জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
এসএসসি পরীক্ষা শেষ! এখন কী করবো?
১৭ বছর বয়সেই পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে বার্সেলোনার ফরওয়ার্ড লামিন ইয়ামালের দিকে। ক্লাবগুলো রীতিমতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে ওকে দলে নেয়ার জন্য।
অন্যদিকে দেবজ্যোতি দাস সৌম্য, মাত্র ১৫ বছর বয়সে হয়ে গেছে গ্র্যান্ডমাস্টার।
তুমি হয়তো ভাবছো, “আমি এই লেভেলের মানুষ না ভাই!”
ঠিক আছে। আমরা সবাই হয়তো লামিন বা সৌম্য হতে পারব না।
কিন্তু একটা জায়গায় আমরা ওদের মতোই— আমাদেরও Passion আছে।
আর প্যাশনের পিছনে ছোটার সাহস যদি থাকে, তাহলে আমরাও একটা গল্প হতে পারি।
এখন চলো জেনে নেই - এই সময়টা তোমরা কিভাবে কাজে লাগাতে পারো।

Step 1: ঘুমাও, মনের মতো করে ঘুমাও
তোমার পরীক্ষার টেনশনে কত রাত ঠিক মতো ঘুম হয়নি সেটা তুমিও জানো না।
তাই এখন এক সপ্তাহ ঘুমাও।
ঠিক মতো। শান্তিতে।
এই ঘুম তোমার পুরস্কার, এটা নিয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ না।

Step 2: ঘুরে আসো, মনটা হালকা করো
ঘুমের পর একটুর জন্য জাস্ট সব কিছু থেকে দূরে চলে যাও।
ফ্যামিলি সাপোর্ট থাকলে – নেপাল, থাইল্যান্ড, বা যেকোনো একটা নতুন দেশ ঘুরে আসো।
না পারলে সাজেক, কক্সবাজার, টাঙ্গুয়ার হাওর।
তা-ও না হলে? গ্রামের বাড়ি।
দেখবা নতুন একটা অভিজ্ঞতা পাবা সাথে মন তো ভালো হবেই।

Step 3: বাস্তবতা বুঝো – ডিগ্রি থাকলেই চাকরি হয় না
২০১৭ সালে ৪ লাখ স্নাতক ছিল বেকার।
২০২২-তে সেটা ৮ লাখ।
এই মানুষগুলো কোথায় ভুল করেছিল জানো?
তারা শুধু পড়াশোনা করেছিল, স্কিল শেখেনি।
তাই তোমার ভালো লাগার ফিল্ড খুঁজে বের করো। স্কিল ডেভেলপ করার যুদ্ধে এক পা আগায় যাও।

Step 4: স্কিল শিখো – যেটা তোমাকে এগিয়ে রাখবে
এই ছুটিটা শুধু ঘুম, ট্যুর, আর সিরিজ দেখেই শেষ করে ফেলো না। জীবনটা যে রকম কঠিন হয়ে যাচ্ছে, তাতে শুধু একাডেমিক সার্টিফিকেট নিয়ে এগোনো যাচ্ছে না। দরকার এমন কিছু স্কিল, যেগুলা তোমাকে আলাদা করে তুলবে, চাকরি না পাইলেও যেগুলা দিয়ে তুমি নিজের ইনকাম শুরু করতে পারবা। নিচে এমন কিছু স্কিল নিয়ে কথা বলি, যেগুলা তুমি চাইলে ঘরে বসেই শেখা শুরু করতে পারো।

১. প্রোগ্রামিং (Programming):
এইটা শুধু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য না—প্রতিটা ফিল্ডেই এখন বেসিক কোডিং জানাটা মেন্ডেটরি হয়ে গেছে। ধরো তুমি মেডিকেল, বিজনেস বা মিডিয়াতেও যেতে চাও—কোডিং জানলে তুমি অন্যদের থেকে সবসময় একধাপ এগিয়ে থাকবে। খুব কঠিন কিছু না, প্রথমে একটা ওয়েবসাইট বানাতে শেখো। এরপর দেখবা তোমার নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে—"হ্যাঁ, আমি পারি।"

২. ভিডিও এডিটিং (Video Editing):
এক সময় ভিডিও বানানো মানে শুধু ইউটিউবারদের ব্যাপার ছিলো। এখন কোম্পানির মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং থেকে শুরু করে চাকরির প্রেজেন্টেশনেও ভিডিও লাগছে। ভিডিও হলো বর্তমানের সবচেয়ে পাওয়ারফুল কন্টেন্ট ফরম্যাট। তুমি চাইলে মোবাইল দিয়েই ভিডিও এডিটিং শেখা শুরু করতে পারো—CapCut, VN, Kinemaster-এর মতো অ্যাপ দিয়ে।

৩. গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics Design):
সৃজনশীলতা + টুলস = পাওয়ার।
তুমি যদি সুন্দরভাবে কিছু উপস্থাপন করতে পারো, তাহলে যেকোনো সাধারণ আইডিয়াকেও অসাধারণ বানানো যায়। কোম্পানির লোগো, ফেসবুক পোস্ট, স্লাইড প্রেজেন্টেশন—সব জায়গায় গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাহিদা আছে। Canva দিয়ে শুরু করো, তারপর ধীরে ধীরে Adobe Illustrator বা Photoshop-এ যাও।

৪. কনটেন্ট ক্রিয়েশন (Content Creation):
এইটা এখন একটা ফুলটাইম ক্যারিয়ার। ইন্ডিয়ান ইউটিউবার Dhruv Rathee তার কনটেন্ট দিয়ে পুরো নির্বাচনে প্রভাব ফেলছে। ভাবো তো, সে কিভাবে শুরু করেছিল? প্যাশন দিয়ে।
তুমি যদি ভালো কথা বলতে পারো, বা লিখতে পারো, কিংবা গল্প বলার ট্যালেন্ট থাকে—তাহলে তোমার কনটেন্ট দিয়েও লাখ লাখ মানুষ অনুপ্রাণিত হতে পারে।

৫. স্পোকেন ইংলিশ (Spoken English):
২০২৫ সালে এসে যদি তুমি ইংরেজিতে দুইটা কথা বলতে না পারো, তাহলে সেটা তোমার জন্য বিশাল একটা ড্রব্যাক। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, ইউনিভার্সিটির প্রেজেন্টেশন, বা হায়ার স্টাডির জন্য স্পোকেন ইংলিশে ভালো হওয়া মেন্ডেটরি। ইউটিউবেই ফ্রি তে অসাধারণ রিসোর্স আছে, শুধু কনসিসটেন্টলি প্র্যাকটিস করতে হবে।

