জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আজকে একটা কথা বলবো, ৮০% মেয়েদের হয়তো ভালো লাগবেনা।

আমি দীর্ঘ ১ যুগ মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করেছি, ইমিগ্রেশন তো আসলো গত শুক্রবার। আমার মেইন স্কিলটাই হচ্ছে ব্র্যান্ডিং, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং "বিজ্ঞাপন, সেলস"! কানাডার মার্কেটে যখন কাজ করেছি আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি এই দুনিয়া মেয়েদের কিভাবে ট্রিট করে।

এই পুরো লিখায় আমি কানাডা নিয়েই বলবো যেনো হুট করে কেও বাংলদেশের কালচার ধ-র্ম নিয়ে আসতে না পারে। আমি মিডিয়ার লোক, আমি মডেল নিয়ে কাজ করেছি, বিজ্ঞাপন নিয়ে কাজ করেছি, ফ্যাশন নিয়ে কাজ করেছি এবং আমি আপনাকে বলে দিতে পারবো নারীদের ন-/গ্ন-/তা অনেক বড় একটা মার্কেটিং এবং সেটা স্বয়ং নারীরাই জানে।

আমরা একবার একটা ক্যাম্পেইন ঠিক করলাম, "ওমেন এম্পায়ারমেন্ট", ম্যাগাজিনের কাভার হবে একজন ইন্ডিপেন্ডেন্ট নারী বক্সার। কিন্তু শুধু বক্সিং এর ছবি দিলে কিন্তু খাবেনা কেউ, সুতরাং ট-প-লেস বক্সার মেয়ে লাগবে। অবশ্যই মেয়েদের ব-ক্ষযুগল এমনভাবে ঢেকে থাকবে যেন দেখতেও এট্রাক্টিভ লাগে আবার পুরোপুরি যেনো ন-/গ্ন-/তা না হয় আবার।

আমাদেরকে ছবি দিলো ভ্যাঙ্কুবারের অনেক সুন্দর মডেলরা, এখানে বুঝতে হবে, ব-ক্ষ সুন্দর না হলে কিন্তু মডেল সিলেক্ট করা হবেনা। কারণ এখানে বলিওসি নারী বক্সিং গ্লাভস নিয়ে সারা দুনিয়া জয় করবে কিন্তু পোস্টারে ওর ব-ক্ষ দেখা যেতেই হবে।

এইটা গেলো শুধুমাত্র একটা কাভার এর কথা, এইবার আসি আমরা যেসব ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে কাজ করতাম, যারা আমাদের ক্লায়েন্ট এর প্রোডাক্ট প্রমোট এ কাজ করবে। ধরেন আমরা একটা ড্রেস কোম্পানির মার্কেটিং নিয়ে কাজ করবো, আমরা নারী ইনফ্লুয়েন্সার খুঁজবো যে কিনা প্রোডাক্ট প্রমোট করে! আমাদের কাছে এজেন্সির যত প্রোফাইল সেন্ড করতো সবাই কম-বেশি ভিডিওতে ল্যাং-/টা হয়ে যায়, ধরেন জিন্স এর রিভিউ হবে কিন্তু জিন্স পড়ার আগে গোসল থেকে শুরু করে, আ-ন্ডা-র-ওয়ার সব কিছুর ভিডিও থাকবে। মেয়েটা এবং আমরা যারা এই লাইনের সবাই জানি কেন এটা সে করে! খুবই পরিষ্কার, ওর সুন্দর বডিটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। জিন্স এর মার্কেটিং এখানে ১০%, বাকি ৯০% ওর শরীর। খুবই বাজে শুনাচ্ছে, তাইনা? কিন্তু এটা অনেক প্রফি-টেবল, প্রচুর ব্র্যান্ডিং এর কাজ আসবে, ভিউ আসবে, টাকাও আসবে।

আমার কাছে অনেক মডেল ফটোশ্যুট এর জন্য আসতো যাদের নিজে থেকে চাইতো বি-/কিনি পরা ছবির ফটোশ্যুট হবে, মেয়েরা খুবই স্পেসিফিকালি বলতো যেনো কোনটা একটু বড়ো করে দেখানো যায়, কোনটা একটু সুন্দর কম্পোজিশন করে আর্টিস্টিক ছবি তুলা যায় যেনো পা-ছা-/ও দেখানো হবে কিন্তু ন-/গ্ন-তা যেন না হয়, যেন সেটা আর্ট মনে হয়।

আমি লেজার ইন্ডাস্ট্রি ব্র্যান্ডিং এ অনেকদিন কাজ করেছি, এখানেও সবচেয়ে প্রফিটেবল প্রোডাক্টটা হচ্ছে লেজার হেয়ার রিমুভাল বি-/কিনি লাইনগুলো। এই আমরাই কিন্তু সুন্দর সুন্দর ক্রিয়েটিভ এড বানাতাম যেখানে মেয়েরা ইনসি-কি-উরড ফিল করবে এবং লেজার ট্রিটমেন্ট নিবে। আমি জুয়েলারি ব্র্যান্ড নিয়েও কাজ করেছি, এখানেও সেইম, সুন্দর নেকলেসটা ক্লি-ভেজ এর উপর সুন্দর লাগবে। এটাই স্বাভাবিক।

