#Premarital_Screening_test
( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑
#বিঃদ্রঃ পিক ফর এটেনশন 🐸🐸 কেউ আবার এই পদ্ধতি ব্যাবহার কইরেন না 😄🤪🤪।
#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।
বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂
#টেস্ট_গুলো_হলোঃ
👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR
এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊
এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।
👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে। যেমনঃ
(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia
ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊।
👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂
একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️
HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑
#বিঃদ্রঃ পিক ফর এটেনশন 🐸🐸 কেউ আবার এই পদ্ধতি ব্যাবহার কইরেন না 😄🤪🤪।
#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।
বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂
#টেস্ট_গুলো_হলোঃ
👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR
এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊
এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।
👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে। যেমনঃ
(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia
ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊।
👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।
তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂
একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️
HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
👍1
জেনে নিন গিয়ার লিভারের P, R, N, D, S/L এর মিনিং 🔥🔥
☑️ P (Park)
★ গিয়ার লকড হয়ে যাবে।
★চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।
★ গাড়ি পার্ক করা থাকলে, জ্যামে আটকে থাকলে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ R (Reverse)
★ চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে।
★গাড়িকে পেছনের দিকে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয়।
☑️ N (Neutral)
★ চাকা সামনে পেছনে যে কোন দিকে ঘুরতে পারবে ইভেন ইঞ্জিন অফ থাকলেও।
★ খুব অল্প সময়ের জন্য ট্রাফিকে থাকলে অথবা গাড়িকে কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালু অবস্থায় স্থির রাখতে হলে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ D (Drive)
★ সোজা কথায় গাড়ি চালানোর জন্য এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ S (Sport)
★লো ট্রান্সমিশনে হাই টর্ক আউটপুট দেয়।
★নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ি স্পোর্টলি চালাতে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ L (Low)
★ ট্রাকশন কন্ট্রোল বেড়ে যায়।
★ অল্প স্পীডে বেশী পাওয়ারের দরকার হলে এটা ব্যাবহার করা হয় যেমন কোন গর্ত থেকে গাড়িকে টেনে তুলতে।
☑️ OD (Over Drive)
★ খুব রাফলি চালাতে হলে OD অন করতে হয়।
★ 60 কিমি বেশী স্পীডে চললে OD অন রাখতে পারেন এটা গাড়িকে ইনস্ট্যান্ট স্পীড দিবে।
✨রানিং অবস্থায় D থেকে সরাসরি R দিলে কি হবেঃ
এরকম কোনোদিন হবে না। কারণ ব্রেকে পা না রাখলে গিয়ার লিভার কাজ করবে না। চলন্ত অবস্থায় শুধু D এবং S এর মাঝে যেকোনো একটায় শিফট করা যায়, অন্যগুলোতে শিফট করা যায় না।
✨OD অনেক গাড়িতে দেখা যায়না কেনোঃ কারন এখন অনেক গাড়িতে অটোমেটিক OD আসে। গাড়ি নিজেই ঠিক করে নেয় কখন OD তে চলবে।
#collected
☑️ P (Park)
★ গিয়ার লকড হয়ে যাবে।
★চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।
★ গাড়ি পার্ক করা থাকলে, জ্যামে আটকে থাকলে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ R (Reverse)
★ চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে।
★গাড়িকে পেছনের দিকে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয়।
☑️ N (Neutral)
★ চাকা সামনে পেছনে যে কোন দিকে ঘুরতে পারবে ইভেন ইঞ্জিন অফ থাকলেও।
★ খুব অল্প সময়ের জন্য ট্রাফিকে থাকলে অথবা গাড়িকে কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালু অবস্থায় স্থির রাখতে হলে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ D (Drive)
★ সোজা কথায় গাড়ি চালানোর জন্য এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ S (Sport)
★লো ট্রান্সমিশনে হাই টর্ক আউটপুট দেয়।
★নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ি স্পোর্টলি চালাতে এটা ব্যাবহার করা হয়।
☑️ L (Low)
★ ট্রাকশন কন্ট্রোল বেড়ে যায়।
★ অল্প স্পীডে বেশী পাওয়ারের দরকার হলে এটা ব্যাবহার করা হয় যেমন কোন গর্ত থেকে গাড়িকে টেনে তুলতে।
☑️ OD (Over Drive)
★ খুব রাফলি চালাতে হলে OD অন করতে হয়।
★ 60 কিমি বেশী স্পীডে চললে OD অন রাখতে পারেন এটা গাড়িকে ইনস্ট্যান্ট স্পীড দিবে।
✨রানিং অবস্থায় D থেকে সরাসরি R দিলে কি হবেঃ
এরকম কোনোদিন হবে না। কারণ ব্রেকে পা না রাখলে গিয়ার লিভার কাজ করবে না। চলন্ত অবস্থায় শুধু D এবং S এর মাঝে যেকোনো একটায় শিফট করা যায়, অন্যগুলোতে শিফট করা যায় না।
✨OD অনেক গাড়িতে দেখা যায়না কেনোঃ কারন এখন অনেক গাড়িতে অটোমেটিক OD আসে। গাড়ি নিজেই ঠিক করে নেয় কখন OD তে চলবে।
#collected
দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে পতিত ব্যক্তির দোয়া। দোয়াটি আমরা অবশ্যই মুখস্থ করে নিব।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -
اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা 'হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনঝালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্রী, ওয়া জালা’আ 'হুঝনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী
হে আল্লাহ্! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!
আল্লাহ্ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”
রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭
সূত্র: IRD দোয়া ও রুকইয়াহ এপ
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -
اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা 'হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনঝালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্রী, ওয়া জালা’আ 'হুঝনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী
হে আল্লাহ্! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!
আল্লাহ্ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”
রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭
সূত্র: IRD দোয়া ও রুকইয়াহ এপ
👍1
মানসিক সেবাপ্রদানকারী কি সঠিক ডিগ্রীধারী??
বাংলাদেশ মানসিক সেবা প্রদান করেন সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট, ট্রেইন সাইকোলজিষ্ট ও ট্রেইন ডাক্তার।
মানসিক সেবা প্রদান করতে চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসি আইন এবং সাইকোলজিষ্টদের জন্য রিহ্যাবলিটেশন প্রফেশনাল আইন (২০১৮) প্রযোজ্য।
#সাইকিয়াট্রিস্ট একজন মেডিকেল গ্রাজুয়েট, পরবর্তীতে মনোরোগের উপর উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট তিনিও কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেন।
#এছাড়া মানসিক রোগে ট্রেনিংপ্রাপ্ত সাইকোলজিষ্ট ও মেডিকেল গ্রাজুয়েটগনও মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারেন।
#কোন ব্যক্তির কাছে সেবা নেয়ার আগে
-তার বেসিক মেডিকেল বা সাইকোলজিতে ডিগ্রী আছে কিনা জেনে নিবেন
-পরবর্তীতে কি ট্রেনিং আছে তা জেনে নিবেন।
-উচ্চতর কি ডিগ্রি কোথা থেকে নিয়েছেন, জেনে নিবেন।
-সুপারভিশন নিয়ে কাজ করেছেন কিনা জেনে নিবেন।
-কি থেরাপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন, সেই পদ্ধতিতে তিনি কতদিন আন্ডার সুপারভিশনে কাজ করেছিলেন তা জেনে নিবেন।
#মনে রাখবেন সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই গবেষণালব্ধ ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই প্রশিক্ষিত ও ডিগ্রিধারী ব্যক্তি ছাড়া এ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না। ভুয়া ব্যক্তি হতে সাবধান থাকা আপনার দায়িত্ব । তিনি আপনার সময় ও টাকার অপচয় করবেন। বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন প্রফেশনাল আইন-২০১৮ অনুযায়ীও এই সব ব্যক্তি মানসিক সেবা দিলে তা বে-আইনি হবে ।
(ছবি-অনলাইন থেকে নেয়া।)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
বাংলাদেশ মানসিক সেবা প্রদান করেন সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট, ট্রেইন সাইকোলজিষ্ট ও ট্রেইন ডাক্তার।
মানসিক সেবা প্রদান করতে চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসি আইন এবং সাইকোলজিষ্টদের জন্য রিহ্যাবলিটেশন প্রফেশনাল আইন (২০১৮) প্রযোজ্য।
#সাইকিয়াট্রিস্ট একজন মেডিকেল গ্রাজুয়েট, পরবর্তীতে মনোরোগের উপর উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট তিনিও কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেন।
#এছাড়া মানসিক রোগে ট্রেনিংপ্রাপ্ত সাইকোলজিষ্ট ও মেডিকেল গ্রাজুয়েটগনও মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারেন।
#কোন ব্যক্তির কাছে সেবা নেয়ার আগে
-তার বেসিক মেডিকেল বা সাইকোলজিতে ডিগ্রী আছে কিনা জেনে নিবেন
-পরবর্তীতে কি ট্রেনিং আছে তা জেনে নিবেন।
-উচ্চতর কি ডিগ্রি কোথা থেকে নিয়েছেন, জেনে নিবেন।
-সুপারভিশন নিয়ে কাজ করেছেন কিনা জেনে নিবেন।
-কি থেরাপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন, সেই পদ্ধতিতে তিনি কতদিন আন্ডার সুপারভিশনে কাজ করেছিলেন তা জেনে নিবেন।
#মনে রাখবেন সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই গবেষণালব্ধ ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই প্রশিক্ষিত ও ডিগ্রিধারী ব্যক্তি ছাড়া এ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না। ভুয়া ব্যক্তি হতে সাবধান থাকা আপনার দায়িত্ব । তিনি আপনার সময় ও টাকার অপচয় করবেন। বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন প্রফেশনাল আইন-২০১৮ অনুযায়ীও এই সব ব্যক্তি মানসিক সেবা দিলে তা বে-আইনি হবে ।
(ছবি-অনলাইন থেকে নেয়া।)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
মানসিক সেবাপ্রদানকারী কি সঠিক ডিগ্রীধারী??