৬. ফিজিক্যাল এক্টিভিটিস (Physical Activities):
একটা কথা মনে রেখো—"Health is Wealth" এটা কোনো ডায়লগ না, এটা বাস্তবতা। শরীর যদি ভালো না থাকে, মস্তিষ্কও কাজ করবে না। খেলাধুলা করো—ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন—যেটা ভালো লাগে। সাঁতার শিখো, জিমে যাও, জগিং করো। নিজের ফিটনেসটা মেইনটেইন করো।

🏫 Step 5: মিশনারি কলেজে ভর্তি হতে চাও? তাহলে প্রস্তুতি এখনই
নটরডেম, সেন্ট যোসেফ, হোলি ক্রস—সবচেয়ে ভালো কলেজগুলোতে যেতে চাইলে
ভর্তি পরীক্ষার প্রিপারেশন এখনই নিতে হবে।
1
এসএসসির বেসিক গুলো ঝালিয়ে নাও।
কোচিং কোর্সের পিছনে না দৌড়ায়ে, নিজে নিজে রুটিন বানিয়ে পড়ো।
ফিল ইন দ্য ব্ল্যাংকস, এমসিকিউ, শর্ট কোয়েশ্চেন – কখনো কি ধরণের প্রশ্ন আসে ঠিক নাই। তাই তুমি নিজে নিজে একদম বেসিক ধরে ধরে একটা প্রিপারেশন নিয়ে নাও।
এই ধাপে আপাতত স্কিলর পিছে সময় দেয়ার দরকার নাই।
তোমার টার্গেট এখন শুধু একটা – ভালো কলেজে চান্স।

সবাই এক রকম না, কিন্তু সবাই কিছু না কিছু শিখতে পারে। তোমরা সবাই একই রকম ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসো না—কারও কাছে ল্যাপটপ আছে, AC রুমে বসে ক্লাস করে, কোর্সে ভর্তি হওয়ার মত সামর্থ্য আছে। আবার কেউ গ্রামের কুঁড়ে ঘরে বসে মোবাইলের ছোট্ট স্ক্রিনে চেষ্টা করতেছে কিছু শেখার। কিন্তু জানো, যার যা আছে, তা দিয়েই শুরু করা যায়। দরকার শুধু ইচ্ছা আর ধৈর্য।
অলস বসে থাকো না। অলসতা থেকেই শুরু হয় জীবনের বড় ক্ষয়ক্ষতি—নেশার প্রতি আকর্ষণ, খারাপ বন্ধুর সঙ্গ, অবাঞ্ছিত সম্পর্ক, এবং এমন অনেক কিছু যা তোমার জীবনের ভবিষ্যৎ, তোমার ক্যারিয়ার, তোমার পরিবারের স্বপ্ন—সব কিছু শেষ করে দিতে পারে। নিজেকে এমন কিছুতে ইনভলভ করো, যেটা তুমি গর্ব করে বলতে পারো। এমন কিছু শেখো, এমন কিছু করো—যেটা তোমাকে নিজের চোখেই সম্মানিত করে তোলে।
শেষ কথাটা একজন বড় ভাই হিসাবে বলি—সিগারেট কিংবা কোনো নেশার পাল্লায় পইর না । রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাওয়া তোমাকে শোভা পায় না। যদি তোমার আব্বু এইভাবে তোমাকে দেখে , তার বুকটা ভেঙে যাবে। কষ্টে ছিঁড়ে যাবে তার স্বপ্ন, যা সে তোমার জন্য দেখে রেখেছে।
এই সময়টাই তোমার গড়ার সময়। এই সময়টাই তোমার যুদ্ধের সময়। আজকে যে ছোট ছোট চয়েসগুলো তুমি নিচ্ছো, সেগুলোই ঠিক করে দেবে—তুমি ভবিষ্যতের "সৌম্য" বা "লামিন" হবে, নাকি ভবিষ্যতের একটা পরিতাপে পরিণত হবে।
ভালো থাকো। শেখো। গড়ো। তোমার জন্য শুভকামনা। ❤️

Jhanker Mahbub
আমার বয়স যখন ২০ ছিল তখন এক বৃদ্ধ ব্যক্তির সাথে কথা বলেছিলাম। বয়স প্রায় ৮৪! পেশায় তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস সাইন্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ছিলন। তিনি তার জীবন নিয়ে অভিজ্ঞতা আমাকে জানাতে গিয়ে বল্লেন, বয়স তোমাকে বিনয়ী করবে, তাজ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে দেখবা তুমি বড় বড় জিনিসের পেছনে ছুটতে থাকা বন্ধ করে দিয়েছো এবং ছোট ছোট জিনিসগুলোকে মূল্য দিতে শুরু করেছো। একা হাসিখুশি সময় কাটানো, পর্যাপ্ত ঘুম, ভালো খাবার, দীর্ঘক্ষন হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা করার ক্ষমতা, এবং প্রিয়জনদের সাথে মানসম্পন্ন সময় কাটানো তোমার কাছে লাক্সারি মনে হবে। আমি ভাবলাম এইগুলা সবইতো আমার জীবনে আছে। তাহলে কী আমি আসল লাক্সারি পেয়ে গেছি?! তিনি বল্লেন হ্যাঁ তবে এটা অনুধাবন করতে হলে তোমাকে বৃদ্ধ হতে হবে।

এই একটা কথপোকথন আমার ব্রেইন থেকে ১০০% প্রেশার কমিয়ে দিয়েছিল। আমি তারপর থেকে কখনও ভীষন রকম মন খারাপ করিনি, জীবন নিয়ে কোনো অভিযোগও হয় নি। এই কথোপকথনই মূলত আমাকে ট্রিগার করছিল এইটা জানতে যে কিভাবে যুবক বয়সের লাক্সারি আমি বৃদ্ধ বয়সেও নিয়ে যেতে পারি। অসংখ্য রিসার্চ পেপার পড়া শুরু করলাম যেটা আমি আমার একাডেমিক লাইফেও কখনও পড়িনি। সেগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করি। ভালোলাগার বিষয় হলো আপনারা অনেকেই মূল্যায়ন করেন আবার কিছু সংখ্যক মানুষ করেন না। আসলে মূল্যায়ন করতে হলে আপনাকে আগে একজন বৃদ্ধের জীবন অনুধাবন করতে হবে।

