দীর্ঘদিন যাবত যদি অ্যান্ড্রয়েড ইউজার হয়ে থাকেন এবং প্রচুর অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন সবথেকে বড় সমস্যা হবে আইফোনে আপনি এপ স্টোরের বাইরে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন না...
অ্যান্ড্রয়েড এর মত কখনোই রাফ ইউজে ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন না.. ( প্রো ম্যাক্স সিরিজের কথা বাদ)
সব সময় ব্যাটারী হেলথ কমে যাচ্ছে কিনা এই নিয়ে একটা টেনশন কাজ করবে না চাইতেও.
দিনশেষে মনে হবে লাখ টাকা দিয়ে এই ফোন না কিনে ৩০-৪০ এ ভালো ফোন কিনে বাকি টাকা গুলো অন্য কোথাও ইনভেস্ট করলে ভালো আউটপুট পাওয়া যেত ( এ কথাটা আমার মত গরিবদের জন্য বড়লোক হলে ভিন্ন কথা )
পরিশেষে iphone ক্যামেরা এবং শো অফ এর জন্য ( ব্যক্তিগত মতামত )
অ্যান্ড্রয়েড এর মত কখনোই রাফ ইউজে ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন না.. ( প্রো ম্যাক্স সিরিজের কথা বাদ)
সব সময় ব্যাটারী হেলথ কমে যাচ্ছে কিনা এই নিয়ে একটা টেনশন কাজ করবে না চাইতেও.
দিনশেষে মনে হবে লাখ টাকা দিয়ে এই ফোন না কিনে ৩০-৪০ এ ভালো ফোন কিনে বাকি টাকা গুলো অন্য কোথাও ইনভেস্ট করলে ভালো আউটপুট পাওয়া যেত ( এ কথাটা আমার মত গরিবদের জন্য বড়লোক হলে ভিন্ন কথা )
পরিশেষে iphone ক্যামেরা এবং শো অফ এর জন্য ( ব্যক্তিগত মতামত )
* ইসলামপুর - সব ধরনের কাপড়।
* বাদামতলী - সব চাউল, সব দেশ বিদেশ এর ফল।
* বাবুবাজার - সব ধরনের ওষুধ, কাচ, থাই এলুমিনিয়াম++।
* মিডফোর্ড - ওষুধ, ক্যামিকেল, ম্যাডিকাল আইটেম।
* পাটুয়াটুলি - ঘড়ি, ইলেকট্রনিক্স, বোরকা, চশমা।
* শ্যামবাজার - সবজি, আলু ,পিয়াজ ++।
* বাংলাবাজার - বই , খাতা, বিয়ের কার্ড, ক্যালেন্ডার++।
* তাতি বাজার - স্বর্ণ, রূপা, বুলিয়ান আইটেম।
* সদরঘাট - পাঞ্জাবি, পায়জামা, হোসিয়ারি আইটেম, কম্বল ++।
* জিন্দাবাহার - কাগজ, স্টেশনারি, ভিজিটিং কার্ড , কাগজের ব্যাগ ++।
* চকবাজার - ক্রকারিজ, ছাতা, প্লাস্টিক, ব্যাগ, জুয়েলারি, খেলনা , কসমেটিক্স, শোপিস, মেলামাইন আইটেম, স্টিলের আইটেম++
* মৌলভীবাজার - মসলা, ড্রাই ফ্রুটস, চকলেট, তেল, সিগারেট, সাবান , মনোহারী আইটেম , ওয়ান টাইম আইটেম , বেকারী আইটেম এর মল্ডিং ++।
* বংশাল - মোটর পার্টস, হোন্ডা, সাইকেল ++।
* নর্থ সাউথ রোড/ নয়াবাজার - রড, শিট, ফ্ল্যাট বার, টিন, দরজা, কাঠ, প্লাস্টিক, স্যানিটারি আইটেম, পাইপ, ফিটিংস, বাথরুম ফিটিংস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জি আই / এম এস আইটেম ++।
* নবাবপুর - ইলেকট্রিক আইটেম, তার, বাল্ব, মেশিনারি, হার্ড ওয়ার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইটেম ++।
* সিদ্দিকবাজার - জুতা, স্যান্ডেল, ম্যাটেরিয়ালস।
* গুলিস্থান - ইলেকট্রিকসাপ্লাই, মোবাইল, এক্সেসরিজের আইটেম, টিভি,সাউন্ড সিস্টেম, কাপড় আইটেম, জুতা ++।
* বঙ্গ বাজার - সব ধরনের রেডিমেট গার্মেন্টস আইটেম।
* ধোলাইখাল - গাড়ি ও রিফরিজারেশন এর সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেম, জাহাজের ইলেকট্রিক আইটেম++
* কেরানীগঞ্জ - কাপড়, শার্ট , পেন্ট আইটেম ++।
* বাদামতলী - সব চাউল, সব দেশ বিদেশ এর ফল।
* বাবুবাজার - সব ধরনের ওষুধ, কাচ, থাই এলুমিনিয়াম++।
* মিডফোর্ড - ওষুধ, ক্যামিকেল, ম্যাডিকাল আইটেম।
* পাটুয়াটুলি - ঘড়ি, ইলেকট্রনিক্স, বোরকা, চশমা।
* শ্যামবাজার - সবজি, আলু ,পিয়াজ ++।
* বাংলাবাজার - বই , খাতা, বিয়ের কার্ড, ক্যালেন্ডার++।
* তাতি বাজার - স্বর্ণ, রূপা, বুলিয়ান আইটেম।
* সদরঘাট - পাঞ্জাবি, পায়জামা, হোসিয়ারি আইটেম, কম্বল ++।
* জিন্দাবাহার - কাগজ, স্টেশনারি, ভিজিটিং কার্ড , কাগজের ব্যাগ ++।
* চকবাজার - ক্রকারিজ, ছাতা, প্লাস্টিক, ব্যাগ, জুয়েলারি, খেলনা , কসমেটিক্স, শোপিস, মেলামাইন আইটেম, স্টিলের আইটেম++
* মৌলভীবাজার - মসলা, ড্রাই ফ্রুটস, চকলেট, তেল, সিগারেট, সাবান , মনোহারী আইটেম , ওয়ান টাইম আইটেম , বেকারী আইটেম এর মল্ডিং ++।
* বংশাল - মোটর পার্টস, হোন্ডা, সাইকেল ++।
* নর্থ সাউথ রোড/ নয়াবাজার - রড, শিট, ফ্ল্যাট বার, টিন, দরজা, কাঠ, প্লাস্টিক, স্যানিটারি আইটেম, পাইপ, ফিটিংস, বাথরুম ফিটিংস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জি আই / এম এস আইটেম ++।
* নবাবপুর - ইলেকট্রিক আইটেম, তার, বাল্ব, মেশিনারি, হার্ড ওয়ার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইটেম ++।
* সিদ্দিকবাজার - জুতা, স্যান্ডেল, ম্যাটেরিয়ালস।
* গুলিস্থান - ইলেকট্রিকসাপ্লাই, মোবাইল, এক্সেসরিজের আইটেম, টিভি,সাউন্ড সিস্টেম, কাপড় আইটেম, জুতা ++।
* বঙ্গ বাজার - সব ধরনের রেডিমেট গার্মেন্টস আইটেম।
* ধোলাইখাল - গাড়ি ও রিফরিজারেশন এর সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেম, জাহাজের ইলেকট্রিক আইটেম++
* কেরানীগঞ্জ - কাপড়, শার্ট , পেন্ট আইটেম ++।
ভাই যদি ভারী খেলাধুলায় অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু ব্যায়াম করুন।
১/ আগে বাসায় ওয়েট মেশিন রাখুন। আমার ওজন বেড়ে গেলে আমি প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম করে ওজন কমাই। আপনি ১০০/২০০ গ্রাম কমানোর প্লান করুন। ৩ মাসে ১০/১২ কেজি কমালেই হবে।
২/ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘড়ি ধরে দৌড়ান। প্রথম সপ্তাহ ৫ মিনিট, ২য় সপ্তাহ ৭ মিনিট। এভাবে ২ মিনিট করে বাড়াতে বাড়াতে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সকালে দৌড়ান। দৌড়ের চেয়ে ওজন কমানোর জন্য ভালো কিছু হয়না।
৩/ এরপর ১০ মিনিট হালকা ওয়ার্ম আপ করুন।
৪/ রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া ও গোসলের আগে হালকা যোগ ব্যায়াম করুন। অনেক সময় একা একা ব্যায়াম করতে মন চায়না। সেজন্য প্লেস্টোর থেকে Home workout নামের একটি এপস আছে। এপসটি ৩০ দিন টানা করলে আপনার ওজন অনেক কমবে।
৪/ ব্যায়াম বাড়ানোর সাথে সাথে ভুলেও খাবার বাড়াবেন না। ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে ভাতের পরিমান কমিয়ে দিন। তবে ব্যায়াম বা পরিশ্রমের পর বেশি ক্ষুধা লাগলে কলা বা অন্যকোন ফল দিয়ে নাস্তা করবেন।
৫/ ভাতের পরিমান কমানোর পাশাপাশি তেল খাওয়া কমিয়ে দিবেন। মাছ মাংশ সবজ্বী বেশি করে খাবেন।
৬/ সপ্তাহে ছুটির দিনে সম্ভব হলে সুইমিং পুলে সাতার কাটবেন একদিন। আর নয়তো ফুটবল খেলুন।
৭/ যদি একেবারেই আপনার ব্যায়াম একা করতে ধৈর্যে না কুলায় বা মন না বসে, তবে জিমে ভর্তি হন।অফিসের সাথে রাত ৮:৩০-৯:৩০ এমন সময়ে জিমে গেলে ভালো আপনার জন্য। তবে আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকায় কর্পোরেট লাইফে কখন অফিস শেষ হয় বলা যায়না। তাই জিম মিস হতেও পারে, তার সাথে আছে টাকা খরচের বিষয়। তাই ভালো হয় সকালে ব্যায়াম চালিয়ে নিলে।
