জ্ঞান - Knowledge
2K subscribers
1.27K photos
21 videos
11 files
462 links
🙂🙂🙂
Download Telegram
মোহাম্মাদ জাভেদ কায়সার রহিমাহুল্লাহর এই লেখাটা প্রতি বছরই রিমাইন্ডার হিসেবে প্রচার হোক ইনশাআল্লাহ...

আরেকটি থার্টিফার্স্ট নাইট সামনেঃ—

বিখ্যাত ‘আলিমদের শত শত ফাতওয়া ও লেকচার অগ্রাহ্য করে কিছু মানুষ আদিম নেশায় ঘর থেকে বের হবে আজ রাত। কোনো কিছুকেই তারা মানবে না, সকল পবিত্র বিধানকে তারা তুচ্ছজ্ঞান করবে।

বড় অদ্ভুত প্রজন্ম; আফসোস!

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন –

❝আমার ও লোকদের উদাহরণ হলো এমন লোকের মত - যে আগুন জ্বালালো আর যখন (আগুনের আলোর মাধ্যমে) তার চারদিক আলোকিত হয়ে গেলো, তখন কীটপতঙ্গ ও ঐ সমস্ত প্রাণী যেগুলো আগুনে পুড়ে, তারা তাতে (ঝাঁপ দিয়ে) পুড়তে লাগলো। তখন সে সেগুলোকে (কীটপতঙ্গগুলোকে) আগুন থেকে ফেরানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু সেগুলো (কীটপতঙ্গগুলোকে) তাকে পরাজিত করলো এবং আগুনের মধ্যে পতিত হলো। (তদ্রূপ) আমিও তোমাদের কোমর ধরে আগুন থেকে বাঁচাবার চেষ্টা করছি। কিন্তু তোমরা তাতেই পতিত হচ্ছো❞

— [মুত্তাফাক্বুন আলাইহিঃ বুখারী ও মুসলিম। আবু হুরায়রাহ (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত]
_
নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সত্য বলেছেন। সত্য বলেছেন। সত্য বলেছেন।

#No31stNight #JavedKaisar #MashwaraOfficial
এই যুগের ছেলেদের মধ্যে একটা প্রবণতা খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
-
ভালো একটা চাকরি পেতে হবে। কেন? বিয়ের করার জন্য।
অনেক টাকার মালিক হতে হবে। কেন? বিয়ে করার জন্য।
জীবনে অনেক বড় হতে হবে। কেন? বিয়ে করার জন্য।

বিয়ে জীবনের একটা পার্ট। মানেন আর নাই মানেন আপনার মাথার মধ্যে সেটাই চলবে বা ঘুরবে, যা আপনার চারপাশ থেকে প্রতিনিয়ত আপনি গ্রহন করবেন।
চারপাশে যাকেই জিজ্ঞেস করবেন এটা কেন করতে চাও? অধিকাংশই বলবে বিয়ে করার জন্য। ওটা কেন করতে চাও? বিয়ে করার জন্য। একবারও কি ভেবেছেন এই জিনিসটা বিয়েটাকে কত কঠিন করে ফেলছে? আর আপনি যখন কারো উদ্দ্যেশ্যে কিছু করতে চান, তখন আল্লাহ না করুন ঐ উদ্দেশ্য চলে গেলে আপনার স্বপ্নও হারিয়ে যাবে ঐ উদ্দেশ্যের সাথে।
বলি কি, ছেলে হোন বা মেয়ে, একটু নিজের জন্য বাঁচুন? সবাইকে ছেড়ে দিতে বলছি না, শুধু বুঝাতে চাইছি আপনার বেঁচে থাকার উদ্দ্যেশ কেবল আপনিই হন।
-
ভালো থাকুক মানুষ আর জীবিত থাকুক মানুষের স্বপ্ন গুলো।

© জাবিদুল ইসলাম
অনেক বাবা মা আছেন যারা অত্যন্ত কদাকার চিন্তা ও কুৎসিত হৃদয়ের অধিকারী। নিজেদের ইগো আর জেদের কারনে অধীনস্ত সবাইকে ঝাল তোলার বস্তু বানান এনারা।

এনারা সাধারনত বিয়ের আগে টক্সিসিটি দিয়ে নিজের পরিবারকে ও নিজের সার্কেলকে বিষিয়ে রাখেন। বিয়ের পর সংসার আর পারস্পারিক দাম্পত্য সম্পর্ক কে অশান্তির ডিপো বানিয়ে রাখেন। আর বিয়ের পরে সারা জীবনের না মেটা ঝালগুলো তোলার জন্য আর নিজের কুৎসিত ইগোকে মেটানোর জন্য বেছে নেন নিজের সন্তান আর বুয়া কর্মচারীদেরকে...

