জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
# 21 days Challenge
# আপনাকে নতুন অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে। কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে সাহায্য করবে।

1)পর্ণ ভিডিও দেখা যাবো না।

2)সোশ্যাল মিডিয়ায় কম সময় কাটান।

3)প্রতিদিন সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠুন।

4)প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন।

5)একটা বই নিন, প্রতিদিন ১ চ্যাপ্টার পড়ুন।

6)প্রতিদিন ৭/৮ ঘন্টা ঘুমান।

এই রুলস গুলো ২১ দিন কনসিস্টেন্সি ফলো করুন নতুন অভ্যাস গড়তে।
2
কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার কমাবেন
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
লন্ডন, ইংল্যান্ড

১. বন্ধু সংখ্যা সীমিত রাখুন ।

২. তাদের বন্ধু লিস্টে রাখুন, যাদের লেখা থেকে কিছু শিখতে পারেন, ভাবতে পারেন । একজন ভালো বন্ধুর লেখা আপনার প্রিয় পত্রিকার মতো ।

৩. সেলিব্রিটিদের অনফলো করবেন । ওনারা প্রাপ্ত বয়স্ক দেহে শিশু মস্তিষ্ক । আপনার মস্তিষ্ককে বিষক্রিয়া করতে একজন সেলিব্রিটি যথেষ্ট ।

৪. গ্রুপ সংখ্যা কমিয়ে আনুন । কেবল নিজের লেখা শেয়ার করতে ভালো লাগা গ্রুপে অ্যাড হবেন, কিন্তু আনফলো রাখবেন, যাতে গ্রুপের আবর্জনা লেখা আপনার নিউজফিডে না আসে । বেশিরভাগ গ্রুপ হলো গরুর হাট ।

৫. পরিবার বা পরিচিত যাদের লেখা দেখলে বিরক্ত লাগে কিন্তু অ্যানফ্রেন্ড করলে ভেজাল করে, তাদের অ্যানফ্রেন্ড না করে আনফলো করবেন । সাপ মরবে, লাঠি ভাঙবে না ।

৬. পেইজ লাইক একেবারেই অপ্রয়োজনীয় । পেইজ বাদ দেবেন লাইক দেয়া থেকে । পেইজ হলো সেলিব্রিটিদের পয়সা খরচ করে আপনাকে আবর্জনা খাওয়ানোর বুষ্ট আপ করা বিজ্ঞাপন । ফেসবুকে একমাত্র পেইজ এই বিজ্ঞাপন বুস্ট আপ করা যায় ।

৭. পত্রিকাগুলো আনফলো করবেন । পত্রিকা গুলো হলো জাতীয় আবর্জনার ভাগাড় । পড়লেও যা জানবেন, না পড়লেও একই থাকবেন ।

৮. লাইভ দেখে সময় নষ্ট করবেন না । বেশি দেখতে মাথা চুলকালে টয়লেটে বসে ওসব ট্র্যাশ দেখবেন, সময় উপরে অপচয় হবে না, কিন্তু সময়টি মসৃণ যাবে নিচে ।

৯ ফেসবুকের ভিডিও গুলো দেখবেন কম । রান্না বা দৈনন্দিন কোনো টিপস জাতীয় লাইফ হ্যাক ভিডিও থাকলে দেখবেন সে গুলো, কিভাবে জীবনটাকে সহজ করা যায় । কারো ভিডিও ভ্লগ দেখার কিছু নেই, ওসব তাদের দৈনন্দিন অপকর্মের তালিকা ।

১০. ফেসবুককে ব্যবহার করবেন বিকেলে একটু পাড়া ঘুরার মতো । এর চেয়ে বেশি করলে সারাদিন পাড়া ঘুরে যে লাভ, ওই এক টুকরো বিকেলে ঘুরে একই লাভের চেয়ে বেশি কিছু পাবেন না । বিনিময়ে কেবল সময় নষ্ট করবেন । মনে রাখবেন, ফেসবুক আপনার এই সময় বিক্রি করে বছরে একশো বিলিয়ন ডলারের বেশি কামায়, কিন্তু আপনার পকেটে কিছু আসে না ।
এক বোনের দু'আ কবুলের গল্প 🌻

আমি এই আমলটা করার পর থেকে প্রয়োজন কোনদিক দিয়ে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা পূরণ করে দিচ্ছেন টেরই পাই না আলহামদুলিল্লাহ।
এটা একটা পরীক্ষিত আমল।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা (আর রঝ্ঝাক্ব) উত্তম রিযিকদাতা। যেকোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য আমলটি করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। আমলটি হলো—

"এশারের পর ১০০ বার দুরুদ, ৪৯৯ বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, ১বার লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম এবং ১০০ বার দুরুদ পড়বেন। তারপর মুনাজাতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে যা চাওয়ার চাইবেন।"

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ
(লা হা'ওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যিম)
👍2
আমি যখন ড্রাইভিং শিখি, তখন একটা ভিডিওতে খুব চমৎকার একটা অ্যাডভাইস পেয়েছিলাম। ইন্সট্রাক্টর বলেছিলেন, একটা ড্রাইভ টেস্টে তুমি স্পিড লিমিটের মধ্যে থাকতে পারো কিনা সেটা দেখা হয়।

