জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
বুদ্ধি আর প্রেম আলাদা উপকরণে তৈরি। বুদ্ধি মানুষকে এক বাঁধনে বাঁধে আর তাতে কোন ঝুঁকি নেই, কিন্তু প্রেম সব জটকে গুলিয়ে ফেলে আর তাতে পুরোটাই ঝুঁকি আছে। বুদ্ধি সদাই সতর্ক আর পরামর্শ দেয়, ‘অত্যধিক ভাবাবেশ থেকে সাবধান’ আর প্রেম কেবল বলতে থাকে, ‘আহা, একদম ভেবো না! ঝাঁপিয়ে পড়ো!’ বুদ্ধি সহজে ভেঙে পড়ে না, অথচ প্রেম অনায়াসে নিজেকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে। তবে গুপ্তধন লুকিয়ে থাকে ধ্বংসস্তুপেই। একটি ভগ্ন হৃদয়েই গুপ্তধন লুকানো থাকে।

-শামস তাবরিজি 💜
1
উত্তর ঃ মুখে তালাক দিলে যেমনিভাবে তালাক পতিত হয়, ঠিক তেমনিভাবে মেসেজের মাধ্যমে তালাক পাঠালেও তালাক পতিত হয়। ফকীহ উলামায়ে কেরামগণ বলেন,
إن الكتابة يقع بها الطلاق، ولو كان الكاتب قادرا على النطق، فكما أن للزوج أن يطلق زوجته باللفظ، فله أن يكتب إليها الطلاق.
নিশ্চয় চিঠি (ম্যাসেজ) দ্বারাও তালাক পতিত হয়। যদিও লেখক বলতে সক্ষম হয়। সুতরাং যেমনিভাবে স্বামী মুখে তালাক দিতে পারে, তেমনিভাবে লিখিতভাবেও দিতে পারে। (ফিকহুস সুন্নাহ ৩/১৬৫)

দ্বিতীয় কথা হল মেসেজের মাধ্যমে তালাক পাঠালে কখন কার্যকর হবে?
এর জবাব হল তালাক কার্যকর হওয়া নির্ভর করবে মেসেজ লেখার ধরনের ওপর। যদি মেসেজে এভাবে লেখা হয় যে, ‘যখন আমার এই বার্তা তোমার কাছে পৌঁছবে তখন থেকে তুমি তালাক’ তাহলে স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার পরই তালাক হবে- স্ত্রী মেসেজটি পাঠ করুক বা না করুক।
সুতরাং স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার আগেই যদি স্বামী তা ডিলেট করে দেয় তাহলে আর তালাক হবে না। আর যদি লেখে- ‘তুমি তালাক’ তাহলে লেখার পর থেকেই তালাক হয়ে যাবে- মেসেজ স্ত্রীর কাছে পৌঁছুক বা না পৌঁছুক।

সূত্র: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-২০৩৯, ফাতাওয়া শামী-৪/৪৫৬ (জাকারিয়া) বাদায়েউস সানায়ে-৩/১০৯. ফাতাওয়া হিন্দিয়া-১/৩৭৮, ফিকহুস সুন্নাহ ৩/১৬৫. কাওয়াইদুল ফিকহ-১৩০ (দারুল কিতাব) ফাতাওয়া তাতারখানিয়া-৪/৫২৮ (জাকারিয়া), আল মহিতুল বুরহানী-৪/৪৮৬
কনের সেন্স অফ হিউমার, আইকিউ লেভেল, এবং পার্সোনালিটি বুঝতে সহায়ক কিছু মজাদার এবং চিন্তাশীল প্রশ্ন তৈরি করা যেতে পারে। নিচে এই ধরনের কিছু প্রশ্ন দেওয়া হলো:

সেন্স অফ হিউমার যাচাইয়ের প্রশ্ন:

1. তুমি যদি কোনও জাদুকর হতে পারতে, কী ধরনের মজার যাদু ব্যবহার করতে?

2. ধরো, তুমি একটা নতুন ভাষা আবিষ্কার করেছো। প্রথম তিনটি শব্দ কী হবে?

3. যদি তোমাকে কারও চেহারা নিয়ে একটা মিম বানাতে বলা হয়, কাকে বেছে নিতে?

4. ধরো, তোমার প্রিয় অভিনেতার সাথে একদিন কাটাতে পারবে, কী করবো?

5. যদি তোমার একটা পোষা ড্রাগন থাকত, তার নাম কী রাখবে আর কেন?

আইকিউ লেভেল বা চিন্তাভাবনার দক্ষতা যাচাইয়ের প্রশ্ন:

1. ধরো, তুমি একটা বনের মধ্যে হারিয়ে গেছো এবং তোমার কাছে কেবল একটা কাঁটাচামচ আর একটি পানির বোতল আছে। কীভাবে তুমি নিরাপদে বের হবে?

2. একটা ক্লাসিক লজিক্যাল পাজল: তুমি যদি এমন একটা জায়গায় থাকো, যেখানে তিনটা দরজা আছে - একটা তোমাকে সুন্দর বাগানে নিয়ে যাবে, আরেকটা তোমাকে সরাসরি মরুভূমিতে, এবং শেষটা আছেই না। কোন দরজা বেছে নেবে এবং কেন?

3. একটা ক্রিয়েটিভ প্রশ্ন: পৃথিবীতে যদি তিনটি জিনিস চিরতরে বিলুপ্ত করতে পারতে, সেগুলো কী হবে?

4. তোমার সামনে এক অদ্ভুত খেলা আছে, যেখানে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ৫টা কঠিন সমস্যা সমাধান করতে হবে। সবচেয়ে ভালো কোন সমাধান পদ্ধতি ব্যবহার করবে?

পার্সোনালিটি বা ব্যক্তিত্ব বোঝার জন্য প্রশ্ন:

1. তুমি যদি একটা সুপার পাওয়ার পেতে পারতে, তবে কোনটা বেছে নিতে? কেন?

2. তোমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মূল্যবোধ কী?

3. কোন গুণটা তোমার মতে সবচেয়ে প্রিয়জনের মধ্যে থাকা উচিত?

4. ধরো, তুমি একটা বড় কোম্পানির সিইও, তোমার কর্মীদের মধ্যে কোন গুণগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবে?

5. তুমি জীবনে সফলতা বলতে কী বোঝো?

প্রশ্নগুলো করার সময় যেন সেগুলো মজার ও স্বাভাবিক থাকে, যাতে আলোচনা স্বাভাবিকভাবে গড়ায় এবং একে অপরকে বোঝা সহজ হয়।

ChatGPT 🤐
1
প্রশ্নঃ আপনাদের বিভিন্ন ভিডিওতে যে সাউন্ড ট্র‍্যাক ব্যবহার করেন তা কি কোনো মিউজিক?

উত্তরঃ আমরা হালাল বিটস থেকে কিছু সাউন্ড ট্র‍্যাক কিনে আমাদের ভিডিওতে ব্যবহার করি যা হালাল বলে বিবেচিত। ড্রামের মত কিছু শব্দ আছে যা দফ নামে পরিচিত। মুখে কিছু বিশেষ ধ্বনি এবং দফ বাজানোর মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি ভিডিওকে যেন আকর্ষনীয় করে তোলা যায়।

ইসলামে বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে, এবং এটি প্রেক্ষিত ও প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে। "দাফ" বা "ডফ" (ড্রাম) ইসলামি ঐতিহ্যে একটি বিশেষ বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত। ইসলামের প্রাথমিক যুগে বিশেষ করে আনন্দঘন পরিবেশে, যেমন বিবাহ বা উৎসবে, দাফ বাজানো অনুমোদিত ছিল বলে বহু হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে কয়েকটি মূল দিক বিশদে বলা যেতে পারে:

১. হাদিসে দাফের উল্লেখ:

ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ করে ঈদ, বিবাহ এবং নবজাতকের জন্ম উপলক্ষে দাফ বাজানোকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে কয়েকটি হাদিস থেকে জানা যায়। হযরত আয়েশা (রা.)-এর একটি হাদিসে উল্লেখ আছে যে নবী (সা.)-এর ঘরে বিবাহ উপলক্ষে নারীরা দাফ বাজাচ্ছিল, এবং নবী (সা.) এটি অনুমোদন করেছিলেন।

