জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
আমাদের দেশে টেলিগ্রাম ইউজার কম এবং এর সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। কিন্তু এর মত সুবিধা আর কোন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ এ পাই নি। তার কিছু কারণ তুলে ধরছি=

🔹 টেলিগ্রাম অত্যন্ত দ্রুত মেসেজ ডেলিভারি করে।
🔹২জি এবং ৩জি নেটওয়ার্কেও ভালোভাবে কাজ করে
🔹২ জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করা যায়।
🔹 আনলিমিটেড ফাইল স্টোরেজ রয়েছে। ব্যক্তিগত ড্রাইভ হিসবে টেলিগ্রাম খুবি ইউজার ফ্রেন্ডলি।

Saved Massage এ রাখতে পারেন।
প্রাইভেট চ্যানেল খুলে সেখানে রাখতে পারেন।
File to bot নামক বটের মাধ্যমেও রাখতে পারেন।

🔹ক্রস প্লাটফর্ম সুবিধা।
🔹 প্রত্যেকটি মেজর প্লাটফর্মের জন্য ন্যাটিভ অ্যাপস ।
🔹 অ্যাডভান্সড চ্যানেল ও গ্রুপ ম্যানেজমেন্ট ফিচারস।
হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুললে সর্বোচ্চ ২৫৬ জনকে যুক্ত করতে পারবেন, কিন্তু টেলিগ্রামে পারবেন ২,০০,০০০ (দুই লাখ!) জনকে যুক্ত করতে। আছে গ্রুপ ভিডিও কলের সুবিধা।

🔹বট ব্যাবহার করার সুবিধা। আপনি বিভিন্ন ধরনের বট দিয়ে অনেক কাজ করতে পারবেন এখানে। কোনো গ্রুপে mcq পরীক্ষা নেওয়া, image to text (ছবি থেকে লেখা), ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করাসহ আরও অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন।

🔹ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার।
🔹পার্সোনাল ইউজারনেম: ধরেন, আপনার কাছে কেউ আপনার টেলিগ্রাম আইডি চাচ্ছে, কিন্তু তাকে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে চান না। তখন আপনার টেলিগ্রাম আইডির ইউজারনেমটা তাকে পাঠালে সেখানে ক্লিক করেই তিনি আপনাকে মেসেজ দিতে পারবেন।

🔹স্টিকার চ্যাট। এতে রয়েছে অনেক সুন্দর সুন্দর স্টিকার। ৪০টি স্টিকার প্যাক রাখতে পারবেন।

🔹দুইপাশের মেসেজ ডিলিট এবং নিজের মেসেজ এডিট করা যায়।

🔹 প্লেব্যাক স্পিড: ভয়েস চ্যাট এখানে দ্রুত শোনা যায়। স্পিড বাড়ানো যায় শতভাগ। অর্থাৎ, আপনি দ্বিগুণ গতিতেও শুনতে পারবেন।

🔹কাউকে মেসেজ ফরোয়ার্ড করলে, সে সেই মেসেজের সাথে তিনি আপনার নামও দেখতে পাবেন এবং মেসেজও দিতে পারবেন। আপনি চাইলে অবশ্য সেটিং থেকে এটা বন্ধও করে রাখতে পারি।

🔹টেলিগ্রাম কেবল ভয়েস কলে এবং সিক্রেট চ্যাটে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা দেয়, সাধারণ মেসেজে দেয় না। কাজেই গোপনীয় কথা বলতে গেলে হয় কল দিতে হবে নতুবা সিক্রেট চ্যাট ট্যাব খুলতে হবে ।

🔹একসাথে অনেকগুলো আইডি ব্যবহারের সুবিধা 😘

🔹অনেকেই এটাকে ভার্চুয়াল সিনেমা হল বলে। অবশ্য ভালো নেট কানেকশন ছাড়া ডাউনলোড স্পিড মোটামুটি।

🔹লাস্ট সিন, অনলাইন এক্টিভিটি

ইসলামিক সাইবার সিকিউরিটি
মাসুম ঢাকা ২৭৪০
টিম খালিদ ১০
#ট্রেনার
Mohammad Farhan Kashem ভাই
MD JUBAYER ভাই
Yeasin Arafat Siraji ভাই
Ibrahim Nury ভাই
👍31
সাদা স্রাব: প্রত্যেক মেয়ের যা জানা দরকার ।

যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়।

কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

যদি, স্রাবটির–
★ রং পরিবর্তন হয়,
★ ঘনত্ব পরিবর্তিত,
★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় ।
★ ফেনাযুক্ত হয়,
★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়।
এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।

অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এফিডেভিট শব্দ টা সবাই প্রায় শুনেছেন, কিন্তু এটার প্রয়োজনিয়তা প্রায় সময় ই আমাদের প্রয়োজন পড়ে থাকে। বিভিন্ন প্রয়োজনে এফিডেভিট খুব গুরুত্ব বহন করে। অনেকে দরকারি তথ্য না থাকার কারণে বিড়ম্বনার শিকার হন।

এফিডেভিট এর অর্থ যে হলফনামা এটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। হলফনামা দুইভাবে করা যেতে পারেঃ

হলফনামার দুটি ধরন হয়ঃ

একটি হচ্ছে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হলফনামা।
আরেকটি নোটারি পাবলিকের নিকট হলফনামা।

এটি নির্ভর করে আপনি যে কর্তৃপক্ষের নিকট হলফনামাটি জমা দিচ্ছেন তাদের চাহিদার উপর।

নোটারি পাবলিক হচ্ছেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন আইনজীবী, যার প্রধান কাজ এফিডেভিট / হলফনামা সম্পাদন করে দেওয়া। এছাড়া কোনো কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন ডকুমেন্ট, সার্টিফিকেট ইত্যাদি নোটারি করে দেওয়া।

এফিডেভিট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। বাংলাদেশে সাধারণত নিম্নোক্ত ধরনের হলফনামা মানুষের জীবনে বেশি প্রয়োজন হয়; তার মধ্য থেকে কিছু গুরুত্বপুর্ন এবং জরুরি কিছু হলফনামার ধরন দেখে নেইঃ

স্পেশাল বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হিন্দু বর- বোদ্ধা কনের হলফনামা
কোন হিন্দু মহিলা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করিয়া মুসলমান হইবার এবং কোন মুসলমান যুবককে বিবাহ করিবার নিমিত্তে হলফনামা।
হিন্দু ধর্মমতে স্ত্রী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্বামী কর্তৃক হলফনামা
হিন্দু ধর্মমতে স্বামী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্ত্রী কর্তৃক হলফনামা
ভুল নাম সংশোধন করার হলফনামা
নামের ভুল বানান শুদ্ধ করার হলফনামা
নাম পরিবর্তন করার হলফনামা
বয়স পরিবর্তন করার হলফনামা
সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে মাতার দেওয়া হলফনামা
সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে পিতা কর্তৃক দেওয়া হলফনামা
মামা কর্তৃক ভাগিনার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
চাচা কর্তৃক ভাতিজার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
জন্মতারিখ সম্পর্কে দেওয়া তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার হলফনামা
বর্তমান বয়স সম্পর্কে নিজের দেওয়া হলফনামা
জন্ম তারিখ সংশোধন নিমিত্তে হলফনামা
কোন হিন্দু মুসলমান হওয়ার হলফনামা
কোন বৌদ্ধের মুসলমান হওয়ার হলফনামা
খ্রিষ্টান ধর্মত্যাগ করিয়া মুসলমান হওয়ার হলফনামা
একজন প্রকৃতির পুজারী নিজ ধর্ম পরিত্যাগ করে মুসলমান হবার হলফনামা
একজন আদিবাসীর মুসলমান হবার হলফনামা
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের নিমিত্ত হলফনামা
সকলের পক্ষে একজন কর্তৃক (সাকশেসন মামলার) দরখাস্ত কারীকে টাকা তোলার অনুমতি প্রদান করার জন্য দেওয়া হলফনামা
কারো ক্রিমিনাল কেইস মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হলফনামা
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রীর নিমিত্ত মোকদ্দমায় দেওয়া হলফনামা
দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদী পক্ষের দেওয়া হলফনামা
যানবাহন বা মোটর গাড়ি ক্রয়ের নিমিত্তে হলফনামা
যানবাহন জাতীয়, গাড়ী কেনার হলফনামা বা অঙ্গীকার বা চুক্তিপত্র
অস্থাবর নিজ সম্পত্তি হস্তান্তরে সম্পাদিত “তফশিল বর্ণিত সম্পত্তির পরিচয় ” সহ হলফনামা
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হইতে একটি প্লট পাওয়ার নিমিত্তে দেওয়া হলফনামা

