বর্তমানে যুব সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা সে* ক্স সংক্রান্ত সমস্যা !!
আমার বন্ধুদের বেশিরভাগের গত ১০-১২-১৫ বছরে প্রধান সমস্যা কি ছিল জীবনে?? আমার যদি ভুল না হয়, এইটা ছিল টাকা পয়সার সমস্যা ও সে* ক্স সংক্রান্ত সমস্যা।
ট্র্যাডিশনাল সোসাইটিতে আমাদের দাদারা বিয়ের মাধ্যমে সে ক্স করার অধিকার পাইসে ১৫-১৮ বছর বয়সে, বাবারা পাইসে ২২-২৭ বছর বয়সে। দাদার কাছ থেকে জানা, ছেলের বয়স ২২ এর মধ্যে বিয়া করাইতে না পারলে তাদের সমাজের মানুষজন ব্যর্থ বাপ মা মনে করতো। এইটা ছিল রীতিমত ভয়াবহ ব্যাপার, যে আপনার সামাজিক অবস্থান ভাল কিন্তু ২২-২৪ বছর পার হওয়ার পরেও ছেলেকে আপনি বিয়া করাইতে পারেন নাই।
কিন্তু বাপদের থেকে বড় ভাইদের যে জেনারেশান এইখানে ভোল পাল্টায়ে গেল। আমাদের বড় ভাইদের জেনারেশনে বিয়ের গড় বয়স গিয়া দাড়াইলো ৩৩-৩৫ এ, কোন কোন ক্ষেত্রে ৩৮। সমাজ কেবলমাত্র পুজিবাদী হইতেসিলো, প্রায় সমস্ত বাপ মা নিজেদের যাবতীয় শক্তি ব্যবহার কইরা তার সন্তানদের বৈধ যৌনতা থেকে বঞ্চিত করতে উইঠা পইড়া লাগলো।
আমরা বড় হইতে হইতে দেখলাম, সেক্সুয়ালিটি আউট অফ ম্যারেজ এভেইলেবল হইতে শুরু করসে। বড় ভাইদের সময়ে যে ব্যাপারটা ছিল না, তা না। কিন্তু সেইটা ছিল স্কার্স এবং রিস্ক ছিল অনেক। কোন মেয়ের সাথে কনসেনসুয়ালি ইনডিসেন্ট কিছু করতে গিয়া ধরা পড়লে ঐ মেয়ের বাপ ভাইয়ের হাতে মাইর খাওয়া নিশ্চিত, বাপ মার মান ইজ্জত যাওয়া নিশ্চিত, মহল্লা ছাড়তে বাধ্য হওয়া প্রায় নিশ্চিত এবং শেষমেশ ঐ মেয়েকে বিয়া করতে একপ্রকার বাধ্য হওয়া ছিল আমাদের বড় ভাইদের সময়কার ক্রাইসিস।
আমাদের সময়ে আইসা ক্রমেই কনসেনসুয়াল সেক্স এবং নন কনসিকোয়েন্সিয়াল সেক্স বাড়তে থাকলো সবখানে। এই জায়গায় আইসা আমরা অনেকেই দেখলাম, সেক্স এভেইলেবল, কিন্তু এক্সেসিবল, এক্সেপ্টেবল না। সোশ্যাল ট্যাবু, কোন কোন ক্ষেত্রে ফিন্যান্সিয়াল ট্যাবু। যার ভাল ফিজিক, মেয়ে পটানোর ক্ষমতা বা ভাল রোজগার নাই, সে সেক্স পায় না। কারন বাপ মা সন্তানের সেক্সুয়াল রাইটকে আর নিজের রেস্পন্সিবিলিটি মনে করা বাদ দিয়া দিসে।
এরপর, আমাদের সাথের একটা অংশ হইয়া গেল আউট অফ কন্ট্রোল। তারা আবার দাদারা যে বয়সে সেক্স শুরু করতেন, সেই বয়সেই সেক্স করা শুরু করলো। তফাত থাকলো, দাদাদের সময়ে সেইটা ছিল ধর্ম ও সমাজ দিয়া বান্ধা, রেস্পন্সিবিলিটি ছিল কঠিন, তা এড়ানোর সুযোগ ছিল না একপ্রকার। কিন্তু আমাদের আউট ল বন্ধুবান্ধবদের ধর্ম, সমাজ বা রাষ্ট্র কেউ আটকাইতে পারলো না, বরঞ্চ সংস্কৃতি ও অর্থনীতি তাদের একশনকে ভ্যালিডেইট করতে শুরু করলো।
আইমিন, সেক্স ঠেকানো গেল না, পোলাপান তাদের দাদাদের বয়সেই সেক্সুয়ালি এক্টিভ হইয়া উঠলো, উইথ জিরো রেস্পন্সিবিলিটি। জাস্ট এজ ইয়াং এনিম্যালস অফ জাঙ্গল।
আর বৃহত্তর গ্রুপটা বড় হইতে থাকলো, সেক্সলেস হিসাবে। তাদের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ ইয়ার্স তারা পার করলো আনন্দহীন ও দায়িত্বহীন ভাবে। আনন্দ নাই, দায়িত্বও নাই। জীবন্ত ক্লীবের মত কাটতে থাকলো তাদের সময়।
আমাদের জেনারেশানে আমরা এভারেজ এইজ অফ ম্যারেজ বড় ভাইদের চেয়ে অনেকটাই কমায় নিয়া আসছি, ২৭-২৮ বছরে আমাদের জেনারেশানের বেশিরভাগ ছেলে বিয়া করতেসে। কারন আমাদের বাপদের কথার উপরে টেক্কা মারার কালচারে আমরা বাস করি প্লাস আমরা বাংলাদেশের নিকট অতীত ও নিকট ভবিষ্যতের প্রথম ও শেষ জেনারেশান যারা দেশে ইজি মানি দেখসি। যোগ্যতা আছে এবং পরিশ্রমী এমন অধিকাংশ ছেলেপেলে ভাল আয় করতেসে। সমাজ আরো লিবারেল হইসে। আবার হাতে টাকা আসলেও, প্রাইম রেস্পন্সিবিলিটি-ফ্যামিলি মেইকিং কিভাবে করতে হয় লাইফের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ এইজে, সেইটা আমরা জানি না।
কিন্তু, এখন দেখা যাইতেসে, বিয়ার পর আমরা খুব একটা ম্যাচিউর বিহ্যাভিওর করতে পারতেসি না। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদেরকে নাকি পালতে হয়, মেয়েরা বলে।
সেক্স ইজ ওয়ান অফ দ্যা ইন্সট্রুমেন্টাল ফ্যাক্টরস দোজ মেইক্স ম্যান আউট অফ আ বয়।
এইটা যে পরপর দুইটা জেনারেশানকে তাদের সেক্সুয়াল রাইট থেকে বঞ্চিত কইরা ম্যান চাইল্ড হইতে বাধ্য করা, পশু বা ক্লীবের জীবনযাপনে বাধ্য করার পর ম্যান আশা করা তো উচিত না। সমাজ তো আমাদেরকে ম্যান বানাইতে চায় নাই। তাইলে কেন এই আশা, সমাজের নারীরা কি তা বলতে পারে??পুঁজিবাদী ও সেকুলার প্রভাবিত জেনারেশনের ব্যর্থতার দায় ভোগ করছে পরবর্তী জেনারেশন...
সমাজে অশ্লীলতা বেহায়াপনা ছড়িয়ে দিয়ে, হারামকে সহজলভ্য এবং হালালকে কঠিন করে দিয়ে, মুসলমানদের চরিত্র ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমাদের সুদূরপ্রসারী এজেন্ডা বাস্তবায়নে উনারা আগুনে ঘি ঢালছেন...এই ফেতনার শেষ কোথায়?