এনারা নিজেদের ভেতর ইগো আর অহংকারের এক মুর্তি তৈরী করেন। যার বেদীতে প্রতিনিয়ত অসহায় দুর্বলদের সরল শখ ইচ্ছাগুলোকে বলিদান করে পৈশাচিক স্বাদ নিতে থাকেন।

দুনিয়ার অধিকাংশ বাবা মা-ই ভালো হৃদয়ের। কিন্তু সবার বাবা মা না। বাবা মায়ের সকল অনৈতিক আদেশকে শ্রদ্ধা করা বা মানার কথা ইসলামও বলে না। সুতরাং কাউকে বাবা মায়ের ব্যাপারে অভিযোগ করতে দেখলেই তাকে অবাধ্য বেয়াদপ ভাবার মত আজাইরা চিন্তা দেওয়া বন্ধ করেন।

আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে তিনি আমাকে উত্তম বাবা মা দান করেছেন, যেই নিয়ামত অনেকেই পায়নি।

Abdullah Fahad
👍42
যারা এইচএসসি পাসের পর বাউবিতে পড়তে চায় এটি তাদের জন্য।
বাউবির অনার্স কোর্স সম্পর্কিত তথ্য :
বাউবিতে অনার্সের কোর্স যথাক্রমে : আইন (৩.৫+৩.৫ লাগবে), সিএসই(৩+৩ সায়েন্স) নিউট্রেশন এন্ড ফুড সাইন্স(২.৫+২.৫ সায়েন্স) , বিবিএ ( প্রফেশনাল ) ইংরেজি ভার্সন (২.৫+২.৫) ও বিবিএ ( বাংলা ভার্সন ),
বিএ অনার্স বাংলা ভাষা ও সাহিত্য , ইতিহাস, ইসলামিক স্টাডিজ , দর্শন, (২.৫+২.৫)
বিএসএস অনার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞান,সমাজতত্ত্ব (২.৭৫+২.৭৫)
বিবিএ ব্যতিত সবগুলো বাউবি নিজস্ব ক্যাম্পাসের পরিচালিত প্রোগ্রাম। বাউবির মূল ক্যাম্পাস গাজীপুর আর ঢাকা ক্যাম্পাস। ক্লাস ঢাকা ক্যাম্পাসে হয়।
*** বিভিন্ন সময় বাউবির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিটি বাউবির ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। bou.ac.bd
বিভাগগুলোর মধ্য কেবল বিবিএ বাংলা মাধ্যম ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয় না। কিন্তু বাকিগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্স পেতে হয়।
নিম্নে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি :
১০০ মার্কের ভর্তি পরীক্ষা হয়। সবই MCQ থাকে।
বাংলা ২৫ নম্বর : এসএসসি ও ইন্টারের বাংলা বই এবং তার ব্যাকরণ।
যেমন: ১. কারক ২. সন্ধি ৩. সমাস ৪. পদ ৫. অনুবাদ ৬. সমার্থক শব্দ ৭. বাগধারা ৮. উপসর্গ
ইংরেজি ২৫ নম্বর : এসএসসি ও ইন্টারের ইংরেজি বই ও ব্যাকরণ।
1. Parts of speech 2. Article 3. Tense 4. Narration 5. Right form of verb.6 Preposition 7. Translation 8. Synonym/ antonym 9. Phrase and idioms 10. transformation of sentence.
সাধারণ জ্ঞান ( বাংলাদেশ ) ২৫ নম্বর : বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়। উদাহরণ : বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, দিবস, ব্যক্তিত্ব ও ঘটনার সম্পর্কিত বিষয়। সাম্প্রতিক রাষ্ট্রীয় বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়াও রাষ্ট্র ও সরকার সম্পর্কে জানতে হবে।
