রমাদান বরাবরই পছন্দের একটা মাস।
সাইকোলজিক্লি ও ফিজিক্লি ব্যপক পরিবর্তন আসে এ মাসে। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া, ঘুমানো, তারাবীর এফোর্ট— বছরের অন্য সময় হয়ে ওঠে না।
কিন্তু নিয়মের বাইরে চলে যায় খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই আশা করেন রোজায় ওজন কমবে। কিন্তু মাস শেষে ওজন কমে না, বরং বেড়ে যায়। অনেকে দুর্বল হয়ে যান। এমনকি যুব ছেলেপেলেরাও। এমন কি হওয়ার কথা?
ধরুন হিমেল একজন স্বাভাবিক বিএমআইয়ের মোটামুটি পরিশ্রমী ছেলে। সে যেন দুর্বল না হয় (মাসল লস), অন্তত সেটুকু সুস্থতার জন্য দিনে তার ৫০৪ ক্যালরি প্রোটিন, ৯০০ ক্যালরি কার্বোহাইড্রেট আর ৬৬ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে। সব মিলিয়ে ২,০০০ ক্যালরি/প্রতিদিন।
সে সেহরিতে আলুর চপ, বেগুনি, মুড়ি, জিলাপি আর ছোলাভুনা খেলো। রাতে ডিনার করল, সেহরি করল। এতে তার শরীরে ৩০০০ ক্যালরি ঢুকে যাবে। মনে হতে পারে হিমেল তার ক্যালরি পূর্ণ করেছে, সে সুস্থ থাকবে। কিন্তু না। সে ক্যালরি টার্গেট পূরণ করলেও তার খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট আর কার্বের ব্যালেন্স ছিল না। সে প্রোটিন তো খায়ইনি, কার্বও খেয়েছে প্রয়োজনের অনেক কম, ফ্যাট খেয়েছে সবচেয়ে বেশি। ফলে ওজনও বাড়ছে (ফ্যাট-গেইন), কার্বের অভাবে বাড়ছে দুর্বলতাও। অন্যদিকে প্রোটিনের অভাবে হচ্ছে লং-টার্ম সমস্যা।
রোজায় দেহের ভারসাম্য রাখতে রাতে ডিনার করা জরুরি নয়। তবে ইফতারে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। যেমন, খেজুর অথবা ভাত। চিড়া-মুড়িও ভালো, তবে এগুলো খুব অল্পই খাওয়া হয়। খাবারের পরিমাণ সঠিক রাখা জরুরি। দুধ-কলা-ভাত ভালো অপশন। খিচুরিও ভালো। ভাজাপোড়া, বিরিয়ানি, কাচ্চি এসবও খাওয়া যাবে, তবে সপ্তাহে একবারের বেশি নয়। ফল, সবজি (ভাইটামিন, ফাইবার) আর পানির কথা আলাদাভাবে বলার দরকার নেই।
রোজার সৌন্দর্য্য বজায় রাখাটা ইবাদতের পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের ওপরও নির্ভর করে। সুন্দর ইবাদতের জন্যও খাওয়া-দাওয়ার লাগাম হাতে রাখা জরুরী। রমাদান হেলদি কাটুক। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
#ramadan2025 #eathealthy #bigyanpriyo
সাইকোলজিক্লি ও ফিজিক্লি ব্যপক পরিবর্তন আসে এ মাসে। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া, ঘুমানো, তারাবীর এফোর্ট— বছরের অন্য সময় হয়ে ওঠে না।
কিন্তু নিয়মের বাইরে চলে যায় খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই আশা করেন রোজায় ওজন কমবে। কিন্তু মাস শেষে ওজন কমে না, বরং বেড়ে যায়। অনেকে দুর্বল হয়ে যান। এমনকি যুব ছেলেপেলেরাও। এমন কি হওয়ার কথা?
ধরুন হিমেল একজন স্বাভাবিক বিএমআইয়ের মোটামুটি পরিশ্রমী ছেলে। সে যেন দুর্বল না হয় (মাসল লস), অন্তত সেটুকু সুস্থতার জন্য দিনে তার ৫০৪ ক্যালরি প্রোটিন, ৯০০ ক্যালরি কার্বোহাইড্রেট আর ৬৬ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে। সব মিলিয়ে ২,০০০ ক্যালরি/প্রতিদিন।
সে সেহরিতে আলুর চপ, বেগুনি, মুড়ি, জিলাপি আর ছোলাভুনা খেলো। রাতে ডিনার করল, সেহরি করল। এতে তার শরীরে ৩০০০ ক্যালরি ঢুকে যাবে। মনে হতে পারে হিমেল তার ক্যালরি পূর্ণ করেছে, সে সুস্থ থাকবে। কিন্তু না। সে ক্যালরি টার্গেট পূরণ করলেও তার খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট আর কার্বের ব্যালেন্স ছিল না। সে প্রোটিন তো খায়ইনি, কার্বও খেয়েছে প্রয়োজনের অনেক কম, ফ্যাট খেয়েছে সবচেয়ে বেশি। ফলে ওজনও বাড়ছে (ফ্যাট-গেইন), কার্বের অভাবে বাড়ছে দুর্বলতাও। অন্যদিকে প্রোটিনের অভাবে হচ্ছে লং-টার্ম সমস্যা।
রোজায় দেহের ভারসাম্য রাখতে রাতে ডিনার করা জরুরি নয়। তবে ইফতারে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। যেমন, খেজুর অথবা ভাত। চিড়া-মুড়িও ভালো, তবে এগুলো খুব অল্পই খাওয়া হয়। খাবারের পরিমাণ সঠিক রাখা জরুরি। দুধ-কলা-ভাত ভালো অপশন। খিচুরিও ভালো। ভাজাপোড়া, বিরিয়ানি, কাচ্চি এসবও খাওয়া যাবে, তবে সপ্তাহে একবারের বেশি নয়। ফল, সবজি (ভাইটামিন, ফাইবার) আর পানির কথা আলাদাভাবে বলার দরকার নেই।
রোজার সৌন্দর্য্য বজায় রাখাটা ইবাদতের পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের ওপরও নির্ভর করে। সুন্দর ইবাদতের জন্যও খাওয়া-দাওয়ার লাগাম হাতে রাখা জরুরী। রমাদান হেলদি কাটুক। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।
#ramadan2025 #eathealthy #bigyanpriyo
❤2
⚠ জরুরি সতর্কবার্তা! ⚠
তারাবির নামাজের সময় (রাত ৮টা - ১০টা) দূ'র্বৃ'ত্ত'রা ডা'কা'তি, খু'ন ও ধ'র্ষ'ণের মতো ভয়ংকর অ'প'রাধ ঘটাতে পারে!পুরুষরা মসজিদে নামাজে ব্যস্ত থাকলে বাসাবাড়ি পুরুষশূন্য থাকবে – এটিই অপরাধীদের সুযোগ!
.
❗ এখনই সতর্ক হোন ❗
✅ তারাবির নামাজে গেলে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখুন।
✅ বাসায় থাকা নারী ও শিশুদের সতর্ক থাকতে বলুন।
✅ দরজা-জানালা শক্তভাবে বন্ধ রাখুন, অপরিচিত কাউকে দরজা খুলবেন না।
✅ অপরিচিত ও সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই দ্রুত পুলিশের কাছে রিপোর্ট করুন।
✅ প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, প্রয়োজনে একে অপরকে সাহায্য করুন।
⚠ আপনার সামান্য অসতর্কতা ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে!
⚠ সবাইকে সতর্ক করুন, পোস্টটি শেয়ার করুন, পরিবার-প্রতিবেশীদের জানিয়ে দিন!
🚨 জীবন রক্ষা করুন – সবাই সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন! 🚨
তারাবির নামাজের সময় (রাত ৮টা - ১০টা) দূ'র্বৃ'ত্ত'রা ডা'কা'তি, খু'ন ও ধ'র্ষ'ণের মতো ভয়ংকর অ'প'রাধ ঘটাতে পারে!পুরুষরা মসজিদে নামাজে ব্যস্ত থাকলে বাসাবাড়ি পুরুষশূন্য থাকবে – এটিই অপরাধীদের সুযোগ!
.
❗ এখনই সতর্ক হোন ❗
✅ তারাবির নামাজে গেলে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখুন।
✅ বাসায় থাকা নারী ও শিশুদের সতর্ক থাকতে বলুন।
✅ দরজা-জানালা শক্তভাবে বন্ধ রাখুন, অপরিচিত কাউকে দরজা খুলবেন না।
✅ অপরিচিত ও সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই দ্রুত পুলিশের কাছে রিপোর্ট করুন।
✅ প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, প্রয়োজনে একে অপরকে সাহায্য করুন।
⚠ আপনার সামান্য অসতর্কতা ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে!
⚠ সবাইকে সতর্ক করুন, পোস্টটি শেয়ার করুন, পরিবার-প্রতিবেশীদের জানিয়ে দিন!
🚨 জীবন রক্ষা করুন – সবাই সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন! 🚨
❤3
★ সেহরির জন্য পরামর্শ ★
সেহরিতে এমন খাবার খেতে হবে যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখবে এবং শক্তি দেবে।
✅ প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার খান
ডিম, মুরগি, মাছ, ডাল, চিড়া বা ওটস
শাকসবজি (ঢেঁড়স, শিম, গাজর, লাউ)
দই ও বাদাম (বাদাম, কাজু, চিয়া সিডস)
✅ জটিল কার্বোহাইড্রেট বেছে নিন
লাল চালের ভাত, আটার রুটি, ওটস
মিষ্টি আলু বা অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার
✅ পানি ও লিকুইড বেশি নিন
২-৩ গ্লাস পানি পান করুন
লেবুর শরবত, ডাবের পানি বা স্যুপ খেতে পারেন
❌ এড়িয়ে চলুন
ভাজাপোড়া (পরোটা, পুরি, সমোसा)
অতিরিক্ত চা/কফি (ডিহাইড্রেশন হতে পারে)
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার (ওজন বাড়তে পারে)
সেহরিতে এমন খাবার খেতে হবে যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখবে এবং শক্তি দেবে।
✅ প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার খান
ডিম, মুরগি, মাছ, ডাল, চিড়া বা ওটস
শাকসবজি (ঢেঁড়স, শিম, গাজর, লাউ)
দই ও বাদাম (বাদাম, কাজু, চিয়া সিডস)
✅ জটিল কার্বোহাইড্রেট বেছে নিন
লাল চালের ভাত, আটার রুটি, ওটস
মিষ্টি আলু বা অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার
✅ পানি ও লিকুইড বেশি নিন
২-৩ গ্লাস পানি পান করুন
লেবুর শরবত, ডাবের পানি বা স্যুপ খেতে পারেন
❌ এড়িয়ে চলুন
ভাজাপোড়া (পরোটা, পুরি, সমোसा)
অতিরিক্ত চা/কফি (ডিহাইড্রেশন হতে পারে)
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার (ওজন বাড়তে পারে)
❤1
রোজায় মেডিকেল কেন্দ্রিক যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক -
রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে আপনার রোজা ভাঙ্গবে -
১. রোজা রেখে সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় দেওয়া ওষুধ) নিল
২. রোজা রেখে স্যালাইন নিলে
৩. রক্ত গ্রহণ করলে /রক্ত নিলে
৪. এন্ডোস্কোপি করানো হলে / গলায় নল দিয়ে পরীক্ষা করলে
৫. নাকে খাবারের নল দিলে
৬. পায়খানার রাস্তায় পরীক্ষা যেমন কোলনস্কোপি/ প্রক্টোস্কোপি করলে
৭. ইনহেলার ব্যবহার করলে ( এক্ষেত্রে দুই ধরণের বক্তব্য পাওয়া যায়, এক শ্রেণীর ফকীহ দের মতামত রোজা ভাঙবে না, আরেক শ্রেণী বলেছেন রোজা ভাঙ্গবে, ব্যক্তিগতভাবে আমি রোজা ভেঙ্গে যাবার মতামত কে অধিকতর যৌক্তিক মনে করি)
৮. নেবুলাইজেশন করলে
৯. নাকের ড্রপ দিলে
১০. কানের ড্রপ দিলে (যদি কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে)
১১. ডায়ালাইসিস করলে
১২. পায়খানার রাস্তায় enema দিলে
রোজা রেখে নিন্মের কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না -
১. রক্ত দিলে
২. রক্তের স্যাম্পল দিলে / রক্ত পরীক্ষা করলে
৩.মাংসে /চামড়ায় কোনো ইনজেকশন দিলে, ইনসুলিন দিলে
৪. শিরায় ইনজেকশন দিলে ( ইনজেকশনে যদি ১০০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারে: Al Balagh Academy, UK এর মতামত, তাই অপ্রয়োজনে ইনজেকশন না নেওয়া বেটার)
৫. চোখের ড্রপ দিলে (তবে যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্বাদ অনুভূত হলে সেই ক্ষেত্রে সেটা থুতু দিয়ে বের করতে হবে, তাই অনেক আলেম বলেন চোখের ড্রপ অপ্রয়োজনে না নিতে)
৬. ক্যাথেটার করানো হলে
৭. ক্যানুলা করানো হলে
৮. ডায়াবেটিস পরীক্ষা করলে
৯.ভ্যাকসিন দিলে
১০. মাসিকের রাস্তায় কোনো ওষুধ দিলে (Al Balagh Academy)
১১. হিজামা করলে ( তবে হাম্বলী মাজহাব ও অন্যান্য কিছু আলেমদের মতে রোজা ভাঙ্গবে)
উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ এন্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (RAMFIT) এর ক্লাস ও বিভিন্ন অনলাইন ফিকহ ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা। কোনো ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে আলেমদের থেকে বিস্তারিত জেনে নিবেন।
- ডা. মোকাদ্দুসুর রহমান সিফাত
#Ramadan #ramadan2025
রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে আপনার রোজা ভাঙ্গবে -
১. রোজা রেখে সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় দেওয়া ওষুধ) নিল
২. রোজা রেখে স্যালাইন নিলে
৩. রক্ত গ্রহণ করলে /রক্ত নিলে
৪. এন্ডোস্কোপি করানো হলে / গলায় নল দিয়ে পরীক্ষা করলে
৫. নাকে খাবারের নল দিলে
৬. পায়খানার রাস্তায় পরীক্ষা যেমন কোলনস্কোপি/ প্রক্টোস্কোপি করলে
৭. ইনহেলার ব্যবহার করলে ( এক্ষেত্রে দুই ধরণের বক্তব্য পাওয়া যায়, এক শ্রেণীর ফকীহ দের মতামত রোজা ভাঙবে না, আরেক শ্রেণী বলেছেন রোজা ভাঙ্গবে, ব্যক্তিগতভাবে আমি রোজা ভেঙ্গে যাবার মতামত কে অধিকতর যৌক্তিক মনে করি)
৮. নেবুলাইজেশন করলে
৯. নাকের ড্রপ দিলে
১০. কানের ড্রপ দিলে (যদি কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে)
১১. ডায়ালাইসিস করলে
১২. পায়খানার রাস্তায় enema দিলে
রোজা রেখে নিন্মের কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না -
১. রক্ত দিলে
২. রক্তের স্যাম্পল দিলে / রক্ত পরীক্ষা করলে
৩.মাংসে /চামড়ায় কোনো ইনজেকশন দিলে, ইনসুলিন দিলে
৪. শিরায় ইনজেকশন দিলে ( ইনজেকশনে যদি ১০০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারে: Al Balagh Academy, UK এর মতামত, তাই অপ্রয়োজনে ইনজেকশন না নেওয়া বেটার)
৫. চোখের ড্রপ দিলে (তবে যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্বাদ অনুভূত হলে সেই ক্ষেত্রে সেটা থুতু দিয়ে বের করতে হবে, তাই অনেক আলেম বলেন চোখের ড্রপ অপ্রয়োজনে না নিতে)
৬. ক্যাথেটার করানো হলে
৭. ক্যানুলা করানো হলে
৮. ডায়াবেটিস পরীক্ষা করলে
৯.ভ্যাকসিন দিলে
১০. মাসিকের রাস্তায় কোনো ওষুধ দিলে (Al Balagh Academy)
১১. হিজামা করলে ( তবে হাম্বলী মাজহাব ও অন্যান্য কিছু আলেমদের মতে রোজা ভাঙ্গবে)
উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ এন্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (RAMFIT) এর ক্লাস ও বিভিন্ন অনলাইন ফিকহ ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা। কোনো ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে আলেমদের থেকে বিস্তারিত জেনে নিবেন।