হলফনামা সাধারণত ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে করতে হয়। তবে শ্রেণীভেদে স্ট্যাম্পের পরিমাণ বাড়তে পারে। হলফনামা করার সময় খুব ভালোভাবে খেয়াল করবেন যে আপনি যে কারণে হলফনামাটি করছেন সেই বিষয়বস্তু নিযুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবী লিখেছেন কি না।

হলফনামা সম্পাদনের পর সঠিক ও স্পষ্টভাবে সীল ও স্বাক্ষর করা হয়েছে কিনা দেখে নিন। সিরিয়াল নম্বর রেজিস্টারের সিরিয়ালের সাথে মিলিয়ে নেয়া ভালো, এতে আপনার কাজটি অধিকতর সঠিক হয়েছে বলে নিশ্চিত হতে পারবেন।

হলফনামার সাথে ভবিস্যতের অনেক কিছু নির্ভর করায় এটা যেখানে সেখানে যে কোন ভাবে করার চাইতে সঠিক ভাবে, বিশ্বস্ত আইনজীবীর মাধ্যমে করা বুদ্ধিমানের কাজ। তাই এই ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি।

💬 কোন প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের ইনবক্স করতে পারেন।

#affidavit #affidavitofsupport #advocate
2
এদেশে আসার পর যতগুলো জব করেছি সবগুলোই ছিলো ইউনিফর্ম বেইজড। ইচ্ছে করেই ইউনিফর্মের এক্সট্রা লার্জ সাইজ বাছাই করতাম যাতে খুব বেশি বডি হাগিং বা আঁটসাঁট হয়ে না যায়। ইউনিফর্মের সাথে বড় স্কার্ফ পরে কাজে যেতাম। আপাতদৃষ্টিতে অশালীন কেউ বলতে পারবেনা বোধ করি।

জব একেবারে ছেড়ে দেবার কিছুদিন আগের কথা। এক মধ্য বয়সী কাস্টমারকে সার্ভ করছিলাম হেসে হেসে। যাবার আগে লোকটা হঠাৎ আমাকে বলে বসলো, I like your smile ... it’s beautiful ! আমি বেশ শকড্ হয়ে গেলাম এবং লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলাম। আমি তখন বোরকা কিংবা নিক্বাব কোনটাই করতামনা তবুও এ ব্যপারটা আমাকে ভেতরে ভেতরে যন্ত্রণা দিচ্ছিলো যে কোথাকার কোন লোক কেন আমাকে এত ডিটেইলে দেখছিলো। আমি তো সব ঢেকেই চলি, শুধু দু হাত আর মুখটা বের করে রাখি। সেটাও কেন ঐ লোক এত খেয়াল করলো।

ভাই তখন জীবিত ছিলো। দ্বীনের পথে হাঁটার বেশ কিছু সময় পার হলো। ততদিনে মা, ভাবী নিক্বাব শুরু করে দিয়েছিলেন। ভাইয়াকে বললাম পুরো ঘটনাটা। ভাইয়া বললেন যদি সম্ভব হয় জব ছেড়ে দিতে এবং পর্দা পুরোপুরি শুরু করতে। আমি তার কিছুদিন পর জব ছেড়ে দেই যদিও তবু পর্দাটা পুরোপুরি শুরু করা হয়নি। কিছু মাস পর বোরকা পরা শুরু করলেও নিক্বাব করা শুরু করতে পারিনি। হাজব্যান্ড নিক্বাবের কনসেপ্ট টা অপ্রয়োজনীয় মনে করতেন তখন। বাসা থেকে তেমন বের হতাম না তাই। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লাকে বলতাম তিনি যেন আমার জন্য, আমার পরিবারের জন্য সহজ করে দেন।

তারও কিছু মাস পর একদিন হাজব্যান্ড নিজেই এসে বললেন, ‘তুমি তো নিক্বাব শুরু করতে চেয়েছিলে তো এখন শুরু করে দাও ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন, আমি বুঝতে পেরেছি মেয়েদের সৌন্দর্যের মূল আকর্ষণই হলো চেহারা। এই চেহারা নিয়ে কত গান হচ্ছে, কবিতা হচ্ছে। চোখ-নাক-ঠোঁট-গাল সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে রসিয়ে রসিয়ে বর্ণনা করা হয়। তো সব ঢেকেও আসল অংশ চেহারা খোলা রাখার তো কোন যৌক্তিকতা নাই। আর তাছাড়া কোরআন হাদীস থেকেও আমরা চেহারা ঢাকার প্রয়োজনীয়তা জানতে পারি। তুমি বিইযনিল্লাহ শুরু করে দাও । আমি তোমাকে বোরকা নিক্বাব কেনার টাকা দিবো।’

সেদিনও খুশিতে ভাইকে জানালাম সব ফোনে। ভাইয়া তাকবীর দিতে দিতে আমার হাজব্যান্ডের জন্য অনেক দুআ করলেন। আমি অন্তর থেকে আমার হাজব্যান্ডের জন্য দুআ করি। মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের একত্রে জান্নাতের পথে হাঁটার তৌফিক দিন।

দুঃখ-জনক ভাবে, মেয়েদের চেহারার পর্দা নিয়ে অনেক রকম রেফারেন্স দিলেও লোকজন কিছু না কিছু এক্সকিউজ বের করবেই।

আম্মাজান আইশা (রা.) ইফকের ঘটনা কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের সময় উমার (রা.) ঘরে প্রবেশ করলে উনার কন্যা হাফসা (রা.) ব্যতীত বাকি সবাই নিজেদের চাদর উপর থেকে টেনে নিচে নামিয়ে মুখ ঢেকে ফেলা এবং পরবর্তীতে আবু বকর (রা.) ঘরে ঢুকলে মা আইশা (রা.) ব্যতীত বাকি স্ত্রীরা অনুরুপভাবে মুখ ঢেকে ফেলার কথা আমরা জানি। কিন্তু সেগুলোও নাকি যথেষ্ট না কারণ মুখ ঢাকা শুধু উম্মুল মুমিনীনদের জন্য, বাকি মেয়েদের জন্য না।

তো ঘুরে আসা যাক, ড. আলি সাল্লাবী রচিত এবং কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক অনূদিত, আমিরুল মুমিনীন উমার (রা.) জীবনী নিয়ে লেখা ‘আমিরুল মুমিনীন উমার ইবনুল খাত্তাব’ বইয়ের ৩০৭ নং পৃষ্ঠা থেকে।

এক মহিলা তার স্বামীর ব্যপারে আমিরুল মুমিনীনের কাছে এসে অভিযোগ করে। আমিরুল মুমিনীন মহিলার অভিযোগ শুনে স্বামীকে ডেকে পাঠান আর মহিলাটিকে উনার পেছনে গিয়ে বসার নির্দেশ দেন। একটু পরে মহিলাটির স্বামী আসলে আমিরুল মুমিনীন মহিলাটির দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি এ মহিলাকে চিনো? লোকটি বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! কে এই মহিলা? আমিরুল মুমিনীন জবাবে বললেন, সে তোমার স্ত্রী।

