📢 জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট)
🔹 পদ: সেলস অফিসার
🔹 সংখ্যা: ১৫ জন
🔹 যোগ্যতা: SSC/HSC/ডিগ্রি (মার্কেটিং-এ অভিজ্ঞতা আবশ্যক)
🔹 কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, মুন্সিগঞ্জ, জিঞ্জিরা, নবাবগঞ্জ
💰 বেতন: ১২,৫০০ – ১৩,৫০০ টাকা
🚌 টিএ: একচুয়াল (রুটের গাড়ি ভাড়া অনুযায়ী)
🍛 ডিএ: ১০০ টাকা/দিন
🎯 ইনসেন্টিভ: ৯,০০০ – ২২,০০০ টাকা
🎁 সুবিধা:
২টি ঈদ বোনাস
স্বাস্থ্য বীমা
📄 আবেদন করুন:
সিভি ও NID-এর ছবি পাঠান
📱 WhatsApp: 01537510028
📧 Email: ro.narayanganj@ims.net.bd
🖊️ আবেদনপত্রে পদের নাম ও কর্মস্থল অবশ্যই উল্লেখ করুন।
✅ শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রার্থীদের ডাকা হবে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ডিস্ট্রিবিউশন পয়েন্ট)
🔹 পদ: সেলস অফিসার
🔹 সংখ্যা: ১৫ জন
🔹 যোগ্যতা: SSC/HSC/ডিগ্রি (মার্কেটিং-এ অভিজ্ঞতা আবশ্যক)
🔹 কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, মুন্সিগঞ্জ, জিঞ্জিরা, নবাবগঞ্জ
💰 বেতন: ১২,৫০০ – ১৩,৫০০ টাকা
🚌 টিএ: একচুয়াল (রুটের গাড়ি ভাড়া অনুযায়ী)
🍛 ডিএ: ১০০ টাকা/দিন
🎯 ইনসেন্টিভ: ৯,০০০ – ২২,০০০ টাকা
🎁 সুবিধা:
২টি ঈদ বোনাস
স্বাস্থ্য বীমা
📄 আবেদন করুন:
সিভি ও NID-এর ছবি পাঠান
📱 WhatsApp: 01537510028
📧 Email: ro.narayanganj@ims.net.bd
🖊️ আবেদনপত্রে পদের নাম ও কর্মস্থল অবশ্যই উল্লেখ করুন।
✅ শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রার্থীদের ডাকা হবে।
❤1
জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি*
✅কোম্পানির নাম: Rumax Lubricant
✅প্রডাক্ট/গ্রুপ : Lubricant and tyre gal
**পদের নাম:
[০১] ডিস্ট্রিক্ট সের্লস এক্সিকিউটিভ
[০২] ডেলিভারি সেলর্স রিপ্রেজেন্টেটিভ ( dSR)
লোকেশন: ময়মনসিংহ নেত্রকোনা গাজীপুর
**পদসংখ্যা: ০৪
১ নং পদের, **স্যালারি :- ১৮০০০
**টিএ/ডিএ : ৮০০০
২নং পদের ** স্যালারি ১৪০০০
ডিএ: প্রতিদিন ১২০
**সেলসের এর উপর কমিশন।
**ঈদ বোনাস:০২ টি
**ইনসেনটিভ সহ ২৫০০০ থেকে ৩০০০০ টাকা ইনকামের সুযোগ আছে
**নিজ কর্মদক্ষতা বলে প্রমোশনের সুযোগ
**শিক্ষাগত যোগ্যতা : ১নং পদের জন্য: ডিগ্রী পাস।
২ নং পদের জন্য : SSC HSC
**অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম সেলস এন্ড মার্কেটিংয়ে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
Lubricant কোম্পানির অভিজ্ঞতা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
➡যোগাযোগ:
Regional Sells manager
মোবাইল: 01911901719 WhatsApp
এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে সিভি প্রদান করে অবশ্যই আপনার এরিয়া এবং পদ উল্লেখ করবেন। ফোন নম্বর দিবেন। আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে।
অনুগ্রহ করে যে ব্যাক্তি বা ভাই চাকরি করতে ইচ্ছুক বা প্রয়োজন শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি বা ভাই যোগাযোগ করুন
✅কোম্পানির নাম: Rumax Lubricant
✅প্রডাক্ট/গ্রুপ : Lubricant and tyre gal
**পদের নাম:
[০১] ডিস্ট্রিক্ট সের্লস এক্সিকিউটিভ
[০২] ডেলিভারি সেলর্স রিপ্রেজেন্টেটিভ ( dSR)
লোকেশন: ময়মনসিংহ নেত্রকোনা গাজীপুর
**পদসংখ্যা: ০৪
১ নং পদের, **স্যালারি :- ১৮০০০
**টিএ/ডিএ : ৮০০০
২নং পদের ** স্যালারি ১৪০০০
ডিএ: প্রতিদিন ১২০
**সেলসের এর উপর কমিশন।
**ঈদ বোনাস:০২ টি
**ইনসেনটিভ সহ ২৫০০০ থেকে ৩০০০০ টাকা ইনকামের সুযোগ আছে
**নিজ কর্মদক্ষতা বলে প্রমোশনের সুযোগ
**শিক্ষাগত যোগ্যতা : ১নং পদের জন্য: ডিগ্রী পাস।
২ নং পদের জন্য : SSC HSC
**অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম সেলস এন্ড মার্কেটিংয়ে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
Lubricant কোম্পানির অভিজ্ঞতা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
➡যোগাযোগ:
Regional Sells manager
মোবাইল: 01911901719 WhatsApp
এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে সিভি প্রদান করে অবশ্যই আপনার এরিয়া এবং পদ উল্লেখ করবেন। ফোন নম্বর দিবেন। আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে।
অনুগ্রহ করে যে ব্যাক্তি বা ভাই চাকরি করতে ইচ্ছুক বা প্রয়োজন শুধুমাত্র সেই ব্যক্তি বা ভাই যোগাযোগ করুন
❤1
*নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি*
দক্ষিণ বনশ্রী ও আশেপাশের এলাকা থেকে একজন ভদ্র ও দায়িত্বশীল *ছেলে কর্মী* প্রয়োজন।
*যোগ্যতা:* ন্যূনতম SSC পাশ, পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
*কাজের বিবরণ:*
তাওয়াল, বিছানার চাদর গুছিয়ে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ডেলিভারি দেওয়া।
*বেতন:* ১০,০০০ টাকা
*সুবিধা:* অফিস থেকে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে।
*সময়:* সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টা (শুক্রবার বন্ধ)
*যোগাযোগ:* 01325751005 (ফোন করতে পারেন যেকোনো দিন, শুক্রবার ছাড়া)
*শুধুমাত্র আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।*
দক্ষিণ বনশ্রী ও আশেপাশের এলাকা থেকে একজন ভদ্র ও দায়িত্বশীল *ছেলে কর্মী* প্রয়োজন।
*যোগ্যতা:* ন্যূনতম SSC পাশ, পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
*কাজের বিবরণ:*
তাওয়াল, বিছানার চাদর গুছিয়ে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ডেলিভারি দেওয়া।
*বেতন:* ১০,০০০ টাকা
*সুবিধা:* অফিস থেকে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে।
*সময়:* সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টা (শুক্রবার বন্ধ)
*যোগাযোগ:* 01325751005 (ফোন করতে পারেন যেকোনো দিন, শুক্রবার ছাড়া)
*শুধুমাত্র আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন।*
একটা সময় আমাদের মা খালা, দাদি নানিদের বিয়ে হতো ১০/১১/১৬+-
আমার মায়ের বিয়ে হয়েছিলো ১৬ বছরে কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি ?
একটা মেয়ে অনার্স শেষ করবে ক্যারিয়ার গড়বে তারপর বিয়ে করবে এরকমই মানসিকতা লালন করে অধিকাংশ মেয়েরা, অনার্স শেষ করতেই তো ২৪/২৫+- হয়ে যায় তারপর ক্যারিয়ারের দিকে ঝুঁকে পরে। ক্যারিয়ার গড়তে ২৮/৩০+- তারপর বিয়ে ।
এই সম্পুর্ণ বিষয়গুলো কি তাকদিরের বিষয় ? কয়েক বছরেরই মেয়েদের তাকদিরে কি এমন ঘটলো যে বেশিরভাগ বোনদেরই সেইম কেস ? আল্লাহ চেয়েছেন জন্য হয়েছে ? নাকি আমরা আমাদের করা ভূলের জন্যই এরকম সিটুেয়শন তৈরি করবো জন্যই আল্লাহ সেটা লিপিবদ্ধ করেছেন। আমাদের ইচ্ছার স্বাধীনতা রয়েছে। অবশ্যই সিহর সত্য তবে আগে তো আমাদের মা খালাদের বিয়ের ব্যাপারে করা হয় নি এখন আমাদের সময়ই কেন কয়েক বছর থেকেই এটা করা হচ্ছে ? শুধু বিয়ের ক্ষেত্রেই কেন ??