এই ও-/য়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড খুব বড় বড় করে বলবে ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট কিন্তু গত ২০০ বছরেও নারীকে ক্ষমতায় তারাই আসতে দেয় নাই। এই বিগ বিগ ব্র্যান্ড ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট ইত্যাদি নিয়ে বলবে কিন্তু মেয়েদের বে-/চাই ওদের কাজ। এই ন-/গ্ন-তার জন্যই অনলি ফ্যান করে অনেক মেয়ে। কারণ দিন শেষে এখানেই অনেক টাকা।

আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে যারা অনেক হার্ডওয়ার্কিং ওমেন, আমি তাদের সম্মান করি, আমি সম্মান করি আমার মা থেকে শুরু করে সারা বিশ্বের অনেক নারীকে যারা নিজের আ-ব্রু ধরে রেখেও ক্যারিয়ার করেছেন।

একটা মেয়ে হিজাব করলে বিজনেস এর কোনো লাভ নাই, একটা মেয়ে বোরখা পরলে ব্যবসা লাটে উঠবে! ইসলাম ইজ ব্যাড ফর ওমেন বিজ-নেস, Always.

~ এস. এম. ওয়াহিদুন নবী!
1
উকিল বাপ বলতে ইসলামী শরিয়তে কোনো বাপ নেই। কোনো নারীর বিয়ের জন্য উকিল বাপের এই প্রথা ইসলাম সমর্থিত নয়। জন্মদাতা পিতা, শশুর এবং দুধপিতা (ধাত্রী মায়ের স্বামী) ছাড়া আর কোনো বাবার সাথে দেখা সাক্ষাত করা জায়েজ নাই।

حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّہٰتُکُمۡ وَبَنٰتُکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ وَعَمّٰتُکُمۡ وَخٰلٰتُکُمۡ وَبَنٰتُ الۡاَخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّہٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَاُمَّہٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَرَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَحَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ الۡاُخۡتَیۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا ۙ

তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাতিজী, ভাগ্নি, তোমাদের সেই সকল মা, যারা তোমাদেরকে দুধ পান করিয়েছে, তোমাদের দুধ বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমাদের প্রতিপালনাধীন তোমাদের সৎ কন্যা, যারা তোমাদের এমন স্ত্রীদের গর্ভজাত, যাদের সাথে তোমরা নিভৃতে মিলিত হয়েছ। তোমরা যদি তাদের সাথে নিভৃত-মিলন না করে থাক (এবং তাদেরকে তালাক দিয়ে দাও বা তাদের মৃত্যু হয়ে যায়), তবে (তাদের কন্যাদেরকে বিবাহ করাতে) তোমাদের কোন গুনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রীগণও (তোমাদের জন্য হারাম) এবং এটাও (হারাম) যে, তোমরা দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করবে। তবে পূর্বে যা হয়েছে, হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আন নিসা আয়াত নং ২৩)

والله اعلم بالصواب
👍2
অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ, যারা তাদের সালাতে ভীতি-অবনত। আর যারা আসার কর্মকাণ্ড থেকে থাকে বিমুখ।এবং যারা যাকাতে সক্রিয়।আর যারা তাদের নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী। নিজেদের স্ত্রী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবেনা। এদের অতিরিক্ত যারা কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। আর যারা নিজেদের আমানাত ও ওয়াদা পূর্ণ করে। আর যারা নিজেদের সালাতে যত্নবান –তারাই হবে উত্তরাধিকারী।যারা ফিরদাউসের অধিকারী হবে। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।
(সূরা মুমিনুন -১-১১)
3
# 📢 ত্বকের যত্ন নিয়ে ১১টি প্রচলিত Myths and Mistakes – আপনি কি জানেন? 😮🧴

ত্বক নিয়ে আমরা কত কিছুই না শুনি – কারো দাদির টিপস, ইউটিউব ভিডিও, বা ভাইয়ের ফেসওয়াশ! কিন্তু এর মধ্যে অনেকগুলোই আসলে ভুল ধারণা বা মিথ😬 চলুন জেনে নিই এমন ১১টি প্রচলিত ভুল ও স্কিন কেয়ার মিথ:

১. ব্রণ হলে ফেসওয়াশ দিয়ে বেশি বেশি ধুতে হবে
না! বেশি ধোয়া ত্বককে শুষ্ক করে তোলে, এতে তেল গ্রন্থি আরও তেল তৈরি করে, ব্রণ বাড়তে পারে!

