৪০ বছর পর থেকে শরীরে বিভিন্ন রোগ অজান্তে বাসা বাঁধতে শুরু করে,,
এই জন্য যে সকল মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী।
প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।
(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-Lipid Profile.
(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।
যেমন-GTT.
(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-TSH.
(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।
যেমন-S.Creatinine.
(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.
(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে
যেমন-CBC.
(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-PSA.
(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-ECG.
(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.
(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.
(১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-URINE RE/ME.
-Doctor Mohammad Ali.
এই জন্য যে সকল মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী।
প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।
(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-Lipid Profile.
(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।
যেমন-GTT.
(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-TSH.
(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।
যেমন-S.Creatinine.
(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.
(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে
যেমন-CBC.
(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-PSA.
(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-ECG.
(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.
(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.
(১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-URINE RE/ME.
-Doctor Mohammad Ali.
👍4❤2
ঘুম মানে বিশ্রাম নয়, ঘুম মানেই বাঁচা!
আর যদি সেই ঘুম হয় —
কম সময়ের + বারবার ভাঙা + মোবাইলের আলোয় আলোকিত,
তাহলে বুঝে নিন, আপনি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন!
ঘুমের পরিণতি যদি হয়:
• সকালে উঠে মনে হয়, “আরও ৫ মিনিট… ৫ টা ঘণ্টা!”
• মেজাজ এমন, এক কাপ চা না পেলে সংসার ভেঙে যাবে
• মাথা ঝিম ঝিম, মন খটখটে, চোখ লাল
• আর আয়নায় দেখে মনে হয় “কে এই পাণ্ডার আত্মীয়?”
তাহলে বুঝবেন, আপনার ঘুমের মানে (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) — দুইটাই মাইনাসে!
কেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?
✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে
✅ ঘুম ঠিক = হরমোন ঠিক = মুড ভালো
✅ ঘুম ঠিক = ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী
✅ ঘুম ঠিক = ব্রেইন ক্লিনিং হয়
✅ ঘুম ঠিক = চোখের নিচে কালো দাগ নাই!
ঘুম ভালো রাখার ৫টি সহজ কৌশল (JKLifestyle-approved):
1. রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান – Netflix না, “Neck-Fix” দরকার
2. ঘুমের আগে মোবাইল নয় – বই পড়ুন বা দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর কথা ভাবুন
3. কফি সন্ধ্যার পর বন্ধ – নাহলে ঘুম নয়, সিনেমার মতো স্বপ্ন!
4. ঘর অন্ধকার রাখুন – রাতের রাজা “মেলাটোনিন” অন্ধকারে জন্মায়
5. সকালে সূর্যের আলো দেখুন – এতে শরীর বুঝবে দিন শুরু, আর রাতে ঘুম আসবে স্বাভাবিকভাবে
ঘুম ঠিক থাকলে ডাক্তারও অবসর নিতে পারে,
আর ঘুম নষ্ট থাকলে জীবনটাই হয়ে যায় emergency case!
#JKLifestyle #ঘুম #QualitySleep #HormoneHealing #NaturalHealth #ঘুমনেইতোজীবননেই
আর যদি সেই ঘুম হয় —
কম সময়ের + বারবার ভাঙা + মোবাইলের আলোয় আলোকিত,
তাহলে বুঝে নিন, আপনি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন!
ঘুমের পরিণতি যদি হয়:
• সকালে উঠে মনে হয়, “আরও ৫ মিনিট… ৫ টা ঘণ্টা!”
• মেজাজ এমন, এক কাপ চা না পেলে সংসার ভেঙে যাবে
• মাথা ঝিম ঝিম, মন খটখটে, চোখ লাল
• আর আয়নায় দেখে মনে হয় “কে এই পাণ্ডার আত্মীয়?”
তাহলে বুঝবেন, আপনার ঘুমের মানে (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) — দুইটাই মাইনাসে!
কেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?
✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে
✅ ঘুম ঠিক = হরমোন ঠিক = মুড ভালো
✅ ঘুম ঠিক = ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী
✅ ঘুম ঠিক = ব্রেইন ক্লিনিং হয়
✅ ঘুম ঠিক = চোখের নিচে কালো দাগ নাই!
ঘুম ভালো রাখার ৫টি সহজ কৌশল (JKLifestyle-approved):
1. রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান – Netflix না, “Neck-Fix” দরকার
2. ঘুমের আগে মোবাইল নয় – বই পড়ুন বা দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর কথা ভাবুন
3. কফি সন্ধ্যার পর বন্ধ – নাহলে ঘুম নয়, সিনেমার মতো স্বপ্ন!
4. ঘর অন্ধকার রাখুন – রাতের রাজা “মেলাটোনিন” অন্ধকারে জন্মায়
5. সকালে সূর্যের আলো দেখুন – এতে শরীর বুঝবে দিন শুরু, আর রাতে ঘুম আসবে স্বাভাবিকভাবে
ঘুম ঠিক থাকলে ডাক্তারও অবসর নিতে পারে,
আর ঘুম নষ্ট থাকলে জীবনটাই হয়ে যায় emergency case!
#JKLifestyle #ঘুম #QualitySleep #HormoneHealing #NaturalHealth #ঘুমনেইতোজীবননেই
😢7❤3
আমার প্রিয় কাজের একটি হলো স্বামীর জন্য খাবার প্রস্তুত করে টেবিলে দেয়া, আর খেয়ে ওঠার সাথে সাথে গরম গরম চা। মা-বাবা এবং স্বামীর খেদমত করার মাঝে একটা অপার্থিব আনন্দ আছে, একটা পারলৌকিক তৃপ্তি আছে - এই যুগের অতি ব্যস্ত পেশাজীবি নারীরা সেই আনন্দটা কখনোই উপভোগ করতে পারে না। সপ্তাহ জুড়ে কর্মস্থানের চিন্তা আর কাজের চাপে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সে নিজেই অবসর চায়। সে চায় স্বামীই তাকে চা বানিয়ে সামনে দিক, পারলে রান্নাটাও করে দিক।
.
এমন অনেক পরিবার আছে, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করে। দুজনেই পরিবারের জন্য উপার্জন এবং খরচ করে। কিন্তু স্বামী বাসায় ফিরেই টিভি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, ওদিকে স্ত্রীকে খাবার গরম করে টেবিলে দিতে হয়৷ আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ তৈরি হয়। ক্লান্ত শরীরে সংসারের এত কাজ করতে বিরক্ত লাগে। সাংসারিক কাজের ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় দুজনের মন কষাকষি, ক্ষোভ, দাম্পত্য কলহ। "দুজনেই বাইরে কাজ করছি, তাহলে ঘরের কাজ কেন দুজনে ভাগাভাগি করে নিব না?" - এই চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয় স্বামী-স্ত্রীর মানসিক দূরত্ব।
.
আবার ধরুন স্বামী মহাশয়ও ভদ্রলোক। তিনি ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নিলেন। নিজের কাপড় নিজে ধোন, টেবিলে খাবার সার্ভ করেন, বাসায় তিনদিন তিনি, আর তিনদিন তার স্ত্রী রান্না করেন। কিন্তু এই সম্পর্কে পরস্পর নির্ভরশীলতা কোথায়? এ যেন চুলচেরা হিসাব করে ব্যবসা চালানোর শামিল। ব্যবসায়ী পার্টনাররাও হয়তো এত হিসেবী হয় না।
.
আজকাল স্বামী-স্ত্রীর এই হিসাব আর কাজ ভাগাভাগির মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সন্তান নেয়ার ব্যাপারেও নারীদের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। তারা অধিক সন্তান গ্রহণে আগ্রহী না। "আমি কেন বাচ্চা নিব? আমি কেন আমার ক্যারিয়ারকে রিস্কে ফেলাব? প্রেগনেন্ট হলে হাজবেন্ডের তো কোনো কষ্ট হবে না, আমাকেই যত স্যাক্রিফাইস করতে হবে! আমি কেন এত কম্প্রোমাইজ করব?"
.
এভাবেই নারী-পুরুষ যখন দুজনেই বাইরের দুনিয়ার পিছে ছুটতে থাকে, তখন সংসারে ইমব্যালেন্স সৃষ্টি হয়৷ আল্লাহ তা'আলা স্বামী এবং স্ত্রীকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বামীর দায়িত্ব উপার্জন এবং পরিবারের ভরণপোষণ। স্ত্রীর দায়িত্ব সন্তান গ্রহণ, বাচ্চাকাচ্চা ও ঘরের দেখাশোনা। এই ভূমিকা যখন উল্টোপাল্টা হয়ে যায়, তখন সম্পর্কে কোনো না কোনোভাবে প্রভাব পড়বেই। আল্লাহর কথার অমান্য করলে তাতে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট থাকবেই থাকবে৷
.
আজকাল যেমন ডিভোর্সের হার অনেক বেড়ে গেছে। স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে তুমি বাসায় থাকো, চাকরি কোরো না, বাচ্চা নাও - তাহলে অনেক মেয়েই খেপে গিয়ে ডি-ভো-র্স দিয়ে দেয়। আবার দুজনে বাইরে কাজ করার ব্যাপারে খুব একমত হলেও দেখা যায় তারা অন্যভাবে সাংসারিক দায়িত্বে ছাড় দিচ্ছে। যেমন - ক্যারিয়ার এস্টাবলিশ করতে গিয়ে দেরিতে বিয়ে করা, সন্তান-গ্রহণ না করা, পরিবার ও সন্তান-সন্ততিকে বেশি সময় না দেয়া ইত্যাদি।
.
সাংসারিক দায়িত্বগুলিও কিন্তু কোনো অংশে সহজতর বা কম নয়, হোমমেকার নারীরাও ব্যস্ত থাকে, তাদেরও ফুরসতের দরকার পড়ে, বিশেষ করে যদি ছোট ছোট বাচ্চাও দেখাশোনা করতে হয়৷ তবু এই ব্যস্ততার বেশিরভাগ জুড়েই থাকে তার সংসার, তার পরিবার৷ পরিবারের সবকিছু তার নখদর্পনে। পেশাজীবি নারীরা পরিবারকে কখনোই এত গুরুত্ব দিতে পারে না। মানুষ তো সুপারম্যান না। সে একসাথে দুইদিক পারফেক্টলি কীভাবে সামলাবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্যারিয়ার, আয়-উপার্জনহ ও বাইরের দুনিয়াতে যখন একজন নারী বেশি প্রায়োরিটি দেয়, তখন তার সাংসারিক ভূমিকা নিজের অজান্তেই সেকেন্ড প্রায়োরিটিতে পরিণত হয়।
.
কত সুন্দর ছিল আমাদের নানী-দাদীদের সময়টা। যখন উনারা সংসারের খেদমত করতেন আর পুরুষরা ঘর সামলাতে বাইরে খাটতেন। সে সময় সমাজে ভারসাম্য ছিল। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে পারস্পরিক নির্ভরশীলরা ছিল, মায়া ছিল। এত হিসাব করে সংসার চালাতে হতো না। একই কাজ নিয়ে দুজনের কাড়াকাড়ি হতো না। এখন নারীরাও পুরুষ হতে চায়। আগ বাড়িয়ে চাকরি-বাকরি করতে চায়। ঘরের কাজকে তুচ্ছ ভাবে। তাই তো আজ ঘরগুলো আমাদের ভাঙনের পথে। মানুষ শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবতে শিখছে, আর দিন দিন হয়ে উঠছে আরও স্বার্থপর। একজন গৃহিনী ফুলটাইম মা নিঃস্বার্থভাবে পরিবারকে সময় দেন, হয়তো টুকটাক অন্য কাজ করেন। আর কর্মজীবি নারী সপ্তাহ জুড়ে অন্যের কাজই করেন, অন্যের ব্যবসা বা নিজের ক্যারিয়ার সামলান; তার কাছে স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকাটাই পার্ট-টাইম।
.