বাংলাদেশ মানসিক সেবা প্রদান করেন সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট, ট্রেইন সাইকোলজিষ্ট ও ট্রেইন ডাক্তার।
মানসিক সেবা প্রদান করতে চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসি আইন এবং সাইকোলজিষ্টদের জন্য রিহ্যাবলিটেশন প্রফেশনাল আইন (২০১৮) প্রযোজ্য।
#সাইকিয়াট্রিস্ট একজন মেডিকেল গ্রাজুয়েট, পরবর্তীতে মনোরোগের উপর উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট তিনিও কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেন।
#এছাড়া মানসিক রোগে ট্রেনিংপ্রাপ্ত সাইকোলজিষ্ট ও মেডিকেল গ্রাজুয়েটগনও মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারেন।
#কোন ব্যক্তির কাছে সেবা নেয়ার আগে
-তার বেসিক মেডিকেল বা সাইকোলজিতে ডিগ্রী আছে কিনা জেনে নিবেন
-পরবর্তীতে কি ট্রেনিং আছে তা জেনে নিবেন।
-উচ্চতর কি ডিগ্রি কোথা থেকে নিয়েছেন, জেনে নিবেন।
-সুপারভিশন নিয়ে কাজ করেছেন কিনা জেনে নিবেন।
-কি থেরাপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন, সেই পদ্ধতিতে তিনি কতদিন আন্ডার সুপারভিশনে কাজ করেছিলেন তা জেনে নিবেন।
#মনে রাখবেন সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই গবেষণালব্ধ ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই প্রশিক্ষিত ও ডিগ্রিধারী ব্যক্তি ছাড়া এ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না। ভুয়া ব্যক্তি হতে সাবধান থাকা আপনার দায়িত্ব । তিনি আপনার সময় ও টাকার অপচয় করবেন। বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন প্রফেশনাল আইন-২০১৮ অনুযায়ীও এই সব ব্যক্তি মানসিক সেবা দিলে তা বে-আইনি হবে ।
(ছবি-অনলাইন থেকে নেয়া।)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
বাংলাদেশ মানসিক সেবা প্রদান করেন সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট, ট্রেইন সাইকোলজিষ্ট ও ট্রেইন ডাক্তার।
মানসিক সেবা প্রদান করতে চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসি আইন এবং সাইকোলজিষ্টদের জন্য রিহ্যাবলিটেশন প্রফেশনাল আইন (২০১৮) প্রযোজ্য।
#সাইকিয়াট্রিস্ট একজন মেডিকেল গ্রাজুয়েট, পরবর্তীতে মনোরোগের উপর উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।
#কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট তিনিও কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেন।
#এছাড়া মানসিক রোগে ট্রেনিংপ্রাপ্ত সাইকোলজিষ্ট ও মেডিকেল গ্রাজুয়েটগনও মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারেন।
#কোন ব্যক্তির কাছে সেবা নেয়ার আগে
-তার বেসিক মেডিকেল বা সাইকোলজিতে ডিগ্রী আছে কিনা জেনে নিবেন
-পরবর্তীতে কি ট্রেনিং আছে তা জেনে নিবেন।
-উচ্চতর কি ডিগ্রি কোথা থেকে নিয়েছেন, জেনে নিবেন।
-সুপারভিশন নিয়ে কাজ করেছেন কিনা জেনে নিবেন।
-কি থেরাপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন, সেই পদ্ধতিতে তিনি কতদিন আন্ডার সুপারভিশনে কাজ করেছিলেন তা জেনে নিবেন।
#মনে রাখবেন সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই গবেষণালব্ধ ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই প্রশিক্ষিত ও ডিগ্রিধারী ব্যক্তি ছাড়া এ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না। ভুয়া ব্যক্তি হতে সাবধান থাকা আপনার দায়িত্ব । তিনি আপনার সময় ও টাকার অপচয় করবেন। বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন প্রফেশনাল আইন-২০১৮ অনুযায়ীও এই সব ব্যক্তি মানসিক সেবা দিলে তা বে-আইনি হবে ।
(ছবি-অনলাইন থেকে নেয়া।)
জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
❤1
আমাদের দেশে টেলিগ্রাম ইউজার কম এবং এর সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। কিন্তু এর মত সুবিধা আর কোন ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ এ পাই নি। তার কিছু কারণ তুলে ধরছি=
🔹 টেলিগ্রাম অত্যন্ত দ্রুত মেসেজ ডেলিভারি করে।
🔹২জি এবং ৩জি নেটওয়ার্কেও ভালোভাবে কাজ করে
🔹২ জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করা যায়।
🔹 আনলিমিটেড ফাইল স্টোরেজ রয়েছে। ব্যক্তিগত ড্রাইভ হিসবে টেলিগ্রাম খুবি ইউজার ফ্রেন্ডলি।
Saved Massage এ রাখতে পারেন।
প্রাইভেট চ্যানেল খুলে সেখানে রাখতে পারেন।
File to bot নামক বটের মাধ্যমেও রাখতে পারেন।
🔹ক্রস প্লাটফর্ম সুবিধা।
🔹 প্রত্যেকটি মেজর প্লাটফর্মের জন্য ন্যাটিভ অ্যাপস ।
🔹 অ্যাডভান্সড চ্যানেল ও গ্রুপ ম্যানেজমেন্ট ফিচারস।
হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুললে সর্বোচ্চ ২৫৬ জনকে যুক্ত করতে পারবেন, কিন্তু টেলিগ্রামে পারবেন ২,০০,০০০ (দুই লাখ!) জনকে যুক্ত করতে। আছে গ্রুপ ভিডিও কলের সুবিধা।
🔹বট ব্যাবহার করার সুবিধা। আপনি বিভিন্ন ধরনের বট দিয়ে অনেক কাজ করতে পারবেন এখানে। কোনো গ্রুপে mcq পরীক্ষা নেওয়া, image to text (ছবি থেকে লেখা), ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করাসহ আরও অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন।
🔹ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার।
🔹পার্সোনাল ইউজারনেম: ধরেন, আপনার কাছে কেউ আপনার টেলিগ্রাম আইডি চাচ্ছে, কিন্তু তাকে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে চান না। তখন আপনার টেলিগ্রাম আইডির ইউজারনেমটা তাকে পাঠালে সেখানে ক্লিক করেই তিনি আপনাকে মেসেজ দিতে পারবেন।
🔹স্টিকার চ্যাট। এতে রয়েছে অনেক সুন্দর সুন্দর স্টিকার। ৪০টি স্টিকার প্যাক রাখতে পারবেন।
🔹দুইপাশের মেসেজ ডিলিট এবং নিজের মেসেজ এডিট করা যায়।
🔹 প্লেব্যাক স্পিড: ভয়েস চ্যাট এখানে দ্রুত শোনা যায়। স্পিড বাড়ানো যায় শতভাগ। অর্থাৎ, আপনি দ্বিগুণ গতিতেও শুনতে পারবেন।
🔹কাউকে মেসেজ ফরোয়ার্ড করলে, সে সেই মেসেজের সাথে তিনি আপনার নামও দেখতে পাবেন এবং মেসেজও দিতে পারবেন। আপনি চাইলে অবশ্য সেটিং থেকে এটা বন্ধও করে রাখতে পারি।
🔹টেলিগ্রাম কেবল ভয়েস কলে এবং সিক্রেট চ্যাটে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা দেয়, সাধারণ মেসেজে দেয় না। কাজেই গোপনীয় কথা বলতে গেলে হয় কল দিতে হবে নতুবা সিক্রেট চ্যাট ট্যাব খুলতে হবে ।
🔹একসাথে অনেকগুলো আইডি ব্যবহারের সুবিধা 😘
🔹অনেকেই এটাকে ভার্চুয়াল সিনেমা হল বলে। অবশ্য ভালো নেট কানেকশন ছাড়া ডাউনলোড স্পিড মোটামুটি।
🔹লাস্ট সিন, অনলাইন এক্টিভিটি
ইসলামিক সাইবার সিকিউরিটি
মাসুম ঢাকা ২৭৪০
টিম খালিদ ১০
#ট্রেনার
Mohammad Farhan Kashem ভাই
MD JUBAYER ভাই
Yeasin Arafat Siraji ভাই
Ibrahim Nury ভাই
🔹 টেলিগ্রাম অত্যন্ত দ্রুত মেসেজ ডেলিভারি করে।
🔹২জি এবং ৩জি নেটওয়ার্কেও ভালোভাবে কাজ করে
🔹২ জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করা যায়।
🔹 আনলিমিটেড ফাইল স্টোরেজ রয়েছে। ব্যক্তিগত ড্রাইভ হিসবে টেলিগ্রাম খুবি ইউজার ফ্রেন্ডলি।
Saved Massage এ রাখতে পারেন।
প্রাইভেট চ্যানেল খুলে সেখানে রাখতে পারেন।
File to bot নামক বটের মাধ্যমেও রাখতে পারেন।
🔹ক্রস প্লাটফর্ম সুবিধা।
🔹 প্রত্যেকটি মেজর প্লাটফর্মের জন্য ন্যাটিভ অ্যাপস ।
🔹 অ্যাডভান্সড চ্যানেল ও গ্রুপ ম্যানেজমেন্ট ফিচারস।
হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুললে সর্বোচ্চ ২৫৬ জনকে যুক্ত করতে পারবেন, কিন্তু টেলিগ্রামে পারবেন ২,০০,০০০ (দুই লাখ!) জনকে যুক্ত করতে। আছে গ্রুপ ভিডিও কলের সুবিধা।
🔹বট ব্যাবহার করার সুবিধা। আপনি বিভিন্ন ধরনের বট দিয়ে অনেক কাজ করতে পারবেন এখানে। কোনো গ্রুপে mcq পরীক্ষা নেওয়া, image to text (ছবি থেকে লেখা), ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করাসহ আরও অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন।
🔹ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার।
🔹পার্সোনাল ইউজারনেম: ধরেন, আপনার কাছে কেউ আপনার টেলিগ্রাম আইডি চাচ্ছে, কিন্তু তাকে আপনি আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে চান না। তখন আপনার টেলিগ্রাম আইডির ইউজারনেমটা তাকে পাঠালে সেখানে ক্লিক করেই তিনি আপনাকে মেসেজ দিতে পারবেন।
🔹স্টিকার চ্যাট। এতে রয়েছে অনেক সুন্দর সুন্দর স্টিকার। ৪০টি স্টিকার প্যাক রাখতে পারবেন।
🔹দুইপাশের মেসেজ ডিলিট এবং নিজের মেসেজ এডিট করা যায়।
🔹 প্লেব্যাক স্পিড: ভয়েস চ্যাট এখানে দ্রুত শোনা যায়। স্পিড বাড়ানো যায় শতভাগ। অর্থাৎ, আপনি দ্বিগুণ গতিতেও শুনতে পারবেন।
