জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
🔴 পুরুষদের ১০ টি বর্জনীয় অভ্যাস!
- অনেক পুরুষ আত্মসমালোচনা না করে অন্যের সমালোচনায় আনন্দ বোধ করে। আর এর দ্বারা যে গিবতের গুনাহ হচ্ছে, সে কথা ভাবতেও চায় না। অথচ গিবত খুবই ভয়াবহ গুনাহ। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৮)

- অনেকে অন্যকে সালাম দিতে চায় না। অন্যদিকে অনেকে সালামের জবাবই দেয় না, আর কেউ সালাম দিলেও ঘাড় নেড়ে বা মনে মনে দেয়। অথচ সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৮৭৮৭)

- অনেক পুরুষ স্ত্রী থেকে নিজের হক ও পাওনা ষোল আনায় পূর্ণ করে, কিন্তু তার ওপর স্ত্রীর যে অধিকার আছে তা আদায় করতে চায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ওপর জুলুম করে থাকে। এটা অন্যায়। কেননা নারীদের তেমন ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর পুরুষদের। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২৮)

- বহু পুরুষ সাংসারিক কোনো কাজে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করে না। ফলে কারণে-অকারণে পারস্পরিক অন্তঃকলহ বেড়ে যায়। তাই স্ত্রী ও বুদ্ধিমান সন্তানদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)

► বহু পুরুষ পুত্রসন্তান হওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী থাকে, পক্ষান্তরে কন্যাসন্তান হলে স্ত্রীকে দোষারোপ করতে থাকে। অথচ ছেলে বা মেয়ে হওয়া আল্লাহর ইচ্ছাধীন। (সুরা : শুরা, আয়াত : ৪৯, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৮)

► অনেক পুরুষ স্ত্রীদের অন্ধভক্ত হয়ে থাকে। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া সব ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। এমনটি হওয়া মোটেও কাম্য নয়। বরং সব সময় যেকোনো অভিযোগ যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তা না হলে মানুষের সামনে বেকুব সাব্যস্ত হতে হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০৪)

► অনেক বদমেজাজি পুরুষ সামান্য কারণে স্ত্রীকে মারপিট করে থাকে। এমনকি রাগের মাথায় তিন তালাক দিয়ে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করে না। এজাতীয় পুরুষ কোরআনের নির্দেশ অমান্যকারী। কেননা কোরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘...আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবন যাপন করো।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)

অনেক ভাই তার বোনদের পাওনা মিরাস আদায় করতে চায় না। অথচ বোনদের পাওনা আদায় করা ভাইদের ওপর ফরজ। আরো দুঃখজনক কথা হলো, অনেক জালিম বাবাও নিজের মেয়েকে বঞ্চিত করতে বা কম দিতে চেষ্টা করে থাকে। অথচ হাদিস অনুযায়ী এটা সরাসরি জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২১১৩৯)
.
অনেকেই জানেনা ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম যার কারণে আপনার ইবাদত বৃথা...

ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়ম
====================
না জানার কারলে অসংখ্য মুসলিম ভাই-বোনের সালাত সহ নানা আমাল কবুল হয় না,যেটা চরম এক ভয়ানক
ব্যাপার।
যেসব কারনে গোসল ফরজ হয়ঃ
=========================
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে
২. নারী-পুরুষের মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে
৪. কেউ ইসলাম গ্রহন করলে
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়মঃ
=============================
আমাদের মধ্যে অনেকেই ফরয গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারেন না। এই জন্য ফরজ গোসলের নিয়ম সহিহ হাদিস অনুসারে সংক্ষেপে দেওয়া হল।
১।
মনে মনে গোসলের নিয়ত করা (নিয়ত পড়া নয়)।
২।
‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা
৩।
দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)
৪।
পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)
৫।
বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)
৬।
নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। (দুই হাত তিনবার ধোওয়া, কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া, মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধোওয়া। মাথা মাসেহ করতে হবে না।) এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)
৭।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)
মহিলাদের বেনী না খুলেও গোড়া ভালভাবে ভিজলেই হবে। (মুসলিম ৩৩০)
৮।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে, পরে বামে। (বুখারী ১৬৮)
৯।
গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)
মনে রাখতে হবেঃ
===================
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল ভালোভাবে ভিজাতে হবে।
২. মহিলাদের শুধু চুল ভেজানোই যথেষ্ট।
৩. এ নিয়মে গোসলের পরে নতুন করে ওজুর দরকার নেই যদি ওজু ভেঙ্গে না যায়।
৪. শরীরের কোন অংশ যেন শুকনো না থাকে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে কুর’আন ও সহীহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফীক দিন এবং পুর্বের না জেনে ভুল গুলোকে ক্ষমা করুন আমিন।
মেয়েদের জন্য সতর্কবার্তা

বান্ধবী বা কাজিনের ফোনে কখনো ছবি তুলবেন না। গ্রুপ ফটো তো তুলবেন না, এমনকি সিঙ্গেল ফটোও না। কারণ এই ছবি তার ভাই, হাজবেন্ড ও অন্যান্যদের চোখে পড়বে। তাদের কাছেও চলে যাবে।

একইভাবে মেসেঞ্জার, হোয়াটস*আ্যাপ বা ই*মোতে বান্ধবী, বোন বা কাজিনকে ছবি পাঠাবেন না।

এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আদান প্রদান করবেন না। এগুলো পুরোপুরি অনিরাপদ। ভিডিও কল করা থেকেও বিরত থাকবেন। আপনার ছবি ইডিট করে প*র্ণসাইট বা চ*টি পেইজে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর এসব ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ব্লা*কমেইল করার নজিরও কম নয়।
উগ্র বাদী hi*ন্দু*দের হাত থেকে নিজেদের বোনকে হেফাজত করুন।
➡️ এসএসসি পাস করার পর যাদের অনেক বছর পড়াশোনা বন্ধ ছিল তাদের জন্য পোস্ট।

➡️ বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।

➡️ এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন। ১০,১৫,২০ বছর আগেও এসএসসি পাস করলে ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বয়স যদি ৫০,৬০ হয় তাহলে ও ভর্তি হতে পারবেন।

➡️ এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।

➡️ মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।

➡️ অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।

➡️ এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।

➡️ কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।

➡️ এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।

➡️ ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।

➡️ ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।

➡️ ১ম বর্ষ ভর্তি হতে ৫,৫০০ টাকার মতো খরচ হয়।

➡️ বাউবির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি খুব শিগ্রই দিবে। বাউবি থেকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দিলে তারপর ভর্তি হতে কি কি লাগবে বিস্তারিত গ্রুপে পোস্ট দিবো।

➡️ ২০২৪ সালে যারা বাউবি থেকে এসএসসি পাস করবেন আপনারা এইচএসসি ভর্তি হতে পারবেন কোনো সমস্যা নাই। কারণ বাউবি ভর্তি হতে অনেক সময় দেয় তার মধ্যে আপনারা রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।


১, বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।

২, এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন।

৩, এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।

৪, মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।

৫, অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।

৬, এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।

৭, কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।

৮, এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।

৯, ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।

১০, ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।

১১, অনলাইনে ভর্তির সময় আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম, জম্ন তারিখ অনলাইনে এক হতে হবে।

১২, অনলাইনে ভর্তির সময় অবশ্যই নিজের মোবাইল নাম্বার দিবেন এবং আপনার নাম্বারে ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড এর এসএমএস আসবে যেটা দিয়ে লগ-ইন করে নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। তাই ইউজার পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রাখবেন।

১৩, অনলাইনে ভর্তি হয়ে আবেদন কপি, এসএসসি সার্টিফিকেট, মার্কসিট কপি কলেজে গিয়ে জমা করে আসবেন। কলেজে কাগজপত্র জমা না করলে ভর্তি সম্পূর্ণ হয় না তাই অবশ্যই কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
#Male Fertility নিয়ে কিছু কথা বলব।আমি ভুল বললে আমাকে কারেকশন করে দিবেন যারা জানেন।
আমাদের সোসাইটিতে খুবই কমন একটা ধারণা ছেলের বয়স যাই হোক,সে সারাজীবন বাচ্চার জন্ম দিতে পারবে ব্লাহ ব্লাহ।
হ্যাঁ, এটা সত্যি। তবে এখানে আরও কিছু বিষয় আছে।
পুরুষদের Peak male fertility র এইজ ধরা হয় ২৫-৩০ অর্থাৎ এই বয়সের একজন পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো।
এরপর মানে ওভার ৩০ আস্তে আস্তে ডিক্লাইন করবে কোয়ালিটি যেমন আপনার সিমেনের ভলিউম কমবে,স্পার্মের মোটিলিটি কমবে।
৩৫ বছর বয়সী পুরুষ আর ৪০ বছর বয়সী পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি জীবনেও এক হবে না😉
আবার পুরুষদের বয়স যত বাড়ে তাদের BPH (Benign Prostatic Hyperplasia) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
আর Prostectomy কোনো কারণে করা লাগলে আপনি normal coitus এ বাবা হতে পারবেন না।আপনার ডাক্তারের সাজেশন লাগবেই।
নারীদের ক্ষেত্রেও যেমন বয়স একটা ফ্যাক্টর, তেমনি পুরুষও কিন্তু একেবারেই ব্যাতিক্রম না😉😉আপনি সারাজীবন স্পার্ম বানান কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু স্পার্মের কোয়ালিটি ভালো না হলে খালি বউরে দোষ দিয়ে লাভ আছে?😉
আপনার বয়স ৪০ আর বিয়ের পর বাচ্চা নিতে সমস্যা হলে বউরে একা দোষ দিয়েন না,😉
যে দোয়ার মাধ্যমে বিদেশে হযরত মূসা (আঃ) কর্মসংস্থান, আবাসন, বিয়ে ও নবুয়ত লাভ করলেন।

رَبِّ اِنِّيْ لِمَآ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ

উচ্চারণঃ ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকির।’

অর্থঃ ‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা আল-কাসাস, আয়াতঃ ২৪)
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا ﴿۷۴

উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরা : ফুরকান, আয়াত : ৭৪)।
প্রাথমিক চিকিৎসা কেন জানা জরুরী ?
ChatGPT said:
ChatGPT
প্রাথমিক চিকিৎসা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি নানা ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ত্বরিত সহায়তা প্রদান করতে পারে এবং জীবনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এখানে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:

জীবন বাঁচানো: অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দ্রুত প্রয়োগ করা হলে গুরুতর আহত বা অসুস্থ ব্যক্তি বাঁচানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা গুরুতর কাটা-ছেঁড়া হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

অসুস্থতা বা আঘাতের প্রকৃতি কমানো: প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে আঘাত বা অসুস্থতার তীব্রতা কমানো যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সঠিকভাবে ব্যান্ডেজ লাগানো বা কুলিং করা পঁচন এবং ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

মনের শান্তি: জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা জানলে মানসিকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। এটি আপনাকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

পেশাদার চিকিৎসা আসার আগ পর্যন্ত সহায়তা: প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হলে চিকিৎসা কর্মীরা আসার আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কমানো: দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বা জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।