আশপাশের বেশির ভাগ ড্রাইভার সে লিমিটের মধ্যে থাকে না। অন্তত ৫-১০ কিমি বেশি গতিতে চালায়। অবচেতনভাবেই তুমি যদি তোমার সামনের গাড়িকে ফলো করো, তুমিও তার স্পিডেই চলতে শুরু করবে।

তার ওপর তোমার পাশ দিয়ে যখন হুশ করে সব গাড়ি বেরিয়ে যাবে, মনে হবে তুমি স্লো যাচ্ছ। তোমার ইন্সটিংক্ট হবে স্পিড বাড়িয়ে তাদের গতিতে চলা। কিন্তু সেটা করলে তুমি টেস্টে ফেইল করবে স্পিড লিমিট মানতে না পারার জন্য।

কাজেই তোমার জন্য সবচে জরুরী কাজ হবে আশপাশের সবকিছু যখন তোমাকে স্পিডিং করতে বলবে, তুমি সেই ইচ্ছাকে দমন করে নিজের মতো, স্পিড লিমিটে থেকে ড্রাইভ করবে।

এই কথাটা যে কি অদ্ভুত সত্যি! লাইসেন্স পাবার পর এটা আরও বেশি খেয়াল করেছি আমি। সবাই যখন পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, মনে হয় কি রে ভাই? আমি কি খুব আস্তে যাচ্ছি নাকি?

অথচ আমি নিজেও কিন্তু ঠিক স্পিডেই যাচ্ছি। এবং মজার ব্যাপার হল, একটু সামনে গিয়ে দেখি রেড লাইটে আমার মতোই আটকে আছে স্পিডিং করা বা আমাকে কাট অফ করে চলে যাওয়া ড্রাইভার।

আমার স্বভাব সব কিছু থেকে নানারকম শিক্ষা নেয়া। এই ব্যাপারটা আমাকে রোজ মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আমার অন্য কারো গতিতে জীবন কাটাবার কোন দরকার নেই।

যাকে দেখে মনে হয় সে অনেক দ্রুত তার লক্ষে পৌঁছে যাচ্ছে, সেও বিভিন্ন জায়গায় আটকে থাকবে। তার মনে হবে কেউ তার চেয়েও দ্রুত চলে যাচ্ছে। কেবল সেই যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছে না। এই রেস চক্রের মতো চলতেই থাকে। এর কোন শেষ নেই।

অথচ দিনশেষে এই স্পিড আসলে অতটা ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে সেইফ থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো। আমাদের গন্তব্য যেহেতু এক না, এক স্পিডে, এক রুটে ড্রাইভ করতে যাওয়ার তো কোন মানেই হয়না।

এমনিতেও অনেক আগেই আমি কার আগে চাকরি পেলাম, কবে গাড়ি কিনলাম, বিয়ে করলাম, কার বাচ্চা কবে হল এসব তুলনা থেকে নিজেকে বের করে এনেছি ।

আজকে এই চিন্তাটা মাথায় আসায় মনে হল, ড্রাইভিং লেসনগুলো আসলে লাইফ লেসন ছিল।

কত কি শিখি রোজ। আবার ভুলে যাই। এটা মনে রাখতে পারলে ভালো থাকা যাবে। তাই মনে রাখতে পারার জন্য লিখে ফেললাম। 🙂

©️Sincerely, Zana

(নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারেন কিন্তু ক্রেডিট ছাড়া কপি পেস্ট করবেন না কাইন্ডলি 🙂)
”রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাক্বীর”

رَبِّ إِنِّيْ لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ

"..হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।" (সূরা কাসাস, ২৪)

এই এক বাক্যে আছে কৃতজ্ঞতা, প্রশংসা আর দোয়ার সমন্বয়। এই বাক্য বলার কারণে আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালামকে স্ত্রী, বাসস্থান এবং কর্ম দিয়েছিলেন।
.
- ইবন আশূর (রাহিমাহুল্লাহ)
[আত-তাহরীর ওয়াত-তানওয়ীর: ২০/৩৮৮]
সিজদায় গিয়ে মহানবী (ﷺ) এক এক সময়ে এক এক রকম দুআ পাঠ করতেন। তাঁর বিভিন্ন দুআ নিম্নরুপ:-

سُبْحَانَ رَبِّىَ الأَعْلى। (সুবহা-না রাব্বিয়্যাল আ’লা)

অর্থ- আমি আমার মহান প্রভুর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি। ৩ বার বা ততোধিক বার। (আবূদাঊদ, সুনান ৮৮৫নং, দারাক্বুত্বনী, সুনান, ত্বাহা, বাযযার, ত্বাবারানী)