সাধারণ জ্ঞান ( বিশ্ব ) ২৫ নম্বর : বিশ্ব সম্পর্কিত বিষয়। একই ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়ে সম্পর্কে জানতে হবে। বিভিন্ন দেশ, মূদ্রা, রাজধানী অবস্থান, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গেমস, সংস্থা, পুরস্কার ও সাম্প্রতিক আলোচিত ঘটনা সমূহ।
এছাড়াও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে ধারণা নিতে পারেন।
যারা BA/BSS ,LLB, CSE,BFSN এবং BBA তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন। ইন্টার ও এসএসসির মূল বই ভালো ভাবে জানতে হবে এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত বছরের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে ধারণা নিতে হবে।
বাউবির অনার্সে যারা ভর্তি হতে আগ্রহী তাদের প্রতি পরামর্শ হল যে : উচ্চতর জ্ঞান অর্জনের জন্য বাউবির অনার্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা । পড়াশুনা করে জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী ব্যক্তিগণ বিশেষ করা যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন তাদের জন্য উত্তম বাউবির অনার্স কোর্সে গুলো। অন্যথায় এখানে পাশ করা অত্যন্ত কঠিন। যেটি ভর্তি পরীক্ষা হতে শুরু হয়।
যারা পড়াশোনায় সময় দিতে পারবেন না ক্লাস করতে সমস্যা তাদের জন্য বিএ বিএসএস ডিগ্রি কোর্স সকল জেলা ও থানা পর্যায়ের বিভিন্ন কলেজে চালু আছে
পরামর্শ দাতা :
জহিরুল ইসলাম
বিএ ডিগ্রি
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আসুন, নতুন বছরের নতুন প্ল্যান সাজাই, প্রতিদিন এই ১৫ টি অভ্যস তৈরী করার চেষ্টা করি।
১. সকালের নাস্তা এড়িয়ে যাবেন না
২. খাবারে চিনি কমিয়ে দিন
৩. বেশি করে পানি পান করুন
৪. ঘুম উপেক্ষা করবেন না
৫. একটি নতুন দক্ষতা শিখুন
৬. ধূমপান ত্যাগ করুন
৭. একটি সুস্থ শারীরিক ওজন বজায় রাখুন
৮. আপনার ডাক্তারের কাছে যান
৯. একই লক্ষ্যের লোকেদের সাথে বন্ধুত্ব করুন
১০. বাড়িতে রান্না করা খাবার বেশি করে খান
১১. বেশি করে শাকসবজি খান
১২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
১৩. স্ব যত্ন
১৪. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাটুন
১৫. নিয়মিত নামাজ ও কুরআন তেলওয়াত করুন (মুসলীম হলে)
ইংরেজি নববর্ষ ২০২৪ সালে আমাদেরকে যেই সিন্ধান্ত নিতে হবে। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে রোগ শরীরে বাসা বাঁধার আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। তাই বছরে একবার হলেও চিকিৎসকের কাছে গিয়ে হেলথ চেকআপ করানোর অভ্যাস করুন।