আমি জানি ব্যতিক্রম আছে
ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ হতে পারে না। আর আমাদের দ্বীনদার ভাইয়েরা তো ২০/২১ বছরের দিকেই বিয়ে করে নেয় বা অধিকাংশই তখন আগ্রহী হয়ে উঠে তারা কাদের বিয়ে করবে হয় তাদের সেইম এজ নয়তো ১/২ বছর কম এজের মেয়ে। তাহলে আল্টিমেটলি কি হলো তারা আমাদের রিজেক্ট করে দিবে এটাই স্বাভাবিক
অনলাইনে কে কি বললো না বললো তাতে আমাদের দ্বীনদার বোনেদের কিছু আসবে যাবে না, তবে তাদের বলার মাধ্যমে যদি ব্যাপরগুলো ( সহশিক্ষা, হারাম রিলেশনশিপ, নারীবাদী , মডারেট, ব্লা ব্লা বস্তা পঁচা ডকট্রেইন) নরমালাইজ হয় তাহলে তো খারাপের কিছু না যদিও তাদের বলাটা শালীনতা বজায় রেখে হতে হবে। দাওয়ার ক্ষেত্রে কোমলতা + কঠোরতা উভয়ের কথাই বলা হয়েছে ।
আমাদের ইখলাস, তাওয়াককুল, দু'আ, প্রচেষ্টার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।আল্লাহ আমাদের বোনদের জন্য সহজ করুন।
~এক বোনের লেখা
আমার মায়ের বিয়ে হয়েছিলো ১৬ বছরে কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা কি দেখতে পাচ্ছি ?
একটা মেয়ে অনার্স শেষ করবে ক্যারিয়ার গড়বে তারপর বিয়ে করবে এরকমই মানসিকতা লালন করে অধিকাংশ মেয়েরা, অনার্স শেষ করতেই তো ২৪/২৫+- হয়ে যায় তারপর ক্যারিয়ারের দিকে ঝুঁকে পরে। ক্যারিয়ার গড়তে ২৮/৩০+- তারপর বিয়ে ।
এই সম্পুর্ণ বিষয়গুলো কি তাকদিরের বিষয় ? কয়েক বছরেরই মেয়েদের তাকদিরে কি এমন ঘটলো যে বেশিরভাগ বোনদেরই সেইম কেস ? আল্লাহ চেয়েছেন জন্য হয়েছে ? নাকি আমরা আমাদের করা ভূলের জন্যই এরকম সিটুেয়শন তৈরি করবো জন্যই আল্লাহ সেটা লিপিবদ্ধ করেছেন। আমাদের ইচ্ছার স্বাধীনতা রয়েছে। অবশ্যই সিহর সত্য তবে আগে তো আমাদের মা খালাদের বিয়ের ব্যাপারে করা হয় নি এখন আমাদের সময়ই কেন কয়েক বছর থেকেই এটা করা হচ্ছে ? শুধু বিয়ের ক্ষেত্রেই কেন ??
আমি জানি ব্যতিক্রম আছে
ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ হতে পারে না। আর আমাদের দ্বীনদার ভাইয়েরা তো ২০/২১ বছরের দিকেই বিয়ে করে নেয় বা অধিকাংশই তখন আগ্রহী হয়ে উঠে তারা কাদের বিয়ে করবে হয় তাদের সেইম এজ নয়তো ১/২ বছর কম এজের মেয়ে। তাহলে আল্টিমেটলি কি হলো তারা আমাদের রিজেক্ট করে দিবে এটাই স্বাভাবিক
অনলাইনে কে কি বললো না বললো তাতে আমাদের দ্বীনদার বোনেদের কিছু আসবে যাবে না, তবে তাদের বলার মাধ্যমে যদি ব্যাপরগুলো ( সহশিক্ষা, হারাম রিলেশনশিপ, নারীবাদী , মডারেট, ব্লা ব্লা বস্তা পঁচা ডকট্রেইন) নরমালাইজ হয় তাহলে তো খারাপের কিছু না যদিও তাদের বলাটা শালীনতা বজায় রেখে হতে হবে। দাওয়ার ক্ষেত্রে কোমলতা + কঠোরতা উভয়ের কথাই বলা হয়েছে ।
আমাদের ইখলাস, তাওয়াককুল, দু'আ, প্রচেষ্টার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।আল্লাহ আমাদের বোনদের জন্য সহজ করুন।
~এক বোনের লেখা
🔥2❤1
📢 আমরা কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ খুঁজছি!
কাস্টমারদের ফোন কল ও মেসেজের মাধ্যমে সুন্দরভাবে রেসপন্স দিতে পারবে এমন মার্জিত, দক্ষ ও দায়িত্ববান একজন কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ প্রয়োজন।
✅ যোগ্যতা ও দক্ষতা:
কম্পিউটারে টাইপিং ও বেসিক স্কিল থাকতে হবে
কাস্টমারের সমস্যা বুঝে দ্রুত ও স্মার্ট সমাধান দিতে পারতে হবে
ভদ্র ও মার্জিত ভাষায় কথা বলার অভ্যাস থাকতে হবে
পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
📍 কর্মস্থল: এম ব্লক, আফতাবনগর
⏰ সময়: ফুল টাইম
💼 বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (৳১১,০০০ - ১৫,০০০; অভিজ্ঞতা ও পারফরম্যান্স অনুযায়ী)
📩 আবেদন পদ্ধতি:
আগ্রহী প্রার্থীরা তাদের আপডেটেড সিভি পাঠাবেন এই ঠিকানায়:
মেইলঃ jobforcareer.hire@gmail.com
কাস্টমারদের ফোন কল ও মেসেজের মাধ্যমে সুন্দরভাবে রেসপন্স দিতে পারবে এমন মার্জিত, দক্ষ ও দায়িত্ববান একজন কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ প্রয়োজন।
✅ যোগ্যতা ও দক্ষতা:
কম্পিউটারে টাইপিং ও বেসিক স্কিল থাকতে হবে
কাস্টমারের সমস্যা বুঝে দ্রুত ও স্মার্ট সমাধান দিতে পারতে হবে
ভদ্র ও মার্জিত ভাষায় কথা বলার অভ্যাস থাকতে হবে
পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
📍 কর্মস্থল: এম ব্লক, আফতাবনগর
⏰ সময়: ফুল টাইম
💼 বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে (৳১১,০০০ - ১৫,০০০; অভিজ্ঞতা ও পারফরম্যান্স অনুযায়ী)
📩 আবেদন পদ্ধতি:
আগ্রহী প্রার্থীরা তাদের আপডেটেড সিভি পাঠাবেন এই ঠিকানায়:
মেইলঃ jobforcareer.hire@gmail.com
❤1
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Digital Wave IT Office
আমাদের আইটি অফিসে একজন বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল পিয়ন (অফিস সহকারী) নিয়োগ দেওয়া হবে।
✅ পদের নাম:
অফিস পিয়ন (পুরুষ)
🕘 ডিউটির সময়:
সকাল ১০ টা – রাত ৮টা
🍛 সুবিধাসমূহ:
* দুপুরের ও সন্ধ্যার খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে
* বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে
📍 অফিস লোকেশন:
বাড়ি#১২, ব্লক#জে, রোড#১, রামপুরা বনশ্রী, মেরাদিয়া হাট,
হাজী মোহাম্মদ রুহুল আমিন চৌধুরী টাওয়ার (৭ম তলা, লিফট রয়েছে)
📄 যা নিয়ে আসতে হবে:
1️⃣ আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
2️⃣ আপনার সিভি (যদি থাকে)
3️⃣ পরিবারে একজনের আইডি কার্ড (নিরাপত্তার জন্য)
📞 যোগাযোগ:
01935478370 WhatsApp
✅ আগ্রহীরা আগামীকাল দুপুর ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে অফিসে সরাসরি এসে ইন্টারভিউ দিতে পারবেন।
আমাদের আইটি অফিসে একজন বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল পিয়ন (অফিস সহকারী) নিয়োগ দেওয়া হবে।
✅ পদের নাম:
অফিস পিয়ন (পুরুষ)
🕘 ডিউটির সময়:
সকাল ১০ টা – রাত ৮টা
🍛 সুবিধাসমূহ:
* দুপুরের ও সন্ধ্যার খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে
* বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে
📍 অফিস লোকেশন:
বাড়ি#১২, ব্লক#জে, রোড#১, রামপুরা বনশ্রী, মেরাদিয়া হাট,
হাজী মোহাম্মদ রুহুল আমিন চৌধুরী টাওয়ার (৭ম তলা, লিফট রয়েছে)
📄 যা নিয়ে আসতে হবে:
1️⃣ আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
2️⃣ আপনার সিভি (যদি থাকে)
3️⃣ পরিবারে একজনের আইডি কার্ড (নিরাপত্তার জন্য)
📞 যোগাযোগ:
01935478370 WhatsApp
✅ আগ্রহীরা আগামীকাল দুপুর ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে অফিসে সরাসরি এসে ইন্টারভিউ দিতে পারবেন।
🔊 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 🔊
ভেলা পোষাক শোরুমে চাকরির সুযোগ!