سُبْحَانَ رَبِّىَ الأَعْلى وَ بِحَمْدِهِ।

উচ্চারণ:- সুবহা-না রাব্বিয়্যাল আ’লা অবিহামদিহ্‌।

অর্থ- আমি আমার সুমহান প্রভুর সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি। ৩ বার। (আবূদাঊদ, সুনান , আহমাদ, মুসনাদ, দারাক্বুত্বনী, সুনান, বায়হাকী ২/৮৬, ত্বাবারানী, মু’জাম)

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلاَئِكَةِ وَالرُّوْحِ।

উচ্চারণ:- সুব্বূহুন ক্বুদ্দূসুন রাব্বুল মালা-ইকাতি অররুহ।

অর্থ- অতি নিরঞ্জন, অসীম পবিত্র ফিরিশ্‌তামন্ডলী ও জিবরীল (আহমাদ, মুসনাদ) এর প্রভু (আল্লাহ)। (মুসলিম)

سُبْحَانَكَ اللّهُمَّ رَبَّنَا وَ بِحَمْدِكَ اللّهُمَّ اغْفِرْلِيْ।

উচ্চারণ:- সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা রব্বানা অবিহামদিকা,আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী।

অর্থ- হে আল্লাহ! আমি তোমার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করি, হে আমাদের প্রভু! তুমি আমাকে মাফ কর। (বুখারী, মুসলিম)।
👍2
দীর্ঘদিন যাবত যদি অ্যান্ড্রয়েড ইউজার হয়ে থাকেন এবং প্রচুর অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন সবথেকে বড় সমস্যা হবে আইফোনে আপনি এপ স্টোরের বাইরে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন না...

অ্যান্ড্রয়েড এর মত কখনোই রাফ ইউজে ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন না.. ( প্রো ম্যাক্স সিরিজের কথা বাদ)

সব সময় ব্যাটারী হেলথ কমে যাচ্ছে কিনা এই নিয়ে একটা টেনশন কাজ করবে না চাইতেও.

দিনশেষে মনে হবে লাখ টাকা দিয়ে এই ফোন না কিনে ৩০-৪০ এ ভালো ফোন কিনে বাকি টাকা গুলো অন্য কোথাও ইনভেস্ট করলে ভালো আউটপুট পাওয়া যেত ( এ কথাটা আমার মত গরিবদের জন্য বড়লোক হলে ভিন্ন কথা )

পরিশেষে iphone ক্যামেরা এবং শো অফ এর জন্য ( ব্যক্তিগত মতামত )
* ইসলামপুর - সব ধরনের কাপড়।
* বাদামতলী - সব চাউল, সব দেশ বিদেশ এর ফল।
* বাবুবাজার - সব ধরনের ওষুধ, কাচ, থাই এলুমিনিয়াম++।
* মিডফোর্ড - ওষুধ, ক্যামিকেল, ম্যাডিকাল আইটেম।
* পাটুয়াটুলি - ঘড়ি, ইলেকট্রনিক্স, বোরকা, চশমা।
* শ্যামবাজার - সবজি, আলু ,পিয়াজ ++।
* বাংলাবাজার - বই , খাতা, বিয়ের কার্ড, ক্যালেন্ডার++।
* তাতি বাজার - স্বর্ণ, রূপা, বুলিয়ান আইটেম।
* সদরঘাট - পাঞ্জাবি, পায়জামা, হোসিয়ারি আইটেম, কম্বল ++।
* জিন্দাবাহার - কাগজ, স্টেশনারি, ভিজিটিং কার্ড , কাগজের ব্যাগ ++।
* চকবাজার - ক্রকারিজ, ছাতা, প্লাস্টিক, ব্যাগ, জুয়েলারি, খেলনা , কসমেটিক্স, শোপিস, মেলামাইন আইটেম, স্টিলের আইটেম++
* মৌলভীবাজার - মসলা, ড্রাই ফ্রুটস, চকলেট, তেল, সিগারেট, সাবান , মনোহারী আইটেম , ওয়ান টাইম আইটেম , বেকারী আইটেম এর মল্ডিং ++।
* বংশাল - মোটর পার্টস, হোন্ডা, সাইকেল ++।
* নর্থ সাউথ রোড/ নয়াবাজার - রড, শিট, ফ্ল্যাট বার, টিন, দরজা, কাঠ, প্লাস্টিক, স্যানিটারি আইটেম, পাইপ, ফিটিংস, বাথরুম ফিটিংস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জি আই / এম এস আইটেম ++।
* নবাবপুর - ইলেকট্রিক আইটেম, তার, বাল্ব, মেশিনারি, হার্ড ওয়ার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইটেম ++।
* সিদ্দিকবাজার - জুতা, স্যান্ডেল, ম্যাটেরিয়ালস।
* গুলিস্থান - ইলেকট্রিকসাপ্লাই, মোবাইল, এক্সেসরিজের আইটেম, টিভি,সাউন্ড সিস্টেম, কাপড় আইটেম, জুতা ++।
* বঙ্গ বাজার - সব ধরনের রেডিমেট গার্মেন্টস আইটেম।
* ধোলাইখাল - গাড়ি ও রিফরিজারেশন এর সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেম, জাহাজের ইলেকট্রিক আইটেম++
* কেরানীগঞ্জ - কাপড়, শার্ট , পেন্ট আইটেম ++।
ভাই যদি ভারী খেলাধুলায় অভ্যস্ত হয়ে থাকেন তবে বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু ব্যায়াম করুন।

