আজকে একটা কথা বলবো, ৮০% মেয়েদের হয়তো ভালো লাগবেনা।
আমি দীর্ঘ ১ যুগ মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করেছি, ইমিগ্রেশন তো আসলো গত শুক্রবার। আমার মেইন স্কিলটাই হচ্ছে ব্র্যান্ডিং, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং "বিজ্ঞাপন, সেলস"! কানাডার মার্কেটে যখন কাজ করেছি আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি এই দুনিয়া মেয়েদের কিভাবে ট্রিট করে।
এই পুরো লিখায় আমি কানাডা নিয়েই বলবো যেনো হুট করে কেও বাংলদেশের কালচার ধ-র্ম নিয়ে আসতে না পারে। আমি মিডিয়ার লোক, আমি মডেল নিয়ে কাজ করেছি, বিজ্ঞাপন নিয়ে কাজ করেছি, ফ্যাশন নিয়ে কাজ করেছি এবং আমি আপনাকে বলে দিতে পারবো নারীদের ন-/গ্ন-/তা অনেক বড় একটা মার্কেটিং এবং সেটা স্বয়ং নারীরাই জানে।
আমরা একবার একটা ক্যাম্পেইন ঠিক করলাম, "ওমেন এম্পায়ারমেন্ট", ম্যাগাজিনের কাভার হবে একজন ইন্ডিপেন্ডেন্ট নারী বক্সার। কিন্তু শুধু বক্সিং এর ছবি দিলে কিন্তু খাবেনা কেউ, সুতরাং ট-প-লেস বক্সার মেয়ে লাগবে। অবশ্যই মেয়েদের ব-ক্ষযুগল এমনভাবে ঢেকে থাকবে যেন দেখতেও এট্রাক্টিভ লাগে আবার পুরোপুরি যেনো ন-/গ্ন-/তা না হয় আবার।
আমাদেরকে ছবি দিলো ভ্যাঙ্কুবারের অনেক সুন্দর মডেলরা, এখানে বুঝতে হবে, ব-ক্ষ সুন্দর না হলে কিন্তু মডেল সিলেক্ট করা হবেনা। কারণ এখানে বলিওসি নারী বক্সিং গ্লাভস নিয়ে সারা দুনিয়া জয় করবে কিন্তু পোস্টারে ওর ব-ক্ষ দেখা যেতেই হবে।
এইটা গেলো শুধুমাত্র একটা কাভার এর কথা, এইবার আসি আমরা যেসব ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে কাজ করতাম, যারা আমাদের ক্লায়েন্ট এর প্রোডাক্ট প্রমোট এ কাজ করবে। ধরেন আমরা একটা ড্রেস কোম্পানির মার্কেটিং নিয়ে কাজ করবো, আমরা নারী ইনফ্লুয়েন্সার খুঁজবো যে কিনা প্রোডাক্ট প্রমোট করে! আমাদের কাছে এজেন্সির যত প্রোফাইল সেন্ড করতো সবাই কম-বেশি ভিডিওতে ল্যাং-/টা হয়ে যায়, ধরেন জিন্স এর রিভিউ হবে কিন্তু জিন্স পড়ার আগে গোসল থেকে শুরু করে, আ-ন্ডা-র-ওয়ার সব কিছুর ভিডিও থাকবে। মেয়েটা এবং আমরা যারা এই লাইনের সবাই জানি কেন এটা সে করে! খুবই পরিষ্কার, ওর সুন্দর বডিটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। জিন্স এর মার্কেটিং এখানে ১০%, বাকি ৯০% ওর শরীর। খুবই বাজে শুনাচ্ছে, তাইনা? কিন্তু এটা অনেক প্রফি-টেবল, প্রচুর ব্র্যান্ডিং এর কাজ আসবে, ভিউ আসবে, টাকাও আসবে।
আমার কাছে অনেক মডেল ফটোশ্যুট এর জন্য আসতো যাদের নিজে থেকে চাইতো বি-/কিনি পরা ছবির ফটোশ্যুট হবে, মেয়েরা খুবই স্পেসিফিকালি বলতো যেনো কোনটা একটু বড়ো করে দেখানো যায়, কোনটা একটু সুন্দর কম্পোজিশন করে আর্টিস্টিক ছবি তুলা যায় যেনো পা-ছা-/ও দেখানো হবে কিন্তু ন-/গ্ন-তা যেন না হয়, যেন সেটা আর্ট মনে হয়।
আমি লেজার ইন্ডাস্ট্রি ব্র্যান্ডিং এ অনেকদিন কাজ করেছি, এখানেও সবচেয়ে প্রফিটেবল প্রোডাক্টটা হচ্ছে লেজার হেয়ার রিমুভাল বি-/কিনি লাইনগুলো। এই আমরাই কিন্তু সুন্দর সুন্দর ক্রিয়েটিভ এড বানাতাম যেখানে মেয়েরা ইনসি-কি-উরড ফিল করবে এবং লেজার ট্রিটমেন্ট নিবে। আমি জুয়েলারি ব্র্যান্ড নিয়েও কাজ করেছি, এখানেও সেইম, সুন্দর নেকলেসটা ক্লি-ভেজ এর উপর সুন্দর লাগবে। এটাই স্বাভাবিক।
এই ও-/য়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড খুব বড় বড় করে বলবে ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট কিন্তু গত ২০০ বছরেও নারীকে ক্ষমতায় তারাই আসতে দেয় নাই। এই বিগ বিগ ব্র্যান্ড ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট ইত্যাদি নিয়ে বলবে কিন্তু মেয়েদের বে-/চাই ওদের কাজ। এই ন-/গ্ন-তার জন্যই অনলি ফ্যান করে অনেক মেয়ে। কারণ দিন শেষে এখানেই অনেক টাকা।
আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে যারা অনেক হার্ডওয়ার্কিং ওমেন, আমি তাদের সম্মান করি, আমি সম্মান করি আমার মা থেকে শুরু করে সারা বিশ্বের অনেক নারীকে যারা নিজের আ-ব্রু ধরে রেখেও ক্যারিয়ার করেছেন।
একটা মেয়ে হিজাব করলে বিজনেস এর কোনো লাভ নাই, একটা মেয়ে বোরখা পরলে ব্যবসা লাটে উঠবে! ইসলাম ইজ ব্যাড ফর ওমেন বিজ-নেস, Always.
~ এস. এম. ওয়াহিদুন নবী!
আমি দীর্ঘ ১ যুগ মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করেছি, ইমিগ্রেশন তো আসলো গত শুক্রবার। আমার মেইন স্কিলটাই হচ্ছে ব্র্যান্ডিং, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং "বিজ্ঞাপন, সেলস"! কানাডার মার্কেটে যখন কাজ করেছি আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি এই দুনিয়া মেয়েদের কিভাবে ট্রিট করে।
এই পুরো লিখায় আমি কানাডা নিয়েই বলবো যেনো হুট করে কেও বাংলদেশের কালচার ধ-র্ম নিয়ে আসতে না পারে। আমি মিডিয়ার লোক, আমি মডেল নিয়ে কাজ করেছি, বিজ্ঞাপন নিয়ে কাজ করেছি, ফ্যাশন নিয়ে কাজ করেছি এবং আমি আপনাকে বলে দিতে পারবো নারীদের ন-/গ্ন-/তা অনেক বড় একটা মার্কেটিং এবং সেটা স্বয়ং নারীরাই জানে।
আমরা একবার একটা ক্যাম্পেইন ঠিক করলাম, "ওমেন এম্পায়ারমেন্ট", ম্যাগাজিনের কাভার হবে একজন ইন্ডিপেন্ডেন্ট নারী বক্সার। কিন্তু শুধু বক্সিং এর ছবি দিলে কিন্তু খাবেনা কেউ, সুতরাং ট-প-লেস বক্সার মেয়ে লাগবে। অবশ্যই মেয়েদের ব-ক্ষযুগল এমনভাবে ঢেকে থাকবে যেন দেখতেও এট্রাক্টিভ লাগে আবার পুরোপুরি যেনো ন-/গ্ন-/তা না হয় আবার।
আমাদেরকে ছবি দিলো ভ্যাঙ্কুবারের অনেক সুন্দর মডেলরা, এখানে বুঝতে হবে, ব-ক্ষ সুন্দর না হলে কিন্তু মডেল সিলেক্ট করা হবেনা। কারণ এখানে বলিওসি নারী বক্সিং গ্লাভস নিয়ে সারা দুনিয়া জয় করবে কিন্তু পোস্টারে ওর ব-ক্ষ দেখা যেতেই হবে।
এইটা গেলো শুধুমাত্র একটা কাভার এর কথা, এইবার আসি আমরা যেসব ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে কাজ করতাম, যারা আমাদের ক্লায়েন্ট এর প্রোডাক্ট প্রমোট এ কাজ করবে। ধরেন আমরা একটা ড্রেস কোম্পানির মার্কেটিং নিয়ে কাজ করবো, আমরা নারী ইনফ্লুয়েন্সার খুঁজবো যে কিনা প্রোডাক্ট প্রমোট করে! আমাদের কাছে এজেন্সির যত প্রোফাইল সেন্ড করতো সবাই কম-বেশি ভিডিওতে ল্যাং-/টা হয়ে যায়, ধরেন জিন্স এর রিভিউ হবে কিন্তু জিন্স পড়ার আগে গোসল থেকে শুরু করে, আ-ন্ডা-র-ওয়ার সব কিছুর ভিডিও থাকবে। মেয়েটা এবং আমরা যারা এই লাইনের সবাই জানি কেন এটা সে করে! খুবই পরিষ্কার, ওর সুন্দর বডিটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। জিন্স এর মার্কেটিং এখানে ১০%, বাকি ৯০% ওর শরীর। খুবই বাজে শুনাচ্ছে, তাইনা? কিন্তু এটা অনেক প্রফি-টেবল, প্রচুর ব্র্যান্ডিং এর কাজ আসবে, ভিউ আসবে, টাকাও আসবে।
আমার কাছে অনেক মডেল ফটোশ্যুট এর জন্য আসতো যাদের নিজে থেকে চাইতো বি-/কিনি পরা ছবির ফটোশ্যুট হবে, মেয়েরা খুবই স্পেসিফিকালি বলতো যেনো কোনটা একটু বড়ো করে দেখানো যায়, কোনটা একটু সুন্দর কম্পোজিশন করে আর্টিস্টিক ছবি তুলা যায় যেনো পা-ছা-/ও দেখানো হবে কিন্তু ন-/গ্ন-তা যেন না হয়, যেন সেটা আর্ট মনে হয়।