@Prof. Dr. Mojibul Haque
2
হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখার সহজ উপায়
১. বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খান :
শিম ও মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই ও ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল।
২. স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি জাতীয় খাবার কমিয়ে ফেলুন :
চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কিট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।
৩. লবণকে বিদায় জানান :
দিনে সর্বোচ্চ ৬ গ্রাম (এক চা চামচের পরিমাণ) লবণ খাওয়া যেতে পারে।
৪. ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খাবেন
৫. বেশি মোটা হলে ক্যালরি কমিয়ে দিন :
চিনি, লবণ, স্যাচুরেটেড চর্বিযুক্ত খাবার কম খান
*আরো যেসব উপায়:
১. প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
২. সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম করুন।
৩. মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন।
৪. ধূমপান ছেড়ে দিন।

Md. Foyez Ahmed
Daffodil International University
Campus Representative
2👍1
পাত্র বা পাত্রীর সম্পর্কে কতটুকু তথ্য জেনেছেন?

যেসব তথ্য যাচাই করা উচিৎ :

১. মামলা মোকদ্দামা ও ক্রিমিনাল কেস যাচাই...
২. একাধিক বিয়ের তথ্য
৩. মাদকাসক্ত কিনা
৪. প্রতিবেশীর নিকট থেকে তথ্য যাচাই
৫. স্যোশাল মিডিয়া সার্ভে
৬. পরিবারের তথ্য যাচাই
৭. শিক্ষাগত তথ্য যাচাই
৮. লাইফস্টাইল ও জীবনযাপন
৯. ফ্রেন্ড সার্কেল যাচাই

এসব তথ্য যাচাই করে পাএ/পাএী নির্বাচিত করুন। বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইট এ পাবেন...Document inquiry অপশনে
"দুঃখকষ্ট/বিপদের সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বলে দুআ করতেন:
لَا ‌إِلَهَ ‌إِلَّا ‌اللهُ ‌الْعَظِيمُ ‌الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
.
' সেই আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই যিনি মহান, মহাধৈর্যশীল। সেই আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই যিনি আসমানসমূহ ও জমিনের রব, যিনি বিরাট আরশের রব।'"[১]
.
~ ইবন আব্বাস [রা.]
.
.
[ ১) ইমাম বুখারী (রাহ.), আস সহিহ, হা: ৬৩৪৫] p: 170
3
নতুন বছরে সবকিছু নতুন করে শুরু করে নিজেকে মানসিকভাবে ভালো রাখতে নিচের পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করুন:

#ব্যয়াম: প্রথমে অল্প করে ব্যয়াম শুরু করুন। সপ্তাহে ৭ দিনের পরিবর্তে ৩/৪ দিন ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করার পরিকল্পনা করুন।

#একটি_আচরণ_পরিবর্তন_করুন: একসাথে অনেকগুলো আচরণ পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়ে নিজেকে আবেগাপ্লুত না করে একটি করে আচরণ পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নতুন আচরণে অভ্যস্ত হলে আরেকটা আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করুন।

#কথা_বলুন: আপনার নিজেকে পরিবর্তনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রিয়জন বা বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সাথে কথা বলুন।

#নিজের_প্রতি_সদয়_হউন: আচরণ পরিবর্তনে কোন ভুল হলে নিজেকে ক্ষমা করুন, এবং সদয় হয়ে নিজের সবকিছুই মেনে নিন।

#সাপোর্ট_নিন: নিজে নিজে পরিবর্তন হতে সমস্যা হলে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে প্রফেশনাল সাপোর্ট নিন।

জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট।
👍3
২৭ টি শিক্ষা নিজের জীবনে প্রয়োগ করে এটাকে বরকতপূর্ণ করে নিই ইনশাআল্লাহ। বরকত লাভের উপায়ঃ—

১। কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা।
২। তাক‌ওয়া অবলম্বন করা(সূরা আরাফ-৯৬)।
৩। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে আমল করা (সূরা আন‌আম-১৫৫)।
৪। কোরআন তেলাওয়াত ও সালাত সুন্দর ভাবে আদায় করা (সূরা আন‌আম-৯২)।
৫। বেশি বেশি দান করা।
৬। আত্নীয়-স্বজনের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা।
৭। সকাল বেলা কাজ শুরু করা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকাল বেলা বরকতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।
৮। পরিবারের সদস্য ও অধিনস্তদের সালাতের তাগিদ দেয়া (সূরা ত্বহা-১৩২)।
৯। আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসা করা।
১০। বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া(সূরা নূহ-১০-১২)।
১০। সালামের ব্যাপক প্রচলন করা। পরিচিত ও অপরিচিত সবাইকে সালাম দেয়া। ঘরে প্রবেশ করার সময় সালাম দেয়া।
১২। বেচাকেনায় সততা ও সহজ উপায়ে করা। চাকরিতে সততা অবলম্বন করা। সত্য কথা বলা ও পণ্যের দোষত্রুটি পরিস্কার করে দেয়া।
১৩। মিথ্যা পুরোপুরি ছেড়ে দেয়া।
১৪। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পড়া।
১৫। আখলাককে সুন্দর করা।
১৬। অপচয় না করা।
১৭। চতুরতা ছেড়ে সহজ সরল হ‌ওয়া।
১৮। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা।
১৯। বরকতের জন্য দোয়া করা।
২০। নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা।
২১। অল্পে তুষ্ট হ‌ওয়া।
২২। মুমিনদের ভাইয়ের প্রতি ইহসান করা এবং তাদের জন্য দোয়া করা।
২৩। মা-বাবার আনুগত্য করা (শরীয়তের ভিতরে)।
২৪। মিতব্যয়ী হ‌ওয়া কিন্তু কৃপণতা না করা।
২৫। সমস্ত কাজে সুন্নাহর অনুসরণ করা।
২৬। সময়ের সদ্ব্যবহার করা।
২৭। অহংকার ও রিয়া পরিত্যগ করা।

