জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ
মেরাজনগর, রায়েরবাগ, ঢাকা।
পার্সেল ও প্যাকেজিং সহকারী (৫ জন)
- সেলারি ৮-১০ হাজার
- ইনভয়েস অনুযায়ী পার্সেল তৈরি
🔻
আগামীকাল ইন্টারভিউ
সিলেক্টেড হলে সরাসরি কাজে জয়েন করতে হবে।
🔻
যোগাযোগ : 01958688054
No Phone Call (Whatsapp only)
👍3
একবার এক ইসলামিক স্কলার আমাকে বলেছিলেন - জীবনে দুইটা ফিলোসোফী মেনে চলার চেষ্টা করবেন ।

প্রথমত -
কারো রিজিক নষ্ট করা যাবেনা - এটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ । এই কাজটা আমরা প্রতিনিয়তই করি । ঘুষ , সুদ , কাওকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যূত করা , বিচারে অপরাধীর পক্ষ নেয়া , ওজনে কম দিয়ে দেয়া ইত্যাদি ।

ধরুণ - এক কলিগ হিংসা বশবর্তী হয়ে আরেক কলিগের নামে বসের কাছে কিলিগ লাগিয়ে দিলো , বছর শেষে তার ইনক্রিমেন্ট/ বেতন কমে গেলো , ইনডিরেক্টলি তার শিশু সন্তানের রিজিকে আঘাত পড়লো । সেই কলিগ হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক নষ্ট করলেন - যতোই টক্কাটক্কি করেন না কেনো , নামাজ পড়ে কপালে দাগ ফালায়া দেন না কেনো - মজলুম মাফ করা না পর্যন্ত তিনি লটকে থাকবেন , ক্ষমা পাবেন না ।

দ্বিতীয়ত -
হাক্কুলাহ বা আল্লাহর হক - নামাজ, রোজা এসবের গাফিলতির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করার সর্বময় ক্ষমতা রাখেন। কারণ - এই হক আল্লাহর নিজের হক।

হাক্কুল ইবাদ নষ্ট কইরা হাক্কুল্লাহ নিয়া টানাটানি করা মানে পরীক্ষায় ০০ পাওয়া । লাভ নাই কোনো ।
ইমাম গাজ্জালীর একটা উক্তি মনে পরলো - " ময়লা কাপড়কে প্রশ্রাব দিয়া ধৌত করা আর হারাম রিজিক নিয়া আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার প্রচেষ্টা - দুটোই একই । "

সময় খুব খারাপ , সিম্পল ফিলোসফীতে থাকি , আমি বাবা এই দুইটাই মাইনা চলার চেষ্টা করি ।

হাক্কুল্লাহর চেয়েও আমার ভয় বেশি হাক্কুল ইবাদে ।
হাক্কুল্লাহ তওবা করে ম্যানেজেবল , হাক্কুল ইবাদ ম্যানেজেবল না যতোক্ষণ না মজলুম নিজে আমাকে ক্ষমা না করে ।
🔥6👍1😢1
শীতে বাড়ে হার্ট এটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি।
বিশেষ করে যাদের রিস্ক আছে আগে থেকে, তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস, মানসিক চাপ, ডিপ্রেশন!
অলস জীবন যাপন(একটানা দীর্ঘ সময় শুয়ে বসে থাকা!)- এসব বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
★আর এমন সকলকে পর্যাপ্ত পানিপান নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই শীতে একদম কম পানি খান।
★ শীতল পানি, বাতাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে- এগুলো রক্তনালীর সংকোচন বাড়িয়ে দেয়!
★আর নিয়মিত ওষুধ খেতে অলসতা করা যাবে না।
Dr. Mohidul Hasan Maruf
MBBS (Rangpur Medical)
FCPS P2 (Internal MEDICINE)
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
👍2
একজন রুচিশীল স্বামীর জন্য মেয়েদের পিওর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে সাধ্যানুযায়ী জুয়েলারি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং শালীন পোশাকই যথেষ্ট। এর বাইরে যা আছে তা ফেইক এবং প্রতারণা।
@Be A Real Man
1
#নিদ্রার নিয়ম:ঘুমের সাতকাহন!!
#ভালো ঘুম: #দীর্ঘজীবন!!

🔇 নিয়মিত কম ঘুমের সমস্যা কারনে একজন ব্যক্তির গড়ে ৬.৫ ( সাড়ে ছয়) বছর আয়ু কমে যেতে পারে!!!

#ঘুম হলো ব্রেনের কার্যকারিতা ও পরিবেশের প্রতি সাড়া দেওয়ার অক্ষমতা।

ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর তিনটি-

১) Sleep প্রেশার: ১ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ২০-৩০ মিনিট ঘুমের প্রয়োজন হয়। সে হিসাবে ১৪-১৬ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
২) দেহ ঘড়ি (Biological Clock) : ঘুমের রুটিন ঠিক করে দেয়; দেহ ঘড়ি আবার ৩ টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়;

ক) সকালে সূর্যের আলো কখন চোখ প্রবেশ করে।
খ) কখন দিনের প্রথম খাবার গ্রহন করা হয়।
গ)কখন দিনের প্রথম শারীরিক পরিশ্রম করা হয়।
৩) মেলাটোনিন হরমোন : এটাকে ঘুমের হরমোন বলে। আলোতে নিঃসরণ বন্ধ হয় ও অন্ধকারে বৃদ্ধি পায়।
মেলাটোনিন হরমোন ৩টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়।
ক) কখন অন্ধকারে মুখোমুখি হই।
খ) কখন দিনের শেষ খাবার গ্রহন করা হয়।
গ) কখন দেহের কোর টেম্পারেচার কম হয়।
মেলাটোনিন হরমোন তৈরী হওয়ার সবচেয়ে উপযোগী সময় গভীর নিদ্রা ও বেশী অন্ধকার। [যেমনটা রাত ২:০০টা]

#কাদের ঘুমের সমস্যা বেশি হয়; মনোরোগ, শারীরিক রোগ, PTSD, Stress, ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, ক্যান্সার রোগী ইত্যাদি।
মস্তিষ্ক যাদের বেশি সক্রিয় থাকে। জোর করে ঘুমাতে চেষ্টা করলে!