আপনি কি ফ্যাশন পণ্য বিক্রয়ে আগ্রহী? আপনি কি নিজেকে সৎ ও দায়িত্বশীল মনে করেন? তবে ভেলা পোষাক শোরুম আপনাকে দিচ্ছে সেলস ম্যানেজার ও সেলসম্যান পদে কাজ করার সুযোগ।
🧑💼 পদের নাম:
১. সেলস ম্যানেজার (ছেলে) (০১ জন) 📘 *যোগ্যতা:* ন্যূনতম এইচএসসি পাস ((সমমান) 📌 *অভিজ্ঞতা:* অন্তত ১ বছরের বিক্রয় অভিজ্ঞতা 💰 *বেতন:* আলোচনা সাপেক্ষে 📍 *কর্মস্থল:* বনশ্রী, ঢাকা।
২. সেলস এক্সিকিউটিভ (মেয়ে) 📘 *যোগ্যতা:* এসএসসি/এইচএসসি (সমমান) / অনার্স বা ডিগ্রি অধ্যয়নরত 💰 *বেতন:* আলোচনা সাপেক্ষে 📍 *কর্মস্থল:* বনশ্রী, ঢাকা।
অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
🎁 সুযোগ-সুবিধাসমূহ:
✔️ সাপ্তাহিক ১ দিন ছুটি (রোস্টার অনুযায়ী) ✔️ ঈদ বোনাস ✔️ বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা ✔️ সেলস টার্গেট বোনাস(শর্ত সাপেক্ষে) ✔️ দৈনিক বিকালের নাস্তা।
📝 দায়িত্ব ও কর্তব্য:
বিক্রয় লক্ষ্য অর্জনে ম্যানেজারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা
গ্রাহকের সাথে সুন্দর ব্যবহার ও সেবা নিশ্চিত করা
প্রোডাক্ট সাজানো, প্যাকেজিং এবং অনলাইন লাইভ প্রমোশনে অংশগ্রহণ
ক্যাশ পরিচালনা (ম্যানেজার পদে)
অফার ও প্রমোশন সম্পর্কে গ্রাহককে জানানো
পণ্য মেয়াদ পরীক্ষা ও রিপোর্টিং
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
⚠️ কর্মস্থলের নিয়ম-কানুন:
সময়: সকাল ১০টা – রাত ১০টা (কাস্টোমার থাকা সাপেক্ষে বন্ধের সময় পরিবর্তন হতে পারে)।
দায়িত্বকালীন ফোন ব্যবহারে সতর্কতা।
প্রযোজ্য হলে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান।
কাস্টোমারকে “স্যার/ম্যাডাম” সম্ভোধন করতে হবে।
কাস্টোমারের সাথে অযথা তর্ক ও অতিরিক্ত কথাবার্তা থেকে বিরত থাকতে হবে।
অলটারনেট ছুটির ব্যবস্থা থাকবে।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অনুপস্থিত থাকা যাবে না।
মেয়ে বিক্রয় কর্মীর কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধানে অভ্যস্ত থাকা।
📬 আবেদন পদ্ধতি:
আপনি সরাসরি ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন বা পদের নাম উল্লেখ করে সিভি ইমেইল/হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে পারেন:
📧 ইমেইল:
[velabd.info@gmail.com](mailto:velabd.info@gmail.com)
📞 ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ:
০১৮৪০-৮৮৫৫৫৩
০১৬৭২-৯৮৬১৩৮
📍 ঠিকানা: ভেলা, রোড: ১৪, ব্লক: সি, বনশ্রী, (পুলিশ পার্কের বিপরীতে), ঢাকা।
ভেলা পোষাক শোরুমে চাকরির সুযোগ!
আপনি কি ফ্যাশন পণ্য বিক্রয়ে আগ্রহী? আপনি কি নিজেকে সৎ ও দায়িত্বশীল মনে করেন? তবে ভেলা পোষাক শোরুম আপনাকে দিচ্ছে সেলস ম্যানেজার ও সেলসম্যান পদে কাজ করার সুযোগ।
🧑💼 পদের নাম:
১. সেলস ম্যানেজার (ছেলে) (০১ জন) 📘 *যোগ্যতা:* ন্যূনতম এইচএসসি পাস ((সমমান) 📌 *অভিজ্ঞতা:* অন্তত ১ বছরের বিক্রয় অভিজ্ঞতা 💰 *বেতন:* আলোচনা সাপেক্ষে 📍 *কর্মস্থল:* বনশ্রী, ঢাকা।
২. সেলস এক্সিকিউটিভ (মেয়ে) 📘 *যোগ্যতা:* এসএসসি/এইচএসসি (সমমান) / অনার্স বা ডিগ্রি অধ্যয়নরত 💰 *বেতন:* আলোচনা সাপেক্ষে 📍 *কর্মস্থল:* বনশ্রী, ঢাকা।
অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
🎁 সুযোগ-সুবিধাসমূহ:
✔️ সাপ্তাহিক ১ দিন ছুটি (রোস্টার অনুযায়ী) ✔️ ঈদ বোনাস ✔️ বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা ✔️ সেলস টার্গেট বোনাস(শর্ত সাপেক্ষে) ✔️ দৈনিক বিকালের নাস্তা।
📝 দায়িত্ব ও কর্তব্য:
বিক্রয় লক্ষ্য অর্জনে ম্যানেজারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা
গ্রাহকের সাথে সুন্দর ব্যবহার ও সেবা নিশ্চিত করা
প্রোডাক্ট সাজানো, প্যাকেজিং এবং অনলাইন লাইভ প্রমোশনে অংশগ্রহণ
ক্যাশ পরিচালনা (ম্যানেজার পদে)
অফার ও প্রমোশন সম্পর্কে গ্রাহককে জানানো
পণ্য মেয়াদ পরীক্ষা ও রিপোর্টিং
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
⚠️ কর্মস্থলের নিয়ম-কানুন:
সময়: সকাল ১০টা – রাত ১০টা (কাস্টোমার থাকা সাপেক্ষে বন্ধের সময় পরিবর্তন হতে পারে)।
দায়িত্বকালীন ফোন ব্যবহারে সতর্কতা।
প্রযোজ্য হলে নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান।
কাস্টোমারকে “স্যার/ম্যাডাম” সম্ভোধন করতে হবে।
কাস্টোমারের সাথে অযথা তর্ক ও অতিরিক্ত কথাবার্তা থেকে বিরত থাকতে হবে।
অলটারনেট ছুটির ব্যবস্থা থাকবে।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অনুপস্থিত থাকা যাবে না।
মেয়ে বিক্রয় কর্মীর কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধানে অভ্যস্ত থাকা।
📬 আবেদন পদ্ধতি:
আপনি সরাসরি ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন বা পদের নাম উল্লেখ করে সিভি ইমেইল/হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে পারেন:
📧 ইমেইল:
[velabd.info@gmail.com](mailto:velabd.info@gmail.com)
📞 ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ:
০১৮৪০-৮৮৫৫৫৩
০১৬৭২-৯৮৬১৩৮
📍 ঠিকানা: ভেলা, রোড: ১৪, ব্লক: সি, বনশ্রী, (পুলিশ পার্কের বিপরীতে), ঢাকা।
❤1
সুযোগ সীমিত | আবেদন চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত
🔶 কী পাচ্ছেন?
✅ ৭২০ ঘণ্টার (৬ মাস) ফ্রি কারিগরি প্রশিক্ষণ
✅ থাকা-খাওয়াসহ সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স
✅ মাসে ৫০০ টাকা হাতখরচ
✅ চাকরি উপযোগী ট্রেনিং ও সিলেবাস
✅ কোর্স শেষে চাকরি পেতে সহায়তা
📚 যেসব কোর্সে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে:
🔌 ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস
📺 ইলেকট্রনিকস
❄️ রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং
🔩 ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন
⚙️ মেশিনিস্ট
👥 কারা আবেদন করতে পারবেন?