এখানে প্রথমত, মহিলাটি উম্মুল মুমিনীনদের কেউ নন বরং আমাদের মতই সাধারণ একজন মহিলা।

দ্বিতীয়ত, মহিলাটিকে অপেক্ষা করার জন্য আমিরুল মুমিনীন উনার পিছনে গিয়ে বসার জন্য বলেন, যেন সে মহিলার অবয়ব বিনা প্রয়োজনে উনাকে দেখতে না হয় যেটা সামনা সামনি বসলে হয়তো না চাইলেও চোখে পড়ে যেতো।

তৃতীয়ত এবং মোস্ট ইম্পরটেন্ট হলো, মহিলার স্বামী মহিলাটিকে দেখেও চিনতে পারেনি। কেন? কারণ মহিলাটি নিজেকে আপাদমস্তক ঢেকে রেখেছিলো যার দরুণ স্বামীও আচমকা তাকে দেখে বুঝতে পারেনি মহিলাটি তার স্ত্রী।

এরকম আরও শতশত রেফারেন্স পাওয়া যায়। অথচ কিছুদিন পরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প-*শ্চি-*মা ধাঁচের কিছু সেলেব্রিটিরা মেয়েদের পর্দা নিয়ে নিজের মতামতকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। পর্দার বিধান আসার আগে আরবের মহিলারা কি চেহারা খোলা রাখতেন না? তারা কি তখন শরীরের প্রয়োজনীয় অংশ ঢেকে চলতেন না? তবে পর্দার বিধান কার্যকর হবার পর তারা কোন অংশ ঢেকে রাখার ব্যপারে যত্নবান হলেন? শুধু মাথা?

যা হোক, যারা মুখ ঢাকতে চাননা তারা নিজস্ব মতামত প্রচার না করে বিনয়ী থাকুন, যারা চাইলেও মুখ ঢাকতে পারছেন না এই মুহুর্তে, তারা দুআ করুন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা যেন সহজ করে দেন।

জান্নাতের ব্যপারে আপনি
নিশ্চিতভাবে সর্বোত্তম জান্নাতটাই চাইবেন। তবে পর্দার বিধানের ব্যপারে কেন সর্বোত্তম পন্থাটা গ্রহণ করতে আপনার বাঁ-ধে!

কেন?

~ নুসরাত জাহান!
👍5
১. ৭. ৫. সালাতুল ইস্তিখারা

ইস্তিখারার অর্থ কারো কাছে সঠিক বিষয় বেছে দেওয়ার প্রার্থনা করা। যে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা একাধিক বিষয়ের মধ্য থেকে একটি বেছে নেয়ার অবকাশ আছে সেখানে আল্লাহ্‌র সাথে পরামর্শ না করে কোনো কিছু বেছে নেয়া বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা মুমিনের উচিত নয়। ছোট, বড়, গুরুত্বপূর্ণ বা গুরুত্বহীন সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আল্লাহ্‌র সাথে পরামর্শ করা, অর্থাৎ তাঁর মহান দরবারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফিক চাওয়া মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব।
ইস্তিখারার দু‘আ

اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوْبِ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ [يسمي حاجته] خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاقْدِرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ. [اللهم] وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدِرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهِ

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসতাখীরুকা বি‘ইলমিকা, ওয়া আসতাকদিরুকা বিক্বুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাদলিকাল ‘আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু, ওয়ালা- আকদিরু, ওয়া তা‘অ্লামু ওয়ালা- আ‘অ্লামু, ওয়া আন্তা ‘আল্লা-মুল গুইঊব। আল্লা-হুম্মা, ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা (উদ্দিষ্ট বিষয়ের নাম বলবে) খাইরুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী ফাক্বদুরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহি। আল্লা-হুম্মা, ওয়া ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-কিবাতি আমরী ফাছরিফহু ‘আন্নী, ওয়াছরিফনী ‘আনহু ওয়াক দুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহী।

অর্থ: “হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করি আপনার জ্ঞান থেকে, আমি আপনার নিকট শক্তি প্রার্থনা করি আপনার ক্ষমতা থেকে এবং আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি আপনার মহান অনুগ্রহ। কারণ আপনি ক্ষমতাবান আর আমি অক্ষম, আপনি জানেন আর আমি জানি না, আর আপনি সকল গাইবের মহাজ্ঞানী। হে আল্লাহ্‌, যদি আপনি জানেন যে, এ কাজটি (নির্দিষ্ট বিষয়টির উল্লেখ বা স্মরণ করবে) কল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, আমার পার্থিব জীবন এবং আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে, তবে নির্ধারণ করুন একে আমার জন্য, সহজ করুন একে আমার জন্য এবং বরকত প্রদান করুন এতে আমার জন্য। হে আল্লাহ্‌, আর আপনি যদি জানেন যে, এ কর্মটি অকল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, জাগতিক জীবন ও আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে তবে সরিয়ে নিন একে আমার নিকট থেকে, সরিয়ে নিন আমাকে এর নিকট থেকে, নির্ধারণ করুন আমার জন্য কল্যাণকে যেখানেই তা থাকুক এবং সন্তুষ্ট করে দিন আমাকে তার মধ্যে।”
সহীহ বুখারী ১/৩৯৩, হাদীস নং ১১০৯।

জাবির ইবনুু আব্দুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সকল বিষয়ে ‘ইস্তিখারা’ করতে শিক্ষা দিতেন, যেমন গুরুত্বের সাথে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: যখন তোমাদের কেউ কোনো কাজের ব্যাপারে মনের মধ্যে চিন্তা করবে তখন (সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে) নফল দু-রাক‘আত সালাত আদায় করবে অতঃপর উপরের দু‘আটি বলবে।
সহীহ বুখারী (২৬-আবওয়াবুত তাতাওউ, ১-তাতাওউ মাসনা) ১/৩৯১ (ভা. ১/১৫৫)।
মানুষ তার বন্ধুর ধর্ম (স্বভাব-চরিত্র) দ্বারা প্রভাবিত হয়, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকে যেন লক্ষ করে সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।
[মাকারিমুল আখলাক, তাবারানিঃ ১/৩১৪]
4
জ্বীন, যাদু ও বদনজর থেকে আত্মরক্ষার জন্য তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাকও নাস) এর চেয়ে বেশি উপকারি আর কিছু নেই । পরিপূর্ণ উপকারিতার জন্য পড়ার পাশাপাশি উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে শরীরে মুছে নেয়ার কথাও হাদীস শরীফে পাওয়া যায় ।

শরীর মোছার ক্ষেত্রে — প্রথমে মাথা, তারপরে চেহারা, তারপরে বুক ও শরীরের সামনের অংশ এবং সর্বশেষ হাত যতদূর পৌঁছায় শরীরের পিছনের অংশ মুছে নিবেন । যদিও অন্যভাবে করলেও উপকারিতা পাওয়া যাবে, তবে এই ধারাবাহিকতায় করা উত্তম ।
5
নবীজি ﷺ ফজরের নামাযে সালাম ফিরিয়ে এই দুয়া করতেন-
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার উপযুক্ত আমল প্রার্থনা করি।" [ইবনে মাজাহ : ৯২৫]
7
বিয়ে উপলক্ষে ক্ষেত্রবিশেষে বর-কনের পরিবার অপ্রয়োজনীয় খাতে যেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে তা দিয়ে অনেক সময় বরের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

– ড. আব্দুল কাদের (হাফি.)
4
জীবনে ঝামেলা এড়ানো এবং উন্নতির জন্য নিচের এই আটটা জিনিস আয়ত্বে আনা জরুরি:

১. মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা

সারাক্ষণ নিজের কথা না বলে সামনের মানুষটাকে বলতে দেয়া এবং মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা একটা বড় ধরনের গুণ। আপনি যত ভালো বক্তাই হোননা কেন, কথা বলে কাউকে আপনি যতটা মুগ্ধ করতে পারবেন, তারচেয়ে তিনগুণ মুগ্ধ করতে পারবেন মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনে।

