জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
মেয়েদের সাথে যেকোনো প্রকার সম্পর্কে ঢোকার আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করবেন, What is she bringing to the table? সম্পর্কটাকে যদি একটা টেবিল কল্পনা করেন, তাহলে টেবিলে সে কি কি নিয়ে আসছে এবং আপনি কি কি নিয়ে আসছেন। অর্থাৎ, সম্পর্কের মধ্যে তার অবদান কি এবং আপনার অবদান কি। প্রতিটা সম্পর্কই একটা চুক্তি। আর বিয়ে হলে সেটা তো ফৌজদারি চুক্তি। এবং চুক্তিতে অবশ্যই উভয়ের অবদান থাকতে হবে। সে যদি তার শরীর আর সৌন্দর্য ছাড়া অন্য কিছুই টেবিলে আনতে না পারে, তাহলে এই সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আপনার জন্য শতভাগ লস প্রজেক্ট।

সে যদি আপনার মানসিক অশান্তির কারণ হয়, সে যদি আপনার সন্তান বা ভবিষ্যত সন্তানদের জন্য ভালো মা না হয়, সে যদি সম্পর্কে প্যাসিভ পার্টনারের ভূমিকা পালন করে, তাহলে বেরিয়ে আসুন এই সম্পর্কের মধ্য থেকে। ভুলে যাবেন না, ইউ আর দ্যা কিং, ইউ আর দ্যা প্রোভাইডার। কোয়ালিটি গার্ল অথবা উইমেনকে অলওয়েজ পার্টনার হিসেবে চুজ করুন। টক্সিক, ট্রাস, গুড ফর নাথিং মেয়েদের সাথে পার্টনারশিপ থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।
👍8
আপনাকে কারাগারে যতটুকু খাবার দেয়।
তার চাইতে ৩ গুণ কম খাবার যদি দেয় মুক্তজীবনে।
তাহলে আপনি কোন জীবন টা বেছে নিবেন?

অবশ্যই মুক্ত জীবন টা বেছে নিবেন।
কারণ এখানে স্বাধীনতা আছে। অনুভূতি আছে। মায়া আছে। ইচ্ছা আছে৷
আবেগ আছে। উৎফুল্লতা আছে। প্রশান্তি আছে৷

তাহলে কারাগার জীবন কেন জীবন নয়?
৩ বেলা খাবার আর ঘুমানোর জায়গা মানেই জীবন নয়।

যৌবনের শুরুতে যেই মায়া থাকে। আবেগ থাকে। উৎফুল্লতা থাকে। অনুভূতি থাকে। চাহিদার উত্থান থাকে৷ স্বপ্ন থাকে৷ অভিমান থাকে। রাগ থাকে। ফ্যান্টাসি থাকে।

একটা সময় এসে পুঁজিবাদী ক্যারিয়ারের কারাগারে সব ম্লান হয়ে যায়। জীবন তখন নিয়ম রক্ষার। জীবন তখন যতটা অনুভূতির। ততটা ফর্মালিটি রক্ষার।

আপনি শহুরে জীবনে দেখবেন। ক্যারিয়ার পিছনে ছুটে ৩৫ ছুই ছুই বয়সে বিবাহে আবদ্ধ হওয়া অনেক জীবন।
কম বয়সী সুদর্শনী মেয়ে তখন তাদের পাওয়া হলো ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয় না।

কিন্তু এটার সর্বশেষ পরিণতি কী?
সর্বশেষ পরিণতি হলো যৌন জীবন বর্ণিল রঙের নয়।

কারণ পাত্রের যৌবন যেখানে সূর্যাস্তের আভায় মিলে যাবার পথে।
পাত্রী যৌবন তখন সূর্যোদয়ের আভায় তাপ বাড়ছে।
একটা পর্যায়ে এত তাপ শোষণের শক্তি আর পাত্রের থাকে না।

তখন স্বামীর ফ্লাট থেকেও যৌবনের আনন্দ নাই। গাড়ি থেকেও অনুভূতি নাই।
যেই যৌবন ব্যয় করে পাত্র এই বাড়ি ও গাড়ির মালিক হয়েছে।

এই গাড়িতে করেই তার বউ যৌন চাহিদা মেটাতে ক্লাবে বা মেল স্কটের দিকে দাপিয়ে বেড়ায়।
কথা গুলো কোনো বানানো গল্প না।
আপনি শহরের অধিকাংশ প্রাইভেটকারের ড্রাইভারের জিজ্ঞেস করেন। এই উত্তর পেয়ে যাবেন।

এটাই আজ বাস্তবতা। পেছনের দুর্গন্ধ কেউ দেখেনা। কারণ উপরে যে কথিত সফলতা ও ক্যারিয়ারের মলাট।

© WaraQah WQ
👍3
আপনার উপকার হবে এমন একটা তথ্য জানাইতেছি ! সিরিয়াস ভাবে নিলে আখেরে আপনারই লাভ হবে ।
.
.
রোগ প্রতিরোধ , বলবৃদ্ধি, অকালবার্ধক্য রোধ , দেহের টক্সিন/ বিষাক্ত বস্তু নিঃসরন , রেচক - মোট কথা শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য যা লাগে সব আছে '' ত্রিফলা তে''
.
🟩 ত্রিফলা কি ?
.
যাদের মনে এই প্রশ্ন । তাদের জন্য বলছি - তিনফলের সমাহারকে ত্রিফলা বলে ! এই তিনফল হলো
★ ১) হরিতকী
★ ২) আমলকি
★ ৩) বহেরা
.
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা হলো রসায়ন । ( রসায়ন কি আর একদিন বলবো ) ।
.
আয়ুর্বেদ ফিলোসোফি অনুসারে মানুষের দেহে ত্রিদোষের ( বায়ু, পিত্ত ও কফ) ও আমা' র ভারসাম্যহীতার কারনে রোগ হয় । ত্রিফলা ত্রিদোষের ভারসাম্য আনয়ন করে ও আমা নাশক হিসেবে কাজ করে । এভাবে আমাদের দেহকে সুস্থ্য রাখে ।
.
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিফলার উপর গবেষনা করে আজ ত্রিফলার গুনাবলীর প্রমান করেছেন , যা প্রায় ৩০০০ বছর আগেই আয়ুর্বেদ গবেষকরা আমাদের জানিয়েছেন !
.
🟩 ত্রিফলা কি কি কাজ করে ?
.
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
দেহের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
রক্তচাপ কমায়।
হৃদরোগ কমায়।
রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।
লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে ।
পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায় ।
কফ নিঃসরণ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
ওজন হ্রাস করে।
এলার্জি কমায় ।
উপকারী ফ্যাটি এসিড (HDL)এর পরিমান বাড়ায়.
শ্বাসকষ্ট কমায় .
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করে ।
রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।
অকাল বার্ধক্য রোধ করে ।
শুক্রের উৎপাদন বাড়ায় ।
যৌন দুর্বলতা দুর করে .... আরো অসংখ্য উপকার করে ।
.
.