এখানে প্রতিটি কথার পিছনে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দলিল বিদ্ধমান। সময় বাঁচাতে দলিল গুলো উল্লেখ করলাম না। কেউ চাইলে নিজেরাই তালাশ করে বের করে নিবেন।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণময় জীবন দান করুন।

~ উস্তায Abdullah Ibn Nurul Islam হাফিযাহুল্লাহ

#AbdullahIbnNurulIslam #Barakah
1🔥1
১ জন মহিলা মোডারেটর / কর্মী নিয়োগ করা হবে।

অফিসের সময়: দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
অফিসের ঠিকানা: বাড্ডা
বিজনেস টাইপ: অনলাইন বিজনেস।

স্যালারি ১২০০০ টাকা ( ১ বছর পর পর ২০০০ করে ইনক্রিমেন্ট হবে)
১ বছর কমপ্লিট হওয়ার পর ২ ইদে ৫০% করে স্যালারির উপর বোনাসও পাবেন।

✳️ শুক্রবার ছুটি থাকবে এবং বছরের ২ ইদে ছুটি দেওয়া হবে। কিছু সরকারী ছুটি দেওয়া হবে সেগুলোর তালিকা আমরা পরে দিয়ে দিবো।

✪ ইংরেজি এবং বাংলায় সাবলীল লিখতে জানতে হবে। টাইপিং-এর গতি ভালো হতে হবে।
✪ আগে স্কিন ও হেয়ারকেয়ার পেইজ/ কোম্পানীতে কাজ করে থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন।
✪ আমাদের প্রোডাক্ট নিয়ে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। (আমরা ৩-৬ মাসের প্রশিক্ষণ দিবো আপনাদের)
✪ সর্বনিম্ন ৫ বছরের পুরানো ভেরিফাইড প্রোফাইল হতে হবে এবং লক প্রোফাইল হলে হবে না বা প্রোফাইল লক করা যাবে না।
✪ অফিসে এসে কাজ করতে হবে। ২ টা স্লট আছে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা এবং দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ টা।
✪ প্রচন্ড ধৈর্যের অধিকারী হতে হবে।
✪ কাস্টমারকে অনেক সময় নিয়ে প্রোডাক্ট বুঝাতে হবে। কাস্টমার অতিরিক্ত প্রশ্ন করলেও বিরক্ত হওয়া যাবে না।
✪ ভালো ফোন এবং ল্যাপটপ থাকা আবশ্যক।
✪ আমরা যাদের মোডারেটর হিসাবে চাকরিতে নেই তাদের সর্বনিম্ন ২ বছর কাজ করতে হবে আমাদের সাথে। কারণ আমরা আপনাদের পিছনে অনেক সময় দিয়ে কাজ শিখাবো তাই ২ বছরের আগে কাজ ছাড়া যাবে না।
✪ বাড্ডা থাকে এমন কাউকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
✪ এই প্রত্যেকটা ক্যাটাগরি মেনে যারা জব করতে আগ্রহী তারা ই-মেইল করুন sbamin27@gmail.com

আবারও বলছি সর্বনিম্ন ২ বছর কাজ করতে হবে আমরা এগ্রিমেন্ট করে নিবো আপনার সাথে এবং টাইপিং এর গতি ল্যাপটপ এবং ফোনে অনেক ভালো হতে হবে।

ধন্যবাদ।
আমার ছেলের বিয়ের জন্য আমি দুইটি শর্ত নিজের উপর আরোপ করেছিলাম :

১. মেয়েকে পর্দা করতে হবে।
২. বিয়েটি সামাজিকভাবে না হয়ে শারী‘য়াহ্ অনুযায়ী হবে।

আল্লাহর রাহমাতে তাঁর এমন এক বান্দা পেয়ে গেলাম, আমি যা বলেছি তিনি শুধু হাঁ বলেছেন, কোনো কথায় দ্বিমত পোষণ করেননি।

কথা ছিলো :