২. শুধু রোদে গেলে সানস্ক্রিন দরকার
আসলে বাড়ির ভেতরেও, স্ক্রিন লাইট, জানালার আলো থেকেও UV রে আসে!

৩. তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো যাবে না
ভুল! সব স্কিন টাইপেরই হাইড্রেশন দরকার। শুধু হালকা (oil-free) ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।

৪. ঘরোয়া উপায়েই সব সমস্যার সমাধান
লেবু, বেসন, টুথপেস্ট – এইসব সব সময় নিরাপদ নয়। ত্বকের pH নষ্ট করে দেয়।

৫. যেটা এক বন্ধুর ত্বকে কাজ করেছে, সেটাই আমার ত্বকে কাজ করবে
Nope! সবার স্কিন টাইপ, সমস্যা, এলার্জি আলাদা।

৬. প্রোডাক্ট যত দামি, তত ভালো
দাম নয়, উপাদান (ingredients) গুরুত্বপূর্ণ।

৭. এক রাতেই স্কিন গ্লো করবে
স্কিন কেয়ার হলো নিয়মিত চর্চা। ধৈর্য ধরতে হবে।

৮. মেকআপ করলে স্কিন নষ্ট হয়
যদি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় ও ভালো মানের মেকআপ ব্যবহার করা হয়, সমস্যা নেই।

৯. ছেলেদের স্কিন কেয়ার দরকার নেই
ছেলেদের ত্বকেও ব্রণ, রোদে পোড়া, ডার্ক স্পট হয়!

১০. স্ক্রাব যত বেশি করবো, তত ভালো
ওভার-এক্সফোলিয়েশন ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, র‍্যাশ, লালচে ভাব দেখা দেয়।

১১. যেকোনো সমস্যা হলেই গুগল করলেই হবে
কিছু সমস্যায় ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

💬 আপনারা এর মধ্যে কোন ভুলগুলো আগে বিশ্বাস করতেন? কমেন্টে জানান! আর পোস্টটি শেয়ার করুন যেন বন্ধুরাও এই ভুলগুলো থেকে সাবধান হতে পারে! ❤️

#SkincareMyths #SkincareBangla #ত্বকের_যত্ন #GlowResponsibly
👍1
নিউরো প্যারেন্টিং কেন এতো জরুরি?
বর্তমান সময়ে সন্তানের সঠিক মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ নিশ্চিত করা প্রতিটি অভিভাবকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ🤷‍♀️। যুগ পাল্টাচ্ছে, শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশও পাল্টাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্তানদের বড় করতে হলে আমাদের প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত অভিভাবকত্ব—আর এখানেই আসে নিউরো প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব।

নিউরো প্যারেন্টিং কী?🧠
নিউরো প্যারেন্টিং হলো এমন এক ধরনের প্যারেন্টিং পদ্ধতি যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, আবেগ, আচরণ ও শেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নিউরোসায়েন্স বা স্নায়ুবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও কাজের ধরন বুঝে, সেই অনুযায়ী তার যত্ন ও শেখানোর কৌশল নির্ধারণ করে।

কেন নিউরো প্যারেন্টিং জরুরি?🤷‍♀️
১. প্রথম পাঁচ বছরই ভিত্তি গঠনের সময়
বিজ্ঞান বলছে, শিশুর মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ঘটে জীবনের প্রথম পাঁচ বছরে। এই সময়কালের সঠিক যত্ন ও গঠনমূলক পরিবেশ তার ভবিষ্যতের আচরণ, শিক্ষাগত দক্ষতা এবং আবেগীয় সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সহমর্মিতা শেখানো
শিশু যখন রাগ করে বা কাঁদে, তখন তাকে শুধু "চুপ করো" বললে চলবে না। নিউরো প্যারেন্টিং শেখায়, কীভাবে তার আবেগ বুঝে, ভালোভাবে রেসপন্স করতে হয়—যাতে শিশু শেখে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে, আর অন্যের অনুভূতিও বুঝতে।

৩. ইতিবাচক শেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে
নিউরো প্যারেন্টিং শিশুদের শেখায় পজিটিভ রিনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে। এটি শিশুকে শাস্তির ভয় নয়, বরং ভালো কাজের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহ দেয়, যা তাদের শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।

৪. ডিজিটাল যুগে মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা
আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত উদ্দীপনার মুখোমুখি হচ্ছে। নিউরো প্যারেন্টিং শিশুকে শেখায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজের মনোযোগ, আবেগ ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।

কীভাবে নিউরো প্যারেন্টিং শুরু করবেন?🤷‍♀️
👶শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন
👶ধৈর্য ধরে তাদের কথা শুনুন
👶শাস্তির বদলে ব্যাখ্যা দিন
👶সঠিক সময়ের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ার দিকে মনোযোগ দিন
👶নিজের আবেগকেও নিয়ন্ত্রণে রাখুন—আপনি যা করবেন, শিশুও তাই শিখবে।