এভাবে, প্রাথমিক চিকিৎসা জানা জীবনের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড্রাইভিং কেন জানা জরুরী ?
ChatGPT said:
ChatGPT
ড্রাইভিং জানা জরুরি হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে:

স্বাধীনতা: নিজে গাড়ি চালাতে পারলে আপনি নিজের গতিতে চলতে পারেন এবং কোথায় যেতে চাইছেন তা আপনার ওপর নির্ভর করে। গণপরিবহন বা অন্য কারো ওপর নির্ভর করতে হয় না।

অভ্যস্ত পরিবহন: অনেক জায়গায় গণপরিবহন সুবিধা সীমিত হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি সহজেই দূরবর্তী জায়গায় বা যেকোনো প্রয়োজনীয় স্থানে যেতে পারেন।

অ্যাক্সিডেন্টাল সিচুয়েশন: জরুরি পরিস্থিতিতে (যেমন অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সার্ভিস) গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি দ্রুত সাহায্য নিতে পারেন।

কর্মসংস্থান: অনেক চাকরির ক্ষেত্রে গাড়ি চালানোর দক্ষতা প্রয়োজন হতে পারে। যেমন, ডেলিভারি বা ফিল্ডে কাজ করা পেশায় গাড়ি চালানোর প্রয়োজন পড়ে।

পারিবারিক দায়িত্ব: পরিবারের সদস্যদের জন্য গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে যদি পরিবারের ছোট সদস্যদের স্কুলে বা মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্টে নিয়ে যেতে হয়।

দক্ষতার উন্নতি: ড্রাইভিং শেখা মানে যে আপনি একটা নতুন স্কিল আয়ত্ত করেছেন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে পারে এবং নানা পরিস্থিতিতে মনোবল বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

এছাড়াও, ড্রাইভিং শেখার মাধ্যমে আপনি নিরাপদ ও সচেতন ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব বুঝতে পারবেন যা সড়ক নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অভিমান করলে চুমু খেতে হয়।
ঠিক নাক বরাবর ঠোঁট দিয়ে, আলতো করে। যখন তখন হুটহাট জড়িয়ে ধরতে হয়, গাল চেপে ধরে দু'ঠোঁটে পাগলের মতো চুমু খেতে হয়।

আদর ছাড়া মানুষের অভিমান ভাঙ্গবে কী করে?
অভিমান করলে দূরে থাকতে নেই। কাছাকাছি থাকতে হয়, একদম শরীরের সাথে –মনের সাথে মিশে। দূরে থাকলে অভিমান কমে না, বাড়ে!

অভিমান করলে তাই করতে হয়, যা করলে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেকে অসহায় লাগে না, নিঃস্ব লাগে না। এভাবে অভিমানে দূরত্ব বাড়াতে নেই।

যে অভিমানে মানুষ আরও প্রেম চায়, ভালোবাসা চায়, চায় আরো বেশি আদর, সেই অভিমান উপেক্ষা করতে নেই। অভিমানকে গ্রহণ করতে শিখো প্রিয়। মূল্য দিতে শিখো। অভিমানের ভাষা বুঝতে পারলেই তো তুমি কেবল আমার। অভিমান তো প্রেমেরই আরেক রূপ, আরেক অংশ। অভিমান না বুঝলে ভালোবাসা হয় কী করে? বলো, অভিমানের পরে একটু ভালোবাসা আর আদর খুব প্রয়োজন.... 🌼🖤
👍2
স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া বেড়ে যায় বর্ষাকালে:

বর্ষাকালে আর্দ্র আবহাওয়ায় বেড়ে যায় ত্বকের নানা সমস্যা। এর মধ্যে একটি হলো স্ক্যাবিস, যা সাধারণের মধ্যে খোসপাঁচড়া নামে পরিচিত।

স্ক্যাবিস রোগটি হয় সারকপটিস স্কেবিয়া নামের পরজীবীর মাধ্যমে। এই পরজীবীর বিশেষত্ব হলো, পুরুষ কীটটি যৌনমিলনের পরপরই মারা যায়। বেঁচে থাকে স্ত্রী কীট। সেটি থাকে চামড়ার মধ্যে সুতার মতো লম্বাকৃতির গর্তনালির মধ্যে।

সেখানে প্রায় দু সপ্তাহ থাকার পর কীটটি ডিম পাড়তে শুরু করে। গড়ে প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫টি করে ডিম পাড়ে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আবার সেগুলো শূককীট আকারে বেরিয়ে আসে। ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই এ শিশু কীটগুলো পূর্ণবয়স্ক কীটে পরিণত হয়।

স্ক্যাবিসের সঙ্গে ত্বকের অন্যান্য সমস্যার পার্থক্য আছে। বেশিরভাগ ত্বকের সমস্যাই হয়ে থাকে অ্যালার্জি, ভাইরাস বা জিনগত কারণে। কিন্তু স্ক্যাবিস হয় মাইট বা পরজীবী কীটের কারণে। হোস্টেল, নার্সিং হোম, কারাগার, চাইল্ড কেয়ার ইত্যাদি স্থানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে, বিছানা বা কাপড়চোপড়, তোয়ালে ব্যবহার করলে বা যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এটি একজন থেকে আরেকজনে ছড়াতে পারে।

স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে প্রচণ্ড চুলকানি ও ত্বকের ওপর ক্ষুদ্র ফোসকা পড়া বা লাল হয়ে ফুলে ওঠা। সাধারণত আঙুলের ফাঁকে, ত্বকের ভাঁজের মধ্যে, কনুই, তলপেট, পুরুষাঙ্গে, পা হাতের তালুর প্রান্তে হয়ে থাকে এই পাঁচড়া।

নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ঘাড়, মাথার তালু, মুখ, হাতের তালু ও পায়ের পাতার নিচে হতে পারে। রাতের বেলা এগুলো বেশি চুলকায়। স্কেবিন নামক একটি রাসায়নিক পদার্থ কীটের দেহ থেকে নিঃসৃত হয়। মূলত এটাই চুলকানির জন্য দায়ী। রোগীর দেহে গোটা গোটা দানা দেখা দেয়।

বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা যায়। যেমন ৫% পারিমিথ্রিন, ১% গামা বেনজিন, হেক্সাহকোরাইড কিংবা ২৫% সালফার ব্যাসিলিনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এসব ওষুধ ব্যবহারের আগে রোগীকে খুব ভালো করে সাবান মেখে গোসল করিয়ে নিতে হবে।

তারপর মুখমণ্ডল বাদে ঘাড় থেকে শুরু করে সারা শরীরে ওই ওষুধ মাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গায়ে মেখে রাখতে হবে। আগে ব্যবহার করা সব কাপড়চোপড় ১০ মিনিট ধরে গরম পানিতে ফুটিয়ে ধুয়ে নিতে হবে অথবা খুব ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর ইস্ত্রি করে সেসব কাপড় ব্যবহার করলে আবার আক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কম থাকে।

স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া থেকে নানা ধরনের জটিলতা হতে পারে। তা ছাড়া এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসক দেখিয়ে নিতে হবে।

লিখেছেনঃ
ডা. এস এম রাসেল ফারুক
সহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ
👍2
আসুন রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ করি 🥰
.
.
১. আরাম করে বসুন এবং ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন। নাক দিয়ে লম্বা একটি নিশ্বাস নিন, ভেতরে কিছুক্ষণ আটকে রেখে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে নিশ্বাসটি ছাড়ুন।

২. এবার এমন একটি জায়গা কল্পনা করুন যেখানে আপনি শান্তি ও আরাম অনুভব করতে পারেন। পরিচিত কোনো জায়গা নয়, বরং আপনি কখনো যেখানে যাননি, বা দুই-একবার গেছেন, বা টেলিভিশনে দেখেছেন, গল্প শুনেছেন অথবা একান্তই আপনার নিজস্ব কল্পনা থেকে একটি জায়গা বেছে নিন। এটি হতে পারে কোনো বাড়ি অথবা খোলামেলা যেকোনো জায়গা যেখানে আপনি প্রশান্তি অনুভব করতে পারেন, একটুখানি জিরিয়ে নিতে পারেন। জায়গাটি নির্বাচনে যতটা প্রয়োজন সময় নিন।

৩. জায়গটি সত্যিই সুন্দর... অপূর্ব সুন্দর...... অনেক সাজানো-গোছানো... খুব শান্তির, আরামের। আপনার কল্পনার এই জায়গাটির চারদিকে সীমানাপ্রাচীর আছে। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। আপনি এখানে সম্পূর্ণ নিরাপদ।

৪. এই জায়গাটিতে আপনাকে সঙ্গ দেবার জন্য পছন্দের কোনো ব্যক্তি বা পশুপাখি নিয়ে আসতে পারেন।

৫. আপনার কল্পনার জায়গাটিকে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখুন। অনুভূতিগুলো খেয়াল করুন। নিজেকে বলুন, শান্তি... শান্তি... শান্তি।

৬. আপনি কেমন বোধ করছেন? কল্পনায় কী দেখছেন, কী শুনছেন, কী ধরনের ঘ্রাণ পাচ্ছেন, কেমন স্বাদ পাচ্ছেন বা শরীরে কী অনুভব করছেন খেয়াল করুন। মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন।

৭. আপনার কল্পনার এই জায়গাটির সুন্দর একটি নাম দিন, তা হতে পারে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে অথবা ছোটো একটি বাক্য দিয়ে। যেমন: শান্তির নীড়, ঝর্ণাধারা বা আপনার পছন্দের যেকোনো নাম। কল্পনার জায়গাটিতে বিচরণ করুন এবং নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এখন কোথায় আছেন? উত্তরে আপনার দেওয়া নামটি বলুন। শুধু মনে মনেই নয়, প্রয়োজনে উচ্চারণ করুন। বার বার বলুন।

৮. এবার আপনার কল্পনার এই জায়গাটির দৃশ্যপট, জায়গাটির নাম এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে আপনার শরীরের কোনো অঙ্গভঙ্গিতে ধারণ করুন। যেমন, তুড়ি বাজিয়ে, হাত মুষ্টি করে, কোনো একটি আঙুল চেপে ধরে ইত্যাদি। ফলে পরবর্তী কালে কেবল এই অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই আপনি আপনার প্রশান্তির জায়গাটিকে মনে করতে পারবেন। আপনি আপনার প্রিয় জায়গাটিতেই আছেন। আপনার বেশ আরাম লাগছে। শান্তি শান্তি লাগছে। এবারে এই আরামের অনুভূতি নিয়ে ধীরে ধীরে চোখ খুলুন।

৯. জায়গাটির নাম ও দৃশ্যপট মনে রেখে এই অনুশীলনটি আপনি যেকোনো সময় একা একাই চর্চা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কেবল চোখ বন্ধ করে জায়গাটির নাম বলবেন, দৃশ্যপট খেয়াল করবেন, এবং যে অঙ্গভঙ্গিটির সাথে জায়গাটির অনুষঙ্গ তৈরি করেছিলেন সেই অঙ্গভঙ্গিটি করবেন। মানসিক চাপ এবং কষ্টকর আবেগগুলোর সাথে মোকাবেলা করতে এই অনুশীলনটি আপনাকে সহায়তা করবে।