আমি লেজার ইন্ডাস্ট্রি ব্র্যান্ডিং এ অনেকদিন কাজ করেছি, এখানেও সবচেয়ে প্রফিটেবল প্রোডাক্টটা হচ্ছে লেজার হেয়ার রিমুভাল বি-/কিনি লাইনগুলো। এই আমরাই কিন্তু সুন্দর সুন্দর ক্রিয়েটিভ এড বানাতাম যেখানে মেয়েরা ইনসি-কি-উরড ফিল করবে এবং লেজার ট্রিটমেন্ট নিবে। আমি জুয়েলারি ব্র্যান্ড নিয়েও কাজ করেছি, এখানেও সেইম, সুন্দর নেকলেসটা ক্লি-ভেজ এর উপর সুন্দর লাগবে। এটাই স্বাভাবিক।
এই ও-/য়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড খুব বড় বড় করে বলবে ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট কিন্তু গত ২০০ বছরেও নারীকে ক্ষমতায় তারাই আসতে দেয় নাই। এই বিগ বিগ ব্র্যান্ড ওমেন এম্পা-য়ারমেন্ট ইত্যাদি নিয়ে বলবে কিন্তু মেয়েদের বে-/চাই ওদের কাজ। এই ন-/গ্ন-তার জন্যই অনলি ফ্যান করে অনেক মেয়ে। কারণ দিন শেষে এখানেই অনেক টাকা।
আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে যারা অনেক হার্ডওয়ার্কিং ওমেন, আমি তাদের সম্মান করি, আমি সম্মান করি আমার মা থেকে শুরু করে সারা বিশ্বের অনেক নারীকে যারা নিজের আ-ব্রু ধরে রেখেও ক্যারিয়ার করেছেন।
একটা মেয়ে হিজাব করলে বিজনেস এর কোনো লাভ নাই, একটা মেয়ে বোরখা পরলে ব্যবসা লাটে উঠবে! ইসলাম ইজ ব্যাড ফর ওমেন বিজ-নেস, Always.
~ এস. এম. ওয়াহিদুন নবী!
❤1
উকিল বাপ বলতে ইসলামী শরিয়তে কোনো বাপ নেই। কোনো নারীর বিয়ের জন্য উকিল বাপের এই প্রথা ইসলাম সমর্থিত নয়। জন্মদাতা পিতা, শশুর এবং দুধপিতা (ধাত্রী মায়ের স্বামী) ছাড়া আর কোনো বাবার সাথে দেখা সাক্ষাত করা জায়েজ নাই।
حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّہٰتُکُمۡ وَبَنٰتُکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ وَعَمّٰتُکُمۡ وَخٰلٰتُکُمۡ وَبَنٰتُ الۡاَخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّہٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَاُمَّہٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَرَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَحَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ الۡاُخۡتَیۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا ۙ
তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাতিজী, ভাগ্নি, তোমাদের সেই সকল মা, যারা তোমাদেরকে দুধ পান করিয়েছে, তোমাদের দুধ বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমাদের প্রতিপালনাধীন তোমাদের সৎ কন্যা, যারা তোমাদের এমন স্ত্রীদের গর্ভজাত, যাদের সাথে তোমরা নিভৃতে মিলিত হয়েছ। তোমরা যদি তাদের সাথে নিভৃত-মিলন না করে থাক (এবং তাদেরকে তালাক দিয়ে দাও বা তাদের মৃত্যু হয়ে যায়), তবে (তাদের কন্যাদেরকে বিবাহ করাতে) তোমাদের কোন গুনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রীগণও (তোমাদের জন্য হারাম) এবং এটাও (হারাম) যে, তোমরা দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করবে। তবে পূর্বে যা হয়েছে, হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আন নিসা আয়াত নং ২৩)
والله اعلم بالصواب
حُرِّمَتۡ عَلَیۡکُمۡ اُمَّہٰتُکُمۡ وَبَنٰتُکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ وَعَمّٰتُکُمۡ وَخٰلٰتُکُمۡ وَبَنٰتُ الۡاَخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّہٰتُکُمُ الّٰتِیۡۤ اَرۡضَعۡنَکُمۡ وَاَخَوٰتُکُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَۃِ وَاُمَّہٰتُ نِسَآئِکُمۡ وَرَبَآئِبُکُمُ الّٰتِیۡ فِیۡ حُجُوۡرِکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِکُمُ الّٰتِیۡ دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ ۫ فَاِنۡ لَّمۡ تَکُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِہِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکُمۡ ۫ وَحَلَآئِلُ اَبۡنَآئِکُمُ الَّذِیۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِکُمۡ ۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَیۡنَ الۡاُخۡتَیۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ غَفُوۡرًا رَّحِیۡمًا ۙ