শিশুর বেড়ে ওঠা শুধুমাত্র তাকে খাওয়ানো-পড়ানো নয়, বরং তার ভেতরের মস্তিষ্ক, মন এবং আবেগকে ঠিকভাবে গড়ে তোলাও প্যারেন্টিংয়ের মূল অংশ। নিউরো প্যারেন্টিং শুধু শিশুকে নয়, আপনাকেও একজন সচেতন, সহমর্মী এবং প্রজ্ঞাবান অভিভাবক হিসেবে তৈরি করে।

শুধু "ভালো অভিভাবক" না হয়ে বিজ্ঞানমনস্ক অভিভাবক হোন—কারণ প্রতিটি শিশুই তার অভিভাবকের প্রতিচ্ছবি।
বিদ্র: আমরা একা ১০টা পালছি, আর এখন ১টা পালতে পারেনা, এসব কথা বলা ও শোনা থেকে বিরত থাকুন। যুগ এক না, বাস্তবতা মানতে শিখুন।
ধন্যবাদ 🙏
নিউরো প্যারেন্টিং -১
👍1
"বাবা মায়ের ব্যক্তিত্বেই গড়ে সন্তানের ভাগ্য।"

যে বাবা মায়ের সম্পর্ক যত সুমধুর মজবুত,সেই সন্তানের ভবিষ্যৎ তত সুন্দর।যে বাবা মা ব্যক্তি হিসেবে যতটা শালীন,ব্যক্তিত্ববান তাদের সন্তান ততটাই উন্নত মানসিকতা,চরিত্রবান এবং সুন্দর ব্যক্তিত্বর অধিকারী হয়ে গড়ে উঠে।

বাচ্চারা অনুকরণ অনুশীলন প্রিয় হয়।আর তাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক তাদের বাবা মা।সন্তান তার বাচন ভঙ্গি কাজ করার কৌশল সব কিছুই শিখে বাবা মায়ের কাছে।বাবা মায়ের আচরন এর প্রভাব সন্তানের ব্যক্তিত্বের ওপরে প্রধান প্রভাব বিস্তার করে।
বাবা মা একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল,বিনয়ী যত্নশীল,তারা কতটা নীতিবান সামাজিক তা একজন সন্তানের ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।

যদি কোন সন্তান দেখে তার বাবা মা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,তাদের বাচন ভঙ্গি অশালীন সন্তান এর মাঝেও সেই আচরন প্রভাব বিস্তার করে।আস্তে আস্তে সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হতে শুরু করে।অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়।সামাজিক আচরন সৌজন্যতা থেকে দূরে সরে যায়।
সন্তানকে শুধু দামী পোশাক বিলাসবহুল জীবন যাপনে অবভস্ত্য করলেই সে ভদ্র সভ্য হবেনা।সে তাই করবে যা তার বাবা মাকে সে করতে দেখবে।সে যদি দেখে তার বাবা মা সবার সাথে উচ্চ্যবাচ্য করে,অভদ্রতা করে,উদারতা নেই,অন্যের কাছে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে কিন্তু নিজে কাউকে সাহায্য করেনা,তাহলে সন্তান তাই শিখবে।স্বার্থপর হয়ে গড়ে উঠবে।

আপনি নিজে সি'গারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান নে*শা থেকে বিরত থাকবে।আপনি নিজে দ্বিচারিতা করে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান চরিত্রবান হবে।কারন বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাঝে প্রকাশ পাবেই।সন্তান বাবা মাকে দেখেই শেখে।আপনার ব্যক্তিত্ব আপনার সন্তানের ভাগ্য গড়বে।

জানেন তো গোবরে সবসময় পদ্মফুল ফোটেনা।তাই ভাববেন না আপনি খা'রাপ তবুও সন্তান ভালো চরিত্রের হবে।

সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে বড় নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শিখালেন কিন্তু মনুষ্যত্ব শিখালেন না।তাহলে শেষ জীবনে বিপদ আপনারই হবে।আপনি অসুস্থ হলে সন্তান ডাক্তার নয় উকিল ডাকবে আপনার সম্পত্তির ভাগাভাগি করতে।

আপনার নৈতিকতা নির্ধারন করবে আপনার সন্তান শেষ বয়সে আপনার সেবা করবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে।

"সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান,যেনো অসুস্থ হলে ডাক্তার ডাকে উকিল নয়।"

#সংগৃহীত
👍1
ওজন মাপার জন্য সঠিক সময় ও নিয়ম মেনে চললে সঠিক ও স্থিতিশীল ফলাফল পাওয়া যায়। নিচে ওজন মাপার সঠিক সময় ও নিয়ম দেওয়া হলো:

সঠিক সময়:

➡️ ওজন মাপার সঠিক সময়:

সকালে, খালি পেটে ও টয়লেটের পর
ঘুম থেকে উঠেই, কিছু খাওয়ার আগেই ওজন মাপা সবচেয়ে সঠিক ফলাফল দেয়। কারণ তখন শরীরে বাড়তি খাবার বা পানি থাকে না।

➡️কতোদিন পর পর ওজন মাপা উচিত?