👉 ১৮-২৬ বছর বয়সী সুবিধাবঞ্চিত মুসলিম যুবক
👉 সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণি, সর্বোচ্চ এসএসসি পাস
👉 বর্তমানে পড়াশোনার সাথে যুক্ত নন
📄 যেসব কাগজপত্র লাগবে:
📌 JSC, SSC ও HSC ফল (রোল, সাল)
📌 ফোন নম্বর (দুইবার দিতে হবে)
📌 পাসপোর্ট সাইজ ছবি
📌 আবেদন সাবমিটের পর প্রবেশপত্র প্রিন্ট নিতে হবে
📅 আবেদন শেষ তারিখ:
৩১ জুলাই, ২০২৫
🌐 আবেদন লিংক:
👉 https://isdb-bisew.org/apply
📣 কারিগরি জ্ঞান অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ, ফ্রেশার ও কর্মসংস্থানের অভাবে থাকা ভাইদের শেয়ার করুন 🙏
#FreeTraining #IDB #VocationalTraining #SkilledYouth #JobOpportunity
🔶 কী পাচ্ছেন?
✅ ৭২০ ঘণ্টার (৬ মাস) ফ্রি কারিগরি প্রশিক্ষণ
✅ থাকা-খাওয়াসহ সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স
✅ মাসে ৫০০ টাকা হাতখরচ
✅ চাকরি উপযোগী ট্রেনিং ও সিলেবাস
✅ কোর্স শেষে চাকরি পেতে সহায়তা
📚 যেসব কোর্সে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে:
🔌 ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস
📺 ইলেকট্রনিকস
❄️ রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং
🔩 ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন
⚙️ মেশিনিস্ট
👥 কারা আবেদন করতে পারবেন?
👉 ১৮-২৬ বছর বয়সী সুবিধাবঞ্চিত মুসলিম যুবক
👉 সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণি, সর্বোচ্চ এসএসসি পাস
👉 বর্তমানে পড়াশোনার সাথে যুক্ত নন
📄 যেসব কাগজপত্র লাগবে:
📌 JSC, SSC ও HSC ফল (রোল, সাল)
📌 ফোন নম্বর (দুইবার দিতে হবে)
📌 পাসপোর্ট সাইজ ছবি
📌 আবেদন সাবমিটের পর প্রবেশপত্র প্রিন্ট নিতে হবে
📅 আবেদন শেষ তারিখ:
৩১ জুলাই, ২০২৫
🌐 আবেদন লিংক:
👉 https://isdb-bisew.org/apply
📣 কারিগরি জ্ঞান অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ, ফ্রেশার ও কর্মসংস্থানের অভাবে থাকা ভাইদের শেয়ার করুন 🙏
#FreeTraining #IDB #VocationalTraining #SkilledYouth #JobOpportunity
www.isdb-bisew.org
Apply for Vocational Training Programme
IsDB-BISEW was established following an agreement between the Islamic Development Bank, Jeddah, Saudi Arabia, and the Government of Bangladesh.
❤2
📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
🧹 পদবী: অফিস সহকারি
📍 অবস্থান: রোড-১, ব্লক -এ,বনশ্রী,রামপুরা, ঢাকা ১২১৯
🕘 ডিউটির সময়: সকাল ৯:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
💼 যোগ্যতা:
✔ জেএসসি বা এসএসসি পাশ
✔ পরিশ্রম করার মানসিকতা
✔ সৎ এবং অধুমপায়ী হতে হবে
🔧 দায়িত্বসমূহ:
অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
চা ও নাস্তা পরিবেশন
অফিসের দৈনন্দিন কাজকর্মে সহায়তা করা
ফাইল, ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য সামগ্রী নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেওয়া।
💰 বেতন: ১২ হাজার
বছরে দুইটি ঈদ বোনাস
লাঞ্চ+স্ন্যাক্স বিল
📞 যোগাযোগ:
01577015460(WhatsApp/Call)
✅ আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি কল করুন
🧹 পদবী: অফিস সহকারি
📍 অবস্থান: রোড-১, ব্লক -এ,বনশ্রী,রামপুরা, ঢাকা ১২১৯
🕘 ডিউটির সময়: সকাল ৯:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
💼 যোগ্যতা:
✔ জেএসসি বা এসএসসি পাশ
✔ পরিশ্রম করার মানসিকতা
✔ সৎ এবং অধুমপায়ী হতে হবে
🔧 দায়িত্বসমূহ:
অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
চা ও নাস্তা পরিবেশন
অফিসের দৈনন্দিন কাজকর্মে সহায়তা করা
ফাইল, ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য সামগ্রী নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেওয়া।
💰 বেতন: ১২ হাজার
বছরে দুইটি ঈদ বোনাস
লাঞ্চ+স্ন্যাক্স বিল
📞 যোগাযোগ:
01577015460(WhatsApp/Call)
✅ আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি কল করুন
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এরপর সাপ্লিমেন্ট হালুয়া তৈরি করে খাবেন। দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। বিস্তারিত তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণ নিচে দেওয়া হল।
✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি
🥄 উপকরণ ও পরিমাণ:
অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম
ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম
জাফরান:২ গ্রাম
বীর্য মনি:৫০ গ্রাম
তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম
কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম
তালমাখানা:৩০ গ্রাম
তালমুল: ৩০ গ্রাম
ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম
পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম
তোকমা দানা: ২০ গ্রাম
গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম
আখরোট: ৫০ গ্রাম
তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম
পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম
খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম
লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম
শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম
আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম
গাজর বীজ:১৫ গ্রাম
দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম
যত্রিক: ৩০ গ্রাম
মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো
🔧 প্রস্তুত প্রণালী:
সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়।
💊 খাওয়ার নিয়ম:
প্রতিদিন ১ চা চামচ, রাতে শোবার আগে খাবেন।
⚠️ সতর্কতা:
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে খুব গরম অথবা বিভিন্ন কারণে তৈরিকৃত সাপ্লিমেন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তৈরি করার পর ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে ভাল হয়।
.
🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে।
নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় ।
১ থেকে দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই।
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না।
☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন।
.
হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন ।
★ ফোনে কথা বলার সময়:
সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত।
★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়:
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ।
.
🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন।
01972859950 ও 01712859950
এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।
✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি
🥄 উপকরণ ও পরিমাণ:
অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম
কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম
ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম
জাফরান:২ গ্রাম
বীর্য মনি:৫০ গ্রাম
তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম
কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম
তালমাখানা:৩০ গ্রাম
তালমুল: ৩০ গ্রাম
ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম
পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম
তোকমা দানা: ২০ গ্রাম
গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম
আখরোট: ৫০ গ্রাম
তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম
পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম
খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম
লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম
শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম
পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম
শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম
আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম
গাজর বীজ:১৫ গ্রাম
দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম
যত্রিক: ৩০ গ্রাম
মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো
🔧 প্রস্তুত প্রণালী:
সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়।
💊 খাওয়ার নিয়ম:
প্রতিদিন ১ চা চামচ, রাতে শোবার আগে খাবেন।
⚠️ সতর্কতা:
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে খুব গরম অথবা বিভিন্ন কারণে তৈরিকৃত সাপ্লিমেন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তৈরি করার পর ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে ভাল হয়।
.
🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে।
নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় ।
১ থেকে দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই।
নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না ।
.
★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950
★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3
★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950
★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950
.
টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন ।
.
🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না।
☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন।
.
হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন ।
★ ফোনে কথা বলার সময়:
সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত।
★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়:
সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ।
.
🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য:
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন।
01972859950 ও 01712859950
এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।
সব শিশুকে বাবা মায়ের ফোন নাম্বার মুখস্থ করানো দরকার৷ সে যখন কাউকে ফোন নাম্বার বলবে, তখন কীভাবে বলবে? সিস্টেমটা কী?