২. অভিযোগ এবং সমালোচনা এড়িয়ে চলা

সারাক্ষণ সবকিছুতে যাদের অভিযোগ, তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। আর সমালোচনাকারীদের মানুষ সবচেয়ে ঘৃণা করে এবং ভয়ও পায়। কারণ এটা সবাই জানে, যে আপনার সামনে অন্যের সমালোচনা করছে সে আপনি উঠে যাওয়ার পর অন্যের সামনে আপনারও সমালোচনা করবে।

৩. হাসিমুখে কথা বলা

হাসিমুখ একটা প্রশান্তির সৃষ্টি করে। হাসিখুশি মানুষজনকে আপন লাগে দেখতে। আমি বলছি না আপনাকে জোর করে হাসতে হবে। চেষ্টাটুকু করলেই হবে। অন্তত আপনার মুখ/চেহারা/ আচার-আচরণে ধরে রাখা কঠিন ভাবমূর্তি যেন আপনার সাথে অন্যের কথা বলার ইচ্ছেটুকু নষ্ট না করে দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখলেও যথেষ্ট।

৪. অন্যের প্রশংসা করা

কাউকে তেল দেয়া নয়। বরং খেয়াল করলে দেখবেন প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই সুন্দর কিছু না কিছু আছে। তার চেহারা, আচার-আচরণ বা যেকোনো একটা কাজ যেটা সে ভালো পারে- চোখে পড়া মাত্রই তাকে সেটা জানান দিন। মুখ ফুটে বলুন তার কোন জিনিসটা আপনার পছন্দ হয়েছে। মন থেকে প্রশংসা করলে মানুষজন খুশি হয়। একটা মানুষ খুশি হলে সেই খুশির আভা আপনাকেও ছুঁয়ে যাবে।

৫. মানুষের নাম মনে রাখা

মানুষ নিজের নাম প্রচণ্ড ভালোবাসে। কেবল ভুলভাল উচ্চারণে কিংবা বানানে কারো নাম ডাকা বা লেখা আপনাকে তার অপছন্দের মানুষের তালিকায় ফেলে দিতে যথেষ্ট। যে যার নাম যেভাবে বলে বা লেখে আপনাকে ঠিক সেভাবেই তাকে ডাকতে হবে বা সেই বানানেই লিখতে হবে। I-এর জায়গায় E-লিখে যদি ভাবেন আপনার ই-মেইলের উত্তর আসবে তাহলে নিশ্চিত থাকুন, আপনার ই-মেইল সে পড়বেও না। মনে রাখবেন, 'you mess with their name, you mess with them!'

৬. বিনয়ী হওয়া

কেবল একটা কথা মনে রাখলেই যথেষ্ট: অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে। আর বিনয় মানুষের চরিত্রে এক অপূর্ব সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। জন্ম এবং মৃত্যুর মাঝে অল্প একটু সময়ের জন্য আমরা পৃথিবীতে আছি। যত টাকা, যত খ্যাতি, যত কিছুই হোক, মহাবিশ্বে আমাদের অস্তিত্ব অত্যন্ত নগন্য। দূর থেকে যাকে যতই হোমরাচোমরা মনে হোকনা কেন, আমরা আসলে কেউই এমন কিছু হয়ে যাই নাই যেখান থেকে অন্যকে আমরা ছোট করে দেখতে পারি। বিনয়হীন মানুষের চেয়ে বিশ্রী দেখতে আর কিছু নাই জগতে। এরচেয়ে বাজে সঙ্গও আর হয় না।

৭. অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলা

সঙ্গদোষে যে লোহা ভাসে এটা মনে রাখতে হবে সবসময়। আপনি যাদের সাথে ওঠাবসা করেন তাদের স্বভাব-চরিত্র নিজের অজান্তেই আপনার মধ্যে চলে আসবে। ওইযে বলে না 'your network is your net worth' কথাটা একটু চিজি হলেও সত্য। অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলার কোনো বিকল্প নেই।

৮. নতুন কিছু জানা বা শেখার চেষ্টা অব্যহত রাখা

বই পড়ে, মুভি দেখে, পডকাস্ট শুনে বা যেভাবেই সম্ভব নতুন কিছু জানার বা শেখার আগ্রহ আপনাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। মানুষের সাথে কথা বলেও অনেককিছু জানা যায়। অন্যের কাছ থেকে শেখার ইচ্ছা, আগ্রহ এবং চেষ্টা যে অব্যহত রাখে তাকে দমানো কঠিন।

ওপরের এই আটটা পয়েন্ট মাথায় রাখতে পারলে এবং এই ছোট্ট বিষয়গুলোকে নিজের আয়ত্বে আনতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।
# রিলেশনশিপে সেক্সুয়াল এক্টিভিটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?

টাইটেল দেখে প্রথমেই হয়তো আপনার মনে হতে পারে এই ধরনের আর্টিকেল লেখার প্রয়োজনীয়তা কী? হ্যাঁ এরকমটা মনে হ‌ওয়া একদম স্বাভাবিক কারণ নারী-পুরুষের সম্পর্কে সেক্সের গুরুত্ব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হবে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা, কারো কারো ক্ষেত্রে সেক্স খুব‌ই গুরুত্বপূর্ণ, কিছু ব্যক্তির কাছে সেক্স ঐচ্ছিক বিষয় আবার কিছু ব্যক্তি যৌনতার ব্যাপারে একেবারেই অনাগ্রহী। এটি নির্ভর করে ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস, শারীরিক চাহিদা ও সম্পর্কের অবস্থার উপর।

তাহলে এই আর্টিকেলের প্রয়োজনীয়তা কী?

এই আর্টিকেলের উদ্দেশ্য হচ্ছে রিলেশনশিপের সেক্সুয়াল এক্টিভিটির গুরুত্ব নিয়ে গবেষকরা কি বলছে তা সহজবোধ্য ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা করা।

পৃথিবীর বহু ব্যক্তি বা দম্পতির কাছে সেক্সের গুরুত্ব নেই। তারা তাদের সঙ্গীর সাথে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছাড়াই সুখী, পরিপূর্ণ, স্বাস্থ্যকর ও রোমান্টিক জীবন উপভোগ করছে। মানুষ কেন সেক্স করতে চায় না তার অনেক কারণ আছে। কিছু কারণ সম্পর্কে জানা যাক:

প্রথমত লিবিডো কম থাকা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে লিবিডো কী? লিবিডো হচ্ছে একজন ব্যক্তির যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনসংগমের প্রতি আগ্রহ, এটি সেক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত। অনেকেই অবিবাহিত জীবন উপভোগ করতে চায়, অনেকেই বিয়ের আগে অথবা পরে সেক্স থেকে বিরত থাকতে চায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেডিকেল ইস্যু থাকার কারণে অনেকে সেক্স করতে আগ্রহী হয় না অথবা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সেক্স করতে পারে না। আবার এসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা সাধারণত সেক্স করে না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা অল্প বিস্তর যৌন আকর্ষণ অনুভব করে।

তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে তারা অসুখী হবে এমন নয়। যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে আপনার সঙ্গী আপনাকে মূল্য দিচ্ছে না অথবা ভালোবাসে না এমনটাও নয়। মূলকথা নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সেক্সুয়াল এক্টিভিটি বাধ্যতমূলক নয়।

তবে রোমান্টিক রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্সুয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যালোসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা যেহেতু যৌন আকর্ষণ অনুভব করে তাই তাদের রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হ‌ওয়ার জন্য‌ও সেক্সের ভূমিকা রয়েছে। রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্স, আপনার পার্টনারের কাছে নিজের ভালোবাসা অথবা অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে। নতুন রিলেশনশিপ শুরুর পূর্ববর্তী ধাপের মধ্যেও সেক্স একটি। নিয়মিত সেক্স করলে রিলেশনশিপ আরো সুদৃঢ় হ‌ওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। করো কারো কাছে সেক্স শুধুমাত্র যৌন চাহিদা পূরণের অথবা আনন্দদায়ক একটি মাধ্যম হতে পারে। এছাড়াও অনেক দম্পতি শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের জন্য‌ সেক্স করে থাকে।

