জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
বাউবি এসএসসি (SSC) প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে...

১. আপনার অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালের মধ্যে জন্ম তারিখ থাকতে হবে জন্ম নিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ডে।

২. জেএসসি (JSC) সার্টিফিকেট অথবা সমমান সার্টিফিকেট থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।

৩. এর কোনোটা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে নবম (৯ম) শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া।

নোটঃ ১ অথবা ২ নাম্বার এর যদি হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি ভর্তি আবেদন চলাকালীন ভর্তি হতে পারবেন নতুবা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।
revive_your_sexlife
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেই যে ফোনের স্ক্রিনে বন্দী হই আমরা, তারপর আর খবর নেই।
স্লিপ সাইকেল বদলে যাওয়ার সমস্যাটা কি??
আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন, হরমোনাল সিক্রেশন, এনজাইম এক্টিভেশন এমনকি অনেক জিন এক্সপ্রেশন পুরোপুরি নির্ভরশীল আমাদের স্লিপ সাইকেলের ওপর। স্লিপ সাইকেল ড্যামেজড মানে, আপনার শরীরকে সমস্ত সিদ্ধান্ত নতুন করে নিতে হয়। কখন সে খাবার হজম করবে, কখন সে হার্টবিট বাড়াবে, কখন হার্টবিট কমাবে, কখন ব্রেইন রেস্ট নেবে, কখন লিভার ফাংশন বাড়বে, কখন শরীরের ড্যামেজ রিপেয়ার করা হবে, সব কিছু।
ড. শচীন পান্ডা তার বিখ্যাত বই দ্যা সার্কাডিয়ান কোডে দেখিয়েছেন, আমাদের শরীর একই সময়ে অনেকগুলি কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারে না। শরীরের নিজস্ব কাজের ছন্দ ও বিন্যাস আছে, রুটিন আছে। আপনি রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত যদি মাত্র তিন ঘন্টা জেগে থাকেন, আপনার শরীর রাতের বেলার শিফট ওয়ার্কারদের মত কাজ করতে শুরু করবে। সকালের যে সময়টা আপনার শরীর সুপারচার্জড হওয়ার কথা, সে সময়ে আপনি মরার মত ঘুমাবেন। তবু, আপনার শরীর আর কখনোই সুপারচার্জড হবে না, হয়তো ৬০-৭০% পর্যন্ত হয়।
তো, এর সাথে সেক্সের সম্পর্ক কি??
পুরুষের ন্যাচারাল সেক্সুয়াল আর্জ সাইকেল সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে সকালে, সম্ভবত যেকোন পুরুষই ব্যাপারটা জানেন। কিন্তু কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, কেন এটা ঘটে??
কারন, আপনার বডি এক্সপেক্ট করে, আপনি রাত ৯টা-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন, জাগবেন রাত ২টার পরে কোন এক সময়, তারপর আরেক দফা ঘুম হবে আপনার।
আপনি দিন শুরু করবেন ৬-৮টার মধ্যেকার কোন এক সময়ে। এই যে লম্বা একটা রিফ্রেশমেন্ট, মূলত এরপরেই কিন্তু পুরুষদের শরীর শক্তিশালী লিবিডো লাভ করে।
এখন, যদি আপনি এই রিফ্রেশমেন্ট না পান, আপনার লিবিডো ভাল হবে কি করে?? তার ওপর, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যদি এক ঘন্টা পর অফিসে যাবার তাড়া থাকে, It would be quiet impossible to have sex even at the strongest point of your libido.
আমাদের অনেকের আবার অভ্যাস আছে অফিস শেষ করে বসের পেছনে দু-তিন ঘন্টা সময় দেয়ার। ফলে আমরা বাসায় ফিরতে দেরি করি, রাতের মিল নিতে দেরি করি, এরপর ফোন চাপাচাপি করে ঘুমোতে দেরি করি। স্ত্রীর সাথে যোগাযোগের সময় এত ক্ষীন হয়ে আসে যে সেক্সের ব্যাপারটা আমাদের মাথাতেই থাকে না, বরঞ্চ চোখে নেমে আসে রাজ্যের ঘুম।
কিন্তু, এখানে আমরা দুটো ভুল করি।