১/ আগে বাসায় ওয়েট মেশিন রাখুন। আমার ওজন বেড়ে গেলে আমি প্রতিদিন ৩০০ গ্রাম করে ওজন কমাই। আপনি ১০০/২০০ গ্রাম কমানোর প্লান করুন। ৩ মাসে ১০/১২ কেজি কমালেই হবে।

২/ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘড়ি ধরে দৌড়ান। প্রথম সপ্তাহ ৫ মিনিট, ২য় সপ্তাহ ৭ মিনিট। এভাবে ২ মিনিট করে বাড়াতে বাড়াতে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সকালে দৌড়ান। দৌড়ের চেয়ে ওজন কমানোর জন্য ভালো কিছু হয়না।

৩/ এরপর ১০ মিনিট হালকা ওয়ার্ম আপ করুন।

৪/ রাতে বাসায় ফিরে খাওয়া ও গোসলের আগে হালকা যোগ ব্যায়াম করুন। অনেক সময় একা একা ব্যায়াম করতে মন চায়না। সেজন্য প্লেস্টোর থেকে Home workout নামের একটি এপস আছে। এপসটি ৩০ দিন টানা করলে আপনার ওজন অনেক কমবে।

৪/ ব্যায়াম বাড়ানোর সাথে সাথে ভুলেও খাবার বাড়াবেন না। ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে ভাতের পরিমান কমিয়ে দিন। তবে ব্যায়াম বা পরিশ্রমের পর বেশি ক্ষুধা লাগলে কলা বা অন্যকোন ফল দিয়ে নাস্তা করবেন।

৫/ ভাতের পরিমান কমানোর পাশাপাশি তেল খাওয়া কমিয়ে দিবেন। মাছ মাংশ সবজ্বী বেশি করে খাবেন।

৬/ সপ্তাহে ছুটির দিনে সম্ভব হলে সুইমিং পুলে সাতার কাটবেন একদিন। আর নয়তো ফুটবল খেলুন।

৭/ যদি একেবারেই আপনার ব্যায়াম একা করতে ধৈর্যে না কুলায় বা মন না বসে, তবে জিমে ভর্তি হন।অফিসের সাথে রাত ৮:৩০-৯:৩০ এমন সময়ে জিমে গেলে ভালো আপনার জন্য। তবে আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকায় কর্পোরেট লাইফে কখন অফিস শেষ হয় বলা যায়না। তাই জিম মিস হতেও পারে, তার সাথে আছে টাকা খরচের বিষয়। তাই ভালো হয় সকালে ব্যায়াম চালিয়ে নিলে।

আর সপ্তাহে ছুটির দিনে মার্শাল আর্ট ক্লাসে যেতে পারেন। আমাদের ক্লাবে যারা চাকরীজীবি আছেন তারা সপ্তাহে ২ দিন ক্লাস করে প্র‍্যাক্টিসের আইডিয়া নেন। সারা সপ্তাহ তারা দিনের যেকোন সময় ফ্রি হলে ফ্রিহ্যান্ড প্র‍্যাক্টিস করে নেন। আলাদা করে সকাল বা বিকালে ধরে বেধে সময় বেছে নিতে হয়না। আপনি এটিও মাথায় রাখতে পারেন। আপনার জন্য শুভকামনা।
পড়া পানি বা রুকইয়াহ পানি তৈরির করার নিয়ম–

প্রথমে পানি সামনে নিন। এরপর নিয়্যাত করে নিন। যেমনঃ ইয়া আল্লাহ! মানুষ ও জ্বীনের সব ধরণের বদনজর, হাসাদ, যাদু, গিট দূর করে দিন, চিরতরে ধ্বংস করে দিন।
এরপর দরুদ পড়ে পানির উপর ফুঁ দিন। তারপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ৪ কুল (সুরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক, নাস) প্রত্যেকটা সাত বার পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। (প্রত্যেক বার সূরা পড়ার পর ই পানিতে ফুঁ দিবেন)। সূরা আরাফ (আয়াত ১১৭ থেকে ১২২), সূরা ইউনুস (আয়াত ৮১ থেকে ৮২), সূরা তোহা (আয়াত ৬৯) এগুলো একবার করে পড়ুন ইনশাআল্লাহ। সবার শেষে পুনরায় দরুদ পড়ে ফুঁ দিয়ে শেষ করবেন।

সূরা এবং দু'আ পড়ে ফুঁ দেওয়ার সময় আরশের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উপর গভীর আস্থা ও সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় রাখবেন।

IRC - IOM Ruqyah Consultancy
২০ টাকা বাঁচানোর জন্য ২০ মিনিট হাটার কোন মানে নেই। ২০ মিনিট সময়ের মূল্য ২০ টাকার চেয়ে মিনিমাম ২০ গুন বেশী হওয়া উচিৎ।