২. উৎসব এবং বৈধতা:

দাফ বাজানোর অনুমোদন প্রধানত উৎসবমুখর মুহূর্তের জন্য প্রযোজ্য। তবে এটাও মনে রাখা উচিত যে সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র ইসলামি আইনানুযায়ী অনুমোদিত নয়। কিছু মতানুযায়ী, শুধুমাত্র দাফ ছাড়া অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত হয়, কেননা এগুলো আল্লাহর স্মরণ থেকে মানুষকে দূরে সরিয়ে দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৩. পুরুষ এবং নারীর জন্য নিয়ম:

অনেক ক্ষেত্রে দাফ বাজানোর অনুমতি নারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল, বিশেষ করে যেসব অনুষ্ঠান শুধুমাত্র নারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে পুরুষদের জন্যও কিছু বিশেষ অনুষ্ঠানে দাফ বাজানোর অনুমতি ছিল, তবে সেই অনুষ্ঠানগুলো ছিল সামাজিক ও ধর্মীয় নৈতিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৪. অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের প্রসঙ্গে:

ইসলামের বিভিন্ন ফিকহের ইমাম ও আলেমদের মতামত অনুসারে, দাফ ছাড়া অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র সাধারণত নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এগুলো মানুষকে গাফলতিতে নিমজ্জিত করতে পারে। ইমাম মালিক, ইমাম শাফি, ইমাম আহমদ এবং ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বিভিন্নভাবে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারকে সীমাবদ্ধ করেছেন। তবে, কিছু আধুনিক আলেম বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহারে নমনীয়তা দেখিয়ে থাকেন, বিশেষ করে যদি তা কোনো হারাম কাজে লিপ্ত না করে।

৫. সারমর্ম:

ইসলামে দাফ বাজানো হালাল হিসেবে স্বীকৃত, বিশেষ করে উৎসবমুখর বা অনুমোদিত পরিবেশে। তবে এটি অন্য বাদ্যযন্ত্রের মতো নয় এবং এটির ব্যবহারে সঠিক বিধি-বিধান অনুসরণ করা উচিত।

[ ১. সহিহ বুখারি: 5135
২. সহিহ মুসলিম: 892
৩. সুনান আন-নাসাঈ: 3388 ]
আমাদের বাসার ড্রাইভার একবার এক সিলিন্ডার গ্যাস গাড়িতে ভরে সেই গাড়িতে তার বউ নিয়ে পুরো শহর ঘুরেছে। পরদিন আমার বাবাকে কল দিয়ে বলেছে "প্রিয়া আপা সকালে বাইর হইসে। সারাদিন বাইরে ছিলো। উনিই খরচ করসে গ্যাস। গ্যাস আবার ভরতে হইবো। আমারে টাকা দিয়েন।"

ওইদিন সকালে আমি গাড়িতে করে বের হয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু আমি জানতাম আমার বাসায় ফেরার টাইমের ঠিক নেই, তাই আমি ড্রাইভারকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। আর সেদিন সব কাজ শেষ করে সিএনজি করেই বাসায় ফিরেছিলাম।
ড্রাইভারের কথা শুনে আব্বু প্রথমে বাসায় এসে আম্মুকে ফোনে খুব মারাত্মকভাবে বকলো, এরপর ড্রাইভারের সামনেই আমাকে ভীষণ গালিগালাজ করলো।
আমি একবার বলার চেষ্টা করেছিলাম। জানাতে চেয়েছিলাম সত্যটা।
লাভ হয়নি।
আব্বু আম্মু ততোক্ষণে কনভিন্সড হয়ে গেছে যে আমিই আব্বুর চোখ ফাঁকি দিয়ে গাড়ি দিয়ে পুরো শহর ঘুরে বেড়িয়েছি।
সেইরাতে আমি ভেবে বের করতে চেয়েছিলাম কেন একজন ড্রাইভার এই সাহসটা পাবে যে সে আমার নাম দিয়ে এতো বড় ঘটনার দায় সেরে ফেলবে?
পরে আমার মাথায় এসেছিলো, এই ড্রাইভার প্রায় তিন বছর আমাদের গাড়ি চালিয়েছে। এই তিনবছরে অজস্র দিন আমার আব্বু অকথ্য ভাষায় আমাকে ড্রাইভারের সামনে গালিগালাজ করেছে।
কোচিং ক্লাস থেকে পাঁচ মিনিট লেট করে বের হওয়াতে, কোনো শপিংয়ে গিয়ে বাসায় আসতে দশ মিনিট লেট করাতে, উত্যাদি ইত্যাদি আরো নানা কারণে। অনেক দিন আব্বুর বকা শুনে আমি পুরো পথ ফ্যাচফ্যাচ করে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় আসতাম।
এই ড্রাইভারই একবার আমার আব্বুকে বলেছিলো আমি সারা রাস্তায় মুখ বাহির করে দিয়ে রাখি তাই ছেলেরা আমাকে টীজ করে। মুখ বাহির করে দিতাম কারণ আমার ছিলো সাইনাসের সমস্যা। দমবদ্ধ লাগতো গাড়িতে। কিন্তু এরপর থেকে আব্বু গাড়ির কাঁচ তুলে দিতো। এসি গাড়ি আর লেমন এয়ার ফ্রেশনারের গন্ধে আমি স্কুলে পৌছেই আগে বমি করতাম।

আমার ড্রাইভার এই কাজগুলো করার সুযোগ পেয়েছিলো কারণ সে দেখতে পেতো প্রতিনিয়ত আমার ঘরের মানুষ কিভাবে আমাকে অপদস্থ করে৷ কিভাবে আমার আম্মু ড্রাইভারকে ফোন দিয়ে আমার কথার সত্যতা ভেরিফাই করে। উনি বুঝে গিয়েছিলো সামহাউ, আমার পরিবারে একজন ড্রাইভারের দখল আমার চাইতে বেশি। এবং সে সেটারই সুযোগ নিয়েছিলো।

আমার মা দেশের বাইরে যাওয়ার মাস দুয়েক পর শ্বশুড়বাড়িতে প্রথমবার আমাকে যখন জিজ্ঞেস করেছিলো, "তোমাকে কি পালক আনছে তোমার বাসায়? মানুষের ফ্যামিলি থেকে মাঝেমধ্যে ভুলেটুলেও কল দেয়, তোমার জন্য দেখি কেউ একবার কলও দেয়না!"
আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলাম।
এভাবে কেন বলবে কেউ?
এতোটা ইনসেনসিটিভ কেন হবে?
এরপর এক এক করে আরো আট দশ মাস চলে গেলো। শ্বশুরবাড়িতে আমার বাসা থেকে একটা কলও গেলো না।
আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আমি ওই কথায় ভীষণ কষ্ট পেয়েছিলাম কারণ কথাটা সত্য ছিলো।
আর সত্য কথা সবসময় শুনতে ভালো লাগেনা।

বাইরের মানুষ আমাদেরকে কিভাবে ট্রীট করবে সেটা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমাদের ঘরের মানুষ আমাদের কিভাবে ট্রীট করে সেটার উপর।
কাছের মানুষেরাই যখন আমাদেরকে তাদের স্বার্থের কারণে বিক্রি করে দেয়, তখন অন্য কাউকে আমাদেরকে কিনে নেয়ার জন্য তাদেরকে আমরা দোষ দিই বা কি করে?

০৮.১০.২০২৪
রাত ১১.৩৩টা।
~শামসুন নাহার প্রিয়া
একজন শিশুর বয়স ৭ বছর হবার পর থেকে তাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ নিউট্রিশন হ্যাক শেখাতে হয়, যা প্রায় কোন বাবা মা শেখান না।

এই লাইফ হ্যাক হল, শুধুমাত্র স্পষ্ট ক্ষুধা লাগলেই খাওয়া, ক্ষুধা না লাগলে না খাওয়া।

স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে আমি কি বুঝিয়েছি??
স্পষ্ট ক্ষুধা বলতে বুঝিয়েছি, যখন সে অনুভব করবে তার পেটে আর কিছুই নেই এবং যাই দেখবে তাই খেতে ইচ্ছা করবে।

এটা প্রথম প্রথম তৈরি হতে সময় লাগে, কিন্তু এটা তৈরি করিয়ে নিতে হয়। একবার এটা হয়ে গেলে পরে অটোমেটেড মেকানিজমের মত চলতে থাকে।

বাচ্চাদের চেয়েও এটা এখন বেশি প্রয়োজন হয়ে উঠেছে বড়দের জন্য।

দেখুন, বড়রা এখন স্বভাবের দিক দিয়ে শিশুসুলভ হয়ে যাচ্ছে। জ্ঞান এবং প্রাজ্ঞতা আমাদের মধ্যে এখন প্রায় দুর্লভ।

বড়রা কথায় কথায় খায়। ঢাকায় যারা সারাদিন ঘরের বাইরে থাকেন তারা অনেকেই দিনে ৭-১০ বার খান।

এত খাওয়ার কারন কি??