আমরা অধিকাংশ মানুষ সঠিক নিয়মে ফোন নাম্বার বলতে পারি না৷ অন্তত শিশুকে সঠিক নিয়মটা শেখান৷
•
ধরা যাক কোনো একটা ফোন নাম্বার- 01221334466
এখন এই নাম্বারটা কীভাবে বলতে হবে? আমরা অধিকাংশ মানুষ কোড নাম্বারটা ইংরেজীতে বলি৷ বাকি ছয় ডিজিট বাংলাতে বলি৷ যেমন- জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান তেত্রিশ চুয়াল্লিশ ছেষট্টি৷
এভাবে বাংলা ইংরেজী মিশিয়ে খিচুড়ি করা যাবে না৷
•
প্রতিটা ডিজিট আলাদা করে উচ্চারণ করতে হবে৷ 'ডাবল' 'ট্রিপল' এই জাতীয় শব্দ বাদ দিতে হবে৷ জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান বলা যাবে না৷ বলতে হবে জিরো ওয়ান টু টু ওয়ান থ্রি থ্রি ফোর ফোর সিক্স সিক্স৷
•
আপনি যেভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখেছেন, ওটাকেই সঠিক মনে করবেন না৷ শিশু যখন বড় হয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাবে, বা গবেষণার কাজে যাবে, সে যদি ফোন নাম্বারটা সঠিকভাবে না বলতে পারে, তাহলে সে হাসির পাত্র হতে পারে৷ বুলিংএর শিকার হতে পারে৷
তখন সে আপনাকে দোষারোপ করবে৷
নিজেরা ভুল শিখেছি, ততটা জানাশোনার উপায় ছিল না৷ সন্তান যেন ভুল না শেখে৷ সে যেন সঠিক নিয়ম জেনে, সঠিকভাবে বলার চর্চা করে বেড়ে ওঠে৷
•
আপনি আজ থেকে সঠিকভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখুন৷ প্রতিটা ডিজিট আলাদা উচ্চারণ করবেন৷ বাংলা ইংরেজী মেশাবেন না৷ ডাবল ট্রিপল বলা ত্যাগ করুন৷
@Paint With Ashraf
আমরা অধিকাংশ মানুষ সঠিক নিয়মে ফোন নাম্বার বলতে পারি না৷ অন্তত শিশুকে সঠিক নিয়মটা শেখান৷
•
ধরা যাক কোনো একটা ফোন নাম্বার- 01221334466
এখন এই নাম্বারটা কীভাবে বলতে হবে? আমরা অধিকাংশ মানুষ কোড নাম্বারটা ইংরেজীতে বলি৷ বাকি ছয় ডিজিট বাংলাতে বলি৷ যেমন- জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান তেত্রিশ চুয়াল্লিশ ছেষট্টি৷
এভাবে বাংলা ইংরেজী মিশিয়ে খিচুড়ি করা যাবে না৷
•
প্রতিটা ডিজিট আলাদা করে উচ্চারণ করতে হবে৷ 'ডাবল' 'ট্রিপল' এই জাতীয় শব্দ বাদ দিতে হবে৷ জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান বলা যাবে না৷ বলতে হবে জিরো ওয়ান টু টু ওয়ান থ্রি থ্রি ফোর ফোর সিক্স সিক্স৷
•
আপনি যেভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখেছেন, ওটাকেই সঠিক মনে করবেন না৷ শিশু যখন বড় হয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাবে, বা গবেষণার কাজে যাবে, সে যদি ফোন নাম্বারটা সঠিকভাবে না বলতে পারে, তাহলে সে হাসির পাত্র হতে পারে৷ বুলিংএর শিকার হতে পারে৷
তখন সে আপনাকে দোষারোপ করবে৷
নিজেরা ভুল শিখেছি, ততটা জানাশোনার উপায় ছিল না৷ সন্তান যেন ভুল না শেখে৷ সে যেন সঠিক নিয়ম জেনে, সঠিকভাবে বলার চর্চা করে বেড়ে ওঠে৷
•
আপনি আজ থেকে সঠিকভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখুন৷ প্রতিটা ডিজিট আলাদা উচ্চারণ করবেন৷ বাংলা ইংরেজী মেশাবেন না৷ ডাবল ট্রিপল বলা ত্যাগ করুন৷
@Paint With Ashraf
❤2
বাংলাদেশে দুই শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বাজে সেক্সুয়াল লাইফ কাটায়!!!
প্রথম শ্রেণি হল গার্মেন্টস শ্রমিকরা। অনুমান করে বলা না, এ ব্যাপারে সত্যি সত্যি রিসার্চ হয়েছে।
মুলতঃ গার্মেন্টস শ্রমিকদের থাকার জায়গা আর কাজের রুটিনই এর জন্য দায়ী। অল্প আয়ের এই গার্মেন্টস শ্রমিকরা সাধারণতঃ এক ঘরে ৬-৭ জন করে থাকে। আবার অনেকের গ্রাম থেকে আসা অসুস্থ বা বৃদ্ধ কোনো আত্মীয় তাদের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে, যারা কখনোই ঘর ছেড়ে যায় না। ফলে স্বামী-স্ত্রী দিনের পর দিন এক ঘরে থাকলেও দিন কাটাতে হয় পুরোপুরি ব্যাচেলরের মত।
এরপর হলো কাজের রুটিন। ভোরসকালে উঠে যাওয়া, সারাদিন টানা পরিশ্রম, দুপুরে কেবল ভাজি-ভর্তা দিয়ে ভাত - একজন সাধারণ পেশাজীবির চেয়ে তারা অনেক ক্লান্ত। ফলে ব্যপারটা এতই গুরুতর যে, সাধারণ মানুষের চাইতে কম জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কেবল বাজে সেক্সুয়াল লাইফের কারণে তাদের মধ্যে জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে কম।
বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ৬২% কাপল বার্থ-কন্ট্রোল নিয়ে থাকে, সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা ৪২ থেকে ৫২%। কিন্তু এত কম নেওয়ার পরেও তাদের জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে ০.০১% কম।
দ্বিতীয় শ্রেনী হলো, বাংলাদেশের পদস্থ কর্মকর্তারা যাদের চাকরি রেপুটেশনের উপর নির্ভর করে। আরো সংক্ষিপ্ত করে বললে উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা।
বাংলাদেশে পয়সাওয়ালা শ্রেনী, যাদের মধ্যে ধর্মের তেমন প্রভাব নেই, তারা লিমিটলেস সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস পায়। যেমন বেসরকারি কর্মকর্তা, কন্ট্রাক্টর, ব্যাবসায়ি এবং পলিটিশিয়ান। পুরো দেশ থেকে এমনকি বিদেশ থেকেও সাপ্লাই যায় তাদের কাছে।
এখানে পলিটিশিয়ানরা রেপুটেশনে প্রভাবিত হলেও তারা স্কান্ডাল সামাল দিতে জানে। আপনি কয়জন রাজনৈতিক নেতাকে দেখেছেন যারা কেবল নারীঘটিত ব্যপারে পুরো পলিটিকাল ক্যারিয়ার শেষ করে ফেলেছে?