A J TAJ
2
জীবনটা তোমার,চয়েসও তোমার👇
এই পৃথিবীতে চলতে গেলে প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষের মুখোমুখি হতে হবে। ভিড় ঠেলে সামনে এগোতে হবে, নানা রকম কথা কানে আসবে। কিন্তু এই ভিড়ে তুমি যা করো তা হলো ইগনোর। কারণ জীবনটা তোমার, সিদ্ধান্তও তোমাকেই নিতে হবে। জীবনের পথে কিছু মানুষ আসবে শুধু আবর্জনা ছড়াতে। তাদের কাজই হলো তোমার চারপাশটা বিষিয়ে তোলা। তাদের থেকে দূরে থাকো, নেগেটিভিটি দেখলেই নিজেকে সরিয়ে নাও। এতে কোনো লজ্জা নেই, বরং এটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
খারাপ লাগলেও মানতে হবে, যাদের তুমি বন্ধু ভাবো, তাদের অনেকেই তোমার ক্ষতি দেখতে চায়। তারা সহানুভূতির মুখোশ পরে তোমার কাটা ঘায়ে নুন ছিটায়। তুমি সেই সুযোগটা দিও না। অপ্রয়োজনে তর্কে যেও না, কাউকে বোঝানোর দরকার নেই। কেউ যদি তোমাকে মূর্খ বলে হেসে উড়িয়ে দাও। তোমার সময় আর শক্তিটা বাঁচাও। কারণ সেটাই আসল। তারা যা বলছে, শুনে নাও, হাসো আর মনের ভেতর থেকে “ধন্যবাদ” বলে নিজের পথে এগিয়ে চলো। যারা নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে, তারাই আসল জীবনটা বোঝে। তোমাকে নিয়ে যখন অন্যরা ব্যস্ত থাকবে সমালোচনায়, তখন তুমি একটা ভালো বই পড়ো, প্রিয়জনের সঙ্গে কোথাও ঘুরে আসো, রংতুলি হাতে ক্যানভাসে রঙ ঢালো। ঘর গোছাও, গান শুনো, সিনেমা দেখো, গাছ লাগাও, খেলাধুলা করো, ছবি তুলো, ব্যায়াম করো কিংবা স্রষ্টার উপাসনায় মন দাও। সবচেয়ে জরুরি ব্যাপার হলো তাদের কথায় রিয়েক্ট করো না। দিনশেষে তুমিই জানো তুমি কে, আর কারা তোমার জীবনে সত্যিকারের গুরুত্ব রাখে। তোমার পরিবার ও প্রকৃত বন্ধুদের নিয়ে একটা নিরাপদ বাউন্ডারি তৈরি করো তাদের কাছেই নিজেকে উজাড় করে দাও, যাদের সামনে তুমি আয়নার মতো দাঁড়াতে পারো, যাদের সামনে ঝুঁকতে পারো। কারণ তারাই তোমার মঙ্গল চায়। বাকিদের একপাশে সরিয়ে দাও তারা শুধুই শব্দদূষণ। একটা কথা মনে রাখো জীবনটা অপূর্ব সুন্দর। তুমি যে পৃথিবীতে আছো, সেটাও অপূর্ব। পথচলায় যদি আগাছা বা কাঁটাঝোপ সামনে আসে, সাইড কাটিয়ে এগিয়ে যাও। সব কথার উত্তর দিতে নেই, সব কিছুর প্রতিক্রিয়া দেখাতে নেই, সবাইকে বোঝানোরও দরকার নেই। এই ছোট ছোট বোধগুলো যদি আয়ত্তে আনো, তবে হারাবার কিছু থাকবে না;জয়টাই হবে তোমার।
ছবি: এআই।
#আবার #করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে করোনা।

নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।
নতুন রূপ -- XBB -আগের মতো নয়।
এই ভাইরাসে সাধারণভাবে জ্বর বা কাশি হয় না,
তবে শরীরের ভেতরে নীরবে চলতে থাকে ভয়াবহ সংক্রমণ।

রোগীরা মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পিঠে অস্বস্তি--এসব উপসর্গ নিয়ে আসেন।
অনেক সময় নাকের সোয়াব পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে,
কিন্তু এক্স-রেতে ধরা পড়ে নিউমোনিয়া।

XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অন্তত ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং
সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে--তাই উপসর্গ হালকা হলেও ঝুঁকি অনেক বেশি।

🔍 লক্ষণ যেগুলো দেখা যাচ্ছে:
• মাথা ব্যথা, শরীর ব্যথা
• গলা ও জয়েন্টে ব্যথা
• পিঠে চাপ
• ক্ষুধা হ্রাস
• ক্লান্তি,
• এক্স-রেতে নিউমোনিয়া

শরীরের বাইরে থেকে ধরা না পড়লেও ভিতরে আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসতন্ত্র।

সময় থাকতে সতর্কতা অবলম্বন করুন

যাদের শরীরে #ইমিউনিটি কম, বয়স্ক লোকজন, #গর্ভবতী মা, ডায়াবেটিস
থাকলে, ক্যান্সার থাকলে, ইতিপূর্বে ফুসফুসে কোন রোগ থাকলে (যক্ষা) থাকলে তাদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি হলো এই করোনাভাইরাস।

করণীয়:
• মাস্ক ব্যবহার করা
• জনসমাগম এড়িয়ে চলা
• ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা
• নিয়মিত হাত ধোয়া।
কোরবানির পশুর হাটে জনস সমাগম এ অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন
• উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনে এক্স-রে বা HRCT করানো।

#আশার কথা হলো
করোনা হলো ভাইরাস দিয়ে সৃষ্ট একটি রোগ। প্রতিবছরই এরকম ভাইরাস বাহিত রোগ আমাদের আক্রমণ করতে পারে। যাদের ইমিউনিটি ভালো, নিয়মিত শরীর চর্চা করেন, খাবারদাবার পরিমাপ মত করেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখেন তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কম থাকবে।

📢 ব্যক্তিগত অনুরোধ:
এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন।
পরিবার, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব -- সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।
3
বাস্তবতা থেকে শেখা ২১টি মূল্যবান কথা
By Spike Story


জুন ৪, ২০২৫

একটা সময় ছিল, যখন আমাদের শিক্ষা হতো বইয়ের পাতায়, পরীক্ষার খাতায়, বা শিক্ষকের মুখে শোনা জ্ঞানে। কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, জীবন আমাদের বড় শিক্ষক হয়ে উঠেছে। তার পাঠশালা খোলা আকাশের নিচে, আর ক্লাসরুম—নিজের অভিজ্ঞতার ভিতরে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম নেয় কিছু ছোট ছোট কথা, কিছু সতর্কতা, কিছু আদর্শ—যা সত্যি মানলে জীবনের অনেক ভুল এড়িয়ে চলা যায়।

এই লেখায় আমরা এমনই কিছু জীবনের শিক্ষার কথা বলব, যা বাস্তবতা থেকে নেয়া। হয়তো এই কথাগুলো আপনি আগে কোথাও শুনেছেন, কিন্তু আজ সেগুলো নতুনভাবে উপলব্ধি করুন—কেননা এগুলো শুধু কথা নয়, বরং জীবন বদলে দেওয়ার মতো শিক্ষা।