আমি বোঝাই।

১)আপনি আসলে পুষ্টিকর খাবার খেলে এত বেশি ক্ষুধা লাগবে না, এত ঘনঘন খেতেও পারবেন না। ব্রেইন নিজেই তখন ক্ষুধাকে রেগুলেট করবে।
২)সোশ্যাল প্রতিটা এনগেজমেন্টে আপনাকে কিছু একটা খেতে হচ্ছে। ফলে, আপনি ক্ষুধা না থাকার পরেও খাচ্ছেন।

আপনি যদি সুস্পষ্টভাবে ক্ষুধা না লাগা পর্যন্ত না খান, আমার ধারনা, এক বছরের মধ্যে সমস্ত শহরের মানুষের ওজন ৩-৬ কেজি এমনিতেই কমে যাবে।

আমি একটা সময় দিনে ১০-১২ বার খেতাম। সামনে যা পেতাম তাই খেতাম।

এখন আমি দিনে ৩ বারের বেশি খাই না, অধিকাংশ দিন কেবল ২ বার খাই।

আমার খাবার খরচ কমে গেছে অনেক, আর সেই সাথে, কারো সাথে বাইরে খাওয়ার কথা থাকলে সেটা মেইন মিল টাইমেই খাই। কোন আফটারনুন ট্রিট বা প্রি ডিনার ট্রিট হিসেবে না। কোথাও দাওয়াত খেলে সকালে খাই, যেন তা সারাদিনে শরীরের কাজে লাগে। রাতের বেলা দাওয়াত খাওয়া মানে পুরোটা ক্যালরি শরীরে জমানো।

দিনে ২-৩ বারের বেশি খাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। মগজকে প্রশিক্ষন দিন, আপনার শরীর আপনার অনুগত হয়ে যাবে।
👍2
কিভাবে স্বামীকে আদর করবেন:-

যৌন মিলনে সুখি হতে চাইলে সব দায়ভার কখনোই স্বামীর উপর ছেড়ে দিবেন না যদিও স্বভাবজাতভাবে স্বামী মুখ্যভূমিকা পালন করে থাকে আর স্ত্রীর ভূমিকা গৌন। কিন্তু স্ত্রী যখন স্বামীর আবেগকে বুঝবে, নিজেকে শুধুমাত্র নিজের স্বামীর কাছেই যৌন আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করবে, স্বামীকে উত্তেজিত করে তুলবে, চুপচাপ বিছানার এককোণে পরে থাকবে না আশা করা যায় যৌনমিলন ভরপুর একসুখের সীমানায় নিয়ে যাবে।

# স্বামীর জন্য সাজুন, স্বামীকে ভালবাসুন, স্বামীর মেজাজকে বুঝতে চেষ্টা করুন।

# স্বামীকে সারপ্রাইজ দিতে মাঝে মাঝে খোলামেলা পোশাক পড়ুন, স্বামীর সামনে নিজের সৌন্দর্য কে ফুটিয়ে তুলুন।

# লাজুকতা থাকবে, এটা নারীর সৌন্দর্য। তবে বিছানায় ঝেড়ে ফেলুন। উগ্রতা মাঝে মাঝে কামনীয়, রোমান্টিক কথা, স্ত্রীর চিৎকার স্বামীকে পাগল করে দেয়, স্বামীর যৌন অক্ষমতা থেকে হিফাজত করে, সেক্স হরমোন রিলিজ করে, লিঙ্গকে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দৃঢ়, মজবুত করে রাখে।

# স্বামীকে দিয়েই আদর শুরু করুন, তার বিশেষ বিশেষ জায়গায় বিদ্যুৎ চমকায় দিন, তাকে গরম করে ছেড়ে দিন, যখন আপনার পালা আসবে তখন স্বামীর উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়ে যাবে যা দ্রুত বীর্যপাত কমিয়ে দিবে।

# স্বামীর যৌন পার্ফমেন্স কে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিন।স্পেশাল জিনিসটি নিজের প্রিয় জিনিস বানিয়ে নিন, আর স্বামীর কানে কানে সেটা জানিয়ে দিতে ভুলবেন না।

# স্বামীর পোশাক খুলতে সহায়তা করুন, প্রয়োজনে আপনি নিজে খুলে দিন, আর আপনারটা যেন আপনার স্বামী খুলে দেয়, তাকে যৌনতার শুরে অনুরোধ করুন।

# বডি মেসেজ এটা করতে ভূলবেন না, প্রচুর পরিমানে করুন, পরস্পরের সেক্সের আনন্দ বাড়িয়ে দিবে বহুগুন, স্বামীর সেনসেটিভ জায়গায় ভালোমত মেসেজ দিলে আশা করি দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যাটা আস্তে আস্তে কমে যাবে।

# হঠাৎ হঠাৎ স্বামীকে ঘুমের মধ্যে নিজে থেকে আদর করুন, উত্তেজিত করে, তার যৌনক্ষুধা বাড়িয়ে দিন।

# মাঝে মাঝে উঠতে বসতে হালকা যৌনালাপ করুন, মন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে, সারাদিনের একঘেয়েমি দূর হয়ে যাবে, যৌনতাকে পরস্পরের মধ্যে মনখুলে ভালোবাসুন। নিজেদের মধ্যে গোপন রাখুন, মাঝে মাঝে সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করুন, যা শুধু আপনারা ছাড়া দুনিয়ার কেউই যেন না বুঝে।

# হঠাৎ হঠাৎ সেক্সুয়াল টেক্সট করুন, বলুন তাকে খুব মিস করছেন, কাছে পেতে খুব ইচ্ছে করছে।

# স্বামীর চরম পুলক অর্থাৎ বীর্যপাতের সময় বেশি আপন করে নিন, শক্ত করে জড়
🔥2👍1
রমাদান বরাবরই পছন্দের একটা মাস।

সাইকোলজিক্‌লি ও ফিজিক্‌লি ব্যপক পরিবর্তন আসে এ মাসে। প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া, ঘুমানো, তারাবীর এফোর্ট— বছরের অন্য সময় হয়ে ওঠে না।

কিন্তু নিয়মের বাইরে চলে যায় খাদ্যাভ্যাস। অনেকেই আশা করেন রোজায় ওজন কমবে। কিন্তু মাস শেষে ওজন কমে না, বরং বেড়ে যায়। অনেকে দুর্বল হয়ে যান। এমনকি যুব ছেলেপেলেরাও। এমন কি হওয়ার কথা?