#ক্যারিয়ারিস্ট_নারী
#পার্ট_টাইম_মা
.
~ আনিকা তুবা
.
এমন অনেক পরিবার আছে, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করে। দুজনেই পরিবারের জন্য উপার্জন এবং খরচ করে। কিন্তু স্বামী বাসায় ফিরেই টিভি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, ওদিকে স্ত্রীকে খাবার গরম করে টেবিলে দিতে হয়৷ আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ তৈরি হয়। ক্লান্ত শরীরে সংসারের এত কাজ করতে বিরক্ত লাগে। সাংসারিক কাজের ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় দুজনের মন কষাকষি, ক্ষোভ, দাম্পত্য কলহ। "দুজনেই বাইরে কাজ করছি, তাহলে ঘরের কাজ কেন দুজনে ভাগাভাগি করে নিব না?" - এই চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয় স্বামী-স্ত্রীর মানসিক দূরত্ব।
.
আবার ধরুন স্বামী মহাশয়ও ভদ্রলোক। তিনি ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নিলেন। নিজের কাপড় নিজে ধোন, টেবিলে খাবার সার্ভ করেন, বাসায় তিনদিন তিনি, আর তিনদিন তার স্ত্রী রান্না করেন। কিন্তু এই সম্পর্কে পরস্পর নির্ভরশীলতা কোথায়? এ যেন চুলচেরা হিসাব করে ব্যবসা চালানোর শামিল। ব্যবসায়ী পার্টনাররাও হয়তো এত হিসেবী হয় না।
.
আজকাল স্বামী-স্ত্রীর এই হিসাব আর কাজ ভাগাভাগির মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সন্তান নেয়ার ব্যাপারেও নারীদের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। তারা অধিক সন্তান গ্রহণে আগ্রহী না। "আমি কেন বাচ্চা নিব? আমি কেন আমার ক্যারিয়ারকে রিস্কে ফেলাব? প্রেগনেন্ট হলে হাজবেন্ডের তো কোনো কষ্ট হবে না, আমাকেই যত স্যাক্রিফাইস করতে হবে! আমি কেন এত কম্প্রোমাইজ করব?"
.
এভাবেই নারী-পুরুষ যখন দুজনেই বাইরের দুনিয়ার পিছে ছুটতে থাকে, তখন সংসারে ইমব্যালেন্স সৃষ্টি হয়৷ আল্লাহ তা'আলা স্বামী এবং স্ত্রীকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বামীর দায়িত্ব উপার্জন এবং পরিবারের ভরণপোষণ। স্ত্রীর দায়িত্ব সন্তান গ্রহণ, বাচ্চাকাচ্চা ও ঘরের দেখাশোনা। এই ভূমিকা যখন উল্টোপাল্টা হয়ে যায়, তখন সম্পর্কে কোনো না কোনোভাবে প্রভাব পড়বেই। আল্লাহর কথার অমান্য করলে তাতে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট থাকবেই থাকবে৷
.
আজকাল যেমন ডিভোর্সের হার অনেক বেড়ে গেছে। স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে তুমি বাসায় থাকো, চাকরি কোরো না, বাচ্চা নাও - তাহলে অনেক মেয়েই খেপে গিয়ে ডি-ভো-র্স দিয়ে দেয়। আবার দুজনে বাইরে কাজ করার ব্যাপারে খুব একমত হলেও দেখা যায় তারা অন্যভাবে সাংসারিক দায়িত্বে ছাড় দিচ্ছে। যেমন - ক্যারিয়ার এস্টাবলিশ করতে গিয়ে দেরিতে বিয়ে করা, সন্তান-গ্রহণ না করা, পরিবার ও সন্তান-সন্ততিকে বেশি সময় না দেয়া ইত্যাদি।
.
সাংসারিক দায়িত্বগুলিও কিন্তু কোনো অংশে সহজতর বা কম নয়, হোমমেকার নারীরাও ব্যস্ত থাকে, তাদেরও ফুরসতের দরকার পড়ে, বিশেষ করে যদি ছোট ছোট বাচ্চাও দেখাশোনা করতে হয়৷ তবু এই ব্যস্ততার বেশিরভাগ জুড়েই থাকে তার সংসার, তার পরিবার৷ পরিবারের সবকিছু তার নখদর্পনে। পেশাজীবি নারীরা পরিবারকে কখনোই এত গুরুত্ব দিতে পারে না। মানুষ তো সুপারম্যান না। সে একসাথে দুইদিক পারফেক্টলি কীভাবে সামলাবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্যারিয়ার, আয়-উপার্জনহ ও বাইরের দুনিয়াতে যখন একজন নারী বেশি প্রায়োরিটি দেয়, তখন তার সাংসারিক ভূমিকা নিজের অজান্তেই সেকেন্ড প্রায়োরিটিতে পরিণত হয়।
.
কত সুন্দর ছিল আমাদের নানী-দাদীদের সময়টা। যখন উনারা সংসারের খেদমত করতেন আর পুরুষরা ঘর সামলাতে বাইরে খাটতেন। সে সময় সমাজে ভারসাম্য ছিল। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে পারস্পরিক নির্ভরশীলরা ছিল, মায়া ছিল। এত হিসাব করে সংসার চালাতে হতো না। একই কাজ নিয়ে দুজনের কাড়াকাড়ি হতো না। এখন নারীরাও পুরুষ হতে চায়। আগ বাড়িয়ে চাকরি-বাকরি করতে চায়। ঘরের কাজকে তুচ্ছ ভাবে। তাই তো আজ ঘরগুলো আমাদের ভাঙনের পথে। মানুষ শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবতে শিখছে, আর দিন দিন হয়ে উঠছে আরও স্বার্থপর। একজন গৃহিনী ফুলটাইম মা নিঃস্বার্থভাবে পরিবারকে সময় দেন, হয়তো টুকটাক অন্য কাজ করেন। আর কর্মজীবি নারী সপ্তাহ জুড়ে অন্যের কাজই করেন, অন্যের ব্যবসা বা নিজের ক্যারিয়ার সামলান; তার কাছে স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকাটাই পার্ট-টাইম।
.
#ক্যারিয়ারিস্ট_নারী
#পার্ট_টাইম_মা
.
~ আনিকা তুবা
😢2👍1
শিশুর সুষম পুষ্টিকর খাবার:
১. প্রোটিন: কোষ গঠন, পেশি শক্তি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক
উৎস: ডিম, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল, সয়াবিন
২. কার্বোহাইড্রেট: শক্তির প্রধান উৎস
উৎস: চাল, আলু, গম, ওটস, শস্যজাতীয় খাবার
৩. সুস্থ চর্বি (Good Fat): মস্তিষ্ক বিকাশ, ত্বক ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
উৎস: বাদাম, ঘি, দুধের চর্বি, ফ্যাটযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল
৪. ভিটামিন ও মিনারেল: হাড়, চোখ, ত্বক ও রক্তের স্বাস্থ্য রক্ষায় জরুরি
উৎস: ফলমূল (আম, কলা, কমলা, পেয়ারা), শাকসবজি (পালং, গাজর, কুমড়া), ডিমের কুসুম, দুধ
🟩 বয়সভেদে শিশুর খাবারের ধরন
★ ৬ মাস – ১ বছরঃ
শুধুমাত্র বুকের দুধ (৬ মাস পর্যন্ত), এরপর ধীরে ধীরে সেমি সলিড খাবার যোগ করতে হবে।
খাবার: চালের গুঁড়ি, ডাল-ভাত মিশ্রণ, সেদ্ধ ফল, মসৃণ শাকসবজি
দৈনিক: দিনে ২–৩ বার খাবার, ১–২ বার স্ন্যাকস
★ ১ – ৩ বছরঃ
প্রোটিন: ২টি ডিম বা ৪০-৫০ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ১-২ কাপ ভাত/রুটি
ফল ও সবজি: প্রতিদিন ১ কাপ করে
দুধ: ১ গ্লাস (২৫০ মিলি)
ফ্যাট: ১ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৪ – ৬ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৫০-৭৫ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ২ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ১-২ কাপ
সবজি: ১.৫ কাপ
দুধ: ১ গ্লাস
ফ্যাট: ১-২ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৭ – ১২ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৭৫-১০০ গ্রাম মাছ/মুরগি/ডাল
শর্করা: ৩ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ২ কাপ
সবজি: ২ কাপ
দুধ: ১–২ গ্লাস
ফ্যাট: ২ চা চামচ ঘি বা তেল
🟩 বিশেষ কিছু পরামর্শ:
★ শিশুকে প্রতিদিন রঙিন ফল বা সবজি খাওয়ান
(যেমন: লাল-টমেটো, সবুজ-পালং, হলুদ-কুমড়া)।
★ পানীয় হিসেবে সফট ড্রিংক নয়, বরং পানি, নারিকেল পানি বা দুধ দিন।
★ প্রতিদিন খেলাধুলা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।
★ পরিবারের সাথে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে শিশুদের খেতে আগ্রহ বাড়ে।
.
শেয়ার করে রাখুন, আপনার কাছের কেউ হয়তো উপকৃত হবেন।
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
১. প্রোটিন: কোষ গঠন, পেশি শক্তি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক
উৎস: ডিম, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল, সয়াবিন
২. কার্বোহাইড্রেট: শক্তির প্রধান উৎস
উৎস: চাল, আলু, গম, ওটস, শস্যজাতীয় খাবার
৩. সুস্থ চর্বি (Good Fat): মস্তিষ্ক বিকাশ, ত্বক ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
উৎস: বাদাম, ঘি, দুধের চর্বি, ফ্যাটযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল
৪. ভিটামিন ও মিনারেল: হাড়, চোখ, ত্বক ও রক্তের স্বাস্থ্য রক্ষায় জরুরি
উৎস: ফলমূল (আম, কলা, কমলা, পেয়ারা), শাকসবজি (পালং, গাজর, কুমড়া), ডিমের কুসুম, দুধ
🟩 বয়সভেদে শিশুর খাবারের ধরন
★ ৬ মাস – ১ বছরঃ
শুধুমাত্র বুকের দুধ (৬ মাস পর্যন্ত), এরপর ধীরে ধীরে সেমি সলিড খাবার যোগ করতে হবে।
খাবার: চালের গুঁড়ি, ডাল-ভাত মিশ্রণ, সেদ্ধ ফল, মসৃণ শাকসবজি
দৈনিক: দিনে ২–৩ বার খাবার, ১–২ বার স্ন্যাকস
★ ১ – ৩ বছরঃ
প্রোটিন: ২টি ডিম বা ৪০-৫০ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ১-২ কাপ ভাত/রুটি
ফল ও সবজি: প্রতিদিন ১ কাপ করে
দুধ: ১ গ্লাস (২৫০ মিলি)
ফ্যাট: ১ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৪ – ৬ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৫০-৭৫ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ২ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ১-২ কাপ
সবজি: ১.৫ কাপ
দুধ: ১ গ্লাস
ফ্যাট: ১-২ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৭ – ১২ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৭৫-১০০ গ্রাম মাছ/মুরগি/ডাল
শর্করা: ৩ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ২ কাপ
সবজি: ২ কাপ
দুধ: ১–২ গ্লাস
ফ্যাট: ২ চা চামচ ঘি বা তেল
🟩 বিশেষ কিছু পরামর্শ:
★ শিশুকে প্রতিদিন রঙিন ফল বা সবজি খাওয়ান
(যেমন: লাল-টমেটো, সবুজ-পালং, হলুদ-কুমড়া)।
★ পানীয় হিসেবে সফট ড্রিংক নয়, বরং পানি, নারিকেল পানি বা দুধ দিন।
★ প্রতিদিন খেলাধুলা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।
★ পরিবারের সাথে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে শিশুদের খেতে আগ্রহ বাড়ে।
.