#সম্পর্কের মডেল : বিছানার সাথে ঘুমের যৌক্তিক সম্পর্ক আছে। বিছানায় ঘুম বাদে অন্য সকল প্রকার কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
#Cognitive model : "আমাদের প্রতি দিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন" এটা সবার জন্য সঠিক নয়! শারীরিক প্রকৃতি ও পেশাগত ধরনের উপর ভিত্তি করে ৪-৮ ঘন্টা ঘুমই যৌক্তিক। [সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক ]

🛃 যেসকল খাদ্য ও পানীয় ভালো ঘুমের অন্তরায় : চা, কফি ( ক্যাফেইন), ধুমপান ও মাদক( নেশাদ্রব্য)। মসলা যুক্ত ও গুরুপাক খাবার, অধিক রাতে ভূরিভোজনের কারনে দেহের কোর টেম্পারেচার কমতে দেরি হবে ও হজমের সমস্যার কারণে ঘুমাতে দেরী হবে।
#ভালো ঘুমের জন্য করনীয়(Sound Sleep):
🧭 নিদিষ্ট সময় ঘুম থেকে উঠে ২০ মিনিট সূর্যের আলোতে বসে থাকতে হবে এবং সূর্য ডোবার পরে ১৫ মিনিট অন্ধকারে থাকতে হবে এতে দেহ ঘড়ির কার্যকারিতা সঠিক ভাবে কাজ করবে।
📣 সন্ধ্যার পরে ১৫ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম ( ব্যায়ম) করলে রাতে ঘুমের সময় ১ ঘন্টা পিছিয়ে যাবে।
🔊 দুপুরে ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরী হবে।
📣 বেশী আলো ও Screen light Melatonin hormone নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, তাই ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘন্টা আগেই সকল প্রকার Screen ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
🌠 রাত ১০-১১ টার মধ্যে ঘুমাতে যেতে হবে! ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসলে বই পড়া, Breathing Exercise, Relaxation techniques অভ্যাস করলে, পডকাস্ট শুনলে Passively & Automatic ঘুম চলে আসবে!
🍽️ বাদাম, দুধ, কলা, তৈলাক্ত মাছ, ডিম, মধু, সাদা ভাত, আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, মিষ্টি আলু ( ঘুমের মাসি) ইত্যাদি। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ম্যাগনেসিয়াম ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক!।
Collected
শীতের সময় পানি কম খাওয়া হয়।
সেজন্য বহু শারিরীক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেমন : কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, সেটা থেকে পাইলস ফিসার হতে পারে!!
পানিস্বল্পতার জন্য রক্তরস কমে যায়, প্রেসার কমতে পারে, আপ-ডাউন হতে পারে, তাতে হার্ট এটাক, স্ট্রোক করার রিস্ক থাকে অনেকটাই। যাদের আগে থেকে রিস্ক আছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে, একবার হুয়ে গেলে আর আগের মতো ভালো হবে না!!!
আবার ত্বক রুক্ষ, মলিন হয়ে যায়।
বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এর কার্যক্রমের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে।
এমনকি পুরুষদের পুরুষত্বে প্রভাব পরতে পারে!!
তাই প্রাপ্ত বয়স্ক এভারেজ ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তিকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ১০ গ্লাস পানিপান করতে হবে।

