কিন্তু অনেক ভালো কোয়ালিটি ব্রডব্যান্ড রাউটার কিনতে পারবেন।
⚠️ আপনি এমন জায়গায় বাস করেন, যেখানে একেবারেই কোনো উপায় নাই, কোনোভাবেই ব্রডব্যান্ড আসে নাই, বা সিঙ্গেল ISP আছে যাদের সার্ভিস অত্যন্ত খারাপ। সেক্ষেত্রে আপনার জীবন হয়তো এমনিতেই ধ্বংস হয়ে আছে। তাহলে এগুলা রবি ওয়াইফাই বা জিপি ফাই বিবেচনা করে দেখতে পারেন।
উপসংহার হচ্ছে, কোনো ভাবে যদি ফাইবার নেওয়ার অপশন থাকে। সেটাপ ফী যদি ২০০০/৩০০০ টাকাও লাগে, স্টিল ফাইবারের সাথে যাওয়া আইডিয়াল হবে। একেবারেই যদি হাতে অপশন না থাকে, তাহলে এগুলা ওয়ারলেস ব্রডব্যান্ড বিবেচনা করতে পারেন।
#robiwifi #gpfi #broadbandinternet #wirelessbroadband
❤3
তোমার ফোনের নেটওয়ার্ক সিগন্যাল দাগ তোমার সাথে মিথ্যা কথা বলছে — তাহলে সত্যি টা কি?
মনে করো তুমি আর আমি একই জায়গায় রয়েছি, আমরা দুজনে এয়ারটেল সিম ব্যবহার করছি। তুমি ব্যবহার করছো ওয়ানপ্লাস ফোন, আমি ব্যবহার করছি নাথিং ফোন। তোমার ফোনে ফুল সিগন্যাল পাচ্ছে, কিন্তু আমার ফোনের সিগন্যাল বারে ৩ দাগ শো করছে 🥲 আরেকজনের আইফোনে হয়তো ২ দাগ নেটওয়ার্ক শো করবে। কিন্তু কেনো?
তোমার ফোনের ফুল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল অন্য কারো ফোনের অর্ধেক নেটওয়ার্ক শো করতে পারে। তাহলে সত্যি কোনটা?
নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে আসলে সিগন্যাল বার দিয়ে মাপার কোনো সিস্টেম নাই। এইটা ফোনের প্রস্তুতকারী কোম্পানিরা UI দিয়ে বুঝানোর খাতিরে সিগন্যাল বার শো করায়। কিন্তু একেক কোম্পানি একেক মানদন্ড ব্যবহার করার ফলে একেক ফোনে একেক সিগন্যাল দাগ শো করতে পারে। তাই এই সিগন্যাল বার আসলে গল্পের অর্ধেক কাহিনী।
প্রকৃতপক্ষে ফোনের সিগন্যাল কে মাপা হয় "নেগেটিভ dBm" প্রতীক দিয়ে। LTE বা 4G নেটওয়ার্কে RSRP ভ্যালুর সিগন্যাল dBm পরিমাপ করে বুঝা যায় তোমার সিগন্যাল স্ট্রং, চলার মত, নাকি একেবারেই দুর্বল। তোমার ফোন সেলফোন টাওয়ার থেকে ঠিক কতটুকু রেডিও সিগন্যাল/পাওয়ার রিসিভ করছে তুমি সহজেই বুঝতে পারবে।
ফোনের হিডেন সেটিংস *#*#4636#*#* ডায়াল করে সহজেই RSRP ভ্যালু দেখতে পারবে। অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করো NetMonster অ্যাপ, এবার দেখো তোমার RSRP ভ্যালুর কি অবস্থা।
🟢 -70 dBm থেকে -80 dBm — সিগন্যাল পেলে বুঝবে তুমি অত্যন্ত স্ট্রং সিগন্যাল পাচ্ছো। টাওয়ারের ক্যাপাসিটি ভালো থাকলে তুমি ম্যাক্সিমাম সার্ভিস পাবে, ম্যাক্সিমাম ডাউনলোড/আপলোড স্পিড পাওয়া সম্ভব।
🟢 -80 dBm থেকে -90 dBm — সিগন্যাল মানে গুড সিগন্যাল কোয়ালিটি। এই সিগন্যালেও ভালো ডাটা স্পিড এবং কোয়ালিটি সার্ভিস পাওয়া সম্ভব।
⚠️ -90 dBm থেকে -100 dBm — এই সিগন্যাল কোয়ালিটিতে তুমি -90 হতে যতোই -100 এর দিকে যাবে, সার্ভিস কোয়ালিটি ততো খারাপ হতে থাকবে। ডাউনলোড স্পিড কমে যেতে পারে, আপলোড তো অনেক কম পাবে, সাথে প্যাকেট লস শুরু হয়ে যাবে।
❌ -100 dBm থেকে সিগন্যাল যত -105, -110, -115 ইত্যাদিতে চলে যাবে। সার্ভিস ততো খারাপ, কল ড্রপ, 2G হয়ে যাওয়া, নো নেটওয়ার্ক এগুলো ইস্যু শুরু হয়ে যাবে।
তাহলে দুই ফোনের মধ্যে কোনটায় বেটার সিগন্যাল পাচ্ছো সেটা বুঝার জন্য দুই ফোন থেকে RSRP রিডিং দেখতে হবে। তোমার ফোনে ১ দাগ কম নেটওয়ার্ক পাচ্ছো বলেই যে তোমার ফোনের মডেম খারাপ ব্যাপার টা এমন নয়।
তো কার সিগন্যাল কত স্ট্রং নিচে কমেন্ট করে জানাও। পোস্ট কাজের মনে হলে, নতুন কিছু শিখলে শেয়ার করতে ভুলবে না 😉
#LTE #MobileNetwork #Tech #GSM
মনে করো তুমি আর আমি একই জায়গায় রয়েছি, আমরা দুজনে এয়ারটেল সিম ব্যবহার করছি। তুমি ব্যবহার করছো ওয়ানপ্লাস ফোন, আমি ব্যবহার করছি নাথিং ফোন। তোমার ফোনে ফুল সিগন্যাল পাচ্ছে, কিন্তু আমার ফোনের সিগন্যাল বারে ৩ দাগ শো করছে 🥲 আরেকজনের আইফোনে হয়তো ২ দাগ নেটওয়ার্ক শো করবে। কিন্তু কেনো?
তোমার ফোনের ফুল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল অন্য কারো ফোনের অর্ধেক নেটওয়ার্ক শো করতে পারে। তাহলে সত্যি কোনটা?
নেটওয়ার্ক সিগন্যাল কে আসলে সিগন্যাল বার দিয়ে মাপার কোনো সিস্টেম নাই। এইটা ফোনের প্রস্তুতকারী কোম্পানিরা UI দিয়ে বুঝানোর খাতিরে সিগন্যাল বার শো করায়। কিন্তু একেক কোম্পানি একেক মানদন্ড ব্যবহার করার ফলে একেক ফোনে একেক সিগন্যাল দাগ শো করতে পারে। তাই এই সিগন্যাল বার আসলে গল্পের অর্ধেক কাহিনী।
প্রকৃতপক্ষে ফোনের সিগন্যাল কে মাপা হয় "নেগেটিভ dBm" প্রতীক দিয়ে। LTE বা 4G নেটওয়ার্কে RSRP ভ্যালুর সিগন্যাল dBm পরিমাপ করে বুঝা যায় তোমার সিগন্যাল স্ট্রং, চলার মত, নাকি একেবারেই দুর্বল। তোমার ফোন সেলফোন টাওয়ার থেকে ঠিক কতটুকু রেডিও সিগন্যাল/পাওয়ার রিসিভ করছে তুমি সহজেই বুঝতে পারবে।
ফোনের হিডেন সেটিংস *#*#4636#*#* ডায়াল করে সহজেই RSRP ভ্যালু দেখতে পারবে। অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করো NetMonster অ্যাপ, এবার দেখো তোমার RSRP ভ্যালুর কি অবস্থা।
🟢 -70 dBm থেকে -80 dBm — সিগন্যাল পেলে বুঝবে তুমি অত্যন্ত স্ট্রং সিগন্যাল পাচ্ছো। টাওয়ারের ক্যাপাসিটি ভালো থাকলে তুমি ম্যাক্সিমাম সার্ভিস পাবে, ম্যাক্সিমাম ডাউনলোড/আপলোড স্পিড পাওয়া সম্ভব।
🟢 -80 dBm থেকে -90 dBm — সিগন্যাল মানে গুড সিগন্যাল কোয়ালিটি। এই সিগন্যালেও ভালো ডাটা স্পিড এবং কোয়ালিটি সার্ভিস পাওয়া সম্ভব।
⚠️ -90 dBm থেকে -100 dBm — এই সিগন্যাল কোয়ালিটিতে তুমি -90 হতে যতোই -100 এর দিকে যাবে, সার্ভিস কোয়ালিটি ততো খারাপ হতে থাকবে। ডাউনলোড স্পিড কমে যেতে পারে, আপলোড তো অনেক কম পাবে, সাথে প্যাকেট লস শুরু হয়ে যাবে।
❌ -100 dBm থেকে সিগন্যাল যত -105, -110, -115 ইত্যাদিতে চলে যাবে। সার্ভিস ততো খারাপ, কল ড্রপ, 2G হয়ে যাওয়া, নো নেটওয়ার্ক এগুলো ইস্যু শুরু হয়ে যাবে।
তাহলে দুই ফোনের মধ্যে কোনটায় বেটার সিগন্যাল পাচ্ছো সেটা বুঝার জন্য দুই ফোন থেকে RSRP রিডিং দেখতে হবে। তোমার ফোনে ১ দাগ কম নেটওয়ার্ক পাচ্ছো বলেই যে তোমার ফোনের মডেম খারাপ ব্যাপার টা এমন নয়।
তো কার সিগন্যাল কত স্ট্রং নিচে কমেন্ট করে জানাও। পোস্ট কাজের মনে হলে, নতুন কিছু শিখলে শেয়ার করতে ভুলবে না 😉
#LTE #MobileNetwork #Tech #GSM
আসুন জেনে নেই পিজি হাসপাতালের ১ নং এবং ২ নং আউটডোরে কোথায় কোন বিভাগ এবং সকল তথ্য।
পোস্টটি সবাই শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন।
(২নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচতলা :
পূবালী ব্যাংকের টিকেট কাউন্টার
হাসপাতাল ফার্মেসী
অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র
report delivery counter
ART ( এআরটি) সেন্টার
দ্বিতীয় তলা :
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০১-২০৩
হেপাটোবিলিয়ারি এন্ড প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি কক্ষ, ২০৪
নাক কান ও গলা বিভাগ কক্ষ, ২০৯-২১৩
ব্রেষ্ট ক্লিনিক ডাটা এন্টি কক্ষ,২১৭
ব্রেষ্ট এন্ড এন্ডোক্রাইন সার্জারি কক্ষ, ২০৫
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০৬-২০৮
ইউরোলজি বিভাগ কক্ষ, ২১৪-২১৫
তৃতীয় তলা :
ইনফার্টিলিটি কক্ষ, ৩০১
আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষ, ৩০৩
গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি কক্ষ, ৩০৫
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক কক্ষ, ৩০৯
রেন্ট কালেক্টর অফিস ও প্রধান রোগী ভর্তি কাউন্টার কক্ষ, ৩১৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি ( পিএমটিসিটি) কক্ষ, ৩০২
ফিটোম্যাটারানাল কক্ষ, ৩০৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি বিভাগ কক্ষ ৩০৬- ৩০৮
শিশু সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১০-৩১১
নিউরো সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১২-৩১৩
চতুর্থ তলা :
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ কক্ষ, ৪০১-৪০৫
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগ রেটিনা ক্লিনিক কক্ষ, ৪০৫
অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৪০৬-৪০৯
পঞ্চম তলা :
ডে কেয়ার ও টি
ষষ্ঠতলা :
ল্যাবরেটরি মেডিসিন
সপ্তম তলা :
ভাইরোলজি বিভাগ
অষ্টম তলা :
বায়োকেমেস্টি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ
নবমতলা :
ফিজিওলজি বিভাগ
দশমতলা :
এনামটি বিভাগ
১১ তম তলা :
ফার্মাকোলজি বিভাগ
১২ তম তলা :
পদ্মা মেঘনা ও যমুনা পরীক্ষা হল
আসুন এবার আমরা ১ নং আউটডোর সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
(১ নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচ তলা:
পূবালী ব্যাংক টিকেট কাউন্টার, হাসপাতাল ফার্মেসী, অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র, রিপোর্ট ডেলিভারী কাউন্টার, সমাজসেবা তথ্য কেন্দ্র
২য় তলা:
ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২০১–২০৬
কার্ডিওলজি বিভাগ, কক্ষ: ২০৮–২১১
বক্ষব্যাধি বিভাগ, কক্ষ: ২১৬–২১৭
কার্ডিয়াক সার্জারী, কক্ষ: ২০৭
ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২১২–২১৫।
৩য় তলা:
ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ওয়ার্ড, কক্ষ: ৩০১
নিউরোলজী বিভাগ, কক্ষ: ৩০২
ই.পি.আই, কক্ষ: ৩০৩
শিশু নেফ্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৪
শিশু গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৫
শিশু সার্জারি, কক্ষ: ৩০৬–৩০৯
নিউরো মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ৩১০–৩১৩
নবজাতক বিভাগ, কক্ষ: ৩১৪
শিশু রিউমাটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩১৫–৩১৬
৪র্থ তলা
কিডনী বিভাগ, কক্ষ: ৪০১–৪০২
হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৩–৪০৪
লিভার বিভাগ, কক্ষ: ৪০৫–৪০৬
গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৭–৪০৮
রিউমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৯–৪১০
শিশু হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪১১–৪১২
৫ম তলা:
চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ, কক্ষ: ৫০১–৫০৫
এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৬–৫১০
মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, কক্ষ: ৫১২–৫১৫
অনকোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৫–৫০৮
পেইন ক্লিনিক এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার, কক্ষ: ৫১১
৬ষ্ঠ তলা:
ইউরোলজি (রিজিওনাল ট্রেনিং সেন্টার), কক্ষ: ৬০১
ভাসকুলার সার্জারি, কক্ষ: ৬০২–৬০৬
কোলোরেক্টাল সার্জারি, কক্ষ: ৬০৭
অনকোলজিক ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১০
কর্ণিয়া ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
আরবোভাইরাল ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
পিসিআর ল্যাবরেটরি (ভাইরোলজি বিভাগ), কক্ষ: ৬১২
এক্সট্রা কপির কর্নার
পূবালী ব্যাংক শাখা (ট্রেজারি বিভাগ)
৭ম তলা:
নজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ, কক্ষ: ৭০১–৭০৩
পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিভাগ
৮ম তলা:
কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ
৯ম তলা:
প্রস্থডন্টিক বিভাগ
১০ম তলা:
ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগ
১১তম তলা:
অর্থোডন্টিক বিভাগ
১২তম তলা:
রূপসা হল
মমতাময়ী পরীক্ষা হল
পোস্টটি সবাই শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন।
(২নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচতলা :
পূবালী ব্যাংকের টিকেট কাউন্টার
হাসপাতাল ফার্মেসী
অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র
report delivery counter
ART ( এআরটি) সেন্টার
দ্বিতীয় তলা :
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০১-২০৩
হেপাটোবিলিয়ারি এন্ড প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি কক্ষ, ২০৪
নাক কান ও গলা বিভাগ কক্ষ, ২০৯-২১৩
ব্রেষ্ট ক্লিনিক ডাটা এন্টি কক্ষ,২১৭
ব্রেষ্ট এন্ড এন্ডোক্রাইন সার্জারি কক্ষ, ২০৫
জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০৬-২০৮
ইউরোলজি বিভাগ কক্ষ, ২১৪-২১৫
তৃতীয় তলা :
ইনফার্টিলিটি কক্ষ, ৩০১
আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষ, ৩০৩
গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি কক্ষ, ৩০৫
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক কক্ষ, ৩০৯
রেন্ট কালেক্টর অফিস ও প্রধান রোগী ভর্তি কাউন্টার কক্ষ, ৩১৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি ( পিএমটিসিটি) কক্ষ, ৩০২
ফিটোম্যাটারানাল কক্ষ, ৩০৪
অবস্ অ্যান্ড গাইনি বিভাগ কক্ষ ৩০৬- ৩০৮
শিশু সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১০-৩১১
নিউরো সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১২-৩১৩
চতুর্থ তলা :
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ কক্ষ, ৪০১-৪০৫
চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগ রেটিনা ক্লিনিক কক্ষ, ৪০৫
অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৪০৬-৪০৯
পঞ্চম তলা :
ডে কেয়ার ও টি
ষষ্ঠতলা :
ল্যাবরেটরি মেডিসিন
সপ্তম তলা :
ভাইরোলজি বিভাগ
অষ্টম তলা :
বায়োকেমেস্টি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ
নবমতলা :
ফিজিওলজি বিভাগ
দশমতলা :
এনামটি বিভাগ
১১ তম তলা :
ফার্মাকোলজি বিভাগ
১২ তম তলা :
পদ্মা মেঘনা ও যমুনা পরীক্ষা হল
আসুন এবার আমরা ১ নং আউটডোর সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
(১ নং আউটডোর পরিচিতি)
বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার
নিচ তলা:
পূবালী ব্যাংক টিকেট কাউন্টার, হাসপাতাল ফার্মেসী, অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র, রিপোর্ট ডেলিভারী কাউন্টার, সমাজসেবা তথ্য কেন্দ্র
২য় তলা:
ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২০১–২০৬
কার্ডিওলজি বিভাগ, কক্ষ: ২০৮–২১১
বক্ষব্যাধি বিভাগ, কক্ষ: ২১৬–২১৭
কার্ডিয়াক সার্জারী, কক্ষ: ২০৭
ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২১২–২১৫।
৩য় তলা:
ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ওয়ার্ড, কক্ষ: ৩০১
নিউরোলজী বিভাগ, কক্ষ: ৩০২
ই.পি.আই, কক্ষ: ৩০৩
শিশু নেফ্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৪
শিশু গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৫
শিশু সার্জারি, কক্ষ: ৩০৬–৩০৯
নিউরো মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ৩১০–৩১৩
নবজাতক বিভাগ, কক্ষ: ৩১৪
শিশু রিউমাটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩১৫–৩১৬
৪র্থ তলা
কিডনী বিভাগ, কক্ষ: ৪০১–৪০২
হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৩–৪০৪
লিভার বিভাগ, কক্ষ: ৪০৫–৪০৬
গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৭–৪০৮
রিউমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৯–৪১০
শিশু হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪১১–৪১২
৫ম তলা:
চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ, কক্ষ: ৫০১–৫০৫
এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৬–৫১০
মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, কক্ষ: ৫১২–৫১৫
অনকোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৫–৫০৮
পেইন ক্লিনিক এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার, কক্ষ: ৫১১
৬ষ্ঠ তলা:
ইউরোলজি (রিজিওনাল ট্রেনিং সেন্টার), কক্ষ: ৬০১
ভাসকুলার সার্জারি, কক্ষ: ৬০২–৬০৬
কোলোরেক্টাল সার্জারি, কক্ষ: ৬০৭
অনকোলজিক ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১০
কর্ণিয়া ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
আরবোভাইরাল ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
পিসিআর ল্যাবরেটরি (ভাইরোলজি বিভাগ), কক্ষ: ৬১২
এক্সট্রা কপির কর্নার
পূবালী ব্যাংক শাখা (ট্রেজারি বিভাগ)
৭ম তলা:
নজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ, কক্ষ: ৭০১–৭০৩
পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিভাগ
৮ম তলা:
কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ
৯ম তলা:
প্রস্থডন্টিক বিভাগ
১০ম তলা:
ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগ
১১তম তলা:
অর্থোডন্টিক বিভাগ
১২তম তলা:
রূপসা হল
মমতাময়ী পরীক্ষা হল
যৌনতা র সময় স্ত্রী র গোপনঙ্গে হাত দিলে স্ত্রী র প্রাইভেসী লস হয়না, অথচ স্ত্রী র হোয়াটস্যাপ বা মেসেঞ্জার টা খুললে প্রাইভেসী লস হয় কেন? তবে কি স্ত্রীর গোপনঙ্গ অপেক্ষা ফোন টা বেশী প্রাইভেট?
@Collected
@Collected
🙊2
ইমাম শুরাইহ رحمه الله তাঁর স্ত্রী যায়নাব সম্পর্কে বলেছেন:
رَأَيْتُ رِجَالًا يَضْرِبُونَ نِسَاءَهُم فَشَلَّتْ يَمِينِي حِينَ أَضْرِبُ زَيْنَبَا
وَزَيْنَبُ شَمْسٌ وَالنِّسَاءُ كَوَاكِبٌ إِذَا طَلَعَتْ لَمْ تُبْقِ مِنْهُنَّ كَوْكَبَا
❝ আমি এমন পুরুষদের দেখেছি, যারা তাদের স্ত্রীদের মারধর করে। আল্লাহ আমার ডান হাত অকেজো করে দিন যদি আমি যায়নাবকে কখনো মারি। যায়নাব সূর্যের মতো, আর অন্যান্য নারীরা নক্ষত্রের মতো। সূর্য উঠলে নক্ষত্রদের আর আলো থাকে না।❞🌼✨
[ সিয়ার আলাম আন-নুবালা ( ৫/৫২) ]
رَأَيْتُ رِجَالًا يَضْرِبُونَ نِسَاءَهُم فَشَلَّتْ يَمِينِي حِينَ أَضْرِبُ زَيْنَبَا
وَزَيْنَبُ شَمْسٌ وَالنِّسَاءُ كَوَاكِبٌ إِذَا طَلَعَتْ لَمْ تُبْقِ مِنْهُنَّ كَوْكَبَا
❝ আমি এমন পুরুষদের দেখেছি, যারা তাদের স্ত্রীদের মারধর করে। আল্লাহ আমার ডান হাত অকেজো করে দিন যদি আমি যায়নাবকে কখনো মারি। যায়নাব সূর্যের মতো, আর অন্যান্য নারীরা নক্ষত্রের মতো। সূর্য উঠলে নক্ষত্রদের আর আলো থাকে না।❞🌼✨
[ সিয়ার আলাম আন-নুবালা ( ৫/৫২) ]
❤3👍1
♦️আমার চেম্বারে এক রোগী আসলেন বয়স ২১। রোগীর সমস্যা ছিল অনেক বেশি পেটে ব্যথা নিয়ে,সাথে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
রোগীটিকে দেখে আমার স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল না। দেখলাম তার শরীর, হাত পা, সব ফ্যাকাসে হয়ে আছে। কয়েকদিন ধরেই তার পেটে ব্যথা ছিল। কিন্তু উনি ভেবেছিলেন ব্যথাটি হয়তো ভালো হয়ে যাবে।
♦️রোগীটি বলে তার মাসিক দেড় মাস ধরে বন্ধ। আমি তাকে আল্ট্রাসনো, রক্ত , প্রসাব পরীক্ষা দেই প্রেগ্ন্যাসি আছে কিনা দেখার জন্য ।এর মাঝে প্রচন্ড ব্যথার জন্য কিছু ঔষুধ দেই।
সমস্যা হল প্রস্রাবের চাপ হচ্ছিল না যে আমি আল্ট্রা করবো। এর মাঝে রক্তের রিপোর্ট পেয়ে যাই, হিমোগ্লোবিন ৪। প্রসাব পরিক্ষায় পজিটিভ আসে।
আমার মাথাটা ঘুরে গেল। মনে মনে ভাবলাম রাপচার্ড এক্টপিক প্রেগনেন্সি না তো!!! তাড়াতাড়ি করে রোগীকে আল্ট্রাসনো করে দেখলাম আমি যেটা মনে মনে চিন্তা করেছি তাই হয়েছে। ভিতরে টিউব পেতে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে পুরো পেট জুড়ে।
রোগীর এর মধ্যে আরো খারাপ হতে লাগলো। এখন রোগীটিকে সাথে সাথে অপারেশন না করে, রক্ত না দিলে রোগীকে বাঁচানোর সম্ভব হবে না।
রোগীর গার্ডিয়েন কে ভালো করে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিলাম অপারেশন করার জন্য এবং ৫ব্যাগ রক্ত রেডি করতে বলে দিলাম।
এটা একটি মফস্বল অঞ্চল। সাথে সাথে অপারেশন করার মত কোন হাসপাতাল ছিল না। আমি একটি হাসপাতালের নাম বলে দিলাম যেখানে এই অপারেশনটি হয়।ওনারা চলে গেলেন।
কিন্তু আমি মনে মনে টেনশন চিন্তা করতে লাগলাম। রোগী ভালো আছে কিনা জানতে চাইলাম। পরের দিন রোগীর হাজব্যান্ড জানালো তারা আমার কথা মতো হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে অপারেশন করেছেন। এবং রোগী এখন ভালো আছেন। দীর্ঘ শ্বাস নিলাম। রোগী মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
এমন হলে প্রতিটা সময় অনেক মূল্যবান। আরেকটু দেরি করে যদি আসতেন রোগীটিকে হয়তো বাঁচানো যেত না।
♦️আমাদের গ্রাম দেশের মা-বোনেরা অনেক কিছু সহ্য করে থাকেন। মাসিক বন্ধ হলে অবশ্যই বাসায় একটি কিট পরীক্ষা করে নিবেন। যদি পেট ব্যথা থাকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। প্রেগনেন্সি আসলে আল্ট্রাসনো করে দেখতে হবে জরায়ু মধ্যে বাচ্চাটি রয়েছে কিনা।
♦️আমার এই রোগিটি মাসিক বন্ধ হওয়ার পর কোন পরীক্ষা করেননি। দীর্ঘদিন ব্যাথা থাকার পরও ডাক্তারের কাছে আসেননি। উনার বাচ্চাটি জরায়ুর মধ্যে না এসে জরায়ুর টিউবে বাচ্চাটি বড় হচ্ছিল। দেড় মাস যখন হয় তখন টিউবটি ফেটে যায় আর রোগীটি মৃত্যুর সম্মুখীন হন। তাই এমন হলে কখনই বাসায় বসে থাকা উচিত নয়।
প্রেগনেন্সি আসলেই অনেকেই চিন্তা করেন তিন মাস পরে ডাক্তার দেখাবো। কিন্তু মানুষের এত জটিল জটিল সমস্যা থাকে যেটা সঠিক সময় চিকিৎসা না করলে মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়।
♦️প্রত্যেক মায়েদের উচিত গর্ভের শুরুতে ফলিক এসিড শুরু করা যেন বাচ্চাটি বিকলঙ্গ না হয় এবং সাথে সাথে একটি আল্ট্রাসনো করে দেখা শিশুটি জরায়ুর সঠিক স্থানে সুন্দরভাবে আছে কিনা।
আপনার একটু সর্তকতায় বেড়ে উঠতে পারে একটি সুন্দর,সুস্থ শিশু। যে কোন সমস্যায় অভিজ্ঞ একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ❤️
ডা.শারমিন সুলতানা বিথী
রোগীটিকে দেখে আমার স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল না। দেখলাম তার শরীর, হাত পা, সব ফ্যাকাসে হয়ে আছে। কয়েকদিন ধরেই তার পেটে ব্যথা ছিল। কিন্তু উনি ভেবেছিলেন ব্যথাটি হয়তো ভালো হয়ে যাবে।
♦️রোগীটি বলে তার মাসিক দেড় মাস ধরে বন্ধ। আমি তাকে আল্ট্রাসনো, রক্ত , প্রসাব পরীক্ষা দেই প্রেগ্ন্যাসি আছে কিনা দেখার জন্য ।এর মাঝে প্রচন্ড ব্যথার জন্য কিছু ঔষুধ দেই।
সমস্যা হল প্রস্রাবের চাপ হচ্ছিল না যে আমি আল্ট্রা করবো। এর মাঝে রক্তের রিপোর্ট পেয়ে যাই, হিমোগ্লোবিন ৪। প্রসাব পরিক্ষায় পজিটিভ আসে।
আমার মাথাটা ঘুরে গেল। মনে মনে ভাবলাম রাপচার্ড এক্টপিক প্রেগনেন্সি না তো!!! তাড়াতাড়ি করে রোগীকে আল্ট্রাসনো করে দেখলাম আমি যেটা মনে মনে চিন্তা করেছি তাই হয়েছে। ভিতরে টিউব পেতে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে পুরো পেট জুড়ে।
রোগীর এর মধ্যে আরো খারাপ হতে লাগলো। এখন রোগীটিকে সাথে সাথে অপারেশন না করে, রক্ত না দিলে রোগীকে বাঁচানোর সম্ভব হবে না।
রোগীর গার্ডিয়েন কে ভালো করে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিলাম অপারেশন করার জন্য এবং ৫ব্যাগ রক্ত রেডি করতে বলে দিলাম।
এটা একটি মফস্বল অঞ্চল। সাথে সাথে অপারেশন করার মত কোন হাসপাতাল ছিল না। আমি একটি হাসপাতালের নাম বলে দিলাম যেখানে এই অপারেশনটি হয়।ওনারা চলে গেলেন।
কিন্তু আমি মনে মনে টেনশন চিন্তা করতে লাগলাম। রোগী ভালো আছে কিনা জানতে চাইলাম। পরের দিন রোগীর হাজব্যান্ড জানালো তারা আমার কথা মতো হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দিয়ে অপারেশন করেছেন। এবং রোগী এখন ভালো আছেন। দীর্ঘ শ্বাস নিলাম। রোগী মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
এমন হলে প্রতিটা সময় অনেক মূল্যবান। আরেকটু দেরি করে যদি আসতেন রোগীটিকে হয়তো বাঁচানো যেত না।
♦️আমাদের গ্রাম দেশের মা-বোনেরা অনেক কিছু সহ্য করে থাকেন। মাসিক বন্ধ হলে অবশ্যই বাসায় একটি কিট পরীক্ষা করে নিবেন। যদি পেট ব্যথা থাকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। প্রেগনেন্সি আসলে আল্ট্রাসনো করে দেখতে হবে জরায়ু মধ্যে বাচ্চাটি রয়েছে কিনা।
♦️আমার এই রোগিটি মাসিক বন্ধ হওয়ার পর কোন পরীক্ষা করেননি। দীর্ঘদিন ব্যাথা থাকার পরও ডাক্তারের কাছে আসেননি। উনার বাচ্চাটি জরায়ুর মধ্যে না এসে জরায়ুর টিউবে বাচ্চাটি বড় হচ্ছিল। দেড় মাস যখন হয় তখন টিউবটি ফেটে যায় আর রোগীটি মৃত্যুর সম্মুখীন হন। তাই এমন হলে কখনই বাসায় বসে থাকা উচিত নয়।
প্রেগনেন্সি আসলেই অনেকেই চিন্তা করেন তিন মাস পরে ডাক্তার দেখাবো। কিন্তু মানুষের এত জটিল জটিল সমস্যা থাকে যেটা সঠিক সময় চিকিৎসা না করলে মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়।
♦️প্রত্যেক মায়েদের উচিত গর্ভের শুরুতে ফলিক এসিড শুরু করা যেন বাচ্চাটি বিকলঙ্গ না হয় এবং সাথে সাথে একটি আল্ট্রাসনো করে দেখা শিশুটি জরায়ুর সঠিক স্থানে সুন্দরভাবে আছে কিনা।
আপনার একটু সর্তকতায় বেড়ে উঠতে পারে একটি সুন্দর,সুস্থ শিশু। যে কোন সমস্যায় অভিজ্ঞ একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ❤️
ডা.শারমিন সুলতানা বিথী
❤2👍1
আপনার ফোনের ক্যামেরা দিয়েই এখন জুতা Try On করা যাবে!
দোকানে না গিয়েই আপনার বসার ঘরে বসে শত শত ব্র্যান্ডের জুতা পায়ে দিয়ে দেখতে পারবেন যে কোনটায় মানায় আপনার সাথে :)
ছবি দেখে দারুণ লাগলো, অর্ডারও করে দিলেন। কিন্তু বাসায় আসার পর দেখলেন, আপনার পায়ে জুতাটা ঠিক মানাচ্ছে না বা ছবির মতো লাগছে না। ফলাফল? রিটার্ন করার ঝামেলার মধ্যে যাওয়া।
এই সমস্যার এক জাদুকরী সমাধান নিয়ে এসেছে Google!
তারা তাদের সার্চ ইঞ্জিনে এমন এক AI ফিচার যুক্ত করেছে, যা দিয়ে আপনি কোনো জুতা কেনার আগেই নিজের পায়ে virtually try on করে দেখতে পারবেন।
[পোস্টটা সেইভ করে রাখুন। অনলাইন শপিংয়ের ভবিষ্যৎ এটাই!]
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই এই জাদুটা কীভাবে কাজ করবে:
Step 1: Google Search-এ যান
আপনার স্মার্টফোন থেকে Google Search অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলুন।
Step 2: আপনার পছন্দের জুতা খুঁজুন
সার্চ বারে আপনার পছন্দের কোনো ব্র্যান্ডের জুতার মডেল লিখে সার্চ করুন। যেমন: "Nike Air Max" বা "Adidas Ultraboost"।
Step 3: "Try On" বাটনটি খুঁজুন
সার্চ রেজাল্টে, যে জুতাগুলো এই ফিচার সাপোর্ট করে, সেগুলোর ছবির নিচে একটি "Try On" বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
Step 4: আপনার ক্যামেরা পায়ের দিকে ধরুন
এবার আপনার ফোনের ক্যামেরাটি খুলবে। আপনাকে শুধু ক্যামেরাটি আপনার পায়ের দিকে ধরতে হবে।
Step 5: এবার দেখবেন আসল ম্যাজিক!
মুহূর্তের মধ্যেই, Augmented Reality (AR) ব্যবহার করে AI আপনার পায়ে সেই জুতাটি পরিয়ে দেবে! আপনি পা নাড়াচাড়া করতে পারবেন, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন জুতাটি আপনার পায়ে ঠিক কেমন লাগছে। এটা কোনো সাধারণ ছবির মতো নয়, এটা আপনার পায়ের মুভমেন্টের সাথে সাথে রিয়েল-টাইমে পরিবর্তিত হবে!
এখন আর আপনাকে অনুমান করতে হবে না। আপনি কেনার আগেই নিশ্চিত হতে পারবেন, কোন জুতাটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমনই কোম্পানিগুলোর রিটার্নের সংখ্যাও কমে আসবে।
আপাতত এই ফিচারটি US-এ চালু হলেও, খুব শীঘ্রই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।
বিস্তারিত জানতে The Verge-এর এই রিপোর্টটি পড়ুন:
https://www.theverge.com/news/796308/google-ai-shopping-try-on-shoes
শেয়ার :)
#GoogleAI #AR #OnlineShopping #FutureOfRetail #Sneakerhead #TechNews #Bangladesh #TryOn
দোকানে না গিয়েই আপনার বসার ঘরে বসে শত শত ব্র্যান্ডের জুতা পায়ে দিয়ে দেখতে পারবেন যে কোনটায় মানায় আপনার সাথে :)
ছবি দেখে দারুণ লাগলো, অর্ডারও করে দিলেন। কিন্তু বাসায় আসার পর দেখলেন, আপনার পায়ে জুতাটা ঠিক মানাচ্ছে না বা ছবির মতো লাগছে না। ফলাফল? রিটার্ন করার ঝামেলার মধ্যে যাওয়া।
এই সমস্যার এক জাদুকরী সমাধান নিয়ে এসেছে Google!
তারা তাদের সার্চ ইঞ্জিনে এমন এক AI ফিচার যুক্ত করেছে, যা দিয়ে আপনি কোনো জুতা কেনার আগেই নিজের পায়ে virtually try on করে দেখতে পারবেন।
[পোস্টটা সেইভ করে রাখুন। অনলাইন শপিংয়ের ভবিষ্যৎ এটাই!]
চলুন, ধাপে ধাপে জেনে নিই এই জাদুটা কীভাবে কাজ করবে:
Step 1: Google Search-এ যান
আপনার স্মার্টফোন থেকে Google Search অ্যাপ বা ব্রাউজার খুলুন।
Step 2: আপনার পছন্দের জুতা খুঁজুন
সার্চ বারে আপনার পছন্দের কোনো ব্র্যান্ডের জুতার মডেল লিখে সার্চ করুন। যেমন: "Nike Air Max" বা "Adidas Ultraboost"।
Step 3: "Try On" বাটনটি খুঁজুন
সার্চ রেজাল্টে, যে জুতাগুলো এই ফিচার সাপোর্ট করে, সেগুলোর ছবির নিচে একটি "Try On" বাটন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
Step 4: আপনার ক্যামেরা পায়ের দিকে ধরুন
এবার আপনার ফোনের ক্যামেরাটি খুলবে। আপনাকে শুধু ক্যামেরাটি আপনার পায়ের দিকে ধরতে হবে।
Step 5: এবার দেখবেন আসল ম্যাজিক!
মুহূর্তের মধ্যেই, Augmented Reality (AR) ব্যবহার করে AI আপনার পায়ে সেই জুতাটি পরিয়ে দেবে! আপনি পা নাড়াচাড়া করতে পারবেন, বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ঘুরিয়ে দেখতে পারবেন জুতাটি আপনার পায়ে ঠিক কেমন লাগছে। এটা কোনো সাধারণ ছবির মতো নয়, এটা আপনার পায়ের মুভমেন্টের সাথে সাথে রিয়েল-টাইমে পরিবর্তিত হবে!
এখন আর আপনাকে অনুমান করতে হবে না। আপনি কেনার আগেই নিশ্চিত হতে পারবেন, কোন জুতাটি আপনার জন্য পারফেক্ট। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমনই কোম্পানিগুলোর রিটার্নের সংখ্যাও কমে আসবে।
আপাতত এই ফিচারটি US-এ চালু হলেও, খুব শীঘ্রই এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা যায়।
বিস্তারিত জানতে The Verge-এর এই রিপোর্টটি পড়ুন:
https://www.theverge.com/news/796308/google-ai-shopping-try-on-shoes
শেয়ার :)
#GoogleAI #AR #OnlineShopping #FutureOfRetail #Sneakerhead #TechNews #Bangladesh #TryOn
The Verge
Google’s AI try-on imagines your feet in new shoes
Google’s AI will swap your shoes for you.
🔥2
মা-সি-কের সময় দিনে যদি ৬টির বেশি প্যা-ড লাগে, বা প্রতি ১–২ ঘন্টায় ভিজে যায়, সেটি অস্বাভাবিক । এরকম হলে আজই ডাক্তারের পরামর্শ নিন ।
#drmahmuda #womenshealth
#drmahmuda #womenshealth
👍2