সপ্তাহে ১ দিন অথবা ১৫ দিনে ১ দিন (সুপার রিকমেন্ডেড)

সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো প্রতি সপ্তাহে ১ দিন, একই সময়ে ও একই নিয়মে ওজন মাপা।

এতে আপনি বাস্তব ও গড় পরিবর্তন দেখতে পারবেন।

যেমন: প্রতি শুক্রবার সকালে খালি পেটে ওজন মাপা।

▶️ যারা প্রতিদিন ওজম মেপে হতাশ হয়ে যাও তারা ১৫ দিনে একবার ওজন মাপবে।

ওজন মাপার সঠিক নিয়ম:

➡️ হালকা বা একই ধরনের পোশাক পরে ওজন মাপুন
ভারী জামাকাপড় ও জুতার কারণে ওজন বেশি দেখাতে পারে। তাই সম্ভব হলে হালকা পোশাকে ওজন মাপা ভালো।

➡️ সমতল ও শক্ত মেঝেতে স্কেল রাখুন
নরম জায়গায় (যেমন বিছানা বা কার্পেট) ওজন মাপলে ভুল হতে পারে। কাঠ, টাইলস বা সিমেন্টের মেঝে সবচেয়ে ভালো।

➡️ স্কেলের ওপর সোজা হয়ে দাঁড়ান
দুই পা স্কেলের মাঝখানে রাখুন, শরীর সোজা রাখুন, এবং শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখুন।

➡️ একই স্কেল ব্যবহার করুন
প্রতিবার ভিন্ন স্কেল ব্যবহার করলে ওজনের তুলনায় ভুল হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য একটি স্কেল বেছে নিয়ে সেটাই ব্যবহার করুন।

➡️ প্রতি সপ্তাহে ১–২ দিন নির্দিষ্ট করে নিন
প্রতিদিন ওজন মাপলে হরমোন, পানি বা খাবারের কারণে ওঠানামা দেখা যায়, যা মন খারাপ করতে পারে। তাই ৭ দিন বা ১৫ দিনে ওজন মাপুন।

টিপস:
ওজন ওঠানামা করতেই পারে (খাবার, পানি, হরমোন, ঘুম, একটিভিটি ইত্যাদির কারণে)। তাই এক দিনের ওজন দিয়ে মন খারাপ না করে ধারাবাহিকভাবে কয়েক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করাই উত্তম।

Fit with Aerobics
সন্তানের কাছে নিজেকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করুন।
নিজেকে নিষ্পাপ-নির্ভুল হিসেবে তুলে ধরবেন না। কারণ কখনো যদি আপনার ভুল প্রকাশিত হয়ে পড়ে তখন সে বিভ্রান্ত হবে।

ভুল করে ফেললে অকপটে দুঃখ প্রকাশ করুন। এতে আপনার প্রতি সন্তানের শ্রদ্ধাবোধ যেমন বাড়বে তেমনি আপনিও তার মডেল হতে পারবেন।

সন্তানের কোনো ভুলকে অপরাধ বা পাপ হিসেবে তুলে না ধরে শোধরানোর চেষ্টা করুন। এতে তার চিন্তা ও মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্যের সৃষ্টি হবে।

অন্যের সামনে বকবেন না, ভুল ধরিয়ে অপ্রস্তুত করবেন না। আড়ালে সংশোধন করে শুধরে নিতে দিন।

শুধু শাসন করে সন্তান মানুষ করা যায় না।
তার মেধার বিকাশে স্নেহ, মমতা ও সমমর্মিতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

সন্তানকে পরিবারের প্রাত্যহিক কাজে সম্পৃক্ত করে নিন। তাহলে শৈশব থেকেই সে দায়িত্ব নিতে শিখবে।

পড়াশোনা ও ভালো রেজাল্টের নামে সন্তানকে সমাজ-বিচ্ছিন্ন করে বড় করবেন না। ভাইবোনের সাথে শেয়ার করতে শেখান।
আত্মীয়স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষায় উৎসাহিত করুন।

আহ্লাদ দিয়ে তার সব চাওয়া না মিটিয়ে শুধু প্রয়োজনটুকু পূরণ করুন।

'তোকে দিয়ে কিছু হবে না'- এ জাতীয় কথা বলে তার যোগ্যতাকে ছোট করবেন না।

ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে খোঁটা দেবেন না, আপনার উৎসাহ তার ব্যর্থতাকেও সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারে।

জীবনের লক্ষ্য চাপিয়ে দেবেন না। তাকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। তবে লক্ষ্য বাছাইপর্বে ও অর্জনে তাকে সবরকম সহযোগিতা করুন।