১. নিজের প্রশংসা নিজে করবেন না

যে মানুষ নিজেকে বড় করে তুলে ধরার চেষ্টা করে, অনেক সময় সে অজান্তেই ছোট হয়ে যায়। নিজের কাজ, নিজের মান যত ভালোই হোক, অন্যের চোখে তার মূল্য বাড়ে নম্রতায়, অহংকারে নয়।

২. ছোট কথাগুলো বড় করে তোলে মানুষকে

“ধন্যবাদ” আর “অনুগ্রহ করে”—এই দুইটি শব্দ মানুষের ব্যবহার এবং মূল্যবোধের প্রতিচ্ছবি। নিজের ভুল স্বীকার করা যেমন একটি বড় গুণ, তেমনি অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোও একটি শক্তিশালী মানবিক গুণ।

৩. গোপন কথা গোপন রাখুন

বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধভাবে নয়। নিজের সবকিছু সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আজ যার ওপর আপনি ভরসা করছেন, কাল সেই মানুষই দুর্বল মুহূর্তে আপনাকে ব্যবহার করতে পারে।

৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসায় ঝাঁপ দেবেন না

স্বপ্ন থাকা ভালো, কিন্তু অন্ধভাবে ঝুঁকি নেওয়া নয়। ব্যবসা শুরু করার আগে নিজেকে তৈরি করুন, শিক্ষাটুকু অর্জন করুন, বাজার বুঝুন—তবেই সাফল্যের সম্ভাবনা অনেকগুণ বাড়ে।

৫. পর্ণে আসক্তি ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়

পর্ণগ্রাফির প্রতি আসক্তি অনেক সময় মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিত্বে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সাময়িক আনন্দের জন্য আপনি ধীরে ধীরে নিজের জীবনের দিশা হারাতে পারেন।

৬. পরচর্চাকারী থেকে দূরে থাকুন

যে মানুষ সবসময় অন্যের নিন্দা করে, বিশ্বাস করুন—একদিন সে আপনাকেও কারো সামনে অপমান করবে। এমন মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন।

৭. গাধার সঙ্গে তর্ক করে লাভ নেই

একজন যুক্তিহীন মানুষকে বোঝানো মানে নিজেকে তার স্তরে নামিয়ে আনা। সময়, শক্তি এবং সম্মান রক্ষা করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু আলোচনা এড়িয়ে চলাই ভালো।

৮. কাজ ফেলে রাখবেন না

“পরে করব” বলতে বলতে একসময় দেখা যায়, কাজটা আর করাই হয়নি। গবেষণায় দেখা গেছে, যেকোনো কাজ ফেলে রাখলে সেটি শেষ করার সম্ভাবনা ৮০% কমে যায়।

৯. ‘না’ বলতে শিখুন

সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলা মানেই আপনি ভালো মানুষ, এমন না। নিজের সীমানা তৈরি করতে শিখুন। না বলতে পারাটা আত্মসম্মানের চিহ্ন।

১০. পরিবার বনাম জীবনসঙ্গী: ভারসাম্য রক্ষা করুন

স্ত্রীর জন্য বাবা-মাকে অবহেলা করবেন না, আবার বাবা-মায়ের কারণে স্ত্রীর স্নেহও তুচ্ছ করবেন না। দুটি সম্পর্কেরই আলাদা মূল্য আছে—বুঝে চলতে শিখুন।

১১. সবাইকে খুশি করা সম্ভব না

আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন, সবাইকে খুশি করা অসম্ভব। তাতে আপনার নিজস্বতা হারিয়ে যায়। নিজের মূল্যবোধ ঠিক রেখে সিদ্ধান্ত নিন।

১২. ঝুঁকি না নিলে সাফল্যও আসবে না

জীবনের বড় সাফল্যগুলো আসে ছোট ছোট ঝুঁকির ফসল হিসেবে। তবে সবসময় হতে হবে ক্যালকুলেটেড রিস্ক—পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন করে নেওয়া পদক্ষেপ।

১৩. স্মার্টফোনের সীমা বোঝা জরুরি

স্মার্টফোনে ডুবে যাওয়া মানেই বাস্তবতা থেকে দূরে সরে যাওয়া। গুগল জীবনের সব উত্তর দিতে পারে না—কিছু উত্তর খুঁজে পেতে হয় জীবনেই।

১৪. মনের কথা বলুন, দেরি করবেন না

কখনো কখনো একটা না বলা অনুভব সারাজীবনের আফসোস হয়ে থেকে যায়। তাই সময় থাকতে ভালোবাসার কথা, ইচ্ছের কথা, কৃতজ্ঞতার কথা বলে ফেলুন।

১৫. সম্পর্ক ভাঙলে ভেঙে যেতে দিন

যে সম্পর্ক কষ্ট দেয়, দম বন্ধ করে দেয়, মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়—সেই সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে থাকলে আপনি নিজের সঙ্গেই অন্যায় করছেন।

১৬. হাল ছাড়বেন না

আপনি ঠিক কতটা কাছাকাছি পৌঁছেছেন তা আপনি নিজেই জানেন না। হয়তো সাফল্যের দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন, আর আপনি হাল ছেড়ে দিচ্ছেন! কিছু কিছু সময় শুধু অবিশ্বাস্য ধৈর্যই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

১৭. শত্রু তৈরি নয়, সম্পর্ক রক্ষা করুন

বিনা কারণে মানুষের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করা বোকামি। কিছু কথা না বললেও চলে, কিছু লড়াই এড়িয়েও জেতা যায়।

১৮. ধর্ম নিয়ে সম্মান বজায় রাখুন

ধর্ম কারো ব্যক্তিগত বিশ্বাস। সেটায় আঘাত করা মানে শুধু তার অনুভূতিকে নয়, সামাজিক শৃঙ্খলাকেও আঘাত করা। সচেতন থাকুন।

১৯. ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও নয়

বিশ্বস্ততা খুব মূল্যবান, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত। তাই ভালোবাসার নামে নিজের সম্মান ঝুঁকিতে ফেলবেন না।

২০. যিনি শুনতে চায় না, তাকে শেখাতে যাবেন না

সবাই শিক্ষা নিতে প্রস্তুত থাকে না। কখনো কখনো কাউকে নিজের ভুলে শিখতে দিতে হয়। সময় হলে, সে ঠিকই আপনার কথার মূল্য বুঝবে।

২১. যেখানেই সম্মান নেই, সেখানেই দূরত্ব
2
নিজেকে হারিয়ে সম্পর্ক ধরে রাখার চেয়ে, সম্মান নিয়ে আলাদা থাকা ভালো। নিজের আত্মসম্মানকে কখনো অবহেলা করবেন না।

