জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
#মনের_স্তর

আমাদের মনের তিনটি স্তর হল:
”আবেগীয় মন (Emotional mind)"
যৌক্তিক মন (Reasonable mind) এবং ”বিজ্ঞ মন (Wise mind)”।

আবেগীয় মন(Emotional mind): এই স্তরে আবেগ দ্বারা চিন্তা ও আচরনগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়। এটা একজন মানুষের
জন্য উপকারীও কিংবা ক্ষতিকরও হতে পারে। অতিরিক্ত ভালবাসার আবেগের অনুভুতি সম্পর্কের গভীরতা বাড়িয়ে দেয়। আবার তীব্র ঘৃণা সম্পর্কে তিক্ততার দিকে টেনে নিয়ে যায়। কিছু পরিস্থিতিতে এবং কিছু মাত্রার আবেগ আমাদের
আমাদের জীবনে উপকারী। আবেগীয়ভাবে কোন কাজ করি যার তাৎক্ষণিক ফলাফল
ইতিবাচক মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নেতিবাচক হয় এবং আমাদেরকে কষ্ট দেয়। এবং আবেগীয় মন প্রায়শঃই সমস্যগ্রস্থ হয়ে পড়ে যখন আমাদের মনের ভিতরের অবস্থা এবং বাহ্যিক পরিবেশ আমাদেরকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়।

যৌক্তিক মন (Reasonable mind): এই মনের কারনে ব্যক্তি যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে পারেন, গবেষণা করতে পারেন, একটা বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারেন, চিন্তা করে আচরন করতে পারেন, এমনকি অনেক সমস্যার যুক্তিযুক্ত সমাধান করতে পারেন। এই স্তরে থাকার কিছু উপকারীতাও আছে। কিন্তু মানুষ আবেগহীন হতে পারেন না। শুধু যুক্তি দিয়ে আবেগ ছাড়া মানুষ চিন্তা করাই কঠিন।

বিজ্ঞ মন (Wise mind): শুধু যুক্তি দিয়ে যেমন মানুষ হয় না আবার শুধু আবেগ দিয়েও চললেও অনেক ভুল করার সম্ভবনা থাকবে। তাই যুক্তি ও আবেগ দুটি বিষয়ের সমন্ময়ে চলতে হবে।
আমাদেরকে চিনতে হবে যে আমার মধ্যে কোনটি বেশি থাকলে সেই বিষয়টি কমাতে হবে এবং এই দুটোর মধ্যে কোন দিকে নমনীয় হওয়া প্রয়োজন। Wise mind হচ্ছে দুটো স্তরের সমন্বয়। এটি একটি শান্ত, স্থির এবং শান্তিময় স্তর। এই মন হলো একটি ঝড়-বৃষ্টির পর
যেমন আকাশ বাতাস স্থির হয়ে যায় তেমন একটি অবস্থা। কেউ কেউ কখনই এই স্তর অনুভব করতে পারে না আবার
একজন মানুষ সবসময়ই এই স্তরে থাকতেও পারেন না। এই মনের স্তরে থাকার অর্থ হচ্ছে গাড়ি চালানোর মতো যা শুধুমাত্র অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই শেখা যায়। এটি একটি বিষয়কে পরিপূর্ণ ভাবে অনুভব করা কোন একটি ছোট অংশের দিকে শুধুমাত্র মনোযোগ দেয়া নয়।
এটা এমন একটা বোধ যা আমরা আমাদের পাচঁটি ইন্দ্রিয়ের বাইরে অন্য কিছু দিয়ে অনুভব করি।

জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
অ্যাটেনশন এবং ভ্যালিডেশন মেয়েদের জন্য নিশ্বাসের মত। এবং বর্তমান বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান কারেন্সি হচ্ছে এই অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন। পুরুষদের অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন যে কতটা মূল্যবান এবং এটার শক্তি যে কত বড়, সেটা পুরুষরা বুঝতে পারলে কখনোই ফ্রি ফ্রি এগুলো মেয়েদেরকে দিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের ইগো বুস্ট করে তাদেরকে আরও অহংকারী হওয়ার সুযোগ দিত না। নির্বোধ পুরুষরা মনে করে সে কোনো মেয়েকে যত বেশি অ্যাটেনশান আর ভ্যালিডেশন দিবে, সে বোধহয় তত ঐ মেয়ের মনের ভিতর জায়গা করে নিতে পারবে। আপনাদেরকে একটা গল্প শোনাই। আপনারা কি ইলেভেন মেন্স বা এগারজন পুরুষের থিওরি সম্পর্কে জানেন?

একটা রুমে খুবই অনিন্দ্য সুন্দরী একজন মেয়েকে বিভিন্ন অলংকার ও গহনা দিয়ে সাজিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে। সেই রুমে প্রথমে একেক করে ১০ জন পুরুষ প্রবেশ করল। প্রত্যেকেই প্রবেশ করে মেয়েটির রুপের, পোষাকের ও অলংকারের যারপরনাই সুনাম ও প্রশংসা করল। প্রত্যেকেই বলল, তুমি দেখতে খুবই সুন্দর। তোমার পোষাকটা খুবই মানিয়েছে। গহনাগুলোতে দেখতে তোমাকে যা লাগছে না। প্রথম ১০ জন এভাবেই বিভিন্নভাবে মেয়েটার প্রশংসা করল। সর্বশেষ ১১তম ব্যক্তিটি রুমে প্রবেশ করল। রুমে প্রবেশ করে মেয়েটার সাথে খুবই যতসামান্য হাই, হ্যালো জিজ্ঞাসা করে বাকি ছেলেদের সাথে কথা বলা শুরু করল। সে মেয়েটার দিকে আর একপ্রকার ঘুরেও তাকাল না বলা চলে। সবশেষে সকলে চলে যাওয়ার সময় মেয়েটার ঐ ১১তম ব্যক্তির কথাই মনে আছে। বাকি ‌১০ জনের কথা সে বেমালুম ভুলে গেছে। কারণ সবাই ঘুরেফিরে একই কথা বলেছে। যেটা মেয়েটা ছোট থেকে শুনতে শুনতে ক্লান্ত। আর ঐ ১১তম ব্যক্তি মেয়ের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে কারণ সে বাকি সব পুরুষ যা করে তা করেনি এবং মেয়ের ইগোতে হার্ট করতে পেরেছে।

অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশনের সাইকোলজি এভাবেই কাজ করে। যেসব পুরুষ মনে করে মেয়েদেরকে প্রশংসা করে তাদের মনে জায়গা করে নিবে তারা মূলত একটা ভ্রমের মধ্যে বাস করে। মেয়েরা অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারলেও অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন ছাড়া বাঁচতে পারবে না। এবং অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন সহজে না পেলে বিভিন্ন ধরণের ম্যানিপুলেটিভ পন্থা অবলম্বন করবে। বিভিন্ন ধরণের Bait বা টোপ দিবে এবং নাদান পুরুষগুলো মনে করবে, মেয়েটার বোধহয় আমার প্রতি ফিলিংস আছে না হলে সে নির্দিষ্ট ঐ কাজটা কেন করল আমার সাথে। মেয়েরা কোনো ছেলের কাছ থেকে সহজে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন না পেলে টোপ হিসেবে ঐ ছেলের কোনো একটা কিছুর প্রশংসা করবে, কিন্তু আদতে ঐ ছেলের ঐ জিনিসটা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য না।