নেতিবাচক কথা বলে তিরস্কার করবেন না। ধমকে কথা বলবেন না। রাগের মাথায় অভিশাপ দেবেন না।

শিশুকাল থেকেই সন্তানের মধ্যে দানের অভ্যাস গড়ে তুলুন।
দেয়ার আনন্দের স্বাদ তাকে পেতে দিন।

কোথাও পড়ে আঘাত পেলে সে জায়গাকে পাল্টা আঘাত করতে বলবেন না।
এতে সে প্রতিশোধ নিতে শিখবে।

তার মধ্যে রাতারাতি ভালো গুণাবলি দেখতে চাইবেন না। ধৈর্য ধরে পরিবর্তনের জন্যে তাকে উদ্বুদ্ধ করুন।

যে-কোনো ভালো কাজে সন্তানকে উদ্বুদ্ধ করুন। কাজে সংযুক্ত না রাখলে ক্ষতিকর আসক্তি ও খেয়ালিপনায় সে তার সময় নষ্ট করবে।

প্রশ্ন করলে সন্তানকে থামিয়ে দেবেন না। আপনি উত্তর না দিলে তখন অন্যদের জিজ্ঞেস করবে। সে উত্তর সঠিক না-ও হতে পারে।

সন্তানের সহপাঠীর/ খেলার সাথীদের সামান্য মনোমালিন্য অভিভাবক পর্যায়ে বিরোধ হিসেবে নেবেন না। তাদেরকেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে দিন।

পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য ও বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে যথাযথ ধারণা দিন।
আর্থিক ব্যাপারে ভুল ধারণা দেবেন না।

উপার্জনক্ষম ছেলে চাকরি পাচ্ছে না বলে তিরস্কার করে তার হতাশাকে বাড়িয়ে দেবেন না। পুনরায় চেষ্টার জন্যে তাকে প্রেরণা ও সাহস দিন।

চাকরির পরিবর্তে স্বাধীন পেশা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করুন। স্বাধীন পেশাই মেধাকে পরিপূর্ণরূপে বিকশিত করে।

বেড়ে ওঠার একটি পর্যায়ের পরে তার সব ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করে চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দিন। এতে সে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

একই ব্যাপারে মা-বাবা ভিন্ন মত দেবেন না। এতে সে বিভ্রান্ত হবে।

টিভি বা কোনো ধরনের স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে শিশুকে খাওয়াবেন না।
ভিডিও দেখে খেতে অভ্যস্ত হলে শিশুর মনোযোগ থাকে স্ক্রিনের দিকে।
ফলে খাবারের স্বাদ-গন্ধ-রঙের তফাত সে বুঝতে পারে না।
এভাবে চলতে থাকলে শিশুর হজমপ্রক্রিয়া স্থায়ীভাবে দুর্বল হয়ে যায়।

ভূত বা জন্তু-জানোয়ারের ভয় না দেখিয়ে সুন্দর শিক্ষামূলক গল্প বলতে বলতে ঘুম পাড়ান।

ছেলে/ মেয়ের দাম্পত্য জীবনে নাক গলানো থেকে বিরত থাকুন।

পারিবারিক সুসম্পর্ক আবর্তিত হয় মা এবং বাবাকে ঘিরে।
আপনার জীবনে মা-বাবার দোয়াকে গুরুত্ব দিন এবং তাদের সুখশান্তি নিশ্চিত করুন।
______
সূত্র: কোয়ান্টাম কণিকা
জ্ঞান - Knowledge
Photo
বিয়া করার সময় জিহবা নাভী অব্দি বের না কইরা দেখে শুনে বিয়ে কইরেন আপনার ই লাভ, নইলে মেয়ের বাড়ীর জ্বালায় আপনিই শেষ হবেন

আজকে একটা বিয়েতে গিয়েছিলাম। তবে এটাকে সোজাসাপটা "বিয়ে" বললে ভুল হবে। এটা ছিল একপ্রকার কাহিনি-নাকানি চুবানি। যাইহোক অবশেষে উভয় পরিবার ৫ লক্ষ টাকার কাবিনে মীমাংসায় পৌঁছায়।

সব ঠিকঠাক চলছিল, যতক্ষণ না ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে গিয়ে আমি ঝামেলা না বাঁধাই। কারণ বরপক্ষ আমার আত্মীয়, আর এ সমস্ত সব রকমের কাহিনি যেহেতু আমার জানা তাই আরকি..

কাবিননামার ❝ ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদ❞ এর ঘরটাই হচ্ছে স্বামীর গলাকাটা ঘর। হ্যাঁ, কাবিননামার সেই ঘর যেখানে লেখা থাকে "স্বামী, স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করিয়াছে কিনা?" সোজা বাংলায়, স্বামী কি তালাক দেওয়ার ক্ষমতা স্ত্রীর হাতে তুলে দিচ্ছে?