এখানেই ব্যতিক্রম সরকারী কর্মকর্তারা। তাদের লাইফ কেবল তাদের ওই পদ দ্বারাই ডিফাইন করা হয়।
অনেকদিন আগে প্রিয় ডটকমে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম, বাংলাদেশি নারীদের সেক্সকে ব্যাবহার করা নিয়ে। ধর্মীয় প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে বহুগামীতা স্বীকৃত না। সেটা বৈধ দুই বিয়ে হোক বা বেশ্যালয়ে যাওয়া হোক। ফলে একজন স্ত্রী যখন জেনে যাচ্ছে, সেই পুরুষের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস কেবল এক জায়গাতেই পাবে, তখনই সে ব্লাকমেইল করা শুরু করে। অবশ্য সব নারীদের কথা বলা হচ্ছে না।
এক জায়গায় লিখেছিল কিছু কমন ঘটনার কথা। যেমন, স্বামীর কাছে অনেক দিন ধরে একটা জুয়েলারি চাচ্ছে, কিন্তু স্বামী দিচ্ছে না। এখন স্ত্রী তো অল্পদিনেই স্বামীকে চিনে যায়, কখন দুর্বল, কখন ব্লাকমেইলে কাজ হবে। এবার স্বামী যখন বুকের উপরে, সে বলে বসল, সেই জুয়েলারির ব্যবস্থা না করে দিলে আর এগোতে দেবে না। স্বামী তো তখন অর্ধবেহুশ - তার আর উপায় নেই। এভাবেই নানান স্বার্থ হাসিল আর ব্লাকমেইল চলতে থাকে। কারণ স্ত্রী নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে, এর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, এদিক-ওদিক করলে চাকরি হারাবে, ক্যারিয়ার যাবে।
ব্যাপারটা আরো ভয়ানক মধ্যবয়েসীদের বেলায়। যারা পুরুষের মিড-লাইফ ক্রাইসিসের ব্যাপারে জানেন তারা বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কত সিরিয়াস। সে ছটফট করছে, আর ঘরে মাঝবয়সী মেক্সি পরা বৌ। তার উপর মেনোপজের পরে তাদের সেক্সুয়াল ড্রাইভ একেবারে কমে যায়, মানসিকভাবে তো বটেও, ফিজিকালিও। আর বাঙ্গালী নারীদের তো ঘরে বুয়ার চেয়েও খারাপ গেটআপে থাকার রেপুটেশন আছে।
একটা বড় অংশ হয়ে যায় অনেক মোটা। বাংলাদেশে ফিজিকাল এক্সারসাইজ করে মাত্র ২০-২৫ শতাংশ নারী, যাদের অধিকাংশই হলো মডেল, কর্পোরেট আর স্পোর্টস গার্ল ।
ফলে সেই বৌয়ের সাথে সেক্স পুরো বিনিময় টাইপের হয়ে যায়। বৌ এটা-সেটা আদায় করে নেয়। আর মেনোপজের ফলে আগের মত আর উপভোগ্যও থাকে না।
এক বিসিএস ক্যাডারের লেখা দেখছিলাম, অনেক কষ্ট করে ক্যাডার হবার পর বিয়ে করলো। এদিকে তিন চার-মাস পর বৌ প্রেগন্যান্ট। তারপর থেকে টানা ৯ মাস কাছে যেতে দেয়নি। তারপর বাচ্চা হবার পর থেকে সেই বাচ্চাই সব-স্বামীর দিকে খেয়ালই নেই। আর সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ, কিছুদিন পর ধরা পড়লো ফিস্টুলা, সিজারের সময় হয়েছে। ব্যাস, সারাজীবনের মত সেক্সুয়াল লাইফ গেলো।
উনি লিখেছিলেন, আমারও বয়েস হয়ে যাচ্ছে, ঘরে বেঢপ সাইজের অনাগ্রহি বউ, আর বাড়ির পাশে স্কুল আর কোচিং সেন্টার - শত শত মেয়েরা যাওয়া আসা করে। দ্বিতীয় বিয়ে করতে দেবে না , ভদ্রলোক বলে বেশ্যার কাছেও যেতে পারবো না। আর অ্যাফেয়ারের চেষ্টা করলে বৌ চাকরি খেয়ে দেবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে। দিনরাত সুইসাইডের কথা ভাবেন।
এবার আসি আসল কথায়। সাইকোলজিতে Misophonia আর Misokenisia নামে দুটো টার্ম আছে। এই কন্ডিশনগুলোর একটার ব্যাপার এরকম, এক ব্যাক্তি যার নিজের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস নেই, সে অন্য কারো সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি সহ্য করতে পারে না। মানে আরেকজন সেক্স করছে, ইভেন কিস করছে এটাও সে মানতে পারে না।
প্রথম শ্রেণি হল গার্মেন্টস শ্রমিকরা। অনুমান করে বলা না, এ ব্যাপারে সত্যি সত্যি রিসার্চ হয়েছে।
মুলতঃ গার্মেন্টস শ্রমিকদের থাকার জায়গা আর কাজের রুটিনই এর জন্য দায়ী। অল্প আয়ের এই গার্মেন্টস শ্রমিকরা সাধারণতঃ এক ঘরে ৬-৭ জন করে থাকে। আবার অনেকের গ্রাম থেকে আসা অসুস্থ বা বৃদ্ধ কোনো আত্মীয় তাদের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে, যারা কখনোই ঘর ছেড়ে যায় না। ফলে স্বামী-স্ত্রী দিনের পর দিন এক ঘরে থাকলেও দিন কাটাতে হয় পুরোপুরি ব্যাচেলরের মত।
এরপর হলো কাজের রুটিন। ভোরসকালে উঠে যাওয়া, সারাদিন টানা পরিশ্রম, দুপুরে কেবল ভাজি-ভর্তা দিয়ে ভাত - একজন সাধারণ পেশাজীবির চেয়ে তারা অনেক ক্লান্ত। ফলে ব্যপারটা এতই গুরুতর যে, সাধারণ মানুষের চাইতে কম জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কেবল বাজে সেক্সুয়াল লাইফের কারণে তাদের মধ্যে জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে কম।
বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ৬২% কাপল বার্থ-কন্ট্রোল নিয়ে থাকে, সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা ৪২ থেকে ৫২%। কিন্তু এত কম নেওয়ার পরেও তাদের জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে ০.০১% কম।
দ্বিতীয় শ্রেনী হলো, বাংলাদেশের পদস্থ কর্মকর্তারা যাদের চাকরি রেপুটেশনের উপর নির্ভর করে। আরো সংক্ষিপ্ত করে বললে উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা।
বাংলাদেশে পয়সাওয়ালা শ্রেনী, যাদের মধ্যে ধর্মের তেমন প্রভাব নেই, তারা লিমিটলেস সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস পায়। যেমন বেসরকারি কর্মকর্তা, কন্ট্রাক্টর, ব্যাবসায়ি এবং পলিটিশিয়ান। পুরো দেশ থেকে এমনকি বিদেশ থেকেও সাপ্লাই যায় তাদের কাছে।
এখানে পলিটিশিয়ানরা রেপুটেশনে প্রভাবিত হলেও তারা স্কান্ডাল সামাল দিতে জানে। আপনি কয়জন রাজনৈতিক নেতাকে দেখেছেন যারা কেবল নারীঘটিত ব্যপারে পুরো পলিটিকাল ক্যারিয়ার শেষ করে ফেলেছে?
এখানেই ব্যতিক্রম সরকারী কর্মকর্তারা। তাদের লাইফ কেবল তাদের ওই পদ দ্বারাই ডিফাইন করা হয়।
অনেকদিন আগে প্রিয় ডটকমে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম, বাংলাদেশি নারীদের সেক্সকে ব্যাবহার করা নিয়ে। ধর্মীয় প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে বহুগামীতা স্বীকৃত না। সেটা বৈধ দুই বিয়ে হোক বা বেশ্যালয়ে যাওয়া হোক। ফলে একজন স্ত্রী যখন জেনে যাচ্ছে, সেই পুরুষের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস কেবল এক জায়গাতেই পাবে, তখনই সে ব্লাকমেইল করা শুরু করে। অবশ্য সব নারীদের কথা বলা হচ্ছে না।
এক জায়গায় লিখেছিল কিছু কমন ঘটনার কথা। যেমন, স্বামীর কাছে অনেক দিন ধরে একটা জুয়েলারি চাচ্ছে, কিন্তু স্বামী দিচ্ছে না। এখন স্ত্রী তো অল্পদিনেই স্বামীকে চিনে যায়, কখন দুর্বল, কখন ব্লাকমেইলে কাজ হবে। এবার স্বামী যখন বুকের উপরে, সে বলে বসল, সেই জুয়েলারির ব্যবস্থা না করে দিলে আর এগোতে দেবে না। স্বামী তো তখন অর্ধবেহুশ - তার আর উপায় নেই। এভাবেই নানান স্বার্থ হাসিল আর ব্লাকমেইল চলতে থাকে। কারণ স্ত্রী নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে, এর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, এদিক-ওদিক করলে চাকরি হারাবে, ক্যারিয়ার যাবে।