১)বসকে তেল দেয়ার বিনিময়ে আমরা ঘুম স্যাক্রিফাইস করি, যা আমাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো পরিচালিত এক গবেষনায় পুরুষদের দুটো দলকে দিনে যথাক্রমে চার ও আট ঘন্টা ঘুমাতে দেয়া হয়। এরপর তারা ঘুম থেকে ওঠার পর তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল মাপা হয় এবং দেখা যায়, যারা আট ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল চার ঘন্টা ঘুমানোদের চেয়ে ১২% বেড়েছে। এই গবেষনা হয়েছিল মাত্র ৯ দিনের জন্য, ১২ জন ৬৪-৭৪ বছর বয়সী পুরুষের জন্য। এখন, ফ্রি টেস্টোস্টেরন লেভেলের যদি ৯ দিনে এতখানি তফাত ঘটে তাহলে ১০ বছরে কতটা তফাত হতে পারে, ভাবুন।
২)বসকে তেল দিতে গিয়ে আমরা স্ত্রীর সাথে সময় কাটানোটা মিস করি। সেক্ষেত্রে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক শিথিল হয়ে পড়ে, যার ফল দেখা যায় বিছানায়। সেক্সের সময় স্বামীরা স্ত্রীদের সাথে মানসিকভাবে একাত্ম হতে ব্যর্থ হন, ফলে কেউ না কেউ অতৃপ্ত থেকে যান। আর যদি ওয়ার্কিং ডে তে সেক্স না হয়(যা বেশি কমন), সেক্ষেত্রে এটা আবার আমাদের ঘুমকে নষ্ট করে। যেকোন মানুষই কোয়ালিটি সেক্সের পর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন। পুরুষদের অর্গাজম নারীদের চেয়ে বেশি হয়, ফলে পুরুষদের ঘুমও বেশি হয়। যেসব নারীদের অর্গাজম হয় তাদের ঘুমও অত্যন্ত জোরদার হয়। যদি আপনি সেক্স না করেন, বা কোয়ালিটি সেক্স না করেন, আপনার ঘুম হবে স্বাভাবিকের চেয়ে পাতলা।
👍2
এখন, এই যে কম ঘুমালেন, এর ফল আপনার সেক্স লাইফে কিভাবে পড়তে পারে??
১)আপনার ইরেক্টাইল/সেক্সুয়াল ডিজফাংশন হবে। ছেলেদেরও হবে, মেয়েদেরও হবে। জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন ৪০১ জন পুরুষকে নিয়ে ২০০৯ সালে একটা স্টাডি করেছিল, যারা স্লিপ এপনিয়াতে ভুগছিলেন। তাদের ৭০% এরই ইরেক্টাইল ডিজফাংশন দেখা দিয়েছিল। জার্মানিতে ৪৯৫৫ জনের ওপর হওয়া আরেকটা গবেষনায় দেখা যায়, স্যাম্পল পপুলেশনের ৩৩% পুরুষ ও ৪৫% নারী বিভিন্ন মাত্রার সেক্সুয়াল ডিজফাংশনে ভুগছেন।
২)আপনি কাজে কর্মে ফোকাস হারাবেন। টেস্টোস্টেরন দিনে ঘুমালে না, রাতে ঘুমালে বাড়ে। অফিসে গিয়ে ঝিমান আর ঘুমান টেস্টোস্টেরন বাড়বে না। ঘুমের অভাবে আপনি একে তো কোনকিছু স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে পারবেন না, তেমনি টেস্টোস্টেরন লেভেল কমে গেলেও আপনার উৎপাদনশীলতা কমবে। আপনি ক্রমেই তখন আরো বেশি তেলবাজ হয়ে উঠবেন, ওদিকে আপনার সমস্যা কিন্তু অন্য জায়গায়।
৩)রাতে কম ঘুমানোয় আপনার কর্টিসোল লেভেল সঠিক সময়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসে না, বা হয়তো কখনোই স্বাভাবিক হয় না। কর্টিসোল স্বাভাবিক লেভেল না থাকলে আপনি ক্রনিক স্ট্রেসে ভুগতে শুরু করবেন, ফলে আপনার টেস্টোস্টেরন লেভেল কমবে এবং এস্ট্রোজেন লেভেল বাড়বে। নারী বা পুরুষ যেকারো ক্ষেত্রেই এই হরমোনাল ইমব্যালেন্স তার সেক্সলাইফ ধ্বংসের কারন হয়ে দাঁড়াবে।ল
৪)সংসারে ঝগড়াঝাটি বাড়বে। রাতের ঘুম ঠিক না হওয়া মানে, আপনাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পদ্ধতি ক্রমেই অযৌক্তিক হতে থাকবে। আর এই ধরনের অযৌক্তিক একগুয়েমি শেষমেশ গিয়ে দাঁড়াবে ঝগড়ায়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষনায় দেখা গেছে যেসব দম্পতি কম ঘুমান তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটির হার ৭০% বেশি।
৫)আপনার এইজিং লেভেল বেড়ে যাবে। সোজাকথা, আপনি জলদি বুড়ো হবেন, দ্রুত ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজ-স্ট্রোক-অস্টিওপরোসিসে ভুগবেন এবং জলদি মারাও যাবেন।
তাহলে, সেক্স লাইফ ঠিক করতে হলে বিবাহিতদের করনীয় হচ্ছে আগে ঘুমকে ঠিক করা।