বিপরীতে ছেলে মনে করবে আসলেই বোধহয় ঐ মেয়ের আমার প্রতি ফিলিংস আছে। না হলে আমার প্রশংসা কেন করল, আমার ঐ ছোট বিষয়টাও কিভাবে তার নজর এড়াল না। বাট মেয়েটা ছেলের প্রতি কোনো ফিলিংস থেকে ছেলেটার প্রশংসা করেনি। ছেলেটার থেকে সে যেকোনো মূল্যে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন চায় এবং এটা পাওয়াই তার আসল উদ্দেশ্য। এবং ছেলে ছোট্ট একটা মিথ্যা প্রশংসা পেয়ে তখন রাজ্যের প্রশংসার ডালা মেলে বসবে এবং একটা প্রশংসার বিপরীতে একশটা প্রশংসা মেয়েকে ফেরত দেবে। মেয়েরা তাদের উদ্দেশ্যে সফল।

এরপর মেয়েরা অনেক ছেলের ইনবক্সে তাদের ছবি পাঠাবে, অযথাই ছবি পাঠাবে, কোনো আগ পিছের কথার ধারাবাহিকতা ছাড়াই, কোনো কারণ ছাড়াই। কিছু পুরুষ মনে করবে মেয়ের যদি আমার প্রতি কোনো ফিলিংস না থাকে তাহলে সে আমাকে ছবি কেন পাঠায় প্রতিনিয়ত। আসল সত্য হলো সে আপনার মনোরঞ্জনের জন্য ছবি পাঠাচ্ছে না। সে শুধুই আপনার অ্যাটেনশান আর ভ্যালিডেশন পাওয়ার জন্য ছবি পাঠাচ্ছে। নাথিং এলস। এর সাথে আপনার প্রতি তার ফিলিংস কিংবা অনুভূতির কোনো সম্পর্কই নেই। এবং একই ছবি যে আরও কতজন পুরুষকে পাঠাচ্ছে সেটা হিসেব করার জন্য আপনাকে ক্যালকুলেটর নিয়ে বসতে হবে। একই ভাবে তারা স্টোরিতে ছবি আপলোড করবে, যখন তাদের ম্যাস লেভেলের অ্যাটেনশন আর ভ্যালিডেশনের দরকার হবে।

Low value beta simp পুরুষগুলো তখন সুন্দর করে তাদের ইনবক্সে স্লাইড করে চলে যাবে এবং রাজ্যের কথা এবং যুক্তি দ্বারা বোঝাবে আসলে মেয়েটা মোনালিসা কিংবা অড্রে হেপবার্নের থেকেও কেন বেশি সুন্দর। এবং এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। Trust me brothers, the more beautiful a girl is, the more insecure she is. আবারও বলছি, একজন মেয়ে যত বেশি সুন্দর, সেই মেয়ে তত বেশি ইনসিকিউর। সে যে সুন্দর সেটা ছেলেদের কাছ থেকে বারবার, প্রতিনিয়ত তাকে শুনতে হবে। কোনোরকম বিরতি পড়লেই তার মনে হবে তার সৌন্দর্য বুঝি কমে গেল। এজন্যই বলছি, বর্তমান বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান কারেন্সি হলো অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন। এগুলো একজন পুরুষ হয়ে ফ্রিতে কাউকে কোনো অবস্থাতেই দিবেন না।

আপনাদের কোনো আইডিয়াই নেই একজন এভারেজ মেয়েও বেইটা সিম্প পুরুষদের থেকে প্রতিনিয়ত কত কত ফ্রি অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন পায়। সুতারাং, আপনি যদি মনে করেন আপনি কোনো মেয়েকে প্রশংসা করে, তাকে অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন দিয়ে তার মনে জায়গা করে নিবেন, তাহলে আপনাকে বলি আপনি ঐ বাকি বেইটা সিম্প
পুরুষদের একজনই এবং মেয়েদের মনে আপনার জন্য কোনো জায়গা নেই। আপনি বাকি সবাই যা বলে বা যা করে তা করতে বা বলতে পারবেন না যদি তাদের চোখে আলাদা কেউ হতে চান। এবং একজন পুরুষ, যে জানে How the game works, যে নিজের ভ্যালু জানে সে কখনোই তার অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন ফ্রিতে কাউকে দেয় না।
আপনি অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন একান্তই আপনার পার্টনারকে দিতে পারেন তাও খুব পরিমিত ভাবে এবং তার করা কোনো ভালো কাজের পুরুস্কার হিসেবে। আপনি আপনার পার্টনারকে পৃথিবীর সবথেকে, এমনকি আপনার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসেন, কিন্তু আপনি সেটার ভ্যালিডেশন তাকে সরাসরি কখনোই দেবেন না। আপনি যত বেশি অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন দিবেন ফ্রিতে, তত আপনি সম্পর্কের ক্যামিস্ট্রিকে সহজ করে দিচ্ছেন।

You are making the game easier for her. এবং ইজি গেম মেয়েরা খেলে না, তারা অল্পতেই বোরড হয়ে যায়। এবং বিরক্ত হয়ে একসময় আপনাকে ছুড়ে ফেলবে। কারণ আপনি ঐ পাঁচ-সাতটা সাধারণ পুরুষের মতই। যে সবসময় কারণে অকারণে তোষামদি ও চাটুকারিতায় ব্যস্ত। Keep the game hard for her, make her earn your attention and validation. আপনার অ্যাটেনশান এবং ভ্যালিডেশন ফ্রিতে দিয়েন না, তাকে সেটা অর্জন করে নিতে বাধ্য করুন। তাহলে আল্টিমেট বিজয়ী আপনিই হবেন।
Miscarriage এর জন্য male and female both factors ই responsible👇
আমাদের সমাজ miscarriage এর জন্য শুধমাত্র female কে দায়ী করে থাকে ....কিন্তু স্পার্ম এর DNA যদি damaged হয় তখনও miscarriage হতে পারে ,এটাকে Sperm DNA Fragmentation বলে ।স্পার্ম DNA damaged হলে conceive করতে পারবে কিন্তু pregnancy continue হবে না। First trimester (1st 12th weeks) এর মধ্যে miscarriage হয়ে থাকে।

তাই সমাজ থেকে এই ভ্রান্ত ধারনা বা বিশ্বাস দূর করা উচিত । Miscarriage এর জন্য Mother,Father, abnormal chromosomes in the fetus all are responsible...

Tazkia Ferdous
MBBS 5th year

Collected from 20 Minute Medical
👍2
••পরামর্শমূলক পোস্ট••

জার্মানীতে এখন রাত প্রায় ১টা বাজে। আমি সন্ধ্যায় WAB গ্রুপে বাংলাদেশের সমসাময়িক অবস্থা চিন্তা করে প্রবাসে আসা নিয়ে একটা পোস্ট দেখার পরে কাজের ফাকে একটু একটু করে লিখেছি। একটা মানুষের কাছেও যদি এটা ভালো পরামর্শ বলে মনে হয়, তার কাজে আসে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ।