জীবন একটা পথ—যেখানে প্রতিটি বাঁকে থাকে শিক্ষা। কখনো সেটা আসে অভিজ্ঞতা থেকে, কখনো ব্যথা থেকে। এই ছোট ছোট বাস্তব কথাগুলো হয়তো আপনাকে একেকটা ধাপ পেরোতে সাহায্য করবে, হয়তো একটা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিন্তা করতে বাধ্য করবে।

সবশেষে বলব—জীবনকে সহজে নিন, কিন্তু হালকাভাবে নয়। শেখা কখনো শেষ হয় না, তবে শিখে নিজেকে বদলানোই আসল কাজ।

আপনার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে যাওয়া কথাটি কোনটি? কমেন্টে লিখে আমাদের জানাতে ভুলবেন না!
জ্ঞান - Knowledge
Photo
এটি একটি ১,০০০ গ্রাম লোহার বার, কাঁচামাল হিসেবে যার মূল্য মাত্র ১০০ ডলার।

যদি আপনি এটাকে ঘোড়ার খুর বানাতে ব্যবহার করেন, এর মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০ ডলার।

সেলাইয়ের সূঁচ তৈরি করলে এর মূল্য হয় প্রায় ৭০,০০০ ডলার।

ঘড়ির স্প্রিং ও গিয়ার তৈরি করলে এর মূল্য পৌঁছে যায় ৬ মিলিয়ন ডলারে।

আর এটাকে যদি উন্নত প্রযুক্তির লেজার উপাদানে রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, তখন এই একই লোহার বারের মূল্য দাঁড়ায় ১৫ মিলিয়ন ডলার।

আপনার প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় আপনি কি দিয়ে তৈরি তার মাধ্যমে নয়, বরং আপনি কীভাবে আপনার দক্ষতাকে বিকশিত করেন এবং তা প্রয়োগ করেন, তার উপর।
3
হারিয়ে যাবেন না

কখনোই নিজের কাছে হেরে গিয়ে হারিয়ে যাবেন না। আপনি মনে করছেন আপনার মতন দুর্ভাগা কেউ নেই। অথবা সব অশান্তি আপনার। তা মোটেই নয়। আসলে আপনার চারপাশে অনেকজন আছে যাঁরা আপনার থেকে অনেক বেশি বিপদের মধ্যে আছেন, তাঁদের হতাশা অনেক বেশি।

আমরা এতটাই নিজেকে ভালোবসি, নিজের কথা ভাবি যে অন্যের কষ্ট সেভাবে চোখে পড়ে না। অনেক বেশি হতাশা নিয়েও হাসিমুখে, শক্তমনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে যারা- তাদের দেখে বাঁচতে শিখুন।
কখনো কখনো নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েও, প্রাপ্যটুকু ঠিক সময়ে পাওয়া যায় না। একটা উৎসবের আগে সামান্য কিছু পাওয়ার আশায়, মন খারাপ হয়ে যায় যখন সেটা সময়মতো মেলে না— শুধু অজুহাতের কারণে। আমার প্রয়োজন ছিলো, কারো সদিচ্ছা ছিল না। তবুও কাজ করে যাবো আন্তরিকতা নিয়ে, কারণ আমি দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করি, স্বার্থ থেকে নয়। কিন্তু মনে কষ্ট হয়, যখন জানি দিতে পারতেন, তবুও দিলেন না।
আজ এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভালোবাসা, সম্মান আর প্রাপ্যটুকু পাওয়ার আশা করাটাই যেন দুর্লভ। তবুও নিরব থাকি, কারণ বিশ্বাস করি—আল্লাহ সব দেখেন, সব জানেন।
🕋"রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একজন শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার প্রাপ্য মজুরি দিয়ে দাও।’ (সহীহ ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৮৫৩)
🕋"আল্লাহ বলেন: “তোমরা ন্যায্য মাপ ও ওজন পূর্ণ করো এবং মানুষের জিনিসপত্র কম দিয়ো না।” (সূরা আশ-শোয়ারা, আয়াত: ১৮১-১৮৩)
🕋"রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ধনের (সম্পদের) আধিক্য হলেই ধনী হয় না, (বরং) অন্তরের ধনীই প্রকৃত ধনী।’ (বুখারি ৬৪৪৬, মুসলিম ১০৫১, আহমাদ ৭৩২০)
ধন-সম্পদ নয়, সত্যিকারের ধনী সে, যার হৃদয়ে রয়েছে দায়িত্ববোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতা।
ঈদে কোরবানির সময় প্রয়োজনীয় ওষুধের লিস্ট ও যত্ন
১. মাংস কাটার পর
▪️ সাধারণ ব্যথা হলে- Paracetamol 500/1000 mg
▪️ বেশি ব্যথায়, খাবারের আগে খেতে হবে- Naproxen 500 mg + Esomeprazole 20 mg
▪️কাটাছেঁড়া হলে- Povidone Iodine অ্যান্টিসেপটিক
২. অতিরিক্ত মাংস খেয়ে পেটে সমস্যা হলে:
▪️ অ্যাসিডিটি কমাতে- Antacid সিরাপ ও Omeprazole/Esomeprazole 20 mg (খালি পেটে)
▪️ কোষ্ঠকাঠিন্যে Lactulose বা Glycerin suppository
▪️ বমি ভাব হলে Domperidone 10 mg (খাবারের আগে)
▪️ চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।
৩. ডায়রিয়া হলে:
▪️ প্রতিবার ওরস্যালাইন খেতে হবে।
৪. সর্দি, জ্বর হলে:
▪️ Paracetamol 500 mg
▪️ এলার্জি সর্দিতে Loratadine 10 mg বা Desloratadine 5mg
▪️ গরম পানি, স্টিম ইনহেলেশন ও লবণ পানির গার্গল উপকারী।
৫. গরুর মাংসে কারো এলার্জি বা চুলকানি হলে:
▪️ Fexofenadine 120 mg বা Rupatadine 10 mg
▪️ Calamine lotion যা চুলকানি কমায়
▪️ শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
৬. যারা উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন:
▪️ ওষুধ সেবন করুন, নিয়মিত প্রেসার ও গ্লুকোজ মাপুন।
▪️ লবণ ও মিষ্টি সীমিত রাখুন।
৭. ভ্রমণে:
▪️ নিরাপদ পানি ও পরিচ্ছন্ন খাবার খান।
▪️ ORS, Paracetamol, Antacid, Antihistamine ও ব্যান্ডেজ ব্যাগে রাখুন।
💊 সচেতনতায় Clear Concept
মুআজ ইবনুল জাবাল রাযি. আল্লাহ তাআলার কাছে বলতেন, হে আল্লাহ, আপনি জানেন যে আমি এ জন্য বাঁচতে চাইনি যে, দুনিয়াতে দিন কাটাব, বাগান দেখাশোনা করব, বিয়ে করব; বরং আমি দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে চেয়েছি রোজা রাখার জন্য, রাতে নামাজ আদায়ের জন্য এবং সফর করে করে উলামায়ে কেরামের মজলিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য।

[নারীজীবনের সুখ-সংগ্রাম : ৬৩]
🥰2
জ্ঞান - Knowledge
Photo
কোরবানী স্পেশাল পোস্টঃ

দুর্ঘটনায় শরীরের অঙ্গ বিছিন্ন হলে কি করবেন?