🟩 খাওয়ার নিয়মঃ
হরিতকী, বহেরা ও আমলকী কাঁচা ফল সংগ্রহ করুন , শুকিয়ে ফেলুন , বীজ ফেলে দিন এবার সবগুলো সমান অনুপাতে মিশিয়ে গুড়া করুন ( গ্রান্ডারে বাসায় বসেই গুড়া করা যাবে ) । প্রতিদিন সকালে ১ চা চামচ গুড়া একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে রাতে ছেকে পানি পান করুন। এভাবে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেকে পানি পান করুন ।
.
'' সকল রোগের এক বিধান , দিনে দুবেলা ত্রিফলা খান্ ''
যে কাজগুলো আপনার স্ত্রীর কিংবা পার্টনারের আপনার প্রতি থাকা আকর্ষণকে নষ্ট করে দেয় -

প্রতিটি সম্পর্কেই এমন একটা পর্যায় আসে যখন একে অপরের প্রতি এক ধরণের একঘেঁয়েমি চলে আসে এবং একে অপরের প্রতি আকর্ষণের পরিবর্তে বিতৃষ্ণা চলে আসে। বিশেষত অধিকাংশ বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ৪-৫ বছরের মধ্যে এই সময়কাল দেখা যায়। যেখানে আপনার মেয়ে পার্টনার আপনার প্রতি আর আগের মত আকর্ষণ অনুভব করে না এবং এক প্রকার তার মনের মধ্য থেকে বের হয়ে যাওয়ার মত অবস্থার তৈরি হয়। তারমানে এই না যে সে অন্য কারো সাথে নতুন সম্পর্কে গিয়ে আপনার সাথে প্রতারণা করছে। প্রতারণা করা ছাড়াই আপনার প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেছে। তো এটা কেন হয়? সে বিষয় নিয়েই আজকের আলাপ। শেষের পয়েন্টটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ:

(*) নিজের সম্পর্কে কোনো প্রকার রহস্য না রাখা -

অধিকাংশ পুরুষই যে ভুলটা করে, সেটা হলো নিজের সম্পর্কে একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছু খুলে বলা। যেটা কোনো অবস্থাতেই করা যাবে না। আপনি আপনার স্ত্রী কিংবা পার্টনারকে ভালোবাসতেই পারেন, আপনাদের মধ্যে কথার আদান-প্রদান সবকিছুই হবে। আপনি অবশ্যই নিজের সম্পর্কে, নিজের ভালো-লাগা মন্দ লাগা সম্পর্কে অপর পাশের মানুষটিকে জানাবেন, কিন্তু নিজের সম্পর্কে একেবারে সবকিছু খুলে বলা, যেমন আপনি ছোট থেকে কিভাবে বড় হয়েছেন, আপনাকে কে বা কারা ভালোবাসে এবং কারা ঘৃণা করে, ঘৃণা করলেও কেন ঘৃণা করে, আপনি লাইফের কোন স্টেজে স্ট্রাগল করেছেন, আপনার সফলতা, ব্যর্থতা, দুর্বলতা এবং নিজের গোপন সব কথা এগুলো বিস্তারিত কোনো অবস্থাতেই খুলে বলা যাবে না।

আপনি বলবেন সবকিছু, কিন্তু রয়ে সয়ে, পর্যায়ক্রমে। আর আরও মজার বিষয় হলো, অধিকাংশ মেয়েই আপনার জীবনের সংগ্রাম কিংবা আপনার নিজের সম্পর্কে এত ডিটেইল খুব বেশি তোয়াক্কা করে না বা এতকিছু জানা তাদের জন্য অপ্রয়োজনীয়। আর সবকিছু আপনি যখন খুলে বলবেন, তখন আপনার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র রহস্য কিংবা অনুমানের জায়গা থাকে না। এবং আপনার ব্যাপারে নতুন কিছু আবিস্কার করার সুযোগও নষ্ট হয়ে যায়। এবং আপনি তখন তার কাছে আর দশটা সাধারণ মানুষের মতই হয়ে যাবেন। আর সে যখন আপনার ব্যাপারে সবকিছু জেনে যাবে, তখন আপনার ব্যাপারে নতুন করে কোনো কিছু জানতে সে আর আগ্রহী হবে না। এবং এতে করে আকর্ষণের জায়গায় আস্তে আস্তে একধরণের একঘেঁয়েমি প্রবেশ করবে। যেটা আপনি কোনো অবস্থাতেই হতে দিতে চান না। নিজের ব্যাপারে পরিমিত মাত্রায় রহস্য রাখা আকর্ষণের চাবিকাঠি। রহস্য = আকর্ষণ।

(*) স্ত্রীর অফুরন্ত অবসর এবং আপনার ব্যস্ততা -

নিঃসন্দেহে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। দেখেন, আমাদেরকে এভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যে, আমরা মানুষরা একেবারে কিছু না করে থাকতে পারি না কিংবা থাকা সম্ভব না। আপনি যেমন একদম একেবারে কিছু না করে থাকতে পারবেন না, আপনার পার্টনারও তাই। আর পুরুষরা এখানেই যে ভুলটা করে সেটা হলো, স্ত্রীর প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে তার লাইফ থেকে প্রয়োজনীয় ও উপকারী সকল ব্যস্ততার উপাদানকে দূরে সরিয়ে দেয়। যেমন, এত পরিমাণ লাক্সারি লাইফ উপহার দেয়া, যেখানে স্ত্রীর নিজ থেকে কিছুই করতে হয় না। যেমন রান্না করা, ঘরবাড়ি পরিস্কার করা কিংবা বাচ্চা লালন-পালনের যাবতীয় সব কাজ করে দেয়ার জন্য কাজের লোক রেখে দেয়া কিংবা স্ত্রীকে এসব কাজ করতে না দেয়া। যদিও চাকরীজীবী মহিলাদের কথা ভিন্ন। যারা গৃহিণী কিংবা স্টে হোম মম, তাদের পুরুষ পার্টনারের জন্য এই বিষয়টা খুবই শংকার।