Dr. Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS mid. (Internal Medicine)
Experienced in Skin, problem
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
👍1😱1
‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ১৭তম ব্যাচের ভর্তি সার্কুলার
আপনার ক্যারিয়ারকে উন্নত করতে আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ১৭তম ব্যাচে ভর্তি হতে আজই আবেদন করুন!
আবেদনের যোগ্যতা:
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/আলিম/সানাবিয়া তদূর্ধ্ব
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর
কোর্সের ধরন: আবাসিক
ক্যাটাগরি: পুরুষ
কোর্সের বিষয়:
১. মাইক্রোসফট অফিস
২. প্র‍্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
৩. গ্রাফিক ডিজাইন
৪. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৫. জেনারেটিভ এআই টুলস
৬. প্র‍্যাক্টিকাল ইংলিশ
৭. মৌলিক দীনি জ্ঞান
উল্লেখ্য, ১ম দিন থেকে প্রত্যেকেই এই ৭ টি সাবজেক্টের উপর ক্লাস করবেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম ৩০ দিনের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে দুইটি আলাদা গ্রুপে ভাগ করা হবে। যা গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপ এবং অ্যাকাউন্টিং গ্রুপ নামে পরিচিত। বাকি ৬০ দিন এই পৃথক গ্রুপে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাবেন।
গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. গ্রাফিক ডিজাইন
২. প্র‍্যাক্টিকাল ইংলিশ
৩. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
অ্যাকাউন্টিং গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. প্র‍্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
২. মাইক্রোসফট এডভান্সড এক্সেল
৩. প্র‍্যাক্টিকাল ইংলিশ
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
কোর্স ফি এবং আবাসন:
ভর্তি ফি: ১০,০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
আবাসন ও প্রশিক্ষণ ফি: ৫০,০০০ টাকা (৫০ হাজার টাকা থেকে আর্থিক অসচ্ছলতা প্রমাণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০০% স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি সবাইকে দিতে হবে।)
উল্লেখ্য, ভর্তি হওয়ার পর কোর্স সম্পন্ন না করলে পুরো কোর্স ফি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
ভর্তির সময়সূচী:
আবেদন শুরু: ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আবেদন শেষ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
অনলাইন পরীক্ষা ও ফলাফল: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ (শনিবার)
ওরিয়েন্টেশন ক্লাস শুরু: ১ জানুয়ারি ২০২৫ (সম্ভাব্য)
আবেদন প্রক্রিয়া:
১. গুগল ফর্ম পূরণ করে অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
২. অনলাইন পরীক্ষার লিংক ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বারে পাঠানো হবে।
৩. অনলাইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার জন্য ইনস্টিটিউটে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে হবে।
অনলাইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংলিশ ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. সাধারণ জ্ঞান (গুগল অথবা কারেন্ট অ্যাফায়ার্স ইত্যাদির সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৩. ইসলামি সাধারণ জ্ঞান। (গুগল অথবা বিভিন্ন বইয়ের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংরেজি ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. বেসিক ইংলিশ।
৩. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. ভাইভার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।
আবেদন করতে নিচের লিংক ব্যবহার করুন:
https://forms.gle/uFUtYBLAprs9JDnv7
ভোকাবুলারি লিংক:
https://drive.google.com/.../1j9LgMimFPpuVeXKnr7o.../view...
সার্বিক যোগাযোগ:
01409979967
ঠিকানা: ঢাকা, উত্তর বাড্ডা, আলী নগর গেট
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এই ব্যতিক্রমী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে আপনার ভবিষ্যত ক্যারিয়ারকে সাফল্যের পথে পরিচালিত করুন।
সবার জন্য শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
👍3👎1
ইতালির সরকারি স্পন্সর ভিসা 🇮🇹
আবেদনের বিষয়ে জরুরি তথ্য:


১। শুধুমাত্র ইতালিতে বসবাসরত নিয়োগকারী/মালিক তাঁর জন্য নির্ধারিত SPID (Public Digital Identity System) ইমেইল থেকে যাকে তিনি নিয়োগ করতে চান তার নাম, পাসপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে ইতালির স্থানীয় Prefettura (স্থানীয় প্রশাসনিক অফিস)-তে ছাড়পত্রের (Nulla Osta) জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদনের জন্য নিয়োগকারী/মালিকের ব্যয় ১৬ (ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ২১৫০/- (একুশ শত) টাকার বেশী নয়। তবে আবেদন দাখিলের জন্য ইতালির কোন হেল্প ডেস্ক এর সহায়তা নিলে তার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ একটি ফি পরিশোধ করতে হতে পারে যা ক্ষেত্র বিশেষে ৫০-১০০ (পঞ্চাশ থেকে একশত) ইউরো হতে পারে। আবেদনের জন্য এছাড়া আর কোন খরচ নেই।এছাড়া সরকারি ভাবে আবেদনকারী ব্যক্তি কে অবশ্যই ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ৬,০০,০০০/-(৬লক্ষ টাকার বেশি নয়) ফিক্সড ডিপোজিট করতে হবে যা আবেদনকারী কে ইতালির সরকারি মেইল (italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com) এর মাধ্যমে সমস্ত তথ্য দেওয়া হবে এবং যা ইতালিতে আসার ৭মাস পরে আবেদনকারী ফেরত পাবে।ফিক্সড ডিপোজিট করার সুবাদে সরকারি ভাবে আবেদন করা ব্যক্তি ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো এর বিনিময়ে ৭০০০(ঘোল) ইউরো ফেরত পাবেন।

২। নিয়োগকারী/মালিকের আয় ও অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনা করে যোগ্য বিবেচিত হলে যে ব্যক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে Prefettura হতে তার নামে Nulla Osta ইস্যু করা হবে। এই Nulla Osta টি বাংলাদেশে ঐ ব্যক্তির নিকট প্রেরণ করা হবে।

৩। যার নামে Nulla Osta ইস্যু হয়েছে তিনি এই Nulla Osta নিয়ে ঢাকাস্থ ইতালিয়ান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করবেন।

৪। ভিসা নিয়ে ইতালিতে এসে নিয়োগকারী/মালিকের সাথে যোগাযোগ করে Prefettura-তে গিয়ে কাজের চুক্তি সম্পাদন করবেন এবং Permesso di Soggiorno (ওয়ার্ক পারমিট) এর জন্য আবেদন করবেন।

৫। কাজের চুক্তি না করলে এবং সোজ্য না পেলে শুরু থেকেই ঐ ব্যক্তি অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

৬। বিশেষভাবে উল্লেখ্যঃ

■ যার আবেদন আগে দাখিল করা হবে, তার আবেদন আগে বিবেচনা করা হবে।

■ যদি আবেদনকারী ব্যাক্তির ভিসা না হয় তাহলে আবেদন করার সময় হতে ১৩মাস ভিসা সময় বাদে সর্বোচ্চ ১৮০দিন বা ৬মাসে টাকা ফেরত দিবে এম্বাসি।

■ইতালি আবেদন এর ফিক্সড ডিপোজিট এর টাকা নিতে অবশ্যই আপনাকে আপনার জিমেইল এ প্রেরিত একাউন্ট নাম্বার,পিন নাম্বার,আপনার পাসপোর্ট এর সিরিয়াল নান্বার উল্লেখ করে এম্বাসিতে italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com মেইল করে আবেদন করতে হবে।