শেয়ার করে রাখুন, আপনার কাছের কেউ হয়তো উপকৃত হবেন।
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
জীবনকে বদলে দেয়ার মত অনেক গল্পই আপনি শুনবেন কিন্তু...
রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না
ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি '
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন.
রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না
ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি '
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন.
গায়রে মাহরাম বলতে কি বুঝায় তা আমরা অনেকেই জানি না।
- যে সকল পুরুষের সামনে যাওয়া নারীর জন্য ইসলামি শারিয়্যাহতে জায়েজ নয় এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন বৈধ তাদের কে গায়রে মাহরাম বলে।
বস্তুতঃ গায়রে মাহরামের সামনে একান্ত অপারগ হয়ে যদি যাওয়াই লাগে তবে নারী পূর্ণ পর্দা করে সামনে যেতে হবে।
জানেন কি গায়রে মাহরাম কারা?
- সহজ ভাষায় মাহরাম পুরুষ বাদে সমস্ত বিশ্বে-মহাবিশ্বে যত পুরুষ আছে সবাই গায়রে মাহরাম।
নিজ পরিবারে চাচাত/খালাত/মামাত/ফুপাত ভাই, দুলাভাই, দেবর, ভাসুর, (আপন,দাদা ও নানা শ্বশুর বাদে) সমস্ত চাচা শ্বশুর, মামা শ্বশুর, খালু ও
ফুপা শ্বশুর, নিজ খালু/ফুপা এরা সবাই গায়রে মাহরাম।
তাদের সামনে নিজেকে প্রদর্শন করা আল্লাহর হুকুমের অবাধ্যতা করা। মাহরাম ছাড়া সকল পুরুষের সামনে পর্দা করতে হবে।
ভাবছেন এরা তো আপনার ফ্যামিলি, আপনার নিকটাত্মীয়, এদের সামনে যাওয়া কেন নিষেধ হবে?
আল্লাহ তাআলা যা জানেন অবশ্যই আপনি তা জানেন না। ইসলামের এই বিধান শুধুমাত্র আখিরাতের নাজাতেরই উপায় নয় বরং আমাদের দুনিয়ার জীবনের শান্তি, স্বস্তি এবং পবিত্রতারও রক্ষাকবচ।
নারীর ১৪ জন মাহরাম পুরুষ কারা এক নজরে দেখে নিন -
১. স্বামী (দেখা দেওয়া, সৌন্দর্য প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে
মাহরাম)
২. পিতা, দাদা, নানা ও তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৩. শ্বশুর, আপন দাদা শ্বশুর ও নানা শ্বশুর এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৪. আপন ছেলে, ছেলের ছেলে, মেয়ের
ছেলে ও তাদের ঔরসজাত পুত্র সন্তান এবং আপন মেয়ের স্বামী মাহরাম।
৫. স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র অর্থাৎ সৎ ছেলে মাহরাম।
৬. আপন ভাই, সৎ ভাই মাহরাম।
৭. ভাতিজা অর্থাৎ, আপন ভাইয়ের ছেলে এবং সৎ ভাইয়ের ছেলে মাহরাম।
৮. ভাগ্নে অর্থাৎ, আপন বোনের ছেলে এবং সৎ বোনের ছেলে মাহরাম।
৯. এমন বালক যার মাঝে মহিলাদের প্রতি কোন আকর্ষণ নেই অর্থাৎ পাগল ও শিশু।
১০. দুধ সম্পর্কীয় পিতা, দাদা, নানা, চাচা, মামা এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
১১. দুধ ভাই, দুধ ভাইয়ের ছেলে, দুধ বোনের ছেলে এবং তাদের ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান মাহরাম।
১২. দুধ সম্পর্কীয় ছেলে, তার ছেলে, দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের ছেলে এবং তাদের
ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান। এবং দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের স্বামী মাহরাম।
(বুখারী শরীফ : হাদীস নং ৫০৯৯, মুসলিম শরীফ : হাদীস নং ১১৪৪)
১৩. আপন চাচা, সৎ চাচা।
১৪. আপন মামা, সৎ মামা।
উপরোক্ত পুরুষ যাদের সাথে দেখা দেখা দিতে পারবে তারা ছাড়া অন্য সমস্ত পুরুষকে দেখা দেওয়া সম্পূর্ণ না-জায়েয এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন হা-রাম।
ভাবছেন মাহরাম/গায়রে মাহরাম কি শুধু মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য , পুরুষরা স্বাধীন?
না, মোটেও তা নয়। পুরুষের জন্যও মাহরাম/গায়রে মাহরাম বিধান প্রযোজ্য।
পুরুষদের জন্যও মাহরাম নারী ১৪ জন।
তারা হল -
মায়ের মত ৫ জন : মা, খালা, ফুফু, শাশুড়ি, দুধ-মা।
বোনের মত ৫ জন : বোন, দাদি, নানি, নাতনি, দুধ-বোন।
মেয়ের মত ৪ জন : মেয়ে, ভাই-এর মেয়ে, বোনের মেয়ে, ছেলের বউ।
পর্দার সাথে কোন আপোষ চলে না, কোন যুক্তি চলে না। সকল যুক্তির উর্ধ্বে গিয়ে পর্দা করাই হল ঈ-মানের দাবি।
.
~ মারজানা ইশরাত!
- যে সকল পুরুষের সামনে যাওয়া নারীর জন্য ইসলামি শারিয়্যাহতে জায়েজ নয় এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন বৈধ তাদের কে গায়রে মাহরাম বলে।
বস্তুতঃ গায়রে মাহরামের সামনে একান্ত অপারগ হয়ে যদি যাওয়াই লাগে তবে নারী পূর্ণ পর্দা করে সামনে যেতে হবে।
জানেন কি গায়রে মাহরাম কারা?
- সহজ ভাষায় মাহরাম পুরুষ বাদে সমস্ত বিশ্বে-মহাবিশ্বে যত পুরুষ আছে সবাই গায়রে মাহরাম।
নিজ পরিবারে চাচাত/খালাত/মামাত/ফুপাত ভাই, দুলাভাই, দেবর, ভাসুর, (আপন,দাদা ও নানা শ্বশুর বাদে) সমস্ত চাচা শ্বশুর, মামা শ্বশুর, খালু ও
ফুপা শ্বশুর, নিজ খালু/ফুপা এরা সবাই গায়রে মাহরাম।
তাদের সামনে নিজেকে প্রদর্শন করা আল্লাহর হুকুমের অবাধ্যতা করা। মাহরাম ছাড়া সকল পুরুষের সামনে পর্দা করতে হবে।
ভাবছেন এরা তো আপনার ফ্যামিলি, আপনার নিকটাত্মীয়, এদের সামনে যাওয়া কেন নিষেধ হবে?
আল্লাহ তাআলা যা জানেন অবশ্যই আপনি তা জানেন না। ইসলামের এই বিধান শুধুমাত্র আখিরাতের নাজাতেরই উপায় নয় বরং আমাদের দুনিয়ার জীবনের শান্তি, স্বস্তি এবং পবিত্রতারও রক্ষাকবচ।
নারীর ১৪ জন মাহরাম পুরুষ কারা এক নজরে দেখে নিন -
১. স্বামী (দেখা দেওয়া, সৌন্দর্য প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে
মাহরাম)
২. পিতা, দাদা, নানা ও তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৩. শ্বশুর, আপন দাদা শ্বশুর ও নানা শ্বশুর এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৪. আপন ছেলে, ছেলের ছেলে, মেয়ের
ছেলে ও তাদের ঔরসজাত পুত্র সন্তান এবং আপন মেয়ের স্বামী মাহরাম।
৫. স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র অর্থাৎ সৎ ছেলে মাহরাম।
৬. আপন ভাই, সৎ ভাই মাহরাম।
৭. ভাতিজা অর্থাৎ, আপন ভাইয়ের ছেলে এবং সৎ ভাইয়ের ছেলে মাহরাম।
৮. ভাগ্নে অর্থাৎ, আপন বোনের ছেলে এবং সৎ বোনের ছেলে মাহরাম।
৯. এমন বালক যার মাঝে মহিলাদের প্রতি কোন আকর্ষণ নেই অর্থাৎ পাগল ও শিশু।
১০. দুধ সম্পর্কীয় পিতা, দাদা, নানা, চাচা, মামা এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
১১. দুধ ভাই, দুধ ভাইয়ের ছেলে, দুধ বোনের ছেলে এবং তাদের ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান মাহরাম।
১২. দুধ সম্পর্কীয় ছেলে, তার ছেলে, দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের ছেলে এবং তাদের
ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান। এবং দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের স্বামী মাহরাম।
(বুখারী শরীফ : হাদীস নং ৫০৯৯, মুসলিম শরীফ : হাদীস নং ১১৪৪)
১৩. আপন চাচা, সৎ চাচা।
১৪. আপন মামা, সৎ মামা।
উপরোক্ত পুরুষ যাদের সাথে দেখা দেখা দিতে পারবে তারা ছাড়া অন্য সমস্ত পুরুষকে দেখা দেওয়া সম্পূর্ণ না-জায়েয এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন হা-রাম।
ভাবছেন মাহরাম/গায়রে মাহরাম কি শুধু মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য , পুরুষরা স্বাধীন?
না, মোটেও তা নয়। পুরুষের জন্যও মাহরাম/গায়রে মাহরাম বিধান প্রযোজ্য।
পুরুষদের জন্যও মাহরাম নারী ১৪ জন।
তারা হল -
মায়ের মত ৫ জন : মা, খালা, ফুফু, শাশুড়ি, দুধ-মা।
বোনের মত ৫ জন : বোন, দাদি, নানি, নাতনি, দুধ-বোন।
মেয়ের মত ৪ জন : মেয়ে, ভাই-এর মেয়ে, বোনের মেয়ে, ছেলের বউ।
পর্দার সাথে কোন আপোষ চলে না, কোন যুক্তি চলে না। সকল যুক্তির উর্ধ্বে গিয়ে পর্দা করাই হল ঈ-মানের দাবি।
.
~ মারজানা ইশরাত!