🔹কাউকে মেসেজ ফরোয়ার্ড করলে, সে সেই মেসেজের সাথে তিনি আপনার নামও দেখতে পাবেন এবং মেসেজও দিতে পারবেন। আপনি চাইলে অবশ্য সেটিং থেকে এটা বন্ধও করে রাখতে পারি।
🔹টেলিগ্রাম কেবল ভয়েস কলে এবং সিক্রেট চ্যাটে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা দেয়, সাধারণ মেসেজে দেয় না। কাজেই গোপনীয় কথা বলতে গেলে হয় কল দিতে হবে নতুবা সিক্রেট চ্যাট ট্যাব খুলতে হবে ।
🔹একসাথে অনেকগুলো আইডি ব্যবহারের সুবিধা 😘
🔹অনেকেই এটাকে ভার্চুয়াল সিনেমা হল বলে। অবশ্য ভালো নেট কানেকশন ছাড়া ডাউনলোড স্পিড মোটামুটি।
🔹লাস্ট সিন, অনলাইন এক্টিভিটি
ইসলামিক সাইবার সিকিউরিটি
মাসুম ঢাকা ২৭৪০
টিম খালিদ ১০
#ট্রেনার
Mohammad Farhan Kashem ভাই
MD JUBAYER ভাই
Yeasin Arafat Siraji ভাই
Ibrahim Nury ভাই
👍3❤1
সাদা স্রাব: প্রত্যেক মেয়ের যা জানা দরকার ।
যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়।
কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
যদি, স্রাবটির–
★ রং পরিবর্তন হয়,
★ ঘনত্ব পরিবর্তিত,
★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় ।
★ ফেনাযুক্ত হয়,
★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়।
এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
যদি ডিমের লালার মত হয় দুর্গন্ধ না হয় তাহলে এটা স্বাভাবিক এবং উপকারী ,এটি নারীর প্রজনন অঙ্গের পরিষ্কার থাকার একটি দারুণ উপায়।
কিন্তু যদি আপনি লক্ষ করেন ,আপনার যোনি স্রাবের স্বাভাবিক ঘনত্ব, রঙ এবং গন্ধ পরিবর্তন হয়েছে, তখন আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
যদি, স্রাবটির–
★ রং পরিবর্তন হয়,
★ ঘনত্ব পরিবর্তিত,
★ দেখতে পনিরের মতো হয় বা মাছ ধোয়া পানির মত হয় বা দধির মত থকথকে হয় ।
★ ফেনাযুক্ত হয়,
★ তীব্র গন্ধ থাকে বা মাছের মতো বা পচা গন্ধ হয়।
এছাড়াও আপনি যদি যোনিতে চুলকানি, ফোলাভাব, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব করেন তবে আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
অস্বাভাবিক যোনি স্রাব হতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ, যোনিতে প্রদাহ, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, ট্রাইকোমোনিয়াসিস, গনোরিয়া, ক্ল্যামিডিয়া, পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)-র কারণে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এফিডেভিট শব্দ টা সবাই প্রায় শুনেছেন, কিন্তু এটার প্রয়োজনিয়তা প্রায় সময় ই আমাদের প্রয়োজন পড়ে থাকে। বিভিন্ন প্রয়োজনে এফিডেভিট খুব গুরুত্ব বহন করে। অনেকে দরকারি তথ্য না থাকার কারণে বিড়ম্বনার শিকার হন।
এফিডেভিট এর অর্থ যে হলফনামা এটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। হলফনামা দুইভাবে করা যেতে পারেঃ
হলফনামার দুটি ধরন হয়ঃ
✔ একটি হচ্ছে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হলফনামা।
✔ আরেকটি নোটারি পাবলিকের নিকট হলফনামা।
এটি নির্ভর করে আপনি যে কর্তৃপক্ষের নিকট হলফনামাটি জমা দিচ্ছেন তাদের চাহিদার উপর।
➡ নোটারি পাবলিক হচ্ছেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন আইনজীবী, যার প্রধান কাজ এফিডেভিট / হলফনামা সম্পাদন করে দেওয়া। এছাড়া কোনো কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন ডকুমেন্ট, সার্টিফিকেট ইত্যাদি নোটারি করে দেওয়া।
এফিডেভিট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। বাংলাদেশে সাধারণত নিম্নোক্ত ধরনের হলফনামা মানুষের জীবনে বেশি প্রয়োজন হয়; তার মধ্য থেকে কিছু গুরুত্বপুর্ন এবং জরুরি কিছু হলফনামার ধরন দেখে নেইঃ
☑ স্পেশাল বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হিন্দু বর- বোদ্ধা কনের হলফনামা
☑ কোন হিন্দু মহিলা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করিয়া মুসলমান হইবার এবং কোন মুসলমান যুবককে বিবাহ করিবার নিমিত্তে হলফনামা।
☑ হিন্দু ধর্মমতে স্ত্রী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্বামী কর্তৃক হলফনামা
☑ হিন্দু ধর্মমতে স্বামী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্ত্রী কর্তৃক হলফনামা
☑ ভুল নাম সংশোধন করার হলফনামা
☑ নামের ভুল বানান শুদ্ধ করার হলফনামা
☑ নাম পরিবর্তন করার হলফনামা
☑ বয়স পরিবর্তন করার হলফনামা
☑ সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে মাতার দেওয়া হলফনামা
☑ সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে পিতা কর্তৃক দেওয়া হলফনামা
☑ মামা কর্তৃক ভাগিনার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
☑ চাচা কর্তৃক ভাতিজার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
জন্মতারিখ সম্পর্কে দেওয়া তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার হলফনামা
☑ বর্তমান বয়স সম্পর্কে নিজের দেওয়া হলফনামা
☑ জন্ম তারিখ সংশোধন নিমিত্তে হলফনামা
☑ কোন হিন্দু মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ কোন বৌদ্ধের মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ খ্রিষ্টান ধর্মত্যাগ করিয়া মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ একজন প্রকৃতির পুজারী নিজ ধর্ম পরিত্যাগ করে মুসলমান হবার হলফনামা
☑ একজন আদিবাসীর মুসলমান হবার হলফনামা
☑ ইসলাম ধর্ম গ্রহণের নিমিত্ত হলফনামা
☑ সকলের পক্ষে একজন কর্তৃক (সাকশেসন মামলার) দরখাস্ত কারীকে টাকা তোলার অনুমতি প্রদান করার জন্য দেওয়া হলফনামা
☑ কারো ক্রিমিনাল কেইস মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হলফনামা
☑ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রীর নিমিত্ত মোকদ্দমায় দেওয়া হলফনামা
☑ দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদী পক্ষের দেওয়া হলফনামা
☑ যানবাহন বা মোটর গাড়ি ক্রয়ের নিমিত্তে হলফনামা
☑ যানবাহন জাতীয়, গাড়ী কেনার হলফনামা বা অঙ্গীকার বা চুক্তিপত্র
☑ অস্থাবর নিজ সম্পত্তি হস্তান্তরে সম্পাদিত “তফশিল বর্ণিত সম্পত্তির পরিচয় ” সহ হলফনামা
☑ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হইতে একটি প্লট পাওয়ার নিমিত্তে দেওয়া হলফনামা
হলফনামা সাধারণত ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে করতে হয়। তবে শ্রেণীভেদে স্ট্যাম্পের পরিমাণ বাড়তে পারে। হলফনামা করার সময় খুব ভালোভাবে খেয়াল করবেন যে আপনি যে কারণে হলফনামাটি করছেন সেই বিষয়বস্তু নিযুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবী লিখেছেন কি না।
হলফনামা সম্পাদনের পর সঠিক ও স্পষ্টভাবে সীল ও স্বাক্ষর করা হয়েছে কিনা দেখে নিন। সিরিয়াল নম্বর রেজিস্টারের সিরিয়ালের সাথে মিলিয়ে নেয়া ভালো, এতে আপনার কাজটি অধিকতর সঠিক হয়েছে বলে নিশ্চিত হতে পারবেন।
হলফনামার সাথে ভবিস্যতের অনেক কিছু নির্ভর করায় এটা যেখানে সেখানে যে কোন ভাবে করার চাইতে সঠিক ভাবে, বিশ্বস্ত আইনজীবীর মাধ্যমে করা বুদ্ধিমানের কাজ। তাই এই ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি।
💬 কোন প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের ইনবক্স করতে পারেন।
#affidavit #affidavitofsupport #advocate
এফিডেভিট এর অর্থ যে হলফনামা এটা আমরা কম বেশি সবাই জানি। হলফনামা দুইভাবে করা যেতে পারেঃ
হলফনামার দুটি ধরন হয়ঃ
✔ একটি হচ্ছে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হলফনামা।
✔ আরেকটি নোটারি পাবলিকের নিকট হলফনামা।
এটি নির্ভর করে আপনি যে কর্তৃপক্ষের নিকট হলফনামাটি জমা দিচ্ছেন তাদের চাহিদার উপর।
➡ নোটারি পাবলিক হচ্ছেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন আইনজীবী, যার প্রধান কাজ এফিডেভিট / হলফনামা সম্পাদন করে দেওয়া। এছাড়া কোনো কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন ডকুমেন্ট, সার্টিফিকেট ইত্যাদি নোটারি করে দেওয়া।
এফিডেভিট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। বাংলাদেশে সাধারণত নিম্নোক্ত ধরনের হলফনামা মানুষের জীবনে বেশি প্রয়োজন হয়; তার মধ্য থেকে কিছু গুরুত্বপুর্ন এবং জরুরি কিছু হলফনামার ধরন দেখে নেইঃ
☑ স্পেশাল বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হিন্দু বর- বোদ্ধা কনের হলফনামা