- ডা. মোকাদ্দুসুর রহমান সিফাত
#Ramadan #ramadan2025
❤1
রোজায় সঠিক খাদ্যাভাস নিয়ে বিস্তারিতঃ
রমজান মাস অন্য ১১টি মাস অপেক্ষা ভিন্ন।
এই রমজানে সুস্থ থাকার জন্য খাবার গ্রহণের ব্যাপারে আগে থেকে সচেতন হতে হবে। সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি- এ ছয়টি উপাদানসমৃদ্ধ দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা হলে তাকে সুষম খাদ্য বলে।
অর্থাৎ প্রতিদিনের তৈরি খাবারগুলোর মধ্যে এ ছয়টি উপাদান আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।চলুন জেনে নেই খাদ্য তালিকা কেমন হলে জটিলতামুক্ত থেকে রোজা থাকা যাবে।
*ইফতারঃ
ইফতারের খাবার হবে সহজপাচ্য ও কম তেল মসলা যুক্ত।কারণ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে তা হজমের ব্যঘাত ঘটতে পারে ও শারিরীক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সেজন্য
--একটি খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন। এরপর বিশুদ্ধ খাবার পানি পান অল্প অল্প করে বারে বারে পান করতে হবে। ডাবের পানি,লেবু পানি,মৌসুমী ফলের জ্যুস এগুলোর সাথে তোকমা দানা,চিয়া সীড,ইসবগুলের ভুষি,ফ্ল্যাক্স সিড মিশিয়ে পান করতে পারেন।
-- ভাজাভুজি, ছোলা ভুনার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু ও দু-তিন কোষ কাঁচা রসুন কুচি করে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
--দুই তিন রকম ডালের সাথে মুরগীর মাংস মিশিয়ে কম মসলা দিয়ে হালিম তৈরি করে খেতে পারেন।
--টকদই দিয়ে লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি ও খেতে পারেন বা টকদই,(লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি থেকে যে কোনোটি),যে কোনো মৌসুমি ফল মিশিয়ে বেল্ড করে খেতে পারেন।
--বিভিন্ন মৌসুমি সবজি,মুরগীর মাংস মিশিয়ে স্যুপ করেও খেতে পারেন।
--দুধের সাথে সাগুদানা,সুজি দিয়ে ফালুদা করে বা দুধ, ডিম দিয়ে পুডিং তৈরি করেও খেতে পারেন।
-আবার কেউ চাইলে ইফতারে রাখতে পারেন রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।
রাতের খাবারঃ
অনেকেই সন্ধ্যারাতে খাবার না খেয়ে সরাসরি সেহরিতে খাবার খান, যা অনুচিত। অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমাণ খাদ্য সন্ধ্যারাতে খেতে হবে। সহজেই হজম হয় এমন খাবার উল্লেখযোগ্য।
--এ সময় থাকতে পারে লাল আটার রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।
--সবজি ও চিকেন মিক্স স্যুপ করে খেতে পারেন।
--দুধের সঙ্গে সামান্য ওটস,লাল চিড়া,বার্লি ও খেজুর ব্লেন্ড করে স্মুদি করেও খেতে পারেন।
--রাতের খাবারের পর টক দই খেতে পারলে ভালো, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
সেহরিঃ
সেহেরিতে খাবার হবে অন্যান্য সময়ের দুপুরের খাবারের পরিমাণ। দীর্ঘ সময় পেটে থাকে ও আস্তে আস্তে হজম হয় এমন খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সারা দিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সাহ্রির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি খাবার খেতে হবে। তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ, চার–পাঁচ ঘণ্টা পার হলেই খাদ্যগুলো পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে গিয়ে হজম হয়ে যায়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না খাওয়াই ভালো বরং মাত্রাতিরিক্ত খেলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।
-- এ সময় খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে লাল আটার রুটি,লাল চালের ভাত এর সঙ্গে ডাল, সবজি এক কাপ, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি রাখা যেতে পারে।
একটি আদর্শ প্লেট নিয়ে তাকে চার ভাগে ভাগ করে সেটার ২ ভাগে থাকবে মিশ্র সবজি বাকি দু ভাগের এক ভাগে ভাত বা রুটি আর এক ভাগে প্রোটিন যেমন মাছ,মাংস,ডিম থাকবে।
--সেহেরির সময় এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ রাখা উচিত অথবা দুধ দিয়ে লাল চিড়া বা ওটসও খেতে পারেন।
গ্রীষ্মের রমজানে গলামুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধে যা যা মানতে হবেঃ-
কয়েকটি স্বাস্থ্যকর টিপস্ ও কৌশল অবলম্বন করলেই গ্রীষ্মের রমজানে এই গলা মুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।
*ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।চেষ্টা করতে হবে সর্বনিম্ন ৮-১০ বা প্রয়োজন ভেদে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত হওয়ার ফলে ইফতারে বিভিন্ন ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস বা বাহিরের বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর পানীয় পান করা হয়, এগুলো তৎক্ষণাৎ প্রশান্তি দিলেও দীর্ঘসময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে কার্যকর নয়। সেজন্য এগুলোর পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
*খাদ্য তালিকায় প্রচুর তাজা পানি জাতীয় মৌসুমি ফলমূল ও শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
*রাস্তায় অযথা বের হওয়া এড়িয়ে চলতে হবে আর প্রয়োজনে বের হলেও অবশ্যই ছায়াযুক্ত স্থানে দিয়ে চলাফেরা করতে হবে।
*রোজা থেকে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা ভারী কোন এক্সারসাইজ করা হতে বিরত থাকতে হবে।
*রমজান মাসে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার সম্ভব হলে বাদ দিতে হবে বা একেবারেই সীমিত পরিসরে পান করতে হবে।
*শুকনো খাবার যেমন বাহিরের বিভিন্ন ক্র্যাকার্স,টোস্ট, চিপস্ ইত্যাদির এগুলোর পরিবর্তে আদ্র, থকথকে ও নরম খাবার গ্রহণ করতে হবে।
রমজান মাস অন্য ১১টি মাস অপেক্ষা ভিন্ন।
এই রমজানে সুস্থ থাকার জন্য খাবার গ্রহণের ব্যাপারে আগে থেকে সচেতন হতে হবে। সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি- এ ছয়টি উপাদানসমৃদ্ধ দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা হলে তাকে সুষম খাদ্য বলে।
অর্থাৎ প্রতিদিনের তৈরি খাবারগুলোর মধ্যে এ ছয়টি উপাদান আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।চলুন জেনে নেই খাদ্য তালিকা কেমন হলে জটিলতামুক্ত থেকে রোজা থাকা যাবে।
*ইফতারঃ
ইফতারের খাবার হবে সহজপাচ্য ও কম তেল মসলা যুক্ত।কারণ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে তা হজমের ব্যঘাত ঘটতে পারে ও শারিরীক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সেজন্য
--একটি খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন। এরপর বিশুদ্ধ খাবার পানি পান অল্প অল্প করে বারে বারে পান করতে হবে। ডাবের পানি,লেবু পানি,মৌসুমী ফলের জ্যুস এগুলোর সাথে তোকমা দানা,চিয়া সীড,ইসবগুলের ভুষি,ফ্ল্যাক্স সিড মিশিয়ে পান করতে পারেন।
-- ভাজাভুজি, ছোলা ভুনার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু ও দু-তিন কোষ কাঁচা রসুন কুচি করে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
--দুই তিন রকম ডালের সাথে মুরগীর মাংস মিশিয়ে কম মসলা দিয়ে হালিম তৈরি করে খেতে পারেন।
--টকদই দিয়ে লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি ও খেতে পারেন বা টকদই,(লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি থেকে যে কোনোটি),যে কোনো মৌসুমি ফল মিশিয়ে বেল্ড করে খেতে পারেন।
--বিভিন্ন মৌসুমি সবজি,মুরগীর মাংস মিশিয়ে স্যুপ করেও খেতে পারেন।
--দুধের সাথে সাগুদানা,সুজি দিয়ে ফালুদা করে বা দুধ, ডিম দিয়ে পুডিং তৈরি করেও খেতে পারেন।
-আবার কেউ চাইলে ইফতারে রাখতে পারেন রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।
রাতের খাবারঃ
অনেকেই সন্ধ্যারাতে খাবার না খেয়ে সরাসরি সেহরিতে খাবার খান, যা অনুচিত। অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমাণ খাদ্য সন্ধ্যারাতে খেতে হবে। সহজেই হজম হয় এমন খাবার উল্লেখযোগ্য।
--এ সময় থাকতে পারে লাল আটার রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।
--সবজি ও চিকেন মিক্স স্যুপ করে খেতে পারেন।
--দুধের সঙ্গে সামান্য ওটস,লাল চিড়া,বার্লি ও খেজুর ব্লেন্ড করে স্মুদি করেও খেতে পারেন।
--রাতের খাবারের পর টক দই খেতে পারলে ভালো, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
সেহরিঃ
সেহেরিতে খাবার হবে অন্যান্য সময়ের দুপুরের খাবারের পরিমাণ। দীর্ঘ সময় পেটে থাকে ও আস্তে আস্তে হজম হয় এমন খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সারা দিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সাহ্রির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি খাবার খেতে হবে। তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ, চার–পাঁচ ঘণ্টা পার হলেই খাদ্যগুলো পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে গিয়ে হজম হয়ে যায়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না খাওয়াই ভালো বরং মাত্রাতিরিক্ত খেলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।
-- এ সময় খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে লাল আটার রুটি,লাল চালের ভাত এর সঙ্গে ডাল, সবজি এক কাপ, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি রাখা যেতে পারে।
একটি আদর্শ প্লেট নিয়ে তাকে চার ভাগে ভাগ করে সেটার ২ ভাগে থাকবে মিশ্র সবজি বাকি দু ভাগের এক ভাগে ভাত বা রুটি আর এক ভাগে প্রোটিন যেমন মাছ,মাংস,ডিম থাকবে।
--সেহেরির সময় এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ রাখা উচিত অথবা দুধ দিয়ে লাল চিড়া বা ওটসও খেতে পারেন।
গ্রীষ্মের রমজানে গলামুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধে যা যা মানতে হবেঃ-
কয়েকটি স্বাস্থ্যকর টিপস্ ও কৌশল অবলম্বন করলেই গ্রীষ্মের রমজানে এই গলা মুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।
*ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।চেষ্টা করতে হবে সর্বনিম্ন ৮-১০ বা প্রয়োজন ভেদে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত হওয়ার ফলে ইফতারে বিভিন্ন ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস বা বাহিরের বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর পানীয় পান করা হয়, এগুলো তৎক্ষণাৎ প্রশান্তি দিলেও দীর্ঘসময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে কার্যকর নয়। সেজন্য এগুলোর পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
*খাদ্য তালিকায় প্রচুর তাজা পানি জাতীয় মৌসুমি ফলমূল ও শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
*রাস্তায় অযথা বের হওয়া এড়িয়ে চলতে হবে আর প্রয়োজনে বের হলেও অবশ্যই ছায়াযুক্ত স্থানে দিয়ে চলাফেরা করতে হবে।
*রোজা থেকে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা ভারী কোন এক্সারসাইজ করা হতে বিরত থাকতে হবে।
*রমজান মাসে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার সম্ভব হলে বাদ দিতে হবে বা একেবারেই সীমিত পরিসরে পান করতে হবে।
*শুকনো খাবার যেমন বাহিরের বিভিন্ন ক্র্যাকার্স,টোস্ট, চিপস্ ইত্যাদির এগুলোর পরিবর্তে আদ্র, থকথকে ও নরম খাবার গ্রহণ করতে হবে।
❤1
*গরমে ঘামের ফলে বের হয়ে যাওয়া পুষ্টি উপাদানের ভারসাম্য রক্ষার জন্য কচি ডাবের পানি, লেবু পানি বা ডিটক্স ওয়াটার খুব ভালো কার্যকর।
*অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার ও লাল মাংস সাধারণত শরীরকে সহজে ডিহাইড্রেটেড করে তুলে সেজন্য রোজার মাসে এগুলা এড়িয়ে চলা উচিত।
*অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণের ফলে
ফলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে এজন্য রোজার মাসে অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার বারবার গ্রহণ করা হতে বিরত থাকুন।
Nutritionist, Nahida Ahmed
Course Instructor, 20 Minute Medical (Department of Food and Nutrition Science)
*অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার ও লাল মাংস সাধারণত শরীরকে সহজে ডিহাইড্রেটেড করে তুলে সেজন্য রোজার মাসে এগুলা এড়িয়ে চলা উচিত।
*অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণের ফলে
ফলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে এজন্য রোজার মাসে অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার বারবার গ্রহণ করা হতে বিরত থাকুন।
Nutritionist, Nahida Ahmed
Course Instructor, 20 Minute Medical (Department of Food and Nutrition Science)
👍2❤1
বিয়ের পর নারী-পুরুষের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় কেন ?