তোমাদের প্রতি হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাতিজী, ভাগ্নি, তোমাদের সেই সকল মা, যারা তোমাদেরকে দুধ পান করিয়েছে, তোমাদের দুধ বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মা, তোমাদের প্রতিপালনাধীন তোমাদের সৎ কন্যা, যারা তোমাদের এমন স্ত্রীদের গর্ভজাত, যাদের সাথে তোমরা নিভৃতে মিলিত হয়েছ। তোমরা যদি তাদের সাথে নিভৃত-মিলন না করে থাক (এবং তাদেরকে তালাক দিয়ে দাও বা তাদের মৃত্যু হয়ে যায়), তবে (তাদের কন্যাদেরকে বিবাহ করাতে) তোমাদের কোন গুনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রীগণও (তোমাদের জন্য হারাম) এবং এটাও (হারাম) যে, তোমরা দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করবে। তবে পূর্বে যা হয়েছে, হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আন নিসা আয়াত নং ২৩)
والله اعلم بالصواب
👍2
অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ, যারা তাদের সালাতে ভীতি-অবনত। আর যারা আসার কর্মকাণ্ড থেকে থাকে বিমুখ।এবং যারা যাকাতে সক্রিয়।আর যারা তাদের নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী। নিজেদের স্ত্রী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবেনা। এদের অতিরিক্ত যারা কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। আর যারা নিজেদের আমানাত ও ওয়াদা পূর্ণ করে। আর যারা নিজেদের সালাতে যত্নবান –তারাই হবে উত্তরাধিকারী।যারা ফিরদাউসের অধিকারী হবে। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।
(সূরা মুমিনুন -১-১১)
(সূরা মুমিনুন -১-১১)
❤3
# 📢 ত্বকের যত্ন নিয়ে ১১টি প্রচলিত Myths and Mistakes – আপনি কি জানেন? 😮🧴
ত্বক নিয়ে আমরা কত কিছুই না শুনি – কারো দাদির টিপস, ইউটিউব ভিডিও, বা ভাইয়ের ফেসওয়াশ! কিন্তু এর মধ্যে অনেকগুলোই আসলে ভুল ধারণা বা মিথ। 😬 চলুন জেনে নিই এমন ১১টি প্রচলিত ভুল ও স্কিন কেয়ার মিথ:
❌ ১. ব্রণ হলে ফেসওয়াশ দিয়ে বেশি বেশি ধুতে হবে
✅ না! বেশি ধোয়া ত্বককে শুষ্ক করে তোলে, এতে তেল গ্রন্থি আরও তেল তৈরি করে, ব্রণ বাড়তে পারে!
❌ ২. শুধু রোদে গেলে সানস্ক্রিন দরকার
✅ আসলে বাড়ির ভেতরেও, স্ক্রিন লাইট, জানালার আলো থেকেও UV রে আসে!
❌ ৩. তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো যাবে না
✅ ভুল! সব স্কিন টাইপেরই হাইড্রেশন দরকার। শুধু হালকা (oil-free) ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।
❌ ৪. ঘরোয়া উপায়েই সব সমস্যার সমাধান
✅ লেবু, বেসন, টুথপেস্ট – এইসব সব সময় নিরাপদ নয়। ত্বকের pH নষ্ট করে দেয়।
❌ ৫. যেটা এক বন্ধুর ত্বকে কাজ করেছে, সেটাই আমার ত্বকে কাজ করবে
✅ Nope! সবার স্কিন টাইপ, সমস্যা, এলার্জি আলাদা।
❌ ৬. প্রোডাক্ট যত দামি, তত ভালো
✅ দাম নয়, উপাদান (ingredients) গুরুত্বপূর্ণ।
❌ ৭. এক রাতেই স্কিন গ্লো করবে
✅ স্কিন কেয়ার হলো নিয়মিত চর্চা। ধৈর্য ধরতে হবে।
❌ ৮. মেকআপ করলে স্কিন নষ্ট হয়
✅ যদি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় ও ভালো মানের মেকআপ ব্যবহার করা হয়, সমস্যা নেই।
❌ ৯. ছেলেদের স্কিন কেয়ার দরকার নেই
✅ ছেলেদের ত্বকেও ব্রণ, রোদে পোড়া, ডার্ক স্পট হয়!