ধরুন হিমেল একজন স্বাভাবিক বিএমআইয়ের মোটামুটি পরিশ্রমী ছেলে। সে যেন দুর্বল না হয় (মাসল লস), অন্তত সেটুকু সুস্থতার জন্য দিনে তার ৫০৪ ক্যালরি প্রোটিন, ৯০০ ক্যালরি কার্বোহাইড্রেট আর ৬৬ গ্রাম ফ্যাট খেতে হবে। সব মিলিয়ে ২,০০০ ক্যালরি/প্রতিদিন।

সে সেহরিতে আলুর চপ, বেগুনি, মুড়ি, জিলাপি আর ছোলাভুনা খেলো। রাতে ডিনার করল, সেহরি করল। এতে তার শরীরে ৩০০০ ক্যালরি ঢুকে যাবে। মনে হতে পারে হিমেল তার ক্যালরি পূর্ণ করেছে, সে সুস্থ থাকবে। কিন্তু না। সে ক্যালরি টার্গেট পূরণ করলেও তার খাবারে প্রোটিন, ফ্যাট আর কার্বের ব্যালেন্স ছিল না। সে প্রোটিন তো খায়ইনি, কার্বও খেয়েছে প্রয়োজনের অনেক কম, ফ্যাট খেয়েছে সবচেয়ে বেশি। ফলে ওজনও বাড়ছে (ফ্যাট-গেইন), কার্বের অভাবে বাড়ছে দুর্বলতাও। অন্যদিকে প্রোটিনের অভাবে হচ্ছে লং-টার্ম সমস্যা।

রোজায় দেহের ভারসাম্য রাখতে রাতে ডিনার করা জরুরি নয়। তবে ইফতারে অবশ্যই কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে। যেমন, খেজুর অথবা ভাত। চিড়া-মুড়িও ভালো, তবে এগুলো খুব অল্পই খাওয়া হয়। খাবারের পরিমাণ সঠিক রাখা জরুরি। দুধ-কলা-ভাত ভালো অপশন। খিচুরিও ভালো। ভাজাপোড়া, বিরিয়ানি, কাচ্চি এসবও খাওয়া যাবে, তবে সপ্তাহে একবারের বেশি নয়। ফল, সবজি (ভাইটামিন, ফাইবার) আর পানির কথা আলাদাভাবে বলার দরকার নেই।

রোজার সৌন্দর্য্য বজায় রাখাটা ইবাদতের পাশাপাশি খাদ্যগ্রহণের ওপরও নির্ভর করে। সুন্দর ইবাদতের জন্যও খাওয়া-দাওয়ার লাগাম হাতে রাখা জরুরী। রমাদান হেলদি কাটুক। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়।

#ramadan2025 #eathealthy #bigyanpriyo
2
জরুরি সতর্কবার্তা!

তারাবির নামাজের সময় (রাত ৮টা - ১০টা) দূ'র্বৃ'ত্ত'রা ডা'কা'তি, খু'ন ও ধ'র্ষ'ণের মতো ভয়ংকর অ'প'রাধ ঘটাতে পারে!পুরুষরা মসজিদে নামাজে ব্যস্ত থাকলে বাসাবাড়ি পুরুষশূন্য থাকবে – এটিই অপরাধীদের সুযোগ!
.

এখনই সতর্ক হোন

তারাবির নামাজে গেলে মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখুন।
বাসায় থাকা নারী ও শিশুদের সতর্ক থাকতে বলুন।
দরজা-জানালা শক্তভাবে বন্ধ রাখুন, অপরিচিত কাউকে দরজা খুলবেন না।
অপরিচিত ও সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই দ্রুত পুলিশের কাছে রিপোর্ট করুন।
প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন, প্রয়োজনে একে অপরকে সাহায্য করুন।

আপনার সামান্য অসতর্কতা ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে!
সবাইকে সতর্ক করুন, পোস্টটি শেয়ার করুন, পরিবার-প্রতিবেশীদের জানিয়ে দিন!

🚨 জীবন রক্ষা করুন – সবাই সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন! 🚨
3
★ সেহরির জন্য পরামর্শ ★

সেহরিতে এমন খাবার খেতে হবে যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখবে এবং শক্তি দেবে।

প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত খাবার খান
ডিম, মুরগি, মাছ, ডাল, চিড়া বা ওটস
শাকসবজি (ঢেঁড়স, শিম, গাজর, লাউ)
দই ও বাদাম (বাদাম, কাজু, চিয়া সিডস)

জটিল কার্বোহাইড্রেট বেছে নিন
লাল চালের ভাত, আটার রুটি, ওটস
মিষ্টি আলু বা অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার

পানি ও লিকুইড বেশি নিন
২-৩ গ্লাস পানি পান করুন
লেবুর শরবত, ডাবের পানি বা স্যুপ খেতে পারেন

এড়িয়ে চলুন
ভাজাপোড়া (পরোটা, পুরি, সমোसा)
অতিরিক্ত চা/কফি (ডিহাইড্রেশন হতে পারে)
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার (ওজন বাড়তে পারে)
1
রোজায় মেডিকেল কেন্দ্রিক যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক -

রোজা রেখে নিচের কাজগুলো করলে আপনার রোজা ভাঙ্গবে -

১. রোজা রেখে সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় দেওয়া ওষুধ) নিল
২. রোজা রেখে স্যালাইন নিলে
৩. রক্ত গ্রহণ করলে /রক্ত নিলে
৪. এন্ডোস্কোপি করানো হলে / গলায় নল দিয়ে পরীক্ষা করলে
৫. নাকে খাবারের নল দিলে
৬. পায়খানার রাস্তায় পরীক্ষা যেমন কোলনস্কোপি/ প্রক্টোস্কোপি করলে
৭. ইনহেলার ব্যবহার করলে ( এক্ষেত্রে দুই ধরণের বক্তব্য পাওয়া যায়, এক শ্রেণীর ফকীহ দের মতামত রোজা ভাঙবে না, আরেক শ্রেণী বলেছেন রোজা ভাঙ্গবে, ব্যক্তিগতভাবে আমি রোজা ভেঙ্গে যাবার মতামত কে অধিকতর যৌক্তিক মনে করি)
৮. নেবুলাইজেশন করলে
৯. নাকের ড্রপ দিলে
১০. কানের ড্রপ দিলে (যদি কানের পর্দায় ছিদ্র থাকে)
১১. ডায়ালাইসিস করলে
১২. পায়খানার রাস্তায় enema দিলে

রোজা রেখে নিন্মের কাজগুলো করলে রোজা ভাঙ্গবে না -

১. রক্ত দিলে
২. রক্তের স্যাম্পল দিলে / রক্ত পরীক্ষা করলে
৩.মাংসে /চামড়ায় কোনো ইনজেকশন দিলে, ইনসুলিন দিলে
৪. শিরায় ইনজেকশন দিলে ( ইনজেকশনে যদি ১০০ মিলি এর চেয়ে বেশি পানি থাকে তাহলে রোজা ভাঙতে পারে: Al Balagh Academy, UK এর মতামত, তাই অপ্রয়োজনে ইনজেকশন না নেওয়া বেটার)
৫. চোখের ড্রপ দিলে (তবে যদি ড্রপ দেওয়ার পর মুখে স্বাদ অনুভূত হলে সেই ক্ষেত্রে সেটা থুতু দিয়ে বের করতে হবে, তাই অনেক আলেম বলেন চোখের ড্রপ অপ্রয়োজনে না নিতে)
৬. ক্যাথেটার করানো হলে
৭. ক্যানুলা করানো হলে
৮. ডায়াবেটিস পরীক্ষা করলে
৯.ভ্যাকসিন দিলে
১০. মাসিকের রাস্তায় কোনো ওষুধ দিলে (Al Balagh Academy)
১১. হিজামা করলে ( তবে হাম্বলী মাজহাব ও অন্যান্য কিছু আলেমদের মতে রোজা ভাঙ্গবে)

উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো রিসার্চ একাডেমি ফর মেডিকেল ফিকহ এন্ড ইসলামিক ট্রিটমেন্ট (RAMFIT) এর ক্লাস ও বিভিন্ন অনলাইন ফিকহ ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা। কোনো ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে আলেমদের থেকে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

- ডা. মোকাদ্দুসুর রহমান সিফাত

#Ramadan #ramadan2025
1
রোজায় সঠিক খাদ্যাভাস নিয়ে বিস্তারিতঃ

রমজান মাস অন্য ১১টি মাস অপেক্ষা ভিন্ন।

এই রমজানে সুস্থ থাকার জন্য খাবার গ্রহণের ব্যাপারে আগে থেকে সচেতন হতে হবে। সুষম খাদ্য নিশ্চিত কর‍তে হবে। শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি- এ ছয়টি উপাদানসমৃদ্ধ দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা হলে তাকে সুষম খাদ্য বলে।

অর্থাৎ প্রতিদিনের তৈরি খাবারগুলোর মধ্যে এ ছয়টি উপাদান আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।চলুন জেনে নেই খাদ্য তালিকা কেমন হলে জটিলতামুক্ত থেকে রোজা থাকা যাবে।