✍️Muhammad Sajal
আমার বন্ধুদের বেশিরভাগের গত ১০-১২-১৫ বছরে প্রধান সমস্যা কি ছিল জীবনে?? আমার যদি ভুল না হয়, এইটা ছিল টাকা পয়সার সমস্যা ও সে* ক্স সংক্রান্ত সমস্যা।
ট্র্যাডিশনাল সোসাইটিতে আমাদের দাদারা বিয়ের মাধ্যমে সে ক্স করার অধিকার পাইসে ১৫-১৮ বছর বয়সে, বাবারা পাইসে ২২-২৭ বছর বয়সে। দাদার কাছ থেকে জানা, ছেলের বয়স ২২ এর মধ্যে বিয়া করাইতে না পারলে তাদের সমাজের মানুষজন ব্যর্থ বাপ মা মনে করতো। এইটা ছিল রীতিমত ভয়াবহ ব্যাপার, যে আপনার সামাজিক অবস্থান ভাল কিন্তু ২২-২৪ বছর পার হওয়ার পরেও ছেলেকে আপনি বিয়া করাইতে পারেন নাই।
কিন্তু বাপদের থেকে বড় ভাইদের যে জেনারেশান এইখানে ভোল পাল্টায়ে গেল। আমাদের বড় ভাইদের জেনারেশনে বিয়ের গড় বয়স গিয়া দাড়াইলো ৩৩-৩৫ এ, কোন কোন ক্ষেত্রে ৩৮। সমাজ কেবলমাত্র পুজিবাদী হইতেসিলো, প্রায় সমস্ত বাপ মা নিজেদের যাবতীয় শক্তি ব্যবহার কইরা তার সন্তানদের বৈধ যৌনতা থেকে বঞ্চিত করতে উইঠা পইড়া লাগলো।
আমরা বড় হইতে হইতে দেখলাম, সেক্সুয়ালিটি আউট অফ ম্যারেজ এভেইলেবল হইতে শুরু করসে। বড় ভাইদের সময়ে যে ব্যাপারটা ছিল না, তা না। কিন্তু সেইটা ছিল স্কার্স এবং রিস্ক ছিল অনেক। কোন মেয়ের সাথে কনসেনসুয়ালি ইনডিসেন্ট কিছু করতে গিয়া ধরা পড়লে ঐ মেয়ের বাপ ভাইয়ের হাতে মাইর খাওয়া নিশ্চিত, বাপ মার মান ইজ্জত যাওয়া নিশ্চিত, মহল্লা ছাড়তে বাধ্য হওয়া প্রায় নিশ্চিত এবং শেষমেশ ঐ মেয়েকে বিয়া করতে একপ্রকার বাধ্য হওয়া ছিল আমাদের বড় ভাইদের সময়কার ক্রাইসিস।
আমাদের সময়ে আইসা ক্রমেই কনসেনসুয়াল সেক্স এবং নন কনসিকোয়েন্সিয়াল সেক্স বাড়তে থাকলো সবখানে। এই জায়গায় আইসা আমরা অনেকেই দেখলাম, সেক্স এভেইলেবল, কিন্তু এক্সেসিবল, এক্সেপ্টেবল না। সোশ্যাল ট্যাবু, কোন কোন ক্ষেত্রে ফিন্যান্সিয়াল ট্যাবু। যার ভাল ফিজিক, মেয়ে পটানোর ক্ষমতা বা ভাল রোজগার নাই, সে সেক্স পায় না। কারন বাপ মা সন্তানের সেক্সুয়াল রাইটকে আর নিজের রেস্পন্সিবিলিটি মনে করা বাদ দিয়া দিসে।
এরপর, আমাদের সাথের একটা অংশ হইয়া গেল আউট অফ কন্ট্রোল। তারা আবার দাদারা যে বয়সে সেক্স শুরু করতেন, সেই বয়সেই সেক্স করা শুরু করলো। তফাত থাকলো, দাদাদের সময়ে সেইটা ছিল ধর্ম ও সমাজ দিয়া বান্ধা, রেস্পন্সিবিলিটি ছিল কঠিন, তা এড়ানোর সুযোগ ছিল না একপ্রকার। কিন্তু আমাদের আউট ল বন্ধুবান্ধবদের ধর্ম, সমাজ বা রাষ্ট্র কেউ আটকাইতে পারলো না, বরঞ্চ সংস্কৃতি ও অর্থনীতি তাদের একশনকে ভ্যালিডেইট করতে শুরু করলো।
আইমিন, সেক্স ঠেকানো গেল না, পোলাপান তাদের দাদাদের বয়সেই সেক্সুয়ালি এক্টিভ হইয়া উঠলো, উইথ জিরো রেস্পন্সিবিলিটি। জাস্ট এজ ইয়াং এনিম্যালস অফ জাঙ্গল।
আর বৃহত্তর গ্রুপটা বড় হইতে থাকলো, সেক্সলেস হিসাবে। তাদের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ ইয়ার্স তারা পার করলো আনন্দহীন ও দায়িত্বহীন ভাবে। আনন্দ নাই, দায়িত্বও নাই। জীবন্ত ক্লীবের মত কাটতে থাকলো তাদের সময়।
আমাদের জেনারেশানে আমরা এভারেজ এইজ অফ ম্যারেজ বড় ভাইদের চেয়ে অনেকটাই কমায় নিয়া আসছি, ২৭-২৮ বছরে আমাদের জেনারেশানের বেশিরভাগ ছেলে বিয়া করতেসে। কারন আমাদের বাপদের কথার উপরে টেক্কা মারার কালচারে আমরা বাস করি প্লাস আমরা বাংলাদেশের নিকট অতীত ও নিকট ভবিষ্যতের প্রথম ও শেষ জেনারেশান যারা দেশে ইজি মানি দেখসি। যোগ্যতা আছে এবং পরিশ্রমী এমন অধিকাংশ ছেলেপেলে ভাল আয় করতেসে। সমাজ আরো লিবারেল হইসে। আবার হাতে টাকা আসলেও, প্রাইম রেস্পন্সিবিলিটি-ফ্যামিলি মেইকিং কিভাবে করতে হয় লাইফের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ এইজে, সেইটা আমরা জানি না।
কিন্তু, এখন দেখা যাইতেসে, বিয়ার পর আমরা খুব একটা ম্যাচিউর বিহ্যাভিওর করতে পারতেসি না। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদেরকে নাকি পালতে হয়, মেয়েরা বলে।
সেক্স ইজ ওয়ান অফ দ্যা ইন্সট্রুমেন্টাল ফ্যাক্টরস দোজ মেইক্স ম্যান আউট অফ আ বয়।
এইটা যে পরপর দুইটা জেনারেশানকে তাদের সেক্সুয়াল রাইট থেকে বঞ্চিত কইরা ম্যান চাইল্ড হইতে বাধ্য করা, পশু বা ক্লীবের জীবনযাপনে বাধ্য করার পর ম্যান আশা করা তো উচিত না। সমাজ তো আমাদেরকে ম্যান বানাইতে চায় নাই। তাইলে কেন এই আশা, সমাজের নারীরা কি তা বলতে পারে??পুঁজিবাদী ও সেকুলার প্রভাবিত জেনারেশনের ব্যর্থতার দায় ভোগ করছে পরবর্তী জেনারেশন...
সমাজে অশ্লীলতা বেহায়াপনা ছড়িয়ে দিয়ে, হারামকে সহজলভ্য এবং হালালকে কঠিন করে দিয়ে, মুসলমানদের চরিত্র ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমাদের সুদূরপ্রসারী এজেন্ডা বাস্তবায়নে উনারা আগুনে ঘি ঢালছেন...এই ফেতনার শেষ কোথায়?
✍️Muhammad Sajal
❤2😱1
এখন অবধি, ৫৫+ ফ্রি কোর্স শেয়ার করেছি, এই ১২টা স্কিলেঃ
• ইকমার্স কোর্স - t.ly/dQ0AA
• ভিডিও এডিটিং কোর্স - t.ly/2eYLG
• ফেসবুক অ্যাডস কোর্স - t.ly/0Fbzt
• গ্র্যাফিক্স ডিজাইন কোর্স - t.ly/Um42i
• গুগল অ্যাডস কোর্স - t.ly/Z2IH3
• লিংকডইন মার্কেটিং কোর্স - t.ly/Cbube
• ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স - t.ly/X7ATL
• টাইম ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/vrrOa
• ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং কোর্স - t.ly/fJPTB
• কপিরাইটিং কোর্স - t.ly/jL4Ar
• ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স -t.ly/4uxv3
• সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/WiKPA
প্রত্যেক শনিবার, আমার লিংকডইনে ও 'Learn with Muntasir' ফেসবুক পেইজে, ফ্রি কোর্স রিসোর্স শেয়ার করছি!
সেইভ করে রাখুন 🖤
Learn With Muntasir
• ইকমার্স কোর্স - t.ly/dQ0AA
• ভিডিও এডিটিং কোর্স - t.ly/2eYLG
• ফেসবুক অ্যাডস কোর্স - t.ly/0Fbzt
• গ্র্যাফিক্স ডিজাইন কোর্স - t.ly/Um42i
• গুগল অ্যাডস কোর্স - t.ly/Z2IH3
• লিংকডইন মার্কেটিং কোর্স - t.ly/Cbube
• ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স - t.ly/X7ATL
• টাইম ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/vrrOa
• ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং কোর্স - t.ly/fJPTB
• কপিরাইটিং কোর্স - t.ly/jL4Ar
• ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স -t.ly/4uxv3
• সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/WiKPA
প্রত্যেক শনিবার, আমার লিংকডইনে ও 'Learn with Muntasir' ফেসবুক পেইজে, ফ্রি কোর্স রিসোর্স শেয়ার করছি!
সেইভ করে রাখুন 🖤
Learn With Muntasir
LinkedIn
ইকমার্স শেখার জন্য এই ৫টা ফ্রি কোর্সে আপনার ইনরোল করা উচিতঃ
→ E-Commerce Training From a 7 Figure Store Owner
এই কোর্স থেকে…
→ E-Commerce Training From a 7 Figure Store Owner
এই কোর্স থেকে…
ইকমার্স শেখার জন্য এই ৫টা ফ্রি কোর্সে আপনার ইনরোল করা উচিতঃ
→ E-Commerce Training From a 7 Figure Store Owner
এই কোর্স থেকে একটা ইকমার্স বিজনেস তৈরির ৪টা মূল ফান্ডামেন্টাল বিষয় নিয়ে জানতে পারবেন! যেকোনো ধরণের বিজনেসের জন্য এই ৪টা রেভিন্যু জেনারেশন পিলার…
→ E-Commerce Training From a 7 Figure Store Owner
এই কোর্স থেকে একটা ইকমার্স বিজনেস তৈরির ৪টা মূল ফান্ডামেন্টাল বিষয় নিয়ে জানতে পারবেন! যেকোনো ধরণের বিজনেসের জন্য এই ৪টা রেভিন্যু জেনারেশন পিলার…
❤4
আমরা ভাবি স্ট্রেস মানে বড় কোনো সংকট, চাকরি হারানো বা সম্পর্কে ভাঙন। কিন্তু হার্ভার্ডের একজন চিকিৎসক এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডঃ নেরুরকার বলছেন, আপনার আসল শত্রু আপনার হাতেই ধরা আপনার ফোন, আর যে চেয়ারে আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন।
আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে স্ট্রেস এবং বার্নআউট শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু এই চাপের পেছনের আসল কারণগুলো কী এবং কীভাবে আমরা এর মোকাবেলা করতে পারি? The Diary of a CEO পডকাস্টে ডঃ অদিতি নেরুরকার আমাদের আধুনিক জীবনের সেই সব অভ্যাস তুলে ধরেছেন, যা নীরবে আমাদের মস্তিষ্ককে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
আমাদের মস্তিষ্ক, শরীর এমনভাবে তৈরি হয়নি যা অবিরাম তথ্য, নোটিফিকেশন এবং কাজের চাপের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। আমরা একটি ফাইট অথবা ফ্লাইট মোডে বাস করছি, যা আমাদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে অসুস্থ করে তুলছে।
বার্নআউট একটি ক্লিনিক্যাল অবস্থা, যার তিনটি প্রধান লক্ষণ হলো:
১. কোনো কিছুতেই আর শক্তি বা আগ্রহ খুঁজে না পাওয়া।
২. কাজ বা জীবনের প্রতি একটি নেতিবাচক এবং উদাসীন মনোভাব তৈরি হওয়া।
৩. মনে হওয়া যে, আপনি যা-ই করছেন, তাতে কোনো লাভ হচ্ছে না বা আপনি যথেষ্ট ভালো নন।
আমাদের সমাজ শেখায় শক্ত থাকো, এগিয়ে যাও। কিন্তু ডঃ নেরুরকার এটিকে টক্সিক সহনশীলতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ক্রমাগত নিজের আবেগ এবং শারীরিক সংকেতকে উপেক্ষা করে শুধু কাজ করে যাওয়া কোনো শক্তি নয়, বরং এটি আত্ম-ধ্বংসের সামিল। সত্যিকারের সহনশীলতা মানে হলো, কখন থামতে হবে এবং নিজেকে রিচার্জ করতে হবে, তা জানা।
মানসিক চাপ কমানোর জন্য আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেডিটেশন করতে হবে না। দিনের মধ্যে ছোট ছোট কিছু রিসেট বা বিরতিই যথেষ্ট। যেমন:
১. ৫ মিনিট শুধু নিজের শ্বাসের উপর মনোযোগ দিন।
২. প্রিয়জনকে ২০ সেকেন্ড জড়িয়ে ধরুন।
৩. তিনটি জিনিসের কথা ভাবুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ।
৪. ২ মিনিটের জন্য ডেস্ক থেকে উঠে একটু হাঁটুন বা স্ট্রেচিং করুন।
৫. আপনার পছন্দের একটি গান শুনুন।
ব্যায়াম শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মস্তিষ্কের জন্য একটি শক্তিশালী ঔষধ। যখন আপনি ব্যায়াম করেন, তখন আপনার শরীর স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে এমন কেমিক্যাল তৈরি করে। এটি আপনার শরীরকে শেখায় কীভাবে চাপের সাথে আরও ভালোভাবে মোকাবেলা করতে হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একটি পারফেক্ট স্ট্রেসের রেসিপি।
তুলনা: সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের লাইফস্টাইল দেখে নিজেদের সাধারণ জীবনের সাথে তুলনা করি।
FOMO (Fear of Missing Out): সবসময় মনে হয়, অন্যরা আমাদের চেয়ে বেশি আনন্দ করছে বা এগিয়ে যাচ্ছে।
নেতিবাচকতা: নেতিবাচক খবর এবং কনটেন্ট আমাদের মস্তিষ্কে সরাসরি স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
খাবার এবং স্ট্রেসের মধ্যে গোপন যোগসূত্র
আপনার পেট এবং মস্তিষ্ক সরাসরি সংযুক্ত (Gut-Brain Axis)। আপনি যা খান, তা আপনার মানসিক অবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
খারাপ খাবার: প্রক্রিয়াজাত, চিনিযুক্ত খাবার আপনার শরীরে প্রদাহ (inflammation) তৈরি করে, যা মস্তিষ্কে স্ট্রেসের সংকেত পাঠায়।
ভালো খাবার: প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার এই প্রদাহ কমায় এবং আপনার মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।
ব্রেক নেওয়া অলসতা নয়, এটি উচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য অপরিহার্য। আমাদের মস্তিষ্ক একটানা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। ছোট ছোট বিরতি আপনার ফোকাস এবং সৃজনশীলতাকে রিচার্জ করে।
যে জিনিসগুলো আপনাকে অজান্তেই স্ট্রেস দিচ্ছে!