.
.
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।

আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।

প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ।

ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।

১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।

২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।

৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।

৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।

৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।

৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।

৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।

৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।

৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।

১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।

১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।

১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।

১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও|

১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না|

১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
1
হযরত নকশবন্দী বুখারী রহ.-কে কেউ প্রশ্ন করেছিল যে, 'হযরত, মানুষ কখন বালেগ হয়?' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে নাকি তরীকতের দৃষ্টিতে?' সে বলল, 'হযরত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই আমাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিন।' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন তার বীর্যপাত হয়। আর তরীকতের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন সে বীর্যতাড়না থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিতে সক্ষম হয়।' অর্থাৎ জৈবিক চাহিদা-সংশ্লিষ্ট গুনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকে।

এ থেকে বোঝা যায়, যখন আল্লাহর ওলী হওয়ার নূর অন্তরে প্রবেশ করে তখন জৈবিক তাড়নার অস্থিরতা বিদূরিত হয়ে প্রবৃত্তি স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসে। কামনা-বাসনার তরঙ্গে হাবুডুবু খাওয়ার অবস্থা দূর হয়ে যায় এবং সালেক লাও করে এক পূত ও পবিত্র জীবন। আর এই গুণ অর্জনই আল্লাহর ওলী হওয়ার উদ্দেশ্য এবং এর পূর্বশর্ত।

[এখন যৌবন যার : ৩৯]
০ টাকায়, যেকোনো স্কিল শেখা সম্ভব 💯

২০২৪ শেষেও যদি, 'কোর্স করার টাকা নেই' বলে বসে থাকেন; তাহলে সেটা বোকামি!

---

এই সম্পূর্ণ ফ্রি, ২৭ টি লার্নিং রিসোর্স আপনাকে অনেকগুলো স্কিলে দক্ষ করে তুলতে সাহায্য করবেঃ

🌐 Memrise - গেইম খেলতে খেলতে ফ্রিতে শিখুন, যেকোনো ভাষা
📚 Project Gutenberg - ফ্রিতে পড়ার মতো বইয়ের ভান্ডার পাবেন এখানে
🎓 Kaggle - ডেটা সায়েন্স আর ম্যাশিন লার্নিং নিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রিতে শেখা সম্ভব এখানে
🤖 Google AI - গুগলের ম্যাশিন লার্নিং সংক্রান্ত ফ্রি রিসোর্স
🧠 Bartleby Learn - বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক বিষয়ের ফ্রি রিসোর্স পাবেন এখানে
🧮 Desmos - ফ্রিতে গণিত শেখার জন্য সেরা একটা প্লাটফর্ম
🚀 Launch School - যারা ফ্রিতে ভালোমানের কোডিং শিখতে চাইছেন, তাদের জন্য
🌐 BBC Learning English - ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সেরা একটি ফ্রি প্লাটফর্ম
📖 BibMe - অ্যাকাডেমিক রাইটিংয়ে দক্ষ হওয়ার জন্য সেরা একটি ফ্রি প্লাটফর্ম
🌍 GeoGuessr - ভূগোল শিখুন, সম্পূর্ণ ফ্রিতে
🖌️ Inklewriter - কোডিং ছাড়াই ইন্টারেকটিভ কন্টেন্ট তৈরি করুন ফ্রিতে
🧬 OpenStax - পৃথিবীর বিভিন্ন কলেজের বই আর রিসোর্স ফ্রিতে অ্যাক্সেস করুন
🎭 Theatrefolk - যারা নাটক, অভিনয় নিয়ে কাজ করতে চাইছেন; তাদের জন্য ফ্রি রিসোর্স
🎵 Flat - নিজে নিজে মিউজিক এডিটিং ও তৈরি শেখার ফ্রি প্লাটফর্ম
🎨 Pixlr Education - ছবি এডিটিং শেখার ফ্রি রিসোর্স
🌳 Code Org - মাইনক্র্যাফট খেলতে খেলতে ফ্রিতে শিখুন কোডিং
📰 NewseumED - সাংবাদিকতা নিয়ে প্রচুর ফ্রি লার্নিং রিসোর্স পাবেন এখানে
🧘 Smiling Mind - ফ্রিতে মেডিটেশন শেখার সেরা অ্যাপ
🤖 IBM Quantum Challenge - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং শেখার ফ্রি লার্নিং রিসোর্স
🌊 Oceanography for Everyone - ম্যারিন সায়েন্স আর সমুদ্র নিয়ে যারা ফ্রিতে শিখতে চাইছেন
🎵 Teoria - ফ্রিতে মিউজিক থিওরি শেখার সেরা প্লাটফর্ম
🌐 Internet Archive: Wayback Machine - ফ্রিতে অনলাইন বিজনেসের জন্য সেরা রিসার্চ প্লাটফর্ম
🚀 NASA's Eyes - মহাকাশ নিয়ে ফ্রিতে শিখুন, নাসার এই ফ্রি লার্নিং রিসোর্স থেকে
🏞️ Wildscreen Arkive - যারা পশুপাখি নিয়ে আরো জানতে চান, তাদের জন্য ফ্রি প্লাটফর্ম
🧠 BrainBashers - ফ্রিতে মেন্টাল ওয়ার্কআউট করুন, এই প্লাটফর্ম থেকে
🎮 Unity Learn - ইউনিটি গেইম ইঞ্জিন দিয়ে গেইম তৈরি শিখুন, ফ্রিতে
🎭 The Royal Society of Chemistry - সম্পূর্ণ ফ্রিতে রসায়ন শিখুন এই প্লাটফর্ম থেকে