☑ কোন হিন্দু মহিলা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করিয়া মুসলমান হইবার এবং কোন মুসলমান যুবককে বিবাহ করিবার নিমিত্তে হলফনামা।
☑ হিন্দু ধর্মমতে স্ত্রী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্বামী কর্তৃক হলফনামা
☑ হিন্দু ধর্মমতে স্বামী হতে আলাদাভাবে বসবাস করার নিমিত্তে হিন্দু স্ত্রী কর্তৃক হলফনামা
☑ ভুল নাম সংশোধন করার হলফনামা
☑ নামের ভুল বানান শুদ্ধ করার হলফনামা
☑ নাম পরিবর্তন করার হলফনামা
☑ বয়স পরিবর্তন করার হলফনামা
☑ সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে মাতার দেওয়া হলফনামা
☑ সন্তানের জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে পিতা কর্তৃক দেওয়া হলফনামা
☑ মামা কর্তৃক ভাগিনার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
☑ চাচা কর্তৃক ভাতিজার জন্ম তারিখ সঠিক সম্পর্কে দেওয়া হলফনামা
জন্মতারিখ সম্পর্কে দেওয়া তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার হলফনামা
☑ বর্তমান বয়স সম্পর্কে নিজের দেওয়া হলফনামা
☑ জন্ম তারিখ সংশোধন নিমিত্তে হলফনামা
☑ কোন হিন্দু মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ কোন বৌদ্ধের মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ খ্রিষ্টান ধর্মত্যাগ করিয়া মুসলমান হওয়ার হলফনামা
☑ একজন প্রকৃতির পুজারী নিজ ধর্ম পরিত্যাগ করে মুসলমান হবার হলফনামা
☑ একজন আদিবাসীর মুসলমান হবার হলফনামা
☑ ইসলাম ধর্ম গ্রহণের নিমিত্ত হলফনামা
☑ সকলের পক্ষে একজন কর্তৃক (সাকশেসন মামলার) দরখাস্ত কারীকে টাকা তোলার অনুমতি প্রদান করার জন্য দেওয়া হলফনামা
☑ কারো ক্রিমিনাল কেইস মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হলফনামা
☑ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রীর নিমিত্ত মোকদ্দমায় দেওয়া হলফনামা
☑ দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদী পক্ষের দেওয়া হলফনামা
☑ যানবাহন বা মোটর গাড়ি ক্রয়ের নিমিত্তে হলফনামা
☑ যানবাহন জাতীয়, গাড়ী কেনার হলফনামা বা অঙ্গীকার বা চুক্তিপত্র
☑ অস্থাবর নিজ সম্পত্তি হস্তান্তরে সম্পাদিত “তফশিল বর্ণিত সম্পত্তির পরিচয় ” সহ হলফনামা
☑ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হইতে একটি প্লট পাওয়ার নিমিত্তে দেওয়া হলফনামা
হলফনামা সাধারণত ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে করতে হয়। তবে শ্রেণীভেদে স্ট্যাম্পের পরিমাণ বাড়তে পারে। হলফনামা করার সময় খুব ভালোভাবে খেয়াল করবেন যে আপনি যে কারণে হলফনামাটি করছেন সেই বিষয়বস্তু নিযুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবী লিখেছেন কি না।
হলফনামা সম্পাদনের পর সঠিক ও স্পষ্টভাবে সীল ও স্বাক্ষর করা হয়েছে কিনা দেখে নিন। সিরিয়াল নম্বর রেজিস্টারের সিরিয়ালের সাথে মিলিয়ে নেয়া ভালো, এতে আপনার কাজটি অধিকতর সঠিক হয়েছে বলে নিশ্চিত হতে পারবেন।
হলফনামার সাথে ভবিস্যতের অনেক কিছু নির্ভর করায় এটা যেখানে সেখানে যে কোন ভাবে করার চাইতে সঠিক ভাবে, বিশ্বস্ত আইনজীবীর মাধ্যমে করা বুদ্ধিমানের কাজ। তাই এই ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি।
💬 কোন প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের ইনবক্স করতে পারেন।
#affidavit #affidavitofsupport #advocate
❤2
এদেশে আসার পর যতগুলো জব করেছি সবগুলোই ছিলো ইউনিফর্ম বেইজড। ইচ্ছে করেই ইউনিফর্মের এক্সট্রা লার্জ সাইজ বাছাই করতাম যাতে খুব বেশি বডি হাগিং বা আঁটসাঁট হয়ে না যায়। ইউনিফর্মের সাথে বড় স্কার্ফ পরে কাজে যেতাম। আপাতদৃষ্টিতে অশালীন কেউ বলতে পারবেনা বোধ করি।
জব একেবারে ছেড়ে দেবার কিছুদিন আগের কথা। এক মধ্য বয়সী কাস্টমারকে সার্ভ করছিলাম হেসে হেসে। যাবার আগে লোকটা হঠাৎ আমাকে বলে বসলো, I like your smile ... it’s beautiful ! আমি বেশ শকড্ হয়ে গেলাম এবং লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলাম। আমি তখন বোরকা কিংবা নিক্বাব কোনটাই করতামনা তবুও এ ব্যপারটা আমাকে ভেতরে ভেতরে যন্ত্রণা দিচ্ছিলো যে কোথাকার কোন লোক কেন আমাকে এত ডিটেইলে দেখছিলো। আমি তো সব ঢেকেই চলি, শুধু দু হাত আর মুখটা বের করে রাখি। সেটাও কেন ঐ লোক এত খেয়াল করলো।
ভাই তখন জীবিত ছিলো। দ্বীনের পথে হাঁটার বেশ কিছু সময় পার হলো। ততদিনে মা, ভাবী নিক্বাব শুরু করে দিয়েছিলেন। ভাইয়াকে বললাম পুরো ঘটনাটা। ভাইয়া বললেন যদি সম্ভব হয় জব ছেড়ে দিতে এবং পর্দা পুরোপুরি শুরু করতে। আমি তার কিছুদিন পর জব ছেড়ে দেই যদিও তবু পর্দাটা পুরোপুরি শুরু করা হয়নি। কিছু মাস পর বোরকা পরা শুরু করলেও নিক্বাব করা শুরু করতে পারিনি। হাজব্যান্ড নিক্বাবের কনসেপ্ট টা অপ্রয়োজনীয় মনে করতেন তখন। বাসা থেকে তেমন বের হতাম না তাই। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লাকে বলতাম তিনি যেন আমার জন্য, আমার পরিবারের জন্য সহজ করে দেন।
তারও কিছু মাস পর একদিন হাজব্যান্ড নিজেই এসে বললেন, ‘তুমি তো নিক্বাব শুরু করতে চেয়েছিলে তো এখন শুরু করে দাও ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন, আমি বুঝতে পেরেছি মেয়েদের সৌন্দর্যের মূল আকর্ষণই হলো চেহারা। এই চেহারা নিয়ে কত গান হচ্ছে, কবিতা হচ্ছে। চোখ-নাক-ঠোঁট-গাল সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে রসিয়ে রসিয়ে বর্ণনা করা হয়। তো সব ঢেকেও আসল অংশ চেহারা খোলা রাখার তো কোন যৌক্তিকতা নাই। আর তাছাড়া কোরআন হাদীস থেকেও আমরা চেহারা ঢাকার প্রয়োজনীয়তা জানতে পারি। তুমি বিইযনিল্লাহ শুরু করে দাও । আমি তোমাকে বোরকা নিক্বাব কেনার টাকা দিবো।’
সেদিনও খুশিতে ভাইকে জানালাম সব ফোনে। ভাইয়া তাকবীর দিতে দিতে আমার হাজব্যান্ডের জন্য অনেক দুআ করলেন। আমি অন্তর থেকে আমার হাজব্যান্ডের জন্য দুআ করি। মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের একত্রে জান্নাতের পথে হাঁটার তৌফিক দিন।
দুঃখ-জনক ভাবে, মেয়েদের চেহারার পর্দা নিয়ে অনেক রকম রেফারেন্স দিলেও লোকজন কিছু না কিছু এক্সকিউজ বের করবেই।
আম্মাজান আইশা (রা.) ইফকের ঘটনা কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের সময় উমার (রা.) ঘরে প্রবেশ করলে উনার কন্যা হাফসা (রা.) ব্যতীত বাকি সবাই নিজেদের চাদর উপর থেকে টেনে নিচে নামিয়ে মুখ ঢেকে ফেলা এবং পরবর্তীতে আবু বকর (রা.) ঘরে ঢুকলে মা আইশা (রা.) ব্যতীত বাকি স্ত্রীরা অনুরুপভাবে মুখ ঢেকে ফেলার কথা আমরা জানি। কিন্তু সেগুলোও নাকি যথেষ্ট না কারণ মুখ ঢাকা শুধু উম্মুল মুমিনীনদের জন্য, বাকি মেয়েদের জন্য না।
তো ঘুরে আসা যাক, ড. আলি সাল্লাবী রচিত এবং কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক অনূদিত, আমিরুল মুমিনীন উমার (রা.) জীবনী নিয়ে লেখা ‘আমিরুল মুমিনীন উমার ইবনুল খাত্তাব’ বইয়ের ৩০৭ নং পৃষ্ঠা থেকে।
এক মহিলা তার স্বামীর ব্যপারে আমিরুল মুমিনীনের কাছে এসে অভিযোগ করে। আমিরুল মুমিনীন মহিলার অভিযোগ শুনে স্বামীকে ডেকে পাঠান আর মহিলাটিকে উনার পেছনে গিয়ে বসার নির্দেশ দেন। একটু পরে মহিলাটির স্বামী আসলে আমিরুল মুমিনীন মহিলাটির দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি এ মহিলাকে চিনো? লোকটি বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! কে এই মহিলা? আমিরুল মুমিনীন জবাবে বললেন, সে তোমার স্ত্রী।
এখানে প্রথমত, মহিলাটি উম্মুল মুমিনীনদের কেউ নন বরং আমাদের মতই সাধারণ একজন মহিলা।
দ্বিতীয়ত, মহিলাটিকে অপেক্ষা করার জন্য আমিরুল মুমিনীন উনার পিছনে গিয়ে বসার জন্য বলেন, যেন সে মহিলার অবয়ব বিনা প্রয়োজনে উনাকে দেখতে না হয় যেটা সামনা সামনি বসলে হয়তো না চাইলেও চোখে পড়ে যেতো।
তৃতীয়ত এবং মোস্ট ইম্পরটেন্ট হলো, মহিলার স্বামী মহিলাটিকে দেখেও চিনতে পারেনি। কেন? কারণ মহিলাটি নিজেকে আপাদমস্তক ঢেকে রেখেছিলো যার দরুণ স্বামীও আচমকা তাকে দেখে বুঝতে পারেনি মহিলাটি তার স্ত্রী।
এরকম আরও শতশত রেফারেন্স পাওয়া যায়। অথচ কিছুদিন পরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প-*শ্চি-*মা ধাঁচের কিছু সেলেব্রিটিরা মেয়েদের পর্দা নিয়ে নিজের মতামতকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। পর্দার বিধান আসার আগে আরবের মহিলারা কি চেহারা খোলা রাখতেন না? তারা কি তখন শরীরের প্রয়োজনীয় অংশ ঢেকে চলতেন না? তবে পর্দার বিধান কার্যকর হবার পর তারা কোন অংশ ঢেকে রাখার ব্যপারে যত্নবান হলেন? শুধু মাথা?