সারাদিন বসে থাকা: এটি শরীরকে একটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রাখে, যা স্ট্রেস বাড়ায়।
স্ক্রিন টাইম: ফোনের নীল আলো আমাদের ঘুম এবং মানসিক অবস্থাকে নষ্ট করে দেয়।
শব্দ দূষণ: শব্দ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে উত্তেজিত রাখে।
মাল্টিটাস্কিং একটি মিথ: এটি আপনার ব্রেনকে ধ্বংস করছে
জনসংখ্যার মাত্র ২% মানুষ সত্যিকারের মাল্টিটাস্কিং করতে পারে। বাকি ৯৮% যা করে, তা হলো টাস্ক-সুইচিং। অর্থাৎ, দ্রুত এক কাজ থেকে অন্য কাজে মনোযোগ সরানো, যা আমাদের মস্তিষ্কের শক্তি ক্ষয় করে, ভুল বাড়ায় এবং স্ট্রেসের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কৌশল হলো ফিজিওলজিক্যাল সাই (Physiological Sigh) বা দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ার মতো কৌশল। যখন আপনি শ্বাস ছাড়ার সময়টাকে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে দীর্ঘ করেন, তখন এটি আপনার প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আপনাকে শান্ত করে।
যখন মাথায় হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খায়, তখন তা একটি কাগজে লিখে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে চিন্তার বোঝা নামিয়ে দেয় এবং আপনাকে পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে। এটি ওভারথিংকিং কমানোর অন্যতম সেরা বৈজ্ঞানিক উপায়।
আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে স্ট্রেস এবং বার্নআউট শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু এই চাপের পেছনের আসল কারণগুলো কী এবং কীভাবে আমরা এর মোকাবেলা করতে পারি? The Diary of a CEO পডকাস্টে ডঃ অদিতি নেরুরকার আমাদের আধুনিক জীবনের সেই সব অভ্যাস তুলে ধরেছেন, যা নীরবে আমাদের মস্তিষ্ককে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
আমাদের মস্তিষ্ক, শরীর এমনভাবে তৈরি হয়নি যা অবিরাম তথ্য, নোটিফিকেশন এবং কাজের চাপের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। আমরা একটি ফাইট অথবা ফ্লাইট মোডে বাস করছি, যা আমাদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে অসুস্থ করে তুলছে।
বার্নআউট একটি ক্লিনিক্যাল অবস্থা, যার তিনটি প্রধান লক্ষণ হলো:
১. কোনো কিছুতেই আর শক্তি বা আগ্রহ খুঁজে না পাওয়া।
২. কাজ বা জীবনের প্রতি একটি নেতিবাচক এবং উদাসীন মনোভাব তৈরি হওয়া।
৩. মনে হওয়া যে, আপনি যা-ই করছেন, তাতে কোনো লাভ হচ্ছে না বা আপনি যথেষ্ট ভালো নন।
আমাদের সমাজ শেখায় শক্ত থাকো, এগিয়ে যাও। কিন্তু ডঃ নেরুরকার এটিকে টক্সিক সহনশীলতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ক্রমাগত নিজের আবেগ এবং শারীরিক সংকেতকে উপেক্ষা করে শুধু কাজ করে যাওয়া কোনো শক্তি নয়, বরং এটি আত্ম-ধ্বংসের সামিল। সত্যিকারের সহনশীলতা মানে হলো, কখন থামতে হবে এবং নিজেকে রিচার্জ করতে হবে, তা জানা।
মানসিক চাপ কমানোর জন্য আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেডিটেশন করতে হবে না। দিনের মধ্যে ছোট ছোট কিছু রিসেট বা বিরতিই যথেষ্ট। যেমন:
১. ৫ মিনিট শুধু নিজের শ্বাসের উপর মনোযোগ দিন।
২. প্রিয়জনকে ২০ সেকেন্ড জড়িয়ে ধরুন।
৩. তিনটি জিনিসের কথা ভাবুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ।
৪. ২ মিনিটের জন্য ডেস্ক থেকে উঠে একটু হাঁটুন বা স্ট্রেচিং করুন।
৫. আপনার পছন্দের একটি গান শুনুন।
ব্যায়াম শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মস্তিষ্কের জন্য একটি শক্তিশালী ঔষধ। যখন আপনি ব্যায়াম করেন, তখন আপনার শরীর স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে এমন কেমিক্যাল তৈরি করে। এটি আপনার শরীরকে শেখায় কীভাবে চাপের সাথে আরও ভালোভাবে মোকাবেলা করতে হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একটি পারফেক্ট স্ট্রেসের রেসিপি।
তুলনা: সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের লাইফস্টাইল দেখে নিজেদের সাধারণ জীবনের সাথে তুলনা করি।
FOMO (Fear of Missing Out): সবসময় মনে হয়, অন্যরা আমাদের চেয়ে বেশি আনন্দ করছে বা এগিয়ে যাচ্ছে।
নেতিবাচকতা: নেতিবাচক খবর এবং কনটেন্ট আমাদের মস্তিষ্কে সরাসরি স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
খাবার এবং স্ট্রেসের মধ্যে গোপন যোগসূত্র
আপনার পেট এবং মস্তিষ্ক সরাসরি সংযুক্ত (Gut-Brain Axis)। আপনি যা খান, তা আপনার মানসিক অবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
খারাপ খাবার: প্রক্রিয়াজাত, চিনিযুক্ত খাবার আপনার শরীরে প্রদাহ (inflammation) তৈরি করে, যা মস্তিষ্কে স্ট্রেসের সংকেত পাঠায়।
ভালো খাবার: প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার এই প্রদাহ কমায় এবং আপনার মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।
ব্রেক নেওয়া অলসতা নয়, এটি উচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য অপরিহার্য। আমাদের মস্তিষ্ক একটানা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। ছোট ছোট বিরতি আপনার ফোকাস এবং সৃজনশীলতাকে রিচার্জ করে।
যে জিনিসগুলো আপনাকে অজান্তেই স্ট্রেস দিচ্ছে!