* মেয়ে দেখতে ছেলে, মা ও ছোট দুইবোন ছাড়া আর কেউ যাবে না।
* কোনো রেষ্টুরেন্টে মেয়ে দেখার আয়োজন হবে না।
* গায়ে হলুদ হবে না।
* বাড়ি লাইটিং হবে না।
* আক্বদ অনুষ্ঠানে প্যাকেট হবে না।
* বিশাল অংকের মোহর হবে না।
* বর যাত্রীর নামে একজনেরও ভুঁড়িভোজ হবে না।
* আক্বদের পর বউ নিয়ে আসা হবে।
* যৌতুকের অভিশাপ হিসাবে একটি সুতা ও একটি লাকড়িও যাবে না।
* সেই রাতেই ওয়ালীমাহ্ হবে।
* বিয়ে উপলক্ষে মেয়ের বাবার একটি টাকাও খরচ হবে না।
* যে দিন আপনার মেয়ে এসে বলবে আব্বা! আমার শ্বশুর আমার ইযযাত রক্ষা করতে পারছেন না, সেদিন আপনি তার জন্য কাপড় পাঠিয়ে দেবেন।
* যে দিন আপনার মেয়ে এসে বলবে আব্বা! আমার শ্বশুর আমার খাবার দিতে পারছেন না সেদিন আপনি চাউলের বস্তা পাঠিয়ে দেবেন এর আগে নয়।

আলহামদুলিল্লাহ!
সবই পেয়ে গেলাম। আমি মেয়েকে কি দিচ্ছি এবং কয় ভরি স্বর্ণ দেয়া হবে তিনি একবারের জন্যও জানতে চাননি। উল্টে নিজে বললেন, আপনার ছেলের বউ আপনি কীভাবে সাজাবেন সেটি আপনাদের বিষয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, বিয়ের আলোচনায় কোনো পক্ষের তৃতীয় কোনো ব্যক্তি ছিলেন না। তারপরও কেউ কেউ অতি দরদী সেজে বিয়ের ভাঙানী দিতে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু দ্বীনকে অগ্রাধিকার দেয়াতে তার ভাঙানী কাজে লাগেনি। সব আমি এবং মেয়ের বাবা এমন এক সময় ঠিক করেছি যে সময় সমাজ চৌদ্দগোষ্ঠির অপেক্ষায় থেকে এবং তাদের পরামর্শে বিয়ে ভাঙছে ও গড়ছে।

[আমরা যারা আল্লাহ্'র সন্তুষ্টির জন্য বিবাহ করতে চাই, আমাদেরও এমন দৃঢ় প্রত্যয় রাখা উচিত।]

লিখেছেন : প্রফেসর আতাউর রহমান নাদভী
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (IIUC)
3
কীভাবে স্ত্রীকে নেককার হিসাবে গড়ে তুলবেন?
-
১. তাকে কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদের জন্য উৎসাহিত করবে।
২. কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৩. প্রতিটি কাজের মাসনূন দুআ, সকাল সন্ধ্যা ও নামাযের পরের আযকারগুলো আদায়ের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৪. তাকে সদাকা করার প্রতি উৎসাহিত করবে।
৫. বিভিন্ন উপকারী দীনি ও ইসলামি বই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৬. ঈমান ও আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদানকারী বিভিন্ন লেকচার ও আলোচনা শুনাবে ও তা শুনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৭. তাকে নেককার ও উত্তম সঙ্গী নির্বাচন করে দিতে হবে, যার সাথে সে বসবে, অবসর সময়ে উত্তম উত্তম কথা বলবে এবং একসাথে হাঁটতে বের হবে।
৮. তাকে খারাপ ও অকল্যাণকর বিষয় থেকে ফিরিয়ে রাখবে এবং এগুলো আসার সকল পথ বন্ধ করে দেবে। তাকে খারাপ মানুষের সাথে মিশতে দেবে না, খারাপ জায়গায় যেতে দেবে না।
------------------

একজন নেককার স্ত্রী, তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তবে একজন স্ত্রী ততক্ষণ পর্যন্ত নেককার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ৪ টি কাজ সঠিক ভাবে করতে না পারবে! পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রমজান মাসের রোজা এবং নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত (অর্থাৎ আল্লাহ্‌র বিধান অনুযায়ী পরিপূর্ণ ভাবে পর্দা করা) ও স্বীয় স্বামীর অনুগত্য করতে হবে ...
,
রাসূল ( সাঃ) বলেছেন : সম্পূর্ণ পৃথিবী সম্পদ । আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী "। ( বুখারী, মুসলিম, মিশকাত : ৩০৮৩)
,
রাসূল ( সাঃ) বলেছেন : যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজান মাসের রোজা রাখে এবং নিজের লজ্জাস্থান হেফাজত করে ও স্বীয় স্বামীর আনুগত্য করে, সে, নিজের ইচ্ছানুযায়ী জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করবে।
(আহমাদ,১৫৭৩)
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
কালেক্টেড-
1👍1
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না...
😢1
#Premarital_Screening_test