প্রশ্নটি অতি গুরুত্বপুর্ন। দৈনন্দিন জীবনে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন এবং এতে শরীরের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। যেমন যারা মিল/ কল কারখানায় কাজ করেন, অসাবধানতা বসত মেশিনের ভেতর হাত ঢুকে গিয়ে আঙ্গুল, কিংবা কখনো কখনো পুরো হাত ই বিচ্ছিন্ন হতে পারে। হাতের আঙ্গুল ছাড়াও মাথার চামড়া বা স্ক্যাল্প, পুরুষদের যৌনাঙ্গ খুব কমনলি বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে।

বিচ্ছিন্ন অঙ্গটি আধুনিক মাইক্রো সার্জিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে পুনস্থাপন করা সম্ভব যাকে আমরা ' রিপ্লান্টেশন' সার্জারী বলি। এর পুর্ব শর্ত হচ্ছে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি চিকিৎসার পুর্বে যথাযথ সংরক্ষন করা।

১ দিন পর কুরবানীর ঈদ। মাংশ কাটতে গিয়ে এ সময় দুর্ঘটনা বসত অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সতর্কতার বিকল্প নেই।

বিচ্ছিন্ন হওয়া অংগটি কিভাবে সংরক্ষন করবেন?

১। প্রথমেই বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি পানিতে, বা সম্ভব হলে স্যালাইন দিয়ে ভাল ভাবে পরিস্কার করতে হবে।

২। এরপর স্যালাইন দিয়ে ভেজানো একটি পরিস্কার গজ বা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে অঙ্গটি ভাল ভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে।

৩। মোড়ানো অঙ্গটি এরপর একটি এয়ার টাইট ব্যাগে স্থানান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে পলিব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। এরপর আরেকটি ব্যাগে কিছু বরফ নিতে হবে এবং পলিব্যাগে রাখা অঙ্গটি সবশেষে বরফের ব্যাগের ভেতর রাখতে হবে এবং ভাল ভাবে এয়ারটাইট করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অঙ্গটি সরাসরি বরফের সংস্পর্শে না আসে।

এভাবে সংরক্ষন করে দ্রুত হাস্পাতালে যোগাযোগ করতে হবে। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ, নিটোর প্রভৃতি সরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ইদানিং বেসরকারী ভাবেও রিপ্লান্টেশন সার্জারী করা হচ্ছে।

ছবিতে বিছিন্ন অঙ্গ সংরক্ষনের পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।

- Dr Mosabbir Ahmed Khan
2
“ছেড়ে দেওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়,
বরং নিজেকে এমন কিছুর জন্য প্রস্তুত করা
যেটা তোমার জন্য আরও ভালো।”
গ্রেনফেলের এক বাংলাদেশি পরিবারের অমর গল্প –

লন্ডনের আকাশটা সেই রাতে নীল ছিল না। ২০১৭ সালের ১৪ জুন রাত ১২টা ৫৪ মিনিটে যখন গ্রেনফেল টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ল, তখন শহরের অন্য প্রান্তে হয়তো কিছু মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, কেউ হয়তো ইফতারের ক্লান্তি মুছে নিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, কেউ বা ভাবছিলেন আগামীকালের পরিকল্পনা। কিন্তু সেই ভবনের ২১ তলায় বসবাস করা এক পরিবার জানত না—এই রাতই হবে তাঁদের জীবনের শেষ অধ্যায়।

লন্ডনের ল্যাটিমার রোড। শহরের এই প্রান্তে ছিমছাম গলি, রাস্তাঘাটে ভিক্টোরিয়ান আমলের ঘরবাড়ির ছায়া, আর তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এক বিশাল ধূসর ভবন—গ্রেনফেল টাওয়ার। এই টাওয়ারটিতে বহুজাতিক মানুষের বসবাস, নানা গল্প, নানা স্বপ্ন। সেই আকাশছোঁয়া টাওয়ার এখন শুধু ছাইয়ের স্তূপ নয়, স্মৃতির মিনার।

যে তলায় আগুন ধরেছিল, তার অনেক ওপরে, ২১ তলার এক কোণে ছিল কামরু মিয়া পরিবারের শান্তিময় বাসা। জানালার পাশে ছিল রাবেয়া বেগমের ছোট্ট গাছপালা, কামরু মিয়ার বইয়ের তাক, আর দেয়ালে টাঙানো ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। এখান থেকেই তাঁরা প্রতিদিন নিচের ব্যস্ত শহরটাকে দেখতেন—বাস চলেছে, মানুষ হাঁটছে, পৃথিবী যেন যন্ত্রচালিত এক টিকটিকির মতো এগিয়ে যাচ্ছে।

কামরু মিয়া দেশে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৯৭ সালে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাবেয়া বেগম বাসায় বসে সেলাইয়ের কাজ ও পরিবারের দেখাশোনা করতেন। তাদের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায়।

প্রথমে তারা ছিলেন নটিং হিলের একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে, তারপর বিভিন্ন ভাড়া বাড়ি ঘুরে ২০০৯ সালে তাঁরা উঠেন গ্রেনফেল টাওয়ারে, ২১ তলার ফ্ল্যাট ১৯৬-এ। ইতিমধ্যে কামরু মিয়া অবসর নিয়েছেন, বাড়িতেই থাকতেন। সকালে উঠে কুরআন তেলাওয়াত করেন, বাংলা পত্রিকা পড়েন। রাবেয়া বেগম রান্না করতেন ছেলেমেয়েদের পছন্দের খাবার।

বড়ো ছেলে হামিদ ট্যাক্সি চালক, মেজো ছেলে হানিফ স্থানীয় এক রেস্তোরাঁর ম্যানেজার, ছোটো ছেলে হাকিম পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল, আর মেয়ে হুসনা লেস্টার ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ করছিলেন। হুসনা সপ্তাহান্তে কাজ করতেন এক এল্ডারলি কেয়ার সেন্টারে। একমাস পর তাঁর বিয়ে, সবকিছু প্রস্তুত। ১৫ জুলাই লেস্টারের গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠানের দিন নির্ধারিত। নিমন্ত্রণপত্রের ডিজাইন, খাবারের তালিকা, এমনকি মেহেদির গানের লাইন পর্যন্ত হুসনা নিজে ঠিক করে রেখেছিলেন।