যা হোক, যারা মুখ ঢাকতে চাননা তারা নিজস্ব মতামত প্রচার না করে বিনয়ী থাকুন, যারা চাইলেও মুখ ঢাকতে পারছেন না এই মুহুর্তে, তারা দুআ করুন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা যেন সহজ করে দেন।
জান্নাতের ব্যপারে আপনি
জব একেবারে ছেড়ে দেবার কিছুদিন আগের কথা। এক মধ্য বয়সী কাস্টমারকে সার্ভ করছিলাম হেসে হেসে। যাবার আগে লোকটা হঠাৎ আমাকে বলে বসলো, I like your smile ... it’s beautiful ! আমি বেশ শকড্ হয়ে গেলাম এবং লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলাম। আমি তখন বোরকা কিংবা নিক্বাব কোনটাই করতামনা তবুও এ ব্যপারটা আমাকে ভেতরে ভেতরে যন্ত্রণা দিচ্ছিলো যে কোথাকার কোন লোক কেন আমাকে এত ডিটেইলে দেখছিলো। আমি তো সব ঢেকেই চলি, শুধু দু হাত আর মুখটা বের করে রাখি। সেটাও কেন ঐ লোক এত খেয়াল করলো।
ভাই তখন জীবিত ছিলো। দ্বীনের পথে হাঁটার বেশ কিছু সময় পার হলো। ততদিনে মা, ভাবী নিক্বাব শুরু করে দিয়েছিলেন। ভাইয়াকে বললাম পুরো ঘটনাটা। ভাইয়া বললেন যদি সম্ভব হয় জব ছেড়ে দিতে এবং পর্দা পুরোপুরি শুরু করতে। আমি তার কিছুদিন পর জব ছেড়ে দেই যদিও তবু পর্দাটা পুরোপুরি শুরু করা হয়নি। কিছু মাস পর বোরকা পরা শুরু করলেও নিক্বাব করা শুরু করতে পারিনি। হাজব্যান্ড নিক্বাবের কনসেপ্ট টা অপ্রয়োজনীয় মনে করতেন তখন। বাসা থেকে তেমন বের হতাম না তাই। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লাকে বলতাম তিনি যেন আমার জন্য, আমার পরিবারের জন্য সহজ করে দেন।
তারও কিছু মাস পর একদিন হাজব্যান্ড নিজেই এসে বললেন, ‘তুমি তো নিক্বাব শুরু করতে চেয়েছিলে তো এখন শুরু করে দাও ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন, আমি বুঝতে পেরেছি মেয়েদের সৌন্দর্যের মূল আকর্ষণই হলো চেহারা। এই চেহারা নিয়ে কত গান হচ্ছে, কবিতা হচ্ছে। চোখ-নাক-ঠোঁট-গাল সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে রসিয়ে রসিয়ে বর্ণনা করা হয়। তো সব ঢেকেও আসল অংশ চেহারা খোলা রাখার তো কোন যৌক্তিকতা নাই। আর তাছাড়া কোরআন হাদীস থেকেও আমরা চেহারা ঢাকার প্রয়োজনীয়তা জানতে পারি। তুমি বিইযনিল্লাহ শুরু করে দাও । আমি তোমাকে বোরকা নিক্বাব কেনার টাকা দিবো।’
সেদিনও খুশিতে ভাইকে জানালাম সব ফোনে। ভাইয়া তাকবীর দিতে দিতে আমার হাজব্যান্ডের জন্য অনেক দুআ করলেন। আমি অন্তর থেকে আমার হাজব্যান্ডের জন্য দুআ করি। মহান রাব্বুল আলামীন আমাদের একত্রে জান্নাতের পথে হাঁটার তৌফিক দিন।
দুঃখ-জনক ভাবে, মেয়েদের চেহারার পর্দা নিয়ে অনেক রকম রেফারেন্স দিলেও লোকজন কিছু না কিছু এক্সকিউজ বের করবেই।
আম্মাজান আইশা (রা.) ইফকের ঘটনা কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের সময় উমার (রা.) ঘরে প্রবেশ করলে উনার কন্যা হাফসা (রা.) ব্যতীত বাকি সবাই নিজেদের চাদর উপর থেকে টেনে নিচে নামিয়ে মুখ ঢেকে ফেলা এবং পরবর্তীতে আবু বকর (রা.) ঘরে ঢুকলে মা আইশা (রা.) ব্যতীত বাকি স্ত্রীরা অনুরুপভাবে মুখ ঢেকে ফেলার কথা আমরা জানি। কিন্তু সেগুলোও নাকি যথেষ্ট না কারণ মুখ ঢাকা শুধু উম্মুল মুমিনীনদের জন্য, বাকি মেয়েদের জন্য না।
তো ঘুরে আসা যাক, ড. আলি সাল্লাবী রচিত এবং কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক অনূদিত, আমিরুল মুমিনীন উমার (রা.) জীবনী নিয়ে লেখা ‘আমিরুল মুমিনীন উমার ইবনুল খাত্তাব’ বইয়ের ৩০৭ নং পৃষ্ঠা থেকে।
এক মহিলা তার স্বামীর ব্যপারে আমিরুল মুমিনীনের কাছে এসে অভিযোগ করে। আমিরুল মুমিনীন মহিলার অভিযোগ শুনে স্বামীকে ডেকে পাঠান আর মহিলাটিকে উনার পেছনে গিয়ে বসার নির্দেশ দেন। একটু পরে মহিলাটির স্বামী আসলে আমিরুল মুমিনীন মহিলাটির দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি এ মহিলাকে চিনো? লোকটি বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! কে এই মহিলা? আমিরুল মুমিনীন জবাবে বললেন, সে তোমার স্ত্রী।
এখানে প্রথমত, মহিলাটি উম্মুল মুমিনীনদের কেউ নন বরং আমাদের মতই সাধারণ একজন মহিলা।
দ্বিতীয়ত, মহিলাটিকে অপেক্ষা করার জন্য আমিরুল মুমিনীন উনার পিছনে গিয়ে বসার জন্য বলেন, যেন সে মহিলার অবয়ব বিনা প্রয়োজনে উনাকে দেখতে না হয় যেটা সামনা সামনি বসলে হয়তো না চাইলেও চোখে পড়ে যেতো।
তৃতীয়ত এবং মোস্ট ইম্পরটেন্ট হলো, মহিলার স্বামী মহিলাটিকে দেখেও চিনতে পারেনি। কেন? কারণ মহিলাটি নিজেকে আপাদমস্তক ঢেকে রেখেছিলো যার দরুণ স্বামীও আচমকা তাকে দেখে বুঝতে পারেনি মহিলাটি তার স্ত্রী।
এরকম আরও শতশত রেফারেন্স পাওয়া যায়। অথচ কিছুদিন পরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প-*শ্চি-*মা ধাঁচের কিছু সেলেব্রিটিরা মেয়েদের পর্দা নিয়ে নিজের মতামতকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। পর্দার বিধান আসার আগে আরবের মহিলারা কি চেহারা খোলা রাখতেন না? তারা কি তখন শরীরের প্রয়োজনীয় অংশ ঢেকে চলতেন না? তবে পর্দার বিধান কার্যকর হবার পর তারা কোন অংশ ঢেকে রাখার ব্যপারে যত্নবান হলেন? শুধু মাথা?
যা হোক, যারা মুখ ঢাকতে চাননা তারা নিজস্ব মতামত প্রচার না করে বিনয়ী থাকুন, যারা চাইলেও মুখ ঢাকতে পারছেন না এই মুহুর্তে, তারা দুআ করুন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লা যেন সহজ করে দেন।
জান্নাতের ব্যপারে আপনি
নিশ্চিতভাবে সর্বোত্তম জান্নাতটাই চাইবেন। তবে পর্দার বিধানের ব্যপারে কেন সর্বোত্তম পন্থাটা গ্রহণ করতে আপনার বাঁ-ধে!
কেন?
~ নুসরাত জাহান!
কেন?
~ নুসরাত জাহান!
