দীর্ঘদিন একসাথে থাকার ফলে, প্রত্যেক সম্পর্কই 'একঘেয়ে' হয়ে যায়। প্রেম শুধুমাত্র আবেগ নয়, এটি কমিটমেন্ট— শারিরীক ও মানসিকভাবে যথাসম্ভব কাছাকাছি থাকার কমিটমেন্ট। কিন্তু এ কঠিন; একই মানুষের সাথে সর্বদা হাসিখুশি থাকা, খুনসুটি করা, শারিরীক উপভোগ, ভীষণ কঠিন। এসবে ঘাটতি আসেই। এবং ঘাটতি এলেই, মানুষ অন্য কাউকে সন্ধান করে, অন্য কারও প্রতি মুগ্ধ হয়ে পড়ে। প্রেমের প্রাথমিক সেই ঝলকানি, পুনরায় খুঁজতে থাকে।
না, এভাবে সম্পর্ক হয় না, আগায় না।
সম্পর্ক হলো— সেই মানুষের সন্ধান ও তাকে পাওয়া, যে ছেড়ে যাবে না; ভোগ নয় উপভোগ করবে, শরীর, মন, রূপ, খুঁত, সবকিছুই।
এজন্য— পাল্টাতে হয়, মানুষকে নয়, অভ্যাসকে, আচরণকে। সে'ক্স পজিশন পাল্টাতে হয়, রুচি পাল্টাতে হয়, আবেগ পাল্টাতে হয়, গান পাল্টাতে হয়, স্পর্শ পাল্টাতে হয়, আচরণ পাল্টাতে হয়। ঠোঁটে চুমু একঘেয়ে হয়ে আসে, ক্লিভেজে চুমু শিখতে হয়; রোজকার সালোয়ারকামিজে মুগ্ধতা ফুরোয়, কোমর-চাপা শাড়িতে মুগ্ধ করতে হয়।
ভালোবাসা ফুরাতে না-দেওয়াটাই ভালোবাসা।
🖋️ Sala uddin Ahmed jewel
#picklescomics #everyone #everyonefollowers
না, এভাবে সম্পর্ক হয় না, আগায় না।
সম্পর্ক হলো— সেই মানুষের সন্ধান ও তাকে পাওয়া, যে ছেড়ে যাবে না; ভোগ নয় উপভোগ করবে, শরীর, মন, রূপ, খুঁত, সবকিছুই।
এজন্য— পাল্টাতে হয়, মানুষকে নয়, অভ্যাসকে, আচরণকে। সে'ক্স পজিশন পাল্টাতে হয়, রুচি পাল্টাতে হয়, আবেগ পাল্টাতে হয়, গান পাল্টাতে হয়, স্পর্শ পাল্টাতে হয়, আচরণ পাল্টাতে হয়। ঠোঁটে চুমু একঘেয়ে হয়ে আসে, ক্লিভেজে চুমু শিখতে হয়; রোজকার সালোয়ারকামিজে মুগ্ধতা ফুরোয়, কোমর-চাপা শাড়িতে মুগ্ধ করতে হয়।
ভালোবাসা ফুরাতে না-দেওয়াটাই ভালোবাসা।
🖋️ Sala uddin Ahmed jewel
#picklescomics #everyone #everyonefollowers
🔥3
বয়ঃসন্ধিতে প্যারিন্টিং পরামর্শ
এই সময় ছেলেমেয়েদের শারীরিক পরিবর্তন হয়, তাই তারা খুব মানসিক চাপে থাকে। এই সময় পিতামাতার যে কাজগুলো করতে হয়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
-বাচ্চাদের প্রচুর পরিমানে প্রশংসা করুন, যাতে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
- কোন কথা বার বার বলবেন না (এই পড়তে বস, এই পড়তে বস), তাহলে পড়ার আগ্রহ নষ্ট হয়ে যাবে।
- কারোও সাথে তুলনা করলে হীনমন্যতা বেড়ে যাবে। তাই তুলনা করবেন না।
-শারীরিক ও মানসিক শাস্তিকে না করুন এবং বাইরের পরিবেশে খেলার ব্যবস্থা করুন।
-তাদের কে উপদেশ না দিয়ে তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
- মনঃযৌন বিষয়গুলো নিয়ে তাদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন (মেয়েদের মাসিক, ছেলেদের স্বপ্নদোষ, ধাতু ক্ষয় ইত্যাদি), এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে জড়তা কাজ করলে প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট এর সহায়তা নিন।
- তাদের চাহিদাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন, হ্যা বললে কি কারণে অনুমতি দিলেন এবং না বললে কি কারণে দিলেন না এটা ব্যাখ্যা করুন।
সন্তান কিংবা বাবা-মায়ের কোন মানসিক সমস্যা, টেনসন, হতাশা, অনিয়ন্ত্রিত রাগ থাকলে যথাযথ মানসিক চিকিৎসা নিন।
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
এই সময় ছেলেমেয়েদের শারীরিক পরিবর্তন হয়, তাই তারা খুব মানসিক চাপে থাকে। এই সময় পিতামাতার যে কাজগুলো করতে হয়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
-বাচ্চাদের প্রচুর পরিমানে প্রশংসা করুন, যাতে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
- কোন কথা বার বার বলবেন না (এই পড়তে বস, এই পড়তে বস), তাহলে পড়ার আগ্রহ নষ্ট হয়ে যাবে।
- কারোও সাথে তুলনা করলে হীনমন্যতা বেড়ে যাবে। তাই তুলনা করবেন না।
-শারীরিক ও মানসিক শাস্তিকে না করুন এবং বাইরের পরিবেশে খেলার ব্যবস্থা করুন।
-তাদের কে উপদেশ না দিয়ে তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
- মনঃযৌন বিষয়গুলো নিয়ে তাদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন (মেয়েদের মাসিক, ছেলেদের স্বপ্নদোষ, ধাতু ক্ষয় ইত্যাদি), এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে জড়তা কাজ করলে প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট এর সহায়তা নিন।
- তাদের চাহিদাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন, হ্যা বললে কি কারণে অনুমতি দিলেন এবং না বললে কি কারণে দিলেন না এটা ব্যাখ্যা করুন।
সন্তান কিংবা বাবা-মায়ের কোন মানসিক সমস্যা, টেনসন, হতাশা, অনিয়ন্ত্রিত রাগ থাকলে যথাযথ মানসিক চিকিৎসা নিন।
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
❤9👍2
সৌদি আরবে 2025 কিং ফাহদ ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ (KFUPM) | সম্পূর্ণ অর্থায়িত।
দেশঃ সৌদি আরব🇸🇦
(i) সৌদি আরবের কিং ফাহদ বিশ্ববিদ্যালয় 2025 KFUPM স্কলারশিপ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন।
(ii) স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে চাওয়া বিশ্বের সমস্ত দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তিটি উপলব্ধ।
(iii) বৃত্তিটি অধ্যয়নের প্রোগ্রামের জন্য সম্পূর্ণ টিউশন ফি কভার করবে যার মধ্যে থাকার ব্যবস্থা, বিনামূল্যের খাবার, মাসিক উপবৃত্তি, বিমান ভাড়া এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা অন্তর্ভুক্ত।
(iv) আবেদনের শেষ তারিখ 12 ডিসেম্বর, 2024
আবেদন করুন:
Scholarshipregion.com/king-fahd-univ…
দেশঃ সৌদি আরব🇸🇦
(i) সৌদি আরবের কিং ফাহদ বিশ্ববিদ্যালয় 2025 KFUPM স্কলারশিপ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন।
(ii) স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে চাওয়া বিশ্বের সমস্ত দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তিটি উপলব্ধ।
(iii) বৃত্তিটি অধ্যয়নের প্রোগ্রামের জন্য সম্পূর্ণ টিউশন ফি কভার করবে যার মধ্যে থাকার ব্যবস্থা, বিনামূল্যের খাবার, মাসিক উপবৃত্তি, বিমান ভাড়া এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা অন্তর্ভুক্ত।
(iv) আবেদনের শেষ তারিখ 12 ডিসেম্বর, 2024
আবেদন করুন:
Scholarshipregion.com/king-fahd-univ…
Scholarship Region
2026 King Fahd University Scholarship in Saudi Arabia (KFUPM) | Fully Funded | Scholarship Region
King Fahd University Scholarship covers all expenses for international students interested in pursuing fully funded graduate programs at the University
ভার্সিটি পড়ুয়া দুই ধরনের মেয়ে আছে।
এক। এরা অনার্স মাস্টার্স করে সার্টিফিকেট আনে। মাথায় কিছু নাই। শুধু বয়সটা বাড়ায় ভার্সিটিতে গিয়ে। তাদেরকে বেদ্বীন ছেলেরাও তেমন একটা দাম দেয়না বয়স বাড়তি হওয়ার কারণে। প্লাস, তাদের কোন ক্যারিয়ার নাই। ক্যারিয়ারিস্টিক মানুষজন এমম মেয়ে এড়িয়ে যায়। মোটামুটি দ্বীন মানে এমন ছেলেরাও বয়স বেশির কারণে এড়িয়ে যায়।
দুই। এই টাইপ মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স করে চাকরি বাকরি করে, অল্প সং্খ্যক বিদেশ যায়। তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা হয় নিজের যোগ্যতার কাউকে পাওয়া। এছাড়া তাদেরকে বেদ্বীন মানুষেরা বিয়ে করতে আগ্রহীই থাকে।