*ইফতারঃ

ইফতারের খাবার হবে সহজপাচ্য ও কম তেল মসলা যুক্ত।কারণ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে গুরুপাক ও ভারী খাবার খেলে তা হজমের ব্যঘাত ঘটতে পারে ও শারিরীক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

সেজন্য
--একটি খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শুরু করতে পারেন। এরপর বিশুদ্ধ খাবার পানি পান অল্প অল্প করে বারে বারে পান করতে হবে। ডাবের পানি,লেবু পানি,মৌসুমী ফলের জ্যুস এগুলোর সাথে তোকমা দানা,চিয়া সীড,ইসবগুলের ভুষি,ফ্ল্যাক্স সিড মিশিয়ে পান করতে পারেন।

-- ভাজাভুজি, ছোলা ভুনার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ছোলার সঙ্গে শসা, টমেটো, লেবু ও দু-তিন কোষ কাঁচা রসুন কুচি করে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

--দুই তিন রকম ডালের সাথে মুরগীর মাংস মিশিয়ে কম মসলা দিয়ে হালিম তৈরি করে খেতে পারেন।

--টকদই দিয়ে লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি ও খেতে পারেন বা টকদই,(লাল চিড়া,ওটস্,বার্লি থেকে যে কোনোটি),যে কোনো মৌসুমি ফল মিশিয়ে বেল্ড করে খেতে পারেন।

--বিভিন্ন মৌসুমি সবজি,মুরগীর মাংস মিশিয়ে স্যুপ করেও খেতে পারেন।
--দুধের সাথে সাগুদানা,সুজি দিয়ে ফালুদা করে বা দুধ, ডিম দিয়ে পুডিং তৈরি করেও খেতে পারেন।

-আবার কেউ চাইলে ইফতারে রাখতে পারেন রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।

রাতের খাবারঃ
অনেকেই সন্ধ্যারাতে খাবার না খেয়ে সরাসরি সেহরিতে খাবার খান, যা অনুচিত। অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমাণ খাদ্য সন্ধ্যারাতে খেতে হবে। সহজেই হজম হয় এমন খাবার উল্লেখযোগ্য।
--এ সময় থাকতে পারে লাল আটার রুটি অথবা ভাত, ডাল, সবজি, শাক, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি।

--সবজি ও চিকেন মিক্স স্যুপ করে খেতে পারেন।
--দুধের সঙ্গে সামান্য ওটস,লাল চিড়া,বার্লি ও খেজুর ব্লেন্ড করে স্মুদি করেও খেতে পারেন।
--রাতের খাবারের পর টক দই খেতে পারলে ভালো, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

সেহরিঃ

সেহেরিতে খাবার হবে অন্যান্য সময়ের দুপুরের খাবারের পরিমাণ। দীর্ঘ সময় পেটে থাকে ও আস্তে আস্তে হজম হয় এমন খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।

অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সারা দিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সাহ্‌রির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি খাবার খেতে হবে। তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ, চার–পাঁচ ঘণ্টা পার হলেই খাদ্যগুলো পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে গিয়ে হজম হয়ে যায়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না খাওয়াই ভালো বরং মাত্রাতিরিক্ত খেলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

-- এ সময় খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে লাল আটার রুটি,লাল চালের ভাত এর সঙ্গে ডাল, সবজি এক কাপ, মাছ বা মাংস অথবা ডিম ইত্যাদি রাখা যেতে পারে।

একটি আদর্শ প্লেট নিয়ে তাকে চার ভাগে ভাগ করে সেটার ২ ভাগে থাকবে মিশ্র সবজি বাকি দু ভাগের এক ভাগে ভাত বা রুটি আর এক ভাগে প্রোটিন যেমন মাছ,মাংস,ডিম থাকবে।
--সেহেরির সময় এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ রাখা উচিত অথবা দুধ দিয়ে লাল চিড়া বা ওটসও খেতে পারেন।

গ্রীষ্মের রমজানে গলামুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধে যা যা মানতে হবেঃ-

কয়েকটি স্বাস্থ্যকর টিপস্ ও কৌশল অবলম্বন করলেই গ্রীষ্মের রমজানে এই গলা মুখ শুকিয়ে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।

*ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।চেষ্টা করতে হবে সর্বনিম্ন ৮-১০ বা প্রয়োজন ভেদে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত হওয়ার ফলে ইফতারে বিভিন্ন ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস বা বাহিরের বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর পানীয় পান করা হয়, এগুলো তৎক্ষণাৎ প্রশান্তি দিলেও দীর্ঘসময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে কার্যকর নয়। সেজন্য এগুলোর পরিবর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

*খাদ্য তালিকায় প্রচুর তাজা পানি জাতীয় মৌসুমি ফলমূল ও শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
*রাস্তায় অযথা বের হওয়া এড়িয়ে চলতে হবে আর প্রয়োজনে বের হলেও অবশ্যই ছায়াযুক্ত স্থানে দিয়ে চলাফেরা করতে হবে।
*রোজা থেকে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা ভারী কোন এক্সারসাইজ করা হতে বিরত থাকতে হবে।
*রমজান মাসে ক্যাফেইন জাতীয় খাবার সম্ভব হলে বাদ দিতে হবে বা একেবারেই সীমিত পরিসরে পান করতে হবে।

*শুকনো খাবার যেমন বাহিরের বিভিন্ন ক্র্যাকার্স,টোস্ট, চিপস্ ইত্যাদির এগুলোর পরিবর্তে আদ্র, থকথকে ও নরম খাবার গ্রহণ করতে হবে।
1
*গরমে ঘামের ফলে বের হয়ে যাওয়া পুষ্টি উপাদানের ভারসাম্য রক্ষার জন্য কচি ডাবের পানি, লেবু পানি বা ডিটক্স ওয়াটার খুব ভালো কার্যকর।
*অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার ও লাল মাংস সাধারণত শরীরকে সহজে ডিহাইড্রেটেড করে তুলে সেজন্য রোজার মাসে এগুলা এড়িয়ে চলা উচিত।

*অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণের ফলে
ফলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে এজন্য রোজার মাসে অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার বারবার গ্রহণ করা হতে বিরত থাকুন।

Nutritionist, Nahida Ahmed
Course Instructor, 20 Minute Medical (Department of Food and Nutrition Science)
👍21
বিয়ের পর নারী-পুরুষের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় কেন ?

ডা. অপূর্ব চৌধুরী
London, England

সব মানুষের জীবনে দুটি পর্ব থাকে । শিশুকাল এবং পরিণতকাল । মাঝে এক পর্ব থেকে আরেক পর্বে যাওয়ার সময়টিকে বলে পিউবার্টি । এই সময় ছেলে এবং মেয়ে, দু'জনের শরীরে কিছু পরিবর্তন হয় । ছেলেদের মুখে দাড়ি-মোচ উঠে, গলার স্বর ভারী হতে শুরু করে । মেয়েদের পিরিয়ড শুরু হয়, বুকে স্তন্য দেখা দেয় । মেয়েদের শরীরে এই পরিবর্তনটি ছেলেদের এক থেকে দুই বছর আগে শুরু হয় ।

মেয়েদের গড়ে ১০ বা ১১ বছরে, ছেলেদের গড়ে ১২ বা ১৩ বছর বয়স থেকে পিউবার্টি শুরু হয় । আবার এটি একেকজনের একেক সময়ে হয়, বা শুরু হতে দেরী হতে পারে । কোনো কোনো মেয়ের ৯ বছরেও শুরু হতে পারে, আবার কারো ১৩/১৪ তে গিয়েও হয় ! তেমনি ছেলেদেরও গড়ে ১২ তে শুরু হলেও কারও কারও ১৪/১৫ তেও হতে পারে । এই পার্থক্যগুলো নরমাল । পিউবার্টির পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে ছেলে এবং মেয়ে, দু পক্ষেরই গড়ে চার বছর সময় লাগে ।

শরীরের বাহিরে এই পরিবর্তনের ফলে উভয়ের শরীরে আরও কিছু পরিবর্তন দেখা দেয় । সেটা হলো : সেক্স ডিজায়ার এবং সেক্স ড্রাইভ । এই পরিবর্তন স্বাভাবিক ।

সেক্স ড্রাইভ এবং সেক্স ডিজায়ার, দুটো বিষয় অনেকে গোলমাল করে ফেলে । সেক্স ড্রাইভ হলো চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো ইচ্ছা ।