সঠিক সময় -রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানো
সঠিক পরিমান-অন্তত দিনে ৭ ঘন্টা থেকে ৯ ঘন্টা ঘুমানো
লেখা-Ali Azhar Salman
রাগের মাথায় তালাক দিলেও তালাক পতিত হয়,মৌখিক ও লিখিত দিলেও তালাক পতিত হয়। যে কয় তালাক দিবে সেই কয় তালাকই পতিত হবে। এমনকি একসাথে তিন তালাক দিলেও তিন তালাক পতিত হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ

তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকরী হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত। (আবু দাউদ ২১৯৪ তিরমিযি ১১৮৪)

والله اعلم بالصواب
2👍1
🟥মানসিক রোগের কিছু লক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।

1. যদি আপনি অনুভব করতে পারেন আগের চেয়ে আপনার মুখস্ত শক্তি কমে গেছে পড়া মনে থাকছে না তাহলে বুঝতে হবে আপনি মানসিক সমস্যায় রয়েছেন।

2. অত্যধিক মুড সুইং,,,
ঘুমের পরিবর্তন (সাধারণত যে সময়টায় ঘুমানো উচিত সে সময় না ঘুমিয়ে অন্যসময়-এর ঘুমানো 12 13 ঘণ্টা ঘুমানো).

3. সব সময় ক্লান্তি বোধ কোনো কাজে মনোযোগ না দিতে পারা, কোন কিছুতেই ভালো না লাগা নিজেকে ছোট্ট বন্দি জায়গায় আটকে রাখা। ঘোরাঘুরি আড্ডা বিনোদন কোন কিছুতেই অনুভব না পাওয়া।

4. অত্যধিক দুশ্চিন্তা। সাধারণ বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা।

5. হঠাৎ করে মুখের রুচি কমে যাওয়া কোন কিছু খেতে না চাওয়া আবার এতটাই রুচি বেড়ে যাওয়া সব সময় খাই খাই করা।

6. মৃ ত্যু কামনা করা শুরু করে

7. স্বাভাবিকের তুলনায় ওজন কমতে থাকে

8. নিজেকে সবসময় তুচ্ছ ফেইলর মনে করা

9. সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বারবার ভাবতে থাকে এবং নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারা।