দ্বীন মানে এমন ছেলেদের একটা অংশ এই উভয় শ্রেণীকেই এড়িয়ে যায়। কারণ তারা ভার্সিটির পরিবেশ সম্পর্কে জানে, বয়স কম চায়। কেউ কেউ উপরে বলা দুই নাম্বার ক্যাটাগরির মেয়েদের মাঝে যারা চাকরি করতে চায়না, ভার্সিটিতেও কষ্ট করে পর্দা করে তাদেরকে বিয়ে করে।
উভয় ক্ষেত্রে বিপদে পড়ে প্রথম শ্রেণির মেয়েরা। এদের সময় উপযোগী জ্ঞান নাই, বুদ্ধি নাই, বয়স বাড়িয়েছে এক টুকরো কাগজের আশায়। এই শ্রেণির মেয়েরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।
সবাই যেটা দিনশেষে আফসোস করে, বয়স নিয়ে। বয়স কম থাকতে তাদের যে আবেগ, নমনীয়তা, মেয়েলি স্বভাব থাকে এটা ভার্সিটির পরিবেশ নষ্ট করে দেয় অনেকটুকু।
কিছু কমেন্ট দেখলাম ভার্সিটিতে পড়তে যোগ্যতার আলাপ নিয়ে। ভার্সিটি কোন আহামরি জায়গা না যে এখানে পড়ুয়া মানুষের জ্ঞান বেশি থাকে। এটা নিয়ে অহংকার খুবই লোয়ার ক্লাসের চিন্তা।
- Rafael Hasan
এক। এরা অনার্স মাস্টার্স করে সার্টিফিকেট আনে। মাথায় কিছু নাই। শুধু বয়সটা বাড়ায় ভার্সিটিতে গিয়ে। তাদেরকে বেদ্বীন ছেলেরাও তেমন একটা দাম দেয়না বয়স বাড়তি হওয়ার কারণে। প্লাস, তাদের কোন ক্যারিয়ার নাই। ক্যারিয়ারিস্টিক মানুষজন এমম মেয়ে এড়িয়ে যায়। মোটামুটি দ্বীন মানে এমন ছেলেরাও বয়স বেশির কারণে এড়িয়ে যায়।
দুই। এই টাইপ মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স করে চাকরি বাকরি করে, অল্প সং্খ্যক বিদেশ যায়। তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা হয় নিজের যোগ্যতার কাউকে পাওয়া। এছাড়া তাদেরকে বেদ্বীন মানুষেরা বিয়ে করতে আগ্রহীই থাকে।
দ্বীন মানে এমন ছেলেদের একটা অংশ এই উভয় শ্রেণীকেই এড়িয়ে যায়। কারণ তারা ভার্সিটির পরিবেশ সম্পর্কে জানে, বয়স কম চায়। কেউ কেউ উপরে বলা দুই নাম্বার ক্যাটাগরির মেয়েদের মাঝে যারা চাকরি করতে চায়না, ভার্সিটিতেও কষ্ট করে পর্দা করে তাদেরকে বিয়ে করে।
উভয় ক্ষেত্রে বিপদে পড়ে প্রথম শ্রেণির মেয়েরা। এদের সময় উপযোগী জ্ঞান নাই, বুদ্ধি নাই, বয়স বাড়িয়েছে এক টুকরো কাগজের আশায়। এই শ্রেণির মেয়েরা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।
সবাই যেটা দিনশেষে আফসোস করে, বয়স নিয়ে। বয়স কম থাকতে তাদের যে আবেগ, নমনীয়তা, মেয়েলি স্বভাব থাকে এটা ভার্সিটির পরিবেশ নষ্ট করে দেয় অনেকটুকু।
কিছু কমেন্ট দেখলাম ভার্সিটিতে পড়তে যোগ্যতার আলাপ নিয়ে। ভার্সিটি কোন আহামরি জায়গা না যে এখানে পড়ুয়া মানুষের জ্ঞান বেশি থাকে। এটা নিয়ে অহংকার খুবই লোয়ার ক্লাসের চিন্তা।
- Rafael Hasan
👍10🤣1
জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ ✅
মেরাজনগর, রায়েরবাগ, ঢাকা।
▪ পার্সেল ও প্যাকেজিং সহকারী (৫ জন)
- সেলারি ৮-১০ হাজার
- ইনভয়েস অনুযায়ী পার্সেল তৈরি
🔻
আগামীকাল ইন্টারভিউ
সিলেক্টেড হলে সরাসরি কাজে জয়েন করতে হবে।
🔻
যোগাযোগ : 01958688054
No Phone Call (Whatsapp only)
মেরাজনগর, রায়েরবাগ, ঢাকা।
▪ পার্সেল ও প্যাকেজিং সহকারী (৫ জন)
- সেলারি ৮-১০ হাজার
- ইনভয়েস অনুযায়ী পার্সেল তৈরি
🔻
আগামীকাল ইন্টারভিউ
সিলেক্টেড হলে সরাসরি কাজে জয়েন করতে হবে।
🔻
যোগাযোগ : 01958688054
No Phone Call (Whatsapp only)
👍1
জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ ✅
মেরাজনগর, রায়েরবাগ, ঢাকা।
▪ পার্সেল ও প্যাকেজিং সহকারী (৫ জন)
- সেলারি ৮-১০ হাজার
- ইনভয়েস অনুযায়ী পার্সেল তৈরি
🔻
আগামীকাল ইন্টারভিউ
সিলেক্টেড হলে সরাসরি কাজে জয়েন করতে হবে।
🔻
যোগাযোগ : 01958688054
No Phone Call (Whatsapp only)
মেরাজনগর, রায়েরবাগ, ঢাকা।
▪ পার্সেল ও প্যাকেজিং সহকারী (৫ জন)
- সেলারি ৮-১০ হাজার
- ইনভয়েস অনুযায়ী পার্সেল তৈরি
🔻
আগামীকাল ইন্টারভিউ
সিলেক্টেড হলে সরাসরি কাজে জয়েন করতে হবে।
🔻
যোগাযোগ : 01958688054
No Phone Call (Whatsapp only)
👍3
একবার এক ইসলামিক স্কলার আমাকে বলেছিলেন - জীবনে দুইটা ফিলোসোফী মেনে চলার চেষ্টা করবেন ।
প্রথমত -
কারো রিজিক নষ্ট করা যাবেনা - এটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ । এই কাজটা আমরা প্রতিনিয়তই করি । ঘুষ , সুদ , কাওকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যূত করা , বিচারে অপরাধীর পক্ষ নেয়া , ওজনে কম দিয়ে দেয়া ইত্যাদি ।
ধরুণ - এক কলিগ হিংসা বশবর্তী হয়ে আরেক কলিগের নামে বসের কাছে কিলিগ লাগিয়ে দিলো , বছর শেষে তার ইনক্রিমেন্ট/ বেতন কমে গেলো , ইনডিরেক্টলি তার শিশু সন্তানের রিজিকে আঘাত পড়লো । সেই কলিগ হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক নষ্ট করলেন - যতোই টক্কাটক্কি করেন না কেনো , নামাজ পড়ে কপালে দাগ ফালায়া দেন না কেনো - মজলুম মাফ করা না পর্যন্ত তিনি লটকে থাকবেন , ক্ষমা পাবেন না ।
দ্বিতীয়ত -
হাক্কুলাহ বা আল্লাহর হক - নামাজ, রোজা এসবের গাফিলতির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করার সর্বময় ক্ষমতা রাখেন। কারণ - এই হক আল্লাহর নিজের হক।
হাক্কুল ইবাদ নষ্ট কইরা হাক্কুল্লাহ নিয়া টানাটানি করা মানে পরীক্ষায় ০০ পাওয়া । লাভ নাই কোনো ।
ইমাম গাজ্জালীর একটা উক্তি মনে পরলো - " ময়লা কাপড়কে প্রশ্রাব দিয়া ধৌত করা আর হারাম রিজিক নিয়া আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার প্রচেষ্টা - দুটোই একই । "
সময় খুব খারাপ , সিম্পল ফিলোসফীতে থাকি , আমি বাবা এই দুইটাই মাইনা চলার চেষ্টা করি ।
হাক্কুল্লাহর চেয়েও আমার ভয় বেশি হাক্কুল ইবাদে ।
হাক্কুল্লাহ তওবা করে ম্যানেজেবল , হাক্কুল ইবাদ ম্যানেজেবল না যতোক্ষণ না মজলুম নিজে আমাকে ক্ষমা না করে ।
প্রথমত -
কারো রিজিক নষ্ট করা যাবেনা - এটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ । এই কাজটা আমরা প্রতিনিয়তই করি । ঘুষ , সুদ , কাওকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যূত করা , বিচারে অপরাধীর পক্ষ নেয়া , ওজনে কম দিয়ে দেয়া ইত্যাদি ।
ধরুণ - এক কলিগ হিংসা বশবর্তী হয়ে আরেক কলিগের নামে বসের কাছে কিলিগ লাগিয়ে দিলো , বছর শেষে তার ইনক্রিমেন্ট/ বেতন কমে গেলো , ইনডিরেক্টলি তার শিশু সন্তানের রিজিকে আঘাত পড়লো । সেই কলিগ হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক নষ্ট করলেন - যতোই টক্কাটক্কি করেন না কেনো , নামাজ পড়ে কপালে দাগ ফালায়া দেন না কেনো - মজলুম মাফ করা না পর্যন্ত তিনি লটকে থাকবেন , ক্ষমা পাবেন না ।
দ্বিতীয়ত -
হাক্কুলাহ বা আল্লাহর হক - নামাজ, রোজা এসবের গাফিলতির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করার সর্বময় ক্ষমতা রাখেন। কারণ - এই হক আল্লাহর নিজের হক।
হাক্কুল ইবাদ নষ্ট কইরা হাক্কুল্লাহ নিয়া টানাটানি করা মানে পরীক্ষায় ০০ পাওয়া । লাভ নাই কোনো ।
ইমাম গাজ্জালীর একটা উক্তি মনে পরলো - " ময়লা কাপড়কে প্রশ্রাব দিয়া ধৌত করা আর হারাম রিজিক নিয়া আল্লাহর সান্নিধ্য পাওয়ার প্রচেষ্টা - দুটোই একই । "
সময় খুব খারাপ , সিম্পল ফিলোসফীতে থাকি , আমি বাবা এই দুইটাই মাইনা চলার চেষ্টা করি ।
হাক্কুল্লাহর চেয়েও আমার ভয় বেশি হাক্কুল ইবাদে ।
হাক্কুল্লাহ তওবা করে ম্যানেজেবল , হাক্কুল ইবাদ ম্যানেজেবল না যতোক্ষণ না মজলুম নিজে আমাকে ক্ষমা না করে ।
🔥6👍1😢1
শীতে বাড়ে হার্ট এটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি।
বিশেষ করে যাদের রিস্ক আছে আগে থেকে, তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস, মানসিক চাপ, ডিপ্রেশন!