---

লিস্টটা সেইভ করে, শেয়ার করুন! শেয়ার করলে, নিজের দক্ষতা কমে যায় না 🙏

শুভকামনা, লার্নারস 🖤
2
আমি মনে করি, জ্ঞান হলো সকল কষ্টের মূল। আপনি যত কম জানবেন ততই সুখে থাকবেন। যেমন আপনি জানেন না যে আপনার শরীরে ক্যান্সার গ্রো করছে। অথচ আপনি দিব্যি আছেন। খাচ্ছেন, দাচ্ছেন, ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথবা ক্যান্সারের কথা বাদ দিন। আমরা কেউই জানি না আমরা কবে কীভাবে মারা যাবো। এবং জানি না বলেই আমরা একদম নিশ্চিন্তে, রিল্যাক্সে বেঁচে আছি। যখনই আপনি জানবেন আপনার মরণ কখন কীভাবে হবে, তখনই আপনার জীবন থেকে সব খুশি কর্পূরের মতো উবে যাবে। ক্ষণে ক্ষণে আপনি না চাইলেও আপনার অবচেতন মন আপনাকে আপনার মৃত্যুর সময়ের কথা মনে করিয়ে দিতেই থাকবে। ধরা যাক, আপনি খুব ভালো ক্রিকেট খেলেন। কোনভাবে আপনি জেনে গেলেন যে হঠাৎ একদিন ক্রিকেট বল মাথায় লেগে আপনি মরবেন। এক্স্যাক্ট সেই জ্ঞান অর্জনের মুহূর্ত থেকেই কিন্তু আপনি আর ক্রিকেট খেলা কে এনজয় করতে পারবেন না। একটা অন্যরকম অবসাদ আপনাকে পেয়ে বসবে। তাহলে কী দাঁড়ালো? জ্ঞানই যতো নষ্টের মূল। যতো কম জানবেন, মন ততো কম চিন্তা করবে, মাথায় ততো কম চাপ পড়বে, দেহ ততো ভালোভাবে নিজের ফাংশন গুলো পরিচালিত করবে, আয়ুষ্কাল ততো দীর্ঘ হবে। It's quite simple.

তাই আমি জ্ঞানার্জনের বিরুদ্ধে।

Ashik foysal sojib
1
শীতের সময় পানি কম খাওয়া হয়।
সেজন্য বহু শারিরীক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেমন : কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, সেটা থেকে পাইলস ফিসার হতে পারে!!
পানিস্বল্পতার জন্য রক্তরস কমে যায়, প্রেসার কমতে পারে, আপ-ডাউন হতে পারে, তাতে হার্ট এটাক, স্ট্রোক করার রিস্ক থাকে অনেকটাই। যাদের আগে থেকে রিস্ক আছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে, একবার হুয়ে গেলে আর আগের মতো ভালো হবে না!!!
আবার ত্বক রুক্ষ, মলিন হয়ে যায়।
বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এর কার্যক্রমের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে।
এমনকি পুরুষদের পুরুষত্বে প্রভাব পরতে পারে!!
তাই প্রাপ্ত বয়স্ক এভারেজ ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তিকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ১০ গ্লাস পানিপান করতে হবে।

Dr. Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS mid. (Internal Medicine)
Experienced in Skin, problem
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
1
যুক্তরাজ্যে ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। এটি আপনার ফান্ডের প্রমাণ দেয় এবং দেখায় যে আপনি আপনার পড়াশোনা এবং জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে সক্ষম। এখানে UK ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো:

---

১. প্রয়োজনীয় ফান্ডের পরিমাণ

কত টাকা দেখাতে হবে?

টিউশন ফি:
আপনার কোর্সের প্রথম বছরের টিউশন ফি বা বাকি যত টাকা দিতে হবে।

জীবনযাত্রার খরচ:

লন্ডনে: প্রতি মাসে £1,334 (প্রতি বছর £16,008)।

লন্ডনের বাইরে: প্রতি মাসে £1,023 (প্রতি বছর £12,276)।

উদাহরণ:

যদি টিউশন ফি £15,000 হয় এবং আপনি লন্ডনে পড়াশোনা করেন:

£15,000 (টিউশন) + £16,008 (লিভিং কস্ট) = £31,008।

আপনার অ্যাকাউন্টে এই ফান্ড থাকতে হবে এবং এটি কমপক্ষে ২৮ দিন ধরে ধরে রাখতে হবে।

---

২. ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার নিয়ম

ব্যাংক স্টেটমেন্টের বৈধতা:

ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে ইস্যু হওয়া প্রয়োজন।

ব্যালেন্স কমপক্ষে ২৮ দিন ধরে থাকা আবশ্যক।

স্টেটমেন্টে যে তথ্য থাকতে হবে:

1. ব্যাংকের নাম এবং লোগো।

2. অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের নাম।

3. অ্যাকাউন্ট নম্বর।

4. ব্যালেন্সের বিবরণ এবং স্টেটমেন্টের তারিখ।

5. ব্যালেন্সের সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় পরিমাণ।

6. ব্রাঞ্চের যোগাযোগের তথ্য।

---

৩. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট টাইপ

কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে?