■ নন-সিজনাল (স্পন্সর) ভিসার মেয়াদ-সর্বোচ্চ ০২ (দুই) বছর তবে তা পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা যেতে পারে। নন-সিজনাল ভিসার সংখ্যা-২,৭০,৭০০টি। এগুলোও দেয়া হবে EU-র বাইরের ৩১ (একত্রিশ) টি দেশ থেকে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ফুসি ডিক্রির আওতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

ইতালিয় নিয়োগকারী এবং আগ্রহী কর্মীর এক্ষেত্রে দূতাবাসের কোন ভূমিকা নেই।

বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম, ইতালি।
👍2
বৃদ্ধ বয়সে একজন মানুষের ন্যূনতম প্রয়োজনগুলো শারীরিক, মানসিক, এবং সামাজিক দিক থেকে পূরণ করা জরুরি। এগুলো হলো:

### ১. শারীরিক প্রয়োজন
- স্বাস্থ্যসেবা: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ওষুধ, এবং চিকিৎসার সহজলভ্যতা।
- পুষ্টিকর খাবার: সুষম ও সহজপাচ্য খাদ্য।
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: আরামদায়ক শয্যা এবং নিরব পরিবেশ।
- সুরক্ষা: দুর্ঘটনা বা পতন এড়ানোর জন্য নিরাপদ পরিবেশ।

### ২. মানসিক প্রয়োজন
- সম্মান ও যত্ন: পরিবারের কাছ থেকে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।
- মানসিক স্বস্তি: উদ্বেগমুক্ত জীবন এবং আর্থিক নিরাপত্তা।
- আনন্দ: ভালো বই পড়া, প্রিয় শখ চর্চা করা, বা ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।

### ৩. সামাজিক প্রয়োজন
- পরিবারের সান্নিধ্য: একাকীত্ব কাটানোর জন্য পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
- বন্ধু ও সামাজিক সংযোগ: সমবয়সী মানুষের সঙ্গে মেলামেশা।
- সহায়তা ও পরিষেবা: প্রয়োজনে কাউকে পাশে পাওয়া।

### ৪. আর্থিক প্রয়োজন
- নিরাপত্তা: মাসিক আয়ের ব্যবস্থা বা পেনশন।
- জীবনযাত্রার খরচ: দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ।

বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, একজন মানুষের ভালো থাকা নিশ্চিত করা, যা মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার মাধ্যমে আসে।
ভালো জব পেতে যা যা যোগ্যতা লাগবে:
১. ভালো রেজাল্ট
২. ইংলিশ এবং বাংলাতে ড্রাফটিং -এ দক্ষতা
৩. শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা এবং ইংলিশ এ অনর্গল কথা বলার দক্ষতা
৪. কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চালানো এবং পরিচালন দক্ষতা
৫. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা
৬. বর্তমান বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা
৭. চাকরির পরীক্ষায় লিখিত এবং ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একাডেমিক এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ব্যাপক দক্ষতা রাখা
৮. সর্বোপরি একজন প্রকৃত মানুষের যে সমস্ত মানবীয় গুণাবলী আছে সে সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা।
৯.যোগাযোগ দক্ষতা
১০. জব সম্পর্কিত ওয়েবসাইট দেখা এবং নিয়মিত পত্রিকা পড়া
উপরোক্ত ১০টি বিষয় আপনার মধ্যে আছে কিনা সেটা যাচাই করুন। না থাকলে তা অর্জন করুন। অন্যথায় জব পাওয়া কঠিন হবে। ধন্যবাদ।a
3👍2
❝নিজেকে ধাপে ধাপে পরিবর্তন করুন❞

▧ টাস্কঃ ১

ঈমানকে দৃঢ় রাখতে চেষ্টা করুন।
সকল প্রকার ছোট শিরক, বড় শিরককে না বলুন।
আল্লাহ ছাড়া আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে ভরসা করবেন না।
একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবেন।

▧ টাস্কঃ ২

৫ ওয়াক্ত নামাজ কন্টিনিউ করুন।
সাথে ১২ রাকাত সুন্নত পড়তেই হবে। কোনভাবেই মিস দিবেন না।

▧ টাস্কঃ ৩

হারাম বর্জন করুন।
গান-বাজনা, নাটক, মুভি ইত্যাদি।
হারামে লিপ্ত থাকলে ইবাদত কবুল হয় না।

▧ টাস্কঃ ৪

গীবত, পরনিন্দা, অহংকার এই তিনটি জিনিস আপনার ব্যক্তিসত্ত্বা থেকে উপড়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন, গীবত আপনার তাহাজ্জুদ ছিনিয়ে নেবে, যার নামে গীবত করবেন সে অনায়াসে সে আপনার নফল ইবাদত নিয়ে নেবে। তাই দরকার কী?
এতো কষ্ট করে ইবাদত করেন সামান্য জিনিসের জন্য সেটা বিফলে যাবে। জবানের হিফাজত করুন।
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন।

▧ টাস্কঃ ৫

আপনার বন্ধু মহলে খারাপ কেউ থাকলে সাময়িক সময়ের জন্য বিরতি নিন।
কিছু সময় একা থাকুন।
বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করুন।
নামাজে সিজদাহকে দীর্ঘ করুন।
এতে রবের সাথে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হবে।

▧ টাস্কঃ ৬

৫ ওয়াক্ত নামাজের পর অন্তত ৫ আয়াত হলেও কুরআন পড়বেন।
সাথে ৫ আয়াতের অর্থও পড়বেন।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দিন।
কুরআন আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে ১০০%!