ব্যাপারটা আরো ভয়ানক মধ্যবয়েসীদের বেলায়। যারা পুরুষের মিড-লাইফ ক্রাইসিসের ব্যাপারে জানেন তারা বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কত সিরিয়াস। সে ছটফট করছে, আর ঘরে মাঝবয়সী মেক্সি পরা বৌ। তার উপর মেনোপজের পরে তাদের সেক্সুয়াল ড্রাইভ একেবারে কমে যায়, মানসিকভাবে তো বটেও, ফিজিকালিও। আর বাঙ্গালী নারীদের তো ঘরে বুয়ার চেয়েও খারাপ গেটআপে থাকার রেপুটেশন আছে।
একটা বড় অংশ হয়ে যায় অনেক মোটা। বাংলাদেশে ফিজিকাল এক্সারসাইজ করে মাত্র ২০-২৫ শতাংশ নারী, যাদের অধিকাংশই হলো মডেল, কর্পোরেট আর স্পোর্টস গার্ল ।
ফলে সেই বৌয়ের সাথে সেক্স পুরো বিনিময় টাইপের হয়ে যায়। বৌ এটা-সেটা আদায় করে নেয়। আর মেনোপজের ফলে আগের মত আর উপভোগ্যও থাকে না।
এক বিসিএস ক্যাডারের লেখা দেখছিলাম, অনেক কষ্ট করে ক্যাডার হবার পর বিয়ে করলো। এদিকে তিন চার-মাস পর বৌ প্রেগন্যান্ট। তারপর থেকে টানা ৯ মাস কাছে যেতে দেয়নি। তারপর বাচ্চা হবার পর থেকে সেই বাচ্চাই সব-স্বামীর দিকে খেয়ালই নেই। আর সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ, কিছুদিন পর ধরা পড়লো ফিস্টুলা, সিজারের সময় হয়েছে। ব্যাস, সারাজীবনের মত সেক্সুয়াল লাইফ গেলো।
উনি লিখেছিলেন, আমারও বয়েস হয়ে যাচ্ছে, ঘরে বেঢপ সাইজের অনাগ্রহি বউ, আর বাড়ির পাশে স্কুল আর কোচিং সেন্টার - শত শত মেয়েরা যাওয়া আসা করে। দ্বিতীয় বিয়ে করতে দেবে না , ভদ্রলোক বলে বেশ্যার কাছেও যেতে পারবো না। আর অ্যাফেয়ারের চেষ্টা করলে বৌ চাকরি খেয়ে দেবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে। দিনরাত সুইসাইডের কথা ভাবেন।
এবার আসি আসল কথায়। সাইকোলজিতে Misophonia আর Misokenisia নামে দুটো টার্ম আছে। এই কন্ডিশনগুলোর একটার ব্যাপার এরকম, এক ব্যাক্তি যার নিজের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস নেই, সে অন্য কারো সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি সহ্য করতে পারে না। মানে আরেকজন সেক্স করছে, ইভেন কিস করছে এটাও সে মানতে পারে না।
❤1
বাংলাদেশে কর্মকর্তাদের নিয়ে এরকম গবেষণা হয়নি। কিন্তু আমার এক পরিচিতের মতে, বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বড় একটা অংশ এরকম সাইকোলোজিকাল কন্ডিশন ডেভেলপ করেছে। নিজের সেক্সুয়াল লাইফের বারোটা বেজে গেছে, ফলে সে যে বয়সে সেক্স করতে পারেনি, সেই বয়সে আরেকজন কেন করবে - এটা মানতে পারে না।
হ্যাঁ, বাল্যবিয়ে বন্ধের অনেক কারণ আছে, মিডিয়ায় কাভারেজ পাওয়া যায়, প্রথম আলো ফিচার করে, ইয়ারলি পারফরম্যান্সে যোগ হলো, বিদেশী এনজিওরা বাহবা দেয়।
এর সাথে ব্যাক্তিগত বড় ইস্যুটাও জুড়ে গেল - ফলে আমাদের এসিল্যান্ড সাহেব রাত বারোটায়ও হাজির হন দরিদ্র দিনমজুরের মেয়ের বিয়ে বন্ধ করতে। যে হয়ত লাস্ট ছয়মাস রোদে পুড়েছে এই বিয়ের খরচ এক জায়গায় করতে।
বলে রাখা ভালো, এর আগে মধ্যবিত্তরাও যৌথ বা বড় পরিবারের কারণে একটা ক্রাইসিসে ভুগত। কিন্তু এখন সবদিকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি আর এক ফ্লাটের বাসার কারণে সে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। মধ্যবিত্ত ছেলেরা বিয়ে করে বৌ নিয়ে শহরে চলে যাচ্ছে, অনেক ভালো সেক্সুয়াল লাইফ এখন।
সবশেষ ব্যাপারটা নারী কর্মকর্তাদের নিয়ে। আমি গত ৬/৭ বছর ধরে অনেকগুলো ফেমিনিস্ট কমিউনিটি নিয়মিত ভিজিট করি। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি, ফেমিনিস্টদের এমন একটা ব্যাপার এত রাগিয়ে দেয়, যা আর কোনো ব্যপার পারে না।
সেটা হলো, কোন পুরুষ একটা অল্পবয়েসি মেয়ের সাথে রিলেশন বা বিয়ে করছে, এটা তারা কোনোভাবেই মানতে চায় না। ইভেন নারীদের খুন-হবার ব্যাপারেও এত কড়া রিঅ্যাকশন দেখায় না যতটা এই ব্যপারে দেখায়। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও একটা উদাহরণ।
যে যত যাই বলুক, মেয়েদের প্রাইম বয়স ১৬-১৭-১৮, এই বয়সের মত এত সমৃদ্ধ তারা কখনোই আর হয় না। 'সুইট সিক্সটিন' টার্মটা এমনি এমনি আসেনি, পশ্চিমারাই দিয়েছে। তো এই ফেমিনিস্টগুলো সব তাদের প্রাইম বয়স পার করে ফেলেছে, তাদেরকে আগলি দেখায়। সুতরাং তার চেয়ে কম বয়েসি কেউ তার চেয়ে বেশি অ্যাটেনশন পাচ্ছে এটা মানতেই পারে না, হাত কেটে যাওয়াও তার জন্য সহজ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বন্ধ করেছে মাদারীপুরের মাহমুদা আক্তার কণা নামের এক মহিলা, হাজারেরও বেশি। তার ওজন ৩ মণের কাছাকাছি হবে। আমার পছন্দের কমেডিয়ান জর্জ কার্লিনের ভাষায়, "টেকনিকালি তো মনে হয় না এই মহিলা সেক্স করতে পারে"।
আমার মেসেজটা পেয়েছেন আশাকরি।
_____
আহমাদ খান
হ্যাঁ, বাল্যবিয়ে বন্ধের অনেক কারণ আছে, মিডিয়ায় কাভারেজ পাওয়া যায়, প্রথম আলো ফিচার করে, ইয়ারলি পারফরম্যান্সে যোগ হলো, বিদেশী এনজিওরা বাহবা দেয়।
এর সাথে ব্যাক্তিগত বড় ইস্যুটাও জুড়ে গেল - ফলে আমাদের এসিল্যান্ড সাহেব রাত বারোটায়ও হাজির হন দরিদ্র দিনমজুরের মেয়ের বিয়ে বন্ধ করতে। যে হয়ত লাস্ট ছয়মাস রোদে পুড়েছে এই বিয়ের খরচ এক জায়গায় করতে।
বলে রাখা ভালো, এর আগে মধ্যবিত্তরাও যৌথ বা বড় পরিবারের কারণে একটা ক্রাইসিসে ভুগত। কিন্তু এখন সবদিকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি আর এক ফ্লাটের বাসার কারণে সে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। মধ্যবিত্ত ছেলেরা বিয়ে করে বৌ নিয়ে শহরে চলে যাচ্ছে, অনেক ভালো সেক্সুয়াল লাইফ এখন।
সবশেষ ব্যাপারটা নারী কর্মকর্তাদের নিয়ে। আমি গত ৬/৭ বছর ধরে অনেকগুলো ফেমিনিস্ট কমিউনিটি নিয়মিত ভিজিট করি। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি, ফেমিনিস্টদের এমন একটা ব্যাপার এত রাগিয়ে দেয়, যা আর কোনো ব্যপার পারে না।
সেটা হলো, কোন পুরুষ একটা অল্পবয়েসি মেয়ের সাথে রিলেশন বা বিয়ে করছে, এটা তারা কোনোভাবেই মানতে চায় না। ইভেন নারীদের খুন-হবার ব্যাপারেও এত কড়া রিঅ্যাকশন দেখায় না যতটা এই ব্যপারে দেখায়। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও একটা উদাহরণ।