শুধু মাত্র কম দামে বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য অফিস, স্কুল কিংবা কর্মস্থানের চেয়ে অনেক ভেতরের দিকে বাসা ভাড়া নেওয়ার কোন মানে নেই। কারন যত বেশি ভেতরে বাসা হবে তত সুযোগ-সুবিধা কমবে, রিকশা ভ্যানের গ্যারেজ থাকবে।

আপনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে যদি ঝগড়া শুনে আর গা*জার গন্ধ নিয়ে ঘুমাতে যান আর সকালে ফ্রেশ মাইন্ডে বাসা থেকে বের হয়ে যদি রিকশা, ভ্যান গাড়ি আর ভাঙ্গাচোড়া রাস্তা দেখেন তাহলে আপনি কখনই ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি কিংবা বিএমডব্লিউ কেনার কথা মাথাতেই আনতে পারবেন না কিনে ফেলা তো আকাশ কুসুম কল্পনা। কারন আপনার ব্রেইনই আপনাকে সবসময় নীচু করে রাখবে।

আমি এক মানুষকে চিনি। যিনি ১৫,০০০ টাকা বেতনের মধ্যে প্রতি মাসে ছোট দুই মেয়ের বিয়ের জন্য ৫০০০ টাকা করে জমায়। আর বাকি ১০,০০০ টাকায় সে, তার স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলে ও শ্যালিকা নিয়ে সংসার চালায়। তাদের খাবার, ঔষধ, পড়াশোনা সবকিছুই এই টাকার মধ্যেই। কোন একটা রেষ্টুরেন্ট কিংবা কোন একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া তার জন্য বিলাসিতা ও কল্পনা এই অল্প বেতনের জন্য। গত ১০ বছর ধরে তার একই অবস্থা। এটা কিসের জীবন যেখানে প্রত্যেকটা কদমে হিসাব, হিসাব আর হিসাব...?

বড় স্বপ্ন শুধু বড়লোকেরাই দেখে এই চিন্তা আমাদের ব্রেইনে আসে আমাদের জন্যই। আমরাই রাস্তা করে দেই নীচু চিন্তা করাতে। আয় বুঝে ব্যয় করতে হবে এই চিন্তাই আমাদেরকে ছোট করে রাখে।

একটা জিনিস আমার কাছে ক্লিয়ারঃ জন্ম, মৃত্যু, রিজিক নির্ধারিত থাকার পরেও আমাদের ছোট্ট এই জীবনে এত কষ্ট সহ্য করার কোন মানে নেই। অতীত আমাদের ছোয়ার বাইরে ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে। বর্তমান কে সুন্দর করে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত উপভোগ করা উচিৎ। সঞ্চয় দরকার আছে তবে নিজের সর্বস্ব বিসর্জন দিয়ে এই সঞ্চয়ের কোন মানে হয় কি?

সঞ্চয় কে বিচক্ষণতা ও দ্রুততার সাথে ইনভেস্টমেন্ট এ কনভার্ট করতে হবে, এই রেটরেস থেকে সহজে বের হওয়া যাবে না।

সংগৃহীত ও আংশিক সম্পাদিত - স্পার্কশিফট⚡️
#Premarital_Screening_test

( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑

#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।

বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র‍্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂

#টেস্ট_গুলো_হলোঃ

👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR

এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊

এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।

👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে।
যেমনঃ

(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia

ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊

👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।

👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।

তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂

একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️

HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
📌📌📌
বিয়ে সংক্রান্ত আমার কালেকশনে কিছু রিসোর্স, উপকৃত হবেন আশা করি, ইনশা আল্লাহ...

❑ বিয়ে পূর্ববর্তী বইঃ আহাকামে জিন্দেগী (মাকতাবুল আবরার), কুররাতু আইয়ুন-১ (আসলাফ), বিয়ের আগে (উমেদ), তালাকের মাসআলা সংক্রান্ত বই (উমেদ থেকে আসবে, আসার পূর্বে কোন একজন আলেম থেকে ভাল ভাবে জেনে নেওয়া সব কিছু)

❑ বিয়ে আগে ও পরে উভয় সময়ের জন্যে উপকারী বইঃ মুহসিনীন, মুহস্বানাত (ইনবাত)

❑ বিশেষ করে বিয়ে পরবর্তী বইঃ লাভ এন্ড রেস্পেক্ট (প্রচ্ছদ), প্রেমময় দাম্পত্য (রুহামা), প্রশান্তির বাঁধন (পথিক)

[যদিও প্রত্যেকটি বই চাইলেই বিয়ের আগে পড়ে উপকৃত হওয়া যায়...]

❑ বিয়ে সংক্রান্ত কোর্সঃ অনলি ব্রাদার্স কোর্স, অনলি সিস্টার্স কোর্স (ইনবাত)
বিয়ে ও তালাক (AOI)
Marriage Preparation, Fiqhun Niqah (Aslaf, কোর্স কেনার সময় কুপন কোড: mashwara ব্যবহারে পাবেন অতিরিক্ত ১০% ছাড়)

❑ বিয়ের পূর্বে আমার আম্মুর কিছু উপদেশ — https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=300483181428900&id=100044016622361

❑ আমার বিয়ের সময়ের লিখা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=205526977591188&id=100044016622361

❑ দ্বীন এবং পরিবার মুখোমুখি...