• সমস্যা:-
বাংলাদেশে এমন লক্ষ লক্ষ মানুষ পাওয়া যাবে যে ১৫/২০ লক্ষ টাকা রেডি করে ঘুরছে বিদেশে আসার জন্য; ভরসার ভালো কোনো কাউকে পাচ্ছে না যাকে ধরে বিদেশে যাবে। লিবিয়া দিয়ে ট্রলারে করে হাজার হাজার বাংলাদেশি ইতালিতে আসছে। ইদানীং কালে এদের মধ্যে মফস্বলের তরুণ-যুবকদের সংখ্যা বাড়ছে প্রবলভাবে। অনেক ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেকেও আমি নিজে এটা বলতে শুনেছি যে “কোনোভাবে ইউরোপের একটা দেশে যেতে পারলেই হলো”। এই মানুষগুলো ১০/১৫/২০ লাখ টাকা খরচ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিবিয়া দিয়ে ইউরোপে আসে। তারপর যখন দেখি কতো কষ্টের কাজ করে তখন আমার কাছে অনেক খারাপ লাগে। ২০/২২ বছরের ছেলে থেকে শুরু করে ৪০/৪৫ বছরের কাঁচাপাকা দাড়ি নিয়ে লোকগুলোকে যখন ইউরোপের বিভিন্ন ওয়ারহাউজে মালামাল টানতে দেখি, ইতালির ধানের জমিতে কাজ করতে দেখি, ফলের বাগানে ঘাম ঝরানো কষ্ট করতে দেখি, হাঁফাতে দেখি তখন মাঝে মাঝে চোখে পানি চলে আসে। তার উপরে আবার বিদেশে পেপার প্রসেসিং এর চাপে পিষ্ট হয়ে যায় পুরো। অনেকে দেশে যায় না অনেক বছর। মনে মনে ভাবি যে সে তো আরেকটু ভালো কাজ করতে পারতো। ভালো কাজের, সুন্দর কাজের তো অভাব নেই বিদেশে। আমার দেশের মানুষ তো আহামরি ফাঁকিবাজ কিংবা কামচোরও না। তাহলে আমাদের অধিকাংশ বাংলাদেশিরা হাড়ভাঙা খাটুনি আর নিম্মমানের কাজই কেন করে?

••সমাধান:-
আমার এখনো অতটুকু স্ট্যাবিলিটি হয়নি যে বিদেশে বাংলাদেশি যারা একটু কষ্টে আছে তাদেরকে ভালো কিছু করে দিবো। কিন্তু একটা পরামর্শ দিতে পারি যার দ্বারা হয়তো ভালোভাবে পরিশ্রম করলে আর আল্লাহর রহমত থাকলে হাজার হাজার মানুষের ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে যেতে পারে বিদেশে। ১৫/২০ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে এসে কৃষিকাজ, কনস্ট্রাকশন কিংবা ওয়ারহাউজে অত্যধিক কষ্টের কাজ না করে আমি বলবো একটু পড়াশোনা করুন। যেমন ধরুন ওয়ার্কার কিংবা লেবার ভিসায় জার্মানীতে আসা যায় না। কিন্তু জার্মানিতে আউসবিল্ডুং (ভোকেশনাল/শিক্ষানবিশ কর্মচারী) প্রোগ্রাম নামে একটা ফিল্ড আছে। যেটাতে কেউ লিগ্যাল ভাবে এসে ৩/৪ বছরের জন্য শিক্ষানবিশ কর্মচারী হিসেবে কাজ করা+ কাজের ট্রেনিং পাবে। ট্রেনিং শেষে স্কিল্ড ওয়ার্কার হিসেবে বেশ ভালো (বাংলাদেশি টাকায় মিনিমাম ২লাখ+ টাকা) বেতনের চাকরি পাবে। রেসিডেন্ট পারমিটের পেপার প্রসেসিং সব লিগ্যালভাবে স্মুথলি সব হয়ে যায়। এবং যেই ৩/৪ বছর শিক্ষানবিশ কর্মচারী হিসেবে কাজ করবে সেই সময়টাতেও বাংলাদেশি টাকায় ১লাখ+ টাকা বেতন পাবে। এই ভিসায় আসার খরচ সর্বসাকুল্যে মিলে বাংলাদেশি টাকায় ২/৩ লাখ টাকা খরচ হবে সর্বোচ্চ। তাহলে ১৫/২০ লাখ টাকা খরচ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে এসে কষ্টের কাজ করার মানে টা কি? এইভাবে জার্মানীতে আসতে হলে শুধু একটাই পরিশ্রম করতে হবে সেটা হলো জার্মানীর ভাষা জানতে হবে। বাংলাদেশে জার্মান ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র আছে। প্লাস ইদানীংকালে অনেক বাংলাদেশী স্টুডেন্টস জার্মানমুখী হওয়াতে অনলাইনেও জার্মান ভাষা শেখার অনেক সুযোগ বেড়েছে।

•••সিদ্ধান্ত:-
আমার খুবই খারাপ লাগে বলতে কিন্তু আমাদের দেশের মানুষগুলো ১৫/২০ লাখ টাকা খরচ কতে ইউরোপে এসে কৃষিকাজ করতে রাজি কিন্তু ১ বছর টাইম নিয়ে একটা ভাষা শিখে কোন দালাল-টালাল ছাড়াই অল্প টাকায় নিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে বিদেশে আসতে রাজি না। ম্যাট্রিক/ইন্টার পাস করে বিদেশে চলে আসতে চায়। কত দালাল ধরে কতভাবে বিদেশে গিয়ে কষ্ট করে। কেন ম্যাট্রিক/ইন্টার পাসের পরে একটা বছর একটু কষ্ট করে পড়াশোনা করে ঐ দেশের ভাষা শিখলে ক্ষতি কি? আমাদের দেশের মানুষই করে না। শুধু চোরাই ভাবে ট্রলার দিয়ে আসা, ভিজিট ভিসায় এসে থেকে যাওয়া, অ্যাসাইলাম করা এইসব উপায়েই বিদেশে থাকতে চায়। একটু মাথা উঁচু করতে চায় না। অথচ টার্কিশ, অ্যারাবিক দেশের মানুষকে দেখি ভাষা শিখে এইদেশে এসে দিব্যি জব করছে ব্যবসা দিয়ে দিচ্ছে। ভূরি ভূরি অশিক্ষিত টার্কিশ আর অ্যারাবিকে ভরে গেছে জার্মানি। শুধু নিজের দেশে বসে ১ বছর সময় নিয়ে ভাষাটা শিখেছে। কষ্ট লাগে তখন যখন ভাবি যে আমার দেশের মানুষ কেন আসছে না? আমার দেশের মানুষ কেন নিজের ভালটা বোঝে না? আমি চাই আমার দেশের মানুষ জার্মানিতে আসুক। অনেক বেশি বেশি আসুক। লিগ্যাল ভাবে এসে ভালো কিছু করে মাথা উঁচু করে থাকুক। ভালো চাকরি করুক, ছোট বড় ব্যবসা করুক। ইউরোপ ভরে যাক সৎ এবং পরিশ্রমী বাংলাদেশীদের দ্বারা। বিদেশে আমাদের বাংলাদেশি কমিউনিটি স্ট্রং হোক। আমরা ইয়াং জেনারেশনের বাংলাদেশী যারা আছি বিদেশে আমার মনে হয় কমবেশি সবাই অনেক হেল্পফুল এবং যতটুকু পারে ভালো বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে হেল্প করবে। উপরের এই “আউসবিল্ডুং” টার্মটা লিখে গুগোল সার্চ করে জার্মান
2👍1
গভঃ ওয়েবসাইটে অনেক তথ্য পাবেন। ফেইসবুকে সার্চ করলে অনেক বাংলাদেশি ভাইবোনদের পোস্ট পাবেন। সেখান থেকে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আমার মনে হয়েছে এই জিনিসটা আমাদের দেশের মানুষকে জানানো উচিত। দালালের খপ্পর কিংবা স্পন্সর এর পিছনে না দৌড়ে ভাষা শিখে অল্প টাকায় বিদেশে এসে সুন্দর নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ার জিনিসটা আমাদের দেশের মানুষ জানুক বুঝুক করুক।
বিদেশ থেকে আমাদের বাংলাদেশকে আমরা অনেক ভালোবাসি। আমাদের দেশটা সবসময় শান্তিময় থাকুক 🇧🇩
3
হযরত ইবনে উমর (রা:) থেকে বর্নিত তিনি বলেন, ৫ রাতের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।