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
London, England
সব মানুষের জীবনে দুটি পর্ব থাকে । শিশুকাল এবং পরিণতকাল । মাঝে এক পর্ব থেকে আরেক পর্বে যাওয়ার সময়টিকে বলে পিউবার্টি । এই সময় ছেলে এবং মেয়ে, দু'জনের শরীরে কিছু পরিবর্তন হয় । ছেলেদের মুখে দাড়ি-মোচ উঠে, গলার স্বর ভারী হতে শুরু করে । মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়, বুকে স্তন্য দেখা দেয় । মেয়েদের শরীরে এই পরিবর্তনটি ছেলেদের এক থেকে দুই বছর আগে শুরু হয় ।
মেয়েদের গড়ে ১০ বা ১১ বছরে, ছেলেদের গড়ে ১২ বা ১৩ বছর বয়স থেকে পিউবার্টি শুরু হয় । আবার এটি একেকজনের একেক সময়ে হয়, বা শুরু হতে দেরী হতে পারে । কোনো কোনো মেয়ের ৯ বছরেও শুরু হতে পারে, আবার কারো ১৩/১৪ তে গিয়েও হয় ! তেমনি ছেলেদেরও গড়ে ১২ তে শুরু হলেও কারও কারও ১৪/১৫ তেও হতে পারে । এই পার্থক্যগুলো নরমাল । পিউবার্টির পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে ছেলে এবং মেয়ে, দু পক্ষেরই গড়ে চার বছর সময় লাগে ।
শরীরের বাহিরে এই পরিবর্তনের ফলে উভয়ের শরীরে আরও কিছু পরিবর্তন দেখা দেয় । সেটা হলো : সেক্স ডিজায়ার এবং সেক্স ড্রাইভ । এই পরিবর্তন স্বাভাবিক ।
সেক্স ড্রাইভ এবং সেক্স ডিজায়ার, দুটো বিষয় অনেকে গোলমাল করে ফেলে । সেক্স ড্রাইভ হলো চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো ইচ্ছা ।
সেক্স ড্রাইভ হলো শারীরিক চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো মনের ইচ্ছা । সেক্স ড্রাইভ বায়োলজিক্যাল, সেক্স ডিজায়ার সাইকোলজিক্যাল ।
শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যে পরিবর্তনটি হয় - এটি সেক্স ড্রাইভ । আর এই সেক্স ড্রাইভের ফলে শরীর এবং মনের ইচ্ছাকে বলে সেক্স ডিজায়ার ।
সেক্স ড্রাইভ শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । কিন্তু সেক্স ডিজায়ারটি সময়, পরিস্হিতি, মুড অনুযায়ী পরিবর্তন হয়, কম-বেশি হয় । সেক্স ড্রাইভ থাকলেই সেক্স ডিজায়ার থাকবে, এমন কোনো কথা নেই । তাই অনেকের দেখা যায় শরীরে সেক্স ড্রাইভ আছে, কিন্তু সেক্স ডিজায়ার নেই । এমনটি সবচেয়ে বেশি ঘটে দম্পতিদের মাঝে ।
ছেলে এবং মেয়েদের শরীরে এড্যাল্টহুডে পরিবর্তন আসার পর সেক্স ডিজায়ার একদিকে যেমন একটি নরমাল এবং ন্যাচারাল ডিজায়ার হয়ে ওঠে, তেমনি সময় এবং বয়সভেদে শুরুর দিকে এটির তীব্রতা যেমন থাকে, একটি পরিণত বয়স একুশ থেকে পঁচিশে এটি পূর্ণতা পায়, চাহিদা সম্পূরক হয় এবং সেক্স ড্রাইভ এবং ডিজায়ার অনেক বেশি বেড়ে যায়, যা স্বাভাবিক ।
গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষ এবং মহিলা, দু' পক্ষেরই ৩০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতি বছর ১% করে সেক্স ড্রাইভ কমতে থাকে ।
বিয়ের পর পরই ছেলেদের সেক্স ড্রাইভ কিংবা ডিজায়ারে তেমন পরিবর্তন হয় না । কিন্তু দেখা যায় যে - বিয়ের দুই থেকে তিন বছর পর মেয়েদের সেক্স করার ইন্টারেস্ট কমে যায় অনেকের । মানে সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । কিন্তু ঠিকই শরীরে সেক্স ড্রাইভ থাকে । কিন্তু কেন এমন হয় ?
সেক্স ডিজায়ার বা সেক্স ইন্টারেস্ট মানে হলো সেক্স করার ইচ্ছা । এখানে সেক্সের ড্রাইভ বা চাহিদা কিন্তু কমে না, সেক্স ডিমান্ডও কমে না । শুধু যার সাথে থাকে, তার সাথে সেক্স করতে ইন্টারেস্ট জাগে না, ডিজায়ার জাগে না, শরীরে ইচ্ছে জাগে না মেয়েদের । অথচ দুজনের মাঝে ভালোবাসা যেন কানায় কানায় ভরা ! কিন্তু একে অপরের প্রতি সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । শরীরের ইচ্ছেটি মরে যায়, কিন্তু ড্রাইভ বা ক্ষুধা থাকে । যেমনটি অনেক সময় খাবারের ক্ষুধা আছে পেটে, কিন্তু খাবার খেতে ইচ্ছে করে না । কিন্তু কেন এমন হয় ?
ছেলেদেরও বিয়ের পর এমন সমস্যা হতে পারে । তবে তুলনামূলকভাবে শারীরিক অসুস্থতা বা অক্ষমতা ছাড়া ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের ক্ষেত্রে বিয়ে তেমন প্রভাব ফেলে না । বিয়ের পর ছেলেদের লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যা, জব স্ট্রেস, কিছু রোগ, ইন্টারপার্সোনাল রিলেশনশিপে সমস্যা, নিজের পরিবার এবং এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলির রেস্পন্সিবিলিটি, সোশ্যাল কম্পিটিশন, পিয়ার প্রেসার, ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টাবিলিটি, ড্র্যাগ এবং এলকোহল এডিকশন, এসবের কারণে সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যেতে থাকে কিংবা কমে যেতে পারে ।
বিয়ের পর কিংবা বিয়ের আগে ছেলে কিংবা মেয়েদের এমন সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যাওয়ার ব্যাপারটিকে মেডিক্যালের ভাষায় বলে -
Hypoactive sexual desire disorder (HSDD) ।
এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলাদের ৩২% এমন ধরনের সেক্সচুয়াল ডিজফাংকশনে ভুগেন । তার মানে প্রতি তিন জন মেয়ের একজনের সেক্স ডিজায়ারে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং দেখা দেয় ।
এ ক্ষেত্রে ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের কমতি নেই তেমন । সেক্স ডিজফাংশনে ছেলেদের সমস্যা বেশি হয় ফিজিওলোজিক্যাল বেশি, যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংসনে । মেয়েদের ডিজফাংশনটি মূলত সাইকোলজিক্যাল বেশি ।
এই কারণে ছেলেদের সেক্সুয়াল ডিজফাংশনটির ফিজিক্যাল সমস্যা থাকার কারণে সেটির যথাযথ মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট নিলে ঠিক হয়ে যায় । কিন্তু মেয়েদের সমস্যাটি সাইকোলোজিক্যাল হওয়ার কারণে কোনো মেডিসিন খেয়ে তার সহজ সমাধান হয় না ।
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
London, England
সব মানুষের জীবনে দুটি পর্ব থাকে । শিশুকাল এবং পরিণতকাল । মাঝে এক পর্ব থেকে আরেক পর্বে যাওয়ার সময়টিকে বলে পিউবার্টি । এই সময় ছেলে এবং মেয়ে, দু'জনের শরীরে কিছু পরিবর্তন হয় । ছেলেদের মুখে দাড়ি-মোচ উঠে, গলার স্বর ভারী হতে শুরু করে । মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়, বুকে স্তন্য দেখা দেয় । মেয়েদের শরীরে এই পরিবর্তনটি ছেলেদের এক থেকে দুই বছর আগে শুরু হয় ।
মেয়েদের গড়ে ১০ বা ১১ বছরে, ছেলেদের গড়ে ১২ বা ১৩ বছর বয়স থেকে পিউবার্টি শুরু হয় । আবার এটি একেকজনের একেক সময়ে হয়, বা শুরু হতে দেরী হতে পারে । কোনো কোনো মেয়ের ৯ বছরেও শুরু হতে পারে, আবার কারো ১৩/১৪ তে গিয়েও হয় ! তেমনি ছেলেদেরও গড়ে ১২ তে শুরু হলেও কারও কারও ১৪/১৫ তেও হতে পারে । এই পার্থক্যগুলো নরমাল । পিউবার্টির পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে ছেলে এবং মেয়ে, দু পক্ষেরই গড়ে চার বছর সময় লাগে ।
শরীরের বাহিরে এই পরিবর্তনের ফলে উভয়ের শরীরে আরও কিছু পরিবর্তন দেখা দেয় । সেটা হলো : সেক্স ডিজায়ার এবং সেক্স ড্রাইভ । এই পরিবর্তন স্বাভাবিক ।
সেক্স ড্রাইভ এবং সেক্স ডিজায়ার, দুটো বিষয় অনেকে গোলমাল করে ফেলে । সেক্স ড্রাইভ হলো চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো ইচ্ছা ।
সেক্স ড্রাইভ হলো শারীরিক চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো মনের ইচ্ছা । সেক্স ড্রাইভ বায়োলজিক্যাল, সেক্স ডিজায়ার সাইকোলজিক্যাল ।
শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যে পরিবর্তনটি হয় - এটি সেক্স ড্রাইভ । আর এই সেক্স ড্রাইভের ফলে শরীর এবং মনের ইচ্ছাকে বলে সেক্স ডিজায়ার ।
সেক্স ড্রাইভ শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । কিন্তু সেক্স ডিজায়ারটি সময়, পরিস্হিতি, মুড অনুযায়ী পরিবর্তন হয়, কম-বেশি হয় । সেক্স ড্রাইভ থাকলেই সেক্স ডিজায়ার থাকবে, এমন কোনো কথা নেই । তাই অনেকের দেখা যায় শরীরে সেক্স ড্রাইভ আছে, কিন্তু সেক্স ডিজায়ার নেই । এমনটি সবচেয়ে বেশি ঘটে দম্পতিদের মাঝে ।
ছেলে এবং মেয়েদের শরীরে এড্যাল্টহুডে পরিবর্তন আসার পর সেক্স ডিজায়ার একদিকে যেমন একটি নরমাল এবং ন্যাচারাল ডিজায়ার হয়ে ওঠে, তেমনি সময় এবং বয়সভেদে শুরুর দিকে এটির তীব্রতা যেমন থাকে, একটি পরিণত বয়স একুশ থেকে পঁচিশে এটি পূর্ণতা পায়, চাহিদা সম্পূরক হয় এবং সেক্স ড্রাইভ এবং ডিজায়ার অনেক বেশি বেড়ে যায়, যা স্বাভাবিক ।
গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষ এবং মহিলা, দু' পক্ষেরই ৩০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতি বছর ১% করে সেক্স ড্রাইভ কমতে থাকে ।
বিয়ের পর পরই ছেলেদের সেক্স ড্রাইভ কিংবা ডিজায়ারে তেমন পরিবর্তন হয় না । কিন্তু দেখা যায় যে - বিয়ের দুই থেকে তিন বছর পর মেয়েদের সেক্স করার ইন্টারেস্ট কমে যায় অনেকের । মানে সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । কিন্তু ঠিকই শরীরে সেক্স ড্রাইভ থাকে । কিন্তু কেন এমন হয় ?
সেক্স ডিজায়ার বা সেক্স ইন্টারেস্ট মানে হলো সেক্স করার ইচ্ছা । এখানে সেক্সের ড্রাইভ বা চাহিদা কিন্তু কমে না, সেক্স ডিমান্ডও কমে না । শুধু যার সাথে থাকে, তার সাথে সেক্স করতে ইন্টারেস্ট জাগে না, ডিজায়ার জাগে না, শরীরে ইচ্ছে জাগে না মেয়েদের । অথচ দুজনের মাঝে ভালোবাসা যেন কানায় কানায় ভরা ! কিন্তু একে অপরের প্রতি সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । শরীরের ইচ্ছেটি মরে যায়, কিন্তু ড্রাইভ বা ক্ষুধা থাকে । যেমনটি অনেক সময় খাবারের ক্ষুধা আছে পেটে, কিন্তু খাবার খেতে ইচ্ছে করে না । কিন্তু কেন এমন হয় ?