আর সপ্তাহে ছুটির দিনে মার্শাল আর্ট ক্লাসে যেতে পারেন। আমাদের ক্লাবে যারা চাকরীজীবি আছেন তারা সপ্তাহে ২ দিন ক্লাস করে প্র্যাক্টিসের আইডিয়া নেন। সারা সপ্তাহ তারা দিনের যেকোন সময় ফ্রি হলে ফ্রিহ্যান্ড প্র্যাক্টিস করে নেন। আলাদা করে সকাল বা বিকালে ধরে বেধে সময় বেছে নিতে হয়না। আপনি এটিও মাথায় রাখতে পারেন। আপনার জন্য শুভকামনা।
১/ আগে বাসায় ওয়েট মেশিন রাখুন। আমার ওজন বেড়ে গেলে আমি প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম করে ওজন কমাই। আপনি ১০০/২০০ গ্রাম কমানোর প্লান করুন। ৩ মাসে ১০/১২ কেজি কমালেই হবে।
২/ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘড়ি ধরে দৌড়ান। প্রথম সপ্তাহ ৫ মিনিট, ২য় সপ্তাহ ৭ মিনিট। এভাবে ২ মিনিট করে বাড়াতে বাড়াতে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সকালে দৌড়ান। দৌড়ের চেয়ে ওজন কমানোর জন্য ভালো কিছু হয়না।
৩/ এরপর ১০ মিনিট হালকা ওয়ার্ম আপ করুন।
৪/ রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া ও গোসলের আগে হালকা যোগ ব্যায়াম করুন। অনেক সময় একা একা ব্যায়াম করতে মন চায়না। সেজন্য প্লেস্টোর থেকে Home workout নামের একটি এপস আছে। এপসটি ৩০ দিন টানা করলে আপনার ওজন অনেক কমবে।
৪/ ব্যায়াম বাড়ানোর সাথে সাথে ভুলেও খাবার বাড়াবেন না। ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে ভাতের পরিমান কমিয়ে দিন। তবে ব্যায়াম বা পরিশ্রমের পর বেশি ক্ষুধা লাগলে কলা বা অন্যকোন ফল দিয়ে নাস্তা করবেন।
৫/ ভাতের পরিমান কমানোর পাশাপাশি তেল খাওয়া কমিয়ে দিবেন। মাছ মাংশ সবজ্বী বেশি করে খাবেন।
৬/ সপ্তাহে ছুটির দিনে সম্ভব হলে সুইমিং পুলে সাতার কাটবেন একদিন। আর নয়তো ফুটবল খেলুন।
৭/ যদি একেবারেই আপনার ব্যায়াম একা করতে ধৈর্যে না কুলায় বা মন না বসে, তবে জিমে ভর্তি হন।অফিসের সাথে রাত ৮:৩০-৯:৩০ এমন সময়ে জিমে গেলে ভালো আপনার জন্য। তবে আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকায় কর্পোরেট লাইফে কখন অফিস শেষ হয় বলা যায়না। তাই জিম মিস হতেও পারে, তার সাথে আছে টাকা খরচের বিষয়। তাই ভালো হয় সকালে ব্যায়াম চালিয়ে নিলে।
আর সপ্তাহে ছুটির দিনে মার্শাল আর্ট ক্লাসে যেতে পারেন। আমাদের ক্লাবে যারা চাকরীজীবি আছেন তারা সপ্তাহে ২ দিন ক্লাস করে প্র্যাক্টিসের আইডিয়া নেন। সারা সপ্তাহ তারা দিনের যেকোন সময় ফ্রি হলে ফ্রিহ্যান্ড প্র্যাক্টিস করে নেন। আলাদা করে সকাল বা বিকালে ধরে বেধে সময় বেছে নিতে হয়না। আপনি এটিও মাথায় রাখতে পারেন। আপনার জন্য শুভকামনা।
পড়া পানি বা রুকইয়াহ পানি তৈরির করার নিয়ম–
প্রথমে পানি সামনে নিন। এরপর নিয়্যাত করে নিন। যেমনঃ ইয়া আল্লাহ! মানুষ ও জ্বীনের সব ধরণের বদনজর, হাসাদ, যাদু, গিট দূর করে দিন, চিরতরে ধ্বংস করে দিন।
এরপর দরুদ পড়ে পানির উপর ফুঁ দিন। তারপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ৪ কুল (সুরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) প্রত্যেকটা সাত বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। (প্রত্যেক বার সূরা পড়ার পর ই পানিতে ফুঁ দিবেন)। সূরা আরাফ (আয়াত ১১৭ থেকে ১২২), সূরা ইউনুস (আয়াত ৮১ থেকে ৮২), সূরা তোহা (আয়াত ৬৯) এগুলো একবার করে পড়ুন ইনশাআল্লাহ। সবার শেষে পুনরায় দরুদ পড়ে ফুঁ দিয়ে শেষ করবেন।
সূরা এবং দু'আ পড়ে ফুঁ দেওয়ার সময় আরশের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উপর গভীর আস্থা ও সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় রাখবেন।
IRC - IOM Ruqyah Consultancy
প্রথমে পানি সামনে নিন। এরপর নিয়্যাত করে নিন। যেমনঃ ইয়া আল্লাহ! মানুষ ও জ্বীনের সব ধরণের বদনজর, হাসাদ, যাদু, গিট দূর করে দিন, চিরতরে ধ্বংস করে দিন।
এরপর দরুদ পড়ে পানির উপর ফুঁ দিন। তারপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ৪ কুল (সুরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) প্রত্যেকটা সাত বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। (প্রত্যেক বার সূরা পড়ার পর ই পানিতে ফুঁ দিবেন)। সূরা আরাফ (আয়াত ১১৭ থেকে ১২২), সূরা ইউনুস (আয়াত ৮১ থেকে ৮২), সূরা তোহা (আয়াত ৬৯) এগুলো একবার করে পড়ুন ইনশাআল্লাহ। সবার শেষে পুনরায় দরুদ পড়ে ফুঁ দিয়ে শেষ করবেন।
সূরা এবং দু'আ পড়ে ফুঁ দেওয়ার সময় আরশের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উপর গভীর আস্থা ও সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় রাখবেন।
IRC - IOM Ruqyah Consultancy
২০ টাকা বাঁচানোর জন্য ২০ মিনিট হাটার কোন মানে নেই। ২০ মিনিট সময়ের মূল্য ২০ টাকার চেয়ে মিনিমাম ২০ গুন বেশী হওয়া উচিৎ।
শুধু মাত্র কম দামে বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য অফিস, স্কুল কিংবা কর্মস্থানের চেয়ে অনেক ভেতরের দিকে বাসা ভাড়া নেওয়ার কোন মানে নেই। কারন যত বেশি ভেতরে বাসা হবে তত সুযোগ-সুবিধা কমবে, রিকশা ভ্যানের গ্যারেজ থাকবে।
আপনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে যদি ঝগড়া শুনে আর গা*জার গন্ধ নিয়ে ঘুমাতে যান আর সকালে ফ্রেশ মাইন্ডে বাসা থেকে বের হয়ে যদি রিকশা, ভ্যান গাড়ি আর ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা দেখেন তাহলে আপনি কখনই ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি কিংবা বিএমডব্লিউ কেনার কথা মাথাতেই আনতে পারবেন না কিনে ফেলা তো আকাশ কুসুম কল্পনা। কারন আপনার ব্রেইনই আপনাকে সবসময় নীচু করে রাখবে।
আমি এক মানুষকে চিনি। যিনি ১৫,০০০ টাকা বেতনের মধ্যে প্রতি মাসে ছোট দুই মেয়ের বিয়ের জন্য ৫০০০ টাকা করে জমায়। আর বাকি ১০,০০০ টাকায় সে, তার স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে ও শ্যালিকা নিয়ে সংসার চালায়। তাদের খাবার, ঔষধ, পড়াশোনা সবকিছুই এই টাকার মধ্যেই। কোন একটা রেষ্টুরেন্ট কিংবা কোন একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া তার জন্য বিলাসিতা ও কল্পনা এই অল্প বেতনের জন্য। গত ১০ বছর ধরে তার একই অবস্থা। এটা কিসের জীবন যেখানে প্রত্যেকটা কদমে হিসাব, হিসাব আর হিসাব...?
বড় স্বপ্ন শুধু বড়লোকেরাই দেখে এই চিন্তা আমাদের ব্রেইনে আসে আমাদের জন্যই। আমরাই রাস্তা করে দেই নীচু চিন্তা করাতে। আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে এই চিন্তাই আমাদেরকে ছোট করে রাখে।
একটা জিনিস আমার কাছে ক্লিয়ারঃ জন্ম, মৃত্যু, রিজিক নির্ধারিত থাকার পরেও আমাদের ছোট্ট এই জীবনে এত কষ্ট সহ্য করার কোন মানে নেই। অতীত আমাদের ছোয়ার বাইরে ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে। বর্তমান কে সুন্দর করে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত উপভোগ করা উচিৎ। সঞ্চয় দরকার আছে তবে নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে এই সঞ্চয়ের কোন মানে হয় কি?