সারাদিন বসে থাকা: এটি শরীরকে একটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রাখে, যা স্ট্রেস বাড়ায়।
স্ক্রিন টাইম: ফোনের নীল আলো আমাদের ঘুম এবং মানসিক অবস্থাকে নষ্ট করে দেয়।
শব্দ দূষণ: শব্দ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে উত্তেজিত রাখে।
মাল্টিটাস্কিং একটি মিথ: এটি আপনার ব্রেনকে ধ্বংস করছে
জনসংখ্যার মাত্র ২% মানুষ সত্যিকারের মাল্টিটাস্কিং করতে পারে। বাকি ৯৮% যা করে, তা হলো টাস্ক-সুইচিং। অর্থাৎ, দ্রুত এক কাজ থেকে অন্য কাজে মনোযোগ সরানো, যা আমাদের মস্তিষ্কের শক্তি ক্ষয় করে, ভুল বাড়ায় এবং স্ট্রেসের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কৌশল হলো ফিজিওলজিক্যাল সাই (Physiological Sigh) বা দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ার মতো কৌশল। যখন আপনি শ্বাস ছাড়ার সময়টাকে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে দীর্ঘ করেন, তখন এটি আপনার প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আপনাকে শান্ত করে।
যখন মাথায় হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খায়, তখন তা একটি কাগজে লিখে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে চিন্তার বোঝা নামিয়ে দেয় এবং আপনাকে পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে। এটি ওভারথিংকিং কমানোর অন্যতম সেরা বৈজ্ঞানিক উপায়।
অটো-পাইলট মোডে জীবন কাটানো বন্ধ করুন
যখন আমরা প্রতিদিন একই রুটিনে জীবন কাটাই এবং কোনো কিছু নিয়ে সচেতনভাবে চিন্তা করি না, তখন জীবন অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। অটো-পাইলট মোড থেকে বেরিয়ে এসে ছোট ছোট বিষয়ে মনোযোগ দিন যেমন, আপনার সকালের কফির স্বাদ বা প্রকৃতির সৌন্দর্য।
একাকীত্ব শুধু একটি মানসিক অনুভূতি নয়, এটি একটি মারাত্মক শারীরিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী একাকীত্ব দিনে ১৫টি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর। অর্থপূর্ণ মানবিক সংযোগ আমাদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
যখন আমরা প্রতিদিন একই রুটিনে জীবন কাটাই এবং কোনো কিছু নিয়ে সচেতনভাবে চিন্তা করি না, তখন জীবন অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। অটো-পাইলট মোড থেকে বেরিয়ে এসে ছোট ছোট বিষয়ে মনোযোগ দিন যেমন, আপনার সকালের কফির স্বাদ বা প্রকৃতির সৌন্দর্য।
একাকীত্ব শুধু একটি মানসিক অনুভূতি নয়, এটি একটি মারাত্মক শারীরিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী একাকীত্ব দিনে ১৫টি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর। অর্থপূর্ণ মানবিক সংযোগ আমাদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।
❤6
অন্তত একমাস এই রুটিন মেনে চলুন।
•
১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷
২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷
৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন।
৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷
৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান।
৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে।
৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে।
৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷
৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়।
৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না।
৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর।
খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে।
১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন।
১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷
১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো।
১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷
১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷
____
এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন প্রিয় বন্ধু।
_____
Paint with Ashraf
•
১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷
২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷
৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন।
৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷
৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান।
৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে।
৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে।
৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷
৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়।
৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না।
৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর।
খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে।
১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন।
১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷
১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো।
১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷
১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷
____
এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন প্রিয় বন্ধু।
_____
Paint with Ashraf
❤13
লোন ভয়াবহ জিনিস। লোন এর ইন্টারেস্ট রেট নিয়ে কিছু কথা।
যদি জেনে বুঝে আর্লি সেটেলমেন্ট এর টার্গেট নিয়ে ব্যাংক বা যেকোনো ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে লোন না নেন তাহলে সেই লোন আপনার জীবন একেবারে তিক্ত করে ফেলতে পারে।
ধরেন, আপনি যেকোনো কারণে ২৫ লাখ টাকার ৫ বছরের জন্য ১৪.৪৯% ইন্টারেস্টে লোন নিলেন। প্রত্যেক মাসে এই লোনের জন্য ৫৫ হাজার ৫ শত টাকা করে দিচ্ছেন। ভাবছেন এভাবে বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা শোধ হবে। কিন্তু না.. ইন্টারেস্ট না আছে!
ভাবলেন, ওকে ফাইন। আমি লোন কাভার করে যাই। বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দিচ্ছি, তার মানে এট লিস্ট তো ৫ লাখ টাকা কমে যাচ্ছে। বাকি লাখ টাকা সম্ভবত ইন্টারেস্ট কেটে নিবে..
কিন্তু না.. আপনি এভাবে বছর ঘুরার পর যদি খোজ নিয়ে দেখেন এক্সাটলি আপনার মূল লোন থেকে কত টাকা কমেছে.. বেশ অবাক হয়ে হতাশায় পরে যেতে পারেন!
দেখবেন পুরো বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দেওয়ার পরও ২৫ লাখের লোন নেমে ২২ লাখে মতো বাকি আছে। মানে পুরো বছর জুড়ে আপনি লোনের কিস্তি পরিশোধ করেছেন মাত্র ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকার!! বাকি টাকা কি তাহলে ইন্টারেস্ট এ গিয়েছে!!
কিন্তু আপনি তো জানতেন ইন্টারেস্ট ছিল ১৪.৪৯%, এখন তো দেখতেছেন ৫০% এর বেশী!!!
কেন এরকম হলো, এই আলাপ ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট কখনোই আপনাকে লোন নেওয়ার আগে নিজ থেকে ক্লিয়ার করবে না।
এই ১৪.৪৯% দেখে ৫০% এর কেরফা, এতে ভুক্তভোগী হয়ে অনেকেই ১৫ বছর এর লোন এর ৫/১০ বছর যাওয়ার পর যখন ইনকাম আর আগের মতো থাকে না, বা উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি মারা যায়, পরিবারের মানুষ ব্যাংক লোনের বোঝা দেখে আকাশ থেকে পরে।
বিষয়টা হচ্ছে “Reducing Balance Loan” বা Amortized Loan, শুরুর দিকের কিস্তি থেকে ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট ইন্টারেস্ট এর পরিমান বেশী করে কাটে। আস্তে আস্তে কিস্তি থেকে প্রিন্সিপালস এর রেশীও বাড়াতে থাকে।
তো যদি কখনো লোন নেন, মাস্ট EMI বা কিস্তির Amortization Schedule জেনে বুঝে, ব্যাক আপ প্ল্যান রেডি করে লোন নিবেন।
আর সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে, লোন না নিয়েই আগানো। ইসলামে তো আর শুধু শুধু 'সুদ' ব্যাপারটা হারাম করে নাই।
@Sabbir Ahmed
যদি জেনে বুঝে আর্লি সেটেলমেন্ট এর টার্গেট নিয়ে ব্যাংক বা যেকোনো ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে লোন না নেন তাহলে সেই লোন আপনার জীবন একেবারে তিক্ত করে ফেলতে পারে।
ধরেন, আপনি যেকোনো কারণে ২৫ লাখ টাকার ৫ বছরের জন্য ১৪.৪৯% ইন্টারেস্টে লোন নিলেন। প্রত্যেক মাসে এই লোনের জন্য ৫৫ হাজার ৫ শত টাকা করে দিচ্ছেন। ভাবছেন এভাবে বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা শোধ হবে। কিন্তু না.. ইন্টারেস্ট না আছে!
ভাবলেন, ওকে ফাইন। আমি লোন কাভার করে যাই। বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দিচ্ছি, তার মানে এট লিস্ট তো ৫ লাখ টাকা কমে যাচ্ছে। বাকি লাখ টাকা সম্ভবত ইন্টারেস্ট কেটে নিবে..
কিন্তু না.. আপনি এভাবে বছর ঘুরার পর যদি খোজ নিয়ে দেখেন এক্সাটলি আপনার মূল লোন থেকে কত টাকা কমেছে.. বেশ অবাক হয়ে হতাশায় পরে যেতে পারেন!
দেখবেন পুরো বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দেওয়ার পরও ২৫ লাখের লোন নেমে ২২ লাখে মতো বাকি আছে। মানে পুরো বছর জুড়ে আপনি লোনের কিস্তি পরিশোধ করেছেন মাত্র ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকার!! বাকি টাকা কি তাহলে ইন্টারেস্ট এ গিয়েছে!!
কিন্তু আপনি তো জানতেন ইন্টারেস্ট ছিল ১৪.৪৯%, এখন তো দেখতেছেন ৫০% এর বেশী!!!
কেন এরকম হলো, এই আলাপ ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট কখনোই আপনাকে লোন নেওয়ার আগে নিজ থেকে ক্লিয়ার করবে না।
এই ১৪.৪৯% দেখে ৫০% এর কেরফা, এতে ভুক্তভোগী হয়ে অনেকেই ১৫ বছর এর লোন এর ৫/১০ বছর যাওয়ার পর যখন ইনকাম আর আগের মতো থাকে না, বা উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি মারা যায়, পরিবারের মানুষ ব্যাংক লোনের বোঝা দেখে আকাশ থেকে পরে।
বিষয়টা হচ্ছে “Reducing Balance Loan” বা Amortized Loan, শুরুর দিকের কিস্তি থেকে ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট ইন্টারেস্ট এর পরিমান বেশী করে কাটে। আস্তে আস্তে কিস্তি থেকে প্রিন্সিপালস এর রেশীও বাড়াতে থাকে।
তো যদি কখনো লোন নেন, মাস্ট EMI বা কিস্তির Amortization Schedule জেনে বুঝে, ব্যাক আপ প্ল্যান রেডি করে লোন নিবেন।
আর সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে, লোন না নিয়েই আগানো। ইসলামে তো আর শুধু শুধু 'সুদ' ব্যাপারটা হারাম করে নাই।
@Sabbir Ahmed
❤6
প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টার একটি অলঙ্ঘনীয় রুটিন বানিয়ে নিন এভাবে, এমনভাবে যে কোনো অবস্থায়ই আপনি এটি লঙ্ঘন করবেন না, ইং শা আল্লাহ।
.
১) ৩০ মিনিট শুধু কুরআন তিলাওয়াত করবেন, হৃদয় দিয়ে।
২) ১৫/২০ মিনিটের একটি সুন্দর লেকচার শুনবেন।
৩) ১৫/২০ মিনিট একটি গুরুত্বপূর্ণ বই পড়বেন।
.
এভাবে এক বছর চলুন। জীবনের চিত্রপট পরিবর্তন হয়ে যাবে, ইং শা আল্লাহ।
আপনি পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবেন, সময়গুলো বারাকাহপূর্ণ হয়ে উঠবে, আপনি জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান হয়ে উঠবেন, ইং শা আল্লাহ।
~ প্রফেসর মুখতার আহমেদ (হাফি.)
.
১) ৩০ মিনিট শুধু কুরআন তিলাওয়াত করবেন, হৃদয় দিয়ে।
২) ১৫/২০ মিনিটের একটি সুন্দর লেকচার শুনবেন।
৩) ১৫/২০ মিনিট একটি গুরুত্বপূর্ণ বই পড়বেন।
.
এভাবে এক বছর চলুন। জীবনের চিত্রপট পরিবর্তন হয়ে যাবে, ইং শা আল্লাহ।
আপনি পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবেন, সময়গুলো বারাকাহপূর্ণ হয়ে উঠবে, আপনি জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান হয়ে উঠবেন, ইং শা আল্লাহ।
~ প্রফেসর মুখতার আহমেদ (হাফি.)