1. সেভিংস অ্যাকাউন্ট।

2. কারেন্ট অ্যাকাউন্ট।

3. শিক্ষার্থী ঋণের অ্যাকাউন্ট (যদি প্রযোজ্য)।

4. অভিভাবক বা পরিবারের অ্যাকাউন্ট (স্পনসর লেটার থাকতে হবে)।

---

৪. স্পন্সরশিপ বা শিক্ষা ঋণ

যদি আপনার টিউশন ফি বা জীবনযাত্রার খরচ স্পন্সর করেন কেউ, তবে প্রয়োজন:

1. স্পনসরশিপ লেটার

স্পন্সরের নাম এবং সম্পর্ক।

ফান্ড প্রদানের প্রতিশ্রুতি।

2. ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা ফান্ডের প্রমাণ (স্পন্সরের অ্যাকাউন্ট)।

3. এডুকেশন লোনের ক্ষেত্রে:

ব্যাংকের লোন স্যাংশন লেটার।

---

৫. বাংলাদেশ থেকে ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত করার পরামর্শ

1. বৈধ ব্যাংক বেছে নিন:

বাংলাদেশের স্বীকৃত ব্যাংক (যেমন ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, ইত্যাদি)।

2. ডলার বা পাউন্ড একাউন্ট:

লেনদেন ডলার বা পাউন্ডে হলে সহজে গ্রহণযোগ্য।

3. স্টেটমেন্টের অনুবাদ:

যদি স্টেটমেন্ট ইংরেজিতে না থাকে, একটি পেশাদার অনুবাদক দিয়ে ইংরেজিতে অনুবাদ করাতে হবে।

4. ব্যাংকের সিল এবং স্বাক্ষর:

ব্যাংকের স্টেটমেন্টে অফিসিয়াল সিল এবং ম্যানেজারের স্বাক্ষর থাকতে হবে।

---

৬. সাধারণ সমস্যাগুলো এড়ানো

পর্যাপ্ত ফান্ড না থাকা:
নিশ্চিত করুন যে স্টেটমেন্টে ফান্ড ২৮ দিন ধরে আছে।

অ্যাপ্লিকেশনের সময়কাল:
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় স্টেটমেন্ট ৩০ দিনের মধ্যে ইস্যু করা হওয়া দরকার।

ফেক স্টেটমেন্ট:
কোনভাবেই ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য দিবেন না। এটি ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ হতে পারে।

---

৭. ভিসার জন্য অতিরিক্ত তথ্য

কিছু বিকল্প ফান্ডের উৎস:

ফিক্সড ডিপোজিট (সার্টিফিকেট সহ)।

এডুকেশন লোন।

অফিশিয়াল স্কলারশিপ লেটার।

---

৮. স্টেটমেন্টের উদাহরণ ফরম্যাট

---

সংক্ষিপ্ত টিপস

1. পরিকল্পনা করুন: ব্যাংকে ফান্ড রাখার পর ২৮ দিন অপেক্ষা করুন।

2. ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন: আপনার চাহিদা অনুযায়ী স্টেটমেন্ট ঠিকঠাক করতে বলুন।

3. বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশিকা অনুসরণ করুন: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আলাদা ফান্ড প্রদর্শনের শর্ত থাকতে পারে।

আপনার আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে জানাবেন।
কদিন আগে আমার এক বন্ধুর মায়ের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো। দুনিয়ার যাবতীয় ফ্রাস্ট্রেশন ঝেড়ে আন্টিকে বললাম "আন্টি, আমার জন্য দোয়া করেন আল্লাহ যেন আমাকে ধৈর্য দেন"

উনি বললেন "আল্লাহর কাছে কখনো ধৈর্য চাইবা না। আল্লাহর কাছে তুমি যেটাই চাবা আল্লাহ তোমাকে সেইটাই দিবে। ধৈর্য চাইলে ধৈর্য দিবে, ধৈর্যের পরীক্ষাও নিবে। অনেক কঠিন পরিস্থিতি দিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তোমার ধৈর্য বাড়াবেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করবা আল্লাহ যেন সবকিছু তোমার জন্য সহজ করে দেন"।

আমি কথাটা শুনে খানিক্ষণ চুপ করে ছিলাম যে আসলেই তো। ধৈর্য কেন চাই আমরা আল্লাহর আছে। ধৈর্য মানেই তো কঠিন সময় এক্সেপ্ট করে নেওয়া, অথচ চাইলেই তো আল্লাহ সব সহজ করে দিতেন।

এইটা মনে হয় আমার জীবনে শোনা সুন্দরতম মোটিভেশন। আমি আর আল্লাহর কাছে ধৈর্য চাই না। আল্লাহ যেন আমাকে এমন পরিস্থিতি না দেন যেখানে ধৈর্য লাগে। আল্লাহ আমার জন্য, আমাদের জন্য যেন সবকিছু সহজ করে দেন।

©️
একবার মক্কায় একজন ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ হলো যিনি বেশ শখ করে বাচ্চার নাম রেখেছেন ‘আবরাহা’।

নামটা শুনে আমার তো আসমান থেকে পড়বার জোগাড়। আমি চোখমুখ কপালে তুলে জিগ্যেস করলাম, ‘ভাইজান, ছেলের নাম কী বললেন?’