সঞ্চয় কে বিচক্ষণতা ও দ্রুততার সাথে ইনভেস্টমেন্ট এ কনভার্ট করতে হবে, এই রেটরেস থেকে সহজে বের হওয়া যাবে না।
সংগৃহীত ও আংশিক সম্পাদিত - স্পার্কশিফট⚡️
শুধু মাত্র কম দামে বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য অফিস, স্কুল কিংবা কর্মস্থানের চেয়ে অনেক ভেতরের দিকে বাসা ভাড়া নেওয়ার কোন মানে নেই। কারন যত বেশি ভেতরে বাসা হবে তত সুযোগ-সুবিধা কমবে, রিকশা ভ্যানের গ্যারেজ থাকবে।
আপনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে যদি ঝগড়া শুনে আর গা*জার গন্ধ নিয়ে ঘুমাতে যান আর সকালে ফ্রেশ মাইন্ডে বাসা থেকে বের হয়ে যদি রিকশা, ভ্যান গাড়ি আর ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা দেখেন তাহলে আপনি কখনই ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি কিংবা বিএমডব্লিউ কেনার কথা মাথাতেই আনতে পারবেন না কিনে ফেলা তো আকাশ কুসুম কল্পনা। কারন আপনার ব্রেইনই আপনাকে সবসময় নীচু করে রাখবে।
আমি এক মানুষকে চিনি। যিনি ১৫,০০০ টাকা বেতনের মধ্যে প্রতি মাসে ছোট দুই মেয়ের বিয়ের জন্য ৫০০০ টাকা করে জমায়। আর বাকি ১০,০০০ টাকায় সে, তার স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে ও শ্যালিকা নিয়ে সংসার চালায়। তাদের খাবার, ঔষধ, পড়াশোনা সবকিছুই এই টাকার মধ্যেই। কোন একটা রেষ্টুরেন্ট কিংবা কোন একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া তার জন্য বিলাসিতা ও কল্পনা এই অল্প বেতনের জন্য। গত ১০ বছর ধরে তার একই অবস্থা। এটা কিসের জীবন যেখানে প্রত্যেকটা কদমে হিসাব, হিসাব আর হিসাব...?
বড় স্বপ্ন শুধু বড়লোকেরাই দেখে এই চিন্তা আমাদের ব্রেইনে আসে আমাদের জন্যই। আমরাই রাস্তা করে দেই নীচু চিন্তা করাতে। আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে এই চিন্তাই আমাদেরকে ছোট করে রাখে।
একটা জিনিস আমার কাছে ক্লিয়ারঃ জন্ম, মৃত্যু, রিজিক নির্ধারিত থাকার পরেও আমাদের ছোট্ট এই জীবনে এত কষ্ট সহ্য করার কোন মানে নেই। অতীত আমাদের ছোয়ার বাইরে ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে। বর্তমান কে সুন্দর করে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত উপভোগ করা উচিৎ। সঞ্চয় দরকার আছে তবে নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে এই সঞ্চয়ের কোন মানে হয় কি?
সঞ্চয় কে বিচক্ষণতা ও দ্রুততার সাথে ইনভেস্টমেন্ট এ কনভার্ট করতে হবে, এই রেটরেস থেকে সহজে বের হওয়া যাবে না।
সংগৃহীত ও আংশিক সম্পাদিত - স্পার্কশিফট⚡️
#Premarital_Screening_test
( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑
#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।
বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂
#টেস্ট_গুলো_হলোঃ
👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR
এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊
এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।
👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে।
যেমনঃ
(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia
ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊।
👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂
একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️
HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑
#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।
বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂
#টেস্ট_গুলো_হলোঃ
👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR
এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊
এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।
👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে।
যেমনঃ
(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia
ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊।
👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂
একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️
HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
📌📌📌
বিয়ে সংক্রান্ত আমার কালেকশনে কিছু রিসোর্স, উপকৃত হবেন আশা করি, ইনশা আল্লাহ...
❑ বিয়ে পূর্ববর্তী বইঃ আহাকামে জিন্দেগী (মাকতাবুল আবরার), কুররাতু আইয়ুন-১ (আসলাফ), বিয়ের আগে (উমেদ), তালাকের মাসআলা সংক্রান্ত বই (উমেদ থেকে আসবে, আসার পূর্বে কোন একজন আলেম থেকে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া সব কিছু)
❑ বিয়ে আগে ও পরে উভয় সময়ের জন্যে উপকারী বইঃ মুহসিনীন, মুহস্বানাত (ইনবাত)
❑ বিশেষ করে বিয়ে পরবর্তী বইঃ লাভ এন্ড রেস্পেক্ট (প্রচ্ছদ), প্রেমময় দাম্পত্য (রুহামা), প্রশান্তির বাঁধন (পথিক)
[যদিও প্রত্যেকটি বই চাইলেই বিয়ের আগে পড়ে উপকৃত হওয়া যায়...]
❑ বিয়ে সংক্রান্ত কোর্সঃ অনলি ব্রাদার্স কোর্স, অনলি সিস্টার্স কোর্স (ইনবাত)
বিয়ে ও তালাক (AOI)
Marriage Preparation, Fiqhun Niqah (Aslaf, কোর্স কেনার সময় কুপন কোড: mashwara ব্যবহারে পাবেন অতিরিক্ত ১০% ছাড়)
❑ বিয়ের পূর্বে আমার আম্মুর কিছু উপদেশ — https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=300483181428900&id=100044016622361
❑ আমার বিয়ের সময়ের লিখা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205526977591188&id=100044016622361
❑ দ্বীন এবং পরিবার মুখোমুখি...
বেদ্বীন পরিবেশে টিকে থাকা/দাওয়াহঃ (Description box এ বিস্তারিত নোট আছে) https://youtu.be/YI0zJw9aass
বাবা-মা কর্তৃক দ্বীন পালনে বাধাপ্রাপ্ত হওয়াঃ https://youtu.be/OJkBZPctavs
পরিবারে দাওয়াহঃ https://youtu.be/8UT0BTk1s6I
মেয়ের দ্বারা বাবার দ্বীনে ফেরাঃ https://youtu.be/DD1ZgAen-BQ
❑ বিয়ে পরবর্তী জীবন— https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=587719446038604&id=100044016622361
❑ ❝বিয়ে অর্ধেক দ্বীন, কিন্তু...❞ সিরিজ—
লিখা: উস্তায Muhammad Masih Ullah (হাফি.)
পর্ব ১: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3269914429960073/?app=fbl
পর্ব ২: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3270911019860414/?app=fbl
পর্ব ৩: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3271400943144755/?app=fbl
পর্ব ৪: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3272992149652301/?app=fbl
পর্ব ৫: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3273545476263635/?app=fbl
পর্ব ৬: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3274221879529328/?app=fbl
পর্ব ৭:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3287721748179341&id=100008246448567
❑ ভাইদের বিয়ের আগে নিজেকে নিজে প্রশ্ন —
https://www.facebook.com/313599122045505/posts/5778139158924780/
❑ বিয়ে ফ্যান্টাসি বনাম বাস্তবতা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=546284263515456&id=100044016622361
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=443130013830882&id=100044016622361
❑ বিয়ের আমল—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=193674748776411&id=100044016622361
বিয়ে সংক্রান্ত আমার কালেকশনে কিছু রিসোর্স, উপকৃত হবেন আশা করি, ইনশা আল্লাহ...
❑ বিয়ে পূর্ববর্তী বইঃ আহাকামে জিন্দেগী (মাকতাবুল আবরার), কুররাতু আইয়ুন-১ (আসলাফ), বিয়ের আগে (উমেদ), তালাকের মাসআলা সংক্রান্ত বই (উমেদ থেকে আসবে, আসার পূর্বে কোন একজন আলেম থেকে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া সব কিছু)
❑ বিয়ে আগে ও পরে উভয় সময়ের জন্যে উপকারী বইঃ মুহসিনীন, মুহস্বানাত (ইনবাত)
❑ বিশেষ করে বিয়ে পরবর্তী বইঃ লাভ এন্ড রেস্পেক্ট (প্রচ্ছদ), প্রেমময় দাম্পত্য (রুহামা), প্রশান্তির বাঁধন (পথিক)
[যদিও প্রত্যেকটি বই চাইলেই বিয়ের আগে পড়ে উপকৃত হওয়া যায়...]
❑ বিয়ে সংক্রান্ত কোর্সঃ অনলি ব্রাদার্স কোর্স, অনলি সিস্টার্স কোর্স (ইনবাত)
বিয়ে ও তালাক (AOI)
Marriage Preparation, Fiqhun Niqah (Aslaf, কোর্স কেনার সময় কুপন কোড: mashwara ব্যবহারে পাবেন অতিরিক্ত ১০% ছাড়)
❑ বিয়ের পূর্বে আমার আম্মুর কিছু উপদেশ — https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=300483181428900&id=100044016622361
❑ আমার বিয়ের সময়ের লিখা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205526977591188&id=100044016622361
❑ দ্বীন এবং পরিবার মুখোমুখি...
বেদ্বীন পরিবেশে টিকে থাকা/দাওয়াহঃ (Description box এ বিস্তারিত নোট আছে) https://youtu.be/YI0zJw9aass
বাবা-মা কর্তৃক দ্বীন পালনে বাধাপ্রাপ্ত হওয়াঃ https://youtu.be/OJkBZPctavs
পরিবারে দাওয়াহঃ https://youtu.be/8UT0BTk1s6I
মেয়ের দ্বারা বাবার দ্বীনে ফেরাঃ https://youtu.be/DD1ZgAen-BQ
❑ বিয়ে পরবর্তী জীবন— https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=587719446038604&id=100044016622361
❑ ❝বিয়ে অর্ধেক দ্বীন, কিন্তু...❞ সিরিজ—
লিখা: উস্তায Muhammad Masih Ullah (হাফি.)