তবে নিয়মিত সেক্স করার কিছু মানসিক ও শারীরিক উপকারিতা আছে। যেমন মানসিক কিছু উপকারিতার কথা যদি বলি তবে নিয়মিত সেক্স করার ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে, সেক্স আপনার মানসিক চাপ দূর করবে এবং আপনার পার্টনারের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করে তুলবে। নিয়মিত সেক্সের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্মৃতি শক্তি ভালো থাকে, হৃদ জনিত রোগের ঝুঁকি কমায়, মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও সেক্স করার কারণে শরীরের ব্যায়াম‌ও হয়ে থাকে।

তবে এর মানে এই নয় যে যারা সেক্সুয়াল এক্টিভিটি করে না তারা এই সকল সমস্যায় ভুগছে অথবা যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে তাদের পার্টনারের সাথে তাদের সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ ভালো না। মূলত যারা নিয়মিত সেক্স করে তাদের মধ্যে উপরে উল্লেখিত শারীরিক ও মানসিক সুবিধা লক্ষ্য করা গেছে।

অনেক দম্পতি ঘনিষ্ঠ হ‌ওয়ার মাধ্যম বলতে শুধুমাত্র সেক্সকে বুঝে থাকে। যারা এটি মনে করে তাদের উচিত নিয়মিত সেক্স করা। এটি তাদের সেক্স ড্রাইভ ও সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্য ও রিলেশনশিপের জন্য উপকারী।

সাধারণত অধিকাংশ মানুষ পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হ‌ওয়া বলতে সেক্সকে বুঝলেও পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সেক্স একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনার স্নেহপূর্ণ স্পর্শও আপনার সঙ্গীর সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি উদাহরণ। সেক্স ছাড়াও শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কিছু মাধ্যম রয়েছে যেমন: Massages বা অঙ্গমর্দন, kissing বা চুম্বন, Cuddling বা আলিঙ্গন, Holding hands বা হাত ধরা। অনেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে তাদের কাছে সেক্সের চেয়ে উপরোক্ত মাধ্যমগুলোর প্রাধান্য বেশি। এছাড়াও অনেকেই শারীরিক ঘনিষ্ঠতার চেয়ে মানসিক ঘনিষ্ঠতা বা একই মানসিকতা সম্পন্ন হ‌ওয়াকে তাদের রিলেশনশিপের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
অনেক দম্পতিদের মধ্যে দেখা যায় একজনের লিবিডো বেশি এবং অন্য জনের লিবিডো কম। সহজ ভাষায় একজনের সেক্সের প্রতি আগ্রহ বেশি অন্যজনের আগ্রহ কম। অনেক ব্যক্তি তার সঙ্গীর লিবিডো ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করে এবং ঐ ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গীর সাথে সেক্স ছাড়াই তাদের সম্পর্ককে স্বাভাবিক রাখতে পারে। আবার অনেক ব্যক্তি আছে যাদের লিবিডো বেশি, তাদের জন্য অনেকদিন সেক্স না করাটা কঠিন হয়ে পড়ে।

এই সমস্যা সমাধানের জন্য পার্টনা
রের সাথে কমিউনিকেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিজেদের মধ্যকার সমস্যা ও যৌন চাহিদা একে অপরের সাথে আলোচনা করতে হবে। যদি সমস্যাগুলো একে অপরের থেকে লুকিয়ে রাখে তবে তাদের শারীরিক সম্পর্কের পাশাপাশি মানসিকভাবে‌ও দূরত্ব সৃষ্টি হবে। সেইসাথে লিবিডো বাড়ানোর জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে।

লিবিডো কমে যাওয়ার কিছু কারণ রয়েছে যেমন: মানসিক চাপ, বয়োঃবৃদ্ধি, হরমোনের পরিবর্তন, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ট্রমা, আর্থ্রাইটিস বা করোনারি আর্টারির মতো রোগ, সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাসের অভাব ও অসততা ইত্যাদি। লিবিডো কমে গেলে ক্লিনিক্যাল ট্রিটমেন্ট ছাড়াও প্রাকৃতিক উপায়ে লিবিডো বাড়ানো সম্ভব।

যাইহোক অনেক কথা বললাম মূলত একটি সুস্থ ও সুন্দর রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য সেক্স করা বাধ্যতামূলক নয়। একজন সঠিক সঙ্গী নির্বাচন করা প্রয়োজন যে চাহিদা ও সমস্যাগুলো বুঝতে পারবে। সেজন্য যে কোন সম্পর্কের মধ্যে পরস্পরের মধ্যকার যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
> জ্ঞান - Knowledge:
পবিত্র কোরআনের ৯৯ নির্দেশনাঃ