১. জুমার রজনী
২. রজবের প্রথম রজনী
৩. মধ্য শাবানের রজনী
৪. ঈদুল ফিতরের রজনী
৫. ঈদুল আজহার রজনী

(মুসান্নাফে আব্দুল রাজ্জাক, হাদিস নং: ৭৯২৭ । ইমাম বায়হাকী সুনানে কুবরায় হযরত আবু দারদাহ (রা:) সুত্রে একই হাদিস বর্ণনা করেন, হাদিস নং ৬০৮৭ । ইমাম শাফেয়ী (রা:) "কিতাব আল উম" এ সংবাদ পৌছেছে মর্মে হাদিসটি বর্ণনা করেন)

রজব মাস প্রবেশ করলে প্রিয় নবীজি ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করতেন,

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ

উচ্চারণ: “আল্ল-হুম্মা বা-রিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা'বানা ও বাল্লিগনা রমাদন।”
অর্থ: “হে আল্লাহ তুমি রজব ও শাবানে আমাদেরকে বরকত দাও। আর আমাদেরকে রামাদ্বান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দাও।”

(মুসনাদ আহমাদ ১/২৫৯, ইমাম বায়হাকী- শুয়াবুল ঈমান হাদিস নং ৩৫৩৪, ইমাম তারবানী- আল আউছাত হাদিস নং ৩৯৩৯)
3👍1
জিপি কোম্পানি জনগণের সাথে ফাজলামো শুরু করেছে।

তারা প্রথম এ ৩০ টাকা রিচার্জ সিস্টেম আনলো এরপরে সবাই যখন বয়কট এবং সিম ব্যবহার না করার চিন্তা করা শুরু করলো।

তখনই তারা ৩০ টাকার কান্ড থেকে পিছনে সরে এলো এরপরে তারা নতুন নাটক শুরু করলো এখন তারা ২০ টাকা লোড করলে মেয়াদ ১০ দিন দিলো।

তাহলে মাসে ২০ টাকা করে ৬০ টাকা ৩ বার ভরতে হবে তানা হইলে টাকার মেয়াদ থাকবে না।

আমাদের সকলের উচিৎ এদের একটা চরম লেভেলের শিক্ষা দেওয়া।

তারা যদি পরবর্তীতে নেওয়া এই "মেয়াদের সিদ্ধান্ত" থেকে দ্রুত না সরে আসে সবাই আমরা MNP করে অপারেটর পরিবর্তন করে নিবো।

MNP মানে বুঝে নাই অনেক এ - এটার মানে হচ্ছে আপনি ধরেন যে সিম ব্যবহার করছেন 017799999### এই নম্বর হুবহু থাকবে।

জাস্ট অপারেটর মানে কোম্পানি পরিবর্তন হবে।

এরা জনগণকে জিম্মি করে যা মন চায় সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করেছে।

সবাই পোস্টটি শেয়ার , কপি করে ছড়িয়ে দিন।

#BoycottGP
👍1
বেশি ঠান্ডার সময় এই দুয়াটি পড়তে পারেন;

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، مَا أَشَدَّ بَرْدَ هَذَا الْيَوْمِ، اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنْ بَرْدِ جَهَنَّمَ
'আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো মাবুদ নেই। আজকের ঠান্ডা খুবই তীব্র। হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের ঠান্ডা থেকে রক্ষা করুন।'

আবার বেশি গরমের সময় নিম্নোক্ত দুআটি পড়তে পারেন;
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، مَا أَشَدَّ حَرَّ هَذَا الْيَوْمِ، اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنْ حَرِّ جَهَنَّمَ
'আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো মাবুদ নেই। আজকের গরম প্রচন্ড। হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের গরম থেকে রক্ষা করুন।'

হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন; গরমের দিনে যদি কেউ বলে;
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، مَا أَشَدَّ حَرَّ هَذَا الْيَوْمِ، اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنْ حَرِّ جَهَنَّمَ
তখন আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে বলেন; আমার এক বান্দা আমার কাছে তোমার গরম থেকে আশ্রয় চেয়েছে সুতরাং তুমি সাক্ষী থাক, আমি তাকে মুক্তি দিলাম।

আর প্রচন্ড শীতের দিনে যখন বান্দা বলে;
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، مَا أَشَدَّ بَرْدَ هَذَا الْيَوْمِ، اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنْ بَرْدِ جَهَنَّمَ
তখন আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামকে বলেন; আমার এক বান্দা আমার কাছে তোমার ‘যামহারীর’ (তীব্র ঠান্ডা) থেকে আশ্রয় চেয়েছে সুতরাং তুমি সাক্ষী থাক, আমি তাকে মুক্তি দিলাম।

সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন; ইয়া রাসূলাল্লাহ!জাহান্নামের ‘যামহারীর’ কী? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন; এমন একটি ঘর, যাতে কাফেরকে ফেলা হয় অতঃপর এর তীব্র ঠান্ডার কারণে তার শরীরের এক অংশ আরেক অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

(আমালুল ইয়াউমি ওয়াল লাইলাহ, হাদিস : ৩০৬)

(وفي الإسناد ضعف ولكن يقبل مثله في الفضائل)
👍3
MNP এটা কি?

সুবিধা :- MNP ২০১৮ সালে BTRC চালু করে। অনেক অপারেটর কল-রেট বেশি বা জিবির দাম বেশি। চাচ্ছে এমন একটা অপারেটর Use করতে যাতে তাদের খরচ তুলনামূলক কম হয়। দিন শেষে সাশ্রয় হয় সীমে।
কিন্তু নাম্বার পুরাতন হওয়ায় সীম বাদ দিতে ও পারছেন না বা অনেক মোবাইলে ২টা সীম Use এর অপশন নাই তাই পছন্দের অপারেটর Use করতে পারছে না তাদের জন্যই মূলত MNP সেবা।

সুবিধা :- MNP মানে নাম্বার ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তন করা। ধরুন আপনার জিপি সীম ০১৭১১০১৬৩৫৯ নাম্বার MNP করে টেলিটক আসবেন তাহলে আপনার নাম্বার সেইম থাকবে ০১৭১১০১৬৩৫৯ শুধু অপারেটর পরিবর্তন হয়ে টেলিটক হয়ে যাবে। সুন্দর না বিষয়টা?
এতে আপনি আপনার পছন্দের অপারেটর Use পরতে পারবেন নাম্বার ঠিক রেখে।

এখন দেখা যাক কোন অপারেটর MNP কত টাকা চার্জ করে :-
1/Gramenphone MNP করতে ২৫৫ টাকা লাগবে।
2/ Robi & Airtel MNP 310 টাকা।
৩/ বাংলালিংক MNP ২০০ টাকা।
৪/ টেলিটক MNP Free.টাকা লাগে না।

MNP আপনাকে নিদিষ্ট অপারেটর কাষ্টমার কেয়ার গিয়ে করতে হবে। রাস্তার পাশে যে ছাতায় সীম সেল করে তাদের থেকেও MNP করতে পারবেন টাকা কম লাগে ৫০/৭০/৮০ এমন টাকা নেয়। কারন তাদের টার্গেট থাকে তাই কম দামে করে দেয়। তবে সবাই না অনেক রিটেলার কোম্পানি দাম রাখে।

MNP করতে কি লাগে?
আপনার যে সীম MNP করবেন সেটা+ NId card + Fingerprint. আর সীমে সকল বকেয়া পরিশোধ থাকতে হবে। সীমে ব্যালন্স ০ থাকতে হয়।
বিকাশ,নগদ, রকেট এগুলা ঠিক থাকবে সমস্যা হয় না। ২৪ ঘন্টার মাঝে ঠিক হয়ে যাবে সেট হতে।

অসুবিধা : MNP করলে কয়েকটা সমস্যা Face করতে পারেন।

যে অপারেটর MNP করবেন নাম্বার জিপি হলে ও MNP Teletalk করলে Teletalk এ রিচাজ করতে হবে এটা মাথায় রাখবেন।

এ সমস্যা অনেকে হয় অনেকের হয় না। তবে টেলিটক MNP এ OTP releted সমস্যা হয় না। নেটওয়ার্ক সমস্যা হলে ভিন্ন হিসাব! ( User Experience থেকে বল্লাম) টেলিটক 2G/3G/4G নেটওয়ার্ক আপনার এরিয়াতে থাকলে টেলিটক MNP করতে পারেন। MNP Teletalk free.. টেলিটক কম দামে Lowest Call rate & জিবি দাম কম পাবেন অন্য অপারেটর থেকে। এটার জন্য টেলিটকে ভালো লাগে।

Teletalk নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১২১/০১৫০০১২১১২১ এ কল দিয়ে অভিযোগ দিবেন তারপর BTRC ১০০ তে কল দিয়ে অভিযোগ দিলে সমস্যা তাড়াতাড়ি সমাধান হয়।

এজন্য সব কিছু হিসাব করে MNP করবেন। তবে আগের থেকে সমস্যা গুলা কমছে। সো পছন্দের অপারেটর যেতে MNP বিকল্প নাই। যদি আপনার পুরাতন নাম্বার হয় যেটা বাদ দেওয়া সম্ভব না হয় বা আপনার মোবাইল সীম ২টা Use করার অপশন না থাকলে MNP আপনার জন্য।

অন্য অপারেটর থেকে টেলিটকে MNP করে আসলে স্বাগতম প্যাকেজ পাওয়া যায়।

MNP টেলিটকে একদম ফ্রি।

কপি পোস্ট
🌼অনলাইনে চর্ম,যৌন,এলার্জি বিষয়ক সেবা পেতে নিম্নের Whatsapp/Imo নম্বরে যোগাযোগ করুন।

🌼Whatsapp link:https://wa.me/+8801916282753

🌼Imo নম্বর:01916282753

🌼ধণ্যবাদ
ডা মোঃ সৌমিক হাসান।
এমবিবিএস
আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ,নোয়াখালি
Special Training in Skin,Sex&Allergy Disease
চর্ম,যৌন এবং এলার্জি রোগ চিকিৎসক
BMDC REG NO:116275
"যারা টেলিটক সিম কিনতে চান - তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ"

অন্য অপারেটরের গ্রাহকরা অনেক সময় টেলিটক সিম নিতে আগ্রহী হলেও কোন প্যাকেজের সিম নিবেন বা কোনটা কার জন্য প্রযোজ্য - সেই ব্যাপারে ধারণা না থাকায় বিভ্রান্তিতে ভোগেন। তাদের সুবিধার্থেঃ

১। আগামী সিম - শুধুমাত্র এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তরাই নিতে পারবেন।

২। বর্ণমালা সিম - এই সিম জিপিএ-৫ প্রাপ্ত / অন্য যেকোন গ্রেডপ্রাপ্ত সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা নিতে পারবেন।

[উল্লেখ্যঃ জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা আগামী+বর্ণমালা ২টি সিমই নেয়ার জন্য উপযুক্ত। অন্যরা শুধু বর্ণমালা নিতে পারবেন।]

৩। স্বাধীন সিম - ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের যেকোন সাধারন নাগরিকের জন্য।

৪। স্বাগতম সিম - ১৮ বছর বা তার বেশী বয়সের যেকোন সাধারণ নাগরিকের জন্য।

৫। অপরাজিতা সিম - শুধুমাত্র নারীদের জন্য।

[বর্তমানে নতুন সিম বিক্রি বন্ধ আছে। তবে অন্য যেকোন টেলিটক সিম নারী গ্রাহকগণ নিজের নামে রেজিস্টার্ড থাকলে কাস্টমার কেয়ারে সশরীরে গিয়ে অপরাজিতা প্যাকেজে মাইগ্রেট করে নিতে পারবেন।]

প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে ভিজিটঃ www.teletalk.com.bd

[আপনি সাধারন গ্রাহক হলে আর এত ঝুট-ঝামেলা না চাইলে আমি সাজেস্ট করবো স্বাগতম প্যাকেজের সিম কেনার জন্য। কলরেট ৪৭ পয়সা/মিনিট+ভ্যাট পাবেন যেকোন নাম্বারে।

বাজারে স্বাধীন সিমটা বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু স্বাধীন সিমে ডিফল্ট কলরেট বেশি (৯০ পয়সা/মিনিট+ভ্যাট)। তাই ভয়েস কল মুখ্য হলে এই সিমটি এভয়েড করাই ভালো হবে।]

#টেলিটক
#Teletalk
👍1
## রাতজাগা, সকালে দেরীতে ঘুম থেকে উঠা হার্টের জন্য ক্ষতিকর #
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন, তাঁদের হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
৮৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর গবেষণাটি চালিয়েছে যুক্তরাজ্যের বায়ো ব্যাংকের গবেষক দল।
★গবেষণা প্রতিবেদনটি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
এর মাঝে ৩ হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন মাত্রায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

★★ আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগের রাতে দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে দেরিতে ওঠার অভ্যাস রয়েছে।

এখন গবেষকেরা বলছেন, তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম আমাদের দেহঘড়ির (বডি ক্লক) সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

এই অভ্যাস একদিকে যেমন হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়, তেমনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে আসে।

দেরিতে ঘুমের জন্য মানুষের শরীরের ২৪ ঘণ্টার দেহঘড়িতে ব্যত্যয় ঘটলে রক্তচাপের সমস্যাও দেখা দেয়।
স্বেচ্ছাসেবকদের প্রত্যেককে একটি করে হাতঘড়ির মতো ডিভাইস পরিয়ে দিয়েছিলেন গবেষকেরা। এই ডিভাইস তাঁদের ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার তথ্য নিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা বলছেন, হৃদ্‌যন্ত্রের সুস্থতার জন্য রাতের ঘুমে দেরি করা যাবে না। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে হবে। দেহঘড়ির স্বাভাবিক নিয়মে ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।

ইসলামের বিধান কতই না চমৎকার।
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাতের পরে গল্পগুজব করতে নিষেধ করছেন। (ছহীহুল জামে)
(রাতজাগার অন্যতম কারণ দূর করেছেন)

আবার ফজরের ওয়াক্ত পার করে সকালে ঘুমিয়ে থাকার নিন্দা করেছেন। (মিশকাতুল মাসাবীহ ১২২১)

Dr. Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS training (Internal Medicine)
Experienced in Sexual problem
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
1😱1
নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বা স্বামী-স্ত্রীসর্বস্ব পরিবারের যে-জয়গান চারদিকে শুরু হয়েছে তা সমাজের জন্য মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। তথাকথিত দ্বীনদার লোকেরাও নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির প্রবক্তা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির প্রধান বৈশিষ্ট্য এই যে, এতে বৃদ্ধ ও বৃদ্ধার কোনো স্থান নেই। আত্মীয়-স্বজনেরা এখানে অপাঙক্তেয়; দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-ফুপু, মামা-খালা ইত্যাদি নিকটাত্মীয় এখানে অবান্তর।

নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিতে শিশু বড় হয় এমন এক নিঃসঙ্গতার মধ্যে যা তার মানসিক বিকাশে ও মানবিক গুণাবলির প্রকাশে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়।

পুরুষদের চেয়ে নারীরাই নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আধুনিকতার অভিঘাতে তাদের মন-মানস এমন হয়ে পড়েছে যে স্বামী ও সন্তান ব্যতীত অন্যকে পরিবারে স্থান দিতে তারা নারাজ।

নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির একটি বড় কুফল আছে, যা যৌবনকালে উপলব্ধ না হলেও বার্ধক্যকালে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধ হবে।

যাঁরা তাদের পরিবারে বৃদ্ধ বা বৃদ্ধাকে স্থান দিচ্ছেন না, স্থান দিলেও তাদেরকে উটকো ঝামেলা মনে করছেন, তাদের সন্তানেরাও বড় হয়ে তাদেরকে ঘরে স্থান দেবে না এবং স্থান দিলেও উটকো ঝামেলা মনে করবে। কারণ সন্তানেরা তাদের মা-বাবা থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছে। তারা এটা দেখেই বড় হয়েছে যে, বৃদ্ধ মা-বাবাকে পরিবারের বাইরে রাখতে হয়।

নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির জয়গান গাওয়ার আগে নিজেদের এই অশুভ পরিণামের কথা চিন্তা করা উচিত।

জন্মোৎসব পালন, থার্টি-ফাস্ট নাইট উদযাপন যেমন ওয়েস্টার্ন কালচার, নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিও ওয়েস্টার্ন কালচার। পশ্চিমা দেশগুলোতে অজস্র বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠেছে কেবল নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির জয়গান গাওয়ার কারণে।

বৃদ্ধাশ্রমে বসে অশ্রুপাত করার আগে আপনার সন্তানকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও আদর-যত্ন শেখান। সন্তানেরা দেখে শেখে, শুনে নয়।
👍5
উম্মাহাতুল মুমিনীনের মাঝে কেউ কেউ বেগানা পুরুষের সাথে কথা বলার সময় নিজের মুখের উপর হাত রেখে গলার স্বর পাল্টে তারপর কথা বলতেন, যেন তাদের কণ্ঠস্বর কোমল ও মোলায়েম না শোনায়। স্বামী ছাড়া অন্য পুরুষদের সাথে কর্কশ গলায় কথা বলা জাহেলী এবং ইসলামী উভয় যুগেই নারীদের অন্যতম গুণ বলে গণ্য হত।
.
- আলূসী (রাহিমাহুল্লাহ)
[রূহুল মায়ানী: ১১/১৮৭]
.
নারীর দরজায় কড়া নাড়া হলে সে নরম ও মধুর কণ্ঠে জবাব দিবে না। বরং হাতের উল্টো পিঠ মুখের উপর রেখে কণ্ঠটাকে কর্কশ করে জবাব দিবে।
.
- খত্বীব শারবীনী (রাহিমাহুল্লাহ)
[মুগনিল মুহতাজ: ৪/২১০]
👍2
সাইবার নিরপত্তায় করনীয়ঃ
১) facebook, tiktok সহ সোশ্যাল মিডিয়ার যেকোনো অফিশিয়াল অ্যাপস আনইন্সটল করার আগে অবশ্যই আপনার আইডি অন্য কোন ডিভাইস বা এপ্সে লগইন করে নিবেন ।
২) আপনার সাথে কোন নায়ক/নায়িকার মিল আছে,কিংবা ৩০ বছর পর আপনাকে কেমন দেখাবে এই জাতীয় লিংকে কখনোই ঢুকা যাবে না।
৩) আপনার এফ,বি,বা মেইল পাসওয়ার্ড চায় এই ধরনের লিংকে কখনোই ঢুকা যাবে না।
৪) অপরিচিত কোন মেইল বা লিংকে কোনক্রমেই ঢুকা যাবে না।
৫) আপনার ফেসবুকের টাইম-লাইনের সেটিং ঠিক করতে হবে। যেখানে অন্য কেউ কিছু লিখে টাইমলাইনে যাতে না দিতে পারে,সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
৬) মোবাইল,কম্পিউটার,বা মেইল সহ যেকোনো এপ্স বা একাউন্টের পার্সওয়ার্ড স্ট্রং করে দিবেন যেমন: Ab12345#
৭) মোবাইল বা কম্পিউটারে কোন অন্তরঙ্গ ছবি রাখা যাবে না। এই ধরনের কাজ হতে বিরত থাকুন। কারন যে কোন সময় আপনার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যেতে পারে,কিংবা যে কোন সময় আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার ছবি চুরি করে নিয়ে আপনাকে কিংবা আপনার প্রিয়জনকে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে।
৮) আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে কিংবা মেসঞ্জারে কোন অপরিচিত নাম্বার হতে কোন মেইল,বা লিংক আসলে তাহা কোনক্রমেই খোলা উচিত না।
৯) আপনি লটারীতে টাকা বা গাড়ী জিতেছেন,কিংবা আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে এফবি একাউন্ট হোল্ডার কোন ব্যক্তি যদি আপনাকে মেইল করে জানায় যে,সে অনেক বড় লোকের মেয়ে তার কাছে অনেক ডলার আছে,অথাৎ লোভনীয় কোন মেইলের ফাঁদে পড়া যাবে না।
১০) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনার কোন তথ্য চায় যেমন-এনআইডি নাম্বার,সহ অনান্য তথাদী,তাহলে সেই ফোন বর্জন করতে হবে। অপরিচিত কাউকেই নিজের কোন তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
১১) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনাকে জানায় যে,সে রবি,বা গ্রামীন ফোনের কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার হতে ফোন করেছে,তাদের Server সমস্যার কারনে আপনার মোবাইল ফোনটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে,এই ধরনের কোন কথাবার্তা শুনা যাবে না। কোনক্রমেই মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা যাবে না।
১২) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে মিস কল আসলে তা ব্যাক করা যাবে না; এতে আপনার নাম্বার Spoofing হতে পারে।
১৩) যেকোন সফটওয়ার বা Apps এ ঢুকার সময় আপনার তথ্য বা এক্সসেস চায়; সেখানে না ঢুকাই শ্রেয়।
১৪) +১১১১, অথবা +২২২২২,এই জাতীয় ফোন নাম্বার থেকে ফোন রিসিভ থেকে বিরত থাকুন।

১৫) হঠাৎ কোনো মেইল বা নোটিফিকেশন আসলে না দেখেই না পড়েই ইয়েস ওকে বা অ্যালাউ টাচ করবেন না।
Mohammad Shahidul Islam
👍1
বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস
.
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
.
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
.
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
.
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
.
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
.
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
.
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
.
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
.
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
.
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
.
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
.
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
.
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
.
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
.
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
.
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
.
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
.
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
.
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
.
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
.
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
.
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
.
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
.
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
.
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
.
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
.
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
.
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
.
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
.
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।
3
মেয়েদের সাথে যেকোনো প্রকার সম্পর্কে ঢোকার আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করবেন, What is she bringing to the table? সম্পর্কটাকে যদি একটা টেবিল কল্পনা করেন, তাহলে টেবিলে সে কি কি নিয়ে আসছে এবং আপনি কি কি নিয়ে আসছেন। অর্থাৎ, সম্পর্কের মধ্যে তার অবদান কি এবং আপনার অবদান কি। প্রতিটা সম্পর্কই একটা চুক্তি। আর বিয়ে হলে সেটা তো ফৌজদারি চুক্তি। এবং চুক্তিতে অবশ্যই উভয়ের অবদান থাকতে হবে। সে যদি তার শরীর আর সৌন্দর্য ছাড়া অন্য কিছুই টেবিলে আনতে না পারে, তাহলে এই সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আপনার জন্য শতভাগ লস প্রজেক্ট।

সে যদি আপনার মানসিক অশান্তির কারণ হয়, সে যদি আপনার সন্তান বা ভবিষ্যত সন্তানদের জন্য ভালো মা না হয়, সে যদি সম্পর্কে প্যাসিভ পার্টনারের ভূমিকা পালন করে, তাহলে বেরিয়ে আসুন এই সম্পর্কের মধ্য থেকে। ভুলে যাবেন না, ইউ আর দ্যা কিং, ইউ আর দ্যা প্রোভাইডার। কোয়ালিটি গার্ল অথবা উইমেনকে অলওয়েজ পার্টনার হিসেবে চুজ করুন। টক্সিক, ট্রাস, গুড ফর নাথিং মেয়েদের সাথে পার্টনারশিপ থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।
👍8
আপনাকে কারাগারে যতটুকু খাবার দেয়।
তার চাইতে ৩ গুণ কম খাবার যদি দেয় মুক্তজীবনে।
তাহলে আপনি কোন জীবন টা বেছে নিবেন?

অবশ্যই মুক্ত জীবন টা বেছে নিবেন।
কারণ এখানে স্বাধীনতা আছে। অনুভূতি আছে। মায়া আছে। ইচ্ছা আছে৷
আবেগ আছে। উৎফুল্লতা আছে। প্রশান্তি আছে৷

তাহলে কারাগার জীবন কেন জীবন নয়?
৩ বেলা খাবার আর ঘুমানোর জায়গা মানেই জীবন নয়।

যৌবনের শুরুতে যেই মায়া থাকে। আবেগ থাকে। উৎফুল্লতা থাকে। অনুভূতি থাকে। চাহিদার উত্থান থাকে৷ স্বপ্ন থাকে৷ অভিমান থাকে। রাগ থাকে। ফ্যান্টাসি থাকে।

একটা সময় এসে পুঁজিবাদী ক্যারিয়ারের কারাগারে সব ম্লান হয়ে যায়। জীবন তখন নিয়ম রক্ষার। জীবন তখন যতটা অনুভূতির। ততটা ফর্মালিটি রক্ষার।

আপনি শহুরে জীবনে দেখবেন। ক্যারিয়ার পিছনে ছুটে ৩৫ ছুই ছুই বয়সে বিবাহে আবদ্ধ হওয়া অনেক জীবন।
কম বয়সী সুদর্শনী মেয়ে তখন তাদের পাওয়া হলো ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয় না।

কিন্তু এটার সর্বশেষ পরিণতি কী?
সর্বশেষ পরিণতি হলো যৌন জীবন বর্ণিল রঙের নয়।

কারণ পাত্রের যৌবন যেখানে সূর্যাস্তের আভায় মিলে যাবার পথে।
পাত্রী যৌবন তখন সূর্যোদয়ের আভায় তাপ বাড়ছে।
একটা পর্যায়ে এত তাপ শোষণের শক্তি আর পাত্রের থাকে না।

তখন স্বামীর ফ্লাট থেকেও যৌবনের আনন্দ নাই। গাড়ি থেকেও অনুভূতি নাই।
যেই যৌবন ব্যয় করে পাত্র এই বাড়ি ও গাড়ির মালিক হয়েছে।

এই গাড়িতে করেই তার বউ যৌন চাহিদা মেটাতে ক্লাবে বা মেল স্কটের দিকে দাপিয়ে বেড়ায়।
কথা গুলো কোনো বানানো গল্প না।
আপনি শহরের অধিকাংশ প্রাইভেটকারের ড্রাইভারের জিজ্ঞেস করেন। এই উত্তর পেয়ে যাবেন।

এটাই আজ বাস্তবতা। পেছনের দুর্গন্ধ কেউ দেখেনা। কারণ উপরে যে কথিত সফলতা ও ক্যারিয়ারের মলাট।

© WaraQah WQ
👍3
আপনার উপকার হবে এমন একটা তথ্য জানাইতেছি ! সিরিয়াস ভাবে নিলে আখেরে আপনারই লাভ হবে ।
.
.
রোগ প্রতিরোধ , বলবৃদ্ধি, অকালবার্ধক্য রোধ , দেহের টক্সিন/ বিষাক্ত বস্তু নিঃসরন , রেচক - মোট কথা শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য যা লাগে সব আছে '' ত্রিফলা তে''
.
🟩 ত্রিফলা কি ?
.
যাদের মনে এই প্রশ্ন । তাদের জন্য বলছি - তিনফলের সমাহারকে ত্রিফলা বলে ! এই তিনফল হলো
★ ১) হরিতকী
★ ২) আমলকি
★ ৩) বহেরা
.
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা হলো রসায়ন । ( রসায়ন কি আর একদিন বলবো ) ।
.
আয়ুর্বেদ ফিলোসোফি অনুসারে মানুষের দেহে ত্রিদোষের ( বায়ু, পিত্ত ও কফ) ও আমা' র ভারসাম্যহীতার কারনে রোগ হয় । ত্রিফলা ত্রিদোষের ভারসাম্য আনয়ন করে ও আমা নাশক হিসেবে কাজ করে । এভাবে আমাদের দেহকে সুস্থ্য রাখে ।
.
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় ত্রিফলার উপর গবেষনা করে আজ ত্রিফলার গুনাবলীর প্রমান করেছেন , যা প্রায় ৩০০০ বছর আগেই আয়ুর্বেদ গবেষকরা আমাদের জানিয়েছেন !
.
🟩 ত্রিফলা কি কি কাজ করে ?
.
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
এন্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
দেহের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
রক্তচাপ কমায়।
হৃদরোগ কমায়।
রক্তে কোলেস্টেরল কমায়।
লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে ।
পিত্ত নিঃসরণ বাড়ায় ।
কফ নিঃসরণ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
ওজন হ্রাস করে।
এলার্জি কমায় ।
উপকারী ফ্যাটি এসিড (HDL)এর পরিমান বাড়ায়.
শ্বাসকষ্ট কমায় .
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করে ।
রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।
অকাল বার্ধক্য রোধ করে ।
শুক্রের উৎপাদন বাড়ায় ।
যৌন দুর্বলতা দুর করে .... আরো অসংখ্য উপকার করে ।
.
.