পর্ব ১: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3269914429960073/?app=fbl
পর্ব ২: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3270911019860414/?app=fbl
পর্ব ৩: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3271400943144755/?app=fbl
পর্ব ৪: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3272992149652301/?app=fbl
পর্ব ৫: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3273545476263635/?app=fbl
পর্ব ৬: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3274221879529328/?app=fbl
পর্ব ৭:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3287721748179341&id=100008246448567
❑ ভাইদের বিয়ের আগে নিজেকে নিজে প্রশ্ন —
https://www.facebook.com/313599122045505/posts/5778139158924780/
❑ বিয়ে ফ্যান্টাসি বনাম বাস্তবতা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=546284263515456&id=100044016622361
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=443130013830882&id=100044016622361
❑ বিয়ের আমল—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=193674748776411&id=100044016622361
🔴 পুরুষদের ১০ টি বর্জনীয় অভ্যাস!
- অনেক পুরুষ আত্মসমালোচনা না করে অন্যের সমালোচনায় আনন্দ বোধ করে। আর এর দ্বারা যে গিবতের গুনাহ হচ্ছে, সে কথা ভাবতেও চায় না। অথচ গিবত খুবই ভয়াবহ গুনাহ। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৮)
- অনেকে অন্যকে সালাম দিতে চায় না। অন্যদিকে অনেকে সালামের জবাবই দেয় না, আর কেউ সালাম দিলেও ঘাড় নেড়ে বা মনে মনে দেয়। অথচ সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৮৭৮৭)
- অনেক পুরুষ স্ত্রী থেকে নিজের হক ও পাওনা ষোল আনায় পূর্ণ করে, কিন্তু তার ওপর স্ত্রীর যে অধিকার আছে তা আদায় করতে চায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ওপর জুলুম করে থাকে। এটা অন্যায়। কেননা নারীদের তেমন ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর পুরুষদের। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২৮)
- বহু পুরুষ সাংসারিক কোনো কাজে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করে না। ফলে কারণে-অকারণে পারস্পরিক অন্তঃকলহ বেড়ে যায়। তাই স্ত্রী ও বুদ্ধিমান সন্তানদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)
► বহু পুরুষ পুত্রসন্তান হওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী থাকে, পক্ষান্তরে কন্যাসন্তান হলে স্ত্রীকে দোষারোপ করতে থাকে। অথচ ছেলে বা মেয়ে হওয়া আল্লাহর ইচ্ছাধীন। (সুরা : শুরা, আয়াত : ৪৯, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৮)
► অনেক পুরুষ স্ত্রীদের অন্ধভক্ত হয়ে থাকে। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া সব ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। এমনটি হওয়া মোটেও কাম্য নয়। বরং সব সময় যেকোনো অভিযোগ যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তা না হলে মানুষের সামনে বেকুব সাব্যস্ত হতে হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০৪)
► অনেক বদমেজাজি পুরুষ সামান্য কারণে স্ত্রীকে মারপিট করে থাকে। এমনকি রাগের মাথায় তিন তালাক দিয়ে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করে না। এজাতীয় পুরুষ কোরআনের নির্দেশ অমান্যকারী। কেননা কোরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘...আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবন যাপন করো।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)
অনেক ভাই তার বোনদের পাওনা মিরাস আদায় করতে চায় না। অথচ বোনদের পাওনা আদায় করা ভাইদের ওপর ফরজ। আরো দুঃখজনক কথা হলো, অনেক জালিম বাবাও নিজের মেয়েকে বঞ্চিত করতে বা কম দিতে চেষ্টা করে থাকে। অথচ হাদিস অনুযায়ী এটা সরাসরি জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২১১৩৯)
.
- অনেক পুরুষ আত্মসমালোচনা না করে অন্যের সমালোচনায় আনন্দ বোধ করে। আর এর দ্বারা যে গিবতের গুনাহ হচ্ছে, সে কথা ভাবতেও চায় না। অথচ গিবত খুবই ভয়াবহ গুনাহ। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৮)
- অনেকে অন্যকে সালাম দিতে চায় না। অন্যদিকে অনেকে সালামের জবাবই দেয় না, আর কেউ সালাম দিলেও ঘাড় নেড়ে বা মনে মনে দেয়। অথচ সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৮৭৮৭)
- অনেক পুরুষ স্ত্রী থেকে নিজের হক ও পাওনা ষোল আনায় পূর্ণ করে, কিন্তু তার ওপর স্ত্রীর যে অধিকার আছে তা আদায় করতে চায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ওপর জুলুম করে থাকে। এটা অন্যায়। কেননা নারীদের তেমন ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর পুরুষদের। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২৮)
- বহু পুরুষ সাংসারিক কোনো কাজে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করে না। ফলে কারণে-অকারণে পারস্পরিক অন্তঃকলহ বেড়ে যায়। তাই স্ত্রী ও বুদ্ধিমান সন্তানদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)
► বহু পুরুষ পুত্রসন্তান হওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী থাকে, পক্ষান্তরে কন্যাসন্তান হলে স্ত্রীকে দোষারোপ করতে থাকে। অথচ ছেলে বা মেয়ে হওয়া আল্লাহর ইচ্ছাধীন। (সুরা : শুরা, আয়াত : ৪৯, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৮)
► অনেক পুরুষ স্ত্রীদের অন্ধভক্ত হয়ে থাকে। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া সব ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। এমনটি হওয়া মোটেও কাম্য নয়। বরং সব সময় যেকোনো অভিযোগ যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তা না হলে মানুষের সামনে বেকুব সাব্যস্ত হতে হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০৪)
► অনেক বদমেজাজি পুরুষ সামান্য কারণে স্ত্রীকে মারপিট করে থাকে। এমনকি রাগের মাথায় তিন তালাক দিয়ে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করে না। এজাতীয় পুরুষ কোরআনের নির্দেশ অমান্যকারী। কেননা কোরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘...আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবন যাপন করো।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)
অনেক ভাই তার বোনদের পাওনা মিরাস আদায় করতে চায় না। অথচ বোনদের পাওনা আদায় করা ভাইদের ওপর ফরজ। আরো দুঃখজনক কথা হলো, অনেক জালিম বাবাও নিজের মেয়েকে বঞ্চিত করতে বা কম দিতে চেষ্টা করে থাকে। অথচ হাদিস অনুযায়ী এটা সরাসরি জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২১১৩৯)
.
অনেকেই জানেনা ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম যার কারণে আপনার ইবাদত বৃথা...
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়ম
====================
না জানার কারলে অসংখ্য মুসলিম ভাই-বোনের সালাত সহ নানা আমাল কবুল হয় না,যেটা চরম এক ভয়ানক
ব্যাপার।
যেসব কারনে গোসল ফরজ হয়ঃ
=========================
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে
২. নারী-পুরুষের মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে
৪. কেউ ইসলাম গ্রহন করলে
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়মঃ
=============================
আমাদের মধ্যে অনেকেই ফরয গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারেন না। এই জন্য ফরজ গোসলের নিয়ম সহিহ হাদিস অনুসারে সংক্ষেপে দেওয়া হল।
১।
মনে মনে গোসলের নিয়ত করা (নিয়ত পড়া নয়)।
২।
‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা
৩।
দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)
৪।
পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)
৫।
বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)
৬।
নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। (দুই হাত তিনবার ধোওয়া, কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া, মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধোওয়া। মাথা মাসেহ করতে হবে না।) এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)
৭।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)
মহিলাদের বেনী না খুলেও গোড়া ভালভাবে ভিজলেই হবে। (মুসলিম ৩৩০)
৮।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে, পরে বামে। (বুখারী ১৬৮)
৯।
গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)
মনে রাখতে হবেঃ
===================
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল ভালোভাবে ভিজাতে হবে।
২. মহিলাদের শুধু চুল ভেজানোই যথেষ্ট।
৩. এ নিয়মে গোসলের পরে নতুন করে ওজুর দরকার নেই যদি ওজু ভেঙ্গে না যায়।
৪. শরীরের কোন অংশ যেন শুকনো না থাকে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে কুর’আন ও সহীহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফীক দিন এবং পুর্বের না জেনে ভুল গুলোকে ক্ষমা করুন আমিন।
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়ম
====================
না জানার কারলে অসংখ্য মুসলিম ভাই-বোনের সালাত সহ নানা আমাল কবুল হয় না,যেটা চরম এক ভয়ানক
ব্যাপার।
যেসব কারনে গোসল ফরজ হয়ঃ
=========================
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে
২. নারী-পুরুষের মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে
৪. কেউ ইসলাম গ্রহন করলে
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়মঃ
=============================
আমাদের মধ্যে অনেকেই ফরয গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারেন না। এই জন্য ফরজ গোসলের নিয়ম সহিহ হাদিস অনুসারে সংক্ষেপে দেওয়া হল।
১।
মনে মনে গোসলের নিয়ত করা (নিয়ত পড়া নয়)।
২।
‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা
৩।
দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)
৪।
পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)
৫।
বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)
৬।
নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। (দুই হাত তিনবার ধোওয়া, কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া, মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধোওয়া। মাথা মাসেহ করতে হবে না।) এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)
৭।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)
মহিলাদের বেনী না খুলেও গোড়া ভালভাবে ভিজলেই হবে। (মুসলিম ৩৩০)
৮।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে, পরে বামে। (বুখারী ১৬৮)
৯।
গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)
মনে রাখতে হবেঃ
===================
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল ভালোভাবে ভিজাতে হবে।
২. মহিলাদের শুধু চুল ভেজানোই যথেষ্ট।
৩. এ নিয়মে গোসলের পরে নতুন করে ওজুর দরকার নেই যদি ওজু ভেঙ্গে না যায়।