অলস জীবন যাপন(একটানা দীর্ঘ সময় শুয়ে বসে থাকা!)- এসব বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
★আর এমন সকলকে পর্যাপ্ত পানিপান নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই শীতে একদম কম পানি খান।
★ শীতল পানি, বাতাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে- এগুলো রক্তনালীর সংকোচন বাড়িয়ে দেয়!
★আর নিয়মিত ওষুধ খেতে অলসতা করা যাবে না।
Dr. Mohidul Hasan Maruf
MBBS (Rangpur Medical)
FCPS P2 (Internal MEDICINE)
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
বিশেষ করে যাদের রিস্ক আছে আগে থেকে, তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।
হাইপ্রেসার, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস, মানসিক চাপ, ডিপ্রেশন!
অলস জীবন যাপন(একটানা দীর্ঘ সময় শুয়ে বসে থাকা!)- এসব বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
★আর এমন সকলকে পর্যাপ্ত পানিপান নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই শীতে একদম কম পানি খান।
★ শীতল পানি, বাতাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে- এগুলো রক্তনালীর সংকোচন বাড়িয়ে দেয়!
★আর নিয়মিত ওষুধ খেতে অলসতা করা যাবে না।
Dr. Mohidul Hasan Maruf
MBBS (Rangpur Medical)
FCPS P2 (Internal MEDICINE)
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
👍2
একজন রুচিশীল স্বামীর জন্য মেয়েদের পিওর সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে সাধ্যানুযায়ী জুয়েলারি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং শালীন পোশাকই যথেষ্ট। এর বাইরে যা আছে তা ফেইক এবং প্রতারণা।
@Be A Real Man
@Be A Real Man
❤1
#নিদ্রার নিয়ম:ঘুমের সাতকাহন!!
#ভালো ঘুম: #দীর্ঘজীবন!!
🔇 নিয়মিত কম ঘুমের সমস্যা কারনে একজন ব্যক্তির গড়ে ৬.৫ ( সাড়ে ছয়) বছর আয়ু কমে যেতে পারে!!!
#ঘুম হলো ব্রেনের কার্যকারিতা ও পরিবেশের প্রতি সাড়া দেওয়ার অক্ষমতা।
ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর তিনটি-
১) Sleep প্রেশার: ১ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ২০-৩০ মিনিট ঘুমের প্রয়োজন হয়। সে হিসাবে ১৪-১৬ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
২) দেহ ঘড়ি (Biological Clock) : ঘুমের রুটিন ঠিক করে দেয়; দেহ ঘড়ি আবার ৩ টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়;
ক) সকালে সূর্যের আলো কখন চোখ প্রবেশ করে।
খ) কখন দিনের প্রথম খাবার গ্রহন করা হয়।
গ)কখন দিনের প্রথম শারীরিক পরিশ্রম করা হয়।
৩) মেলাটোনিন হরমোন : এটাকে ঘুমের হরমোন বলে। আলোতে নিঃসরণ বন্ধ হয় ও অন্ধকারে বৃদ্ধি পায়।
মেলাটোনিন হরমোন ৩টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়।
ক) কখন অন্ধকারে মুখোমুখি হই।
খ) কখন দিনের শেষ খাবার গ্রহন করা হয়।
গ) কখন দেহের কোর টেম্পারেচার কম হয়।
মেলাটোনিন হরমোন তৈরী হওয়ার সবচেয়ে উপযোগী সময় গভীর নিদ্রা ও বেশী অন্ধকার। [যেমনটা রাত ২:০০টা]
#কাদের ঘুমের সমস্যা বেশি হয়; মনোরোগ, শারীরিক রোগ, PTSD, Stress, ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, ক্যান্সার রোগী ইত্যাদি।
মস্তিষ্ক যাদের বেশি সক্রিয় থাকে। জোর করে ঘুমাতে চেষ্টা করলে!
#সম্পর্কের মডেল : বিছানার সাথে ঘুমের যৌক্তিক সম্পর্ক আছে। বিছানায় ঘুম বাদে অন্য সকল প্রকার কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
#Cognitive model : "আমাদের প্রতি দিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন" এটা সবার জন্য সঠিক নয়! শারীরিক প্রকৃতি ও পেশাগত ধরনের উপর ভিত্তি করে ৪-৮ ঘন্টা ঘুমই যৌক্তিক। [সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক ]
🛃 যেসকল খাদ্য ও পানীয় ভালো ঘুমের অন্তরায় : চা, কফি ( ক্যাফেইন), ধুমপান ও মাদক( নেশাদ্রব্য)। মসলা যুক্ত ও গুরুপাক খাবার, অধিক রাতে ভূরিভোজনের কারনে দেহের কোর টেম্পারেচার কমতে দেরি হবে ও হজমের সমস্যার কারণে ঘুমাতে দেরী হবে।
#ভালো ঘুমের জন্য করনীয়(Sound Sleep):
🧭 নিদিষ্ট সময় ঘুম থেকে উঠে ২০ মিনিট সূর্যের আলোতে বসে থাকতে হবে এবং সূর্য ডোবার পরে ১৫ মিনিট অন্ধকারে থাকতে হবে এতে দেহ ঘড়ির কার্যকারিতা সঠিক ভাবে কাজ করবে।
📣 সন্ধ্যার পরে ১৫ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম ( ব্যায়ম) করলে রাতে ঘুমের সময় ১ ঘন্টা পিছিয়ে যাবে।
🔊 দুপুরে ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরী হবে।
📣 বেশী আলো ও Screen light Melatonin hormone নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, তাই ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘন্টা আগেই সকল প্রকার Screen ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
🌠 রাত ১০-১১ টার মধ্যে ঘুমাতে যেতে হবে! ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসলে বই পড়া, Breathing Exercise, Relaxation techniques অভ্যাস করলে, পডকাস্ট শুনলে Passively & Automatic ঘুম চলে আসবে!
🍽️ বাদাম, দুধ, কলা, তৈলাক্ত মাছ, ডিম, মধু, সাদা ভাত, আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, মিষ্টি আলু ( ঘুমের মাসি) ইত্যাদি। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ম্যাগনেসিয়াম ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক!।
Collected
#ভালো ঘুম: #দীর্ঘজীবন!!
🔇 নিয়মিত কম ঘুমের সমস্যা কারনে একজন ব্যক্তির গড়ে ৬.৫ ( সাড়ে ছয়) বছর আয়ু কমে যেতে পারে!!!
#ঘুম হলো ব্রেনের কার্যকারিতা ও পরিবেশের প্রতি সাড়া দেওয়ার অক্ষমতা।
ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর তিনটি-
১) Sleep প্রেশার: ১ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ২০-৩০ মিনিট ঘুমের প্রয়োজন হয়। সে হিসাবে ১৪-১৬ ঘন্টা জেগে থাকার জন্য ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
২) দেহ ঘড়ি (Biological Clock) : ঘুমের রুটিন ঠিক করে দেয়; দেহ ঘড়ি আবার ৩ টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়;
ক) সকালে সূর্যের আলো কখন চোখ প্রবেশ করে।
খ) কখন দিনের প্রথম খাবার গ্রহন করা হয়।
গ)কখন দিনের প্রথম শারীরিক পরিশ্রম করা হয়।
৩) মেলাটোনিন হরমোন : এটাকে ঘুমের হরমোন বলে। আলোতে নিঃসরণ বন্ধ হয় ও অন্ধকারে বৃদ্ধি পায়।
মেলাটোনিন হরমোন ৩টি উপাদান দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়।
ক) কখন অন্ধকারে মুখোমুখি হই।
খ) কখন দিনের শেষ খাবার গ্রহন করা হয়।
গ) কখন দেহের কোর টেম্পারেচার কম হয়।
মেলাটোনিন হরমোন তৈরী হওয়ার সবচেয়ে উপযোগী সময় গভীর নিদ্রা ও বেশী অন্ধকার। [যেমনটা রাত ২:০০টা]
#কাদের ঘুমের সমস্যা বেশি হয়; মনোরোগ, শারীরিক রোগ, PTSD, Stress, ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, ক্যান্সার রোগী ইত্যাদি।
মস্তিষ্ক যাদের বেশি সক্রিয় থাকে। জোর করে ঘুমাতে চেষ্টা করলে!
#সম্পর্কের মডেল : বিছানার সাথে ঘুমের যৌক্তিক সম্পর্ক আছে। বিছানায় ঘুম বাদে অন্য সকল প্রকার কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
#Cognitive model : "আমাদের প্রতি দিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন" এটা সবার জন্য সঠিক নয়! শারীরিক প্রকৃতি ও পেশাগত ধরনের উপর ভিত্তি করে ৪-৮ ঘন্টা ঘুমই যৌক্তিক। [সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক ]
🛃 যেসকল খাদ্য ও পানীয় ভালো ঘুমের অন্তরায় : চা, কফি ( ক্যাফেইন), ধুমপান ও মাদক( নেশাদ্রব্য)। মসলা যুক্ত ও গুরুপাক খাবার, অধিক রাতে ভূরিভোজনের কারনে দেহের কোর টেম্পারেচার কমতে দেরি হবে ও হজমের সমস্যার কারণে ঘুমাতে দেরী হবে।
#ভালো ঘুমের জন্য করনীয়(Sound Sleep):
🧭 নিদিষ্ট সময় ঘুম থেকে উঠে ২০ মিনিট সূর্যের আলোতে বসে থাকতে হবে এবং সূর্য ডোবার পরে ১৫ মিনিট অন্ধকারে থাকতে হবে এতে দেহ ঘড়ির কার্যকারিতা সঠিক ভাবে কাজ করবে।
📣 সন্ধ্যার পরে ১৫ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম ( ব্যায়ম) করলে রাতে ঘুমের সময় ১ ঘন্টা পিছিয়ে যাবে।
🔊 দুপুরে ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে দেরী হবে।
📣 বেশী আলো ও Screen light Melatonin hormone নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, তাই ঘুমাতে যাওয়ার ২ ঘন্টা আগেই সকল প্রকার Screen ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
🌠 রাত ১০-১১ টার মধ্যে ঘুমাতে যেতে হবে! ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসলে বই পড়া, Breathing Exercise, Relaxation techniques অভ্যাস করলে, পডকাস্ট শুনলে Passively & Automatic ঘুম চলে আসবে!