ছেলেদেরও বিয়ের পর এমন সমস্যা হতে পারে । তবে তুলনামূলকভাবে শারীরিক অসুস্থতা বা অক্ষমতা ছাড়া ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের ক্ষেত্রে বিয়ে তেমন প্রভাব ফেলে না । বিয়ের পর ছেলেদের লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যা, জব স্ট্রেস, কিছু রোগ, ইন্টারপার্সোনাল রিলেশনশিপে সমস্যা, নিজের পরিবার এবং এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলির রেস্পন্সিবিলিটি, সোশ্যাল কম্পিটিশন, পিয়ার প্রেসার, ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টাবিলিটি, ড্র্যাগ এবং এলকোহল এডিকশন, এসবের কারণে সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যেতে থাকে কিংবা কমে যেতে পারে ।
বিয়ের পর কিংবা বিয়ের আগে ছেলে কিংবা মেয়েদের এমন সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যাওয়ার ব্যাপারটিকে মেডিক্যালের ভাষায় বলে -
Hypoactive sexual desire disorder (HSDD) ।
এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলাদের ৩২% এমন ধরনের সেক্সচুয়াল ডিজফাংকশনে ভুগেন । তার মানে প্রতি তিন জন মেয়ের একজনের সেক্স ডিজায়ারে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং দেখা দেয় ।
এ ক্ষেত্রে ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের কমতি নেই তেমন । সেক্স ডিজফাংশনে ছেলেদের সমস্যা বেশি হয় ফিজিওলোজিক্যাল বেশি, যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংসনে । মেয়েদের ডিজফাংশনটি মূলত সাইকোলজিক্যাল বেশি ।
এই কারণে ছেলেদের সেক্সুয়াল ডিজফাংশনটির ফিজিক্যাল সমস্যা থাকার কারণে সেটির যথাযথ মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট নিলে ঠিক হয়ে যায় । কিন্তু মেয়েদের সমস্যাটি সাইকোলোজিক্যাল হওয়ার কারণে কোনো মেডিসিন খেয়ে তার সহজ সমাধান হয় না ।
বিয়ের পর মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় কেন, তার বুলেট পয়েন্ট কারণগুলো বলার আগে আরেকটি ব্যাপার পরিষ্কার হওয়া দরকার ।
অনেকে মনে করে - সেক্স ইন্টারেস্ট মানে আরেকজনের সাথে সেক্স করা । ব্যাপারটি তা নয় । সেক্সচুয়াল থিংকিং আসা, সেটি ভাবতে গিয়ে চার্ম পাওয়া, ডে ড্রিমিং করা, ইরোটিক ফ্যান্টাসি আসা, সেক্স না করেও কারও প্রতি সেক্স এট্রাকশন আসা, সবই স্বাভাবিক এবং এসব না আসাই সেক্সচুয়াল ডিজফাংশনের অংশ, সেক্স ডিজায়ার কম থাকা বা কমে যাওয়া, সেক্স ইন্টারেস্ট না থাকা এবং সর্বোপরি Hypoactive sexual desire disorder সমস্যায় ভুগা ।
বেশ কয়েকটি কারণে বিয়ের পর মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় ।
এক. মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট বা ডিজায়ার মুডের উপর নির্ভর করে বেশি । মুড মেয়েদের মোটিভেট্যাড্ করে সেক্সের ক্ষেত্রে অনেকখানি । বিয়ের পর সাংসারিক ব্যস্ততা এবং বিচিত্রতা এই মুডকে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করে । সিঙ্গেল থাকা অবস্থায় লাইফ অনেক মনোটোনাস থাকে মেয়েদের ।
দুই. মাতৃত্ব মেয়েদেরকে সেক্সের ব্যাপারে সাবকনসাসলি ডিমোটিভেটেড করে । এর কারণ, সমাজ । সমাজে মাদারহুড কনসেপ্টটি একধরনের ডিসেকচুয়েলাইজ সিম্বল । মা হওয়ার পর মেয়েদের শরীর এবং মনে ভিন্ন একটি মানসিক টার্ন নেয় । এই জন্যে দেখা যায়, ছেলে-মেয়েরা একটু বড় হতে থাকলে বাবা-মা আলাদা বিছানায় ঘুমোতে শুরু করেন, যা তাদের সেক্স ইন্টারেস্টকে আরও কমিয়ে দেয় ।
তিন. স্ত্রী যদি বার বার কোনো অজুহাত তুলেন যে - তার কিছু করতে ইচ্ছে করছে না, বা শরীর ভালো না, এমন সময়গুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে মেয়েরা যখন ইমোশনালি তার হাজব্যান্ড কিংবা পার্টনারের সাথে কানেক্ট করতে পারে না, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । সরাসরি বললে সংসারের ক্ষতি হবে ভেবে কোনো একটা অজুহাত তুলে কেবল এড়িয়ে যেতে চায় । কিন্তু আসল না করার ইচ্ছাটি গোপন রাখে ।
চার. কোনো মানসিক পীড়া, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা দীর্ঘদিন একনাগাড়ে চলতে থাকলে মেয়েরা সেক্সে ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে ।
পাঁচ. সেক্স ড্রাইভকে বলে লিবিডো । কখনো কখনো সময় এবং পরিস্থিতি ভেবে লিবিডো কম-বেশি হওয়া স্বাভাবিক । কিন্তু যখন শরীরের মাঝে কোনো রোগ থাকে, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । যেমন থাইরয়েড সমস্যা, বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, ক্যান্সার, আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস , ক্রনিক স্ট্রেস, হরমোন ইমব্যালেন্স, কিছু মেডিসিন খেলে লিবিডো কমে যেতে পারে, যেমন : এন্টিহিস্টামিন, ব্লাড প্রেশার মেডিসিন কিংবা আন্টি ডিপ্রেসেন্ট মেডিসন । জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে প্রতি দশ জনের মধ্যে দুই জনের উল্টো সেক্স ড্রাইভে কমে যায় । শরীরে আয়রন কম থাকলে বা এনিমিক হলে লিবিডো কম থাকতে পারে ।
ছয়. ইন্টার্নালি ইন্টিমেসি গ্যাপ বেশি, কিন্তু এক্সটার্নালি বেশি এক্সপোসড লাইফ মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে অনেক সময় ডিএকটিভ করে দেয় । বিশেষ করে চাকুরীজীবি মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয় । এর কারণটিও স্বাভাবিক । মেয়েরা চাকুরী করলেও সংসারের কাজগুলো কিন্তু তাদের কমে না । একটি মেয়েকে তিনটি সেক্টরে কাজ করতে হয় তখন । কিন্তু পুরুষরা কেবল ঘরের বাহিরে চাকুরী করলেই দায়িত্ব যেন শেষ । মেয়েরা চাকুরী করলে অফিসে কাজ শেষ করে সংসারের কাজ গুলিও করতে হয়, বাচ্চাদের দেখা শোনাও করতে হয় । দিনশেষে নিজের ইচ্ছার কোনো দাম থাকে না । না পেতে পেতে আর চাওয়া হয় না, মন আর পেতেও চায় না।
সাত. একেকটি মানুষের সেক্স সিগন্যাল একেক রকম । একটি মেয়েরও তাই । বেশিরভাগ দাম্পত্য জীবনে স্বামী বা পার্টনার এটি বুঝে না । মেয়েটি তার মতো সেক্স সিগন্যাল না পেলে স্টিমুলেটেড হবে না । বিয়ের পর মেয়েরা এমন করে তাদের সেক্স সিগন্যালটি না পেয়ে পেয়ে একসময় ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে । সেটা নিজের ডিজায়ারের প্রতি, সেটা পার্টনারের প্রতি, এমনকি সেটা নিজের ড্রাইভের প্রতিও ইন্টারেস্টলেস হয়ে উঠতে পারে ।
অনেকে মনে করে - সেক্স ইন্টারেস্ট মানে আরেকজনের সাথে সেক্স করা । ব্যাপারটি তা নয় । সেক্সচুয়াল থিংকিং আসা, সেটি ভাবতে গিয়ে চার্ম পাওয়া, ডে ড্রিমিং করা, ইরোটিক ফ্যান্টাসি আসা, সেক্স না করেও কারও প্রতি সেক্স এট্রাকশন আসা, সবই স্বাভাবিক এবং এসব না আসাই সেক্সচুয়াল ডিজফাংশনের অংশ, সেক্স ডিজায়ার কম থাকা বা কমে যাওয়া, সেক্স ইন্টারেস্ট না থাকা এবং সর্বোপরি Hypoactive sexual desire disorder সমস্যায় ভুগা ।
বেশ কয়েকটি কারণে বিয়ের পর মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় ।
এক. মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট বা ডিজায়ার মুডের উপর নির্ভর করে বেশি । মুড মেয়েদের মোটিভেট্যাড্ করে সেক্সের ক্ষেত্রে অনেকখানি । বিয়ের পর সাংসারিক ব্যস্ততা এবং বিচিত্রতা এই মুডকে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করে । সিঙ্গেল থাকা অবস্থায় লাইফ অনেক মনোটোনাস থাকে মেয়েদের ।
দুই. মাতৃত্ব মেয়েদেরকে সেক্সের ব্যাপারে সাবকনসাসলি ডিমোটিভেটেড করে । এর কারণ, সমাজ । সমাজে মাদারহুড কনসেপ্টটি একধরনের ডিসেকচুয়েলাইজ সিম্বল । মা হওয়ার পর মেয়েদের শরীর এবং মনে ভিন্ন একটি মানসিক টার্ন নেয় । এই জন্যে দেখা যায়, ছেলে-মেয়েরা একটু বড় হতে থাকলে বাবা-মা আলাদা বিছানায় ঘুমোতে শুরু করেন, যা তাদের সেক্স ইন্টারেস্টকে আরও কমিয়ে দেয় ।
তিন. স্ত্রী যদি বার বার কোনো অজুহাত তুলেন যে - তার কিছু করতে ইচ্ছে করছে না, বা শরীর ভালো না, এমন সময়গুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে মেয়েরা যখন ইমোশনালি তার হাজব্যান্ড কিংবা পার্টনারের সাথে কানেক্ট করতে পারে না, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । সরাসরি বললে সংসারের ক্ষতি হবে ভেবে কোনো একটা অজুহাত তুলে কেবল এড়িয়ে যেতে চায় । কিন্তু আসল না করার ইচ্ছাটি গোপন রাখে ।
চার. কোনো মানসিক পীড়া, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা দীর্ঘদিন একনাগাড়ে চলতে থাকলে মেয়েরা সেক্সে ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে ।
পাঁচ. সেক্স ড্রাইভকে বলে লিবিডো । কখনো কখনো সময় এবং পরিস্থিতি ভেবে লিবিডো কম-বেশি হওয়া স্বাভাবিক । কিন্তু যখন শরীরের মাঝে কোনো রোগ থাকে, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । যেমন থাইরয়েড সমস্যা, বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, ক্যান্সার, আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস , ক্রনিক স্ট্রেস, হরমোন ইমব্যালেন্স, কিছু মেডিসিন খেলে লিবিডো কমে যেতে পারে, যেমন : এন্টিহিস্টামিন, ব্লাড প্রেশার মেডিসিন কিংবা আন্টি ডিপ্রেসেন্ট মেডিসন । জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে প্রতি দশ জনের মধ্যে দুই জনের উল্টো সেক্স ড্রাইভে কমে যায় । শরীরে আয়রন কম থাকলে বা এনিমিক হলে লিবিডো কম থাকতে পারে ।
ছয়. ইন্টার্নালি ইন্টিমেসি গ্যাপ বেশি, কিন্তু এক্সটার্নালি বেশি এক্সপোসড লাইফ মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে অনেক সময় ডিএকটিভ করে দেয় । বিশেষ করে চাকুরীজীবি মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয় । এর কারণটিও স্বাভাবিক । মেয়েরা চাকুরী করলেও সংসারের কাজগুলো কিন্তু তাদের কমে না । একটি মেয়েকে তিনটি সেক্টরে কাজ করতে হয় তখন । কিন্তু পুরুষরা কেবল ঘরের বাহিরে চাকুরী করলেই দায়িত্ব যেন শেষ । মেয়েরা চাকুরী করলে অফিসে কাজ শেষ করে সংসারের কাজ গুলিও করতে হয়, বাচ্চাদের দেখা শোনাও করতে হয় । দিনশেষে নিজের ইচ্ছার কোনো দাম থাকে না । না পেতে পেতে আর চাওয়া হয় না, মন আর পেতেও চায় না।
সাত. একেকটি মানুষের সেক্স সিগন্যাল একেক রকম । একটি মেয়েরও তাই । বেশিরভাগ দাম্পত্য জীবনে স্বামী বা পার্টনার এটি বুঝে না । মেয়েটি তার মতো সেক্স সিগন্যাল না পেলে স্টিমুলেটেড হবে না । বিয়ের পর মেয়েরা এমন করে তাদের সেক্স সিগন্যালটি না পেয়ে পেয়ে একসময় ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে । সেটা নিজের ডিজায়ারের প্রতি, সেটা পার্টনারের প্রতি, এমনকি সেটা নিজের ড্রাইভের প্রতিও ইন্টারেস্টলেস হয়ে উঠতে পারে ।
😢1
ব্রণ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা নয়, এটি আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। আসুন জেনে নিই ব্রণের কারণ, লক্ষণ, পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপস, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসা।
✅ ব্রণের কারণ:
✔ অতিরিক্ত তেল উৎপাদন (Sebum)
✔ রোমকূপ বন্ধ হওয়া
✔ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
✔ হরমোনের পরিবর্তন
✔ ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও দুগ্ধজাত খাবার
✔ মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
✔ অস্বাস্থ্যকর প্রসাধনী ব্যবহার
🔴 ব্রণের লক্ষণ:
✔ লালচে ফোলাভাব
✔ ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস
✔ পুঁজযুক্ত ব্রণ
✔ দাগ ও চুলকানি
🟩 ঘরোয়া টিপস ও ব্যবহার পদ্ধতি
✔ লেবু ও মধু
ব্যবহার: লেবুর রস ও মধু সমপরিমাণ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দিনে ১ বার ব্যবহার করুন।
✔ টমেটোর রস
ব্যবহার: টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করে ও ব্রণ কমায়। সপ্তাহে ৩-৪ বার ব্যবহার করুন।
✔ অ্যালোভেরা জেল
ব্যবহার: রাতে মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রেখে দিন এবং সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।
✔ বেসন ও দই প্যাক
ব্যবহার: বেসন ১ টেবিল চামচ, দই ১ চা চামচ ও সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।
✔ বরফ
ব্যবহার: বরফের টুকরো পরিষ্কার কাপড়ে মুড়ে ব্রণের উপর ১-২ মিনিট ধরে রাখুন। দিনে ২ বার করুন।
✔ নিম পাতা পেস্ট
ব্যবহার: কিছু নিম পাতা বেটে ব্রণের উপর লাগান এবং ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার ব্যবহার করুন।
✔ নিম (Neem Capsules / Powder / Juice)
খাওয়ার নিয়ম:
নিম পাউডার: ১ চা চামচ দিনে ২ বার খেতে পারেন।
নিম ক্যাপসুল: ১-২টি ক্যাপসুল দিনে ২ বার খাবারের পরে।
নিম রস: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ চামচ পান করুন।
✔ ত্রিফলা চূর্ণ (Triphala Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১ চা চামচ রাতে হালকা গরম পানির সাথে পান করুন।
এটি রক্ত পরিষ্কার করে এবং হজম ভালো রাখে, ফলে ব্রণ কমে।
✔ হলুদ (Turmeric Capsules / Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো উষ্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে পান করুন।
✔ চন্দন (Sandalwood Powder / Paste)
ব্যবহার:
চন্দন গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়ক।
(চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টিপসগুলো ফলো করতে হবে )
🟩 হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও খাওয়ার নিয়ম