যে যত যাই বলুক, মেয়েদের প্রাইম বয়স ১৬-১৭-১৮, এই বয়সের মত এত সমৃদ্ধ তারা কখনোই আর হয় না। 'সুইট সিক্সটিন' টার্মটা এমনি এমনি আসেনি, পশ্চিমারাই দিয়েছে। তো এই ফেমিনিস্টগুলো সব তাদের প্রাইম বয়স পার করে ফেলেছে, তাদেরকে আগলি দেখায়। সুতরাং তার চেয়ে কম বয়েসি কেউ তার চেয়ে বেশি অ্যাটেনশন পাচ্ছে এটা মানতেই পারে না, হাত কেটে যাওয়াও তার জন্য সহজ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বন্ধ করেছে মাদারীপুরের মাহমুদা আক্তার কণা নামের এক মহিলা, হাজারেরও বেশি। তার ওজন ৩ মণের কাছাকাছি হবে। আমার পছন্দের কমেডিয়ান জর্জ কার্লিনের ভাষায়, "টেকনিকালি তো মনে হয় না এই মহিলা সেক্স করতে পারে"।
আমার মেসেজটা পেয়েছেন আশাকরি।
_____
আহমাদ খান
❤4
অধিকাংশ মধ্যবিত্তরা ঋণে জর্জরিত। কারণ, তারা তাদের আয়ের চাইতে খরচের হাতটা বড় করে ফেলেছেন। এই ঋণ তাদেরকে পার্মানেন্টভাবে একটা মানসিক চাপে রাখে, ওদিক দিয়ে নেক্সট আর কি কেনা লাগবে,তাই নিয়েও একটা চাপ থাকে।
সমাজে গত ৮-১০ বছরে ভালো একটা চেঞ্জ এসছে। আমার ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত, বড়জোর ২-১ বার জন্মদিনে কেক কাটা হয়েছে। অথচ এরপর থেকে আমি শিখলাম জন্মদিন পালন। আর এখন জন্মদিনে প্রায় ১০-১২টা কেক আসে। কারণ, একটা সেলিব্রেশন, একটু শো অফ, একটু তৈলবাজি, একটু ঋণ করে ঘি খাওয়া। যে টাকা আমি উপার্জন করিই নাই, সেটা আমাকে খরচ করতে হবে। ধার করলে ব্যাংকে আপনার প্রোফাইল ভারী হবে।
যাই হোক, হতে পারে, কোন কোন মানুষ আমার মতো এই ব্যাপারটা বিলিভ করেন না এবং ঋণমুক্ত সচ্ছল জীবন যাপন করতে সাচ্ছন্স বোধ করেন (আমার খুব সামান্য ঋণ আছে, যা ঈদের আগেই শোধ হয়ে যাবে)। ইউজুয়ালি, আমার তেমন কোন লোন থাকে না।
আরেকটা বিষয় দেখবেন, আপনার বাবা ছিলেন হয়তো একজন স্কুল মাস্টার। স্কুলের বেতন আর সাইকেল ঠেলে গোটা পাঁচেক টিশন করিয়ে আপনাদের ৪ ভাই বোনকে খাওয়ায়ে পরায়ে, গ্রামে ইটের দালানও দিয়ে দিয়েছে। এদিকে আপনি একটি মাত্র বাচ্চা নিয়ে ৫০-৬০ হাজার টাকা বেতনের জব নিয়েও মোট প্রায় দুই লাখ টাকার ঋণ করে বসে আছেন।
আমাদের এখন জন্মদিনের চাহিদা, কক্সবাজার যাওয়ার চাহিদা, দেশের বাইরে যাওয়ার চাহিদা ইত্যাদি নানান চাহিদা জন্ম নিয়েছে। আপনার প্যারেন্টস দেখবেন, কক্সবাজার যান নাই ৭০ বছরের লাইফে, এদিকে আপনি গত ৭ বছরে ১৭ বার গিয়েছেন। আপনি যেতেই পারেন, যদি আপনার সেই উপার্জন থাকে, কিন্তু ইস্যু ইজ, উপার্জন না করেই, লোন করে হলেও আপনি চলে যাচ্ছেন। কিংবা এটাকে প্রায়োরিটি দিতে গিয়ে অনেক জরুরী বিষয়ে আর সময় দিতে পারছেন না।
যাই হোক, একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখবেন, যে কোন কর্পোরেটে, বিজনেসে বা প্রজেক্ট করতে গেলে শুরুতেই একটা বাজেট করতে হয়। কোন কোন খাতে কত টাকা খরচ করতে হবে, আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকে। নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসলেও সেটা বাজেট অতিক্রম হলে, না করে দেয়া হয়।
আমাদের নিজস্ব খরচে আমরা বাজেট করি না। অথচ আমাদের মাসে কত টাকার কি কি খাবো, কি কি কেনা লাগবে, বাচ্চার স্কুলের বেতন কি হবে, টিফিন, যাতায়াত, টিউশন, কি হবে, এগুলা যদি আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকতো, তাহলে আমরা অনেকেই বাড়তি খরচ করার হাত থেকে রেহাই পেতাম হয়তো। নিজের মনকে এমনভাবে ট্রেইন আপ করতে হবে, যাতে আমি বাজেটের বাইরে গিয়ে খরচ না করি, যাই হোক, আমাকে বাজেটের ভিতর চলতে হবে। অফিসের বাজেট, বাসার জন্যে বাজেট।
যখন আপনি আপনার উপার্জনের ৬০% এর ভিতর একটি বাজেট নিজের পরিবারের জন্যে করতে পারবেন, তখন আপনি নিয়মিত সেভিং করতে পারবেন। দান করতে পারবেন, ইনভেস্ট করতে পারবেন। বছরখানেকের ভিতর ব্যাংক ব্যাল্যান্স করতে পারবেন বা জমি কিনতে পারবেন। বিপদে ভরসা পাবেন।
এটাই আসলে আল্টিমেট সচ্ছলতার উপায়। এর আর কোন শর্টকাট নাই।
সমাজে গত ৮-১০ বছরে ভালো একটা চেঞ্জ এসছে। আমার ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত, বড়জোর ২-১ বার জন্মদিনে কেক কাটা হয়েছে। অথচ এরপর থেকে আমি শিখলাম জন্মদিন পালন। আর এখন জন্মদিনে প্রায় ১০-১২টা কেক আসে। কারণ, একটা সেলিব্রেশন, একটু শো অফ, একটু তৈলবাজি, একটু ঋণ করে ঘি খাওয়া। যে টাকা আমি উপার্জন করিই নাই, সেটা আমাকে খরচ করতে হবে। ধার করলে ব্যাংকে আপনার প্রোফাইল ভারী হবে।
যাই হোক, হতে পারে, কোন কোন মানুষ আমার মতো এই ব্যাপারটা বিলিভ করেন না এবং ঋণমুক্ত সচ্ছল জীবন যাপন করতে সাচ্ছন্স বোধ করেন (আমার খুব সামান্য ঋণ আছে, যা ঈদের আগেই শোধ হয়ে যাবে)। ইউজুয়ালি, আমার তেমন কোন লোন থাকে না।
আরেকটা বিষয় দেখবেন, আপনার বাবা ছিলেন হয়তো একজন স্কুল মাস্টার। স্কুলের বেতন আর সাইকেল ঠেলে গোটা পাঁচেক টিশন করিয়ে আপনাদের ৪ ভাই বোনকে খাওয়ায়ে পরায়ে, গ্রামে ইটের দালানও দিয়ে দিয়েছে। এদিকে আপনি একটি মাত্র বাচ্চা নিয়ে ৫০-৬০ হাজার টাকা বেতনের জব নিয়েও মোট প্রায় দুই লাখ টাকার ঋণ করে বসে আছেন।
আমাদের এখন জন্মদিনের চাহিদা, কক্সবাজার যাওয়ার চাহিদা, দেশের বাইরে যাওয়ার চাহিদা ইত্যাদি নানান চাহিদা জন্ম নিয়েছে। আপনার প্যারেন্টস দেখবেন, কক্সবাজার যান নাই ৭০ বছরের লাইফে, এদিকে আপনি গত ৭ বছরে ১৭ বার গিয়েছেন। আপনি যেতেই পারেন, যদি আপনার সেই উপার্জন থাকে, কিন্তু ইস্যু ইজ, উপার্জন না করেই, লোন করে হলেও আপনি চলে যাচ্ছেন। কিংবা এটাকে প্রায়োরিটি দিতে গিয়ে অনেক জরুরী বিষয়ে আর সময় দিতে পারছেন না।
যাই হোক, একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখবেন, যে কোন কর্পোরেটে, বিজনেসে বা প্রজেক্ট করতে গেলে শুরুতেই একটা বাজেট করতে হয়। কোন কোন খাতে কত টাকা খরচ করতে হবে, আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকে। নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসলেও সেটা বাজেট অতিক্রম হলে, না করে দেয়া হয়।
আমাদের নিজস্ব খরচে আমরা বাজেট করি না। অথচ আমাদের মাসে কত টাকার কি কি খাবো, কি কি কেনা লাগবে, বাচ্চার স্কুলের বেতন কি হবে, টিফিন, যাতায়াত, টিউশন, কি হবে, এগুলা যদি আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকতো, তাহলে আমরা অনেকেই বাড়তি খরচ করার হাত থেকে রেহাই পেতাম হয়তো। নিজের মনকে এমনভাবে ট্রেইন আপ করতে হবে, যাতে আমি বাজেটের বাইরে গিয়ে খরচ না করি, যাই হোক, আমাকে বাজেটের ভিতর চলতে হবে। অফিসের বাজেট, বাসার জন্যে বাজেট।
যখন আপনি আপনার উপার্জনের ৬০% এর ভিতর একটি বাজেট নিজের পরিবারের জন্যে করতে পারবেন, তখন আপনি নিয়মিত সেভিং করতে পারবেন। দান করতে পারবেন, ইনভেস্ট করতে পারবেন। বছরখানেকের ভিতর ব্যাংক ব্যাল্যান্স করতে পারবেন বা জমি কিনতে পারবেন। বিপদে ভরসা পাবেন।
এটাই আসলে আল্টিমেট সচ্ছলতার উপায়। এর আর কোন শর্টকাট নাই।
❤2