🍽️ বাদাম, দুধ, কলা, তৈলাক্ত মাছ, ডিম, মধু, সাদা ভাত, আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, মিষ্টি আলু ( ঘুমের মাসি) ইত্যাদি। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২, ম্যাগনেসিয়াম ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক!।
Collected
শীতের সময় পানি কম খাওয়া হয়।
সেজন্য বহু শারিরীক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেমন : কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, সেটা থেকে পাইলস ফিসার হতে পারে!!
পানিস্বল্পতার জন্য রক্তরস কমে যায়, প্রেসার কমতে পারে, আপ-ডাউন হতে পারে, তাতে হার্ট এটাক, স্ট্রোক করার রিস্ক থাকে অনেকটাই। যাদের আগে থেকে রিস্ক আছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে, একবার হুয়ে গেলে আর আগের মতো ভালো হবে না!!!
আবার ত্বক রুক্ষ, মলিন হয়ে যায়।
বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এর কার্যক্রমের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে।
এমনকি পুরুষদের পুরুষত্বে প্রভাব পরতে পারে!!
তাই প্রাপ্ত বয়স্ক এভারেজ ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তিকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ১০ গ্লাস পানিপান করতে হবে।
Dr. Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS mid. (Internal Medicine)
Experienced in Skin, problem
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
সেজন্য বহু শারিরীক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
যেমন : কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে, সেটা থেকে পাইলস ফিসার হতে পারে!!
পানিস্বল্পতার জন্য রক্তরস কমে যায়, প্রেসার কমতে পারে, আপ-ডাউন হতে পারে, তাতে হার্ট এটাক, স্ট্রোক করার রিস্ক থাকে অনেকটাই। যাদের আগে থেকে রিস্ক আছে, তাদের আরও সতর্ক হতে হবে, একবার হুয়ে গেলে আর আগের মতো ভালো হবে না!!!
আবার ত্বক রুক্ষ, মলিন হয়ে যায়।
বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ এর কার্যক্রমের উপর বিরূপ প্রভাব পরতে পারে।
এমনকি পুরুষদের পুরুষত্বে প্রভাব পরতে পারে!!
তাই প্রাপ্ত বয়স্ক এভারেজ ৬০ কেজি ওজনের ব্যক্তিকে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ১০ গ্লাস পানিপান করতে হবে।
Dr. Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS mid. (Internal Medicine)
Experienced in Skin, problem
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
👍1😱1
‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ১৭তম ব্যাচের ভর্তি সার্কুলার
আপনার ক্যারিয়ারকে উন্নত করতে আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ১৭তম ব্যাচে ভর্তি হতে আজই আবেদন করুন!
আবেদনের যোগ্যতা:
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/আলিম/সানাবিয়া তদূর্ধ্ব
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর
কোর্সের ধরন: আবাসিক
ক্যাটাগরি: পুরুষ
কোর্সের বিষয়:
১. মাইক্রোসফট অফিস
২. প্র্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
৩. গ্রাফিক ডিজাইন
৪. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৫. জেনারেটিভ এআই টুলস
৬. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৭. মৌলিক দীনি জ্ঞান
উল্লেখ্য, ১ম দিন থেকে প্রত্যেকেই এই ৭ টি সাবজেক্টের উপর ক্লাস করবেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম ৩০ দিনের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে দুইটি আলাদা গ্রুপে ভাগ করা হবে। যা গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপ এবং অ্যাকাউন্টিং গ্রুপ নামে পরিচিত। বাকি ৬০ দিন এই পৃথক গ্রুপে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাবেন।
গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. গ্রাফিক ডিজাইন
২. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৩. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
অ্যাকাউন্টিং গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. প্র্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
২. মাইক্রোসফট এডভান্সড এক্সেল
৩. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
কোর্স ফি এবং আবাসন:
ভর্তি ফি: ১০,০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
আবাসন ও প্রশিক্ষণ ফি: ৫০,০০০ টাকা (৫০ হাজার টাকা থেকে আর্থিক অসচ্ছলতা প্রমাণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০০% স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি সবাইকে দিতে হবে।)
উল্লেখ্য, ভর্তি হওয়ার পর কোর্স সম্পন্ন না করলে পুরো কোর্স ফি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
ভর্তির সময়সূচী:
আবেদন শুরু: ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আবেদন শেষ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
অনলাইন পরীক্ষা ও ফলাফল: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ (শনিবার)
ওরিয়েন্টেশন ক্লাস শুরু: ১ জানুয়ারি ২০২৫ (সম্ভাব্য)
আবেদন প্রক্রিয়া:
১. গুগল ফর্ম পূরণ করে অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
২. অনলাইন পরীক্ষার লিংক ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বারে পাঠানো হবে।
৩. অনলাইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার জন্য ইনস্টিটিউটে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে হবে।
অনলাইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংলিশ ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. সাধারণ জ্ঞান (গুগল অথবা কারেন্ট অ্যাফায়ার্স ইত্যাদির সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৩. ইসলামি সাধারণ জ্ঞান। (গুগল অথবা বিভিন্ন বইয়ের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংরেজি ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. বেসিক ইংলিশ।
৩. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. ভাইভার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।
আবেদন করতে নিচের লিংক ব্যবহার করুন:
https://forms.gle/uFUtYBLAprs9JDnv7
ভোকাবুলারি লিংক:
https://drive.google.com/.../1j9LgMimFPpuVeXKnr7o.../view...
সার্বিক যোগাযোগ:
01409979967
ঠিকানা: ঢাকা, উত্তর বাড্ডা, আলী নগর গেট
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এই ব্যতিক্রমী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে আপনার ভবিষ্যত ক্যারিয়ারকে সাফল্যের পথে পরিচালিত করুন।
সবার জন্য শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
আপনার ক্যারিয়ারকে উন্নত করতে আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ‘স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স’ ১৭তম ব্যাচে ভর্তি হতে আজই আবেদন করুন!
আবেদনের যোগ্যতা:
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/আলিম/সানাবিয়া তদূর্ধ্ব
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর
কোর্সের ধরন: আবাসিক
ক্যাটাগরি: পুরুষ
কোর্সের বিষয়:
১. মাইক্রোসফট অফিস
২. প্র্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
৩. গ্রাফিক ডিজাইন
৪. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৫. জেনারেটিভ এআই টুলস
৬. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৭. মৌলিক দীনি জ্ঞান
উল্লেখ্য, ১ম দিন থেকে প্রত্যেকেই এই ৭ টি সাবজেক্টের উপর ক্লাস করবেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম ৩০ দিনের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে দুইটি আলাদা গ্রুপে ভাগ করা হবে। যা গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপ এবং অ্যাকাউন্টিং গ্রুপ নামে পরিচিত। বাকি ৬০ দিন এই পৃথক গ্রুপে প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাবেন।
গ্রাফিক ডিজাইন গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. গ্রাফিক ডিজাইন
২. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৩. ক্রিয়েটিভ মার্কেটিং
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
অ্যাকাউন্টিং গ্রুপের বিষয়সমূহ:
১. প্র্যাক্টিকাল অ্যাকাউন্টিং
২. মাইক্রোসফট এডভান্সড এক্সেল
৩. প্র্যাক্টিকাল ইংলিশ
৪. মৌলিক দীনি জ্ঞান
কোর্স ফি এবং আবাসন:
ভর্তি ফি: ১০,০০০ টাকা (অফেরতযোগ্য)
আবাসন ও প্রশিক্ষণ ফি: ৫০,০০০ টাকা (৫০ হাজার টাকা থেকে আর্থিক অসচ্ছলতা প্রমাণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ১০০% স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি সবাইকে দিতে হবে।)
উল্লেখ্য, ভর্তি হওয়ার পর কোর্স সম্পন্ন না করলে পুরো কোর্স ফি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
ভর্তির সময়সূচী:
আবেদন শুরু: ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
আবেদন শেষ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
অনলাইন পরীক্ষা ও ফলাফল: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ (শনিবার)
ওরিয়েন্টেশন ক্লাস শুরু: ১ জানুয়ারি ২০২৫ (সম্ভাব্য)
আবেদন প্রক্রিয়া:
১. গুগল ফর্ম পূরণ করে অনলাইন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
২. অনলাইন পরীক্ষার লিংক ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বারে পাঠানো হবে।
৩. অনলাইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার জন্য ইনস্টিটিউটে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে হবে।
অনলাইন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংলিশ ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. সাধারণ জ্ঞান (গুগল অথবা কারেন্ট অ্যাফায়ার্স ইত্যাদির সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৩. ইসলামি সাধারণ জ্ঞান। (গুগল অথবা বিভিন্ন বইয়ের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
রিটেন এবং ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি:
১. ৭০০ শব্দের ইংরেজি ভোকাবুলারির সংকলন মুখস্থ করুন।
২. বেসিক ইংলিশ।
৩. আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এবং অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানুন। (ওয়েবসাইট এবং পেইজের সহযোগিতা নিতে পারেন।)
৪. ভাইভার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি।
আবেদন করতে নিচের লিংক ব্যবহার করুন:
https://forms.gle/uFUtYBLAprs9JDnv7
ভোকাবুলারি লিংক:
https://drive.google.com/.../1j9LgMimFPpuVeXKnr7o.../view...