বেদ্বীন পরিবেশে টিকে থাকা/দাওয়াহঃ (Description box এ বিস্তারিত নোট আছে) https://youtu.be/YI0zJw9aass

বাবা-মা কর্তৃক দ্বীন পালনে বাধাপ্রাপ্ত হওয়াঃ https://youtu.be/OJkBZPctavs

পরিবারে দাওয়াহঃ https://youtu.be/8UT0BTk1s6I

মেয়ের দ্বারা বাবার দ্বীনে ফেরাঃ https://youtu.be/DD1ZgAen-BQ

❑ বিয়ে পরবর্তী জীবন— https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=587719446038604&id=100044016622361

❑ ❝বিয়ে অর্ধেক দ্বীন, কিন্তু...❞ সিরিজ—
লিখা: উস্তায Muhammad Masih Ullah (হাফি.)

পর্ব ১: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3269914429960073/?app=fbl

পর্ব ২: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3270911019860414/?app=fbl

পর্ব ৩: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3271400943144755/?app=fbl

পর্ব ৪: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3272992149652301/?app=fbl

পর্ব ৫: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3273545476263635/?app=fbl

পর্ব ৬: https://www.facebook.com/100008246448567/posts/3274221879529328/?app=fbl

পর্ব ৭:
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3287721748179341&id=100008246448567

❑ ভাইদের বিয়ের আগে নিজেকে নিজে প্রশ্ন —
https://www.facebook.com/313599122045505/posts/5778139158924780/

❑ বিয়ে ফ্যান্টাসি বনাম বাস্তবতা—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=546284263515456&id=100044016622361

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=443130013830882&id=100044016622361

❑ বিয়ের আমল—
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=193674748776411&id=100044016622361
🔴 পুরুষদের ১০ টি বর্জনীয় অভ্যাস!
- অনেক পুরুষ আত্মসমালোচনা না করে অন্যের সমালোচনায় আনন্দ বোধ করে। আর এর দ্বারা যে গিবতের গুনাহ হচ্ছে, সে কথা ভাবতেও চায় না। অথচ গিবত খুবই ভয়াবহ গুনাহ। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৮)

- অনেকে অন্যকে সালাম দিতে চায় না। অন্যদিকে অনেকে সালামের জবাবই দেয় না, আর কেউ সালাম দিলেও ঘাড় নেড়ে বা মনে মনে দেয়। অথচ সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৮৭৮৭)

- অনেক পুরুষ স্ত্রী থেকে নিজের হক ও পাওনা ষোল আনায় পূর্ণ করে, কিন্তু তার ওপর স্ত্রীর যে অধিকার আছে তা আদায় করতে চায় না। বরং অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের ওপর জুলুম করে থাকে। এটা অন্যায়। কেননা নারীদের তেমন ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমন আছে তাদের ওপর পুরুষদের। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২৮)

- বহু পুরুষ সাংসারিক কোনো কাজে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের সঙ্গে পরামর্শ করে না। ফলে কারণে-অকারণে পারস্পরিক অন্তঃকলহ বেড়ে যায়। তাই স্ত্রী ও বুদ্ধিমান সন্তানদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)

► বহু পুরুষ পুত্রসন্তান হওয়ার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী থাকে, পক্ষান্তরে কন্যাসন্তান হলে স্ত্রীকে দোষারোপ করতে থাকে। অথচ ছেলে বা মেয়ে হওয়া আল্লাহর ইচ্ছাধীন। (সুরা : শুরা, আয়াত : ৪৯, সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪১৮)

► অনেক পুরুষ স্ত্রীদের অন্ধভক্ত হয়ে থাকে। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া সব ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাকে প্রাধান্য দিয়ে মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। এমনটি হওয়া মোটেও কাম্য নয়। বরং সব সময় যেকোনো অভিযোগ যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তা না হলে মানুষের সামনে বেকুব সাব্যস্ত হতে হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩০৪)

► অনেক বদমেজাজি পুরুষ সামান্য কারণে স্ত্রীকে মারপিট করে থাকে। এমনকি রাগের মাথায় তিন তালাক দিয়ে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করে না। এজাতীয় পুরুষ কোরআনের নির্দেশ অমান্যকারী। কেননা কোরআনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘...আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবন যাপন করো।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)

অনেক ভাই তার বোনদের পাওনা মিরাস আদায় করতে চায় না। অথচ বোনদের পাওনা আদায় করা ভাইদের ওপর ফরজ। আরো দুঃখজনক কথা হলো, অনেক জালিম বাবাও নিজের মেয়েকে বঞ্চিত করতে বা কম দিতে চেষ্টা করে থাকে। অথচ হাদিস অনুযায়ী এটা সরাসরি জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২১১৩৯)
.
অনেকেই জানেনা ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম যার কারণে আপনার ইবাদত বৃথা...

ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়ম
====================
না জানার কারলে অসংখ্য মুসলিম ভাই-বোনের সালাত সহ নানা আমাল কবুল হয় না,যেটা চরম এক ভয়ানক
ব্যাপার।
যেসব কারনে গোসল ফরজ হয়ঃ
=========================
১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে
২. নারী-পুরুষের মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)
৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে
৪. কেউ ইসলাম গ্রহন করলে
ফরজ গোসল এর সঠিক নিয়মঃ
=============================
আমাদের মধ্যে অনেকেই ফরয গোসলের সঠিক নিয়ম জানেন না; আবার সংকোচে কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারেন না। এই জন্য ফরজ গোসলের নিয়ম সহিহ হাদিস অনুসারে সংক্ষেপে দেওয়া হল।
১।
মনে মনে গোসলের নিয়ত করা (নিয়ত পড়া নয়)।
২।
‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা
৩।
দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী ২৪৮)
৪।
পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী ২৫৭)
৫।
বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী ২৬৬)
৬।
নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। (দুই হাত তিনবার ধোওয়া, কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া, মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধোওয়া। মাথা মাসেহ করতে হবে না।) এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী ২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)
৭।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী ২৫৮)
মহিলাদের বেনী না খুলেও গোড়া ভালভাবে ভিজলেই হবে। (মুসলিম ৩৩০)
৮।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে, পরে বামে। (বুখারী ১৬৮)
৯।
গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী ২৫৭)
মনে রাখতে হবেঃ
===================
১. পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল ভালোভাবে ভিজাতে হবে।
২. মহিলাদের শুধু চুল ভেজানোই যথেষ্ট।
৩. এ নিয়মে গোসলের পরে নতুন করে ওজুর দরকার নেই যদি ওজু ভেঙ্গে না যায়।
৪. শরীরের কোন অংশ যেন শুকনো না থাকে।
আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে কুর’আন ও সহীহ সুন্নাহ মেনে চলার তাওফীক দিন এবং পুর্বের না জেনে ভুল গুলোকে ক্ষমা করুন আমিন।
মেয়েদের জন্য সতর্কবার্তা

বান্ধবী বা কাজিনের ফোনে কখনো ছবি তুলবেন না। গ্রুপ ফটো তো তুলবেন না, এমনকি সিঙ্গেল ফটোও না। কারণ এই ছবি তার ভাই, হাজবেন্ড ও অন্যান্যদের চোখে পড়বে। তাদের কাছেও চলে যাবে।

একইভাবে মেসেঞ্জার, হোয়াটস*আ্যাপ বা ই*মোতে বান্ধবী, বোন বা কাজিনকে ছবি পাঠাবেন না।

এসব প্ল্যাটফর্মে ছবি আদান প্রদান করবেন না। এগুলো পুরোপুরি অনিরাপদ। ভিডিও কল করা থেকেও বিরত থাকবেন। আপনার ছবি ইডিট করে প*র্ণসাইট বা চ*টি পেইজে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আর এসব ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ব্লা*কমেইল করার নজিরও কম নয়।
উগ্র বাদী hi*ন্দু*দের হাত থেকে নিজেদের বোনকে হেফাজত করুন।
➡️ এসএসসি পাস করার পর যাদের অনেক বছর পড়াশোনা বন্ধ ছিল তাদের জন্য পোস্ট।

➡️ বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।

➡️ এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন। ১০,১৫,২০ বছর আগেও এসএসসি পাস করলে ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বয়স যদি ৫০,৬০ হয় তাহলে ও ভর্তি হতে পারবেন।

➡️ এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।

➡️ মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।

➡️ অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।

➡️ এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।

➡️ কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।

➡️ এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।

➡️ ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।

➡️ ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।

➡️ ১ম বর্ষ ভর্তি হতে ৫,৫০০ টাকার মতো খরচ হয়।

➡️ বাউবির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ভর্তির বিজ্ঞপ্তি খুব শিগ্রই দিবে। বাউবি থেকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির নোটিশ দিলে তারপর ভর্তি হতে কি কি লাগবে বিস্তারিত গ্রুপে পোস্ট দিবো।

➡️ ২০২৪ সালে যারা বাউবি থেকে এসএসসি পাস করবেন আপনারা এইচএসসি ভর্তি হতে পারবেন কোনো সমস্যা নাই। কারণ বাউবি ভর্তি হতে অনেক সময় দেয় তার মধ্যে আপনারা রেজাল্ট পেয়ে যাবেন।


১, বাউবির এইচএসসি ২ বছরের কোর্স।

২, এসএসসি পাস করলেই ভর্তি হতে পারবেন।

৩, এসএসসি পয়েন্ট যেমনই হোক ভর্তি হতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোনো পয়েন্ট লাগে না।

৪, মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসা তিন গ্রুপে ভর্তি হতে পারবেন। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ সব কলেজে থাকে না।

৫, অনলাইনে ভর্তি হওয়ার সময় কলেজ লিস্ট এবং ওই কলেজে কি গ্রুপ আছে সেটা দেখে ভর্তি হতে পারবেন।