👍5
১. ৭. ৫. সালাতুল ইস্তিখারা
ইস্তিখারার অর্থ কারো কাছে সঠিক বিষয় বেছে দেওয়ার প্রার্থনা করা। যে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা একাধিক বিষয়ের মধ্য থেকে একটি বেছে নেয়ার অবকাশ আছে সেখানে আল্লাহ্র সাথে পরামর্শ না করে কোনো কিছু বেছে নেয়া বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা মুমিনের উচিত নয়। ছোট, বড়, গুরুত্বপূর্ণ বা গুরুত্বহীন সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আল্লাহ্র সাথে পরামর্শ করা, অর্থাৎ তাঁর মহান দরবারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফিক চাওয়া মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব।
ইস্তিখারার দু‘আ
اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوْبِ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ [يسمي حاجته] خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاقْدِرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ. [اللهم] وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدِرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهِ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসতাখীরুকা বি‘ইলমিকা, ওয়া আসতাকদিরুকা বিক্বুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাদলিকাল ‘আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু, ওয়ালা- আকদিরু, ওয়া তা‘অ্লামু ওয়ালা- আ‘অ্লামু, ওয়া আন্তা ‘আল্লা-মুল গুইঊব। আল্লা-হুম্মা, ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা (উদ্দিষ্ট বিষয়ের নাম বলবে) খাইরুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী ফাক্বদুরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহি। আল্লা-হুম্মা, ওয়া ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-কিবাতি আমরী ফাছরিফহু ‘আন্নী, ওয়াছরিফনী ‘আনহু ওয়াক দুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহী।
অর্থ: “হে আল্লাহ্, আমি আপনার নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করি আপনার জ্ঞান থেকে, আমি আপনার নিকট শক্তি প্রার্থনা করি আপনার ক্ষমতা থেকে এবং আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি আপনার মহান অনুগ্রহ। কারণ আপনি ক্ষমতাবান আর আমি অক্ষম, আপনি জানেন আর আমি জানি না, আর আপনি সকল গাইবের মহাজ্ঞানী। হে আল্লাহ্, যদি আপনি জানেন যে, এ কাজটি (নির্দিষ্ট বিষয়টির উল্লেখ বা স্মরণ করবে) কল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, আমার পার্থিব জীবন এবং আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে, তবে নির্ধারণ করুন একে আমার জন্য, সহজ করুন একে আমার জন্য এবং বরকত প্রদান করুন এতে আমার জন্য। হে আল্লাহ্, আর আপনি যদি জানেন যে, এ কর্মটি অকল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, জাগতিক জীবন ও আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে তবে সরিয়ে নিন একে আমার নিকট থেকে, সরিয়ে নিন আমাকে এর নিকট থেকে, নির্ধারণ করুন আমার জন্য কল্যাণকে যেখানেই তা থাকুক এবং সন্তুষ্ট করে দিন আমাকে তার মধ্যে।”
সহীহ বুখারী ১/৩৯৩, হাদীস নং ১১০৯।
জাবির ইবনুু আব্দুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সকল বিষয়ে ‘ইস্তিখারা’ করতে শিক্ষা দিতেন, যেমন গুরুত্বের সাথে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: যখন তোমাদের কেউ কোনো কাজের ব্যাপারে মনের মধ্যে চিন্তা করবে তখন (সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে) নফল দু-রাক‘আত সালাত আদায় করবে অতঃপর উপরের দু‘আটি বলবে।
সহীহ বুখারী (২৬-আবওয়াবুত তাতাওউ, ১-তাতাওউ মাসনা) ১/৩৯১ (ভা. ১/১৫৫)।
ইস্তিখারার অর্থ কারো কাছে সঠিক বিষয় বেছে দেওয়ার প্রার্থনা করা। যে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা একাধিক বিষয়ের মধ্য থেকে একটি বেছে নেয়ার অবকাশ আছে সেখানে আল্লাহ্র সাথে পরামর্শ না করে কোনো কিছু বেছে নেয়া বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা মুমিনের উচিত নয়। ছোট, বড়, গুরুত্বপূর্ণ বা গুরুত্বহীন সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আল্লাহ্র সাথে পরামর্শ করা, অর্থাৎ তাঁর মহান দরবারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফিক চাওয়া মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব।
ইস্তিখারার দু‘আ
اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيْمِ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوْبِ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ [يسمي حاجته] خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاقْدِرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ. [اللهم] وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِينِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدِرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهِ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসতাখীরুকা বি‘ইলমিকা, ওয়া আসতাকদিরুকা বিক্বুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাদলিকাল ‘আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু, ওয়ালা- আকদিরু, ওয়া তা‘অ্লামু ওয়ালা- আ‘অ্লামু, ওয়া আন্তা ‘আল্লা-মুল গুইঊব। আল্লা-হুম্মা, ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা (উদ্দিষ্ট বিষয়ের নাম বলবে) খাইরুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী ফাক্বদুরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহি। আল্লা-হুম্মা, ওয়া ইন কুনতা তা‘অ্লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-কিবাতি আমরী ফাছরিফহু ‘আন্নী, ওয়াছরিফনী ‘আনহু ওয়াক দুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহী।
অর্থ: “হে আল্লাহ্, আমি আপনার নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করি আপনার জ্ঞান থেকে, আমি আপনার নিকট শক্তি প্রার্থনা করি আপনার ক্ষমতা থেকে এবং আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি আপনার মহান অনুগ্রহ। কারণ আপনি ক্ষমতাবান আর আমি অক্ষম, আপনি জানেন আর আমি জানি না, আর আপনি সকল গাইবের মহাজ্ঞানী। হে আল্লাহ্, যদি আপনি জানেন যে, এ কাজটি (নির্দিষ্ট বিষয়টির উল্লেখ বা স্মরণ করবে) কল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, আমার পার্থিব জীবন এবং আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে, তবে নির্ধারণ করুন একে আমার জন্য, সহজ করুন একে আমার জন্য এবং বরকত প্রদান করুন এতে আমার জন্য। হে আল্লাহ্, আর আপনি যদি জানেন যে, এ কর্মটি অকল্যাণকর আমার জন্য, আমার ধর্ম, জাগতিক জীবন ও আমার ভবিষ্যৎ পরিণতিতে তবে সরিয়ে নিন একে আমার নিকট থেকে, সরিয়ে নিন আমাকে এর নিকট থেকে, নির্ধারণ করুন আমার জন্য কল্যাণকে যেখানেই তা থাকুক এবং সন্তুষ্ট করে দিন আমাকে তার মধ্যে।”
সহীহ বুখারী ১/৩৯৩, হাদীস নং ১১০৯।
জাবির ইবনুু আব্দুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সকল বিষয়ে ‘ইস্তিখারা’ করতে শিক্ষা দিতেন, যেমন গুরুত্বের সাথে তিনি আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: যখন তোমাদের কেউ কোনো কাজের ব্যাপারে মনের মধ্যে চিন্তা করবে তখন (সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে) নফল দু-রাক‘আত সালাত আদায় করবে অতঃপর উপরের দু‘আটি বলবে।
সহীহ বুখারী (২৬-আবওয়াবুত তাতাওউ, ১-তাতাওউ মাসনা) ১/৩৯১ (ভা. ১/১৫৫)।
মানুষ তার বন্ধুর ধর্ম (স্বভাব-চরিত্র) দ্বারা প্রভাবিত হয়, সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকে যেন লক্ষ করে সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।
[মাকারিমুল আখলাক, তাবারানিঃ ১/৩১৪]
[মাকারিমুল আখলাক, তাবারানিঃ ১/৩১৪]
❤4
জ্বীন, যাদু ও বদনজর থেকে আত্মরক্ষার জন্য তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাকও নাস) এর চেয়ে বেশি উপকারি আর কিছু নেই । পরিপূর্ণ উপকারিতার জন্য পড়ার পাশাপাশি উভয় হাতে ফুঁ দিয়ে শরীরে মুছে নেয়ার কথাও হাদীস শরীফে পাওয়া যায় ।
শরীর মোছার ক্ষেত্রে — প্রথমে মাথা, তারপরে চেহারা, তারপরে বুক ও শরীরের সামনের অংশ এবং সর্বশেষ হাত যতদূর পৌঁছায় শরীরের পিছনের অংশ মুছে নিবেন । যদিও অন্যভাবে করলেও উপকারিতা পাওয়া যাবে, তবে এই ধারাবাহিকতায় করা উত্তম ।
শরীর মোছার ক্ষেত্রে — প্রথমে মাথা, তারপরে চেহারা, তারপরে বুক ও শরীরের সামনের অংশ এবং সর্বশেষ হাত যতদূর পৌঁছায় শরীরের পিছনের অংশ মুছে নিবেন । যদিও অন্যভাবে করলেও উপকারিতা পাওয়া যাবে, তবে এই ধারাবাহিকতায় করা উত্তম ।
❤5
নবীজি ﷺ ফজরের নামাযে সালাম ফিরিয়ে এই দুয়া করতেন-
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার উপযুক্ত আমল প্রার্থনা করি।" [ইবনে মাজাহ : ৯২৫]
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
"হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুল হওয়ার উপযুক্ত আমল প্রার্থনা করি।" [ইবনে মাজাহ : ৯২৫]
❤7
বিয়ে উপলক্ষে ক্ষেত্রবিশেষে বর-কনের পরিবার অপ্রয়োজনীয় খাতে যেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে তা দিয়ে অনেক সময় বরের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
– ড. আব্দুল কাদের (হাফি.)
– ড. আব্দুল কাদের (হাফি.)
❤4
জীবনে ঝামেলা এড়ানো এবং উন্নতির জন্য নিচের এই আটটা জিনিস আয়ত্বে আনা জরুরি:
১. মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা
সারাক্ষণ নিজের কথা না বলে সামনের মানুষটাকে বলতে দেয়া এবং মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা একটা বড় ধরনের গুণ। আপনি যত ভালো বক্তাই হোননা কেন, কথা বলে কাউকে আপনি যতটা মুগ্ধ করতে পারবেন, তারচেয়ে তিনগুণ মুগ্ধ করতে পারবেন মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনে।
২. অভিযোগ এবং সমালোচনা এড়িয়ে চলা
সারাক্ষণ সবকিছুতে যাদের অভিযোগ, তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। আর সমালোচনাকারীদের মানুষ সবচেয়ে ঘৃণা করে এবং ভয়ও পায়। কারণ এটা সবাই জানে, যে আপনার সামনে অন্যের সমালোচনা করছে সে আপনি উঠে যাওয়ার পর অন্যের সামনে আপনারও সমালোচনা করবে।
৩. হাসিমুখে কথা বলা
হাসিমুখ একটা প্রশান্তির সৃষ্টি করে। হাসিখুশি মানুষজনকে আপন লাগে দেখতে। আমি বলছি না আপনাকে জোর করে হাসতে হবে। চেষ্টাটুকু করলেই হবে। অন্তত আপনার মুখ/চেহারা/ আচার-আচরণে ধরে রাখা কঠিন ভাবমূর্তি যেন আপনার সাথে অন্যের কথা বলার ইচ্ছেটুকু নষ্ট না করে দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখলেও যথেষ্ট।
৪. অন্যের প্রশংসা করা
কাউকে তেল দেয়া নয়। বরং খেয়াল করলে দেখবেন প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই সুন্দর কিছু না কিছু আছে। তার চেহারা, আচার-আচরণ বা যেকোনো একটা কাজ যেটা সে ভালো পারে- চোখে পড়া মাত্রই তাকে সেটা জানান দিন। মুখ ফুটে বলুন তার কোন জিনিসটা আপনার পছন্দ হয়েছে। মন থেকে প্রশংসা করলে মানুষজন খুশি হয়। একটা মানুষ খুশি হলে সেই খুশির আভা আপনাকেও ছুঁয়ে যাবে।
৫. মানুষের নাম মনে রাখা
মানুষ নিজের নাম প্রচণ্ড ভালোবাসে। কেবল ভুলভাল উচ্চারণে কিংবা বানানে কারো নাম ডাকা বা লেখা আপনাকে তার অপছন্দের মানুষের তালিকায় ফেলে দিতে যথেষ্ট। যে যার নাম যেভাবে বলে বা লেখে আপনাকে ঠিক সেভাবেই তাকে ডাকতে হবে বা সেই বানানেই লিখতে হবে। I-এর জায়গায় E-লিখে যদি ভাবেন আপনার ই-মেইলের উত্তর আসবে তাহলে নিশ্চিত থাকুন, আপনার ই-মেইল সে পড়বেও না। মনে রাখবেন, 'you mess with their name, you mess with them!'
৬. বিনয়ী হওয়া
কেবল একটা কথা মনে রাখলেই যথেষ্ট: অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে। আর বিনয় মানুষের চরিত্রে এক অপূর্ব সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। জন্ম এবং মৃত্যুর মাঝে অল্প একটু সময়ের জন্য আমরা পৃথিবীতে আছি। যত টাকা, যত খ্যাতি, যত কিছুই হোক, মহাবিশ্বে আমাদের অস্তিত্ব অত্যন্ত নগন্য। দূর থেকে যাকে যতই হোমরাচোমরা মনে হোকনা কেন, আমরা আসলে কেউই এমন কিছু হয়ে যাই নাই যেখান থেকে অন্যকে আমরা ছোট করে দেখতে পারি। বিনয়হীন মানুষের চেয়ে বিশ্রী দেখতে আর কিছু নাই জগতে। এরচেয়ে বাজে সঙ্গও আর হয় না।
৭. অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলা
সঙ্গদোষে যে লোহা ভাসে এটা মনে রাখতে হবে সবসময়। আপনি যাদের সাথে ওঠাবসা করেন তাদের স্বভাব-চরিত্র নিজের অজান্তেই আপনার মধ্যে চলে আসবে। ওইযে বলে না 'your network is your net worth' কথাটা একটু চিজি হলেও সত্য। অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলার কোনো বিকল্প নেই।
৮. নতুন কিছু জানা বা শেখার চেষ্টা অব্যহত রাখা
বই পড়ে, মুভি দেখে, পডকাস্ট শুনে বা যেভাবেই সম্ভব নতুন কিছু জানার বা শেখার আগ্রহ আপনাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। মানুষের সাথে কথা বলেও অনেককিছু জানা যায়। অন্যের কাছ থেকে শেখার ইচ্ছা, আগ্রহ এবং চেষ্টা যে অব্যহত রাখে তাকে দমানো কঠিন।
ওপরের এই আটটা পয়েন্ট মাথায় রাখতে পারলে এবং এই ছোট্ট বিষয়গুলোকে নিজের আয়ত্বে আনতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।
১. মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা
সারাক্ষণ নিজের কথা না বলে সামনের মানুষটাকে বলতে দেয়া এবং মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা একটা বড় ধরনের গুণ। আপনি যত ভালো বক্তাই হোননা কেন, কথা বলে কাউকে আপনি যতটা মুগ্ধ করতে পারবেন, তারচেয়ে তিনগুণ মুগ্ধ করতে পারবেন মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনে।
২. অভিযোগ এবং সমালোচনা এড়িয়ে চলা
সারাক্ষণ সবকিছুতে যাদের অভিযোগ, তাদেরকে কেউ পছন্দ করে না। আর সমালোচনাকারীদের মানুষ সবচেয়ে ঘৃণা করে এবং ভয়ও পায়। কারণ এটা সবাই জানে, যে আপনার সামনে অন্যের সমালোচনা করছে সে আপনি উঠে যাওয়ার পর অন্যের সামনে আপনারও সমালোচনা করবে।
৩. হাসিমুখে কথা বলা
হাসিমুখ একটা প্রশান্তির সৃষ্টি করে। হাসিখুশি মানুষজনকে আপন লাগে দেখতে। আমি বলছি না আপনাকে জোর করে হাসতে হবে। চেষ্টাটুকু করলেই হবে। অন্তত আপনার মুখ/চেহারা/ আচার-আচরণে ধরে রাখা কঠিন ভাবমূর্তি যেন আপনার সাথে অন্যের কথা বলার ইচ্ছেটুকু নষ্ট না করে দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখলেও যথেষ্ট।
৪. অন্যের প্রশংসা করা
কাউকে তেল দেয়া নয়। বরং খেয়াল করলে দেখবেন প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই সুন্দর কিছু না কিছু আছে। তার চেহারা, আচার-আচরণ বা যেকোনো একটা কাজ যেটা সে ভালো পারে- চোখে পড়া মাত্রই তাকে সেটা জানান দিন। মুখ ফুটে বলুন তার কোন জিনিসটা আপনার পছন্দ হয়েছে। মন থেকে প্রশংসা করলে মানুষজন খুশি হয়। একটা মানুষ খুশি হলে সেই খুশির আভা আপনাকেও ছুঁয়ে যাবে।
৫. মানুষের নাম মনে রাখা
মানুষ নিজের নাম প্রচণ্ড ভালোবাসে। কেবল ভুলভাল উচ্চারণে কিংবা বানানে কারো নাম ডাকা বা লেখা আপনাকে তার অপছন্দের মানুষের তালিকায় ফেলে দিতে যথেষ্ট। যে যার নাম যেভাবে বলে বা লেখে আপনাকে ঠিক সেভাবেই তাকে ডাকতে হবে বা সেই বানানেই লিখতে হবে। I-এর জায়গায় E-লিখে যদি ভাবেন আপনার ই-মেইলের উত্তর আসবে তাহলে নিশ্চিত থাকুন, আপনার ই-মেইল সে পড়বেও না। মনে রাখবেন, 'you mess with their name, you mess with them!'
৬. বিনয়ী হওয়া
কেবল একটা কথা মনে রাখলেই যথেষ্ট: অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে। আর বিনয় মানুষের চরিত্রে এক অপূর্ব সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। জন্ম এবং মৃত্যুর মাঝে অল্প একটু সময়ের জন্য আমরা পৃথিবীতে আছি। যত টাকা, যত খ্যাতি, যত কিছুই হোক, মহাবিশ্বে আমাদের অস্তিত্ব অত্যন্ত নগন্য। দূর থেকে যাকে যতই হোমরাচোমরা মনে হোকনা কেন, আমরা আসলে কেউই এমন কিছু হয়ে যাই নাই যেখান থেকে অন্যকে আমরা ছোট করে দেখতে পারি। বিনয়হীন মানুষের চেয়ে বিশ্রী দেখতে আর কিছু নাই জগতে। এরচেয়ে বাজে সঙ্গও আর হয় না।
৭. অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলা
সঙ্গদোষে যে লোহা ভাসে এটা মনে রাখতে হবে সবসময়। আপনি যাদের সাথে ওঠাবসা করেন তাদের স্বভাব-চরিত্র নিজের অজান্তেই আপনার মধ্যে চলে আসবে। ওইযে বলে না 'your network is your net worth' কথাটা একটু চিজি হলেও সত্য। অসৎ এবং অলস সঙ্গ এড়িয়ে চলার কোনো বিকল্প নেই।
৮. নতুন কিছু জানা বা শেখার চেষ্টা অব্যহত রাখা
বই পড়ে, মুভি দেখে, পডকাস্ট শুনে বা যেভাবেই সম্ভব নতুন কিছু জানার বা শেখার আগ্রহ আপনাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। মানুষের সাথে কথা বলেও অনেককিছু জানা যায়। অন্যের কাছ থেকে শেখার ইচ্ছা, আগ্রহ এবং চেষ্টা যে অব্যহত রাখে তাকে দমানো কঠিন।
ওপরের এই আটটা পয়েন্ট মাথায় রাখতে পারলে এবং এই ছোট্ট বিষয়গুলোকে নিজের আয়ত্বে আনতে পারলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।
# রিলেশনশিপে সেক্সুয়াল এক্টিভিটি কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?
টাইটেল দেখে প্রথমেই হয়তো আপনার মনে হতে পারে এই ধরনের আর্টিকেল লেখার প্রয়োজনীয়তা কী? হ্যাঁ এরকমটা মনে হওয়া একদম স্বাভাবিক কারণ নারী-পুরুষের সম্পর্কে সেক্সের গুরুত্ব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হবে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা, কারো কারো ক্ষেত্রে সেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিছু ব্যক্তির কাছে সেক্স ঐচ্ছিক বিষয় আবার কিছু ব্যক্তি যৌনতার ব্যাপারে একেবারেই অনাগ্রহী। এটি নির্ভর করে ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস, শারীরিক চাহিদা ও সম্পর্কের অবস্থার উপর।
তাহলে এই আর্টিকেলের প্রয়োজনীয়তা কী?