সার্বিক যোগাযোগ:
01409979967
ঠিকানা: ঢাকা, উত্তর বাড্ডা, আলী নগর গেট
আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এই ব্যতিক্রমী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে আপনার ভবিষ্যত ক্যারিয়ারকে সাফল্যের পথে পরিচালিত করুন।
সবার জন্য শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
Google Docs
স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্স (ব্যাচ-১৭)-এর আবেদন ফরম
👍3👎1
ইতালির সরকারি স্পন্সর ভিসা 🇮🇹
আবেদনের বিষয়ে জরুরি তথ্য:
১। শুধুমাত্র ইতালিতে বসবাসরত নিয়োগকারী/মালিক তাঁর জন্য নির্ধারিত SPID (Public Digital Identity System) ইমেইল থেকে যাকে তিনি নিয়োগ করতে চান তার নাম, পাসপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে ইতালির স্থানীয় Prefettura (স্থানীয় প্রশাসনিক অফিস)-তে ছাড়পত্রের (Nulla Osta) জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদনের জন্য নিয়োগকারী/মালিকের ব্যয় ১৬ (ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ২১৫০/- (একুশ শত) টাকার বেশী নয়। তবে আবেদন দাখিলের জন্য ইতালির কোন হেল্প ডেস্ক এর সহায়তা নিলে তার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ একটি ফি পরিশোধ করতে হতে পারে যা ক্ষেত্র বিশেষে ৫০-১০০ (পঞ্চাশ থেকে একশত) ইউরো হতে পারে। আবেদনের জন্য এছাড়া আর কোন খরচ নেই।এছাড়া সরকারি ভাবে আবেদনকারী ব্যক্তি কে অবশ্যই ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ৬,০০,০০০/-(৬লক্ষ টাকার বেশি নয়) ফিক্সড ডিপোজিট করতে হবে যা আবেদনকারী কে ইতালির সরকারি মেইল (italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com) এর মাধ্যমে সমস্ত তথ্য দেওয়া হবে এবং যা ইতালিতে আসার ৭মাস পরে আবেদনকারী ফেরত পাবে।ফিক্সড ডিপোজিট করার সুবাদে সরকারি ভাবে আবেদন করা ব্যক্তি ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো এর বিনিময়ে ৭০০০(ঘোল) ইউরো ফেরত পাবেন।
২। নিয়োগকারী/মালিকের আয় ও অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনা করে যোগ্য বিবেচিত হলে যে ব্যক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে Prefettura হতে তার নামে Nulla Osta ইস্যু করা হবে। এই Nulla Osta টি বাংলাদেশে ঐ ব্যক্তির নিকট প্রেরণ করা হবে।
৩। যার নামে Nulla Osta ইস্যু হয়েছে তিনি এই Nulla Osta নিয়ে ঢাকাস্থ ইতালিয়ান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করবেন।
৪। ভিসা নিয়ে ইতালিতে এসে নিয়োগকারী/মালিকের সাথে যোগাযোগ করে Prefettura-তে গিয়ে কাজের চুক্তি সম্পাদন করবেন এবং Permesso di Soggiorno (ওয়ার্ক পারমিট) এর জন্য আবেদন করবেন।
৫। কাজের চুক্তি না করলে এবং সোজ্য না পেলে শুরু থেকেই ঐ ব্যক্তি অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
৬। বিশেষভাবে উল্লেখ্যঃ
■ যার আবেদন আগে দাখিল করা হবে, তার আবেদন আগে বিবেচনা করা হবে।
■ যদি আবেদনকারী ব্যাক্তির ভিসা না হয় তাহলে আবেদন করার সময় হতে ১৩মাস ভিসা সময় বাদে সর্বোচ্চ ১৮০দিন বা ৬মাসে টাকা ফেরত দিবে এম্বাসি।
■ইতালি আবেদন এর ফিক্সড ডিপোজিট এর টাকা নিতে অবশ্যই আপনাকে আপনার জিমেইল এ প্রেরিত একাউন্ট নাম্বার,পিন নাম্বার,আপনার পাসপোর্ট এর সিরিয়াল নান্বার উল্লেখ করে এম্বাসিতে italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com মেইল করে আবেদন করতে হবে।
■ নন-সিজনাল (স্পন্সর) ভিসার মেয়াদ-সর্বোচ্চ ০২ (দুই) বছর তবে তা পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা যেতে পারে। নন-সিজনাল ভিসার সংখ্যা-২,৭০,৭০০টি। এগুলোও দেয়া হবে EU-র বাইরের ৩১ (একত্রিশ) টি দেশ থেকে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ফুসি ডিক্রির আওতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
ইতালিয় নিয়োগকারী এবং আগ্রহী কর্মীর এক্ষেত্রে দূতাবাসের কোন ভূমিকা নেই।
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম, ইতালি।
আবেদনের বিষয়ে জরুরি তথ্য:
১। শুধুমাত্র ইতালিতে বসবাসরত নিয়োগকারী/মালিক তাঁর জন্য নির্ধারিত SPID (Public Digital Identity System) ইমেইল থেকে যাকে তিনি নিয়োগ করতে চান তার নাম, পাসপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে ইতালির স্থানীয় Prefettura (স্থানীয় প্রশাসনিক অফিস)-তে ছাড়পত্রের (Nulla Osta) জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ আবেদনের জন্য নিয়োগকারী/মালিকের ব্যয় ১৬ (ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ২১৫০/- (একুশ শত) টাকার বেশী নয়। তবে আবেদন দাখিলের জন্য ইতালির কোন হেল্প ডেস্ক এর সহায়তা নিলে তার জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ একটি ফি পরিশোধ করতে হতে পারে যা ক্ষেত্র বিশেষে ৫০-১০০ (পঞ্চাশ থেকে একশত) ইউরো হতে পারে। আবেদনের জন্য এছাড়া আর কোন খরচ নেই।এছাড়া সরকারি ভাবে আবেদনকারী ব্যক্তি কে অবশ্যই ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো যা বাংলাদেশি টাকায় ৬,০০,০০০/-(৬লক্ষ টাকার বেশি নয়) ফিক্সড ডিপোজিট করতে হবে যা আবেদনকারী কে ইতালির সরকারি মেইল (italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com) এর মাধ্যমে সমস্ত তথ্য দেওয়া হবে এবং যা ইতালিতে আসার ৭মাস পরে আবেদনকারী ফেরত পাবে।ফিক্সড ডিপোজিট করার সুবাদে সরকারি ভাবে আবেদন করা ব্যক্তি ৪৫১৫(ঘোল) ইউরো এর বিনিময়ে ৭০০০(ঘোল) ইউরো ফেরত পাবেন।
২। নিয়োগকারী/মালিকের আয় ও অন্যান্য বিষয়াদি বিবেচনা করে যোগ্য বিবেচিত হলে যে ব্যক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে Prefettura হতে তার নামে Nulla Osta ইস্যু করা হবে। এই Nulla Osta টি বাংলাদেশে ঐ ব্যক্তির নিকট প্রেরণ করা হবে।
৩। যার নামে Nulla Osta ইস্যু হয়েছে তিনি এই Nulla Osta নিয়ে ঢাকাস্থ ইতালিয়ান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করবেন।
৪। ভিসা নিয়ে ইতালিতে এসে নিয়োগকারী/মালিকের সাথে যোগাযোগ করে Prefettura-তে গিয়ে কাজের চুক্তি সম্পাদন করবেন এবং Permesso di Soggiorno (ওয়ার্ক পারমিট) এর জন্য আবেদন করবেন।
৫। কাজের চুক্তি না করলে এবং সোজ্য না পেলে শুরু থেকেই ঐ ব্যক্তি অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
৬। বিশেষভাবে উল্লেখ্যঃ
■ যার আবেদন আগে দাখিল করা হবে, তার আবেদন আগে বিবেচনা করা হবে।
■ যদি আবেদনকারী ব্যাক্তির ভিসা না হয় তাহলে আবেদন করার সময় হতে ১৩মাস ভিসা সময় বাদে সর্বোচ্চ ১৮০দিন বা ৬মাসে টাকা ফেরত দিবে এম্বাসি।
■ইতালি আবেদন এর ফিক্সড ডিপোজিট এর টাকা নিতে অবশ্যই আপনাকে আপনার জিমেইল এ প্রেরিত একাউন্ট নাম্বার,পিন নাম্বার,আপনার পাসপোর্ট এর সিরিয়াল নান্বার উল্লেখ করে এম্বাসিতে italygovt.sponsorvisacentre@gmail.com মেইল করে আবেদন করতে হবে।
■ নন-সিজনাল (স্পন্সর) ভিসার মেয়াদ-সর্বোচ্চ ০২ (দুই) বছর তবে তা পরবর্তীতে বৃদ্ধি করা যেতে পারে। নন-সিজনাল ভিসার সংখ্যা-২,৭০,৭০০টি। এগুলোও দেয়া হবে EU-র বাইরের ৩১ (একত্রিশ) টি দেশ থেকে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ ফুসি ডিক্রির আওতায় নিয়োগ প্রক্রিয়া মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
ইতালিয় নিয়োগকারী এবং আগ্রহী কর্মীর এক্ষেত্রে দূতাবাসের কোন ভূমিকা নেই।
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম, ইতালি।
👍2
বৃদ্ধ বয়সে একজন মানুষের ন্যূনতম প্রয়োজনগুলো শারীরিক, মানসিক, এবং সামাজিক দিক থেকে পূরণ করা জরুরি। এগুলো হলো:
### ১. শারীরিক প্রয়োজন
- স্বাস্থ্যসেবা: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ওষুধ, এবং চিকিৎসার সহজলভ্যতা।
- পুষ্টিকর খাবার: সুষম ও সহজপাচ্য খাদ্য।
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: আরামদায়ক শয্যা এবং নিরব পরিবেশ।
- সুরক্ষা: দুর্ঘটনা বা পতন এড়ানোর জন্য নিরাপদ পরিবেশ।
### ২. মানসিক প্রয়োজন
- সম্মান ও যত্ন: পরিবারের কাছ থেকে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।
- মানসিক স্বস্তি: উদ্বেগমুক্ত জীবন এবং আর্থিক নিরাপত্তা।
- আনন্দ: ভালো বই পড়া, প্রিয় শখ চর্চা করা, বা ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
### ৩. সামাজিক প্রয়োজন
- পরিবারের সান্নিধ্য: একাকীত্ব কাটানোর জন্য পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
- বন্ধু ও সামাজিক সংযোগ: সমবয়সী মানুষের সঙ্গে মেলামেশা।