এগুলার মধ্যে আপনার কোনটি রয়েছে! এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট এর শরণাপন্ন হবেন |
যেকোনো সমস্যায় যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।
2
আপনি যখন বিদ্যুৎ রিচার্জ কার্ড বিকাশে/ রকেটে ইত্যাদিতে বিদ্যুৎ বিল অগ্রীম রিচার্জ করবেন তখন আপনি প্রিপেইড গ্রাহক।
আর যখন আপনার মাসের শেষে বিদ্যুৎ খরচ এর হিসাব পাবেন তখন আপনি,সুযোগ পাবেন পরে দেওয়ার তাহলে আপনি পোস্টপেইড গ্রাহক।
যেমন আপনার মোবাইল সিম প্রিপেইড।
যদি কোম্পানি প্রদত্ত হয়, তাহলে পোস্টপেইড কারণ আপনি নির্দিষ্ট মিনিট + এমবি খরচ করবেন কোম্পানির টার্ম অনুসারে।
বিদেশে আসার আগে কি কি কাজ শিখে আসলে অল্প সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
বিদেশে যাবার আগে Financial হিসাব করে ফেলবেন:
কত টাকা খরচ মাসে, কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ঐ টাকা ইনকাম করে University ফি দিয়ে, পড়াশোনা ঠিকমতো করার সময় পাবেন? অথবা, কত টাকা খরচ করে যাচ্ছেন, নিজের খরচ বাদ দিয়ে, ঐ টাকা উঠাতে বিদেশে কতদিন খাটতে হবে। বিদেশে যাবার টাকা দিয়ে, বিদেশ না গিয়ে দেশে কি কিছু করা যায়?
কম সময়ে বেশী টাকা ইনকাম করার জন্য:
1. Digital Marketing
2. Editing
3. Plumbing
4. Electric
5. Tailoring
6. Beauty Saloon
7. Barber work
8. Painting
9. Driving
এসব কাজ শিখে আসবেন।
SIR = senior in responsibility
একেবারে স্কাম বলা যায় না। কিন্তু যেভাবে বলে পড়াশুনা না করে সেটা সম্ভব না, বরং কিছু ক্ষেত্রে অনেক বেশি পড়া লাগে। তবে আগে এই কোর্স অনেক সহজ ছিল এটা ঠিক। এখানে ঠিক এই কোর্সের কথা বলা হচ্ছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না।
আমার পরিচিত একজন এভাবে জিইডি কোর্স করে মালয়েশিয়াতে পড়ে এসেছে
GED কী? কেন GED করবেন?
GED এর পূর্ণরূপ General Educational Development. এটি USA অনুমোদিত High School Equivalency Diploma, যার সার্টিফিকেট প্রদান করে Maine Department of Education, USA. বাংলাদেশে এটি HSC / A-Level এর সমপর্যায়ের ডিগ্রি, যা HSC / A-Level এর বিকল্প হিসেবে পরিচিত। এটি University Grants Commission (UGC) কর্তৃক অনুমদিত হওয়ায় দেশের শুধুমাত্র বিভিন্ন "প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে" এর মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়।
GED পরীক্ষার ফলে অনেকেই এখন HSC/A-Level এর দীর্ঘপড়াশোনা'র পরিবর্তে ৪ মাসের প্রস্তুতি নিয়ে একটি আমেরিকান হাইস্কুল ডিপ্লোমা অর্জন করতে পারছেন যার ফলে খুব সহজেই বাংলাদেশের প্রাইভেট ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারছেন। এছাড়াও বিদেশেও পড়ার সুযোগ আছে।
GED পরীক্ষার কারণে এখন অনেকেই স্টাডি গ্যাপ থাকা সত্বেও এখন তার পড়াশোনা Continue করতে পারছেন দেশের নামকরা ভার্সিটিগুলোতে। আপনি ভর্তি হয়ে ক্লাস করে পরীক্ষা দিয়ে খুব অল্প সময়ের মাঝেই পড়াশোনার ট্র্যাকে ফিরে আসতে পারবেন। শুধুমাত্র HSC ফেল করলেই এই কোর্স করা যাবে এমন কিছু নয়। এমন অনেকই আছেন, যারা যে কোন কারণেই হোক HSC/A-Level দিতে পারেননি, বা দিতে চাচ্ছেন না অথবা পরীক্ষা দিয়েও গ্রেড অনেক খারাপ এসেছে যার ফলে ভার্সিটিতেও ভর্তি হতে পারছেননা, তারা যে কেউ এই কোর্সটি করতে পারেন।
সম্পদ হেবা করে দিবেন, এবং সাথে অপ্রত্যাহার যোগ্য আম-মোক্তার দলিল করবেন। তাতে আপনি জীবদ্দশায় আপনার সম্পদের মালিক থাকবেন নিজেই। মারা গেলে আম-মোক্তার (পাওয়ার অব এটর্নি) অটো বাতিল হয়ে যাবে। তখন মালিক আপনার মেয়ে-ই থাকবে।