❌ ১০. স্ক্রাব যত বেশি করবো, তত ভালো
✅ ওভার-এক্সফোলিয়েশন ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, র্যাশ, লালচে ভাব দেখা দেয়।
❌ ১১. যেকোনো সমস্যা হলেই গুগল করলেই হবে
✅ কিছু সমস্যায় ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
💬 আপনারা এর মধ্যে কোন ভুলগুলো আগে বিশ্বাস করতেন? কমেন্টে জানান! আর পোস্টটি শেয়ার করুন যেন বন্ধুরাও এই ভুলগুলো থেকে সাবধান হতে পারে! ❤️
#SkincareMyths #SkincareBangla #ত্বকের_যত্ন #GlowResponsibly
ত্বক নিয়ে আমরা কত কিছুই না শুনি – কারো দাদির টিপস, ইউটিউব ভিডিও, বা ভাইয়ের ফেসওয়াশ! কিন্তু এর মধ্যে অনেকগুলোই আসলে ভুল ধারণা বা মিথ। 😬 চলুন জেনে নিই এমন ১১টি প্রচলিত ভুল ও স্কিন কেয়ার মিথ:
❌ ১. ব্রণ হলে ফেসওয়াশ দিয়ে বেশি বেশি ধুতে হবে
✅ না! বেশি ধোয়া ত্বককে শুষ্ক করে তোলে, এতে তেল গ্রন্থি আরও তেল তৈরি করে, ব্রণ বাড়তে পারে!
❌ ২. শুধু রোদে গেলে সানস্ক্রিন দরকার
✅ আসলে বাড়ির ভেতরেও, স্ক্রিন লাইট, জানালার আলো থেকেও UV রে আসে!
❌ ৩. তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো যাবে না
✅ ভুল! সব স্কিন টাইপেরই হাইড্রেশন দরকার। শুধু হালকা (oil-free) ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।
❌ ৪. ঘরোয়া উপায়েই সব সমস্যার সমাধান
✅ লেবু, বেসন, টুথপেস্ট – এইসব সব সময় নিরাপদ নয়। ত্বকের pH নষ্ট করে দেয়।
❌ ৫. যেটা এক বন্ধুর ত্বকে কাজ করেছে, সেটাই আমার ত্বকে কাজ করবে
✅ Nope! সবার স্কিন টাইপ, সমস্যা, এলার্জি আলাদা।
❌ ৬. প্রোডাক্ট যত দামি, তত ভালো
✅ দাম নয়, উপাদান (ingredients) গুরুত্বপূর্ণ।
❌ ৭. এক রাতেই স্কিন গ্লো করবে
✅ স্কিন কেয়ার হলো নিয়মিত চর্চা। ধৈর্য ধরতে হবে।
❌ ৮. মেকআপ করলে স্কিন নষ্ট হয়
✅ যদি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় ও ভালো মানের মেকআপ ব্যবহার করা হয়, সমস্যা নেই।
❌ ৯. ছেলেদের স্কিন কেয়ার দরকার নেই
✅ ছেলেদের ত্বকেও ব্রণ, রোদে পোড়া, ডার্ক স্পট হয়!
❌ ১০. স্ক্রাব যত বেশি করবো, তত ভালো
✅ ওভার-এক্সফোলিয়েশন ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, র্যাশ, লালচে ভাব দেখা দেয়।
❌ ১১. যেকোনো সমস্যা হলেই গুগল করলেই হবে
✅ কিছু সমস্যায় ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
💬 আপনারা এর মধ্যে কোন ভুলগুলো আগে বিশ্বাস করতেন? কমেন্টে জানান! আর পোস্টটি শেয়ার করুন যেন বন্ধুরাও এই ভুলগুলো থেকে সাবধান হতে পারে! ❤️
#SkincareMyths #SkincareBangla #ত্বকের_যত্ন #GlowResponsibly
👍1
নিউরো প্যারেন্টিং কেন এতো জরুরি?