৪. শরীরের কোন অংশ যেন শুকনো না থাকে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে কুর’আন ও সহীহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফীক দিন এবং পুর্বের না জেনে ভুল গুলোকে ক্ষমা করুন আমিন।
মেয়েদের জন্য সতর্কবার্তা
বান্ধবী বা কাজিনের ফোনে কখনো ছবি তুলবেন না। গ্রুপ ফটো তো তুলবেন না, এমনকি সিঙ্গেল ফটোও না। কারণ এই ছবি তার ভাই, হাজবেন্ড ও অন্যান্যদের চোখে পড়বে। তাদের কাছেও চলে যাবে।
একইভাবে মেসেঞ্জার, হোয়াটস*আ্যাপ বা ই*মোতে বান্ধবী, বোন বা কাজিনকে ছবি পাঠাবেন না।
এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আদান প্রদান করবেন না। এগুলো পুরোপুরি অনিরাপদ। ভিডিও কল করা থেকেও বিরত থাকবেন। আপনার ছবি ইডিট করে প*র্ণসাইট বা চ*টি পেইজে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর এসব ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ব্লা*কমেইল করার নজিরও কম নয়।
উগ্র বাদী hi*ন্দু*দের হাত থেকে নিজেদের বোনকে হেফাজত করুন।
বান্ধবী বা কাজিনের ফোনে কখনো ছবি তুলবেন না। গ্রুপ ফটো তো তুলবেন না, এমনকি সিঙ্গেল ফটোও না। কারণ এই ছবি তার ভাই, হাজবেন্ড ও অন্যান্যদের চোখে পড়বে। তাদের কাছেও চলে যাবে।
একইভাবে মেসেঞ্জার, হোয়াটস*আ্যাপ বা ই*মোতে বান্ধবী, বোন বা কাজিনকে ছবি পাঠাবেন না।
এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আদান প্রদান করবেন না। এগুলো পুরোপুরি অনিরাপদ। ভিডিও কল করা থেকেও বিরত থাকবেন। আপনার ছবি ইডিট করে প*র্ণসাইট বা চ*টি পেইজে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর এসব ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ব্লা*কমেইল করার নজিরও কম নয়।
উগ্র বাদী hi*ন্দু*দের হাত থেকে নিজেদের বোনকে হেফাজত করুন।
➡️ এসএসসি পাস করার পর যাদের অনেক বছর পড়াশোনা বন্ধ ছিল তাদের জন্য পোস্ট।
➡️ বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।
➡️ এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন। ১০,১৫,২০ বছর আগেও এসএসসি পাস করলে ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বয়স যদি ৫০,৬০ হয় তাহলে ও ভর্তি হতে পারবেন।
➡️ এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।
➡️ মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।
➡️ অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।
➡️ এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।
➡️ কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।
➡️ এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
➡️ ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।
➡️ ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।
➡️ ১ম বর্ষ ভর্তি হতে ৫,৫০০ টাকার মতো খরচ হয়।
➡️ বাউবির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি খুব শিগ্রই দিবে। বাউবি থেকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দিলে তারপর ভর্তি হতে কি কি লাগবে বিস্তারিত গ্রুপে পোস্ট দিবো।
➡️ ২০২৪ সালে যারা বাউবি থেকে এসএসসি পাস করবেন আপনারা এইচএসসি ভর্তি হতে পারবেন কোনো সমস্যা নাই। কারণ বাউবি ভর্তি হতে অনেক সময় দেয় তার মধ্যে আপনারা রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
১, বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।
২, এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন।
৩, এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।
৪, মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।
৫, অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।
৬, এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।
৭, কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।
৮, এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
৯, ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।
১০, ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।
১১, অনলাইনে ভর্তির সময় আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম, জম্ন তারিখ অনলাইনে এক হতে হবে।
১২, অনলাইনে ভর্তির সময় অবশ্যই নিজের মোবাইল নাম্বার দিবেন এবং আপনার নাম্বারে ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড এর এসএমএস আসবে যেটা দিয়ে লগ-ইন করে নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। তাই ইউজার পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রাখবেন।
১৩, অনলাইনে ভর্তি হয়ে আবেদন কপি, এসএসসি সার্টিফিকেট, মার্কসিট কপি কলেজে গিয়ে জমা করে আসবেন। কলেজে কাগজপত্র জমা না করলে ভর্তি সম্পূর্ণ হয় না তাই অবশ্যই কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
➡️ বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।
➡️ এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন। ১০,১৫,২০ বছর আগেও এসএসসি পাস করলে ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বয়স যদি ৫০,৬০ হয় তাহলে ও ভর্তি হতে পারবেন।
➡️ এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।
➡️ মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।
➡️ অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।
➡️ এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।
➡️ কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।
➡️ এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
➡️ ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।
➡️ ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।
➡️ ১ম বর্ষ ভর্তি হতে ৫,৫০০ টাকার মতো খরচ হয়।
➡️ বাউবির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি খুব শিগ্রই দিবে। বাউবি থেকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দিলে তারপর ভর্তি হতে কি কি লাগবে বিস্তারিত গ্রুপে পোস্ট দিবো।
➡️ ২০২৪ সালে যারা বাউবি থেকে এসএসসি পাস করবেন আপনারা এইচএসসি ভর্তি হতে পারবেন কোনো সমস্যা নাই। কারণ বাউবি ভর্তি হতে অনেক সময় দেয় তার মধ্যে আপনারা রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।
১, বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।
২, এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন।
৩, এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।
৪, মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।
৫, অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।
৬, এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।
৭, কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।
৮, এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।
৯, ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।
১০, ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।
১১, অনলাইনে ভর্তির সময় আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম, জম্ন তারিখ অনলাইনে এক হতে হবে।
১২, অনলাইনে ভর্তির সময় অবশ্যই নিজের মোবাইল নাম্বার দিবেন এবং আপনার নাম্বারে ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড এর এসএমএস আসবে যেটা দিয়ে লগ-ইন করে নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। তাই ইউজার পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রাখবেন।
১৩, অনলাইনে ভর্তি হয়ে আবেদন কপি, এসএসসি সার্টিফিকেট, মার্কসিট কপি কলেজে গিয়ে জমা করে আসবেন। কলেজে কাগজপত্র জমা না করলে ভর্তি সম্পূর্ণ হয় না তাই অবশ্যই কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
#Male Fertility নিয়ে কিছু কথা বলব।আমি ভুল বললে আমাকে কারেকশন করে দিবেন যারা জানেন।
আমাদের সোসাইটিতে খুবই কমন একটা ধারণা ছেলের বয়স যাই হোক,সে সারাজীবন বাচ্চার জন্ম দিতে পারবে ব্লাহ ব্লাহ।
হ্যাঁ, এটা সত্যি। তবে এখানে আরও কিছু বিষয় আছে।
পুরুষদের Peak male fertility র এইজ ধরা হয় ২৫-৩০ অর্থাৎ এই বয়সের একজন পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো।
এরপর মানে ওভার ৩০ আস্তে আস্তে ডিক্লাইন করবে কোয়ালিটি যেমন আপনার সিমেনের ভলিউম কমবে,স্পার্মের মোটিলিটি কমবে।
৩৫ বছর বয়সী পুরুষ আর ৪০ বছর বয়সী পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি জীবনেও এক হবে না😉
আবার পুরুষদের বয়স যত বাড়ে তাদের BPH (Benign Prostatic Hyperplasia) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
আর Prostectomy কোনো কারণে করা লাগলে আপনি normal coitus এ বাবা হতে পারবেন না।আপনার ডাক্তারের সাজেশন লাগবেই।
নারীদের ক্ষেত্রেও যেমন বয়স একটা ফ্যাক্টর, তেমনি পুরুষও কিন্তু একেবারেই ব্যাতিক্রম না😉😉আপনি সারাজীবন স্পার্ম বানান কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু স্পার্মের কোয়ালিটি ভালো না হলে খালি বউরে দোষ দিয়ে লাভ আছে?😉
আপনার বয়স ৪০ আর বিয়ের পর বাচ্চা নিতে সমস্যা হলে বউরে একা দোষ দিয়েন না,😉
আমাদের সোসাইটিতে খুবই কমন একটা ধারণা ছেলের বয়স যাই হোক,সে সারাজীবন বাচ্চার জন্ম দিতে পারবে ব্লাহ ব্লাহ।
হ্যাঁ, এটা সত্যি। তবে এখানে আরও কিছু বিষয় আছে।
পুরুষদের Peak male fertility র এইজ ধরা হয় ২৫-৩০ অর্থাৎ এই বয়সের একজন পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো।
এরপর মানে ওভার ৩০ আস্তে আস্তে ডিক্লাইন করবে কোয়ালিটি যেমন আপনার সিমেনের ভলিউম কমবে,স্পার্মের মোটিলিটি কমবে।
৩৫ বছর বয়সী পুরুষ আর ৪০ বছর বয়সী পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি জীবনেও এক হবে না😉
আবার পুরুষদের বয়স যত বাড়ে তাদের BPH (Benign Prostatic Hyperplasia) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
আর Prostectomy কোনো কারণে করা লাগলে আপনি normal coitus এ বাবা হতে পারবেন না।আপনার ডাক্তারের সাজেশন লাগবেই।
নারীদের ক্ষেত্রেও যেমন বয়স একটা ফ্যাক্টর, তেমনি পুরুষও কিন্তু একেবারেই ব্যাতিক্রম না😉😉আপনি সারাজীবন স্পার্ম বানান কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু স্পার্মের কোয়ালিটি ভালো না হলে খালি বউরে দোষ দিয়ে লাভ আছে?😉
আপনার বয়স ৪০ আর বিয়ের পর বাচ্চা নিতে সমস্যা হলে বউরে একা দোষ দিয়েন না,😉
যে দোয়ার মাধ্যমে বিদেশে হযরত মূসা (আঃ) কর্মসংস্থান, আবাসন, বিয়ে ও নবুয়ত লাভ করলেন।
رَبِّ اِنِّيْ لِمَآ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
উচ্চারণঃ ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকির।’
অর্থঃ ‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা আল-কাসাস, আয়াতঃ ২৪)
رَبِّ اِنِّيْ لِمَآ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
উচ্চারণঃ ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকির।’
অর্থঃ ‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা আল-কাসাস, আয়াতঃ ২৪)
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا ﴿۷۴
উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।
অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরা : ফুরকান, আয়াত : ৭৪)।
উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।
অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরা : ফুরকান, আয়াত : ৭৪)।
প্রাথমিক চিকিৎসা কেন জানা জরুরী ?