▧ টাস্কঃ ৭

মেয়েরা প্রোপারলি পর্দা করার চেষ্টা করবেন।
কোন রকম গায়রে মাহরামের সামনে যেতে পারবেন না, আকর্ষণীয় কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন না।

▧ টাস্কঃ ৮

ফোন থেকে এক ক্লিকেই গান, মুভি, সিনেমা ডিলেট করে দিন।

▧ টাস্কঃ ৯

প্রতিদিন ৫ বার আজানের জবাব দেয়া। আজানের জবাবের মধ্যে অফুরন্ত ফজিলত রয়েছে।
মাত্র ২/৩ মিনিটে এই আমলটি করে নেবেন।

▧ টাস্কঃ ১০

প্রতিদিন ১০০ বার করে

১. সুবহানাল্লাহ
২. আলহামদুলিল্লাহ
৩. আল্লাহু আকবার
৪. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
৫. আস্তাগফিরুল্লাহ
৬. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী
৭. সুবহানাল্লাহিল আজিম পড়া।

আল্লাহর পছন্দের বাক্যগুলা বেশি বেশি পড়া।

▧ টাস্কঃ ১১

এইবার নতুন কিছু শুরু হোক।
এশার সালাত আদায় করে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া।
তাহাজ্জুদের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।
দ্রুত ঘুমালে তাহাজ্জুদের জন্য নিজ থেকেই জেগে উঠতে পারবেন।
আর দেখবেন যেন অলৌকিক ভাবেই উঠছেন।

▧ টাস্কঃ ১২

প্রতিদিন সকালে একবার
বিকেলে একবার "সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার" পড়ুন।

▧ টাস্কঃ ১৩

যতবারই কোন না কোন ভুল করবেন ততবারই তাওবা করবেন।
আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন।
#আল্লাহ তায়ালা সকলকে আমাল করার তৌফিক দান করুন ( আমিন)
[পোস্টঃ সংগৃহীত ]
3
সময় বাঁচানোর শতভাগ কার্যকর কৌশল!

বর্তমান প্রজন্মের বড় একটা সমস্যা হলো যে তারা এতো বেশি আর ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে যে, প্রায়ই দেখা যায় কোন না কোন কাজ করার জন্যে সময় জোগাড় করাই যায় না। শুধু সেটাই না, এই কাজগুলো আর পরে করার সময় পাওয়া যায় না। ডেডলাইন মিস হয়, জমা হয় আক্ষেপ।

পরমুহূর্তেই আবার নতুন নতুন ডেডলাইন আসে, নতুন কাজের নিচে চাপা পড়ে যায় না করা কাজগুলো। এভাবে একবার না করা কাজগুলো আর কোনদিনই করা হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততা সেগুলোয় আর হাত দিতে দেয় না, একসময় ফুরিয়ে যায় তার প্রয়োজনীয়তা।


আমারও ঠিক এরকমই হতো কাজ করার সময়। একগাদা কাজের ভীড়ে পুরনো কাজ খুঁজে পেতাম না, সেগুলো আসলেই আর করা হতো না কোনদিনই। এরকম সময়ে সন্ধান পেলাম দারুণ একটা ট্রিকের। এটাকে বলা হয় Time hack! খুব বেশি সাধারণ এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করার পর থেকে সময়ের কাজ সময়ে করে ডেডলাইন পার করতে আর কোন অসুবিধা হয় নি আমার। আরামসে করে ফেলেছি সব কাজ!

এই পদ্ধতিটা কয়েক ধাপে করে এগোতে হয়। সবগুলো ধাপ শেষ করার পর দেখবে যেকোন ডেডলাইনের আগেই তোমার কাজ প্রস্তুত! দেখে নাও সে ধাপগুলি:

ধাপ ১:
প্রথমেই তোমাকে কাগজে একটা লিস্ট করতে হবে। লিস্টে থাকবে পরের দিন যেই কাজগুলো করবে, সেগুলোর নাম আর বিবরণ। এই কাজটা করতে হবে ঘুমাতে যাবার ঠিক আগে, কারণ তাতে নতুন কোন কাজ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।

তোমার হয়তো মনে হবে, কাজ লিস্টে লিখে কী লাভ, এমনিতেই তো মনে থাকে! সত্যিটা হলো, এগুলো আসলে মনে থাকে না। ঠিক যেমন ক্লাসের পড়ার নোট না নিলে দুই দিন পর ক্লাসে কী হয়েছে সেটা আর মনে থাকে না, কাজের ক্ষেত্রেও তাই। এজন্যেই লিস্টে স্পেসিফিক করে সবগুলো কাজের নাম লিখতে হবে।

ধাপ ২:
দিনের শুরু থেকেই লিস্টের কাজ একে একে শেষ করতে হবে। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে, দিনের শুরু হলেই আমাদের নিজের কাজ বাদে অন্য কিছু করতে ইচ্ছা করে, কারো হয়ত ইউটিউবে গান শুনতে ইচ্ছা করে, কারো একটু ফেসবুকিং করতে। কিন্তু এগুলো করার আগে লিস্টের কাজ শেষ করার দিকে মন দিতে হবে। লিস্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যাই নেই, কিন্তু শেষ করার আগে অপ্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ না করাই ভালো।


ধাপ ৩:
এক একটা কাজ শেষ করবে, এবং তারপর সেগুলো এক এক করে কেটে দিবে। হ্যাঁ, তোমার মনে হতে পারে কাজ শেষ হলে সেটা তো মনেই থাকবে, কাটার কি দরকার। কিন্তু এই যে একটা কাজ শেষ করে কেটে দিলে যে একরকম বিজয়ের আনন্দ মেলে, এটা আর কোথাও পাবে না তুমি। তাই কাজ শেষ করা মাত্র সবগুলো কেটে দেবে।

ধাপ ৪:
সবগুলো কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে প্রতিদিন। হ্যাঁ, তোমার হয়তো অনেক ব্যস্ততা থাকতে পারে, অন্য কিছুতে তুমি ব্যস্ত থাকতেই পারো, কিন্তু লিস্টের কাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই চেষ্টা করবে দিনের কাজ সব দিনেই শেষ করে ফেলতে।

ধাপ ৫:
এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার যে তুমি প্রতিদিন লিস্টের সব কাজ শেষ করতে পারবে না। বিভিন্ন বিচিত্র কারণে তুমি দেখা গেলো আটকে গেলে, লিস্টের কাজ শেষ হলো না। তাহলে উপায়?

সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো

উপায় অতি সহজ। যেদিন লিস্টের কাজ শেষ হবে না কিন্তু দিন ফুরিয়ে যাবে, তুমি সেদিন বাদ পড়া কাজগুলোকে পরের দিনের লিস্টে লিখে ফেলবে! তাহলেই বাদ গেলেও বন্ধ হবে না কাজ, পরের দিন করা হবে সেই কাজটি!

ধাপ ৬:
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো। এতে একটা উপকার হবে; লিস্টের কাজগুলো সব করা হয়েছে কিনা, সেটার Double check করে নিতে পারবে এর মাধ্যমে। বলা যায় না, অসাবধানে কোন কাজ না করা হয়ে গেলে এই লিস্টে সেটা ধরা পড়বেই!

ধাপ ৭:
মানুষের ব্যস্ততা সবসময় একরকম থাকে না। জীবনে এমনও সময় আসতে পারে, যখন কাজের চাপ এত বেশি বড় হয় যে লিস্ট করেও কুলিয়ে ওঠা যায় না। এরকম সময়ে লিস্ট বাড়িয়ে ফেলতে হয়। বিশাল বড় একটা লিস্ট, সেখানে সব কাজ থাকবে। তাহলেই যত বেশি কাজই হোক না কেন, সামলে নেয়া সম্ভব হবে।


সময়কে হার মানানো খুব বেশি সহজ কাজ নয়। কিন্তু নিয়মিত একটা সময় ধরে কাজ করলে যেকোন কাজ শেষ করাটা আর কোন সমস্যাই নয়!
1
প্রেমিকার উচিত প্রেমিক এর কাছে এটা সেটা গিফট না চেয়ে প্রেমিক এর 'শার্ট বা টিশার্ট' গিফট চাওয়া!
আবদার এর সুরে বলবে 'তোমার ইউজ করা কোন শার্ট বা টিশার্ট আমাকে দিবা প্লিজ? শার্টে তোমার ইউজ করা পারফিউম এর ঘ্রান যাতে থাকে!'

গিফট পাওয়ার পর মেয়েটা সেটা পড়বে আর একটু পর পর আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখবে,নাকের কাছে নিয়ে পারফিউম এর ঘ্রান নিবে!
শার্ট পড়ে ছবি তুলে প্রেমিক কে দেখাবে! ছবি পাঠিয়ে বলবে 'দেখছো? তোমার শার্টে তোমার চেয়ে আমাকেই বেশি সুন্দর লাগে!'

এই ব্যাপার গুলা কেনো জানি মারাত্নক ভালো লাগে আমার! 🖤
1
ছেলে-মেয়ে দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-

মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে-

১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?

২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপর-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়। খানা কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।

৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?

৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।

৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?

তখন সেখানে উপস্থিত এক বৃদ্ধ বললেন, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে কী দেখব?

বললাম,এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-

১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?

২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?

৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?

৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?

৫. বাসায় কখন ফেরে?

৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।

৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?
.
লিখা: আহমাদ ইউসুফ শরীফ (হাফি.)

(নোট: অনেকেই বিয়ের কথাবার্তা আগানোর ক্ষেত্রে কেমন প্রশ্ন করা উচিৎ বলে জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আশা করি তাদের ক্ষেত্রে কাজে আসবে।)

* এডমিন চাইলে পোস্ট ডিলিট করতে পারেন। *
1
কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) :
একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন একজন ব্যক্তি সহজে মলত্যাগ করতে সক্ষম হন না। সাধারণত দুই-তিন দিন পরপর মলত্যাগের বেগ হওয়া এবং শুষ্ক ও কঠিন মল নিষ্কাশন কোষ্ঠকাঠিন্য বলে পরিচিত।

কারণ কি হতে পারে?
১. physiological -
. কম পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার গ্রহণ করা
.কম পনি পান করা

২. pathological (রোগ সংক্রান্ত)-
.IBS (Irritable Bowel Syndrome)
.IBD (Inflammatory Bowel Disease)
.Colon carcinoma
. Diverticulitis
.Stroke
. Hypothyroidism
. Diabetes
.Multiple sclerosis
.Parkinson disease
.some drugs-Calcium,iron, aluminium containing antacids

Tazkia Ferdous
MBBS(5th year)
Moderator of 20 minute medical

আমরা এখন পুরোদমে active আমাদের fb group👉 20 Minute Medical (2)
1
আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বি.)-এর ছেলে একদিন তার বাবাকে বললেন, “আব্বা, আমার লুঙ্গী ছিড়ে গেছে। নতুন লুঙ্গী লাগবে।” আব্দুল্লাহ ইবনু উমার বললেন, “ওটা সেলাই করে পরো।”
.
কিন্তু বাবার কথাটা ছেলের পছন্দ হলো না। তখন আব্দুল্লাহ (রাদ্বি.) বললেন, “আল্লাহকে ভয় করো। ঐসব লোকদের মতো হয়ো না, যাদের ২৪ ঘণ্টা কাটে খাবারদাবার আর পোশাক আশাকের চিন্তায়।”
.
সূত্র: সিফাতুস সাফওয়া, ১/২৯৩
👍1
১) নিজেকে ভ্যালু করা শুরু করুন