২০১৭ সালের ১৩ জুন, এক মঙ্গলবার রাত। বাড়ির সকলে ছিলেন একত্রে, শুধু হাকিম ছিলেন বন্ধুর বাড়িতে। রাবেয়া রান্নাঘরে, হানিফ ফোনে কথা বলছেন, হুসনা শেষ করছিলেন তাঁর বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের কাজ। হঠাৎ রাত ১২:৫০-এ নিচতলা থেকে এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ। জানালা দিয়ে হামিদ দেখে নিচে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার ব্রিগেডে ফোন করা হয়। নির্দেশ আসে—"Stay inside." তখনো কেউ জানে না, এই সিদ্ধান্ত হবে মৃত্যুর এক নির্বাক ফরমান। আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। রাত ১:৪৫ নাগাদ ফ্ল্যাট ছেড়ে নামার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৮২ বছরের কামরু মিয়া তখন বিছানায়, চলাফেরায় অক্ষম। রাবেয়াও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। সন্তানরা কি তাঁদের রেখে চলে যাবে?

হানিফ ফোন করেন কাজিন সামিরকে—"ভাই, আমরা বের হতে পারছি না... বাবা-মাকে নিয়ে অপেক্ষা করছি... হয়তো এটাই শেষ।"

রাত ৩টা ৮ মিনিটে হাকিমের ফোনে বোন হুসনার শেষ কল আসে। কণ্ঠে ছিল ভয়ের ছায়া, কিন্তু শব্দে অদ্ভুত শান্তি: “আগুন লেগেছে, আমরা ফ্ল্যাটে আটকা পড়েছি। যদি কখনো কষ্ট দিয়ে থাকি, ক্ষমা করে দিও। সম্ভবত আমরা বাঁচব না।”

রাত ৩:১০। হানিফ একটি ভয়েস নোট পাঠান—"সামির, শোন... আমাদের সময় শেষ। হুসনা বলছে, তার বিয়ের dress-টা যেন তার best friend সোহাগীকে দিয়ে দিতে... বাবা-মাকে আমরা ছেড়ে যেতে পারব না। Don't cry... আমরা together আছি।"

ভোর চারটায় যখন ফায়ারফাইটাররা ২১ তলায় পৌঁছান, তখন তাঁদের চোখের সামনে এক ধ্বংসস্তূপে দেখা যায় পাঁচটি দেহ—জড়াজড়ি করে থাকা। কামরু মিয়ার হাতে খোলা কুরআন, হুসনার পাশে ছড়িয়ে থাকা বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের অংশ। যেন এক পরিবার ইতিহাসের বুকেই ভালোবেসে নিঃশেষ হয়েছে।

নিহতরা ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক—বাবা কামরু মিয়া (৮২), মা রাবেয়া বেগম (৬০-এর কোঠায়), এবং তাঁদের তিন সন্তান—হানিফ (২৬), হামিদ (২৯) ও হুসনা (২২)।

পরিবারটি অন্তত এক ঘণ্টা সময় পেয়েছিল পালানোর জন্য। রাত ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁদের নিচে নামার সুযোগ ছিল। কিন্তু রাবেয়া বেগম অসুস্থ, কামরু মিয়া প্যারালাইসিসে আক্রান্ত এবং চলাফেরায় অক্ষম। সন্তানরা সিদ্ধান্ত নেয়—তাঁরা বাবা-মাকে রেখে যাবেন না। তাঁরা একসঙ্গে এদেশে এসেছেন, একসঙ্গেই যাবেন।
হুসনা, হানিফ ও হামিদ—তাঁরা চাইলে হয়তো নিচে নেমে বাঁচতে পারতেন। তাঁদের জীবনের কত কিছু বাকি ছিল—বিয়ে, ক্যারিয়ার, ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কিন্তু পারিবারিক ভালোবাসা ছিল তাঁদের কাছে মুক্তির চেয়েও পবিত্র। বাবা-মাকে রেখে যাওয়া ছিল তাঁদের কাছে অসম্ভব এক নির্মমতা।

তাঁরা জানতেন, এই সিদ্ধান্তের মানে মৃত্যু। তবু তাঁরা বেছে নিলেন একসাথে চলে যাওয়ার পথ। হয়তো তাঁরা বিশ্বাস করতেন, একসঙ্গে থাকলে মৃত্যুও ভয় পাবে।

সেদিনের গ্রেনফেল অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জনের মৃত্যু ঘটে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় আবাসিক অগ্নিকাণ্ড। সরকারি তদন্তে বিল্ডিং রেগুলেশন, ফায়ার সেফটি গাইডলাইন এবং হাউজিং কাউন্সিলের গাফিলতি বেরিয়ে আসে। হুসনা ও তাঁর পরিবারের মৃত্যু সেই ব্যর্থতার একটি নির্মম প্রতীক।

হুসনার নামে চালু হয়েছে মেমোরিয়াল স্কলারশিপ। লন্ডনের Portobello Road-এ তাঁদের পরিবারের একটি মুরাল আঁকা হয়েছে—হাত ধরাধরি করে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচটি ছায়ামূর্তি।

এই গল্প কেবল একটি ট্র্যাজেডি নয়। এটি একটি ভালোবাসার মহাকাব্য। একটি পরিবার, যাঁরা শেষ মুহূর্তে একে অপরকে ছেড়ে যাননি। একসাথে মৃ/ত্যুকে গ্রহণ করেছেন, যেন মৃ/ত্যুর মধ্যেও জীবনের পূর্ণতা খুঁজে পান।

হাকিম প্রতি শুক্রবার কফির কাপ হাতে নিয়ে ল্যাটিমার রোডের বেঞ্চে গিয়ে বসেন—বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। বেঞ্চের পেছনে খোদাই করা লেখা—Here lived a family who loved each other beyond life itself. 14.06.2017.