ChatGPT said:
ChatGPT
প্রাথমিক চিকিৎসা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি নানা ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ত্বরিত সহায়তা প্রদান করতে পারে এবং জীবনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এখানে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:
জীবন বাঁচানো: অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দ্রুত প্রয়োগ করা হলে গুরুতর আহত বা অসুস্থ ব্যক্তি বাঁচানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা গুরুতর কাটা-ছেঁড়া হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
অসুস্থতা বা আঘাতের প্রকৃতি কমানো: প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে আঘাত বা অসুস্থতার তীব্রতা কমানো যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সঠিকভাবে ব্যান্ডেজ লাগানো বা কুলিং করা পঁচন এবং ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।
মনের শান্তি: জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা জানলে মানসিকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। এটি আপনাকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
পেশাদার চিকিৎসা আসার আগ পর্যন্ত সহায়তা: প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হলে চিকিৎসা কর্মীরা আসার আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কমানো: দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বা জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।
এভাবে, প্রাথমিক চিকিৎসা জানা জীবনের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ChatGPT said:
ChatGPT
প্রাথমিক চিকিৎসা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি নানা ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ত্বরিত সহায়তা প্রদান করতে পারে এবং জীবনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এখানে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:
জীবন বাঁচানো: অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দ্রুত প্রয়োগ করা হলে গুরুতর আহত বা অসুস্থ ব্যক্তি বাঁচানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা গুরুতর কাটা-ছেঁড়া হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
অসুস্থতা বা আঘাতের প্রকৃতি কমানো: প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে আঘাত বা অসুস্থতার তীব্রতা কমানো যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সঠিকভাবে ব্যান্ডেজ লাগানো বা কুলিং করা পঁচন এবং ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।
মনের শান্তি: জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা জানলে মানসিকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। এটি আপনাকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
পেশাদার চিকিৎসা আসার আগ পর্যন্ত সহায়তা: প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হলে চিকিৎসা কর্মীরা আসার আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কমানো: দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বা জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।
এভাবে, প্রাথমিক চিকিৎসা জানা জীবনের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড্রাইভিং কেন জানা জরুরী ?
ChatGPT said:
ChatGPT
ড্রাইভিং জানা জরুরি হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে:
স্বাধীনতা: নিজে গাড়ি চালাতে পারলে আপনি নিজের গতিতে চলতে পারেন এবং কোথায় যেতে চাইছেন তা আপনার ওপর নির্ভর করে। গণপরিবহন বা অন্য কারো ওপর নির্ভর করতে হয় না।
অভ্যস্ত পরিবহন: অনেক জায়গায় গণপরিবহন সুবিধা সীমিত হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি সহজেই দূরবর্তী জায়গায় বা যেকোনো প্রয়োজনীয় স্থানে যেতে পারেন।
অ্যাক্সিডেন্টাল সিচুয়েশন: জরুরি পরিস্থিতিতে (যেমন অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সার্ভিস) গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি দ্রুত সাহায্য নিতে পারেন।
কর্মসংস্থান: অনেক চাকরির ক্ষেত্রে গাড়ি চালানোর দক্ষতা প্রয়োজন হতে পারে। যেমন, ডেলিভারি বা ফিল্ডে কাজ করা পেশায় গাড়ি চালানোর প্রয়োজন পড়ে।
পারিবারিক দায়িত্ব: পরিবারের সদস্যদের জন্য গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে যদি পরিবারের ছোট সদস্যদের স্কুলে বা মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্টে নিয়ে যেতে হয়।
দক্ষতার উন্নতি: ড্রাইভিং শেখা মানে যে আপনি একটা নতুন স্কিল আয়ত্ত করেছেন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে পারে এবং নানা পরিস্থিতিতে মনোবল বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়াও, ড্রাইভিং শেখার মাধ্যমে আপনি নিরাপদ ও সচেতন ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব বুঝতে পারবেন যা সড়ক নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ChatGPT said:
ChatGPT
ড্রাইভিং জানা জরুরি হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে:
স্বাধীনতা: নিজে গাড়ি চালাতে পারলে আপনি নিজের গতিতে চলতে পারেন এবং কোথায় যেতে চাইছেন তা আপনার ওপর নির্ভর করে। গণপরিবহন বা অন্য কারো ওপর নির্ভর করতে হয় না।
অভ্যস্ত পরিবহন: অনেক জায়গায় গণপরিবহন সুবিধা সীমিত হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি সহজেই দূরবর্তী জায়গায় বা যেকোনো প্রয়োজনীয় স্থানে যেতে পারেন।
অ্যাক্সিডেন্টাল সিচুয়েশন: জরুরি পরিস্থিতিতে (যেমন অ্যাম্বুলেন্স বা জরুরি সার্ভিস) গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। ড্রাইভিং জানা থাকলে আপনি দ্রুত সাহায্য নিতে পারেন।
কর্মসংস্থান: অনেক চাকরির ক্ষেত্রে গাড়ি চালানোর দক্ষতা প্রয়োজন হতে পারে। যেমন, ডেলিভারি বা ফিল্ডে কাজ করা পেশায় গাড়ি চালানোর প্রয়োজন পড়ে।
পারিবারিক দায়িত্ব: পরিবারের সদস্যদের জন্য গাড়ি চালানো প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে যদি পরিবারের ছোট সদস্যদের স্কুলে বা মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্টে নিয়ে যেতে হয়।
দক্ষতার উন্নতি: ড্রাইভিং শেখা মানে যে আপনি একটা নতুন স্কিল আয়ত্ত করেছেন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে পারে এবং নানা পরিস্থিতিতে মনোবল বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়াও, ড্রাইভিং শেখার মাধ্যমে আপনি নিরাপদ ও সচেতন ড্রাইভিংয়ের গুরুত্ব বুঝতে পারবেন যা সড়ক নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অভিমান করলে চুমু খেতে হয়।
ঠিক নাক বরাবর ঠোঁট দিয়ে, আলতো করে। যখন তখন হুটহাট জড়িয়ে ধরতে হয়, গাল চেপে ধরে দু'ঠোঁটে পাগলের মতো চুমু খেতে হয়।
আদর ছাড়া মানুষের অভিমান ভাঙ্গবে কী করে?
অভিমান করলে দূরে থাকতে নেই। কাছাকাছি থাকতে হয়, একদম শরীরের সাথে –মনের সাথে মিশে। দূরে থাকলে অভিমান কমে না, বাড়ে!
অভিমান করলে তাই করতে হয়, যা করলে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেকে অসহায় লাগে না, নিঃস্ব লাগে না। এভাবে অভিমানে দূরত্ব বাড়াতে নেই।
যে অভিমানে মানুষ আরও প্রেম চায়, ভালোবাসা চায়, চায় আরো বেশি আদর, সেই অভিমান উপেক্ষা করতে নেই। অভিমানকে গ্রহণ করতে শিখো প্রিয়। মূল্য দিতে শিখো। অভিমানের ভাষা বুঝতে পারলেই তো তুমি কেবল আমার। অভিমান তো প্রেমেরই আরেক রূপ, আরেক অংশ। অভিমান না বুঝলে ভালোবাসা হয় কী করে? বলো, অভিমানের পরে একটু ভালোবাসা আর আদর খুব প্রয়োজন.... 🌼🖤
ঠিক নাক বরাবর ঠোঁট দিয়ে, আলতো করে। যখন তখন হুটহাট জড়িয়ে ধরতে হয়, গাল চেপে ধরে দু'ঠোঁটে পাগলের মতো চুমু খেতে হয়।
আদর ছাড়া মানুষের অভিমান ভাঙ্গবে কী করে?
অভিমান করলে দূরে থাকতে নেই। কাছাকাছি থাকতে হয়, একদম শরীরের সাথে –মনের সাথে মিশে। দূরে থাকলে অভিমান কমে না, বাড়ে!