বর্তমান সময়ে সন্তানের সঠিক মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ নিশ্চিত করা প্রতিটি অভিভাবকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ🤷♀️। যুগ পাল্টাচ্ছে, শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশও পাল্টাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্তানদের বড় করতে হলে আমাদের প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত অভিভাবকত্ব—আর এখানেই আসে নিউরো প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব।
নিউরো প্যারেন্টিং কী?🧠
নিউরো প্যারেন্টিং হলো এমন এক ধরনের প্যারেন্টিং পদ্ধতি যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, আবেগ, আচরণ ও শেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নিউরোসায়েন্স বা স্নায়ুবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও কাজের ধরন বুঝে, সেই অনুযায়ী তার যত্ন ও শেখানোর কৌশল নির্ধারণ করে।
কেন নিউরো প্যারেন্টিং জরুরি?🤷♀️
১. প্রথম পাঁচ বছরই ভিত্তি গঠনের সময়
বিজ্ঞান বলছে, শিশুর মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ঘটে জীবনের প্রথম পাঁচ বছরে। এই সময়কালের সঠিক যত্ন ও গঠনমূলক পরিবেশ তার ভবিষ্যতের আচরণ, শিক্ষাগত দক্ষতা এবং আবেগীয় সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সহমর্মিতা শেখানো
শিশু যখন রাগ করে বা কাঁদে, তখন তাকে শুধু "চুপ করো" বললে চলবে না। নিউরো প্যারেন্টিং শেখায়, কীভাবে তার আবেগ বুঝে, ভালোভাবে রেসপন্স করতে হয়—যাতে শিশু শেখে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে, আর অন্যের অনুভূতিও বুঝতে।
৩. ইতিবাচক শেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে
নিউরো প্যারেন্টিং শিশুদের শেখায় পজিটিভ রিনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে। এটি শিশুকে শাস্তির ভয় নয়, বরং ভালো কাজের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহ দেয়, যা তাদের শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
৪. ডিজিটাল যুগে মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা
আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত উদ্দীপনার মুখোমুখি হচ্ছে। নিউরো প্যারেন্টিং শিশুকে শেখায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজের মনোযোগ, আবেগ ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।
কীভাবে নিউরো প্যারেন্টিং শুরু করবেন?🤷♀️
👶শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন
👶ধৈর্য ধরে তাদের কথা শুনুন
👶শাস্তির বদলে ব্যাখ্যা দিন
👶সঠিক সময়ের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ার দিকে মনোযোগ দিন
👶নিজের আবেগকেও নিয়ন্ত্রণে রাখুন—আপনি যা করবেন, শিশুও তাই শিখবে।
শিশুর বেড়ে ওঠা শুধুমাত্র তাকে খাওয়ানো-পড়ানো নয়, বরং তার ভেতরের মস্তিষ্ক, মন এবং আবেগকে ঠিকভাবে গড়ে তোলাও প্যারেন্টিংয়ের মূল অংশ। নিউরো প্যারেন্টিং শুধু শিশুকে নয়, আপনাকেও একজন সচেতন, সহমর্মী এবং প্রজ্ঞাবান অভিভাবক হিসেবে তৈরি করে।
শুধু "ভালো অভিভাবক" না হয়ে বিজ্ঞানমনস্ক অভিভাবক হোন—কারণ প্রতিটি শিশুই তার অভিভাবকের প্রতিচ্ছবি।
বিদ্র: আমরা একা ১০টা পালছি, আর এখন ১টা পালতে পারেনা, এসব কথা বলা ও শোনা থেকে বিরত থাকুন। যুগ এক না, বাস্তবতা মানতে শিখুন।
ধন্যবাদ 🙏
নিউরো প্যারেন্টিং -১
বর্তমান সময়ে সন্তানের সঠিক মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ নিশ্চিত করা প্রতিটি অভিভাবকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ🤷♀️। যুগ পাল্টাচ্ছে, শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশও পাল্টাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সন্তানদের বড় করতে হলে আমাদের প্রয়োজন বিজ্ঞানসম্মত অভিভাবকত্ব—আর এখানেই আসে নিউরো প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব।
নিউরো প্যারেন্টিং কী?🧠