- সহায়তা ও পরিষেবা: প্রয়োজনে কাউকে পাশে পাওয়া।
### ৪. আর্থিক প্রয়োজন
- নিরাপত্তা: মাসিক আয়ের ব্যবস্থা বা পেনশন।
- জীবনযাত্রার খরচ: দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ।
বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, একজন মানুষের ভালো থাকা নিশ্চিত করা, যা মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার মাধ্যমে আসে।
### ১. শারীরিক প্রয়োজন
- স্বাস্থ্যসেবা: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ওষুধ, এবং চিকিৎসার সহজলভ্যতা।
- পুষ্টিকর খাবার: সুষম ও সহজপাচ্য খাদ্য।
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: আরামদায়ক শয্যা এবং নিরব পরিবেশ।
- সুরক্ষা: দুর্ঘটনা বা পতন এড়ানোর জন্য নিরাপদ পরিবেশ।
### ২. মানসিক প্রয়োজন
- সম্মান ও যত্ন: পরিবারের কাছ থেকে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।
- মানসিক স্বস্তি: উদ্বেগমুক্ত জীবন এবং আর্থিক নিরাপত্তা।
- আনন্দ: ভালো বই পড়া, প্রিয় শখ চর্চা করা, বা ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
### ৩. সামাজিক প্রয়োজন
- পরিবারের সান্নিধ্য: একাকীত্ব কাটানোর জন্য পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
- বন্ধু ও সামাজিক সংযোগ: সমবয়সী মানুষের সঙ্গে মেলামেশা।
- সহায়তা ও পরিষেবা: প্রয়োজনে কাউকে পাশে পাওয়া।
### ৪. আর্থিক প্রয়োজন
- নিরাপত্তা: মাসিক আয়ের ব্যবস্থা বা পেনশন।
- জীবনযাত্রার খরচ: দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ।
বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, একজন মানুষের ভালো থাকা নিশ্চিত করা, যা মানসিক শান্তি ও ভালোবাসার মাধ্যমে আসে।
ভালো জব পেতে যা যা যোগ্যতা লাগবে:
১. ভালো রেজাল্ট
২. ইংলিশ এবং বাংলাতে ড্রাফটিং -এ দক্ষতা
৩. শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা এবং ইংলিশ এ অনর্গল কথা বলার দক্ষতা
৪. কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চালানো এবং পরিচালন দক্ষতা
৫. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা
৬. বর্তমান বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা
৭. চাকরির পরীক্ষায় লিখিত এবং ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একাডেমিক এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ব্যাপক দক্ষতা রাখা
৮. সর্বোপরি একজন প্রকৃত মানুষের যে সমস্ত মানবীয় গুণাবলী আছে সে সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা।
৯.যোগাযোগ দক্ষতা
১০. জব সম্পর্কিত ওয়েবসাইট দেখা এবং নিয়মিত পত্রিকা পড়া
উপরোক্ত ১০টি বিষয় আপনার মধ্যে আছে কিনা সেটা যাচাই করুন। না থাকলে তা অর্জন করুন। অন্যথায় জব পাওয়া কঠিন হবে। ধন্যবাদ।a
১. ভালো রেজাল্ট
২. ইংলিশ এবং বাংলাতে ড্রাফটিং -এ দক্ষতা
৩. শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা এবং ইংলিশ এ অনর্গল কথা বলার দক্ষতা
৪. কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট চালানো এবং পরিচালন দক্ষতা
৫. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা
৬. বর্তমান বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা এবং আগামী পাঁচ বছরে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা
৭. চাকরির পরীক্ষায় লিখিত এবং ভাইভাতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একাডেমিক এবং সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে ব্যাপক দক্ষতা রাখা
৮. সর্বোপরি একজন প্রকৃত মানুষের যে সমস্ত মানবীয় গুণাবলী আছে সে সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা।
৯.যোগাযোগ দক্ষতা
১০. জব সম্পর্কিত ওয়েবসাইট দেখা এবং নিয়মিত পত্রিকা পড়া
উপরোক্ত ১০টি বিষয় আপনার মধ্যে আছে কিনা সেটা যাচাই করুন। না থাকলে তা অর্জন করুন। অন্যথায় জব পাওয়া কঠিন হবে। ধন্যবাদ।a
❤3👍2
❝নিজেকে ধাপে ধাপে পরিবর্তন করুন❞
▧ টাস্কঃ ১
ঈমানকে দৃঢ় রাখতে চেষ্টা করুন।
সকল প্রকার ছোট শিরক, বড় শিরককে না বলুন।
আল্লাহ ছাড়া আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে ভরসা করবেন না।
একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবেন।
▧ টাস্কঃ ২
৫ ওয়াক্ত নামাজ কন্টিনিউ করুন।
সাথে ১২ রাকাত সুন্নত পড়তেই হবে। কোনভাবেই মিস দিবেন না।
▧ টাস্কঃ ৩
হারাম বর্জন করুন।
গান-বাজনা, নাটক, মুভি ইত্যাদি।
হারামে লিপ্ত থাকলে ইবাদত কবুল হয় না।
▧ টাস্কঃ ৪
গীবত, পরনিন্দা, অহংকার এই তিনটি জিনিস আপনার ব্যক্তিসত্ত্বা থেকে উপড়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন, গীবত আপনার তাহাজ্জুদ ছিনিয়ে নেবে, যার নামে গীবত করবেন সে অনায়াসে সে আপনার নফল ইবাদত নিয়ে নেবে। তাই দরকার কী?
এতো কষ্ট করে ইবাদত করেন সামান্য জিনিসের জন্য সেটা বিফলে যাবে। জবানের হিফাজত করুন।
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ৫
আপনার বন্ধু মহলে খারাপ কেউ থাকলে সাময়িক সময়ের জন্য বিরতি নিন।
কিছু সময় একা থাকুন।
বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করুন।
নামাজে সিজদাহকে দীর্ঘ করুন।
এতে রবের সাথে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হবে।
▧ টাস্কঃ ৬
৫ ওয়াক্ত নামাজের পর অন্তত ৫ আয়াত হলেও কুরআন পড়বেন।
সাথে ৫ আয়াতের অর্থও পড়বেন।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দিন।
কুরআন আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে ১০০%!
▧ টাস্কঃ ৭
মেয়েরা প্রোপারলি পর্দা করার চেষ্টা করবেন।
কোন রকম গায়রে মাহরামের সামনে যেতে পারবেন না, আকর্ষণীয় কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন না।
▧ টাস্কঃ ৮
ফোন থেকে এক ক্লিকেই গান, মুভি, সিনেমা ডিলেট করে দিন।
▧ টাস্কঃ ৯
প্রতিদিন ৫ বার আজানের জবাব দেয়া। আজানের জবাবের মধ্যে অফুরন্ত ফজিলত রয়েছে।
মাত্র ২/৩ মিনিটে এই আমলটি করে নেবেন।
▧ টাস্কঃ ১০
প্রতিদিন ১০০ বার করে
১. সুবহানাল্লাহ
২. আলহামদুলিল্লাহ
৩. আল্লাহু আকবার
৪. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
৫. আস্তাগফিরুল্লাহ
৬. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী
৭. সুবহানাল্লাহিল আজিম পড়া।
আল্লাহর পছন্দের বাক্যগুলা বেশি বেশি পড়া।
▧ টাস্কঃ ১১
এইবার নতুন কিছু শুরু হোক।
এশার সালাত আদায় করে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া।
তাহাজ্জুদের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।
দ্রুত ঘুমালে তাহাজ্জুদের জন্য নিজ থেকেই জেগে উঠতে পারবেন।
আর দেখবেন যেন অলৌকিক ভাবেই উঠছেন।
▧ টাস্কঃ ১২
প্রতিদিন সকালে একবার
বিকেলে একবার "সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার" পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ১৩
যতবারই কোন না কোন ভুল করবেন ততবারই তাওবা করবেন।
আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন।
#আল্লাহ তায়ালা সকলকে আমাল করার তৌফিক দান করুন ( আমিন)
[পোস্টঃ সংগৃহীত ]
▧ টাস্কঃ ১
ঈমানকে দৃঢ় রাখতে চেষ্টা করুন।
সকল প্রকার ছোট শিরক, বড় শিরককে না বলুন।
আল্লাহ ছাড়া আল্লাহর কোন সৃষ্টিকে ভরসা করবেন না।
একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবেন।
▧ টাস্কঃ ২
৫ ওয়াক্ত নামাজ কন্টিনিউ করুন।
সাথে ১২ রাকাত সুন্নত পড়তেই হবে। কোনভাবেই মিস দিবেন না।
▧ টাস্কঃ ৩
হারাম বর্জন করুন।
গান-বাজনা, নাটক, মুভি ইত্যাদি।
হারামে লিপ্ত থাকলে ইবাদত কবুল হয় না।
▧ টাস্কঃ ৪
গীবত, পরনিন্দা, অহংকার এই তিনটি জিনিস আপনার ব্যক্তিসত্ত্বা থেকে উপড়ে ফেলুন।
মনে রাখবেন, গীবত আপনার তাহাজ্জুদ ছিনিয়ে নেবে, যার নামে গীবত করবেন সে অনায়াসে সে আপনার নফল ইবাদত নিয়ে নেবে। তাই দরকার কী?
এতো কষ্ট করে ইবাদত করেন সামান্য জিনিসের জন্য সেটা বিফলে যাবে। জবানের হিফাজত করুন।
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ৫
আপনার বন্ধু মহলে খারাপ কেউ থাকলে সাময়িক সময়ের জন্য বিরতি নিন।
কিছু সময় একা থাকুন।
বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করুন।
নামাজে সিজদাহকে দীর্ঘ করুন।
এতে রবের সাথে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হবে।
▧ টাস্কঃ ৬
৫ ওয়াক্ত নামাজের পর অন্তত ৫ আয়াত হলেও কুরআন পড়বেন।
সাথে ৫ আয়াতের অর্থও পড়বেন।
কুরআনের সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দিন।
কুরআন আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে ১০০%!