জীবনে যা কিছু চেয়েছেন তা পাওয়া হয়ে গেলে আরও দুইটি জিনিস চাইবেন! প্রথমটি হলো “ডিসিপ্লিন” যেন সেই সমস্ত কিছু আজীবন ধরে রাখতে পারেন। এবং দ্বিতীয়টি হলো “উদ্দেশ্য” যেন সেটাকে কয়েকগুন বাড়াতে পারেন।
অসংখ্য মানুষ আছেন জন্মের সময় সবকিছু পেয়েছেন। ধনীর ঘরে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মিয়েছেন। তবে ডিসিপ্লিনের অভাবে নেশাগ্রস্থ হয়ে জীবনটা নষ্ট করেছেন। আবার অনেকে আছেন জন্মসূত্রে পাওয়া ধনসম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করে কয়েকগুন বাড়িয়েছেন। সেটার মাধ্যমে অন্যের উপকার করেছেন।
এর পেছনে তার ধনী বাবার ডিসিপ্লিনের শিক্ষা কাজে দিয়েছে। ডিসিপ্লিন আপনাকে ফ্রীডম দেয় বড় চিন্তা করার, বড় উদ্যেশ্যে কাজ করার। জীবনে স্বাধীনতা চাইলে ডিসিপ্লিনড থাকুন। নইলে নষ্ট শরীর ও মনের কাছে আজীবন পরাধীন হয়ে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
@A J Taj
অসংখ্য মানুষ আছেন জন্মের সময় সবকিছু পেয়েছেন। ধনীর ঘরে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মিয়েছেন। তবে ডিসিপ্লিনের অভাবে নেশাগ্রস্থ হয়ে জীবনটা নষ্ট করেছেন। আবার অনেকে আছেন জন্মসূত্রে পাওয়া ধনসম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করে কয়েকগুন বাড়িয়েছেন। সেটার মাধ্যমে অন্যের উপকার করেছেন।
এর পেছনে তার ধনী বাবার ডিসিপ্লিনের শিক্ষা কাজে দিয়েছে। ডিসিপ্লিন আপনাকে ফ্রীডম দেয় বড় চিন্তা করার, বড় উদ্যেশ্যে কাজ করার। জীবনে স্বাধীনতা চাইলে ডিসিপ্লিনড থাকুন। নইলে নষ্ট শরীর ও মনের কাছে আজীবন পরাধীন হয়ে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
@A J Taj
❤4
গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সহজ সমাধান
🟩 খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন (Diet Management)
★ সকালে খালি পেটে না থাকা: ঘুম থেকে উঠে ৩০ মিনিটের মধ্যে হালকা নাস্তা করুন।
★ দিনে ৫-৬ বার অল্প করে খাওয়া
★ এড়িয়ে চলুন: তেল-মসলা, ঝাল, সফট ড্রিঙ্কস, অতিরিক্ত চা-কফি, চকলেট, টমেটো, লেবু, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা।
🟩 জীবনযাপন পদ্ধতির পরিবর্তন (Lifestyle Change)
★খাওয়ার পর হেঁটে নিন ১০-১৫ মিনিট
★খাওয়ার পরেই শোবেন না (ঘুমাতে যান ২-৩ ঘণ্টা পর)
★ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার
★দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান
★মানসিক চাপ কমাতে নামাজ/মেডিটেশন করুন
🟩 প্রাকৃতিক ও ভেষজ সমাধান (Natural & Herbal Remedies)
★. তেতুল বা ধনেপাতার রস
ডোজ: ৫-৬টি তাজা পাতা ব্লেন্ড করে ছেঁকে সকালে খালি পেটে ১ চা চামচ রস
উপকার: অ্যাসিড হ্রাস ও হজমে সহায়তা
★. জিরা পানি
প্রস্তুত পদ্ধতি: ১ চা চামচ জিরা এক গ্লাস গরম পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে ঠান্ডা করে খালি পেটে পান
উপকার: গ্যাস ও অ্যাসিড কমে
★. তুলসী পাতা
ডোজ: দিনে ২-৩ বার, ৪-৫টি পাতা চিবিয়ে খাওয়া
উপকার: পাকস্থলীর প্রদাহ ও অ্যাসিড নিরসনে কার্যকর
★. ত্রিফলা চূর্ণ
উপাদান: হারিতকি, বহেড়া, আমলকি
ডোজ: খাবারের ৩০ মিনিট পর ½ চা চামচ + ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি, দিনে ২ বার
উপকার: গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম দূর করে
★. গুলঞ্চ ও চিরতার মিশ্রণ
ডোজ: ১ গ্লাস পানিতে ½ চা চামচ গুলঞ্চ গুঁড়ো + সামান্য চিরতা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পান
উপকার: পাকস্থলীর প্রদাহ ও অ্যাসিড কমায়
★. জয়ন্তী পাতার রস
ডোজ: ৪-৫টি পাতা থেঁতো করে ছেঁকে ১ চা চামচ রস, সকালে খালি পেটে
উপকার: গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অম্বল দূর
★. বেল পাতা ও মৌরি চূর্ণ
ডোজ: সমপরিমাণ গুঁড়ো মিশিয়ে ½ চা চামচ, সকালে ও রাতে, হালকা গরম পানির সাথে
উপকার: অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
★. হিং ও শুকনো আদা চূর্ণ
ডোজ: সমান পরিমাণে গুঁড়ো করে ১ চা চামচ, দিনে ২ বার, হালকা গরম পানির সাথে
উপকার: গ্যাস ও হজমের সমস্যা কমায়
★. অশ্বগন্ধা চূর্ণ
ডোজ: ১ চা চামচ রাতে, দুধ বা গরম পানির সাথে
উপকার: স্ট্রেস কমায়, ঘুম ভালো করে, অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
( সকল ভেষজ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন।)
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
🟩 খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন (Diet Management)
★ সকালে খালি পেটে না থাকা: ঘুম থেকে উঠে ৩০ মিনিটের মধ্যে হালকা নাস্তা করুন।
★ দিনে ৫-৬ বার অল্প করে খাওয়া
★ এড়িয়ে চলুন: তেল-মসলা, ঝাল, সফট ড্রিঙ্কস, অতিরিক্ত চা-কফি, চকলেট, টমেটো, লেবু, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা।
🟩 জীবনযাপন পদ্ধতির পরিবর্তন (Lifestyle Change)
★খাওয়ার পর হেঁটে নিন ১০-১৫ মিনিট
★খাওয়ার পরেই শোবেন না (ঘুমাতে যান ২-৩ ঘণ্টা পর)
★ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার
★দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান
★মানসিক চাপ কমাতে নামাজ/মেডিটেশন করুন
🟩 প্রাকৃতিক ও ভেষজ সমাধান (Natural & Herbal Remedies)
★. তেতুল বা ধনেপাতার রস
ডোজ: ৫-৬টি তাজা পাতা ব্লেন্ড করে ছেঁকে সকালে খালি পেটে ১ চা চামচ রস
উপকার: অ্যাসিড হ্রাস ও হজমে সহায়তা
★. জিরা পানি
প্রস্তুত পদ্ধতি: ১ চা চামচ জিরা এক গ্লাস গরম পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে ঠান্ডা করে খালি পেটে পান
উপকার: গ্যাস ও অ্যাসিড কমে
★. তুলসী পাতা
ডোজ: দিনে ২-৩ বার, ৪-৫টি পাতা চিবিয়ে খাওয়া
উপকার: পাকস্থলীর প্রদাহ ও অ্যাসিড নিরসনে কার্যকর
★. ত্রিফলা চূর্ণ
উপাদান: হারিতকি, বহেড়া, আমলকি
ডোজ: খাবারের ৩০ মিনিট পর ½ চা চামচ + ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি, দিনে ২ বার
উপকার: গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম দূর করে
★. গুলঞ্চ ও চিরতার মিশ্রণ
ডোজ: ১ গ্লাস পানিতে ½ চা চামচ গুলঞ্চ গুঁড়ো + সামান্য চিরতা ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পান
উপকার: পাকস্থলীর প্রদাহ ও অ্যাসিড কমায়
★. জয়ন্তী পাতার রস
ডোজ: ৪-৫টি পাতা থেঁতো করে ছেঁকে ১ চা চামচ রস, সকালে খালি পেটে
উপকার: গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অম্বল দূর
★. বেল পাতা ও মৌরি চূর্ণ
ডোজ: সমপরিমাণ গুঁড়ো মিশিয়ে ½ চা চামচ, সকালে ও রাতে, হালকা গরম পানির সাথে
উপকার: অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
★. হিং ও শুকনো আদা চূর্ণ
ডোজ: সমান পরিমাণে গুঁড়ো করে ১ চা চামচ, দিনে ২ বার, হালকা গরম পানির সাথে
উপকার: গ্যাস ও হজমের সমস্যা কমায়
★. অশ্বগন্ধা চূর্ণ
ডোজ: ১ চা চামচ রাতে, দুধ বা গরম পানির সাথে
উপকার: স্ট্রেস কমায়, ঘুম ভালো করে, অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
( সকল ভেষজ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন।)
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
শরীয়তের দৃষ্টিতে তালাক দেওয়ার অধিকার/ক্ষমতা শুধু স্বামীর।
কিন্তু প্রশ্ন হলো একজন ছেলে স্বামী কখন হয়?
যখন এই ছেলে আর মেয়ের সাথে ধর্মীয় আইন অনুযায়ী ইজাব কবুল হয়। তাই ইজাব কবুলের আগে তারা স্বামী স্ত্রী না।
আর এই জন্য যখন এই ছেলে স্বামী হবে তখন সে তালাকের মালিক হবেন এর আগে নিজেই তালাকের মালিক না, সেক্ষেত্রে তিনি অন্য জনকে কিভাবে অধিকার দিবে?
কিন্তু আমাদের দেশে যা করা হয় তা হলো , ছেলে মেয়ে গুলো, স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আগেই হবু স্বামী তাকে তালাকের অধিকার দেয়। অথচ সে নিজেই তখনও তালাকের মালিক হয় নাই।
আর আমাদের দেশে তালাকের অধিকার দিয়ে থাকে কাজি সাহেব। স্বামী অনুমতি দেয় না। আর কাজি এতো বড় পন্ডিত যে তিনি বরকে এই বিষয় এ জিজ্ঞাসা করতে হবে এমন কিছু ভাবেই না।
আরেকটু বিশদভাবে বলি, স্ত্রীকে স্বামী কতৃর্ক তালাক গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করা হলেই স্ত্রীও নিজ নফসের উপর তালাক গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু যদি এধরনের ক্ষমতা না দেওয়া হয় তাহলে স্ত্রী নিজের উপর তালাক কার্যকর করতে পারবে না। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা অর্পণ করা হলে শরীয়তের পরিভাষায় একে তাফউইজ তালাক বলে। আর স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা তখনই দিতে পারবে যখন তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাবে। তাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে কোনো পাত্র পাত্রীকে তালাক গ্রহণের অনুমতি দিলেও তা ধর্তব্য হবে না। কারণ, বিয়ের আগে পাত্র নিজেই তালাক প্রয়োগের ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং সে অন্যকে কীভাবে অধিকার দিবে? শরীয়তের উপরোক্ত নীতির আলোকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা গেল যে, আমাদের দেশের ৯০% কাবিননামা পূরণ এবং তাতে স্বাক্ষর হওয়ার কাজ বিবাহের আকদের পূর্বেই সংগঠিত হয় এবং কাজি নিজে ১৮ নং কলামে অনুমতি দেয়। তাই বিবাহের আগে কাবিননামার ১৮ নং ধারায় স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের যে অধিকার দেওয়া হয়েছে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং এমন কাবিননামার ক্ষমতাবলে স্ত্রী নিজে তালাক গ্রহণ করতে পারবে না, যদি করে তবে দেশীয় আইনে তা কার্যকর ধরা হলেও শরীয়তে সেই তালাক ধর্তব্য নয়। এতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হবে না। কারণ বিয়ে তালাক এগুলো ধর্মীয় বিষয়। তাই ধর্মীয় আইনে সমাধান হবে।
এই জন্য কাজি, উকিল যারা বিয়ে,তালাক সম্পাদনের কাজ করে থাকেন তারা বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। ইসলামের হুকুম জেনে নিবেন।
তা না হলে এই আপনাদের কারণে তারাও গোনাহগার হবেন এবং এই গোনাহের ভার আপনাদের আমল নামাতেও যোগ হবে।
নিজে অপকর্ম (যি/না) থেকে বিরত থাকছেন কিন্তু আমল নামাতে দেখবেন অসংখ্য এই সব গোনাহে ভরপুর, কারণ একটাই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝ দান করুন আমীন।
সহযোগিতা নিয়েছি "আল-কাউসার" থেকে।
#তালাক #তালাক
কিন্তু প্রশ্ন হলো একজন ছেলে স্বামী কখন হয়?
যখন এই ছেলে আর মেয়ের সাথে ধর্মীয় আইন অনুযায়ী ইজাব কবুল হয়। তাই ইজাব কবুলের আগে তারা স্বামী স্ত্রী না।
আর এই জন্য যখন এই ছেলে স্বামী হবে তখন সে তালাকের মালিক হবেন এর আগে নিজেই তালাকের মালিক না, সেক্ষেত্রে তিনি অন্য জনকে কিভাবে অধিকার দিবে?
কিন্তু আমাদের দেশে যা করা হয় তা হলো , ছেলে মেয়ে গুলো, স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আগেই হবু স্বামী তাকে তালাকের অধিকার দেয়। অথচ সে নিজেই তখনও তালাকের মালিক হয় নাই।
আর আমাদের দেশে তালাকের অধিকার দিয়ে থাকে কাজি সাহেব। স্বামী অনুমতি দেয় না। আর কাজি এতো বড় পন্ডিত যে তিনি বরকে এই বিষয় এ জিজ্ঞাসা করতে হবে এমন কিছু ভাবেই না।
আরেকটু বিশদভাবে বলি, স্ত্রীকে স্বামী কতৃর্ক তালাক গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করা হলেই স্ত্রীও নিজ নফসের উপর তালাক গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু যদি এধরনের ক্ষমতা না দেওয়া হয় তাহলে স্ত্রী নিজের উপর তালাক কার্যকর করতে পারবে না। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা অর্পণ করা হলে শরীয়তের পরিভাষায় একে তাফউইজ তালাক বলে। আর স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা তখনই দিতে পারবে যখন তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাবে। তাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে কোনো পাত্র পাত্রীকে তালাক গ্রহণের অনুমতি দিলেও তা ধর্তব্য হবে না। কারণ, বিয়ের আগে পাত্র নিজেই তালাক প্রয়োগের ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং সে অন্যকে কীভাবে অধিকার দিবে? শরীয়তের উপরোক্ত নীতির আলোকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা গেল যে, আমাদের দেশের ৯০% কাবিননামা পূরণ এবং তাতে স্বাক্ষর হওয়ার কাজ বিবাহের আকদের পূর্বেই সংগঠিত হয় এবং কাজি নিজে ১৮ নং কলামে অনুমতি দেয়। তাই বিবাহের আগে কাবিননামার ১৮ নং ধারায় স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের যে অধিকার দেওয়া হয়েছে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং এমন কাবিননামার ক্ষমতাবলে স্ত্রী নিজে তালাক গ্রহণ করতে পারবে না, যদি করে তবে দেশীয় আইনে তা কার্যকর ধরা হলেও শরীয়তে সেই তালাক ধর্তব্য নয়। এতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হবে না। কারণ বিয়ে তালাক এগুলো ধর্মীয় বিষয়। তাই ধর্মীয় আইনে সমাধান হবে।
এই জন্য কাজি, উকিল যারা বিয়ে,তালাক সম্পাদনের কাজ করে থাকেন তারা বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। ইসলামের হুকুম জেনে নিবেন।
তা না হলে এই আপনাদের কারণে তারাও গোনাহগার হবেন এবং এই গোনাহের ভার আপনাদের আমল নামাতেও যোগ হবে।
নিজে অপকর্ম (যি/না) থেকে বিরত থাকছেন কিন্তু আমল নামাতে দেখবেন অসংখ্য এই সব গোনাহে ভরপুর, কারণ একটাই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝ দান করুন আমীন।
সহযোগিতা নিয়েছি "আল-কাউসার" থেকে।
#তালাক #তালাক
❤1
একটা লেখা পড়লাম গতকাল রাতে, আর তখন থেকেই মাথা থেকে যাচ্ছে না। খুব জটিল কিছু না — বরং খুবই সাধারণ একটা বিষয়, কিন্তু চমকে দেওয়ার মতো।
বিষয়টা এরকম…
ধরুন, আপনি অফিসে কাজ করছেন। হুট করে আপনাকে এমন কারো পাশে বসানো হলো, যে খুব ভালো কাজ করে — সবকিছু সময়মতো করে, গুছিয়ে রাখে, চুপচাপ নিজের কাজে মনোযোগ দেয়।
আপনি হয়তো ভাবছেন, “আচ্ছা, তাতে আমার কী?”
কিন্তু গবেষণাটা বলছে — এতে আপনার পারফরম্যান্স প্রায় ১৫% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে! শুধু পাশেই বসার কারণে।
এই ব্যাপারটাকে বলা হচ্ছে “The Workplace Proximity Effect” — মানে যাদের পাশে বসেন, তাদের আচরণ আপনার উপরও প্রভাব ফেলে।
এই গবেষণাটা করেছে কেলগ স্কুল। তারা বলেছে:
যদি আপনি এমন কারো ২৫ ফুটের মধ্যে বসেন যিনি হাই পারফরমার, তাহলে আপনার কাজের মান অনেকটাই ভালো হয়ে যায়।
কিন্তু বিপরীত হলে? যদি আপনি এমন কারো পাশে থাকেন যিনি সবসময় নেগেটিভ, গসিপ করে, বা কাজ ফাঁকি দেন — তাহলে আপনার কাজের মান ৩০% পর্যন্ত খারাপ হয়ে যেতে পারে।
ভাবছেন, এটা কেবল ‘সাথে থাকা’র বিষয়? হ্যাঁ। এখানে কোচিং, ট্রেনিং, মিটিং — কিছুই না। শুধু বসে থাকাই যথেষ্ট।
কারণটা খুব সোজা — ভালো গুন , ভালো দক্ষতা সংক্রমক, এবং খারাপ/টক্সিক ব্যাপারগুলোও তাই।
আপনি যদি এমন কাউকে প্রতিদিন দেখেন, যে প্রতিটি কাজ গুছিয়ে করে, ঠিক সময়ে করে, মন দিয়ে করে — তাহলে অজান্তেই আপনার মাথায় সেটাই “নরমাল” মনে হতে শুরু করে।
আপনিও একটু একটু করে বদলাতে থাকেন।
গবেষণা বলছে, এই বদল সময়ের সাথে হয়:
প্রথম ২ সপ্তাহ: হালকা কিছু পরিবর্তন
৩-৪ সপ্তাহ: পারফরম্যান্সে ভালো উন্নতি
৩০ দিনের পর: আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন না, কিন্তু একটা নতুন অভ্যাস গড়ে উঠেছে
আর মজার ব্যাপার হলো, এর বিপরীত ঘটনাও একইভাবে কাজ করে।
আপনি যদি পাশের টেবিলে এমন কাউকে পান, যে কাজের চেয়ে গল্পে বেশি আগ্রহী, যিনি সবকিছুকে “চলবে” বলে ছেড়ে দেন — তাহলে আপনার মধ্যেও এই অলসতা ঢুকে পড়ে।
এবং এটা খুব দ্রুত হয়। এমনকি একেকটা বিষাক্ত মানসিকতার কর্মী পুরো ফ্লোরের পরিবেশ খারাপ করে দিতে পারে।
তাই, এই ২৫ ফুটের নিয়ম অনেকটা অফিসের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্টকেও বদলে দিতে পারে।
চেষ্টা করে দেখুন:
আপনার টিমে কারা ভালো পারফর্ম করছে তা চিনে নিন
তাদের পাশে মাঝারি পারফরমারদের বসান
৩০ দিন রেজাল্ট দেখুন
এরপর দরকার হলে অ্যাডজাস্ট করুন
একটু সিট বদল মানেই বড় পার্থক্য।
শেষ কথা কী?
যদি আপনি চান একটা টিম সত্যিই ভালো করুক, তাহলে পরিবেশটা এমন করে গড়ুন, যেখানে ভালো কাজ করা–টাই স্বাভাবিক হয়ে যায়।
আর সেটা অনেক সময় শুরু হয়–কে আপনার পাশে বসে আছে, সেই ছোট্ট ব্যাপারটা দিয়ে। টক্সিক বা বিষাক্ত মানুষ আপনার এনার্জি শুষে নেয়। ভয়ের ব্যাপার হল এটা শুধু কর্মক্ষেত্রে না, বন্ধুবান্ধব পরিবার পরিজনদের ক্ষেত্রেও সমান ভাবে প্রযোজ্য।
বিষয়টা এরকম…
ধরুন, আপনি অফিসে কাজ করছেন। হুট করে আপনাকে এমন কারো পাশে বসানো হলো, যে খুব ভালো কাজ করে — সবকিছু সময়মতো করে, গুছিয়ে রাখে, চুপচাপ নিজের কাজে মনোযোগ দেয়।
আপনি হয়তো ভাবছেন, “আচ্ছা, তাতে আমার কী?”