তিনি তখনও খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পুনরায় বললেন, ‘আবরাহা’।

‘আবরাহা’ নামটা শুনতে একটু স্মার্ট স্মার্ট শোনায়৷ অনেকটা ইংরেজির ‘আলেকজান্ডার’ টাইপ নাম। সম্ভবত নামের মধ্যে থাকা স্মার্টনেসের কারণেই তিনি নামটাকে নিজের বাচ্চার জন্য পছন্দ করে ফেলেছিলেন।

আসল কথা হলো, আবরাহা নামের নেপথ্য ঘটনা তিনি জানতেন না। সারাটা জীবন সূরা ফীল পড়েছেন বটে, কিন্তু সেই সূরার প্রেক্ষাপট কোনোদিন জানার সুযোগ তার হয়ে উঠেনি।

আমি সময় নিয়ে তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। এই নাম যে কতো বিধ্বংসী এক অত্যাচারীর নাম যাকে ধ্বংসের কথা সরাসরি কুরআনেও এসেছে—সেসব বুঝিয়ে বলার পর তিনি বুঝতে পারলেন।

বাচ্চার নাম নির্বাচনে আমরা অনেকেই এই ভুলটা করে থাকি। নামের অর্থের দিকে না তাকিয়ে আমরা স্মার্টনেস, খানিকটা আধুনিক ভাব আর বৈশিষ্ট্যের কথা ভাবতে গিয়ে মাঝেমধ্যে এমন নাম বাছাই করে ফেলি যে—নামটার ভালো কোনো অর্থ আর অটুট থাকে না৷

বাচ্চার সুন্দর, অর্থপূর্ণ নাম রাখতে ইসলাম বেশ গুরুত্ব দেয়৷ কিয়ামতের দিন প্রত্যেককে তাদের নিজ নিজ নাম ধরেই ডাকা হবে। সুতরাং, একটা সুন্দর আর অর্থপূর্ণ নাম পাওয়াটা বাবা-মা’র ওপরে বাচ্চার একেবারে প্রথম অধিকার।

আমাদের দেশের বাবা মায়েরা বাচ্চাদের এমন নামও রাখেন যেসব নাম অনেকসময় শিরক আর কুফরের দিকেও নির্দেশ করে ফেলে৷ অনেকে তো আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট করা নামগুলোই বাচ্চার নাম হিশেবে রেখে দেন। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, আমাদের চারপাশে ‘রাব্বী’ নামের অনেক মানুষ আছে। অথচ, রাব্বী বলে আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকেই ডাকি।

নামের প্রভাব ব্যক্তিজীবনে ভালোভাবেই পড়ে বলে হাদিস থেকে জানা যায়। একবার আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন লোকের কাছে নাম জিগ্যেস করলে, তিনি যে নাম বললেন তার অর্থ হলো—রাগান্বিত৷ নবিজি তার নাম বদলে এমন একটা নাম বললেন যার অর্থ দাঁড়ায় প্রশান্তি। কিন্তু সে সেটা মানলো না। আগের নামে বহাল থাকলো। জানা যায়, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে ওইরকম রাগের মেজাজে ছিল।

আমাদের দেশের বাবা মায়েদের আরেকটা বাতিক হলো, বাচ্চার নাম রাখার জন্য তারা এমন নাম রাখতে চান যা তাদের বংশে আর কেউ ব্যবহার করেনি ইতোপূর্বে।

যেমন, যদি আপনি বলেন—‘বাচ্চার নাম ইবরাহিম রাখতে পারেন।’

তারা বলবে, ‘এটা তো আমার বড় জেঠার মেয়ে তার ছেলের জন্য রেখে দিয়েছে’

অথবা, যদি বলেন—‘বাচ্চার নাম খালিদ রাখতে পারেন বা ইসমাইল অথবা ইয়াহইয়া। মেয়ের নাম আয়িশা বা মারইয়াম রাখতে পারেন।’

তাদের জবাব হবে, ‘খালিদ তো আমার খালাতো ভাইয়ের ছেলের নাম। ইসমাইল আমার ছোট বোনের ছেলের নাম৷ ইয়াহইয়া নামের এক ছেলে আমাদের পাশের বাড়িতেই আছে। আয়িশা তো আমাদের প্রতিবেশির মেয়ের নাম৷ মারইয়াম নামের দুইজন তো আমাদের বংশেই আছে’।

মোদ্দাকথা, তাদের এমন নাম চাই যে নাম গোটা বংশ বা আশেপাশের দশগ্রামে আর কেউ তাদের বাচ্চাদের জন্য রাখেনি।

কিন্তু, আল্লাহর রাসুলের সময়ে ব্যাপারটা এরকম ছিল না। এমনকি, আরবে এখনো এধরণের চর্চা নেই৷ সেখানে ঘরে ঘরে আপনি আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ, আলি, খালিদ, মুসা, মুয়াজ, আয়িশা, মারইয়াম, ফাতিমা, আছিয়া, খাদিজা—এই নামগুলো দেখতে পাবেন।

বাচ্চার সুন্দর নামকরণ করুন৷ সেটা তার হক আপনাদের ওপরে। আর, সেই নামটা ধরেই তাদেরকে কিয়ামতে ডাকা হবে৷ তাই, আধুনিকতার চেয়ে অর্থপূর্ণ নাম যেন হয়—সেদিকেই আমাদের নজর দেওয়া উচিত।
বুদ্ধি আর প্রেম আলাদা উপকরণে তৈরি। বুদ্ধি মানুষকে এক বাঁধনে বাঁধে আর তাতে কোন ঝুঁকি নেই, কিন্তু প্রেম সব জটকে গুলিয়ে ফেলে আর তাতে পুরোটাই ঝুঁকি আছে। বুদ্ধি সদাই সতর্ক আর পরামর্শ দেয়, ‘অত্যধিক ভাবাবেশ থেকে সাবধান’ আর প্রেম কেবল বলতে থাকে, ‘আহা, একদম ভেবো না! ঝাঁপিয়ে পড়ো!’ বুদ্ধি সহজে ভেঙে পড়ে না, অথচ প্রেম অনায়াসে নিজেকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলে। তবে গুপ্তধন লুকিয়ে থাকে ধ্বংসস্তুপেই। একটি ভগ্ন হৃদয়েই গুপ্তধন লুকানো থাকে।

-শামস তাবরিজি 💜
1