▧ টাস্কঃ ৭
মেয়েরা প্রোপারলি পর্দা করার চেষ্টা করবেন।
কোন রকম গায়রে মাহরামের সামনে যেতে পারবেন না, আকর্ষণীয় কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন না।
▧ টাস্কঃ ৮
ফোন থেকে এক ক্লিকেই গান, মুভি, সিনেমা ডিলেট করে দিন।
▧ টাস্কঃ ৯
প্রতিদিন ৫ বার আজানের জবাব দেয়া। আজানের জবাবের মধ্যে অফুরন্ত ফজিলত রয়েছে।
মাত্র ২/৩ মিনিটে এই আমলটি করে নেবেন।
▧ টাস্কঃ ১০
প্রতিদিন ১০০ বার করে
১. সুবহানাল্লাহ
২. আলহামদুলিল্লাহ
৩. আল্লাহু আকবার
৪. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ
৫. আস্তাগফিরুল্লাহ
৬. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী
৭. সুবহানাল্লাহিল আজিম পড়া।
আল্লাহর পছন্দের বাক্যগুলা বেশি বেশি পড়া।
▧ টাস্কঃ ১১
এইবার নতুন কিছু শুরু হোক।
এশার সালাত আদায় করে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাওয়া।
তাহাজ্জুদের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন।
দ্রুত ঘুমালে তাহাজ্জুদের জন্য নিজ থেকেই জেগে উঠতে পারবেন।
আর দেখবেন যেন অলৌকিক ভাবেই উঠছেন।
▧ টাস্কঃ ১২
প্রতিদিন সকালে একবার
বিকেলে একবার "সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার" পড়ুন।
▧ টাস্কঃ ১৩
যতবারই কোন না কোন ভুল করবেন ততবারই তাওবা করবেন।
আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন।
#আল্লাহ তায়ালা সকলকে আমাল করার তৌফিক দান করুন ( আমিন)
[পোস্টঃ সংগৃহীত ]
❤3
সময় বাঁচানোর শতভাগ কার্যকর কৌশল! ⏲
বর্তমান প্রজন্মের বড় একটা সমস্যা হলো যে তারা এতো বেশি আর ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে যে, প্রায়ই দেখা যায় কোন না কোন কাজ করার জন্যে সময় জোগাড় করাই যায় না। শুধু সেটাই না, এই কাজগুলো আর পরে করার সময় পাওয়া যায় না। ডেডলাইন মিস হয়, জমা হয় আক্ষেপ।
পরমুহূর্তেই আবার নতুন নতুন ডেডলাইন আসে, নতুন কাজের নিচে চাপা পড়ে যায় না করা কাজগুলো। এভাবে একবার না করা কাজগুলো আর কোনদিনই করা হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততা সেগুলোয় আর হাত দিতে দেয় না, একসময় ফুরিয়ে যায় তার প্রয়োজনীয়তা।
আমারও ঠিক এরকমই হতো কাজ করার সময়। একগাদা কাজের ভীড়ে পুরনো কাজ খুঁজে পেতাম না, সেগুলো আসলেই আর করা হতো না কোনদিনই। এরকম সময়ে সন্ধান পেলাম দারুণ একটা ট্রিকের। এটাকে বলা হয় Time hack! খুব বেশি সাধারণ এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করার পর থেকে সময়ের কাজ সময়ে করে ডেডলাইন পার করতে আর কোন অসুবিধা হয় নি আমার। আরামসে করে ফেলেছি সব কাজ!
এই পদ্ধতিটা কয়েক ধাপে করে এগোতে হয়। সবগুলো ধাপ শেষ করার পর দেখবে যেকোন ডেডলাইনের আগেই তোমার কাজ প্রস্তুত! দেখে নাও সে ধাপগুলি:
ধাপ ১:
প্রথমেই তোমাকে কাগজে একটা লিস্ট করতে হবে। লিস্টে থাকবে পরের দিন যেই কাজগুলো করবে, সেগুলোর নাম আর বিবরণ। এই কাজটা করতে হবে ঘুমাতে যাবার ঠিক আগে, কারণ তাতে নতুন কোন কাজ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।
তোমার হয়তো মনে হবে, কাজ লিস্টে লিখে কী লাভ, এমনিতেই তো মনে থাকে! সত্যিটা হলো, এগুলো আসলে মনে থাকে না। ঠিক যেমন ক্লাসের পড়ার নোট না নিলে দুই দিন পর ক্লাসে কী হয়েছে সেটা আর মনে থাকে না, কাজের ক্ষেত্রেও তাই। এজন্যেই লিস্টে স্পেসিফিক করে সবগুলো কাজের নাম লিখতে হবে।
ধাপ ২:
দিনের শুরু থেকেই লিস্টের কাজ একে একে শেষ করতে হবে। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে, দিনের শুরু হলেই আমাদের নিজের কাজ বাদে অন্য কিছু করতে ইচ্ছা করে, কারো হয়ত ইউটিউবে গান শুনতে ইচ্ছা করে, কারো একটু ফেসবুকিং করতে। কিন্তু এগুলো করার আগে লিস্টের কাজ শেষ করার দিকে মন দিতে হবে। লিস্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যাই নেই, কিন্তু শেষ করার আগে অপ্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ না করাই ভালো।
ধাপ ৩:
এক একটা কাজ শেষ করবে, এবং তারপর সেগুলো এক এক করে কেটে দিবে। হ্যাঁ, তোমার মনে হতে পারে কাজ শেষ হলে সেটা তো মনেই থাকবে, কাটার কি দরকার। কিন্তু এই যে একটা কাজ শেষ করে কেটে দিলে যে একরকম বিজয়ের আনন্দ মেলে, এটা আর কোথাও পাবে না তুমি। তাই কাজ শেষ করা মাত্র সবগুলো কেটে দেবে।
ধাপ ৪:
সবগুলো কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে প্রতিদিন। হ্যাঁ, তোমার হয়তো অনেক ব্যস্ততা থাকতে পারে, অন্য কিছুতে তুমি ব্যস্ত থাকতেই পারো, কিন্তু লিস্টের কাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই চেষ্টা করবে দিনের কাজ সব দিনেই শেষ করে ফেলতে।
ধাপ ৫:
এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার যে তুমি প্রতিদিন লিস্টের সব কাজ শেষ করতে পারবে না। বিভিন্ন বিচিত্র কারণে তুমি দেখা গেলো আটকে গেলে, লিস্টের কাজ শেষ হলো না। তাহলে উপায়?
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো
উপায় অতি সহজ। যেদিন লিস্টের কাজ শেষ হবে না কিন্তু দিন ফুরিয়ে যাবে, তুমি সেদিন বাদ পড়া কাজগুলোকে পরের দিনের লিস্টে লিখে ফেলবে! তাহলেই বাদ গেলেও বন্ধ হবে না কাজ, পরের দিন করা হবে সেই কাজটি!
ধাপ ৬:
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো। এতে একটা উপকার হবে; লিস্টের কাজগুলো সব করা হয়েছে কিনা, সেটার Double check করে নিতে পারবে এর মাধ্যমে। বলা যায় না, অসাবধানে কোন কাজ না করা হয়ে গেলে এই লিস্টে সেটা ধরা পড়বেই!
ধাপ ৭:
মানুষের ব্যস্ততা সবসময় একরকম থাকে না। জীবনে এমনও সময় আসতে পারে, যখন কাজের চাপ এত বেশি বড় হয় যে লিস্ট করেও কুলিয়ে ওঠা যায় না। এরকম সময়ে লিস্ট বাড়িয়ে ফেলতে হয়। বিশাল বড় একটা লিস্ট, সেখানে সব কাজ থাকবে। তাহলেই যত বেশি কাজই হোক না কেন, সামলে নেয়া সম্ভব হবে।
সময়কে হার মানানো খুব বেশি সহজ কাজ নয়। কিন্তু নিয়মিত একটা সময় ধরে কাজ করলে যেকোন কাজ শেষ করাটা আর কোন সমস্যাই নয়!
বর্তমান প্রজন্মের বড় একটা সমস্যা হলো যে তারা এতো বেশি আর ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকে যে, প্রায়ই দেখা যায় কোন না কোন কাজ করার জন্যে সময় জোগাড় করাই যায় না। শুধু সেটাই না, এই কাজগুলো আর পরে করার সময় পাওয়া যায় না। ডেডলাইন মিস হয়, জমা হয় আক্ষেপ।
পরমুহূর্তেই আবার নতুন নতুন ডেডলাইন আসে, নতুন কাজের নিচে চাপা পড়ে যায় না করা কাজগুলো। এভাবে একবার না করা কাজগুলো আর কোনদিনই করা হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততা সেগুলোয় আর হাত দিতে দেয় না, একসময় ফুরিয়ে যায় তার প্রয়োজনীয়তা।
আমারও ঠিক এরকমই হতো কাজ করার সময়। একগাদা কাজের ভীড়ে পুরনো কাজ খুঁজে পেতাম না, সেগুলো আসলেই আর করা হতো না কোনদিনই। এরকম সময়ে সন্ধান পেলাম দারুণ একটা ট্রিকের। এটাকে বলা হয় Time hack! খুব বেশি সাধারণ এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করার পর থেকে সময়ের কাজ সময়ে করে ডেডলাইন পার করতে আর কোন অসুবিধা হয় নি আমার। আরামসে করে ফেলেছি সব কাজ!