কিন্তু গবেষণাটা বলছে — এতে আপনার পারফরম্যান্স প্রায় ১৫% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে! শুধু পাশেই বসার কারণে।
এই ব্যাপারটাকে বলা হচ্ছে “The Workplace Proximity Effect” — মানে যাদের পাশে বসেন, তাদের আচরণ আপনার উপরও প্রভাব ফেলে।
এই গবেষণাটা করেছে কেলগ স্কুল। তারা বলেছে:
যদি আপনি এমন কারো ২৫ ফুটের মধ্যে বসেন যিনি হাই পারফরমার, তাহলে আপনার কাজের মান অনেকটাই ভালো হয়ে যায়।
কিন্তু বিপরীত হলে? যদি আপনি এমন কারো পাশে থাকেন যিনি সবসময় নেগেটিভ, গসিপ করে, বা কাজ ফাঁকি দেন — তাহলে আপনার কাজের মান ৩০% পর্যন্ত খারাপ হয়ে যেতে পারে।
ভাবছেন, এটা কেবল ‘সাথে থাকা’র বিষয়? হ্যাঁ। এখানে কোচিং, ট্রেনিং, মিটিং — কিছুই না। শুধু বসে থাকাই যথেষ্ট।
কারণটা খুব সোজা — ভালো গুন , ভালো দক্ষতা সংক্রমক, এবং খারাপ/টক্সিক ব্যাপারগুলোও তাই।
আপনি যদি এমন কাউকে প্রতিদিন দেখেন, যে প্রতিটি কাজ গুছিয়ে করে, ঠিক সময়ে করে, মন দিয়ে করে — তাহলে অজান্তেই আপনার মাথায় সেটাই “নরমাল” মনে হতে শুরু করে।
আপনিও একটু একটু করে বদলাতে থাকেন।
গবেষণা বলছে, এই বদল সময়ের সাথে হয়:
প্রথম ২ সপ্তাহ: হালকা কিছু পরিবর্তন
৩-৪ সপ্তাহ: পারফরম্যান্সে ভালো উন্নতি
৩০ দিনের পর: আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন না, কিন্তু একটা নতুন অভ্যাস গড়ে উঠেছে
আর মজার ব্যাপার হলো, এর বিপরীত ঘটনাও একইভাবে কাজ করে।
আপনি যদি পাশের টেবিলে এমন কাউকে পান, যে কাজের চেয়ে গল্পে বেশি আগ্রহী, যিনি সবকিছুকে “চলবে” বলে ছেড়ে দেন — তাহলে আপনার মধ্যেও এই অলসতা ঢুকে পড়ে।
এবং এটা খুব দ্রুত হয়। এমনকি একেকটা বিষাক্ত মানসিকতার কর্মী পুরো ফ্লোরের পরিবেশ খারাপ করে দিতে পারে।
তাই, এই ২৫ ফুটের নিয়ম অনেকটা অফিসের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্টকেও বদলে দিতে পারে।
চেষ্টা করে দেখুন:
আপনার টিমে কারা ভালো পারফর্ম করছে তা চিনে নিন
তাদের পাশে মাঝারি পারফরমারদের বসান
৩০ দিন রেজাল্ট দেখুন
এরপর দরকার হলে অ্যাডজাস্ট করুন
একটু সিট বদল মানেই বড় পার্থক্য।
শেষ কথা কী?
যদি আপনি চান একটা টিম সত্যিই ভালো করুক, তাহলে পরিবেশটা এমন করে গড়ুন, যেখানে ভালো কাজ করা–টাই স্বাভাবিক হয়ে যায়।
আর সেটা অনেক সময় শুরু হয়–কে আপনার পাশে বসে আছে, সেই ছোট্ট ব্যাপারটা দিয়ে। টক্সিক বা বিষাক্ত মানুষ আপনার এনার্জি শুষে নেয়। ভয়ের ব্যাপার হল এটা শুধু কর্মক্ষেত্রে না, বন্ধুবান্ধব পরিবার পরিজনদের ক্ষেত্রেও সমান ভাবে প্রযোজ্য।
👍1
জ্ঞান - Knowledge
Photo
🔴আজকের জিজ্ঞাসাঃ-
🔹পেনিস এবং অন্ডকোষের শিরা (ভেইন / রক্তনালী / রগ) ভেসে থাকা কোনো সমস্যা কিনা❓
— না, এটা কোনো সমস্যা না... দেহের সকল শিরা স্কিনের নিচেই থাকে... মানে সুপারফিশিয়াল... তো এক্ষেত্রেও সেইম অবস্থা... তাই দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই... পেনিসে এমন অনেক শিরা থাকে... উত্তেজনাপূর্ন অবস্থায় অথবা উত্তেজনা ছাড়াই এসব রক্তনালী ভেসে থাকতে পারে! পেনিসে যেহেতু কোনো ফ্যাট (Fatty Tissue) জমা হয় না তাই এসব রক্তনালী দেখা যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু না! ব্যথা করলে সেটি ভিন্ন বিষয়!
আমাদের পেনিসের একদম সামনের অংশে (‘গ্ল্যান্স পেনিস’ → উত্তেজনাবশত পেনিসের যে অংশ টা ফুলে উঠে) অনেকগুলো স্নায়ু উন্মুক্ত হয়! যার কারণে উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় পেনিসের পেশিগুলো স্ট্রং হলে শিরাগুলো এভাবে ভেসে থাকতে দেখা যায়!
তবে অন্ডকোষের শিরা (Vein) যদি পেঁচিয়ে যায় বা ফুলে যায়, ব্যথা করে, একটি নালী থেকে আরেকটি নালী আলাদা করা না যায় তাহলে বুঝতে হবে ভেরিকোসিল হয়েছে এবং দ্রুত ইউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে... ভয় পাওয়ার কিছু হয় নাই!
🔹অন্ডকোষ একটা ছোট, আরেকটা বড় হলে কোনো সমস্যা হবে কি❓
— অন্ডকোষের নরমাল সাইজের ক্ষেত্রে, একটি হালকা ছোট আরেকটি হালকা বড় থাকাই স্বাভাবিক! তবে যদি অন্ডকোষের সাইজে একটার তুলনায় আরেকটা বেশি ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে কোনো প্যাথোলজিকাল কারণে অন্ডকোষের ভিতরের কোষগুলো নষ্ট হয়ে টেস্টিকুলার এট্রফি (Testicular Atrophy) বা অন্ডকোষ ছোট হয়ে যেতে পারে! সেক্ষেত্রে ইউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে টেস্টিকুলার এট্রফির কারণ অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে হবে!
পর্ন এবং মাস্টারবেশন মানবতার জন্য হুমকী 2️⃣ গ্রুপের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে!♥️
𝗔𝗵𝗺𝗲𝗱 𝗔𝘇𝗶𝘇𝘂𝘀 𝗦𝗮𝗹𝗲𝗵𝗶𝗻
এমবিবিএস - ফাইনাল ইয়ার,
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর!👨⚕️🩺
#medical #hotnews #news #Bankura #Bankuradistrict
🔹পেনিস এবং অন্ডকোষের শিরা (ভেইন / রক্তনালী / রগ) ভেসে থাকা কোনো সমস্যা কিনা❓
— না, এটা কোনো সমস্যা না... দেহের সকল শিরা স্কিনের নিচেই থাকে... মানে সুপারফিশিয়াল... তো এক্ষেত্রেও সেইম অবস্থা... তাই দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই... পেনিসে এমন অনেক শিরা থাকে... উত্তেজনাপূর্ন অবস্থায় অথবা উত্তেজনা ছাড়াই এসব রক্তনালী ভেসে থাকতে পারে! পেনিসে যেহেতু কোনো ফ্যাট (Fatty Tissue) জমা হয় না তাই এসব রক্তনালী দেখা যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু না! ব্যথা করলে সেটি ভিন্ন বিষয়!
আমাদের পেনিসের একদম সামনের অংশে (‘গ্ল্যান্স পেনিস’ → উত্তেজনাবশত পেনিসের যে অংশ টা ফুলে উঠে) অনেকগুলো স্নায়ু উন্মুক্ত হয়! যার কারণে উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় পেনিসের পেশিগুলো স্ট্রং হলে শিরাগুলো এভাবে ভেসে থাকতে দেখা যায়!
তবে অন্ডকোষের শিরা (Vein) যদি পেঁচিয়ে যায় বা ফুলে যায়, ব্যথা করে, একটি নালী থেকে আরেকটি নালী আলাদা করা না যায় তাহলে বুঝতে হবে ভেরিকোসিল হয়েছে এবং দ্রুত ইউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে... ভয় পাওয়ার কিছু হয় নাই!
🔹অন্ডকোষ একটা ছোট, আরেকটা বড় হলে কোনো সমস্যা হবে কি❓
— অন্ডকোষের নরমাল সাইজের ক্ষেত্রে, একটি হালকা ছোট আরেকটি হালকা বড় থাকাই স্বাভাবিক! তবে যদি অন্ডকোষের সাইজে একটার তুলনায় আরেকটা বেশি ছোট হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে কোনো প্যাথোলজিকাল কারণে অন্ডকোষের ভিতরের কোষগুলো নষ্ট হয়ে টেস্টিকুলার এট্রফি (Testicular Atrophy) বা অন্ডকোষ ছোট হয়ে যেতে পারে! সেক্ষেত্রে ইউরোলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে টেস্টিকুলার এট্রফির কারণ অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে হবে!