৬, এইচএসসি ২ বছরের কোর্স কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ ৫ বছর।

৭, কেউ যদি ৫ বছরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে না পারে অতিরিক্ত ২ বছর রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারে। Denovo registration এর মাধ্যমে।

৮, এইচএসসি শেষ করতে ২ বছরে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়।

৯, ১ম যখন অনলাইনে ভর্তি হবেন সেটাকে ১ম বর্ষ বা ১ম সেমিস্টার বলে।

১০, ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২য় বর্ষে রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়।

১১, অনলাইনে ভর্তির সময় আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম, জম্ন তারিখ অনলাইনে এক হতে হবে।

১২, অনলাইনে ভর্তির সময় অবশ্যই নিজের মোবাইল নাম্বার দিবেন এবং আপনার নাম্বারে ইউজার আইডি পাসওয়ার্ড এর এসএমএস আসবে যেটা দিয়ে লগ-ইন করে নিজের প্রোফাইল দেখতে পাবেন। তাই ইউজার পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে রাখবেন।

১৩, অনলাইনে ভর্তি হয়ে আবেদন কপি, এসএসসি সার্টিফিকেট, মার্কসিট কপি কলেজে গিয়ে জমা করে আসবেন। কলেজে কাগজপত্র জমা না করলে ভর্তি সম্পূর্ণ হয় না তাই অবশ্যই কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
#Male Fertility নিয়ে কিছু কথা বলব।আমি ভুল বললে আমাকে কারেকশন করে দিবেন যারা জানেন।
আমাদের সোসাইটিতে খুবই কমন একটা ধারণা ছেলের বয়স যাই হোক,সে সারাজীবন বাচ্চার জন্ম দিতে পারবে ব্লাহ ব্লাহ।
হ্যাঁ, এটা সত্যি। তবে এখানে আরও কিছু বিষয় আছে।
পুরুষদের Peak male fertility র এইজ ধরা হয় ২৫-৩০ অর্থাৎ এই বয়সের একজন পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি সবচেয়ে ভালো।
এরপর মানে ওভার ৩০ আস্তে আস্তে ডিক্লাইন করবে কোয়ালিটি যেমন আপনার সিমেনের ভলিউম কমবে,স্পার্মের মোটিলিটি কমবে।
৩৫ বছর বয়সী পুরুষ আর ৪০ বছর বয়সী পুরুষের স্পার্মের কোয়ালিটি জীবনেও এক হবে না😉
আবার পুরুষদের বয়স যত বাড়ে তাদের BPH (Benign Prostatic Hyperplasia) হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
আর Prostectomy কোনো কারণে করা লাগলে আপনি normal coitus এ বাবা হতে পারবেন না।আপনার ডাক্তারের সাজেশন লাগবেই।
নারীদের ক্ষেত্রেও যেমন বয়স একটা ফ্যাক্টর, তেমনি পুরুষও কিন্তু একেবারেই ব্যাতিক্রম না😉😉আপনি সারাজীবন স্পার্ম বানান কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু স্পার্মের কোয়ালিটি ভালো না হলে খালি বউরে দোষ দিয়ে লাভ আছে?😉
আপনার বয়স ৪০ আর বিয়ের পর বাচ্চা নিতে সমস্যা হলে বউরে একা দোষ দিয়েন না,😉
যে দোয়ার মাধ্যমে বিদেশে হযরত মূসা (আঃ) কর্মসংস্থান, আবাসন, বিয়ে ও নবুয়ত লাভ করলেন।

رَبِّ اِنِّيْ لِمَآ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ

উচ্চারণঃ ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকির।’

অর্থঃ ‘হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা আল-কাসাস, আয়াতঃ ২৪)
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا ﴿۷۴

উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররতা আ’ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান কর, যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকিদের নেতা বানিয়ে দাও (সূরা : ফুরকান, আয়াত : ৭৪)।
প্রাথমিক চিকিৎসা কেন জানা জরুরী ?
ChatGPT said:
ChatGPT
প্রাথমিক চিকিৎসা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি নানা ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ত্বরিত সহায়তা প্রদান করতে পারে এবং জীবনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এখানে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:

জীবন বাঁচানো: অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দ্রুত প্রয়োগ করা হলে গুরুতর আহত বা অসুস্থ ব্যক্তি বাঁচানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক বা গুরুতর কাটা-ছেঁড়া হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

অসুস্থতা বা আঘাতের প্রকৃতি কমানো: প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে আঘাত বা অসুস্থতার তীব্রতা কমানো যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সঠিকভাবে ব্যান্ডেজ লাগানো বা কুলিং করা পঁচন এবং ক্ষতির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

মনের শান্তি: জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা জানলে মানসিকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। এটি আপনাকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

পেশাদার চিকিৎসা আসার আগ পর্যন্ত সহায়তা: প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হলে চিকিৎসা কর্মীরা আসার আগ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কমানো: দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বা জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।

এভাবে, প্রাথমিক চিকিৎসা জানা জীবনের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।