আপনার পার্টনার যদি সারাদিন কিছুই না করে কিংবা করা না লাগে তখন তার অফুরন্ত অবসর। এখন এই অবসরে সে চাইলেও একেবারে কিছু না করে চুপ করে বসে থাকতে পারবে না। বিপরীতে আপনি বাইরে কাজে ব্যস্ত। তখন আপনার স্ত্রী তার এনার্জিকে অন্যখাতে ব্যয় করতে চাইবে। আপনার কাছ থেকে সময় না পেয়ে হতে পারে নতুন কোনো শখ শুরু করা, কিংবা ভার্চুয়ালি অথবা সরাসরি নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া, কিংবা এমন কিছু করা শুরু করবে যেটা আপনার মতামত কিংবা পছন্দের বাইরে যেতে পারে। সম্পর্কে ফাঁটল কিংবা বিতৃষ্ণা এভাবেই শুরু হয়। এজন্য তাকে অবশ্যই গৃহস্থলির কাজে কিংবা সন্তান-লালন পালনের মত কাজে ব্যস্ত রাখুন।

(*) মুড সুইং -

নারীদের মুড সুইং নিয়ে ইন্টারনেটে সচারচর অনেক ট্রল হয় কিংবা হয়েছে ইতোপূর্বে। মুড সুইংয়ের বিষয়টা কতিপয় নারীরা যেভাবে ব্যাখ্যা করে ওভাবে না হলেও, এই যে ক্ষণে ক্ষণে কিংবা সংক্ষিপ্ত সময় পর পর নারীদের মনের এবং সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হওয়া, এটা খুবই সত্য একটা বিষয়। নারীরা সাধারণত কোনো একটা বিষয় নিয়ে খুব দীর্ঘ সময় কিংবা দীর্ঘদিন বসে থাকে না। তারা নির্দিষ্ট বিরতিতে সবকিছুতে নতুনত্ব খুঁজতে চায়। কিংবা যখন ঠিক ঐ মূহুর্তে তাদের যেটা ভালো লাগছে সেটা করে কিংবা সেটা বলে। এজন্য তাদের বলা অধিকাংশ জিনিসই আপনি পুরুষদের বলা কথার মত কিংবা প্রমিস হিসেবে ধরে নিতে পারবেন না। যেমন, আপনাকে যদি বলে, আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি এবং আজীবন ঠিক এভাবেই ভালোবেসে যাব। আপনি এখন এই কথাকে একেবারে চুড়ান্ত
হিসেবে ধরে নিলে আপনি একজন খুবই বোকা পুরুষ।

মেয়েটি ঠিক ঐ মূহুর্তে আপনার প্রতি ওরকম অনুভব করেছে এবং সেটা সে ব্যক্ত করেছে। এখন আজীবন না, আগামীকাল গিয়েও তার মত পরিবর্তন হতে পারে এবং সে আপনার প্রতি ভালোবাসার পরিবর্তে বিকর্ষণও অনুভব করতে পারে। এজন্য আপনিও নিজে কোনো কিছুকে একেবারে চিরস্থায়ী হিসেবে ধরে নিবেন না। নিজের লাইফ স্টাইলের মধ্যে পরিবর্তন নিয়ে আসুন, মাঝেমধ্যে চমক দিয়ে নিত্যনতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। একদম রোবটের মত প্রতিদিন ঠিক যে রুটিন ফলো করেন, সবকিছু একদম একই রকম করে করা বাদ দিন। সময়কে উপভোগ করুন। তাহলে আপনাদের উভয়ের এনার্জির মাঝে একটা সমতা বজায় থাকবে।

(*) পরিবর্তনের ছোঁয়া না লাগানো -

মেয়েরা পরিবর্তন এবং নতুন কিছু পছন্দ করে। এজন্য এতকাল সবকিছু আপনি ঠিক যেভাবে করে এসেছেন, ঠিক ওভাবেই সবকিছু করে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজের মধ্যে এবং নিজের সার্বিক জীবনাচরণের মধ্যে পরিবর্তন নিয়ে আসুন। এতে করে আপনাদের সম্পর্ক আরও মশলাদার ও মুখরোচক হবে। এতদিন দু'জনে মিলে যে রেস্টুরেন্টে যেতেন, সেখানে না গিয়ে নতুন রেস্টুরেন্টে যান, নতুন কোনো খাবার ট্রাই করুন। প্রতিনিয়ত একই জায়গায় ঘুরতে না গিয়ে নতুন নতুন জায়গায় ঘুরতে যান। প্রতিদিন একইভাবে ড্রেসআপ না করে নতুন নতুন পোষাক ট্রাই করুন। নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হন। সর্বোপরি, নিজের ও নিজের পার্টনারের লাইফ স্টাইলের মধ্যে পরিবর্তনের একটা ধারা সর্বদা অব্যহত রাখুন। তাহলেই আর সম্পর্কে একঘেঁয়েমি আসবে না কিংবা আপনার পার্টনার আপনার প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলবে না যেহেতু প্রতিনিয়ত সে আপনাকে নতুন ভাবে দেখছে ও আবিষ্কার করছে।

(*) লাইফের সবকিছুতে স্ত্রী কিংবা পার্টনারকে সবার উপরে রাখা কিংবা প্রায়োরিটি দেয়া -

এটা সর্বশেষ পয়েন্ট হলেও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এবং এটা সংক্ষেপেই শেষ করব। শুধু একটা কথাই মনে রাখবেন, সে যদি হয় আপনার প্রায়োরিটি, আপনি তাহলে তার অপশন। আবারও বলছি, সে যদি হয় আপনার লাইফের প্রায়োরিটি, আপনি তাহলে তার কাছে একটা অপশন।