❤10
নেলসন ম্যান্ডেলার দশ সূত্র।
১. ডিমান্ড রেসপেক্ট।
যে তোমাকে শ্রদ্ধা করবে না তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দাও। সশব্দে বন্ধ করে দাও।
২. তাদের ভুল প্রমাণ করো।
যারা বলে তুমি পারবে না, তোমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তাদের ভুল প্রমাণ করা। এর জন্য শুধু জেদ থাকলেই চলবে, আর কিছু লাগবে না।
৩. সময়কে ভালোবাসো।
জীবনটা খুব দীর্ঘ নয় যে শুয়েবসে কাটাবে। চোখের পাতা পড়ছে, এক ভগ্নাংশ সেকেন্ড চলে যাচ্ছে। তাই সময়টা ব্যবহার করো। প্রতিটি মানুষ মৃত্যুশয্যায় সময় নিয়ে আফসোস করে। এর ব্যতিক্রম কখনো হয়নি, হবেও না।
৪. বিড়ালটি কালো না সাদা জানার দরকার নেই।
আমার কাজটি হওয়াটাই জরুরি। তাই আমি সে পদ্ধতিতেই এগুবো যেটা আমাকে সফল করবে। বিড়ালটি কি সাদা না কালো তা আমার জানার দরকার নেই, শুধু সেটা ইঁদুর মারতে পারলেই হলো। তবে দুষ্ট বিড়াল হলে চলবে না, মানে, অসৎ পথ হলে চলবে না।
৫. বদলে দিতে চাও? আগে নিজে বদলাও।
অনেককিছুই বদলে দিতে ইচ্ছে করে তাই না? তাহলে আগে নিজে বদলাও। আত্মশুদ্ধি ছাড়া অন্যকে শুদ্ধ করা যায় না। একজন মাতাল আরেকজন মাতালকে উপদেশ দিতে পারে না। দিস ইজ অ্যাবসার্ড।
৬. বড়ো মানুষ সব সময় বড়ো নয়।
বড়ো মানুষকেই হিরো বানাতে হবে তা নয়।।যিনি তোমার ভালো চান, তিনিই তোমার হিরো। কারণ তিনিই তোমাকে পথ দেখাবেন। পত্রিকার ছবি থেকে উঠে এসে বিখ্যাত মানুষটি কখনোই তোমার হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন না।
৭. টেইক অ্যা স্টান্ড- নিজের মতে শক্ত থাকো।
যদি তোমার মত ন্যায্য হয়, তাতেই অটল থাকো। সুপারি গাছের মতো বাতাস যেদিকে দোলে সেদিকে দুলবে না, মড়াৎ করে কোমর ভেঙে যাবে।
৮. আবেগ নয়, মগজ খাটাও।
বেশিরভাগ ইমোশনাল সিদ্ধান্তের পরিণতি খারাপ হয়। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে মাথা খাটিয়ে, তাহলেই পথের নিশানা পাবে। মাঝে মাঝে আবেগকে মগজের নিচে কবর দিতে হয়।
৯. নিঃশ্বাসের সাথে বিশ্বাস বদলিও না।
তোমার বিশ্বাস হতে হবে অটল বিশ্বাস। যখন যার কোলে তাকে চুমু খেয়ে নিজের বিশ্বাস বদলে ফেলা মানে আত্মার মরণ। এটা করলে তুমি আর মানুষ থাকো না, মানুষের ছায়া হয়ে বেঁচে থাকো মাত্র।
১০. নীতির জন্য মৃত্যু, উজ্জ্বল মৃত্যু।
আমি জানতাম যেকোনো মুহূর্তে আমার ফাঁসি হতে পারে, কিন্তু আমি আপোষ করিনি। নীতির জন্য আমার মৃত্যু হলেও তা হতো উজ্জ্বল মৃত্যু, যাকে ইতিহাস সম্মান করতো।
Collected
১. ডিমান্ড রেসপেক্ট।
যে তোমাকে শ্রদ্ধা করবে না তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দাও। সশব্দে বন্ধ করে দাও।
২. তাদের ভুল প্রমাণ করো।
যারা বলে তুমি পারবে না, তোমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তাদের ভুল প্রমাণ করা। এর জন্য শুধু জেদ থাকলেই চলবে, আর কিছু লাগবে না।
৩. সময়কে ভালোবাসো।
জীবনটা খুব দীর্ঘ নয় যে শুয়েবসে কাটাবে। চোখের পাতা পড়ছে, এক ভগ্নাংশ সেকেন্ড চলে যাচ্ছে। তাই সময়টা ব্যবহার করো। প্রতিটি মানুষ মৃত্যুশয্যায় সময় নিয়ে আফসোস করে। এর ব্যতিক্রম কখনো হয়নি, হবেও না।
৪. বিড়ালটি কালো না সাদা জানার দরকার নেই।
আমার কাজটি হওয়াটাই জরুরি। তাই আমি সে পদ্ধতিতেই এগুবো যেটা আমাকে সফল করবে। বিড়ালটি কি সাদা না কালো তা আমার জানার দরকার নেই, শুধু সেটা ইঁদুর মারতে পারলেই হলো। তবে দুষ্ট বিড়াল হলে চলবে না, মানে, অসৎ পথ হলে চলবে না।
৫. বদলে দিতে চাও? আগে নিজে বদলাও।
অনেককিছুই বদলে দিতে ইচ্ছে করে তাই না? তাহলে আগে নিজে বদলাও। আত্মশুদ্ধি ছাড়া অন্যকে শুদ্ধ করা যায় না। একজন মাতাল আরেকজন মাতালকে উপদেশ দিতে পারে না। দিস ইজ অ্যাবসার্ড।
৬. বড়ো মানুষ সব সময় বড়ো নয়।
বড়ো মানুষকেই হিরো বানাতে হবে তা নয়।।যিনি তোমার ভালো চান, তিনিই তোমার হিরো। কারণ তিনিই তোমাকে পথ দেখাবেন। পত্রিকার ছবি থেকে উঠে এসে বিখ্যাত মানুষটি কখনোই তোমার হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন না।
৭. টেইক অ্যা স্টান্ড- নিজের মতে শক্ত থাকো।
যদি তোমার মত ন্যায্য হয়, তাতেই অটল থাকো। সুপারি গাছের মতো বাতাস যেদিকে দোলে সেদিকে দুলবে না, মড়াৎ করে কোমর ভেঙে যাবে।
৮. আবেগ নয়, মগজ খাটাও।
বেশিরভাগ ইমোশনাল সিদ্ধান্তের পরিণতি খারাপ হয়। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে মাথা খাটিয়ে, তাহলেই পথের নিশানা পাবে। মাঝে মাঝে আবেগকে মগজের নিচে কবর দিতে হয়।
৯. নিঃশ্বাসের সাথে বিশ্বাস বদলিও না।
তোমার বিশ্বাস হতে হবে অটল বিশ্বাস। যখন যার কোলে তাকে চুমু খেয়ে নিজের বিশ্বাস বদলে ফেলা মানে আত্মার মরণ। এটা করলে তুমি আর মানুষ থাকো না, মানুষের ছায়া হয়ে বেঁচে থাকো মাত্র।
১০. নীতির জন্য মৃত্যু, উজ্জ্বল মৃত্যু।
আমি জানতাম যেকোনো মুহূর্তে আমার ফাঁসি হতে পারে, কিন্তু আমি আপোষ করিনি। নীতির জন্য আমার মৃত্যু হলেও তা হতো উজ্জ্বল মৃত্যু, যাকে ইতিহাস সম্মান করতো।
Collected
👍3
ডায়াবেটিস….!!
অনেকেই জানতে চেয়েছেন ডায়াবেটিস কিভাবে ডায়াগনসিস করা হয়?
ডায়াবেটিস রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াগনসিস করা হয়।
রক্তের সুগার কত ( mmol/L)হলে ডায়াবেটিস বলা হয়:
✅ ১. Fasting Blood Sugar ( সাধারণত ৮ ঘণ্টা খালি
পেটে থেকে রক্ত দিতে হয় ):
* স্বাভাবিক: < 5.6 mmol/L
* Prediabetes ( IFG): 5.6 – 6.9 mmol/L
** ডায়াবেটিস: ≥ 7.0 mmol/L
✅ ২. 2-Hour OGTT / 2PPBS( ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার
২ ঘণ্টা পর):
* স্বাভাবিক: < 7.8 mmol/L
* Prediabetes ( IGT): 7.8 – 11.0 mmol/L
** ডায়াবেটিস: ≥ 11.1 mmol/L
✅ ৩. HbA1c (৩ মাসের গড় গ্লুকোজ):
* স্বাভাবিক: < 5.7%
* Prediabetes: 5.7% – 6.4%
** ডায়াবেটিস: ≥ 6.5%
✅ ৪. Random Blood Sugar (যেকোনো সময়):
ডায়াবেটিস নির্ণয়যোগ্য: ≥ 11.1 mmol/L, যদি উপসর্গ থাকে (যেমন বারবার প্রস্রাব, পিপাসা, ওজন কমা)।
পরে আবার উপরের পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়।
✅ মনে রাখবেন: একবারের পরীক্ষায় সব সময় নিশ্চিত না হয়ে, চিকিৎসক সাধারণত পুনরায় পরীক্ষা করেন নিশ্চিত হবার জন্য।
অধ্যাপক ডা. সমীর কুমার কুন্ডু
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
অনেকেই জানতে চেয়েছেন ডায়াবেটিস কিভাবে ডায়াগনসিস করা হয়?