কালেক্টেড
© ডাঃ শামীমা'স অনলাইন ক্লিনিক
১. অপমান নয়
শিশুর সামনে কাউকে অপমানজনক বা গালিভরা ভাষায় কিছু বলবেন না। এতে শিশু শিখে যায় রূঢ়ভাবে কথা বলাটাই স্বাভাবিক। সে নিজেও পরবর্তীতে সেই রকম ভাষা ব্যবহার করতে পারে।

২. তর্ক নয়
পরিবারের কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া শিশুর সামনে করা উচিত নয়। শিশুর মনে এতে অস্থিরতা ও ভয় ঢুকে পড়ে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলে।

৩. সত্য বলুন
শিশুদের সামনে মিথ্যা বললে তারা মনে করে মিথ্যা বলা স্বাভাবিক। ফলে তাদের চারিত্রিক গঠনে সততার অভাব দেখা দিতে পারে। সত্য বলা শিখিয়ে দিন ছোটবেলা থেকেই।

৪. সমালোচনা নয়
অন্যের দোষ বা খারাপ দিকগুলো শিশুদের সামনে বেশি বলা উচিত নয়। এতে শিশুদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে এবং তারা অন্যকে মূল্যায়নের বদলে দোষ ধরতে শেখে।

৫. ভয় দেখাবেন না
শিশুদের ভুল করলে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলা উচিত। ভয় দেখালে তারা আত্মবিশ্বাস হারায় এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে ভয় পায়।

৬. অর্থকথা নয়
পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে শিশুর সামনে আলোচনা না করাই ভালো। এতে তাদের মনে দুশ্চিন্তা বা অনিরাপত্তার অনুভব তৈরি হয়, যা মনঃসংযোগ ও বিকাশে বাধা দেয়।

৭. তুলনা নয়
শিশুকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। প্রত্যেক শিশু আলাদা, তাদের নিজের মতো গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত।

৮. গঠনমূলক প্রশংসা
শিশুকে প্রশংসা করুন, তবে সেটা হোক গঠনমূলক ও উৎসাহমূলক। অকারণে বাড়াবাড়ি প্রশংসা করলে তা তাদের বাস্তববোধ কমিয়ে দিতে পারে।

৯. ব্যক্তিগত কথা নয়
দাম্পত্য কলহ বা ব্যক্তিগত গোপন কোনো বিষয় শিশুর সামনে আলোচনা করা ঠিক নয়। এতে তারা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করে এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।

১০. ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন
আপনার ব্যবহৃত ভাষা যেন সবসময় ভদ্র ও পরিশীলিত হয়। শিশুরা যা শুনে, তাই শেখে। তাই অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করলে তারাও তা অনুসরণ করতে পারে।

১১. ধর্ম নিয়ে নেতিবাচকতা নয়
শিশুর মনে সব ধর্মের প্রতি সম্মানবোধ গড়ে তুলুন। কোনো ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলে তারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠতে পারে।

১২. নেগেটিভ খবর নয়
খুন, ধর্ষণ বা ভয়ংকর কোনো ঘটনা শিশুকে বলা উচিত নয়। এতে তারা আতঙ্কিত হয় ও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

১৩. রূপ নিয়ে কটুক্তি নয়
কাউকে কালো, মোটা বা অন্য কোনো বাহ্যিক বিষয় নিয়ে উপহাস করবেন না। এতে শিশুর মনেও একই ধরণের বিচারবোধ জন্মায়, যা পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

১৪. ভুলে রাগ নয়
শিশু ভুল করলে তার ওপর চিৎকার বা শাস্তি না দিয়ে ধৈর্য ধরে বোঝান। এতে তারা নিজের ভুল বুঝতে ও সংশোধন করতে শেখে।

১৫. নিন্দা নয়
অন্য কারো পেছনে সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। শিশুরা মনে করে এটি স্বাভাবিক আচরণ এবং তারা অন্যদের সম্মান করতে শেখে না।

১৬. উপেক্ষা নয়
শিশুর কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। এতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কথা মূল্যবান, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

১৭. ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নয়
শিশুকে শাসনের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বোঝান। ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করলে তারা শুধু সাময়িকভাবে কথা শুনবে, মনের ভেতর বিদ্রোহ জমবে।

১৮. উপহাস নয়
শিশুর কাজ বা কথা নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। এতে তারা আত্মমর্যাদা হারায় ও নিজেদের প্রকাশে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

১৯. সম্মান শেখান
শিশুকে শেখান, সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সম্মানের যোগ্য। গৃহকর্মী, রিকশাওয়ালা বা অন্য যেকোনো মানুষকে সম্মান করলে শিশুর মূল্যবোধ উন্নত হয়।

২০. ভালোবাসা থাকুক
আপনার প্রতিটি কথায় যেন মমতা ও সহানুভূতি থাকে। শিশুরা ভালোবাসা থেকেই শেখে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।

শিশুদের সামনে কথাবার্তায় সচেতনতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি দায়িত্ব। তারা আমাদের প্রতিচ্ছবি। তাদের সামনে সদাচরণ মানেই আগামী প্রজন্মকে ইতিবাচক ও মানবিক করে গড়ে তোলা। আপনার প্রতিটি ভালো কথা, কোমল আচরণই শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি মজবুত করে।

Collected
4
🧠 নিজেকে উন্নত করতে প্রতিদিনের ৫টি মানসিক অভ্যাস

নিজেকে গড়ে তুলতে শুধু বাইরের পরিবর্তন নয়, দরকার ভেতরের যত্নও। প্রতিদিন কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুললে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, বাড়ে কর্মক্ষমতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ।

১. সকালে ঘুম থেকে উঠে ৫ মিনিট নিঃশ্বাস অনুশীলন:
মনকে শান্ত রাখে, উদ্বেগ কমায়। দিনের শুরুটাই বদলে যায়।

২. দিনে অন্তত ১০ মিনিট লেখালেখি (জার্নালিং):
নিজের ভাবনা, অনুভূতি ও পরিকল্পনা লিখলে আত্মজ্ঞান বাড়ে এবং মানসিক ভার লাঘব হয়।

৩. কাজের মাঝে ৫ মিনিট “ডিজিটাল ব্রেক”:
মোবাইল বা স্ক্রিন থেকে নিজেকে সরিয়ে একটু হাঁটা বা চোখ বন্ধ করে থাকা মানসিক চাপ কমায়।

৪. প্রতিদিন অন্তত একটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ:
যে জিনিসগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ, তা লিখলে বা ভাবলে মানসিক শক্তি বাড়ে।

৫. রাতে ঘুমানোর আগে আত্মপর্যালোচনা:
দিনের ভাল-মন্দ চিন্তা করে শেখার চেষ্টা করলে নিজের প্রতি সচেতনতা বাড়ে।

🧩 ছোট অভ্যাস, বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
মানসিক সুস্থতাই সত্যিকারের প্রোডাক্টিভিটি আর সেল্ফ-ডিসিপ্লিনের ভিত্তি।
নিজেকে বদলাতে বড় কিছু নয়, দরকার ছোট ছোট অভ্যাসের ধারাবাহিকতা।
মানসিক শান্তি, উৎপাদনশীলতা আর আত্মনিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি একসাথে গড়ে তোলে উন্নত 'আপনি'।

🌀 তাই আজ থেকেই শুরু করুন—ধীরে ধীরে, কিন্তু নিয়মিত।
7