কোনো নারী কিংবা আপনার পার্টনার আপনার লাইফের সবার উপরে থাকবে না কখনোই। সবার উপরে থাকবে পুরুষ হিসেবে আপনার মিশন, ভিশন ও গোল। যেটা নিয়ে আপনি সিংহভাগ সময় ব্যস্ত থাকবেন। স্ত্রী কিংবা পার্টনারের চ্যাপ্টার আপনার লাইফে আপনার মিশনের পরে আসবে। যখনই আপনি কোনো মেয়েকে আপনার লাইফের একমাত্র লক্ষ্য বানাবেন, তখনই আপনি সবকিছু হারাতে শুরু করবেন এবং আপনার লক্ষ্য থেকে ছিঁটকে পড়বেন। এজন্য আবারও মনে রাখুন, If she is your priority, you are her option. একজন হাই ভ্যালু পুরুষ হিসেবে কি আপনি কারো অপশন হতে চান? নাকি প্রায়োরিটি হতে চান? প্রশ্নটা এবার নিজেকেই করুন।
.
.
.
.
.
পুরুষ কথনেরর লেখা থেকে আপনি উপকৃত হলে শেয়ার করে পরিচিত অন্য পুরুষদের মাঝেও ছড়িয়ে দিন। এবং আধুনিক সময়ের পুরুষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন। ধন্যবাদ।
স্লিপিং পার্টনার 🤎🤎🤎

IBA গ্রাজুয়েট এক ব্যবসায়ীর সাথে HSC সাইন্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বিয়ে ঠিক হলো। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ। এক মাস পরে বিয়ে।

ফোনে, ম্যাসেঞ্জারে নিয়মিত কথা হয় তাদের। বিয়ের এক সপ্তাহ আগে কথা প্রসঙ্গে মেয়েটা কৌতূহলী হয়ে হবু বরকে জিজ্ঞাসা করল-

- “আচ্ছা, তোমার ফ্যামিলি তো মধ্যবিত্ত। তুমি এত অল্প বয়সে এই যে এতো বড় বিজনেস দাড় করালে, মূলধন কোথায় পেলে?”

- “শুনো তাহলে। তোমাকে বিয়ে যখন করবো, কিছুই গোপন করবো না। তোমাদের বাসায় তোমাকে দেখতে যাবার সময় আমাদের সাথে ফর্সা করে একটা মেয়ে ছিল। মনে আছে তোমার?”

- “হ্যাঁ, তোমার আপু নাকি উনি?”

- “আরেহ্ না, তার নাম সাদিয়া। ঢাকার এক শিল্পপতির মেয়ে। ছাত্র অবস্থায় একটা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্সে গিয়ে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমার বিজনেস প্ল্যান ওর সাথে শেয়ার করার পর সে সন্তুষ্ট হয়। নিয়মিত যোগাযোগের এক পর্যায়ে আমার উপর আস্থা রেখে সে আমার স্লিপিং পার্টনার হয়ে যায়। এরপর আমার মূলধন নিয়ে আর ভাবা লাগেনি। আমার আরো তিনজন স্লিপিং পার্টনার আছে। তবে সাদিয়া সবচেয়ে বেশি এফোর্ট দিয়েছে।”

- (রেগেমেগে) “শালা লুইচ্চা, জানোয়ার, ক্যারেক্টারলেস! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড শাহেদের কাছে আগেই শুনেছি ভার্সিটির ছেলেরা এতো এতো মেয়ের সাথে ঘুমায়। আজ হাতেনাতে প্রমাণ পেলাম। থ্যাংকস গড। তোর মতো লুইচ্চার সাথে ফুলের মতো নিষ্পাপ এই আমার বিয়ে? না, কিছুতেই হতে পারে না। লুইচ্চা কোথাকার! ফোন রাখ!” (এই বলে মেয়েটা ফোন কেটে দিল)

🥰শিক্ষা:- যত বড় বিদ্বানই হন না কেন, অন্যের জ্ঞানের লেভেল না বুঝে তার কাছে ফর্মাল ওয়েতে সবকিছু প্রকাশ করতে যাবেন না। অবুঝ মানুষ ভালোভাবে না বুঝেই রিয়্যাক্ট করে থাকে।

☘️বি: দ্র:- স্লিপিং পার্টনার অর্থ ব্যবসায়ের নিষ্ক্রিয় অংশীদার। অর্থাৎ সে টাকা ইনভেস্ট করবে, কিন্তু আড়ালেই থেকে যাবে। কাজকর্ম যা করার আপনাকেই করতে হবে আর চুক্তি অনুযায়ী লাভের একটা নির্দিষ্ট অংশ তাকে দিতে হবে ©©
👍3🤔1
হালাল ভাবে একটা নারীকে স্পর্শ করতে ২৮/৩০ বছর ব্যয় করে আপনাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। ভালো স্যালারি লাগবে। টেকসই জব লাগবে। মোহরানা জমাতে হবে। লোকজন খাওয়াতে হবে। এছাড়াও কতো প্রতিবন্ধকতা!

আবার একই নারীকে হারাম ভাবে স্পর্শ করতে, উপভোগ করতে মাত্র দুই দিন সময় দিলেই হবে। স্যালারি ও লাগবে না, জব ও লাগবে না। মোহরানা ও দিতে হবে না। ১৭/১৮ বছর বয়সেই ভোগ করা যাবে। তখন কেউ আপনাকে ছোট বলবে না।।

বিয়ে করতে যান। বয়স হয়নি। ক্যারিয়ার হয়নি। সেটেল হয়নি। কত অঘোষিত নিষিদ্ধ আইন।

এই সমাজ ব্যবস্থায় মুসলমানদের ঈমান রাখা হাতে যে জ্বলন্ত কয়লা রাখার মত পরিস্থিতি। বলার ভাষা নাই। এই পরিবার, এই সমাজ, এই রাষ্ট্র, এই শিক্ষা ব্যবস্থা সবই আমাদের জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিচ্ছে!
🇧🇩🇩🇪 পরামর্শমূলক পোস্ট - জার্মানীতে আউসবিল্ডুং