ডায়াবেটিস রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াগনসিস করা হয়।
রক্তের সুগার কত ( mmol/L)হলে ডায়াবেটিস বলা হয়:
✅ ১. Fasting Blood Sugar ( সাধারণত ৮ ঘণ্টা খালি
পেটে থেকে রক্ত দিতে হয় ):
* স্বাভাবিক: < 5.6 mmol/L
* Prediabetes ( IFG): 5.6 – 6.9 mmol/L
** ডায়াবেটিস: ≥ 7.0 mmol/L
✅ ২. 2-Hour OGTT / 2PPBS( ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার
২ ঘণ্টা পর):
* স্বাভাবিক: < 7.8 mmol/L
* Prediabetes ( IGT): 7.8 – 11.0 mmol/L
** ডায়াবেটিস: ≥ 11.1 mmol/L
✅ ৩. HbA1c (৩ মাসের গড় গ্লুকোজ):
* স্বাভাবিক: < 5.7%
* Prediabetes: 5.7% – 6.4%
** ডায়াবেটিস: ≥ 6.5%
✅ ৪. Random Blood Sugar (যেকোনো সময়):
ডায়াবেটিস নির্ণয়যোগ্য: ≥ 11.1 mmol/L, যদি উপসর্গ থাকে (যেমন বারবার প্রস্রাব, পিপাসা, ওজন কমা)।
পরে আবার উপরের পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়।
✅ মনে রাখবেন: একবারের পরীক্ষায় সব সময় নিশ্চিত না হয়ে, চিকিৎসক সাধারণত পুনরায় পরীক্ষা করেন নিশ্চিত হবার জন্য।
অধ্যাপক ডা. সমীর কুমার কুন্ডু
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।
❤2
🌿 জীবনকে সহজ করে দেখার ১০টি সহজ সত্য :
১। যেখানে নিজেকে সবচেয়ে ভালো লাগে, সেখানেই থাকো।
২। কারও মুখে হাসি ফোটানোই অনেক বড় কাজ।
৩। নিজের মনের কথা শোনো, সবাইকে খুশি করতে যেও না।
৪। সব সময় কথা বললেই সব বোঝানো যায় না।
৫। চুপ থাকাটাও একটা শক্তি।
৬। জীবনের প্রতিটা সমস্যা কিছু না কিছু শেখায়।
৭। খারাপ দিন গেলেও, সামনে ভালো দিন আসবেই।
৮। ব্যর্থতা মানেই তুমি শিখছো—এটাই সফলতার শুরু।
৯। আমি হয়তো ভুল করি, কিন্তু আমি ভালো কিছু খুঁজেই যাচ্ছি।
১০। এই দুনিয়া চিরদিনের নয়, তাই এখন থেকেই জীবনটাকে মূল্য দাও।
১। যেখানে নিজেকে সবচেয়ে ভালো লাগে, সেখানেই থাকো।
২। কারও মুখে হাসি ফোটানোই অনেক বড় কাজ।
৩। নিজের মনের কথা শোনো, সবাইকে খুশি করতে যেও না।
৪। সব সময় কথা বললেই সব বোঝানো যায় না।
৫। চুপ থাকাটাও একটা শক্তি।
৬। জীবনের প্রতিটা সমস্যা কিছু না কিছু শেখায়।
৭। খারাপ দিন গেলেও, সামনে ভালো দিন আসবেই।
৮। ব্যর্থতা মানেই তুমি শিখছো—এটাই সফলতার শুরু।
৯। আমি হয়তো ভুল করি, কিন্তু আমি ভালো কিছু খুঁজেই যাচ্ছি।
১০। এই দুনিয়া চিরদিনের নয়, তাই এখন থেকেই জীবনটাকে মূল্য দাও।
ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের ওপর যা বই পড়েছি তার সামারি মোটামুটি এরকম:
১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না।
২. কখনো ঋণ করবেন না।
৩. আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১৫-২০%) বিনিয়োগ করুন। ইনডেক্স ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ।
নিচের এই পয়েন্টগুলো একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ :
১. প্রত্যেক মাসের বাজেট করুন।
২. ছয় মাসের ইমার্জেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন।
৩. লোক দেখানোর জন্য কখনোই কোনো পণ্য কিনবেন না।
৪. যেই জিনিস আপনি নগদ টাকা দিয়ে কেনার ক্ষমতা রাখেন না, সেটা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিনবেন না। ক্রেডিট কার্ড একটা ফাঁদ। এটা থেকে সাবধান।
৫. প্রয়োজন এবং বিলাসিতার মধ্যে পার্থক্য বুঝুন। 'ইমপালসিভ বায়িং' (এটা ছাড় দিয়েছে/দেখতে সুন্দর, কিনে ফেলি) থেকে দূরে থাকুন।
৬. Asset তৈরি করুন; Liability না।
(Asset হচ্ছে সেটা যেটা আপনার পকেটে টাকা ঢুকায়। আর Liability হচ্ছে সেটা, যেটা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়।)
বোনাস ফিলোসোফি:
১. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার ৮০% নির্ভর করে আপনার আচরণের ওপর। আপনি যদি দশ হাজার টাকা ম্যানেজ করতে না পারেন, আপনাকে দশ লাখ টাকা দিলেও আপনি পারবেন না।
২. আপনাকে আসলেই বদ্ধপরিকর হতে হবে, মানসিকভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
বিশ্বাস করুন, বড় বড় যত বই-ই লিখুক, ঘুরেফিরে কথা একই। ওপরের এই কয়টা পয়েন্টের সাথে আরো দুএকটা কমন কথাবার্তা এবং এগুলোই সেল করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। মজার ব্যাপার কী জানেন? এগুলা আসলে কাজ করে। বিশ্বাস হয় না? নিজে প্রয়োগ করে দেখুন।
১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না।
২. কখনো ঋণ করবেন না।
৩. আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১৫-২০%) বিনিয়োগ করুন। ইনডেক্স ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ।
নিচের এই পয়েন্টগুলো একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ :
১. প্রত্যেক মাসের বাজেট করুন।
২. ছয় মাসের ইমার্জেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন।
৩. লোক দেখানোর জন্য কখনোই কোনো পণ্য কিনবেন না।
৪. যেই জিনিস আপনি নগদ টাকা দিয়ে কেনার ক্ষমতা রাখেন না, সেটা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিনবেন না। ক্রেডিট কার্ড একটা ফাঁদ। এটা থেকে সাবধান।
৫. প্রয়োজন এবং বিলাসিতার মধ্যে পার্থক্য বুঝুন। 'ইমপালসিভ বায়িং' (এটা ছাড় দিয়েছে/দেখতে সুন্দর, কিনে ফেলি) থেকে দূরে থাকুন।
৬. Asset তৈরি করুন; Liability না।
(Asset হচ্ছে সেটা যেটা আপনার পকেটে টাকা ঢুকায়। আর Liability হচ্ছে সেটা, যেটা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়।)
বোনাস ফিলোসোফি:
১. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার ৮০% নির্ভর করে আপনার আচরণের ওপর। আপনি যদি দশ হাজার টাকা ম্যানেজ করতে না পারেন, আপনাকে দশ লাখ টাকা দিলেও আপনি পারবেন না।
২. আপনাকে আসলেই বদ্ধপরিকর হতে হবে, মানসিকভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
বিশ্বাস করুন, বড় বড় যত বই-ই লিখুক, ঘুরেফিরে কথা একই। ওপরের এই কয়টা পয়েন্টের সাথে আরো দুএকটা কমন কথাবার্তা এবং এগুলোই সেল করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। মজার ব্যাপার কী জানেন? এগুলা আসলে কাজ করে। বিশ্বাস হয় না? নিজে প্রয়োগ করে দেখুন।
❤6
ইতালির ভেনিস নগরী বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল ছিল। ভেনিসকে ঘিরে যে উপহ্রদটি আছে তার পানি লবণাক্ত। তাই ভেনিসের প্রাচীন অধিবাসীরা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি সিস্টেম বানায়। বৃষ্টি হলে এটাতে বিশেষভাবে তৈরী পাথরের পৃষ্ঠ দিয়ে চুইয়ে পানি পড়ত। তারপর তা বালির একটি স্তরের মাধ্যমে ছাঁকা হয়ে কূপে জমা হত।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এটা নতুন কিছু নয়।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখাকে বর্তমানে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং বলা হয়।
বিশ্বব্যাপী রেইনওয়াটার হারভেস্টিংয়ের জনপ্রিয়তা এখন বাড়ছে। থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং আফ্রিকার কিছু দেশ রেইনওয়াটার হারভেস্টিং প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে।
রেইন হারভেস্টিং দ্বারা বিশাল পরিমাণে পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা সম্ভব। সিস্টেমটি সঠিকভাবে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করলে দীর্ঘসময় ধরে সংরক্ষিত পানি ব্যবহারোপযোগী রাখা যায়।
থাইল্যান্ডে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেইন হারভেস্টিং করা হয়। সেদেশের সরকার ৮০’র দশক থেকেই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। তামিলনাড়ুতে ২০০১ সালে প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেখানকার সব পল্লি অঞ্চলে রেইন হারভেস্টিং কাজে লাগানো হয়। সমগ্র তামিলনাড়ুতে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংগ্রহে মানুষকে সচেতন করা হয়।
বৃষ্টির পানি হলো আল্লাহর নিয়ামত যা কারেন্ট, জ্বালানি, বিল ইত্যাদি খরচ ছাড়াই পাওয়া যায়। সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা গেলে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিশুদ্ধ পানির উৎস। খাওয়া, ধোয়ামোছা, রান্নাবান্না, গোসল, গাছপালা ও পশুপাখিকে সরবরাহ ইত্যাদি কাজে বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশেও রেইন হারভেস্টিং অত্যন্ত উপযোগী ও কার্যকর। বাংলাদেশের অনেক শহুরে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। রেইন হারভেস্টিং এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হলে ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো যাবে।
বর্তমানে সিঙ্গাপুর, টোকিও, সিডনি এইসব শহরে নতুন ভবন নির্মাণ করলে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
বাড়িওয়ালারা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের জন্য যে টাকা ইনভেস্ট করবে তা দুই-তিন বছরের মধ্যে উঠে আসবে। এককালীন খরচের মাধ্যমে একটি রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্ট স্থাপন করলে বছরের পর বছর এর সুফল ভোগ করা যায়।
একটি সাধারণ বাড়ির জন্য রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরি করলে কী পরিমাণ পানি রিজার্ভ করা যাবে এবং সেটি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে বাড়ির ছাদের আকার, এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এবং পরিবারের দৈনন্দিন পানির চাহিদার উপর।
সাধারণত,
রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্টের ৩ টি অংশ থাকে:
১। ক্যাচমেন্ট এরিয়া: যে পৃষ্ঠে সরাসরি বৃষ্টিপাত হয় তাকে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বলে। এটা আপনার বাড়ির ছাদ, উঠান কিংবা ভূপৃষ্ঠও হতে পারে। ক্যাচমেন্ট এরিয়া আপনার হার্ভেস্টিং সিস্টেমের জন্য রেইন ওয়াটার কালেক্ট করে। রুফটপ হার্ভেস্টিংয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়া হলো ছাদ।
২। স্টোরেজ: সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ডাইভার্ট করা হয়।