এখন বেশিরভাগ মানুষ তো কাবিননামা দেখে না, ইভেন্কি ৯৯.৯৯% মানুষ এই ব্যাপারে অজ্ঞ। আর কাজিরা এখানে পাজি তারা এটা দেখায়ও না। তারা চুপিচুপি সেখানে "হ্যাঁ" বসিয়ে দেয়। এবং ব্যস এই ছোট্ট একটা হ্যাঁর মাধ্যমে, স্ত্রী পুরোপুরি আইনি ও ধর্মীয়ভাবে স্বামীর গলায় ছুরি ধরার ক্ষমতা পেয়ে যায়।

মানে, সে এখন থেকে চাইলে এনিটাইম নিজেই স্বামীকে তালাক দিতে পারবে এবং তারপর দেনমোহরও নিতে পারবে (আইলাজাদু^_^)। আর এই কারণেই কতশত পুরুষের জীবন, সংসার, মানসিক অবস্থা যে ছারখার হয়ে গেছে তার হিসেব নেই।

এখন প্রশ্ন আসে: যদি সেখানে "না" লেখা থাকে? তাহলে স্ত্রী সরাসরি তালাক দিতে পারবে না। তাকে যেতে হবে ‘খুলা' তালাকের পথে। মানে স্বামীকে কিছু দিয়ে, বা দেনমোহর (কাবিনের টাকা) ছেড়ে দিয়ে তালাক নিতে হবে। এতে তার ইচ্ছামতো তালাক নেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।

তাই যারা এখনো বিয়ে করেন নি তারা খুবই সাবধান ভাই। ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে “না” লিখতে হবে। কোনো প্রকার শর্তটর্তও যোগ করা যাবে না। কাজি যদি কথা না শোনে তাহলে তাকে ডাইরেক্ট বাদ দিতে। পরে লেখিরো এগ্লা আলাপ ও চলবে না। অতঃপর বুঝে শুনে পড়ে কাবিননামায় সাইন করতে হবে।

বিয়েটা শুধু ফুল-ফুল কল্পনা নারে ভাই, বরং একটা আইনি চুক্তি যেটার প্রতিটি শব্দ ভবিষ্যতে আপনার কাঁধে ছুরি হয়ে বসতে পারে। শয়তান কাজিদেরকে এভাবেই ট্রেনিং দেওয়া হয়, তারা এগ্লা বুঝে শুনেই করে। আর একবার না পড়ে না বুঝে সাইন করলে, পরে কাজি যা যা বসাবে তাই রাইট হবে। সো বি কেয়ারফুল ব্রাদার্স।
👍6
আমার এক আত্মীয় আছে। নাম বললাম না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ফেসবুকে নিয়মিত মোটিভেশনাল পোস্ট দেয়। “জীবনে বড় হতে হলে ঘাম ঝরাতে হয়।” সে নিজে ঘাম ঝরায় না। আমি একদিন হুদাই জিজ্ঞেস করলাম, দাদু, চাকরি না পেলে কি করবি?
সে গভীর চোখে বলল, বিসিএস দেবো।
আর যদি না হয়?
- তাহলে এমএসসি করবো।
আর যদি ওটাও না হয়?
-দাদুর চোখ তখন নিচে। সে আর উত্তর দেয় না।

আমার পরিচিত এক হোটেল মালিক আছে, নাম রহিম। সে ক্লাস নাইনে স্কুল ছেড়ে দিয়েছিল। এখন তার তিনটা হোটেল, একখানা পিকআপ, আর একটা চায়ের কার্ট। আমি যখন তাকে দেখি, আমার মনে হয় এই মানুষটাই হয়তো সফলতার আসল সংজ্ঞা।

আমরা এমন একটা সমাজ বানিয়েছি যেখানে চা বানানো মানে লজ্জা, আর চায়ের কাপ হাতে বসে থাকা মানে স্ট্যাটাস।

ঠিক এখান থেকেই বেকারত্বের শুরু...
👍7
📍সঠিক জীবনসঙ্গী পেলেও টক্সিক পরিবারকে কীভাবে সামলাবেন?📍
👉👉জীবনসঙ্গী যদি ভালো হয়, তাহলে জীবনের বড় একটা যুদ্ধ জিতে যাওয়া যায়।
কিন্তু…
👉 যদি তার পরিবারে টক্সিক মানসিকতার মানুষ থাকে?
👉 যারা সবসময় নেতিবাচক কথা বলে, মানসিক চাপ দেয়, ছোট করে দেখে, অযথা হস্তক্ষেপ করে?

তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আর মানসিক শান্তি — দুটোই কঠিন হয়ে পড়ে।
কিন্তু উপায় আছে।
🔹 টক্সিক পরিবারের সদস্যদের কীভাবে সামলাবেন?
১. ইমোশনাল রিঅ্যাক্ট করা বন্ধ করুন: তারা আপনাকে provoke (উত্তেজিত) করতে চাইবে।
আপনি শান্ত থাকুন, মাথা ঠান্ডা রাখুন।
আপনার শান্ত আচরণই তাদের জ্বালাবে।

২. নিজের বাউন্ডারি স্পষ্ট করুন: শ্রদ্ধার সাথে সীমারেখা টেনে দিন। "আমি এটা করতে পারবো না", "এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার",স্পষ্টভাবে বলে দিন।

৩. সরাসরি বিতর্কে যাবেন নামারিয়া কথার উত্তর দিতে হবে না। কিছু কথা 'হাসি দিয়ে এড়িয়ে যান' — এটা আসলে বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. জীবনসঙ্গীর সাথে খোলামেলা কথা বলুন:
আপনার অনুভূতি, কষ্ট সবকিছু শেয়ার করুন।
দুজনের বোঝাপড়া যত শক্ত হবে, বাইরের চাপ তত সহজে সামলানো যাবে।

৫. নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিন:
সবকিছুর পরেও যদি টক্সিসিটি থেকে যায়,
তাহলে নিজের জন্য 'emotional detachment' (মন থেকে দূরে থাকা) শিখুন। সবার মন পাওয়ার দরকার নেই।

৬. নম্র কিন্তু দৃঢ় থাকুন: নম্রতা দুর্বলতা নয়।
আপনি সম্মান দেখান, কিন্তু নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করুন।

🎯শেষ কথা: "জীবনসঙ্গী যদি সঠিক হয়, তাহলে টক্সিক পরিবারের চাপও সামলানো যায়। বুদ্ধিমত্তা, ধৈর্য আর বোঝাপড়ার মাধ্যমে।"
👉 নিজের মানসিক শান্তি বজায় রাখুন, বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি সামলান। 🙂
Maria Zaman
👍2
লিখাটা দারুণ লেগেছে। ❤️
জীবনের পথে চলতে হলে…
চারপাশে অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে, অনেক রকম কথা কানে আসবে, কখনো কখনো আপনাকে ভিড় ঠেলে এগোতেও হবে। এমন সময় আপনি যা করবেন তা হলো—ইগনোর। কারণ জীবনে কিছু মানুষ থাকবে, যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আবর্জনা ছড়ানো, অন্যের জীবনে বিষ ঢালা।
লাইফ আপনার—চয়েস ও ডিসিশনও আপনার।
নেগেটিভিটি যেখানেই দেখবেন, সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন। এটা দুর্বলতা নয়, বরং নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকা।
খারাপ লাগলেও এটা সত্যি—আপনি যাদের বন্ধু ভাবেন, তাদের অনেকেই আপনার পতন দেখতে চায়। সহানুভূতির মুখোশ পরে তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আপনাকে আঘাত করার।
তাদের সেই সুযোগটা দেবেন না। অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না, কারো কিছু বোঝাতে যাবেন না। কেউ যদি আপনাকে মূর্খ বলে, হেসে বেরিয়ে আসুন। এতে আপনি সময়, এনার্জি আর মানসিক শান্তি—সবই বাঁচাবেন।
আপনার রেসপন্সই আপনার শক্তি।
যারা জীবনটা সত্যি বোঝে, তারা জানে কাকে রেসপন্স দিতে হয় আর কাকে এড়িয়ে যেতে হয়।
সমালোচনার মধ্যে না ডুবে গিয়ে ভালো কিছু করুন—
একটা ভালো বই পড়ুন
প্রিয়জনের সাথে সময় কাটান
ঘর সাজান
রংতুলি দিয়ে ক্যানভাসে মনের কথা ফুটিয়ে তুলুন
সিনেমা দেখুন, গান শুনুন
ছবি তুলুন, ব্যায়াম করুন, গাছ লাগান
কিংবা একটুখানি চুপ করে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সংযোগ গড়ুন
নিজেকে বাঁচান অপ্রয়োজনীয় মানুষের আগ্রাসন থেকে।
আপনার জন্য আসল মানুষগুলোকে চিনে নিন—পরিবার, কাছের কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের সামনে আপনি আয়নার মতো স্বচ্ছ হতে পারেন। তাদের সঙ্গেই আপনার মনের কথাগুলো ভাগ করুন, কারণ তারা আপনার ভালোটা চায়। বাকি দুনিয়াকে জঞ্জাল ভাবুন, এবং দরকার হলে ঝেড়ে ফেলুন।
সবশেষে, মনে রাখবেন—
জীবন অনেক সুন্দর। পৃথিবীও অনেক সুন্দর। পথে চলতে গিয়ে আগাছা আর কাঁটাঝোপ থাকবেই, কিন্তু আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন।
সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়াও দিতে নেই।
নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যান।
#গুরুত্বপূর্ণ #শিক্ষনীয়
সংগৃহীত
1