আমার বিগত পোস্ট থেকে বুঝতে পেরেছি যে আমাদের দেশের মানুষ জার্মানীতে আউসবিল্ডুং এর বিষয়টায় অনেক আগ্রহী। অনেক মেসেজ পাচ্ছি এ ব্যাপারে ডিটেইলস স্টেপস নিয়ে। তাই আমি সময় সুযোগ করে ধারাবাহিকভাবে যতটা পারি এ ব্যাপারে স্টাডি করে আপডেট দেয়ার চেষ্টা করবো। আজকে ওভারল স্টেপস গুলো নিয়ে লিখছি। এরপর ইনশাআল্লাহ প্রতিটা স্টেপস নিয়ে আরো ডিটেইলসে লিখবো আল্লাহ যদি হায়াত আর বরকত দেয়। আরেকটা কথা আপনাদেরকে বলে রাখি; আমি কোনো রকম কোনো প্রফিট/ টাকা-পয়সার লোভ কিংবা কোনো সুভিদার জন্য কাজ করছি না। আমার মনে হয়েছে যে অনেক দেশের মানুষ এদেশে (জার্মানীতে) আসছে এবং ক্যারিয়ার গড়ছে কিন্তু আমার দেশের মানুষ পারছে না। প্রপার তথ্যের অভাব, একটু সাহায্যের অভাবে অনেকে ভুল এবং রিস্কি পথে পা বাড়াচ্ছে। আমি আমার দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসি; এবং আমি চাই আমার দেশের মানুষ বিদেশে এসে ভালকিছু করুক। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি লিখছি। তাই প্লিজ আমার উপর কেউ অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। আউসবিল্ডুং Male/Female/Divers - পুরুষ-নারী-লিঙ্গ নির্বিশেষে সবার জন্য সমান অপরচুনিটি এবং পলিসি। জার্মানীতে এরা কোনো বিভেদ করেনা। একদম শুরু থেকে আউসবিল্ডুং জব ভিসা নিয়ে জার্মানীতে এসে কাজ শুরু করার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:-

•• সার্টিফিকেটস রিকগনিশন এবং ট্রান্সলেশন••
প্রথমত বিদেশে এসে যে আপনি একটা চাকুরি করবেন এইজন্য তো একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন। এখন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে এটা প্রমাণ করবেন কিভাবে? অবশ্যই আপনার বাংলাদেশে অর্জন করা SSC + HSC সার্টিফিকেট দ্বারা। কিন্তু এইদেশে তো আর এরা বাংলাদেশের বোর্ড সার্টিফিকেট চেনে না। এরা তো আর ঐ শিক্ষাব্যবস্থার সাথে পরিচিত না। সোজা কথায় আপনার ডিগ্রিটা এই দেশে ফরমালি রিকগনাইজ্ড না। এখন এটা তাদের চেনাতে হবে। আর জার্মানীতে বিদেশি যেকারো ডিগ্রী রিকগ্নিশনের কাজ করে এইদেশি একটা অর্গানাইজেশন যার নাম ZAB বা “Zenteralstelle für auländisches Bildungswesen”। যারা একটু স্মার্ট আছেন এটা নিয়ে বিস্তারিত গুগোল বা ইউটিউবে সার্চ করে জেনে নিতে পারেন। এখানে অ্যাপ্লাই করে নিদ্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে সার্টিফিকেট টা ওনারা জার্মান শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সমন্বয় করে আপনাকে একটা ডকুমেন্টেশন দেবে যে হ্যাঁ উনি এতটা/অতটা শিক্ষিত। তখন জার্মানির সব সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানিগুলো নিশ্চিন্তে আপনার শিক্ষাগত সার্টিফিকেট এক্সেপ্ট করবে। এটার ফি ১০০-৬০০ ইউরো পর্যন্ত লিখা আছে। তবে আমি কিছু বাংলাদেশীদের সাথে কথা বলেছি যাদের প্রায় ৩০০ ইউরো লেগেছে। এটা নিয়ে বিস্তারিত অন্য ধারাবাহিক পোস্টে লিখবো।

•• ভাষা শেখা••
জার্মানীতে আশার সবচেয়ে ইমপোর্ট্যান্ট কোয়ালিফিকেশন কিংবা রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ডয়েচ (জার্মান ভাষার নাম) শেখা। সবচেয়ে চ্যালেঞ্জইং বিষয়ও বটে। যেহেতু আপনি প্রাক্টিক্যাল জবে ট্রেইনিং করবেন, কলিগদের সাথে কথা বলবেন, কাস্টমারদের সাথে কথোপকথন হবে আর সেটা সম্পূর্ণটাই হবে ডয়েচ ভাষায়। সুতরাং তারা যা বলছে সেটা একবার শুনেই ভালোভাবে বুঝতে পারা এবং তারা যেনো একবারেই আপনার কথা বুঝতে পারে ঐরকম ফ্লুয়েন্ট ভাবে কথা বলতে পারতে হবে। শুধু বলতে পারলেই হবে না; ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট দিয়ে সেটার সার্টিফিকেটও লাগবে। ডয়েচ ল্যাংগুয়েজ লেভেলগুলো হচ্ছে A1 A2 B1 B2 C1 C2. আউসবিল্ডুং এর জন্য আপনাকে কমপক্ষে B1-B2 লেভেলের ভাষা জানা থাকা লাগবে। বেশিরভাগ জবের ক্ষেত্রেই B1 হলেই হয়। কিন্তু নার্সিং এবং কমার্শিয়াল (যেমন ব্যাংক) ইত্যাদিতে B2 লেভেল প্রয়োজন হয়। আমার ব্যক্তিগত ধারণা বলে যে, এই জবগুলোতে মানুষের সমস্যা শোনা এবং তাদেরকে অনেকভাবে বোঝানোর একটা ব্যাপার থাকে তাই সম্ভবত এখানে একটু আপার লেভেলের ভাষা দক্ষতা প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন আপনি ভাষা শিখবেন কোত্থেকে? প্রথমত, জার্মানীর অফিশিয়াল অর্গানাইজেশন আছে একটা; নাম Goethe Institute. বিশ্বের প্রায় সকল দেশেই এদের অফিস আছে। এই অর্গানাইজেশন ডয়েচ ভাষা শেখায় এবং পরীক্ষা নিয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করে। বাংলাদেশেও এই Goethe Institute আছে। আমি কমেন্টবক্সে ঠিকানার স্ক্রিনশট এড করে দিবো। এছাড়াও অনলাইনেও অনেকে শেখায় পার্সোনালি। নিজে নিজে প্রাথমিকভাবে শিখতে চাইলে Netzwerk A1, Die Deutsche Sprache - হেমায়েত মাতুব্বর, জার্মান ব্যাকরণ A1 থেকে B1 - সরফুদ্দিন আহমেদের বই ফলো করতে পারেন। ইউটিউবে অনেক ক্লাস আছে সেগুলো দেখতে পারেন। “এসো জার্মান শিখি” নামে একটা ফেইসবুক গ্রুপও আছে। সেখানে এড হয়ে শিখতে পারেন। আপনার যেখান থেকে ইচ্ছা আপনি শিখতে পারেন। কিন্তু পরীক্ষাটা দিতে হবে Goethe Institute থেকেই। প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে পড়লে শূন্য থেকে B1 লেভেলে যেতে প্রায় ১০মাস- ১ বছর লাগতে পারে। যদি সময় বেশি দেয়া যায় তাহলে ৬/৭ মাসেও B1 লেভেল সম্পন্ন করা যায়। অনেকেই করেছে। আবার সবাই যে পারবে এমনও না।