✔ Silicea 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি ব্রণ শুকিয়ে যেতে সাহায্য করে।
✔ Hepar Sulph 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা হালকা গরম পানির সাথে খেতে হবে। এটি পুঁজযুক্ত ব্রণের জন্য কার্যকর।
✔ Kali Bromatum 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা করে খেতে হবে। এটি মুখ, পিঠ ও বুকের ব্রণের জন্য কার্যকর।
✔ Natrum Mur 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী।
✔ Sulphur 30
খাওয়ার নিয়ম: সকালে খালি পেটে ৫ ফোঁটা ১ গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খান। এটি ব্রণের ফোলা ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।
✔ Berberis Aquifolium Q (মাদার টিংচার)
ব্যবহার:
দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানি বা ১ চা চামচ গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান।
এটি ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
✔ Echinacea Q (মাদার টিংচার)
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও রক্ত বিশুদ্ধ করে।
(সকল ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে)
⚠️ পরামর্শ:
✅ ত্বক পরিষ্কার রাখুন, প্রসাধনী কম ব্যবহার করুন।
✅ পর্যাপ্ত পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস)।
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।
✅ স্ট্রেস কমান, নিয়মিত ঘুমান।
✅ দীর্ঘস্থায়ী ব্রণ হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন! 💚
🔄 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও উপকৃত হতে পারে! 💙
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
✅ ব্রণের কারণ:
✔ অতিরিক্ত তেল উৎপাদন (Sebum)
✔ রোমকূপ বন্ধ হওয়া
✔ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
✔ হরমোনের পরিবর্তন
✔ ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও দুগ্ধজাত খাবার
✔ মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
✔ অস্বাস্থ্যকর প্রসাধনী ব্যবহার
🔴 ব্রণের লক্ষণ:
✔ লালচে ফোলাভাব
✔ ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস
✔ পুঁজযুক্ত ব্রণ
✔ দাগ ও চুলকানি
🟩 ঘরোয়া টিপস ও ব্যবহার পদ্ধতি
✔ লেবু ও মধু
ব্যবহার: লেবুর রস ও মধু সমপরিমাণ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দিনে ১ বার ব্যবহার করুন।
✔ টমেটোর রস
ব্যবহার: টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করে ও ব্রণ কমায়। সপ্তাহে ৩-৪ বার ব্যবহার করুন।
✔ অ্যালোভেরা জেল
ব্যবহার: রাতে মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রেখে দিন এবং সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।
✔ বেসন ও দই প্যাক
ব্যবহার: বেসন ১ টেবিল চামচ, দই ১ চা চামচ ও সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।
✔ বরফ
ব্যবহার: বরফের টুকরো পরিষ্কার কাপড়ে মুড়ে ব্রণের উপর ১-২ মিনিট ধরে রাখুন। দিনে ২ বার করুন।
✔ নিম পাতা পেস্ট
ব্যবহার: কিছু নিম পাতা বেটে ব্রণের উপর লাগান এবং ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার ব্যবহার করুন।
✔ নিম (Neem Capsules / Powder / Juice)
খাওয়ার নিয়ম:
নিম পাউডার: ১ চা চামচ দিনে ২ বার খেতে পারেন।
নিম ক্যাপসুল: ১-২টি ক্যাপসুল দিনে ২ বার খাবারের পরে।
নিম রস: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ চামচ পান করুন।
✔ ত্রিফলা চূর্ণ (Triphala Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১ চা চামচ রাতে হালকা গরম পানির সাথে পান করুন।
এটি রক্ত পরিষ্কার করে এবং হজম ভালো রাখে, ফলে ব্রণ কমে।
✔ হলুদ (Turmeric Capsules / Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো উষ্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে পান করুন।
✔ চন্দন (Sandalwood Powder / Paste)
ব্যবহার:
চন্দন গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়ক।
(চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টিপসগুলো ফলো করতে হবে )
🟩 হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও খাওয়ার নিয়ম
✔ Silicea 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি ব্রণ শুকিয়ে যেতে সাহায্য করে।
✔ Hepar Sulph 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা হালকা গরম পানির সাথে খেতে হবে। এটি পুঁজযুক্ত ব্রণের জন্য কার্যকর।
✔ Kali Bromatum 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা করে খেতে হবে। এটি মুখ, পিঠ ও বুকের ব্রণের জন্য কার্যকর।
✔ Natrum Mur 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী।
✔ Sulphur 30
খাওয়ার নিয়ম: সকালে খালি পেটে ৫ ফোঁটা ১ গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খান। এটি ব্রণের ফোলা ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।
✔ Berberis Aquifolium Q (মাদার টিংচার)
ব্যবহার:
দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানি বা ১ চা চামচ গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান।
এটি ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
✔ Echinacea Q (মাদার টিংচার)
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও রক্ত বিশুদ্ধ করে।
(সকল ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে)
⚠️ পরামর্শ:
✅ ত্বক পরিষ্কার রাখুন, প্রসাধনী কম ব্যবহার করুন।
✅ পর্যাপ্ত পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস)।
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।
✅ স্ট্রেস কমান, নিয়মিত ঘুমান।
✅ দীর্ঘস্থায়ী ব্রণ হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন! 💚
🔄 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও উপকৃত হতে পারে! 💙
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
❤1👍1
বীর্যের গুণমান (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) বৃদ্ধির জন্য চিন্তিত ?
🟩 ঘরোয়া টিপস:
✅ দুধ ও মধু: প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
✅ খেজুর ও বাদাম: ৩-৫টি খেজুর ও ৪-৫টি কাঠবাদাম রাতে পানিতে ভিজিয়ে সকালে খান।
✅ তিলের বীজ ও মধু: কালো তিল গুঁড়ো করে মধুর সঙ্গে খেলে শুক্রাণুর গুণমান বৃদ্ধি পায়।
✅ রসুন ও আদা: প্রতিদিন খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
✅ ডিম ও কলা: সঠিক হরমোনের ব্যালেন্স ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য এগুলো খাওয়া জরুরি।
🟩 আয়ুর্বেদিক টিপস:
🌿 অশ্বগন্ধা (Ashwagandha) - Withania somnifera: এটি শক্তি ও বীর্যের মান উন্নত করে।
🌿 শতাবরী (Shatavari) - Asparagus racemosus: পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।
🌿 গোক্ষুর (Gokshura) - Tribulus terrestris: প্রাকৃতিক টেস্টোস্টেরন বুস্টার হিসেবে কাজ করে।
🌿 সফেদ মুসলি (Safed Musli) - Chlorophytum borivilianum: শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।
🟩 ব্যায়াম ও অভ্যাস:
🏋️♂️ স্কোয়াট (Squat) করার পদ্ধতি:
দুই পা কাঁধ-প্রসারিত অবস্থানে রাখুন।
কোমর নিচু করে বসুন, যেন হাঁটু ৯০° অ্যাঙ্গেলে থাকে।
পিঠ সোজা রেখে উঠুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন।
প্রতিদিন ১৫-২০ বার করুন।
🏋️♂️ কেগেল ব্যায়াম (Kegel Exercise) করার পদ্ধতি:
প্রস্রাবের ধারা নিয়ন্ত্রণের মতো অনুভূতি তৈরি করুন এবং পেশি টানটান করুন।
৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর ছেড়ে দিন।
দিনে ১০-১৫ বার করুন।
🏃♂️ যোগব্যায়াম (Yoga) করার পদ্ধতি:
★ বজ্রাসন (Vajrasana): খাবার পর ৫-১০ মিনিট বসুন, এটি হজম ভালো করে এবং শুক্রাণুর মান উন্নত করে।
★ পদ্মাসন (Padmasana): পায়ের তালু উরুর ওপরে রেখে বসুন, এটি মনোযোগ ও শক্তি বৃদ্ধি করে।
★ ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম (Bhastrika Pranayama): গভীর শ্বাস নিন ও ছাড়ুন, এটি রক্ত সঞ্চালন ভালো করে।
💤 পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
🚫 ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন: এগুলো শুক্রাণুর মান কমিয়ে দেয়।
🍎 স্বাস্থ্যকর খাবার খান: সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।
এই সহজ ও কার্যকর টিপস মেনে চললে বীর্যের মান ও পরিমাণ দুটোই বৃদ্ধি পাবে। শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে সচেতন হোন!
শেয়ার করুন, যেন অন্যরাও উপকৃত হয়!
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
🟩 ঘরোয়া টিপস:
✅ দুধ ও মধু: প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
✅ খেজুর ও বাদাম: ৩-৫টি খেজুর ও ৪-৫টি কাঠবাদাম রাতে পানিতে ভিজিয়ে সকালে খান।
✅ তিলের বীজ ও মধু: কালো তিল গুঁড়ো করে মধুর সঙ্গে খেলে শুক্রাণুর গুণমান বৃদ্ধি পায়।
✅ রসুন ও আদা: প্রতিদিন খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
✅ ডিম ও কলা: সঠিক হরমোনের ব্যালেন্স ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য এগুলো খাওয়া জরুরি।
🟩 আয়ুর্বেদিক টিপস:
🌿 অশ্বগন্ধা (Ashwagandha) - Withania somnifera: এটি শক্তি ও বীর্যের মান উন্নত করে।
🌿 শতাবরী (Shatavari) - Asparagus racemosus: পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।
🌿 গোক্ষুর (Gokshura) - Tribulus terrestris: প্রাকৃতিক টেস্টোস্টেরন বুস্টার হিসেবে কাজ করে।
🌿 সফেদ মুসলি (Safed Musli) - Chlorophytum borivilianum: শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।
🟩 ব্যায়াম ও অভ্যাস:
🏋️♂️ স্কোয়াট (Squat) করার পদ্ধতি:
দুই পা কাঁধ-প্রসারিত অবস্থানে রাখুন।
কোমর নিচু করে বসুন, যেন হাঁটু ৯০° অ্যাঙ্গেলে থাকে।
পিঠ সোজা রেখে উঠুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন।
প্রতিদিন ১৫-২০ বার করুন।
🏋️♂️ কেগেল ব্যায়াম (Kegel Exercise) করার পদ্ধতি:
প্রস্রাবের ধারা নিয়ন্ত্রণের মতো অনুভূতি তৈরি করুন এবং পেশি টানটান করুন।
৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর ছেড়ে দিন।
দিনে ১০-১৫ বার করুন।
🏃♂️ যোগব্যায়াম (Yoga) করার পদ্ধতি:
★ বজ্রাসন (Vajrasana): খাবার পর ৫-১০ মিনিট বসুন, এটি হজম ভালো করে এবং শুক্রাণুর মান উন্নত করে।
★ পদ্মাসন (Padmasana): পায়ের তালু উরুর ওপরে রেখে বসুন, এটি মনোযোগ ও শক্তি বৃদ্ধি করে।
★ ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম (Bhastrika Pranayama): গভীর শ্বাস নিন ও ছাড়ুন, এটি রক্ত সঞ্চালন ভালো করে।
💤 পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
🚫 ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন: এগুলো শুক্রাণুর মান কমিয়ে দেয়।
🍎 স্বাস্থ্যকর খাবার খান: সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।
এই সহজ ও কার্যকর টিপস মেনে চললে বীর্যের মান ও পরিমাণ দুটোই বৃদ্ধি পাবে। শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে সচেতন হোন!
শেয়ার করুন, যেন অন্যরাও উপকৃত হয়!
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
❤3👍3
মেয়েদের শত্রু মেয়েরাই!
লাস্ট কয়েকদিন সাইবার ক্রাইম নিয়ে এতো এতো কেইস ডিটেইলস পাচ্ছি, যে এর বাইরে অন্য কোনো টপিক-ই পাচ্ছিনা শেয়ার করার মতো। প্রতিদিন নতুন নতুন অস্বাভাবিক-অমানবিক তথ্য-প্রমান পাচ্ছি!
সম্প্রতি আমরা এক মেয়ে কালপ্রিটের সন্ধান পাই, যে কিনা তার রুম-মেট, ফ্রেন্ডস এমনকি তার নিজের আপন বড় বোনের অপ্রস্তুত মুহুর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দী করে নিজের বয়ফ্রেন্ডকে পাঠায়! এবং , সেগুলো দেখে তারা ফ্যান্টাসি পূরন করে!
নিজের বড় বোন, তার বাচ্চাকে ব্রেস্ট-ফিডিং করাচ্ছে, সেই ছবিও গোপনে ধারণ করে পাঠাচ্ছে, বয়ফ্রেন্ডকে!!
রুমমেটরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, বা বসে আড্ডা দেওয়া অবস্থায় অপরিপূর্ণ পোশাকে থাকা ছবিও তুলে পাঠাচ্ছে তার বয়ফ্রেন্ডকে!
অবশ্য, এর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ চলছে!
তবে এই বিকৃত মস্তিষ্ককে কি বলবেন আপনি?
আপনি বা আমি কি, আমাদের পরিবারের সদস্য বা রুম-মেটডের কাছে নিরাপদ?
@Abdullah Al Imran
লাস্ট কয়েকদিন সাইবার ক্রাইম নিয়ে এতো এতো কেইস ডিটেইলস পাচ্ছি, যে এর বাইরে অন্য কোনো টপিক-ই পাচ্ছিনা শেয়ার করার মতো। প্রতিদিন নতুন নতুন অস্বাভাবিক-অমানবিক তথ্য-প্রমান পাচ্ছি!
সম্প্রতি আমরা এক মেয়ে কালপ্রিটের সন্ধান পাই, যে কিনা তার রুম-মেট, ফ্রেন্ডস এমনকি তার নিজের আপন বড় বোনের অপ্রস্তুত মুহুর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দী করে নিজের বয়ফ্রেন্ডকে পাঠায়! এবং , সেগুলো দেখে তারা ফ্যান্টাসি পূরন করে!
নিজের বড় বোন, তার বাচ্চাকে ব্রেস্ট-ফিডিং করাচ্ছে, সেই ছবিও গোপনে ধারণ করে পাঠাচ্ছে, বয়ফ্রেন্ডকে!!
রুমমেটরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, বা বসে আড্ডা দেওয়া অবস্থায় অপরিপূর্ণ পোশাকে থাকা ছবিও তুলে পাঠাচ্ছে তার বয়ফ্রেন্ডকে!
অবশ্য, এর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ চলছে!
তবে এই বিকৃত মস্তিষ্ককে কি বলবেন আপনি?
আপনি বা আমি কি, আমাদের পরিবারের সদস্য বা রুম-মেটডের কাছে নিরাপদ?