পর্ন এবং মাস্টারবেশন মানবতার জন্য হুমকী 2️⃣ গ্রুপের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে!♥️
𝗔𝗵𝗺𝗲𝗱 𝗔𝘇𝗶𝘇𝘂𝘀 𝗦𝗮𝗹𝗲𝗵𝗶𝗻
এমবিবিএস - ফাইনাল ইয়ার,
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর!👨⚕️🩺
#medical #hotnews #news #Bankura #Bankuradistrict
👍2
জেনারেল শিক্ষিতদের ইলম ও আমলের জন্য বিশেষ পোস্ট:
১। কোরআন সহীহ ভাবে পড়তে শিখুন।
২। প্রতিদিন কমপক্ষে এক পারা তেলাওয়াত করুন।
৩। কমপক্ষে ৫ পৃষ্ঠার অর্থ পড়ুন।
৪। কমপক্ষে ৩/৫/৭ আয়াতের তাফসির পড়ুন।
৫। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামায়াতে আদায় করুন।
৬। ওয়াজিব ও সুন্নাহর পরিপূর্ণ অনুসরণ করুন।
৭। সকাল সন্ধার সুন্নাত মোতাবেক দোয়া ও জিকিরের আমল করুন।
৮। নিজ এলাকায় আলেমগণের সোহবতে জামায়াতবদ্ধ হয়ে দাওয়াতের কাজ করুন এবং তা নিয়মিত।
৯। প্রতিদিন ইসলামের ইতিহাসের কিতাব ( আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া হতে পারে) থেকে সাধ্যমতো পড়ুন।
১০। সাধ্যমতো শারীরিক ব্যায়াম করুন।
১১। সম্ভব হলে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখুন। তা সম্ভব না হলে আরবী মাসের শুরুতে সোমবার, বৃহস্পতিবার, সোমবার এই তিন দিন রোজা রাখুন অথবা আইয়্যামে বীজের তিন দিন রোজা রাখুন।
১২। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী আমল করুন।
১৩। শিবর ক, (কু) ফ র, বি দ আ*ত হ|র|ম, ম!করুহ , অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকুন।
১৪। গু'ন!হের কাছেও যাবেন না।
১৫। প্রচুর পরিমাণে লেখাপড়া করুন।
১৬। মি!থ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
১৭। বেশি বেশি তাওবাহ, ইস্তেগফার ও দোয়ায় মনযোগী হোন।
১৮। দলিল বিহীন কোন নেক আমল করবেন না।
১৯। হালাল উপার্জন করুন ও হারাম থেকে বিরত থাকুন।
২০। সাধ্যমতো সাদাকাহ করুন।
২১। আল্লাহর সাথে একান্তে কথা বলুন অর্থাৎ সমস্ত প্রয়োজন ও অভাব অভিযোগ ওনার কাছে তুলে ধরুন।
২২। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করুন তবে কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না।
২৩। ব্যক্তি নয় বরং জামায়াতকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরুন।
২৪। দুনিয়ার লোভ পরিত্যাগ করুন।
২৫। মুমিনদের প্রতি মহব্বত ও ক! ফে র দে;র সাথে শ* ত্রু তা পোষণ করুন।
২৬। মাঝেমধ্যে কবরস্থান জিয়ারত করুন।
২৭। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।
২৮। আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।
২৯। পিতা-মাতার প্রতি খেয়াল রাখুন।
৩০। আল্লাহ তায়ালা ও রাসূলের প্রতি সার্বক্ষণিক ভালোবাসা বজায় রাখুন।
৩১। অনর্থক বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।
৩২। না জেনে কথা বলবেন না। অতি প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া চুপচাপ থাকুন।
৩৩। মুমিনদের প্রতি সবসময় সুধারণা পোষণ করুন।
৩৪। অনুমান ভিত্তিক কথা বা শুনে শুনে কথা বলার অভ্যাস পরি'ত্যা'গ করুন।
৩৫। হাদিসের কিতাব থেকে পড়ুন কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করার পূর্বে আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন।
৩৬। ইখতেলাফী মাসয়ালায় নীরব থাকুন।
✅আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন।
১। কোরআন সহীহ ভাবে পড়তে শিখুন।
২। প্রতিদিন কমপক্ষে এক পারা তেলাওয়াত করুন।
৩। কমপক্ষে ৫ পৃষ্ঠার অর্থ পড়ুন।
৪। কমপক্ষে ৩/৫/৭ আয়াতের তাফসির পড়ুন।
৫। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামায়াতে আদায় করুন।
৬। ওয়াজিব ও সুন্নাহর পরিপূর্ণ অনুসরণ করুন।
৭। সকাল সন্ধার সুন্নাত মোতাবেক দোয়া ও জিকিরের আমল করুন।
৮। নিজ এলাকায় আলেমগণের সোহবতে জামায়াতবদ্ধ হয়ে দাওয়াতের কাজ করুন এবং তা নিয়মিত।
৯। প্রতিদিন ইসলামের ইতিহাসের কিতাব ( আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া হতে পারে) থেকে সাধ্যমতো পড়ুন।
১০। সাধ্যমতো শারীরিক ব্যায়াম করুন।
১১। সম্ভব হলে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখুন। তা সম্ভব না হলে আরবী মাসের শুরুতে সোমবার, বৃহস্পতিবার, সোমবার এই তিন দিন রোজা রাখুন অথবা আইয়্যামে বীজের তিন দিন রোজা রাখুন।
১২। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী আমল করুন।
১৩। শিবর ক, (কু) ফ র, বি দ আ*ত হ|র|ম, ম!করুহ , অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকুন।
১৪। গু'ন!হের কাছেও যাবেন না।
১৫। প্রচুর পরিমাণে লেখাপড়া করুন।
১৬। মি!থ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
১৭। বেশি বেশি তাওবাহ, ইস্তেগফার ও দোয়ায় মনযোগী হোন।
১৮। দলিল বিহীন কোন নেক আমল করবেন না।
১৯। হালাল উপার্জন করুন ও হারাম থেকে বিরত থাকুন।
২০। সাধ্যমতো সাদাকাহ করুন।
২১। আল্লাহর সাথে একান্তে কথা বলুন অর্থাৎ সমস্ত প্রয়োজন ও অভাব অভিযোগ ওনার কাছে তুলে ধরুন।
২২। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করুন তবে কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না।
২৩। ব্যক্তি নয় বরং জামায়াতকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরুন।
২৪। দুনিয়ার লোভ পরিত্যাগ করুন।
২৫। মুমিনদের প্রতি মহব্বত ও ক! ফে র দে;র সাথে শ* ত্রু তা পোষণ করুন।
২৬। মাঝেমধ্যে কবরস্থান জিয়ারত করুন।
২৭। হক্কানী আলেমদের সোহবতে থাকুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।
২৮। আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।
২৯। পিতা-মাতার প্রতি খেয়াল রাখুন।
৩০। আল্লাহ তায়ালা ও রাসূলের প্রতি সার্বক্ষণিক ভালোবাসা বজায় রাখুন।
৩১। অনর্থক বিতর্ক এড়িয়ে চলুন।
৩২। না জেনে কথা বলবেন না। অতি প্রয়োজনীয় কথা ছাড়া চুপচাপ থাকুন।
৩৩। মুমিনদের প্রতি সবসময় সুধারণা পোষণ করুন।
৩৪। অনুমান ভিত্তিক কথা বা শুনে শুনে কথা বলার অভ্যাস পরি'ত্যা'গ করুন।
৩৫। হাদিসের কিতাব থেকে পড়ুন কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করার পূর্বে আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন।
৩৬। ইখতেলাফী মাসয়ালায় নীরব থাকুন।
✅আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন।
পর্দার সংজ্ঞা স্রেফ একটা বোরকা ও নিকাব পরা নয়। পর্দার সংজ্ঞা হচ্ছে বাহ্যিক আউটফিট এমন থাকা যেন তাতে কোনো চাকচিক্য না থাকে, রঙ উজ্জ্বল না হয়, শরীরের অবয়ব বোঝা না যায়, চলাফেরা শান্ত-নম্র-শৃঙ্খল হয়, কণ্ঠ ও নজর নিচু থাকে, যাতায়াতের স্থান ভিড়ভাট্টায় পূর্ণ না থাকে, সময় ও স্থানভেদে সঙ্গে পৌরুষ মাহরাম থাকে, ইত্যাদি।
এখনও পর্যন্ত এই পর্যায়ের কোনো মেয়ের রেইর্যপ কেস আমি দেখি নি। কারণ, এরা অত্যন্ত সচেতন থাকে। স্ট্রিক্টলি মাহরাম মেইনটেইন করে। এরা শুধু নিজের ক্ষেত্রেই না বরং নিজেদের ছোট বোন-মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও সচেতন ও সতর্ক থাকে। এদের শরীরে বা এদের বাচ্চা-বোন-অনুজদের শরীরে হাত দেওয়া কঠিন। মানুষও এদের ভয় পায় বা সম্মান করে। পুরুষরাও নিজেদের সম্মান বজায় রাখতে এদের থেকে দূরে থাকে।
পর্দার সংজ্ঞা বোঝা জরুরী। বোরকা পরে কেউ রেইপ হয়েছে মাত্রই 'পর্দা করেও মানুষ রেইপ হয়' টার্ম কার্ড ব্যবহার করে পর্দার বিধানকে হালকা করার প্রচেষ্টা বাদ দিন। বোরকা পরলেই তা পর্দা হয়ে যায় না। অনেকে ফ্রক, সালওয়ার কামিজ ওড়না পরেও এতোটা শালীন থাকে যে অনেকে বোরকা পরেও তা থাকে না। বরং মানুষ দেখলেও বলে, 'কী বোরকা পরছে! সবই তো বোঝা যায়!'
আবার অ্যাভেইলেবল কেইস এমন আছে যে, বোরকা নিকাব পরেও টাইম পাস হিসেবে ডজন ডজন বয়ফ্রেন্ড পালে। ঝোপঝাড়ে ইজ্জত নষ্ট করে বেড়ায়।
এখন কথা হচ্ছে, এমন একজন মেয়ের লাশই একটা পার্কের ঝোপঝাড়ের পেছন থেকে উদ্ধার হলো। বোরকা পাশে পরা। আপনি হেডলাইন দিলেন 'পর্দা করেও সে রেইপ হইছে'৷ অথচ কাহিনী উল্টো এরূপ যে, নিজেরই বয়ফ্রেন্ডের হাতেই রেইপ হয়ে খুন হইছে; কিন্তু আম সাধারণ তা দেখে নি। দেখে নি ভেতরে ভেতরে চলা এর উশৃংখল ইনবক্সের ইতিহাস, বেপরোয়া চলাফেরা।
যত বাচ্চা থেকে বড় রেইপ হয় তার জন্য তাদেরও বড়দের মাহরামবোধ না থাকা ও অসচেতনতাও দায়ী। পর্দার হিসেব বাদ দিলেও অনেকের অশালীন পোশাক পরা ও উশৃংখল, বেপরোয়া চলাফেরা দায়ী। ঐ যে বললাম, বেপর্দা মানেই সবাই অশালীন না। আপনার আমার মা-শাশুড়ি, দানী-নানীরা অশালীন চলাফেরা করে না, তাদের ইয়াং কালেও অশালীন চলাফেরা করার সুযোগ সাহস পায় নাই। তাদের জামানায় আপ টু ডেট হওয়ার তামান্না ছিলো না। বাবাদের কঠোরতা ছিলো, লাজ-লজ্জা ছিলো। সন্ধ্যার পর বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা ছিলো। দ্রুত বিয়ের ধারা ছিলো। ওড়না ঠিক মতো পরা, মাথায় আঁচল দেওয়া, শাড়ি পরলে নাভী-পেট ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক ছিলো, পর-পুরুষদের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশা নিষেধ ছিলো, এমনকি হিন্দুদের সমাজেও; তখন ফোনও ছিলো না বিধায় ফেৎনা থেকে তারা হেফাজতে ছিলো। তারা কিন্তু সবাই পর্দা করে না; তবুও তারা শালীন; দেখলে সম্মান জাগে। বেপর্দা মানেই অশালীন-বেপরোয়া হওয়া না। এবার তাহলে নিজেই ভাবুন না, এখন কেন এতোকিছু ঘটে?
এই সমাজের সব পুরুষ খারাপ না আবার সবাই ভালোও না। আপনি জানেন আপনার সামনে হায়েনা আছে, সে ক্ষুধার্তও হতে পারে, শিকার করার জন্য উদ্ধত থাকতে পারে। আপনি সারাদিন 'নজর হেফাজত কর, ফিলিংস সামলা' বলে গলা ফাটালেও সে পাল্টাবে না। সেইক্ষেত্রে রাস্তা একটাই খোলা আর তা হলো আপনার নিজের অস্তিত্ব-আব্রু বাঁচিয়ে নিরাপদে থাকা। কিন্তু, আপনি যদি তা পরোয়া না করে হায়েনার সামনে দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই চলেন, অসতর্ক থাকেন, তখন হায়েনা সুযোগ নিবেই কারণ হিংস্রতা ওর রক্তে। ওদের শাস্তি বা শুধরানো অবশ্যই দরকার; তার আগে দরকার আমাদের নিজেদের ভুলগুলো খুঁজে বের করে নিজেদের বাঁচানো। নিজে বাঁচলে তো বাপের নাম!