•• জব খোজা ••
যখন আপনি ফ্লুয়েন্ট
👍1
একজন সফল পুরুষের কেন কমফোর্ট জোনে থাকা উচিত নয়?

কল্পনা করে দেখুন, আপনি একজন সফল বসের বাধ্য কর্মচারী। সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানিতে গোসল করে রিলাক্সড হয়ে মাথার পাতলা চুলগুলো সুন্দর করে আচড়ে, ফিটফাট হয়ে নয়টা-পাঁচটা অফিসে যাতায়াত করেন। আপনার বেতনে আপনি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। আপনি একটি সুন্দর কমফোর্ট জোনে আছেন। বিয়ে করার জন্যে সুন্দরী পাত্রী খুঁজছেন। আপনার ভবিষ্যৎ টাকার যোগান হচ্ছে কয়েকটা ফিক্সড ডিপোজিট যা আপনি বেতনের কিছু টাকা আলাদা করে প্রতিমাসে জমা করেন। আপনার বাবা-মাও এই শিক্ষা আপনাকে দিয়েছে। টাকা পয়সার অভাব আপনার নাই কারণ, আপনি বাবার বাড়িতেই ফ্রি থাকা খাওয়া করেন। তাই একহিসেবে পুরো বেতনটাই আপনার সারপ্লাস। এটা দিয়ে আপনি নিজেকে যথেষ্ট ধনী মনে করেন এবং আপনার পরিবারকে সবচেয়ে সফল পরিবারদের মধ্যে একটি হিসেবে চিন্তা করেন।
অথচ, টাকার চাহিদা কখনো কমে না, একরকম থাকে না বরং টাকার চাহিদা বাড়ে। এটা ধ্রুব সত্য।

এন্ড্রু টেইট একটি পডকাস্টে এমন সফল চাকুরীজীবিদের জীবন নিয়ে একটি ভয়াবহ কথা বলেন-

“তোমার অর্থের চাহিদা কখনো একরকম থাকবে না, এটি প্রতিদিন বাড়বে। সমাজের অবকাঠামো এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যে এই চাহিদা কখনোই তোমার উপার্জন থেকে কমে আসবে না। আর এই চাহিদা তোমাকে নিঃস্ব হওয়া পর্যন্ত নিয়ে যাবে যতক্ষণ না এই সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। তাই ধনী হওয়ার চেষ্টা করো। এখানেই তোমার মুক্তি ও স্বাধীনতা।”

অথচ, আপনি বসের প্রিয়ভাজন হতে তার পদ লেহন করেন। নিজের অবস্থানকে ধরে রাখতে জব পলেটিক্স করেন। অন্যের উন্নতি দেখলে বা বসের প্রিয় হতে দেখলে আপনার অনেক ইর্ষা হয়। তাকে টেনে নিচে না নামানো পর্যন্ত আপনার জব পলেটিক্স চলতে থাকে।

দিনশেষে এগুলো করে আসলেই কি কোন লাভ আছে? আপনিতো সেই মধ্যবিত্তই থেকে যাবেন। বউয়ের সব চাহিদা পূরণ করতে না পেরে তার দু চার কথা শুনে চুপ করে থাকবেন। নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাটের জন্যে লোন করবেন, সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা দিতে গিয়ে সেই ফিক্সড ডিপোজিটগুলো ভেঙে সর্বশান্ত হবেন। তারপরেও আপনার পরিবার সবচেয়ে সফল পরিবারদের মধ্যে একটি!

আপনার কমফোর্ট জোনই আপনার জীবনের জন্যে অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। যা আপনি নিজ থেকেই আলিঙ্গন করে নিচ্ছেন। তথচ, একজন সফল পুরুষ কখনোই নিজেকে কমফোর্ট জোনে রাখে না। তার লক্ষ্যই থাকে এগিয়ে যাওয়ার। আজকে ১০ টাকা থাকলে কালকে ১০০ টাকা কমানোর চিন্তা। এটাই পুরুষের অস্তিত্বকে হাজার বছরের মানব সভ্যতায় বাঁচিয়ে রেখেছে। একটি হায়ার এইম, একটি হায়ার পারপাস। যা আপনাকে উন্নতির উপরে উন্নতি করার স্পৃহা দেয়।

আপনার এই মানসিকতা কিন্তু আপনার বসের থেকে ভিন্ন। পার্থক্যটা খুবই অভ্যিয়াস-

১. কাঁকড়া মানসিকতা-

একটি বালতিতে যখন অনেক কাঁকড়া রাখা হয় তখন সবাই বালতি বেয়ে তা অতিক্রমের চেষ্টা করে কিন্তু প্রত্যেকেই প্রত্যেকের পা ধরে টান মারে যার ফলে কেউই আর বালতি থেকে বের হতে পারে না। এই ভৃত্য ও কমফোর্ট জোনের লোকেরা এই মানসিকতা পোষণ করে। তারা নিজেরাও জীবনে আগাতে পারে না, কর্মস্থলেও কাউকে আগাতে দেয় না, এমনকি নিজের সন্তানদেরও বড় কিছু আশা করতে বাঁধা দেয় এবং সবচেয়ে সফল পরিবারের ডিলুশান তৈরি করে নিজেদের কুয়ার ভিতর আরাম করে ঘুমায়।