🟩 খাওয়ার নিয়মঃ
হরিতকী, বহেরা ও আমলকী কাঁচা ফল সংগ্রহ করুন , শুকিয়ে ফেলুন , বীজ ফেলে দিন এবার সবগুলো সমান অনুপাতে মিশিয়ে গুড়া করুন ( গ্রান্ডারে বাসায় বসেই গুড়া করা যাবে ) । প্রতিদিন সকালে ১ চা চামচ গুড়া একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে রাতে ছেকে পানি পান করুন। এভাবে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেকে পানি পান করুন ।
.
'' সকল রোগের এক বিধান , দিনে দুবেলা ত্রিফলা খান্ ''
যে কাজগুলো আপনার স্ত্রীর কিংবা পার্টনারের আপনার প্রতি থাকা আকর্ষণকে নষ্ট করে দেয় -

প্রতিটি সম্পর্কেই এমন একটা পর্যায় আসে যখন একে অপরের প্রতি এক ধরণের একঘেঁয়েমি চলে আসে এবং একে অপরের প্রতি আকর্ষণের পরিবর্তে বিতৃষ্ণা চলে আসে। বিশেষত অধিকাংশ বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ৪-৫ বছরের মধ্যে এই সময়কাল দেখা যায়। যেখানে আপনার মেয়ে পার্টনার আপনার প্রতি আর আগের মত আকর্ষণ অনুভব করে না এবং এক প্রকার তার মনের মধ্য থেকে বের হয়ে যাওয়ার মত অবস্থার তৈরি হয়। তারমানে এই না যে সে অন্য কারো সাথে নতুন সম্পর্কে গিয়ে আপনার সাথে প্রতারণা করছে। প্রতারণা করা ছাড়াই আপনার প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলেছে। তো এটা কেন হয়? সে বিষয় নিয়েই আজকের আলাপ। শেষের পয়েন্টটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ:

(*) নিজের সম্পর্কে কোনো প্রকার রহস্য না রাখা -

অধিকাংশ পুরুষই যে ভুলটা করে, সেটা হলো নিজের সম্পর্কে একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছু খুলে বলা। যেটা কোনো অবস্থাতেই করা যাবে না। আপনি আপনার স্ত্রী কিংবা পার্টনারকে ভালোবাসতেই পারেন, আপনাদের মধ্যে কথার আদান-প্রদান সবকিছুই হবে। আপনি অবশ্যই নিজের সম্পর্কে, নিজের ভালো-লাগা মন্দ লাগা সম্পর্কে অপর পাশের মানুষটিকে জানাবেন, কিন্তু নিজের সম্পর্কে একেবারে সবকিছু খুলে বলা, যেমন আপনি ছোট থেকে কিভাবে বড় হয়েছেন, আপনাকে কে বা কারা ভালোবাসে এবং কারা ঘৃণা করে, ঘৃণা করলেও কেন ঘৃণা করে, আপনি লাইফের কোন স্টেজে স্ট্রাগল করেছেন, আপনার সফলতা, ব্যর্থতা, দুর্বলতা এবং নিজের গোপন সব কথা এগুলো বিস্তারিত কোনো অবস্থাতেই খুলে বলা যাবে না।

আপনি বলবেন সবকিছু, কিন্তু রয়ে সয়ে, পর্যায়ক্রমে। আর আরও মজার বিষয় হলো, অধিকাংশ মেয়েই আপনার জীবনের সংগ্রাম কিংবা আপনার নিজের সম্পর্কে এত ডিটেইল খুব বেশি তোয়াক্কা করে না বা এতকিছু জানা তাদের জন্য অপ্রয়োজনীয়। আর সবকিছু আপনি যখন খুলে বলবেন, তখন আপনার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র রহস্য কিংবা অনুমানের জায়গা থাকে না। এবং আপনার ব্যাপারে নতুন কিছু আবিস্কার করার সুযোগও নষ্ট হয়ে যায়। এবং আপনি তখন তার কাছে আর দশটা সাধারণ মানুষের মতই হয়ে যাবেন। আর সে যখন আপনার ব্যাপারে সবকিছু জেনে যাবে, তখন আপনার ব্যাপারে নতুন করে কোনো কিছু জানতে সে আর আগ্রহী হবে না। এবং এতে করে আকর্ষণের জায়গায় আস্তে আস্তে একধরণের একঘেঁয়েমি প্রবেশ করবে। যেটা আপনি কোনো অবস্থাতেই হতে দিতে চান না। নিজের ব্যাপারে পরিমিত মাত্রায় রহস্য রাখা আকর্ষণের চাবিকাঠি। রহস্য = আকর্ষণ।

(*) স্ত্রীর অফুরন্ত অবসর এবং আপনার ব্যস্ততা -

নিঃসন্দেহে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। দেখেন, আমাদেরকে এভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে যে, আমরা মানুষরা একেবারে কিছু না করে থাকতে পারি না কিংবা থাকা সম্ভব না। আপনি যেমন একদম একেবারে কিছু না করে থাকতে পারবেন না, আপনার পার্টনারও তাই। আর পুরুষরা এখানেই যে ভুলটা করে সেটা হলো, স্ত্রীর প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে তার লাইফ থেকে প্রয়োজনীয় ও উপকারী সকল ব্যস্ততার উপাদানকে দূরে সরিয়ে দেয়। যেমন, এত পরিমাণ লাক্সারি লাইফ উপহার দেয়া, যেখানে স্ত্রীর নিজ থেকে কিছুই করতে হয় না। যেমন রান্না করা, ঘরবাড়ি পরিস্কার করা কিংবা বাচ্চা লালন-পালনের যাবতীয় সব কাজ করে দেয়ার জন্য কাজের লোক রেখে দেয়া কিংবা স্ত্রীকে এসব কাজ করতে না দেয়া। যদিও চাকরীজীবী মহিলাদের কথা ভিন্ন। যারা গৃহিণী কিংবা স্টে হোম মম, তাদের পুরুষ পার্টনারের জন্য এই বিষয়টা খুবই শংকার।

আপনার পার্টনার যদি সারাদিন কিছুই না করে কিংবা করা না লাগে তখন তার অফুরন্ত অবসর। এখন এই অবসরে সে চাইলেও একেবারে কিছু না করে চুপ করে বসে থাকতে পারবে না। বিপরীতে আপনি বাইরে কাজে ব্যস্ত। তখন আপনার স্ত্রী তার এনার্জিকে অন্যখাতে ব্যয় করতে চাইবে। আপনার কাছ থেকে সময় না পেয়ে হতে পারে নতুন কোনো শখ শুরু করা, কিংবা ভার্চুয়ালি অথবা সরাসরি নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া, কিংবা এমন কিছু করা শুরু করবে যেটা আপনার মতামত কিংবা পছন্দের বাইরে যেতে পারে। সম্পর্কে ফাঁটল কিংবা বিতৃষ্ণা এভাবেই শুরু হয়। এজন্য তাকে অবশ্যই গৃহস্থলির কাজে কিংবা সন্তান-লালন পালনের মত কাজে ব্যস্ত রাখুন।

(*) মুড সুইং -

নারীদের মুড সুইং নিয়ে ইন্টারনেটে সচারচর অনেক ট্রল হয় কিংবা হয়েছে ইতোপূর্বে। মুড সুইংয়ের বিষয়টা কতিপয় নারীরা যেভাবে ব্যাখ্যা করে ওভাবে না হলেও, এই যে ক্ষণে ক্ষণে কিংবা সংক্ষিপ্ত সময় পর পর নারীদের মনের এবং সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হওয়া, এটা খুবই সত্য একটা বিষয়। নারীরা সাধারণত কোনো একটা বিষয় নিয়ে খুব দীর্ঘ সময় কিংবা দীর্ঘদিন বসে থাকে না। তারা নির্দিষ্ট বিরতিতে সবকিছুতে নতুনত্ব খুঁজতে চায়। কিংবা যখন ঠিক ঐ মূহুর্তে তাদের যেটা ভালো লাগছে সেটা করে কিংবা সেটা বলে। এজন্য তাদের বলা অধিকাংশ জিনিসই আপনি পুরুষদের বলা কথার মত কিংবা প্রমিস হিসেবে ধরে নিতে পারবেন না। যেমন, আপনাকে যদি বলে, আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি এবং আজীবন ঠিক এভাবেই ভালোবেসে যাব। আপনি এখন এই কথাকে একেবারে চুড়ান্ত