( বিয়ের আগে বর-কনে উভয়ের কি কি পরিক্ষা করা উচিৎ এবং কেনো উচিৎ??) 👩🧑

#বিঃদ্রঃ পিক ফর এটেনশন 🐸🐸 কেউ আবার এই পদ্ধতি ব্যাবহার কইরেন না 😄🤪🤪

#বিয়ের আগেই সম্ভাব্য কাপলের অর্থাৎ ছেলে (বর) এবং মেয়ে (কনে) উভয়ের কিছু নির্দিষ্ট ডাক্তারী বা মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেশনস্ (পরীক্ষা সমূহ) করা উচিৎ।

বহির্বিশ্বে এটা নিয়মিত ভাবে (রুটিনলি) প্র‍্যাকটিস হয়ে থাকে। যাকে Pre-marital Screening test বলা হয়। 🙂🙂

#টেস্ট_গুলো_হলোঃ

👉(১) Blood grouping with Rh-typing.
👉(২) Sickling test.
👉(৩) Hb. Electrophoresis
👉(৪) HIV (screening test).
👉(৫) HBsAg.
👉(৬) Anti HCV.
👉(৭) VDRL (Syphilis) (RPR),
Gonorrhea (Neisseria Gonorrhea) detection by PCR

এই পরীক্ষাগুলোর মধ্যে কয়েকটি বা সবগুলো করতে হতে পারে, তবে ডাক্তার বর-কনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনবোধে আরও কিছু টেস্ট যোগ করা হতে পারে। 😊😊

এই টেস্ট করার পর যদি কারো এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে যেটা ভবিষ্যতে বাচ্চাকেও Affect বা আক্রান্ত করার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্র উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সে বিষয়ে অবহিত করা হয়।

👉বিশেষত রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের (Consanguineous marriage) মাঝে বিয়ের ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা বেশী থাকে। যেমনঃ

(1) Sickle cell anaemia.
(2) Thalassaemia

ইত্যাদি। তাই আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে করলে পরিক্ষাগুলা করানো অনেকটা বাধ্যতামূলকই 😊😊

👉উল্লেখ্য, মেডিটারিয়ান দেশ সমূহে থ্যালাসেমিয়ার রোগীর চেয়ে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।

👉আর এশিয়ান রিজওনে সিকল সেল অ্যানিমিয়ার রোগীর চেয়ে থ্যালাসিমিয়ার রোগীর ইন্সিডেন্স বেশী।

তাই এই টেস্ট গুলো করলে অনেক ক্ষেত্রেই বেশ কিছু বংশগতভাবে ট্রান্সমিটেড ডিজিজ এভয়েড করা অনেকাংশে সম্ভব। 🙂🙂

একই সাথে ছেলে বা মেয়ের (এদিক ওদিক যাতায়াতের 😎😎) ইতিহাস গোপন থাকলেও আগ থেকেই সতর্ক হয়া যাবে। পরবর্তীতে অর্থাৎ বিবাহ পরবর্তী কোনো সমস্যা সৃষ্ট হয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ❤️❤️

HM Rukon,
Former Health_Content_Writer, 20 Minute Medical.
👍1
জেনে নিন গিয়ার লিভারের P, R, N, D, S/L এর মিনিং 🔥🔥

☑️ P (Park)
★ গিয়ার লকড হয়ে যাবে।
★চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।
★ গাড়ি পার্ক করা থাকলে, জ্যামে আটকে থাকলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ R (Reverse)
★ চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে।
★গাড়িকে পেছনের দিকে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয়।

☑️ N (Neutral)
★ চাকা সামনে পেছনে যে কোন দিকে ঘুরতে পারবে ইভেন ইঞ্জিন অফ থাকলেও।
★ খুব অল্প সময়ের জন্য ট্রাফিকে থাকলে অথবা গাড়িকে কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালু অবস্থায় স্থির রাখতে হলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ D (Drive)

★ সোজা কথায় গাড়ি চালানোর জন্য এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ S (Sport)