সেক্স ড্রাইভ হলো শারীরিক চাহিদা, সেক্স ডিজায়ার হলো মনের ইচ্ছা । সেক্স ড্রাইভ বায়োলজিক্যাল, সেক্স ডিজায়ার সাইকোলজিক্যাল ।

শরীরে হরমোনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যে পরিবর্তনটি হয় - এটি সেক্স ড্রাইভ । আর এই সেক্স ড্রাইভের ফলে শরীর এবং মনের ইচ্ছাকে বলে সেক্স ডিজায়ার ।

সেক্স ড্রাইভ শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । কিন্তু সেক্স ডিজায়ারটি সময়, পরিস্হিতি, মুড অনুযায়ী পরিবর্তন হয়, কম-বেশি হয় । সেক্স ড্রাইভ থাকলেই সেক্স ডিজায়ার থাকবে, এমন কোনো কথা নেই । তাই অনেকের দেখা যায় শরীরে সেক্স ড্রাইভ আছে, কিন্তু সেক্স ডিজায়ার নেই । এমনটি সবচেয়ে বেশি ঘটে দম্পতিদের মাঝে ।

ছেলে এবং মেয়েদের শরীরে এড্যাল্টহুডে পরিবর্তন আসার পর সেক্স ডিজায়ার একদিকে যেমন একটি নরমাল এবং ন্যাচারাল ডিজায়ার হয়ে ওঠে, তেমনি সময় এবং বয়সভেদে শুরুর দিকে এটির তীব্রতা যেমন থাকে, একটি পরিণত বয়স একুশ থেকে পঁচিশে এটি পূর্ণতা পায়, চাহিদা সম্পূরক হয় এবং সেক্স ড্রাইভ এবং ডিজায়ার অনেক বেশি বেড়ে যায়, যা স্বাভাবিক ।

গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষ এবং মহিলা, দু' পক্ষেরই ৩০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতি বছর ১% করে সেক্স ড্রাইভ কমতে থাকে ।

বিয়ের পর পরই ছেলেদের সেক্স ড্রাইভ কিংবা ডিজায়ারে তেমন পরিবর্তন হয় না । কিন্তু দেখা যায় যে - বিয়ের দুই থেকে তিন বছর পর মেয়েদের সেক্স করার ইন্টারেস্ট কমে যায় অনেকের । মানে সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । কিন্তু ঠিকই শরীরে সেক্স ড্রাইভ থাকে । কিন্তু কেন এমন হয় ?

সেক্স ডিজায়ার বা সেক্স ইন্টারেস্ট মানে হলো সেক্স করার ইচ্ছা । এখানে সেক্সের ড্রাইভ বা চাহিদা কিন্তু কমে না, সেক্স ডিমান্ডও কমে না । শুধু যার সাথে থাকে, তার সাথে সেক্স করতে ইন্টারেস্ট জাগে না, ডিজায়ার জাগে না, শরীরে ইচ্ছে জাগে না মেয়েদের । অথচ দুজনের মাঝে ভালোবাসা যেন কানায় কানায় ভরা ! কিন্তু একে অপরের প্রতি সেক্স ডিজায়ার কমে যায় । শরীরের ইচ্ছেটি মরে যায়, কিন্তু ড্রাইভ বা ক্ষুধা থাকে । যেমনটি অনেক সময় খাবারের ক্ষুধা আছে পেটে, কিন্তু খাবার খেতে ইচ্ছে করে না । কিন্তু কেন এমন হয় ?

ছেলেদেরও বিয়ের পর এমন সমস্যা হতে পারে । তবে তুলনামূলকভাবে শারীরিক অসুস্থতা বা অক্ষমতা ছাড়া ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের ক্ষেত্রে বিয়ে তেমন প্রভাব ফেলে না । বিয়ের পর ছেলেদের লিঙ্গ উত্থান জনিত সমস্যা, জব স্ট্রেস, কিছু রোগ, ইন্টারপার্সোনাল রিলেশনশিপে সমস্যা, নিজের পরিবার এবং এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলির রেস্পন্সিবিলিটি, সোশ্যাল কম্পিটিশন, পিয়ার প্রেসার, ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টাবিলিটি, ড্র্যাগ এবং এলকোহল এডিকশন, এসবের কারণে সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যেতে থাকে কিংবা কমে যেতে পারে ।

বিয়ের পর কিংবা বিয়ের আগে ছেলে কিংবা মেয়েদের এমন সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যাওয়ার ব্যাপারটিকে মেডিক্যালের ভাষায় বলে -

Hypoactive sexual desire disorder (HSDD) ।

এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলাদের ৩২% এমন ধরনের সেক্সচুয়াল ডিজফাংকশনে ভুগেন । তার মানে প্রতি তিন জন মেয়ের একজনের সেক্স ডিজায়ারে সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং দেখা দেয় ।

এ ক্ষেত্রে ছেলেদের সেক্স ইন্টারেস্টের কমতি নেই তেমন । সেক্স ডিজফাংশনে ছেলেদের সমস্যা বেশি হয় ফিজিওলোজিক্যাল বেশি, যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংসনে । মেয়েদের ডিজফাংশনটি মূলত সাইকোলজিক্যাল বেশি ।

এই কারণে ছেলেদের সেক্সুয়াল ডিজফাংশনটির ফিজিক্যাল সমস্যা থাকার কারণে সেটির যথাযথ মেডিসিনাল ট্রিটমেন্ট নিলে ঠিক হয়ে যায় । কিন্তু মেয়েদের সমস্যাটি সাইকোলোজিক্যাল হওয়ার কারণে কোনো মেডিসিন খেয়ে তার সহজ সমাধান হয় না ।
বিয়ের পর মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় কেন, তার বুলেট পয়েন্ট কারণগুলো বলার আগে আরেকটি ব্যাপার পরিষ্কার হওয়া দরকার ।

অনেকে মনে করে - সেক্স ইন্টারেস্ট মানে আরেকজনের সাথে সেক্স করা । ব্যাপারটি তা নয় । সেক্সচুয়াল থিংকিং আসা, সেটি ভাবতে গিয়ে চার্ম পাওয়া, ডে ড্রিমিং করা, ইরোটিক ফ্যান্টাসি আসা, সেক্স না করেও কারও প্রতি সেক্স এট্রাকশন আসা, সবই স্বাভাবিক এবং এসব না আসাই সেক্সচুয়াল ডিজফাংশনের অংশ, সেক্স ডিজায়ার কম থাকা বা কমে যাওয়া, সেক্স ইন্টারেস্ট না থাকা এবং সর্বোপরি Hypoactive sexual desire disorder সমস্যায় ভুগা ।

বেশ কয়েকটি কারণে বিয়ের পর মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় ।

এক. মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট বা ডিজায়ার মুডের উপর নির্ভর করে বেশি । মুড মেয়েদের মোটিভেট্যাড্ করে সেক্সের ক্ষেত্রে অনেকখানি । বিয়ের পর সাংসারিক ব্যস্ততা এবং বিচিত্রতা এই মুডকে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করে । সিঙ্গেল থাকা অবস্থায় লাইফ অনেক মনোটোনাস থাকে মেয়েদের ।

দুই. মাতৃত্ব মেয়েদেরকে সেক্সের ব্যাপারে সাবকনসাসলি ডিমোটিভেটেড করে । এর কারণ, সমাজ । সমাজে মাদারহুড কনসেপ্টটি একধরনের ডিসেকচুয়েলাইজ সিম্বল । মা হওয়ার পর মেয়েদের শরীর এবং মনে ভিন্ন একটি মানসিক টার্ন নেয় । এই জন্যে দেখা যায়, ছেলে-মেয়েরা একটু বড় হতে থাকলে বাবা-মা আলাদা বিছানায় ঘুমোতে শুরু করেন, যা তাদের সেক্স ইন্টারেস্টকে আরও কমিয়ে দেয় ।

তিন. স্ত্রী যদি বার বার কোনো অজুহাত তুলেন যে - তার কিছু করতে ইচ্ছে করছে না, বা শরীর ভালো না, এমন সময়গুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসলে মেয়েরা যখন ইমোশনালি তার হাজব্যান্ড কিংবা পার্টনারের সাথে কানেক্ট করতে পারে না, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । সরাসরি বললে সংসারের ক্ষতি হবে ভেবে কোনো একটা অজুহাত তুলে কেবল এড়িয়ে যেতে চায় । কিন্তু আসল না করার ইচ্ছাটি গোপন রাখে ।