@Abdullah Al Imran
😢7👍1
স্বপ্নদোষ (Nightfall), চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে Nocturnal Emission বলা হয়, তা মূলত যৌবনের একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হওয়া বোঝায়, যা ছেলেদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা গেলেও কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদেরও হতে পারে (যদিও সেটা আলাদা উপায়ে)। তবে যখন এটি বারবার ঘটে, তখন এটি শারীরিক ও মানসিক উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের সম্ভাব্য কারণসমূহঃ
★ মস্তিষ্কে অতিরিক্ত যৌন উদ্দীপনা – বিশেষ করে অশ্লীল ভিডিও, ছবি বা কনটেন্ট দেখার ফলে।
★ কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা – পেটে গ্যাস থাকলে তলপেটে চাপ পড়ে যা বীর্য নির্গমনে প্রভাব ফেলতে পারে।
★ অতিরিক্ত প্রোটিন বা উত্তেজক খাবার যেমন: লাল মাংস, ডিম, দুধ, কফি বা ঝাল খাবার।
★ মানসিক চাপ, একাকীত্ব ও দুশ্চিন্তা – এগুলো আমাদের হরমোন ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে।
★ অতিরিক্ত ঘুম, অলসতা বা রাত জাগা।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
রেম (REM) ঘুমের সময় পুরুষদের স্বাভাবিকভাবে ৩-৫ বার ইরেকশন হয়। যৌনচিন্তা, উত্তেজনা বা হরমোনের প্রভাবে এই সময়ে স্বপ্নদোষ ঘটে থাকে। এটি একটি প্রাকৃতিক শারীরিক রিলিজ পদ্ধতি, কিন্তু অতিরিক্ত হলে হরমোনাল ভারসাম্য বা স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
ঘরোয়া টিপস ও সমাধান:
★ তুলসী পাতা: এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মানসিক প্রশান্তিদায়ক উপাদান, যা স্নায়ু শান্ত রাখে।
★ ত্রিফলা চূর্ণ: হজম ও অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন রাতে ১ চা চামচ কুসুম গরম পানির সাথে খেতে পারেন।
★ আঁশযুক্ত খাবার ও পানি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট হালকা রাখে, যা স্বপ্নদোষ কমাতে সহায়ক।
★ দুধ ও খেজুর: সকালে ১ গ্লাস গরম দুধে ২টি খেজুর দিয়ে পান করুন। এটি শক্তি বাড়ায় ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
জীবনধারায় পরিবর্তন আনুন:
✔ সকালে নিয়মিত হাঁটুন ও ব্যায়াম করুন
✔ অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকুন
✔ রাতে ঘুমানোর আগে ধর্মীয় বা পবিত্র চিন্তা করুন
✔ ভারী বা মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
✔ ঘুমানোর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করুন
✔ নিয়মিত নামাজ, ধ্যান বা মেডিটেশন করুন
চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি যখন:
▸ যদি সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি স্বপ্নদোষ হয়
▸ শরীর দুর্বল বা ক্লান্ত লাগে
▸ যৌন অক্ষমতা বা স্নায়ুবিক দুর্বলতা অনুভব করেন
▸ মনে একাকীত্ব বা হতাশা ভর করে
মনে রাখবেন:
স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। কিন্তু যখন এটি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তখন সচেতনতা, সঠিক জীবনযাপন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের সম্ভাব্য কারণসমূহঃ
★ মস্তিষ্কে অতিরিক্ত যৌন উদ্দীপনা – বিশেষ করে অশ্লীল ভিডিও, ছবি বা কনটেন্ট দেখার ফলে।
★ কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা – পেটে গ্যাস থাকলে তলপেটে চাপ পড়ে যা বীর্য নির্গমনে প্রভাব ফেলতে পারে।
★ অতিরিক্ত প্রোটিন বা উত্তেজক খাবার যেমন: লাল মাংস, ডিম, দুধ, কফি বা ঝাল খাবার।
★ মানসিক চাপ, একাকীত্ব ও দুশ্চিন্তা – এগুলো আমাদের হরমোন ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে।
★ অতিরিক্ত ঘুম, অলসতা বা রাত জাগা।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
রেম (REM) ঘুমের সময় পুরুষদের স্বাভাবিকভাবে ৩-৫ বার ইরেকশন হয়। যৌনচিন্তা, উত্তেজনা বা হরমোনের প্রভাবে এই সময়ে স্বপ্নদোষ ঘটে থাকে। এটি একটি প্রাকৃতিক শারীরিক রিলিজ পদ্ধতি, কিন্তু অতিরিক্ত হলে হরমোনাল ভারসাম্য বা স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
ঘরোয়া টিপস ও সমাধান:
★ তুলসী পাতা: এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মানসিক প্রশান্তিদায়ক উপাদান, যা স্নায়ু শান্ত রাখে।
★ ত্রিফলা চূর্ণ: হজম ও অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন রাতে ১ চা চামচ কুসুম গরম পানির সাথে খেতে পারেন।
★ আঁশযুক্ত খাবার ও পানি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট হালকা রাখে, যা স্বপ্নদোষ কমাতে সহায়ক।
★ দুধ ও খেজুর: সকালে ১ গ্লাস গরম দুধে ২টি খেজুর দিয়ে পান করুন। এটি শক্তি বাড়ায় ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
জীবনধারায় পরিবর্তন আনুন:
✔ সকালে নিয়মিত হাঁটুন ও ব্যায়াম করুন
✔ অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকুন
✔ রাতে ঘুমানোর আগে ধর্মীয় বা পবিত্র চিন্তা করুন
✔ ভারী বা মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
✔ ঘুমানোর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করুন
✔ নিয়মিত নামাজ, ধ্যান বা মেডিটেশন করুন
চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি যখন:
▸ যদি সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি স্বপ্নদোষ হয়
▸ শরীর দুর্বল বা ক্লান্ত লাগে
▸ যৌন অক্ষমতা বা স্নায়ুবিক দুর্বলতা অনুভব করেন
▸ মনে একাকীত্ব বা হতাশা ভর করে
মনে রাখবেন:
স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। কিন্তু যখন এটি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তখন সচেতনতা, সঠিক জীবনযাপন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
👍1
৪০ বছর পর থেকে শরীরে বিভিন্ন রোগ অজান্তে বাসা বাঁধতে শুরু করে,,
এই জন্য যে সকল মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী।
প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।
(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-Lipid Profile.
(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।
যেমন-GTT.
(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-TSH.
(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।
যেমন-S.Creatinine.
(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.
(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে
যেমন-CBC.
(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-PSA.
(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-ECG.
(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.
(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.
(১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-URINE RE/ME.
-Doctor Mohammad Ali.
এই জন্য যে সকল মেডিকেল টেস্ট করা জরুরী।
প্রতিবছরে কমপক্ষে একবার পরীক্ষা করা ভালো।
(১).কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-Lipid Profile.
(২).রক্তের ডায়াবেটিস আছে কিনা জানতে হবে।
যেমন-GTT.
(৩). থাইরয়েডের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-TSH.
(৪).কিডনির ফাংশান টেস্ট করতে হবে।
যেমন-S.Creatinine.
(৫).লিভার ফাংশন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-S.BILIRUBIN, SGPT, SGOT.
(৬).রক্তে কোন রোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে
যেমন-CBC.
(৭).প্রোস্টেট নির্দিষ্ট এন্টিজেন পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-PSA.
(৮).উচ্চ রক্তচাপের পরীক্ষা করতে হবে।
যেমন-ECG.
(৯). পেটের ভিতরে যে কোন সমস্যা থাকলে পরীক্ষা করতে পারেন। যেমন-USG OF WHOLE ABDOMEN.
(১০). বুকের যেকোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-X-RAY CHEST P/A VIEW.
(১১). প্রস্রাবের যে কোন সমস্যার জন্য করতে পারেন।
যেমন-URINE RE/ME.
-Doctor Mohammad Ali.
👍4❤2
ঘুম মানে বিশ্রাম নয়, ঘুম মানেই বাঁচা!
আর যদি সেই ঘুম হয় —
কম সময়ের + বারবার ভাঙা + মোবাইলের আলোয় আলোকিত,
তাহলে বুঝে নিন, আপনি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন!
ঘুমের পরিণতি যদি হয়:
• সকালে উঠে মনে হয়, “আরও ৫ মিনিট… ৫ টা ঘণ্টা!”
• মেজাজ এমন, এক কাপ চা না পেলে সংসার ভেঙে যাবে
• মাথা ঝিম ঝিম, মন খটখটে, চোখ লাল
• আর আয়নায় দেখে মনে হয় “কে এই পাণ্ডার আত্মীয়?”
তাহলে বুঝবেন, আপনার ঘুমের মানে (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) — দুইটাই মাইনাসে!
কেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?
✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে
✅ ঘুম ঠিক = হরমোন ঠিক = মুড ভালো
✅ ঘুম ঠিক = ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী
✅ ঘুম ঠিক = ব্রেইন ক্লিনিং হয়
✅ ঘুম ঠিক = চোখের নিচে কালো দাগ নাই!
ঘুম ভালো রাখার ৫টি সহজ কৌশল (JKLifestyle-approved):
1. রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান – Netflix না, “Neck-Fix” দরকার
2. ঘুমের আগে মোবাইল নয় – বই পড়ুন বা দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর কথা ভাবুন
3. কফি সন্ধ্যার পর বন্ধ – নাহলে ঘুম নয়, সিনেমার মতো স্বপ্ন!
4. ঘর অন্ধকার রাখুন – রাতের রাজা “মেলাটোনিন” অন্ধকারে জন্মায়
5. সকালে সূর্যের আলো দেখুন – এতে শরীর বুঝবে দিন শুরু, আর রাতে ঘুম আসবে স্বাভাবিকভাবে
ঘুম ঠিক থাকলে ডাক্তারও অবসর নিতে পারে,
আর ঘুম নষ্ট থাকলে জীবনটাই হয়ে যায় emergency case!
#JKLifestyle #ঘুম #QualitySleep #HormoneHealing #NaturalHealth #ঘুমনেইতোজীবননেই
আর যদি সেই ঘুম হয় —
কম সময়ের + বারবার ভাঙা + মোবাইলের আলোয় আলোকিত,
তাহলে বুঝে নিন, আপনি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন!
ঘুমের পরিণতি যদি হয়:
• সকালে উঠে মনে হয়, “আরও ৫ মিনিট… ৫ টা ঘণ্টা!”
• মেজাজ এমন, এক কাপ চা না পেলে সংসার ভেঙে যাবে
• মাথা ঝিম ঝিম, মন খটখটে, চোখ লাল
• আর আয়নায় দেখে মনে হয় “কে এই পাণ্ডার আত্মীয়?”
তাহলে বুঝবেন, আপনার ঘুমের মানে (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) — দুইটাই মাইনাসে!
কেন এই ঘুম এত গুরুত্বপূর্ণ?
✅ ঘুম ঠিক = ইনসুলিন ঠিক = ওজন নিয়ন্ত্রণে
✅ ঘুম ঠিক = হরমোন ঠিক = মুড ভালো
✅ ঘুম ঠিক = ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী
✅ ঘুম ঠিক = ব্রেইন ক্লিনিং হয়
✅ ঘুম ঠিক = চোখের নিচে কালো দাগ নাই!
ঘুম ভালো রাখার ৫টি সহজ কৌশল (JKLifestyle-approved):
1. রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান – Netflix না, “Neck-Fix” দরকার
2. ঘুমের আগে মোবাইল নয় – বই পড়ুন বা দু’চোখ বন্ধ করে আল্লাহর কথা ভাবুন
3. কফি সন্ধ্যার পর বন্ধ – নাহলে ঘুম নয়, সিনেমার মতো স্বপ্ন!
4. ঘর অন্ধকার রাখুন – রাতের রাজা “মেলাটোনিন” অন্ধকারে জন্মায়
5. সকালে সূর্যের আলো দেখুন – এতে শরীর বুঝবে দিন শুরু, আর রাতে ঘুম আসবে স্বাভাবিকভাবে
ঘুম ঠিক থাকলে ডাক্তারও অবসর নিতে পারে,
আর ঘুম নষ্ট থাকলে জীবনটাই হয়ে যায় emergency case!
#JKLifestyle #ঘুম #QualitySleep #HormoneHealing #NaturalHealth #ঘুমনেইতোজীবননেই
😢7❤3
আমার প্রিয় কাজের একটি হলো স্বামীর জন্য খাবার প্রস্তুত করে টেবিলে দেয়া, আর খেয়ে ওঠার সাথে সাথে গরম গরম চা। মা-বাবা এবং স্বামীর খেদমত করার মাঝে একটা অপার্থিব আনন্দ আছে, একটা পারলৌকিক তৃপ্তি আছে - এই যুগের অতি ব্যস্ত পেশাজীবি নারীরা সেই আনন্দটা কখনোই উপভোগ করতে পারে না। সপ্তাহ জুড়ে কর্মস্থানের চিন্তা আর কাজের চাপে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সে নিজেই অবসর চায়। সে চায় স্বামীই তাকে চা বানিয়ে সামনে দিক, পারলে রান্নাটাও করে দিক।
.
এমন অনেক পরিবার আছে, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করে। দুজনেই পরিবারের জন্য উপার্জন এবং খরচ করে। কিন্তু স্বামী বাসায় ফিরেই টিভি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, ওদিকে স্ত্রীকে খাবার গরম করে টেবিলে দিতে হয়৷ আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ তৈরি হয়। ক্লান্ত শরীরে সংসারের এত কাজ করতে বিরক্ত লাগে। সাংসারিক কাজের ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় দুজনের মন কষাকষি, ক্ষোভ, দাম্পত্য কলহ। "দুজনেই বাইরে কাজ করছি, তাহলে ঘরের কাজ কেন দুজনে ভাগাভাগি করে নিব না?" - এই চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয় স্বামী-স্ত্রীর মানসিক দূরত্ব।
.
আবার ধরুন স্বামী মহাশয়ও ভদ্রলোক। তিনি ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নিলেন। নিজের কাপড় নিজে ধোন, টেবিলে খাবার সার্ভ করেন, বাসায় তিনদিন তিনি, আর তিনদিন তার স্ত্রী রান্না করেন। কিন্তু এই সম্পর্কে পরস্পর নির্ভরশীলতা কোথায়? এ যেন চুলচেরা হিসাব করে ব্যবসা চালানোর শামিল। ব্যবসায়ী পার্টনাররাও হয়তো এত হিসেবী হয় না।
.
আজকাল স্বামী-স্ত্রীর এই হিসাব আর কাজ ভাগাভাগির মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সন্তান নেয়ার ব্যাপারেও নারীদের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। তারা অধিক সন্তান গ্রহণে আগ্রহী না। "আমি কেন বাচ্চা নিব? আমি কেন আমার ক্যারিয়ারকে রিস্কে ফেলাব? প্রেগনেন্ট হলে হাজবেন্ডের তো কোনো কষ্ট হবে না, আমাকেই যত স্যাক্রিফাইস করতে হবে! আমি কেন এত কম্প্রোমাইজ করব?"