নিউরো প্যারেন্টিং হলো এমন এক ধরনের প্যারেন্টিং পদ্ধতি যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, আবেগ, আচরণ ও শেখার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নিউরোসায়েন্স বা স্নায়ুবিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। এটি শিশুর মস্তিষ্কের গঠন ও কাজের ধরন বুঝে, সেই অনুযায়ী তার যত্ন ও শেখানোর কৌশল নির্ধারণ করে।
কেন নিউরো প্যারেন্টিং জরুরি?🤷♀️
১. প্রথম পাঁচ বছরই ভিত্তি গঠনের সময়
বিজ্ঞান বলছে, শিশুর মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ঘটে জীবনের প্রথম পাঁচ বছরে। এই সময়কালের সঠিক যত্ন ও গঠনমূলক পরিবেশ তার ভবিষ্যতের আচরণ, শিক্ষাগত দক্ষতা এবং আবেগীয় সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সহমর্মিতা শেখানো
শিশু যখন রাগ করে বা কাঁদে, তখন তাকে শুধু "চুপ করো" বললে চলবে না। নিউরো প্যারেন্টিং শেখায়, কীভাবে তার আবেগ বুঝে, ভালোভাবে রেসপন্স করতে হয়—যাতে শিশু শেখে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে, আর অন্যের অনুভূতিও বুঝতে।
৩. ইতিবাচক শেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে
নিউরো প্যারেন্টিং শিশুদের শেখায় পজিটিভ রিনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে। এটি শিশুকে শাস্তির ভয় নয়, বরং ভালো কাজের পুরস্কার দিয়ে উৎসাহ দেয়, যা তাদের শেখার আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
৪. ডিজিটাল যুগে মানসিক স্থিতিশীলতা রক্ষা
আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মানসিক চাপ, বিভ্রান্তি ও অতিরিক্ত উদ্দীপনার মুখোমুখি হচ্ছে। নিউরো প্যারেন্টিং শিশুকে শেখায় কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজের মনোযোগ, আবেগ ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।
কীভাবে নিউরো প্যারেন্টিং শুরু করবেন?🤷♀️
👶শিশুর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন
👶ধৈর্য ধরে তাদের কথা শুনুন
👶শাস্তির বদলে ব্যাখ্যা দিন
👶সঠিক সময়ের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ার দিকে মনোযোগ দিন
👶নিজের আবেগকেও নিয়ন্ত্রণে রাখুন—আপনি যা করবেন, শিশুও তাই শিখবে।
শিশুর বেড়ে ওঠা শুধুমাত্র তাকে খাওয়ানো-পড়ানো নয়, বরং তার ভেতরের মস্তিষ্ক, মন এবং আবেগকে ঠিকভাবে গড়ে তোলাও প্যারেন্টিংয়ের মূল অংশ। নিউরো প্যারেন্টিং শুধু শিশুকে নয়, আপনাকেও একজন সচেতন, সহমর্মী এবং প্রজ্ঞাবান অভিভাবক হিসেবে তৈরি করে।
শুধু "ভালো অভিভাবক" না হয়ে বিজ্ঞানমনস্ক অভিভাবক হোন—কারণ প্রতিটি শিশুই তার অভিভাবকের প্রতিচ্ছবি।
বিদ্র: আমরা একা ১০টা পালছি, আর এখন ১টা পালতে পারেনা, এসব কথা বলা ও শোনা থেকে বিরত থাকুন। যুগ এক না, বাস্তবতা মানতে শিখুন।
ধন্যবাদ 🙏
নিউরো প্যারেন্টিং -১
👍1
"বাবা মায়ের ব্যক্তিত্বেই গড়ে সন্তানের ভাগ্য।"
যে বাবা মায়ের সম্পর্ক যত সুমধুর মজবুত,সেই সন্তানের ভবিষ্যৎ তত সুন্দর।যে বাবা মা ব্যক্তি হিসেবে যতটা শালীন,ব্যক্তিত্ববান তাদের সন্তান ততটাই উন্নত মানসিকতা,চরিত্রবান এবং সুন্দর ব্যক্তিত্বর অধিকারী হয়ে গড়ে উঠে।
বাচ্চারা অনুকরণ অনুশীলন প্রিয় হয়।আর তাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক তাদের বাবা মা।সন্তান তার বাচন ভঙ্গি কাজ করার কৌশল সব কিছুই শিখে বাবা মায়ের কাছে।বাবা মায়ের আচরন এর প্রভাব সন্তানের ব্যক্তিত্বের ওপরে প্রধান প্রভাব বিস্তার করে।
বাবা মা একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল,বিনয়ী যত্নশীল,তারা কতটা নীতিবান সামাজিক তা একজন সন্তানের ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
যদি কোন সন্তান দেখে তার বাবা মা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,তাদের বাচন ভঙ্গি অশালীন সন্তান এর মাঝেও সেই আচরন প্রভাব বিস্তার করে।আস্তে আস্তে সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হতে শুরু করে।অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়।সামাজিক আচরন সৌজন্যতা থেকে দূরে সরে যায়।