২. লবস্টার মানসিকতা-

লবস্টার শতবছরেরও বেশি বাঁচে এবং যতদিন এরা বাঁচে ততদিনই বড় হতে থাকে। একটি নির্দিষ্ট সাইজে আসার পর তার আগের খোলসটা ছোট হয়ে যায়। তখন সে আরো বড় খোলসের জন্যে আগের খোলস ত্যাগ করে। এর মধ্যবর্তী সময়টাই তার জীবনের সবচেয়ে ভলনারেবল সময় কারণ, তার এই সাময়িক নরম শরীরে যেকোন আক্রমনের শিকার সে হতে পারে। ধীরে ধীরে তার দেহে নতুন শক্ত খোলস জন্মায়। এই তার বৃদ্ধি হতে বারবার তাকে এতো কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় কিন্তু কেউ তাকে থামিয়ে রাখতে পারে না। তার বড় হতেই হবে, সেটা শত কষ্টের ভিতর দিয়ে হলেও। মনিব শ্রেণীর মানুষরা সবসময়ই এই ট্রায়াল এন্ড এররের মধ্যে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শত বাঁধা এলেও কোনকিছুই তাদের টলাতে পারে না কারণ, লবস্টারের মতোই তার দ্বিতীয় কোন অপশান বা কমফোর্ট জোন কনসিডার করার সময় থাকে না। তারা রিস্ক নিয়ে ইনভেস্ট করেই বড় হয়। বেতনের টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে নয়।

আপনার ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই আপনার কমফোর্ট জোন তৈরি করে দেয়। তাই লবস্টার মেন্টালিটির একজন সফল পুরুষ হতে চাইলে বিভিন্ন ছোট ছোট অভ্যাসগুলোর দিকে নজর দিন, নিজের মনকে শক্ত করে বাঁধুন, মন চাইবে আরাম করতে কিন্তু এই যৌবনে সফল হতে পারলে শেষ বয়সে আরাম করার যথেষ্ট সময় পাবেন। ক্র্যাব মেন্টালিটির হয়ে বুড়ো বয়সে ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙতে হবে না।
1🔥1
🌼উত্থান/উত্তেজিত অবস্থায় অবস্থায় পেনিসের সাইজ চার ইঞ্চি।ছেলেগুলো এরপরেও কাঁদে।এই জন্মে কুসংস্কার দূর করা আমার পক্ষে সম্ভব না।আর কয়েকবার জন্ম নিলে হয়তো দূর করতে পারতাম।

🌼সমাধান:ভাইয়া আপনার সাইজ ভালো আছে।আপনার সাইজ যেমন,আমারও মনে হয় তেমনই😁😁।সবকিছু আমার সাথে মিলিয়ে বলি,তারপরেও আপনারা ভয় পান কেন আমি বুঝি না😀।আপনি এখন অবিবাহিত।যখন বিয়ে করবেন,বউয়ের স্টিমুলেশন পাবেন তখন দেখবেন যে,আরো এক ইঞ্চি/দেড় ইঞ্চি লম্বা হয়ে যাবে।আর চার ইঞ্চিতো যথেষ্ট।মেয়েদের যোনিপথের দৈর্ঘ্য দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি এবং ক্ষেত্রবিশেষ আরো একটু কম।তার মানে,আপনার চার ইঞ্চি সাইজ দিয়ে আপনার স্ত্রী অবশ্যই অবশ্যই সন্তুষ্ট হবেন।আর আমাদের একটা ভুল ধারনা হলো,যত ভিতরে যেতে পারবো,তত মনে হয় আনন্দ পাবো।এটা আসলে একেবারেই ভুল,যোনিপথের বাহিরের দিকটাই সবচেয়ে বেশি সেনসিটিভ।ভয় দূর করেন।নিজের কাজকর্মে মন দেন।নিজের কেরিয়ার গড়েন এবং টাকা পয়সা ইনকাম করেন।এসব স্বাভাবিক জিনিস নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করে নিজের শারীরিক আর মানসিক ক্ষতি করবেন না।
👍61
যাঁরা এখনই সন্তান নিতে চাইছেন না, আবার নিয়মিত কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (যেমন পিল বা কনডম) ব্যবহারেও অনীহা, তাঁদের জন্য ন্যাচারাল মেথড একটি উপায় হতে পারে। এই natural method follow করাকেই নিরাপদকাল বলা হয়।এটা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ওভুলেশন বা ডিম্বাণু স্ফুরণের সময়টি হিসাব করে ওই সময়ে সহবাস বন্ধ রাখতে হবে।

কীভাবে গণনা করতে হবে?

যে নারীরা প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান, তাঁদের পূর্ববর্তী ছয় মাসের মাসিকের হিসাব রাখতে হবে। একবার মাসিক শুরু হওয়া থেকে পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়া পর্যন্ত কত দিনের ব্যবধান থাকে, তা লিখে রাখতে পারলেই ভালো। তারপর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ব্যবধানের মাসিকচক্র থেকে ১৮ দিন বিয়োগ করতে হবে আর সবচেয়ে দীর্ঘ মাসিক চক্র থেকে ১১ দিন বিয়োগ করতে হবে।

যেমন কারও মাসিকচক্রের হিসাব যদি এমন হয় যে ২৫ থেকে ৩০ দিন, তাহলে হিসাবটা হবে:

২৫-১৮ = ৭



৩০-১১ = ১৯

তাহলে তার ওভুলেশনের সম্ভাবনা মাসিকের ৭ম থেকে ১৯তম দিন পর্যন্ত। এ সময়টাকে ডেঞ্জার পিরিয়ড বা ফার্টাইল পিরিয়ড বলে। এ সময় সহবাস বন্ধ রাখা বা স্বামী কনডম ব্যবহার করলে গর্ভধারণের ঝুঁকি কমে যায়।

এমন গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে হলে পড়াশেষে Done লিখতে হবে। আমিও কমেন্টে Done লিখতেছি...