অনেক দ্বীনদার লোককেও এমন কাজ করতে দেখেছি, তারা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, অথবা দ্বীনের দাওয়াত নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, আর ঘরে-বাইরে সব কাজ সামলান স্ত্রী। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ঘরের পুরুষ তো আর সব সময় ব্যস্ত থাকে না। অফিসে যাওয়ার আগে বাজারের সময় থাকে, অথবা অফিস থেকে ফেরার পথে রাতেও বাজার থাকে। এই দুই সময়ে বাজার করা যায়। অথবা মূল বাজারগুলো সপ্তাহে একদিন শুক্রবারে করে নিয়ে এরপর টুকটাক বাজারগুলো প্রতিদিন যেকোনো সময়ে করলেই হয়। মোটকথা, ঘরের মহিলাদের এভাবে বাজারে পুরুষদের ভিড়ে ছেড়ে দেয়া কোনো গাইরতমান্দ পুরুষের কাজ হতে পারে না। একজন আত্মমর্যাদাসম্পন্ন পুরুষ কখনোই চাইবে না যে, তার স্ত্রী বাজারে, মার্কেটে ঘুরে ঘুরে গাইরে মাহরামের সাথে কথা বলে বাজার-সদাই করবে। উপরন্তু অনেক দোকানদার মহিলাদের সাথে খারাপ ব্যবহারও করে। একজন স্বামী কীভাবে এটা সহ্য করে যে, তার স্ত্রী ঘরের বাইরে গিয়ে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হচ্ছে! আমার চোখে দেখা একটি কারগুজারি হলো, একবার বাজারে আপাদমস্তক পর্দা করা এক নারীকে তরকারি ক্রয় করতে দেখলাম। বাজার ব্যাগে ভরার পর সেই নারীর বক্তব্য হলো, তিনি দোকানদারকে ৫০০ টাকার নোট দিয়েছেন, আর দোকানদারের বক্তব্য হলো, তিনি ১০০ টাকার নোট দিয়েছেন। ৫০০ টাকার কোনো নোট তাকে দেয়া হয়নি। এটা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে গেল। সেই নারী বেশ ধীর গলায় দোকানদারকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন; কিন্তু দোকানদার তার সাথে আরও খারাপ ব্যবহার করা শুরু করল। তখন সেখানে উপস্থিত আমরা কয়েকজন পুরুষ উভয়কে বুঝিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করলাম। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পর একটা কথাই আমার মাথায় ঘুরছিল, এই নারীর ঘরেও হয়তো সুস্থ মাহরাম পুরুষ রয়েছেন, আর তিনি দুনিয়ার কোনো কাজে অথবা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। অথচ তার স্ত্রী অথবা মা বাজারে গাইরে মাহরামের কাছে অপমানিত হলো, এটা কিন্তু সে ক্ষুণাক্ষরেও জানবে না। অথবা জানলেও তার আত্মমর্যাদায় আঘাত হানবে না। কারণ, যে পুরুষ তার ঘরের নারীকে এভাবে বাজারে পাঠিয়ে দেয়, তার আত্মমর্যাদায় তখন অনেক কিছুই লাগে না। সবকিছুই তখন স্বাভাবিক মনে হয়।
তবে ঘরে যদি কোনো সুস্থ মাহরাম পুরুষ না থাকে, তাহলে মহিলারা প্রয়োজনমতো বাজার-সদাই করতে পারবেন। এর জন্য উত্তম হলো, যখন বাজারে ভিড় থাকে না, তখন গিয়ে বাজার করা। অথবা পাশের ঘরের মহিলাকে বলে সেই ঘরের কোনো পুরুষকে দিয়ে বাজার করানো।
.
বই : পর্দা গাইডলাইন
লেখক : তানজীল আরেফীন
👍1
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা নিজেদের অপেক্ষা নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না যে তোমাদের চাইতে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এ পন্থা অবলম্বনই হবে আল্লাহর নি'আমাতকে অবজ্ঞা না। করার এক উপযোগী মাধ্যম।
.
[সহীহ বুখারী ৬৪৯০, মুসলিম ৮-২৯৬৩]
1
শারিরীক দিক বললে লম্বা মেয়েদের নালাপথ থেকে ক্লাইটোরাসের দুরত্ব এক ইন্সির বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এতে যথেষ্ট সামর্থ থাকা সত্যেও সে এবং আপনি পূর্ন আনন্দ উপভোগ নাও করতে পারেন। কিন্তু লম্বারা এটা জানে না, সুতরাং সে আপনাকে অক্ষম ভাবতে পারে। কিন্তু সামাজিকতা ঠিক থাকলে সে হয়তো এটা মেনে নিবে। তবে লম্বা মেয়েদের শিশু মৃত্যুর হার কম, নরমাল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার প্রবণতা প্রখর। চঞ্চলতা কোন বিষয় না, উপভোগ্য তবে, বুদ্ধিহীন নির্বোধ চঞ্চলতা এলার্মিং। চঞ্চলতা মানায় যদি মাথায় মাল থাকে, থিউরি অফ রিলেটিভিটি জানে না, কিন্তু মারাত্নক পাকনা, এরমানে তার ভেতর আসলে গু। মানে জ্ঞান, বুদ্ধি, সহমর্মিতা, আর ভালোবাসার পাশাপাশি চঞ্চলতা আলাদা মার্ক পায়, বাট সেগুলো ছাড়া ০।