এই পদ্ধতিটা কয়েক ধাপে করে এগোতে হয়। সবগুলো ধাপ শেষ করার পর দেখবে যেকোন ডেডলাইনের আগেই তোমার কাজ প্রস্তুত! দেখে নাও সে ধাপগুলি:
ধাপ ১:
প্রথমেই তোমাকে কাগজে একটা লিস্ট করতে হবে। লিস্টে থাকবে পরের দিন যেই কাজগুলো করবে, সেগুলোর নাম আর বিবরণ। এই কাজটা করতে হবে ঘুমাতে যাবার ঠিক আগে, কারণ তাতে নতুন কোন কাজ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।
তোমার হয়তো মনে হবে, কাজ লিস্টে লিখে কী লাভ, এমনিতেই তো মনে থাকে! সত্যিটা হলো, এগুলো আসলে মনে থাকে না। ঠিক যেমন ক্লাসের পড়ার নোট না নিলে দুই দিন পর ক্লাসে কী হয়েছে সেটা আর মনে থাকে না, কাজের ক্ষেত্রেও তাই। এজন্যেই লিস্টে স্পেসিফিক করে সবগুলো কাজের নাম লিখতে হবে।
ধাপ ২:
দিনের শুরু থেকেই লিস্টের কাজ একে একে শেষ করতে হবে। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে, দিনের শুরু হলেই আমাদের নিজের কাজ বাদে অন্য কিছু করতে ইচ্ছা করে, কারো হয়ত ইউটিউবে গান শুনতে ইচ্ছা করে, কারো একটু ফেসবুকিং করতে। কিন্তু এগুলো করার আগে লিস্টের কাজ শেষ করার দিকে মন দিতে হবে। লিস্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে কোন সমস্যাই নেই, কিন্তু শেষ করার আগে অপ্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ না করাই ভালো।
ধাপ ৩:
এক একটা কাজ শেষ করবে, এবং তারপর সেগুলো এক এক করে কেটে দিবে। হ্যাঁ, তোমার মনে হতে পারে কাজ শেষ হলে সেটা তো মনেই থাকবে, কাটার কি দরকার। কিন্তু এই যে একটা কাজ শেষ করে কেটে দিলে যে একরকম বিজয়ের আনন্দ মেলে, এটা আর কোথাও পাবে না তুমি। তাই কাজ শেষ করা মাত্র সবগুলো কেটে দেবে।
ধাপ ৪:
সবগুলো কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে প্রতিদিন। হ্যাঁ, তোমার হয়তো অনেক ব্যস্ততা থাকতে পারে, অন্য কিছুতে তুমি ব্যস্ত থাকতেই পারো, কিন্তু লিস্টের কাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই চেষ্টা করবে দিনের কাজ সব দিনেই শেষ করে ফেলতে।
ধাপ ৫:
এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার যে তুমি প্রতিদিন লিস্টের সব কাজ শেষ করতে পারবে না। বিভিন্ন বিচিত্র কারণে তুমি দেখা গেলো আটকে গেলে, লিস্টের কাজ শেষ হলো না। তাহলে উপায়?
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো
উপায় অতি সহজ। যেদিন লিস্টের কাজ শেষ হবে না কিন্তু দিন ফুরিয়ে যাবে, তুমি সেদিন বাদ পড়া কাজগুলোকে পরের দিনের লিস্টে লিখে ফেলবে! তাহলেই বাদ গেলেও বন্ধ হবে না কাজ, পরের দিন করা হবে সেই কাজটি!
ধাপ ৬:
সারাদিন কি কি করলে তার একটা লিস্ট করে ফেলতে পারো। এতে একটা উপকার হবে; লিস্টের কাজগুলো সব করা হয়েছে কিনা, সেটার Double check করে নিতে পারবে এর মাধ্যমে। বলা যায় না, অসাবধানে কোন কাজ না করা হয়ে গেলে এই লিস্টে সেটা ধরা পড়বেই!
ধাপ ৭:
মানুষের ব্যস্ততা সবসময় একরকম থাকে না। জীবনে এমনও সময় আসতে পারে, যখন কাজের চাপ এত বেশি বড় হয় যে লিস্ট করেও কুলিয়ে ওঠা যায় না। এরকম সময়ে লিস্ট বাড়িয়ে ফেলতে হয়। বিশাল বড় একটা লিস্ট, সেখানে সব কাজ থাকবে। তাহলেই যত বেশি কাজই হোক না কেন, সামলে নেয়া সম্ভব হবে।
সময়কে হার মানানো খুব বেশি সহজ কাজ নয়। কিন্তু নিয়মিত একটা সময় ধরে কাজ করলে যেকোন কাজ শেষ করাটা আর কোন সমস্যাই নয়!
❤1
প্রেমিকার উচিত প্রেমিক এর কাছে এটা সেটা গিফট না চেয়ে প্রেমিক এর 'শার্ট বা টিশার্ট' গিফট চাওয়া!
আবদার এর সুরে বলবে 'তোমার ইউজ করা কোন শার্ট বা টিশার্ট আমাকে দিবা প্লিজ? শার্টে তোমার ইউজ করা পারফিউম এর ঘ্রান যাতে থাকে!'
গিফট পাওয়ার পর মেয়েটা সেটা পড়বে আর একটু পর পর আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখবে,নাকের কাছে নিয়ে পারফিউম এর ঘ্রান নিবে!
শার্ট পড়ে ছবি তুলে প্রেমিক কে দেখাবে! ছবি পাঠিয়ে বলবে 'দেখছো? তোমার শার্টে তোমার চেয়ে আমাকেই বেশি সুন্দর লাগে!'
এই ব্যাপার গুলা কেনো জানি মারাত্নক ভালো লাগে আমার! 🖤
আবদার এর সুরে বলবে 'তোমার ইউজ করা কোন শার্ট বা টিশার্ট আমাকে দিবা প্লিজ? শার্টে তোমার ইউজ করা পারফিউম এর ঘ্রান যাতে থাকে!'
গিফট পাওয়ার পর মেয়েটা সেটা পড়বে আর একটু পর পর আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে দেখবে,নাকের কাছে নিয়ে পারফিউম এর ঘ্রান নিবে!
শার্ট পড়ে ছবি তুলে প্রেমিক কে দেখাবে! ছবি পাঠিয়ে বলবে 'দেখছো? তোমার শার্টে তোমার চেয়ে আমাকেই বেশি সুন্দর লাগে!'
এই ব্যাপার গুলা কেনো জানি মারাত্নক ভালো লাগে আমার! 🖤
❤1
ছেলে-মেয়ে দেখতে গেলে কমপক্ষে ৫ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-
মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে-
১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?
২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপর-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়। খানা কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।
৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?
৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?
তখন সেখানে উপস্থিত এক বৃদ্ধ বললেন, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে কী দেখব?
বললাম,এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-
১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?
২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?
৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?
৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?
৫. বাসায় কখন ফেরে?
৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?
.
লিখা: আহমাদ ইউসুফ শরীফ (হাফি.)
(নোট: অনেকেই বিয়ের কথাবার্তা আগানোর ক্ষেত্রে কেমন প্রশ্ন করা উচিৎ বলে জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আশা করি তাদের ক্ষেত্রে কাজে আসবে।)
* এডমিন চাইলে পোস্ট ডিলিট করতে পারেন। *
মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে-
১. মেয়ের ঘুমের টাইম। কখন কখন ঘুমায়?
২. মেয়ের নিজের কাজকর্ম কে করে দেয়? যেমন তার কাপর-চোপর কে ধুয়ে দেয়? বিছানা কে ঝেড়ে দেয়। খানা কে বেড়ে দেয়? ইত্যাদি।
৩. মেয়ে তার মা বাবার কী কী খেদমত করে?
৪. মেয়ের ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৫. দুলাভাই, চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইদের সাথে কথাবার্তা বলে কিনা? বললে কিভাবে?
তখন সেখানে উপস্থিত এক বৃদ্ধ বললেন, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে কী দেখব?
বললাম,এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭ টি বিষয়ে খোঁজ নিবেন। যথা-
১. ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কোথায় পড়ে?
২. আয়ের কতটুকু বাড়িতে দেয়?
৩. সংসারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করে?
৪. বাসায় মা বাবা কোন কোন ওষুধ সেবন করেন?
৫. বাসায় কখন ফেরে?
৬. ব্যক্তিগত আমল ও আমলের সময়।
৭. পরিবার ও সমাজের গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে তার আচরণ কেমন?
.
লিখা: আহমাদ ইউসুফ শরীফ (হাফি.)
(নোট: অনেকেই বিয়ের কথাবার্তা আগানোর ক্ষেত্রে কেমন প্রশ্ন করা উচিৎ বলে জিজ্ঞাসা করে থাকেন, আশা করি তাদের ক্ষেত্রে কাজে আসবে।)
* এডমিন চাইলে পোস্ট ডিলিট করতে পারেন। *
❤1
কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) :
একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন একজন ব্যক্তি সহজে মলত্যাগ করতে সক্ষম হন না। সাধারণত দুই-তিন দিন পরপর মলত্যাগের বেগ হওয়া এবং শুষ্ক ও কঠিন মল নিষ্কাশন কোষ্ঠকাঠিন্য বলে পরিচিত।
কারণ কি হতে পারে?
১. physiological -
. কম পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার গ্রহণ করা
.কম পনি পান করা
২. pathological (রোগ সংক্রান্ত)-
.IBS (Irritable Bowel Syndrome)
.IBD (Inflammatory Bowel Disease)
.Colon carcinoma
. Diverticulitis
.Stroke
. Hypothyroidism
. Diabetes
.Multiple sclerosis
.Parkinson disease
.some drugs-Calcium,iron, aluminium containing antacids
Tazkia Ferdous
MBBS(5th year)
Moderator of 20 minute medical
আমরা এখন পুরোদমে active আমাদের fb group👉 20 Minute Medical (2)
একটি অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা যখন একজন ব্যক্তি সহজে মলত্যাগ করতে সক্ষম হন না। সাধারণত দুই-তিন দিন পরপর মলত্যাগের বেগ হওয়া এবং শুষ্ক ও কঠিন মল নিষ্কাশন কোষ্ঠকাঠিন্য বলে পরিচিত।
কারণ কি হতে পারে?
১. physiological -
. কম পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার গ্রহণ করা
.কম পনি পান করা
২. pathological (রোগ সংক্রান্ত)-
.IBS (Irritable Bowel Syndrome)
.IBD (Inflammatory Bowel Disease)
.Colon carcinoma
. Diverticulitis
.Stroke
. Hypothyroidism
. Diabetes
.Multiple sclerosis
.Parkinson disease
.some drugs-Calcium,iron, aluminium containing antacids
Tazkia Ferdous
MBBS(5th year)
Moderator of 20 minute medical
আমরা এখন পুরোদমে active আমাদের fb group👉 20 Minute Medical (2)
❤1