২) অবশ্যই বই পড়ার অভ্যাস করুন (নিজের অজান্তেই চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হবে)

৩)বাচ্চাদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। দুষ্টামি করছে হুট করে একটা ধমক দিয়ে দিলেন বা রাগ দেখালেন, তা পরিহার করে আদরের সাথে ট্রিট করুন।

৪) ধর্মীয় গোড়ামি, মিসোজনি, ফেমিনিসম হেট করা এগুলো বাদ দিন এবং সবার সামনে প্রকাশ করবেননা
। একটা শ্রেণীর মানুষের কাছে হয়তো আপনি পছন্দের হবেন কিন্তু সবার কাছে না।

৫) সালাম দিন( ছোট বড় উভয়কেই)

৬) যদি ছেলে হন অবশ্যই মেয়েদেরকে সম্মান করুন। Women ,alpha male এগুলো মন থেকেই পরিহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব ট্রেন্ডি লাগল বাস্তব জীবনে এমন মানুষদেরকে পছন্দ করেনা। আর যদি মেয়ে হন পুরুষ বিদ্বেষী হাওয়া পরিহার করুন। কারণ ছেলে মেয়ে দুজনই সম্মানের মানুষ।

৭) নিম্ন শ্রেণীর মানুষ - রিক্সাওয়ালা, বুয়া, দারোয়ান এদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন কিন্তু বন্ধুত্ব করতে যাবেন না। অনেকে অতিরিক্ত আদিখ্যেতা দেখাতে গিয়ে তাদেরকে মাথায় তুলে ফেলে এটা করবেন না তবে তাদের সম্মান করুন।

৮) দায়িত্ব নিন। হোক ফ্রেন্ডশিপে, আত্মীয়-স্বজনে, ফ্যামিলিতে। একজন দায়িত্ববান মানুষকে সবাই পছন্দ করে।

৯) বিভিন্ন জিনিস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। হোক রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ইতিহাস যে কোন কিছু। তবে জানেন বলে অহংকার করবেন না।

১০) যেকোনো প্রতিষ্ঠান থেকে পড়েন না কেন ইনস্টিটিউশনাল প্রাইড' ব্যাপারটি এড়িয়ে চলুন।

১১) জামা কাপড় দামী হতে হবে না। তবে পরিষ্কার এবং ডিসেন্ট জামা কাপড় পরবেন। লুক অবশ্যই ম্যাটার করে।

১২) be yourself এর চিন্তাভাবনা বাদ দিন। প্রতিদিন সময়ের সাথে নিজেকে পরিবর্তন করতে শিখুন।

১৩) যেকোনো ধর্মেরই হোক না কেন হতেই পারে আপনি ধর্ম মেনে চলেন না। সেক্ষেত্রে যেহেতু আমাদের মানুষের ধর্মীয় আবেগ বেশি' তাই ধর্মীয় সম্মানটা বজায় রাখুন।

১৪) সোশ্যাল মিডিয়ার যা তা ট্রেন্ডি টপিককে নিজের গা ভাসাবেন না। এগুলো খুবই লিমিটেড সময়ের জন্য। আমরা অনেকেই মনে করি ফেসবুকইতো যা তাই শেয়ার দিয়ে বসি। অবশ্যই নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে Decency ' মেনটেইন করবেন। সবাই আপনাকে সরাসরি দেখবে না কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে অবশ্যই জাজ করবে।

১৫) না জেনে কথা বলবেন না। Try to be an understanding person,and a person who takes stand for others' আমাদের মধ্যে অনেকেই আমরা দেখি যারা উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। সরাসরি কিছু না বলতে পারলেও আমরা মনে মনে তাদের ঠিকি কিছুনা কিছু বলি। চেষ্টা করবেন কমন সেন্স দিয়ে উচিত কথা বলার

১৬) সুযোগ পেলে একটা কথা শুনিয়ে দিলাম। এটা বাদ দিন। অবশ্যই অবশ্যই মানুষকে সম্মান দিন। আপনার উচ্চপদস্থ কারো কাছে গেলেন সে যেভাবে আপনাকে সম্মান দিলে আপনার ভালো লাগবে। ঠিক সেটাই আপনি মানুষকে ফিরিয়ে দিন।
2
সবচেয়ে বেশি পরপুরুষের সমাগম হয় : বিয়ের অনুষ্ঠানে।

আর সে বিয়েতেই আপনি আপনার স্ত্রী আর মেয়েকে সবচেয়ে সুন্দরতম উপায়ে প্রদর্শন করে নিয়ে যান কী উদ্দেশ্যে?!

নিজের সম্পদ আর জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যমকে সাজ-গোজ করিয়ে কাকে দেখাতে নিয়ে যান?!

উত্তর আছে?!
বাউবি এসএসসি (SSC) প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হলে...