অভিমান করলে তাই করতে হয়, যা করলে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেকে অসহায় লাগে না, নিঃস্ব লাগে না। এভাবে অভিমানে দূরত্ব বাড়াতে নেই।
যে অভিমানে মানুষ আরও প্রেম চায়, ভালোবাসা চায়, চায় আরো বেশি আদর, সেই অভিমান উপেক্ষা করতে নেই। অভিমানকে গ্রহণ করতে শিখো প্রিয়। মূল্য দিতে শিখো। অভিমানের ভাষা বুঝতে পারলেই তো তুমি কেবল আমার। অভিমান তো প্রেমেরই আরেক রূপ, আরেক অংশ। অভিমান না বুঝলে ভালোবাসা হয় কী করে? বলো, অভিমানের পরে একটু ভালোবাসা আর আদর খুব প্রয়োজন.... 🌼🖤
👍2
স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া বেড়ে যায় বর্ষাকালে:
বর্ষাকালে আর্দ্র আবহাওয়ায় বেড়ে যায় ত্বকের নানা সমস্যা। এর মধ্যে একটি হলো স্ক্যাবিস, যা সাধারণের মধ্যে খোসপাঁচড়া নামে পরিচিত।
স্ক্যাবিস রোগটি হয় সারকপটিস স্কেবিয়া নামের পরজীবীর মাধ্যমে। এই পরজীবীর বিশেষত্ব হলো, পুরুষ কীটটি যৌনমিলনের পরপরই মারা যায়। বেঁচে থাকে স্ত্রী কীট। সেটি থাকে চামড়ার মধ্যে সুতার মতো লম্বাকৃতির গর্তনালির মধ্যে।
সেখানে প্রায় দু সপ্তাহ থাকার পর কীটটি ডিম পাড়তে শুরু করে। গড়ে প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫টি করে ডিম পাড়ে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আবার সেগুলো শূককীট আকারে বেরিয়ে আসে। ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই এ শিশু কীটগুলো পূর্ণবয়স্ক কীটে পরিণত হয়।
স্ক্যাবিসের সঙ্গে ত্বকের অন্যান্য সমস্যার পার্থক্য আছে। বেশিরভাগ ত্বকের সমস্যাই হয়ে থাকে অ্যালার্জি, ভাইরাস বা জিনগত কারণে। কিন্তু স্ক্যাবিস হয় মাইট বা পরজীবী কীটের কারণে। হোস্টেল, নার্সিং হোম, কারাগার, চাইল্ড কেয়ার ইত্যাদি স্থানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে, বিছানা বা কাপড়চোপড়, তোয়ালে ব্যবহার করলে বা যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এটি একজন থেকে আরেকজনে ছড়াতে পারে।
স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে প্রচণ্ড চুলকানি ও ত্বকের ওপর ক্ষুদ্র ফোসকা পড়া বা লাল হয়ে ফুলে ওঠা। সাধারণত আঙুলের ফাঁকে, ত্বকের ভাঁজের মধ্যে, কনুই, তলপেট, পুরুষাঙ্গে, পা হাতের তালুর প্রান্তে হয়ে থাকে এই পাঁচড়া।
নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ঘাড়, মাথার তালু, মুখ, হাতের তালু ও পায়ের পাতার নিচে হতে পারে। রাতের বেলা এগুলো বেশি চুলকায়। স্কেবিন নামক একটি রাসায়নিক পদার্থ কীটের দেহ থেকে নিঃসৃত হয়। মূলত এটাই চুলকানির জন্য দায়ী। রোগীর দেহে গোটা গোটা দানা দেখা দেয়।
বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা যায়। যেমন ৫% পারিমিথ্রিন, ১% গামা বেনজিন, হেক্সাহকোরাইড কিংবা ২৫% সালফার ব্যাসিলিনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এসব ওষুধ ব্যবহারের আগে রোগীকে খুব ভালো করে সাবান মেখে গোসল করিয়ে নিতে হবে।
তারপর মুখমণ্ডল বাদে ঘাড় থেকে শুরু করে সারা শরীরে ওই ওষুধ মাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গায়ে মেখে রাখতে হবে। আগে ব্যবহার করা সব কাপড়চোপড় ১০ মিনিট ধরে গরম পানিতে ফুটিয়ে ধুয়ে নিতে হবে অথবা খুব ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর ইস্ত্রি করে সেসব কাপড় ব্যবহার করলে আবার আক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কম থাকে।
স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া থেকে নানা ধরনের জটিলতা হতে পারে। তা ছাড়া এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসক দেখিয়ে নিতে হবে।
লিখেছেনঃ
ডা. এস এম রাসেল ফারুক
সহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ
বর্ষাকালে আর্দ্র আবহাওয়ায় বেড়ে যায় ত্বকের নানা সমস্যা। এর মধ্যে একটি হলো স্ক্যাবিস, যা সাধারণের মধ্যে খোসপাঁচড়া নামে পরিচিত।
স্ক্যাবিস রোগটি হয় সারকপটিস স্কেবিয়া নামের পরজীবীর মাধ্যমে। এই পরজীবীর বিশেষত্ব হলো, পুরুষ কীটটি যৌনমিলনের পরপরই মারা যায়। বেঁচে থাকে স্ত্রী কীট। সেটি থাকে চামড়ার মধ্যে সুতার মতো লম্বাকৃতির গর্তনালির মধ্যে।
সেখানে প্রায় দু সপ্তাহ থাকার পর কীটটি ডিম পাড়তে শুরু করে। গড়ে প্রায় প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫টি করে ডিম পাড়ে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে আবার সেগুলো শূককীট আকারে বেরিয়ে আসে। ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই এ শিশু কীটগুলো পূর্ণবয়স্ক কীটে পরিণত হয়।
স্ক্যাবিসের সঙ্গে ত্বকের অন্যান্য সমস্যার পার্থক্য আছে। বেশিরভাগ ত্বকের সমস্যাই হয়ে থাকে অ্যালার্জি, ভাইরাস বা জিনগত কারণে। কিন্তু স্ক্যাবিস হয় মাইট বা পরজীবী কীটের কারণে। হোস্টেল, নার্সিং হোম, কারাগার, চাইল্ড কেয়ার ইত্যাদি স্থানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে, বিছানা বা কাপড়চোপড়, তোয়ালে ব্যবহার করলে বা যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এটি একজন থেকে আরেকজনে ছড়াতে পারে।
স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে প্রচণ্ড চুলকানি ও ত্বকের ওপর ক্ষুদ্র ফোসকা পড়া বা লাল হয়ে ফুলে ওঠা। সাধারণত আঙুলের ফাঁকে, ত্বকের ভাঁজের মধ্যে, কনুই, তলপেট, পুরুষাঙ্গে, পা হাতের তালুর প্রান্তে হয়ে থাকে এই পাঁচড়া।
নবজাতক ও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে ঘাড়, মাথার তালু, মুখ, হাতের তালু ও পায়ের পাতার নিচে হতে পারে। রাতের বেলা এগুলো বেশি চুলকায়। স্কেবিন নামক একটি রাসায়নিক পদার্থ কীটের দেহ থেকে নিঃসৃত হয়। মূলত এটাই চুলকানির জন্য দায়ী। রোগীর দেহে গোটা গোটা দানা দেখা দেয়।
বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা যায়। যেমন ৫% পারিমিথ্রিন, ১% গামা বেনজিন, হেক্সাহকোরাইড কিংবা ২৫% সালফার ব্যাসিলিনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এসব ওষুধ ব্যবহারের আগে রোগীকে খুব ভালো করে সাবান মেখে গোসল করিয়ে নিতে হবে।
তারপর মুখমণ্ডল বাদে ঘাড় থেকে শুরু করে সারা শরীরে ওই ওষুধ মাখতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গায়ে মেখে রাখতে হবে। আগে ব্যবহার করা সব কাপড়চোপড় ১০ মিনিট ধরে গরম পানিতে ফুটিয়ে ধুয়ে নিতে হবে অথবা খুব ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর ইস্ত্রি করে সেসব কাপড় ব্যবহার করলে আবার আক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কম থাকে।
স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া থেকে নানা ধরনের জটিলতা হতে পারে। তা ছাড়া এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসক দেখিয়ে নিতে হবে।
লিখেছেনঃ
ডা. এস এম রাসেল ফারুক
সহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ
👍2
আসুন রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ করি 🥰
.
.