Tazkia Ferdous
MBBS 5th year
Social Media Manager at 20 Minute Medical & Page Admin
👍71
ভালোবাসার চূড়ান্ত অবস্থান হলো "সেক্স"

ভালোবাসলে তৃষ্ণার তৈরী হয়, মনে হয় জান, প্রান লাগিয়ে তাকে আদর করি, তখনই সেক্স এর মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে বীর্য বের হয়!
2
শিশুর অর্থপূর্ণ ভালোনাম শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, এছাড়া একটি ভালো নাম, কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে, বেক্তিগত জীবনে। তা নিয়েই আজকের আলোচনা। চলুন বিস্তারিত জানা যাক:-----

অনেক সময় নামের কারণে যেমন প্রশংসা মেলে তেমনি অনেক ক্ষেত্রে বুলিংয়েরও শিকার হতে হয়। একজন মানুষের প্রথম ইম্প্রেশন তৈরিতে প্রভাব ফেলে শারীরিক বৈশিষ্ট্য, চেহারা, পোশাক-পরিচ্ছদ, কথার ধরন, আচার-আচরণ। আর প্রথম কথপোকথনে প্রভাব ফেলে নাম। একটি সুন্দর নাম মুহূর্তের মধ্যেই সবার মাঝে আপনার শিশুকে অনন্য করে তুলতে পারে-আজ এবং আগামীতেও। একটি নাম ব্যক্তিত্ব আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে পারে।

মনোবিদরা বলেন, যেহেতু একটি নাম একজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে এবং প্রতিদিনের ভিত্তিতে ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একজনের আত্ম-ধারণার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

যারা নিজেদের নাম পছন্দ করেন না তাদের মানসিক সামঞ্জস্য অত্যন্ত নগণ্য হয়। হয়তো তাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার অভাব নিজেদের নাম অপছন্দ করায় প্রভাব ফেলে অথবা তাদের নিজেদের নাম অপছন্দ করার কারণে তাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব সৃষ্টি করে।

মনে রাখুন, একটি নামে ভালো অর্থ থাকা জরুরি। মাতৃভাষা কিংবা অন্য যেকোনো ভাষায় নাম হতে পারে, অর্থটা ভালো হওয়া খুব প্রয়োজন। মনে রাখবেন, নাম মানে একটি অর্থ-যা আপনার সন্তানের প্রতিনিধিত্ব করবে সারাজীবন ।

- রিচার্স আর্টিকেল ---- https://www.childresearch.net/papers/new/2010_01.html
হাসান আল বসরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, দুনিয়াবী জীবন তিনদিনের।

১. গতকাল : যা ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে।
২. আগামীকাল : সম্ভবত তুমি তার নাগাল পাবে না।
৩. আজ : তোমার যা করার তা আজই কর।

[ আয যুহুদ : ১৯৭ ]
👍71
জীবনকে সহজ করার ৩টি সহজ উপায় কি?

আমরা যদি আমাদের জীবনকে খুব সহজ থেকে সহজতর করতে পারি, তাহলে বড় বড় বিপদগুলো থেকে মুক্তি পেতে পারি। এর জন্য আমাদেরকে জানতে হবে কিছু কৌশল।

নিচে ৩টি সহজ কৌশল আপনাদের সামনে শেয়ার করছি, যা আপনাদের বাস্তব জীবনকে অনেকটাই নিরাপদ রাখবে।

1️⃣ না বলার টেকনিক জানতে হবে:

আমরা অনেকের না বলতে পারিনা। আপনার কাছে না বলতে খুব কষ্ট হয়? তাহলে সরাসরি “না” না বলে, প্রশ্ন করুন। এভাবে প্রশ্ন করতে পারেন “ আমি যদি না বলি আপনার কি খুব খারাপ লাগবে?”

খুব কম মানুষেই বলবে যে, হ্যাঁ আমার খারাপ লাগবে। এভাবেই টেকনিকটা ব্যবহার করতে পারেন তাহলে বড় বড় বিপদ গুলো থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

2️⃣ অভাব জাতীয় কোন জিনিস কেনার জন্য ৩০ দিন অপেক্ষা করুন:

অভাব জাতীয় যেকোনো জিনিস কেনার জন্য যদি খুব ইচ্ছা তৈরি হয়ে যায়, তাহলে কমপক্ষে কষ্ট করে হলেও ৩০ দিন অপেক্ষা করার চেষ্টা করুন তারপর নিজেকে প্রশ্ন করুন, আমি যেটি কিনতে চেয়েছিলাম সেটা কি আসলেই আমার দরকার ছিল?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় না, এই গোল্ডেন নিয়মটি মেনে চলুন।

3️⃣ বর্তমানকে ফোকাস করুন:

হতাশা এবং উদ্বিগ্ন এ দুটো জিনিস তৈরি হয় অতীত এবং ভবিষ্যৎ কে ঘিরে, তাই সবথেকে বেশি চেষ্টা করুন বর্তমানে আপনি কি করছেন সেটার ওপর পুরোপুরি ফোকাস দিতে? এতে আপনি অল্প সময়ে সব থেকে বেশি কাজ করতে পারবেন এবং আপনার ভিতরে হতাশা এবং উদ্বিগ্ন কাজ করবে না।

জীবনকে সহজ করার আরও বেশকিছু নিয়ম নিয়ে আমরা একটি বিস্তারিত গাইড লাইন তৈরি করছি (ই-বুক) আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবেন।

ধন্যবাদ 🙏

রাশেদুল ইসলাম, ফাউন্ডার স্কিলস রাইডার
6👍4
আসসালামু ওয়ালাইকুম।

শুধুমাত্র যারা আমাদের "সরকার টেলিকম" এর মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তারা নিচের লিংকে ক্লিক করে Group এ যুক্ত হতে পারেন। ভর্তির সময় জানিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেয়া হবে।

https://chat.whatsapp.com/GHaAhhCOehp64tYV8Gr1wT

Help line: 📞 📠 01619993851
সরকার টেলিকম এন্ড কম্পিউটার
Email: sarkartelecom1971@gmail.com
Whatsapp: লিংকে ক্লিক করুন https://wa.me/8801619993851
সাথে আছি: মো: সজল সরকার
👍2
জ্ঞান - Knowledge pinned «https://whatsapp.com/channel/0029VaMvUQ14dTnNDSqsbw1G»