এই আর্টিকেলের উদ্দেশ্য হচ্ছে রিলেশনশিপের সেক্সুয়াল এক্টিভিটির গুরুত্ব নিয়ে গবেষকরা কি বলছে তা সহজবোধ্য ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা করা।
পৃথিবীর বহু ব্যক্তি বা দম্পতির কাছে সেক্সের গুরুত্ব নেই। তারা তাদের সঙ্গীর সাথে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছাড়াই সুখী, পরিপূর্ণ, স্বাস্থ্যকর ও রোমান্টিক জীবন উপভোগ করছে। মানুষ কেন সেক্স করতে চায় না তার অনেক কারণ আছে। কিছু কারণ সম্পর্কে জানা যাক:
প্রথমত লিবিডো কম থাকা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে লিবিডো কী? লিবিডো হচ্ছে একজন ব্যক্তির যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনসংগমের প্রতি আগ্রহ, এটি সেক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত। অনেকেই অবিবাহিত জীবন উপভোগ করতে চায়, অনেকেই বিয়ের আগে অথবা পরে সেক্স থেকে বিরত থাকতে চায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেডিকেল ইস্যু থাকার কারণে অনেকে সেক্স করতে আগ্রহী হয় না অথবা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সেক্স করতে পারে না। আবার এসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা সাধারণত সেক্স করে না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা অল্প বিস্তর যৌন আকর্ষণ অনুভব করে।
তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে তারা অসুখী হবে এমন নয়। যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে আপনার সঙ্গী আপনাকে মূল্য দিচ্ছে না অথবা ভালোবাসে না এমনটাও নয়। মূলকথা নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সেক্সুয়াল এক্টিভিটি বাধ্যতমূলক নয়।
তবে রোমান্টিক রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্সুয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যালোসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা যেহেতু যৌন আকর্ষণ অনুভব করে তাই তাদের রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্যও সেক্সের ভূমিকা রয়েছে। রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্স, আপনার পার্টনারের কাছে নিজের ভালোবাসা অথবা অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে। নতুন রিলেশনশিপ শুরুর পূর্ববর্তী ধাপের মধ্যেও সেক্স একটি। নিয়মিত সেক্স করলে রিলেশনশিপ আরো সুদৃঢ় হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। করো কারো কাছে সেক্স শুধুমাত্র যৌন চাহিদা পূরণের অথবা আনন্দদায়ক একটি মাধ্যম হতে পারে। এছাড়াও অনেক দম্পতি শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের জন্য সেক্স করে থাকে।
তবে নিয়মিত সেক্স করার কিছু মানসিক ও শারীরিক উপকারিতা আছে। যেমন মানসিক কিছু উপকারিতার কথা যদি বলি তবে নিয়মিত সেক্স করার ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে, সেক্স আপনার মানসিক চাপ দূর করবে এবং আপনার পার্টনারের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করে তুলবে। নিয়মিত সেক্সের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্মৃতি শক্তি ভালো থাকে, হৃদ জনিত রোগের ঝুঁকি কমায়, মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও সেক্স করার কারণে শরীরের ব্যায়ামও হয়ে থাকে।
তবে এর মানে এই নয় যে যারা সেক্সুয়াল এক্টিভিটি করে না তারা এই সকল সমস্যায় ভুগছে অথবা যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে তাদের পার্টনারের সাথে তাদের সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ ভালো না। মূলত যারা নিয়মিত সেক্স করে তাদের মধ্যে উপরে উল্লেখিত শারীরিক ও মানসিক সুবিধা লক্ষ্য করা গেছে।
অনেক দম্পতি ঘনিষ্ঠ হওয়ার মাধ্যম বলতে শুধুমাত্র সেক্সকে বুঝে থাকে। যারা এটি মনে করে তাদের উচিত নিয়মিত সেক্স করা। এটি তাদের সেক্স ড্রাইভ ও সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্য ও রিলেশনশিপের জন্য উপকারী।
সাধারণত অধিকাংশ মানুষ পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া বলতে সেক্সকে বুঝলেও পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সেক্স একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনার স্নেহপূর্ণ স্পর্শও আপনার সঙ্গীর সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি উদাহরণ। সেক্স ছাড়াও শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কিছু মাধ্যম রয়েছে যেমন: Massages বা অঙ্গমর্দন, kissing বা চুম্বন, Cuddling বা আলিঙ্গন, Holding hands বা হাত ধরা। অনেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে তাদের কাছে সেক্সের চেয়ে উপরোক্ত মাধ্যমগুলোর প্রাধান্য বেশি। এছাড়াও অনেকেই শারীরিক ঘনিষ্ঠতার চেয়ে মানসিক ঘনিষ্ঠতা বা একই মানসিকতা সম্পন্ন হওয়াকে তাদের রিলেশনশিপের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
টাইটেল দেখে প্রথমেই হয়তো আপনার মনে হতে পারে এই ধরনের আর্টিকেল লেখার প্রয়োজনীয়তা কী? হ্যাঁ এরকমটা মনে হওয়া একদম স্বাভাবিক কারণ নারী-পুরুষের সম্পর্কে সেক্সের গুরুত্ব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হবে। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা, কারো কারো ক্ষেত্রে সেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিছু ব্যক্তির কাছে সেক্স ঐচ্ছিক বিষয় আবার কিছু ব্যক্তি যৌনতার ব্যাপারে একেবারেই অনাগ্রহী। এটি নির্ভর করে ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাস, শারীরিক চাহিদা ও সম্পর্কের অবস্থার উপর।
তাহলে এই আর্টিকেলের প্রয়োজনীয়তা কী?
এই আর্টিকেলের উদ্দেশ্য হচ্ছে রিলেশনশিপের সেক্সুয়াল এক্টিভিটির গুরুত্ব নিয়ে গবেষকরা কি বলছে তা সহজবোধ্য ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা করা।
পৃথিবীর বহু ব্যক্তি বা দম্পতির কাছে সেক্সের গুরুত্ব নেই। তারা তাদের সঙ্গীর সাথে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক ছাড়াই সুখী, পরিপূর্ণ, স্বাস্থ্যকর ও রোমান্টিক জীবন উপভোগ করছে। মানুষ কেন সেক্স করতে চায় না তার অনেক কারণ আছে। কিছু কারণ সম্পর্কে জানা যাক:
প্রথমত লিবিডো কম থাকা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে লিবিডো কী? লিবিডো হচ্ছে একজন ব্যক্তির যৌন আকাঙ্ক্ষা বা যৌনসংগমের প্রতি আগ্রহ, এটি সেক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত। অনেকেই অবিবাহিত জীবন উপভোগ করতে চায়, অনেকেই বিয়ের আগে অথবা পরে সেক্স থেকে বিরত থাকতে চায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেডিকেল ইস্যু থাকার কারণে অনেকে সেক্স করতে আগ্রহী হয় না অথবা আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও সেক্স করতে পারে না। আবার এসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা সাধারণত সেক্স করে না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা অল্প বিস্তর যৌন আকর্ষণ অনুভব করে।
তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে তারা অসুখী হবে এমন নয়। যৌন সম্পর্ক না থাকলেই যে আপনার সঙ্গী আপনাকে মূল্য দিচ্ছে না অথবা ভালোবাসে না এমনটাও নয়। মূলকথা নারী-পুরুষের মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সেক্সুয়াল এক্টিভিটি বাধ্যতমূলক নয়।
তবে রোমান্টিক রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্সুয়ালিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যালোসেক্সুয়াল ব্যক্তিরা যেহেতু যৌন আকর্ষণ অনুভব করে তাই তাদের রিলেশনশিপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্যও সেক্সের ভূমিকা রয়েছে। রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে সেক্স, আপনার পার্টনারের কাছে নিজের ভালোবাসা অথবা অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে। নতুন রিলেশনশিপ শুরুর পূর্ববর্তী ধাপের মধ্যেও সেক্স একটি। নিয়মিত সেক্স করলে রিলেশনশিপ আরো সুদৃঢ় হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। করো কারো কাছে সেক্স শুধুমাত্র যৌন চাহিদা পূরণের অথবা আনন্দদায়ক একটি মাধ্যম হতে পারে। এছাড়াও অনেক দম্পতি শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের জন্য সেক্স করে থাকে।
তবে নিয়মিত সেক্স করার কিছু মানসিক ও শারীরিক উপকারিতা আছে। যেমন মানসিক কিছু উপকারিতার কথা যদি বলি তবে নিয়মিত সেক্স করার ফলে আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে, সেক্স আপনার মানসিক চাপ দূর করবে এবং আপনার পার্টনারের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করে তুলবে। নিয়মিত সেক্সের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্মৃতি শক্তি ভালো থাকে, হৃদ জনিত রোগের ঝুঁকি কমায়, মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও সেক্স করার কারণে শরীরের ব্যায়ামও হয়ে থাকে।
তবে এর মানে এই নয় যে যারা সেক্সুয়াল এক্টিভিটি করে না তারা এই সকল সমস্যায় ভুগছে অথবা যারা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে তাদের পার্টনারের সাথে তাদের সেক্সুয়াল রিলেশনশিপ ভালো না। মূলত যারা নিয়মিত সেক্স করে তাদের মধ্যে উপরে উল্লেখিত শারীরিক ও মানসিক সুবিধা লক্ষ্য করা গেছে।
অনেক দম্পতি ঘনিষ্ঠ হওয়ার মাধ্যম বলতে শুধুমাত্র সেক্সকে বুঝে থাকে। যারা এটি মনে করে তাদের উচিত নিয়মিত সেক্স করা। এটি তাদের সেক্স ড্রাইভ ও সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্য ও রিলেশনশিপের জন্য উপকারী।
সাধারণত অধিকাংশ মানুষ পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া বলতে সেক্সকে বুঝলেও পার্টনারের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সেক্স একমাত্র মাধ্যম নয়। আপনার স্নেহপূর্ণ স্পর্শও আপনার সঙ্গীর সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি উদাহরণ। সেক্স ছাড়াও শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কিছু মাধ্যম রয়েছে যেমন: Massages বা অঙ্গমর্দন, kissing বা চুম্বন, Cuddling বা আলিঙ্গন, Holding hands বা হাত ধরা। অনেক দম্পতিদের ক্ষেত্রে তাদের কাছে সেক্সের চেয়ে উপরোক্ত মাধ্যমগুলোর প্রাধান্য বেশি। এছাড়াও অনেকেই শারীরিক ঘনিষ্ঠতার চেয়ে মানসিক ঘনিষ্ঠতা বা একই মানসিকতা সম্পন্ন হওয়াকে তাদের রিলেশনশিপের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।