৩। ফিল্টারিং সিস্টেম: বৃষ্টির পানি সাধারণত বিশুদ্ধ। কিন্তু উন্মুক্ত ক্যাচমেন্ট এরিয়া থেকে এই পানিতে ধুলাবালি, ময়লা, লতাপাতা ইত্যাদি মিশে। তাই এই পানি খাওয়ার আগে ফিল্টার করা জরুরী।
কিছু DIY (Do it yourself) রেইন হারভেস্টিং মডেল:
১। রেইন ব্যারেল: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ‘রেইন ব্যারেল’। এই সিস্টেমের জন্য অতিরিক্ত জায়গা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোনোটিই প্রয়োজন নেই। কেবল বাজার থেকে একটি ব্যারেল কিনে ছাদ থেকে পানি নামার পাইপের নীচে স্থাপন করলেই হলো। রেইনওয়াটার হারভেস্টিং শুরু হয় বাড়ির ছাদ থেকে। তাই ছাদ পরিষ্কার রাখা প্রথম কাজ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর ক্যাপাসিটি খুব কম, মাত্র ২০০-৩০০ লিটার। আর এটাতে ফিল্টারিং সিস্টেম থাকেনা।
২। রুফটপ রেইন হারভেস্টিং: রুফটপ রেইন হারভেস্টিং হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বাড়ির ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ছাদে পড়া বৃষ্টির পানি পাইপের মাধ্যমে একটি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে জমা করা হয়। DIY হলে এটায় জটিল প্রযুক্তির প্রয়োজন হবে না। কিছু সাধারণ উপকরণ এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নিজেই কম খরচে বানাতে পারবেন। পরে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজও করতে পারবেন।
৩। সোলার+রেইন হার্ভেস্টিং: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌর প্যানেল স্থাপন করা হলে একটা বিশাল এরিয়া ঢাকা পড়ে যায়। এক্ষেত্রে সোলার প্যানেলকে ওয়াটার ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় রুপান্তর করা যেতে পারে। তখন বৃষ্টির সময় সৌর প্যানেলের পৃষ্ঠ থেকে পানি আহরণ করা যাবে।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এটা নতুন কিছু নয়।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখাকে বর্তমানে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং বলা হয়।
বিশ্বব্যাপী রেইনওয়াটার হারভেস্টিংয়ের জনপ্রিয়তা এখন বাড়ছে। থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং আফ্রিকার কিছু দেশ রেইনওয়াটার হারভেস্টিং প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে।
রেইন হারভেস্টিং দ্বারা বিশাল পরিমাণে পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা সম্ভব। সিস্টেমটি সঠিকভাবে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করলে দীর্ঘসময় ধরে সংরক্ষিত পানি ব্যবহারোপযোগী রাখা যায়।
থাইল্যান্ডে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেইন হারভেস্টিং করা হয়। সেদেশের সরকার ৮০’র দশক থেকেই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। তামিলনাড়ুতে ২০০১ সালে প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেখানকার সব পল্লি অঞ্চলে রেইন হারভেস্টিং কাজে লাগানো হয়। সমগ্র তামিলনাড়ুতে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংগ্রহে মানুষকে সচেতন করা হয়।
বৃষ্টির পানি হলো আল্লাহর নিয়ামত যা কারেন্ট, জ্বালানি, বিল ইত্যাদি খরচ ছাড়াই পাওয়া যায়। সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা গেলে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিশুদ্ধ পানির উৎস। খাওয়া, ধোয়ামোছা, রান্নাবান্না, গোসল, গাছপালা ও পশুপাখিকে সরবরাহ ইত্যাদি কাজে বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশেও রেইন হারভেস্টিং অত্যন্ত উপযোগী ও কার্যকর। বাংলাদেশের অনেক শহুরে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। রেইন হারভেস্টিং এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হলে ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো যাবে।
বর্তমানে সিঙ্গাপুর, টোকিও, সিডনি এইসব শহরে নতুন ভবন নির্মাণ করলে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
বাড়িওয়ালারা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের জন্য যে টাকা ইনভেস্ট করবে তা দুই-তিন বছরের মধ্যে উঠে আসবে। এককালীন খরচের মাধ্যমে একটি রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্ট স্থাপন করলে বছরের পর বছর এর সুফল ভোগ করা যায়।
একটি সাধারণ বাড়ির জন্য রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরি করলে কী পরিমাণ পানি রিজার্ভ করা যাবে এবং সেটি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে বাড়ির ছাদের আকার, এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এবং পরিবারের দৈনন্দিন পানির চাহিদার উপর।
সাধারণত,
রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্টের ৩ টি অংশ থাকে:
১। ক্যাচমেন্ট এরিয়া: যে পৃষ্ঠে সরাসরি বৃষ্টিপাত হয় তাকে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বলে। এটা আপনার বাড়ির ছাদ, উঠান কিংবা ভূপৃষ্ঠও হতে পারে। ক্যাচমেন্ট এরিয়া আপনার হার্ভেস্টিং সিস্টেমের জন্য রেইন ওয়াটার কালেক্ট করে। রুফটপ হার্ভেস্টিংয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়া হলো ছাদ।
২। স্টোরেজ: সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ডাইভার্ট করা হয়।
৩। ফিল্টারিং সিস্টেম: বৃষ্টির পানি সাধারণত বিশুদ্ধ। কিন্তু উন্মুক্ত ক্যাচমেন্ট এরিয়া থেকে এই পানিতে ধুলাবালি, ময়লা, লতাপাতা ইত্যাদি মিশে। তাই এই পানি খাওয়ার আগে ফিল্টার করা জরুরী।
কিছু DIY (Do it yourself) রেইন হারভেস্টিং মডেল:
১। রেইন ব্যারেল: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ‘রেইন ব্যারেল’। এই সিস্টেমের জন্য অতিরিক্ত জায়গা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোনোটিই প্রয়োজন নেই। কেবল বাজার থেকে একটি ব্যারেল কিনে ছাদ থেকে পানি নামার পাইপের নীচে স্থাপন করলেই হলো। রেইনওয়াটার হারভেস্টিং শুরু হয় বাড়ির ছাদ থেকে। তাই ছাদ পরিষ্কার রাখা প্রথম কাজ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর ক্যাপাসিটি খুব কম, মাত্র ২০০-৩০০ লিটার। আর এটাতে ফিল্টারিং সিস্টেম থাকেনা।
২। রুফটপ রেইন হারভেস্টিং: রুফটপ রেইন হারভেস্টিং হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বাড়ির ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ছাদে পড়া বৃষ্টির পানি পাইপের মাধ্যমে একটি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে জমা করা হয়। DIY হলে এটায় জটিল প্রযুক্তির প্রয়োজন হবে না। কিছু সাধারণ উপকরণ এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নিজেই কম খরচে বানাতে পারবেন। পরে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজও করতে পারবেন।
৩। সোলার+রেইন হার্ভেস্টিং: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌর প্যানেল স্থাপন করা হলে একটা বিশাল এরিয়া ঢাকা পড়ে যায়। এক্ষেত্রে সোলার প্যানেলকে ওয়াটার ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় রুপান্তর করা যেতে পারে। তখন বৃষ্টির সময় সৌর প্যানেলের পৃষ্ঠ থেকে পানি আহরণ করা যাবে।
৪। রেইন সসার: রেইন সসার একটি উল্টানো ছাতা সদৃশ জিনিস যা দিয়ে বৃষ্টির সময় পানি আহরণ করা যায়। এই পদ্ধতিটি পানি দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা কমায় কারণ ছাদ কিংবা অন্যান্য খোলা পৃষ্ঠে ধুলা-ময়লা থাকে। রেইন সসার দিয়ে সংগ্রহকৃত পানি সরাসরি পান করা যেতে পারে।
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরিতে খরচের পরিসর:
১) ছোট সিস্টেম: ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। এর মধ্যে একটি ছোট ট্যাঙ্ক (৫০০-১০০০ লিটার), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
২) মাঝারি সিস্টেম: ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টাকা। ২০০০-৫০০০ লিটারের ট্যাঙ্ক, পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
৩) বৃহৎ সিস্টেম (বাণিজ্যিক বা কৃষিকাজের জন্য): ১০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ টাকা বা আরও বেশি। বড় ট্যাঙ্ক (১০,০০০ লিটার বা তার বেশি), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
রেইন হারভেস্টিং থেকে পানি সংগ্রহের পরিমাণ নির্ভর করে যে কয়টি বিষয়ের উপর:
১) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ: বাংলাদেশে বছরে গড়ে ২০০০-৩০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অধিক পরিমাণ পানি সংগ্রহ সম্ভব। একটি ছোট বাড়ির ছাদে (৫০ বর্গমিটার) সঠিক ব্যবস্থাপনায় প্রতি বর্ষাকালে ৭৫,০০০-৮০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা সম্ভব।
২) ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সাইজ: আপনার বাড়ির ছাদ বা সংগ্রহের পৃষ্ঠতলের আকার অনুসারে পানির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি ১০০ বর্গমিটার ছাদ থাকে এবং বছরে ২০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়, তবে আপনি প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বাস্তবে আপনি এই পানির মোটামুটি ৭০-৮০% সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকিটা বৃষ্টির শুরুতে ছাদ পরিষ্কারের জন্য এবং পরে নানাভাবে লস যাবে।
এক বছরে পানির পরিমাণ হিসাবের ফর্মুলা:
পানির পরিমাণ (লিটার) = ক্যাচমেন্ট এরিয়ার আকার (বর্গমিটার) × বৃষ্টিপাতের পরিমাণ (মিমি) × সংগ্রহের দক্ষতা (৭০-৮০%)
উদাহরণ: ১০০ বর্গমিটার ছাদ × ২০০০ মিমি বৃষ্টি × ৭৫% (সংগ্রহের দক্ষতা) = ১৫০,০০০ লিটার পানি (প্রতি বছর)
পানি কতদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায়?
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেমে সাধারণত পরিষ্কার ও ফিল্টার করা পানি ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে। যদি স্টোরেজ ট্যাঙ্ক ভালোভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা হয় তাহলে পানি ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
সংগৃহীত পানি কতদিন চলবে?