খাটো মেয়ে শান্ত, খারাপ না। আবার মানানসই তো লাগবে, আপনার তৃপ্তি শারিরীক না হলে ঠিক আছে। খুব বেশি গুমোট, শান্ত এলার্মিং। এরা তলে তলে অহংকারী, অসামাজিক আর খ্যাপাটে, সময় হলে রঙ চিনাবে।

সুতরাং দিনশেষে সিদ্ধান্ত আপনার।
"বিসমিল্লাহ" বলে টয়লেটে প্রবেশ করলে ওখানে থাকা জ্বীনেরা প্রবেশকারীর লজ্জাস্থান দেখতে পায় না। তিরমীযি— ৬০৬, ইবনু মাজাহ— ২৯৭।
একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন!
.
সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি:
১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না।
২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ।
অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না।
. [1]
তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি।
তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত!
. [2]
সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা।
কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়।
. [3]
দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর,
নির্জনতার বর্ষা,,
এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না!
. [4]
"ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!"
~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম}
[মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839]
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস,
এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন।
1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড]
2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ]
3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস
4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]
একজন সাহাবী অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছেন। তখন তাঁর নূরানী চেহারা ঝলমল করছিল! বেশ কিছু মানুষ উনাকে দেখতে উনার বাড়িতে দেখা করতে এলে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবার আগেই চেহারার এই অপার্থিব উজ্জ্বলতার রহস্য জানতে চাইলেন!
.
সেই অসুস্থ সাহাবী হযরত আবু দুজানা {রাদিয়াল্লাহু আনহু} বললেন, দুইটি গুণ আমি দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছি:
১. আমি অপ্রয়োজনীয় কথা বলি না।
২. আমার অন্তর মুসলিমদের জন্য নিরাপদ।
অর্থাৎ, তিনি কারও বিষয়ে মন্দ ধারণা রাখতেন না এবং কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করতেন না।
. [1]
তোমার মুখের কথা হল তোমার বন্দি।
তাই, যখন তোমার মুখ হতে তা বের হয় তখন তুমি তাঁর বন্দি হয়ে গেলে! সুতরাং, কথা-বার্তা একটু চিন্তা করে বলা উচিত!
. [2]
সফল লোকদের ঠোটে যে দুটি জিনিস সবসময়ই থাকে তা হলো- হাসি ও নীরবতা।
কারণ এক টুকরো হাসি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়, আবার একটু নীরবতা অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দেয়।
. [3]
দুটি বস্তু ছাড়া সহজে নফস কে ঘায়েল করতে পারবে না! নীরবতার খঞ্জর,
নির্জনতার বর্ষা,,
এই হাতিয়ার গুলো যার অর্জিত হয়নি তার নফস কখনো সহজে সংশোধিত হবে না!
. [4]
"ইসলামের সৌন্দর্য হলো অনর্থক কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকা!"
~ আখেরী ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম}
[মেশকাত শরীফ হাদীস: 4839]
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ঈমান - আমলের মেহনত করে হক্বের পথে এলেম শিখার, আল্লাহর ওলী বুজুর্গদের সোহবতে এসলাহী নফস,
এবং নবীজী {সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম} এর রেখে যাওয়া আমানত দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ জিম্মাদারীর সাথে উম্মতের দরদ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে করার তাওফীক দান করুন! আমিন।
1 ~ [হায়াতুস সাহাবা চতুর্থ খন্ড]
2 ~ ইমাম_ইবনুল_কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ [ আদ দা ওয়াদ দাওয়া ]
3 ~ ড. বিলাল ফিলিপস
4 ~ আল্লামা ফরিদ উদ্দিন আত্তার رحمه الله [পান্দেনামা]
হঠাৎ গ্রেফতারি পরোয়ানা হলে আপনি কি করবেন

প্রত্যেকটা মানুষ যে যে পেশার সাথে জড়িত সেই পেশার বাইরে অন্য কিছু সম্পর্কে অনেকের ই বেসিক নলেজ থাকে না ।আমার এই লেখাগুলার মাধ্যমে ক্ষুদ্র চেষ্টা আপনাদের সাথে আমার বেসিক নলেজ শেয়ার করা। যদি কেউ উপকৃত হন।

আমি নিজেও যে সব জানি তা কিন্তু নয়।

আজকে আমরা আলোচনা করবো গ্রেফতারি বা ওয়ারেন্ট নিয়ে। হঠাৎ করে যদি কারো নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয় তাহলে সে যেই লেবেলেরই হোক না কেন অবশ্যই প্যানিক হবে।

এবং সেই বিষয়ে তার যদি জানা না থাকে তাহলে অবশ্যই সে ভুল সিদ্ধান্ত নিবে আর সাধারণত মানুষ প্যানিক থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নেয়।

🛑গ্রেফতারি পরোয়ানা পেলে কি করবেন?