০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯)
০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)।
০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (০৪ঃ ৩৬)
০৪. অহংকার করবেন না। (০৭ঃ ১৩)
০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (০৭ঃ ১৯৯)
০৬. লোকদের সাথে ধীরস্থির হয়ে শান্তভাবে কথা বলুন। (২০ঃ ৪৪)
০৭. উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। (৩১ঃ ১৯)
০৮. অন্যকে উপহাস করবেন না (৪৯ঃ ১১)
০৯. পিতামাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। (১৭ঃ ২৩)
১০. পিতামাতার প্রতি অসম্মানজনক শব্দ উচ্চারণ করবেন না। (১৭ঃ ২৩)
১১. অনুমতি না নিয়ে পিতামাতার শোবার ঘরে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ৫৮)
১২. ঋণ গ্রহণ করলে তা লিখে রাখুন। (০২ঃ ২৮২)
১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। (০২ঃ ১৭০)
১৪. ঋণ গ্রহণকারীর কঠিন পরিস্থিতিতে পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দিন। (২ঃ ২৮০)
১৫. কখনো সুদের সাথে জড়িত হবেন না। (০২ঃ ২৭৫)
১৬. কখনো ঘুষের সাথে জড়িতে হবেন না। (০২ঃ১৮৮)
১৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। (০২.১৭৭)
১৮. আস্থা রাখুন (০২ঃ ২৮৩)
১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করবেন না। (২:৪২)
২০. ইনসাফের সাথে বিচার করবেন। (০৪ঃ ৫৮)
২১. ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান। (০৪: ১৩৫)
২২. মৃতদের সম্পদ তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করুন। (০৪ঃ ০৭)
২৩. মহিলাদের উত্তরাধিকারের অধিকার আদায় করুন। (০৪ঃ ০৭)
২৪. এতিমদের সম্পত্তি গ্রাস করবেন না। (০৪.১০)
২৫. এতিমদের রক্ষা করুন। (০২.২২০)
২৬. অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না। (০৪ঃ ২৯)
২৭. মানুষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করুন। (৪৯ঃ ০৯)
২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চলুন। (৪৯ঃ ১২)
২৯. গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না, কুৎসা রটাবেন না। (৪৯ঃ ১২)
৩০. আল্লাহর বিধানুসারে বিচার করুন। (০৫ঃ ৪৫)
৩১. সাদাকাতে সম্পদ ব্যয় করুন। (৫৭ঃ০৭)
৩২.দরিদ্রকে খাবার খাওয়ান। (১০৭ঃ ০৩)
৩৩. অভাবীকে অভাব পূরুনের উপায় বাতলে দিন। (০২ঃ ২৭৩)
৩৪. অপব্যয় করবেন না। (১৭ঃ ২৯)
৩৫. খোঁটা দিয়ে দানকে নষ্ট করে দিবেন না। (০২ঃ ২৬৪)
৩৬. অতিথিকে সম্মান করুন। (৫১ঃ ২৬)
৩৭. কেবলমাত্র নিজে আমল করে তারপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যকে আমল করার আদেশ দিবেন। (০২ঃ৪৪)
৩৮. কাউকে গালাগালি করবেন না। (০২ঃ ৬০)
৩৯. লোকজনকে মসজিদে যেতে বাধা দিবেন না। (০২ঃ ১৪৪)
৪০. কেবল তাদের সাথেই লড়াই করুন, যারা আপনার সাথে লড়াই করে (০২ঃ ১৯০)
৪১. যুদ্ধের শিষ্টাচার মেনে চলুন। (০২ঃ ১৯১)
৪২. যুদ্ধেংদেহী হবেন না। (০৮ঃ১৫)
৪৩. দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। (০২ঃ ২৫৬)
৪৪. সকল নবির উপর ঈমান আনুন। (২: ২৮৫)
৪৫. স্ত্রীর মাসিকের সময় যৌন মিলন করবেন না। (০২ঃ ২২২)
৪৬. আপনার শিশুকে পূর্ণ দুবছর বুকের দুধ খাওয়ান। (০২ঃ ২৩৩)
৪৭. অননুমোদিত উপায়ে যৌন মিলন করবেন না। (১৭ঃ ৩২)
৪৮. যোগ্যতা অনুসারে নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করুন। (০২ঃ ২৪৭)
৪৯. কোনো ব্যক্তিকে সামর্থ্যের বাহিরে বেশি বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। (০২ঃ ২৮৬)
৫০. বিভক্তি উসকে দিবেন না। (০৩ঃ ১০৩)
৫১. মহাবিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করুন (৩: ১৯১)
৫২. আমল অনুযায়ী পুরুষ ও মহিলাদের সমান পুরষ্কার পাবেন; তাই আমল করুন। (৩: ১৯৫)
৫৩. 'মাহরাম' আত্মীয়কে বিবাহ করবেন না। (০৪ঃ ২৩)
৫৪. পুরুষ হিসেবে মহিলাদের সুরক্ষা দিন। (০৪ঃ ৩৪)
৫৫. কৃপণ হবেন না । (০৪ঃ ৩৭)
৫৬. অন্তরে পরশ্রীকাতরতা পুষে রাখবেন না। (০৪ঃ ৫৪)
৫৭. একে অপরকে হত্যা করবেন না। (০৪ঃ ৯২)
৫৮. প্রতারণার পক্ষে ওকালতি করবেন না। (০৪ঃ ১০৫)
৫৯. পাপ কাজে এবং আগ্রাসনে সহযোগিতা করবেন না। (০৫ঃ০২)
৬০. সৎ কাজে সহযোগিতা করুন। (০৫ঃ ০২)
৬১. সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই কোনোকিছু সত্য বলে গ্রহণ করবেন না। ( ০৬ঃ ১১৬)
৬২. ন্যায়বিচার করুন। (০৫ঃ ০৮)
৬৩. অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। (০৫ঃ ৩৮)
৬৪. পাপ ও বেআইনী কাজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন (০৫ঃ ৬৩)
৬৫. মৃত প্রাণী, রক্ত, শুকরের মাংস ভক্ষণ থেকে দূরে থাকুন। (০৫ঃ ০৩)
৬৬. মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (৫:৯০)
৬৭. জুয়া খেলবেন না। (০৫ঃ ৯০)
৬৮. অন্য ধর্মের দেবদেবীদের অবমাননা করবেন না। (০৬ঃ ১০৮)
৬৯. ক্রেতাকে ঠকানোর উদ্দ্যেশ্যে মাপে কম দিবেন না। (০৬ঃ ১৫২)
৭০. খান এবং পান করুন; তবে অপচয় করবেন না। (০৭ঃ ৩১)
৭১. নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান করুন। (০৭ঃ ৩১)
৭২. আশ্রয়প্রার্থীকে সুরক্ষা দিন, সহযোগিতা করুন। (০৯ঃ ০৬)
৭৩. বিশুদ্ধতাকে আঁকড়ে ধরুন। (০৯ঃ ১০৮)
৭৪. আল্লাহর রহমতের আশা কখনই পরিত্যাগ করবেন না। (১২ঃ ৮৭)
৭৫. অজ্ঞতাবশত ভুল করলে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করুন। ( ১৬ঃ ১১৯)
৭৬. মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করুন হিকমা ও উত্তমভাবে। (১৬ঃ ১২৫)
৭৭. অন্যের পাপের বোঝা কাউকে বইতে হবে না, বিশ্বাস করুন। (১৭ঃ ১৫)

> জ্ঞান - Knowledge:
৭৮. দারিদ্র্যের ভয়ে আপনার বাচ্চাদের হত্যা করবেন না। (১৭ঃ ৩১)
৭৯. যে বিষয়ে জ্ঞান আপনার জ্ঞান নাই, সে বিষয়ে কারও পিছু লাগবেন না। (১৭ঃ ৩৬)
৮০. নিরর্থক কাজ থেকে দূরে থ
7👍2
হালাল ভাবে একটা নারীকে স্পর্শ করতে ২৮/৩০ বছর ব্যয় করে আপনাকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।

ভালো স্যালারি লাগবে। টেকসই জব লাগবে। মোহরানা জমাতে হবে! লোকজন খাওয়াতে হবে। এছাড়াও কতো প্রতিবন্ধকতা!

আবার একই নারীকে হারাম ভাবে স্পর্শ করতে, উপভোগ করতে মাত্র দুই দিন সময় দিলেই হবে। স্যালারি ও লাগবে না, জব ও লাগবে না। মোহরানা ও দিতে হবে না।

১৭/১৮ বছর বয়সেই ভোগ করা যাবে। তখন কেউ আপনাকে ছোট বলবে না!

বিয়ে করতে যান বয়স হয়নি। ক্যারিয়ার হয়নি সেটেল হয়নি। কত অঘোষিত নিষিদ্ধ আইন, এই সমাজ ব্যবস্থায়

Find My Advocate Group
😢9
Forwarded from Sorowar's talks
ব্রেকিং নিউজ
ফ্রান্সের সবচেয়ে কম বয়সী স*কামী প্রধানমন্ত্রী! বুঝতে পারছেন পৃথিবী কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে? কেন আমি আমাদের সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত। সেই মতবাদ শরীফ-শরিফা কাহিনীর মাধ্যমে এক স*কামী এক্টিভিস্ট প্রতিষ্ঠান ২০১৫ সাল থেকে লবিং করে ৭ম শ্রেনীর পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করেছে সবাইকে শব্দের মারপ্যাঁচ দিয়ে। এটা সেই প্রতিষ্ঠান বড়াই করে ২০২২ সালের তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে ক্রেডিট নিয়েছে। তারাই ট্রান্সফরমার খসড়া আইন ড্রাফট করেছে, ২০ বছর ধরে লবিং করেছে। কিন্ত দেশের সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেনি। এটাইকে চরম স্মার্টনেস আর আমাদের অজ্ঞতার ইন্ডিকেটর।

#এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ
😢6
পুরুষের যৌন দুর্বলতা
( ১৮+ যৌন শিক্ষা বিষয়ক লেখা )
.
অনেকেই এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তাই সকলের আলাদা আলাদা উত্তর না দিয়ে এখানে পোষ্ট আকারে দিলাম।
.
🟩 পুরুষের যৌন দুর্বলতা কি ?
পুরুষের যৌন দুর্বলতা বলতে - পুরুষত্বহীনতা ,যৌনমিলনের অক্ষমতা , যৌন উত্তেজনাহীন হওয়া, মিলনের পূর্বে বীর্যপাত, হওয়া দ্রুত বীর্যপাত হওয়া কে বুঝায়। এগুলো সব হচ্ছে যৌন সমস্যার অন্তর্গত বিষয়।
.
🟩 কেন হয় এমন ?
অনেকগুলো কারণে হতে পারে , যা নিম্নে বিস্তারিত দেওয়া হল:
.
★ যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কারণ , যেমন
১)মাত্রাঅতিরিক্ত স্বপ্নদোষ
২)মাত্রাঅতিরিক্ত হস্তমৈথুন
৩)মাত্রাঅতিরিক্ত যৌন মিলন
৪)বিভিন্ন যৌন রোগ ( যেমন গনোরিয়া সিফিলিস ইত্যাদি)
৫) প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর রোগ , ইত্যাদি
.
★ বিকৃত যৌন আচরণ (যেমন সমকামিতা , পরকীয়া )
.
★ স্নায়ুবিক কারণ , যেমন:
১)প্যারালাইসিস
২) স্নায়ু সমহের শিথিলতা
৩)স্নায়ুর আঘাত, ইত্যাদি
.
★ ধূমপান ও মাদক গ্রহণ ( যেমন: সিগারেট পান করা , গাজা , ইয়াবা , ফেনসিডিল , আলকোহল যুক্ত ড্রিংকস ইত্যাদি )
.
★ হৃদ সম্পর্কিত কারণ , যেমন:
১)উচ্চ রক্তচাপ
২)হৃদপিন্ডের দুর্বলতা
৩)হৃদপিন্ডের অকার্যকারিতা বা হার্ট ফেইলিউর
৪)এনজাইনা পেকটোরিস
.
★ লিভারের রোগ সম্পর্কিত কারণ , যেমন
জন্ডিস
১)হেপাটাইটিস
২)লিভার সিরোসিস
৩)লিভারের কারণে পেটে পানি জমা
৪)লিভার আকারে বড় হওয়া বা হেপাটোমেগালি
৫)লিভার ঠিকভাবে কাজ না করা , ইত্যাদি
.
★ মূত্র তন্ত্র সম্পর্কীয় রোগ , যেমন
১)নেফ্রাইটিস
২)সিস্টাইটিস
৩) একুইট বা ক্রনিক কিডনি ডিজিস
৪) মূত্রতন্ত্রের ইনফেকশন , ইত্যাদি
.
★ডায়াবেটিস
.
★ পাকস্থলীর সম্পর্কীয় কারণ , যেমন
১)বদহজম
২)কোষ্ঠকাঠিন্য
৩)ডায়রিয়া
৪) আইবিএস , ইত্যাদি
.
★ শারীরিক দুর্বলতা , রক্তশূন্যতা , পুষ্টিহীনতা ভিটামিনের ঘাটতি
.
★ শরীরে বেশি চর্বি জমে যাওয়া (সেটা রক্তের মধ্যে চর্বির পরিমাণ বেশি হতে পারে, ফ্যাটি লিভার হতে পারে, শরীরের যে কোন জায়গায় চর্বি জমে যাওয়া হতে পারে, আর্টারির মধ্যে চর্বি জমা দেওয়া হতে পারে )
.
★ দেহের মৌলিক উপাদান সমূহের স্বল্পতার কারণে হতে পারে
.
★ মানসিক কারণে হতে পারে
১)যৌন ভীতি
২)অবসাদ
৩)ডিপ্রেশন
৪)অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
৫)অতিরিক্ত উত্তেজনা
৬)পার্টনারের প্রতি ঘৃণা
৭)পার্টনার পছন্দ না হওয়া
৮)দাম্পত্য কলহ
৯)যৌন সঙ্গিনীর প্রতি অনীহা
১০)কিশোর বয়সে যৌন নিপীড়ন
১১)যৌন আবেদন কম
১২)যৌন সঙ্গিনীর গর্ভবতী হওয়ার ভয়
১৩)বিভিন্ন যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ভয়
১৪)সঙ্গমে সক্ষম হবে না এই ভয় , ইত্যাদি
.
★ বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে হতে পারে
১)থাইরয়েডের ওষুধ
২)বিটাব্লকার ওষুধ
৩)ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার
৪)হৃদরোগের জন্য ব্যবহৃত ঔষধ
৫)মানসিক রোগের ওষুধ
৬)দীর্ঘদিন এলার্জির ওষুধ ব্যবহার
৭)কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অবদমনকারী ওষুধ
৮)ক্যান্সারের ওষুধ
৯)উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ , ইত্যাদি
.
★ হাইপোগোনাডিজম এর কারণে হতে পারে
যে সকল কারণে হাইপোগোনাডিজম অর্থাৎ অন্ড বা ডিম্বাশয়ের ক্ষরণ ক্ষমতার আসবে রোগীর যৌন দুর্বলতা দেখা দেয় তা হল -
প্রাইমারি কারণ:
১)অটোইমিউন গোনাডাল ফেইলিউর
২)অরকাইটিস বা অণ্ডকোষের প্রদাহ
৩)হেমোক্রোমাটোসিস
৪)যক্ষা
৫)কেমোথেরাপি
৬)জন্মগত অ্যাড্রিনাল হাইপারপ্লাসিয়া
সেকেন্ডারি কারণ:
১)পিটুইটারি গ্রন্থির ক্ষরণ কমে যাওয়া
২)প্রোল্যাকটিন হরমোন বৃদ্ধি
৩) কালমেন্স সিনড্রোম
.
★এন্ড্রোজেন রেজিস্ট্যান্স সিনড্রোম এর কারণে হতে পারে ।
নিম্নলিখিত কারণে হতে পারে:
১)টেস্টিকুলার ফেমিনিসেশন সিনড্রোম
২)৫ আলফা রি ডাক টেজ এনজাইমের ঘাটতি
৩)রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাত
.
★ হরমোনের সমস্যার কারণে হতে পারে ( যেমন: টেস্টোস্টেরন , থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন ইত্যাদি )
.
🟩 লক্ষণ গুলো কি কি:
১) পুরুষাঙ্গ শিথিল হওয়া
২)পরিপূর্ণ ইলেকশন না হওয়া বা শক্ত না হওয়া
৩)একবার ইরেকশন বা লিঙ্গ উত্থান হলেও উত্থানজনিত অবস্থা একেবারে ধরে না রাখতে পারা
৪)দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যাওয়া
৫)যৌন আগ্রহ বা ইচ্ছার ঘাটতি দেখা
৬)চরম পুলক লাভের ব্যর্থতা
৭) বীর্যস্খলনজনিত সমস্যা , ইত্যাদি
.
🟩 যৌন দুর্বলতা বা সমস্যার ঝুঁকিতে কারা বেশি:
১)যাদের ডায়াবেটিস রোগ আছে
২)যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে
৩)যাদের স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে
৪)যারা রেডিয়েশন থেরাপি বা বিকিরণ চিকিৎসা গ্রহণ করেছে
৫)যারা ড্রাগ আসক্ত বা মাদকাসক্ত
৬)যারা দীর্ঘদিন ধূমপান করেন
৭)যাদের বস্তি দেশে বা শ্রোণী চক্রের অস্ত্রোপচার বা সার্জারি হয়েছে
৮)পুরুষাঙ্গের কোনো ধরনের আঘাত বা ইনজুরি হয়েছে
৯)যারা মেরুদন্ডে আঘাত পেয়েছে
১০) যারা ক্রনিক রোগের জন্য বহু বছর ধরে বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে যাচ্ছে (যেমন ডায়াবেটিসের ওষুধ , উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ , শ্বাসকষ্টের ওষুধ ইত্যাদি)
.
🟩 চিকিৎসা পদ্ধতি:
অভিজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে কারণ বের করে চিকিৎসা করতে হবে ।

তবে সাধারণ অবস্থায় নিম্নলিখিত নিয়মগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়:
★ পুষ্টিকর ও বলকারক খাবার
৭ টা বহুল প্রচলিত মাইন্ড গেম যেটা মেয়েরা পুরুষদের সাথে খেলে:-