১. আরাম করে বসুন এবং ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন। নাক দিয়ে লম্বা একটি নিশ্বাস নিন, ভেতরে কিছুক্ষণ আটকে রেখে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে নিশ্বাসটি ছাড়ুন।
২. এবার এমন একটি জায়গা কল্পনা করুন যেখানে আপনি শান্তি ও আরাম অনুভব করতে পারেন। পরিচিত কোনো জায়গা নয়, বরং আপনি কখনো যেখানে যাননি, বা দুই-একবার গেছেন, বা টেলিভিশনে দেখেছেন, গল্প শুনেছেন অথবা একান্তই আপনার নিজস্ব কল্পনা থেকে একটি জায়গা বেছে নিন। এটি হতে পারে কোনো বাড়ি অথবা খোলামেলা যেকোনো জায়গা যেখানে আপনি প্রশান্তি অনুভব করতে পারেন, একটুখানি জিরিয়ে নিতে পারেন। জায়গাটি নির্বাচনে যতটা প্রয়োজন সময় নিন।
৩. জায়গটি সত্যিই সুন্দর... অপূর্ব সুন্দর...... অনেক সাজানো-গোছানো... খুব শান্তির, আরামের। আপনার কল্পনার এই জায়গাটির চারদিকে সীমানাপ্রাচীর আছে। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। আপনি এখানে সম্পূর্ণ নিরাপদ।
৪. এই জায়গাটিতে আপনাকে সঙ্গ দেবার জন্য পছন্দের কোনো ব্যক্তি বা পশুপাখি নিয়ে আসতে পারেন।
৫. আপনার কল্পনার জায়গাটিকে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখুন। অনুভূতিগুলো খেয়াল করুন। নিজেকে বলুন, শান্তি... শান্তি... শান্তি।
৬. আপনি কেমন বোধ করছেন? কল্পনায় কী দেখছেন, কী শুনছেন, কী ধরনের ঘ্রাণ পাচ্ছেন, কেমন স্বাদ পাচ্ছেন বা শরীরে কী অনুভব করছেন খেয়াল করুন। মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন।
৭. আপনার কল্পনার এই জায়গাটির সুন্দর একটি নাম দিন, তা হতে পারে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে অথবা ছোটো একটি বাক্য দিয়ে। যেমন: শান্তির নীড়, ঝর্ণাধারা বা আপনার পছন্দের যেকোনো নাম। কল্পনার জায়গাটিতে বিচরণ করুন এবং নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এখন কোথায় আছেন? উত্তরে আপনার দেওয়া নামটি বলুন। শুধু মনে মনেই নয়, প্রয়োজনে উচ্চারণ করুন। বার বার বলুন।
৮. এবার আপনার কল্পনার এই জায়গাটির দৃশ্যপট, জায়গাটির নাম এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে আপনার শরীরের কোনো অঙ্গভঙ্গিতে ধারণ করুন। যেমন, তুড়ি বাজিয়ে, হাত মুষ্টি করে, কোনো একটি আঙুল চেপে ধরে ইত্যাদি। ফলে পরবর্তী কালে কেবল এই অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই আপনি আপনার প্রশান্তির জায়গাটিকে মনে করতে পারবেন। আপনি আপনার প্রিয় জায়গাটিতেই আছেন। আপনার বেশ আরাম লাগছে। শান্তি শান্তি লাগছে। এবারে এই আরামের অনুভূতি নিয়ে ধীরে ধীরে চোখ খুলুন।
৯. জায়গাটির নাম ও দৃশ্যপট মনে রেখে এই অনুশীলনটি আপনি যেকোনো সময় একা একাই চর্চা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কেবল চোখ বন্ধ করে জায়গাটির নাম বলবেন, দৃশ্যপট খেয়াল করবেন, এবং যে অঙ্গভঙ্গিটির সাথে জায়গাটির অনুষঙ্গ তৈরি করেছিলেন সেই অঙ্গভঙ্গিটি করবেন। মানসিক চাপ এবং কষ্টকর আবেগগুলোর সাথে মোকাবেলা করতে এই অনুশীলনটি আপনাকে সহায়তা করবে।
.
.
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
.
.
১. আরাম করে বসুন এবং ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন। নাক দিয়ে লম্বা একটি নিশ্বাস নিন, ভেতরে কিছুক্ষণ আটকে রেখে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে নিশ্বাসটি ছাড়ুন।
২. এবার এমন একটি জায়গা কল্পনা করুন যেখানে আপনি শান্তি ও আরাম অনুভব করতে পারেন। পরিচিত কোনো জায়গা নয়, বরং আপনি কখনো যেখানে যাননি, বা দুই-একবার গেছেন, বা টেলিভিশনে দেখেছেন, গল্প শুনেছেন অথবা একান্তই আপনার নিজস্ব কল্পনা থেকে একটি জায়গা বেছে নিন। এটি হতে পারে কোনো বাড়ি অথবা খোলামেলা যেকোনো জায়গা যেখানে আপনি প্রশান্তি অনুভব করতে পারেন, একটুখানি জিরিয়ে নিতে পারেন। জায়গাটি নির্বাচনে যতটা প্রয়োজন সময় নিন।
৩. জায়গটি সত্যিই সুন্দর... অপূর্ব সুন্দর...... অনেক সাজানো-গোছানো... খুব শান্তির, আরামের। আপনার কল্পনার এই জায়গাটির চারদিকে সীমানাপ্রাচীর আছে। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। আপনি এখানে সম্পূর্ণ নিরাপদ।
৪. এই জায়গাটিতে আপনাকে সঙ্গ দেবার জন্য পছন্দের কোনো ব্যক্তি বা পশুপাখি নিয়ে আসতে পারেন।
৫. আপনার কল্পনার জায়গাটিকে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখুন। অনুভূতিগুলো খেয়াল করুন। নিজেকে বলুন, শান্তি... শান্তি... শান্তি।
৬. আপনি কেমন বোধ করছেন? কল্পনায় কী দেখছেন, কী শুনছেন, কী ধরনের ঘ্রাণ পাচ্ছেন, কেমন স্বাদ পাচ্ছেন বা শরীরে কী অনুভব করছেন খেয়াল করুন। মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন।
৭. আপনার কল্পনার এই জায়গাটির সুন্দর একটি নাম দিন, তা হতে পারে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে অথবা ছোটো একটি বাক্য দিয়ে। যেমন: শান্তির নীড়, ঝর্ণাধারা বা আপনার পছন্দের যেকোনো নাম। কল্পনার জায়গাটিতে বিচরণ করুন এবং নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি এখন কোথায় আছেন? উত্তরে আপনার দেওয়া নামটি বলুন। শুধু মনে মনেই নয়, প্রয়োজনে উচ্চারণ করুন। বার বার বলুন।
৮. এবার আপনার কল্পনার এই জায়গাটির দৃশ্যপট, জায়গাটির নাম এবং আপনার অনুভূতিগুলোকে আপনার শরীরের কোনো অঙ্গভঙ্গিতে ধারণ করুন। যেমন, তুড়ি বাজিয়ে, হাত মুষ্টি করে, কোনো একটি আঙুল চেপে ধরে ইত্যাদি। ফলে পরবর্তী কালে কেবল এই অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমেই আপনি আপনার প্রশান্তির জায়গাটিকে মনে করতে পারবেন। আপনি আপনার প্রিয় জায়গাটিতেই আছেন। আপনার বেশ আরাম লাগছে। শান্তি শান্তি লাগছে। এবারে এই আরামের অনুভূতি নিয়ে ধীরে ধীরে চোখ খুলুন।
৯. জায়গাটির নাম ও দৃশ্যপট মনে রেখে এই অনুশীলনটি আপনি যেকোনো সময় একা একাই চর্চা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে কেবল চোখ বন্ধ করে জায়গাটির নাম বলবেন, দৃশ্যপট খেয়াল করবেন, এবং যে অঙ্গভঙ্গিটির সাথে জায়গাটির অনুষঙ্গ তৈরি করেছিলেন সেই অঙ্গভঙ্গিটি করবেন। মানসিক চাপ এবং কষ্টকর আবেগগুলোর সাথে মোকাবেলা করতে এই অনুশীলনটি আপনাকে সহায়তা করবে।
.
.
🔴 সতর্কতা:
আমি ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক ( Dr. Md. Faijul Huq - ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক )
প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি এবং ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।
আমাদের মোবাইল নাম্বার হলো: 01972859950 ও 01712859950 , অন্য কোনো নাম্বার নাই।
সতর্ক থাকবেন।
প্রয়োজনে whatsapp এ ভিডিও কল করে, ভিডিওতে আমার সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়ে নিবেন। 01712-859950 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ আছে ।
জীবন বদলে দেওয়ার মতো শেখ সাদীর ১৫ টি বিখ্যাত উপদেশ।
ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।
১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।
২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।
৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।
৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।
৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।
৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।
৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।
৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।
৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।
১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।
১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।
১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও|
১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না|
১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।
১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।
২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।
৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।
৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।
৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।
৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।
৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।
৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।
৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।
১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।
১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।
১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।
১৩. ইহ- পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও|
১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না|
১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।
❤1
হযরত নকশবন্দী বুখারী রহ.-কে কেউ প্রশ্ন করেছিল যে, 'হযরত, মানুষ কখন বালেগ হয়?' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে নাকি তরীকতের দৃষ্টিতে?' সে বলল, 'হযরত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই আমাকে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিন।' তিনি বললেন, 'শরীয়তের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন তার বীর্যপাত হয়। আর তরীকতের দৃষ্টিতে মানুষ তখন বালেগ হয় যখন সে বীর্যতাড়না থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিতে সক্ষম হয়।' অর্থাৎ জৈবিক চাহিদা-সংশ্লিষ্ট গুনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকে।
এ থেকে বোঝা যায়, যখন আল্লাহর ওলী হওয়ার নূর অন্তরে প্রবেশ করে তখন জৈবিক তাড়নার অস্থিরতা বিদূরিত হয়ে প্রবৃত্তি স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসে। কামনা-বাসনার তরঙ্গে হাবুডুবু খাওয়ার অবস্থা দূর হয়ে যায় এবং সালেক লাও করে এক পূত ও পবিত্র জীবন। আর এই গুণ অর্জনই আল্লাহর ওলী হওয়ার উদ্দেশ্য এবং এর পূর্বশর্ত।
[এখন যৌবন যার : ৩৯]
এ থেকে বোঝা যায়, যখন আল্লাহর ওলী হওয়ার নূর অন্তরে প্রবেশ করে তখন জৈবিক তাড়নার অস্থিরতা বিদূরিত হয়ে প্রবৃত্তি স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসে। কামনা-বাসনার তরঙ্গে হাবুডুবু খাওয়ার অবস্থা দূর হয়ে যায় এবং সালেক লাও করে এক পূত ও পবিত্র জীবন। আর এই গুণ অর্জনই আল্লাহর ওলী হওয়ার উদ্দেশ্য এবং এর পূর্বশর্ত।
[এখন যৌবন যার : ৩৯]