চলুন তাহলে জেনে নেই হঠাৎ গ্রেফতারের পরোয়ানা পেলে আপনি কি করবেন ?সাধারণত আমরা প্রথমে একটা ভুল করি সেটা হল যখন কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় যদি সেই মুহূর্তে আমরা বাসায় না থাকি এবং পরে জানতে পারি নিজে স্ব শরীরে থানায় খোঁজ নিতে যাই। এটা করা যাবে না।

যদি বাসায় অনুপস্থিত থাকেন এবং বাসায় এসে জানতে পারেন যে কোন পুলিশ এসেছিল আপনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে এবং জানিয়েছে যে আপনার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানায় রয়েছে তখন অবশ্যই প্যানিক হয়ে নিজেই থানায় চলে যাবেন না।

পুলিশের কাজ পুলিশকে করতে দেন। সেই মুহূর্তে আপনি যেটা করবেন সেটা আপনার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন অথবা বন্ধু-বান্ধবদের থেকে কোন একজনকে সেই থানায় পাঠাবেন যেখান থেকে আপনার খোঁজ নিতে এসেছিল। সেই থানায় পাঠিয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিবেন যে কি বিষয়ে এবং কে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠিয়েছে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানার একটি ফটোকপি সংগ্রহ করবেন যাকে পাঠিয়েছেন তার মাধ্যমে। পুলিশ এটা চাইলে তাকে দিয়ে দেবে।

পরবর্তী ধাপে আপনার করণীয় হলো সে পরোয়ানাতে আপনার যে স্থায়ী ঠিকানাটা দেওয়া আছে সেই ঠিকানায় কিছুদিনের জন্য না থাকা অর্থাৎ সেই কিছুদিন আপনি অন্যত্র অবস্থান করে জানার চেষ্টা করবেন যে আপনার বিরুদ্ধে কেন গ্রেফতারি পরানো জারি করা হয়েছে? এবং যখন আপনি জানতে সক্ষম হবেন যে কোন বিষয়ের উপরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সমসাময়িক সময়ে আপনি আরও একটি কাজ করবেন সেটা হল হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসবেন। আগাম জামিন সাধারণত ৪ সপ্তাহ, ৮ সপ্তাহ মতো সময় দিয়ে থাকে। এবং আগাম জামিনের ক্ষমতা শুধু হাইকোর্টেই আছে ।এটা অন্য কোর্ট থেকে আপনি নিতে পারবেন না।

এই আগাম জামিন দেওয়ার সাথে সাথে আপনাকে কিছু ডিরেকশনও হাইকোর্ট থেকে আপনাকে দেবে ।অবশ্যই এই ডিরেকশন মানতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে যে এই সময়ের মধ্যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন যেন আপনি না হন আগাম জামিন নেয়ার আগে ।আগাম জামিন নিয়ে আপনি আপনার নির্দিষ্ট কোর্টে ঐ নির্ধারিত সময় পরে একজন দক্ষ আইনজীবের মাধ্যমে সারেন্ডার করবেন।

তবে হ্যাঁ এই সারেন্ডার এর আগে যদি ওয়ারেন্ট এর ইস্যু টি নেগোসিয়েশন করা যায় বাদী পক্ষের সাথে তাহলে সেটাও করে নিতে পারেন। ধন্যবাদ
বিষয়বস্তুু : লিভার সিরোসিস
হেপাটাইটিস বি সি ভাইরাস মানেই কি লিভার সিরোসিস? লিভারের অসুখ মানেই কি সিরোসিসের ঝুঁকি?
লিবার সিরোসিস কি? কিভাবে হয়? লক্ষ্মণ কি? চিকিৎসা কি? প্রতিরোধের উপায় কি?