আপনি আমি চাইলেই পুরো দেশের ধূলো দূর করতে পারবো না। কিন্তু, চাইলেই নিজেদের পা-কে জুতো দিয়ে আবৃত করে ধূলো লাগা থেকে বাঁচাতে পারবো।
Kasfia Disha
এখনও পর্যন্ত এই পর্যায়ের কোনো মেয়ের রেইর্যপ কেস আমি দেখি নি। কারণ, এরা অত্যন্ত সচেতন থাকে। স্ট্রিক্টলি মাহরাম মেইনটেইন করে। এরা শুধু নিজের ক্ষেত্রেই না বরং নিজেদের ছোট বোন-মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও সচেতন ও সতর্ক থাকে। এদের শরীরে বা এদের বাচ্চা-বোন-অনুজদের শরীরে হাত দেওয়া কঠিন। মানুষও এদের ভয় পায় বা সম্মান করে। পুরুষরাও নিজেদের সম্মান বজায় রাখতে এদের থেকে দূরে থাকে।
পর্দার সংজ্ঞা বোঝা জরুরী। বোরকা পরে কেউ রেইপ হয়েছে মাত্রই 'পর্দা করেও মানুষ রেইপ হয়' টার্ম কার্ড ব্যবহার করে পর্দার বিধানকে হালকা করার প্রচেষ্টা বাদ দিন। বোরকা পরলেই তা পর্দা হয়ে যায় না। অনেকে ফ্রক, সালওয়ার কামিজ ওড়না পরেও এতোটা শালীন থাকে যে অনেকে বোরকা পরেও তা থাকে না। বরং মানুষ দেখলেও বলে, 'কী বোরকা পরছে! সবই তো বোঝা যায়!'
আবার অ্যাভেইলেবল কেইস এমন আছে যে, বোরকা নিকাব পরেও টাইম পাস হিসেবে ডজন ডজন বয়ফ্রেন্ড পালে। ঝোপঝাড়ে ইজ্জত নষ্ট করে বেড়ায়।
এখন কথা হচ্ছে, এমন একজন মেয়ের লাশই একটা পার্কের ঝোপঝাড়ের পেছন থেকে উদ্ধার হলো। বোরকা পাশে পরা। আপনি হেডলাইন দিলেন 'পর্দা করেও সে রেইপ হইছে'৷ অথচ কাহিনী উল্টো এরূপ যে, নিজেরই বয়ফ্রেন্ডের হাতেই রেইপ হয়ে খুন হইছে; কিন্তু আম সাধারণ তা দেখে নি। দেখে নি ভেতরে ভেতরে চলা এর উশৃংখল ইনবক্সের ইতিহাস, বেপরোয়া চলাফেরা।
যত বাচ্চা থেকে বড় রেইপ হয় তার জন্য তাদেরও বড়দের মাহরামবোধ না থাকা ও অসচেতনতাও দায়ী। পর্দার হিসেব বাদ দিলেও অনেকের অশালীন পোশাক পরা ও উশৃংখল, বেপরোয়া চলাফেরা দায়ী। ঐ যে বললাম, বেপর্দা মানেই সবাই অশালীন না। আপনার আমার মা-শাশুড়ি, দানী-নানীরা অশালীন চলাফেরা করে না, তাদের ইয়াং কালেও অশালীন চলাফেরা করার সুযোগ সাহস পায় নাই। তাদের জামানায় আপ টু ডেট হওয়ার তামান্না ছিলো না। বাবাদের কঠোরতা ছিলো, লাজ-লজ্জা ছিলো। সন্ধ্যার পর বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা ছিলো। দ্রুত বিয়ের ধারা ছিলো। ওড়না ঠিক মতো পরা, মাথায় আঁচল দেওয়া, শাড়ি পরলে নাভী-পেট ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক ছিলো, পর-পুরুষদের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশা নিষেধ ছিলো, এমনকি হিন্দুদের সমাজেও; তখন ফোনও ছিলো না বিধায় ফেৎনা থেকে তারা হেফাজতে ছিলো। তারা কিন্তু সবাই পর্দা করে না; তবুও তারা শালীন; দেখলে সম্মান জাগে। বেপর্দা মানেই অশালীন-বেপরোয়া হওয়া না। এবার তাহলে নিজেই ভাবুন না, এখন কেন এতোকিছু ঘটে?
এই সমাজের সব পুরুষ খারাপ না আবার সবাই ভালোও না। আপনি জানেন আপনার সামনে হায়েনা আছে, সে ক্ষুধার্তও হতে পারে, শিকার করার জন্য উদ্ধত থাকতে পারে। আপনি সারাদিন 'নজর হেফাজত কর, ফিলিংস সামলা' বলে গলা ফাটালেও সে পাল্টাবে না। সেইক্ষেত্রে রাস্তা একটাই খোলা আর তা হলো আপনার নিজের অস্তিত্ব-আব্রু বাঁচিয়ে নিরাপদে থাকা। কিন্তু, আপনি যদি তা পরোয়া না করে হায়েনার সামনে দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই চলেন, অসতর্ক থাকেন, তখন হায়েনা সুযোগ নিবেই কারণ হিংস্রতা ওর রক্তে। ওদের শাস্তি বা শুধরানো অবশ্যই দরকার; তার আগে দরকার আমাদের নিজেদের ভুলগুলো খুঁজে বের করে নিজেদের বাঁচানো। নিজে বাঁচলে তো বাপের নাম!
আপনি আমি চাইলেই পুরো দেশের ধূলো দূর করতে পারবো না। কিন্তু, চাইলেই নিজেদের পা-কে জুতো দিয়ে আবৃত করে ধূলো লাগা থেকে বাঁচাতে পারবো।
Kasfia Disha
স্তন ক্যানসারের অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তার মধ্যে একটা বড় কারণ কিছু রাসায়নিক, যার বহুল ব্যবহার দেখা যায় কসমেটিক পণ্যে।
প্যারাবেন এবং থ্যালেট— এ দুটো রাসায়নিক কসমেটিক পণ্যের খুব কমন উপাদান। ময়েশ্চারাইজার, লোশন, শ্যাম্পু, বডিওয়াশ, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, ডিউডোরান্ট, সানস্ক্রিন এমনকি টুথপেস্টেও এ দুটোর ব্যবহার রয়েছে।
প্যারাবেন প্রিজারভেটিভ হিসেবে এবং থ্যালেট লম্বা সময় সুগন্ধ ধরে রাখার কাজ করে।
এ দুটো উপাদান ইস্ট্রোজেন হরমোন নকল করে ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করা শুরু করে। এতে দেহের স্বাভাবিক হরমোনের কার্যক্রম নষ্ট হয়, যা স্তন ক্যানসারের জিন এক্টিভ করে দেয়।
২০২৩ সালে 'কেমোস্ফিয়ার' জার্নালে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। গবেষণায় কয়েকজন নারী অংশগ্রহণ করেন। তারা নিয়মিত প্যারাবেনযুক্ত কসমেটিক ব্যবহার করতেন। এক মাস তারা সেসব পণ্য ব্যবহার বন্ধ রাখেন। ২৮ দিনের মাথায় তাদের স্তন ক্যানসারের জিন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
সতর্কতা: বাজারে প্যারাবেন ছাড়া অসংখ্য কসমেটিক পণ্য রয়েছে। সেসবে প্রিজারভেটিভ হিসেবে অন্য উপাদান ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবেন, প্রিজারভেটিভ ছাড়া কসমেটিক পণ্য ব্যবহার ক্ষতিকর। এতে ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।
সূত্র: Shanaz H Dairkee, Chemosphere (IF 8.1), May 2023.
#Oncology #dermatology #bigyanpriyo
প্যারাবেন এবং থ্যালেট— এ দুটো রাসায়নিক কসমেটিক পণ্যের খুব কমন উপাদান। ময়েশ্চারাইজার, লোশন, শ্যাম্পু, বডিওয়াশ, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, ডিউডোরান্ট, সানস্ক্রিন এমনকি টুথপেস্টেও এ দুটোর ব্যবহার রয়েছে।
প্যারাবেন প্রিজারভেটিভ হিসেবে এবং থ্যালেট লম্বা সময় সুগন্ধ ধরে রাখার কাজ করে।
এ দুটো উপাদান ইস্ট্রোজেন হরমোন নকল করে ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করা শুরু করে। এতে দেহের স্বাভাবিক হরমোনের কার্যক্রম নষ্ট হয়, যা স্তন ক্যানসারের জিন এক্টিভ করে দেয়।
২০২৩ সালে 'কেমোস্ফিয়ার' জার্নালে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়। গবেষণায় কয়েকজন নারী অংশগ্রহণ করেন। তারা নিয়মিত প্যারাবেনযুক্ত কসমেটিক ব্যবহার করতেন। এক মাস তারা সেসব পণ্য ব্যবহার বন্ধ রাখেন। ২৮ দিনের মাথায় তাদের স্তন ক্যানসারের জিন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
সতর্কতা: বাজারে প্যারাবেন ছাড়া অসংখ্য কসমেটিক পণ্য রয়েছে। সেসবে প্রিজারভেটিভ হিসেবে অন্য উপাদান ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবেন, প্রিজারভেটিভ ছাড়া কসমেটিক পণ্য ব্যবহার ক্ষতিকর। এতে ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।
সূত্র: Shanaz H Dairkee, Chemosphere (IF 8.1), May 2023.
#Oncology #dermatology #bigyanpriyo
👍1
অনিশ্চয়তা, ভয় আর ক্ষয়ক্ষতিতে ভরা এই দুনিয়া। কিন্তু এর মধ্যেও আমাদের জন্য আছে এমন এক সুন্নাহ, যেটা আমাদের মনের জগতকে পাল্টে দিয়ে সুকূন দিয়ে ভরে দিতে পারে আমাদের অন্তর।
.
এই দু'আটি পড়ুন:
১। যখন সন্তানদের স্কুলে রেখে আসেন।
২। যখন স্বামীকে কাজে পাঠান।
৩। যখন বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেন।
৪। যখন কোনো বন্ধুকে সফরে পাঠান।
৫। যখন কোনো মূল্যবান বস্তু বা প্রিয়জন হারানোর ভয় করেন।
.
কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন, আপনি যা কিছু আল্লাহর জিম্মায় রাখবেন, তা কখনো হারাবে না।
.
তিনি ﷺ বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর কাছে রাখা আমানত রক্ষা করেন।" (সহীহ আল-জামি: ১৭০৮)
.
তাই এটা কেবলই একটা দু'আ নয়। এটার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় ঈমানের মানসিকতা, নিশ্চিত হয় হৃদয়ের প্রশান্তি আর বাস্তবায়িত হয় মহান এক সুন্নাহ, যাকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা আমাদের জন্য অবশ্যই উচিত।
| সংগৃহিত ও পরিমার্জিত |
© Dhikr- যিকর
.
এই দু'আটি পড়ুন:
১। যখন সন্তানদের স্কুলে রেখে আসেন।
২। যখন স্বামীকে কাজে পাঠান।
৩। যখন বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেন।
৪। যখন কোনো বন্ধুকে সফরে পাঠান।
৫। যখন কোনো মূল্যবান বস্তু বা প্রিয়জন হারানোর ভয় করেন।
.
কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন, আপনি যা কিছু আল্লাহর জিম্মায় রাখবেন, তা কখনো হারাবে না।
.
তিনি ﷺ বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর কাছে রাখা আমানত রক্ষা করেন।" (সহীহ আল-জামি: ১৭০৮)
.
তাই এটা কেবলই একটা দু'আ নয়। এটার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় ঈমানের মানসিকতা, নিশ্চিত হয় হৃদয়ের প্রশান্তি আর বাস্তবায়িত হয় মহান এক সুন্নাহ, যাকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা আমাদের জন্য অবশ্যই উচিত।
| সংগৃহিত ও পরিমার্জিত |
© Dhikr- যিকর