.
এভাবেই নারী-পুরুষ যখন দুজনেই বাইরের দুনিয়ার পিছে ছুটতে থাকে, তখন সংসারে ইমব্যালেন্স সৃষ্টি হয়৷ আল্লাহ তা'আলা স্বামী এবং স্ত্রীকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বামীর দায়িত্ব উপার্জন এবং পরিবারের ভরণপোষণ। স্ত্রীর দায়িত্ব সন্তান গ্রহণ, বাচ্চাকাচ্চা ও ঘরের দেখাশোনা। এই ভূমিকা যখন উল্টোপাল্টা হয়ে যায়, তখন সম্পর্কে কোনো না কোনোভাবে প্রভাব পড়বেই। আল্লাহর কথার অমান্য করলে তাতে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট থাকবেই থাকবে৷
.
আজকাল যেমন ডিভোর্সের হার অনেক বেড়ে গেছে। স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে তুমি বাসায় থাকো, চাকরি কোরো না, বাচ্চা নাও - তাহলে অনেক মেয়েই খেপে গিয়ে ডি-ভো-র্স দিয়ে দেয়। আবার দুজনে বাইরে কাজ করার ব্যাপারে খুব একমত হলেও দেখা যায় তারা অন্যভাবে সাংসারিক দায়িত্বে ছাড় দিচ্ছে। যেমন - ক্যারিয়ার এস্টাবলিশ করতে গিয়ে দেরিতে বিয়ে করা, সন্তান-গ্রহণ না করা, পরিবার ও সন্তান-সন্ততিকে বেশি সময় না দেয়া ইত্যাদি।
.
সাংসারিক দায়িত্বগুলিও কিন্তু কোনো অংশে সহজতর বা কম নয়, হোমমেকার নারীরাও ব্যস্ত থাকে, তাদেরও ফুরসতের দরকার পড়ে, বিশেষ করে যদি ছোট ছোট বাচ্চাও দেখাশোনা করতে হয়৷ তবু এই ব্যস্ততার বেশিরভাগ জুড়েই থাকে তার সংসার, তার পরিবার৷ পরিবারের সবকিছু তার নখদর্পনে। পেশাজীবি নারীরা পরিবারকে কখনোই এত গুরুত্ব দিতে পারে না। মানুষ তো সুপারম্যান না। সে একসাথে দুইদিক পারফেক্টলি কীভাবে সামলাবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্যারিয়ার, আয়-উপার্জনহ ও বাইরের দুনিয়াতে যখন একজন নারী বেশি প্রায়োরিটি দেয়, তখন তার সাংসারিক ভূমিকা নিজের অজান্তেই সেকেন্ড প্রায়োরিটিতে পরিণত হয়।
.
কত সুন্দর ছিল আমাদের নানী-দাদীদের সময়টা। যখন উনারা সংসারের খেদমত করতেন আর পুরুষরা ঘর সামলাতে বাইরে খাটতেন। সে সময় সমাজে ভারসাম্য ছিল। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে পারস্পরিক নির্ভরশীলরা ছিল, মায়া ছিল। এত হিসাব করে সংসার চালাতে হতো না। একই কাজ নিয়ে দুজনের কাড়াকাড়ি হতো না। এখন নারীরাও পুরুষ হতে চায়। আগ বাড়িয়ে চাকরি-বাকরি করতে চায়। ঘরের কাজকে তুচ্ছ ভাবে। তাই তো আজ ঘরগুলো আমাদের ভাঙনের পথে। মানুষ শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবতে শিখছে, আর দিন দিন হয়ে উঠছে আরও স্বার্থপর। একজন গৃহিনী ফুলটাইম মা নিঃস্বার্থভাবে পরিবারকে সময় দেন, হয়তো টুকটাক অন্য কাজ করেন। আর কর্মজীবি নারী সপ্তাহ জুড়ে অন্যের কাজই করেন, অন্যের ব্যবসা বা নিজের ক্যারিয়ার সামলান; তার কাছে স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকাটাই পার্ট-টাইম।
.
#ক্যারিয়ারিস্ট_নারী
#পার্ট_টাইম_মা
.
~ আনিকা তুবা
.
এমন অনেক পরিবার আছে, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কাজ করে। দুজনেই পরিবারের জন্য উপার্জন এবং খরচ করে। কিন্তু স্বামী বাসায় ফিরেই টিভি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়, ওদিকে স্ত্রীকে খাবার গরম করে টেবিলে দিতে হয়৷ আস্তে আস্তে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অভিযোগ তৈরি হয়। ক্লান্ত শরীরে সংসারের এত কাজ করতে বিরক্ত লাগে। সাংসারিক কাজের ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় দুজনের মন কষাকষি, ক্ষোভ, দাম্পত্য কলহ। "দুজনেই বাইরে কাজ করছি, তাহলে ঘরের কাজ কেন দুজনে ভাগাভাগি করে নিব না?" - এই চিন্তা থেকে সৃষ্টি হয় স্বামী-স্ত্রীর মানসিক দূরত্ব।
.
আবার ধরুন স্বামী মহাশয়ও ভদ্রলোক। তিনি ঘরের কাজ ভাগাভাগি করে নিলেন। নিজের কাপড় নিজে ধোন, টেবিলে খাবার সার্ভ করেন, বাসায় তিনদিন তিনি, আর তিনদিন তার স্ত্রী রান্না করেন। কিন্তু এই সম্পর্কে পরস্পর নির্ভরশীলতা কোথায়? এ যেন চুলচেরা হিসাব করে ব্যবসা চালানোর শামিল। ব্যবসায়ী পার্টনাররাও হয়তো এত হিসেবী হয় না।
.
আজকাল স্বামী-স্ত্রীর এই হিসাব আর কাজ ভাগাভাগির মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সন্তান নেয়ার ব্যাপারেও নারীদের অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। তারা অধিক সন্তান গ্রহণে আগ্রহী না। "আমি কেন বাচ্চা নিব? আমি কেন আমার ক্যারিয়ারকে রিস্কে ফেলাব? প্রেগনেন্ট হলে হাজবেন্ডের তো কোনো কষ্ট হবে না, আমাকেই যত স্যাক্রিফাইস করতে হবে! আমি কেন এত কম্প্রোমাইজ করব?"
.
এভাবেই নারী-পুরুষ যখন দুজনেই বাইরের দুনিয়ার পিছে ছুটতে থাকে, তখন সংসারে ইমব্যালেন্স সৃষ্টি হয়৷ আল্লাহ তা'আলা স্বামী এবং স্ত্রীকে আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বামীর দায়িত্ব উপার্জন এবং পরিবারের ভরণপোষণ। স্ত্রীর দায়িত্ব সন্তান গ্রহণ, বাচ্চাকাচ্চা ও ঘরের দেখাশোনা। এই ভূমিকা যখন উল্টোপাল্টা হয়ে যায়, তখন সম্পর্কে কোনো না কোনোভাবে প্রভাব পড়বেই। আল্লাহর কথার অমান্য করলে তাতে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট থাকবেই থাকবে৷
.
আজকাল যেমন ডিভোর্সের হার অনেক বেড়ে গেছে। স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে তুমি বাসায় থাকো, চাকরি কোরো না, বাচ্চা নাও - তাহলে অনেক মেয়েই খেপে গিয়ে ডি-ভো-র্স দিয়ে দেয়। আবার দুজনে বাইরে কাজ করার ব্যাপারে খুব একমত হলেও দেখা যায় তারা অন্যভাবে সাংসারিক দায়িত্বে ছাড় দিচ্ছে। যেমন - ক্যারিয়ার এস্টাবলিশ করতে গিয়ে দেরিতে বিয়ে করা, সন্তান-গ্রহণ না করা, পরিবার ও সন্তান-সন্ততিকে বেশি সময় না দেয়া ইত্যাদি।
.
সাংসারিক দায়িত্বগুলিও কিন্তু কোনো অংশে সহজতর বা কম নয়, হোমমেকার নারীরাও ব্যস্ত থাকে, তাদেরও ফুরসতের দরকার পড়ে, বিশেষ করে যদি ছোট ছোট বাচ্চাও দেখাশোনা করতে হয়৷ তবু এই ব্যস্ততার বেশিরভাগ জুড়েই থাকে তার সংসার, তার পরিবার৷ পরিবারের সবকিছু তার নখদর্পনে। পেশাজীবি নারীরা পরিবারকে কখনোই এত গুরুত্ব দিতে পারে না। মানুষ তো সুপারম্যান না। সে একসাথে দুইদিক পারফেক্টলি কীভাবে সামলাবে? স্বাভাবিকভাবেই ক্যারিয়ার, আয়-উপার্জনহ ও বাইরের দুনিয়াতে যখন একজন নারী বেশি প্রায়োরিটি দেয়, তখন তার সাংসারিক ভূমিকা নিজের অজান্তেই সেকেন্ড প্রায়োরিটিতে পরিণত হয়।
.
কত সুন্দর ছিল আমাদের নানী-দাদীদের সময়টা। যখন উনারা সংসারের খেদমত করতেন আর পুরুষরা ঘর সামলাতে বাইরে খাটতেন। সে সময় সমাজে ভারসাম্য ছিল। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে পারস্পরিক নির্ভরশীলরা ছিল, মায়া ছিল। এত হিসাব করে সংসার চালাতে হতো না। একই কাজ নিয়ে দুজনের কাড়াকাড়ি হতো না। এখন নারীরাও পুরুষ হতে চায়। আগ বাড়িয়ে চাকরি-বাকরি করতে চায়। ঘরের কাজকে তুচ্ছ ভাবে। তাই তো আজ ঘরগুলো আমাদের ভাঙনের পথে। মানুষ শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবতে শিখছে, আর দিন দিন হয়ে উঠছে আরও স্বার্থপর। একজন গৃহিনী ফুলটাইম মা নিঃস্বার্থভাবে পরিবারকে সময় দেন, হয়তো টুকটাক অন্য কাজ করেন। আর কর্মজীবি নারী সপ্তাহ জুড়ে অন্যের কাজই করেন, অন্যের ব্যবসা বা নিজের ক্যারিয়ার সামলান; তার কাছে স্ত্রী বা মায়ের ভূমিকাটাই পার্ট-টাইম।
.
#ক্যারিয়ারিস্ট_নারী
#পার্ট_টাইম_মা
.
~ আনিকা তুবা
😢2👍1
শিশুর সুষম পুষ্টিকর খাবার:
১. প্রোটিন: কোষ গঠন, পেশি শক্তি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক
উৎস: ডিম, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল, সয়াবিন
২. কার্বোহাইড্রেট: শক্তির প্রধান উৎস
উৎস: চাল, আলু, গম, ওটস, শস্যজাতীয় খাবার
৩. সুস্থ চর্বি (Good Fat): মস্তিষ্ক বিকাশ, ত্বক ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
উৎস: বাদাম, ঘি, দুধের চর্বি, ফ্যাটযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল
৪. ভিটামিন ও মিনারেল: হাড়, চোখ, ত্বক ও রক্তের স্বাস্থ্য রক্ষায় জরুরি
উৎস: ফলমূল (আম, কলা, কমলা, পেয়ারা), শাকসবজি (পালং, গাজর, কুমড়া), ডিমের কুসুম, দুধ
🟩 বয়সভেদে শিশুর খাবারের ধরন
★ ৬ মাস – ১ বছরঃ
শুধুমাত্র বুকের দুধ (৬ মাস পর্যন্ত), এরপর ধীরে ধীরে সেমি সলিড খাবার যোগ করতে হবে।
খাবার: চালের গুঁড়ি, ডাল-ভাত মিশ্রণ, সেদ্ধ ফল, মসৃণ শাকসবজি
দৈনিক: দিনে ২–৩ বার খাবার, ১–২ বার স্ন্যাকস
★ ১ – ৩ বছরঃ
প্রোটিন: ২টি ডিম বা ৪০-৫০ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ১-২ কাপ ভাত/রুটি
ফল ও সবজি: প্রতিদিন ১ কাপ করে
দুধ: ১ গ্লাস (২৫০ মিলি)
ফ্যাট: ১ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৪ – ৬ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৫০-৭৫ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ২ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ১-২ কাপ
সবজি: ১.৫ কাপ
দুধ: ১ গ্লাস
ফ্যাট: ১-২ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৭ – ১২ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৭৫-১০০ গ্রাম মাছ/মুরগি/ডাল
শর্করা: ৩ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ২ কাপ
সবজি: ২ কাপ
দুধ: ১–২ গ্লাস
ফ্যাট: ২ চা চামচ ঘি বা তেল
🟩 বিশেষ কিছু পরামর্শ:
★ শিশুকে প্রতিদিন রঙিন ফল বা সবজি খাওয়ান
(যেমন: লাল-টমেটো, সবুজ-পালং, হলুদ-কুমড়া)।
★ পানীয় হিসেবে সফট ড্রিংক নয়, বরং পানি, নারিকেল পানি বা দুধ দিন।
★ প্রতিদিন খেলাধুলা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।
★ পরিবারের সাথে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে শিশুদের খেতে আগ্রহ বাড়ে।
.
শেয়ার করে রাখুন, আপনার কাছের কেউ হয়তো উপকৃত হবেন।
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
১. প্রোটিন: কোষ গঠন, পেশি শক্তি ও রোগপ্রতিরোধে সহায়ক
উৎস: ডিম, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল, সয়াবিন
২. কার্বোহাইড্রেট: শক্তির প্রধান উৎস
উৎস: চাল, আলু, গম, ওটস, শস্যজাতীয় খাবার
৩. সুস্থ চর্বি (Good Fat): মস্তিষ্ক বিকাশ, ত্বক ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
উৎস: বাদাম, ঘি, দুধের চর্বি, ফ্যাটযুক্ত মাছ, অলিভ অয়েল
৪. ভিটামিন ও মিনারেল: হাড়, চোখ, ত্বক ও রক্তের স্বাস্থ্য রক্ষায় জরুরি
উৎস: ফলমূল (আম, কলা, কমলা, পেয়ারা), শাকসবজি (পালং, গাজর, কুমড়া), ডিমের কুসুম, দুধ
🟩 বয়সভেদে শিশুর খাবারের ধরন
★ ৬ মাস – ১ বছরঃ
শুধুমাত্র বুকের দুধ (৬ মাস পর্যন্ত), এরপর ধীরে ধীরে সেমি সলিড খাবার যোগ করতে হবে।
খাবার: চালের গুঁড়ি, ডাল-ভাত মিশ্রণ, সেদ্ধ ফল, মসৃণ শাকসবজি
দৈনিক: দিনে ২–৩ বার খাবার, ১–২ বার স্ন্যাকস
★ ১ – ৩ বছরঃ
প্রোটিন: ২টি ডিম বা ৪০-৫০ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ১-২ কাপ ভাত/রুটি
ফল ও সবজি: প্রতিদিন ১ কাপ করে
দুধ: ১ গ্লাস (২৫০ মিলি)
ফ্যাট: ১ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৪ – ৬ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৫০-৭৫ গ্রাম মাছ/মুরগি
শর্করা: ২ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ১-২ কাপ
সবজি: ১.৫ কাপ
দুধ: ১ গ্লাস
ফ্যাট: ১-২ চা চামচ ঘি বা তেল
★ ৭ – ১২ বছরঃ
প্রোটিন: ১টি ডিম + ৭৫-১০০ গ্রাম মাছ/মুরগি/ডাল
শর্করা: ৩ কাপ ভাত/রুটি
ফল: ২ কাপ
সবজি: ২ কাপ
দুধ: ১–২ গ্লাস
ফ্যাট: ২ চা চামচ ঘি বা তেল
🟩 বিশেষ কিছু পরামর্শ:
★ শিশুকে প্রতিদিন রঙিন ফল বা সবজি খাওয়ান
(যেমন: লাল-টমেটো, সবুজ-পালং, হলুদ-কুমড়া)।
★ পানীয় হিসেবে সফট ড্রিংক নয়, বরং পানি, নারিকেল পানি বা দুধ দিন।
★ প্রতিদিন খেলাধুলা ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।
★ পরিবারের সাথে বসে খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে শিশুদের খেতে আগ্রহ বাড়ে।
.
শেয়ার করে রাখুন, আপনার কাছের কেউ হয়তো উপকৃত হবেন।
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক, , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
⚠️ সতর্কবার্তা: কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!
আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
.
আমার সাথে কথা বলতে চাইলে:
ফোন করুন: শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা - ১০টা
👉 01712859950 মোবাইল নাম্বারে ।
অথবা
📱 WhatsApp-এ লিখুন: 👉 01712859950 নাম্বারে (বয়স, ঠিকানা, পেশা ও সমস্যা বিস্তারিত লিখে পাঠান, ভয়েস মেসেজ নয়)
জীবনকে বদলে দেয়ার মত অনেক গল্পই আপনি শুনবেন কিন্তু...
রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না
ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি '
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন.
রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না
ঈগল পাখি কখনো মরা প্রাণী'র মাংস খায় না
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি '
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন.
গায়রে মাহরাম বলতে কি বুঝায় তা আমরা অনেকেই জানি না।
- যে সকল পুরুষের সামনে যাওয়া নারীর জন্য ইসলামি শারিয়্যাহতে জায়েজ নয় এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন বৈধ তাদের কে গায়রে মাহরাম বলে।
বস্তুতঃ গায়রে মাহরামের সামনে একান্ত অপারগ হয়ে যদি যাওয়াই লাগে তবে নারী পূর্ণ পর্দা করে সামনে যেতে হবে।
জানেন কি গায়রে মাহরাম কারা?
- সহজ ভাষায় মাহরাম পুরুষ বাদে সমস্ত বিশ্বে-মহাবিশ্বে যত পুরুষ আছে সবাই গায়রে মাহরাম।
নিজ পরিবারে চাচাত/খালাত/মামাত/ফুপাত ভাই, দুলাভাই, দেবর, ভাসুর, (আপন,দাদা ও নানা শ্বশুর বাদে) সমস্ত চাচা শ্বশুর, মামা শ্বশুর, খালু ও
ফুপা শ্বশুর, নিজ খালু/ফুপা এরা সবাই গায়রে মাহরাম।
তাদের সামনে নিজেকে প্রদর্শন করা আল্লাহর হুকুমের অবাধ্যতা করা। মাহরাম ছাড়া সকল পুরুষের সামনে পর্দা করতে হবে।
ভাবছেন এরা তো আপনার ফ্যামিলি, আপনার নিকটাত্মীয়, এদের সামনে যাওয়া কেন নিষেধ হবে?
আল্লাহ তাআলা যা জানেন অবশ্যই আপনি তা জানেন না। ইসলামের এই বিধান শুধুমাত্র আখিরাতের নাজাতেরই উপায় নয় বরং আমাদের দুনিয়ার জীবনের শান্তি, স্বস্তি এবং পবিত্রতারও রক্ষাকবচ।
নারীর ১৪ জন মাহরাম পুরুষ কারা এক নজরে দেখে নিন -
১. স্বামী (দেখা দেওয়া, সৌন্দর্য প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে
মাহরাম)
২. পিতা, দাদা, নানা ও তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৩. শ্বশুর, আপন দাদা শ্বশুর ও নানা শ্বশুর এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৪. আপন ছেলে, ছেলের ছেলে, মেয়ের
ছেলে ও তাদের ঔরসজাত পুত্র সন্তান এবং আপন মেয়ের স্বামী মাহরাম।
৫. স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র অর্থাৎ সৎ ছেলে মাহরাম।
৬. আপন ভাই, সৎ ভাই মাহরাম।
৭. ভাতিজা অর্থাৎ, আপন ভাইয়ের ছেলে এবং সৎ ভাইয়ের ছেলে মাহরাম।
৮. ভাগ্নে অর্থাৎ, আপন বোনের ছেলে এবং সৎ বোনের ছেলে মাহরাম।
৯. এমন বালক যার মাঝে মহিলাদের প্রতি কোন আকর্ষণ নেই অর্থাৎ পাগল ও শিশু।
১০. দুধ সম্পর্কীয় পিতা, দাদা, নানা, চাচা, মামা এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
১১. দুধ ভাই, দুধ ভাইয়ের ছেলে, দুধ বোনের ছেলে এবং তাদের ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান মাহরাম।
১২. দুধ সম্পর্কীয় ছেলে, তার ছেলে, দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের ছেলে এবং তাদের
ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান। এবং দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের স্বামী মাহরাম।
(বুখারী শরীফ : হাদীস নং ৫০৯৯, মুসলিম শরীফ : হাদীস নং ১১৪৪)
১৩. আপন চাচা, সৎ চাচা।
১৪. আপন মামা, সৎ মামা।
উপরোক্ত পুরুষ যাদের সাথে দেখা দেখা দিতে পারবে তারা ছাড়া অন্য সমস্ত পুরুষকে দেখা দেওয়া সম্পূর্ণ না-জায়েয এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন হা-রাম।
ভাবছেন মাহরাম/গায়রে মাহরাম কি শুধু মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য , পুরুষরা স্বাধীন?
না, মোটেও তা নয়। পুরুষের জন্যও মাহরাম/গায়রে মাহরাম বিধান প্রযোজ্য।
পুরুষদের জন্যও মাহরাম নারী ১৪ জন।
তারা হল -
মায়ের মত ৫ জন : মা, খালা, ফুফু, শাশুড়ি, দুধ-মা।
বোনের মত ৫ জন : বোন, দাদি, নানি, নাতনি, দুধ-বোন।
মেয়ের মত ৪ জন : মেয়ে, ভাই-এর মেয়ে, বোনের মেয়ে, ছেলের বউ।
পর্দার সাথে কোন আপোষ চলে না, কোন যুক্তি চলে না। সকল যুক্তির উর্ধ্বে গিয়ে পর্দা করাই হল ঈ-মানের দাবি।
.
~ মারজানা ইশরাত!
- যে সকল পুরুষের সামনে যাওয়া নারীর জন্য ইসলামি শারিয়্যাহতে জায়েজ নয় এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন বৈধ তাদের কে গায়রে মাহরাম বলে।
বস্তুতঃ গায়রে মাহরামের সামনে একান্ত অপারগ হয়ে যদি যাওয়াই লাগে তবে নারী পূর্ণ পর্দা করে সামনে যেতে হবে।
জানেন কি গায়রে মাহরাম কারা?
- সহজ ভাষায় মাহরাম পুরুষ বাদে সমস্ত বিশ্বে-মহাবিশ্বে যত পুরুষ আছে সবাই গায়রে মাহরাম।
নিজ পরিবারে চাচাত/খালাত/মামাত/ফুপাত ভাই, দুলাভাই, দেবর, ভাসুর, (আপন,দাদা ও নানা শ্বশুর বাদে) সমস্ত চাচা শ্বশুর, মামা শ্বশুর, খালু ও
ফুপা শ্বশুর, নিজ খালু/ফুপা এরা সবাই গায়রে মাহরাম।
তাদের সামনে নিজেকে প্রদর্শন করা আল্লাহর হুকুমের অবাধ্যতা করা। মাহরাম ছাড়া সকল পুরুষের সামনে পর্দা করতে হবে।
ভাবছেন এরা তো আপনার ফ্যামিলি, আপনার নিকটাত্মীয়, এদের সামনে যাওয়া কেন নিষেধ হবে?
আল্লাহ তাআলা যা জানেন অবশ্যই আপনি তা জানেন না। ইসলামের এই বিধান শুধুমাত্র আখিরাতের নাজাতেরই উপায় নয় বরং আমাদের দুনিয়ার জীবনের শান্তি, স্বস্তি এবং পবিত্রতারও রক্ষাকবচ।
নারীর ১৪ জন মাহরাম পুরুষ কারা এক নজরে দেখে নিন -
১. স্বামী (দেখা দেওয়া, সৌন্দর্য প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে
মাহরাম)
২. পিতা, দাদা, নানা ও তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৩. শ্বশুর, আপন দাদা শ্বশুর ও নানা শ্বশুর এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
৪. আপন ছেলে, ছেলের ছেলে, মেয়ের
ছেলে ও তাদের ঔরসজাত পুত্র সন্তান এবং আপন মেয়ের স্বামী মাহরাম।
৫. স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র অর্থাৎ সৎ ছেলে মাহরাম।
৬. আপন ভাই, সৎ ভাই মাহরাম।
৭. ভাতিজা অর্থাৎ, আপন ভাইয়ের ছেলে এবং সৎ ভাইয়ের ছেলে মাহরাম।
৮. ভাগ্নে অর্থাৎ, আপন বোনের ছেলে এবং সৎ বোনের ছেলে মাহরাম।
৯. এমন বালক যার মাঝে মহিলাদের প্রতি কোন আকর্ষণ নেই অর্থাৎ পাগল ও শিশু।
১০. দুধ সম্পর্কীয় পিতা, দাদা, নানা, চাচা, মামা এবং তাদের উর্ধ্বতন পুরুষগণ মাহরাম।
১১. দুধ ভাই, দুধ ভাইয়ের ছেলে, দুধ বোনের ছেলে এবং তাদের ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান মাহরাম।
১২. দুধ সম্পর্কীয় ছেলে, তার ছেলে, দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের ছেলে এবং তাদের
ঔরসজাত যে কোন পুত্র সন্তান। এবং দুধ
সম্পর্কীয় মেয়ের স্বামী মাহরাম।
(বুখারী শরীফ : হাদীস নং ৫০৯৯, মুসলিম শরীফ : হাদীস নং ১১৪৪)
১৩. আপন চাচা, সৎ চাচা।
১৪. আপন মামা, সৎ মামা।
উপরোক্ত পুরুষ যাদের সাথে দেখা দেখা দিতে পারবে তারা ছাড়া অন্য সমস্ত পুরুষকে দেখা দেওয়া সম্পূর্ণ না-জায়েয এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন হা-রাম।
ভাবছেন মাহরাম/গায়রে মাহরাম কি শুধু মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য , পুরুষরা স্বাধীন?
না, মোটেও তা নয়। পুরুষের জন্যও মাহরাম/গায়রে মাহরাম বিধান প্রযোজ্য।
পুরুষদের জন্যও মাহরাম নারী ১৪ জন।
তারা হল -
মায়ের মত ৫ জন : মা, খালা, ফুফু, শাশুড়ি, দুধ-মা।
বোনের মত ৫ জন : বোন, দাদি, নানি, নাতনি, দুধ-বোন।
মেয়ের মত ৪ জন : মেয়ে, ভাই-এর মেয়ে, বোনের মেয়ে, ছেলের বউ।
পর্দার সাথে কোন আপোষ চলে না, কোন যুক্তি চলে না। সকল যুক্তির উর্ধ্বে গিয়ে পর্দা করাই হল ঈ-মানের দাবি।
.
~ মারজানা ইশরাত!
জীবনে যা কিছু চেয়েছেন তা পাওয়া হয়ে গেলে আরও দুইটি জিনিস চাইবেন! প্রথমটি হলো “ডিসিপ্লিন” যেন সেই সমস্ত কিছু আজীবন ধরে রাখতে পারেন। এবং দ্বিতীয়টি হলো “উদ্দেশ্য” যেন সেটাকে কয়েকগুন বাড়াতে পারেন।
অসংখ্য মানুষ আছেন জন্মের সময় সবকিছু পেয়েছেন। ধনীর ঘরে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মিয়েছেন। তবে ডিসিপ্লিনের অভাবে নেশাগ্রস্থ হয়ে জীবনটা নষ্ট করেছেন। আবার অনেকে আছেন জন্মসূত্রে পাওয়া ধনসম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করে কয়েকগুন বাড়িয়েছেন। সেটার মাধ্যমে অন্যের উপকার করেছেন।
এর পেছনে তার ধনী বাবার ডিসিপ্লিনের শিক্ষা কাজে দিয়েছে। ডিসিপ্লিন আপনাকে ফ্রীডম দেয় বড় চিন্তা করার, বড় উদ্যেশ্যে কাজ করার। জীবনে স্বাধীনতা চাইলে ডিসিপ্লিনড থাকুন। নইলে নষ্ট শরীর ও মনের কাছে আজীবন পরাধীন হয়ে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
@A J Taj
অসংখ্য মানুষ আছেন জন্মের সময় সবকিছু পেয়েছেন। ধনীর ঘরে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মিয়েছেন। তবে ডিসিপ্লিনের অভাবে নেশাগ্রস্থ হয়ে জীবনটা নষ্ট করেছেন। আবার অনেকে আছেন জন্মসূত্রে পাওয়া ধনসম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করে কয়েকগুন বাড়িয়েছেন। সেটার মাধ্যমে অন্যের উপকার করেছেন।
এর পেছনে তার ধনী বাবার ডিসিপ্লিনের শিক্ষা কাজে দিয়েছে। ডিসিপ্লিন আপনাকে ফ্রীডম দেয় বড় চিন্তা করার, বড় উদ্যেশ্যে কাজ করার। জীবনে স্বাধীনতা চাইলে ডিসিপ্লিনড থাকুন। নইলে নষ্ট শরীর ও মনের কাছে আজীবন পরাধীন হয়ে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
@A J Taj
❤4