সংগ্রহ করা পানি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে দৈনিক পানির চাহিদার উপর। সাধারণত একটি পরিবারের দৈনিক পানি খরচের জায়গাগুলো হচ্ছে- খাওয়া ও রান্নার পানি, গোসল ও শৌচকার্য, কাপড় ও বাসনপত্র ধোয়া, বাগান পরিচর্যা ইত্যাদি। বাংলাদেশে একটি সাধারণ পরিবারে (৪-৫ জনের) দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৩০০-৫০০ লিটার হতে পারে।
যদি বর্ষা মৌসুমে ১৬০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা যায় এবং দৈনিক চাহিদা ৪০০ লিটার ধরা হয়, তাহলে এই পানি দিয়ে পরিবারটি ১৬০,০০০ ÷ ৪০০ = ৪০০ দিন (প্রায় ১৩ মাস) চলতে পারবে।
আপনি যদি বৃষ্টির পানি শুধু আংশিক কাজে (যেমন বাগান, শৌচকার্য, কাপড় ধোয়া) ব্যবহার করেন, তাহলে এই পানিতে আরো দীর্ঘসময় ধরে চলবে।
Muhammad Rahat Khan
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরিতে খরচের পরিসর:
১) ছোট সিস্টেম: ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। এর মধ্যে একটি ছোট ট্যাঙ্ক (৫০০-১০০০ লিটার), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
২) মাঝারি সিস্টেম: ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টাকা। ২০০০-৫০০০ লিটারের ট্যাঙ্ক, পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
৩) বৃহৎ সিস্টেম (বাণিজ্যিক বা কৃষিকাজের জন্য): ১০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ টাকা বা আরও বেশি। বড় ট্যাঙ্ক (১০,০০০ লিটার বা তার বেশি), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
রেইন হারভেস্টিং থেকে পানি সংগ্রহের পরিমাণ নির্ভর করে যে কয়টি বিষয়ের উপর:
১) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ: বাংলাদেশে বছরে গড়ে ২০০০-৩০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অধিক পরিমাণ পানি সংগ্রহ সম্ভব। একটি ছোট বাড়ির ছাদে (৫০ বর্গমিটার) সঠিক ব্যবস্থাপনায় প্রতি বর্ষাকালে ৭৫,০০০-৮০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা সম্ভব।
২) ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সাইজ: আপনার বাড়ির ছাদ বা সংগ্রহের পৃষ্ঠতলের আকার অনুসারে পানির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি ১০০ বর্গমিটার ছাদ থাকে এবং বছরে ২০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়, তবে আপনি প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বাস্তবে আপনি এই পানির মোটামুটি ৭০-৮০% সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকিটা বৃষ্টির শুরুতে ছাদ পরিষ্কারের জন্য এবং পরে নানাভাবে লস যাবে।
এক বছরে পানির পরিমাণ হিসাবের ফর্মুলা:
পানির পরিমাণ (লিটার) = ক্যাচমেন্ট এরিয়ার আকার (বর্গমিটার) × বৃষ্টিপাতের পরিমাণ (মিমি) × সংগ্রহের দক্ষতা (৭০-৮০%)
উদাহরণ: ১০০ বর্গমিটার ছাদ × ২০০০ মিমি বৃষ্টি × ৭৫% (সংগ্রহের দক্ষতা) = ১৫০,০০০ লিটার পানি (প্রতি বছর)
পানি কতদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায়?
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেমে সাধারণত পরিষ্কার ও ফিল্টার করা পানি ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে। যদি স্টোরেজ ট্যাঙ্ক ভালোভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা হয় তাহলে পানি ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
সংগৃহীত পানি কতদিন চলবে?
সংগ্রহ করা পানি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে দৈনিক পানির চাহিদার উপর। সাধারণত একটি পরিবারের দৈনিক পানি খরচের জায়গাগুলো হচ্ছে- খাওয়া ও রান্নার পানি, গোসল ও শৌচকার্য, কাপড় ও বাসনপত্র ধোয়া, বাগান পরিচর্যা ইত্যাদি। বাংলাদেশে একটি সাধারণ পরিবারে (৪-৫ জনের) দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৩০০-৫০০ লিটার হতে পারে।
যদি বর্ষা মৌসুমে ১৬০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা যায় এবং দৈনিক চাহিদা ৪০০ লিটার ধরা হয়, তাহলে এই পানি দিয়ে পরিবারটি ১৬০,০০০ ÷ ৪০০ = ৪০০ দিন (প্রায় ১৩ মাস) চলতে পারবে।
আপনি যদি বৃষ্টির পানি শুধু আংশিক কাজে (যেমন বাগান, শৌচকার্য, কাপড় ধোয়া) ব্যবহার করেন, তাহলে এই পানিতে আরো দীর্ঘসময় ধরে চলবে।
Muhammad Rahat Khan
বাচ্চাদের সাধারণত আমরা কি কি টিকা দিয়ে থাকি✅✅
EPI Schedule মনে রাখার সহজ টেকনিক :-
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
পা (P) = Poliomyelitis
M = Measles
R = Rubella
T = Tuberculosis
🖊️ কখন কোন টিকা দেওয়া হয়?
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
N.B: এই পাঁচটি Vaccine কে একত্রে Pentavalent Vaccine বলা হয়।
রোগের নাম : ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টাংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি
টিকার নাম : পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ,১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh - Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular-IM)
🖊️ পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
রোগের নাম : নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া
টিকার নাম : পিসিভি টিকা (PCV)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh -Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular - IM)
🖊️ পা (P) = Poliomyelitis
রোগের নাম : পোলিওমাইলাইটিস
টিকার নাম : ওপিভি (OPV)
ডোজ : 2-3 ফোঁটা অথবা নির্দেশনা অনুসারে
ডোজের সংখ্যা : ৪
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : মুখে
টিকার প্রয়োগ পথ : মুখে
🖊️ M = Measles
R = Rubella
রোগের নাম : হাম ও রুবেলা
টিকার নাম : এমআর টিকা
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি :
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : হামের টিকা 9 মাস বয়স পূর্ণ হলে এবং রুবেলার টিকা ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে দেয়া হয়।
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে-ডান উরুতে ( Upper & outer part of right mid thigh - Right side)
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার নীচে (Subcutaneous)
🖊️ T = Tuberculosis
জন্মের সময়: জন্মের সময় সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়, যা যক্ষ্মা রোগ থেকে রক্ষা করে।
রোগের নাম : যক্ষা (Tuberculosis)
টিকার নাম : বিসিজি (BCG)
ডোজ : 0.05 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : -
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : জন্মের পর থেকে
টিকাদানের স্থান : বাম বাহুর উপরের অংশে
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার মধ্যে (Intra-dermal)
টিকা নেওয়ার গুরুত্ব
1. টিকা বাচ্চাদের মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে।
2. টিকা বাচ্চাদেরকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে।
3. টিকা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে সাহায্য করে।
সাধারণত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অনেক বেসরকারি হাসপাতালে বাচ্চাদের টিকা দেওয়া হয়।
সময়মত টিকা নিন,আপনার সন্তানের সুন্দর জীবন উপহার দিন!সংগৃহীত
EPI Schedule মনে রাখার সহজ টেকনিক :-
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
পা (P) = Poliomyelitis
M = Measles
R = Rubella
T = Tuberculosis
🖊️ কখন কোন টিকা দেওয়া হয়?
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
N.B: এই পাঁচটি Vaccine কে একত্রে Pentavalent Vaccine বলা হয়।
রোগের নাম : ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টাংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি
টিকার নাম : পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ,১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh - Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular-IM)
🖊️ পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
রোগের নাম : নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া
টিকার নাম : পিসিভি টিকা (PCV)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh -Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular - IM)
🖊️ পা (P) = Poliomyelitis
রোগের নাম : পোলিওমাইলাইটিস
টিকার নাম : ওপিভি (OPV)
ডোজ : 2-3 ফোঁটা অথবা নির্দেশনা অনুসারে
ডোজের সংখ্যা : ৪
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : মুখে
টিকার প্রয়োগ পথ : মুখে
🖊️ M = Measles
R = Rubella
রোগের নাম : হাম ও রুবেলা
টিকার নাম : এমআর টিকা
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি :
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : হামের টিকা 9 মাস বয়স পূর্ণ হলে এবং রুবেলার টিকা ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে দেয়া হয়।
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে-ডান উরুতে ( Upper & outer part of right mid thigh - Right side)
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার নীচে (Subcutaneous)
🖊️ T = Tuberculosis
জন্মের সময়: জন্মের সময় সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়, যা যক্ষ্মা রোগ থেকে রক্ষা করে।
রোগের নাম : যক্ষা (Tuberculosis)
টিকার নাম : বিসিজি (BCG)
ডোজ : 0.05 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : -
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : জন্মের পর থেকে
টিকাদানের স্থান : বাম বাহুর উপরের অংশে
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার মধ্যে (Intra-dermal)
টিকা নেওয়ার গুরুত্ব
1. টিকা বাচ্চাদের মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে।
2. টিকা বাচ্চাদেরকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে।
3. টিকা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে সাহায্য করে।
সাধারণত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অনেক বেসরকারি হাসপাতালে বাচ্চাদের টিকা দেওয়া হয়।
সময়মত টিকা নিন,আপনার সন্তানের সুন্দর জীবন উপহার দিন!সংগৃহীত
❤4
রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :)
১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ?
২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল ।
৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন ।
৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে।
৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......।
৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ?
৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন ।
৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না ।
৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন।
এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে ।
১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে ।
১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে ।
১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন <3
আমরা চাই আপনি সবসময় সেইফ থাকেন এবং আপনার প্রিয়জন রাও যাতে সেইফ থাকে । প্রিয়জন দের সাথে শেয়ার করতে পারেন। <3 ধন্যবাদ
@loocksmaxbd
১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ?
২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল ।
৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন ।
৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে।
৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......।
৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ?
৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন ।
৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না ।
৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন।
এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে ।
১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে ।
১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে ।
১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন <3
আমরা চাই আপনি সবসময় সেইফ থাকেন এবং আপনার প্রিয়জন রাও যাতে সেইফ থাকে । প্রিয়জন দের সাথে শেয়ার করতে পারেন। <3 ধন্যবাদ
@loocksmaxbd
❤6