চার. কোনো মানসিক পীড়া, বিষন্নতা, দুশ্চিন্তা দীর্ঘদিন একনাগাড়ে চলতে থাকলে মেয়েরা সেক্সে ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে ।

পাঁচ. সেক্স ড্রাইভকে বলে লিবিডো । কখনো কখনো সময় এবং পরিস্থিতি ভেবে লিবিডো কম-বেশি হওয়া স্বাভাবিক । কিন্তু যখন শরীরের মাঝে কোনো রোগ থাকে, তখন মেয়েদের সেক্স ইন্টারেস্ট কমে যায় । যেমন থাইরয়েড সমস্যা, বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম, আর্থ্রাইটিস, ক্যান্সার, আনকন্ট্রোলড ডায়াবেটিস , ক্রনিক স্ট্রেস, হরমোন ইমব্যালেন্স, কিছু মেডিসিন খেলে লিবিডো কমে যেতে পারে, যেমন : এন্টিহিস্টামিন, ব্লাড প্রেশার মেডিসিন কিংবা আন্টি ডিপ্রেসেন্ট মেডিসন । জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খেলে প্রতি দশ জনের মধ্যে দুই জনের উল্টো সেক্স ড্রাইভে কমে যায় । শরীরে আয়রন কম থাকলে বা এনিমিক হলে লিবিডো কম থাকতে পারে ।

ছয়. ইন্টার্নালি ইন্টিমেসি গ্যাপ বেশি, কিন্তু এক্সটার্নালি বেশি এক্সপোসড লাইফ মেয়েদের সেক্স ড্রাইভকে অনেক সময় ডিএকটিভ করে দেয় । বিশেষ করে চাকুরীজীবি মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয় । এর কারণটিও স্বাভাবিক । মেয়েরা চাকুরী করলেও সংসারের কাজগুলো কিন্তু তাদের কমে না । একটি মেয়েকে তিনটি সেক্টরে কাজ করতে হয় তখন । কিন্তু পুরুষরা কেবল ঘরের বাহিরে চাকুরী করলেই দায়িত্ব যেন শেষ । মেয়েরা চাকুরী করলে অফিসে কাজ শেষ করে সংসারের কাজ গুলিও করতে হয়, বাচ্চাদের দেখা শোনাও করতে হয় । দিনশেষে নিজের ইচ্ছার কোনো দাম থাকে না । না পেতে পেতে আর চাওয়া হয় না, মন আর পেতেও চায় না।

সাত. একেকটি মানুষের সেক্স সিগন্যাল একেক রকম । একটি মেয়েরও তাই । বেশিরভাগ দাম্পত্য জীবনে স্বামী বা পার্টনার এটি বুঝে না । মেয়েটি তার মতো সেক্স সিগন্যাল না পেলে স্টিমুলেটেড হবে না । বিয়ের পর মেয়েরা এমন করে তাদের সেক্স সিগন্যালটি না পেয়ে পেয়ে একসময় ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে । সেটা নিজের ডিজায়ারের প্রতি, সেটা পার্টনারের প্রতি, এমনকি সেটা নিজের ড্রাইভের প্রতিও ইন্টারেস্টলেস হয়ে উঠতে পারে ।
😢1
ব্রণ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা নয়, এটি আত্মবিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে। আসুন জেনে নিই ব্রণের কারণ, লক্ষণ, পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপস, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসা।

ব্রণের কারণ:

অতিরিক্ত তেল উৎপাদন (Sebum)
রোমকূপ বন্ধ হওয়া
ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
হরমোনের পরিবর্তন
ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও দুগ্ধজাত খাবার
মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
অস্বাস্থ্যকর প্রসাধনী ব্যবহার

🔴 ব্রণের লক্ষণ:

লালচে ফোলাভাব
ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস
পুঁজযুক্ত ব্রণ
দাগ ও চুলকানি

🟩 ঘরোয়া টিপস ও ব্যবহার পদ্ধতি

লেবু ও মধু
ব্যবহার: লেবুর রস ও মধু সমপরিমাণ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দিনে ১ বার ব্যবহার করুন।

টমেটোর রস
ব্যবহার: টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মুখের অতিরিক্ত তেল দূর করে ও ব্রণ কমায়। সপ্তাহে ৩-৪ বার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল
ব্যবহার: রাতে মুখে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রেখে দিন এবং সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

বেসন ও দই প্যাক
ব্যবহার: বেসন ১ টেবিল চামচ, দই ১ চা চামচ ও সামান্য হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।

বরফ
ব্যবহার: বরফের টুকরো পরিষ্কার কাপড়ে মুড়ে ব্রণের উপর ১-২ মিনিট ধরে রাখুন। দিনে ২ বার করুন।

নিম পাতা পেস্ট
ব্যবহার: কিছু নিম পাতা বেটে ব্রণের উপর লাগান এবং ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার ব্যবহার করুন।

নিম (Neem Capsules / Powder / Juice)
খাওয়ার নিয়ম:
নিম পাউডার: ১ চা চামচ দিনে ২ বার খেতে পারেন।
নিম ক্যাপসুল: ১-২টি ক্যাপসুল দিনে ২ বার খাবারের পরে।
নিম রস: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ চামচ পান করুন।

ত্রিফলা চূর্ণ (Triphala Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১ চা চামচ রাতে হালকা গরম পানির সাথে পান করুন।
এটি রক্ত পরিষ্কার করে এবং হজম ভালো রাখে, ফলে ব্রণ কমে।

হলুদ (Turmeric Capsules / Powder)
খাওয়ার নিয়ম:
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো উষ্ণ দুধের সাথে মিশিয়ে রাতে পান করুন।

চন্দন (Sandalwood Powder / Paste)
ব্যবহার:
চন্দন গুঁড়ো পানির সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়ক।

(চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টিপসগুলো ফলো করতে হবে )

🟩 হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ও খাওয়ার নিয়ম

Silicea 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি ব্রণ শুকিয়ে যেতে সাহায্য করে।

Hepar Sulph 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা হালকা গরম পানির সাথে খেতে হবে। এটি পুঁজযুক্ত ব্রণের জন্য কার্যকর।

Kali Bromatum 30
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ৫ ফোঁটা করে খেতে হবে। এটি মুখ, পিঠ ও বুকের ব্রণের জন্য কার্যকর।

Natrum Mur 6X
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ৩ বার ৪টি ট্যাবলেট খেতে হবে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী।

Sulphur 30
খাওয়ার নিয়ম: সকালে খালি পেটে ৫ ফোঁটা ১ গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খান। এটি ব্রণের ফোলা ও চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে।

Berberis Aquifolium Q (মাদার টিংচার)
ব্যবহার:

দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানি বা ১ চা চামচ গোলাপজলের সাথে মিশিয়ে মুখে লাগান।
এটি ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

Echinacea Q (মাদার টিংচার)
খাওয়ার নিয়ম: দিনে ২ বার ১০ ফোঁটা পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও রক্ত বিশুদ্ধ করে।

(সকল ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে)

⚠️ পরামর্শ:

ত্বক পরিষ্কার রাখুন, প্রসাধনী কম ব্যবহার করুন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন (৮-১০ গ্লাস)।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।
স্ট্রেস কমান, নিয়মিত ঘুমান।
দীর্ঘস্থায়ী ব্রণ হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন! 💚

🔄 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও উপকৃত হতে পারে! 💙

⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক

কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!

আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950

🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।

🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
1👍1
বীর্যের গুণমান (Quality) ও পরিমাণ (Quantity) বৃদ্ধির জন্য চিন্তিত ?