এসব নিয়ে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে খোলামেলা আলোচনা।

ডা: মোস্তাক আহমেদ কাজল
গবেষক ও চিকিৎসক
লিভার বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, পিজি হাসপাতাল।
শাহবাগ ঢাকা।

চেম্বার :
লিভার কেয়ার এন্ড লার্নিং সেন্টার
৪৬-৫১,মোহাম্মদপুর টাউন হল কাচা বাজার মার্কেটের ২য় তলা
মোহাম্মদ পুর - ঢাকা। বিকাল পাঁচ টা থেকে রাত দশটা শুক্রবার বন্ধ।
যোগাযোগ : ০১৭৪৬২২৫১১০
হোয়াটসঅ্যাপ : ০১৯৮৫১০২৫৩৩( চিকিৎসক ব্যক্তিগত।)
বই পড়াকে আকর্ষণীয় ও ইফেক্টিভ করার কিছু কৌশল :

🔹 বই পড়ার জন্য বাসায় পছন্দমত কোনো স্থান নির্বাচন করে নেওয়া।

🔹 সামর্থ্য থাকলে বাসার কোনো স্থান বা রুমকে স্টাডি রুম হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া।

🔹 দৃষ্টিনন্দন সেলফ বানিয়ে নিলে তা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে থাকে।

🔹 মাঝেমধ্যে নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক মনোভিরাম স্থানে যেয়ে বই পড়া যেতে পারে।

🔹 বইয়ে হাত রেখে বা স্পর্শ করে পড়া হলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ৷

🔹 আন্ডারলাইন করার জন্য কলম বা পেন্সিলের পাশাপাশি মার্কার ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিকে একপ্রকার আনন্দ দেয় এবং অধ্যয়নে মনোযোগ আনয়নে সহায়তা করে।

🔹 সবসময় নিঃশব্দে না পড়ে সশব্দেও পড়ার অভ্যাস করে নেওয়া যেতে পারে। শব্দ করে পড়লে একসাথে চোখ এবং কান দুইটি ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়। ফলে তা অন্তরে অধিকতর স্থায়ী হয়।

🔹 পড়তে বসার পূর্বে সকলপ্রকার connectivity-এর সামগ্রীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা।

🔹 পড়াকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে নিলে পড়ায় গতি বৃদ্ধি হয় এবং মনোযোগ বাড়ে।

🔹 সম্ভব হলে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাভারের বই নির্বাচন করা, কেননা তা বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। এবং বই প্রিন্ট করিয়ে নিলে সম্ভব হলে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর কাভারের সাথে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া।

🔹 প্রতিদিন রাতে পরবর্তী দিনের পড়ার রুটিন করে স্টিকি নোটে লিখে দৃশ্যমান কোনো স্থানে সেঁটে দেয়া গেলে খুব ভালো হয়।

🔹 পড়ার ক্ষেত্রে এমন পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যা নিজের তুলনামূলক সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হবে না।

🔹 পড়তে কষ্ট হলে বা কঠিন হলে দিনের একাধিক অংশে পড়া শেষ করার চেষ্টা করা।

🔹 সর্বোপরি নির্দিষ্টকৃত অংশ শেষ করার প্রাণপণ চেষ্টা করা।

🔹 কঠিন বই হলে পড়তে সময় নেয়া, কেননা তা আত্মস্থ হতে সময় লাগে। প্রয়োজনে একাধিকবার পড়া।

🔹 পঠিত বিষয় মনে রাখার জন্য তা আমলে পরিণত করা।

🔹 পঠিত বিষয়বস্তু কারো সাথে আলোচনা করা। এতে তা সহজে মনে থাকে।

[Aslaf Academy এর The Art of Reading কোর্স থেকে]

টিপসগুলো ভালো লেগে থাকলে পরিচিতজনের সাথে শেয়ার করুন। আরো এমন টিপস-ট্রিকস পেতে আসলাফ একাডেমির পেইজে চোখ রাখুন...
*দাইয়ুস:*
*যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না তাকে দাইয়ুস বলে*।
*দাইয়ুস ব্যক্তির পরিণতি সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ*

‘দাইয়ুস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না’।

নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫; সহীহুল জামেঃ ৩০৫২

*নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে যাবেন না* —
(১)মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান,
(২)পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী/নেশাদার দ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তি এবং
(৩)দাইয়ুস অর্থাৎ যে পুরুষ তার স্ত্রী-কন্যা-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেন না।।"

*নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন: "তিন ধরনের মানুষের দিকে বিচার দিবসে আল্লাহ তাআলা তাকাবেন না।* মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান, পুরুষের সদৃশ অবলম্বনকারী নারী এবং দাইয়ুস।"

— আহমাদ ২/৬৯,১২৮[৪], সুনানে নাসায়ি ২৫৬২, মিশকাতুল মাসাবিহ ৩৬৫৫, মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস নং: ২২৬