সন্তানকে শুধু দামী পোশাক বিলাসবহুল জীবন যাপনে অবভস্ত্য করলেই সে ভদ্র সভ্য হবেনা।সে তাই করবে যা তার বাবা মাকে সে করতে দেখবে।সে যদি দেখে তার বাবা মা সবার সাথে উচ্চ্যবাচ্য করে,অভদ্রতা করে,উদারতা নেই,অন্যের কাছে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে কিন্তু নিজে কাউকে সাহায্য করেনা,তাহলে সন্তান তাই শিখবে।স্বার্থপর হয়ে গড়ে উঠবে।
আপনি নিজে সি'গারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান নে*শা থেকে বিরত থাকবে।আপনি নিজে দ্বিচারিতা করে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান চরিত্রবান হবে।কারন বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাঝে প্রকাশ পাবেই।সন্তান বাবা মাকে দেখেই শেখে।আপনার ব্যক্তিত্ব আপনার সন্তানের ভাগ্য গড়বে।
জানেন তো গোবরে সবসময় পদ্মফুল ফোটেনা।তাই ভাববেন না আপনি খা'রাপ তবুও সন্তান ভালো চরিত্রের হবে।
সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে বড় নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শিখালেন কিন্তু মনুষ্যত্ব শিখালেন না।তাহলে শেষ জীবনে বিপদ আপনারই হবে।আপনি অসুস্থ হলে সন্তান ডাক্তার নয় উকিল ডাকবে আপনার সম্পত্তির ভাগাভাগি করতে।
আপনার নৈতিকতা নির্ধারন করবে আপনার সন্তান শেষ বয়সে আপনার সেবা করবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে।
"সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান,যেনো অসুস্থ হলে ডাক্তার ডাকে উকিল নয়।"
#সংগৃহীত
যে বাবা মায়ের সম্পর্ক যত সুমধুর মজবুত,সেই সন্তানের ভবিষ্যৎ তত সুন্দর।যে বাবা মা ব্যক্তি হিসেবে যতটা শালীন,ব্যক্তিত্ববান তাদের সন্তান ততটাই উন্নত মানসিকতা,চরিত্রবান এবং সুন্দর ব্যক্তিত্বর অধিকারী হয়ে গড়ে উঠে।
বাচ্চারা অনুকরণ অনুশীলন প্রিয় হয়।আর তাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক তাদের বাবা মা।সন্তান তার বাচন ভঙ্গি কাজ করার কৌশল সব কিছুই শিখে বাবা মায়ের কাছে।বাবা মায়ের আচরন এর প্রভাব সন্তানের ব্যক্তিত্বের ওপরে প্রধান প্রভাব বিস্তার করে।
বাবা মা একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল,বিনয়ী যত্নশীল,তারা কতটা নীতিবান সামাজিক তা একজন সন্তানের ভালো মানুষ হয়ে ওঠার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
যদি কোন সন্তান দেখে তার বাবা মা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত,তাদের বাচন ভঙ্গি অশালীন সন্তান এর মাঝেও সেই আচরন প্রভাব বিস্তার করে।আস্তে আস্তে সন্তান বাবা মায়ের অবাধ্য হতে শুরু করে।অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়।সামাজিক আচরন সৌজন্যতা থেকে দূরে সরে যায়।
সন্তানকে শুধু দামী পোশাক বিলাসবহুল জীবন যাপনে অবভস্ত্য করলেই সে ভদ্র সভ্য হবেনা।সে তাই করবে যা তার বাবা মাকে সে করতে দেখবে।সে যদি দেখে তার বাবা মা সবার সাথে উচ্চ্যবাচ্য করে,অভদ্রতা করে,উদারতা নেই,অন্যের কাছে সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে কিন্তু নিজে কাউকে সাহায্য করেনা,তাহলে সন্তান তাই শিখবে।স্বার্থপর হয়ে গড়ে উঠবে।
আপনি নিজে সি'গারেট খেয়ে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান নে*শা থেকে বিরত থাকবে।আপনি নিজে দ্বিচারিতা করে আশা করতে পারেন না আপনার সন্তান চরিত্রবান হবে।কারন বাবা মায়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সন্তানের মাঝে প্রকাশ পাবেই।সন্তান বাবা মাকে দেখেই শেখে।আপনার ব্যক্তিত্ব আপনার সন্তানের ভাগ্য গড়বে।
জানেন তো গোবরে সবসময় পদ্মফুল ফোটেনা।তাই ভাববেন না আপনি খা'রাপ তবুও সন্তান ভালো চরিত্রের হবে।
সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে বড় নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শিখালেন কিন্তু মনুষ্যত্ব শিখালেন না।তাহলে শেষ জীবনে বিপদ আপনারই হবে।আপনি অসুস্থ হলে সন্তান ডাক্তার নয় উকিল ডাকবে আপনার সম্পত্তির ভাগাভাগি করতে।
আপনার নৈতিকতা নির্ধারন করবে আপনার সন্তান শেষ বয়সে আপনার সেবা করবে নাকি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে।
"সন্তানকে অফিসার বানানোর আগে মানুষ বানান,যেনো অসুস্থ হলে ডাক্তার ডাকে উকিল নয়।"
#সংগৃহীত
👍1