🟩 ঘরোয়া টিপস:

দুধ ও মধু: প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
খেজুর ও বাদাম: ৩-৫টি খেজুর ও ৪-৫টি কাঠবাদাম রাতে পানিতে ভিজিয়ে সকালে খান।
তিলের বীজ ও মধু: কালো তিল গুঁড়ো করে মধুর সঙ্গে খেলে শুক্রাণুর গুণমান বৃদ্ধি পায়।
রসুন ও আদা: প্রতিদিন খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
ডিম ও কলা: সঠিক হরমোনের ব্যালেন্স ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য এগুলো খাওয়া জরুরি।

🟩 আয়ুর্বেদিক টিপস:

🌿 অশ্বগন্ধা (Ashwagandha) - Withania somnifera: এটি শক্তি ও বীর্যের মান উন্নত করে।
🌿 শতাবরী (Shatavari) - Asparagus racemosus: পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।
🌿 গোক্ষুর (Gokshura) - Tribulus terrestris: প্রাকৃতিক টেস্টোস্টেরন বুস্টার হিসেবে কাজ করে।
🌿 সফেদ মুসলি (Safed Musli) - Chlorophytum borivilianum: শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।

🟩 ব্যায়াম ও অভ্যাস:

🏋️‍♂️ স্কোয়াট (Squat) করার পদ্ধতি:

দুই পা কাঁধ-প্রসারিত অবস্থানে রাখুন।
কোমর নিচু করে বসুন, যেন হাঁটু ৯০° অ্যাঙ্গেলে থাকে।
পিঠ সোজা রেখে উঠুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন।
প্রতিদিন ১৫-২০ বার করুন।

🏋️‍♂️ কেগেল ব্যায়াম (Kegel Exercise) করার পদ্ধতি:

প্রস্রাবের ধারা নিয়ন্ত্রণের মতো অনুভূতি তৈরি করুন এবং পেশি টানটান করুন।
৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর ছেড়ে দিন।
দিনে ১০-১৫ বার করুন।

🏃‍♂️ যোগব্যায়াম (Yoga) করার পদ্ধতি:

★ বজ্রাসন (Vajrasana): খাবার পর ৫-১০ মিনিট বসুন, এটি হজম ভালো করে এবং শুক্রাণুর মান উন্নত করে।

★ পদ্মাসন (Padmasana): পায়ের তালু উরুর ওপরে রেখে বসুন, এটি মনোযোগ ও শক্তি বৃদ্ধি করে।

★ ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম (Bhastrika Pranayama): গভীর শ্বাস নিন ও ছাড়ুন, এটি রক্ত সঞ্চালন ভালো করে।

💤 পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।
🚫 ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন: এগুলো শুক্রাণুর মান কমিয়ে দেয়।
🍎 স্বাস্থ্যকর খাবার খান: সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।

এই সহজ ও কার্যকর টিপস মেনে চললে বীর্যের মান ও পরিমাণ দুটোই বৃদ্ধি পাবে। শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে সচেতন হোন!

শেয়ার করুন, যেন অন্যরাও উপকৃত হয়!

⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক

কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!

আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950

🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।

🚨 প্রতারকদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন! আমার অফিসিয়াল নাম্বার ছাড়া অন্য কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না!
3👍3
মেয়েদের শত্রু মেয়েরাই!

লাস্ট কয়েকদিন সাইবার ক্রাইম নিয়ে এতো এতো কেইস ডিটেইলস পাচ্ছি, যে এর বাইরে অন্য কোনো টপিক-ই পাচ্ছিনা শেয়ার করার মতো। প্রতিদিন নতুন নতুন অস্বাভাবিক-অমানবিক তথ্য-প্রমান পাচ্ছি!

সম্প্রতি আমরা এক মেয়ে কালপ্রিটের সন্ধান পাই, যে কিনা তার রুম-মেট, ফ্রেন্ডস এমনকি তার নিজের আপন বড় বোনের অপ্রস্তুত মুহুর্তের ছবি ক্যামেরাবন্দী করে নিজের বয়ফ্রেন্ডকে পাঠায়! এবং , সেগুলো দেখে তারা ফ্যান্টাসি পূরন করে!

নিজের বড় বোন, তার বাচ্চাকে ব্রেস্ট-ফিডিং করাচ্ছে, সেই ছবিও গোপনে ধারণ করে পাঠাচ্ছে, বয়ফ্রেন্ডকে!!

রুমমেটরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, বা বসে আড্ডা দেওয়া অবস্থায় অপরিপূর্ণ পোশাকে থাকা ছবিও তুলে পাঠাচ্ছে তার বয়ফ্রেন্ডকে!

অবশ্য, এর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ চলছে!

তবে এই বিকৃত মস্তিষ্ককে কি বলবেন আপনি?
আপনি বা আমি কি, আমাদের পরিবারের সদস্য বা রুম-মেটডের কাছে নিরাপদ?

@Abdullah Al Imran
😢7👍1
স্বপ্নদোষ (Nightfall), চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে Nocturnal Emission বলা হয়, তা মূলত যৌবনের একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হওয়া বোঝায়, যা ছেলেদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা গেলেও কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদেরও হতে পারে (যদিও সেটা আলাদা উপায়ে)। তবে যখন এটি বারবার ঘটে, তখন এটি শারীরিক ও মানসিক উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের সম্ভাব্য কারণসমূহঃ
★ মস্তিষ্কে অতিরিক্ত যৌন উদ্দীপনা – বিশেষ করে অশ্লীল ভিডিও, ছবি বা কনটেন্ট দেখার ফলে।
★ কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা – পেটে গ্যাস থাকলে তলপেটে চাপ পড়ে যা বীর্য নির্গমনে প্রভাব ফেলতে পারে।
★ অতিরিক্ত প্রোটিন বা উত্তেজক খাবার যেমন: লাল মাংস, ডিম, দুধ, কফি বা ঝাল খাবার।
★ মানসিক চাপ, একাকীত্ব ও দুশ্চিন্তা – এগুলো আমাদের হরমোন ভারসাম্যে প্রভাব ফেলে।
★ অতিরিক্ত ঘুম, অলসতা বা রাত জাগা।

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
রেম (REM) ঘুমের সময় পুরুষদের স্বাভাবিকভাবে ৩-৫ বার ইরেকশন হয়। যৌনচিন্তা, উত্তেজনা বা হরমোনের প্রভাবে এই সময়ে স্বপ্নদোষ ঘটে থাকে। এটি একটি প্রাকৃতিক শারীরিক রিলিজ পদ্ধতি, কিন্তু অতিরিক্ত হলে হরমোনাল ভারসাম্য বা স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

ঘরোয়া টিপস ও সমাধান:
★ তুলসী পাতা: এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও মানসিক প্রশান্তিদায়ক উপাদান, যা স্নায়ু শান্ত রাখে।
★ ত্রিফলা চূর্ণ: হজম ও অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন রাতে ১ চা চামচ কুসুম গরম পানির সাথে খেতে পারেন।
★ আঁশযুক্ত খাবার ও পানি: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট হালকা রাখে, যা স্বপ্নদোষ কমাতে সহায়ক।
★ দুধ ও খেজুর: সকালে ১ গ্লাস গরম দুধে ২টি খেজুর দিয়ে পান করুন। এটি শক্তি বাড়ায় ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

জীবনধারায় পরিবর্তন আনুন:
সকালে নিয়মিত হাঁটুন ও ব্যায়াম করুন
অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকুন
রাতে ঘুমানোর আগে ধর্মীয় বা পবিত্র চিন্তা করুন
ভারী বা মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
ঘুমানোর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করুন
নিয়মিত নামাজ, ধ্যান বা মেডিটেশন করুন

চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি যখন:
▸ যদি সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি স্বপ্নদোষ হয়
▸ শরীর দুর্বল বা ক্লান্ত লাগে
▸ যৌন অক্ষমতা বা স্নায়ুবিক দুর্বলতা অনুভব করেন
▸ মনে একাকীত্ব বা হতাশা ভর করে

মনে রাখবেন:
স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। কিন্তু যখন এটি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তখন সচেতনতা, সঠিক জীবনযাপন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

⚠️ সতর্কবার্তা:
আমি Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক

কিছু প্রতারক আমার নাম, ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে! আপনারা সতর্ক থাকুন এবং প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে বাঁচুন!

আমার একমাত্র অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর:
📞 01972-859950
📞 01712-859950
🔹 WhatsApp ভিডিও কলের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে আসুন— 01712-859950 নম্বরে WhatsApp আছে।
👍1