★লো ট্রান্সমিশনে হাই টর্ক আউটপুট দেয়।
★নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ি স্পোর্টলি চালাতে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ L (Low)

★ ট্রাকশন কন্ট্রোল বেড়ে যায়।
★ অল্প স্পীডে বেশী পাওয়ারের দরকার হলে এটা ব্যাবহার করা হয় যেমন কোন গর্ত থেকে গাড়িকে টেনে তুলতে।

☑️ OD (Over Drive)

★ খুব রাফলি চালাতে হলে OD অন করতে হয়।
★ 60 কিমি বেশী স্পীডে চললে OD অন রাখতে পারেন এটা গাড়িকে ইনস্ট্যান্ট স্পীড দিবে।

রানিং অবস্থায় D থেকে সরাসরি R দিলে কি হবেঃ
এরকম কোনোদিন হবে না। কারণ ব্রেকে পা না রাখলে গিয়ার লিভার কাজ করবে না। চলন্ত অবস্থায় শুধু D এবং S এর মাঝে যেকোনো একটায় শিফট করা যায়, অন্যগুলোতে শিফট করা যায় না।

OD অনেক গাড়িতে দেখা যায়না কেনোঃ কারন এখন অনেক গাড়িতে অটোমেটিক OD আসে। গাড়ি নিজেই ঠিক করে নেয় কখন OD তে চলবে।

#collected
দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে পতিত ব্যক্তির দোয়া। দোয়াটি আমরা অবশ্যই মুখস্থ করে নিব।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي

আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা 'হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনঝালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্‌রী, ওয়া জালা’আ 'হুঝনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!

আল্লাহ্‌ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”

রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭
সূত্র: IRD দোয়া ও রুকইয়াহ এপ
👍1
মানসিক সেবাপ্রদানকারী কি সঠিক ডিগ্রীধারী??

বাংলাদেশ মানসিক সেবা প্রদান করেন সাধারণত সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট, কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট, ট্রেইন সাইকোলজিষ্ট ও ট্রেইন ডাক্তার।
মানসিক সেবা প্রদান করতে চিকিৎসকদের জন্য বিএমডিসি আইন এবং সাইকোলজিষ্টদের জন্য রিহ্যাবলিটেশন প্রফেশনাল আইন (২০১৮) প্রযোজ্য।

#সাইকিয়াট্রিস্ট একজন মেডিকেল গ্রাজুয়েট, পরবর্তীতে মনোরোগের উপর উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।

#ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট পরবর্তীতে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেয়।

#কাউন্সিলিং সাইকোলজিষ্ট হলো একজন সাইকোলজি গ্রাজুয়েট তিনিও কাউন্সিলিং সাইকোলজিতে উচ্চতর ট্রেনিং ও ডিগ্রি নেন।

#এছাড়া মানসিক রোগে ট্রেনিংপ্রাপ্ত সাইকোলজিষ্ট ও মেডিকেল গ্রাজুয়েটগনও মানসিক রোগের চিকিৎসা করতে পারেন।

#কোন ব্যক্তির কাছে সেবা নেয়ার আগে
-তার বেসিক মেডিকেল বা সাইকোলজিতে ডিগ্রী আছে কিনা জেনে নিবেন
-পরবর্তীতে কি ট্রেনিং আছে তা জেনে নিবেন।
-উচ্চতর কি ডিগ্রি কোথা থেকে নিয়েছেন, জেনে নিবেন।
-সুপারভিশন নিয়ে কাজ করেছেন কিনা জেনে নিবেন।
-কি থেরাপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা করবেন, সেই পদ্ধতিতে তিনি কতদিন আন্ডার সুপারভিশনে কাজ করেছিলেন তা জেনে নিবেন।

#মনে রাখবেন সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা পদ্ধতি অবশ্যই গবেষণালব্ধ ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই প্রশিক্ষিত ও ডিগ্রিধারী ব্যক্তি ছাড়া এ চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না। ভুয়া ব্যক্তি হতে সাবধান থাকা আপনার দায়িত্ব । তিনি আপনার সময় ও টাকার অপচয় করবেন। বাংলাদেশের রিহ্যাবিলিটেশন প্রফেশনাল আইন-২০১৮ অনুযায়ীও এই সব ব্যক্তি মানসিক সেবা দিলে তা বে-আইনি হবে ।
(ছবি-অনলাইন থেকে নেয়া।)

জিয়ানুর কবির
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট