অনলাইনে ব্যক্তিগত মুহুর্তের স্পর্শকাতর কন্টেন্ট ভাইরাল হলে কি করা উচিৎ???
এই ইস্যুতে হয়তো মোটামুটি অনেকেই পড়েছেন!! বিশেষ করে নারীরা!!
আর এসব ভাইরাল-এর পর কি পরিমান হেনস্তা হতে হয় সেটা সবার-ই জানা!!
প্রথমে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া সহ নানাবিধ সম্মানহানি তো থাকেই!!
এখন, কথা হলো এই অবস্থায় করনীয় কি আসলে!!
১. যদি, এমন কিছু ভাইরাল হয় যেটা ফেইক বা ইডিট করা! তবে নিশ্চিন্তে ইগ্নোর করুন! প্রমান করতে যাওয়ার দরকার নেই যে সেটা ফেইক!
যদি, প্রেশার ফিল হয় তবে পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে জানান এবং একসাথে অনলাইনে একটা জিডি করুন! এর পর ইউটিউব দেখে বা গুগলে সার্চ করে ওই কন্টেন্ট রিমুভের উপায়গুলো ঘাটাঘাটি করে নিজেরা প্রথমে রিমুভের চেষ্টা করুন!!
তাও ব্যর্থ হলে, থানার মারফতে সাইবার পুলিশের সহায়তা নিন!!
এর বাইরে stopncii তেও সাবমিট করতে পারেন সেই কন্টেন্ট যদি বেশি-ই প্যারাদায়ক মনে হয়!
২. যদি ভাইরাল হওয়া কন্টেন্ট অরিজিনাল হয়, এবং আপনি যদি জানেন যে কে এইটা করেছে কোনো ধরনের কাহিনী ছাড়াই পরিবারের ক্লোজেস্ট মানুষকে জানান, একসাথে থানায় যান অথবা অনলাইনে জিডি করেন এরপর সেটা নিয়ে সরাসরি DB Police Cyber Help ডেস্কে চলে যান! তাদের পরামর্শ মতো আইনি ব্যবস্থা নিন!! আর রিমুভের ব্যবস্থা তারা করবে!!আর আপনারাও চাইলে নিজেরা রিমুভের চেষ্টা করে যেতে পারেন!!!
আর এই সময়ে, বহু শুভাকাঙ্ক্ষী হবে এমন, যারা ইচ্ছা করে করে ভাইরাল হওয়া লিংক দিয়ে বলবে "দেখো কি কি ছড়াচ্ছে" কিছু একটা এ্যাকশন নাও!!
এইসব শুভাকাঙ্ক্ষী নামক মাথাব্যাথা তৈরীর কারনদের মেসেজ দেইখেন্না, এরাই দ্বায়ী মানসিকভাবে প্যারা দেওয়ার জন্য!!
আর, কোনোভাবে এসব কন্টেন্ট মুছে ফেলা সম্ভব না হলে Erazee এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন!!
যেকোনো ওয়েবসাইটে থাকা এসব হেনস্তাকারী কন্টেন্ট রিমুভ নিয়ে কাজ করছে তারা!!
প্রফেশনাল সাপোর্ট এর জন্য তাদের-ও দ্বারস্থ হতে পারেন!!
তবে মনে রাখবেন, অপরাধী সে, যে এসব ভাইরাল করেছে আপনি না!
সুতরাং মানসিকভাবে টেনশন সে করবে, আপনি কেন করছেন?আর হ্যা, এয়াওব লুতুপুতু করাটাও অপরাধ! হয়তো আইনীভাবে না, তবে নৈতিকভাবে!
এই ইস্যুতে হয়তো মোটামুটি অনেকেই পড়েছেন!! বিশেষ করে নারীরা!!
আর এসব ভাইরাল-এর পর কি পরিমান হেনস্তা হতে হয় সেটা সবার-ই জানা!!
প্রথমে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া সহ নানাবিধ সম্মানহানি তো থাকেই!!
এখন, কথা হলো এই অবস্থায় করনীয় কি আসলে!!
১. যদি, এমন কিছু ভাইরাল হয় যেটা ফেইক বা ইডিট করা! তবে নিশ্চিন্তে ইগ্নোর করুন! প্রমান করতে যাওয়ার দরকার নেই যে সেটা ফেইক!
যদি, প্রেশার ফিল হয় তবে পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে জানান এবং একসাথে অনলাইনে একটা জিডি করুন! এর পর ইউটিউব দেখে বা গুগলে সার্চ করে ওই কন্টেন্ট রিমুভের উপায়গুলো ঘাটাঘাটি করে নিজেরা প্রথমে রিমুভের চেষ্টা করুন!!
তাও ব্যর্থ হলে, থানার মারফতে সাইবার পুলিশের সহায়তা নিন!!
এর বাইরে stopncii তেও সাবমিট করতে পারেন সেই কন্টেন্ট যদি বেশি-ই প্যারাদায়ক মনে হয়!
২. যদি ভাইরাল হওয়া কন্টেন্ট অরিজিনাল হয়, এবং আপনি যদি জানেন যে কে এইটা করেছে কোনো ধরনের কাহিনী ছাড়াই পরিবারের ক্লোজেস্ট মানুষকে জানান, একসাথে থানায় যান অথবা অনলাইনে জিডি করেন এরপর সেটা নিয়ে সরাসরি DB Police Cyber Help ডেস্কে চলে যান! তাদের পরামর্শ মতো আইনি ব্যবস্থা নিন!! আর রিমুভের ব্যবস্থা তারা করবে!!আর আপনারাও চাইলে নিজেরা রিমুভের চেষ্টা করে যেতে পারেন!!!
আর এই সময়ে, বহু শুভাকাঙ্ক্ষী হবে এমন, যারা ইচ্ছা করে করে ভাইরাল হওয়া লিংক দিয়ে বলবে "দেখো কি কি ছড়াচ্ছে" কিছু একটা এ্যাকশন নাও!!
এইসব শুভাকাঙ্ক্ষী নামক মাথাব্যাথা তৈরীর কারনদের মেসেজ দেইখেন্না, এরাই দ্বায়ী মানসিকভাবে প্যারা দেওয়ার জন্য!!
আর, কোনোভাবে এসব কন্টেন্ট মুছে ফেলা সম্ভব না হলে Erazee এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন!!
যেকোনো ওয়েবসাইটে থাকা এসব হেনস্তাকারী কন্টেন্ট রিমুভ নিয়ে কাজ করছে তারা!!
প্রফেশনাল সাপোর্ট এর জন্য তাদের-ও দ্বারস্থ হতে পারেন!!
তবে মনে রাখবেন, অপরাধী সে, যে এসব ভাইরাল করেছে আপনি না!
সুতরাং মানসিকভাবে টেনশন সে করবে, আপনি কেন করছেন?আর হ্যা, এয়াওব লুতুপুতু করাটাও অপরাধ! হয়তো আইনীভাবে না, তবে নৈতিকভাবে!
❤3
*Silence therapy* মানে হলো কিছু নির্দিষ্ট সময় সম্পূর্ণ নিরবতা বজায় রেখে নিজের সাথে সংযোগ তৈরি করা, মানসিক চাপ কমানো ও আত্মউন্নয়নের চর্চা করা।
কীভাবে Silence Therapy নেবেন:
১. *সময় নির্ধারণ করুন*: প্রতিদিন ১৫–৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করুন (সকাল বা রাতে)।
২. *নীরব পরিবেশ* বেছে নিন: যেখানে কোনো শব্দ বা লোকের ব্যাঘাত থাকবে না।
3. *ফোন/ডিভাইস বন্ধ রাখুন*: একেবারে ডিজিটাল ডিটক্স করুন।
৪. *চোখ বন্ধ করে বসুন*: শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মন দিন। কোনো চিন্তা এলে তা ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দিন।
৫. *ভাবনাকে আসতে-যেতে দিন*: কিন্তু কোনো চিন্তাকেই ধরার চেষ্টা করবেন না। একে mindfulness বলে।
৬. *জার্নালিং (ঐচ্ছিক)*: পরবর্তী সময়ে কী অনুভব করলেন তা লিখে রাখতে পারেন।
---
Silence Therapy-র উপকারিতা:
- *মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়*
- *ফোকাস এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়*
- *ইনার পিস বা অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করে*
- *মনের আওয়াজ শুনতে শেখায়*
- *ডিপ্রেশন, ওভারথিংকিং কমাতে সাহায্য করে*
এটা একধরনের *মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন* বা *ডিটাচমেন্ট থেরাপি* বলেও ধরা যায়।
চাইলে আপনি *Retreat Silence Therapy (Vipassana)* প্রোগ্রামেও অংশ নিতে পারেন, যেখানে ৩-১০ দিনের সম্পূর্ণ নিরবতা পালন করা হয়।
কীভাবে Silence Therapy নেবেন:
১. *সময় নির্ধারণ করুন*: প্রতিদিন ১৫–৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করুন (সকাল বা রাতে)।
২. *নীরব পরিবেশ* বেছে নিন: যেখানে কোনো শব্দ বা লোকের ব্যাঘাত থাকবে না।
3. *ফোন/ডিভাইস বন্ধ রাখুন*: একেবারে ডিজিটাল ডিটক্স করুন।
৪. *চোখ বন্ধ করে বসুন*: শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মন দিন। কোনো চিন্তা এলে তা ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দিন।
৫. *ভাবনাকে আসতে-যেতে দিন*: কিন্তু কোনো চিন্তাকেই ধরার চেষ্টা করবেন না। একে mindfulness বলে।
৬. *জার্নালিং (ঐচ্ছিক)*: পরবর্তী সময়ে কী অনুভব করলেন তা লিখে রাখতে পারেন।
---
Silence Therapy-র উপকারিতা:
- *মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়*
- *ফোকাস এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়*
- *ইনার পিস বা অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করে*
- *মনের আওয়াজ শুনতে শেখায়*
- *ডিপ্রেশন, ওভারথিংকিং কমাতে সাহায্য করে*
এটা একধরনের *মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন* বা *ডিটাচমেন্ট থেরাপি* বলেও ধরা যায়।
চাইলে আপনি *Retreat Silence Therapy (Vipassana)* প্রোগ্রামেও অংশ নিতে পারেন, যেখানে ৩-১০ দিনের সম্পূর্ণ নিরবতা পালন করা হয়।
❤4
“Money brings money” কথাটা আসলেই বাস্তব। আপনি যদি স্টুডেন্ট অবস্থায় থাকেন, তাহলে সময় + ছোটখাটো পুঁজি = ভবিষ্যতে বড় ইনকাম তৈরির সুযোগ।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে,যেভাবে টাকা দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়
১. ছোটখাটো বিনিয়োগের মাধ্যমে
-অনলাইন Freelancing / Skill Investment
-টাকা খরচ করে ভালো কোর্স (Graphics, Digital Marketing, Data Analysis, Coding, etc.) শিখে নিন।
-এটা একবার শিখলে লাইফটাইম ইনকাম জেনারেট করবে।
-Example: ১০-১৫ হাজার টাকা কোর্স → কয়েক মাস পর প্রজেক্ট থেকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ইনকাম।
২. Digital Content Investment
-নিজের YouTube / Facebook page / Educational blog শুরু করতে পারেন।
-শুরুতে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, বা বিজ্ঞাপনে সামান্য টাকা খরচ করবেন।
-পরে Monetization থেকে নিয়মিত আয় হবে।
৩.Reselling / E-commerce (F-commerce)
-পাইকারি মার্কেট (যেমন চকবাজার, নিউমার্কেট, পোশাক/গ্যাজেট) থেকে পণ্য কিনে অনলাইনে বিক্রি করুন।
-শুরুর জন্য ৩-৫ হাজার টাকা দিয়েও সম্ভব।
-উদাহরণ: গিফট আইটেম, কসমেটিকস, টি-শার্ট, জিম এক্সেসরিজ, বই ইত্যাদি।
প্যাসিভ/ফাইন্যান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট
৪. সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক ডিপোজিট
-যদিও রিটার্ন কম, কিন্তু রিস্ক নেই।
-দীর্ঘমেয়াদে ভালো, তবে স্টুডেন্টদের জন্য ফ্লেক্সিবল নয়।
৫. Stock Market (শেয়ার মার্কেট)
-Risk বেশি, কিন্তু শেখার পর ছোট ইনভেস্টমেন্টে শুরু করলে অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।
-৫-১০ হাজার দিয়েই শুরু করা যায়।
৬. Mutual Funds / Bond Investment
-সরাসরি শেয়ার কেনার ঝুঁকি না নিয়ে Mutual Fund-এ টাকা রাখতে পারেন।
-Expert ম্যানেজ করে, তাই ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
স্কিল-ভিত্তিক টাকা দিয়ে ইনকাম
৭. Coaching / Tuition Startup
-ছাত্রদের জন্য নোট প্রিন্ট, বুকলেট বানানো, কোচিং ছোটভাবে শুরু করা।
-শুরুর ক্যাপিটাল লাগে কিন্তু দ্রুত রিটার্ন আসে।
৮. Skill Tools Buy করা
-Example: ল্যাপটপ, ক্যামেরা, গ্রাফিক ট্যাব → এগুলো শিখে ব্যবহার করলে ইনকাম জেনারেট করবে।
মূলকথা:
স্টুডেন্ট অবস্থায় risky বড় ইনভেস্টমেন্ট না করে –
Small Capital → Skill Build → Income Source Create → Reinvest → বড় ইনকাম
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে,যেভাবে টাকা দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়
১. ছোটখাটো বিনিয়োগের মাধ্যমে
-অনলাইন Freelancing / Skill Investment
-টাকা খরচ করে ভালো কোর্স (Graphics, Digital Marketing, Data Analysis, Coding, etc.) শিখে নিন।
-এটা একবার শিখলে লাইফটাইম ইনকাম জেনারেট করবে।
-Example: ১০-১৫ হাজার টাকা কোর্স → কয়েক মাস পর প্রজেক্ট থেকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ইনকাম।
২. Digital Content Investment
-নিজের YouTube / Facebook page / Educational blog শুরু করতে পারেন।
-শুরুতে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, বা বিজ্ঞাপনে সামান্য টাকা খরচ করবেন।
-পরে Monetization থেকে নিয়মিত আয় হবে।
৩.Reselling / E-commerce (F-commerce)
-পাইকারি মার্কেট (যেমন চকবাজার, নিউমার্কেট, পোশাক/গ্যাজেট) থেকে পণ্য কিনে অনলাইনে বিক্রি করুন।
-শুরুর জন্য ৩-৫ হাজার টাকা দিয়েও সম্ভব।
-উদাহরণ: গিফট আইটেম, কসমেটিকস, টি-শার্ট, জিম এক্সেসরিজ, বই ইত্যাদি।
প্যাসিভ/ফাইন্যান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট
৪. সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক ডিপোজিট
-যদিও রিটার্ন কম, কিন্তু রিস্ক নেই।
-দীর্ঘমেয়াদে ভালো, তবে স্টুডেন্টদের জন্য ফ্লেক্সিবল নয়।
৫. Stock Market (শেয়ার মার্কেট)
-Risk বেশি, কিন্তু শেখার পর ছোট ইনভেস্টমেন্টে শুরু করলে অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।
-৫-১০ হাজার দিয়েই শুরু করা যায়।
৬. Mutual Funds / Bond Investment
-সরাসরি শেয়ার কেনার ঝুঁকি না নিয়ে Mutual Fund-এ টাকা রাখতে পারেন।
-Expert ম্যানেজ করে, তাই ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
স্কিল-ভিত্তিক টাকা দিয়ে ইনকাম
৭. Coaching / Tuition Startup
-ছাত্রদের জন্য নোট প্রিন্ট, বুকলেট বানানো, কোচিং ছোটভাবে শুরু করা।
-শুরুর ক্যাপিটাল লাগে কিন্তু দ্রুত রিটার্ন আসে।
৮. Skill Tools Buy করা
-Example: ল্যাপটপ, ক্যামেরা, গ্রাফিক ট্যাব → এগুলো শিখে ব্যবহার করলে ইনকাম জেনারেট করবে।
মূলকথা:
স্টুডেন্ট অবস্থায় risky বড় ইনভেস্টমেন্ট না করে –
Small Capital → Skill Build → Income Source Create → Reinvest → বড় ইনকাম
❤2
কিছু ইসলাম নামধারী রাজনৈতিক দল যে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধে আন্দোলনে নামছে, তারা আসলে কোন ইসলামকে ফলো করে, তারা আসলে কোন ব্যাখ্যাকে ফলো করে?
🎶 ইসলামে সংগীত নিয়ে আলেমদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি 🎶
অনেকেই মনে করেন ইসলামে সংগীত শুধু হারাম। কিন্তু ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যায়, বহু প্রখ্যাত ইসলামি আলেম সংগীতকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছেন।
✨ ইমাম আল-গাজ্জালি (১০৫৮–১১১১ খ্রি.)
তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন-এ তিনি লিখেছেন— সংগীত ও গানের মধ্যে আসলে কোনো হারাম নেই। বরং এটি হৃদয় নরম করে, আল্লাহর প্রতি প্রেম জাগায়, আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। শর্ত হলো, সংগীত যেন হারামের সাথে যুক্ত না হয়।
✨ ইবনে হাজম (৯৯৪–১০৬৪ খ্রি.)
আন্দালুসের এই আলেম বলেন— কোরআন বা হাদিসে সংগীতকে সরাসরি হারাম ঘোষণা করা হয়নি। বরং এটি মানুষের স্বাভাবিক আনন্দ ও সামাজিক সংস্কৃতির অংশ।
✨ ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাজি (১১৪৯–১২০৯ খ্রি.)
বিখ্যাত তাফসির আল-কবীর এর লেখক আল-রাজি সংগীত ও সুন্দর কণ্ঠকে আল্লাহর এক নিয়ামত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এগুলো মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে এবং তাকে সৎপথে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
✨ সুফি আলেমরা (যেমন রুমি, হাফিজ প্রমুখ)
তাঁরা মনে করেন, সংগীত হলো আত্মাকে জাগ্রত করার মাধ্যম। রুমি বলেছেন— “সংগীত আল্লাহর রহস্যময় ভাষা। এটি আত্মাকে সেই জগতে ফিরিয়ে নেয়, যেখান থেকে সে এসেছে।”
এখন আন্দোলনকারী ইসলামের রক্ষক ও হর্তাকর্তারা আগে ইমাম গাজ্জালি বা ইমাম রাজির মন্তব্য ও ব্যাখ্যাকে খন্ডন করে দেখাক। তারা স্পষ্ট করে বলুক, তারা আসলে কোন ইসলাম ও কার ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করছে?!
@Dr. Anisur Faroqui
🎶 ইসলামে সংগীত নিয়ে আলেমদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি 🎶
অনেকেই মনে করেন ইসলামে সংগীত শুধু হারাম। কিন্তু ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যায়, বহু প্রখ্যাত ইসলামি আলেম সংগীতকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছেন।
✨ ইমাম আল-গাজ্জালি (১০৫৮–১১১১ খ্রি.)
তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন-এ তিনি লিখেছেন— সংগীত ও গানের মধ্যে আসলে কোনো হারাম নেই। বরং এটি হৃদয় নরম করে, আল্লাহর প্রতি প্রেম জাগায়, আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। শর্ত হলো, সংগীত যেন হারামের সাথে যুক্ত না হয়।
✨ ইবনে হাজম (৯৯৪–১০৬৪ খ্রি.)
আন্দালুসের এই আলেম বলেন— কোরআন বা হাদিসে সংগীতকে সরাসরি হারাম ঘোষণা করা হয়নি। বরং এটি মানুষের স্বাভাবিক আনন্দ ও সামাজিক সংস্কৃতির অংশ।
✨ ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাজি (১১৪৯–১২০৯ খ্রি.)
বিখ্যাত তাফসির আল-কবীর এর লেখক আল-রাজি সংগীত ও সুন্দর কণ্ঠকে আল্লাহর এক নিয়ামত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এগুলো মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে এবং তাকে সৎপথে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
✨ সুফি আলেমরা (যেমন রুমি, হাফিজ প্রমুখ)
তাঁরা মনে করেন, সংগীত হলো আত্মাকে জাগ্রত করার মাধ্যম। রুমি বলেছেন— “সংগীত আল্লাহর রহস্যময় ভাষা। এটি আত্মাকে সেই জগতে ফিরিয়ে নেয়, যেখান থেকে সে এসেছে।”
এখন আন্দোলনকারী ইসলামের রক্ষক ও হর্তাকর্তারা আগে ইমাম গাজ্জালি বা ইমাম রাজির মন্তব্য ও ব্যাখ্যাকে খন্ডন করে দেখাক। তারা স্পষ্ট করে বলুক, তারা আসলে কোন ইসলাম ও কার ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করছে?!
@Dr. Anisur Faroqui
🤣4
সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা কখন জরুরি?
জীবন মানেই সম্পর্কের মায়াজাল। পরিবার, বন্ধু, প্রেমিক, প্রেমিকা কিংবা জীবনসঙ্গী—প্রতিটি সম্পর্ক আমাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।
কিন্তু কখনও কখনও সম্পর্কগুলো আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তবু, মানুষ সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে রাখে, মনে হয়, হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু সত্যি কি সব ঠিক হয়?
আর সব ঠিক না হলে, সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাই কি সঠিক সিদ্ধান্ত নয়?
কেন সম্পর্ক জটিল হয়?
সম্পর্ক তখনই জটিল হয়, যখন সেটা আর হৃদয়ের আরামদায়ক স্থান থাকে না। এটা হতে পারে পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব, মনোযোগের ঘাটতি, বিশ্বাস ভাঙন, কিংবা অবহেলার কারণে।
আমরা অনেক সময়ই বুঝে উঠতে পারি না—এই সম্পর্কটা আমাদের জীবনের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর।
তাহলে কখন বুঝবেন সম্পর্ক থেকে সরে আসার সময় এসেছে?
কিছু বিষয় হিসাব নিকাশ করতে পারেন।
১. বিশ্বাস ভেঙে গেছে?
সম্পর্কের মূলে থাকে বিশ্বাস। যদি সেটা নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া আর সম্ভব নয়। প্রতারণা কিংবা কথায় কথায় মিথ্যা বলার প্রমাণ পেলে দ্রুত সরে আসুন।
২. আপনার অস্তিত্বই যেন তুচ্ছ?
যখন সঙ্গী আপনাকে ‘টেকেন ফর গ্র্যান্টেড’ করতে শুরু করে, তখন বুঝতে হবে, এই সম্পর্ক আপনার আত্মসম্মানকে ধ্বংস করছে। মনে রাখবেন, ভালোবাসার সম্পর্কেও আত্মসম্মান জরুরি।
৩. মনোযোগ আর নেই?
ভালোবাসা মানে পারস্পরিক যত্ন। যদি দেখেন, সঙ্গী আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে কিংবা আপনাকে অবহেলা করছে, তবে হয়তো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর সম্ভব নয়।
৪. শ্রদ্ধার অভাব?
প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তি শুধু ভালোবাসা নয়, শ্রদ্ধাও। যদি সঙ্গী আপনাকে বারবার অপমান করে কিংবা অসম্মান করে, তবে সেটা সম্পর্ক শেষ করার বড় সংকেত।
৫. দৈনিক ঝগড়া?
যদি প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়, এবং সমাধানের চেষ্টা সত্ত্বেও সমস্যার শেষ না হয়, তবে হয়তো সেই সম্পর্ককে আর চালিয়ে নেওয়া উচিত নয়।
মাথায় রাখবেন, সম্পর্ক শেষ হওয়ার মানে জীবনের শেষ নয়। বরং, এটি একধরনের নতুন শুরু।
নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের মানসিক শান্তির গুরুত্ব দিন। সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা মানে আপনার জীবনে আরও সুন্দর কিছু শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়া।
জীবন ছোট। এমন সম্পর্ক টেনে নিয়ে চলার কোনও মানে নেই, যা শুধু কষ্ট আর হতাশা এনে দেয়।
তাই নিজের আত্মসম্মান, শান্তি, আর সুখের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।
মনে রাখবেন, সম্পর্কের মানে যদি বোঝা হয়ে যায়, তবে সেটিকে মুক্তি দেওয়াই শ্রেয়।
জীবন অপেক্ষা করছে নতুন সম্ভাবনায়, নতুন আনন্দে।
জীবন মানেই সম্পর্কের মায়াজাল। পরিবার, বন্ধু, প্রেমিক, প্রেমিকা কিংবা জীবনসঙ্গী—প্রতিটি সম্পর্ক আমাদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।
কিন্তু কখনও কখনও সম্পর্কগুলো আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তবু, মানুষ সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে রাখে, মনে হয়, হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু সত্যি কি সব ঠিক হয়?
আর সব ঠিক না হলে, সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাই কি সঠিক সিদ্ধান্ত নয়?
কেন সম্পর্ক জটিল হয়?
সম্পর্ক তখনই জটিল হয়, যখন সেটা আর হৃদয়ের আরামদায়ক স্থান থাকে না। এটা হতে পারে পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব, মনোযোগের ঘাটতি, বিশ্বাস ভাঙন, কিংবা অবহেলার কারণে।
আমরা অনেক সময়ই বুঝে উঠতে পারি না—এই সম্পর্কটা আমাদের জীবনের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর।
তাহলে কখন বুঝবেন সম্পর্ক থেকে সরে আসার সময় এসেছে?
কিছু বিষয় হিসাব নিকাশ করতে পারেন।
১. বিশ্বাস ভেঙে গেছে?
সম্পর্কের মূলে থাকে বিশ্বাস। যদি সেটা নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া আর সম্ভব নয়। প্রতারণা কিংবা কথায় কথায় মিথ্যা বলার প্রমাণ পেলে দ্রুত সরে আসুন।
২. আপনার অস্তিত্বই যেন তুচ্ছ?
যখন সঙ্গী আপনাকে ‘টেকেন ফর গ্র্যান্টেড’ করতে শুরু করে, তখন বুঝতে হবে, এই সম্পর্ক আপনার আত্মসম্মানকে ধ্বংস করছে। মনে রাখবেন, ভালোবাসার সম্পর্কেও আত্মসম্মান জরুরি।
৩. মনোযোগ আর নেই?
ভালোবাসা মানে পারস্পরিক যত্ন। যদি দেখেন, সঙ্গী আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে কিংবা আপনাকে অবহেলা করছে, তবে হয়তো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর সম্ভব নয়।
৪. শ্রদ্ধার অভাব?
প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তি শুধু ভালোবাসা নয়, শ্রদ্ধাও। যদি সঙ্গী আপনাকে বারবার অপমান করে কিংবা অসম্মান করে, তবে সেটা সম্পর্ক শেষ করার বড় সংকেত।
৫. দৈনিক ঝগড়া?
যদি প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়, এবং সমাধানের চেষ্টা সত্ত্বেও সমস্যার শেষ না হয়, তবে হয়তো সেই সম্পর্ককে আর চালিয়ে নেওয়া উচিত নয়।
মাথায় রাখবেন, সম্পর্ক শেষ হওয়ার মানে জীবনের শেষ নয়। বরং, এটি একধরনের নতুন শুরু।
নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের মানসিক শান্তির গুরুত্ব দিন। সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা মানে আপনার জীবনে আরও সুন্দর কিছু শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়া।
জীবন ছোট। এমন সম্পর্ক টেনে নিয়ে চলার কোনও মানে নেই, যা শুধু কষ্ট আর হতাশা এনে দেয়।
তাই নিজের আত্মসম্মান, শান্তি, আর সুখের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিন।
মনে রাখবেন, সম্পর্কের মানে যদি বোঝা হয়ে যায়, তবে সেটিকে মুক্তি দেওয়াই শ্রেয়।
জীবন অপেক্ষা করছে নতুন সম্ভাবনায়, নতুন আনন্দে।
মোবাইলে মেসেঞ্জার অথবা অডিও ভিডিও কলে বিবাহ জায়েজ নেই।
কেননা বিবাহ সহিহ হওয়ার অন্যতম একটি শর্ত হলো বর, কনে,উভয় সাক্ষীদের মজলিস এক হওয়া।
বাদায়েউস সানায়ে ২/৪৯০; আলমুহীতুল বুরহানী ৪/৩৭, ৮৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ২/৪৮; আলবাহরুর রায়েক ৩/৮৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২৬৮; আননাহরুল ফায়েক ২/১৭৮; আদ্দুররুল মুখতার ৩/১৪; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৪৪
তবে বর অথবা কনের পক্ষ থেকে উকিল নির্ধারণের মাধ্যমে মোবাইলে বিবাহ করার সহিহ পদ্ধতি রয়েছে।
পাত্র টেলিফোনে বিবাহের মজলিসে উপস্থিত একজনকে তার পক্ষে উকিল (স্থলাভিষিক্ত) নির্ধারণ করবে।
বিয়ের মজলিসে যখন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পাত্রীর পক্ষ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অভিভাবক বিবাহের প্রস্তাব দিবে এবং বলবে আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে এত টাকা মহরে মেয়েকে বিবাহ দিলাম।
তখন পাত্রের পক্ষ থেকে নিযুক্ত উকিল বলবে আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।
এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে বিবাহ সহিহ হয়ে যাবে।
(বাদায়েউস সানায়ে : ২/২৩১, আদ্দুররুল মুখতার : ৩/১৪, ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া ১১/১৬১)
কেননা বিবাহ সহিহ হওয়ার অন্যতম একটি শর্ত হলো বর, কনে,উভয় সাক্ষীদের মজলিস এক হওয়া।
বাদায়েউস সানায়ে ২/৪৯০; আলমুহীতুল বুরহানী ৪/৩৭, ৮৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ২/৪৮; আলবাহরুর রায়েক ৩/৮৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২৬৮; আননাহরুল ফায়েক ২/১৭৮; আদ্দুররুল মুখতার ৩/১৪; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/৩৪৪
তবে বর অথবা কনের পক্ষ থেকে উকিল নির্ধারণের মাধ্যমে মোবাইলে বিবাহ করার সহিহ পদ্ধতি রয়েছে।
পাত্র টেলিফোনে বিবাহের মজলিসে উপস্থিত একজনকে তার পক্ষে উকিল (স্থলাভিষিক্ত) নির্ধারণ করবে।
বিয়ের মজলিসে যখন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পাত্রীর পক্ষ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অভিভাবক বিবাহের প্রস্তাব দিবে এবং বলবে আমি বিদেশে বসবাসকারী অমুকের কাছে এত টাকা মহরে মেয়েকে বিবাহ দিলাম।
তখন পাত্রের পক্ষ থেকে নিযুক্ত উকিল বলবে আমি পাত্রের পক্ষে কবুল করলাম।
এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে বিবাহ সহিহ হয়ে যাবে।
(বাদায়েউস সানায়ে : ২/২৩১, আদ্দুররুল মুখতার : ৩/১৪, ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া ১১/১৬১)
✅আসসালামুয়ালাইকুম,
কেমন আছেন সবাই?
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজকে আপনাদের বহুল কাঙ্ক্ষিত পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। যেই পোস্ট এর জন্য আপনারা অনেক কমেন্ট করেছেন ইনবক্সেও অনেক নক করেছেন যে ভাইয়া আউসবিল্ডুং এর লিস্ট কবে দিবেন। আপনাদের আগ্ৰহ দেখে আউসবিল্ডুং এর প্রায় ৪২০+ প্রফেশন এর তালিকা তৈরি করেছি। এই দীর্ঘ তালিকার মধ্যে হয়তো কিছু প্রফেশন বাদ যেতেও পারে। ৪২০+ প্রফেশন তাই পোস্টটি বড় হয়ে গেছে সবাই ধৈর্য সহকারে পড়বেন😁
✴️আমি এখানে আউসবিল্ডুং সার্চ করা বা বিস্তারিত জানার জন্য কিছু ওয়েবসাইটের লিংক দিচ্ছি যেখান থেকে আপনারা নিচের উল্লেখিত ৪২০+ আউসবিল্ডুং ডিটেইলস খুজতে পারবেন।
➡️১. ausbildung.de= https://www.ausbildung.de/
http://xn--27b.auzubi.de/= https://www.azubi.de/ausbildungsplatz
৩. Job Search= https://degreeola.com/job-search/
৪. Jobsuche= https://www.arbeitsagentur.de/jobsuche/
🔁এই সাইট গুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার কাঙ্খিত আউসবিল্ডুং পেয়ে যাবেন। এছাড়াও গুগলে কোম্পানি সার্চ দিয়ে কোম্পানির ওয়েবসাইট এ গিয়ে ক্যারিয়ার পেজে অথবা ই-মেইল অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। একটি আউসবিল্ডুং পজিশন পেতে অনেক সময় অনেক বেশি আবেদন করতে হতে পারে। তবে আবেদন এর সময় সিভি ও মোটিভেশন লেটার সুন্দর করে তৈরি করলে আউসবিল্ডুং পজিশন দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যাইহোক, আবেদন করার সময় ধর্য্য নিয়ে বেশি আবেদন করার মানসিকতা রাখবেন।
⬇️নিচে সব প্রফেশন এর তালিকা দেওয়া হলো:
1. Plant mechanic.
2. Plant mechanic for sanitary, heating and air conditioning technology.
3. Plant mechanic – pipe system technology.
4. Anesthesia technical assistant.
5. Asphalt worker.
6. Assistant for International Office Management.
7. Processing mechanic.
8. Optician.
9. Finishing skilled worker.
10. Vending machine specialist.
11. Automotive clerk.
12. Alteration tailor.
13. Bank clerk.
14. Construction equipment operator.
15. Building materials tester.
16. Building sealer0Construction mechanic for demolition and concrete cutting technology.
17. Draftsman.
18. Civil servant in detention pending deportation (intermediate service).
19. Civil servant Bundesbank.
20. Officer for telecommunications and electronic reconnaissance.
21. Civil servant judicial service (middle service).
22.Prison officer (middle service).
23. Officer for the protection of the constitution (middle service).
24. Customs officer (middle service).
25. Tank and apparatus builder.
26. Mining Technologist.
27.Professional driver.
28. Funeral Specialist.
29. Concrete and reinforced concrete worker.
30. Precast Concrete Builder.
31. Business economist in foreign trade.
32. Bargeman.
33. Biology laboratory technician.
34. Floorlayer.
35. Boat builder.
36. Brewer and maltster.
37. Well builder.
38. Bookbinder.
39.Bookseller.
40. Baker.
41. Bakery salesperson.
42. Cooper.
43. Gunsmith.
44. Stage painter and stage sculptor.
45. Chemical laboratory assistant.
46. Chemical laboratory worker.
47. Chemical technician.
48. Surgical mechanic.
49. Surgical technical assistant.
50. Roofer.
51. Distiller.
52. Turner.
53. Druggist.
54. Gem cutter.
55. Railway worker.
56. Electrical system fitter.
57. Electronics technician for automation and system technology.
58.Electronics technician.
69.Electronic technician for devices and systems.
60. Electronics technician for automation technology.
61. Electronics technician for industrial engineering.
62. Electronics technician for energy and building technology.
63. Electronics technician for building and infrastructure systems.
64. Electronics technician for building.
65. Plant mechanic.
66. Plant mechanic for sanitary, heating and air conditioning technology .
67. Plant mechanic – pipe system technology
68. Anesthesia technical assistant .
69. Asphalt worker.
70. Assistant for International Office Management.
71. Processing mechanic.
72. Optician.
73. Finishing skilled worker.
74. Vending machine specialist.
75. Automotive clerk.
76. Alteration tailor.
কেমন আছেন সবাই?
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজকে আপনাদের বহুল কাঙ্ক্ষিত পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। যেই পোস্ট এর জন্য আপনারা অনেক কমেন্ট করেছেন ইনবক্সেও অনেক নক করেছেন যে ভাইয়া আউসবিল্ডুং এর লিস্ট কবে দিবেন। আপনাদের আগ্ৰহ দেখে আউসবিল্ডুং এর প্রায় ৪২০+ প্রফেশন এর তালিকা তৈরি করেছি। এই দীর্ঘ তালিকার মধ্যে হয়তো কিছু প্রফেশন বাদ যেতেও পারে। ৪২০+ প্রফেশন তাই পোস্টটি বড় হয়ে গেছে সবাই ধৈর্য সহকারে পড়বেন😁
✴️আমি এখানে আউসবিল্ডুং সার্চ করা বা বিস্তারিত জানার জন্য কিছু ওয়েবসাইটের লিংক দিচ্ছি যেখান থেকে আপনারা নিচের উল্লেখিত ৪২০+ আউসবিল্ডুং ডিটেইলস খুজতে পারবেন।
➡️১. ausbildung.de= https://www.ausbildung.de/
http://xn--27b.auzubi.de/= https://www.azubi.de/ausbildungsplatz
৩. Job Search= https://degreeola.com/job-search/
৪. Jobsuche= https://www.arbeitsagentur.de/jobsuche/
🔁এই সাইট গুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার কাঙ্খিত আউসবিল্ডুং পেয়ে যাবেন। এছাড়াও গুগলে কোম্পানি সার্চ দিয়ে কোম্পানির ওয়েবসাইট এ গিয়ে ক্যারিয়ার পেজে অথবা ই-মেইল অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। একটি আউসবিল্ডুং পজিশন পেতে অনেক সময় অনেক বেশি আবেদন করতে হতে পারে। তবে আবেদন এর সময় সিভি ও মোটিভেশন লেটার সুন্দর করে তৈরি করলে আউসবিল্ডুং পজিশন দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যাইহোক, আবেদন করার সময় ধর্য্য নিয়ে বেশি আবেদন করার মানসিকতা রাখবেন।
⬇️নিচে সব প্রফেশন এর তালিকা দেওয়া হলো:
1. Plant mechanic.
2. Plant mechanic for sanitary, heating and air conditioning technology.
3. Plant mechanic – pipe system technology.
4. Anesthesia technical assistant.
5. Asphalt worker.
6. Assistant for International Office Management.
7. Processing mechanic.
8. Optician.
9. Finishing skilled worker.
10. Vending machine specialist.
11. Automotive clerk.
12. Alteration tailor.
13. Bank clerk.
14. Construction equipment operator.
15. Building materials tester.
16. Building sealer0Construction mechanic for demolition and concrete cutting technology.
17. Draftsman.
18. Civil servant in detention pending deportation (intermediate service).
19. Civil servant Bundesbank.
20. Officer for telecommunications and electronic reconnaissance.
21. Civil servant judicial service (middle service).
22.Prison officer (middle service).
23. Officer for the protection of the constitution (middle service).
24. Customs officer (middle service).
25. Tank and apparatus builder.
26. Mining Technologist.
27.Professional driver.
28. Funeral Specialist.
29. Concrete and reinforced concrete worker.
30. Precast Concrete Builder.
31. Business economist in foreign trade.
32. Bargeman.
33. Biology laboratory technician.
34. Floorlayer.
35. Boat builder.
36. Brewer and maltster.
37. Well builder.
38. Bookbinder.
39.Bookseller.
40. Baker.
41. Bakery salesperson.
42. Cooper.
43. Gunsmith.
44. Stage painter and stage sculptor.
45. Chemical laboratory assistant.
46. Chemical laboratory worker.
47. Chemical technician.
48. Surgical mechanic.
49. Surgical technical assistant.
50. Roofer.
51. Distiller.
52. Turner.
53. Druggist.
54. Gem cutter.
55. Railway worker.
56. Electrical system fitter.
57. Electronics technician for automation and system technology.
58.Electronics technician.
69.Electronic technician for devices and systems.
60. Electronics technician for automation technology.
61. Electronics technician for industrial engineering.
62. Electronics technician for energy and building technology.
63. Electronics technician for building and infrastructure systems.
64. Electronics technician for building.
65. Plant mechanic.
66. Plant mechanic for sanitary, heating and air conditioning technology .
67. Plant mechanic – pipe system technology
68. Anesthesia technical assistant .
69. Asphalt worker.
70. Assistant for International Office Management.
71. Processing mechanic.
72. Optician.
73. Finishing skilled worker.
74. Vending machine specialist.
75. Automotive clerk.
76. Alteration tailor.
www.ausbildung.de
Einfach eine Ausbildung oder ein duales Studium finden
Bis zu 150.000+ Ausbildungsplätze. Entdecke Berufe, Gehälter und Azubi-Bewertungen und finde mit dem Berufscheck deine Ausbildung.
77. Bank clerk.
78. Construction equipment operator.
79. Building materials tester.
80. Building sealer.
81. Construction mechanic for demolition and concrete cutting technology.
82. Draftsman.
83. Civil servant in detention pending deportation (intermediate service).
84. Civil servant Bundesbank.
85. Officer for telecommunications and electronic reconnaissance.
86. Civil servant judicial service (middle service).
87. Prison officer (middle service).
88. Officer for the protection of the constitution (middle service).
89. Customs officer (middle service).
90. Tank and apparatus builder.
91. Mining Technologist.
92. Professional driver.
93. Funeral Specialist.
94. Concrete and reinforced concrete worker
Precast Concrete Builder.
95. Business economist in foreign trade
Bargeman.
96. Biology laboratory technician.
97. Floorlayer.
98. Boat builder.
99. Brewer and maltster.
100. Well builder.
101. Bookbinder.
102. Bookseller
103. Baker.
104. Bakery salesperson.
105. Cooper.
106. Gunsmith.
107. Stage painter and stage sculptor.
108. Chemical laboratory assistant.
109. Chemical laboratory worker.
110. Chemical technician.
111. Surgical mechanic.
112. Surgical technical assistant.
113. Roofer.
114. Distiller.
115. Turner.
116. Druggist
117. Gem cutter.
118. Railway worker.
119. Electrical system fitter.
120. Electronics technician for automation and system technology.
121. Electronics technician.
122. Electronic technician for devices and systems.
123. Electronics technician for automation technology.
124. Electronics technician for industrial engineering.
125. Electronics technician for energy and building technology.
126. Electronics technician for building and infrastructure systems.
127. Electronics technician for building system integration.
128. Electronics technician for information and system technology.
129. Electronics technician for machine and drive technology.
130. Screed layer.
131. Euro Management Assistant.
132. European clerk.
133. Specialist for labor market services .
134. Specialist for pool operations.
135. Specialist for market and social research.
135. Specialist for media and information services.
136. Specialist consultant in software engineering.
137. Sales consultant.
138. Specialist consultant for integrated systems.
139. Specialist for restaurants and event catering.
140. IT specialist.
141. IT specialist for application development.
142. IT specialist for data and process analysis.
143. IT specialist for system integration.
144. IT specialist for digital networking.
145. Specialist kitchen.
146. Specialist for sewage technology.
147. Specialist for agricultural service.
148. Specialist for fruit juice technology.
149. Specialist for gastronomy.
150. Specialist for port logistics.
151. Specialist for wood and building protection work.
152. Specialist for recycling and waste management.
153. Specialist for courier, express and postal services.
154. Specialist for warehouse logistics.
155. Specialist for food technology.
156. Specialist for leather production and tanning technology.
157. Specialist for metal technology.
158. Specialist for furniture, kitchen and moving services.
159. Specialist for pipe, sewer and industrial service.
160. Specialist for protection and security
Specialist for ice cream.
161. Specialist for road and traffic engineering.
162. Specialist for event technology.
163. Specialist for water supply technology.
164. Specialist in driving operations .
165. Specialist warehouse clerk.
166. System gastronomy specialist.
167. Specialist salesperson in the food trade.
168. Specialist s butcher's shop.
169. Specialist for e-commerce.
170. Specialist for retail sales.
171. Bicycle mechanic.
172. Vehicle interior mechanic.
173. Vehicle painter.
174. Precision optician.
175. Precision mechanic.
78. Construction equipment operator.
79. Building materials tester.
80. Building sealer.
81. Construction mechanic for demolition and concrete cutting technology.
82. Draftsman.
83. Civil servant in detention pending deportation (intermediate service).
84. Civil servant Bundesbank.
85. Officer for telecommunications and electronic reconnaissance.
86. Civil servant judicial service (middle service).
87. Prison officer (middle service).
88. Officer for the protection of the constitution (middle service).
89. Customs officer (middle service).
90. Tank and apparatus builder.
91. Mining Technologist.
92. Professional driver.
93. Funeral Specialist.
94. Concrete and reinforced concrete worker
Precast Concrete Builder.
95. Business economist in foreign trade
Bargeman.
96. Biology laboratory technician.
97. Floorlayer.
98. Boat builder.
99. Brewer and maltster.
100. Well builder.
101. Bookbinder.
102. Bookseller
103. Baker.
104. Bakery salesperson.
105. Cooper.
106. Gunsmith.
107. Stage painter and stage sculptor.
108. Chemical laboratory assistant.
109. Chemical laboratory worker.
110. Chemical technician.
111. Surgical mechanic.
112. Surgical technical assistant.
113. Roofer.
114. Distiller.
115. Turner.
116. Druggist
117. Gem cutter.
118. Railway worker.
119. Electrical system fitter.
120. Electronics technician for automation and system technology.
121. Electronics technician.
122. Electronic technician for devices and systems.
123. Electronics technician for automation technology.
124. Electronics technician for industrial engineering.
125. Electronics technician for energy and building technology.
126. Electronics technician for building and infrastructure systems.
127. Electronics technician for building system integration.
128. Electronics technician for information and system technology.
129. Electronics technician for machine and drive technology.
130. Screed layer.
131. Euro Management Assistant.
132. European clerk.
133. Specialist for labor market services .
134. Specialist for pool operations.
135. Specialist for market and social research.
135. Specialist for media and information services.
136. Specialist consultant in software engineering.
137. Sales consultant.
138. Specialist consultant for integrated systems.
139. Specialist for restaurants and event catering.
140. IT specialist.
141. IT specialist for application development.
142. IT specialist for data and process analysis.
143. IT specialist for system integration.
144. IT specialist for digital networking.
145. Specialist kitchen.
146. Specialist for sewage technology.
147. Specialist for agricultural service.
148. Specialist for fruit juice technology.
149. Specialist for gastronomy.
150. Specialist for port logistics.
151. Specialist for wood and building protection work.
152. Specialist for recycling and waste management.
153. Specialist for courier, express and postal services.
154. Specialist for warehouse logistics.
155. Specialist for food technology.
156. Specialist for leather production and tanning technology.
157. Specialist for metal technology.
158. Specialist for furniture, kitchen and moving services.
159. Specialist for pipe, sewer and industrial service.
160. Specialist for protection and security
Specialist for ice cream.
161. Specialist for road and traffic engineering.
162. Specialist for event technology.
163. Specialist for water supply technology.
164. Specialist in driving operations .
165. Specialist warehouse clerk.
166. System gastronomy specialist.
167. Specialist salesperson in the food trade.
168. Specialist s butcher's shop.
169. Specialist for e-commerce.
170. Specialist for retail sales.
171. Bicycle mechanic.
172. Vehicle interior mechanic.
173. Vehicle painter.
174. Precision optician.
175. Precision mechanic.
176. Production mechanic.
177. Combustion and chimney builder.
178. Financial Assistant.
179. Finance economist (middle service).
180. Fish farmer.
181. Flat glass technologist.
182. Wickerwork designer.
183. Butcher.
184. Tiler.
185. Florist.
186. Aircraft Electronics Technician.
187. Aircraft mechanic.
188. Forester.
189. Photographer.
190. Photo media specialist.
191. Foreign languages industrial clerk.
192. Cemetery gardener.
193. Hairdresser.
194. Gastronomy specialist.
195. Building cleaner.
196. Violin maker.
197. Geomatics.
198. Tanner.
199. Scaffolder.
200. Designer for visual marketing.
201. Designer for immersive media.
202. Foundry mechanic.
203. Glass and porcelain painter.
204. Glass apparatus builder.
205. Glass blower / glass maker.
206. Glazie.
207. Glass finisher.
208. Track builder.
209. Goldsmith.
210. Engraver.
211. Gardener.
212. Port skipper.
213. Commercial specialist.
214. Handpulled instrument maker.
215.Home and family carer .
216. Housekeeper.
217. Building construction worker.
218. Wood and building protection officer.
219. Woodworking mechanic.
220. Wood mechanic.
221. Wooden toy maker.
222. Hotel and hospitality assistant.
223. Hotel specialist.
224. Hearing care professional.
225. IT system electronics engineer.
226. Real estate clerk.
227. Industrial electrician.
228. Industrial clerk.
229. Industrial ceramist.
230. Industrial mechanic.
231. Industrial mechanic maintenance.
232. Industrial mechanic in mechanical and plant engineering.
233. Industrial mechanic in production technology.
234. Industrial technologist.
235. Information electronics technician.
236. Investment fund clerk.
237. Insulation specialist / industrial insulator.
238. Judicial clerk.
239. Sewer builder.
240. Body and vehicle construction mechanic.
241. Office management clerk.
242. Clerk for office management - financial accounting and controlling.
243. Office management clerk – foreign language correspondent.
244. Hotel management clerk
245. Marketing communication clerk.
246. Clerk for tourism and leisure.
247. Clerk for audiovisual media.
248. Clerk in health care.
249. Clerk for office management with additional qualification debt collection.
250. Clerk for dialogue marketing.
251. Clerk for digitization management.
252. Clerk for wholesale and foreign trade management.
253. IT system management clerk.
254. Clerk for courier, express and postal services.
255. Clerk for forwarding and logistics services.
256. Traffic service clerk.
257. Clerk for insurance and financial investments.
258. Clerk in e-commerce .
259. Clerk in retail.
260. Candle maker and wax maker.
261. Vehicle mechatronics technician.
262. Piano and harpsichord maker.
263. Plumber.
264. Cook.
265. Confectioner.
266. Confectionery salesperson.
267. Construction mechanic.
268. Beautician.
269. Skinner.
270. Paint laboratory assistant.
271. Agricultural and construction machinery.
272. mechatronics technician.
273. Landscape gardener.
274. Farmer.
275. Light aircraft builder.
276. Aviation clerk.
278. Painter and varnisher.
279. Management Assistant.
280. Machine and plant operator.
281. Make-up artist.
282. Mathematical-technical software developer.
283. Bricklayer.
284. Tailor.
285. Bespoke shoemaker.
286. Mechanic for tire and vulcanization technology.
287. Mechatronics technician.
289. Mechatronics technician for refrigeration technology.
290. Media designer in image and sound.
291. Media designer digital and print.
292. Media clerk.
293. Media technologist.
294. Media technologist print.
295. Media technologist print processing.
296. Media technologist screen printing.
297. Medical assistant.
298. Multi-sector mechanic.
299. Metal and bell caster.
300. Metal worker.
301. Metal sculptor.
302. Brass instrument maker.
303. Microtechnologist.
304. Dairy technologist.
177. Combustion and chimney builder.
178. Financial Assistant.
179. Finance economist (middle service).
180. Fish farmer.
181. Flat glass technologist.
182. Wickerwork designer.
183. Butcher.
184. Tiler.
185. Florist.
186. Aircraft Electronics Technician.
187. Aircraft mechanic.
188. Forester.
189. Photographer.
190. Photo media specialist.
191. Foreign languages industrial clerk.
192. Cemetery gardener.
193. Hairdresser.
194. Gastronomy specialist.
195. Building cleaner.
196. Violin maker.
197. Geomatics.
198. Tanner.
199. Scaffolder.
200. Designer for visual marketing.
201. Designer for immersive media.
202. Foundry mechanic.
203. Glass and porcelain painter.
204. Glass apparatus builder.
205. Glass blower / glass maker.
206. Glazie.
207. Glass finisher.
208. Track builder.
209. Goldsmith.
210. Engraver.
211. Gardener.
212. Port skipper.
213. Commercial specialist.
214. Handpulled instrument maker.
215.Home and family carer .
216. Housekeeper.
217. Building construction worker.
218. Wood and building protection officer.
219. Woodworking mechanic.
220. Wood mechanic.
221. Wooden toy maker.
222. Hotel and hospitality assistant.
223. Hotel specialist.
224. Hearing care professional.
225. IT system electronics engineer.
226. Real estate clerk.
227. Industrial electrician.
228. Industrial clerk.
229. Industrial ceramist.
230. Industrial mechanic.
231. Industrial mechanic maintenance.
232. Industrial mechanic in mechanical and plant engineering.
233. Industrial mechanic in production technology.
234. Industrial technologist.
235. Information electronics technician.
236. Investment fund clerk.
237. Insulation specialist / industrial insulator.
238. Judicial clerk.
239. Sewer builder.
240. Body and vehicle construction mechanic.
241. Office management clerk.
242. Clerk for office management - financial accounting and controlling.
243. Office management clerk – foreign language correspondent.
244. Hotel management clerk
245. Marketing communication clerk.
246. Clerk for tourism and leisure.
247. Clerk for audiovisual media.
248. Clerk in health care.
249. Clerk for office management with additional qualification debt collection.
250. Clerk for dialogue marketing.
251. Clerk for digitization management.
252. Clerk for wholesale and foreign trade management.
253. IT system management clerk.
254. Clerk for courier, express and postal services.
255. Clerk for forwarding and logistics services.
256. Traffic service clerk.
257. Clerk for insurance and financial investments.
258. Clerk in e-commerce .
259. Clerk in retail.
260. Candle maker and wax maker.
261. Vehicle mechatronics technician.
262. Piano and harpsichord maker.
263. Plumber.
264. Cook.
265. Confectioner.
266. Confectionery salesperson.
267. Construction mechanic.
268. Beautician.
269. Skinner.
270. Paint laboratory assistant.
271. Agricultural and construction machinery.
272. mechatronics technician.
273. Landscape gardener.
274. Farmer.
275. Light aircraft builder.
276. Aviation clerk.
278. Painter and varnisher.
279. Management Assistant.
280. Machine and plant operator.
281. Make-up artist.
282. Mathematical-technical software developer.
283. Bricklayer.
284. Tailor.
285. Bespoke shoemaker.
286. Mechanic for tire and vulcanization technology.
287. Mechatronics technician.
289. Mechatronics technician for refrigeration technology.
290. Media designer in image and sound.
291. Media designer digital and print.
292. Media clerk.
293. Media technologist.
294. Media technologist print.
295. Media technologist print processing.
296. Media technologist screen printing.
297. Medical assistant.
298. Multi-sector mechanic.
299. Metal and bell caster.
300. Metal worker.
301. Metal sculptor.
302. Brass instrument maker.
303. Microtechnologist.
304. Dairy technologist.
305. Dairy laboratory technicia.
306. Milliner.
307. Music retailer.
308. Natural stone mechanic.
309. Nautical officer assistant.
310. Notary clerk.
311. Surface coater.
313. Furnace and air heating installer.
314. Organ builder.
315. Orthopedic shoemaker.
316. Orthopedic technology mechanic.
317. Packaging technologist.
318. Paper technologist.
319. Parquet layer.
320. Pastoral Education.
321. Patent Paralegal.
322. Paralegal.
323. Personnel services clerk.
324. Horse manager.
325. Plant Advisor.
326. Plant technologist.
327. Pharmacist.
328. Pharmaceutical commercial clerk.
329. Physics laboratory assistant .
330. Police officer (middle service).
331. Upholstery and decoration seamstress.
332. Upholsterer.
333. Chemical production specialist.
334. Production mechanic.
335. Production technologist.
336. Product Finisher – Textile.
337. Precision tool mechanic.
338. Testing technologist ceramics.
339. Interior decorator.
340. Paralegal and notary public.
341. Paralegal.
342. Pipeline fitter
343. Roller shutter and sun protection mechatronics technician.
344. Saddler.
345. Shipping clerk.
346. Ship mechanic.
347. Sign and illuminated advertising manufacturer.
348. Chimney sweep.
349. Shoemaker.
350. Pest controller.
351. Ropemaker.
352. Service specialist for dialogue marketing.
353. Service driver.
354. Service assistant in social and health care.
355. Service clerk in air traffic.
356. Service employee for protection and security.
357. Silversmith.
358. Social security clerk.
360. Savings bank business administrator.
361. Specialist foundation engineer.
362. Toy manufacturer.
363. Sports and fitness clerk.
364. Sports Assistant.
365. Sports specialist.
366. Stamping and forming mechanic.
367. Stonemason and stone sculptor.
368. Tax clerk.
369. Road builder.
370. Road attendant.
371. Plasterer.
372. Confectionery Technologist.
373. Dance teacher.
374. Technical assembler.
375. Technical model builder.
376. Technical officer assistant.
377. Technical product designer.
378. Technical system planner.
379. Technical draftsman.
380. Textile and fashion seamstress.
381. Textile and fashion tailor.
382. Textile business economist.
383. Textile designer.
384. Textile laboratory assistant.
385. Textile cleaner.
386. Thermometer maker.
387. Civil engineering skilled worker.
388. Veterinary assistant.
389. Animal keeper.
390. Veterinarian
391. Carpenter.
392. Tourism clerk.
393. Drywall fitter.
394. Watchmaker.
395. Event manager.
396. Process mechanic.
397. Process mechanic in glass technology.
398. Process mechanic in ready-mixed concrete.
399. Process mechanic for coating technology.
400. Process mechanic for eyeglass optics.
401. Process mechanic for plastics and rubber technology.
402. Process mechanic for plastics and rubber technology, compound and masterbatch production.
403. Process mechanic in the stone and earth industry ).
404. Process technologist metal.
405. Process technologist in the milling and grain industry.
406. Gilder.
407. Salesperson.
408. Salesperson in the field of postal and banking services.
409. Surveyor.
410. Investment Advisor.
411. Administrative clerk.
412. Administrator (middle service )
413. hydraulic engineer.
414. Wine technologist.
415. Plant firefighter.
416. Work assistant.
417. Stone manufacturer.
418. Materials tester.
419. Tool mechanic.
420. Winemaker.
421. Heat, cold and sound insulation insulator.
422. Dental assistant.
423. Dental technician.
424. Cutting machine operator.
425. Cutting machine operator for lathe systems.
426. Cutting machine operator in milling technology.
427. Carpenter.
🔚428.Two-wheeler mechatronics technician.
❇️আজ এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ 😊n
❌বিশেষ দ্রষ্টব্য : যারা ক্রেডিটছাড়া নিজের বলে কপি পেস্ট করেন তারা অবশ্যই ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না😁
✅পোস্টদাতা/পোস্ট ক্রেডিট: Deutsch mit Farjana & Ausbildung in Germany For BD Students
#deutschmitfarjana
#Ausbuldingingermanyforbdstudents
#ausbildung
306. Milliner.
307. Music retailer.
308. Natural stone mechanic.
309. Nautical officer assistant.
310. Notary clerk.
311. Surface coater.
313. Furnace and air heating installer.
314. Organ builder.
315. Orthopedic shoemaker.
316. Orthopedic technology mechanic.
317. Packaging technologist.
318. Paper technologist.
319. Parquet layer.
320. Pastoral Education.
321. Patent Paralegal.
322. Paralegal.
323. Personnel services clerk.
324. Horse manager.
325. Plant Advisor.
326. Plant technologist.
327. Pharmacist.
328. Pharmaceutical commercial clerk.
329. Physics laboratory assistant .
330. Police officer (middle service).
331. Upholstery and decoration seamstress.
332. Upholsterer.
333. Chemical production specialist.
334. Production mechanic.
335. Production technologist.
336. Product Finisher – Textile.
337. Precision tool mechanic.
338. Testing technologist ceramics.
339. Interior decorator.
340. Paralegal and notary public.
341. Paralegal.
342. Pipeline fitter
343. Roller shutter and sun protection mechatronics technician.
344. Saddler.
345. Shipping clerk.
346. Ship mechanic.
347. Sign and illuminated advertising manufacturer.
348. Chimney sweep.
349. Shoemaker.
350. Pest controller.
351. Ropemaker.
352. Service specialist for dialogue marketing.
353. Service driver.
354. Service assistant in social and health care.
355. Service clerk in air traffic.
356. Service employee for protection and security.
357. Silversmith.
358. Social security clerk.
360. Savings bank business administrator.
361. Specialist foundation engineer.
362. Toy manufacturer.
363. Sports and fitness clerk.
364. Sports Assistant.
365. Sports specialist.
366. Stamping and forming mechanic.
367. Stonemason and stone sculptor.
368. Tax clerk.
369. Road builder.
370. Road attendant.
371. Plasterer.
372. Confectionery Technologist.
373. Dance teacher.
374. Technical assembler.
375. Technical model builder.
376. Technical officer assistant.
377. Technical product designer.
378. Technical system planner.
379. Technical draftsman.
380. Textile and fashion seamstress.
381. Textile and fashion tailor.
382. Textile business economist.
383. Textile designer.
384. Textile laboratory assistant.
385. Textile cleaner.
386. Thermometer maker.
387. Civil engineering skilled worker.
388. Veterinary assistant.
389. Animal keeper.
390. Veterinarian
391. Carpenter.
392. Tourism clerk.
393. Drywall fitter.
394. Watchmaker.
395. Event manager.
396. Process mechanic.
397. Process mechanic in glass technology.
398. Process mechanic in ready-mixed concrete.
399. Process mechanic for coating technology.
400. Process mechanic for eyeglass optics.
401. Process mechanic for plastics and rubber technology.
402. Process mechanic for plastics and rubber technology, compound and masterbatch production.
403. Process mechanic in the stone and earth industry ).
404. Process technologist metal.
405. Process technologist in the milling and grain industry.
406. Gilder.
407. Salesperson.
408. Salesperson in the field of postal and banking services.
409. Surveyor.
410. Investment Advisor.
411. Administrative clerk.
412. Administrator (middle service )
413. hydraulic engineer.
414. Wine technologist.
415. Plant firefighter.
416. Work assistant.
417. Stone manufacturer.
418. Materials tester.
419. Tool mechanic.
420. Winemaker.
421. Heat, cold and sound insulation insulator.
422. Dental assistant.
423. Dental technician.
424. Cutting machine operator.
425. Cutting machine operator for lathe systems.
426. Cutting machine operator in milling technology.
427. Carpenter.
🔚428.Two-wheeler mechatronics technician.
❇️আজ এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন এবং পোস্টটি ভালো লাগলে আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।
ধন্যবাদ 😊n
❌বিশেষ দ্রষ্টব্য : যারা ক্রেডিটছাড়া নিজের বলে কপি পেস্ট করেন তারা অবশ্যই ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না😁
✅পোস্টদাতা/পোস্ট ক্রেডিট: Deutsch mit Farjana & Ausbildung in Germany For BD Students
#deutschmitfarjana
#Ausbuldingingermanyforbdstudents
#ausbildung
❤1
আপনি কি প্রথম দেখাতেই কোন মানুষের চরিত্র, তার স্বভাব আচার আচরণ সম্পর্কে সব কিছু জেনে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করতে চান?
এমন কয়েকটি সাইকোলজিক্যাল কৌশল রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি প্রথম দেখাতেই কাউকে বিশ্লেষণ করতে পারবেন এবং তার সম্পর্ক সকল কিছু জানতে এবং বুঝতে পারবেন।
চলুন শুরু করা যাক।
প্রথম কৌশল: The great (Body Language),
প্রথম দেখায় একজনের শরীরের ভাষা অনেক কিছুই বলে দেয়। তাই প্রথম দেখায় কাওকে বুঝতে হলে আপনাকে তার বডি লেঙ্গুয়েজ এর দিকে নজর দিতে হবে। আপনি যদি কাউকে দেখে তার হাত-পা, মুখাবয়ব বা অঙ্গভঙ্গি খেয়াল করেন, তাহলে আপনি সহজেই তার অনুভূতি বা মনোভাব ধরতে পারবেন।
যেমন, যদি কেউ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, চোখে চোখ রেখে কথা বলে, তাহলে সে আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু যদি কেউ কাঁধ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, হাত তুলে ধরে বা খুব দ্রুত কথা বলে, তখন বুঝতে পারবেন যে সে এই মুহূর্তে নার্ভাস বা অস্বস্তি বোধ করছে এবং সর্বদা সিরিয়াস মোমেন্টে সে নার্ভাস হয়ে যায়।
দ্বিতীয় কৌশল: (Eye Contact) বা চোখের দিকে তাকানো,
মানুষের চোখ অনেক কিছু বলে দেয়। আপনি যখন কাউকে প্রথম দেখবেন বা কারো সাথে প্রথম কথা হবে তখন তার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন। যদি তার চোখ সরাসরি আপনার চোখের দিকে থাকে, তাহলে সে আন্তরিক এবং সত্যবাদী একজন ব্যক্তি।। তবে, যদি সে চোখ এড়িয়ে চলে বা খুব দ্রুত চোখ নামিয়ে নেয়, তাহলে সে হয়তো কিছু গোপন রাখতে চায় বা এই মুহূর্তে প্রবল অস্বস্তি বোধ করছে।
তৃতীয় কৌশল: (Hand Gestures) বা হাতের নাড়াচার।
Hand gestures একটি খুবই শক্তিশালী কৌশল।
হাতের নড়াচড়া একজন ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। যখন কেউ কথা বলার সময় খুব বেশি হাত নাড়ে, তা বোঝায় যে সে কথা বলতে খুবই উৎসাহী এবং সে তার নিজের কথা বিশ্বাস করে।
কিন্তু যদি কেউ হাত নিচে রাখে কিংবা চেপে ধরে বা হাত পকেটে রাখে, তাহলে সেটা হতে পারে যে সে কিছু লুকাতে চাচ্ছে বা ব্যক্তিটি খোলামেলা স্বভাবের নয়।
চতুর্থ কৌশল: (Facial Expressions)
হাসি এবং মুখাবয়ব
মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বা মুখের এক্সপ্রেশন থেকে তার আসল অনুভূতি সহজেই পড়া যায়।
ধরুন আপনার সামনে কেউ হাসছে তবে তা আসল হাসি নাও হতে পারে,
কারণ মানুষ কখনও কখনও মেকি বা দেখানো হাসি দেয়।
হাসির এক্সপ্রেশন থেকেই অনেক কিছু জানা এবং বুঝা যায়,
তবে, একটি প্রকৃত হাসিতে চোখের কোণে হাসির রেখা দেখা যায়, এটি আপনার কাছে প্রকাশ করে যে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটি সৎ মনোভাবের!
পঞ্চম কৌশল
প্রথম দেখায় কারো ব্যক্তিত্ব বোঝার একটি কার্যকর সাইকোলজিক্যাল কৌশল হলো — "Observation of Microexpressions", অর্থাৎ মাইক্রো এক্সপ্রেশনের পর্যবেক্ষণ।
মাইক্রো এক্সপ্রেশন হলো খুব ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ মিত্র ০.৫ সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য মুখে ফুটে ওঠা এক্সপ্রেশন বা আবেগের প্রকাশ। কেউ মিথ্যা বললে বা কিছু লুকানোর চেষ্টা করলেও এই এক্সপ্রেশনগুলোতে নিজের অজান্তেই সত্যটা প্রকাশ পায়।
তো আপনাকে খুবই বিচক্ষণতার সাথে ০.৫ সেকেন্ডের কম সময়ের এই এক্সপ্রেশন গুলো ধরতে হবে তাহলেই আপনি মানুষের মনের ভেতর কি চলতে তা ধরতে পারবেন।
তো আমরা বুঝতে পারলাম যে প্রথম দেখায় একজন মানুষের চরিত্র বা মনোভাব বুঝতে হলে আপনার উচিত তার শরীরের ভাষা, চোখের যোগাযোগ, হাতের নড়াচড়া এবং মুখাবয়ব খুব ভালোভাবে খেয়াল করা।
আপনি যদি এই কৌশলগুলো নিয়মিত প্রাকটিস করেন, তাহলে একসময় আপনি শার্লক হোমসের মতো প্রথম দেখাতেই কোন ব্যক্তি সম্পর্কে সব কিছু জেনে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন এবং মানুষদেরকে আপনার এই ক্ষমতা দেখিয়ে অবাক করতে পারবেন।
পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই একটি লাইক দিবেন।
আপনার কোনো মতামত থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন!
এবং এরকম পোস্ট গুলো মিস না করতে পেজটি ফলো করে রাখতে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।
- রেদুয়ান আহমেদ।
#Pshycology
#Lifehack
#Tipsandtricks
এমন কয়েকটি সাইকোলজিক্যাল কৌশল রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি প্রথম দেখাতেই কাউকে বিশ্লেষণ করতে পারবেন এবং তার সম্পর্ক সকল কিছু জানতে এবং বুঝতে পারবেন।
চলুন শুরু করা যাক।
প্রথম কৌশল: The great (Body Language),
প্রথম দেখায় একজনের শরীরের ভাষা অনেক কিছুই বলে দেয়। তাই প্রথম দেখায় কাওকে বুঝতে হলে আপনাকে তার বডি লেঙ্গুয়েজ এর দিকে নজর দিতে হবে। আপনি যদি কাউকে দেখে তার হাত-পা, মুখাবয়ব বা অঙ্গভঙ্গি খেয়াল করেন, তাহলে আপনি সহজেই তার অনুভূতি বা মনোভাব ধরতে পারবেন।
যেমন, যদি কেউ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, চোখে চোখ রেখে কথা বলে, তাহলে সে আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু যদি কেউ কাঁধ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, হাত তুলে ধরে বা খুব দ্রুত কথা বলে, তখন বুঝতে পারবেন যে সে এই মুহূর্তে নার্ভাস বা অস্বস্তি বোধ করছে এবং সর্বদা সিরিয়াস মোমেন্টে সে নার্ভাস হয়ে যায়।
দ্বিতীয় কৌশল: (Eye Contact) বা চোখের দিকে তাকানো,
মানুষের চোখ অনেক কিছু বলে দেয়। আপনি যখন কাউকে প্রথম দেখবেন বা কারো সাথে প্রথম কথা হবে তখন তার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন। যদি তার চোখ সরাসরি আপনার চোখের দিকে থাকে, তাহলে সে আন্তরিক এবং সত্যবাদী একজন ব্যক্তি।। তবে, যদি সে চোখ এড়িয়ে চলে বা খুব দ্রুত চোখ নামিয়ে নেয়, তাহলে সে হয়তো কিছু গোপন রাখতে চায় বা এই মুহূর্তে প্রবল অস্বস্তি বোধ করছে।
তৃতীয় কৌশল: (Hand Gestures) বা হাতের নাড়াচার।
Hand gestures একটি খুবই শক্তিশালী কৌশল।
হাতের নড়াচড়া একজন ব্যক্তি সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। যখন কেউ কথা বলার সময় খুব বেশি হাত নাড়ে, তা বোঝায় যে সে কথা বলতে খুবই উৎসাহী এবং সে তার নিজের কথা বিশ্বাস করে।
কিন্তু যদি কেউ হাত নিচে রাখে কিংবা চেপে ধরে বা হাত পকেটে রাখে, তাহলে সেটা হতে পারে যে সে কিছু লুকাতে চাচ্ছে বা ব্যক্তিটি খোলামেলা স্বভাবের নয়।
চতুর্থ কৌশল: (Facial Expressions)
হাসি এবং মুখাবয়ব
মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বা মুখের এক্সপ্রেশন থেকে তার আসল অনুভূতি সহজেই পড়া যায়।
ধরুন আপনার সামনে কেউ হাসছে তবে তা আসল হাসি নাও হতে পারে,
কারণ মানুষ কখনও কখনও মেকি বা দেখানো হাসি দেয়।
হাসির এক্সপ্রেশন থেকেই অনেক কিছু জানা এবং বুঝা যায়,
তবে, একটি প্রকৃত হাসিতে চোখের কোণে হাসির রেখা দেখা যায়, এটি আপনার কাছে প্রকাশ করে যে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটি সৎ মনোভাবের!
পঞ্চম কৌশল
প্রথম দেখায় কারো ব্যক্তিত্ব বোঝার একটি কার্যকর সাইকোলজিক্যাল কৌশল হলো — "Observation of Microexpressions", অর্থাৎ মাইক্রো এক্সপ্রেশনের পর্যবেক্ষণ।
মাইক্রো এক্সপ্রেশন হলো খুব ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ মিত্র ০.৫ সেকেন্ডেরও কম সময়ের জন্য মুখে ফুটে ওঠা এক্সপ্রেশন বা আবেগের প্রকাশ। কেউ মিথ্যা বললে বা কিছু লুকানোর চেষ্টা করলেও এই এক্সপ্রেশনগুলোতে নিজের অজান্তেই সত্যটা প্রকাশ পায়।
তো আপনাকে খুবই বিচক্ষণতার সাথে ০.৫ সেকেন্ডের কম সময়ের এই এক্সপ্রেশন গুলো ধরতে হবে তাহলেই আপনি মানুষের মনের ভেতর কি চলতে তা ধরতে পারবেন।
তো আমরা বুঝতে পারলাম যে প্রথম দেখায় একজন মানুষের চরিত্র বা মনোভাব বুঝতে হলে আপনার উচিত তার শরীরের ভাষা, চোখের যোগাযোগ, হাতের নড়াচড়া এবং মুখাবয়ব খুব ভালোভাবে খেয়াল করা।
আপনি যদি এই কৌশলগুলো নিয়মিত প্রাকটিস করেন, তাহলে একসময় আপনি শার্লক হোমসের মতো প্রথম দেখাতেই কোন ব্যক্তি সম্পর্কে সব কিছু জেনে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন এবং মানুষদেরকে আপনার এই ক্ষমতা দেখিয়ে অবাক করতে পারবেন।
পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই একটি লাইক দিবেন।
আপনার কোনো মতামত থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন!
এবং এরকম পোস্ট গুলো মিস না করতে পেজটি ফলো করে রাখতে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।
- রেদুয়ান আহমেদ।
#Pshycology
#Lifehack
#Tipsandtricks
❤4
#এস্তোনিয়া টোটাল খরচ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
(প্রসেসিং টাইম ২/৩ মাস।
👉ভিসা-টিকিট-এম্বাসী ফেইস -ফিংগার, ম্যানপাওয়ার সব হবে তার পর ১০০% যাচাই-বাছাই করে টাকা দিবেন। নো এডভান্স।।
👉কাজের ধরন :-বেকারি ফেক্টুরী।
👉 বেতন বেসিক ৮ ঘন্টায় ১২০০ ইউরো + ওভার টাইম।
👉 থাকা কোম্পানির খাওয়া নিজ। সপ্তাহে একদিন ছুটি।
👉 আপনি চাইলে এস্তোনিয়া এসে কাজে জয়েন দিয়ে টাকা দিবেন কোন প্রব্লেম নেই।।
👉 আগে কোন প্রকার টাকা নিচ্ছি না। কোথাও না, নো এডভান্স //
👉 সরাসরি এস্তোনিয়া থেকে প্রসেসিং + কোন মিডিয়া নেই।।।।
📕 আবেদনের প্রয়োজনীয় ডুকুমেন্টস :-
👉১/ পাসপোর্টের স্কেন কপি।
👉২/ ইউরোপ সাইজের ছবি।
👉৩/ ইউরোপীয় স্টাইলের সিভি কভার লেটার।
👉৪/ অভিজ্ঞতা সনদ (যদি থাকে)
👉৫/ মেডিক্যাল রিপোর্ট (অথোরাইজ)
👉৬/ ইন্সুইরেন্স।
👉 একটা ই-মেইল + ফোন নাম্বার।
গন্তব্য হতে পারে এস্তোনিয়া।
🌍 আমাদের অফিস ঠিকানা:
Narva mnt 1, 10111, Tallinn, Estonia
(প্রসেসিং টাইম ২/৩ মাস।
👉ভিসা-টিকিট-এম্বাসী ফেইস -ফিংগার, ম্যানপাওয়ার সব হবে তার পর ১০০% যাচাই-বাছাই করে টাকা দিবেন। নো এডভান্স।।
👉কাজের ধরন :-বেকারি ফেক্টুরী।
👉 বেতন বেসিক ৮ ঘন্টায় ১২০০ ইউরো + ওভার টাইম।
👉 থাকা কোম্পানির খাওয়া নিজ। সপ্তাহে একদিন ছুটি।
👉 আপনি চাইলে এস্তোনিয়া এসে কাজে জয়েন দিয়ে টাকা দিবেন কোন প্রব্লেম নেই।।
👉 আগে কোন প্রকার টাকা নিচ্ছি না। কোথাও না, নো এডভান্স //
👉 সরাসরি এস্তোনিয়া থেকে প্রসেসিং + কোন মিডিয়া নেই।।।।
📕 আবেদনের প্রয়োজনীয় ডুকুমেন্টস :-
👉১/ পাসপোর্টের স্কেন কপি।
👉২/ ইউরোপ সাইজের ছবি।
👉৩/ ইউরোপীয় স্টাইলের সিভি কভার লেটার।
👉৪/ অভিজ্ঞতা সনদ (যদি থাকে)
👉৫/ মেডিক্যাল রিপোর্ট (অথোরাইজ)
👉৬/ ইন্সুইরেন্স।
👉 একটা ই-মেইল + ফোন নাম্বার।
গন্তব্য হতে পারে এস্তোনিয়া।
🌍 আমাদের অফিস ঠিকানা:
Narva mnt 1, 10111, Tallinn, Estonia
❤3
আপনার সন্তানের কোমরের ছোট্ট চুলের গোছা হতে পারে আজীবনের শিকল!
৭ বছরের এক শিশু হঠাৎ হাঁটতে কষ্ট করছে, পা টানছে, প্রস্রাব ধরে রাখতে পারছে না…
মা-বাবা ভেবেছিলেন হয়তো সাময়িক সমস্যা, কিন্তু এমআরআই রিপোর্টে ধরা পড়লো ভয়ংকর সত্য Tethered Cord Syndrome (মেরুদণ্ডের টান ধরা)।
জন্মের সময় থেকেই শিশুর কোমরে একটা ছোট্ট চুলের গোছা আর দাগ ছিলো।
মা-বাবা অবহেলা করেছিলেন “এতে আবার কী হয়?”
কিন্তু সেই সামান্য দাগই ছিলো লুকানো মেরুদণ্ডের বিকৃতি (Spina Bifida Occulta) এর অ্যালার্ম ।
কেন হয় এই রোগ?
শিশুর মেরুদণ্ড গঠনের সময় সঠিকভাবে বন্ধ না হলে এ সমস্যা হয়।
প্রথমে শুধু চামড়ার উপরে চিহ্ন দেখা যায়
কোমরে চুলের গোছা
ছোট্ট ডিম্পল/গর্ত
ত্বকের দাগ বা গুটি
সময় যেতে যেতে মেরুদণ্ড টেনে ধরে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন দেখা দেয়:
হাঁটার সমস্যা
পায়ে শক্ত হয়ে যাওয়া বা দুর্বলতা
প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ হারানো
চিকিৎসা কী?
একমাত্র সমাধান হলো অপারেশন (Untethering Surgery)
অপারেশনে মেরুদণ্ডকে টান থেকে মুক্ত করা হয়।
এতে রোগের অগ্রগতি থেমে যায়, অনেক ক্ষেত্রে শিশুর হাঁটা-চলা ও প্রস্রাবের সমস্যা উন্নত হয়।
তবে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে সবকিছু আগের মতো হয় না।
গর্ভধারণের আগে থেকেই প্রতিদিন Folic Acid খেলে অনেকাংশে এ ধরনের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করা যায়।
তাই ডাক্তাররা সবসময় বলেন “মা হওয়ার আগে থেকেই ফোলিক এসিড”।
আপনার সন্তানের কোমরে যদি অস্বাভাবিক দাগ, চুল, গুটি বা গর্ত থাকে, আজই একজন Specialist Doctor দেখান।
একটু সচেতনতা হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে আপনার সন্তানের হাঁটা, হাসি আর পুরো জীবন।
এই পোস্টটা শেয়ার করুন, হয়তো কারো চোখে পড়বে, আর একটি শিশু আজীবন পঙ্গুত্ব থেকে বেঁচে যাবে।
Dr-Abdur Rahman
৭ বছরের এক শিশু হঠাৎ হাঁটতে কষ্ট করছে, পা টানছে, প্রস্রাব ধরে রাখতে পারছে না…
মা-বাবা ভেবেছিলেন হয়তো সাময়িক সমস্যা, কিন্তু এমআরআই রিপোর্টে ধরা পড়লো ভয়ংকর সত্য Tethered Cord Syndrome (মেরুদণ্ডের টান ধরা)।
জন্মের সময় থেকেই শিশুর কোমরে একটা ছোট্ট চুলের গোছা আর দাগ ছিলো।
মা-বাবা অবহেলা করেছিলেন “এতে আবার কী হয়?”
কিন্তু সেই সামান্য দাগই ছিলো লুকানো মেরুদণ্ডের বিকৃতি (Spina Bifida Occulta) এর অ্যালার্ম ।
কেন হয় এই রোগ?
শিশুর মেরুদণ্ড গঠনের সময় সঠিকভাবে বন্ধ না হলে এ সমস্যা হয়।
প্রথমে শুধু চামড়ার উপরে চিহ্ন দেখা যায়
কোমরে চুলের গোছা
ছোট্ট ডিম্পল/গর্ত
ত্বকের দাগ বা গুটি
সময় যেতে যেতে মেরুদণ্ড টেনে ধরে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন দেখা দেয়:
হাঁটার সমস্যা
পায়ে শক্ত হয়ে যাওয়া বা দুর্বলতা
প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ হারানো
চিকিৎসা কী?
একমাত্র সমাধান হলো অপারেশন (Untethering Surgery)
অপারেশনে মেরুদণ্ডকে টান থেকে মুক্ত করা হয়।
এতে রোগের অগ্রগতি থেমে যায়, অনেক ক্ষেত্রে শিশুর হাঁটা-চলা ও প্রস্রাবের সমস্যা উন্নত হয়।
তবে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে সবকিছু আগের মতো হয় না।
গর্ভধারণের আগে থেকেই প্রতিদিন Folic Acid খেলে অনেকাংশে এ ধরনের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করা যায়।
তাই ডাক্তাররা সবসময় বলেন “মা হওয়ার আগে থেকেই ফোলিক এসিড”।
আপনার সন্তানের কোমরে যদি অস্বাভাবিক দাগ, চুল, গুটি বা গর্ত থাকে, আজই একজন Specialist Doctor দেখান।
একটু সচেতনতা হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে আপনার সন্তানের হাঁটা, হাসি আর পুরো জীবন।
এই পোস্টটা শেয়ার করুন, হয়তো কারো চোখে পড়বে, আর একটি শিশু আজীবন পঙ্গুত্ব থেকে বেঁচে যাবে।
Dr-Abdur Rahman
অফিসের কাজ, নিজের কাজ, বাসার বাজার, বন্ধুর বা পরিবারের কারো সাথে ঝগড়া, ভবিষ্যতের চিন্তা... সব মিলিয়ে ব্রেইনটা হ্যাং হয়ে থাকে আমাদের, অল দ্য টাইম।
মনে হয়, মাথাটা খুলে একবার Format মেরে দিলে বেশ হতো!
ব্যাপারটা হলো, আমাদের ফিজিক্যাল স্পেসের মতো মেন্টাল স্পেসেরও যত্ন দরকার। আবর্জনা জমলে দুটোই অচল হয়ে পড়ে।
চলুন শুরু করা যাক...
১. ব্রেইন ডাম্প (Brain Dump)
সকালে উঠেই ১০টা মিনিট সময় নিন। ডায়েরি বা মোবাইলের নোটে আপনার মাথায় যা যা ঘুরছে—ভালো, খারাপ, জরুরি, ফালতু—সব লিখে ফেলুন।
কোনো Structure লাগবে না, কোনো Order লাগবে না। Just let it flow. মাথার ভেতরের সব আবর্জনা কাগজে ফেলে দিলে দেখবেন মাথাটা কী পরিমাণ হালকা লাগে!
২. প্রায়োরিটাইজ করুন 3D Rule দিয়ে ।
এখন আপনার সামনে কাজের একটা লিস্ট আছে। এবার ব্যবহার করুন 3D Rule:
- Do it: যে কাজ করতে ২ মিনিটের কম লাগবে, ওটা নিয়ে ভাবাভাবির কিছু নেই। এখনই করে ফেলুন।
- Delegate it: যে কাজটা আপনারই করতে হবে এমন কোনো কথা নেই, অন্য কাউকে দিয়ে দিন।
- Drop it: যে কাজটা আসলে অতটা জরুরি না, বা না করলেও চলে... সিমপ্লি ওটা লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন! সব কাজ আমাদের করতে হয় না।
৩. প্রতিদিনের সিদ্ধান্ত সহজ করুন
আজ কী পরবো? সকালে কী খাবো? এই ছোট ছোট decision নিতে গিয়ে আমাদের ব্রেইনের অনেকখানি শক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
খেয়াল করে দেখবেন, বড় বড় CEO-রা প্রায়ই একই রকম পোশাক পরেন। কারণ তারা তাদের mental energy জরুরি সিদ্ধান্তের জন্য বাঁচিয়ে রাখেন।
আপনিও কিছু "go-to" অপশন ঠিক করে রাখতে পারেন। যেমন—সারা সপ্তাহের খাবারের মেন্যু বা অফিসের জন্য কয়েক সেট পোশাক।
৪. মন দিয়ে শ্বাস নিন (Mindful Breathing)
খুবই সিম্পল কিন্তু অবিশ্বাস্য রকমের পাওয়ারফুল একটা টেকনিক। যখনই দেখবেন মাথায় চাপ বাড়ছে, মাত্র ৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে নিজের শ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।
৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, আর ৪ সেকেন্ড ধরে ছাড়ুন।
এই সহজ ব্যায়ামটা আপনার নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে আর ফোকাস ফিরিয়ে আনে।
৫. ক্রিয়েটিভ কিছু করুন
মাথার জট ছাড়ানোর জন্য ছবি আঁকা, গান শোনা, লেখালেখি বা যেকোনো সৃজনশীল কাজের চেয়ে ভালো কিছু নেই।
যখন আপনি ক্রিয়েটিভ কোনো কাজে ডুবে যান, আপনার ব্রেইন স্বাভাবিক চিন্তার প্যাটার্ন থেকে বেরিয়ে আসে।
এটা আপনার ভেতরের জমে থাকা অনুভূতিগুলোকে বের করে দেয় আর মনকে রিফ্রেশ করে।
৬. ডিজিটাল ডিক্লাটার (Digital Declutter)
আপনার ফোনটাও কিন্তু আপনার মনের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলে।
- অপ্রয়োজনীয় ইমেইল লিস্ট থেকে আনসাবস্ক্রাইব করুন।
- যে অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন না, ডিলিট করে দিন।
- ফোনের নোটিফিকেশনগুলো অফ করে দেখুন...!
আপনার ডিজিটাল জগৎ যত গোছানো, আপনার মনও ততটাই পরিষ্কার থাকবে।
এই ৬টা পদ্ধতি প্রয়োগ করতে খুব বেশি সময় লাগবে না, কিন্তু এর ইমপ্যাক্ট আপনার জীবনে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে।
শেয়ার :)
#MentalWellness #DeclutterYourMind #StressManagement #ProductivityTips #SelfCare #মানসিকস্বাস্থ্য #স্ট্রেসম্যানেজমেন্ট #জীবনযাপন #Keys4Success
মনে হয়, মাথাটা খুলে একবার Format মেরে দিলে বেশ হতো!
ব্যাপারটা হলো, আমাদের ফিজিক্যাল স্পেসের মতো মেন্টাল স্পেসেরও যত্ন দরকার। আবর্জনা জমলে দুটোই অচল হয়ে পড়ে।
চলুন শুরু করা যাক...
১. ব্রেইন ডাম্প (Brain Dump)
সকালে উঠেই ১০টা মিনিট সময় নিন। ডায়েরি বা মোবাইলের নোটে আপনার মাথায় যা যা ঘুরছে—ভালো, খারাপ, জরুরি, ফালতু—সব লিখে ফেলুন।
কোনো Structure লাগবে না, কোনো Order লাগবে না। Just let it flow. মাথার ভেতরের সব আবর্জনা কাগজে ফেলে দিলে দেখবেন মাথাটা কী পরিমাণ হালকা লাগে!
২. প্রায়োরিটাইজ করুন 3D Rule দিয়ে ।
এখন আপনার সামনে কাজের একটা লিস্ট আছে। এবার ব্যবহার করুন 3D Rule:
- Do it: যে কাজ করতে ২ মিনিটের কম লাগবে, ওটা নিয়ে ভাবাভাবির কিছু নেই। এখনই করে ফেলুন।
- Delegate it: যে কাজটা আপনারই করতে হবে এমন কোনো কথা নেই, অন্য কাউকে দিয়ে দিন।
- Drop it: যে কাজটা আসলে অতটা জরুরি না, বা না করলেও চলে... সিমপ্লি ওটা লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন! সব কাজ আমাদের করতে হয় না।
৩. প্রতিদিনের সিদ্ধান্ত সহজ করুন
আজ কী পরবো? সকালে কী খাবো? এই ছোট ছোট decision নিতে গিয়ে আমাদের ব্রেইনের অনেকখানি শক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
খেয়াল করে দেখবেন, বড় বড় CEO-রা প্রায়ই একই রকম পোশাক পরেন। কারণ তারা তাদের mental energy জরুরি সিদ্ধান্তের জন্য বাঁচিয়ে রাখেন।
আপনিও কিছু "go-to" অপশন ঠিক করে রাখতে পারেন। যেমন—সারা সপ্তাহের খাবারের মেন্যু বা অফিসের জন্য কয়েক সেট পোশাক।
৪. মন দিয়ে শ্বাস নিন (Mindful Breathing)
খুবই সিম্পল কিন্তু অবিশ্বাস্য রকমের পাওয়ারফুল একটা টেকনিক। যখনই দেখবেন মাথায় চাপ বাড়ছে, মাত্র ৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে নিজের শ্বাসের দিকে মনোযোগ দিন।
৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, আর ৪ সেকেন্ড ধরে ছাড়ুন।
এই সহজ ব্যায়ামটা আপনার নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে আর ফোকাস ফিরিয়ে আনে।
৫. ক্রিয়েটিভ কিছু করুন
মাথার জট ছাড়ানোর জন্য ছবি আঁকা, গান শোনা, লেখালেখি বা যেকোনো সৃজনশীল কাজের চেয়ে ভালো কিছু নেই।
যখন আপনি ক্রিয়েটিভ কোনো কাজে ডুবে যান, আপনার ব্রেইন স্বাভাবিক চিন্তার প্যাটার্ন থেকে বেরিয়ে আসে।
এটা আপনার ভেতরের জমে থাকা অনুভূতিগুলোকে বের করে দেয় আর মনকে রিফ্রেশ করে।
৬. ডিজিটাল ডিক্লাটার (Digital Declutter)
আপনার ফোনটাও কিন্তু আপনার মনের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলে।
- অপ্রয়োজনীয় ইমেইল লিস্ট থেকে আনসাবস্ক্রাইব করুন।
- যে অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন না, ডিলিট করে দিন।
- ফোনের নোটিফিকেশনগুলো অফ করে দেখুন...!
আপনার ডিজিটাল জগৎ যত গোছানো, আপনার মনও ততটাই পরিষ্কার থাকবে।
এই ৬টা পদ্ধতি প্রয়োগ করতে খুব বেশি সময় লাগবে না, কিন্তু এর ইমপ্যাক্ট আপনার জীবনে বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে।
শেয়ার :)
#MentalWellness #DeclutterYourMind #StressManagement #ProductivityTips #SelfCare #মানসিকস্বাস্থ্য #স্ট্রেসম্যানেজমেন্ট #জীবনযাপন #Keys4Success
❤3
আপনার সন্তানের বয়স কি ১৮+?
বাদল সৈয়দ।
আপনার বাচ্চা আঠারো পার করেছে? অভিনন্দন। নিচের লেখাটি আপনার জন্য লিখলাম।
সে একটি নতুন জগতে পা দিচ্ছে। যে জগত আরেকটু বড়দের জগত। ও আরেকটু বড় হয়ে যাচ্ছে। স্পুন ফিডিংয়ের সময় শেষ। ওকে এখন বাইরের দুনিয়ার জন্য তৈরি করতে হবে।
১। দায়িত্ব দিন।
কিছু দায়িত্ব ওকে দিন। যেমন ছোটো ভাইবোনদের দেখাশুনা, পড়ানো, বাসার টুকটাক সমস্যা সমাধান করা। এতে যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে, তা সারাজীবনের অমূল্য শিক্ষা হয়ে ওকে আলো দেখাবে।
২। বাজারে পাঠান।
সপ্তাহে একদিন অন্তত বাজারে পাঠান। আমাদের পুরো জীবন নানারকম বোঝাপড়ার মধ্যে যেতে হয়।নেগোসিয়েশন করতে হয়।বাজারে দরদাম করা হচ্ছে, সেই নেগোসিয়েশন শেখার প্রাইমারি স্কুল।
৩। অল্প রোজগার করুক।
সম্ভব হলে কিছু রোজগার করার দায়িত্ব দিন। যেমন টিউশনি।
টিউশনি না হলে অন্য কাজও করতে পারে। যেমন প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি। সংসারে হয়ত তার রোজগারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু এটা তাকে স্বনির্ভরশীলতা শেখাবে।সবচে বড় কথা, নিজে আয় করলে টাকার মূল্য বুঝবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক শিক্ষা।
৪। ওর উড়ু উড়ু মনকে বোঝান।
শুনতে ভালো না লাগলেও এটা সত্য যে, এসময় ওর মন উড়ু উড়ু হবে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি রোমান্টিকতা তৈরি হবে। এটা এ বয়সের ধর্ম। তাই ওকে খোলাখুলি বুঝিয়ে বলুন, এর কারণে ওর কী কী সমস্যা হতে পারে। লজ্জা পাওয়ার কারণ নেই। পরে হাতির সমান সমস্যা মোকাবেলার চাইতে লজ্জা বাদ দিয়ে ওকে বোঝানো অনেক ভালো।
৫। মতামত দিন।
বিভিন্ন ব্যাপারে ওর মতামত নিন। বিশেষ করে পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। এতে ও সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। যা ওর জীবনে অনেক কাজে লাগবে।
৬। মহৎ মানুষের সান্নিধ্যে নিন।
প্রকৃত বড় মানুষের সান্নিধ্যে নিয়ে যান। মহৎ সান্নিধ্য খুব ভালো টনিক। সাধারণ একজন মানুষ, কিন্তু আপনি মনে করেন তিনি অসাধারণ। তাঁর কাছে নিয়ে যান। দেখবেন এটি বাচ্চার মধ্যে খুব ভালো প্রভাব ফেলবে। মনে রাখবেন, বিখ্যাত মানুষ মানেই বড় মানুষ নন। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর বেশির ভাগ বিখ্যাত ছিলেন না। সাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। এদের কাছেই আপনার বাচ্চা আলোকিত হোক।
৬। সেরা গল্পগুলো বলুন।
আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনাগুলো ওকে বলুন। সেরা মুহূর্তগুলোর গল্প শোনান। রিয়েল লাইফ স্টোরির মতো মোটিভেশান আর কিছু নেই।
৭। বন্ধু/আত্মীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ করুন।
আপনার সবচে বিশ্বস্ত বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে ওকে সাহায্য করুন। কঠিন পৃথিবীতে এধরনের সম্পর্ক খুব দরকার। আপনার অকৃত্রিম বন্ধু/ আত্মীয়দের সাথে পরিচয় থাকলে সে দরকারে তাদের কাছে যেতে পারবে। আমার- আপনার অবর্তমানে সে গার্ডিয়ান ফিগার খুঁজে পাবে।
৮। সমস্যা শেয়ার করুন।
এখন ওর সাথে সমস্যা শেয়ার করার সময়। আমরা সন্তানদের কাছ থেকে সমস্যা গোপন রাখি। আমার মতে, এটা ঠিক নয়। ওদের আমাদের সমস্যার কথাও বলা উচিত। যাতে তারা সেটা অনুধাবণ করে। এটা হলে তারা সহজে পথভ্রষ্ট হবে না। মা-বাবার দুঃখ যারা বোঝে তারা খারাপ হয় না। ( তবে বলার মাত্রায় সীমা বজায় রাখতে হবে। সবকিছু বলবেন না, কিছু কিছু বলবেন।যাতে ও হতাশ না হয়ে পড়ে)
আপনার বাচ্চার চাইতে পাঁচ বছর কম বয়সে বাদশা আকবর মুঘল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ওকে মুঘল সাম্রাজ্যের দায় নিতে হবে না। কিন্তু নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়া শুরু করতে হবে। সেটা শুরু করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
(লেখাটি শেয়ার করা যাবে )
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
বাদল সৈয়দ।
আপনার বাচ্চা আঠারো পার করেছে? অভিনন্দন। নিচের লেখাটি আপনার জন্য লিখলাম।
সে একটি নতুন জগতে পা দিচ্ছে। যে জগত আরেকটু বড়দের জগত। ও আরেকটু বড় হয়ে যাচ্ছে। স্পুন ফিডিংয়ের সময় শেষ। ওকে এখন বাইরের দুনিয়ার জন্য তৈরি করতে হবে।
১। দায়িত্ব দিন।
কিছু দায়িত্ব ওকে দিন। যেমন ছোটো ভাইবোনদের দেখাশুনা, পড়ানো, বাসার টুকটাক সমস্যা সমাধান করা। এতে যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে, তা সারাজীবনের অমূল্য শিক্ষা হয়ে ওকে আলো দেখাবে।
২। বাজারে পাঠান।
সপ্তাহে একদিন অন্তত বাজারে পাঠান। আমাদের পুরো জীবন নানারকম বোঝাপড়ার মধ্যে যেতে হয়।নেগোসিয়েশন করতে হয়।বাজারে দরদাম করা হচ্ছে, সেই নেগোসিয়েশন শেখার প্রাইমারি স্কুল।
৩। অল্প রোজগার করুক।
সম্ভব হলে কিছু রোজগার করার দায়িত্ব দিন। যেমন টিউশনি।
টিউশনি না হলে অন্য কাজও করতে পারে। যেমন প্রোগ্রামিং, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি। সংসারে হয়ত তার রোজগারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু এটা তাকে স্বনির্ভরশীলতা শেখাবে।সবচে বড় কথা, নিজে আয় করলে টাকার মূল্য বুঝবে। এটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক শিক্ষা।
৪। ওর উড়ু উড়ু মনকে বোঝান।
শুনতে ভালো না লাগলেও এটা সত্য যে, এসময় ওর মন উড়ু উড়ু হবে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি রোমান্টিকতা তৈরি হবে। এটা এ বয়সের ধর্ম। তাই ওকে খোলাখুলি বুঝিয়ে বলুন, এর কারণে ওর কী কী সমস্যা হতে পারে। লজ্জা পাওয়ার কারণ নেই। পরে হাতির সমান সমস্যা মোকাবেলার চাইতে লজ্জা বাদ দিয়ে ওকে বোঝানো অনেক ভালো।
৫। মতামত দিন।
বিভিন্ন ব্যাপারে ওর মতামত নিন। বিশেষ করে পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। এতে ও সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। যা ওর জীবনে অনেক কাজে লাগবে।
৬। মহৎ মানুষের সান্নিধ্যে নিন।
প্রকৃত বড় মানুষের সান্নিধ্যে নিয়ে যান। মহৎ সান্নিধ্য খুব ভালো টনিক। সাধারণ একজন মানুষ, কিন্তু আপনি মনে করেন তিনি অসাধারণ। তাঁর কাছে নিয়ে যান। দেখবেন এটি বাচ্চার মধ্যে খুব ভালো প্রভাব ফেলবে। মনে রাখবেন, বিখ্যাত মানুষ মানেই বড় মানুষ নন। আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ মানুষগুলোর বেশির ভাগ বিখ্যাত ছিলেন না। সাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। এদের কাছেই আপনার বাচ্চা আলোকিত হোক।
৬। সেরা গল্পগুলো বলুন।
আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনাগুলো ওকে বলুন। সেরা মুহূর্তগুলোর গল্প শোনান। রিয়েল লাইফ স্টোরির মতো মোটিভেশান আর কিছু নেই।
৭। বন্ধু/আত্মীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ করুন।
আপনার সবচে বিশ্বস্ত বন্ধু বা আত্মীয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে ওকে সাহায্য করুন। কঠিন পৃথিবীতে এধরনের সম্পর্ক খুব দরকার। আপনার অকৃত্রিম বন্ধু/ আত্মীয়দের সাথে পরিচয় থাকলে সে দরকারে তাদের কাছে যেতে পারবে। আমার- আপনার অবর্তমানে সে গার্ডিয়ান ফিগার খুঁজে পাবে।
৮। সমস্যা শেয়ার করুন।
এখন ওর সাথে সমস্যা শেয়ার করার সময়। আমরা সন্তানদের কাছ থেকে সমস্যা গোপন রাখি। আমার মতে, এটা ঠিক নয়। ওদের আমাদের সমস্যার কথাও বলা উচিত। যাতে তারা সেটা অনুধাবণ করে। এটা হলে তারা সহজে পথভ্রষ্ট হবে না। মা-বাবার দুঃখ যারা বোঝে তারা খারাপ হয় না। ( তবে বলার মাত্রায় সীমা বজায় রাখতে হবে। সবকিছু বলবেন না, কিছু কিছু বলবেন।যাতে ও হতাশ না হয়ে পড়ে)
আপনার বাচ্চার চাইতে পাঁচ বছর কম বয়সে বাদশা আকবর মুঘল সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ওকে মুঘল সাম্রাজ্যের দায় নিতে হবে না। কিন্তু নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়া শুরু করতে হবে। সেটা শুরু করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
(লেখাটি শেয়ার করা যাবে )
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
❤3
"ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটারী মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার " ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত সম্পূর্ণ সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় সকল প্রকার পরীক্ষাই করা হয় সরকারি মূল্যে জনসাধারণের সাধ্যের ভিতর।
আমি যেহেতু লিভারের অসুখ নিয়ে কাজ করি এজন্য লিভারের বিভিন্ন অসুখে সচারাচর যে সকল পরীক্ষা করা হয় তার একটি মূল্য তালিকা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম।
হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও থায়রয়েড এর পরীক্ষা সমুহ উল্লেখ করলাম, পূর্নাঙ্গ তালিকা পরবর্তীতে পাবেন।
এখানে পরীক্ষার রিপোর্টের মান খুবই ভালো।
অনেকেই প্রশ্ন করেন পিজি হাসপাতালের মত হবে কিনা? হ্যা, পরীক্ষার মান প্রায় একই।
➡️এখানে পরীক্ষা করার সুবিধা হচ্ছে, আপনি যে কোন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই পরীক্ষা করাতে পারবেন, রিপোর্ট নিতে না আসলেও চলবে অনলাইনে রিপোর্ট দেওয়া হয়।
➡️সময়: শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে শনি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
➡️ঠিকানা:
সহজে চেনার জন্য বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে শ্যামলী বা আগারগাঁও নেমে রিকশায় শেরে বাংলা নগর থানা বললেই যেতে পারবেন, থানার ঠিক পাশের বিল্ডিং টা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটারী মেডিসিন ভবন।
এর পরও না চিনতে পারলে NILMRC লিখে গুগলে সার্চ দিলেও চলে আসবে।
আপনারা যারা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে চান তারা নির্দিদ্ধায় এখানে পরীক্ষা করাতে পারেন।
এছাড়া পিজি হাসপাতাল তো আছেই, সেখানেও পরীক্ষা করাতে পারেন।
পোস্ট টি শেয়ার করে আরও মানুষকে জানিয়ে দিন।
ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01746225110
এবং 01913381409
#hepatitis #hepatitisbvirus #HepatitisAwareness #HepatitisPrevention #awarness #savepeople #hepatology
আমি যেহেতু লিভারের অসুখ নিয়ে কাজ করি এজন্য লিভারের বিভিন্ন অসুখে সচারাচর যে সকল পরীক্ষা করা হয় তার একটি মূল্য তালিকা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম।
হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও থায়রয়েড এর পরীক্ষা সমুহ উল্লেখ করলাম, পূর্নাঙ্গ তালিকা পরবর্তীতে পাবেন।
এখানে পরীক্ষার রিপোর্টের মান খুবই ভালো।
অনেকেই প্রশ্ন করেন পিজি হাসপাতালের মত হবে কিনা? হ্যা, পরীক্ষার মান প্রায় একই।
➡️এখানে পরীক্ষা করার সুবিধা হচ্ছে, আপনি যে কোন রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই পরীক্ষা করাতে পারবেন, রিপোর্ট নিতে না আসলেও চলবে অনলাইনে রিপোর্ট দেওয়া হয়।
➡️সময়: শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে শনি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
➡️ঠিকানা:
সহজে চেনার জন্য বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে শ্যামলী বা আগারগাঁও নেমে রিকশায় শেরে বাংলা নগর থানা বললেই যেতে পারবেন, থানার ঠিক পাশের বিল্ডিং টা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটারী মেডিসিন ভবন।
এর পরও না চিনতে পারলে NILMRC লিখে গুগলে সার্চ দিলেও চলে আসবে।
আপনারা যারা সরকারি প্রতিষ্ঠানে করাতে চান তারা নির্দিদ্ধায় এখানে পরীক্ষা করাতে পারেন।
এছাড়া পিজি হাসপাতাল তো আছেই, সেখানেও পরীক্ষা করাতে পারেন।
পোস্ট টি শেয়ার করে আরও মানুষকে জানিয়ে দিন।
ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় -পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ, ঢাকা।
প্রয়োজনে যোগাযোগ : 01746225110
এবং 01913381409
#hepatitis #hepatitisbvirus #HepatitisAwareness #HepatitisPrevention #awarness #savepeople #hepatology
কিভাবে একা একা ইফেক্টিভলি পড়বেন-
১. নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন
-প্রতিদিন পড়ার আগে ঠিক করুন আজ কী শিখবো (যেমন: “আজ ফিজিওলজি – কার্ডিয়াক সাইকেল শেষ করবো”)।
-ছোট ছোট অংশে লক্ষ্য ভাগ করলে সহজ হয়।
২. পড়ার সময় ভাগ করুন (Pomodoro Technique ব্যবহার করতে পারেন)
-২৫–৩০ মিনিট পড়ুন → ৫ মিনিট বিরতি নিন।
-৪টা সেশন শেষ হলে ১৫–২০ মিনিট দীর্ঘ বিরতি নিন।
৩. শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন
-মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
-টেবিল/চেয়ার, আলো আর পড়াশোনার সামগ্রী গোছানো থাকুক।
৪. Active Learning প্র্যাকটিস করুন
-শুধু পড়বেন না → নিজের ভাষায় লিখে বা বলে বোঝানোর চেষ্টা করুন।
-চার্ট, ফ্লোডায়াগ্রাম, মাইন্ডম্যাপ ব্যবহার করুন।
-MCQ/প্রশ্ন সলভ করে নিজের জ্ঞান যাচাই করুন।
৫. Self-testing অভ্যাস করুন
-প্রতিদিন পড়া শেষে নিজের কাছে প্রশ্ন করুন।
-সপ্তাহে একদিন revision test দিন (যেমন নিজেকে ১০–১৫টা প্রশ্ন লিখে উত্তর দিন)।
৬. নোট তৈরি করুন (Concise & Visual)
-বইয়ের লম্বা লেখা কপি করবেন না → ছোট পয়েন্টে লিখুন।
-রঙ/হাইলাইট/ড্রয়িং ব্যবহার করলে মনে থাকে বেশি।
৭. নিয়মিত রিভিশন করুন (Spaced Repetition)
-আজ যা পড়বেন, তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার একবার দেখে নিন।
-৩ দিন পর, ৭ দিন পর, ১৫ দিন পর আবার রিভিশন করুন।
৮. মোটিভেশন ধরে রাখুন
-বড় টার্গেটকে ছোট টার্গেটে ভাগ করুন।
-প্রতিটি ছোট কাজ শেষ হলে নিজেকে রিওয়ার্ড দিন।
-পড়াশোনার অগ্রগতি লিখে রাখুন (to-do list / study tracker)
৯. শরীর–মনের যত্ন নিন
-প্রতিদিন ৭–৮ ঘন্টা ঘুম, পর্যাপ্ত পানি ও হালকা ব্যায়াম জরুরি।
-মানসিক চাপ কমাতে মাঝে মাঝে রিলাক্স করার সময় রাখুন।
১০. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন
-প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়ার অভ্যাস করুন।
-২ দিন বাদ দিলে আবার রুটিনে ফেরা কঠিন হয়ে যায়।
.
( Dr. Partho Protim )
১. নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন
-প্রতিদিন পড়ার আগে ঠিক করুন আজ কী শিখবো (যেমন: “আজ ফিজিওলজি – কার্ডিয়াক সাইকেল শেষ করবো”)।
-ছোট ছোট অংশে লক্ষ্য ভাগ করলে সহজ হয়।
২. পড়ার সময় ভাগ করুন (Pomodoro Technique ব্যবহার করতে পারেন)
-২৫–৩০ মিনিট পড়ুন → ৫ মিনিট বিরতি নিন।
-৪টা সেশন শেষ হলে ১৫–২০ মিনিট দীর্ঘ বিরতি নিন।
৩. শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন
-মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন।
-টেবিল/চেয়ার, আলো আর পড়াশোনার সামগ্রী গোছানো থাকুক।
৪. Active Learning প্র্যাকটিস করুন
-শুধু পড়বেন না → নিজের ভাষায় লিখে বা বলে বোঝানোর চেষ্টা করুন।
-চার্ট, ফ্লোডায়াগ্রাম, মাইন্ডম্যাপ ব্যবহার করুন।
-MCQ/প্রশ্ন সলভ করে নিজের জ্ঞান যাচাই করুন।
৫. Self-testing অভ্যাস করুন
-প্রতিদিন পড়া শেষে নিজের কাছে প্রশ্ন করুন।
-সপ্তাহে একদিন revision test দিন (যেমন নিজেকে ১০–১৫টা প্রশ্ন লিখে উত্তর দিন)।
৬. নোট তৈরি করুন (Concise & Visual)
-বইয়ের লম্বা লেখা কপি করবেন না → ছোট পয়েন্টে লিখুন।
-রঙ/হাইলাইট/ড্রয়িং ব্যবহার করলে মনে থাকে বেশি।
৭. নিয়মিত রিভিশন করুন (Spaced Repetition)
-আজ যা পড়বেন, তা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার একবার দেখে নিন।
-৩ দিন পর, ৭ দিন পর, ১৫ দিন পর আবার রিভিশন করুন।
৮. মোটিভেশন ধরে রাখুন
-বড় টার্গেটকে ছোট টার্গেটে ভাগ করুন।
-প্রতিটি ছোট কাজ শেষ হলে নিজেকে রিওয়ার্ড দিন।
-পড়াশোনার অগ্রগতি লিখে রাখুন (to-do list / study tracker)
৯. শরীর–মনের যত্ন নিন
-প্রতিদিন ৭–৮ ঘন্টা ঘুম, পর্যাপ্ত পানি ও হালকা ব্যায়াম জরুরি।
-মানসিক চাপ কমাতে মাঝে মাঝে রিলাক্স করার সময় রাখুন।
১০. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন
-প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়ার অভ্যাস করুন।
-২ দিন বাদ দিলে আবার রুটিনে ফেরা কঠিন হয়ে যায়।
.
( Dr. Partho Protim )
👍2
একবার লিখেছিলাম আমার বাসার হেল্পিং হ্যান্ড ফারিযকে নিয়ে বাসার নিচে হাঁটতে যেতে চাইলে আমি দেই নি। সে খুব অবাক হয়েছিল, আমি ছেলে সন্তান নিয়ে এতো প্রোটেক্টিভ দেখে।
আরেকদিন এক প্রতিবেশী ভাবী বললেন ফারিযকে উনার বাসায় রেখে আসতে, তার ছেলের সাথে খেলবে। আমি বলেছি আমি ওকে একা কোথাও ছাড়ি না। ভদ্রমহিলা সেটা রেস্পেক্ট করেছিলেন এবং উনিই বাচ্চা নিয়ে আমার বাসায় এসেছিলেন খেলতে।
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। একবার ও গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ায় আমার বাবা ওকে গাড়িতে ড্রাইভারের কাছে রেখে যেতে চাইলে বলেছিলাম, কখনো কোন অবস্থাতে যেন এধরণের কাজ উনি না করেন, এবং কাউকে এলাও না করেন। আমার বাবা এবং পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- প্যাকেটের গায়ে "শিশুর জন্য ভালো" বা "শিশুর খাবার" বললেও প্যাকেটের পেছনের ইনগ্রিডিয়েন্টস দেখে কেনা
- দোকানদার "ডেইট আছে" বললেও কিছু কেনার আগে মেয়াদ/এক্সপায়ারি ডেইট দেখে নেয়া
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- ডাক্তার ওষুধ দিলেই চোখ বন্ধ করে খাইয়ে না দিয়ে, ওষুধ সম্পর্কে চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করা, ওষুধ শিশুর বয়সোপযোগী কি না, সাইড ইফেক্ট ইত্যাদি জেনে নেয়া, ডাক্তারকে প্রশ্ন করা
- যে কাজের লোক/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আপাতত এগুলোই মনে এলো। আরও কিছু মনে পড়লে কমেন্টে জানান। আমি ছোটবেলায় এবিউ!জ, মলে!স্টেশনের শিকার হয়েছি, সেসব ক্ষত আমি এখনো বয়ে বেড়াই, এখনো দু:স্বপ্ন দেখি। শুধু বাবা মা চাকরি করার কারণেই না, ওদের অসাবধানতা, মানুষকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করার কারণে। এবং আমি একা না, আমার জেনারেশনের অনেকে এসবের শিকার হয়েছে। কেউ হয়তো আমার মতো বলার সাহস রাখে, কেউ হয়তো শুধু কাছের বন্ধুদের বলে, কেউ আজীবন মনে চেপে রাখে। কিন্তু সংখ্যাটা ছোট না। আত্মীয়, হুজুর, টিউটর, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়েরা না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety
আরেকদিন এক প্রতিবেশী ভাবী বললেন ফারিযকে উনার বাসায় রেখে আসতে, তার ছেলের সাথে খেলবে। আমি বলেছি আমি ওকে একা কোথাও ছাড়ি না। ভদ্রমহিলা সেটা রেস্পেক্ট করেছিলেন এবং উনিই বাচ্চা নিয়ে আমার বাসায় এসেছিলেন খেলতে।
আমি আজ পর্যন্ত ফারিযকে পরিবারের মানুষ ছাড়া কারো কাছে একা ছাড়ি নি। এবং পরিবারের সদস্যদের বলা আছে যেনো ওরা ওকে একা পরিবারের বাইরে কারো কাছে ছেড়ে না যায়। একবার ও গাড়িতে ঘুমিয়ে পড়ায় আমার বাবা ওকে গাড়িতে ড্রাইভারের কাছে রেখে যেতে চাইলে বলেছিলাম, কখনো কোন অবস্থাতে যেন এধরণের কাজ উনি না করেন, এবং কাউকে এলাও না করেন। আমার বাবা এবং পরিবারের সবাই সেটা মেনে চলে।
বাবা মা হিসেবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব হল সন্দেহ করা। যেমন-
- প্যাকেটের গায়ে "শিশুর জন্য ভালো" বা "শিশুর খাবার" বললেও প্যাকেটের পেছনের ইনগ্রিডিয়েন্টস দেখে কেনা
- দোকানদার "ডেইট আছে" বললেও কিছু কেনার আগে মেয়াদ/এক্সপায়ারি ডেইট দেখে নেয়া
- পরিবারের বাইরে কাউকে আপনার শিশুকে, বিশেষ করে যে কথা বলতে পারে না তাকে নিয়ে আপনার চোখের সীমানার বাইরে যেতে না দেয়া
- যে কোন কার্টুন শিশুকে দেখতে না দেয়া। কার্টুনের মতো হলেও সব কার্টুন/প্রোগ্রাম/ভিডিও/গেইম শিশুপযোগী না। তাই শিশুকে কী দেখতে দেয়া উচিত নিজে আগে সে সম্পর্কে রিসার্চ করা
- ডাক্তার ওষুধ দিলেই চোখ বন্ধ করে খাইয়ে না দিয়ে, ওষুধ সম্পর্কে চ্যাটজিপিটিকে জিজ্ঞাসা করা, ওষুধ শিশুর বয়সোপযোগী কি না, সাইড ইফেক্ট ইত্যাদি জেনে নেয়া, ডাক্তারকে প্রশ্ন করা
- যে কাজের লোক/ন্যানির কাছে আপনার আলমারির চাবি রাখতে ভরসা পাবেন না, তার কাছে বাচ্চাকে রেখে না যাওয়াই উচিত। যদি যেতেই হয়, বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান। ৩-৪ হাজারের মধ্যে পোর্টেবল সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায় যেটায় আপনি আপনার মোবাইল থেকে যেকোন জায়গায় বসে সব দেখতে পাবেন।
- বাড়িতে টিচার/হুজুর রাখলে এমন জায়গায় পড়তে বসান যেখান থেকে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। টিচারের কাছে শিশুকে একলা রেখে বাইরে যাবেন না। আমি নিজেও একসময় টিউশন পড়িয়েছি, এবং গার্জিয়ানকে বলেছি আমি ডাইনিং এ পড়াতে চাই।
- ড্রাইভার, দারোয়ান, প্রতিবেশী সবাইকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে, আপনার শিশু সন্তানের প্রসঙ্গে কাউকে বিশ্বাস করার কোন যুক্তি বা প্রয়োজন নাই। ড্রাইভারের সাথে গাড়িতে একা রাখবেন না, দারোয়ানের কাছে একা ছাড়বেন না, প্রতিবেশীর বাড়িতে একা ছাড়বেন না অন্তত যতদিন না প্রপারলি কথা বলা শেখে।
আপাতত এগুলোই মনে এলো। আরও কিছু মনে পড়লে কমেন্টে জানান। আমি ছোটবেলায় এবিউ!জ, মলে!স্টেশনের শিকার হয়েছি, সেসব ক্ষত আমি এখনো বয়ে বেড়াই, এখনো দু:স্বপ্ন দেখি। শুধু বাবা মা চাকরি করার কারণেই না, ওদের অসাবধানতা, মানুষকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করার কারণে। এবং আমি একা না, আমার জেনারেশনের অনেকে এসবের শিকার হয়েছে। কেউ হয়তো আমার মতো বলার সাহস রাখে, কেউ হয়তো শুধু কাছের বন্ধুদের বলে, কেউ আজীবন মনে চেপে রাখে। কিন্তু সংখ্যাটা ছোট না। আত্মীয়, হুজুর, টিউটর, কাজের লোক, প্রতিবেশী, বন্ধু কারো কাছেই আপনার সন্তান সেইফ না। শুধু মেয়েরা না, ছেলে শিশুরাও এসবের শিকার হয় অনেক। আপনার শিশু নিজেকে নিজে সুরক্ষা দিতে পারে না। আপনাকেই সেটা নিশ্চিত করতে হবে ও বড় না হওয়া পর্যন্ত। সবাইকে সন্দেহ করতে হবে। আর সন্তানকে শেখাতে হবে বডি বাউন্ডারি, গুড টাচ, ব্যাড টাচ এবং আত্মরক্ষার কৌশল।
আর হ্যাঁ, কেউ আপনাকে তার সন্তানের ক্ষেত্রে বিশ্বাস না করলে সেটাকেও রেস্পেক্ট করতে হবে। বাচ্চার বাবা মা আপনার যত ঘনিষ্ঠ লোকই হোক না কেন। সন্তানের ক্ষেত্রে যে কাউকে সন্দেহ করা প্রত্যেক বাবা মায়ের অধিকার এবং কর্তব্য। এটা আপনাকে অপমান করা নয়। বরং আপনি তাদের বাউন্ডারি রেস্পেক্ট না করা অপমানজনক। বাংলাদেশে বড় কোন গবেষণা না হলেও কিছু রিসার্চ এবং প্রতিবেদন বলে শিশুরা সবচেয়ে বেশি মলে!!স্টেড, রে!ইপ!ড হয় নিজেদের পরিচিতদের কাছে।
Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom
.
.
#earlychildhooddevelopment #connectionwithkids #discipline #positivediscipline #nomeansno #settingboundary #skilldevelopment #skilldevelopmenttraining #disciplining #discipliningkids #conciousparenting #gentleparenting #bodyboundary #childsafety #kidssafety #TeachingBoundaries #RespectBoundaries #ChildSafety