১। মেয়েরা প্রতিনিয়ত আপনার বাউন্ডারি কিংবা সহ্যসীমা পরিক্ষা করবে কাজ কিংবা অকাজের মাধ্যমে। (সম্পর্কের শুরুতেই স্পষ্ট বাউন্ডারি সেট করে নিন, কি করা যাবে, কি করা যাবে না। এবং নিজের বাউন্ডারির ব্যাপারে বরাবরাই সিরিয়াস হোন। কোনোমতে কখনোই মেয়েদেরকে নিজের সেট করা বাউন্ডারি ক্রস করতে দিবেন না। তাহলে সে আপনার প্রতি রেসপেক্ট হারিয়ে ফেলবে আর ভালোবাসা রেসপেক্টের জায়গা থেকে আসে)

২। তর্ক বা ঝগড়া জেতার জন্য সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করবে। তর্ক কিংবা ঝগড়ার সময় টু শব্দটা করবে না, যতক্ষণ না তার কাছে আপনার মাফ চাওয়ার মত সিচুয়েশন তৈরি হচ্ছে। কোনো ভাবেই এই ফাঁদে পা দিবেন না।

৩। তারা আপনার সকল মুভ, সবকিছু কন্ট্রোল করতে চাইবে। আপনি কি খাবেন, কি পরবেন বা কি করবেন তার সবকিছু। নেভার বি আ পাপেট।

৪। তারা আপনাকে তাদের প্রাক্তন প্রেমিক কিংবা পার্টনারের সাথে তুলনা করবে। "আরে জানো, আমার এক্স অথবা আগে আমি যাদের সাথে সম্পর্কে ছিলাম তারা কখনোই আমার সাথে এমনটা করেনাই যেমনটা এখন তুমি আমার সাথে করতেসো......অথবা তোমার জায়গায় আমার এক্স থাকলে আজকে সে আমার জন্য এটা করত, ইত্যাদি"। আপনাকে তাদের এক্সের সাথে তুলনা দিলে আপনিও সাথে সাথে তাকে নিজের এক্সের সাথে তুলনা দিবেন। এক্স না থাকলেও কল্পিত এক্সের সাথে তাকে তুলনা দিয়ে বুঝিয়ে দিবেন, ইউ আর নট অ্যান ইজি ক্যাচ। সমতা রক্ষা করবেন যেভাবেই হোক।

৫। তারা তাদের চোখের পানি কিংবা কান্নাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আপনাকে ম্যানিপুলেট করতে চাইবে।

৬। যখন আপনি ক্লিয়ারলিই দেখতে পাচ্ছেন সে অন্য কোনো পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে কিংবা সেই পুরুষকে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে এবং এটা নিয়ে যখন কিছু বলবেন, তখন তারা আপনাকে বলবে আপনি ওভারথিঙ্কিং করছেন অথবা অযথাই জেলাসি ফিল করছেন। কিন্তু বাস্তবে কি হচ্ছে সেটা আপনি ভালো করেই জানেন।

৭। সে আপনার কোনো প্রশ্ন কিংবা প্রস্তাবের উত্তরে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলবে, "আচ্ছা দেখি, কি করা যায়", কিংবা "ভেবে দেখব"। আপনাকে সরাসরি না ও বলবে না, আবার হ্যাঁ ও বলবে না।

আপনি যদি মেয়েদের সাইকোলজি কিভাবে ফাংশন করে সেটা জানতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবেন তারা ঠিক কতটা প্রেডিক্টেবল কিংবা তাদের প্রতিটি কাজ করার আগেই আপনি বুঝতে পারবেন কিংবা অনুমান করতে পারবেন সে ঠিক কি করতে পারে কোন পরিস্থিতিতে। তাদেরকে হ্যান্ডেল করা কিংবা তাদের সাথে ডিল করা তখন আপনার জন্য বাচ্চাদের খেলার মত হয়ে যাবে। অতএব, ফিমেল সাইকোলোজি বোঝার জন্য পুরুষ কথনের সাথেই থাকুন।
৭ টা বহুল প্রচলিত মাইন্ড গেম যেটা মেয়েরা পুরুষদের সাথে খেলে:-

১। মেয়েরা প্রতিনিয়ত আপনার বাউন্ডারি কিংবা সহ্যসীমা পরিক্ষা করবে কাজ কিংবা অকাজের মাধ্যমে। (সম্পর্কের শুরুতেই স্পষ্ট বাউন্ডারি সেট করে নিন, কি করা যাবে, কি করা যাবে না। এবং নিজের বাউন্ডারির ব্যাপারে বরাবরাই সিরিয়াস হোন। কোনোমতে কখনোই মেয়েদেরকে নিজের সেট করা বাউন্ডারি ক্রস করতে দিবেন না। তাহলে সে আপনার প্রতি রেসপেক্ট হারিয়ে ফেলবে আর ভালোবাসা রেসপেক্টের জায়গা থেকে আসে)

২। তর্ক বা ঝগড়া জেতার জন্য সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করবে। তর্ক কিংবা ঝগড়ার সময় টু শব্দটা করবে না, যতক্ষণ না তার কাছে আপনার মাফ চাওয়ার মত সিচুয়েশন তৈরি হচ্ছে। কোনো ভাবেই এই ফাঁদে পা দিবেন না।

৩। তারা আপনার সকল মুভ, সবকিছু কন্ট্রোল করতে চাইবে। আপনি কি খাবেন, কি পরবেন বা কি করবেন তার সবকিছু। নেভার বি আ পাপেট।

৪। তারা আপনাকে তাদের প্রাক্তন প্রেমিক কিংবা পার্টনারের সাথে তুলনা করবে। "আরে জানো, আমার এক্স অথবা আগে আমি যাদের সাথে সম্পর্কে ছিলাম তারা কখনোই আমার সাথে এমনটা করেনাই যেমনটা এখন তুমি আমার সাথে করতেসো......অথবা তোমার জায়গায় আমার এক্স থাকলে আজকে সে আমার জন্য এটা করত, ইত্যাদি"। আপনাকে তাদের এক্সের সাথে তুলনা দিলে আপনিও সাথে সাথে তাকে নিজের এক্সের সাথে তুলনা দিবেন। এক্স না থাকলেও কল্পিত এক্সের সাথে তাকে তুলনা দিয়ে বুঝিয়ে দিবেন, ইউ আর নট অ্যান ইজি ক্যাচ। সমতা রক্ষা করবেন যেভাবেই হোক।

৫। তারা তাদের চোখের পানি কিংবা কান্নাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আপনাকে ম্যানিপুলেট করতে চাইবে।

৬। যখন আপনি ক্লিয়ারলিই দেখতে পাচ্ছেন সে অন্য কোনো পুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে কিংবা সেই পুরুষকে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে এবং এটা নিয়ে যখন কিছু বলবেন, তখন তারা আপনাকে বলবে আপনি ওভারথিঙ্কিং করছেন অথবা অযথাই জেলাসি ফিল করছেন। কিন্তু বাস্তবে কি হচ্ছে সেটা আপনি ভালো করেই জানেন।

৭। সে আপনার কোনো প্রশ্ন কিংবা প্রস্তাবের উত্তরে সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলবে, "আচ্ছা দেখি, কি করা যায়", কিংবা "ভেবে দেখব"। আপনাকে সরাসরি না ও বলবে না, আবার হ্যাঁ ও বলবে না।

আপনি যদি মেয়েদের সাইকোলজি কিভাবে ফাংশন করে সেটা জানতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবেন তারা ঠিক কতটা প্রেডিক্টেবল কিংবা তাদের প্রতিটি কাজ করার আগেই আপনি বুঝতে পারবেন কিংবা অনুমান করতে পারবেন সে ঠিক কি করতে পারে কোন পরিস্থিতিতে। তাদেরকে হ্যান্ডেল করা কিংবা তাদের সাথে ডিল করা তখন আপনার জন্য বাচ্চাদের খেলার মত হয়ে যাবে। অতএব, ফিমেল সাইকোলোজি বোঝার জন্য পুরুষ কথনের সাথেই থাকুন।