১. আপনার অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালের মধ্যে জন্ম তারিখ থাকতে হবে জন্ম নিবন্ধন অথবা ভোটার আইডি কার্ডে।

২. জেএসসি (JSC) সার্টিফিকেট অথবা সমমান সার্টিফিকেট থাকলেই ভর্তি হতে পারবেন।

৩. এর কোনোটা না থাকলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে নবম (৯ম) শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া।

নোটঃ ১ অথবা ২ নাম্বার এর যদি হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি ভর্তি আবেদন চলাকালীন ভর্তি হতে পারবেন নতুবা ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।
revive_your_sexlife
ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেই যে ফোনের স্ক্রিনে বন্দী হই আমরা, তারপর আর খবর নেই।
স্লিপ সাইকেল বদলে যাওয়ার সমস্যাটা কি??
আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন, হরমোনাল সিক্রেশন, এনজাইম এক্টিভেশন এমনকি অনেক জিন এক্সপ্রেশন পুরোপুরি নির্ভরশীল আমাদের স্লিপ সাইকেলের ওপর। স্লিপ সাইকেল ড্যামেজড মানে, আপনার শরীরকে সমস্ত সিদ্ধান্ত নতুন করে নিতে হয়। কখন সে খাবার হজম করবে, কখন সে হার্টবিট বাড়াবে, কখন হার্টবিট কমাবে, কখন ব্রেইন রেস্ট নেবে, কখন লিভার ফাংশন বাড়বে, কখন শরীরের ড্যামেজ রিপেয়ার করা হবে, সব কিছু।
ড. শচীন পান্ডা তার বিখ্যাত বই দ্যা সার্কাডিয়ান কোডে দেখিয়েছেন, আমাদের শরীর একই সময়ে অনেকগুলি কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারে না। শরীরের নিজস্ব কাজের ছন্দ ও বিন্যাস আছে, রুটিন আছে। আপনি রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত যদি মাত্র তিন ঘন্টা জেগে থাকেন, আপনার শরীর রাতের বেলার শিফট ওয়ার্কারদের মত কাজ করতে শুরু করবে। সকালের যে সময়টা আপনার শরীর সুপারচার্জড হওয়ার কথা, সে সময়ে আপনি মরার মত ঘুমাবেন। তবু, আপনার শরীর আর কখনোই সুপারচার্জড হবে না, হয়তো ৬০-৭০% পর্যন্ত হয়।
তো, এর সাথে সেক্সের সম্পর্ক কি??
পুরুষের ন্যাচারাল সেক্সুয়াল আর্জ সাইকেল সবচেয়ে বেশি এক্টিভ থাকে সকালে, সম্ভবত যেকোন পুরুষই ব্যাপারটা জানেন। কিন্তু কখনো চিন্তা করে দেখেছেন, কেন এটা ঘটে??
কারন, আপনার বডি এক্সপেক্ট করে, আপনি রাত ৯টা-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বেন, জাগবেন রাত ২টার পরে কোন এক সময়, তারপর আরেক দফা ঘুম হবে আপনার।
আপনি দিন শুরু করবেন ৬-৮টার মধ্যেকার কোন এক সময়ে। এই যে লম্বা একটা রিফ্রেশমেন্ট, মূলত এরপরেই কিন্তু পুরুষদের শরীর শক্তিশালী লিবিডো লাভ করে।
এখন, যদি আপনি এই রিফ্রেশমেন্ট না পান, আপনার লিবিডো ভাল হবে কি করে?? তার ওপর, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যদি এক ঘন্টা পর অফিসে যাবার তাড়া থাকে, It would be quiet impossible to have sex even at the strongest point of your libido.
আমাদের অনেকের আবার অভ্যাস আছে অফিস শেষ করে বসের পেছনে দু-তিন ঘন্টা সময় দেয়ার। ফলে আমরা বাসায় ফিরতে দেরি করি, রাতের মিল নিতে দেরি করি, এরপর ফোন চাপাচাপি করে ঘুমোতে দেরি করি। স্ত্রীর সাথে যোগাযোগের সময় এত ক্ষীন হয়ে আসে যে সেক্সের ব্যাপারটা আমাদের মাথাতেই থাকে না, বরঞ্চ চোখে নেমে আসে রাজ্যের ঘুম।
কিন্তু, এখানে আমরা দুটো ভুল করি।
১)বসকে তেল দেয়ার বিনিময়ে আমরা ঘুম স্যাক্রিফাইস করি, যা আমাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কমায়। ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো পরিচালিত এক গবেষনায় পুরুষদের দুটো দলকে দিনে যথাক্রমে চার ও আট ঘন্টা ঘুমাতে দেয়া হয়। এরপর তারা ঘুম থেকে ওঠার পর তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল মাপা হয় এবং দেখা যায়, যারা আট ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল চার ঘন্টা ঘুমানোদের চেয়ে ১২% বেড়েছে। এই গবেষনা হয়েছিল মাত্র ৯ দিনের জন্য, ১২ জন ৬৪-৭৪ বছর বয়সী পুরুষের জন্য। এখন, ফ্রি টেস্টোস্টেরন লেভেলের যদি ৯ দিনে এতখানি তফাত ঘটে তাহলে ১০ বছরে কতটা তফাত হতে পারে, ভাবুন।
২)বসকে তেল দিতে গিয়ে আমরা স্ত্রীর সাথে সময় কাটানোটা মিস করি। সেক্ষেত্রে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক শিথিল হয়ে পড়ে, যার ফল দেখা যায় বিছানায়। সেক্সের সময় স্বামীরা স্ত্রীদের সাথে মানসিকভাবে একাত্ম হতে ব্যর্থ হন, ফলে কেউ না কেউ অতৃপ্ত থেকে যান। আর যদি ওয়ার্কিং ডে তে সেক্স না হয়(যা বেশি কমন), সেক্ষেত্রে এটা আবার আমাদের ঘুমকে নষ্ট করে। যেকোন মানুষই কোয়ালিটি সেক্সের পর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন। পুরুষদের অর্গাজম নারীদের চেয়ে বেশি হয়, ফলে পুরুষদের ঘুমও বেশি হয়। যেসব নারীদের অর্গাজম হয় তাদের ঘুমও অত্যন্ত জোরদার হয়। যদি আপনি সেক্স না করেন, বা কোয়ালিটি সেক্স না করেন, আপনার ঘুম হবে স্বাভাবিকের চেয়ে পাতলা।
👍2